বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

নির্বাহী বিভাগ

মোট প্রশ্ন১১৯এই পাতা১৮প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নির্বাহী বিভাগ

PrepBank · পাতা / · ১০১১১৮ / ১১৯

১০১.
মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ এক বা একাধিক ইউনিটকে কী বলা হয়?
  1. অধিদপ্তর
  2. পরিদপ্তর
  3. সচিবালয়
  4. কার্যালয়
ব্যাখ্যা
• অধিদপ্তর:

⇒ সাধারণত মন্ত্রণালয়ের অধীন এক বা একাধিক ইউনিটকে অধিদপ্তর বলে।
⇒ অধিদপ্তরের প্রধান হলেন মহাপরিচালক।
⇒ তিনি অতিরিক্ত সচিবের মর্যাদাসম্পন্ন।

অন্যদিকে,
- অধিদপ্তরের অধীন এক বা একাধিক দপ্তরকে পরিদপ্তর বলে, যার প্রধান হলেন 'পরিচালক'।
- যিনি একজন যুগ্ম সচিব বা উপসচিবের মর্যাদাসম্পন্ন।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্ৰেণী।
১০২.
বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থায় 'জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট' পদ সৃষ্টি হয় কোন সালে?  
  1. ২০০৬ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০৮ সালে
  4. ২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা

• নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ আলাদা:
- নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের জন্য মামলা হয় ১৯৯৫ সালের ১৯ নভেম্বর। 
- এই মামলাটি 'মাসদার হোসেন বনাম বাংলাদেশ' নামে পরিচিত। 
- নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ সংক্রান্ত বিতর্কের অবসান ঘটে ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর মাজদার হোসেন মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রদত্ত রায়ের মাধ্যমে।
- ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের লক্ষ্যে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের পদ সৃষ্টি করে ফৌজদারি কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ ২০০৭ জারি করে। 
- যা ২০০৯ সালে আইনে পরিণত হয়।

উল্লেখ্য,
- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
(১) উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
(২) অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বিবিসি বাংলা ও পত্রিকা রিপোর্ট। 

১০৩.
রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে একজন প্রার্থীর বয়স কমপক্ষে কত বছর হতে হবে?
  1. কমপক্ষে ২৫ বছর
  2. কমপক্ষে ৩০ বছর
  3. কমপক্ষে ৩৫ বছর
  4. কমপক্ষে ৪০ বছর
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ হল এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা।
- সারাদেশ থেকে নির্বাচিত ৩০০ সংসদ সদস্য এবং সংরক্ষিত ৫০ জন নারী সংসদ সদস্য নিয়ে এই জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- পূর্ণ মেয়াদে প্রতি পাঁচ বছর পর পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে একজন প্রার্থীর বয়স কমপক্ষে ৩৫ বছর হতে হবে। (৪৮ এর ৪ নং অনুচ্ছেদ)
- প্রধানমন্ত্রী পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য ২৫ বছর হওয়ার শর্ত দেশের সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত।
- আইন প্রণয়ন ও সংবিধান সংশোধনের জন্য যথাক্রমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও দুই-তৃতীয়াংশ সংসদ সদস্যের সম্মতি থাকতে হয়।

উৎস: i) পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান।
১০৪.
অভ্যন্তরীণ গোলযোগের কারণে দেশের নিরাপত্তা বিনষ্ট হওয়ার উপক্রম হলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. সেনাবাহিনী
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

- অভ্যন্তরীণ গোলযোগের কারণে দেশের নিরাপত্তা বা শান্তি বিনষ্ট হওয়ার উপক্রম হলে রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন।

রাষ্ট্রপতি: 

- রাষ্ট্রপতি হলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান।
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের ভোটে নির্বাচিত হন।
- তাঁর কার্যকাল পাঁচ বছর।
- রাষ্ট্রপতি পুনঃনির্বাচিত হতে পারেন। তবে একাদিক্রমে হউকবা না হউক কোনো ব্যক্তি দুই মেয়াদের বেশি রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত থাকতে পারেন না।
- সংবিধান লঙ্ঘন বা গুরুতর কোনো অভিযোগে জাতীয় সংসদ অভিশংসনের (অপসারণ পদ্ধতি) মাধ্যমে তাঁকে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই অপসারণ করতে পারে।
- যুদ্ধ বা অন্য দেশ কর্তৃক আক্রান্ত হলে বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের কারণে দেশের নিরাপত্তা বা শান্তি বিনষ্ট হওয়ার উপক্রম হলে রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন
- তবে এ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি প্রয়োজন হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, ৫৭ পৃষ্ঠা।

১০৫.
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়?
  1. নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়
  2. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  3. যোগাযোগ মন্ত্রণালয়
  4. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড:
-‘কোস্ট গার্ড এ্যাক্ট ১৯৯৪’ মহান জাতীয় সংসদে পাশ করার মাধ্যমে বাংলাদেশে কোস্ট গার্ড গঠন করা হয়।
- এবং ১৯৯৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারিতে "GUARDIAN AT SEA" মূলমন্ত্রে  একটি আধাসামরিক স্বতন্ত্র বাহিনী হিসাবে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড তার যাত্রা শুরু করে।

- এ বাহিনীর কার্যাবলীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে,
- বাংলাদেশের জাতীয় জলসীমা ও উপকূলীয় অঞ্চলে জলদস্যুতা দমন,
- মাদকদ্রব্য পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধ,
- মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ,
- সমুদ্রবন্দরের নিরাপত্তা প্রদান,
- প্রাকৃতিক দূর্যোগকালে উপকূলীয় এলাকায় ত্রাণ ও উদ্ধার কাজ পরিচালনা
- এবং তেল, গ্যাস ও বনজ সম্পদ রক্ষাসহ উপকূলীয় পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ।
- কোস্ট গার্ডের প্রধানকে মহাপরিচালক বলা হয়।
- বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত প্রতিষ্ঠান।

তথ্যসূত্র: কোস্ট গার্ড ওয়েবসাইট।

১০৬.
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় নির্বাহী বিভাগের মূল দায়িত্ব কোনটি?
  1. আইন কার্যকর
  2. আইন প্রণয়ন
  3. সংবিধান সংশোধন
  4. আইন ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা

♦নির্বাহী বিভাগ:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় আইনসভা, নির্বাহী ও বিচার বিভাগ পৃথক ক্ষমতার কাঠামো হিসেবে কাজ করে।
• আইনসভা আইন প্রণয়ন করে,
• বিচার বিভাগ আইনের ব্যাখ্যা দেয়,
•আর নির্বাহী বিভাগ আইন কার্যকর করে।
----------------------------------------
- নির্বাহী বিভাগের মূল দায়িত্ব হলো আইন বাস্তবায়ন করা।
- তারা আইন প্রণয়ন বা ব্যাখ্যার কাজ করে না—এগুলোর দায়িত্ব যথাক্রমে আইনসভা ও বিচার বিভাগের।
- নির্বাহী বিভাগ মূলত প্রশাসন পরিচালনার মাধ্যমে রাষ্ট্রের কার্যক্রম সচল রাখে।
--------------------------------------------
♦নির্বাহী বিভাগের প্রধান দায়িত্বসমূহ:
- আইন বাস্তবায়ন: আইনসভায় পাস হওয়া আইন কার্যকর করে জনগণের জীবনে প্রয়োগ করা।
- রাষ্ট্র পরিচালনা: রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভা মিলে দেশের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- নীতি বাস্তবায়ন: সরকারের গৃহীত নীতি, নির্দেশনা ও সিদ্ধান্ত কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা।
- স্থিতিশীলতা রক্ষা: আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
- নির্বাহী বিভাগের অধীন বিস্তৃত প্রশাসনিক কাঠামো দেশের সর্বত্র আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সহায়তা করে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৭.
বাংলাদেশে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ আলাদা হয় কত তারিখে? 
  1. ১ জানুয়ারি ২০০৭
  2. ১৫ আগস্ট ২০০৭
  3. ১ নভেম্বর ২০০৭
  4. ২৬ মার্চ ২০০৭
ব্যাখ্যা

 • নির্বাহী বিভাগ:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। 
- এর মূল লক্ষ্য হলো বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।
- যদিও এই ধারাটি সংবিধানে অনেক আগে থেকেই অন্তর্ভুক্ত ছিল, কিন্তু
 - বাস্তবে এটি কার্যকর করা হয় ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর, মাসদার হোসেন মামলার রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে।

উল্লেখ্য, 
- ২০০৭ সালে পৃথক করা হলেও এতদিন বিচার বিভাগ কার্যত নির্বাহী বিভাগের অধীনে থেকে কাজ করত।
- জুলাই–আগস্ট ২০০৭ সালে অভ্যুত্থানের পর জনগণের মধ্যে স্বাধীন বিচার বিভাগের প্রতি আশাবাদ জন্মায়।
- এরপর প্রথমবারের মতো তরুণ বিচারকদের সমন্বয়ে গঠিত ‘ইয়ং জাজেস ফর জুডিশিয়াল রিফর্ম’ তাদের ১২ দফা দাবি ঘোষণা করে। -
- যার মধ্যে প্রথম দফা ছিল সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় গঠন।
- পরবর্তীতে, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫ আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রপতির নির্দেশে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ ২০২৫ জারি করে।
- এর ফলে আদালত নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নিজস্ব প্রশাসনিক কাঠামো পায়।
- এই সচিবালয়ের নিয়ন্ত্রণ থাকবে প্রধান বিচারপতির হাতে, এবং প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে একজন সচিব নিয়োগপ্রাপ্ত হবেন।
- অধস্তন সব আদালতের বিচারকের নিয়োগ, পদায়ন ও বদলিও এই সচিবালয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

১০৮.
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় নির্বাহী বিভাগের প্রধান কাজ কী?  
  1. আইন বাস্তবায়ন করা
  2. নতুন আইন প্রণয়ন করা
  3. সংবিধান সংশোধন করা
  4. বিচার বিভাগীয় সিদ্ধান্ত দেওয়া
ব্যাখ্যা

• নির্বাহী বিভাগ:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় আইনসভা, নির্বাহী ও বিচার বিভাগ পৃথক ক্ষমতার কাঠামো হিসেবে কাজ করে।
• আইনসভা আইন প্রণয়ন করে,
• বিচার বিভাগ আইনের ব্যাখ্যা দেয়,
•আর নির্বাহী বিভাগ আইন কার্যকর করে।

- নির্বাহী বিভাগের মূল দায়িত্ব হলো আইন বাস্তবায়ন করা।
- তারা আইন প্রণয়ন বা ব্যাখ্যার কাজ করে না—এগুলোর দায়িত্ব যথাক্রমে আইনসভা ও বিচার বিভাগের। 
- নির্বাহী বিভাগ মূলত প্রশাসন পরিচালনার মাধ্যমে রাষ্ট্রের কার্যক্রম সচল রাখে।

• নির্বাহী বিভাগের প্রধান দায়িত্বসমূহ: 
- আইন বাস্তবায়ন: আইনসভায় পাস হওয়া আইন কার্যকর করে জনগণের জীবনে প্রয়োগ করা।
- রাষ্ট্র পরিচালনা: রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভা মিলে দেশের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- নীতি বাস্তবায়ন: সরকারের গৃহীত নীতি, নির্দেশনা ও সিদ্ধান্ত কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা।
- স্থিতিশীলতা রক্ষা: আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
- নির্বাহী বিভাগের অধীন বিস্তৃত প্রশাসনিক কাঠামো দেশের সর্বত্র আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সহায়তা করে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।   

১০৯.
সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব অনুসারে, অন্তর্বর্তী সরকারের সর্বোচ্চ মেয়াদ কত দিন হবে? 
  1. ৬০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ৭৫ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা

- সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব অনুসারে, অন্তর্বর্তী সরকারের সর্বোচ্চ মেয়াদ ৯০ দিন হবে।

অন্তর্বর্তী সরকার: 
- কমিশন আইনসভার মেয়াদ শেষ হবার পরে কিংবা আইনসভা ভেঙ্গে গেলে পরবর্তী নির্বাচিত সরকার শপথ না নেয়া পর্যন্ত, একটি অন্তর্বর্তী সরকার নিয়োগের সুপারিশ করছে;
- এই সরকারের প্রধান 'প্রধান উপদেষ্টা' বলে অভিহিত হবেন।
- আইনসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৫ (পনের) দিন পূর্বে অথবা আইনসভা ভেঙ্গে গেলে,
- পরবর্তী অন্যূন ১৫ দিনের মধ্যে প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে হবে।
- প্রধান উপদেষ্টা সর্বোচ্চ ১৫ (পনের) সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পরিষদের মাধ্যমে কার্য পরিচালনা করবেন।
- অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) দিন হবে,
- তবে যদি নির্বাচন আগে অনুষ্ঠিত হয় তবে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী শপথ গ্রহণমাত্র এই সরকারের মেয়াদের অবসান ঘটবে।

উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন [লিঙ্ক]

১১০.
জেলা প্রশাসকদের কাজ তদারক করেন কে?
  1. বিভাগীয় কমিশনার
  2. জেলা পুলিশ সুপার 
  3. জেলা মেয়র
  4. স্থানীয় সংসদ সদস্য
ব্যাখ্যা

বিভাগীয় প্রশাসন: 
- বাংলাদেশে আটটি বিভাগ আছে।
- প্রতিটি বিভাগের প্রশাসনিক প্রধান হলেন একজন বিভাগীয় কমিশনার।
- কেন্দ্রের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি বিভাগের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি তাঁর কাজের জন্য কেন্দ্রের নিকট দায়ী থাকেন।
- বিভাগীয় কমিশনার জেলা প্রশাসকদের কাজ তদারক করেন।
- বিভাগের উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন ও তত্ত্বাবধান করেন।
- ভূমি রাজস্ব আদায়ের ব্যবস্থা করেন ও খাসজমির তদারক করেন।
- বিভাগের ক্রীড়া উন্নয়ন, শিল্পকলা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির উন্নয়নে কাজ করেন।
- জনকল্যাণ ও সেবামূলক কাজ পরিচালনা করেন।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, ৬৪ পৃষ্ঠা।

১১১.
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবার ন্যূনতম বয়স কত?
  1. ৩০ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ৪০ বছর
  4. ৩৫ বছর
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী: 
- প্রধানমন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার প্রধান।
- সংবিধানের ৫৫ ও ৫৬ নং ধারা মতে, প্রধানমন্ত্রী পদায়িত হবেন মন্ত্রিপরিষদের শীর্ষে।
- তিনি তাঁর মন্ত্রিপরিষদের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী নির্বাচন করেন।
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবার জন্য ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর হতে হবে।
- সংবিধান অনুসারে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রকৃত নির্বাহী।
- জাতীয় সংসদের নির্বাচনের পর সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মনোনীত ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন।
- প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রধান পরিষদ অর্থাৎ মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
- পঞ্চম ভাগের ৬৬ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী -
(১) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হলে এবং তাঁর বয়স — পঁচিশ বৎসর পূর্ণ হলে বিধান-সাপেক্ষে তিনি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হবার এবং সংসদ-সদস্য থাকার যোগ্য হবেন।

• যেহেতু সংসদের সংখ্যা গরিষ্ঠ দলের সদস্য হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন,
- তাই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স — ২৫ বছর।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১২.
বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন দেশের কততম প্রধান নির্বাচন কমিশনার?
  1. ১৪তম
  2. ১৫তম
  3. ১৩তম
  4. ১২তম
ব্যাখ্যা

- বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন দেশের ১৪ তম প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
-
জনাব এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর তারিখে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন:
- বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এম এম নাসির উদ্দীন।
- তিনি ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর তারিখে বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
- অন্য চার নির্বাচন কমিশনার হলেন:
- অতিরিক্ত সচিব (অবসরপ্রাপ্ত) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার,
- জেলা ও দায়রা জজ (অবসরপ্রাপ্ত) আবদুর রহমানেল মাসুদ,
- যুগ্ম সচিব (অবসরপ্রাপ্ত) বেগম তহমিদা আহমদ এবং
- ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

উল্লেখ্য, 
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে।
- নির্বাচন কমিশনের প্রধানকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলা হয়ে থাকে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চার জন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকবে।
- সংবিধানের বিধানবলী সাপেক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কোন নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদ তাঁর কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সকল কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নিয়োগ প্রদান করেন।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট। এবং বিবিসি বাংলা নিউজ।

১১৩.
নিচের কোন বিভাগের অধ্যাদেশ জারি করার ক্ষমতা রয়েছে?  
  1. বিচার বিভাগ
  2. আইন বিভাগ
  3. শাসন বিভাগ
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

• অধ্যাদেশ :
- অধ্যাদেশ জারি করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশ সংবিধানে মােট ১১টি ভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে পঞ্চম ভাগে আইনসভা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- পঞ্চম ভাগের ৩য় পরিচ্ছেদের ৯৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ পদাধিকারী ব্যক্তি হলেন রাষ্ট্রপতি।
- তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সকল সম্মানের উৎস। 
- সংসদীয় পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকার রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আইন অনুসারে সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হবেন।

• সুতরাং অধ্যাদেশ জারি করতে পারে শাসন বিভাগ। 

তথ্যসূত্র:  বাংলাদেশের সংবিধান এবং পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১১৪.
বাংলাদেশে সম্প্রতি গঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে মোট কতজন সদস্য রয়েছেন? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ৫ জন
  2. ৭ জন
  3. ৯ জন
  4. ১১ জন
ব্যাখ্যা
জাতীয় ঐকমত্য কমিশন:
- ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে ৭ সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার।
- কমিশনের সভাপতি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- সহ-সভাপতি হিসেবে আছেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক ড. আলী রিয়াজ।
- এই কমিশনের মেয়াদ হবে ৬ মাস।

কমিশনের অন্য সদস্যরা হলেন-
জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন প্রধান আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী, পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রধান সফর রাজ হোসেন, নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের প্রধান বিচারপতি এমদাদুল হক এবং দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. ইফতেখারুজ্জামান।

উদ্দেশ্য:
কমিশন আগামী নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনব্যবস্থা, পুলিশ, বিচার বিভাগ, জনপ্রশাসন, সংবিধান ও দুর্নীতি দমন বিষয়ে সংস্কারের জন্য গঠিত কমিশনগুলোর সুপারিশগুলো বিবেচনা করবে। এছাড়া কমিশন জাতীয় ঐকমত্য গঠনের জন্য রাজনৈতিক দল ও শক্তিগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে।

তথ্যসূত্র: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট। [Link]
১১৫.
Rules of Business কে প্রণয়ন করেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সংসদ
  4. মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে অবস্থান করেন।
- সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বিদ্যমান থাকায় বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি একটি অলংকারিক পদ মাত্র।
- কেবল প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ব্যতীত অন্যান্য সকল বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর পূর্বানোমোদন প্রয়োজন হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে নিয়োগ লাভের জন্য তাঁকে ৩৫ বছর বয়স্ক হতে হবে।
- একই সাথে সংসদ সদস্য হবার যোগ্যতাও থাকতে হবে।
- সংসদে অভিশংসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে পদচ্যুত করা যায়।
- রাষ্ট্রপতি সরকারি কার্যাবলি বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ (Rules of Business) প্রণয়ন করেন।
- ৫৫(৬) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করবেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশের সংবিধান।
১১৬.
কার নেতৃত্বে দেশের নির্বাহী কার্যক্রম পরিচালিত হয়? 
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সেনাবাহিনীর প্রধান 
  4. জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা

প্রধানমন্ত্রী: 
- বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এ ব্যবস্থায় দেশের সরকার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশের নির্বাহী কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এছাড়াও,
- যে সংসদ-সদস্য জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রতীয়মান তাঁকে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন।
- সংবিধান মোতাবেক প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি স্বীয় পদে বহাল থাকবেন।
- তবে সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারালে প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয় কিংবা সংসদ ভেঙে দেবার জন্য রাষ্ট্রপতিকে লিখিতভাবে পরামর্শ দান করতে হয়।
- প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে তাঁর মন্ত্রিসভাও ভেঙে যায়।
- তাই প্রধানমন্ত্রীকে সরকারের স্তম্ভ বলা হয়।
- তিনি একইসাথে সংসদের নেতা ও সরকারপ্রধান।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১১৭.
কত সালে 'নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল' গঠিত হয়?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৩ সালে
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল:
- ২০০০ সালে 'নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল' গঠিত হয়।

⇒ নারীর প্রতি সহিংসতা, নির্যাতন ও নিপীড়নের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার জন্য ২০০০ সালে সরকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন করে। 
- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ হলো নারী ও শিশু নির্যাতনমূলক অপরাধসমূহ কঠোরভাবে দমনের উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০। 
১১৮.
'সরকার' রাষ্ট্র গঠনের কততম উপাদান?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
ব্যাখ্যা
- রাষ্ট্র গঠনের তৃতীয় উপাদান হচ্ছে - সরকার।

• রাষ্ট্র:
- আদিম মানুষ প্রথমে গোত্রভিত্তিক বসবাস করতো। সময়ের বিবর্তনে একসময় রাষ্ট্রের উৎপত্তি হয়।
- রাষ্ট্রের সৃষ্টিকারী মূলত মানুষই।
- রাষ্ট্রে বসবাসকারী জনগণকে রাষ্ট্রের নাগরিক বলা হয়।
- প্রত্যেক নাগরিককে রাষ্ট্রের সমস্ত নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হয়।
- সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ ও অত্যাবশ্যকীয় উপাদান।
- এটি রাষ্ট্রের চরম, পরম ও সর্বোচ্চ ক্ষমতা।

• রাষ্ট্রের উপাদান:
রাষ্ট্রের সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করলে রাষ্ট্রের ৪টি উপাদান পাওয়া যায়।

যথা: 
(ক) জনসমষ্টি,
(খ) নির্দিষ্ট ভূখণ্ড,
(গ) সরকার,
(ঘ) সার্বভৌমত্ব।

উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।