ব্যাখ্যা
সৌদি আরব:
- আরব উপদ্বীপের সুবিশাল অংশজুড়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবের অবস্থান।
- ভূখণ্ডের দিক থেকে এশিয়ার পঞ্চম বৃহৎ রাষ্ট্র সৌদি আরব।
- এর উত্তরে জর্দান ও ইরাক, উত্তর-পূর্বে কুয়েত, কাতার ও বাহরাইন, পূর্বে সংযুক্ত আরব আমিরাত, দক্ষিণ-পূর্বে ওমান এবং দক্ষিণে ইয়েমেন।
- এটিই একমাত্র দেশ যেখানে লোহিত সাগর ও পারস্য সাগরের উপকূল রয়েছে।
- দেশটির বেশির ভাগ ভূখণ্ডই মরুভূমি ও পার্বত্যময়।
- ১৯৩২ সালে ইবনে সাউদ সৌদি আরবে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।
- সৌদি আরব দুই পবিত্র মসজিদের ভূমি হিসেবেও পরিচিত (মক্কা এবং মদিনা)।
- তেল-গ্যাসের বিশাল মজুদ রয়েছে সৌদি আরবে।
- দেশটির সমৃদ্ধির প্রধান কারণ এটিই।
- রাজধানী ও সবচেয়ে বড় শহর: রিয়াদ।
- দাপ্তরিক ভাষা : আরবি।
- মুদ্রা: সৌদি রিয়াল।
- জাতিসংঘে যোগদান: ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫।
- সৌদি আরবের কোনো আইনসভা ও সংবিধান নেই।
- সৌদি আরবই একমাত্র দেশ যার পতাকায় কালেমা লেখা আছে।
- পৃথিবীতে একমাত্র সৌদি আরবের পতাকা কখনো অর্ধনমিত করা হয় না।
⇒ সৌদি আরবে আমেরিকান সৈন্য:
- সৌদি আরবে তেল আবিষ্কৃত হওয়ার পরে এটি দ্রুত সম্পদশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- সৌদি আরবের জনসংখ্যা কম হওয়ায় সশস্ত্রবাহিনীতে যোগদানের উপযুক্ত লোকের সংখ্যাও ছিল কম, ফলে সৌদি সশস্ত্রবাহিনী সংখ্যাগত দিক থেকে ছিল বেশ দুর্বল।
- সৌদি সশস্ত্রবাহিনীতে দুটি জিনিসের ঘাটতি ছিল– প্রশিক্ষণ এবং সৈন্যসংখ্যা।
- সৌদি আরবের উত্তরাঞ্চলীয় প্রতিবেশী রাষ্ট্র ইরাকের সৌদি আরবকে আক্রমণ করার সামর্থ্য ছিল।
- ইরাক ও কুয়েতের মধ্যে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়।
- ইরাক কুয়েতকে ঐতিহাসিকভাবে ইরাকি ভূমি হিসেবে বিবেচনা করত।
- সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে অবস্থিত তেলক্ষেত্রগুলোর মধ্যে কয়েক মাইল বালি ছাড়া আর কোনো বাধা ছিল না।
- এমতাবস্থায় ইরাকি ট্যাঙ্কবহর যদি সৌদি সীমান্ত অতিক্রম করে সৌদি তেলক্ষেত্রগুলোর দিকে ধাবিত হতো, সৌদি আরবের পক্ষে কিছুই করা সম্ভব হতো না।
- সৌদি আরবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তাদের কাছে একটি পথই খোলা ছিল।
- সেটি হলো সৌদি আরবের মাটিতে মার্কিন সৈন্য মোতায়েন করা।
- এছাড়াও অন্য একটি কারণ হল স্বল্পমূল্যে জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করা।
- এজন্য সৌদি আরব আমেরিকান সৈন্য মোতায়েন করেছিল।
উৎস: Britannica.