বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা

মোট প্রশ্ন১,৮৩৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা

PrepBank · পাতা / ১৯ · ৮০১৯০০ / ১,৮৩৫

৮০১.
বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থায় মন্ত্রিপরিষদ কার কাছে দায়বদ্ধ?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. জাতীয় সংসদ 
  3. প্রধান বিচারপতি 
  4. জনগণ 
ব্যাখ্যা

• সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা:
- বাংলাদেশের সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় সরকার এবং মন্ত্রিসভার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- তার নেতৃত্বেই সরকারের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হয়।
- এজন্যে তাকে 'সরকারের স্তম্ভ' হিসেবে অভিহিত করা।
- তিনি জাতীয় সংসদের নেতা।
- তার নেতৃত্বে জাতীয় সংসদে আইন প্রণীত হয় এবং তার পরামর্শেই রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করে থাকেন।
-  আইন সভায় মূলত জাতীয় সংসদের সদস্যরাই উপস্থিত থাকে এবং তাদের নিয়েই সরকার গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৫৫ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকে। 
- অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দকে শাসন বিভাগের যাবতীয় কর্মকান্ডের জন্য জাতীয় সংসদের নিকট জবাবদিহি করতে হয়।
- জবাবদিহিতার এই বিষয়টি বিদ্যমান থাকায় সরকারকে সদা জনগণের কল্যাণে নিয়োজিত থাকতে হয়।
- অনেকক্ষেত্রে, সরকারের ভুল-ত্রুটি শুধরে দিতেও জাতীয় সংসদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

তথ্যসূত্র:
i) পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮০২.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ -
  1. ক) NEC
  2. খ) NICAR
  3. গ) ECNEC
  4. ঘ) BSEC
ব্যাখ্যা

• জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ যার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
• জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় জাতীয় নীতি ও উদ্দেশ্য সম্বলিত উন্নয়ন কর্মসূচি অনুমোদনের জন্য দেশের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ।
• বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনাসহ সরকারের বিভিন্ন মেয়াদী উন্নয়ন বা অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।

তথ্যসূত্র:- পরিকল্পনা কমিশন ও বাংলাপিডিয়া।

৮০৩.
বাংলাদেশের আইন কমিশনের প্রথম নারী চেয়ারম্যান কে?
  1. বিচারপতি জিনাত আরা
  2. বিচারপতি তাসনিম রেজা
  3. বিচারপতি নাঈমা হায়দার
  4. বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা
ব্যাখ্যা
আইন কমিশনের প্রথম নারী চেয়ারম্যান:
- আইন কমিশনের প্রথম নারী চেয়ারম্যান হন বিচারপতি জিনাত আরা।
- ২ অক্টোবর, ২০২৪ তারিখে আইন কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়ে আইন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
- প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‌‘আইন কমিশন আইন, ১৯৯৬ (১৯৯৬ সনের ১৯ নং আইন) এর ধারা ৫ এর উপ-ধারা (১) ও (২)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে, সরকার, সাবেক বিচারপতি জিনাত আরাকে নিয়োগের তারিখ হইতে পরবর্তী ০৩ (তিন) বৎসরের জন্য আইন কমিশনের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ করেছে।

উল্লেখ্য,
- বিচারপতি জিনাত আরা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের দ্বিতীয় নারী বিচারপতি ছিলেন। 
- ২০০৩ সালে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে হাইকোর্টে নিয়োগ পান।
- ২০০৫ সালে তিনি হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হন।
- এরপর ২০১৮ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ শেষে ২০২০ সালে অবসরে যান বিচারপতি জিনাত আরা।
- অন্যদিকে, আপিল বিভাগের প্রথম নারী বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি নাজমুল আরা সুলতানা।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৮০৪.
”সততার সাথে ভোট দান” নাগরিকের কী ধরনের কর্তব্য?
  1. আইনগত কর্তব্য
  2. মৌলিক কর্তব্য
  3. নৈতিক কর্তব্য
  4. বিবিধ কর্তব্য
ব্যাখ্যা

• অধিকার ভোগ করতে গিয়ে নাগরিকরা যেসব দায়িত্ব পালন করে, তাকে কর্তব্য বলে।
- নাগরিকের কর্তব্যকে দুভাগে ভাগ করা যায়।

• নৈতিক কর্তব্য:
- নৈতিক কর্তব্য মানুষের বিবেক এবং সামাজিক নৈতিকতা বা ন্যায়বোধ থেকে আসে এবং সামাজিক নৈতিকতা বা ন্যায়বোধ থেকে সৃষ্টি হওয়ায় এগুলোকে নৈতিক কর্তব্য বলে।
-যেমন-
- নিজে শিক্ষিত হওয়া 
- সন্তানদের শিক্ষিত করা,
- সততার সাথে ভোট দান,
- রাষ্ট্রের সেবা করা, 
- বিশ্বমানবতার সাহায্যে এগিয়ে আসা। 

• আইনগত কর্তব্য:
- রাষ্ট্রের আইন দ্বারা আরোপিত কর্তব্যকে আইনগত কর্তব্য বলে।
যেমন-
- রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য,
- আইন মানা,
- কর প্রদান করা,

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৮০৫.
মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট সদস্য সংখ্যা সর্বাধিক কত সংখ্যক হতে পারে?
  1. ক) এক-পঞ্চমাংশ
  2. খ) এক-দশমাংশ
  3. গ) এক-তৃতীয়াংশ
  4. ঘ) এক-চতুর্থাংশ
ব্যাখ্যা
- সংবিধান অনুসারে জাতীয় সংসদের সদস্যদের সমন্বয়ে মন্ত্রিসভা গঠিত হয়ে থাকে। তবে সংসদ সদস্য নয় এমন ব্যক্তিরাও মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন।
- মন্ত্রিসভায় সংসদ সদস্য নয় এমন ব্যক্তিদের সংখ্যা এক-দশমাংশের বেশি হতে পারবে না। এরা ‘টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী’ নামে পরিচিত।
(তথ্যসূত্রঃ পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৮০৬.
ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রথম মেয়র (মনোনীত) হিসেবে দায়িত্ব পান কে?
  1. আবুল হাসনাত
  2. মোহাম্মদ হানিফ
  3. অলিউল ইসলাম
  4. সাদেক হোসেন খোকা
ব্যাখ্যা
- ১৯৯০ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের নাম পরিবর্তন করে ঢাকা সিটি করপোরেশন নামকরণ করা হয়।
- ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত সিটি করপোরেশনের প্রথম মেয়র (মনোনীত) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 
- ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালে এবং ভোটারদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন মোহাম্মদ হানিফ।
- অবিভক্ত ঢাকা সিটিতে ভোটারদের প্রত্যক্ষ ভোটে দ্বিতীয় মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন সাদেক হোসেন খোকা।
- ২০১২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন যাত্রা শুরু করে।
- বিভক্ত দুই সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল।
- এই ভোটে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন জনাব মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।

উৎস: ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৮০৭.
বান্দরবানে কয়টি সংসদীয় আসন রয়েছে? 
  1. ১টি 
  2. ২টি 
  3. ৩টি 
  4. ৪টি 
ব্যাখ্যা
- বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- জাতীয় সংসদের ৩০০নং আসন হলো বান্দরবান।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন সংখ্যা ৩০০টি।
- ১ নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- সর্বোচ্চ ২০টি আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।

সূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
৮০৮.
জাতীয় স্মৃতিসৌধটি কবে উদ্বোধন করা হয় ?
  1. ক) ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি
  2. খ) ১৯৮১ সালের ২৬ মার্চ
  3. গ) ১৯৮২ সালের ১৬ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ১৯৮৩ সালের ২৬ মার্চ
ব্যাখ্যা
জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ সাভারে অবস্থিত।
- এর নকশা প্রণয়ন করেছেন স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- এখানে মুক্তিযুদ্ধে নিহতদের দশটি গণকবর রয়েছে। বিদেশি রাষ্ট্রনায়কগণ সরকারিভাবে বাংলাদেশ সফরে আগমন করলে এই স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন রাষ্ট্রাচারের   অন্তর্ভুক্ত।
- স্বাধীনতা আন্দোলনের পরিক্রমা বা পর্যায় হিসেবে সাতটি ঘটনাকে বিবেচনা করে সৌধটি নির্মিত হয়েছে।
- ১৯৭২ এর ১৬ই ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান জাতীয় স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- ১৯৮২ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হোসেন মুহাম্মাদ এরশাদ এর উদ্বোধন করেন।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো ও বাংলাপিডিয়া।
৮০৯.
জাতীয় সংসদের ১ নং আসন কোথায়?
  1. ক) দিনাজপুর
  2. খ) বরিশাল
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংসদীয় আসন: 
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন সংখ্যা ৩০০টি।
- জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন হলো বান্দরবান।
- ১ নং আসন হলো পঞ্চগড়-১
- বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- সর্বোচ্চ ২০টি আসন রয়েছে ঢাকা জেলায় ৷

উৎস: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।
৮১০.
সম্প্রতি, কোন মন্ত্রণালয় বাংলাদেশে ‘সমন্বিত অনলাইন সত্যায়ন ব্যবস্থাপনা’ কার্যক্রম চালু করেছে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. ভূমি মন্ত্রণালয়
  3. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  4. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
সমন্বিত অনলাইন সত্যায়ন ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম:
- বিভিন্ন সনদ সত্যায়ন প্রক্রিয়াকে দ্রুততর, সহজ ও সাশ্রয়ী করার লক্ষ্যে ‘সমন্বিত অনলাইন সত্যায়ন ব্যবস্থাপনা’ কার্যক্রম চালু করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
- বিশেষ করে চাকরি, শিক্ষা বা অন্যান্য প্রয়োজনে বিদেশ গমনেচ্ছু বাংলাদেশি নাগরিকদের সুবিধার্থে এই সেবা চালু করা হয়।
- অ্যাপোস্টিল কনভেশন, ১৯৬১ এর পক্ষভুক্ত দেশ বাংলাদেশ এবং এর নিয়ম মেনে অনলাইনে এ সত্যায়ন করা হবে।
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাবলিক ডকুমেন্টের সত্যায়নের সনদ হিসেবে 'ই-অ্যাপোস্টিল সার্টিফিকেট' প্রদান করবে।

উল্লেখ্য,
- এই সেবার ফলে ঢাকাস্থ বিদেশি দূতাবাস এবং বিদেশে গমনের পর সেই দেশে অবস্থিত অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের নিকট হতে তাদের ডকুমেন্টসমূহ আর সত্যায়ন করতে হবে না।
- এছাড়া অ্যাপোস্টিল সার্টিফিকেট এ বিদ্যমান QR Code স্ক্যান করে বিশ্বের যে কোনো স্থান হতে সত্যায়নকৃত কাগজপত্রের উৎপত্তির সঠিকতা যাচাই করা যাবে।

তথ্যসূত্র- বাসস। [Link]
৮১১.
দেশের ১৪তম প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে? (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
  1. এ এম এম নাসির উদ্দীন
  2. এ এম এম জামাল উদ্দীন
  3. এ কে এম জমির উদ্দীন
  4. এ এম এম ফয়সাল আহমেদ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮ এর আওতায় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন স্থাপিত হয়েছে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চার জন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে।
- জনাব এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর তারিখে বাংলাদেশের ১৪তম প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।

• নতুন কমিশনে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে থাকছেন:
- সাবেক অতিরিক্ত সচিব আনোয়ারুল ইসলাম সরকার,
- সাবেক জেলা ও দায়রা জজ আবদুর রহমানেল মাসুদ,
- সাবেক যুগ্ম সচিব বেগম তহমিদা আহমদ
- অবসরারপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

উৎস: বিডিনিউজ২৪ ও নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট।
৮১২.
ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য কতজন?
  1. ৩ জন
  2. ৫ জন
  3. ৭ জন
  4. ৯ জন
ব্যাখ্যা
ইউনিয়ন পরিষদের গঠন:
- একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- চেয়ারম্যান ১ জন।
- নির্বাচিত সদস্য ৯ জন।
- সংরক্ষিত নারী সদস্য ৩ জন।
- ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে।
- প্রতি তিন ওয়ার্ড থেকে একজন মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।
- কার্যালয় পরিচালনার জন্য এক জন সচিব নিয়োগ করা হয়।
- ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর, সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ করা যায়।
- ইউনিয়ন পরিষদের সকলেই সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮১৩.
Who is the 'Head of the State' of Bangladesh?
  1. ক) President
  2. খ) Prime Minister
  3. গ) Speaker
  4. ঘ) none
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে চালু সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকারি মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- তিনি বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রধান৷ তবে সরকার প্রধান এবং রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারি প্রধানমন্ত্রী।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকারি জাতীয় সংসদের স্পিকার।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৮১৪.
ISPR-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Inter Services Public Relations
  2. International Security & Peace Research
  3. Internal Services Protection Regulation
  4. Intelligence and Strategic Planning Resource
ব্যাখ্যা

ISPR:
- ISPR-এর পূর্ণরপ: Inter-Services Public Relations বা আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর ।
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) স্বাধীনতার অব্যবহিত পরে ১৯৭২ সালে সশস্ত্র বাহিনী এবং অন্যান্য আন্তঃবাহিনী সংস্থার প্রচার ও জনসংযোগ কাজ পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রপতির আদেশবলে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- আইএসপিআর অফিস ভবন: পুরাতন লগ এরিয়া সদর দপ্তর ভবন, ঢাকা সেনানিবাস।
- এর প্রধান কাজ:  সশস্ত্র বাহিনী এবং অন্যান্য সংস্থার কার্যক্রম বিভিন্ন প্রচার মাধ্যম যেমন সংবাদপত্র, বেতার এবং টেলিভিশনে সঠিকভাবে উপস্থাপন এবং প্রচারণার উদ্দেশ্যে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করা এবং বাস্তবায়ন  নিশ্চিত করা।

উৎস: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৮১৫.
পার্বত্য চট্টগ্রামে কতটি সংসদীয় আসন রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা

সংসদীয় আসন:
- বাংলাদেশে মোট সংসদীয় আসন রয়েছে ৩৫০টি।
- নারীদের জন্য সংসদে সংরক্ষিত আসন রয়েছে ৫০টি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতিটি জেলায় ১টি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।

⇒ পার্বত্য চট্টগ্রামে সংসদীয় আসন ছিল ৩টি।
• বান্দরবান।
• রাঙ্গামাটি।
• খাগড়াছড়ি। 

উল্লেখ্য:
⇒ জাতীয় সংসদের ১নং আসন পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত।
- ১নং সংসদীয় আসন: পঞ্চগড়-১।

⇒ জাতীয় সংসদের ৩০০নং আসন বান্দরবান জেলায় অবস্থিত।
- ৩০০নং সংসদীয় আসন: বান্দরবান।

অন্যদিকে:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।
- ঢাকা জেলায় ২০টি সংসদীয় আসন রয়েছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৮১৬.
বাংলাদেশে উপজেলা পরিষদ ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭৬ সালে
  2. খ) ১৯৮০ সালে
  3. গ) ১৯৮২ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে উপজেলা পরিষদ ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয় ১৯৮২ সালে। ১৯৮২ সালের ৭ নভেম্বর প্রথম ৪৫টি থানাকে এবং পরবর্তীতে ৪৬০টি থানাকে উপজেলায় উন্নীত করা হয়।

- ১৯৮৫ সালে প্রথম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালে। বর্তমান পর্যন্ত মোট ৫টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট)
৮১৭.
শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা কার হাতে ন্যস্ত থাকে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. আইনসভা
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা
শাসন বিভাগ:
- শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে।
- রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে; কিন্তু সকল ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ গ্রহণ করতে হয়।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদেরও প্রধান।
- মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের পরামর্শে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করেন।
- মন্ত্রীদের মধ্যে দায়দায়িত্ব বণ্টন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী সরকার ব্যবস্থার প্রধান নীতিনির্ধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তবে আইন বাস্তবায়নগত সকল ক্ষমতা শাসন বিভাগের এখতিয়ারে।
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগ এর ব্যাপ্তি সমুন্নত রেখেছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদ থেকে একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত।
- এ কারণে সরকারের এই বিভাগটির মাধ্যমেই রাষ্ট্রের সকল স্তরে আইন বাস্তবায়ন সম্ভব হয়।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮১৮.
বাংলাদেশ সরকারের কোন মন্ত্রণালয় ‘একুশে পদক’ প্রদান করে?
  1. ক) তথ্য মন্ত্রণালয়
  2. খ) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  3. গ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) আইন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ তারিখে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখায় ‘একুশে পদক-২০২২’ এর জন্য ২৪ জন বিশিষ্ট নাগরিকের নাম ঘোষণা করে।
• ‘একুশে পদক’ বাংলাদেশের দ্বিতীয় সম্মানজনক বেসামরিক পুরস্কার।
• ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সালে এই পদকের প্রচলন করা হয়।
• বাংলাদেশ সরকারের ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ এই পুরস্কার ঘোষণা করে।

তথ্যসূত্র:- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৮১৯.
বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে?
  1. সেনা প্রধান
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. স্পীকার
ব্যাখ্যা
• প্রধানমন্ত্রী:
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগের প্রধান প্রধানমন্ত্রী।
- সংসদীয় পদ্ধতির শাসনব্যবস্থা প্রবর্তিত থাকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শাসন ক্ষমতার মধ্যমণি।
- তাঁকে কেন্দ্র করেই প্রজাতন্ত্রের সকল শাসন ও প্রশাসন পরিচালিত হয়।
- সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- তিনি শাসন সংক্রান্ত সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও শাসনকার্য পরিচালনায় নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন।
- প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী অর্থমন্ত্রী বাজেট প্রণয়ন ও তা সংসদে পেশ করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮২০.
বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে পরিচালিত প্রথম জাতীয় নির্বাচন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৬ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯৬ সালে
  4. ২০০১ সালে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে পরিচালিত প্রথম জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৬ সালে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার একটি সরকারের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় থেকে নতুন একটি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পূর্ববর্তী সময়ে রাষ্ট্রের প্রশাসন পরিচালনায় নিয়োজিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
- সাধারণত যেকোন প্রতিষ্ঠিত সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পূর্ব পর্যন্ত বিদায়ী সরকারের নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার হিসেবে দায়িত্ব পালনের প্রথা লক্ষণীয়।
- এ স্বল্পস্থায়ী সরকার দৈনন্দিন প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করে এবং নীতি নির্ধারণী কার্যক্রম থেকে বিরত থাকে, যাতে এ সরকারের কার্যাবলী নির্বাচনের ফলাফলে কোনো প্রভাব সৃষ্টি না করে।
- ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা হস্তান্তরের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- কোনো সাংবিধানিক সংশোধনী ছাড়াই ১৯৯০ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা হয়েছিল।
- সংবিধানে ত্রয়োদশ সংশোধনীর অধীনে একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা হয়।
- ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল হয়ে যায়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৮২১.
নির্বাচন কমিশনারগণকে নিয়োগ প্রদান করেন -
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. স্পীকার
ব্যাখ্যা
নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- এটি সাংবিধানিকভাবে গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন কমিশনারসহ মোট পাঁচজন নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- নির্বাচন কমিশনারগণকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
- নির্বাচন কমিশনের সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সভাপতির কাজ করেন।
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারের মেয়াদ তাদের কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সরকার ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।
- নির্বাচন কমিশন সংবিধানে বর্ণিত নির্দেশনাবলি এবং দেশের নির্বাচনি আইন দ্বারা পরিচালিত হয়।

⇒ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক পরিচালিত নির্বাচন সমূহ,
• রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।
• জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
• সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন।
• জেলা পরিষদ নির্বাচন।
• উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।
• পৌরসভা নির্বাচন।
• ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি ও নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
৮২২.
সাধারণ নির্বাচনের ফল ঘোষণার কত দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করতে হয়?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
- অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের পর পর দুই অধিবেশনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ দিন বিরতি থাকে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন।
- সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহ্বান করা হবে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০ টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- দেশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবনে হুমকির কারণে জরুরি অবস্থা (সর্বাধিক ১২০ দিনের জন্য) ঘোষিত হতে পারে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮২৩.
আমলাতন্ত্রকে সর্বপ্রথম যুক্তিসঙ্গত ও আইনগত মডেল বলেছেন কে?
  1. লাস্কি
  2. ম্যাক্স ওয়েভার
  3. ফাইনার
  4. রুশো
ব্যাখ্যা
আমলাতন্ত্র:
- আমলাতন্ত্র হলো স্থায়ী, বেতনভুক্ত, দক্ষ ও পেশাদার কর্মচারিদের সংগঠন।
- আমলাতন্ত্র সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে থাকে।
- আমলাতন্ত্রের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Bureaucracy।
- তাই Bureaucracy এর উৎপত্তিগত অর্থ হলো Desk Government.
- জার্মান দার্শনিক ম্যাক্স ওয়েভারকে আমলাতন্ত্রের জনক বলা হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
৮২৪.
সরকারের যে বিভাগ আইন প্রণয়ন, পরিবর্তন ও সংশোধন করে তাকে কি বলে?
  1. আইন বিভাগ
  2. শাসন বিভাগ
  3. বিচার বিভাগ
  4. নির্বাচকমন্ডলী 
ব্যাখ্যা
• সরকার ব্যবস্থা:
→ সরকারের যে বিভাগ আইন প্রণয়ন, পরিবর্তন ও সংশোধন করে তাকে আইন বিভাগ বলে।
→ আইন বিভাগ কর্তৃক প্রণীত আইনকে যে বিভাগ বাস্তবায়িত করে সে বিভাগকে শাসন বিভাগ বা নির্বাহী বিভাগ বলে।
→ রাষ্ট্রের সকল ধরনের প্রশাসনিক কাজকর্ম শাসন বিভাগ দ্বারা সম্পাদিত হয়।
→ সরকারের যে বিভাগ বিচারিক কার্য সম্পাদন করে তাকে বিচার বিভাগ বলে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮২৫.
একাধিক আসনে বিজয়ী প্রার্থী কোন আসনে প্রতিনিধিত্ব করতে চান তা কতদিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হয়?
  1. ক) ১৫ দিন
  2. খ) ২০ দিন
  3. গ) ২৫ দিন
  4. ঘ) ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
কোনো ব্যক্তি একই সময়ে দুই বা ততোধিক নির্বাচনি এলাকার সংসদ সদস্য হবেন না। যদি কেউ একই সময়ে দুই বা ততোধিক নির্বাচনি এলাকা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন, তা হলে নির্বাচনের ৩০ দিনের মধ্যে তিনি কোন নির্বাচনি এলাকার প্রতিনিধিত্ব করতে চান তা নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হবে। তা না হলে তাঁর সকল আসন শূন্য হবে।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৮২৬.
সংসদীয় পরিভাষায় ‘ট্রেজারি বেঞ্চ’ কী?
  1. ক) স্পিকারের আসন
  2. খ) সংসদ-কক্ষের মাঝের দিকের আসন
  3. গ) সংসদ-কক্ষের পিছনের দিকের আসন
  4. ঘ) সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসন
ব্যাখ্যা
• সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসনগুলোকে বলা হয় ট্রেজারি বেঞ্চ। 
• সরকারি দলের মন্ত্রী ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিগণ সামনের সারিতে বসেন। 
• স্পীকারের আসনের ডানদিকে থাকে ট্রেজারি বেঞ্চ। 
• ট্রেজারি বেঞ্চকে ‘ফ্রন্ট বেঞ্চ’ও বলা হয়।
• সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের যেসব সদস্য পেছনের সারিতে বসেন তাদের বলা হয় ব্যাকবেঞ্চার। 
• এ সদস্যগণ সরকারি দলের মন্ত্রী বা গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত নন, আবার বিরোধী দলের নেতৃস্থানীয়ও নন। তাই সংসদের আসন ব্যবস্থায় তাঁরা পেছনের সারিতে বসেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া ।
৮২৭.
স্মার্ট কার্ড কয় স্তরে নিরাপত্তা দিতে সক্ষম?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৬
ব্যাখ্যা
- স্মার্ট কার্ড প্রস্তুত করে নির্বাচন কমিশন (সহায়তা দিয়েছিল ফ্রান্স) যার মেয়াদ ১০ বছর । 
- স্মার্ট কার্ড নিরাপত্তা দিবে ৩ স্তরে ২৫ ধরনের , সেবা দিবে ২২ ধরনের এবং তথ্য থাকে ৩২ ধরনের । - অন্যদিকে জাতীয় পরিচয়পত্রের মেয়াদ ছিল ১৫ বছর । 
- ছবিসহ ভোটার তালিকা ও জাতীয় পরিচয়পত্র প্রণয়ন কর্মসূচীর নাম – অপারেশন নবযাত্রা যা ২০০৭ সালে চালু হয় । 

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ।
৮২৮.
প্রশাসনিক পুনর্গঠন ও সংস্কার কমিটি গঠিত হয়-
  1. ১৯৮১ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৮৩ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা

• প্রশাসনিক পুনর্গঠন ও সংস্কার কমিটি:
- প্রশাসনিক পুনর্গঠন ও সংস্কার কমিটি ১৯৮২ সালের ২৮ এপ্রিল জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সামরিক সরকার কর্তৃক গঠিত একটি প্রশাসনিক সংস্কার কমিটি।
- কমিটির সভাপতি ছিলেন তৎকালীন উপ-প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক রিয়ার অ্যাডমিরাল এম.এ খান।
- এ কমিটিকে ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে একটি সুষ্ঠ ও কার্যকর শাসন পদ্ধতি সুপারিশ করার দায়িত্ব দেয়া হয়।
- কমিটিতে একজন চেয়ারম্যান, একজন সদস্য-সচিব এবং ৩ জন কো-অপ্ট করা সদস্যসহ মোট নয় জন সদস্য ছিলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৮২৯.
প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:

রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।

প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান।

৮৩০.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করেন -
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রতিরক্ষা মন্ত্রী
  4. সচিব
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়:

- বাংলাদেশের জন্য একটি আধুনিক ও সুন্দর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রত্যয়কে সামনে রেখে ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়।
- সচিবালয় থেকে ১৯৭২ সালে এ মন্ত্রণালয়টি হাইকোর্ট ভবনে এবং ১৯৯৩ সালে শের-ই-বাংলা নগরের গণভবন কমপ্লেক্সে বর্তমান ভবনে স্থানান্তরিত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন।

উল্লেখ্য,
- প্রাথমিক পর্যায়ে ১৪টি দপ্তর/সংস্থা নিয়ে এ মন্ত্রণালয় গঠিত হয়েছিল।
- বর্তমানে ২৫টি দপ্তর/সংস্থা নিয়ে এ মন্ত্রণালয় পরিচালিত হচ্ছে।
- মন্ত্রণালয়ের সাংগঠনিক কাঠামোতে বর্তমানে মোট পদসংখ্যা হয়েছে ২৩২ টি।

উৎস: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৮৩১.
মেজর সি আর দত্ত মুক্তিযুদ্ধের কোন সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন?
  1. ক) ৩ নং সেক্টর
  2. খ) ৪ নং সেক্টর
  3. গ) ৫ নং সেক্টর
  4. ঘ) ৬ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল প্রবাসী সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে।

সেক্টর কমান্ডারসমূহ -
→ ১নং সেক্টর - মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর মেজর রফিকুল ইসলাম।
→ ২নং সেক্টর - মেজর খালেদ মোশাররফ, মেজর এ টি এম হায়দার।
→ ৩নং সেক্টর - মেজর কে এম শফিউল্লাহ, মেজর এ এন এম নুরুজ্জামান।

→ ৪নং সেক্টর -
মেজর সি আর দত্ত, ক্যাপ্টেন এ রব।
→ ৫নং সেক্টর - মেজর মীর শওকত আলী।
→ ৬নং সেক্টর - উইং কমান্ডার এম কে বাশার।
→ ৭ নং সেক্টর: মেজর নাজমুল হক, সুবেদার মেজর এ. রব, মেজর কাজী নূরুজ্জামান।

→ ৮ নং সেক্টর - আবু ওসমান চৌধুরী এবং এম এ মঞ্জুর।
→ ৯ নং সেক্টর: মেজর এম.এ জলিল, মেজর এম. এ মঞ্জুর ও মেজর জয়নাল আবেদীন
→ ১০ সেক্টরের দায়িত্ব ছিল নৌ বাহিনীর হাতে, তাই ১০ নং সেক্টরের কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮৩২.
বাংলাদেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল কে? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. মোঃ আসাদুজ্জামান
  2. রুহুল আমিন
  3. শহীদুল ইসলাম
  4. হুমায়ন কনির
ব্যাখ্যা

• অ্যাটর্নি জেনারেল:
- অ্যাটর্নি জেনারেল হলো বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল সাধারণত সুপ্রিম কোর্টের সম্মানীয় জ্যেষ্ঠ আইনজীবীগণের মধ্য থেকে সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হন।
- বাংলাদেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।

তথ্যসূত্র: i) এটর্নি জেনারেলের কার্যালয় ওয়েবসাইট।
ii) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৩৩.
জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন -
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. চিফ হুইপ
ব্যাখ্যা

সংসদ আহবান:
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন।
- সংসদের এক অধিবেশনের শেষ এবং পরবর্তী অধিবেশনের শুরুর মধ্যে সর্বোচ্চ বিরতি হবে ৬০ দিন।
- সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহ্বান করা হবে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- দেশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবনে হুমকির কারণে জরুরি অবস্থা (সর্বাধিক ১২০ দিনের জন্য) ঘোষিত হতে পারে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এস এস এইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৩৪.
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকারি দলের নেতা কে?
  1. স্পীকার
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. উপমন্ত্রী
  4. হুইপ
ব্যাখ্যা
- প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলি:

• শাসন বিষয়ক ও নির্বাহী ক্ষমতা:
- প্রধানমন্ত্রী পুরো শাসনব্যবস্থায় নেতৃত্ব প্রদান করেন।
- সকল গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী গ্রহণ করেন।
- সকল নির্বাহী ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির নামে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

• রাষ্ট্রীয় কাজের সমন্বয়ে প্রধানমন্ত্রী:
- রাষ্ট্রীয় সকল কাজের সমন্বয় প্রধানমন্ত্রী করে থাকেন।
- তিনি যেহেতু প্রশাসনের কেন্দ্রে অবস্থান করেন তাই সকল মন্ত্রণালয়, দন্তর ও অধিদপ্তরের কাজের মধ্যে সমন্বয় সাধনে তাঁর নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- তিনি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সভাপতিত্ব করেন।

• জাতির মুখপাত্র হিসেবে প্রধানমন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী জাতির মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেন।
- বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে উপস্থাপন এবং দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন।
- যেকোনো জাতীয় সংকট সম্পর্কে দেশবাসীকে অবহিত করেন দেশের হয়ে বিবৃতি ও বক্তৃতা দেন।

• দলের নেতা:
- গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী সরকারি দলের নেতা।
- সংসদ ও সংসদের বাইরে দলের নীতি নির্ধারণ ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখেন।
- দলীয় নেতা হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী ভূমিকা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বিরোধী দলের সাথে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক স্থাপন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
৮৩৫.
সংবিধান অনুসারে অধ্যাদেশ জারি করার ক্ষমতা কার উপর ন্যাস্ত?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. মন্ত্রিসভা
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
- সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় এবং সংসদ অধিবেশনকাল ব্যতীত সময়ে জরুরি প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি আইনের ন্যায় কার্যকর যে আদেশ জারি করেন তা অধ্যাদেশ নামে পরিচিত।
- সংবিধানের ৯৩ নং অনুচ্ছেদ অনুাযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করে থাকেন।
- এই অধ্যাদেশ জারির পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে অধ্যাদেশটি উপস্থাপন করতে হয় এবং উপস্থাপনের ৩০ দিনের মধ্যে সংসদ এটি অনুমোদন না করলে ৩০ দিন পর এই অধ্যাদেশ অকার্যকর হয়ে যায়।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
৮৩৬.
‘Civis’ শব্দের অর্থ কী?
  1. নগররাষ্ট্র
  2. নাগরিকতা
  3. নাগরিক
  4. পৌরনীতি
ব্যাখ্যা
• পৌরনীতি ও নাগরিকতা :

- পৌরনীতির ইংরেজি শব্দ সিভিক্স (Civics)।
- Civics শব্দটি দুটি ল্যাটিন শব্দ 'সিভিস' (Civis) ও 'সিভিটাস' (Civitas) থেকে এসেছে।
- 'Civis' শব্দের অর্থ নাগরিক (Citizen) 
- ’Civitas' শব্দের অর্থ নগররাষ্ট্র (City State)।

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
৮৩৭.
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ দপ্তর নয় কোনটি?
  1. ক) জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ)
  2. খ) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ
  3. গ) গভর্ন্যান্স ইনোভেশন ইউনিট
  4. ঘ) বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড
ব্যাখ্যা
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে, 
- বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড বাংলাদেশ সরকারের মালিকানাধীন এবং সংবিধিবদ্ধ একটি সরকারী সংস্থা। 
- এছাড়া, বাদবাকীগুলো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ। 

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ দপ্তরসমূহ:-

- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)
- বাংলাদেশ রপ্তানী প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা)
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)
- পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশীপ কর্তৃপক্ষ
- গভর্ন্যান্স ইনোভেশন ইউনিট
- জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা
- এনজিও বিষয়ক ব্যুরো
- স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স
- উপআঞ্চলিক সহযোগিতা সেল (এসআরসিসি)
- বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (পিইপিজেড)
- জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ)

উৎস: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ওয়েবসাইট।
৮৩৮.
কত সালে 'বিশেষ ক্ষমতা আইন' প্রণীত হয়?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন:
- এই আইনটি ১৯৭৪ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি জারি করা হয়।

• ক্ষমতা:
- এই আইন অনুযায়ী, নির্বাহী কর্তৃপক্ষ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছাড়াই অনির্দিষ্টকালের জন্য যে কাউকে আটক করতে পারতো।

• উদ্দেশ্য:
- আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে এই আইনটি পাস করা হয়।
- এর উদ্দেশ্য ছিল বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে রাষ্ট্রবিরোধী কিছু কার্যকলাপ প্রতিহত করা এবং কিছু গুরুতর অপরাধের দ্রুত বিচার এবং কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা।

• আইনের সংস্করণ:
- আইনটি নিরাপত্তা আইন ১৯৫২, জননিরাপত্তা অর্ডিন্যান্স ১৯৫৮ এবং বাংলাদেশ তফসিলী অপরাধ (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশ ১৯৭২ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ৫০) এর ধারাবাহিকতায় প্রণীত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।
৮৩৯.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এর সরকারি বাসভবন -
  1. ক) হোয়াইট হাউস
  2. খ) ওভাল অফিস
  3. গ) পেন্টাগন
  4. ঘ) ওয়াল স্ট্রিট
ব্যাখ্যা
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এর সরকারি বাসভবন ও প্রধান প্রশাসনিক দপ্তরের নাম হচ্ছে হোয়াইট হাউস

• এছাড়া,
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট অফিস 'ওভাল অফিস' নামে পরিচিত।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে বহনকারী বিমানের নাম 'এয়ারফোর্স ওয়ান'
- 'ওয়াল স্ট্রিট' হলো নিউইয়র্ক শহরের একটি প্রখ্যাত সড়ক।
- পৃথিবীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ বাজার নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ এই সড়কে অবস্থিত।
- পেন্টাগন হচ্ছে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদরদপ্তর।

উৎস: যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
৮৪০.
হুসেইন মো. এরশাদ ক্ষমতা দখল করেন-
  1. ক) ১২ জুন ১৯৮২
  2. খ) ৬ ডিসেম্বর ১৯৮২
  3. গ) ২৪ মার্চ ১৯৮২
  4. ঘ) ১৮ অক্টোবর ১৯৮১
ব্যাখ্যা
- ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তারকে সরিয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করেন।
- ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর তিনি ক্ষমতা থেকে সরে দাড়ান।
- তিনি প্রায় ৯ বছর বাংলাদেশের ক্ষমতায় ছিলেন।
- এরশাদ ১৪ জুলাই ২০১৯ মারা যান।

সূত্র- বিবিসি বাংলা।
৮৪১.
বাংলাদেশের সংবিধানিক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. নির্বাচন কমিশন
  3. তথ্য কমিশন
  4. মানবাধিকার কমিশন
ব্যাখ্যা

• নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮ অনুসারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশন সমন্বয়ে একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- ৫ জন কমিশনার নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।
- নির্বাচন কমিশন ৫ বছরের জন্য গঠিত হয়।

- দেশের সকল নির্বাচন অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের।
- নির্বাচন কমিশনের যাবতীয় কার্যাবলি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ও আইনানুযায়ী সম্পন্ন হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনারদেরকে রাষ্ট্র প্রধান নিয়োগ দান করবেন।
- সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কাজের শর্তাবলী রাষ্ট্র প্রধানের আদেশের দ্বারা নির্ধারিত হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতিরূপে দায়িত্ব পালন করবেন। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (SSC Programme) উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং সংবিধান।

৮৪২.
বাংলাদেশের সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় নিয়মতান্ত্রিক প্রধান কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. মন্ত্রিপরিষদ সচিব
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা

-  বাংলাদেশের সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় নিয়মতান্ত্রিক প্রধান হলেন রাষ্ট্রপতি।

• রাষ্ট্রপতি: 
- রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানসমূহ বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে সন্নিবেশিত করা হয়েছে। 
- নিয়মমাফিক রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত এবং তিনি সংবিধান ও আইন বলে তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগের ১ম পরিচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির পদমর্যাদা, ক্ষমতা ও কার্যাবলি নির্ধারিত আছে।

⇒ বাংলাদেশে সাংবিধানিকভাবে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত এবং এদেশকে প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ সকল কারণেই রাষ্ট্রপতি দেশের প্রধান নির্বাহী; কিন্তু অলঙ্কারিক প্রধান।
- রাষ্ট্রের প্রধান হওয়ায় সরকারের সকল কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদিত হয়। 
- রাষ্ট্রপতিকে দায়িত্ব পালনের অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর সাথে পরামর্শ করতে হয়।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পাঁচ বছরের জন্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন।
- সংসদে অভিশংসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে পদচ্যুত করা যায়।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৪৩.
বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থায় জাতীয় সংসদের নেতা কে?
  1. চীফ হুইপ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. স্পিকার
  4. প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
• প্রধানমন্ত্রী:
- বাংলাদেশের সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় জাতীয় সংসদের নেতা হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- তার নেতৃত্বেই জাতীয় সংসদে আইন প্রণীত হয় এবং তার পরামর্শেই রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করে থাকেন।
- তিনি বাংলাদেশের সরকার এবং মন্ত্রিসভার প্রধান।
- এজন্যে তাকে ‘সরকারের স্তম্ভ’ হিসেবে অভিহিত করা হয়।

স্পিকার:
- স্পিকার হলেন জাতীয় সংসদের সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- তার দায়িত্বে জাতীয় সংসদের আসনে বিতর্ক সূচক বিষয়ে আলোচনা করা এবং নির্বাচনে নির্বাচিত সদস্যদের নেতৃত্বে সংসদ চালানো।
- স্পিকার হলেন জাতীয় সংসদের সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেনি এবং বাংলাদেশ সংবিধান।
৮৪৪.
দেশে 'বাকশাল' গঠন করা হয় -
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
বাকশাল:
- বাকশাল ব্যবস্থা ছিল রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা।
- ১৯৭৪ সালের জুন মাসে জাসদ 'বিপ্লবী গণবাহিনী' নামে একটি সশস্ত্র অঙ্গসংগঠন ও সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে 'বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা' নামে একটি সেল গঠন করে।
- এসকল কারণে ক্ষমতাসীন ও বিরোধীদল সমূহের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহ অবস্থান বিঘ্নিত হয়।
- ১৯৭৪ সালে সরকার দেশব্যাপী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে।
- ১৯৭৫ সালে ২৫ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
- ১৯৭৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি দেশের সকল রাজনৈতিক দল ভেঙে দিয়ে 'বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগ' বা 'বাকশাল' গঠন করা হয়।
- বাকশাল গঠনের মাধ্যমে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চালু হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে বাকশাল কার্যকর হওয়ার কথা ছিলো।
- এর সভাপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী।
- এর আগে ২৫ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৪৫.
রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের বিভাগ কয়টি?
  1. ৪টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ১টি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতির কার্যালয়:
- জাতির মর্যাদা ও গৌরবের প্রতীক ‘বঙ্গভবন’ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও বাসভবন।
- ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯০৫ সালের ০১ সেপ্টেম্বর পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে নতুন প্রদেশ সৃষ্টি হলে নবসৃষ্ট প্রদেশের প্রধান শাসনকর্তা তথা লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কার্যালয় ও বাসভবনের প্রয়োজনে বঙ্গভবনের যাত্রা।
- তখন এর নাম ছিল ‘গভর্নমেন্ট হাউজ’।
- মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জনের পর অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ এবং মন্ত্রিপরিষদের অন্যান্য সদস্যগণ ১৯৭১ সালের ২৩ ডিসেম্বর গভর্নর হাউজে মন্ত্রিপরিষদের সভা করেন।
- ঐ সভায় গভর্নর হাউজকে ‘বঙ্গভবন’ নামে অভিহিত করা হয়।

রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের বিভাগ ২টি। যথা:
i) জন বিভাগ,
ii) আপন বিভাগ।
-  রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব ও রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিবের নেতৃত্বে এ বিভাগ দু’টি পরিচালিত হয়।

উৎস: রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ওয়েবসাইট। 
৮৪৬.
বাংলাদেশের প্রথম সরকার ব্যবস্থা কেমন ছিল?
  1. একনায়কতন্ত্র
  2. রাষ্ট্রপতি শাসিত
  3. উপদেষ্টা শাসিত
  4. সংসদীয় গণতন্ত্র
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধকালীন অস্থায়ী সরকারই বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- এটি রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ছিল।
- কিন্তু পরবর্তীতে সংসদীয় সরকার প্রবর্তন করা হয়।
- বাংলাদেশ একটি এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র।
- রাষ্ট্রের শাসন বিভাগ, বিচার ও আইন বিভাগ নামে তিনটি বিভাগ রয়েছে।
- সরকার যাবতীয় কার্যাবলির জন্য জাতীয় সংসদের নিকট দায়বদ্ধ।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৪৭.
বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলা কয়টি?
  1. ক) ১৯টি
  2. খ) ২০টি
  3. গ) ২১টি
  4. ঘ) ২২টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বর্তমানে জেলা সংখ্যা ৬৪টি এবং উপকূলীয় জেলা সংখ্যা- ১৯টি।
উৎসঃ পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৮৪৮.
জাতীয় সংসদে ’পয়েন্ট অব অর্ডার’ হলো - 
  1. বিধি বহির্ভূত বিরোধী দলীয় নেতার বক্তব্য
  2. সংসদে সর্বসম্মত ভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহন
  3. বিধি বহির্ভূত বিষয়ের জন্য অনির্ধারিত আলোচনার দাবি জানানো
  4. সংসদীয় বৈঠকের কার্যপ্রণালীর বিররণ
ব্যাখ্যা
পয়েন্ট অব অর্ডার:
- পয়েন্ট অব অর্ডার হলো এক প্রকার আপত্তি।
- জাতীয় সংসদে অধিবেশন চলাকালীন নিয়ম বহির্ভূত কোনো কিছু হলে এর জন্য অনির্ধারিত আলোচনার দাবি জানানোকে Point of Order বলে।
- সংসদের কার্যক্রম চলাকালে কোনো সদস্য যদি মনে করেন যে, প্রথাগত বিধিমালার ভুল প্রয়োগ ঘটেছে বা পাশ কাটিয়ে যাওয়া হয়েছে তাহলে কোনো সদস্য তত্ক্ষণাত্ সে ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেন । এই দৃষ্টি আকর্ষণটাই পয়েন্ট অব অর্ডার।

এছাড়াও, 
- সংসদের প্রত্যেক বৈঠকের কার্যপ্রণালীর সংক্ষিপ্ত বিবরনকে বুলেটিন বলে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়।
৮৪৯.
কোনটি বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান?
  1. বার্ড
  2. সিটি কর্পোরেশন
  3. বিশ্ববিদ্যালয়
  4. চা বোর্ড
ব্যাখ্যা
• স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন :
- স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসনকে বুঝায়।
- সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা তা পরিচালিত হয়।
- প্রতিনিধিরা তাঁদের কাজের জন্য জনগণের নিকট দায়ী থাকেন।

•  বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-
- ইউনিয়ন পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ,
- জেলা পরিষদ,
- পৌরসভা,
- সিটি কর্পোরেশন,
- পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
৮৫০.
নিচের কোনটি জেলা প্রশাসকের কার্যসমূহের অন্তর্ভূক্ত?
  1. স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত কাজ
  2. রাজস্ব সংক্রান্ত কাজ
  3. প্রশাসন সংক্রান্ত কাজ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
জেলা প্রশাসন:
- ডেপুটি কমিশনার বা জেলা প্রশাসক হল জেলা প্রশাসনের প্রাণ। 
- জেলা প্রশাসককে কেন্দ্র করেই জেলার সকল কার্যপ্রণালি চালিত হয়।
- একটি জেলার মধ্যে সকল ধরনের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করা, কর আদায় এবং উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে জেলা প্রশাসন।
- ‘জেলা প্রশাসক’ পদটি সচিবালয়ের উপ-সচিব পদের সমান।

⇒ জেলার প্রধান হিসেবে জেলা প্রশাসকের কার্যসমূহ নিম্নরূপ:
• প্রশাসন সংক্রান্ত কাজ।
• আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কাজ।
• রাজস্ব সংক্রান্ত কাজ।
• উন্নয়নমূলক কাজ।
• সমন্বয় সংক্রান্ত কাজ।
• স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত কাজ।
• বিচারিক কাজ।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৫১.
মন্ত্রিসভার সদস্যগণ যৌথভাবে কার নিকট দায়বদ্ধ থাকে? 
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. জাতীয় সংসদ
  4. মন্ত্রণালয় 
ব্যাখ্যা

শাসন বিভাগের জবাবদিহিতা: 
- বাংলাদেশে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- আর এ কারণে জাতীয় সংসদ রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
- আইন সভায় মূলত জাতীয় সংসদের সদস্যরাই উপস্থিত থাকে এবং তাদের নিয়েই সরকার গঠিত হয়।
- শাসন বিভাগের আইন বাস্তবায়নকারী অংশ অর্থাৎ মন্ত্রী পরিষদের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রকৃত শাসনের কাজ করে থাকে।
- এ কারণে তিনি জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের আস্থাভাজন হয়ে থাকেন।
- তবে বাংলাদেশ সংবিধানের ৫৫ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকে।
- অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দকে শাসন বিভাগের যাবতীয় কর্মকান্ডের জন্য জাতীয় সংসদের নিকট জবাবদিহি করতে হয়। জবাবদিহিতার এই বিষয়টি বিদ্যমান থাকায় সরকারকে সদা জনগণের কল্যাণে নিয়োজিত থাকতে হয়। অনেকক্ষেত্রে, সরকারের ভুল-ত্রুটি শুধরে দিতেও জাতীয় সংসদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৫২.
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে কবে?
  1. ২৭ মে ১৯৯৭
  2. ২৭ মে ১৯৯৮
  3. ১৭ মে ১৯৯৯
  4. ২৭ মে ১৯৯৯
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ:
- পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আইন-১৯৯৮ (১৯৯৮ সনের ১২ নং আইন) অনুসারে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হয়।
- ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 
- ২৭ মে ১৯৯৯ ইং তারিখে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।

কর্মপরিধি:
(ক) পার্বত্য জেলা পরিষদের অধীনে পরিচালিত সকল উন্নয়ন কর্মকান্ডসহ উহাদের আওতাধীন এবং উহাদের উপর অর্পিত বিষয়াদি সার্বিক তত্বাবধান ও সমন্বয়:
(খ) পৌরসভাসহ স্থানীয় পরিষদসমুহ তত্ত্বাবধান ও সমন্বয় সাধন;
(গ) পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড এর কার্যাবলীর সার্বিক তত্ত্বাবধান;
(ঘ) পার্বত্য জেলার সাধারন প্রশাসন, আইন শৃঙ্খলা ও উন্নয়নের তত্ত্বাবধান ও সমন্বয় সাধন;
(ঙ) উপজাতীয় রীতিনীতি, প্রথা ইত্যাদি এবং সামাজিক বিচার সমন্বয় ও তত্ত্বাবধান;
(চ) জাতীয় শিল্পনীতির সহিত সংগতি রাখিয়া পার্বত্য জেলাসমুহে ভারী শিল্প স্থাপনের লাইসেন্স প্রদান;
(ছ) দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান কার্যক্রম পরিচালনা এবং এনজিও কার্যাবলীর সমন্বয় সাধন;

উৎস: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়
৮৫৩.
বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল কে নিয়োগ দেন?
  1. আইন মন্ত্রণালয়
  2. সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের কথা উল্লেখ রয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন অ্যাটর্নি জেনারেল থাকবেন।
- অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি আইনগত দিক নিয়ে রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষে আদালতে বক্তব্য পেশ করেন।

⇒ সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি এটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত এটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভকরবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের ন্যায় মর্যাদা ভোগের অধিকারী হবেন।

⇒ অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
- অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।
- বাংলাদেশ সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন।

উৎস: i) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ওয়েবসাইট।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৫৪.
রাষ্ট্রপতির নির্বাচিত হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স কত?
  1. ২৫ বছর
  2. ৩৫ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৪০ বছর
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রপতি: 
- রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রধান।
- বিধান: সংবিধানের চতুর্থ অংশ, অনুচ্ছেদ ৪৮-৫৪।
- পদমর্যাদা: রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত।
- ক্ষমতা ও দায়িত্ব: সংবিধান ও আইন অনুযায়ী তার উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব সম্পন্ন করেন।
- আইন প্রয়োগ: রাষ্ট্রপতি জারি করা আইনকে অধ্যাদেশ বলে।
- কার্যবিধি: সরকারের যাবতীয় নির্বাহী কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদিত হয়।
- নির্বাচন: সংসদ-সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হন।
- যোগ্যতা: রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্য নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর।
- পদ শূন্য হলে: মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬০-৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান

৮৫৫.
গণভোটের বিধান বাতিল করা হয়-
  1. ক) ১৯৮৫ সালে
  2. খ) ১৯৯১ সালে
  3. গ) ২০১০ সালে
  4. ঘ) ২০১১ সালে
ব্যাখ্যা

- রাষ্ট্রের অতিগুরুত্বপুর্ন কোন বিষয়ে জনমত যাচাই করার জন্য যে প্রত্যক্ষ ভোট গ্রহন করা হয় তাকে গণভোট বা Referendum বলা হয়।
- যখনই কোন ক্রান্তিকাল উপস্থিত হয়, তখন সেই সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য জনমত যাচাই করা হয় গনভোটের মাধ্যমে।
- সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীতে গনভোটের বিধান আওতাভুক্ত করা হয়েছিল।
- কিন্তু ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে গনভোটের বিধান বাতিল করা হয়।
- গণভোট সংক্রান্ত দুটি অনুচ্ছেদ : ৪৮ এবং ৫৬. তবে বর্তমানে এই অনুচ্ছেদ দুটিতে গনভোটের বিধান আর নেই।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত গণভোট হয়েছে ৩ বার –

- ৩০ মে , ১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমানের নিজ শাসনকে বৈধকরণ করতে।
- ১ মার্চ , ১৯৮৫ সালে এরশাদের সমর্থন যাচাই।
- ১৫ সেপ্টেম্বর , ১৯৯১ সালে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী আইন প্রস্তাব।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৫৬.
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করে রায় ঘোষণা করেছেন কবে?
  1. ১৮ নভেম্বর, ২০২৫
  2. ২০ নভেম্বর, ২০২৫
  3. ২১ নভেম্বর, ২০২৫
  4. ২২ নভেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা:
- ২০ নভেম্বর, ২০২৫ সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করে রায় ঘোষণা করেছেন সুপ্রিম কোর্টে আপিল বিভাগ।
- প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বিভাগ সর্বসম্মতিতে রায় দেন।
- আপিল বিভাগ বলছেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
- আর চতুর্দশ সংসদ নির্বাচন থেকে কার্যকর হবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৬ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে সাংবিধানিক রূপ দেওয়া হয়।
- ২০১১ সালের ১০ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন তৎকালীন আপিল বিভাগ।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]

৮৫৭.
বাংলাদেশের প্রশাসনের কয়টি স্তর রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রশাসনের স্তর: 
- বাংলাদেশের প্রশাসনের দুটি স্তর রয়েছে।
যথা: কেন্দ্রীয় প্রশাসন এবং মাঠ প্রশাসন।
- কেন্দ্রিয় প্রশাসনিক কাঠামোর পদসোপান অনুযায়ী সর্বনিম্ন স্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হচ্ছেন সহকারী সচিব।
- ধাপের ক্রমানুসারে কর্মকর্তাদের পদবি যথাক্রমে সিনিয়র সহকারী সচিব, উপসচিব, যুগ্ম সচিব, অতিরিক্ত সচিব, সচিব, সিনিয়র সচিব এবং সবার উপরে মন্ত্রী অবস্থান করেন।
- প্রশাসনিক কর্মকান্ড এই কাঠামো স্তরের মধ্য দিয়েই বাস্তবায়িত হয়।
- সিদ্ধান্ত বা নির্দেশ উপর থেকে নিচের দিকে যায়।
- সচিবের পরামর্শ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন কোনো বিভাগীয় প্রধান, সরাসরি মন্ত্রীর কাছে কোনো প্রস্তাব বা সুপারিশ পাঠাতে পারেন না।
- একটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একাধিক সচিব, অতিরিক্ত সচিব, যুগ্ম সচিব বা অধস্তন কর্মকর্তা থাকতে পারেন। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৮৫৮.
বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ এবং সর্বশেষ আশ্রয়স্থল কোনটি?
  1. সুপ্রীম কোর্ট
  2. জজ কোর্ট
  3. আপিল বিভাগ
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

আপিল বিভাগ:
- বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ এবং সর্বশেষ আশ্রয়স্থল হল আপিল বিভাগ।
- হাইকোর্ট বিভাগের আদেশের প্রেক্ষিতেই কেবল এখানে আপিল করা যায়।
- এ বিভাগের বিচারকের নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা নেই তবে এখানে হাইকোর্ট বিভাগের চেয়ে স্বল্প সংখ্যক বিচারক থাকে।

আপিল বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- হাইকোট বিভাগের রায়, ডিক্রি, আদেশ বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির ও তা নিস্পত্তির এখতিয়ার ও ক্ষমতা রয়েছে।
- এ বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনা করতে পারে।
- রাষ্ট্রপতির প্রয়োজন মোতাবেক আপিল বিভাগ আইন বিষয়ে মতামত জ্ঞাপন করতে পারে।
- সম্পূর্ণ ন্যায় বিচারের স্বার্থে কোন ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করা ও কাগজপত্র পেশ করার আদেশ দিতে পারে। 

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৫৯.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের পর পর দুই অধিবেশনের মধ্যে সর্বোচ্চ বিরতির সময় কত?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা

• জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।

⇒ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের পর পর দুই অধিবেশনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ দিন বিরতি থাকে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন।
- সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহ্বান করা হবে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০ টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- দেশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবনে হুমকির কারণে জরুরি অবস্থা (সর্বাধিক ১২০ দিনের জন্য) ঘোষিত হতে পারে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৬০.
বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. তথ্য কমিশন
  2. দুর্নীতি দমন কমিশন
  3. সরকারি কর্ম কমিশন
  4. মানবাধিকার কমিশন
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন:
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন প্রধানত বিভিন্ন সরকারি চাকুরি ও পদে নিয়োগ দানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সাংবিধানিক সংস্থা।
- সংস্থাটি সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি, পদায়ন, বদলি, শৃঙ্খলা ও আপিলের মতো বিষয়ের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গেও জড়িত।
- বাংলাদেশের সংবিধানের পাঁচটি অনুচ্ছেদ সংবলিত একটি অধ্যায়ে কমিশনের গঠনপ্রণালী ও কার্যাবলি নির্দেশিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কমিশনের চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের নিয়োগ প্রদান করেন।
- সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।

উল্লেখ্য,
- ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন-প্রতিষ্ঠা,
- ১৩৮ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ এবং
- ১৩৯ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে।

• সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান: 
- নির্বাচন কমিশন,
- বাংলাদেশ সরকারী কর্মকমিশন,
- কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল অব বাংলাদেশ,
- এটর্নি জেনারেলের কার্যালয়।

সাংবিধানিক পদ: 
- সাংবিধানিক পদ,
- রাষ্ট্রপতি,
- প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপ-মন্ত্রী,
- স্পীকার এবং ডেপুটি স্পীকার,
- অ্যাটর্নি জেনারেল,
- প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারপতি,
- নির্বাচন কমিশনারের সভাপতি ও সদস্যগণ,
- সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বাংলাদেশ সংবিধান।

৮৬১.
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ১নং আসন কোনটি?
  1. খুলনা - ১
  2. পঞ্চগড় - ১
  3. বান্দরবান - ১
  4. রাঙ্গামাটি - ১
ব্যাখ্যা
পঞ্চগড়-১ আসন হলো জাতীয় সংসদের ১নং আসন।

জাতীয় সংসদ:
- অবস্থান - শেরে বাংলা নগর, ঢাকা।
- স্থপতি - লুই আই কান (যুক্তরাষ্ট্র)।
- সংসদ উদ্বোধন হয় - ২৮ জানুয়ারি, ১৯৮২ সালে।

উল্লেখ্য, 
- সংসদের মোট আসন - ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন - ৩০০টি।
- সংরক্ষিত নারী আসন - ৫০ টি।
- ১নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- ৩০০ নং আসন - বান্দরবান।
- ১ টি করে আসন রয়েছে তিনটি জেলায় (রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি)।

সূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।
৮৬২.
দেশের সর্বশেষ বিভাগ কোনটি? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. কুমিল্লা বিভাগ
  2. ময়মনসিংহ বিভাগ
  3. বরিশাল বিভাগ
  4. রংপুর বিভাগ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বিভাগসমূহ: 
- বাংলাদেশ আটটি প্রধান প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত যাদের বাংলায় বিভাগ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- বাংলাদেশের ৮টি বিভাগগুলো হলো:
• ঢাকা বিভাগ,
• চট্টগ্রাম বিভাগ,
• রাজশাহী বিভাগ,
• খুলনা বিভাগ,
• সিলেট বিভাগ,
• বরিশাল বিভাগ,
• রংপুর বিভাগ,
• ময়মনসিংহ বিভাগ।

⇒ ময়মনসিংহ বিভাগ:
- বাংলাদেশের অষ্টম প্রশাসনিক বিভাগ হলো ময়মনসিংহ।
- জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলা নিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগ গঠিত।
- ঢাকা বিভাগকে ভেঙ্গে দেশের অষ্টম বিভাগ ময়মনসিংহ বিভাগ সৃষ্টি করে।
- এই বিভাগের আয়তন ১০,৫৮৪ বর্গকিলোমিটার।
- এটি বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম বিভাগ।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮৬৩.
বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু-
  1. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  2. জাতীয় সংসদ
  3. সুপ্রীম কোর্ট
  4. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু।
- জাতীয় সংসদ কেবল আইন প্রণয়নের কেন্দ্রস্থল নয়;
- মন্ত্রীরা জাতীয় সংসদের সদস্য হওয়ায় তা শাসন ব্যবস্থার সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত।
- সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে এক কক্ষ বিশিষ্ট আইন পরিষদ (Unicameral) রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী এই আইন পরিষদই জাতীয় সংসদ।
- জাতীয় সংসদ নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের কল্যানে আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে কার্যত সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী।
- সংবিধানের ৬৫ (১) ধারা অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকবে।
- এবং সংবিধানের বিধানবলী সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়নের ক্ষমতা এ সংসদের উপর ন্যাস্ত।
- তবে জাতীয় সংসদের যে কোন আইন মানবাধিকার পরিপন্থী ও সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলে বিচার বিভাগ তা বাতিল করতে পারে।

উৎস: বাংলাদেশ স্ট্যাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম।[লিঙ্ক]।
৮৬৪.
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগের মেয়াদকাল-
  1. ৪ বছর
  2. ৬ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে।
- নির্বাচন কমিশনের প্রধানকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলা হয়ে থাকে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চার জন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকবে।
- একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতিরূপে কাজ করবেন।
- সংবিধানের বিধানবলী সাপেক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কোন নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদ তাঁর কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৯ এ নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব বর্ণিত হয়েছে।
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হলো রাষ্ট্রপতি ও সংসদে নির্বাচন পরিচালনা, নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রস্তুতকরণ, নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনঃনির্ধারণ, আইন কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য নির্বাচন পরিচালনা (এর মধ্যে সকল স্থানীয় সরকার পরিষদ যেমনঃ ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পার্বত্য জেলা পরিষদ অর্ন্তভুক্ত) এবং আনুষাঙ্গিক কার্যাদির সুষ্ঠু সম্পাদন।
- দায়িত্ব পালনে নির্বাচন কমিশন স্বাধীন থাকবেন এবং কেবল সংবিধান ও আইনের অধীন হবেন।
- নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সকল কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

৮৬৫.
বাংলাদেশে বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে? [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. ড. সিরাজুল আলম
  2. এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন
  3. বেগম তাহমিদা আহমদ
  4. মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম সরকার
ব্যাখ্যা

প্রধান নির্বাচন কমিশনার:
- নির্বাচন কমিশনার সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- নির্বাচন কমিশনারগণকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার সহ অনধিক চারজন কমিশনার মিলে মোট পাঁচজন নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। [জানুয়ারি, ২০২৬]
- জনাব এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর তারিখে বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারের মেয়াদ পাঁচ বছর।
- বাংলাদেশে প্রথম নির্বাচন কমিশনার: বিচারপতি এম.ইদ্রিস।

উল্লেখ্য, 
- অপর চারজন সহকারী কমিশনার:
- ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো: সানাউল্লাহ
- বেগম তাহমিদা আহমদ,
- জনাব আব্দুর রহমানেল মাছউদ,
- মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।

৮৬৬.
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল হয় কত সালে?
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার একটি সরকারের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় থেকে নতুন একটি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পূর্ববর্তী সময়ে রাষ্ট্রের প্রশাসন পরিচালনায় নিয়োজিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
- সাধারণত যেকোন প্রতিষ্ঠিত সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পূর্ব পর্যন্ত বিদায়ী সরকারের নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার হিসেবে দায়িত্ব পালনের প্রথা লক্ষণীয়।
- এ স্বল্পস্থায়ী সরকার দৈনন্দিন প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করে এবং নীতি নির্ধারণী কার্যক্রম থেকে বিরত থাকে, যাতে এ সরকারের কার্যাবলী নির্বাচনের ফলাফলে কোনো প্রভাব সৃষ্টি না করে।
- ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা হস্তান্তরের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- কোনো সাংবিধানিক সংশোধনী ছাড়াই ১৯৯০ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা হয়েছিল।
- সংবিধানে ত্রয়োদশ সংশোধনীর অধীনে একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা হয়।
- ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল হয়ে যায়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৮৬৭.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন -
  1. ৬ আগস্ট, ২০২৪
  2. ৭ আগস্ট, ২০২৪
  3. ৮ আগস্ট, ২০২৪
  4. ৯ আগস্ট, ২০২৪
ব্যাখ্যা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার:
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে।
- নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আগস্ট, ২০২৪ সালে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।
- এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

⇒ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
- শপথ গ্রহণের স্থান: বঙ্গভবন।
- প্রধান উপদেষ্টা: ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- মোট উপদেষ্টা: ২৩ জন।
- নারী উপদেষ্টা রয়েছে ৪ জন।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
৮৬৮.
বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার বাংলাদেশের কততম প্রধান নির্বাচন কমিশনার? [জানুয়ারি, ২০২৬] 
  1. ১২তম
  2. ১৩তম
  3. ১৪তম
  4. ১৫তম
ব্যাখ্যা

• নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় নির্বাচন কমিশন গঠিত। 
- এটি সাংবিধানিকভাবে গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন কমিশনারসহ মোট পাঁচজন নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- নির্বাচন কমিশনারগণকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। 
- জনাব এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর তারিখে বাংলাদেশের ১৪ তম প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
- নির্বাচন কমিশনের সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সভাপতির কাজ করেন।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারের মেয়াদ তাদের কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- বাংলাদেশে প্রথম নির্বাচন কমিশনার: বিচারপতি এম.ইদ্রিস।

• বর্তমান নির্বাচন কমিশন:
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার: এ এম এম নাসির উদ্দিন
- নির্বাচন কমিশনার: আব্দুর রহমানেল মাছউদ
- নির্বাচন কমিশনার: বেগম তাহমিদা আহমদ
- নির্বাচন কমিশনার: মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম সরকার
- নির্বাচন কমিশনার: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো: সানাউল্লাহ (অবসরপ্রাপ্ত)

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি ও নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

৮৬৯.
কোন সনে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের পদ সৃষ্টি করা হয়েছে?
  1. ২০০৩
  2. ২০০৫
  3. ২০০৭
  4. ২০০৮
ব্যাখ্যা
• নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ আলাদা:
- নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের জন্য মামলা হয় ১৯৯৫ সালের ১৯ নভেম্বর। 
- এই মামলাটি 'মাসদার হোসেন বনাম বাংলাদেশ' নামে পরিচিত। 
- নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ সংক্রান্ত বিতর্কের অবসান ঘটে ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর মাজদার হোসেন মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রদত্ত রায়ের মাধ্যমে।
- ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের লক্ষ্যে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের পদ সৃষ্টি করে ফৌজদারি কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ ২০০৭ জারি করে। 
- যা ২০০৯ সালে আইনে পরিণত হয়।

উল্লেখ্য,
- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
• উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
• অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ট বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বিবিসি বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট।
৮৭০.
অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের কোন অংশের কর্মকর্তা?
  1. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  2. বিচার বিভাগ
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ
ব্যাখ্যা
অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগের কর্মকর্তা।

অ্যাটর্নি জেনারেল:
- অ্যাটর্নি জেনারেল, রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল হল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক।
- এছাড়াও, অ্যাটর্নি জেনারেল তার পদাধিকার বলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- অ্যাটর্নি জেনারেলকে কিছু সংখ্যক যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ-অ্যাটর্নি জেনারেল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সহায়তা করেন।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধান মোতাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবিধানিক পদ নয়, এটি একটি সংবিধিবদ্ধ পদ।
- সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।

উল্লেখ্য,
- দেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
- তিনি ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল।
- ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট তিনি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

উৎস: i) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ওয়েবসাইট।
ii) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
৮৭১.
’রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য’ নাগরিকের কী ধরনের কর্তব্য?
  1. নৈতিক কর্তব্য
  2. আইনগত কর্তব্য
  3. মৌলিক কর্তব্য
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• অধিকার ভোগ করতে গিয়ে নাগরিকরা যেসব দায়িত্ব পালন করে, তাকে কর্তব্য বলে।
- নাগরিকের কর্তব্যকে দুভাগে ভাগ করা যায়।

• নৈতিক কর্তব্য:
- নৈতিক কর্তব্য মানুষের বিবেক এবং সামাজিক নৈতিকতা বা ন্যায়বোধ থেকে আসে এবং সামাজিক নৈতিকতা বা ন্যায়বোধ থেকে সৃষ্টি হওয়ায় এগুলোকে নৈতিক কর্তব্য বলে।
-যেমন-
- নিজে শিক্ষিত হওয়া 
- সন্তানদের শিক্ষিত করা,
-সততার সাথে ভোট দান,
- রাষ্ট্রের সেবা করা, 
- বিশ্বমানবতার সাহায্যে এগিয়ে আসা। 

• আইনগত কর্তব্য:
- রাষ্ট্রের আইন দ্বারা আরোপিত কর্তব্যকে আইনগত কর্তব্য বলে।
যেমন-
- রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য,
- আইন মানা,
- কর প্রদান করা,

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
৮৭২.
দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনারগণ কার কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. জাতীয় সংসদ
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

দুর্নীতি দমন কমিশন:
- ২১ শে নভেম্বর ২০০৪ বর্তমান দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ১৭ ধারা অনুসারে দুর্নীতি দমন কমিশনে প্রতিরোধ, গবেষণা এবং গণসচেতনতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- এটি একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান।
- কার্যালয়: ঢাকার সেগুনবাগিচা।
- রুপকল্প: সমাজের সর্বস্তরে প্রবাহমান একটি শক্তিশালী দুর্নীতিবিরোধী সংস্কৃতির চর্চা এবং এর প্রসার সুনিশ্চিত করা। 
-  লক্ষ্য: অব্যাহতভাবে দুর্নীতির দমন, নিয়ন্ত্রণ, প্রতিরোধ এবং উত্তম চর্চার বিকাশ সাধন করা।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন একজন চেয়ারম্যান ও দুইজন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত।
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৬(১) ধারার বিধানমতে দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনারগণ হলেন -
(১) জনাব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন;
(২) মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী; এবং
(৩) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ। 
- দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনারগণ দুদক আইন ২০০৪ এর ৭ ধারা অনুযায়ী গঠিত বাছাই কমিটির সুপারিশক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ৫ (পাঁচ) বছর মেয়াদের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

উৎস: দুর্নীতি দমন কমিশন ওয়েবসাইট।

৮৭৩.
বাংলাদেশের আইনসভা কয় কক্ষবিশিষ্ট?
  1. এক-কক্ষবিশিষ্ট
  2. দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট
  3. তিন-কক্ষবিশিষ্ট
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

আইনবিভাগ: 
- সরকারের তিনটি বিভাগের একটি হলো আইনবিভাগ।
- আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন এবং প্রয়োজনবোধে প্রচলিত আইনের সংশোধন বা রদবদল করে থাকে।
- আইনবিভাগের একটি অংশ হলো আইনসভা বা পার্লামেন্ট।
- আইনসভা আইন প্রণয়ন করে।
- নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের নিয়ে কিংবা কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোনীত সদস্যদের নিয়ে এটি গঠিত হয়।
- আইনসভা প্রণীত আইন রাষ্ট্রপ্রধানের সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়।
- দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভায় উচ্চ পরিষদ ও নিম্ন পরিষদ থাকে।
- বাংলাদেশের আইনসভা এক কক্ষবিশিষ্ট।
- ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের আইনসভা দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৭৪.
থানা পরিষদকে সংশোধনীর মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ নামকরণ করা হয় কবে?
  1. ১৯৮২ সালে
  2. ১৯৮৩ সাল
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা
- স্থানীয় সরকার অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত থানা পরিষদকে ১৯৮৩ সালে সংশোধনীর মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ নামকরণ করা হয়। 

উপজেলা পরিষদ:

- বাংলাদেশের তিন স্তর বিশিষ্ট গ্রামীন স্থানীয় সরকার কাঠামোর মধ্যম স্তর হল উপজেলা পরিষদ।
- ১৯৮২ সালে স্থানীয় সরকার অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে থানা পরিষদ নামক স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠিত করা হয়।
- ১৯৮৩ সালে সংশোধনীর মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ নামকরণ করা হয়।
- উপজেলা পরিষদের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালে।
- উপজেলা পরিষদ সৃষ্টির মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ের মানুষের শাসন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়।
- ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনের পরে সামরিক শাসন আমলে গঠিত উপজেলা পরিষদের সকল কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।
- নানান পরিবর্তনের পরে ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদে উপজেলা পরিষদ আইনটি পাশ হয় এবং স্থানীয় সরকারের এই স্তরটি চালু হয়।
- দীর্ঘ বিরতির পর ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমানে উপজেলা পরিষদে প্রধানত দুই ধরনের প্রতিনিধি দেখা যায়। যথা: নির্বাচিত প্রতিনিধি ও সরকারি প্রতিনিধি।
- নির্বাচিত প্রতিনিধির একাংশ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত।
- অন্যরা পরোক্ষভাবে অর্থাৎ একটি উপজেলা পরিষদের আওতাধীন সকল ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার চেয়ারম্যান ও মেয়র এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যদের মধ্য থেকে নিজেদের দ্বারা নির্বাচিত এক- তৃতীয়াংশ নারী সদস্য।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭৫.
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে কবে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  2. ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  3. ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  4. ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ব্যাখ্যা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট:
- ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
- একই দিনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোট আয়োজনেরও ঘোষণা দিয়েছেন সিইসি।
- দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
- জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট হবে সাদা, আর গণভোটের ব্যালট হবে গোলাপি।
- এবার নির্বাচনের দিনেই গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায়, ভোটগ্রহণের সময় একঘণ্টা বাড়িয়ে সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন।

৮৭৬.
শাসন বিভাগের কার্যক্রম সম্পন্ন হয় -
  1. ক) রাষ্ট্রপতির নামে
  2. খ) প্রধানমন্ত্রীর নামে
  3. গ) অ্যাটর্নি জেনারেলের নামে
  4. ঘ) স্পিকারের নামে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের শাসনকাঠামো: 
রাষ্ট্রপতি:
- শাসন বিভাগের কার্যক্রম মহামান্য রাষ্ট্রপতির নামে সম্পন্ন হয়।
- সংসদীয় সরকার পদ্ধতি চালু থাকায় রাষ্ট্রপতি প্রকৃত অর্থে নামমাত্র শাসক।
- রাষ্ট্রের প্রকৃত প্রশাসনিক ক্ষমতা সরকার প্রধান অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর উপর ন্যস্ত থাকে।
- তবে রাষ্ট্রের প্রধান হিসাবে রাষ্ট্রপতি সর্বাধিনায়কের দায়িত্ব পালন করে থাকেন।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটের দ্বারা।
- এই সংসদই যে কোন বড় ধরনের ব্যর্থতার জন্য রাষ্ট্রপতিকে ক্ষমতাচ্যূত করতে পারে।
- রাষ্ট্রপতি মূলতঃ অলঙ্কারিক দায়িত্ব পালন করে থাকেন।
- সংসদীয় প্রথা অনুযায়ী তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়।

• প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ :
- সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী গ্রহণের ফলে বাংলাদেশে যে নির্বাহীর উদ্ভব ঘটে তা হল সংসদীয় নির্বাহী।
- এখানে প্রধানমন্ত্রীর প্রাধান্য নিশ্চিত করার জন্য নানাবিধ ব্যবস্থা সংবিধানভূক্ত হয়।
- এই ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক মনোনীত ও অনুমোদিত না হলে কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে পারেন না।
- প্রকৃতপক্ষে, সরকার প্রধান হিসেবে বাংলাদেশের বর্তমান নির্বাহী ক্ষমতা মূলত প্রধানমন্ত্রীর ওপরই ন্যস্ত রয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের প্রধান থাকেন।
- মন্ত্রিপরিষদ তার সকল কর্মকান্ডের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিকট জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকে। কেননা, প্রধানমন্ত্রী হলেন সংসদ নেতা।
- প্রধানমন্ত্রী সংসদের নেতা হওয়ার দরুণ মহামান্য রাষ্ট্রপতি তাঁর পরামর্শক্রমে সংসদের অধিবেশন আহবান ও ভেঙে দিতে পারেন।
- জাতীয় সংসদের পবিত্রতা ও শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য তিনি স্পীকারকে সহযোগিতা করেন।

• অ্যাটর্নি জেনারেল:
- অ্যাটর্নি জেনারেল নির্বাহী বিভাগের বা সরকারের পক্ষে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের বিচারিক কর্মকান্ডে প্রধান কুশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকে।

সূত্র: পৌরনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭৭.
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন -
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ড. আসিফ নজরুল
  3. ড. আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন
  4. সালেহ উদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার:
- নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।
- সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। 
- এই সরকারে মোট উপদেষ্টা ১৬ জন। 

উল্লেখ্য,
⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ১. মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ; ২. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়; ৩. সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ; ৪. শিক্ষা মন্ত্রণালয়; ৫. সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়; ৬. খাদ্য মন্ত্রণালয়; ৭. গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়; ৮. ভূমি মন্ত্রণালয়; ৯. বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়; ১০. কৃষি মন্ত্রণালয়; ১১. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়; ১২. রেলপথ মন্ত্রণালয়; ১৩. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়; ১৪. বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়; ১৫. নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়; ১৬. পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়; ১৭. মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়; ১৮. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়; ১৯. তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়; ২০. প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ২১. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়; ২২. শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; ২৩. সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়; ২৪. বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়; ২৫. মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

⇒ জনাব সালেহ উদ্দিন আহমেদ:
- ১. অর্থ মন্ত্রণালয়; ২. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।

⇒ ড. আসিফ নজরুল:
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

⇒ জনাব আদিলুর রহমান খান:
-  শিল্প মন্ত্রণালয়। 

⇒ জনাব হাসান আরিফ:
- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।

⇒ জনাব মোঃ তৌহিদ হোসেন:
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

⇒ সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান:
- পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়

⇒ মিজ শারমীন এস মুরশিদ:
- সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়। 

⇒  ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন:
- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। 

⇒ ড. আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন:
- ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 

⇒ ফরিদা আখতার:
- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। 

⇒ নূর জাহান বেগম:
- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। 

⇒ জনাব মোঃ নাহিদ ইসলাম:
- ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।

⇒ জনাব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া: 
- যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। 

⇒ সুপ্রদীপ চাকমা: 
- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

⇒ ডা. বিধান রঞ্জন রায়:
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
৮৭৮.
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভাগ কয়টি?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৩ টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ৫ টি
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয় । 
- এর ২ টি বিভাগ রয়েছে - ১। জননিরাপত্তা বিভাগ এবং ২। সুরক্ষা বিভাগ 
- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা সমূহের মধ্যে রয়েছে: বাংলাদেশ পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ইত্যাদি।
- তবে যুদ্ধকালিন সময়ে বিজিবি সেনাবাহিনীর অধীনস্থ হয়।

(সূত্র: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়)
৮৭৯.
জুলাই জাতীয় সনদে কতটি সংস্কার প্রস্তাব উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৮৪টি 
  2. ৯০টি 
  3. ৩৪টি 
  4. ৭৫টি 
ব্যাখ্যা

জুলাই জাতীয় সনদ:
- ১৭ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে ‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- জুলাই জাতীয় সনদকে চব্বিশের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে জনগণের ত্যাগ ও রক্তদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রণীত নতুন রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
- এই সনদ বাস্তবায়নে মোট সাত দফা অঙ্গীকার করা হয়েছে।

⇒ জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ২৪টি রাজনৈতিক দলের ৪৮ জন প্রতিনিধি আনুষ্ঠানিকভাবে ওই সনদে সই করেন।
- এরপর সই করেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ কমিশনের সদস্যরা। 
- সাত দফা অঙ্গীকারনামার ভিত্তিতে প্রণীত ৪০ পৃষ্ঠার এই সনদের তিনটি ভাগের মধ্যে প্রথম ভাগে পটভূমি, দ্বিতীয় ভাগে ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব ও তৃতীয় ভাগে সনদ বাস্তবায়নের সাত দফা অঙ্গীকার রয়েছে।

⇒  এই সনদের ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে ৪৭টি বিষয়কে ‘সংবিধান সংশোধন সাপেক্ষে সংস্কার’ এবং বাকি ৩৭টি বিষয়কে ‘আইন বা অধ্যাদেশ, বিধি ও নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে সংস্কার’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে ঐকমত্য কমিশন। জুলাই সনদের পটভূমি ব্যাখ্যা করে সংস্কারযজ্ঞ নিয়ে ঐকমত্য কমিশনের কার্যক্রমসহ সংস্কারের ৮৪ দফা তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলো কী অঙ্গীকার করছে, তা উল্লেখ করার পর স্বাক্ষরের জায়গা রাখা হয়েছে।


উল্লেখ্য, 
- জুলাই ঘোষণাপত্রে ২৮টি ধারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) কালের কন্ঠ।

৮৮০.
সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে কী নাম রাখা হয়?
  1. শ্রম মন্ত্রণালয়
  2. স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়
  3. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
  4. গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়:
- প্রজাতন্ত্রের গণকর্মচারী নিয়োগ, পদায়ন ও পদোন্নতির ব্যবস্থা করা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রধান কাজ।
- এ কাজ সুচারুরূপে সম্পন্ন করার জন্য গণকর্মচারী নিয়োগবিধি ও চাকরিবিধি প্রণয়নও এ মন্ত্রণালয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
- নিয়োজিত জনবলের সংগঠিত ও প্রমিত কর্মজীবন পরিকল্পনা প্রণয়নের পাশাপাশি সর্বস্তরে বাংলা ভাষা প্রচলন ও প্রসারের মতো তাৎপর্যমণ্ডিত বহুমুখী দায়িত্ব পালনেও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সক্রিয় ও অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। 
- ১৯৮২ খ্রিষ্টাব্দে Martial Law Committee on Reorganizational Set-up সকল সরকারি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর/পরিদপ্তরসহ সকল স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার পুনর্গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করে।
- এ উদ্দেশ্য সাধনে গঠিত এনাম কমিটি Establishment Division-কে পরবর্তী সময়ে Ministry of Establishment & Reorganization নামকরণের সুপারিশ করে।
- পরবর্তী সময়ে Ministry of Establishment & Reorganization-এর পরিবর্তিত নামকরণ হয় Ministry of Establishment বা সংস্থাপন মন্ত্রণালয়.
- সময়ের আবর্তনে কার্যসম্পৃক্ত নামকরণের চাহিদা অনুভূত হওয়ায় ২৮-০৪-২০১১ খ্রিষ্টাব্দে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় (Ministry of Public Administration) করা হয়। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৮৮১.
নিচের কোনটি নাগরিকের নৈতিক কর্তব্য নয়?
  1. রোগীর সেবা
  2. নিয়মিত কর প্রদান
  3. শোকার্তকে সান্ত্বনা প্রদান
  4. ক্ষুধার্তকে খাদ্য দান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নাগরিকতা:
- বাংলাদেশের নাগরিকতা প্রধানত জন্মসূত্রে নির্ণয় করা হয়।
- বাংলাদেশে জন্ম নেয়া সবাই বাংলাদেশের নাগরিক।

নাগরিকের কর্তব্য:
- কর্তব্য বলতে নাগরিকের দায়িত্ব বোঝায়।
- নাগরিকগণ যেমন রাষ্ট্র প্রদত্ত অধিকার ভোগ করে, তেমনি রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকের কর্তব্যও রয়েছে।
নাগরিক কর্তব্য দুই ভাগে বিভক্ত।
- যথা: (ক) নৈতিক কর্তব্য (খ) আইনগত কর্তব্য।

নৈতিক কর্তব্য:
- ক্ষুধার্তকে খাদ্য দান, রোগীর সেবা,
- শোকার্তকে সান্ত্বনা প্রদান,
- দুর্যোগ, মহামারী, বন্যা, খরা ও দুর্ভিক্ষের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত।

আইনগত কর্তব্য:
- নির্বাচনে ভোটদান করা,
- আইন মেনে চলা,
- নিয়মিত কর প্রদান করা ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৮২.
সর্বনিম্ন কত বছরের সাজাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচনের অযোগ্য?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
ব্যাখ্যা
সংসদ সদস্য হবার যোগ্যতা:
- সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ২৫ বছর বয়স্ক বাংলাদেশী যেকোন নাগরিক সংসদ সদস্য হবার যোগ্যতা রাখে।
- অপ্রকৃতিস্থ, দেউলিয়া, বিদেশী নাগরিকত্ব অর্জন, কোন অপরাধে ২ বছরের জন্য সাজাপ্রাপ্ত নাগরিক সংসদ সদস্য হতে পারবে না।
- সংসদের মেয়াদ ৫ বছর। তবে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙ্গে দিতে পারেন।
- অধিবেশন আরম্ভ করার জন্য ৬০ সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হতে হয়।
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী দল সরকারি দলের এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসনে বিজয়ী দল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করে। সংসদ সদস্যগণ অনেকে একই সাথে হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, বিভিন্ন সংসদীয় কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন।
- কোন সংসদ সদস্য নিজের ইচ্ছায় পদত্যাগ দাখিল করলে অথবা একাধারে ৯০ কার্যদিবস সংসদে অনুপস্থিত থাকলে তাঁর সদস্যপদ বাতিল হবে।
- তাছাড়া তিনি যে দল থেকে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন সেই দল থেকে পদত্যাগ করলে অথবা সংসদে সে দলের বিপক্ষে ভোট দান করলেও তাঁর সদস্যপদ বাতিল হবে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৮৩.
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ পদ কোনটি?
  1. জেনারেল
  2. লেফটেন্যান্ট জেনারেল
  3. মেজর জেনারেল
  4. ভাইস-এডমিরাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পদবি:
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বাংলাদেশ সামরিক বাহিনীর একটি শাখা।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আত্মপ্রকাশ ঘটে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষা করা। প্রাথমিক লক্ষ্যের পাশাপাশি, জাতীয় জরুরি অবস্থার সময়ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বেসামরিক সরকারকে সহায়তা করে।

⇒ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অর্জন এবং অবদান ৫টি বিস্তৃত শ্রেণীর অপারেশনাল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে চিহ্নিত করা যেতে পারে।
- এগুলো হলো: অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা অভিযান, পার্বত্য চট্টগ্রামে বিদ্রোহ দমন অভিযান (সিআইও), অবকাঠামো ও জাতি গঠনমূলক কার্যক্রম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ভূমিকা এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম।

⇒ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ পদ: জেনারেল।
- বর্তমান জেনারেল: ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি (সময়কাল: ২৩/জুন/২০২৪ থেকে বর্তমান)।

উৎস: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৮৮৪.
বাংলাদেশে প্রথম গণভোট অনুষ্ঠিত হয় -
  1. ১৯৭৭ সালে
  2. ১৯৭৯ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে গণভোট:
- রাষ্ট্রের কোন গুরুত্বপুর্ন বিষয়ে জনমত যাচাই করার জন্য যে প্রত্যক্ষ ভোট গ্রহন করা হয় তাকে গণভোট বা Referendum বলা হয়।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত গণভোট হয়েছে ৩ বার।
- বাংলাদেশের প্রথম গণভোট অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৭ সালের ৩০ মে জিয়াউর রহমানের নিজ শাসনকে বৈধকরণ (প্রশাসনিক)।
- দ্বিতীয় গণভোট অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালের ১ মার্চ এরশাদের সমর্থন যাচাই (প্রশাসনিক)।
- তৃতীয় গণভোট - ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৯১ (একমাত্র সাংবিধানিক )।
- সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীতে গনভোটের বিধান আওতাভুক্ত করা হয়েছিল।

উৎস: বাংলাদেশ আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ।

৮৮৫.
ভূমি মন্ত্রণালয়ের বর্তমান উপদেষ্টা কে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. নাহিদ ইসলাম
  2. এ এফ হাসান আরিফ
  3. আলী ইমাম মজুমদার
  4. মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী
ব্যাখ্যা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার:
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে।
- নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আগস্ট, ২০২৪ সালে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।
- এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে এ এফ হাসান আরিফকে নিয়োগ করা হয়।
- গত ২০ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে এ এফ হাসান আরিফ মারা যায়।
- রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী, উপদেষ্টার পদ শূন্য হওয়ার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে তা প্রধান উপদেষ্টার অধীনে চলে যায়।
- পরবর্তীতে খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদারকে ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়।
- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ২০ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
- প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গত ১৬ আগস্ট, ২৭ আগস্ট এবং ১০ নভেম্বরের প্রজ্ঞাপনের অনুবৃত্তিক্রমে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদারকে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব অর্পণ করেছেন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৮৮৬.
সুপ্রিম কোর্টের সর্বোচ্চ বিভাগ কোনটি?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  3. আপিল বিভাগ
  4. জেলা আদালত
ব্যাখ্যা

সুপ্রীম কোর্ট:
- সুপ্রীম কোর্ট হলো বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত।
- প্রধান বিচারপতি এই আদালতের প্রধান।
- বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি এবং উভয় বিভাগের অন্যান্য বিচারকদের নিয়ে সুপ্রীম কোর্ট গঠিত।
- বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট দুটি বিভাগে বিভক্ত: হাইকোর্ট বিভাগ এবং আপিল বিভাগ।
- বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে কাজ করে। 


• সুপ্রীম কোর্টে দুটি বিভাগ রয়েছে। 
- হাইকোর্ট বিভাগ ও
- আপিল বিভাগ।

উল্লেখ্য, 
- রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
- এরপর প্রধান বিচারপতির পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়োগ প্রদান করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৮৭.
সরকারের কোন বিভাগ আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী?
  1. শাসন বিভাগ
  2. বিচার বিভাগ
  3. আইন বিভাগ
  4. সচিবালয়
ব্যাখ্যা

- সরকারের অঙ্গ বা বিভাগ ৩ টি।
যথা- শাসন বিভাগ , বিচার বিভাগ , আইন বিভাগ।

- আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদ বা আইন বিভাগ সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী।

- বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ (House of the Nation)। এটি এক কক্ষবিশিষ্ট।
- সংবিধান বলা হয়েছে যে, 'জাতীয় সংসদ' নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকবে এবং এ সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা সংসদে ওপর ন্যস্ত হবে।

তথ্যসূত্র- উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৮৮৮.
কোনটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়?
  1. ক) রাষ্ট্রপতির কার্যালয়
  2. খ) পাবলিক সার্ভিস কমিশন
  3. গ) নির্বাচন কমিশন
  4. ঘ) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান গুলো হলো- নির্বাচন কমিশন, মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের দপ্তর, সরকারি কর্ম কমিশন, অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়, রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ইত্যাদি। অপরদিকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৮৮৯.
জাপানে সিভিল সার্ভিসে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে কোন প্রতিষ্ঠানটি?
  1. ক) OPM
  2. খ) NPA
  3. গ) CSS
  4. ঘ) UPCS
ব্যাখ্যা
জাপানে সিভিল সার্ভিসে নিযোগ প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে থাকে National Personnel Authority (NPA).
এটি জাপান সরকারের কেন্দ্রিয় মানব সম্পদ বা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত একটি নিরপেক্ষ ও বিশেষায়িত সংস্থা।
NPA ১৯৪৮ সালের ডিসেম্বরে ‘ন্যাশনাল পাবলিক সার্ভিস অ্যাক্ট’ এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
NPA এর কাজের মধ্যে রয়েছে:
- সিভিল সার্ভিস নিয়োগ পরিক্ষার আয়োজন
- সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের নিয়োগ ও অবসানের বিধি বিধান সুপারিশ করা
- সিভিল সার্ভেন্টদের সুযোগ-সুবিধাদি দেখভাল করা প্রভৃতি।
(সূত্র: NPA ওয়েবসাইট)
৮৯০.
ঢাকা পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত মেয়র-
  1. ক) স্কিনার
  2. খ) খাজা মোহাম্মদ আজগর
  3. গ) আনন্দ চন্দ্র রায়
  4. ঘ) ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত
ব্যাখ্যা
ঢাকা পৌরসভা: 
- ১৮৬৪ সালে ঢাকায় পৌরসভা গঠিত হয়।
- পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তখনকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্কিনার।
- ১৮৮৫ সালে ঢাকা পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন রায় বাহাদুর আনন্দ চন্দ্র রায়।
- ঢাকা পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত মুসলমান চেয়ারম্যান খাজা মোহাম্মদ আসগর।
- ব্রিটিশ আমলের শেষ পৌর চেয়ারম্যান ছিলেন বিমলা নন্দ দাসগুপ্ত।
- ১৯৪৭ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত ঢাকা পৌরসভার চেয়ারম্যান পদে মনোনীত বা অনির্বাচিতরাই বসেন।
- পাকিস্তান আমলে পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন পানাউল্লাহ আহমেদ।
- ১৯৭৭ সালের ৩১ অক্টোবর ঢাকা পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পান ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত।
- ১৯৭৮ সালের অক্টোবরে ঢাকা মিউনিসিপ্যালিটিকে মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনে উন্নীত করা হয়।
- ১৯৯০ সালে মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন থেকে ঢাকা সিটি করপোরেশনে উন্নীত হলে ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত প্রথম মেয়র (মনোনীত) হিসেবে দায়িত্ব পান।
- ২০১১ সালের ২৯ নভেম্বর স্থানীয় সরকার সংশোধনী বিল ২০১১ অনুসারে সরকার পূর্ববর্তী ঢাকা সিটি করপোরেশনকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে।
- এ আইন অনুযায়ী ৪ ডিসেম্বর ২০১১ থেকে ঢাকা সিটি করপোরেশনকে দুইটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করার ঘোষণা দেয়া হয়।
- ২০১২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন যাত্রা শুরু করে।

উৎস: বাংলাদেশ সরকার ব্যবস্থা, Live MCQ লেকচার
৮৯১.
নাগরিকতা বিলোপের কারণ নয় কোনটি?
  1. রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ করলে
  2. রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য স্বীকার না করলে
  3. স্বেচ্ছায় নাগরিকত্ব ত্যাগ করলে
  4. বিদেশ ভ্রমণ করলে
ব্যাখ্যা

নাগরিকতা বিলোপের কারণ:
- নিম্নলিখিত কারণে কোন ব্যক্তির নাগরিকত্ব বিলোপ হতে পারে- 
(ক) স্বেচ্ছায় নাগরিকত্ব ত্যাগ করলে,
(খ) রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ করলে,
(গ) অন্য কোন রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করলে অনেকক্ষেত্রে পূর্ববর্তী নাগরিকত্ব বিলোপ হতে পারে, 
(ঘ) রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য স্বীকার না করলে।

উল্লেখ্য,
- 'বিদেশ ভ্রমণ' নাগরিকতা বিলোপের কারণ নয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৯২.
কতটি এজেন্সি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সিভিল সার্ভিস কমিশনের ভূমিকা পালন করে?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ১টি
ব্যাখ্যা
১৮৮৩ সালে গঠিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সিভিল সার্ভিস কমিশন ১৯৭৮ সালে বিভক্ত হয়ে তিনটি সংস্থায় প্রতিস্থাপিত হয়। এগুলো হলো:
- অফিস অব দ্য পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট
- দ্য মেরিট সিস্টেম প্রোটেকশন বোর্ড
- দ্য ফেডারেল লেবার রিলেশন অথরিটি।
(সূত্র: অফিস অব দ্য পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট ওয়েবসাইট)
৮৯৩.
রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সরকারের কয়টি মৌলিক বিভাগ রয়েছে? 
  1. দুটি
  2. চারটি
  3. তিনটি
  4. পাঁচটি
ব্যাখ্যা

• সরকার ব্যবস্থা :
- সরকারের কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সরকারের বিভিন্ন বিভাগ বা অঙ্গ রয়েছে। 
- রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সামগ্রিকভাবে সরকারের তিনটি বিভাগ রয়েছে, 
যথা:
১. নির্বাহী বা শাসনবিভাগ,
২. আইনবিভাগ ও
৩. বিচার বিভাগ
- প্রত্যেক সরকারের ব্যবস্থায়  তিনটি মৌলিক বিভাগ বিদ্যমান থাকে।
- কেননা, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি কাজ হচ্ছে প্রশাসন পরিচালনা, আইন প্রণয়ন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা।
- প্রশাসন পরিচালনা দুই ধরনের- একটি কেন্দ্রীয় এবং অপরটি স্থানীয় শাসন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি। 

৮৯৪.
জাতীয় সংসদ কত একর জায়গার উপর প্রতিষ্ঠিত?
  1. ক) ১৮৫ একর
  2. খ) ১৯৫ একর
  3. গ) ২০০ একর
  4. ঘ) ২১৫ একর
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি লুই আই কান।
- তিনি এস্তোনীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক।
- জাতীয় সংসদ ভবন নয় তলা উচ্চতা বিশিষ্ট।
- এটি ২১৫ একর জমির উপর নির্মিত।
- ২৮ জানুয়ারি ১৯৮২ সালে বর্তমান জাতীয় সংসদ ভবন উদ্বোধন করা হয়।
উৎসঃ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ওয়েবসাইট।

৮৯৫.
Rules of Business কে প্রণয়ন করেন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. আইনমন্ত্রী
  4. বাণিজ্যমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

Rules of Business:
- যে আইনের মাধ্যমে সরকারের প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালনা করা হয় তাকেই সরকারী কার্যপ্রণালী বিধি বা Rules of Business বলা হয়ে থাকে।
- রুলস অফ বিজনেস, ১৯৯৬ হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল যা সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রণীত।
- সরকারের ‘রুলস অব বিজনেস’ বা কার্যবিধিমালার বিষয়বস্তু হচ্ছে মূলত নির্বাহী বিভাগের কর্মবণ্টন ও কর্মপদ্ধতি।
- বলা হয়ে থাকে রাষ্ট্রের সংবিধান যেমন সব নাগরিকের জন্য প্রযোজ্য, তেমনি কার্যবিধিমালা নির্বাহী বিভাগের সবার জন্য প্রযোজ্য।
- এই বিধিমালার উদ্দেশ্য হলো সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে কার্যাবলী বন্টন করা এবং তাদের দায়িত্ব ও কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করা। 
- সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি Rules of Business প্রণয়ন করেন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রথম কার্যবিধিমালা প্রণীত হয়েছিল ১ নভেম্বর ১৯৭৫ সালে। তখন রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ছিল বিধায় সেটি সে আদলেই করা হয়েছিল।
- ১৯৯৬ সালে প্রবর্তিত হয় সংসদীয় পদ্ধতির সরকার উপযোগী নতুন কার্যবিধিমালা।
- বিধিমালাটি ইংরেজিতে প্রণীত।
- কার্যবিধিমালাতে পাঁচটি অধ্যায়ে ৩৩টি বিধি এবং সাতটি তফসিল রয়েছে।

উৎস: i) বণিক বার্তা।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান। 

৮৯৬.
বাংলাদেশ সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে?
  1. রাষ্ট্রপ্রতি
  2. মন্ত্রিপরিষদ সচিব
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

→ বাংলাদেশ সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী শাসন বিভাগের নির্বাহী প্রধান।
- প্রধানমন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার প্রধান।
- জাতীয় সংসদের নির্বাচনের পর সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মনোনীত ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন।
- সংবিধানের ৫৫ ও ৫৬ নং ধারা মতে, প্রধানমন্ত্রী পদায়িত হবেন মন্ত্রিপরিষদের শীর্ষে।
- তিনি তাঁর মন্ত্রিপরিষদের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী নির্বাচন করেন।
- সংবিধান অনুসারে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রকৃত নির্বাহী।
- জাতীয় সংসদের নির্বাচনের পর সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মনোনীত ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন।
- প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রধান পরিষদ অর্থাৎ মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৯৭.
বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান খাত কোনটি?
  1. আমদানি শুল্ক
  2. মূসক
  3. আয়কর
  4. আবগারি শুল্ক
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান খাতসমূহ (২০২০-২০২১ অর্থবছর হিসাব):
- প্রথম : মূল্য সংযোজন কর (১,২৫,১৬২ কোটি টাকা)
- দ্বিতীয় : আয়কর (১,০৩,৯৪৫ কোটি টাকা)
- তৃতীয় : সম্পূরক শুল্ক (৫৭,৮১৫ কোটি টাকা)
- চতুর্থ : আমদানি শুল্ক (৩৭,৮০৭ কোটি টাকা)।
(সূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
৮৯৮.
স্পিকার হিসেবে বাংলাদেশ সংবিধান প্রমাণীকৃত করেন কে?
  1. ক) শাহ আব্দুল হামিদ
  2. খ) মোহাম্মদ উল্লাহ
  3. গ) মোশারফ হোসেন আকন্দ
  4. ঘ) মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ
ব্যাখ্যা
১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর দুপুর বেলায় বাংলাদেশ সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয়। ১৪ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদের তৎকালীন স্পিকার মোহাম্মদ উল্লাহ এই সংবিধান প্রমাণীকৃত করেন। ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যগণ এতে স্বাক্ষর করেন। প্রথমে বঙ্গবন্ধু এবং এরপর সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং তাজউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষর করেন।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান।
৮৯৯.
শাসন বিভাগের নির্বাহী প্রধান কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা
শাসন বিভাগ:
- শাসন বিভাগের নির্বাহী প্রধান প্রধানমন্ত্রী।

⇒  শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে।
- রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে; কিন্তু সকল ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ গ্রহণ করতে হয়।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদেরও প্রধান।
- মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করেন।
- মন্ত্রীদের মধ্যে দায়দায়িত্ব বন্টন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী সরকার ব্যবস্থার প্রধান নীতিনির্ধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তবে আইন বাস্তবায়নগত সকল ক্ষমতা শাসন বিভাগের এখতিয়ারে।
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগ এর ব্যাপ্তি সমুন্নত রেখেছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদ থেকে একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত।
- এ কারণে সরকারের এই বিভাগটির মাধ্যমেই রাষ্ট্রের সকল স্তরে আইন বাস্তবায়ন সম্ভব হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯০০.
সংসদে শৃঙ্খলা রক্ষার প্রয়োজনে যেকোন সদস্যকে বহিষ্কার করতে পারেন -
  1. চীফ হুইপ
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পীকার
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- স্পীকার সংসদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- জাতীয় সংসদের বৈঠকে স্পীকার সভাপতিত্ব করেন।
- সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ-সদস্যদের মধ্য থেকে একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার নির্বাচন করা হয়।
- স্পীকারের প্রধান দায়িত্ব সংসদে নিয়ম-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং এর মর্যাদা সংরক্ষণ করা।
- স্পীকারকে নিরপেক্ষ হতে হয় এবং সংসদে সংখ্যালঘিষ্ঠ দলের সদস্যদের অধিকার সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করতে হয়।
- সংসদের অধিবেশন চলাকালে স্পীকারের সিদ্ধান্ত ও রুলিং অবশ্য পালনীয়।
- সংসদে শৃঙ্খলা রক্ষার প্রয়োজনে স্পীকার যেকোন সদস্যকে বহিষ্কার করতে পারেন।
- স্পীকার সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রণ করেন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতি বা তাঁর অসামর্থ্যের ক্ষেত্রে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।