বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা

মোট প্রশ্ন১,৮৩৫এই পাতা২২প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা

PrepBank · পাতা ১৯ / ১৯ · ১,৮০১১,৮২২ / ১,৮৩৫

১,৮০১.
যে বিল সাধারণ সংসদ সদস্যদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে কী বলা হয়?
  1. সরকারি বিল
  2. সাধারণ বিল
  3. বেসরকারি বিল
  4. সংশোধনী বিল
ব্যাখ্যা
বিল:
- আইনের প্রাথমিক প্রস্তাবকে সংসদীয় ভাষায় বিল বলা হয়।
- আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়।
- বিল দুই প্রকার।

যথা - 
- সরকারি বিল ও
- বেসরকারি বিল।

বেসরকারি বিল
- যে বিল সাধারণ সংসদ সদস্যদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে বেসরকারি বিল বলে।
- বেসরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ১৫ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়।

সরকারি বিল
- যে বিল মন্ত্রীদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে সরকারি বিল বলে।
- সরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ৭ দিন সময়।

সূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।
১,৮০২.
সর্বশেষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিল -
  1. ২০০৬ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০৮ সালে
  4. ২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার  একটি সরকারের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় থেকে নতুন একটি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পূর্ববর্তী সময়ে রাষ্ট্রের প্রশাসন পরিচালনায় নিয়োজিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। 
- বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হয় ৪ বার।
- যথা: ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮।
- ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ জাতীয় সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আইন পাস হয়।
- ১৯৯৬ সালের ৩০ মার্চ বিচারপতি হাবিবুর রহমান কে প্রধান উপদেষ্টা করে সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়।
- ২২ জানুয়ারি, ২০০৭ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ধার্য্য হলে দেশব্যাপী রাজনৈতিক সহিংসতা ও সংঘাত ব্যাপক আকার ধারণ করে।
- ১ জানুয়ারি ২০০৭ রাষ্ট্রপতি জরুরী অবস্থা ঘোষণা করেন।
- ড. ফখরুদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বে পুনরায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা হয়।
- এ সরকার ২০০৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের রোডম্যাপ ঘোষণা করে।
- ৩ জানুয়ারি ২০০৯ তারিখে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মহাজোট রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা গ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত ড. ফখরুদ্দীন আহমেদের তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব পালন করে।
- ৩০ জুন, ২০১১ সালে ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান থেকে 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা' বাতিল করা হয়। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৮০৩.
'গ্রাম সরকার' ব্যবস্থার প্রবক্তা কে ছিলেন?
  1. তাজউদ্দিন আহমদ
  2. জিয়াউর রহমান
  3. হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
  4. উপরের কেউ নন
ব্যাখ্যা

- গ্রাম সরকার’ ব্যবস্থার প্রবক্তা ছিলেন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

গ্রাম সরকার ব্যবস্থা: 
- লেফটেন্যান্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান গঠন করেন গ্রাম সরকার। ব্রিটিশ চৌকিদার মডেলে গ্রাম পুলিশ গঠন করা হয়।   
- এজন্য তিনি গ্রামে গ্রামে ঘুরে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেন এবং তাদের নেতৃত্ব, সততা ও কর্মস্পৃহায় অনুপ্রাণিত হয়ে সিদ্ধান্ত নেন ‘স্বনির্ভর গ্রাম সরকার’ গঠনের।
- এই গ্রাম সরকার গঠনের মাধ্যমে জনগণ নিজেরাই তাদের সমস্যা নির্ধারণ, পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেত। এতে ১৪ জন সদস্য থাকতেন, যার মধ্যে ৬ জন নারী সদস্য থাকতেন।  

এছাড়াও, 
- ১৯৮২ সালে জেনারেল এরশাদ থানাগুলোকে উপজেলায় উন্নীত করে গঠন করেন উপজেলা পরিষদ।  

সূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। 

১,৮০৪.
বাংলাদেশের বর্তমান (২০২৪) খাদ্যমন্ত্রী কে?
  1. নারায়ন চন্দ্র চন্দ
  2. ডাঃ সামন্ত লাল সেন
  3. সাধন চন্দ্র মজুমদার
  4. সাবের হোসেন চৌধুরী
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশের বর্তমান খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

বাংলাদেশের খাদ্যমন্ত্রী:
- বাংলাদেশের বর্তমান খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।
- তিনি খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে সকল দপ্তর ও সংস্থারও মন্ত্রী।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালে ‘খাদ্য ও বেসামরিক সরবরাহ মন্ত্রণালয়’ নামে একটি আলাদা মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এরপর মন্ত্রণালটিকে খাদ্য ও ত্রাণ এবং খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নামকরণ করা হয়।
- ২০১২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় নামে দুটি সতন্ত্র মন্ত্রণালয় গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম খাদ্যমন্ত্রী ছিলেন ফনী ভূষণ মজুমদার।

অন্যদিকে,
- ভূমি মন্ত্রী: জনাব নারায়ন চন্দ্র চন্দ,
- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী: ডাঃ সামন্ত লাল সেন,
- পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী: জনাব সাবের হোসেন চৌধুরী।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৮০৫.
বাংলাদেশের প্রস্তাবিত ১৩তম সিটি কর্পোরেশনের নাম কি?
  1. ক) পদ্মা সিটি কর্পোরেশন
  2. খ) নোয়াখালী সিটি কর্পোরেশন
  3. গ) ফরিদপুর সিটি কর্পোরেশন
  4. ঘ) মাদারীপুর সিটি কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
নিকারের সর্বশেষ সভায় সিদ্ধান্ত হয় বাংলাদেশের প্রস্তাবিত নবম বিভাগের নাম পদ্মা বিভাগ। ৫টি জেলা নিয়ে পদ্মা বিভাগ গঠিত হবে: ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, রাজবাড়ী ও শরীয়তপুর। পদ্মা বিভাগ কার্যকর হলে ১৩ তম সিটি কর্পোরেশন হবে ফরিদপুর সিটি কর্পোরেশন। নতুন নিয়ম- বিভাগীয় শহর ছাড়া আর নতুন করে কোনো সিটি করপোরেশন হবে না। উৎস: নিকার সর্বশেষ সভা।
১,৮০৬.
শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অধীনে কয়টি বিভাগ রয়েছে?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৩ টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ৫ টি
ব্যাখ্যা
শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অধীনে ২ টি বিভাগ রয়েছে। যথাঃ
১। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং
২। কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ
সূত্রঃ শিক্ষা মন্ত্রনালয় এর ওয়েবসাইট
১,৮০৭.
জাতীয় সংসদের ৩০০নং আসনটি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বান্দরবান
  2. রাঙামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
সংসদীয় আসন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ৩৫০টি আসন নিয়ে গঠিত। মহিলাদের জন্য সংসদে সংরক্ষিত আসন ৫০টি।
- জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন হলো বান্দরবান।
- জাতীয় সংসদের ২৯৯ নং আসন হলো রাঙামাটি।
- জাতীয় সংসদের ২৯৮ নং আসন হলো খাগড়াছড়ি।
- জাতীয় সংসদের ২৯৭ নং আসন হলো কক্সবাজার।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় সংসদের ১নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়। ঢাকা জেলায় ২০টি সংসদীয় আসন রয়েছে।
- বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৮০৮.
'সরকার' রাষ্ট্র গঠনের কততম উপাদান?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
ব্যাখ্যা
- রাষ্ট্র গঠনের তৃতীয় উপাদান হচ্ছে - সরকার।

• রাষ্ট্র:
- আদিম মানুষ প্রথমে গোত্রভিত্তিক বসবাস করতো। সময়ের বিবর্তনে একসময় রাষ্ট্রের উৎপত্তি হয়।
- রাষ্ট্রের সৃষ্টিকারী মূলত মানুষই।
- রাষ্ট্রে বসবাসকারী জনগণকে রাষ্ট্রের নাগরিক বলা হয়।
- প্রত্যেক নাগরিককে রাষ্ট্রের সমস্ত নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হয়।
- সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ ও অত্যাবশ্যকীয় উপাদান।
- এটি রাষ্ট্রের চরম, পরম ও সর্বোচ্চ ক্ষমতা।

• রাষ্ট্রের উপাদান:
রাষ্ট্রের সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করলে রাষ্ট্রের ৪টি উপাদান পাওয়া যায়।

যথা: 
(ক) জনসমষ্টি,
(খ) নির্দিষ্ট ভূখণ্ড,
(গ) সরকার,
(ঘ) সার্বভৌমত্ব।

উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮০৯.
দুদকের কমিশনারগণ কার সুপারিশের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হন?
  1. ক) স্পিকার
  2. খ) মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) মহামান্য রাষ্ট্রপতি
  4. ঘ) দুদক চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
- দুর্নীতি দমনের লক্ষ্যে স্বাধীনতার ৩৫ বছর পরে একটি স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন গঠিত হয়েছে ২০০৪ সালের ২১ নভেম্বর। 
- তবে দুদক আইন কার্যকর হয় ২০০৪ সালের ৯ মে থেকে।
- একজন চেয়ারম্যান ও দুইজন কমিশনার নিয়ে দুদক গঠিত।
- আইন ২০০৪ এর ৭ ধারা অনুযায়ী গঠিত বাছাই কমিটির সুপারিশক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ৫ (পাঁচ) বছর মেয়াদের জন্য নিয়োগ প্রাপ্ত হন।
- এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার সেগুনবাগিচায় অবস্থিত।

উৎস: দুদক ওয়েবসাইট
১,৮১০.
জাতীয় সংসদের ১নং আসনটি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. পঞ্চগড়
  2. সিলেট
  3. বান্দরবান
  4. কক্সবাজার
ব্যাখ্যা

সংসদীয় আসন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা: ৩৫০টি।
- মহিলাদের জন্য সংসদে সংরক্ষিত আসন: ৫০টি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে সংসদীয় আসন সংখ্যা: ৩টি।
• বান্দরবান।
• রাঙ্গামাটি।
• খাগড়াছড়ি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যেক জেলায় একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে। 

- জাতীয় সংসদের ১নং আসন: পঞ্চগড়-১।
- জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন: বান্দরবান।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।
- ঢাকা জেলায় ২০টি সংসদীয় আসন রয়েছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৮১১.
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে? (নভেম্বর, ২০২৫)
  1. এ এম এম নাসির উদ্দীন
  2. কাজী হাবিবুল আওয়াল
  3. খান মোহাম্মদ নুরুল হুদা
  4. কাজী শহীদুল আলম
ব্যাখ্যা

নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় নির্বাচন কমিশন গঠিত। 
- এটি সাংবিধানিকভাবে গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন কমিশনারসহ মোট পাঁচজন নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- নির্বাচন কমিশনারগণকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
- নির্বাচন কমিশনের সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সভাপতির কাজ করেন।
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। (নভেম্বর, ২০২৫)
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারের মেয়াদ তাদের কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সরকার ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।
- নির্বাচন কমিশন সংবিধানে বর্ণিত নির্দেশনাবলি এবং দেশের নির্বাচনি আইন দ্বারা পরিচালিত হয়।
- নির্বাচন কমিশন কর্তৃক পরিচালিত নির্বাচন সমূহ,
• রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।
• জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
• সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন।
• জেলা পরিষদ নির্বাচন।
• উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।
• পৌরসভা নির্বাচন।
• ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি ও নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

১,৮১২.
বর্তমানে বাংলাদেশের উপজেলার সংখ্যা কত? (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. ৪৯৩টি
  2. ৪৯২টি
  3. ৪৯৫টি
  4. ৪৯৪টি
ব্যাখ্যা

• দেশের প্রশাসনিক কাঠামো:
- বিভাগ = ৮টি।
- জেলা = ৬৪টি।
- সিটি কর্পোরেশন= ১২ টি।
- উপজেলা= ৪৯৫ টি।
- মেট্রো থানা= ১০৫ টি।
- পৌরসভা= ৩২৭ টি।
- ইউনিয়ন = ৪,৫৯৬ টি।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৮১৩.
দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মেয়াদ কত বছর নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. দুই বছর
  2. তিন বছর
  3. চার বছর
  4. পাঁচ বছর
ব্যাখ্যা

দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- অধ্যাদেশে কমিশনের সদস্য সংখ্যা তিন থেকে বাড়িয়ে পাঁচ করা এবং কমিশনের মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে কমিয়ে চার বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।
- অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, কমিশনে অন্তত একজন নারী কমিশনার এবং অন্তত একজন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে দক্ষ ও অভিজ্ঞ কমিশনার থাকতে হবে।
- অধ্যাদেশে আরও বলা হয়েছে, প্রতি ছয় মাস অন্তর দুদককে তাদের কার্যক্রমের প্রতিবেদন জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে।
- পাশাপাশি বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের ক্ষমতাও দুদককে দেওয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র- দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫।

১,৮১৪.
দেশের সর্বশেষ সিটি কর্পোরেশন - (ডিসেম্বর-২০২৫)
  1. ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন
  2. কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন
  3. গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
  4. নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা

• সিটি কর্পোরেশন:
- বাংলাদেশে বর্তমানে সিটি কর্পোরেশনের সংখ্যা ১২টি।
- দেশের সর্বশেষ সিটি কর্পোরেশন - ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন। (এপ্রিল-২০১৮)

•অন্য সিটি গুলো হলো:
- ঢাকায় দুটি (ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ),
- চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন
- রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন,
- খুলনা সিটি কর্পোরেশন,
- সিলেট সিটি কর্পোরেশন,
- বরিশাল সিটি কর্পোরেশন,
- রংপুর সিটি কর্পোরেশন,
- নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন,
- কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন,
- গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
 - ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,৮১৫.
'Rules of Business' প্রণয়ন করেন -
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. আইন মন্ত্রী
ব্যাখ্যা

⇒ 'Rules of Business' প্রণয়ন করেন রাষ্ট্রপতি।

রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রধান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানাবলি বিধৃত হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত।
- তিনি সংবিধান ও আইন বলে তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব সম্পন্ন করেন।
- রাষ্ট্রপতি জারিকৃত আইনকে অধ্যাদেশ বলে।
- সরকারের যাবতীয় নির্বাহী কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদন করা হয়।
- সংসদ-সদস্যদের দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্যে নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর।
- রাষ্ট্রপতির পদ শূণ্য হলে মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬০-৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

১,৮১৬.
সরকারের কতটি মৌলিক বিভাগ রয়েছে? 
  1. দুটি
  2. চারটি
  3. তিনটি
  4. পাঁচটি
ব্যাখ্যা

• সরকার ব্যবস্থা :
- সরকারের কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সরকারের বিভিন্ন বিভাগ বা অঙ্গ রয়েছে। 
- সামগ্রিকভাবে সরকারের তিনটি বিভাগ রয়েছে, 
যথা:
১. নির্বাহী বা শাসনবিভাগ,
২. আইনবিভাগ ও
৩. বিচার বিভাগ
- প্রত্যেক সরকারের ব্যবস্থায়  তিনটি মৌলিক বিভাগ বিদ্যমান থাকে।
- কেননা, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি কাজ হচ্ছে প্রশাসন পরিচালনা, আইন প্রণয়ন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা।
- প্রশাসন পরিচালনা দুই ধরনের- একটি কেন্দ্রীয় এবং অপরটি স্থানীয় শাসন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,৮১৭.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর কোন ধারায় দুদকের কার্যাবলী পরিচালিত হয়?
  1. ধারা ৭
  2. ধারা ১১
  3. ধারা ১৭
  4. ধারা ২৫ 
ব্যাখ্যা

দুর্নীতি দমন কমিশন:
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ১৭ ধারা অনুসারে দুর্নীতি দমন কমিশনে প্রতিরোধ, গবেষণা এবং গণসচেতনতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ১৭ ধারা অনুযায়ী প্রতিরোধ গবেষণা ও গণসচেতনতা কার্যাদি করে থাকে। এই কাজটি সরকারি ও বেসরকারি উভয় ক্ষেত্রেই করা হয়। এটা দুর্নীতি প্রতিরোধ অঙ্গীকার পূরণে বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে থাকে। কার্যক্রমগুলোর মধ্যে জনগণকে সচেতন করা, দুর্নীতির খারাপ দিকগুলো তুলে ধরা এবং সততা সংঘ গঠন এবং তার কর্মকান্ড পরিচালনা অন্যতম। এই প্রতিরোধ, গবেষণা ও গণসচেতনতা কার্যক্রম একজন মহাপরিচালকের অধীন  সম্পন্ন হয়।

⇒ ধারা ১৭: কমিশনের কার্যাবলী:
(ক) তফসিলে উল্লিখিত অপরাধসমূহের অনুসন্ধান ও তদন্ত পরিচালনা;
(খ) অনুচ্ছেদ (ক) এর অধীন অনুসন্ধান ও তদন্ত পরিচালনার ভিত্তিতে এই আইনের অধীন মামলা দায়ের ও পরিচালনা:
(গ) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগ স্ব-উদ্যোগে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক দাখিলকৃত আবেদনের ভিত্তিতে অনুসন্ধান;
(ঘ) দুর্নীতি দমন বিষয়ে আইন দ্বারা কমিশনকে অর্পিত যে কোন দায়িত্ব পালন করা;
(ঙ) দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য কোন আইনের অধীন স্বীকৃত ব্যবস্থাদি পর্যালোচনা এবং কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা;
(চ) দুর্নীতি প্রতিরোধের বিষয়ে গবেষণা পরিকল্পনা তৈরী করা এবং গবেষণালব্ধ ফলাফলের ভিত্তিতে করণীয় সম্পর্কে রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা;
(ছ) দুর্নীতি প্রতিরোধের লক্ষ্যে সততা ও নিষ্ঠাবোধ সৃষ্টি করা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে গণসচেতনতা গড়িয়া তোলার ব্যবস্থা করা;

(জ) কমিশনের কার্যাবলী বা দায়িত্বের মধ্যে পড়ে এমন সকল বিষয়ের উপর সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, কর্মশালা ইত্যাদি অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা;
(ঝ) আর্থ-সামাজিক অবস্থার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে বিদ্যমান বিভিন্ন প্রকার দুর্নীতির উৎস চিহ্নিত করা এবং তদনুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা;
(ঞ) দুর্নীতির অনুসন্ধান, তদন্ত, মামলা দায়ের এবং উক্তরূপ অনুসন্ধান, তদন্ত ও মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে কমিশনের অনুমোদন পদ্ধতি নির্ধারণ করা; এবং
(ট) দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় বিবেচিত অন্য যে কোন কার্য সম্পাদন করা।

উৎস: দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪।

১,৮১৮.
বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ৩০০নং আসন কোনটি? [জুলাই - ২০২৫]
  1. খাগড়াছড়ি
  2. রাঙ্গামাটি
  3. বান্দরবান
  4. কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- সংসদের মোট আসন - ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন - ৩০০টি।
- ১নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- ৩০০নং আসন - বান্দরবান।

উল্লেখ্য, 
- ১ টি করে আসন রয়েছে তিনটি জেলায় (রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি)।

সূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।
১,৮১৯.
Bangladesh Investment Development Authority (BIDA) কতসালে গঠিত হয়?
  1. ২০১২
  2. ২০১৪
  3. ২০১৮
  4. ২০১৬
ব্যাখ্যা

Bangladesh Investment Development Authority (BIDA)
- ১৯৮৯ সালে - বিনিয়োগ বোর্ড গঠিত হয়।
- ১৯৯৩ সালে গঠিত প্রাইভেটাইজেশন বোর্ড এবং ১৯৮৯ সালে গঠিত বিনিয়োগ বোর্ড একীভূত করে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করা  হয়। 
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করা  হয়- ১ সেপ্টেম্বর ২০১৬।
- BIDA নির্বাহী চেয়ারম্যান- চৌধুরি আশিক মুহাম্মদ বিন হারুন  (এপ্রিল ২০২৫) ।
- বিডার লক্ষ- বাংলাদেশের বিদেশি  বিনিয়োগের পরিমাণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করা , যাতে দেশের আত্নসামাজিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
- সর্বশেষ বাংলাদেশ বিনিয়োগ সামিট অনুষ্ঠিত হয়েছে- ৭-১০ এপ্রিল ২০২৫ ।

উৎস: বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে (বিডা) এবং বাংলাপিডিয়া।

১,৮২০.
আয়তনে সবচেয়ে বড় বিভাগ কোনটি?
  1. ঢাকা বিভাগ
  2. চট্টগ্রাম বিভাগ
  3. ময়মনসিংহ বিভাগ
  4. বরিশাল বিভাগ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে মোট ৮টি বিভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে আয়তনে সবচেয়ে ছোট বিভাগ ময়মনসিংহ।
- এর আয়তন ১০,৫৫২ বর্গ কিমি।
- আয়তনে সবচেয়ে বড় বিভাগ চট্টগ্রাম ৩৩,৯০৪ বর্গ কিমি ৷
- জনসংখ্যায় সবচেয়ে বড় বিভাগ ঢাকা এবং সবচেয়ে ছোট বরিশাল বিভাগ।
- সবচেয়ে কম ৪টি করে জেলা রয়েছে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও চট্টগ্রাম বিভাগের ওয়েবসাইট। 
১,৮২১.
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি দেশের কত তম প্রধান বিচারপতি?[ নভেম্বর,২০২৫]
  1. ২২তম
  2. ২৩তম
  3. ২৪তম
  4. ২৫তম
ব্যাখ্যা

• বিচার বিচার বিভাগ:
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি: বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদক।
- তিনি ২৫তম প্রধান বিচারপতি।
- রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ প্রধান করেন।

উল্লেখ্য,
- আবু সাদাত মো. সায়েম: বাংলাদেশের ১ম বিচারপতি।

উৎস: বিচার বিভাগ ওয়েবসাইট।

১,৮২২.
বাংলাদেশ তথ্য অধিকার আইন পাশ হয় -
  1. ২৯ মার্চ, ২০০৬
  2. ২৯ মার্চ, ২০০৭
  3. ২৯ মার্চ, ২০০৮
  4. ২৯ মার্চ, ২০০৯
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ তথ্য অধিকার আইন পাশ হয় ২৯ মার্চ, ২০০৯ তারিখে।

বাংলাদেশ তথ্য অধিকার আইন:

- ২৯ মার্চ, ২০০৯ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ কর্তৃক তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ পাশ হয়।
- ৫ এপ্রিল, ২০০৯ এই আইনটি মহামান্য রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করে।
- ৬ এপ্রিল, ২০০৯ আইনটি বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত হয়।
- আইনটি ধারা ৮, ২৪ এবং ২৫ ব্যতিত অন্যান্য ধারা ২০ অক্টোবর, ২০০৮ তারিখে কার্যকর এবং ৮, ২৪ এবং ২৫ ধারা ১লা জুলাই, ২০০৯ তারিখ থেকে কার্যকর হয়।
- তথ্য অধিকার আইন অনুসারে, তথ্য অধিকার মানুষের মৌলিক অধিকার।

উৎস: বাংলাদেশ গেজেট ও বাংলাদেশ তথ্য অধিকার আইন : ২০০৯।