বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা

মোট প্রশ্ন১,৮৩৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা

PrepBank · পাতা ১৮ / ১৯ · ১,৭০১১,৮০০ / ১,৮৩৫

১,৭০১.
কোনটি আইন বিভাগের কার্যাবলির মধ্যে পড়ে?
  1. বিচার সংক্রান্ত
  2. আইন সংশোধন
  3. আইন প্রণয়ন
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
আইন বিভাগ: 
- সংবিধানের ৬৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত সকল ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত।
- সারাদেশ থেকে নির্বাচিত ৩০০ সংসদ সদস্য এবং সংরক্ষিত ৫০ জন নারী সংসদ সদস্য নিয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- জবাবদিহিতা আইন বিভাগের প্রধান কাজ নয়।

সংসদের উল্লেখযোগ্য ক্ষমতা ও কার্যাবলি নিম্নরূপ:
আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কার্যাবলি:
আইন প্রণয়ন করার কাজটি আইন সভার প্রধান কাজ।

সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন:
বাংলাদেশের আইন সভা সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে।

অর্থ-সংক্রান্ত কার্যাবলি:
বাংলাদেশের আইন সভা নানাবিধ অর্থ সংক্রান্ত কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে।

শাসন সংক্রান্ত কার্যাবলি:
বাংলাদেশের আইন সভা বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মচারী নিয়োগসহ বিভিন্ন সন্ধি বা চুক্তি অনুমোদন করা, যুদ্ধ ঘোষণা প্রভৃতি শাসন সংক্রান্ত কাজ করে থাকে।
যেমন, আইন সভার সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

বিচার সংক্রান্ত কার্যাবলি:
প্রয়োজনের নিরীখে কখনও বাংলাদেশের আইন সভা বিচার সম্পর্কিত কার্যাদিও সম্পাদন করে থাকে। এমনকি রাষ্ট্রপতিও যদি কোন গুরুতর অসদাচরণ করেন তাহলে সংবিধানের ৫২ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদ তাঁর অভিশংসন অর্থাৎ বিচারিক কাজটি করতে পারবে।

শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত কার্যাবলি:
তত্ত্বগতভাবে শাসন বিভাগের নিয়ন্ত্রণকল্পে অর্থাৎ শাসন বিভাগের স্বেচ্ছাচারিতা রোধে আইন বিভাগ ভূমিকা পালন করে।

প্রতিনিধিত্বশীল কার্যাবলি:
আইন সভার সদস্যগণ নিজ নিজ এলাকার জনগণের সমস্যাবলী সম্পর্কে আইন সভায় আলোচনা করে এবং এসব পর্যালোচনার ওপর ভিত্তি করে আইন সভা আইন প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকে।

সূত্র: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭০২.
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সর্বোচ্চ পদ-
  1. ক) এডমিরাল
  2. খ) এডমিরাল অব দি ফ্লিট
  3. গ) কমোডর
  4. ঘ) রিয়ার এডমিরাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পদক্রম: (উর্ধক্রম হতে নিম্নক্রম)
- এডমিরাল,
- ভাইস এডমিরাল,
- রিয়ার এডমিরাল,
- কমোডর,
- ক্যাপ্টেন,
- কমান্ডার,
- লেফটেন্যান্ট কমান্ডার,
- লেফটেন্যান্ট,
- সাব লেফটেন্যান্ট,
- মিডশিপম্যান।

বাংলাদেশের বর্তমান নৌবাহিনীর প্রধান - এডমিরাল এম. শাহীন ইকবাল।
তিনি ২৫ জুলাই, ২০২০ সালে ১৬তম নৌবাহিনীর প্রধান হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

উৎস: navy.mil.bd
১,৭০৩.
সাংবিধানিক পদ নয় কোনটি?
  1. ক) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর
  2. খ) মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
  3. গ) ডেপুটি স্পীকার
  4. ঘ) নির্বাচন কমিশনার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সাংবিধানিক পদ মোট ৯ টি এবং সাংবিধানিক সংস্থা মোট ৭টি । 

সাংবিধানিক পদ সমূহ: 
- রাষ্ট্রপতি,
- প্রধানমন্ত্রী,
- স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার,
- মন্ত্রিসভার সদস্যগণ,
- সংসদ সদস্য,
- নির্বাচন কমিশনার,
- সরকারি কর্মকমিশনের সদস্য,
- মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক ইত্যাদি।

অপরদিকে, সাংবিধানিক পদ নয়
- জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান। 
- দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ইত্যাদি ।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর  ইত্যাদি। 

এছাড়াও, 
সাংবিধানিক সংস্থাগুলো হল: 

১। নির্বাহী বিভাগ বা শাসন বিভাগ
২। আইন বিভাগ
৩। বিচার বিভাগ
৪।নির্বাচন কমিশন
৫। সরকারি কর্ম কমিশন
৬। অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়
৭। মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়

তথ্যসূত্রঃ  বাংলাদেশের সংবিধান
 
১,৭০৪.
স্মার্টকার্ডের (NID) মেয়াদ-
  1. ক) ১০ বছর
  2. খ) ১২ বছর
  3. গ) ১৮ বছর
  4. ঘ) ২০ বছর
ব্যাখ্যা
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) যাচাই করার গেটওয়ের নাম- পরিচয় (Porichoy)। স্মার্টকার্ডের (NID) মেয়াদ- ১০ বছর। জাতীয় পরিচয়পত্র ( স্মার্টকার্ড) এর মাধ্যমে ২২ ধরনের সেবা পাওয়া যাবে।
১,৭০৫.
বাংলাদেশ দণ্ডবিধি কবে প্রণীত হয়?
  1. ক) ১৮৬০ সালে
  2. খ) ১৮৯৮ সালে
  3. গ) ১৯৪৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
১৮৩৪ সালে স্যার টমাস ব্যাবিংটন মেকলের সভাপতিত্বে প্রথম আইন কমিশন গঠিত হয যার সুপারিশে ১৮৬০ সালে ভারতীয় দণ্ডবিধি প্রণীত হয়। দেশ স্বাধীনের পর এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ দণ্ডবিধি। এটি বর্তমানে প্রচলিত প্রধান এবং প্রাচীনতম আইন সংকলন।(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১,৭০৬.
বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনী দিবস পালন করা হয় -
  1. ক) ১৯ নভেম্বর
  2. খ) ২০ নভেম্বর
  3. গ) ২১ নভেম্বর
  4. ঘ) ২২ নভেম্বর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনী
- বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী যা বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী হিসেবেও পরিচিত।
- সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনী।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি সামরিক বাহিনীর সর্বাধিনায়ক।
- প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনীর প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
- ১৯৭১ সালের ২১শে নভেম্বর মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী গঠিত হয়।
- সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ (AFD) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি বিভাগ।
- বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী ১৯৭৮ সালে উত্থাপিত হয়।
- ২১ নভেম্বরকে বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
- এই বিভাগটি তিনটি পরিষেবার জন্য একটি যৌথ সমন্বয়কারী সদর দপ্তর এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির সময় জয়েন্ট কমান্ড সেন্টার (জেসিসি) হিসাবে কাজ করে।

উৎস: বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনীর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৭০৭.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন রয়েছে?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. কুমিল্লা
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা- ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন সংখ্যা- ৩০০টি।
- সংরক্ষিত মহিলা আসন ৫০টি।
- জাতীয় সংসদের ৩০০তম আসন হলো বান্দরবান।
- ১ নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- সর্বোচ্চ ২০টি আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।

উৎস: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।

১,৭০৮.
বাংলাদেশের বিচার বিভাগ কত ভাগে বিভক্ত?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৫ ভাগে
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ:

- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
• উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
• অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।
- সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগ ও আপীল বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- সুপ্রিম কোর্ট প্রধান বিচারপতি ও প্রত্যেক বিভাগের বিচারপতিদের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ট বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭০৯.
গণভোট অধ্যাদেশ-২০২৫ জারি করা হয় কবে?
  1. ২২ নভেম্বর, ২০২৫
  2. ২৩ নভেম্বর, ২০২৫
  3. ২৫ নভেম্বর, ২০২৫
  4. ২৭ নভেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- ২৫ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে ‘গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর গেজেট জারি করা হয়।
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে আয়োজন করা হবে গণভোট। 
- গণভোটে চারটি বিষয়ের ওপর একটি প্রশ্ন উপস্থাপন করা হবে।
- গণভোটের ব্যালট জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট থেকে আলাদা এবং ভিন্ন রঙের হবে।
- এছাড়া, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো গণভোটেও প্রবাসীসহ চার শ্রেণির নাগরিকদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। 

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন।

১,৭১০.
পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতিতে নির্বাচিত হয়ে থাকেন কে?
  1. ক) টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীবৃন্দ
  2. খ) সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যবৃন্দ
  3. গ) উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান
  4. ঘ) ইউপি’র সংরক্ষিত নারী সদস্যবৃন্দ
ব্যাখ্যা
জনগণের সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিগণ কর্তৃক ভোটের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচন প্রক্রিয়া হলো পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতি।
বাংলাদেশে পরোক্ষ পদ্ধতিতে নির্বাচিত পদসমূহ হলো:
- সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যবৃন্দ
- রাষ্ট্রপতি
- স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার
- জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্যবৃন্দ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে থাকেন।
টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীবৃন্দ প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশে নিয়োগ পেয়ে থাকেন।

(তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১,৭১১.
গভর্নর হাউসকে কখন 'বঙ্গভবন' নামে অভিহিত করা হয়?
  1. ক) ১৯৭৯ সালের ২০ ডিসেম্বর
  2. খ) ১৯৭৫ সালের ২১ ডিসেম্বর
  3. গ) ১৯৭৩ সালের ২২ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ১৯৭১ সালের ২৩ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
বঙ্গভবন:
- ‘বঙ্গভবন’ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও বাসভবন।
- ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১সাল পর্যন্ত 'বঙ্গভবন' পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরের বাসস্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- ১৯৭১ সালের ২৩ ডিসেম্বর গভর্নর হাউজে মন্ত্রিপরিষদের সভা করেন। ঐ সভায় গভর্নর হাউজকে ‘বঙ্গভবন’ নামে অভিহিত করা হয়।
- ঐ দিনই বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হন এবং ভবনটিকে রাষ্ট্রপতির বাসভবন হিসেবে ব্যবহার করেন।
- গৌরব ও সম্মানের স্মারক বঙ্গভবন জাতির আশা আকাঙ্ক্ষার  প্রতীক।

উৎস: রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।[লিংক]
১,৭১২.
সুপ্রিম কোর্টের বিভাগ কয়টি?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
সুপ্রিম কোর্ট:
- দেশের সর্বোচ্চ আদালত এবং এটি দুটি বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত। যথা -
• হাইকোর্ট বিভাগ।
• আপীল বিভাগ।
- বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ও প্রত্যেক বিভাগের বিচারপতিদের সমন্বয়ে সুপ্রিম কোর্ট গঠিত।
- সংবিধানের বিধান সাপেক্ষে প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারকগণ বিচার কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বাধীন।
- প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারকদের নিয়োগ দান করেন।
- সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের মধ্য থেকে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের নিয়োগ করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,৭১৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে ফ্লোর ক্রসিং এর কথা বলা আছে?
  1. ক) ৮২
  2. খ) ৭৮
  3. গ) ৭০
  4. ঘ) ৮৮
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭০ নং অনুচ্ছেদে ফ্লোর ক্রসিং এর কথা বলা আছে। 

• ফ্লোর ক্রসিং:

- জাতীয় সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান করা বা দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কথা বলাকে বলা হয় ৷
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৭০ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন ব্যক্তি কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর সংসদে সেই দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান বা সেই দল থেকে পদত্যাগ করলে তার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হলে তিনি যদি-
(ক) উক্ত দল হতে পদত্যাগ করেন, অথবা (খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
তাহা হলে সংসদে তাঁর আসন শূন্য হবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হবার অযোগ্য হবেন না। 

তথ্যসূত্র : বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৭১৪.
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে একজন সংসদ সদস্য একটানা কত কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তার আসন শূন্য হয়?
  1. ৩০ কার্যদিবস
  2. ৪৫ কার্যদিবস
  3. ৬০ কার্যদিবস
  4. ৯০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে একজন সংসদ সদস্য একটানা ৯০ কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তার আসন শূন্য হয়?

সংসদ সদস্য হবার যোগ্যতা:

- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী ২৫ বছর বয়স্ক বাংলাদেশী যেকোন নাগরিক সংসদ সদস্য হবার যোগ্যতা রাখে।
- অপ্রকৃতিস্থ, দেউলিয়া, বিদেশী নাগরিকত্ব অর্জন, কোন অপরাধে ২ বছরের জন্য সাজাপ্রাপ্ত নাগরিক সংসদ সদস্য হতে পারবেন না।
- সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতির সংসদ ভেঙ্গে দেয়ার।
- সংসদে কোরাম পূর্ণ হতে ৬০ জন সংসদ সদস্যের প্রয়োজন হয়।
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী দল সরকারি দলের এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসনে বিজয়ী দল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করে।
- সংসদ সদস্যগণ অনেকে একই সাথে হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, বিভিন্ন সংসদীয় কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন।
- একজন সংসদ সদস্য নিজের ইচ্ছায় পদত্যাগ দাখিল করলে অথবা একাধারে ৯০ কার্যদিবস সংসদে অনুপস্থিত থাকলে তাঁর সদস্যপদ বাতিল হবে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭১৫.
প্রস্তাবিত পদ্মা বিভাগ কয়টি জেলা নিয়ে গঠিত হবে?
  1. ক) ৪টি
  2. খ) ৫টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৭টি
ব্যাখ্যা
৫টি জেলা নিয়ে পদ্মা বিভাগ গঠিত হবে: ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, রাজবাড়ী ও শরীয়তপুর। উৎস: নিকার সর্বশেষ সভা।
১,৭১৬.
মাঠ প্রশাসনের প্রথম ধাপ কোনটি?
  1. জেলা প্রশাসন
  2. উপজেলা প্রশাসন
  3. বিভাগীয় প্রশাসন 
  4. কেন্দ্রীয় প্রশাসন
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো স্তরভিত্তিক। 
- এর দুটি প্রধান স্তর আছে।

⇒ প্রথম স্তরটি হলো কেন্দ্রীয় প্রশাসন (সচিবালয়)।
 - দেশের সব ধরনের প্রশাসনিক নীতি ও সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গ্রহণ করা হয়।
 - আর কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গৃহীত নীতি ও সিদ্ধান্ত মাঠ প্রশাসনের মাধ্যমেসারা দেশে বাস্তবায়িত হয়।

⇒ বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের দ্বিতীয় স্তরটি হলো মাঠ প্রশাসন।
- মাঠ প্রশাসনের প্রথম ধাপ হলো বিভাগীয় প্রশাসন।
- দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে জেলা প্রশাসন।
- জেলার পর আছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা প্রশাসন একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত।
- মাঠ প্রশাসন মূলত কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়।

উৎস:  পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।

১,৭১৭.
কোনটি সাংবিধানিক সংস্থা?
  1. ক) দুর্নীতি দমন কমিশন
  2. খ) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন
  3. গ) মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সাংবিধানিক সংস্থাগুলো হলো - নির্বাহী বিভাগ, আইনসভা, বিচারবিভাগ, নির্বাচন কমিশন, সরকারি কর্ম কমিশন, মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ।
১,৭১৮.
ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র কে ছিলেন?
  1. মোহাম্মদ হানিফ
  2. সাদেক হোসেন খোকা
  3. ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত
  4. বদিউর রহমান
ব্যাখ্যা
ঢাকা সিটি করপোরেশন: 
- ১৯৭৮ সালে ঢাকা পৌরসভাকে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে উন্নীত করা হয়। 
- পৌরসভার চেয়ারম্যান ঢাকা মিউিনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের মেয়র নামে অবহিত হয়। 
- এ করপোরেশনের মেয়র পদে ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত বহাল থাকেন ১৯৮২ সালের ৯ মে পর্যন্ত।
- ১৯৯০ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের নাম পরিবর্তন করে ঢাকা সিটি করপোরেশন নামকরণ করা হয়।
- ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত সিটি করপোরেশনের প্রথম মেয়র (মনোনীত) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- এরপর মেয়র হিসেবে অলিউল ইসলাম, মির্জা আব্বাস, বদিউর রহমান দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৯৩ সালে ‘ঢাকা সিটি করপোরেশন (সংশোধনী) আইন, ১৯৯৩’ আইনে মেয়র এবং কমিশনাররা প্রাপ্তবয়স্কদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হওয়ার বিধান হয়। 
- নতুন আইনে প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালে এবং ভোটারদের প্রত্যক্ষ ভোটে মেয়র নির্বাচিত হন মোহাম্মদ হানিফ।
- মোহাম্মদ হানিফ ছিলেন ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রথম প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত মেয়র। 
- অবিভক্ত ঢাকা সিটিতে ভোটারদের প্রত্যক্ষ ভোটে দ্বিতীয় মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন সাদেক হোসেন খোকা। 
- ২০১১ সালের ৪ ডিসেম্বর থেকে ঢাকা সিটি করপোরেশনকে দুটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করার ঘোষণা দেওয়া হয়।
- এর ফলে ২০১২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন যাত্রা শুরু করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৭১৯.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় কত তারিখে?
  1. ক) ৪ নভেম্বর ১৯৭২
  2. খ) ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২
  3. গ) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
  4. ঘ) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭৩
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ই জানুয়ারি বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান আদেশ এবং ২৩শে মার্চ বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।
এর ধারাবাহিকতায় ১১ই এপ্রিল তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনকে আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট সংবিধান রচনা কমিটি গঠন করা হয়।
এই কমিটি ১৭ই এপ্রিল তাদের প্রথম বৈঠকে বসে এবং ১২ই অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করে।
৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহিত হয়।
১৫ ডিসেম্বর খসড়া সংবিধানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথমে স্বাক্ষর করেন এবং তারপর অন্যান্য গণপরিষদ সদস্যরা এতে স্বাক্ষর করেন।
তবে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
সবশেষে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
১,৭২০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে স্থানীয় সরকারকে আর্থিক ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৯
  2. অনুচ্ছেদ ১১
  3. অনুচ্ছেদ ৫৯
  4. অনুচ্ছেদ ৬০
ব্যাখ্যা
সংবিধানে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা সংক্রান্ত বিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানে তৃনমূল পর্যায়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সুপ্রতিষ্ঠিত করার জন্য স্থানীয় সরকারকে প্রতিনিধিত্বমূলক প্রতিষ্ঠান এবং একই সাথে জনগণের অংশগ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে স্থানীয় সরকার সম্পর্কে ৪টি অনুচ্ছেদ রয়েছে (অনুচ্ছেদ ৯, ১১, ৫৯ এবং ৬০)।
- এসব অনুচ্ছেদে স্থানীয় সরকারের ভূমিকা ও কার্যকারিতা বিষয়ে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়েছে।

⇒ অনুচ্ছেদ ৯: এই অনুচ্ছেদে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে উৎসাহিত করা এবং কৃষক, শ্রমিক ও মহিলাদের জন্য বিশেষ প্রতিনিধিত্বের কথা বলা হয়েছে। 
⇒ অনুচ্ছেদ ১১: প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। 
⇒ অনুচ্ছেদ ৫৯: প্রজাতন্ত্রের প্রতিটি প্রশাসনিক ইউনিটের স্থানীয় শাসন নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত সংস্থাগুলির উপর ন্যস্ত করার কথা বলা হয়েছে।
⇒ অনুচ্ছেদ ৬০: স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানসমূহকে স্থানীয় প্রয়োজনে কর আরোপ করার ক্ষমতাসহ বাজেট প্রস্তুতকরণ এবং নিজস্ব তহবিল রক্ষনাবেক্ষণের ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। এ অনুচ্ছেদে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক ক্ষমতা প্রদানের বিধান রাখা হয়েছে।

উৎস: i) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৭২১.
"বয়স্ক ভাতা" কর্মসূচি অনুযায়ী বাংলাদেশে নারীরা কত বছর বয়সে এই ভাতা পেতে পারেন?
  1. ৬০ বছর
  2. ৬২ বছর
  3. ৬৫ বছর
  4. ৭০ বছর
ব্যাখ্যা
বয়সস্কভাতা: 
- বাস্তবায়নকারী দফতর: সমাজসেবা অধিদফতর। 
- কার্যক্রম শুরুর বছর: ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছর
• লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য: 
১. বয়স্ক জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধান;
২. পরিবার ও সমাজে তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধি;
৩. আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে তাঁদের মনোবল জোরদারকরণ;
৪. চিকিৎসা ও পুষ্টি সরবরাহ বৃদ্ধিতে সহায়তা করা।

• ভাতা প্রাপ্তির যোগ্যতা ও শর্তাবলী: 
- সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে;
- জন্ম নিবন্ধন/জাতীয় পরিচিতি নম্বর থাকতে হবে;
- বয়স পুরুষের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৬৫ বছর এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৬২ বছর  হতে হবে।
- প্রার্থীর বার্ষিক গড় আয় অনূর্ধ ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা হতে হবে।

উৎস: সমাজ সেবা অধিদপপ্তর।
১,৭২২.
দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রথম নারী মহাপরিচালক কে ছিলেন?
  1. ফাতেমা খাতুন
  2. শিরীন পারভীন
  3. আমেনা বেগম
  4. নীলুফার ইয়াসমিন
ব্যাখ্যা

দুর্নীতি দমন কমিশন:
- দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধের লক্ষ্যে ২০০৪ সালে দুদক আইন কার্যকরের মাধ্যমে পূর্বেকার দুর্নীতি দমন ব্যুরোর স্থলে দুর্নীতি দমন কমিশন গঠিত হয়।
- এটি একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান।
- এর কার্যালয়: ঢাকার সেগুনবাগিচা।

- দুর্নীতি দমন কমিশন একজন চেয়ারম্যান ও দুইজন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত।
- মহামান্য রাষ্ট্রপতি তিনজন কমিশনারের মধ্যে হতে একজনকে চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ করে থাকেন।
- দুর্নীতি দমন কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যানের নাম ড. আবদুল মোমেন।
- প্রথম নারী মহাপরিচালক শিরীন পারভীন।

তথ্যসূত্র - দুর্নীতি দমন কমিশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,৭২৩.
কতজন ব্যক্তি নিয়ে গ্রাম সরকার গঠিত?
  1. ৯ জন
  2. ১১ জন
  3. ১৩ জন
  4. ১৫ জন
ব্যাখ্যা
গ্রাম সরকার আইন, ২০০৩ অনুসারে,
- দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে ১৫ সদস্য - এর সমন্বয়ে গ্রাম সরকার গঠিত হবে।

সদস্যদের মধ্যে - 
- একজন গ্রাম সরকার প্রধান,
- একজন উপদেষ্টা ও
- তেরজন সদস্য

উল্লেখ্য, গ্রাম সরকার আইন, ২০০৩ - এই আইনটি গ্রাম সরকার (রহিতকরন) আইন, ২০০৯ দ্বারা রহিত করা হইয়াছে।

উৎস: আইন মন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইট।
১,৭২৪.
“ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালী জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করিয়া জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করিয়াছেন, সেই বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতি হইবে বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি।” - কোন অনুচ্ছেদ?
  1. ক) অনুচ্ছেদ - ৬
  2. খ) অনুচ্ছেদ - ৮
  3. গ) অনুচ্ছেদ - ৯
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ - ১০
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ - ৯ঃ জাতীয়তাবাদ - “ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালী জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করিয়া জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করিয়াছেন, সেই বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতি হইবে বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি।”
১,৭২৫.
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বর্তমান চেয়ারম্যান কে? (ডিসেম্বর-২০২৫)
  1. মোঃ বদিউল আলম খান
  2. মোঃ আবদুর রহমান খান
  3. মোঃ আতাউর রহমান
  4. মোঃ উসমান গনি
ব্যাখ্যা

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড:
- ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ৭৬ (The National Board of Revenue Order, 1972) এর ভিত্তিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি কাস্টমস, মূল্য সংযোজন কর ও আয়কর বিষয়ক রাজস্ব নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ।
- বর্তমানে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক দেশের মোট রাজস্বের ৮৬% এর অধিক আহরিত হচ্ছে।
- এনবিআর বাংলাদেশের রাজস্ব সংগ্রহের জন্য আইনি কাঠামো, নীতিমালা ও ব্যবস্থা প্রণয়ন করে এবং তা বাস্তবায়ন করে।
- এর আওতাভুক্ত বিষয়গুলোর মধ্যে ভ্যাট, আয়কর, শুল্কসহ অন্যান্য সকল রাজস্ব সংগ্রহের কার্যক্রম রয়েছে।
- এনবিআর রাষ্ট্রের রাজস্ব ব্যবস্থাপনা পরিচালনার জন্য দায়িত্বশীল সংস্থা হিসেবে কাজ করে এবং জাতীয় আয় বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- এটি বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অন্তর্ভুক্ত।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এর বর্তমান চেয়ারম্যান- মোঃ আবদুর রহমান খান। (ডিসেম্বর-২০২৫)

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।

১,৭২৬.
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবার ন্যূনতম বয়স কত?
  1. ৩০ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ৪০ বছর
  4. ৩৫ বছর
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী: 
- প্রধানমন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার প্রধান।
- সংবিধানের ৫৫ ও ৫৬ নং ধারা মতে, প্রধানমন্ত্রী পদায়িত হবেন মন্ত্রিপরিষদের শীর্ষে।
- তিনি তাঁর মন্ত্রিপরিষদের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী নির্বাচন করেন।
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবার জন্য ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর হতে হবে।
- সংবিধান অনুসারে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রকৃত নির্বাহী।
- জাতীয় সংসদের নির্বাচনের পর সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মনোনীত ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন।
- প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রধান পরিষদ অর্থাৎ মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
- পঞ্চম ভাগের ৬৬ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী -
(১) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হলে এবং তাঁর বয়স — পঁচিশ বৎসর পূর্ণ হলে বিধান-সাপেক্ষে তিনি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হবার এবং সংসদ-সদস্য থাকার যোগ্য হবেন।

• যেহেতু সংসদের সংখ্যা গরিষ্ঠ দলের সদস্য হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন,
- তাই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স — ২৫ বছর।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭২৭.
মন্ত্রণালয়ের সেকশন প্রধান কে?
  1. জেষ্ঠ সহকারী সচিব
  2. যুগ্ম-সচিব
  3. অতিরিক্ত সচিব
  4. সচিব
ব্যাখ্যা
মন্ত্রনালয়গুলোর প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশে মন্ত্রণালয়গুলোকে যৌথভাবে সচিবালয় বলা হয়।
১. মন্ত্রী - মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রধান। প্রত্যেক মন্ত্রণালয় দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে
থাকে।
২. সচিব - মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। সচিব মন্ত্রণালয়ের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও মূখ্য হিসাব নিরীক্ষক।
৩. অতিরিক্ত সচিব - উপ-বিভাগের প্রধান।
৪. যুগ্ম-সচিব - উপ-বিভাগের প্রধান।
৫. উপসচিব - একাধিক শাখার প্রধান।
৬. সিনিয়র বা জেষ্ঠ সহকারী সচিব - শাখা বা সেকশন প্রধান।
৭. সহকারী সচিব - শাখা বা সেকশন প্রধান।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোজাম্মেল হক।
১,৭২৮.
জাতীয় সংসদ চাইলে কোনো ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে যেকোনো বিষয়ে আইন (Act বাদে), আদেশ, বিধি, প্রবিধান বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা অর্পণ করতে পারবেন। একে বলা হয় -
  1. ক) Acquired Legislation
  2. খ) Delegated Legislation
  3. গ) Assigned Legislation
  4. ঘ) Entrusted Legislation
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ

জাতীয় সংসদ যেকোনো নতুন আইন তৈরি, প্রচলিত আইন সংশোধন এবং অপ্রয়োজনীয় আইন বাতিল করতে পারে। 

অনুচ্ছেদ ৬৫ (১) অনুসারে, জাতীয় সংসদ কর্তৃক রাষ্ট্রের সকল বিষয়ে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা থাকবে। তবে জাতীয় সংসদ চাইলে কোনো ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে যেকোনো বিষয়ে আইন (Act বাদে), আদেশ, বিধি, প্রবিধান বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা অর্পণ করতে পারবেন। একে Delegated Legislation বলে। যেমন: 'পুলিশ রেগুলেশন অব বেঙ্গল, ১৯৪৩' প্রণয়নের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে পুলিশকে।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাদেশ সংবিধান।
১,৭২৯.
রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে পারে কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. হাইকোর্ট
  3. জাতীয় সংসদ
  4. সুপ্রীম কোর্ট
ব্যাখ্যা

→ রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে পারে জাতীয় সংসদ।

জাতীয় আইনসভার ক্ষমতা ও কার্যবলী:
- বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নামে একটি আইনসভা থাকবে এবং এর ওপর প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা ন্যস্ত হবে।
- সংবিধান অনুযায়ী সংসদ যে কোনো নতুন আইন প্রণয়ন ও প্রচলিত আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করতে পারে।
- সংসদ আইনের মাধ্যমে যে কোনো সংস্থা বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ প্রদান, বিধি, উপবিধি ও প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা দিতে পারে।
- সংসদের আস্থাভাজন ব্যক্তিই প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন এবং তিনি মন্ত্রিসভা গঠন করেন।
- প্রধানমন্ত্রী সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন হয়।
- সংবিধান লঙ্ঘন, গুরুতর অপরাধ, দৈহিক ও মানসিক অসুস্থতা ও অক্ষমতার জন্য সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন বা অপসারণ করতে পারে।
- জাতীয় সংসদ নির্বাচন, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, ন্যায়পাল ইত্যাদি পদের নির্বাচনি ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত। 
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি

১,৭৩০.
আইন বাস্তবায়নগত সকল ক্ষমতা কোন বিভাগের এখতিয়ারে?
  1. ক) বিচার বিভাগের
  2. খ) আইন বিভাগের
  3. গ) আপিল বিভাগের
  4. ঘ) শাসন বিভাগের
ব্যাখ্যা
শাসন বিভাগ
• শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে।
• রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে; কিন্তু সকল ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ গ্রহণ করতে হয়।
• প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদেরও প্রধান। মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করেন।
• মন্ত্রীদের মধ্যে দায়দায়িত্ব বন্টন করেন প্রধানমন্ত্রী। সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী সরকার ব্যবস্থার প্রধান নীতিনির্ধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
• তবে আইন বাস্তবায়নগত সকল ক্ষমতা শাসন বিভাগের এখতিয়ারে। 

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৭৩১.
বাংলাদেশের সর্বশেষ বিভাগ কোনটি? [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. রংপুর
  2. ময়মনসিংহ
  3. কুমিল্লা 
  4. ফরিদপুর
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সর্বশেষ প্রশাসনিক বিভাগ হলো ময়মনসিংহ।

বাংলাদেশের বিভাগ:

- বিভাগ: ৮টি,
- চট্টগ্রাম ,
- রাজশাহী,
- খুলনা,
- বরিশাল,
- সিলেট,
- ঢাকা,
- রংপুর,
- ময়মনসিংহ।

•ময়মনসিংহ বিভাগঃ
- বাংলাদেশের অষ্টম প্রশাসনিক বিভাগ হলো ময়মনসিংহ।
- জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলা নিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগ গঠিত।
- ২০১৫ সালের ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত এই বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চল ঢাকা বিভাগের অংশ ছিল।
- ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর ও নেত্রকোনা এই ৪ জেলা নিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগ সৃষ্টি করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৭৩২.
বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা -
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. আইন সচিব
  3. আইনমন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪ নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের উল্লেখ রয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন অ্যাটর্নি জেনারেল থাকবেন।
- অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি আইনগত দিক নিয়ে রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষে আদালতে বক্তব্য পেশ করেন।
- সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের ন্যায় মর্যাদা ভোগের অধিকারী হবেন।

⇒ অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
• অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
• অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।
• বাংলাদেশ সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

১,৭৩৩.
বাংলাদেশের পদমর্যাদার মানক্রমে প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান-
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) চতুর্থ
  4. ঘ) তৃতীয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের পদমর্যাদার মানক্রমে, অর্ডার অফ প্রেসিডেন্সি অনুযায়ী সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী মহামান্য রাষ্ট্রপতি,
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং
জাতীয় সংসদের স্পিকারের স্থান তৃতীয় স্থানে।
১,৭৩৪.
উন্নয়নমূলক চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীসমূহ উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের ক্ষেত্রে কী হিসাবে ভূমিকা পালন করে?
  1. ক) ওভারসিয়ার
  2. খ) ওয়াচম্যান
  3. গ) ওয়াচ ডগ
  4. ঘ) লিংক ব্রিজ
ব্যাখ্যা
Cambridge Dictionary এর মতে, Watch Dog can be defined as an official organization or person that is responsible for checking that companies or groups obey particular rules and laws so that the standard of the products or services they provide is acceptable.
১,৭৩৫.
ঢাকা পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ১৮৬২ সালে
  2. ১৮৬৪ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
ব্যাখ্যা
ঢাকা পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৬৪ সালে।

ঢাকা পৌরসভা:

- বুড়িগঙ্গা নদীতীরে অবস্থিত প্রায় সাতশত বছরের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বন্দর নগরী ঢাকা।
- মোঘল সমাট্র জাহাঙ্গীরের আমলে ১৬০৮ সালে ঢাকায় রাজধানী স্থাপিত হলে বিশ্বব্যাপী এ নগরীর মর্যাদা ও গুরুত্ব বেড়ে যায়।
- ১৮৪০ সালে ‘ঢাকা কমিটি’ নামে একটি কমিটি গঠন করেন।
- ১৮৬৪ সালের ১লা আগষ্ট ঢাকা পৌরসভা স্থাপিত হয়।
- ‘ঢাকা মিউনিসিপ্যাল ইমপ্রুভমেন্ট অ্যাক্ট’ বলে আগস্ট মাসে গঠন করা হয় ‘ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কমিটি’।
- ১৮৬৪ সালের পূর্ব পর্যন্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদাধিকার বলে মিউনিসিপ্যালিটির সভাপতি ছিলেন।
- ১৯৭৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকা নগরীকে ৫০টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করে নির্বাচনের মাধ্যমে ঢাকা পৌরসভা গঠন করা হয়।
- ১৯৭৭ সালের ৩১ অক্টোবর কমিশনারদের মাধমে ঢাকা পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত।
- ১৯৯০ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের নাম পরিবর্তন করে ঢাকা সিটি করপোরেশন নামকরণ করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৭৩৬.
নাগরিকদের উত্তম এবং পূর্ণাঙ্গ জীবন প্রতিষ্ঠা করাই কার লক্ষ্য?
  1. ক) জনগণ
  2. খ) রাষ্ট্র
  3. গ) সুশীল সমাজ
  4. ঘ) সমাজ
ব্যাখ্যা
- নাগরিকদের উত্তম এবং পূর্ণাঙ্গ জীবন প্রতিষ্ঠা করার জন্যই রাষ্ট্রের সৃষ্টি বা উদ্ভব হয়েছে।
- সুনাগরিকদের দায়িত্ব ও কর্তব্য বোধ, সচেতনতা প্রভৃতি গুণাবলী রাষ্ট্রকে মহীয়ান করে তোলে।
- নাগরিক তার অর্থ ও প্রকৃতি, নাগরিক তা অর্জন ও বিলোপ, সুনাগরিক তার অধিকার ও কর্তব্যবোধ  প্রভূতি।
- পৌর নীতি কে নাগরিক বিষয়ক বিজ্ঞান বলা হয়।
- পৌর নীতি ও সুশাসন হলো সামাজিক বিজ্ঞান যা সমাজবদ্ধ মানুষের কার্যবলী।

 (উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি :প্রথম পত্র)
১,৭৩৭.
NIPORT কোন মন্ত্রণালয়ের আওতায় পরিচালিত হয়?  
  1. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
  2. স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
  3. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  4. সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• NIPORT: 
- NIPORT (নিপোর্ট) বা National Institute of Population Research and Training হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।

উল্লেখ্য, 
- এটি ১৯৭৭ সালে ঢাকার আজিমপুরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

তথ্যসূত্র: NIPORT ওয়েবসাইট। 

১,৭৩৮.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার কাঠামোর অংশ নয় কোনটি?
  1. বিচার বিভাগ
  2. শাসন বিভাগ
  3. নির্বাচনী বিভাগ
  4. আইন বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ নির্বাচনী বিভাগ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার কাঠামোর অংশ নয়।

সরকার কাঠামো:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার কাঠামো ৩টি। যথা-
• আইন বিভাগ।
• বিচার বিভাগ।
• শাসন বিভাগ।
- একটি বিভাগ কখনও অন্য বিভাগের কার্যে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।

শাসন বিভাগ:
- শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে।
- রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে; কিন্তু সকল ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ গ্রহণ করতে হয়।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদেরও প্রধান।
- মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করেন।

আইন বিভাগ:
- বাংলাদেশ সরকারের আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন, পরিবর্তন ও সংশোধন করার অধিকার রাখে, যা সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত।
- বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থায় সংসদীয় পদ্ধতি গৃহীত হওয়ার দরুণ আইনসভাতে সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজনৈতিক দলের হাতেই নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে।

বিচার বিভাগ:
- বাংলাদেশের সরকার কাঠামোতে বিচার বিভাগ সরকারের সকল প্রকার বিচারিক কার্য সম্পাদন করে থাকে।
- বিচারিক কার্যের অংশ হিসেবে এই বিভাগটি মূলত সংবিধান ও আইন অনুযায়ী অপরাধীকে শাস্তি প্রদান করে থাকে ও জনগণের অধিকার রক্ষা করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে থাকে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৩৯.
পার্বত্য জেলা স্থানীয় সরকার পরিষদ মোট কতটি জেলা নিয়ে গঠিত?
  1. ক) ০২
  2. খ) ০৩
  3. গ) ০৪
  4. ঘ) ০৫
ব্যাখ্যা
পার্বত্য জেলা স্থানীয় সরকার পরিষদ

- পার্বত্য চট্রগ্রাম অঞ্চলের রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবন এ ৩ টি জেলার জনগনের সার্বিক উন্নয়নের জন্য তৎকালীন রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদ তার শাসনামলে এটি গঠন করেন। 
- ১৯৮৯ সালে চতুর্থ জাতীয় সংসদে পার্বত্য জেলা স্থানীয় সরকার পরিষদ গঠন করে একটি বিল পাস করে।
- ১৯৮৯ সালের ৬ মার্চ রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লাভ করে তা আইনে পরিণত হয়।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র এইচ এস সি ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৪০.
কত সালে জাতীয় সংসদে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন পাস হয়?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা

 আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন:
- ২০০২ সালে জাতীয় সংসদে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন পাস হয়। 
- এই আইনের মাধ্যমে কিছু অপরাধের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ বিধান প্রণয়ন করা হয়েছিল। 

⇒ বিলে বলা হয়েছে, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে দ্রুত ও কার্যকর ভূমিকা পালনের উদ্দেশ্যে চাঁদাবাজি, যানবাহন চলাকালে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, যানবাহনের ক্ষতিসাধন, স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিনষ্ট করা, ছিনতাই, দস্যুতা, ত্রাস ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি, দরপত্র ক্রয়, বিক্রয়, গ্রহণ বা দাখিলে জোরপূর্বক বাধা প্রদান বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, ভয়-ভীতি প্রদর্শন ইত্যাদি গুরুতর অপরাধের দ্রুত বিচার নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অধিকতর উন্নতির লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ (২০০২ সালের ১১ নম্বর আইন) প্রণয়ন ও জারি করা হয়েছিল। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৭৪১.
জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন কোন জেলার?
  1. পঞ্চগড়
  2. সিলেট
  3. বান্দরবান
  4. কক্সবাজার
ব্যাখ্যা

সংসদীয় আসন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা: ৩৫০টি।
- মহিলাদের জন্য সংসদে সংরক্ষিত আসন: ৫০টি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে সংসদীয় আসন সংখ্যা: ৩টি।
• বান্দরবান।
• রাঙ্গামাটি।
• খাগড়াছড়ি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যেক জেলায় একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে। 

- জাতীয় সংসদের ১ নং আসন: পঞ্চগড়-১।
- জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন: বান্দরবান।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।
- ঢাকা জেলায় ২০টি সংসদীয় আসন রয়েছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৭৪২.
বাকশালে জাতীয় দলের জন্য কত সদস্যের একটি নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছিল?
  1. ক) ১১৫
  2. খ) ১২০
  3. গ) ২০
  4. ঘ) ১৫
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর ভিত্তিতে ১৯৭৫ সালের ৭ জুন একমাত্র বৈধ রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- সাংগঠনিক ক্ষেত্রে বাকশালের চেয়ারম্যান হিসেবে রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবর রহমান জাতীয় দলের জন্য ১৫ সদস্যের একটি নির্বাহী কমিটি এবং ১১৫ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি মনোনীত করেন।
- এছাড়া জাতীয় কৃষক লীগ, জাতীয় শ্রমিক লীগ, জাতীয় মহিলা লীগ, জাতীয় যুবলীগ ও জাতীয় ছাত্রলীগ নামে দলের পাঁচটি অঙ্গ সংগঠনকে মনোনয়ন দান করা হয়।
- নির্বাহী কমিটির সদস্যরা মন্ত্রীর পদমর্যাদা ভোগের অধিকারী ছিলেন।
- উপজেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বশেষ স্তর দেশের প্রশাসন ব্যবস্থাকে গণমুখী করার লক্ষ্যে ঢেলে সাজানোই ছিল বাকশাল পরিকল্পনার উদ্দেশ্য।
- বাকশাল ১৯৭৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে সরকারিভাবে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১,৭৪৩.
“সরকারি বিল” কি?
  1. ক) সংসদে সরকারি দলের সংসদ সদস্যের দ্বারা উত্থাপিত বিল
  2. খ) সংসদে প্রধানমন্ত্রীর উত্থাপিত বিল
  3. গ) সংসদে মন্ত্রীদের উত্থাপিত বিল
  4. ঘ) রাষ্ট্রপতির অনুমোদিত বিল
ব্যাখ্যা
সংসদে যেকোন মন্ত্রীর উত্থাপিত বিলকে “সরকারি বিল” বলে। অন্যদিকে, সংসদে সরকারি দলের সংসদ সদস্য বা অন্য যে কোন সংসদ সদস্যের উত্থাপিত বিলকে “বেসরকারি বিল” বলে। সংসদে উত্থাপিত বিল গৃহীত হলে এবং উক্ত বিলে রাষ্ট্রপতি সম্মতি প্রদান করলে বা সম্মতি প্রদানের মেয়াদান্তে তা সংসদ আইন নামে পরিচিত হয়। উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান
১,৭৪৪.
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের কতটি বিভাগ রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
- সুপ্রীম কোর্টে দুটি বিভাগ রয়েছে—হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ।

• সুপ্রীম কোর্টের গঠন:
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের নাম সুপ্রীম কোট।
- সুপ্রীম কোর্টের প্রধান হল প্রধান বিচারপতি।
- এ আদালতের দু’টি বিভাগ রয়েছে যথা- হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ।

উল্লেখ্য,
- রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেন।
- প্রধান বিচারপতির পরামর্শে রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
- বাংলাদেশী কোন নাগরিক ১০ বছর এডভোকেট হিসেবে অভিজ্ঞতা থাকলে বা ১০ বছর বিচার বিভাগীয় কোন পদে চাকুরি করলে সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসেবে নিয়োগ লাভের যোগ্য বলে বিবেচিত হন।

সূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৪৫.
দ্বাদশ জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা কে?
  1. রওশন এরশাদ
  2. মুজিবুল হক চুন্নু
  3. গোলাম মোহাম্মদ কাদের
  4. আনিসুল ইসলাম মাহমুদ
ব্যাখ্যা
বিরোধী দল:
- গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাতে নির্বাচনে যে দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে তারা সরকার গঠন করে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়।
- বাকি দলগুলো বিরোধী দল হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
- একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য বিরোধী দল অপরিহার্য।
- কোন রাষ্ট্রে যদি শক্তিশালী বিরোধী দল না থাকে তাহলে সে রাষ্ট্র স্বৈরাচারী রাষ্ট্রে পরিণত হবার সমূহ আশঙ্কা থাকে।
- গণতন্ত্র রক্ষায় বিরোধীদলের বিকল্প নেই।

উল্লেখ্য,
- ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২২৩টি আসনে জয়ী হয়ে আওয়ামী লীগ টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করেছে।
- নির্বাচনে জাতীয় পার্টি পেয়েছে ১১টি আসন।
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি।
- বিরোধী দলের নেতা জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জি এম) কাদের।
- একই দলের কো-চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য আনিসুল ইসলাম মাহমুদ সংসদে বিরোধী দলের উপনেতা।

উৎস: i) ২৩ জানুয়ারি, ২০২৪, বিবিসি বাংলা।
         ii) ৩০ জানুয়ারি, ২০২৪, প্রথম আলো।
১,৭৪৬.
সবচেয়ে বেশি সময় আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন-
  1. ক) শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  3. গ) আবদুর রশিদ তর্কবাগীশ
  4. ঘ) শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৯ সালের ২৩ ও ২৪ জুন কাজী বশিরের স্বামীবাগস্থ বাসভবন "রোজ গার্ডেন" এ অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনের মাধ্যমে "পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ" গঠিত হয়। 
 - ১৯৫৫ সালের ২২শে সেপ্টেম্বর শহীদ সোহরাওয়ার্দী দলের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব করলে সর্ব সম্মতিক্রমে তা গৃহীত হয় (আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে আওয়ামী লীগ) 
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী আওয়ামী লীগের প্রথম সভাপতি। তিনি দায়িত্ব পালন করেন ১৯৪৯-১৯৫৭ 
- আবদুর রশিদ তর্কবাগীশ ১৯৫৭-১৯৬৪ (ভারপ্রাপ্ত) । ১৯৬৪-১৯৬৬(পঞ্চম কাউন্সিলে তিনি সভাপতি নির্বাচিত)
- শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬-১৯৭৪ পর্যন্ত।
- শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনিই দলের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।
- অর্থাৎ সভাপতি হিসেবে তার মেয়াদ ১৯৮১-বর্তমান। তিনি সবচেয়ে বেশি সময় ধরে আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।

তথ্যসূত্র:- অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
১,৭৪৭.
সংস্কার কমিশন নতুন সংস্কার প্রস্তাবে বাংলাদেশ সংসদের উচ্চকক্ষের ১০০ জন সদস্যকে কোন পদ্ধতির ভিত্তিতে রাজনৈতিক দলগুলো মনোনীত করবে?
  1. ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট (FPTP)
  2. সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা
  3. সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (PR)
  4. প্রত্যক্ষ নির্বাচন
ব্যাখ্যা

• সংবিধান সংস্কার কমিশন:
- বিদ্যমান সংবিধান পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন করার জন্য বাংলাদেশের সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়েছিল।
- কমিশন গঠনের পেছনের প্রেক্ষাপট ছিল ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পর সৃষ্ট রাজনৈতিক পরিস্থিতি।
- অতীতের সাংবিধানিক ব্যর্থতার কারণগুলো চিহ্নিত করে একটি নতুন, শক্তিশালী এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত সংবিধান প্রণয়নের জন্য রোডম্যাপ তৈরি করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- এর পরিপ্রেক্ষিতেই ৬ অক্টোবর, ২০২৪ সালে সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠিত হয়।
- কমিশনের উল্লেখযোগ্য সুপারিশের মধ্যে রয়েছে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ।
• নিম্নকক্ষ (জাতীয় সংসদ) এবং
• উচ্চকক্ষের (সিনেট)।

• নিম্নকক্ষ:
- মোট ৪০০ আসন নিয়ে নিম্নকক্ষ গঠিত হবে।
- ৩০০ জন সদস্য একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি নির্বাচিত হবেন।
- আরো ১০০ জন নারী সদস্য সারা দেশের নির্ধারিত ১০০টি নির্বাচনী এলাকা থেকে কেবল নারী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচিত হবেন।

•  উচ্চকক্ষ:
- মোট ১০৫ জন সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হবে।
- রাজনৈতিক দলগুলো সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (Proportional Representation - PR) পদ্ধতির ভিত্তিতে উচ্চকক্ষের নির্বাচনের জন্য ১০০ জন প্রার্থী মনোনীত করবে।
- অবশিষ্ট ৫টি আসন পূরণের জন্য রাষ্ট্রপতি নাগরিকদের মধ্য থেকে (যারা কোনো কক্ষেরই সদস্য নন) ৫ জন প্রার্থী মনোনীত করবেন।

•  উল্লেখ্য:
- সংবিধান সংস্কার কমিশন -
- গঠিত হয়- ৬ অক্টোবর, ২০২৪।
- কমিশনের প্রধান- অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
- মোট সদস্য- ৯ জন।

উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

১,৭৪৮.
বাংলাদেশে প্রথম রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার কবে গঠিত হয়?
  1. ১৯৭১ সালে 
  2. ১৯৭২ সালে 
  3. ১৯৭৫ সালে 
  4. ১৯৮০ সালে 
ব্যাখ্যা

-  বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে প্রথম রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার গঠিত হয়।

• বাংলাদেশের প্রথম  রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধ শুরুর এক মাসের মধ্যেই ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন প্রথম মন্ত্রিসভায় বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয়।
- শেখ মুজিবর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম সরকারের রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ।
- শেখ মুজিবর রহমান পশ্চিম পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি থাকার কারণে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- তাঁরা ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ করে। 
- পরবর্তীতে, ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান অস্থায়ী সংবিধান আদেশের দ্বারা রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থা থেকে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। 

উল্লেখ্য, 
-  রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি একাধারে রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকার প্রধান। 
- রাষ্ট্রপতিই প্রকৃত শাসক এবং আইনগত দিক থেকে তিনি প্রকৃত ক্ষমতার অধিকারী।

তথ্যসূত্র:
i) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) রাষ্ট্রবিজ্ঞান: রাজনৈতিক সংগঠন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
iii) দৈনিক ইত্তেফাক।

১,৭৪৯.
ISPR-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Inter-Security Public Relations
  2. Inter-Services Public Relations
  3. Internal Services Public Regulation
  4. International Strategic Public Relations
ব্যাখ্যা

ISPR:
- ISPR-এর পূর্ণরপ: Inter-Services Public Relations বা আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর ।
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) স্বাধীনতার অব্যবহিত পরে ১৯৭২ সালে সশস্ত্র বাহিনী এবং অন্যান্য আন্তঃবাহিনী সংস্থার প্রচার ও জনসংযোগ কাজ পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রপতির আদেশবলে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- আইএসপিআর অফিস ভবন: পুরাতন লগ এরিয়া সদর দপ্তর ভবন, ঢাকা সেনানিবাস।
- এর প্রধান কাজ:  সশস্ত্র বাহিনী এবং অন্যান্য সংস্থার কার্যক্রম বিভিন্ন প্রচার মাধ্যম যেমন সংবাদপত্র, বেতার এবং টেলিভিশনে সঠিকভাবে উপস্থাপন এবং প্রচারণার উদ্দেশ্যে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করা এবং বাস্তবায়ন  নিশ্চিত করা।

উৎস: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১,৭৫০.
নিচের কোনটি সাংবিধানিক পদ নয়?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর
  2. ডেপুটি স্পিকার
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. নির্বাচন কমিশনার
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর সাংবিধানিক পদ নয়।

• সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান: 
- নির্বাচন কমিশন,
- বাংলাদেশ সরকারী কর্মকমিশন,
- কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল অব বাংলাদেশ,
- এটর্নি জেনারেলের কার্যালয় ইত্যাদি।

• সাংবিধানিক পদ:
- রাষ্ট্রপতি,
- প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপ-মন্ত্রী,
- স্পীকার এবং ডেপুটি স্পীকার,
- অ্যাটর্নি জেনারেল,
- প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারপতি,
- নির্বাচন কমিশনারের সভাপতি ও সদস্যগণ,
- সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান ইত্যাদি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৭৫১.
সম্প্রতি, বাংলাদেশের কোন জেলায় ই-পারিবারিক আদালত কোথায়  চালু হয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ঢাকায়
  2. চট্টগ্রামে
  3. কুমিল্লায়
  4. ফেনীতে
ব্যাখ্যা

ই-পারিবারিক আদালত:
- বিচারব্যবস্থাকে আধুনিক ও সহজ করে তুলতে ৩০ নভেম্বর, ২০২৫ চট্টগ্রাম আদালতে চালু হয়েছে ই–পারিবারিক আদালত।
- ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর এই আদালতে মামলার আবেদন থেকে শুরু করে দৈনন্দিন সব কার্যক্রম অনলাইনে পরিচালিত হবে।
- ই–পারিবারিক আদালতে পাঁচ বিষয়ের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
- এগুলো হলো বিবাহবিচ্ছেদ, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার, মোহরানা, ভরণপোষণ, সন্তানের অভিভাবকত্ব ও হেফাজত।
- আদালত সূত্র জানায়, ই–পারিবারিক কোর্ট নামের ওয়েবসাইটটি বাদী, বিবাদী, আইনজীবী, আদালতের সহায়ক কর্মচারী, বিচারক ও সাধারণ জনগণ সবাই ব্যবহার করতে পারবেন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১,৭৫২.
মুজিবনগর সরকারের 'অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী' কে ছিলেন?
  1. ক) তাজউদ্দিন আহমদ
  2. খ) এম মনসুর আলী
  3. গ) এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান
  4. ঘ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।
- মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল। 
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল। 
- এ শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী। 

- মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলের - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি - সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী - তাজউদ্দিন আহমেদ।
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী - এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এস এস এইচ এল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৫৩.
বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন দেশের কততম প্রধান নির্বাচন কমিশনার?
  1. ১৪তম
  2. ১৫তম
  3. ১৩তম
  4. ১২তম
ব্যাখ্যা

- বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন দেশের ১৪ তম প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
-
জনাব এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর তারিখে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন:
- বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এম এম নাসির উদ্দীন।
- তিনি ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর তারিখে বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
- অন্য চার নির্বাচন কমিশনার হলেন:
- অতিরিক্ত সচিব (অবসরপ্রাপ্ত) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার,
- জেলা ও দায়রা জজ (অবসরপ্রাপ্ত) আবদুর রহমানেল মাসুদ,
- যুগ্ম সচিব (অবসরপ্রাপ্ত) বেগম তহমিদা আহমদ এবং
- ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

উল্লেখ্য, 
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে।
- নির্বাচন কমিশনের প্রধানকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলা হয়ে থাকে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চার জন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকবে।
- সংবিধানের বিধানবলী সাপেক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কোন নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদ তাঁর কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সকল কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নিয়োগ প্রদান করেন।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট। এবং বিবিসি বাংলা নিউজ।

১,৭৫৪.
রাষ্ট্রের অপরিহার্য তৃতীয় উপাদান কোনটি?
  1. অর্থনীতি
  2. সরকার
  3. ভূখন্ড
  4. সার্বভৌমত্ব
ব্যাখ্যা
সরকার:
- রাষ্ট্রের অপরিহার্য তৃতীয় উপাদানটি হলো সরকার।
- সরকার গঠনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর মাধ্যমে রাষ্ট্র গঠন আংশিকভাবে সম্পন্ন হয়।
- রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য তিনটি বিভাগ থাকে: আইনবিভাগ, শাসনবিভাগ ও বিচারবিভাগ।
- এ তিন বিভাগের সমন্বয়ে সরকার গঠিত হয়।
- গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সাধারণত নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের সরকার গঠন করে।
- সরকার বলতে ব্যাপক অর্থে শাসকগোষ্ঠীর সকলকে বোঝায়, যারা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা পরিচালনায় অংশগ্রহণ করে।
- অর্থাৎ রাষ্ট্রের ক্ষমতা সরকার কর্তৃক পরিচালিত হয়।
- অধ্যাপক গার্নারের মতে, 'রাষ্ট্র যদি হয় জীবদেহ তবে সরকার হলো এর মস্তিষ্কস্বরূপ'।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,৭৫৫.
নিচের কোন বিভাগের অধ্যাদেশ জারি করার ক্ষমতা রয়েছে?  
  1. বিচার বিভাগ
  2. আইন বিভাগ
  3. শাসন বিভাগ
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

• অধ্যাদেশ :
- অধ্যাদেশ জারি করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশ সংবিধানে মােট ১১টি ভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে পঞ্চম ভাগে আইনসভা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- পঞ্চম ভাগের ৩য় পরিচ্ছেদের ৯৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ পদাধিকারী ব্যক্তি হলেন রাষ্ট্রপতি।
- তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সকল সম্মানের উৎস। 
- সংসদীয় পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকার রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আইন অনুসারে সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হবেন।

• সুতরাং অধ্যাদেশ জারি করতে পারে শাসন বিভাগ। 

তথ্যসূত্র:  বাংলাদেশের সংবিধান এবং পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,৭৫৬.
রাষ্ট্রের ঐচ্ছিক কাজ কোনটি?
  1. আর্থিক কার্যাবলি
  2. পররাষ্ট্র সংক্রান্ত কার্যাবলি
  3. বিচার সংক্রান্ত
  4. শ্রমিক কল্যাণ
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রের কার্যাবলি :
⇒ ঐচ্ছিক কাজ স্বেচ্ছা প্রণোদিত হয়ে নাগরিকদের জীবনের বহুমুখী উন্নয়ন সাধনের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্র যে কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে সেগুলোকে রাষ্ট্রের ঐচ্ছিক কাজ হিসেবে ধরা যায়। ঐচ্ছিক কাজগুলো নিমে আলোচনা করা হলো:
(১) শিক্ষা সংক্রান্ত কার্যাবলি।
(২) স্বাস্থ্য সংরক্ষণ।
(৩) দরিদ্র কল্যাণ।
(8) শিল্প ব্যবসা-বাণিজ্য সংক্রান্ত।
(৫) উন্নয়নমূলক কার্যাবলি।
(৬) সামাজিক নিরাপত্তা।
(৭) অসহায় নারীদের সাহায্য প্রদান।
(৮) শ্রমিক কল্যাণ ।

অন্যদিকে,
-  অপরিহার্য কাজ যেসব কার্য নাগরিকদের জীবন, সম্পত্তি অধিকার, স্বাধীনতা সাথে জড়িত থাকে সেগুলোকে অপরিহার্য কার্যাবলি বলে। রাষ্ট্রের অপরিহার্য কাজগুলো হলো:
১। দেশ রক্ষা।
২। প্রশাসন সংক্রান্ত কার্যাবলি
৩। অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা: 
৪। আর্থিক কার্যাবলি।
৫। আইন সংক্রান্ত কার্যাবলি  
৬। বিচার সংক্রান্ত।
৭। পররাষ্ট্র সংক্রান্ত কার্যাবলি।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,৭৫৭.
বাংলাদেশে সম্প্রতি গঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে মোট কতজন সদস্য রয়েছেন? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ৫ জন
  2. ৭ জন
  3. ৯ জন
  4. ১১ জন
ব্যাখ্যা
জাতীয় ঐকমত্য কমিশন:
- ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে ৭ সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার।
- কমিশনের সভাপতি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- সহ-সভাপতি হিসেবে আছেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক ড. আলী রিয়াজ।
- এই কমিশনের মেয়াদ হবে ৬ মাস।

কমিশনের অন্য সদস্যরা হলেন-
জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন প্রধান আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী, পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রধান সফর রাজ হোসেন, নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের প্রধান বিচারপতি এমদাদুল হক এবং দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. ইফতেখারুজ্জামান।

উদ্দেশ্য:
কমিশন আগামী নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনব্যবস্থা, পুলিশ, বিচার বিভাগ, জনপ্রশাসন, সংবিধান ও দুর্নীতি দমন বিষয়ে সংস্কারের জন্য গঠিত কমিশনগুলোর সুপারিশগুলো বিবেচনা করবে। এছাড়া কমিশন জাতীয় ঐকমত্য গঠনের জন্য রাজনৈতিক দল ও শক্তিগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে।

তথ্যসূত্র: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট। [Link]
১,৭৫৮.
কোনটি সুনাগরিকের গুণাবলী?
  1. ভোট প্রদান
  2. সামাজিক আন্দোলনে অংশগ্রহণ
  3. আত্মসংযম
  4. কর আদায়
ব্যাখ্যা
• সুনাগরিক :
- আমাদের মধ্যে যে বুদ্ধিমান, যে সকল সমস্যা অতি সহজে সমাধান করে, যার বিবেক আছে সে ন্যায়-অন্যায়, সৎ-অসৎ বুঝতে পারে এবং অসৎ কাজ থেকে বিরত থাকে, আর যে আত্মসংযমী সে বৃহত্তর স্বার্থে নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থ ত্যাগ করতে পারে, এসব গুণসম্পন্ন নাগরিকদের বলা হয় সুনাগরিক।

• সুনাগরিকের প্রধানত তিনটি গুণ :
যথা-
- বুদ্ধি, 
- বিবেক 
- আত্মসংযম।

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১,৭৫৯.
আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট বিভাগ কোনটি?
  1. সিলেট
  2. বরিশাল
  3. রংপুর
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

 বাংলাদেশের বিভাগ:
- বাংলাদেশে মোট ৮টি বিভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে আয়তনে সবচেয়ে ছোট বিভাগ - ময়মনসিংহ।
- এর আয়তন ১০,৫৫২ বর্গ কিমি ।
- আয়তনে সবচেয়ে বড় বিভাগ চট্টগ্রাম ৩৩,৯০৪ বর্গ কিমি ।
- জনসংখ্যায় সবচেয়ে বড় বিভাগ ঢাকা এবং সবচেয়ে ছোট বরিশাল বিভাগ।
- সবচেয়ে বেশি জেলা রয়েছে ঢাকা বিভাগে ১৩টি।
- সবচেয়ে কম ৪টি করে জেলা রয়েছে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।

১,৭৬০.
দেশের নির্বাহী কার্যক্রম কার নেতৃত্বে পরিচালিত হয়?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. মন্ত্রীপরিষদ সচিব
  4. স্পীকার
ব্যাখ্যা

• প্রধানমন্ত্রী:
- বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান। 
- এ ব্যবস্থায় দেশের সরকার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশের নির্বাহী কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- যে সংসদ-সদস্য জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রতীয়মান তাঁকে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন।
- সংবিধান মোতাবেক প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি স্বীয় পদে বহাল থাকবেন।
- তবে সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারালে প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয় কিংবা সংসদ ভেঙে দেবার জন্য রাষ্ট্রপতিকে লিখিতভাবে পরামর্শ দান করতে হয়। 
- প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে তাঁর মন্ত্রিসভাও ভেঙে যায়।
- তাই প্রধানমন্ত্রীকে সরকারের স্তম্ভ বলা হয়। 
- তিনি একইসাথে সংসদের নেতা ও সরকারপ্রধান।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,৭৬১.
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্যসমূহের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি
  2. অন্য রাষ্ট্রের তুলনায় শক্তি বৃদ্ধি
  3. অর্থনৈতিক অগ্রগতি
  4. আন্তর্জাতিক স্বার্থ রক্ষা করা
ব্যাখ্যা

- 'আন্তর্জাতিক স্বার্থ রক্ষা করা' বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নয়।

• বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:

- যে কোন দেশ বহির্বিশ্বের কাছ থেকে তার উদ্দেশ্যাবলি অর্জনের জন্য তার পররাষ্ট্র নীতি প্রণয়ন করে থাকে।
- বাংলাদেশও এই প্রচলিত রাষ্ট্রীয় নিয়মের বাইরে নয়।
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যাবলিকে আমরা বর্ণনা করতে পারি:
১. আত্বরক্ষা,
২. অর্থনৈতিক অগ্রগতি,
৩. অন্য রাষ্ট্রের তুলনায় নিজের জাতীয় শক্তিকে রক্ষা ও প্রয়োজনবোধে বৃদ্ধি করা,
৪. নিজস্ব মতবাদে দৃঢ় থাকা, ও
৫. জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি করা।

তথ্যসূত্র: সিভিক এডুকেশন-২, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭৬২.
'কাস্টিং বা নির্ণায়ক ভোট' কে প্রদান করে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. চিফ হুইপ
  3. স্পিকার
  4. প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
⇒ জাতীয় সংসদে 'কাস্টিং ভোট' হলো স্পিকারের ভোট।

কাস্টিং ভোট:
- সংসদে কখনো কখনো কোন বিষয়ে দু পক্ষের হা অথবা না ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে যেতে পারে।
- এমন অবস্থায় স্পীকার নিজের ভোট দিয়ে সংসদের অচলাবস্থা দূর করেন।
- অন্যভাবে বলা যায়, কোন বিলের ভোটাভুটিতে যখন পক্ষে বিপক্ষে সমান ভোট পরে, তখন স্পিকার সংসদের সভাপতি হিসেবে তার ভোট প্রয়োগ করেন।
- একে নির্ণায়ক বা কাস্টিং ভোট বলে।
- এ ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে স্পিকার তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।
- স্পিকারের এই ভোটটিই হলো 'কাস্টিং বা নির্ণায়ক ভোট'।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এর ৭৫ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী:
”উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি (স্পিকার) ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক (casting) ভোট প্রদান করিবেন।”

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১,৭৬৩.
বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি দূতগণ কার কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেন?
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) স্পীকার
  4. ঘ) পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতগণ মহামান্য রাষ্ট্রপতির নিকট পরিচয়পত্র (Credentials) পেশ করেন।
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ পদাধিকারী ব্যক্তি হলেন রাষ্ট্রপতি।
- তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান।
 
সূত্র: রাষ্ট্রপতির কার্যালয়
১,৭৬৪.
বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা -
  1. ক) এককেন্দ্রিক
  2. খ) একদলীয়
  3. গ) সংসদীয়
  4. ঘ) ক ও গ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা হলো এককেন্দ্রিক এবং সংসদীয়।
- এই ব্যবস্থায় দেশে কেবল কেন্দ্রিয় সরকার বিদ্যমান এবং দেশের শাসনভার প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার উপর ন্যস্ত।
- আইন ও শাসন বিভাগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান।
- আইনসভা সরকারের সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারি।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণি।
১,৭৬৫.
NIPORT কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান?
  1. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  2. স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
  3. শিক্ষা মন্ত্রণালয়
  4. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট): 
• NIPORT (নিপোর্ট) এর পূর্নরূপ National Institute of Population Research and Training.
• ইহা হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
• এটি  স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয় যা ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
• স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচী ব্যবস্থাপনার  ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার একটি আদর্শ আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান তৈরির দিকে দৃষ্টি রেখে ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
• নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

উৎস: NIPORT ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।

১,৭৬৬.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন রয়েছে কোন জেলায়?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. গাজীপুর
ব্যাখ্যা

সংসদীয় আসন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা: ৩৫০টি।
- মহিলাদের জন্য সংসদে সংরক্ষিত আসন: ৫০টি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে সংসদীয় আসন সংখ্যা: ৩টি।
• বান্দরবান।
• রাঙ্গামাটি।
• খাগড়াছড়ি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যেক জেলায় একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে। 

- জাতীয় সংসদের ১ নং আসন: পঞ্চগড়-১।
- জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন: বান্দরবান।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।
- ঢাকা জেলায় ২০টি সংসদীয় আসন রয়েছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৭৬৭.
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কোন সালে গঠিত হয়? 
  1. ২০০৬ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০৯ সালে
  4. ২০১০ সালে
ব্যাখ্যা

• আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (বাংলাদেশ):
- ২০১০ সালের ২৫শে মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইবুনাল) আইন ১৯৭৩-এর ৬ ধারার বলে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয় ।
- ২০১০ সালে গঠনের পর নানা আলােচনা এবং ঘটনা প্রবাহের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
-  ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার জুলাইয়ের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য পুনর্গঠন করে একই ট্রাইব্যুনাল।
- পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় প্রথম মামলা হয়।
- ২০২৪ সালের ১৭ই অক্টোবর পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের প্রথম বিচার কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। 

তথ্যসূত্র:
i) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (বাংলাদেশ)।
ii) BBC.

১,৭৬৮.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ১নং সংসদীয় আসন কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. পঞ্চগড়-১
  2. গাইবান্ধা-১
  3. নড়াইল-১
  4. রংপুর-১
ব্যাখ্যা

 • বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন ৩০০টি।
-  জাতীয় সংসদের ১নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- ৩০০নং আসন হলো বান্দরবান।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।

১,৭৬৯.
শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে -
  1. রাষ্ট্রপতির কাছে
  2. প্রধানমন্ত্রীর কাছে
  3. মন্ত্রীর কাছে
  4. সচিবের কাছে
ব্যাখ্যা
সরকার কাঠামো:
- নির্বাচনী বিভাগ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার কাঠামোর অংশ নয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার কাঠামো ৩টি। যথা-
• আইন বিভাগ।
• বিচার বিভাগ।
• শাসন বিভাগ।
- একটি বিভাগ কখনও অন্য বিভাগের কার্যে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।

শাসন বিভাগ:
- শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে।
- রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে; কিন্তু সকল ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ গ্রহণ করতে হয়।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদেরও প্রধান।
- মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৭০.
রাষ্ট্রের বিধি-নিষেধ সমূহ প্রকাশিত হয়___দ্বারা।
  1. ক) সরকার
  2. খ) জনগণ
  3. গ) বিচার বিভাগ
  4. ঘ) আইন বিভাগ
ব্যাখ্যা
- রাষ্ট্রের বিধি-নিষেধ সমূহ প্রকাশিত হয় সরকার দ্বারা।
- রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো সরকার।
  - অধ্যাপক হ্যারল্ড জে. লাস্কি বলেছেন ‘সরকার হলো রাষ্ট্রের মুখপাত্র’ (A Goverment is a spokesman to the state).
 - সংকীর্ণ অর্থে সরকার বলতে আইন, শাসন ও বিচার বিভাগের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকতা ও কর্মচারীদের বোঝায়।
  - রাষ্ট্রভেদে সরকারের রূপ, কাঠামো ও সংগঠন ভিন্ন ভিন্ন হয়। 
 - সরকার, রাজনৈতিক ব্যবস্থা যার দ্বারা একটি দেশ বা সম্প্রদায় পরিচালিত হয় এবং নিয়ন্ত্রিত হয়।
 - সরকারকে বর্ণনা করার জন্য সাধারণত ব্যবহৃত বেশির ভাগ মূল শব্দ - রাজতন্ত্র, অভিজাততন্ত্র এবং গণতন্ত্রের মতো শব্দগুলি - গ্রীক বা রোমান উৎসের।

(উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী প্রথম পত্র, ও ব্রিটানিকা)
১,৭৭১.
আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সাজা মওকুফ করতে পারেন-
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. আইনমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কাজ: 
• রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান।
- সরকারের সকল শাসনসংক্রান্ত কাজ তাঁর নামে পরিচালিত হয়।
- তিনি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ করেন।
• রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করতে, স্থগিত রাখতে ও প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে সংসদ ভেঙে দিতে পারেন।
- তিনি সংসদে ভাষণ দিতে ও বাণী পাঠাতে পারেন। রাষ্ট্রপতি কিছু আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কাজ করেন।
- সংসদ কর্তৃক গৃহীত কোনো বিলে তিনি সম্মতি দান করলে বা সম্মতি দান করেছেন বলে গণ্য হলে বিলটি আইনে পরিণত হয়।
- সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় অথবা সংসদ অধিবেশনরত অবস্থায় না থাকলে সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করতে পারেন।
• রাষ্ট্রপতি সুপ্রিমকোর্টের প্রধান বিচারপতি এবং তাঁর সাথে পরামর্শ করে আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগদান করেন।
- তিনি কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সাজা মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করতে পারেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
১,৭৭২.
বাংলাদেশে প্রথম উপজেলা পরিষদ গঠিত হয় -
  1. ১৯৮২ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৪ সালে
  4. ১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
উপজেলা পরিষদ:
- ১৯৮২ সালে বাংলাদেশে প্রথম উপজেলা পরিষদ গঠিত হয়।
- থানাগুলোকে উপজেলা নামে গণ্য করে সর্বত্র নির্বাচিত পরিষদের ব্যবস্থা করা হয়।
- ১৯৮২ সালের ৭ নভেম্বর প্রথম ৪৫টি থানাকে এবং পরবর্তীতে ৪৬০টি থানাকে উপজেলায় উন্নীত করা হয়।
- ১৯৮৫ সালে প্রথম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৯৯১ সালে উপজেলা পরিষদ বিলুপ্ত করা হলেও ১৯৯৮ সালে আবার উপজেলা গঠনের জন্যে আইন প্রণয়ন করা হয়।

⇒ উপজেলা পরিষদ গঠিত হয় জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত একজন চেয়ারম্যান, দুইজন ভাইস চেয়ারম্যান (এদের মধ্যে একজন হবেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মহিলা) এবং কিছু সংখ্যক সদস্য নিয়ে।
- সংশ্লিষ্ট উপজেলার এলাকাভুক্ত প্রত্যেক পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তি এই পরিষদের সদস্য হবেন।
- এ ছাড়া উপজেলা পরিষদে সংরক্ষিত পদে তিনজন নারী সদস্য মনোনীত হয়ে থাকেন।
- ২০০৯ উপজেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী সংসদ সদস্যগণ পরিষদের পরামর্শকের ভূমিকা পালন করেন।
- এই পরিষদের কার্যকাল ৫ বছর।
- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউ.এন.ও.) পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- উপজেলা পরিষদের প্রধান কাজ হল ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমের সমন্বয় সাধন করা।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৭৩.
ন্যাপ গঠন করেন কে?
  1. ক) শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
  2. খ) হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দী
  3. গ) মাওলানা ভাসানী
  4. ঘ) আব্দুর রহমান তর্কবাগীশ
ব্যাখ্যা
১৯৫৭ সালের ২৪-২৫ জুলাই ঢাকার রূপমহল সিনেমা হলে আয়োজিত গণতান্ত্রিক কর্মী সম্মেলনের মাধ্যমে মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) গঠিত হয়।

ন্যাপের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন মাওলানা ভাসানী ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানের মাহমুদুল হক ওসমানী।

এর আগে ১৯৫৭ সালের ৬-১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের কাগমারি সম্মেলনে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতি প্রশ্নে বিরোধের জের ধরে ১৮ই মার্চ ১৯৫৭ মাওলানা ভাসানী আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেন।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১,৭৭৪.
জাতীয় সংসদের প্রধান কাজ কোনটি?
  1. আইন প্রণয়ন
  2. শাসন পরিচালনা
  3. সংবিধান রক্ষা
  4. বিচার প্রদান
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদের কার্যাবলী:
- বাংলাদেশের আইনসভাকে জাতীয় সংসদ বলে আখ্যা দেয়া হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ মূলত: সংসদীয় গণতন্ত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- প্রধান নির্বাহী: প্রধানমন্ত্রী।
- সংবিধানের ৬৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত সকল ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত।

⇒ বাংলাদেশের আইনসভার কার্যাবলিসমূহ:

⇒ আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কার্যাবলি: আইন প্রণয়ন করার কাজটি আইন সভার প্রধান কাজ। বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক নীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে আইন বিভাগ এই কাজটি করে থাকে। এই বিভাগটি নতুন আইন প্রণয়ন ও পুরাতন আইন বাতিলের ক্ষমতা রাখে।

⇒ সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন: বাংলাদেশের আইন সভা সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে। দেশের সংবিধান উল্লিখিত দুইটি ক্ষমতাই আইন সভাকে প্রদান করেছে। এক্ষেত্রে আইন সভা সংবিধান সংশোধনকল্পে বিভিন্ন সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সাথে পরামর্শ ও প্রয়োজনে গণভোটের সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

⇒ বিচার সংক্রান্ত কার্যাবলি: প্রয়োজনের নিরীখে কখনও বাংলাদেশের আইন সভা বিচার সম্পর্কিত কার্যাদিও সম্পাদন করে থাকে। এমনকি রাষ্ট্রপতিও যদি কোন গুরুতর অসদাচরণ করেন তাহলে সংবিধানের ৫২ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদ তাঁর অভিশংসন অর্থাৎ বিচারিক কাজটি করতে পারবে। নির্বাচন সংক্রান্ত বিরোধের বিচার সংক্রান্ত ব্যাপারেও বাংলাদেশের আইনসভা ক্ষমতাপ্রাপ্ত।

⇒ শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত কার্যাবলি: তত্ত্বগতভাবে শাসন বিভাগের নিয়ন্ত্রণকল্পে অর্থাৎ শাসন বিভাগের স্বেচ্ছাচারিতা রোধে আইন বিভাগ ভূমিকা পালন করে। তবে রাষ্ট্রভেদে তা ভিন্নরূপ পরিগ্রহ করতে দেখা যায়।

⇒ অর্থ-সংক্রান্ত কার্যাবলি: বাংলাদেশের আইন সভা নানাবিধ অর্থ সংক্রান্ত কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে। বিশেষ করে অর্থের অপচয় রোধে আইন সভা গণতান্ত্রিক পদ্ধতির চর্চা করে তা নিয়ন্ত্রণ করে। বাজেট পেশসহ সরকারি আয়-ব্যয়ের পর্যালোচনা, পরবর্তী বছরের ব্যয় বরাদ্দের কাজ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে কার্যকর করে তোলে। বাংলাদেশের আইন সভার অনুমতি ছাড়া কর ধার্য বা পুরাতন কর ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাস সম্ভব হয় না।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭৭৫.
রাষ্ট্রপতি কোন দুটি নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ মানতে বাধ্য নন?
  1. মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী
  2. প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি
  3. স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার
  4. অ্যাটর্নি জেনারেল ও নির্বাচন কমিশনার
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রপতি:
- সংবিধানের ৪৮ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে বলা আছে। ৪৮ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-

১. বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন। 
২. রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন। 
৩. এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন: 

৪. কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি- 
ক. পঁয়ত্রিশ বৎসরের কম বয়স্ক হন; অথবা 
খ. সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য না হন; অথবা 
গ. কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হইতে অপসারিত হইয়া থাকেন। 

৫. প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখিবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করিলে যেকোনো বিষয় মন্ত্রীসভায় বিবেচনার জন্য পেশ করিবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১,৭৭৬.
কার্যবিধিমালা, ১৯৯৬ অনুসারে, মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক প্রধান কে?
  1. সচিব
  2. মন্ত্রী
  3. প্রতিমন্ত্রী
  4. অতিরিক্ত সচিব
ব্যাখ্যা

সচিব:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান-এর ৫৫ (৬) নং অনুচ্ছেদের আলোকে প্রণীত Rules of Business 1996 বা কার্যবিধিমালা, ১৯৯৬।
- Rules of Business-1996 অনুযায়ী সচিব মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক প্রধান।

⇒ Rules of Business-1996 অনুযায়ী, সচিব মন্ত্রণালয়/বিভাগের প্রশাসনিক প্রধান হবেন।
- তিনি এটির প্রশাসন ও শৃঙ্খলা এবং এর উপর অর্পিত কার্যাবলী যথাযথভাবে পরিচালনার জন্য দায়ী থাকবেন।
- তিনি তাঁর মন্ত্রণালয়/বিভাগ, সংযুক্ত দপ্তর ও অধস্তন অফিসসমূহে কার্যবিধিমালা সর্তকতার সাথে পালনের জন্যও দায়ী থাকবেন।
- সচিব মন্ত্রণালয়/বিভাগের কার্যসম্পাদন সম্পর্কে দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী/উপদেষ্টাকে অবহিত রাখবেন।
- তিনি মন্ত্রণালয়/বিভাগ, সংযুক্ত দপ্তর ও অধস্তন অফিসসমূহের প্রধান হিসাবদানকারী অফিসার (Principal Accounting Officer) হবেন এবং মন্ত্রণালয়/বিভাগ, সংযুক্ত দপ্তর ও অধস্তন অফিসসমূহে বরাদ্দকৃত তহবিলসমূহ আপাতত বলবৎ বিধিমালা/আইনসমূহ অনুযায়ী যাতে ব্যয়িত হয় তা নিশ্চিত করবেন।
- কার্যসম্পাদনের ক্ষেত্রে তিনি Rules of Business, 1996-এর rule 4 (i) অনুসরণ করবেন।

উৎস: Rules of Business-1996।

১,৭৭৭.
প্রধানমন্ত্রী তাঁর কাজের জন্যে কার নিকট জবাবদিহি করেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সুপ্রীম কোর্ট
  3. আইনসভা
  4. মন্ত্রিপরিষদ
ব্যাখ্যা
• প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কাজ:
 যেমন

• সংবিধান অনুযায়ী দেশের সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শাসনকার্য পরিচালনা করেন। মন্ত্রিপরিষদের সহযোগিতায় তিনি শাসনসংক্রান্ত সকল দায়িত্ব পালন করেন। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকেন। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিসভার সদস্য, সাংবিধানিক পদে রাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিদেশে রাষ্ট্রদূত ইত্যাদি নিয়োগ দেন।

• প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের প্রধান। তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা নির্ধারণ করেন ও মন্ত্রীদের মধ্যেদপ্তর বণ্টন করেন। 
• প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদের একজন সদস্য ও সংসদ নেতা। তিনি সংসদে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। 
• সংসদে আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে কোনো সরকারি বিল উত্থাপনের পূর্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। যদি প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিপরিষদ উক্ত প্রস্তাবটি গ্রহণ করেন তবেই তা সংসদে বিল আকারে উত্থাপন করা যায়। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ও পরামর্শে অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের (জাতীয়) বাজেট প্রণয়ন ও সংসদে উপস্থাপন করেন। এভাবে তিনি আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকেন।

• পররাষ্ট্র বিষয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন।
- প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি ছাড়া কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদিত হতে পারে না।
- আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন।

• দেশের জরুরি অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত ছাড়া যেকোনো নির্দেশ দিতে পারেন।

তবে প্রধানমন্ত্রী সংসদের কাছে জবাবদিহি করবেন। সংসদ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনাস্থা ভোট প্রয়োগের মাধ্যমে জবাবদিহি চালু রাখতে পারে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই।
১,৭৭৮.
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতির নাম কী? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. জুবায়ের রহমান চৌধুরী
  2. সৈয়দ রেফাত আহমেদ
  3. মোঃ আসাদুজ্জামান
  4. ওবায়দুল হাসান
ব্যাখ্যা

প্রধান বিচারপতি:
- জুবায়ের রহমান চৌধুরী বর্তমান প্রধান বিচারপতি
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ দেশের ২৫ তম বিচারপতি।
- সংবিধানের  ৯৫(১) অনচ্ছেদ, প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন।
- এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করবেন। 
- বিচারপতি রিফাত ১৯৮৪ সালে জেলা আদালতের একজন আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।
- ১৯৮৬ সালে তিনি হাইকোর্ট বিভাগের এবং ২০০২ সালে আপীল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।
- তিনি ২০০৩ সালের ২৭ এপ্রিল হাইকোর্ট বিভাগের একজন অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
- এবং ২০০৫ সালের ২৭ এপ্রিল হাইকোর্ট বিভাগের একজন স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।


উল্লেখ্য,
- দেশের ২৪ তম বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।
- মোঃ আসাদুজ্জামান বাংলাদেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল।

উৎস: আইন ও বিচার বিভাগ এবং বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।

১,৭৭৯.
সংবাদমাধ্যমকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের কত তম স্তম্ভ বলা হয়?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
• স্বাধীন সংবাদমাধ্যম:
- স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়।
- গণমাধ্যম যখন স্বাধীন হয়, তখনই তা প্রকৃতপক্ষে জনগণের পক্ষে কথা বলতে সক্ষম হয় এবং সত্য প্রকাশের মাধ্যমে রাষ্ট্রের তিনটি স্তম্ভের ওপর নজরদারি রাখতে পারে।
- গণমাধ্যমকে যখন কোনোভাবে দমন করা হয়, তখন সমাজে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা হ্রাস পায়, যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য ক্ষতিকর।
- রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে সংবাদপত্রকে সর্বপ্রথম নির্দেশ করেন ব্রিটিশ পার্লামেন্টারিয়ান এডমন্ড বার্ক।
- তিনি ১৭৮৭ সালে হাইজ অব কমন্সের সংসদীয় বিতর্ক পর্বে প্রত্যয়টি প্রথম ব্যবহার করেন।

উল্লেখ্য,
- থমাস জেফারসন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতাদের একজন। তিনি একবার বলেছিলেন, ‘আমাকে যদি এই বিকল্পটি দেওয়া হয় যে তুমি কি সংবাদপত্রবিহীন সরকার চাও, না সরকারবিহীন সংবাদপত্র চাও? তখন আমি পরেরটা বেছে নেব।’
- ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট সংবাদপত্র সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেছিলেন, চারটি আক্রমণাত্মক সংবাদপত্র হাজারটা বেয়নেটের চেয়েও ক্ষতিকর।’
- অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের মতে, কোনো দেশে স্বাধীন গণমাধ্যম থাকলে সে দেশে দুর্ভিক্ষ হানা দিতে পারে না।

অন্যদিকে -
- গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা মূলত তিনটি স্তম্ভ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে পরিচালিত হয়।
- এই মূল ভিত্তিগুলো গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায়, ক্ষমতার সুষম বন্টন নিশ্চিত করার মাধ্যমে শাসনকার্যকে পরিচালনা করতে সার্বিক সহায়তা করে।
- স্তম্ভগুলো হলো:
১. আইন বিভাগ,
২. শাসন বিভাগ,
৩. বিচার বিভাগ।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি ও প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)।
১,৭৮০.
Rules of Business কে প্রণয়ন করেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সংসদ
  4. মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে অবস্থান করেন।
- সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বিদ্যমান থাকায় বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি একটি অলংকারিক পদ মাত্র।
- কেবল প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ব্যতীত অন্যান্য সকল বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর পূর্বানোমোদন প্রয়োজন হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে নিয়োগ লাভের জন্য তাঁকে ৩৫ বছর বয়স্ক হতে হবে।
- একই সাথে সংসদ সদস্য হবার যোগ্যতাও থাকতে হবে।
- সংসদে অভিশংসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে পদচ্যুত করা যায়।
- রাষ্ট্রপতি সরকারি কার্যাবলি বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ (Rules of Business) প্রণয়ন করেন।
- ৫৫(৬) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করবেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৭৮১.
জাতীয় সংসদের কার্যাবলীর অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন
  2. শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত কার্যাবলি
  3. বিচার সংক্রান্ত কার্যাবলি
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদের কার্যাবলী:
- বাংলাদেশের আইনসভাকে জাতীয় সংসদ বলে আখ্যা দেয়া হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ মূলত: সংসদীয় গণতন্ত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- সংসদীয় গণতন্ত্রের মূলনীতি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী হলেন প্রধান নির্বাহী।
- জাতীয় সংসদের কার্যাবলি সংবিধান প্রণীত নীতি অনুযায়ী সংঘটিত হয়। আইন প্রণয়ন হলো জাতীয় সংসদের প্রধান কাজ।
- সংবিধানের ৬৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত সকল ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত।
- বাংলাদেশের আইনসভার কার্যাবলিসমূহ সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত।

• আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কার্যাবলি: আইন প্রণয়ন করার কাজটি আইন সভার প্রধান কাজ। বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক নীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে আইন বিভাগ এই কাজটি করে থাকে। এই বিভাগটি নতুন আইন প্রণয়ন ও পুরাতন আইন বাতিলের ক্ষমতা রাখে।

• সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন: বাংলাদেশের আইন সভা সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে। দেশের সংবিধান উল্লিখিত দুইটি ক্ষমতাই আইন সভাকে প্রদান করেছে। এক্ষেত্রে আইন সভা সংবিধান সংশোধনকল্পে বিভিন্ন সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সাথে পরামর্শ ও প্রয়োজনে গণভোটের সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

• বিচার সংক্রান্ত কার্যাবলি: প্রয়োজনের নিরীখে কখনও বাংলাদেশের আইন সভা বিচার সম্পর্কিত কার্যাদিও সম্পাদন করে থাকে। এমনকি রাষ্ট্রপতিও যদি কোন গুরুতর অসদাচরণ করেন তাহলে সংবিধানের ৫২ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদ তাঁর অভিশংসন অর্থাৎ বিচারিক কাজটি করতে পারবে। নির্বাচন সংক্রান্ত বিরোধের বিচার সংক্রান্ত ব্যাপারেও বাংলাদেশের আইনসভা ক্ষমতাপ্রাপ্ত।

• শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত কার্যাবলি: তত্ত্বগতভাবে শাসন বিভাগের নিয়ন্ত্রণকল্পে অর্থাৎ শাসন বিভাগের স্বেচ্ছাচারিতা রোধে আইন বিভাগ ভূমিকা পালন করে। তবে রাষ্ট্রভেদে তা ভিন্নরূপ পরিগ্রহ করতে দেখা যায়।

• অর্থ-সংক্রান্ত কার্যাবলি: বাংলাদেশের আইন সভা নানাবিধ অর্থ সংক্রান্ত কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে। বিশেষ করে অর্থের অপচয় রোধে আইন সভা গণতান্ত্রিক পদ্ধতির চর্চা করে তা নিয়ন্ত্রণ করে। বাজেট পেশসহ সরকারি আয়-ব্যয়ের পর্যালোচনা, পরবর্তী বছরের ব্যয় বরাদ্দের কাজ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে কার্যকর করে তোলে। বাংলাদেশের আইন সভার অনুমতি ছাড়া কর ধার্য বা পুরাতন কর ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাস সম্ভব হয় না।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৮২.
বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রে কোনটি অবস্থিত?
  1. জেলা পরিষদ
  2. বিভাগীয় প্রশাসন
  3. সেক্রেটারিয়েট
  4. উপজেলা পরিষদ
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রীয় প্রশাসন: 
- সেক্রেটারিয়েট বা সচিবালয় বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রে অবস্থিত যা শাসনব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্র স্বরূপ।
- সরকারি যাবতীয় সিদ্ধান্ত সর্বপ্রথম সচিবালয়ে গৃহীত হয়।
- সাধারণত বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও তার বিভাগসমূহের অফিসগুলোকে যৌথভাবে সচিবালয় বলে।
- প্রধানমন্ত্রীর পছন্দানুযায়ী প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে একজন মন্ত্রী নিযুক্ত হন।
- মন্ত্রী হলেন একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি ও মন্ত্রণালয়ের প্রধান।
- মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তথা প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন একজন সচিব।
- সরকারি কর্ম কমিশন কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে সেবা, যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ এবং নির্দিষ্ট পদসোপানের মধ্য দিয়ে তিনি সচিব পদে উন্নীত হন।
- মন্ত্রণালয়ের যাবতীয় কাজের ভার সচিবের ওপর ন্যস্ত থাকে।
- তিনি মন্ত্রীকে যাবতীয় কাজে সহায়তা করেন।
- মন্ত্রণালয় পরিচালনার ব্যাপারে মন্ত্রী সচিবের নিকট থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পরামর্শ গ্রহণ করেন।
- সিদ্ধান্ত গ্রহণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয়ে সচিব মন্ত্রীর সহচর হিসেবে কাজ করেন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,৭৮৩.
পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যদেরকে নিয়োগ দেন-
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) স্পিকার
  4. ঘ) জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি, সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারগণ, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্য, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর, অ্যাটর্নি জেনারেল ইত্যাদি পদের নিয়োগ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদান করা হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৭৮৪.
সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মহিলা এমপি নির্বাচিত হয় কোন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে?
  1. ক) অষ্টম
  2. খ) নবম
  3. গ) দশম
  4. ঘ) একাদশ
ব্যাখ্যা

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ২২ জন নারী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
- বাংলাদেশের ইতিহাসে এ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত সব নির্বাচনের মধ্যে এটি সর্বোচ্চ।
- এ নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ৬৯ জন।
- বিজয়ী নারীদের মধ্যে ১৯ জনই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের।
- বাকী ৩ জনের মধ্যে ২ জন জাতীয় পার্টি ও ১ জন জাসদের।

উৎস: দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট (আর্কাইভ)।

১,৭৮৫.
কার নেতৃত্বে দেশের নির্বাহী কার্যক্রম পরিচালিত হয়? 
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সেনাবাহিনীর প্রধান 
  4. জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা

প্রধানমন্ত্রী: 
- বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এ ব্যবস্থায় দেশের সরকার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশের নির্বাহী কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এছাড়াও,
- যে সংসদ-সদস্য জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রতীয়মান তাঁকে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন।
- সংবিধান মোতাবেক প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি স্বীয় পদে বহাল থাকবেন।
- তবে সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারালে প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয় কিংবা সংসদ ভেঙে দেবার জন্য রাষ্ট্রপতিকে লিখিতভাবে পরামর্শ দান করতে হয়।
- প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে তাঁর মন্ত্রিসভাও ভেঙে যায়।
- তাই প্রধানমন্ত্রীকে সরকারের স্তম্ভ বলা হয়।
- তিনি একইসাথে সংসদের নেতা ও সরকারপ্রধান।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৭৮৬.
Almond ও Powel চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে বিভক্ত করেছেন ____ ভাগে।
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৬
ব্যাখ্যা
যে গোষ্ঠীর সদস্যগণ একই মনোভাব ও স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে এবং স্বার্থের ভিত্তিতেই তারা পরস্পরের সাথে আবদ্ধ হয় তাকে চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বলে। Almond ও Powel চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে চার ভাগে ভাগ করেছেন। যথা:-
1. Institutional Interest Groups
2. The Associational Interest Groups
3. Anomic Interest Groups
4. Non-Associational Interest Groups.
১,৭৮৭.
Bangladesh Economic Zones Authority গঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৮০ সালে
  2. খ) ১৯৯১ সালে
  3. গ) ২০১০ সালে
  4. ঘ) ২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
Bangladesh Economic Zones Authority (BEZA) ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর গঠিত হয়। এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।

- এটির কাজ হলো দেশের সম্ভাবনাময় স্থানে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং নিবন্ধন প্রদান করা।
- বেজার অধীনে দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। এর মধ্যে সর্ববৃহৎ হলো চট্টগ্রাম ও ফেনী জেলা জুড়ে বিস্তৃত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরী।

(তথ্যসূত্র: বেজা ওয়েবসাইট)
১,৭৮৮.
বাংলাদেশের কোন জেলায় একটি মাত্র সংসদীয় আসন রয়েছে?
  1. নড়াইল
  2. ঝালকাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন ৩০০টি।
- ১নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- ৩০০নং আসন হলো বান্দরবান।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।
১,৭৮৯.
সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা কোন প্রকৃতির?
  1. জটিল
  2. নমনীয়
  3. স্বেচ্ছাচারী
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা:
- বাংলাদেশের সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় সরকার এবং মন্ত্রিসভার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- তার নেতৃত্বেই সরকারের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হয়।
- এজন্যে তাকে 'সরকারের স্তম্ভ' হিসেবে অভিহিত করা।
- তিনি জাতীয় সংসদের নেতা।
- তার নেতৃত্বে জাতীয় সংসদে আইন প্রণীত হয় এবং তার পরামর্শেই রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করে থাকেন।
- সংসদীয় সরকার আধুনিককালে জনপ্রিয় শাসন ব্যবস্থা।

⇒ এ সরকারের গুণাবলি:
১। দায়িত্বশীলতা:
- মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থায় মন্ত্রিপরিষদ আইনসভার নিকট দায়ী থাকে, ফলে সরকার দায়িত্বশীল হয়ে ওঠে।

২। নমনীয়তা:
- সংসদীয় সরকার নমনীয় প্রকৃতির।
- কেননা প্রয়ােজনবােধে যে কোন সময় সরকার মন্ত্রিসভার পরিবর্তন করতে পারে।

৩। প্রতিনিধিত্ব মূলক শাসন ব্যবস্থা:
- মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার জন প্রতিনিধিত্ব মূলক শাসন ব্যবস্থা।
- নিবার্চিত প্রতিনিধিদের দ্বারা এটি গঠিত হয়।
- জনমতের উপর ভিত্তি করে শাসন পরিচালনা করে।

৪। শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক:
- সংসদীয় সরকারের শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।
- মন্ত্রিসভা অতি সহজে আইন পরিষদে আইন পাস করে নিতে পারে।
- কেননা মন্ত্রিপরিষদের সদস্যগণ সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের সদস্য।

৫। সুষ্ঠু শাসন ব্যবস্থা:
- শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযােগিতা থাকায় এ সরকার ব্যবস্থা সুষ্ঠু শাসন প্রতিষ্ঠায় সক্ষম।

৬। স্বেচ্ছাচার বিরােধী:
- সংসদীয় শাসন ব্যবস্থায় মন্ত্রিসভার ক্ষমতায় টিকে থাকা না থাকা নির্ভর করে আইন সভার আস্থা ও অনাস্থার ওপর।
- মন্ত্রীগণ সংসদের আস্থা অর্জনের জন্য শাসন কার্য পরিচালনায় মনােযােগী হয়।
- ফলে স্বেচ্ছাচারী সরকার প্রতিষ্ঠার আশংঙ্কা দূর হয়।

উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৯০.
কোন জাতীয় সংসদে কোন বিরোধীদলীয় নেতা ছিলো না?
  1. ক) সপ্তম
  2. খ) প্রথম
  3. গ) ষষ্ঠ
  4. ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম ও ষষ্ঠ  জাতীয় সংসদে কোন বিরোধী দলীয় নেতা ছিলেন না।
- জাতীয় সংসদের প্রথম বিরোধী দলীয় নেতা (দ্বিতীয় সংসদে) ছিলেন আসাদুজ্জামান খান।
- সংসদীয় ব্যবস্থায়  বিরোধীদলীয় নেতা পদটি একজন পূর্ণমন্ত্রীর পদমর্যাদার সমান।

- সপ্তম সংসদ হলো দেশের প্রথম পূর্ণমেয়াদকালীন সংসদ।
- চতুর্থ সংসদে নারীদের জন্যে সংরক্ষিত কোন আসন ছিলো না।
- বর্তমান সংসদ দেশের ১১তম সংসদ।

তথ্যসূত্র:- জাতীয় সংসদ সচিবালয়।
১,৭৯১.
বাল্যবিবাহ বন্ধে সরকারি হটলাইন কোনটি?
  1. ১০৯
  2. ৯৯৯
  3. ৩৩৩
  4. ১০৬
ব্যাখ্যা

• দেশে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সরকারি হটলাইন নম্বর ৩৩৩ ।
- বাল্যবিবাহ বন্ধে ২০১৮ সালের ১২ এপ্রিল চালু হয়েছে সরকারি হটলাইন নম্বর ৩৩৩ ।
- এছাড়া পুলিশের জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে বাল্যবিবাহ ঠেকানো যায়।

অন্যদিকে,
- ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস - ৯৯৯।
- কৃষি কল সেন্টার (১৬১২৩)।
- নারী ও শিশু নির্যাতন অথবা পাচারের ঘটনা প্রতিরোধে কল সেন্টার - ১০৯
- ১৬২৬৩ নম্বরে কল দিলেই ঘরের সামনে যাবে অ্যাম্বুলেন্স।
- দুর্নীতি দমন কমিশন হেল্পলাইন নাম্বার ডায়াল: ১০৬।
- দুর্যোগ প্রারম্ভিক সতর্কতা (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়) - ১০৯০।

উৎস: জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমী।[লিঙ্ক] ও প্রথম আলো।[লিঙ্ক]

১,৭৯২.
কত সালে 'নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল' গঠিত হয়?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৩ সালে
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল:
- ২০০০ সালে 'নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল' গঠিত হয়।

⇒ নারীর প্রতি সহিংসতা, নির্যাতন ও নিপীড়নের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার জন্য ২০০০ সালে সরকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন করে। 
- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ হলো নারী ও শিশু নির্যাতনমূলক অপরাধসমূহ কঠোরভাবে দমনের উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০। 
১,৭৯৩.
উচ্চ আদালত বা সুপ্রীম কোর্ট কোন বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত?
  1. ফেডারেল আদালত ও জেলা আদালত
  2. আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ
  3. জেলা আদালত ও স্থানীয় আদালত
  4. আপিল বিভাগ ও জেলা আদালত
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বিচার বিভাগ:
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দ্বি-স্তর বিশিষ্ট।
- উচ্চ আদালত ও নিম্ন আদালত।
- উচ্চ আদালত বা সুপ্রীম কোর্ট আবার আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত।
- সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতি "বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি" নামে অভিহিত হবেন।
- সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারক নিয়োগ করবেন।
- প্রধান বিচারপতি এবং আপিল বিভাগের বিচারকদের নিয়ে আপিল বিভাগ এবং অন্যান্য বিচারকদের নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগ ও স্থায়ী বেঞ্চ গঠিত হবে।
- সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতির পদ কোনো কারণে শূন্য হলে আপিল বিভাগের জ্যৈষ্ঠতম বিচারক অস্থায়ীভাবে প্রধান বিচারপতির কার্যভার গ্রহণ করবেন।
- সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদে, বলা আছে "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট।
অনুচ্ছেদ-
১০৮। সুপ্রীম কোর্ট একটি "কোর্ট অব্ রেকর্ড" হইবেন এবং ইহার অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশদানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকিবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাদেশ স্ট্যাডিজ, বিএসএস উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭৯৪.
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবার ন্যূনতম বয়স কত?
  1. ৩৫ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ২০ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার প্রধান।
- সংবিধানের ৫৫ ও ৫৬ নং ধারা মতে, প্রধানমন্ত্রী পদায়িত হবেন মন্ত্রিপরিষদের শীর্ষে।
- তিনি তাঁর মন্ত্রিপরিষদের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী নির্বাচন করেন।
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবার জন্য ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর হতে হবে।
- সংবিধান অনুসারে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রকৃত নির্বাহী।
- জাতীয় সংসদের নির্বাচনের পর সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মনোনীত ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন।
- প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রধান পরিষদ অর্থাৎ মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
- পঞ্চম ভাগের ৬৬ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী -
(১) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হলে এবং তাঁর বয়স — পঁচিশ বৎসর পূর্ণ হলে বিধান-সাপেক্ষে তিনি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হবার এবং সংসদ-সদস্য থাকার যোগ্য হবেন।

• যেহেতু সংসদের সংখ্যা গরিষ্ঠ দলের সদস্য হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন, তাই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স — ২৫ বছর।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৯৫.
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট প্রার্থীর সংখ্যা কত ছিল?
  1. ১৯২০
  2. ১৯৫০
  3. ১৯৭০
  4. ২১২০
ব্যাখ্যা
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন:
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৭ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে।
- দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ২৮টি দল অংশ নেয়।
- মোট প্রার্থী সংখ্যা ১৯৭০ জন।
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করেছে দলটি।
- টানা চতুর্থবারসহ পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ নির্বাচিত ২৯৮ জন সংসদ সদস্য সেদিন শপথ নেন ১০ জানুয়ারি।
- নতুন এমপিদের শপথ বাক্য পাঠ করান বর্তমান স্পিকার শিরীন শারমীন চৌধুরী।

তথ্যসূত্র - কালের কন্ঠ পত্রিকার রিপোর্ট ও বিডি নিউজ।
১,৭৯৬.
রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতিতে তাঁর দায়িত্ব পালন করেন কে?
  1. ক) প্রধানমন্ত্রী
  2. খ) আইনমন্ত্রী
  3. গ) স্পিকার
  4. ঘ) প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে ক্ষেত্রমতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত কিংবা রাষ্ট্রপতি পুনরায় স্বীয় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৭৯৭.
২০২৬ সালে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন বাংলাদেশের কততম জাতীয় সংসদ নির্বাচন?
  1. একাদশ
  2. দ্বাদশ
  3. ত্রয়োদশ
  4. চতুর্দশ
ব্যাখ্যা

• ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
• বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন (Parliamentary Election) সাধারণত প্রতি পাঁচ বছর অন্তর অনুষ্ঠিত হয়।

• বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনসমূহ:
- ১ম - ১৯৭৩ সালে।
- ২য় - ১৯৭৯ সালে।
- ৩য় - ১৯৮৬ সালে।
- ৪র্থ - ১৯৮৮ সালে।
- ৫ম - ১৯৯১ সালে।
- ৬ষ্ঠ - ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ সালে।
- ৭ম - জুন ১৯৯৬ সালে।
- ৮ম - ২০০১ সালে।
- ৯ম - ২০০৮ সালে।
- ১০ম - ২০১৪ সালে।
- ১১তম - ২০১৮ সালে।
- ১২তম - ২০২৪ সালে।
- ১৩তম - ২০২৬ সালে।

উৎস: বাংলা ট্রিবিউন।

১,৭৯৮.
'সরকার হচ্ছে রাষ্ট্রের একটি যন্ত্র বা সংস্থা'- উক্তিটি কে করেছেন?
  1. অধ্যাপক গার্নার
  2. অধ্যাপক গেটেল
  3. অধ্যাপক লাস্কি
  4. অধ্যাপক উইলোবি
ব্যাখ্যা

সরকারের ধারণা:
- যে চারটি উপাদান নিয়ে রাষ্ট্র গঠিত হয় তার মধ্যে অন্যতম একটি উপাদান হল সরকার।
- সরকার ব্যতীত রাষ্ট্র পরিচালনা করা অসম্ভব।
- রাষ্ট্রের কর্মকান্ড সরকারের মাধ্যমেই প্রকাশিত হয়।
- সরকার হল একটি বাস্তব রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান।
- একে রাষ্ট্রের মুখপাত্রও বলা হয়।
- বৃহৎ অর্থে সরকার গঠিত হয় সকল নাগরিকের সম্মতিক্রমে।
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নির্বাচকমন্ডলী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে সরকার গঠন বা পরিবর্তন করে থাকে।
- অধ্যাপক জে ডব্লিউ গার্নার বলেন, "সরকার হচ্ছে একটি কার্য-নির্বাহী মাধ্যম বা যন্ত্র যার মাধ্যমে সরকারের সাধারণ নীতিমালা নির্ধারিত হয় এবং যার দ্বারা সাধারণ বিষয়াদি নিয়ন্ত্রিত হয় ও সাধারণ স্বার্থ রক্ষিত হয়।”
- অধ্যাপক আর জি গেটেল বলেন, "সরকার হচ্ছে রাষ্ট্রের একটি যন্ত্র বা সংস্থা।”
পরিশেষে বলা যায় যে, রাষ্ট্রের আইন-কানুন, রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত, বিধি-নিষেধ, ইচ্ছা-অনিচ্ছা যে সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রকাশিত ও বাস্তবায়িত হয় তাকে সরকার বলে। সরকারবিহীন রাষ্ট্র তার কর্মকান্ড পরিচালনা করতে সক্ষম হয় না।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১,৭৯৯.
জাতীয় সংসদে কোন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান ভাষণ প্রদান করেন?
  1. ক) ইয়াসির আরাফাত
  2. খ) ভি ভি গিরি
  3. গ) ফিদেল কাস্ত্রো
  4. ঘ) ইন্দিরা গান্ধী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে দুজন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান ভাষণ প্রদান করেন। এরা হলেন সাবেক যুগোশ্লাভিয়ার প্রেসিডেন্ট জোসেফ ব্রোজ মার্শাল টিটো (৩১ জানুয়ারী ১৯৭৪) এবং ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি ভি ভি গিরি (১৮ জুন ১৯৭৪)। (সূত্রঃ জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট)
১,৮০০.
জাতীয় সংসদে 'কাস্টিং ভোট' প্রদান করেন কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. চিফ হুইপ
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা

⇒ জাতীয় সংসদে 'কাস্টিং ভোট' হলো স্পিকারের ভোট।

কাস্টিং ভোট:
- সংসদে কখনো কখনো কোন বিষয়ে দু পক্ষের হা অথবা না ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে যেতে পারে।
- এমন অবস্থায় স্পীকার নিজের ভোট দিয়ে সংসদের অচলাবস্থা দূর করেন।
- অন্যভাবে বলা যায়, কোন বিলের ভোটাভুটিতে যখন পক্ষে বিপক্ষে সমান ভোট পরে, তখন স্পিকার সংসদের সভাপতি হিসেবে তার ভোট প্রয়োগ করেন।
- একে নির্ণায়ক বা কাস্টিং ভোট বলে।
- এ ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে স্পিকার তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।
- স্পিকারের এই ভোটটিই হলো 'কাস্টিং বা নির্ণায়ক ভোট'।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এর ৭৫ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী:
”উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি (স্পিকার) ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক (casting) ভোট প্রদান করিবেন।”

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।