বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা

মোট প্রশ্ন১,৮৩৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা

PrepBank · পাতা ১১ / ১৯ · ১,০০১১,১০০ / ১,৮৩৫

১,০০১.
মাত্র ১টি সংসদীয় আসন-
  1. লক্ষ্মীপুর জেলায়
  2. মেহেরপুর জেলায়
  3. ঝালকাঠী জেলায়
  4. রাঙামাটি জেলায়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের আসন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন সংখ্যা ৩০০টি।
- জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন হলো বান্দরবান।
- ১ নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের তিনটি সংসদীয় আসনের মাত্র ১টি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।

জেলাগুলো হলো-
- রাঙ্গামাটি,
- বান্দরবান, 
- খাগড়াছড়ি।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,০০২.
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয় কবে?
  1. ২৫ নভেম্বর, ২০২৫
  2. ২৮ নভেম্বর, ২০২৫
  3. ৩০ নভেম্বর, ২০২৫
  4.  ১ ডিসেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ৩০ নভেম্বর, ২০২৫ সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ ২০২৫ জারি করা হয়। 
- এর আগে গত ২০ নভেম্বর, ২০২৫ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ অধ্যাদেশের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।
- অধ্যাদেশ অনুযায়ী, বিচারকাজে নিয়োজিত বিচারকদের পদায়ন, পদোন্নতি, বদলি, শৃঙ্খলা ও ছুটিবিষয়ক সব সিদ্ধান্ত ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয় এই সচিবালয়ের হাতে থাকবে।
- সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সার্বিক নিয়ন্ত্রণ প্রধান বিচারপতির ওপর ন্যস্ত থাকবে এবং সচিবালয়ের সচিব প্রশাসনিক প্রধান হবেন।

উল্লেখ্য,
- বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্বতন্ত্রীকরণ নিশ্চিতকরণে প্রধান বিচারপতির উদ্যোগে ২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট থেকে পৃথক বিচার বিভাগীয় সচিবালয় গঠনসংক্রান্ত প্রস্তাব আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়।
- প্রস্তাবে সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন আদালত ও ট্রাইবুনালের ওপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ কার্যকরভাবে পালনের জন্য একটি আলাদা সচিবালয় প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১,০০৩.
ঢাকা জেলায় সংসদীয় আসন সংখ্যা কয়টি?
  1. ক) ৮ টি
  2. খ) ১৩ টি
  3. গ) ১৫ টি
  4. ঘ) ২০ টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ঢাকা জেলায় সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন রয়েছে। এর সংখ্যা ২০ টি।
সূত্র: parliament.gov.bd
১,০০৪.
বর্তমানে রাজস্ব বাজেটে পরিচালিত সরকারি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রের সংখ্যা কয়টি? (মার্চ-২০২৬)
  1. ৪৩টি
  2. ৩৯টি
  3. ৪১টি
  4. ৪০টি
ব্যাখ্যা

- বর্তমানে বাংলাদেশে সরকারি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রের সংখ্যা ৪৩টি।
- সারাদেশে সরকারি ৪৩টি দিবাযত্ন কেন্দ্রে দুই হাজার ৮৩০ শিশু রাখার ব্যবস্থা আছে।
- কর্মজীবী মায়েরা কাজে গেলে তাদের শিশুরা যাতে নিরাপদে থাকতে পারে, সেজন্য সরকার এই উদ্যোগ নেয়।
- ৪৩টি দিবাযত্ন কেন্দ্রের মধ্যে ৩৩টি নিম্নবিত্তের শিশুদের জন্য, বাকি ১০টি মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য।
- কেন্দ্রগুলোর আবাসন সক্ষমতা যথাক্রমে ৮০, ৬০ ও ৫০। 
- মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের মাধ্যমে এ কেন্দ্রগুলো পরিচালিত হয়।

উৎস: প্রথম আলো [লিংক]।

১,০০৫.
বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের স্তর নয় কোনটি?
  1. ইউনিয়ন পরিষদ
  2. উপজেলা পরিষদ
  3. জেলা পরিষদ
  4. বিভাগীয় পরিষদ
ব্যাখ্যা
- বিভাগীয় পরিষদ বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের স্তর নয়।

স্থানীয় সরকার ও স্থানীয় স্বায়ত্বশাসন:
- স্থানীয় সরকার বলতে স্থানীয় জনগণের ভোটে নির্বাচিত স্বশাসনের অধিকারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানকে বুঝিয়ে থাকে।
- স্থানীয় সরকারের নির্দিষ্ট কিছু বৈশিষ্ট্য থাকার কথা বলা হয়, যার মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে স্বায়ত্বশাসন।
- সুতরাং স্থানীয় সরকার বলতে মূলত স্থানীয় স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানকেই বোঝানো হয়।

বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
- বাংলাদেশে শহরের জন্য দুই স্তর বিশিষ্ট ও পল্লীর জন্য তিন স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।
- শহুরে স্থানীয় সরকার: সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা।
- পল্লী স্থানীয় সরকার: জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০০৬.
সারা দেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয় -
  1. ১ জানুয়ারি, ১৯৯১
  2. ১ জানুয়ারি, ১৯৯২
  3. ১ জানুয়ারি, ১৯৯৩
  4. ১ জানুয়ারি, ১৯৯৪
ব্যাখ্যা
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি:
- ১৯৭৪ সালে দেশে প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয়।
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
- এটি ১৯৭৮ সালে 'মৌলিক শিক্ষা একাডেমি' নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এটির নামকরণ করা হয় 'জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি'।
- এখানে প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তা- কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
- এই প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে থাকে।
- ১৯৯০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয়।
- এই আইনের অধীনে ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি দেশের ৬৮টি উপজেলায় এবং ১ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সারা দেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয়।

উৎস: i) জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ওয়েবসাইট।
ii) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
১,০০৭.
সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে কোন ধরনের সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়?
  1. ক) সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা
  2. খ) রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা
  3. গ) তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা
  4. ঘ) জরুরী অবস্থার সরকার ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী
- শিরোনাম - সংবিধান [দ্বাদশ সংশোধন] আইন, ১৯৯১।
- উত্থাপনকারী - তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
- সংসদে পাশের তারিখ - ৬ আগস্ট, ১৯৯১।

বিষয়বস্তু সমূহ:
- রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের পরিবর্তে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থার প্রবর্তন।
- উপ-রাষ্ট্রপতি ও উপ-প্রধানমন্ত্রী পদগুলো বাতিল ঘোষণা।

উল্লেখ্য যে,  দ্বাদশ সংশোধনীকে চতুর্থ সংশোধনীর বিপরীত সংশোধনী বলা হয়।

তথ্যসূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন-একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি। 
১,০০৮.
প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা কার কর্তৃত্বে প্রযুক্ত হয়?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. মন্ত্রী
  4. সচিব
ব্যাখ্যা
সংবিধানের চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ।
- ২য় পরিচ্ছেদ: প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা।

⇒ অনুচ্ছেদ-৫৫: মন্ত্রিসভা:
(১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে।
(২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হইবে।
(৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
(৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে।
(৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিরূপে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হইবে, রাষ্ট্রপতি তাহা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করিবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া তাহার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
(৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,০০৯.
বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা-
  1. ক) এক-দলীয়
  2. খ) দ্বি-দলীয়
  3. গ) বহু-দলীয়
  4. ঘ) প্রভুত্বকারী দলীয়
ব্যাখ্যা
বহু-দলীয় ব্যবস্থা (Multi Party System): এই ব্যবস্থায় দেশসমূহে অনেকগুলো রাজনৈতিক দল থাকে। প্রতিটি রাজনৈতিক দল নিজস্ব নীতি-আদর্শ ও কর্মসূচীর উপর ভিত্তি করে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। যে রাজনৈতিক দলটি নির্বাচনে একক সংখ্যা গরিষ্ঠ আসন লাভ করে সেই রাজনৈতিক দলটি সরকার গঠন করে। তবে কোন একটি দল একক সংখ্যা গড়িষ্ঠতা লাভ করতে ব্যর্থ হলে একাধিক রাজনৈতিক দলের সম্মিলনে জোট সরকার (Coalition Government) গঠিত হয়ে থাকে। বহু-দলীয় ব্যবস্থায় অনেকগুলো রাজনৈতিক দল থাকলেও কার্যক্ষেত্রে দু’টি রাজনৈতিক দল মূখ্য হয়ে উঠে। [সূত্র: পৌরনীতি ২য় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এর বই]
১,০১০.
বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত কয় ভাগে বিভক্ত?
  1. ৪ ভাগে
  2. ৫ ভাগে
  3. ২ ভাগে
  4. ৩ ভাগে
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ:
বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট) ও অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ) এ দুই শ্রেণিতে বিভক্ত।

i. সুপ্রিম কোর্ট:
- সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত এবং এটি দুটি বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত।
- যথা- হাইকোর্ট বিভাগ ও আপীল বিভাগ।

ii. অধস্তন দেওয়ানি বিচার বিভাগ:
অধস্তন দেওয়ানি আদালত চারটি শ্রেণীতে বিভক্ত:
যথা- সহকারি জজের আদালত, সাবজজ আদালত, অতিরিক্ত জজের আদালত এবং জেলা জজের আদালত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,০১১.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অঙ্গ বা বিভাগ কতটি?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন বিভাগ:
- গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অঙ্গ বা বিভাগ তিনটি
i) আইন বিভাগ,
ii) শাসন বিভাগ 
iii) বিচার বিভাগ।

• সরকারের সর্বাপেক্ষা শক্তিশালী ও গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ - শাসন বিভাগ।
- শাসন বিভাগের দুইটি অংশ রয়েছে। যথা− রাজনৈতিক অংশ এবং অ-রাজনৈতিক অংশ।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন , প্রফেসর মোজাম্মেল হক।
১,০১২.
সম্প্রতি, (২০২৪সালে) স্থানীয় সরকারের কতজন জনপ্রতিনিধিকে অপসারণ করা হয়েছে?
  1. ১০৫০ জন
  2. ১২৮০ জন
  3. ১৭৬০ জন
  4. ১৮৭৫ জন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

স্থানীয় সরকারের চার ধাপে সিটি করপোরেশনের মেয়রসহ এক হাজার ৮৭৫ জনপ্রতিনিধিকে অপসারণ করা হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে
- ১২ সিটি করপোরেশনের মেয়র,
- ৬০ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান,
- ৪৯৩ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান,
- ৪৯৩ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান,
- ৪৯৪ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও
- ৩২৩ পৌরসভার মেয়র।

এ সংক্রান্ত ২০২৪ সালের  ১৮ আগস্ট ও ১৯ আগস্ট পৃথক দুইটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

সূত্র- স্থানীয় সরকার বিভাগ।
১,০১৩.
নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ করা হয়- 
  1. ১লা সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সাল
  2. ১লা নভেম্বর, ২০০৭ সাল
  3. ১লা জানুয়ারি, ২০১৮ সাল
  4. ১লা জানুয়ারি, ২০১৭ সাল
ব্যাখ্যা

- ১ নভেম্বর, ২০০৭ সালের  নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ করা হয়।

বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ:
- মূলত বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করার জন্য ১৯৯৪ সালে একটি রিট মামলা করেছিলেন জেলা জজ ও জুডিশিয়াল এসোসিয়েশনের তৎকালীন মহাসচিব মাসদার হোসেন।
- সেই মামলাটি 'মাসদার হোসন মামলা' নামে পরিচিত, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ থেকে যার চূড়ান্ত রায় হয়েছিল ১৯৯৯ সালে।
- রায়ের আট বছর পর ১লা নভেম্বর, ২০০৭ সাল মূল নির্দেশনাটি বাস্তবায়ন করে বিচার বিভাগকে আলাদা করা হয়েছিল।
- নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে।

উৎস: বিবিসি বাংলা ও বাংলাপিডিয়া।

১,০১৪.
চেয়ারম্যান ব্যতীত কতজন প্রতিনিধি নিয়ে জেলা পরিষদ গঠিত?
  1. ২১ জন
  2. ১৫ জন
  3. ২০ জন
  4. ১৩ জন
ব্যাখ্যা
চেয়ারম্যান ব্যতীত ২০ জন প্রতিনিধি নিয়ে জেলা পরিষদ গঠিত। 

• জেলা পরিষদ:
- ২০০০ সালের জেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী জেলা পরিষদ গঠিত। 
- ১ জন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সদস্য এবং সংরক্ষিত আসনে ৫ জন মহিলা সদস্য নিয়ে মোট ২১ জন। 
- এরা সবাই পরোক্ষভাবে নির্বাচিত হবেন একটি নির্দিষ্ট জেলার অধীনে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, কমিশনারবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের ভোটে।
- এই পরিষদের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর। 

উৎস: লাইভ এম সি কিউ লেকচার ও জেলা পরিষদ আইন, ২০০০।
১,০১৫.
তারেক রহমান বাংলাদেশের কততম প্রধানমন্ত্রী?
  1. ১০ম
  2. ১১তম
  3. ১২তম
  4. ১৩তম
ব্যাখ্যা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান:
- তারেক রহমান বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী।
- ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) হয়ে সরকারপ্রধান হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার পর ছেলে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন।

• বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ। এর পর একে একে শেখ মুজিবুর রহমান, মুহাম্মদ মনসুর আলী, শাহ আজিজুর রহমান, আতাউর রহমান খান, মিজানুর রহমান চৌধুরী, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, কাজী জাফর আহমেদ, বেগম খালেদা জিয়া, শেখ হাসিনা, এর মধ্যে বেগম খালেদা জিয়া দু’বার এবং শেখ হাসিনা ৫ বার প্রধানমন্ত্রী হন।

• ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটে বিজয়ী হয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বিএনপি। 
- ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

উৎস: বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।

১,০১৬.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের নির্বাচিত স্থানীয় সরকারের প্রতিষ্ঠান নয়?
  1. ইউনিয়ন পরিষদ
  2. উপজেলা পরিষদ
  3. সিটি কর্পোরেশন
  4. বিভাগীয় পরিষদ
ব্যাখ্যা
- বিভাগীয় পরিষদ বাংলাদেশের স্থানীয় সরকারের প্রতিষ্ঠান নয়।

স্থানীয় সরকার ও স্থানীয় স্বায়ত্বশাসন:
- স্থানীয় সরকার বলতে স্থানীয় জনগণের ভোটে নির্বাচিত স্বশাসনের অধিকারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানকে বুঝিয়ে থাকে।
- স্থানীয় সরকারের নির্দিষ্ট কিছু বৈশিষ্ট্য থাকার কথা বলা হয়, যার মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে স্বায়ত্বশাসন।
- সুতরাং স্থানীয় সরকার বলতে মূলত স্থানীয় স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানকেই বোঝানো হয়।
- বর্তমানে নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।

বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
শহুরে স্থানীয় সরকার:
- দুই স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে
- সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা।

পল্লী স্থানীয় সরকার:
- তিন স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে
- জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ।

উৎস: i) পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) স্থানীয় সরকার বিভাগ ওয়েবসাইট।
১,০১৭.
রাষ্টপতি পদপ্রার্থীর বয়স কমপক্ষে কত বছর হতে হবে?
  1. ৩০ বছর
  2. ৩৫ বছর
  3. ৩৮ বছর
  4. ৪০ বছর
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:

- রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রধান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানাবলি বিধৃত হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত।
- তিনি সংবিধান ও আইন বলে তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব সম্পন্ন করেন।
- সরকারের যাবতীয় নির্বাহী কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদন করা হয়।
- সংসদ-সদস্যদের দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্যে নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর।
- রাষ্ট্রপতির পদ শূণ্য হলে মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬০-৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,০১৮.
তথ্য কমিশনার নিয়োগ দেন কে?
  1. স্পিকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. নির্বাচন কমিশনার
ব্যাখ্যা
নতুন তথ্য কমিশনার:
- শহীদুল আলম ঝিনুক তথ্য কমিশনার হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন।
- তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি এ নিয়োগ প্রদান করেন।
- সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টি সাবেক তথ্য কমিশনার সুরাইয়া বেগমের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।
- বিধি অনুযায়ী তথ্য কমিশনার পদে নিযুক্তির মেয়াদ পাঁচ বছর অথবা নিযুক্তের বয়স ৬৭টি বছর পূর্ণ হওয়ার মধ্যে যেটি আগে হয়।  
- নতুন তথ্য কমিশনার শহীদুল আলম ঝিনুক দশম বিসিএস কর্মকর্তা হিসেবে ১৯৯১ সালে বিচার বিভাগে যোগ দেন।

উৎস: ২৪ আগস্ট ২০২৩, সমকাল।
১,০১৯.
দেশের সবচেয়ে স্বল্পকালীন জাতীয় সংসদ কোনটি?
  1. ক) তৃতীয় সংসদ
  2. খ) চতুর্থ সংসদ
  3. গ) পঞ্চম সংসদ
  4. ঘ) ষষ্ঠ সংসদ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সবচেয়ে স্বল্পকালীন সংসদ হলো ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ। ১৯৯৬ সালের ১৯ মার্চ থেকে ৩০শে মার্চ পর্যন্ত এই সংসদের মেয়াদ ছিলো মাত্র ১২ দিন।
- এই সংসদে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী পাশ হয়।
- সপ্তম সংসদ হলো দেশের প্রথম পূর্ণমেয়াদকালীন সংসদ।
- প্রথম ও ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে কোন বিরোধীদলীয় নেতা ছিলো না।
- চতুর্থ সংসদে নারীদের জন্যে সংরক্ষিত কোন আসন ছিলো না।
- বর্তমান সংসদ দেশের ১১তম সংসদ।
(তথ্যসূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট)
১,০২০.
বাংলাদেশে বর্তমানে কয়স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান রয়েছে?
  1. ২ স্তর
  2. ৩ স্তর
  3. ৪ স্তর
  4. ৫ স্তর
ব্যাখ্যা
স্থানীয় সরকার:
- স্থানীয় সরকার হলো রাষ্ট্রের ভৌগলিক অবস্থানের ভিত্তিতে বিভক্ত করা ক্ষুদ্রতর শাসন কাঠামো।
- এটি হল কেন্দ্রীয় সরকারের বর্ধিত ও সহায়ক অংশ।
- স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা পরিচালিত হয়।
- স্থানীয় প্রশাসন কেন্দ্রিয় সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ভূমিকা পালন করে।

⇒ বাংলাদেশে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এ স্তরগুলো হল: জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, এবং ইউনিয়ন পরিষদ।

উলেখ্য, 
• শহরে পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।
• পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক পরিষদ ও জেলা পরিষদ রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে বিশেষ স্থানীয় সরকারের পাশাপাশি পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।
• গ্রাম বা এর নিকটবর্তী হল ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ।
• ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বশেষ ও কার্যকরী স্তর বলে বিবেচিত।

উৎস: i) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,০২১.
'ওয়ান - ইলেভেন' কোন দেশের রাজনৈতিক ঘটনার সাথে জড়িত?
  1. বাংলাদেশ
  2. পাকিস্তান
  3. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  4. গ্রেট ব্রিটেন
ব্যাখ্যা
'ওয়ান - ইলেভেন'
- ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশে দিনটি ওয়ান-ইলেভেন নামে পরিচিত।
- জাতীয় সংসদ নির্বাচন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অনাস্থা সৃষ্টি হওয়ার প্রেক্ষাপটে ২০০৭ সালের এ দিনে দেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়।
- রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয় সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার।  
- ২০০৭ সালের এদিন বিকেলে জরুরি অবস্থা জারির পর বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর ড. ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা হয়।
- এর আগে ২০০৬ সালের ২৮ নভেম্বর তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদকে প্রধান উপদেষ্টা করে তার নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়।
- নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গঠিত এই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড শুরু থেকেই সমালোচিত হতে থাকে।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট আন্দোলন অব্যাহত রাখে।
- ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন, ভুয়া ভোটার তালিকা সংশোধন, নির্বাচন কমিশন সংস্কারসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন রূপ নেয় গণআন্দোলনে।
- ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের কিছু দিন পর সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ থেকে উপদেষ্টারা একে একে পদত্যাগ করতে থাকেন।
- এ অবস্থায় ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়।
- আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়ার পাশাপাশি অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আন্দোলন অব্যাহত রাখে।
- এক পর্যায়ে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে অন্তরায় হতে পারে এমন নানা অনিয়মের আশঙ্কা ব্যক্ত করে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট।
- এ পরিস্থিতিতে দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষিত হয়। রাষ্ট্রপতি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ভেঙে দিয়ে জরুরি অবস্থা জারি করেন।
- সেনাবাহিনীর তৎকালীন প্রধান জেনারেল মইন ইউ আহমদ সব আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে চলে আসেন।
- তিনিই এক অনুষ্ঠানে ১১ জানুয়ারির জরুরি অবস্থা জারির দিনটিকে ওয়ান-ইলেভেন বা এক এগারো(১/১১) নামে আখ্যায়িত করেন।
- জরুরি অবস্থা জারির পর রাজনৈতিক দলগুলোর সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করা হয়।
- আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং ছাত্র, শিক্ষক, ব্যবসায়ীসহ অনেকেই এ সরকারের সময় গ্রেফতার হন।
- ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করে বিশেষ কারাগারে রাখা হয়। এ বছরই ৩ সেপ্টেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকেও গ্রেফতার করে বিশেষ কারাগারে নেওয়া হয়।
- এই সময় দুই নেত্রীকে রাজনীতি থেকে বাদ দেওয়ার গুঞ্জন ওঠে। মাইনাস-টু ফর্মুলা তখন ছিলো একটি বহুল আলোচিত বিষয়।
- প্রায় দুই বছর অনির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় থাকার পর ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সংসদে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করে।

উৎস: প্রথম আলো।
১,০২২.
বিষয়বস্তুর দিক কোন দুটি সংশোধনী পরস্পর বিপরীতধর্মী?
  1. ক) তৃতীয় এবং দ্বাদশ
  2. খ) পঞ্চম এবং সপ্তম
  3. গ) অষ্টম এবং দ্বাদশ
  4. ঘ) চতুর্থ এবং দ্বাদশ
ব্যাখ্যা
- বিষয়বস্তুর দিক দিয়ে সংবিধানের চতুর্থ এবং দ্বাদশ সংশোধনী পরস্পর বিপরীত।
- ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় শাসন পদ্ধতির পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন পদ্ধতি চালু এবং বহুদলীয় রাজনীতির পরিবর্তে একদলীয় রাজনীতি প্রবর্তনে। 
অন্যদিকে,
- ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৭ বছর পর বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতির পুনঃপ্রবর্তন ঘটে। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১,০২৩.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে সাময়িক সময়ের জন্য বিরোধী দলের সংসদ অধিবেশন ত্যাগ করাকে কী বলে?
  1. ক) Bailout
  2. খ) Walkout
  3. গ) Strike
  4. ঘ) Blackout
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সংসদ চলাকালে সাময়িক সময়ের জন্য বিরোধী দলের সংসদ অধিবেশন ত্যাগ করাকে ওয়াকআউট বলে।
- সাধারণত বিরোধী দলের সদস্যরা সরকারি কোনো সিদ্ধান্ত কিংবা স্পীকারের রুলিং-এর প্রতিবাদে সংসদ থেকে বের হয়ে আসেন।
- সরকারি দলের সদস্যরাও ওয়াকআউট করতে পারেন।
- সংসদীয় গণতন্ত্রে ওয়াকআউট সদস্যদের অধিকার বলে স্বীকৃত।
- বাংলাদেশের সংসদে বিরোধী দলের ঘন ঘন ওয়াকআউটের নজির রয়েছে।

তথ্যসূত্র- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং Cambridge Dictionary।

১,০২৪.
The anti-money laundering statute currently in force in Bangladesh was enacted in the year -
  1. 2002
  2. 2008
  3. 2009
  4. 2012
ব্যাখ্যা
Anti-money laundering Act:
- মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন প্রণীত হয় ২০১২ সালে।
- একে ‘মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ নামে অভিহিত করা হয়।

⇒ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন -
- মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও অধ্যাদেশ রহিতক্রমে এতদসংক্রান্ত আইন পুনঃপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন।
- এই আইন মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ নামে অভিহিত হইবে।
- ইহা ৩ মাঘ, ১৪১৮ বঙ্গাব্দ/১৬ জানুয়ারি, ২০১২ খ্রিস্টাব্দ তারিখ হতে কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য হবে।

উৎস: আইন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১,০২৫.
রাষ্ট্রের অপরিহার্য উপাদান কয়টি?
  1. তিনটি
  2. চারটি
  3. পাঁচটি
  4. ছয়টি
ব্যাখ্যা

 রাষ্ট্র একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান।
- বিশ্বের সকল মানুষ কোনো না কোনো রাষ্ট্রে বসবাস করে।
- প্রতিটি রাষ্ট্রেরই আছে নির্দিষ্ট ভূখণ্ড এবং জনসংখ্যা।
- এ ছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য আরও আছে সরকার এবং সার্বভৌমত্ব।
- মূলত এগুলো ছাড়া কোনো রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে না। 

- অধ্যাপক গার্নার বলেন, 'সুনির্দিষ্ট ভুখণ্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী, সুসংগঠিত সরকারের প্রতি স্বভাবজাতভাবে আনুগত্যশীল, বহিঃশত্রুর নিয়ন্ত্রণ হতে মুক্ত স্বাধীন জনসমষ্টিকে রাষ্ট্র বলে।' 

• রাষ্ট্রের চারটি উপাদান ।
যথা-
১।জনসমষ্টি,
২।নির্দিষ্ট ভূখণ্ড,
৩। সরকার ও
৪। সার্বভৌমত্ব।

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,০২৬.
বাংলাদেশে আইন প্রণয়নে আইনসভা বা জাতীয় সংসদের পর মূখ্য ভূমিকা পালন করে -
  1. সচিবালয়
  2. বিচার বিভাগ
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. মন্ত্রীসভা
ব্যাখ্যা
আইনসভা:
- আইন প্রণয়নে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বা মুখ্য ভূমিকা পালন করে আইনসভা।
- বাংলাদেশে আইনসভা জাতীয় সংসদ নামে পরিচিত।
- যেকোন ধরনের সরকারি আইন প্রণয়নের দায়িত্ব সংসদের উপর ন্যস্ত।
- আইনসভার পরেই আইন প্রণয়নে মন্ত্রিসভার ভূমিকা মুখ্য।
 
এছাড়াও,
- রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করতে পারেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেনি।
১,০২৭.
সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দেওয়াকে কী বলা হয়?
  1. কাস্টিং ভোট
  2. ট্রেজারি ভোট
  3. ফ্লোর ক্রসিং
  4. স্ট্র ভোট
ব্যাখ্যা
ফ্লোর ক্রসিং:
- জাতীয় সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান করা কে ‘ফ্লোর ক্রসিং’ বলা হয়।
- সংবিধানের ৭০ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান করেন বা দল থেকে পদত্যাগ করেন, তবে তার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।

সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হলে তিনি যদি-
(ক) উক্ত দল হতে পদত্যাগ করেন, অথবা (খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
তাহা হলে সংসদে তাঁর আসন শূন্য হবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হবার অযোগ্য হবেন না।

উল্লেখ্য, 
- কাস্টিং ভোট বা নির্ণায়ক ভোট হলো স্পিকার প্রদত্ত ভোট।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,০২৮.
প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ব্যতীত রাষ্ট্রপতি সরাসরি কাকে নিয়োগ দিতে পারেন?
  1. স্পিকার
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
  4. অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রপতি:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগের -
- ৪৮ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হবেন।

- ৪৮ (২) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁকে প্রদত্ত ও তাঁর উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করবেন।

- ৪৮ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁর অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করবেন।

- ৪৮ (৪) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইবার যোগ্য হবেন না, যদি তিনি-
(ক) পঁয়ত্রিশ বছরের কম বয়স্ক হন; অথবা
(খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য না হন; অথবা
(গ) কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হতে অপসারিত হয়ে থাকেন।

- ৪৮ (৫) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করলে যেকোন বিষয় মন্ত্রিসভায় বিবেচনার জন্য পেশ করবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১,০২৯.
উপজেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তা কে?
  1. উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান
  2. উপজেলা নির্বাহী অফিসার
  3. উপজেলা সমাজসেবা অফিসার
  4. উপজেলা চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা

• উপজেলা প্রশাসন:
- উপজেলা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক স্তর।
- প্রতিটি জেলা কয়েকটি উপজেলায় বিভক্ত। 
- উপজেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তা হলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার।
- তিনি জেলা প্রশাসকের আদেশ বাস্তবায়ন এবং উপজেলার অন্যান্য কাজের সমন্বয় করে থাকেন।
- তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন সদস্য। 
- উপজেলা পর্যায়ের অন্য কর্মকর্তাদের সহায়তায় উপজেলার সকল উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেন।
- এছাড়া উপজেলার শাসন ব্যবস্থা ও শান্তি-শৃঙ্খলার কাজও তিনি দেখাশুনা করেন। মূলত উপজেলার সকল উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাজ তদারক করা তাঁর দায়িত্ব।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,০৩০.
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে? (জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. কাজী হাবিবুল আউয়াল
  2. কে এম নুরুল হুদা
  3. শাহাদত হোসেন চৌধুরী
  4. এ এম এম নাসির উদ্দীন
ব্যাখ্যা

নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় নির্বাচন কমিশন গঠিত। 
- এটি সাংবিধানিকভাবে গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন কমিশনারসহ মোট পাঁচজন নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- নির্বাচন কমিশনারগণকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
- নির্বাচন কমিশনের সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সভাপতির কাজ করেন।
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। (জানুয়ারি, ২০২৬)
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারের মেয়াদ তাদের কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সরকার ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।
- নির্বাচন কমিশন সংবিধানে বর্ণিত নির্দেশনাবলি এবং দেশের নির্বাচনি আইন দ্বারা পরিচালিত হয়।
- নির্বাচন কমিশন কর্তৃক পরিচালিত নির্বাচন সমূহ,
• রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।
• জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
• সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন।
• জেলা পরিষদ নির্বাচন।
• উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।
• পৌরসভা নির্বাচন।
• ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি ও নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

১,০৩১.
নিম্নের কোন জেলায় মাত্র একটি সংসদীয় আসন রয়েছে?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. রাঙামাটি
  3. বান্দরবান
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

সংসদীয় আসন;
​- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন সংখ্যা ৩০০টি।
- ১ নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন হলো বান্দরবান।
- সর্বোচ্চ ২০টি আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।
- বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।

উৎস: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকা।

১,০৩২.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম মন্ত্রী পরিষদ সচিবের নাম কী?
  1. ক) তৌফিক ইলাহী
  2. খ) মির্জা আব্দুল জলিল
  3. গ) ফজলুর রহমান
  4. ঘ) এইচ টি ইমাম
ব্যাখ্যা
মন্ত্রী পরিষদের সচিব:

- দেশের বর্তমান এবং ২৪ তম মন্ত্রী পরিষদ সচিব হলেন মোঃ মাহবুব হোসেন (০৩-০১-২০২৩ থেকে বর্তমান)।
- তার পূর্বে ২৩ তম সচিব ছিলেন কবির বিন আনোয়ার (১৫-১২-২০২২ থেকে ০৩-০১-২০২৩)।
- মন্ত্রী পরিষদের প্রথম সচিব ছিলেন এইচ টি ইমাম (১৬-০৭-১৯৭১ থেকে ২৭-০৮-১৯৭৫)।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,০৩৩.
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ-এ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী -
  1. সাধন চন্দ্র মজুমদার
  2. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী
  3. জাহাঙ্গীর কবির নানক
  4. সাবের হোসেন চৌধুরী
ব্যাখ্যা
মাননীয় মন্ত্রিগণ:
- প্রধানমন্ত্রী: শেখ হাসিনা,
- সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়: জনাব ওবায়দুল কাদের,
- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী: জনাব আ, ক, ম, মোজাম্মেল হক
- অর্থ মন্ত্রণালয়: জনাব আবুল হাসান মাহমুদ আলী,
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়: জনাব আনিসুল হক,
- শিল্প মন্ত্রণালয়: জনাব নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, 
- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: জনাব আসাদুজ্জামান খান,
- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়: জনাব মোঃ তাজুল ইসলাম, 
- বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়: জনাব মুহাম্মদ ফারুক খান, 
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: জনাব মোহাম্মদ হাছান মাহ্‌মুদ,
- সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়: ডা: দীপু মনি, 
- খাদ্য মন্ত্রণালয়: জনাব সাধন চন্দ্র মজুমদার, 
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়: জনাব আব্দুস সালাম, 
- ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়: জনাব মোঃ ফরিদুল হক খান, 
- গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়: জনাব র,আ,ম, উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী,
- ভূমি মন্ত্রণালয়: জনাব নারায়ন চন্দ্র চন্দ,
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়: জনাব জাহাঙ্গীর কবির নানক, 
- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়: জনাব মোঃ আব্দুর রহমান,
- কৃষি মন্ত্রণালয়: জনাব মোঃ আব্দুস শহীদ,
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়: স্থপতি ইয়াফেস ওসমান,
- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়: ডাঃ সামন্ত লাল সেন,
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়: জনাব ফরহাদ হোসেন,
- যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়: জনাব নাজমুল হাসান,
- পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়: জনাব সাবের হোসেন চৌধুরী,
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়: জনাব মহিবুল হাসান চৌধুরী।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
১,০৩৪.
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কত সালে গঠিত হয়?
  1. ২০০৬ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০৯ সালে
  4. ২০১০ সালে
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (বাংলাদেশ):
- ২০১০ সালের ২৫শে মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইবুনাল) আইন ১৯৭৩-এর ৬ ধারার বলে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয় ।
-  ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। 

⇒ ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার জুলাইয়ের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য পুনর্গঠন করে একই ট্রাইব্যুনাল।
- ২০১০ সালে গঠনের পর নানা আলােচনা এবং ঘটনা প্রবাহের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- 'The International Crimes (Tribunals) Act, 1973' আইনের অধীনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আটক, গ্রেফতার, বিচার এবং সাজা দেওয়া হয়।
- ১৯৭৩ সালের এই আইনটি মূলত বাংলাদেশ কোলাবরেটর (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) অর্ডার ১৯৭২-কে প্রতিস্থাপিত করেছে।
- আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন ১৯৭৩, যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত একটি রাষ্ট্রীয় আইন।
- পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় প্রথম মামলা (মিসকেস বা বিবিধ মামলা) হয়।
- ২০২৪ সালের ১৭ই অক্টোবর পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের প্রথম বিচার কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (বাংলাদেশ)।
ii) BBC.

১,০৩৫.
বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ এবং সর্বশেষ আশ্রয়স্থল হলো -
  1. প্রশাসনিক ট্রাইবুনাল
  2. জেলা জজ আদালত
  3. আপিল বিভাগ
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
আপিল বিভাগ:
- বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ এবং সর্বশেষ আশ্রয়স্থল হল আপিল বিভাগ।
- হাইকোর্ট বিভাগের আদেশের প্রেক্ষিতেই কেবল এখানে আপিল করা যায়।
- এ বিভাগের বিচারকের নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা নেই তবে এখানে হাইকোর্ট বিভাগের চেয়ে স্বল্প সংখ্যক বিচারক থাকে।

আপিল বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
• হাইকোট বিভাগের রায়, ডিক্রি, আদেশ বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল শুনানির ও তাহা নিস্পত্তির এখতিয়ার ও ক্ষমতা রয়েছে।
• এ বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনা করতে পারে।
• রাষ্ট্রপতির প্রয়োজন মোতাবেক আপিল বিভাগ আইন বিষয়ে মতামত জ্ঞাপন করতে পারে।
• সম্পূর্ণ ন্যায় বিচারের স্বার্থে কোন ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করা ও কাগজপত্র পেশ করার আদেশ দিতে পারে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৩৬.
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের প্রথম নারী বিচারপতি কে ছিলেন?
  1. নাজমুন আরা সুলতানা
  2. কাজী জিনাত হক
  3. জিনাত আরা
  4. কৃষ্ণা দেবনাথ
ব্যাখ্যা
নাজমুন আরা সুলতানা:
- বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের প্রথম নারী বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা।

- দেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে প্রথম নারী বিচারক হলেন নাজমুন আরা সুলতানা।
- বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ১৯৭৫ সালের ২০ ডিসেম্বর তিনি মুনসেফ (সহকারী জজ) হিসেবে বিচার বিভাগে যোগ দেন।
- দেশের প্রথম নারী জেলা জজ তিনি, হাইকোর্টেও প্রথম নারী বিচারপতি।
- আপিল বিভাগের প্রথম নারী বিচারপতিও তিনি।
- ২০১১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন তিনি।
- ৪২ বছরের বিচারকজীবনের ইতি টেনে ২০১৭ সালের ৭ জুলাই অবসরে যান তিনি।
- ২০২১ সালের মে মাসে তাঁকে বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক পদে নিয়োগ দেয় সরকার।
- এই পদে নিয়োগ পাওয়া প্রথম নারীও তিনি। এখনো ওই পদেই কর্মরত বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা।

জিনাত আরা:
- আপিল বিভাগে নিয়োগ পাওয়া দ্বিতীয় নারী বিচারপতি হলেন বিচারপতি জিনাত আরা।
- বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ১৯৭৮ সালের ৩ নভেম্বর মুনসেফ (সহকারী জজ) হিসেবে বিচার বিভাগে যোগদান করেন তিনি।
- একে একে সব ধাপ পেরিয়ে ২০১৮ সালের ৯ অক্টোবর আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।
- ৪১ বছরের বেশি সময়ের কর্মজীবনের ইতি টেনে ২০২০ সালের ১৪ মার্চ অবসরে যান তিনি।
- বর্তমানে আইন কমিশনের চেয়ারম্যান পদে আছেন।

কৃষ্ণা দেবনাথ:
- আপিল বিভাগে তৃতীয় নারী বিচারক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ।
- বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ ২০১০ সালের ১৮ এপ্রিল হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান।
- এরপর ২০১২ সালের ১৫ এপ্রিল স্থায়ী হন।

উৎস: প্রথম আলো
Judicial Administration Training Institute
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)
১,০৩৭.
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রশাসনের সর্বনিম্ন স্তর কোনটি?
  1. ক) অধিদপ্তর
  2. খ) পরিদপ্তর
  3. গ) উপজেলা
  4. ঘ) ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
পরিদপ্তর হলো কেন্দ্রীয় প্রশাসনের সর্বনিম্ন স্তর।

বাংলাদেশ সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো কেন্দ্রীয় প্রশাসন ও মাঠ প্রশাসনে বিভক্ত।

কেন্দ্রীয় প্রশাসনের স্তর চারটি-
- সচিবালয় 
- মন্ত্রণালয়, 
- অধিদপ্তর ও 
- পরিদপ্তর 

 মাঠ প্রশাসনের সবচেয়ে ক্ষুদ্র ইউনিট - উপজেলা ও সবচেয়ে বড় ইউনিট - বিভাগ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১,০৩৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের রক্ষাকর্তা কে? 
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সেনাবাহিনী প্রধান
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

→ বাংলাদেশের সংবিধানের রক্ষক হল বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত অর্থাৎ সুপ্রিমকোর্ট।
- সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের প্রধান হিসেবে সংবিধানের রক্ষাকর্তা হলেন প্রধান বিচারপতি।

♦ সংবিধানের রক্ষক:
- সুপ্রীম কোর্ট সংবিধানের অভিভাবক ও ব্যাখ্যাকারক ।
- তাই এর ক্ষমতা ও কার্যাবলী অপরিসীম।
- সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে সুপ্রীম কোর্ট দেশের সকল আদালতের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
- সংবিধান বহির্ভূত সব কিছুকেই সুপ্রীম কোর্ট অবৈধ ঘোষণা করতে পারে।
- সুপ্রীম কোর্ট জনগণের মৌলিক অধিকারের সংরক্ষক ও সংবিধানের রক্ষক।

♦ উল্লেখ্য:
- গণপরিষদের মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল একটি কমিটি গঠন করা হয় ।
- এই কমিটির মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান ও বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ স্টাডিজ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৩৯.
জাতীয় সংসদ ভবন কে উদ্বোধন করেন?
  1. স্থপতি লুই কান
  2. বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
  3. প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান
  4. শাহ আব্দুল হামিদ
ব্যাখ্যা

• জাতীয় সংসদ ভবন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রধান ভবন ঢাকার শেরে-বাংলা নগর এলাকায় অবস্থিত। 
- এই ভবনের মূল স্থপতি প্রখ্যাত মার্কিন স্থপতি লুই কান।

⇒ এই ভবনের পরিকল্পনা গৃহীত হয় ১৯৫৯ সালে।
- এর মূল নকশা অনুমোদিত হয় ১৯৬২ সালে এবং ১৯৬৪ সালে বর্তমান শেরেবাংলানগরে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। 
- ১০৮ একর জমির উপর বিশাল খোলা চত্বরের বুকে সম্পুর্ণ কংক্রিটের ঢালাইয়ে বৃত্তাকারে নির্মিত নয়তলা।
- মূল ভবন কমপ্লেক্সটির নয়টি স্বতন্ত্র বিভাগে বিভক্ত।
- মেইন প্লাজার মূল অংশটি হচ্ছে সংসদ অধিবেশন কক্ষ। এখানে একই সময়ে ৩৫৪ জন সদস্যের সংস্থান রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর একই বছরের ১৫ই ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সংসদের অষ্টম (এবং শেষ) অধিবেশনে প্রথম সংসদ ভবন ব্যবহৃত হয়।
- ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট জাস্টিস আব্দুস সাত্তার এটির উদ্বোধন করেন।

তথ্যসূত্র: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১,০৪০.
বাংলাদেশে বর্তমানে কয়টি পৌরসভা রয়েছে?
  1. ৩১৯টি
  2. ৩৩১টি
  3. ৩৪৩টি
  4. ৩৩০টি
ব্যাখ্যা
স্থানীয় সরকার বিভাগ:
- বাংলাদেশে বর্তমানে পৌরসভা রয়েছে ৩৩০টি।

উল্লেখ্য,
- সিটি কর্পোরেশন রয়েছে ১২টি।
- জেলা রয়েছে ৬৪টি।
- উপজেলা রয়েছে ৪৯৫টি।
- বিভাগ রয়েছে ৮টি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,০৪১.
সংসদের অধিবেশন আহ্বান বা ভেঙে দিতে প্রধানমন্ত্রী কাকে পরামর্শ দেন?
  1. স্পিকার
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. হুইপ
  4. রাষ্ট্রপতি 
ব্যাখ্যা

• প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কাজ:
⇒ সংবিধান অনুযায়ী দেশের সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শাসনকার্য পরিচালনা করেন। মন্ত্রিপরিষদের সহযোগিতায় তিনি শাসনসংক্রান্ত সকল দায়িত্ব পালন করেন। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকেন। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিসভার সদস্য, সাংবিধানিক পদে রাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিদেশে রাষ্ট্রদূত ইত্যাদি নিয়োগ দেন।

⇒  প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের প্রধান। তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা নির্ধারণ করেন ও মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন করেন। মন্ত্রীদের কাজ তদারক করেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজের মধ্যে সমন্বয় করেন। সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মন্ত্রীগণ প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ও অনুমোদন নিয়ে কাজ করেন। তিনি যেকোনো মন্ত্রীকে তার পদ থেকে অপসারণের পরামর্শ দিতে পারেন।

⇒  প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদের একজন সদস্য ও সংসদ নেতা। তিনি সংসদে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। যেমন- সংসদ অধিবেশনে নির্ধারিত দিনে সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব প্রদান করেন, সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি ও কার্যক্রম তুলে ধরে সংসদে বক্তৃতা প্রদান করেন। এছাড়া তিনি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত বা ভেঙে দিতে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দিতে পারেন।

⇒ সংসদে আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে কোনো সরকারি বিল উত্থাপনের পূর্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। যদি প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিপরিষদ উক্ত প্রস্তাবটি গ্রহণ করেন তবেই তা সংসদে বিল আকারে উত্থাপন করা যায়। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ও পরামর্শে অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের (জাতীয়) বাজেট প্রণয়ন ও সংসদে উপস্থাপন করেন। এভাবে তিনি আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকেন।

⇒ পররাষ্ট্র বিষয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন। প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি ছাড়া কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদিত হতে পারে না। আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন।


উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।

১,০৪২.
জাতীয় অর্থনীতির নীতিনির্ধারণের সর্বোচ্চ ফোরাম কোনটি?
  1. ক) নিকার
  2. খ) একনেক
  3. গ) এনইসি
  4. ঘ) বিসিইসি
ব্যাখ্যা
জাতীয় অর্থনীতির নীতিনির্ধারণের সর্বোচ্চ ফোরাম একনেক। একনেকের কার্যনির্বাহী প্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। একনেকের বিকল্প সভাপতি হলেন অর্থমন্ত্রী। প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি হলো- নিকার। একনেক এবং নিকার প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮২ সালে। দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন কর্মসূচি অনুমোদনের জন্য সর্বোচ্চ রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ এনইসি এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন হচ্ছে বিসিইসি।
উৎসঃ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ওয়েবসাইট।
১,০৪৩.
'সুজন' কী?
  1. ক) একজন বিখ্যাত ব্যক্তির নাম
  2. খ) রাজনৈতিক দল
  3. গ) সুশাসনের জন্য নাগরিক
  4. ঘ) এক প্রকার তরমুজ
ব্যাখ্যা
সুজন বাংলাদেশের একটি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী। সুশাসনের জন্য নাগরিক এর প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হলেন বদিউল আলম মজুমদার।
উৎসঃ সুজনের ওয়েবসাইট।
১,০৪৪.
জাতীয় সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. চীফ হুইপ
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. স্পীকার
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- স্পীকার সংসদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- জাতীয় সংসদের বৈঠকে স্পীকার সভাপতিত্ব করেন।
- সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ-সদস্যদের মধ্য থেকে একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার নির্বাচন করা হয়।
- স্পীকারের প্রধান দায়িত্ব সংসদে নিয়ম-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং এর মর্যাদা সংরক্ষণ করা।
- স্পীকারকে নিরপেক্ষ হতে হয় এবং সংসদে সংখ্যালঘিষ্ঠ দলের সদস্যদের অধিকার সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করতে হয়।
- সংসদের অধিবেশন চলাকালে স্পীকারের সিদ্ধান্ত ও রুলিং অবশ্য পালনীয়।
- সংসদে শৃঙ্খলা রক্ষার প্রয়োজনে স্পীকার যেকোন সদস্যকে বহিষ্কার করতে পারেন।
- স্পীকার সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রণ করেন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতি বা তাঁর অসামর্থ্যের ক্ষেত্রে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,০৪৫.
নিচের কোন জেলাটি ময়মনসিংহ বিভাগের অন্তর্গত?
  1. ক) কিশোরগঞ্জ
  2. খ) টাঙ্গাইল
  3. গ) জামালপুর
  4. ঘ) সিরাজগঞ্জ
ব্যাখ্যা
২০১৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর চারটি জেলা নিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগ যাত্রা শুরু করে।
জেলাগুলো হলো:
- ময়মনসিংহ
- জামালপুর
- নেত্রকোনা
- শেরপুর।
ময়মনসিংহ বিভাগের মোট আয়তন প্রায় ১০,৬৬৯ বর্গ কিমি এবং জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ।
অন্যদিকে,
- কিশোরগঞ্জ : ঢাকা বিভাগ
- টাঙ্গাইল : ঢাকা বিভাগ
- সিরাজগঞ্জ : রাজশাহী বিভাগ।
(সূত্রঃ ময়মনসিংহ বিভাগ ওয়েবসাইট)
১,০৪৬.
জেলা পরিষদে সংরক্ষিত নারী সদস্য কত জন?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3.  ৪ জন
  4. ৫ জন
ব্যাখ্যা

• জেলা পরিষদে সংরক্ষিত নারী সদস্য থাকে - ৫ জন। 

জেলা পরিষদ:
- ২০০০ সালের জেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী জেলা পরিষদ গঠিত। 
- ১ জন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সদস্য এবং সংরক্ষিত আসনে ৫ জন মহিলা সদস্য। 
- এরা সবাই পরোক্ষভাবে নির্বাচিত হবেন একটি নির্দিষ্ট জেলার অধীনে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, কমিশনারবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের ভোটে।
- এই পরিষদের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর। 

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা ; নবম-দশম শ্রেণী ও জেলা পরিষদ আইন, ২০০০।

১,০৪৭.
রংপুর বিভাগ কতটি জেলা নিয়ে গঠিত? 
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ৬টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

রংপুর বিভাগ:
- রংপুর বিভাগ ৮টি জেলা  নিয়ে গঠিত।

• জেলার তালিকা: কুড়িগ্রাম , রংপুর, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে ৮টি বিভাগ নিয়ে গঠিত। এবং দুটি বিভাগ (কুমিল্লা ও ফরিদপুর) প্রস্তাবিত রয়েছে।
- ঢাকা বিভাগের জেলা: ১৩টি;
- চট্টগ্রাম বিভাগের জেলা: ১১টি;
- রাজশাহী বিভাগের জেলা: ৮টি;
- সিলেট বিভাগের জেলা: ৪টি;
- বরিশাল বিভাগের জেলা: ৬টি;
- খুলনা বিভাগের জেলা: ১০টি;
- ময়মনসিংহ বিভাগের জেলা: ৪টি

উৎস:  জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,০৪৮.
সংবিধান অনুযায়ী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সেনাপ্রধান
  4. আইনমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

জরুরি অবস্থা ঘোষণা:
- সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা তার অংশবিশেষে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে;
- বা অর্থনৈতিক জীবনযাত্রা বিঘ্নিত হবার বা সংকটের সম্মুখিন হলে রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন।
- জরুরি অবস্থা ঘোষণার পূর্বে প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর প্রয়োজন।
- জরুরি অবস্থার মৌলিক অধিকারের কার্যকারিতা স্থগিত থাকবে।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৪৯.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা
  2. নিজস্ব মতবাদে দৃঢ় থাকা
  3. জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি করা
  4. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির অন্তর্ভুক্ত নয়। 

- পররাষ্ট্রনীতি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নীতির সম্প্রসারণ।
- পররাষ্ট্রনীতি হলো কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের গৃহীত সেসব নীতি যা রাষ্ট্র তার রাষ্ট্রীয় স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে যোগাযোগ রক্ষার ক্ষেত্রে সম্পাদন করে থাকে। 

- বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্যসমূহ- 
১. আত্মরক্ষা। 
২. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি।  
৩. অন্য রাষ্ট্রের তুলনায় নিজের জাতীয় শক্তিকে রক্ষা ও প্রয়োজনে বৃদ্ধি করা।  
৪. নিজস্ব মতবাদে দৃঢ় থাকা।  
৫. জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি করা। 

সূত্র- বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অধ্যায়, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৫০.
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী কী?
  1. দলীয় সংস্থা
  2. একটি রাজনৈতিক দল
  3. বেসরকারি সংস্থা
  4. সামাজিক সংগঠন
ব্যাখ্যা
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য :

•  দলীয় সংগঠনবিহীন:
-চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হল এদের কোন দলীয় সংগঠন নেই।
- এদের উদ্দেশ্য রাজনৈতিক ক্ষমতা গ্রহণ নয়।
- সরকারের উপরে চাপ প্রয়োগ করে নিজেদের স্বার্থ বা দাবি আদায় করা হচ্ছে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর লক্ষ্য।

• দলীয় কর্মসূচিবিহীন:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর কোন রাজনৈতিক দল নয় বিধায় এদের কোন দলীয় কর্মসূচিও নেই।
- এটি নির্দলীয় সংগঠন।
- এরা শুধু গোষ্ঠীর স্বার্থ পূরণের জন্য চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করে।

•  নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়া:
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী নির্বাচনে প্রার্থী দেয় না এবং নির্বাচনে কোন প্রার্থীর পক্ষে সরাসরি প্রচারণা চালায় না।
-তবে অনেক সময় তাদের পছন্দের প্রার্থীকে অর্থ কিংবা জনবল দিয়ে সহযোগিতা করে থাকে। 

• সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা গোষ্ঠীর সদস্য হিসাবে সরকারের কোন পদে অধিষ্ঠিত হতে চায় না।
- বরং নানাভাবে সরকারি নীতিকে নিজেদের অনুকূলে আনার জন্য প্রচেষ্টা চালায়।

• সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নয়:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী সরাসরি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকে না।
- তবে পরোক্ষভাবে রাজনীতিক নেতৃবৃন্দের সাথে তাদের যোগাযোগ থাকতে পারে। 

• বেসরকারি সংগঠন:
- চাপসৃষ্টিকারী দলের সদস্যগণ বেসরকারি ব্যক্তিবর্গের সমষ্টি বিশেষ।
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর আনুষ্ঠানিক সরকারি স্বীকৃতিও সাধারণত থাকে না।

উৎস : পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১,০৫১.
বাংলাদেশের বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকারের শিল্প উপদেষ্টা কে?
  1. ফরিদা আখতার
  2. শেখ বসির উদ্দিন
  3. ব্রিঃ জেঃ (অবঃ) এম সাখাওয়াত হোসেন
  4. আদিলুর রহমান খান
  5. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকারের শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান।

বাংলাদেশের বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার:

- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে।
- নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আগস্ট, ২০২৪ সালে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।

⇒ প্রধান উপদেষ্টা: ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- মোট উপদেষ্টা: ২৩ জন।
- নারী উপদেষ্টা রয়েছে ৪ জন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকারের শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান।
- আদিলুর রহমান খান: ১. শিল্প মন্ত্রণালয়, ২. গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

অন্যদিকে,
- ফরিদা আখতার: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। 
- শেখ বশিরউদ্দীন: ১. বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২. বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, ৩. বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। 
- ব্রিঃ জেঃ (অবঃ) এম সাখাওয়াত হোসেন: ১. নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়, ২. শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

উৎস: প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ওয়েবসাইট।
১,০৫২.
মাঠ প্রশাসনের ‘জেলা প্রশাসক’ পদটি সচিবালয়ের কোন পদের সমমান?
  1. সিনিয়র সহকারি সচিব
  2. উপ-সচিব
  3. যুগ্মসচিব
  4. অতিরিক্ত সচিব
ব্যাখ্যা
জেলা প্রশাসন:
- জেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামাের তৃতীয় স্তর।
- একটি জেলার মধ্যে সকল ধরনের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করা, কর আদায় এবং উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে জেলা প্রশাসন।
- ‘জেলা প্রশাসক’ পদটি সচিবালয়ের উপ-সচিব পদের সমান।
- একজন ডেপুটি কমিশনার এই প্রশাসন এককের প্রধান।
- ডেপুটি কমিশনার বা জেলা প্রশাসক হল জেলা প্রশাসনের প্রাণ। তাকে কেন্দ্র করেই জেলার সকল কার্যপ্রণালি চালিত হয়।
- জেলার প্রধান হিসেবে জেলা প্রশাসকের কার্যসমূহ নিম্নরূপ:
• প্রশাসন সংক্রান্ত কাজ।
• আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কাজ।
• রাজস্ব সংক্রান্ত কাজ।
• উন্নয়নমূলক কাজ।
• সমন্বয় সংক্রান্ত কাজ।
• স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত কাজ।
• বিচারিক কাজ।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৫৩.
বাংলাদেশে জাতীয় সংসদে ‘উপজেলা বাতিল’ বিলটি কখন পাস করা হয়েছিল?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা
• 'উপজেলা বাতিল' বিল:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর তৎকালীন সরকার পূর্বের মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থা বাতিল করে এবং মৌলিক গণতন্ত্রের দ্বিতীয় স্তরে অবস্থিত থাকা কাউন্সিলকে ভেঙ্গে দিয়ে ‘থানা উন্নয়ন কমিটি’ গঠন করে।
- পরবর্তী ১৯৭৬ সালে স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশের মাধ্যমে ‘থানা পরিষদ’ গঠন করা হয়।
- পরে ১৯৮২ সালে তৎকালীন সামরিক শাসক এক অধ্যাদেশ বলে থানা প্রশাসনকে পুনর্বিন্যাস করেন এবং এ সময় থানাকে ‘উন্নীত থানা পরিষদ’ হিসেবে নামকরণ করা হয়।

- ১৯৮৩ সালে আরও এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে উন্নীত থানাকে উপজেলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এবং এর ফলে ৬৪ জেলার ৪৬০টি উপজেলার সৃষ্টি হয়।
- সামরিক শাসনের অবসানের পর ১৯৯১ সালে তৎকালীন সরকার এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে উপজেলা ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে পুনরায় থানা ব্যবস্থা চালু করে।
- ১৯৯২ সালের ২৬ জানুয়ারি 'উপজেলা বাতিল' বিলটি সংসদে পাসের মাধ্যমে উপজেলা পদ্ধতি বাতিল হয়।

- পরে ১৯৯৮ সালের ৩ ডিসেম্বর উপজেলা পরিষদ আইনের মাধ্যমে পুনরায় উপজেলা ব্যবস্থা চালু করে। 

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন বোর্ড বই, প্র. মো. মোজাম্মেল হক।
১,০৫৪.
বাংলাদেশের সুপ্রীম কোর্ট ________ নিয়ে গঠিত।
  1. হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ
  2. হাইকোর্ট ও জজ কোর্ট
  3. সুপ্রীম কোট ও হাইকোর্ট বিভাগ
  4. সুপ্রীম কোর্ট ও জজ কোর্ট
ব্যাখ্যা
সুপ্রীম কোর্ট:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত হয়েছে।
- সংবিধানের ৯৪ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপিল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হবে।
- সুপ্রীম কোর্টের এই দুই বিভাগের পৃথক এখতিয়ার রয়েছে।
- সংবিধান ও সংবিধানের পাশাপাশি দেশের সাধারণ আইন (সংসদ কর্তৃক পাশকৃত আইন) এই এখতিয়ারের উৎস।
- ১৯৭২ সালের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট প্রতিষ্ঠিত করা হয়।
- ২০১৭ সাল থেকে সুপ্রিম কোর্ট দিবস পালিত হয়ে আসছে।
- ১৮ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট দিবস পালিত হয়। 

উৎস: i) সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।
         ii) ১৮ ডিসেম্বর ২০২১, দৈনিক ইত্তেফাক।
১,০৫৫.
বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয় এর বর্তমান উপদেষ্টা- (ডিসেম্বর-২০২৫)
  1. ড. আতিকুর রহমান
  2. ড. আহসান মনসুর
  3. ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ
  4. ড. আহমেদ সালেহ
ব্যাখ্যা

⇒ স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে অর্থনীতির বুনিয়াদ শক্তিশালী ও স্বাধীন দেশের উপযোগী হিসেব গড়ে তুলতে অর্থ মন্ত্রণালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পরবর্তীকালে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাজের ব্যাপকতা বিবেচনা করে অর্থ বিভাগের পাশাপাশি ১৬ অক্টোবর ১৯৭৮ তারিখে বহিঃসম্পদ বিভাগ (বর্তমানে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ), ২১ এপ্রিল ১৯৭৯ তারিখে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ এবং জানুয়ারি ২০১০- এ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (বর্তমানে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ) প্রতিষ্ঠা করা হয়। 

⇒ অর্থ বিভাগের পরিচালিত কার্যক্রমের মধ্যে অন্যতম হলো-রাজস্ব নীতি প্রণয়ন এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রণীত মুদ্রা নীতির সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।

⇒ বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয় এর বর্তমান উপদেষ্টা- ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

• অর্থ মন্ত্রনালয় নিম্নে বর্ণিত চারটি বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত: 

১. আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (এফআইডি)
২. অর্থ বিভাগ (এফডি)
৩. অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এবং
৪. অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি)।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (FID) ২০১০ সালের জানুয়ারী মাসে একটি স্বতন্ত্র বিভাগ হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ব্যাংক, নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ক্যাপিটাল মার্কেট, বীমা খাত এবং মাইক্রোক্রেডিট খাতের সঙ্গে সম্পর্কিত আইন ও নীতি সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনা করে।

উৎস: অর্থমন্ত্রণালয়। 

১,০৫৬.
কার নামে রাষ্ট্রের সকল প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. সচিবালয়
  4. মন্ত্রীপরিষদ
ব্যাখ্যা

সরকার কাঠামো:
- বাংলাদেশ একটি এককেন্দ্রিক সরকার কাঠামোভিত্তিক রাষ্ট্র।
- কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে সকল প্রশাসনিক ক্ষমতা ন্যস্ত।
- বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থার ধরণ- সংসদীয় গণতন্ত্র।
- রাজধানী ঢাকা থেকে সারাদেশের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার্থে সারা দেশকে বিভিন্ন প্রশাসনিক এককে ভাগ করে নেওয়া হয়েছে।
- তবে সকল প্রশাসনিক কর্মকান্ড পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে কেন্দ্রীয় সচিবালয়।
- কেন্দ্রীয় সচিবালয়ের সকল প্রশাসনিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী।
- রাষ্ট্রপতির নামে রাষ্ট্রের সকল প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদের কার্যকরি প্রধান হিসেবে সকল কার্য পরিচালনা করে থাকেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৫৭.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার ন্যূনতম বয়স-
  1. ২৫ বছর
  2. ৩৫ বছর
  3. ৪৫ বছর
  4. নির্দিষ্ট বয়সসীমা নেই
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ৪৮ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতি
১. বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন। 
২. রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন। 
৩. এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন: 

৪. কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি- 
ক. পঁয়ত্রিশ বৎসরের কম বয়স্ক হন; অথবা 
খ. সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য না হন; অথবা 
গ. কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হইতে অপসারিত হইয়া থাকেন। 

৫. প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখিবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করিলে যেকোনো বিষয় মন্ত্রীসভায় বিবেচনার জন্য পেশ করিবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১,০৫৮.
জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী আইনসভার উচ্চকক্ষ-এর সদস্য সংখ্যা কত নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ৫০ জন
  2. ৯৮ জন 
  3. ১০০ জন
  4. ১০৮ জন
ব্যাখ্যা

জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫:
- ১৭ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে ‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে।

⇒ ১৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শাসনের জাঁতাকলে পিষ্ট বাংলাদেশের ছাত্র-জনতার অংশগ্রহণে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে এক অভূতপূর্ব গণ-অভ্যুত্থানের সূচনা হয়। এর ফলে ৫ই আগস্ট ২০২৪ তারিখে তৎকালীন ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার কিছু দোসর দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান এবং দীর্ঘকালীন দমনমূলক ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। জনগণের বিজয়ের ফল হিসেবে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়।

⇒ ৫টি সংস্কার কমিশনের একজন সদস্যকে সদস্য করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়।
- জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখ আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করে।
- সংস্কারের বিষয়ে ঐকমত্য গঠনের লক্ষ্যে পাঁচটি কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ ১৬৬টি সুপারিশ রাজনৈতিক দল ও জোটের কাছে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে কমিশন কয়েক দফায় ৩৩টি রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে ৭২টি বৈঠকে মিলিত হয়।
- বৈঠকসমূহের আলোচনায় অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দল ও জোটের সর্বসম্মত ও বৃহত্তর ঐকমত্য এবং কয়েকটি ভিন্নমতসহ মোট ৮৪টি সুপারিশ সংবলিত 'জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫' প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই সনদের ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে ৪৭টি বিষয়কে ‘সংবিধান সংশোধন সাপেক্ষে সংস্কার’ এবং বাকি ৩৭টি বিষয়কে ‘আইন বা অধ্যাদেশ, বিধি ও নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে সংস্কার’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে ঐকমত্য কমিশন। 

⇒ এখানে নোট অব ডিসেন্ট বলটে বোঝায় আনুষ্ঠানিক ভিন্নমত।

উল্লেখ্য,
• জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ অনুসারে আইনসভা গঠন:
- সংবিধানে এরূপ যুক্ত করা হবে যে, বাংলাদেশে একটি দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা থাকবে, যা নিম্নকক্ষ (জাতীয় সংসদ) এবং উচ্চকক্ষ (সিনেট) সমন্বয়ে গঠিত হবে।
- উচ্চকক্ষের গঠন: (ক) নিম্নকক্ষের নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (Proportional Representation-PR) পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষের ১০০ (একশত) জন সদস্য নির্বাচিত হবেন।
- উচ্চকক্ষের মেয়াদ হবে শপথ গ্রহণের তারিখ হতে ৫ (পাঁচ) বছর। তবে কোনো কারণে নিম্নকক্ষ ভেঙ্গে গেলে উচ্চকক্ষ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হবে। রাজনৈতিক দলগুলো নিম্নকক্ষের সাধারণ নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের সময় একই সঙ্গে উচ্চকক্ষের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে। তালিকায় কমপক্ষে ১০ (দশ) শতাংশ নারী প্রার্থী থাকতে হবে।

উৎস: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ওয়েবসাইট।

১,০৫৯.
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মকমিশন কী নামে পরিচিত?
  1. ক) Federal Service Commission
  2. খ) Union Public Service Commission
  3. গ) Indian National Service Commission
  4. ঘ) India Civil Service Commission
ব্যাখ্যা
ভারতীয় সংবিধানের ৩১৫-৩২৩ ধারায় কর্মকমিশন সম্পর্কে বলা হয়েছে। সংবিধানের ৩১৫ ধারা অনুযায়ী ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মকমিশনের নাম Union Public Service Commission.
এর সদস্যদের নিয়োগ দিয়ে থাকেন রাষ্ট্রপতি। কেন্দ্রীয় কর্মকমিশন ব্যতীত ভারতের রাজ্য সমূহের জন্যে পৃথক পাবলিক সার্ভিস কমিশন এবং একাধিক রাজ্যের জন্যে জয়েন্ট স্টেট পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বিধান রয়েছে।
(সূত্র: Union Public Service Commission ওয়েবসাইট)
১,০৬০.
মন্ত্রনালয়ের শাখা বা সেকশন প্রধান -
  1. সচিব
  2. যুগ্ম-সচিব
  3. উপসচিব
  4. সহকারী সচিব
ব্যাখ্যা
মন্ত্রনালয়গুলোর প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশে মন্ত্রণালয়গুলোকে যৌথভাবে সচিবালয় বলা হয়।
১. মন্ত্রী - মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রধান। প্রত্যেক মন্ত্রণালয় দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে
থাকে।
২. সচিব - মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। সচিব মন্ত্রণালয়ের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও মূখ্য হিসাব নিরীক্ষক।
৩. অতিরিক্ত সচিব - উপ-বিভাগের প্রধান।
৪. যুগ্ম-সচিব - উপ-বিভাগের প্রধান।
৫. উপসচিব - একাধিক শাখার প্রধান।
৬. সিনিয়র বা জেষ্ঠ সহকারী সচিব - শাখা বা সেকশন প্রধান।
৭. সহকারী সচিব - শাখা বা সেকশন প্রধান।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোজাম্মেল হক।
১,০৬১.
প্রধানমন্ত্রী পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে একজন প্রার্থীর বয়স কত বছর হতে হবে?
  1. ১৮ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ৩৫ বছর
  4. ৪০ বছর
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদের বিবরণ:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ হল এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা।
- সারাদেশ থেকে নির্বাচিত ৩০০ সংসদ সদস্য এবং সংরক্ষিত ৫০ জন নারী সংসদ সদস্য নিয়ে এই জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- পূর্ণ মেয়াদে প্রতি পাঁচ বছর পর পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে একজন প্রার্থীর বয়স ৩৫ বছর হতে হবে। (৪৮ এর ৬ নং অনুচ্ছেদ)
- প্রধানমন্ত্রী পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য ২৫ বছর হওয়ার শর্ত দেশের সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত।
- আইন প্রণয়ন ও সংবিধান সংশোধনের জন্য যথাক্রমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও দুই-তৃতীয়াংশ সংসদ সদস্যের সম্মতি থাকতে হয়।

উৎস: i) পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান।।
১,০৬২.
সরকারি চাকরি আইন কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ২০১৭ সালে
  2. ২০১৮ সালে
  3. ২০১৯ সালে
  4. ২০২০ সালে
ব্যাখ্যা

সরকারি চাকরি আইন:
- সরকারি চাকরি আইনটি ২০১৮ সালে প্রণীত হয়।

⇒ ২০১৮ সালে ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’ প্রণয়ন করে সরকার।
- ২০১৮ সালের ১৪ নভেম্বর সরকারি চাকরি আইনের গেজেট জারি হয়।
- আইনটি কার্যকর হয় ২০১৯ সালের ১ অক্টোবর।

⇒ সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী, বর্তমানে যেকোনো কর্মচারীর চাকরির বয়স ২৫ বছর পূর্ণ হলে কারণ দর্শানো ছাড়াই তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দিতে পারে সরকার। এর বাইরে কোনো কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে গেলে ২০১৮ সালের শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা অনুযায়ী দীর্ঘ মেয়াদি তদন্ত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১,০৬৩.
বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক -
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রতিরক্ষামন্ত্রী
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. সেনাবাহিনী প্রধান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী:
- বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত।
- সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ (AFD) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি বিভাগ।
- এই বিভাগটি মন্ত্রী পদমর্যাদা ভোগ করে এবং বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের (MoD) সাথে সমান্তরাল কাজ করে।
- এই বিভাগটি অপারেশন, পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ, গোয়েন্দা তথ্য, বেসামরিক সামরিক সম্পর্ক, প্রশাসন এবং সরবরাহ সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারী অনুমোদনের সমন্বয় সাধন করে।
- AFD অন্যান্য মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সমস্যা সমন্বয় ও যোগাযোগ করে।
- AFD-এর নেতৃত্বে আছেন প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (PSO), একজন লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা যার পদমর্যাদা এবং ক্ষমতা বাংলাদেশ সরকারের একজন সিনিয়র সচিব।]
- বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি।

উল্লেখ্য,
- মহামান্য রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রদত্ত ক্ষমতাবলে দায়িত্ব পালন করেন।
- সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন ছাড়াও তিনি রাষ্ট্রীয়, আনুষ্ঠানিক (Ceremonial), শিক্ষা, সামাজিক, সাংস্কৃতিকসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবর্গ, বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি, সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে নিযুক্ত ব্যক্তিবর্গের নিয়োগ প্রদান করেন।
- তাছাড়া জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান ও সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
- মহামান্য রাষ্ট্রপতি সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক ((Supreme Command) এবং বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের চ্যান্সেলর।
- বাংলাদেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতগণ মহামান্য রাষ্ট্রপতির নিকট পরিচয়পত্র (Credentials) পেশ করেন।
- জাতীয় দিবসসমূহে মহামান্য রাষ্ট্রপতি জাতির উদ্দেশ্যে বাণী প্রদান করেন এবং বঙ্গভবনে সংবর্ধনার আয়োজন করেন।

উৎস: i) সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ।
ii) রাষ্ট্রপতির কার্যালয়।
১,০৬৪.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে ছিলেন?
  1. বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
  2. বিচারপতি মোহাম্মদ ইদ্রিস
  3. কাজী মোদুদ এলাহী
  4. এ কে এম সিদ্দিক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন:
- ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের বন্দী অবস্থা থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশে প্রত্যাবর্তন করেন।
- এরপর এক আদেশ বলে তিনি দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে প্রধানমন্ত্রী শাসিত সরকার ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন।
- ১৯৭২ সালের নির্বাচন কমিশন আদেশ জারি করা হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগ পান বিচারপতি মোহাম্মদ ইদ্রিস।
- ১৯৭৩ সালের নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়। 
- সে সময় মোট ভোটার ছিল ৩ কোটি ১৯ হাজার ৮০৯ জন। 
- ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ স্বাধীন বাংলাদেশে নতুন সংবিধানের অধীনে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৬৫.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী অ্যাটর্নি জেনারেল কোন বিভাগের কর্মকর্তা হিসেবে বিবেচিত?
  1. প্রশাসনিক বিভাগ
  2. নির্বাহী বিভাগ
  3. বিচার বিভাগ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

• অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪ নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের কথা উল্লেখ আছে। 

- অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাহী বিভাগের অধীনে দায়িত্ব পালন করেন।

- তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল হল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক।
- এছাড়াও, অ্যাটর্নি জেনারেল তার পদাধিকার বলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- অ্যাটর্নি জেনারেলকে কিছু সংখ্যক যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ-অ্যাটর্নি জেনারেল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সহায়তা করেন।

- বাংলাদেশের সংবিধান মোতাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবিধানিক পদ নয়, এটি একটি সংবিধিবদ্ধ পদ।
- সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।

উল্লেখ্য,
- দেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
- তিনি ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল।
- ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট তিনি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

তথ্যসূত্র: i) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ওয়েবসাইট। 
ii) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

১,০৬৬.
নিচের কোনটি নির্বাহী বিভাগের অংশ নয়?
  1. মন্ত্রিপরিষদ
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

’প্রধান বিচারপতি’, বিচার বিভাগের অংশ।
---------------------------------
বাংলাদেশ সরকারের তিনটি বিভাগ:
• নির্বাহী বিভাগ: – 
- নির্বাহীবিভাগকে শাসনবিভাগও বলা হয়ে থাকে। এটি মূলত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ নিয়ে গঠিত।
• আইন বিভাগ: – 
- আইন প্রণয়ন ও সংশোধনের দায়িত্বে। সাধারণত জাতীয় সংসদই এ কাজ করে।
• বিচার বিভাগ: – 
- ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে; সুপ্রিম কোর্ট, অধস্তন আদালত ও বিশেষ ট্রাইব্যুনাল নিয়ে গঠিত।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,০৬৭.
সমাজের শিক্ষিত শ্রেণির একটি অংশ সরকার বা কর্পোরেট গ্রুপে থাকে না, কিন্তু সকলের উপর প্রভাব বিস্তার করার ক্ষমতা রাখে সেটি হচ্ছে-
  1. ক) সুশীল সমাজ
  2. খ) প্রশাসন বিভাগ
  3. গ) বিচার বিভাগ
  4. ঘ) রাজনৈতিক দল  
ব্যাখ্যা
- সুশীল সমাজ হলো সমাজের এমন একটি শ্রেণি যারা সরকারে থাকে না আবার কর্পোরেট গ্রুপেও থাকে না।
- এরা সরকার ও প্রাইভেট সেক্টরের মাঝামাঝি একটি গ্রুপ।
- এদের ধর্ম হল এরা সরকার ও প্রাইভেট সেক্টর উভয় ক্ষেত্রেই তাদের প্রভাব বিস্তার করতে পারে।
- এরা সরকারকে সহযোগিতাও করতে পারে আবার সরকার বিরোধী অবস্থান নিয়ে সরকারের ভিতও নাড়িয়ে দিতে পারে।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১,০৬৮.
বর্তমান বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার নাম কী? (জুলাই-২০২৫)
  1. আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া
  2. সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
  3. ড. আসিফ নজরুল
  4. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাগণ:
- বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা -ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা- ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।
- পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা- সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
-  যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা- আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা-ড. আসিফ নজরুল
১,০৬৯.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রের উপাদান?
  1. শিক্ষা
  2. সংস্কৃতি
  3. সার্বভৌমত্ব
  4. ভাষা
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্র:
- আদিম যুগে মানুষ প্রথমে গোত্রভিত্তিক জীবন যাপন করত। তারা ছোট ছোট গোষ্ঠীতে বাস করত এবং নিজেদের নিরাপত্তা ও টিকে থাকার জন্য একে অপরের ওপর নির্ভরশীল ছিল। সময়ের প্রবাহে ও প্রয়োজনের তাগিদে এই গোত্রভিত্তিক সমাজব্যবস্থা ধীরে ধীরে একটি সংগঠিত রূপ নেয়, এর ফলে রাষ্ট্রের জন্ম হয়।

- মূলত রাষ্ট্রের সৃষ্টি মানুষের হাতেই ঘটে। রাষ্ট্রে বসবাসকারী প্রত্যেক ব্যক্তি রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে পরিচিত। একজন নাগরিক হিসেবে প্রত্যেককে রাষ্ট্রের সকল নিয়ম-কানুন ও আইন মান্য করতে হয়। রাষ্ট্র গঠনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য উপাদান হলো সার্বভৌমত্ব। 

• রাষ্ট্রের উপাদান:
রাষ্ট্রের সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করলে রাষ্ট্রের ৪টি উপাদান পাওয়া যায়।
যথা:
(ক) জনসমষ্টি,
(খ) নির্দিষ্ট ভূখণ্ড,
(গ) সরকার,
(ঘ) সার্বভৌমত্ব।

সূত্র: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৭০.
জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্যদের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা কত?
  1. ক) ৩০০
  2. খ) ৩৫৪
  3. গ) ৮০
  4. ঘ) ৫৬
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদের আসন:
- জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্যদের আসন সংখ্যা - ৩৫৪টি
- অতিথি আসন সংখ্যা ৫৬টি
- কর্মকর্তা আসন সংখ্যা ৪১টি
- সাংবাদিক আসন সংখ্যা ৮০টি এবং
- দর্শক আসন সংখ্যা ৪৩০টি।

- ভি আই পি গ্যালারির সংখ্যা - ২ টি।

তথ্যসূত্র- জাতীয় সংসদ সচিবালয়।

১,০৭১.
জাতীয় ঐক্য কমিশনের সভাপতি কে?
  1. প্রধান উপদেষ্টা
  2. সেনাবাহিনী প্রধান
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
জাতীয় ঐকমত্য কমিশন:
- ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- ছয় সংস্কার কমিশনের সুপারিশগুলো বিবেচনা ও গ্রহণের জন্য এই কমিশন গঠন করা হয়েছে।
- কমিশনের অন্য সদস্যরা হলেন, সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান আলী রীয়াজ, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী, পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রধান সফর রাজ হোসেন, নির্বাচন সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের প্রধান বিচারপতি এমদাদুল হক ও দুদক সংস্কার কমিশনের প্রধান ইফতেখারুজ্জামান।

⇒ জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, আর সহ-সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ।  
- কমিশনের মেয়াদ ছয় মাস।
- কমিশন নির্বাচনকে সামনে রেখে পুলিশের কার্যক্রমসহ, নির্বাচন ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং দুর্নীতি দমন বিষয়ে সংস্কারের জন্য গঠিত কমিশনগুলোর সুপারিশ বিবেচনা ও গ্রহণের জন্য জাতীয় ঐকমত্য গঠনের জন্য রাজনৈতিক দল ও শক্তিগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে এবং এ বিষয়ে পদক্ষেপের সুপারিশ করবে।
- এই কমিশনের সাচিবিক দায়িত্ব পালন করবে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট। 
১,০৭২.
জাতীয় সংসদের কাজ হচ্ছে-
  1. ক) আইন বাস্তবায়ন
  2. খ) দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন
  3. গ) সংবিধান সংশোধন
  4. ঘ) প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন করার ক্ষমতা একচ্ছত্রভাবে একমাত্র জাতীয় সংসদের হাতেই ন্যস্ত। সংসদ মোট সদস্যগণের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় সংবিধানের কোনো বিধান সংশোধন করতে পারবে। এছাড়াও আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত ক্ষমতা, শাসন সংক্রান্ত ক্ষমতা, সরকার গঠন সংক্রান্ত ক্ষমতা, বিচার সংক্রান্ত ক্ষমতা, অর্থ সংক্রান্ত ক্ষমতা, চাকরি সংক্রান্ত ক্ষমতা, নির্বাচন সংক্রান্ত ক্ষমতা, অধ্যাদেশ সংক্রান্ত ক্ষমতা, সামরিক বিষয়ক সংক্রান্ত ক্ষমতা, জরুরি অবস্থা ঘোষণা সংক্রান্ত ক্ষমতা ইত্যাদি জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১,০৭৩.
কোন ধরনের ব্যবস্থায় বিরোধী দলের অস্তিত্ব স্বীকার করা হয় না?
  1. বহুদলীয়
  2. একদলীয়
  3. দ্বি-দলীয়
  4. রাষ্ট্রপতিশাসিত
ব্যাখ্যা
• রাজনৈতিক দলের বিভিন্নরূপ:
সাধারণত রাজনৈতিক দল ব্যবস্থা প্রকার।
যথা :
• একদলীয় ব্যবস্থা :
- যখন রাষ্ট্রে একটিমাত্র দল থাকে তখন তাকে একদলীয় ব্যবস্থা বলা হয়।
- একনায়কতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় একটিমাত্র দল থাকে।
- এ ধরনের ব্যবস্থায় বিরোধী দলের অস্তিত্ব স্বীকার করা হয় না।
- অন্য কোন রাজনৈতিক দলের কার্যকলাপ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকে।
- কোন দলের উদ্ভব হলে তা উৎপাটন করা হয়।
- দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পূর্বে ইতালীর ফ্যাসিষ্ট এবং জার্মানীর নাৎসী দল এই ব্যবস্থার প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
- একদলীয় ব্যবস্থায় দলীয় প্রধান সাধারণত সরকার প্রধান হন।

• দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা :
- দেশে মাত্র দু'টি দল থাকলে তাকে দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা বলে।
- একটি দল সরকার গঠন করে এবং অন্যদল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করে।
- কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা দেখা যায় না।
- এমনকি বৃটেনে শ্রমিক দল ও রক্ষণশীল দল প্রধান দল হলেও সেখানে উদারনৈতিক দল ও সমাজতান্ত্রিক দলের উদ্ভব ঘটেছে।
- তবে প্রকৃতিগতভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ও বৃটেনে দ্বি-দল ব্যবস্থাই প্রচলিত আছে।

• বহু-দলীয় ব্যবস্থা :
- একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যখন দুটির বেশি দল, রাজনৈতিক ক্ষমতা লাভের লাড়াইয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করে, তখন তাকে 'বহুদলীয় ব্যবস্থা' বলে।
- বহুদলীয় ব্যবস্থায় সাধারণত সাধারণ নির্বাচনে কোন দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারে না।
- ফলে নির্বাচনে জয় লাভের জন্য অনেক সময় সমমনা দলগুলির সমন্বয়ে 'সম্মিলিত সরকার' গঠিত হয়।
- ফ্রান্স, ইতালি, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান প্রভৃতি দেশে এরূপ বহুদলীয় ব্যবস্থা বিদ্যমান আছে।

উৎস : পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৭৪.
বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর প্রথম স্তর কী?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. দপ্তর
  3. সচিবালয়
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর প্রথম স্তর হলো কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক কাঠামো (সচিবালয়) যা বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর/অধিদপ্তর নিয়ে গঠিত।
- সচিবালয় হলো প্রশাসনিক কার্যাবলি এবং সমস্ত সরকারি কার্যক্রমের মূল কেন্দ্র।
- সংবিধানের ৫৫ (৬) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত Rules of Business এর নিয়ম অনুসারে মন্ত্রণালয় ও বিভাগসমূহের কার্যাদি নির্ধারণ করা হয়।
- এছাড়াও সচিবালয়ের নির্দেশাবলী (Secretariate Instructions) নামে আলাদা একটি ডকুমেন্টও কেন্দ্রীয় প্রশাসনের কার্যাবলি নির্ধারণ করে থাকে।
- সচিবালয় মূলত প্রশাসনিক নীতিমালা ও পরিকল্পনা প্রণয়ন, পরিকল্পনার মূল্যায়ন, সংসদে মন্ত্রীদের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা, শীর্ষ স্তরের প্রশাসন পরিচালনা, প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য বিষয়াদি সম্পাদন করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৭৫.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন কে? 
  1. বিচারপতি এম ইদ্রিস
  2. এ.কে.এম.নুরুল ইসলাম
  3. বিচারপতি আবু হেনা
  4. বিচারপতি এ.টি.এম.মাসুদ
ব্যাখ্যা
প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন:
- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ প্রথম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- সে সময় ৩০০ আসনে সরাসরি নির্বাচন হয়।
- সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা ছিল ১৫টি।
- বিচারপতি এম ইদ্রিসকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করা হয়।
- নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৩টি তে জয়লাভ করে।
- বঙ্গবন্ধু সে সময় ঢাকা-১২ আসন থেকে বিজয়ী হয়েছিলেন।
- প্রথম জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হন মুহম্মদুল্লাহ।
- ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন বায়তুল্লাহ।
- পরে মুহম্মদুল্লাহ রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে আবদুল মালেক উকিল স্পিকার নির্বাচিত হন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৭৬.
স্পিকারের আসনের কোন দিকে ট্রেজারি বেঞ্চ অবস্থিত?
  1. বাম দিকে
  2. ডান দিকে
  3. পেছনে
  4. মাঝখানে
ব্যাখ্যা

ট্রেজারি বেঞ্চ: 
- ট্রেজারি বেঞ্চ বলা হয় সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসনগুলোকে।
- সরকারি দলের মন্ত্রী ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিগণ সামনের সারিতে বসেন।
- ট্রেজারি বেঞ্চ থাকে স্পীকারের আসনের ডানদিকে।
- এর বিপরীত দিকে সামনের সারিতে বসেন বিরোধী দলের নেতা, উপনেতা, হুইপ ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
- ট্রেজারি বেঞ্চকে ‘ফ্রন্ট বেঞ্চ’ও বলা হয়।

উল্লেখ্য, 
- সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের যেসব সদস্য পেছনের সারিতে বসেন তাদের বলা হয় ব্যাকবেঞ্চার।
- এ সদস্যগণ সরকারি দলের মন্ত্রী বা গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত নন, আবার বিরোধী দলের নেতৃস্থানীয়ও নন। তাই সংসদের আসন ব্যবস্থায় তাঁরা পেছনের সারিতে বসেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,০৭৭.
বর্তমানে বাংলাদেশের শহর অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা কয় স্তর বিশিষ্ট?
  1. ক) ১
  2. খ) ২
  3. গ) ৩
  4. ঘ) ৪
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশে প্রচলিত স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা রয়েছে ৫ ধরনের। গ্রাম অঞ্চলের ৩ ধরনের এবং শহর অঞ্চলে ২ ধরনের। গ্রাম অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা- ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ এবং জেলা পরিষদ। শহর অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা- পৌরসভা এবং সিটি কর্পোরেশন।
১,০৭৮.
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন গঠিত হয় কত সালে?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০০৯ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০১১ সালে
ব্যাখ্যা
সিটি কর্পোরেশন:
- ঢাকা সিটি কর্পোরেশন বাংলাদেশের প্রথম সিটি কর্পোরেশন।
- ঢাকা পৌরসভার যাত্রা শুরু হয় ১৮৬৪ সালের ১লা আগস্ট।
- ১৯৭৮ সালে ঢাকা পৌরসভাকে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে উন্নীত করা হয়।
- ১৯৯০ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনকে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নামে পুনঃনামকরণ করা হয়।
- ১৯৯৪ সালের ৩০শে জানুয়ারি ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম প্রত্যক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- মোহাম্মদ হানিফ ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র হন।
- ২০১১ সালের ৪ ডিসেম্বর ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে ভেঙ্গে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নামে দুটি সিটি কর্পোরেশন করা হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশে মোট ১২টি সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।

উৎস: ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এবং স্থানীয় সরকার বিভাগ ওয়েবসাইট ।
১,০৭৯.
অ্যাটর্নি জেনারেল কোন বিভাগের অধীনে কাজ করেন?
  1. বিচার বিভাগ
  2. নির্বাহী বিভাগ
  3. আইন বিভাগ
  4. সংসদীয় বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ অ্যাটর্নি জেনারেল নির্বাহী বিভাগের অধীনে কাজ করেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪ নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের উল্লেখ রয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন অ্যাটর্নি জেনারেল থাকবেন।
- অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি আইনগত দিক নিয়ে রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষে আদালতে বক্তব্য পেশ করেন।
- সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের ন্যায় মর্যাদা ভোগের অধিকারী হবেন।

⇒ অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
• অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
• অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।
• বাংলাদেশ সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

১,০৮০.
সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের ইংরেজী নাম কী?
  1. Parliament
  2. National Parliament 
  3. Legislature
  4. The House of the Nation
ব্যাখ্যা

⇒ সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের ইংরেজী নাম 'The House of the Nation'.
→ সংবিধানের পঞ্চম ভাগে আইনসভার উল্লেখ রয়েছে।
→ সংবিধানের ৬৫ নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদ প্রতিষ্ঠার উল্লেখ রয়েছে।

♦ জাতীয় সংসদ:
→ জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
→ দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
→ প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
→ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে (২০১১) মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়।
→ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
→ জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
→ সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়।
→ জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
→ অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
→ সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
→ ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

১,০৮১.
প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রের ভিত্তি হিসেবে পরিচিত-
  1. চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীসমূহ
  2. রাজনৈতিক দল
  3. সুশীল সমাজ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

রাজনৈতিক দল ও গণতন্ত্র:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দলের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
- প্রতিটি রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য হল রাষ্ট্র ক্ষমতা লাভ এবং সরকার গঠন।
- ক্ষমতায় এসে নিজের কর্মসূচি ও মতাদর্শকে বাস্তবায়িত করার জন্য প্রতিটি দলই উদ্যোগ গ্রহণ করে।
- আধুনিক গণতান্ত্রিক দেশে একাধিক রাজনৈতিক দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করে।
- শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত দলের লক্ষ্য হল ক্ষমতায় টিকে থাকা।
- গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক দল একে অপরের পরিপূরক।
- গণতন্ত্র ছাড়া যেমন রাজনৈতিক দল টিকতে পারে না।
- তেমনি রাজনৈতিক দল না থাকলে গণতন্ত্রও সম্ভব নয়।
- রাজনৈতিক দলগুলো তাদের সাংগঠনিক কাঠামোর সাহায্যে এক ধরনের প্রতিনিধিত্ব সৃষ্টি করে।
- বতর্মান প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রের ভিত্তি হিসেবে পরিচিত রাজনৈতিক দল। 
- গণতন্ত্র মত প্রকাশের স্বাধীনতা, সভা-সমাবেশের স্বাধীনতা দিয়ে থাকে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, ২য় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৮২.
সংসদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. আইনমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- স্পীকার সংসদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- জাতীয় সংসদের বৈঠকে স্পীকার সভাপতিত্ব করেন।
- সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ-সদস্যদের মধ্য থেকে একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার নির্বাচন করা হয়।
- স্পীকারের প্রধান দায়িত্ব সংসদে নিয়ম-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং এর মর্যাদা সংরক্ষণ করা।
- স্পীকারকে নিরপেক্ষ হতে হয় এবং সংসদে সংখ্যালঘিষ্ঠ দলের সদস্যদের অধিকার সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করতে হয়।
- সংসদের অধিবেশন চলাকালে স্পীকারের সিদ্ধান্ত ও রুলিং অবশ্য পালনীয়।
- সংসদে শৃঙ্খলা রক্ষার প্রয়োজনে স্পীকার যেকোন সদস্যকে বহিষ্কার করতে পারেন।
- স্পীকার সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রণ করেন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতি বা তাঁর অসামর্থ্যের ক্ষেত্রে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,০৮৩.
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করে-
  1. ক) ক্ষমতাসীন দল
  2. খ) সুশীল সমাজ
  3. গ) বিরোধী দল
  4. ঘ) সংরক্ষিত নারী সাংসদবৃন্দ
ব্যাখ্যা
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সংসদে বিরোধী দল কর্তৃক গঠিত মন্ত্রিসভাকে ছায়া মন্ত্রিসভা বলে। এ মন্ত্রিসভা গঠিত হয় মূলত সরকারি দল ও মন্ত্রিসভাকে চাপে রাখার জন্যে। সরকারের মন্ত্রিসভার আদলে ছায়া মন্ত্রিসভা বিরোধী দলের বিভিন্ন সাংসদের সমন্বয়ে গঠন করা হয়।
(সূত্র: রাষ্ট্রবিজ্ঞান : স্নাতক শ্রেণী)
১,০৮৪.
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে কে রয়েছেন? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. মোঃ তৌহিদ হোসেন
  3. সালেহ উদ্দিন আহমেদ
  4. ড. আসিফ নজরুল
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন মোঃ তৌহিদ হোসেন।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার
:
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে।
- নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আগস্ট, ২০২৪ সালে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।
- এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

⇒ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
- শপথ গ্রহণের স্থান: বঙ্গভবন।
- মোট উপদেষ্টা: ২৪ জন।

উল্লেখ্য,
⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

⇒ জনাব সালেহ উদ্দিন আহমেদ:
- অর্থ মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।

⇒ ড. আসিফ নজরুল:
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

⇒ জনাব মোঃ তৌহিদ হোসেন:
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
১,০৮৫.
গ্ণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাংবিধানিক পদ কোনটি?
  1. ক) ডিপুটি স্পিকার 
  2. খ) বিভাগীয় কমিশনার
  3. গ) জেলা প্রশাসক
  4. ঘ) সিটি কর্পোরেশনের মেয়র
ব্যাখ্যা
- ডিপুটি স্পিকার গ্ণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একটি সাংবিধানিক পদ।
- গ্ণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাংবিধানিক পদ:- 
রাষ্ট্রপতি  
স্পিকার
প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীগণ 
ডিপুটি স্পিকার 
প্রধান বিচারপতি  
সংসদ সদস্য 
প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার 
মহা-হিসাব রক্ষক ও নিয়ন্ত্রক 
সরকারী কর্ম- কমিশনের চেয়ারম্যান ও অন্যান্য ।

উৎস:- জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,০৮৬.
ট্রেজারি বেঞ্চ’ বলতে কী বুঝানো হয়?
  1. সংসদ-কক্ষের শেষের দিকের আসন
  2. সংসদ-কক্ষের মাঝের দিকের আসন
  3. সংসদে স্পিকারের আসন
  4. সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসন
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইনসভা।
- এককক্ষ বিশিষ্ট এ আইনসভার সদস্য সংখ্যা ৩৫০।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত।
- সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসনগুলোকে বলা হয় ট্রেজারি বেঞ্চ। 
- সরকারি দলের মন্ত্রী ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিগণ সামনের সারিতে বসেন। 
- স্পীকারের আসনের ডানদিকে থাকে ট্রেজারি বেঞ্চ। । 
- ট্রেজারি বেঞ্চকে ‘ফ্রন্ট বেঞ্চ’ও বলা হয়।
- সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের যেসব সদস্য পেছনের সারিতে বসেন তাদের বলা হয় ব্যাকবেঞ্চার। 
- এ সদস্যগণ সরকারি দলের মন্ত্রী বা গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত নন, আবার বিরোধী দলের নেতৃস্থানীয়ও নন। তাই সংসদের আসন ব্যবস্থায় তাঁরা পেছনের সারিতে বসেন।

সূত্র - বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বাংলাপিডিয়া।
১,০৮৭.
নিপোর্ট কী নিয়ে গবেষণা করে?
  1. অর্থনীতি
  2. শিক্ষা
  3. জলবায়ু
  4. জনসংখ্যা
ব্যাখ্যা

নিপোর্ট:
• NIPORT (নিপোর্ট) এর পূর্নরূপ — National Institute of Population Research and Training.
• ইহা হলো বাংলাদেশের — জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
• এটি  স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয় যা ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
• স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচী ব্যবস্থাপনার  ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার একটি আদর্শ আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান তৈরির দিকে দৃষ্টি রেখে ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
• নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

উৎস: NIPORT ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।

১,০৮৮.
বর্তমান দেশে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন কে?
  1. জাহিদ মালেক
  2. সামন্ত লাল সেন
  3. রোকেয়া সুলতানা
  4. ড. আব্দুর রাজ্জাক
ব্যাখ্যা
[এই  প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

ডাঃ সামন্ত লাল সেন

- দ্বাদশ জাতীয় সংসদের নতুন মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে ডাক পেয়েছেন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটগুলোর সমন্বয়ক অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন।
- তিনি হবিগঞ্জের সন্তান ও এশিয়ার বিখ্যাত বার্ন স্পেশালিস্ট হিসেবে সমধিক পরিচিত।  
- এর বাইরে তার কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই। এ ছাড়া কখনো রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন না তিনি। 
- বর্তমানে ডা: সামন্ত লাল সেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। 
-  তাঁর জন্ম ১৯৪৯ সালের ২৪ নভেম্বর হবিগঞ্জ জেলার (তৎকালীন সিলেট জেলা) নাগুরা গ্রামে।
- সামন্ত লাল সেন সেন্ট ফিলিপস হাইস্কুল থেকে ১৯৬৪ সালে মাধ্যমিক এবং পরে সুরেন্দ্রনাথ কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন।
- তিনি ১৯৭৩ সালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করেন।
- ১৯৮০ সালে তিনি অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা থেকে ‘ডিপ্লোমা ইন স্পেশালাইজড সার্জারি’ ডিগ্রি অর্জন করেন এবং পরবর্তীতে জার্মানি ও ইংল্যান্ড থেকেও সার্জারি বিষয়ে উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। 
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামাল ছিলেন ডা: সেনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু।
- এ  সুবাদে ধানমণ্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বর বাড়িতে অবাধ যাতায়াতের মাধ্যমে তিনি বঙ্গবন্ধুর সাহচর্য লাভ করেন এবং তাঁর রাষ্ট্রদর্শন, সমাজচিন্তা ও স্বাস্থ্যভাবনার সঙ্গে পরিচিত হন। 
 - সরকারি চাকুরি থেকে অবসরে গেলে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের প্রধান সমন্বয়কের বিশেষ দায়িত্ব প্রদান করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 
- দেশে প্লাস্টিক সার্জারি চিকিৎসার জন্য একজন ‘জীবন্ত কিংবদন্তী’, অসংখ্য সাধারণ মানুষের জন্য ‘সেন স্যার’ হিসেবে ডা: সামন্ত লাল সেন এখনো নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০১৮ সালে বাংলা একাডেমি ফেলোশিপে ভূষিত হন।

উৎস:- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১,০৮৯.
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যগণ কিভাবে নির্বাচিত হন?
  1. রাষ্ট্রপতির সরাসরি মনোনয়নে
  2. নির্বাচন কমিশনের সরাসরি নিয়োগে
  3. জনগণের সরাসরি ভোটে
  4. সংসদে নির্বাচিত সদস্যদের আনুপাতিক ভোটে
ব্যাখ্যা

- জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যগণ সংসদে নির্বাচিত সদস্যদের আনুপাতিক ভোটে  নির্বাচিত হন।

• সংরক্ষিত নারী আসন: 

- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের ৩০০ জন সাধারণ আসনের নির্বাচিত হয়।
- উক্ত সদস্যগণ তাদের নিজ নিজ দলের প্রাপ্ত আসনের আনুপাতিক হারে সংরক্ষিত ৫০টি মহিলা আসনের সদস্যদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন।
- অর্থাৎ, সাধারণ নাগরিকরা সরাসরি সংরক্ষিত আসনের সদস্যদের ভোট দেন না, বরং তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই (এমপি) এই ভোট দিয়ে থাকেন।
- বাংলাদেশের সংসদে, প্রথাগতভাবে, সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ হিসেবে ক্ষমতাসীন দলের মনোনিত প্রার্থীরাই নির্বাচিত হতেন;  কখনো কখনো বিরোধী দলের নারী প্রার্থীদের কয়েকটা আসনে।

- তবে সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী অনুযায়ী, ২০০৪ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদের একাদশ অধিবেশনে নির্ধারণ করা হয় যে সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে (সেসময় ৪৫টি) একটি দল থেকে নির্দিষ্ট সংখ্যক নারী সাংসদকে সুযোগ দেওয়া হবে;
- এবং তা হবে সংসদে ঐ দলের কতজন প্রতিনিধি রয়েছে তার অনুপাতে।
- বর্তমানে সংরক্ষিত নারী আসন ৫০ টি রয়েছে ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান। এবং বিবিসি নিউজ।[লিঙ্ক]

১,০৯০.
বাংলাদেশের ওয়ারেন্ট অফ প্রেসিডেন্স অনুযায়ী সর্ব প্রথম কে অবস্থান করেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

জুলাই, ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত ওয়ারেন্ট অফ প্রেসিডেন্স অনুযায়ী:

উল্লেখ্য:
১. রাষ্ট্রপতি।
২. প্রধানমন্ত্রী।
৩. সংসদের স্পিকার।
৪. বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ও প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিগণ।
৫. কেবিনেট মন্ত্রিগণ; কেবিনেটের প্রধান হুইপ; সংসদের ডেপুটি স্পিকার; সংসদে বিরোধী দলের নেতা।
৬. কেবল পদমর্যাদা অনুযায়ী মন্ত্রিসভার সমমানের পদে থাকা ব্যক্তিরা।
৭. বিশেষ দূত ও কমনওয়েলথ দেশের হাইকমিশনারগণ, যারা বাংলাদেশে নিয়োগপ্রাপ্ত।
৮. প্রধান নির্বাচন কমিশনার; পরিকল্পনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান; সংসদে বিরোধী দলের ডেপুটি নেতা; সুপ্রিম কোর্টের বিচারকগণ (আপিল বিভাগ); রাষ্ট্রের রাজ্য মন্ত্রীগণ; হুইপ।

এছাড়াও,
- ওয়ারেন্ট অফ প্রেসিডেন্সে মোট ২৫টি পদক্রম রয়েছে।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

১,০৯১.
কত সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়?
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ২০০১ সালে
  4. ২০০৩ সালে
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়:

- ২০০১ সালের ২৩ অক্টোবর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়।
- এই মন্ত্রণালয়ের প্রথম মন্ত্রী ছিলেন রেদোয়ান আহমেদ।
- সর্বপ্রথম বর্তমান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ভবনে ৩ টি কক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম আরম্ভ হয়।।
- বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এই মন্ত্রণালয়ের অধীন।

এই মন্ত্রণালয়ের কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের সঠিক তালিকা তৈরি ও হালনাগাদ,সম্মানী ভাতা দেওয়া;
- মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসভিত্তিক দলিল প্রকাশ ও সংরক্ষণ;
- যুদ্ধাহত ও খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের চিকিৎসা, রেশনসহ বিভিন্ন সুবিধা প্রদান;
- মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন;
- মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ স্থান, যুদ্ধক্ষেত্র, বধ্যভূমি ও গণকবর চিহ্নিত করে সংরক্ষণ;
- মুক্তিযুদ্ধে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য দেশি-বিদেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি।

তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
১,০৯২.
কোন বিলে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সম্মতি দেবার সময়সীমা কত দিন?
  1. ক) ১৫ দিন
  2. খ) ২০ দিন
  3. গ) ২৮ দিন
  4. ঘ) ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
সংসদে গৃহীত বিল সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করার পর রাষ্ট্রপতি তাতে সম্মতি দান অথবা পুনরায় সংসদের বিবেচনার জন্য পাঠাবেন ১৫ দিনের মধ্যে। তবে কোনো বিল পুনরায় সংসদের বিবেচনার জন্য পাঠালে ফেরত আসার পর তা পাস করতে হবে ৭ দিনের মধ্যে।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১,০৯৩.
ইউনিয়ন পরিষদে সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্যদের আসনের অনুপাত কত?
  1. ৩:৪
  2. ২:৩
  3. ৩:১
  4. ৪:১
ব্যাখ্যা

ইউনিয়ন পরিষদ:
- বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সর্বনিম্ন স্তর হলো ইউনিয়ন পরিষদ।
- ১৮৭০ সালে "গ্রাম চৌকিদারী আইন" প্রবর্তনের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের ভিত্তি রচিত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯১৯ সালে "ইউনিয়ন বোর্ড” ১৯৫৯ সালে ইউনিয়ন কাউন্সিল এবং ১৯৭২ সালে "ইউনিয়ন পরিষদ” রূপান্তরিত করা হয়।
- ১৯৯৭ সালে ইউনিয়ন পরিষদের কাঠামোগত পরিবর্তন করা হয়।

⇒ প্রতিটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- বর্তমান প্রচলিত আইন অনুসারে ইউনিয়ন পরিষদ সর্বমোট ১৩ জন ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত।
- ইউনিয়ন পরিষদ ১ জন চেয়ারম্যান ও ১২ জন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে যাদের ৯ জন সাধারণ আসনের সদস্য ও ৩ জন সংরক্ষিত আসনের সদস্য হবেন।
- উল্লেখ্য যে, ৩ জন সদস্য হবেন অবশ্যই মহিলা।
- প্রতি তিন ওয়ার্ড থেকে একজন মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।
- অর্থাৎ সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্যদের আসনের অনুপাত ৩:১।
- ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর, সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ করা যায়।
- এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাপ্তাহিক কাজ সম্পাদনের জন্য একজন সচিব রয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- ইউনিয়ন পরিষদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে গ্রামীণ উন্নয়ন ব্যবস্থাকে ত্বরান্বিত করা এবং শাসন ব্যবস্থার বিকেন্দ্রীকরণ ও দায়িত্বশীলতার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

উৎস: i) সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৯৪.
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ‘পুলিশ সংস্কার কমিশন’ এর প্রধান কে?
  1. ব্যারিস্টার আমির-উল ইসলাম
  2. ড. বদিউল আলম মজুমদার
  3. সফর রাজ হোসেন
  4. ড. শরীফ ভুঁইয়া
ব্যাখ্যা
পুলিশ সংস্কার কমিশন: 
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় বাংলাদেশে গঠিত পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রধান জনাব মো. সফর রাজ হোসেন।
- তিনি একজন অভিজ্ঞ প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং সাবেক সচিব।
- তার নেতৃত্বে পুলিশ সংস্কার কমিশনটি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশমালা প্রণয়ন করে।
- কমিশন ১৮৬১ সালের পুলিশ আইন, ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি এবং ১৯৪৩ সালের পুলিশ রেগুলেশনস আধুনিকায়নের প্রস্তাব দেয়।  
- প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে। এতে বিভিন্ন প্রস্তাব, যেমন গ্রেফতার ও জিজ্ঞাসাবাদ পদ্ধতি সংস্কার, দুর্নীতির বিরুদ্ধে ওয়াচডগ কমিটি, থানা পর্যায়ে জবাবদিহিতা, এবং মানবাধিকার সুরক্ষায় সুপারিশমালা অন্তর্ভুক্ত ছিল।

সূত্র: বাসস ও প্রথম আলো।
১,০৯৫.
বাংলাদেশের অষ্টম প্রশাসনিক বিভাগ কোনটি? 
  1. খুলনা 
  2. রাজশাহী 
  3. সিলেট 
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের বিভাগসমূহ:
- বাংলাদেশ আটটি প্রধান প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত যাদের বাংলায় বিভাগ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- বাংলাদেশের ৮টি বিভাগগুলো হলো:
• ঢাকা বিভাগ,
• চট্টগ্রাম বিভাগ,
• রাজশাহী বিভাগ,
• খুলনা বিভাগ,
• সিলেট বিভাগ,
• বরিশাল বিভাগ,
• রংপুর বিভাগ,
• ময়মনসিংহ বিভাগ।

• ময়মনসিংহ বিভাগ:
- বাংলাদেশের অষ্টম প্রশাসনিক বিভাগ হলো ময়মনসিংহ।
- জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলা নিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগ গঠিত।
- ঢাকা বিভাগকে ভেঙ্গে দেশের অষ্টম বিভাগ ময়মনসিংহ বিভাগ সৃষ্টি করে।
- এই বিভাগের আয়তন ১০,৫৮৪ বর্গকিলোমিটার।
- এটি বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম বিভাগ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১,০৯৬.
নিচের কোনটি সাংবিধানিক পদ নয়?
  1. মহা-হিসাব রক্ষক
  2. চেয়ারম্যান, দুর্নীতি দমন কমিশন
  3. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
সাংবিধানিক পদ:
- সাংবিধানিক উপায়ে যে সকল প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।
- সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠা, পদের মেয়াদ, পদমর্যাদা, পদত্যাগ ও অপসারণ পদ্ধতি এবং দায়িত্ব সংবিধানে সুনির্দিষ্ট ও সুষ্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে।

সাংবিধানিক পদগুলো হলো:
• রাষ্ট্রপতি,
• স্পিকার,
• প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীগণ,
• ডিপুটি স্পিকার,
• প্রধান বিচারপতি,
• সংসদ সদস্য,
• প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার,
• মহা-হিসাব রক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
• সরকারী কর্ম-কমিশনের চেয়ারম্যান ও অন্যান্য।

অন্যদিকে -
- চেয়ারম্যান, দুর্নীতি দমন কমিশন সাংবিধানিক পদ নয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,০৯৭.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের (একাদশ জাতীয় সংসদ) উপনেতা কে?
  1. ক) শিরীন শারমিন চৌধুরী
  2. খ) আমির হোসেন আমু
  3. গ) তোফায়েল আহমেদ
  4. ঘ) সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী
ব্যাখ্যা
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী আবারও জাতীয় সংসদের উপনেতা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। সিঙ্গাপুরে অবস্থানরত রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ই-ফাইলিংয়ের মাধ্যমে সোমবার তাঁকে নিয়োগ দিয়েছেন। সংসদ সচিবালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারির প্রক্রিয়া চলছে। উৎসঃ প্রথম আলো (ফেব্রুয়ারি’১৯)
১,০৯৮.
নির্বাচন কমিশনারগণকে নিয়োগ প্রদান করেন কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা
নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- এটি সাংবিধানিকভাবে গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন কমিশনারসহ মোট পাঁচজন নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- নির্বাচন কমিশনারগণকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
- নির্বাচন কমিশনের সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সভাপতির কাজ করেন।
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। (জানুয়ারি, ২০২৫)
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারের মেয়াদ তাদের কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সরকার ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।
- নির্বাচন কমিশন সংবিধানে বর্ণিত নির্দেশনাবলি এবং দেশের নির্বাচনি আইন দ্বারা পরিচালিত হয়।
- নির্বাচন কমিশন কর্তৃক পরিচালিত নির্বাচন সমূহ,
• রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।
• জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
• সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন।
• জেলা পরিষদ নির্বাচন।
• উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।
• পৌরসভা নির্বাচন।
• ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি ও নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
১,০৯৯.
মুজিবনগর সরকারে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন কে?
  1. ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খ) খন্দকার মুশতাক আহমেদ
  3. গ) তাজউদ্দিন আহমদ
  4. ঘ) এএইচএম কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল আওয়ামী লীগের প্রধান নেতৃবৃন্দদের সমন্বয়ে অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। ১৭ এপ্রিল এই সরকার শপথ গ্রহণ করে। ১৮ এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের সদস্যদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন করা হয়।

মুজিবনগর সরকারের সদস্যবৃন্দ:

- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান : রাষ্ট্রপতি।

- সৈয়দ নজরুল ইসলাম : উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি।

- তাজউদ্দিন আহমদ : প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংস্থাপন এবং অন্যান্য যেসব বিষয় কারও ওপর ন্যস্ত হয়নি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী।

- এম মনসুর আলী : অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী।

- এএইচএম কামরুজ্জামান : স্বরাষ্ট্র, সরবরাহ, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী।

- খন্দকার মোশতাক আহমেদ : পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১,১০০.
বাংলাদেশের কোন বিভাগে সবচেয়ে কম জেলা রয়েছে?
  1. সিলেট
  2. রাজশাহী
  3. রংপুর
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে সবচেয়ে কম জেলা রয়েছে।

বাংলাদেশের বিভাগসমূহ:

- বাংলাদেশ আটটি প্রধান প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত যাদের বাংলায় বিভাগ হিসেবে অভিহিত করা হয়।

⇒ বাংলাদেশের ৮টি বিভাগে জেলার সংখ্যা:
- ঢাকা বিভাগে জেলার সংখ্যা: ১৩টি।
- চট্টগ্রাম বিভাগে জেলার সংখ্যা: ১১টি।
- খুলনা বিভাগে জেলার সংখ্যা: ১০টি।
- রাজশাহী বিভাগে জেলার সংখ্যা: ৮টি।
- রংপুর বিভাগে জেলার সংখ্যা: ৮টি।
- বরিশাল বিভাগে জেলার সংখ্যা: ৬টি।
- সিলেট বিভাগে জেলার সংখ্যা: ৪টি।
- ময়মনসিংহ বিভাগে জেলার সংখ্যা: ৪টি।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।