ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত।
- সংসদ যেকোনো নতুন আইন প্রণয়ন, প্রচলিত আইনের পরিবর্তন বা সংশোধন করতে পারে।
- কোনো নতুন আইন পাশ করতে হলে খসড়া বিলের আকারে তা সংসদে পেশ করা হয়। সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের ভোটে বিলটি গৃহীত হওয়ারপর এবং বিধি অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের পর তা' আইনে পরিণত হয়।
• জাতীয় সংসদ নির্বাহী বিভাগের কার্যক্রম তদারকি করে।
- প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যগণ সংসদের নিকট দায়ী থাকেন।
- কোনো কারণে সংসদ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনাস্থা আনলে মন্ত্রিসভা ভেঙে যায়। মুলতুবি
• জাতীয় সংসদের অনুমতি ছাড়া কোনো কর বা খাজনা আরোপ ও আদায় করা যায় না।
- সংসদ প্রতিবছর জাতীয় বাজেট পাস করে।
- অর্থমন্ত্রী বাজেটের খসড়া সংসদে উপস্থাপন করেন। সংসদ সদস্যগণ দীর্ঘ বিতর্ক ও আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সংশোধনীসহ তা পাশ করেন।
• জাতীয় সংসদের বিচারসংক্রান্ত ক্ষমতা রয়েছে। কোনো সংসদ সদস্য অসংসদীয় আচরণ করলে স্পিকার তাঁকে বহিষ্কার করতে পারেন।
- তাছাড়া সংবিধান লঙ্ঘন করলে সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে পারে এবং প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে পারে।
• সংসদ সংবিধানে উল্লিখিত নিয়মের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করতে পারে। তবে এজন্য সংসদের মোট সদস্যের কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের দরকার হয়।
• জাতীয় সংসদের সদস্যগণ সংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার এবং সংসদের বিভিন্ন কমিটির সদস্যদের নির্বাচিত করেন।
- সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্যগণও সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হয়ে থাকেন।
- এ ছাড়া সংসদ সদস্যগণ দেশের রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচন করে থাকেন।
উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।