বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আধুনিক পদার্থ ও ভূগোল সংক্রান্ত

মোট প্রশ্ন২,৪০৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আধুনিক পদার্থ ও ভূগোল সংক্রান্ত

PrepBank · পাতা ১৯ / ২৪ · ১,৮০১১,৯০০ / ২,৪০৪

১,৮০১.
HPLC এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) High pressure liquid chromatography
  2. খ) High power liquid chromatography
  3. গ) High plant liquid chromatography
  4. ঘ) High performance liquid chromatography
ব্যাখ্যা
HPLC এর পূর্ণরূপ - High performance liquid chromatography.

- হাই-পারফরম্যান্স লিকুইড ক্রোমাটোগ্রাফি (HPLC) হলো বিশ্লেষণাত্মক রসায়নের একটি কৌশল।
- কোন মিশ্রণের উপাদানগুলিকে আলাদা করতে এবং প্রতিটি উপাদানকে চিহ্নিত করতে এই পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
- তাছাড়া মিশ্রণের উপাদানগুলো পরিমাপ করতেও এটি ব্যবহৃত হয়। 
- এটি প্রাথমিকভাবে বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে একটি বিশ্লেষণাত্মক কৌশল হিসাবে আবিষ্কৃত হয়েছিল এবং প্রথমে রঙিন যৌগগুলিকে আলাদা করতে ব্যবহৃত হতো।

HPLC এর প্রধান দুইটি রূপ হচ্ছে -
1. Normal-Phase HPLC
2. Reversed-Phase HPLC


সূত্র: LibreTexts Chemistry and Chemistry Views.
১,৮০২.
টলেমি ছিলেন একজন -
  1. দার্শনিক
  2. জ্যোতির্বিদ
  3. চিকিৎসক
  4. সৈনিক
ব্যাখ্যা
টলেমি:
- টলেমি ছিলেন প্রাচীন গণিতজ্ঞ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, জ্যোতিষী, ভূগোল-বিশারদ।
- তিনি ছিলেন গ্রিক-রোমান শাসিত মিশরের অধিবাসী।
- ১৪৫ সালে বিখ্যাত বই ‘আলমাজেস্ট’-এ তিনি মহাবিশ্বের একটি মডেল দাঁড় করান। 
- তাঁর তৈরি করা মহাবিশ্বের মডেলে ধারাবাহিকভাবে পৃথিবী, চাঁদ, বুধ, শুক্র, সূর্য, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনিকে রাখা হয়েছে।
- এগুলোর কেন্দ্রে পৃথিবীকে দেখানো হয়েছে।
- তিনি ঈশ্বর বিশ্বাসী ছিলেন।
- তাঁর মডেল অনুসারে পুরোহিতরা মনে করেছিলেন যে, স্বর্গ নরক রয়েছে বাইরের গোলকের ঊর্ধ্বে।
- সেই কারণে ধর্মের সাথে তিনি সংঘাত এড়াতে সক্ষম হয়েছিলেন।
- পরবর্তী সময়ে যে সকল বিজ্ঞানীরা মনে করতেন টলেমির এই ধারণা ঠিক নয়, তাঁরা পুরোহিতদের বিরুদ্ধে দাঁড়াবার সাহস পান নি।
- এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো বিজ্ঞানী কোপার্নিকাস ।

উল্লেখ্য,
- সূর্যকে কেন্দ্র করে পৃথিবী ঘুরছে এই সত্যকে প্রমাণসহ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন গ্যালিলিও, কিন্তু তার জন্য তাকে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল।

উৎস: i) ২৩ নভেম্বর, ২০১৭, কালের কন্ঠ।
          ii) Britannica.
১,৮০৩.
সূর্যের নিকটতম গ্রহের নাম কি?
  1. ক) জুপিটার
  2. খ) ভেনাস
  3. গ) মার্কারী
  4. ঘ) মঙ্গল
ব্যাখ্যা
বুধ বা মার্কারি হলো সূর্যের নিকটতম এবং ক্ষুদ্রতম গ্রহ।
- সূর্যের নিকটতম ও ক্ষুদ্রতম গ্রহ হলো বুধ।
- সূর্য থেকে বুধ গ্রহের গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার।
- বুধ গ্রহের ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার।
- সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে বুধের সময় লাগে ৮৮ দিন।
- বুধের কোন উপগ্রহ নেই।
- বুধ গ্রহে নেই মেঘ, বৃষ্টি, বাতাস বা পানি।

- সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ হলো জুপিটার। 
- পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ হলো ভেনাস। 

সূত্র: উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ বোর্ড বই
১,৮০৪.
IC হল-
  1. ক) জার্মেনিয়া‌‌মের চিপ
  2. খ) আর্সেনাইডের চিপ
  3. গ) সিলিকনের চিপ
  4. ঘ) ম্যাঙ্গানিজের চিপ
ব্যাখ্যা
আই.সি. এর পূর্ণ নাম ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট। আই.সি. কে সিলিকন চিপ বা চিপ বলা হয়। এটি এক ধরনের মাইক্রো ইলেকট্রনিকস ডিভাইস, যাতে অনেকগুলাে ট্রানজিস্টর, ডায়ােড, রেজিস্টর, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি কম্পােনেন্ট সিলিকন চিপের উপর নির্মান করে জোড়া লাগানাে হয়। এটি দেখতে চ্যাপটা, ছােট, কালাে বা ধুসর রঙের হয়।
১,৮০৫.
জোয়ার-ভাটায় মরা কটাল কখন হয়?
  1. অমাবস্যায়
  2. সপ্তমীতে
  3. পঞ্চমীতে
  4. অষ্টমীতে
ব্যাখ্যা
জোয়ার ভাঁটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. মুখ্য জোয়ার: 
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরুপে সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

২. গৌণ জোয়ার: 
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। 

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে। 

৪. মরা কটাল: 
- চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

মরা কটাল (Neap Tide):
- অষ্টমী ও একবিংশ তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য সমান্তরাল না থেকে উভয়ই পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে।
- তখন চন্দ্রের আকর্ষণে যেখানে জোয়ার হয় সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়।
- সূর্যের আকর্ষণের কারণে চন্দ্রের দিকে পানি অধিক স্ফীত হতে পারে না।
- এই ধরনের জোয়ারকে মরা জোয়ার বা মরা কটাল (Neap Tide) বলে। 
- অষ্টমী ও একবিংশ তিথিতে জোয়ার-ভাটায় মরা কটাল হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৮০৬.
মহাকাশ গবেষণায় খাদ্য ও অক্সিজেন উৎপাদনের জন্য কোন উৎস ব্যবহার করা হয়?
  1. Fern
  2. Yeast
  3. Mucor
  4. Chlorella
ব্যাখ্যা
• মহাকাশ গবেষণায় খাদ্য ও অক্সিজেন উৎপাদনের জন্য প্রধানত Chlorella ব্যবহার করা হয়। Chlorella একটি নলাকার এককোষী শৈবাল, যা সূর্যালোকের সাহায্যে ফটোসিন্থেসিস করে খাদ্য এবং অক্সিজেন উৎপাদন করে। মহাকাশযানে দীর্ঘ সময় থাকার সময় মানুষের শ্বাসপ্রশ্বাসে সৃষ্ট কার্বন ডাইঅক্সাইড শৈবাল গ্রহণ করে অক্সিজেনে রূপান্তরিত করে, যা পরিবেশকে বিশুদ্ধ রাখে। এছাড়া, Chlorella প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেলে সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি খাদ্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে Fern, Yeast ও Mucor মহাকাশে খাদ্য ও অক্সিজেন উৎপাদনের জন্য কম ব্যবহার হয়। তাই মহাকাশ গবেষণায় Chlorella একটি কার্যকর ও পরিবেশবান্ধব উৎস হিসেবে বিবেচিত।

• শৈবাল:

- শৈবালের সত্যিকার মূল, কান্ড ও পাতা নেই, তবে ক্লোরোফিল আছে।
- শৈবাল সালোকসংশ্লেষণকারী স্বভোজী অপুষ্পক উদ্ভিদ এবং আলো ছাড়া জন্মাতে পারে না।
- শৈবালের কোষ-প্রাচীর প্রধানত সেলুলোজ নির্মিত।
- শৈবাল এককোষী এবং বহুকোষী হতে পারে।
- মহাকাশ গবেষণায় খাদ্য ও অক্সিজেন উৎপাদনের উৎস হিসেবে ক্লোরেলা উদ্ভিদ ব্যবহৃত হয়।
- ক্লোরেলা এক প্রকার সবুজ এককোষী শৈবাল যা প্রোটিন খাদ্যের আদর্শ উৎস।
- ক্লোরেলা হল ক্লোরোফাইটা বিভাগের এককোষী সবুজ শৈবালের প্রায় তেরো প্রজাতির একটি প্রজাতি।
- অন্যদিকে, ঈস্ট এবং মিউকর হলো ছত্রাক।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
১,৮০৭.
নিচের কোনটি রূপান্তরিত শিলা?
  1. কোয়ার্টজাইট
  2. কেওলিন
  3. চুনাপাথর
  4. গ্রানাইট
ব্যাখ্যা
আগ্নেয় ও পাললিক শিলা অত্যধিক চাপ, তাপ ও রাসায়নিক ক্রিয়ায় পরিবর্তিত হয়ে যে নতুন রূপ ধারণ করে তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
যেমন:
- বেলপাথরের রূপান্তরিত রূপ কোয়ার্টজাইট
- কয়লার রূপান্তরিত রূপ গ্রাফাইট
- চুনাপাথরের রূপান্তরিত রূপ মার্বেল
- গ্রানাইটের রূপান্তরিত রূপ নিস।

অন্যদিকে
- চুনাপাথর ও কেওলিন : পাললিক শিলা
- গ্রানাইট : আগ্নেয় শিলা।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১,৮০৮.
নিচের কোনটি অপ্রধান টেকটোনিক প্লেটের উদাহরণ?
  1. এন্টার্কটিক প্লেট
  2. এরাবিয়ান প্লেট
  3. প্যাসিফিক প্লেট
  4. ইউরেশিয়ান প্লেট
ব্যাখ্যা

Tectonic plates are gigantic segments or pieces of the Earth's crust and uppermost mantle that together constitute the Lithosphere. Tectonic Plates are of two types, namely oceanic crust and continental crust that differ in composition. Tectonic plates are not fixed but move above the molten mantle below them.Tectonic plates form either divergent, transform, or convergent boundaries when they come in contact. Such boundaries are highly susceptible to earthquakes and volcanic eruptions. Orogeny also takes place at such boundaries. Tectonic plates are defined as major and minor plates depending on their size. There are a total of seven major tectonic plates which cover nearly 95% of the Earth's surface.

Major Tectonic Plates By Size-
- Pacific Plate - 103,300,000 Sq Km
- North American Plate - 75,900,000 Sq Km
- Eurasian Plate - 67,800,000 Sq Km
- African Plate - 61,300,000 Sq Km
- Antarctic Plate - 60,900,000 Sq Km
- Indo-Australian Plate - 58,900,000 Sq Km
- South American Plate - 43,600,000 Sq Km

Minor Tectonic Plates By Size-
- Somali Plate - 16,700,000 Sq Km
- Nazca Plate - 15,600,000 Sq Km
- Philippine Sea Plate - 5,500,000 Sq Km
- Arabian Plate - 5,000,000 Sq Km
- Caribbean Plate - 3,300,000 Sq Km
- Scotia Plate - 1,600,000 Sq Km
সূত্র: www.worldatlas.com ওয়েবসাইট

১,৮০৯.
ল্যামার্কের লেখা বইয়ের নাম কী যেখানে তিনি বিবর্তন নিয়ে আলোচনা করেন?
  1. ন্যাচারাল হিস্ট্রি
  2. থিওরি অফ রেভোলিউশন
  3. অন দ্য অরিজিন অব স্পিসিজ
  4. ফিলােসােফিক জুওলজিক
ব্যাখ্যা
• বিবর্তন (Evolution):
- বিবর্তন বা অভিব্যক্তি হলো এমন একটি জীববৈজ্ঞানিক ধারণা যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে জীবের গাঠনিক ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের ক্রমপরির্তনকে বুঝায়।
- কোনো জীবের বংশধরদের মাঝে যে জিনরাশি ছড়িয়ে পড়ে তারাই বংশপ্রবাহে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য সৃষ্টি করে।
- ল্যামার্ক বায়োলজি’ শব্দটির প্রতিষ্ঠাতা এবং তিনি প্রথম বিবর্তন ৰা অভিব্যক্তির ওপর বিশ্লেষণী তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।
- এ বিষয়টি তিনি ১৮০৯ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর লেখা 'ফিলােসােফিক জুওলজিক' নামে একটি বইতে লিপিবদ্ধ করেন।
- সর্বপ্রথম জেনোফেন সময়ের সাথে সাথে জীবদেহের আকার পরিবর্তনের বিষয়টি সামনে আনেন।
- তারপর, এরিস্টটল বিবর্তনবাদ নিয়ে আলোচনা করেন।
- হার্বার্ট স্পেন্সার সর্বপ্রথম Evolution শব্দটি ব্যবহার করেছেন।
- ল্যামার্ক বায়োলজি’ শব্দটির প্রতিষ্ঠাতা এবং তিনি প্রথম বিবর্তন ৰা অভিব্যক্তির ওপর বিশ্লেষণী তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।
- এ বিষয়টি তিনি ১৮০৯ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর লেখা 'ফিলােসােফিক জুওলজিক' নামে একটি বইতে লিপিবদ্ধ করেন।
- জৈব বিবর্তনের জনক বলা হয় চার্লস ডারউইনকে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৮১০.
লেজার রশ্মির আবিষ্কারক কে?
  1. ওপেন হেইমার
  2. ইগর সিজরস্কি
  3. থিওডর মাইম্যান
  4. লিউয়েন হুক
ব্যাখ্যা
LASER এর পূর্ণরূপ - Light Amplification by Stimulated Emission Radiation. অর্থাৎ উত্তেজিত বিকিরণের সাহায্যে আলোক বিবর্ধক।

১৯৬০ সালে আমেরিকান পদার্থবিদ থিওডর মাইম্যান প্রথম লেজার তৈরী করেন। লেজারের বিবিধ ব্যবহারের মধ্যে রয়েছে মৃদু শল্যচিকিৎসা এবং পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব পরিমাপ করা।

Source: Britannica
১,৮১১.
আবহাওয়া ও জলবায়ুর মধ্যে প্রধান পার্থক্য কী? 
  1. আবহাওয়া দীর্ঘমেয়াদী, জলবায়ু স্বল্পমেয়াদী 
  2. আবহাওয়া স্বল্পমেয়াদী, জলবায়ু দীর্ঘমেয়াদী 
  3. আবহাওয়া ও জলবায়ুর মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই 
  4. আবহাওয়া কেবল তাপমাত্রা বোঝায়, জলবায়ু কেবল বৃষ্টিপাত বোঝায় 
ব্যাখ্যা

আবহাওয়া: 
- কোনো নির্দিষ্ট স্থানের স্বল্পকালীন সময়ের বায়ুমণ্ডলের উপাদানসমূহের অবস্থাকে বলা হয় আবহাওয়া। 
- আবহাওয়া নিয়ত পরিবর্তনশীল এবং এটি একটি ক্ষুদ্র এলাকার বায়ুমণ্ডলের স্বল্পমেয়াদী অবস্থাকে তুলে ধরে। 
- বিশ্বের প্রতিটি দেশের আবহাওয়া অফিস এ সংক্রান্ত উপাত্ত ও তথ্য প্রচার করে প্রতিদিন সরবরাহ করে। তাই আবহাওয়া সম্পর্কিত যে কোনো তথ্য সংগ্রহ করা যায় "আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্র” থেকে। 
- সাধারণত আবহাওয়া প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল বলেই প্রতিঘন্টা বা প্রতি দিনের আবহাওয়া পর্যালোচনা করে আবহাওয়ার গড় বের করা হয়। 

জলবায়ু: 
- পৃথিবীর প্রতিটি স্থানের বৈচিত্র্যময় আবহাওয়া লক্ষ্য করা যায়, সে কারণেই পৃথিবীর সকল স্থানের জলবায়ু এক রকম নয়। 
- আবহাওয়ার মত জলবায়ুরও প্রধান উপাদান হলো বায়ুর চাপ, তাপ, বায়ুপ্রবাহ, বায়ুর আর্দ্রতা, বারিপাত ইত্যাদি। 
- আর এই সব উপাদানের ক্ষেত্রে নানা রকম বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায় বিভিন্ন নিয়ামকের উপর ভিত্তি করে। 
যেমন- সমুদ্রস্রোত, বায়ুপ্রবাহের দিক, ভূ-পৃষ্ঠের উচ্চতা, অক্ষাংশ ইত্যাদি। 
- আবহাওয়া যেমন কোনো নির্দিষ্ট স্থানের বায়ুমণ্ডলের দৈনন্দিন অবস্থাকে বুঝায় তেমনি জলবায়ু হলো কোনো একটি অঞ্চলের সাধারণত ৩০-৪০ বছরের গড় আবহাওয়ার অবস্থা। 
অর্থাৎ, জলবায়ু হলো কোনো একটি অঞ্চলের অনেক বছরের বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরের সামগ্রিক গড় অবস্থা। 
- জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য হলো এটি নিয়ত পরিবর্তনশীল নয়। 
- আবহাওয়ার থেকে জলবায়ুর পার্থক্য হলো আবহাওয়া কোনো দেশ বা মহাদেশের বায়ুমণ্ডলের স্বল্পস্থায়ী অবস্থাকে বুঝায়। কিন্তু জলবায়ু বলতে কোনো দেশ বা মহাদেশের বায়ুমণ্ডলের দীর্ঘস্থায়ী অবস্থাকে বুঝায়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮১২.
৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কী বলে?
  1. কুমেরুবৃত্ত
  2. কর্কটক্রান্তি রেখা
  3. সুমেরুবৃত্ত
  4. মকরক্রান্তি রেখা
ব্যাখ্যা
সুমেরুবৃত্ত ও কুমেরুবৃত্ত: 
- উত্তর গোলার্ধে ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে সুমেরুবৃত্ত বলে।
- দক্ষিণ গোলার্ধে ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কুমেরুবৃত্ত বলে।

কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তি রেখা: 
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা এবং দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা বলে।
- বাংলাদেশের উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- এই দুটি রেখার মধ্যবর্তী অঞ্চলে সূর্যের আলো লম্বভাবে পৃথিবীতে পড়ে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,৮১৩.
কোনটি মহাবিশ্বের মৌলিক বলের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) মহাকর্ষ বল
  2. খ) তড়িৎ চৌম্বকীয় বল
  3. গ) দুর্বল নিউক্লীয় বল
  4. ঘ) ঘাত বল
ব্যাখ্যা

মহাবিশ্বের মৌলিক বলগুলো হলোঃ
১) মহাকর্ষ বল
২) তড়িৎ চৌম্বকীয় বল
৩) দুর্বল নিউক্লীয় বল
৪) সবল নিউক্লীয় বল
(উৎসঃ  ৯ম- ১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান)

১,৮১৪.
Which is the smallest planet in the solar system?
  1. ক) Mercury
  2. খ) Mars
  3. গ) Saturn
  4. ঘ) Venus
ব্যাখ্যা
সৌরজগৎ:

- সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতি।
- সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ বুধ।
- সূর্যের নিকটতম গ্রহ বুধ।
- সৌরজগতের দ্রুততম গ্রহ বুধ।
- পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ শুক্র।
- সৌরজগতের বুধ ও শুক্র গ্রহের উপগ্রহ নেই।
- সৌরজগতের শনি গ্রহের উপগ্রহ সবচেয়ে বেশি।
- বুধ ৮৮ দিনে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক যুগান্তর, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮।
১,৮১৫.
সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব প্রায় -
  1. ১০ কোটি কিলোমিটার
  2. ১৩ কোটি কিলোমিটার
  3. ১৫ কোটি কিলোমিটার
  4. ১৭ কোটি কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

পৃথিবী:
- পৃথিবীকে বলা হয় আদর্শ গ্রহ।
- কারণ একমাত্র পৃথিবী গ্রহেই উদ্ভিদ ও প্রাণীর বসবাসের উপযোগী পরিবেশ রয়েছে।
- সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার।
- পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড।
- পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮১৬.
নিচের কোনটি লেপ্টন কণা?
  1. ক) ইলেকট্রন
  2. খ) প্রোটন
  3. গ) নিউট্রন
  4. ঘ) মেসন
ব্যাখ্যা
মহাবিশ্বের বিভিন ধরনের কণা:
মহাবিশ্বের সকল কণাকে দুভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। যথা: (ক) ফার্মিওন ও (খ) বোসন।

⇒ ফার্মিওন (Fermion):
- মহাবিশ্বের সকল পদার্থ এই কণিকা দ্বারা গঠিত। এদের স্পিন 1/2.
- ফার্মিওন কণা আবার দু'রকমের (১) কোয়ার্ক ও (২) লেপ্টন।

কোয়ার্ক (Quark):
- কোয়ার্ক দিয়ে প্রোটন ও নিউট্রন গঠিত।
- দুটি আপ কোয়ার্ক ও একটি ডাউন কোয়ার্ক নিয়ে প্রোটন; এবং দুটি ডাউন ও একটি আপ কোয়ার্ক নিয়ে নিউট্রন গঠিত।
- কোয়ার্ক মূলত ৬ টি। এগুলো হলো আপ (u) ও ডাউন (d), চার্ম (c) ও স্ট্রেঞ্জ (s) এবং টপ (t) ও বটম (b)। 
- কোয়ার্ক সব সময় দলবদ্ধ অবস্থায় থাকে।
- কোয়ার্কের এক একটি দলকে বলে হ্যাড্রন (Hadron)।

- তিনটি কোয়ার্ক নিয়ে যে হ্যাড্রন গঠিত হয় তাদেরকে বলা হয় বেরিয়ন (Baryon)। যেমন- প্রোটন, নিউট্রন হলো বেরিয়ন কণা।
- একটি কোয়ার্ক ও তার এন্টিকোয়ার্ক নিয়ে যে হ্যাড্রন হয় তাদের বলা হয় মেসন (Meson )।

লেপ্টন (Lepton):
- ছয় প্রকার লেপ্টন কণিকা রয়েছে।
- তাদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ইলেকট্রন ও মিউওন। 
- ইলেকট্রনের স্পিন 1/2.
- ইলেকট্রনের বিপরীত কণা পজিট্রন।

⇒ বোসন (Boson):
- বোসন কণা পাউলির বর্জন নীতি মানে না।
- এদের স্পিন পূর্ণসংখ্যা 0, 1 ইত্যাদি। 
- স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে বোসন কণাগুলো দু'ধরনের। (i) গেজ বোসন ও (ii) হিগস বোসন

গেজ বোসন (Gauge Boson):
- এদের স্পিন হলো 1.
- ফোটন এক ধরণের গেজ বোসন কণা।
- ফোটনের নিশ্চল ভর শূন্য।

হিগস বোসন (Higgs Boson):
- হিগস বোসন এর স্পিন 0, তবে এর ভর আছে।
- হিগস বোসনই ঈশ্বর কণা (God's Particle) নামে পরিচিত।

গ্র্যাভিটন (Graviton):
- কোয়ান্টাম তত্ত্ব মতে, গ্র্যাভিটন নামক এক ধরনের বোসন কণার আদান-প্রদানের মাধ্যমে মহাকর্ষ বল কাজ করে।
- গ্র্যাভিটনের প্রতিকণা সে নিজেই এবং স্পিন 2।
- এটি ভরশূন্য এবং চার্জ নিরপেক্ষ এই কণা এখনও স্ট্যান্ডার্ড মডেলে স্থান পায়নি।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮১৭.
সমুদ্র থেকে শীতল ও উচ্চচাপ বায়ু মূলভাগের দিকে প্রবাহিত, কারণ এটি-
  1. ক) সমুদ্র বায়ু
  2. খ) মৌসুমি বায়ু
  3. গ) স্থলবায়ু
  4. ঘ) স্থানীয় বায়ু
ব্যাখ্যা
• সমুদ্র থেকে শীতল ও উচ্চচাপ বায়ু মূলভাগের দিকে প্রবাহিত, কারণ এটি সমুদ্র বায়ু।
- সূর্যাস্তের পর সমুদ্রের চেয়ে স্থলভাগ দ্রুত শীতল হয়।
- এ সময় স্থলভাগে উচ্চচাপ বিরাজ করে।
- স্থলভাগের এই উচ্চচাপ থেকে তখন বায়ু সমুদ্রের দিকে প্রবাহিত হয় এবং এই বায়ুপ্রবাহকে বলা হয় স্থলবায়ু।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮১৮.
বাংলাদেশে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের সংখ্যা কয়টি?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
• ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্ৰ:
- বাংলাদেশে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র ৪টি।

- সেগুলো হলো:
- রাঙামাটির বেতবুনিয়া (১৯৭৫),
- গাজীপুরের তালিবাবাগ (১৯৮২),
- ঢাকার মহাখালী (১৯৯৫),
- সিলেট (১৯৯৭)।

- ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ জুন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাঙামাটির বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহটি কেন্দ্রটি উদ্বোধন করেছিলেন।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাসস।
১,৮১৯.
আমরা যে গ্যালাক্সিতে বাস করি তার নাম -
  1. ক) নেবুলা
  2. খ) আকাশ গঙ্গা
  3. গ) পেলিকান নিহারীকা
  4. ঘ) কোয়াসার
ব্যাখ্যা
আমরা যে গ্যালাক্সিতে বাস করি তার নাম Milky Way বা আকাশ গঙ্গা। এই ছায়াপথে প্রায়
1011 সংখ্যক নক্ষত্র রয়েছে৷
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
১,৮২০.
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ কোনটি?
  1. ক) জাপান
  2. খ) বাংলাদেশ
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবঃ
মানবসৃষ্ট নানা রকম কাজকর্ম যা পরিবেশের ক্ষতি করছে সেগুলোই বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য দায়ী।
এই সমস্ত কার্যক্রম যেমন শিল্পায়ন, বনাঞ্চল উজাড়, পারমানবিক পরীক্ষা, কৃষির সম্প্রসারণ, যানবাহনের কালো ধোঁয়া, কাঠ-কয়লা পোড়ানো ইত্যাদি দ্বারা নির্গত কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস গ্যাসই বিশ্ব উষ্ণায়নের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝুঁকিপূর্ণ দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করছে বাংলাদেশ।
দিন দিন জলবায়ুপরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবে এদেশের প্রাকৃতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতির মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
জাতিসংঘ তার সতর্কীকরণে বলেছে পরবর্তী ৫০ বছরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৩ ফুট বাড়লে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী একটি অংশ প্লাবিত হবে এবং দেশের প্রায় ১৭ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে।
আনুমানিক ৩ কোটি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে।
উচ্চ তাপমাত্রার প্রভাবে ঘন ঘন বন্যা, ঝড়, অনাবৃষ্টি, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ইত্যাদি ঝুঁকি বাড়বে।
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলেই এশিয়ায় পানির স্বল্পতা দেখা যাবে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ১৫০ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
ইন্টারগভার্মেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেন্ট চেঞ্জ (আইপিসিসি) এর তথ্যানুযায়ী, ২০৩০ সালের পর এদেশের নদীর প্রবাহ অনেক কমে যাবে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ বই (উন্মুক্ত)।

১,৮২১.
উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম কী?
  1. ওডোমিটার
  2. স্পিডোমিটার
  3. অ্যালটিমিটার
  4. ট্যাকোমিটার
ব্যাখ্যা

- উড়োজাহাজ বা বিমানের গতি নির্ণয় করার জন্য ট্যাকোমিটার (Tachometer) নামক যন্ত্রটি ব্যবহার করা হয়। এই যন্ত্রটি মূলত বিমানের ইঞ্জিনের ঘূর্ণন গতি (RPM - Revolutions Per Minute) পরিমাপ করে যা গতি নির্ধারণে সহায়তা করে। 

বিভিন্ন পরিমাপক যন্ত্র: 
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অ্যালটিমিটার। 
- তাপ পরিমাপক যন্ত্র- ক্যালরিমিটার। 
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র- ম্যানোমিটার। 
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার। 
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার। 
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র- অডিওমিটার। 

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েসাইট।

১,৮২২.
মানুষ নিয়ে চাঁদে অবতরণকারী প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ কোনটি?
  1. অ্যাপোলো-১০
  2. অ্যাপোলো- ১১
  3. স্পুটনিক - ১
  4. স্পুটনিক - ২
ব্যাখ্যা
অ্যাপোলো-১১:
- ১৯৬৯ সালের ১৬ জুলাই মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা চাঁদের উদ্দেশ্যে অ্যাপোলো-১১ মিশন প্রেরণ করে। এই মিশনে নভোচারী ছিলো তিনজন। এটিই চাঁদে অবতরণকারী প্রথম মহাকাশযান। নভোচারী ৩ জন হলেন:
- নীল আর্মস্ট্রং
- বাজ অলড্রিন এবং
- মাইকেল কলিন্স।
- ২০ জুলাই নীল আর্মস্ট্রং ও বাজ অলড্রিন চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করেন।
- চাঁদের যে স্থানে অবতরণ করে তার নাম - শান্ত সমুদ্র।
- মাইকেল কলিন্স কমান্ড মডিউল কলম্বিয়ায় অবস্থান করছিলেন।
- ২৪ জুলাই এরা পৃথিবীতে ফিরে আসেন।

উল্লেখ্য,
- মহাশূণ্যে পাঠানো প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ হলো স্পুটনিক - ১
- জীবন্ত প্রাণী বহনকারী প্রথম উপগ্রহ স্পুটনিক - ২। লাইকা নামে কুকুর বহন করেছিল।

উৎস: প্রথম আলো, Britannica.
১,৮২৩.
'তল্লাশি ও উদ্ধার' কোনটির আওতাভুক্ত?
  1. সাড়া দান
  2. উন্নয়ন
  3. প্রতিরোধ
  4. পুনরুদ্ধার
ব্যাখ্যা
• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:
দুর্যোগ মোকাবিলার জন্যে দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন করা আবশ্যক, যা মূলত আক্রান্ত অঞ্চলের অধিবাসীদেরকে দুর্যোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে। দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে ও সংঘটনের অব্যবহিত পরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদান যেমন- সাড়াদান, পুনরুদ্ধার, প্রশমন উন্নয়ন, প্রতিরোধ, পূর্বপ্রস্তুতি কার্যক্রম সম্পাদন করা প্রয়োজন।

• সাড়াদান (Response):
- দুর্যোগের পরপরই সাড়াদান করা প্রয়োজন।
- সাড়াদান বলতে নিরাপদ স্থানে অপসারণ, তল্লাশি ও উদ্ধার, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপন এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমকে বোঝায়।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম -১০ম শ্রেনি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮২৪.
বায়ুমণ্ডলে কোন গ্যাস সর্বাধিক পরিমাণে পাওয়া যায় ?
  1. অক্সিজেন
  2. কার্বন ডাইঅক্সাইড
  3. নাইট্রোজেন
  4. হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা
শুষ্ক বাতাসে ৭৮.০৯% নাইট্রোজেন,২০.৯৫% অক্সিজেন, ০.৯৩% আর্গন, ০.০৩% কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং সামান্য পরিমাণে অন্যান্য গ্যাস থাকে।
বাতাসে এছাড়াও পরিবর্তনশীল পরিমাণ জলীয় বাষ্প রয়েছে যার গড় প্রায় ১%।

উৎস: অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান।
১,৮২৫.
কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলে বিরাজমান জীবের ভৌত ও পারিবেশগত ভিন্নতাকে বলে-
  1. প্রজাতিগত জীববৈচিত্র্য
  2. বাস্তুতান্ত্রিক জীববৈচিত্র্য
  3. জীনগত জীববৈচিত্র্য
  4. জলবায়ুগত জীববৈচিত্র্য
ব্যাখ্যা
• জীববৈচিত্র্যের প্রকারভেদ:
- জীববৈচিত্র্যকে প্রধানত তিনভাগে ভাগ করা যায়।
১. বাস্তুতান্ত্রিক জীববৈচিত্র্য: কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলে বিরাজমান জীবের ভৌত ও পারিবেশগত বিভিন্নতাকে বাস্তুতান্ত্রিক জীববৈচিত্র্য বলে। পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের জলবায়ু ও প্রাকৃতিক পরিবেশ বিরাজমান। প্রত্যেকটি বাস্তুতন্ত্রে নিজস্ব বৈশিষ্ট্যমন্ডিত বৈচিত্র্যময় জীবজগতের সৃষ্টি হয়।

২. প্রজাতিগত জীববৈচিত্র্য: ভিন্ন প্রজাতির জীবের মধ্যে যে বৈচিত্র্যতা বিদ্যমান তাকে প্রজাতিগত জীববৈচিত্র্য বলা হয়। এরূপ বৈচিত্র্য কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় বিরাজমান মোট প্রজাতির সংখ্যা দ্বারা পরিমাপিত হয়।

৩. জীনগত জীববৈচিত্র্য: উদ্ভিদ ও প্রাণির প্রতিটি সদস্যই তাদের জীনগত বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে পরস্পর আলাদা। জীবগোষ্ঠির এই জীনগত বৈশিষ্ট্য ও বৈচিত্র্যতাই জীনগত জীববৈচিত্র্য। জীনগত ভিন্নতার কারণেই আমেরিকান শ্বেতাঙ্গ ও আফ্রিকান কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের গায়ের রং, চুলের প্রকৃতি, নাক ও ঠোঁটের আকৃতি, উচ্চতা ইত্যাদির অনেক পার্থক্য বিদ্যমান।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮২৬.
একটি অণু বা পরমানুর সম্মিলিত চার্জ-
  1. ক) ধণাত্মক
  2. খ) ঋণাত্মক
  3. গ) শূন্য
  4. ঘ) অশূন্য
ব্যাখ্যা
নিউক্লিয়াসের ভেতরে ধণাত্মক চার্জ যুক্ত প্রোটন এবং এর বাইরে ঋণাত্মক চার্জ যুক্ত ইলেকট্রন থাকে বলে একটি অণু বা পরমানুর সম্মিলিত চার্জ শূন্য হয়৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
১,৮২৭.
গ্রাফাইট মূলত ____ এর একটি রুপ।
  1. ক) কার্বন
  2. খ) আর্গন
  3. গ) হ্যালোজেন
  4. ঘ) জার্মেনিয়াম
ব্যাখ্যা
কার্বন একটি অধাতু। কিন্তু কার্বন এরই অন্য একটি রুপ গ্রাফাইট যা বিদ্যুৎ পরিবাহী।
উৎসঃ সপ্তম শ্রেণীর বিজ্ঞান বোর্ড বই
১,৮২৮.
কোন গ্যাস প্রত্যক্ষভাবে ওজন স্তরকে ক্ষতি করে?
  1. ক) কার্বন মনোক্সাইড
  2. খ) কার্বন ডাইঅক্সাইড
  3. গ) ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
  4. ঘ) মিথেন
ব্যাখ্যা
• গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ ওজোন স্তরকে ক্ষতি করে কিন্তু এর মধ্যে ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (সিএফসি) গ্যাস প্রত্যক্ষভাবে ওজোন স্তরের ক্ষতি করে।
- সিএফসি এর মধ্যে CFC12 এবং CFC13 সর্বাধিক ক্ষতিকর।
- CFC12 এবং CFC13 এর কার্বন যৌগগুলো জায়মান দশায় ক্লোরিন উৎপাদন করে।
- উৎপন্ন ক্লোরিন ওজোনের সাথে বিক্রিয়া করে ওজোনের অণু ধ্বংস করে।
- এক লক্ষ ওজোনের অণু ধ্বংসের জন্য একটি ক্লোরিনের অণুই যথেষ্ট।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮২৯.
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর চাপ প্রতি বর্গ সে.মি.-এ কত?
  1. ১০ নিউটন
  2. ১১.৫ নিউটন
  3. ১০ মেট্রিক টন
  4. ৫ মেট্রিকটন
ব্যাখ্যা
- সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর চাপ প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে- ১০ নিউটন। 
- গড় সমুদ্রপৃষ্ঠীয় চাপ হচ্ছে সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় বায়ুমণ্ডলীয় চাপ। 
- পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে বায়ুমণ্ডলের শীর্ষ পর্যন্ত গড়ে ১ বর্গ সেন্টিমিটার প্রস্থচ্ছেদের বায়ুর কলামের ভর ১.০৩ কিলোগ্রাম এবং এটি ১০.১ নিউটন ওজন প্রয়োগ করে। 
- যার ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠে ১০.১নিউটন চাপের সৃষ্টি হয়। 

উৎস: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ওয়েবসাইট।
১,৮৩০.
পৃথিবীর ওপর কোন মহাজাগতিক বস্তুর আকর্ষণ জোয়ার-ভাটায় বেশি প্রভাব ফেলে?
  1. নক্ষত্র 
  2. সূর্য 
  3. চন্দ্র 
  4. সবগুলোই 
ব্যাখ্যা

জোয়ার-ভাটা: 
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাটা সংঘটিত হয়। 
- চন্দ্র অপেক্ষা সূর্য ২ কোটি ৬০ লক্ষ গুণ বড় এবং পৃথিবী অপেক্ষা সূর্য প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ বড় হলেও পৃথিবী থেকে সূর্য গড়ে প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং পৃথিবী থেকে চন্দ্র গড়ে প্রায় ৩৮.৪ লক্ষ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
- এই কারণেই পৃথিবীর ওপর চন্দ্রের আকর্ষণ ক্ষমতা সূর্য অপেক্ষা বেশি, ফলে জোয়ার-ভাটায় চন্দ্রের প্রভাব বা চাঁদের আকর্ষণ বেশি লক্ষ্য করা যায়। 

- জোয়ার ভাটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা: 
১. মুখ্য জোয়ার: 
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরূপ সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

২. গৌণ জোয়ার: 
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। 

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে। 

৪. মরা কটাল: 
- চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮৩১.
কোনটি বাস্তুতন্ত্রের জড় উপাদান?
  1. খাদক
  2. হিউমাস
  3. বিয়োজক
  4. উৎপাদক
ব্যাখ্যা
বাস্তুতন্ত্র (Ecosystem): 
- বাস্তুতন্ত্র বলতে ভূপৃষ্ঠের এমন কোনো একককে বোঝায় যেখানে জড়, খাদ্য উৎপাদনকারী সবুজ উদ্ভিদ, খাদ্যের জন্য উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল কিছু প্রাণী এবং মৃত জীবদেহকে পরিবেশে মিশিয়ে দেওয়ার জন্য অণুজীব রয়েছে এবং এসব উপাদানের মধ্যে যথাযথ আন্তঃসম্পর্ক বর্তমান। 
- জীবজগতের পুষ্টি এবং অন্যান্য শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ার বিভিন্ন উপাদানের উৎস হিসেবে মাটি, পানি ও বায়ুর প্রয়োজন হয়। 

বাস্তুতন্ত্রের উপাদানসমূহ: 
- জীব সম্প্রদায়, পরিবেশের জড় পদার্থ এবং ভৌত পরিবেশ মিলেই কোনো স্থানের বাস্তুতন্ত্র গড়ে ওঠে। 
- এই তিনটি প্রধান উপাদানের প্রত্যেকটিতে রয়েছে আবার অনেক ধরনের ছোট ছোট উপাদান এবং জীব উপাদানগুলো সবচেয়ে বৈচিত্র্যময়। 
জড় উপাদান: 
- পরিবেশের জড় পদার্থগুলো জীব উপাদানের জন্য বাসস্থান নির্মাণ করে, শ্বসনের জন্য অক্সিজেন যোগায় এবং বেশ কিছু পুষ্টি উপাদানও সরবরাহ করে। 
- বাস্তুতন্ত্রের সকল জড় উপাদানকে আবার অজৈব এবং জৈব এই দুভাগে ভাগ করা যায়। 
যেমন- 
১।  অজৈব বস্তু (Inorganic matters): 
- পানি, বায়ু, ও মাটিতে অবস্থিত খনিজ পদার্থ অর্থাৎ যেসব পদার্থ কোনো জীবদেহ থেকে আসেনি, বরং জীবের উদ্ভবের আগেই পরিবেশে ছিল, সেগুলো বাস্তুতন্ত্রের অজৈব উপাদান। 
যেমন- ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, লৌহ, নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ইত্যাদি। 

২। জৈব বস্তু (Organic matters): 
- উদ্ভিদ এবং প্রাণীর বর্জ্য পদার্থ বা এসব জীবের মৃতদেহ থেকে যেসব জড় বস্তু বাস্তুতন্ত্রে যোগ হয়, তাদের বলা হয় জৈব উপাদান। 
- এগুলো সচরাচর হিউমাস নামে পরিচিত। 
- হিউমাসের উপাদানের মধ্যে আছে ইউরিয়া, উদ্ভিদ এবং প্রাণীর বিভিন্ন কোষ, টিস্যু, অঙ্গ ইত্যাদি। 
- জৈব বস্তু উদ্ভিদের জন্য বেশি পুষ্টিকর। তাই উদ্ভিদ চাষে বেশি করে জৈব সার দিতে হয়। বহু প্রাণীও হিউমাসসমৃদ্ধ মাটি বেশি পছন্দ করে। 

ভৌত উপাদান: 
- পরিবেশে সূর্যালোকের পরিমাণ, তাপমাত্রা, বায়ুতে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ, বায়ুর চাপ এবং বায়ুপ্রবাহ, ভূপৃষ্ঠ বা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে গভীরতা (মাটির নিচে বা পানির নিচে) এবং উচ্চতা ইত্যাদি বহু উপাদান বাস্তুতন্ত্রকে নানাভাবে প্রভাবিত করে। 
- এসব উপাদান মিলে গড়ে ওঠে কোনো অঞ্চলের আবহাওয়া ও জলবায়ু। এসবই হচ্ছে কোনো বাস্তুতন্ত্রের ভৌত উপাদান। 

জীবজ উপাদান: 
- জীবকুল বাস্তুতন্ত্রের সক্রিয় উপাদান। 
- এরাই তাদের কাজের মাধ্যমে পরিবেশে বিভিন্ন পরিবর্তন আনে। 
- পরিবেশের জীবজ উপাদানগুলো প্রধানত তিন প্রকার। 
যথা- উৎপাদক, খাদক ও বিয়োজক। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৮৩২.
বিষুবীয় অঞ্চলে বস্তুর ওজন
  1. সবচেয়ে কম
  2. সবচেয়ে বেশি
  3. শূন্য
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• বিষুবীয় অঞ্চলে বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম ও মেরু অঞ্চলে বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি। 
• বিষুবীয় অঞ্চল থেকে পৃথিবীর কেন্দ্রের দূরত্ব বেশি হওয়ায় বস্তুর ওজন কম হয়ে থাকে। 
• পৃথিবীর কেন্দ্রে বস্তুর ওজন শূন্য। 

সূত্র - নিম্ন মাধ্যমিক বিজ্ঞান/মাধ্যমিক পদার্থ বিজ্ঞান, বোর্ড বই।
১,৮৩৩.
নিচের কোন ডিভাইস এসিকে ডিসিতে রূপান্তর করে?
  1. ক) ভােল্টমিটার
  2. খ) ডায়ােড
  3. গ) অ্যামিটার
  4. ঘ) ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা
যে পদ্ধতিতে পরিবর্তী প্রবাহকে (A. C.) একমুখী প্রবাহে (D. C.) পরিবর্তন করা হয় তাকে একমুখীকরণ বা রেকটিফিকেশন (rectification) বলে এবং যে বর্তনী এই কাজে ব্যবহার করা হয় তাকে বলা হয় একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার (rectifier)। জাংশন ডায়োডের বৈশিষ্ট্য থেকে জানা যায়- ডায়ােড একটা বিশেষ দিকে তড়িৎ প্রবাহ সৃষ্টি করে। কিন্তু বিপরীত দিকে কোনাে তড়িৎ প্রবাহ হয় না। জাংশন ডায়াডের এ বিশেষ ধর্মকে প্রবাহ একমুখীকরণ কাজে ব্যবহার করা হয়। (উৎসঃ ১১-১২শ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
১,৮৩৪.
সূর্যকে পরিভ্রমণের জন্য পৃথিবীর কক্ষপথটি _____।
  1. উপবৃত্তাকার
  2. বৃত্তাকার
  3. অর্ধ-বৃত্তাকার
  4. উল্লম্বাকার
ব্যাখ্যা
• বার্ষিক গতি:
- পৃথিবী আপন অক্ষের চারিদিকে ২৪ ঘণ্টায় একবার আবর্তন করার পাশাপাশি পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ও নির্দিষ্ট কক্ষপথে সূর্যের চারিদিকে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড একবার আবর্তন করে। পৃথিবীর এইরূপ আবর্তন কে বার্ষিক গতি বলে। এবং আবর্তনের সময়কে সৌরবছর বলে।
- ৩৬৫ দিনে এক বছর গণনা করা হয় বলে প্রতি চার বছরে একদিন বাড়িয়ে ৩৬৬ দিনে বছর গণনা করা হয়। সেই বছর ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিনের পরিবর্তে ২৯ দিনে ধরা হয়। 

• বার্ষিক গতির কারণসমূহ নিম্নরূপ:
১. পৃথিবীর আকার অভিগত গোলকের ন্যায়।
২. সূর্যকে পরিভ্রমণের জন্য পৃথিবীর কক্ষপথটি উপবৃত্তাকার।
৩ পৃথিবী নিজ কক্ষপথে (Orbit) ৬৬.৫° কোণে হেলে অবস্থান করছে।
৪. পৃথিবী নিজ অক্ষে (Axis) ২৩.৫° কোণে হেলে অবস্থান করছে। 

• বার্ষিক গতির ফলাফল:
- ঋতু পরিবর্তন ও
- দিন-রাত্রির হ্রাস বৃদ্ধি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৩৫.
ভূমিকম্পের ঝুঁকিপূর্ণ কোন দুটি প্লেটের সংযোগস্থলে বাংলাদেশ অবস্থিত?
  1. ইন্ডিয়ান প্লেট ও আফ্রিকান প্লেট
  2. ইন্ডিয়ান প্লেট ও অস্ট্রেলিয়ান প্লেট
  3. ইন্ডিয়ান প্লেট ও মায়ানমার প্লেট
  4. কোনোটিই সঠিক নয়
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ভূমিকম্পের ঝুঁকিপূর্ণ একটি অঞ্চলে অবস্থিত কারণ এটি ইন্ডিয়ান প্লেট ও মায়ানমার প্লেটের সংযোগস্থলে পড়ে। এই দুটি টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষ ও আন্দোলনের কারণে বাংলাদেশের উত্তরের ও পূর্বের অংশে ভূমিকম্পের সম্ভাবনা থাকে। ইন্ডিয়ান প্লেট উত্তর-পূর্ব দিকে মায়ানমার প্লেটের সাথে ধাক্কা খায়, যা ভূ-তলীয় চাপ সৃষ্টি করে এবং ফলে ভূমিকম্প হতে পারে। অন্যদিকে, আফ্রিকান ও অস্ট্রেলিয়ান প্লেট বাংলাদেশ থেকে অনেক দূরে অবস্থান করছে, তাই সেগুলো এই অঞ্চলে ভূমিকম্প সৃষ্টি করে না।
- তাই সঠিক উত্তর হলো গ) ইন্ডিয়ান প্লেট ও মায়ানমার প্লেট।


- বাংলাদেশে ভূমিকম্প হয়ে থাকে টেকটনিক প্লেটের সংঘর্ষের কারণে।
- ভূস্তরের ভূমিকম্প প্রবণ ইন্ডিয়ান প্লেট ও মায়ানমার সাব-প্লেটের মাঝখানে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- ভূ-তত্ত্ব বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ভারতীয় ও ইউরেশীয় প্লেট দু'টি (১৯৩৪ খ্রীষ্টাব্দের পর থেকে) দীর্ঘদিন ধরে হিমালয়ের পাদদেশে আটকা পড়ে আছে।
- কিন্তু বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি ভূ-তাত্ত্বিক চ্যুতি এলাকা বা ফল্ট জোন সচল অবস্থায় রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৮৩৬.
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতির উদাহরণ কোনটি? 
  1. রেডিও
  2. ক্যালকুলেটর
  3. টেলিভিশন
  4. টেপ রেকর্ডার
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি: 
- বিশেষ কোনো প্রয়োগের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত অনেকগুলি ইলেকট্রনিক্স বর্তনীকে সমষ্টিগতভাবে ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বলা হয়। 
যেমন- কম্পিউটার, টেলিভিশন, রেডিও, ইলেকট্রনিক্স ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি বহুল পরিচিত ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতির উদাহরণ। 
- বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতিসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. এনালগ পদ্ধতি (analogue system), 
২. ডিজিটাল পদ্ধতি (digital system), 
৩. মিশ্র পদ্ধতি (hybrid system) । 

এনালগ পদ্ধতি: 
- এনালগ সংকেত হলো অবিচ্ছিন্ন তড়িৎ সংকেত। 
- এনালগ সংকেত অনেকটা শব্দ তরঙ্গের মত সময়ের সাথে সাথে অবিচ্ছিন্ন ভাবে মান বাড়তে বাড়তে সর্বোচ্চ মানে পৌঁছিয়ে আবার অবিচ্ছিন্ন ভাবে কমতে কমতে সর্বনিম্ন মানে পৌঁছায়। এই সংকেতকে সাইন তরঙ্গের (sine wave) সাথে তুলনা করা যায়। 
- এনালগ পদ্ধতিতে ক্রম-পরিবর্তনশীল (analogue) সংকেতের বৈদ্যুতিক সংকেত ব্যবহার করা হয়। 
- তাপমাত্রা, চাপ, প্রবাহ হলো ক্রমাগত পরিবর্তনশীল কয়েকটি এনালগ সংকেতের উদাহরণ। এসব সংকেতকে ভোল্টেজে রূপান্তরিত করলে যে ক্রম পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক তরঙ্গ সৃষ্টি হয়, তাই হলো এনালগ সংকেতের। 
- এ ধরণের প্রক্রিয়াকরণের জন্য বিবর্ধক, ফিল্টার প্রভৃতি এনালগ বর্তনী ব্যবহার করা হয়। 
- রেডিও, টেপ রেকর্ডার, টিভি ইত্যাদি এনালগ ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতির উদাহরণ। 

ডিজিটাল পদ্ধতি: 
- ডিজিটাল সংকেত হলো বিচ্ছিন্ন তড়িৎ সংকেত। 
- এই সংকেতের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মান আছে। এই দুই মানের মাঝে অন্য কোনো স্তর নাই। সময়ের সাথে এর মান হয় সর্বোচ্চ না হয় সর্বনিম্ন মানে পরিবর্তিত হয়। এই সংকেত চৌকো তরঙ্গের (square waves)। 
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রম-পরিবর্তনশীল এনালগ সংকেতের বদলে স্তর পরিবর্তনশীল সংকেত ব্যবহার করা হয়। এই সংকেতকে ডিজিটাল বা বাইনারী (binary) সংকেত বলা হয়। 
- দুটি পৃথক অবস্থায় কাজ করে এমন যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে এই সংকেত পাওয়া যায়। 
যেমন- ট্রানজিস্টারের সচল বা অন (on) এবং অচল বা অফ (off) অবস্থা দ্বারা দুটি পৃথক অবস্থা বোঝানো সম্ভব। প্রজ্জ্বলিত বাতি এবং নির্বাপিত বাতি অথবা টেপের চৌম্বকায়িত অবস্থা বা অচৌম্বকায়িত অবস্থা দিয়ে ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব। 
- ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে 0 এবং ১ (0 and 1), সত্য এবং মিথ্যা (true and false), কিম্বা উচ্চ এবং নিম্ন (high and low) দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 
- ডিজিটাল ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতির জনপ্রিয় উদাহরণ। 

মিশ্র পদ্ধতি: 
- এনালগ ও ডিজিটাল বর্তনীর সংমিশ্রণে তৈরি পদ্ধতিকে মিশ্র ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বলে। 
- শিল্প-কারখানায় প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে, চিকিৎসা ক্ষেত্রে মিশ্র ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। 
- চাপ, তাপমাত্রা, রক্তচাপ হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া, তরল পদার্থের স্তর ইত্যাদি ক্রম-পরিবর্তনশীল বিষয় সংগৃহীত উপাত্ত এনালগ ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি গ্রহণ করে। এই উপাত্তগুলিকে ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে যথা যোগ্য সংখ্যা ও সংকেতে রূপান্তর করে পাঠ নেয়া হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৩৭.
পৃথিবী সৌরজগতের কত নম্বর গ্রহ?
  1. ক) দ্বিতীয়
  2. খ) পঞ্চম
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা
পৃথিবী সৌরজগতের ৩ নম্বর গ্রহ। চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ। পৃথিবী একমাত্র গ্রহ যার বায়ুমণ্ডলের প্রয়োজনীয় অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও তাপমাত্রা রয়েছে যা উদ্ভিদ ও জীবজন্তু বসবাসের উপযোগী। সৌরজগতের গ্রহগুলোর মধ্যে একমাত্র পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব আছে।
উৎসঃ‌ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৮৩৮.
কাকে আধুনিক ভূগোলের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
  1. আলেকজান্ডার ভন হামবোল্ট
  2. ইমানুয়েল কান্ট
  3. আরিস্টটল
  4. জেমস গ্রেগরি
ব্যাখ্যা
হুমবোল্ট ও রিটারের ধারণা: 
- আধুনিক ভূগোলের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে আলেকজান্ডার ভন হামবোল্ট এবং কার্ল রিটার—এই দুইজনকে বিবেচনা করা হয়।
- হুমবোল্ট তাঁর গ্রন্থ The Cosmos-এ প্রাকৃতিক বিশ্বের একত্ব ও পারস্পরিক নির্ভরশীলতা ব্যাখ্যা করেছেন, যা ভূগোলকে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি দিয়েছে।
- রিটার ভূগোলের মানবিক দিক বিশ্লেষণ করে আঞ্চলিক ভূগোলের ভিত্তি স্থাপন করেন।
- এ কারণে এই দুই জার্মান মনীষীকে আধুনিক ভূগোলের পথপ্রদর্শক বলা হয়।
 
সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ পরিচিতি, বি.এ/বি.এস.এস. প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৩৯.
সমুদ্রতীরে বা বিশাল মাঠে দাঁড়ালে আকাশ ও ভূমি যে বৃত্তাকার রেখায় মিলিত হয় বলে মনে হয়, তার নাম কী?
  1. নিরক্ষরেখা
  2. দ্রাঘিমারেখা
  3. সমোচ্চ রেখা
  4. দিগন্তরেখা
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর আকৃতি:
- দিগন্ত রেখার সাহায্যে বিশাল খোলা মাঠে বা সমুদ্রের তীরে দাঁড়িয়ে চারিদিকে তাকালে মনে হয় আকাশ ও ভূ-পৃষ্ঠ একটি বৃত্তাকার রেখায় মিশে গেছে।
- এ বৃত্ত রেখার নাম দিগন্তরেখা। পর্বতের উপরে বা প্লেনে যত উপরে উঠা যায়, ততই দিগন্ত রেখার পরিধি বৃদ্ধি পেলেও এর আকার বৃত্তাকার থাকে।
- পৃথিবী গোলাকৃতির না হলে এরূপ হতো না।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮৪০.
নিয়ত বায়ু সম্পর্কে কোনটি সঠিক? 
  1. শুধুমাত্র উষ্ণ অঞ্চলে থাকে
  2. স্থানীয় প্রভাব দ্বারা পরিবর্তিত হয়
  3. সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়
  4. যেকোন সময় যেকোন দিক থেকে প্রবাহিত হয়
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রকার বায়ুপ্রবাহ: 
- বায়ু সর্বদা একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু কিছু নিয়ম মেনে প্রবাহিত হয়। 
যেমন- সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নচাপ বলয়ে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু প্রবাহের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়। 
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত চার প্রকার। 
যথা- নিয়ত বায়ু, সাময়িক বায়ু, স্থানীয় বায়ু ও অনিয়মিত বায়ু। 

নিয়ত বায়ু: 
- যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলে দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে নিয়ত বায়ু বলে। 
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়। 
- এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। 
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৪১.
কাস্টম কর্মকর্তারা চোরাচালানের দ্রব্যাদি খুঁজে বের করতে ব্যবহার করেন-
  1. ক) আলফা রশ্মি
  2. খ) বিটা রশ্মি
  3. গ) গামা রশ্মি
  4. ঘ) এক্স রে
ব্যাখ্যা

• এক্স-রের গােয়েন্দা বিভাগে ব্যবহার:
- কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক লুকিয়ে রাখলে তা খুঁজে বের করতে ব্যবহার করা হয়।
- কাস্টম কর্মকর্তারা চোরাচালানের দ্রব্যাদি খুঁজে বের করতে ব্যবহার করেন। কোনাে নিষিদ্ধ পণ্য কোনো কাঠের বাক্স বা ধাতুর বাক্সে থাকলে এদের মধ্য দিয়ে এক্স-রে প্রবেশ করিয়ে তা জানা যায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, শাহজাহান তপন।

১,৮৪২.
সিটি স্ক্যান পরীক্ষায় আলোর কোন ধর্ম ব্যবহার করা হয়?
  1. বিচ্যুতি
  2. প্রতিসরণ
  3. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
  4. বিক্ষেপণ
ব্যাখ্যা
সিটিস্ক্যান (CT Scan):
- সিটিস্ক্যান এর অর্থ ((C → Computed, T→ Tomography Scan) চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটি প্রতিবিম্ব তৈরির একটি প্রক্রিয়া।
- আলোর প্রতিসরণের সাথে জ্যামিতিক হিসেবের মাধ্যমে দ্বিমাত্রিক ছবিগুলোকে ত্রিমাত্রিক করা হয়, এতে কোনো বস্তুর অবস্থান নিঁখুতভাবে নির্ণয় করা যায়।

এম.আর.আই (MRI):
- এম.আর.আই এর অর্থ হচ্ছে ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইম্যাজিং (Magnetic Resonance Imaging)।
- এম.আর.আই যন্ত্রে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে শরীরের কোনো স্থানের বা অঙ্গের বিস্তৃত প্রতিবিম্ব গঠন করা হয়।
- নিউক্লিয় চৌম্বক অনুনাদের ভৌত এবং রাসায়নিকনীতির উপর ভিত্তি করে এই যন্ত্র কাজ করে থাকে।
- এম.আর.আই হলো একটি কৌশল যা শরীরের যে কোনো অঙ্গের (পরম ও সংবেদনশীল) পরিষ্কার ও বিস্তারিত ছবি তুলতে পারে।
- এটি শরীরের যে কোনো অঙ্গের জন্য ব্যবহার করা হলেও মস্তিষ্ক, পেশি এবং টিউমার শনাক্ত করার ক্ষেত্রে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়।

ই.সি.জি (ECG):
- ইসিজি শব্দের সম্প্রসারিত অর্থ হলো ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম (Electrocariogram)। ইসিজি হলো সবচেয়ে সহজ, ব্যাথাহীন, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন একটি পরীক্ষা।
- ইসিজি বা ইলেট্রোকার্ডিওগ্রাম পরীক্ষার মাধ্যমে হৃদপিন্ডের বর্তমান ও পূর্বের সমস্যা বোঝা যায়।
- হৃদপিন্ড সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা, হৃদকম্পেনের বিকশিত হার বেশি, কম বা অনিয়মিত কিনা। শরীরের নির্দিষ্ট কোনো অঙ্গে রক্ত চলাচল সঠিক আছে কিনা তাও এর মাধ্যমে বুঝা যায়।

উৎস: মাধ্যমিক বিজ্ঞান, SSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৪৩.
নিচের কোনটি জোয়ার-ভাটা সৃষ্টির কারণ?
  1. ক) পৃথিবীর কেন্দ্রমুখী বল।
  2. খ) বৃষ্টিপাত
  3. গ) পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ বল
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

টাইড (জোয়ার-ভাটা) এর কারণ প্রধানত ২টি।
১) চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব, এবং
২) পৃথিবীর আবর্তনের ফলে উৎপন্ন কেন্দ্রাতিগ শক্তি।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৮৪৪.
বিজ্ঞানী হেনরি বেকরেল তেজস্ক্রিয় রশ্মির অস্তিত্ব প্রমাণ করেন কোন মৌল থেকে?
  1. পোলোনিয়াম
  2. ইউরোনিয়াম
  3. থোরিয়াম
  4. রেডিয়াম
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিজ্ঞানী হেনরি বেকরেল ১৮৯৬ সালে প্রথম ইউরোনিয়াম থেকে তেজস্ক্রিয় রশ্মির অস্তিত্ব প্রমাণ করেন।
পরবর্তীকালে রাদারফোর্ড, মেরি কুরি, পিয়ারে কুরি এবং অন্যান্য বিজ্ঞানীরা ব্যাপক গবেষণা চালিয়ে অন্যান্য মৌলের তেজষ্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন।

[উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি]
১,৮৪৫.
কোন ভাষা থেকে 'সাইক্লোন' শব্দটির উৎপত্তি?
  1. ক) গ্রিক
  2. খ) ল্যাটিন
  3. গ) ইংরেজি
  4. ঘ) জাপানিজ
ব্যাখ্যা
গ্রিক শব্দ ‘Kyklos’, থেকে সাইক্লোন শব্দটির উৎপত্তি।
যার অর্থ Coil of Snakes বা সাপের কুন্ডলী।
সারা বিশ্বে ঘূর্ণিঝড় বিভিন্ন নামে পরিচিত।
যেমন-চীন ও জাপানের উপকূলে টাইফুন,
দক্ষিণ এশিয়াতে সাইক্লোন,
উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকাতে হারিকেন,
দূরপ্রাচ্যের দেশগুলোতে টাইফুন, ফিলিপাইনের উপকূলে বাগুই এবং অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে উইলি উইলি বলা হয়।
বাংলাদেশে এপ্রিল-মে এবং অক্টোবর-নভেম্বর মাসে সমুদ্রে ঘূর্ণিঝড় বেশি দেখা যায়।
১৯৯১, ২০০৭ ও ২০০৯ সালের ঘূর্ণিঝড় ছিল সবচাইতে প্রলয়ংকরী।

উৎস: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।
১,৮৪৬.
কোন রশ্মির সাহায্যে ফুসফুসের ক্যান্সার নির্ণয় করা যায়?
  1. ক) বিটা রশ্মি
  2. খ) গামা রশ্মি
  3. গ) এক্সরে রশ্মি
  4. ঘ) আলফা রশ্মি
ব্যাখ্যা
এক্সরে রশ্মি
- এক্সরে হলো এক ধরনের তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ। 
- এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সাধারণ আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক কম। 
- এই রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 10-10 m এর কাছাকাছি। 
- ১৮৯৫ সালে রন্টজেন এক্সরে আবিস্কার করেন। 
- এক্সরে রঞ্জনরশ্মি নামেও পরিচিত। 

- চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক্সরের অবদান নিচে বর্ণনা করা হল- 
১. স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙে যাওয়া হাড় ইত্যাদি এক্সরের সাহায্যে খুব সহজেই সনাক্ত করা যায়। 
২. মুখমন্ডলীর যে কোনো ধরনের রোগ নির্ণয়ে এক্সরের ব্যবহার অনেক যেমন- দাঁতের গোড়ায় ঘা এবং ক্ষয় নির্ণয়ে এক্সরে ব্যবহৃত হয়। 
৩. পেটের এক্সরের সাহায্যে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা সনাক্ত করা যায়। 
৪. এক্সরের সাহায্যে পিত্ত থলি ও কিডনির পাথরকে সনাক্ত করা যায়। 
৫. বুকের এক্সরের সাহায্যে ফুসফুসের রোগ যেমন- যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ফুসফুসের ক্যান্সার ইত্যাদি নির্ণয় করা যায়। 
৬. চিকিৎসার কাজেও এক্সরে ব্যবহার করা যায়। এটি ক্যান্সার কোষকে মেরে ফেলতে পারে। রেডিওথেরাপি প্রয়োগ করে ক্যান্সারের চিকিৎসা করা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৪৭.
পৃথিবীর বারিমণ্ডলের জলরাশির শতকরা কতভাগ জল নদী ধারণ করে?
  1. ০.০০১%
  2. ০.০০০১%
  3. ০.০১%
  4. ০.০০০০১%
ব্যাখ্যা
বারিমণ্ডলের জলের পরিমাণ ভিত্তিক বন্টনঃ
• সমুদ্র (৯৭.২৫%),
• হিমবাহ (২.০৫%),
• ভূগর্ভস্থ পানি (০.৬৮%),
• হৃদ (০.০১%),
• মাটির আর্দ্রতা (০.০০৫%),
• বায়ুমণ্ডল (০.০০১%),
• নদী(০.০০০১%),
• জীবমণ্ডল (০.০০০০৪%)।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৮৪৮.
কোন পদার্থের বর্জ্য শহরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি ও নদীর নাব্যতা কমানোর জন্য বহুলাংশে দায়ী?
  1. ক) অ্যালুমিনিয়াম
  2. খ) প্লাস্টিক
  3. গ) কাঁচ
  4. ঘ) পেপার
ব্যাখ্যা
প্লাস্টিকের বর্জ্য শহরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি ও নদীর নাব্যতা কমানোর জন্য বহুলাংশে দায়ী।
- দামে সস্তা ও সহজলভ্য হওয়ায় বর্তমানে প্লাস্টিক পণ্যের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
- বাস্তবতা হল প্লাস্টিক সামগ্রী পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ।
- পরিত্যক্ত প্লাস্টিক বর্জ্য অনুজীব দ্বারা আক্রান্ত হয় না বলে অপরিবর্তিত অবস্থায় বছরের পর বছর ধরে মাটিতে থেকে যায়।
- ফলে বর্জ্য প্লাস্টিক মাটির উর্বরতা নষ্ট করে, নদীর নিচে তলানী হিসেবে জমা হয়ে নদীর নাব্যতা কমিয়ে দেয়, জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় ও পানি দূষণ ঘটায়।
- তাই বলা যায় ব্যবহার অনুপোযোগী প্লাস্টিক পরিবেশের জন্য খুবই ক্ষতিকর। 

উৎস: রসায়ন-২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৪৯.
অর্ধপরিবাহীর কোন বৈশিষ্ট্যটি সত্য নয়?
  1. তড়িৎ পরিবাহিতা অপরিবাহী ও পরিবাহীর মাঝামাঝি থাকে।
  2. পরম শূন্য তাপমাত্রায় এরা অন্তরকের ন্যায় কাজ করে।
  3. অর্ধপরিবাহীর সাথে অপদ্রব্য যোগে এর তড়িৎ পরিবাহিতা হ্রাস পায়।
  4. সিলিকন একটি অর্ধপরিবাহী পদার্থ।
ব্যাখ্যা
অর্ধপরিবাহী: 
- যে সকল পদার্থের তড়িৎ পরিবাহিতা অপরিবাহী ও পরিবাহীর মাঝামাঝি সেসব পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। 
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন, গেলিয়াম ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী পদার্থ। 
- অর্ধপরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ পরিবাহী এবং অন্ধ্রকের আপেক্ষিক রোধের মাঝামাঝি। এদের আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm থেকে 10-2 Ωm ক্রমের। 
- কিন্তু কেবল আপেক্ষিক রোধ দিয়েই অর্ধপরিবাহী চিহ্নিত করা যায় না। কেননা এমন কিছু সংকর ধাতু ও আছে যাদের আপেক্ষিক রোধ জার্মেনিয়াম, সিলিকন প্রভৃতির সমক্রমের কিন্তু এগুলো অর্ধপরিবাহী নয়। 

অর্ধপরিবাহীর বৈশিষ্ট্য: 
১। পরম শূন্য তাপমাত্রায় (0 K) এরা অন্তরকের ন্যায় কাজ করে। 
২। কক্ষ তাপমাত্রায় সাধারণত আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm থেকে 10-2 Ωm  এর মধ্যে থাকে। 
৩। অর্ধপরিবাহীর সাথে কোনো অপদ্রব্য যোগ করলে এর তড়িৎ পরিবাহিতা বৃদ্ধি পায়। 
৪ । একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার পোঁছা পর্যন্ত এর রোধ তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে হ্রাস পায়। 
৫। এদের পরিবহন ব্যান্ড ও যোজন ব্যান্ডের মধ্যে শক্তি পার্থক্য 1.1 eV বা এর চেয়ে কম। 
৬। কক্ষ তাপমাত্রায় অর্ধপরিবাহীর পরিবহন ব্যান্ড আংশিক পূর্ণ ও যোজন ব্যান্ড আংশিক খালি থাকে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৫০.
ভাঙ্গা হাড় নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয় -
  1. গামা রশ্মি
  2. আলফা রশ্মি
  3. বিটা রশ্মি
  4. রঞ্জন রশ্মি
ব্যাখ্যা
এক্সরে (রঞ্জন রশ্মি): 
- জার্মান পদার্থবিদ উইলহেলম রন্টজেন এক্স-রশ্মি আবিষ্কার করেন। 
- ১৮৯৫ সালে এক্স-রশ্মি আবিষ্কৃত হয়। 
- এক্স-রশ্মি আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানী রন্টজেন 1901 সালে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন। 
- এটি একটি তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ। 
- এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10-8 m থেকে 10-13 m পর্যন্ত। 
- এক্স-রশ্মি উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন। 

এক্সরে এর ব্যবহার: 
- হীরক সনাক্তকরণ, 
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে দাগ বা ফাটল শনাক্ত করা
- শরীরের ভিতরের কোন বস্তুর বা ফুসফুসে কোন ক্ষতের অবস্থান নির্ণয়, 
- গোয়েন্দা বিভাগে কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক রাখলে তা খুঁজে বের করতে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৫১.
নিচের কোন বায়ুকে বাণিজ্য বায়ু বলা হয়? 
  1. পশ্চিমা বায়ু
  2. মেরু বায়ু
  3. অয়ন বায়ু
  4. স্থানীয় বায়ু
ব্যাখ্যা

বায়ুপ্রবাহ: 
- বায়ু সর্বদা একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু কিছু নিয়ম মেনে প্রবাহিত হয়। 
যেমন- সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নচাপ বলয়ে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু প্রবাহের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়। 
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত চার প্রকার। যথা- নিয়ত বায়ু, সাময়িক বায়ু, স্থানীয় বায়ু ও অনিয়মিত বায়ু। 

নিয়ত বায়ু: 
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়। 
- এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। 
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু। 

অয়ন বায়ু: 
- বিষুবীয় অঞ্চলে সূর্যকিরণ লম্বভাবে পতিত হয় বলে বায়ুর চাপ কম থাকে তাতে বায়ু উপরে উঠে ছড়িয়ে যায়। এই বায়ু ক্রমাগত শীতল হয়ে নিচে নামতে না পেরে উত্তর ও দক্ষিণে ছড়িয়ে যায়। 
- প্রায় ৩০০ অক্ষাংশ বরাবর এই বায়ু নিচে নেমে তা আবার বিষুবীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়। 
- ফেরেলের সূত্রানুযায়ী উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে এই বায়ু প্রবাহিত হয়, এই বায়ুকেই বলা হয় অয়ন বায়ু। 
- উত্তর গোলার্ধের অয়ন বায়ুকে উত্তর-পূর্ব অয়ন বায়ু ও দক্ষিণ গোলার্ধের অয়ন বায়ুকে দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু বলা হয়। 
- প্রাচীনকালে বাণিজ্য জাহাজগুলো এই বায়ুপ্রবাহ অনুসরণ করতো বলে একে বাণিজ্য বায়ুও বলা হয়। 
- সাধারণত উচ্চচাপ সম্পন্ন এলাকায় অয়ন বায়ু প্রবাহিত হয় বলেই এইসব স্থানে আবহাওয়া উষ্ণ, শুষ্ক ও মেঘমুক্ত প্রকৃতির হয়। 
- পৃথিবীর বড় বড় মরুভূমি যেমন-সাহারা, কালাহারি মরুভূমিতে এই বায়ুপ্রবাহের প্রভাব দেখা যায়। 
- উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নিরক্ষরেখার কাছাকাছি এসে অত্যধিক তাপে হালকা বায়ু হিসাবে উপরে উঠে যায়। এই সময় নিরক্ষীয় রেখার উভয় দিকে ৫০ অক্ষাংশ পর্যন্ত একটি শান্ত বলয় তৈরি হয় যার নাম নিরক্ষীয় শান্ত বলয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮৫২.
যখন চাঁদ ও সূর্যের মাঝখানে পৃথিবী অবস্থান করে তখন নিচের কোনটি সংঘটিত হয়?
  1. সূর্যগ্রহণ
  2. চন্দ্ৰগ্ৰহণ
  3. অমাবস্যা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
চন্দ্ৰগ্ৰহণ: 
- যখন চাঁদ আর সূর্যের মাঝখানে পৃথিবীর অবস্থান থাকে তখন চন্দ্রগ্রহণ হয়। 
- পৃথিবী তখন আলোর উৎস বন্ধ করে দেয়। 
- চন্দ্রগ্রহণের সময় আমরা দেখি চাঁদের পিঠে পৃথিবীর ছায়া। 

সূর্যগ্রহণ: 
- যখন সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে চাঁদ অবস্থান করে তখন হয় সূর্যগ্রহণ। 
- চাঁদ যখন পৃথিবীর কক্ষপথে ঘোরে, তখন তার প্রদক্ষিণ করার পথে কখনও কখনও সে এসে পড়ে সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝখানে। 
- তখন সূর্য থেকে আলোর বিচ্ছুরণ বাধাগ্রস্ত হয় এবং সূর্যের গ্রহণ ঘটে। 
- অন্যভাবে বললে বলা যায়, চাঁদ এই সময় পৃথিবীকে তার ছায়ায় ঢেকে ফেলে। 

অমাবস্যা: 
- চাঁদ ও পৃথিবী আবর্তনকালে যখন চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থান করে। 
- চাঁদের অবস্থান হয় পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে, সেই অবস্থাকে বলে অমাবস্যা। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিবিসি বাংলা [লিঙ্ক]।
১,৮৫৩.
কীসের স্রোতে নদীখাত গভীর হয়?
  1. সমুদ্রস্রোত
  2. নদীস্রোত
  3. বানের স্রোত
  4. জোয়ার-ভাঁটার স্রোত
ব্যাখ্যা
নদীখাত (Channel): 
- নদীখাত হল প্রবাহিত পানির শক্তির ফলে গঠিত একটি সরু বা চওড়া, গভীর বা অগভীর, সোজা বা বাঁকা সুষম ঢাল বিশিষ্ট প্রাকৃতিক পথ যার মধ্য দিয়ে ধীর বা প্রবলবেগে সারা বছর বা স্বল্প সময়ে পানি প্রবাহিত হয়। 
- জোয়ার-ভাঁটার ফলে সৃষ্ট স্রোতের সাহায্যে এই নদীখাত গভীর হয়। 
- গঠনপ্রকৃতি ভেদে নদীখাত বা প্রণালী তিন ধরনের হতে পারে। 
যথা- 
ক) নদী গর্ভ, 
খ) সমুদ্রের প্রশস্ত দুটি অংশকে সংযোগকারী দুপাশ থেকে ভূখন্ড দিয়ে আবদ্ধ সমুদ্রের তুলনামূলক সরু অংশবিশেষ এবং 
গ) উপসাগরের নৌচলাচলযোগ্য গভীর অংশ, পোতাশ্রয় ইত্যাদি। 

- প্রথম ধরনের প্রণালী সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশে বিস্তর দেখা যায়। 
- উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের নদী প্রণালীকে বিভিন্ন ভিত্তিতে শ্রেণিবিভাগ করা যায়। 
যেমন- জালিকার অঙ্গসংস্থানিক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত, নদীগর্ভ ও তীরের বৈশিষ্ট্যগত সম্পর্ক, পাললিক ও জলজ প্রক্রিয়া, অঙ্গসংস্থান প্রণালী বা এর ধারা, অথবা প্রণালীর স্থিতিশীলতা। 
- নদীখাত বা প্রণালী বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভর করে বাংলাদেশের নদীগুলিকে তিন শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
ক) সর্পিল (পদ্মা ও মেঘনা সর্পিলাকার), 
খ) চরোৎপাদী (যমুনা হলো চরোৎপাদী) এবং 
গ) বিন্ধনি নদী (বদ্বীপ সৃষ্টিকারী নদীর মোহনা)। 
- বাংলাদেশের কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপকূলবর্তী নদীখাত বা প্রণালী হলো- মহেশখালী, কুতুবদিয়া, হাতিয়া, তেঁতুলিয়া এবং সন্দ্বীপ। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং জাগোনিউজ।
১,৮৫৪.
চারদিকে স্থলবেষ্টিত জলভাগকে কী বলা হয়?
  1. হ্রদ
  2. নদী
  3. উপসাগর
  4. সাগর
ব্যাখ্যা
মহাসাগর: 
- বারিমণ্ডলের উন্মুক্ত বিস্তীর্ণ বিশাল লবণাক্ত জলরাশিকে মহাসাগর (Ocean) বলে। 
- পৃথিবীতে পাঁচটি মহাসাগর রয়েছে। যেমন- প্রশান্ত মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর, ভারত মহাসাগর, উত্তর মহাসাগর এবং দক্ষিণ মহাসাগর। 
- এর মধ্যে প্রশান্ত মহাসাগর বৃহত্তম ও গভীরতম। 
- আটলান্টিক মহাসাগর ভগ্ন উপকূলবিশিষ্ট এবং এটি অনেক আবদ্ধ সাগরের (Enclosed sea) সৃষ্টি করেছে। 
- ভারত মহাসাগর এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশ দ্বারা পরিবেষ্টিত। 
- ৬০° দক্ষিণ অক্ষাংশ থেকে এন্টার্কটিকার হিমভাগ পর্যন্ত দক্ষিণ মহাসাগরের অবস্থান। দক্ষিণ মহাসাগরের দক্ষিণে এন্টার্কটিকা মহাদেশ বছরের সকল সময় বরফে আচ্ছন্ন থাকে। 
- উত্তর গোলার্ধের উত্তর প্রান্তে উত্তর মহাসাগর অবস্থিত এবং এর চারদিক স্থলবেষ্টিত। 

সাগর: 
- মহাসাগর অপেক্ষা স্বল্প আয়তনবিশিষ্ট জলরাশিকে সাগর (Sea) বলে। 
যথা- ভূমধ্যসাগর, লোহিত সাগর, ক্যরিবিয়ান সাগর, জাপান সাগর ইত্যাদি। 

উপসাগর: 
- তিনদিকে স্থলভাগ দ্বারা পরিবেষ্টিত এবং একদিকে জল তাকে উপসাগর (Bay) বলে। 
যথা- বঙ্গোপসাগর, পারস্য উপসাগর ও মেক্সিকো উপসাগর ইত্যাদি। 

হ্রদ: 
- চারদিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত জলভাগকে হ্রদ (Lake) বলে। 
যথা- রাশিয়ার বৈকাল হ্রদ, আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্তে অবস্থিত সুপিরিয়র হ্রদ ও আফ্রিকার ভিক্টোরিয়া হ্রদ ইত্যাদি। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৮৫৫.
জলবায়ু কী?
  1. শুধুমাত্র বাতাসের আর্দ্রতা
  2. শুধুমাত্র বৃষ্টিপাতের পরিমাণ
  3. কোনো স্থানের বহু বছরের আবহাওয়ার গড় ফল
  4. স্বল্প সময়ের জন্য বায়ুর অবস্থার সামগ্রিক চিত্র
ব্যাখ্যা

- জলবায়ু (Climate) বলতে সাধারণত একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের দীর্ঘ সময়ের (সাধারণত ৩০ বছর বা তার বেশি) আবহাওয়ার গড় অবস্থাকে বোঝায়। এটি তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত, আর্দ্রতা এবং বায়ুপ্রবাহের মতো আবহাওয়ার উপাদানগুলোর দীর্ঘমেয়াদী প্রবণতা এবং গড় অবস্থাকে অন্তর্ভুক্ত করে। 

আবহাওয়া: 

- আবহাওয়া বলতে স্বল্প সময়ের জন্য কোনো নির্দিষ্ট স্থানের বায়ুমণ্ডলের অবস্থাকে বোঝায়। 
- বায়ুর তাপমাত্রা, চাপ, বায়ু কোন দিক থেকে কত জোরে প্রবাহিত হচ্ছে, বায়ুর আর্দ্রতা বা বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ, মেঘ, কুয়াশা ও বৃষ্টিপাত- এই অবস্থাগুলোকে একত্রে আবহাওয়া বলা হয়। 
যেমন- কোনো দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বোঝা যায় আবহাওয়া বেশ গরম, আবার কোনো দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বোঝা যায় আবহাওয়া বেশ ঠান্ডা। আবার আকাশ মেঘলা অথবা কুয়াশাচ্ছন্ন- এরকম অবস্থাও স্বল্প সময়ের আবহাওয়া নির্দেশ করে। 

জলবায়ু: 
- জলবায়ু সহসা বদলায় না, জলবায়ু হলো কোনো স্থানের অনেক বছরের আবহাওয়ার একটি সামগ্রিক বা গড় ফল। 
যেমন- বাংলাদেশের জলবায়ু উষ্ণ ও আর্দ্র- থেকে বোঝা যায় বাংলাদেশে বেশ গরম পড়ে এবং বায়ু ভেজা বা আর্দ্র থাকে। আবার রাশিয়ার জলবায়ু শীতপ্রধান; এ থেকে বুঝা যায় রাশিয়ায় সাধারণত খুব শীত পড়ে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

১,৮৫৬.
মহাবিশ্বের নক্ষত্রগুলোকে আলোর তীব্রতা অনুসারে কোন কোন বর্নে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ক) লাল, সবুজ,বেগুনি
  2. খ) লাল, হলুদ, সবুজ
  3. গ) লাল, নীল, বেগুনি
  4. ঘ) লাল, হলুদ, নীল
ব্যাখ্যা
নক্ষত্রগুলোর প্রত্যেকে এক একটি জলন্ত গ্যাসপিণ্ড বলে এদের সবারই আলো ও উত্তাপ রয়েছে।
মহাবিশ্বের নক্ষত্রগুলোকে তাদের আলোর তীব্রতা অনুসারে লাল, হলুদ, নীল এই তিন বর্নে ভাগ করা হয়েছে। অতি বৃহৎ নক্ষত্রের রং লাল, মাঝারি নক্ষত্রের রং হলুদ এবং ছোট নক্ষত্রের রং নীল হয়ে থাকে।
উৎসঃ ৮ম শ্রেণি, বিজ্ঞান।
১,৮৫৭.
রেলওয়ে ইঞ্জিন কে আবিষ্কার করেন?
  1. জেমস ওয়াট
  2. নিকলাস অটো
  3. জেমস হ্যারিসন
  4. স্টিফেনসন
ব্যাখ্যা
• স্টিফেনসন (George Stephenson):
- তিনি  প্রথম কার্যকর বাষ্পচালিত রেল ইঞ্জিন তৈরি করেন। 
- এরপর ১৮২৫ সালে "Locomotion No.1" এবং ১৮২৯ সালে "The Rocket"  যা ছিল তৎকালীন সময়ের সবচেয়ে উন্নত রেল ইঞ্জিন।
- তাঁকে “রেলওয়ের জনক (Father of Railways)” বলা হয়।

অন্যদিকে,
- নিকলাস অটো: তিনি অটো ইঞ্জিন বা আভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিন (Internal Combustion Engine) উদ্ভাবন করেন।
- জেমস ওয়াট: তিনি বাষ্প ইঞ্জিন (Steam Engine) উন্নত করেন।
- জেমস হ্যারিসন: তিনি ফ্রিজিং সিস্টেম বা রেফ্রিজারেশন প্রযুক্তিতে কাজ করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৮৫৮.
ডায়োড হচ্ছে -
  1. ক) এক ধরনের ভ্যাকুয়াম টিউব
  2. খ) p ও n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর তৈরি জাংশন
  3. গ) npn ও pnp ট্রানজিস্টর দিয়ে তৈরি ডিভাইস
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
p ও n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর তৈরি জাংশনকে বলে ডায়োড।
১,৮৫৯.
ভূমিকম্পের তরঙ্গ প্রধানত কয় প্রকার?
  1. ৫ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ২ প্রকার
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প তরঙ্গ:

• ভূমিকম্পের তরঙ্গগুলো ভূ-অভ্যন্তরে ভূ-কম্পন তরঙ্গের মূল উৎস যা কেন্দ্র হতে সবদিকে সমভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
• ভূমিকম্পের তরঙ্গ প্রধানত তিন প্রকার। যথা-
১. প্রাথমিক তরঙ্গ;
২. গৌণ তরঙ্গ বা দ্বিতীয় তরঙ্গ এবং
৩. পৃষ্ঠ তরঙ্গ। 


• প্রাথমিক তরঙ্গ (Primary Wave):
সংক্ষেপে প্রাথমিক তরঙ্গকে P Wave বা P তরঙ্গ বলে। সর্বপ্রথম P তরঙ্গ ভূমিকম্প কেন্দ্র হতে ভূ-কম্পলেখ যন্ত্রে এসে পৌঁছে বলে একে প্রাথমিক তরঙ্গ বলে। এটি মাটির মধ্য দিয়ে সোজা পথে গমন করে এবং তরঙ্গের গতিবেগ ঘনত্বের সাথে সমানুপাতিক। মহাদেশীয় ভূ-ত্বকের উপরিভাগে এর গতিবেগ ৬.১ কি.মি/সেকেন্ড, মহাদেশীয় ভূ-ত্বকের নিম্নভাগে এর গতিবেগ ৬.৯ কি.মি/সেকেন্ড এবং সামুদ্রিক ভূ-ত্বকে এর গতিবেগ ৮ কি.মি/সেকেন্ড। অপরদিকে পৃথিবীর কেন্দ্রে অর্থাৎ ম্যান্টল এ এর গতিবেগ ১১ কি.মি/সেকেন্ড। প্রাথমিক তরঙ্গ সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে বস্তুকে আন্দোলিত করে এবং শিলায় সামান্য পরিমাণে স্থান পরিবর্তন হয়।

• গৌণ তরঙ্গ (Secondary Wave): গৌণ তরঙ্গকে S Wave বা দ্বিতীয় পর্যায়ের তরঙ্গ বলে। প্রাথমিক তরঙ্গের পরে দ্বিতীয় পর্যায়ের তরঙ্গ ভূমিকম্প তরঙ্গ কেন্দ্র হতে ভূ-কম্পলেখ যন্ত্রে এসে পৌঁছে। প্রাথমিক তরঙ্গ হতে এর পার্থক্য হলো এটি প্রাথমিক তরঙ্গের তুলনায় ধীরগতি সম্পন্ন এবং এটি তরল মাধ্যমের মধ্য দিয়ে যেতে পারে না। S তরঙ্গ বস্তুকে সামনে পিছনে সমকোণে দোলাতে থাকে এবং দালানের কাঠামোর জন্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতির কারণ হয়।

• পৃষ্ঠ তরঙ্গ (Surface Wave): পৃষ্ঠ তরঙ্গকে দীর্ঘ তরঙ্গ বা Long Wave বলে। এই তরঙ্গ সবচেয়ে কম গতিবেগ সম্পন্ন। Long Wave বা পৃষ্ঠ তরঙ্গের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে পৃষ্ঠ তরঙ্গ শুধুমাত্র পৃথিবীর উপরিভাগ বা বহিরাবরণ দিয়ে চলতে পারে। এর গতিবেগ অত্যন্ত কম মাত্র ৪.৮-৬.২ কি.মি/সেকেন্ড। এই তরঙ্গও গৌণ তরঙ্গ বা S তরঙ্গের ন্যায় তরল মাধ্যমে চলাচল করতে পারে না।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৬০.
সূর্য কী?
  1. একটি নক্ষত্র
  2. একটি গ্রহ
  3. একটি উপগ্রহ
  4. একটি ধূমকেতু
ব্যাখ্যা

সূর্য (Sun): 
- সূর্য একটি নক্ষত্র। 
- সূর্যের পৃষ্ঠের উত্তাপ প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস। 
- এটি হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড। 
- হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। 
- এটি মাঝারি আকারের হলুদ বর্ণের। 
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার। 
- পৃথিবী থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। 
- সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে। 
- আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড। 
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টোরাই। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৮৬১.
কোন পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে?
  1. ক) সমুদ্রের পানিতে
  2. খ) ঝরনার পানিতে
  3. গ) পুকুরের পানিতে
  4. ঘ) টিউবওয়েলের পানিতে
ব্যাখ্যা

আবদ্ধ পানির চেয়ে চলমান পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি থাকে।
এবং, সাগরের পানির চেয়ে মিঠা পানিতে অক্সিজেন বেশি থাকে।
Rapidly moving water, such as in a mountain stream or large river, tends to contain a lot of dissolved oxygen, whereas stagnant water contains less.
Source: USGS and others.

১,৮৬২.
আবহাওয়া সংক্রান্ত বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠান কোনটি? 
  1. ক) WMO
  2. খ) WHO
  3. গ) ICDDR 
  4. ঘ) CDC
ব্যাখ্যা
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা ( World Meteorological Organization -WMO):
এটি ১৯১ সদস্য রাষ্ট্র ও রাজ্যেগুলোর আন্তঃসরকারি প্রতিষ্ঠানের একটি সদস্যপদ। ১৮৭৩ সালে,আন্তর্জাতিক আবহাওয়া সংস্থা থেকে এর উত্‍পত্তি হয়। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা ১৯৫০ সালের ২৩ মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয়।
১,৮৬৩.
মহাবিশ্বের বয়স প্রায়-
  1. ১২ বিলিয়ন বছর
  2. ১৪ বিলিয়ন বছর
  3. ১৭ বিলিয়ন বছর
  4. ১১ বিলিয়ন বছর
ব্যাখ্যা

- মহাবিশ্বের বয়স ১৩.৭ বিলিয়ন প্রায় ১৪ বিলিয়ন বছর। 
- আমাদের সৌরজগৎ ৪.৬ বিলিয়ন বছর, পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব প্রায় ৩.৮ বিলিয়ন বছর ধরে, এবং মানুষ মাত্র কয়েক লক্ষ বছর ধরে অস্তিত্বে রয়েছে।
- অন্য কথায়, মহাবিশ্ব আমাদের প্রজাতির চেয়ে প্রায় ৫৬,০০০ গুণ বেশি সময় ধরে অস্তিত্বে রয়েছে।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট [লিংক]।

১,৮৬৪.
স্পারসো কী?
  1. ক) ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র
  2. খ) মহাকাশ গবেষণাকারী বেসরকারি সংস্থা
  3. গ) একটি আধুনিক মহাকাশ প্রযুক্তি
  4. ঘ) মহাকাশ গবেষণাকারী স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা
ব্যাখ্যা
- স্পারসো (Space Research and Remote Sensing Organisation-SPARRSO)  মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান।
- এটি বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যা দেশের মহাকাশ বিজ্ঞান এবং দূর অনুধাবন প্রযুক্তি গবেষণার সঙ্গে জড়িত।
- পরমাণু শক্তি কেন্দ্র, ঢাকা-র ক্যাম্পাসে ১৯৬৮ সালে একটি অটোমেটিক পিকচার ট্রান্সমিশন-এপিটি (Automatic Picture Transmission-APT) গ্রাউন্ড স্টেশন স্থাপনার মাধ্যমে বাংলাদেশ মহাকাশ প্রযুক্তির জগতে প্রবেশ করে। 
- এই গ্রাউন্ড স্টেশনের মাধ্যমে আবহাওয়া উপগ্রহ থেকে সরাসরি প্রকৃত আবহাওয়া চিত্র লাভ করা হতো।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৮৬৫.
আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা হিসাবে চিহ্নিত কোনটি?
  1. ৯০° দ্রাঘিমারেখা
  2. ১২০° দ্রাঘিমারেখা
  3. ১৬০° দ্রাঘিমারেখা
  4. ১৮০° দ্রাঘিমারেখা
ব্যাখ্যা

১৮০° দ্রাঘিমারেখা:
- যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে দ্রাঘিমাংশ প্রকাশ করা হয়, তাকে দ্রাঘিমারেখা বলে।
- পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু সংযোগকারী কাল্পনিক রেখাসমূহ দ্রাঘিমারেখা।
- যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের নিকটবর্তী গ্রীনিচ নামক স্থানে একটি মান মন্দির বরাবর যে দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে, তাকে মূল দ্রাঘিমারেখা বা মূল মধ্যরেখা বলা হয়।
- এই মূল মধ্যরেখাটির মান ০° ধরে নেয়া হয় এবং প্রতি ১০ অন্তর অন্তর একটি করে দ্রাঘিমারেখা কল্পনা করা হয়।
- মূল মধ্যরেখা বরাবর সমস্ত পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে দুইভাগে বিভক্ত করা হয়।
- মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্বে মোট ১৮০° পর্যন্ত মোট ১৮০ টি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা কল্পনা করা হয়।
- অপরদিকে মূল মধ্য রেখা থেকে পশ্চিমে মোট ১৮০° পর্যন্ত মোট ১৮০ টি পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা কল্পনা করা হয়।
- পৃথিবী পৃষ্ঠে পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত মোট দ্রাঘিমারেখার সংখ্যা ৩৬০টি।
- পৃথিবী গোলাকৃতির হওয়ার ১৮০° পূর্ব ও ১৮০° পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা মূলত একই মধ্যরেখার পড়ে।
- এই ১৮০° দ্রাঘিমারেখাটি আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা হিসাবে চিহ্নিত।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮৬৬.
অভিকর্ষজ ত্বরণ g-এর আদর্শমান কত?
  1. 9.78 ms-2
  2. 9.81 ms-2
  3. 9.83 ms-2
  4. 9.84 ms-2
ব্যাখ্যা
অভিকর্ষজ ত্বরণ:

- পৃথিবীর আহ্নিক গতির জন্য বিষুব রেখা অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে কম।
- মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে বেশি।
- বিষুবীয় অঞ্চল থেকে যত মেরু অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হওয়া যায় g-এর মান তত বাড়তে থাকে।
- ভূ-পৃষ্ঠে বিভিন্ন স্থানে g -এর মান বিভিন্ন বলে 45° অক্ষাংশে সমুদ্র সমতলে g -এর মানকে আদর্শ ধরা হয়। 
- হিসাবের সুবিধার্থে আদর্শমান ধরা হয় 9.81 ms-2. 

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৬৭.
পেট্রোল ইঞ্জিন সফলতার সাথে কে চালু করেন? 
  1. জেমস ওয়াট 
  2. ড. অটো
  3. কার্নো
  4. কেলভিন 
ব্যাখ্যা

- ড. নিকোলাস অটো প্রথম পেট্রোল ইঞ্জিন তৈরি করেন। 

অন্যদিকে,
- জেমস ওয়াট বাষ্পচালিত ইঞ্জিনের আবিষ্কার করেন। 
- তাপ গতিবিদ্যার জনক লর্ড কেলভিন, তিনি ১৮৫০ সালে তাপ গতিবিজ্ঞানের (থার্মোডিনামিক্সের) দুটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র দিয়েছিলেন। 
- তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করার জন্য 'সাদী কার্নো' সকল দোষ-ত্রুটি মুক্ত যে আদর্শ যন্ত্রের পরিকল্পনা করেন তাকে কার্নো ইঞ্জিন বলে। 
- কার্নো ইঞ্জিন একটি আদর্শ ইঞ্জিনের ধারণামাত্র, বাস্তবে এর রূপান্তর সম্ভব হয়নি। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১,৮৬৮.
ফুলানো বেলুনের মুখ ছেড়ে দিলে বাতাস বেরিয়ে যাবার সঙ্গে বেলুনটি ছুটে যায়। কোন ইঞ্জিনের নীতির সঙ্গে এর মিল আছে?
  1. ক) বাষ্পীয় ইঞ্জিন
  2. খ) অন্তর্দহন ইঞ্জিন
  3. গ) স্টারলিং ইঞ্জিন
  4. ঘ) রকেট ইঞ্জিন
ব্যাখ্যা
রকেটের পেছনের অংশ হতে গ্যাস প্রচন্ড বেগে নির্গত হয় এবং প্রতিক্রিয়া বল অনুযায়ী প্রচন্ড বেগে সামনের দিকে এগিয়ে যায় রকেট।
একই নীতি ফুলানো বেলুনের বেলায়ও কার্যকর।

উৎসঃ মাধ্যমিক বিজ্ঞান বই
১,৮৬৯.
বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি এবং হিটারে ব্যবহৃত হয়-
  1. নাইক্রোম তার
  2. টাংস্টেন তার
  3. কপার তার
  4. এন্টিমনি তার
ব্যাখ্যা
- বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি এবং হিটারে নাইক্রোম তার ব্যবহৃত হয়।
- নাইক্রোম তার হচ্ছে নিকেল ও ক্রোমিয়াম ঘটিত সংকর ধাতু নির্মিত এক ধরনের তার।
- এর আপেক্ষিক রোধ বেশি এবং উষ্ণতার হ্রাস বৃদ্ধিতে রোধের পরিবর্তন কম।
- টাংস্টেন তার বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম- দশম শ্রেণী।
১,৮৭০.
প্রকৃতিতে প্রাপ্ত তেজস্ক্রিয় মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা সাধারণত কত হয়?
  1. ১০২ এর বেশি
  2. ৮২ এর বেশি
  3. ৯৪ এর বেশি
  4. ৬৮ এর বেশি
ব্যাখ্যা
- কোনো প্রাকৃতিক পদার্থ হতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গমনের ঘটনা ঘটলে সেসব পদার্থকে প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয় পদার্থ বলে।
- যেমন- ইউরেনিয়াম, রেডিয়াম, থোরিয়াম ইত্যাদি হলো প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয় মৌল।
- এসব মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা সাধারণত ৮২ বা তার থেকে বেশি হয়ে থাকে। 
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১,৮৭১.
সমুদ্র পৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ কত?
  1. ৪০০ মিলিমিটার
  2. ৭৬০ মিলিমিটার
  3. ৫৪০ মিলিমিটার
  4. ৮৯০ মিলিমিটার
ব্যাখ্যা
- ভূপৃষ্ঠের প্রতি একক জায়গায় বায়ুর গ্যাসের অনুগুলোর সংঘর্ষের ফলে প্রদত্ত বলই হলো বায়ুর চাপ।
- সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ ৭৬ সেন্টিমিটার বা ৭৬০ মিলিমিটার বা ২৯.৯২ ইঞ্চি পারদ স্তম্ভের সমান। 
- আদর্শ অবস্থায় বায়ুমণ্ডলের চাপ ১০১৩.২৫ মিলিবার (১০১,৩২৫ প্যাসকেল) বা ৭৬০ পারদ মি.মি., ২৯.৯২ পারদ ইঞ্চি, বা ১৪.৬৯৬ পাউন্ড/ইঞ্চি২।
- এটিএম (atm) এককটি পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় বায়ুমণ্ডলীয় চাপের সমতুল্য অর্থাৎ পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ঠের বায়ুমণ্ডলীয় চাপ প্রায় ১ এটিএম। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
১,৮৭২.
রেস্ট্রিকশন এন্ডোনিউক্লিয়েজ এনজাইম ব্যবহার করা হয় -
  1. স্মল পক্স এর ভ্যাকসিন তৈরিতে
  2. DNA অণুকে কাঁটতে
  3. DNA অণু জোড়াদানে
  4. সব ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
রিকম্বিনেট ডিএনএ টেকনলজি
-জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ - প্রত্যাশিত DNA অনুকে ছেদন।
- এক্ষেত্রে প্রথমে প্রত্যাশিত DNA অণুকে কেটে আলাদা করা হয়।
- প্রত্যাশিত DNA অণুকে কাঁটতে রেস্ট্রিকশন এন্ডোনিউক্লিয়েজ এনজাইম ব্যবহার করা হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২৫০টি রেস্ট্রিকশন এনজাইম আবিষ্কৃত হয়েছে। যথা- Eco RI, Hind III, Bam HI ইত্যাদি।
- রেস্ট্রিকশন এনজাইম DNA অণুর একটি সুনির্দিষ্ট সাজান অংশকে অসমভাবে কেঁটে দেয়।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)।
১,৮৭৩.
বাংলাদেশের উপর দিয়ে যে ভৌগোলিক কাল্পনিক রেখা গেছে তার নাম কি?
  1. ক) দ্রাঘিমা রেখা
  2. খ) বিষুব রেখা
  3. গ) কর্কটক্রান্তি রেখা
  4. ঘ) মকর রেখা
ব্যাখ্যা
কর্কটক্রান্তি রেখা:

- বাংলাদেশ ট্রপিক অব ক্যানসার বা কর্কটক্রান্তি রেখার উপর অবস্থিত।
- সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত।
- কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম বরাবর প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে।
-বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
১,৮৭৪.
কোন রশ্মির সাহায্যে আকরিকের মধ্যে অপদ্রব্যের উপস্থিতি নির্ণয় করা যায়? 
  1. বিটা রশ্মি
  2. আলফা রশ্মি
  3. রঞ্জন রশ্মি
  4. গামা রশ্মি
ব্যাখ্যা
এক্সরে (X-ray): 
- নলের যে অংশে ক্যাথোড রশ্মি আপতিত হয় সে অংশ থেকে সবুজাভ হলুদ রং-এর আলোর আভা ছাড়াও এক প্রকার অদৃশ্য রশ্মি বিকিরিত হচ্ছে। 
- এই অদৃশ্য রশ্মির প্রকৃত নাম না জানা থাকায় প্রফেসর রঞ্জন এর নামকরণ করেন এক্সরে (X-Rays)। একে রঞ্জন রশ্মিও বলে। 
- ব্যাপক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তিনি এই সিদ্ধান্তে উপনিত হন যে, অধিক গতিসম্পন্ন ইলেকট্রনগুলো কোনো ধাতুর প্রতিবন্ধকে বাধা পেলে গতিশক্তি হারায় এবং এই গতিশক্তি এক্সরেতে রূপান্তরিত হয়। 
- এক্সরের একক হলো রন্টজেন। 
- যে পরিমাণ বিকিরণের জন্য স্বাভাবিক চাপ ও তাপমাত্রায় এক মিলিলিটার বায়ুতে এক কুলম্ব আধান উৎপন্ন করতে পারে তাকে এক রন্টজেন বলে। 

এক্সরের ধর্ম: 
১। এক্সরে সরল পথে গমন করে। 
২। এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না।
৩। এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ। 
৪ । এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট। 
৫। এটি আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108ms-1 বেগে গমন করে। 
৬। আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে। 
৭। এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে। 
৮। এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। 
৯। এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই। 
১০। এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে। 
১১। এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে। 
১২। এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক। 
১৩। এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে। 

শিল্প ক্ষেত্রে: 
- শিল্প ক্ষেত্রে এক্সরের বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে। 
যেমন- 
• আসল ও নকল রত্নের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয়, 
• ঢালাই করা ধাতুর ভিতরের ত্রুটি নির্ণয়, 
আকরিকের মধ্যে অপদ্রব্যের উপস্থিতি নির্ণয়
• ঝিনুকের মধ্যে মুক্তার সন্ধান করা, 
• ঝালাই-এর ত্রুটি নির্ণয়, 
• মূল্যবান ধাতুর বিশুদ্ধতা নির্ণয় ইত্যাদি কাজে ব্যবহৃত হয়, 
• টফি, লজেন্সে কোনো ক্ষতিকর বস্তু আছে কিনা তা সনাক্ত করার জন্য এবং টফি, লজেন্স, সিগারেট ইত্যাদির গুণগত মান নিয়ন্ত্রণের জন্যও এক্সরে ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৭৫.
এক ফ্যারাডে = ________ C তড়িৎ চার্জ।
  1. 69500
  2. 96500
  3. 98500
  4. 89500
ব্যাখ্যা
ফ্যারাডে (Faraday): 
- এক মোল পরিমাণ ইলেকট্রনের চার্জকে 96500 কুলম্ব ধরা হয়। 
- মোল পরিমাণ তড়িৎ চার্জকে এক ফ্যারাডে বলা হয়। 
- ফ্যারাডের প্রতীক হলো F. 
- এক ফ্যারাডে = 96500 C তড়িৎ চার্জ। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
১,৮৭৬.
বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের অবস্থানের কারণে কোন ধরনের বায়ু নিয়মিত প্রবাহিত হয়?
  1. ক) সমুদ্র বায়ু
  2. খ) মৌসুমি বায়ু
  3. গ) স্থল বায়ু
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের অবস্থানের কারণে সমুদ্র ও স্থলবায়ু নিয়মিত প্রবাহিত হয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল বোর্ড বই
১,৮৭৭.
জ্যোতির্বিদ জোহান কেপলার সূর্যের চারপাশে গ্রহগুলোর গতি সম্পর্কিত কতটি মৌলিক সূত্র উপস্থাপন করেন?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
ব্যাখ্যা
• কেপলারের সূত্র:
- ডেনমার্কের জ্যোতির্বিদ জোহান কেপলারের গ্রহ সম্পর্কিত সূত্র সূর্যের চারদিকে গ্রহগুলোর গতি ব্যাখ্যা করে।
- ১৬১৮ সালে কেপলার বলেন, গ্রহগুলো কোনো এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অবিরাম ঘুরছে।
- এই সম্পর্কে তিনি তিনটি সূত্র প্রদান করেন।
- তার নাম অনুসারে এই তিনটি সূত্রকে কেপলার এর গ্রহ সম্পর্কীয় গতিসূত্র বলা হয়। যথা

• প্রথম সূত্র (উপবৃত্ত সূত্র):
- সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে।
• দ্বিতীয় সূত্র (ক্ষেত্রফল সূত্র):
- প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্র সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।
• তৃতীয় সূত্র (আবর্তনকালের সূত্র):
- সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের ঘনফলের সমানুপাতিক।

উৎস: পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং LIVE MCQ লেকচার।
১,৮৭৮.
নিচের কোনটি ভুমিকম্প সৃষ্টির জন্য দায়ী?
  1. ক) ট্রপোমন্ডল
  2. খ) স্ট্রাটোমন্ডল
  3. গ) তাপমন্ডল 
  4. ঘ) টেকটোনিক প্লেট
ব্যাখ্যা
টেকটোনিক প্লেট ভুমিকম্প এবং আগ্নেয়গিরি উদগীরনের জন্য দায়ী। 

প্লেট টেকটোনিক হচ্ছে একটি বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব। এই তত্ত্বে পৃথিবীর অশ্বমণ্ডল—অর্থাৎ একে অপরের দিকে চলাচল করতে সক্ষম এমন অনমনীয় খণ্ডের সমন্বয়ে তৈরি ভূত্বক বা পৃথিবীর উপরিতলের বর্ণনা করা হয়েছে। সর্বপ্রথম ১৯১২ সালে জার্মান আবহাওয়াবিদ আলফ্রেড ওয়েগনার ‘কন্টিনেন্টাল ড্রিফট’ নামে একটি তত্ত্ব প্রদান করেন। তাঁর এই তত্ত্বে তিনি ব্যাখ্যা দেন যে ‘বহুকাল আগে সবগুলো মহাদেশ পরস্পর সংযুক্ত ছিল।
একত্রে এদের প্যানজিয়া বা সুপারকন্টিনেন্ট বলা হতো। পরে কালের আবর্তে ভূত্বকীয় পাতের নড়াচড়ায় আলাদা আলাদা মহাদেশে বিভক্ত হয়ে যায়। ’ পরবর্তী বিজ্ঞানীরা তাঁর এই তত্ত্বটির ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন গবেষণা ও তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আধুনিকতম তত্ত্ব বের করেন, যা সবার কাছে প্লেট টেকটোনিক হিসেবে পরিচিত। এই তত্ত্বের মূল ধারণা হলো, ভূপৃষ্ঠের নিচে পৃথিবীর শিলামণ্ডল কতগুলো অংশে বা খণ্ডে বিভক্ত। এগুলোকে প্লেট বলে। এই প্লেটগুলো গুরুমণ্ডলের আংশিক তরল অংশের ওপরে ভাসমান অবস্থায় আছে। ভূত্বকীয় প্লেটগুলোকে মূলত সাত ভাগে ভাগ করা হয়েছে, যেমন—আফ্রিকান প্লেট, এন্টার্কটিক প্লেট, ইউরেশিয়ান প্লেট, ইন্দো-অস্ট্রেলিয়ান প্লেট, উত্তর আমেরিকান প্লেট, প্যাসিফিক প্লেট, দক্ষিণ আমেরিকান প্লেট। এই প্লেটগুলো প্রতিবছর কয়েক সেন্টিমিটার কোনো এক দিকে সরে যায়। কখনো একে অন্যের দিকে আসে, কখনো আবার কয়েক মিলিমিটার ওপরে ওঠে বা নিচে নামে। যখন একটি প্লেটের সঙ্গে আরেকটি প্লেট ঘষা বা ধাক্কা খায় তখন ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগিরণের ঘটনা ঘটে। ধারণা করা হয়, প্লেটগুলো একটি আরেকটির সঙ্গে ঘষা বা ধাক্কা খেলে সেখানে প্রচুর তাপ সৃষ্টি হয়। তাপে ভূ-অভ্যন্তরের পদার্থ গলে যায়। এ গলিত পদার্থ চাপের ফলে নিচ থেকে ভূ-পৃষ্ঠ ভেদ করে বেরিয়ে আসে। একেই আগ্নেয়গিরির উদগিরণ বলে। বেরিয়ে আসা গলিত তরল পদার্থ ম্যাগমা নামে পরিচিত। একইভাবে প্লেটগুলো একটি অন্যটির সঙ্গে ধাক্কা খেলে পৃথিবী কেঁপে ওঠে। একেই ভূমিকম্প বলে। এ ছাড়া বিজ্ঞানীরা এ তত্ত্ব ব্যবহার করে পর্বত সৃষ্টি এবং মহাসাগর ও মহাদেশ সৃষ্টির ব্যাখ্যা দিয়ে থাকেন।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। 
১,৮৭৯.
যে সকল জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো আছে তাদেরকে কী বলে?
  1. গ্রহ
  2. উপগ্রহ
  3. নক্ষত্র
  4. চাঁদ
ব্যাখ্যা
সৌরজগৎ ও ভূ-মন্ডল:
⇒মহাবিশ্বের মহাকাশে গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র, ধূমকেতু, নীহারিকা, ছায়াপথ, গ্যালাক্সি ও উল্কা ইত্যাদিকে জ্যোতিষ্ক বলে।
-যে সকল জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো আছে তাদেরকে নক্ষত্র বলে। যেমন সূর্য।
-আলোকবিহীন জ্যোতিষ্ককে গ্রহ বলে। যেমন-পৃথিবী, সূর্যের আলোতে আলোকিত হয়।
- গ্রহসমূহের চারিদিকে ঘূর্ণায়মান নিজস্ব আলোকবিহীন জ্যোতিষ্ককে উপগ্রহ বলে। যেমন- চাঁদ, পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ।
- মহাকাশে কখনও কখনও কোন জ্যোতিষ্ক কিছু দিনের জন্য দেখা যায় আবার অদৃশ্য হয়ে যায়। এসব জ্যোতিষ্ক কে ধূমকেতু বলে। যেমন- হ্যালির ধূমকেতু।
- সুদূর আকাশে স্বল্প আলোকিত মেঘের মত আস্তরণকে নীহারিকা বলে। এগুলো আসলে হালকা গ্যাসের অতিকায় পিণ্ড।
- একটি নীহারিকার মাঝে কোটি কোটি নক্ষত্র থাকতে পারে।
- মেঘমুক্ত রাতের আকাশে কোটি কোটি নক্ষত্রকে উত্তর দক্ষিণে বিস্তৃত দীপ্তমান পথের মত দেখায় বলে একে ছায়াপথ বলে।
- মহাশূন্যের কোটি কোটি নক্ষত্র, ধূলিকণা ও বিশাল বাষ্পকুন্ডসহ নীহারিকার এক একটি দলকে বলা হয় গ্যালাক্সি।
- একটিমাত্র গ্যালাক্সিতেই প্রায় ত্রিশ হাজার কোটি নক্ষত্র রয়েছে বলে বিজ্ঞানীরা অনুমান করেছেন।
- বিজ্ঞানীরা বিশ্বভ্রহ্মান্ডে কয়েক হাজার কোটি গ্যালাক্সির আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছেন।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৮০.
Which of the following planets has no moon?
  1. Saturn
  2. Mars
  3. Earth
  4. Mercury
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
- বুধ (Mercury) ও শুক্র (Venus) গ্রহের কোন উপগ্রহ নেই। 

বুধ গ্রহ: 
- সৌরজগতের গ্রহ ৮টি। 
- সূর্যের নিকটতম ও ক্ষুদ্রতম গ্রহ হলো বুধ। 
- সূর্য থেকে বুধ গ্রহের গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার। 
- বুধ গ্রহের ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার। 
- সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে বুধের সময় লাগে ৮৮ দিন। 
- বুধ গ্রহে মেঘ, বৃষ্টি, বাতাস বা পানি কোনো কিছু নেই। 

অন্যদিকে, 
- পৃথিবীর উপগ্রহ ১টি (চাঁদ)। 
- সবচেয়ে বেশি উপগ্রহ রয়েছে শনি গ্রহের। 
- শনি গ্রহের উপগ্রহের্ সংখ্যা ৮৩টি। 
- বৃহস্পতি গ্রহের উপগ্রহের সংখ্যা ৮০টি। 

উৎস: নাসা ওয়েবসাইট এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৮৮১.
সৌরজগতে সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তনশীল গ্রহের সংখ্যা কত?
  1. ক) ৬
  2. খ) ৭
  3. গ) ৮
  4. ঘ) ৯
ব্যাখ্যা

- সৌরজগতে সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তনশীল গ্রহের সংখ্যা আটটি।
যথা: বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন।

উৎস: অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

১,৮৮২.
মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশবিশেষকে বাংলায় কী বলা হয়? 
  1. ছায়াপথ
  2. ধূমকেতু
  3. উল্কাপিন্ড
  4. নক্ষত্রমালা
ব্যাখ্যা
মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি ও সৌরজগত: 
- সুদূর আকাশে বায়বীয় পদার্থ ও গ্যাসপূর্ণ স্বল্পালোকিত মেঘের মত আস্তরণকে গ্যালাক্সি বলা হয়। 
- সৌরজগত মিল্কিওয়ে (Milkyway) গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশবিশেষ, যা বাংলায় ছায়াপথ নামে অভিহিত। 
- এই ছায়াপথটি অসংখ্য গ্রহ-নক্ষত্রের সমন্বয়ে উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত। 

ধূমকেতু (Comet): 
- ধূমকেতু এক ধরনের জ্যোতিষ্ক। 
- ধূমকেতুর দুইটি অংশ রয়েছে। 
যেমন- মস্তক (Head) বা কেন্দ্র ও পুচ্ছ (Tail)। 
- কোনো কোনো ধূমকেতুর মস্তক বা কেন্দ্র গ্রহ অপেক্ষা বড় হয়ে থাকে। 
- ধূমকেতুর রয়েছে গ্যাসীয় পদার্থের তৈরি সুদীর্ঘ পুচ্ছ। 
- অধিকাংশ ধূমকেতু উপবৃত্তাকার কক্ষপথে গ্রহসমূহের আবর্তন পথের উল্টোদিকে ছুটে চলে। 
- হ্যালির ধূমকেতু (Hally's Comet) প্রতি ৭৬ বছর অন্তর পৃথিবীর আকাশে দৃষ্টিগোচরীভূত হয়। 

উল্কা ও উল্কাপিন্ড (Meteors & Meteoroids): 
- উল্কা মহাশূন্যে বিচরণরত ক্ষুদ্রাকৃতি বিশিষ্ট কঠিন বস্তু। 
- ক্ষুদ্রায়তনের এই উল্কাপিন্ড একত্রে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে বাতাসের সাথে সংঘর্ষে প্রজ্জ্বলিত হয়ে তুষারপাতের মতো ঝরে পড়তে থাকে, একে উল্কাবৃষ্টি বলে। 
- উল্কা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে পৃথিবী পৃষ্ঠে পতিত হলে, তাকে উল্কাপিন্ড বলে। 
- ১৯০৮ সালে সাইবেরিয়ায় পতিত উল্কাপিন্ডর আঘাতে বনভূমির ব্যাপক এলাকা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৮৩.
কোনটি গ্রিনহাউজ ইফেক্ট সৃষ্টির সহায়ক?
  1. ক) সিএনজি
  2. খ) নিওন
  3. গ) হিলিয়াম
  4. ঘ) সিএফসি
ব্যাখ্যা

বায়ুমন্ডলে বিদ্যমান নাইট্রোজেন এবং অক্সিজেন ব্যতীত অন্যান্য গৌণ গ্যাসসমূহ গ্রিনহাউজ গ্যাস নামে পরিচিত।
এগুলোর মধ্যে রয়েছে কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ওজন প্রভৃতি।
এছাড়া ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (সিএফসি) এবং হাইড্রো ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (এইচসিএফসি) গ্যাসও গ্রিনহাউজ গ্যাস।
এসব গ্যাস পৃথিবী থেকে সূর্যের বিকরিত আলো আটকে রাখে।
এতে পৃথিবী উষ্ণ থাকে।
কিন্তু শিল্পায়ন, নগরায়ন প্রভৃতির কারণে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে এসব গ্রিনহাউজ গ্যাসের পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় পৃথিবীর তাপমাত্রাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
একেই গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়া বা গ্লোবাল ওয়ার্মিং নামে অভিহিত করা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি এবং দুর্যোগকোষ)

১,৮৮৪.
ভূমিকম্পের কোন তরঙ্গ সবচেয়ে দ্রুতগতি সম্পন্ন এবং কঠিন ও নরম উভয় পদার্থে প্রবাহিত হতে পারে?
  1. P তরঙ্গ
  2. T তরঙ্গ
  3. L তরঙ্গ
  4. S তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

ভূমিকম্পের তরঙ্গ (Earthquake Waves): 
- পুকুরের ঠিক মধ্যে কোনো পাথর নিক্ষেপ করলে যেমন পানির তরঙ্গগুলো পুকুরের চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে, ঠিক সেরূপে ভূমিকম্পের তরঙ্গগুলো তার মূল উৎস হতে সবদিকে সমভাবে ছড়িয়ে পড়ে। 
- সাধারণত ভূমিকম্পের তরঙ্গ তিন প্রকারের, এরা উৎস হতে গন্তব্য স্থানের দিকে তিনটি ভিন্ন পথে গমন করে। 
যেমন- 
(ক) প্রাথমিক বা P তরঙ্গ (Primary wave): 
- এটি সবচেয়ে দ্রুতগতি সম্পন্ন তরঙ্গ। 
- এর গতি প্রতি সেকেন্ডে ৫ থেকে ৮ কি.মি.। 
- এ জাতীয় তরঙ্গ কেবলমাত্র কঠিন বস্তু নয়, নরম বস্তুর মধ্য দিয়েও প্রবাহিত হতে পারে
অর্থাৎ, এ তরঙ্গ সরাসরি পৃথিবীর কেন্দ্র ভেদ করেও অপর প্রান্তে যেতে পারে। 
- পৃথিবীর অভ্যন্তরভাগের গঠন সম্পর্কে এই P-তরঙ্গের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি জানা সম্ভব। 

(খ) দ্বিতীয় বা S তরঙ্গ (Secondary wave): 
- এই S-তরঙ্গের গতিবেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩ থেকে ৫ কি. মি. হয়। 
- এটি প্রধানত সমকোণে প্রবাহিত হয় এবং পৃথিবীর অভ্যন্তরে বেশি দূর যেতে পারে না, কারণ এ তরঙ্গ তরল পদার্থের মধ্য দিয়ে চলতে পারে না। 

(গ) পৃষ্ঠ বা L তরঙ্গ (Longitudinal wave): 
- পৃষ্ঠ তরঙ্গকে L তরঙ্গ বলা হয়। 
- প্রাথমিক ও দ্বিতীয় তরঙ্গ ভূত্বকের ওপরে পৌঁছবার পর যে তরঙ্গটি খুব মৃদুগতিতে পৃথিবীর উপরিভাগ দিয়ে চলে, তাকে পৃষ্ঠ বা L তরঙ্গ বলে । কারণ, এ তরঙ্গটি পৃথিবীর পৃষ্ঠ দিয়ে সর্বাপেক্ষা দীর্ঘপথ অতিক্রম করে। এ কারণে দূরবর্তী ভূমিকম্পে প্রথম ও দ্বিতীয় তরঙ্গ ভূত্বকের অভ্যন্তর দিয়ে সর্বপ্রথম যে স্থানে পৌছে, তার কিছু সময় পর পৃষ্ঠ তরঙ্গও সে স্থানে পৌছে। 
- তরঙ্গের এ গতির দ্বারাই ভূমিকম্পের কেন্দ্র নিরূপণ করা যায়। 
- এ তরঙ্গের গতিবেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩ থেকে ৪ কি. মি.। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী)।

১,৮৮৫.
নিরক্ষীয় অঞ্চলে তাপমাত্রা বেশি হওয়ায় জলরাশি কেমন হয়?
  1. হালকা
  2. ভারী
  3. শীতল
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে তাপমাত্রা বেশি থাকায় জলরাশি গরম থাকে আর তাপমাত্রা বাড়লে পানির ঘনত্ব কমে যায়, ফলে জলরাশি তুলনামূলক হালকা হয়। 
- গরম পানি ঠান্ডা পানির তুলনায় কম ঘনত্ববিশিষ্ট হওয়ায় উপরের দিকে অবস্থান করে, আর ঠান্ডা পানি নিচে অবস্থান করে। 

সমুদ্রস্রোত: 

- সমুদ্রস্রোতের প্রধান কারণ বায়ুপ্রবাহ। 
- বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রের উপরিভাগের পানির সঙ্গে ঘর্ষণ তৈরি করে এবং ঘর্ষণের জন্য পানিতে ঘূর্ণন তৈরি করে। 
- সমুদ্রের পানি একটি নির্দিষ্ট গতিপথ অনুসরণ করে চলাচল করে, একে সমুদ্রস্রোত বলে। 
- সমুদ্রস্রোতকে উষ্ণতার তারতম্য অনুসারে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
(ক) উষ্ণ স্রোত: 
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে তাপমাত্রা বেশি হওয়ায় জলরাশি হালকা হয় ও হালকা জলরাশি সমুদ্রের উপরিভাগ দিয়ে পৃষ্ঠপ্রবাহরূপে শীতল মেরু অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়। এরূপ স্রোতকে উষ্ণ স্রোত বলে। 

(খ) শীতল স্রোত: 
- মেরু অঞ্চলের শীতল ও ভারী জলরাশি জলের নিচের অংশ দিয়ে অন্তঃপ্রবাহরূপে নিরক্ষীয় উষ্ণমণ্ডলের দিকে প্রবাহিত হয়। এরূপ স্রোতকে শীতল স্রোত বলে। 

সমুদ্রস্রোতের কারণ: 
১। নিয়ত বায়ুপ্রবাহ: 
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহই সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণ। 
- এসব বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতের দিক ও গতি নিয়ন্ত্রণ করে। 
- অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ুর প্রবাহ অনুযায়ী প্রধান সমুদ্রস্রোতগুলোর সৃষ্টি হয়। 

২। পৃথিবীর আহ্নিক গতি: 
- পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলে ফেরেলের সূত্র অনুসারে বায়ুপ্রবাহের মতো সমুদ্রজলও উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়। এর ফলে সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি হয়। 

৩। সমুদ্রের গভীরতার তারতম্য: 
- সমুদ্রের গভীরতার তারতম্য অনুসারে তাপমাত্রার পার্থক্য হয়। 
- অগভীর সমুদ্রের জল দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উপরে ওঠে। তখন গভীরতর অংশের শীতল জল নিচে নেমে আসে। এজন্য ঊর্ধ্বগামী ও নিম্নগামী সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি হয়। 
- সমুদ্রের পৃষ্ঠে গতি সবচেয়ে বেশি। 
- সমুদ্রের ১০০ মিটার নিচ থেকে গতি কমতে থাকে। 

৪। সমুদ্রজলের লবণাক্ততার পার্থক্য: 
- সমুদ্রজলে লবণের পরিমাণ সর্বত্র সমান নয়। 
- অধিক লবণাক্ত জল বেশি ভারী বলে তার ঘনত্বও বেশি। 
- বেশি ঘনত্বের জল কম ঘনত্বের দিকে নিম্ন প্রবাহরূপে প্রবাহিত হয় ও সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি করে। 

৫। সমুদ্রজলের তাপমাত্রার পার্থক্য: 
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে উষ্ণমণ্ডলের সমুদ্রের জল বেশি উষ্ণ বলে তা জলের উপরের অংশ দিয়ে পৃষ্ঠপ্রবাহ বা বহিঃস্রোতরূপে মেরু অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়। 
- অন্যদিকে মেরু অঞ্চল থেকে শীতল ও ভারী জলরাশি জলের নিচের অংশ দিয়ে অন্তঃপ্রবাহ বা অন্তঃস্রোতরূপে নিরক্ষীয় উষ্ণমণ্ডলের দিকে প্রবাহিত হয়। এইভাবে উষ্ণ ও শীতল সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি হয়। 

৬। মেরু অঞ্চলের সমুদ্রে বরফের গলন: 
- মেরু অঞ্চলের সমুদ্রে বরফ কিছু পরিমাণ গলে গেলে জলরাশি স্ফীত হয় ও সমুদ্রজলের লবণাক্ততার পরিমাণ হ্রাস পায়। এর ফলে সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি হয়। 

৭। ভূখন্ডের অবস্থান: 
- সমুদ্রস্রোতের প্রবাহপথে কোনো মহাদেশ, দ্বীপ প্রভৃতি ভূখণ্ড অবস্থান করলে সমুদ্রস্রোত তাতে বাধা পেয়ে দিক ও গতিপথ পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়। 
- অনেক সময় এর প্রভাবে সমুদ্রস্রোত একাধিক শাখায় বিভক্ত হয়। 

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৮৮৬.
নাসার পুনরায় চাঁদে মানুষ পাঠানোর মিশনের নাম কী?
  1. ক) পারসিভারেন্স
  2. খ) আর্টেমিস
  3. গ) অ্যাস্ট্রো
  4. ঘ) জেমস ওয়েব
ব্যাখ্যা
- নাসা পুনরায় চাঁদে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা করছে।
- নাসার এ মিশনের নাম আর্টেমিস।
- এ মিশনের প্রথম ধাপ ‘আর্টেমিস ১’ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
- চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিল নাসার যাত্রীবিহীন মহাকাশযান ‘ওরিয়ন’।
-  এর পূর্বে ১৬ জুলাই ১৯৬৯ সালে অ্যাপোলো-১১ চন্দ্রযানের মাধ্যমে মহাশূন্যচারী নীল আমস্ট্রং চন্দ্রপৃষ্ঠে প্রথম পা রাখেন।

উৎস: নাসার ওয়েবসাইট
১,৮৮৭.
বাংলাদেশে কত সালে প্রথম জিআইএস প্রযুক্তি চালু হয়?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
ব্যাখ্যা
• জিআইএস (GIS):
- এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Geographic information systems.
- Geographical Information System (GIS) বা ভৌগোলিক তথ্য পদ্ধতি হলো ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ ব্যবস্থা।
- সাধারণ অর্থে জিআইএস বলতে স্থানিক ও অস্থানিক উপাত্ত সংগ্রহ করে কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্য সমন্বয় করে তা মানচিত্রে উপস্থাপন করাকে বুঝায়। অর্থাৎ জিআইএস হলো কম্পিউটারের মাধ্যমে কোনো তথ্য ধারণ করে ভূ-পৃষ্ঠের কোনো অবস্থানের চিত্র বর্ণনা করা।
==============
 → ১৯৬৪ সালে কানাডিয়ান — The Canadian Geographic Information System (CGIS)' এর মাধ্যমে জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।  → সত্তরের দশকে নগর পরিকল্পনায় প্রথম কম্পিউটারভিত্তিক জিআইএস ব্যবহার করা হয়।
 → ১৯৮০ সালের পর জিআইএস এর ব্যাপক প্রসার ঘটে।
 → বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে প্রথম জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।

• জিআইএসের উপাদান (Elements of GIS):
 → জিআইএস পাঁচটি উপাদানের সমন্বয়ে কাজ করে থাকে।
 →  এগুলো হলো-
১. হার্ডওয়্যার ২. সফট্ওয়্যার ৩. উপাত্ত ৪. উপাত্ত ভিত্তি এবং ৫. প্রশিক্ষিত ও দক্ষ মানুষ৷

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৮৮.
'সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে' এটি গ্রহের গতি সংক্রান্ত কেপলারের কত নম্বর সূত্র?
  1. প্রথম সূত্র
  2. দ্বিতীয় সূত্র
  3. তৃতীয় সূত্র
  4. চতুর্থ সূত্র
ব্যাখ্যা
কেপলারের সূত্র:
- কেপলারের প্রথম সূত্র - সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে।
- কেপলারের দ্বিতীয় সূত্র - প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্র সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।
- কেপলারের তৃতীয় সূত্র - সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের ঘনফলের সমানুপাতিক।
- মহাকর্ষ - যে বল মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তু কণাকে পরস্পরের দিকে আকর্ষণ করে তার নাম মহাকর্ষ বল।
- নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র - মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। এই আকর্ষণ বলের মান বস্তুকণাদ্বয়ের ভরের গুণফলের সামানুপাতিক, এদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এই বল বস্তুকণাদ্বয়ের কেন্দ্র সংযোজক সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করে।
- বিশ্বজনীন মহাকর্ষীয় ধ্রুবক, G-এর মান 6.673×10-11 Nm2kg2 এবং G-এর মাত্রা LMT-2 ।
- আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে G-এর একক Nm2kg2.

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৮৯.
কাকে GIS  এর জনক বলা হয়?
  1. Otto Schmid
  2. Kuiper
  3. Rossgun
  4. Roger Tomlinson
ব্যাখ্যা

• GIS  এর জনক বলা হয় Roger Tomlinson কে।

GIS:
- GIS এর পূর্ণরূপ - Geographic Information System.
- ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থাকে সংক্ষেপে জিআইএস বলে।
- এটি কম্পিউটারের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থা যার মধ্য দিয়ে ভৌগোলিক তথ্যগুলোর সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে স্থানিক ও পারিসরিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ, মানচিত্রায়ণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তৈরিতে সহায়তা করে থাকে।
- ১৯৬৪ সালে কানাডায় সর্বপ্রথম এই কৌশলের ব্যবহার আরম্ভ হয়।
- ১৯৮০ সালের দিক থেকে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতে থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।

১,৮৯০.
পৃথিবীর প্রায় কত শতাংশ বারিমন্ডলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. চার-ষষ্ঠাংশ
  2. এক-চতুর্থাংশ
  3. চার-অষ্টমাংশ
  4. ছয়-অষ্টমাংশ
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর প্রায় তিন-চতুর্থাংশ বা  ছয়-অষ্টমাংশ বারিমন্ডলের অন্তর্ভুক্ত।
- বারিমন্ডল হলো ভূ-ত্বকের অবনমিত অংশে অবস্থিত বিশাল পানিরাশি।
- এই বিশাল পানিরাশির সবচেয়ে বড় আধার মহাসাগর এবং সাগর।
- এছাড়া রয়েছে অসংখ্য নদ-নদী, হ্রদ, খাল, বিল ও জলাশয়। 

বারিমণ্ডলের জলের পরিমাণ ভিত্তিক বন্টন:
• সমুদ্র (৯৭.২৫%),
• হিমবাহ (২.০৫%),
• ভূগর্ভস্থ পানি (০.৬৮%),
• হৃদ (০.০১%),
• মাটির আর্দ্রতা (০.০০৫%),
• বায়ুমণ্ডল (০.০০১%),
• নদী(০.০০০১%),
• জীবমণ্ডল (০.০০০০৪%)।

উৎস: 
১. ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২. ভূগোল প্রথম পত্র , এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৯১.
জিআইএস-এর পূর্ণরূপ কী? 
  1. Global Information System
  2. Geographic Internet Setup
  3. Geographic Information System
  4. General Integrated Software
ব্যাখ্যা
জিআইএস: 
- জিআইএস এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Geographic Information System
- ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থাকে সংক্ষেপে জিআইএস বলে। 
- এটি একটি কম্পিউটার হিসাবে সফ্টওয়ারের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থা যার মধ্য দিয়ে ভৌগোলিক তথ্যগুলোর সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে স্থানিক ও পারস্পরিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ, মানচিত্রায়ণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তৈরিতে সহায়তা করে থাকে। 
- ১৯৬৪ সালে কানাডায় সর্বপ্রথম এই কৌশলের ব্যবহার আরম্ভ হয়। 
- ১৯৮০ সালের দিক থেকে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতে থাকে। 
- বর্তমানে ভূমি ব্যবস্থাপনা, প্রাকৃতিক সম্পদ উন্নয়ন, পানি গবেষণা, আঞ্চলিক গবেষণা, নগর ও আঞ্চলিক পরিকল্পনা, জনসংখ্যা বিশ্লেষণ, পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার বিশ্লেষণ প্রভৃতি বহুবিধ কাজে জিআইএস ব্যবহার হয়। 
- জিআইএস-এর মাধ্যমে একটি মানচিত্রের মধ্যে অনেক ধরনের উপাত্ত উপস্থাপন করে সেই উপাত্তগুলোকে মানচিত্রের মধ্যে বিশ্লেষণ করে মানচিত্রটির উপযোগিতা বাড়িয়ে দেওয়া হয়। 
যেমন- একটা মানচিত্রের মধ্যে পানি ব্যবস্থাপনা, টপোগ্রাফি, ভূমি ব্যবহার, যোগাযোগ, মৃত্তিকা ও রাস্তা এই সবগুলো জিনিস দেখিয়ে তার মধ্য দিয়ে সেই নির্দিষ্ট অঞ্চলের পুরো চিত্র সম্বন্ধে জানা যায়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
১,৮৯২.
ভরা কটাল কখন সংঘটিত হয়? 
  1. সপ্তমী তিথিতে
  2. অষ্টমী তিথিতে
  3. নবমী তিথিতে
  4. পূর্ণিমা তিথিতে
ব্যাখ্যা
তেজ কটাল বা ভরা কটাল (Spring Tide): 
- চন্দ্রের মত সূর্যও জোয়ার ভাঁটা সৃষ্টিতে সাহায্য করে। 
- যখন অমাবস্যার সৃষ্টি হয় তখন সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। 
- অন্যদিকে পূর্ণিমার সময় পৃথিবীর একপাশে সূর্য ও অন্যপাশে চন্দ্র অবস্থান করে। এই সময় চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। 
- এ সময় সূর্যের আকর্ষণ চন্দ্রের আকর্ষণকে সাহায্য করে। 
- মূলত পূর্ণিমা ও অমাবস্যায় চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণে জোয়ারের পানি ফুলে উঠে। এই জোয়ারকেই বলা হয় ভরা কটাল বা তেজ কটাল। 
- পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী পৃষ্ঠের যে স্থানে চন্দ্রের প্রভাবে মুখ্য জোয়ার হয়, সে স্থানে সূর্যের প্রভাবে গৌণ জোয়ার হয়। 
- আবার চন্দ্রের প্রভাবে যে স্থানে গৌণ জোয়ার হয় ঐ স্থানে সূর্যের আকষর্ণে মুখ্য জোয়ার হয়। 
- সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে মরা কটাল সংগঠিত হয়। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৯৩.
কোনটি স্থানীয় বায়ু?
  1. ক) মৌসুমী বায়ু
  2. খ) খামসিন বায়ু
  3. গ) নিয়ত বায়ু
  4. ঘ) মেরু বায়ু
ব্যাখ্যা
- স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও তাপমাত্রার তারতম্যের ফলে সৃষ্ট বায়ু স্থানীয় বায়ু নামে পরিচিত।
স্থানীয় বায়ুসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- সায়মুম বায়ু : আরব মালভূমির স্থানীয় বায়ু
- খামসিন বায়ু : মিশর
- চিনুক বায়ু : রকি পর্বত
- সিরক্কো বায়ু : উ. আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালি
- মিস্ট্রাল বায়ু : ফ্রান্সের মালভূমি
- পাম্পেরু বায়ু : আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ে
- লু বায়ু : ভারত প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১,৮৯৪.
নিচের কোনটি পরিবেশের ১ম স্তরের খাদক?
  1. হরিণ
  2. সাপ
  3. শিয়াল
  4. বাঘ
ব্যাখ্যা
♦ খাদক (Consumer):

- কোনো প্রাণীই পরিবেশের জড় পদার্থ থেকে খাদ্য তৈরি করতে পারে না।
- তারা খাদ্যের জন্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সবুজ উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল।
- তাই এদের বলা হয় পরভোজী জীব।

প্রথম শ্রেণির খাদক: 
• যেসব প্রাণী সরাসরি উদ্ভিদ থেকে খাদ্য গ্রহণ করে, তাদেরকে বলা হয় তৃণভোজী প্রাণী। এদের অপর নাম প্রথম শ্রেণির খাদক।
• যেমন- ঘাস ফড়িং, মুরগি, গরু, ছাগল, হরিণ ইত্যাদি প্রথম শ্রেণির খাদক।


Image Source: পঞ্চম শ্রেণি বিজ্ঞান বই 

দ্বিতীয় শ্রেণির খাদক:
• যেসব প্রাণী তৃণভোজী প্রাণীদের খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে তাদের বলা হয় গৌণ খাদক বা দ্বিতীয় শ্রেণির খাদক।
• এরা এক ধরনের মাংসাশী প্রাণী।
• যেমন- শিয়াল, বাঘ ইত্যাদি দ্বিতীয় শ্রেণির খাদক।

তৃতীয় শ্রেণির খাদক:
• যেসব প্রাণী পৌণ খাদকদের খেয়ে বাঁচে তারা ও মাংসাশী প্রাণি (carnivorous)।
• এদের বলা যায় তৃতীয় শ্রেণির বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ খাদক।
• যেমন- সাপ, ময়ূর, বাঘ ইত্যাদি তৃতীয় শ্রেণির খাদক। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৮৯৫.
কে প্রথম ঈশ্বর কণার ধারণা প্রদান করেন?
  1. ক) পিটার হিগস
  2. খ) সত্যেন্দ্রনাথ বসু
  3. গ) জগদীশচন্দ্র বসু
  4. ঘ) ডঃ মরিস বুকাইলি
ব্যাখ্যা

হিগস বা ঈশ্বর কনার সর্বপ্রথম ধারণা দেন সত্যেন্দ্রনাথ বসু ১৯২৪ সালে। তিনি এই বিষয় নিয়ে গবেষণা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা ল্যাবে।
২য় ধারণা দেন পিটার হিগজ ১৯৬৪ সালে।
২০১২সালে এই কণার অস্ত্বিত্ব আবিষ্কৃত হয়।

১,৮৯৬.
প্রবল জোয়ারের কারণ কী?
  1. পৃথিবীর আহ্নিক গতি
  2. সমুদ্রের পানির লবণাক্ততা
  3. চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী এক সরলরেখায় থাকে
  4. বায়ুমণ্ডলের চাপের পরিবর্তন
ব্যাখ্যা

◉ প্রবল জোয়ার (Spring Tide) ঘটে যখন চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী এক সরলরেখায় থাকে (পূর্ণিমা বা অমাবস্যায়)। এতে চন্দ্র ও সূর্যের সম্মিলিত মহাকর্ষীয় টানে জোয়ারের উচ্চতা সর্বোচ্চ হয়।

জোয়ার-ভাটা:
- চন্দ্র ও সূর্যের আর্ষণ শক্তি পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়। সমুদ্র পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার এবং. নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
- বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন চন্দ্র ও সূর্যের প্রভাবেই এবং পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিক শক্তির প্রভাবে জোয়ার ভাটা হয়।- জোয়ার ভাটা সংঘটনের কারণকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।

যথা-
ক. মহাকর্ষণ শক্তির প্রভাব এবং
খ. কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাব।

- সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরলরেখায় অবস্থান করলে উভয়ের আকর্ষণে জোয়ার অত্যন্ত প্রবল হয়।
- অমাবস্যায় চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর একই দিকে অবস্থান করে। এর ফলে চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি একই দিক হতে একই সাথে কার্যকরী হয়। সূর্যের আকর্ষণ চন্দ্রের আকর্ষণের কম হলেও এ সময় উভয়ের মিলিত শক্তিতে আকর্ষণ আর ও প্রবল হয়।

উৎস: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮৯৭.
টিউমারের উপস্থিতি নির্ণয় ও নিরাময়ে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) আইসোটোপ
  2. খ) আইসোটোন
  3. গ) আইসোবার
  4. ঘ) আইসোমার
ব্যাখ্যা
- ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা বিকিরণের উৎস হলো আইসোটোপ।
- যেসব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা একই কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোটোপ বলা হয়।
- ক্যান্সারের চিকিৎসায় সাধারনত কোবাল্ট-৬০ (60Co) আইসোটোপটি ব্যবহৃত হয়।
- টিউমারের উপস্থিতি নির্ণয় ও নিরাময়ে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ 60Co ব্যবহার করা হয়
- 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি ক্যান্সারের কোষ কলাকে ধ্বংস করে।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ও রসায়ন বিজ্ঞান, নবম শ্রেণি। 
১,৮৯৮.
সোলার প্যানেলে ব্যবহৃত ফটোভোল্টাইক এফেক্টের আবিষ্কারক কে?
  1. আইনস্টাইন
  2. বেকেরেল
  3. টেসলা
  4. এডিসন
ব্যাখ্যা

◉ ফটোভোল্টাইক এফেক্ট (Photovoltaic Effect) হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে আলোর প্রভাবে কোনো পদার্থে বিদ্যুৎ প্রবাহ সৃষ্টি হয়। ফরাসি পদার্থবিদ Alexandre Edmond Becquerel ১৮৩৯ সালে প্রথম এই প্রক্রিয়াটি আবিষ্কার করেন।
- পরে আলবার্ট আইনস্টাইন ১৯০৫ সালে এর তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা দেন এবং এজন্য তিনি ১৯২১ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান (photoelectric effect নিয়ে কাজের জন্য)।

ফটোভোল্টাইক এফেক্ট ও সোলার প্যানেল: 
- ফটোভোল্টাইক এফেক্ট হলো এমন প্রক্রিয়া, যেখানে আলোর শক্তি সেমিকন্ডাক্টর পদার্থে পড়ে ইলেকট্রন মুক্ত করে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে।
- এই প্রভাব ব্যবহার করে তৈরি যন্ত্রকেই সোলার সেল বলে।
- সোলার সেলগুলো একত্রে সাজিয়ে সোলার প্যানেল তৈরি করা হয়, যা সূর্যের আলোকে সরাসরি বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
- এগুলো বাড়ি, শিল্প, মহাকাশযান ও বিভিন্ন ডিভাইসে বিকল্প ও পরিবেশবান্ধব শক্তির উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও EBSCO ওয়েবসাইট। 

১,৮৯৯.
নিম্নের কোনটির প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে গ্রহ আবর্তিত হয়?
  1. অভিকর্ষ বল
  2. মহাকর্ষীয় বল
  3. কেন্দ্রাতিগ বল
  4. বৈদ্যুতিক বল
ব্যাখ্যা

• গ্রহ (Planet):
- মহাকাশে কতকগুলো জ্যোতিষ্ক সূর্যকে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট পথে পরিক্রমণ করে।
- এদের নিজেদের কোনো আলো বা তাপ নেই।
- মহাকর্ষীয় বলের প্রভাবে গ্রহগুলো সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়।
- এরা সূর্য থেকে আলো ও তাপ পায়।
- এই তাপেই উত্তপ্ত হয়।
- এরা তারার মতো মিটমিট করে জ্বলে না।
- এসব জ্যোতিষ্ককে গ্রহ বলে।
- আমাদের সৌরজগতের আটটি গ্রহ হলো বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,৯০০.
তড়িতের সিস্টেম লস রোধ করার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) ট্রানজিস্টর
  2. খ) ট্রান্সফর্মার
  3. গ) সার্কিট ব্রেকার
  4. ঘ) ইলেকট্রিক লস রিমোভার
ব্যাখ্যা

একটা নির্দিষ্ট বিদ্যুৎ শক্তির জন্য যদি উচ্চ ভােল্টেজ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় তাহলে রােধজনিত তাপশক্তি হিসেবে লস কমে যায়। সে জন্য বিদ্যুৎ কেন্দ্রে যে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা হয় সেটিকে স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার দিয়ে উচ্চ ভােল্টেজে রূপান্তর করা হয়।
গ্রাহকদের ব্যবহারের জন্য বিদ্যুৎ শক্তিকে বিতরণ করার আগে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার ব্যবহার করে সেটিকে আবার ব্যবহারযােগ্য ভােল্টেজ নামিয়ে আনা হয়। (উৎসঃ  ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)