ব্যাখ্যা
- গঠন - ১৯৯৪ সালে।
- সদরদপ্তর - কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক।
- সদস্য সংখ্যা -৩২টি।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নকে পরিবেশ বিষয়ক তথ্য সরবরাহের মাধ্যমে সহায়তা করা এই সংস্থার প্রধান কাজ।
উৎস: EEA ওয়েবসাইট।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১৮ / ২৩ · ১,৭০১–১,৮০০ / ২,৩০১
• বাসেল কনভেনশন:
- বাসেল কনভেনশন হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি ।
- যা বিপজ্জনক বর্জ্য এবং অন্যান্য ধরনের বর্জ্যের এক দেশ থেকে অন্য দেশে, বিশেষ করে উন্নত দেশ থেকে অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশে, স্থানান্তর ও ব্যবস্থাপনাকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- সম্পূর্ণ নাম: Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and Their Disposal
- চুক্তি তারিখ: ২২ মার্চ ১৯৮৯ সালে।
- কার্যকর হয়: ৫ মে ১৯৯২ সালে।
- স্থান: বাসেল, সুইজারল্যান্ড ।
• উদ্দেশ্য:
- বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তর্জাতিক পরিবহন নিয়ন্ত্রণ করা।
- বিপজ্জনক বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা।
- পরিবেশ ও মানব স্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালে বাসেল কনভেনশনে যোগ দেয়।
তথ্যসূত্র: Basel Convention ওয়েবসাইট।
কিয়োটো প্রটোকল:
- চুক্তির নাম: কিয়োটো প্রটোকল,
- স্থান: কিয়োটো, জাপান,
- স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৫ সালে কার্যকর হয়।
- আয়োজক সংস্থা: UNFCCC (United Nations Framework Convention on Climate Change)
- জাতিসংঘের ব্যবস্থাপনায় জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- উদ্দেশ্যে: কার্বন ডাইঅক্সাইড ও গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস করা।
- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সাউথ সুদান এ প্রটোকল অনুসমর্থন করে নি।
- ২০১২ সালে কানাডা নিজেকে প্রত্যাহার করে।
অপরদিকে,
• কার্টাগেনা প্রটোকল:
- এটি জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- এর উদ্দেশ্য হলো জৈব জ্বালানি সংরক্ষণ।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
Green Cross International:
- গ্রিন ক্রস ইন্টারন্যাশনাল একটি পরিবেশবাদী সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৯৩ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে: ১৮ এপ্রিল, ১৯৯৩।
- প্রতিষ্ঠাতা: প্রাক্তন সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমানে ৩০টি দেশে সদস্য সংস্থা রয়েছে।
⇒ এটি ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে ১৯৯২ সালের আর্থ সামিটের মাধ্যমে শুরু করা কাজের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছিল।
- ৬ জুন, ১৯৯২ তারিখে, রিও সামিটে প্রতিনিধিরা গর্বাচেভকে GCI প্রতিষ্ঠা করার আহ্বান জানান।
- একই সময়ে সুইস ন্যাশনাল কাউন্সিলের এমপি রোল্যান্ড উইডারকেহর 'ওয়ার্ল্ড গ্রিন ক্রস' প্রতিষ্ঠা করেন।
- পরবর্তীতে দুইটি সংস্থা একীভূত হয়ে ১৯৯৩ সালে গ্রিন ক্রস ইন্টারন্যাশনাল নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ১৮ এপ্রিল, ১৯৯৩ সালে জাপানের কিয়োটোতে চালু হয়।
অন্যদিকে -
- লেস্টার ব্রাউন Worldwatch Institute এর প্রতিষ্ঠাতা।
- রবার্ট এ সাইট্রন Earthwatch Institute এর প্রতিষ্ঠাতা।
উৎস: Green Cross International ওয়েবসাইট।
মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করে ওজোনস্তরকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এই প্রটোকল কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত হয়।
- ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি মন্ট্রিল প্রটোকল কার্যকর হয়।
- মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।
তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
IUCN:
- বিশ্ব জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণবাদী সংস্থা (IUCN)।
- IUCN এর পূর্ণরূপ - International Union for the Conservation of Nature.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৮ সালে।
- সদর দপ্তর: গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড।
- এটি নিয়ে বিশ্বের ১৭০ টির অধিক দেশ কাজ করছে।
- উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা।
তথ্যসূত্র - IUCN অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
• আমাজনের বুকে কপ-৩০ সম্মেলন:
- এশিয়ার জীবাশ্ম জ্বালানি সমৃদ্ধ দেশ আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে গত বছর অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলনে তেল ও জ্বালানির গন্ধ ছিল।
- এবার ব্রাজিলের বেলেম এলাকার আমাজন বনে ৫০ হাজার অংশগ্রহণকারীকে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় আর্দ্র বাতাসের মুখোমুখি হতে হবে।
- যেখানে তাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে বিশ্বজুড়ে জলবায়ু সহযোগিতাকে টিকিয়ে রাখার বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো।
- ৩০তম জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন (কপ ৩০) বিশ্বের বৃহত্তম রেইনফরেস্ট ব্রাজিলের আমাজনের একটি শহর বেলেমে ১০-২১ নভেম্বর, ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- এটি আমাজন রেইনফরেস্টে প্রথম জলবায়ু সম্মেলন।
- আমাজন রেইনফরেস্টের প্রাণকেন্দ্র বেলেমে আয়োজিত এই সম্মেলনকে বলা হচ্ছে “COP of Truth” বা সত্যের সম্মেলন।
- প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা হোটেল কক্ষের সংকট সত্ত্বেও এই সম্মেলন বেলেম এলাকায় আয়োজনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
- তার লক্ষ্য আমাজন বনই যাতে সম্মেলনে যোগ দেওয়া আলোচক, পর্যবেক্ষক, ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকদের চোখ খুলে দেয়।
- এটি এমন এক শহর, যেখানে স্থানীয়রা সকালে রোদ ও বিকেলে বৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে ছাতা বহন করে।
- গত আগস্টে লুলা বলেন, কপ-সম্মেলন ধনী দেশে আয়োজন করা সহজ হত।
- কিন্তু আমরা চাই মানুষ বন, নদী এবং সেখানে বসবাসরত মানুষের বাস্তব অবস্থা দেখুক।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
CVF:
- CVF-এর পূর্ণরূপ: Climate Vulnerable Forum.
- এটি জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তনজনিত এবং ক্ষতিগ্রস্থ দেশসমূহের একটি সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০০৯ সালে।
- সদস্য: ৭০টি।
- বর্তমান সভাপতি: ঘানা।
উৎস: Climate Vulnerable Forum ওয়েবসাইট।
আলাস্কায় পারমাণবিক পরীক্ষার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ফলস্বরূপ Greenpeace International সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যা মূলত Don't Make a Wave Committee নামে শুরু হয়েছিল যা ১৯৬৯-১৯৭০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কার আমচিটকা দ্বীপে পারমাণবিক পরীক্ষা বন্ধের দাবিতে গঠিত হয়েছিল এবং পরে বিশ্বব্যাপী পরিবেশ আন্দোলনে পরিণত হয়।
Greenpeace International:
- Greenpeace নেদারল্যান্ডসভিত্তিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭১ সালে, কানাডায়।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভ্যাঙ্কুভার, ব্রিটিশ কলম্বিয়া, কানাডা।
- এর সদর দপ্তর: আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস।
উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালে আলাস্কার আমচিটকা দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় পারমাণবিক পরীক্ষার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের অংশ হিসেবে Greenpeace প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর উদ্যোক্তাদের মধ্যে রয়েছে: বব হান্টার, ডেভিড ম্যাকটেগার্ট, ডরোথি স্টোয়ি, আরভিং স্টোয়ি প্রমুখ।
⇒ পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার ও পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা বন্ধে ১৯৬৯ সালে Don't make a wave Committee গঠিত হয়।
- পরে ১৯৭১ সালে এটি ‘গ্রিনপিস’ নামে রুপান্তরিত হয়।
- সংস্থাটির মূল উদ্দেশ্য পৃথিবী নামক এই গ্রহের সব ধরনের জীববৈচিত্রের প্রতিপালনের জন্য প্রাকৃতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা।
- সংস্থাটির উদ্দেশ্য সারা বিশ্বে বন্য পরিবেশ ধ্বংস, গ্লোবাল ওয়ার্মিং, অধিক হারে মৎস্য শিকার, বানিজ্যিক ভাবে তিমি শিকার এবং পারমানবিক শক্তির বিরুদ্ধে প্রচারনা চালানো।
উৎস: Greenpeace International ওয়েবসাইট।
Loss and Damage Fund:
- লস অ্যান্ড ড্যামেজ তহবিল (Loss and Damage Fund) হলো জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র দেশগুলোকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য উন্নত দেশগুলোর উদ্যোগে গঠিত একটি তহবিল।
- মিশর-এ অনুষ্ঠিত কপ-২৭ -এ এই তহবিল গঠনের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- উদ্দেশ্য: জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বন্যা, ঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া।
- বিশ্বব্যাংক প্রাথমিকভাবে ৪ বছরের জন্য একটি ‘ইন্টারিম সেক্রেটারিয়েট’ বা অন্তর্বর্তীকালীন সচিবালয় হিসেবে কাজ করছে।
- উন্নত দেশগুলোর প্রতিশ্রুতি ও স্বেচ্ছাসেবী অনুদানের মাধ্যমে এই তহবিল গঠিত হচ্ছে।
• জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী বিশ্বের উন্নত দেশগুলো।
- লস অ্যান্ড ড্যামেজ তহবিল (Loss and Damage Fund) ২০২৫-২০২৬ সালের মধ্যে পুরোপুরি কার্যকর করার পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা মূলত জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে সহায়তা করবে।
উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
• Germanwatch 'বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকি সূচক' প্রকাশ করে।
• Germanwatch:
- এটি একটি অলাভজনক বেসরকারি পরিবেশ এবং বাণিজ্য সংস্থা।
- এটি শিল্পোন্নত দেশের সাথে অনুন্নত দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে।
- এটি প্রতি বছর “বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকি সূচক” প্রকাশ করে।
- সদর দপ্তর: বন, জার্মানি।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৯১ সালে।
উৎস: Germanwatch এর ওয়েবসাইট।
রামসার কনভেনশন:
- রামসার কনভেনশন হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি,
- এটি ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- এই কনভেনশন ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সালে কার্যকর হয়।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৭২টি।
- এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি সংরক্ষণ করা।
- এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।
উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।
V20:
- V20 এর পূর্ণরূপ - The Vulnerable Twenty.
- এটি হলো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝুঁকিতে থাকা দেশ গুলোকে নিয়ে একটি ফোরাম।
- V20 বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা করার জন্য সংলাপ এবং পদক্ষেপের মাধ্যমে কাজ করে।
- এটি গঠিত হয়: ৮ অক্টোবর, ২০১৫।
প্রতিষ্ঠার স্থান: লিমা, পেরু।
- প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি: ফিলিপাইন।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ৭০টি।
- ভি-২০ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীদের একটি প্লাটফর্ম।
- এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি UNDP এর climate vulnerable forum এর সাথে সরাসরি জড়িত।
উৎস: Vulnerable 20 ওয়েবসাইট।
- পরিবেশের জন্য 'রেড ডাটা বুক' (Red Data Book) প্রকাশকারী সংস্থা IUCN.
- 'রেড ডাটা বুক' (Red Data Book) বিশ্বের হুমকিপূর্ণ, বিপন্ন এবং বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতিগুলোর (প্রাণী, উদ্ভিদ, ফাঙ্গাস) তালিকা, স্থিতি এবং সংরক্ষণের সুপারিশ রয়েছে।
• IUCN:
- IUCN এর পূর্ণরূপ হলো:
- International Union for Conservation of Nature.
- প্রকৃতি সংরক্ষণে আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- IUCN হলো একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন,
- যা প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষা এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে কাজ করে।
- এটি 1948 সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
• IUCN এর প্রধান কাজ:
- প্রকৃতি সংরক্ষণে গবেষণা ও পরামর্শ দেওয়া,
- বিপন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদের তালিকা তৈরি করা,
- বিভিন্ন দেশের সরকারকে পরিবেশবান্ধব সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করা,
- জলবায়ু পরিবর্তন, বন রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কাজ করা।
উৎস: IUCN ওয়েবসাইট।
ICAN:
- 'ICAN' এর পূর্ণরূপ: International Campaign to Abolish Nuclear Weapons.
- এটি একটি পরিবেশবাদী সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: এপ্রিল, ২০০৭ সালে।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- ICAN হল এক শতাধিক দেশের বেসরকারী সংস্থাগুলির একটি জোট যা পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণের জাতিসংঘের চুক্তি মেনে চলা এবং বাস্তবায়নে কাজ করে।
- ICAN মূলত ৬৫০ টি সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত।
- বর্তমানে ১১০ টি দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
⇒ সংস্থাটি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে ২০১৭ সালে।
উৎস: ICAN এর ওয়েবসাইট।
• রটারড্যাম কনভেনশন:
- রটারড্যাম কনভেনশন (Rotterdam Convention) হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা কিছু বিপজ্জনক রাসায়নিক এবং কীটনাশকের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করে, বিশেষত উন্নয়নশীল দেশগুলোকে এসব পদার্থ আমদানির পূর্বে প্রয়োজনীয় তথ্য ও সম্মতি দেওয়ার সুযোগ করে দেয়। এটি PIC (Prior Informed Consent) পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- গৃহীত হয়: ১০ সেপ্টেম্বর ১৯৯৮, রটারড্যাম, নেদারল্যান্ডসে।
- কার্যকর হয়: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৪।
• মূল উদ্দেশ্য:
- নির্দিষ্ট বিপজ্জনক রাসায়নিক ও কীটনাশকের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে নিয়ন্ত্রণ করা।
- দেশগুলিকে আগাম অবগতির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত (Prior Informed Consent - PIC) গ্রহণের সুযোগ করে দেওয়া।
• FAO এবং UNEP যৌথভাবে এর সচিবালয় পরিচালনা করে।
অন্যদিকে,
• বাসেল কনভেনশনের মূল উদ্দেশ্য- বিপজ্জনক বর্জ্যের পরিবহন নিয়ন্ত্রন।
• স্টকহোম কনভেনশন-২০০১ এর মূল উদ্দেশ্য- পরিবেশকে স্থায়ী জৈব দূষণকারী পদার্থ থেকে রক্ষা করা
উৎস: UNEP - UN Environment Programme.
প্যারিস প্যাক্ট - ১৯২৮ (Pact of Paris)
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতার থেকে মানুষ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ সম্পর্কে সচেতন হয়। শান্তিরক্ষার অংশ হিসাবে প্যারিস প্যাক্ট - ১৯২৮ স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির অন্যনাম - Kellogg-Briand Pact।
⤇ তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী Frank B. Kellogg ও ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী - Aristide Briand আলোচনার মাধ্যমে এই চুক্তির খসড়া তৈরি করেন।
- চুক্তিটি স্বাক্ষর হয় - ২৭ আগস্ট, ১৯২৮ সালে ও কার্যকর হয় - ২৪ জুলাই, ১৯২৯ সালে।
এই চুক্তির ফলে যুদ্ধ এড়াতে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ নিষিদ্ধ করা হয়।
অন্যদিকে,
প্যারিস শান্তি চুক্তি (Paris Peace Accords) - যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামের মধ্যে ১৯৭৩ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
প্যারিস চুক্তি - ১৭৮৩ (Treaty of Paris - 1783) - ১৭৮৩ সালে যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, স্পেন ও নেদারল্যান্ডস্ - এর মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
উৎসঃ History.com ও Live MCQ Content (Upcoming)
• মন্ট্রিল প্রটোকল:
- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
- বায়ুমন্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার স্তরে অবস্থিত ওজোন স্তর।
- এই প্রটোকলে ওজোন স্তরের ক্ষতিকর পদার্থ নিঃসরণ বন্ধ বা কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।
• চুক্তি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২০০টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।
উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।
সোভনর্টে আরহেনিয়াস ১৮৯৬ সালে গ্রীনহাউজ শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন।
- গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়া হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যার দ্বারা ভূপৃষ্ঠ হতে বিকীর্ণ তাপ বায়ুমণ্ডলীয় গ্রীন হাউজ গ্যাস সমূহ দ্বারা শোষিত হয়ে পুনরায় বায়ুমণ্ডলের অভ্যন্তরে বিকিরিত হয়।
- আর্নেস্ট হেইকেল ১৮৬৯ সালে সর্বপ্রথম ইকোলজি শব্দটি ব্যবহার করেন ।
- সবুজ বিপ্লবের জনক হিসেবে পরিচিত নরম্যান বরল্যাগ ।
সূত্র: Live MCQ Lecture Pdf
Green Climate Fund:
-গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন ফ্রেমওয়ার্ক (UNFCCC) কর্তৃক গঠিত একটি তহবিল।
-এটি ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
২০১০ সালে মেক্সিকোর কানকুনে অনুষ্ঠিত হয় কপ-১৬তম সম্মেলন।
--কপ-১৬তম সম্মেলনে এই তহবিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
-এর সদরদপ্তর দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়েনচিয়নে অবস্থিত।
উল্লেখ্য
-কপ-১৫ তে Green Climate Fund গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর সহায়তার জন্য এই তহবিল গঠিত হয়েছে।
এর লক্ষ্যমাত্রা বছরে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সংগ্রহ করা।
উৎস: UN Environment Programme.
International Mother Earth Day হল ২২ এপ্রিল ।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০০৯ সালে গৃহীত একটি রেজুলিউশনের মাধ্যমে ২২ এপ্রিলকে International Mother Earth Day হিসেবে মনোনীত করে।
-প্রস্তাবটি বলিভিয়ার প্লুরিনেশনাল স্টেট এর মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছিল এবং ৫০টিরও বেশি সদস্য রাষ্ট্রের দ্বারা এটি অনুমোদিত হয়েছিল।
সূত্র: Un.org
• নাগোয়া প্রটোকল:
- পূর্ণ নাম: The Nagoya Protocol on Access and Benefit-sharing
- নাগোয়া প্রোটোকল হল জৈবিক বৈচিত্র্য কনভেনশনের একটি পরিপূরক চুক্তি।
- ABS সংক্রান্ত নাগোয়া প্রোটোকলটি ২৯ অক্টোবর ২০১০ তারিখে জাপানের নাগোয়ায় গৃহীত হয়।
- প্রটোকলটি ১২ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে কার্যকর হয়।
- এর উদ্দেশ্য হল জিনগত সম্পদের ব্যবহার থেকে উদ্ভূত সুবিধাগুলির ন্যায্য এবং ন্যায়সঙ্গত বন্টন, যার ফলে জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ এবং টেকসই ব্যবহারে অবদান রাখা যায়।
- স্বাক্ষরের স্থান: নাগোয়া, জাপান।
অন্যদিকে,
- কিয়োটো প্রোটোকল হলো ১৯৯৭ সালে গৃহীত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর বাধ্যবাধকতা আরোপ করে।
- জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি কার্টাগেনা প্রটোকল।
- প্যারিস চুক্তি হলো জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- মন্ট্রিল প্রটোকল: ওজোন স্তর সুরক্ষা বিষয়ক প্রোটোকল।
উৎস: UNEP ওয়েবসাইট এবং Britannica. Convention on Biological Diversity ওয়েবসাইট।
• Fridays for Future:
- 'ফ্রাইডেস ফর ফিউচার' একটি জলবায়ু পরিবর্তন সচেতনতা বিষয়ক আন্দোলন।
- স্কুল শিক্ষার্থীরা শুক্রবারে স্কুল বর্জন করে জলবায়ু বিষয়ক বিক্ষোভে অংশ নেয়।
- এটি স্কুল শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে সূত্রপাত হওয়া একটি আন্দোলন।
- আন্দোলনটি সংঘটিত হয়: ২০১৮ সালে।
- সুইডেনে স্কুল শিক্ষার্থী গ্রেটা থুনবার্গের উদ্যোগে এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।
উৎস: ফ্রাইডে ফর ফিউচার মুভমেন্ট ওয়েবসাইট।
• বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত চলাচল এবং তাদের নিষ্পত্তি নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বাসেল কনভেনশন।
• বাসেল কনভেনশন :
⇒ ১৯৮০-এর দশকে আফ্রিকা এবং উন্নয়নশীল বিশ্বের অন্যান্য অংশে বিদেশ থেকে আমদানি করা বিষাক্ত বর্জ্যের মজুদ আবিষ্কারের পর জনসাধারণের প্রতিবাদের প্রতিক্রিয়ায়, সুইজারল্যান্ডের বাসেলে অনুষ্ঠিত প্লেনিপোটেনশিয়ারিদের সম্মেলন।
- ২২ মার্চ ১৯৮৯ সালে বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত চলাচল এবং তাদের নিষ্কাশন নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয়।
- কনভেনশনটি ১৯৯২ সালে কার্যকর হয়।
• মূল উদ্দেশ্য:
- বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তর্জাতিক পরিবহন নিয়ন্ত্রণ।
- বর্জ্যের পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা।
- উন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে অবৈধ বর্জ্য রপ্তানি প্রতিরোধ।
• বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট:
- বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালে বাসেল কনভেনশনে যোগ দেয়।
- দেশে বিপজ্জনক বর্জ্যের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য কনভেনশনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
অন্যদিকে,
- আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে কিছু বিপজ্জনক রাসায়নিক এবং কীটনাশকের জন্য পূর্ব-জ্ঞাত সম্মতি পদ্ধতি সম্পর্কিত রটারডাম কনভেনশন।
- অটোয়া কনভনশন হলো- স্থলমাইন নিষিদ্ধ করার জন্য চুক্তি।
উৎস: Basel Convention Official Website.
Green Climate Fund:
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (Green Climate Fund) জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন ফ্রেমওয়ার্ক (UNFCCC) কর্তৃক গঠিত একটি তহবিল।
- এটি ২০১০ সালে মেক্সিকোর কানকুনে অনুষ্ঠিত COP-16 সম্মেলনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই তহবিলের মূল উদ্দেশ্য হলো জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর সহায়তা করা।
- এর লক্ষ্য প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সংগ্রহ করা।
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডের সদর দপ্তর দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়েনচিয়ন শহরে অবস্থিত।
সূত্র: গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড ও UNFCCC ওয়েবসাইট।
IPCC:
- IPCC-এর পূর্ণরূপ: Intergovernmental Panel on Climate Change.
- এটি হলো জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত বিজ্ঞানের মূল্যায়নের জন্য জাতিসংঘের সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠার সময়: ১৯৮৮ সাল।
- বর্তমানে সদস্য: ১৯৫টি।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- চেয়ারম্যান: জিম স্কেয়া।
- শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ: ২০০৭ সালে।
⇒ IPCC জলবায়ু পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি, এর প্রভাব এবং ভবিষ্যতের ঝুঁকি এবং অভিযোজন ও প্রশমনের বিকল্পগুলির নিয়মিত মূল্যায়ন প্রদান করে।
- এর কাজ হলো মানুষের ক্রিয়াকলাপের কারণে জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক জ্ঞানকে এগিয়ে নেওয়া।
উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্যানেল জানিয়েছে, বৈশ্বিক উষ্ণতা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখতে গ্রীন হাউজ গ্যাসের নি:সরণ ২০২৫ সালের মধ্যে হ্রাস করা শুরু করতে হবে।
- এতে আরও বলা হয়, ২০১৯ সালের সাপেক্ষে এই নি:সরণ ২০৩০ সালের মধ্যে ৪৩ শতাংশ ও ২০৫০ সালের মধ্যে ৮৪ শতাংশে নামিয়ে আনতে হবে।
- এই প্যানেল বিশেষত জ্বালানি খাতে বড় ধরনের রূপান্তরের আহ্বান জানিয়েছে, কারণ সর্বমোট নি:সরণের এক-তৃতীয়াংশ উৎপন্ন হয় এই খাত থেকে।
- তারা তেল ও কয়লা জাতীয় জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার বিপুল পরিমাণ হ্রাস করার এবং সৌর ও বায়ুশক্তি জাতীয় নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করার আহ্বান জানিয়েছে।
উৎস: IPCC ওয়েবসাইট।
- জাতিসংঘের উদ্যোগে প্রথম পরিবেশ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় সুইডেনের স্টকহোম শহরে। এই সম্মেলনের মধ্য দিয়ে ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় UNEP.
UNEP:
- UNEP এর পূর্ণরূপ: United Nations Environment Programme.
- এটি জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচি।
- এটি ১৯৭২ সালের ৫ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে অবস্থিত।
- UNEP-এর প্রধানের পদবী হলো ‘নির্বাহী পরিচালক’।
উল্লেখ্য,
- UNEP প্রতিষ্ঠার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ১৯৭২ সালের ৫-১৬ জুন অনুষ্ঠিত United Nations Conference on the Environment, এটি সুইডেনের স্টকহোম শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এটি ছিল বিশ্বের প্রথম আন্তর্জাতিক পরিবেশ সম্মেলন। এই সম্মেলনের ফলস্বরূপই UNEP গঠিত হয়।
এছাড়াও,
- পরবর্তীতে, ১৯৭৩ সালে জাতিসংঘ ৫ জুনকে ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা দেয়, এবং ১৯৭৪ সাল থেকে দিনটি বিশ্বব্যাপী পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পালন করা হচ্ছে।
সূত্র: UNEP ওয়েবসাইট।
চেকবুক কূটনীতি:
- অর্থনৈতিক সাহায্য ও বিনিয়োগ করে সমর্থন পাওয়ার জন্য শক্তিশালী রাষ্ট্রসমূহ যে কূটনীতি প্রয়োগ করে তাকেই চেকবই কূটনীতি বলা হয়।
- বর্তমানে চেকবই কূটনীতির মাধ্যমে চীন কৌশলগত ও সামরিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করছে।
- অবকাঠামো খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ করে চীন বাংলাদেশকে কাছে টানতে চায়, বিশেষজ্ঞরা একে 'চেকবুক কূটনীতি' আখ্যা দিয়েছেন।
অন্যদিকে,
- বর্তমানে আলোচিত ‘ঋণ-ফাঁদ কূটনীতি (Debt-trap diplomacy)’– চীনের সাথে সম্পর্কিত।
উৎস: বিবিসি নিউজ।
United Nations Environment Programme:
- UNEP -এর পূর্ণরূপ- United Nations Environment Programme.
- বিশ্বব্যাপী পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রধান জাতিসংঘ সংস্থা
- এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে- ৫ জুন, ১৯৭২ সালে।
- এর সদর দপ্তর- নাইরোবি, কেনিয়া।
- বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র- ১৯৩ টি।
• মূল লক্ষ্য:
- পৃথিবীর পরিবেশ সংরক্ষণ।
- টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
- পরিবেশ নীতি ও আইন প্রণয়নে দেশগুলিকে সহায়তা করা।
- বিশ্বব্যাপী পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি।
উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।
বেলেম জেন্ডার অ্যাকশন প্ল্যান (জিএপি-গ্যাপ):
- ব্রাজিলের বেলেম শহরে অনুষ্ঠিত কপ৩০ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো নতুন বেলেম জেন্ডার অ্যাকশন প্ল্যান (জিএপি-গ্যাপ) অনুমোদন করেছে।
- এই পরিকল্পনা ২০২৬ থেকে ২০৩৪ সাল পর্যন্ত ন্যূনতম লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
- নতুন পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হলো জলবায়ু নীতি, পরিকল্পনা, প্রকল্প ও অর্থায়নের প্রতিটি স্তরে লিঙ্গভিত্তিক সমতা এবং অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
- এখানে ‘নারী’ বলতে কেবল সাধারণ নারী নয়; আদিবাসী, গ্রামীণ, কৃষিজীবী, প্রতিবন্ধী এবং অন্যান্য প্রান্তিক ও উপেক্ষিত গোষ্ঠীর নারীর অংশগ্রহণ ও প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
- এ ছাড়া নারীমুখী ও কমিউনিটিভিত্তিক প্রকল্প এবং জেন্ডার সংবেদনশীল জলবায়ু অর্থায়ন (জেন্ডার রেসপন্সিভ ক্লাইমেট ফিন্যান্স) ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতিও এসেছে।
উল্লেখ্য,
- জলবায়ু আলোচনায় লিঙ্গসমতা অন্তর্ভুক্তির যাত্রা শুরু হয় ২০১৪ সালে কপ২০-এ ‘লিমা ওয়ার্ক প্রোগ্রাম অন জেন্ডার’ গ্রহণের মাধ্যমে।
- ২০১৭ সালে কপ২৩-এ প্রথম জেন্ডার অ্যাকশন প্ল্যান-গ্যাপ গৃহীত হয়, যা জলবায়ু নীতি ও কর্মসূচিতে নারীর অংশগ্রহণকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়।
- ২০১৯ সালের কপ২৫-এ এটি ‘এনহান্সড লিমা ওয়ার্ক প্রোগ্রাম অন জেন্ডার’ হিসেবে আরও শক্তিশালী হয়।
তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]
ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (CDM):
- ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম বা Clean Development Mechanism কিয়োটো প্রটোকল-এর অংশ।
- প্রোটোকলের ১২ অনুচ্ছেদে অনুসারে, ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (সিডিএম) এর আওতায় কোন উন্নত দেশ অন্য উন্নয়নশীলদেশে গ্রীনহাউস গ্যাসের নি:সরণ কমানোর জন্য কোন প্রকল্প নির্মানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বা বিনিয়োগের মাধ্যমে চুক্তি খেলাপের হাত থেকে বাঁচতে পারে।
⇒ কিয়োটো প্রটোকল:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৮৩টি।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৯২টি।
- কিয়োটো প্রোটোকলের উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন দেশের তালিকা (Annex) ভিত্তিক কাঠামো অনুসরণ করে গ্রিনহাউস গ্যাস (GHG) নির্গমন হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা।
- এই প্রোটোকল শুধুমাত্র উন্নত দেশগুলিকে উদ্দেশ্য করে গ্রহন করা হয়েছে যা “common but differentiated responsibility and respective capabilities” নীতির অধীনে পরিচালিত।
- এখানে শিল্পোন্নোত দেশগুলিকে উপর অধিক দায়িত্ব আরোপ হয়েছে, কারণ এই দেশগুলি বায়ুমণ্ডলে উচ্চ মাত্রায় GHG নির্গমনের জন্য দায়ী।
- UNFCCC তার কনভেনশানে সারা বিশ্বের সব দেশগুলিকে ৩টি তালিকা বা Annex এ বিভক্ত করেছে।
উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।