বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি

মোট প্রশ্ন২,৩০১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি

PrepBank · পাতা ১৫ / ২৩ · ১,৪০১১,৫০০ / ২,৩০১

১,৪০১.
নিচের কোনটি গ্রীন হাউজ গ্যাস?
  1. ক) হাইড্রোজেন
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) অক্সিজেন
  4. ঘ) সিএফসি
ব্যাখ্যা

,গ্রীন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রীন হাউজ গ্যাস।
কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রীন হাউজ গ্যাস হচ্ছে -
- জলীয় বাষ্প,
- কার্বন ডাই অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- মিথেন,
- ওজোন,
- ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ইত্যাদি।

- কার্বন ডাই সালফাইড (CS2) এবং কার্বনিল সাইফাইড (COS) পরোক্ষ গ্রিন হাউজ গ্যাস।

উৎসঃ ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি - বোর্ড বই, ব্রিটানিকা এবং Royal Society of Chemistry।
১,৪০২.
৩১তম জলবায়ু সম্মেলন কবে এবং কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. তুরস্ক, ২০২৬
  2. অস্ট্রেলিয়া, ২০২৬
  3. অস্ট্রেলিয়া, ২০২৭ 
  4. জার্মানি, ২০২৬ 
ব্যাখ্যা

কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা। 
 
⇒ ৩১তম জলবায়ু সম্মেলন (কপ-৩১):
- ২০২৬ সালের ৯ - ২০ নভেম্বর ৩১তম জলবায়ু সম্মেলন তুরস্কের আন্তালিয়া শহরে অনুষ্ঠিত হবে।
- তুরস্কই আনুষ্ঠানিকভাবে কপ-৩১-এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করবে।
- জাতিসংঘের নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৬ সালের কপ আয়োজনের অধিকার পশ্চিমা ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া ও অন্য দেশ নিয়ে গঠিত একটি গ্রুপের প্রাপ্য ছিল।
- অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়া সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে এবং প্রায় ২০০ দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সমঝোতা গড়ে তোলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ আলোচনাগুলো অস্ট্রেলিয়াই পরিচালনা করবে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালের ১০ - ২১ নভেম্বর ব্রাজিলের আমাজনের রেইনফরেস্ট এলাকায় বেলেমে ৩০তম জলবায়ু সম্মেলন (কপ-30) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এই সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেছেন ব্রাজিলীয় কূটনীতিক আন্দ্রে কোরেয়া দো লাগো।
- কপ৩০–এর স্লোগান Global Mutirão (বিশ্বব্যাপী সম্মিলিত প্রচেষ্টা)। 

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

১,৪০৩.
Green New Deal for Europe-এর আওতায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন কোন সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ শূন্যের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে?
  1. ২০৩০ সাল
  2. ২০৩৫ সাল
  3. ২০৪০ সাল
  4. ২০৫০ সালে
ব্যাখ্যা
Green New Deal for Europe:
- Green New Deal for Europe হলো ইউরোপের জন্য একটি পরিবেশবান্ধব কর্মসূচি।
- ইউরোপীয় সবুজ চুক্তি আসলে একটি প্রবৃদ্ধি অর্জনের কৌশল, যার আওতায় ইইউ অঞ্চলে- আধুনিক ও সম্পদসাশ্রয়ী সুষ্ঠু সামাজিক সমৃদ্ধি অর্জন এবং প্রতিযোগিতায় সক্ষম অর্থনীতি তৈরির লক্ষ্য রয়েছে।
- এই কৌশলের আওতায় ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ শূন্যের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।
- ইইউ'র নতুন গ্রিন ডিল অনুযায়ী, কার্বন ব্যবহারের জন্য প্রত্যেকটি শিল্পকে মূল্য দিতে হবে।
- এটি বিশেষভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২০১৯ সালের কপ-২৫ (COP-25) সম্মেলনে আলোচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল।

উল্লেখ্য,
- এই উদ্যোগের মাধ্যমে ইউরোপ একটি টেকসই, পরিবেশবান্ধব অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা করতে চায়, যা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
- এর মাধ্যমে ২০৫০ সালের মধ্যে প্রথম জলবায়ু-নিরপেক্ষ মহাদেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করে।
- ১৯৯০ সালের তুলনায় ২০৩০ সালের মধ্যে অন্তত ৫৫ শতাংশ কার্বন নিঃসরণ হ্রাস করবে।
- ২০৩০ সালের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ৩ বিলিয়ন অতিরিক্ত গাছ লাগানো হবে।

উৎস: i) Green European Foundation ওয়েবসাইট।
ii) European Commission.
১,৪০৪.
কোনটির প্রেক্ষিতে United Nations Environment Programme (UNEP) প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ভিয়েনা কনভেনশন
  2. স্টকহোম সম্মেলন
  3. অসলো কনভেনশন
  4. আটলান্টিক সম্মেলন
ব্যাখ্যা
• United Nations Environment Programme (UNEP) হলো জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচি।
- UNEP এর সদরদপ্তর কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবি শহরে অবস্থিত।
- ১৯৭২ সালের স্টকহোম পরিবেশ সম্মেলনের ফলশ্রুতিতে ১৯৭২ সালের ৫ জুন UNEP প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমান নির্বাহী পরিচালক ডেনমার্কের ইনগার অ্যান্ডারসন।
- সংস্থাটির প্রতিষ্ঠার তারিখ ৫ জুন প্রতিবছর বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে পালিত হয়।
 
সূত্র: UNEP ওয়েবসাইট।
১,৪০৫.
জাতিসংঘের অধীনে বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তর্জাতিক পরিবহন ও নিষ্পত্তি নিয়ন্ত্রণকারী চুক্তি কোনটি?
  1. রটারডাম কনভেনশন
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. বাসেল কনভেনশন
  4. ভিয়েনা প্রটোকল
ব্যাখ্যা

⇒ জাতিসংঘের অধীনে বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তর্জাতিক পরিবহন ও নিষ্পত্তি নিয়ন্ত্রণকারী চুক্তি বাসেল কনভেনশন।

বাসেল কনভেনশন:
- 'বাসেল কনভেনশন' হলো বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন।
- বাসেল কনভেনশনের পুরো নাম- The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal.
- গৃহীত হয়: ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে।
- গৃহীত হওয়ার স্থান: বাসেল, সুইজারল্যান্ড।
- কার্যক্রম শুরু হয় ৫ মে, ১৯৯২ সালে।

⇒ উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশকে 'বাসেল কনভেনশন' অনুমোদন করে ১৯৯৩ সালে।

তথ্যসূত্র - বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।

১,৪০৬.
ইরান ও ছয় জাতির মধ্যে স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতা চুক্তি কোনটি?
  1. ক) Joint Comprehensive Plan Of Action
  2. খ) Joint Comprehensive & Progressive Action
  3. গ) Joint Comprehensive Nuclear Deal
  4. ঘ) UN-Iran Nuclear Joint Action Plan
ব্যাখ্যা
ইরানের পরমাণু ইস্যুতে নিরাপত্তা পরিষদের ৫টি দেশ ও জার্মানির সাথে ইরান সরকারের স্বাক্ষরিত চুক্তি Joint Comprehensive Plan Of Action (JCPOA) নামে পরিচিত।
২০১৫ সালের ১৪ জুলাই অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা ২০১৬ সালের ১৬ জানুয়ারী কার্যকর হয়। পরবর্তীতে নিরাপত্তা পরিষদ এটি অনুমোদন করে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে নেয়। এই চুক্তির ফলে ২০২০ সালের অক্টোবরে ইরানের উপর থেকে জাতিসংঘের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা উঠে যায়।
(সূত্রঃ বিবিসি ওয়ার্ল্ড ও আল জাজিরা)
১,৪০৭.
জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কাঠামো সনদ (UNFCCC) কার্যকর হয় কবে? 
  1. ১৯৯৩ সালে
  2. ১৯৯৪ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা

UNFCCC: 
- পূর্ণরূপ: United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC)।
- জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কাঠামো সনদ।
- প্রতিষ্ঠা: ৯ মে ১৯৯২ সালে (আন্তর্জাতিক পরিবেশ সম্মেলন, রিও ডি জেনেইরোতে গৃহীত)।
- কার্যকর হওয়া: ২১ মার্চ ১৯৯৪ সালে।
- সদর দপ্তর: বন (Bonn), জার্মানি।

• প্রধান উদ্দেশ্য:
- জলবায়ু ব্যবস্থায় মানুষের কারণে সৃষ্ট বিপজ্জনক হস্তক্ষেপ প্রতিরোধের জন্য গ্রিনহাউস গ্যাসের ঘনত্ব স্থিতিশীল করা, যাতে ইকোসিস্টেম অভিযোজিত হতে পারে, খাদ্য উৎপাদন নিরাপদ থাকে এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব হয়।

• সদস্য সংখ্যা: ১৯৮টি পক্ষ (১৯৭টি রাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন), জানুয়ারি ২০২৬ অনুসারে।
- (যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহার এখনও কার্যকর হয়নি।)

• গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রাম/সম্পূর্ণক
- Paris Agreement (২০১৫): গ্লোবাল তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ করার লক্ষ্য; ২০১৬ সালে কার্যকর।
- Kyoto Protocol (১৯৯৭): উন্নত দেশগুলোর জন্য বাধ্যতামূলক নির্গমন হ্রাস লক্ষ্য (১৯৯০ স্তরের ৫% হ্রাস ২০০৮-২০১২); ২০০৫ সালে কার্যকর।
- Nationally Determined Contributions (NDCs):
- প্রত্যেক দেশের জলবায়ু অঙ্গীকার, যা নির্গমন হ্রাস এবং অভিযোজনের জন্য।
- Global Stocktake: প্রতি ৫ বছরে জলবায়ু লক্ষ্যের অগ্রগতি পর্যালোচনা (প্রথমটি ২০২৩ সালে সম্পন্ন)।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

১,৪০৮.
গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জার্মানি
  2. সুইজারল্যান্ড
  3. দক্ষিণ কোরিয়া
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
Green Climate Fund:
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (GCF) জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন ফ্রেমওয়ার্ক (UNFCCC) কর্তৃক গঠিত একটি গঠিত তহবিল।
- GCF এর পূর্ণরূপ Green Climate Fund।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১০ সাল।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: কানকুন, মেক্সিকো।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেল: COP-16.
- সদর দপ্তর: সোংডো, ইনচেন সিটি, দক্ষিণ কোরিয়া।

তথ্যসূত্র - গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড ওয়েবসাইট।
১,৪০৯.
UNFCCC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ১৯৭টি
  2. ১৯৮টি
  3. ১৯২টি
  4. ১৯৫টি
ব্যাখ্যা

UNFCCC: 
- পূর্ণরূপ: United Nations Framework Convention on Climate Change.
- জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কাঠামো সনদ।
- প্রতিষ্ঠা: ৯ মে ১৯৯২ সালে।
- কার্যকর হয় ২১ মার্চ ১৯৯৪ সালে।
- সদর দপ্তর: বন, জার্মানি।
-  প্রধান উদ্দেশ্য: জলবায়ু ব্যবস্থায় মানুষের কারণে সৃষ্ট বিপজ্জনক হস্তক্ষেপ প্রতিরোধের জন্য গ্রিনহাউস গ্যাসের ঘনত্ব স্থিতিশীল করা।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৮টি পক্ষ (১৯৭টি রাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সেপ্টেম্বর, ২০২৫)

• প্রধান কার্যক্রম:
- গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস।
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি।
- উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য জলবায়ু তহবিল প্রদান।

• গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রাম:

- Paris Agreement (২০১৫): গ্লোবাল তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ করা।
- Kyoto Protocol (১৯৯৭): উন্নত দেশগুলোর জন্য বাধ্যতামূলক নির্গমন হ্রাস লক্ষ্য।
- Nationally Determined Contributions (NDCs): দেশগুলোর জলবায়ু অঙ্গীকার।
- Global Stocktake: জলবায়ু লক্ষ্যের অগ্রগতি পর্যালোচনা।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

১,৪১০.
দোহা সংশোধনী পরিবেশ বিষয়ক কোন প্রোটোকলের সাথে জড়িত?
  1. কিয়োটো প্রটোকল
  2. কার্টাগেনা প্রটোকল
  3. মন্ট্রিল প্রটোকল
  4. নাগোয়া প্রটোকল
ব্যাখ্যা

দোহা সংশোধনী (Doha Amendment) পরিবেশ বিষয়ক কিয়োটো প্রোটোকল-এর সাথে সরাসরি জড়িত।

দোহা সংশোধনী:
- ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর কাতারের দোহাতে অনুষ্ঠিত কপ-১৮ জলবায়ু সম্মেলনে এটি গৃহীত হয়।
- এই সংশোধনীর মূল লক্ষ্য ছিল কিয়োটো প্রটোকলের দ্বিতীয় পর্ব (২০১৩-২০২০) এবং কিছু নতুন পদক্ষেপ নেওয়া যা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা করার জন্য গৃহীত হয়েছিল।
- একে বলা হয় দোহা সংশোধনী।

উল্লেখ্য,
- কিয়োটো প্রটোকল হল United Nations Framworks Convention on Climate Change (UNFCCC) একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যার আওতায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ তাদের গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর প্রতিশ্রুতি দেয়।
- কার্বনের মাত্রা ভয়াবহভাবে বেড়ে গিয়ে পৃথিবীকে বিপর্যয়ের মধ্যে ফেলে দেওয়া থেকে উদ্ধার করার জন্যেই মূলত এই চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়।‍
- প্রথম পর্বের পর কিয়োটো প্রটোকলের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য দ্বিতীয় পর্বের জন্য নতুন কিছু পদক্ষেপ প্রয়োজন ছিল, এবং সেগুলোই দোহা সংশোধনীর মাধ্যমে প্রবর্তিত হয়।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

১,৪১১.
'Helsinki Watch' পরিবর্তীত নাম কোনটি?
  1. Human Right watch
  2. German Watch
  3. Green Watch
  4. River Watch
ব্যাখ্যা

• Human Right watch:
- প্রতিষ্ঠিত: ১৯৭৮সালে।
- এবং ১৯৮৮ সালে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ নামধারণ করে।
- মূল নাম: Helsinki Watch.
- উদ্দেশ্য: Helsinki Accords-এ স্বাক্ষরকারী দেশগুলিতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের তদন্ত।
- এটি যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক একটি মানবাধিকার সংস্থা।
- পর্যবেক্ষণ: এটি বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলে।
- এর সদর দপ্তর: নিউইয়র্কের এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ে অবস্থিত।
- ১৯৯৭ সালে সংস্থাটি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
 
• কর্মপরিধির সম্প্রসারণ:
- গণহত্যা ও জাতিগত নিধন,
- সরকারের গণমাধ্যম দখল,
- কর্মী ও রাজনৈতিক বিরোধীদের ভিত্তিহীন গ্রেফতার।
 
উৎস:  Human Right watch ওয়াচ ওয়েবসাইট।

১,৪১২.
‘সবুজ বিপ্লবের জনক’ অভিহিত করা হয় কাকে?
  1. ক) আর্নেস্ট হেকেল
  2. খ) নোরম্যান বোরলগ
  3. গ) সুভনটে আরহেনিয়াস
  4. ঘ) লেস্টার ব্রাউন
ব্যাখ্যা
- মার্কিন কৃষিবিদ অধ্যাপক নরম্যান আর্নেস্ট বোরলগকে ‘সবুজ বিপ্লবের জনক’ বলা হয়।
- তিনি ১৯৭০ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- বিংশ শতাব্দীতে নরম্যান বোরলগ কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের গমের ব্যাপক ফলনের মাধ্যমে এ বিপ্লবের সূচনা হয়।
অন্যদিকে,
- লেস্টার ব্রাউন ‘জলবায়ু শরনার্থী’ সম্পর্কে প্রথম ধারণা দেন।
- আর্নেস্ট হেকেল ‘ইকোলজি’ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন।
- সুভনটে আরহেনিয়াস গ্রিনহাউজ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন।
(সূত্রঃ ব্রিটানিকা)
১,৪১৩.
Green New Deal for Europe উদ্যোগের আওতায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন কত সালের মধ্যে প্রথম জলবায়ু-নিরপেক্ষ মহাদেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করে?
  1. ২০৩০ সালে
  2. ২০৪১ সালে
  3. ২০৫০ সালে
  4. ২০৫৫ সালে
ব্যাখ্যা

Green New Deal for Europe:
- দ্য গ্রিন নিউ ডিল ফর ইউরোপ (The Green New Deal for Europe) হলো একটি উদ্যোগ যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) পক্ষ থেকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং সাসটেইনেবল অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জনের জন্য প্রস্তাবিত হয়েছে।
- এটি বিশেষভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২০১৯ সালের কপ-২৫ (COP-25) সম্মেলনে আলোচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল।
- এর লক্ষ্য ২০৫০ সালের মধ্যে ইউরোপকে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনে শূন্যে নামানো।
- এই উদ্যোগের মাধ্যমে ইউরোপ একটি টেকসই, পরিবেশবান্ধব অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা করতে চায়, যা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
- ২০৫০ সালের মধ্যে প্রথম জলবায়ু-নিরপেক্ষ মহাদেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করে।
- ১৯৯০ সালের তুলনায় ২০৩০ সালের মধ্যে অন্তত ৫৫ শতাংশ কার্বন নিঃসরণ হ্রাস করবে।
- ২০৩০ সালের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ৩ বিলিয়ন অতিরিক্ত গাছ লাগানো হবে।

তথ্যসূত্র - গ্রিন ইউরোপীয়ান ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট ও ইউরোপীয়ান কমিশন।

১,৪১৪.
মন্ট্রিল প্রটোকল কোন কনভেনশনের অধীনে গৃহীত?
  1. রিও কনভেনশন
  2. ভিয়েনা কনভেনশন
  3. জেনেভা কনভেনশন
  4. রটারডাম কনভেনশন
ব্যাখ্যা

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটোকল হলো ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থ (ODS) ব্যবহার এবং উৎপাদন বন্ধ করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- এটি ভিয়েনা কনভেনশনের অধীনে গৃহীত।

⇒ চুক্তি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২০০টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।

উল্লেখ্য,
- ধরিত্রীকে রক্ষার লক্ষ্যে ওজোনস্তর রক্ষায় জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির উদ্যোগে ১৯৮৫ সালে 'ভিয়েনা কনভেনশন' গৃহীত হয়।
- এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কানাডার মন্ট্রিলে "মন্ট্রিল প্রটোকল" নামে এক যুগান্তকারী চুক্তি গৃহীত হয়।

এছাড়াও,
- ODS (Ozone Depleting Substances) হলো এমন পদার্থ যা সাধারণত রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র এবং অ্যারোসলের মতো পণ্যগুলিতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: i) UNEP ওয়েবসাইট।
ii) Ozone Secretariat।
ii) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি)।

১,৪১৫.
'গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসে' কোন চুক্তি প্রথম আইনগত বাধ্যবাধকতা তৈরি করে?
  1. মন্ট্রিল প্রোটোকল
  2. কিয়োটো প্রোটোকল
  3. কার্টাগেনা প্রোটোকল
  4. নাগোয়া প্রোটোকল
ব্যাখ্যা
কিয়োটো প্রটোকল:
- গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য প্রথম আইনগত বাধ্যবাধকতা তৈরি করে কিয়োটো প্রোটোকল। 
- এই প্রোটোকলটি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জের (UNFCCC) অধীনে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- কিয়োটো প্রোটোকল শিল্পোন্নত দেশগুলোকে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমাতে নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেয়। 

⇒ স্বাক্ষরিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৮৩টি।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৯২টি।

⇒ কিয়োটো প্রটোকলের অংশ হিসেবে অনেক উন্নত দেশ গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসকরণের জন্য নৈতিকভাবে দুটি পর্যায়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়।
- প্রথম প্রতিশ্রুতির সময় ২০০৮-২০১২ এবং দ্বিতীয়টি ২০১৩-২০২০ সাল পর্যন্ত।
- প্রথম চুক্তির মেয়াদ ২০১২ সালে শেষ হলে দ্বিতীয় দফায় সেই চুক্তি সংশোধন করে ২০২০ সাল নাগাদ বর্ধিত করা হলেও এখন পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন কাজ শুরু হয়নি।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
১,৪১৬.
IUCN এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জেনেভা
  2. গ্ল্যান্ড
  3. প্যারিস
  4. ভিয়েনা
ব্যাখ্যা

International Union for the Conservation of Nature:
- IUCN এর পূর্ণরূপ: International Union for the Conservation of Nature বা প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংস্থা।
- এটি ১৯৪৮ সালের ৫ অক্টোবর ফ্রান্সের ফন্টেনব্লিউতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর মূল লক্ষ্য বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা।
-  IUCN এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের গ্লান্ড শহরে অবস্থিত।
- বর্তমানে, IUCN এর সাথে ১৬০টির অধিক দেশ কাজ করছে।

উল্লেখ্য,
• IUCN থেকে তিনটি মর্যাদাপূর্ণ পুরষ্কার প্রদান করা হয়।
- হ্যারল্ড জেফারসন কুলিজ মেমোরিয়াল মেডেল, 
- জন সি. ফিলিপস মেমোরিয়াল মেডেল এবং
- আইইউসিএন-এর সম্মানসূচক সদস্যপদ।
 
উৎস: IUCN ওয়েবসাইট।

১,৪১৭.
Environment - শব্দটি কোন ভাষা থেকে উদ্ভূত?
  1. ক) ল্যাটিন
  2. খ) ফরাসি
  3. গ) ইংলিশ
  4. ঘ) গ্রীক
ব্যাখ্যা
The word Environment is derived from the French word “Environ” which means “surrounding”. Our surrounding includes biotic factors like human beings, Plants, animals, microbes, etc and abiotic factors such as light, air, water, soil, etc.
১,৪১৮.
Conference of Parties (CoP) এর আয়োজন করে-
  1. ক) UNGA
  2. খ) UNFCCC
  3. গ) IPCC
  4. ঘ) WMO
ব্যাখ্যা
১৯৯২ সালে United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC) স্বাক্ষরিত হয় যা ২১ মার্চ ১৯৯৪ কার্যকর হয়। এতে ১৯৭ টি দেশ ও সংস্থা স্বাক্ষর করে। এই চুক্তির বাস্তবায়ন ও পর্যালোচনার জন্যে ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতিবছর UNFCCC এর উদ্যোগে Conference of Parties (CoP) এর আয়োজন করা হয়। এতে UNFCCC তে স্বাক্ষরকারী দেশ ও সংস্থা অংশ নেয়। সর্বশেষ ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে স্পেনের মাদ্রিদে CoP-25 অনুষ্ঠিত হয়। পরবতী CoP-26 অনুষ্ঠিত হবে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো শহরে। UNFCCC এর সদরদপ্তর জার্মানির বন শহরে অবস্থিত। (সূত্রঃ UNFCCC ওয়েবসাইট)
১,৪১৯.
'কিগালি সংশোধনী' কীসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. মন্ট্রিল প্রটোকল
  2. নাগোয়া প্রটোকল
  3. ভিয়েনা কনভেনশন
  4. কিয়োটো প্রটোকল
ব্যাখ্যা

• কিগালি সংশোধনী (Kigali Amendment):
- ১৫ অক্টোবর, ২০১৬ সালে রুয়ান্ডার রাজধানী কিগালিতে মন্ট্রিল প্রটোকল সংশোধিত হয়।
- এটি ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারিতে কার্যকর হয়।
- সংশোধনী অনুসারে সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহ ২০৪৭ সাল পর্যন্ত ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক হাইড্রোফ্লোরো কার্বন (HFCs) - জাতীয় গ্যাসের ব্যবহার ৮০ শতাংশ কমিয়ে আনার ব্যাপারে ঐক্যমত হয়।
- এই চুক্তিটি এখন পর্যন্ত ১০০টি দেশ অনুমোদন করেছে।

• মন্ট্রিল প্রটোকল (Montreal Protocol):
- মন্ট্রিল প্রটোকলের পূর্ণনাম - The Montreal Protocol on Substances That Deplete the Ozone Layer।
- ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ কমানোর উদ্দেশ্যে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত ও অনুমোদিত হয়।

- চুক্তি অনুমোদন : ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সাল
- চুক্তি কার্যকর : ১ জানুয়ারি, ১৯৮৯ সাল
- চুক্তি অনুমোদনকারী পক্ষ : ১৯৭টি(অক্টোবর, ২০২৫)
- বাংলাদেশের অনুমোদন : ২ আগস্ট, ১৯৯০ সাল।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।

১,৪২০.
ই-৮ দ্বারা কী বুঝায়?
  1. ক) পৃথিবীর শিল্পোন্নত আটটি দেশের জোট
  2. খ) উন্নয়নশীল আটটি দেশের জোট
  3. গ) অর্থনৈতিক আটটি দেশের সংস্থা
  4. ঘ) পরিবেশ দূষণকারী আটটি দেশের সংস্থা
ব্যাখ্যা
• ই- ৮ :
- ই-৮ হচ্ছে ৮টি পরিবেশ দুষণকারী দেশের সংস্থা
- ই-৮ ভুক্ত দেশ সমূহ পরিবেশ দূষণকারী দেশগুলোর জন্য বিভিন্ন আইন জারি করে।
- বিশ্বব্যাপী পরিবেশ রক্ষা জীববৈচিত্র সংরক্ষণ ই-৮ অন্তর্ভুক্ত আটটি দেশের মূল লক্ষ্য। 
- এই দেশগুলো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি কার্বন ও গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের জন্য দায়ী।
-  ই-৮, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, রাশিয়া, চীন, ভারত, ব্রাজিল এবং দক্ষিণ আফ্রিকার নেতাদের দ্বারা গঠিত একটি সংস্থা।

অন্যদিকে,
- জি-৭ হল শিল্পোন্নত সাতটি দেশের জোট।
- ডি-৮ হল উন্নয়নশীল আটটি দেশের জোট।

উৎস:- ব্রিটানিকা।
১,৪২১.
কোন সম্মেলনে গ্লোবাল বায়োফুয়েল অ্যালায়েন্স গঠিত হয়?
  1. COP-২৮ সম্মেলনে
  2. COP-২৯ সম্মেলনে
  3. ১৮তম G-20 সম্মেলনে
  4. ১৯তম G-20 সম্মেলনে
ব্যাখ্যা
G-20:
- G-20 (গ্রুপ অফ টুইেন্টি) হলো একটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরাম, যা বিশ্বের ১৯টি দেশ ও ২ টি সংস্থার অর্থনীতির প্রতিনিধিত্ব করে।
- এর সদস্য দেশগুলো হলো: অস্ট্রেলিয়া, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, কানাডা, চীন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্ডোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, মেক্সিকো, রাশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া, তুরস্ক, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) এবং আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU) ।
- আফ্রিকান ইউনিয়ন ২০২৩ সালে G-20 এর সদস্য হয়।
- G-20 এর সদস্যরা বৈশ্বিক জিডিপির ৮৫%, বৈশ্বিক বাণিজ্যের ৭৫% এবং বৈশ্বিক জনসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশের প্রতিনিধিত্ব করে।

G-20 সম্মেলন:
- G-20 এর সর্বশেষ ১৮তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় নয়া দিল্লি, ভারতে।
- G-20 এর ১৯তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে ব্রাজিলে।

গ্লোবাল বায়োফুয়েল অ্যালায়েন্স:
- ১৮তম G-20 সম্মেলনে গ্লোবাল বায়োফুয়েল অ্যালায়েন্স গঠিত হয়।
- টেকসই জৈব জ্বালানির ব্যবহার প্রসারিত করার জন্য এটি ১৯টি দেশ ও ১২ টি আন্তর্জাতিক সংস্থাকে একত্রিত করে।

উৎস:
i) G-20 website.
ii) Britannica.
iii) World Economic Forum Website.
১,৪২২.
নিম্নের কোন দেশ 'নাগার্নো কারাবাখ শান্তি চুক্তি' এর স্বাক্ষরকারী পক্ষ নয়?
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) আলবেনিয়া
  3. গ) আজারবাইজান
  4. ঘ) আর্মেনিয়া
ব্যাখ্যা
প্রতিবেশী দুই দেশ আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া‌র মধ্যে দক্ষিণ ককেশাসের বিতর্কিত অঞ্চল নাগার্নো-কারাবাখ নিয়ে দ্বন্দ্ব অনেক পুরনো।
- বিবাদপূর্ণ নাগার্নো-কারাবাখের মালিকানা ঘিরে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ সালে সর্বাত্মক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া।
- ৯ নভেম্বর ২০২০ সালে রাশিয়া, আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যকার 'নাগার্নো-কারাবাখ শান্তি চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয়।

উৎসঃ পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৪২৩.
ওজোন স্তর সংরক্ষণ বিষয়ক মন্ট্রিল প্রটোকল কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৭৮ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৮৭ সালে
  4. ১৯৬৭ সালে
ব্যাখ্যা

• মন্ট্রিল প্রটোকল (Montreal Protocol):
- মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোন স্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- ১৯৮৭ সালে মন্ট্রিল, কানাডায় স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৮৯ সালে কার্যকর হয়।
- বিশ্বের ১৯৮টি দেশ ও অঞ্চল চুক্তিটির অংশীদার।
- এই চুক্তির লক্ষ্য হচ্ছে ওজোন স্তরের ক্ষতি রোধে ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFCs) এবং অন্যান্য ওজোন ধ্বংসকারী পদার্থের ব্যবহারনিয়ন্ত্রণ করা।
- মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১,৪২৪.
ক্রমহ্রাসমান হারে ওজোনস্তর ক্ষয়কারী উপাদান বিলীনের বিষয়টি কোন চুক্তিতে বলা হয়েছে?
  1. মন্ট্রিল প্রটোকল
  2. ক্লোরোফ্লোরো কার্বন চুক্তি
  3. IPCC চুক্তি
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
মন্ট্রিল প্রটোকল:
- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
- বায়ুমন্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার স্তরে অবস্থিত ওজোন স্তর।
- এই প্রটোকলে ওজোন স্তরের ক্ষতিকর পদার্থ নিঃসরণ বন্ধ বা কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।
- গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে।চুক্তি
- স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতি বছর ওজোন স্তর রক্ষা দিবস পালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ODS (Ozone Depleting Substances) হলো এমন পদার্থ যা সাধারণত রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র এবং অ্যারোসলের মতো পণ্যগুলিতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।
১,৪২৫.
Montreal Protocol চুক্তি গৃহীত হয় -
  1. ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৫
  2. ১৩ অক্টোবর, ১৯৮৫
  3. ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭
  4. ১৩ অক্টোবর, ১৯৮৭
ব্যাখ্যা

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটোকল হল ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থ (ODS) ব্যবহার এবং উৎপাদন বন্ধ করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।

⇒ চুক্তি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২০০টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।

উল্লেখ্য,
- ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (সিএফসি), হ্যালন, কার্বন টেট্রাক্লোরাইড, মিথাইল ক্লোরোফর্ম, মিথাইল ব্রোমাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, হাইড্রোব্রোমোফ্লোরোকার্বন ইত্যাদি গ্যাসের প্রভাবে দিন দিন ক্ষয়ে যাচ্ছে এই ওজোন স্তর। যার ফলে তৈরি হচ্ছে ওজোন হোল বা গর্ত। প্রায় সকল ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্য (ওডিএস) ই অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রিন হাউস গ্যাস হিসেবে চিহ্নিত। ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্য ও এর বিকল্পসমূহ অধিকাংশ ক্ষেত্রে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। এ গ্যাসগুলো সাধারণতঃ রেফ্রিজারেশন ও এয়ারকন্ডিশনিং সিস্টেমে, এ্যাজমা চিকিৎসায় উৎপাদিত ইনহেলারে, ফ্যান, প্লাস্টিক ফোম তৈরি ও মাইক্রোইলেকট্রিক সার্কিট পরিস্কার করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মানবসভ্যতাকে রক্ষার জন্য ওজোনস্তর রক্ষায় কাজ করা একান্ত প্রয়োজন। তাই ওজোনস্তরের ক্ষয়কারী দ্রব্যের ব্যবহার কমাতে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
- ধরিত্রীকে রক্ষার লক্ষ্যে ওজোনস্তর রক্ষায় জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির উদ্যোগে ১৯৮৫ সালে 'ভিয়েনা কনভেনশন' গৃহীত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কানাডার মন্ট্রিলে "মন্ট্রিল প্রটোকল" নামে এক যুগান্তকারী চুক্তি গৃহীত হয়।

⇒ ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতি বছর ওজোনস্তর রক্ষা দিবস পালিত হয়।

উৎস: i) UNEP ওয়েবসাইট।
ii) Ozone Secretariat।

১,৪২৬.
‘গ্রিন ডিল (Green Deal)’ পলিসি কোন সংস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. ইউরোপীয় ইউনিয়ন
  2. ওপেক
  3. আফ্রিকান ইউনিয়ন
  4. আসিয়ান
ব্যাখ্যা

Green Deal:
- ‘গ্রিন ডিল (Green Deal)’ পলিসি ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)-এর সঙ্গে সম্পর্কিত।
- এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) চালু করা একটি পরিকল্পনা যার লক্ষ্য ২০৫০ সালের মধ্যে ইউরোপকে বিশ্বের প্রথম জলবায়ু-নিরপেক্ষ মহাদেশে পরিণত করা।
- ২০১৯ সালে এই পরিকল্পনা চালু হয়।
- এই উদ্যোগের মাধ্যমে ইউরোপ একটি টেকসই, পরিবেশবান্ধব অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা করতে চায়, যা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।

⇒ মূল লক্ষ্য:
- ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নির্গমন শূন্যে নামানো।
- ২০৩০ সালের মধ্যে ১৯৯০ সালের তুলনায় ৫৫% কার্বন নির্গমন কমানো।
- ২০৩০ সালের মধ্যে ইইউতে ৩ বিলিয়ন অতিরিক্ত গাছ লাগানো হবে।

উৎস: i) Green European Foundation ওয়েবসাইট।
ii) European Commission.

১,৪২৭.
পরিবেশ ও জলবায়ুর দৃষ্টিকোণে “V20” এর অর্থ কী?
  1. ২০টি সর্বোচ্চ কার্বন নিঃসরণকারী দেশ
  2. ২০টি প্রধান সবুজ শক্তি উৎপাদক দেশ
  3. ২০টি জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ
  4. ২০টি শিল্পায়িত দেশের তালিকা
ব্যাখ্যা

• পরিবেশ ও জলবায়ুর দৃষ্টিকোণে “V20” হলো ২০টি জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশের গ্রুপ। এই দেশগুলো সাধারণত কম আয় এবং উন্নয়নশীল, তাই তারা ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা ও সমুদ্রপৃষ্ঠ বৃদ্ধির মতো জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের প্রতি সবচেয়ে সংবেদনশীল। V20 দেশগুলো আন্তর্জাতিক অর্থ ও প্রযুক্তি সহায়তা পেতে কাজ করে ঝুঁকি কমানোর জন্য।

সঠিক উত্তর: গ) ২০টি জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ।

V20 :
- V20 অর্থমন্ত্রীরা হল CVF-এর অর্থমন্ত্রীদের একটি নিবেদিতপ্রাণ সংলাপ এবং কর্মমুখী প্ল্যাটফর্ম যা তাদের উন্নয়ন-ইতিবাচক জলবায়ু কর্মসূচীকে বাস্তব অর্থনীতির অর্থায়ন, বিনিয়োগ এবং ফলাফলে রূপান্তরিত করে।
- জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক ও আর্থিক প্রতিক্রিয়া জোরদার করার একটি বড় প্রচেষ্টা হিসেবে CVF-এর কোস্টারিকা অ্যাকশন প্ল্যান (2013-2015) থেকে V20 তৈরির আহ্বান জানানো হয়েছিল।
- ৮ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে পেরুর লিমায় ফিলিপাইনের অর্থ সচিব এইচই সিজার ভি. পুরিসিমার সভাপতিত্বে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ ফোরামের  V20  অর্থমন্ত্রীদের উদ্বোধনী সভার মাধ্যমে বিশ্বব্যাংক গ্রুপ এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এর ২০১৫ সালের বার্ষিক সভার সাথে মিলিত হয়ে  V20  প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদস্য দেশগুলির প্রতিনিধিত্ব করেন তাদের অর্থমন্ত্রী, তাদের নিজ নিজ মন্ত্রণালয় এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতো প্রাসঙ্গিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলি।

• V20 এর লক্ষ্য হল:
- সরকারি ও বেসরকারি জলবায়ু অর্থায়নের গতিশীলতা বৃদ্ধি করা।
- জলবায়ু কর্মকাণ্ডের অর্থনৈতিক ও আর্থিক দিকগুলির উপর সর্বোত্তম অনুশীলনগুলি ভাগ করে নিন এবং বিনিময় করুন।
- জলবায়ু অর্থায়নের জন্য নতুন এবং উন্নত পদ্ধতির বিকাশ করুন।
- যৌথ ওকালতি এবং অন্যান্য সম্মিলিত কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করুন।

উৎস: The Climate Vulnerable Forum (CVF).

১,৪২৮.
পরিবেশবাদী সংস্থা‌ ICAN নিম্নের কোনটি নিয়ে কাজ করে?
  1. ক) প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ
  2. খ) জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণা
  3. গ) পারমাণবিক অস্ত্র বিলোপসাধন
  4. ঘ) বণ্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
- 'ICAN' এর পূর্ণরূপ - International Campaign to Abolish Nuclear Weapons.
- এটি একটি পরিবেশবাদী সংস্থা‌।
- এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৭ সালে।
- সংস্থাটি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে ২০১৭ সালে।
- ICAN হল এক শতাধিক দেশের বেসরকারী সংস্থাগুলির একটি জোট যা পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণের জাতিসংঘের চুক্তি মেনে চলা এবং বাস্তবায়নে কাজ করে।

উৎসঃ ICAN এর ওয়েবসাইট।
১,৪২৯.
সবুজ জলবায়ু তহবিল (GCF) এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ইয়েনচিয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া
  2. ব্যাংকক, থাইল্যান্ড
  3. টোকিও, জাপান
  4. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

• সবুজ জলবায়ু তহবিল (GCF):
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (Green Climate Fund) জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন ফ্রেমওয়ার্ক (UNFCCC) কর্তৃক গঠিত একটি গঠিত তহবিল।
- শিল্পোন্নত দেশ সমূহের প্রদত্ত চাঁদা থেকে এই তহবিল গঠিত হবে।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২০১০ সাল।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: কানকুন, মেক্সিকো।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন: কপ-১৬।
- সদর দপ্তর: ইয়েনচিয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া।
- No. of projects: ২৫৩টি।
- এর মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর উদ্যোগে অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়।
- এর মূল লক্ষ্য ক্ষতিগ্রস্থ দেশগুলোকে সহায়তা করা ও কার্বন নির্গমন কমানো।
- সম্মেলনে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস মধ্যে সীমিত রাখতে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ একমত প্রকাশ করে।
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠনের মাধ্যমে দরিদ্র দেশগুলোকে ১০০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

উৎস: Green Climate Fund ওয়েবসাইট।

১,৪৩০.
প্রথম পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন হয়-
  1. ক) নাইরোবিতে
  2. খ) জেনেভায়
  3. গ) স্টকহোমে
  4. ঘ) নিউইয়র্কে
ব্যাখ্যা

- ১৯৭২ সালে সুইডেনের স্টকহোমে প্রথম পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন হয়।
- এটির নাম UN Conference on the Human Environment.
- ১৯৭২ সালে এই সম্মেলন থেকে UNEP (United Nations Environment Program) গঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে অবস্থিত।
- এই সম্মেলন থেকে ৫ই জুন কে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ঘোষণা করা হয়।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

১,৪৩১.
কখন এবং কোথায় International Union for Conservation of Nature (IUCN) প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৪৮, ফ্রান্স
  2. ১৯৪৯, সুইজারল্যান্ড
  3. ১৯৬১, রােম
  4. ১৯৫২, লন্ডন
ব্যাখ্যা
IUCN:
- IUCN এর পূর্ণরুপ: International Union for the Conservation of Nature.
- এটি বিশ্ব জীববৈচিত্র সংরক্ষণকারী সংস্থা।
- বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করার উদ্দেশ্যে ফ্রান্সের ফন্টেইনব্লিউতে 'IUCN' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৫ অক্টোবর, ১৯৪৮।
- সদর দপ্তর: গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড।
- এটি বিশ্বের ১৭০টির অধিক দেশ কাজ করছে।
- উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা।

উল্লেখ্য,
- এটি প্রজাতিকে নয়টি বিভাগে বিভক্ত করে।
- যথা: মূল্যায়ন করা হয়নি, ডেটার ঘাটতি, ন্যূনতম উদ্বেগ, কাছাকাছি হুমকির মুখে, ঝুঁকিপূর্ণ, বিপন্ন, গুরুতরভাবে বিপন্ন, বন্য অঞ্চলে বিলুপ্ত এবং বিলুপ্ত।

⇒ প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংস্থা (IUCN) ১৯৪৮ সালের ৫ অক্টোবর ফ্রান্সের ফন্টেনব্লিউতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সংস্থাটির প্রথম অধিবেশ অনুষ্ঠিত হয় ১৯৪৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর - ৭ অক্টোবর ফ্রান্সের ফন্টেব্লিউতে।
- দ্বিতীয় অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে।

উৎস: IUCN ওয়েবসাইট।
১,৪৩২.
২০২৪ সালে আজারবাইজানে Conference of the Parties- এর কততম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়?(নভেম্বর, ২০২৪)
  1. ২৯তম
  2. ২৮তম
  3. ২৭তম
  4. ২৬তম
  5. ৩০তম
ব্যাখ্যা
কপ সম্মেলন (COP Conference):
- COP এর পূর্ণরূপ হল - Conference Of the Parties.
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- ২০২৪ সালে ২৯তম জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP-29) অনুষ্ঠিত হয় – আজারবাইজান।
- এটি অনুষ্ঠিত হয় ১১ নভেম্বর, ২০২৪- ২২ নভেম্বর, ২০২৪ তারিখে।
- ২৮তম জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP-28) সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
১,৪৩৩.
W.R.I কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচি
  2. খ) বন সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠান
  3. গ) প্রকৃতি এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী
  4. ঘ) জাতিসংঘের পরিবেশ দূষণের বিরুদ্ধে গৃহীত কর্মসূচি
ব্যাখ্যা

W.R.I (World Resource Institute) হলো প্রকৃতি এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের ।
- এটি একটি গবেষণাধর্মী স্বাধীন বেসরকারী প্রতিষ্ঠান যা টেকসই প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সমতা ও সমৃদ্ধি তৈরিতে কাজ করে ।
- জেমস গুস্তাভ ১৯৮২ সালে এটি প্রতিষ্ঠা করেন |
- এর সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসিতে।

সূত্র: Britannica.com

১,৪৩৪.
১ম ধরিত্রী সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ফ্রান্সে
  2. ব্রাজিলে
  3. যুক্তরাষ্ট্রে
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা
১ম ধরিত্রী সম্মেলন:
- ধরিত্রী সম্মেলন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশ সম্মেলন।
- এই সম্মেলনের লক্ষ্য জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করা।
- ১৯৯২ সালে পরিবেশ ও উন্নয়নের উপর জাতিসংঘের সম্মেলন (UNCED), ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত হয়।
- ধরিত্রী সম্মেলন ছিল ১৯৯২ সাল পর্যন্ত বিশ্ব নেতাদের সবচেয়ে বড় সমাবেশ।
- এই সম্মেলনে ১১৭ জন রাষ্ট্রপ্রধান এবং ১৭৮টি দেশের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
- সম্মেলনে স্বাক্ষরিত চুক্তি এবং অন্যান্য নথিপত্রের মাধ্যমে, বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ নামমাত্রভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য নিজেদেরকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করে এমন উপায়ে যা পৃথিবীর পরিবেশ এবং অ-নবায়নযোগ্য সম্পদ রক্ষা করবে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,৪৩৫.
ফ্রাইডেস ফর ফিউচার আন্দোলন কোন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক) বর্ণ বৈষম্য
  2. খ) নারী অধিকার
  3. গ) জলবায়ু পরিবর্তন
  4. ঘ) যুদ্ধ বিরোধিতা
ব্যাখ্যা
- ফ্রাইডেস ফর ফিউচার আন্দোলন হলো জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবীতে স্কুল শিক্ষার্থীদের একটি বৈশ্বিক মুভমেন্ট।
- ২০১৮ সালের আগস্টে ১৫ বছর বয়সী সুইডিশ স্কুলছাত্রী গ্রেটা থুনবার্গ এই আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- থুনবার্গ স্কুল বর্জন করে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবীতে সুইডিশ পার্লামেন্ট ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে।
- তার তার এই কর্মসূচি পরবর্তীতে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে এবং শুক্রবার স্কুল ধর্মঘট করে শিক্ষার্থীরা রাস্তায় অবস্থান করতে শুরু করে।
- ফ্রাইডেস ফর ফিউচার মুভমেন্টের উদ্দেশ্য হলো জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সরকারগুলোর উপর নৈতিক চাপ সৃষ্টি করা।
(সূত্রঃ ফ্রাইডেস ফর ফিউচার মুভমেন্ট)
১,৪৩৬.
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের প্রথম নারী প্রধান অর্থনীতিবিদ কে?
  1. ক) ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা
  2. খ) ক্রিস্টিন লাগার্ড
  3. গ) গীতা গোপীনাথ
  4. ঘ) অংশুলা কান্ত
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের প্রথম নারী প্রধান অর্থনীতিবিদ হলেন ভারতীয় অর্থনীতিবিদ গীতা গোপীনাথ। ১ জানুয়ারি ২০১৯ প্রথম নারী হিসেবে মাত্র ৪৭ বছর বয়সে তিনি আইএমএফ এর এই শীর্ষ পদে নিযুক্ত হন। গীতা গোপীনাথ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। ক্রিস্টিন লাগার্ড আইএমএফের প্রথম নারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বতমানে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট। ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা আইএমএফের বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক। অংশুলা কান্ত বিশ্বব্যাংকের প্রথম নারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা। (সূত্রঃ বিশ্বব্যাংক এবং আইএমএফ ওয়েবসাইট)
১,৪৩৭.
কিয়োটো প্রটোকল কত সালে কার্যকর হয়?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ২০০৫ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

• কিয়োটো প্রটোকল:
- পূর্ণরূপ: Kyoto Protocol to the United Nations Framework Convention on Climate Change.
- কিয়োটো প্রোটোকলটি ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর গৃহীত হয়।
- এটি ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০০৫ সালে কার্যকর হয়।
- বর্তমানে, কিয়োটো প্রোটোকলের ১৯২টি পক্ষ রয়েছে।
- স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- উদ্দেশ্য: গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ ১৯৯০ সালের স্তরের তুলনায় ৫.২% কমানো।
- বৈশিষ্ট্য: ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (CDM) এবং ইমিশন ট্রেডিং অন্তর্ভুক্ত।
- চ্যালেঞ্জ: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এটি অনুমোদন করেনি এবং চীন বাধ্যতামূলক লক্ষ্য থেকে অব্যাহতি পেয়েছে।
- দ্য অভিযোজন তহবিল কিয়োটো প্রোটোকলের পক্ষভুক্ত উন্নয়নশীল দেশগুলিতে অভিযোজন প্রকল্প এবং কর্মসূচির অর্থায়নের জন্য এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- প্রথম প্রতিশ্রুতিকালীন সময়ে, তহবিলটি মূলত সিডিএম প্রকল্প কার্যক্রম থেকে প্রাপ্ত আয়ের একটি অংশ দিয়ে অর্থায়ন করা হয়েছিল।
- ২০১২ সালে দোহায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে দ্বিতীয় প্রতিশ্রুতিকালীন সময়ে, আন্তর্জাতিক নির্গমন বাণিজ্য এবং যৌথ বাস্তবায়নও অভিযোজন তহবিলকে আয়ের ২ শতাংশ অংশ প্রদান করবে।

উৎস: UNFCCC.

১,৪৩৮.
নিম্নলিখিত কোন সংস্থাটি বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী ও তাদের আবাসস্থল রক্ষায় কাজ করে?
  1. জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আন্তঃসরকার প্যানেল
  2. ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ডলাইফ ফান্ড
  3. বিশ্ব প্রাণী স্বাস্থ্য সংস্থা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বিশ্ব প্রাণী স্বাস্থ্য সংস্থা (WOAH):
- পূর্ণরূপ World Organization for Animal Health. 
- বিশ্বব্যাপী প্রাণী স্বাস্থ্য এবং কল্যাণ উন্নয়নে কাজ করে তারা।
পশুচিকিৎসা সম্পর্কিত বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং প্রচারের মাধ্যমে প্রাণী স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক সংহতি জোরদার করে।
- সংস্থাটি প্রাণী, মানব এবং পরিবেশের স্বাস্থ্য পরস্পর নির্ভরশীল বলে স্বীকৃতি দিয়ে "ওয়ান হেলথ" অ্যাপ্রোচ গ্রহণ করে।

ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ডলাইফ ফান্ড (WWF):
- WWF হল বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং প্রভাবশালী পরিবেশ সংস্থাগুলির একটি।
- তারা বিশ্বব্যাপী প্রকৃতি সংরক্ষণের জন্য কাজ করে এবং বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী ও তাদের আবাসস্থল রক্ষায় বিভিন্ন প্রকল্প পরিচালনা করে।

উৎস: World Wildlife Fund
WOAH ওয়েবসাইট।
১,৪৩৯.
IPCC-এর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  2. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  3. বন, জার্মানি
  4. ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা

IPCC:
- জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকার প্যানেল IPCC.
- IPCC এর পূর্ণরূপ: Intergovernmental Panel on Climate Change.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৮৮ সালে।
- সদস্য: ১৯৫টি।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- IPCC নিয়মিতভাবে "Assessment Reports" প্রকাশ করে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক দিকগুলো তুলে ধরে।
- জাতিসংঘের দুটি সংস্থা নিয়ে IPCC গঠিত হয়।
- ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) এবং বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) দ্বারা তৈরি IPCC (Intergovernmental Panel on
Climate Change.

তথ্যসূত্র - IPCC ওয়েবসাইট।

১,৪৪০.
২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য কয়টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করে?
  1. ক) ৭টি
  2. খ) ৫টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৯টি
ব্যাখ্যা
- ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে যথা- বন্যা, ঝড়, মরুকরণ, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং কৃষিক্ষেত্রে অধিকতর অনিশ্চয়তা।
-  এগুলোর প্রতিটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ ১২টি দেশের তালিকা তৈরি হয়েছে। 
- সেই তালিকায় ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ ভাগের একটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণসহ ৩টিতে বাংলাদেশের নাম রয়েছে।
- জলবায়ু পরিবর্তনের এই বিরূপ প্রতিক্রিয়া থেকে দেশকে বাঁচাতে হলে সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে কার্যকরী অভিযোজন কৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত জরুরি।
 
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৪৪১.
UNFCCC-এর সদর দপ্তর বর্তমানে কোথায় অবস্থিত?
  1. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  2. কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক
  3. প্যারিস, ফ্রান্স
  4. বন, জার্মানি
ব্যাখ্যা

UNFCCC-এর সদর দপ্তর জার্মানির বন শহরে অবস্থিত। ১৯৯২ সালে UNFCCC-এর দপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৫ সাল থেকে সদরদপ্তর জার্মানির বনে অবস্থিত। তার আগে দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় (১৯৯২ - ৯৫) ছিলো।

UNFCCC:
- UNFCCC-এর পূর্ণরূপ: United Nations Framework Convention on Climate Change.
- এটি জাতিসংঘের পরিবেশ সংক্রান্ত একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- সাক্ষরিত হয়: ১৯৯২ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৯৪ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: রিও ডি জেনেরিও, ব্রাজিল।
- সদর দপ্তর: বন, জার্মানি।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯৮টি।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দের ৩ জুন থেকে ১৪ জুন তারিখে তে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের পরিবেশ ও উন্নয়ন (UNCED) শীর্ষক সম্মেলনে সাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমনের হার এমন অবস্থায় স্থিতিশীল রাখা, যাতে জলবায়ুগত মানবিক পরিবেশের জন্য তা বিপত্তিকর না হয়।

⤇ Conference of the Parties (COP) হচ্ছে UNFCCC-এর সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কর্তৃপক্ষ।
- প্রতিবছর COP সম্মেলনের মাধ্যমে UNFCCC-এর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, পর্যালোচনা ও জলবায়ু সম্পর্কিত নতুন পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়।
⤇ কার্যক্রম শুরুর পর থেকে জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত ইস্যুতে এই চুক্তির দপ্তর মূখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে।
- এই চুক্তির সেক্রেটারিয়েটের প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় ১৯৯৭ সালে কিয়েটো প্রটোকল ও ২০১৫ সালে প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

১,৪৪২.
'সুগাউলি চুক্তি' কোন দুইটি দেশের মধ্যকার স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ব্রিটিশভারত ও আফগানিস্তান
  2. খ) চীন ও ব্রিটিশভারত
  3. গ) ব্রিটিশভারত ও নেপাল
  4. ঘ) চীন ও জাপান
ব্যাখ্যা
১৮১৬ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারত এবং নেপালের মধ্যে কালাপানি ভূখন্ড নিয়ে সুগাউলি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ।
- যেখানে কালি নদীকে ভারত সংলগ্ন দক্ষিণ নেপালের অংশ বলে স্বীকার করা হয় ।
- কিন্তু পরবর্তীতে এই ম্যাপটি ব্রিটিশ জরিপকারীদের দ্বারা উপকৃত হলে সেখানে নদীটির সীমানাকে আলাদা করে দেখানো হয় ।
- এই নিয়ে বর্তমানে ভারত ও নেপালের মধ্যে বিবাদ চলমান।

সূত্র: ব্রিটানিকা 
১,৪৪৩.
‘High Seas Treaty’ কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. নিউইয়র্ক
  2. প্যারিস
  3. রোম
  4. দুবাই
ব্যাখ্যা
High Seas Treaty:
- High Seas Treaty বা UN Treaty on the High Seas হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা পৃথিবীর সমুদ্রের ৬০% অংশকে সুরক্ষা দেয় এবং সেখানে জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য নতুন নীতি ও কৌশল প্রবর্তন করে।
- ‘High Seas Treaty’ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২০ জুন, ২০২৩, জাতিসংঘের সদরদপ্তর নিউইয়র্কে।
- চুক্তিটির লক্ষ্য হলো বিশ্বব্যাপী "হাই সিজ" (High Seas) বা আন্তর্জাতিক জলসীমায় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং সেখানে মানুষের কার্যক্রমের প্রভাব কমানো।

⇒ ২০১৭ সালের ২৪ ডিসেম্বর, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে রেজোলিউশন ৭২/২৪৯ গৃহীত হয়, যা একটি সম্মেলন আহ্বান করে সমুদ্রের বাইরের অঞ্চলে (High Seas) জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক চুক্তি (ILBI) তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করে। এই চুক্তি সমুদ্রের বাইরের অঞ্চলে পরিবেশগত প্রভাব নিয়ন্ত্রণ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিশ্চিত করবে। রেজোলিউশনটি ১৪১টি দেশ সমর্থন করে, যা পৃথিবীর সমুদ্রের এই অবহেলিত অর্ধেকের সুরক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেছে।


উল্লেখ্য,
- ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে বাংলাদেশ জাতিসংঘের ‘High Seas Treaty’তে স্বাক্ষর করেছে।
- জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ‘বায়োলজিক্যাল ডাইভারসিটি অব এরিয়াস বিয়ন্ড ন্যাশনাল জুরিসডিকশন’ (বিবিএনজে) শীর্ষক এ সন্ধিপত্রে সই করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- স্বাক্ষরকারী ৬০টি দেশ অনুমোদন করলে ১২০ দিন পর চুক্তিটি কার্যকর হবে। 
- চুক্তিতে অতিরিক্ত মৎস্য আহরণ প্রতিরোধ এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষার বিধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

উৎস: i) High Seas Alliance.
         ii) ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, কালের কন্ঠ।
১,৪৪৪.
২০১২ সালে কোন দেশ কার্বন কর চালু করে?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) ব্রাজিল
  3. গ) অস্ট্রেলিয়া
  4. ঘ) জাপান
ব্যাখ্যা

২০১২ সালে কার্বন কর চালু করে অস্ট্রেলিয়া ।
- বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের পেছনে সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হয় কার্বন-ডাই-অক্সাইডকে।
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রধান শত্রু গ্রিন হাউস গ্যাসের নিঃসরণ ঠেকাতে অস্ট্রেলিয়া কার্বনের ওপর কর আরোপ করা হয়েছে।
- ২১ শতকের গোড়ার দিকে, কানাডা, আয়ারল্যান্ড এবং সুইডেনের মতো বেশ কয়েকটি দেশ একটি কার্বন-ট্যাক্স সিস্টেম ব্যবহার করা শুরু করে যেখানে সংস্থাগুলি তাদের উৎপাদনে ব্যবহৃত জ্বালানীর কার্বন সামগ্রীর উপর ভিত্তি করে কর দিতে বাধ্য।

[Link]

সূত্র: Britannica.com ও Center for Public Impact Foundation.

১,৪৪৫.
উত্তর আমেরিকার কোন দেশটি প্রথম কিয়োটো প্রটোকল প্রত্যাহার করে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. কানাডা
  3. মেক্সিকো
  4. বারমুডা
ব্যাখ্যা
- উত্তর আমেরিকার প্রথম দেশটি যা কিয়োটো প্রটোকল প্রত্যাহার করে তা হলো কানাডা। 

কিয়োটো প্রটোকল: 
- কিয়োটো প্রটোকল একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়।
- এটি ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে জাপানের কিয়োটো শহরে অনুষ্ঠিত ৩য় জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন বা COP-3 এ গৃহীত হয়। 
- প্রথম দেশ হিসেবে কিয়োটো প্রটোকল প্রত্যাহার করে কানাডা। 
- ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কার্যকর হয়।
- বাংলাদেশ ২০০১ সালের ২২ অক্টোবর কিয়োটো প্রটোকল চুক্তির অন্তর্ভুক্ত হয় এবং
- ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ সালে চুক্তিটি অনুমোদন দেয়।

সূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট এবং রয়টার্স।
১,৪৪৬.
রামসার কনভেনশন নিম্নের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. জলাভূমির সুরক্ষা
  2. বন্যপ্রাণীর সুরক্ষা
  3. পরিবেশ সুরক্ষা
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
রামসার কনভেনশন:
- রামসার কনভেনশন (Ramsar Convention) বা রামসার চুক্তি হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।
- এটি একমাত্র আন্তর্জাতিক চুক্তি যা শুধুমাত্র জলাভূমি সংরক্ষণের উপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- এটি কার্যকর হয় ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৭২টি।
- রামসার কনভেনশনের মূল উদ্দেশ্য: জলাভূমি সংরক্ষণ, টেকসই ব্যবহারের প্রচার, বিশ্বব্যাপী সহযোগিতা।

⇒ ১৯৯৭ সাল থেকে ২ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব জলাভূমি দিবস হিসেবে IUCN, UNESCO-সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে ১০০টিরও বেশি দেশে পরিবেশ সচেতন নাগরিকরা পালন করে আসছেন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট (Ramsar sites) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর।

উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।
১,৪৪৭.
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার উদ্যোগে প্রথম বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় -
  1. বার্লিন, জার্মানি
  2. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  3. নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  4. স্টকহোম, সুইডেন
ব্যাখ্যা
প্রথম জলবায়ু সম্মেলন:
 - বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার উদ্যোগে বিশ্বে প্রথম জলবায়ু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৯ সালের ১২-২৩ ফেব্রুয়ারি সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।
- এরপর ১৯৯০ সালে দ্বিতীয় জলবায়ু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনের ফলে UNFCCC গৃহিত হওয়ার পথ সুগম হয়।
- ১৯৯৫ সাল থেকে UNFCCC এর উদ্যোগে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে UNFCCC Conference of Parties অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
১,৪৪৮.
কোন জলবায়ু সম্মেলনে '‘জি-জিরো’ ফোরাম' গঠিত হয়েছে?
  1. ২৬তম জলবায়ু সম্মেলন
  2. ২৭তম জলবায়ু সম্মেলন
  3. ২৮তম জলবায়ু সম্মেলন
  4. ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন
ব্যাখ্যা
‘জি-জিরো’ ফোরাম:
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ যখন গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমাতে যুদ্ধ করছে তখন চারটি ছোট কার্বন-নেতিবাচক দেশ এক হয়ে গঠন করলো 'জি জিরো' ফোরাম।
- চারটি দেশ হলো: ভুটান, মাদাগাস্কার, পানামা এবং সুরিনাম।
- ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, সুরিনামের প্রেসিডেন্ট চান সানতোখি, মাদাগাস্কারের প্রধানমন্ত্রী ও পানামার বিশেষ দূত এই যৌথ ঘোষণায় সই করেন।
- ঐতিহাসিক এই ঘোষণা সাক্ষরকালে সেখানে উপস্থিত ছিলেন সাউথ এশিয়ান ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালিষ্ট ফোরামের প্রেসিডেন্ট আশিস গুপ্ত, এক্সিকিউটিভ প্রেসিডেন্ট কেরামত উল্লাহ বিপ্লব, কোষাধ্যক্ষ মাসুম বিল্লাহসহ সাংবাদিক সংগঠনটির ৬ সদস্য।

উল্লেখ্য,
- আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ২৯তম বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৯।
- কপ-২৯ সম্মেলনে ভুটানের উদ্যোগে গঠিত হয়েছে 'জি জিরো' ফোরাম।
- এই ফোরামের দেশগুলো জলবায়ু সুরক্ষার যুদ্ধকে এগিয়ে নিতে একসাথে কাজ করতে যৌথ ঘোষণাও দিয়েছে।
- এই গোষ্ঠী গঠনে বিশেষ ভূমিকা নিয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী দেশ ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে।

উৎস: i) UNFCCC.
ii) Carbon Pulse.
১,৪৪৯.
Acid Rain - টার্মটি কে সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন?
  1. ক) Erwin Schrödinger
  2. খ) Robert Angus Smith
  3. গ) Svante Arrhenius
  4. ঘ) Norman Borlaug
ব্যাখ্যা
The phrase acid rain was first used in 1852 by Scottish chemist Robert Angus Smith during his investigation of rainwater chemistry near industrial cities in England and Scotland. Acid rain, also called acid precipitation or acid deposition, precipitation possessing a pH of about 5.2 or below primarily produced from the emission of sulfur dioxide (SO2) and nitrogen oxides (NOx; the combination of NO and NO2) from human activities, mostly the combustion of fossil fuels. In acid-sensitive landscapes, acid deposition can reduce the pH of surface waters and lower biodiversity. Source: britannica.com
১,৪৫০.
রামসার কনভেনশন কোন দেশে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ইথিওপিয়া
  2. ইরান
  3. ইরাক
  4. কেনিয়া
ব্যাখ্যা
ইরানের রামসার শহরে ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে জলাভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ ও যথাযথ ব্যবহার বিষয়ক রামসার কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- রামসার কনভেনশন কার্যকর হয় ১৯৭৫ সালের ২১ ডিসেম্বর।
- রামসারের ডকুমেন্ট অনুসারে - Number of Contracting Parties: 172. 

বাংলাদেশ ও রামসার: 
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের দুটি স্থান রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে - সুন্দরবন ও টাঙ্গুয়ার হাওর।

উৎস: রামসার ওয়েবসাইট।
১,৪৫১.
জাতিসংঘের ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিষয়ক ভিয়েনা চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৮৬ সালে
  2. ১৯৮৫ সালে
  3. ১৯৮৪ সালে
  4. ১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা
ভিয়েনা কনভেনশন:
- Vienna Convention for the Protection of the Ozone Layer (ভিয়েনা কনভেনশন) হলো জাতিসংঘের ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিষয়ক চুক্তি।
- স্বাক্ষর ও গৃহীত - ১৯৮৫ সালের ২২ মার্চ অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায়।
- কার্যকর - ১৯৮৮ সালের ২২ সেপ্টেম্বর।
- স্বাক্ষরকারী পক্ষ - ২৮টি।
- অনুমোদনকারী পক্ষ - ১৯৮টি।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
১,৪৫২.
নিচের কোনটির সাথে UNEP-এর সাথে সম্পর্কিত রয়েছে?
  1. Human Development Report
  2. World Economic Outlook
  3. Global Environment Outlook 
  4. Global Financial Stability Report
ব্যাখ্যা

- UNEP দ্বারা প্রকাশিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন : Global Environment Outlook (GEO)
-  UNEP-এর প্রধান ফ্ল্যাগশিপ রিপোর্ট যা বিশ্বের পরিবেশের সামগ্রিক অবস্থা তুলে ধরে।

UNEP:

- পূর্ণরূপ- United Nations Environment programme.
- জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা (UNEP).
- প্রতিষ্ঠিত হয়:- ৫ জুন, ১৯৭২ সালে।
- UNEP সদর দপ্তর- নাইরোবি, কেনিয়া।
- সদস্য রাষ্ট্র- ১৯৩ টি। 
- UNEP এর প্রতিষ্ঠার দিন ৫ জুনকে "বিশ্ব পরিবেশ দিবস" হিসেবে পালন করা হয়।

এছাড়াও,
- ২০০৪ সালে থেকে 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ' পুরস্কার দেয়া হয়।
- ২০১৫ সালে বাংলাদেশ 'পলিসি লিডারশিপ' ক্যাটাগরিতে 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ' পুরস্কার লাভ করে।

অন্যদিকে,
- Human Development Report:  UNDP এর প্রকাশিত। 
- World Economic Outlook: IMF (International Monetary Fund)-এর বার্ষিক রিপোর্ট।
- Global Financial Stability Report: IMF-এর আর্থিক ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা, ব্যাংকিং সেক্টরের ঝুঁকি, মূল্যায়ন সংকট ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা হয়।

উৎস: UNEP অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,৪৫৩.
কোন প্রটোকলের অধীনে Biosafety Clearing-House (BCH) প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. মন্ট্রিল প্রোটকল
  2. কিয়োটো প্রোটকল
  3. নাগোয়া প্রোটকল
  4. কার্টাগেনা প্রটোকল
ব্যাখ্যা
কার্টাগেনা প্রটোকল:
- কার্টাগোনা প্রটোকল এর পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity।
- এটি জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- এর উদ্দেশ্য হলো জৈব জ্বালানি সংরক্ষণ।

⇒ কার্টাগেনা প্রটোকল অনুমোদন: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯, কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে।
- তাই শহরের নামানুসারে এর নাম কার্টাগেনা প্রটোকল।
- কার্টাগেনা প্রটোকল গৃহীত ও কার্যকর: কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত ও কার্যকর হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
- চুক্তির পক্ষে স্বাক্ষরকারী দেশ: ১০৩টি।
- অনুমোদনকারী: ১৭৩টি।

উল্লেখ্য,
- কার্টাগেনা প্রটোকলের অধীনে Biosafety Clearing-House (BCH) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- Biosafety Clearing-House (BCH) হলো একটি অনলাইন তথ্য কেন্দ্র, যার মাধ্যমে জীবিত পরিবর্তিত জীব (LMOs) সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান করা যায়, দেশগুলো তাদের বায়োসেফটি আইন-কানুন, নীতিমালা, সিদ্ধান্ত ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারে,
- এটি Cartagena Protocol বাস্তবায়নে সহযোগিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে।

অন্যদিকে -
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
- কিয়োটো প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: বিশ্বের উষ্ণতা হ্রাস।
- নাগোয়া প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ।

উৎস: UNTC ওয়েবসাইট।
১,৪৫৪.
'ইকোলজি' শব্দটি কিসের সাথে সম্পর্যুক্ত?
  1. ক) বায়োলজি
  2. খ) ফিজিওলজি
  3. গ) ইলেকশন কমিশন
  4. ঘ) পরিবেশ
ব্যাখ্যা
- ইকোলজি একটি ইংরেজি শব্দ, যার গ্রিক শব্দ হলো ‘Oikos’ যার অর্থ ঘর বা বাসস্থান।
- ইকোলজি প্রথমে জার্মান প্রাণিবিজ্ঞানী আর্নস্ট হেকেল তৈরি করেছিলেন।
- আর্নেস্ট হেকেল সর্বপ্রথম “ইকোলজি” শব্দটি ব্যবহার করেন ১৮৬৯ সালে।
- ইকোলজি হলো এমন একটি শাখা যেখানে জীব ও তাদের পরিবেশের আন্তঃসম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
- জীবগুলি একে অপরের সাথে এবং তাদের পরিবেশের সাথে কীভাবে সম্পর্ক রক্ষা করে সে সম্পর্কিত অধ্যয়ন হল ইকোলজি। 

উৎস:- ব্রিটানিকা।
১,৪৫৫.
ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিষয়ক চুক্তি কোনটি?
  1. কিয়েটো প্রটোকল
  2. বাসেল কনভেনশন
  3. ভিয়েনা কনভেনশন
  4. কার্টাগেনা প্রটোকল
ব্যাখ্যা
ভিয়েনা কনভেনশন:
- Vienna Convention for the Protection of the Ozone Layer (ভিয়েনা কনভেনশন)- হলো জাতিসংঘের ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিষয়ক চুক্তি।
- স্বাক্ষর ও গৃহীত - ১৯৮৫ সালের ২২ মার্চ অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায়।
- কার্যকর ১৯৮৮ সালের ২২ সেপ্টেম্বর।
- স্বাক্ষরকারী পক্ষ - ২৮টি।
- অনুমোদনকারী পক্ষ - ১৯৮টি।

উল্লেখ্য,
- কিয়েটো প্রটোকল: গ্রিণ হাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ।
- বাসেল কনভেনশন: ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল বিষয়ক।
- কার্টাগেনা প্রটোকল: জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা বিষয়ক।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
১,৪৫৬.
বেলেম জেন্ডার অ্যাকশন প্ল্যান কোন সংস্থার অধীনে গৃহীত হয়েছে?
  1. UN Women 
  2. UNFCCC
  3. UNEP
  4. UNDP
ব্যাখ্যা

'বেলেম জেন্ডার অ্যাকশন প্ল্যান' (Belem Gender Action Plan):
- ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত কপ-৩০ সম্মেলনে 'বেলেম জেন্ডার অ্যাকশন প্ল্যান' জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (UNFCCC)-এর অধীনে গৃহীত হয়েছে।

⇒  কপ-৩০ সম্মেলনের শেষের দিকে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো নতুন বেলেম জেন্ডার অ্যাকশন প্ল্যান (জিএপি-গ্যাপ) অনুমোদন করেছে।
- এই পরিকল্পনা ২০২৬ থেকে ২০৩৪ সাল পর্যন্ত ন্যূনতম লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে এবং পুরোনো এনহান্সড লিমা ওয়ার্ক প্রোগ্রাম অন জেন্ডার আপডেট ও শক্তিশালী করেছে।
- নতুন পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হলো জলবায়ু নীতি, পরিকল্পনা, প্রকল্প ও অর্থায়নের প্রতিটি স্তরে লিঙ্গভিত্তিক সমতা এবং অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
- এখানে ‘নারী’ বলতে কেবল সাধারণ নারী নয়; আদিবাসী, গ্রামীণ, কৃষিজীবী, প্রতিবন্ধী এবং অন্যান্য প্রান্তিক ও উপেক্ষিত গোষ্ঠীর নারীর অংশগ্রহণ ও প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এ ছাড়া নারীমুখী ও কমিউনিটিভিত্তিক প্রকল্প এবং জেন্ডার সংবেদনশীল জলবায়ু অর্থায়ন (জেন্ডার রেসপন্সিভ ক্লাইমেট ফিন্যান্স) ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতিও এসেছে।

উল্লেখ্য,
- জলবায়ু আলোচনায় লিঙ্গসমতা অন্তর্ভুক্তির যাত্রা শুরু হয় ২০১৪ সালে কপ২০-এ ‘লিমা ওয়ার্ক প্রোগ্রাম অন জেন্ডার’ গ্রহণের মাধ্যমে। ২০১৭ সালে কপ২৩-এ প্রথম জেন্ডার অ্যাকশন প্ল্যান-গ্যাপ গৃহীত হয়, যা জলবায়ু নীতি ও কর্মসূচিতে নারীর অংশগ্রহণকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়। ২০১৯ সালের কপ২৫-এ এটি  ‘এনহান্সড লিমা ওয়ার্ক প্রোগ্রাম অন জেন্ডার’ হিসেবে আরও শক্তিশালী হয়। সবশেষে, বেলেমে অনুমোদিত নতুন গ্যাপ অভিজ্ঞতাকে ভিত্তি করে ভবিষ্যতের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি কাঠামো তৈরি করেছে, যা জলবায়ু নীতি ও অর্থায়নে নারীর সমতা ও অংশগ্রহণকে আরও সুসংহত করবে বলে আশা করা যায়।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

১,৪৫৭.
ওয়াটারএইড কোন ধরনের সংস্থা?
  1. বিশুদ্ধ পানি, শালীন টয়লেট ও ভাল স্বাস্থ্যবিধি
  2. প্রাণী সংরক্ষণ
  3. জলবায়ু পরিবর্তন
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

ওয়াটারএইড:
- ওয়াটারএইড একটি বৈশ্বিক সংস্থা।
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উন্নতির লক্ষ্যে জীবন পরিবর্তনের জন্য প্রায় ৪০ বছর ধরে কাজ করছে।
- বিশ্বব্যাপী সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য বিশুদ্ধ পানি, শালীন টয়লেট এবং ভাল স্বাস্থ্যবিধি সরবরাহ করার জন্য কাজ করে উক্ত প্রতিষ্ঠান।
- ওয়াটারএইড ২১ জুলাই ১৯৮১ সালে যাত্রা শুরু করে।
- সংস্থাটির প্রথম প্রজেক্ট ছিল জাম্বিয়া ও শ্রীলংকাতে।
- ওয়াটারএইড বাংলাদেশে ১৯৮৬ সাল থেকে ওয়াটার, স্যানিটেশন অ্যান্ড হাইজিন (WASH) সেক্টরে কাজ শুরু করে এবং দরিদ্র, অরক্ষিত এবং বহিষ্কৃতদের লক্ষ্য করে বৃহৎ আকারের প্রকল্পগুলি উদ্ভাবন, স্কেল আপ এবং পরিচালনার করে।

তথ্যসূত্র - Wateraid এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,৪৫৮.
One Planet Summit-2024 অনুষ্ঠিত হয়েছিল কোথায়?
  1. কাতার
  2. সৌদি আরব
  3. মিশর
  4. কুয়েত
ব্যাখ্যা

• ওয়ান প্ল্যানেট সামিট:
- মানবতার উন্নতির জন্য তাদের সম্পদ ব্যবহারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নেতা এবং উদ্যোক্তাদের একত্রিত করে ।
⇒ ২০১৭ সালে, ওয়ান প্ল্যানেট সামিটের প্রবর্তকরা, ফরাসি প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রন, জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং বিশ্বব্যাংকের সাবেক সভাপতি জিম কিম।

⇒ প্যারিস জলবায়ু চুক্তি গৃহীত হওয়ার ঠিক দুই বছর পর, ২০১৭ সালের ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে প্রথম ওয়ান প্ল্যানেট শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ।
⇒ ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে নিউ ইয়র্কে দ্বিতীয় ওয়ান প্ল্যানেট সামিট অনুষ্ঠিত হয় ।
⇒ ৩ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে , ফ্রান্স কাজাখস্তান এবং বিশ্বব্যাংকের সাথে অংশীদারিত্ব করে "এক জল শীর্ষ সম্মেলন" আয়োজন করে। 

⇒ ৩ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে , ফ্রান্স কাজাখস্তান এবং বিশ্বব্যাংকের সাথে অংশীদারিত্ব করে "এক জল শীর্ষ সম্মেলন" সৌদি আরব কর্তৃক রিয়াদে আয়োজিত হয় এ সামিট।

উৎস: One Planet Summit.

১,৪৫৯.
জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি কোনটি?
  1. কিয়োটো প্রটোকল
  2. মন্ট্রিল প্রটোকল
  3. কার্টাগেনা প্রটোকল
  4. বাসেল কনভেনশন
ব্যাখ্যা
কার্টাগেনা প্রটোকল:
- কার্টাগেনা প্রটোকল হচ্ছে জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক ।
- এটি স্বাক্ষরিত হয় ২০০০ সালে কিন্তু কার্যকর হয় ২০০৩ সালে
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।

অন্যান্য:
কিয়োটো প্রটোকল:
- পূর্ণরূপ: Kyoto Protocol to the United Nations Framework Convention on Climate Change.
- স্বাক্ষরিত হয়: ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সাল।
- স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- কার্যকর: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- উদ্দেশ্য: গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ ১৯৯০ সালের স্তরের তুলনায় ৫.২% কমানো।
- বৈশিষ্ট্য: ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (CDM) এবং ইমিশন ট্রেডিং অন্তর্ভুক্ত।
- চ্যালেঞ্জ: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এটি অনুমোদন করেনি এবং চীন বাধ্যতামূলক লক্ষ্য থেকে অব্যাহতি পেয়েছে।

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- গৃহীত হয়: ১৯৮৭ সালে।
- উদ্দেশ্য: ওজোন স্তর সুরক্ষা।
- চুক্তির স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ১ জানুয়ারি, ১৯৮৯।
- এটি ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC) নিষিদ্ধ করার লক্ষ্যে কাজ করে।

বাসেল কনভেনশন:
- বাসেল কনভেনশন হলো বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং তাদের নিষ্পত্তি সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- পূর্ণরূপ: Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal.
- এটি ১৯৮৯ সালে গৃহীত হয় এবং ১৯৯২ সালে কার্যকর হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালে বাসেল কনভেনশনে যোগ দেয়।

উৎস: i) Bangladesh Biosafety Website.
ii) Britannica.
iii) UNEP ওয়েবসাইট।
iv) Basel Convention Official Website
১,৪৬০.
ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার (IFAW) কিভাবে পরিবেশ রক্ষা করে?
  1. বায়ুকে দূষণ থেকে রক্ষার মাধ্যমে
  2. বনাঞ্চল সংরক্ষণের মাধ্যমে
  3. জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিরোধ
  4. প্রাণীজগতের রক্ষার মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
IFAW (International Fund for Animal Welfare):
- IFAW একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা যা প্রাণীজগতের সুরক্ষা ও সংরক্ষণে কাজ করে, বিশেষত অবৈধ শিকার এবং পরিবেশগত ক্ষতির বিরুদ্ধে।

- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৬৯, কানাডা।
- মিশন: পশু, মানুষ, এবং প্রকৃতির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা।
- কার্যক্রম: বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, জলজ জীবের সুরক্ষা, এবং দুর্যোগকালীন উদ্ধার কার্যক্রম।
- গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ: হাতি সংরক্ষণ, জলজ স্তন্যপায়ী প্রাণীর সুরক্ষা, এবং বন্যপ্রাণী অপরাধ মোকাবিলা।
- সদর দপ্তর: ম্যাসাচুসেটস, যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস: IFAW
১,৪৬১.
প্যারিস চুক্তি (COP-21) কোন সালে কার্যকর হয়?
  1. ২০১৫ সাল
  2. ২০১৬ সাল
  3. ২০১৭ সাল
  4. ২০১৮ সাল
ব্যাখ্যা

The Paris Agreement

⇒ প্যারিস চুক্তি জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি আইনত বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক চুক্তি । ফ্রান্সের প্যারিসে ১২ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে (COP21) ১৯৫টি পক্ষ এটি গ্রহণ করে। এটি ৪ নভেম্বর ২০১৬ তারিখে কার্যকর হয়।

⇒ এর মূল লক্ষ্য হল : "বিশ্বব্যাপী গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে প্রাক-শিল্প-পূর্ব স্তরের চেয়ে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা" এবং "তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে প্রাক-শিল্প-পূর্ব স্তরের চেয়ে ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার প্রচেষ্টা" চালানো।

⇒  সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, বিশ্ব নেতারা এই শতাব্দীর শেষ নাগাদ বৈশ্বিক উষ্ণতা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছেন।

⇒ কারণ জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকারি প্যানেল ইঙ্গিত দেয় যে ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সীমা অতিক্রম করলে আরও তীব্র জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব পড়ার ঝুঁকি রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে আরও ঘন ঘন এবং তীব্র খরা, তাপপ্রবাহ এবং বৃষ্টিপাত।

⇒ বৈশ্বিক উষ্ণতা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হলে, ২০২৫ সালের আগে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে হবে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ৪৩% হ্রাস পেতে হবে।

উৎস: UN Climate Change.

১,৪৬২.
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে অধিক ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর জোটের নাম কী?
  1. G20
  2. V20
  3. OPEC
  4. G77
ব্যাখ্যা

V20:
- V20 এর পূর্ণরূপ - The Vulnerable Twenty.
- এটি হলো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝুঁকিতে থাকা দেশ গুলোকে নিয়ে একটি ফোরাম।
- V20 বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা করার জন্য সংলাপ এবং পদক্ষেপের মাধ্যমে কাজ করে।
- এটি গঠিত হয়: ৮ অক্টোবর, ২০১৫।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: লিমা, পেরু।
- প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি: ফিলিপাইন।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ৭০টি।
- ভি-২০ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীদের একটি প্লাটফর্ম।
- এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি UNDP এর climate vulnerable forum এর সাথে সরাসরি জড়িত।

উৎস: Vulnerable 20 ওয়েবসাইট।

১,৪৬৩.
ইউরোপীয় পরিবেশ সংস্থার সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ব্রাসেলস, বেলজিয়াম
  2. কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক
  3. বার্লিন, জার্মানি
  4. প্যারিস, ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

ইউরোপীয় পরিবেশ সংস্থা (European Environment Agency):
- ইউরোপীয় ইউনিয়নকে পরিবেশ বিষয়ক তথ্য সরবরাহের মাধ্যমে সহায়তা করা এই সংস্থার প্রধান কাজ।
- গঠন ১৯৯৪ সালে।
- সদরদপ্তর কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক।
- সদস্য দেশ-৩২ টি।
- সহযোগী দেশ ০৬টি।

তথ্যসূত্র - EEA ওয়েবসাইট।

১,৪৬৪.
’গ্রিনপিস’ কোন দেশের পরিবেশবাদী সংস্থা? 
  1. ডেনমার্ক
  2. নেদারল্যান্ডস
  3. কানাডা
  4. দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা

• গ্রিনপিস:
- গ্রিনপিস 'নেদারল্যান্ড' ভিত্তিক আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়:  ১৯৭১ সালে, কানাডায়।
- সদরদপ্তর: নেদারল্যান্ডের আমস্টারডাম।
- পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার ও পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা বন্ধে ১৯৬৯ সালে Don't make a wave Committee গঠিত হয়।
- সংস্থাটির উদ্দেশ্য সারা বিশ্বে বন্য পরিবেশ ধ্বংস, গ্লোবাল ওয়ার্মিং, অধিক হারে মৎস্য শিকার, বানিজ্যিক ভাবে তিমি শিকার এবং পারমানবিক শক্তির বিরুদ্ধে প্রচারনা চালানো।

তথ্যসূত্র: Greenpeace এর ওয়েবসাইট।

১,৪৬৫.
নিচের কোনটি গ্রিন হাইজ গ্যাস?
  1. ক) হাইড্রোজেন সালফাইড
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) নাইট্রাস অক্সাইড
  4. ঘ) অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
⇨ হাউস অ্যাফেক্ট কথাটি সর্বপ্রথম সোভানটে আরহেনিয়াস প্রথম ব্যবহার করেন।
⇨ গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ হলো- কার্বন ডাইঅক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরোফ্লোরো কার্বন।   

তথ্যসূত্র:- পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৪৬৬.
কোন ধরনের দূষণে বিশ্বে প্রতিবছর সর্বাধিক সংখ্যক মানুষ মারা যায়?
  1. মাটি দূষণ
  2. পানি দূষণ
  3. বায়ু দূষণ
  4. শব্দ দূষণ
ব্যাখ্যা
- বিশ্বে প্রতিবছর সর্বাধিক সংখ্যক মানুষ মারা যায় বায়ুদূষণের কারণে।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে বিশ্বে প্রতিবছর মোট মৃতের সংখ্যার ৮ জনের ১ জন মারা যায় বায়ুদূষণের ফলে।
- এছাড়া বায়ুদূষণের ফলে মানুষের মাথাপিছু। গড় আয়ুষ্কাল ২.৯ বছর হ্রাস পাচ্ছে।
- ল্যানসেট সাময়িকী'র তথ্যমতে বায়ুদূষণের পর পানি দুষণ দ্বিতীয় সর্বাধিক মানুষের মৃত্যু কারণ।

তথ্যসূত্র - বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা।
১,৪৬৭.
ওয়ার্ল্ড ওয়াচ (World Watch) কোন দেশ ভিত্তিক পরিবেশ সংস্থা? 
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. নেদারল্যান্ড
  4. সুইডেন
ব্যাখ্যা
পরিবেশবাদী সংগঠন:
- World Watch যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠিতা হলেন- লেস্টার আর ব্রাউন।
- এর সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।

উৎস: World Watch এর ওয়েবসাইট।
১,৪৬৮.
ভিয়েনা কনভেনশন-এর আওতায় নিম্নের কোন প্রটোকলটি গৃহীত হয়?
  1. মন্ট্রিল প্রটোকল
  2. কার্টাগেনা প্রটোকল
  3. কিয়েটো প্রটোকল
  4. নাগোয়া প্রটোকল
ব্যাখ্যা
ভিয়েনা কনভেনশন:
- Vienna Convention-এর পূর্ণরূপ: The Vienna Convention for the Protection of the Ozone Layer.
- এটি জাতিসংঘের 'ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ' বিষয়ক চুক্তি।
- জাতিসংঘ কর্তৃক চুক্তি গৃহীত হয়: ২২ মার্চ, ১৯৮৫।
- চুক্তি কার্যকর হয়: ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৮।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২৮টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।
- বৈশ্বিক অনুমোদন লাভ: ২০০৯ সাল।
- চুক্তি সংশ্লিষ্ট পক্ষ সমূহ ৩ বছর পর পর চুক্তির অগ্রগতি ও অন্যান্য ইস্যু নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যে বৈঠকে বসে থাকে।

উল্লেখ্য,
- ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFC), হ্যালন, কার্বন টেট্রাক্লোরাইড, মিথাইল ক্লোরোফর্ম, মিথাইল ব্রোমাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, হাইড্রোব্রোমোফ্লোরোকার্বন ইত্যাদি গ্যাসের প্রভাবে দিন দিন ক্ষয়ে যাচ্ছে এই ওজোন স্তর। যার ফলে তৈরি হচ্ছে ওজোন হোল বা গর্ত।
- প্রায় সকল ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্য (ODS) ই অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রিন হাউস গ্যাস হিসেবে চিহ্নিত। ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্য ও এর বিকল্পসমূহ অধিকাংশ ক্ষেত্রে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।
- এ গ্যাসগুলো সাধারণতঃ রেফ্রিজারেশন ও এয়ারকন্ডিশনিং সিস্টেমে, এ্যাজমা চিকিৎসায় উৎপাদিত ইনহেলারে, ফ্যান, প্লাস্টিক ফোম তৈরি ও মাইক্রোইলেকট্রিক সার্কিট পরিস্কার করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মানবসভ্যতাকে রক্ষার জন্য ওজোনস্তর রক্ষায় কাজ করা একান্ত প্রয়োজন। তাই ওজোনস্তরের ক্ষয়কারী দ্রব্যের ব্যবহার কমাতে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
- ধরিত্রীকে রক্ষার লক্ষ্যে ওজোনস্তর রক্ষায় জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির উদ্যোগে ১৯৮৫ সালে 'ভিয়েনা কনভেনশন' গৃহীত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কানাডার মন্ট্রিলে "মন্ট্রিল প্রটোকল" নামে এক যুগান্তকারী চুক্তি গৃহীত হয়।
 
উৎস: i) UNEP ওয়েবসাইট।
ii) Ozone Secretariat. [link]
ii) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি)।
১,৪৬৯.
IUCN মূলত কোন বিষয়ে কাজ করে?
  1. স্বাস্থ্যসেবা
  2. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ
  3. দারিদ্র্য বিমোচন
  4. বাণিজ্য উন্নয়ন
ব্যাখ্যা

IUCN:
- বিশ্ব জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণবাদী সংস্থা (IUCN)।
- IUCN এর পূর্ণরূপ - International Union for the Conservation of Nature.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৮ সালে।
- সদর দপ্তর: গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড।
- এটি নিয়ে বিশ্বের ১৭০ টির অধিক দেশ কাজ করছে।
- উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা।

তথ্যসূত্র - IUCN অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,৪৭০.
বিশ্বের বৃহত্তম রেইনফরেস্ট কোনটি?
  1. ক) কঙ্গো বেসিন
  2. খ) আমাজন বনভূমি
  3. গ) দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় বনভূমি
  4. ঘ) ডেইনট্রি ফরেস্ট
ব্যাখ্যা
- দক্ষিণ আমেরিকার ৯টি দেশ জুড়ে বিস্তৃত আমাজন বনভূমি বিশ্বের বৃহত্তম রেইনফরেস্ট। আমাজন বনাঞ্চলের আয়তন প্রায় ২১ লক্ষ বর্গ মাইল।
- পৃথিবীতে মোট অক্সিজেনের শতকরা ২০ ভাগ আমাজন বনভূমি একা সরবরাহ করে। যার কারণে এটিকে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয়।
- আফ্রিকার কঙ্গো বেসিন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রেইনফরেস্ট।
(সূত্রঃ ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস এবং আল জাজিরা)
১,৪৭১.
আফগানিস্তানের সরকারের সাথে সম্প্রতি কোন দেশের প্রতিষ্ঠান তেল উত্তোলন বিষয়ক চুক্তি স্বাক্ষর করে?
  1. ক) তুরস্ক
  2. খ) জাপান
  3. গ) রাশিয়া
  4. ঘ) চীন
ব্যাখ্যা
⇒ আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের সাথে চীনা প্রতিষ্ঠান Xinjiang Central Asia Petroleum and Gas Company 4 তেল উত্তোলন বিষয়ক চুক্তি সাক্ষরিত - ৫ জানুয়ারি।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার ফ্রেব্রুয়ারি, ২০২২
১,৪৭২.
বিশ্ব পরিবেশ দিবস প্রতি বছর কোন তারিখে পালিত হয়?
  1. ২২ এপ্রিল
  2. ৫ জুন
  3. ১৬ সেপ্টেম্বর
  4. ২২ মে
ব্যাখ্যা

UNEP:
- পূর্ণরূপ- United Nations Environment programme.
- জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা (UNEP).
- প্রতিষ্ঠিত হয়:- ৫ জুন, ১৯৭২ সালে।
- UNEP সদর দপ্তর- নাইরোবি, কেনিয়া।
- সদস্য রাষ্ট্র- ১৯৩ টি। 
- UNEP এর প্রতিষ্ঠার দিন ৫ জুনকে "বিশ্ব পরিবেশ দিবস" হিসেবে পালন করা হয়।

এছাড়াও,
- ২০০৪ সালে থেকে 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ' পুরস্কার দেয়া হয়।
- ২০১৫ সালে বাংলাদেশ 'পলিসি লিডারশিপ' ক্যাটাগরিতে 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ' পুরস্কার লাভ করে।

​• UNEP-এর কাজ:
- বিশ্বব্যাপী পরিবেশ রক্ষায় নেতৃত্ব দেওয়া,
- জলবায়ু পরিবর্তন, বায়ু দূষণ, পানি সংকট, বন উজাড়, প্লাস্টিক দূষণ ইত্যাদির বিরুদ্ধে কাজ করা,
-বিভিন্ন দেশকে পরিবেশবান্ধব নীতি ও সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করা।
- পরিবেশবিষয়ক গবেষণা, তথ্য ও রিপোর্ট প্রকাশ করা।

উৎস: UNEP অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,৪৭৩.
International Maritime Organisation এর সদস্য সংখ্যা কতটি?
  1. ১৭৩টি
  2. ১৭৪টি
  3. ১৭৫টি
  4. ১৭৬টি
ব্যাখ্যা
International Maritime Organisation:
- International Maritime Organisation (IMO) হলো সমুদ্র চলাচল বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৮ সালে।
- তবে কার্যকর হয় ১৯৫৮ সালে এবং ১৯৮২ সালে IMO নামধারণ করে।
- শুরুতে এর নাম ছিল Inter-governmental Maritime Consultative Organisation (IMCO)।
- সদর দপ্তর যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালে IMO এর সদস্যপদ লাভ করে।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৭৬টি এবং সহযোগী সদস্য ৩টি।

উৎস: IMO এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৪৭৪.
রামসার কনভেনশনের উদ্দেশ্য কী?
  1. বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ
  2. মরুভূমি সংরক্ষণ
  3. জলাভূমি সংরক্ষণ
  4. মহাসাগর রক্ষা করা
ব্যাখ্যা

• রামসার কনভেনশন (১৯৭১):
- পূর্ণনাম Ramsar Convention on Wetlands.
- এই কনভেনশনটি ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে গৃহীত হয় এবং ১৯৭৫ সালে কার্যকর হয়।
- তারপর থেকে, বিশ্বের সমস্ত ভৌগোলিক অঞ্চল থেকে প্রায় ৯০% জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র "চুক্তিকারী পক্ষ" হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। 

• এর উদ্দেশ্য:
- আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি সংরক্ষণ করা।
- সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি (Wetlands) তালিকাভুক্ত করতে বলা হয়, যা রামসার সাইট নামে পরিচিত।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ১৭৩টি দেশ (২০২৪ সাল পর্যন্ত)।
- ২রা এপ্রিল ২০২৫ তারিখে, সৌদি আরব ইউনেস্কোর মহাপরিচালকের কাছে কনভেনশনে তাদের যোগদানের দলিল জমা দেয়।
- এই কনভেনশনটি দেশের জন্য ২রা আগস্ট ২০২৫ তারিখে কার্যকর হবে, যা এটিকে জলাভূমি সংরক্ষণ এবং বিজ্ঞতার সাথে ব্যবহারের জন্য নিবেদিত চুক্তির ১৭৩তম চুক্তিকারী পক্ষ করে তুলবে।

উৎস: Ramsar Convention Official Website.

১,৪৭৫.
'IAEA‘ এর সর্বশেষ সদস্য -
  1. জিম্বাবুয়ে
  2. গিনি
  3. গাম্বিয়া
  4. দক্ষিণ সুদান
ব্যাখ্যা
IAEA:
- IAEA-এর পূর্ণরূপ: International Atomic Energy Agency.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ জুলাই, ১৯৫৭।
- বর্তমান সদস্য: ১৭৮টি।
- সর্বশেষ সদস্য: গিনি।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান মহাপরিচালক: রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি (আর্জেন্টিনা)।
- IAEA ২০০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পায় লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে IAEA এর সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: IAEA ওয়েবসাইট।
১,৪৭৬.
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (UNFCCC) এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. প্যারিস, ফ্রান্স
  2. নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  3. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  4. বন, জার্মানি
ব্যাখ্যা

UNFCCC:
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন UNFCCC.
- UNFCCC এর পূর্ণরূপ হল United Nations Framework Convention on Climate Change.
- জাতিসংঘ সদর দপ্তরে United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC) গৃহীত হয়।
- একই বছরের ৪ থেকে ১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলনে এটি স্বাক্ষরের জন্যে উন্মুক্ত করা হয় যা ২১ মার্চ ১৯৯৪ কার্যকর হয়।
- UNFCCC স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯২ সালে।
- সদর দপ্তর: বন, জার্মানি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৮টি।

তথ্যসূত্র - UNFCCC ওয়েবসাইট।

১,৪৭৭.
কোন দেশটি প্রথম নিজস্ব অর্থায়নে জলবায়ু পরিবর্তন তহবিল গঠন করে?
  1. ক) সুইডেন
  2. খ) মালদ্বীপ
  3. গ) নিউজিল্যান্ড
  4. ঘ) বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
২০০৯ সালে বাংলাদেশ বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে নিজস্ব অর্থায়নে জলবায়ু পরিবর্তন তহবিল গঠন করে।
চলতি অর্থবছর পর্যন্ত এই তহবিলে মোট প্রায় চার হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
(সূত্রঃ BCCT ওয়েবসাইট)
১,৪৭৮.
COP29 কোন দেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. আজারবাইজান
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
COP-29:
- COP এর পূর্ণরূপ Conference of the Parties.
- UNFCCC জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত COP সম্মেলনের আয়োজন করে।
- COP28 অনুষ্ঠিত হয় ৩০ নভেম্বর থেকে ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৩ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই এ ।
- সর্বশেষ COP29 অনুষ্ঠিত হয় আজারবাইজানের বাকু তে ১১ নভেম্বর - ২২ নভেম্বর, ২০২৪ ।
- কপ-২৯ (COP29) জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনে দরিদ্র দেশগুলোকে জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় প্রতি বছর ৩০০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিতে রাজি হয়েছে উন্নত দেশগুলো।
- এই অর্থায়ন ২০৩৫ সাল পর্যন্ত চলবে।
- জলবায়ু তহবিলের এই অর্থ পরিবেশবান্ধব অর্থনীতি গড়ে তোলার পাশাপাশি দুর্যোগ মোকাবিলায় ব্যবহার হবে।

উৎস: UNFCCC website.
এএফপি। 
১,৪৭৯.
আর্থ আওয়ার পালিত হয় প্রতি বছর মার্চ মাসের -
  1. ক) ১ম শনিবার
  2. খ) ২য় শনিবার
  3. গ) ৩য় শনিবার
  4. ঘ) শেষ শনিবার
ব্যাখ্যা
আর্থ আওয়ার:
- পরিবেশ দূষণ রোধে উৎসাহ সৃষ্টির লক্ষ্যে বছরে ১ ঘন্টা বৈদ্যুতিক বাতি বন্ধ করে রাখার কার্যক্রম।
- WWF (World Wide Fund for Nature) এর আয়োজক।
- ২০০৭ সালের ৩১ মার্চ অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে প্রথম আর্থ আওয়ার পালিত হয়।
- রাত ৮.৩০ থেকে ৯.৩০ পর্যন্ত ১ ঘন্টা বৈদ্যুতিক বাতি বন্ধ করে রাখা হয়।
- প্রতি বছর মার্চ মাসের শেষ শনিবার আর্থ আওয়ার পালিত হয়।
- ২০২৩ সালের মার্চ মাসের ২৫ তারিখ আর্থ আওয়ার পালন করা হয়।

উৎস: Earth Hour এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৪৮০.
UNCCD কী বিষয়ক চুক্তি?
  1. দারিদ্র্য বিমোচন ও খাদ্য নিরাপত্তা চুক্তি
  2. জৈববৈচিত্র্য সংরক্ষণ চুক্তি
  3. জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় চুক্তি
  4. মরুকরণ ও খরা প্রতিরোধে চুক্তি
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের মরুকরণ প্রতিরোধ চুক্তি (UNCCD):
- জাতিসংঘের কনভেনশন টু কমব্যাট ডেজার্টিফিকেশন (UNCCD) 1994 সালে গৃহীত হয়।
- এটি মরুকরণ, খরা এবং ভূমি অবক্ষয়ের সমস্যা সমাধানে একটি আন্তর্জাতিক উদ্যোগ।
- এর লক্ষ্য হচ্ছে টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা করা।
- ১৯৯৪ সালে গৃহীত।
- ১৯৯৬ সালে কার্যকর হয়।
- ১৯৭টি পক্ষ (১৯৬টি দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন)।

উদ্দেশ্য:
- মরুকরণ ও ভূমি অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া।
- পরিবেশ পুনরুদ্ধার এবং মানুষের জীবিকা উন্নত করা।
- খরা মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি।

সাম্প্রতিক ঘটনা:
কপ-১৬ সম্মেলন:
- ২ থেকে ১৩ ডিসেম্বর ২০২৪, সৌদি আরবের রিয়াদে UNCCD COP-16 অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- এটি ভূমি সংরক্ষণ ও খরা মোকাবিলায় বৈশ্বিক প্রতিশ্রুতি চিহ্নিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

উৎস:UNCCD অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
ঢাকা পোস্ট - কপ-১৬ সংবাদ
১,৪৮১.
কোন শহরে ১৯৯২ সালের ‘বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলন’ অনুষ্ঠিত হয়?
  1. রিও ডি জেনিরো
  2. কোপেনহেগেন
  3. জোহানেসবার্গ
  4. কানকুন
ব্যাখ্যা
Earth Summit:
- ১৯৯২ সালের ৩ - ১৪ জুন প্রথম পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক জাতিসংঘ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি রিও সামিট, রিও-কনফারেন্স বা ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit) নামে পরিচিত।
- এই সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন (Climate Change Convention) বিষয়ক চুক্তি হয়।
- এই চুক্তি পরবর্তীতে কিয়েটো প্রোটকল (Kyoto-Protocol) নামে পরিচিত হয়।
- এর উল্লেখযোগ্য একটি নীতি হচ্ছে Polluter pays principle.
- ধরিত্রী সম্মেলনের ফলাফল: পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক রিও ঘোষণা ও এজেন্ডা ২১।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বব্যাপী এই সম্মেলনে ১৭৯টি দেশের রাজনৈতিক নেতা, কূটনীতিক, বিজ্ঞানী, মিডিয়ার প্রতিনিধি এবং বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) একত্রিত হয়েছিল।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
১,৪৮২.
WRI কোন দেশভিত্তিক পরিবেশবাদী প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) USA
  2. খ) UK
  3. গ) Australia
  4. ঘ) Netherlands
ব্যাখ্যা
WRI যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক পরিবেশবাদী প্রতিষ্ঠান। এর পূর্ণরূপ World Resource Institute.
উৎস: WRI এর ওয়েবসাইট।
১,৪৮৩.
বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক চুক্তি 'বাসেল কনভেনশন' কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ক) ১৯৮৫ সাল
  2. খ) ১৯৯৬ সাল
  3. গ) ১৯৯২ সাল
  4. ঘ) ১৯৮৯ সাল
ব্যাখ্যা
বাসেল কনভেনশন:
- 'বাসেল কনভেনশন' হলো বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন।
- বাসেল কনভেনশনের পুরো নাম- The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal।
- বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয় ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে।
- এটি গৃহীত হয় সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে।
- 'বাসেল কনভেনশন' -এর কার্যক্রম  শুরু হয় ১৯৯২ সালে।
- বাংলাদেশকে 'বাসেল কনভেনশন' অনুমোদন করে ১৯৯৩ সালে।

উৎস: বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।
১,৪৮৪.
IMO-এর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. নিউ ইয়র্ক
  2. জেনেভা
  3. প্যারিস
  4. লন্ডন
ব্যাখ্যা
IMO:
- IMO হলো সমুদ্র চলাচল বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- এর পূর্ণরূপ International Maritime Organization.
- IMO প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৪৮ সালে জেনেভায় একটি কনভেনশন গৃহীত হয়,
- পরবর্তীতে ১৯৮২ সালে সংস্থাটির নামকরণ করা হয় International Maritime Organization.
- ১৯৫৯ সালে এটি জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- IMO-এর সদর দপ্তর যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালে IMO-এর সদস্যপদ লাভ করে।

সূত্র: IMO ওয়েবসাইট।
১,৪৮৫.
সামুদ্রিক ঝড়ের নামকরণের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন প্রতিষ্ঠানটি?
  1. ক) IMO
  2. খ) OPCW
  3. গ) WMO
  4. ঘ) IOM
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর বিভিন্ন মহাসাগর/সাগরে উৎপন্ন সামুদ্রিক ঝড়ের নামকরণ করে থাকে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার অধীনে বিভিন্ন মহাসাগরভিতত্তিক ১০টি আঞ্চলিক কমিটি। যেমন: আরব সাগর ও বঙ্গোপসাগরে উৎপন্ন সামুদ্রিক ঝড়গুলোর নামকরণ করে ওমান, পাকিস্তান, ভারত, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, বাংলাদেশ, মিয়ানমার এবং থাইল্যান্ডের সমন্বয়ে গঠিত উত্তর ভারত মহাসাগর কমিটি। একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে প্রত্যেকটি রাষ্ট্র একটি করে নাম প্রস্তাব করে এবং সে অনুসারে পর্যায়ক্রমে ঝড়ের নামকরণ করা হয়। নামগুলোর রোটেশন করে থাকে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা। (সূত্র: বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা)
১,৪৮৬.
নিম্নের কোনটি WIPO এর পূর্ণরূপ হিসেবে বিবেচিত?
  1. World Intellectual Property Organization.
  2. World Intellectual Perfect Organization
  3. World Intellectual Propering Organisation.
  4. World International Property Organization.
ব্যাখ্যা

• WIPO:
-WIPO -এর পূর্ণরুপ - World Intellectual Property Organization.
- WIPO ১৯৬৭ সালের প্রতিষ্ঠিত হয়। 
 - WIPO হলো জাতিসংঘের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা।
- এর মূল উদ্দেশ্য বিশ্বব্যাপী সৃজনশীল বা সৃষ্টিশীল কর্মকান্ডকে উৎসাহিত করা।
- বাংলাদেশ ১৯৮৫ সালের ১১ মে WIPO এর সদস্যপদ লাভ করে।
- WIPO এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৪টি।
- সদরদপ্তর অবস্থিত সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।

সূত্র: WIPO এর  ওয়েবসাইট।

১,৪৮৭.
'Paris Agreement - 2015' এর মূল লক্ষ্য কোনটি?
  1. ক) ওজোন স্তরের ক্ষয় রোধ।
  2. খ) বৈশ্বিক তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ।
  3. গ) জীব বৈচিত্র্য রক্ষা।
  4. ঘ) সিএফসি (CFC) গ্যাস নির্গমন হ্রাস।
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলনগুলোর মধ্যে এ যাবৎকালের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন হচ্ছে ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত COP - 21 সম্মেলন। 
এই সম্মেলনে জলবায়ু বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা “প্যারিস চুক্তি - ২০১৫” (Paris Agreement - 2015) নামে পরিচিত।
 
 COP - 21 সম্মেলন সম্পর্কি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
আয়োজনের সময়: ৩০ নভেম্বর - ১১ ডিসেম্বর, ২০১৫ সাল
আয়োজনের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স
অংশগ্রহনকারী পক্ষ: ১৯৫টি দেশ
সম্মেলনের ফলাফল: প্যারিস জলবায়ু চুক্তি, ২০১৫
চুক্তি কার্যকর: ২০১৬ সালের ৪ নভেম্বর
 
প্যারিস জলবায়ু চুক্তির প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে - এই শতাব্দীতে বৈশ্বিক তাপমাত্রা শিল্প-বিপ্লবের পূর্ব সময়ের তুলনায় ২° সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা। সম্ভব হলে এই তাপমাত্রা ১.৫° সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার প্রচেষ্টা করা হবে।
 
(তথ্যসূত্রঃ UNFCCC ওয়েবসাইট)

১,৪৮৮.
নাগোয়া প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয় কোন দেশে?
  1. অস্ট্রিয়া
  2. কানাডা
  3. জাপান
  4. ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা

নাগোয়া প্রটোকল:
- এর পূর্ণরূপ: The Nagoya Protocol on Access and Benefit-sharing.
- জৈবিক বৈচিত্র্য কনভেনশনের একটি পরিপূরক চুক্তি নাগোয়া প্রোটোকল।
- নাগোয়া প্রটোকল গৃহীত হয়: ২৯ অক্টোবর, ২০১০ সাল।
- নাগোয়া প্রটোকল স্বাক্ষরের স্থান: নাগোয়া, জাপান।
- নাগোয়া প্রটোকল কার্যকর হয়: ১২ অক্টোবর, ২০১৪ সাল।

⇒ নাগোয়া প্রটোকলের উদ্দেশ্যগুলো হল:
• জিনগত সম্পদের ব্যবহার থেকে উদ্ভূত সুবিধাগুলির ন্যায্য এবং ন্যায়সঙ্গত বন্টন,
• জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ,
• টেকসই ব্যবহারে অবদান রাখা যায়৷

তথ্যসূত্র - Convention on Biological Diversity ওয়েবসাইট।

১,৪৮৯.
বিশ্ব ধরিত্রী দিবস কবে?
  1. ক) ২২ এপ্রিল
  2. খ) ২২ মে
  3. গ) ২২ মার্চ
  4. ঘ) ২৭ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
২২ এপ্রিল - বিশ্ব ধরিত্রী দিবস
২২ মার্চ - বিশ্ব পানি দিবস
২২ মে - বিশ্ব জীববৈচিত্র্য দিবস
২৭ সেপ্টেম্বর - বিশ্ব পর্যটন দিবস।
(সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
১,৪৯০.
'V20' গ্রুপ কিসের সাথে সম্পর্কিত? 
  1. কৃষি উন্নয়ন
  2. দারিদ্র বিমোচন
  3. জলবায়ু পরিবর্তন
  4. বিনিয়োগ সম্পর্কিত
ব্যাখ্যা
Vulnerable 20 (V20):
- Vulnerable 20 (V20) হলো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝুঁকিতে থাকা দেশ গুলোকে নিয়ে একটি ফোরাম।
- V20 বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা করার জন্য সংলাপ এবং পদক্ষেপের মাধ্যমে কাজ করে।
- এটি গঠিত হয়: ৮ অক্টোবর, ২০১৫।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: লিমা, পেরু।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ৬৮টি।

⇒ ভি-২০ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীদের একটি প্লাটফর্ম।
- এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি UNDP এর climate vulnerable forum এর সাথে সরাসরি জড়িত।

উল্লেখ্য,
- ২০২২-২০২৪ মেয়াদে এই গ্রুপের সভাপতিত্ব করবে ঘানা। 

উৎস: Vulnerable 20 ওয়েবসাইট।
১,৪৯১.
নিচের কোন উদ্দেশ্যে কার্টাগেনা প্রোটোকল গৃহিত হয়েছে?
  1. বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধ
  2. ওজোনস্তরের ক্ষয়সাধন রোধ
  3. জৈব নিরাপত্তা
  4. জলাভূমি সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
কার্টাগেনা প্রোটোকল:
- কার্টাগেনা প্রোটোকল হচ্ছে জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক একটি চুক্তি।
- কার্টাগেনা প্রোটোকল এর পুরো নাম Cartagena Protocol in Biosafety to the Convention on Biologcal Diversity.
- কার্টাগেনা প্রোটোকল গৃহীত হয় ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি।
- কার্টাগেনা প্রোটোকল চুক্তিটি ১১ সেপ্টেম্বর ২০০৩ সালে কার্যকর হয়।
- বাংলাদেশ কার্টাগেনা প্রোটোকল চুক্তি স্বাক্ষর করে ৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৪ সালে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১,৪৯২.
'মিস আর্থ' প্রতিযোগিতার উদ্দেশ্য কী?
  1. ক) পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি
  2. খ) সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি
  3. গ) যুদ্ধ পরিস্থির অবসান
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- মিস আর্থ হচ্ছে পরিবেশের উপর ভিত্তি করে একটি বার্ষিক আন্তর্জাতিক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা যার মূল লক্ষ্য সকলের মাঝে পরিবেশ সচেতনতা সৃষ্টি করা।
- পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ফিলিপাইনের পরিবেশবাদী সংগঠন এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

উৎস:- ব্রিটানিকা।
১,৪৯৩.
CVF এর পূর্ণরূপ কি?
  1. ক) Climate Vulnerable Focus
  2. খ) Climate Varial Forum
  3. গ) Climate Vulnerability Forum
  4. ঘ) Climate Vulnerable Forum
ব্যাখ্যা
- Climate Vulnerable Forum (CVF) ২০০৯ সালের কোপেনহেগেন জলবায়ু সম্মেলনের মালদ্বীপের উদ্যোগে এটি গঠিত হয়।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৮ টি।
- সংস্থাটির বর্তমান সভাপতি দেশ ঘানা।
- এটি হলো জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে অধিকতর ঝুঁকিপূর্ণ দেশসমূহের একটি ফোরাম। 

উৎসঃ সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট।
১,৪৯৪.
COP-27 সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) কাতার
  2. খ) মিশর
  3. গ) স্কটল্যান্ড
  4. ঘ) ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
জলবায়ু সম্মেলন (COP-27):
- ২০২২ সালের জলবায়ু সম্মেলন (COP -27) অনুষ্ঠিত হয়েছে - মিশরের শারম-আল-শেখ অবকাশ কেন্দ্রে।
- ২০২২ সালের ৭ - ১৮ নভেম্বর এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে ২৬তম COP সম্মেলন ১ - ১২ নভেম্বর, স্কটল্যান্ডের গ্লাস্কোতে অনুষ্ঠিত হয়।
------------
 ১৯৯২ সালে গৃহীত United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC) ১৯৯৪ সালের ২১ মার্চ কার্যকর হয়। এটিতে ১৯৭টি দেশ ও সংস্থা স্বাক্ষর করেছে।
- এই চুক্তির বাস্তবায়ন ও পর্যালোচনার জন্যে ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতিবছর UNFCCC তার উদ্যোগে Conference of Parties (CoP) এর আয়োজন করে আসছে।

(তথ্যসূত্র: UNFCCC এবং জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
১,৪৯৫.
বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয় কত সালে?
  1. ২১ মার্চ, ১৯৮৯
  2. ২২ মার্চ, ১৯৮৯
  3. ২৩ মার্চ, ১৯৮৯
  4. ২৪ মার্চ, ১৯৮৯
ব্যাখ্যা
বাসেল কনভেনশন:
- 'বাসেল কনভেনশন' হলো বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন।
- বাসেল কনভেনশনের পুরো নাম- The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal.
- বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয় ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে।
- এটি গৃহীত হয় সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে।
- 'বাসেল কনভেনশন'-এর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৯২ সালে।
- বাংলাদেশকে 'বাসেল কনভেনশন' অনুমোদন করে ১৯৯৩ সালে।

তথ্যসূত্র - বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।
১,৪৯৬.
বিশ্বের প্রথম পরিবেশ সম্মেলন হয় কত সালে?
  1. ১৯৭১ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা

 জাতিসংঘের মানব পরিবেশ সম্মেলন (UNCHE):
- জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৭২ সালের ৫-১৬ জুন সুইডেনের স্টকহোম শহরে অনুষ্ঠিত হয় পরিবেশ সম্মেলন।
- এটি  বিশ্বের প্রথম পরিবেশ সম্মেলন।
- জাতিসংঘের মানব পরিবেশ সম্মেলন (United Nations Conference on the Human Environment) স্টকহোম সম্মেলন নামে পরিচিত।
• স্টকহোম সম্মেলনে জাতিসংঘ পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচী বা United Nations Environment Programme (UNEP) গঠিত হয়।
- এই সম্মেলনটি পরিবেশ রক্ষার ক্ষেত্রে বিশ্বের প্রথম বৃহত্তম আন্তর্জাতিক উদ্যোগ ছিল এবং এতে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপনের সূচনা হয়েছিল।
- এই সম্মেলনের মাধ্যমে পরিবেশ সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার প্রতি বিশ্ব সম্প্রদায়ের মনোযোগ আকর্ষণ করা হয় এবং পরিবেশ সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা উঠে আসে।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]

১,৪৯৭.
গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট কোন দেশ ভিত্তিক একটি পরিবেশ বিষয়ক আন্দোলন?
  1. কেনিয়া
  2. ইথিওপিয়া
  3. নাইজেরিয়া
  4. দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
• গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট (Green Belt Movement): 
- গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট কেনিয়ার নাইরোবি ভিত্তিক একটি পরিবেশ বিষয়ক আন্দোলন
- শুরুর সময় - ১৯৭৭ সাল।
- সদর দপ্তর - নাইরোবি, কেনিয়া।
- গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট শুরু করেছিলেন কেনিয়ার নাগরিক প্রফেসর ওয়াঙ্গেরি মাথাই।
- তিনি ২০০৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
 
সূত্র: গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট ওয়েবসাইট।
১,৪৯৮.
'সবুজ জলবায়ু তহবিল' গঠন করা হয় কোন কপ সম্মেলনে?  
  1. কপ-১৫
  2. কপ-১৬
  3. কপ-২১
  4. কপ-২৬
ব্যাখ্যা

• কপ-১৬ (COP-16):
- এর পূর্ণরূপ: কনফারেন্স অব দ্য পার্টিজ।
- স্থান: কানকুন, মেক্সিকো,
- তারিখ: ২৯ নভেম্বর ১০ ডিসেম্বর, ২০১০। -
- আয়োজক দেশ: মেক্সিকো।
- COP16 : সবুজ জলবায়ু তহবিল আনুষ্ঠানিকভাবে গঠন করা হয়।

• আলোচিত বিষয়:
- গ্লোবাল ওয়ার্মিং,
- কার্বন নিঃসরণ হ্রাস,
- জলবায়ু তহবিল,
- অভিযোজন ও ক্ষতিপূরণ,

এছাড়াও, 
- COP15 : সবুজ জলবায়ু তহবিল গঠনের ধারণা ও প্রস্তাবনা উত্থাপিত হয়।
- COP14 :কার্বন নিঃসরণ কমানো ছিল সম্মেলনের একটি প্রধান লক্ষ্য। 
- COP17: ক্লাইমেট ফান্ডিং: সম্মেলনে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (Green Climate Fund) সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়

• গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (Green Climate Fund):
- উন্নয়নশীল দেশগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সহায়তা করার জন্য তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত।
- উন্নত দেশগুলো বছরে ১০০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় ২০২০ সাল থেকে।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।  

১,৪৯৯.
ই-৮ পৃথিবীর কোন ধরনের ৮ টি দেশকে নির্দেশ করে ?
  1. সবচেয়ে দরিদ্র ৮ টি দেশ
  2. সবচেয়ে শিল্পোন্নত ৮ টি দেশ
  3. সবচেয়ে উন্নত ৮ টি দেশ
  4. সবচেয়ে পরিবেশ দূষণকারী ৮ টি দেশ
ব্যাখ্যা
- 'ই - ৮' হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে পরিবেশ দূষণকারী আটটি দেশ। এক্ষেত্রে চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের নাম সর্বাগ্রে। 
- অন্যদিকে-
'ডি - ৮' উন্নয়নশীল ৮টি দেশের জোট।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা
১,৫০০.
গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত বছর মেয়াদি?
  1. ক) ২০ বছর
  2. খ) ২৫ বছর
  3. গ) ৩০ বছর
  4. ঘ) ৩৫ বছর
ব্যাখ্যা
৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় গঙ্গা নদীর পানির অবাধ প্রবাহ পাবার লক্ষ্যে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১২ ডিসেম্বর ১৯৯৬ সালে।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।