বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি

মোট প্রশ্ন২,৩০১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি

PrepBank · পাতা ১২ / ২৩ · ১,১০১১,২০০ / ২,৩০১

১,১০১.
মন্ট্রিল প্রটোকল কার্যকর হয় কত সালে?
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করে ওজোনস্তরকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এই প্রটোকল কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত হয়।
- ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি মন্ট্রিল প্রটোকল কার্যকর হয়।
- মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১,১০২.
'জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন, কপ- ২৮' কোন শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. দুবাই
  2. রিয়াদ
  3. শারম্ এল-শেখ
  4. সিডনি
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP): 
• ১৯৯২ সালের ৩-১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) গৃহীত হয়।
• UNFCCC means United Nations Framework Convention on Climate Change.  
• এর উদ্দেশ্য জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলা।  

• ১৯৯৫ সাল থেকে 'জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP)' নামে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।   
• ২০২২ সালের নভেম্বরে মিশরের শারম্ এল-শেখ এলাকায় 'কপ-২৭' অনুষ্ঠিত হয়। 
•  ৩০ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে 'কপ-২৮' আয়োজিত হয়েছে। 

• 'কপ-২৯' আয়োজিত হবে আজারবাইজানে। 
• 'কপ-৩০' ব্রাজিলের বেলেম শহরে।   

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট, জাতিসংঘ বাংলাদেশ ওয়েবসাইট এবং সময়নিউজ (২৭ মে ২০২৩)।
১,১০৩.
বিশ্বব্যাপী জলাভূমি সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহারের জন্য স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক চুক্তিটি কী নামে পরিচিত?
  1. রামসার কনভেনশন
  2. ভিয়েনা কনভেনশন
  3. বার্লিন কনভেনশন
  4. প্যারিস কনভেনশন
ব্যাখ্যা

- রামসার কনভেনশনের পূর্ণনাম - The Ramsar Convention on Wetlands।
- এটি জলাভূমি ও এর জীববৈচিত্র্য রক্ষার উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- চুক্তিটি ইরানের রামসারে স্বাক্ষরিত ও অনুমোদিত হয়।
- চুক্তি অনুমোদন: ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১ সাল।
- চুক্তির পক্ষ (অনুমোদন ও কার্যকর) - ১৭১টি দেশ। (সর্বশেষ দেশ - ভানুয়াতু)
- চুক্তি কার্যকর - ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সাল।
- বাংলাদেশ রামসার সনদ অনুমোদন ও কার্যকর করে - ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর।
- বাংলাদেশের দুটি স্থান রামসার চুক্তির অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। যথা -
- সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেষ্ট: ২১ মে, ১৯৯২ সাল ও টাঙ্গুয়ার হাওর: ১০ জুলাই, ২০০০ সাল

উৎসঃ রামসার ওয়েবসাইট ।

১,১০৪.
'নাগোয়া প্রটোকল' কোন কনভেনশনের অধীনে তৈরি হয়?
  1. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কনভেনশন
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. স্টকহোম কনভেনশন
  4. রামসার কনভেনশন
ব্যাখ্যা
• নাগোয়া প্রটোকল:
- জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ সংক্রান্ত কনভেনশনের (CBD) অধীন
'জেনেটিক সম্পদে প্রবেশাধিকার এবং সেগুলোর ব্যবহার থেকে উদ্ভূত সুফলের ন্যায্য ও সমানভাবে বণ্টন বিষয়ক নাগোয়া প্রটোকল (ABS)' হলো জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কনভেনশনের একটি সম্পূরক চুক্তি।
- পূর্ণ নাম: The Nagoya Protocol on Access and Benefit-sharing
- গৃহীত হয়: ২৯ অক্টোবর, ২০১০ সাল।
- কার্যকর: ১২ অক্টোবর, ২০১৪ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান: নাগোয়া, জাপান।

উৎস: Convention on Biological Diversity ওয়েবসাইট।
১,১০৫.
জলবায়ু পরিবর্তন এবং জীববৈচিত্রের ক্ষতি মোকাবিলায় ২০২৪ সালে কোন সংস্থা 'Nature Restoration Regulation' প্রণয়ন করেছে?
  1. অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা (OCED)
  2. জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP)
  3. ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)
  4. বিশ্ব ব্যাংক (World Bank)
ব্যাখ্যা

Nature Restoration Regulation:
- জলবায়ু পরিবর্তন এবং জীববৈচিত্রের ক্ষতি মোকাবিলায় ২০২৪ সালে 'Nature Restoration Regulation' প্রণয়ন করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)।

⇒ Nature Restoration Regulation এই নিয়মাবলীটি জলবায়ু পরিবর্তন এবং জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি মোকাবিলায় ইউরোপীয় কমিশনের ২০২২ সালের প্রস্তাবের ভিত্তিতে তৈরি হয়েছে।
- এটি ২০২৪ সালের ১৭ জুন ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিবেশমন্ত্রীদের কাউন্সিল দ্বারা গৃহীত হয় এবং ১৮ আগস্ট, ২০২৪ থেকে কার্যকর হয়।
- মূল উদ্দেশ্য: এই আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো ক্ষতিগ্রস্ত প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্র (ecosystem) পুনরুদ্ধার করা, জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা করা। 
- আইন অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মোট স্থল ও সমুদ্রভাগের কমপক্ষে ২০% অংশ পুনরুদ্ধার করতে হবে। এছাড়া ২০৫০ সালের মধ্যে সকল ক্ষতিগ্রস্ত বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

উৎস: EU ওয়েবসাইট।

১,১০৬.
'বার্ড লাইফ ইন্টারন্যাশনাল' কি ধরনের সংস্থা?
  1. ক) অর্থনৈতিক
  2. খ) সামরিক
  3. গ) আঞ্চলিক
  4. ঘ) পরিবেশ বিষয়ক
ব্যাখ্যা
বার্ড লাইফ ইন্টারন্যাশনাল পরিবেশ বিষয়ক একটি সংস্থা। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৩ সালে। উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১,১০৭.
'কপ-২৮' কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. মিশর
  2. উগান্ডা
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. আজারবাইজান
ব্যাখ্যা
জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন বা কপ-২৮:
- ৩০ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে ২৮তম জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন বা কপ-২৮ অনুষ্ঠিত হবে।
- স্থান: আবুধাবি, সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- সর্বশেষ সম্মেলন কপ-২৭ অনুষ্ঠিত হয়েছে শারম আল শেখ, মিশর।
- কপ-২৭ সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত গরিব দেশগুলোকে ক্ষতিপুরণ দিতে ঐতিহাসিক 'লস অ্যান্ড ড্যামেজ' চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র - UNFCCC ওয়েবসাইট। 
১,১০৮.
‘Tropical Forests Forever Fund’ নামে পরিবেশ সংরক্ষণমূলক তহবিল প্রতিষ্ঠা করেছে কোন দেশ? 
  1. দক্ষিন আফ্রিকা 
  2. ব্রাজিল
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. ভুটান
ব্যাখ্যা

• Tropical Forests Forever Fund (TFFF): 
- পরিবেশ সংরক্ষণে বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি রূপান্তরের লক্ষ্যে ব্রাজিল Tropical Forests Forever Fund (TFFF) নামক একটি তহবিল চালু করেছে। 
- এই তহবিল উষ্ণমণ্ডলীয় বন সংরক্ষণের COP30 সম্মেলনের সময় পরিকল্পনা করা হয়। 
- উষ্ণমণ্ডলীয় বনসম্পন্ন ৭০টিরও বেশি উন্নয়নশীল দেশ এই তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তা প্রাপ্তির যোগ্যতা অর্জন করবে। যাতে তারা  বন নিধন বা deforestation হার ০.৫% এর নিচে রাখতে পারে।
এটি শুধু বনভূমি সংরক্ষণ করে না, বরং স্থানীয় সম্প্রদায় এবং আদিবাসীদের (Indigenous Peoples) জন্য অন্তত ২০% তহবিল সংরক্ষিত রাখে, যাতে তারা তাদের ভূমি অধিকার এবং টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করতে পারে।

- ব্রাজিল COP28 সম্মেলন (২০২৩, দুবাই) থেকে TFFF গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
 - ওই সম্মেলনে দেশটির রাষ্ট্রপতি লুলা দা সিলভা প্রথমবার প্রকাশ্যে এই প্রকল্পের বিষয়ে বক্তৃতা প্রদান করেন।
- এপর্যন্ত আরও পাঁচটি উষ্ণমণ্ডলীয় বনসম্পন্ন দেশ এই উদ্যোগে অংশ গ্রহণ করেছে, যেগুলি হলো – কলম্বিয়া, ঘানা, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়া।
- তাছাড়া, তহবিল ব্যবস্থাপনার কাঠামো গঠন ও বাস্তবায়নে সহায়তা প্রদান করছে জার্মানি, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ফ্রান্স, নরওয়ে এবং যুক্তরাজ্য এই পাঁচটি সম্ভাব্য বিনিয়োগকারী দেশ।

- ৫.৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ সংগ্রহ হয়েছে, ৫৩টি দেশ এতে যুক্ত হয়েছে, এবং মোট তহবিলের ২০ শতাংশেরও বেশি সরাসরি আদিবাসী জনগোষ্ঠী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য বরাদ্দ।

তথ্যসূত্র:
 i) COP30 Brasil Amazônia ওয়েবসাইট।  
ii) কালের কণ্ঠ। 
iii) Tropical Forests Forever Fund ওয়েবসাইট।

১,১০৯.
গ্রীনহাউস প্রতিক্রিয়া বিষয়টি প্রথম কে তোলে ধরেন?
  1. ক) পিয়েরি কুরি
  2. খ) বেনঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন
  3. গ) জন ডাল্টন
  4. ঘ) সুভনটে আরহেনিয়াস
ব্যাখ্যা
১৮৯৬ সালে সুইডিশ পদার্থবিদ সুভনটে আরহেনিয়াস সর্বপ্রথম পৃথিবীর ট্রপোস্ফিয়ার তথা বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা বৃদ্ধি বা গ্রীনহাউজ প্রতিক্রিয়ার বিষয়টি সামনে আনেন। আরহেনিয়াস তার Worlds in the Making বইয়ে গ্রীনহাউজ গ্যাসগুলো কীভাবে সূর্যরশ্মি শোষণের মাধ্যমে পৃথিবীর বায়ুণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করছে তা ব্যাখ্যা করেন। (সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
১,১১০.
OPCW কোন বিষয়ক সংস্থা?
  1. পারমাণবিক অস্ত্র নির্মূল
  2. ল্যান্ডমাইন নিষিদ্ধকরণ
  3. ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
  4. রাসায়নিক অস্ত্র নির্মূল
ব্যাখ্যা
Organisation for the Prohibition of Chemical Weapons (OPCW):
- রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থা (OPCW) হল রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনের বাস্তবায়নকারী সংস্থা।
- OPCW রাসায়নিক অস্ত্র স্থায়ীভাবে এবং যাচাইযোগ্যভাবে নির্মূল করার বিশ্বব্যাপী প্রচেষ্টা তত্ত্বাবধান করে।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল ১৯৯৭ সালে।
- মূল লক্ষ্য: রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার, মজুদ ও স্থানান্তর নিষিদ্ধকরণ
- সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাসায়নিক স্থাপনায় পরিদর্শন ও নিরীক্ষা করে ও মজুদকৃত অস্ত্র ধ্বংসের তদারকি করে।
- রাসায়নিক অস্ত্র মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করে।
- ২০১৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার অর্জন করে।
- সদস্য: ১৯৩টি রাষ্ট্র।
- সদর দপ্তর: দ্য হেগ, নেদারল্যান্ডস

উৎস: OPCW ওয়েবসাইট।
১,১১১.
নিচের কোনটি নেদারল্যান্ডস্‌ ভিত্তিক পরিবেশবাদী সংস্থা?
  1. ক) Green Peace
  2. খ) Sierra Club
  3. গ) Marine Club
  4. ঘ) Brundland
ব্যাখ্যা
Greenpeace নেদারল্যান্ডভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংস্থা, যা ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। Sierra club যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা। এটি ১৮৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট।
১,১১২.
বিশ্বের প্রথম কার্বন প্রভাবমুক্ত দেশ -
  1. ক) ভুটান
  2. খ) মালদ্বীপ
  3. গ) সুইজারল্যান্ড
  4. ঘ) ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
• বিশ্বের প্রথম কার্বন প্রভাবমুক্ত দেশ ভুটান।
- দেশটির বার্ষিক কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ ২০ লক্ষ টন এবং বিপরীতে কার্বন শোষণের ক্ষমতা ৬০ লক্ষ টন।
- তাই ভুটানকে কার্বন প্রভাবমুক্ত দেশ বলা হয়।
- দেশটির মোট আয়তনের প্রায় ৭০ ভাগই বনভূমি।

উৎস: গ্রোবাল ভিশন ইন্টারন্যাশনাল ওয়েবসাইট।
১,১১৩.
ইউরোপীয় পরিবেশ সংস্থার সদস্য দেশ -
  1. ৩০টি
  2. ৩১টি
  3. ৩২টি
  4. ৩৩টি
ব্যাখ্যা
• ইউরোপীয় পরিবেশ সংস্থা:
- EEA এর পূর্ণরূপ European Environment Agency.
- গঠন - ১৯৯৪ সালে।
- সদরদপ্তর - কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক।
- সদস্য সংখ্যা -৩২টি। 
- ইউরোপীয় ইউনিয়নকে পরিবেশ বিষয়ক তথ্য সরবরাহের মাধ্যমে সহায়তা করা এই সংস্থার প্রধান কাজ।

উৎস: EEA ওয়েবসাইট।[link]
১,১১৪.
কোন দেশ প্রথম নিজস্ব অর্থায়নে জলবায়ু পরিবর্তন তহবিল গঠন করে?
  1. ভারত
  2. মালদ্বীপ
  3. বাংলাদেশ
  4. ফিলিপাইন
ব্যাখ্যা
বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ২০০৯ সালে নিজস্ব অর্থায়নে জলবায়ু পরিবর্তন তহবিল গঠন করে। গত অর্থবছর পর্যন্ত এ তহবিলে সর্বমোট বরাদ্দ দেওয়া হয় প্রায় ৩৫০০ কোটি টাকা।
(সূত্রঃ বিসিসিটি ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো)
১,১১৫.
মন্ট্রিল প্রটোকল কয়টি দেশ অনুমোদন করেছে?
  1. ক) ১৮৯
  2. খ) ১৯৪
  3. গ) ১৯৬
  4. ঘ) ১৯৭
ব্যাখ্যা
Montreal Protocol adopted on 15 September 1987, the Protocol is to date the only UN treaty ever that has been ratified every country on Earth - all 197 UN Member States. Source: unenvironment.org
১,১১৬.
বাসেল কনভেনশন কোন সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৮৯ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা

বাসেল কনভেনশন: 
- এর পূর্ণ নাম: The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal.
- 'বাসেল কনভেনশন' হলো বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন।
- বাসেল কনভেনশন সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে গৃহীত হয়।
- ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৯২ সালে। 
- বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালে এই কনভেনশন অনুমোদন করে।

উৎস: বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।

১,১১৭.
UNEP কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫০ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৮৮ সালে
  4. ১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা

- ১৯৭২ সালের স্টকহোম সম্মেলনে জাতিসংঘ মানব পরিবেশ সম্মেলনের ফলস্বরূপ UNEP প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। 

UNEP: 
- এর পূর্ণরূপ United Nations Environment Programme.
- জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচী হলো পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নের জন্য কাজ করা একটি বৈশ্বিক সংস্থা।
- এটি ৫ জুন, ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- UNEP-এর সদর দপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে অবস্থিত। 
- পরিবেশ সংরক্ষণে অসামান্য অবদানের জন্য UNEP প্রতি বছর "চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ" পুরস্কার প্রদান করে।

সূত্র: UNEP ওয়েবসাইট।

১,১১৮.
’বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকি সূচক' প্রকাশ করে কোন সংস্থা?
  1. Earth watch
  2. World watch
  3. German watch
  4. Green watch
ব্যাখ্যা

German watch:
- এটি একটি অলাভজনক বেসরকারি পরিবেশ এবং বাণিজ্য সংস্থা।
- এটি শিল্পোন্নত দেশের সাথে অনুন্নত দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে।
- এটি প্রতি বছর "বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকি সূচক" প্রকাশ করে।
- সদর দপ্তর: বন, জার্মানি।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৯১ সালে।

উৎস: German watch এর ওয়েবসাইট।

১,১১৯.
কিয়োটো প্রোটকল কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও আবহাওয়া পরিবর্তন রোধ বিষয়ক
  2. খ) ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিষয়ক
  3. গ) স্ট্যাটোস্ফিয়ার স্তরের সংরক্ষণ বিষয়ক
  4. ঘ) জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রোটকল
ব্যাখ্যা
তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও আবহাওয়া পরিবর্তন রোধ বিষয়ক - কিয়োটো প্রোটকল।
ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিষয়ক - ভিয়েনা কনভেনশন।
স্ট্যাটোস্ফিয়ার স্তরের সংরক্ষণ বিষয়ক - মন্ট্রিল প্রোটকল।
জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রোটকল - কার্টাগেনা প্রোটকল।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১,১২০.
‘START-2’ নিম্নের কোনটির সাথে সম্পর্কযুক্ত ?
  1. ক) গণবিধ্বংসী অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি
  2. খ) পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি
  3. গ) কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি
  4. ঘ) রাসায়নিক অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত কয়েকটি চুক্তিঃ

- SALT-1 (Strategic Arms Limitation Talk -1); চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় - ২৬ মে, ১৯৭২ সালে।
- SALT-2 (Strategic Arms Limitation Talk -2); চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়  -  ১৮ জুন ১৯৭৯ সালে।

- START-1 (Strategic Arms Reduction Treaty-1); চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় - ৩১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- START-2 (Strategic Arms Reduction Treaty-2); চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় - ৩ জানুয়ারি ১৯৯৩ সালে।

উৎসঃ ব্রিটানিকা.কম
১,১২১.
IUCN-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. International Union for Conservation of Nature
  2. International Union for Conservation of Nature and Natural Resources
  3. International Union for Conservation of Nature and Biodiversity
  4. International Union for Conservation of Natural Resources
ব্যাখ্যা

IUCN:
- বিশ্ব জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণবাদী সংস্থা (IUCN)।
- IUCN এর পূর্ণরূপ - International Union for the Conservation of Nature.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৮ সালে।
- সদর দপ্তর: গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড।
- এটি নিয়ে বিশ্বের ১৭০ টির অধিক দেশ কাজ করছে।
- উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা।

তথ্যসূত্র - IUCN অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,১২২.
'ফান্ড ফর ওয়াইল্ড নেচার' এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বার্ন, সুইজারল্যান্ড
  2. খ) জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  3. গ) ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) বন, জার্মানি
ব্যাখ্যা
Fund for Wild Nature
• ফান্ড ফর ওয়াইল্ড নেচার হলো উত্তর আমেরিকা ভিত্তিক পরিবেশ সংরক্ষণ তহবিল। বনায়ন বৃদ্ধি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা জন্য এই সংস্থা কাজ করে থাকে।
• প্রতিষ্ঠাকাল - ১৯৮৩ সাল। 
• সদরদপ্তর - সিবাস্টোপোল, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র

তথ্যসূত্র: ফান্ড ফর ওয়াইল্ড নেচার ওয়েবসাইট।
১,১২৩.
রামসার কনভেনশনের উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা
  2. বনাঞ্চল সংরক্ষণ করা
  3. জলবায়ু পরিবর্তন রোধ করা
  4. জলাভূমি সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা

রামসার কনভেনশন:
- এর পূর্ণনাম Ramsar Convention on Wetlands.
- কনভেনশনটি গৃহীত হয়: ১৯৭১ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৭৫ সালে।
- স্থান: রামসার, ইরান।
- রামসার কনভেনশনের উদ্দেশ্য আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি সংরক্ষণ করা।
- সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি তালিকাভুক্ত করতে বলা হয় যা রামসার সাইট নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - Ramsar Convention Official Website.

১,১২৪.
কোনটি অ্যামস্টার্ডামভিত্তিক পরিবেশবাদী প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) IUCN
  2. খ) Green peace
  3. গ) UNEP
  4. ঘ) IPCC
ব্যাখ্যা
- গ্রীণ পিস একটি পারমাণবিক বিস্ফোরণ বিরোধী নেদারল্যান্ডভিত্তিক পরিবেশবাদী সংস্থা। 
- ১৯৭১ সালে আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- নেদারল্যান্ডের আমস্টার্ডামে এর সদর দপ্তর অবস্থিত।
 - বিশ্বব্যাপী জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা করাই হল আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংস্থাটির মূল লক্ষ্য।

উৎস:- ব্রিটানিকা।
১,১২৫.
কপ-২৭ সম্মেলন কোন শহরে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) বার্লিন
  2. খ) গ্লাসগো
  3. গ) শারম আল শেখ
  4. ঘ) আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা
COP:
- COP -এর পূর্ণরূপ Conferences of the Parties.
- জলবায়ু সংক্রান্ত জাতিসংঘ রূপরেখা সম্মেলন কার্যকর হয় ১৯৯৪ সালে।
- প্রথম সম্মেলন কপ-১ অনুষ্ঠিত হয়- জার্মানির বার্লিন শহরেত ১৯৯৫ সালে।
- UNFCC ভুক্ত সদস্য দেসসমূহ জলবায়ু সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে।
- কপ ২৭ অনুষ্ঠিত হয় মিসরের শারম আল শেখ শহরে - ৬- ১৮ নভেম্বর ২০২২ সালে।
- কপ ২৮ অনুষ্ঠিত হবে ১২ নভেম্বর- ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩ সালে আরব আমিরাত, দুবাই।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১,১২৬.
সবুজ বিপ্লবের সূচনা হয় -
  1. ক) বাংলাদেশে
  2. খ) ভারতে
  3. গ) মেক্সিকোতে
  4. ঘ) নরওয়েতে
ব্যাখ্যা
সবুজ বিপ্লব
- বিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে উচ্চ ফলনশীল বীজ, সার এবং সেচের পানি ব্যবহারের মাধ্যমে গম, ধান, ভুট্টা প্রভৃতির উৎপাদনে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অতি দ্রুত যে বিরাট সাফল্য অর্জিত হয়েছে তাকে ‘সবুজ বিপ্লব’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
- নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে শস্য উৎপাদনের যে দ্রুত পরিবর্তন হয়েছে তাকে সর্বদাই যৌবনদীপ্ত রাখার জন্য ১৯৬৮ সালের ৮ই মার্চ ইউসএইড (USAID)- এর পরিচালক উইলয়াম. এস. গাউড একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সমিতির সম্মেলনে ভাষণ দেয়ার সময় দ্রুত ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির কৌশলকে ‘সবুজ বিপ্ল­ব’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
- সবুজ বিপ্ল­বের সূচনা হয় ১৯৪৪ সালে, মেক্সিকোতে।
- মূলত উচ্চ ফলনশীল গম জাত উদ্ভাবনের মাধ্যমে এ বিপ্ল­বের যাত্রা শুরু। 
- এর নেতৃত্ব দেন শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী কৃষি বিজ্ঞানী ড. নরমোন ই বোরলগ।
- সবুজ বিপ্ল­বের ফলে ভারত ও পাকিস্তান ষাট- এর দশকের শেষভাগে ব্যাপক ক্ষুধা ও দূর্ভিক্ষের হাত থেকে রক্ষা পায়।
- সবুজ বিপ্ল­বের সাফল্যের পেছনে দুটো আন্তর্জাতিক কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের অবদান সবেচেয়ে বেশি।
- একটি মেক্সিকোয় প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ভুট্টা ও গম গবেষণা কেন্দ্র (CIMMYT) এবং অপরটি ফিলিপাইনে প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (IRRI)।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে সবুজ বিপ্ল­বের সূচনা হয়েছে ষাট- এর দশকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,১২৭.
’গ্রিনপিস’ কোন দেশের পরিবেশবাদী সংস্থা?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. কানাডা 
  3. যুক্তরাজ্য
  4. নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

গ্রিনপিস:
- গ্রিনপিস নেদারল্যান্ড ভিত্তিক আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়:  ১৯৭১ সালে, কানাডায়।
- সদরদপ্তর: নেদারল্যান্ডের আমস্টারডাম।
- পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার ও পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা বন্ধে ১৯৬৯ সালে Don't make a wave Committee গঠিত হয়।
- সংস্থাটির উদ্দেশ্য সারা বিশ্বে বন্য পরিবেশ ধ্বংস, গ্লোবাল ওয়ার্মিং, অধিক হারে মৎস্য শিকার, বানিজ্যিক ভাবে তিমি শিকার এবং  পারমানবিক শক্তির বিরুদ্ধে প্রচারনা চালানো।

উৎস: Greenpeace এর ওয়েবসাইট।

১,১২৮.
‘ইকোলজি' শব্দটি সর্বপ্রথম কত সালে ব্যবহৃত হয়েছিলো?
  1. ক) ১৮৫৯
  2. খ) ১৮৬৭
  3. গ) ১৮৬৯
  4. ঘ) ১৮৯৬
ব্যাখ্যা
ইকোলজি মানব বিজ্ঞান, জনসংখ্যা, সম্প্রদায়, বাস্তুতন্ত্র এবং জীবমণ্ডল সহ বিজ্ঞানের একটি শাখা। ইকোলজি হ'ল জীব, পরিবেশ এবং জীবগুলি একে অপরের সাথে এবং তাদের পরিবেশের সাথে কীভাবে যোগাযোগ করে সে সম্পর্কে অধ্যয়ন। এটি জীব, জনসংখ্যা, সম্প্রদায়, জীবজগৎ এবং বাস্তুতন্ত্রের মতো বিভিন্ন স্তরে অধ্যয়ন করা হয়।
১,১২৯.
মন্ট্রিল প্রটোকলের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ন্ত্রণ 
  2. ওজোনস্তর-ক্ষয়কারী পদার্থের নিয়ন্ত্রণ
  3. জলাভূমি সংরক্ষণ
  4. বন্যপ্রাণী রক্ষা
ব্যাখ্যা

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশ সুরক্ষা চুক্তি,
- এটি ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে কানাডার মন্ট্রিলে গৃহীত হয় এবং ১ জানুয়ারি, ১৯৮৯ সালে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- এই চুক্তির মূল লক্ষ্য :পরিবেশ রক্ষা এবং ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ সীমিত করা।
- পরবর্তীতে, ২০১৯ সালে মন্ট্রিল প্রটোকলের আওতায় "The Kigali Amendment" কার্যকর হয়।
- ১৯৮৫: ভিয়েনা কনভেনশন ফর দ্য প্রোটেকশন অফ দ্য ওজোন লেয়ার স্বাক্ষরিত (মন্ট্রিল প্রটোকলের ভিত্তি)।
- ১৯৮৭: মন্ট্রিলে ২৪টি দেশ স্বাক্ষর করে; ODS-এর ৫০% হ্রাসের লক্ষ্য।
- ২০১৬: কিগালি সংশোধনী; HFC-এর ৮০-৮৫% হ্রাসের লক্ষ্য (জলবায়ু প্রভাব)।

উৎস: UNEP website & Britannica.com

১,১৩০.
‘বিশ্ব আবহাওয়া দিবস’ পালিত হয়-
  1. ক) ২৩ মার্চ
  2. খ) ১১ জুলাই
  3. গ) ২৭ সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) ১৬ অক্টোবর
ব্যাখ্যা
- ২৩ মার্চ : বিশ্ব আবহাওয়া দিবস
- ১১ জুলাই : বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
- ২৭ সেপ্টেম্বর : বিশ্ব পর্যটন দিবস
- ১৬ অক্টোবর : বিশ্ব খাদ্য দিবস।
(সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
১,১৩১.
"The Kigali Amendment" নিচের কোনটির সাথে সম্পৃক্ত?
  1. কার্টাগেনা প্রটোকল
  2. মন্ট্রিল প্রটোকল
  3. কিয়েটো প্রটোকল
  4. বাসেল কনভেনশন
ব্যাখ্যা
• পরিবেশ বিষয়ক চুক্তি মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ১৬ সেপ্টেম্বর,১৯৮৭ সালে কানাডার মন্ট্রিলে গৃহীত হয়।
- ১ জনুয়ারি ১৯৮৯ সালে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৮৯ সালে স্বাক্ষরিত মন্ট্রিল প্রটোকলের বিষয়বস্তু ছিল পরিবেশ রক্ষা করা।
- মন্ট্রিল প্রটোকলে ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক ক্ষতিকর পদার্থ সীমিতকরণ।
- মন্ট্রিল প্রটোকলের "The Kigali Amendment" ২০১৯ সাল থেকে কার্যকর হয়।

অন্যদিকে,
- কিয়েটো প্রটোকল -- গ্রিণ হাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ।
- বাসেল কনভেনশন -- ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল বিষয়ক।
- কার্টাগেনা প্রটোকল -- জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা বিষয়ক।

উৎস: UNEP website & Britannica.com 
১,১৩২.
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়টি SDG এর কত নং লক্ষ্যমাত্রার অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) ৭ নং
  2. খ) ৯ নং
  3. গ) ১১ নং
  4. ঘ) ১৩ নং
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ধারাবাহিকতায় ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে ২০১৬ সাল থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে যা টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট বা SDG নামে পরিচিত।
এসডিজির ১৩ নং লক্ষ্যমাত্রায় জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। এতে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, ক্ষতি হ্রাস করা, প্যারিস জলবায়ু চুক্তির বিষয়গুলো বাস্তবায়ন প্রভৃতি বিষয়ে বলা হয়েছে।
(সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
১,১৩৩.
কিয়োটো প্রোটকলের বিষয়বস্তু নিচের কোনটি?
  1. জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রোটকল
  2. স্ট্যাটোস্ফিয়ার স্তরের সংরক্ষণ বিষয়ক
  3. ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিষয়ক
  4. গ্রীনহাউজ গ্যাস নির্গমন হ্রাস
ব্যাখ্যা
কিয়েটো প্রোটকল:
- কিয়োটো প্রোটোকল একটি বহুরাষ্ট্রীয় আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এটি পরিবেশের সাথে সম্পর্কিত।
- এই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলিকে গ্রীনহাউজ গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য দায়বদ্ধ করে।
- ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ১১ই ডিসেম্বর জাপানের কিয়োটো শহরে এই চুক্তি প্রথম গৃহীত হয়।
- ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ই ফেব্রুয়ারি কার্যকরী হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,১৩৪.
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার সদস্য দেশের সংখ্যা কত? (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
  1. ১৮০টি
  2. ১৮২টি
  3. ১৮৫টি
  4. ১৮৭টি
ব্যাখ্যা
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা:
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জাতিসংঘের বিশেষায়িত একটি সংস্থা WMO।
- WMO এর পূর্ণরূপ World Meteorological Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৫০ সালে।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি। (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
• ১৮৭টি দেশ।
• ৬টি অঞ্চল।
- বর্তমান মহাসচিব: সেলেস্তে সাওলো। (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)

তথ্যসূত্র - WMO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,১৩৫.
WMO কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৫০ সালে
  2. খ) ১৯৫৭ সালে
  3. গ) ১৯৫৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৬১ সালে
ব্যাখ্যা
WMO originated from the International Meteorological Organization (IMO), which was founded in 1873 to facilitate the exchange of weather information across national borders. Established in 1950, the WMO became a specialized agency of the United Nations in 1951. [source: wmo website]
১,১৩৬.
‘জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত কাঠামো সনদ (UNFCCC)’ গৃহীত হয় কোন সম্মেলনে?
  1. ক) Rio + 5
  2. খ) Rio + 10
  3. গ) Rio + 20
  4. ঘ) Rio Summit
ব্যাখ্যা
১৯৯২ সালের ৩-১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও শহরে বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit) বা United Nations Conference on Environment and Development অনুষ্ঠিত হয়।
এই সম্মেলনের অন্য নাম- Rio Summit।
এই সম্মেলনে গৃহীত হওয়া বিষয়গুলো হচ্ছেঃ
- জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত কাঠামো সনদ United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC) গৃহিত হয়।
এটি কার্যকর হয় ১৯৯৪ সালের ২১ মার্চ।
এতে ১৯৭ টি দেশ ও সংস্থা স্বাক্ষর করে।
- এজেন্ডা-২১
- জীববৈচিত্র্য সম্পর্কিত সনদ এবং
- পরিবেশ ও উন্নয়ন সম্পর্কিত রিও ঘোষণা।
উৎসঃ UNFCCC এর ওয়েবসাইট।
১,১৩৭.
'V-20' কোন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. নারী আন্দোলন 
  2. বিনিয়োগ সম্পর্কিত
  3. দারিদ্র্য বিমোচন
  4. জলবায়ু পরিবর্তন
ব্যাখ্যা

- V-20' জলবায়ু পরিবর্তন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশের জোট।

V- 20 বা Vulnerable Twenty Group:

- এটি হলো ২০টি জলবায়ু-সংবেদনশীল (climate-vulnerable) দেশের একটি জোট,
- এই দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২০১৫ সাল।
- প্রথম সভা: লিমা, পেরুতে।
- উদ্যোক্তা দেশ: ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম (CVF) I
- প্রথম সদস্য ২০টি দেশ:
- এই জোটের প্রাথমিক সদস্য দেশ সমূহ:
- আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, বার্বাডোস, ভুটান, কোস্টা রিকা, ইথিওপিয়া, ঘানা, কেনিয়া, কিরিবাতি, মালদ্বীপ, মাদাগাস্কার, নেপাল, ফিলিপাইন, রুয়ান্ডা, সেন্ট লুসিয়া, দক্ষিণ সুদান, পূর্ব তিমুর, টুভালু, তানজানিয়া, ভিয়েতনাম।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ৭০ টি। [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]

উৎস: V-20 ওয়েবসাইট।

১,১৩৮.
কোন জলবায়ু সম্মেলনের মাধ্যমে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠন করা হয়?
  1. কপ-১৫
  2. কপ-১৬
  3. কপ-১৭
  4. কপ-১৮
ব্যাখ্যা
Green Climate Fund:  
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (Green Climate Fund) জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন ফ্রেমওয়ার্ক (UNFCCC) কর্তৃক গঠিত একটি গঠিত তহবিল।
- শিল্পোন্নত দেশ সমূহের প্রদত্ত চাঁদা থেকে এই তহবিল গঠিত হবে।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২০১০ সাল। 
- প্রতিষ্ঠার স্থান: কানকুন, মেক্সিকো। 
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন: কপ-১৬।
- সদর দপ্তর: ইয়েনচিয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া। 
- No. of projects: ২৫৩টি।
- এর মূল লক্ষ্য ক্ষতিগ্রস্থ দেশগুলোকে সহায়তা করা ও কার্বন নির্গমন কমানো।
 
উৎস: Green Climate Fund ওয়েবসাইট। 
১,১৩৯.
প্রথম জলবায়ু সম্মেলন (cop-1) কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. জোহানেসবার্গ
  2. নাইরোবি
  3. স্টকহোম
  4. বার্লিন
ব্যাখ্যা
কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।

⇒ প্রথম জলবায়ু সম্মেলন (কপ-১):
- ১৯৯৫ সালের ২ মার্চ - ৭ এপ্রিল জার্মানির বার্লিনে প্রথম কপ-১ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- ওই সম্মেলনে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় যৌথ উদ্যোগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
১,১৪০.
কিয়োটো প্রটোকল কার্যকর হয় কত সালে? 
  1. ২০০৫ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা

কিয়োটো প্রটোকল:
- চুক্তির নাম: কিয়োটো প্রটোকল,
- স্থান: কিয়োটো, জাপান,
- গৃহীত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭,
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৫ সালে কার্যকর হয়।
- আয়োজক সংস্থা: UNFCCC (United Nations Framework Convention on Climate Change)
- জাতিসংঘের ব্যবস্থাপনায় জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- উদ্দেশ্যে: কার্বন ডাইঅক্সাইড ও গ্রিন হাউস গ্যাস উদ্গিরণ কমানো।
- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সাউথ সুদান এ প্রটোকল অনুসমর্থন করে নি।
- ২০১২ সালে কানাডা নিজেকে প্রত্যাহার করে।

উৎস: Britannica.

১,১৪১.
'এজেন্ডা-২১' এর বিষয়বস্তু কী?
  1. পরিবেশ
  2. সন্ত্রাসবাদ
  3. সভ্যতা
  4. বাণিজ্য
ব্যাখ্যা
এজেন্ডা ২১:
- পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক জাতিসংঘ সম্মেলনে গৃহীত একটি দলিল।
- পরিবেশ ও উন্নয়ন সম্পর্কিত রিও ঘোষণা এবং বনের টেকসই ব্যবস্থাপনার নীতির বিবৃতি ১৭৮টি দেশ অংশ করেছিল।
- ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিওতে অনুষ্ঠিত ১৪ জুন ১৯৯২ থেকে।
- ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বিশেষ অধিবেশনে আর্থ সামিটের অগ্রগতির পাঁচ বছরের পর্যালোচনা করা হবে বলে সম্মত হয়েছিল ।
- এজেন্ডা ২১- এর পূর্ণ বাস্তবায়ন ২০০২ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত টেকসই উন্নয়নের বিশ্ব শীর্ষ সম্মেলনে (WSSD) দৃঢ়ভাবে পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছিল। 

 উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।
১,১৪২.
IPCC কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৮৮ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

- UNEP এবং WMO যৌথভাবে ১৯৮৮ সালে IPCC প্রতিষ্ঠা করে।  

IPCC:
- জাতিসংঘের দুটি সংস্থা নিয়ে IPCC গঠিত হয়।
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) এবং জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচী (UNEP) এর সম্মিলিত উদ্যোগে ১৯৮৮ সালে IPCC গঠিত হয়।
- IPCC এর পূর্ণরূপ হলো- The Intergovernmental Panel on Climate Change.
- এই সংস্থা জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ করে থাকে। 

উল্লেখ্য, 
- IPCC ২০০৭ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে। 

সূত্র: IPCC ওয়েবসাইট।

১,১৪৩.
সিএফসি বায়ুমন্ডলের কোন স্তরের ক্ষতি করে?
  1. ক) স্ট্রাটোস্ফিয়ার
  2. খ) মেসোস্ফিয়ার
  3. গ) আয়নোস্ফিয়ার
  4. ঘ) থার্মোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা
• CFC গ্যাস:
- CFC গ্যাস হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বন।
- সিএফসি বায়ুমন্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরের ক্ষতি করে।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ ওজোন স্তরকে ক্ষতি করে কিন্তু এর মধ্যে ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (সিএফসি) গ্যাস প্রত্যক্ষভাবে ওজোন স্তরের ক্ষতি করে।
- সিএফসি এর মধ্যে CFC12 এবং CFC13 সর্বাধিক ক্ষতিকর।
- CFC12 এবং CFC13 এর কার্বন যৌগপ্তলো জায়মান দশায় ক্লোরিন উৎপাদন করে।
- উৎপন্ন ক্লোরিন ওজোনের সাথে বিক্রিয়া করে ওজোনের অণু ধ্বংস করে।
- এক লক্ষ ওজোনের অণু ধ্বংসের জন্য একটি ক্লোরিনের অণুই যথেষ্ট।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৪৪.
“The Convention on International Trade in Endangered Species of Wild Fauna and Flora” - কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ক) ১৯৬৩
  2. খ) ১৯৭৩
  3. গ) ১৯৭৫
  4. ঘ) ১৯৬৮
ব্যাখ্যা
The Convention on International Trade in Endangered Species of Wild Fauna and Flora (CITES) was drafted as a result of a resolution adopted in 1963 at a meeting of members of IUCN (The World Conservation Union). The text of the Convention was finally agreed at a meeting of representatives of 80 countries in Washington, D.C., the United States of America, on 3 March 1973, and on 1 July 1975 CITES entered in force. The original of the Convention was deposited with the Depositary Government in the English, French and Spanish languages, each version being equally authentic.
১,১৪৫.
জাতিসংঘ জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল- 
  1. কিয়োটো প্রটোকল
  2. মন্ট্রিল প্রটোকল
  3. কার্টাগেনা প্রটোকল
  4. বর্ণিত কোনটিই নয় 
ব্যাখ্যা

কার্টাগেনা প্রটোকল:
- পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity।
- এটি জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- এর উদ্দেশ্য হলো জৈব জ্বালানি সংরক্ষণ।
- অনুমোদন: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯, কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে,
- তাই শহরের নামানুসারে এর নাম কার্টাগেনা প্রটোকল।
- গৃহীত ও কার্যকর: কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত ও কার্যকর হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
- চুক্তির পক্ষে স্বাক্ষরকারী দেশ: ১০৩টি।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৭৩টি।

উল্লেখ্য,
- কিয়োটো প্রটোকল: এটি জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত একটি চুক্তি, জৈব নিরাপত্তার সাথে সম্পর্কিত নয়. 
- মন্ট্রিল প্রটোকল: এটি ওজোন স্তরের ক্ষয়কারী পদার্থ নিয়ন্ত্রণের সাথে সম্পর্কিত. 
- বাংলাদেশ কার্টাগেনা প্রটোকল স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে।
- অনুমোদন হয় ২০০৪ সালে।

উৎস: UNTC ওয়েবসাইট।

১,১৪৬.
ওজোন স্তর সুরক্ষার উদ্দেশ্যে কোন চুক্তিটি করা হয়?
  1. নাগোয়া প্রটোকল
  2. মন্ট্রিল প্রটোকল
  3. বাসেল কনভেনশন
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
মন্ট্রিল প্রটোকল:
- গৃহীত হয়: ১৯৮৭ সালে।
- উদ্দেশ্য: ওজোন স্তর সুরক্ষা।
- চুক্তির স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ১ জানুয়ারি, ১৯৮৯ সাল।
- এটি ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC) নিষিদ্ধ করার লক্ষ্যে কাজ করে।
- ১৯৭০-এর দশকে মার্কিন রসায়নবিদ রোল্যান্ড ও মোলিনা আবিষ্কার করেন CFC (chlorofluorocarbon) জাতীয় যৌগ সূর্য রশ্মির সঙ্গে বিক্রিয়া করে ওজোন ধ্বংসকারী ক্লোরিন মুক্ত করে।
- ১৯৮৫ সালে ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক সার্ভে ওজোন স্তরে "গহ্বর" (ozone hole) চিহ্নিত করে।
- ওজোন স্তর রক্ষায় সবচেয়ে সফল বৈশ্বিক পরিবেশ চুক্তি। 
- ওজোন স্তরের প্রথম পুনরুদ্ধারের লক্ষণ ২০১৮ সালে দেখা যায়। 
- পূর্ণাঙ্গ প্রত্যাশিত পুনরুদ্ধার: আর্কটিক অঞ্চলে: ২০৩০-এর দশকের মাঝামাঝি, অ্যান্টার্কটিক অঞ্চলে: ২০৬০-এর দশকে। 

উৎস: Britannica.
১,১৪৭.
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব থেকে নিজেদের সুরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আর্থিক সহায়তা করার লক্ষ্যে গঠিত হয় -
  1. ক) Green Climate Fund
  2. খ) Green Belt Movement
  3. গ) Green Belt Fund
  4. ঘ) Green Climate Movement
ব্যাখ্যা
• গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (Green Climate Fund) জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন ফ্রেমওয়ার্ক (UNFCCC) - কর্তৃক গঠিত একটি তহবিল। শিল্পোন্নত দেশ সমূহের প্রদত্ত চাঁদা থেকে এই তহবিল গঠিত হবে।

• এক নজরে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড:
প্রতিষ্ঠাকাল : ২০১০ সাল
প্রতিষ্ঠার স্থান: কানকুন, মেক্সিকো
প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন: COP-16
সদরদপ্তর: ইয়েনচিয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া (২০১৩ সালে এর স্থায়ী দপ্তর স্থাপিত হয়)
তহবিলের পরিমাণ: ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার

⇒ গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড – গঠনের উদ্দেশ্য হচ্ছে - অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশ সমূহকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব থেকে নিজেদের সুরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আর্থিক সহায়তা করা।

তথ্যসূত্র: গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড ওয়েবসাইট।
১,১৪৮.
‘দ্য চেয়ারম্যান অব এভরিথিং’ নামে পরিচিত -
  1. ক) জো বাইডেন
  2. খ) শেখ হাসিনা
  3. গ) শি জিনপিং
  4. ঘ) নরেন্দ্র মোদী
ব্যাখ্যা
• প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং:
- চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির নেতা শি চিনপিংকে ‘দ্য চেয়ারম্যান অব এভরিথিং’ উপাধি দেওয়া হয়েছে।
- ২০১২ সালে ক্ষমতায় আসার পর চিনপিং শুধু দেশের বা ক্ষমতাসীন চীনা কমিউনিস্ট পার্টির এবং সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানই হননি;  বরং তিনি দলীয় বহু সুপার কমিটিরও প্রধান নিযুক্ত হয়েছেন।
- ১৯৮০ সালে চীন যখন অর্থনীতি উন্মুক্ত করতে শুরু করে, তখনই চীনা নেতারা ইংরেজিতে সরকারি উপাধি পান।
- শি চিনপিং চীনে প্রধানত তিনটি উপাধিতে পরিচিত। তা হলঃ রাষ্ট্রীয় চেয়ারম্যান (চীনা ভাষায় গুওজিয়া ঝুশি), সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের চেয়ারম্যান (চীনা ভাষায় ঝংইয়াং জুনওয়েই ঝুশি), চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (জং শুজি) জেনারেল সেক্রেটারি।

অন্যদিকে,
- চীনের ‘নেকড়ে যোদ্ধা’ কূটনীতি প্রথম শুরু করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।
- শি জিনপিংয়ের অভিনব কূটনৈতিক দর্শন থেকে এই পরিভাষাটি বেছে নেয়া হয়েছে।
- নিজের মর্যাদা বাড়াতে ও ক্ষমতাকে আরও পাকাপোক্তে কৌশলের অংশ হিসেবে চীনাদের জাতীয়তাবাদী অনুভূতি শক্তিশালী করতে শি জিনপিং এমন কৌশল নিয়েছেন।

উৎস:- কালের কণ্ঠ এবং এবং দেশ রূপান্তর পত্রিকা রিপোর্ট [লিঙ্ক] ।
১,১৪৯.
কত সালে পরিবেশ বিষয়ক 'স্টকহোম সম্মেলন' অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৯ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা

প্রথম পরিবেশ সম্মেলন:
- জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৭২ সালের ৫-১৬ জুন সুইডেনের স্টকহোম শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্বের প্রথম পরিবেশ সম্মেলন।
- জাতিসংঘের মানব পরিবেশ সম্মেলন (United Nations Conference on the Human Environment) স্টকহোম সম্মেলন নামে পরিচিত।

⇒  স্টকহোম সম্মেলনে জাতিসংঘ পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচী বা United Nations Environment Programme (UNEP) গঠিত হয়।
- এই সম্মেলনটি পরিবেশ রক্ষার ক্ষেত্রে বিশ্বের প্রথম বৃহত্তম আন্তর্জাতিক উদ্যোগ ছিল এবং এতে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপনের সূচনা হয়েছিল।
- এই সম্মেলনের মাধ্যমে পরিবেশ সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার প্রতি বিশ্ব সম্প্রদায়ের মনোযোগ আকর্ষণ করা হয় এবং পরিবেশ সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা উঠে আসে।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।

১,১৫০.
কোন চুক্তির মাধ্যমে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর বিষয়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শুরু হয়েছিল?
  1. মন্ট্রিল প্রোটোকল
  2. কিয়োটো প্রোটোকল
  3. নাগোয়া প্রোটোকল
  4. কার্টাগেনা প্রোটোকল
ব্যাখ্যা
কিয়োটো প্রটোকল:
- গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য প্রথম আইনগত বাধ্যবাধকতা তৈরি করে কিয়োটো প্রোটোকল।
- এই প্রোটোকলটি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জের (UNFCCC) অধীনে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- কিয়োটো প্রোটোকল শিল্পোন্নত দেশগুলোকে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমাতে নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেয়।

⇒ স্বাক্ষরিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৮৩টি।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৯২টি।
- ২০২০ সালের ৩১শে ডিসেম্বর কিয়োটা প্রটোকলের মেয়াদ শেষ হয়।

উল্লেখ্য,
- প্রথম মেয়াদ (২০০৫-২০১২): কিয়োটা প্রটোকল ২০০৫ সালে কার্যকর হয় এবং ২০১২ সালে তার প্রথম মেয়াদ শেষ হয়।
- দোহা সংশোধনী: ২০১২ সালে কিয়োটা প্রটোকলের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর, দোহা সংশোধনী গৃহীত হয়, যা ২০১৩-২০২০ সাল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল।
- প্যারিস চুক্তি ২০১৬ সালে কার্যকর হওয়ায় কিয়োটা প্রটোকল কার্যকরভাবে বাতিল হয়ে যায়। যদিও কিয়োটা প্রটোকল ছিল জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, প্যারিস চুক্তি বর্তমানে বিশ্বের প্রাথমিক আন্তর্জাতিক কাঠামো হিসেবে জলবায়ু কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
১,১৫১.
The Climate Vulnerable Forum (CVF)- কোথায় গঠিত হয়?
  1. কাতার
  2. শ্রীলঙ্কা
  3. ভারত
  4. মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা

• The Climate Vulnerable Forum (CVF):
- জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ ফোরাম (সিভিএফ) হল উষ্ণায়নের ঝুঁকিতে থাকা ৭৪টি দেশের একটি আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব।
- জলবায়ু জরুরি অবস্থা মোকাবেলায় অংশগ্রহণকারী সরকারগুলিকে একসাথে কাজ করার জন্য ফোরামটি দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।
- মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ নাশিদের উদ্যোগে, ২০০৯ সালের নভেম্বরে মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে সিভিএফ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- কোপেনহেগেন শীর্ষ সম্মেলন জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনের (COP15) মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে প্রতিষ্ঠাকালীন ঘোষণাপত্রে , CVF এই সমস্যা মোকাবেলায় ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলির নেতৃত্বের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

উৎস: The Climate Vulnerable Forum (CVF).

১,১৫২.
'V-20' কোন ধরনের জোট?
  1. সর্বাধিক অনুন্নত ২০ টি দেশ
  2. প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ ২০ টি দেশ
  3. কার্বন নিঃসরণকারী শীর্ষ ২০টি দেশ
  4. কোভিড-১৯ আক্রান্ত শীর্ষ ২০টি দেশ
ব্যাখ্যা
'V-20' বা 'Vulnerable-20' হলো প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ শীর্ষ ২০টি দেশের অর্থমন্ত্রীদের জোট। এটি ২০১৫ সালের অক্টোবরে পেরুর রাজধানী লিমায় গঠিত হয়।
সম্প্রতি বাংলাদেশ ২০২০-২০২২ মেয়াদে এ জোটের সভাপতির নির্বাচিত হয়েছে ।
(সূত্রঃ সময়নিউজ ও দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড)
১,১৫৩.
গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড কত সালে গঠিত হয়?
  1. ২০০১ সালে
  2. ২০০৯ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০১১ সালে
ব্যাখ্যা
• Green Climate Fund:
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন ফ্রেমওয়ার্ক (UNFCCC) কর্তৃক গঠিত একটি গঠিত তহবিল।
- তহবিলের পরিমাণ: ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২০১০ সাল।
- সদর দপ্তর: ইনচিয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: কানকুন, মেক্সিকো।

উৎস: গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড ওয়েবসাইট। 
১,১৫৪.
নিচের কোনটি যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক পরিবেশবাদী সংগঠন?
  1. BAPA
  2. World Watch
  3. IUCN
  4. Greenpeace
ব্যাখ্যা
পরিবেশবাদী সংগঠন:
- World Watch যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠিতা হলেন- লেস্টার আর ব্রাউন।
- World Watch এর সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- Greenpeace: নেদারল্যান্ডস্ এর আমস্টারডাম ভিত্তিক একটি বৈশ্বিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- IUCN: সুইজারল্যান্ড ভিত্তিক, এটি আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ নিয়ে কাজ করে।
- BAPA: বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন ভিত্তিক পরিবেশবাদী সংগঠন।

তথ্যসূত্র - World Watch এর ওয়েবসাইট ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট।
১,১৫৫.
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় গঠিত গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড এর সদরদপ্তর কোথায়?
  1. ক) বান্দুং
  2. খ) বন
  3. গ) ইনচন
  4. ঘ) ওয়াশিংটন
ব্যাখ্যা
- ২০১০ সালে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠিত হয়।
- এর প্রধান কার্যালয় দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচন শহরে অবস্থিত।
- এই ফান্ড থেকে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবের শিকার উন্নয়নশীল গুলোকে সহায়তা করা হয়।
- এছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সহায়তা প্রদান করা হয়। উন্নত দেশসমূহ এ ফান্ডে অর্থ সহায়তা দিয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র:- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড ওয়েবসাইট।
১,১৫৬.
কততম জলবায়ু সম্মেলনে ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ’ তহবিল গঠিত হয়েছে?
  1. ২৫ তম
  2. ২৬ তম
  3. ২৭ তম
  4. ২৮ তম
ব্যাখ্যা
'লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড':
- প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকূল থেকে অসংখ্য মানুষ প্রতিনিয়ত পৈতৃক ভিটে মাটি ছেড়ে শহরে আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছেন।
- বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দুর্যোগের কারণে এ সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে বলেই মনে করেন বিজ্ঞানীরা।
- কপ-২৭ জলবায়ু সম্মেলনে একটি ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ’ তহবিল গঠনে সম্মত হয়েছে বিশ্ব।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশের উপকূলের যে মানুষেরা উদ্বাস্তু হচ্ছেন বা ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছেন তাদের সহায়তা এবং পুনর্বাসনে এই তহবিল কাজ করবে বলে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
১,১৫৭.
IPCC কোন ধরনের প্রতিবেদন নিয়মিত প্রকাশ করে?
  1. অর্থনৈতিক রিপোর্ট
  2. জলবায়ু মূল্যায়ন রিপোর্ট
  3. স্বাস্থ্য বিষয়ক রিপোর্ট
  4. শিক্ষা বিষয়ক রিপোর্ট
ব্যাখ্যা
- IPCC জলবায়ু মূল্যায়ন প্রতিবেদন নিয়মিত প্রকাশ করে। 

IPCC (Intergovernmental Panel on Climate Change):

- IPCC (আন্তঃসরকারি জলবায়ু পরিবর্তন প্যানেল) একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা যা জাতিসংঘের আওতায় কাজ করে।
- এটি বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহ ও মূল্যায়নের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং এর সম্ভাব্য সমাধান সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বৃদ্ধি করে।
- IPCC নিয়মিতভাবে "Assessment Reports" প্রকাশ করে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক দিকগুলো তুলে ধরে।

মূল কাজ ও লক্ষ্য:
- বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন: জলবায়ু পরিবর্তনের বর্তমান অবস্থা, ভবিষ্যৎ পূর্বাভাস এবং প্রভাব নিয়ে গবেষণা।
- নীতিনির্ধারণ: বিশ্বব্যাপী নীতি ও পদক্ষেপ গ্রহণে তথ্যভিত্তিক সহায়তা প্রদান।
- বিশ্বব্যাপী সহযোগিতা: বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞদের একত্রিত করে জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলা করা।

উৎস: IPCC Official Website
১,১৫৮.
'ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম' এ বর্তমানে সভাপতিত্ব করছে -
  1. ক) বাংলাদেশ
  2. খ) ঘানা
  3. গ) কেনিয়া
  4. ঘ) কোস্টারিকা
ব্যাখ্যা
- জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকির মুখে থাকা দেশগুলোর জোট ‘ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম-সিভিএফ'।
- ২০০৯ সালে গঠিত এই জোটের বর্তমান সদস্য - ৫৫টি।
- বর্তমানে ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম এর সভাপতির নেতৃত্ব দিচ্ছে ঘানা। 
- ২০২০-২০২২ মেয়াদে এ জোটের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন - প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- এর আগে ২০১১ থেকে ২০১৩ মেয়াদে এ জোটের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিল বাংলাদেশ।

উৎসঃ bdnews24.com
১,১৫৯.
জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকি তুলে ধরতে কোন দেশটি সমুদ্রের তলদেশে মন্ত্রিসভার বৈঠক করেছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. অস্ট্রিয়া
  3. মালদ্বীপ
  4. চীন
ব্যাখ্যা
সমুদ্রের তলদেশে মন্ত্রিসভার বৈঠক:
 
- জলবায়ু পরিবর্তন এবং সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে দ্বীপপুঞ্জটি কতোখানি হুমকির মুখে সে বিষয়ে বিশ্ববাসীকে জানাতেই মালদ্বীপ সরকারের মন্ত্রীরা ভারত মহাসাগরে জলের নিচে বৈঠক করেছেন।
- প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদের নেতৃত্বে মন্ত্রীরা ডুবুরির পোশাকে মন্ত্রীসভার বৈঠকে যোগদান করেন।
- বৈঠকের জন্যে সেখানে টেবিল বসানো হয় যার আশেপাশে প্রবালের ভেতর দিয়ে সাতার কাটছিলো উজ্জ্বল রঙের মাছ।
- বৈঠকের সময় তারা হাতের ইশারায় কথা বলেন এবং দলিলে স্বাক্ষর করেন।
- পরে জলের উপরিভাগে উঠে এসে এক সংবাদ সম্মেলনে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট বলেন যে এর মধ্য দিয়ে তারা বিশ্বের কাছে জরুরী এক বার্তা পাঠাতে চেষ্টা করেছেন।
- উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রীসভার একমাত্র মহিলা সদস্য।
- যারা স্কুবা ডাইভিং জানতেন না তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ নিতে হয়েছিল।
- মন্ত্রীদের প্রত্যেকের সাথে ছিলেন একজন করে প্রশিক্ষক।
- এই বৈঠক থেকে পরিবেশের ক্ষতিকারক কার্বন-ডাই অক্সাইড গ্যাস নির্গমণ নিরাপদ পর্যায়ে নামিয়ে আনার আহ্বান জানানো হয়।
 
তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা, ১৭ অক্টোবর, ২০০৯।
১,১৬০.
বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত পরিবহন নিয়ন্ত্রণের জন্য কোন চুক্তিটি গৃহীত হয়?
  1. রামসার কনভেনশন
  2. বাসেল কনভেনশন
  3. কিয়োটো প্রটোকল
  4. নাগোয়া প্রটোকল
ব্যাখ্যা

• বাসেল কনভেনশন:
- বাসেল কনভেনশন হলো বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত চলাচল এবং তাদের নিষ্পত্তি নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি
- পূর্ণরূপ: Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal.
- স্বাক্ষরকারী: ৫৩টি। 
- এটি ১৯৮৯ সালে গৃহীত হয় এবং ১৯৯২ সালে কার্যকর হয়।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কনভেনশনটি অনুমোদন করেনি কারণ এর সমস্ত বিধান বাস্তবায়নের জন্য পর্যাপ্ত দেশীয় সংবিধিবদ্ধ কর্তৃপক্ষ নেই। 
- বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালের ১ এপ্রিল বাসেল কনভেনশনে যোগ দেয়।

» মূল উদ্দেশ্য:
- বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তর্জাতিক পরিবহন নিয়ন্ত্রণ।
- বর্জ্যের পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা।
- উন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে অবৈধ বর্জ্য রপ্তানি প্রতিরোধ।

তথ্যসূত্র: i) United Nations Environment Programme. 
ii) Basel Convention Official Website.
iii) U.S. DEPARTMENT of STATE

১,১৬১.
বাংলাদেশ কবে মন্ট্রিল প্রটোকল স্বাক্ষর করে?
  1. ক) ১৯৮৮
  2. খ) ১৯৯০
  3. গ) ১৯৯২
  4. ঘ) ১৯৯৩
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ১৯৯০ সালে মন্ট্রিল প্রটোকল স্বাক্ষর করে। ১৯৯৬ সালে ‘ওজোন সেল’ গঠন করে। এই সেল মন্ট্রিল প্রটোকল মাল্টিলেটারেল ফান্ডের আর্থিক সহায়তায় বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে। উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯
১,১৬২.
কার্বন নিঃসরণ কমাতে কোন দেশের নেতৃত্বে নতুন ফোরাম ‘জি-জিরো’ গঠন করা হয়েছে?
  1. ভুটান
  2. মালদ্বীপ
  3. ভারত
  4. শ্রীলঙ্কা
ব্যাখ্যা
- ভুটানের নেতৃত্বে কার্বন নিঃসরণ কমাতে গঠিত হয় ফোরাম 'জি জিরো'। 

জি-জিরো: 

- বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৯-এ ভুটানের নেতৃত্বে নতুন পরিবেশবান্ধব ফোরাম ‘জি-জিরো’ গঠন করা হয়েছে।
- এই ফোরামে চারটি কার্বন-নেতিবাচক দেশ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে,
- এগুলো হলো ভুটান, পানামা, সুরিনাম, ও মাদাগাস্কার।
- ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে এই উদ্যোগের মূল উদ্যোক্তা, এর লক্ষ্য কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে পরিবেশকে রক্ষা করা।
- বাকুতে অনুষ্ঠিত কপ-২৯ সম্মেলনে এই চার দেশ যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করে। এই ফোরাম বিশ্বকে টেকসই ও দূষণমুক্ত পরিবেশের জন্য অনুপ্রাণিত করতে কাজ করবে।

সূত্র: প্রথম আলো। 
১,১৬৩.
কোন সম্মেলনে Green Climate Fund গঠিত হয়?
  1. কানকুন
  2. কোপেনহেগেন
  3. স্টকহোম
  4. মেক্সিকো
ব্যাখ্যা

Green Climate Fund:
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (Green Climate Fund) জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন ফ্রেমওয়ার্ক (UNFCCC) কর্তৃক গঠিত একটি গঠিত তহবিল।
- শিল্পোন্নত দেশ সমূহের প্রদত্ত চাঁদা থেকে এই তহবিল গঠিত হবে।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: কানকুন, মেক্সিকো।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২০১০ সাল।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন: কপ-১৬।
- সদর দপ্তর: ইয়েনচিয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া।
- No. of projects: ২৫৩টি।

⇒ ২০০৯ সালে কোপেনহেগেনে ১৫তম কপ সমেলনে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠনের প্রস্তাব রাখা হয় এবং ২০১০ সালে কানকুনে ১৬তম কপ সম্মেলনে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- এর মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর উদ্যোগে অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়।
- এর মূল লক্ষ্য ক্ষতিগ্রস্থ দেশগুলোকে সহায়তা করা ও কার্বন নির্গমন কমানো।
- সম্মেলনে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস মধ্যে সীমিত রাখতে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ একমত প্রকাশ করে।
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠনের মাধ্যমে দরিদ্র দেশগুলোকে ১০০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

উৎস: Green Climate Fund ওয়েবসাইট।

১,১৬৪.
'নানসিও' কী?
  1. ইসরাইলের পোপ প্রেরিত দূত
  2. ভ্যাটিকানের পোপ প্রেরিত দূত
  3. ইউক্রেনের পোপ প্রেরিত দূত
  4. মৌরিতানিয়ার পোপ প্রেরিত দূত
ব্যাখ্যা
• নানসিও:
- ভ্যাটিকানের পোপ প্রেরিত দূত।
- বেসামরিক সরকারের রাষ্ট্রদূত হিসাবে স্বীকৃত।
- তিনি সরকার এবং হলি সি-এর মধ্যে সুসম্পর্কের প্রচার করেন।
- রোমান ক্যাথলিক চার্চের অবস্থার উপর পোপকে পর্যবেক্ষণ ও রিপোর্ট করেন।

এছাড়াও,
- শুধুমাত্র সেইসব দেশগুলির জন্য যারা ভিয়েনার কংগ্রেসের (১৮১৫) সিদ্ধান্ত মেনে চলে যে পোপ প্রতিনিধি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেখানে কূটনৈতিক কর্পের ডিন হয়ে যায়।
- একজন ইন্টার্নুনসিও হলেন একজন ভ্যাটিকান কূটনীতিক যার পদমর্যাদার পূর্ণ ক্ষমতাসম্পন্ন মন্ত্রী।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
১,১৬৫.
UNEP এর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) নিউইয়র্ক
  2. খ) মাদ্রিদ
  3. গ) ভিয়েনা
  4. ঘ) নাইরোবি
ব্যাখ্যা
- UNEP (United Nations Environment Programme) এর সদরদপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে অবস্থিত।
- UNEP ১৯৭২ সালের ৫ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমান নির্বাহী পরিচালক ডেনমার্কের ইনগার এন্ডারসন।
- সংস্থাটির প্রতিষ্ঠার তারিখ ৫ জুন প্রতিবছর বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- UNEP এবং WMO এর যৌথ উদ্যোগে ১৯৮৮ সালে IPCC (Inter-governmental Panel on Climate Change) প্রতিষ্ঠিত হয়।
(সূত্রঃ UNEP ওয়েবসাইট)
১,১৬৬.
সবুজ জলবায়ু তহ‌বিল (GCF) গঠন করা হয় কোন স‌ম্মেল‌নের মাধ্যমে?
  1. COP-17
  2. COP-12
  3. COP-16
  4. COP-19
ব্যাখ্যা
• Green Climate Fund:
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (Green Climate Fund) জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন ফ্রেমওয়ার্ক (UNFCCC) কর্তৃক গঠিত একটি গঠিত তহবিল।
- শিল্পোন্নত দেশ সমূহের প্রদত্ত চাঁদা থেকে এই তহবিল গঠিত হবে।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২০১০ সাল।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: কানকুন, মেক্সিকো।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেল: COP-16.
- সদরদপ্তর: ইয়েনচিয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া।
- তহবিলের পরিমাণ: ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। 

উল্লেখ্য: 
• জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP):
- COP এর পূর্ণরূপ Conference of the parties.
- ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- এর উদ্দেশ্য জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলা।
- ১৯৯৫ সাল থেকে 'জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP)' নামে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩০ এর আয়োজন করবে ব্রাজিল।

সূত্র: গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড ও UNFCCC ওয়েবসাইট।
১,১৬৭.
IUCN এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) জেনেভা
  2. খ) বার্ন
  3. গ) গ্ল্যান্ড
  4. ঘ) ফনটেনব্লু
ব্যাখ্যা
- IUCN (The International Union for Conservation of Nature) হলো প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- এটি ১৯৪৮ সালের ৫ অক্টোবর ফ্রান্সের ফনটেনব্লু শহরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর সুইজারল্যান্ডের গ্ল্যান্ড শহরে অবস্থিত।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা প্রায় ১,৪০০ এবং বিশেষজ্ঞ সংখ্যা প্রায় ১৮,০০০।
- এটি বিশ্বের ১৬০টির অধিক দেশে কাজ করছে।
(সূত্রঃ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট)
১,১৬৮.
বিশ্ব সামাজিক উন্নয়ন শীর্ষ সম্মেলন ২০২৫ কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. নিউইয়র্ক
  2. জেনেভা
  3. দোহা
  4. লন্ডন
ব্যাখ্যা

- দ্বিতীয় বিশ্ব সামাজিক উন্নয়ন শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ৪–৬ নভেম্বর ২০২৫, দোহা, কাতারে।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ (রেজুলেশন ৭৮/২৬১ ও ৭৮/৩১৮) এটি আহ্বান করেছে।
- ১৯৯৫ সালের কোপেনহেগেন শীর্ষ সম্মেলনের ৩০ বছর পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- লক্ষ্য: দারিদ্র্য বিমোচন, পূর্ণ কর্মসংস্থান, উপযুক্ত কাজ ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা।
- অংশগ্রহণকারী: সরকার, আন্তর্জাতিক সংস্থা, নাগরিক সমাজ, শিক্ষাবিদ, বেসরকারি খাত ও বিশেষজ্ঞরা।
- উদ্দেশ্য: সামাজিক অগ্রগতির কৌশল পুনর্নির্ধারণ, বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব জোরদার করা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি প্রচার করা।
- লক্ষ্য: স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই সমাজ গঠন।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েব সাইট।

১,১৬৯.
জাতিসংঘের মানব পরিবেশ বিষয়ক প্রথম বিশ্ব সম্মেলন কবে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৬২ সালে
  2. ১৯৮২ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

• পরিবেশ বিষয়ক প্রথম বিশ্ব সম্মেলন:
- ১৯৭২ সালে স্টকহোমে অনুষ্ঠিত হয় জাতিসংঘের মানব পরিবেশ বিষয়ক প্রথম বিশ্ব সম্মেলন।
- অংশগ্রহণকারীরা পরিবেশের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য বেশ কয়েকটি নীতি গ্রহণ করে, যার মধ্যে রয়েছে স্টকহোম ঘোষণাপত্র এবং মানব পরিবেশের জন্য কর্মপরিকল্পনা এবং বেশ কয়েকটি প্রস্তাব।

- স্টকহোম ঘোষণাপত্র, যার মধ্যে ২৬টি নীতি ছিল, আন্তর্জাতিক উদ্বেগের শীর্ষে পরিবেশগত বিষয়গুলিকে স্থান দেয়।
- এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বায়ু, জল এবং মহাসাগরের দূষণ এবং বিশ্বজুড়ে মানুষের কল্যাণের মধ্যে যোগসূত্র নিয়ে শিল্পোন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলির মধ্যে একটি সংলাপের সূচনা করে। 

- কর্মপরিকল্পনাটিতে  তিনটি প্রধান বিভাগ ছিল:
ক) বিশ্বব্যাপী পরিবেশগত মূল্যায়ন কর্মসূচি (পর্যবেক্ষণ পরিকল্পনা);
খ) পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম;
(গ) জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচালিত মূল্যায়ন ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমকে সমর্থন করার জন্য আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা। 

- স্টকহোম-১৯৭২ সম্মেলনের অন্যতম প্রধান ফলাফল ছিল জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) তৈরি করা।

উৎস: United Nations website.

১,১৭০.
আর্কটিক অঞ্চলের দেশ কতটি?
  1. ক) ৭টি
  2. খ) ৮টি
  3. গ) ৯টি
  4. ঘ) ৬টি
ব্যাখ্যা
সুমেরু অঞ্চল বা আর্কটিক পৃথিবীর সর্ব উত্তরের অঞ্চলটির নাম। রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে আটটি সুমেরু আঞ্চলিক রাষ্ট্রের (কানাডা, রাশিয়া, ডেনমার্ক, নরওয়ে, যুক্তরাষ্ট্র, সুইডেন, ফিনল্যান্ড ও আইসল্যান্ড) সর্বউত্তরের সব স্থানগুলোকেই সুমেরু অঞ্চলের ভেতর ফেলা হয়, যদিও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে তাদের অনেকগুলোই সুমেরু বৃত্তের দক্ষিণে। সুমেরু অঞ্চলে সাধারণত শীত ও গ্রীষ্মকালের তাপমাত্রা ও পরিবেশের মধ্যে বিশাল পার্থক্য দেখা যায়। অঞ্চলটির উত্তরাংশ পুরো বছর বরফাচ্ছাদিত থাকে, এবং দক্ষিণাংশে ঘাস, হোগলা ও গুল্মজাতীয় গাছ দেখা যায়। চিরহিমায়িত ভূমির পৃষ্ঠ অবশ্য গ্রীষ্মকালে সকল বরফ ঝেড়ে ফেলে সজীব হয়ে ওঠে। এখানকার তিন-পঞ্চমাংশ জায়গাই আসলে চিরহিমায়িত অঞ্চলের বাইরে। গ্রীষ্মকাল সংক্ষিপ্ত হলেও তখন সূর্য দীর্ঘক্ষণ ধরে আলো ও তাপ দিতে পারে।
১,১৭১.
১৯৪৩ সালে অনুষ্ঠিত কাসাব্লাঙ্কা সম্মেলনের উদ্দেশ্য কি ছিলো?
  1. ক) জাতিসংঘ গঠন
  2. খ) ব্রেটন উডস সম্মেলন অনুষ্ঠানের আয়োজন
  3. গ) জার্মানি, ইতালি ও জাপানের বিনা শর্তে আত্মসমর্পনের প্রস্তাব
  4. ঘ) হিটলারকে গুপ্তহত্যার প্রস্তাব
ব্যাখ্যা
কাসাব্লাংকা সম্মেলন (Casablanca Conference):
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৪৩ সালের ১২ জানুয়ারি থেকে ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত মরোক্কোর কাসাব্লাংকায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলনে অংশগ্রহন করেন - যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল। সোভিয়েত নেতা জোসেফ স্টালিনের সম্মেলনে অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও তিনি শেষ পর্যন্ত অনুপস্থিত ছিলেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ দ্রুত শেষ করে বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠার পদক্ষেপ হিসাবে সম্মেলনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- সম্মেলনে জার্মানি, জাপান ও ইতালিকে বিনা শর্তে আত্মসমর্পনের প্রস্তাব করা হয়। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু কর্মসূচি দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়।

তথ্যসূত্রঃ ব্রিটানিকা ও Live MCQ content (upcoming).
১,১৭২.
কিয়োটো প্রটোকল কার্যকর হয় কোন সালে?
  1. ২০০০ সাল
  2. ২০০৫ সাল
  3. ২০০৩ সাল
  4. ২০০৭ সাল
ব্যাখ্যা

• কিয়োটো প্রটোকল:
- পূর্ণরূপ: Kyoto Protocol to the United Nations Framework Convention on Climate Change.
- কিয়োটো প্রোটোকলটি ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর গৃহীত হয়।
- এটি ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০০৫ সালে কার্যকর হয়।
- বর্তমানে, কিয়োটো প্রোটোকলের ১৯২টি পক্ষ রয়েছে।
- স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- উদ্দেশ্য: গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ ১৯৯০ সালের স্তরের তুলনায় ৫.২% কমানো।
- বৈশিষ্ট্য: ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (CDM) এবং ইমিশন ট্রেডিং অন্তর্ভুক্ত।

 উৎস: UNFCCC.

১,১৭৩.
প্রতি বছর Earth Hour কর্মসূচি আয়োজন করা হয়-
  1. জানুয়ারি মাসে
  2. জুন মাসে
  3. এপ্রিল মাসে
  4. মার্চ মাসে
ব্যাখ্যা

Earth Hour:
- Earth Hour কর্মসূচি প্রথম আয়োজন করা হয় অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ৩১শে মার্চ, ২০০৭, শনিবার।
- অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বিশ্বের প্রথম আর্থ আওয়ারে ২২ লক্ষেরও বেশি মানুষ এক ঘন্টার জন্য তাদের বাতি নিভিয়ে রেখেছিলেন।

⇒ Earth Hour হলো WWF (World Wide Fund for Nature) দ্বারা পরিচালিত একটি বিশ্বব্যাপী উদ্যোগ, যেখানে মানুষ, সম্প্রদায় এবং ব্যবসায় প্রতি বছর এক ঘণ্টার জন্য অপ্রয়োজনীয় আলো ও বৈদ্যুতিক যন্ত্র বন্ধ করে জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশ সুরক্ষার প্রতি সচেতনতা প্রকাশ করে।
- প্রতি বছর মার্চ মাসের শেষ শনিবার আর্থ আওয়ার পালিত হয়।
- Earth Hour-এর প্রধান লক্ষ্য পরিবেশগত সমস্যা, বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তন এবং শক্তি সংরক্ষণের বিষয়ে বিশ্বব্যাপী মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
- Earth Hour ২০২৫ সালে মার্চ মাসের শেষ শনিবার, অর্থাৎ ২৯ মার্চ, রাত ৮:৩০ থেকে ৯:৩০ পর্যন্ত পালিত হয়।

উৎস: i) WWF ওয়েবসাইট।
ii) Earth Hou ওয়েবসাইট।

১,১৭৪.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি 'WMO' এবং 'UNEP'-এর সমন্বয়ে গঠিত হয়?
  1. ক) UNIDO
  2. খ) IUCN
  3. গ) IPCC
  4. ঘ) WIPO
ব্যাখ্যা
• IPCC:
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিশ্বের সর্বোচ্চ সংস্থা - IPCC
- এর পূর্ণরুপ - The Intergovernmental Panel on Climate Change (IPCC)
- WMO এবং UNEP এর সমন্বয়ে IPCC গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে - ১৯৮৮ সালে।
- সদর দপ্তর - জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- সদস্য সংখ্যা - ১৯৫ টি।
- নোবেল পুরস্কার লাভ করে - ২০০৭ সালে।

তথ্যসূত্র: IPCC ওয়েবসাইট।
১,১৭৫.
গ্রেটা থানবার্গ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু করে-
  1. ক) ২০ আগস্ট, ২০১৯
  2. খ) ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  3. গ) ২৩ অক্টোবর, ২০১৯
  4. ঘ) ২০ অক্টোবর, ২০১৯
ব্যাখ্যা
১৬ বছরের সুইডিশ কিশােরী গ্রেটা থানবার্গ জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আন্দোলনে সােচ্চার এক পরিবেশকন্যা। ২০ আগস্ট ২০১৮ সুইডেনে নিজের মতাে করে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু করে সে। সুইডেনের পার্লামেন্ট ভবনের বাইরে তার School Strike for Climate শীর্ষক প্ল্যাকার্ড নিয়ে Fridays for Future আন্দোলনে অনেক স্কুলশিক্ষার্থী অনুপ্রাণিত হয়। এরপর এ আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে অনেক দেশে। নজর কাড়ে বিশ্বের। সে সময় জলবায়ু পরিবর্তনের পরিণতি উপেক্ষা না করতে সরকার প্রধানদের প্রতি আহ্বান জানায় সে ১৬ মে ২০১৯ টাইম ম্যাগাজিন তাকে আগামী প্রজন্মের নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে। জলবায়ু‌ পরিবর্তন নিয়ে জনমত তৈরি করতে পারায় গ্রেটা থুনবার্গ এখন পুরাে বিশ্বের কাছে এক নামে পরিচিত।
১,১৭৬.
পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ১৯৭৯
  2. খ) ১৯৭০
  3. গ) ১৯৬৮
  4. ঘ) ১৯৯১
ব্যাখ্যা
- Non-Proliferation of Nuclear Weapons (NPT) বা পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি ১৯৬৮ সালের ১ জুলাই স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৯৭০ সালের ৫ মার্চ থেকে।

- রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, তুরস্ক, ইরানসহ চুক্তিটির মোট অংশীদার ১৯১টি দেশ।
- ভারত, পাকিস্তান, ইসরাইল, দক্ষিণ সুদান ও উত্তর কোরিয়া (প্রত্যাহারকারী) NPT চুক্তিতে স্বাক্ষর বা অনুমোদন করেনি।
- বাংলাদেশ ৩১ আগস্ট ১৯৭৯ চুক্তিটি অনুমোদন করে।

তথ্যসূত্র:- জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১,১৭৭.
ভিয়েতনাম যুদ্ধ অবসানের জন্য স্বাক্ষরিত হয়-
  1. ক) প্রথম ভার্সাই চুক্তি
  2. খ) দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি
  3. গ) প্যারিস শান্তি চুক্তি
  4. ঘ) ডেটন চুক্তি
ব্যাখ্যা
Paris Peace Accords
১,১৭৮.
WWF এর পূর্ণরূপ -
  1. World Wildlife Fund
  2. World Wide Fund for Forest
  3. World Wide Fund
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
WWF:
- WWF এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Fund for Nature.
- এটি প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংগঠন যা ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শুরুতে এর নাম ছিলো World Wildlife Fund. ১৯৮৫ সালের এর নামকরণ করা হয় World Wide Fund for Nature।
- সদর দপ্তর: সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সভাপতি: আদিল নাজম। (জানুয়ারি, ২০২৫)
- WWF প্রায় ১০০টি দেশে কাজ করে।

তথ্যসূত্র - WWF অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,১৭৯.
বিশ্ব পানি দিবস পালিত হয়-
  1. ক) ২১ মার্চ
  2. খ) ২২ মার্চ
  3. গ) ২৩ মার্চ
  4. ঘ) ২২ মে
ব্যাখ্যা
বিশ্ব পানি দিবস পালিত হয় ২২শে মার্চ। ২১ মার্চ বিশ্ব বন দিবস, ২৩ মার্চ বিশ্ব আবহাওয়া দিবস, ২২ মে আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস। বিশ্ব পানি দিবস হল পানির গুরুত্বকে তুলে ধরার জন্য জাতিসংঘ কর্তৃক বার্ষিকভাবে উদযাপিত একটি দিন। ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘ সাধারণ সভা ২২ মার্চ তারিখটিকে বিশ্ব জল দিবস বা বিশ্ব পানি দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
১,১৮০.
বিশ্ব পরিবেশ দিবস কোন তারিখে পালন করা হয়?
  1. ৫ জুন
  2. ২২ মার্চ
  3. ১৬ অক্টোবর
  4. ১০ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
বিশ্ব পরিবেশ দিবস:
- বিশ্ব পরিবেশ দিবস প্রতি বছর ৫ জুন পালিত হয়।
- এটি পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি ও পরিবেশ রক্ষা করার প্রতি বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সাহায্য করে।
- UNEP জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা।
- পূর্ণরূপ United Nations Environment Programme বা জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি।
- UNEP চ্যাম্পিয়ন্স অফ দ্য আর্থ পুরস্কার পরিবেশ সম্পর্কিত কাজের জন্য ব্যক্তি এবং সংস্থাকে দিয়ে থাকে।
- সদর দপ্তর: নাইরোবি, কেনিয়া। 

উৎস: UN Environment Programme (UNEP)
১,১৮১.
UNFCCC কোন সম্মেলনে স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়?
  1. কিয়োটো সম্মেলন
  2. বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলন
  3. কোপেনহেগেন সম্মেলন
  4. প্যারিস সম্মেলন
ব্যাখ্যা

UNFCCC:
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন UNFCCC.
- UNFCCC এর পূর্ণরূপ United Nations Framework Convention on Climate Change.
- জাতিসংঘ সদর দপ্তরে United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC) গৃহীত হয়।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন রিও ডি জেনেরিও শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলনে এটি স্বাক্ষরের জন্যে উন্মুক্ত করা হয়।
- UNFCCC স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯২ সালে।
- কার্যকর হয়: ২১ মার্চ ১৯৯৪ সালে।
- সদর দপ্তর: বন, জার্মানি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৮টি।

তথ্যসূত্র - UNFCCC ওয়েবসাইট।

১,১৮২.
'ফ্রাইডেস ফর ফিউচার' আন্দোলনের প্রধান উদ্যোক্তা কে?
  1. গ্রেটা থুনবার্গ
  2. লুইসা নিউবাউয়ার
  3. অ্যালেক্সান্দ্রিয়া ভিলাসেনর
  4. ভানেসা নাকাতে
ব্যাখ্যা

ফ্রাইডেস ফর ফিউচার:
- 'ফ্রাইডেস ফর ফিউচার' একটি জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আন্দোলন। 
- এই আন্দোলন স্কুল শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে সূত্রপাত হয়।
- সংঘটিত হয়: ২০১৮ সালে।
- সুইডেনে স্কুল শিক্ষার্থী গ্রেটা থুনবার্গের উদ্যোগে এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।
- এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবীতে সারা বিশ্বে স্কুল শিক্ষার্থীরা শুক্রবারে স্কুলে না গিয়ে রাজপথে নেমে আসে।

তথ্যসূত্র - ফ্রাইডেস ফর ফিউচার মুভমেন্ট ওয়েবসাইট।

১,১৮৩.
Which one of the following ecosystem covers the largest area of the earth's surface?
  1. Desert Ecosystem
  2. Mountain Ecosystem
  3. Fresh water Ecosystem
  4. Marine Ecosystem
ব্যাখ্যা
Marine Ecosystem:
- বাস্তুতন্ত্র হচ্ছে জৈব, অজৈব পদার্থ ও বিভিন্ন জীবসমন্বিত এমন প্রাকৃতিক একক যেখানে বিভিন্ন জীবসমষ্টি পরস্পরের সাথে এবং তাদের পারিপার্শ্বিক জৈব ও অজৈব উপাদানের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে একটি জীবনধারা গড়ে তোলে। 
- বাস্তুতন্ত্রের অধ্যয়নকে ইকোলজি বলা হয়।
- পৃথিবীতে বিদ্যমান সবচেয়ে বড় বাস্তুতন্ত্র হলো সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র।
- পৃথিবীর পৃষ্ঠের ৭০% এরও বেশি জুড়ে।
- সমুদ্র আমাদের গ্রহের প্রধান 'ফুসফুস' হিসাবেও কাজ করে।
- বায়ুমণ্ডলে বেশি অক্সিজেন ছেড়ে দেয়, বিশেষ করে সামুদ্রিক উদ্ভিদের মাধ্যমে।
- বিশ্বের সমস্ত বনের চেয়ে, এবং মানুষের দ্বারা উৎপাদিত কার্বন ডাই অক্সাইডের ২৫% শোষণ করে সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র।

উৎস: un.org. [link]
১,১৮৪.
রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার পারমানবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি -
  1. ক) স্টার্ট - ১
  2. খ) নিউ স্টার্ট
  3. গ) মিশন -২
  4. ঘ) নিউ স্টার্ট ক্রেঞ্জি
ব্যাখ্যা
- রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার পারমানবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ নিউ স্টার্ট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

• নিউ স্টার্ট চুক্তি:

- যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে নিউ স্টার্ট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ২০১০ সালে।
- স্বাক্ষর করেছিলেন দুই দেশের সে সময়ের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও দিমিত্রি মেদভেদেভ।
- মস্কো ও ওয়াশিংটন মোট কতসংখ্যক কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করতে পারবে, তার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারিত করে দিয়েছিল এই চুক্তি।
- চুক্তি অনুযায়ী, উভয় দেশের সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫৫০টি পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের সুযোগ ছিল।
- নিউ স্টার্ট চুক্তি কার্যকর হয় ২০১১ সালে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া সম্প্রতি নিজেদের মধ্যকার চুক্তির মেয়াদ আরো পাঁচ বছর বৃদ্ধি করে ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করেছে।
- যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যকার পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রন চু্ক্তি, ‘নিউ স্টার্ট’ স্থগিতের ঘোষণা দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। 
- একই সঙ্গে চুক্তির শর্তগুলো দুই পক্ষই মেনে চলছে কি না, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব পান যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার পরিদর্শকেরা।

উৎস: প্রথম আলো।[লিঙ্ক]
১,১৮৫.
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কোনো দেশের মোট আয়তনের ন্যূনতম কতভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন? 
  1. ২০ ভাগ
  2. ১৩ ভাগ
  3. ২৫ ভাগ
  4. ১৭ ভাগ
ব্যাখ্যা
- পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কোনো দেশের মোট আয়তনের ন্যূনতম ২৫ ভাগ বনভূমি থাকতে হয়। 
- বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ মোট আয়তনের শতকরা ১৭ ভাগ। 

উল্লেখ্য যে, 
- আমাদের দেশের জন্য বনায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 
কেননা- 
• গাছপালা অক্সিজেন ত্যাগ করে পরিবেশকে নির্মল রাখে ও জীব জগতকে বাঁচায়। 
• গাছপালা বিভিন্ন ছোট জীবজন্তু ও পাখির আশ্রয়স্থল হিসাবে কাজ করে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। 
• গাছপালা বিভিন্ন দুর্যোগ থেকে জীবজগতকে রক্ষা করে।  

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১৮৬.
গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলে-
  1. ক) বৃষ্টিপাত বৃদ্ধি পাবে
  2. খ) সমুদ্র স্তরের উচ্চতা হ্রাস পাবে
  3. গ) মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাবে
  4. ঘ) নদীর নাব্যতা হ্রাস পাবে
ব্যাখ্যা
গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে। এতে করে মেরু অঞ্চলসহ অন্যান্য স্থানে সঞ্চিত থাকা বরফ গলতে শুরু করবে। যার কারণে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে। ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর স্থলভাগের অনেক নিম্নভূমি সমুদ্রের পানিতে নিমজ্জিত হবে। (সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
১,১৮৭.
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের সময় কাল কত?
  1. ২০১৬ - ২০৩০
  2. ২০১৭ - ২০৩০
  3. ২০১৫ - ২০৩৫
  4. ২০১০ - ২০৩০
ব্যাখ্যা
• টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- SDG - এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য।
- SDGs-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল।
- এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- বিশ্বের সকল দেশের সকল নাগরিকের জন্য একটি অধিকতর উন্নত ভবিষ্যৎ নিশ্চিতের জন্য জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য প্রণয়ন করে।
- UNDP এর প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় এবং জাতিসংঘের অন্যান্য সকল অঙ্গ ও বিশেষ সংস্থার সহযোগীতায় ২০৩০ সালের মধ্যে এই লক্ষ্য ও টার্গেট সমূহ বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়।
- ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদের টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরী।

উৎস: জাতিসংঘ ও UNDP ওয়েবসাইট।
১,১৮৮.
বিপদজনক বর্জ্য সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক চুক্তি কোনটি?
  1. প্যারিস চুক্তি
  2. মন্ট্রিল প্রোটকল
  3. বাসেল কনভেনশন
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাসেল কনভেনশন:
- 'বাসেল কনভেনশন' হলো বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন।
- বাসেল কনভেনশনের পুরো নাম- The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal.
- বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয় ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে।
- এটি গৃহীত হয় সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে।
- 'বাসেল কনভেনশন'-এর কার্যক্রম শুরু হয় ৫ মে, ১৯৯২ সালে।
- বাংলাদেশকে 'বাসেল কনভেনশন' অনুমোদন করে ১৯৯৩ সালে।

তথ্যসূত্র - বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।
১,১৮৯.
'Rio+20' সম্মেলনের অপর নাম কী?
  1. বিশ্ব মানবাধিকার সম্মেলন
  2. জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন
  3. টেকসই উন্নয়ন সম্মেলন
  4. ধরিত্রী সম্মেলন ২০১২
ব্যাখ্যা

ধরিত্রী সম্মেলন:

• পূর্ণ্নাম: The United Nations Conference on Environment and Development.
• তারিখ: ১৯৯২ সালে ৩ - ১৪ জুন।
• পৃথিবীর জলবায়ু রক্ষার্থে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও-তে ধরিত্রী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
• এটি প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন নামে পরিচিত।

এছাড়াও,
• 'রিও বা ধরিত্রী সম্মেলন + ৫' অনুষ্ঠিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে।
- এটি ১৯৯৭ সালে সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি বিশেষ ধরিত্রী সম্মেলন নামে পরিচিত।

• 'রিও বা ধরিত্রী সম্মেলন + ১০' অনুষ্ঠিত হয় দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে ২০০২ সালে।
- এটি দ্বিতীয় ধরিত্রী সম্মেলন নামে পরিচিত।

• 'রিও বা ধরিত্রী সম্মেলন + ২০' অনুষ্ঠিত হয় ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও-তে ২০১২ সালে।
- এটি তৃতীয় ধরিত্রী সম্মেলন নামে পরিচিত।

উৎস: ব্রিটানিকা & UN website.

১,১৯০.
‘Earth Hour’ উদ্যোগটি কোন সংস্থা পরিচালনা করে? 
  1. WWF
  2. Greenpeace
  3. UNEP
  4. IUCN
ব্যাখ্যা

• Earth Hour:
- Earth Hour কর্মসূচি প্রথম আয়োজন করা হয় অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ৩১শে মার্চ, ২০০৭, শনিবার।
প্রথম আয়োজনে সিডনির ২২ লক্ষের অধিক নাগরিক এবং প্রায় ২,১০০ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এক ঘণ্টার জন্য অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ আলো ও যন্ত্রপাতি বন্ধ রেখে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে সচেতনতা প্রকাশ করেন।

- Earth Hour হলো WWF (World Wide Fund for Nature) দ্বারা পরিচালিত একটি বিশ্বব্যাপী উদ্যোগ, যেখানে প্রতি বছর এক ঘণ্টার জন্য অপ্রয়োজনীয় আলো ও বৈদ্যুতিক যন্ত্র বন্ধ করে জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশ সুরক্ষার প্রতি সচেতনতা প্রকাশ করে। 
- প্রতি বছর মার্চ মাসের শেষ শনিবার আর্থ আওয়ার পালিত হয়।
- Earth Hour-এর প্রধান লক্ষ্য পরিবেশগত সমস্যা, বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তন এবং শক্তি সংরক্ষণের বিষয়ে বিশ্বব্যাপী মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
- Earth Hour ২০২৫ সালে মার্চ মাসের শেষ শনিবার, অর্থাৎ ২৯ মার্চ, রাত ৮:৩০ থেকে ৯:৩০ পর্যন্ত পালিত হয়।

উৎস: i) WWF ওয়েবসাইট।
ii) Earth Hour ওয়েবসাইট। 

১,১৯১.
নিচের কোনটি ‘OIC‘ এর অফিসিয়াল ভাষা নয়?
  1. আরবি
  2. ইংরেজি
  3. ফ্রেঞ্চ
  4. স্প্যানিশ
ব্যাখ্যা
স্প্যানিশ অফিসিয়াল ভাষা নয়।

• ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC:
- OIC (The Organisation of Islamic Cooperation) হলো মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- OIC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি।
- দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ গায়ানা ও সুরিনাম OIC সদস্য।
- ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে।
- OIC এর সদরদপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- মহাসচিবের মেয়াদ-৫ বছর।
- শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়-তিন বছর পর পর।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়- রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।
- অফিসিয়াল ভাষা- তিনটি (আরবি, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ)।

উৎস: OIC ওয়েবসাইট।
১,১৯২.
৩০তম জলবায়ু সম্মেলনে 'ট্রপিক্যাল ফরেস্ট ফরএভার ফান্ড' (TFFF) কোন উদ্দেশ্যে চালু হয়েছে?
  1. উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য শক্তি সহায়তা
  2. গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বন সংরক্ষণে
  3. জলবায়ু স্বাস্থ্য অ্যাকশন প্ল্যান
  4. ট্রানজিশনের জন্য শ্রমিক প্রশিক্ষণ
ব্যাখ্যা

- ট্রপিক্যাল ফরেস্ট ফরএভার ফান্ড' (TFFF) কপ-৩০-এ উদ্দেশ্যে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বন সংরক্ষণের জন্য।

• কপ-৩০ সম্মেলন: 

- কপ-৩০ হলো জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন,
- এটি ২০২৫ সালের ১০-২১ নভেম্বর ব্রাজিলের বেলেমে অনুষ্ঠিত হয়।
- যা প্যারিস চুক্তির অধীনে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বৈশ্বিক সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।

• মূল অর্জনসমূহ:
- কপ-৩০-এ 'বেলেম প্যাকেজ' গৃহীত হয়, যা জলবায়ু অভিযোজনের জন্য অর্থায়নকে ২০৩৫ সালের মধ্যে তিনগুণ বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে (প্রায় ১২০ বিলিয়ন ডলার অভিযোজনের জন্য বরাদ্দ)।
- ব্রাজিলের নেতৃত্বে জীবাশ্ম জ্বালানি-মুক্ত অর্থনীতিতে ন্যায়সঙ্গত স্থানান্তরের জন্য দুটি রোডম্যাপ চালু করা হয়েছে, যা কপের বাইরে কাজ করবে।
- 'ট্রপিক্যাল ফরেস্ট ফরএভার ফান্ড' (TFFF) চালু, যাতে ৬.৭ বিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে (লক্ষ্য ২৫ বিলিয়ন ডলার)। এছাড়া বন এবং ভূমি অধিকারের জন্য ১.৮ বিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি।
- জলবায়ু পরিবর্তনের স্বাস্থ্য প্রভাবকে প্রধান থিম করা হয়েছে; 'বেলেম হেলথ অ্যাকশন প্ল্যান' চালু।
-  মহিলা, আদিবাসী এবং আফ্রো-বংশোদ্ভূত সম্প্রদায়ের অধিকার সুরক্ষা; আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং জলবায়ুর উপর ডায়লগ চালু; গ্লোবাল ইমপ্লিমেন্টেশন অ্যাক্সিলারেটর লঞ্চ।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট। 

১,১৯৩.
United Nations Framework Convention on Climate Change-এর মূল আলােচ্য বিষয়-
  1. ক) জীবাশ্ম জ্বালানীর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ
  2. খ) গ্রিন হাউস গ্যাসের নিঃসরণ ও প্রশমন
  3. গ) সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি
  4. ঘ) বৈশ্বিক মরুকরণ প্রক্রিয়া এবং বনায়ন
ব্যাখ্যা
- ১৯৯২ সালের ৯ মে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC) গৃহীত হয়।
- একই বছরের ৪ থেকে ১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলনে এটি স্বাক্ষরের জন্যে উন্মুক্ত করা হয় যা ২১ মার্চ ১৯৯৪ কার্যকর হয়।
- UNFCCC তে ১৯৭ টি দেশ ও সংস্থা স্বাক্ষর করে।

জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক কনভেনশনটির মূল আলোচ্য বিষয় - গ্রিন হাউস গ্যাসের নিঃসরণ ও প্রশমন।
- উক্ত বিষয়টি বাস্তবায়ন ও পর্যালোচনার জন্যে ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতিবছর UNFCCC তার উদ্যোগে Conference of Parties (CoP) এর আয়োজন করে আসছে। ১৯৯৫ সালের মার্চ মাসে জার্মানির বার্লিনে প্রথম Conference of Parties (CoP) এর আয়োজন করা হয়। এতে UNFCCC তে স্বাক্ষরকারী পক্ষসমূহ অংশ নেয়।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে জাতিসংঘের পরবর্তী UNFCCC (CoP-26) সম্মেলন ২০২১ সালের ১ - ১২ নভেম্বর ব্রিটেনের স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো শহরে অনুষ্ঠিত হবে। তবে এতে পার্টনার হিসেবে ইতালিও থাকবে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
১,১৯৪.
"Clean Development Mechanism" নিম্নের কোন চুক্তির অংশ?
  1. প্যারিস জলবায়ু চুক্তি
  2. কিয়োটো প্রোটোকল
  3. রটারডাম কনভেনশন
  4. কার্টাগেনা প্রোটোকল
ব্যাখ্যা
কিয়োটো প্রটোকল:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৮৩টি।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৯২টি।
 
⇒ Clean Development Mechanism (CDM):
- Clean Development Mechanism কিয়োটো প্রটোকলের অংশ।
- প্রোটোকলের ১২ অনুচ্ছেদে অনুসারে, ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (সিডিএম) এর আওতায় কোন উন্নত দেশ অন্য উন্নয়নশীলদেশে  গ্রীনহাউস গ্যাসের নি:সরণ কমানোর জন্য কোন প্রকল্প নির্মানের  প্রতিশ্রুতি দিয়ে বা বিনিয়োগের মাধ্যমে  চুক্তি  খেলাপের হাত থেকে বাঁচতে পারে।

- কিয়োটো প্রোটোকলের উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন দেশের তালিকা (Annex) ভিত্তিক কাঠামো অনুসরণ করে গ্রিনহাউস গ্যাস (GHG) নির্গমন হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা।
- এই প্রোটোকল শুধুমাত্র উন্নত দেশগুলিকে উদ্দেশ্য করে গ্রহন করা হয়েছে যা “common but differentiated responsibility and respective capabilities” নীতির অধীনে পরিচালিত।
- এখানে শিল্পোন্নোত দেশগুলিকে উপর অধিক দায়িত্ব আরোপ হয়েছে, কারণ এই দেশগুলি বায়ুমণ্ডলে উচ্চ মাত্রায় GHG নির্গমনের জন্য দায়ী।
 
উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
১,১৯৫.
কার্টাগেনা প্রটোকলে সর্বশেষ যোগদানকারী রাষ্ট্র কোনটি? (জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. সিয়েরা লিওন
  2. ব্রাজিল
  3. দক্ষিণ সুদান
  4. পেরু
ব্যাখ্যা

কার্টাগেনা প্রটোকল:
- কার্টাগেনা প্রোটকলের পূর্ণনাম - The Cartagena Protocol on Biosafety to the Convention on Biological Diversity.
- কার্টাগেনা প্রটোকল জৈব-নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- এই চুক্তিটি কলম্বিয়ার কার্টাগেনাতে আলোচিত হয়।
- চুক্তি অনুমোদন: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সাল। 
- চুক্তি কার্যকর: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সাল।
- অনুমোদনকারী: ১৭৩টি।
- সর্বশেষ অনুমোদন: সিয়েরা লিওন।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।

তথ্যসূত্র - কনভেনশন অন বায়ো-ডাইভার্সিটি (CBD) ওয়েবসাইট।

১,১৯৬.
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতায় পৃথিবীর সবচেয়ে নিচু দেশ কোনটি?
  1. ক) নেদারল্যান্ড
  2. খ) মালদ্বীপ
  3. গ) হাইতি
  4. ঘ) বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতায় পৃথিবীর সবচেয়ে নিচু দেশ হলো মালদ্বীপ।
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে দেশটির গড় উচ্চতা ৪ ফুট ১১ ইঞ্চি এবং সর্বোচ্চ উচ্চতম স্থানের উচ্চতা মাত্র ২.৩ মিটার বা ৭ ফুট ৭ ইঞ্চি।
ফলে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রপৃষ্টের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে মালদ্বীপ সমুদ্রগর্ভে নিমজ্জিত হয়ে যেতে পারে।
(সূত্র: মালদ্বীপের সরকারি ওয়েবসাইট)
১,১৯৭.
সমুদ্র চলাচল বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক্যানবেরা
  2. টরেন্টো
  3. লিসবন
  4. লন্ডন
ব্যাখ্যা
IMO:
- সমুদ্র চলাচল বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা IMO.
- IMO এর পূর্ণরূপ International Maritime Organisation.
- IMO প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৪৮ সালের ৬ মার্চ জেনেভায় একটি কনভেনশন গৃহিত হয় যা ১৭ মার্চ ১৯৫৮ কার্যকর হয়।
- শুরুতে এর নাম ছিলো Inter-governmental Maritime Consultative Organisation (IMCO) Sabse International Maritime Organisation নামকরণ করা হয় ।
- জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ: ১৯৫৯ সালে।
- সদর দপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- বর্তমান সদস্য: ১৭৬টি। (জানুয়ারি, ২০২৫)
- বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালে IMO এর সদস্যপদ লাভ করে।

তথ্যসূত্র - IMO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,১৯৮.
জীববৈচিত্র্য রক্ষা সংক্রান্ত চুক্তির জন্য আলোচিত কার্টাগেনা শহরটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কানাডা
  2. খ) কলম্বিয়া
  3. গ) মেক্সিকো
  4. ঘ) ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
কার্টাগেনা প্রটোকল (Cartagena Protocol)
কার্টাগেনা প্রটোকলের পূর্ণনাম - The Cartagena Protocol on Biosafety to the Convention on Biological Diversity।
- জীববৈচিত্র্য সংক্রান্ত এই চুক্তিটি কলম্বিয়ার কার্টাগেনাতে আলোচিত হয়।
- ১৩৫টি দেশ কর্তৃক চূড়ান্ত চুক্তি অনুমোদন হয় কানাডার মন্ট্রিলে।

এক নজরে কার্টাগেনা প্রটোকল:
চুক্তি অনুমোদন -- ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সাল
চুক্তি কার্যকর -- ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সাল
চুক্তির পক্ষ -- স্বাক্ষরকারী - ১০৩টি
অনুমোদনকারী -- ১৭৩টি

বাংলাদেশ ও কার্টাগেনা প্রটোকল:
চুক্তি স্বাক্ষর -- ২৪ মে, ২০০০ সাল
চুক্তি অনুমোদন -- ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪ সাল
চুক্তি কার্যকর -- ৫ মে, ২০০৪ সাল

উৎস: কনভেনশন অন বায়ো-ডাইভার্সিটি (CBD) ওয়েবসাইট
১,১৯৯.
বিশ্বব্যাপী পরিবেশ আন্দোলন ‘Fridays for Future’- এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. গ্রেটা থুনবার্গ
  2. ডেভিড অ্যাটেনবরো
  3.  র‍্যাচেল কারসন
  4. রাইলে ভলকিন
ব্যাখ্যা

• ফ্রাইডেস ফর ফিউচার:
- 'ফ্রাইডেস ফর ফিউচার' আন্দোলন হলো জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে স্কুল শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে সূত্রপাত হওয়া একটি আন্দোলন।
- ২০১৮ সালের আগস্টে সুইডেনে স্কুল শিক্ষার্থী গ্রেটা থুনবার্গের উদ্যোগে এই আন্দোলনের সূত্রপাত হয়।
- এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবীতে সারা বিশ্বে স্কুল শিক্ষার্থীরা শুক্রবারে স্কুলে না গিয়ে রাজপথে নেমে আসে।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি গাজামুখী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে আন্তর্জাতিক পরিবেশ আন্দোলনের কর্মী গ্রেটা থানবার্গকেও গ্রেফতার করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।

তথ্যসূত্র: ফ্রাইডেস ফর ফিউচার মুভমেন্ট ওয়েবসাইট।

১,২০০.
নাগোয়া প্রটোকল কবে গৃহীত হয়েছিল?
  1. ২৯ অক্টোবর ২০১০
  2. ১২ অক্টোবর ২০১৪
  3. ১৫ নভেম্বর ২০১২
  4. ১ জানুয়ারি ২০১১
ব্যাখ্যা

নাগোয়া প্রটোকল:
- পূর্ণ নাম: The Nagoya Protocol on Access and Benefit-sharing.
- নাগোয়া প্রোটোকল হল জৈবিক বৈচিত্র্য কনভেনশনের একটি পরিপূরক চুক্তি। 
- ABS সংক্রান্ত নাগোয়া প্রোটোকলটি ২৯ অক্টোবর ২০১০ তারিখে জাপানের নাগোয়ায় গৃহীত হয়।
- প্রটোকলটি ১২ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে কার্যকর হয়।
- এর উদ্দেশ্য হল জিনগত সম্পদের ব্যবহার থেকে উদ্ভূত সুবিধাগুলির ন্যায্য এবং ন্যায়সঙ্গত বন্টন, যার ফলে জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ এবং টেকসই ব্যবহারে অবদান রাখা যায়।
- স্বাক্ষরের স্থান: নাগোয়া, জাপান।

উৎস: Convention on Biological Diversity ওয়েবসাইট।