ব্যাখ্যা
- যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে কর্ম কারক বলে।
- যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে।
- বাক্যের মুখ্য কর্ম ও গৌণ কর্ম- উভয় ধরনের কর্মই কর্ম কারক হিসেবে গণ্য হয়।
যেমন:
- অসহায়কে সাহায্য করো। ( কর্মকারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি)।
- শিক্ষককে জানাও। ( কর্মকারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি)।
- বাঁশি বাজে। ( কর্মকারকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি)।
- তাঁকে বল। ( কর্মকারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি)।
আরো কয়েকটি কর্মকারকে বিভিন্ন বিভক্তির প্রয়োগ-
১। বাবা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছেন। [ কর্মকারকে শূণ্য বিভক্তি ]
২। আমি চিনি গাে চিনি তােমারে [ কর্মকারকে ২য়া বিভক্তি ]
৩। ঈদের চাঁদ উঠেছে। [ কর্মকারকে শূণ্য বিভক্তি ]
৪। কোন কাননে ফুটল ফুল। [ কর্মকারকে শূণ্য বিভক্তি ]
৫। গুরুজনে কর নতি। [ কর্মকারকে ৭মী বিভক্তি ]
৬। বিপদে যেন করিতে পারি জয়। [ কর্মকারকে শূণ্য বিভক্তি ]
৭। ডাক্তারকে ডাক। [ কর্মকারকে ২য়া বিভক্তি ]
৮। গৃহহীনে গৃহ দিলে আমি থাকি ঘরে। [ কর্মকারকে শূণ্য বিভক্তি ]
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০১৯ ও ২০২২)।