ব্যাখ্যা
যেমন,
-যে ছেলেটি এখানে এসেছিল, সে আমার ভাই।
-যদি তুমি যাও, তবে তার দেখা পাবে।
-যখন বৃষ্টি নামল, তখন আমরা ছাতা খুঁজতে শুরু করলাম।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম দশম শ্রেণি।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ২০ / ৬৯ · ১,৯০১–২,০০০ / ৬,৯৫৩
• শুদ্ধ বানান- মূর্ছা।
• প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম: রেফের পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না।
যেমন:
অর্জ্জন, ঊর্দ্ধ, কৰ্ম্ম ইত্যাদির পরিবর্তে যথাক্রমে- অর্জন, ঊর্ধ্ব, কর্ম, মূর্ছা ইত্যাদি।
উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
•অশুদ্ধ বানান - বিকিরন।
- শুদ্ধ বানান - বিকিরণ।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।
শব্দের অর্থ:
- বিক্ষেপ, বিস্তৃতি।
- কোনো বিন্দু থেকে শক্তি (আলোক তাপ প্রভৃতি রশ্মি) বিচ্ছুরণ, নির্গমন, radiation।
অন্যদিকে,
- ঔজ্জ্বল্য, প্রত্যুদ্গমন, পুনরুজ্জীবন - বানানগুলো শুদ্ধ।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
উক্তি:
- বক্তার কথা উপস্থাপনের ধরনকে উক্তি বলে।
- উক্তি দুই প্রকার: প্রত্যক্ষ উক্তি ও পরোক্ষ উক্তি।
যেমন:
- প্রত্যক্ষ উক্তি: ছেলেটি বলেছিল, "আজ আমি অনেক পড়েছি।"
- পরোক্ষ উক্তি: ছেলেটি বলেছিল যে, সেদিন সে অনেক পড়েছে।
• প্রত্যক্ষ উক্তিকে পরোক্ষ উক্তিতে পরিবর্তন করার সময়ে কালবাচক ও স্থানবাচক শব্দের পরিবর্তন হয়।
যেমন:
- প্রত্যক্ষ উক্তি: লোকটি বললেন, "আমি আগামীকাল এখানে আবার আসব।"
- পরোক্ষ উক্তি: লোকটি বললেন যে, তিনি পরদিন সেখানে আবার যাবেন।
• যে উক্তিতে বক্তার কথা সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়, তাকে বলে প্রত্যক্ষ উক্তি।
- আর যে উক্তিতে বক্তার কথা অন্যের দ্বারা বর্ণিত হয়, তাকে বলে পরোক্ষ উক্তি।
- প্রত্যক্ষ উক্তি লেখার সময়ে উদ্ধারচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- রফিক হেসে বললো, "আমি আপনাকে লক্ষ করিনি।"
- কালো চুলের মানুষটি বলল, "দশ পর্যন্ত গুনতে পারি। যোগ কী আমার ধারণা আছে। কিন্তু বিয়োগ করতে পারি না।”
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
‘আকণ্ঠ পর্যন্ত ভোজন ভালো নয়’ বাক্যের শুদ্ধরূপ হবে ‘আকণ্ঠ/কণ্ঠ পর্যন্ত পর্যন্ত ভোজন ভালো নয়’।
অপশন ক), খ) ও গ) তে প্রদত্ত বাক্যগুলো শুদ্ধ।
উৎস : ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ
সঠিক উত্তর: খ) কথোপকথন।
-------------------
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
শুদ্ধ বানান - খ) কথোপকথন।
অর্থ: কথাবার্তা।
অন্যান্য অপশন আলোচনা:
ক) নিশিথিনি- অশুদ্ধ বানান।
শুদ্ধ বানান: নিশীথিনী।
অর্থ: গভীর রাত।
গ) পিপিলিকা- অশুদ্ধ বানান।
শুদ্ধ বানান: পিপীলিকা।
অর্থ: পিঁপড়া।
ঘ) সমিচিন অশুদ্ধ বানান।
শুদ্ধ বানান: সমীচীন।
অর্থ: সংঘত, উত্তম।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• নদী ধায় সাগর উদ্দেশে। বাক্যটি সঠিক।
• উদ্দেশ/উদ্দেশ্য:
উদ্দেশ শব্দে বোঝায় হদিস, খোঁজ, লক্ষ্য।
যেমন:
ক. কার উদ্দেশে একথা বলা, হলো কেউ বুঝতে পারল না।
খ. 'নদী ধায় সাগর উদ্দেশে'।
গ. তাঁর পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশে এই গ্রন্থ উৎসর্গিত হয়েছে।
অশুদ্ধ: তোমার মতো এমন হীন চরিত্রবান লোক আমার প্রয়োজন নেই।
শুদ্ধ: তোমার মতো এমন হীনচরিত্র লোক আমার প্রয়োজন নেই।
অশুদ্ধ: ব্যাপারটা আমার আয়ত্তাধীন নয়।
শুদ্ধ: ব্যাপারটা আমার আয়ত্ত নয়।
অশুদ্ধ: মন্ত্রীর অনুপস্থিতে সচিব দায়িত্ব পালন করবেন।
শুদ্ধ: মন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে সচিব দায়িত্ব পালন করবেন।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
ছন্দের সহজ অনুসরণ:
উৎস : ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ, বাংলা ব্যাকরণ, ড. শাজাহান মনির, বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণির ব্যাকরণ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ।
• 'অহোরাত্রি' – সমাসজনিত অশুদ্ধি।
- ‘অহোরাত্রি’ শব্দটি ভুল, কারণ এটি দ্বন্দ্ব সমাসে ‘অহ + রাত্রি’ থেকে এসেছে।
- সমাসবদ্ধ শব্দে শেষ পদের দীর্ঘ রূপ (রাত্রি) হ্রস্ব হয়ে ‘রাত্র’ হয়ে আসে।
- তাই শুদ্ধ রূপ হলো অহোরাত্র।
------------------
• সমাস-ঘটিত অশুদ্ধি-
- সমাস-ঘটিত অশুদ্ধি হলো সমাসবদ্ধ শব্দের ভুল ব্যবহার বা বানানের ভুল।
- সাধারণত ভুল বাক্য গঠন বা নিয়ম না মানার কারণে ঘটে।
- এই ধরনের ভুল সাধারণত অতিরিক্ত পদ বা ‘নী’, ‘ঈ’ যুক্ত করার কারণে বেশি দেখা যায়।
• সমাস-ঘটিত শুদ্ধি-অশুদ্ধি-
- শুদ্ধ — অশুদ্ধ
- নিরপরাধ — নিরপরাধী,
- অহোরাত্র — অহোরাত্রি,
- দিবারাত্র — দিবারাত্রি,
- নির্দোষ — নির্দোষী,
- পিতৃহারা — পিতাহারা,
- মাতৃজাতি — মাতাজাতি,
- যুবরাজ যুবরাজা,
- রাজগণ রাজাগণ,
- সুবুদ্ধি সুবুদ্ধিমান।
----------------------------
অন্যদিকে,
• সমার্থক শব্দের বাহুল্যজনিত অশুদ্ধি- হলো বাংলায় একই অর্থের দুইটি শব্দ পাশাপাশি ব্যবহার করার কারণে যে অনাবশ্যক বা অতিরিক্ততা তৈরি হয়।
- সমার্থক শব্দের বাহুল্যজনিত শুদ্ধি-অশুদ্ধি:
- শুদ্ধ — অশুদ্ধ
- অদ্যাপি — অদ্যাপিও,
- অশ্রু — অশ্রুজল,
- সময় — সময় কাল,
- ঠিক — সঠিক
• প্রত্যয়জনিত অশুদ্ধি হলো- বাংলায় কোনো শব্দের শেষে ভুল বা অপ্রয়োজনীয় প্রত্যয় যুক্ত করার কারণে যে ভুল ঘটে।
- উৎকর্ষবাচক -তর, -তম প্রত্যয়জনিত শুদ্ধি-অশুদ্ধি-
- শুদ্ধ — অশুদ্ধ
- কনিষ্ঠ — কনিষ্ঠতর,
- সর্বকনিষ্ঠ — কনিষ্ঠতম,
- গরিষ্ঠ — গরিষ্ঠতর,
- গরিষ্ঠ — গরিষ্ঠতম,
- শ্রেষ্ঠ — শ্রেষ্ঠতর,
- শ্রেষ্ঠ, সর্বশ্রেষ্ঠ — শ্রেষ্ঠতম।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
কোলন (:):
বাক্যে নানা কারণে কোলনচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
১. উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত বোঝাতে: বাংলা সন্ধি দু প্রকার: স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধি।
২. উদ্ধৃতির আগে: রবীন্দ্রনাথ বলেছেন: “মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে।"
৩. নাটকের সংলাপের আগে:
দুকড়ি: কী চাই?
কাঙালি: আজ্ঞে, মহাশয় হচ্ছেন দেশহিতৈষী।
দুকড়ি : তা তো সকলেই জানে কিন্তু আসল ব্যাপারটা কী?
কাঙালি: আপনি সাধারণের হিতের জন্য প্রাণপণ-
উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
• বিভক্তি:
- যে সব বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি বা চিহ্ন দ্বারা বাক্যের এক পদের সঙ্গে অন্য পদের সম্বন্ধ নির্ধারিত হয়, তাকে বলা বিভক্তি। বাংলা শব্দ বিভক্তি ৭ প্রকার।
যথা:
- প্রথমা বা শূণ্য বিভক্তি: ০, অ।
- দ্বিতীয়া বিভক্তি: কে, রে।
- তৃতীয়া বিভক্তি: দ্বারা, দিয়া (দিয়ে), কর্তৃক।
- চতুর্থী বিভক্তি:কে, রে।
- পঞ্চমী বিভক্তি: হইতে (হতে), থেকে, চেয়ে।
- ষষ্ঠী বিভক্তি: র, এর।
- সপ্তমী বিভক্তি: এ, য়, তে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
অধিকরণ কারক:
- যে স্থানে, যে কালে বা যে বিষয়ে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তাকে ক্রিয়ার আধার বলে। ক্রিয়ার আধারকে অধিকরণ কারক বলে।
প্রথমা বিভক্তি: আমি আগামীকাল বাড়ি যাব।
দ্বিতীয়া বিভক্তি: মন আমার নাচেরে আজিকে।
তৃতীয়া বিভক্তি: খিলিপান দিয়ে ঔষধটা খেয়ে নিও।
পঞ্চমী বিভক্তি: ছাদ থেকে নদী দেখা যায়।
সপ্তমী বিভক্তি: বনে বাঘ থাকে।
উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
বাংলা বানানে ঙ/ং এর ব্যবহার:
- সন্ধিতে ( তৎসম শব্দে) প্রথম শব্দের শেষে ম্ থাকলে ক-বর্গের পূর্বে ম স্থানে ং (অনুস্বার) হবে।
যেমন: অহংকার (অহম্+কার), কিংকর, কিংবদন্তি, ঝংকার, ভয়ংকর ইত্যাদি।
- উপর্যুক্ত নিয়মে সন্ধিজাত না হলে ক-বর্গের পূর্বে ম স্থানে ঙ (উয়ো) হবে।
যেমন: আকাঙ্খা, অঙ্কুর, অঙ্গ, ইঙ্গিত, কঙ্কাল, পঙ্কজ ইত্যাদি।
- প্রত্যয় ও বিভক্তিহীন শব্দের শেষে ং (অনুস্বার) হয়।
যেমন: আড়ং, ইদানীং, এবং, ঠ্যাং, পালং ইত্যাদি।
- অনুস্বারযুক্ত শব্দে বিভক্তি বা প্রত্যয় বা স্বরবর্ণ যুক্ত হলে ং এর স্থলে ঙ হয়।
যেমন: আড়ঙে, টঙে, ঢঙে, ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, অষ্টম শ্রেণি।
অতলস্পর্শী শব্দের শুদ্ধ প্রয়োগ = অতলস্পর্শ।
- অতলস্পর্শ (বিশেষণ) - তলদেশ স্পর্শ করা যায় না এমন; অতি গভীর।
- এটি একটি বহুব্রীহি সমাস।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
• অশুদ্ধ বানান - প্রতিদন্দ্বিতা।
- শুদ্ধ বানান - প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- পরস্পরের দ্বন্দ্ব বা বিরোধ।
- প্রতিযোগিতা।
অন্যদিকে,
- বিদূষিত,
- কারিগরি,
- কিংবদন্তি।
শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• যৌগিক বাক্য থেকে সরল বাক্য:
- যৌগিক বাক্যে দুটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে; অন্যদিকে সরল বাক্যে থাকে একটি সমাপিকা ক্রিয়া।
- তাই যৌগিক বাক্য থেকে সরল বাক্যে রূপান্তরের সময়ে মাঝখানের সমাপিকা ক্রিয়াকে অসমাপিকা ক্রিয়ায় রূপান্তর করে নিতে হয়।
যেমন:
যৌগিক বাক্য: সে এখানে এল এবং সব কথা খুলে বলল।
সরল বাক্য: সে এখানে এসে সব কথা খুলে বলল।
যৌগিক বাক্য: 'লােকটি শিক্ষিত কিন্তু অভদ্র।'
সরল বাক্য: লােকটি শিক্ষিত হলেও অভদ্র।
যৌগিক বাক্য: পরিশ্রম কর তবেই ফল পাবে।
সরল বাক্য: পরিশ্রম করলে ফল পাবে।
উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
বচনঘটিত শুদ্ধ বানানের শুদ্ধ রূপ-
পাখিসব কিচির মিচির করছে।
গ্রন্থসমূহ প্রকাশিত হয়েছে।
অন্নাভাবে ঘরে ঘরে হাহাকার।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
• অধিকরণ কারক:
ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে। অধিকরণ কারকে সপ্তমী অর্থাৎ 'এ' 'য়' 'তে' ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়।
বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথায়, কখন ও কোনো বিষয় বোঝাতে অধিকরণ কারক হয়।
যথা-
আধার (স্থান): আমরা রোজ স্কুলে যাই। এ বাড়িতে কেউ নেই।
কাল (সময়): প্রভাতে সূর্য ওঠে।
অধিকরণ তিন প্রকার।
১. কালাধিকরণ।
২. আধারাধিকরণ।
৩. ভাবাধিকরণ।
যদি কোনো ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য অন্য ক্রিয়ার কোনোরূপ ভাবের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে, তবে তাকে ভাবাধিকরণ বলে। ভাবাধিকরণে সর্বদাই সপ্তমী বিভক্তির প্রয়োগ হয় বলে একে ভাবে সপ্তমী বলা হয়।
যেমন-
- সুর্যোদয়ে অন্ধকার দূরীভূত হয়।
- কান্নায় শোক মন্দীভূত হয়।
আধারাধিকরণ তিন ভাগে বিভক্ত: ১. ঐকদেশিক, ২. অভিব্যাপক এবং ৩. বৈষয়িক।
১. ঐকদেশিক: বিশাল সম্যানের যে কোনো অংশে ক্রিয়া সংঘটিত হলে তাকে ঐকদেশিক আধারাধিকরণ বলে। যেমন-
- পুকুরে মাছ আছে। (পুকুরের যে কোনো একস্থানে)
- বনে বাঘ আছে।
[কোথায় বাঘ আছে? প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় (বনের যে কোনো এক অংশে)। সুতরাং 'বনে' অধিকরণ কারকে সপ্তমী বভক্তি।]
- আকাশে চাঁদ উঠেছে। (আকাশের কোনো এক অংশে)
সামীপ্য অর্থেও ঐকদেশিক অধিকরণ হয়।
যেমন-
- ঘাটে নৌকা বাঁধা আছে (ঘাটের কাছে)। 'দুয়ারে দাঁড়ায়ে প্রার্থী,
- ভিক্ষা দেহ তারে (দুয়ারের কাছে), রাজার দুয়ারে হাতি বাঁধা।
২. অভিব্যাপক: উদ্দিষ্ট বন্ধু যদি সমগ্র আধার ব্যাপ্ত করে বিরাজমান থাকে, তবে তাকে অভিব্যাণক
আধারাধিকরণ বলে। যেমন-
তিলে তৈল আছে। (তিলের সারা অংশব্যাপী)
নদীতে পানি আছে। (নদীর সমস্ত অংশ ব্যাপ্ত করে।)
৩. বৈষয়িক: বিষয় বিশেষে বা কোনো বিশেষ গুণে কারও কোনো দক্ষতা বা ক্ষমতা থাকলে সেখানে বৈষয়িক অধিকরণ হয়।
যেমন:
- রাকিব অঙ্কে কাঁচা, কিন্তু ব্যাকরণে ভালো।
- আমাদের সেনারা সাহসে দুর্জয়, যুদ্ধে অপরাজেয়।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
সঠিক উত্তর: গ) এখানে দেশি ও তৎসম শব্দ মিশেছে।
• গুরুচণ্ডালী দোষ:
- গুরুচণ্ডালী দোষ তৎসম শব্দের সঙ্গে দেশীয় শব্দের মিশ্রণ ঘটলে যে দোষের সৃষ্টি হয় তাকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে।
- এদোষে দুষ্ট শব্দ তার যোগ্যতা হারায়।
যেমন-
গরুর গাড়ি, শবদাহ ইত্যাদি হলো তৎসম শব্দ।
কিন্তু যদি বলা হয় গরুর শকট, মড়াদাহ তাহলে তা গুরুচণ্ডালী দোষে দুষ্ট হয়ে যায়।
ব্যাখ্যা:
‘মড়াদাহ’ শব্দে —
- 'মড়া' হলো দেশি শব্দ,
- 'দাহ' হলো তৎসম শব্দ।
তাই “মড়াদাহ” গুরুচণ্ডালী দোষে দুষ্ট শব্দ।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সঠিক বানানগুলো হলো:
- দধীচি
- অন্তঃসত্ত্বা
- সত্তা
- সরস্বতী
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
• সরল বাক্য:
- যে বাক্যে একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে।
• সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূর হয়।
• সত্য কথা না বলে বিপদে পড়েছ।
• যৌগিক বাক্য:
- দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য যখন যোজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে একটি বাক্যে পরিণত হয়, তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
- এবং, ও, আর, বা, কিংবা, কিন্তু, অথচ, সেজন্য, ফলে ইত্যাদি যোজক ব্যবহৃত হয়।
- কমা (,), সেমিকোলন (;), কোলন (:), ড্যাশ (-) ইত্যাদি যতিচিহ্নও যোজকের কাজ করে।
• সূর্য উদিত হয়, তবে অন্ধকার দূর হয়।
• সত্য কথা বলনি, তাই বিপদে পড়েছ।
• সরল বাক্য থেকে যৌগিক বাক্য:
- যৌগিক বাক্যে একাধিক সমাপিকা ক্রিয়ার প্রয়োজন হয়।
- এজন্য সরল বাক্যকে যৌগিক বাক্য করতে সরল বাক্যের মাঝখানের অসমাপিকা ক্রিয়াকে সমাপিকা ক্রিয়ায় রূপান্তর করতে হয়।
- সরল বাক্যে একটিমাত্র ক্রিয়া থাকলে যৌগিক বাক্য গঠনের সময়ে আরেকটি ক্রিয়া তৈরি করে নিতে হয়। যেমন -
• সরল বাক্য: জ্ঞানী হওয়া সত্ত্বেও সে বিনয়ী নয়।
• যৌগিক বাক্য: সে জ্ঞানী, কিন্তু বিনয়ী নয়।
• সরল বাক্য: তুমি চেষ্টা না করায় ব্যর্থ হয়েছ।
• যৌগিক বাক্য: তুমি চেষ্টা করোনি, তাই ব্যর্থ হয়েছ।
• সরল বাক্য: ভিক্ষুককে টাকা দাও।
• যৌগিক বাক্য: কিছু লোক ভিক্ষা করে, ওদের টাকা দাও।
• সরল বাক্য: তিনি ধনী হলেও সুখী ছিলেন না।
• যৌগিক বাক্য: তিনি ধনী ছিলেন কিন্তু সুখী ছিলেন না।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ
• 'তা' প্রত্যয়ের অশুদ্ধ প্রয়োগ ঘটেছে- দৈন্যতা শব্দে।
------------------
• বানানের নিয়ম:
‘তা’ ‘ত্ব’ এবং ‘য’ হলো বিশেষ্যবাচক প্রত্যয়। যা কেবল বিশেষণ শব্দকে বিশেষ্য করে। তাই বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে আবারো ‘তা’ ‘ত্ব’ বা য যুক্ত করলে তা ভুল হবে।
যেমন:
- দৈন্যতা শব্দটি অপপ্রয়োগ বা অশুদ্ধ। কারণ ‘দীন’ বিশেষণ শব্দের সঙ্গে বিশেষ্যবাচক ‘য’ প্রত্যয় যোগ করে ‘দৈন্য’ বিশেষ্য শব্দ গঠিত হয়। ফলে ‘দৈন্য’ শব্দের সঙ্গে আবারো বিশেষ্যবাচক ‘তা’ প্রত্যয় যুক্ত হলে তা ভুল বলে গণ্য হয়েছে।
এরূপ কিছু অশুদ্ধ শব্দের শুদ্ধরূপ হলো:
• অধৈর্যতা - অধৈর্য, ধীরতা।
• আলস্যতা - আলস্য, অলসতা।
• ঐক্যতা - ঐক্য, একতা।
• দৈন্যতা - দৈন্য, দীনতা।
• কার্পণ্যতা - কার্পন্য, কৃপণতা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• শুদ্ধ বানান: স্বায়ত্তশাসন।
- শব্দটি বিশেষণ পদ।
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- স্বশাসিত রাষ্ট্র (একনায়ক-শাসিত নয়)।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• শুদ্ধ বানান- তারুণ্যের।
• শুদ্ধ বাক্য- নতুন পৃথিবী সৃষ্টির পাথেয় এই তারুণ্যের উচ্ছ্বাস।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
বাংলা বানানের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দে রেফের পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হয় না।
যেমনঃ অর্জ্জন, কর্ম্ম, কার্য্য, মূর্চ্ছা ইত্যাদির পরিবর্তে যথাক্রমে অর্জন, কর্ম, কার্য, মূর্ছা ইত্যাদি হবে।
[উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা একাডেমী অভিধান]
• 'অধীনস্থ' - শব্দটিতে প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগ-জনিত অশুদ্ধি ঘটেছে।
- শুদ্ধ শব্দ: অধীন।
অন্যদিকে,
সরলতা, লঘুত্ব, বহুলতা - শব্দগুলোতে শুদ্ধ প্রয়োগ ঘটেছে।
• প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগ-জনিত অশুদ্ধি:
প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগের ফলে শব্দগঠন বা বাক্যে পদ ব্যবহারের সময় বানানে যে সব ভুল হয় সেরকম কিছু শব্দের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
• অশুদ্ধ শব্দ - শুদ্ধ শব্দ:
- আবশ্যকীয় - আবশ্যক;
- একত্রিত - একত্র;
- অধীনস্থ - অধীন;
- করিতকর্মী - করিতকর্মা;
- গণ্যনীয় - গণনীয়;
- জ্ঞানমান - জ্ঞানবান;
- ঘূর্ণীয়মান - ঘূর্ণায়মান;
- পুজ্য - পূজ্য;
- বাহ্যিক - বাহ্য।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• শুদ্ধ বাক্য: সর্ব বিষয়ে বাহুল্য বর্জন করা উচিত।
অশুদ্ধ বাক্যগুলোর শুদ্ধরূপ-
• তোমার গোপনীয় কথা শোনা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।
• সলজ্জ হাসি হেসে মেয়েটি উত্তর দিল।
• দরিদ্রতা আমাদের প্রধান সমস্যা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• বহুবচনের অপপ্রয়োগজনিত অশুদ্ধি:
বহুত্ব বোঝাতে আমরা বহুবচন ব্যবহার করি। বিশেষ্য পদের সঙ্গে গুলি/গুলো/রা, এরা ইত্যাদি যুক্ত করে বহুবচন তৈরি করা হয়। স্মরণ রাখতে হবে যে বহুবচনের পরে দ্বিত্ব প্রয়োগ হয় না, অর্থাৎ কোনো শব্দকে এক বার বহুবচনে শেষরিত করলে পুনরায় তার বহুত্ব অপ্রয়োজনীয়। তাই অগণিত, অনেক, বহু, যাবতীয়, সব ইত্যাদি যত বহুত্ববাচক যদি আছে, তাদের পরে সংশ্লিষ্ট বিশেষ্য পদের সঙ্গে গুলি/গুলো ইত্যাদি যুক্ত হবে না।
যেমন:
অশুদ্ধ: ক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রীরা এসেছিল।
শুদ্ধ: ক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রী এসেছিল।
অশুদ্ধ: সকল ছাত্রগণ পাঠে মনোযোগী নয়।
শুদ্ধ: সকল ছাত্র পাঠে মনোযোগী নয়।
অশুদ্ধ: অশুদ্ধ: আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যাগুলোর সমাধান সম্ভব।
শুদ্ধ: আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান সম্ভবপর।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
ত্রিবিন্দু (...):
- বাক্যের কোন অংশ বাদ দিতে চাইলে ত্রিবিন্দু ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- তিনি রেগে গিয়ে বললেন, “তার মানে তুমি একটা ...।"
- আমাদের ঐক্য বাইরের। ... এ ঐক্য জড় অকর্মক, সজীব সকর্মক নয়।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• শুদ্ধ বানান - 'কৃষিজীবী'।
--------------
বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী কতিপয় শুদ্ধ বানান হলো-
• বিকিরণ,
• মুমূর্ষু,
• কৃষিজীবী,
• মরীচিকা,
• দধীচি,
• মন্ত্রিসভা,
• মন্ত্রিপরিষদ,
• শিরশ্ছেদ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান; বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা বানান রীতি।
যতি বা ছেদ চিহ্নের বিরতি কাল:
১. কমা - ১ (এক) বলতে যে সময় প্রয়োজন।
২. সেমিকোলন - ১ বলার দ্বিগুণ সময়।
৩. দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ - এক সেকেন্ড।
৪. প্রশ্নবোধক চিহ্ন - এক সেকেন্ড।
৫. বিস্ময় ও সম্বোধন চিহ্ন - এক সেকেন্ড।
৬. কোলন - এক সেকেন্ড।
৭. ড্যাস- এক সেকেন্ড।
৮. কোলন ড্যাস - এক সেকেন্ড।
৯. হাইফেন - থামার প্রয়োজন নেই।
১০. ইলেক বা লোপ চিহ্ন - থামার প্রয়োজন নেই।
১১. একক উদ্ধৃতি চিহ্ন - 'এক' উচ্চরণে যে সময় লাগে।
১২. যুগল উদ্ধৃতি চিহ্ন - 'এক' উচ্চরণে যে সময় লাগে।
১৩. ব্র্যাকেট (বন্ধনি চিহ্ন) - থামার প্রয়োজন নেই।
১৪. ধাতু দ্যোতক চিহ্ন - থামার প্রয়োজন নেই।
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী (২০১৯)।
ভাববাচ্য:
- যে বাচ্যে কর্ম থাকে না এবং বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে ব্যক্ত হয় তাকে ভাববাচ্য বলে।
১. ভাববাচ্যের ক্রিয়া সর্বদাই নাম পুরুষের হয়। ভাববাচ্যের কর্তায় ষষ্ঠী, দ্বিতীয়া অথবা তৃতীয়া বিভক্তি প্রযুক্ত হয়।
যেমন-
(ক) আমার (কর্তায় ষষ্ঠী) খাওয়া হলো না। (নাম পুরুষের ক্রিয়া)
(খ) আমাকে (কর্তায় দ্বিতীয়া) এখন যেতে হবে। (নাম পুরুষের ক্রিয়া)
(গ) তোমার দ্বারা (কর্তায় তৃতীয়) এ কাজ হবে না। (নাম পুরুষের ক্রিয়া)
২. কখনো কখনো ভাববাচ্যে কর্তা উহ্য থাকে, কর্ম দ্বারাই ভাববাচ্য গঠিত হয়।
যেমন-
- এ পথে চলা যায় না।
- এবার ট্রেনে ওঠা যাক।
- কোথা থেকে আসা হচ্ছে?
- কোথায় থাকা হয়?
৩. মূল ক্রিয়ার সঙ্গে সহযোগী ক্রিয়ার সংযোগ ও বিভিন্ন অর্থে ভাববাচ্যের ক্রিয়া গঠিত হয়।
যেমন-
- এ ব্যাপারে আমাকে দায়ী করা চলে না।
- এ রাস্তা আমার চেনা নেই।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• শুদ্ধ বানান - জগদ্ব্যাপী।
- শব্দটি বিশেষণ পদ।
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
-পৃথিবীর সর্বত্র পরিব্যাপ্ত,
- বিশ্বময়।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• গঠনগত দিক বাক্যকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যেমন,
- সরল বাক্য,
- জটিল বাক্য,
- যৌগিক বাক্য।
সরল বাক্য: একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকলে তাকে সরল বাক্য বলে।
যেমন,
- জেসমিন সবার জন্য চা বানিয়েছে।
জটিল বাক্য: একটি মূল বাক্যের অধীনে এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য বা বাক্যাংশ থাকলে জটিল বাক্য তৈরি হয়।
যেমন-
- যদি তোমার কিছু বলার থাকে, তবে এখনই বলে ফেলো।
যৌগিক বাক্য: এক বা একাধিক বাক্য বা বাক্যাংশ যোজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করে।
যেমন-
- রহমত রাতে রুটি খায় আর রহিমা খায় ভাত।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
⇒ বর্ণমালায় ছ, দ, ধ, ন, ম এই বর্ণগুলোর মধ্যে ছ বর্ণ আগে বসে এরপর পর্যায়ক্রমে দ, ন, ও ম বর্ণ বসবে। সুতরাং অভিধানে আগে বসবে ‘ছদ্মনাম’ শব্দটি।
• ছদ্মনাম,
- সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃত-প্রত্যয় = [ছদ্ম + নামন্]
অর্থ: পরিচয় গোপন রাখার উদ্দেশ্যে গৃহীত পন্থা।
এরপর পর্যায়ক্রমে বসবে,
• ছন্দতত্ত্ব,
- সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ: ছন্দবিজ্ঞান।
• ছন্নছাড়া,
- সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ: নিরাশ্রয়, লক্ষ্মীছাড়া, উৎসন্নে গেছে এমন।
• ছমছমে,
- বাংলা শব্দ।
অর্থ: ভীতিকর।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• শুদ্ধ বানান - কনকাঞ্জলি।
- এতই একটি বিশেষ্য পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।
শব্দের অর্থ:
- মাঙ্গলিক ক্রিয়াকর্মে অঞ্জলিপূর্ণ স্বর্ণ প্রদানের সংস্কার।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।