বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

মোট প্রশ্ন৩,৩৩৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

PrepBank · পাতা / ৩৪ · ৬০১৭০০ / ৩,৩৩৯

৬০১.
ইরাক কর্তৃক কুয়েত দখল হয় -
  1. ক) ১৯৮৯ সালে
  2. খ) ১৯৯০ সালে
  3. গ) ১৯৯১ সালে
  4. ঘ) ১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৯০ সালের ২ আগস্ট ইরাক তার প্রতিবেশী দেশ কুয়েতের ওপর দুই দিনব্যাপী "কুয়েত আক্রমণ" অপারেশন পরিচালনা করে।
- এর ফলে দীর্ঘ সাত মাসব্যাপী দেশটি ইরাকের অধীনে ছিল।
- ইরাক কর্তৃক কুয়েত আক্রান্ত হলে ১৯৯১ সালের ১৭ জানুয়ারি মার্কিন নেতৃত্বাধীন বহুজাতিক বাহিনী ইরাকের উপর বিমান হামলা শুরু করে যা ‘অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম’ নামে পরিচিত।
- ৫ মার্চ ১৯৯১ সালে জাতিসংঘের শর্ত মেনে ইরাক কুয়েত থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের ঘোষণা করে।

উৎস:- History.com
৬০২.
FBI কোন দেশের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. রাশিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ব্রিটেন
  4. ইসরায়েল
ব্যাখ্যা

FBI:
- FBI এর পুরো নাম - Federal Bureau of Investigation।
- ২৬ জুলাই, ১৯০৮ সালে এই গোয়েন্দা সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাতা - মার্কিন প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্ট।
- সদর দপ্তর - ওয়াশিংটন ডিসি।
- ডিসেম্বর, ২০২৪ সালে এফবিআই-এর পরবর্তী পরিচালক হিসেবে কাশ প্যাটেলকে বেছে নিয়েছেন মার্কিন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এছাড়াও,
- যুক্তরাষ্ট্র গোয়েন্দা সংস্থা CIA (Central Intelligence Agency)
- CIA মূলত বিদেশী গোয়েন্দাগিরি এবং সিক্রেট অপারেশন পরিচালনা করে।

উৎস: এফবিআই ওয়েবসাইট ও যুগান্তর পত্রিকার নিউজ এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৬০৩.
ইসলামিক স্টেটের এর খলিফা আবু বকর আল বাগদাদি কোন শহরে মারা যান?
  1. ক) আলেপ্পো
  2. খ) রাকা
  3. গ) ইদলিব
  4. ঘ) হোমস
ব্যাখ্যা
২৬ অক্টোবর ২০১৯ মার্কিন বাহিনীর অভিযানের সময় সিরিয়ার ইদলিব শহরে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিহত হন ইসলামিক স্টেটের (আইএস) স্বঘোষিত খলিফা আবু বকর আল বাগদাদি। ২০১৪ সালের দিকে আইএস সিরিয়া, ইরাক ও লিবিয়ার বিস্তৃর্ণ অঞ্চল দখল করে নিজেদের খিলাফত ঘোষণা করে। বাগদাদির পর আবু ইব্রাহিম আল হাশেমি আল কুরাইশি আইএস এর খলিফা নিযুক্ত হন। (সূত্র: আল জাজিরা)
৬০৪.
অসলো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কোথায়?
  1. ক) প্যারিসে
  2. খ) রোমে
  3. গ) ওয়াশিংটন ডিসি
  4. ঘ) নিউইয়র্কে
ব্যাখ্যা
১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে ইসরাইল ও ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা (পিএলও) এর মধ্যে অসলো শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে উভয়পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়। যার কারণে চুক্তিটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিতি পায়।

অসলো চুক্তির ফলে ইসরাইল ও প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্নিনটন এতে মধ্যস্থতা করেন।

(তথ্যসূত্র: হিস্টোরি এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট)
৬০৫.
বাংলাদেশ কত সালে 'NPT' চুক্তিতে স্বাক্ষর করে?
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৯ সালে
  4. ১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি:
- NPT এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

উৎস: UNODA ওয়েবসাইট।
৬০৬.
ISI কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) পাকিস্তান
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) সিরিয়া
ব্যাখ্যা
Inter Service Intelligence (ISI) পাকিস্তানের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা। এটি ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। তৎকালিন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ রবার্ট কাউথম এটি প্রতিষ্ঠা করেন। ISI মূলত দেশের বাহিরে পাকিস্তানের স্বার্থ সংরক্ষণে কাজে নিয়োজিত। তবে পাকিস্তানের অভ্যন্তীরণ রাজনীতিতেও এর ব্যাপক সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। ISI এর বর্তমান ডিরেক্টর জেনারেল ফাইজ হামিদ। উৎসঃ গ্লোবাল সিকিউরিটি সংস্থা ওয়েবসাইট।
৬০৭.
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৬০
  2. ১৯৬২
  3. ১৯৬৩
  4. ১৯৬৪
ব্যাখ্যা

মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন (Munich Security Conference - MSC)
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন (MSC) বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা নীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার অন্যতম প্রধান ফোরাম।
- এটি প্রতি বছর জার্মানির মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত হয়। 
- এই সম্মেলন বিশ্বনেতা, সামরিক কর্মকর্তা, কূটনীতিক, নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ও গবেষকদের একত্রিত করে।
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৩ সালে। 
- এর প্রতিষ্ঠাতা এভাল্ড-হেইনরিখ ফন ক্লাইস্ট (Ewald-Heinrich von Kleist)।
- এর প্রাথমিক নাম- "Wehrkundetagung" (ডিফেন্স কনফারেন্স)
- শুরুতে এটি শুধু ন্যাটো সদস্যদের জন্য ছিল।
- সময়ের সাথে সাথে এটি বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
- এটি শুধুমাত্র সামরিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করে না, বরং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, মানবাধিকার, সাইবার নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন ও ভূরাজনীতি নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সুযোগ তৈরি করে।
- এই সম্মেলনে সাধারণত বিশ্ব রাজনীতির শীর্ষ নেতা ও বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।
- সাম্প্রতিক যুদ্ধ, সংঘাত ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা নিয়ে আলোচনা হয়।
- রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, চীন-তাইওয়ান সংকট, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।
 - প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত নিরাপত্তা হুমকি নিয়েও আলোচনা হয়।
- ২০২৫ সালের মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন ১৪ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি জার্মানির মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে এই সম্মেলনে যোগ দেন।

উৎস:
ব্রিটানিকা ও প্রথম আলো অনলাইন নিউজ।

৬০৮.
নোট ভারবাল (Note Verbale) কী?
  1. কয়েকটি দেশের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক কূটনৈতিক পত্র
  2. দুইটি দেশের বন্দি বিনিময় চুক্তি
  3. তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে লেখা আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক বার্তা
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
নোট ভারবাল:
- তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে লেখা আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক বার্তাকে বলা হয় 'নোট ভারবাল' (Note Verbale)।

⇒ নোট ভারবাল (Note Verbale) একটি আনুষ্ঠানিক দাপ্তরিক যোগাযোগের পদ্ধতি, যা সাধারণত রাষ্ট্র বা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মধ্যে ব্যবহৃত হয়।
- একটি নোট ভারবাল হলো কূটনৈতিক যোগাযোগ, যা আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের মাধ্যমে এক সরকার থেকে অন্য সরকারের সঙ্গে করা হয়। এটি লিখিত বা মৌখিক উভয়ভাবেই হতে পারে।
- লিখিত হলে নোট ভারবেলে কোনো কর্মকর্তার স্বাক্ষর থাকে না।
- এটি সবসময় ‘থার্ড পারসনে’ লেখা হয়। আর মৌখিকভাবে হলে শুধু অবহিত করা হয়।
- কূটনীতিতে এটি একটি নিয়মিত ঘটনা।
- তবে ‘কনটেন্টে’র ওপর ভিত্তি করে এর গুরুত্ব নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি (ডিসেম্বর ২০২৪) ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত আনতে ভারত সরকারকে কূটনৈতিক নোট (নোট ভারবাল) পাঠানোর কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
- তবে লিখিত না মৌখিকভাবে শেখ হাসিনাকে দিল্লির কাছে ফেরত চাওয়া হয়েছে তা তিনি স্পষ্ট করেননি।
- প্রসঙ্গত, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন হলে সেই থেকে তিনি ভারতে রয়েছেন।

উৎস: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৬০৯.
রাশিয়া ও ইউক্রেন কত সালে 'মিনস্ক চুক্তি'তে স্বাক্ষর করে?
  1. ২০১৪ সালে
  2. ২০১৮ সালে
  3. ২০২২ সালে
  4. ২০২৩ সালে
ব্যাখ্যা
মিনস্ক চুক্তি:
- বিষয়বস্তু: পূর্ব ইউক্রেন থেকে সামরিক স্থাপনা, সামরিক সরঞ্জাম ও ভাড়াটে সেনাদের সরিয়ে নেওয়া।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০১৪ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: মিনস্ক, বেলারুশ।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: রাশিয়া ও ইউক্রেন।
- উদ্দেশ্য: রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ।
- মধ্যস্থতাকারী: জার্মানি ও ফ্রান্স।

⇒ মূলত ওই চুক্তির ফলেই আট বছরের জন্য যুদ্ধ থেমে ছিল।
- তবে রাশিয়া মিনস্ক চুক্তি বাতিল করে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান পরিচালনা করে।
- মিনস্ক চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল পূর্ব ইউক্রেন থেকে সামরিক স্থাপনা, সামরিক সরঞ্জাম ও ভাড়াটে সেনাদের সরিয়ে নিতে হবে।
- এছাড়া বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চলগুলোকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়ার কথা বলা হয়।
- আরও বলা ছিল যে, বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চলগুলো নিজস্ব পুলিশ বাহিনী গঠন করতে এবং স্থানীয় প্রসিকিউটর এবং বিচারক নিয়োগ করতে পারবে।
- এতে স্থানীয় নির্বাচনের জন্য বিদ্রোহী নেতাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনার কথাও বলা হয়।
- কিন্তু ৮ বছর পরও চুক্তিটি বাস্তবায়ন করেনি কিয়েভ।

উৎস: Britannica.
৬১০.
নিচের কোনটি নিরস্ত্রীকরণের সাথে সম্পর্কিত নয়?
  1. NPT
  2. CTBT
  3. CWC
  4. WTO
ব্যাখ্যা
- WTO বা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা নিরস্ত্রীকরণের সাথে সম্পর্কিত নয়। 

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO):

- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ জানুয়ারি ১৯৯৫ সাল।
- সদস্য রাষ্ট্র: ১৬৬টি (৩০ আগস্ট, ২০২৪ পর্যন্ত) [এপ্রিল, ২০২৫]
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
- উদ্দেশ্য: বৈশ্বিক বাণিজ্যের স্বাধীনতা, স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করা
- WTO এর পূর্বসূরি ছিল General Agreement on Tariffs and Trade (GATT), যা ১৯৪৭ সালে গঠিত হয়।
- GATT মূলত বিশ্বব্যাপী শুল্ক হ্রাস ও বাণিজ্য বাধা কমানোর লক্ষ্যে কাজ করতো।
- ১৯৮৬-১৯৯৪ সালের উরুগুয়ে রাউন্ড আলোচনার পর WTO প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়।
- WTO আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সহজীকরণ ও সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ন্যায্য প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

এছাড়া,
- CWC কনভেনশনের লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রপক্ষগুলোর রাসায়নিক অস্ত্রের উন্নয়ন, উৎপাদন, অধিগ্রহণ, মজুদ, ধারণ, স্থানান্তর বা ব্যবহার নিষিদ্ধ করে গণবিধ্বংসী অস্ত্রের একটি সম্পূর্ণ শ্রেণী নির্মূল করা। 
- CTBT একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি যার লক্ষ্য হল সকল পরিবেশে সামরিক এবং বেসামরিক উভয় উদ্দেশ্যেই সকল পারমাণবিক বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ করা।
- NPT পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ এবং পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার প্রচারের লক্ষ্যে একটি যুগান্তকারী আন্তর্জাতিক চুক্তি।

উৎস: Britannica.
WTO ওয়েবসাইট।
৬১১.
শেনজেন চুক্তির প্রথম স্বাক্ষরকারী দেশ কয়টি?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

শেনজেন চুক্তি (Schengen Agreement):
- শেনজেন চুক্তি হলো ইউরোপীয় অঞ্চলে ভিসামুক্ত চলাচলের একটি ঐতিহাসিক চুক্তি। 
​- এটি স্বাক্ষরিত হয় ১৪ জুন ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে। 
​- প্রথমে বেলজিয়াম, ফ্রান্স, পশ্চিম জার্মানি, লুক্সেমবার্গ ও নেদারল্যান্ডস এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
​- এর মূল লক্ষ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে অবাধ চলাচল নিশ্চিত করা। 
​- এ জন্য ভিসা ও আশ্রয় নীতিমালা সমন্বিত করা হয় এবং তথ্য ভাগাভাগির জন্য শেনজেন ইনফরমেশন সিস্টেম (SIS) চালু করা হয়।
- শেনজেন চুক্তি কার্যকর হয় ১৯৯৫ সালে, তখন ইতালি, স্পেন, পর্তুগাল ও গ্রিস এতে যুক্ত হয়। পরবর্তী সময়ে অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নরওয়ে ও সুইডেন যুক্ত হয়। 
​- প্রথমে এটি EU-এর বাইরে শুরু হলেও, ১৯৯৯ সালের আমস্টারডাম চুক্তি শেনজেন চুক্তিকে EU আইনের অংশ করে নেয়।
​- পরবর্তীতে আরও দেশ যুক্ত হয়—সুইজারল্যান্ড (২০০৮), লিচেনস্টাইন (২০১১) এবং সর্বশেষ ক্রোয়েশিয়া (২০২৩)। 
​- বর্তমানে শেনজেনভুক্ত দেশ সংখ্যা ২৯টি।

​উৎস: ব্রিটানিকা।

৬১২.
বেনগাজি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) আফ্রিকা
  2. খ) ইউরোপ
  3. গ) এশিয়া
  4. ঘ) দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা
বেনগাজি লিবিয়া,আফ্রিকার একটি অন্যতম প্রধান সমুদ্রবন্দর৷
Source: Britannica
৬১৩.
নিচের কোন দেশটি 'কোয়াড' সংলাপের সদস্য?
  1. বাংলাদেশ
  2. ভারত
  3. চীন
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

কোয়াড:
- ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের ‘চতুর্পক্ষীয় নিরাপত্তা ফোরাম’ QUAD-এর পূর্ণরূপ: Quadrilateral Security Dialogue.
- গঠিত হয়: ২০০৭ সালে।
- সদস্য দেশ: ৪টি (যথা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপান)।

• কোয়াড এর মূল উদ্দেশ্য: ভারত-প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, কৌশলগত, সামরিক এবং অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা, বৃহত্তর আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে একে অপরের প্রতি নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি করা।

উৎস: Department of the Prime Minister and Cabinet.

৬১৪.
সিয়াচেন হিমবাহ কোথায় অবস্থিত?
  1. হিমাচল
  2. ভুটান
  3. কাশ্মীর
  4. কাঠমান্ডু
ব্যাখ্যা

• সিয়াচেন হিমবাহ:
- ‘সিয়াচেন হিমবাহ’ কোথায় অবস্থিত উত্তর কাশ্মীরে।
- পৃথিবীর উচ্চতম যুদ্ধক্ষেত্র বলে পরিচিত সিয়াচেন হিমবাহ।
- 'সিয়াচেন হিমবাহ' পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যকার একটি বিবাদমান অঞ্চল।
- কারাকোরাম পর্বতের সিয়াচেন হিমবাহ দখলে রাখা নিয়ে দুই চিরবৈরী দেশ ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে লড়াই শুরু হয় আশির দশকের গোড়া থেকে।

তথ্যসূত্র: Britannica.com

৬১৫.
ন্যাটো (NATO) কত সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ১৯৪৫ সালে
  2. ১৯৪৭ সালে
  3. ১৯৪৯ সালে
  4. ১৯৫১ সালে
ব্যাখ্যা

• NATO:
- পূর্ণরূপ -The North Atlantic Treaty Organization.
- এটি একটি সামরিক ও রাজনৈতিক জোট।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- বর্তমান সদস্য ৩২টি। (২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - সুইডেন।
- এর সদর দপ্তর ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাপরিচালক- মার্ক রুট।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

৬১৬.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরুতে বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন-
  1. ক) এটলি
  2. খ) চার্চিল
  3. গ) গ্লাডস্টন
  4. ঘ) চেম্বারলেন
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ১৯৪০ সালের মে পর্যন্ত চেম্বারলেন, মাঝের চার্চিল এবং যুদ্ধের শেষ পর্যন্ত এটলি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিয়া।
৬১৭.
আফ্রিকান ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারপার্সন কে?
  1. ক) থাবো এমবেকি
  2. খ) আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি
  3. গ) চিরিল রামাফোসা
  4. ঘ) আহমেদ আবুল ঘেইত
ব্যাখ্যা
AU এর পূর্ণরূপ African Union যা আফ্রিকা মহাদেশ সমূহের একটি সংগঠন। পূর্বে এর নাম ছিল আফ্রিকান ঐক্য সংস্থা।
আফ্রিকান ইউনিয়ন নামকরণ করা হয় ৯ জুলাই, ২০০২ সালে। আফ্রিকান ইউনিয়নের সদরদপ্তর আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া এবং সদস্য সংখ্যা ৫৫ টি। আফ্রিকান ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান চিরিল রামাফোসা। (Feb 2020 to Feb 2021 - Cyril Ramaphosa, South Africa)
উৎসঃ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬১৮.
তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন মূলত কাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত?
  1. যুদ্ধক্ষেত্রে আহত ও অসুস্থ সামরিক সৈন্যদের
  2. যুদ্ধবন্দিদের
  3. সমুদ্রে আহত ও অসুস্থ সামরিক সৈন্যদের
  4. যুদ্ধকালীন বেসামরিক নাগরিকদের
ব্যাখ্যা

তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন মূলত যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা সংক্রান্ত।

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়। 

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য, কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS ওয়েবসাইট।

৬১৯.
গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ কোনটি?
  1. ICPPED
  2. CEDAW
  3. UNCCD
  4. UDHR
ব্যাখ্যা
গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ (International Convention for the Protection of All Persons from Enforced Disappearance বা ICPPED): 
- গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ হল ICPPED.
- ICPPED হল বলপূর্বক অন্তর্ধান (গুম) সম্পর্কিত প্রথম সর্বজনীনভাবে আইনত বাধ্যতামূলক মানবাধিকার দলিল।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের রেজুলেশন ৬১/১৭৭-এ দ্বারা গৃহীত হয়।
- গৃহীত হয়: ২০ ডিসেম্বর ২০০৬ সাল। 
- কার্যকর হয়: ২৩ ডিসেম্বর, ২০১০ সাল।
- কনভেনশনটি অনুমোদনকারী দেশগুলি আইনত এর দ্বারা আবদ্ধ হতে সম্মত হয় এবং তাদেরকে রাষ্ট্রপক্ষ বলা হয়।

উৎস: ohchr.org
৬২০.
’ডেল্টা ফোর্স’ কোন দেশের বিশেষায়িত ইউনিট?
  1. রাশিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ফ্রান্স
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা

-  ডেল্টা ফোর্স মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর একটি বিশেষায়িত ইউনিট ।
এ ইউনিট মূলত সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান, জিম্মি উদ্ধার, সরাসরি সামরিক হামলা ও বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি-সংক্রান্ত কাজের জন্য প্রশিক্ষিত। চড়া মূল্যের লক্ষ্য পূরণে ডেল্টা ফোর্সকে ব্যবহার করা হয়।

- ডেল্টা ফোর্স প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৭৭ সালে।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট স্পেশাল অপারেশনস কমান্ডের (জেএসওসি) সরাসরি অধীনে কাজ করে।
- নর্থ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যের ফোর্ট ব্র্যাগভিত্তিক ডেল্টা ফোর্সের মোট ৮টি অপারেশনাল ‘সেবরে স্কোয়াড্রন’ বা হামলা চালানোর উপযোগী স্বয়ংসম্পূর্ণ ইউনিট রয়েছে।

- এছাড়াও:
• আলফা গ্রুপ কেজিবির তত্ত্বাবধানে রাশিয়ার একটি স্পেশাল ফোর্স।
• ব্রিটিশ আর্মির বিশেষ রেজিমেন্ট হিসেবে গঠিত হওয়া স্পেশাল এয়ার সার্ভিস (SAS) বিশ্বের বুকে গড়ে ওঠা প্রথম স্পেশাল ফোর্সগুলোর একটি।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং প্রথম আলো।

৬২১.
ঐতিহাসিক 'সিমলা চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭১
  2. খ) ১৯৭৪
  3. গ) ১৯৭৩
  4. ঘ) ১৯৭২
ব্যাখ্যা
সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় - ২ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- এই চুক্তিতে ভারত ও পাকিস্তান তাদের সকল বৈরিতার অবসান ঘটানো, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সকল ক্ষেত্রে বন্ধুত্ব ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা এবং ১৯৭১ সালের ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত জম্মু ও কাশ্মীরে বিরাজমান স্থিতাবস্থা পুনঃস্থাপনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।
- এই চুক্তির অধীনে ভারত পাকিস্তানের সকল যুদ্ধবন্দিকে বিনাবিচারে পাকিস্তানে ফেরত পাঠায়।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
৬২২.
"শাত-ইল-আরব জলপথ" কোন দুটি দেশের মধ্যে বিরোধের কেন্দ্রবিন্দু ছিল?
  1. ইরাক – ইরান
  2. ইরান – সৌদি আরব
  3. ইরাক – কুয়েত
  4. তুরস্ক – ইরান
ব্যাখ্যা
- শাত-ইল-আরব (Shatt al-Arab) জলপথ ছিল ইরান ও ইরাক এর মধ্যে দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধ ও উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু।

শাত-ইল-আরব:
- এই জলপথের অবস্থান পারস্য উপসাগরে।
- শাত-ইল-আরব জলপথের অধিকারকে কেন্দ্র করেই মূলত ইরাক - ইরান বিরোধ শুরু হয়।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে।
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ হয়েছিল।
- তার আগে, শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এতে ইরানের পক্ষে রেজা শাহ পাহলভী এবং ইরাকের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন স্বাক্ষর করেন।
- তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- চুক্তির বিষয়বস্তু ছিল শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে ইরাক ও ইরানের মধ্যে মীমাংসা।

সূত্র: Britannica.
৬২৩.
নিম্নের কোন মতবাদে 'রাষ্ট্রের বিভিন্ন দায়িত্ব, জাতীয় স্বার্থ এবং বিশ্ব রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারের কথা বলা হয়েছে?
  1. মার্ক্সবাদ
  2. নব্য-উদারতাবাদ
  3. বাস্তববাদ
  4. গঠনবাদ
ব্যাখ্যা

◉ বাস্তববাদ (Realism):
➝ It emphasizes the role of the state, national interest, and power in world politics.
➝ অর্থাৎ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের এই তত্ত্বটি রাষ্ট্রের বিভিন্ন দায়িত্ব, জাতীয় স্বার্থ এবং বিশ্ব রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারের কথা বলে।

◉ মার্ক্সবাদ (Marxism):
➝ Marxism, a body of doctrine developed by Karl Marx and, to a lesser extent, by Friedrich Engels in the mid-19th century. It originally consisted of three related ideas: a philosophical anthropology, a theory of history, and an economic and political program.
➝ মার্ক্সবাদ মূলত একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক দর্শন। ঐতিহাসিক বস্তুবাদ , দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ, উদ্বৃত্ত্ব মুল্যতত্ত্ব ও শ্রেণিসংগ্রাম এই চারটি বিষয়কে কেন্দ্র করে মার্কসবাদ বিকশিত হয়েছে।

◉ নব্য-উদারতাবাদ (Neoliberalism):
➝ Neoliberalism, ideology and policy model that emphasizes the value of free market competition.
➝ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নব্য উদারতাবাদের ধারনাটির ব্যাপক পরিচয় তুলে ধরেন রবার্ট কোহেন। এই তত্ত্ব অনুযায়ী রাষ্ট্রসমূহহের জাতীয় স্বার্থ হাসিলের জন্য আন্তর্জাতিক সংগঠেনর কোন বিকল্প নাই।

◉ গঠনবাদ (Constructivism):
➝ According to this approach, the behaviour of humans is determined by their identity, which itself is shaped by society’s values, history, practices, and institutions.
➝ এই তত্ত্বের মূল কথা হলো আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মূল ভিত্তি বিভিন্ন আদর্শের উপর নির্ভরশীল। পাশাপাশি আরো বলা আছে, মানুষের আচরণ তার পারিপার্শিক বিভিন্ন উপাদানের উপর নির্ভর করে। সরাসরি আন্তর্জাতিক সংগঠনের কথা না বলা থাকলেও অন্তর্নিহিত ধারণা হলো, শক্তিশালি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতি সামগ্রিকভাবে কল্যাণকর।
এছাড়াও আছে - Regime Theory, Functionalism. etc.

উৎস: Britannica.com এবং  আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ; লেখক: তারেক শামসুর রহমান। Liberalism & International theory; A Moravcsik.

৬২৪.
ফেয়ার ফ্যাক্স কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জাপান
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

ফেয়ার ফ্যাক্স (Fairfax):
- ফেয়ার ফ্যাক্স যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।
-  এটি একটি নিরাপত্তা ও তদন্ত বিষয়ক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, যারা বিভিন্ন ধরনের তথ্য অনুসন্ধান ও গোপন তদন্তের কাজ করে থাকে।

- যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা:
• Central Intelligence Agency (CIA),
• Defense Intelligence Agency (DIA),
• Federal Bureau of Investigation (FBI)।

উৎস: i) Britannica.
         ii) WorldAtlas.

৬২৫.
১৯৪৭ সালে প্যালেস্টাইনকে বিভাজনের পরিকল্পনা জাতিসংঘের কোন প্রস্তাবের মাধ্যমে গৃহীত হয়?
  1. ১৮০নং প্রস্তাব
  2. ১৮১ নং প্রস্তাব
  3. ১৬০ নং প্রস্তাব
  4. ১৬১ নং প্রস্তাব
ব্যাখ্যা

১৯৪৭ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে রেজুলেশন-১৮১ এর আওতায় ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে ভাগ করে একটি ইহুদি রাষ্ট্র ইসরায়েল ও একটি আরব রাষ্ট্র ফিলিস্তিন করার প্রস্তাব করা হয়। সেখানে স্পষ্টভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার কথা বলা হয়েছে। 

 - যুক্তরাষ্ট্র প্রথমবারের মতো ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার ঘোষণাটির গুরুত্ব বুঝতে পেরেছে। ইহুদি রাষ্ট্র হিসেবে ইসরায়েলকে ফিলিস্তিনের  স্বীকৃতি দেওয়ার দাবির বিষয়টি নতুনভাবে প্রস্তাব করেন কেরি।
- এজন্য তিনি দুই পক্ষকেই সমঝোতার মাধ্যমে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের রেজুলেশন-১৮১ মেনে নিয়ে দুটি রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব দেন। কারণ ইসরায়েল ও পিএলও উভয়ই রেজুলেশন-১৮১ এর আলোকে তাদের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছে।

- ইহুদি রাষ্ট্রের প্রস্তাব বা সব সমস্যার ক্ষেত্রে ফিলিস্তিনের এই ঘোষণার গুরুত্ব বুঝতে পারা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- ফিলিস্তিন এখন তাড়াতাড়ি জাতিসংঘের সদস্য হওয়ার চেষ্টা করছে।
- এজন্য তাদের এটা পরিস্কার করতে হবে, তারা ১৯৯৮ সালের ঘোষণা অনুসারেই সদস্য হতে চায়।
- তারা নিজেদের বৈধতার সঙ্গে ইহুদি রাষ্ট্র হিসেবে ইসরায়েলের বৈধতার বিষয়টি যোগ করতে পারে তাহলে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রও তাদের জাতিসংঘের সদস্য পদ পেতে সমর্থন করবে।

উৎস: বাংলা ট্রিবি্উন {লিংক}

৬২৬.
ইন্টারপোল কী?
  1. পুলিশ সংস্থা
  2. গোয়েন্দা সংস্থা
  3. সাংবাদিক সংস্থা
  4. সীমান্তরক্ষী বাহিনী
ব্যাখ্যা
Interpol:

- International Criminal Police Organisation হলো আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা।
- Interpol ১৯২৩ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির বর্তমান সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিও শহরে অবস্থিত।
- ১৯৪৬ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে এবং ১৯৮৯ সালে ফ্রান্সের লিও শহরে সদরদপ্তর স্থাপন করা হয়।
- এটির বর্তমান সদস্য ১৯৫টি দেশ।
- বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালের ১৪ অক্টোবর ইন্টারপোলের সদস্যপদ লাভ করে। 

তথ্যসূত্র - ইন্টারপোল অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬২৭.
ইয়াল্টা কনফারেন্স কবে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৪৩
  2. খ) ১৯৩৩
  3. গ) ১৯৪৫
  4. ঘ) ১৯৪৭
ব্যাখ্যা
ইয়াল্টা কনফারেন্স:

- ১৯৪৫ সালের ৪-১১ ফেব্রুয়ারি সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্রিমিয়ার ইয়াল্টাতে মিত্র পক্ষের এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- জাতিসংঘ গঠনের পথে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন।
- এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন,
• যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট - ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট।
• সোভিয়েত নেতা - জোসেফ স্টালিন।
• যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী - উইনস্টন চার্চিল।
- এই সম্মেলনে জাতিসংঘের স্থায়ী ৫ সদস্যদের 'ভেটো' ক্ষমতা দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
৬২৮.
কোন দেশের সৈন্যদের প্রধানত গাজায় শাস্তিরক্ষীর দায়িত্বে প্রেরণের জন্য সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে?
  1. বাংলাদেশ
  2. সৌদিআরব
  3. মালয়েশিয়া
  4. ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা

- ইন্দোনেশিয়ার সৈন্যদের গাজায় শাস্তিরক্ষীর দায়িত্বে প্রেরণের জন্য সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
- গাজা শান্তিরক্ষী বাহিনীর জন্য ২০ হাজার সেনাকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে ইন্দোনেশিয়া।
- গাজার যুদ্ধবিধ্বস্ত ছিটমহলে পরিকল্পিত শান্তিরক্ষা অভিযানের সময় স্বাস্থ্য ও নির্মাণ সম্পর্কিত কাজগুলি পরিচালনা করার জন্য এই সৈন্য প্রেরণ করা।

উল্লেখ্য,
⇒ বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল মুসলিম দেশ, ইন্দোনেশিয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এর সাথে গাজায় একটি বহুজাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীর পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছে, যার মধ্যে রয়েছে আজারবাইজান, মিশর এবং কাতার।

উৎস:রয়টার্স[লিংক]

৬২৯.
'Black September’ ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত দেশ-
  1. লিবিয়া
  2. ফিলিস্তিন
  3. মিসর
  4. আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর:
- ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর ফিলিস্তিনের একটি গেরিলা সংগঠন।
- এটি ফিলিস্তিনের ফাতাহ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া একটি অংশ।
- ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর ১৯৭১ সালে গঠিত হয় এবং ১৯৭৪ সালে বিলুপ্ত ঘোষিত হয়।
- নামকরণের কারণ: 
- ১৯৭০ সালের সেপ্টেম্বরে জর্ডানে সংঘর্ষে হাজারো ফিলিস্তিনি নিহত হয়  এই ঘটনাকে “Black September” বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- বিখ্যাত ঘটনা: মিউনিখ অলিম্পিক হত্যাকাণ্ড (১৯৭২)।
- ১১ জন ইসরায়েলি ক্রীড়াবিদ অপহরণ ও হত্যা
- অপারেশন ‘Wrath of God’ দ্বারা ইসরায়েলের প্রতিশোধ।
- জর্ডানের প্রধানমন্ত্রী ওয়াসফ আল-তেল-কে হত্যা (১৯৭১)।

উৎস: Britannica.
৬৩০.
কলম্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস কোন গেরিলা সংগঠনের সাথে শান্তিচুক্তির জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ফার্ক
  2. টুপাক আমরু
  3. কন্ট্রা
  4. এলটিটিই
ব্যাখ্যা
জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস:
- জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস কলম্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট।
- তিনি ২০১০ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত কলম্বিয়ার রাষ্ট্রপতি ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস মার্কসবাদী গেরিলা সংগঠন 'ফার্ক'-এর সাথে ২০১৬ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর একটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করেছেন।
- দীর্ঘ ৪ বছর ধরে আলোচনার পর তিনি শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- কলম্বিয়ার পার্লামেন্ট ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর এই শান্তি চুক্তিটি অনুমোদন করেছে।
- তিনি বামপন্থি ফার্ক বিদ্রোহীদের সঙ্গে ৫২ বছরের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের অবসানের প্রচেষ্টা চালানোর জন্য ২০১৬ দালে শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন।

উৎস: Britannica.
৬৩১.
যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম কয়টি সংশোধনীকে একত্রে 'Bill of Rights' বলে অভিহিত করা হয়?
  1. ৩টি
  2. ১০টি
  3. ৭টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা
• যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম ১০টি সংশোধনীকে 'Bill of Rights' বলে অভিহিত করা হয়।

• বিল অব রাইটস (Bill of Rights):
- English Bill of Rights (১৬৮৯) দ্বারা প্রভাবিত (যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, আয়ারল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের আইন ও শাসন ব্যবস্থা)
- ১৭৮৯ সালে প্রথম মার্কিন কংগ্রেস অধিবেশনে ২২টি সংশোধনীর প্রস্তাব আনা হয়।
- এর মধ্যে প্রথম ১০টি গৃহীত হয়ে নাগরিকদের মৌলিক অধিকারগুলোকে সংবিধানের অংশ হিসেবে সংযুক্ত করা হয়।
- ১৭৯১ সালে ১৫ ডিসেম্বর, এই ১০টি সংশোধনী কার্যকর হয়, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘ বিল অব রাইটস’ নামে অভিহিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬৩২.
আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কারণ -
  1. মরক্কো-আলজেরিয়া সীমান্ত দ্বন্দ্ব নিরসন
  2. আকাবা উপসাগরের নিয়ন্ত্রণ
  3. শাত-ইল আরবকে ঘিরে ইরাক-ইরান দ্বন্দ্ব নিরসন
  4. ফিলিস্তিনে স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
‘শাত-ইল-আরব:
‘শাত-ইল-আরব’ জলপথের অবস্থান পারস্য উপসাগরে।
- এর মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে ইরাক ও ইরানের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে। 
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরান ও ইরাকের মধ্যে যুদ্ধ  হলেছিল।
- তাঁর আগে, শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এতে ইরানের পক্ষে রেজা শাহ পাহলভী এবং ইরাকের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন স্বাক্ষর করেন।
- তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- চুক্তির বিষয়বস্তু ছিল শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে ইরাক ও ইরানের মধ্যে মীমাংসা।

সূত্র: হিস্টরি.কম এবং ব্রিটানিকা।
৬৩৩.
আয়রন ডোম (Iron Dome) কী?
  1. ভূমি থেকে নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপনাস্ত্র
  2. মার্কিন অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আইন
  3. ক্ষেপনাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
  4. হামাসের মিসাইল ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
• ইসরায়েলের উদ্ভাবিত ক্ষেপনাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নাম - আয়রন ডোম (Iron Dome)।
- এটি তৈরি করে ইসরায়েলের মহাকাশ বিষয়ক প্রতিষ্ঠান Rafael Advanced Defense Systems.
- আয়রন ডোম যেকোনো আবহাওয়ায় কার্যকর থাকে এবং সহজে বহনযোগ্য।
- ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে এটি আরো শক্তিশালী করে।
- হিজবুল্লাহর রকেট হামলা থেকে বাঁচার জন্য ইসরায়েল ২০১১ সালে প্রথম আয়রন ডোম ব্যবহার করে।

উৎস: বি.বি.সি প্রতিবেদন ও প্রথম আলো।
৬৩৪.
২০২৫ সালে কোন দেশের মধ্যস্থতায় আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে?
  1. চীন 
  2. রাশিয়া 
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. তুরস্ক
ব্যাখ্যা

আর্মেনিয়া-আজারবাইজান শান্তিচুক্তি:
- ২০২৫ সালের ৮ আগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তত্ত্বাবধানে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ এবং আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশনিয়ান।
- উদ্দেশ্য: ৩৫ বছরের সংঘাতের অবসান ঘটানো, ভ্রমণ, বাণিজ্য ও কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করা এবং এশিয়া থেকে ইউরোপে রাশিয়া ও ইরানকে এড়িয়ে যাওয়ার জন্য নতুন ট্রানজিট রুট তৈরি করা। 
- এই চুক্তিটি দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলে রাশিয়ার প্রভাব হ্রাস করে মার্কিন প্রভাব বাড়িয়েছে।

উল্লেখ্য,
- দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলের এই দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের মধ্যে দ্বন্দ্বের মূল ছিল নাগোরনো-কারাবাখ।
- এটি আজারবাইজানের একটি পার্বত্য এলাকা, যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ বাসিন্দা ছিলেন জাতিগত আর্মেনিয়ান।
- ১৯৮০-এর দশকে এই এলাকা আর্মেনিয়ার সমর্থনে আজারবাইজান থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
- ২০২৩ সালে আজারবাইজানের সেনাবাহিনী নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে পুরো অঞ্চল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়, যা ছিল আজারবাইজানের অন্তর্গত হলেও জাতিগত আর্মেনিয়ানদের দ্বারা অধিকৃত।
- চুক্তির অধীনে যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ ককেশাসে দুই দেশের মধ্যে একটি কৌশলগত ট্রানজিট করিডোর স্থাপনের বিশেষ অধিকার পেয়েছে, যা ‘ট্রাম্প রুট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিস অ্যান্ড প্রসপারিটি’ নামে পরিচিত হবে।

উৎস: Reuters.

৬৩৫.
FBI কোন দেশ ভিত্তিক গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ইসরায়েল
ব্যাখ্যা
Federal Bureau of Investigation:
- FBI এর পূর্ণরূপ Federal Bureau of Investigation.
- FBI মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২৬ জুলাই, ১৯০৮ সাল।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন পেনসিলভানিয়া এভিনিউ, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান পরিচালক: ক্যাশ প্যাটেল। (আগস্ট, ২০২৫)
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন।
- FBI মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে সংঘটিত অপরাধের অনুসন্ধান এবং দেশি-বিদেশি যেকোন নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা ও সুরক্ষা প্রদানে নিয়োজিত।

তথ্যসূত্র - FBI অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬৩৬.
নাইন-ইলেভেন ধ্বংসস্তূপটি কোন নামে পরিচিত?
  1. ফ্ল্যাটার গ্রাউন্ড
  2. হোমল্যান্ড জোন
  3. ট্রেড জোন
  4. গ্রাউন্ড জিরো
ব্যাখ্যা

নাইন-ইলেভেন:
- ১১ সেপ্টেম্বরের হামলা যা নাইন/ইলেভেন নামেও পরিচিত।
- ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের উপর আল কায়েদার একইসাথে চারটি সমন্বিত সন্ত্রাসী হামলা।
- ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০১ সালে তৎকালীন আল-কায়দা চারটি যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করে।
- হামলার পরিকল্পনা অনুযায়ী ২টি বিমান দিয়ে আঘাত করে নিউইয়র্কে অবস্থিত ১১০ তলা বিশিষ্ট ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে।
- ১ টি পেন্টাগনে ও ১ টি পেনসিলভেনিয়ায় ।
- ধ্বংসস্তূপটি কে গ্রাউন্ড জিরো বলা হয়।
- ২০০১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ডব্লিউ বুশ।
- এই হামলার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বুশ সরকার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য Department of Homeland Security বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন।

সূত্র - Britannica.com. 

৬৩৭.
কোন যুদ্ধে আরব দেশসমূহ পাশ্চাত্যের উপর তেল অবরোধ করে?
  1. জুনের যুদ্ধে
  2. সামরিক যুদ্ধে
  3. জাতিগত যুদ্ধে
  4. ইয়োম কিপুর যুদ্ধে
ব্যাখ্যা
ইয়োম কিপুর যুদ্ধ:
- ইয়োম কিপুর যুদ্ধ যা ১৯৭৩ সালে চতুর্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ হিসেবে পরিচিত।
- এই যুদ্ধে মিসর ও সিরিয়া নেতৃত্বাধীন একটি জোট গঠন করে ইসরাইলের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালায়।
- আরব দেশসমূহ পাশ্চাত্যের উপর তেল অবরোধ করে ইয়োম কিপুর যুদ্ধে
- ১৯৭৩ সালে সংঘটিত চতুর্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধকে 'অক্টোবর যুদ্ধ' বা 'রমজান যুদ্ধ' হিসেবেও পরিচিত।

উৎস: Britannica.com & Worldatlas.com.
৬৩৮.
ব্ল্যাক ওয়াটার একটি-
  1. বিষাক্ত দ্রবণ
  2. বিষাক্ত প্রাণী
  3. ক্রীড়া সংস্থার নাম
  4. নিরাপত্তা সংস্থার নাম
ব্যাখ্যা
• Blackwater যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক Private Military And Security Company.

সূত্র: The New York Times
৬৩৯.
মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের জন্য বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক পরিচালিত অভিযান -
  1. ক) অপারেশন সার্চলাইট
  2. খ) অপারেশন ক্লোজডোর
  3. গ) অপারেশন জ্যাকপট
  4. ঘ) অপারেশন বারবারোজ
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে পরিচালিত অভিযানসমূহ:
- অপারেশন সার্চলাইট:  বাংলাদেশ এর উপর পাকবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত হত্যা অভিযান। 
- অপারশন ক্লোজডোর: মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের জন্য বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক পরিচালিত অভিযান।
- অপারেশন জ্যাকপট: বাংলাদেশ নৌবাহিনী কর্তৃক পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে পরিচালিত  অভিযান।

বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ কিছু অভিযান:
- অপারেশন বারবারোস: জার্মানি কর্তৃক রাশিয়ার উপর পরিচালিত সামরিক অভিযান। 
- অপারেশন জেরোনিমা: আল কায়েদা নেতা ওসাম বিন লাদেনকে হত্যার মিশনের সাংকেতিক নাম।
- অপারেশন নোবেল ঈগল: বিশ্বব্যাপী দশ বছর মেয়াদী সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইঙ্গ অভিযানের নাম।
- অপারশন ওডিসি ডন: লিবিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও ব্রিটেন কর্তৃক পরিচালিত অভিযান।

উৎস: ব্রিটানিকা, বাংলাপিডিয়া।
৬৪০.
ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়ার বাইরে প্রথম কোন দেশে সফরে যান?
  1. ক) কাতার
  2. খ) তুরস্ক
  3. গ) সুইডেন
  4. ঘ) ইরান
ব্যাখ্যা

১৯ জুলাই, ২০২২ তারিখে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়ার বাইরে প্রথম বিদেশ সফরে ইরান যান ভ্লাদিমির পুতিন।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।

৬৪১.
কোন মুসলিম দেশ সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য?
  1. সৌদি আরব
  2. আলবেনিয়া
  3. তুরস্ক
  4. খ+গ
ব্যাখ্যা

ন্যাটো (NATO) :
- NATO এর পূর্ণরূপ- North Atlantic Treaty Organization.
- এটি একটি সামরিক সহযোগিতার জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ১২টি।
- এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট।
- ন্যাটোর মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
- অনুচ্ছেদ- ১০: Open Door Policy [নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি]।
- ন্যাটোর নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি হয় এই অনুচ্ছেদ অনুসারে।
- ন্যাটোর সদস্য হওয়ার পূর্ব শর্ত হলো - দেশটিকে ইউরোপিয়ান দেশ হতে হবে।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

৬৪২.
'ওয়াগনার গ্রুপ' কী ধরনের সংস্থা?
  1. ক) আধা-সামরিক সংস্থা
  2. খ) মানবিক সংস্থা
  3. গ) সরকারি সংস্থা
  4. ঘ) বামপন্থী সংস্থা
ব্যাখ্যা
ওয়াগনার গ্রুপ: 
- একটি রাশিয়ার আধাসামরিক সংস্থা
- এটি একটি প্রাইভেট মিলিটারি কোম্পানি।
- এটি ভাড়াটে সৈনিকদের একটি গ্রুপ।
- রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রাক্তন ঘনিষ্ঠ মিত্র ইয়েভগেনি প্রিগোশিন একটি ডি ফ্যাক্টো প্রাইভেট আর্মি।
- গ্রুপটি রাশিয়ায় আইনের বাইরে কাজ করে।

অন্যদিকে,
- যেহেতু এটি রুশ স্বার্থের সমর্থনে কাজ করে ও এটি রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সরঞ্জাম গ্রহণ এবং প্রশিক্ষণের জন্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্থাপনা ব্যবহার করে, তাই ওয়াগনার গ্রুপকে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বা রাশিয়ার সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা।
- ওয়াগনারের বিভিন্ন উপাদান নব্য-নাৎসিবাদ এবং উগ্র ডানপন্থী উগ্রবাদের সাথে যুক্ত।
- এটি ইউক্রেন এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। 
- ২৪ আগষ্ট ২০২৩ সালে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ওয়াগনার প্রধান ইয়েভগেনি ভিকতোরোভিচ প্রিগোজিন মৃত্যু হয়।

উৎস: DW ওয়েবসাইট এবং বিবিসি বাংলা নিউজ।
৬৪৩.
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে LOI এর পূর্ণরূপ কি?
  1. Letter Of Intent
  2. Letter Of Identification
  3. Letter Of Inspecteon
  4. Letter Of Inpact
ব্যাখ্যা
• Letter of Intent:
- Letter Of Intent (LOI) হচ্ছে একটি দলিল যা এক পক্ষের সাথে অন্য পক্ষের ব্যবসা করার প্রাথমিক প্রতিশ্রুতি।
- চুক্তির প্রধান শর্তাবলী:
- একটি সম্ভাব্য চুক্তির প্রধান শর্তগুলির রূপরেখা দেয়।
- সাধারণত প্রধান ব্যবসায়িক লেনদেনে ব্যবহৃত হয়।
- একটি LOI-তে অন্তর্ভুক্ত শর্তাবলী হল নির্দিষ্ট শর্তাবলী, প্রয়োজনীয়তা, সময়রেখা এবং জড়িত পক্ষগুলি৷
- উভয়  পক্ষের মধ্যে একটি প্রধান পার্থক্য - Letter Of Intent অক্ষর বিন্যাসে উপস্থাপিত হয়।

উৎস: ইনভেস্টিপিডিয়া।
৬৪৪.
গ্রিস ও তুরস্কের মধ্যে কোন দ্বীপ নিয়ে বিবাদ রয়েছে?
  1. স্প্রাটলি
  2. সাইপ্রাস
  3. সেনকাকু
  4. সিসিলি
ব্যাখ্যা
সাইপ্রাস: 
- সাইপ্রাস নিয়ে গ্রিস ও তুরস্কের মধ্যে বিবাদ রয়েছে। 
- ১৯৬০ সালে সাইপ্রাস ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। 
- এটি সাইপ্রাস প্রজাতন্ত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে (যা ১৯২৫ সাল থেকে একটি ব্রিটিশ ক্রাউন কলোনি ছিল)।
- তবে গ্রিক সাইপ্রিয়ট সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং তুর্কি সাইপ্রিয়ট সংখ্যালঘুদের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত এবং ১৯৭৪ সালে তুর্কি সেনাদের দ্বীপে আক্রমণের ফলে দ্বীপটি কার্যত বিভক্ত হয়ে যায়।
- এই বিভক্তির ফলস্বরূপ দেশের উত্তর এক-তৃতীয়াংশে ১৯৭৫ সালে একটি ডি ফ্যাক্টো তুর্কি সাইপ্রিয়ট রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৩ সালে তুর্কি সাইপ্রিয়ট রাষ্ট্র একতরফাভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করে এবং উত্তর সাইপ্রাস তুর্কি প্রজাতন্ত্র (Turkish Republic of Northern Cyprus) নাম গ্রহণ করে।
- তবে এর স্বাধীনতাকে শুধুমাত্র তুরস্ক স্বীকৃতি দিয়েছে; আন্তর্জাতিকভাবে এটি অস্বীকৃত।

উৎস: Britannica.
৬৪৫.
নিচের কোন দেশটি Warsaw Pact এর সদস্য দেশ ছিলো?
  1. পূর্ব জার্মানি
  2. বুলগেরিয়া
  3. আলবেনিয়া
  4. উপরের সবকয়টি
ব্যাখ্যা
Warsaw Pact:
- Warsaw Pact বলতে বোঝায় Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি।
- উদ্দেশ্য: মূলত, আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতিতে সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধিই ছিলো এর মূল উদ্দেশ্য।
- স্বাক্ষর: ১৪ মে, ১৯৫৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- বিলুপ্ত: ১ জুলাই, ১৯৯১।

• সদস্য সংখ্যা ছিলো: ৮টি;
→ সোভিয়েত ইউনিয়ন,
আলবেনিয়া,
বুলগেরিয়া,
→ চেকোস্লাভিয়া,
পূর্ব জার্মানি,  
→ হাঙেরি,
→ পোল্যান্ড ও
→রোমানিয়া।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৬৪৬.
নিম্নের কোন দেশটি কোয়াড (Quad)–এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. চীন
  4. জাপান
ব্যাখ্যা

কোয়াড (Quad)–এর অন্তর্ভুক্ত নয় চীন।

• কোয়াড (Quad): 
-  কোয়াড (Quad) হলো- যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানকে নিয়ে গঠিত একটি অনানুষ্ঠানিক কৌশলগত নিরাপত্তা ফোরাম।
- ২০০৪ সালের ভারত মহাসাগরের সুনামির পর এই চার দেশের মধ্যে সমন্বয়মূলক আলোচনার সূত্রপাত ঘটে।
- এই আলোচনা পরবর্তীতে কৌশলগত অংশীদারিত্বে রূপ নেয়।
- ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং পরে জো বাইডেনের নেতৃত্বাধীন যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন - ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের আগ্রাসী বা শক্ত অবস্থানের জবাব দিতে এবং নজরদারি চালাতে কোয়াডকে মূল চাবিকাঠি হিসেবে ব্যবহার করছেন।
- কোয়াড মূলত সদস্য দেশের মধ্যে রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়ে থাকে।
- পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি রক্ষা, দুর্যোগ মোকাবিলা, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও বৈশ্বিক সংকট যেমন কোভিড–১৯ প্রতিরোধে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকে।

উৎস:
১. দেশ রূপান্তর;
২. Britannica. 

৬৪৭.
নিচের কোন চুক্তিটি আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য ইউরোপে কার্যকর হয়েছিল?
  1. হেলসিঙ্কি চুক্তি
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. ওয়াশিংটন চুক্তি
  4. ভিয়েনা চুক্তি
ব্যাখ্যা
হেলসিঙ্কি চুক্তি (Helsinki Accords):
- ১৯৭৫ সালে স্বাক্ষরিত এই চুক্তিটি ইউরোপে নিরাপত্তা, শান্তি এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
- এটি ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে নিরাপত্তা ও সহযোগিতা সংক্রান্ত সম্মেলনের (Conference on Security and Cooperation in Europe - CSCE) অংশ ছিল।

চুক্তির মূল বিষয়:
- সীমান্ত অখণ্ডতা বজায় রাখা।
- মানবাধিকার এবং মৌলিক স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা।
- অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ।
- অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, এবং পরিবেশগত সহযোগিতা।

অন্যান্য চুক্তি:
প্যারিস চুক্তি: এটি মূলত জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার জন্য।
ওয়াশিংটন চুক্তি: এটি ন্যাটো (NATO) প্রতিষ্ঠার জন্য ব্যবহৃত হয়।
ভিয়েনা চুক্তি: কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর।

উৎস: OSCE Official Site
Helsinki Final Act
৬৪৮.
'আজভ ব্যাটালিয়ন’ কোন দেশের সশস্ত্র বাহিনী?
  1. লিবিয়া
  2. ইরান
  3. পোল্যান্ড
  4. ইউক্রেন
ব্যাখ্যা
আজভ ব্যাটালিয়ন:
- আজভ ব্যাটালিয়ন ইউক্রেনের একটি সশস্ত্র আধা-সামরিক গোষ্ঠী।
- এর সব সদস্যই স্বেচ্ছাসেবী।
- এই গোষ্ঠীটি অতি-জাতীয়তাবাদী।
- এরা নব্য-নাৎসিবাদ ও শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদ প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে।
- এরা নিজেদের নব্য-নাৎসি পরিচয় দিয়ে থাকে।
- ২০১৪ সালের মে মাসে স্বেচ্ছাসেবী গোষ্ঠী হিসেবে আজভ ব্যাটালিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর উদ্যোক্তা ছিল একদল ইউক্রেনীয় অতি-জাতীয়তাবাদী এবং নব্য-নাৎসি সোশ্যাল ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি (এসএনএ) গোষ্ঠী।
- পরে একে ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে 'ইনটারভেনশন ইউনিট' হিসেবে যুক্ত করা হয়।
- আজভ ব্যাটালিয়নের প্রতিষ্ঠাতা আন্দ্রেই বিলেতস্কি।

উল্লেখ্য,
- আজভ ব্যাটালিয়নের সদস্যসংখ্যা প্রায় ৯০০।
- তাদের অধিকাংশই প্যারামিলিটারি।
- এই ব্যাটালিয়নের সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেয় ইসরায়েলি আর্মির কর্মকর্তারা।
- বর্তমানে আজভ ব্যাটালিয়নের খরচ বহন করেন অলিগার্ক ইগর কলোময়েস্কি (ইউক্রেনিয়ান বিদ্যুৎ গ্রিডের মালিক)।

⇒ ২০১৪ সালে ২ মে এই প্যারামিলিটারি বাহিনী ওডেসায় হাউস অভ ট্রেড ইউনিয়নসে হামলা চালিয়ে গণহত্যা চালায়।
- এছাড়া দনবাস (ইউক্রেনের রুশপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদী দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চল) অঞ্চলে রুশপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ওপর হামলা চালিয়ে হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে এই আজভ গোষ্ঠী।
- ২০১৫ সালে এক ব্যক্তিকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার পর কুখ্যাত হয়ে ওঠে আজভ ব্যাটালিয়ন।
- ২০১৮ সালে আজভ ইউনিট রোমা সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সুসংগঠিত লুণ্ঠন ও হত্যাকাণ্ড চালায়।

উৎস: i) ১ মার্চ, ২০২২, Al Jazeera।
ii) ১৭ মার্চ, ২০২২, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
৬৪৯.
'হুথি আনসারুল্লাহ' কোন দেশের মিলিশিয়া সংগঠন?
  1. ক) ইরান
  2. খ) ইয়েমেন
  3. গ) ইরাক
  4. ঘ) সুদান
ব্যাখ্যা
The Houthis were formed by Zaidite scholars, a Shia sect who have lived in Yemen for over a thousand years and also ruled the country for several centuries. Their rebellion against the Saudi-backed government began about a decade ago.
The Houthis are a small group of people who live in the north of Yemen, and they have been nursed by Iran to fight against Saudi Arabia and the Sanaa government as part of the Iranian project of planting regional agents similar to Hezbollah in Lebanon.
Over time, the Houthis became similar to other Iranian armed groups in the region who are trained in the use of arms, organization.
Ansarullah is the name of the Houthi militias.

Source: www.trtworld.com, arabnews.com
৬৫০.
১৯৬৭ সালের আরব-ইসরাইল যুদ্ধের স্থায়িত্ব ছিল-
  1. ৫ দিন
  2. ৬ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ৮ দিন
ব্যাখ্যা

১৯৪৮ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ সংঘটিত হয় ৪ বার।
- প্রথম আরব ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৪৭-৪৮ সালে।
- দ্বিতীয় আরব ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৫৬ সালে।
- তৃতীয় আরব ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৬৭ সালে।
- ১৯৬৭ সালে ইসরাইল পূর্ব জেরুজালেম দখল করেছিল। এই যুদ্ধের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ৬ দিন।
- চতুর্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৭৩ সালে।
- ১৯৭৩ সালেই মধ্যপ্রাচ্যে প্রথম তেল অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।

৬৫১.
TPNW চুক্তিতে স্বাক্ষরিত দেশের সংখ্যা - [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ৯৩টি
  2. ১০৩টি
  3. ১০৪টি
  4. ৯৪টি
ব্যাখ্যা
TPNW:
- TPNW-এর পূর্ণরূপ: The Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons.
- এটি পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- এই চুক্তিতে যেকোনো পারমাণবিক অস্ত্র কার্যক্রমে অংশগ্রহণের উপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- এর মধ্যে রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্রের বিকাশ, পরীক্ষা, উৎপাদন, অর্জন, অধিকার, মজুদ, ব্যবহার বা হুমকি না দেওয়ার অঙ্গীকার।

উল্লেখ্য,
- পরমাণু অস্ত্র মুক্ত বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ৭ জুলাই পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি গৃহিত হয়।
- চুক্তির পক্ষে ভোট দেয়: ১২২টি দেশ।
- চুক্তির বিপক্ষে ভোট দেয়: ১টি দেশ (নেদারল্যান্ডস)।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭।
- কার্যকর হয়: ২২ জানুয়ারি, ২০২১।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৯৪টি।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ ২০১৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর এটিতে স্বাক্ষর করে এবং ২০১৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর অনুমোদন করে।

উৎস: United Nations Treaty Collection ওয়েবসাইট।
৬৫২.
দক্ষিণ এশীয় দেশসমূহ কত সালে SAPTA চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ১৯৮৪ সালে
  4. ২০০৩ সালে
ব্যাখ্যা
• SAPTA:
- পূর্ণরূপ: 'SAARC Preferential Trading Arrangement'.
- সার্কভূক্ত দেশগুলোর বাণিজ্য ঘাটতি, উৎপাদিত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে বৈষম্য নিরসন ও শুল্ক সুবিধা নিশ্চিতের জন্য সাপটা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- সার্কভুক্ত তৎকালীন ৭টি দেশ (বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কা) এই বাণিজ্যিক চুক্তি করে।
- স্বাক্ষরের সময় - ১১ এপ্রিল, ১৯৯৩ সাল চুক্তি। 
- স্বাক্ষরের স্থান - ঢাকা, বাংলাদেশ। 
- চুক্তি কার্যকর - ৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ সাল। 
- সদস্য সংখ্যা: ৭টি। 

সূত্র: সার্ক ওয়েবসাইট।
৬৫৩.
সম্প্রতি, কোন দেশ আর্মেনিয়া-আজারবাইজান শান্তিচুক্তির মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. রাশিয়া
  2. তুরস্ক
  3. ইরান
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
আর্মেনিয়া-আজারবাইজান শান্তিচুক্তি:
- ৮ আগস্ট, ২০২৫ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হোয়াইট হাউসে ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলের রাষ্ট্র আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে। 
- অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ এবং আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশনিয়ান।
- এর মধ্য দিয়ে কয়েক দশকের সংঘাতের অবসান এবং দীর্ঘস্থায়ী মিত্রতা তৈরি হবে বলে প্রত্যাশা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।
- শান্তিচুক্তির পাশাপাশি উভয় দেশের সাথে করিডোর ও বাণিজ্য ইস্যুতে পৃথক চুক্তি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।
 
উল্লেখ্য,
- বিতর্কিত নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলে নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান কয়েক দশক ধরে বিবাদে লিপ্ত।
- অঞ্চলটি আজারবাইজানের ভূখণ্ডের ভেতরে অবস্থিত হলেও ১৯৯৪ সালের এক যুদ্ধের পর থেকে আর্মেনিয়ার সমর্থনে জাতিগত আর্মেনীয় বাহিনী ওই অঞ্চলটি নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।
- আর্মেনিয়া নাগোর্নো কারাবাখের দখল নেয়ার পর কয়েক দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘাত হয় দুই দেশের মধ্যে।
- ২০২৩ সালে পুনরায় অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ নেয় আজারবাইজান।

তথ্যসূত্র- নিউজ প্রতিবেদন। [Link]
৬৫৪.
নিচের কোন দেশটি কোয়াডের অন্তর্ভুক্ত নয়? (আগস্ট-২০২৫)
  1. জাপান
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা

কোয়াড (Quad):
- চতুর্পক্ষীয় নিরাপত্তা সংলাপ (Quadrilateral Security Dialogue) বা সংক্ষেপে কোয়াড হল একটি অনানুষ্ঠানিক কৌশলগত নিরাপত্তা ফোরাম।
- যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং ভারত এই চারটি দেশের জোট হচ্ছে কোয়াড।
- ২০০৭ সালে কোয়াড গঠনের পর দীর্ঘদিন এর কোন তৎপরতা না থাকলেও ১২ নভেম্বর ২০১৭ এক বৈঠকের মাধ্যমে কোয়াড আবারো সক্রিয় হয়ে ওঠে।
- ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে কোয়াডের সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
- মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও ভারত 'ভারত মহাসাগর' ও 'প্রশান্ত মহাসাগরে' নৌপথে অবাধ চলাচল বা স্বাধীন চলাচলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই জোট গঠিত হয়।

উৎস: Council on Foreign Relations.

৬৫৫.
FARC গেরিলারা কোন আদর্শদ্বারা অনুপ্রাণিত?
  1. সুন্নি ইসলামী
  2. শিয়া ইসলামী
  3. মার্কসবাদ
  4. ইহুদীবাদ
ব্যাখ্যা
• FARC গেরিলারা মূলত মার্কসবাদী আদর্শে বিশ্বাসী। 

• ফার্ক (FARC):
- ফার্ক বা Revolutionary Armed Forces of Colombia হচ্ছে ল্যাটিন আমেরিকার একটি পুরনো গেরিলা সংগঠন।
- কলম্বিয়া কেন্দ্রিক এই গেরিলা সংগঠনটি ১৯৬৪ সালের পর থেকেই সশস্ত্র সংগ্রাম পরিচালনা করে আসছে।
- তবে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট জুয়ান ম্যানুয়েল সানতোস ফার্ক গেরিলাদের সাথে ২০১৬ সালের ২৫ আগস্ট একটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করেছেন।
- এর মধ্যে দিয়ে অস্ত্রধারী ফার্ক সদস্যরা মূল ধারায় ফিরে আসবেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬৫৬.
কয়টি দেশের মধ্যে ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ডেটন শান্তি চুক্তি (Dayton Peace Agreement):
- ডেটন শান্তি চুক্তির পূর্ণনাম - General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina।
- বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয়। এই জন্য এই চুক্তিকে ডেটন শান্তি চুক্তি বলা হয়।
- ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বিল ক্লিন্টন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী - ওয়ারেন ক্রিস্টোফার।
- চুক্তিটির প্রধান শান্তি আলোচক - রিচার্ড হলব্রোক।
- চুক্তির খসড়া প্রস্তুত - ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - প্যারিস, ফ্রান্স
- চুক্তির পক্ষ সমূহ - বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী -
১. বসনিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ।
২. ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
৩. সার্বিয়ার পক্ষে - স্লোভাদান মিলোসোভিচ।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।
৬৫৭.
“বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও পারস্পরিক সহায়তার চুক্তি” নামে পরিচিত ছিল কোন চুক্তি? 
  1. ন্যাটো
  2. ওয়ারশ চুক্তি
  3. মার্শাল পরিকল্পনা
  4. ব্রেটন উডস চুক্তি
ব্যাখ্যা

• ওয়ারশ চুক্তি: 
- ওয়ারশ চুক্তি ছিল স্নায়ুযুদ্ধকালীন একটি সামরিক জোট।
- এই জোট সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পূর্ব ও মধ্য ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোকে একত্র করেছিল।
- আনুষ্ঠানিকভাবে এটি “বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও পারস্পরিক সহায়তার চুক্তি” নামে পরিচিত ছিল। 
- এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল- ন্যাটো–এর মোকাবিলায় একটি সমন্বিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
-  ১৯৫৫ সালে পশ্চিম জার্মানি ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার পরই সোভিয়েত ইউনিয়ন এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে ওয়ারশ চুক্তি প্রতিষ্ঠা করে।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লোভাকিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া প্রথমে এতে যুক্ত ছিল।   -পরে আলবেনিয়া ও পূর্ব জার্মানি জোট থেকে সরে যায়।

উল্লেখ্য,
- এই জোটের অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল যে কোনো সদস্য রাষ্ট্র আক্রান্ত হলে অন্য সদস্যরা সম্মিলিতভাবে তার নিরাপত্তায় এগিয়ে আসবে।
- জোটের একমাত্র যৌথ সামরিক পদক্ষেপ ছিল ১৯৬৮ সালের “প্রাগ স্প্রিং” দমন অভিযান, যেখানে সোভিয়েত ইউনিয়নসহ পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া ও পূর্ব জার্মানির বাহিনী অংশগ্রহণ করে।
- রাজনৈতিক পরিবর্তন ও সোভিয়েতের প্রভাব কমে যাওয়ার ফলে, ১৯৯১ সালের ৩১ মার্চ ওয়ারশ চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হয়।
উৎস:  Britannica.

৬৫৮.
পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ সংক্রান্ত চুক্তি কোনটি?
  1. PTN
  2. CTBT
  3. NPT
  4. CTB
ব্যাখ্যা

• Treaty on the Non-Proliferation of Nuclear Weapons (NPT)
- ​পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (NPT)।

​চুক্তির সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (NPT) হলো একটি যুগান্তকারী আন্তর্জাতিক চুক্তি,
 তিনটি প্রধান লক্ষ্য:
পারমাণবিক অস্ত্র ও প্রযুক্তির বিস্তার রোধ করা
পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি
পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ এবং সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নেওয়া
এনপিটি হলো পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্রগুলির নিরস্ত্রীকরণের লক্ষ্যে একমাত্র বাধ্যতামূলক বহুপাক্ষিক চুক্তি।

​চুক্তির ইতিহাস ও বর্তমান অবস্থা:
- স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত: ১৯৬৮ সাল
- কার্যকর হয়: ১৯৭০ সাল
- অনির্দিষ্টকালের জন্য সম্প্রসারণ: ১১ মে ১৯৯৫
- সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা: ১৯১টি রাষ্ট্র (এর মধ্যে ৫টি পারমাণবিক অস্ত্রধারী)
- এটি যেকোনো অস্ত্র সীমাবদ্ধতা বা নিরস্ত্রীকরণ চুক্তির চেয়ে বেশি রাষ্ট্র দ্বারা অনুমোদিত।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট.

৬৫৯.
'NATO'- এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ওয়াশিংটন
  2. ভেনিজুয়েলা
  3. বেলজিয়াম
  4. লাওস 
ব্যাখ্যা

• ন্যাটো (NATO):
- ন্যাটো (NATO) ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে উত্তর আটলান্টিক চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর মূল লক্ষ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্ভাব্য আগ্রাসন থেকে পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। 
- ন্যাটোর পূর্ণরূপ হলো- North Atlantic Treaty Organization.
- সংস্থাটির সদর দপ্তর বর্তমানে বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত। 
- বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য দেশের সংখ্যা ৩২টি এবং 
- সর্বশেষ সদস্য দেশ হলো সুইডেন, যা ২০২৪ সালের মার্চে যোগ দেয়।

উল্লেখ্য, 
- সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা জোরদার করা এবং সম্মিলিত প্রতিরক্ষার নীতি অনুসারে যৌথভাবে তাদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা রক্ষা করাই ন্যাটোর প্রধান কাজ।
- ২০২৫ সালের ২৪–২৫ জুন নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে প্রথমবারের মতো ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে নেদারল্যান্ডসের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটে নতুন মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

উৎস:
১. Britannica;
২. প্রথম আলো। 

৬৬০.
'ISI' কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ভারত
  3. পাকিস্তান
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা:
- বাংলাদেশ: National Security Intelligence (NSI), Criminal Investigation Department (CID), Detective Branch (DB).
- ভারত: Research and Analysis Wing (RAW), Central Bureau of Investigation (CBI).
- পাকিস্তান: Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA).
- রাশিয়া: Federal Security Service (FSB).
- ব্রিটেন: SIS/MI6 - Secret Intelligence Service (SIS) and Military Intelligence, Section 6 (MI6).
- ইসরায়েল: MOSSAD, Shin Bet (Shabak), Aman.
- ইরান: SAVAK.

তথ্যসূত্র - Britannica.com and WorldAtlas.com

৬৬১.
কোন চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপের ত্রিশ বছরের যুদ্ধের অবসান হয়? 
  1. ডেটন চুক্তি
  2. ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
  3. প্যারিস চুক্তি
  4. লুজান চুক্তি 
ব্যাখ্যা

• ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি:
- ত্রিশ বছরব্যাপী অবিরামভাবে যুদ্ধ করার পর বিপর্যস্ত ইউরোপের সকল দেশের প্রতিনিধিরা ১৬৪৮ সালে ওয়েস্টফেলিয়াতে মিলিত হয়ে দুটি ভিন্ন শান্তিচুক্তি পাস করে।
- ১৬৪৮ সালের ২৪শে অক্টোবর ওয়েস্টাফেলিয়া চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে দীর্ঘ ত্রিশ বছরব্যাপী ধর্মজনিত এই যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
- ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি ইউরোপের শান্তির স্বপক্ষে প্রথম এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
- এটি ইউরোপকে একটি আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে আসতে সক্ষম হয়।
- এই সন্ধির ভূ-খন্ডগত সীমানা নেপোলিয়নের যুগ পর্যন্ত বহাল থাকে।

অন্যদিকে:
- বসনিয়া সংকট সমাধানে ডেটন শান্তি চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- লুজান চুক্তিই প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তকারী চূড়ান্ত চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধিনতা যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে ফ্রান্সের প্যারিসে যে চারটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল তাদেরকে একত্রে প্যারিস চুক্তি বা পিস অব প্যারিস বলা হয়।

উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৬২.
'FBI' কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ইসরায়েল
  2. ইরান
  3. যুক্তরাজ্য
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
FBI:
- FBI এর পূর্ণরূপ Federal Bureau of Investigation.
- FBI মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২৬ জুলাই, ১৯০৮ সাল।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন পেনসিলভানিয়া এভিনিউ, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান পরিচালক: ক্যাশ প্যাটেল। (জুন, ২০২৫)
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন।
- FBI মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে সংঘটিত অপরাধের অনুসন্ধান এবং দেশি-বিদেশি যেকোন নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা ও সুরক্ষা প্রদানে নিয়োজিত।

তথ্যসূত্র - FBI অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬৬৩.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় কবে?
  1. ক) ২৫ জুলাই, ১৯১৪
  2. খ) ২৬ জুলাই, ১৯১৪
  3. গ) ২৭ জুলাই, ১৯১৪
  4. ঘ) ২৮ জুলাই, ১৯১৪
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ একটি বৈশ্বিক যুদ্ধ, যা ১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই ইউরোপে শুরু হয়।
- ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
- ১৯১৪ সালে অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান সাম্রাজ্যের হবু সম্রাট ডিউক ফার্দিনান্দ সিংহাসনে আরোহণের কিছুদিন আগে সারায়েভো শহরে স্ত্রীসহ সার্বিয়ান বিচ্ছিন্নতাবাদী আততায়ীর গুলিতে নিহত হন।
-  প্রথম বিশ্বযুদ্ধে এক পক্ষে ছিল উসমানীয় সাম্রাজ্য, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি, জার্মানি ও বুলগেরিয়া।এদের বলা হতো কেন্দ্রীয় শক্তি। আর অপর পক্ষে মিত্রশক্তি হিসেবে পরিচিত ছিল সার্বিয়া, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জাপান, ইতালি, রুমানিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- এই মহাযুদ্ধে প্রায় ১৮৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রত্যক্ষ ও ১৫১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পরোক্ষ খরচ হয়।
- ১৯১৭ সালে রোমান সাম্রাজ্য, ১৯১৮ সালে জার্মান ও অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় সাম্রাজ্য এবং ১৯২২ সালে উসমানীয় সাম্রাজ্যের পতন ঘটে। জন্ম হয় অনেক নতুন রাষ্ট্রের।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ,১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০।
৬৬৪.
'Extradition' বলতে কী বোঝায়?
  1. শরণার্থীকে আশ্রয় দেওয়া
  2. ভিসা ছাড়াই অন্য দেশে প্রবেশ
  3. যুদ্ধ ঘোষণা
  4. অপরাধীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়ে বিচার করা
ব্যাখ্যা

Extradition Treaty:
- 'Extradition' (প্রত্যর্পণ) হলো একটি আনুষ্ঠানিক আইনি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে এক দেশ অন্য দেশে পালিয়ে যাওয়া অপরাধী বা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বিচারের মুখোমুখি করার জন্য নিজ হেফাজতে ফিরিয়ে আনে। 
- এটি সাধারণত দুটি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি। 
- এই চুক্তি সাধারণত দুই বা ততোধিক দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়, যাতে এক দেশ অপরাধীকে অন্য দেশ থেকে প্রত্যর্পণ করতে পারে, যদি সেই ব্যক্তি ওই দেশের আইনের অধীনে অপরাধ করেছে এবং সে দেশে বিচারের মুখোমুখি হওয়ার জন্য ফেরত পাঠানো প্রয়োজন।
- এই চুক্তি অনুযায়ী, দুই দেশ তাদের নাগরিকদের অপরাধের জন্য একে অপরকে ফেরত পাঠানোর জন্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।

• গুরুত্বপূর্ণ শর্তসমূহ:
- প্রত্যর্পণের জন্য অপরাধটি উভয় দেশে অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে হবে।
- যদি অনুরোধকারী দেশে অভিযুক্ত ব্যক্তির প্রতি অমানবিক আচরণ বা মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকি থাকে, তবে সাধারণত প্রত্যর্পণ করা হয় না।
- অপরাধীর বিরুদ্ধে যথাযথ প্রমাণ থাকতে হবে।
- রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে করা অপরাধ বা রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীদের সাধারণত প্রত্যর্পণ করা হয় না।

উৎস: Britannica.

৬৬৫.
বর্তমানে কতটি দেশ CTBT (Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty) তে স্বাক্ষর করেছে?(জানুয়ারি-২০২৫)
  1. ১৬২ টি
  2. ১৮৩ টি
  3. ১৮৫ টি
  4. ১৮৭ টি
ব্যাখ্যা
• CTBT:
- CTBT এর পূর্ণরূপ হলো Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty।
- এই চুক্তির প্রধান উদ্দেশ্য হলো সামরিক এবং বেসামরিক উভয় ধরনের পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধ করা।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এই চুক্তি গ্রহণ করে ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬ সালে এবং এটি স্বাক্ষরিত হয় ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬ সালে।
- বর্তমানে এই চুক্তিতে ১৮৭টি দেশ স্বাক্ষর করেছে।

• CTBTO (Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty Organization):
- পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণের দায়িত্বে থাকা সংস্থা হলো CTBTO (Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty Organization)।
- সদর দপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

উৎস: CTBTO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬৬৬.
নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন বা সামরিক জোট কত সালে সাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৩৯
  2. ১৯৪৩
  3. ১৯৪৯
  4. ১৯৬০
ব্যাখ্যা

♦ নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন বা সামরিক জোট ১৯৪৯ সালে সাক্ষরিত হয়।

NATO:

- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।

⇒ ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটনে এক চুক্তির মাধ্যমে ন্যাটো গঠিত হয়েছিল।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসনের হাত থেকে পশ্চিম বার্লিন এবং ইউরোপের নিরাপত্তা বাস্তবায়ন করা।
- ন্যাটো একটি যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি, যে চুক্তির আওতায় জোটভুক্ত দেশগুলো পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
- এর প্রত্যেকটি সদস্য রাষ্ট্র তাদের সামরিক বাহিনীকে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখতে বদ্ধপরিকর।
 - এছাড়াও, ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

৬৬৭.
নিচের কোনটির সাথে 'ফেয়ার ফ্যাক্স' সম্পর্কিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্রের টেলিফোন সংস্থা
  2. যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা
  3. যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা
  4. যুক্তরাজ্যের সংবাদ সংস্থা
ব্যাখ্যা
ফেয়ার ফ্যাক্স:
- ফেয়ারফ্যাক্স হলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থা।
- সংস্থাটি অর্থনৈতিক বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থা হিসাবে কাজ করে।
• যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থা: সিআইএ, এফবিআই, এনজিএ, এনএসএ, আইএনআর ইত্যাদি।

উৎস: যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।
৬৬৮.
কোন প্রণালি তাইওয়ান ও চীনকে পরস্পর থেকে পৃথক করেছে?
  1. ক) সুন্দা প্রণালি
  2. খ) মালাক্কা প্রণালি
  3. গ) বেরিং প্রণালি
  4. ঘ) ফরমোজা প্রণালি
ব্যাখ্যা
ফরমোজা প্রণালি চীন ও তাইওয়ানকে পরস্পর থেকে পৃথক করেছে এবং দক্ষিণ ও পূর্ব চীন সাগরকে যুক্ত করেছে।

অন্যদিকে,
মালাক্কা প্রণালি ইন্দোনেশিয়া থেকে মালয়েশিয়াকে পৃথক করেছে।
সুন্দা প্রণালি ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপ ও সুমাত্রা দ্বীপকে পরস্পর থেকে পৃথক করেছে।
বেরিং প্রণালি রাশিয়া তথা এশিয়াকে উত্তর আমেরিকা থেকে পৃথক করেছে।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট)
৬৬৯.
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ নিষিদ্ধকারী ‘প্যারিস প্যাক্ট’ স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ৫ জানুয়ারি, ১৯২৮
  2. ৩ নভেম্বর, ১৯২৮
  3. ১২ আগস্ট, ১৯২৮
  4. ২৭ আগস্ট, ১৯২৮
ব্যাখ্যা
প্যারিস প্যাক্ট (Kellogg - Briand Pact):
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতার থেকে মানুষ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ সম্পর্কে সচেতন হয়।
- আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ নিষিদ্ধকারী চুক্তি হলো 'প্যারিস প্যাক্ট'।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৭ আগস্ট, ১৯২৮।
- এই চুক্তির অন্যনাম Kellogg - Briand Pact.
- তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী Frank B. Kellogg ও ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Aristide Briand আলোচনার মাধ্যমে এই চুক্তির খসড়া তৈরি করেন।

উৎস: History.com
৬৭০.
কোন চুক্তিটি অটোয়া চুক্তি(Ottawa Treaty) নামে পরিচিত?
  1. ক) Mine Ban Treaty
  2. খ) Anti Ballistic Missile Treaty
  3. গ) Biological Weapons Conventions
  4. ঘ) Chemical Weapons Conventions
ব্যাখ্যা
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি(Mine Ban Treaty)-এর অন্য নাম অটোয়া চুক্তি(Ottawa Treaty)। কানাডার অটোয়াতে ১৯৯৭ সালের ৩রা ডিসেম্বর চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। যা কার্যকর হয় ১লা জুলাই ১৯৯৯ সালে। সব ধরণের স্থলমাইন ব্যবহার, উৎপাদন ও মজুদ নিষিদ্ধকরণ এবং ধ্বংস করা হল এই চুক্তির উদ্দেশ্য। চীন, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, পাকিস্তান, ভারত, উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, ইরান, ইসরায়েল ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ দেশ চুক্তিটি স্বাক্ষর করেনি। সূত্র- লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৬৭১.
'OSCE' কোন অঞ্চলের আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংগঠন?
  1. ইউরোপ
  2. দক্ষিণ- পূর্ব এশিয়া
  3. উত্তর আমেরিকা
  4. আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
OSCE:
- OSCE-এর পূর্ণরূপ: The Organisation for Security and Co-Operation in Europe.
- এটি হলো ইউরোপের বৃহত্তম আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংগঠন।
- সদস্য: ৫৭টি দেশ।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৫ সালে (হেলসিঙ্কি চুক্তির মাধ্যমে)।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান মহাসচিব: ফেরিদুন এইচ. সিনিরলিওগলু (Feridun H. Sinirlioğlu - তুর্কিয়ে)।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭০-এর দশকের ডিটেনটে পর্বে পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে সংলাপের জন্য Conference on Security and Cooperation in Europe (CSCE) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৫ সালের হেলসিঙ্কি চুক্তি CSCE-কে একটি বহুপাক্ষিক ফোরাম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে, যা রাজনৈতিক, সামরিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত এবং মানবাধিকার বিষয়ক প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছিল।
- ১৯৯০ সালের প্যারিস শীর্ষ সম্মেলনে CSCE নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।
- এরপর, ১৯৯৪ সালে বুদাপেস্ট শীর্ষ সম্মেলনে CSCE এর নাম পরিবর্তন করে OSCE রাখা হয়।

উৎস: OSCE ওয়েবসাইট।
৬৭২.
নিচের কোন দেশটি রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি?
  1. ইরান
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ইসরায়েল
ব্যাখ্যা
Chemical Weapons Convention (CWC):
- CWC রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি।
- CWC এর পূর্ণরূপ Chemical Weapons Convention.
- এটি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- চুক্তির বিষয়: রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
- যে সকল দেশের হাতে রাসায়নিক অস্ত্র রয়েছে তাদেরকে এই অস্ত্র ধ্বংস করার কথাও বলা হয়েছে।
- ১৯৯২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের দপ্তরে নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক সম্মেলন (Conference on Disarmament) অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন বন্ধের চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করা হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৯৩টি।
- ইসরায়েল স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ও OPCW ওয়েবসাইট।
৬৭৩.
‘ড্রোন’ কী?
  1. ক) আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র
  2. খ) আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
  3. গ) চালকবিহীন বিমান
  4. ঘ) বিমানবাহী রণতরী
ব্যাখ্যা
‘ড্রোন’ হলো এক প্রকার চালকবিহীন বিমান।
এটি Unmanned Aerial Vehicles(UAVs) কিংবা Remotely Piloted Aerial Systems (RPAS) নামেও পরিচিত।
এ ধরনের বিমান মনুষ্যচালিত বিমান থেকে আকারে ছোট হয়ে থাকে।
যেসব ক্ষেত্রে পাইলট চালিত বিমানের বিচরণ ঝুঁকিপূর্ণ কিংবা পাইলটের সংকট রয়েছে সেসব ক্ষেত্রে সাধারণত ড্রোন ব্যবহৃত হয়।
বর্তমান বিশ্বে সামরিক ক্ষেত্রে ড্রোনের ব্যবহার উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।
(সূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
৬৭৪.
সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশকে কোন বিমান উপহার দেয়?
  1. মুজিব-৭১
  2. বি-৫২
  3. মিগ ২১
  4. স্টেলথ
ব্যাখ্যা
♦মিগ-২১
- মিগ-২১ (ন্যাটো কোড: ফিশবেড) ওরফে বালালাইকা ওরফে পেন্সিল।
- যা বিশ্বের সর্বাধিক নির্মিত সুপারসনিক গতিসম্পন্ন জেট যুদ্ধ বিমান।
- এ বিমান ৬০টিরও বেশি দেশের হয়ে আকাশে উড়েছে, লড়েছে মধ্যপ্রাচ্য আর পূর্ব এশিয়া আর আফ্রিকার রণাঙ্গনে।
- ভূপতিত করেছে অসংখ্য পশ্চিমা বিমান। দক্ষ পাইলটের হাতে পড়লে মিগ-২১ যথার্থই হয়ে উঠত ভয়ংকর। 
- মুক্তিযুদ্ধের পর তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে ১২ টি মিগ-২১ উপহার দেয়।
- বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রথম ফাইটার বিমান মিগ-২১। 

উৎস: প্রথম আলো। 
৬৭৫.
আটলান্টিক সনদ কোনটির প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত?
  1. ক) গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড
  2. খ) জাতিসংঘ
  3. গ) বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা
  4. ঘ) বেনেলাক্স
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক সনদ জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত। ১৯৪১ সালের ১৪ আগস্ট আটলান্টিক মহাসাগরে ব্রিটিশ রণতরী প্রিন্স অব ওয়েলসে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল যৌথভাবে যে ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন তা আটলান্টিক সনদ নামে পরিচিত।
এটি কোন আনুষ্ঠানিক বা চূড়ান্ত চুক্তি নয়। এটিকে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার দ্বিতীয় ধাপ বিবেচনা করা হয়।
(সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৬৭৬.
"স্টার্ট চুক্তি" (START) কোন ধরনের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের জন্য?
  1. রাসায়নিক অস্ত্র
  2. ল্যান্ডমাইন
  3. পারমাণবিক অস্ত্র
  4. বায়োলজিক্যাল অস্ত্র
ব্যাখ্যা
স্টার্ট চুক্তি (START):
- পূর্ণ নাম: Strategic Arms Reduction Treaty
- গৃহীত হয়: ৩১ জুলাই, ১৯৯১
- কার্যকর: ৫ ডিসেম্বর, ১৯৯৪
- উদ্দেশ্য: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের (পরবর্তীতে রাশিয়া) মধ্যে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র কমানো।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা নিয়ন্ত্রণের প্রয়াস।
- পারমাণবিক অস্ত্রবাহী ক্ষেপণাস্ত্র এবং বোমারু বিমানের সংখ্যা সীমিত করা।
- আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (ICBM), সাবমেরিন-লঞ্চড ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (SLBM) এবং কৌশলগত বোমারু বিমানের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ।

গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়:
START I: ১৯৯১ সালে স্বাক্ষরিত এবং ২০০৯ সালে মেয়াদ শেষ।
START II: ১৯৯৩ সালে স্বাক্ষরিত, কিন্তু কার্যকর হয়নি।
New START:
২০১০ সালে স্বাক্ষরিত এবং বর্তমানে কার্যকর।
৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১-এ কার্যকর হয়৷
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ান ফেডারেশন ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ পর্যন্ত চুক্তিটি বাড়ানোর জন্য সম্মত হয়েছে।

উৎস: i) Arms Control Association
ii) Britannica
৬৭৭.
পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (TPNW) স্বাক্ষরকারী দেশ কয়টি? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ৯০টি
  2. ৯৪টি
  3. ৮৭টি
  4. ৮৫টি
ব্যাখ্যা

• পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (TPNW):
- পূর্ণরূপ: Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
স্বাক্ষরকারী দেশ: ৯৪টি দেশ।
- কার্যকর হয়: ২২ জানুয়ারি ২০২১ (৫০টি দেশ চুক্তি অনুমোদন দেওয়ার পর)।
- অনুমোদনকারী দেশ: ৭৩টি দেশ।
- স্বাক্ষর করেনি: পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশগুলো (যেমন: যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া, ইসরায়েল)।
- স্বাক্ষর করে অনুমোদন দেয়নি: জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, ন্যাটো সদস্য দেশগুলো।
- অনুসমর্থকারী দেশ: বাংলাদেশসহ ৭৩টি দেশ।
- লক্ষ্য: পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার ও মজুত সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা।
- এবং পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে বৈশ্বিক প্রচেষ্টা জোরদার করা্

উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশ ২০১৭ সালে চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- এবং ২০১৯ সালে এটি অনুমোদন করে।

উৎস: TPNW ওয়েবসাইট।[Link]

৬৭৮.
নেপাল থেকে পরীক্ষামূলকভাবে কত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পায় বাংলাদেশ?
  1. ২০ মেগাওয়াট
  2. ৩০ মেগাওয়াট
  3. ৪০ মেগাওয়াট
  4. ৫০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
নেপাল থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পেল বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করেছে নেপাল। [১৫ নভেম্বর ২০২৪]
- আজ শুক্রবার ভারতীয় সঞ্চালন লাইন ব্যবহার করে এই বিদ্যুৎ পাঠানো হয়।
- আপাতত এক দিনের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে এই বিদ্যুৎ পেয়েছে বাংলাদেশ।
- নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানির জন্য গত ৩ অক্টোবর ভারত ও নেপালের সঙ্গে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি সই করে বাংলাদেশ।
- চুক্তির আওতায় ২০২৫ সালের জুন থেকে নভেম্বর পর্যন্ত পাঁচ মাসের জন্য নেপাল থেকে ভারত হয়ে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাবে বাংলাদেশ।
- স্থানীয় সময় বেলা একটার দিকে বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাঠানো হয়েছে বলে জানান নেপালের বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের (এনইএ) মুখপাত্র চন্দন ঘোষ।
- ২০২৫ সালের ১৫ জুন থেকে বাংলাদেশে নিয়মিত বিদ্যুৎ পাঠাবে নেপাল।
- নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের জ্বালানিমন্ত্রী মনোহর লাল খাত্তার ও নেপালের জ্বালানি, পানিসম্পদ ও সেচমন্ত্রী দীপক খাড়কা।

উৎস: পিটিআই, কাঠমান্ডু।
প্রথম আলো।
৬৭৯.
'Kosmos-1408' নামক গোয়েন্দা স্যাটেলাইটটি কোন দেশের?
  1. রাশিয়া
  2. ইসরায়েল
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান রাশিয়া) ১৯৮২ সালে Kosmos-1408 নামক গোয়েন্দা স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপন করে।
- এটি ২ বছর চলার পর মহাকাশে অকার্যকর হয়ে যায়।
- সম্প্রতি রাশিয়া ক্ষেপনাস্ত্র হামলা চালিয়ে নিজেদের এই স্যাটেলাইটটি মহাশূন্যে ধ্বংস করে দেয়।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট ও Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার।
৬৮০.
'অপারেশন নেপচুন স্পিয়ার' কোন গোয়েন্দা সংস্থার সাথে জড়িত?
  1. মোসাদ
  2. MI6
  3. CIA
  4. ISI
ব্যাখ্যা

- ‘অপারেশন নেপচুন স্পিয়ার’ যুক্তরাষ্ট্রের সিআইএ এর গোয়েন্দা সহায়তায় পরিচালিত একটি গোপন সামরিক অভিযান এই অভিযানটি ২০১১ সালের ১ মে পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে পরিচালিত হয়। এর লক্ষ্য ছিল ওসামা বিন লাদেনকে খুঁজে বের করে হত্যা করা।

​CIA:
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- CIA এর পূর্ণরূপ হলো Central Intelligence Agency.
- এর সদরদপ্তর ভার্জিনিয়ার ল্যাংলিতে অবস্থিত।
- CIA ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- CIA এর বর্তমান পরিচালক উইলিয়াম জে. বার্নস।

সূত্র: CIA ওয়েবসাইট ও পত্রিকা ওয়েবসাইট।

৬৮১.
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পাদিত গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি কখন শেষ হবে?
  1. ২০২৬ সালে
  2. ২০২৮ সালে
  3. ২০৩০ সালে
  4. ২০৩৫ সালে
ব্যাখ্যা
গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি:
- হিমালয়ের হিমবাহে উৎপন্ন গঙ্গা নদী।
- গঙ্গা নদী ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের গোয়ালন্দের কাছে ব্রহ্মপুত্র নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে।
- এ অঞ্চলের পানিসম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী একটি স্থায়ী যৌথ নদী কমিশন গঠনের উদ্দেশ্যে এক যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন।
- এ ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭২ সালের নভেম্বরে একটি যৌথ নদী কমিশন গঠিত হয়।
- ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর গঙ্গার পানি বন্টন সম্পর্কে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।
- ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

⇒ ফারাক্কা পানি চুক্তি:
- ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশে পানির প্রবাহ কমতে থাকার প্রেক্ষাপটে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গা চুক্তি হয়।
- চুক্তি অনুযায়ী, শুষ্ক মৌসুমে অর্থাৎ ১ জানুয়ারি - ৩১শে মে পর্যন্ত দুই দেশ চুক্তিতে উল্লেখিত ফর্মুলা অনুযায়ী পানি ভাগাভাগি করে নেবে।
- চুক্তিতে বলা হয়েছে, নদীতে ৭০ হাজার কিউসেক বা তার কম পানি থাকলে দুই দেশ সমান সমান পানি ভাগ করে নেবে।
- পানির পরিমাণ ৭০ হাজার কিউসেক থেকে ৭৫ হাজার কিউসেক হলে ৪০ হাজার কিউসেক পাবে বাংলাদেশ, অবশিষ্ট প্রবাহিত হবে ভারতে।
- আবার নদীর পানির প্রবাহ যদি ৭৫ হাজার কিউসেক বা তার বেশি হয় তাহলে ৪০ হাজার কিউসেক পানি পাবে ভারত, অবশিষ্ট পানি প্রবাহিত হবে বাংলাদেশে।

উল্লেখ্য,
- ৩০ বছরের চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের মধ্যে শেষ হবে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC বাংলা।
৬৮২.
New Start চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১০ এপ্রিল ২০১০
  2. ৯ এপ্রিল ২০১০
  3. ৮ এপ্রিল ২০১০
  4. ৭ এপ্রিল ২০১০
ব্যাখ্যা

রাশিয়া ও আমেরিকার মধ্যে সর্বশেষ ৮ এপ্রিল ২০১০ সালে সই হয় নিউ স্টার্ট চুক্তিটি।
- এই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী দুই দেশেরই তাদের প্রস্তুত পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা ১ হাজার ৫৫০-এ সীমিত করার কথা।
- একই সঙ্গে নিজেদের পরমাণু কর্মসূচির বিষয়ে অন্য পক্ষকে নিয়মিত তথ্য দেওয়ার বিষয়টিও এর অন্তর্ভুক্ত, যা দুই পক্ষের মধ্যে আস্থার ভিত তৈরি করেছিল।
- চুক্তিটি সর্বশেষ নবায়ন হয় ২০১৬ সালে। পাঁচ বছর পরপর এটি নবায়ন করার কথা।
- এ হিসাবে ২০২১ সালে বিদ্যমান চুক্তির মেয়াদ ফুরাচ্ছে।

উৎস: Britannica.com

৬৮৩.
কোন দেশগুলো 'I2U2 গ্রুপিং' এর সাথে যুক্ত?
  1. ভারত, ইরান, ইউনাইটেড কিংডম, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
  2. ভারত, ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
  3. ভারত, আয়ারল্যান্ড, ইউনাইটেড কিংডম, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
  4. ভারত, ইতালি, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
ব্যাখ্যা
• I2U2:
- নতুন অর্থনৈতিক জোট: I2U2 ( I2= India, Israel) & (U2=USA, UAE).
- প্রথম বৈঠক হয়: ১৩-১৬ জুলাই, ২০২২।
- I2U2 হল চারটি দেশ- ভারত, ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বারা গঠিত নতুন গ্রুপিং।
- I2U2 গ্রুপটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পুনঃশক্তির প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে গঠিত হয়েছে৷ 
- ভার্চুয়ালে প্রথম I2U2 শীর্ষ সম্মেলন 2022 সালে অনুষ্ঠিত হয়।
- চার দেশের নেতারা খাদ্য নিরাপত্তা সংকট ও সহযোগিতার অন্যান্য ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করেন।
- ভারতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আহমেদ আলবান্না 'I2U2' গ্রুপিংকে ‘ওয়েস্ট এশিয়ান কোয়াড’ হিসাবে উল্লেখ করেন।

সূত্র: Whitehouse.gov & The New York Times.
৬৮৪.
ভারতের গেরিলা সংগঠন JKLF কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
JKLF:
- JKLF-এর পূর্ণরূপ: Jammu Kashmir Liberation Front.
- এটি ভারতের জম্মু-কাশ্মীর অঞ্চলের স্বাধীনতাকামী গেরিলা সংগঠন।
- JKLF-এর প্রতিষ্ঠাতা আমানুল্লাহ খান এবং মকবুল ভাট।
- ১৯৭৭ সালে ব্রিটেনের বার্মিংহামে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে JKLE বিভিক্ত হয়ে পড়ে।
- ইয়াছিন মালিক নেতৃত্বাধীন অংশটিই সর্বশেষ তৎপর ছিলো।

উল্লেখ্য,
- ২০১৯ সালে ভারত সরকার ইয়াছিন মালিককে গ্রেফতার ও JKLF কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

উৎস: South Asia Terrorism Portal.
৬৮৫.
২০১৫ সালে ভারতের কয়টি ছিটমহল বাংলাদেশের অন্তর্গত হয়?
  1. ১১১টি
  2. ৫১টি
  3. ১৬২টি
  4. ৫৪টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যবর্তী ছিট্মহল বিনিময়:
- ছিটমহল বিনিময় কার্যকর হয় ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই মধ্যরাতে।
- বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে মোট ১৬২ টি ছিটমহল বিনিময় হয়।
- বাংলাদেশের মধ্যে থাকা ভারতের ১১১টি ছিটমহল বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
- ভারতের মধ্যে থাকা বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ভারতের অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলাদেশের ভাগে অন্তর্ভুক্ত ১৭,১৬০ একর জায়গা।
- ভারতের ভাগে অন্তর্ভুক্ত ৭১১০ একর জায়গা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬৮৬.
আইএস সিরিয়া, ইরাক ও লিবিয়ার বিস্তৃর্ণ অঞ্চল দখল করে নিজেদের খিলাফত ঘোষণা করে-
  1. ক) ২০১১ সালে
  2. খ) ২০১২ সালে
  3. গ) ২০১৩ সালে
  4. ঘ) ২০১৪ সালে
ব্যাখ্যা
- ইসলামিক স্টেট (আইএস) মধ্যপ্রাচ্যের একটি জঙ্গি সংগঠন।
- ২০১৪ সালে আইএস সিরিয়া, ইরাক ও লিবিয়ার বিস্তৃর্ণ অঞ্চল দখল করে নিজেদের খিলাফত ঘোষণা করে।
- এর প্রথম খলিফা ছিলেন আবু বকর আল বাগদাদি।
- তিনি ২৬ অক্টোবর ২০১৯ সিরিয়ার ইদলিব শহরে মার্কিন অভিযানে নিহত হন।
- তার মৃত্যুর পর আবু ইব্রাহিম আল হাশেমি আল কুরাইশি আইএস এর খলিফা নিযুক্ত হন।
- গত ৩ ফেব্রুয়ারি সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে আইএস প্রধানের গোপন আস্তানায় মার্কিন বিশেষ বাহিনী অভিযান চালায়। ওই অভিযানেই ইরাকি নাগরিক আবু ইব্রাহিম আল–কুরায়শি বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিজেকে উড়িয়ে দেন।

তথ্যসূত্র:- আল জাজিরা এবং প্রথম আলো।
৬৮৭.
GATT চুক্তির সর্বশেষ রাউন্ড কোনটি?
  1. Uruguay Round
  2. Tokyo Round
  3. Kennedy Round
  4. Geneva II Round
ব্যাখ্যা

GATT চুক্তির রাউন্ড:
- ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত GATT চুক্তির দুর্বলতা ও সমস্যা সমাধানের জন্য মোট ৮টি রাউন্ড সম্পন্ন হয়।
- সেগুলো হলো:
1. Geneva Round,
2. Annecy Round,
3. Torquay Round,
4. Geneva II Round,
5. Dillon Round,
6. Kennedy Round,
7. Tokyo Round,
8. Uruguay Round.

উরুগুয়ে রাউন্ড:
- GATT চুক্তির রাউন্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ রাউন্ড হচ্ছে উরুগুয়ে রাউন্ড।
- এই রাউন্ড শুরু হয় ১৯৮৬ সালের সেপ্টেম্বরে।
- ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সালে উরুগুয়ে রাউন্ডের সমাপ্তির সময়ে GATT চুক্তি সংশোধনের মাধ্যমে।
- এই রাউন্ডের সংলাপ চলে দীর্ঘ ৮ বছর ধরে।
- এর ফলে নতুন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংগঠন গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- যার ফলে ১৯৯৫ সালে জন্ম হয় World Trade Organization (WTO)-এর।

তথ্যসূত্র - WTO ওয়েবসাইট।

৬৮৮.
আলজিয়ার্স চুক্তি কোন দুটি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ইরান-ইসরায়েল
  2. ইরাক-ইরান
  3. ইরান-তুরস্ক
  4. ইরাক-কুয়েত
ব্যাখ্যা

আলজিয়ার্স চুক্তি:
- এই চুক্তিটি একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- ইরাক-ইরান দুই দেশের মধ্যে আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৭৫ সালে।
- অনুমোদিত হয়: ১৯৭৬ সালে।
- মধ্যস্থতাকারী দেশ: আলজেরিয়া।
- স্বাক্ষরের স্থান: আলজিয়ার্স, আলজেরিয়া।
- ইরানের পক্ষে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী এবং ইরাকের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর,১৯৮০ সালে চুক্তিটি অকার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com

৬৮৯.
'অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড' পরিচালনা করে কোন বিদ্রোহী গোষ্ঠী?
  1. হামাস
  2. হিজবুল্লাহ
  3. আইএস
  4. হুতি
ব্যাখ্যা
অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড:
- ইসরাইলে হামাস ৭ অক্টোবর, ২০২৩ সালে আক্রমণের মধ্য দিয়ে দুদেশের সংঘাত শুরু হয়।
- এ লড়াইয়ের নাম দেয়া হয়েছে 'অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড'।
- বস্তুত বন্যার জলের মতই সশস্ত্র হামাস বাহিনী ঢুকে পড়েছে ইসরায়েলের মূল ভূখণ্ডে।
- এর আগে ২০২১ সালে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে ১১ দিন ধরে সংঘাত চলেছিল।
- হামাস সদস্য ইজেত আল-রাশক জানান, আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে তারা লড়ছেন।
- ইহুদিদের উৎসব পর্ব চলছিলো।
- সেই উৎসবের শেষ দিনে এই আঘাত হেনেছে হামাস।
- ইসরায়েলের বন্দর শহর তেল আবিবের উত্তরে পর্যন্ত রকেট হামলা করা হয়েছে।
- সেই সাথে হামাসের সশস্ত্র বাহিনী ঢুকে পড়েছে ইসরায়েলের দক্ষিণে।

তথ্যসূত্র - ৮ অক্টোবর, ২০২৩, বিবিসি বাংলা ও দৈনিক যুগান্তর, ০৩ নভেম্বর ২০২৩।
৬৯০.
নিচের কোনটি ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. মোসাদ
  2. হামাস
  3. আমান
  4. ক ও গ
ব্যাখ্যা
ইসরাইল:
- মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর মাঝখানে ছোট্ট একটি দেশ ইসরাইল।
- রাজধানী: জেরুজালেম।
- মুদ্রা: শেকেল।
- ইসরাইলের ভাষা হিব্রু।
- ফিলিস্তিন অংশের ভূমি দখল করে রাষ্ট্র গঠন করে ইসরাইল।
- মুসলমান, ইহুদি ও খ্রিস্টান এই তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্রভূমি ফিলিস্তিনের জেরুজালেম।
- বেলফোর ঘোষণা ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ব্রিটিশ ও মার্কিনদের সহায়তায় ইহুদিরা আরব ভূমিতে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।
- তারাই একমাত্র দেশ যারা শুধুমাত্র ধর্মের ভিত্তিতে সরাসরি নাগরিকত্ব দেয়।
- গোয়েন্দা সংস্থা: মোসাদ, আমান।
- ইসরাইলের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন ডেভিড বেন গুরিয়েন।

অন্যদিকে -
- হামাস ফিলিস্তিনের গেরিলা সংগঠন।

উৎস: i) Britannica.
         ii) ১৪ নভেম্বর, ২০২৩, Al Jazeera.
৬৯১.
সিরিয়া-ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি রেখা কোনটি?
  1. ক) ব্লু লাইন
  2. খ) গ্রিন লাইন
  3. গ) পার্পল লাইন
  4. ঘ) সনোরা লাইন
ব্যাখ্যা
গোলান মালভূমি:
- ১১৫০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের একটি মালভূমি যা গোলান পর্বতমালার অংশ।
- এটি সিরিয়া-ইসরাইল সীমান্তে অবস্থিত।
- ১৯৬৭ সালের তৃতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল গোলান মালভূমির দুই-তৃতীয়াংশ দখল করে নেয়।
- পরবর্তীতে, ১৯৭৩ সালে চতুর্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল এটি ফেরত দেয়।
- গোলান মালভূমিতে সিরিয়া-ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি রেখা ‘পার্পল লাইন' নামে পরিচিত।

অন্যদিকে -
- সিগফ্রিড লাইন ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে নিরুপিত সীমারেখা।
- ব্লু লাইন ইসরাইল এবং লেবাননের মধ্যকার সীমারেখা।
- গ্রিন লাইন ইসরাইল ও তার পার্শ্ববর্তী দেশ (ইজিপ্ট, জর্ডান, লেবানন এবং সিরিয়া) এর মধ্যে অবস্থিত সীমারেখা। 

উৎস: Britannica.
৬৯২.
সম্প্রতি কোন দেশ প্রথমবারের মতো পূর্ণ পারমাণবিক 'ট্রায়াড' বা ত্রিমুখী অস্ত্রশক্তি প্রদর্শন করেছে? (সেপ্টেম্বর ২০২৫)
  1. রাশিয়া
  2. উত্তর কোরিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. চীন
ব্যাখ্যা

সামরিক কুচকাওয়াজে উন্মোচিত প্রধান অস্ত্রসমূহ:
- চীন প্রথমবার পূর্ণ পারমাণবিক ‘ট্রায়াড’ বা ত্রিমুখী অস্ত্রশক্তি প্রদর্শন করেছে।
- এই ট্রায়াড স্থল, সমুদ্র ও আকাশ থেকে একযোগে হামলা চালাতে সক্ষম।
• এতে অন্তর্ভুক্ত ছিল:
- আধুনিকায়নকৃত আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র DF-5C (পাল্লা ২০,০০০ কিমি)।
- দীর্ঘপাল্লার নতুন ক্ষেপণাস্ত্র DF-61।

এছাড়াও,
- যুদ্ধজাহাজ বিধ্বংসী 'ওয়াইজে-১৭' হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র।
- লেজারভিত্তিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা LY-1।
- উন্নত HSU-100 সামুদ্রিক ড্রোনের নতুন সংস্করণ।

উৎস - প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।

৬৯৩.
FSB কোন দেশের সংগঠন?
  1. রাশিয়া
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ইউক্রেন
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
FSB:
-  এর পূর্ণরূপ: Federal Security Service.
- Federalnaya Sluzhba Bezopasnosti
- সাবেক নাম: KGB → FSK → FSB.
- FSK (Federal Counterintelligence Service).
- বর্তমান নাম চালু করেন: Boris Yeltsin (রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট, ১৯৯৫ সালে)।
- এটি রাশিয়ার প্রধান অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থা। 
- সদর দপ্তর: লুবিয়ানকা, মস্কো, রাশিয়া।

- মূল দায়িত্বসমূহ: 
• অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা,
• সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ,
• চোরাচালান রোধ,
• ফেডারেল আইন লঙ্ঘনের তদন্ত,
• অপরাধী সনাক্তকরণ,
• সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান,

উৎস: FSB অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।
৬৯৪.
কোনটি নিরস্ত্রীকরণের সাথে সম্পৃক্ত নয়?
  1. ICSID
  2. NPT
  3. SALT
  4. CTBT
ব্যাখ্যা
CTBT - Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
SALT - Strategic Arms Limitation Talk
NPT - Non-Proliferation of Nuclear Weapons Treaty
সবগুলোই নিরস্ত্রীকরণ বা অস্ত্র সীমিতকরণের সাথে সম্পর্কিত।

ICSID: 
- এটি 
নিরস্ত্রীকরণ বা অস্ত্র সীমিতকরণের সাথে সম্পর্কিত নয়। 
- ICSID (International Centre for Settlement of Investment Disputes) হলো বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পুঁজি বিনিয়োগ জনিত বিরোধ নিষ্পত্তি করে থাকে।
- ICSID ১৯৬৬ সালের ১৪ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ICSID এর সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসি তে অবস্থিত।
- এর সদস্য সংখ্যা ১৫৮টি দেশ।
- বাংলাদেশ ICSID এর সদস্য পদ লাভ করে ১৯৮০ সালে।
 
সূত্র - বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।
৬৯৫.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. তেল রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ
  2. সুয়েজ খাল নিয়ন্ত্রণ
  3. মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি স্থাপন
  4. মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন
ব্যাখ্যা

• ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি :
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়- ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান, মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট।
- পক্ষসমূহ: মিসর-ইসরাইল।
- স্বাক্ষরকারী- মিসরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরায়েলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন।
- মধ্যস্থতাকারী- তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- উদ্দেশ্য- মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রক্রিয়ার রূপরেখা নিরূপণ এবং শান্তি স্থাপন।

উল্লেখ্য, 
- চুক্তিটির জন্য মিশরকে আরব লীগ ও ওআইসি থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।
- তৎকালীন মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত চুক্তিটির জন্য ১৯৭৮ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।
- এই চুক্তির ফলে সিনাই এলাকা, যা ইসরাইল ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে দখল করে নিয়েছিল মিশর ফিরে পেয়েছিল।
- গাজা ও জর্ডান নদীর পশ্চিমে তীরে ৫ বছরের মধ্যে স্বায়ত্তশাসন দেয়া হয়।
- এই চুক্তিতে গোলান উপত্যকা (যা ইসরাইল দখল করে নিয়েছিল) সিরিয়ার কাছে ফিরিয়ে দেয়ার ব্যাপারে কোনো সমঝোতা হয় নি ৷
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির কারণে মিসরের সাথে ইসরাইলের সম্পর্কের উন্নতি হয়েছিল বটে, কিন্তু আনোয়ার সাদাতকে প্রাণ দিতে হয়েছিল।
- অনেক আরব দেশই এই চুক্তিকে সমর্থন করেনি।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও  আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।

৬৯৬.
আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা (Interpol) এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত? (জানুয়ারি, ২০২৫)
  1. ১৯৩টি
  2. ১৯৪টি
  3. ১৯৫টি
  4. ১৯৬টি
ব্যাখ্যা

Interpol:
- Interpol হল আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা।
- এর পূর্ণরূপ International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯২৩ সাল।
- বর্তমান সদর দপ্তর: লিওঁ, ফ্রান্স।
- ১৯৪৬ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে এবং ১৯৮৯ সালে ফ্রান্সের লিওঁ শহরে সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৬টি দেশ।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: পালাউ।
- বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে: ১৪ অক্টোবর, ১৯৭৬ সাল।
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা।
- তিনি ব্রাজিলের নাগরিক।
- ২০২৪ সালের নভেম্বরে যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত ৯২তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র - ইন্টারপোল অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৬৯৭.
নিচের কোনটি Warsaw Pact-এর সদস্য ছিল না?
  1. হাঙ্গেরি
  2. রোমানিয়া
  3. ব্রিটেন
  4. বুলগেরিয়া
ব্যাখ্যা
- ব্রিটেন Warsaw Pact-এর সদস্য ছিল না। 

ওয়ারশ প্যাক্ট: 

- এর পূর্ণ নাম Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance,
- এটি ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে গঠিত একটি সামরিক জোট।
- এটি ১৯৫৫ সালের ১৪ মে পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশ শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তিতে পূর্ব ইউরোপের আটটি সমাজতান্ত্রিক দেশ— সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভাকিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড এবং রোমানিয়া। 

উল্লেখ্য, 
- ওয়ারশ প্যাক্টের মূল উদ্দেশ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা, সোভিয়েত প্রভাব বজায় রাখা এবং পশ্চিমা সামরিক শক্তি, বিশেষ করে ন্যাটোর (NATO) বিরুদ্ধে একটি যৌথ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
- এটি স্নায়ুযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে গঠিত হয়েছিল এবং সমাজতান্ত্রিক শাসন টিকিয়ে রাখার একটি কার্যকর কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
- অবশেষে, ১৯৯১ সালের ১ জুলাই এই সামরিক জোটটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। 

সূত্র: ব্রিটানিকা। 
৬৯৮.
নিচের কোনটি জাপানের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ক) SS
  2. খ) NIGA
  3. গ) AMAN
  4. ঘ) NAICHO
ব্যাখ্যা
The Cabinet Intelligence and Research Office, Naichō, is an intelligence agency of Japan, an agency of the Cabinet Secretariat, which reports directly to the Prime Minister. The agency is said to be an equal to the American Central Intelligence Agency.
৬৯৯.
কূটনীতিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও দায়মুক্তি নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক চুক্তি কোনটি?
  1. ক) রোম কনভেনশন
  2. খ) ভিয়েনা কনভেনশন
  3. গ) স্টকহোম কনভেনশন
  4. ঘ) বাসেল কনভেনশন
ব্যাখ্যা
ভিয়েনা কনভেনশন:

- কূটনীতিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও দায়মুক্তি নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক চুক্তি ভিয়েনা কনভেনশন।
- এর ১৯৬১ এর পূর্ণনাম Vienna Convention on Diplomatic Relations এই আন্তর্জাতিক চুক্তির মাধ্যমে অন্যান্য দেশে কর্মরত কূটনীতিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও দায়মুক্তি নিশ্চিত করা হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষর হয় ১৮ এপ্রিল, ১৯৬১ সালে। 
- ২৪ এপ্রিল, ১৯৬৪ সাল চুক্তিটি কার্যকর হয়।
- চুক্তির পক্ষ - ১৯২টি দেশ অনুমোদন করেছে।
- চুক্তিটি কার্যকর হওয়ার জন্য ২২টি দেশের অনুমোদন প্রয়োজন ছিল।
- ভিয়েনা কনভেনশনের ৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

তথ্যসূত্র - History.com
৭০০.
'জৈশ-ই-মোহাম্মদ' কী?
  1. ক) একটি গেরিলা সংগঠন
  2. খ) একটি ধর্মীয় সংগঠন
  3. গ) একটি প্রদেশের নাম
  4. ঘ) একটি স্থানের নাম
ব্যাখ্যা
জয়শ-ই-মুহাম্মদ:
- জয়শ-ই-মুহাম্মদ হলো পাকিস্তানভিত্তিক কাশ্মীরী গেরিলা সংগঠনের নাম
- মাওলানা মাসুদ আজহার ১৯৯৯ সালে জয়শ-ই-মুহাম্মদ প্রতিষ্ঠা করেন।
- ২০০২ সালে পাকিস্তান সরকার জয়শ-ই-মুহাম্মদকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও সংগঠনটি এখনও তৎপর রয়েছে।
- ২০০১ সালে ভারতের সংসদ ভবনে হামলা, ২০১৬ সালে পাঠানকোট বিমানঘাটিতে হামলা এবং ২০১৯ সালে পুলওয়ামায় ভারতীয় সেনাবহরে হামলার জন্যে ভারত সরকার জয়শ-ই-মুহাম্মদ কে দায়ী করে আসছে।
- জাতিসংঘ ২০১৯ সালের ১ মে মাওলানা মাসুদ আজহারকে গ্লোবাল টেরোরিস্ট হিসেবে ঘোষণা করে।

তথ্যসূত্র:- বিবিসি ওয়ার্ল্ড।