বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

মোট প্রশ্ন৩,৩৩৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

PrepBank · পাতা / ৩৪ · ৪০১৫০০ / ৩,৩৩৯

৪০১.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউরোপের পুনর্গঠনের লক্ষ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোনটি ঘোষণা করে?
  1. মার্কিন প্যাক্ট
  2. মার্শাল প্লান
  3. ট্রুম্যান ডকট্রিন
  4. মনরো ডকট্রিন
ব্যাখ্যা

মার্শাল প্লান: 
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউরোপ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ঘোষিত আর্থিক প্রণোদনা মার্শাল প্লান বা মার্শাল পরিকল্পনা নামে পরিচিত।
- তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জর্জ সি. মার্শাল এটি প্রণয়ন করেন।
- ১৯৪৮ সালের ৩ এপ্রিল তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যান এতে স্বাক্ষর করেন ও তখন থেকে কার্যকর হয়।
- ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত চার বছরের মেয়াদি এই পরিকল্পনায় ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অধিক বরাদ্দ দেওয়া হয়, যার বেশিরভাগই পায় ব্রিটেন এবং ফ্রান্স।
- ইউরোপ পুনর্গঠনের পাশাপাশি মার্শাল প্লানে পশ্চিম ইউরোপে কমিউনিজমের বিস্তার রোধ, ন্যাটো চুক্তি স্বাক্ষর, সিআইএ এর কর্মপরিধি বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন উদ্দেশ্য নিহিত ছিলো।

অন্যদিকে: 
- ট্রুম্যান ডকট্রিন: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধের সময়কালে কমিউনিজম ও সোভিয়েত প্রভাব ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের পবর্তিত পররাষ্ট্রনীতির নাম - ট্রুম্যান ডকট্রিন (Truman Doctrine)।
- মনরো ডকট্রিন ১৮২৩ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জেমস মনরো দ্বারা ঘোষিত একটি নীতি। 

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডট কম। 

৪০২.
হামাস কত সালে গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ নেয়?
  1. ২০০৫ সালে
  2. ২০০৬ সালে
  3. ২০০৭ সালে
  4. ২০০৮ সালে
ব্যাখ্যা

হামাস:
- হামাস ফিলিস্তিনের গেরিলা সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৮৭।
- প্রতিষ্ঠাতা: শেখ ইয়াসিন।
- এর সদরদপ্তর গাজায় অবস্থিত।
- সামরিক শাখা: ইজ্জেদিন আল-কাশেম ব্রিগেডস।
- গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণ নেয়: ২০০৭ সালে।

⇒ ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি দখলদারত্বের অবসানের দাবিতে ‘ইন্তিফাদা’ বা ফিলিস্তিনি গণজাগরণ শুরুর পর ১৯৮৭ সালে হামাস গঠিত হয়। কট্টর ইসরায়েলবিরোধী আধ্যাত্মিক নেতা শেখ আহমাদ ইয়াসিনের নেতৃত্বে আবদেল আজিজ আল-রান্তিসি ও মাহমুদ জহর সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- শুরু থেকেই নীতিগতভাবে প্রয়াত ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাতের স্বাধীনতাপন্থী সংস্থা পিএলও এর বিরোধিতা করে আসছে দলটি।
- তাদের প্রথম উদ্দেশ্য এর সামরিক শাখা ইজ্জেদিন আল-কাশেম ব্রিগেডসের মাধ্যমে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া। দ্বিতীয় উদ্দেশ্য ফিলিস্তিনে বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করা।

উল্লেখ্য,
- ২০০৬ সালের জানুয়ারিতে প্যালেস্টাইনের সাধারণ নির্বাচনে হামাস ফাতাহকে হারিয়ে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- ২০০৬ সালে ফিলিস্তিনের পার্লামেন্ট নির্বাচনে ফাতাহ হেরে যাওয়ার পর এবং হামাস যোদ্ধারা গাজার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর এই সহিংসতা শুরু হয়। ওই সংঘাতের ফলে ফিলিস্তিনের যৌথ সরকারের বিলুপ্তি ঘটে এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে শাসনভার ভাগ হয়ে যায়। ফিলিস্তিনের দুই অংশ- পশ্চিম তীর ফাতাহ আর গাজা হামাসের শাসনে চলে যায়।
- ১০ জুন, ২০০৭ থেকে গাজায় হামাস এবং ফাতাহের মধ্যে সশস্ত্র সংঘর্ষ শুরু হয়। তিন দিনের তীব্র সংঘর্ষের পর হামাস গাজা নিয়ন্ত্রণ নেয়।

উৎস: i) Al Jazeera.
ii) Britannica.

৪০৩.
কবে ম্যাগনাকার্টা স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৫২১ সালের ১৫ জুন
  2. ১৫২১ সালের ২১ জুন
  3. ১২১৫ সালের ১৫ জুন
  4. ১২১৫ সালের ২১ জুন
ব্যাখ্যা
ম্যাগনাকার্টা:
১২১৫ সালের ১৫ই জুন তৎকালীন ইংল্যান্ডের রাজা জন ও জনগণের মধ্যে ম্যাগনাকার্টা স্বাক্ষরিত হয়।
– ম্যাগনাকার্টাকে ব্রিটিশ শাসনতন্ত্রের বাইবেল বলা হয়।
– এর মাধ্যমে আইনের শাসনের যাত্রা শুরু হয়।
– এর মাধ্যমে এটি দেখানো হয়েছিল যে এমনকি রাজাও দেশের সাধারণ আইনের ঊর্ধ্বে ছিলেন না।

উৎস: i) Britannica.
ii) Magna Carta Trust.
৪০৪.
'International Criminal Police Organization' এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  2. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  3. ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র
  4. লিঁও, ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
ইন্টারপোল (Interpol):
- Interpol-এর পূর্ণরূপ International Criminal Police Organization.
- অপরাধীদের সনাক্তকরণ এবং গ্রেপ্তার করতে বিশ্বের দেশগুলো পরস্পরকে সহযোগিতা লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এ আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩ (ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া)। 
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি।
- সর্বশেষ সদস্য: পালাউ। 
- ইন্টারপোলে পালাউয়ের সদস্য পদ - ২০২৩ সালে ৯১তম সাধারণ পরিষদে দুই-তৃতীয়াংশের ভোটে অনুমোদিত হয়।

উৎস: Interpol ওয়েবসাইট।
৪০৫.
'হামাস' প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. ইয়াহিয়া সিনওয়ার
  2. ইসমাইল হানিয়া
  3. খালেদ মাশাল
  4. শেখ আহমাদ ইয়াসিন
ব্যাখ্যা
হামাস:
- হামাসের পূর্ণরূপ হারাকাত আল-মুকাওয়ামাহ আল-ইসলামিয়াহ।
- হামাস ফিলিস্তিন এর গেরিলা সংগঠন।
- হামাস ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শেখ আহমাদ ইয়াসিন সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- সংগঠনটি প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন এবং ইসরায়েলের মধ্যে ১৯৯৩ সালের শান্তি চুক্তির বিরোধিতা করেছিল।
- ২০০৬ সালে হামাস ফিলিস্তিন আইন পরিষদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে এবং ফাতাহ-এর বিরুদ্ধে আশ্চর্যজনক বিজয় লাভ করে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৪০৬.
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের আনুষ্ঠানিক নাম?
  1. ক) আল শাবাব
  2. খ) আনসারুল্লাহ
  3. গ) লস্কর-ই-তৈইব্যা
  4. ঘ) ফার্ক
ব্যাখ্যা
হুথি বিদ্রোহী:
- হুথি ইয়েমেনের একটি বিদ্রোহী গ্রুপ।
- হুতিদের আনুষ্ঠানিক নাম আনসারুল্লাহ
- স্থানীয়ভাবে তাদের হুতি বলে ডাকা হয়। তারা মূলত শিয়া মতবাদে বিশ্বাসী।
- ইয়েমেনে ৯৯.৫ শতাংশ মুসলমান, যার মধ্য ৭০ শতাংশ সুন্নী ও ৩০ শতাংশ শিয়া। এই ৩০ শতাংশ শিয়ারাই মুলত হুথি সম্প্রদায়।
- এই হুথিদেরকে ইরানের শিয়া সরকার ও লেবাননের হিজবুল্লার সহযোগী সংগঠন বলে মনে করা হয়।

উৎস: The Daily Star
৪০৭.
ফেয়ারফ্যাক্স কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা? 
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন 
  3. কানাডা 
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

ফেয়ার ফ্যাক্স:
- ফেয়ারফ্যাক্স হলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থা।
- সংস্থাটি অর্থনৈতিক বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থা হিসাবে কাজ করে।
- যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থা:
- সিআইএ, এফবিআই, এনজিএ, এনএসএ, আইএনআর ইত্যাদি।

উৎস: যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।

৪০৮.
Article-5 অনুযায়ী NATO-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিধান কী?
  1. সীমান্ত উন্মুক্ত করা
  2. নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি
  3. জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা
  4. সদস্য রাষ্ট্রে আক্রমণকে সকলের বিরুদ্ধে আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা
ব্যাখ্যা
NATO:
- ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার।
- অনুচ্ছেদ/আর্টিকেল - ৫: Collective Security বা যৌথ নিরাপত্তা।

• NATO'র অনুচ্ছেদ ৫- “জোটভুক্ত কোনো দেশ যদি বিদেশি শক্তির দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়, তাহলে জোটের সব সদস্যদেশ একযোগে তা প্রতিহত করবে।
- অর্থাৎ সদস্যদেশগুলো সম্মিলিতভাবে একে অপরকে সুরক্ষা দেবে।
- ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় এ ধারাকে।
- ন্যাটোর ইতিহাসে একবার মাত্র ন্যাটোর আর্টিকেল-৫ কার্যকর করা হয়েছে।
- নাইন ইলেভেনে টুইন টাওয়ার হামলার পর ২০০১ সালে এই আর্টিকেল অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
- এটির ভিত্তিতেই সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সঙ্গে নিয়ে আফগানিস্তানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য,
⇒ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
৪০৯.
যুক্তরাজ্যের প্রশাসনিক সদর দপ্তরকে কী বলা হয়?
  1. ১০ ডাউনিং স্ট্রিট
  2. স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড
  3. হোয়াইট হল
  4. হোয়াইট হাউজ
ব্যাখ্যা
হোয়াইটহল:
- অবস্থান: চ্যারিং ক্রস থেকে পার্লামেন্ট স্কয়ার পর্যন্ত বিস্তৃত সড়ক।
- কার্যাবলি: প্রধান সরকারি দপ্তরসমূহের অবস্থান,
- যেমন: মন্ত্রিপরিষদ অফিস, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র ও কমনওয়েলথ অফিস।
- ইতিহাস: ১৬শ শতকে হেনরি অষ্টমের রাজপ্রাসাদ ছিল; বর্তমানে প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত।

• হাউসেস অফ পার্লামেন্ট:
- অবস্থান: ওয়েস্টমিনস্টার, লন্ডন।
- কার্যাবলি: যুক্তরাজ্যের দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ—হাউস অফ কমন্স ও হাউস অফ লর্ডস—এখানে অধিবেশন করে।

• ১০ ডাউনিং স্ট্রিট: 
- অবস্থান: ডাউনিং স্ট্রিট, ওয়েস্টমিনস্টার, লন্ডন।
- কার্যাবলি: প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ও অফিস।

• হোয়াইট হাউজ: যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির বাসভবন।

উৎস: Britannica.
৪১০.
'INF' চুক্তিটি কোন দুইটি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
  4. রাশিয়া ও চীন
ব্যাখ্যা

'INF' চুক্তি:
- INF-এর পূর্ণরূপ: The Intermediate-Range Nuclear Forces.
- এটি হলো মাঝারি পাল্লার পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৮৭ সালের ৮ ডিসেম্বর। 
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: যুক্তরাষ্ট্র ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- স্বাক্ষরকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান ও সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ।

উল্লেখ্য,
⇒ এই চুক্তির মাধ্যমে ভূমিতে স্থাপিত ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ক্রুজ মিসাইল নিষিদ্ধ করা হয়।
- সমুদ্রে ও আকাশে ব্যবহৃত মিসাইল এই চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

⇒ ১ জুন, ১৯৯১ তারিখ চুক্তির বাস্তবায়নের সময়সীমার মধ্যে দেশ দুটি প্রায় ২৬৯২টি মিসাইল ধ্বংস করে।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৮ সালের ২০ অক্টোবর এই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নিলে ক্তিটি অকার্যকর হয়ে যায়।
- ২ আগস্ট, ২০১৯ তারিখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে INF চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে।

উৎস: Arms Control Association.

৪১১.
রাশিয়া কবে ক্রিমিয়া দখল করে নেয়?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৪ সালে
  4. ২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা
ক্রিমিয়া:
- ২৪ আগস্ট, ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে ইউক্রেন স্বাধীনতা লাভ করে।

কিন্তু,
- ১৬ মার্চ, ২০১৪ সালে ইউক্রেনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল কৃষ্ণ সাগরের উত্তর উপকূলের ছোট দ্বীপ ক্রিমিয়ায় অনুষ্ঠিত এক গণভোটে ক্রিমিয়ার জনগণ রাশিয়ার সাথে একীভূত হওয়ার পক্ষে রায় দেন।
- ১৭ মার্চ, ২০১৪ সালে ক্রিমিয়ার পার্লামেন্ট নিজেদের স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করে।
- ১৮ মার্চ, ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখল করে নেয় রাশিয়া।
- ২১ মার্চ, ২০১৪ সালে সকল আইনি প্রক্রিয়া শেষে ইতিহাসের সবচেয়ে স্বল্পায়ু রাষ্ট্র ক্রিমিয়া রাশিয়ার অন্তর্ভুক্ত হয়।

উৎস: Britannica.
৪১২.
ন্যাটো চুক্তির কোন ধারা অনুযায়ী, নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্ত হতে পারে?
  1. অনুচ্ছেদ - ৫
  2. অনুচ্ছেদ - ৮
  3. অনুচ্ছেদ - ১০
  4. অনুচ্ছেদ - ১৪
ব্যাখ্যা
NATO:
- ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার।

• অনুচ্ছেদ - ১০: Open Door Policy [নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি]।
- ন্যাটোর নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি হয় এই অনুচ্ছেদ অনুসারে।
- ন্যাটোর সদস্য হওয়ার পূর্ব শর্ত হলো - দেশটিকে ইউরোপিয়ান দেশ হতে হবে।

উল্লেখ্য,
⇒ ন্যাটোর সদস্য দেশ:
- বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, গ্রীস, তুরস্ক, জার্মানি, স্পেন, চেক প্রজাতন্ত্র, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, আলবেনিয়া, ক্রোয়েশিয়া, মন্টিনিগ্রো, উত্তর মেসিডোনিয়া, ফিনল্যান্ড, সুইডেন।

উল্লেখ্য,
⇒ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
৪১৩.
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) এর প্রধানের পদবী কী?
  1. ক) মহাপরিচালক
  2. খ) মহাসচিব
  3. গ) প্রশাসক
  4. ঘ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক
ব্যাখ্যা
• আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) - এর প্রধানের পদবী মহাপরিচালক
- (১০ম) মহাপরিচালক - গাই রাইডার (১০ম)।
- তিনি ১ অক্টোবর, ২০১২ দ্বায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- ২০১৭ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে এই পদে নির্বাচিত হন ৷ তিনি যুক্তরাজ্যের নাগরিক।
- আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) সদরদপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
- এটি ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ILO জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থা।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে।
- এটি ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে

তথ্যসূত্র:- ILO ওয়েবসাইট।
৪১৪.
রাশিয়ান গোয়েন্দা সংস্থা KGB-এর বর্তমান নাম কী?
  1. FBI
  2. CIA
  3. FSB
  4. ISB
ব্যাখ্যা

​• কেজিবি ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের বিদেশী গোয়েন্দা এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা।
• ​১৯৫৪ সালে কেজিবি তৈরি করা হয়েছিল।
• ​সোভিয়েত ইউনিয়নে "কমিউনিস্ট পার্টির ঢাল" হিসেবে কেজিবি কাজ করে।
• ​সোভিয়েত যুগে কেজিবির দায়িত্বের মধ্যে ছিল দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের সুরক্ষা, সীমান্ত সৈন্যদের তত্ত্বাবধান এবং জনগণের উপর সাধারণ নজরদারি।
• ​KGB-এর বর্তমান নাম- Federal Security Service (FSB)।
​•  ১৯৯৫ সালে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি বরিস ইয়েলৎসিন ​KGB পরিষেবাটির নাম পরিবর্তন করে FSB রাখেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪১৫.
ইরানের সাথে ছয় রাষ্ট্রের সাক্ষরিত পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিতকরণ সংক্রান্ত চুক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট নয় কোন দেশটি?
  1. ক) ব্রিটেন
  2. খ) জাপান
  3. গ) জার্মানি
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
২০১৫ সালের ১৪ জুলাই ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনাতে ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া, চীন এবং জার্মানির একটি চুক্তি সাক্ষরিত হয় যা জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অব একশন নামে পরিচিত। এটি ২০১৬ সালের ১৬ জানুয়ারী কার্যকর হয়। এর আওতায় ইরান তার পরমাণু কর্মসূচি সীমিত করণে সম্মত হয় এবং বিনিময়ে ইরানের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে উন্নত বিশ্ব। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৭ সালের ১৩ অক্টোবর চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নিলে চুক্তিটি অকার্যকর হয়ে পড়ে। (সূত্রঃ বিবিসি)
৪১৬.
থাড (THAAD) বলতে কি বুঝায়?
  1. ক) খেলোয়াড়দের সংগঠন
  2. খ) একটি জনপ্রিয় ম্যাগাজিন
  3. গ) ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
  4. ঘ) একটি বিনোদন কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রের আলোচিত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘টার্মিনাল হাই অলটিচুড এরিয়া ডিফেন্স বা থাড’।
- ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ কোরিয়ায় (THAAD) ক্ষেপনাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা স্থাপন করে।

উৎসঃ সংশ্লিষ্ট দেশের ওয়েবসাইট।
৪১৭.
কোন অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মাঝে সংঘর্ষ হয়?
  1. ইয়েরেভান
  2. নাগার্নো কারাবাখ
  3. আর্টসাখ প্রজাতন্ত্র
  4. আকসাই অঞ্চল
ব্যাখ্যা
নাগার্নো কারাবাখ:
- 'নাগার্নো কারাবাখ' আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান এর বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- নাগার্নো কারাবাখ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মাঝে সংঘর্ষ হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮৮-৯৪ সাল পর্যন্ত যুদ্ধ চলার পর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও থেমে থেমে সংঘর্ষ চলেছে।
- এলাকাটি নিয়ে কোন ধরনের নিষ্পত্তি দুই দেশের মধ্যে হয়নি।
- আন্তর্জাতিকভাবে এই এলাকাটি আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত।
- কিন্তু এটি পরিচালনা করে জাতিগত আর্মেনিয়রা।
- বন্দী বিনিময় এবং মরদেহ উদ্ধারের সুযোগ তৈরি করার জন্য এই যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

⇒ আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান:
- স্বাক্ষর: ৯ নভেম্বর, ২০২০।
- স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- মধ্যস্থতাকারী: রাশিয়া।
- যুদ্ধবিরতি কার্যকর: ১০ নভেম্বর, ২০২০।

উৎস: i) Britannica.
ii) বিবিসি বাংলা।
৪১৮.
আলতামিরা গুহা কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইতালি
  2. ফ্রান্স
  3. স্পেন
  4. কোস্টারিকা
ব্যাখ্যা
আলতামিরা গুহা:
- আলতামিরা গুহাটি উত্তর স্পেনে অবস্থিত।
- গুহাটি প্রাগৈতিহাসিক চিত্রকর্ম এবং খোদাইয়ের জন্য বিখ্যাত।
- এটি ক্যান্টাব্রিয়া প্রদেশের বন্দর শহর সান্তান্ডার থেকে ১৯ মাইল (৩০ কিমি) পশ্চিমে অবস্থিত।
- আলতামিরা ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট মনোনীত হয়েছিল।
- ১৮৬৮ সালে একজন শিকারী দ্বারা আবিষ্কৃত গুহাটি ১৮৭৬ সালে স্থানীয় সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি মার্সেলিনো সানজ ডি সাউতুওলা পরিদর্শন করেছিলেন।
- আলতামিরা গুহাটি ৯৭১ ফুট (২৯৬ মিটার) লম্বা।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৪১৯.
বিতর্কিত ‘স্যার ক্রিক অঞ্চল’ কোন দুটি দেশের সীমানায় অবস্থিত?
  1. ভারত–পাকিস্তান
  2. পাকিস্তান–আফগানিস্তান
  3. আফগানিস্তান-ভারত
  4. আর্মেনিয়া–আজারবাইজান
ব্যাখ্যা

• ‘স্যার ক্রিক অঞ্চল’
- স্যার ক্রিক প্রায় ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ খাঁড়িবেষ্টিত অঞ্চল।
- এই অঞ্চলের সীমান্ত চিহ্নিতকরণ নিয়ে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে বিবাদ দীর্ঘদিনের।
- এই সংকীর্ণ খাঁড়ি আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত। আগে এর নাম ছিল বনগঙ্গা।
- পরে ভারতে ব্রিটিশ শাসনকালে এর নাম বদলে 'স্যার ক্রিক' রাখা হয়।

⇒ ভারতে ব্রিটিশ শাসনকালে সিন্ধু (বর্তমান পাকিস্তান প্রদেশ) এবং কচ্ছ (ভারতের গুজরাট রাজ্যের অঞ্চল) দুইই বোম্বে প্রেসিডেন্সির অংশ ছিল। কিন্তু স্যার ক্রিক নিয়ে দুই প্রদেশের মধ্যে সেই সময়েও বিরোধ ছিল।

- ১৯১৩-১৪ সালে বোম্বে প্রেসিডেন্সি একটা প্রস্তাব জারি করে। সেখানে বলা হয়েছিল স্যার ক্রিক একটা জলাভূমি। এর মধ্যে দিয়ে জাহাজ চলাচল করতে পারে না। তাই এর সীমানা মাঝখান থেকে নয় বরং উপকূল অর্থাৎ পূর্ব তীর থেকে হবে। ফলে স্যার ক্রিকের পুরো অংশ সিন্ধ প্রদেশের দিকে চলে যায়।

-স্বাধীনতার পর পাকিস্তান এই সিদ্ধান্ত মেনে চলতে চাইলেও ভারত রাজি হয়নি। ভারত জানায় সীমান্ত খাঁড়ি অঞ্চলের মাঝখানে অর্থাৎ মিড চ্যানেল-এ হওয়া উচিত।

- যুক্তি হিসাবে ভারত আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন এবং জাতিসংঘের সমুদ্র আইন সম্পর্কিত কনভেনশন (ইউএনসিএলওএস) এর নীতির কথা উল্লেখ করে। একে থালওয়েগ নীতি বলা হয়।

- এই নীতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে যদি একটা নদী বা উপসাগর দুই দেশের মধ্যে অবস্থিত হয়, তবে সাধারণ পরিস্থিতিতে তার মাঝখান দিয়েই সীমানা স্থির করা হবে।
- অন্যদিকে, পাকিস্তানের যুক্তি যেহেতু এই অংশ নাব্য নয়, তাই ওই নীতিটি এক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

উৎস: বিবিসি [লিংক]

৪২০.
ANZUS এর সদস্য সংখ্যা - (জুন, ২০২৫)
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
ANZUS:
- ANZUS একটি সামরিক জোট।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১ সেপ্টেম্বর ১৯৫১ সালে।
- ANZUS এর সদস্য সংখ্যা ৩টি দেশ। (জুন, ২০২৫)
- এই জোটের সদস্য দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র।

তথ্যসূত্র - ANZUS-এর ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
৪২১.
কোন চুক্তির মাধ্যমে ‘ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন’ গঠিত হয়?
  1. ক) রোম চুক্তি
  2. খ) প্যারিস প্যাক্ট
  3. গ) ম্যাস্ট্রিক্ট ট্রিটি
  4. ঘ) লিসবন চুক্তি
ব্যাখ্যা
- ১৯৯২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডসের ম্যাস্ট্রিক্ট শহরে ১২টি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘ম্যাস্ট্রিক্ট ট্রিটি’ এর মাধ্যমে ‘ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন’ গঠিত হয়। চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বর।
- এই চুক্তির মাধ্যমেই ‘ইউরোপিয়ান ইকোনমিক কমিউনিটি’ ‘ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং ইউরো মুদ্রা চালুর পথ সুগম হয়।
এর আগে ১৯৫৭ সালের ২৫ মার্চ স্বাক্ষরিত ‘রোম চুক্তি’র মাধ্যমে ‘ইউরোপিয়ান ইকোনমিক কমিউনিটি’ গঠিত হয়েছিলো।
- ২০০৭ সালে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সংস্কার বিষয়ক লিসবন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
(তথ্যসূত্র: ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ওয়েবসাইট)
৪২২.
ইসরাইল 'গোলান মালভূমি' দখল করে কত সালে?
  1. ১৯৬৪ সালে
  2. ১৯৬৫ সালে
  3. ১৯৬৬সালে
  4. ১৯৬৭ সালে
ব্যাখ্যা
গোলান মালভূমি:
- ১১৫০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের একটি মালভূমি যা গোলান পর্বতমালার অংশ।
- এটি সিরিয়া-ইসরাইল সীমান্তে অবস্থিত।
- ১৯৬৭ সালের তৃতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল গোলান মালভূমির দুই-তৃতীয়াংশ দখল করে নেয়।
- পরবর্তীতে, ১৯৭৩ সালে চতুর্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল এটি ফেরত দেয়।
- গোলান মালভূমিতে সিরিয়া-ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি রেখা ‘পার্পল লাইন' নামে পরিচিত।
 
উৎস: Britannica.
৪২৩.
কোন দেশ দুটির মধ্যকার সংঘাত ইতিহাসে 'ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর' নামে পরিচিত?
  1. ক) ফিলিস্তিন ও জর্ডান
  2. খ) ইসরায়েল ও সিরিয়া
  3. গ) পূর্ব জার্মানি ও পশ্চিম জার্মানি
  4. ঘ) ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল
ব্যাখ্যা
ফিলিস্তিন ও জর্ডানের মধ্যকার গৃহযুদ্ধ হয় ১৯৭০ সালের সেপ্টেম্বরে,
- যা ইতিহাসে আইলুল আল-আসওয়াদ বা  ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর নামে পরিচিত।
- ১০ দিনের এই যুদ্ধে পিএলও এর বহু নেতাকর্মী নিহত হয় এবং জর্ডান থেকে বহু ফিলিস্তিনিদেকে উচ্ছেদ করা হয়।
- এর প্রতিবাদস্বরূপ ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর নামক গেরিলা সংগঠনটির উদ্ভব হয়।
- ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর কোন স্বাধীনতাকামী সংগঠন নয়, মূলত একটি গেরিলা সংগঠন।
 
উৎস: ব্রিটানিকা, পত্রিকা রিপোর্ট। 
৪২৪.
What is the name of the boundary that separated India from Pakistan, set in 1947?
  1. ক) Green Line
  2. খ) McMahon Line
  3. গ) Radcliffe Line
  4. ঘ) None of the above
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৭ সালে র‌্যাডক্লিফ রেখা ভারত ও পাকিস্তান বিভক্ত হয়। 
- র‌্যাডক্লিফ ছিলেন ভারতের সীমানা নির্ধারণে গঠিত র‌্যাডক্লিফ কমিশনের প্রধান। 
- তিনি ভারত বিভাগ, নতুন দুটি রাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্তানের মানচিত্র এবং আন্তর্জাতিক সীমা নির্দেশ করে তাঁর রিপোর্ট পেশ করেন। 
- তাঁর পরিকল্পনা ভারতের ইতিহাসে র‌্যাডক্লিফ রোয়েদাদ হিসেবে পরিচিত। 
- তাঁর প্রস্তাবনায় ব্রিটিশ ভারত বিভক্ত হয়ে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান এবং ১৫ আগস্ট ভারত নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের উদ্ভব ঘটে।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া 
৪২৫.
"তারকা যুদ্ধ" নামে পরিচিত "Strategic Defense Initiative" এর প্রস্তাবক ছিলেন -
  1. রোনাল্ড রিগ্যান
  2. হ্যারি ট্রুম্যান
  3. ডুইট আইজেনহাওয়ার
  4. জন এফ. কেনেডি
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্র:
- যুক্তরাষ্ট্রে মোট পঞ্চাশটি রাজ্য রয়েছে।
- আলাস্কা হলো যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম রাজ্য।
- যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীনতা লাভ করেছে ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে, যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে।
- এই দিনটি জাতীয় দিবস হিসেবে প্রতি বছর উদযাপন করা হয়।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম রাজ্য হলো ক্যালিফোর্নিয়া।
- প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জর্জ ওয়াশিংটন।
- যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্ট ছিলেন আব্রাহাম লিংকন, এবং
- তার নেতৃত্বে ১৮৬৩ সালে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- "স্ট্র্যাটেজিক ডিফেন্স ইনিশিয়েটিভ" (এসডিআই), এটি সাধারণত "স্টার ওয়ারস বা তারকা যুদ্ধ" নামে পরিচিত।
- এর প্রবক্তা ছিলেন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান।
- তিনি ২৩ মার্চ, ১৯৮৩ -এ একটি দেশব্যাপী টেলিভিশন ভাষণে এই উদ্যোগের প্রস্তাব করেন।

সূত্র: ব্রিটানিকা।

৪২৬.
ডেটন শান্তি চুক্তি মধ্যস্থতাকারী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন কে?
  1. জেমস ম্যাডিসন
  2. জেমস মনরো
  3. জন টাইলার
  4. বিল ক্লিন্টন
ব্যাখ্যা

ডেটন শান্তি চুক্তি (Dayton Peace Agreement):
- ডেটন শান্তি চুক্তির পূর্ণনাম - General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina।
- বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয়। এই জন্য এই চুক্তিকে ডেটন শান্তি চুক্তি বলা হয়।
- ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বিল ক্লিন্টন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী - ওয়ারেন ক্রিস্টোফার।
- চুক্তিটির প্রধান শান্তি আলোচক - রিচার্ড হলব্রোক।
- চুক্তির খসড়া প্রস্তুত - ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - প্যারিস, ফ্রান্স
- চুক্তির পক্ষ সমূহ - বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী - 
১. বসনিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ।
২. ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
৩. সার্বিয়ার পক্ষে - স্লোভাদান মিলোসোভিচ।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।

৪২৭.
কোন দেশটি ওশেনিয়া অঞ্চলের অন্তর্গত?
  1. কিরিবাতি
  2. কিউবা
  3. গায়ানা
  4. জিম্বাবুয়ে
ব্যাখ্যা
• ওশেনিয়া মহাদেশ:
- ওশেনিয়া হল একটি বিস্তীর্ণ অঞ্চল যা অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং মেলানেশিয়া, মাইক্রোনেশিয়া এবং পলিনেশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরের উপ-অঞ্চলকে ঘিরে রয়েছে।
- ওশেনিয়ায় মোট ১৪টি দেশ রয়েছে।
- অস্ট্রেলিয়া ওশেনিয়ার বৃহত্তম এবং জনবহুল দেশ।

• ওশেনিয়ার দেশসমূহ:
- অস্ট্রেলিয়া, পাপুয়া নিউ গিনি, নিউজিল্যান্ড, ফিজি, সলোমান দ্বীপপুঞ্জ, মাইক্রোনেশিয়া, ভানুয়াতু, সামোয়া, কিরিবাতি, টোঙ্গা, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, পালাউ, টুভ্যালু, নাউরু।

সূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৪২৮.
'মোরাগ করিডোর' কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চল
  2. সিনাই উপদ্বীপ
  3. মিশর ও লেবানন সীমান্ত
  4. মিশরে
ব্যাখ্যা
‘মোরাগ’ করিডোর:
- মোরাগ করিডোর হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক রুট বা করিডোর, যা গাজা উপত্যকার দক্ষিণ অংশে, বিশেষ করে রাফাহ এলাকার কাছাকাছি অবস্থিত।
- এই করিডোরটি গাজা ও মিশরের সীমান্তবর্তী এলাকা।
- এটি রাফাহ সীমান্ত পারাপার (Rafah Border Crossing) নিয়ন্ত্রণের জন্য কৌশলগতভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ মোরাগ করিডোরটি ২০২৫ সালের ২ এপ্রিল ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু কর্তৃক ঘোষিত হয়।
- এটি গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলে খান ইউনিস ও রাফাহ শহরের মধ্যে একটি নিরাপত্তা করিডোর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- এর উদ্দেশ্য হলো হামাসের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা বিভক্ত করে ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং হামাসের ওপর চাপ সৃষ্টি করা।

উল্লেখ্য,
- রাফা ও খান ইউনিসের মাঝে এক সময় মোরাগ নামে একটি ইহুদি বসতি ছিল বলে দাবি করা হয়। ওই নামে এই করিডোরকে নামকরণ করা হয়েছে।

উৎস: i) Al Jazeera.
ii) মিডল ইস্ট মনিটর.
৪২৯.
সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মাধ্যমে কতটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?
  1. ক) ৭টি
  2. খ) ১২টি
  3. গ) ১৫টি
  4. ঘ) ১৬টি
ব্যাখ্যা
১৯৯১ সালের ২৫ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভের পদত্যাগের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটে।
সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে ১৫টি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। এগুলো হলো:
রাশিয়া
ইউক্রেন
বেলারুশ
মোলদাভিয়া
এস্তোনিয়া
লাটভিয়া
লিথুয়ানিয়া
জর্জিয়া
আর্মেনিয়া
আজারবাইজান
কাজাখস্তান
উজবেকিস্তান
কিরগিজস্তান
তাজিকিস্তান
তুর্কমেনিস্তান।
এর আগে ১৯২২ সালের ৩০ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠিত হয়।
(সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৪৩০.
ANZUS-এর সদস্য দেশ নয় কোনটি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. নেদারল্যান্ডস
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
ANZUS:
- এটি একটি সামরিক জোট। 
- ANZUS চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১।
- কার্যকর হয়: ১৯৫২ সালে।
- সদস্য দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরের স্থান: সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া।

উল্লেখ্য,
- নেদারল্যান্ডস ANZUS এর সদস্য দেশ নয়। 

উৎস: Britannica.
৪৩১.
JKLF ভারতের কোন অঞ্চলের স্বাধীনতাকামী সংগঠন?
  1. ক) পাঞ্জাব
  2. খ) জম্মু-কাশ্মীর
  3. গ) কেরালা
  4. ঘ) ঝাড়খণ্ড
ব্যাখ্যা
JKLF:
- JKLF (Jammu-Kashmir Liberation Front) হলো ভারতের জম্মু-কাশ্মীর অঞ্চলের স্বাধীনতাকামী গেরিলা সংগঠন।
- ১৯৭৭ সালে ব্রিটেনের বার্মিংহামে আমানুল্লাহ খান এবং মকবুল ভাট এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- পরবর্তীতে JKLF বিভিক্ত হয়ে পড়ে। ইয়াছিন মালিক নেতৃত্বাধীন অংশটিই সর্বশেষ তৎপর ছিলো। ২০১৯ সালে ভারত সরকার ইয়াছিন মালিককে গ্রেফতার ও JKLF কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

তথ্যসূত্র: সাউথ এশিয়া টেরোরিজম পোর্টাল
৪৩২.
’পিং পং ডিপ্লোমেসি’ কোন দুটি দেশের সাথে সম্পৃক্ত?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান
  2. চীন ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
  3. যুক্তরাজ্য ও ভারত
  4. যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
ব্যাখ্যা

পিং পং ডিপ্লোমেসি:
-যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চীনের সম্পর্ক উন্নয়নে টেবিল টেনিস বা পিংপং খেলা গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ইতিহাসে এই ঘটনা পিংপং ডিপ্লোমেসি নামে পরিচিত।
- ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং এর নেতৃত্বে চীনে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের অবনতি হয়। কোনাে কিছুতেই অবস্থার উন্নতি হচ্ছিলাে না। ১৯৭১ সালে জাপানে অনুষ্ঠিত বিশ্ব টেবিল টেনিস প্রতিযােগীতায় আসা যুক্তরাষ্ট্রের টীমকে চীনে আমন্ত্রন জানিয়ে এই অচলবস্থা সহজ হয়ে আসে।
- ১৯৭১ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার এক গােপন সফরে চীন যান।
- ১৯৭২ সালে চীন তাদের টেবিল টেনিস টীম যুক্তরাষ্ট্র সফরে পাঠায়।
- ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট নিক্সন চীন সফরে যান এবং তারপর থেকে চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়ে আসে।

উৎসঃ history.com এবং ব্রিটানিকা।

৪৩৩.
ইসলামিক স্টেট (আইএস) -এর প্রথম খলিফা ছিলেন কে?
  1. আবু ইব্রাহিম আল হাশেমি আল কুরাইশি
  2. আবু বকর আল বাগদাদি
  3. মোল্লা বিন ওমর
  4. কাশেম সুলাইমানি
ব্যাখ্যা

ইসলামিক স্টেট (আইএস):
- ইসলামিক স্টেট (আইএস) মধ্যপ্রাচ্যের একটি জঙ্গি সংগঠন।
- শুরুতে এর নাম ছিল ইসলামিক স্টেট ইন ইরাক অ্যান্ড লেভান্ট (আইএসআইএল)। 
- ২০১৪ সালে আইএস সিরিয়া, ইরাক ও লিবিয়ার বিস্তৃর্ণ অঞ্চল দখল করে নিজেদের খিলাফত ঘোষণা করে।
- এর প্রথম খলিফা ছিলেন আবু বকর আল বাগদাদি।
- তিনি ২৬ অক্টোবর ২০১৯ সিরিয়ার ইদলিব শহরে মার্কিন অভিযানে নিহত হন।
- তার মৃত্যুর পর আবু ইব্রাহিম আল হাশেমি আল কুরাইশি আইএস এর খলিফা নিযুক্ত হন।
- গত ৩ ফেব্রুয়ারি সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে আইএস প্রধানের গোপন আস্তানায় মার্কিন বিশেষ বাহিনী অভিযান চালায়। ওই অভিযানেই ইরাকি নাগরিক আবু ইব্রাহিম আল–কুরায়শি বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিজেকে উড়িয়ে দেন।

উৎস: আল জাজিরা এবং প্রথম আলো।

৪৩৪.
Interpol-এর বর্তমান সদস্য দেশের সংখ্যা কত? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ১৮৯টি 
  2. ১৯১টি 
  3. ১৯৩টি 
  4. ১৯৫টি 
  5. ১৯৬টি 
ব্যাখ্যা

ইন্টারপোল (Interpol):
- Interpol-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- প্রতিষ্ঠাতা: জোহানেস স্কোবার (Dr Johannes Schober) [অস্ট্রিয়ার পুলিশ প্রধান]।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি (সর্বশেষ সদস্য: পালাউ)।
- বর্তমান সভাপতি: আহমেদ নাসের আল-রাইসি (Major General Ahmed Naser Al-Raisi) [২০২১-২০২৫]। 
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা (Valdecy Urquiza) [ব্রাজিল]।
- ইন্টারপোলের মূল লক্ষ্য হলো বিভিন্ন দেশের পুলিশ বাহিনীকে একত্রে কাজ করার সুযোগ করে দিয়ে বৈশ্বিক নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা করা।

উল্লেখ্য,
- ইন্টারপোলের ২০২৫ সালে ৯৩তম সাধারণ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে মরোক্কোর মারাকেশে।
- ইন্টারপোলের ১৯৬টি সদস্য দেশের প্রতিনিধি হিসেবে পুলিশ প্রধান এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে। 
- ইন্টারপোলের এ সম্মেলনে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাজনিত সামাজিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে সাইবার অপরাধ ও ডেটাভিত্তিক তদন্ত, আন্তদেশীয় সংগঠিত অপরাধ প্রতিরোধ, বিশ্বব্যাপী স্ক্যাম সেন্টার উচ্ছেদ, ইন্টারপোলের উদ্ভাবনী পুলিশি সক্ষমতা উন্নয়ন এবং নারী পুলিশ নেতৃত্বের বিকাশ উল্লেখযোগ্য।

উৎস: Interpol ওয়েবসাইট।

৪৩৫.
QUAD (কোয়াড) জোটের সদস্য দেশগুলো কোনটি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া
  2. চীন, রাশিয়া, ভারত ও ব্রাজিল
  3. যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানি
  4. ভারত, পাকিস্তান, চীন ও নেপাল
ব্যাখ্যা

• কোয়াড (Quad):
- Quadrilateral Security Dialogue যা সংক্ষেপে কোয়াড।
- যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং ভারত এই চারটি দেশের জোট হচ্ছে কোয়াড।
- ২০০৭ সালে কোয়াড গঠনের পর দীর্ঘদিন এর কোন তৎপরতা না থাকলেও ১২ নভেম্বর ২০১৭ এক বৈঠকের মাধ্যমে কোয়াড আবারো সক্রিয় হয়ে ওঠে।
- ২০২৫ সালে কোয়াডের পররাষ্ট্র পর্যায়ের সামিট ভারতে অনুষ্ঠিত হয়। 
- মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও ভারত ‘ভারত মহাসাগর’ ও ‘প্রশান্ত মহাসাগরে’ নৌপথে অবাধ চলাচল বা স্বাধীন চলাচলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই জোট গঠিত হয়।

উৎস: অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ওয়েবসাইট

৪৩৬.
ন্যাটো কোন দেশে প্রথমবার সরাসরি সামরিক অভিযান চালায়?
  1. ইরাক
  2. বসনিয়া
  3. লিবিয়া
  4. আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
- দাপ্তরিকভাবে ন্যাটো গঠনের উদ্দেশ্য হচ্ছে "উত্তর আটল্যান্টিক অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ও কল্যাণ" নিশ্চিত করে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর 'স্বাধীনতা, অভিন্ন ঐতিহ্য এবং সভ্যতার' রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করা। চুক্তি অনুযায়ী, ন্যাটো ভুক্ত যে কোনো দেশের উপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটি জোটভুক্ত সব দেশের উপর হামলা বলেই গণ্য হবে এবং সব দেশ একে অন্যের সহায়তায় এগিয়ে আসবে।

⇒ ১৯৯২ সালে বসনিয়া যুদ্ধের মাধ্যমে ন্যাটো প্রথম কোনো সামরিক অভিযানে অংশ নেয়।
- এরপর ১৯৯৯ সালে কসোভো যুদ্ধে বিমান বাহিনীর মাধ্যমে দ্বিতীয় অভিযানে নামে তারা।
- আর তৃতীয় অভিযান শুরু করে ২০০১ সালে আফগানিস্তানে।
- ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ইরাক যুদ্ধে সহায়তা কার্যক্রম চালায় ন্যাটো।

উল্লেখ্য,
- ন্যাটোর মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসনের হাত থেকে পশ্চিম বার্লিন এবং ইউরোপের নিরাপত্তা বাস্তবায়ন করা।
- ন্যাটো একটি যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি, যে চুক্তির আওতায় জোটভুক্ত দেশগুলো পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
- যুক্তরাষ্ট্রে নাইন-ইলেভেনের সন্ত্রাসী হামলার পর ন্যাটো তাদের রক্ষায় মাঠে নামে।
- এর প্রত্যেকটি সদস্য রাষ্ট্র তাদের সামরিক বাহিনীকে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখতে বদ্ধপরিকর।  

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

৪৩৭.
“Coalition of the Willing” এর প্রধান লক্ষ্য কী?
  1. ইউক্রেনকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
  2. বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য বৃদ্ধি করা
  3. গাজা যুদ্ধের অবসান করা
  4. ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দেয়া
ব্যাখ্যা

• Coalition of the willing:
- “Coalition of the willing” হলো একটি অস্থায়ী আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী, যার সাধারণ লক্ষ্য হলো ইউক্রেনকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা প্রদান করা।
- সদস্য দেশগুলো প্রধানত ইউরোপীয় দেশ, তবে এতে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জাপান ও কানাডাও রয়েছে।
- জোটটি প্রথম ঘোষণা করেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, গত ২ মার্চ, ২০২৫ ।
 - সেই সময় স্টারমার বলেন, "এই জোটে সেই দেশগুলো থাকবে যারা একযোগে কাজ করতে ইচ্ছুক এবং ইউক্রেনের জন্য একটি স্থায়ী শান্তি পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে, যা শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের পর কার্যকর হবে।"

- ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ (বৃহস্পতিবার) ঘোষণা করেন যে ২৬টি দেশ যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর ইউক্রেনে সেনা পাঠানো বা অন্যান্য সামরিক সহায়তা প্রদান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যাতে দেশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়
- ম্যাক্রোঁর এই ঘোষণা আসে “Coalition of the Willing” শীর্ষক প্যারিসে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর।


তথ্যসূত্র: আল জাজিরা ও বিবিসি। (Link1) (Link2)

৪৩৮.
The Strategic Offensive Reductions Treaty (SORT) চুক্তি কোন কোন দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র
  2. রাশিয়া ও ফ্রান্স
  3. চীন ও যুক্তরাষ্ট্র
  4. রাশিয়া ও চীন
ব্যাখ্যা
The Strategic Offensive Reductions Treaty (SORT):
- কৌশলগত আক্রমণাত্মক হ্রাস চুক্তি (SORT), যা মস্কো চুক্তি নামেও পরিচিত।
- চুক্তিটি রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র-এর মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ২৪ মে, ২০০২-এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- চুক্তিটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া তাদের মোতায়েন করা কৌশলগত পারমাণবিক বাহিনীকে ১৭০০-২২০০ ওয়ারহেড কমিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দেয়।
- দুই দেশ ১৯৯১ সালের কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস চুক্তি (START-I) বলবৎ রাখতেও সম্মত হয়েছে।
- এই ওয়ারহেড সীমা একই দিনে, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১২ তারিখে শেষ হয়েছিল।
- ২০১০ সালের নিউ স্ট্র্যাটেজিক আর্মস রিডাকশন ট্রিটি (New START) ফেব্রুয়ারী ৫, ২০১১-এ SORT-কে বাতিল করেছে।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
৪৩৯.
গণহত্যা সনদ (Genocide Convention) কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৪৮ সালে
  2. ১৯৪৯ সালে
  3. ১৯৫০ সালে
  4. ১৯৫১ সালে
ব্যাখ্যা

গণহত্যা সনদ (Genocide Convention):
- গণহত্যা সনদ (Genocide Convention) হল একটি আন্তর্জাতিক আইন।
- এই সনদেই প্রথমবারের মতো গণহত্যার (জেনোসাইড) অপরাধকে আইনগতভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।
- পূর্ণ নাম: Convention on the Prevention and Punishment of the Crime of Genocide.
- স্বাক্ষরিত হয়: ৯ ডিসেম্বর, ১৯৪৮।
- কার্যকর হয়: ১২ জানুয়ারি, ১৯৫১।
- উদ্দেশ্য: গণহত্যার প্রতিরোধ করা ও গণহত্যার অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা।

⇒ ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সনদটি চূড়ান্ত করা হয়।
- সনদে প্রদত্ত সংজ্ঞা অনুযায়ী, ‘জাতিগত, নৃগোষ্ঠী, বর্ণ বা ধর্মীয় গোষ্ঠীকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস’ করার উদ্দেশ্যে সংঘটিত অপরাধই গণহত্যা। এই সনদ অনুযায়ী, গণহত্যা যুদ্ধকালীন বা শান্তিকালীন সময়েও সংঘটিত হতে পারে। তবে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বা তথাকথিত ‘সাংস্কৃতিক গণহত্যা’ এই সনদের অন্তর্ভুক্ত নয়।

উৎস: i) International Committee of the Red Cross (ICRC) ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।

৪৪০.
পারমাণবিক অস্ত্রের পরিক্ষা নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক সংস্থার সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. মন্ট্রিল
  2. ভিয়েনা
  3. জেনেভা
  4. অসলো
ব্যাখ্যা
CTBTO:
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ সংস্থা CTBTO।
- পারমাণবিক পরীক্ষা-নিষেধাজ্ঞা চুক্তি, আনুষ্ঠানিকভাবে বায়ুমণ্ডলে, মহাকাশে এবং পানির নিচে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধ করার চুক্তি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং যুক্তরাজ্যের দ্বারা ৫ আগস্ট, ১৯৬৩ সালে মস্কোতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান নির্বাহী প্রধান: রবার্ট ফ্লয়েড।

⇒ CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।

⇒ বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষর করে ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে (এশিয়ায় ১ম)।
- CTBT অনুমোদন করে- ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।
- বাংলাদেশ CTBT অনুমোদনকারী ৫৪ তম দেশ।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
৪৪১.
জেনেভা কনভেনশন কীসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
  2. যুদ্ধকালীন মানবিক আইন
  3. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য
  4. জলবায়ু পরিবর্তন
ব্যাখ্যা

- জেনেভা কনভেনশনগুলো যুদ্ধাহত, যুদ্ধবন্দী এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক আইন।

​জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আইন সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

সূত্র: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.

৪৪২.
'গুড ফ্রাইডে' চুক্তি কোন দেশের শান্তির জন্য সম্পাদিত হয়েছিল?
  1. আয়ারল্যান্ড
  2. জার্মানি
  3. রাশিয়া
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
বেলফাস্ট চুক্তি:
- 'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম গুড ফ্রাইডে' চুক্তি বা Good Friday Agreement.
- গুড ফ্রাইডে' চুক্তির প্রধান উদ্দেশ্য ছিল উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি প্রতিষ্ঠা।

⇒ চুক্তি স্বাক্ষর: ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮।
- চুক্তি কার্যকর: ডিসেম্বর, ১৯৯৯।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তির পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
- চুক্তির মধ্যস্থতাকারী: লর্ড ট্রিম্বল (যুক্তরাজ্যের উত্তর আয়ারল্যান্ডের সাবেক ফার্স্ট মিনিস্টার)।

⇒ শুক্রবারে সই হওয়ায় এটি গুড ফ্রাইডে চুক্তি (জিএফএ) নামেই বেশি পরিচিতি।
- এই চুক্তির শর্তানুযায়ী, উত্তর আয়ারল্যান্ডে সরকার পরিচালনায় প্রোটেস্ট্যান্ট ও ক্যাথলিকদের মধ্যে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে ক্ষমতা ভাগাভাগি করে সরকার গঠনের বিধান গৃহীত হয়। সেই সঙ্গে যুক্তরাজ্যের একটি অংশ হিসেবে উত্তর আয়ারল্যান্ডের সাংবিধানিক মর্যাদা স্বীকার করে নেওয়া হয়। পাশাপাশি সংযুক্ত আয়ারল্যান্ড গঠন করার একটি নীতিও গ্রহণ করা হয়।

উৎস: Britannica.
৪৪৩.
MI6 কী?
  1. একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন
  2. ব্রিটেনের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা
  3. ব্রিটেনের সামরিক বাহিনী
  4. একটি দাতা সংস্থা
ব্যাখ্যা
MI6:
-  MI6 এর পূর্ণনাম -  Military Intelligence, Section 6.
- MI6 ব্রিটেনের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি ১৯০৯ সালে বর্তমান রূপ লাভ করে।
- এর অফিশিয়াল নাম 'সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস'।
- এর ছয়টি সেকশনের জন্যে এটি MI6 নামে পরিচিতি লাভ করে।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৪৪৪.
ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা করতে পরিচালিত অভিযানের নাম কী?
  1. Operation Blue Star
  2. Operation Desert Storm
  3. Operation Neptune Spear
  4. Operation Eagle
ব্যাখ্যা
Operation Neptune Spear: 
- অভিযানের নাম: Operation Neptune Spear.
- তারিখ: ২ মে, ২০১১।
- অভিযান পরিচালনা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেভি সিল (SEAL Team Six)।
- অভিযানের স্থল: অ্যাবোটাবাদ, পাকিস্তান।
• লক্ষ্য: ওসামা বিন লাদেনকে গ্রেফতার বা হত্যা করা।
- অভিযানের সময়কাল: প্রায় ৪০ মিনিট।
- ফলাফল: ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০১০ সালের আগস্টে, মার্কিন গোয়েন্দারা পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদ শহরের একটি বিলাসবহুল বাড়িতে ওসামা বিন লাদেনের অবস্থানের তথ্য পান।

উৎস: Operation Neptune Spear [Link].
৪৪৫.
কোন সম্মেলনের মাধ্যমে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ গঠন এবং পাঁচটি স্থায়ী সদস্যরাষ্ট্র নির্ধারণ করা হয়?
  1. সানফ্রান্সিস্কো সম্মেলন
  2. ইয়াল্টা সম্মেলন
  3. মস্কো সম্মেলন
  4. ডাম্বারটন ওকস্ সম্মেলন
ব্যাখ্যা
•ডাম্বারটন ওকস সম্মেলন:
- ২১ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৪ - ৭ অক্টোবর, ১৯৪৪ পর্যন্ত ওয়াশিংটনের ডাম্বারটন জাতিসংঘ গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় যা “Dumbarton Oaks Conference” নামে পরিচিত।
- ডাম্বারটন ওকস সম্মেলনে জাতিসংঘ তৈরীর রূপরেখা ও স্থায়ী পাঁচটি সদস্য চূড়ান্ত হয়।
- এতে সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, চীন সহ মিত্রবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ অনেক দেশ উপস্থিত ছিলো। এ সম্মেলনে কিছু প্রস্তাব গৃহীত হয়।

এছাড়াও,
- ইয়াল্টা সম্মলনে স্থায়ী পাঁচ সদস্যকে ভেটো ক্ষমতা দেয়া হয়।
- সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে জাতিসংঘ সনদ ও চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং জাতিসংঘের আত্মপ্রকাশ ঘটে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
৪৪৬.
বসনিয়ার যুদ্ধের অবসান ঘটায় কোন চুক্তি?
  1. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  2. ডেটন চুক্তি
  3. অসলো চুক্তি
  4. রোম চুক্তি
ব্যাখ্যা
ডেটন চুক্তি: 
- ডেটন চুক্তি (Dayton Accords) হলো একটি শান্তিচুক্তি যা ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ সালে বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- এটি বসনিয়ার যুদ্ধের অবসান ঘটায় এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার শান্তির জন্য একটি সাধারণ কাঠামো নির্ধারণ করে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে বসনিয়াকে একটি একক রাষ্ট্র হিসেবে রাখা হয়, যা দুইটি অংশে বিভক্ত —  বসনিয়াক-ক্রোয়াট ফেডারেশন, বসনিয়ান সার্ব প্রজাতন্ত্র। 
- রাজধানী সারায়েভো অবিভক্ত রয়ে যায়।
- চুক্তির নাম ডেটন চুক্তি কারণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ওহাইওর ডেটন শহরের কাছে Wright-Patterson এয়ার ফোর্স বেসে।
- এই শান্তি আলোচনার নেতৃত্ব দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান আলোচক রিচার্ড হোলব্রুক এবং পররাষ্ট্র সচিব ওয়ারেন ক্রিস্টোফার।

উল্লেখ্য,
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি হল ইসরায়েল এবং মিশরের মধ্যে ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮ সালে স্বাক্ষরিত চুক্তি। 
- অসলো চুক্তি হচ্ছে ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার মধ্যে হওয়া চুক্তি।
- রোম চুক্তি বা EEC চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায় প্রতিষ্ঠার চুক্তি।

উৎস: Britannica.
৪৪৭.
সামরিক ভাষায় 'WMD' এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Weapons of Major Defense
  2. Worldwide More Destruction
  3. Weapons Much Destruction
  4. Weapons of Mass Destruction
ব্যাখ্যা
WMD:
- WMD - এর পূর্ণরূপ - Weapons of Mass Destruction.
- বাংলা অর্থ হচ্ছে - গণবিধ্বংসী অস্ত্র।
- ২০০৩ সালে WMD আছে এমন আশঙ্কায় মার্কিন জোট ইরাকে আক্রমণ করেছিল।
- বোমারু বিমানের ব্যাপক ধ্বংসের ক্ষমতা বর্ণনা করতে ১৯৩৭ সালে এই শব্দের প্রথম ব্যবহার করা হয়।

• Weapons of mass destruction অন্তর্ভুক্ত অস্ত্রগুলো হলো:
→ Nuclear Weapon.
→ Biological weapon.
→ Chemical Weapon.

সূত্র: বিভিন্ন পত্রিকা রিপোর্ট ও ব্রিটানিকা।
৪৪৮.
কোন দেশে 'হুথি বিদ্রোহীরা' সক্রিয় রয়েছে?
  1. লেবানন
  2. ইয়েমেন
  3. ইসরাইল
  4. সোমালিয়া
ব্যাখ্যা
হুথি বিদ্রোহী:
- হুথি ইয়েমেনের একটি বিদ্রোহী গ্রুপ। এই গ্রুপ ইয়েমেনে সক্রিয় রয়েছে।
- হুতিদের আনুষ্ঠানিক নাম আনসারুল্লাহ। এরা ইরানের সমর্থনপুষ্ট।
- স্থানীয়ভাবে তাদের হুতি বলে ডাকা হয়। তারা মূলত শিয়া মতবাদে বিশ্বাসী।
- ইয়েমেনে ৯৯.৫ শতাংশ মুসলমান, যার মধ্য ৭০ শতাংশ সুন্নী ও ৩০ শতাংশ শিয়া।
- এই ৩০ শতাংশ শিয়ারাই মুলত হুথি সম্প্রদায়।
- এই হুথিদেরকে ইরানের শিয়া সরকার ও লেবাননের হিজবুল্লার সহযোগী সংগঠন বলে মনে করা হয়।

উৎস: ডয়েচেভেলে পত্রিকা রিপোর্ট।
৪৪৯.
২০২৩ সালে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন কোন দেশে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. মাদ্রিদ, স্পেন
  2. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
  3. ব্রাসেলস, বেলজিয়াম
  4. ভিলনিয়াস, লিথুয়ানিয়া
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

২০২৩ ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন:
- লিথুয়ানিয়ার রাজধানী ভিলনিয়াসে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন ২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়।
- ১১-১২ জুলাই, ২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলনে ইউক্রেনকে নিরাপত্তা সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি প্রাধান্য পায়।
- রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হলে ন্যাটোর সদস্য হতে পারবে ইউক্রেন।

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট ও  প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৪৫০.
জেনেভা চুক্তি-১৯৫৪ তে স্বাক্ষরকারী দেশ-
  1. ক) জার্মানি ও যুক্তরাজ্য
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন
  3. গ) ফ্রান্স ও ভিয়েতনাম
  4. ঘ) রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
২০ জুলাই, ১৯৫৪ সালে স্বাক্ষরিত হয় জেনেভা চুক্তি-১৯৫৪। এই চুক্তির পক্ষদ্বয় ছিল ফ্রান্স ও ভিয়েতনাম।
এই চুক্তির ফলে উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম নামে দুটি আলাদা রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৪৫১.
চীনের বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল রয়েছে -
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল:
- হংকং বর্তমানে চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল যা এক দেশ দুই নীতির ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।
- ১৮৪২ সালে নানকিং চুক্তির মাধ্যমে হংকং ব্রিটেনের অধীনস্থ হয় এবং ১৮৯৮ সালে চীন হংকংকে ৯৯ বছরের জন্যে ব্রিটেনের নিকট লিজ দেয়।
- ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই ব্রিটেন পুনরায় চীনের নিকট হংকং কে হস্তান্তর করে।
- হংকংয়ের পুঁজিবাদী অর্থনীতিকে সচল রাখতে গৃহীত এক দেশ দুই নীতির মেয়াদ ২০৪৭ সাল পর্যন্ত।
- চীনের অপর একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল হলো সাবেক পর্তুগিজ কলোনি ম্যাকাও।
-  বর্তমানে চীনে দুটি  বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল  রয়েছে: ম্যাকাও এবং হংকং।

উৎস: চীনের সরকারি ওয়েবসাইট এবং Investopedia.Com।[লিঙ্ক]
৪৫২.
ULFA ভারতের কোন রাজ্যের স্বাধীনতাকামী সংগঠন?
  1. মিজোরাম
  2. মেঘালয়
  3. মণিপুর
  4. আসাম
ব্যাখ্যা
উলফা:
- United Liberation Front of Assam - ULFA ভারতের আসাম রাজ্যের স্বাধীনতাকামী সংগঠন।
- এটি ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- উলফার নেতাদের মধ্যে পরেশ বড়ুয়া, অনুপ চেটিয়া, অরবিন্দ রাজখোয়া প্রমুখ উল্লেখযোগ্য।
- বাংলাদেশের আলোচিত দশট্রাক অস্ত্রের চোরাচালানের সাথে উলফা জড়িত ছিলো।

তথ্যসূত্র - South Asia Terrorism Portal.
৪৫৩.
আরব লীগ গঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৪২ সালে
  2. ১৯৪৩ সালে
  3. ১৯৪৪ সালে
  4. ১৯৪৫ সালে
ব্যাখ্যা
আরব লীগ:
- মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর আঞ্চলিক সংগঠন।
- উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোর রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডের সমন্বয় ও বন্ধন শক্তিশালী করা।
- ৭ অক্টোবর ১৯৪৪ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- আলেকজান্দ্রিয়া প্রটোকল ছিল আরব লীগের ভিত্তি।
- ১৯৪৫ সালের ২২ মার্চ আরব লীগ গঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: কায়রো, মিশর।
- সদস্য: মোট ২২টি রাষ্ট্র। (আগস্ট, ২০২৪)
- আরব লীগ বহির্ভূত মধ্যপ্রাচ্যের দেশ: ইরান।
- অফিসিয়াল ভাষা: আরবি।

তথ্যসূত্র - আরব লীগ ওয়েবসাইট।
৪৫৪.
Good Friday Agreement নামে পরিচিত কোনটি?
  1. অটোয়া চুক্তি
  2. বেলফাস্ট চুক্তি
  3. অসলো চুক্তি
  4. উই রিভার চুক্তি
ব্যাখ্যা
বেলফাস্ট চুক্তি:
- উত্তর আয়ারল্যান্ডে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বেলফাস্ট চুক্তিটি একটি মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত হয়। উত্তর আয়ারল্যান্ড - এর শাসনতন্ত্র কিরকম হবে তা এই চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষর: ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮ সাল।
- চুক্তি কার্যকর: ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তির পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
- 'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম - Good Friday Agreement.

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৪৫৫.
কোন চুক্তির মাধ্যমে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন ও ইসরাইল পরস্পরকে স্বীকৃতি দান করে?
  1. বেলফাস্ট চুক্তি
  2. ডেটন চুক্তি
  3. অসলো চুক্তি
  4. অটোয়া চুক্তি
ব্যাখ্যা
চুক্তি:
- ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটন ডিসিতে স্বাক্ষরিত অসলো চুক্তির ফলে ইসরাইল ও প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এতে মধ্যস্থতা করেন।

অন্যদিকে,
- অটোয়া চুক্তি (১৯৯৭) স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ,
- ডেটন চুক্তি (১৯৯৫) : বসনিয়া সংকট সমাধান,
- বেলফাস্ট চুক্তি (১৯৯৮) : উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি স্থাপন।

উৎস: হিস্টোরি এবং ব্রিটানিকা।
৪৫৬.
কোয়াড (Quad) কোন ধরনের ফোরাম?
  1. অর্থনৈতিক সহযোগিতা ফোরাম
  2. কৌশলগত নিরাপত্তা ফোরাম
  3. সাংস্কৃতিক বিনিময় ফোরাম
  4. পরিবেশ সংরক্ষণ ফোরাম
ব্যাখ্যা

কোয়াড (Quad):
- কোয়াড (Quad) হলো যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানকে নিয়ে গঠিত একটি অনানুষ্ঠানিক কৌশলগত নিরাপত্তা ফোরাম।
- ২০০৪ সালের ভারত মহাসাগরের সুনামির পর এই চার দেশের মধ্যে সমন্বয়মূলক আলোচনার সূত্রপাত ঘটে, যা পরবর্তীতে কৌশলগত অংশীদারিত্বে রূপ নেয়।
- ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং পরে জো বাইডেনের নেতৃত্বাধীন যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন - ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের আগ্রাসী বা শক্ত অবস্থানের জবাব দিতে এবং নজরদারি চালাতে কোয়াডকে মূল চাবিকাঠি হিসেবে ব্যবহার করছেন।
- কোয়াড মূলত সদস্য দেশের মধ্যে রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ায়।
- পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি রক্ষা, দুর্যোগ মোকাবিলা, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা করে থাকে।
- তাছাড়া, বৈশ্বিক সংকট যেমন কোভিড–১৯ প্রতিরোধে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকে।

উৎস: East Asia Forum Website. 

৪৫৭.
কূটনীতি সম্পর্কিত ভিয়েনা কনভেনশন কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৫৯ সাল
  2. ১৯৬১ সাল
  3. ১৯৬৯ সাল
  4. ১৯৮৫ সাল
ব্যাখ্যা
ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোমেটিক রিলেশনস: 
- স্বাক্ষরিত: ১৮ এপ্রিল, ১৯৬১ সাল। 
- স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- কার্যকর: ২৪ এপ্রিল, ১৯৬৪, আর্টিকেল ৫১ অনুযায়ী।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ৬০
- পক্ষভুক্ত দেশ: ১৯৩
- ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোমেটিক রিলেশনস ১৯৬১ সালের ১৪ এপ্রিল জাতিসংঘের "ডিপ্লোম্যাটিক ইন্টারকোর্স এবং ইমিউনিটিস" বিষয়ে সম্মেলনে গৃহীত হয়।
- এই সম্মেলন ২ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল, ১৯৬১ পর্যন্ত নিউ হোফবুর্গ, ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত হয়।
- কূটনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়নে এর ভূমিকা।
- সম্মেলনে গৃহীত চারটি প্রস্তাবনা অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- চুক্তি এবং দুটি প্রোটোকল জাতিসংঘের মহাসচিবের কাছে জমা দেওয়া হয়।
- ফাইনাল অ্যাক্ট অস্ট্রিয়ার ফেডারেল মিনিস্ট্রি ফর ফরেন অ্যাফেয়ার্স-এর আর্কাইভে সংরক্ষিত।
- বাংলাদেশ এই কনভেনশনে ১৩ জানুয়ারি, ১৯৭৮ সালে পক্ষভুক্ত হয়।
- ভিয়েনা কনভেনশন আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্কের মৌলিক কাঠামো গঠনে এবং কূটনৈতিক সুরক্ষা ও সুবিধা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: United Nations Treaty Collection ওয়েবসাইট।
৪৫৮.
জাতিসংঘের ‘জেনোসাইড কনভেনশন’ কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ১৯৪৫ সালে
  2. ১৯৪৮ সালে
  3. ১৯৬৯ সালে
  4. ১৯৫১ সালে
ব্যাখ্যা
The Genocide Convention:
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ১৯৪৮ সালে গণহত্যাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- নাৎসি হলোকাস্টে ইহুদিদের গণহত্যার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৪৮ সালের ৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘের ‘জেনোসাইড কনভেনশন’ গৃহীত হয়।
- সে কারণে ওই দিনটিকেই আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে ঘোষণা দেয় জাতিসংঘ।
- কনভেনশনটির পূর্ণরূপ- Convention on the Prevention and Punishment of the Crime of Genocide.
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও হলোকাস্টের পর এই কনভেনশন চালু হয়, যেখানে ৬ মিলিয়নেরও বেশি ইহুদি হত্যা করা হয়েছিল।
- জেনোসাইড কনভেনশন ১৯৫১ সালে কার্যকর হয়। 

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি, ডিসেম্বর ২০২৪ সালে ইসরায়েল গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ‘গণহত্যা’ চালিয়েছে বলে জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
- প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বরকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা প্রতিরোধ ও ভুক্তভোগীদের স্মরণে দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো। [লিঙ্ক]
৪৫৯.
‘হিজবুল্লাহ‘ সশস্ত্র গোষ্ঠীর মহাসচিবের নাম কী?
  1. ক) শেখ হাসান নাসরুল্লাহ
  2. খ) আমানুল্লাহ খান
  3. গ) আবু বকর আল বাগদাদি
  4. ঘ) হাফিজ সাঈদ
ব্যাখ্যা
হিজবুল্লাহ:
- হিজবুল্লাহ লেবাননের মুসলিম শিয়া সম্প্রদায়ের একটি রাজনৈতিক ও  সশ্বস্ত্র গোষ্ঠী।
- এর বর্তমান ও তৃতীয় মহাসচিব শেখ হাসান নাসরুল্লাহ।
- ১৯৯২ সাল থেকে হাসান নসরুল্লাহ হিজবুল্লাহর মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
- ১৯৮২ সালে লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন ও গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ১৯৮৫ সালে প্রকাশ্যে হিজবুল্লাহর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- হিজবুল্লাহ ইরান ও সিরিয়ার সমর্থনপুষ্ট।
- আল মানার হিজবুল্লাহ পরিচালিত একটি টিভি চ্যানেল।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা, আল মানার এবং ব্রিটানিকা।
৪৬০.
বাংলাদেশ CTBT চুক্তি স্বাক্ষর করে কবে?
  1. ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬
  2. ৭ মার্চ, ২০০০
  3. ৮ মে, ১৯৯৯
  4. ১২ নভেম্বর, ১৯৯৮
ব্যাখ্যা
CTBT: 
- The Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty
- বহুপাক্ষিক চুক্তি যার উদ্দেশ্য হলো সামরিক ও বেসামরিক সকল পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ। 
- ১০ ​​সেপ্টেম্বর ১৯৯৬ তারিখে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ দ্বারা এটি গৃহীত হয়েছিল। 
- বাংলাদেশ ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ CTBT চুক্তি স্বাক্ষর করে। 
- বাংলাদেশ CTBT অনুমোদন করে ৮ মার্চ ২০০০ (৫৪ তম দেশ হিসেবে)।
এর সদর দপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া। 

তথ্যসূত্র: CTBTO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৪৬১.
ন্যাটোর বর্তমান সদস্য দেশ কয়টি? (ডিসেম্বর, ২০২৫)
  1. ৩০টি
  2. ৩১টি
  3. ৩২টি
  4. ৩৩টি
ব্যাখ্যা

ন্যাটো:
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- NATO এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৯ সাল।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে। (ডিসেম্বর, ২০২৫)
- তিনি ১৪তম মহাসচিব।
- দায়িত্ব গ্রহণ করেন: ১ অক্টোবর ২০২৪।
- তিনি নেদারল্যান্ডসের নাগরিক।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি। (ডিসেম্বর, ২০২৫)
- ন্যাটোতে যোগদানকারী মুসলিম দেশ: তুরস্ক ও আলবেনিয়া। (ডিসেম্বর, ২০২৫)
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ সদস্য: সুইডেন। (ডিসেম্বর, ২০২৫)
- সুইডেন ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে ২০২৪ সালে।

তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৪৬২.
আরব বসন্তে প্রথম কোন শাসকের পতন ঘটে?
  1. ক) হোসনি মোবারক
  2. খ) আলী আব্দুল্লাহ সালেহ
  3. গ) মুয়াম্মার গাদ্দাফি
  4. ঘ) জাইন আল আবেদিন
ব্যাখ্যা
আরব বসন্ত হলো আরব মুসলিম দেশগুলোতে সংঘটিত হওয়া সিরিজ বা ধারাবাহিক গণঅভ্যুত্থান। ২০১০ সালের ডিসেম্বরে বোয়াজিজি নামে এক ফলবিক্রেতা কর্তৃক নিজ শরীরে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে তিউনেশিয়ায় গণবিক্ষোভ বা আরব বসন্তের সূত্রপাত ঘটে।
এর ফলে ১৪ মার্চ ২০১১ তিউনেশিয়ার স্বৈরশাসক জাইন আল আবেদীন বেন আলী এর পতন ঘটে।
পরবর্তীতে এই গণবিক্ষোভ মিসর, ইয়েমেন, লিবিয়া, সিরিয়া, বাহরাইন ও মরক্কোতে ছড়িয়ে পড়ে। লিবিয়া ও সিরিয়ায় গণআন্দোলন গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়।
(সূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম এবং দ্য গার্ডিয়ান)
৪৬৩.
কত সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বেতাঙ্গ শাসনের সমাপ্তি ঘটে?
  1. ক) ১৯৯০
  2. খ) ১৯৯৪
  3. গ) ১৯৯৩
  4. ঘ) ১৯৯৬
ব্যাখ্যা

১৯৬১ সালের নেলসন ম্যান্ডেলার আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সশস্ত্র শাখা গঠন করেন
এবং ১৯৬৪ সালে অন্তর্ঘাত সহ নানা অপরাধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় বর্ণবাদী সরকার। দীর্ঘ ২৭ বছর কারাভোগের পর ১৯৯০ সালে মুক্তি পান

- ১৯৯১ সালে ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন এবং ১৯৯৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় সকল শ্রেণীর লোকের অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- এর মাধ্যমে দীর্ঘ ৩৪২ বছরের শ্বেতাঙ্গ শাসনের অবসান হয়।
- দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্টের নাম - এফডব্লিউডি ক্লার্ক।

সূত্র: ব্রিটানিকা.কম

৪৬৪.
CTBT-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty
  2. Convention on Nuclear Technology and Ban
  3. Convention on Technological and Biological Treaty
  4. Convention on Trade and Border Treaty
ব্যাখ্যা

• CTBTO: 
- পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (CTBT):
- পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty.
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর, নিউইয়র্কে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৮৭টি দেশ,
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৭৮টি দেশ।
- স্বাক্ষর করেনি: ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া।
- স্বাক্ষর করে অনুমোদন দেয়নি: চীন, মিশর, ইরান, ইসরায়েল, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষরকরে: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর।

উল্লেখ্য,
• CTBTO-এর মূল উদ্দেশ্য হলো:
- বিশ্বব্যাপী সব ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধ করা।
- একটি বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা
- গোপন পারমাণবিক পরীক্ষা সনাক্ত করতে সক্ষম হওয়া
- বিশ্বব্যাপী শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা

তথ্যসূত্র: CTBTO ওয়েবসাইট।

৪৬৫.
জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা কোনটি?
  1. ওডার-নেইস লাইন
  2. সনোরা লাইন
  3. পার্পল লাইন
  4. ডুরান্ড লাইন
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের সীমানা:
⇒ পার্পল লাইন: ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
⇒ সনোরা লাইন: মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ওডার-নেইস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ব্লু লাইন: লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সীমানা।
⇒ লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
⇒ ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
⇒ রেডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
⇒ লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল / ম্যাকমোহন লাইন: চীন ও ভারতের মধ্যে সীমানা।
⇒ লাইন অব কন্ট্রোল: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৪৬৬.
নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভুক্তি (Open Door Policy) ন্যাটোর কোন অনুচ্ছেদে অলোকপাত করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১১
  2. অনুচ্ছেদ ১৬
  3. অনুচ্ছেদ ১০
  4. অনুচ্ছেদ ১৩
ব্যাখ্যা
ন্যাটো:
- NATO-এর পূর্ণরূপ হলো North Atlantic Treaty Organization,
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতির ভিত্তিতে এই সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমানে এর মহাপরিচালক Mark Rutte. [জুলাই - ২০২৫]

উল্লেখ্য,
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ছিল ১২টি দেশ। পরবর্তীতে আরও দেশ যোগ দেওয়ার মাধ্যমে এর সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ হলো তুরস্ক ও আলবেনিয়া। তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য হিসেবে যোগ দেয়। বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ৩২টি।[জুলাই - ২০২৫] 

এছাড়াও,
- ন্যাটোর অনুচ্ছেদ-১০ অনুযায়ী Open Door Policy বা নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি নীতি পরিচালিত হয়।
- এই অনুচ্ছেদের অধীনে নতুন সদস্য রাষ্ট্র ন্যাটোতে যোগ দিতে পারে।

সূত্র - ন্যাটো ওয়েবসাইট।
৪৬৭.
পৃথিবীর প্রথম পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা কী নামে পরিচিত?
  1. গ্যাজেট
  2. লিটল বয়
  3. ফ্যাট ম্যান
  4. ট্রিনিটি
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর প্রথম পারমাণবিক বোমা:
- পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিল। এই প্রকল্পের নাম ছিল 'ম্যানহাটান প্রজেক্ট'। সেই বোমা তৈরির প্রধান বিজ্ঞানী ছিলেন রবার্ট ওপেনহাইমার।
- ১৬ই জুলাই ১৯৪৫ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের ইয়োর্নাদা দেল মুয়ের্তো মরুভূমিতে বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা চালানো হয়েছিল। এর সাংকেতিক নাম ছিল ট্রিনিটি।

উল্লেখ্য,
- জাপানের দুটি শহরে এই বোমা ফেলার পর বিপুল প্রাণহানি আর ধ্বংসলীলা ঘটেছিল।
- ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ জাপানের হিরোশিমা শহরে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম লিটলবয় নামের পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করে।
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ ফ্যাটম্যান নামের বোমা নিক্ষেপ করা হয় নাগাসাকি শহরে।
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।

উৎস: BBC.

৪৬৮.
কোন চুক্তির মধ্যদিয়ে ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান হয়?
  1. প্যারিস শান্তি চুক্তি
  2. ডেটন চুক্তি
  3. ভার্সাই চুক্তি
  4. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
ব্যাখ্যা
• প্যারিস শান্তি চুক্তি:
- প্যারিস শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়- ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান-প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ- ভিয়েতনাম-যুক্তরাষ্ট্র।
- এই চুক্তির ফলে ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান হয়।
- এই শান্তি চুক্তির কারণে হেনরি কিসিঞ্জার ও লি ডাক থো ১৯৭৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন। 

সূত্র: Britannica ও History.com, বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর- তারেক শামসুর রেহমান।
৪৬৯.
ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান কোনটি?
  1. কানাডা
  2. ফ্রান্স
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ক্রোয়েশিয়া
ব্যাখ্যা
ডেটন শান্তি চুক্তি:
- ডেটন শান্তি চুক্তির পূর্ণনাম - General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina।
- বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয়। এই জন্য এই চুক্তিকে ডেটন শান্তি চুক্তি বলা হয়।
- ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বিল ক্লিন্টন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী - ওয়ারেন ক্রিস্টোফার।
- চুক্তিটির প্রধান শান্তি আলোচক: রিচার্ড হলব্রোক।
- চুক্তির খসড়া প্রস্তুত: ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তির পক্ষ সমূহ - বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী:
• বসনিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ।
• ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
• সার্বিয়ার পক্ষে - স্লোভাদান মিলোসোভিচ।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।
৪৭০.
আরব লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ কয়টি?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা
♦আরব লীগ
- মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার মুসলিম দেশগুলোর রাজনৈতিক জোট হলো আরব লীগ।
- এটি ১৯৪৫ সালের ২২ মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির সদর দপ্তর মিশরের রাজধানী কায়রোতে অবস্থিত।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৭টি।
- যথা: সৌদি আরব, ইরাক, ইয়েমেন, জর্ডান, সিরিয়া, লেবানন ও মিশর।

সূত্রঃ আরব লীগ ওয়েবসাইট।
৪৭১.
'Nuclear Non-Proliferation Treaty' কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৬১ সালে
  2. ১৯৬৮ সালে
  3. ১৯৬৩ সালে
  4. ১৯৭০ সালে
ব্যাখ্যা
'NPT'(Nuclear Non-Proliferation Treaty):
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- আণবিক অস্ত্র উৎপাদক রাষ্ট্রের সংখ্যা ৯টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া ও ইসরায়েল।
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

উৎস:  Arms Control Association এবং Office of the Historian ওয়েবসাইট।
৪৭২.
নকশাল আন্দোলনের নেতা কে ছিলেন?
  1. চারু মজুমদার
  2. কানু স্যানাল
  3. জঙ্গল সাঁওতাল
  4. ক, খ ও গ
ব্যাখ্যা
নকশাল আন্দোলন:
- নকশাল আন্দোলন একটি কমিউনিস্ট আন্দোলন।
- নকশাল বা নকশালবাদী বলতে উগ্র বামপন্থী দলগুলোকে নির্দেশ করা হয়।
-  ১৯৬৭ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের শিলিগুড়ি জেলার নকশালবাড়ি গ্রামে পুলিশের সাথে কৃষক ও আদিবাসীদের সংঘর্ষের মাধ্যমে নকশালবাড়ি বা নকশাল আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।
- পরবর্তীতে এ আন্দোলন বিহার, উড়িষ্যা, ছত্তিসগড়, অন্ধপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র প্রভৃতি রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
- এ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন কমিউনিস্ট নেতা চারু মজুমদার, কানু স্যানাল, জঙ্গল সাঁওতাল প্রমুখ।
- নকশালপন্থীরা মাও সেতুং এর অনুসারী।
- এরা ছিলো উগ্র বামপন্থী যারা সশস্ত্র লড়াইয়ের মাধ্যমে ভারতে কমিউনিস্ট শাসনব্যবস্থা কায়েম করতে সচেষ্ট।
- বর্তমানে নকশাল আন্দোলন অনেকটাই স্তিমিত।

উৎস: Britannica.
৪৭৩.
অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম কোন যুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
  2. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  3. উপসাগরীয় যুদ্ধ
  4. আফগান যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

• অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম:
- অভিযান পরিচালনা করে বহুজাতিক বাহিনী।
- কারণ: উপসাগরীয় যুদ্ধ।
- সময়: ১৯৯১ সালে।

অপরদিকে, 
• অপারেশন বারবারোসা:

- অভিযান পরিচালনা করে জার্মানি।
- কারণ: রাশিয়ায় সামরিক অভিযান পরিচালনা।
- সময়: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ।

• অপারেশন ব্লু স্টার :
- অভিযান পরিচালনা করে ইন্দিরা গান্ধী সরকার।
- কারণ: স্বর্ণ মন্দিরে সামরিক অভিযান।
- সময়: ১৯৮৪ সালে।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৪৭৪.
সম্প্রতি কোন উপত্যকা নিয়ে ভারত ও চীনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছিল?
  1. ক) বালাকোট
  2. খ) তিব্বত
  3. গ) গালওয়ান
  4. ঘ) হিমাচল
ব্যাখ্যা
লাদাখের গালওয়ান উপত্যাকায় ভারতীয় রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে ২৪ মে ২০২০ তারিখে চীনা সেনারা ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়লে লাদাখের লেহ ও কাশ্মীর থেকে সৈন্য প্রেরণ করে ভারত।
লাদাখের গালওয়ানে ২০২০ সালের ১৫ জুন লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল বরাবর ভারত ও চীনা সেনাদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বাঁধে। এতে ভারতের ২০ জন সৈন্য নিহত এবং চীনের ৪৩ জন সৈন্য নিহত হয়।
উৎসঃ দৈনিক পত্রিকা।
৪৭৫.
কী নামে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র? [জুন, ২০২৫]
  1. গোল্ডেন ডোম
  2. ডেভিড'স স্লিং
  3. আয়রন ডোম
  4. অ্যারো
ব্যাখ্যা
গোল্ডেন ডোম:
- ‘গোল্ডেন ডোম’ নামের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
- ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণার সময় ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ইসরায়েলের আয়রন ডোমের মতো একটি আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা নির্মাণ করার কথা বলেছিলেন।
- শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে রক্ষায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতিমধ্যেই ‘গোল্ডেন ডোম’ নামের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ঢাল তৈরির জন্য নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন।
- এই কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছে বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবের ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সসহ আরও দুটি প্রতিষ্ঠান।
- গোল্ডেন ডোম প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র ও সেগুলোর গতিবিধি শনাক্ত করার জন্য ৪০০ থেকে ১ হাজারের বেশি স্যাটেলাইট তৈরি করে পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠানো হতে পারে।
- এ ছাড়া গোল্ডেন ডোমের আওতায় হামলা চালানোর জন্য আলাদা ২০০টি স্যাটেলাইটের বহর কক্ষপথে পাঠানো হতে পারে।
- স্যাটেলাইটগুলোয় ক্ষেপণাস্ত্র বা লেজার মোতায়েন থাকতে পারে।
- তবে স্যাটেলাইটে অস্ত্র মোতায়েনের কাজের সঙ্গে স্পেসএক্সকে যুক্ত করা হবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ইসরায়েলের তৈরি আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার নাম আয়রন ডোম, ডেভিড'স স্লিং এবং অ্যারো।

উৎস: প্রথম আলো (১৭ এপ্রিল ২০২৫)
৪৭৬.
গুড ফ্রাইডে ট্রিটি - কোন দুটি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ফ্রান্স ও লুক্সেমবার্গ
  2. খ) স্পেন ও অ্যান্ডোরা
  3. গ) আয়ারল্যান্ড ও ব্রিটেন
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া
ব্যাখ্যা
উত্তর আয়ারল্যান্ডে তিন দশক ধরে চলা সহিংসতা বন্ধে ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ড সরকার এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ১৯৯৮ সালের ১০ এপ্রিল গুড ফ্রাইডে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
শুক্রবারে স্বাক্ষরিত হওয়ায় এটিকে গুডফ্রাইডে চুক্তি বলা হয়। তবে অফিশিয়ালভাবে চুক্তিটি "বেলফাস্ট চুক্তি" নামে পরিচিত।
এই চুক্তির মাধ্যমে উত্তর আয়ারল্যান্ডে ইউনিয়নিস্ট ও ন্যাশনালিস্টদের মধ্যে ক্ষমতা ভাগাভাগির মাধ্যমে সরকার গঠনের বিধান গৃহিত হয়।
(সূত্রঃ বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
৪৭৭.
ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাকে লক্ষ্য করে শুরু করা ইসরায়েল সামরিক অভিযানের নাম কী?
  1. অপারেশন অ্যানাকোন্ডা
  2. অপারেশন ব্ল‍্যাক থান্ডার স্টর্ম
  3. অপারেশন রাউদা লায়ন
  4. অপারেশন রাইজিং লায়ন
ব্যাখ্যা
• অপারেশন রাইজিং লায়ন:
- ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাকে লক্ষ্য করে সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েল।
- শুক্রবার (১৩ জুন, ২০২৫) চালানো এই হামলার নাম দিয়েছে ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’।
- মূলত তেহরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির মূল কেন্দ্রবিন্দুতে আঘাত করাই ছিল এই অভিযানের উদ্দেশ্য।
- এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলের অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফেলা ইরানি পরিকল্পনাগুলোর ওপর হামলা চালানো।
- এর আওতায় ছিল ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামো, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কারখানা এবং সামরিক ঘাঁটিগুলো।

•'ট্রু প্রমিজ থ্রি'
- ইসরায়েলি সরকারের সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে ইরান।
- অপারেশন 'ট্রু প্রমিজ থ্রি'-এর অংশ হিসেবে একটি নতুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী।

উৎস: daily-sun website.লিংক
৪৭৮.
When was the Treaty of Algiers signed?
  1. 1974
  2. 1975
  3. 1976
  4. 1977
  5. 1978
ব্যাখ্যা
আলজিয়ার্স চুক্তি:
- ১৯৭৬ সালে আলজিয়ার্স চুক্তি অনুমোদিত হয়।
- ইরাক-ইরান দুই দেশের মধ্যে আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৩ জুন,১৯৭৫ সালে।
- আলজেরিয়ার মধ্যস্থতায় আলজেরিয়ার রাজধানীতে আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ইরানের পক্ষে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী এবং ইরাকের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর,১৯৮০ সালে চুক্তিটি অকার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
৪৭৯.
রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কখন স্টার্ট-২ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ক) ৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে
  2. খ) ৩ জানুয়ারি, ১৯৯৪ সালে
  3. গ) ৭ জানুয়ারি, ১৯৯৬ সালে
  4. ঘ) ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা
স্টার্ট-২ চুক্তি:
- স্বাক্ষরিত হয়- ৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে
- স্বাক্ষরকারী দেশ- রাশিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- উদ্দেশ্য- দুরপাল্লার পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র ১০ বছরের মধ্যে দু-তৃতীয়াংশ হ্রাস করা।

তথ্যসূত্র: Britannica.com
৪৮০.
'আল শাবাব' প্রতিষ্ঠা লাভ করে কত সালে?
  1. ক) ২০০৫
  2. খ) ২০০৪
  3. গ) ২০০৬
  4. ঘ) ২০০৮
ব্যাখ্যা
আল-শাবাব:
- আল-শাবাব; পুরো নাম হরকাত আল শাবাব আল মুজাহিদিন। সংক্ষেপে আল-শাবাব নামেই পরিচিত। এতে অনেক বিদেশি যোদ্ধা আছে বলে ধারণা করা হয়।
- এরা সরাসরি আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদার সঙ্গে সম্পৃক্ত। - আল শাবাব এর অর্থ হল তারুণ্য।
- সদর দপ্তর: জিলিব, সোমালিয়া
- প্রতিষ্ঠাকালঃ ২০০৬
- সোমালিয়ার বিলুপ্ত 'ইউনিয়ন অব ইসলামিক কোর্টস'-এর চরমপন্থী যুবসংগঠন হিসেবে আল-শাবাব যাত্রা শুরু করে।

তথ্যসূত্র: আজ জাজিরা নিউজ।
৪৮১.
’স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড’ কোন দেশের পুলিশ সংস্থা?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. নেদারল্যান্ড
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা

• স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড:
- স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড হল লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দফতরের প্রচলিত নাম।
এটি যুক্তরাজ্যের একটি বিখ্যাত পুলিশ সংস্থা।
- যা লন্ডন শহরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং অপরাধ তদন্তে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৮২৯ সালে,।
- উদ্যোক্তা: তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রবার্ট পিল।
- প্রথম অফিস: স্কটল্যান্ড প্লেস নামে একটি রাস্তায় অবস্থিত ছিল।
- নামের উৎস: এলাকার নাম থেকেই "Scotland Yard" নামটি প্রচলিত হয়।
- বর্তমান নাম: New Scotland Yard।

এর কার্যাবলী:
- অপরাধ তদন্ত: খুন, চুরি, জালিয়াতি, সন্ত্রাসবাদ ইত্যাদি অপরাধে তদন্ত চালায়।
- ক্রিমিনাল ইন্টেলিজেন্স: গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ।
- Forensic Service: অপরাধস্থলে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ বিশ্লেষণ।
- জননিরাপত্তা রক্ষা: লন্ডনে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা।
- সন্ত্রাস বিরোধী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ।

উৎস: Britannica.

৪৮২.
পিং পং ডিপ্লোম্যাসির সাথে সংশ্লিষ্ট দেশ কোনটি?
  1. উত্তর কোরিয়া
  2. দক্ষিণ কোরিয়া
  3. তাইওয়ান
  4. চীন
ব্যাখ্যা

Ping Pong Diplomacy:
- পিং পং ডিপ্লোম্যাসির (Ping pong diplomacy) মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলা ২০ বছরের বৈরি সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে।
- ১৯৭১ সালে ৩১তম বিশ্ব টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত হয় জাপানের নাগোয়াতে।
- সেখানে যোগ দেওয়া মার্কিন টেবিল টেনিস দলকে আমন্ত্রণ জানায় চীন।
- ১৯৪৯ সালের পর কোনো মার্কিন প্রতিনিধির এটাই প্রথম চীন সফর।
- সেই ঐতিহাসিক সফরের পর চীন-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হয়।
- এর জেরেই ১৯৭২ সালের জুলাইয়ে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন চীন সফরে আসেন।
- এরপরই সিনো-মার্কিন বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়।
- এই ঘটনা পরবর্তীতে ‘ পিংপং কূটনীতি’ হিসেবে খ্যাত হয়।
- পিংপং কূটনীতি চীনের সকল জনগণকে উজ্জীবিত করেছিল।
- এটি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কোন্নয়নে বড় অবদান রেখেছে।

উল্লেখ্য,
- মূলত পিং পং খেলাটি চীনে অনুষ্ঠিত হওয়ায় এটি চীনের সাথেই অধিকতর সম্পর্কিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪৮৩.
Federalnaya Sluzhba Bezopasnosti এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম ছিল কোনটি?
  1. RSB
  2. RSK
  3. BKR
  4. KGB
ব্যাখ্যা
FSB:
- এটি রাশিয়ার প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা।
- এর পূর্ণরূপ The Federal Security Service যা রাশিয়ান ভাষায় Federalnaya Sluzhba Bezopasnosti.
- প্রতিষ্ঠাকালীন নাম: KGB (Committee for State Security)।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্ত হওয়ার পর ১৯৯৪-৯৫ সময়ে এর নাম হয় - Federal Counterintelligence Service (FSK) |
- ১৯৯৫ সাল থেকে এই সংস্থাটির বর্তমান নাম করেন তৎকালীন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট Boris Yeltsin.
- রাশিয়ার অভ্যন্তরীন নিরাপত্তা, সীমান্ত অপরাধ, চোরাচালান, ফেডারেল কোন আইন ভঙ্গ করলে তার তদন্ত ও অপরাধী সনাক্তকরণ ইত্যাদি বিষয়ে FSB কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

তথ্যসূত্র - FSB অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৪৮৪.
খেমারুজদের নেতা ছিলেন কে?
  1. ক) হোচিমিন
  2. খ) লরা কাবিলা
  3. গ) পলপট
  4. ঘ) ম্যানুয়েলু মারুলেন্দা
ব্যাখ্যা
- খেমারুজ হলো কম্বোডিয়ান কমিউনিস্ট পার্টির সামরিক শাখা। খেমারুজদের নেতা ছিলেন পলপট।
- পলপটের নেতৃত্বে ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত চার বছরের খেমারুজ শাসনে কম্বোডিয়ায় প্রায় ২০ লক্ষ মানুষ বিভিন্ন কারণে মারা যায় যা ‘কম্বোডিয়ান গণহত্যা’ নামে পরিচিত।
- ১৯৭৯ সালে পলপট ও খেমারুজ শাসনের পতন ঘটে।
(তথ্যসূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
৪৮৫.
ভূমি মাইন ব্যবহার, গুদামজাত, উৎপাদন ও সরবরাহ নিষিদ্ধ সংক্রান্ত চুক্তিটির নাম -
  1. ক) অসলো চুক্তি
  2. খ) মন্ট্রিল চুক্তি
  3. গ) ভিয়েনা চুক্তি
  4. ঘ) অটোয়া চুক্তি
ব্যাখ্যা
• Anti-Personnel Mine Ban Convention (Ottowa Treaty):
- ভূমি মাইন ব্যবহার, গুদামজাত করা, উৎপাদন করা ও সরবরাহ করা নিষিদ্ধ সংক্রান্ত চুক্তিটির নাম হচ্ছে 'এন্টি পারসোনাল মাইন ব্যান কনভেনশন' যা অটোয়া চুক্তি নামেও অভিহিত করা হয়।
- ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে অটোয়ায় ১২২টি দেশ ভূমি-মাইন চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- যুক্তরাষ্ট্র সহ রাশিয়া, চীন, ভারত, পাকিস্তান, ইরান, ইরাক, ভিয়েতনাম ও তুরস্ক এ চুক্তি স্বাক্ষরে অস্বীকৃতি জানায় ।
- ১৯৯৯ সালের ১ মার্চ থেকে এটি আন্তর্জাতিক আইনে পরিণত হয়েছে।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
৪৮৬.
সীমান্ত গান্ধী নামে পরিচিত কে?
  1. ক) রাজীব গান্ধী
  2. খ) ইন্দিরা গান্ধী
  3. গ) আতাউর রহমান
  4. ঘ) আব্দুল গাফফার খান
ব্যাখ্যা
সীমান্ত গান্ধী নামে আব্দুল গাফফার খান পরিচিত। 
- খান আব্দুল গাফফার খান মহাত্মা গান্ধীর অহিংস নীতির একজন একনিষ্ঠ সমর্থক ছিলেন। 
- ভারতের উত্তর - পশ্চিম সীমান্তে বিশৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা রোধে মহাত্মা গান্ধীর অহিংস নীতি প্রচার ও ধারণ করায় তাকে 'সীমান্ত গান্ধী' উপাধীতে ভূষিত করা হয়

তথ্যসূত্র:- ডেইলি স্টার।
৪৮৭.
জাতিসংঘের 'সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা' স্বাক্ষরিত হয়-
  1. ১৮৬৪ সালে
  2. ১৮৫৮ সালে
  3. ১৯৪৫ সালে
  4. ১৯৪৮ সালে
ব্যাখ্যা
• মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা (Universal Declaration of Human Rights):
- মানবাধিকার রক্ষায় জাতিসংঘের প্রথম উদ্যোগ।
- ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে গৃহীত হয়।
- এতে ৩০টি ধারা আছে।
- ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালিত হয়। 

• উদ্দেশ্য:
- সকল মানুষের মর্যাদা, অধিকার, এবং স্বাধীনতার সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
- মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রতিরোধ।
- বিশ্বজুড়ে শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা।

উৎস: UN website.
৪৮৮.
‘চমন-স্পিন বোল্ডাক’ সীমান্তবর্তী স্থান কোন দুটি দেশের মধ্যে অবস্থিত?
  1. আফগানিস্তান ও পাকিস্তান
  2. চীন ও পাকিস্তান
  3. ভারত ও পাকিস্তান
  4. ভারত ও চীন
ব্যাখ্যা

‘চমন-স্পিন বোল্ডাক’ সীমান্তবর্তী স্থান:
- ‘চমন-স্পিন বোল্ডাক’ (Chaman-Spin Boldak) সীমান্তবর্তী স্থানটি আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে অবস্থিত।
- এটি ডুরান্ড লাইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্রসিং পয়েন্ট।

উল্লেখ্য,
- এখানে আফগানিস্তানের কান্দাহার প্রদেশের স্পিন বোল্ডাক এবং পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের চমন শহর একে অপরের সাথে যুক্ত হয়েছে।

উৎস: Britannica.

৪৮৯.
ন্যাটোর বর্তমান মহাসচিব মার্ক রুট্টে কোন দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন?
  1. কানাডা
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. নেদারল্যান্ডস
  4. নিউজিল্যান্ড
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

NATO:

- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে (১৪তম)।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

উল্লেখ্য,
- ন্যাটোর বর্তমান মহাসচিব মার্ক রুট্টে নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- ২০১০ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত প্রায় ১৪ বছর নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন রুট। 
- জুন, ২০২৪-এ তিনি ন্যাটোর মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন।
- অক্টোবরের ১, ২০২৪ তারিখ থেকে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। 

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
৪৯০.
SAFTA চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ কয়টি?
  1. ১০টি
  2. ৮টি
  3. ৭টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
•SAFTA:
- চুক্তির পূর্ণনাম: South Asian Free Trade Area (SAFTA)
- স্বাক্ষরিত হয় SAPTA চুক্তির সীমাবদ্ধতাগুলোকে মিটিয়ে ৬ জানুয়ারি ২০০৪ সালে পাকিস্তানের সম্মেলনে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
- কার্যকর হয় ১ জানুয়ারি, ২০০৬।
- স্বাক্ষরকারী দেশ ৮টি।

• SAPTA:

- এর পূর্ণরূপ: SAARC Preferential Trading Arrangement (SAPTA)।
- সার্কের সদস্য দেশসমূহের মধ্যে বাণিজ্যিক সমতা ও সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য এই চুক্তিটি করা হয়।
- ১৯৯১ সালের ডিসেম্বরে কলম্বোতে অনুষ্ঠিত সাউথ এশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর রিজিওনাল কো-অপারেশন (সার্ক)-এর ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে সার্ক দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য উদারীকরণের ধারণাটি প্রথম উত্থাপিত হয়েছিল।
- ১৯৯৩ সালের এপ্রিলে এটি ঢাকায় স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ ৭টি।

তথ্যসূত্র - সার্ক অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। 
৪৯১.
অটোয়া চুক্তির মূল বিষয় কোনটি?
  1. পরমাণু অস্ত্রের বিস্তার রোধ
  2. রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন ও ব্যবহার নিষিদ্ধকরণ
  3. স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধকরণ
  4. সৈন্য সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিরস্ত্রীকরণ
ব্যাখ্যা
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি: 
- অটোয়া চুক্তির মূল বিষয় হলো অ্যান্টি-পারসোনেল ল্যান্ডমাইন বা স্থলমাইনের ব্যবহার, সংরক্ষণ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধ করা।
- এটি ১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৯৭ সালে স্বাক্ষরিত হয় এবং ১ মার্চ ১৯৯৯ সালে কার্যকর হয়।
- চুক্তির মাধ্যমে সদস্য দেশগুলো স্থলমাইন অপসারণ ও ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেয়।
- এতে ১৬৪টি দেশ অংশগ্রহণ করে। 
- বাংলাদেশ ৭ মে ১৯৯৮ সালে এতে স্বাক্ষর করে এবং ৬ সেপ্টেম্বর ২০০০ সালে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেয়।
- এই চুক্তি যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় বেসামরিক মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
 
সূত্র: স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি ওয়েবসাইট।
৪৯২.
মিয়ানমারের একটি বিপ্লবী গ্রুপ বা গোষ্ঠী-
  1. ক) আমান
  2. খ) উলফা
  3. গ) RAW
  4. ঘ) গডস আর্মি
ব্যাখ্যা
গডস আর্মি:
- ‘গডস আর্মি' মিয়ানমারের একটি বিপ্লবী গ্রুপ বা গোষ্ঠী।
- ১৯৯৭ সালে সাউ তুই তুই এটা প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই গোষ্ঠীটি মিয়ানমারের কারেন রাজ্যে তাদের কার্যক্রম চালায়।

তথ্যসূত্র:- নিউইয়র্ক টাইমস ও ব্রিটানিকা।
৪৯৩.
সিমলা চুক্তির মাধ্যমে যে নিয়ন্ত্রণ সীমা তৈরি হয় তার নাম -
  1. লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল
  2. ডুরান্ড লাইন
  3. লাইন অব কন্ট্রোল
  4. ম্যাকমোহন লাইন
ব্যাখ্যা
সিমলা চুক্তি (Simla Agreement):
- ১৯৭১ সালে ভারত পাকিস্তান সমঝোতার মাধ্যমে যে নিয়ন্ত্রণ সীমা তৈরি হয় তার নাম এল.ও.সি বা লাইন অব কন্ট্রোল।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির অধীনেই ভারত সব যুদ্ধবন্দিকে বিনা বিচারে পাকিস্তানে ফেরত পাঠায়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২ জুলাই, ১৯৭২।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ভারত ও পাকিস্তান।
- ভারতের পক্ষে স্বাক্ষরকারী: প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
- পাকিস্তানের পক্ষে স্বাক্ষরকারী: প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাশ্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
- মূলত বাংলাদেশে স্বাধীনতা যুদ্ধের পর ৯৩ হাজার পাকিস্তানী সেনাদের ভারত বন্দী বানিয়ে নিয়ে যায় তাদের দেশে।
- আর তখন পাকিস্তান ভেঙ্গে হয়ে গেল বাংলাদেশ ।
- সিমলা চুক্তির মাধ্যমে পাকিস্তানী ৯৩ হাজার বন্দী সেনাদের ভারত ছেড়ে দিল, এই শর্তে যে তাদের বিচার পাকিস্তান নিজেই করবে যারা পূর্বপাকিস্তান তথা বর্তমান বাংলাদেশে যুদ্ধকালীন অপরাধে জড়িত ছিল।
- এই চুক্তিতে ভারত ও পাকিস্তান জম্মু ও কাশ্মীরে স্থিতাবস্থা স্থাপনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।

উৎস: i) Ministry of External Affairs.
ii) UN Peacemaker.
৪৯৪.
অভিন্ন ইউরোপ এবং ইউরোপে একক মুদ্রা প্রচলনের লক্ষ্যে ম্যাসট্রিক্ট চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
ব্যাখ্যা
ম্যাসট্রিক্ট চুক্তি:
- স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি।
- স্বাক্ষরিত হয় নেদারল্যান্ডের ম্যাসট্রিক্ট শহরে।
- স্বাক্ষর করে ১২টি ইউরোপীয় দেশ।
- উদ্দেশ্য অভিন্ন ইউরো মুদ্রা প্রচলন এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তায় পারস্পরিক সহযোগিতা।
- এর মাধ্যমে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন সৃষ্টি হয়।

উৎস: EU এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৪৯৫.
INTERPOL এর বর্তমান সদস্য কয়টি? (সেপ্টেম্বর - ২০২৪)
  1. ১৯৮টি
  2. ১৯৭টি
  3. ১৯৬টি
  4. ১৯৫টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

INTERPOL
- পূর্ণরূপ: The International Criminal Police Organization।
- প্রতিষ্ঠাকালীন নাম: International Criminal Police Commission (ICPC)
- এটি পুলিশের একটি আন্তর্তজাতিক সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯২৩ সাল।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি দেশ। (সেপ্টেম্বর - ২০২৪)
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- সর্বশেষ সদস্য: পালাউ। (সেপ্টেম্বর - ২০২৪) 

সূত্র: INTERPOL ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
৪৯৬.
'ATT' চুক্তি কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) পরিবেশ বিষয়ক
  2. খ) মানবাধিকার বিষয়ক
  3. গ) শিক্ষা বিষয়ক
  4. ঘ) অস্ত্রবাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক
ব্যাখ্যা
- ATT (Arms Trade Treaty) হলো জাতিসংঘের উদ্যোগে স্বাক্ষরিত অস্ত্রবাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক একটি চুক্তি।
- এর চুক্তির উদ্দেশ্য হলো প্রচলিত ক্ষুদ্রাস্ত্র থেকে শুরু করে ট্যাংক কিংবা যুদ্ধবিমানের বিশ্ববাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করা।
- চুক্তিটি ২০১৩ সালের ২ এপ্রিল গৃহিত হয় এবং কার্যকর হয় ২০১৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর থেকে।
- চুক্তিটিতে স্বাক্ষরকারী দেশ ১৩০টি। তবে অংশীদার ১১০টি দেশ।
- বাংলাদেশ ATT চুক্তিতে ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ স্বাক্ষর করলেও এখনো তা অনুমোদন করেনি।

সূত্র:- জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৪৯৭.
১৯৬৯ সালে উসুরী নদীকে কেন্দ্র করে কোন দুটি দেশের মধ্যকার সীমান্ত সংঘর্ষ দেখা দেয়?
  1. ক) চীন - ভারত
  2. খ) ভারত - পাকিস্তান
  3. গ) সোভিয়েত - চীন
  4. ঘ) নেপাল - ভারত
ব্যাখ্যা
- পরাশক্তিগুলোর মধ্যে সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রথম বাঙালি গণহত্যাকে নিন্দা করে। 
- এজন্য মনে করা হয় যে, সোভিয়েত ইউনিয়ন আগাগোড়া বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ছিল। 
- সোভিয়েত নীতির পটভূমিতে বিদ্যমান ছিল সোভিয়েত-চীন বিবাদের অভিজ্ঞতা। 
- ১৯৬৯ সালের মার্চে উসুরী নদী বরাবর সোভিয়েত চীন সীমান্ত সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে সোভিয়েত-চীন বিবাদ চরম পর্যায়ে পৌছে। 
 
- আর তখন থেকেই দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় চীনকে প্রতিহত করতে সোভিয়েত ইউনিয়ন যে পরিকল্পনা করে তারই অংশ হিসেবে চীন সমর্থিত পাকিস্তানের বিপক্ষ শক্তি ভারতকে সোভিয়েত ইউনিয়ন অধিক নির্ভরশীল মিত্র হিসেবে গ্রহণ করে। 
- আর ভারতের আকাঙ্ক্ষার দিকে লক্ষ রেখেই সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে অনেকটা শেষপর্যায়ে এসে সমর্থন করে। 
 
উৎস: ইতিহাস, এসএসএইচএল প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪৯৮.
Chemical Weapons Convention (CWC) চুক্তিটি স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি কোন দেশ?
  1. ইসরায়েল
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
Chemical Weapons Convention (CWC):
- রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তির নাম - Chemical Weapons Convention (CWC)।
- এটি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- এই চুক্তি অনুসারে রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
- যে সকল দেশের হাতে রাসায়নিক অস্ত্র রয়েছে তাদেরকে এই অস্ত্র ধ্বংস করার কথাও বলা হয়েছে।
- ১৯৯২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের দপ্তরে নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক সম্মেলন (Conference on Disarmament) অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন বন্ধের চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করা হয়।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত ও স্বাক্ষরিত হয় ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- কার্যকর হয় - ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ - ১৯৩টি।
- ইসরায়েল স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ও OPCW ওয়েবসাইট।
৪৯৯.
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি কবে থেকে কার্যকর হয়?
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৮ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (Anti-Personnel Landmines Convention):
- এর আরেক নাম অটোয়া চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ, ১৯৯৯ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- সদস্য দেশ: ১৬৪টি
- এর উদ্দেশ্য হলো Anti-Personnel Landmines বা স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধ।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে: ৭ মে, ১৯৯৮ সালে এবং অনুমোদন করে ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
৫০০.
কোন চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ওয়াশিংটন চুক্তি
  2. ডেটন চুক্তি
  3. রোম চুক্তি
  4. জেনেভা চুক্তি
ব্যাখ্যা
ন্যাটো বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (NATO):
- ন্যাটো (NATO) বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- এটি সদস্য দেশগুলোর স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ তারিখে উত্তর আটলান্টিক চুক্তি (ওয়াশিংটন চুক্তি) স্বাক্ষরের মাধ্যমে।
- বর্তমানে ন্যাটোর ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে।
- Article 5: একটি দেশ আক্রান্ত হলে সেটিকে সব সদস্য দেশের উপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা।
- সদস্য দেশগুলোর মধ্যে যে কোনো আক্রমণের বিরুদ্ধে একযোগে প্রতিরোধ করে।
- ন্যাটোর প্রতিটি সিদ্ধান্ত সম্মিলিতভাবে গৃহীত হয়।

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।