বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

মোট প্রশ্ন৩,৩৩৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

PrepBank · পাতা ৩১ / ৩৪ · ৩,০০১৩,১০০ / ৩,৩৩৯

৩,০০১.
ঐতিহ্যগতভাবে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন কোন মাসে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. জানুয়ারি
  2. ফেব্রুয়ারি
  3. মার্চ
  4. জুন
ব্যাখ্যা
◉ মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন:
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন সাধারণত প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে জার্মানির মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র/সরকার প্রধান, আন্তর্জাতিক ও বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন পেশাজীবী, একাডেমিশিয়ান, বিশেষজ্ঞ প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে বৈশ্বিক নিরাপত্তাগত পলিসি, চ্যালেঞ্জ ও সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা হয়।
- ১৯৬৩ সাল থেকে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
- ২০২৪ সালে ৬০তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান দুই উদ্যোক্তা এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক এই সম্মেলনকে বিশ্বজনীন রূপ দেওয়ার প্রয়াসে নতুন রূপরেখা তৈরি করেন।

সূত্র: সিকিউরিটি কনফারেন্স সংস্থা ওয়েবসাইট, বাসস।
৩,০০২.
ইসরায়েল এবং পিএলও এর মধ্যে কত সালে শান্তি চুক্তি হয়েছিল?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
ব্যাখ্যা
ইসরায়েল এবং পিএলও এর মধ্যে শান্তি চুক্তি: 

- ১৯৯৩ সালে পিএলও এবং ইসরায়েলের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তি হয়েছিল। 
- এটি ছিল দুপক্ষের মধ্যে প্রথম শান্তি চুক্তি।
- ওয়াশিংটন ডিসিতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। 
- ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিন এবং পিএলও-এর চেয়ারম্যান ইয়াসির আরাফাত এ চুক্তি স্বাক্ষর করেন। 
- এটি অসলো অ্যাকর্ডস নামে পরিচিত। 
- এ চুক্তির ধারাবাহিকতায় মিশরের তাবায় ১৯৯৫ সালে অসলো চুক্তি ২ স্বাক্ষরিত হয়।
- এ চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল ১৯৯৯ সালের মে মাসের মধ্যে ইসরায়েল-ফিলিস্তিনি সংঘাতের সমাধান করা। 
- ১৯৬৭ সালের যুদ্ধ শুরু হওয়ার কিছু আগে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গেনাইজেশন (পিএলও) গঠিত হয়েছিল। 
- ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী ফাতাহ এর মধ্যে সবচেয়ে বড় দল ছিল।  
- পিএলও সহিংসতা এবং সন্ত্রাসবাদের পথ পরিহার করে ইসরায়েলের অস্তিত্ব স্বীকার করে এবং শান্তির অঙ্গীকার করে এ চুক্তির মাধ্যমে। 
- হামাস কখনোই এই চুক্তি মানেনি।
- এই চুক্তির অধীনেই গঠিত হয়েছিল 'প্যালেস্টিনিয়ান ন্যাশনাল অথরিটি' বা ফিলিস্তিনি জাতীয় কর্তৃপক্ষ।
- ২০১৫ সালের ৩০শে সেপ্টেম্বর ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনে এই শান্তি চুক্তি মেনে চলতে অপারাগতা জানান। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং বিবিসি নিউজ- ২২ অগাস্ট, ২০১৮।
৩,০০৩.
ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যস্থতায় নিচের কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ডেটন চুক্তি
  2. সাহেল অ্যাকর্ডস
  3. আব্রাহাম অ্যাকর্ডস
  4. প্যারিস প্যাক্ট
ব্যাখ্যা
আব্রাহাম অ্যাকর্ডস:
- আব্রাহাম অ্যাকর্ডস হলো ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইনের মধ্যে একটি চুক্তি।
- ‘সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন এই চুক্তির মধ্যমে ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক তৈরি করে। 
- কার্যকর হয়: ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০।
- ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যস্থতাতেই এই চুক্তিটি সম্পন্ন হয়।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চুক্তির দিনটিকে 'নতুন মধ্যপ্রাচ্যের ভোর' নামে অভিহিত করেন।

উৎস: Britannica.
৩,০০৪.
যে দেশ এসডিআই প্রতিরক্ষা কর্মসূচী গ্রহণ করেছে-
  1. ক) ব্রিটেন
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা
Strategic Defense Initiative (SDI), byname Star Wars, proposed U.S. strategic defensive system against potential nuclear attacks—as originally conceived, from the Soviet Union.
The SDI was first proposed by President Ronald Reagan in a nationwide television address on March 23, 1983.

Source: Britannica
৩,০০৫.
কোন দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বন্দি বিনিময় চুক্তির মধ্যস্থতা করে?
  1. সিঙ্গাপুর
  2. কাতার
  3. দক্ষিণ কোরিয়া
  4. সুইডেন
ব্যাখ্যা
চুক্তি:
- যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচিত বন্দিবিনিময়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
- এ প্রক্রিয়ার শর্তের অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে জব্দ করা ইরানের ৬০০ কোটি ডলার কাতারের ব্যাংকে স্থানান্তর করা হয়েছে।
- দক্ষিণ কোরিয়ায় জব্দ থাকা এসব অর্থ প্রথমে সুইজারল্যান্ডের একটি ব্যাংকে স্থানান্তর করা হয়।
- সমঝোতা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই দেশের ৫ জন করে ১০ বন্দীকে মুক্তি দেবে।
- কাতারের রাজধানী দোহায় এই বন্দিবিনিময় অনুষ্ঠিত হবে।
- বন্দিবিনিময়ের এই সমঝোতায় মধ্যস্থতা করছে কাতার।

উৎস: রয়টার্স ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৩,০০৬.
ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ছিলো কত?
  1. দশটি
  2. এগারোটি
  3. বারটি
  4. তেরটি
ব্যাখ্যা
ন্যাটো:
- ন্যাটো (NATO) - North Atlantic Treaty Organization:
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ছিল ১২টি দেশ।
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুটি মুসলিম দেশ হল তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে। [জানুয়ারি - ২০২৫]
- বর্তমানে, ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ৩২টি দেশ। [জানুয়ারি - ২০২৫]
- NATO এর মহাপরিচালক হলেন Mark Rutte। [জানুয়ারি - ২০২৫] 

সূত্র - ন্যাটো ওয়েবসাইট।
৩,০০৭.
ইয়াল্টা সম্মেলনের উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. বিশ্বশান্তির জন্য আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান গঠন
  2. জার্মানির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা
  3. পােল্যান্ডের সমস্যার সমাধান করা
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
ইয়াল্টা সম্মেলন:
- ১৯৪৫ সালের ৪-১১ ফেব্রুয়ারি সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্রিমিয়ার ইয়াল্টাতে মিত্র পক্ষের এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয় যখন সুনিশ্চিত তখন মিত্রপক্ষীয় তিন রাষ্ট্রপ্রধান রুজভেল্ট, চার্চিল ও স্ট্যালিন ক্রিমিয়ার ইয়াল্টা প্রদেশে এক বৈঠকে মিলিত হন।
- সেখানে তাঁদের মধ্যে আন্তর্জাতিক সমস্যা সম্পর্কে আলোচনা হয়।
- যা জাতিসংঘ গঠনের ইতিহাসে 'Yalta Conference' নামে পরিচিত।
- এই সম্মেলনে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের 'ভেটো ক্ষমতা' (Veto Power) নির্ধারিত হয়।
- এটি ক্রিমিয়া সম্মেলন নামেও পরিচিত।

এই সম্মেলনের প্রধান বিষয়:
- বিশ্বশান্তির জন্য আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান গঠন,
- জার্মানির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা,
- পোল্যান্ডের ভবিষ্যত সমস্যার সমাধানকল্পে আলোচনা।

উৎস: History.com
৩,০০৮.
রাসায়নিক অস্ত্র চুক্তি কোন সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৯১ সাল
  2. ১৯৯৩ সাল
  3. ১৯৯২ সাল
  4. ১৯৯৫ সাল
ব্যাখ্যা

⇒ রাসায়নিক অস্ত্র সংক্রান্ত চুক্তি (Chemical Weapons Convention)।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩।
- কার্যকর হয়েছিল: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭।
- চুক্তিটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিল Organistion for the Prohibition of Chemical Weapons (OPCW).
- জাতিসংঘের উদ্যোগে এই সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছিল।
- এই চুক্তির আওতাধীন থাকলেও মিশর, ইসরাইল, উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ সুদান এই চুক্তির অন্তর্ভুক্ত নয়।

⇒ বাংলাদেশ OPCW চুক্তি স্বাক্ষর করে - ১৪ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- চুক্তি অনুমোদন করে - ২৫ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- চুক্তি কার্যকর করে - ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।

উৎস: OPCW ওয়েবসাইট।

৩,০০৯.
সমুদ্রতলের নিচে পারমাণবিক অস্ত্র স্থাপন বন্ধে স্বাক্ষরিত চুক্তি কোনটি?
  1. Antarctic Treaty
  2. START I
  3. Seabed Arms Control Treaty
  4. Inner Ocean Treaty
ব্যাখ্যা

• Seabed Arms Control Treaty: 
- Seabed Arms Control Treaty বা সমুদ্রতলের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি পারমাণবিক অস্ত্র এবং আন্তর্জাতিক সংঘাত সমুদ্রতলের দিকে ছড়িয়ে পড়া রোধ করে।
- সমুদ্রতলের যেকোনো অনুসন্ধান শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে হবে।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন একটি খসড়া উপস্থাপন করে যেখানে ১২ মাইলের বেশি সমুদ্রতলের সম্পূর্ণ অসামরিকীকরণের আহ্বান জানানো হয়েছিল।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তিন মাইলের বেশি সমুদ্রতলের উপর পারমাণবিক অস্ত্র এবং গণবিধ্বংসী অস্ত্র স্থাপন নিষিদ্ধ করে একটি চুক্তির খসড়া তৈরি করে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলেছে যে সম্পূর্ণ অসামরিকীকরণ সম্ভব হবে না কারণ সাবমেরিন সিস্টেম এবং অন্যান্য প্রযুক্তি মার্কিন প্রতিরক্ষা স্বার্থের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- যাচাইকরণের ক্ষেত্রে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন আবারও দ্বিমত পোষণ করে, তবে রাষ্ট্রগুলি তাদের নিজস্ব উপায়ে যাচাইকরণ করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত: ১১ ফেব্রুয়ারী ১৯৭১ সাল। 
- কার্যকর: ১৮ মে ১৯৭২ সাল। 

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৯ সালে স্বাক্ষরিত অ্যান্টার্কটিক চুক্তি হলএকটি যুগান্তকারী আন্তর্জাতিক চুক্তি যা অ্যান্টার্কটিকাকে শান্তি ও বৈজ্ঞানিক সহযোগিতার অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে, সামরিক কার্যকলাপ এবং খনিজ শোষণ নিষিদ্ধ করে।
- START I (কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস চুক্তি) ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি

তথ্যসূত্র: Arms Control Association

৩,০১০.
২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে কোন্ বিদ্রোহী আধাসামরিক গোষ্ঠী সুদানের সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে গৃহযুদ্ধে লিপ্ত? 
  1. আল শাবাব
  2. জান জাউইদ
  3. ফ্রি সুদান মুভমেন্ট 
  4. র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্স (RSF)
ব্যাখ্যা

● ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানের সশস্ত্র বাহিনীর (SAF) বিরুদ্ধে গৃহযুদ্ধে লিপ্ত বিদ্রোহী আধাসামরিক গোষ্ঠীটি হলো র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (RSF)। 

র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (RSF):
- র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (RSF) হলো সুদানের একটি শক্তিশালী আধা-সামরিক বাহিনী।
- এটি সুদানের দারফুর-ভিত্তিক আধাসামরিক গোষ্ঠী।
- এই গোষ্ঠী মূলত জানজাবিদ মিলিশিয়া থেকে তৈরি হয়েছিল।
- সুদানের বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য সরকার ২০১৩ সালে RSF প্রতিষ্ঠা করা হয়। 
- এরা দারফুর অঞ্চলের বিদ্রোহ দমন করতে গিয়ে অনেক মানুষ হত্যা ও নির্যাতন করেছিল।
- এদের নেতা ছিলেন জেনারেল মহম্মদ হামদান দাগালো ('হেমেডটি' নামে পরিচিত)। 
- মূল্য লক্ষ্য: RSF-এর মূল লক্ষ্য হলো সুদানের নিরাপত্তা সেক্টরের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া এবং বিদ্যমান সেনাবাহিনীকে (SAF) প্রতিস্থাপন করে একটি নতুন বাহিনী প্রতিষ্ঠা করা।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহান RSF-কে একটি বিদ্রোহী বাহিনী হিসেবে ঘোষণা করেন।
- ১৫ এপ্রিল, ২০২৩ সাল থেকে RSF এবং SAF (Sudanese Armed Forces) আধিপত্য বিস্তারের জন্য গৃহযুদ্ধ শুরু হয়।
- ২০২৬ সালের শুরুতে সুদানের আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (RSF) দেশটির সেনাবাহিনী (SAF) এর সাথে গৃহযুদ্ধে লিপ্ত রয়েছে এবং দারফুর থেকে সংঘাত পূর্ব দিকে ছড়িয়ে পড়েছে।
- এই চলমান গৃহযুদ্ধের ফলে সুদানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ভেঙে পড়েছে এবং দেশটির অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

অন্যদিকে,
- আল শাবাব: আল শাবাব সোমালিয়ার জঙ্গি গোষ্ঠী।
- জান জাউইদ: জানজাউইদ  সুদানের দারফুর অঞ্চল ও এর আশেপাশের এলাকায় সক্রিয় আরব বাগাররা যাযাবর জনগোষ্ঠীর একটি মিলিশিয়া বা আধা-সামরিক বাহিনী। ২০১৩ সালে জানজাউইদ মিলিশিয়াদের পুনর্গঠিত করে র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (RSF) গঠন করা হয়।
- ফ্রি সুদান মুভমেন্ট: ফ্রি সুদান মুভমেন্ট হলো সুদানের সামরিক জান্তা, গৃহযুদ্ধ এবং রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে পরিচালিত একটি আন্দোলন, যা গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং বেসামরিক শাসনের দাবি জানায়।

উৎস: i) BBC.
ii) Britannica.
iii) Human Rights Watch ওয়েবসাইট।

৩,০১১.
সিমলা চুক্তিতে ভারতের পক্ষ থেকে কে স্বাক্ষর করেন?
  1. রাজীব গান্ধী
  2. ইন্দিরা গান্ধী
  3. মনমোহন সিং
  4. লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
ব্যাখ্যা

- স্বাক্ষরকারী: ইন্দিরা গান্ধী (ভারতের প্রধানমন্ত্রী)।

সিমলা চুক্তি:
 
- এটি ছিল ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক শান্তি চুক্তি।
- ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতিতে স্বাক্ষরিত হয়।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও পাকিস্তানের পরাজয়-এর পর দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রয়াস

• চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ: ২ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরস্থল: Barnes Court (বর্তমানে রাজভবন), সিমলা, ভারত।
- আলোচনার সময়কাল: ২৮ জুন – ২ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- স্বাক্ষরকারী: ইন্দিরা গান্ধী (ভারতের প্রধানমন্ত্রী) ও জুলফিকার আলি ভুট্টো (পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট। 

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৩,০১২.
ABM চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান কোনটি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. কানাডা
  3. যুক্তরাজ্য
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরের তারিখ - ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকরের তারিখ - ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল - ২০০২ সাল।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টরি কম।
৩,০১৩.
নিম্নের কোন দেশগুলোতে ডমিনো তত্ত্ব প্রয়োগ করা হয়েছিল?
  1. ক) মালি, ঘানা ও লাইবেরিয়া
  2. খ) সোমালিয়া, ইরিত্রিয়া, ও দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. গ) ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওস
  4. ঘ) দক্ষিণ কোরিয়া, মঙ্গোলিয়া ও উত্তর কোরিয়ায়
ব্যাখ্যা
ডমিনো তত্ত্ব (Domino Theory)
• ডমিনো তত্ত্ব-এর মূল কথা হচ্ছে কোনো একটি দেশে যদি সমাজতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে তার পাশের এবং আশেপাশের দেশগুলোও এই মতাদেশে উদ্বুদ্ধ হবে এবং এক সময় রাষ্ট্রগুলো সমাজতন্ত্রী রাষ্ট্রে পরিণত হবে।
• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিংশ শতাব্দীর সত্তরের দশকে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় বিশেষ করে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসে এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে সেখানে সমাজতন্ত্রের উত্থান ঠেকাতে সামরিক হস্তক্ষেপ করেছিল।
• তবে প্রেসিডেন আইসেনহাওয়ার এর ১৯৫৪ সালের ৭ এপ্রিলের সংবাদ সম্মেলনে প্রথমবারের মতো পরোক্ষভাবে ডমিনো তত্ত্ব-এর কথা বলেছিলেন। মূল বিষয় ছিল কোনো অবস্থাতেই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং অন্যত্র সমাজতন্ত্রের প্রসারকে এগিয়ে নিজে যেতে দেয়া যাবে না। প্রয়োজনে সেইসব দেশে সামরিক হস্তক্ষেপ কর হবে। 

তথ্যসূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
৩,০১৪.
'গ্রীনপিস'- এর সদর দপ্তর -
  1. ক) জাপানে
  2. খ) ফ্রান্সে
  3. গ) জার্মানিতে
  4. ঘ) নেদারল্যান্ডসে
ব্যাখ্যা
• গ্রীনপিস:
- গ্রীনপিস নেদারল্যান্ডভিত্তিক একটি পরিবেশবাদী সংস্থা।
- এটির সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে অবস্থিত।
- ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায় দ্বিতীয় পারমাণবিক পরীক্ষার প্রতিবাদ স্বরূপ লংমার্চের মাধ্যমে গ্রীনপিস জন্মলাভ করে।
- নিউজিল্যান্ড, হংকং সহ বিশ্বের ৪১ টির অধিক দেশে গ্রীনপিসের আঞ্চলিক দপ্তর রয়েছে।

উৎস: গ্রীনপিসের ওয়েবসাইট।
৩,০১৫.
কোন চুক্তির ভিত্তিতে বসনিয়া সংকটের পথ সুগম হয়েছিল?
  1. ক) প্যারিস চুক্তি
  2. খ) জেনেভা চুক্তি
  3. গ) ডেটন চুক্তি
  4. ঘ) র্স্টাট-২ চুক্তি
ব্যাখ্যা
ডেটন চুক্তি:
- আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়-১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান- প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারীরা হলেন—ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- উদ্যোক্তা- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- পক্ষসমূহ- সার্বিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা।
- উদ্দেশ্য- সার্বিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা সমস্যার সমাধান।

তথ্যসূত্র: Britannica.com
৩,০১৬.
'ICAN' কোন বিষয়টি নিয়ে কাজ করে?
  1. ক) পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধ ও বিলুপ্তির জন্য প্রচারণা
  2. খ) বণ্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ সংরক্ষণ
  3. গ) আর্ন্তজাতিক দাতা সংস্থা
  4. ঘ) প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক পারমাণবিক অস্ত্র বিলুপ্তি প্রচারণা (ICAN)
ICAN - এর পূর্ণরূপ - International Campaign to Abolish Nuclear Weapons। এটি পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধ ও বিলুপ্তির জন্য পরিচালিত একটি প্রচারণা/অভিযান। বিশ্বের নানা প্রান্তের কয়েকটি বেসরকারি সংগঠন ও বেসামরিক নাগরিকদের সমন্বয়ে এই প্রচারণা বা অভিযান পরিচালনা করা হয়ে থাকে। 
▪ ভূমি মাইন স্থাপন বন্ধের প্রচারনা থেকে উৎসাহিত হয়ে International Physicians for the Prevention of Nuclear War (IPPNW) উদ্যোগী হয়ে ICAN প্রতিষ্ঠা করে।
• প্রতিষ্ঠাকাল:- ফান্ড সংগ্রহ - ২৩ এপ্রিল, ২০০৭ সাল এবং মূল প্রচারনা শুরু - ৩০ এপ্রিল, ২০০৭ সাল।
• প্রতিষ্ঠার স্থান - মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া (ফান্ড সংগ্রহ) এবং ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া (মূল কার্যক্রম শুরু)। 
• সদরদপ্তর - জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
• নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে ২০১৭ সালে। 

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ডট কম।    
৩,০১৭.
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশনটি গৃহীত হয়?
  1. ২৯ অক্টোবর, ২০০৩ 
  2. ১৪ ডিসেম্বর, ২০০৫
  3. ৩১ অক্টোবর, ২০০৩
  4. ১২ ডিসেম্বর, ২০০৫
ব্যাখ্যা

UNCAC:
- জাতিসংঘের দুর্নীতি বিরোধী কনভেনশন (UNCAC):
- UNCAC এর পূর্ণরূপ: United Nations Convention Against Corruption.
- জাতিসংঘের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ দ্বারা গৃহীত হয়: ৩১ অক্টোবর, ২০০৩ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ২০০৫।
- স্বাক্ষরস্থল: মেরিডা, মেক্সিকো।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে: ২০০৭ সালে।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

৩,০১৮.
'শিন বেত' কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. পাকিস্তান
  2. রাশিয়া
  3. ইরান
  4. ইসরায়েল
  5. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা:
- বাংলাদেশ: National Security Intelligence (NSI), Criminal Investigation Department (CID), Detective Branch (DB).
- ভারত: Research and Analysis Wing (RAW), Central Bureau of Investigation (CBI).
- পাকিস্তান: Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA).
- রাশিয়া: Federal Security Service (FSB).
- ব্রিটেন: SIS/MI6 - Secret Intelligence Service (SIS) and Military Intelligence, Section 6 (MI6).
- ইসরায়েল: MOSSAD, Shin Bet (Shabak), Aman.
- ইরান: SAVAK.

তথ্যসূত্র - Britannica.com and WorldAtlas.com
৩,০১৯.
'ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর' কোন দেশের গেরিলা সংগঠন?
  1. লেবানন
  2. ভারত
  3. আফগানিস্তান
  4. প্যালেস্টাইন
ব্যাখ্যা

ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর:
- ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর প্যালেস্টাইনের সংগঠন ফাতাহ থেকে বিচ্ছিন্ন একটি গেরিলা বাহিনী।
- এটি ১৯৭০ সালে গঠিত এবং ১৯৭৪ সালে বিলুপ্ত করা হয়৷
- ১৯৭০ সালের সেপ্টেম্বরে জর্ডানের ক্ষমতা দখলের চেষ্টার সময় জর্ডানের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য এবং জর্ডানের রাজা হুসেনকে হত্যা করার জন্য এই গোষ্ঠীটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ১৯৭২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জার্মানির মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত হয় গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক।
- এতে অংশ নেওয়া ১১ জন ইসরাইলি অ্যাথলেটকে 'ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর' নামে প্যালেস্টাইনের একটি সশ্বস্ত্র সংগঠনের সদস্যরা অপহরণ করে । 

উল্লেখ্য,
- হিজবুল্লাহ- লেবাননের একটি গেরিলা সংগঠন।
- হামাস- প্যালেস্টাইনের একটি গেরিলা সংগঠন।
- উলফা (ULFA)- ভারতের আসামের গেরিলা সংগঠন।
- তালেবান - আফগানিস্তানের গেরিলা সংগঠন।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৩,০২০.
'আইজেনহাওয়ার মতবাদ' কীসের সাথে সম্পর্কিত? 
  1. ইউরোপ 
  2. মধ্যপ্রাচ্য 
  3. দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া 
  4. আফ্রিকা 
ব্যাখ্যা

• আইজেনহাওয়ার মতবাদ:
- আইজেনহাওয়ার মতবাদ (Eisenhower Doctrine) ১৯৫৭ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডুইট ডি. আইজেনহাওয়ার ঘোষণা করেন।
- এর মূল লক্ষ্য ছিল মধ্যপ্রাচ্যে কমিউনিজমের প্রভাব ঠেকানো এবং সোভিয়েত প্রভাব বিস্তার রোধ করা।
- এই মতবাদের অধীনে, যে কোনো মধ্যপ্রাচ্যের দেশ যদি কমিউনিস্ট আগ্রাসনের মুখে পড়ে, তবে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সহায়তা দেবে।
- এ টি ছিল শীতল যুদ্ধকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

উৎস: Office of the Historian (.gov)। 

৩,০২১.
মিসর ও ইসরাইলের মধ্যে স্বাক্ষরিত ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির মধ্যস্থতাকারী মার্কিন প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. রোনাল্ড রিগ্যান
  2. জিমি কার্টার
  3. জন এফ কেনেডি
  4. রিচার্ড নিক্সন
ব্যাখ্যা

ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (Camp David Accords) একটি ঐতিহাসিক চুক্তি, যা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- পক্ষসমূহ: মিশর ও ইসরাইল।
- স্বাক্ষরকারী: মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিন।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট।
- মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।

⇒ ফলাফল: মিশর ইসরাইলের স্বীকৃতি দেয়, সিনাই উপদ্বীপ মিশরের কাছে ফিরে আসে, সাদাত ও বেগিন নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

উল্লেখ্য,
- Camp David চুক্তি ও ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী আরব রাষ্ট্র জর্ডান ও মিশর।
- ১৯৯৪ সালে Israel-Jordan Peace Treaty স্বাক্ষরের মাধ্যমে দ্বিতীয় আরব রাষ্ট্র হিসেবে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে (Camp David চুক্তির পরোক্ষ ফলাফল হিসেবে)।
- ১৯৯৪ সালের চুক্তির মাধ্যমে জর্ডান ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে।

উৎস: Britannica.

৩,০২২.
বিরোধপূর্ণ ‘তাইগ্রে’ অঞ্চলের অবস্থান কোন দেশে?
  1. ভেনেজুয়েলা
  2. ইথিওপিয়া
  3. রাশিয়া
  4. ইয়েমেন
ব্যাখ্যা
বিরোধপূর্ণ তাইগ্রে অঞ্চল ইথিওপিয়ার উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত।
সম্প্রতি অঞ্চলটিতে ইথিওপিয়ার ফেডারেল বাহিনী ও স্থানীয় টাইগ্রে পিপলস লিবারেশন ফ্রন্টের মধ্যে সংঘর্ষে শতাধিক মানুষ নিহত হয়। এছাড়া সহস্রাধিক মানুষ পার্শ্ববর্তী সুদানে আশ্রয় নিয়েছে।
(সূত্র: প্রথম আলো)
৩,০২৩.
'মনরো ডকট্রিন' এর মূল বক্তব্য কোনটি?
  1. আমেরিকায় ইউরোপীয় প্রভাব বিস্তার উৎসাহিত করা 
  2. এশিয়ায় মার্কিন হস্তক্ষেপ বৃদ্ধি করা 
  3. আমেরিকায় ইউরোপীয় প্রভাব রোধ করা
  4. আফ্রিকায় মার্কিন প্রভাব বিস্তার করা 
ব্যাখ্যা

- 'মনরো ডকট্রিন' এর মূল বক্তব্য আমেরিকায় ইউরোপীয় প্রভাব রোধ করা। 

• মনরো ডকট্রিন (Monroe Doctrine): 
-  ২ ডিসেম্বর ১৮২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জেমস মনরো কর্তৃক কংগ্রেসকে দেওয়া বার্ষিক ভাষণে ঘোষণা করা হয়।
- তিনি উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বিষয়গুলিতে হস্তক্ষেপ না করতে ইউরোপীয় শক্তিগুলিকে সতর্ক করেন। 

» মনরো ডকট্রিনের মূল বক্তব্য ছিল:

১. উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার কোনো স্বাধীন দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ইউরোপের কোনো দেশ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না।

২. এই অঞ্চলে নতুন করে কোনো উপনিবেশ স্থাপন করা যাবে না।

৩. কোনো ইউরোপীয় হস্তক্ষেপকে আমেরিকার নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আক্রমণ হিসেবে দেখা হবে।

৪. বিনিময়ে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, যুক্তরাষ্ট্র বিদ্যমান ইউরোপীয় উপনিবেশগুলোকে স্বীকৃতি দেবে এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলিতে হস্তক্ষেপ করবে না।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও আল জাজিরা। (Link)

৩,০২৪.
ওয়ারশ প্যাক্ট গঠনের প্রধান কারণ কী ছিল?
  1. এশিয়ান অর্থনৈতিক সংকট
  2. ন্যাটোর প্রতিক্রিয়া হিসেবে 
  3. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরিণাম
  4. ইউরোপীয় বাণিজ্য বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা

- ওয়ারশ প্যক্ট গঠনের প্রধান কারণ ন্যাটোর প্রতিক্রিয়া হিসেবে।

• Warsaw Pact:

- ওয়ারশ চুক্তি সংস্থা ওয়ারশ প্যাক্ট নামেও পরিচিত।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৪ মে, ১৯৫৫ সালে।
- এটি ছিল একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট, যা সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং পূর্ব ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশকে নিয়ে গঠিত।
- এই জোটটি গঠন করা হয় ন্যাটো (NATO)-র পাল্টা জোট হিসেবে, যা ১৯৪৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং পশ্চিম ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে গঠিত হয়।
- প্রথমদিকে জোটের সদস্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লোভাকিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড, এবং রোমানিয়া।
- আলবেনিয়া ১৯৬৮ সালে এবং পূর্ব জার্মানি ১৯৯০ সালে জোট থেকে বেরিয়ে যায়।
- এই চুক্তি ২৬ এপ্রিল ১৯৮৫ সালে নবায়ন করা হয়।
- এই সংস্থার কার্যক্রম ১ জুলাই ১৯৯১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়।
- ওয়ারশ প্যাক্ট ছিল সোভিয়েত নেতৃত্বাধীন একটি সামরিক জোট, যা পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোকে একত্রিত করে ন্যাটোর বিপরীতে একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল।

উৎস: History of U.S. Foreign Relations.
Britannica.

৩,০২৫.
অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক অধিকার সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৬৬
  2. ১৯৭৬
  3. ১৯৭৫
  4. ১৯৬৫
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি ১৯৬৬ সালের ১৬ই ডিসেম্বর সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্ত ২২০০ ক (২১) মোতাবেক স্বাক্ষরদান, অনুসমর্থন ও যোগদানের জন্য গৃহীত ও উন্মুক্ত হয়।
- চুক্তির ধারা ৪৯ অনুযায়ী ১৯৭৬ সালের ২৩শে মার্চ থেকে কার্যকর হয়।

উৎস: Live MCQ

৩,০২৬.
INF চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন ?
  1. ক) রিচার্ড নিক্সন ও মিখাইল গর্বাচেভ
  2. খ) রোনাল্ড রিগ্যান ও মিখাইল গর্বাচেভ
  3. গ) ব্রেজনেভ ও রোনাল্ড রিগ্যান
  4. ঘ) ব্রেজনেভ ও রিচার্ড নিক্সন
ব্যাখ্যা

INF চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন রোনাল্ড রিগ্যান ও মিখাইল গর্বাচেভ।
- INF (Intermediate - range Nuclear Forces Treaty) এটি হলো যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের জন্য ১৯৮৭ সালে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তি।
- সেই সময় দুই পরাশক্তি সম্মত হয়েছিল যে, তারা তাদের পারমাণবিক ক্ষমতা সম্পন্ন সব মিসাইল ধ্বংস এবং পাঁচশো থেকে সাড়ে পাঁচহাজার কিলোমিটার দূরে আঘাত হানার ক্ষমতা সম্পন্ন মিসাইলগুলো স্থায়ীভাবে অকেজো করে ফেলবে।

সূত্র: Britannica.com

৩,০২৭.
JKLF ভারতের কোন অঞ্চলের স্বাধীনতাকামী সংগঠন?
  1. আসাম
  2. জম্মু-কাশ্মীর
  3. আগরতলা
  4. বিহার-উড়িষ্যা
ব্যাখ্যা
JKLF:
- JKLF-এর পূর্ণরূপ: Jammu Kashmir Liberation Front.
- এটি ভারতের জম্মু-কাশ্মীর অঞ্চলের স্বাধীনতাকামী গেরিলা সংগঠন।
- JKLF-এর প্রতিষ্ঠাতা আমানুল্লাহ খান এবং মকবুল ভাট।
- ১৯৭৭ সালে ব্রিটেনের বার্মিংহামে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে JKLE বিভিক্ত হয়ে পড়ে।
- ইয়াছিন মালিক নেতৃত্বাধীন অংশটিই সর্বশেষ তৎপর ছিলো।
- ২০১৯ সালে ভারত সরকার ইয়াছিন মালিককে গ্রেফতার ও JKLF কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

সূত্র: সাউথ এশিয়া টেরোরিজম পোর্টাল।
৩,০২৮.
৪র্থ জেনেভা কনভেনশনের বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. যুদ্ধাপরাধের বিচার ও শাস্তি
  2. আহত ও অসুস্থ যোদ্ধাদের চিকিৎসা
  3. যুদ্ধবন্দীদের সাথে আচরণ
  4. যুদ্ধকালীন বেসামরিক ব্যক্তিদের সুরক্ষা
ব্যাখ্যা

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন সম্পাদিত হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী প্রতিক্রিয়া ও এর ফলাফল হিসেবে।
- যুদ্ধপরাধকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে জেনেভা কনভেনশনকে মান্য করা হয়।
- মূলত এটি যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- যুদ্ধকালীন সামরিক, বেসামরিক ও স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ষার জন্য এতে চারটি চুক্তি থাকায় এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

কনভেনশনসমূহ:
• ১ম জেনেভা কনভেনশন:
- যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।

• ২য় জেনেভা কনভেনশন:
- সমুদ্রস্থ যুদ্ধক্ষেত্রে আহত, অসুস্থ এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজের সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।

• ৩য় জেনেভা কনভেনশন:
- যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ ও তাদের নিরাপত্তা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত।

• ৪র্থ জেনেভা কনভেনশন:
- যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে ও তাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com

৩,০২৯.
আলজিয়ার্স চুক্তির বিষয়বস্তু কী ছিল?
  1. ক) ইসরাইল-পিএলও পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান
  2. খ) শাত ইল আরবকে ঘিরে ইরাক-ইরান দ্বন্দ্ব নিরসন
  3. গ) মিসর কর্তৃক ইসরায়েলকে স্বীকৃতি প্রদান
  4. ঘ) আফ্রিকান ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
আলজিয়ার্স চুক্তি:
- ইরাক এবং ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৩ই জুন, ১৯৭৫ সালে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি অনুমোদন করে ১৯৭৬ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান- আলজির্য়াস, আলজেরিয়া।
- চুক্তির বিষয় হলো- শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মীমাংসা।

তথ্যসুত্র: Britannica.com র
৩,০৩০.
কোথায় শেনজেন (Schengen) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৯৫ সালে ডেনমার্কে
  2. ১৯৮৪ সালে বেলজিয়ামে
  3. ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গে
  4. ১৯৯৬ সালে হাঙ্গেরিতে
ব্যাখ্যা
শেনজেন চুক্তি (Schengen):
- শেনজেন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে ব্যক্তিদের অবাধ চলাচলের অনুমতি প্রদান করে।
- শেনজেন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৮৫ সালে।
- স্থান: লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে।
- ১৯৯৫ সালের ২৬ মার্চ চুক্তিটি কার্যকর হলে ভিসামুক্ত ইউরোপের যাত্রা শুরু হয়।
- শেনজেনভুক্ত দেশ: ২৯টি।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাকি ২৫টি দেশ এবং ইইউর বাইরের চার দেশ সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, আইসল্যান্ড এবং লিচেনস্টাইন শেনজেন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

উল্লেখ্য,
- সর্বশেষ শেনজেন অঞ্চলে যুক্ত হয়েছে রোমানিয়া ও বুলগেরিয়া।
- ২০২৪ সালের মার্চে ইউরোপে অবাধ চলাচলের শেনজেন অঞ্চলে যুক্ত হয়েছে রোমানিয়া ও বুলগেরিয়া।

উৎস: European Union ওয়েবসাইট।
৩,০৩১.
What is the average height of the Great Wall of China?
  1. ক) 20 feet
  2. খ) 22 feet
  3. গ) 24 feet
  4. ঘ) 26 feet
ব্যাখ্যা
-- চিনের মহাপ্রাচীর নির্মিত হয়- চৌ-রাজ বংশের আমলে।
-- রাজা শিহুয়াং তি এই প্রাচীর তৈরি করেন।
-- হুনদের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য যে প্রাচীর নির্মিত হয়েছিল এখন তা বিশ্বের আশ্চর্য বস্তুর একটি।
-- দেড় হাজার মাইল দীর্ঘ এই প্রাচীরের উচ্চতা- গড়ে ২৪ ফুট
-- এই প্রাচীরের উপর দিয়ে ৬ জন অশ্বারোহী পাশাপাশি চলতে পারতো।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (এসএসসি প্রোগ্রাম), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৩২.
চে গুয়েভারা ছিলেন -
  1. ক) বলিভিয়ার বিপ্লবী নেতা
  2. খ) পপ সঙ্গীত শিল্পী
  3. গ) কিউবার বিপ্লবী নেতা
  4. ঘ) উরুগুয়ের লেখক
ব্যাখ্যা

চে গুয়েভারার নাম শুনলেই চোখে ভাসে একজন রোমান্টিক-বিপ্লবীর অবয়ব।
১৯৬৭ সালে তাঁকে হত্যা করা হয়, কিন্তু দশকের পর দশক জুড়ে চে গুয়েভার হয়ে রয়েছেন তারুণ্যের প্রতীক।
চে গুয়েভার ১৪ জুন ১৯২৮ সালে আর্জেন্টিনায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ৯ অক্টোবর হাজার ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দে বলিভিয়ায় তাকে হত্যা করা হয়।
তার জীবন নির্ভর চলচ্চিত্র The Motorcycle Diaries।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ও Britannica.com

৩,০৩৩.
'আবু মুসা দ্বীপ' বর্তমানে কোন দেশের মালিকানায় রয়েছে? 
  1. ইরাক
  2. ইরান
  3. সৌদি আরব
  4. ওমান
ব্যাখ্যা
আবু মুসা দ্বীপ:
- 'আবু মুসা দ্বীপ' অবস্থিত পারস্য উপসাগরে।
- এটি ইরানের সিরি দ্বীপ থেকে ৩১ মাইল পূর্বে, বান্দার-ই লেঙ্গেহ ইরানের মূল ভূখণ্ডের বন্দর থেকে প্রায় ৪২ মাইল দক্ষিণে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ থেকে ৪০ মাইল পূর্বে অবস্থিত।
- এই দ্বীপ নিয়ে বিরোধ রয়েছে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে।
- ১৯৭১ সালে শারজাহ চুক্তির মাধ্যমে ইরান এর অধিকাংশ এলাকার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
- ইরান এই দ্বীপকে একটি সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে এবং হরমুজ প্রণালীর উপর নজর রাখে।

উৎস: ব্রিটানিকা ডট কম।
৩,০৩৪.
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে বিমান চলাচল চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ক) 19 সেপ্টেম্বর 2013
  2. খ) 26 সেপ্টেম্বর 2017
  3. গ) 20 মার্চ 2019
  4. ঘ) 30 সেপ্টেম্বর 2020
ব্যাখ্যা

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ঢাকা, বাংলাদেশ- রাষ্ট্রদূত আর্ল আর. মিলার এবং বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মোঃ মহিবুল হক, যুক্তরাষ্ট্র সরকার ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে বিমান চলাচল চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। এটি এই দু’দেশের সমঝোতায় স্বাক্ষরিত প্রথম দ্বিপাক্ষিক বিমান পরিবহন চুক্তি।
এই চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের ওপেন স্কাই শীর্ষক আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল নীতিমালার সাথে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশের সাথে আধুনিক বিমান চলাচল সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হলো।
যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের পরিমাণ ও চলাচল সংখ্যা উন্মুক্ত করা, আকাশসীমা ব্যবহারের সুযোগ উন্মুক্ত করা, বিমান ভাড়া করার পদ্ধতি সহজ করা এবং বিমানের কোড যৌথভাবে ব্যবহারের সুযোগ উন্মুক্ত করার বিষয়গুলো এ চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত। স্বাক্ষরের পরই এ চুক্তি কার্যকর ।


source: daily newspaper
৩,০৩৫.
‘পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস’ হলো-
  1. ইরাকি শিয়াদের সশ্বস্ত্র সংগঠন
  2. আফগানিস্তানের তালেবান বিরোধী জোট
  3. পশ্চিম সাহারার স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী
  4. কাশ্মিরী বিদ্রোহী গোষ্ঠী
ব্যাখ্যা
- পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্স বা হাশদ আল শাব্বি ইরাকের শিয়া মিলিশিয়া সংগঠনগুলোর জোট। এটি ২০১৪ সালে ইরাকে ইসলামিক স্টেটের উত্থানকালে গঠিত হয়।
- ২০১৮ সালে ইরাক সরকার হাশদ আল শাব্বি বা পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সকে ইরাকে প্যারামিলিটারি বাহিনী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে। এই বাহিনীর সদস্য সংখ্যা লক্ষাধিক।
- ২০২০ সালের ৩ জানুয়ারি ইরাকের বাগদাদ বিমানবন্দরের নিকট মার্কিন ড্রোন হামলায় পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সের ডেপুটি কমান্ডার আবু মাহাদী আল মুহানদিস। একই হামলায় ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধান মেজর জেনারেল কাশেম সুলাইমানিও নিহত হন।
(তথ্যসূত্রঃ আনাদুলু এজেন্সি)
৩,০৩৬.
নানকিং চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৮১৫ সালে
  2. ১৮৩৯ সালে
  3. ১৮৪২ সালে
  4. ১৮৫৭ সালে
ব্যাখ্যা

নানকিং চুক্তি: 
- চীন ১৮৪২ সালে নানকিং চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়।
- এই চুক্তিটি আফিম যুদ্ধের পর স্বাক্ষরিত হয়।
- আফিম যুদ্ধ শুরু হয়েছিল চীনে আফিমের চোরাচালানকে কেন্দ্র করে,
- চীনা শাসকরা ১৮৩৯ সালে আফিম আমদানি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল।
- কিন্তু ব্রিটিশরা আফিম আমদানিতে অব্যাহত ছিল, যার ফলে চীন ও ব্রিটেনের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়।
- যুদ্ধে চীনারা পরাজিত হয় এবং চীনে ব্রিটেনের শর্ত মেনে নিতে বাধ্য হয়, এর অংশ হিসেবে নানকিং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
 
সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও ব্রিটানিকা। 

৩,০৩৭.
সম্প্রতি ভারতের কোন সীমান্তবর্তী অঞ্চলে 'বিমান বাংকার' তৈরি করেছে চীন? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. লাদাখ অঞ্চল
  2. সিকিম অঞ্চল
  3. অরুণাচল অঞ্চল
  4. হিমাচল অঞ্চল
ব্যাখ্যা

• চীনের তৈরী বিমান বাংকার: 
- অরুণাচলের কাছে ৩৬টি বিমান বাংকার তৈরি করেছে চীন।
- তিব্বতের লুনজে বিমানঘাঁটিতে চীন ৩৬টি মজবুত বিমান বাংকার, নতুন প্রশাসনিক ব্লক এবং একটি নতুন অ্যাপ্রন নির্মাণ করেছে।
- এই ঘাঁটিটি অরুণাচল প্রদেশের ভারত ও চীন সীমান্তের ম্যাকমোহন লাইন থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত।
- অরুণাচল প্রদেশের কৌশলগত শহর তাওয়াং থেকে প্রায় ১০৭ কিলোমিটার দূরে লুনজে ঘাঁটিতে নতুন বিমান বাংকার নির্মাণের ফলে চীন এখন তাদের যুদ্ধবিমান এবং ড্রোন সিস্টেমকে আরও সামনে মোতায়েন করার সুযোগ পাবে।
- এতে ভারতের বিমানবাহিনীকে প্রতিক্রিয়া জানানোর সময়ও কমে যাবে চীনের।
- কারণ ভারতের নিজস্ব ঘাঁটিগুলো অরুণাচল ও আসামে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ও ঢাকা পোস্ট। (Link)

৩,০৩৮.
সিনাই উপদ্বীপ কাদের দখলে রয়েছে?
  1. ক) মিশর
  2. খ) সিরিয়া
  3. গ) ইসরাইল
  4. ঘ) জাপান
ব্যাখ্যা
সিনাই উপদ্বীপ

- সিনাই উপদ্বীপ মিশরে অবস্থিত ত্রিভুজ আকৃতির একটি উপদ্বীপ।
- ইসরাইল ১৯৫৬ সালের সুয়েজ সংকটের সময় এবং ১৯৬৭ সালে ছয় দিনের যুদ্ধের সময় এ এলাকায় আগ্রাসন চালায় এবং সিনাই উপদ্বীপ দখল করে নেয়।
- ১৯৭৩ সালের ৬ অক্টোবর এই উপদ্বীপকে মুক্ত করার জন্য মিশর অক্টোবর যুদ্ধ শুরু করে।
- ১৯৭৯ সালে ইসরাইল ও মিশরের মধ্যে শান্তি চুক্তি হয়।
- ১৯৮২ সালে ঐ চুক্তির আওতায় ইসরাইল সিনাই উপদ্বীপ থেকে তার বাহিনী সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার করে নেয়


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৩,০৩৯.
NATO কোন ধরনের জোট?
  1. অর্থনৈতিক
  2. পরিবেশগত
  3. রাজনৈতিক
  4. সামরিক
ব্যাখ্যা
- ন্যাটো হলো বিশ্বের অন্যতম  শক্তিশালী ও বড় সামরিক জোট।
- পুরো নাম নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন।
- সদস্য হলো ৩০টি দেশ।
- ২০২০ সালে সর্বশেষ দেশ হিসেবে ন্যাটোতে যোগ দেয় নর্থ ম্যাসোডোনিয়া । 
- ১৯৪৯ সালে মাত্র ১২টি দেশ নিয়ে ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও পর্তুগাল।
- প্রাথমিক উদ্দেশ্য হলো সকল সদস্যকে রাজনৈতিক ও সামরিক দিক দিয়ে সহায়তা করা এবং নিরাপত্তার বিষয়টি দেখা। 
- ন্যাটো  প্রতিষ্ঠিত হওয়ার মূল লক্ষ্য বর্তমান রাশিয়া ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নকে প্রতিহত করতে। 

-  ১৯৯২ সালের বসনিয়া যুদ্ধের মাধ্যমে ন্যাটো প্রথম কোনো সামরিক অভিযানে অংশ নেয়।
- ১৯৯৯ সালে কসোভো যুদ্ধে বিমান বাহিনীর মাধ্যমে দ্বিতীয় অভিযানে নামে তারা।
- আর তৃতীয় অভিযান শুরু করে ২০০১ সালে আফগানিস্তানে। 

সূত্র: North Atlantic Treaty Organization
৩,০৪০.
ANZUS গঠনের লক্ষ্যে কবে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১ জুন, ১৯৫১
  2. ১ জুলাই, ১৯৫১
  3. ১ আগস্ট, ১৯৫১
  4. ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১
ব্যাখ্যা
ANZUS:
- ANZUS একটি সামরিক জোট।
- চুক্তি  স্বাক্ষরিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১।
- কার্যকর হয়: ১৯৫২ সালে।
- সদস্য দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরের স্থান:  সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া।
- ধরন: ANZUS চুক্তি, আনুষ্ঠানিকভাবে ‘প্রশান্ত মহাসাগরীয় নিরাপত্তা চুক্তি’ হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নিরাপত্তা চুক্তি।
- উদ্দেশ্য: আগ্রাসনের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে এটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৩,০৪১.
স্নায়ুযুদ্ধকালীন প্রতিষ্ঠিত মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা কোনটি?
  1. ক) M-16
  2. খ) FBI
  3. গ) CIA
  4. ঘ) KGB
ব্যাখ্যা
CIA

- পূর্ণরূপ: Central Intelligence Agency 
- পরিচয়: যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় বেসামরিক গোয়েন্দা সংস্থা (স্নায়ুযুদ্ধকালীন প্রতিষ্ঠিত মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা)
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৭ সাল।
- সদর দপ্তর: ভার্জিনিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।

- উল্লেখ্য, স্নায়ুযুদ্ধকালীন প্রতিষ্ঠিত সোভিয়েত ইউনিয়নের গোয়েন্দা সংস্থা: KGB।

KGB

- পূর্ণরূপ: Komiet Gosudarstvennoy Bezopasnosti
- ইংরেজি নাম: Committee for State Security
- পরিচয়: সোভিয়েত ইউনিয়নের স্নায়ুযুদ্ধকালীন গোয়েন্দা সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৫৪ সাল।
- বিলুপ্ত: ১৯৯১ সাল।
- সদর দপ্তর: লুবাইংকা স্কয়ার, মস্কো।


তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৩,০৪২.
'তাস' কোন দেশের সংবাদ সংস্থা?
  1. ক) ভারত
  2. খ) চীন
  3. গ) রাশিয়া
  4. ঘ) ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

- 'তাস' রাশিয়ার বার্তা সংস্থা।
- পিটিআই ভারতের বার্তা সংস্থা।
- সিনহুয়া চীনের বার্তা সংস্থা।
- এএফপি ফ্রান্সের বার্তা সংস্থা।

উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।

৩,০৪৩.
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গা নদীর পানি বন্টন বিষয়ে চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ পানি প্রাপ্তির বিধান রয়েছে কত কিউসেক?
  1. ক) ৩০ হাজার
  2. খ) ৩২ হাজার
  3. গ) ৩৫ হাজার
  4. ঘ) ৩৭ হাজার
ব্যাখ্যা
• ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারতের নয়াদিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গা নদীর পানি বন্টন বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এ চুক্তির মেয়াদকাল ৩০ বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালে এর মেয়াদ শেষ হবে।
- চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ ৩৫ হাজার কিউসেক পানি প্রাপ্তির বিধান থাকলেও বাস্তবে তা হয়নি।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া
৩,০৪৪.
Interpol-এর বর্তমান মহাসচিব কে? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. আহমেদ নাসের আল-রাইসি
  2. জার্গেন স্টক
  3. অস্কার ড্রেসলার
  4. ভালডেসি উরকুইজা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

Interpol:

- Interpol-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি (সর্বশেষ সদস্য: পালাউ)।
- বর্তমান সভাপতি: আহমেদ নাসের আল-রাইসি (২০২১-২০২৫)।
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা (ব্রাজিল)।

⇒ ইন্টারপোলের প্রধান উদ্দেশ্য হল আন্তর্জাতিক অপরাধ, যেমন মানবপাচার, মাদক চোরাচালান, সন্ত্রাসবাদ, যুদ্ধাপরাধ, আর্থিক অপরাধ, সাইবার অপরাধ, এবং অন্যান্য অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াই করা।
= বিভিন্ন দেশের পুলিশের মধ্যে তথ্য ও সুরক্ষা সম্পর্কিত সহযোগিতা নিশ্চিত করা।
- ইন্টারপোল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পুলিশদের জন্য তথ্য আদান-প্রদান এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ তদন্তে সহায়তা প্রদান করে।
- ইন্টারপোল আন্তর্জাতিকভাবে পলাতক অপরাধীদের ধরার জন্য "লাল নোটিশ" জারি করে, যা বিভিন্ন দেশকে সেই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য সতর্ক করে।

উল্লেখ্য,
- ইন্টারপোলের ৯২তম সাধারণ অধিবেশন নভেম্ভর, ২০২৪-এ যুক্তরাজ্যের গ্লাসগো শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- সেখানে ভালডেসি উরকুইজা মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

উৎস: Interpol ওয়েবসাইট।
৩,০৪৫.
শাটল ডিপ্লোমেসির ফলে কোন চুক্তির পথ প্রশস্ত হয়?
  1. অসলো চুক্তি
  2. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  3. ডেটন চুক্তি
  4. গুড ফ্রাইডে চুক্তি
ব্যাখ্যা

Shuttle Diplomacy:
- 'শাটল ডিপ্লোমেসি' (Shuttle Diplomacy) হলো একটি কূটনৈতিক কৌশল, যেখানে তৃতীয় পক্ষের একজন মধ্যস্থতাকারী দুই পক্ষের মধ্যে বার্তা পাঠায় এবং তাদের মধ্যে আলোচনা বা সমঝোতার জন্য পরিবেশ তৈরি করে।
- এই ধরনের কূটনীতি সাধারণত সংঘর্ষ বা জটিল পরিস্থিতি সমাধানে ব্যবহৃত হয়।
- 'Shuttle Diplomacy' ধারণাটি মধ্যপ্রাচ্য শান্তি চুক্তির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।

উল্লেখ্য,
- শাটল ডিপ্লোমেসি (Shuttle Diplomacy) শব্দটি প্রথম জনপ্রিয় হয় হেনরি কিসিঞ্জারের মাধ্যমে ১৯৭৩-৭৫ সালে ইয়োম কিপ্পুর যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যে (ইসরায়েল-মিশর-সিরিয়া)।
- তিনি বিমানে বারবার যাতায়াত করে (শাটলের মতো) দুই পক্ষের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চালিয়ে সেনা প্রত্যাহারের চুক্তি করেন।
- এই কৌশলের ফলে যে বড় চুক্তির পথ প্রশস্ত হয় তা হলো ১৯৭৮ সালের ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (Camp David Accords)।
- কিসিঞ্জারের শাটল ডিপ্লোমেসি মিশর-ইসরায়েলের মধ্যে ধাপে ধাপে আস্থা তৈরি করে যা পরে প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের মধ্যস্থতায় ক্যাম্প ডেভিডে পূর্ণ শান্তি চুক্তির ভিত্তি হয়।

অন্যদিকে,
- অসলো চুক্তি (Oslo Accords): গোপন আলোচনা চুক্তি সম্পাদিত হয়, শাটল ডিপ্লোমেসি নয়।
- ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement): বসনিয়া যুদ্ধের শেষে আমেরিকার ডেটনে সরাসরি আলোচনা।
- গুড ফ্রাইডে চুক্তি (Good Friday Agreement): উত্তর আয়ারল্যান্ডে দীর্ঘ আলোচনা, শাটল ডিপ্লোমেসি নয়।

উৎস: Office of the Historian (.gov) ওয়েবসাইট।

৩,০৪৬.
Inter-Services Intelligence(ISI) কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. পাকিস্তান
  2. সিরিয়া
  3. মিশর
  4. ইয়েমেন
ব্যাখ্যা

• Inter Service Intelligence (ISI)
​ - আইএসআই পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা। 
 - এটি ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। তৎকালিন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ রবার্ট কাউথম এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
​- ।S। মূলত দেশের বাহিরে পাকিস্তানের স্বার্থ সংরক্ষণে কাজে নিয়োজিত। 
- ​তবে পাকিস্তানের অভ্যন্তীরণ রাজনীতিতেও এর ব্যাপক সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
- ​আইএসআই -এর নেতৃত্বে থাকেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল/মেজর জেনারেল পদমর্যাদার একজন মহাপরিচালক [ডিজি];
-​ তিনি এখনও পর্যন্ত সেনাবাহিনী থেকে নিযুক্ত একজন কর্মরত কর্মকর্তা। 
- ​।S। এর বর্তমান ডিরেক্টর সৈয়দ আজিম মুনির।

​​ উৎস: ব্রিটানিকা, নিউইয়র্ক টাইমস।

৩,০৪৭.
‘পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ’ চুক্তি কার্যকর হয় কবে?
  1. ক) ১ জানুয়ারি ২০২১
  2. খ) ২২ জানুয়ারি ২০২১
  3. গ) ৩০ জানুয়ারি ২০২১
  4. ঘ) ২০ ডিসেম্বর ২০২০
ব্যাখ্যা
পরমাণু অস্ত্র মুক্ত বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ৭ জুলাই ‘পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি’ গৃহিত হয়।
এটি ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ স্বাক্ষরের জন্যে উন্মুক্ত করা হয়। ৫০তম দেশ হিসেবে হন্ডুরাস গত ২৪ অক্টোবর ২০২০ চুক্তিটি অনুমোদন করায় ২০২১ সালের ২২শে জানুয়ারি এটি কার্যকর হয়।
চুক্তিটিতে বর্তমান পর্যন্ত ৮৬টি দেশ স্বাক্ষর করেছে।
বাংলাদেশ ২০১৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর এটিতে স্বাক্ষর করে এবং ২০১৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর অনুমোদন করে।
(সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৩,০৪৮.
গুড ফ্রাইডে চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্দেশ্য ছিলো-
  1. ক) উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি স্থাপন
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধের সময় কনফেডারেটদের সাথে শান্তি চুক্তি
  3. গ) ফ্রান্স ও ব্রিটেনের মধ্যে শান্তি স্থাপন
  4. ঘ) ফকল্যান্ড যুদ্ধের অবসান
ব্যাখ্যা
- উত্তর আয়ারল্যান্ডে তিন দশক ধরে চলা সহিংসতা বন্ধে ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ড সরকার এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ১৯৯৮ সালের ১০ এপ্রিল গুড ফ্রাইডে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- শুক্রবারে স্বাক্ষরিত হওয়ায় এটিকে গুডফ্রাইডে চুক্তি বলা হয়। তবে এটি অফিশিয়ালভাবে বেলফাস্ট চুক্তি নামে পরিচিত।
- এই চুক্তির মাধ্যমে উত্তর আয়ারল্যান্ডে ইউনিয়নিস্ট ও ন্যাশনালিস্টদের মধ্যে ক্ষমতা ভাগাভাগির মাধ্যমে সরকার গঠনের বিধান গৃহিত হয়।
(সূত্রঃ বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
৩,০৪৯.
'কাসেম বাসির" (Qasem Basir)' ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কোন দেশের তৈরি?
  1. ইরান
  2. কুয়েত
  3. তুরস্ক
  4. ইসরায়েল
ব্যাখ্যা
'কাসেম বাসির" (Qassem Bassir)' ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র:
- 'কাসেম বাসির" (Qasem Basir)' ইরানের তৈরি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।
- এটি একটি মাঝারি-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।
- এই ক্ষেপনাস্ত্র ১২০০ কিলোমিটার পর্যন্ত আঘাত হানতে সক্ষম।
- এটি কঠিন জ্বালানিচালিত, যা দ্রুত সঞ্চালনযোগ্য ও ইলেকট্রনিক জ্যামিং প্রতিরোধে সক্ষম।
- ক্ষেপণাস্ত্রটির শরীর কার্বন ফাইবার দিয়ে তৈরি, যা রাডার এড়াতে সহায়তা করে। 

⇒ ৪ মে, ২০২৫ তারিখে ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে এই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘কাসেম বাসির’ উন্মোচন করেছে।
- আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়াতেও সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র।
- এই ক্ষেপণাস্ত্র যুক্তরাষ্ট্রের থাড ও প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়িয়ে লক্ষ্যবস্তুতে সুনির্দিষ্টভাবে আঘাত হানতে সক্ষম।

উৎস: The Economic Times ওয়েবসাইট।
৩,০৫০.
অটোয়া চুক্তি কী সম্পর্কিত কনভেনশন?
  1. স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ
  2. পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
  3. ক্ষেপণাস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
  4. অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট নিষিদ্ধকরণ
ব্যাখ্যা
অটোয়া চুক্তি: 
- অটোয়া চুক্তি অ্যান্টি-পারসোনেল মাইন নিষিদ্ধকরণ, মজুদ, উৎপাদন ও স্থানান্তর এবং সেগুলোর ধ্বংস সংক্রান্ত কনভেনশন। 
- এটি অ্যান্টি-পারসোনেল মাইন ব্যান কনভেনশন, অটোয়া কনভেনশন, বা মাইন ব্যান চুক্তি নামেও পরিচিত।
- এটি হলো অ্যান্টি-পারসোনেল মাইন দ্বারা সৃষ্ট দুর্ভোগ ও প্রাণহানি বন্ধের জন্য আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার মূল ভিত্তি।
- এই চুক্তির সূচনা হয় অটোয়া প্রক্রিয়া (Ottawa Process) নামক একটি উদ্যোগের মাধ্যমে, যা ছিল এক ধরনের "সাহসী পদক্ষেপ"।
- এই প্রক্রিয়া সফল হয় মূলত আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্যাম্পেইন টু ব্যান ল্যান্ডমাইনস এবং রেড ক্রস ইন্টারন্যাশনাল কমিটি-এর জোরালো প্রচারণা ও একদল নিষেধাজ্ঞা-সমর্থক রাষ্ট্রের অংশগ্রহণের ফলে।
- তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ১৯৯৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর নরওয়ের অসলো শহরে এই কনভেনশন গৃহীত হয়।
- চুক্তিতে স্বাক্ষর শুরু হয় ৩-৪ ডিসেম্বর ১৯৯৭, কানাডার অটোয়াতে, এবং এটি খোলা থাকে যতক্ষণ না কনভেনশনটি ১ মার্চ ১৯৯৯-এ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়।

উৎস: Anti-Personnel Mine Ban Convention ওয়েবসাইট।
৩,০৫১.
‘ডেটন চুক্তি’ আনুষ্ঠানিকভাবে কোথায় স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. মিউনিখ
  2. প্যারিস
  3. নিউইয়র্ক
  4. আলাক্সা
ব্যাখ্যা

ডেটন চুক্তি:
- ডেটন চুক্তির পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina.
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের পর নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার যুদ্ধ ছিল সবচেয়ে ভয়ংকর। 
- এই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটেছিল এক ‘অসম’ শান্তিচুক্তির হাত ধরে।
- ১৯৯৫ সালের ২১ নভেম্বর সই হয় ‘জেনারেল ফ্রেমওয়ার্ক অ্যাগ্রিমেন্ট ফর পিস’ শীর্ষক সেই শান্তিচুক্তি, যা ‘ডেটন চুক্তি’ নামে পরিচিত।
- চুক্তিতে বলা হয়, চুক্তি সইকারী পক্ষগুলো পরস্পরকে স্বীকৃতি দেবে, জাতিগত ঐক্য বজায় রাখবে, একে অপরের সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে এবং শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে সবাই মধ্যস্থতা করবে। 
- প্রক্রিয়াটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান মার্কিন শান্তি আলোচনাকারী রিচার্ড হলব্রুক।

⇒ প্রাথমিক স্বাক্ষর: ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ (স্থান: ডেটন, ওহাইও, যুক্তরাষ্ট্র)।
- আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ (স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স)।
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- উদ্দেশ্য: সার্বিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা সমস্যার সমাধান।

উৎস: i) OSCE.org.
ii) Britannica.

৩,০৫২.
তাশখন্দ চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৫ সাল
  2. ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৫ সাল
  3. ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬ সাল
  4. ২০ জানুয়ারি, ১৯৬৬ সাল
ব্যাখ্যা
তাশখন্দ চুক্তি:
- স্বাক্ষরিত হয়: ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬ সাল। 
- স্থান: তাশখন্দ, উজবেকিস্তান (তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন)। 
- স্বাক্ষরকারী: ভারতের প্রধানমন্ত্রী: লাল বাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট: মোহাম্মদ আইয়ুব খান। 
- উদ্দেশ্য: ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের অবসান। 
- ১৯৬৫ সালের আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- সেপ্টেম্বর ২২, ১৯৬৫ সালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের হস্তক্ষেপে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হয়।
- লাল বাহাদুর শাস্ত্রী তাশখন্দ ঘোষণার পরদিন (১১ জানুয়ারি, ১৯৬৬) রহস্যজনকভাবে মৃত্যুবরণ করেন।
- পাকিস্তানে এই চুক্তিকে জনসাধারণের অনেকাংশ "পরাজয়ের দলিল" হিসেবে দেখেছিল।
- তাশখন্দ চুক্তি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ শান্তি চুক্তি হলেও, এটি দীর্ঘস্থায়ী শান্তি আনতে ব্যর্থ হয়। 

উৎস: Britannica.
৩,০৫৩.
ফেয়ারফ্যাক্স একটি-
  1. ক) আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
  2. খ) বেসরকারি গোয়েন্দা সংস্থা
  3. গ) সামরাস্ত্র প্রদর্শনী
  4. ঘ) রাশিয়ান বার্তা সংস্থা
ব্যাখ্যা
- ফেয়ারফ্যাক্স হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বেসরকারি গোয়েন্দা সংস্থা।
অন্যদিকে,
- ইন্টারফ্যাক্স হলো রাশিয়ার একটি বার্তা সংস্থা।
৩,০৫৪.
প্যারিস শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কোন দুই দেশের মধ্যে?
  1. ক) ভিয়েতনাম-যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) ফ্রন্স-জার্মান
  3. গ) যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স
  4. ঘ) ভিয়েতনাম-যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
• প্যারিস শান্তি চুক্তি:
- প্যারিস শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়- ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান-প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ- ভিয়েতনাম-যুক্তরাষ্ট্র।
- এই চক্তির ফলে ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান হয়।

তথ্যসূত্র: Britannica ও History.com
৩,০৫৫.
ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে নিচের কোন যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক পরিসমাপ্তি ঘটে?
  1. ক) ক্রিমিয়ার যুদ্ধ
  2. খ) ওয়াটারলু যুদ্ধ
  3. গ) প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  4. ঘ) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
ভার্সাই চুক্তি:

-ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসান ঘটে।
-ভার্সাই চুক্তি হয় ফ্রান্সে।
-ভার্সাই চুক্তিতেই লীগ অব নেশনস গঠনের সূত্রপাত হয়।
-প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কাল ছিলো ২৮ জুলাই, ১৯১৪ থেকে ১১ নভেম্বর,  ১৯১৮ সালে।
-জার্মানি আত্মসমর্পণ করেছে - ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
-বিজয়ী হন মিত্রশক্তি।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,০৫৬.
ANZUS এর সদস্য ভুক্ত দেশ নয়?
  1. জার্মানি
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. নিউজিল্যান্ড
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
- ANZUS এর সদস্য ভুক্ত দেশ নয় জার্মানি। 

ANZUS:
- ANZUS হলো একটি সামরিক চুক্তি বা জোট।
- ANZUS হলো "Australia, New Zealand, United States Security Treaty". 
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে কমিউনিজম আগ্রাসন রোধে ১৯৫১ সালে ANZUS গঠিত হয়।
- তিনটি দেশের সমন্বয়ে এই জোট গঠিত।
- দেশগুলো হলো: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র।

সূত্র: ANZUS অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩,০৫৭.
উই রিভার চুক্তিটি কত সালে সাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ক) ১৯৯৬ সালে
  2. খ) ১৯৯৭ সালে
  3. গ) ১৯৯৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
উই রিভার চুক্তি:

- উই রিভার চুক্তিটি কত সালে সাক্ষরিত হয়েছিল ১৯৯৮ সালে
- ইসরাইল ও পিএলও এর মধ্যে এই চুক্তি সাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড রাজ্যে সাক্ষরিত হয়।
- বিল ক্লিন্টনের মধ্যস্থতায় চুক্তিটি সাক্ষরিত হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩,০৫৮.
What is the content of the Treaty of Algiers?
  1. Recognition of Israel by Algeria
  2. End of conflict over Shat-il Arab
  3. PLO-Israel mutual recognition
  4. Solving the Golan Heights crisis
  5. None of these
ব্যাখ্যা
আলজিয়ার্স চুক্তির বিষয়বস্তু হলো শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মীমাংসা।

আলজিয়ার্স চুক্তি:
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ইরাক এবং ইরান।
- চুক্তির বিষয়: শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মীমাংসা।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ই জুন, ১৯৭৫।
- চুক্তি অনুমোদন হয়: ১৯৭৬ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: আলজির্য়াস, আলজেরিয়া।

উল্লেখ্য,
- আলজিয়ার্স চুক্তি অকার্যকর হয় ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮০ সালে ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে।

উৎস: Britannica.
৩,০৫৯.
সম্প্রতি (৯ জুন, ২০২৪) কোন দেশ গাজা যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার উপর জাতিসংঘে ভোট আয়োজনের অনুরোধ করে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. তুরষ্ক
  3. ফ্রান্স
  4. চীন
ব্যাখ্যা
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র গাজা যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার উপর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভোট আয়োজনের অনুরোধ করে।

জো বাইডেনের গাজা যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা
প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের গাজা যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনায় এর আগে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সমর্থন চেয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। এবার খসড়া ওই পরিকল্পনার ওপর নিরাপত্তা পরিষদে ভোট আয়োজনের অনুরোধ করেছে দেশটি।
৯ জুন, ২০২৪; রোববার মার্কিন প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয় বলে জানায় এএফপি।
গত ৩১ মে বাইডেন প্রশাসন নতুন একটি গাজা যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা ঘোষণা করে। বাইডেন নিজে এ পরিকল্পনার রূপরেখা প্রণয়ন করেছেন।

তিন স্তরের এ পরিকল্পনায় ,
১.গাজায় চলমান রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পরিসমাপ্তি,
২.সেখানে পুরোদমে ত্রাণ সরবরাহ শুরু,
৩.হামাসের হাতে বন্দি জিম্মিদের মুক্তি,
৪.এ উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ও
৫.হামাসমুক্ত ফিলিস্তিন ভূখণ্ড পুনর্গঠনের কথা বলা হয়েছে।

সূত্র-প্রথম আলো, ১০ জুন ২০২৪।
৩,০৬০.
'পিস অফ প্যারিস' চুক্তির আওতাধীন মোট কয়টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ক) ৫টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৬টি
ব্যাখ্যা
পিস অব প্যারিস (Peace of Paris):
প্যারিস চুক্তির অপর নাম পিস অব প্যারিস। উপনিবেশ স্থাপন সংক্রান্ত বিষয়ে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সাথে ইউরোপের অন্যান্য কয়েকটি সাম্রাজ্যবাদী দেশের দ্বন্দ্ব বিদ্যমান ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় এই দেশগুলো ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে।
১৭৮৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চুক্তির সময় যুক্তরাজ্য অন্যান্য দেশ (ফ্রান্স, স্পেন ও ডাচ) - এর সাথে আলাদা আলাদা চুক্তি স্বাক্ষর করে। 
এই সময় মোট চারটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চারটি চুক্তিকে একত্রে “পিস অব প্যারিস” (Peace of Paris) বলে।

উৎস: হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।
৩,০৬১.
NATO চুক্তির কোন ধারায় সম্মিলিত প্রতিরক্ষার কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩
  2. অনুচ্ছেদ ৫ 
  3. অনুচ্ছেদ ৭ 
  4. অনুচ্ছেদ ৯ 
ব্যাখ্যা

- ন্যাটোর আর্টিকেল ৫ অনুযায়ী, কোনো সদস্য রাষ্ট্র আক্রান্ত হলে তা সকল সদস্যের উপর আক্রমণ বলে গণ্য হবে।  

​NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation  
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।

উল্লেখ্য,
ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

সূত্র: NATO ওয়েবসাইট। 

৩,০৬২.
ওয়াঙ্গেরি মাথাই নিম্নের কোন আন্দোলনের সূত্রপাত করেন?
  1. ক) Save Silent Valley Movement
  2. খ) Fridays For Future
  3. গ) Green Belt Movement
  4. ঘ) Let’s Save the Planet
ব্যাখ্যা
গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট (Green Belt Movement)
গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট - কেনিয়ার নাইরোবি ভিত্তিক একটি পরিবেশ বিষয়ক আন্দোলন। এর মাধ্যমে গ্রাম্য অঞ্চলে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।
⤇ শুরুর সময় - ১৯৭৭ সাল।
⤇ শুরুর স্থান - নাইরোবি, কেনিয়া।
⤇ গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট শুরু করেছিলেন কেনিয়ার নাগরিক প্রফেসর ওয়াঙ্গেরি মাথাই। তিনি ২০০৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার ও ২০০৬ সালে ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

 
উৎস: গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট ওয়েবসাইট, ব্রিটানিকা। 
৩,০৬৩.
’পিপলস মুজাহিদিন অর্গানাইজেশন’ কোন দেশের বামপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী ছিল?
  1. ইরাক
  2. ইরান 
  3. সিরিয়া
  4. তুরস্ক
ব্যাখ্যা

পিপলস মুজাহিদিন অর্গানাইজেশন:
 
• ইরানে একসময় শক্তিশালী বামপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী ছিল পিপলস মুজাহিদিন অর্গানাইজেশন।

• ১৯৭০–এর দশকে গোষ্ঠীটি শাহ সরকারের স্থাপনা ও মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে বোমা হামলা চালায়।
• গোষ্ঠীটি বিপ্লবী সরকার উৎখাতের পক্ষে ছিল।
• গোষ্ঠীটির ফারসি নাম মুজাহিদিন-এ খালক অর্গানাইজেশন।
• ১৯৭৯ সালে শাহকে উৎখাতের সময় অন্যান্য গোষ্ঠীর সঙ্গে কাজ করেছিল, পরে মতবিরোধ হয়।
• ১৯৮০–৮৮ সালের ইরান-ইরাক যুদ্ধে ইরাকের পক্ষ নেওয়ায় ইরানে তাদের শত্রু বাড়ে।
• তাদের সাবেক নেতা মাসুদ রাজাভি বহু বছর নির্বাসনে; জনসমক্ষে দেখা যায় না।
• তাদের বর্তমান নেত্রী মরিয়ম রাজাভি।
• ইরানের ভেতরে তাদের কার্যক্রমের স্পষ্ট চিহ্ন এখন খুব কম।
• তবে তারা জাতীয় প্রতিরোধ পরিষদ (NCRI)-এর মূল শক্তি।
• NCRI-এর পশ্চিমা দেশে সক্রিয় উপস্থিতি রয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।

৩,০৬৪.
'ফার্ক' কোন দেশের সংগঠন?
  1. ক) ফিলিস্তিন
  2. খ) কলম্বিয়া
  3. গ) আর্জেন্টিনা
  4. ঘ) ফিলিপাইন
ব্যাখ্যা
ফার্ক:
- ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া ফার্ক (রেভ্যুলেশনারী আর্মড ফোর্সেস অব কলম্বিয়া) দীর্ঘ ৫২ বছর ধরে চলা লড়াই বন্ধে ২০১৬ সালের ২৪ নভেম্বর কলম্বিয়া সরকারের সাথে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি সম্পাদন করে।
- এ প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতা করে কিউবা এবং নরওয়ে।
- শান্তি চুক্তি সম্পাদনের জন্যে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট হুয়ান ম্যানুয়াল সান্তোষ ২০১৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৪ সালে কলম্বিয়ান কমিউনিস্ট পার্টির সামরিক শাখা হিসেবে ফার্ক গঠিত হয়।
- ম্যানুয়েল মারুলেন্দা ফার্কের প্রতিষ্ঠাতা।
- কলম্বিয়া দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা ভূমি সমস্যা সহ বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রথম এ লড়াইয়ের সূত্রপাত ঘটে। এক্ষেত্রে কিউবার বিপ্লব ফার্ক গেরিলাদের অনুপ্রেরণা যোগায়।
- এ শান্তি চুক্তিতে ফার্কের পক্ষে টিমোশেনকো বা রদ্রিগো লনোডানো স্বাক্ষর করেন। 

তথ্যসূত্র- বিবিসি ওয়ার্ল্ড।
৩,০৬৫.
ইসরাইল-প্যালেস্টাইন 'রোডম্যাপ' কর্মসূচির উদ্দেশ্য কি?
  1. সহিংসতা বন্ধ করে ২০০৫ সালের মধ্যে স্বাধীন প্যালেস্টাইন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা
  2. দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন
  3. দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে অবাধ বাণিজ্য স্থাপন
  4. দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে সীমানা চিহ্নিতকরণ
ব্যাখ্যা
ইসরাইল-প্যালেস্টাইন 'রোডম্যাপ' কর্মসূচির উদ্দেশ্য ছিল সহিংসতা বন্ধ করে ২০০৫ সালের মধ্যে স্বাধীন প্যালেস্টাইন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা।

অসলো চুক্তি:
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর একটি চুক্তিতে পৌঁছায় ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- এর মধ্যস্থতা করে যুক্তরাষ্ট্র।
- হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিনের মধ্যে অসলো চুক্তি সই হয়।
- অসলো শান্তি চুক্তিতে ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্ব করেছিলো প্রয়াত ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বাধীন পিএলও পার্টি।

উল্লেখ্য,
- সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস তখনি অসলো চুক্তির বিরোধিতা করেছিলো।
- পরে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের জায়গায় একটি নির্বাচিত সরকার সেখানকার ক্ষমতায় আসার কথা, যারা পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকা মিলিয়ে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র পরিচালনা করবে।
- ফিলিস্তিনিদের দাবি ছিল, তাদের এই স্বাধীন রাষ্ট্রের রাজধানী হবে পূর্ব জেরুসালেম।
- অসলো চুক্তির ধারাবাহিকতায় পরে ১৯৯৫, ১৯৯৮ ও ১৯৯৯ সালে বিভিন্ন জায়গায় উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।
- এরপরে ২০০০ সালে ক্যাম্প ডেভিডে তখনকার ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী এহুদ বারাক ও ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাতের মধ্যে আলোচনা হয়েছিলো প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের উদ্যোগে।
- ২০০০ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়কে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের এই সংগ্রাম কালকে ‘দ্বিতীয় ইন্তিফাদা’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাতিসংঘের যৌথ প্রচেষ্টায় একটি রোডম্যাপ তৈরি করা হয়, যার লক্ষ্য ছিলো ২০০৫ সালের মধ্যে চূড়ান্ত আলোচনার পর্যায়ে আসা।

উৎস: i) ৯ অক্টোবর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
          ii) U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।
৩,০৬৬.
কোন সম্মেলন/চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা?
  1. ক) প্যারিস চুক্তি
  2. খ) কিয়োটো প্রটোকল
  3. গ) ভিয়েনা কনভেনশন
  4. ঘ) রিও সম্মেলন
ব্যাখ্যা
২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত ২১তম UNFCCC Conference of Parties (CoP-21) সম্মেলনে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি গৃহীত হয়।
- এতে মোট ১৯৬টি দেশ ও সংস্থা অংশ নেয়৷
- ২০১৬ সালের ২২ এপ্রিল জাতিসংঘ সদরদপ্তরে এটি স্বাক্ষরের জন্যে উন্মুক্ত করা হয় এবং ৪ নভেম্বর এই চুক্তি কার্যকর হয়।
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে একুশ শতকে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫-২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখার লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে।

সূত্রঃ UNFCCC ওয়েবসাইট।
৩,০৬৭.
২০২৬ সালে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী পরিচালিত অভিযানের নাম কী?
  1. অপারেশান ডেজার্ট স্টর্ম
  2. অপারেশান রেড স্টর্ম
  3. অপারেশান এপিক ফিউরি 
  4. অপারেশান ব্লু থান্ডার
ব্যাখ্যা

- ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় দফা হামলা করে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী এই অভিযানের নাম দিয়েছে ‘এপিক ফিউরি’ (EPIC FURY)।
- ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চারকে লক্ষ্য করে হামলা হয়েছে।
- মূলত পারমানবিক ইস্যু এবং গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার করার লক্ষে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এর সাথে ইরানের দীর্ঘ দিনের বিরোধ রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্র সব সময় অভিযোগ করে আসছিলো যে, ইরানে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচী চালিয়ে নিচ্ছে।
- অপর দিকে ইরান যুক্তরাষ্ট্রে অভিযোগ বরাবরের মত প্রত্যাখ্যান করে আসছে।

- প্রথম হামলাটি ছিল জুন মাসে। তখন ওয়াশিংটন ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে ধারাবাহিক আক্রমণ চালায়।

উৎস: বিবিসি।

৩,০৬৮.
দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত 'প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ' নিয়ে কোন কোন দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে?
  1. চীন ও জাপান
  2. চীন ও ভিয়েতনাম
  3. ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়া
  4. ফিলিপাইন ও ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ:
- দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন এবং ভিয়েতনাম এর মধ্যে দ্বন্দ্ব বিদ্যমান।

⇒ প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ প্রায় ১৩০টি প্রবাল দ্বীপ ও প্রাচীর নিয়ে গঠিত।
- এছাড়া, তাইওয়ানও প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জের উপর নিজের অধিকার দাবি করে থাকে।
- প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ প্রায় মানব বসতিহীন।
- এখানে তেল এবং গ্যাসের সম্ভাব্য ভাণ্ডার রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- দক্ষিণ চীন সাগরে সীমানা নিয়ে বিভিন্ন দেশ বিরোধে লিপ্ত ছিল বহু শত বছর ধরে।
- বিশেষ করে সম্প্রতি চীন যে ধরণের ব্যাপক দাবি শুরু করেছে, যার মধ্যে বিভিন্ন দ্বীপপুঞ্জ এবং সংলগ্ন জলসীমাও রয়েছে, তা ভিয়েতনাম, ফিলিপিন্স, তাইওয়ান, মালয়েশিয়া এবং ব্রুনেইকে ক্ষুব্ধ করেছে।
- এসব দেশও এখন দক্ষিণ চীন সাগরে সীমানা নিয়ে পাল্টা দাবি করছে।
- অন্যান্য দেশও সাগরের মাঝখানে প্যারাসেল এবং স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জ এবং সাগরের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর তাদের অধিকার দাবি করছে।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
৩,০৬৯.
নিচের কোনটিকে ন্যাটোর প্রতিদ্বন্দ্বী জোট বলা হতো?
  1. ক) কেয়ার প্যাক্ট
  2. খ) ওইসিডি প্যাক্ট
  3. গ) ওয়ারশ প্যাক্ট
  4. ঘ) সোভিয়েত প্যাক্ট
ব্যাখ্যা
North Atlantic Treaty Organization- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে।
ন্যাটো জোটের পাল্টা জোট হিসেবে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো ১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ প্যাক্ট নামে সামরিক জোট গঠন করে।
এর উদ্দেশ্য ছিলো পুঁজিবাদী দেশগুলোর আগ্রাসন প্রতিহত করা। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সাথে সাথে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই ওয়ারশ প্যাক্ট বিলুপ্ত ঘটে।
উৎস - এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
৩,০৭০.
গ্লাস্তনস্ত এবং পেরেস্ত্রইকা নীতির প্রবক্তা হিসেবে পরিচিত-
  1. ক) ভি আই লেলিন
  2. খ) জোসেফ স্ট্যালিন
  3. গ) আন্দ্রে ব্রেজনেভ
  4. ঘ) মিখাইল গর্বাচেভ
ব্যাখ্যা
- সেভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ ১৯৮৫ সালে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর গ্লাস্তনস্ত এবং পেরেস্ত্রইকা নামে দুটির সংস্কারমূলক নীতি গ্রহণ করেন।
- এর মধ্যে গ্লাস্তনস্ত ছিলো রাজনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি এবং পেরেস্ত্রইকা ছিলো অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি বিষয়ক নীতি।
- সোভিয়েত নাগরিকদের ব্যাক্তি স্বাধীনতা ও মতামত প্রকাশের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য তিনি খোলামেলা আলোচনার যে মুক্ত ব্যবস্থা চালু করেছিলেন তাই গ্লাসনস্ত নীতি হিসেবে অভিহিত।
- মিখাইল গর্বাচেভ ১৯৯০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
৩,০৭১.
নিচের কোন দুইটি দেশ আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষর করেছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান
  2. ইরাক ও ইরান
  3. রাশিয়া ও চীন
  4. জার্মানি ও পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা
আলজিয়ার্স চুক্তি:
- এই চুক্তিটি একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ইরাক ও ইরান।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জুন,১৯৭৫ সালে।
- অনুমোদিত হয়: ১৯৭৬ সালে।
- মধ্যস্থতাকারী দেশ: আলজেরিয়া।
- স্বাক্ষরের স্থান: আলজিয়ার্স, আলজেরিয়া।
- স্বাক্ষর করেন:
• শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী (ইরান)।
• সাদ্দাম হোসেন (ইরাক)।

- ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর,১৯৮০ সালে চুক্তিটি অকার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
৩,০৭২.
বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ডেটন শান্তি চুক্তি
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. রোম চুক্তি
  4. জেনেভা চুক্তি
ব্যাখ্যা
ডেটন শান্তি চুক্তি:
- ডেটন শান্তি চুক্তির পূর্ণনাম - General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina।
- বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয়। এই জন্য এই চুক্তিকে ডেটন শান্তি চুক্তি বলা হয়।
- ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বিল ক্লিন্টন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী - ওয়ারেন ক্রিস্টোফার।
- চুক্তিটির প্রধান শান্তি আলোচক - রিচার্ড হলব্রোক।
- চুক্তির খসড়া প্রস্তুত - ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - প্যারিস, ফ্রান্স
- চুক্তির পক্ষ সমূহ: বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী:
১. বসনিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ।
২. ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
৩. সার্বিয়ার পক্ষে - স্লোভাদান মিলোসোভিচ।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।
৩,০৭৩.
ব্রাসলেস চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশের সংখ্যা কত?
  1. ৭টি
  2. ৫টি
  3. ৯টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা

ব্রাসলেস চুক্তি:
- ব্রাসলেস চুক্তি মূলত সোভিয়ত আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ডানকর্ন চুক্তির সম্প্রসারণ যার ফলে একটি সম্মিলিত প্রতিরক্ষা জোট তৈরি হয়।
- চুক্তিটি -১৭ মার্চ ১৯৪৮ স্বাক্ষর করা হয়।
- স্বাক্ষরকারী দেশ ৫ টি :
- চুক্তিতে অংশগ্রহণকারী দেশ: বেলজিয়াম, ফ্রান্স, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য।
- ১৯৪৮ সালের ব্রাসেলস চুক্তির লক্ষ্য ছিল পশ্চিম ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলি সহযোগিতা করতে পারে তা দেখানো।
- এ চুক্তির ফলে ১৯৪৯ সালে ন্যাটো প্রতিষ্ঠার সূত্রপাত ঘটে।

উৎস: Nato web.site এবং Britannica.

৩,০৭৪.
পাকিস্তানের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা কোনটি?
  1. ISI
  2. RAW
  3. CIA
  4. MI6
ব্যাখ্যা

• ISI:
-
ISI- এর পূর্ণরূপ- Inter-Services Intelligence.
- পাকিস্তানের সবচেয়ে পরিচিত গুপ্তচর সংস্থা হলো ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স।
- এটি সংক্ষেপে আইএসআই (ISI) নামে পরিচিত।
- এটি পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর একটি প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা।
- এই সংস্থা দেশের জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের কাজ করে।
- সংস্থাটি ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর মুখ্য কার্যালয় ইসলামাবাদ, পাকিস্তান-এ অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- RAW- ভারতের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা।
- CIA- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- MI6- যুক্তরাজ্যের বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা।

উৎস: Britannica. 

৩,০৭৫.
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা FBI-এর বর্তমান পরিচালকের নাম কী?
  1. রবার্ট এস মুলার
  2. অ্যান্ড্রু ম্যাককেব
  3. ক্রিস্টোফার রে
  4. জেমস বি কমি
ব্যাখ্যা
• FBI:
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- Federal Bureau of Investigation (ফেডারেল বুরো অব ইনভেস্টিগেশন)।
- প্রতিষ্ঠিত হয়- ২৬ জুলাই, ১৯০৮ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা - মার্কিন প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্ট।
- বর্তমান পরিচালক - ক্রিস্টোফার রে (Christopher Wray)।
- সদর দপ্তর - ওয়াশিংটন ডিসি।

তথ্যসূত্র: এফবিআই ওয়েবসাইট।
৩,০৭৬.
হামাস কোন দেশের সশস্ত্র সংগঠন? 
  1. ফিলিস্তিন 
  2. আলজেরিয়া 
  3. ইজরায়েল 
  4. ইরাক 
ব্যাখ্যা

• হামাস: 
- হামাস হলো ফিলিস্তিনের একটি সশস্ত্র সংগঠন।
- এটি একটি ফিলিস্তিনি সুন্নি-ইসলামবাদী মৌলবাদী দল হিসেবেও পরিচিত এবং
- এই দলটি অসংখ্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য দায়ী।
- এটি ১৯৮৭ সালে মুসলিম ব্রাদারহুডের সদস্য এবং প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (PLO) ধর্মীয় দলগুলোর দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধান খালেদ মিশাল [ জানুয়ারি, ২০২৬]
- উপ-প্রধান খলিল আল হাইয়া এবং
- সামরিক বাহিনী প্রধান মুহাম্মদ দেইফ।

তথ্যসূত্র: Britannica.

৩,০৭৭.
ANZUS গঠনের লক্ষ্যে কবে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১ জুন, ১৯৫১
  2. ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১
  3. ১ আগস্ট, ১৯৫১
  4. ১ জুলাই, ১৯৫১
ব্যাখ্যা
ANZUS:
- ANZUS একটি সামরিক জোট।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১।
- কার্যকর হয়: ১৯৫২ সালে।
- সদস্য দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরের স্থান: সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া।
- ধরন: ANZUS চুক্তি, আনুষ্ঠানিকভাবে ‘প্রশান্ত মহাসাগরীয় নিরাপত্তা চুক্তি’ হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নিরাপত্তা চুক্তি।
- উদ্দেশ্য: আগ্রাসনের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে এটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৩,০৭৮.
‘টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র’কোন দেশের তৈরি?
  1. রাশিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ইউক্রেন
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

- টমাহক হলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ভূমি এবং সাগর— উভয় জায়গা থেকেই ছোড়া যায়।
- সাধারণত সাগরে যুদ্ধজাহাজ থেকে এটি ছোড়া হয়।
- টমাহক সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুকে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম,
- ব্যাপক শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রকে ঠেকাতে পারে না।
- যে কোনো দেশ বা ভূখণ্ডের গভীরে হামলার জন্য টমাহক আদর্শ ক্ষেপণাস্ত্র।
- এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ২০ ফুট লম্বা।
- বিমানের মতো টমাহকেও দু’টি পাখা থেকে।
- ক্ষেপণাস্ত্রের মাঝামাঝি জায়গায় থাকা দুই পাখার প্রস্থ সাড়ে ৮ ফুট এবং ওজন ১ হাজার ৫১০ কেজি।
- এটি নন-নিউক্লিয়ার, অর্থাৎ পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র নয়।

উৎস: রয়টার্স এবং দৈনিক যুগান্তর [লিংক]

৩,০৭৯.
কিয়োটো চুক্তিতে কতটি গ্যাস নিঃসরণের হার কমানোর উদ্যোগ নেয়া হয়?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৬টি
ব্যাখ্যা
কিয়োটো চুক্তি:

- কিয়োটো চুক্তি সাক্ষরিত হয় জাপানে।
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
- ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর জাপানের প্রাচীন রাজধানী কিয়োটোতে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের সাত বছর পর ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়।
- ওই সম্মেলনে জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত ১৯১টি দেশ উপস্থিত ছিল।
- চুক্তিভুক্ত দেশগুলো যে ছয়টি গ্যাস নিঃসরণ কমানোর উদ্যোগ নেয় সেগুলো হলো
১. কার্বন ডাই-অক্সাইড,
২. মিথেন,
৩. নাইট্রাস অক্সাইড,
৪. হাইড্রোফ্লোরোকার্বন,
৫. পারফ্লোরোকার্বন ও
৬. সালফার।

তথ্যসূত্র - UNEP ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩,০৮০.
'THAAD' ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কোন দেশের তৈরি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. রাশিয়া
  3. ইরান
  4. ইসরায়েল
ব্যাখ্যা
থাড (THAAD):
- ‘থাড’ এর পূর্ণরুপ: টার্মিনাল হাই অ্যালটিটিউড এরিয়া ডিফেন্স’।
- এটি আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা।
- THAAD ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি।
- এর নির্মাতা লকহিড মার্টিন কোম্পনি।
- এটি প্রাথমিক ভাবে ২০১২ সালের এপ্রিলে মোতায়েন করা হয়।

⇒ এটি শত্রু দেশের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রকে আকাশেই ধ্বংস করবে।
- এই ব্যবস্থাটি ট্রাকে করে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পরিবহন করা যায়।
- স্বল্প, মাঝারী এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রকে আকাশেই ধ্বংস করতে সক্ষম থাডের থেকে ছোড়া প্রজেক্টাইল।
- এই প্রজেক্টাইল ক্ষেপণাস্ত্রটির গতিপথ অনুসরন করে এবং এটিকে ভূপাতিত না করা পর্যন্ত পিছু ছাড়ে না।

উল্লেখ্য,
- ইসরায়েলকে সহায়তায় মধ্যপ্রাচ্যে সমরাস্ত্র পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
- এবার এ অঞ্চলে ‘টার্মিনাল হাই অ্যালটিটিউড এরিয়া ডিফেন্স’ বা ‘থাড’ নামে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন।
- এ ছাড়া সেখানে অতিরিক্ত ‘প্যাট্রিয়ট’ আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থাও মোতায়েন করা হবে।

উৎস: CRS Reports (.gov) ওয়েবসাইট।
৩,০৮১.
তাসখন্দ চুক্তিতে ভারতের পক্ষে কে স্বাক্ষর করেন?
  1. গুলজারীলাল নন্দা
  2. লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
  3. পিভি নরসিমহা রাও
  4. অটল বিহারী বাজপেয়ী
ব্যাখ্যা
• তাসখন্দ চুক্তি:
- ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চির বৈরি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী আলেক্সি কোসিগিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- তাসখন্দ সম্মেলনে বিবদমান এই দুই রাষ্ট্রকে পূর্বের চুক্তিগুলোর বাধ্যবাধকতা মেনে চলার জন্য বিশ্বের পরাশক্তিগুলোর তরফ থেকে চাপ প্রয়োগ করা হয়।
- ১৯৬৬ সালের ৪ জানুয়ারি থেকে চুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হলেও এটি চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১০ জানুয়ারি।
- পরবর্তীতে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রি রহস্যজনকভাবে তাসখন্দে মৃত্যুবরণ করলে এটি ষড়যন্ত্রমূলক তত্ত্ব হিসেবেও উপমহাদেশে পরিচিতি পেতে শুরু করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,০৮২.
১৭৮৩ সালে প্যারিস চুক্তির দ্বিতীয় চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় যে দুটি দেশের মধ্যে-
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি
  2. খ) রাশিয়া ও যুক্তরাজ্য
  3. গ) ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

প্যারিস চুক্তি - ১৭৮৩ (Treaty of Paris - 1783)
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা/বিপ্লবী যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে ফ্রান্সের প্যারিসে ব্রিটিশদের সাথে বিবাদমান পক্ষ সমূহের যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় তাকে প্যারিস চুক্তি - ১৭৮৩ বলে।
⤇ ১৭৮৩ সালে প্যারিসে বিবাদমান পক্ষগুলোর মধ্যে চারটি পৃথক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে বিবাদমান পক্ষগুলোর (আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, স্পেন ও নেদারল্যান্ডস্‌) মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
⤇ ১৭৭৮ সাল থেকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সাথে যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের Continental Congress - এর প্রতিনিধিরা শান্তি আলোচনা শুরু করে। এই প্রতিনিধি দলের সদস্য ছিলেন - জন এডামস, বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন, জন জে, থমাস জেফারসন ও হেনরি লরেন্স। ১৭৮২ সালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লর্ড শেলবর্ন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সাথে ঐক্যমত্যে পৌঁছান এবং চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করেন।
⤇ যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে দ্বিতীয় চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

উল্লেখ্য, চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় - ১৭৮৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর।
এই সময় মোট ৪টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উৎসঃ হিস্টরি.কম

৩,০৮৩.
'ডমিনো তত্ত্ব' এর মূল ধারণাটি কী ছিল?
  1. একটি দেশে গণতন্ত্র আসলে প্রতিবেশী দেশগুলোতেও গণতন্ত্র আসবে।
  2. একটি দেশে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিলে অন্য দেশেও তা ছড়িয়ে পড়বে।
  3. একটি দেশে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠিত হলে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোও ধারাবাহিকভাবে কমিউনিজমের অধীনে চলে যাবে।
  4. পরমাণু শক্তিধর দেশগুলো কখনো একে অপরের সাথে যুদ্ধে জড়াবে না।
ব্যাখ্যা

 • ডমিনো তত্ত্ব (Domino Theory):
- ডমিনো তত্ত্ব-এর মূল কথা হচ্ছে কোনো একটি দেশে যদি সমাজতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে তার পাশের এবং আশেপাশের দেশগুলোও এই মতাদেশে উদ্বুদ্ধ হবে এবং এক সময় রাষ্ট্রগুলো সমাজতন্ত্রী রাষ্ট্রে পরিণত হবে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিংশ শতাব্দীর সত্তরের দশকে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় বিশেষ করে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসে এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে সেখানে সমাজতন্ত্রের উত্থান ঠেকাতে সামরিক হস্তক্ষেপ করেছিল।
- তবে প্রেসিডেন আইসেনহাওয়ার এর ১৯৫৪ সালের ৭ এপ্রিলের সংবাদ সম্মেলনে প্রথমবারের মতো পরোক্ষভাবে ডমিনো তত্ত্ব-এর কথা বলেছিলেন।
- মূল বিষয় ছিল কোনো অবস্থাতেই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং অন্যত্র সমাজতন্ত্রের প্রসারকে এগিয়ে নিজে যেতে দেয়া যাবে না। প্রয়োজনে সেইসব দেশে সামরিক হস্তক্ষেপ কর হবে।

উৎস: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।

৩,০৮৪.
'অরেঞ্জ অর্ডার' কোন দেশের সাথে সম্পর্কিত?
  1. সাইপ্রাস
  2. নিকারাগুয়া
  3. আয়ারল্যান্ড
  4. আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
অরেঞ্জ অর্ডার:
- 'অরেঞ্জ অর্ডার' আয়ারল্যান্ডের সাথে সম্পর্কিত। এটি আইরিশ রাজনৈতিক সমাজ হিসেবে পরিচিত ছিল।
- অরেঞ্জ অর্ডার রাজনৈতিক সমাজ, অরেঞ্জের প্রোটেস্ট্যান্ট উইলিয়ামের জন্য নামকরণ করা হয়েছিল।
- যিনি গ্রেট ব্রিটেনের রাজা উইলিয়াম তৃতীয় হিসাবে রোমান ক্যাথলিক রাজা জেমস দ্বিতীয়কে পরাজিত করেছিলেন।
- আয়ারল্যান্ডে প্রোটেস্ট্যান্টদের উচ্চতা বজায় রাখার জন্য ১৭৯৫ সালে সমাজটি গঠিত হয়েছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।[link]
৩,০৮৫.
'শাংরি-লা ডায়ালগ ২০২৫' কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. চীন
  2. সিঙ্গাপুর 
  3. মালয়েশিয়া 
  4. ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা

শাংরি-লা ডায়ালগ ২০২৫ (Shangri-La Dialogue 2025):
- শাংরি-লা ডায়ালগ ২০২৫ (Shangri-La Dialogue 2025) সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
- এই সম্মেলনটি ২০২৫ সালের ৩০ মে - ১ জুন পর্যন্ত সিঙ্গাপুরের শাংরি-লা হোটেল-এ অনুষ্ঠিত হয়। 
- এটি এশিয়ার প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বিষয়ক শীর্ষ সম্মেলন শাংরি-লা ডায়ালগের ২২তম আসর। 
- এটি এশিয়ার শীর্ষ প্রতিরক্ষা সম্মেলন হিসেবে বিবেচিত এবং ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (IISS) দ্বারা আয়োজিত হয়।

⇒ ২০২৫ সালের শাংরি-লা ডায়ালগে ৪৭টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন, যার মধ্যে ৪০টি দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, ২০টি দেশের সেনাপ্রধান এবং ২০টিরও বেশি উচ্চপদস্থ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
- সম্মেলনে আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে থাকবে—আঞ্চলিক সহযোগিতা, যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নীতি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, এবং সাম্প্রতিক মার্কিন শুল্ক নীতির প্রভাব।

উৎস: The International Institute for Strategic Studies.

৩,০৮৬.
When was Hamas founded?
  1. 1987
  2. 1986
  3. 1985
  4. 1984
ব্যাখ্যা
হামাস:
- হামাস ফিলিস্তিনের গেরিলা সংগঠন।
- হামাস ১৯৮৭ সালের ১৪ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়
- প্রতিষ্ঠাতা: শেখ ইয়াসিন।
- হামাস ইসরাইল-ফিলিস্তিনি সংঘাতে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) এর ধর্মনিরপেক্ষ পদ্ধতির বিরোধিতা করেছিল এবং ফিলিস্তিনের যে কোনও অংশ হস্তান্তর করার প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছে।
- হামাস ইসরায়েল এবং পিএলও- এর মধ্যে ১৯৯৩ সালের শান্তি চুক্তির নিন্দা করেছিল।
- এর সদরদপ্তর গাজায়।

উৎস: Britannica.
৩,০৮৭.
"Camp David Accords" কোন দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হয়েছিল?
  1. ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন
  2. ইসরায়েল ও সিরিয়া
  3. মিসর ও জর্ডান
  4. ইসরায়েল ও মিসর
ব্যাখ্যা
• ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- পূর্ণ নাম: Camp David Accords.
- চুক্তির ধরন: শান্তি চুক্তি / দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা।
- চুক্তির তারিখ: সেপ্টেম্বর ১৭, ১৯৭৮ সাল।
- চুক্তির স্থান: ক্যাম্প ডেভিড, মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র (মার্কিন প্রেসিডেন্টের অবকাশযাপন কেন্দ্র)।

• সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ:
- মিশরের প্রেসিডেন্ট: আনোয়ার সাদাত,
- ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী: মোনাখেম বেগিন,
- মধ্যস্থতা করেন: মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।

• চুক্তির মূল বিষয়বস্তু:
- মিশর ও ইসরায়েল একে অপরকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- দুই দেশ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জন্য সম্মত হয়।
- সিনাই উপত্যকা ফিরিয়ে দেয়া।
- ইসরায়েল মিশরের কাছে সিনাই উপত্যকা ফিরিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়।
- উভয় দেশ পরস্পরের রাজধানীতে দূতাবাস স্থাপন করে।

উৎস: Britannica.
৩,০৮৮.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অ্যাডলফ হিটলার প্রথম আক্রমণ করে কোন দেশে?
  1. ক) পোল্যান্ড
  2. খ) ব্রিটেন
  3. গ) সার্বিয়া
  4. ঘ) ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
• ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর অ্যাডলফ হিটলারের জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরু করেন।
- এর দুদিন পরেই ব্রিটেন ও ফ্রান্স জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
- ১৯৪০ সালের মে মাসে হিটলার ফ্রান্স আক্রমণ করেন এবং মাত্র ছয় সপ্তাহের মধ্যে ফ্রান্স দখল করে নেন।

• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধেও পৃথিবীর ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলো দুভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছিল।
- জার্মানি, জাপান, ইতালির সমন্বয়ে গঠিত  অক্ষশক্তির  প্রধান প্রতিপক্ষ ছিল রাশিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বয়ে গঠিত মিত্রশক্তি। 
- যুদ্ধে একের পর এক জার্মানির পরাজয়ের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৪৫ সালের এপ্রিলে জার্মানি ও ইতালি মিত্রবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। হিটলার আত্মহত্যা করেন, আর মুসোলিনিকে গ্রেফতার করে হত্যা করা হয়।
- ১৪ আগস্ট (১৯৪৫) জাপান শর্তহীনভাবে আত্মসমর্পণ করে।  

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
৩,০৮৯.
বসনিয়া যুদ্ধের শান্তি প্রতিষ্ঠা ঘটে কোন চুক্তির ফলে?
  1. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  2. ডেটন চুক্তি
  3. রোম চুক্তি
  4. অসলো চুক্তি
ব্যাখ্যা

• ডেটন চুক্তি: 
- ডেটন চুক্তি (Dayton Accords) হলো একটি শান্তিচুক্তি যা ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ সালে বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- এটি বসনিয়ার যুদ্ধের অবসান ঘটায় এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার শান্তির জন্য একটি সাধারণ কাঠামো নির্ধারণ করে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে বসনিয়াকে একটি একক রাষ্ট্র হিসেবে রাখা হয়, যা দুইটি অংশে বিভক্ত -  বসনিয়াক-ক্রোয়াট ফেডারেশন, বসনিয়ান সার্ব প্রজাতন্ত্র। 
- রাজধানী সারায়েভো অবিভক্ত রয়ে যায়।
- চুক্তির নাম ডেটন চুক্তি কারণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ওহাইওর ডেটন শহরের কাছে Wright-Patterson এয়ার ফোর্স বেসে।
- এই শান্তি আলোচনার নেতৃত্ব দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান আলোচক রিচার্ড হোলব্রুক এবং পররাষ্ট্র সচিব ওয়ারেন ক্রিস্টোফার।

উল্লেখ্য,
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি হল ইসরায়েল এবং মিশরের মধ্যে ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮ সালে স্বাক্ষরিত চুক্তি। 
- অসলো চুক্তি হচ্ছে ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার মধ্যে হওয়া চুক্তি।
- রোম চুক্তি বা EEC চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায় প্রতিষ্ঠার চুক্তি।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৩,০৯০.
সোভিয়েত ইউনিয়ন পতনের পূর্বে FSB কী নামে পরিচিত ছিল?
  1. GKB
  2. KBG
  3. KGF
  4. KGB
ব্যাখ্যা
FSB:
- FSB বা Federal Security Service (রাশিয়ান ভাষায়: Federalnaya Sluzhba Bezopasnosti) রাশিয়ার প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, সীমান্ত অপরাধ, চোরাচালান, এবং ফেডারেল আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে তদন্ত ও অপরাধী সনাক্তকরণের দায়িত্ব পালন করে।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের সময় এই সংস্থাটি KGB (Committee for State Security) নামে পরিচিত ছিল। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্ত হওয়ার পর, ১৯৯৪-৯৫ সালে সংস্থাটির নাম পরিবর্তন করে Federal Counterintelligence Service (FSK) রাখা হয়।
- ১৯৯৫ সালে রাশিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বোরিস ইয়েলতসিন এই সংস্থার বর্তমান নাম Federal Security Service (FSB) নির্ধারণ করেন।

সূত্র - FSB ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
৩,০৯১.
ন্যাটোর কোন অনুচ্ছেদে জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতার উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৭
  2. অনুচ্ছেদ ৮
  3. অনুচ্ছেদ ৯
  4. অনুচ্ছেদ ১০
ব্যাখ্যা

♦ ন্যাটো:
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৯ সাল।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- ন্যাটোতে যোগদানকারী মুসলিম দেশ: তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- সর্বশেষ সদস্য: সুইডেন।

♦ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ ১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৩,০৯২.
কোনটি Nuclear Non- Proliferation Treaty চুক্তি দ্বারা স্বীকৃত পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র নয়?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. ফ্রান্স
  3. ভারত
  4. চীন
ব্যাখ্যা

'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।

⇒ পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক মোট রাষ্ট্রের সংখ্যা ৫টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ এর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে NPT দ্বারা পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হিসাবে স্বীকৃত রাষ্ট্র (NWS) হলো ৫টি।
- চুক্তিটি এই দেশগুলির পারমাণবিক অস্ত্রাগারকে স্বীকৃতি দেয়।
- কিন্তু NPT-এর ৬ অনুচ্ছেদের অধীনে তাদের চিরস্থায়ীভাবে এই ধরনের অস্ত্র তৈরি এবং বজায় রাখার উল্লেখ নেই।

অন্যদিকে,
- ভারত, পাকিস্তান এবং ইসরায়েল কখনই NPT-এ যোগ দেয়নি। কিন্তু দেশগুলি পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী বলে পরিচিত।
- উত্তর কোরিয়া একটি অ-পারমাণবিক অস্ত্র রাষ্ট্র হিসাবে NPT-এ যোগদান করেছিল। কিন্তু ২০০৩ সালে NPT থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছিল।

উৎস: i) Arms Control Association ওয়েবসাইট।
ii) UNODA ওয়েবসাইট।

৩,০৯৩.
সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. রাশিয়া
  2. যুক্তরাজ্য
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা
Secret Intelligence Service: 
- সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস সাধারণত MI6 নামে পরিচিত।
- এটি যুক্তরাজ্যের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা। 
- এটি সরকারের জন্য বৈশ্বিক গোপন কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে দেশের জাতীয় নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষা ও উন্নয়নে সহায়তা করে। 
- SIS সরাসরি Foreign, Commonwealth & Development Office-এর সাথে কাজ করে। 
- এটি ১৯০৯ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- MI6 এর ছয়টি সেকশনের জন্যে এটি MI6 নামে পরিচিতি লাভ করে। 

অন্যদিকে: 
- Federal Security Service রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা। 
- CIA (Central Intelligence Agency) এবং FBI (Federal Bureau of Investigation) হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।

সূত্র: SIS ওয়েবসাইট।
৩,০৯৪.
নেভাতিম বিমানঘাঁটি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইসরায়েল
  2. সিরিয়া
  3. ইউক্রেন
  4. ইরান
ব্যাখ্যা
নেভাতিম বিমান ঘাঁটি:
- নেভাতিম বিমানঘাঁটি (Negev Air Base) ইসরায়েলে অবস্থিত।
- এটি ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে, নেগেভ মরুভূমির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটি হিসেবে পরিচিত।

ইসরাইল:

- মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর মাঝখানে ছোট্ট একটি দেশ ইসরাইল।
- রাজধানী: জেরুজালেম।
- মুদ্রা: শেকেল।
- ইসরাইলের ভাষা হিব্রু।
- ফিলিস্তিন অংশের ভূমি দখল করে রাষ্ট্র গঠন করে ইসরাইল।
- মুসলমান, ইহুদি ও খ্রিস্টান এই তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্রভূমি ফিলিস্তিনের জেরুজালেম।
- বেলফোর ঘোষণা ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ব্রিটিশ ও মার্কিনদের সহায়তায় ইহুদিরা আরব ভূমিতে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।
- তারাই একমাত্র দেশ যারা শুধুমাত্র ধর্মের ভিত্তিতে সরাসরি নাগরিকত্ব দেয়।
- গোয়েন্দা সংস্থা: মোসাদ, আমান।
- ইসরাইলের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন ডেভিড বেন গুরিয়েন।

উৎস: i) Britannica.
ii) Al Jazeera.
৩,০৯৫.
'মোরো ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট' কোন দেশের বিদ্রোহী গ্রুপ?
  1. ক) চীন
  2. খ) ইন্দোনেশিয়া
  3. গ) থাইল্যান্ড
  4. ঘ) ফিলিপাইন
ব্যাখ্যা
মোরো ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট (ফিলিপাইন )

- Moro National Liberation Front (MNLF)
- প্রতিষ্ঠাতা: নূর মিসৌরি।
- উদ্দেশ্য: দক্ষিণ ফিলিপাইনের অঞ্চল বাংসামোরোর স্বাধীনতা (মিন্দানাও দ্বীপের)।
- Bangsamoro Organic Law অনুমোদন হয়: ২৬ জানুয়ারি, ২০১৯।


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৩,০৯৬.
ন্যাটোর সদর দপ্তর কোথায়?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) ফিনল্যান্ড
  3. গ) বেলজিয়াম
  4. ঘ) অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
NATO: 
- পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ ২ টি, আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদর দপ্তর লন্ডন, ব্রিটেন।
- সদর দপ্তর ফ্রান্সের প্যারিসে স্থানান্তর করা হয় ১৬ এপ্রিল, ১৯৫২ সালে।
- বর্তমান সদর দপ্তর ব্রাসেলাস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান সদস্য দেশ ৩১টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ ফিনল্যান্ড।
- বর্তমান মহাসচিব জেনস স্টেলটেনবার্গ, নরওয়ে।

উৎস: ন্যাটোর অফিসিয়াল সাইট।
৩,০৯৭.
কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে বিরোধ রয়েছে যে দুটি দেশের মাঝে -
  1. রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়া
  2. রাশিয়া ও জাপান
  3. চীন ও তাইওয়ান
  4. ভিয়েতনাম ও তাইওয়ান
ব্যাখ্যা

• কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে বিরোধ রয়েছে রাশিয়া ও জাপানের মাঝে।

• কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ:
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের ঠিক উত্তরে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের কাছ থেকে এই দ্বীপগুলো সোভিয়েত ইউনিয়ন দখল করে নেয়।
- প্রশান্ত মহাসাগরের যে চারটি দ্বীপ নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ এটি তার মধ্যে একটি হলো এই কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ।
- বিতর্কিত কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের চারটির মধ্যে দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় দ্বীপ কুনাশির।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩,০৯৮.
পাকিস্তানের পক্ষে সিমলা চুক্তি কে স্বাক্ষর করেন?
  1. আইয়ুব খান
  2. জুলফিকার আলী ভুট্টো
  3. ইয়াহিয়া খান
  4. পারভেজ মুশাররফ
ব্যাখ্যা

সিমলা চুক্তি:
- ১৯৭১ সালে ভারত - পাকিস্তানের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধ (বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে) পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ২ জুলাই, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ - ভারত ও পাকিস্তান।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী - ভারতের পক্ষে - প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এবং পাকিস্তানের পক্ষে প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাস্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা এবং হিস্টরি.কম।

৩,০৯৯.
FBI এর বর্তমান পরিচালক কে? (জুন, ২০২৫)
  1. ড্যান বংগিনো
  2. রবার্ট মুলার
  3. ক্রিস্টোফার এ. রে
  4. ক্যাশ প্যাটেল
ব্যাখ্যা
Federal Bureau of Investigation:
- FBI এর পূর্ণরূপ Federal Bureau of Investigation.
- FBI মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২৬ জুলাই, ১৯০৮ সাল।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন পেনসিলভানিয়া এভিনিউ, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান পরিচালক: ক্যাশ প্যাটেল। (জুন, ২০২৫)
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন।
- FBI মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে সংঘটিত অপরাধের অনুসন্ধান এবং দেশি-বিদেশি যেকোন নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা ও সুরক্ষা প্রদানে নিয়োজিত।

তথ্যসূত্র - FBI অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩,১০০.
দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি প্রধানত কোন যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটায়?
  1. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  2. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  3. কোরীয় যুদ্ধ
  4. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি:
​- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ২য় ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
​- এটি কার্যকর হয় ১০ জানুয়ারি, ১৯২০ তারিখে।
​- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: ফ্রান্সের ভার্সাই নগরী।
​- পক্ষসমূহ: মিত্রশক্তি (ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান) এবং জার্মানি।
​- এই চুক্তির জন্য জার্মানি ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য হয় এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়।
​- এই চুক্তিতে জার্মানিকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

​উৎস: History.com