বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

মোট প্রশ্ন৩,৩৩৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

PrepBank · পাতা ২৬ / ৩৪ · ২,৫০১২,৬০০ / ৩,৩৩৯

২,৫০১.
বাংলাদেশ-ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি প্রথম স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ক) ৬ মে, ১৯৭২ সালে
  2. খ) ৭ মে, ২০১৫ সালে
  3. গ) ১৬ মে, ১৯৭৪ সালে
  4. ঘ) ১ আগস্ট, ২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি (ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি) প্রথম স্বাক্ষরিত হয় ১৬ মে, ১৯৭৪ সালে।
- বাংলাদেশ অনুমোদন করে ১৯৭৪ সালে কিন্তু ভারত তখন অনুমোদন করেনি‌।
- ৬ মে ২০১৫ সালে ভারতীয় রাজ্যসভায় বিলটি পাশ হয় এবং ৭ মে ২০১৫ সালে ভারতীয় সংসদের লোকসভায় বিলটি পাস হয়।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১ আগস্ট ২০১৫ সালে। এর ফলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ছিট মহল বিনিময় হয়।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
২,৫০২.
RCEP বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর হয়-
  1. ৩১ ডিসেম্বর, ২০২১
  2. ১৫ নভেম্বর, ২০২০
  3. ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
  4. ১ জানুয়ারি, ২০২২
ব্যাখ্যা

- বিশ্বের বৃহৎ Regional Comprehensive Economic partnership (RCEP) বাণিজ্য চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত দেশের সংখ্যা ১৫টি।
- অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ১ জানুয়ারি ২০২২ 'Regional Comprehensive Economic Partnership (RCEP)' নামে বিশ্বের বৃহৎ বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর হয়।
- ১৫ নভেম্বর ২০২০ ভিয়েতনামের হ্যানয়ে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল ASEAN সম্মেলনের মাধ্যমে RCEP শীর্ষক বিশ্বের বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত দেশ হলো ১৫টি। ASEAN ভুক্ত ১০টি দেশ যেমন: ব্রুনাই, কম্বোডিয়া, মিয়ানমার, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, লাওস, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম এবং তাদের FTA অংশীদার অস্ট্রেলিয়া, জাপান, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া ও চীন।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।

২,৫০৩.
ক্রীড়া কূটনীতির সাথে সম্পর্কিত -
  1. ক) পঞ্চশীলা নীতি
  2. খ) ঋণফাঁদ কূটনীতি
  3. গ) পিংপং কূটনীতি
  4. ঘ) ট্রুম্যান ডকট্রিন
ব্যাখ্যা
পিংপং কূটনীতি (Ping Pong Diplomacy): 
- বিংশ শতাব্দীর সত্তর-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্র টেবিল টেনিস দলের চীন সফরকে চিহ্নিত করা হয়েছে পিংপং কূটনীতি হিসেবে।
- ১৯৭১ সালের ৬ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের একটি টেবিল টেনিস দল জাপারে নাগোয়াতে ৩১তম বিশ্ব টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল।
- তখন তাদের চীন সফরে আমন্ত্রণ জানান হয়।
- তারা ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল টানে যান।
- ১৯৪৯ সালের পর প্রথম একটি যুক্তরাষ্ট্রের টিম চীন সফর করেছিল।
- এর মধ্যে দিয়ে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি হয় এবং প্রেসিডেন্ট নিক্সনের ঐতিহাসিক চীন সফরের ক্ষেত্র তৈরি হয়।

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
২,৫০৪.
CIA এর সদর দপ্তর কোথায়? 
  1. ক্যালিফোর্নিয়া 
  2. ভার্জিনিয়া
  3. নিউইয়র্ক
  4. ওয়াশিংটন ডিসি 
ব্যাখ্যা

• CIA:
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- CIA এর পূর্ণরূপ হলো Central Intelligence Agency.
- এর সদরদপ্তর ভার্জিনিয়ার ল্যাংলিতে অবস্থিত।
- CIA ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- CIA এর বর্তমান পরিচালক উইলিয়াম জে. বার্নস।

উৎস: CIA ওয়েবসাইট।

২,৫০৫.
আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU)-এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত?[ জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ৬৫টি
  2. ৩৫টি
  3. ৫৫টি
  4. ৪৫টি
ব্যাখ্যা

• আফ্রিকান ইউনিয়ন: 
- আফ্রিকান ইউনিয়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা কেন্দ্রিক সংস্থা।
- আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU)-এর সদর দপ্তর ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবায় অবস্থিত।
- আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU)-এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৫টি। 
- এর মূল দায়িত্ব- শান্তি প্রতিষ্ঠা, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সংঘাত প্রতিরোধ ও সমাধান করা।
- সংস্থাটির অধীনে একটি শান্তি ও নিরাপত্তা পরিষদ এবং "আফ্রিকান স্ট্যান্ডবাই ফোর্স" রয়েছে, যা শান্তিরক্ষা ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যবহৃত হয়।

উল্লেখ্য,
- আফ্রিকান ইউনিয়ন মহাদেশজুড়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন, গণহত্যা ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ প্রতিরোধে কাজ করে এবং প্রয়োজনে সদস্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ সংকটেও হস্তক্ষেপ করতে পারে।
- সংগঠনের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বিভাগ দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তা পরিকল্পনা তৈরি, সাধারণ আফ্রিকান প্রতিরক্ষা নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- শাসনব্যবস্থা, শান্তি ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত আইনি কাঠামো উন্নয়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ এবং মহাদেশব্যাপী স্থিতিশীলতা জোরদারে বিভিন্ন নীতি বাস্তবায়নও AU–এর কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত।


উৎস: Britannica

২,৫০৬.
নিচের কোনটি যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. NIB
  2. FSB
  3. MI6
  4. Fairfax
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা:
• Central Intelligence Agency (CIA),
• Defense Intelligence Agency (DIA), 
• Federal Bureau of Investigation (FBI),
• Fairfax।

 অন্যদিকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা:
• বাংলাদেশ: National Security Intelligence (NSI), Criminal Investigation Department (CID), Detective Branch (DB).
• ভারত: Research and Analysis Wing (RAW), Central Bureau of Investigation (CBI).
• পাকিস্তান: Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA).
• রাশিয়া: Federal Security Service (FSB).
• শ্রীলংকা: National Intelligence Bureau (NIB).
• যুক্তরাজ্য: SIS/M16 - Secret Intelligence Service (SIS) and Military Intelligence, Section 6 (MI6).
• ইসরায়েল: MOSSAD.

উৎস: i) Britannica.
         ii) WorldAtlas.
২,৫০৭.
জেনেভা কনভেনশনের কোন চুক্তিটি যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা সম্পর্কিত?
  1. ১ম 
  2. ২য়
  3. ৩য় 
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়। 

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য,
• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.

২,৫০৮.
যুক্তরাষ্ট্রের কোন প্রেসিডেন্ট ‘নক্ষত্র যুদ্ধ’-এর প্রস্তাবক ছিলেন?
  1. জর্জ বুশ
  2. রিচার্ড নিক্সন
  3. জিমি কার্টার
  4. রোনাল্ড রিগ্যান
ব্যাখ্যা
তারকা যুদ্ধ:
- তারকা যুদ্ধ নামে খ্যাত Strategic Defense Initiative এর প্রস্তাবক ছিলেন রোনাল্ড রিগ্যান।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান ১৯৮৩ সালের ২৩ মার্চ ভূমি ও মহাকাশে পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা ঘোষণা করেন, যা SDI (Strategic Defense Initiative) নামে পরিচিত।
- এই পরিকল্পনার লক্ষ্য ছিল, পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে রক্ষা করা, যাতে সেগুলি মহাকাশে বা পৃথিবীতে ধ্বংস করা যায়।
- তাই, একে সমালোচকরা 'নক্ষত্র যুদ্ধ' (Star Wars) হিসেবেও অভিহিত করেন।

⇒ ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন এবং ঠান্ডাযুদ্ধের সমাপ্তির পর SDI প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা অনেকটাই কমে যায়।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন এবং পরবর্তীতে রাশিয়ার সাথে সম্পর্কের উন্নতি এই প্রকল্পটির গুরুত্ব কমিয়ে দেয়, ফলে এটি কার্যকরভাবে স্তিমিত হয়ে যায়। 
- তবে, SDI প্রকল্পের ধারণা এবং এর বিভিন্ন প্রযুক্তিগত উদ্যোগগুলো পরবর্তীতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির বিকাশে কিছুটা প্রভাব ফেলেছিল।

উৎস: Britannica.
২,৫০৯.
ইউরোপে অবাধ চলাচল সংক্রান্ত 'শেনজেন চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয় কোন দেশে?
  1. বেলজিয়ামে
  2. হাঙ্গেরিতে
  3. ডেনমার্কে
  4. লুক্সেমবার্গে
ব্যাখ্যা
শেনজেন চুক্তি:
- শেনজেন চুক্তি হলো অবাধ চলাচল সংক্রান্ত একটি চুক্তি যা ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- এটি ১৯৯৫ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাঁচটি দেশ- ফ্রান্স, জার্মানি, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস এবং লুক্সেমবার্গ-এর মধ্যে একটি আন্তঃসরকারি প্রকল্প হিসাবে শুরু হয়েছিল এবং ধীরে ধীরে বিশ্বের বৃহত্তম বিনামূল্যে ভ্রমণ এলাকায় পরিণত হয়েছে।
- বর্তমানে ইউরোপের ২৯টি দেশ শেনজেন এলাকার অন্তর্ভুক্ত।

সূত্র: শেনজেন ভিসা ইনফো ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]
২,৫১০.
‘জেনেভা কনভেনশন’ কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. যুদ্ধবন্দী ও আহতদের সুরক্ষা
  2. পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ
  3. মানবাধিকার
  4. জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা
ব্যাখ্যা

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো একটি আন্তর্জাতিক আইন যা মূলত যুদ্ধাহত, অসুস্থ, যুদ্ধবন্দি এবং বেসামরিক নাগরিকদের অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষার আন্তর্জাতিক আইন, যা যুদ্ধের বর্বরতা সীমিত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে। এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

• মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম জেনেভা কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য,
• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়। এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।
- প্রথম জেনেভা কনভেনশন ১৮৬৪ সাল,  দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন ১৯০৬ সাল, তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন ১৯২৯ সাল ও চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন ১৯৪৯ সালে গৃহীত হয়। উল্লেখ্য যে, ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিকায়ন করা হয়।

⇒ প্রটোকলসমূহ:
• প্রটোকল: ১: ১৯৭৭ সালে; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
• প্রটোকল: ২: ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
• প্রটোকল: ৩: ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: International Committee of the Red Cross ওয়েবসাইট।

২,৫১১.
Joint Comprehensive Plan of Action স্বাক্ষরিত হয় -
  1. ১৬ জানুয়ারি, ২০১৫
  2. ১৪ জুলাই, ২০১৫
  3. ১৪ জুলাই, ২০১৬
  4. ১৬ জানুয়ারি, ২০১৬
ব্যাখ্যা
Joint Comprehensive Plan of Action:
- এটি ইরান পরমাণু চুক্তি হিসেবে পরিচিত।
- এটই সমঝোতা ‘ইরান ডিল’ নামেও পরিচিত।
- চুক্তিটি হয়েছিল ইরান ও জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য দেশ তথা যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের মধ্যে।
- এই চুক্তিতে স্থায়ী পাঁচ সদস্য দেশের সাথে জার্মানিও ছিল।
- এজন্য এই পক্ষকে ‘পি৫ + ১’ বলা হয়ে থাকে।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ জুলাই, ২০১৫ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৬ জানুয়ারি, ২০১৬ সালে।
- এই চুক্তিতে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ ও মজুদ করার ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।
- চুক্তি অনুসারে তেহরান তাদের কিছু পরমাণু স্থাপনা বন্ধ করে দিতে অথবা পরিবর্তন করতে সম্মত হয়।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে চুক্তিটি স্বাক্ষর ও কার্যকর হয়।

এছাড়া,
- ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের অনুমতিও দেয়া হয়।
- চুক্তির অধীনে ইরানের ওপর আরোপিত বেশ কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাও প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০১৮ সালে চুক্তি থেকে বের হয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র।
- ২০২০ সালের শুরুর দিকে পরমাণু চুক্তি থেকে সরে আসার ঘোষণা দেয় ইরান।

উৎস: U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট। 
২,৫১২.
শারম-আল-শেখ নিম্নের কোন দুটি জায়গার মধ্যে অবস্থিত?
  1. সিনাই উপদ্বীপের মরুভূমি এবং লোহিত সাগরের মধ্যে
  2. ইসরাইল ও পূর্ব গাজা উপত্যকা-এর মধ্যে
  3. সিরিয়া এবং সুদান এর মধ্যে
  4. লিবিয়া এবং ইসরাইলের মধ্যে
ব্যাখ্যা
শারম-আল-শেখ:
- সিনাই উপদ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব লোহিত সাগরের উপকূলে অবস্থিত।
- এটি শারম এল-শায়েখ, সলোমনের বে নামেও পরিচিত।
- এটি ১৯৬৭ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত ইসরায়েলিদের দখলে ছিল।
- প্রবেশদ্বারটি তিরান প্রণালীতে শারম আল-শেখ উপসাগরের ১৪  মাইল (২৩ কিমি) উত্তর-পূর্বে অবস্থিত।
- ক্যাম্প ডেভিড অ্যাকর্ডস শান্তি চুক্তির পরিপূর্ণতায় ১৯৮০ এর দশকের ইসরায়েলি বাহিনীকে সিনাই উপদ্বীপ থেকে প্রত্যাহার করে নেয়।

উৎস: ব্রিটানিকা.কম।
২,৫১৩.
কোন দুই দেশের মধ্যে আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ইরাক-সৌদি আরব
  2. ইরাক-জর্ডান
  3. ইরান-তুরস্ক
  4. ইরাক-কুয়েত
  5. ইরাক-ইরান
ব্যাখ্যা

আলজিয়ার্স চুক্তি:
- এই চুক্তিটি একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- ইরাক-ইরান দুই দেশের মধ্যে আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৭৫ সালে।
- অনুমোদিত হয়: ১৯৭৬ সালে।
- মধ্যস্থতাকারী দেশ: আলজেরিয়া।
- স্বাক্ষরের স্থান: আলজিয়ার্স, আলজেরিয়া।
- ইরানের পক্ষে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী এবং ইরাকের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর,১৯৮০ সালে চুক্তিটি অকার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com

২,৫১৪.
সম্প্রতি, কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (পিকেকে) কোন দেশের সাথে অস্ত্রবিরতি ঘোষণা করেছে? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ইরান
  2. তুরস্ক
  3. ইরাক
  4. ইয়েমেন
ব্যাখ্যা
কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (পিকেকে):
- কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (পিকেকে) হল একটি কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদী দল যা প্রাথমিকভাবে উত্তর ইরাক এবং দক্ষিণ-পূর্ব তুরস্কে সক্রিয়।
- প্রাথমিকভাবে তুর্কি কুর্দিদের সমন্বয়ে গঠিত এই দলটি ১৯৮৪ সালে সহিংসতার একটি প্রচারণা শুরু করে।
- পিকেকে-এর মূল লক্ষ্য ছিল দক্ষিণ-পূর্ব তুরস্কে একটি স্বাধীন কুর্দি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা।
- তুরস্কের ৮৫ মিলিয়ন জনসংখ্যার প্রায় ২০ শতাংশ কুর্দি।

সম্প্রতি,
- পিকেকের কারাবন্দী নেতা আবদুল্লাহ ওজালান তাঁর সংগঠনের সদস্যদের প্রতি অস্ত্র সমর্পণের আহ্বান জানান।
- পাশাপাশি সংগঠনটিকে বিলুপ্ত ঘোষণা এবং তুর্কি সরকারের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের সংঘাতের ইতি টানারও আহ্বান জানান তিনি।
- দলটির বন্দি নেতার আহ্বানে সাড়া দিয়ে কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (পিকেকে) তুরস্ক সরকারের সঙ্গে অস্ত্রবিরতির ঘোষণা দিয়েছে।
-  এ ঘোষণার মধ্য দিয়ে সশস্ত্র এ সংগঠন এবং তুরস্কের সামরিক বাহিনীর ৪০ বছর ধরে চলা সংঘাতের ইতি ঘটতে যাচ্ছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
২,৫১৫.
কোন মুসলিম দেশ সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য?
  1. আলবেনিয়া
  2. মরক্কো
  3. পাকিস্তান
  4. ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
• উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (ন্যাটো) :
- ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত সামরিক জোট যা একটি পাল্টা ওজন তৈরি করতে চেয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মধ্য ও পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়।
- শীতল যুদ্ধের সমাপ্তির পর , ন্যাটোকে একটি "সহযোগী-নিরাপত্তা" সংস্থা হিসেবে পুনর্গঠন করা হয়।
- এর ৩২টি সদস্য রাষ্ট্র রয়েছে।
- শুরুতে ন্যাটো জোটের সদরদপ্তর ছিলো লন্ডনে।
- সেখান থেকে ১৯৫২ সালে প্যারিসে এবং ১৯৬৭ সালে ব্রাসেলসে স্থানান্তর করা হয়।
- ন্যাটোর বর্তমান মহাসচিব নরওয়ের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেনস স্টলেনবার্গ।
- ন্যাটোর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩০টি। প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ১২টি।
- সর্বশেষ সদস্য সুইডেন (২০২৪)।
- তুরস্ক ও আলবেনিয়া ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ।

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
২,৫১৬.
টুপাক আমারু একটি-
  1. ক) ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল
  2. খ) পেরুর সশ্বস্ত্র কমিউনিস্ট সংগঠন
  3. গ) আফ্রিকান উপজাতি
  4. ঘ) রাশিয়ার বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন
ব্যাখ্যা
টুপাক আমারু রেভ্যুলেশনারী মুভমেন্ট (MRTA) হলো পেরুর কমিউনিস্ট সশ্বস্ত্র সংগঠন। এটি পেরুতে কিউবার আদলে শ্রেণীহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষে ১৯৮৪ সাল থেকে সশ্বস্ত্র লড়াই শুরু করে। ২০০০ সালের দিকে এর কার্যক্রম নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। (সূত্রঃ কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশন ওয়েবসাইট)
২,৫১৭.
‘ভিক্টোরিয়া ডিজার্ট' এর আয়তন কত?
  1. ৩২০,০০০ বর্গকিলোমিটার
  2. ৩৩০,০০০ বর্গকিলোমিটার
  3. ৩৪০,০০০ বর্গকিলোমিটার
  4. ৩৫০,০০০ বর্গকিলোমিটার
ব্যাখ্যা
ভিক্টোরিয়া মরুভূমি (Great Victoria Desert):
- ভিক্টোরিয়া মরুভূমি দক্ষিণ ও পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থিত; একে বলা হয় Great Victoria Desert।
- এটি ১৮৭৫ সালে অস্ট্রেলিয়ান অনুসন্ধানকারী Ernest Giles একে মহারানী ভিক্টোরিয়ার নামানুসারে Great Victoria Desert নামকরণ করেন।
- এর আয়তন - ৩৫০,০০০ বর্গকিলোমিটার
- এটি বিশ্বের ৭ম বৃহৎ ও অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম মরুভূমি।

কয়েকটি মরুভূমি ও এদের অবস্থান:
- পাতাগোনিয়া মরুভূমি : চিলি, আর্জেন্টিনা,
- থর মরুভূমি : ভারত ও পাকিস্তান,
- গোবি মরুভূমি : চীন ও মঙ্গোলিয়া,
- মোজাবে মরুভূমি : যুক্তরাষ্ট্র,
- সাহারা মরুভূমি : আফ্রিক।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
২,৫১৮.
জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM) কত সালে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫৫ সালে
  2. ১৯৬১ সালে
  3. ১৯৬৬ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন:
- জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM) তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষা এবং প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার জন্য গঠিত একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন।
- এটি গঠিত হয় স্নায়ুযুদ্ধের সময়, পুঁজিবাদী জোট ন্যাটো এবং সমাজতান্ত্রিক জোট ওয়ারশ থেকে নিরপেক্ষ থাকার লক্ষ্যে।
- ১৯৫৫ সালে ইন্দোনেশিয়ার বান্দুং সম্মেলনে (এশিয়া-আফ্রিকা সম্মেলন) এই আন্দোলনের ধারণা জন্ম নেয়।
- ১৯৬১ সালে যুগোস্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে আনুষ্ঠানিকভাবে NAM প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রথম মহাসচিব ছিলেন জোসিপ ব্রোজ টিটো।
- এই সংস্থার কোন স্থায়ী সদর দপ্তর নেই।

উল্লেখ্য, 
- ১৯৭৩ সালের আলজিয়ার্স সম্মেলনে (৪র্থ সম্মেলন) বাংলাদেশ প্রথম অংশগ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র: NAM ওয়েবসাইট।
২,৫১৯.
ফেয়ার ফ্যাক্স কি?
  1. সংবাদ সংস্থা
  2. পরিবেশ সংস্থা
  3. গোয়েন্দা সংস্থা
  4. মানবাধিকার সংস্থা
ব্যাখ্যা
ফেয়ার ফ্যাক্স (Fairfax):
- ফেয়ার ফ্যাক্স যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।

⇒ যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা:
• Central Intelligence Agency (CIA),
• Defense Intelligence Agency (DIA),
• Federal Bureau of Investigation (FBI)।

উৎস: i) Britannica.
ii) WorldAtlas.
২,৫২০.
কোন নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী Arms Trade Treaty ধারণার প্রাথমিক প্রবক্তা ছিলেন?
  1. মার্টিন লুথার কিং
  2. অস্কার অ্যারিয়াস
  3. আনোয়ার সাদাত
  4. মালালা ইউসুফজাই
ব্যাখ্যা
ATT চুক্তি:
- ATT-এর পূর্ণরূপ হলো: Arms Trade Treaty.
- এটি প্রচলিত আন্তর্জাতিক অস্ত্র বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ চুক্তি। 
- এটির প্রস্তাবক জাতিসংঘ।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২ এপ্রিল, ২০১৩  (জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে)।
- কার্যকর হয়: ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৪।
- চুক্তিটি অনুমোদনকারী দেশ: ১১৬টি।
- স্বাক্ষর করেছে কিন্তু এখনও অনুমোদন করেনি: ২৬টি।
- উদ্দেশ্য: প্রচলিত অস্ত্রের অবৈধ বাণিজ্য রোধ ও মানবাধিকার রক্ষা।

উল্লেখ্য,
- নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী কোস্টারিকার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি অস্কার অ্যারিয়াস (Oscar Arias) ATT ধারণার মূল প্রবক্তা ছিলেন।
- যুক্তরাজ্য ২০০৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ATT প্রস্তাব জাতিসংঘে উত্থাপন করে।
- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং অক্সফাম ATT এর পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা চালায়।
- ATT ২০১৩ সালে চূড়ান্তভাবে স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) Arms Trade Treaty ওয়েবসাইট।
২,৫২১.
নিচের কোন দেশটি NATO-এর সদস্য নয়? [এপ্রিল - ২০২৫]
  1. মন্টিনিগ্রো
  2. সুইজারল্যান্ড
  3. নরওয়ে
  4. পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- সুইজারল্যান্ড NATO এর সদস্য নয়।

NATO:

- NATO-এর পূর্ণরূপ হলো North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই জোটটি মূলত উত্তর আটলান্টিক চুক্তির ভিত্তিতে গঠিত হয় এবং এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি দেশ।
- NATO গঠনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বিশেষ করে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব প্রতিরোধে।

উল্লেখ্য, 
- সংগঠনটির সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমানে NATO-এর মহাসচিব হলেন মার্ক রুট্টে।
- এই জোটে মুসলিম দেশ হিসেবে আলবেনিয়া ও তুরস্ক সদস্য রয়েছে।
- সুইডেন সর্বশেষ (৩২তম) দেশ হিসেবে NATO-তে যোগ দিয়েছে। 

ন্যাটোর সদস্য দেশ:
- বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, গ্রীস, তুরস্ক, জার্মানি, স্পেন, চেক প্রজাতন্ত্র, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, আলবেনিয়া, ক্রোয়েশিয়া, মন্টিনিগ্রো, উত্তর মেসিডোনিয়া, ফিনল্যান্ড, সুইডেন।

সূত্র: NATO ওয়েবসাইট।
২,৫২২.
ভারত সরকার কত সালে Jammu-Kashmir Liberation Front (JKLF) কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে?
  1. ২০১৭ সালে
  2. ২০১৯ সালে
  3. ২০২১ সালে
  4. ২০২৩ সালে
ব্যাখ্যা

Jammu-Kashmir Liberation Front:
- JKLF (Jammu-Kashmir Liberation Front) হলো ভারতের কাশ্মীর রাজ্যের স্বাধীনতাকামী গেরিলা সংগঠন।
- এটির প্রতিষ্ঠাতা আমানুল্লাহ খান এবং মকবুল ভাট।
- এটি ১৯৭৭ সালে ব্রিটেনের বার্মিংহামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ভারত সরকার ২০১৯ সালে ইয়াছিন মালিককে গ্রেফতার ও JKLF কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

উৎস:  সাউথ এশিয়া টেরোরিজম পোর্টাল।

২,৫২৩.
ANZUS এর সদস্য দেশ কোনটি?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ANZUS: 
- ANZUS হলো একটি সামরিক চুক্তি বা জোট,
- এটি অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বয়ে গঠিত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে কমিউনিজম আগ্রাসন রোধের উদ্দেশ্যে ১৯৫১ সালে এই জোট প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ANZUS মূলত সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পারস্পরিক নিরাপত্তা ও সামরিক সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য গঠিত হয়েছিল।

সূত্র: ANZUS ওয়েবসাইট।
২,৫২৪.
ন্যাটোর কোন অনুচ্ছেদে জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩
  2. অনুচ্ছেদ ৭
  3. অনুচ্ছেদ ৯
  4. অনুচ্ছেদ ১১
ব্যাখ্যা

ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ ১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

২,৫২৫.
হুতি কোন দেশভিত্তিক বিদ্রোহী গোষ্ঠী?
  1. ইয়েমেন
  2. ইরাক
  3. ইসরাইল
  4. ইরান
ব্যাখ্যা

হুতি বিদ্রোহী:
- এটি ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
- হুতিদের আনুষ্ঠানিক নাম আনসারুল্লাহ।
- স্থানীয়ভাবে তাদের হুতি বলে ডাকা হয়।
- তারা মূলত শিয়া মতবাদে বিশ্বাসী।
- ধারণা ও অনেক ক্ষেত্রে অভিযোগ করা হয়, হুতিদের সামরিক ও আর্থিক সহায়তা দেয় শিয়াপ্রধান দেশ ইরান।
- ২০১৪ সালের শুরুর দিকে ইয়েমেনের সাআদা রাজ্যের দখল নিয়ে সবার নজরে আসে হুতিরা।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।

২,৫২৬.
BIMSTEC এর কোন দেশ দুটি স্থলবেষ্টিত?
  1. ক) আফগানিস্তান ও ভুটান
  2. খ) থাইল্যান্ড ও নেপাল
  3. গ) আফগানিস্তান ও নেপাল
  4. ঘ) ভুটান ও নেপাল
ব্যাখ্যা
বিমসটেক (BIMSTEC- Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Co-Operation) বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক জোট। এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৪টি এবং বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৭টি। এগুলো হলো- বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড (প্রথম ৪টি প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য), মিয়ানমার, নেপাল ও ভুটান। সর্বশেষ সদস্য দেশ নেপাল ও ভুটান। এর মধ্যে ভুটান ও নেপাল স্থলবেষ্টিত দুটি দেশ।
উৎসঃ বিমসটেকের ওয়েবসাইট।
২,৫২৭.
The Nuclear Non- Proliferation Treaty came into force in -
  1. 1967
  2. 1968
  3. 1969
  4. 1970
  5. 1971
ব্যাখ্যা
NPT চুক্তি কার্যকর হয় ১৯৭০ সালে।

NPT চুক্তি:
- NPT এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- আণবিক অস্ত্র উৎপাদক রাষ্ট্রের সংখ্যা ৯টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া ও ইসরায়েল।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

উৎস: i) Arms Control Association ওয়েবসাইট।
         ii) UNODA ওয়েবসাইট।
২,৫২৮.
ন্যাটোর কত নং অনুচ্ছেদ অনুসারে ইউরোপ বা উত্তর আমেরিকায় তাদের এক বা একাধিকের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আক্রমণ তাদের সকলের বিরুদ্ধে আক্রমণ হিসাবে বিবেচিত হবে?
  1. Article 3
  2. Article 2
  3. Article 6
  4. Article 5
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

• NATO - এর অনুচ্ছেদ বা ধারা মোট ১৪টি।

⇒ Article 5 বা ধারা ৫
পক্ষগুলি সম্মত হয় যে ইউরোপ বা উত্তর আমেরিকায় তাদের এক বা একাধিকের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আক্রমণ তাদের সকলের বিরুদ্ধে আক্রমণ হিসাবে বিবেচিত হবে এবং ফলস্বরূপ তারা সম্মত হয় যে, যদি এই ধরনের সশস্ত্র আক্রমণ ঘটে, তবে তাদের প্রত্যেকে, জাতিসংঘের সনদের ৫১ অনুচ্ছেদে স্বীকৃত ব্যক্তিগত বা সম্মিলিত আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে, আক্রমণকারী পক্ষ বা পক্ষগুলিকে তাৎক্ষণিকভাবে, ব্যক্তিগতভাবে এবং অন্যান্য পক্ষের সাথে একত্রে, উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলের নিরাপত্তা পুনরুদ্ধার এবং বজায় রাখার জন্য সশস্ত্র শক্তি ব্যবহার সহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে সহায়তা করবে।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

২,৫২৯.
রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যম পাল্লার পরমাণু অস্ত্র (INF) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল কবে?
  1. ১৯৮১ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৭ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
ইন্টারমিডিয়েট-রেঞ্জ নিউক্লিয়ার ফোর্সেস (INF) চুক্তি :
রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার মধ্যম পাল্লার পরমাণু অস্ত্র (আইএনএফ) চুক্তি ১৯৮৭ সালে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- সাবেক সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান এই চুক্তির মাধ্যমে ৫০০ থেকে ৫ হাজার ৫০০ কিলোমিটার পাল্লার পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসে একমত হয়েছিলেন।
- ২০১৯ সালে রাশিয়ার চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে আইএনএফ চুক্তি থেকে সরে এসেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
- এরপর থেকে রাশিয়া বলেছিল, ওয়াশিংটন যদি এ ধরনের অস্ত্র মোতায়েন না করে তবে তারাও করবে না।

উল্লেখ্য,
- ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে রাশিয়া আইএনএফ চুক্তি থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
- ট্রাম্পের রাশিয়ার কাছাকাছি ‘উপযুক্ত অঞ্চলে’ দুটি পারমাণবিক সাবমেরিন মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়ার কয়েক দিন পরই এই পদক্ষেপ নিল রাশিয়া।
- নিষেধাজ্ঞা থেকে সরে আসার জন্য পশ্চিমা দেশগুলোর কর্মকাণ্ডকেই দায়ী করেছে মস্কো।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
২,৫৩০.
সাফরেন একটি-
  1. ক) সাবমেরিন
  2. খ) যুদ্ধ বিমান
  3. গ) আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
  4. ঘ) ব্যালিস্টিক ক্ষেপনাস্ত্র
ব্যাখ্যা
সাফরেন হলো ফ্রান্সের তৈরি নতুন প্রজন্মের অত্যাধুনিক বারকুডা শ্রেণীর পরমাণু সাবমেরিন। এটি ২০২০ সাল থেকে ফ্রাস নৌবাহিনীতে ইনস্টল করা হবে। এটি ফ্রান্সের সাফরেন কোম্পানি তৈরি করে। (সূত্রঃ সাফরেন ওয়েবসাইট)
২,৫৩১.
কোন মুসলিম দেশটি ন্যাটোর সদস্য-
  1. আলজেরিয়া
  2. আলবেনিয়া
  3. কসোভো
  4. বসনিয়া
ব্যাখ্যা
• NATO:
- পূর্ণরূপ -The North Atlantic Treaty Organization.
- এটি একটি সামরিক ও রাজনৈতিক জোট।
- NATO ভুক্ত মুসলিম দেশ ২টি - তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- NATO র প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি।
- NATO র বর্তমান সদস্য ৩২টি। (জানুয়ারি, ২০২৫)।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - সুইডেন।
- সুইডেন ৭ মার্চ,২০২৪ সালে ন্যাটোতে যোগদান করে।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
২,৫৩২.
ন্যাটোর বর্তমান সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
  2. ব্রাসেলস, বেলজিয়াম
  3. প্যারিস, ফ্রান্স
  4. রোম, ইতালি
ব্যাখ্যা
• NATO:
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- পূর্ণরূপ - North Atlantic Treaty Organization.
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- NATO এর বর্তমান সদর দপ্তর ব্রাসেলস।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - সুইডেন। [নভেম্বর - ২০২৪]
- ন্যাটোর ISAF মিশন আফগানিস্তান নিয়োজিত ছিলো।
- NATO এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি।
- NATO এর বর্তমান সদস্য ৩২টি।
- NATO ভুক্ত মুসলিম দেশ ২টি - তুরস্ক ও আলবেনিয়া।

এছাড়াও,
অনুচ্ছেদ/আর্টিকেল - ৫: Collective Security বা যৌথ নিরাপত্তা।
- ন্যাটো চুক্তির ৫ নং অনুচ্ছেদ বা Article - 5 কে এই চুক্তির heart বলা হয়।
- অনুচ্ছেদ - ৫ এ বলা হয়েছে - যদি জোটভুক্ত কোন সদস্য দেশ আক্রান্ত হয়, তাহলে এই জোটের সকল সদস্য দেশ আক্রান্ত হয়েছে বলে গণ্য হবে এবং সকল সদস্য দেশ আক্রান্ত দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এগিয়ে আসবে।

সূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
২,৫৩৩.
উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থার বর্তমান মহাসচিব কে? [জুলাই, ২০২৪]
  1. ম্যানফ্রেড ওয়ার্নার
  2. সার্জিও বালানজিনো
  3. এন্ডার্স ফগ রামুসন
  4. মার্ক রুট
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

উল্লেখ্য,
- ন্যাটোর বর্তমান মহাসচিব মার্ক রুট নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী।
- জুন, ২০২৪-এ তিনি ন্যাটোর মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন।
- অক্টোবরের ১, ২০২৪ তারিখ থেকে দায়িত্ব নেবেন তিনি।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
২,৫৩৪.
ফার্ক ও কলম্বিয়া সরকারের সাথে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তিতে মধ্যস্থতা করে-
  1. কিউবা ও নরওয়ে
  2. ফিনল্যান্ড ও কিউবা
  3. পেরু ও আর্জেন্টিনা
  4. সুইডেন ও নরওয়ে
ব্যাখ্যা
ফার্ক ও কলম্বিয়া সরকার:
- ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া ফার্ক (রেভ্যুলেশনারী আর্মড ফোর্সেস অব কলম্বিয়া) দীর্ঘ ২০১৬ সালের ২৪ নভেম্বর কলম্বিয়া সরকারের সাথে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি সম্পাদন করে।
- এ প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতা করে কিউবা এবং নরওয়ে।
- শান্তি চুক্তি সম্পাদনের জন্যে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট হুয়ান ম্যানুয়াল সান্তোষ ২০১৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: বিবিসি ওয়ার্ল্ড।
২,৫৩৫.
আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সস্ত্রাসবিরোধী অভিযানের নাম কী?
  1. অপারেশন এনডুরিং ফ্রিডম
  2. অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম
  3. অপারেশন ওডিসি ডন
  4. অপারেশন ইনফিনিট জাস্টিস
ব্যাখ্যা

অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম (Operation Enduring Freedom):
- আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সস্ত্রাসবিরোধী অভিযানের নাম অপারেশন এনডুরিং ফ্রিডম।

উল্লেখ্য,
- অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম ছিল যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন একটি সামরিক অভিযান যা ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হয়।
- ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে অপারেশনটি মূলত আল-কায়েদা ও তালেবানদের বিরুদ্ধে আফগানিস্তানে পরিচালিত হয়।
- মূল লক্ষ্য: আল-কায়েদা ধ্বংস করা ও তালেবানদের ক্ষমতা থেকে সরানো।
- ফলাফল: ২০০১ সালের ডিসেম্বরে তালেবান সরকার পতন ঘটে ও আল-কায়েদা নেতারা আত্মগোপনে যায় (ওসামা বিন লাদেন ২০১১ সালে হত্যা করা হয়)।

উৎস: Britannica.

২,৫৩৬.
অকাস (AUKUS) একটি আন্তর্জাতিক -
  1. ক) রাজনৈতিক জোট
  2. খ) সামরিক জোট
  3. গ) বাণিজ্যিক জোট
  4. ঘ) অর্থনৈতিক জোট
ব্যাখ্যা
• অস্ট্রেলিয়া (A), যুক্তরাজ্য (UK) ও যুক্তরাষ্ট্র (US) এই তিনটি দেশের নামের আদ্যক্ষর দিয়ে গঠিত সামরিক জোট অকাস
- ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে নতুন সামরিক জোটটি গঠিত হয়।
- এই চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়াকে তাদের পরমাণু শক্তিচালিত সাবমেরিন প্রযুক্তি প্রদান করবে এবং এরই আওতায় অস্ট্রেলিয়ায় অ্যাডিলেড ডকইয়ার্ডে আটটি সাবমেরিন তৈরি করা হবে।
- এরপূর্বে ১৯৫৮ সালে কেবল যুক্তরাজ্যকে এই প্রযুক্তির প্রদান করেছিল। যুক্তরাষ্ট্র।
- এছাড়াও এ চুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি সাইবার নিরাপত্তা ইত্যাদি বিষয়েও সহায়তা করা হবে।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
২,৫৩৭.
ভ্লাদিমির পুতিন রাশিয়ার সীমান্ত সংলগ্ন ইউক্রেনের কয়টি বিচ্ছিন্নতাকামী অঞ্চলকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে ডিক্রিতে স্বাক্ষর করেন?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
ব্যাখ্যা

রাশিয়া-ইউক্রেন দ্বন্দ্বের প্রধান কারণ:
- ইউক্রেন কর্তৃক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটো’তে যোগদানের সম্ভাবনা।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে মুক্ত বাণিজ্য এলাকার অর্থনৈতিক উৎপাদনের জন্য ইউক্রেনের আবেদন।
- রাশিয়া কর্তৃক ইউক্রেনের নিকট স্বল্প মূল্যে প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানি স্থগিতকরণ এবং ‘নর্ড স্ট্রিম ২' পাইপলাইন নির্মাণ।
- ১৪ জানুয়ারি, ২০২১ সালে ইউক্রেনের অন্তত ৭০টি সরকারি ওয়েবসাইটে রাশিয়া হামলা চালায় বলে দাবি করে ইউক্রেন ও পশ্চিমা বিশ্ব।
- ১৮ ডিসেম্বর, ২০২১ সালে রাশিয়া-মার্কিন নিরাপত্তা চুক্তি এবং মস্কো ও ন্যাটোর মধ্যে একটি নিরাপত্তা চুক্তির খসড়া প্রকাশ করা হয়। এতে ইউক্রেনকে ন্যাটো সামরিক জোটে ঢুকতে না দেয়ার দাবি জানায় রাশিয়া, তবে যুক্তরাষ্ট্র তা নাকচ করে দেয়।
- ২৮ ডিসেম্বর, ২০২১ সালে ভ্লাদিমির পুতিন ও জো বাইডেনের মধ্যে এক ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়। এতে উভয় নেতাই ইউক্রেন নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
- ২১ জানুয়ারি, ২০২২ সালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় কূটনৈতিক পর্যায়ের বৈঠকে ইউক্রেন ইস্যুতে চলমান উত্তেজনা হ্রাসের ব্যাপারে সম্মত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া।
- এমন সময়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যখন ইউক্রেন সীমান্ত সংলগ্ন রুশ ভূখণ্ডে সামরিক শক্তি বাড়িয়ে ইউক্রেনে হামলার আশঙ্কা জোরদার করছে রাশিয়া। এই ইস্যুতে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে সম্প্রতি অস্থিরতা তৈরি হয়।
- পূর্ব ইউক্রেনের বিচ্ছিন্নতাকামী দুই অঞ্চল 'লুহানস্ক' ও 'দোনেৎস্ক’ কে স্বাধীন দেশ হিসেবে ঘোষণা দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
- চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন সংকটের সূচনা হয় অক্টোবর ২০২১ সালে।
- 'লুহানস্ক' ও 'দোনেৎস্ক' ইউক্রেনের বিচ্ছিন্নতাকামী অঞ্চল।
- ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২২ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন রাশিয়ার সীমান্ত সংলগ্ন ইউক্রেনের বিচ্ছিন্নতাকামী দুইটি অঞ্চল ‘দোনেৎস্ক’ ও ‘লুহানস্ক’ কে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে ডিক্রিতে স্বাক্ষর করেন।
- ২০১৪ সাল থেকেই এই অঞ্চলের রুশপন্থি বিদ্রোহীরা ইউক্রেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা চাইছে।

উৎস: সাম্প্রতিক পত্রিকা রিপোর্ট (জাতীয় ও আন্তর্জাতিক)।

২,৫৩৮.
লেবাননের বৈরুতে কোন পদার্থের বিস্ফোরণ ঘটেছিল?
  1. ক) অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড
  2. খ) সোডিয়াম সালফেড
  3. গ) অ্যামোনিয়াম সালফেট
  4. ঘ) অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট
ব্যাখ্যা
লেবাননের বৈরুতে একটি বন্দরে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট মজুদ রাখায় বিস্ফোরণ ঘটেছিল। সার তৈরিতে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। বৈরুত বন্দরে ভয়াবহ বিস্ফোরণের জেরে সম্প্রতি প্রবল গণবিক্ষোভের মুখে লেবাননের প্রধানমন্ত্রী হাসান দিয়াব পদত্যাগ করেন।
২,৫৩৯.
ন্যাটোর ৬ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. প্রতিরক্ষা সক্ষমতা
  2. সম্মিলিত প্রতিরক্ষা
  3. জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা
  4. আক্রমণের সংজ্ঞা
ব্যাখ্যা

⇒ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ ১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

২,৫৪০.
উই রিভার চুক্তির (Wye River Memorandum) বিষয়বস্তু কী ছিলো?
  1. কোরিয় সংকট
  2. প্যালেস্টাইন সংকট
  3. বসনিয়া সংকট
  4. ইরাক-ইরান বিরোধ
ব্যাখ্যা
উই রিভার চুক্তি (Wye River Memorandum):
- বিষয়বস্তু: প্যালেস্টাইন সংকট।
- স্বাক্ষরিত হয়: অক্টোবর, ১৯৯৮ সালে।
- স্থান: মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরকারী: PLO এবং ইসরাইল।
- উদ্দেশ্য: ফিলিস্থিনি ও ইসরায়েলের মাঝে শান্তি প্রতিষ্ঠা।
- বিল ক্লিন্টনের মধ্যস্থতায় চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: Britannica.
২,৫৪১.
নিম্নোক্ত কোন ব্যক্তি 'পিএলও' সংগঠনের নেতা হিসেবে পরিচিত?
  1. ইতজাক রাবিন
  2. ইয়াসির আরাফাত
  3. আনোয়ার সাদাত
  4. জামাল আবদেল নাসের
ব্যাখ্যা
পিএলও (PLO):
- PLO-এর পূর্ণরূপ: Palestine Liberation Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৬৪ সালে।
- সদর দপ্তর: রামাল্লাহ, ফিলিস্তিন।
- PLO-এর প্রথম চেয়ারম্যান: আহমদ শুকিরি ।
- PLO-এর তৃতীয় চেয়ারম্যান- ইয়াসির আরাফাত।

উল্লেখ্য,
- সংগঠনটি একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৪ সাল থেকে পিএলও জাতিসংঘে পর্যবেক্ষক মর্যাদা ভোগ করছে।

⇒ অসলো চুক্তি:
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর অসলো চুক্তি করে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এর মধ্যস্থতা করে যুক্তরাষ্ট্র।
- হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিনের মধ্যে অসলো চুক্তি সই হয়।
- অসলো শান্তি চুক্তিতে ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্ব করেছিলো প্রয়াত ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বাধীন পিএলও পার্টি।

উৎস: Britannica.
২,৫৪২.
কাগজবিহীন বাণিজ্য সহজীকরণ কাঠামো চুক্তি কবে থেকে কার্যকর হয়?
  1. ২৩ জানুয়ারি ২০২১
  2. ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১
  3. ৮ মার্চ ২০২১
  4. ১৫ এপ্রিল ২০২১
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ESCAP) উদ্যোগে ২০১৬ সালের ১৯ মে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে কাগজবিহীন বাণিজ্য সহজীকরণ কাঠামো চুক্তি গৃহীত হয়।
- বর্তমান পর্যন্ত ৫টি করে দেশ চুক্তিটিতে স্বাক্ষর ও অনুমোদন করেছে।
- পঞ্চম দেশ হিসেবে চীন গত ২২ নভেম্বর ২০২০ চুক্তিটি অনুমোদন করলে নিয়মানুসারে ৯০ দিন পর ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১ চুক্তিটি কার্যকর হয়।
- বাংলাদেশ ২৯ আগস্ট ২০১৭ এটিতে স্বাক্ষর করে এবং ১৩ অক্টোবর ২০২০ চতুর্থ দেশ হিসেবে এটি অনুমোদন করে।
- প্রথম দেশ হিসেবে আজারবাইজান ২০১৮ সালের ২ মার্চ চুক্তিটির অনুমোদন করে। ফিলিপাইন ও ইরান যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দেশ হিসেবে চুক্তিটি কার্যকর করে।
(তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
২,৫৪৩.
’শাইনিং পাথ’ (Shining Path) কোন দেশের গেরিলা সংগঠন?
  1. মেক্সিকো
  2. পেরু
  3. ফিলিপাইন
  4. কলম্বিয়া
ব্যাখ্যা
শাইনিং পাথ (Shining Path):
- শাইনিং পাথ হলো পেরুর সস্ত্র কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।
- কমিউনিস্ট পার্টি অব পেরুর সামরিক শাখা হিসেবে ১৯৭০ সালে শাইনিং পাথ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- শাইনিং পাথের প্রতিষ্ঠাতা আবিমায়েল গুজম্যান।
- বর্তমানে এটির কর্মকাণ্ড স্তিমিত রয়েছে।
- টুপাক আমারু পেরুর অপর একটি কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।

উল্লেখ্য,
- প্রতিষ্ঠাতার গ্রেপ্তার: ১৯৯২ সালে লিমায় গ্রেপ্তার হন আবিমায়েল গুজমান।
• কিছু সদস্য এখন মাদক পাচার ও অপরাধচক্রে যুক্ত।
• পেরু সরকার তাদের সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,৫৪৪.
ANZUS এর সদর দপ্তর কোথায়?
  1. সান ফ্রান্সিসকো
  2. ক্যানবেরা
  3. মন্ট্রিল
  4. প্যারিস
ব্যাখ্যা

ANZUS:
- এটি একটি সামরিক জোট।
- ANZUS চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১।
- কার্যকর হয়: ১৯৫২ সালে।
- সদস্য দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরের স্থান: সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া।
- লক্ষ্য: সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বিরুদ্ধে বৈদেশিক আগ্রাসন প্রতিহত করা।
- সদরদপ্তর: ক্যানবেরা, অস্ট্রেলিয়া।
 
উল্লেখ্য,
- ANZUS চুক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা নিশ্চিত করতে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- ১৯৮০ এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পরমাণু বিরোধী নীতি চালুর কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির বাধ্যবাধকতা স্থগিত করে।
- এর ফলে ANZUS চুক্তি বাস্তবে অকার্যকর হয়ে পড়ে।
- যদিও চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল হয়নি, কিন্তু নিষ্ক্রিয় রয়েছে।

উৎস: Britannica.

২,৫৪৫.
New START চুক্তি কোন দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য
  4. যুক্তরাষ্ট্র এবং ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

New START চুক্তি:
- New START চুক্তি হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার মধ্যে একটি পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাস চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ৮ এপ্রিল, ২০১০।
- কার্যকর হয়: ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১।
- স্বাক্ষর করেছিলেন: প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও দিমিত্রি মেদভেদেভ।
- মস্কো ও ওয়াশিংটন মোট কতসংখ্যক কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করতে পারবে, তার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারিত করে দিয়েছিল এই চুক্তি।

⇒ ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ‘নিউ স্টার্ট চুক্তি’ স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

উৎস: Nuclear Threat Initiative.

২,৫৪৬.
NPT কী? 
  1. পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি
  2. পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা রোধ চুক্তি
  3. কৌশলগত পারমানবিক অস্ত্র হ্রাস চুক্তি 
  4. রাসায়নিক অস্ত্র সীমিতকরণ চুক্তি
ব্যাখ্যা

 • 'NPT':
- পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র ও পারমাণবিক অস্ত্র প্রযুক্তির বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

উৎস: UNODA ওয়েবসাইট।

২,৫৪৭.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তকারী চূড়ান্ত চুক্তি কোনটি?
  1. লুজান চুক্তি
  2. ডেটন চুক্তি
  3. তাসখন্দ চুক্তি
  4. ম্যাসট্রিচট চুক্তি
ব্যাখ্যা
• লুজান চুক্তি
-  প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির সাথে অটোমান সাম্রাজ্য তথা বর্তমান তুরস্কের প্রথমে সেভার্স চুক্তি (১০ আগস্ট ১৯২০) সম্পাদিত হয়।
- কিন্তু তৎকালীন নব্য প্রতিষ্ঠিত তুর্কি জাতীয়তাবাদী সরকার সেভার্স চুক্তি প্রত্যাখ্যান করে।
- ১৯২৩ সালের ২৪ জুলাই সেভার্স চুক্তির স্থলে লুজান চুক্তি সম্পাদিত হয়।
- লুজান চুক্তিই প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তকারী চূড়ান্ত চুক্তি।
- সুইজারল্যান্ডের লুজান শহরে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

লুজান চুক্তির ফলে-
• বর্তমান তুরস্কের সীমানা নির্ধারিত হয়।
• অটোমান সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রণাধীন আরব প্রদেশ, আর্মেনিয়া, সাইপ্রাস, ঈজিয়ান সাগরের দ্বীপসমূহের উপর থেকে তুরস্ক তার অধিকার তুলে নেয়।
• এছাড়া আরো কতিপয় বিধি নিষেধ আরোপিত হয়।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং history.com. 
২,৫৪৮.
বসনিয়ায় যুদ্ধবিরতি স্বাক্ষরের মধ্যস্থতাকারী কে?
  1. বিল ক্লিনটন
  2. জিমি কার্টার
  3. নিক্সন
  4. রিগান
ব্যাখ্যা
ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement):
- এই চুক্তির পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina.
- এটি একটি শান্তিচুক্তি।
- প্রক্রিয়াটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান মার্কিন শান্তি আলোচনাকারী রিচার্ড হলব্রুক।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া।
- স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- উদ্দেশ্য: সার্বিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা সমস্যার সমাধান।

উৎস: i) OSCE.org.
ii) Britannica.
২,৫৪৯.
’Dayton Agreement’ চুক্তিটি কোন সংঘাতের অবসান ঘটায়?
  1. কসোভো যুদ্ধ
  2. গলফ যুদ্ধ
  3. বসনিয়া যুদ্ধ
  4. আফগান যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
ডেটন চুক্তি:
- ডেটন চুক্তি হয়: প্যারিস, ফ্রান্স।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয় তাই একে ডেটন চুক্তি বলা হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়- ১৪ ডিসেম্বর ১৯৯৫ সালে।
- বসনিয়া যুদ্ধ অবসানের জন্য ডেটন চু্ক্তি স্বাক্ষরিত হয়
- বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া মধ্য চু্ক্তি হয়।
- এ চুক্তির মধ্যস্থতা করেন: বিল ক্লিনটন।
- বসনিয়ার পক্ষে স্বাক্ষর করেন: প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজেতবেগোভিচ।
- ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে: প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
- সার্বিয়ার পক্ষে: স্লোবোদান মিলোসেভিচ।

উৎস:  Britannica.
২,৫৫০.
২৫ বছরের মধ্যে বিশ্বকে পরমাণু অস্ত্রমুক্তকরণ কর্মসূচী হল-
  1. ক) গ্লোবাল মাইনাস
  2. খ) গ্লোবাল জিরো
  3. গ) সবুজ বিপ্লব
  4. ঘ) সবুজ অর্থনীতি
ব্যাখ্যা
Global Zero - A world without nuclear weapons.
২,৫৫১.
'Five Eyes' গোয়েন্দা জোটের অন্তর্ভুক্ত দেশ নয় কোনটি?
  1. নিউজিল্যান্ড
  2. কানাডা
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
জার্মানি 'Five Eyes' গোয়েন্দা জোটের অন্তর্ভুক্ত দেশ নয়।

Five Eyes:
- বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত এবং সমালোচিত গোয়েন্দা জোট।
- ‘ফাইভ আইস’ নেটওয়ার্ক হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা এবং নিউজিল্যান্ডের একটি গোয়েন্দা জোট।
- তারা গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং ভাগ করে নেওয়ার জন্য একসাথে কাজ করে।
- তারা তাদের দেশকে নিরাপদ রাখতে একে অপরকে সাহায্য করার জন্য দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে একসাথে কাজ করছে।
- তারা সন্ত্রাসবাদ, সাইবার হুমকি এবং অন্যান্য নিরাপত্তা উদ্বেগের মতো বিষয়গুলি সম্পর্কে তথ্য শেয়ার করে।

উৎস: ukdefencejournal.org.uk ও কানাডার সরকারি ওয়েবসাইট।
২,৫৫২.
ওআইসি প্রতিষ্ঠিত হয় কোন শহরে?
  1. ক) রাবাতে
  2. খ) বেলগ্রেডে
  3. গ) রিয়াদে
  4. ঘ) তুরস্কে
ব্যাখ্যা
১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোর রাজধানী রাবাতে ইসলামি সম্মেলন সংস্থা (ওআইসি) প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদরদপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায়। ওআইসি সদস্য ৫৭ টি। বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে লাহোর সম্মেলনে ওআইসি সদস্যপদ লাভ করে। ওআইসির শীর্ষ সম্মেলন প্রতি তিন বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ ওআইসির ১৪তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় সৌদি আরবের জেদ্দায় ২০১৯ সালে। ওআইসির অফিসিয়াল ভাষা ৩টি যথাঃ আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি। বর্তমান মহাসচিব সৌদি আরবের ড. ইউসুফ বিন আল-ওথাইমিন। ওআইসি মহাসচিবের মেয়াদ ৫ বছর।
উৎসঃ ওআইসি ওয়েবসাইট।
২,৫৫৩.
জি-২০ এর পরবর্তী সম্মেলন (১৮-তম) কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ক) নয়া দিল্লী, ভারত
  2. খ) বালি, ইন্দোনেশিয়া
  3. গ) রিয়াদ, সৌদি আরব
  4. ঘ) ইস্তাম্বুল, তুরস্ক
ব্যাখ্যা
Group - ২০ বা G-20:
- বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশের সরকার ও গভর্নরদের জোট জি-২০।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৯ সালে।
- ১৯টি দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন মিলে ২০ সদস্যের জোট জি-২০।

সম্মেলনসমূহ:
- জি-২০ এর সর্বশেষ সম্মেলন (১৭তম) ১৫ - ১৬ নভেম্বর, ২০২২ সালে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অনুষ্ঠিত হয়।
- সংস্থাটির পরবর্তী সম্মেলন (১৮তম) ৯ - ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সালে ভারতের নয়া দিল্লীতে অনুষ্ঠিত হবে।

তথ্যসূত্র: জি-২০ ওয়েবসাইট।
২,৫৫৪.
কোন চুক্তি অনুযায়ী সমুদ্রতলের নিচে পারমাণবিক অস্ত্র স্থাপন নিষিদ্ধ?
  1. Antarctic Treaty
  2. Seabed Arms Control Treaty
  3. Inner Ocean Treaty
  4. START I
ব্যাখ্যা
Seabed Arms Control Treaty: 
- Seabed Arms Control Treaty বা সমুদ্রতলের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি পারমাণবিক অস্ত্র এবং আন্তর্জাতিক সংঘাত সমুদ্রতলের দিকে ছড়িয়ে পড়া রোধ করে।
- সমুদ্রতলের যেকোনো অনুসন্ধান শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে হবে।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন একটি খসড়া উপস্থাপন করে যেখানে ১২ মাইলের বেশি সমুদ্রতলের সম্পূর্ণ অসামরিকীকরণের আহ্বান জানানো হয়েছিল।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তিন মাইলের বেশি সমুদ্রতলের উপর পারমাণবিক অস্ত্র এবং গণবিধ্বংসী অস্ত্র স্থাপন নিষিদ্ধ করে একটি চুক্তির খসড়া তৈরি করে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলেছে যে সম্পূর্ণ অসামরিকীকরণ সম্ভব হবে না কারণ সাবমেরিন সিস্টেম এবং অন্যান্য প্রযুক্তি মার্কিন প্রতিরক্ষা স্বার্থের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- যাচাইকরণের ক্ষেত্রে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন আবারও দ্বিমত পোষণ করে, তবে রাষ্ট্রগুলি তাদের নিজস্ব উপায়ে যাচাইকরণ করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত: ১১ ফেব্রুয়ারী ১৯৭১ সাল। 
- কার্যকর: ১৮ মে ১৯৭২ সাল। 

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৯ সালে স্বাক্ষরিত অ্যান্টার্কটিক চুক্তি হলএকটি যুগান্তকারী আন্তর্জাতিক চুক্তি যা অ্যান্টার্কটিকাকে শান্তি ও বৈজ্ঞানিক সহযোগিতার অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে, সামরিক কার্যকলাপ এবং খনিজ শোষণ নিষিদ্ধ করে।
- START I (কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস চুক্তি) ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি

উৎস: Arms Control Association
২,৫৫৫.
ডেটন চুক্তির মাধ্যমে নিম্নের কোন সংকটের পরিসমাপ্তি ঘটে?
  1. কিউবা
  2. বসনিয়া
  3. ফিলিস্তিন
  4. ইথিওপিয়া
ব্যাখ্যা
ডেটন চুক্তির মাধ্যমে বসনিয়া সংকটের পরিসমাপ্তি ঘটে।

ডেটন চুক্তি:
- ডেটন চুক্তির পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina.
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের পর নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার যুদ্ধ ছিল সবচেয়ে ভয়ংকর। 
- এই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটেছিল এক ‘অসম’ শান্তিচুক্তির হাত ধরে।
- ১৯৯৫ সালের ২১ নভেম্বর সই হয় ‘জেনারেল ফ্রেমওয়ার্ক অ্যাগ্রিমেন্ট ফর পিস’ শীর্ষক সেই শান্তিচুক্তি, যা ‘ডেটন চুক্তি’ নামে পরিচিত।
- চুক্তিতে বলা হয়, চুক্তি সইকারী পক্ষগুলো পরস্পরকে স্বীকৃতি দেবে, জাতিগত ঐক্য বজায় রাখবে, একে অপরের সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে এবং শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে সবাই মধ্যস্থতা করবে। 
- প্রক্রিয়াটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান মার্কিন শান্তি আলোচনাকারী রিচার্ড হলব্রুক।

উল্লেখ্য,
- নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে যুগোস্লাভিয়া ভেঙে যাওয়ার পর ১৯৯২ সালে বসনিয়া যুদ্ধের সূচনা।
- আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- উদ্দেশ্য: সার্বিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা সমস্যার সমাধান।

উৎস: i) OSCE.org.
ii) Britannica.
২,৫৫৬.
নিচের কোনটি ইউরোপীয় রেনেসাঁসের ফলাফল?
  1. ক) সমাজতন্ত্রের উদ্ভব
  2. খ) জাতিরাষ্ট্রের ধারণার উদ্ভব
  3. গ) পোপের নিরঙ্কুশ ক্ষমতা লাভ
  4. ঘ) ধর্মতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার প্রসার
ব্যাখ্যা
- রেনেসাঁস মানে হলো নবজাগরণ বা পুনর্জন্ম। প্রাচীন গ্রিক ও রোমান জ্ঞানবিজ্ঞান কে জানার গভীর আগ্রহ ও উৎসাহ সৃষ্টিই ‘রেনেসাঁস’ নামে পরিচিত।
- পঞ্চদশ শতকে ১৪৫৩ সালে তুর্কিদের হাতে বাইজান্টিয়াম সাম্রাজ্যের পতন রেনেসাঁসকে তরান্বিত করে।
- রেনেসাঁসের ফলে মধ্যযুগের ইউরোপের ধর্মকেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থার পতন ঘটে এবং জাতিরাষ্ট্রের ধারণার উদ্ভব ঘটে। মানবতাবাদ, ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ প্রভৃতি গুরুত্ব লাভ করে।
- রেনেসাঁসকে ইউরোপের মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মধ্যে সীমারেখা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
(সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস : প্রথমপত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
২,৫৫৭.
নিচের কোন দুটি দেশ ‘পিংপং কূটনীতি’র সাথে জড়িত?
  1. ক) উত্তর কোরিয়া- দক্ষিন কোরিয়া
  2. খ) চীন-জাপান
  3. গ) জাপান-যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র -চীন
ব্যাখ্যা
• ‘পিংপং পলিসি’র সাথে জড়িত দুটি দেশ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র -চীন। 

• পিংপং কূটনীতি (Ping Pong Diplomacy):
- বিংশ শতাব্দীর সত্তর-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষে যুক্তরাষ্ট্র টেবিল টেনিস দলের চীন সফরকে চিহ্নিত করা হয়েছে পিংপং কূটনীতি হিসেবে।
- ১৯৭১ সালের ৬ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের একটি টেবিল টেনিস দল জাপানের নাগোয়াতে ৩১তম বিশ্ব টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল।
- তখন তাদের চীন সফরে আমন্ত্রণ জানান হয়।
- তারা ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল চীনে যান।
- ১৯৪৯ সালের পর প্রথম একটি যুক্তরাষ্ট্রের টিম চীন সফর করেছিল।
- এর মধ্যে দিয়ে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি হয় এবং প্রেসিডেন্ট নিক্সনের ঐতিহাসিক চীন সফরের ক্ষেত্র তৈরি হয়।

সুত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ - তারেক শামসুর রেহমান। 
২,৫৫৮.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয় কোন চুক্তির মাধ্যমে?
  1. বেলফোর চুক্তি
  2. প্যারিস শান্তি চুক্তি
  3. ব্রেটন উডস চুক্তি
  4. ভার্সাই চুক্তি
ব্যাখ্যা

ভার্সাই চুক্তি:
-ভার্সাই চুক্তি, ১৯১৯ সালে ভার্সাই প্রাসাদে স্বাক্ষরিত আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটায়।
- এই চুক্তির স্থান ফ্রান্সের ভার্সাই নগরী।
- এই চুক্তিতে অংশগ্রহনকারী দেশ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মিত্রশক্তি (যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ইতালি ও জাপান) এবং জার্মানি।
- এই চুক্তি ফলাফল হিসাবে জার্মানি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য হয়।
- এটি ২য় ভার্সাই চুক্তি নামেও পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- প্যারিস শান্তি চুক্তি হয় ১৯৭৩ সালে।
- ফিলিস্তিনে ইহুদিদের জন্য স্বতন্ত্র রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মূল ভিত্তি 'বেলফোর' ঘোষণা।
- ব্রিটন উডস চুক্তির মাধ্যমে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ প্রতিষ্ঠা হয়।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

২,৫৫৯.
সিরিয়া ও ইসরায়েলের মাঝখানে বাফার জোন কোনটি?
  1. গোলান মালভূমি
  2. পশ্চিম তীর
  3. সিনাই উপদ্বীপ
  4. গাজা উপত্যকা
ব্যাখ্যা

গোলান মালভূমি: 
- গোলান হলো সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত প্রায় ১৮০০ বর্গকিলোমিটার (প্রায় ১০০০ বর্গমাইল) আয়তনের এক পাথুরে মালভূমি।
- এলাকাটি ইসরায়েলের উত্তর-পূর্বাঞ্চল স্পর্শ করেছে।
- গোলান বর্তমানে ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে আছে।
- সিরিয়া ও ইসরায়েলের মাঝখানে বাফার জোন (সংঘাতমুক্ত বিশেষ অঞ্চল) বলা হতো গোলান মালভূমিকে।
- কিন্তু দামেস্কে প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের পতনের পর ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গোলানসহ আরও কয়েকটি এলাকা দখল করে নিয়েছে।
- বাশার আল-আসাদের পতনের পর গোলান মালভূমির দখল করা অঞ্চল থেকে ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়েছে সিরিয়ার নতুন প্রশাসন।
- গত ৮ ডিসেম্বর বাশার আল-আসাদের পতনের দিনই এই বাফার জোন পুরোপুরি দখল করে নেয় ইসরায়েল।
- ১৯৬৭ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের মধ্য দিয়ে সিরিয়ার গোলান মালভূমি দখল করে ইসরায়েল।
- এরপর ১৯৭৪ সালে সিরিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি নিয়ন্ত্রণ রেখা প্রতিষ্ঠার চুক্তি করা হয়।
- নিয়ন্ত্রণ রেখার দুই পাশে বাফার জোন তৈরি করা হয়, যাতে টহল দিত জাতিসংঘের সেনারা।
- ইসরায়েলের এই বাফার জোন দখলকে ১৯৭৪ সালের চুক্তির লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচনা করে জাতিসংঘ।

উৎস: The Daily Star বাংলা (জানুয়ারি ২৯, ২০২৫)
BBC NEWS বাংলা (১৩ ডিসেম্বর ২০২৪)

২,৫৬০.
চীন ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কোনটি?
  1. প্যারাসেল দ্বীপ
  2. শাখানিল দ্বীপ
  3. কুরিল দ্বীপ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
♦ বিরোধপূর্ণ অঞ্চল:
- চীন ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ সেনকাকু।
- দ্বীপটির মালিকানা নিয়ে চীন ও জাপানের মধ্যকার বিরোধ দীর্ঘদিনের।
- বিরোধপূর্ণ দ্বীপটি জাপানের কাছে 'সেনকাকু' ও চীনের কাছে 'দিয়াওয়ু' নামে পরিচিত।
- সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ পূর্ব চীন সাগরে অবস্থিত।
- ১৮৯৫ সালে সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ জাপানের ভূখণ্ডে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর, জাপানি নাগরিকরা দ্বীপগুলিতে বসতি স্থাপন করে।

অন্যদিকে,
- প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জটি চীন, তাইওয়ান ও ভিয়েতনামের মধ্যে বিরোধপূর্ণ।
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে শাখালিন ও কুরিল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে বিরোধপূর্ন। 


তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা ।
২,৫৬১.
জেনেভা কনভেনশনে কয়টি প্রটোকল রয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন সম্পাদিত হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী প্রতিক্রিয়া ও এর ফলাফল হিসেবে।
- যুদ্ধপরাধকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে জেনেভা কনভেনশনকে মান্য করা হয়।
- মূলত এটি যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- যুদ্ধকালীন সামরিক, বেসামরিক ও স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ষার জন্য এতে চারটি চুক্তি থাকায় এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

কনভেনশনসমূহ:
• ১ম জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।

• ২য় জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; সমুদ্রস্থ যুদ্ধক্ষেত্রে আহত, অসুস্থ এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজের সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।

• ৩য় জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ ও তাদের নিরাপত্তা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত।

• ৪র্থ জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে, যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে ও তাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
২,৫৬২.
হিজবুল্লাহ পরিচালিত টিভি চ্যানেল কোনটি?
  1. বিবিসি
  2. আল শিফা
  3. আল মানার
  4. আল জাজিরা
ব্যাখ্যা

হিজবুল্লাহ:
- হিজবুল্লাহ লেবাননের মুসলিম শিয়া সম্প্রদায়ের একটি রাজনৈতিক ও সশ্বস্ত্র গোষ্ঠী।
- এর বর্তমান ও তৃতীয় মহাসচিব শেখ হাসান নাসরুল্লাহ।
- ১৯৯২ সাল থেকে হাসান নসরুল্লাহ হিজবুল্লাহর মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
- ১৯৮২ সালে লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন ও গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ১৯৮৫ সালে প্রকাশ্যে হিজবুল্লাহর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- হিজবুল্লাহ ইরান ও সিরিয়ার সমর্থনপুষ্ট।
- আল মানার হিজবুল্লাহ পরিচালিত একটি টিভি চ্যানেল ৷ [ব্যাখ্যা আপডেট - ডিসেম্বর, ২০২৫]

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা, আল মানার এবং ব্রিটানিকা।

২,৫৬৩.
'হিজবুত তাহরীর' বাংলাদেশে কত সালে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের কার্যক্রম শুরু করে?
  1. ক) ২০০১ সাল
  2. খ) ২০০৩ সাল
  3. গ) ২০০৫ সাল
  4. ঘ) ২০০৭ সাল
ব্যাখ্যা
হিযবুত তাহরীর:
- হিযবুত তাহরীর একটি ইসলামি মতাদর্শ ভিত্তিক রাজনৈতিক দল যা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। 
- বাংলাদেশে ২০০১ সাল হতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ দলটি তাদের কার্যক্রম শুরু করে। 
- ২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট মন্ত্রণালয় কর্তৃক "জননিরাপত্তার স্বার্থে" -এ কারণ দেখিয়ে এ দলটিকে নিষিদ্ধ করা হয়। 
- ২০০০ সালে হিযবুত তাহরীর ‘লিবারেটেড ইয়ুথ’ নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গোপনে কার্যক্রম শুরু করে।
হিযবুত তাহরীর পাকিস্তানসহ বিশ্বের ১৮টি দেশে নিষিদ্ধ। 

উৎস:- দৈনিক ইত্তেফাক।
২,৫৬৪.
মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত কোন চুক্তির জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন?
  1. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  2. স্টার্ট চুক্তি
  3. বার্লিন চুক্তি
  4. হেলসিল্কি চুক্তি
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি ছিল মিশরের রাষ্ট্রপতি আনোয়ার সাদাত এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিন স্বাক্ষরিত একজোড়া রাজনৈতিক চুক্তি। 
- মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরানোর গুরুত্বপূর্ণএকটি উদ্যোগ ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি।
- ১৯৭৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডের ক্যাম্প ডেভিডে এ চুক্তি সই হয়। 
- এ চুক্তির মধ্যস্ততা করেছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- চুক্তিটির জন্য মিশরকে আরব লীগ ও ওআইসি থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।
- তৎকালীন মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত চুক্তিটির জন্য ১৯৭৮ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

 উৎস: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
২,৫৬৫.
বাংলাদেশে প্রথম PTA স্বাক্ষর করে কোন দেশের সাথে?
  1. ক) ভারত
  2. খ) শ্রীলংকা
  3. গ) ভুটান
  4. ঘ) নেপাল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম দ্বিপক্ষীয় অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তিঃ
- বিশ্বের কোনাে দেশের সাথে প্রথমবারের মতো অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (Preferential Trade Agreement) স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ।
- ৬ ডিসেম্বর ২০২০ ভুটানের সাথে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (PTA) স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ।
- এ চুক্তির মাধ্যমে ভুটান ১০০টি বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানিতে শুল্ক সুবিধা প্রদান করতে সম্মত হয়।
- অন্যদিকে ভুটানের ৩৪টি পণ্য বাংলাদেশে একই সুবিধা পাবে।
- দক্ষিণ এশীয় মুক্ত বাণিজ্য এলাকার (SAFTA) আওতায় বাংলাদেশ ও ভুটান কিছু বাণিজ্য সুবিধা ভােগ করে আসছে। PTA'র ফলে এর আওতা আরও বাড়বে।

উৎসঃ Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার ও সালতামামী।

২,৫৬৬.
‘গডস আর্মি' কোন দেশের একটি বিপ্লবী গ্রুপ বা গোষ্ঠী?
  1. ক) সিরিয়া
  2. খ) ভারত
  3. গ) লেবানন
  4. ঘ) মায়ানমার
ব্যাখ্যা
গডস আর্মি:
- ‘গডস আর্মি' মিয়ানমারের একটি বিপ্লবী গ্রুপ বা গোষ্ঠী।
- ১৯৯৭ সালে সাউ তুই তুই এটা প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই গোষ্ঠীটি মিয়ানমারের কারেন রাজ্যে তাদের কার্যক্রম চালায়।

তথ্যসূত্র:- নিউইয়র্ক টাইমস ও ব্রিটানিকা।
২,৫৬৭.
আন্তর্জাতিক গুমবিরোধী দিবস কবে পালিত হয়?
  1. ২৯ আগস্ট
  2. ৩০ আগস্ট
  3. ১ সেপ্টেম্বর
  4. ১৪ আগস্ট
ব্যাখ্যা

গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ (ICPPED):
- ICPPED-এর পূর্ণরূপ হলো International Convention for the Protection of All Persons from Enforced Disappearance।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ২০ ডিসেম্বর, ২০০৬ সালে।
- চুক্তি কার্যকর হয় ২৩ ডিসেম্বর, ২০১০ সালে।
- ICPPED হলো জাতিসংঘের আওতাধীন একমাত্র আন্তর্জাতিক কনভেনশন যা Enforced Disappearance বিষয়ক।
- চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো গুম বন্ধ করা, দায়মুক্তি রোধ করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সহায়তা প্রদান।
- সনদে মোট ৪৫টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ২৯ আগস্ট, ২০২৪ সালে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।
- প্রতি বছর ৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুমবিরোধী দিবস হিসেবে পালিত হয়।

উৎস: i) OHCHR ওয়েবসাইট। ii) UNTC ওয়েবসাইট।

২,৫৬৮.
CTBT স্বাক্ষরের জন্য কবে উন্মুক্ত হয়?
  1. ১০ ডিসেম্বর, ১৯৯৬
  2. ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬ 
  3. ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬
  4. ২৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৬
ব্যাখ্যা

Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty (CTBT):
- CTBT একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা বিশ্বব্যাপী সব ধরনের পারমাণবিক বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ করে-স্থল, জল, বা ভূগর্ভস্থ যেকোনো স্থানে।
- এটি সামরিক বা শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে হওয়া বিস্ফোরণ উভয়কেই অন্তর্ভুক্ত করে।
-  ২৪ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত হয়।
- ১৮৭টি দেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করেছে এবং ১৭৮টি দেশ তা অনুমোদন করেছে।
- তবে চুক্তি কার্যকর হওয়ার জন্য ৪৪টি নির্দিষ্ট পারমাণবিক প্রযুক্তি-ধারী দেশের স্বাক্ষর ও অনুমোদন প্রয়োজন।
- এখনো ৯টি Annex 2 দেশ (চীন, মিশর, ভারত, ইরান, ইসরায়েল, উত্তর কোরিয়া, পাকিস্তান, রাশিয়া, এবং যুক্তরাষ্ট্র) এই চুক্তি অনুমোদন করেনি।
- এর মধ্যে ভারত, পাকিস্তান এবং উত্তর কোরিয়া এখনো স্বাক্ষর করেনি।

উৎস: CTBTO ওয়েবসাইট।

২,৫৬৯.
সর্বপ্রথম কত সালে মস্কো নিরাপত্তা সম্মেলন আয়োজিত হয়?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৪ সালে
  4. ২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা
- একাদশ মস্কো নিরাপত্তা সম্মেলন ২০২৩ সালের ১৫ আগস্ট রাশিয়ার মস্কো শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়।
- মস্কো নিরাপত্তা সম্মেলন Moscow Conference on International Security (MCIS-2021) নামে পরিচিত। 
- এই সম্মেলনের আয়োজক রাশিয়ান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। 
- ২০১২ সাল থেকে মস্কো নিরাপত্তা সম্মেলন আয়োজিত হয়ে আসছে। 

সূত্র: মস্কো নিরাপত্তা সম্মেলন ওয়েবসাইট।
২,৫৭০.
ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ভিসামুক্ত চলাচলের জন্য স্বাক্ষরিত চুক্তির নাম কি?
  1. ক) উই রিভার চুক্তি
  2. খ) লুক্সেমবার্গ চুক্তি
  3. গ) বার্লিন চুক্তি
  4. ঘ) শেনজেন চুক্তি
ব্যাখ্যা

ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ভিসামুক্ত বা একটিমাত্র হিসেবে ব্যবহার করে সবগুলো দেশের চলাচলের অনুমতি শেনজেন চুক্তি নামে পরিচিত।
- এটি স্বাক্ষরিত হয় শেনজেন, লুক্সেমবার্গ। 

শেনজেন চুক্তি ১৯৮৫ সালের জুন মাসে মাত্র পাঁচটি রাজ্যে স্বাক্ষরিত হয়: বেলজিয়াম, জার্মানি, লাক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস এবং ফ্রান্স।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৯৯৫ সালে ।
- সেনজেন চুক্তির উদ্ভব হয়েছিল ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাঠামোর বাইরে ,আমস্টারডাম চুক্তি এটিকে ১৯৯৯ সালে EU আইনের মধ্যে নিয়ে আসে।

সূত্র: EU ওয়েবসাইট ও Britannica.com

২,৫৭১.
নকশালবাদ বিদ্রোহ কত সালে সংগঠিত হয়েছিল?
  1. ক) ১৯৬৫
  2. খ) ১৯৬৬
  3. গ) ১৯৬৭
  4. ঘ) ১৯৬৯
ব্যাখ্যা
- নকশালবাদ নামটি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দার্জিলিং জেলার নকশালবাড়ি গ্রাম থেকে উদ্ভূত যা ষাটের দশকে স্থানীয় জমিদারদের বিরুদ্ধে একটি উপজাতি কৃষক বিদ্রোহের কেন্দ্র ছিল। 
- ১৯৬৭ সালের ২৪ মার্চ, নকশালবাদ বিদ্রোহটি সংগঠিত হয়েছিল। 
- নকশালবাড়ী বিদ্রোহের পরের দিনগুলোতে অন্ধ্র প্রদেশের শ্রীকাকুলামেও একই ধরনের বিদ্রোহ হয়।

উৎস:- Britannica.
২,৫৭২.
নাইন-ইলেভেন হামলা কত তারিখে হয়েছিল?
  1. ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০১
  2. ৯ নভেম্বর, ২০০১
  3. ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১১
  4. ৯ নভেম্বর, ২০১১
ব্যাখ্যা
নাইন-ইলেভেন:
- ১১ সেপ্টেম্বরের হামলা যা নাইন/ইলেভেন নামেও পরিচিত।
- ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের উপর আল কায়েদার একইসাথে চারটি সমন্বিত সন্ত্রাসী হামলা।
- ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০১ সালে তৎকালীন আল-কায়দা চারটি যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করে।
- হামলার পরিকল্পনা অনুযায়ী ২টি বিমান দিয়ে আঘাত করে নিউইয়র্কে অবস্থিত ১১০ তলা বিশিষ্ট ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে।
- ১ টি পেন্টাগনে ও ১ টি পেনসিলভেনিয়ায় ।
- ধ্বংসস্তূপটি কে গ্রাউন্ড জিরো বলা হয়।
- ২০০১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ডব্লিউ বুশ।
- এই হামলার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বুশ সরকার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য Department of Homeland Security বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com. 
২,৫৭৩.
'বেলফোর' ঘোষনা কোন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ইসরায়েল
  2. কসোভা
  3. কিউবা
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

বেলফোর ঘোষণা:
- বেলফোর ঘোষণা হলো ব্রিটিশ ইহুদি সম্প্রদায়ের একজন নেতা ব্যারন রথচাইল্ডের কাছে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র সচিব আর্থার জেমস বেলফোরের লেখা একটি চিঠি।
- বেলফোর ঘোষণার সাথে ইহুদী রাষ্ট্র ইসরায়েল প্রতিষ্ঠা সরাসরিভাবে জড়িত।
- ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর তৎকালীন ব্রিটেনের পররাষ্ট্র সচিব এ জে বেলফো ব্রিটিশ জায়নিষ্ঠ ফেডারেশনের সভাপতি লর্ড রথচাইল্ডকে একটি চিঠি দেন।
- তিনি ফিলিস্তিনে একটি আলাদা রাষ্ট্র তৈরির প্রস্তাব দেন।
- ঐ চিঠির উদ্দেশ্য ছিল ইহুদীদের জন্য একটি আবাসভূমি প্রতিষ্ঠা।
- ইতিহাসে এটি বেলফোর ঘোষণা হিসেবে পরিচিত।
- ১৯২২ সালে জাতিপুঞ্জ (League of Nations) বেলফোর ঘোষণা অনুমোদন করে।
- ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘ প্যালেস্টাইন অধ্যুষিত আরব এলাকা বিভক্তির মধ্যে দিয়ে ইসরায়েল রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়।
- ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিন ভূখন্ডে ইসরায়েল প্রতিষ্ঠিত হয়।

তথ্যসুত্র - Britannica.com

২,৫৭৪.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির কোন দেশটি সর্বপ্রথম আত্মসমর্পণ করে?
  1. ক) জাপান
  2. খ) ইতালি
  3. গ) জার্মানি
  4. ঘ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- জার্মানি, জাপান ও ইতালির মিলিত অক্ষশক্তি এবং ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন প্রভৃতি দেশের সমন্বয়ে গঠিত মিত্রশক্তির মধ্যে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ১৯৪৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর অক্ষশক্তির ইতালি সর্বপ্রথম মিত্রবাহিনীর নিকট শর্তসাপেক্ষে আত্মসমর্পণ করে।
- ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
(তথ্যসূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
২,৫৭৫.
'পারসোনা নন গ্রাটা (Persona Non Grata)' এর অর্থ কী?
  1. বৈধ ব্যক্তি
  2. সম্মানিত ব্যক্তি
  3. অবাঞ্ছিত ব্যক্তি
  4. গ্রহণযােগ্য ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
পারসােনা নন গ্রাটা (Persona non grata):
- এটি একটি বিখ্যাত কূটনৈতিক পরিভাষা।
- এর আক্ষরিক অর্থ অবাঞ্ছিত বা অগ্রহণযােগ্য ব্যক্তি।
- কূটনৈতিক ভাষায়, Persona-non-grata বলতে অগ্রহণযোগ্য কূটনীতিক প্রতিনিধিকে বোঝায়।
- যখন একটি দেশ কোনো বিদেশি কূটনীতিকের কার্যক্রমকে অনাকাঙ্ক্ষিত মনে করে, তখন সেই ব্যক্তিকে পারসোনা নন গ্রাটা ঘোষণা করে।
- ১৯৬১ সালের ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশনস অনুযায়ী এটি বৈধ একটি পদক্ষেপ।
- এই ঘোষণার ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সেই দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
২,৫৭৬.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষার স্থান কোনটি?
  1. ক্যালিফোর্নিয়া
  2. টেক্সাস
  3. নিউ মেক্সিকো
  4. জাপান
ব্যাখ্যা

কয়েকটি দেশের পারমানবিক পরিক্ষার স্থান ও সাল:
- যুক্তরাষ্ট্র প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা চালায় ১৯৪৫ সালে নিউ মেক্সিকোতে।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন (রাশিয়া) ১৯৪৯ সালে সেমিপালাটিনস্কে পারমাণবিক পরীক্ষা করে।
- যুক্তরাজ্য ১৯৫২ সালে অস্ট্রেলিয়ার মন্টে বেলো দ্বীপপুঞ্জে প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়।
- ফ্রান্স ১৯৬০ সালে আলজেরিয়ার সাহারা মরুভূমিতে পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়।
- চীন ১৯৬৪ সালে লোপ নুরে প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা করে।
- ভারত ১৯৭৪ ও ১৯৯৮ সালে পোখরানে পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়।
- পাকিস্তান ১৯৯৮ সালে চাগাই পাহাড়ে পারমাণবিক পরীক্ষা করে।
- উত্তর কোরিয়া ২০০৬ সালে পুঙ্গগ্যে-রিতে পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

২,৫৭৭.
জাপানি রেড আর্মি (Japanese Red Army) কোন ধরনের সংগঠন ছিল?
  1. সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণ দল
  2. পরিবেশবাদী আন্দোলনকারী
  3. আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা
  4. বামপন্থী জঙ্গি সংগঠন
ব্যাখ্যা

• জাপানি রেড আর্মি: 
- জাপানি রেড আর্মি ছিল একটি বামপন্থী জঙ্গি সংগঠন।
- এটি ১৯৬৯ সালে দুটি অতি-বামপন্থী দলের একীভূতকরণের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- সংগঠনটির লক্ষ্য ছিল বৈশ্বিক বিপ্লব সৃষ্টির মাধ্যমে সমাজতান্ত্রিক আদর্শ প্রতিষ্ঠা করা।
- ১৯৭০-এর দশকের শুরুতে তারা বেশ কয়েকটি বড় সন্ত্রাসী হামলা পরিচালনা করে।
- এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- 
• জাপান এয়ার লাইনসের একাধিক বিমান ছিনতাই, 
• ১৯৭২ সালে ইসরায়েলের তেল আবিবের লড বিমানবন্দরে গণহত্যা, এবং
• বিভিন্ন দেশের দূতাবাস দখল।
- এসব ঘটনার কারণে সংগঠনটি বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত কুখ্যাত হয়ে ওঠে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১-৭২ সালের দিকে সংগঠনের ভেতরে তীব্র মতবিরোধ দেখা দেয়।
- এই সংঘাতের জেরে নিজেদের সংগঠনের ১৪ জন সদস্যকে রেড আর্মির জঙ্গিরাই হত্যা করে।
- ঘটনা জাপানে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি করে এবং পরবর্তীতে অনেক অভিযুক্ত সদস্যের বিরুদ্ধে সফলভাবে মামলা পরিচালিত হয়।
- যদিও সংগঠনটি সদস্যসংখ্যায় খুব বড় ছিল না, তবুও ১৯৯০-এর দশক পর্যন্ত তাদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম চলতে থাকে।

উৎস: Britannica.

২,৫৭৮.
পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (Nuclear Non-Proliferation Treaty) থেকে কোন দেশ নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়?
  1. ভারত
  2. উত্তর কোরিয়া
  3. ইসরাইল
  4. দক্ষিণ সুদান
ব্যাখ্যা
• এনপিটি চুক্তি (NPT): 
- NPT বা Nuclear Non-Proliferation Treaty হচ্ছে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- এর উদ্দেশ্য ছিল পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ করা ও পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার।
- ১৯৬৫ সাল থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়।
- জাতিসংঘের উদ্যোগে ও ১৮ দেশের সমন্বয়ে গঠিত Committee on Disarmament এ ধরনের চুক্তি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে আসছিল।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৬৮ সালের ১ জুলাই।
- এবং কার্যকরী হয় ১৯৭০ সালের ৫ মার্চ থেকে। চুক্তিটি ২৫ বছর মেয়াদি ছিল।
- পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালের মে মাসে এনপিটিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো জাতিসংঘে একটি বৈঠকে মিলিত হয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য এই চুক্তিটি অনুমোদন করেন।
- উত্তর কোরিয়া ২০০৩ সালে এনপিটি চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়।
- ভারত, ইসরাইল ও দক্ষিণ সুদান এনপিটি চুক্তিটি অনুমোদন করেনি।

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর- তারেক শামসুর রেহমান ও International Atomic Energy Agency.
২,৫৭৯.
ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ কয়টি?
  1. ৯টি
  2. ১২টি
  3. ১৫টি
  4. ১৮টি
ব্যাখ্যা
ন্যাটো:
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- NATO এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৯ সাল।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে। (জুলাই, ২০২৫)
- তিনি ১৪তম মহাসচিব।
- দায়িত্ব গ্রহণ করেন: ১ অক্টোবর ২০২৪।
- তিনি নেদারল্যান্ডসের নাগরিক।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি। (জুলাই, ২০২৫)
- ন্যাটোতে যোগদানকারী মুসলিম দেশ: তুরস্ক ও আলবেনিয়া। (জুলাই, ২০২৫)
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ সদস্য: সুইডেন। (জুলাই, ২০২৫)
- সুইডেন ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে ২০২৪ সালে।

তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,৫৮০.
'আব্রাহাম অ্যাকর্ড' এ স্বাক্ষরকারী দেশগুলো কারা?
  1. ক) ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর, বাহরাইন, লিবিয়া
  2. খ) ইসরায়েল, সৌদিআরব, মিসর, জর্ডান
  3. গ) ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন
  4. ঘ) ইসরাইল, সুদান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলের সাথে আবর দেশগুলো শান্তি স্থাপনের অংশ হিসেবে আব্রাহাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটন ডিসির হোয়াইট হাউজে ইসরাইল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও যুক্তরাষ্ট্র আব্রাহাম চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন ইসরাইলকে স্বীকৃতি ও দেশটির সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে সম্মত হয়।

(তথ্যসূত্র: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ওয়বসাইট)
২,৫৮১.
’মনরো ডকট্রিন’ কোন দেশের পররাষ্ট্রনীতি?
  1. জার্মানি
  2. ফ্রান্স
  3. রাশিয়া
  4. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

মনরো ডকট্রিন:
- এটি ২ ডিসেম্বর ১৮২৩ সালে ঘোষিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্র নীতি।
- এই নীতিটি যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জেমস মনরো কংগ্রেসে তার বার্ষিক বার্তায় উপস্থাপন করেন।

⇒ মনরো চারটি মৌলিক বিষয় তুলে ধরেন: 
(১) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপীয় শক্তির অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বা তাদের মধ্যে যুদ্ধে হস্তক্ষেপ করবে না;
(২) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পশ্চিম গোলার্ধে বিদ্যমান উপনিবেশ এবং নির্ভরশীলতাগুলিকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং হস্তক্ষেপ করবে না;
(৩) পশ্চিম গোলার্ধ ভবিষ্যতে উপনিবেশ স্থাপনের জন্য বন্ধ ছিল; এবং
(৪) পশ্চিম গোলার্ধে যে কোনও জাতিকে নিপীড়ন বা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কোনও ইউরোপীয় শক্তির যে কোনও প্রচেষ্টা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে শত্রুতাপূর্ণ কাজ হিসাবে দেখা হবে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,৫৮২.
কুর্দি কোন অঞ্চলে বসবাসকারী জনগোষ্ঠী?
  1. মধ্য এশিয়া
  2. উত্তর আফ্রিকা
  3. মধ্যপ্রাচ্য
  4. জিনজিয়াং, চীন
ব্যাখ্যা
- কুর্দি হলো মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসকারী একটি জাতিগোষ্ঠীর নাম। দক্ষিণ-পূর্ব তুরস্ক, পশ্চিম ইরান এবং উত্তর ইরাকে কুর্দি জনগোষ্ঠীর অধিকাংশের বসবাস। এছাড়া সিরিয়া ও আর্মেনিয়ায় কুর্দি জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।
- জনসংখ্যায় কুর্দিরা প্রায় ২৫ থেকে ৩৫ মিলিয়ন। কিন্তু এদের নিজস্ব কোন দেশ নেই।
- কুর্দিরা মধ্যপ্রাচ্যে কুর্দিস্থান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্যে দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রাম করে আসছে।
(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও কুর্দিস্তান প্রজেক্ট ওয়েবসাইট)
২,৫৮৩.
SAFTA এর পূর্ণরূপ -
  1. South Asian Free Trade Area
  2. South Asian Free Trading Agreement
  3. SAARC Free Trade Area
  4. South Asian Free Trade Association
ব্যাখ্যা
• SAFTA:
- SAFTA এর পূর্ণরূপ: South Asian Free Trade Area।
- চুক্তিটি ২০০৪ সালের জানুয়ারিতে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত ১২তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে স্বাক্ষরিত হয় এবং ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারি কার্যকর হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ ৮টি।
- সাফটা স্বাক্ষরকারী দেশগুলো হলো আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা।
- উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোর মধ্যে শুল্ক এবং বাণিজ্য বাধা হ্রাস করা এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংহতি বৃদ্ধি করা।

উল্লেখ্য,
• SAPTA:
- SAPTA এর পূর্ণরূপ: SAARC Preferential Trading Arrangement।
- সার্কের সদস্য দেশসমূহের মধ্যে বাণিজ্যিক সমতা ও সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য এই চুক্তিটি করা হয়।
- কলম্বোয় অনুষ্ঠিত সার্কের ষষ্ঠ সম্মেলনে চুক্তিটির বিষয়ে সম্মতি প্রদান করা হয়।
- এপ্রিল, ১৯৯৩ সালে এটি ঢাকায় স্বাক্ষরিত হয়।
- কার্যকর হয়: ১৯৯৫ সালে।

উৎস: SAARC ওয়েবসাইট।
২,৫৮৪.
কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট কত দিন যাবৎ স্থায়ী হয়?
  1. ৬ দিন
  2. ১৩ দিন
  3. ১৬ দিন
  4. ২১ দিন
ব্যাখ্যা

• কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট:
- কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট (Cuban Missile Crisis) অক্টোবর ১৯৬২ সালে ঘটে।
- এতে সোভিয়েত ইউনিয়ন কিউবায় পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপন শুরু করলে যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে তীব্র মুখোমুখি অবস্থা সৃষ্টি হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন জন এফ. কেনেডি এবং সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নিকিতা ক্রুশ্চেভ।
- ১৬ থেকে ২৮ অক্টোবর ১৩ দিন ধরে চলা এই সংকট শীতল যুদ্ধের সবচেয়ে বিপজ্জনক মুহূর্তগুলোর একটি ছিল, যা বিশ্বকে পারমাণবিক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল।
- শেষ পর্যন্ত কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সংকটের সমাধান হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,৫৮৫.
ইন্টারপোল কোন নামে প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. International Police Commission
  2. International Criminal Police Commission
  3. International Police Organization
  4. European Criminal Police Union
ব্যাখ্যা
Interpol:
- Interpol-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- প্রতিষ্ঠাতা: জোহানেস স্কোবার (Dr Johannes Schober) [অস্ট্রিয়ার পুলিশ প্রধান]।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি (সর্বশেষ সদস্য: পালাউ)।
- বর্তমান সভাপতি: আহমেদ নাসের আল-রাইসি (Major General Ahmed Naser Al-Raisi) [২০২১-২০২৫]। 
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা (Valdecy Urquiza) [ব্রাজিল]।
- ইন্টারপোলের মূল লক্ষ্য হলো বিভিন্ন দেশের পুলিশ বাহিনীকে একত্রে কাজ করার সুযোগ করে দিয়ে বৈশ্বিক নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা করা।

⇒ পূর্ব নাম: International Criminal Police Commission.
- বর্তমান নাম International Criminal Police Organization গ্রহণ করে ১৯৫৬ সালে।

উৎস: Interpol ওয়েবসাইট।
২,৫৮৬.
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty (CTBT) চুক্তিটি গ্রহণ করে-
  1. ২৪ অক্টোবর ১৯৯৬
  2. ১২ অক্টোবর ১৯৯৩
  3. ২৪ অক্টোবর ১৯৯৯
  4. ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬
ব্যাখ্যা

 CTBT:
- CTBT এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।(অক্টোবর-২০২৫)
-  CTBT তে বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে-  ২৪অক্টোবর-১৯৯৬।
- CTBT  বাংলাদেশ অনুমোদন করে-  ৮ মার্চ ২০০০।

• CTBTO:
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ সংস্থা CTBTO।
- এর সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

উৎস: CTBTO ওয়েবসাইট।

২,৫৮৭.
১৯৯৮ সালে 'উই রিভার চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয় -
  1. ক) ওয়াশিংটনে
  2. খ) অসলোতে
  3. গ) জেনেভায়
  4. ঘ) রিয়াদে
ব্যাখ্যা
• উই রিভার চুক্তি, ১৯৯৮:
- উই রিভার চুক্তিকে বলা হচ্ছে ভূমির বিনিময়ে চুক্তি।
- ১৯৯৮ সালে দীর্ঘ ১৯ মাসের অচলাবস্থার অবসান করে ওয়াশিংটনের অদূরে একটি স্থানে ওই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও জর্দানের প্রয়াত বাদশা হোসেনও ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।

• চুক্তির উল্লেখযোগ্য দিকগুলো হচ্ছে—
(১) ইসরাইল অধিকৃত আরব এলাকা পশ্চিম তীরের ১৩ শতাংশ এলাকা ফিলিস্তিনিদের হাতে অর্পণ ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের মাঝে ৩ শতাংশ এলাকা ‘সবুজ বেষ্টনী' অথবা সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করবে। ওই সবুজ বেষ্টনীতে বসবাসকারী ইসরাইলিদের নিরাপত্তা ও সন্ত্রাস দমনের বিষয়টি ইসরাইল কর্তৃপক্ষের হাতে ন্যস্ত থাকবে;
(২) সন্ত্রাস দমনের ব্যপারে উভয়পক্ষ সম্মত হয়েছে এবং নিজ নিজ বিচারব্যবস্থা অনুযায়ী সন্ত্রাসীদের বিচার করা হবে এবং ইহুদি ও ফিলিস্তিনিদের সমন্বয়ে গঠিত একটি কমিটি দুই সপ্তাহ অন্তর সন্ত্রাস দমনে গৃহীত পদক্ষেপগুলো পর্যালোচনা করবে;
(৩) ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ সকল প্রকার সহিংসতা ও সন্ত্রাসী তৎপরতা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে একটি ডিগ্রি জারি করবে;
(৪) 'নিরাপত্তা সহযোগিতা' প্রশ্নে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক বিনিময়সহ অব্যাহতভাবে উভয়পক্ষ ব্যাপক দ্বি-পাক্ষিক কর্মসূচি গ্রহণ করবে।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
২,৫৮৮.
উত্তর আটলান্টিক চুক্তিতে প্রাথমিক স্বাক্ষর দাতা দেশ কতটি?
  1. ক) ১৫টি
  2. খ) ১৩টি
  3. গ) ১২টি
  4. ঘ) ১৪টি
ব্যাখ্যা
১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটন ডিসিতে সাক্ষরিত হয় উত্তর আটলান্টিক চুক্তি যার মাধ্যমে ন্যাটো গঠিত হয়।
এতে প্রথমে ১২ টি দেশ স্বাক্ষর করে।
এগুলো হলোঃ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ইতালি, ফ্রান্স, কানাডা, নরওয়ে, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড, ডেনমার্ক, লুক্সেমবার্গ, পর্তুগাল, আইসল্যান্ড।
বর্তমানে ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্র সংখ্যা ৩০ টি।
(সূত্রঃ ন্যাটো ওয়েবসাইট)
২,৫৮৯.
ভার্সাই চুক্তি কাদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. অক্ষশক্তি এবং জার্মানি
  2. মিত্রশক্তি এবং জাপান
  3. মিত্রশক্তি এবং জার্মানি
  4. অক্ষশক্তি এবং জাপান
ব্যাখ্যা
ভার্সাই চুক্তি Treaty of Versailles (1919):
- ভার্সাই চুক্তি ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষে ১৯১৯ সালের প্যারিস শান্তি সম্মেলনের প্রধান চুক্তি।
- এটি ২৮ জুন ১৯১৯ সালে ভার্সাই প্রাসাদের "হল অব মিররস"-এ মিত্রশক্তি এবং জার্মানির মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় এবং ১০ জানুয়ারি ১৯২০ সালে কার্যকর হয়।
- মিত্রশক্তির মধ্যে যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স এবং চীন অন্যতম সদস্য।
- ভার্সাই চুক্তি জার্মানির উপর কঠোর ক্ষতিপূরণ আরোপ করে।
- চুক্তির মাধ্যমে জার্মানির কিছু অঞ্চল প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং কিছু অঞ্চল আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে রাখা হয়।
- এছাড়া, জার্মানির উপনিবেশগুলো ছিনিয়ে নেওয়া হয়, তাদের সামরিক ক্ষমতা কঠোরভাবে সীমিত করা হয় এবং মিত্রশক্তিকে যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য বাধ্য করা হয়।
- এই চুক্তির মাধ্যমে "লিগ অফ নেশন্স" (League of Nations) প্রতিষ্ঠিত হয়, যা পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: Britannica.
২,৫৯০.
কোন দেশটি ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য?
  1. লুক্সেমবার্গ
  2. স্পেন
  3. জার্মানি
  4. পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

⇒ ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- ন্যাটো চুক্তির স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পাঁচ মাসের মধ্যে চুক্তিটি ১২টি দেশ কর্তৃক অনুমোদিত হয় এবং তারা তাদের সদস্যপদ নিশ্চিত করে।
 
উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
২,৫৯১.
Fairfax কী?
  1. গেরিলা সংস্থা
  2. গোয়েন্দা সংস্থা
  3. মানবাধিকার সংস্থা
  4. সেবাধর্মী সংস্থা
ব্যাখ্যা
ফেয়ার ফ্যাক্স (Fairfax):
- ফেয়ার ফ্যাক্স যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।

⇒ যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা:
• Central Intelligence Agency (CIA),
• Defense Intelligence Agency (DIA),
• Fairfax,
• Federal Bureau of Investigation (FBI)।

অন্যদিকে
⇒ বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা:
• বাংলাদেশ: National Security Intelligence (NSI), Criminal Investigation Department (CID), Detective Branch (DB).
• ভারত: Research and Analysis Wing (RAW), Central Bureau of Investigation (CBI).
• পাকিস্তান: Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA).
• রাশিয়া: Federal Security Service (FSB).
• শ্রীলংকা: National Intelligence Bureau (NIB).
• যুক্তরাজ্য: SIS/M16 - Secret Intelligence Service (SIS) and Military Intelligence, Section 6 (MI6).
• ইসরায়েল: MOSSAD.

উৎস: i) Britannica.
ii) WorldAtlas.
২,৫৯২.
আধুনিক তুরস্কের জন্ম হয় কোন চুক্তির মাধ্যমে?
  1. আলজিয়ার্স চুক্তি
  2. ভার্সাই চুক্তি 
  3. প্যারিস শান্তি চুক্তি
  4. লুজান চুক্তি
ব্যাখ্যা

লুজান চুক্তি হল ১৯২৩ সালে স্বাক্ষরিত এমন একটি শান্তি চুক্তি যার মাধ্যমে নির্ধারিত হয়েছে বর্তমান তুরস্কের সীমানা।  অর্থাৎ আধুনিক তুরস্কের জন্ম এই চুক্তির মাধ্যমে। 

লুজান চুক্তি:
- এটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তির  চূড়ান্ত চুক্তি । 
- লুজান চুক্তি হলো একটি শান্তি চুক্তি যার মাধ্যমে বর্তমান তুরস্কের সীমানা নির্ধারিত হয়েছে।
- আধুনিক তুরস্কের জন্ম এই চুক্তির মাধ্যমে। 
- চুক্তিটি ২৪ জুলাই, ১৯২৩ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- সুইজারল্যান্ডের লুজান শহরে স্বাক্ষরিত হয়েছিল বিধায় এর নাম হয় লুজান চুক্তি।
- চুক্তিতে এক পক্ষে ছিলেন উসমানীয় সাম্রাজ্যের উত্তরসূরি তুরস্কের প্রতিনিধিরা।
- অন্য পক্ষে ছিলেন ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান, গ্রিস, রোমানিয়া এবং যুগোস্লাভিয়ার প্রতিনিধিরা।
- ২০২৩ সালে এই চুক্তির ১০০ বছর পূর্ণ হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষে প্যারিস শান্তি সম্মেলনে প্রণীত প্রাথমিক চুক্তি ছিল ভার্সাই চুক্তি । এটি ২৮ জুন, ১৯১৯ তারিখে ভার্সাই প্রাসাদের হল অফ মিররসে মিত্রশক্তি এবং সংশ্লিষ্ট শক্তি এবং জার্মানি দ্বারা স্বাক্ষরিত হয়েছিল এবং ১০ জানুয়ারী, ১৯২০ তারিখে কার্যকর হয়।

⇒ আলজিয়ার্স চুক্তি : ইরান ও ইরাকের মধ্যকার চুক্তি । যেখানে ইরাক দুই দেশের মধ্যে সমুদ্র সীমানা থালওয়েগে স্থানান্তর করতে সম্মত হয়েছিল - ইরাকি কুর্দিদের প্রতি ইরানের সমর্থন প্রত্যাহারের শর্তে।

⇒ প্যারিস শান্তি চুক্তি :  ভিয়েতনামে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসানের জন্য ২৭ জানুয়ারী ১৯৭৩ সালে স্বাক্ষরিত একটি শান্তি চুক্তি ছিল। 

উৎস: Britannica .

২,৫৯৩.
'BND' কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. জাপান
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ভারত
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
• BND:
- এটি জার্মানের গোয়েন্দা সংস্থা।
 - BND এর জার্মান পূর্ণরূপ Bundesnachrichtendienst.
- এটি ১৯৫৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ইংরেজিতে ফেডারেল ইনটেলিজেন্স সার্ভিস নামে পরিচিত।
- এটির সদর দপ্তর ছিল মিউনিখ , জার্মানি ।
- বিদেশী গোয়েন্দা তথ্য ছাড়াও BND যোগাযোগ গোয়েন্দা তথ্যের সাথে জড়িত ছিল।
- এটি চ্যান্সেলর অফিসের অধীনস্থ।
- এটি ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী গোয়েন্দা সংস্থা।

অন্যদিকে,
- যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা Secret Intelligence Service (SIS), সাধারণত MI6 (Military Intelligence, Section 6) নামে পরিচিত।
- ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা  RAW।

উৎস:- ব্রিটানিকা  এবং  যুক্তরাজ্যের সরকারি ওয়েবসাইট।[লিংক]
২,৫৯৪.
ANZUS-এর সদস্য দেশ কোনটি?
  1. নিউজিল্যান্ড
  2. জাপান
  3. কানাডা
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

ANZUS:
- এটি একটি সামরিক জোট।
- ANZUS চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১।
- কার্যকর হয়: ১৯৫২ সালে।
- সদস্য দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরের স্থান: সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া।
- লক্ষ্য: সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বিরুদ্ধে বৈদেশিক আগ্রাসন প্রতিহত করা।
- সদরদপ্তর : ক্যানবেরা, অস্ট্রেলিয়া।

উল্লেখ্য,
- ANZUS চুক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা নিশ্চিত করতে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- ১৯৮০ এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পরমাণু বিরোধী নীতি চালুর কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির বাধ্যবাধকতা স্থগিত করে।
- এর ফলে ANZUS চুক্তি বাস্তবে অকার্যকর হয়ে পড়ে।
- যদিও চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল হয়নি, কিন্তু নিষ্ক্রিয় রয়েছে।

⇒ ১৯৮৪ সালে নিউজিল্যান্ড নিজেকে পারমাণবিক মুক্ত অঞ্চল ঘোষণা করে।
- ফলে মার্কিন পরমাণু চালিত সাবমেরিনগুলিকে তার বন্দরগুলি দেখার অনুমতি দিতে অস্বীকার করে।
- দুই বছর পর, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জর্জ পি. শল্টজ এবং অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিল হেডেন একটি সিরিজ দ্বিপাক্ষিক আলোচনার সমাপ্তি ঘটিয়েছিলেন।
- ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৬-এ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিউজিল্যান্ডের প্রতি চুক্তির বাধ্যবাধকতা স্থগিত করে।

উৎস: i) Office of the Historian (.gov).
ii) Britannica.

২,৫৯৫.
Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty স্বাক্ষরিত দেশ কয়টি?
  1. ১৮৬টি
  2. ১৮৭টি
  3. ১৮৮টি
  4. ১৮৯টি
ব্যাখ্যা
CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।
- বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষর করে: ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে।
- CTBT অনুমোদন করে: ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।
- বাংলাদেশ CTBT অনুমোদনকারী ৫৪ তম দেশ।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট।
২,৫৯৬.
ডেটন চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৯৫ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা
'ডেটন চুক্তি:
- ১৯৯৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে বসনিয়া সংকট সমাধানের জন্য বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তি 'ডেটন চুক্তি' নামে পরিচিত।
- এই চুক্তি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- প্যারিসে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও অঙ্গরাজ্যের ডেটন শহরের প্যাটারসন বিমানঘাটিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো চুক্তির ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছায়।
- যার কারণে চুক্তিটি 'ডেটন চুক্তি' নামে পরিচিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,৫৯৭.
ডেটন চুক্তির প্রধান শান্তি আলোচক কে ছিলেন?
  1. রিচার্ড হলব্রুক
  2. রিচার্ড নিক্সন
  3. জিমি কার্টার
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement):
- ডেটন শান্তি চুক্তির পূর্ণনাম - General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina. 
- বসনিয়া সংকট সমাধানে ডেটন শান্তি চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। 
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয়।
- এই জন্য এই চুক্তিকে ডেটন শান্তি চুক্তি বলা হয়।
- ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বিল ক্লিন্টন।
- শান্তি চুক্তিতে প্রধান মধ্যস্থতাকারী: রিচার্ড হলব্রুক (মার্কিন কুটনৈতিক এবং তৎকালীন Assistant Secretary of State for European and Eurasian Affairs)

[অস্ত্রবিরতি চুক্তি এবং অন্যান্য বিষয়ের সাথে আংশিক জড়িত- জিমি কার্টার (সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির মধ্যস্থতাকারী)।বসনিয়া সংকট সমাধানে অস্ত্রবিরতিতে ভূমিকা রেখেছিলেন জিমি কার্টার। (১৯৯৪ সালে)।]

উৎস: হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।[লিঙ্ক][link]
২,৫৯৮.
কোন্ দেশ বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI) এর প্রস্তাবকারী?
  1. ক) চীন
  2. খ) জাপান
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
- বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ পরিকল্পনা হলো চীন প্রবর্তিত একটি মহাপরিকল্পনা। এটি ‘নিউসিল্ক রোড’ বা ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড’ নামেও পরিচিত।
- এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হলো বিশ্বের ৬৮টি দেশ, ৬০ শতাংশ জনগোষ্ঠী এবং ৪০ শতাংশ উৎপাদনের মধ্যে স্থল, নৌ, রেল ও প্রযুক্তিগত দিক থেকে কানেকটিভিটি গড়ে তোলা।
- এর ফলে এশিয়া বিশ্ব অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়ে উঠবে।
- ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান চীনের এই পরিকল্পনার সাথে একাত্ম নয়।

(সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো)
২,৫৯৯.
বর্তমানে ইন্টারপোলের সদস্য সংখ্যা কতটি? [ফ্রেব্রুয়ারি - ২০২৫] 
  1. ১৯৮
  2. ১৯৭
  3. ১৯৬
  4. ১৯৪
ব্যাখ্যা
• ইন্টারপোল:
- ইন্টারপোল হলো একটি আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা, এর সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিঁও শহরে অবস্থিত।
- এই সংস্থাটি ১৯২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে ইন্টারপোলের সদস্য সংখ্যা ১৯৬টি, এবং [ফ্রেব্রুয়ারি - ২০২৫] 
- সর্বশেষ সদস্য হিসেবে পালাউ ইন্টারপোলের ১৯৬তম সদস্যপদ লাভ করেছে। 

উৎস:- ইন্টারপোল ওয়েবসাইট।
২,৬০০.
NATO সনদে কোন ধারা সমষ্টিগত প্রতিরক্ষা নীতি ঘোষণা করে?
  1. ধারা ১
  2. ধারা ৩
  3. ধারা ৪
  4. ধারা ৫
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

⇒ ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার। 
⇒ অনুচ্ছেদ/আর্টিকেল - ৫: Collective Security বা যৌথ নিরাপত্তা।
- অনুচ্ছেদ - ৫ এ বলা হয়েছে - জোটভুক্ত কোনো দেশ যদি বিদেশি শক্তির দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়, তাহলে জোটের সব সদস্যদেশ একযোগে তা প্রতিহত করবে। অর্থাৎ সদস্যদেশগুলো সম্মিলিতভাবে একে অপরকে সুরক্ষা দেবে।
- ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় এ ধারাকে।
- ন্যাটোর ইতিহাসে একবার মাত্র ন্যাটোর আর্টিকেল-৫ কার্যকর করা হয়েছে।
- নাইন ইলেভেনে টুইন টাওয়ার হামলার পর ২০০১ সালে এই আর্টিকেল অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
- এটির ভিত্তিতেই সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সঙ্গে নিয়ে আফগানিস্তানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।