PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক
আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক
PrepBank · পাতা ২৪ / ৩৪ · ২,৩০১–২,৪০০ / ৩,৩৩৯
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে ভারত - পাকিস্তানের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধ (বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে) পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ২ জুলাই, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ - ভারত ও পাকিস্তান।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী - ভারতের পক্ষে - প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এবং পাকিস্তানের পক্ষে প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাশ্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টরি.কম।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরের তারিখ - ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকরের তারিখ - ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল - ২০০২ সাল।
তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টরি ডট কম।
ব্যাখ্যা
শাত-ইল-আরব:
- এই জলপথের অবস্থান পারস্য উপসাগরে।
- শাত-ইল-আরব জলপথের অধিকারকে কেন্দ্র করেই মূলত ইরাক - ইরান বিরোধ শুরু হয়।
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ হয়েছিল।
- তার আগে, শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এতে ইরানের পক্ষে রেজা শাহ পাহলভী এবং ইরাকের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন স্বাক্ষর করেন।
- তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- চুক্তির বিষয়বস্তু ছিল শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে ইরাক ও ইরানের মধ্যে মীমাংসা।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে।
সূত্র: Britannica.
ব্যাখ্যা
• ‘ওয়ান ইন, ওয়ান আউট’ নীতি:
- যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্স ২০২৫ সালে একটি “one in, one out” অভিবাসন চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যার আওতায় UK-তে অনিয়মিতভাবে প্রবেশকারীদের ফ্রান্সে ফেরত পাঠানো হবে এবং বদলে ফ্রান্স থেকে সমান সংখ্যক অভিবাসী (যারা বৈধভাবে আসার যোগ্য) যুক্তরাজ্যে নেওয়া হবে।
• বাস্তবায়ন ও বর্তমান অবস্থা:
প্রথম ফেরত পাঠানো:
- ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রথম অভিবাসীকে যুক্তরাজ্য থেকে ফ্রান্সে ফেরত পাঠানো হয়।
প্রথম গ্রহণ:
- ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে ফ্রান্স থেকে প্রথম পরিবারকে যুক্তরাজ্যে গ্রহণ করা হয়।
উৎস: গার্ডিয়ান পত্রিকা ও এপি নিউজ।
ব্যাখ্যা
- জৈবিক অস্ত্র কনভেনশন বা Biological Weapons Convention (BWC) হলো একটি আইনত বাধ্যতামূলক চুক্তি যা জৈব অস্ত্র নিষিদ্ধ করে।
- ১৯৬৯ সালে শুরু হওয়া জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ ফোরামে আলোচনা ও সমঝোতার পর ১০ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে স্বাক্ষরিত হয়।
- কার্যকর হয়: ২৬মার্চ, ১৯৭৫ সালে।
- সদস্য দেশ: ১৮৩টি।
- দশটি রাষ্ট্র Biological Weapons Convention-এ স্বাক্ষর করেনি।
- এগুলো হলো: চাদ, কমোরোস, জিবুতি, ইরিত্রিয়া, ইসরাইল, কিরিবাতি, মাইক্রোনেশিয়া, নামিবিয়া, দক্ষিণ সুদান এবং টুভালু।
উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- পূর্বে এর নাম ছিল আফ্রিকান ঐক্য সংস্থা।
- আফ্রিকান ইউনিয়ন নামকরণ করা হয় ৯ জুলাই, ২০০২ সালে।
- আফ্রিকান ইউনিয়নের সদরদপ্তর আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া।
- সংস্থাটির সদস্য সংখ্যা ৫৫টি।
- আফ্রিকান ইউনিয়নের সর্বশেষ সদস্য দেশ দক্ষিণ সুদান।
- ২০১১ সালের ১৫ আগস্টে এরা সদস্যপদ লাভ করে।
- মরক্কো ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে পুনরায় আফ্রিকান ইউনিয়নে যোগদান করে।
- আফ্রিকান ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট চিরিল রামাফোসা।
উৎসঃ আফ্রিকান ইউনিয়নের ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
• রোনাল্ড রেগান:
- রোনাল্ড রেগান ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ৪০তম প্রেসিডেন্ট (১৯৮১–১৯৮৯)।
- তিনি পেশায় একজন হলিউড অভিনেতা ছিলেন।
- ১৯৮০ এর দশকে লেবাননে ইসলামিক গোষ্ঠীগুলির দ্বারা আটক মার্কিন জিম্মিদের মুক্তির জন্য ইরানকে গোপনে উন্নত মানের অস্ত্র বিক্রি করা হয়েছিল।
- ক্ষমতায় থাকাকালীন রোনাল্ড রেগান ইরানের কাছে অস্ত্র বিক্রি করে যে অর্থ আয় হত সেই অর্থ দিয়েই নিকারাগুয়ার “কন্ট্রা” নামক বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে আর্থিক ও সামরিক সহায়তা প্রদান করতেন।
- নিকারাগুয়ায় মার্ক্সবাদী স্যান্ডিনিস্টা সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইরত ছিলো কন্টা বিদ্রোহীরা যাদেরকে রেগান গোপনে অর্থায়ন করত।
- আইনগত দিক থেকে, ইরানের কাছে অস্ত্র বিক্রি এবং কন্টাদের সামরিক সহায়তা উভয়ই বেআইনি ছিল।
- এই ঘটনা ইতিহাসে পরিচিত “ইরান-কন্ট্রা কেলেঙ্কারি (Iran-Contra Affair)” নামে, যা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে বড় বিতর্ক সৃষ্টি করেছিল।
---------------------
অন্যদিকে,
- জর্জ ওয়াশিংটন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট (১৭৮৯-১৭৯৭)।
- আব্রাহাম লিংকন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট (১৮৬১-১৮৬৫)।
- বারাক ওবামা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৪তম প্রেসিডেন্ট (২০০৯-২০১৭)।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
- 'কন্ট্রা' নিকারাগুয়ার বিদ্রোহী গ্রুপ।
- নিকারাগুয়াতে ১৯৭৯ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত সক্রিয় কন্ট্রা গেরিলাদের উদ্দেশ্য ছিল সমাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে কাজ করা।
- নিকারাগুয়ার এই গেরিলা গোষ্ঠিটি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়ানে পরিচালিত হতো।
- কন্ট্রা বিদ্রোহীদের দাবির মুখে তৎকালীন সরকার ১৯৯০ সালে নির্বাচনের আয়োজন করে।
- কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে ডেনিয়েল ওর্তেগার সরকার নির্বাচনে পরাজিত হয়।
- ১৯৯০ সালের নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে সমাপ্ত হয় কন্ট্রার লড়াকু ইতিহাস।
উল্লেখ্য,
- নিকারাগুয়া মধ্য আমেরিকার রাষ্ট্র।
- নিকারাগুয়াও স্পেনের উপনিবেশ ছিল।
- ১৮২১ সালে নিকারাগুয়া জাতীয় স্বাধীনতা লাভ করে।
- স্বাধীনতা লাভ করলেও নিকারাগুয়ার অর্থনীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কতৃত্ব স্থাপিত হয়।
- দেশটির রেলওয়ে, ব্যাংক, খনিজসম্পদ সব কিছুই মার্কিন পুঁজির অধীনে পরিচালিত হতে থাকে।
- নিকারাগুয়ার সরকার ও সেনাবাহিনী যেমন মার্কিন প্রশাসনের প্রভাবাধীন ছিল।
- অনেক মার্কিন সৈন্যও নিকারাগুয়াতে অবস্থান করত।
- এর বিরুদ্ধে ১৯২৬ সালে নিকারাগুয়াতে বিদ্রোহ শুরু হয়।
- ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর মার্কিন সৈন্যরা নিকারাগুয়া ত্যাগ করে।
- ১৯৩৭ সালের জানুয়ারি মাসে সমোজো দেশের প্রেসিডেন্ট পদ লাভ করেন।
- এই সমোজাদের শাসনকালে স্বৈরতন্ত্রের ত্রাসের রাজত্ব গড়ে ওঠে।
- ১৯৮২ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিগানের প্রশাসন কন্ট্রা বিদ্রোহীদের সহায়তার জন্য প্রায় ১৯ মিলিয়ন এবং ১৯৮৪ সালে এসে প্রায় ২৪ মিলিয়ন ডলার অনুমোদন করে।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
- ‘প্রেয়া ভিহিয়ার ও তা মুয়েন থম মন্দির’ নিয়ে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব বিদ্যমান।
• প্রেয়া ভিহিয়ার মন্দির ও তা মুয়েন থম মন্দির:
- এগুলো প্রাচীন হিন্দু মন্দির , যা ১১ম এবং ১২ম শতাব্দীতে খমের সাম্রাজ্যের সময় নির্মিত।
- এটি কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্তের ডাঙ্গরেক পর্বতমালায় অবস্থিত।
- উভয়ই ছিল শিব মন্দির। পরে বৌদ্ধ মঠ হিসেবে পরিণত হয়।
- ২০০৮ সালে প্রেয়া ভিহিয়ার মন্দিরকে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়, যা পরবর্তী দ্বন্দ্বের একটি কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
- ১৯৬২ এবং ২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক আদালত এই স্থাপত্যটির ওপর কম্বোডিয়ার অধিকার রয়েছে বলে রায় দেয়।
- কিন্তু তা মানতে নারাজ থাইল্যান্ড।
- তাদের অভিযোগ, ১১ শতকে নির্মিত প্রেয়াহ বিহার মন্দির কম্বোডিয়ার ভূখণ্ডে পড়েছে, যা ঠিক হয়নি।
- এই বিরোধও এখন পর্যন্ত নিষ্পত্তি হয়নি।
অন্যদিকে,
- তা মুয়েন থম মন্দির এটি প্রেয়া ভিহিয়ার মন্দিরের মতোই সীমান্ত দ্বন্দ্বের একটি প্রধান কেন্দ্রবিন্দু।
- ১৯০৪-১৯০৭ সালের ফ্রাঙ্কো-সিয়ামিজ চুক্তিতে সীমান্ত নির্ধারণ করা হয়, যাতে "Annex I Map" অনুসারে মন্দিরটি কম্বোডিয়ান অংশে পড়ে।
- কিন্তু থাইল্যান্ড দাবি করে যে সীমান্ত প্রাকৃতিক ওয়াটারশেড লাইন অনুসরণ করা উচিত, যা মন্দিরকে থাই অংশে নিয়ে যায়।
- থাইল্যান্ডের অধীনে থাকলেও কম্বোডিয়া এর দখল চেয়েছে অনেকবার।
উল্লেখ্য,
- বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা ২৪ জুলাই, ২০২৫ তারিখে সামরিক সংঘর্ষে রূপ নেয়।
- ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের পাশাপাশি চীনা কূটনীতিক ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের মধ্যস্থতায় ২৯ জুলাই থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া প্রাথমিকভাবে অস্ত্রবিরতিতে সম্মত হয়।
- থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া ২৬ অক্টোবর, ২০২৫ (রোববার) শান্তিচুক্তির একটি যৌথ ঘোষণাপত্র স্বাক্ষর করে।
- পরবর্তীতে ১০ নভেম্বর, ২০২৫ সালে সীমান্তের কাছে স্থলমাইন বিস্ফোরণে নিজেদের দুই সেনা আহত হওয়ার ঘটনায় কম্বোডিয়ার সঙ্গে শান্তিচুক্তি স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে থাইল্যান্ড।
তথ্যসূত্র:
i) Britannica
ii) The Guardian (Link)
iii) UNESCO World Heritage Centre (Link)
iv) Samakal (Link)
ব্যাখ্যা
সিমলা চুক্তি (Simla Agreement):
- ১৯৭১ সালে ভারত পাকিস্তান সমঝোতার মাধ্যমে যে নিয়ন্ত্রণ সীমা তৈরি হয় তার নাম এল.ও.সি বা লাইন অব কন্ট্রোল।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির অধীনেই ভারত সব যুদ্ধবন্দিকে বিনা বিচারে পাকিস্তানে ফেরত পাঠায়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২ জুলাই, ১৯৭২।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ভারত ও পাকিস্তান।
- ভারতের পক্ষে স্বাক্ষরকারী: প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
- পাকিস্তানের পক্ষে স্বাক্ষরকারী: প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাশ্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।
উল্লেখ্য,
- মূলত বাংলাদেশে স্বাধীনতা যুদ্ধের পর ৯৩ হাজার পাকিস্তানী সেনাদের ভারত বন্দী বানিয়ে নিয়ে যায় তাদের দেশে।
- আর তখন পাকিস্তান ভেঙ্গে হয়ে গেল বাংলাদেশ ।
- সিমলা চুক্তির মাধ্যমে পাকিস্তানী ৯৩ হাজার বন্দী সেনাদের ভারত ছেড়ে দিল, এই শর্তে যে তাদের বিচার পাকিস্তান নিজেই করবে যারা পূর্বপাকিস্তান তথা বর্তমান বাংলাদেশে যুদ্ধকালীন অপরাধে জড়িত ছিল।
- এই চুক্তিতে ভারত ও পাকিস্তান জম্মু ও কাশ্মীরে স্থিতাবস্থা স্থাপনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।
অন্যদিকে,
- ‘ইন্ডাস ওয়াটার ট্রিটি’ (সিন্ধু জল চুক্তি) নামে পরিচিত এই সমঝোতাটি ১৯৬০ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
উৎস: i) Ministry of External Affairs.
ii) UN Peacemaker.
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী এ্যালেক্সি কোসিজিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ূব খান দুই দেশের পক্ষে চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।
সূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।
ব্যাখ্যা
- এর আরেক নাম অটোয়া চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ, ১৯৯৯ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৬৪টি।
- এর উদ্দেশ্য হলো Anti-Personnel Landmines বা স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধ।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে: ৭ মে, ১৯৯৮ সালে এবং অনুমোদন করে ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে।
উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- ২০১৪ সালে রাশিয়া কর্তৃক ক্রিমিয়া অধিগ্রহণের পর থেকে দোনেস্ক ও তার পার্শবর্তী লুহাস্ক অঞ্চলে রুশ সমর্থিত মিলিশিয়ারা স্বশাসন ঘোষণা করে অঞ্চলটির উপর নিজেদের নিয়্ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
- ২০১৫ সালে মিনস্ক চুক্তির মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও সম্প্রতি অঞ্চলটিতে পুনরায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
- রাশিয়া কর্তৃক ইউক্রেন সীমান্তে ব্যাপক রণ প্রস্তুতি পরিস্থিতিকে ক্রমেই জটিল করে তুলছে। পশ্চিমাবিশ্ব ও ন্যাটো জোট রাশিয়ার ভূমিকার তীব্র নিন্দা জানিয়ে আসছে।
(তথ্যসূত্র: ডয়েচভেলে)
ব্যাখ্যা
- এটি হল ৩৮° উত্তর অক্ষাংশ, যা উত্তর কোরিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মাঝখানে একটি কাল্পনিক রেখা হিসেবে কাজ করে।
- ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ দিকে পটসডাম সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পরিকল্পনাকারীরা এই রেখাটি নির্ধারণ করেন।
- ৩৮তম রেখার উত্তরে সোভিয়েত ইউনিয়ন (U.S.S.R.) এর নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
- ৩৮তম রেখার দক্ষিণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (U.S.A.) এর নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
- এই বিভাজন অস্থায়ী হওয়ার কথা থাকলেও, পরে ঠাণ্ডা যুদ্ধ (Cold War) শুরু হলে এটি স্থায়ী রাজনৈতিক বিভাজনে রূপ নেয়।
- দুই কোরিয়াতে আলাদা শাসনব্যবস্থা গড়ে ওঠে।
- উত্তর কোরিয়ায় কমিউনিস্ট সরকার (নেতা: কিম ইল-সাং)
- দক্ষিণ কোরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত সরকার (নেতা: সিঙমান রি)
- এই বিভাজনের কারণে ১৯৫০ সালে কোরিয়ান যুদ্ধ শুরু হয়, যা ১৯৫৩ সালে অস্ত্রবিরতির মাধ্যমে শেষ হয়, কিন্তু আজও কোরিয়া দুই ভাগে বিভক্ত।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়- ১৭ সেপ্টেম্ব, ১৭৮ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান, মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট।
- পক্ষসমূহ-মিসর-ইসরাইল।
- স্বাক্ষরকারী- মিসরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরায়েলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন।
- মধ্যস্থতাকারী- তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- উদ্দেশ্য- মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রক্রিয়ার রূপরেখা নিরূপণ এবং শান্তি স্থাপন।
তথ্যসূত্র: Britannica.com
ব্যাখ্যা
- স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
- গৃহীত হয়: ১৮ এপ্রিল ১৯৬১ সাল।
- কার্যকর হয়: ২৪ এপ্রিল ১৯৬৪ (ধারা ৫১ অনুযায়ী)।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ৬০টি ।
- পক্ষ: ১৯৩টি দেশ।
- এই কনভেনশনটি ১৯৬১ সালের ১৪ এপ্রিল জাতিসংঘের উদ্যোগে ভিয়েনা শহরের Neue Hofburg-এ অনুষ্ঠিত "Diplomatic Intercourse and Immunities" সম্মেলনে গৃহীত হয়।
- এই কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্কের মৌলিক ভিত্তি, যা রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে কূটনৈতিক মিশন ও কূটনীতিকদের অধিকার, দায়মুক্তি ও দায়িত্ব নির্ধারণ করে।
উৎস: United Nations Treaty Collection ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
CEDAW:
- CEDAW-এর পূর্ণরূপ: Convention on the Elimination of All Forms of Discrimination Against Women বা নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য প্রতিরোধ কনভেনশন।
- গৃহীত হয়: ১৮ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ সালে।
- সনদ স্বাক্ষর শুরু হয়: ১ মার্চ, ১৯৮০।
- কার্যকর হয়: ৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৮১।
- বাংলাদেশ CEDAW অনুমোদন করে: ৬ নভেম্বর, ১৯৮৪ সালে।
⇒ CEDAW সনদে মোট ৩০টি অনুচ্ছেদ আছে। অনুচ্ছেদ ৩ ভাগে বিভক্ত। যথা:
- প্রথম ভাগ (১-১৬): নারী পুরুষের সমতা সর্ম্পকিত,
- দ্বিতীয় ভাগ (১৭-২২): এর কর্মপন্থা ও দায়িত্ব বিষয়ক,
- তৃতীয় ভাগ (২৩-৩০): প্রশাসনিক বিষয়।
উৎস:
i) UN ওয়েবসাইট।
ii) CEDAW South Asia ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে ফ্রান্সের প্যারিসে চারটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, এদেরকে একত্রে প্যারিস চুক্তি বা পিস অব প্যারিস বলে।
- ১৭৮৩ সালে প্যারিসে বিবাদমান পক্ষগুলোর মধ্যে চারটি পৃথক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে বিবাদমান পক্ষগুলোর (আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, স্পেন ও নেদারল্যান্ডস্) মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
⇒ ১৭৭৮ সাল থেকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সাথে যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস-এর প্রতিনিধিরা শান্তি আলোচনা শুরু করে।
- এই প্রতিনিধি দলের সদস্য ছিলেন জন এডামস, বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন, জন জে, থমাস জেফারসন ও হেনরি লরেন্স।
- ১৭৮২ সালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লর্ড শেলবর্ন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সাথে ঐক্যমত্যে পৌঁছান এবং চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করেন।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ: ৩ সেপ্টেম্বর, ১৭৮৩ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- স্বাক্ষরিত চুক্তির সংখ্যা: ৪টি।
- যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন, জন এডামস ও জন জে এবং যুক্তরাজ্যের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী লর্ড শেলবর্ন চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।
উল্লেখ্য,
- 'প্রথম ভার্সাই চুক্তি'টি মূলত প্যারিস চুক্তিরই অতিরিক্ত অংশ।
- ৪টি চুক্তির ২টি প্যারিসে এবং দুইটি ভার্সাইতে স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তির পক্ষসমূহ:
- প্রথম পক্ষ: যুক্তরাজ্য,
- দ্বিতীয় পক্ষ: যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, স্পেন, নেদারল্যান্ড।
উৎস: History.com
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৮ সালে আব্দুল্লাহ ওচালান এটি প্রতিষ্ঠা করেন। এরা তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে একটি কুর্দি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রাম করে আসছে।
- সংগঠনটি সম্প্রতি ইরাকের মাটিতে ১৩ তুর্কি নাগরিককে হত্যা করে।
অন্যদিকে,
- YPG সিরিয়ান কুর্দিদের সংগঠন
- GNA লিবিয়ার জাতিসংঘ সমর্থিত সরকার
- STC হলো ইয়েমেনের একটি মিলিশিয়া বাহিনী।
(সূত্র: কুর্দিস্তান প্রজেক্ট এবং বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
ব্যাখ্যা
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ২০০৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর।
- চুক্তিটিতে ১০৩টি দেশ স্বাক্ষর করলেও এটির অংশীদার ১৭৩টি দেশ।
- বাংলাদেশ ২০০০ সালের ২৪ মে এটিতে স্বাক্ষর করে এবং ২০০৪ সালের ৫ মে এটি কার্যকর করে।
(সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
ব্যাখ্যা
প্রটোকল’ (Protocol):
- প্রটোকল হলো আন্তর্জাতিক কোনো চুক্তির সংযুক্তি।
- প্রোটোকল হলো একটি সহায়ক দলিল যা কোনো প্রধান চুক্তি বা কনভেনশনের সংযুক্তি, পরিপূরক বা সংশোধনী হিসেবে কাজ করে।
এছাড়াও,
- চুক্তি (Treaty): দুই বা ততোধিক দেশের মধ্যে লিখিত চুক্তি যা আইনত বাধ্যতামূলক। এটা যেকোনো বিষয় (যেমন: শান্তি, বাণিজ্য) নিয়ে হতে পারে।
- কনভেনশন (Convention): চুক্তির একটা বিশেষ ধরন যা সাধারণত অনেক দেশ মিলে একটা নির্দিষ্ট সমস্যা (যেমন: মানবাধিকার) নিয়ে করে।
উৎস: U.S. Fish & Wildlife Service.
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
TRIPS:
- TRIPS এর পূর্ণরূপ: Trade Related Aspects of Intellectual Property Rights.
- এটি হলো বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা গৃহিত বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের মেধাস্বত্ব বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- এটি ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সালে মরক্কোর মারাক্কাশে গৃহিত হয়।
- ১৯৯৫ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
- উন্নয়নশীল ও এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর জন্যে TRIPS চুক্তি কার্যকরের রেয়াত সুবিধা প্রদান করা হয়।
- স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট মেধাস্বত্ব (TRIPS) চুক্তি রহিতের সুবিধা আরও ১৩ বছর (১ জুলাই, ২০৩৪ পর্যন্ত) বাড়ানো সংক্রান্ত প্রস্তাব সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় WTO'র TRIPS কাউন্সিলে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
উৎস: WTO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (CWC):
কনভেনশনটি ১৯৯৩ সালে প্যারিসে স্বাক্ষরিত হয়।
কার্যকর হওয়ার তারিখ: ২৯ এপ্রিল ১৯৯৭।
এটি প্রথম আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি যা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একটি সম্পূর্ণ শ্রেণির গণবিধ্বংসী অস্ত্র নির্মূলের লক্ষ্য নির্ধারণ করে
উল্লেখ্য,
রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার সীমিত করার প্রথম আন্তর্জাতিক চুক্তিটি ১৬৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, যখন ফ্রান্স এবং জার্মানি স্ট্রাসবার্গে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তিতে পৌঁছায়, যেখানে বিষ বুলেটের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়।
উৎস: opcw website.
ব্যাখ্যা
- বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো জাতিসংঘ।
- এটি জাতিপুঞ্জের উত্তরসূরি।
- জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয় : ২৬ জুন ১৯৪৫ সালে।
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়- ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো ।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫১ টি।
- বর্তমান সদস্য- ১৯৩ টি।
- সর্বশেষ সদস্য: দক্ষিণ সুদান।
- সনদে মোট অনুচ্ছেদ: ১১১টি।
- সনদ সংশোধন: ৩ বার।
উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য পোল্যান্ড সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে উপস্থিত ছিল না।
- ৫১তম দেশ হিসেবে পোল্যান্ড ১৯৪৫ সালের ১৫ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর করে।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
- অকাস চুক্তি হলো অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে।
- এই চুক্তিটি ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সমন্বিত নিরাপত্তা ও প্রভাব নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- মূলত বিরোধপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের প্রভাব মোকাবেলার জন্যই নতুন এই অকাস জোট গঠন করা হয়েছে।
- এই চুক্তির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে 'সাইবার সক্ষমতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং অতিরিক্ত জলসীমার ক্ষমতা' বিষয়ে সহযোগিতা।
তথ্যসূত্র: U.S. Department of Defense website.
ব্যাখ্যা
- PLO-এর পূর্ণরূপ: Palestine Liberation Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৬৪ সালে।
- সদর দপ্তর: রামাল্লাহ, ফিলিস্তিন।
- PLO-এর প্রথম চেয়ারম্যান: আহমদ শুকিরি ।
- PLO-এর তৃতীয় চেয়ারম্যান- ইয়াসির আরাফাত।
- সংগঠনটি একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৪ সাল থেকে পিএলও জাতিসংঘে পর্যবেক্ষক মর্যাদা ভোগ করছে।
⇒ অসলো চুক্তি:
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি চুক্তিতে পৌঁছায় ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান: হোয়াইট হাউস, যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরকারী: ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী আইজাক রবিন।
- অসলো চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল ইসরায়েলের পাশে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন।
- মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্রেরর প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
⇒ নরওয়ের রাজধানী অসলোতে শুরু হওয়া আলোচনার পথ ধরে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (পিএলও) প্রধান ইয়াসির আরাফাত ফিলিস্তিনিদের পক্ষ হয়ে ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।
- এই চুক্তির জন্য ইয়াসের আরাফাত এবং তৎকালীন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিন নোবেল শান্তি পুরষ্কারও পেয়েছিলেন।
উল্লেখ্য,
- চুক্তিটি নিয়ে সবচেয়ে বেশি হতাশ গাজা উপত্যকার মানুষ।
- শান্তি চুক্তিতে ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্ব করেছিলো প্রয়াত ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বাধীন পিএলও পার্টি।
- কিন্তু ২০০৭ সাল থেকে গাজা শাসন করে আসছে কট্টরপন্থী ফিলিস্তিনি দল হামাস।
- ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের অনেকবার যুদ্ধ হয়েছে।
- আবার গাজার সীমান্ত কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে ইসরায়েল এবং মিশর, যাতে হামাসের কাছে কোন অস্ত্র পৌঁছাতে না পারে।
উৎস: i) BBC।
ii) U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযুক্তকারী চ্যানেল ,
- এটি স্পেন এবং আফ্রিকার মধ্যে অবস্থিত।
- এটি ইউরোপ এবং আফ্রিকা মহাদেশকে বিভক্ত করে।
• বাব এল মান্দেব প্রণালী :
- লোহিত সাগর এবং এডেন সাগরকে যুক্ত করে।
- আফ্রিকা এবং এশিয়া মহাদেশকে বিভক্ত করে।
• বেরিং প্রণালী :
- এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশকে বিভক্ত করে।
- প্রশান্ত মহাসাগর এবং উত্তর মহাসাগরকে যুক্ত করে।
• মালাক্কা প্রণালী :
- আন্দামান সাগর ( ভারত মহাসাগর ) এবং দক্ষিণ চীন সাগর ( প্রশান্ত মহাসাগর ) এর মধ্যে সংযোগকারী জলপথ ।
- এটি সুমাত্রা এবং মালয়েশিয়া পৃথক করে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
• জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।
মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।উল্লেখ্য,
কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।
⇒ প্রটোকলসমূহ:
প্রটোকল- ১:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
প্রটোকল- ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
প্রটোকল- ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।
উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.
ব্যাখ্যা
- এন্টার্কটিক ট্রিটি সিস্টেম (Antarctic Treaty System) ওয়াশিংটনে স্বাক্ষরিত হয় ১ ডিসেম্বর ১৯৫৯ সালে।
- এই চুক্তি প্রথমে ১২ টি দেশ স্বাক্ষর করে কিন্তু বর্তমানে সদস্য সংখ্যা ৫৬।
- এটি ১৯৬১ সালে কার্যকর হয় ।
উৎস: Antarctic Treaty ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক:
- ইউক্রেনের দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চল নিয়ে দনবাস গঠিত।
- পূর্ব ইউক্রেনের এই অঞ্চলটি কয়লা ও ভারী শিল্পে সমৃদ্ধ।
- ২০১৪ সাল থেকে দনবাসে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছে রাশিয়া।
- ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করে মস্কো।
- তখন দনবাসের বেশির ভাগ এলাকা দখল করে নেয় রুশ বাহিনী।
- বর্তমানে দনবাসের প্রায় ১৭ হাজার ৯৮০ বর্গমাইল বা প্রায় ৮৮ শতাংশ ভূখণ্ড রাশিয়ার দখলে।
- এর মধ্যে লুহানস্কের প্রায় পুরোটা ও দোনেৎস্কের চার ভাগের তিন ভাগ রুশ বাহিনীর দখলে রেখেছে।
সম্প্রতি,
- যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায় বৈঠকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের শর্ত হিসেবে পূর্বাঞ্চলের শিল্পাঞ্চল দনবাসের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রাশিয়ার হাতে দেওয়ার কথা বলেন।
তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]
ব্যাখ্যা
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
⇒ উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- এই সংগঠনের মূলমন্ত্র হল "A mind unfettered in deliberation".
উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
• Coalition of the willing:
- “Coalition of the willing” হলো একটি অস্থায়ী আন্তর্জাতিক জোট, যার সাধারণ লক্ষ্য হলো ইউক্রেনকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা প্রদান করা।
- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার ঘোষণা করেছেন যে “Coalition of the willing”ইউক্রেনের যুদ্ধের অবসান ঘটাতে একটি শান্তি পরিকল্পনা তৈরি করবে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে তার সমর্থনের জন্য এটি উপস্থাপন করবে।
- হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে প্রকাশ্য বিবাদের কয়েকদিন পর কিয়েভের প্রতি ওয়াশিংটনের সমর্থন ভেঙে যাওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
- ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ (বৃহস্পতিবার) ঘোষণা করেন যে ২৬টি দেশ যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর ইউক্রেনে সেনা পাঠানো বা অন্যান্য সামরিক সহায়তা প্রদান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যাতে দেশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়
- ম্যাক্রোঁর এই ঘোষণা আসে “Coalition of the Willing” শীর্ষক প্যারিসে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর।
উৎস: আল জাজিরা।
ব্যাখ্যা
গত ১৫ নভেম্বর ২০২০ ভিয়েতনামের হ্যানয়ে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১৫টি দেশের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি চুক্তিটি কার্যকর হয়।
চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর মোট জিডিপি বিশ্বের মোট জিডিপির প্রায় ৩০ শতাংশ।
(তথ্যসূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড এবং আসিয়ান ওয়েবসাইট)
ব্যাখ্যা
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ ১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।
তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
• দীর্ঘ ভিয়েতনাম যুদ্ধের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামের মধ্যে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় সেটি প্যারিস শান্তি চুক্তি বা Paris Peace Accords নামে পরিচিত।
• চুক্তি স্বাক্ষরকাল - ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩ সাল।
• স্বাক্ষরের স্থান - প্যারিস, ফ্রান্স
• চুক্তির পক্ষসমূহ - যুক্তরাষ্ট্র, উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম।
• ফলাফল - ভিয়েতনাম যুদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্য প্রত্যাহার এবং ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বন্দ্বের অবসান ঘটে।
• প্যারিস শান্তি চুক্তির স্বাক্ষরের আগে ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা লে ডুচ থো (Lê Đức Thọ) ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে হেনরি কিসিঞ্জার আলোচনা করেন এবং চুক্তির খসড়া প্রণয়ন করেন। এর সূত্র ধরে দুই জনকেই ১৯৭৩ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়।
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- নন-প্রোলিফারেশন ট্রিটি (NPT) একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ, পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ, এবং পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য গৃহীত হয়েছে।
- এটি ১৯৭০ সালের ৫ মার্চ কার্যকর হয়।
- NPT-তে বর্তমানে ১৯১টি দেশ অংশগ্রহণ করেছে।
- ভারত, পাকিস্তান এবং ইসরায়েল এই চুক্তিতে যোগ দেয়নি।
- উত্তর কোরিয়া চুক্তি থেকে সরে গেছে।
- বাংলাদেশ ১৯৭৯ সালে NPT-তে যোগ দেয়। এটি দেশের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করে।
- এটি পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধে বৈশ্বিক প্রচেষ্টার ভিত্তি।
- IAEA-এর মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর কার্যক্রম মনিটর করা হয়।
উল্লেখ্য,
- রাসায়নিক অস্ত্র চুক্তি (Chemical Weapons Convention) রাসায়নিক অস্ত্র উন্নয়ন, উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা সম্পর্কিত।
- CTBT হল একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধ করে।
উৎস: United Nations ওয়েবসাইট।
IAEA ওয়েবসাইট।
Arms Control Association ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- উৎপাদক: ড্যাসল্ট অ্যাভিয়েশন, ফ্রান্স।
- প্রথম উড্ডয়ন: ১৯৮৬ সালে
- সেবায় প্রবেশ: ফরাসি বিমান বাহিনীতে ২০০৬ সালে এবং নৌবাহিনীতে ২০০৪ সালে।
- ধরণ: "Omnirole" মাল্টিরোল ফাইটার।
- প্রধান ব্যবহার: এয়ার সুপারিওরিটি, আকাশ প্রতিরক্ষা, নিকটবর্তী আক্রমণ, দূরপাল্লার আক্রমণ, গোয়েন্দাগিরি, নৌযান বিধ্বংসী আক্রমণ, পারমাণবিক প্রতিরক্ষা।
উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি, ৭ মে ২০২৫ ভারত রাফাল যুদ্ধবিমান দিয়ে পাকিস্তানে হামলা করে।
- ভারতের ৩৬ টি রাফায়াল যুদ্ধবিমান রয়েছে।
- ফ্রান্স থেকে আরও ২৬টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তি করেছে ভারত।
উৎস: ড্যাসল্ট অ্যাভিয়েশন। [Link]।
ব্যাখ্যা
দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে চলা আফগান যুদ্ধ অবসানকল্পে এই চুক্তি সাক্ষরিত হয়। এতে আমেরিকার পক্ষে জালমি খলিলজাদ এবং তালেবানের পক্ষে সংগঠনটির রাজনৈতিক শাখার প্রধান মোল্লা আব্দুল গানি স্বাক্ষর করেন।
চুক্তির শর্ত অনুযায়ী আগামী ১৪ মাসে আফগানিস্তান থেকে আমেরিকা তার সৈন্য প্রত্যাহার করবে।
(সূত্রঃ সিএনএন)
ব্যাখ্যা
- বেলফোর ঘোষণা হলো ব্রিটিশ ইহুদি সম্প্রদায়ের একজন নেতা ব্যারন রথচাইল্ডের কাছে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র সচিব আর্থার জেমস বেলফোরের লেখা একটি চিঠি।
- বেলফোর ঘোষণার সাথে ইহুদী রাষ্ট্র ইসরায়েল প্রতিষ্ঠা সরাসরিভাবে জড়িত।
- ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর তৎকালীন ব্রিটেনের পররাষ্ট্র সচিব এ জে বেলফো ব্রিটিশ জায়নিষ্ঠ ফেডারেশনের সভাপতি লর্ড রথচাইল্ডকে একটি চিঠি দেন।
- তিনি ফিলিস্তিনে একটি আলাদা রাষ্ট্র তৈরির প্রস্তাব দেন।
- ঐ চিঠির উদ্দেশ্য ছিল ইহুদীদের জন্য একটি আবাসভূমি প্রতিষ্ঠা।
- ইতিহাসে এটি বেলফোর ঘোষণা হিসেবে পরিচিত।
- ১৯২২ সালে জাতিপুঞ্জ (League of Nations) বেলফোর ঘোষণা অনুমোদন করে।
- ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘ প্যালেস্টাইন অধ্যুষিত আরব এলাকা বিভক্তির মধ্যে দিয়ে ইসরায়েল রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়।
- ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিন ভূখন্ডে ইসরায়েল প্রতিষ্ঠিত হয়।
তথ্যসূত্র - Britannica.com
ব্যাখ্যা
সানশাইন পলিসি:
- উত্তর কোরিয়ার সাথে দক্ষিণ কোরিয়ার বৈদেশিক নীতির তাত্ত্বিক ভিত্তি হলো সানশাইন পলিসি।
- ১৯৯৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম ডে-জুং প্রথম এ নীতি ঘোষণা করেন।
- ২০০০ সালে এ নীতি বাস্তবায়নের কারণে কিম দায়ে জং শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।
- ২০০৮ সাল পর্যন্ত সানশাইন পলিসি টিকে ছিল।
- তবে ২০১৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইনের প্রচেষ্টায় দুই কোরিয়ার শীর্ষ দুই নেতার মধ্যে কয়েক দফা সম্মেলনের মাধ্যমে এ নীতি পুন: জাগ্রত করার চেষ্টা চলছে।
উৎস: বিবিসি বাংলা নিউজ।
ব্যাখ্যা
- পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (Treaty on the Non-Proliferation of Nuclear Weapons - NPT) হলো পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই ১৯৬৮ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৭০ সালের মার্চ মাসে।
- যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং আরও ৫৯টি দেশ প্রথম পর্যায়ে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- পরমাণু শক্তিধর তিনটি দেশ (যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন) চুক্তির আওতায় প্রতিশ্রুতি দেয় যে তারা অন্য দেশকে পরমাণু অস্ত্র উৎপাদনে সহায়তা করবে না।
- চুক্তির মেয়াদ শুরুতে ২৫ বছর নির্ধারণ করা হলেও, ১৯৯৫ সালে জাতিসংঘের সদর দফতরে ১৭৪টি দেশের সম্মতিতে এটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানো হয়।
- ভারত, ইসরায়েল, এবং পাকিস্তান কখনও এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি, এবং উত্তর কোরিয়া স্বাক্ষর করার পর পরবর্তীতে চুক্তি থেকে সরে যায়।
- পরমাণু অস্ত্রের বিস্তার রোধে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
- অনেক দেশ পরমাণু অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত থেকেছে এবং পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছে।
- তবে, কিছু দেশ চুক্তির বাইরে থেকে পরমাণু কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক নিরাপত্তা উদ্বেগ থেকে যায়।
- NPT বিশ্বব্যাপী পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক পদক্ষেপ, তবে এর কার্যকারিতা এখনো চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
GATT চুক্তির রাউন্ড:
- ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত GATT চুক্তির দুর্বলতা ও সমস্যা সমাধানের জন্য মোট ৮টি রাউন্ড সম্পন্ন হয়।
- সেগুলো হলো:
1. Geneva Round,
2. Annecy Round,
3. Torquay Round,
4. Geneva II Round,
5. Dillon Round,
6. Kennedy Round,
7. Tokyo Round,
8. Uruguay Round.
উরুগুয়ে রাউন্ড:
- GATT চুক্তির রাউন্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ রাউন্ড হচ্ছে উরুগুয়ে রাউন্ড।
- এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ রাউন্ড হচ্ছে উরুগুয়ে রাউন্ড।
- এই রাউন্ড শুরু হয় ১৯৮৬ সালের সেপ্টেম্বরে।
- ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সালে উরুগুয়ে রাউন্ডের সমাপ্তির সময়ে GATT চুক্তি সংশোধনের মাধ্যমে।
- এই রাউন্ডের সংলাপ চলে দীর্ঘ ৮ বছর ধরে।
- এর ফলে নতুন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংগঠন গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- যার ফলে ১৯৯৫ সালে জন্ম হয় World Trade Organization (WTO)-এর।
তথ্যসূত্র - WTO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন মূলত যুদ্ধকালীন আক্রান্ত মানুষের সুরক্ষা ও মানবিক আচরণের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।
⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।
উল্লেখ্য,
• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।
উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.
ব্যাখ্যা
- আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা চুক্তি/সহযোগিতা।
- সদস্য দেশ: যুক্তরাষ্ট্র , যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউ জিল্যান্ড।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৬-এ “UKUSA Agreement” থেকে শুরু,
- আধুনিক Five Eyes আকারে বিকাশ পায় ১৯৫০-এর দশকেঅ
- সদস্য দেশগুলোর মধ্যে কঠোর তথ্য বিনিময় ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে কাজ করে।
• প্রধান সংস্থা সমূহ: NSA (USA), GCHQ (UK), CSE (Canada), ASD (Australia), GCSB (New Zealand).
উৎস: Encyclopaedia Britannica – Five Eyes.
ব্যাখ্যা
- চুক্তিটি ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ স্বাক্ষরের জন্যে উন্মুক্ত করা হয়। ৫০তম দেশ হিসেবে হন্ডুরাস গত ২৪ অক্টোবর ২০২০ চুক্তিটি অনুমোদন করায় ২০২১ সালের ২২শে জানুয়ারি এটি কার্যকর হয়।
- চুক্তিটিতে বর্তমান পর্যন্ত ৮৬টি দেশ স্বাক্ষর করেছে।
- বাংলাদেশ ২০১৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর এটিতে স্বাক্ষর করে এবং ২০১৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর অনুমোদন করে।
(সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
ব্যাখ্যা
প্রতিবেশী দুই দেশ আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে দক্ষিণ ককেশাসের বিতর্কিত অঞ্চল নাগার্নো-কারাবাখ নিয়ে দ্বন্দ্ব অনেক পুরনো।
- বিবাদপূর্ণ নাগার্নো-কারাবাখের মালিকানা ঘিরে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ সালে সর্বাত্মক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া।
- ৯ নভেম্বর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই অঞ্চলের প্রধান সম্পদ- দস্তা, কয়লা, স্বর্ণ, মার্বেল, চুনা পাথর ও প্রাকৃতিক ঝরণা।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৭ সালে ট্রুম্যান ডাকট্রিনের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল।
- এর উদ্দেশ্য ছিল সমাজতন্ত্রের প্রসার ঠেকানো।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে গ্রিস ও তুরস্কে কমিউনিস্টদের প্রভাব বাড়ছিল।
- এই প্রভাব কমানোর লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে এসেছিল।
- প্রেসিডেন্ট ট্রম্যান কংগ্রেসের কাছে প্রেরিত বার্তায় বলেছিলেন, যে সকল স্বাধীন জনগণ সশস্ত্র সংখ্যালঘু বা বহিরাগত চাপের মারফত পদানত করার প্রচেষ্টা প্রতিহত করতে সচেষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নীতি হবে তাদের রক্ষা করা।
- ট্রুম্যানের নীতির কারণেই ওয়াশিংটন-মস্কো সম্পর্কের অবনতি ঘটে।
- ১৯৫২ সালে গ্রিস ও তুরস্ক ন্যাটোতে যোগ দেয়।
- প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যানের এই নীতি আর্থিকভাবে প্রয়োগ করার জন্য ১৯৪৭ সালের জুন মাসে তৎকালীন যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেট ঘোষণা করেছিলেন যে, ইউরোপের পুনর্গঠনে যুক্তরাষ্ট্র সাহায্য করবে, যা মার্শাল প্লান নামে পরিচিত। কিন্তু পূর্ব ইউরোপ মার্শাল প্ল্যান পরিত্যাগ করেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেট-এর নামেই মার্শাল প্লান নামকরণ হয়েছিল ।
সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (Camp David Accords):
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি একটি ঐতিহাসিক চুক্তি, যা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- পক্ষসমূহ: মিশর ও ইসরাইল।
- স্বাক্ষরকারী: মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিন।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট।
- মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
⇒ ফলাফল:
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির ফলে মিশর প্রথম আরব দেশ হিসেবে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়।
- সিনাই উপদ্বীপ মিশরের কাছে ফিরে আসে।
- সাদাত ও বেগিন নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
উল্লেখ্য,
- Camp David চুক্তি ও ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী আরব রাষ্ট্র জর্ডান ও মিশর।
- ১৯৯৪ সালে Israel-Jordan Peace Treaty স্বাক্ষরের মাধ্যমে দ্বিতীয় আরব রাষ্ট্র হিসেবে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে (Camp David চুক্তির পরোক্ষ ফলাফল হিসেবে)।
- ১৯৯৪ সালের চুক্তির মাধ্যমে জর্ডান ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে।
এছাড়াও,
- সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মরক্কো, সুদান ২০২০ সালে Abraham Accords-এর মাধ্যমে ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে (Camp David চুক্তির সরাসরি ফল নয়)।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
- ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact-Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance) হলো স্নায়ুযুদ্ধের সময়ে ১৯৫৫ সালের ১৪ মে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সামরিক চুক্তি।
- ন্যাটো জোটের পাল্টা জোট হিসেবে এটি গঠিত হয়।
এই চুক্তির অংশীদার দেশগুলো ছিলো:
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- আলবেনিয়া
- বুলগেরিয়া
- পূর্ব জার্মানি
- হাঙ্গেরি
- পোল্যান্ড
- রোমানিয়া এবং
- চেকোশ্লোভাকিয়া।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের ফলে ওয়ারশ প্যাক্টেরও বিলুপ্তি ঘটে।
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তি সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন এর মধ্যে টানাপোড়া শুরু হয়।
- ১৯৪০ দশকের মাঝামাঝি থেকে ১৯৮০ দশকের শেষ অব্দি চলমান এই যুদ্ধ ইতিহাসে স্নায়ু যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মাধ্যমে স্নায়ু যুদ্ধের অবসান ঘটে।
- ২৬ ডিসেম্বর, ১৯৯১ সালে আনুষ্ঠানিক ভাবে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটে এবং ১৫ টি স্বাধীন রাষ্ট্রে রুপান্তরিত হয়।
- রাষ্ট্র গুলো হলো: রাশিয়া, আজারবাইজান, আর্মেনিয়া, ইউক্রেন, উজবেকিস্থান, এস্তোনিয়া, কাজাকিস্থান, কিরগিজস্তান, জর্জিয়া, তুর্কমেনিস্তান, ্তাজিকিস্তান, বেলারুশ, মলদোভা, লিথুয়ানিয়া এবং লাটভিয়া।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- ডেটন শান্তি চুক্তির পূর্ণনাম - General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina।
- বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয়। এই জন্য এই চুক্তিকে ডেটন শান্তি চুক্তি বলা হয়।
- ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বিল ক্লিন্টন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী - ওয়ারেন ক্রিস্টোফার।
- চুক্তিটির প্রধান শান্তি আলোচক - রিচার্ড হলব্রোক।
- চুক্তির খসড়া প্রস্তুত - ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - প্যারিস, ফ্রান্স
- চুক্তির পক্ষ সমূহ - বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী -
১. বসনিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ।
২. ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
৩. সার্বিয়ার পক্ষে - স্লোভাদান মিলোসোভিচ।
তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
• কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ:
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- বিতর্কিত কুরিল দ্বীপপুঞ্জের চারটির মধ্যে দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় দ্বীপ কুনাশির।
- চারটি দ্বীপের সমন্বয়ে এই কুড়িল দ্বীপপুঞ্জকে জাপান তাদের 'নর্দান টেরিটরি' হিসাবে অভিহিত করে।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের ঠিক উত্তরে।
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ ও শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের কাছ থেকে এই দ্বীপগুলো সোভিয়েত ইউনিয়ন দখল করে নেয়।
- প্রশান্ত মহাসাগরের যে চারটি দ্বীপ নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ এটি তার মধ্যে একটি হলো এই কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ।
- এমনকি এই বিরোধের কারণে রাশিয়া ও জাপান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অবসান ঘোষণা করে হওয়া শান্তিচুক্তিতেও আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করে নি।
অপরদিকে,
- পেরেজিল বা লাইলা দ্বীপ নিয়ে বিরোধ রয়েছে স্পেন ও মরক্কোর মধ্যে।
- স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়ার মধ্যে বিরোধ বিদ্যমান।
- জাপান-চীন-তাইওয়ান মধ্যে বিরোধ রয়েছে সেনকাকু দ্বীপ নিয়ে যা পূর্ব চীন সাগরে অবস্থিত।
তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা, ওয়াল্ড এটলাস।
ব্যাখ্যা
• ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর:
- ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর ছিল একটি ফিলিস্তিনি গেরিলা সংগঠন, যা মূলত ফাতাহ সংগঠন থেকে বিচ্ছিন্ন একটি অংশ হিসেবে গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনটি ফিলিস্তিন মুক্তি আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিল।
- যদিও এর কার্যক্রম মাত্র কয়েক বছরের জন্য সক্রিয় ছিল, ১৯৭৪ সালে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।
- সংগঠনটি সবচেয়ে বেশি পরিচিত হয় ১৯৭২ সালের মিউনিখ অলিম্পিকে অংশগ্রহণকারী ১১ জন ইসরাইলি অ্যাথলেটকে অপহরণ করে।
- এই ঘটনার ফলে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রে আসে এবং সংগঠনটি বিশ্বব্যাপী নিন্দার পাত্র হয়।
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
ন্যাটো সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালের এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং আরও ৮টি ইউরোপীয় দেশসহ ১২ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য একে অপরকে রাজনৈতিক ও সামরিক ক্ষেত্রে রক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে উত্তর আটলান্টিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল।
- বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য - ৩১ টি দেশ। সর্বশেষ সদস্য - ফিনল্যান্ড।
- ন্যাটো সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে।
অন্যদিকে -
- বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা ILO এর সদস্য পদ লাভ করে ২২ জুন ১৯৭২ সালে।
- SAARC ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং বাংলাদেশ SAARC এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য।
- BIMSTEC প্রতিষ্ঠা লাভ করে - ৬ জুন, ১৯৯৭ সাল এবং বাংলাদেশ BIMSTEC এব প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য।
উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
◉ কালাপানি অঞ্চল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব রয়েছে ভারত ও নেপালের মধ্যে। এটি ভারতের উত্তরাখণ্ডে অবস্থিত হলেও নেপাল তাদের মানচিত্রে নিজস্ব ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করে।
• ভারত-নেপাল সীমান্ত বিরোধ:
- ভারত ও নেপালের মধ্যে সীমান্ত দৈর্ঘ্য ১,৬৯০ কিলোমিটার বা ১,০৫০ মাইল।
- এই দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা সীমান্ত বিরোধের প্রধান ক্ষেত্রগুলি হলো কালাপানি, লিমপিয়াধুরা, লিপুলেখ এবং সুস্তা।
- ২০১৯ সালের ২ নভেম্বর, ভারত নতুন একটি রাজনৈতিক মানচিত্র প্রকাশ করে, যেখানে বিতর্কিত ভূখণ্ডগুলির মধ্যে কালাপানি, লিমপিয়াধুরা ও লিপুলেখ ভারতীয় সীমান্তের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে দেখানো হয়।
- এই মানচিত্র প্রকাশের পর, নেপাল এটি নিয়ে আপত্তি জানায়।
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা।
ব্যাখ্যা
ইন্টারপোল:
- ইন্টারপোল হলো একটি আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা, এর সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিঁও শহরে অবস্থিত।
- এই সংস্থাটি ১৯২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে ইন্টারপোলের সদস্য সংখ্যা ১৯৬টি, এবং [জুন - ২০২৫]
- সর্বশেষ সদস্য হিসেবে পালাউ ইন্টারপোলের ১৯৬তম সদস্যপদ লাভ করেছে।
উল্লেখ্য,
→ রেড নোটিস – পলাতক অপরাধীকে খুঁজে বের করা ও গ্রেপ্তারের অনুরোধ,
→ ব্লু নোটিস – পরিচয় শনাক্ত ও অবস্থান জানতে সাহায্য,
→ ইয়েলো নোটিস – নিখোঁজ ব্যক্তি (বিশেষ করে শিশু) শনাক্তে সহায়তা,
→ গ্রিন নোটিস – অপরাধীর গতিবিধি ও ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্কতা,
→ পার্পল নোটিস – অপরাধ পদ্ধতি, বস্তু বা লুকানোর কৌশল সম্পর্কিত তথ্য,
→ ব্ল্যাক নোটিস – অজানা মৃতদেহ শনাক্ত করার জন্য,
→ অরেঞ্জ নোটিস – সম্ভাব্য বিপজ্জনক ব্যক্তি, বস্তু বা ঘটনা সম্পর্কে সতর্কতা।
সূত্র:- ইন্টারপোল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
Source: britannica.com
ব্যাখ্যা
- ১৮৪০ সালে নিউজিল্যান্ডের মাওরি জনগণ এবং ব্রিটিশ ক্রাউন (যুক্তরাজ্য সরকার)-এর মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক চুক্তি।
- এটি নিউজিল্যান্ডের প্রতিষ্ঠার মূল নথি হিসেবে বিবেচিত হয়।
- সাক্ষরের স্থান: ওয়েটাঙ্গি, নিউজিল্যান্ড।
- উদ্দেশ্য:নিউজিল্যান্ডে ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠা।
- মাওরি জনগণের ভূমি অধিকার এবং সাংস্কৃতিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করা।
- চুক্তিটি ইংরেজি এবং মাওরি ভাষায় রচিত, তবে উভয় ভাষার মধ্যে ব্যাখ্যাগত পার্থক্য আছে।
- মাওরি জনগণের ভূমি, সম্পদ এবং স্বায়ত্তশাসনের স্বীকৃতি দিলেও বাস্তবে ব্রিটিশ উপনিবেশ স্থাপনে মাওরি অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়।
- এই চুক্তি নিয়ে বিতর্ক এবং পুনর্বিবেচনার দাবি আজও চলছে।
- ওয়েটাঙ্গি চুক্তি নিউজিল্যান্ডের ইতিহাস, আইন এবং সংস্কৃতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত।
উৎস: NZ History Gov Website.
ব্যাখ্যা
Chemical Weapons Convention (CWC):
- রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি: CWC.
- CWC এর পূর্ণরূপ Chemical Weapons Convention.
- এটি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- চুক্তির বিষয়: রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
- যে সকল দেশের হাতে রাসায়নিক অস্ত্র রয়েছে তাদেরকে এই অস্ত্র ধ্বংস করার কথাও বলা হয়েছে।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৯৩টি।
উৎস: জাতিসংঘ ও OPCW ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
ডোকলাম (Doklam)
- ভারত, চীন ও ভুটান -এই তিন দেশের জংশন হিসেবে বিবেচিত ডোকলাম মালভূমি।
- ভুটান, চীন ও ভারত সীমান্তে অবস্থিত ডোকলাম।
- ডোকলাম (Doklam) নিয়ে চীনের সাথে ভারত ও ভুটানের বিরোধ রয়েছে।
- দোকলাম সংকট আসলে শুধু ভারত-চীন উত্তেজনা নয়; বরং চীন-ভুটান সীমান্তবিরোধের দীর্ঘ ইতিহাস এর মূলে রয়েছে।
- ভুটান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে খুবই সতর্ক রাষ্ট্র, কারণ চীন-ভারতের বিরোধে সরাসরি একপক্ষ নেওয়া তাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
- ভারতের প্রধান উদ্বেগ- যদি চীন দোকলামে স্থায়ীভাবে রুট তৈরি করে, তবে সিলিগুড়ি করিডর হুমকির মুখে পড়বে।
অন্যদিকে,
- সিয়াচেন হিমবাহ নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বন্দ্ব।
সূত্র: ব্রিটানিকা ও প্রথম আলো।
ব্যাখ্যা
• New START চুক্তি:
- New START চুক্তি হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার মধ্যে একটি পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাস চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ৮ এপ্রিল, ২০১০।
- কার্যকর হয়: ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১।
- স্বাক্ষর করেছিলেন: প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও দিমিত্রি মেদভেদেভ।
- মস্কো ও ওয়াশিংটন মোট কতসংখ্যক কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করতে পারবে, তার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারিত (১৫৫০টি) করে দিয়েছিল এই চুক্তি।
মেয়াদ: ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সাল পর্যন্ত।
উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ‘নিউ স্টার্ট চুক্তি’ স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
উৎস: Nuclear Threat Initiative.
ব্যাখ্যা
- ভার্সাই/প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৭৮৩ সালে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটেন আমেরিকার স্বাধীনতা মেনে নেয়।
- আমেরিকার সাথে ব্রিটেন আরো ৩টি দেশের সহ মোট ৪ টি দেশের সাথে (আমেরিকা, ফ্রান্স, স্পেন এবং নেদারল্যান্ডস) পৃথকভাবে ৪ টি চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- এই চুক্তিগুলোকে একত্রে Peace of Paris বলা হয়।
উল্লেখ্য,
- 'প্রথম ভার্সাই চুক্তি'টি মূলত প্যারিস চুক্তিরই অতিরিক্ত অংশ।
- মোট ৪টি চুক্তির মধ্যে,
- ১৭৮৩ সালে ভার্সাইতে ২টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৭৮৩ সালে প্যারিসে ২ টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
উৎস: History.com.
ব্যাখ্যা
- 'ট্রুম্যান ডকট্রিন' ১৯৪৭ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হেনরি এস ট্রুম্যান দ্বারা ঘোষণা করা হয়।
- এটি ছিল একটি পররাষ্ট্রনীতি যার লক্ষ্য ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সোভিয়েত ইউনিয়নের ভূ-রাজনৈতিক বিস্তার প্রতিরোধ করা।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গ্রিস ও তুরস্কে চলমান কমিউনিস্ট বিদ্রোহ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি দেয়।
- ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র গ্রিস ও তুরস্কের সামরিক বাহিনীকে আর্থিক সহায়তা দিতে শুরু করে।
উৎস: National Archives (.gov).
ব্যাখ্যা
- উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট বা ন্যাটো একটি সামরিক সহযোগিতার জোট।
- এটি ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডি.সি. তে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালের এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং আরও ৮টি ইউরোপীয় দেশসহ ১২ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য একে অপরকে রাজনৈতিক ও সামরিক ক্ষেত্রে রক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে উত্তর আটলান্টিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল।
- ন্যাটো জোটভুক্ত দেশগুলোর পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা প্রদানে অঙ্গীকারবদ্ধ।
- বর্তমান সদস্য ৩১টি রাষ্ট্র।
- পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর ৩১তম সদস্য হলো ফিনল্যান্ড।
উৎস: NATO এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
৬০ এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন তুঙ্গে উঠলে শ্বেতাঙ্গ শাসকরা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস (ANC) এর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে।
- পরবর্তীতে ১৯৭৬ সালে ANC ও এর সমর্থক গোষ্ঠী এক বিশাল বিক্ষোভ প্রদর্শন করে যা Soweto uprising নামে বিখ্যাত।
- এই বিক্ষোভ সমাবেশে পুলিশের গুলিতে ৬০০ এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছিলো।
- এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ১৯৮০ এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকা গৃহযুদ্ধের দিকে ধাবিত হয়।
তথ্যসূত্র: Britannica.com
ব্যাখ্যা
- এর সদস্যরা বুঝতে পারে যে পারমাণবিক হুমকি দূর করার একমাত্র উপায় - বিস্তার, পারমাণবিক সন্ত্রাস এবং মানবিক বিপর্যয় - পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার বন্ধ করা, সমস্ত পারমাণবিক উপকরণ সুরক্ষিত করা এবং সমস্ত পারমাণবিক অস্ত্র নির্মূল করা।
- পারমাণবিক অস্ত্র নির্মূলকে জরুরী বৈশ্বিক অপরিহার্য করে তোলার জন্য মিডিয়া, অনলাইন এবং তৃণমূলের উদ্যোগ সহ জনসাধারণের সাথে যোগাযোগের সাথে অত্যাধুনিক নীতি উন্নয়ন এবং সরকারের সাথে সরাসরি সংলাপের সংমিশ্রণ।
- ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে প্যারিসে চালু হয় গ্লোবাল জিরো।
- এতে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন বিশ্বনেতা এবং অর্ধ মিলিয়ন নাগরিককে অন্তর্ভুক্ত করেছে; চারটি গ্লোবাল জিরো সামিট এবং অসংখ্য আঞ্চলিক সম্মেলনের আয়োজন করেছে; ২৯ টি দেশে ১৭৫ টিরও বেশি ক্যাম্পাস অধ্যায় সহ একটি আন্তর্জাতিক ছাত্র আন্দোলন গড়ে তুলেছে।
উৎস: globalzero.org
ব্যাখ্যা
- সৌদি আরবের কোনো লিখিত সংবিধান নেই।
- ১৯৯২ সালে জারি করা "মৌলিক আইন" (Basic Law of Governance)-ই কার্যত সংবিধানের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- আইনের উৎস: ইসলামী শরিয়াহ্ (শাফি মাযহাব ভিত্তিক হানবালি ফিকহ);
- কুরআন ও সুন্নাহ্ হলো প্রধান আইনগ্রন্থ।
- রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম; বিশেষত সুন্নি হানবালি মাজহাবই রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত।
- রাজতন্ত্র রাজা হচ্ছেন রাষ্ট্রপ্রধান, সরকারপ্রধান এবং সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ নেতা।
- রাজপরিবারের ভূমিকা: শাসনব্যবস্থার মূল ক্ষমতা রাজপরিবারের হাতে কেন্দ্রীভূত;
- রাজা নিজেই প্রধান মন্ত্রী নিয়োগ করেন এবং নীতিনির্ধারণ করেন।
- সংসদ (Shura Council): সৌদি আরবে প্রচলিত পশ্চিমা স্টাইলে সংসদ নেই;
- এর পরিবর্তে আছে “Majlis al-Shura” বা পরামর্শ পরিষদ।
- Majlis al-Shura এর কাঠামো: গঠিত হয় ১৫০ জন সদস্য ও একজন স্পিকারের সমন্বয়ে।
উল্লেখ্য,
- ওমান এর সংবিধান প্রণয়ন: ১৯৯৬ সালে "বেসিক ল" নামে সংবিধান প্রণীত; ২০০৩ সালে সংশোধিত।
- ইরাক সংবিধান প্রণয়ন: ২০০৫ সালে জাতীয় গণভোটের মাধ্যমে গৃহীত।
- ইরানে সংবিধান প্রণয়ন হয় ১৯৭৯ সালে গণভোটের মাধ্যমে।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
গডস আর্মি:
- ‘গডস আর্মি' মিয়ানমারের একটি গেরিলা সংগঠন।
- গডস আর্মি হল কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়নের একটি বিচ্ছিন্ন দল।
- সংগঠনটির নেতৃত্ব দেয় যমজ ভাই জনি এবং লুথার হটু।
- ১৯৯৭ সালে সাউ তুই তুই এটা প্রতিষ্ঠা করেন।
অন্যদিকে -
- লেবাননের গেরিলা সংগঠন হিজবুল্লাহ।
- শ্রীলঙ্কার গেরিলা সংগঠন LTTE.
- ফিলিপাইনের গেরিলা সংগঠন MNLF.
উৎস: Federation of American Scientists.
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
- দাপ্তরিকভাবে ন্যাটো গঠনের উদ্দেশ্য হচ্ছে "উত্তর আটল্যান্টিক অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ও কল্যাণ" নিশ্চিত করে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর 'স্বাধীনতা, অভিন্ন ঐতিহ্য এবং সভ্যতার' রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করা। চুক্তি অনুযায়ী, ন্যাটো ভুক্ত যে কোনো দেশের উপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটি জোটভুক্ত সব দেশের উপর হামলা বলেই গণ্য হবে এবং সব দেশ একে অন্যের সহায়তায় এগিয়ে আসবে।
⇒ ১৯৯২ সালে বসনিয়া যুদ্ধের মাধ্যমে ন্যাটো প্রথম কোনো সামরিক অভিযানে অংশ নেয়।
- এরপর ১৯৯৯ সালে কসোভো যুদ্ধে বিমান বাহিনীর মাধ্যমে দ্বিতীয় অভিযানে নামে তারা।
- আর তৃতীয় অভিযান শুরু করে ২০০১ সালে আফগানিস্তানে।
- ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ইরাক যুদ্ধে সহায়তা কার্যক্রম চালায় ন্যাটো।
উল্লেখ্য,
- ন্যাটোর মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসনের হাত থেকে পশ্চিম বার্লিন এবং ইউরোপের নিরাপত্তা বাস্তবায়ন করা।
- ন্যাটো একটি যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি, যে চুক্তির আওতায় জোটভুক্ত দেশগুলো পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
- যুক্তরাষ্ট্রে নাইন-ইলেভেনের সন্ত্রাসী হামলার পর ন্যাটো তাদের রক্ষায় মাঠে নামে।
- এর প্রত্যেকটি সদস্য রাষ্ট্র তাদের সামরিক বাহিনীকে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখতে বদ্ধপরিকর।
উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- পূর্ণরূপ - North Atlantic Treaty Organization.
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ন্যাটো ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে।
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ১২টি দেশ।
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩২টি দেশ। (নভেম্বর, ২০২৪)।
- NATO এর মহাপরিচালক Mark Rutte.
এছাড়াও,
অনুচ্ছেদ - ১০: Open Door Policy [নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি]।
- ন্যাটোর নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি হয় এই অনুচ্ছেদ অনুসারে।
- ন্যাটোর সদস্য হওয়ার পূর্ব শর্ত হলো - দেশটিকে ইউরোপিয়ান দেশ হতে হবে।
সূত্র - ন্যাটো ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- শেনজেন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৪ জুন ১৯৮৫ সালে।
- এই চুক্তির বিষয়বস্তু ছিল ইউরোপের বিভিন্ন দেশসমূহের ইউরোপীয় অঞ্চলে এক ভিসা বা ভিসামুক্ত চলাচল।
- এই চুক্তিটি লুক্সেমবার্গের শেনজেনে স্বাক্ষরিত হয়।
- ম্যাসট্রিচট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২ সালে এবং এটি কার্যকর হয় ১ লা নভেম্বর ১৯৯৩ সালে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশসমূহে একক মুদ্রা ইউরো চালু হয়।
- বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ১৯ টি দেশে ইউরো মুদ্রা চালু আছে।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
ব্যাখ্যা
- THAAD (Terminal High Altitude Area Defense) হলো একটি অত্যন্ত কার্যকর এবং যুদ্ধক্ষেত্রে পরীক্ষিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যা স্বল্প, মধ্যম এবং মধ্য-পরিসরের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হুমকির বিরুদ্ধে কাজ করে।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যা বায়ুমণ্ডলের ভেতরে এবং বাইরে উভয় জায়গায় লক্ষ্যবস্তু আটকাতে সক্ষম।
- এই ব্যবস্থা ধারাবাহিকভাবে এর কার্যকারিতা উন্নয়নের জন্য প্রযুক্তিগত আপগ্রেডের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যাতে বর্তমান ও ভবিষ্যতের হুমকির বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা আরও মজবুত হয়।
- ২০২২ সালের মার্চ মাসে, THAAD সফলভাবে PAC-3 MSE (Missile Segment Enhancement) এর সঙ্গে ইন্টিগ্রেশনের মাধ্যমে যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহারের ক্ষেত্র আরও প্রসারিত করে এবং ফাইটারদের জন্য কৌশলগত নমনীয়তা বৃদ্ধি করে।
উৎস: LOCKHEED MARTIN ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- পোর্ট ব্লেয়ার ভারতের আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী।
এছাড়াও,
- সিকিমের রাজধানী : গ্যাংটক।
- দাদরা ও নগর হাভেলির রাজধানী- দামান।
- পুদুচেরির রাজধানী- পুদুচেরি।
উৎস: knowindia.india.gov.in ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা
ব্যাখ্যা
• ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement):
- ডেটন চুক্তি হলো বসনীয় যুদ্ধের অবসান ঘটানো একটি গুরুত্বপূর্ণ শান্তিচুক্তি।
- ১৯৯৫ সালের ২১ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের রাইট–প্যাটারসন এয়ার ফোর্স বেসে চুক্তিটি চূড়ান্ত হয়।
- এবং ১৪ ডিসেম্বর ১৯৯৫ সালে প্যারিসে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মাধ্যমে ১৯৯২–১৯৯৫ সাল পর্যন্ত চলা রক্তক্ষয়ী বসনীয় যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
- এই চুক্তির পূর্ণ নাম— The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল বসনিয়া ও হার্জেগোভিনাকে একটি অখণ্ড ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে টিকিয়ে রাখা।
- চুক্তি অনুযায়ী দেশটি দুটি সত্তায় বিভক্ত হয়—বসনিয়াক–ক্রোয়াট ফেডারেশন এবং সার্ব প্রজাতন্ত্র (Republika Srpska), তবে রাজধানী সারায়েভো অবিভক্ত থাকে।
- চুক্তিতে শান্তি আলোচনার নেতৃত্ব দেন মার্কিন কূটনীতিক রিচার্ড হলব্রুক।
- এছাড়া চুক্তির মধ্যস্থতায় ছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন-
- বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট আলিয়া ইজেতবেগোভিচ,
- ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান,
- এবং সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
- আফিমের চোরাচালানকে কেন্দ্র করে যে যুদ্ধদ্বয় সংঘটিত হয়েছিলম, তাই আফিম যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি উনিশ শতকের গোড়া থেকে চীনের সঙ্গে ব্যবসায়ে ঘাটতি মেটাতে বঙ্গদেশ থেকে চীনে আফিম রপ্তানি শুরু করে।
- চীনা শাসকরা ১৮৩৯ সালে আফিম আমদানি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
- কিন্তু ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি অবৈধ উপায়ে এ ব্যবসা অব্যাহত রাখে।
- কোম্পানির অবৈধ আফিম ব্যবসার কারণে চীন ও ব্রিটেনের মধ্যে যুদ্ধ বাধে।
- চীনারা পরাজিত হয় এবং চীন ১৮৪২ সালে নানকিং চুক্তি স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়।
- ব্রিটেনের প্রয়োজন ছিল আফিম ব্যবসা অব্যাহত রাখার অনুমতি লাভ করা।
- আফিমের বাজার সম্প্রসারণের দাবির প্রশ্নে ব্রিটিশের সঙ্গে চীনাদের দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধ (১৮৫৮) শুরু হয়।
- চীন আবারও পরাজিত হয়।
- এই যুদ্ধ ইতিহাসের পাতায় এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় দখল করে আছে।
- এই যুদ্ধ তৎকালীন চীনের স্বাধীনতাকে খর্ব করে দিয়েছিল।
অন্যদিকে:
- ১৩ জুন, ১৯৭৫ সালে স্বাক্ষরিত হয় আলজিয়ার্স চুক্তি।
- এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ইরাক ও ইরানের মধ্যে।
- এই চুক্তির বিষয়বস্তু ছিল শাত-ইল-আরব সহ দুই দেশের বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে।
উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে লাহোর সম্মেলনে ওআইসি সদস্যপদ লাভ করে। ওআইসির শীর্ষ সম্মেলন প্রতি তিন বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ ওআইসির ১৪তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় সৌদি আরবের জেদ্দায় ২০১৯ সালে।
ওআইসির অফিসিয়াল ভাষা ৩টি যথাঃ আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি। বর্তমান মহাসচিব সৌদি আরবের ড. ইউসুফ বিন আল-ওথাইমিন। ওআইসি মহাসচিবের মেয়াদ ৫ বছর।
উৎসঃ ওআইসি ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- 'নুরেমবার্গ ট্রায়াল' যুদ্ধাপরাধ-এর সাথে সংশ্লিষ্ট।
- নুরেমবার্গ ট্রায়াল হচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৫-৪৬ সালে জার্মানির বাভারিয়া রাজ্যের নুরেমবার্গ শহরে অনুষ্ঠিত বিচার প্রক্রিয়ার নাম।
⇒ ইন্টারন্যাশনাল মিলিটারি ট্রাইব্যুনাল হিটলারের নাৎসি বাহিনীর নেতাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ গঠন করে এবং তাদের বিচার করে।
- তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো ছিল মূলত চার ধরনের যথা:
১. শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ। যেমন: আন্তর্জাতিক চুক্তি লঙ্ঘন করে ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের পরিকল্পনা, যুদ্ধের জোগাড় এবং যুদ্ধ শুরু করা।
২. মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। যেমন: মানুষকে সমূলে বিনাশ করা, বাসস্থান থেকে বিতাড়ন করা এবং গণহত্যা।
৩. যুদ্ধাপরাধ তথা যুদ্ধের আইনসমূহ লঙ্ঘন।
৪. উপরিউক্ত তিনটি অপরাধ করার সাধারণ পরিকল্পনা বা ষড়যন্ত্র করা।
⇒ আন্তর্জাতিক এই সামরিক ট্রাইবুনালে বিশিষ্ট ২২ জন নাৎসি কর্মকর্তার বিচার শুরু হয়েছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরপরই নুরেমবার্গের আদালতে শীর্ষ নাৎসি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।
- যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের কারণে বিচার হয় তাদের।
- বিচারাধীনদের মধ্যে ছিল সামরিক কর্মকর্তা, রাজনীতিক, অর্থনৈতিক উপদেষ্টা।
- ১৯৪৫ সালের ২০ নভেম্বর শুরু হয় এই বিচার।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
- ব্রিটেনের প্রশাসনিক সদর দপ্তরক 'হোয়াইট হল'
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন 'হোয়াইট হাউজ'
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়ের নাম ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিট।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- ULFA ভারতের আসাম রাজ্যের স্বাধীনতাকামী সংগঠন।
- এর পূর্ণরূপ United Liberation Front of Assam.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৯ সাল।
- উলফার নেতাদের মধ্যে পরেশ বড়ুয়া, অনুপ চেটিয়া, অরবিন্দ রাজখোয়া প্রমুখ উল্লেখযোগ্য।
- বাংলাদেশের আলোচিত দশট্রাক অস্ত্রের চোরাচালানের সাথে উলফা জড়িত ছিলো।
তথ্যসূত্র - South Asia Terrorism Portal.
ব্যাখ্যা
• পি.এল.ও:
- পি.এল.ও (Palestine Liberation Organization) হলো ফিলিস্তিনের একটি রাজনৈতিক দল এবং গেরিলা সংগঠন।
- এর সদর দপ্তর রামাল্লাহ, ফিলিস্তিনে অবস্থিত।
- এটি ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রথম চেয়ারম্যান ছিলেন আহমদ শুকিরি, আর
- তৃতীয় চেয়ারম্যান ছিলেন ইয়াসির আরাফাত।
- বর্তমান চেয়ারম্যান: মাহমুদ আব্বাস [ জানুয়ারি, ২০২৬]।
- PLO প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল মূলত ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে।
তথ্যসূত্র: Britannica.
ব্যাখ্যা
• New START চুক্তি:
- New START চুক্তি হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার মধ্যে একটি পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাস চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ৮ এপ্রিল, ২০১০।
- কার্যকর হয়: ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১।
- স্বাক্ষর করেছিলেন: প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও দিমিত্রি মেদভেদেভ।
- মস্কো ও ওয়াশিংটন মোট কতসংখ্যক কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করতে পারবে, তার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারিত করে দিয়েছিল এই চুক্তি।
- ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ‘নিউ স্টার্ট চুক্তি’ স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
উৎস:- মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং রয়টার্স।
ব্যাখ্যা
- START এর পূর্ণরূপ: Strategic Arms Reduction Treaty.
- এটি হলো কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি।
- START-1 স্বাক্ষরিত হয়: ৩১ শে জুলাই ১৯৯১।
- START-2 স্বাক্ষরিত হয়: ৩ জানুয়ারি ১৯৯৩।
- স্বাক্ষরকারী দেশ- রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র।
- উদ্দেশ্য- দুরপাল্লার পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র ১০ বছরের মধ্যে দু-তৃতীয়াংশ হ্রাস করা।
সূত্র: Britannica.com ও U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরের তারিখ - ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকরের তারিখ - ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল - ২০০২ সাল।
তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টরি ডট কম।
ব্যাখ্যা
Ping Pong Diplomacy:
- পিং পং ডিপলোমেসির ইংরেজি প্রতিশব্দ Shuttle Diplomacy.
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চীনের সম্পর্ক উন্নয়নে টেবিল টেনিস বা পিংপং খেলা গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- ইতিহাসে এই ঘটনা পিংপং ডিপ্লোমেসি নামে পরিচিত।
- পিং পং ডিপ্লোম্যাসির (Ping pong diplomacy) মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলা ২০ বছরের বৈরি সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে।
⇒ ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং এর নেতৃত্বে চীনে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের অবনতি হয়।
- ১৯৭১ সালে জাপানের নাগোয়াতে অনুষ্ঠিত ৩১তম বিশ্ব টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ প্রতিযােগীতায় আসা যুক্তরাষ্ট্রের টীমকে চীনে আমন্ত্রন জানিয়ে এই অচলবস্থা সহজ হয়ে আসে।
- ১৯৪৯ সালের পর কোনো মার্কিন প্রতিনিধির এটাই প্রথম চীন সফর।
- সেই ঐতিহাসিক সফরের পর চীন-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হয়।
⇒ ১৯৭১ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার এক গােপন সফরে চীন যান।
- ১৯৭২ সালে চীন তাদের টেবিল টেনিস টীম যুক্তরাষ্ট্র সফরে পাঠায়।
- ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট নিক্সন চীন সফরে যান এবং তারপর থেকে চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়ে আসে।
- এটি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক উন্নয়নে বড় অবদান রেখেছে।
উল্লেখ্য,
- টেবিল টেনিস খেলাটি ২০ শতকের প্রথম দিকে ইংল্যান্ডে উদ্ভাবিত হয়েছিল এবং টেবিল টেনিস নামটি ১৯২১-২২ সালে গৃহীত হয়েছিল।
- প্রথম বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ ১৯২৬ সালে লন্ডনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, এবং তারপর থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত খেলায় মধ্য ইউরোপের খেলোয়াড়দের দ্বারা আধিপত্য ছিল।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।
⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।
⇒ উল্লেখ্য, কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।
উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.
ব্যাখ্যা
- কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়ন থেকে গডস আর্মির জন্ম হয়েছে।
- লুথার ও জনি নামের দুই কিশোর গডস আর্মি গড়ে তোলে।
- এর সদস্য সংখ্যা ছিলো ২শ এর মতো।
অন্যদিকে,
- রেড আর্মি : জাপানের কমিউনিস্ট গেরিলা
- সংগঠন - ব্ল্যাক ক্যাট : ভারতের কমান্ডো বাহিনী
- লর্ডস রেসিস্টেন্স আর্মি : উগান্ডার বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
(তথ্যসূত্রঃ নিউইয়র্ক টাইমস ও ব্রিটানিকা)
ব্যাখ্যা
সিয়াচেন হিমবাহ:
- ‘সিয়াচেন হিমবাহ’ অবস্থিত উত্তর কাশ্মীরে।
- সিয়াচেন হিমবাহ পৃথিবীর উচ্চতম যুদ্ধক্ষেত্র বলে পরিচিত।
- 'সিয়াচেন হিমবাহ' পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যকার একটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
⇒ কারাকোরাম পর্বতের সিয়াচেন হিমবাহ দখলে রাখা নিয়ে দুই চিরবৈরী দেশ ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে লড়াই শুরু হয় আশির দশকের গোড়া থেকে।
- তবে দ্বন্দ্বের বীজ লুকিয়ে ছিল দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া করাচি আর সিমলা চুক্তি দুটির মধ্যেই – যেখানে ‘এন জে ৯৮৪২’ নামের একটি অবস্থানের পরে নিয়ন্ত্রণ রেখা নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা হয়নি মানচিত্রে।
- মনে করা হত ওই এলাকার আবহাওয়া এতটাই প্রতিকুল, যেখানে কোনও মানুষ থাকতে পারবে না।
অন্যদিকে,
• ভারত ও মিয়ানমারের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল ইম্ফল।
• ভারত ও নেপালের মধ্যে অমীমাংসিত ভূখন্ড হলো কালাপানি,
• ভারত ও চীনের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল লাদাখ,
উল্লেখ্য,
- ১৯৮৪ সালে ভারত অপারেশন মেঘদূতের (Operation Meghdoot) মাধ্যমে সিয়াচেন হিমবাহের ৭০% নিয়ন্ত্রণ নেয়।
উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
ব্যাখ্যা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের সাথে ইসরাইলের সম্পাদিত শান্তি চুক্তিটি ‘আব্রাহাম চুক্তি’ নামে পরিচিত।
গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ হোয়াইট হাউজে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত তৃতীয় আরব দেশ এবং বাহরাইন চতুর্থ আরব দেশ হিসেবে ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করল।
(সূত্র: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ওয়বসাইট)
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
Human Rights Watch (HRW) :
- প্রতিষ্ঠা ও ইতিহাস :1978 সালে "Helsinki Watch" নামে প্রতিষ্ঠিত,
- যা পরবর্তীতে 1988 সালে Human Rights Watch নাম ধারন করে।
- এটি যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা।
- এর সদর দপ্তর নিউ ইয়র্ক সিটিতে অবস্থিত।
- প্রথমে সোভিয়েত ইউনিয়নের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করাই ছিল এর উদ্দেশ্য,
- পরবর্তীতে এর কার্যক্রম বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।
- ১৯৯৭ সালে International Campaign to Ban Landmines-এর সাথে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পায়।
উৎস: Human Rights Watch ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স (ISF):
- ফিলিস্তিনের গাজায় সংঘাত বন্ধে ২০ দফা শান্তি প্রস্তাব করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন পেয়েছে।
- পরিকল্পনাটিতে একটি ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স(আইএসএফ) গঠনের কথা বলা হয়েছে।
- ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, গাজার নিরাপত্তায় সহায়তার পাশাপাশি যুদ্ধবিরতি চুক্তি ঠিকঠাক বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, তার ওপর নজর রাখবে আন্তর্জাতিক এই বাহিনী।
- তবে তাত্ত্বিকভাবে বলতে গেলে, এই বাহিনী কাজ করবে ইসরায়েল ও মিসরের সঙ্গে।
- তাদের লক্ষ্য গাজাকে অস্ত্রমুক্ত করা। একই সঙ্গে একটি ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া।
উৎস প্রথম আলো।
ব্যাখ্যা
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন সাধারণত প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে জার্মানির মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র/সরকার প্রধান, আন্তর্জাতিক ও বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন পেশাজীবী, একাডেমিশিয়ান, বিশেষজ্ঞ প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে বৈশ্বিক নিরাপত্তাগত পলিসি, চ্যালেঞ্জ ও সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা হয়।
- ১৯৬৩ সাল থেকে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
- ৫৮তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন ২০২২ সালের ১৮-২০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান দুই উদ্যোক্তা এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক এই সম্মেলনকে বিশ্বজনীন রূপ দেওয়ার প্রয়াসে নতুন রূপরেখা তৈরি করেন।
তথ্যসূত্র:- সিকিউরিটি কনফারেন্স সংস্থা ওয়েবসাইট, প্রথম আলো।
ব্যাখ্যা
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৯৫৮ সালের ১ জানুয়ারি।
- ৬টি দেশের উদ্যোগে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
দেশগুলো হলো:
- বেলজিয়াম
- নেদারল্যান্ডস
- লুক্সেমবার্গ
- ফ্রান্স
- ইতালি ও
- জার্মানি।
- পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বর ম্যাস্ট্রিক্ট চুক্তি কার্যকরের মাধ্যমে ‘ইউরোপিয়ান ইকোনমিক কমিউনিটি’ ‘ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে’ পরিণত হয়।
(সূত্র: ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ওয়েবসাইট)