বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

মোট প্রশ্ন৩,৩৩৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

PrepBank · পাতা ২৩ / ৩৪ · ২,২০১২,৩০০ / ৩,৩৩৯

২,২০১.
LDC ভুক্ত দেশ সমূহের ৫ম সম্মেলন কোন দেশে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ইন্দোনেশিয়া
  2. খ) সুইজারল্যান্ড
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) কাতার
ব্যাখ্যা
LDCs এর পূর্ণরূপ হলো Least Developed Countries.
- LDC হলো জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন ১৯৭১ সালে তৈরিকৃত বিশ্বের সবচেয়ে অনুন্নত দেশসমূহের একটি তালিকা।
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে LDC তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- বর্তমানে LDC তালিকায় ৪৬টি দেশ রয়েছে।

LDC ভুক্ত দেশ সমূহের পঞ্চম সম্মেলন:
- জাতিসংঘের উদ্যোগে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর পঞ্চম LDC সম্মেলন (5th United Nations Conference on the Least Developed Countries-LDC5) ২০২৩ সালের ৫-৯ মার্চ কাতারের রাজধানী দোহায় অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে দোহা প্ল্যান অব একশন : ২০২২-২০৩১ গৃহীত হয়।
- সম্মেলনে সদস্য দেশসমূহকে ২০৩০ সালের মধ্যে SDG অর্জনের উপর জোর দেওয়া হয়।


উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো LDC তালিকা থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করে। অর্জিত লক্ষ্যসমূহ ২০২১ সাল পর্যন্ত অক্ষুন্ন থাকায় ২০২৬ সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে LDC তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
সম্মেলনের লিঙ্ক: [Link]
২,২০২.
অকাস কী ধরণের চুক্তি?
  1. নিরাপত্তা চুক্তি
  2. বাণিজ্য চুক্তি
  3. পরিবেশগত চুক্তি
  4. রোম চুক্তি
ব্যাখ্যা
অকাস চুক্তি:
- অকাস চুক্তি হলো অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে।
- ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন অর্জনে সহায়তা করবে।
- এই চুক্তির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে 'সাইবার সক্ষমতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং অতিরিক্ত জলসীমার ক্ষমতা' বিষয়ে সহযোগিতা।

উৎস: U.S. Department of Defense .gov[Link]
২,২০৩.
চীন আফ্রিকার দেশ জিবুতিতে কত সালে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করে?
  1. ক) ২০১৫
  2. খ) ২০১৬
  3. গ) ২০১৭
  4. ঘ) ২০১৮
ব্যাখ্যা
China’s first overseas military base provides an interesting test case for its global ambitions. Since its construction, the Chinese People’s Liberation Army Support Base in Djibouti has become an increasingly important outpost in the Horn of Africa. The base’s geostrategic location yields insights into China’s machinations for the region. On July 11, 2017, the army deployed ships from the South Sea Fleet to officially open the base. The opening ceremony on August 1, 2017 was followed a month and a half later with live fire exercises.
The Diplomat Archive.
২,২০৪.
বিরোধপূর্ণ দ্বীপ 'প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ' কোন সাগরে অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ চীন সাগর
  2. লোহিত সাগর
  3. জাপান সাগর
  4. পূর্ব চীন সাগর
ব্যাখ্যা
প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ:
- প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত একটি ছোট দ্বীপপুঞ্জ।
- এটি প্রায় ১৩০টি প্রবাল দ্বীপ ও প্রাচীর নিয়ে গঠিত।
- প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন এবং ভিয়েতনাম এর মধ্যে দ্বন্দ্ব বিদ্যমান।
- এছাড়া, তাইওয়ানও প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জের উপর নিজের অধিকার দাবি করে থাকে।
- প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ প্রায় মানব বসতিহীন।
- এখানে তেল এবং গ্যাসের সম্ভাব্য ভাণ্ডার রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- দক্ষিণ চীন সাগরে সীমানা নিয়ে বিভিন্ন দেশ বিরোধে লিপ্ত ছিল বহু শত বছর ধরে।
- বিশেষ করে সম্প্রতি চীন যে ধরণের ব্যাপক দাবি শুরু করেছে, যার মধ্যে বিভিন্ন দ্বীপপুঞ্জ এবং সংলগ্ন জলসীমাও রয়েছে, তা ভিয়েতনাম, ফিলিপিন্স, তাইওয়ান, মালয়েশিয়া এবং ব্রুনেইকে ক্ষুব্ধ করেছে।
- এসব দেশও এখন দক্ষিণ চীন সাগরে সীমানা নিয়ে পাল্টা দাবি করছে।
- অন্যান্য দেশও সাগরের মাঝখানে প্যারাসেল এবং স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জ এবং সাগরের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর তাদের অধিকার দাবি করছে।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
২,২০৫.
কোন আন্দোলনের সাথে 'পঞ্চশীলা' নীতির সর্ম্পক রয়েছে?
  1. ক) জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন
  2. খ) অসহযোগ আন্দোলন
  3. গ) নকশাল আন্দোলন
  4. ঘ) ফরায়েজি আন্দোলন
ব্যাখ্যা
• 'পঞ্চশীলা' নীতি:
 ১৯৫৪ সালের এপ্রিল মাসে ভারত-চীন সম্পর্ক নির্ধারণের জন্য পাঁচটি নীতি গৃহীত হয়েছিল। এই পাঁচটি নীতি 'পঞ্চশীলা' নামে পরিচিত। 'পঞ্চশীলা" নীতি জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের পথকে আরোও ত্বরান্বিত করেছিল।

• এই পাঁচটি নীতি হলো:
[১] শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান;
[২] ভূঅখণ্ডতা এবং সার্বভৌমিকতা সম্পর্কে পারস্পরিক শ্রদ্ধা; 
[৩] অনাগ্রাসন; 
[8] অন্যের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করা;
[৫] সমতা ও পারস্পরিক সুবিধা।

• এই ‘পঞ্চশীল নীতির ওপর ভিত্তি করেই জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল। তবে বান্দুং সম্মেলন ও কায়রো সম্মেলনে জোট গঠনের প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন হয়। জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের প্রধান প্রবক্তা এবং নেতা ছিলেন ভারতের পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু, সাবেক যুগোশ্লাভিয়ার মার্শাল টিটো, ইন্দোনেশিয়ার সুকর্ন, মিশরের নাসের এবং ঘানার নক্রমা।

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
২,২০৬.
নৌযান থেকে ক্ষতিকর ও বিপদজনক পদার্থ সমুদ্র ও নদীতে নিক্ষেপ করা থেকে বিরত রাখার আন্তর্জাতিক চুক্তি কোনটি?
  1. লন্ডন কনভেনশন
  2. রামসার কনভেনশন
  3. মিনামাতা কনভেনশন
  4. রটারড্যাম কনভেনশন
ব্যাখ্যা
লন্ডন কনভেনশন (London Convention)
লন্ডন কনভেনশনের পূর্ণনাম - London Convention on the Prevention of Marine Pollution by Dumping of Wastes and Other Matter। নৌযান থেকে ক্ষতিকর ও বিপদজনক পদার্থ সমুদ্র ও নদীতে নিক্ষেপ করা থেকে বিরত রাখার জন্য এই আন্তর্জাতিক চুক্তিটি করা হয়। আন্তর্জাতিক উপকূলীয় সংস্থা (IMO) - এর সহায়তায় এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
⤇ চুক্তি অনুমোদন - ১৯৭২ সাল
⤇ চুক্তি কার্যকর - ১৯৭৫ সাল
⤇ চুক্তিবদ্ধ পক্ষ - ৮৭টি দেশ।

- রামসার কনভেনশন - জলাভূমি ও এর জীববৈচিত্র্য রক্ষার উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- মিনামাতা কনভেনশন - পারদের বিপজ্জনক ব্যবহার রোধ করার জন্য UNEP - এর তত্ত্ববধানে মিনামাতা কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়।
- রটারড্যাম কনভেনশন - মানব স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কয়েকটি রাসায়নিক দ্রব্যের বাণিজ্য (কেনাকাটা ও আমদানি-রপ্তানি) নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তি।

উৎস: IMO Website ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
২,২০৭.
ভারতের মুম্বাইতে সন্ত্রাসী হামলার জন্য দায়ী ছিল কোন সংগঠন?
  1. জম্মু কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্ট
  2. লস্কর-ই-তৈয়বা
  3. Liberation Tigers of Tamil Eelam-LTTE
  4. তালেবান
ব্যাখ্যা
লস্কর-ই-তৈয়বা: 
- লস্কর-ই-তৈয়বা (এলইটি) আর্মি অফ দ্য রাইটিয়াস নামেও পরিচিত। 
- এটি একটি পাকিস্তান-ভিত্তিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী যা ১৯৮০-এর দশকে গঠিত হয়েছিল।
- এলইটি ১৯৯৩ সাল থেকে ভারতীয় সৈন্য এবং বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলির বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি উচ্চ-স্তরের আক্রমণ সহ অপারেশন পরিচালনা করেছে৷
- দলটি আফগানিস্তানে জোট বাহিনীতেও হামলা করেছে৷
- ২০০৮ সালের নভেম্বরে ভারতের মুম্বাইতে সন্ত্রাসী হামলার জন্য এলইটি দায়ী ছিল। 

উৎস: Rewards for Justice, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের দাপ্তরিক ওয়েবসাইট।
২,২০৮.
NASA এর সদর দপ্তর কোথায়?
  1. ফ্লোরিডা
  2. ওয়াশিংটন ডিসি
  3. কেপ কেনেডি
  4. টেকসাস
ব্যাখ্যা
NASA:
- NASA-এর পূর্ণরূপ হলো: National Aeronautics and Space Administration.
- NASA মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ জুলাই, ১৯৫৮।
- যাত্রা শুরু: ১ অক্টোবর, ১৯৫৮।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি.সি.।
- ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল হলো এটির উৎক্ষেপণ কেন্দ্র।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট।
২,২০৯.
নিম্নের কোন দেশ 'নাগার্নো কারাবাখ শান্তি চুক্তি' এর স্বাক্ষরকারী পক্ষ নয়?
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) আলবেনিয়া
  3. গ) আজারবাইজান
  4. ঘ) আর্মেনিয়া
ব্যাখ্যা
প্রতিবেশী দুই দেশ আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া‌র মধ্যে দক্ষিণ ককেশাসের বিতর্কিত অঞ্চল নাগার্নো-কারাবাখ নিয়ে দ্বন্দ্ব অনেক পুরনো।
- বিবাদপূর্ণ নাগার্নো-কারাবাখের মালিকানা ঘিরে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ সালে সর্বাত্মক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া।
- ৯ নভেম্বর ২০২০ সালে রাশিয়া, আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যকার 'নাগার্নো-কারাবাখ শান্তি চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয়।

উৎসঃ পত্রিকা রিপোর্ট।
২,২১০.
START কী?
  1. ক) বাণিজ্য সংক্রান্ত একটি চুক্তি
  2. খ) কৌশলগত অস্ত্র সীমিতকরণ চুক্তি
  3. গ) অর্থনীতি সংক্রান্ত একটি চুক্তি
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
স্ট্র্যাট চুক্তি (START):
- স্ট্র্যাট বা Strategic Arms Reduction Treaty স্বাক্ষরিত হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে।
- কৌশলগত অস্ত্র সীমিতকরণ চুক্তি ছিল এটি।
- ১৯৮২ সালের ২৯ জুন থেকে ১৯৯১ সালের জুন পর্যন্ত এ নিয়ে আলোচনা চলে ।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯১ সালের ৩১ জুলাই এবং কার্যকরী হয় ১৯৯৪ সালের ৫ ডিসেম্বর থেকে।
- ২০০৯ সালের ৫ ডিসেম্বর ওই চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যায়।
- ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন জর্জ বুশ ও মিখাইল গরবাচেভ। স্ট্র্যাট চুক্তিতে কৌশলগত অস্ত্র সীমিতকরণ একটা সমঝোতা হয়েছিল।

• স্ট্র্যার্ট-১ এ সিদ্ধান্ত হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকবে ৮৫৫৬টি অস্ত্র, আর কমনওয়েলথ অব ইন্ডিপেনডেন্ট ষ্টেটস (রাশিয়ার নেতৃত্বে) এর হাতে থাকবে ৬১৬৩টি ।
• স্ট্র্যাট-২ চুক্তিতে (১৯৯৩-২০০২) এই অস্ত্রের সংখ্যা কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত হয়েছিল ৪২৫০টি (যুক্তরাষ্ট্র) ও ৪২৫০টিতে (সিআই এস)। ২০০৩ সাল পরবর্তীতে এ সংখ্যা ৩৫০০টিতে নামিয়ে আনার ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
২,২১১.
ভিয়েনা কনভেনশনের কত নং ধারায় ‘পারসোনা-নন-গ্রাটা’ সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ৯ নং
  2. ১২ নং
  3. ১৮ নং
  4. ২২ নং
ব্যাখ্যা

ভিয়েনা কনভেনশন, (১৯৬১):
- Vienna Convention on Diplomatic Relations, 1961 হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা বিভিন্ন দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পরিচালনার নিয়মকানুন নির্ধারণ করে।
- গৃহীত হয়: ১৮ এপ্রিল, ১৯৬১ (ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া)।
- কার্যকর হয়: ২৪ এপ্রিল, ১৯৬৪।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ৬০টি।
- পক্ষ: ১৯৩টি দেশ।
- চুক্তিটিতে মোট ৫৩টি ধারা রয়েছে।

উলেখ্য,
- ভিয়েনা কনভেনশনের ৯ নং ধারায় 'পার্সোনা-নন-গ্রাটা' (Persona non grata) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- আর্টিকেল-৯-এ বলা হয়েছে যে, যেকোনো দেশ ওই দেশে নিযুক্ত অন্য দেশের কূটনীতিককে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই ‘পারসোনা নন গ্রাটা’ বা অগ্রহণযোগ্য বলে ঘোষণা করতে পারে। ওই কূটনীতিক সংশ্লিষ্ট দেশে পৌঁছানোর আগেই তাকে অগ্রহণযোগ্য ঘোষণা করা যায়। তখন প্রেরক রাষ্ট্রকে (কুটনীতিক ব্যক্তির নিজ রাষ্ট্র) অবশ্যই একটি যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে ওই ব্যক্তিকে প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় উক্ত ব্যক্তি (এ কনভেনশনের অধিনস্থ) তার কূটনৈতিক নিরাপত্তা হারাবেন। একটি দেশের কূটনীতিক মিশনের প্রধানসহ ওই মিশনে কর্মরত যেকোনো ব্যক্তিকে অগ্রহণযোগ্য ঘোষণা করা যেতে পারে।

উৎস: United Nations Treaty Collection.

২,২১২.
মিসরের ইতিহাসে একমাত্র নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ছিলেন?
  1. ক) জামাল আবদেল নাসের
  2. খ) আনোয়ার সাদাত
  3. গ) হোসনি মুবারক
  4. ঘ) মোহাম্মদ মুরসি
  5. ঙ) আবদেল ফাত্তাহ সিসি
ব্যাখ্যা
মিসরের ইতিহাসে প্রথম অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১২ সালের ৩০ জুন। এতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন মোহাম্মদ মুরসি। তবে তাকে ২০১৩ সালের ৩ জুলাই সেনাবাহিনী ক্ষমতাচ্যুত করে এবং প্রহসনের বিচারে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে। বিচার চলাকালেই ২০১৯ সালের ১৭ জুন তিনি আদালতে মারা যান। মিসরের অন্যান্য শাসকেরা অভ্যুথানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে। (সূত্রঃ আল জাজিরা)
২,২১৩.
'লাইন অব কন্ট্রোল' কোন দুটি রাষ্ট্রের সীমান্তবর্তী রেখা চিহ্নিত করে?
  1. ক) ইসরাইল ও জর্ডান
  2. খ) ভারত ও পাকিস্তান
  3. গ) চীন ও তাইওয়ান
  4. ঘ) দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যা
- লাইন অব কন্ট্রোল : ভারত ও পাকিস্তান
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল : ভারত ও চীন
- সনোরা লাইন : যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
- ডুরান্ড লাইন : পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।

(সূত্র: ব্রিটানিকা)
২,২১৪.
ডেল্টা ফোর্স কোন দেশের বিশেষ সশস্ত্র বাহিনী? 
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ইসরায়েল
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

• ডেল্টা ফোর্স: 
- ডেল্টা ফোর্স যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর একটি অত্যন্ত গোপন ও শক্তিশালী বিশেষ অভিযান ইউনিট।
- সদর দপ্তর: ফোর্ট ব্র্যাগ, নর্থ ক্যারোলাইনা।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯ নভেম্বর ১৯৭৭ সালে বেকউইথ এবং কর্নেল থমাস হেনরি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি Combat Applications Group (CAG), Army Compartmented Elements (ACE), Task Force Green এবং সংক্ষেপে “the Unit” নামেও পরিচিত, পাশাপাশি বিভিন্ন গোপন কভার নামও রয়েছে।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট স্পেশাল অপারেশনস কমান্ডের (জেএসওসি) সরাসরি অধীনে কাজ করে।

• দায়িত্ব: 
- এ ইউনিট মূলত সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান, জিম্মি উদ্ধার, সরাসরি সামরিক হামলা ও বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি-সংক্রান্ত কাজের জন্য প্রশিক্ষিত।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশে এ ইউনিটকে সবচেয়ে জটিল, গোপন ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে পাঠানো হয়।

প্রসঙ্গত, 
- ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে তুলে নেওয়ার অভিযানে নিজেদের বিশেষায়িত বাহিনী ‘ডেল্টা ফোর্স’ ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও প্রথম আলো।

২,২১৫.
'দোনেৎস্ক' ও 'লুহানস্ক' অঞ্চল কোন দেশের অংশ?
  1. রাশিয়া
  2. ইউক্রেন
  3. বেলারুশ
  4. পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা
দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক:
- ইউক্রেনের দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চল নিয়ে দনবাস গঠিত।
- পূর্ব ইউক্রেনের এই অঞ্চলটি কয়লা ও ভারী শিল্পে সমৃদ্ধ।
- ২০১৪ সাল থেকে দনবাসে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছে রাশিয়া।
- ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করে মস্কো।
- তখন দনবাসের বেশির ভাগ এলাকা দখল করে নেয় রুশ বাহিনী।
- বর্তমানে দনবাসের প্রায় ১৭ হাজার ৯৮০ বর্গমাইল বা প্রায় ৮৮ শতাংশ ভূখণ্ড রাশিয়ার দখলে।
- এর মধ্যে লুহানস্কের প্রায় পুরোটা ও দোনেৎস্কের চার ভাগের তিন ভাগ রুশ বাহিনীর দখলে রেখেছে।

সম্প্রতি,
- যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায় বৈঠকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের শর্ত হিসেবে পূর্বাঞ্চলের শিল্পাঞ্চল দনবাসের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রাশিয়ার হাতে দেওয়ার কথা বলেন। 

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]
২,২১৬.
বেলফোর ঘোষণা কোন রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কিত?
  1. আয়ারল্যান্ড
  2. ইসরায়েল
  3. জর্ডান
  4. মিশর
ব্যাখ্যা
বেলফোর ঘোষণা (১৯১৭):
- বেলফোর ঘোষণা ইসরায়েলের সাথে সম্পর্কিত। 
- তারিখ: ২ নভেম্বর, ১৯১৭ সাল। 
- বেলফোর ঘোষণা ছিল ব্রিটিশ সরকারের প্যালেস্টাইনে ইহুদিদের জন্য একটি জাতীয় আবাস প্রতিষ্ঠার পক্ষে সমর্থন।
- এটি ব্রিটিশ পররাষ্ট্র সচিব আর্থার জেমস বেলফোর থেকে লিওনেল ওয়াল্টার রথসচাইল্ড (দ্বিতীয় ব্যারন রথসচাইল্ড), অ্যাংলো-ইহুদি সম্প্রদায়ের এক নেতার কাছে চিঠি আকারে প্রেরিত হয়।
- ঘোষণাটি ইহুদি জনগণের জন্য একটি জাতীয় আবাসের প্রতিশ্রুতি দিলেও, এর সুনির্দিষ্ট অর্থ বিতর্কিত।
- এটি সাইকস-পিকট চুক্তি এবং হুসেইন-ম্যাকমোহন পত্রাচারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করা হয়।
- মূল কপিটি ব্রিটিশ লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আছে।
- এ ঘোষণার প্রেক্ষিতে ১৯৪৮ সালের ১৪ মে ইসরাইল রাষ্ট্রের জন্ম হয়।

হুসেন-ম্যাকমোহন চিঠিপত্র (১৯১৫-১৯১৬): 
- হুসেন-ম্যাকমোহন চিঠিপত্র হলো ১৯১৫-১৬ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন মক্কার আমির হুসেন ইবনে আলী এবং মিসরের ব্রিটিশ হাইকমিশনার স্যার হেনরি ম্যাকমোহনের মধ্যে বিনিময় হওয়া একধরনের আলোচনা।
- এই চিঠিপত্রে ব্রিটিশ সরকার কার্যত অটোমান সাম্রাজ্যের বিরোধিতায় আরবদের সহযোগিতার বিনিময়ে স্বাধীন আরব রাষ্ট্র গঠনে সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দেয়।
- পরে এই প্রতিশ্রুতি সাইকস-পিকট চুক্তি (১৯১৬) এবং বেলফোর ঘোষণা (১৯১৭) দ্বারা পরস্পরবিরোধী হয়ে পড়ে।
- সাইকস-পিকট চুক্তি ছিল ব্রিটেন ও ফ্রান্সের মধ্যে গোপন চুক্তি, যা মধ্যপ্রাচ্যের অঞ্চলগুলো ভাগাভাগির পরিকল্পনা করেছিল।
- অন্যদিকে, বেলফোর ঘোষণা প্যালেস্টাইনে ইহুদিদের জন্য একটি জাতীয় আবাস প্রতিষ্ঠার ব্রিটিশ সমর্থন ঘোষণা করে।

উৎস: Britannica.
২,২১৭.
নিচের কোন দেশটি ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য নয়?
  1. ইতালি
  2. নরওয়ে
  3. ডেনমার্ক
  4. সুইডেন
ব্যাখ্যা

NATO
- এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organisation.
- একটি সামরিক সহযোগিতার ও রাজনৈতিক জোট,
- এটা ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠালগ্নে NATO-এর সদস্য ছিল ১২টি দেশ, এগুলো হলো: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ইতালি, ফ্রান্স, কানাডা, নরওয়ে, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড, ডেনমার্ক, লুক্সেমবার্গ, পর্তুগাল এবং আইসল্যান্ড।

উল্লেখ্য, 
- বর্তমানে NATO-এর সদস্য সংখ্যা ৩২টি এবং এর সদর দপ্তর ব্রাসেলস, বেলজিয়ামে অবস্থিত।
- বর্তমান মহাসচিব হলেন মার্ক রুট্টে।[ফেব্রুয়ারি - ২০২৫]  
- NATO-এর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে মুসলিম দেশ হিসেবে আলবেনিয়া এবং তুরস্ক রয়েছে।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হিসেবে সুইডেন NATO-তে যোগ দিয়েছে। [ফেব্রুয়ারি - ২০২৫]  

সূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট। 

২,২১৮.
ওয়ারশ চুক্তি (Warsaw Pact) কোন দেশের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. কোনটি নয় 
ব্যাখ্যা

- ওয়ারশ চুক্তি ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর একটি সামরিক জোট। 

​ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact):
- Warsaw Pact বলতে বোঝায় Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance.
- এটি একটি প্রতিরক্ষা ও সামরিক চুক্তি।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত।
- মূলত সোভিয়েত ইউনিয়ন ন্যাটোর (NATO) বিকল্প সামরিক জোট হিসেবে ওয়ারশ চুক্তি জোট গঠন করে।
- ১৪ মে, ১৯৫৫ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- পূর্ব ইউরোপের রাষ্ট্র পোল্যান্ডের বৃহত্তম শহর ও রাজধানী ওয়ারশ এর নাম অনুসারে চুক্তিটির নামকরণ করা হয়।
- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্তির সাথে সাথে Warsaw Pact বিলুপ্ত হয়।

সূত্র: Britannica.

২,২১৯.
SAFTA চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৯৩ সালে
  2. খ) ১৯৯৮ সালে
  3. গ) ২০০৪ সালে
  4. ঘ) ২০০৫ সালে
ব্যাখ্যা
South Asian Free Trade Area (SAFTA) হলো দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি। এটি স্বাক্ষরিত হয় ২০০৪ সালের ৬ জানুয়ারি এবং কার্যকর হয় ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারি।

এই চুক্তির মূললক্ষ্য হলো সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে শুল্কহার শূন্যে নামিয়ে আনা। সার্কভুক্ত আটটি দেশ এটিতে স্বাক্ষর করেছে।

(তথ্যসূত্র: সার্ক সচিবালয় ওয়েবসাইট)
২,২২০.
ট্রিটি অব ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে কোন দেশকে যুদ্ধের জন্য দায়ী করা হয়?
  1. রাশিয়া
  2. জার্মানি
  3. ফ্রান্স
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
• ট্রিটি অব ভার্সাই (Treaty of Versailles):
- ট্রিটি অব ভার্সাই ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষে (১৯১৪–১৯১৮) মিত্রশক্তি (Allied Powers) এবং জার্মানির মধ্যে সম্পাদিত এক গুরুত্বপূর্ণ শান্তিচুক্তি।
- এই চুক্তি জার্মানিকে যুদ্ধের জন্য দায়ী করে এবং তাকে কড়া শর্তে বাধ্য করে যুদ্ধক্ষতিপূরণ দিতে।
- তারিখ: ২৮ জুন, ১৯১৯।
- স্থান: ভার্সাই প্রাসাদ, ফ্রান্স।

• প্রধান অংশগ্রহণকারী দেশ:
- মিত্রশক্তি (Allied Powers).
- যুক্তরাষ্ট্র (President Woodrow Wilson).
- যুক্তরাজ্য (PM David Lloyd George).
- ফ্রান্স (PM Georges Clemenceau).
- ইতালি (PM Vittorio Orlando).

• পরাজিত পক্ষ:
- জার্মানি – যার প্রতিনিধিরা অনেক শর্ত মানতে বাধ্য হয়।
• প্রধান শর্তাবলি:
- চুক্তির Article 231 (War Guilt Clause)-এ জার্মানিকে যুদ্ধ শুরু ও ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ দায় স্বীকার করতে হয়।
- যুদ্ধ ক্ষতিপূরণ (Reparations):
- জার্মানিকে ১৩২ বিলিয়ন গোল্ড মার্কস (প্রায় ৩৩ বিলিয়ন ডলার সমমূল্য) পরিশোধে বাধ্য করা হয়।
- জার্মান সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ ১ লক্ষ সৈন্য রাখার অনুমতি পায়।
- নৌবাহিনী সীমিত, বিমানবাহিনী নিষিদ্ধ, এবং ট্যাঙ্ক ও সাবমেরিন নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।

উল্লেখ্য,
- League of Nations গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বিশ্বে ভবিষ্যৎ যুদ্ধ ঠেকানোর জন্য একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা।

• নেতিবাচক:
- জার্মানির ওপর আরোপিত কঠোর শর্তাবলি অসন্তোষ ও অর্থনৈতিক দুরবস্থার সৃষ্টি করে।
- এই অসন্তোষ পরবর্তীতে হিটলারের উত্থান এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের (1939–1945) পথ প্রশস্ত করে।

উৎস: Britannica.com: Treaty of Versailles.
২,২২১.
নিচের কোন দেশ এনপিটি চুক্তিটি অনুমোদন করেনি?
  1. দক্ষিণ সুদান
  2. ইসরাইল
  3. ভারত
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• এনপিটি চুক্তি (NPT): 
- NPT বা Nuclear Non-Proliferation Treaty হচ্ছে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- এর উদ্দেশ্য ছিল পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ করা ও পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার।
- ১৯৬৫ সাল থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়।
- জাতিসংঘের উদ্যোগে ও ১৮ দেশের সমন্বয়ে গঠিত Committee on Disarmament এ ধরনের চুক্তি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে আসছিল।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৬৮ সালের ১ জুলাই।
- এবং কার্যকরী হয় ১৯৭০ সালের ৫ মার্চ থেকে। চুক্তিটি ২৫ বছর মেয়াদি ছিল।
- ২০১৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত বিশ্বের ১৯১টি দেশ এই চুক্তির প্রতি তাদের দায়বদ্ধতা স্বীকার করেছে।
- উত্তর কোরিয়া ২০০৩ সালে এনপিটি চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়।
- ভারত, ইসরাইল ও দক্ষিণ সুদান এনপিটি চুক্তিটি অনুমোদন করেনি।

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর- তারেক শামসুর রেহমান ও International Atomic Energy Agency.
২,২২২.
SALT এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Systematic Arms Limitation Treaty.
  2. Systematic Arms Limitation Talks.
  3. Strategic Arms Limitation Talks.
  4. Strategic Arms Limitation Treaty.
ব্যাখ্যা
• SALT এর পূর্ণরূপ Strategic Arms Limitation Talks. 
- SALT বা আলোচনা শুরু হয়েছিল ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকিতে ১৯৬৯ সালে।
- আলোচনা ও চুক্তি সীমাবদ্ধ ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে।
- এই আলোচনার সূত্র ধরেই Anti-Ballistii Missile Treaty স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- SALT- I চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৯৭২ সালের ২৬ মে।
- এই চুক্তি অনুযায়ী কৌশলগত যত ব্যালিস্টিক মিসাইল লাঞ্চার, অর্থাৎ পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ যন্ত্র আছে, তা “ফ্রিজ করা হয়।
- যাতে করে কোনো পক্ষ আর তার সংখ্যা বাড়াতে না পারে।
- আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। 

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর- তারেক শামসুর রেহমান।
২,২২৩.
বাংলাদেশ কত সালে Interpol এর সদস্যপদ লাভ করে কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা
Interpol:
- Interpol হল আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা।
- এর পূর্ণরূপ International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯২৩ সাল।
- বর্তমান সদর দপ্তর: লিওঁ, ফ্রান্স।
- ১৯৪৬ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে এবং ১৯৮৯ সালে ফ্রান্সের লিওঁ শহরে সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৬টি দেশ। (জুলাই, ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: পালাউ।
- বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে: ১৪ অক্টোবর, ১৯৭৬ সাল।
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা। (জুলাই, ২০২৫)
- তিনি ব্রাজিলের নাগরিক।
- ২০২৪ সালের নভেম্বরে যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত ৯২তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র - ইন্টারপোল অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,২২৪.
'AUKUS' জোটের সদস্যদেশ কোনগুলো? 
  1. জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া
  2. রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য
  3. অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র
  4. অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• AUKUS চুক্তি:
- AUKUS হলো অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি।
- ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি কার্যকর হয়: ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন অর্জনে সহায়তা করবে।

উৎস: U.S. Department of Defense (.gov).

২,২২৫.
'ওয়াগনার গ্রুপ' কী?
  1. ক) ভাড়াটে নিরাপত্তা দল
  2. খ) ভাড়াটে সেনাবাহিনী
  3. গ) জঙ্গি নির্মূল গোষ্ঠী
  4. ঘ) হ্যাকার গ্রুপ
ব্যাখ্যা
• রাশিয়ার ভাড়াটে সেনাবাহিনীদের নাম ওয়াগনার গ্রুপ।
- ওয়াগনার বাহিনী ভাড়াটে সেনাদের নিয়ে গঠিত।
- ওয়াগনারের প্রধান ইয়েভজেনি প্রিগোজিন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মিত্র হিসেবে পরিচিত।
- ওয়াগনার গ্রুপকে প্রথম চিহ্ণিত করা হয়েছিল ২০১৪ সালে ইউক্রেনে।
- সেখানে তারা পূর্ব ইউক্রেনে রুশপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সমর্থন দিচ্ছিল।
- তবে এর বাইরে সিরিয়া, মোজাম্বিক, সুদান এবং সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকেও তারা বিভিন্ন তৎপরতায় জড়িত ছিল।
- ওয়াগনার বাহিনী রাশিয়ার পক্ষ হয়ে ইউক্রেনে যুদ্ধ করছে।
- এর আগে এই বাহিনী সিরিয়া যুদ্ধে বাশার আল আসাদের পক্ষ হয়ে যুদ্ধ করে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা।
২,২২৬.
ইন্টারপোল কী?
  1. ক) নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা
  2. খ) আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা
  3. গ) বেসরকারি গোয়েন্দা সংস্থা
  4. ঘ) সীমান্তরক্ষী বাহিনী
ব্যাখ্যা
Interpol:

- এর পূর্ণরূপ International Criminal Police Organisation. 
- ইন্টারপোল হলো আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা। 
- এটি ১৯২৩ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- এর বর্তমান সদরদপ্তর ফ্রান্সের লিও শহরে অবস্থিত। তবে শুরুতে সদরদপ্তর ছিলো অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা শহরে। 
- ১৯৪৬ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে এবং ১৯৮৯ সালে ফ্রান্সের লিও শহরে সদরদপ্তর স্থাপন করা হয়। 
- এটির বর্তমান সদস্য ১৯৫টি দেশ। 
- বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালের ১৪ অক্টোবর ইন্টারপোলের সদস্যপদ লাভ করে। 
- ইন্টারপোলের বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল জর্জেন স্টক। 

তথ্যসূত্র -  Interpol অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,২২৭.
নেকড়েযোদ্ধা কূটনীতি চালু হয় প্রধানত কার প্রশাসনের অধীনে?
  1. হু জিনতাও
  2. দেং শিয়াওপিং
  3. লি কিয়াং
  4. শি জিনপিং
ব্যাখ্যা

নেকড়েযোদ্ধা কূটনীতি:
- 'নেকড়ে যোদ্ধা' কূটনীতি চীন দেশের সাথে সংশ্লিষ্ট।
- মূলত র‍্যাম্বো স্টাইলের চীনা চলচ্চিত্র 'উলফ ওরিয়র-২' থেকে 'নেকড়ে যোদ্ধা' পরিভাষাটি ধার করা হয়েছে।

⇒ চীনের 'নেকড়ে যোদ্ধা' কূটনীতি প্রথম শুরু করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।
- শি জিনপিংয়ের মহান কূটনৈতিক দর্শন থেকে এই পরিভাষাটি বেছে নেয়া হয়েছে।
- নিজের মর্যাদা বাড়াতে ও ক্ষমতাকে আরও পাকাপোক্তে কৌশলের অংশ হিসেবে চীনাদের জাতীয়তাবাদী অনুভূতি শক্তিশালী করতে শি জিনপিং এমন কৌশল নিয়েছিলেন।

⇒ মার্কিন চাপে জি৭ দেশগুলো যাতে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতেই নতুন পথ বেছে নিয়েছে বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ অর্থনীতি।

উৎস: The National Bureau of Asian Research (NBR).

২,২২৮.
NATO- এর নতুন সদস্য রাষ্ট্র কোনটি? (সেপ্টম্বর-২০২৫)
  1. সুইডেন
  2. ইউক্রেন
  3. ফিনল্যান্ড
  4. সার্বিয়া
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organization.
- ন্যাটো ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে।
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ১২টি দেশ।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩২টি দেশ। (আগস্ট , ২০২৫)
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সর্বশেষ ৩২তম সদস্য পদ লাভ করে।

উৎস: ন্যাটো।

২,২২৯.
‘ওরেশনিক’ ক্ষেপণাস্ত্রটির উদ্ভাবক কোন দেশ?
  1. সিরিয়া
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ইরান
ব্যাখ্যা
ক্ষেপণাস্ত্র ‘ওরেশনিক’:
- রাশিয়ার তৈরি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘ওরেশনিক’।

উল্লেখ্য,
- ওরেশনিক এক নতুন মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।
- এটি পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম।
- পেন্টাগন বলেছে, ‘আরএস–২৬ রুবেজ’ নামের আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (আইসিবিএম) ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে ওরেশনিক।
- হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো শব্দের চেয়ে অন্তত পাঁচ গুণ গতিতে ছুটতে পারে।
- আবার পথিমধ্যে পারে কৌশল বদলাতে, এ কারণে এগুলো শনাক্ত করা ও আটকে দেওয়া অধিকতর কঠিন।
- ওরেশনিক ক্ষেপণাস্ত্র শব্দের চেয়ে ১০ গুণ গতিতে ছুটে যায়।

উৎস: i) BBC.
ii) The Business Standard.
২,২৩০.
ন্যাটো (NATO) এর পূর্ণরূপ কী?
  1. North Atlantic Treaty Organization
  2. National Allied Treaty Organization
  3. Northern Alliance of Treaty Officials
  4. Neutral Atlantic Treaty Organization
ব্যাখ্যা

ন্যাটো:
- ন্যাটো (NATO) এর পূর্ণরূপ- North Atlantic Treaty Organization.
- এটি ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে উত্তর আটলান্টিক চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্ভাব্য আগ্রাসন থেকে পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোর নিরাপত্তা রক্ষা করা।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য দেশ ৩২টি।
- ন্যাটোর প্রধান কাজ হলো সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বাড়ানো ।
- ন্যাটো সংস্থার মূল ভিত্তি উত্তর আটলান্টিক চুক্তি বা ওয়াশিংটন চুক্তির আর্টিকেল ৫–এ প্রকাশিত হয়েছে।
- যা প্রতিটি সদস্য দেশের প্রতি সম্মিলিত প্রতিরক্ষার প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করে।
- কোল্ড ওয়ারের পরে ন্যাটো “cooperative-security” সংস্থা হিসেবে পুনর্গঠিত করা হয়েছে যা সদস্য দেশগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করে। 

উৎস: Britannica. 

২,২৩১.
ওপিসিডব্লিউ (OPCW) কোন সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে?
  1. ২০০৫ সালে
  2. ২০১৫ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা

OPCW:
- এর পূর্ণরূপ: Organization for the Prohibition of Chemical Weapons:
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭।
- সমর্থনকারী দেশ- ১৯৩ টি।
- সদর দপ্তর: হেগ, নেদারল্যান্ড।
- স্বাক্ষর করেনি – দক্ষিণ সুদান, মিশর ও উত্তর কোরিয়া।
- ইসরাইল স্বাক্ষর করলেও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি।
- বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালে স্বাক্ষর করে এবং ১৯৯৭ চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।
- OPCW ২০১৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
- CWC চুক্তির মাধ্যমে কাজ করে।
- পূর্ণ নাম: Convention on the Prohibition of the Development, Production, Stockpiling and Use of Chemical Weapons and on their Destruction

• লক্ষ্য:
- রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ।
- রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ।

উৎস: OPCW ওয়েবসাইট।

২,২৩২.
CIA গঠনের পূর্বসূরী সংস্থা কোনটি?
  1. FBI
  2. OSS
  3. NSA
  4. MI6
ব্যাখ্যা

CIA:
- CIA-এর পূর্ণরূপ: Central Intelligence Agency.
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে: ১৯৪৭ সালে।
- সদর দপ্তর: ভার্জিনিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং উচ্চপদস্থ নীতিনির্ধারকদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করা এই সংস্থার দায়িত্ব।
- CIA মূলত বহির্বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষায় নিয়োজিত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে গঠিত অফিস অফ স্ট্র্যাটেজিক সার্ভিসেস (OSS)-এর উত্তরসূরী হিসেবে CIA-এর জন্ম।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪২ সালের জুন মাসে রুজভেল্ট মার্কিন বিদেশী গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের খণ্ডিত এবং অসংলগ্ন স্ট্র্যান্ডগুলিকে একক সংস্থায় একত্রিত করার জন্য OSS তৈরি করেছিলেন।
- এর কাজ ছিলো যুক্তরাষ্ট্র সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন শাখা-প্রশাখার মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করা।

উৎস: i) Britannica.
ii) CIA ওয়েবসাইট।

২,২৩৩.
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি (অটোয়া চুক্তি) কার্যকর হয় কবে?
  1. ১৯৯৩ সালে
  2. ১৯৯৫ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

♦ অটোয়া চুক্তি:
- এটি স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি।
- চুক্তিটি Anti-Personnel Landmines Convention নামে পরিচিত।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ ১৯৯৯ সালে।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৬৫টি।
- সব ধরনের স্থলমাইন ব্যবহার, উৎপাদন, মজুদ, নিষিদ্ধকরণ এবং ধ্বংস করা হলো এই চুক্তির উদ্দেশ্য।

♦ উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশ ৭ মে, ১৯৯৮ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষর করে এবং ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে তা অনুমোদন করে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট ও হিউম্যান রাইট ওয়াচ ওয়েবসাইট।

২,২৩৪.
মূলত কোন দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বন্দ্ব সমাধানে পারিস্য শান্তি চুক্তি সম্পাদিত হয়েছিল?
  1. দক্ষিণ কোরিয়া
  2. ভিয়েতনাম
  3. চীন
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

পারিস্য শান্তি চুক্তি:
- স্বাক্ষরিত হয় ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩ সালে।
- স্থান: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনাম।
- উদ্দেশ্য: ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বন্দ্বের অবসান ঘটানো।
- ফলাফল: ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান।

উৎস: History Channel.

২,২৩৫.
যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যে পেট্রোডলার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৯ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা

পেট্রোডলার চুক্তি: 
- যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যে পেট্রোডলার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৭৪ সালের ৮ জুন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ডলারভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রেক্ষাপটে এই চুক্তি হয়।
- এর মাধ্যমে সৌদি আরব মার্কিন ডলারেই তেল বিক্রির প্রতিশ্রুতি দেয়।
- ফলে বৈশ্বিক তেলবাজার ডলারনির্ভর হয়ে পড়ে।
- এই চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রকে ডলারের আধিপত্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

এছাড়াও, 
- দুই দেশ অর্থনৈতিক ও সামরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে যৌথ কমিশন গঠন করে। যুক্তরাষ্ট্র সৌদির নিরাপত্তা নিশ্চিতে ভূমিকা নেয়। সৌদি তেল বিক্রির অর্থ মার্কিন বন্ডে বিনিয়োগ করে। এতে মার্কিন অর্থনীতি স্থিতিশীলতা পায়। এই চুক্তির মাধ্যমে পেট্রোডলার ব্যবস্থা কার্যকর হয়।  

সূত্র: প্রথম আলো ও দৈনিক ইত্তেফাক। 

২,২৩৬.
অসলো চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৯১
  2. ১১ সেপ্টেম্বর, ১৯৯২
  3. ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৯২
  4. ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩
ব্যাখ্যা
পিএলও (PLO):
- PLO-এর পূর্ণরূপ: Palestine Liberation Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৬৪ সালে।
- সদর দপ্তর: রামাল্লাহ, ফিলিস্তিন।
- PLO-এর প্রথম চেয়ারম্যান: আহমদ শুকিরি ।
- PLO-এর তৃতীয় চেয়ারম্যান- ইয়াসির আরাফাত।
- সংগঠনটি একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৪ সাল থেকে পিএলও জাতিসংঘে পর্যবেক্ষক মর্যাদা ভোগ করছে।

⇒ অসলো চুক্তি:
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর অসলো চুক্তি করে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এর মধ্যস্থতা করে যুক্তরাষ্ট্র।
- হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিনের মধ্যে অসলো চুক্তি সই হয়।
- অসলো শান্তি চুক্তিতে ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্ব করেছিলো প্রয়াত ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বাধীন পিএলও পার্টি।

উৎস: Britannica.
২,২৩৭.
শ্রীলংকার কোন সমুদ্রবন্দর চীনের নিকট ৯৯ বছরের জন্য লীজ দেয়া হয়েছে? 
  1. ত্রিঙ্কোমালী
  2. হাম্বানটোটা
  3. গল বন্দর
  4. পোর্ট অব কলম্বো
ব্যাখ্যা
শ্রীলংকা:
- শ্রীলংকা দক্ষিণ এশিয়ার একটি দ্বীপরাষ্ট্র।
- এটি ভারত মহাসাগরে, বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিমে ও আরব সাগরের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
- রাজধানী: শ্রী জয়বর্ধনপুর কোট্টে।
- বৃহত্তম নগরী: কলম্বো।
- মুদ্রা: শ্রীলঙ্কান রুপি।

উল্লেখ্য,
- শ্রীলংকার দক্ষিণ কলম্বোতে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হাম্বানটোটা গভীর সমুদ্রবন্দরটি ৯ ডিসেম্বর, ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে চীনের নিকট ৯৯ বছরের জন্য লিজ দেয় শ্রীলংকা সরকার।
- এটি মাগামপুরা মাহিন্দা রাজাপাকসে পোর্ট নামেও পরিচিত।
- কলম্বো বন্দরের পরে এ বন্দরটি শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর।

উৎস: Britannica.
২,২৩৮.
সম্প্রতি আফগানিস্তান-পাকিস্তান সংঘর্ষের জন্য দায়ী সংগঠন কোনটি? 
  1. তেহরিক-ই পাকিস্তান 
  2. তেহরিক-ই তালেবান পাকিস্তান
  3. লস্কর–ই–তাইয়েবা
  4. বালুচ লিবারেশন আর্মি
ব্যাখ্যা

• আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্ত সংঘর্ষ:
- ২০২৫ সালের সাম্প্রতিক আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্ত সংঘর্ষের মূল কারণ হিসেবে পাকিস্তান সরকার “তেহরিক-ই তালেবান পাকিস্তান (TTP)” নামের সশস্ত্র গোষ্ঠীকে দায়ী করেছে।
- পাকিস্তানের দাবি অনুযায়ী, TTP-এর সন্ত্রাসীরা আফগান ভূখণ্ডে আশ্রয় নিচ্ছে এবং সেখান থেকে পাকিস্তানের সীমান্ত অঞ্চলে হামলা চালাচ্ছে।

- পাকিস্তান সরকার আফগান তালেবান প্রশাসনের ওপর অভিযোগ তোলে যে তারা TTP-কে দমন না করে বরং নীরবে সহায়তা দিচ্ছে।
- এর ফলে সীমান্তের তোরখাম, চামান ও কুর্রাম এলাকায় তীব্র গোলাগুলি, বিমান হামলা ও হতাহতের ঘটনা ঘটে।

- আফগান পক্ষ পাল্টা অভিযোগ করে যে পাকিস্তান তাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করছে এবং বেসামরিক এলাকায় হামলা চালাচ্ছে।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স, এবিসি নিউজ।

২,২৩৯.
হিজবুল্লাহ কী?
  1. একটি রাজনৈতিক দল
  2. একটি সশস্ত্র সামরিক গোষ্ঠী
  3. একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা
  4. একটি মানবাধিকার সংস্থা
ব্যাখ্যা
- হিজবুল্লাহ একটি সশস্ত্র সামরিক গোষ্ঠী। 

হিজবুল্লাহ (Hezbollah):

- হিজবুল্লাহ, বা "আল্লাহর দল", একটি শিয়া মুসলিম মিলিট্যান্ট গোষ্ঠী যা ১৯৮২ সালে লেবাননে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি মূলত ইরানের সমর্থন পেয়ে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য গঠিত হয়।
- হিজবুল্লাহ লেবাননের শিয়া জনগণের অধিকার এবং রাজনৈতিক অংশগ্রহণের পক্ষে কাজ করে।
- তবে এটি একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী হিসেবে লেবাননের সীমানার বাইরে সামরিক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
- একাধিক দেশ হিজবুল্লাহকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করেছে, তবে লেবাননে এটি একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে কাজ করছে এবং দেশটির পার্লামেন্টে প্রতিনিধিত্ব করে।
- হিজবুল্লাহ ইরান ও সিরিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাখে এবং তাদের সক্রিয়তা মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে বিরোধ সৃষ্টি করে।

উৎস: Encyclopedia Britannica
BBC News
২,২৪০.
নিউ ডিল কোন দেশের ইতিহাসের অংশ?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. চীন
  3. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা

নিউ ডিল (New Deal):
- নিউ ডিল হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহামন্দার সময়ের অর্থনৈতিক পুনর্গঠন কর্মসূচি।
- এর প্রবর্তক প্রেসিডেন্ট: ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট (Franklin D. Roosevelt)।
- সময়কাল: ১৯৩৩-১৯৩৯।
- উদ্দেশ্য: বেকারত্ব ও দারিদ্র্য কমানো, শিল্প ও কৃষি পুনর্গঠন।

• প্রধান পদক্ষেপ:
- The Federal Deposit Insurance Corporation (FDIC): ব্যাংকগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- Civilian Conservation Corps (CCC): বেকার যুবকদের কাজ প্রদান।
- Tennessee Valley Authority (TVA): বিদ্যুৎ উৎপাদন ও কৃষকদের সাহায্য।
- ফেডারেল ইমার্জেন্সি রিলিফ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (FERA): দরিদ্র জনগণের জন্য সহায়তা।
- Securities and Exchange Commission (SEC): স্টক মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য এসইসি প্রতিষ্ঠিত হয়, যাতে আর্থিক প্রতারণা এবং বাজারের অস্থিতিশীলতা কমানো যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,২৪১.
RAW কোন ধরনের সংস্থা?
  1. ভারতীয় গবেষণা সংস্থা
  2. ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা
  3. যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
RAW:
- পূর্ণ রূপ: Research and Analysis Wing (RAW)
- প্রতিষ্ঠা: 1968 সালে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
- মূল কাজ: ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার্থে বিদেশি গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করা এবং সন্ত্রাসবিরোধী ও কৌশলগত গোয়েন্দা সংগ্রহ।
- RAW ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার অধীনে পরিচালিত হয়।
- এটি ভারতের প্রতিরক্ষা এবং কূটনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষিত করার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা।

অধিক্ষেত্র:
- প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর নজরদারি।
- গোপন তথ্য সংগ্রহ এবং বিশ্লেষণ।
- সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা রক্ষা।

উল্লেখযোগ্য ভূমিকা:
- কারগিল যুদ্ধের সময় তথ্য সংগ্রহ।
- ভারতের পরমাণু কর্মসূচির গোপনীয়তা রক্ষা।

উৎস: Times of India 
Britannica.
২,২৪২.
বাংলাদেশ কত সালে Interpol-এর সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা
ইন্টারপোল (Interpol):
- Interpol-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization.
- অপরাধীদের সনাক্তকরণ এবং গ্রেপ্তার করতে বিশ্বের দেশগুলো পরস্পরকে সহযোগিতা লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এ আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩ (ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া)।
- বর্তমান সভাপতি: আহমেদ নাসের আল-রাইসি (সংযুক্ত আরব আমিরাত)।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি।
- সর্বশেষ সদস্য: পালাউ।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ইন্টারপোলের সদস্যপদ লাভ করে: ১৪ অক্টোবর, ১৯৭৬।

উৎস: Interpol ওয়েবসাইট।
২,২৪৩.
নিচের কোনটি ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ক) এফবিআই
  2. খ) আইএসআই
  3. গ) মোসাদ
  4. ঘ) এফএসবি
ব্যাখ্যা
মোসাদ:
মোসাদ ইসরায়েলের জাতীয় বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা।
এটি ১৯৪৯ সালের ১৩ ডিসেম্বর গঠিত হয়।
এর সদরদপ্তর তেলআবিবে অবস্থিত।
এর বর্তমান পরিচালক ইয়োশি কোহেন।
মোসাদ ব্যতীত আমান ও শিনবেথ ইসরাইলের অপর দুটি গোয়েন্দা সংস্থা।

সূত্র: মোসাদ ওয়েবসাইট
২,২৪৪.
'ডাম্বারটন ওকস' সম্মেলনে গৃহীত হয় -
  1. একটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালত গঠন
  2. এগারো সদস্যের একটি নিরাপত্তা পরিষদ গঠন
  3. জাতিসংঘ গঠনের রূপরেখা নির্ধারণ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ডাম্বারটন ওকস সম্মেলন:
- ওয়াশিংটনের ডাম্বারটন ওকস ভবনে ২১ আগস্ট- ৭ অক্টোবর, ১৯৪৪ পর্যন্ত জাতিসংঘ গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। 
- এটি 'Dumbarton Oaks Conference' নামে পরিচিত।
- এতে সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, চীন উপস্থিত ছিলো। 
- এ সম্মেলনে কিছু প্রস্তাব গৃহীত হয়।

গৃহীত প্রস্তাবগুলো হলো:
- জাতিসংঘ গঠনের রূপরেখা, লক্ষ্য ও দায়িত্ব নির্ধারণ, 
- সমস্ত সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত একটি সাধারণ পরিষদ,
- এগারো সদস্যের একটি নিরাপত্তা পরিষদ (যার মধ্যে পাঁচটি স্থায়ী হবে এবং বাকি ছয়টি সাধারণ পরিষদ দ্বারা দুই বছরের মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হবে),
- একটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালত,
- একটি সচিবালয়।

উৎস: UN ওয়েবসাইট ও Britannica.
২,২৪৫.
'সুগাউলি চুক্তি' কোন দুইটি দেশের মধ্যকার স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ব্রিটিশভারত ও আফগানিস্তান
  2. খ) চীন ও ব্রিটিশভারত
  3. গ) ব্রিটিশভারত ও নেপাল
  4. ঘ) চীন ও জাপান
ব্যাখ্যা
১৮১৬ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারত এবং নেপালের মধ্যে কালাপানি ভূখন্ড নিয়ে সুগাউলি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ।
- যেখানে কালি নদীকে ভারত সংলগ্ন দক্ষিণ নেপালের অংশ বলে স্বীকার করা হয় ।
- কিন্তু পরবর্তীতে এই ম্যাপটি ব্রিটিশ জরিপকারীদের দ্বারা উপকৃত হলে সেখানে নদীটির সীমানাকে আলাদা করে দেখানো হয় ।
- এই নিয়ে বর্তমানে ভারত ও নেপালের মধ্যে বিবাদ চলমান।

সূত্র: ব্রিটানিকা 
২,২৪৬.
গোল্ডেন ডোম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নির্মাতা দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. রাশিয়া 
  3. তুরস্ক
  4. ইসরায়েল
ব্যাখ্যা

গোল্ডেন ডোম:
- গোল্ডেন ডোম অত্যাধুনিক একটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যা নির্মাণ করছে যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ এই ব্যবস্থার লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রকে সুরক্ষিত রাখা, বিশেষত হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকি থেকে।
- হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, যা শব্দের চেয়েও পাঁচগুণ দ্রুত চলে, তার আঘাত প্রতিরোধ করতে গোল্ডেন ডোম তৈরি করা হচ্ছে।
- এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র তার আকাশ ও ভূখণ্ডকে এমন শক্তিশালী সুরক্ষা দেবে, যা বর্তমানে কোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা করতে সক্ষম নয়।
- এটি মহাকাশ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করে, ইনফ্রারেড লেজারের মাধ্যমে সেগুলোকে ধ্বংস করবে।
- গোল্ডেন ডোমের লেজার প্রযুক্তির অন্যতম বিশেষত্ব হলো এটি আয়রন ডোমের তুলনায় অনেক বেশি সাশ্রয়ী হবে।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সংস্থা ৪৪টি ভূমিভিত্তিক প্রতিরোধব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে থাকে।
- সেগুলো আলাস্কা ও ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত। এগুলো শুধু সীমিত হামলা প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

উৎস: i) Lockheed Martin.
ii) প্রথম আলো

২,২৪৭.
গুড ফ্রাইডে চুক্তির প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. বেলফাস্টে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য উন্নয়ন
  2. পারমাণবিক অস্ত্র সীমিত করা
  3. উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি প্রতিষ্ঠা
  4. ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা

বেলফাস্ট চুক্তি:
- 'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম গুড ফ্রাইডে' চুক্তি বা Good Friday Agreement.
- চুক্তি স্বাক্ষর: ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮।
- চুক্তি কার্যকর: ডিসেম্বর, ১৯৯৯।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তির পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
- চুক্তির মধ্যস্থতাকারী: লর্ড ট্রিম্বল (যুক্তরাজ্যের উত্তর আয়ারল্যান্ডের সাবেক ফার্স্ট মিনিস্টার)।
- গুড ফ্রাইডে' চুক্তির প্রধান উদ্দেশ্য ছিল উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি প্রতিষ্ঠা।

⇒ শুক্রবারে সই হওয়ায় এটি গুড ফ্রাইডে চুক্তি (জিএফএ) নামেই বেশি পরিচিতি।
- এই চুক্তির শর্তানুযায়ী, উত্তর আয়ারল্যান্ডে সরকার পরিচালনায় প্রোটেস্ট্যান্ট ও ক্যাথলিকদের মধ্যে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে ক্ষমতা ভাগাভাগি করে সরকার গঠনের বিধান গৃহীত হয়। সেই সঙ্গে যুক্তরাজ্যের একটি অংশ হিসেবে উত্তর আয়ারল্যান্ডের সাংবিধানিক মর্যাদা স্বীকার করে নেওয়া হয়। পাশাপাশি সংযুক্ত আয়ারল্যান্ড গঠন করার একটি নীতিও গ্রহণ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯২১ সালে যুক্তরাজ্যের অংশ হিসেবে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের যাত্রা শুরু হয়। সে সময় আয়ারল্যান্ডের বাকি অংশ স্বাধীন সার্বভৌম দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ফলে অঞ্চলটির জনগণ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। এক দল আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে একত্রিত হতে চেয়েছিল, আরেক দল চেয়েছিল যুক্তরাজ্যের অংশ হয়েই থাকতে। বিষয়টি নিয়ে প্রায় ৩০ বছরের সহিংস সংঘর্ষের অবসান ঘটেছিল গুড ফ্রাইডে চুক্তির মাধ্যমে। এই সংঘর্ষে প্রাণ হারায় প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মানুষ।

উৎস: Britannica.

২,২৪৮.
Research and Analysis Wing কোন দেশের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ভারত 
  2. আমেরিকা 
  3. রাশিয়া 
  4. চায়না 
ব্যাখ্যা

• RAW:
- ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা- RAW.
- এর পূর্ণরূপ- Research and Analysis Wing (RAW).
- এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে-১৯৬৮ সালে।
- RAW প্রতিষ্ঠার পূর্বে Intelligence Bureau ভারতের অভ্যন্তরীন এবং বাহ্যিক উভয় ক্ষেত্রে তৎপরতা চালাতো।
- প্রতিষ্ঠাকালিন পরিচালক ছিলেন - রামেশ্বর নাথ কাও।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

২,২৪৯.
RAW প্রতিষ্ঠার পূর্বে ভারতের গোয়েন্দা কার্যক্রম কোন সংস্থা পরিচালনা করত?
  1. Intelligence Bureau
  2. Aviation Research Centre
  3. National Security Council
  4. Military Intelligence
ব্যাখ্যা
RAW:
- RAW-এর পূর্ণরূপ: Research and Analysis Wing.
- ভারতীয় জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা RAW.
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৯৬৮ সালে।
- প্রতিষ্ঠাকালিন পরিচালক ছিলেন: রামেশ্বর নাথ কাও।
- এর বর্তমান প্রধান: রবি সিংহ (Ravi Sinha)।
- প্রধান কার্যালয়: নয়াদিল্লি, ভারত।
- RAW সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর নিকট রিপোর্ট করে।
- RAW-এর সাথে সম্পর্কিত গোপন সংকেত Cabinet Secretariat ও Aviation Research Centre।

⇒ প্রাথমিক কাজ:
- বিদেশে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা;
- জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বিশ্লেষণমূলক তথ্য প্রদান করা;
- সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে সহযোগিতা করা;
- দেশের অভ্যন্তরীণ এবং বৈদেশিক শত্রুদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

উল্লেখ্য,
- RAW প্রতিষ্ঠার পূর্বে Intelligence Bureau ভারতের অভ্যন্তরীন এবং বাহ্যিক উভয় ক্ষেত্রে তৎপরতা চালাতো।
- ১৯৬২ সালের যুদ্ধে চীনের নিকট ভারতের পরাজয়ের দুর্বলতার অনুসন্ধানে ভারত সরকার একটি স্বতন্ত্র ও কার্যকর বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে।

উৎস: Council on Foreign Relations. [link]
২,২৫০.
মিউনিখ অলিম্পিক হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত কুখ্যাত গেরিলা সংগঠন কোনটি?
  1. হিজবুল্লাহ
  2. ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর
  3. আল-কায়েদা
  4. এলটিটিই
ব্যাখ্যা

মিউনিখ অলিম্পিক হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত কুখ্যাত গেরিলা সংগঠন ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর।

ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর:

- Black September ফিলিস্তিনের একটি গেরিলা সংগঠন।
- এটি ফিলিস্তিনের ফাতাহ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া একটি অংশ।
- ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর গঠিত হয়: ১৯৭১ সালে।
- বিলুপ্ত ঘোষিত হয়: ১৯৭৪ সালে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের আসর অনুষ্ঠিত হয়েছিল জার্মানির মিউনিখ শহরে।
- জার্মানিতে মিউনিখ অলিম্পিকে অংশ নেওয়া ইসরায়েলের অ্যাথলেটকে অপহরণ করে ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর।
- তাঁদের চাওয়া ছিল, ইসরায়েলের কারাগারে বন্দী থাকা কয়েকজন ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিতে হবে, কিন্তু তা হয়নি।
- জার্মান পুলিশ অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযানে নামে।
- এর ফলে অপহরণকারীরা দুজন খেলোয়াড়কে হত্যা করেন।
- অন্যদিকে অপহরণকারীদের বেশির ভাগ পুলিশের হাতে প্রাণ হারান।
- এ কারণে আধুনিক অলিম্পিকের ইতিহাসে ৫ সেপ্টেম্বর একটা কালো দিন হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: Britannica.

২,২৫১.
'Arrow-3' কোন দেশের নির্মিত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা?
  1. পাকিস্তান
  2. ইসরায়েল
  3. ইরান
  4. তুরস্ক
ব্যাখ্যা

Arrow-3:
- 'Arrow-3' মূলত ইসরায়েলের নির্মিত একটি অত্যাধুনিক, দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
- অ্যারো-৩ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আঘাত হানার পাল্লা প্রায় ২ হাজার ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।
- এটি ইসরায়েলের বহু-স্তরীয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের সর্বোচ্চ স্তর এবং দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের বাইরে বাধা দেওয়ার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
- ১০০ কিলোমিটারের বেশি উচ্চতায় লক্ষ্যবস্তুকে আটকাতে পারে এ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।

• অ্যারো–৩ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ উদ্যোগে তৈরি একটি উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। 
- অ্যারো–২ ও অ্যারো–৩ উভয় ধরনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মিলে গঠিত এই নেটওয়ার্ক শত্রুপক্ষের দীর্ঘ-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বায়ুমণ্ডলের বাইরে থেকেই ধ্বংস করতে সক্ষম।
- এর প্রধান নির্মাতা ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ।
- ২০২৪ সালের ১৩–১৪ এপ্রিল, ইরান ইসরায়েলের দিকে নিক্ষেপ করা ১২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় সবগুলোই অ্যারো–৩ সফলভাবে ধ্বংস করে।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি জার্মানি ইসরায়েল নির্মিত অ্যারো–৩ (Arrow 3) ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করার ঘোষণা দিয়েছে।
- দীর্ঘ পরিসরের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলায় সক্ষম এই অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবারই প্রথম ইসরায়েলের বাইরে ব্যবহৃত হতে যাচ্ছে। 

উৎস: DW.

২,২৫২.
কূটনৈতিক পরিভাষায় 'Fifth Column' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়?
  1. পঞ্চম কলাম হিসেবে
  2. পঞ্চম ব্যক্তি হিসেবে
  3. বিশ্বাসভাজন হিসেবে
  4. বিশ্বাসঘাতক হিসেবে
ব্যাখ্যা
Fifth Column:
- কূটনৈতিক পরিভাষায় Fifth Column হল এমন একটি বৃহত্তর গোষ্ঠী যা কোনো এক জাতিকে ভেতর থেকে দুর্বল করে অর্থাৎ এটি বিশ্বাসঘাতক জনগোষ্ঠীকে নির্দেশ করে।  
- Fifth Column এর কার্যক্রম প্রকাশ্য বা গোপন হতে পারে। 
- কূটনৈতিক পরিভাষায় বলা যায় যে জাতি গোপনে নিজ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে এবং শত্রুকে সাহায্য করে।
- এই শব্দটি সামরিক কর্মীদের দ্বারা সংগঠিত কাজের ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হতে পারে। 
- "পঞ্চম কলাম" বা Fifth Column শব্দটির উদ্ভব হয়েছিল স্পেনে। 
- পঞ্চম স্তম্ভের একটি প্রধান কৌশল হল আক্রমণে গ্রহনের ক্ষেত্রে নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং জাতীয় প্রতিরক্ষার অবস্থানে সহানুভূতিশীল হওয়া। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং cambridge Dictionary.
২,২৫৩.
কোন ঘটনার পর NATO প্রথমবারের মতো আর্টিকেল ৫ প্রয়োগ করেছিল?
  1. ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার পর
  2. ফকল্যান্ড যুদ্ধের পর
  3. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

উল্লেখ্য,
- ন্যাটোর বর্তমান মহাসচিব মার্ক রুট নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী।
- জুন, ২০২৪-এ তিনি ন্যাটোর মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন।
- অক্টোবরের ১, ২০২৪ তারিখ থেকে দায়িত্ব নেন তিনি।

⇒ উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।

⇒ ইউরোপের বাইরে প্রথম মিশন: আফগানিস্তান, ২০০৩।

⇒ ন্যাটো তার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সংঘটিত হামলার কারণে আর্টিকেল ৫ প্রয়োগ করেছিল।

• নাইন-ইলেভেন:
- ১১ সেপ্টেম্বরের হামলা যা নাইন/ইলেভেন নামেও পরিচিত।
- ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের উপর আল কায়েদার একইসাথে চারটি সমন্বিত সন্ত্রাসী হামলা।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
২,২৫৪.
START চুক্তি মূলত কোন ধরণের অস্ত্র হ্রাসের জন্য গৃহীত হয়েছিল?
  1. জৈব অস্ত্র
  2. রাসায়নিক অস্ত্র
  3. পারমাণবিক কৌশলগত অস্ত্র
  4. ভূমি মাইন
ব্যাখ্যা

START চুক্তি:
- START-এর পূর্ণরূপ: Strategic Arms Reduction Treaty।
- এটি হলো কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা কমানো এবং যুদ্ধের ঝুঁকি হ্রাস করা।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

⇒ এটি দুটি মূল চুক্তি অন্তর্ভুক্ত:
- START-I (৩১ শে জুলাই ১৯৯১): এই চুক্তি অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন পরমাণু আক্রমণ ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর জন্য সম্মত হয়েছিল। চুক্তিটি ২০০৯ সালে শেষ হয়।

- START-II (৩ জানুয়ারি ১৯৯৩): এটি START I-এর পরে আরো কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছিল, কিন্তু সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার কারণে এটি কার্যকর হয়নি।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে, New START চুক্তি (২০১০ সালে স্বাক্ষরিত) কার্যকর রয়েছে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার মধ্যে পরমাণু অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের একটি আধুনিক সংস্করণ।

উৎস: U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।

২,২৫৫.
সশস্ত্র সংগঠন দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (টিআরএফ) ভারতের কোন অঞ্চলে সক্রিয়?
  1. পাঞ্জাব
  2. মধ্য প্রদেশ
  3. কাশ্মীর
  4. মণিপুর
ব্যাখ্যা
দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (The Resistance Front):
- দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (টিআরএফ) হল একটি সশস্ত্র সংগঠন, যা ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে স্বাধীনতা আন্দোলনে সক্রিয়।
- ২০১৯ সালে কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন বা ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা বিলুপ্তির পর এই সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় থেকে গোষ্ঠীটি নিজেদের পরিচিতি গড়ে তোলে। 
- গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মতে, টিআরএফ আসলে পাকিস্তানভিত্তিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী যা পাকিস্তান ভিত্তিক লস্কর-ই-তইবা ও হিজবুল মুজাহিদিনের পৃষ্ঠপোষকতায় গড়ে উঠেছে।
- টিআরএফের মূল দাবি, কাশ্মীরকে ভারতের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করা।
- ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী ও প্রশাসনিক কাঠামোকে দুর্বল করতে তৎপর এই গোষ্ঠী।
- ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ভারত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে টিআরএফকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করে।

উল্লেখ্য,
- ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পর্যটনকেন্দ্র পেহেলগামে ২২ এপ্রিলের প্রাণঘাতী সন্ত্রাসী হামলায় আলোচনায় এসেছে দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (টিআরএফ)।
- এই হামলায় কমপক্ষে ২৬ পর্যটক নিহত হন এবং আরও অনেক ব্যক্তি আহত হন।

তথ্যসূত্র: নিউজ রিপোর্ট। [LINK]
২,২৫৬.
মায়ানমারে রোহিঙ্গারা নাগরিকত্ব হারায় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭৮
  2. খ) ১৯৮২
  3. গ) ১৯৯২
  4. ঘ) ১৯৯৭
ব্যাখ্যা
- রোহিঙ্গা শব্দটি সাধারণত মায়ানমার এর রাখাইন (আরাকান) রাজ্যে কেন্দ্রীভূত মুসলমানদের একটি সম্প্রদায়কে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- তারা বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত সংখ্যালঘুদের মধ্যে বিবেচিত হয়। 
- একবিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে, রাখাইন রাজ্যের জনসংখ্যার আনুমানিক এক-তৃতীয়াংশ রোহিঙ্গা ছিল।
- মায়ানমারের প্রায় সব রোহিঙ্গাই রাষ্ট্রহীন, মিয়ানমারে "জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব" পেতে অক্ষম.
-  কারণ ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইনে রোহিঙ্গাদের ১৩৫টি স্বীকৃত জাতীয় জাতিগোষ্ঠীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। 
- আইনটি ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত জাতিগত জাতীয়তার তালিকার মধ্যে কঠোরভাবে পড়েনি এমন রোহিঙ্গাদের ক্ষেত্রে নির্বিচারে প্রয়োগ করা হয়েছিল। 
- ২০১২ সাল থেকে, প্রস্তাবিত আইন প্রণয়ন ব্যবস্থার (যার মধ্যে কয়েকটি মিয়ানমারের পার্লামেন্টে পাস হয়েছিল) সহ অন্যান্য উন্নয়নের ফলে রোহিঙ্গাদের সীমিত অধিকারের উপর আরও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

উৎস: Britannica
২,২৫৭.
আব্রাহাম অ্যাকর্ড চুক্তি প্রস্তাব করে কোন দেশ? 
  1. ইসরাইল
  2. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  3. তুরস্ক 
  4. ফিলিস্তিন 
ব্যাখ্যা

• আব্রাহাম অ্যাকর্ড চুক্তি:
⇒ আব্রাহাম অ্যাকর্ড চুক্তি হল ইসরায়েল এবং বেশ কয়েকটি মুসলিম রাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য ২০২০ সালে স্বাক্ষরিত একাধিক চুক্তির সিরিজ। এর মধ্যে রয়েছে ইসরায়েল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত , বাহরাইন এবং মরক্কোর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি । কাজাখস্তানও আব্রাহিম চুক্তিতে যোগ দিতে সম্মত হয়েছে।

- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলের সাথে আবর দেশগুলো শান্তি স্থাপনের অংশ হিসেবে আব্রাহাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

- ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটন ডিসির হোয়াইট হাউজে ইসরাইল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও যুক্তরাষ্ট্র আব্রাহাম চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন ইসরাইলকে স্বীকৃতি ও দেশটির সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে সম্মত হয়।

তথ্যসূত্র: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ওয়বসাইট এবং ব্রিটানিকা। 

২,২৫৮.
কোন দেশ প্রথমবারের মতো ‘আয়রন বিম’ লেজার প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে? 
  1. ইসরায়েল
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন 
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

• আয়রন বিম: 
- প্রথমবারের মতো ইসরায়েল আকাশ পথে আসা যেকোনো ধরনের হামলা প্রতিহত করতে লেজার ভিত্তিক প্রতিরক্ষাব্যবস্থা 'আয়রন বিম' চালু করেছে।
- আয়রন ডোমের আদলে এই লেজার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নামকরণ করা হয়েছে। 
- এই লেজার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মূলে আছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের গবেষণা ও উন্নয়ন দপ্তর এবং ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা খাতের সুপরিচিত প্রতিষ্ঠান রাফায়েল (রাফাল যুদ্ধবিমানখ্যাত ফরাসি দসল্ট রাফাল নয়)। 
- ২০১৪ সালে রাফাল প্রথম এই সিস্টেম তৈরি করে। 
- এই সিস্টেমের সুবিধা হলো, এই সিস্টেমের খরচ কম। 
- কম খরচে তারা কার্যকরভাবে আক্রমণের মোকাবিলা করতে পারে।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার ও ডয়চে ভেলে। (Link1) (Link2) 

২,২৫৯.
ABM চুক্তির বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি
  2. ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি
  3. রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি
  4. পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি
ব্যাখ্যা
Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকর হয়: ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- চুক্তি বাতিল হয়: ২০০২ সাল।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টরি কম।
২,২৬০.
ওয়ারশ প্যাক্ট কতটি দেশের সমন্বয়ে গঠিত?
  1. ক) ৮টি
  2. খ) ১২টি
  3. গ) ১৬টি
  4. ঘ) ২০টি
ব্যাখ্যা
ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact):

- Warsaw Pact বলতে বোঝায় Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance.
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত।
- এটি একটি প্রতিরক্ষা ও সহোযোগিতা জোট (১৯৫৫ সাল)।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্তির সাথে সাথে Warsaw Pactও বিলুপ্ত হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
২,২৬১.
বার্লিন দেয়ালের পতন হয় -
  1. ক) ১৯৮8 সালে
  2. খ) ১৯৮৯ সালে
  3. গ) ১৯৯০ সালে
  4. ঘ) ১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা
• জার্মান একত্রীকরণ:
- ১৯৪৯ সালের ৭ অক্টোবর জন্ম পূর্ব জার্মানির।
- আর ১৯৬১ সালের ১৩ আগস্ট বার্লিন দেয়াল তৈরি করে কৃত্রিমভাবে জার্মা-নিকে বিভক্ত করে রাখা হয়েছিল।
- ১৯৮৯ সালের ৯ নভেম্বর বার্লিন দেয়ালের পতন হয়। জার্মান একত্রীকরণের পথ এতে করে ত্বরান্বিত হয়। 
- দুই জার্মানির একত্রীকরণের ব্যাপারে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯০ সালের ১৬ মে।
- ১৯৯০ সালের ৩ অক্টোবর পূর্ব জার্মানির অবলুপ্তি ঘোষণা করা হয় এবং দুই জার্মানি একত্রিত হয়।

• আর ২ ডিসেম্বর (১৯৯০) যুক্ত জার্মানির প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- দুই জার্মানির একত্রীকরণ ছিল বিংশ শতাব্দীর একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।
- স্নায়ুযুদ্ধকালীন সময় বিশ্ব দুভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছিল।
- একভাগে ছিল মুক্ত ও গণতান্ত্রিক বিশ্ব, অন্যদিকে ছিল সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহ।
- এই বিভক্তিই জার্মানিকে বিভক্ত করে রেখেছিল।
- পশ্চিম জার্মানিতে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি বিকশিত হয়েছিল।
- আর পূর্ব জার্মানিতে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। 

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
২,২৬২.
ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাকালীন দেশ নয় কোনটি?
  1. ফিনল্যান্ড
  2. বেলজিয়াম
  3. কানাডা
  4. ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা
• মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর ৩১তম সদস্য ফিনল্যান্ড।
- এছাড়া বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, কানাডা সহ ১২টি দেশ ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাকালীন দেশ। 

NATO:
- পূর্ণরূপ -The North Atlantic Treaty Organization. 
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO র প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২ টি।
- NATO র বর্তমান সদস্য ৩১ টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - ফিনল্যান্ড (যোগদান করে ০৪ এপ্রিল, ২০২৩)।
- NATO ভুক্ত মুসলিম দেশ ২টি - তুরস্ক ও আলবেনিয়া। 
- NATO র বর্তমান সদর দপ্তর ব্রাসেলস।
- মহাপরিচালক- Jens Stoltenberg।

সূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
২,২৬৩.
সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী (এইচটিএস) এর পূর্ণরূপ কী?
  1. হাদ্দি তাহরির আল-শাম
  2. হায়াত তাহরির আল-শাম
  3. হাক্কানাহ তাজ্বির আল-শাম
  4. হাওয়াহ তাহরির আল-শাম
ব্যাখ্যা
হায়াত তাহরির আল-শাম (এইচটিএস):
- হায়াত তাহরির আল-শাম (এইচটিএস) সিরিয়া ভিত্তিক একটি শক্তিশালী সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
- এই গোষ্ঠী সিরিয়ায় সবচেয়ে শক্তিশালী বিরোধী শক্তি হিসেবে পরিচিত।
- এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীর প্রধান আবু মোহাম্মদ আল-জোলানি। [ডিসেম্বর, ২০২৪]
- ২০১১ সালে আবু মোহাম্মদ আল-জোলানির নেতৃত্বে সিরিয়ায় আল-কায়েদার শাখা প্রতিষ্ঠা করা হয়, যা আল-নুসরা ফ্রন্ট নামে পরিচিত।
- ২০১৭ সালের শুরুর দিকে বিদ্রোহীদের ছোট ছোট অনেক গোষ্ঠী ও নিজের জাভাত ফাতেহ আল-শাম নিয়ে এইচটিএস গঠন করেন জোলানি।
- এইচটিএস ২০১৭ সালে সিরিয়ান স্যালভেশন গভর্নমেন্ট প্রতিষ্ঠা করে।
- সিরিয়ায় বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছে এই সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী।

তথ্যসূত্র: The Business Standard প্রতিবেদন, ব্রিটানিকা। [Link]
২,২৬৪.
কোন সংস্থার সাথে 'পঞ্চশীলা' নীতির সর্ম্পক রয়েছে?
  1. সার্ক
  2. ন্যাম
  3. আসিয়ান
  4. সিরডাপ
ব্যাখ্যা
• জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন বা ন্যাম (NAM):
- ১৯৫৫ সালে বান্দুং (ইন্দোনেশিয়া) সম্মেলনের মাধ্যমে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন বা ন্যাম (NAM) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৬১ সালে সাবেক যুগোশ্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে প্রথম ন্যাম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- দ্বিতীয় সম্মেলন ১৯৬৪ সালে মিশরের কায়রোতে অনুষ্ঠিত হয়।
- ন্যামের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১২০ এবং পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের সংখ্যা ১৩।
- এর কোন স্থায়ী সদর দপ্তর নেই।
- ১৯৫৪ সালের এপ্রিল মাসে ভারত-চীন সম্পর্ক নির্ধারণের জন্য পাঁচটি নীতি গৃহীত হয়েছিল।
- এই পাঁচটি নীতি 'পঞ্চশীলা' নামে পরিচিত।
- 'পঞ্চশীলা" নীতি জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের পথকে আরোও ত্বরান্বিত করেছিল।

• এই পাঁচটি নীতি হলো:
→ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান;
→ ভূঅখণ্ডতা এবং সার্বভৌমিকতা সম্পর্কে পারস্পরিক শ্রদ্ধা; 
→ অনাগ্রাসন; 
→ অন্যের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করা;
→ সমতা ও পারস্পরিক সুবিধা।

• এই ‘পঞ্চশীল নীতির ওপর ভিত্তি করেই জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল।
- তবে বান্দুং সম্মেলন ও কায়রো সম্মেলনে জোট গঠনের প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন হয়।
- জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের প্রধান প্রবক্তা এবং নেতা ছিলেন ভারতের পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু, সাবেক যুগোশ্লাভিয়ার মার্শাল টিটো, ইন্দোনেশিয়ার সুকর্ন, মিশরের নাসের এবং ঘানার নক্রমা।

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
২,২৬৫.
ভারত- বাংলাদেশের সহযোগিতা, বন্ধুত্ব ও শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়-
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৭৪ সালে
  3. গ) ১৯৮০ সালে
  4. ঘ) উপরিউক্ত কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী
চুক্তি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে শান্তি ও সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ ২৫ বছর মেয়াদী একটি মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ইন্দিরা গান্ধীর বাংলাদেশ সফরের সময় এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
উৎসঃ ব্রিটানিকা

২,২৬৬.
যুক্তরাষ্ট্র নিচের কোন চুক্তি থেকে নাম প্রত্যাহার করেনি?
  1. ক) ট্রান্স প্যাসিফিক পার্টনারশিপ
  2. খ) ইরানের সাথে পারমানবিক চুক্তি
  3. গ) জাতিসংঘের অস্ত্র বাণিজ্য চুক্তি
  4. ঘ) উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্র নাম প্রত্যাহার করে নিম্নোক্ত চুক্তি থেকেঃ
১) ট্রান্স প্যাসিফিক পার্টনারশিপ (TPP) চুক্তি
২) প্যারিস জলবায়ু চুক্তি
৩) ইরানের সাথে পারমাণবিক চুক্তি
৪) ইরানের সাথে মৈত্রী চুক্তি
৫) ভিয়েনা কনভেনশনের ঐচ্ছিক বিধান
৬) Intermediate Range Nuclear Forces Treaty
৭) জাতিসংঘের অস্ত্র বাণিজ্যচুক্তি (ATT)

২,২৬৭.
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি (অটোয়া) অনুমোদনকারী দেশ কয়টি? (জুলাই, ২০২৫)
  1. ১৬৫টি
  2. ১৬৬টি
  3. ১৬৭টি
  4. ১৬৮টি
ব্যাখ্যা
অটোয়া চুক্তি:
- এটি স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি।
- চুক্তিটি Anti-Personnel Landmines Convention নামে পরিচিত।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ ১৯৯৯ সালে।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৬৫টি। (জুলাই, ২০২৫)
- সব ধরনের স্থলমাইন ব্যবহার, উৎপাদন, মজুদ, নিষিদ্ধকরণ এবং ধ্বংস করা হলো এই চুক্তির উদ্দেশ্য।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ৭ মে, ১৯৯৮ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষর করে এবং ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে তা অনুমোদন করে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট ও হিউম্যান রাইট ওয়াচ ওয়েবসাইট। (লিংক)
২,২৬৮.
ন্যাটোর সর্বশেষ সদস্যদেশ কোনটি? [সেপ্টম্বর,২০২৫]
  1. সুইডেন
  2. ফিনল্যান্ড
  3. ইউক্রেন
  4. ক্রোয়েশিয়া
ব্যাখ্যা

 NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি একটি সামরিক সহযোগিতার জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং আরও ৮টি ইউরোপীয় দেশসহ ১২টি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য একে অপরকে রাজনৈতিক ও সামরিক ক্ষেত্রে রক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে উত্তর আটলান্টিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল।  
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ৩২টি। 
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
- ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।

উল্লেখ্য,
- ৭ মার্চ, ২০২৪ তারিখে সামরিক জোট ন্যাটোয় আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিয়েছে সুইডেন।
- ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া।
- এর পরেই ন্যাটোতে যোগ দিতে আবেদন করে সুইডেন। 

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

২,২৬৯.
ন্যাটো চুক্তির কোন অনুচ্ছেদে 'সম্মিলিত প্রতিরক্ষা' নীতি উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩
  2. অনুচ্ছেদ ৪
  3. অনুচ্ছেদ ৫
  4. অনুচ্ছেদ ৬
ব্যাখ্যা

⇒ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ ১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

২,২৭০.
নিচের কোন দেশটি 'NPT' চুক্তিতে যোগ দেয় নি? (জানুয়ারি, ২০২৫)
  1. চীন
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ইসরায়েল
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি। (জানুয়ারি, ২০২৫)

উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক মোট রাষ্ট্রের সংখ্যা ৫টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ এর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে NPT দ্বারা পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হিসাবে স্বীকৃত রাষ্ট্র (NWS) হলো ৫টি।
- চুক্তিটি এই দেশগুলির পারমাণবিক অস্ত্রাগারকে স্বীকৃতি দেয়।
- কিন্তু NPT-এর ৬ অনুচ্ছেদের অধীনে তাদের চিরস্থায়ীভাবে এই ধরনের অস্ত্র তৈরি এবং বজায় রাখার উল্লেখ নেই।

অন্যদিকে,
⇒ ভারত, পাকিস্তান এবং ইসরায়েল কখনই NPT-এ যোগ দেয়নি।
- কিন্তু দেশগুলি পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী বলে পরিচিত।

⇒ উত্তর কোরিয়া একটি অ-পারমাণবিক অস্ত্র রাষ্ট্র হিসাবে NPT-এ যোগদান করেছিল।
- কিন্তু ২০০৩ সালে NPT থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছিল।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট & UNODA ওয়েবসাইট।
২,২৭১.
২০২২ সালে নানসেন রিফিউজি অ্যাওয়ার্ড কোন সংকট সমাধানে অবদানের জন্য দেওয়া হয়?
  1. ক) ইউক্রেন শরণার্থী সংকট
  2. খ) সিরীয় শরণার্থী সংকট
  3. গ) রাশিয়া শরণার্থী সংকট
  4. ঘ) অভিবাসন শরণার্থী সংকট
ব্যাখ্যা
নানসেন রিফিউজি অ্যাওয়ার্ড 

- 'নানসেন রিফিউজি অ্যাওয়ার্ড ২০২২' - জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক পুরস্কার জিতেছেন সাবেক জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল।

 - সিরীয় শরণার্থী সংকট সমাধানে অবদান রাখায় তাকে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের মর্যাদাপূর্ণ 'নানসেন রিফিউজি অ্যাওয়ার্ড' দেয়া হয়।

উৎস:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২ এবং প্রথম আলো।
২,২৭২.
কোন দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন ও জাপানের মধ্যে বিরোধ রয়েছে?
  1. সেনকাকু
  2. হোক্কাইডো
  3. স্প্রাটলি
  4. মালভিনাস
ব্যাখ্যা
সেনকাকু:
- সেনকাকু (দিয়াওয়ু) দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে।
- এই বিরোধপূর্ণ দ্বীপটি জাপানের কাছে ‘সেনকাকু’ এবং চীনের কাছে ‘দিয়াওয়ু’ নামে পরিচিত।
- ১৯৭২ সালে ‘ওকিনাওয়া রিভার্সন এগ্রিমেন্ট’-এর মাধ্যমে দ্বীপগুলোর প্রশাসনিক অধিকার জাপানের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
- ১৮৯৫ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত চীন এই দ্বীপপুঞ্জের ওপর জাপানের সার্বভৌমত্ব নিয়ে কোনো আপত্তি জানায়নি।
- তবে ১৯৭০-এর দশকে দ্বীপপুঞ্জের তেল সম্পদ আবিষ্কারের সম্ভাবনা দেখা দিলে চীন এটির মালিকানা দাবি করতে শুরু করে।
- ১৯৯২ সালে চীন এই দ্বীপপুঞ্জকে নিজেদের ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা দেয় এবং ২০০৮ সাল থেকে চীন নিয়মিত জাপানের জলসীমায় প্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে আসছে।

বিরোধপূর্ণ দ্বীপ ও দ্বীপপুঞ্জ:
- আবু মুসা দ্বীপ : ইরান – সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ : চীন– তাইওয়ান – ফিলিপাইন - মালয়েশিয়া – ভিয়েতনাম।
- ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ : যুক্তরাজ্য – আর্জেন্টিনা।
- কুরিল দ্বীপপুঞ্জ : রাশিয়া – জাপান।
- পেরেজিল দ্বীপ : মরক্কো – স্পেন।
- শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ : রাশিয়া – জাপান।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও পত্রিকা নিউজ।
২,২৭৩.
'East London' কোন দেশের নদী বন্দর?
  1. দক্ষিণ আফ্রিকা
  2. মিশর
  3. যুক্তরাজ্য
  4. সিরিয়া
ব্যাখ্যা
'East London:
- অবস্থান: ইস্ট লন্ডন দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেপ প্রদেশে অবস্থিত একটি বন্দর নগরী।
- এটি বাফেলো নদীর মোহনায়, ভারত মহাসাগরের তীরে অবস্থিত।
- প্রতিষ্ঠা: ১৮৩৬ সালে ব্রিটিশরা বাফেলো নদীর মোহনায় অবতরণ করে;
- এবং স্থানটিকে "পোর্ট রেক্স" নামে অভিহিত করে।
- ১৮৪৬ সালে সপ্তম কেপ ফ্রন্টিয়ার যুদ্ধের সময় এটি একটি সরবরাহ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- পরবর্তীতে, ১৮৪৭ সালে এখানে ফোর্ট গ্ল্যামারগান নির্মিত হয় এবং স্থানটি কেপ কলোনির অংশ হিসেবে "ইস্ট লন্ডন" নামে পরিচিতি পায়।
- ১৮৭৩ সালে এটি একটি শহর এবং ১৯১৪ সালে একটি নগরীতে উন্নীত হয়।

উৎস: Britannica.
২,২৭৪.
যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা-
  1. CIA
  2. FBI
  3. RAW
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
এফ.বি.আই/FBI: 

• FBI এর পূর্ণরূপ Federal Bureau of Investigation। FBI মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
• এটি বিশ্বের সবচেয়ে দক্ষ ও বড় নিরাপত্তা এবং অপরাধ দমন সংস্থা হিসাবে বিবেচনা করা হয়। বলা হয়ে থাকে যে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে একজন ভবঘুরে পর্যন্ত সবার তথ্যই এই গোয়েন্দা সংস্থার কাছে রয়েছে।
• যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করা - এই সংস্থার প্রধান লক্ষ্য।
• প্রতিষ্ঠা - জুলাই, ১৯০৮ সাল।
• সদরদপ্তর - ওয়াশিংটন। যুক্তরাষ্ট্রের সব রাজ্যেই এর অফিস রয়েছে।
• সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (Central Intelligence Agency)-C.I.A,
- সদর দপ্তর: যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায়।



উল্লেখ্য,
• RAW এর পূর্ণরূপ Research and Analysis Wing (RAW) ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থার ওয়েবসাইট। 
২,২৭৫.
CTBT এর পূর্ণরূপ -
  1. Complete Nuclear Test Ban Treaty
  2. Chemical Nuclear Test Ban Treaty
  3. Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty
  4. Chronic Nuclear Test Ban Treaty
ব্যাখ্যা

• CTBT:
- CTBT এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরের স্থান: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র। (জাতিসংঘ সদর দপ্তরে)
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে: ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬
- চুক্তি অনুমোদন করে: ৮ মার্চ, ২০০০

• CTBTO:
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ সংস্থা CTBTO।
- এর সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

তথ্যসূত্র:
i) Arms Control AssociationLink
ii) UN Treaty CollectionLink
iii) US Department of States Link

২,২৭৬.
'M-23' কোন দেশের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী?
  1. সোমালিয়া
  2. কঙ্গো
  3. কলম্বিয়া
  4. সুদান
ব্যাখ্যা

•  এম ২৩ 
- গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর জাতিগত তুতসি নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী গোষ্ঠী হচ্ছে 'এম২৩'।
- এটি Congolese Revolutionary Army নামেও পরিচিত।
- ২০১২ সালে কঙ্গোর একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর শাখা হিসাবে গঠিত হয় এম২৩।
- ডিআর কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলের তুতসি জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা করার জন্য এই গোষ্ঠীটি গঠন করা হয়।
- ২০০৯ সালের ২৩ মার্চ কঙ্গো সরকারের সাথে CNDP গেরিলাদের শান্তিচুক্তি হয় এবং এদের কঙ্গো সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- কিন্তু ২০১২ সালে এরা সেনাবাহিনী থেকে বের হয়ে যায় এবং পুনরায় অস্ত্র হাতে তুলো নেয়।

উল্লেখ্য,
- এম-২৩ ও ডিআর কঙ্গোর সামরিক বাহিনীর মধ্যে লড়াই জোরদার হয়েছিলো ২০২৫ সালের শুরু থেকে।
- বিদ্রোহীরা দেশের বেশ কিছু নতুন করে দখল করেছে।
- জাতিসংঘের হিসেবে এই সংঘাতের কারণে ইতোমধ্যেই প্রায় চার লাখেরও বেশি মানুষ ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।
- সম্প্রতি, এম২৩ বিদ্রোহী গোষ্ঠীর যোদ্ধারা পূর্বাঞ্চলীয় শহর গোমার বেশিরভাগ অংশ দখলে নিয়েছে এবং সংঘর্ষে জাতিসংঘের ১৩ শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছেন।
- কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় শহর গোমা দেশটির গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য ও পরিবহন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

উৎস: বিবিসি নিউজ।

২,২৭৭.
বার্লিনের দেওয়াল কোন সালে নির্মিত হয়েছিল?
  1. ক) ১৯৪৬
  2. খ) ১৯৪৮
  3. গ) ১৯৬১
  4. ঘ) ১৯৬২
ব্যাখ্যা
১৯৪৫ সালের ৮ মে জার্মানি আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মসমর্পণ করলে মিত্রশক্তি জার্মানিকে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয়।
এতে পশ্চিম জার্মানি মার্কিন নেতৃত্বাধীন পুঁজিবাদীদের নিয়ন্ত্রণে এবং পূর্ব জার্মানি সােভিয়েত ইউনিয়নের নিয়ন্ত্রণে আসে।
- এই বিভাজনের অংশ হিসেবে ১৯৬১ সালের ১৩ আগস্ট বার্লিন দেয়াল নির্মিত হয়।
- তবে সােভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সময় ১৯৮৯ সালের ১ নভেম্বর বার্লিন দেয়ালের পতন ঘটে।
- ৩ অক্টোবর, ১৯৯০ আনুষ্ঠানিকভাবে দুই জার্মানি পুনরায় একত্র হয়।

উৎসঃ history.com
২,২৭৮.
কোন চুক্তির ফলে মিশরকে আরব লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিলো?
  1. ডেটন চুক্তি
  2. অসলো চুক্তি
  3. উই রিভার চুক্তি
  4. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- ইসরাইল ও মিশর এই দুইটি দেশের মধ্যে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৭৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে অবস্থিত অবকাশ যাপন কেন্দ্ৰ ক্যাম্প ডেভিডে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- এই চুক্তির ফলে মিশরকে আরব লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিলো।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
২,২৭৯.
দক্ষিণ চীন সাগরের মালিকানা দাবিকারী দেশগুলির মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. জাপান
  2. চীন 
  3. ফিলিপাইন
  4. ভিয়েতনাম 
ব্যাখ্যা

- জাপান দক্ষিণ চীন সাগরের মালিকানা দাবিকারী দেশগুলির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়।

• দক্ষিণ চীন সাগর: 
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র অঞ্চল।
- যা ভূরাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত কারণে আন্তর্জাতিক মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু।
- দক্ষিণ চীন সাগর দক্ষিণে মালাক্কা প্রণালী থেকে শুরু হয়ে উত্তরে চীনের হাইনান দ্বীপ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এটি বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত সমুদ্রপথ,
- যেখানে প্রায় ২১% বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিবহন করা হয়।

• সীমানা বিতর্ক:
- চীন "নাইন-ড্যাশ লাইন" নামে একটি মানচিত্র ব্যবহার করে,
- যার মাধ্যমে দক্ষিণ চীন সাগরের প্রায় ৯০% অঞ্চল নিজেদের বলে দাবি করে।
- তবে, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই ও তাইওয়ানও এই অঞ্চলের বিভিন্ন অংশের ওপর নিজেদের সার্বভৌমত্ব দাবি করে।
- ২০১৬ সালে হেগের আন্তর্জাতিক আদালত চীনের এই দাবিকে অগ্রহণযোগ্য ঘোষণা করে, কিন্তু চীন তা মানেনি।

উৎস: Britannica এবং বিবিসি।

২,২৮০.
’Pact of Paris’ নামে পরিচিত চুক্তিটি কোন বছর স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ১৯২৮ সালে
  2. ১৯৪৫ সালে
  3. ১৯১৯ সালে
  4. ১৯৩৯ সালে
ব্যাখ্যা
• Pact of Paris:
- Pact of Paris যা Kellogg–Briand Pact নামেও পরিচিত।
- একটি আন্তর্জাতিক শান্তিচুক্তি, যার মাধ্যমে রাষ্ট্রগুলো যুদ্ধকে একটি রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে পরিত্যাগ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়।
- চুক্তির নাম: Pact of Paris / Kellogg–Briand Pact।
- স্বাক্ষরের তারিখ: ২৭ আগস্ট, ১৯২৮।
- কার্যকর হয়: ২৪ জুলাই, ১৯২৯।
- মূল উদ্যোক্তা: Frank B. Kellogg (যুক্তরাষ্ট্র) ও Aristide Briand (ফ্রান্স)।
- স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রের সংখ্যা: শুরুতে ১৫টি, পরে বেড়ে দাঁড়ায় ৬২টি।

• চুক্তির লক্ষ্য:
- আন্তর্জাতিক বিরোধে যুদ্ধ ব্যবহার নিষিদ্ধ করা;
- শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যা সমাধান নিশ্চিত করা;
- বিশ্বজুড়ে নিরস্ত্রীকরণ ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান প্রতিষ্ঠা।

উৎস: Britannica.
২,২৮১.
হুথি বিদ্রোহীরা কোন দেশে সক্রিয়?
  1. ক) ইরাক
  2. খ) সোমালিয়া
  3. গ) ইয়েমেন
  4. ঘ) সিরিয়া
ব্যাখ্যা
হুথি বিদ্রোহী:
- হুথি ইয়েমেনের একটি বিদ্রোহী গ্রুপ।
- হুতিদের আনুষ্ঠানিক নাম আনসারুল্লাহ।
- স্থানীয়ভাবে তাদের হুতি বলে ডাকা হয়। তারা মূলত শিয়া মতবাদে বিশ্বাসী।
- ইয়েমেনে ৯৯.৫ শতাংশ মুসলমান, যার মধ্য ৭০ শতাংশ সুন্নী ও ৩০ শতাংশ শিয়া। এই ৩০ শতাংশ শিয়ারাই মুলত হুথি সম্প্রদায়। এই হুথিদেরকে ইরানের শিয়া সরকার ও লেবাননের হিজবুল্লার সহযোগী সংগঠন বলে মনে করা হয়।

উৎস: The Daily Star
২,২৮২.
কঙ্গোকে বিদেশী শাসন থেকে মুক্ত করার লড়াইয়ে চিরস্থায়ী নাম-
  1. ক) কাশাভুবু
  2. খ) প্যাট্রিক লুমুম্বা
  3. গ) শোম্বে
  4. ঘ) মবুতু
ব্যাখ্যা
কঙ্গোকে বিদেশী শাসন থেকে মুক্ত করার লড়াইয়ের চিরস্থায়ী নাম প্যাট্রিক লুমুম্বা।
ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো। সংক্ষেপে ডিআরসি অথবা ডিআর কঙ্গো।
রাজধানী কিনসাসা। ১
৯৬০ সালে ডিআর কঙ্গো ৭৫ বছরের বেলজিয়াম উপনিবেশ শাসন থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীনতা লাভ করে।

উৎসঃ www.history.com
২,২৮৩.
‘কিনজাল’ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রটি কোন দেশের তৈরি? 
  1. চীন
  2. তুরস্ক
  3. ইরান 
  4. রাশিয়া 
ব্যাখ্যা

• হাইপারসনিক মিসাইল  কিনজাল:  
- রাশিয়ার তৈরি সর্বাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম 'কিনজাল'।

- এটি একটি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র। 
- সেগুলোকেই হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র বলা হয়, যেগুলো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম শব্দের গতির চেয়ে অন্তত ৫ গুণ বা তার চেয়ে বেশি গতিতে।
- হাইপারসনিক মিসাইল হল শব্দের চেয়ে কয়েকগুণ দ্রুতগতিসম্পন্ন অস্ত্র, যা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকেও ফাঁকি দিয়ে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।

- বিবিসি জানিয়েছে, কিনজাল ক্ষেপণাস্ত্র বাতাসের গতির (সেকেন্ডে ৩৪৩ মিটার) চেয়ে ১০ গুণ বেশি গতিতে গিয়ে দুই হাজার কিলোমিটার বা তার বেশি দূরের লক্ষ্যবস্তুতেও আঘাত হানতে পারে।
- এই ক্ষেপণাস্ত্র এতই অত্যাধুনিক যে, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে সক্ষম।
- এই ক্ষেপণাস্ত্র পারমাণবিক ওয়ারএহডও বহন করতে পারে। ভূগর্ভস্থ অস্ত্রভাণ্ডারও ধ্বংস করতে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন ও বিবিসি। (Link) 

২,২৮৪.
'North Atlantic Treaty Organization' বা ন্যাটো চুক্তিপত্রে মোট কতটি অনুচ্ছেদ (Article) রয়েছে?
  1. ৫টি
  2. ৮টি
  3. ১৪টি
  4. ২০টি
ব্যাখ্যা

ন্যাটো (NATO):
- সামরিক বা নিরাপত্তা জোট যা North Atlantic Treaty Organization বা ন্যাটো নামে পরিচিত।
- ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে ১২টি দেশের মধ্যে NATO চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এটি Washington Treaty নামেও পরিচিত।
- ন্যাটোর বর্তমান সদস্য- ৩২টি দেশ। 
- সর্বশেষ সদস্য দেশ- সুইডেন [৭ মার্চ, ২০২৪]
- NATO -এর বর্তমান সদরদপ্তর- বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত। [পূর্বে সদরদপ্তর - লন্ডন ও প্যারিসে অবস্থিত ছিলো।]
- ন্যাটোর বর্তমান মহাপরিচালক - Jens Stoltenberg [নরওয়ের নাগরিক]
- NATO চুক্তিপত্রে মোট ১৪টি অনুচ্ছেদ (Article) রয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ হলো- আর্টিকেল- ৫।
- অনুচ্ছেদ/আর্টিকেল-৫: Collective Security বা যৌথ নিরাপত্তা ন্যাটো চুক্তির ৫ নং অনুচ্ছেদ। Article - 5 কে এই চুক্তির heart বলা হয়।
- অনুচ্ছেদ- ৫ এ বলা হয়েছে - যদি জোটভুক্ত কোন সদস্য দেশ আক্রান্ত হয়, তাহলে এই জোটের সকল সদস্য দেশ আক্রান্ত হয়েছে বলে গণ্য হবে এবং সকল সদস্য দেশ আক্রান্ত দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এগিয়ে আসবে।
- অনুচ্ছেদ- ১০: Open Door Policy [নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভুক্তি] ন্যাটোর নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভুক্তি হয় এই অনুচ্ছেদ অনুসারে। 
- ন্যাটোর সদস্য হওয়ার পূর্ব শর্ত হলো - দেশটিকে ইউরোপিয়ান দেশ হতে হবে। [ব্যাখ্যা আপডেট - ডিসেম্বর, ২০২৫]

সূত্র: NATO ওয়েবসাইট।

২,২৮৫.
সমাজতন্ত্রের আগ্রাসন থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে রক্ষার জন্য কোন নিরাপত্তা চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ক) CSTO
  2. খ) SALT
  3. গ) SEATO
  4. ঘ) CENTO
ব্যাখ্যা
Central Treaty Organization (CENTO)
- CENTO - মধ্যপ্রাচ্যের একটি নিরাপত্তা চুক্তি। সমাজতন্ত্রের আগ্রাসন থেকে এই অঞ্চলের দেশগুলোকে রক্ষা করতে এই নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত এই সংস্থাটির জন্ম।
- ১৯৫৯ সালের আগে পর্যন্ত এই সংস্থাটি Middle East Treaty Organization নামে পরিচিত ছিল। বর্তমানে এটি একটি বিলুপ্ত সংস্থা।
- ১৯৫৯ সালের আগে পর্যন্ত এই সংস্থার সদস্য ছিল - ৫টি এবং তখন এর নাম ছিল - Middle East Treaty Organization। সদরদপ্তর ছিল - ইরাকের বাগদাদে। ইরাক ১৯৫৯ সাল সদস্যপদ প্রত্যাহার করে নেয়।
- ইরাক সদস্যপদ প্রত্যাহার করে নিলে সংস্থাটির নতুন নামকরণ করা হয় Central Treaty Organization (CENTO)। সদরদপ্তর বাগদাদ থেকে তুরস্কের আঙ্কারায় স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং শাহ - এর পতনের পর দেশটি এই সংস্থা থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়। এর ফলে সংস্থাটি বিলুপ্ত হয়ে যায়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম
২,২৮৬.
১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধ বন্ধে কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) সিমলা চুক্তি
  2. খ) আলজিয়ার্স চুক্তি
  3. গ) তাসখন্দ চুক্তি
  4. ঘ) অসলো চুক্তি
ব্যাখ্যা
১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধ বন্ধে তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। উজবেকিস্তানের তাসখন্দ শহরে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যস্থতায় ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
তাসখন্দ চুক্তিতে ভারতের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এবং পাকিস্তানের পক্ষে প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান স্বাক্ষর করেন।
(সূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার)
২,২৮৭.
কোন মুসলিম দেশ সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য?
  1. তুরস্ক
  2. মালয়েশিয়া
  3. আলবেনিয়া
  4. ক ও গ
ব্যাখ্যা
NATO:
- তুরস্ক ও আলবেনিয়া মুসলিম দেশ হলেও সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য। 
- NATO, বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা, ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সামরিক জোট।
- NATO (North Atlantic Treaty Organization) উত্তর আটলান্টিক চুক্তির ভিত্তিতে গঠিত হয়।
- এটি সদস্য দেশগুলোর সম্মিলিত প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করে।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার দেশগুলির মধ্যে সামরিক সহযোগিতা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- NATO চুক্তির "পঞ্চম অনুচ্ছেদ" অনুযায়ী, যদি কোনো সদস্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আক্রমণ করা হয়, তবে তা সমগ্র সংগঠনের বিরুদ্ধে আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে এবং সমস্ত সদস্য একে অপরকে রক্ষা করতে বাধ্য হবে।
- বর্তমানে, NATO-তে ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে (সর্বশেষ সুইডেন- ২০২৪ সালে) । [মে,২০২৫]
- এর সদর দপ্তর ব্রাসেলস, বেলজিয়ামে অবস্থিত।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
২,২৮৮.
'NATO' এর প্রথম সদর দপ্তর ছিল-
  1. ক) জার্মানিতে
  2. খ) বেলজিয়ামে
  3. গ) ফ্রান্সে
  4. ঘ) ইতালিতে
ব্যাখ্যা
North Atlantic Treaty Organization (NATO)-এর সদর দপ্তর‌ বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত। যা ১৯৬৭ সালে ফ্রান্সের প্যারিস থেকে স্থানান্তর করা হয়। উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিয়া।
২,২৮৯.
রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (CWC) কার্যকর হয়- 
  1. ১৯৯৫ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (CWC):
- রাসায়নিক অস্ত্রের উন্নয়ন, উৎপাদন, মজুদ এবং ব্যবহার নিষিদ্ধকরণ এবং তাদের ধ্বংস সংক্রান্ত কনভেনশন। 
- কনভেনশনটি ১৯৯৩ সালে প্যারিসে স্বাক্ষরিত হয়।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ ২৯ এপ্রিল ১৯৯৭।
- এটি প্রথম আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি।
- যা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একটি সম্পূর্ণ শ্রেণির গণবিধ্বংসী অস্ত্র নির্মূলের লক্ষ্য নির্ধারণ করে।

উল্লেখ্য,
- রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার সীমিত করার প্রথম আন্তর্জাতিক চুক্তিটি ১৬৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়,
- যখন ফ্রান্স এবং জার্মানি স্ট্রাসবার্গে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তিতে পৌঁছায়, যেখানে বিষ বুলেটের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়।

উৎস: OPCW website.
২,২৯০.
শস্য চুক্তি কোন দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. তুরস্ক-রাশিয়া
  2. ইউক্রেন-রাশিয়া
  3. ইউক্রেন-বেলারুশ
  4. তুরস্ক-ইউক্রেন
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণসাগর শস্য চুক্তি
- ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালীন ২০২২ সালের জুলাই মাসে ইউক্রেন-রাশিয়া চুক্তিটি স্বাক্ষর করে।
- জাতিসংঘ ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় তুরস্কের ইস্তাম্বুলে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 
- যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে কৃষ্ণসাগর দিয়ে শস্য রপ্তানি সহজিকীকরণে এই চুক্তি করা হয়।
- এই চুক্তির ফলে ইউক্রেনের ৩টি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর ওডেসা, চেরনোমোর্স্ক ও ইজুনি দিয়ে শস্য রপ্তানির পথ কিছুদিনের জন্য সহজ হয়েছিল।
- বাংলাদেশে গমের চাহিদার প্রায় ৪০ শতাংশ আসে রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে।
- বিশ্বব্যাপী চলমান খাদ্য সংকট মোকাবিলায় চুক্তিটি প্রতি ২ মাস পরপর নবায়নের কথা ছিল।
- ১৭ জুলাই, ২০২৩ এর পরে চুক্তিটি আর নবায়ন করা হয়নি।

সূত্র - ডেইলি স্টার।
২,২৯১.
নিম্নের কোন চুক্তিটি বর্তমানে বিলুপ্ত রয়েছে?
  1. USMCA
  2. Warsaw Pact
  3. CTBT
  4. APTA
ব্যাখ্যা

Warsaw Pact:
- Warsaw Pact-এর পূর্ণরূপ: Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance.
- এটি একটি প্রতিরক্ষা ও সহোযোগিতা চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ মে, ১৯৫৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- সদস্য সংখ্যা ছিলো: ৮টি (সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভাকিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া। 
- উদ্দেশ্য: পশ্চিমা দেশের (বিশেষত ন্যাটো) বিরুদ্ধে সামরিক সুরক্ষা এবং পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধি।
- এটি ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে একটি সামরিক জোট, যা পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত প্রভাব শক্তিশালী করতে সাহায্য করেছিল।

উল্লেখ্য,
- পূর্ব ইউরোপের রাষ্ট্র পোল্যান্ডের বৃহত্তম শহর ও রাজধানী ওয়ারশ এর নাম অনুসারে চুক্তিটির নামকরণ করা হয়।
- ১৯৯১ সালের ডিসেম্বরে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তির পরপরই ওয়ারশ চুক্তি ভেঙে যায়।
- ১৯৯১ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ চুক্তির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। 
- চেকোস্লোভাক রাষ্ট্রপতি ভ্যাক্লাভ হ্যাভেল ১৯৯১ সালের ১লা জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে এর সমাপ্তি ঘোষণা করেন। 

অন্যদিকে, 
⇒ USMCA:
- USMCA-এর পূর্ণরূপ: United States-Mexico-Canada Agreement।
- এটি হলো উত্তর আমেরিকা অঞ্চলের তিনটি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২০।

⇒ CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty/ পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।
- অনুমোদিত দেশ: ১৭৮টি।

⇒ APTA:
- APTA-এর পূর্ণরূপ: Asia Pacific Trade Agreement.
- এটি এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের একটি বাণিজ্য চুক্তি।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়: ২ নভেম্বর, ২০০৫।
- চুক্তিটি কার্যকর হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ২০০৬। 
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ৭টি।

উৎস: i) NATO ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.

২,২৯২.
বিশ্ব মানবাধিকার দিবস কত তারিখে?
  1. ক) ১০ অক্টোবর
  2. খ) ১০ নভেম্বর
  3. গ) ১০ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ১০ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা গৃহীত হয়। এতে সর্বমোট ৩০টি ধারা আছে। এই চুক্তি স্বাক্ষরের পরেই ১০ ডিসেম্বরকে মানবাধিকার দিবস ঘোষণা করা হয়। জাতিসংঘের সদর দপ্তরের এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিটি প্রস্তুত করেন নোবেল বিজয়ী ওরেন ক্যাসিন।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
২,২৯৩.
কোন চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপের “Thirty years’ war” এর সমাপ্তি ঘটে?
  1. ভারসাই চুক্তি, ১৯১৯
  2. ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি, ১৬৪৮
  3. প্যারিস চুক্তি, ১৭৮৩
  4. লুজান চুক্তি, ১৯২৩
ব্যাখ্যা
Thirty years war:
- ইউরোপে ধর্মকেন্দ্রিক যুদ্ধের সর্বশেষ উদাহরণ ছিলো ত্রিশ বছরব্যাপী যুদ্ধ।
- প্রোটেস্টান্ট জার্মানির উপর অস্ট্রিয়ান হ্যাপসবার্গের-এর প্রভাব অক্ষুন্ন রাখা, ডেনমার্কের রাজার উচ্চভিলাষ, বাল্টিক অঞ্চলে সুইডেনের একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার এবং হ্যাপসবার্গকে পরাজিত করে ফ্রান্সকে ইউরোপের শ্রেষ্ঠ শক্তিতে পরিণত করা এসব নিয়েই যুদ্ধ প্রলম্বিত হতে থাকে।
- ধর্মান্ধতা, স্বার্থপরতা, নিজেদের উচ্চাকাংক্ষা এবং প্রাধান্য বিস্তারের প্রতিযোগিতায় ইউরোপের সকল দেশ এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- দীর্ঘ ত্রিশবছর ধরে যুদ্ধে সমগ্র জার্মানি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়।

⇒ ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি:
- ত্রিশ বছরব্যাপী অবিরামভাবে যুদ্ধ করার পর বিপর্যস্ত ইউরোপের সকল দেশের প্রতিনিধিরা ১৬৪৮ সালে ওয়েস্টফেলিয়াতে মিলিত হয়ে দুটি ভিন্ন শান্তিচুক্তি পাস করে
- ১৬৪৮ সালের ২৪শে অক্টোবর ওয়েস্টাফেলিয়া চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে দীর্ঘ ত্রিশ বছরব্যাপী ধর্মজনিত এই যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
- ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি ইউরোপের শান্তির স্বপক্ষে প্রথম এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
- এটি ইউরোপকে একটি আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে আসতে সক্ষম হয়।
- এই সন্ধির ভূ-খন্ডগত সীমানা নেপোলিয়নের যুগ পর্যন্ত বহাল থাকে।

উৎস: i) Britannica.
ii) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৯৪.
নিচের কোন দুটি মুসলিম দেশ 'যৌথ কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি'-তে স্বাক্ষর করে?
  1. ইরান ও ইরাক
  2. পাকিস্তান ও সৌদি আরব 
  3. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
  4. সৌদি আরব ও আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা

• কৌশলগত যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি:
- গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পাকিস্তান ও সৌদি আরব একটি 'যৌথ কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি'-তে স্বাক্ষর করেছে।
- সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- এই চুক্তি অনুযায়ী, 'কোনো একটি দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসনকে উভয় দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসন হিসেবে গণ্য করা হবে'।
- সৌদি আরব ও পাকিস্তানের যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির পর আরব ন্যাটো বা মুসলিম ন্যাটোর ধারণা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। 

উৎস: পত্রিকা প্রতিবেদন।

২,২৯৫.
ইরান ও ছয় জাতির মধ্যে পরমাণু চুক্তি পুনর্বহালের লক্ষ্যে কোথায় সংলাপ অনুষ্ঠিত হচ্ছে?
  1. জেনেভা
  2. দোহা
  3. বার্লিন
  4. ভিয়েনা
ব্যাখ্যা
- পরমাণু ইস্যুতে নিরাপত্তা পরিষদের ৫টি দেশ ও জার্মানির সাথে ইরান সরকার ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই Joint Comprehensive Plan Of Action (JCPOA) চুক্তি স্বাক্ষর (কার্যকর হয় ১৬ জানুয়ারি ২০১৬) করেছিলো।
- এই চুক্তিতে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি সীমিতকরণ ও IAEA এর নজরদারিতে আনা এবং ইরানের উপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সকল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কথা বলা হয়।
- কিন্তু সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৮ সালের মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রকে চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে নেয় এবং ইরানের উপর সকল নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করে। ফলে ইরানের পরমাণু ইস্যু নিয়ে স্থবিরতা দেখা দেয়।
- জো বাইডেন দায়িত্ব গ্রহণের পুনরায় যুক্তরাষ্ট্রকে পরমাণু চুক্তিতে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এর অংশ হিসেবে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় ইরানের সাথে চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো সাত দফা সংলাপ অনুষ্ঠিত। এই সংলাপ প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে।
(তথ্যসূত্রঃ বিবিসি ওয়ার্ল্ড ও আল জাজিরা)
২,২৯৬.
বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে -
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি। (এপ্রিল, ২০২৫)

উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক মোট রাষ্ট্রের সংখ্যা ৫টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ এর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে NPT দ্বারা পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হিসাবে স্বীকৃত রাষ্ট্র (NWS) হলো ৫টি।
- চুক্তিটি এই দেশগুলির পারমাণবিক অস্ত্রাগারকে স্বীকৃতি দেয়।
- কিন্তু NPT-এর ৬ অনুচ্ছেদের অধীনে তাদের চিরস্থায়ীভাবে এই ধরনের অস্ত্র তৈরি এবং বজায় রাখার উল্লেখ নেই।

অন্যদিকে,
⇒ ভারত, পাকিস্তান এবং ইসরায়েল কখনই NPT-এ যোগ দেয়নি।
- কিন্তু দেশগুলি পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী বলে পরিচিত।

⇒ উত্তর কোরিয়া একটি অ-পারমাণবিক অস্ত্র রাষ্ট্র হিসাবে NPT-এ যোগদান করেছিল।
- কিন্তু ২০০৩ সালে NPT থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছিল।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট & UNODA ওয়েবসাইট।
২,২৯৭.
ন্যাটোর বহুজাতিক বাহিনীর নাম -
  1. ক) IS
  2. খ) ISAF
  3. গ) ISIS
  4. ঘ) ISSB
ব্যাখ্যা
ISAF:

- ২০০১ সালে আফগান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ন্যাটোর নেতৃত্বে গঠিত হয় - International Security Assistance Force (ISAF)
- এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল Afghan National Security Forces (ANSF)-কে প্রশিক্ষণ দেয়া।
- এটি ধীরে ধীরে তালেবান দমন থেকে শুরু করে আফগানিস্তান সংস্কারে কাজ করে যেতে থাকে।
- ISAF’কে ন্যাটোর বহুজাতিক বাহিনীও বলা হয়।
- মোট ৫১টি দেশের সামরিক বাহিনীর সমন্বয়ে ISAF গঠিত।

তথ্যসূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
২,২৯৮.
Ukraine is located on the shore of -
  1. ক) Mediterranean Sea
  2. খ) Baltic Sea
  3. গ) Aegean Sea
  4. ঘ) Black Sea
ব্যাখ্যা
ইউক্রেন কৃষ্ণসাগরের উত্তর উপকূলে অবস্থিত। আয়তনে ইউক্রেন ইউরোপের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র। এটির আয়তন ৬০৫,৬২৮ বর্গ কিলোমিটার।

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ নিপার নদীর তীরে অবস্থিত।
ওডেসা ও মারিয়াপোল কৃষ্ণসাগরের তীরে অবস্থিত ইউক্রেনের দুটো বিখ্যাত সমুদ্রবন্দর।
ডনবাস ও লুহানস্ক ইউক্রেনের দুটো রুশভাষী সংঘাতপূর্ণ অঞ্চল।

(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
২,২৯৯.
ইরানের পক্ষে আলজিয়ার্স চুক্তিতে কে স্বাক্ষর করেন?
  1. আয়াতুল্লাহ খোমেনি
  2. শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী
  3. হাসান রুহানি
  4. মোহাম্মদ খাতামি
ব্যাখ্যা

- শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী – ইরানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন।

আলজিয়ার্স চুক্তি: 
-আলজিয়ার্স চুক্তির সাথে সম্পৃক্ত দেশ দুটি হলো ইরাক ও ইরান।
- চুক্তিটি ১৩ জুন ১৯৭৫ সালে আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে স্বাক্ষরিত হয়।
- আলজেরিয়ার মধ্যস্থতায় শাত-ইল-আরব নদীকে কেন্দ্র করে সীমান্ত বিরোধ নিরসনের লক্ষ্যে এটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

উল্লেখ্য, 
- ইরানের পক্ষে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী এবং ইরাকের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন এতে স্বাক্ষর করেন। তবে, ১৯৮০ সালে ইরাক ইরানে আক্রমণ করলে এই চুক্তি কার্যকারিতা হারায়। পরবর্তীতে এই ঘটনা ইরান-ইরাক যুদ্ধের সূচনা করে।
 
সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি.কম।

২,৩০০.
গোবি মরুভূমি কোথায় অবস্থিত?
  1. মঙ্গোলিয়া ও চীন
  2. মঙ্গোলিয়া ও কাজাখস্তান
  3. চীন ও রাশিয়া
  4. নেপাল ও চীন
ব্যাখ্যা
• গোবি মরুভূমি:
- গোবি মরুভূমি (Gobi Desert) মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত একটি বিশাল মরুভূমি।
- মরুভূমিটির অবস্থান মঙ্গোলিয়া ও চীন - দুই দেশে বিস্তৃত।
- গোবি মরুভূমি দৈর্ঘ্য - ১০০০ মাইল (১৬০০ কিমি) এবং প্রস্থ - ৩০০ থেকে ৬০০ মাইল (৫০০ থেকে ১০০০ কিমি)।
- এই মরুভূমির আয়তন আনুমানিক ১৩ লক্ষ বর্গকিলোমিটার।

এছাড়াও,
- থর মরুভূমি : ভারত ও পাকিস্তান।
- মোজাবে মরুভূমি : যুক্তরাষ্ট্র।
- সাহারা মরুভূমি : আফ্রিকা।

উৎস: Britannica.com.