বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

মোট প্রশ্ন৩,৩৩৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

PrepBank · পাতা ১৯ / ৩৪ · ১,৮০১১,৯০০ / ৩,৩৩৯

১,৮০১.
নিচের কোনটি ANZUS-এর সদস্য দেশ নয়?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. নিউজিল্যান্ড
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
ANZUS:
- এটি একটি সামরিক জোট। 
- ANZUS চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১।
- কার্যকর হয়: ১৯৫২ সালে।
- সদস্য দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরের স্থান: সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া।

উল্লেখ্য,
- জার্মানি ANZUS এর সদস্য দেশ নয়। 

উৎস: Britannica.
১,৮০২.
'সায়রেট মেটাকল' কী?
  1. RAW এর কমান্ডো বাহিনী
  2. Mossad এর কমান্ডো বাহিনী
  3. FBI এর কমান্ডো বাহিনী
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
•মোসাদ:
- মোসাদ ইসরায়েলের একটি গোয়েন্দা সংস্থা।
- ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৯ সালে মোসাদ গঠিত হয়।
- তৎকালীন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী ডেভিড বেনগুরিয়ন এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- এর সদর দপ্তর তেলআবিবে অবস্থিত।
- মোসাদকে বিশ্বের সবচেয়ে দুর্ধর্ষ গোয়েন্দা সংস্থা বিবেচনা করা হয়। এটি বহির্বিশ্বে জুয়িশ কমিউনিটির স্বার্থ রক্ষায় কাজ করে।
- 'সায়রেট মেটাকল' Mossad এর কমান্ডো বাহিনী। 
- মোসাদ ব্যতীত ইসরাইলের অপর দুটি গোয়েন্দা সংস্থা হলো আমান এবং শিনবেত।

তথ্যসূত্র - মোসাদ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। 
১,৮০৩.
ওয়ারশ চুক্তি কোন সময়কার সামরিক জোট ছিল?
  1. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  2. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  3. স্নায়ুযুদ্ধ
  4. ইরাক যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
ওয়ারশ চুক্তি সংস্থা (Warsaw Pact):
- ওয়ারশ চুক্তি সংস্থা ওয়ারশ প্যাক্ট নামেও পরিচিত।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৪ মে, ১৯৫৫ সালে।
- এটি ছিল একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট, যা সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং পূর্ব ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশকে নিয়ে গঠিত।
- এই জোটটি গঠন করা হয় ন্যাটো (NATO)-র পাল্টা জোট হিসেবে, যা ১৯৪৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং পশ্চিম ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে গঠিত হয়।
- এই চুক্তি ২৬ এপ্রিল ১৯৮৫ সালে নবায়ন করা হয়।
- এই সংস্থার কার্যক্রম ১ জুলাই ১৯৯১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়।
- ওয়ারশ প্যাক্ট ছিল সোভিয়েত নেতৃত্বাধীন একটি সামরিক জোট, যা স্নায়ুযুদ্ধের সময় পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোকে একত্রিত করে ন্যাটোর বিপরীতে একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল।

উৎস: History of U.S. Foreign Relations
britannica.
১,৮০৪.
স্নায়ুযুদ্ধের প্রধান দুই শক্তির মধ্যে কোন দুটি দেশ ছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান
  3. জার্মানি ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. ফ্রান্স ও জার্মানি
ব্যাখ্যা
স্নায়ুযুদ্ধ:
- স্নায়ুযুদ্ধ বলতে সরাসরি কোনো যুদ্ধ বোঝায়না।
- 'যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব অথচ যুদ্ধ নয়' এ অবস্থাকে রসিকজনেরা বলেন, ঠান্ডাযুদ্ধ। এর কেতাবি নাম স্নায়ুযুদ্ধ।
- ১৯৪০ দশকের মাঝামাঝি থেকে ১৯৮০ দশকের শেষ অব্দি চলমান এই যুদ্ধ ইতিহাসে স্নায়ু যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এই যুদ্ধ শুরু হয় ১৯৪৫ সালে।
- স্নায়ুযুদ্ধের প্রধান দুই শক্তির মধ্যে ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে চলা স্নায়ুযুদ্ধ অবসান হয়েছিলো ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মাধ্যমে।
- সোভিয়েত ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে শেষ পর্যন্ত রাশিয়া শক্ত অবস্থান নিয়েই টিকে আছে আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে।

⇒ দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পৃথিবীর অপ্রতিরোধ্য পরাশক্তিতে পরিণত হয়।
- এ সময়ে মার্শাল প্ল্যানের (১৯৪৭) মাধ্যমে ইউরোপ পুনর্গঠনে প্রধান ভূমিকা রাখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ শেষ হওয়ার মাধ্যমে দুটো বিপরীত বৈশ্বিক শক্তি ও আদর্শের বিকাশ ঘটে।
- পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পশ্চিম ইউরোপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- এই দুই শিবিরেই গঠিত হয়েছিল দুটি সামরিক জোট।
- একটি নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো), অন্যটি ওয়ারশ জোট।
- পুরো স্নায়ুযুদ্ধের কালজুড়ে মধ্য ইউরোপের উভয় পক্ষের দেশগুলো পরস্পরের দিকে তাক করে রেখেছিল পারমাণবিক শক্তিসম্পন্ন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
১,৮০৫.
Warsaw Pact কয়টি দেশের মধ্যকার চুক্তি?
  1. ৬টি
  2. ৮টি
  3. ১১টি
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা
ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact):
- Warsaw Pact বলতে বোঝায় Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance.
- এটি একটি প্রতিরক্ষা ও সহোযোগিতা জোট।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত।
- মূলত সোভিয়েত ইউনিয়ন ন্যাটোর (NATO) বিকল্প সামরিক জোট হিসেবে ওয়ারশ চুক্তি জোট গঠন করে। 
- ১৪ মে, ১৯৫৫ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- পূর্ব ইউরোপের রাষ্ট্র পোল্যান্ডের বৃহত্তম শহর ও রাজধানী ওয়ারশ এর নাম অনুসারে চুক্তিটির নামকরণ করা হয়।
- ৩১ মার্চ, ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্তির সাথে সাথে Warsaw Pact বিলুপ্ত হয়।

উৎস: Britannica.
১,৮০৬.
চীন ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কোনটি?
  1. পেরেজিল দ্বীপ
  2. সেনকাকু দ্বীপ
  3. শাখালিন দ্বীপ
  4. স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ
ব্যাখ্যা

• বিভিন্ন বিরোধপূর্ণ অঞ্চল:

- চীন ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ সেনকাকু।
- দ্বীপটির মালিকানা নিয়ে চীন ও জাপানের মধ্যকার বিরোধ দীর্ঘদিনের।
- বিরোধপূর্ণ দ্বীপটি জাপানের কাছে ‘সেনকাকু’ ও চীনের কাছে ‘দিয়াওয়ু’ নামে পরিচিত।
- সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ পূর্ব চীন সাগরে অবস্থিত।
- ১৮৯৫ সালে সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ জাপানের ভূখণ্ডে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর, জাপানি নাগরিকরা দ্বীপগুলিতে বসতি স্থাপন করে।

তথ্যসূত্র: জাপান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও বিবিসি বাংলা।

১,৮০৭.
নিচের কোনটি মিয়ানমারের গেরিলা সংগঠন?
  1. ক) টুপাক আমরু (MRTA)
  2. খ) কন্ট্রা (Contras)
  3. গ) ইউনিটা (Unita)
  4. ঘ) গডস আর্মি (God’s Army)
ব্যাখ্যা
- 'গডস আর্মি' মিয়ানমারের একটি বিপ্লবী গ্রুপ বা গোষ্ঠী।
- ১৯৯৭ সালে সাউ তুই তুই এটা প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই গোষ্ঠীটি মিয়ানমারের কারেন রাজ্যে তাদের কার্যক্রম চালায়‌। 

- এছাড়া কন্ট্রা (Contras) নিকারাগুয়ার বিদ্রোহী সংগঠন।
- টুপাক আমরু (MRTA) পেরুর বামপন্থী গেরিলা সংগঠন।
- ইউনিটা (Unita) : অ্যাঙ্গোলার গেরিলা সংগঠন।

তথ্যসূত্র- নিউইয়র্ক টাইমস ও ব্রিটানিকা।
১,৮০৮.
নর্থ আটলান্টিক ট্রিট্রি অর্গানাইজেশন কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ৪ এপ্রিল ১৯৪৯
  2. খ) ৩ জানুয়ারি ১৯৫৪
  3. গ) ২৬ মে ১৯৫৫
  4. ঘ) ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬
ব্যাখ্যা
The foundations of the North Atlantic Treaty Organization (NATO) were officially laid down on 4 April 1949 with the signing of the North Atlantic Treaty, more popularly known as the Washington Treaty. Source: Nato website
১,৮০৯.
'অকাস' কী ধরনের চুক্তি?
  1. নিরাপত্তা চুক্তি
  2. মুক্ত বানিজ্য
  3. অবাধ সমুদ্র চলাচল
  4. অর্থনৈতিক চুক্তি
ব্যাখ্যা
অকাস (Aukus) চুক্তি:
- অকাস চুক্তি হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা সহযোগিতা চুক্তি।
- গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ এই চুক্তি স্বাক্ষরের ঘোষণা প্রদান করা হয়।
- অকাস চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের উত্থান ও তৎপরতাকে ব্যাহত করা। এই চুক্তির অধীনে যুক্তরাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়াকে পরমাণু শক্তি চালিত সাবমেরিন নির্মাণে প্রযুক্তিগত সহায়তা করবে।
- এই চুক্তির ফলে ফ্রান্সের সাথে অস্ট্রেলিয়ার করা ১২টি সাবমেরিন তৈরির চুক্তি অকার্যকর হয়ে যাওয়ায় ফ্রান্স অকাস চুক্তির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে।
- অকাস চুক্তির ফলে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের সমন্বয়ে গঠিত কোয়াডের গুরুত্বও কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড ও গার্ডিয়ান প্রতিবেদন।
১,৮১০.
'অনুপ চেটিয়া ও অরবিন্দ রাজখোয়া' কোন বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের সদস্য ছিলেন?
  1. জইশ মোহাম্মদ
  2. গডস আর্মি
  3. উলফা
  4. নকশাল
ব্যাখ্যা
উলফা (ULFA):
- ULFA (United Liberation Front of Assam) বা উলফা ভারতের আসাম রাজ্যের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন। এটি ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরেশ বড়ুয়া, অনুপ চেটিয়া, অরবিন্দ রাজখোয়া প্রমুখ উলফার নেতা।
- বাংলাদেশের আলোচিত দশ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানের সাথে উলফা জড়িত।
- ভারত সরকার ১৯৯০ সালে সংগঠনটিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।

সূত্র:- South Asia Terrorism Portal.
১,৮১১.
রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি (CWC) কোন বছরে কার্যকর হয়? 
  1. ১৯৯৩ সালে
  2. ১৯৯৪ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

• CWC চুক্তি:
- CWC এর পূর্ণরূপ Chemical Weapons Convention.
- এটি রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি।
- CWC চুক্তি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- চুক্তির বিষয়: রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৯৩টি।

উল্লেখ্য:
- ইসরায়েল স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।

তথ্যসূত্র:  জাতিসংঘ ও OPCW ওয়েবসাইট।

১,৮১২.
সিরিয়ার বিদ্রোহী গোষ্ঠী হায়াত তাহরির আল-শামের (এইচটিএস) প্রধান কে? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. জভাত আল-নুসরা
  2. মোহাম্মদ আল-বশির
  3. আবু মোহাম্মদ আল-জোলানি
  4. বাশার আল আসাদ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 
-------------------------
হায়াত তাহরির আল-শাম (HTS):

- হায়াত তাহরির আল-শাম (HTS) হলো সিরিয়ায় গঠিত একটি ইসলামপন্থী সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
- এটি সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের (২০১১) সময় সৃষ্টি হয়। ২০১৭ সালে HTS আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা বিভিন্ন বিদ্রোহী সংগঠনের সংমিশ্রণে গঠিত হয়।
- এর মূল ভিত্তি ছিল নুসরা ফ্রন্ট (জভাত আল-নুসরা), যা ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং ২০১৬ পর্যন্ত আল-কায়েদার সঙ্গে যুক্ত ছিল।
- বর্তমানে গোষ্ঠীটির নেতৃত্ব দেন আবু মোহাম্মদ আল-গোলানি (জোলানি), যিনি নুসরা ফ্রন্টেরও নেতা ছিলেন।
- HTS ইদলিবে ক্ষমতায় আসার পর জনসেবায় গুরুত্ব দেয়।
- তারা কিছু ক্ষেত্রে শরিয়া আইন প্রয়োগ করলেও কঠোর ইসলামী বিধিনিষেধ আরোপ করেনি।
- আবু মোহাম্মদ আল-গোলানি HTS-এর মুখপাত্র হিসেবে নিজেকে পরিবর্তিত রূপে উপস্থাপন করেছেন।
- এইচটিএসের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে আল-জোলানি প্রায় এক দশক ধরে নিজেকে অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠী থেকে আলাদা করার চেষ্টা করেছেন।
- তাদের বৈশ্বিক কর্মকাণ্ডের পরিবর্তে সিরিয়ায় একটি "ইসলামিক প্রজাতন্ত্র" গঠনের দিকে মনোনিবেশ করেছেন।
- ২০২৪ সালে HTS বিদ্রোহীরা সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করে, আসাদ পরিবারের পাঁচ দশকের শাসনের অবসান ঘটায়।

উল্লেখ্য, 
- সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের পতনের পর দেশটির নতুন অন্তর্বর্তী সরকারের তত্ত্ববধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নিয়োগ পেয়েছেন মোহাম্মদ আল-বশির।
- ২০২৫ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত তিনি এই অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব দেবেন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট এবং প্রথমা আলো নিউজ। [লিঙ্ক]
১,৮১৩.
কোন চুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে?
  1. ক) আলজিয়ার্স চুক্তি
  2. খ) আব্রাহাম চুক্তি
  3. গ) অসলো চুক্তি
  4. ঘ) ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
ব্যাখ্যা
- তৃতীয় আরব দেশ হিসেবে গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ সংযুক্ত আরব আমিরাত ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেছে। এই লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি ‘আব্রাহাম চুক্তি’ নামে পরিচিত।
(তথ্যসূত্র: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ওয়বসাইট)
১,৮১৪.
নিম্নের কোন দলটি মার্কিন রাজনীতিতে ‘গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি’ নামে পরিচিত?
  1. ডেমোক্রেটিক পার্টি
  2. লিবার্টারিয়ান পার্টি
  3. কনজারভেটিভ পার্টি
  4. রিপাবলিকান পার্টি
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্র: 
- যুক্তরাষ্ট্রে মোট পঞ্চাশটি রাজ্য রয়েছে।
- আলাস্কা যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম রাজ্য, আর জনসংখ্যার দিক থেকে ক্যালিফোর্নিয়া হলো বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য।
- যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীনতা লাভ করে ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে।
- সেই থেকে ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- দেশটির প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ওয়াশিংটন।
- ১৮৬৩ সালে প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ করা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে রিপাবলিকান পার্টি "গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি" বা GOP নামে পরিচিত।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল হলো ডেমোক্রেটিক পার্টি এবং রিপাবলিকান পার্টি। 

সূত্র: ব্রিটানিকা।

১,৮১৫.
বি-৫২ কী?
  1. এক ধরনের যাত্রীবাহী বিমান
  2. এক বিশেষ ধরনের হেলিকপ্টার
  3. এক ধরনের বোমারু বিমান
  4. ভূমি হতে শূণ্যে ‍নিক্ষেপণযোগ্য এক ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র
ব্যাখ্যা
বি-৫২:
- এটিকে স্ট্র্যাটোফোর্ট্রেসও বলা হয়।
- এটি এক ধরণের মার্কিন বোমারু বিমান।
- ১৯৪৮ সালে এর ডিজাইন করা হয়েছিল।
- ১৯৫২ সালে এটি প্রথম উড্ডয়ন করা হয়েছিল।
- ১৯৫৫ সালে প্রথম সামরিক পরিষেবা দেয় ।

উৎস: Britannica.
১,৮১৬.
অটোয়া চুক্তির মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ
  2. পারমাণবিক অস্ত্র সীমিতকরণ
  3. রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
  4. জৈব অস্ত্র ধ্বংস
ব্যাখ্যা

অটোয়া চুক্তি: 
- অটোয়া চুক্তি ১৯৯৭ সালে স্থলমাইনের উৎপাদন, ব্যবহার ও মজুদ নিষিদ্ধকরণের লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছিল।
- ১৯৯৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর কানাডার অটোয়ায় এই চুক্তি গৃহীত হয় এবং
- এটি ১ মার্চ ১৯৯৯ সালে কার্যকর হয়।
- এই চুক্তির মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ স্থলমাইন ব্যবহারের বিরুদ্ধে সম্মত হয়।
- বাংলাদেশ ৭ মে ১৯৯৮ সালে অটোয়া চুক্তিতে স্বাক্ষর করে এবং ৬ সেপ্টেম্বর ২০০০ সালে এটি কার্যকর করে।
- বর্তমানে ১৬৪টি দেশ এই চুক্তির অংশীদার।

সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১,৮১৭.
ন্যাটোর কোন অনুচ্ছেদে 'Open Door Policy' সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ - ৬
  2. অনুচ্ছেদ - ৮
  3. অনুচ্ছেদ - ১০
  4. অনুচ্ছেদ - ১২
ব্যাখ্যা

NATO:
- ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার।

⇒ অনুচ্ছেদ - ১০: Open Door Policy [নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি]। 
ন্যাটোর নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি হয় এই অনুচ্ছেদ অনুসারে।
ন্যাটোর সদস্য হওয়ার পূর্ব শর্ত হলো - দেশটিকে ইউরোপিয়ান দেশ হতে হবে।

⇒ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

১,৮১৮.
'Minsk II' চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী সংস্থা কোনটি?
  1. ক) EC
  2. খ) ENQA
  3. গ) OSCE
  4. ঘ) NATO
ব্যাখ্যা
Minsk II
Representatives of Russia, Ukraine, the Organisation for Security and Cooperation in Europe (OSCE) and the leaders of separatist-held regions Donetsk and Luhansk signed a 13-point agreement in February 2015.
The leaders of France, Germany, Russia, and Ukraine gathered in Minsk to mark the occasion and issued a declaration of support.

Minsk I
Ukraine and the Russia-backed separatists agreed on a 12-point ceasefire deal in September 2014.
Its provisions included prisoner exchanges, deliveries of humanitarian aid and the withdrawal of heavy weapons.
However, the agreement quickly broke down, with violations by both sides.

Source: www.aljazeera.com
১,৮১৯.
ইন্টারপোলের প্রতিষ্ঠাকালীন নাম ছিল কোনটি?
  1. International Criminal Police Agency
  2. International Police Organization
  3. International Criminal Police Organization
  4. International Criminal Police Commission
ব্যাখ্যা
ইন্টারপোল:
- পূর্ণরূপ হচ্ছে International Criminal Police Organization, 
- এটি আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম ছিল "International Criminal Police Commission".
- ইন্টারপোলের সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিঁও শহরে অবস্থিত, এবং এটি ১৯২৩ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে ইন্টারপোলের সদস্য সংখ্যা ১৯৬টি, এর মধ্যে সর্বশেষ ১৯৬তম সদস্য হিসেবে পালাউ যোগদান করেছে। [জানুয়ারি - ২০২৫]
- ইন্টারপোলের মূল লক্ষ্য হল সদস্য দেশগুলোর পুলিশ বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করা এবং তাদের অপরাধমূলক কার্যকলাপ রোধ করা। এটি সদস্য দেশগুলোর পুলিশ বাহিনীকে অনুসন্ধানে সহায়তা, দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ প্রদান এবং বিভিন্ন ধরনের লজিস্টিক সাপোর্ট প্রদান করে। 

সূত্র: ইন্টারপোল ওয়েবসাইট।
১,৮২০.
Warsaw Pact ছিলো -
  1. ১২ টি দেশের জোট
  2. ১১ টি দেশের জোট
  3. ১০ টি দেশের জোট
  4. ৮টি দেশের জোট
ব্যাখ্যা
Warsaw Pact:
- Warsaw Pact বলতে বোঝায় Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি।
- উদ্দেশ্য: মূলত, আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতিতে সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধিই ছিলো এর মূল উদ্দেশ্য।
- স্বাক্ষর: ১৪ মে, ১৯৫৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- সদস্য সংখ্যা ছিলো: ৮টি; সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া।
- বিলুপ্ত: ১ জুলাই, ১৯৯১।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
১,৮২১.
'ফার্ক' কোন দেশের গেরিলা সংগঠন?
  1. কলম্বিয়া
  2. জাপান
  3. পেরু
  4. লিবিয়া
ব্যাখ্যা
ফার্ক কলম্বিয়ার কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।

ফার্ক (FARC):
- FARC-এর পূর্ণরূপ: Revolutionary Armed Forces of Colombia.
- এটি কলম্বিয়ার কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।
- ১৯৬৪ সালে কলম্বিয়ান কমিউনিস্ট পার্টির সামরিক শাখা হিসেবে ফার্ক গঠিত হয়।
- ফার্কের প্রতিষ্ঠাতা ম্যানুয়েল মারুলেন্দা।
- এরা মূলত মার্কসবাদী আদর্শে বিশ্বাসী।

উল্লেখ্য,
- কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট জুয়ান ম্যানুয়েল সানতোস ফার্ক গেরিলাদের সাথে ২০১৬ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর একটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করেছেন।
- দীর্ঘ ৪ বছর ধরে আলোচনার পর তিনি শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- কলম্বিয়ার পার্লামেন্ট ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর এই শান্তি চুক্তিটি অনুমোদন করেছে।
- ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে ফার্ক গ্যারিলাদের একটি শান্তি এলাকায় রাখা হয়েছে, যাতে করে তাদেরকে পুনর্বাসন করা যায়।

উৎস: Britannica.
১,৮২২.
CPTPP কী ধরনের চুক্তি?
  1. ক) সামরিক
  2. খ) বাণিজ্যিক
  3. গ) রাজনৈতিক
  4. ঘ) সাংস্কৃতিক
ব্যাখ্যা
CPTPP (The Comprehensive and Progressive Agreement for Trans-Pacific Partnership) হলো এশিয়া-প্রশান্তমহাসাগরীয় অঞ্চলের ১১টি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
২০১৮ সালের ৮ মার্চ এটি চিলির সান্টিয়াগো শহরে স্বাক্ষরিত হয়। কানাডা, পেরু, মেক্সিকো, চিলি, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জাপান, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, সিঙ্গাপুর এবং ভিয়েতনাম এতে স্বাক্ষর করে।
৩০ ডিসেম্বর ২০১৮ ছয়টি দেশ অনুমোদনের মাধ্যমে এটি কার্যকর হয়। ‍যুক্তরাষ্ট্র শুরুতে এটিতে যুক্ত থাকলেও পরবর্তীতে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়।
(সূত্র: কানাডা সরকারি ওয়েবসাইট)
১,৮২৩.
যুক্তরাষ্ট্র ও আফগানিস্তানে তালেবানদের মধ্যে কত সালে দ্বিতীয় শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ২০১৮ সালে
  2. ২০১৯ সালে
  3. ২০২০ সালে
  4. ২০২১ সালে
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্র ও আফগানিস্তানে তালেবানদের মধ্যে ২০২০ সালে দ্বিতীয় শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

তালেবান গোষ্ঠী:
- ১৯৯৪ সালে আফগান প্রতিরোধ যোদ্ধাদের নিয়ে গঠিত হয়েছিল তালেবান গোষ্ঠী।
- পশতু ভাষায় তালেবান মানে হচ্ছে 'ছাত্র'।
- আফগানিস্তান থেকে সোভিয়েত রাশিয়ার সেনারা ফিরে যাওয়ার পর ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে উত্তর পাকিস্তানে এই তালেবান আন্দোলনের জন্ম।
- এই আন্দোলনে মূলত পশতুন অর্থাৎ পশতুভাষীদের প্রাধান্য।
- এই মাদ্রাসাগুলো পরিচালিত হতো সৌদি অর্থে - এবং সেখানে খুবই কট্টর সুন্নী মতাদর্শের ইসলামই প্রচার করা হতো।
- তাদের মূল লক্ষ্য ছিল ইসলামি আইনে দেশ পরিচালনা এবং যে কোনো ধরনের বিদেশি প্রভাব দূর করা।
- ১৯৯৮ সাল নাগাদ তালেবান আফগানিস্তানের প্রায় ৯০ শতাংশ অঞ্চলে তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
- তাদের সবচেয়ে ভয়াবহ কাণ্ড ছিল ২০০১ সালে আফগানিস্তানের মধ্যাঞ্চলে বিখ্যাত বামিয়ান বুদ্ধের মূর্তি ধ্বংস করা।
- ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে আল কায়েদার হামলার পর সারা বিশ্বের মনোযোগের কেন্দ্রে চলে আসে আফগানিস্তানের তালেবান।

⇒ যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের ঐতিহাসিক চুক্তি সই:
- আফগানিস্তানে তালেবানদের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের যুদ্ধের অবসান ঘটাতে দুপক্ষের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- কাতারের রাজধানী দোহায় ২০২০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের মধ্যে দ্বিতীয় শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যেখানে তালেবান চুক্তিটির শর্তাবলী মেনে চললে ১৪ মাসের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়।
- এ চুক্তির মাধ্যমে আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সৈন্যবাহিনী তুলে নেয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের আগে এ দু’পক্ষের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

উৎস: i) National Geographic Kids ওয়েবসাইট।
         ii) ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, BBC.
১,৮২৪.
ব্রাসেলস চুক্তি মূলত কোন বিষয়ে ছিল?
  1. শিক্ষা ও সংস্কৃতি
  2. অর্থনৈতিক সহযোগিতা
  3. নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা
  4. পরিবেশ সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা

ব্রাসেলস চুক্তি (১৯৪৮):
​- ব্রাসেলস চুক্তি ব্রিটেন , ফ্রান্স , বেলজিয়াম , নেদারল্যান্ডস এবং লুক্সেমবার্গ দ্বারা স্বাক্ষরিত একটি চুক্তি, যার ফলে একটি সম্মিলিত প্রতিরক্ষা জোট তৈরি হয়।
​- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ মার্চ, ১৯৪৮ সালে বেলজিয়ামের ব্রাসেলস।
​- কার্যকর হয়: ২৫ আগস্ট, ১৯৪৮ সালে।
​- চুক্তির লক্ষ্য ছিল পশ্চিম ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলি সহযোগিতা করতে পারে তা দেখানো, এইভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পশ্চিম ইউরোপের নিরাপত্তায় ভূমিকা পালন করতে উৎসাহিত করা।
​​- এই চুক্তির মাধ্যমে ন্যাটো এবং পশ্চিম ইউরোপীয় ইউনিয়ন গঠনের সূত্রপাত হয়।

​উৎস: Britannica.

১,৮২৫.
হামাসের বর্তমান প্রধান কে? [নভেম্বর, ২০২৪]
  1. খালেদ মেশাল
  2. ইসমাইল হানিয়া
  3. মাহমুদ আব্বাস
  4. ইয়াহিয়া সিনওয়ার
ব্যাখ্যা

হামাস:
- হামাস ফিলিস্তিনের গেরিলা সংগঠন।
- হামাস ১৯৮৭ সালের ১৪ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা: শেখ ইয়াসিন।
- এর সদরদপ্তর গাজায় অবস্থিত।
- বর্তমান প্রধান: খালেদ মেশাল।

⇒ হামাস ইসরাইল-ফিলিস্তিনি সংঘাতে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) এর ধর্মনিরপেক্ষ পদ্ধতির বিরোধিতা করেছিল এবং ফিলিস্তিনের যে কোনও অংশ হস্তান্তর করার প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছে।
- হামাস ইসরায়েল এবং পিএলও- এর মধ্যে ১৯৯৩ সালের শান্তি চুক্তির নিন্দা করেছিল।

উল্লেখ্য,
- ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর নতুন প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ার।
- আগস্ট, ২০২৪-এ তিনি দায়িত্ব নেন।
- তিনি সংগঠনটির সশস্ত্র শাখার প্রধান ছিলেন।
- ১৯ অক্টোবর, ২০২৪ ফিলিস্তিনের সশস্ত্র সংগঠন হামাসের রাজনৈতিক ও সামরিক শাখার শীর্ষ নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার ইসরায়েলের হামলায় নিহত হয়েছেন।
- নতুন প্রধান দায়িত্ব নেওয়ার আগ পর্যন্ত খালেদ মেশাল হামাসের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

উৎস: Britannica.

১,৮২৬.
Federal Security Service (FSB) কোন সংস্থার উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. CIA
  2. MI5
  3. SIS
  4. KGB
ব্যাখ্যা
FSB:
- FSB-এর পূর্ণরুপ: Federal Security Service.
- রাশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (FSB)।
- এটি KGB-এর উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচিত হয়।
- রাশিয়ান রাষ্ট্রপতি বরিস ইয়েলৎসিন এই পরিষেবাটির নাম পরিবর্তন করে FSB রাখেন।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৯৯৪ সালে।
- সদর দপ্তর: মস্কো, রাশিয়া।
- পরিচালক: আলেকজান্ডার বোর্টনিকভ (Alexander Bortnikov)।

উৎস: Britannica.
১,৮২৭.
JKLF এর পূর্ণনাম কী?
  1. ক) Jammu Kashmir Liberation Front
  2. খ) Jammu Kashmir Liberty Front
  3. গ) Jammu Kashmir Liberaty Fedaration
  4. ঘ) Jammu Kashmir Liberal Front
ব্যাখ্যা
- JKLF (Jammu-Kashmir Liberation Front) হলো ভারতের কাশ্মীর রাজ্যের স্বাধীনতাকামী গেরিলা সংগঠন।
- এটির প্রতিষ্ঠাতা আমানুল্লাহ খান এবং মকবুল ভাট। এটি ১৯৭৭ সালে ব্রিটেনের বার্মিংহামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ভারত সরকার ২০১৯ সালে ইয়াছিন মালিককে গ্রেফতার ও JKLF কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

তথ্যসূত্র:- সাউথ এশিয়া টেরোরিজম পোর্টাল।
১,৮২৮.
বাংলাদেশে কত সালে আনুষ্ঠানিকভাবে 'হিজবুত তাহরী' কার্যক্রম শুরু করে?
  1. ২০০৩ সাল
  2. ২০০৯ সাল
  3. ২০০১ সাল
  4. ২০০৫ সাল
ব্যাখ্যা
হিযবুত তাহরীর:
- হিযবুত তাহরীর একটি ইসলামি মতাদর্শ ভিত্তিক রাজনৈতিক দল যা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। 
- বাংলাদেশে ২০০১ সাল হতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ দলটি তাদের কার্যক্রম শুরু করে। 
- ২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট মন্ত্রণালয় কর্তৃক "জননিরাপত্তার স্বার্থে" -এ কারণ দেখিয়ে এ দলটিকে নিষিদ্ধ করা হয়। 
- ২০০০ সালে হিযবুত তাহরীর ‘লিবারেটেড ইয়ুথ’ নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গোপনে কার্যক্রম শুরু করে।
- হিযবুত তাহরীর পাকিস্তানসহ বিশ্বের ১৮টি দেশে নিষিদ্ধ। 

উৎস:- দৈনিক ইত্তেফাক ও বিবিসি বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৮২৯.
ন্যাটোতে যোগদানকারী মুসলিম দেশের সংখ্যা কত?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. একটিও নয়
ব্যাখ্যা

ন্যাটো:
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- NATO এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৯ সাল।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন ১ অক্টোবর, ২০২৪ সালে।
- ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ ১২টি।
- এর বর্তমান সদস্য দেশ ৩২টি।
- ন্যাটোতে যোগদানকারী মুসলিম দেশ ২টি। যথা:
• তুরস্ক ও
• আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।

তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,৮৩০.
'গডস আর্মি' কোন দেশের গেরিলা গোষ্ঠী?
  1. ফিলিপাইন
  2. ভারত
  3. ফিলিস্তিন
  4. মিয়ানমার
ব্যাখ্যা

গডস আর্মি:
- মিয়ানমার ও থাইল্যান্ড সিমান্তের কাইন স্টেটে স্বাধীনতাকামী গেরিলা গোষ্ঠীর নাম গডস আর্মি।
- এরা খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।
- কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়ন থেকে গডস আর্মির জন্ম হয়েছে।
- লুথার ও জনি নামের দুই কিশোর গডস আর্মি গড়ে তোলে।
অন্যদিকে,
- 'হিজবুল্লাহ' লেবাননের একটি গেরিলা সংগঠন।
- 'হামাস' ও 'ব্লাক সেপ্টেম্বর' প্যালেস্টাইনের একটি গেরিলা সংগঠন।
- 'উলফা' ভারতের আসামের গেরিলা সংগঠন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৮৩১.
বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্য হওয়ায় কোন দেশ কমনওয়েলথ থেকে পদত্যাগ করেছিল?
  1. ক) পাকিস্তান
  2. খ) কানাডা
  3. গ) অস্ট্রেলিয়া
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
যুক্তরাজ্যের সাবেক ঔপনিবেশিক দেশগুলো নিয়ে ১৯৩১ সালে কমনওয়েলথের যাত্রা শুরু হয়। ১৯৪৯ সালে ঐতিহাসিক লন্ডন ঘোষণার মাধ্যমে আধুনিক কমনওয়েলথের যাত্রা শুরু হয়। লন্ডন ঘোষণার দিনটিকে অর্থাৎ মার্চের দ্বিতীয় সোমবারকে প্রতিবছর কমনওয়েলথ দিবস পালন করা হয়। কমনওয়েলথের বর্তমান প্রধান রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ। এর সচিবালয় অবস্থিত মার্লবোরো হাউজ, লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
কমনওয়েলথের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৪ টি। বাংলাদেশ‌ কমনওয়েলথের সদস্য পদ লাভ করে ১৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে ৩৪তম দেশ হিসেবে। বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্য হওয়ায় কমনওয়েলথ ত্যাগ করেছিল পাকিস্তান পরবর্তীতে ১৯৮৯ সালে পুনরায় যোগদান করে। কমনওয়েলথের পরবর্তী সম্মেলন এই বছর রুয়ান্ডায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কমনওয়েলথের বর্তমান মহাসচিব প্যাট্রেসিয়া স্কটল্যান্ড।
উৎসঃ কমনওয়েলথের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৮৩২.
ন্যাটোর (NATO) প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ কোনটি?
  1. পোল্যান্ড
  2. আলবেনিয়া
  3. ডেনমার্ক
  4. স্পেন
ব্যাখ্যা

- ন্যাটোর (NATO) প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ ডেনমার্ক।
- আলবেনিয়া ২০০৯ সালে সদস্য পদ লাভ করে।
- পোল্যান্ড ১৯৯ সালে সদস্য পদ লাভ করে।
- স্পেন  ১৯৮২ সালে সদস্য পদ লাভ করে।

• NATO: 
- এর পূর্ণরূপ:  North Atlantic Treaty Organizations.
- এটি সামরিক জোট  ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল গঠিত হয়।
- ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ ছিলো ১২টি।
- যুক্তরাষ্ট্র; কানাডা; বেলজিয়াম; যুক্তরাজ্য; ফ্রান্স; ইতালি; নেদারল্যান্ডস; নরওয়ে; পর্তুগাল; লুক্সেমবার্গ; ডেনমার্ক; আইসল্যান্ড।

• গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলী: 
- ন্যাটোর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩২টি।
- ন্যাটো সদরদপ্তর ব্রাসেলসে অবস্থিত।
-  NATO বর্তমান মহাসচিব হলেন মার্ক রুটে (Mark Rutte),
- তুরস্ক ও আলবেনিয়া ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ।

• NATO সম্মেলন: 
- ২০২৬ সালে ৩৪তম ন্যাটো সম্মেলন (NATO Summit 2026) অনুষ্ঠিত হবে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায়।
-  ২০২৫ সালে ৩৩তম ন্যাটো সম্মেলন হয় নেদারল্যান্ডে।

উৎস:  NATO ওয়েবাসাইট।

১,৮৩৩.
রাশিয়ার সীমান্তবর্তী কয়টি দেশ ন্যাটোর সদস্য? [এপ্রিল - ২০২৫]
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা

- রাশিয়ার সীমান্তবর্তী ৬টি দেশ ন্যাটোর সদস্য।
- রাশিয়ার সাথে সীমান্তবর্তী ন্যাটো সদস্য দেশগুলো হলো: নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া এবং পোল্যান্ড।  

রাশিয়ার সীমান্তবর্তী ১৪টি দেশ হলো:
- আজারবাইজান, বেলারুশ, চীন, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, জর্জিয়া, কাজাখস্তান, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, মঙ্গোলিয়া, উত্তর কোরিয়া, নরওয়ে, পোল্যান্ড, ইউক্রেন।

ন্যাটো: 
- এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organization.
- ন্যাটো একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট। 
- এটি ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- ন্যাটো শুরুতে ১২টি দেশ নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, কিন্তু বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা বেড়ে ৩২টি দেশে পৌঁছেছে।[এপ্রিল - ২০২৫]

উল্লেখ্য, 
- ন্যাটোর মধ্যে দুটি মুসলিম দেশ তুরস্ক এবং আলবেনিয়া রয়েছে।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে ন্যাটোর সদস্যপদ লাভ করে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে সদস্যপদ লাভ করে।
- ন্যাটোর সর্বশেষ সদস্য দেশ হলো সুইডেন, এটি ২০২৪ সালে সদস্যপদ লাভ করেছে।
- ন্যাটোর বর্তমান প্রধান হলেন মার্ক রুট্টে।[মার্চ - ২০২৫]   

সূত্র: ন্যাটোর ওয়েবসাইট। 

১,৮৩৪.
গ্রেট ডিপ্রেশন বলতে কী বোঝায়?
  1. ক) প্লেগ মহামারি
  2. খ) কলেরা মহামারি
  3. গ) প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  4. ঘ) বিংশ শতাব্দীর ত্রিশের দশকের অর্থনৈতিক মন্দা
ব্যাখ্যা
গ্রেট ডিপ্রেশন:
- গ্রেট ডিপ্রেশন বলতে বুঝায় বিংশ শতাব্দীর ত্রিশের দশকের অর্থনৈতিক মন্দা।
- মহামন্দা ১৯৩০ এর দশকে বিশ্বব্যাপী সংগঠিত মন্দা।
- এই মন্দা শুরু হয় ১৯২৯ সালে এবং শেষ হয় ১৯৩৯ এর দশকের শেষের দিকে।
- ইহা বিংশ শতাব্দীর দীর্ঘ সময় ব্যাপী ও ব্যাপক প্রভাব বিস্তারকারী মন্দা।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯২৯ সালে শুরু হওয়া এই মহামন্দা বিশ্ব অর্থনীতিকে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল।
- প্রায় এক দশক ধরে চলা অর্থনৈতিক মহামন্দায় সোভিয়েত ইউনিয়ন ছাড়া সারা বিশ্ব সম্মুখীন হয়েছিল অর্থনৈতিক ক্ষতির।
- বিশ্বনীতি এই ক্ষতির নাম দিয়েছিল 'গ্রেট ডিপ্রেশন' বা 'অর্থনৈতিক মহামন্দা'।

উৎস: loc.gov.
১,৮৩৫.
‘থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স’ কোন দেশের সশস্ত্র গোষ্ঠী?
  1. থাইল্যান্ড
  2. মিয়ানমার
  3. কম্বোডিয়া
  4. মিশর 
ব্যাখ্যা

• থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স:
- ‘থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স’ মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
- তিনটি বৃহত্তর বিদ্রোহী গোষ্ঠী ‘থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স’ নামে নতুন একটি জোট গড়ে তুলেছে।
- জোটে রয়েছে মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক আর্মি (এমএনডিএ), তায়াং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ) এবং আরাকান আর্মি (এএ)।

অন্যদিকে -
- জাপানের কমিউনিস্ট উগ্রপন্থী সংগঠন হলো রেড আর্মি। 
- ফার্ক (FARC): এটি ল্যাটিন আমেরিকার একটি পুরনো গেরিলা সংগঠন।
- শাইনিং পাথ পেরুর অপর একটি কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স। 

১,৮৩৬.
ডেটন শান্তি চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন -
  1. জন কেরি
  2. থিওডোর পোস্টওয়েল্ড
  3. বিল ক্লিন্টন
  4. স্ট্রোব ট্যালবট
ব্যাখ্যা
ডেটন শান্তি চুক্তি:
- ডেটন শান্তি চুক্তির পূর্ণনাম - General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina।
- বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয়। এই জন্য এই চুক্তিকে ডেটন শান্তি চুক্তি বলা হয়।
- ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বিল ক্লিন্টন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী - ওয়ারেন ক্রিস্টোফার।
- চুক্তিটির প্রধান শান্তি আলোচক - রিচার্ড হলব্রোক।
- চুক্তির খসড়া প্রস্তুত - ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - প্যারিস, ফ্রান্স
- চুক্তির পক্ষ সমূহ - বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী -
১. বসনিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ।
২. ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
৩. সার্বিয়ার পক্ষে - স্লোভাদান মিলোসোভিচ।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।
১,৮৩৭.
নিম্নের কোন দেশটি ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য?
  1. আইসল্যান্ড
  2. স্পেন
  3. জার্মানি
  4. পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা

• NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

⇒ ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- ন্যাটো চুক্তির স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পাঁচ মাসের মধ্যে চুক্তিটি ১২টি দেশ কর্তৃক অনুমোদিত হয় এবং তারা তাদের সদস্যপদ নিশ্চিত করে।

তথ্যসূত্র: NATO ওয়েবসাইট।

১,৮৩৮.
NATO সনদে কতটি ধারা (Article) রয়েছে?
  1. ১০টি
  2. ১৪টি
  3. ১৮টি
  4. ২১টি
ব্যাখ্যা

NATO:
- ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটনে এক চুক্তির মাধ্যমে ন্যাটো গঠিত হয়েছিল।
- পুরো নাম ‘নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন’, সংক্ষেপে ন্যাটো। 
- চুক্তিতে সই করে মোট ১২টি দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও পর্তুগাল।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে (১৪তম)।
- সদস্য দেশ: ৩২টি।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসনের হাত থেকে পশ্চিম বার্লিন এবং ইউরোপের নিরাপত্তা বাস্তবায়ন করা।

⇒ ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার। ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

১,৮৩৯.
ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় কোন ঐতিহাসিক চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র তার সৈন্য প্রত্যাহার শুরু করে?
  1. জেনেভা চুক্তি
  2. ভিয়েনা চুক্তি
  3. প্যারিস শান্তি চুক্তি
  4. হ্যানয় চুক্তি
ব্যাখ্যা
ভিয়েতনাম যুদ্ধ:
- ভিয়েতনাম যুদ্ধ দ্বিতীয় ইন্দোচীন যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত যা প্রায় ২০ বছর (১৯৫৪-৭৫) ধরে চলে।
- এটি ছিল উত্তর ভিয়েতনাম (সমাজতান্ত্রিক) ও দক্ষিণ ভিয়েতনামের (মার্কিন-সমর্থিত) মধ্যে সংঘটিত একটি গৃহযুদ্ধ।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৩ সালে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারে উত্তর ভিয়েতনাম ও আমেরিকার মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৭৫ সালের ৩০ এপ্রিল উত্তর ভিয়েতনাম জয়লাভ করে এবং দক্ষিণ ভিয়েতনাম দখল করে নেয়।
- উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনামে সমাজতান্ত্রিক শাসনে একীভূত হয়।

⇒ প্যারিস শান্তি চুক্তি:
- দীর্ঘ ভিয়েতনাম যুদ্ধের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামের মধ্যে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় সেটি প্যারিস শান্তি চুক্তি বা Paris Peace Accords নামে পরিচিত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকাল - ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তির পক্ষসমূহ - যুক্তরাষ্ট্র, উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম।
- ফলাফল - ভিয়েতনাম যুদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্য প্রত্যাহার এবং ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বন্দ্বের অবসান ঘটে।

উৎস: History.com
১,৮৪০.
Regional Comprehensive Economic partnership (RCEP) বাণিজ্য চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত দেশ-
  1. ক) ১০টি
  2. খ) ১২টি
  3. গ) ১৫টি
  4. ঘ) ১৮টি
ব্যাখ্যা

- বিশ্বের বৃহৎ Regional Comprehensive Economic partnership (RCEP) বাণিজ্য চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত দেশের সংখ্যা ১৫টি।
- অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ১ জানুয়ারি ২০২২ 'Regional Comprehensive Economic Partnership (RCEP)' নামে বিশ্বের বৃহৎ বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর হয়।
- ১৫ নভেম্বর ২০২০ ভিয়েতনামের হ্যানয়ে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল ASEAN সম্মেলনের মাধ্যমে RCEP শীর্ষক বিশ্বের বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত দেশ হলো ১৫টি। ASEAN ভুক্ত ১০টি দেশ যেমনঃ ব্রুনাই, কম্বোডিয়া, মিয়ানমার, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, লাওস, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম এবং তাদের FTA অংশীদার অস্ট্রেলিয়া, জাপান, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া ও চীন।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।

১,৮৪১.
'প্রেয়াহ বিহার' মন্দির নিয়ে কোন দুই দেশের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে?
  1. থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া
  2. ভারত ও পাকিস্তান
  3. মিয়ানমার ও থাইল্যান্ড
  4. ভারত ও নেপাল
ব্যাখ্যা

প্রেয়াহ বিহার (Preah Vihear):
- প্রেয়াহ বিহার একটি ঐতিহাসিক হিন্দু মন্দির যা কম্বোডিয়ার সীমান্তে অবস্থিত।
- 'প্রেয়াহ বিহার' মন্দির নিয়ে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
- থাইল্যান্ডও এর মালিকানা দাবি করায় দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত বিরোধ চলে আসছে।
- ১৯৬২ সালে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ) রায় দেয় যে মন্দিরটি কম্বোডিয়ার অধীনে থাকবে।

⇒ ইংল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার অতীত এবং বর্তমানের এই দ্বন্দ্বে মন্দিরটি আর কেবল একটি স্থাপনা নয়—এটা এখন সম্মানের প্রতীক, ইতিহাসের ছায়া এবং ভূখণ্ডের দাবি।
- এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গেলে এসে মিলেছে থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া ও লাওস—এই তিন দেশের সীমানা।
- এই এলাকার মধ্যে সবচেয়ে স্পর্শকাতর হলো ১১০০ শতকে তৈরি প্রেয়াহ বিহার মন্দির।
- ১৯০৭ সালে সেই উপনিবেশিক শাসকরাই তৈরি করে একটি মানচিত্র, যেখানে স্পষ্টভাবে প্রেয়াহ বিহারকে দেখানো হয় কম্বোডিয়ার অংশ হিসেবে। কিন্তু পরবর্তীতে থাইল্যান্ড তা মানতে চায়নি। তারা দাবি তোলে, মন্দিরটি তাদের সীমানার ভেতরেই অবস্থিত।
- ২০০৮ সালে ফের উত্তেজনা তুঙ্গে ওঠে, যখন ইউনেস্কো প্রেয়াহ বিহারকে কম্বোডিয়ার অংশ হিসেবে বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদা দেয়।

উৎস: i) The Economic Times.
ii) প্রথম আলো।

১,৮৪২.
পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ১৯৭৯
  2. খ) ১৯৭০
  3. গ) ১৯৬৮
  4. ঘ) ১৯৯১
ব্যাখ্যা
- Non-Proliferation of Nuclear Weapons (NPT) বা পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি ১৯৬৮ সালের ১ জুলাই স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৯৭০ সালের ৫ মার্চ থেকে।

- রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, তুরস্ক, ইরানসহ চুক্তিটির মোট অংশীদার ১৯১টি দেশ।
- ভারত, পাকিস্তান, ইসরাইল, দক্ষিণ সুদান ও উত্তর কোরিয়া (প্রত্যাহারকারী) NPT চুক্তিতে স্বাক্ষর বা অনুমোদন করেনি।
- বাংলাদেশ ৩১ আগস্ট ১৯৭৯ চুক্তিটি অনুমোদন করে।

তথ্যসূত্র:- জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১,৮৪৩.
মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘ARSA’ এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Armed Rohingya Security Alliance
  2. Arakan Rohingya Salvation Army
  3. Army of Rohingya State Alliance
  4. Arakan Resistance and Security Army
ব্যাখ্যা
Arakan Rohingya Salvation Army (ARSA):
- ARSA হল একটি সশস্ত্র রোহিঙ্গা গোষ্ঠী যা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে (পূর্বের আরাকান) রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার নামে কার্যক্রম চালায়।
- ARSA-আনুমানিক ২০১৩ সালে গঠিত হয়েছিল।
- পূর্বে Harakah al-Yaqin (HaY) নামে পরিচিত ছিল।
- এরা মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের জন্য একটি গণতান্ত্রিক মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সশস্ত্র তৎপরতা চালিয়ে আসছে।
- ২০১৬ ও ২০১৭ সালে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা চালায়।
- ২০১৭ সালের আগস্টে ARSA-র হামলার প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী ব্যাপক দমন-পীড়ন চালায়, যার ফলে দশ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।

সম্প্রতি,
- র‍্যাব নারায়ণগঞ্জ ও ময়মনসিংহ থেকে আরসা প্রধান আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনিসহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি। [Link]
১,৮৪৪.
সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বাধীন Warsaw Pact কোন ধরনের চুক্তি ছিলো?
  1. মুক্ত বাণিজ্য
  2. রাজনৈতিক
  3. সামরিক
  4. অর্থনৈতিক
ব্যাখ্যা
Warsaw Pact:
- Warsaw Pact বলতে বোঝায় Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি ও সামরিক চুক্তি।
- উদ্দেশ্য: মূলত, আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতিতে সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধিই ছিলো এর মূল উদ্দেশ্য।
- স্বাক্ষর: ১৪ মে, ১৯৫৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।

- সদস্য সংখ্যা ছিলো: ৮টি; সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া।
- বিলুপ্ত: ১ জুলাই, ১৯৯১।
 
সূত্র: ব্রিটানিকা।
১,৮৪৫.
সোভিয়েত ইউনিয়ন ন্যাটোর (NATO) বিকল্প সামরিক জোট হিসেবে কোন জোট গঠন করে?
  1. Warsaw Pact
  2. NPT
  3. APEC
  4. NAFTA
ব্যাখ্যা

ওয়ারশ প্যাক্ট:
- ওয়ারশ চুক্তি সংস্থা বা ওয়ারশ প্যাক্ট হল একটি রাজনৈতিক ও সামরিক চুক্তি জোট যা ১৪ মে ১৯৫৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং পূর্ব ইউরোপীয় কয়েকটি দেশের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন ন্যাটোর (NATO) বিকল্প সামরিক জোট হিসেবে ওয়ারশ চুক্তি জোট গঠন করে।
- পূর্ব ইউরোপের রাষ্ট্র পোল্যান্ডের বৃহত্তম শহর ও রাজধানী ওয়ারশ এর নাম অনুসারে চুক্তিটির নামকরণ করা হয়।
- এই জোটের উদ্দেশ্য ছিলো পুঁজিবাদী দেশগুলোর আগ্রাসন প্রতিহত করা।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সাথে সাথে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই ওয়ারশ প্যাক্ট বিলুপ্ত ঘটে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৮৪৬.
ভারতের ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. কেরালা
  2. নয়াদিল্লী
  3. কলকাতা
  4. গুজরাট
ব্যাখ্যা
 'ব্লাক ক্যাট':
- ভারতের ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (এনএসজি) সাধারণত ‘ব্ল্যাক ক্যাট‘ নামে পরিচিত।
- ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে ভারতের একটি অভিজাত কাউন্টার টেররিজম ইউনিট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৬ অক্টোবর, ১৯৮৪ সালে।
- সদর দপ্তর: নয়াদিল্লী, ভারত।

উৎস:- Indian National Security Guard Website.
১,৮৪৭.
ন্যাটো কী ধরনের সংগঠন?
  1. সামরিক
  2. রাজনৈতিক
  3. অর্থনৈতিক
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- NATO-এর মূল উদ্দেশ্য হলো রাজনৈতিক ও সামরিক উপায়ে সদস্য দেশগুলোর স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

• রাজনৈতিক:
NATO গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রচার করে এবং প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সম্পর্কিত সমস্যাগুলি সমাধান করতে, আস্থা তৈরি করতে এবং দীর্ঘমেয়াদে সংঘাত প্রতিরোধ করতে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পরামর্শ ও সহযোগিতার সুযোগ তৈরি করে।

• সামরিক:
NATO শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ মেটানোর প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে, এটি সংকট ব্যবস্থাপনার জন্য সামরিক শক্তি প্রয়োগ করতে পারে। এ ধরনের অভিযান NATO-র প্রতিষ্ঠাতা চুক্তির Article 5 বা জাতিসংঘের অনুমোদনের অধীনে পরিচালিত হয়, যা এককভাবে বা অন্যান্য দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সহযোগিতায় করা হয়।

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
১,৮৪৮.
মানবাধিকার চুক্তি স্বাক্ষরিত ও স্বীকৃত হয়েছিল-
  1. ক) ১৯৪৫ সালে
  2. খ) ১৯৪৬ সালে
  3. গ) ১৯৪৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৪৮ সালে
ব্যাখ্যা
The Universal Declaration of Human Rights (UDHR) is a milestone document in the history of human rights. Drafted by representatives with different legal and cultural backgrounds from all regions of the world, the Declaration was proclaimed by the United Nations General Assembly in Paris on 10 December 1948 (General Assembly resolution 217 A) as a common standard of achievements for all peoples and all nations. রেফারেন্সঃ https://www.un.org/en/universal-declaration-human-rights/
১,৮৪৯.
'গারুদা' কোন দেশের বিমান সংস্থা?
  1. ক) জাপান
  2. খ) তুরস্ক
  3. গ) ইন্দোনেশিয়া
  4. ঘ) মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা

- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে বড় দেশ হলো ইন্দোনেশিয়া।
- ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা জাভা দ্বীপে অবস্থিত।
- এর প্রধান দ্বীপ সুমাত্রা, বোর্নিও, জাভা, সুলাওসি, নিউগিনি, বালি প্রভৃতি‌। 
- 'গারুদা' হলো এর জাতীয় বিমান সংস্থা।

Source: Garuda-Indonesia.com; britannica

১,৮৫০.
আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ইরান সীমান্তে অবস্থিত আফিম মাদক উৎপাদনকারী অঞ্চল কী নামে পরিচিত?
  1. গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল
  2. গোল্ডেন ক্রিসেন্ট
  3. গোল্ডেন ওয়েজ
  4. গোল্ডেন ভিলেজ
ব্যাখ্যা

গোল্ডেন ক্রিসেন্ট:
- আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ইরান সীমান্তে অবস্থিত আফিম মাদক উৎপাদনকারী অঞ্চল।

অন্যদিকে -
- গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল: গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার তিনটি (মায়ানমার ,থাইল্যান্ড ,লাওস) দেশের সীমান্তে অবস্থিত আফিম উৎপাদনকারী অঞ্চল।
- গোল্ডেন ওয়েজ: বাংলাদেশ, ভারত ও নেপাল সীমান্ত যা মাদক পাচার ও চোরাচালানের জন্য বিখ্যাত ।
- গোল্ডেন ভিলেজ: বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার ২৬ টি গ্রামকে গাঁজা উৎপাদনের জন্য 'গোল্ডেন ভিলেজ' বলা হয়।

উৎস: Britannica.

১,৮৫১.
কোনটি দক্ষিণ আফ্রিকার বিচার বিভাগীয় রাজধানী?
  1. ক) কেপ টাউন
  2. খ) প্রিটোরিয়া
  3. গ) ব্লুমফন্টেইন
  4. ঘ) ইস্ট লন্ডন
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আফ্রিকা (South Africa)
• আফ্রিকা মহাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত রাষ্ট্র দক্ষিণ আফ্রিকা।
• এটি আফ্রিকার সবচেয়ে সমৃদ্ধ ও একমাত্র শিল্পোন্নত এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। উত্তর আটলান্টিক ও ভারত মহাসাগরের উপকূলে অবস্থিত দেশটির রয়েছে দীর্ঘ উপনিবেশিক ইতিহাস।
• দক্ষিণ আফ্রিকার আদি নৃগোষ্ঠী - বান্তু; এছাড়াও, জুলু, জোসা (Xhosa), সোয়াজি, বেন্দা ইত্যাদি নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।
• ১৯৬১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র গঠিত হয়; যদিও ১৯৩১ সাল থেকে স্বায়ত্বশাসন ভোগ করে আসছিলো।
• দেশটির নয়টি প্রদেশ রয়েছে।

• সংসদীয় রাজধানী - কেপ টাউন।
বিচার বিভাগীয় রাজধানী - ব্লুমফন্টেইন
• নির্বাহী রাজধানী - প্রিটোরিয়া।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 
১,৮৫২.
নিচের কোনটি প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত চুক্তি?
  1. SEATO
  2. ANZUS
  3. Warsaw Pact
  4. উপরের সবকয়টি
ব্যাখ্যা
প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত চুক্তি:

• SEATO, ANZUS এবং Warsaw Pact এগুলো সবই প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত চুক্তি। 
• ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact) বলতে বোঝায় Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance.
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব  ইউরোপের ৮টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত এটি একটি প্রতিরক্ষা ও সহযোগিতা জোট (১৯৫৫ সাল)। 

• সিয়াটো (SEATO)- এর পূর্ণরূপ Southeast Asia Treaty Organization.
- এটি একটি সমন্বিত নিরাপত্তা চুক্তি যা স্বাক্ষর হয় ১৯৫৪ সালে। 

• আনজুস (ANZUS)এর পূর্ণরূপ- The Australia, New Zealand and United States Security Treaty.
- এটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের তিনটি দেশের সমন্বিত নিরাপত্তা সংক্রান্ত সামরিক জোট (১৯৫১ সাল)। 
- এই জোটটি আনুষ্ঠানিকভাবে Pacific Security Treaty নামে পরিচিত।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
১,৮৫৩.
"গডস আর্মি" কোন দেশের গেরিলা সংগঠন হিসেবে পরিচিত?
  1. ভারত
  2. থাইল্যান্ড
  3. মিয়ানমার
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা

গডস আর্মি:
- ‘গডস আর্মি' মিয়ানমারের গেরিলা সংগঠন।
- গডস আর্মি হল কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়নের একটি বিচ্ছিন্ন দল।
- সংগঠনটির নেতৃত্ব দেয় যমজ ভাই জনি এবং লুথার হটু।
- ১৯৯৭ সালে এটা প্রতিষ্ঠা করেন।

সূত্র: Federation of American Scientists. 

১,৮৫৪.
হানিস দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে কোন দুটি দেশের মধ্যে বিরোধ ছিল?
  1. মিশর ও ইসরাইল
  2. আর্জেন্টিনা ও ব্রিটেন
  3. ইয়েমেন ও ইরিত্রিয়া
  4. চীন ও তাইওয়ান
ব্যাখ্যা
হানিস দ্বীপপুঞ্জ: 
- দক্ষিণ লোহিত সাগরের এ দ্বীপপুঞ্জটি অবস্থিত।  
- ইয়েমেন ও ইরিত্রিয়ার মধ্যে হানিস দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে বিরােধ ছিল। 
- ১৯৯৮ সালে স্থায়ী সালিসি আদালত বিরোধটি মীমাংসা করে। 
- সেই সময় থেকে দ্বীপটি ইয়েমেনের অধীন।

উৎস: Britannica.
১,৮৫৫.
'ভিয়েনা কনভেনশন - ১৯৬১' কী সংক্রান্ত? 
  1. কূটনীতি 
  2. মানবাধিকার 
  3. যুদ্ধাপরাধ 
  4. সমুদ্র 
ব্যাখ্যা

• ভিয়েনা কনভেনশন -১৯৬১:
- চুক্তির নাম: Vienna Convention on Diplomatic Relations.
- চুক্তি অনুযায়ী, কূটনীতিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয় স্বাগতিক দেশকে।
- গৃহীত হয়: ১৮ এপ্রিল ১৯৬১,
- কার্যকর হয়: ২৪ এপ্রিল ১৯৬৪,
- স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া,
- ভিয়েনা কনভেনশনে মোট ৫৩টি ধারা রয়েছে।
- কোনো দেশ ওইসব ধারার পরিপন্থী কাজ করলে সেটাকে ‘চুক্তির বরখেলাপ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৯৬৫ সালে ভারত ‘ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশনস’ চুক্তিতে সাক্ষর করে।
- বাংলাদেশ ওই চুক্তিতে সই করে ১৯৭৮ সালে।
মূল উদ্দেশ্য:
- রাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন ও পরিচালনার নিয়ম নির্ধারণ করা।
- কূটনীতিকদের অধিকার ও দায়িত্ব স্পষ্ট করা।
- কূটনৈতিক মিশন ও ব্যক্তিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১,৮৫৬.
বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের Director of National Intelligence কে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. জেমস ক্ল্যাপার
  2. অ্যাভ্রিল হেইনস
  3. টুলসি গ্যাবার্ড
  4. জন র‍্যাটক্লিফ
ব্যাখ্যা
Director of National Intelligence (DNI):
- Director of National Intelligence (DNI) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সম্প্রদায়ের (Intelligence Community) প্রধান।
- তিনি ১৮টি গোয়েন্দা সংস্থার (যেমন CIA, NSA, FBI) সমন্বয় ও তত্ত্বাবধান করেন।
- ৯/১১ হামলার পর গোয়েন্দা সংস্কারের জন্য এই পদটি ২০০৪ সালের Intelligence Reform and Terrorism Prevention Act এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- DNI মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান গোয়েন্দা উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেন।
- তিনি Office of the Director of National Intelligence (ODNI) এর মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
- বর্তমান DNI: তুলসী গ্যাবার্ড।

উৎস: Director of National Intelligence (DNI) ওয়েবসাইট।
১,৮৫৭.
ফিলিস্তিনের একটি স্বাধীনতাকামী সংগঠন-
  1. ক) আমান
  2. খ) হিজবুল্লাহ
  3. গ) হামাস
  4. ঘ) আল শাবাব
ব্যাখ্যা
হামাস:
- হামাস ফিলিস্তিনের একটি স্বাধীনতাকামী সংগঠন।
- শেখ আহমেদ ইয়াসিন ১৯৮৭ সালে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- হামাসের বর্তমান প্রধান হলেন ইসমাইল হানিয়া। তিনি ২০১৭ সাল থেকে হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ২০২১ সালে ইসমাইল হানিয়া দ্বিতীয়বারের মতো পুনঃনির্বাচিত হন।
- হামাস ২০০৬ সাল থেকে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণ করছে।
- হামাসের সামরিক শাখা হিসেবে ১৯৯১ সালে ইজ্জ আল দ্বীন আল কাসেম বিগ্রেড গঠিত হয়। এই বিগ্রেডের বর্তমান প্রধান হলেন মোহাম্মদ দায়েফ। গাজা উপত্যকায় হামাসের বর্তমান প্রধান হলেন ইয়াহিয়া সিনাওয়ার।
- হামাস ইরানের সমর্থনপুষ্ট হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও পশ্চিমা দেশগুলো হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিত্রিত করে আসছে।


তথ্যসূত্র: বিবিসি এবং আল জাজিরা রিপোর্ট।
১,৮৫৮.
সৌদি আরব ও পাকিস্তান কোন তারিখে "স্ট্র্যাটেজিক মিউচুয়াল ডিফেন্স এগ্রিমেন্ট" স্বাক্ষর করেছে?
  1. ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  2. ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  3. ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  4. ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ব্যাখ্যা

• সৌদি আরব-পাকিস্তান নিরাপত্তা চুক্তি:
- চুক্তির নাম: "স্ট্র্যাটেজিক মিউচুয়াল ডিফেন্স এগ্রিমেন্ট"
- সৌদি আরব ও পরমাণু অস্ত্রধারী পাকিস্তান ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ (বুধবার) গভীর রাতে একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছ।
- এটি দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা অংশীদারিত্বকে আরও সুদৃঢ় করেছে।
- এই চুক্তি এমন এক সময়ে হলো যখন ইসরায়েল কাতারে হামলা চালিয়ে অঞ্চলের কূটনৈতিক সমীকরণকে নাড়িয়ে দিয়েছে।
- এই উন্নত প্রতিরক্ষা সম্পর্ক এমন সময়ে আসলো যখন উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্রগুলো ক্রমশ যুক্তরাষ্ট্রকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তাকারী হিসেবে কতটা নির্ভরযোগ্য, তা নিয়ে সন্দিহান হয়ে উঠছে
- পাকিস্তান এবং সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বার্তা সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সি থেকে প্রকাশিত বিবৃতি অনুযায়ী, চুক্তিটিতে বলা হয়েছে, ‘যেকোনো দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসনকে উভয় দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসন হিসেবে গণ্য করা হবে।’

- ১৯৬০-এর দশকের শেষ দিকে ইয়েমেনে মিশরের যুদ্ধ নিয়ে উদ্বেগের কারণে পাকিস্তানের সৈন্যরা প্রথম সৌদি আরব গিয়েছিল।
- প্রতিরক্ষা খাতে দুই দেশের সহযোগিতা ১৯৬৭ সাল থেকে শুরু হয়েছিল এবং ১৯৭৯ সালে মক্কায় গ্র্যান্ড মসজিদ দখলের পর তা আরও গভীর হয়, যখন পাকিস্তানের বিশেষ বাহিনী সৌদি সৈন্যদের পবিত্র মসজিদ আল-হারাম পুনরুদ্ধারে সাহায্য করেছিল।

অন্যদিকে,
- রিয়াদের সঙ্গে দিল্লির উষ্ণ সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের তীব্র উত্তেজনার মধ্যেই এ চুক্তি হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে গত মে মাসে চার দিনের সংক্ষিপ্ত তবে ভয়াবহ সংঘাত হয়েছিল।
- পারমাণবিক শক্তিধর দুই প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তান অতীতেও কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে একাধিক যুদ্ধ ও সংঘাতে জড়িয়েছে।
- তাই পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীকে সৌদি আরবের যেকোনো ধরনের সমর্থনের উদ্যোগ ভারতে সরাসরি উদ্বেগ তৈরি করতে পারে।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স, এনটিভি ও প্রথম আলো । (Link1) (Link2) (Link3) 

১,৮৫৯.
AUKUS চুক্তিতে কোন তিনটি দেশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া
  2. অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি
  4. অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ভারত
ব্যাখ্যা
অকাস চুক্তি:
- চুক্তির নাম: AUKUS (অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র)।
- প্রতিষ্ঠার তারিখ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১
- মূল উদ্দেশ্য: ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, এবং উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে সহযোগিতা জোরদার করা।
- প্রধান স্তম্ভ (Pillars):
• Pillar I: পারমাণবিক সাবমেরিন প্রযুক্তি:
- অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক চালিত, প্রচলিত অস্ত্র সজ্জিত সাবমেরিন সরবরাহ করা।
- ২০৩০-এর দশকের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তিনটি ভার্জিনিয়া-শ্রেণীর সাবমেরিন ক্রয়।
- যুক্তরাজ্যের সাথে যৌথভাবে SSN-AUKUS শ্রেণীর সাবমেরিন উন্নয়ন ও নির্মাণ।
- ২০৪০-এর দশকের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ায় SSN-AUKUS সাবমেরিনের নির্মাণ শুরু।

• Pillar II: উন্নত প্রযুক্তি:
- সাইবার সক্ষমতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি, হাইপারসনিক ও প্রতিহাইপারসনিক প্রযুক্তি, এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ব্যবস্থার উন্নয়ন।
- ২০২৪ সালে হাইপারসনিক ফ্লাইট টেস্ট ও এক্সপেরিমেন্টেশন (HyFliTE) প্রকল্পের মাধ্যমে হাইপারসনিক প্রযুক্তির পরীক্ষণ ও উন্নয়ন।

উৎস: যুক্তরাষ্ট্র প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
১,৮৬০.
ANZUS প্রতিষ্ঠা লাভ করে -
  1. ১ আগস্ট, ১৯৫১
  2. ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১
  3. ১ অক্টোবর, ১৯৫১
  4. ১ নভেম্বর, ১৯৫১
ব্যাখ্যা
ANZUS:
- ANZUS একটি সামরিক জোট।
- প্রতিষ্ঠা লাভ: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১ সাল।
- বর্তমান সদস্য: ৩টি। (জানুয়ারি, ২০২৫)
• অস্ট্রেলিয়া,
• নিউজিল্যান্ড ও
• যুক্তরাষ্ট্র।

তথ্যসূত্র - ANZUS-এর ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
১,৮৬১.
প্রশান্ত মহাসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তম নৌবহরের সদর দপ্তর হচ্ছে-
  1. ইউকোসুক
  2. হাওয়াই
  3. গোয়াম
  4. সুবিক বে
ব্যাখ্যা
• প্রশান্ত মহাসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তম নৌবহরের সদর দপ্তর হচ্ছে- ইউকোসুক। 
---------------- 
• সপ্তম নৌবহর:
- মূল ভূখণ্ডের বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় নেভাল ফোর্স হল- সপ্তম নৌবহর।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের একটি অংশ। 
- বর্তমানে এর প্রধান ঘাটি জাপানের ইয়াকোসুকে অবস্থিত।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক ফ্লিটের অংশ।
- বর্তমানে এতে ৬০-৭০ জাহাজ, ৩০০ বিমান এবং ৪০,০০০ নৌবাহিনী, মেরিন কর্পস সদস্য এবং কোস্টগার্ড সদস্য রয়েছে।

• সপ্তম নৌবহর নিয়ে কিছু অতিরিক্ত তথ্য:
- ১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর সপ্তম নৌবহরের কয়েকটি জাহাজ নিয়ে 'টাস্কফোর্স ৭৪' গঠন করা হয়।
- জাহাজগুলো সিঙ্গাপুরে একত্র হয়ে বঙ্গোপসাগর অভিমুখে যাত্রা শুরু করে।
- এই বহরের জাহাজগুলোর মধ্যে প্রধান জাহাজ হল USS Enterprise.
- সপ্তম নৌবহরের আরেকটি জাহাজ USS Tripoli. 
- এটি একটি অ্যাম্ফিভিয়াস অ্যাসল্ট শিপ। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিয়া ও কালের কন্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
১,৮৬২.
আব্রাহাম চুক্তি সম্পাদনে মধ্যস্থতা করেন কে?
  1. বিল ক্লিনটন
  2. বারাক ওবামা
  3. ডোনাল্ড ট্রাম্প
  4. জিমি কার্টার
ব্যাখ্যা
- আব্রাহাম চুক্তি হলো গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ ওয়াশিংটনে ডিসিতে ইসরাইল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তি। এই চুক্তি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- আব্রাহাম চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত তৃতীয় আরব দেশ হিসেবে ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে।
(তথ্যসূত্র: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ওয়বসাইট)
১,৮৬৩.
'NPT' চুক্তি অনুসারে, বর্তমানে বিশ্বের কয়টি দেশ পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হিসেবে স্বীকৃত? [সেপ্টেম্বর, ২০২৪]
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।

উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক মোট রাষ্ট্রের সংখ্যা ৫টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ এর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে NPT দ্বারা পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হিসাবে স্বীকৃত রাষ্ট্র (NWS) হলো ৫টি।
- চুক্তিটি এই দেশগুলির পারমাণবিক অস্ত্রাগারকে স্বীকৃতি দেয়।
- কিন্তু NPT-এর ৬ অনুচ্ছেদের অধীনে তাদের চিরস্থায়ীভাবে এই ধরনের অস্ত্র তৈরি এবং বজায় রাখার উল্লেখ নেই।

অন্যদিকে,
⇒ ভারত, পাকিস্তান এবং ইসরায়েল কখনই NPT-এ যোগ দেয়নি।
- কিন্তু দেশগুলি পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী বলে পরিচিত।

⇒ উত্তর কোরিয়া একটি অ-পারমাণবিক অস্ত্র রাষ্ট্র হিসাবে NPT-এ যোগদান করেছিল।
- কিন্তু ২০০৩ সালে NPT থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছিল।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

উৎস: i) Arms Control Association ওয়েবসাইট।
ii) UNODA ওয়েবসাইট।
১,৮৬৪.
Which of the following country is not a member of 'Five Eyes'?
  1. USA
  2. Australia
  3. New Zealand
  4. Russia
ব্যাখ্যা
Five Eyes:
- বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত এবং সমালোচিত গোয়েন্দা জোট 'Five Eyes'।
- ‘ফাইভ আইস’ নেটওয়ার্ক হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা এবং নিউজিল্যান্ডের একটি গোয়েন্দা জোট।
- ফাইভ আইজ ইন্টেলিজেন্স অ্যালায়েন্স, যা FVEY নামেও পরিচিত।
- তারা গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং ভাগ করে নেওয়ার জন্য একসাথে কাজ করে।
- তারা তাদের দেশকে নিরাপদ রাখতে একে অপরকে সাহায্য করার জন্য দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে একসাথে কাজ করছে।
- তারা সন্ত্রাসবাদ, সাইবার হুমকি এবং অন্যান্য নিরাপত্তা উদ্বেগের মতো বিষয়গুলি সম্পর্কে তথ্য শেয়ার করে।
- জোটটি UKUSA চুক্তির উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, যা সিগন্যাল ইন্টেলিজেন্সে যৌথ সহযোগিতার জন্য একটি চুক্তি।

উল্লেখ্য,
UKUSA চুক্তি:
- ১৯৪৩ সালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য একটি সমবায় গোয়েন্দা চুক্তি গঠন করে যা BRUSA চুক্তি নামে পরিচিত।
- এই গোপন চুক্তিটি পরবর্তীতে UKUSA চুক্তি হিসাবে আনুষ্ঠানিক রূপ লাভ করে।
- এই চুক্তিটি ফাইভ আই দেশের মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের ভিত্তি স্থাপন করে।

উৎস: Five Eyes ওয়েবসাইট।
১,৮৬৫.
NPT চুক্তির মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন বৃদ্ধি
  2. পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ
  3. পারমাণবিক গবেষণা প্রচার
  4. পারমাণবিক সামরিক সহযোগিতা
ব্যাখ্যা

'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি। (অক্টোবর, ২০২৫)

উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক মোট রাষ্ট্রের সংখ্যা ৯টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল ও উত্তর কোরিয়া।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট & UNODA ওয়েবসাইট।

১,৮৬৬.
’গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ’-এ বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে কত তারিখে?
  1. ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  2. ২৭ আগস্ট ২০২৪
  3. ২৯ আগস্ট ২০২৪
  4. ১২ ডিসেম্বর ২০২৪
ব্যাখ্যা
• ’গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ’
- জাতিসংঘ গুম বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনভেনশন।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয় - ২০০৬ সালে।
- মোট স্বাক্ষরকারী দেশ- ৯৮ টি।
- ৯৮ তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ’গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে ‘ ২৯ আগস্ট ২০২৪ সালে স্বাক্ষর করে।
- গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস- ৩০ আগস্ট।

উৎস : বাসস এবং ohchr ওয়েবসাইট।
১,৮৬৭.
‘এমকিউ-৯ রিপার’ ড্রোন তৈরি করেছে কোন দেশ?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ইরাক
  4. ইরান
ব্যাখ্যা
‘এমকিউ-৯ রিপার’
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে  তৈরি ড্রোন ‘এমকিউ-৯ রিপার’ ৫০ হাজার ফুট উচ্চতায় টানা ২৭ ঘণ্টা উড়তে পারে।
- এর সর্বোচ্চ বহন ক্ষমতা রয়েছে এক হাজার ৭৪৬ কিলোগ্রাম।
- এই ড্রোন ব্যবহার করে সাত হাজার ৫০০ কিলোমিটার উপকূল রেখা বরাবর নজরদারি চালানো যাবে।
- আমেরিকা ছাড়া সম্প্রতি এই ড্রোন ব্যবহার করছে ভারত, ইতালি, ফ্রান্স ও স্পেনের বিমানবাহিনী।
- সম্প্রতি ইয়েমেনের হুথিরা বিদ্রোহীরা এটি ভূপাতিতে ব্যবহার করে সারফেস টু এয়ার ক্ষেপণাস্ত্র।
- রুশ যুদ্ধবিমানের সঙ্গে সংঘর্ষে যুক্তরাষ্ট্রের মনুষ্যবিহীন এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন বিধ্বস্তের ঘটনায় মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া।
- এমকিউ-৯ রিপার বড় আকৃতির ড্রোন। ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক জেনারেল অ্যাটমিক্স এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। দুজনের একটি দল ড্রোনটি দূরবর্তী স্থান থেকে পরিচালনা করে থাকে।
- একজন পাইলট ও একজন এয়ারক্রু সদস্য, যিনি সেন্সর ও অস্ত্র পরিচালনা করেন। এটি দৈর্ঘ্যে ১১ মিটার ও প্রস্থে ২২ মিটার।
- এমকিউ-৯ রিপার ড্রোনটিও অন্যান্য মনুষ্যবিহীন আকাশযানের মতো ৫০ হাজার ফুট (১৫ কিলোমিটার) ওপরে উড়তে পারে।

উৎস: বিবিসি।  
১,৮৬৮.
ডেটন চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ভিয়েনা
  2. প্যারিস
  3. হাভানা
  4. লন্ডন
ব্যাখ্যা

• ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement):

- এই চুক্তির পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina.
- এটি একটি শান্তিচুক্তি।
- উদ্দেশ্য: সার্বিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা সমস্যার সমাধান।
- প্রক্রিয়াটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান মার্কিন শান্তি আলোচনাকারী রিচার্ড হলব্রুক।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া।
- স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।

তথ্যসূত্র: i) OSCE.org.
 ii) Britannica.

১,৮৬৯.
আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা (Interpol) এর বর্তমান মহাসচিব কে?
  1. ভালডেসি উরকুইজা
  2. জুর্গেন স্টক
  3. ক্রেগ হ্যানিগান
  4. ইয়ান ওয়ালেস
ব্যাখ্যা

Interpol:
- Interpol হল আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা।
- এর পূর্ণরূপ International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯২৩ সাল।
- বর্তমান সদর দপ্তর: লিওঁ, ফ্রান্স।
- ১৯৪৬ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে এবং ১৯৮৯ সালে ফ্রান্সের লিওঁ শহরে সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৬টি দেশ।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: পালাউ।
- বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে: ১৪ অক্টোবর, ১৯৭৬ সাল।
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা।
- তিনি ব্রাজিলের নাগরিক।
- ২০২৪ সালের নভেম্বরে যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত ৯২তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র - ইন্টারপোল অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,৮৭০.
3 tigers এর অন্তর্ভুক্ত নয় -
  1. ক) জাপান
  2. খ) জার্মানি
  3. গ) ফ্রান্স
  4. ঘ) ইতালি
ব্যাখ্যা
3 tigers এর অন্তর্ভুক্ত দেশ জাপান, জার্মানি ও ইতালি।
১,৮৭১.
'মার্ক রুট্টে' ন্যাটোর কততম মহাসচিব?
  1. ১৩তম
  2. ১৪তম
  3. ১৫তম
  4. ১৬তম
ব্যাখ্যা
ন্যাটো:
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- NATO এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৯ সাল।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে। (জানুয়ারি, ২০২৫)
- তিনি ১৪তম মহাসচিব।
- দায়িত্ব গ্রহণ করেন: ১ অক্টোবর ২০২৪।
- তিনি নেদারল্যান্ডসের নাগরিক।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি। (জানুয়ারি, ২০২৫)

তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৮৭২.
কোন চুক্তির মাধ্যমে ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. প্যারিস চুক্তি
  2. জেনেভা চুক্তি
  3. ভার্সাই চুক্তি
  4. ওয়াশিংটন চুক্তি
ব্যাখ্যা
- ন্যাটো গঠিত হয় উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে, এটা ওয়াশিংটন চুক্তি নামেও পরিচিত।

NATO:
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- পূর্ণরূপ -The North Atlantic Treaty Organization.
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO এর বর্তমান সদর দপ্তর ব্রাসেলস।
- এর ভুক্ত মুসলিম দেশ ২টি - তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- ন্যাটোর ISAF মিশন আফগানিস্তান নিয়োজিত ছিলো।
- NATO এর বর্তমান সদস্য ৩২টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - সুইডেন।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি।

সূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
১,৮৭৩.
কোন চুক্তি অনুসারে বসনিয়া সংকট সমাধানের পথ সুগম হয়েছিল?
  1. মাদ্রিদ চুক্তি
  2. ডেটন চুক্তি
  3. প্যারিস চুক্তি
  4. লিসবন চুক্তি
ব্যাখ্যা
• ডেটন চুক্তি অনুসারে বসনিয়া সংকট সমাধানের পথ সুগম হয়েছিল।

• ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement):
- পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina. 
- ডেটন চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল বসনিয়া ও হার্জেগোভিনায় শান্তি প্রতিষ্ঠা, যেখানকার গৃহযুদ্ধ (১৯৯২–১৯৯৫) হাজার হাজার মানুষের প্রাণ নিয়েছিল এবং জাতিগত পরিষ্কারকরণ ও ব্যাপক সহিংসতা হয়েছিল।
- প্রক্রিয়াটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান মার্কিন শান্তি আলোচনাকারী রিচার্ড হলব্রুক।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
-  স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে 'যুদ্ধাপরাধী' হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।

 উৎস: OSCE অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও Britannica।
১,৮৭৪.
অটোয়া কনভেনশন কোন অস্ত্রের ব্যবহার নিষিদ্ধ করে?
  1. পারমাণবিক
  2. স্থলমাইন 
  3. রাসায়নিক 
  4. জৈব রাসায়নিক
ব্যাখ্যা
• অটোয়া কনভেনশন: 
- অটোয়া কনভেনশন, যা "স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি" নামেও পরিচিত,।
- অ্যান্টি-পার্সোনেল ল্যান্ডমাইন (ভূ-মাইন) ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন এবং স্থানান্তরের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। 
এই চুক্তিটি ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে অটোয়ায় স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- এবং ১৯৯৯ সালের মার্চ থেকে কার্যকর হয়েছে। 
- উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী  স্থলমাইন অস্ত্র ব্যবহার বন্ধ করা।
- বর্তমানে ১৬৪টি দেশ এই চুক্তির অংশীদার রয়েছে।
- স্বাক্ষরকারী কিন্তু অননুমোদিত: মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ।
- অ-স্বাক্ষরকারী: ৩৪টি দেশ (যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীনসহ)।

উল্লেখ্য, 
- চুক্তির ফলে  স্বাক্ষরকারী ও অ-স্বাক্ষরকারী উভয়কেই মাইন ব্যবহার থেকে নিরুৎসাহিত করে।
- অনেক অ-স্বাক্ষরকারী দেশও বাস্তবে চুক্তির শর্ত মেনে চলে এবং মজুদ ধ্বংস করে।
- সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ: আফগানিস্তান, অ্যাঙ্গোলা, কম্বোডিয়া, চাদ, ইরাক, ইউক্রেন।

উৎস: Arms Control Association. [Link]
১,৮৭৫.
কোনটি হামাসের সামরিক শাখা?
  1. ইজ্জাদিন আল - নাসুম ব্রিগেড
  2. ইজ্জাদিন আল-কাসিম ব্রিগেড
  3. ইজ্জাদিন আল-নাসির ব্রিগেড
  4. ইজ্জাদিন আন-নাসির ব্রিগেড
ব্যাখ্যা
• হামাস:
- হামাস হলো একটি রাজনৈতিক এবং সামরিক সংগঠন, যা ফিলিস্তিনের একটি প্রধান স্বাধীনতাকামী সংগঠন।
- এর সামরিক শাখার নাম ইজ্জাদিন আল-কাসিম ব্রিগেড (Izz ad-Din al-Qassam Brigades)।
- এর নামকরণ করা হয়েছে ফিলিস্তিনের এক ঐতিহাসিক প্রতিরোধ নেতা ইজ্জাদিন আল-কাসাম-এর নামে।
- এই শাখাটি হামাসের সশস্ত্র কার্যক্রম পরিচালনার মূল দায়িত্ব পালন করে, যেমন রকেট হামলা, অপহরণ, এবং অন্যান্য সামরিক কার্যক্রম।

উল্লেখ্য,
- হামাস ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শেখ আহমাদ ইয়াসিন সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৮৭৬.
McMahon Line is a frontier between -
  1. ক) Kashmir and Ladakh
  2. খ) Tibet and Assam
  3. গ) Kalapani and Limpiyadhura
  4. ঘ) Lipulekh and Darjeeling
ব্যাখ্যা
- McMahon Line, frontier between Tibet and Assam in British India.
- It runs from the eastern border of Bhutan along the crest of the Himalayas until it reaches the great bend in the Brahmaputra River, where that river emerges from its Tibetan course into the Assam Valley.

Source: Britannica
১,৮৭৭.
'মোসাদ'- এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জেরুজালেম
  2. তেল আবিব
  3. আম্মান
  4. দামাস্কাস
ব্যাখ্যা
মোসাদ:
- মোসাদ হলো ইসরায়েলের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- মোসাদ গঠিত হয় ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৯ সালে। 
- প্রতিষ্ঠাতা: ডেভিড বেনগুরিয়ন।
- সদরদপ্তর: তেলআবিব, ইসরায়েল।
- মোসাদ তথ্য সংগ্রহ, গোপন অভিযান ও সন্ত্রাসবাদ দমনে কাজ করে। 
- এর পরিচালক সরাসরি এবং শুধু প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাবদিহি করেন। 
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম গুপ্তচরবৃত্তি সংস্থাগুলির মধ্যে অন্যতম।

উৎস: i) Center for Israel Education ওয়েবসাইট। 
         ii) Britannica.
১,৮৭৮.
ভূমি মাইন চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. জেনেভা
  2. নিউইয়র্ক
  3. অটোয়া
  4. তাসখন্দ
ব্যাখ্যা
• ভূমি মাইন চুক্তি:
- ১৯৯৭ সালের ৩ ডিসেম্বর কানাডার অটোয়ায় স্বাক্ষরিত হয়।
- যা সাধারণত অটোয়া চুক্তি বা মাইন ব্যান ট্রিটি নামে পরিচিত।
- এই চুক্তি ১৯৯৯ সালের ১ মার্চ কার্যকর হয়।
- এর লক্ষ্য হলো: অ্যান্টি-পার্সনেল মাইন ব্যবহার,
- মজুদ, উৎপাদন ও স্থানান্তর নিষিদ্ধ করা এবং তাদের ধ্বংস নিশ্চিত করা।
- ১৬৫টি দেশ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে বা অনুমোদন করেছে। [মে, ২০২৫]
- মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।
- যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, ভারত ও পাকিস্তান সহ ৩৪টি দেশ এই চুক্তির অংশ নয়।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
১,৮৭৯.
New START চুক্তির পক্ষভুক্ত দেশ কোন দুটি?
  1. রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
  3. যুক্তরাজ্য ও রাশিয়া
  4. চীন ও ভারত
ব্যাখ্যা

• New START চুক্তি:
- নিউ স্টার্ট চুক্তিটি ২০০৯ সালের ৫ ডিসেম্বর স্টার্ট-১ চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে যুক্তরাষ্ট্রের ওবামা প্রশাসন এবং রাশিয়ার পুতিন সরকার নতুন নিরস্ত্রীকরণ চুক্তির বিষয়ে আলোচনা শুরু করে।
- স্বাক্ষরের তারিখ: ৮ এপ্রিল ২০১০ সালে।
- কার্যকর: ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১১ সালে।
- স্বাক্ষরস্থল: প্রাগ, চেক প্রজাতন্ত্র।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া।
- চুক্তির প্রাথমিক মেয়াদ ছিল ১০ বছর, যা ফেব্রুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত কার্যকর ছিল।
- যদিও ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি 'নিউ স্টার্ট চুক্তি' স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

তথ্যসূত্র: হিস্টোরি.কম এবং ব্রিটানিকা।

১,৮৮০.
অপারেশন সিঁদুর কোন দেশগুলোর মধ্যে যুদ্ধ শুরু করে?
  1. পাকিস্তান-আফগানিস্তান
  2. ভারত-পাকিস্তান
  3. ভারত-চীন
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

অপারেশন সিঁদুর: 
- ‘অপারেশন সিঁদুর’ ছিল ভারতের পরিচালিত একটি সামরিক অভিযান।
- এটি শুরু হয় ২০২৫ সালের ৭ মে।
- এর পেছনের কারণ ছিল ২২ এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীরের পেহেলগামে বন্দুকধারীদের হামলা, যেখানে ২৫ জন ভারতীয় ও একজন নেপালি নাগরিক নিহত হন।
- ভারত এই হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে এবং পাল্টা জবাব হিসেবে পাকিস্তান ও পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের অন্তত ৯টি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। 
- পাকিস্তানও পাল্টা জবাবে “বুনইয়ান-উন-মারসুস” নামে অভিযান চালায়। 
- এই উত্তেজনার পর ১০ মে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দুই দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়।

উৎস: প্রথম আলো। 

১,৮৮১.
চীন ও জাপানের মধ্যকার বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কোনটি?
  1. স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ
  2. কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ
  3. দিয়াউ দ্বীপপুঞ্জ
  4. প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ
ব্যাখ্যা
- দিয়াউ বা সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন ও জাপানের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
- এটি পূর্ব চীন সাগরে অবস্থিত। দ্বীপপুঞ্জটি জাপানে সেনকাকু এবং চীনের নিকট দিয়াউ নামে পরিচিত।
অন্যদিকে,
- স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়ার মধ্যে বিরোধ বিদ্যমান।
- প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীনের সাথে ভিয়েতনামের দ্বন্দ্ব বিদ্যমান।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে জাপান ও রাশিয়ার মধ্যে বিরোধ বিদ্যমান।
(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস ও বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
১,৮৮২.
Chemical Weapons Convention কোন সংস্থার অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. UN
  2. WTO
  3. AU
  4. WHO
ব্যাখ্যা

Chemical Weapons Convention (CWC):
- CWC রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি।
- CWC এর পূর্ণরূপ Chemical Weapons Convention.
- এটি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- চুক্তির বিষয়: রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
- যে সকল দেশের হাতে রাসায়নিক অস্ত্র রয়েছে তাদেরকে এই অস্ত্র ধ্বংস করার কথাও বলা হয়েছে।
- ১৯৯২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের দপ্তরে নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক সম্মেলন (Conference on Disarmament) অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন বন্ধের চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করা হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৯৩টি।
- ইসরায়েল স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ও OPCW ওয়েবসাইট।

১,৮৮৩.
শেনজেন চুক্তি কী বিষয়ক?
  1. মুক্তবাজার
  2. একক মুদ্রার প্রচলন
  3. অবাধ চলাচল
  4. অবাধ বাণিজ্য
ব্যাখ্যা
শেনজেন চুক্তি:
- চুক্তি স্বাক্ষর: ১৪ জুন, ১৯৮৫ সাল।
- স্থান: লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহর।
- অবাধ চলাচল সংক্রান্ত চুক্তি।
- মোট সদস্য: ২৭ টি দেশ।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত ২৩টি দেশ এবং আইসল্যান্ড, লিচেনস্টাইন, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড।

উৎস: EUR-Lex Website.
১,৮৮৪.
জেনিন শরণার্থী শিবির কোথায় অবস্থিত?
  1. সিরিয়া
  2. ইসরায়েল
  3. লেবানন
  4. ফিলিস্তিন
ব্যাখ্যা
জেনিন শরণার্থী শিবির (Jenin Refugee Camp):
- ফিলিস্তিনের উত্তর পশ্চিম তীরে জেনিন শহরের নিকট এই শিবির অবস্থিত।
- এটি ১৯৫৩ সালে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা UNRWA (United Nations Relief and Works Agency) এর তত্ত্বাবধানে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শিবিরটি মূলত ১৯৪৮ সালের নাকবা (Nakba - "The Catastrophe") নামে পরিচিত ইসরায়েল-প্যালেস্টাইন যুদ্ধের পর বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের জন্য গঠিত হয়েছিল।
- বর্তমানে এটি পশ্চিম তীরের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ শরণার্থী শিবির এবং প্রায় ১৪,০০০-এর বেশি শরণার্থী এখানে বসবাস করে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী উত্তর পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের শহর ও শিবিরগুলিতে, বিশেষ করে জেনিন, তুলকারাম এবং তুবাস প্রদেশে 'আয়রন ওয়াল' নামে তাদের সামরিক হামলা জোরদার করেছে।
- এই হামলার উদ্দেশ্য পশ্চিম তীরকে ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত করা এবং এর উপর পুরো কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা।
- উল্লেখ্য, হামলার অংশ হিসেবে ২০০২ সালের পর প্রথমবারের মতো ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ জেনিন শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি ট্যাঙ্ক মোতায়েন করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
১,৮৮৫.
Federal Security Service (FSB) কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ইসরায়েল
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা:
⇒ বাংলাদেশ:
• National Security Intelligence (NSI), Criminal Investigation Department (CID), Detective Branch (DB).

⇒ ভারত:
• Research and Analysis Wing (RAW), Central Bureau of Investigation (CBI).

⇒ পাকিস্তান:
• Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA).

⇒ রাশিয়া:
• Federal Security Service (FSB)।

⇒ ব্রিটেন:
• SIS/M16 - Secret Intelligence Service (SIS) and Military Intelligence, Section 6 (MI6).

⇒ ইসরায়েল:
• MOSSAD.

তথ্যসূত্র - Britannica.com and WorldAtlas.com
১,৮৮৬.
শাইনিং পাথ কার আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে পেরুতে সশস্ত্র কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে?
  1. ক) মাও সেতুং
  2. খ) স্ট্যালিন
  3. গ) লেলিন
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- 'কমিউনিস্ট পার্টি অব পেরু' এর সশস্ত্র সংগঠন হিসেবে ১৯৭০ সালে শাইনিং পাথ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- এর প্রতিষ্ঠাতা আবিমায়েল গুজম্যান বা কমরেড গঞ্জালো।
- মাও সেতুং এর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে এরা প্রায় তিন দশক ধরে পেরুতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে।
- ১৯৯২ সালে প্রধান নেতা কমরেড গঞ্জালো গ্রেফতার হলে শাইনিং পাথের কর্মকাণ্ড সংকোচিত হয়ে যায়।

উৎস- এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
১,৮৮৭.
'Shuttle Diplomacy' ধারণাটি কোন শান্তি চুক্তির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত?
  1. দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় শান্তি চুক্তি
  2. লাতিন আমেরিকায় শান্তি চুক্তি
  3. আফ্রিকায় শান্তি চুক্তি
  4. মধ্যপ্রাচ্য শান্তি চুক্তি
ব্যাখ্যা
Shuttle Diplomacy:
- 'শাটল ডিপ্লোমেসি' (Shuttle Diplomacy) হলো একটি কূটনৈতিক কৌশল, যেখানে তৃতীয় পক্ষের একজন মধ্যস্থতাকারী দুই পক্ষের মধ্যে বার্তা পাঠায় এবং তাদের মধ্যে আলোচনা বা সমঝোতার জন্য পরিবেশ তৈরি করে।
- এই ধরনের কূটনীতি সাধারণত সংঘর্ষ বা জটিল পরিস্থিতি সমাধানে ব্যবহৃত হয়।
- 'Shuttle Diplomacy' ধারণাটি মধ্যপ্রাচ্য শান্তি চুক্তির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৩ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য "শাটল কূটনীতি" নামক কূটনৈতিক কৌশলে নিযুক্ত হন।
- এটি ছিল একটি প্রক্রিয়া যেখানে কিসিঞ্জার ইসরায়েল, মিশর, সিরিয়া এবং অন্যান্য মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে বার্তা পৌঁছানোর জন্য এক দেশ থেকে আরেক দেশে যাতায়াত করতেন।
- তার লক্ষ্য ছিল যুদ্ধবিরতি এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।
- জানুয়ারি ১৯৭৪ সালে, কিসিঞ্জার প্রথম মিশর-ইসরায়েল বিচ্ছিন্নতা চুক্তিতে সহায়তা করেন এবং মে ১৯৭৪ সালে সিরিয়া-ইসরায়েল বিচ্ছিন্নতা চুক্তি সম্পন্ন করেন।
- তার "শাটল কূটনীতি" ১৯৭৫ সালে দ্বিতীয় মিশর-ইসরায়েল বিচ্ছিন্নতা চুক্তির মাধ্যমে সফল হয়।
- এই কূটনীতি মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বিশেষ করে ১৯৭৮ সালের ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি প্রতিষ্ঠার দিকে পরিচালিত করে।

উৎস: Office of the Historian (.gov) ওয়েবসাইট।
১,৮৮৮.
কোনটি নিরস্ত্রীকরণ এর সাথে সম্পৃক্ত নয়?
  1. CTBT
  2. NPT
  3. NATO
  4. SALT
ব্যাখ্যা
• নিরস্ত্রীকরণ এর সাথে সম্পৃক্ত নয়- NATO.
- NATO একটি সামরিক জোট।

• ন্যাটো বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (NATO):
-  এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তি (ওয়াশিংটন চুক্তি) স্বাক্ষরের মাধ্যমে ন্যাটো প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বর্তমানে ন্যাটোর ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে।

অন্যদিকে,
• Comprehensive Test Ban Treaty - CТВТ:
-  এটি হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা বা যে কোনো পারমাণবিক বিস্ফোরণের ওপর একটি ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
- এটি ১৯৯৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়।

• পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (NPT):
- পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (NPT) হলো আন্তর্জাতিক চুক্তি
 - স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত: ১৯৬৮ সাল
- কার্যকর হয়: ১৯৭০ সাল

• SALT -1
- এটি হলো কৌশলগত অস্ত্রসীমিতকরণ চুক্তি।

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট, জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৮৮৯.
উইকিলিকস এর প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন-
  1. জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ
  2. জুলিয়ান ফ্রেডরিক
  3. এডওয়ার্ড স্নোডেন
  4. এডওয়ার্ড ওয়েলস
ব্যাখ্যা
WikiLeaks:
জুলিয়ান পল অ্যাসাঞ্জ অস্ট্রেলীয় কম্পিউটার প্রোগ্রামার এবং হ্যাকার।

- উইকিলিকস হলো একটি আন্তর্জাতিক মিডিয়া সংস্থা যা বিভিন্ন গোপন নথিপত্র ফাঁসের জন্যে আলোচিত।
- কিশোর বয়সে, তিনি কম্পিউটারের সাথে একটি অদ্ভুত দক্ষতা প্রদর্শন করেছিলেন, এবং হ্যাকিং ডাকনাম "মেন্ডাক্স" ব্যবহার করে তিনি NASA এবং পেন্টাগন সহ বেশ কয়েকটি সুরক্ষিত সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করেছিলেন।
- ১৯৯১ সালে অস্ট্রেলিয়ান কর্তৃপক্ষ তাকে ৩১ টি সাইবার অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত করে
- ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ উইকিলিকস প্রতিষ্ঠা করেন।
- ২০০৭ সালে এটি অফিসিয়ালি চালু হয়।
- ২০১২ সালের জুনে অ্যাসাঞ্জ লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাসে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন।
- দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর অবশেষে গত সোমবার ২০২৪ সালের ২৪ জুন যুক্তরাজ্যের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ।

উৎস: ব্রিটানিকা & সিএনএ পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৮৯০.
যুক্তরাষ্ট্র 'গুয়ানতানামো বে' কোন দেশ থেকে ইজারা নিয়েছে?
  1. ফান্স
  2. কিউবা
  3. রাশিয়া
  4. ফিলিপাইন
ব্যাখ্যা
⇒ যুক্তরাষ্ট্র 'গুয়ানতানামো বে' কিউবা থেকে ইজারা নিয়েছে।

গুয়ানতানামো বে:

- গুয়ানতানামো বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি কারাগার।
- এটি কিউবার দক্ষিণ-পূর্বে, ক্যারিবীয় সাগরের তীরে অবস্থিত।
- ১৯০৩ সালে হাভানা চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র এটি কিউবার কাছ থেকে ইজারা নিয়েছে।
- কারাগারটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০২ সালে।
- এটি বন্দীদের ওপর অমানুষিক নির্যাতনের জন্য কুখ্যাত।
- ক্যাম্প সেভেন হলো কারাগারের একটি সুরক্ষিত অংশ, যেখানে ৯/১১ হামলার সাথে জড়িত অপরাধী এবং সিআইএ-এর অন্যান্য শীর্ষ অপরাধীদের আটক রাখা হতো।
- যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিভাগ পরে ক্যাম্পটি বন্ধের ঘোষণা দেয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
১,৮৯১.
কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জাপানের হিরোশিমায় আণবিক বোমা নিক্ষেপের ঘোষণা দেন?
  1. ক) হ্যারি এস ট্রুম্যান
  2. খ) জন এফ কেনেডি
  3. গ) আব্রাহাম লিংকন
  4. ঘ) জর্জ ওয়াশিংটন
ব্যাখ্যা
- হ্যারি এস ট্রুম্যান: জাপানের হিরোশিমায় আণবিক বোমা নিক্ষেপের ঘোষণা দেন।

এছাড়া, 

জর্জ ওয়াশিংটন: যুক্তরাষ্ট্রের ১ম প্রেসিডেন্ট।
আব্রাহাম লিংকন: 
→ ১৬তম প্রেসিডেন্ট।
→ যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ করেন।
→ বিখ্যাত উক্তি: ‘Democracy is a government of the people, by the people and for the people.’ 
→ ২ মিনিটের বিখ্যাত গেটিসবার্গ ভাষণ দেন: ১৮৬৩ সালে।

উড্রো উইলসন: জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠায় ১৪ দফা ঘোষণা করেন।
ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট: 
→ জাতিসংঘের নামকরণ করেন।
→ ২য় বিশ্বযুদ্ধকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন। 
→ ৪ বার নির্বাচিত হয়ে ১২ বছর ক্ষমতায় থাকেন।
→ ৪র্থ মেয়াদে ৩ মাস ক্ষমতায় থাকার পর ১৯৪৫ সালে মারা যান।

জন এফ কেনেডি: কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকটকালীন প্রেসিডেন্ট।
রিচার্ড নিক্সন:
→ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
→ ওয়াটারগেট কেলেংকারির সাথে জড়িত ছিলেন।


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১,৮৯২.
'মোসাদ' কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৯৪৯ সালে
  3. ১৯৫১ সালে
  4. ১৯৫৭ সালে
ব্যাখ্যা

• মোসাদ:
- মোসাদ ইসরায়েলের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: ডেভিড বেনগুরিয়ন।
- সদরদপ্তর: তেলআবিব, ইসরায়েল।
- মোসাদ কাজ করে তথ্য সংগ্রহ, গোপন অভিযান ও সন্ত্রাসবাদ দমন নিয়ে।
- এর পরিচালক সরাসরি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাবদিহি করেন।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম গুপ্তচর সংস্থাগুলোর একটি।
- মোসাদের কার্যক্রম এবং বাজেট কোনো আইন দ্বারা সংজ্ঞায়িত নয়।

- মোসাদ সাধারণভাবে বৈদেশিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স পরিচালনা, গুপ্তহত্যা, বৈদেশিক নীতি-নির্ধারণে সহায়তা, কাউন্টার টেররিজম, নিজস্ব লোক সংগ্রহ ও নেটওয়ার্ক তৈরি, বিদেশি কূটনীতিকদের ওপর নজরদারি, শত্রু এজেন্টদের সন্ধান, সাইবার ওয়ারফেয়ার পরিচালনা, নতুন প্রযুক্তি সংগ্রহ, ক্ল্যান্ডেস্টাইন অপারেশন পরিচালনা, ড্রোন আক্রমণ, গুপ্ত কারাগার পরিচালনা, বিশ্বের বড় বড় করপোরেশনের নীতিনির্ধারণের চেষ্টা, ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্পিওনাজ ইত্যাদি কাজ করে থাকে।

উল্লেখ্য,
⇒ ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের বিখ্যাত অপারেশনগুলো হচ্ছে -
- ১৯৬০ সালে আর্জেন্টিনায় আইখম্যান হান্ট, ১৯৬৫ সালে হেবাররত চুকারস হত্যা,
- ১৯৬৩-৬৬ সালের অপারেশন ডায়মন্ড, 
- ১৯৭২ সালের মিউনিখ অলিম্পিকে হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ,
- ১৯৯০ সালের অপারেশন জেরাল্ড বুল কিলিং, 
- ১৯৯২ সালের আতেফ বেইসো হত্যাকাণ্ড, 
- ২০১০ সালের মোহাম্মদ আল মাবহু হত্যাকাণ্ড।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা, মোসাদের ওয়েবসাইড।

১,৮৯৩.
নিচের কোনটি নিরাপত্তা বিষয়ক জোট?
  1. ক) OPEC
  2. খ) OSCE
  3. গ) CARE
  4. ঘ) ASEAN
ব্যাখ্যা
OSCE (The Organisation for Security and Co-Operation in Europe) হলো বিশ্বের বৃহত্তম আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংগঠন।
উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ ও এশিয়ার ৫৭টি দেশ এটির সদস্য।
এটি ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সংস্থাটির বর্তমান চেয়ারপারসন আলবেনিয়া।
অন্যদিকে,
- OPEC : তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট
- CARE : মানবিক সাহায্য সংস্থা
- ASEAN : আঞ্চলিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট।
(সূত্রঃ OSCE ওয়েবসাইট)
১,৮৯৪.
সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরায়েলের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ক) ৩১ জুন ২০২২
  2. খ) ৩১ মে ২০২২
  3. গ) ৩১ এপ্রিল ২০২২
  4. ঘ) ৩১ মার্চ ২০২২
ব্যাখ্যা
সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরায়েলের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় - ৩১ মে ২০২২
এর মধ্য দিয়ে উপসাগরীয় কোনো দেশের সঙ্গে প্রথম এ ধরনের চুক্তিতে গেল ইসরায়েল।
নতুন এই চুক্তির ফলে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি হওয়া সব পণ্যের ওপর ৯৬ শতাংশ শুল্কছাড় পাওয়া যাবে।

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২২ ও প্রথম আলো।
১,৮৯৫.
পাকিস্তানের পক্ষে 'সিমলা চুক্তি' কে স্বাক্ষর করেন?
  1. আইয়ুব খান
  2. জুলফিকার আলী ভুট্টো
  3. ইয়াহিয়া খান
  4. পারভেজ মুশাররফ
ব্যাখ্যা

• সিমলা চুক্তি (Simla Agreement):
- ১৯৭১ সালে ভারত পাকিস্তান সমঝোতার মাধ্যমে যে নিয়ন্ত্রণ সীমা তৈরি হয় তার নাম এল.ও.সি বা লাইন অব কন্ট্রোল।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির অধীনেই ভারত সব যুদ্ধবন্দিকে বিনা বিচারে পাকিস্তানে ফেরত পাঠায়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২ জুলাই, ১৯৭২।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ভারত ও পাকিস্তান।
- ভারতের পক্ষে: প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
- পাকিস্তানের পক্ষে: প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাশ্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
আন্তর্জাতিক সীমারেখা:
- ম্যাকমোহন লাইন: ভারত ও চীন,
- র‍্যাডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তান,
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান,
- তিন বিঘা করিডোর: ভারত ও বাংলাদেশ,
- লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC ): ভারত ও চীন।

তথ্যসূত্র: UN Peacemaker.

১,৮৯৬.
'আল শাবাব' কোন দেশের সংগঠন?
  1. ক) আফগানিস্তান
  2. খ) নাইজেরিয়া
  3. গ) ইয়েমেন
  4. ঘ) সোমালিয়া
ব্যাখ্যা
আল-শাবাব:
- আল-শাবাব; পুরো নাম হরকাত আল শাবাব আল মুজাহিদিন। সংক্ষেপে আল-শাবাব নামেই পরিচিত। এতে অনেক বিদেশি যোদ্ধা আছে বলে ধারণা করা হয়।
- এরা সরাসরি আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদার সঙ্গে সম্পৃক্ত। - আল শাবাব এর অর্থ হল তারুণ্য।
- সদর দপ্তর: জিলিব, সোমালিয়া
- প্রতিষ্ঠাকালঃ ২০০৬
- সোমালিয়ার বিলুপ্ত 'ইউনিয়ন অব ইসলামিক কোর্টস'-এর চরমপন্থী যুবসংগঠন হিসেবে আল-শাবাব যাত্রা শুরু করে।

উৎস: আল জাজিরা নিউজ।
১,৮৯৭.
নিচের কোন দেশের নিজস্ব কোনো সেনাবাহিনী নেই?
  1. মাল্টা
  2. সুইজারল্যান্ড
  3. কোস্টারিকা
  4. পর্তুগাল
ব্যাখ্যা
কোস্টারিকা:
- কোস্টারিকা দেশের নিজস্ব কোনো সেনাবাহিনী নেই।
- ১৯৪৯ সাল থেকে, কোস্টারিকা সেনাবাহিনীকে বিলুপ্ত করার জন্য বিশ্বের প্রথম দেশ হয়ে ওঠে।
- দেশটির সমস্ত নিরাপত্তার দায়িত্ব দেশটির পুলিশ বাহিনীর উপর ন্যস্ত।
- যুদ্ধ-বিগ্রহের ক্ষতি ও ভয়াবহতার স্মৃতি তাদের সেনাবাহিনী ছাড়া পথচলার স্বপ্ন দেখায়।
- তখন থেকেই দেশটিতে কোনো সেনাবাহিনী গড়ে ওঠেনি।
 
উল্লেখ্য,
- যেসব দেশে স্থায়ী সেনাবাহিনী নেই তার মধ্যে কোস্টারিকা ছাড়াও এনডােরা, ডােমিনিকা, গ্রানাডা, কিরিবাতি, নাউরু, পালাউ, সামােয়া, টুভ্যালু বিশেষভাবে উল্লেখযােগ্য।
 
উৎস:  i) ৮ জুন, ২০১৭, বাংলাদেশ প্রতিদিন। 
          ii) UNESCO ওয়েবসাইট।
১,৮৯৮.
নিচের কোনটি NATO এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ?
  1. লুক্সেমবার্গ
  2. পর্তুগাল
  3. কানাডা
  4. উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

NATO:
- পূর্ণরূপ-The North Atlantic Treaty Organization.
-প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO র প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশগুলো হলো: Belgium, Canada, Denmark, France, Iceland, Italy, Luxembourg, the Netherlands, Norway, Portugal, the United Kingdom and the United States.
- বর্তমান সদস্য ৩২টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ -সুইডেন।
- NATO ভুক্ত মুসলিম দেশ ২টি - তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- সদর দপ্তর ব্রাসেলস।

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।

১,৮৯৯.
ULFA ভারতের কোন রাজ্যের বিদ্রোহী সংগঠন?
  1. নাগাল্যান্ড
  2. মেঘালয়
  3. আসাম
  4. মণিপুর
ব্যাখ্যা

• উলফা (ULFA) – আসামের বিদ্রোহী সংগঠন:

ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসাম (ULFA) হল ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আসামের একটি বিদ্রোহী সংগঠন।
- এই “সংযুক্ত মুক্তি বাহিনী” আসামের স্বাধীনতা ও ভারতীয় প্রজাতন্ত্র থেকে সার্বভৌমত্ব দাবি করে সশস্ত্র লড়াই পরিচালনা করে।
- আসামের শিবসাগরের রঙঘর এলাকায় ১৯৭৯ সালে কয়েকজন যুবনেতা এই সংগঠনটি গঠন করেন।
- উলফা তাদের কার্যক্রম জোরদার করার জন্য ১৯৮৪ সালে অর্থ সংগ্রহ করা এবং নিজস্ব সশস্ত্র ইউনিট তৈরি করা শুরু করে।
- তারা ভারতের নাগাল্যান্ডের ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট কাউন্সিল (NSCN) এবং মায়ানমারের কাচিন ইন্ডিপেন্ডেন্ট আর্মি (KIA) থেকে সামরিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে।
- উলফার প্রভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারত সরকার ১৯৮৬ সালের ৭ নভেম্বর এটি বেআইনী ঘোষণা করে।
- এবং ১৯৯০ সালে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে এই “সংযুক্ত মুক্তি বাহিনীকে" চিহ্নিত করে।
- আসামে সংহত নিরাপত্তা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ভারত সরকার বিভিন্ন সামরিক অভিযান পরিচালনা করে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
- ১৯৯০ সালের অপারেশন বজরঙ;
- ১৯৯১ সালের অপারেশন রাইনো;
- এবং ২০০৩ সালের অপারেশন অল ক্লিয়ার।
- এই অভিযানের ফলে উলফার অনেক সদস্য আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়।
- ১৯৯২ সালে উচ্চস্তরের কয়েকজন নেতা তাদের অনুসারীদের নিয়ে ভারত সরকারের কাছে আত্মসমর্পণ করেন।

উৎস:
১. উলফা ওয়েবসাইট; [লিঙ্ক]
২. জি নিউজ ওয়েবসাইট;
৩. গ্লোবাল সিকিউরিটি ওয়েবসাইট

১,৯০০.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের 'গুয়ানতানামো বে' কোথায় অবস্থিত?
  1. হাইতি
  2. কিউবা
  3. হাওয়াই
  4. ফ্লোরিডা
ব্যাখ্যা
গুয়ানতানামো বে:
- গুয়ানতানামো বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি কারাগার।
- ১৯০৩ সালে হাভানা চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র কিউবার নিকট থেকে এটি ইজারা নেয়।
- কারাগারটি ২০০২ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূ-খণ্ডের বাইরে কিউবার দক্ষিণ-পূর্ব পাশে ক্যারিবীয় সাগরে এর অবস্থান।
- এই কারাগার বন্দীদের ওপর অমানুষিক নির্যাতনের জন্য কুখ্যাত।
- ক্যাম্প সেভেন হলো কিউবায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের গুয়ানতানামো বে কারাগারের একটি সুরক্ষিত ও গোপনীয় বন্দি শিবির।
- এই শিবিরে ৯/১১ হামলার সাথে জড়িত ও সিআইয়ের অন্যান্য শীর্ষ স্থানীয় অপরাধীদের আটকে রাখা হতো।
- যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিভাগ এই ক্যাম্পটি বন্ধের ঘোষণা দেয়।
 
উৎস: Britannica.