বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

মোট প্রশ্ন৩,৩৩৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

PrepBank · পাতা ১৮ / ৩৪ · ১,৭০১১,৮০০ / ৩,৩৩৯

১,৭০১.
হামাস এর সামরিক শাখার নাম কী?
  1. ইজ্জাদিন আল-হামিদ ব্রিগেড
  2. ইজ্জাদিন আল-কাসিম ব্রিগেড
  3. ইজ্জাদিন আল-তালিব ব্রিগেড
  4. ইজ্জাদিন আল-কাজিম ব্রিগেড
ব্যাখ্যা

হামাস:
- হামাসের পূর্ণরূপ হারাকাত আল-মুকাওয়ামাহ আল-ইসলামিয়াহ।
- হামাস ফিলিস্তিন এর গেরিলা সংগঠন।
- হামাস ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শেখ আহমাদ ইয়াসিন সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- এর সামরিক শাখার নাম ইজ্জাদিন আল-কাসিম ব্রিগেড (Izz ad-Din al-Qassam Brigades)।
- এর নামকরণ করা হয়েছে ফিলিস্তিনের এক ঐতিহাসিক প্রতিরোধ নেতা ইজ্জাদিন আল-কাসাম-এর নামে।
- এই শাখাটি হামাসের সশস্ত্র কার্যক্রম পরিচালনার মূল দায়িত্ব পালন করে, যেমন রকেট হামলা, অপহরণ, এবং অন্যান্য সামরিক কার্যক্রম।
- সংগঠনটি প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন এবং ইসরায়েলের মধ্যে ১৯৯৩ সালের শান্তি চুক্তির বিরোধিতা করেছিল।
- ২০০৬ সালে হামাস ফিলিস্তিন আইন পরিষদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে এবং ফাতাহ-এর বিরুদ্ধে আশ্চর্যজনক বিজয় লাভ করে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১,৭০২.
বাংলাদেশ কত সালে ইন্টারপোলের সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ক) ১৯৭১
  2. খ) ১৯৭৬
  3. গ) ১৯৮৫
  4. ঘ) ১৯৯৯
ব্যাখ্যা
ইন্টারপোল: 
- আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোল এর পূর্ণরুপ হলো International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২৩ সালে।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদর দপ্তর ছিলো ভেয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান সদর দপ্তর লিওঁ, ফ্রান্স।
- বর্তমান সদস্য দেশ ১৯৫ টি।
- ১৯৫তম দেশ ফেডারেশন স্টেটস অব মাইক্রোনেশিয়া।
- অফিশিয়াল ভাষা ৪টি। ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ, আরবি।
- বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে ১৪ অক্টোবর, ১৯৭৬ সালে।
- ইন্টারপোল কর্তৃক প্রকাশিত পত্রিকার নাম হলো International Criminal Police Review.

উৎস: ব্রিটানিকা ও বাংলাপিডিয়া।
১,৭০৩.
ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন ২০২৫-এ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জিডিপির কত শতাংশ প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধির উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়?
  1. ২ শতাংশ
  2. ৪ শতাংশ
  3. ৫ শতাংশ
  4. ৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

উল্লেখ্য,
- ন্যাটোর গাইডলাইন অনুযায়ী, প্রতিটি দেশ জিডিপির ২ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করা উচিত।
- ২০২৪ সালে, ৩২টি সদস্য দেশের মধ্যে ২৩টি এই ২ শতাংশ লক্ষ্য পূরণ করেছে বা অতিক্রম করেছে বলে প্রত্যাশিত।
- ২০২৫ সালের মধ্যে ৩২ সদস্যই তা পূরণ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

⇒ ২০২৫ সালের ২৪-২৫ জুন ৭৬তম ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলো ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়ে তাদের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ নির্ধারণের ব্যাপারে একমত হয়েছে।
- এই ৫ শতাংশের মধ্যে অন্তত ৩.৫ শতাংশ ব্যয় করা হবে সরাসরি প্রতিরক্ষার জন্য, বাকি অর্থ ব্যয় করা হবে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত "গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো," নাগরিক প্রস্তুতি, উদ্ভাবন এবং প্রতিরক্ষা শিল্প খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
১,৭০৪.
ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা কোথায় গঠিত হয় ?
  1. সৌদি আরবের জেদ্দায়
  2. মিশরের কায়রোতে
  3. মরোক্কোর রাবাতে
  4. তিউনিসিয়ার তিউনিসে
ব্যাখ্যা
মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনে ওআইসি কোথায় গঠিত হয়।

OIC 
১৯৬৯ সালের ২১ আগস্ট ইসরায়েল অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে আল আকসা মসজিদে আগুন লাগার পরিপ্রেক্ষিতে মুসলিম দেশগুলো নিজেদের পৃথক সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। সেই প্রেক্ষাপটে ২৪ জন রাষ্ট্রপ্রধান মরোক্কোর রাবাতে মিলিত হয়ে ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯ তারিখে The Organisation of Islamic Cooperation ( OIC ) বা ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা গঠন করেন। 

- এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- গঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৪টি।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি।
- সদরদপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
-বর্তমান মহাসচিব: ইব্রাহিম তাহা। ( ১২ তম )।

-প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়: রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।
- দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ গায়ানা ও সুরিনাম OIC- এর সদস্য।
- ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC-এর সদস্য।

- বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভ : ১৯৭৪ সালের ২২ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত  ওআইসি এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশ  OIC-এর সদস্যপদ লাভ করে। 

- ১৯৭৮ সালে ইসরায়েল সাথে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষর করার কারণে ১৯৭৯ সালে মিশর কে ওআইসি থেকে বহিষ্কার করা হয় এবং কায়রোতে অবস্থিত তৎকালীন  সদর দপ্তর পরিবর্তন করে তিউনিসিয়ার তিউনিসে স্থানান্তরিত করা হয় । 

উৎস: OIC ওয়েবসাইট।
১,৭০৫.
'ভিয়েনা কনভেনশন- ১৯৬১' কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. পরিবেশ
  2. বানিজ্য
  3. অর্থনীতি
  4. কূটনীতি
ব্যাখ্যা

• ভিয়েনা কনভেনশন -১৯৬১:
- চুক্তির নাম: Vienna Convention on Diplomatic Relations. 
- চুক্তি অনুযায়ী, কূটনীতিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয় স্বাগতিক দেশকে।
- গৃহীত হয়: ১৮ এপ্রিল ১৯৬১,
- কার্যকর হয়: ২৪ এপ্রিল ১৯৬৪,
- স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া,
- ভিয়েনা কনভেনশনে মোট ৫৩টি ধারা রয়েছে।
- কোনো দেশ ওইসব ধারার পরিপন্থী কাজ করলে সেটাকে ‘চুক্তির বরখেলাপ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৯৬৫ সালে ভারত ‘ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশনস’ চুক্তিতে সাক্ষর করে।
- বাংলাদেশ ওই চুক্তিতে সই করে ১৯৭৮ সালে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১,৭০৬.
কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট অসলো-১ শান্তি চুক্তির মধ্যস্থতা করেন?
  1. রিগান
  2. জিমি কার্টার
  3. বিল ক্লিনটন
  4. রিচার্ড নিক্সন
ব্যাখ্যা

অসলো-১ শান্তি চুক্তি:
- ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে অসলো শান্তি চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৯৩ সালে চুক্তিটি সাক্ষরিত হয়।
- অসলো-১ শান্তি চুক্তিটি ১৯৯৩ সালে যুক্তরাস্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে চুক্তিটি নিয়ে আলোচনা হওয়ায় চুক্তিটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- অসলো-১ চুক্তির ফলে ইসরাইল ও পিএলও পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এতে মধ্যস্থতা করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com

১,৭০৭.
সামরিক জোট ন্যাটোর নতুন মহাসচিব কে? (অক্টোবর, ২০২৪)
  1. জেনস স্টলটেনবার্গ
  2. উইলি ক্লেস
  3. মার্ক রুট
  4. জোসেফ লুন্স
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

- পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর নতুন প্রধান (মহাসচিব) হয়েছেন সাবেক ডাচ প্রধানমন্ত্রী মার্ক মার্ক রুট। 
- ইউক্রেন যুদ্ধের সংকটময় মুহূর্তে ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর এই সংস্থার দায়িত্ব নিয়েছেন।
- ব্রাসেলসে অবস্থিত ন্যাটো কার্যালয়ে নরওয়ের জেনস স্টলটেনবার্গের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন রুট।

ন্যাটো:
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ন্যাটো ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে।
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ১২টি দেশ।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩২টি দেশ।
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- ন্যাটোর সর্বশেষ সদস্য সুইডেন।
- ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।

তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৭০৮.
'আমান' কোন দেশের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ইরান
  2. সৌদি আরব
  3. কাতার
  4. ইসরায়েল
ব্যাখ্যা

- আমান ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা হিসেবে কাজ করে।

• আমান:
- আমান (Aman) হলো ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা এবং
- মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রাচীন গোয়েন্দা সংস্থা হিসেবে পরিচিত।
- এটি হিব্রু ভাষায় পরিচিত ‘আগাফ হা-মোডিলিন’ নামে।
- ১৯৪৮ সালে আমান গঠিত হয় এবং ১৯৫০ সালে ইহুদি নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এর কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হয়।
- ইতিহাসখ্যাত একাধিক গুপ্তচরদের মধ্যে সিলভিয়া নামক একজন দুর্ধর্ষ নারী গুপ্তচর আমান-এর একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ইসরায়েলের গোয়েন্দা কাঠামোতে আমান ছাড়াও আরও দুটি উল্লেখযোগ্য সংস্থা রয়েছে—বাহ্যিক গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিনবেত।

তথ্যসূত্র: দৈনিক কালের কন্ঠ ও প্রথম আলো।

১,৭০৯.
‘টুপাক আমরু’ কোন দেশের বামপন্থি গেরিলা সংগঠন?
  1. ক) কলম্বিয়া
  2. খ) পেরু
  3. গ) নিকারাগুয়া
  4. ঘ) মায়ানমার
ব্যাখ্যা
টুপাক আমারু:
- টুপাক আমারু রেভ্যুলেশনারী মুভমেন্ট (MRTA) হলাে পেরুর কমিউনিস্ট সশ্বস্ত্র সংগঠন।
- এটি পেরুতে শ্রেণীহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষে ১৯৮৪ সাল থেকে সশ্বস্ত্র লড়াই শুরু করে।
- ২০০০ সালের দিকে এর কার্যক্রম নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে।
- শাইনিং পাথ পেরুর অপর একটি কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।

উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশন এর ওয়েবসাইট।
১,৭১০.
'গ্লোবাল জিরো' কী?
  1. ক্ষুধা দূরীকরণে আন্তর্জাতিক কর্মসূচী
  2. নিরক্ষরতা দূরীকরণে আন্তর্জাতিক কর্মসূচী
  3. বৈশ্বিক আবহাওয়া নিয়ন্ত্রনে আন্তর্জাতিক আন্দোলন
  4. পারমাণবিক অস্ত্র নির্মূলের জন্য আন্তর্জাতিক আন্দোলন
ব্যাখ্যা
• গ্লোবাল জিরো (Global Zero):
- গ্লোবাল জিরো হল সমস্ত পারমাণবিক অস্ত্র নির্মূলের জন্য আন্তর্জাতিক আন্দোলন।
- গ্লোবাল জিরো হলো একটি আন্তর্জাতিক আন্দোলন যা সব ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র নির্মূলের লক্ষ্যে কাজ করে।
- তাদের টার্গেট ২০৪৫ সালের মধ্যে বিশ্বকে পরমানু অস্ত্রমুক্ত করা।
- এটি ২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে প্যারিসে চালু হয়।
- এই আন্দোলনে ৩০০ জন বিশ্বনেতা এবং সারা বিশ্বের প্রায় পাঁচ লাখ সাধারণ মানুষ যুক্ত আছেন।
- এ পর্যন্ত গ্লোবাল জিরো চারটি শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করেছে।

উৎস: গ্লোবাল জিরো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। [link]
১,৭১১.
জেনেভা কনভেনশনে কতটি প্রটোকল রয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশনে ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- জেনেভা কনভেনশন হলো ১৮৬৪ থেকে ১৯৪৯ সালের মধ্যে জেনেভাতে স্বাক্ষরিত আন্তর্জাতিক চুক্তিসমূহের একটি সিরিজ, যা যুদ্ধের সময় সৈন্য ও বেসামরিক জনগণের মানবিক অবস্থার উন্নতির লক্ষ্যে গৃহীত হয়।
- এই চুক্তিগুলোর মাধ্যমে যুদ্ধকালীন সময়ে নির্দিষ্ট নীতিমালা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যা যুদ্ধের সময় মানবাধিকারের সুরক্ষায় সহায়ক।
- জেনেভা কনভেনশন যুদ্ধকালীন মানবাধিকারের সুরক্ষায় একটি বৈশ্বিক মাইলফলক এবং এটি আজও আন্তর্জাতিক আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
i) জেনেভা কনভেনশন প্রথমবার গৃহীত হয় ১৮৬৪ সালে, যা রেড ক্রসের প্রতিষ্ঠাতা অঁরি দুঁনার-এর উদ্যোগে।
- আহত সৈন্যদের চিকিৎসাকেন্দ্র এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের নিরাপত্তা।
- সকল যোদ্ধার প্রতি নিরপেক্ষ আচরণ।
- আহতদের সহায়তায় নিয়োজিত বেসামরিক ব্যক্তিদের সুরক্ষা।
- রেড ক্রস প্রতীককে সুরক্ষা ও শনাক্তকরণের প্রতীক হিসেবে গ্রহণ।
ii) ১৯০৬: প্রথম চুক্তি সংশোধন ও সম্প্রসারণ।
iii) ১৯২৯: তৃতীয় চুক্তি, যেখানে যুদ্ধবন্দীদের প্রতি মানবিক আচরণ এবং তাদের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
iv) ১৯৪৯: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রেক্ষিতে চারটি নতুন কনভেনশন গৃহীত হয়:
- স্থলযুদ্ধে আহতদের জন্য।
- সমুদ্রে আহত এবং উদ্ধারকৃতদের জন্য।
- যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা।
- যুদ্ধকালীন সময়ে বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা।

উৎস: Britannica.
icrc.org
১,৭১২.
'Good Friday Agreement' বলতে কোন আন্তর্জাতিক চুক্তিকে বোঝায়?
  1. বেলফাস্ট চুক্তি
  2. ডেটন শান্তি চুক্তি
  3. উই রিভার চুক্তি
  4. আলজিয়ার্স চুক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ 'Good Friday Agreement' বলতে বেলফাস্ট চুক্তিকে বোঝায়।

বেলফাস্ট চুক্তি:

- উত্তর আয়ারল্যান্ডে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বেলফাস্ট চুক্তিটি একটি মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত হয়। উত্তর আয়ারল্যান্ড - এর শাসনতন্ত্র কিরকম হবে তা এই চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮ সালে।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তির পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১,৭১৩.
START-II চুক্তিটি কয়টি দেশের মধ্যে। সম্পাদিত হয়েছে?
ব্যাখ্যা
START চুক্তি:

- START এর পূর্ণরূপ: Strategic Arms Reduction Treaty।
- এটি হলো কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি।
- চুক্তি হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে।
- চুক্তির বিষয়বস্তু: কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস।
- START-1 স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯১ সালে।
- START-2 স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯৩  সালে। 

উৎস: U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।
১,৭১৪.
১৯৮০-১৯৮৮ সালের মধ্যে শাত-ইল-আরব নিয়ে কোন যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
  1. উপসাগরীয় যুদ্ধ
  2. ছয় দিনের যুদ্ধ
  3. ইরাক–ইরান যুদ্ধ
  4. আফগান যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

শাত-ইল-আরব:
- এই জলপথের অবস্থান পারস্য উপসাগরে।
- শাত-ইল-আরব জলপথের অধিকারকে কেন্দ্র করেই মূলত ইরাক-ইরান বিরোধ শুরু হয়।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে।
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরাক-ইরান যুদ্ধ হয়েছিল।
- তার আগে, শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উল্লেখ্য,
- এতে ইরানের পক্ষে রেজা শাহ পাহলভী এবং ইরাকের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন স্বাক্ষর করেন।
- তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- চুক্তির বিষয়বস্তু ছিল শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে ইরাক ও ইরানের মধ্যে মীমাংসা।

সূত্র: Britannica.

১,৭১৫.
JKLF কোন দেশভিত্তিক গেরিলা সংগঠন?
  1. ক) ফিলিপাইন
  2. খ) ভারত
  3. গ) আফগানিস্তান
  4. ঘ) লেবানন
ব্যাখ্যা
JKLF (Jammu-Kashmir Liberation Front) হলো ভারতের কাশ্মীর রাজ্যের স্বাধীনতাকামী গেরিলা সংগঠন। এটির প্রতিষ্ঠাতা আমানুল্লাহ খান এবং মকবুল ভাট। এটি ১৯৭৭ সালে ব্রিটেনের বার্মিংহামে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৫ সালে ইয়াছিন মালিক আমানুল্লাহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে একই নামে আরেকটি শাখা খোলে। আমানুল্লাহ'র মৃত্যুর পর তার শাখাটি নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। অন্যদিকে ২০১৯ সালে ইয়াছিন মালিককে ভারত সরকার গ্রেফতার ও জেকেএলএফ কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। কাশ্মীর উপত্যকায় জেকেএলএফই সবচেয়ে বৃহৎ স্বাধীনতাকামী কাশ্মীরী সংগঠন। উৎসঃ সাউথ এশিয়া টেরোরিজম পোর্টাল।
১,৭১৬.
Which country is the latest to join NATO? (April, 2025)
  1. Albania
  2. Bulgaria
  3. Lithuania
  4. Sweden
  5. Slovenia
ব্যাখ্যা
ন্যাটো:
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- NATO এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৯ সাল।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে। (এপ্রিল, ২০২৫)
- তিনি ১৪তম মহাসচিব।
- দায়িত্ব গ্রহণ করেন: ১ অক্টোবর ২০২৪।
- তিনি নেদারল্যান্ডসের নাগরিক।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি। (এপ্রিল, ২০২৫)
- ন্যাটোতে যোগদানকারী মুসলিম দেশ: তুরস্ক ও আলবেনিয়া। (এপ্রিল, ২০২৫)
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ সদস্য: সুইডেন। (এপ্রিল, ২০২৫)
- সুইডেন ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে ২০২৪ সালে।

তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৭১৭.
কোন দেশের গুপ্তচর সেনাসদস্যরা ‘ওয়াটারমেলন’ নামে পরিচিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জাপান
  3. ভারত
  4. মিয়ানমার
ব্যাখ্যা
মিয়ানমারের 'ওয়াটারমেলন' গুপ্তচর:
- ‘ওয়াটারমেলন’ নামক ধারণাটি মিয়ানমারের সেনাসদস্যদের মধ্যে পরিচিত, যারা বাহ্যিকভাবে সামরিক বাহিনীর প্রতি অনুগত, কিন্তু গোপনে বিদ্রোহীদের পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তি করেন।
- 'ওয়াটারমেলন' শব্দের অর্থ হলো তরমুজ, যা বাইরে সবুজ ও ভেতরে লাল, এটি সেনাসদস্যদের বহিরঙ্গ ও গোপন উদ্দেশ্যকে নির্দেশ করে।
- মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর সাথে গণতন্ত্রপন্থী বিদ্রোহীদের লড়াই চলছে।
- গত এক বছরে, এক-চতুর্থাংশের কম অঞ্চল এখন জান্তা বাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
- ২০২৩ সালের নভেম্বরের মধ্যে মিয়ানমারের ৪২% ভূখণ্ড বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে ছিল, আর মাত্র ২১% ভূখণ্ড ছিল সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে।
- বিদ্রোহীরা মিয়ানমারের সবচেয়ে বড় শহর ইয়াঙ্গুন দখল করতে চায়, তবে সেনাবাহিনীর শক্ত অবস্থানের কারণে সেখানে সরাসরি প্রবেশ করতে পারছে না।
- গুপ্তচরবৃত্তির ফলে ‘ওয়াটারমেলন’রা জান্তা বাহিনী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠী—দুই পক্ষের ভয়েই শঙ্কিত থাকেন।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক]
১,৭১৮.
জাতিসংঘ গঠন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আটলান্টিক সনদ স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ১২ জুন ১৯৪১
  2. ১৪ আগস্ট ১৯৪১
  3. ১ জানুয়ারি ১৯৪২
  4. ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৪২
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘ গঠন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ১৯৪১ সালের ১৪ আগস্ট তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল আটলান্টিক মহাসাগরে ব্রিটিশ রণতরী প্রিন্স অব ওয়েলসে বৈঠকে মিলিত হন।
- বৈঠকে উভয় নেতা যে ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেন তা আটলান্টিক সনদ নামে পরিচিত।
- এটি বাধ্যবাধকতা সম্পন্ন কোন চুক্তি ছিলো না। এটিতে যেকোন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের জনগণের মধ্যে সংহতি ব্যক্ত হয়।
- আটলান্টিক সনদ জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার দ্বিতীয় ধাপ হিসেবে বিবেচিত।
- সম্প্রতি ১০ জুন ২০২১ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন নিউ আটলান্টিক চার্টারে স্বাক্ষর করেন।
(তথ্যসূত্র: মার্কিন সরকারি হিস্টোরিয়ান ওয়েবসাইট এবং সিএনএন)
১,৭১৯.
মার্কিন ”বাগরাম বিমানঘাঁটি” কোন দেশে অবস্থিত?
  1. কাতার
  2. কুয়েত
  3. আফগানিস্তান
  4. সিরিয়া
ব্যাখ্যা

বাগরাম বিমানঘাঁটি:
- বাগরাম হচ্ছে আফগানিস্তানের কাবুল শহরের ৫০ কিমি উত্তরে অবস্থিত একটি বিশাল বিমানঘাঁটি।
- এটি আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘ ২০ বছরের যুদ্ধকালীন সময়ে প্রধান সামরিক কেন্দ্র ছিল।
- যুক্তরাষ্ট্র ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলার পর আফগানিস্তানে ‘সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ’ শুরু করে এবং এই ঘাঁটি তাদের কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
- ২০২১ সালে আফগান সরকার পতনের পর যুক্তরাষ্ট্রের হঠাৎ ও বিশৃঙ্খলভাবে আফগানিস্তান ত্যাগের মাধ্যমে তালেবান বাগরাম ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ নেয়।

সম্প্রতি,
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি বাগরাম ফেরত চাওয়ার দাবি তুলেছেন।
- তবে তালেবান প্রশাসন স্পষ্টভাবে তার এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। 

উৎস: নিউজ প্রতিবেদন । 

১,৭২০.
মোসাদ (MOSSAD) কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১১ ডিসেম্বর, ১৯৪৭
  2. ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৭
  3. ১১ ডিসেম্বর, ১৯৪৯
  4. ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৯
ব্যাখ্যা
মোসাদ (MOSSAD):
- মোসাদ হলো ইসরায়েলের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- মোসাদ গঠিত হয়: ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: ডেভিড বেনগুরিয়ন।
- বর্তমান প্রধান: ডেভিড বার্নিয়া। (২০২৪ সাল)
- সদরদপ্তর: তেলআবিব, ইসরাইল।

⇒ এটি বিশ্বের বৃহত্তম গুপ্তচরবৃত্তি সংস্থাগুলির মধ্যে অন্যতম।
- মোসাদ সাধারণভাবে বৈদেশিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স পরিচালনা, গুপ্তহত্যা, বৈদেশিক নীতি-নির্ধারণে সহায়তা, কাউন্টার টেররিজম, নিজস্ব লোক সংগ্রহ ও নেটওয়ার্ক তৈরি, বিদেশি কূটনীতিকদের ওপর নজরদারি, শত্রু এজেন্টদের সন্ধান, সাইবার ওয়ারফেয়ার পরিচালনা, নতুন প্রযুক্তি সংগ্রহ, ক্ল্যান্ডেস্টাইন অপারেশন পরিচালনা, ড্রোন আক্রমণ, গুপ্ত কারাগার পরিচালনা, বিশ্বের বড় বড় করপোরেশনের নীতিনির্ধারণের চেষ্টা, ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্পিওনাজ ইত্যাদি কাজ করে থাকে।

উল্লেখ্য,
⇒ ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের বিখ্যাত অপারেশনগুলো হচ্ছে -
- ১৯৬০ সালে আর্জেন্টিনায় আইখম্যান হান্ট, ১৯৬৫ সালে হেবাররত চুকারস হত্যা,
- ১৯৬৩-৬৬ সালের অপারেশন ডায়মন্ড,
- ১৯৭২ সালের মিউনিখ অলিম্পিকে হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ,
- ১৯৯০ সালের অপারেশন জেরাল্ড বুল কিলিং,
- ১৯৯২ সালের আতেফ বেইসো হত্যাকাণ্ড,
- ২০১০ সালের মোহাম্মদ আল মাবহু হত্যাকাণ্ড।

উৎস: i) Center for Israel Education ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.
১,৭২১.
শিখদের উপাসনালয়ের নাম কী?
  1. ক) গুরু দুয়ারা
  2. খ) মন্দির
  3. গ) মঠ
  4. ঘ) সিনাগগ
ব্যাখ্যা
শিখ (Sikhism) 
• উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ - ১৫ শতকের শেষের দিকে ভারতীয় উপমহাদেশের পাঞ্জাব অঞ্চলে শিখ ধর্ম, ধর্ম এবং দর্শন প্রতিষ্ঠিত হয়।
• এর সদস্যরা শিখ নামে পরিচিত। 
• প্রবর্তক - গুরু নানক।
• ধর্মগ্রন্থ - গ্রন্থ সাহেব (আদি গ্রন্থ)।
• উপাসনালয় - গুরু দুয়ারা
• পবিত্র স্থান - শিখদের পবিত্র ধর্মীয় স্থান - পাঞ্জাবের অমৃতসরে অবস্থিত ‘স্বর্ণমন্দির’। 

অন্যদিকে,
• ইহুদীদের উপাসনালয় - সিনাগগ।
• হিন্দুদের উপাসনালয় - মন্দির।
• উপাসনালয় - বৌদ্ধ ধর্মের উপাসনালয় মঠ নামে পরিচিত। 

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, বিএ, বিএসএস; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
১,৭২২.
‘জেনেভা কনভেনশন’ এর আওতায় কয়টি চুক্তি ও প্রটোকল রয়েছে?
  1. ২টি চুক্তি ও ১টি প্রটোকল
  2. ৩টি চুক্তি ও ২টি প্রটোকল
  3. ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল
  4. ৫টি চুক্তি ও ৪টি প্রটোকল
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন সম্পাদিত হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী প্রতিক্রিয়া ও এর ফলাফল হিসেবে।
- যুদ্ধপরাধকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে জেনেভা কনভেনশনকে মান্য করা হয়।
- মূলত এটি যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- যুদ্ধকালীন সামরিক, বেসামরিক ও স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ষার জন্য এতে চারটি চুক্তি থাকায় এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
১,৭২৩.
মুসোলিনির প্যারামিলিটারী বাহিনী কী নামে পরিচিত?
  1. হোয়াইট শার্ট
  2. ব্ল্যাক শার্ট
  3. রেড শার্ট
  4. এমিলকেয়ার
ব্যাখ্যা
বেনিতো মুসোলিনি
- পুরো নাম বেনিতো এমিলকেয়ার আন্দ্রে মুসোলিনি।
- জন্ম ১৮৮৩ সালের ২৯ জুলাই, ইতালির ফোরলি শহরে।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রবাহিনীর পক্ষে ইতালীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন মুসোলিনি।
- ফ্যাসিস্ট পার্টির কর্মীদের নিয়ে তৈরি করেন প্যারামিলিটারী বাহিনী, যারা ‘ব্ল্যাক শার্ট’ নামে পরিচিত ছিল। 
- ফ্যাসিবাদের জোয়ারে ইতালির রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণ করেন মুসোলিনি। 
- ইতালীয় এই স্বৈরশাসক ইতালি থেকে পালানোর চেষ্টা করার সময় বন্দী হয়েছিলেন।
- ১৯৪৫ সালের ২৮ এপ্রিল তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 
১,৭২৪.
ইরাক এবং ইরানের মধ্যে কখন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ১৯৭৫ সালে
  2. খ) ১৯৭৬ সালে
  3. গ) ১৯৭৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা
আলজিয়ার্স চুক্তি:
- ইরাক এবং ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৩ জুন, ১৯৭৫ সালে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি অনুমোদন করে ১৯৭৬ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান- আলজির্য়াস, আলজেরিয়া।
- চুক্তির বিষয় হলো শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মীমাংসা।

তথ্যসুত্র: Britannica.com
১,৭২৫.
ভারতের প্রথম সফল পারমাণবিক বোমা পরীক্ষার সাংকেতিক নাম কী?
  1. শক্তি-১
  2. স্লিপিং বুদ্ধ
  3. স্মাইলিং বুদ্ধ
  4. ত্রিভেদী
ব্যাখ্যা
ভারত:
- ভারত দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র।
- আয়তনে এটি দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম এবং বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- রাজধানী: নয়া দিল্লি।
- মুদ্রা: রুপি।
- প্রেসিডেন্ট: দ্রৌপদী মুর্মু।
- প্রধানমন্ত্রী: নরেন্দ্র মোদি।

⇒ ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ দুই ভাগে ভাগ হয়ে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ ভারত ও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ পাকিস্তান নামক দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
- ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতীয় সংবিধান কার্যকর হয়।
- তাই প্রতি বছর ২৬ জানুয়ারি ভারতে প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করা হয়।
- ভারতে বর্তমানে ২৮টি অঙ্গরাজ্য ও ৮টি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল রয়েছে।

⇒ পারমাণবিক শক্তির অধিকারী ভারত:
- পারমাণবিক অস্ত্রশক্তি বৃদ্ধি করে চলেছে এমন দেশগুলোর মধ্যে ভারত অন্যতম।
- ভারতের প্রথম সফল পারমাণবিক বোমা পরীক্ষার সাংকেতিক নাম স্মাইলিং বুদ্ধ।
- এটি ১৯৭৪ সালের ১৮ মে রাজস্থানের পোখরানে অনুষ্ঠিত হয়।
- ভারতীয় সেনাবাহিনী, বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ভারতীয় সচিবের তত্ত্বাবধানে, রাজস্থানের পোখরান টেস্ট রেঞ্জে (PTR) বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।
- সেসময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ইন্দিরা গান্ধী।
- ভারতের এই অগ্রগতিতে শঙ্কিত হয়ে পড়েছিল অনেক দেশই।
- তাদের অন্যতম রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স, চিন।
- যারা পি-৫ নামেও পরিচিত।
- এই পাঁচ দেশকে আশ্বস্ত করতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী পোখরানের সেই পরমাণু পরীক্ষাকে ‘শান্তিপূর্ণ পরমাণু বিস্ফোরণ’ বলে অভিহিত করেছিলেন।

উৎস: ১৮ মে, ২০২৩, Indian Express Bangla.
উৎস: Britannica.
১,৭২৬.
বিশ্বের কততম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ CTBT চুক্তি অনুমোদন করে?
  1. ৪৭তম
  2. ৫১তম
  3. ৫৪তম
  4. ৬০তম
ব্যাখ্যা
CTBT চুক্তি:

- CTBT এর পূর্ণরূপ - Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty।
- এটি পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা বন্ধের একটি বহুপাক্ষিক আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- অস্ট্রেলিয়ার প্রস্তাবক্রমে জাতিসংঘের উদ্যোগে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘের অনুমোদন - ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬ সাল।
- স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্তের তারিখ - ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - জাতিসংঘের সদরদপ্তর, নিউইয়র্ক।
- স্বাক্ষরকারী দেশ - ১৮৭টি।
- চুক্তির বিষয় -নিরস্ত্রীকরণ।
- বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৪তম দেশ হিসেবে অনুমোদন করে ২০০০ সালের ৮ মার্চ।

তথ্যসূত্র - সিটিবিটিও এবং জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১,৭২৭.
Interpol-এর পূর্ব নাম কী ছিল?
  1. World Police Union
  2. International Criminal Bureau
  3. International Intelligence Council
  4. International Criminal Police Commission
ব্যাখ্যা

ইন্টারপোল (Interpol):
- Interpol-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- প্রতিষ্ঠাতা: জোহানেস স্কোবার (Dr Johannes Schober) [অস্ট্রিয়ার পুলিশ প্রধান]।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি (সর্বশেষ সদস্য: পালাউ)।
- বর্তমান সভাপতি: আহমেদ নাসের আল-রাইসি (Major General Ahmed Naser Al-Raisi) [২০২১-২০২৫]। 
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা (Valdecy Urquiza) [ব্রাজিল]।
- ইন্টারপোলের মূল লক্ষ্য হলো বিভিন্ন দেশের পুলিশ বাহিনীকে একত্রে কাজ করার সুযোগ করে দিয়ে বৈশ্বিক নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা করা।

⇒ পূর্ব নাম: International Criminal Police Commission.
- বর্তমান নাম International Criminal Police Organization গ্রহণ করে ১৯৫৬ সালে।

উৎস: Interpol ওয়েবসাইট।

১,৭২৮.
বেলফাস্ট চুক্তি স্বাক্ষর করে-
  1. ক) ব্রিটেন ও নরওয়ে
  2. খ) জার্মানি ও ফ্রান্স
  3. গ) ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ড
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
- আয়ারল্যান্ডের বেলফাস্টে ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ডের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ।
- নর্দান আয়ারল্যান্ডে শান্তি চুক্তি, যা গুড ফ্রাইডে বা বেলফাস্ট চুক্তি নামে পরিচিত|
- সাম্প্রদায়িক দ্বন্দ্বের অবসান ও নর্দান আয়ারল্যান্ডের শক্তি ভাগাভাগির লক্ষ্যে ১৯৯৮ সালে গুড ফ্রাইডে/বেলফাস্ট চুক্তি সাক্ষরিত হয়।
- এ চুক্তির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নর্দান আয়ারল্যান্ডের জনগণের আইরিশ নাগরিকত্ব নেয়ার এবং ইইউ জনগণের অবাধ প্রবেশের অনুমতি প্রদান করে।

সূত্র: ব্রিটানিকা
১,৭২৯.
রাশিয়ার যে শহরে হাসপাতালে আক্রমণ করার পর বাধ্য হয়ে রাশিয়া চেচনিয়ার সাথে শান্তি বৈঠকে বসতে রাজি হয়েছে তার নাম-
  1. ক) Budennovsk
  2. খ) Keldavisk
  3. গ) Dasanova
  4. ঘ) Gariev
ব্যাখ্যা
- The Budyonnovsk hospital hostage crisis took place from 14 to 19 June 1995,
- when a group of 80 to 200 Chechen separatists led by Shamil Basayev attacked the southern Russian city of Budyonnovsk,
- some 110 kilometres (70 mi) north of the border with the de facto independent Chechen Republic of Ichkeria.
- The attack resulted in a ceasefire between Russia and Chechen separatists, and peace talks (which later failed) between Russia and the Chechens.
Source: https://dbpedia.org/
১,৭৩০.
সম্প্রতি কোন দেশ ইরানের চাবাহার সমুদ্রবন্দর পরিচালনার জন্য ইরানের সাথে চুক্তি করেছে?
  1. চীন
  2. রাশিয়া
  3. ভারত
  4. আজারবাইজান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

গত ১৩ মে, ২০২৪ তারিখে ইরানের চাবাহার সমুদ্রবন্দর পরিচালনার জন্য ১০ বছরের চুক্তি করেছে ভারত ইরান।   

ইরান

- ইরান দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ায় পারস্য উপসাগরের তীরে অবস্থিত একটি মুসলিম রাষ্ট্র।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে পর্বতময় দেশগুলির একটি।
- ইউরেশিয়ার কেন্দ্রে এবং হরমুজ প্রণালীর নিকটে অবস্থিত হওয়ায় দেশটি ভূকৌশলগতভাবে খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। 
- ইরানে দুই ধরনের সেনাবাহিনী রয়েছে। একটি প্রথাগত সেনাবাহিনী ও বৈপ্লবিক সুরক্ষা বাহিনী।
- ইরান ৩০টি প্রদেশে বিভক্ত।
- সৌদি আরবের পর ইরান মধ্যপ্রাচ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। 
-1979 সালে শেষ হওয়া ইরানী বিপ্লব, ইরানের রাজনৈতিক পটভূমিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন চিহ্নিত করে, যার ফলে পাহলভি রাজবংশের উৎখাত হয় এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতিষ্ঠা হয়।
-ইরানে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ভাণ্ডার আছে। 
-পার্সিয়ান ভাষায় ‘ইরান’ শব্দের অর্থ আর্য/আরিয়ানদের ভূমি।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো, ১৪ মে, ২০২৪। ব্রিটানিকা।
১,৭৩১.
আইরিশ রিপাবলিকান আর্মি কোন চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল?
  1. বেলফোর চুক্তি
  2. গুড ফ্রাইডে চুক্তি
  3. বেলফাস্ট চুক্তি
  4. খ ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
আইরিশ রিপাবলিকান আর্মি (IRA):
- আইরিশ রিপাবলিকান আর্মি একটি প্রজাতন্ত্রপন্থী আধাসামরিক সংগঠন যা ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- এর মূল লক্ষ্য ছিল ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটিয়ে আয়ারল্যান্ডকে পুনরায় একত্রিত করে একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা।
- IRA একই উদ্দেশ্যে কাজ করলেও এটি রাজনৈতিক সংগঠন শিন ফেইন (Sinn Féin) থেকে স্বাধীনভাবে পরিচালিত হতো।
- ১৯২২ সালে আইরিশ ফ্রি স্টেট প্রতিষ্ঠার পর, যা ব্রিটিশ কমনওয়েলথের অধীনে ছিল, IRA এই রাষ্ট্রের বৈধতাকে অস্বীকার করে এবং সহিংসতা অব্যাহত রাখে।
- ১৯৩১ সালে IRA অবৈধ ঘোষণা করা হয়, এবং এর সদস্যদের বিচার ছাড়াই আটক রাখার আইন প্রণয়ন করা হয়।
- ১৯৪৯ সালে আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্র ঘোষণার পর, IRA তার কার্যক্রম উত্তর আয়ারল্যান্ডে কেন্দ্রীভূত করে।
- ১৯৯৪ সালে IRA যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে এবং ১৯৯৮ সালে গুড ফ্রাইডে চুক্তি (বেলফাস্ট চুক্তি) স্বাক্ষর করে। 
- ২০০৫ সালের জুলাইয়ে IRA তাদের সশস্ত্র কার্যক্রমের সমাপ্তি ঘোষণা করে এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে তাদের লক্ষ্য অর্জনের সিদ্ধান্ত নেয়।

উৎস: Britannica.
১,৭৩২.
'MI6' কী নামে পরিচিত?
  1. Secret Service Agency
  2. National Security Bureau
  3. Secret Intelligence Service
  4. Central Intelligence Agency
ব্যাখ্যা

MI6:
- MI6 'Secret Intelligence Service' নামে পরিচিত।
- এটি যুক্তরাজ্যের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি বিদেশী গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং ব্রিটিশ সরকারের কাছে প্রচারের জন্য দায়িত্বশীল।
- এটি ১৯০৯ সালে সিক্রেট সার্ভিস ব্যুরোর অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- সামরিক গোয়েন্দা (Military Intelligence) বিভাগের ছয় নম্বর সেকশন হিসেবে MI6 নামে পরিচিত।
- জার্মানিতে অ্যাডলফ হিটলারের ক্ষমতায় উত্থানের পর, MI6 ইউরোপ, লাতিন আমেরিকা এবং এশিয়ার বেশিরভাগ অংশে গুপ্তচরবৃত্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে।

উল্লেখ্য,
- এটি অ্যাডলফ হিটলারের ক্ষমতায় উত্থানের সময় ইউরোপ, লাতিন আমেরিকা ও এশিয়ায় গুপ্তচরবৃত্তি কার্যক্রম পরিচালনা, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে ভূমিকা, শীতল যুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা কার্যক্রমের জন্য বিখ্যাত।

উৎস: SIS (Secret Intelligence Service) ওয়েবসাইট।

১,৭৩৩.
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সিটিবিটি চুক্তি গ্রহণ করে -
  1. ১৯৮৭ সালে
  2. ১৯৯০ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা

• CTBT:
-  সিটিবিটি বা  Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty হচ্ছে একটি চুক্তি, যাতে সব ধরনের পারমাণবিক বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
- CTBT তে পারমাণবিক পরীক্ষা বন্ধের কথা বলা হয়েছে। 
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ সিটিবিটি চুক্তিটি গ্রহণ করে ১৯৯৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ।
- এরপর এটি সদস্যদেশগুলোর স্বাক্ষরের জন্য তা উন্মুক্ত করা হয় ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর।
- ওই সময় পারমাণবিক শক্তিধর ৫টি দেশ সিটিবিটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১৬৮টি দেশ এই চুক্তিটি অনুমোদন দিয়েছে।
- বাকি ১৭টি দেশ চুক্তি স্বাক্ষর করলেও, তা অনুমোদন করেনি।
- চীন, মিশর, ইরান, ইসরাইল, যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেও তা অনুমোদন করেনি।

• চুক্তির দুটি উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে:
১. চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশগুলো কোনো ধরনের পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা করতে পারবে না, চুক্তির অন্তর্ভুক্ত এলাকায় কোনো পারমাণবিক পরীক্ষা চালাতে পারবে না;
২. চুক্তি স্বাক্ষরিত কোনো দেশ নিজে অথবা অন্যকোনো দেশকে পারমাণবিক পরীক্ষা চালাতে উৎসাহিত করবে না, সেই সাথে নিজেও অংশ নেবে না।

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর- তারেক শামসুর রেহমান ও CTBTO.

১,৭৩৪.
ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি কী নামে পরিচিত?
  1. ওয়াশিংটন চুক্তি
  2. লন্ডন চুক্তি
  3. বার্লিন চুক্তি
  4. লিসবন চুক্তি
ব্যাখ্যা
NATO প্রতিষ্ঠার চুক্তি:
- ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ‘ওয়াশিংটন চুক্তি’ নামেও পরিচিত।
- ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটনে এক চুক্তির মাধ্যমে ন্যাটো গঠিত হয়েছিল।
- পুরো নাম ‘নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন’, সংক্ষেপে ন্যাটো। 
- চুক্তিতে সই করে মোট ১২টি দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও পর্তুগাল।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসনের হাত থেকে পশ্চিম বার্লিন এবং ইউরোপের নিরাপত্তা বাস্তবায়ন করা।

⇒ ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার। 
- চুক্তির পঞ্চম ধারায় বলা আছে জোটভুক্ত কোনো দেশ যদি বিদেশি শক্তির দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়, তাহলে জোটের সব সদস্যদেশ একযোগে তা প্রতিহত করবে। অর্থাৎ সদস্যদেশগুলো সম্মিলিতভাবে একে অপরকে সুরক্ষা দেবে। ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় এ ধারাকে। 

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
১,৭৩৫.
সম্প্রতি কাকে ক্ষমতাচ্যুত করে তালেবান আফগানিস্তানের রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে?
  1. ক) হামিদ কারজাই
  2. খ) আব্দুর রশীদ দোস্তাম
  3. গ) আশরাফ ঘানি
  4. ঘ) আহমাদ শাহ মাসুদ
ব্যাখ্যা
- গত ১৫ আগস্ট ২০২১ আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানিকে ক্ষমতাচ্যুত করে তালেবান গোষ্ঠী দেশটির রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে।
- আশরাফ ঘানি ১৫ আগস্ট ২০২১ পালিয়ে পার্শ্ববর্তী তাজিকিস্তানে আশ্রয় নিলে তালেবান বিনা রক্তপাতে কাবুল দখল করে নেয়।
- ৩১ আগস্ট ২০২১ তারিখের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রসহ সকল বিদেশী সৈন্যরা আফগানিস্তান ত্যাগ করে।
(তথ্যসূত্র: আল জাজিরা)
১,৭৩৬.
নিচের কোন দেশটি ANZUS এর সদস্য নয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. নিউজিল্যান্ড
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
- জাপান ANZUS এর সদস্য নয়

ANZUS(Australia, New Zealand, United States Security Treaty):
- প্রতিষ্ঠিত: ১৯৫১ সালে।
- উদ্দেশ্য: এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পারস্পরিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
- নিউজিল্যান্ডের সাথে কিছু পারমাণবিক নীতি নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে 1984 সালে ANZUS কার্যক্রমে নিউজিল্যান্ডের ভূমিকা সীমিত হয়ে যায়।
- তবে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র এখনও চুক্তিটি কার্যকর রাখছে।
- ANZUS চুক্তি প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ভূ-রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সদস্য দেশসমূহ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র। 

উৎস: Britannica
History.com
১,৭৩৭.
মহাশূন্য চুক্তি (Outer Space Treaty) কত সালে কার্যকর হয়?
  1. ১৯৬৩ সালে
  2. ১৯৬৫ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে
  4. ১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
Outer Space Treaty বা মহাশূন্য চুক্তি:
- Outer Space Treaty বা মহাশূন্য চুক্তি, যা আনুষ্ঠানিকভাবে "চাঁদ এবং অন্যান্য মহাকাশীয় বস্তু সহ মহাশূন্যের  অন্বেষণ এবং ব্যবহারের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রগুলির কার্যকলাপ পরিচালনাকারী নীতিমালার চুক্তি" নামে পরিচিত,মহাকাশ কার্যক্রম পরিচালনাকারী একটি মৌলিক আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ১৯৬৩ সালে সাধারণ পরিষদ তার রেজোলিউশন ১৯৬২ (XVIII) এ গৃহীত হয়েছিল , তবে কয়েকটি নতুন বিধান যুক্ত করা হয়েছিল।
- চুক্তিটি ১৯৬৭ সালের জানুয়ারিতে তিনটি আমানতকারী সরকার (রাশিয়ান ফেডারেশন, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) দ্বারা স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছিল।
- এটি ১৯৬৭ সালের অক্টোবরে কার্যকর হয়। 

উৎস: UNOOSA ওয়েবসাইট।
১,৭৩৮.
কোন চুক্তির মাধ্যমে ইসরাইল ও পিএলও পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ডেটন চুক্তি
  2. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  3. অসলো চুক্তি
  4. আলজিয়ার্স চুক্তি
ব্যাখ্যা
অসলো চুক্তি:
- ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে অসলো শান্তি চুক্তিটি সাক্ষরিত হয়।
- ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৯৩ সালে চুক্তিটি সাক্ষরিত হয়।
- অসলো শান্তি চুক্তিটি ১৯৯৩ সালে যুক্তরাস্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- চুক্তি সাক্ষরের পূর্বে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে চুক্তিটি নিয়ে আলোচনা হওয়ায় চুক্তিটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- এই চুক্তির মাধ্যমে ইসরাইল ও পিএলও পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এতে মধ্যস্থতা করেন।
 
অন্যদিকে: 
- বসনিয়া সংকট সমাধানে ডেটন শান্তি চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। 
- ইসরাইল ও মিশর এই দুইটি দেশের মধ্যে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ইরাক-ইরান দুই দেশের মধ্যে।
 
সূত্র - Britannica.com & History.com
১,৭৩৯.
ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য রাষ্ট্র কয়টি?
  1. ১০টি
  2. ১২টি
  3. ১৫টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা
• ন্যাটো (NATO): 
- স্থাপিত হয়: ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- বর্তমানে ন্যাটোতে ৩২টি সদস্য রাষ্ট্র রয়েছে।[আগস্ট, ২০২৫]
- চুক্তির নাম: নর্থ আটলান্টিক চুক্তি (বা ওয়াশিংটন চুক্তি)।
- এই রাষ্ট্রগুলোকে NATO Allies বা ন্যাটো মিত্ররাষ্ট্র বলা হয়।
- তারা রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করে এবং সম্মতির ভিত্তিতে যৌথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
- ন্যাটোর প্রধান সদরদপ্তর অবস্থিত ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- প্রতিষ্ঠাতা দেশ: ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার ১২টি দেশ।
• প্রতিষ্ঠাতা ১২টি দেশ: বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, আইসল্যান্ড, ইতালি, লাক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট। 
১,৭৪০.
নিচের কোন চুক্তিটি বর্তমানে বিলুপ্ত?
  1. ক) NPT
  2. খ) APEC
  3. গ) NAFTA
  4. ঘ) Warsaw Pact
ব্যাখ্যা
• ন্যাটো জোটের বিপরীত জোট হিসেবে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো ১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact) নামে সামরিক জোট গঠন করে।
• এই জোটের উদ্দেশ্য ছিলো পুঁজিবাদী দেশগুলোর আগ্রাসন প্রতিহত করা।
• সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সাথে সাথে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই ওয়ারশ প্যাক্টের বিলুপ্ত ঘটে।

উৎস:- ব্রিটানিকা।
১,৭৪১.
'ভিক্টরি ইন ইউরোপ ডে' পালিত হয়-
  1. ক) ২ সেপ্টেম্বর
  2. খ) ৮ মে
  3. গ) ১৪ আগস্ট
  4. ঘ) ৬ জুন
ব্যাখ্যা

- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯ সালে।
- জার্মানি আত্মসমর্পণ করে ৭ মে রাত ২.৪৫ মিনিট অর্থ্যাৎ ৮ মে, ১৯৪৫ সালে।
- তাই ৮মে ভিক্টরি ইন ইউরোপ ডে পালিত হয়।
- জাপান আত্মসমর্পণের ঘোষণা দেয় ১৪ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে।
- জাপান আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ সালে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম।

১,৭৪২.
নিচের কোন দেশটি CTBT চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি? [আগস্ট,২০২৫]
  1. যুক্তরাজ্য
  2. ভারত
  3. ফ্রান্স
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (CTBT):
- পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty.
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর, নিউইয়র্কে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৮৭টি দেশ।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৭৮টি দেশ।
- স্বাক্ষর করেনি: ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া।
- স্বাক্ষর করে অনুমোদন দেয়নি: চীন, মিশর, ইরান, ইসরায়েল, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষরকরে: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর।

উল্লেখ্য:
- চুক্তিটি কার্যকর হতে হলে Annex 2 দেশগুলোর মধ্যে ৪৪টি দেশকে স্বাক্ষর ও অনুমোদন দিতে হবে।
- এই দেশগুলোর মধ্যে ৯টি দেশ এখনও চুক্তি অনুমোদন করেনি।
- যার মধ্যে রাশিয়া ২০২৩ সালে তার অনুমোদন প্রত্যাহার করেছে।
- বর্তমানে, চুক্তিটি কার্যকর হয়নি কারণ প্রয়োজনীয় সংখ্যক দেশ অনুমোদন দেয়নি।

উৎস: CTBTO ওয়েবসাইট।
১,৭৪৩.
জইশ ই মোহাম্মদ কোন দেশের জঙ্গি সংগঠন?
  1. ক) কুয়েত
  2. খ) পাকিস্তান
  3. গ) বাংলাদেশ
  4. ঘ) বাহরাইন
ব্যাখ্যা
জইশ ই মোহাম্মদ:

- জইশ ই মোহাম্মদ পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন।
- সংগঠনটি জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীকে প্রত্যাহারের দাবি করে।
- সংগঠনটি দাবি করে যে পাকিস্তানে তাদের প্রতিটি অফিস জিহাদের স্কুল হিসেবে কাজ করবে।
- মাওলানা মাসউদ আজহার সংগঠনটির আমীর।
- জম্মু ও কাশ্মীরে (জেএন্ডকে) সক্রিয় অন্যান্য প্রধান সংগঠনগুলির তুলনায় জৈশ-ই-মোহাম্মদ (জেএম) একটি অপেক্ষাকৃত নতুন সন্ত্রাসী সংগঠন।

তথ্যসূত্র - South Asia Terrorism Portal.
১,৭৪৪.
‘START-2’ নিম্নের কোনটির সাথে সম্পর্কযুক্ত ?
  1. ক) গণবিধ্বংসী অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি
  2. খ) পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি
  3. গ) কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি
  4. ঘ) রাসায়নিক অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত কয়েকটি চুক্তিঃ

- SALT-1 (Strategic Arms Limitation Talk -1); চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় - ২৬ মে, ১৯৭২ সালে।
- SALT-2 (Strategic Arms Limitation Talk -2); চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়  -  ১৮ জুন ১৯৭৯ সালে।

- START-1 (Strategic Arms Reduction Treaty-1); চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় - ৩১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- START-2 (Strategic Arms Reduction Treaty-2); চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় - ৩ জানুয়ারি ১৯৯৩ সালে।

উৎসঃ ব্রিটানিকা.কম
১,৭৪৫.
FBI কোন দেশের প্রধান অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. কানাডা
  3. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা

FBI: 
- FBI এর পূর্ণরূপ: Federal Bureau of Investigation.
- ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থা।
- এটি দেশের অভ্যন্তরে ফেডারেল আইন প্রয়োগ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজ করে।
- সংস্থাটি সন্ত্রাসবাদ, সাইবার অপরাধ, সংগঠিত অপরাধ, অর্থনৈতিক অপরাধ, নাগরিক অধিকার লঙ্ঘন এবং অন্যান্য গুরুতর ফেডারেল অপরাধ তদন্ত করে।
- পাশাপাশি FBI অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেশের নিরাপত্তা রক্ষা করে।
- এর সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পুয়ের্তো রিকো জুড়ে এর ৫৬টি ফিল্ড অফিস রয়েছে।
 
উৎস: Federal Bureau of Investigation (FBI) – USA.gov.

১,৭৪৬.
ABM Treaty কবে বাতিল হয়?
  1. ১৩ ডিসেম্বর, ২০০১
  2. ১৩ ডিসেম্বর, ২০০২
  3. ১৩ জুন, ২০০১
  4. ১৩ জুন, ২০০২
ব্যাখ্যা

ABM Treaty:
- ABM-এর পূর্ণরূপ: Anti Ballistic Missile Treaty.
- এটি একটি ক্ষেপণাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি কার্যকর হয়: ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- চুক্তির বিষয়: দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল: ১৩ জুন, ২০০২ সাল।

উল্লেখ্য,
- ১৩ ডিসেম্বর, ২০০১-এ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং ৬ মাস পরে জুন, ২০০২ সালে এই প্রত্যাহার কার্যকর হয়।
 
উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।

১,৭৪৭.
কত সাল থেকে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে?
  1. ১৯৬৬ সাল
  2. ১৯৬৩ সাল
  3. ১৯৬৭ সাল
  4. ১৯৬১ সাল
ব্যাখ্যা
• মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন:
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন সাধারণত প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে জার্মানির মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র/সরকার প্রধান, আন্তর্জাতিক ও বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন পেশাজীবী, একাডেমিশিয়ান, বিশেষজ্ঞ প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে বৈশ্বিক নিরাপত্তাগত পলিসি, চ্যালেঞ্জ ও সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা হয়।
- ১৯৬৩ সাল থেকে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান দুই উদ্যোক্তা এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক এই সম্মেলনকে বিশ্বজনীন রূপ দেওয়ার প্রয়াসে নতুন রূপরেখা তৈরি করেন।

সূত্র: সিকিউরিটি কনফারেন্স সংস্থা ওয়েবসাইট, বাসস।
১,৭৪৮.
২৯তম ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন কখন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯ ফেব্রয়ারি ২০২১ লন্ডনে
  2. ১১ মার্চ ২০২১ নিউইয়র্কে
  3. ২৫ মে ২০২১ আমস্টারডামে
  4. ১৪ জুন ২০২১ ব্রাসেলসে
ব্যাখ্যা
- গত ১৪ জুন ২০২১ বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে ন্যাটো সদরদপ্তরে ২৯তম ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এতে ন্যাটোর জোটভুক্ত দেশগুলোর সরকার প্রধানরা অংশগ্রহণ করেন।
- ১৯৫৭ সালের ১৬-১৯ ডিসেম্বর প্রথম ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ন্যাটো সামরিক জোট গঠিত হয়।
(তথ্যসূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট)
১,৭৪৯.
জম্মু ও কাশ্মীরে Line of control-কে দুই দেশের সীমানা হিসাবে নির্ধারন করা হয় কোন চুক্তির মাধ্যমে?
  1. ক) তাসখন্দ চুক্তি
  2. খ) সিমলা চুক্তি
  3. গ) প্যারিস শান্তি চুক্তি
  4. ঘ) ডেটন চুক্তি
ব্যাখ্যা
সিমলা চুক্তি: 
- স্বাক্ষরিত হয় ভারতের হিমাচল প্রদেশের সিমলায়।
- স্বাক্ষরিত হয় ২ জুলাই, ১৯৭২ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে।
- ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এবং পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো কর্তৃক স্বাক্ষরিত এই চুক্তি।
- উদ্দেশ্য ছিলো:
- ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশের জাতীয় সংহতি, আঞ্চলিক অখন্ডতা, রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে মর্যাদা দিবে।
- স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত জম্মু ও কাশ্মীরে Line of control-কে দুই দেশের সীমানা হিসেবে নির্ধারন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৭৫০.
অপারেশন রাইজিং লায়ন পরিচালনার মূল লক্ষবস্তু কী ছিলো?
  1. যুদ্ধজাহাজ
  2. পারমাণবিক স্থাপনা
  3. বিদ্যুৎকেন্দ্র
  4. যুদ্ধবিমান
ব্যাখ্যা

অপারেশন রাইজিং লায়ন:
- ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাকে লক্ষ্য করে সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েল।
- শুক্রবার (১৩ জুন, ২০২৫) চালানো এই হামলার নাম দিয়েছে ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’।
- মূলত তেহরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির মূল কেন্দ্রবিন্দুতে আঘাত করাই ছিল এই অভিযানের উদ্দেশ্য।
- এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলের অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফেলা ইরানি পরিকল্পনাগুলোর ওপর হামলা চালানো।
- এর আওতায় ছিল ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামো, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কারখানা এবং সামরিক ঘাঁটিগুলো।

উৎস: daily-sun website.

১,৭৫১.
আল কুদস ফোর্সের বর্তমান প্রধান কে?
  1. ক) ইসমাইল হানিয়া
  2. খ) কাশেম সুলাইমানি
  3. গ) ইসমাইল কানি
  4. ঘ) খালেদ মেশাল
ব্যাখ্যা
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর অধীন কুদস বাহিনী ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই বাহিনী ইরানের বাহিরে দেশের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করে। এই বাহিনী সরাসরি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনীর নিকট জবাবদিহি করে। আল কুদস বাহিনীর দীর্ঘদিন ধরে নেতৃত্ব দিয়ে আসা কাশেম সুলাইমানি সম্প্রতি (৩ জানুয়ারি ২০২০) মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হওয়ার পর একইদিন বাহিনীটির নতুন প্রধান নিযুক্ত করা হয় আল কুদস বাহিনীর ডেপুটি কমান্ডার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ইসমাইল কানি কে। (সূত্রঃ বিবিসি নিউজ ও আল জাজিরা)
১,৭৫২.
তাসখন্দ চুক্তির মধ্যস্থতাকারী কে ছিলেন?
  1. যোসেফ স্তালিন
  2. গেওর্গি মালেনকোভ
  3. লিওনিদ ব্রেজনেভ
  4. অ্যালেক্সি কোসিগিন
ব্যাখ্যা
তাসখন্দ চুক্তি:
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: তাসখন্দ, উজবেকিস্তান।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- মধ্যস্থতাকারী: অ্যালেক্সি কোসিগিন (তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী)।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী:
• লালবাহাদুর শাস্ত্রী (ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী)।
• আইয়ুব খান (পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট)।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।
১,৭৫৩.
ভার্সাই চুক্তি কোন যুদ্ধের পরিণাম স্বরূপ গৃহীত হয়?
  1. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ 
  2. রাশিয়ান বিপ্লব
  3. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  4. স্প্যানিশ যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

ভার্সাই চুক্তি:
- ভার্সাই চুক্তি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষে মিত্রশক্তি ও জার্মানির মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি শান্তি চুক্তি।
- স্থান: ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদের হল অব মিররস।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৮ জুন ১৯১৯ সালে।
- কার্যকর হয়: ১০ জানুয়ারি ১৯২০ সালে।
- চুক্তিটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করে।
- ভার্সাই চুক্তি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্বব্যবস্থায় গভীর প্রভাব ফেলে এবং এর কঠোর শর্তাবলী দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: Britannica.

১,৭৫৪.
'অপারেশন অ্যাবসলিউট রিজলভ' কোন দেশের প্রেসিডেন্টকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়েছিল?
  1. ব্রাজিল
  2. পানামা
  3. ভেনেজুয়েলা
  4. কলম্বিয়া
ব্যাখ্যা

অপারেশন অ্যাবসলিউট রিজলভ:
- 'অপারেশন অ্যাবসলিউট রিজলভ' ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়েছিল।
- পরিচালনাকারী: মার্কিন ডেল্টা ফোর্স ও এলিট ইউনিট।

⇒ ৩ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে কারাকাসে চালানো এক বিশেষ অভিযানে মার্কিন ডেল্টা ফোর্স মাদুরোর বাসভবনে ঢুকে তাকে সস্ত্রীক আটক করে। 
- 'অপারেশন অ্যাবসলিউট রিজলভ' নামের এই মিশনের নীল নকশা তৈরি হয়েছিল অন্তত চার মাস আগে।
- গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ ভেনিজুয়েলার ভেতরে একটি গোপন দল মোতায়েন করেছিল। তাদের একমাত্র কাজ ছিল মাদুরোর প্রতিটি পদক্ষেপের ওপর নজর রাখা। 
- অভিযান শুরু হতেই ২০টি ভিন্ন মার্কিন ঘাঁটি থেকে ১৫০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার আকাশে ওড়ে। রাডার ফাঁকি দিতে হেলিকপ্টারগুলো সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০০ ফুট ওপর দিয়ে উড়ে কারাকাসে পৌঁছায়। মার্কিন সাইবার কমান্ডের মাধ্যমে কারাকাসের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও যোগাযোগ মাধ্যম সম্পূর্ণ বিকল করে দেয়া হয়।
- বর্তমানে মাদুরো ব্রুকলিনের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।
- অভিযান শেষে ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে, এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্র ভেনিজুয়েলা ‘পরিচালনা’ করবে এবং দেশটির তেল সম্পদের নিয়ন্ত্রণ নেবে।

উৎস: The New York Times.

১,৭৫৫.
ন্যাটোর বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল- (সেপ্টেম্বর, ২০২৪)
  1. ভিক্টর অরবান
  2. ক্লাউস ইওহানিস
  3. মার্ক রুটে
  4. জেনস স্টলটেনবার্গ
ব্যাখ্যা
ন্যাটো:
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ন্যাটো ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে।
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ১২টি দেশ।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩২টি দেশ। (সেপ্টেম্বর, ২০২৪)
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- ন্যাটোর সর্বশেষ সদস্য সুইডেন।
- ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- ন্যাটোর বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল জেনস স্টলটেনবার্গ। (সেপ্টেম্বর, ২০২৪)
- বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল স্টলটেনবার্গের পদে থাকার মেয়াদ ২০২৪ এর অক্টোবরে শেষ হবে। 
উল্লেখ্য,
- ন্যাটোর পরবর্তী সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে চূড়ান্ত হয়েছেন নেদারল্যান্ডস প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটে।
- ২০২৪ এর অক্টোবর থেকে তিনি দায়িত্ব পালন করবেন। 
- রোমানিয়ার প্রেসিডেন্ট ক্লাউস ইওহানিস। 
- ভিক্টর অরবান হলেন- হাঙ্গেরির দক্ষিণপন্থী জাতীয়তাবাদী প্রধানমন্ত্রী।   

উৎস: ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এবং ডয়চে ভেলে।
১,৭৫৬.
সিটিবিটি চুক্তি গৃহিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৯০ সালে
  3. ১৯৯৬ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর CTBT (Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty) চুক্তি গৃহিত হয়। তবে চুক্তিটি এখনো কার্যকর হয়নি।
- চুক্তিটি কার্যকরের জন্যে চুক্তি অ্যানেক্স-২ অংশে উল্লিখিত ৪৪টি দেশের প্রত্যেকটির অনুমোদন আবশ্যক।
- কিন্তু অ্যানেক্স-২ অংশের ৮টি দেশ এখনো চুক্তিটি অনুমোদন করেনি। দেশগুলো হলো:
- ভারত
- পাকিস্তান
- উত্তর কোরিয়া
- যুক্তরাষ্ট্র
- চীন
- ইসরাইল
- মিশর
- ইরান।
এর ম্যধ্যে প্রথম তিনটি দেশ চুক্তিতে স্বাক্ষরও করেনি।
- বর্তমান পর্যন্ত ১৮৫টি দেশ CTBT চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।
বাংলাদেশ ১৯৯৬ সালের ২৪ অক্টোবর CTBT চুক্তিতে স্বাক্ষর করে এবং ২০০০ সালের ৮ মার্চ চুক্তিটি অনুমোদন করে।
(তথ্যসূত্রঃ সিটিবিটিও, জাতিসংঘ এবং মার্কিন সরকারি ওয়েবসাইট)
১,৭৫৭.
উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা গঠিত হয়েছিল-
  1. ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯
  2. ৩ জানুয়ারি, ১৯৫৪
  3. ২৬ মে ১৯৫৫
  4. ১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি একটি সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

⇒ উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- এই সংগঠনের মূলমন্ত্র হল "A mind unfettered in deliberation".

⇒ ইউরোপের বাইরে প্রথম মিশন: আফগানিস্তান, ২০০৩।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
১,৭৫৮.
নাইন ড্যাস লাইন খ্যাত কাল্পনিক লাইনটি কোন সাগরে অবস্থিত?
  1. ক্যারিবিয়ান সাগর
  2. দক্ষিণ চীন সাগর
  3. জাপান সাগর
  4. এজিয়ান সাগর
ব্যাখ্যা

সামুদ্রিক দাবি:
- নাইন-ড্যাশ লাইন' বিতর্কিত চীনা সামুদ্রিক দাবির মধ্যে অন্যতম।
- এটি দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত।
- নাইন-ড্যাশ লাইন (এগারো-ড্যাশ লাইন, ইউ-আকৃতির লাইন এবং ডটেড লাইন) নামেও পরিচিত। 

অন্যদিকে,
- পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান ক্যারিবিয়ান সাগরে।
- এজিয়ান সাগর (Aegean Sea) ভূমধ্য-সাগরের প্রলম্বিত অংশ এবং এটি গ্রীস ও তুরস্কের আনাতোলিয়ার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।

উৎস: chinaus-icas.org & Worldatlas.com [link]

১,৭৫৯.
'ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর' সংগঠনটি কোন ঘটনার সাথে জড়িত?
  1. মিউনিখ অলিম্পিক, ১৯৭২
  2. লেবানন যুদ্ধ, ২০০৬
  3. কিউবান বিপ্লব, ১৯৫৯
  4. ২য় বিশ্বযুদ্ধ 
ব্যাখ্যা

ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর:
- Black September ফিলিস্তিনের একটি গেরিলা সংগঠন।
- এটি ফিলিস্তিনের ফাতাহ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া একটি অংশ।
- ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর গঠিত হয়: ১৯৭১ সালে।
- বিলুপ্ত ঘোষিত হয়: ১৯৭৪ সালে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের আসর অনুষ্ঠিত হয়েছিল জার্মানির মিউনিখ শহরে।
- জার্মানিতে মিউনিখ অলিম্পিকে অংশ নেওয়া ইসরায়েলের অ্যাথলেটকে অপহরণ করে ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর।
- তাঁদের চাওয়া ছিল, ইসরায়েলের কারাগারে বন্দী থাকা কয়েকজন ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিতে হবে, কিন্তু তা হয়নি।
- জার্মান পুলিশ অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযানে নামে।
- এর ফলে অপহরণকারীরা দুজন খেলোয়াড়কে হত্যা করেন।
- অন্যদিকে অপহরণকারীদের বেশির ভাগ পুলিশের হাতে প্রাণ হারান।
- এ কারণে আধুনিক অলিম্পিকের ইতিহাসে ৫ সেপ্টেম্বর একটা কালো দিন হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: Britannica.

১,৭৬০.
The Treaty of Algiers was signed between which two countries?
  1. Iran and Iraq
  2. Iraq and Kuwait
  3. USA and Iraq
  4. Algeria and Iraq
  5. USA and Iran
ব্যাখ্যা
আলজিয়ার্স চুক্তি:
- ১৯৭৬ সালে আলজিয়ার্স চুক্তি অনুমোদিত হয়।
- ইরাক-ইরান দুই দেশের মধ্যে আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৩ জুন,১৯৭৫ সালে।
- আলজেরিয়ার মধ্যস্থতায় আলজেরিয়ার রাজধানীতে আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ইরানের পক্ষে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী এবং ইরাকের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর,১৯৮০ সালে চুক্তিটি অকার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
১,৭৬১.
খেমার রুজদের নেতা কে ছিলেন ?
  1. কেনেথ
  2. পলপট
  3. ফ্রাংকো
  4. মিলোসোবিচ
ব্যাখ্যা
• খেমার রুজ:
- খেমার রুজ হলো কম্বোডিয়ান কমিউনিস্ট পার্টির সামরিক শাখা। 
- খেমার রুজ নেতা ছিলেন পলপট। তিনি কম্বোডিয়ার সাবেক সোশ্যালিস্ট স্বৈরশাসক।
- ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত পলপটের নেতৃত্বে খেমার রুজ শাসনে কম্বোডিয়ায় প্রায় ২০ লক্ষ মানুষ বিভিন্ন কারণে মারা যায় যা কম্বোডিয়া গণহত্যা নামে পরিচিত।
- ১৯৭৯ সালে ভিয়েতনাম বাহিনী কম্বোডিয়া আক্রমণ করলে পলপট ও খেমার রুজ শাসনের পতন ঘটে।

উৎস: হিস্টোরি ডটকম ও ব্রিটানিকা।
১,৭৬২.
বাংলাদেশ কত তারিখে গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করে?
  1. ৩১ আগস্ট, ২০২৪
  2. ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  3. ২৯ আগস্ট, ২০২৪
  4. ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
ব্যাখ্যা
• গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ:

• পূর্ণ নাম: International Convention for the Protection of All Persons from Enforced Disappearance.
-গুমবিরোধী সনদটি ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়।
- ৩২টি দেশ এটি অনুস্বাক্ষর করার পরে ২০১০ সালে তা বাস্তবায়ন শুরু হয়।
- সামগ্রিকভাবে এই সনদের লক্ষ্য গুম বন্ধের পাশাপাশি এই অপরাধের জন্য দায়মুক্তি বন্ধ করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও ক্ষতিগ্রস্ত
ব্যক্তিদের সহায়তা দেওয়া।

উল্লেখ্য,
- ২৯ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ।
- উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে অর্ন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস উপদেষ্টাদের এই সনদে
স্বাক্ষর করেন।
- প্রত্যেক নাগরিকের মানবাধিকার নিশ্চিত করা এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার করার লক্ষ্যে এই
কনভেনশনে বাংলাদেশের পক্ষভুক্ত হয়।

উৎস: Bangladesh Sangbad Sangstha (BSS).
১,৭৬৩.
'সফট পাওয়ার' (Soft Power) শব্দটি প্রথম কে ব্যবহার করেছিলেন?
  1.  হ্যান্স মরগ্যানথো
  2. জোসেফ নাই
  3. স্যামুয়েল হান্টিংটন
  4. ফ্রান্সিস ফুকুয়ামা
ব্যাখ্যা

• সফট পাওয়ার (Soft Power):
- হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জোসেফ নাই ১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে এই ধারণাটি প্রবর্তন করেন।
তার মতে, একটি দেশ অন্য কোনো দেশকে সামরিক শক্তি (Hard Power) বা ভয় দেখিয়ে নয়, বরং সংস্কৃতি, রাজনৈতিক আদর্শ এবং পররাষ্ট্রনীতির মাধ্যমে নিজের দিকে আকৃষ্ট করার যে ক্ষমতা রাখে, তাকেই 'সফট পাওয়ার' বলা হয়।

উদাহরণ: হলিউড সিনেমা, গুগল-ফেসবুকের মতো টেকনোলজি, উচ্চশিক্ষা (যেমন হার্ভার্ড বা অক্সফোর্ড), এমনকি জাপানিজ অ্যানিমে বা কোরিয়ান কে-পপ (K-pop) হলো সফট পাওয়ারের চমৎকার উদাহরণ। এগুলো সারা বিশ্বের মানুষকে ওই দেশগুলোর প্রতি ইতিবাচক করে তোলে।

অন্যদিকে,
হার্ড পাওয়ার (Hard Power):
- এটি হলো শক্তির প্রাচীন ও চিরাচরিত রূপ। যখন একটি দেশ অন্য দেশকে কোনো কাজ করতে বাধ্য করে, তখন তাকে হার্ড পাওয়ার বলে। এর মূল হাতিয়ার দুটি:
- সামরিক শক্তি (Carrot and Stick): যুদ্ধ, হামলার হুমকি বা সামরিক জোট।
- অর্থনৈতিক চাপ: অর্থনৈতিক অবরোধ (Sanctions) বা বাণিজ্যে বাধা দেওয়া।

- উদাহরণ: ১৯৯১ সালে কুয়েত থেকে ইরাকি সৈন্য সরাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান বা বর্তমানে রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা।
 
স্মার্ট পাওয়ার (Smart Power):
- এটি একটি আধুনিক কৌশল। জোসেফ নাই-এর মতে, শুধু হার্ড পাওয়ার দিয়ে বর্তমান বিশ্বে জয়ী হওয়া সম্ভব নয়। তাই হার্ড পাওয়ার এবং সফট পাওয়ারের নিখুঁত সমন্বয়কে বলা হয় 'স্মার্ট পাওয়ার'।
অর্থাৎ যেখানে সামরিক শক্তি প্রয়োজন সেখানে তা ব্যবহার করা, আবার যেখানে কূটনীতি ও সংস্কৃতির মাধ্যমে কাজ হাসিল সম্ভব সেখানে তা প্রয়োগ করা।
 
উৎস:
i) Soft power: the origins and political progress of a concept লিংক।
ii) The Future of Power by JOSEPH S. NYE।
iii) ব্রিটানিকা।

১,৭৬৪.
বাংলাদেশ নিচের কোনটি সংস্থাটির সদস্য?
  1. INTERPOL
  2. NATO
  3. Warsaw Pact
  4. ANZUS
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ INTERPOL এর সদস্য। 

• INTERPOL
- পূর্ণরূপ: The International Criminal Police Organization।
- এটি পুলিশের একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯২৩।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৫টি দেশ।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ১৪ অক্টোবর, ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ INTERPOL -এর সদস্যপদ লাভ করে। 

অন্যদিকে: 
• NATO:
- পূর্ণরুপ-The North Atlantic Treaty Organization. 
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO র বর্তমান সদস্য ৩১ টি।

• Warsaw Pact:
- Warsaw Pact বলতে বোঝায় Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি।
- সদস্য সংখ্যা ছিলো: ৮টি; সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া।
- বিলুপ্ত: ১ জুলাই, ১৯৯১।

• ANZUS:
-চুক্তি  স্বাক্ষরিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১।
- কার্যকর হয়: ১৯৫২ সালে।
- সদস্য দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরের স্থান:  সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া।
- এটি একটি সামরিক জোট। 

সূত্র: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট। (19.11.2023). 
১,৭৬৫.
'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম কী?
  1. Good Saturday Agreement
  2. Good Sunday Agreement
  3. Good Tuesday Agreement
  4. Good Friday Agreement
ব্যাখ্যা
⇒ 'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম - Good Friday Agreement.

বেলফাস্ট চুক্তি:
- উত্তর আয়ারল্যান্ডে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বেলফাস্ট চুক্তিটি একটি মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত হয়। উত্তর আয়ারল্যান্ড - এর শাসনতন্ত্র কিরকম হবে তা এই চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষর: ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮ সাল।
- চুক্তি কার্যকর: ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তির পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,৭৬৬.
নিচের কোন দেশটি ইরানের সাথে স্বাক্ষরিত ছয় জাতির পরমাণু সমঝোতা চুক্তির অংশীদার নয়?
  1. ফ্রান্স
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জর্মানি
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা
- ইরানের পরমাণু কর্মসূচি বিষয়ে ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই ইরান এবং অন্য ছয়টি দেশের মধ্যে The Joint Comprehensive Plan of Action (JCPOA) নামে পরমাণু সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তির অংশীদার অন্য ছয়টি দেশ হলো:
- যুক্তরাজ্য
- রাশিয়া
- চীন
- ফ্রান্স
- জার্মানি
- যুক্তরাষ্ট্র।
- জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ তার ২২৩১ নং প্রস্তাবের মাধ্যমে ২০ জুলাই ২০১৫ চুক্তিটিকে অনুমোদন করে যা ২০১৫ সালের ১৮ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়।
- চুক্তিটির শর্ত হিসেবে ইরান তার পরমাণু কর্মসূচি সংকোচিত করতে সম্মত হয় এবং এর বিনিময়ে জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের উপর থেকে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহার করতে সম্মত হয়।
- কিন্তু ২০১৮ সালের ৮ মে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চুক্তিটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেয় এবং ইরানের ‍উপর পুনরায় সকল নিষেধাজ্ঞা বলবৎ করে।
- ফলে JCPOA চুক্তির কার্যকারিতা নিশ্চিত হয়ে পড়ে যা এখনো চলমান রয়েছে।
(তথ্যসূত্র: আর্মস কন্ট্রোল অ্যাসোসিয়েশন ওয়েবসাইট)
১,৭৬৭.
কত সালে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
  1. ১৯৮৮ সালে
  2. ১৯৮০ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা
ফকল্যান্ড যুদ্ধ:
- যুদ্ধ সংঘটিত হয়- ১৯৮২ সালে
- পক্ষসমুহ: যুক্তরাজ্য ও আজের্ন্টিনা।
- যুদ্ধ সংঘটরেন স্থান- ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ জর্জিয়া দ্বীপ ও দক্ষিণ স্যান্ডইচ  দ্বীপ।
- যুদ্ধের ফলাফল- যুক্তরাজ্য বিজয়ী ও ফকল্যান্ড সহ কয়েকটি দ্বীপাঞ্চলে যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়।

সূত্র: Britannica & History.com.
১,৭৬৮.
বেলফোর ঘোষণায় একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছিল যার নাম -
  1. ক) ফিলিস্তান
  2. খ) সিরিয়া
  3. গ) ইসরাইল
  4. ঘ) ইরাক
ব্যাখ্যা
বেলফোর ঘোষণা (Balfour Delclaration):
- বেলফোর ঘোষণার সাথে আজকের ইহুদী রাষ্ট্র ইসরাইল প্রতিষ্ঠার প্রশ্নটি সরাসরিভাবে জড়িত।
- ১৯১৭ সালের ২ ডিসেম্বর তৎকালিন ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ জে বেলফো ব্রিটিশ জায়নিষ্ঠ ফেডারেশনের সভাপতি লর্ড রথচাইল্ডকে একটি চিঠি দেন।
- ওই চিঠির উদ্দেশ্য ছিল ইহুদীদের জন্য একটি আবাসভূমি প্রতিষ্ঠা।
- ইতিহাসে এটাই বেলফোর ঘোষণা হিসেবে পরিচিত।
- ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘ প্যালেস্টাইন অধ্যুষিত আরব এলাকা বিভক্তির মধ্যে দিয়ে ইসরাইল রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়। 
- ১৯৪৮ সালে ইসরাইল প্রতিষ্ঠিত হয়।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
১,৭৬৯.
ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বন্দ্ব নিরসনে কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ? 
  1. ইউরাটম চুক্তি
  2. প্যারিস শান্তি চুক্তি
  3. একীভূতকরণ চুক্তি
  4. রোম চুক্তি
ব্যাখ্যা

প্যারিস শান্তি চুক্তি
• দীর্ঘ ভিয়েতনাম যুদ্ধের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামের মধ্যে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় সেটি প্যারিস শান্তি চুক্তি বা Paris Peace Accords নামে পরিচিত।

• চুক্তি স্বাক্ষরকাল - ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩ সাল।
• স্বাক্ষরের স্থান - প্যারিস, ফ্রান্স
• চুক্তির পক্ষসমূহ - যুক্তরাষ্ট্র, উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম।
• ফলাফল - ভিয়েতনাম যুদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্য প্রত্যাহার এবং ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বন্দ্বের অবসান ঘটে।
• প্যারিস শান্তি চুক্তির স্বাক্ষরের আগে ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা লে ডুচ থো (Lê Đức Thọ) ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে হেনরি কিসিঞ্জার আলোচনা করেন এবং চুক্তির খসড়া প্রণয়ন করেন। এর সূত্র ধরে দুই জনকেই ১৯৭৩ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ওয়েবসাইট।  

১,৭৭০.
'আটলান্টিক সনদ' স্বাক্ষরিত হয় কার কার মধ্যে?
  1. রুজভেল্ট ও উইনস্টন চার্চিল
  2. রুজভেল্ট ও স্টালিন
  3. রুজভেল্ট, উইনস্টন চার্চিল ও স্টালিন
  4. উইনস্টন চার্চিল ও স্টালিন
ব্যাখ্যা
• আটলান্টিক সনদ:
- আটলান্টিক সনদ স্বাক্ষরিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিলের মধ্য।
- স্বাক্ষরের সময়কাল: ১৪ আগস্ট, ১৯৪১ সাল।
- উদ্দেশ্য: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে পৃথিবীতে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা।
- স্বাক্ষরের স্থান: উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে প্রিন্স অব ওয়েলস নামক একটি যুদ্ধ জাহাজে।
- এর ফলে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৭৭১.
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়টি SDG এর কত নং লক্ষ্যমাত্রার অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) ৭ নং
  2. খ) ৯ নং
  3. গ) ১১ নং
  4. ঘ) ১৩ নং
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ধারাবাহিকতায় ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে ২০১৬ সাল থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে যা টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট বা SDG নামে পরিচিত।
এসডিজির ১৩ নং লক্ষ্যমাত্রায় জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। এতে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, ক্ষতি হ্রাস করা, প্যারিস জলবায়ু চুক্তির বিষয়গুলো বাস্তবায়ন প্রভৃতি বিষয়ে বলা হয়েছে।
(সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
১,৭৭২.
'TPNW' কী বিষয় চুক্তি? 
  1. রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
  2. পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ 
  3. জৈবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
  4. পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
ব্যাখ্যা

• TPNW:
- TPNW এর পূর্ণরূপ: The Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons বা পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- TPNW-তে যেকোনো পারমাণবিক অস্ত্র কার্যক্রমে অংশগ্রহণের উপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- এর মধ্যে রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্রের বিকাশ, পরীক্ষা, উৎপাদন, অর্জন, অধিকার, মজুদ, ব্যবহার বা হুমকি না দেওয়ার অঙ্গীকার।
- পরমাণু অস্ত্র মুক্ত বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ৭ জুলাই পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি গৃহিত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭।
- কার্যকর হয়: ২২শে জানুয়ারি, ২০২১।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৭৩টি।[আগস্ট, ২০২৫]
- স্বাক্ষরকারী: ৯৪টি। [আগস্ট, ২০২৫]
- বাংলাদেশ ২০১৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর এটিতে স্বাক্ষর করে এবং ২০১৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর অনুমোদন করে।

উৎস: ICAN ওয়েবসাইট।

১,৭৭৩.
কোন দেশের সিভিল ডিফেন্স গ্রুপ 'হোয়াইট হেলমেট' নামে পরিচিত?
  1. সিরিয়া
  2. ইরান
  3. তুরস্ক
  4. লেবানন
ব্যাখ্যা
হোয়াইট হেলমেট:
- হোয়াইট হেলমেট নামে পরিচিত সিরিয়ান সিভিল ডিফেন্স বা সিরিয়ার সেনাবাহিনী।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১৩ সালে।

উল্লেখ্য,
- হোয়াইট হেলমেট একটি মানবিক, নিরস্ত্র ও নিরপেক্ষ সংগঠন।
- "যে একটি জীবন বাঁচাল, সে যেন গোটা মানবজাতিকে বাঁচাল"- কোরআনের এই আয়াতকে মটো বা উদ্দেশ্য হিসেবে নিয়ে কাজ করছে সংগঠনটি।
- যখন সিরিয়ার কোথাও বোমা হামলা হচ্ছে সবার আগে সেখানে ছুটে যাচ্ছে 'হোয়াইট হেলমেট'।
- তারা সিরিয়ার ধ্বংসস্তুপ থেকে জীবনবাজি রেখে মানুষকে উদ্ধার করছে বিশেষ করে শিশুদের। 

উৎস: i) White Helmets ওয়েবসাইট।
ii) Bdnews24.com
১,৭৭৪.
নিচের কোন দেশটি কোয়াড গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. জাপান
  3. দক্ষিণ কোরিয়া
  4. ভারত
ব্যাখ্যা
- কোয়াড (দ্য কোয়াড্রিল্যাটারেল সিকিউরিটি ডায়ালগ) হলো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চারটি দেশের সমন্বয়ে গঠিত চীনবিরোধী একটি সামরিক জোট।
- কোয়াডভুক্ত দেশগুলো হলো:
- যুক্তরাষ্ট্র
- ভারত
- অস্ট্রেলিয়া এবং
- জাপান।
- ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের উত্থান রোধের লক্ষ্যে ২০০৭ সালে এই জোট গঠিত হয়।
- এটিকে ‘এশিয়ান ন্যাটো’ জোট নামেও অভিহিত করা হচ্ছে।
(তথ্যসূত্র: আল জাজিরা এবং দৈনিক ইত্তেফাক)
১,৭৭৫.
ন্যাটোর কোন অনুচ্ছেদে অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততার উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৬
  2. অনুচ্ছেদ ৭
  3. অনুচ্ছেদ ৮
  4. অনুচ্ছেদ ৯
ব্যাখ্যা
⇒ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ ১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৭৭৬.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অস্ট্রিয়ার যুবরাজকে কোন শহরে হত্যা করা হয়ছিল?
  1. ক) সারায়েভো
  2. খ) জাগরেব
  3. গ) সালজবুরগ
  4. ঘ) ভিয়েনা
ব্যাখ্যা
• প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফার্ডিন্যান্ড, বসনিয়ার রাজধানী সারায়েভোতে আততায়ীর হাতে নিহত হবার ঘটনার মধ্য দিয়ে।

• এর আগে অস্ট্রিয়ার সাথে সার্বিয়ার শত্রুতা চরম আকার ধারণ করেছিল।
- ধারণা করা হয়েছিল সার্বিয়ার নেতৃবৃন্দ এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত।
- এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে অস্ট্রিয়া কিছু শর্তসহ চরমপত্র দেয়।
- কিন্তু সার্বিয়া ওইসব শর্ত (অস্ট্রিয়া বিরোধী সকল প্রচারণা বন্ধ, হত্যাকাণ্ডের তদন্তে রাজকর্মচারীদের সুযোগ দেওয়া, অস্ট্রিয়াবিরোধী সকল সার্বীয় কর্মচারী ও স্কুল শিক্ষকদের চাকরিচ্যুতি) না মানলে অস্ট্রিয়া ও জার্মান সেনাবাহিনী সারায়েভোতে অভিযান চালায়।
- রাশিয়া, ফ্রান্স সার্বিয়ার পাশে এসে দাঁড়ায়। ফলে জার্মানি ফ্রান্স ও রাশিয়া আক্রমণ করে। আর এভাবেই যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়।
- যুদ্ধের মধ্য দিয়েই জন্ম হয় কেন্দ্রীয় শক্তিজোট (জার্মানি, অস্ট্রিয়া ও তুরস্ক) ও মিত্রশক্তি জোটের (রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন, জাপান, সার্বিয়া, বেলজিয়াম)। 
- ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে। 

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
১,৭৭৭.
মোসাদ-এর বর্তমান পরিচালক কে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. রুভেন শিলোয়াহ
  2. ডেভিড বেনগুরিয়ন
  3. ইয়োসি কোহেন
  4. ডেভিড বার্নিয়া
ব্যাখ্যা

মোসাদ:
- ইসরায়েলের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ। 
- মোসাদ-এর পূর্ণরূপ: Institute for Intelligence and Special Operations.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: ডেভিড বেনগুরিয়ন।
- বর্তমান পরিচালক (Director): ডেভিড বার্নিয়া (David Barnea)।
- সদরদপ্তর: তেলআবিব, ইসরাইল।
- প্রথম পরিচালক: রুভেন শিলোয়াহ (Reuven Shiloah)।

⇒ এটি বিশ্বের বৃহত্তম গুপ্তচরবৃত্তি সংস্থাগুলির মধ্যে অন্যতম।
- মোসাদ সাধারণভাবে বৈদেশিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স পরিচালনা, গুপ্তহত্যা, বৈদেশিক নীতি-নির্ধারণে সহায়তা, কাউন্টার টেররিজম, নিজস্ব লোক সংগ্রহ ও নেটওয়ার্ক তৈরি, বিদেশি কূটনীতিকদের ওপর নজরদারি, শত্রু এজেন্টদের সন্ধান, সাইবার ওয়ারফেয়ার পরিচালনা, নতুন প্রযুক্তি সংগ্রহ, ক্ল্যান্ডেস্টাইন অপারেশন পরিচালনা, ড্রোন আক্রমণ, গুপ্ত কারাগার পরিচালনা, বিশ্বের বড় বড় করপোরেশনের নীতিনির্ধারণের চেষ্টা, ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্পিওনাজ ইত্যাদি কাজ করে থাকে।

উৎস: i) Center for Israel Education ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.

১,৭৭৮.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের সদর দপ্তর কোথায়?
  1. ক) ওয়াশিংটন
  2. খ) নিউইয়র্ক
  3. গ) পেন্টাগন
  4. ঘ) ক্যালিফোর্নিয়া
ব্যাখ্যা

মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের সদর দপ্তর পেন্টাগন। ২০১৭ সালের আগে পর্যন্ত এটি ছিলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় অফিস ভবন।
- যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের আর্লিংটন এ অবস্থিত।

উৎসঃ যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।

১,৭৭৯.
অসলো-১ শান্তি চুক্তির মধ্যস্থতা করেন কে?
  1. আব্রাহাম লিংকন
  2. বিল ক্লিনটন
  3. জন টাইলার
  4. টমাস জেফারসন
ব্যাখ্যা
অসলো-১ শান্তি চুক্তি:
- ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে অসলো শান্তি চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৯৩ সালে চুক্তিটি সাক্ষরিত হয়।
- অসলো-১ শান্তি চুক্তিটি ১৯৯৩ সালে যুক্তরাস্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে চুক্তিটি নিয়ে আলোচনা হওয়ায় চুক্তিটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- অসলো-১ চুক্তির ফলে ইসরাইল ও পিএলও পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এতে মধ্যস্থতা করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
১,৭৮০.
ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান কোনটি?
  1. প্যারিস
  2. রোম
  3. নিউ ইয়র্ক
  4. জেনেভা
ব্যাখ্যা
ডেটন শান্তি চুক্তি (Dayton Peace Agreement):
- ডেটন শান্তি চুক্তির পূর্ণনাম - General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina।
- বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয়। এই জন্য এই চুক্তিকে ডেটন শান্তি চুক্তি বলা হয়।
- ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বিল ক্লিন্টন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী - ওয়ারেন ক্রিস্টোফার।
- চুক্তিটির প্রধান শান্তি আলোচক - রিচার্ড হলব্রোক।
- চুক্তির খসড়া প্রস্তুত - ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তির পক্ষ সমূহ - বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী -
১. বসনিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ।
২. ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
৩. সার্বিয়ার পক্ষে - স্লোভাদান মিলোসোভিচ।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।
১,৭৮১.
CSTO কী -
  1. ক) সামরিক প্যাক্ট
  2. খ) অর্থনৈতিক প্যাক্ট
  3. গ) বাণিজ্যিক প্যাক্ট
  4. ঘ) কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
সিএসটিও (CSTO- Collective Security Treaty Organization):
- সিএসটিও একটি সামরিক প্যাক্ট, যা ১৯৯২ সালের মে মাসে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- এর সদর দফতর মস্কোতে।
- বর্তমানে ৬টি দেশ এই সামরিক প্যাক্টের সদস্য।
- এই দেশগুলো হচ্ছে আর্মেনিয়া, বেলারুশ, কাজাখিস্তান কিঘিজিস্তান, রাশিয়া, তাজিকিস্তান। 

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
১,৭৮২.
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পাদিত গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি কখন শেষ হবে?
  1. ২০৪০
  2. ২০২৬
  3. ২০২৪
  4. ২০৩০
ব্যাখ্যা
গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি:
- হিমালয়ের হিমবাহে উৎপন্ন গঙ্গা নদী।
- গঙ্গা নদী ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের গোয়ালন্দের কাছে ব্রহ্মপুত্র নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে।
- এ অঞ্চলের পানিসম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী একটি স্থায়ী যৌথ নদী কমিশন গঠনের উদ্দেশ্যে এক যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন।
- এ ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭২ সালের নভেম্বরে একটি যৌথ নদী কমিশন গঠিত হয়।
- ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর গঙ্গার পানি বন্টন সম্পর্কে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।
- ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

⇒ ফারাক্কা পানি চুক্তি:
- ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশে পানির প্রবাহ কমতে থাকার প্রেক্ষাপটে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গা চুক্তি হয়।
- চুক্তি অনুযায়ী, শুষ্ক মৌসুমে অর্থাৎ ১ জানুয়ারি - ৩১শে মে পর্যন্ত দুই দেশ চুক্তিতে উল্লেখিত ফর্মুলা অনুযায়ী পানি ভাগাভাগি করে নেবে।
- চুক্তিতে বলা হয়েছে, নদীতে ৭০ হাজার কিউসেক বা তার কম পানি থাকলে দুই দেশ সমান সমান পানি ভাগ করে নেবে।
- পানির পরিমাণ ৭০ হাজার কিউসেক থেকে ৭৫ হাজার কিউসেক হলে ৪০ হাজার কিউসেক পাবে বাংলাদেশ, অবশিষ্ট প্রবাহিত হবে ভারতে।
- আবার নদীর পানির প্রবাহ যদি ৭৫ হাজার কিউসেক বা তার বেশি হয় তাহলে ৪০ হাজার কিউসেক পানি পাবে ভারত, অবশিষ্ট পানি প্রবাহিত হবে বাংলাদেশে।

উল্লেখ্য,
- ৩০ বছরের চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের মধ্যে শেষ হবে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC বাংলা।
১,৭৮৩.
নিম্নে কোন চুক্তিটি Good Friday Agreement নামে পরিচিত?
  1. আলজিয়ার্স চুক্তি
  2. শেনজেন চুক্তি
  3. বেলফাস্ট চুক্তি
  4. উই রিভার চুক্তি
ব্যাখ্যা

বেলফাস্ট চুক্তি (Belfast Agreement):
- স্বাক্ষরিত হয়: ১০ এপ্রিল ১৯৯৮।
- স্থান: বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তিটি কার্যকর হয়: ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সাল।
- চুক্তির উদ্দেশ্য: উত্তর আয়ারল্যান্ডে দীর্ঘদিনের সহিংস সংঘাত অবসান  এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠা।
- চুক্তির পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
- বেলফাস্ট চুক্তি Good Friday Agreement নামেও পরিচিত।
- উত্তর আয়ারল্যান্ডে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বেলফাস্ট চুক্তিটি একটি মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৭৮৪.
Anti Ballistic Missile Treaty চুক্তি থেকে কোন দেশটি প্রত্যাহার করেছে?
  1. রাশিয়া
  2. জার্মানি
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
ABM Treaty:
- ABM- এর পূর্ণরূপ: Anti Ballistic Missile Treaty.
- এটি একটি ক্ষেপণাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি কার্যকর হয়: ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- চুক্তির বিষয়: দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।

⇒ চুক্তি বাতিল: ১৩ জুন, ২০০২ সাল।

উল্লেখ্য,
- ১৩ ডিসেম্বর, ২০০১-এ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং ৬ মাস পরে জুন, ২০০২ সালে এই প্রত্যাহার কার্যকর হয়।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
১,৭৮৫.
Which of the following countries have nuclear weapons?
  1. China
  2. Pakistan
  3. Israel
  4. Above all
ব্যাখ্যা
পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী দেশ:
- বর্তমানে বিশ্বের ৯টি দেশ পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী।
- তারা হলো: রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, পাকিস্তান, ভারত, ইসরায়েল, উত্তর কোরিয়া।
 
উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী দেশ (NWS) হলো পাঁচটি রাষ্ট্র: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- আনুষ্ঠানিকভাবে NPT দ্বারা পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হিসাবে স্বীকৃত এই পাঁচটি দেশ।
- চুক্তিটি এই দেশগুলির পারমাণবিক অস্ত্রাগারকে স্বীকৃতি দেয়।
- ভারত, পাকিস্তান এবং ইসরায়েল কখনই NPT-এ যোগ দেয়নি কিন্তু এরা পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী বলে পরিচিতি।
 
উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
১,৭৮৬.
’বসনিয়া যুদ্ধ’ অবসান হয় কোন চুক্তির মাধ্যমে?
  1. ডেটন চুক্তি
  2. তাসখন্দ চুক্তি
  3. ভার্সাই চুক্তি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ডেটন চুক্তি:
- ডেটন চুক্তি হয়: প্যারিস, ফ্রান্স।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয় তাই একে ডেটন চুক্তি বলা হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়- ১৪ ডিসেম্বর ১৯৯৫ সালে।
- বসনিয়া যুদ্ধ অবসানের জন্য ডেটন চু্ক্তি স্বাক্ষরিত হয়
- বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া মধ্য চু্ক্তি হয়।
- এ চুক্তির মধ্যস্থতা করেন: বিল ক্লিনটন।
- বসনিয়ার পক্ষে স্বাক্ষর করেন: প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ।
- ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে: প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
- সার্বিয়ার পক্ষে: স্লোভাদান মিলোসোভিচ।

উল্লেখ্য,
তাসখন্দ চুক্তি:
- উজবেকিস্তান এর রাজধানী তাসখন্দে ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত স্থানটির নাম অনুসারে  চুক্তির নামকরণ হয়।
- এ চুক্তির মধ্যস্থতাকারী সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রেসিডেন্ট অ্যালেক্সি কোসিগিন।
- পক্ষসমূহ: ভারত- পাকিস্তান।
- স্বাক্ষরকারী পক্ষ: লালবাহাদুর শাস্ত্রী এবং আয়ুব খান।
- এ চুক্তি ১৯৬৫ সালে ভারত -পাকিস্তান যুদ্ধ অবসান ঘটে।

 উৎস: History.com & Britannica.
১,৭৮৭.
দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তির ঘোষণার মূল নকশা করেন কে?
  1. ডেভিড লয়েড জর্জ
  2. উড্রো উইলসন
  3. জর্জেস ক্ল্যামেনকু
  4. উপরের সকলে
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তির ঘোষণার মূল নকশা করেন বৃটেনের ডেভিড লয়েড জর্জ, যুক্তরাষ্ট্রের উড্রো উইলসন, ফ্রান্সের জর্জেস ক্ল্যামেনকু এবং ইতালির ভিটিরিও অরল্যান্ডো।
- ফ্রান্সের বাড়ছে নগরীতে দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯১৯ সালের ২৮ জুন মাসে।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মিত্রশক্তি ( ব্রিটেন, ফ্রান্স, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইতালি) ও জার্মানির মধ্যে।

উৎস: Live MCQ

১,৭৮৮.
কোন চুক্তি স্বাক্ষরের জন্যে ইয়াসির আরাফাত নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন?
  1. অসলো চুক্তি
  2. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  3. ওয়াই রিভার চুক্তি
  4. সেভার্স চুক্তি
ব্যাখ্যা
অসলো চুক্তি স্বাক্ষরের জন্যে ১৯৯৪ সালে ফিলিস্তিনের সাবেক প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাত এবং ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী আইজ্যাক রবিন নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটন ডিসিতে পিএলও এবং ইসরায়েলের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর মাধ্যমে পিএলও এবং ইসরায়েল পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে এবং ফিলিস্তিনে স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার রোডম্যাপ প্রণয়ন করা হয়।
(উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার এবং নোবেল প্রাইজ ওয়েবসাইট)
১,৭৮৯.
R2P এর পূর্ণরূপ -
  1. ক) Responsibility to Protection
  2. খ) Reliability to Protect
  3. গ) Reliability to Protection
  4. ঘ) Responsibility to Protect
ব্যাখ্যা
• R2P এর পূর্ণরূপ - Responsibility to Protect. 

Responsibility to Protect:
- আর টু পি বা Responsibility to Protect তত্ত্ব মূলত এক ধরণের কমিটমেন্ট, যা জাতিসংঘের সদস্যপদ প্রাপ্ত প্রতিটি রাষ্ট্র মানতে বাধ্য। জাতিসংঘের ২০০৫ সালের এক শীর্ষ সম্মেলনে ‘আর টু পি’ গ্রহণ করা হয়।
- এর উদ্দেশ্য হচ্ছে গণহত্যা যুদ্ধ বন্ধ, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতিসত্তাকে নিমূর্লের হাত থেকে রক্ষা করা, যুদ্ধাপরাধ, ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
- অর্থাৎ একটা বিশাল জনগোষ্ঠীকে সকল ধরনের সন্ত্রাস, গণহত্যার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা বলা হয়েছে এই তত্ত্বে।
- এই তত্ত্বের আওতায় যে রাষ্ট্র বা গোষ্ঠী যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত করছে, তার বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ, সামরিক শক্তি প্রয়োগ, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিধান রাখা হয়েছে।
- জাতিসংঘের মহাসচিব ২০০৯ সাল থেকে প্রতিবছর এই তত্ত্বের আওতায় কী ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন, সে সম্পর্কে রিপোর্ট প্রদান করেন।
- লিবিয়া, সুদান, সিরিয়ায় এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে গণহত্যা বন্ধ ও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীকে উচ্ছেদ অভিযান থেকে রক্ষা করার জন্য বৃহৎ রাষ্ট্রকে সামরিক অভিযান চালাতে আমরা দেখেছি।
- যদিও এই তত্ত্বের প্রয়োগ নিয়ে এখনও বিতর্ক আছে।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
১,৭৯০.
সম্প্রতি, ‘কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি’ কোন দুটি দেশের মধ্যে হয়েছে?
  1. ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন এবং রাশিয়া
  3. পাকিস্তান এবং সৌদি আরব
  4. যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

'যৌথ কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি':
- পাকিস্তান ও সৌদি আরব নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য একটি 'যৌথ কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি'-তে স্বাক্ষর করেছে।
এই চুক্তি অনুযায়ী, 'কোনো একটি দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসনকে উভয় দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসন হিসেবে গণ্য করা হবে'।
পাকিস্তান ও সৌদি আরবের নেতারা এই চুক্তিকে 'ঐতিহাসিক' বলে অভিহিত করছেন।
- ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

উৎস: বিবিসি নিউজ।

১,৭৯১.
বিবিআইএন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ?
  1. ক) ১৫ই জুলাই ২০১৫
  2. খ) ১৫ইআগস্ট ২০১৫
  3. গ) ১৫ই সেপ্টেম্বর ২০১৫
  4. ঘ) ১৫ই জুন ২০১৫
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ভুটান, ভারত, নেপাল, এর মধ্যকার পরিকাঠামো , পানির উৎসের সঠিক ব্যবহার, বিদ্যুৎ ও সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা ।
- ১৫ই জুন ২০১৫ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ।
- চুক্তিটি এখনও কার্যকর হয়নি ।- বিবিআইএন ভূমি বেষ্টিত (ল্যান্ড ব্লক) দেশ নেপাল ও ভুটান ভারতের কলকাতা বন্দর, হলদিয়া বন্দর এবং বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহারের বিশেষ সুবিধা পাবে ।

সূত্র:LIVE MCQ

১,৭৯২.
’সানসাইন পলিসি’ কোন দেশ গ্রহণ করে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. দক্ষিণ কোরিয়া
  3. রাশিয়া
  4. উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যা
 Sunshine Policy:
- Sunshine Policy- এর সাথে জড়িত- উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া।
- দুই কোরিয়ার সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য ১৯৯০-এর দশকে দক্ষিণ কোরিয়া এক নীতি গ্রহন করে যা ‘সানসাইন পলিসি’ (Sunshine Policy) নামে পরিচিত।
- এই পলিসির আওতায় দুই কোরীয়ার শীর্ষ নেতাদের মধ্যে কয়েকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালানো হয়।
- Sunshine Policy-র প্রবক্তা দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং।
- Sunshine Policy বাস্তবায়নের কারনে ২০০০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান- কিং দায়ে জং।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৭৯৩.
খেমাররুজ কোন দেশের গেরিলা সংগঠন?
  1. কম্বোডিয়া
  2. লাওস
  3. ভিয়েতনাম
  4. মিয়ানমার
ব্যাখ্যা

• খেমাররুজ:
- খেমাররুজ ছিল কম্বোডিয়ার একটি চরমপন্থী কমিউনিস্ট মতাদর্শভিত্তিক গেরিলা সংগঠন।

- ১৯৬৭ সালে কম্পুচিয়ার কমিউনিস্ট পার্টির সশস্ত্র শাখা হিসেবে খেমাররুজের উদ্ভব ঘটে। 
- ১৯৬৮ সালে, তারা একটি সংগঠিত গেরিলা বাহিনীতে রূপ নেয়। 
- পল পটের নেতৃত্বে এ গোষ্ঠী ধীরে ধীরে শক্তিশালী হয়ে ওঠে এবং
- ১৯৭৫ সালের ১৭ এপ্রিল রাজধানী নম পেন দখল করে ক্ষমতা গ্রহণ করে।
- ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৯ পর্যন্ত এই শাসনামলে কম্বোডিয়া চরম নিপীড়ন ও নির্মমতার মুখোমুখি হয়; এ সময় সংঘটিত গণহত্যায় আনুমানিক ২০ থেকে ৩০ লক্ষ মানুষের মৃত্যু ঘটে।
- ক্ষমতা দখলের পর দেশটির নাম পরিবর্তন করে “গণতান্ত্রিক কম্পুচিয়া” রাখা হয়, যা খেমাররুজ শাসনের প্রতীক হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠে।

উৎস:
১. প্রথম আলো; 
২. Britannica.

১,৭৯৪.
‘Institute for Intelligence and Special Operations’ গোয়েন্দা সংস্থাটি কোন রাষ্ট্রের?
  1. ইসরায়েল
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

• মোসাদ:
- মোসাদ ইসরায়েলের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: ডেভিড বেনগুরিয়ন।
- সদরদপ্তর: তেলআবিব, ইসরায়েল।
- হিব্রু ভাষায় ‘মোসাদ’ শব্দের অর্থ ‘ইনস্টিটিউট’ বা প্রতিষ্ঠান।
- আনুষ্ঠানিকভাবে এই বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থার নাম ‘দ্য ইনস্টিটিউট ফর ইনটেলিজেন্স অ্যান্ড স্পেশাল অপারেশন্স’ (Institute for Intelligence and Special Operations)। 
- ১৯৪৯ সালের ১৩ ডিসেম্বর Central Institute of Co-ordination নামে মোসাদের কার্যক্রম শুরু হয়।
- মোসাদ কাজ করে তথ্য সংগ্রহ, গোপন অভিযান ও সন্ত্রাসবাদ দমন নিয়ে।
- এর পরিচালক সরাসরি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাবদিহি করেন।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম গুপ্তচর সংস্থাগুলোর একটি।
- মোসাদের কার্যক্রম এবং বাজেট কোনো আইন দ্বারা সংজ্ঞায়িত নয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা, মোসাদের ওয়েবসাইড ও বাংলাদশ প্রতিদিন।

১,৭৯৫.
OSCE কী ধরনের সংস্থা?
  1. ক) আঞ্চলিক নিরাপত্তা
  2. খ) বাণিজ্যিক ব্লক
  3. গ) মানবাধিকার
  4. ঘ) পরিবেশবাদী
ব্যাখ্যা
OSCE (The Organisation for Security and Co-Operation in Europe) হলো বিশ্বের বৃহত্তম আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংগঠন।
উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ ও এশিয়ার ৫৭টি দেশ এটির সদস্য।
এটি ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সংস্থাটির বর্তমান চেয়ারপারসন আলবেনিয়া।
(সূত্রঃ OSCE ওয়েবসাইট)
১,৭৯৬.
সোমালিয়ার বিলুপ্ত 'ইউনিয়ন অব ইসলামিক কোর্টস'-এর চরমপন্থী যুবসংগঠন হিসেবে যাত্রা শুরু করে -
  1. আল-শাবাব
  2. হিজবুল্লাহ
  3. ব্লাক সেপ্টেম্বর
  4. লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা
ব্যাখ্যা
আল-শাবাব:
→ আল-শাবাব পুরো নাম হরকাত আল শাবাব আল মুজাহিদিন। সোমালিয়ার রাজধানী-সহ বৃহদাংশ নিয়ন্ত্রণকারী শক্তি ইসলামিক কৌর্টস ইউনিয়ন থেকে ভেঙ্গে এসে গড়ে উঠেছে আল-শাবাব যার অর্থ হচ্ছে তারুণ্য।
→ সোমালিয়ায় ইসলামি শাসন প্রতিষ্ঠা করার লক্ষে জাতিসংঘ সমর্থিত সরকার ও পশ্চিমা বিশ্বের বিরুদ্ধে লড়াই করছে।
→ সদর দপ্তর: জিলিব, সোমালিয়া।
→ প্রতিষ্ঠা লাভ করে - ২০০৬।
→ সোমালিয়ার বিলুপ্ত 'ইউনিয়ন অব ইসলামিক কোর্টস'-এর চরমপন্থী যুবসংগঠন হিসেবে আল-শাবাব যাত্রা শুরু করে।

তথ্যসূত্র: আজ জাজিরা নিউজ।
১,৭৯৭.
বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য দেশ কতটি? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ২৭টি
  2. ৩০টি
  3. ৩২টি
  4. ৩৪টি
ব্যাখ্যা
NATO:
- ন্যাটো (NATO) বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা, ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সামরিক জোট।
- ন্যাটো (North Atlantic Treaty Organization) উত্তর আটলান্টিক চুক্তির ভিত্তিতে গঠিত হয়।
- এটি সদস্য দেশগুলোর সম্মিলিত প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করে।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার দেশগুলির মধ্যে সামরিক সহযোগিতা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- ন্যাটো চুক্তির "পঞ্চম অনুচ্ছেদ" অনুযায়ী, যদি কোনো সদস্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আক্রমণ করা হয়, তবে তা সমগ্র সংগঠনের বিরুদ্ধে আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে এবং সমস্ত সদস্য একে অপরকে রক্ষা করতে বাধ্য হবে।
- বর্তমানে, ন্যাটো -তে ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে (সর্বশেষ সুইডেন- ২০২৪ সালে) । [এপ্রিল, ২০২৫]
- এর সদর দপ্তর ব্রাসেলস, বেলজিয়ামে অবস্থিত।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
১,৭৯৮.
ANZUS এর সদস্য দেশ নয় কোনটি? (মে, ২০২৫)
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা
⇒ নেদারল্যান্ডস ANZUS এর সদস্য দেশ নয়।

ANZUS:
- ANZUS একটি সামরিক জোট।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১ সেপ্টেম্বর ১৯৫১ সালে।
- ANZUS এর সদস্য সংখ্যা ৩টি দেশ। (মে, ২০২৫)
- এই জোটের সদস্য দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র।

তথ্যসূত্র - ANZUS-এর ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
১,৭৯৯.
২০২৩ সালে ইসরাইলের ওপর হামাস কর্তৃক পরিচালিত হামলার নাম কী?
  1. অপারেশন আয়রন সোর্ডস
  2. অপারেশন আল-কুদস স্টর্ম
  3. অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড
  4. অপারেশন আল-কাসিম ফ্লাড
ব্যাখ্যা
• অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড:
- ইসরাইলের ওপর হামাস কর্তৃক পরিচালিত অভিযানের নাম 'অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড'।
- ৭ অক্টোবর, ২০২৩ ফিলিস্তিনের সশস্ত্র সংগঠন হামাস ইসরায়েলে হামলা চালায়। 
- তাঁরা এই অভিযানের নাম দেয় 'অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড'।
- ইসরায়েলে হামাস হামলা চালানোর পরপরই গাজা উপত্যকা লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালাতে শুরু করে তেল আবিব।
- এটির প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) 'অপারেশন আয়রন সোর্ডস' শুরু করে এবং গাজায় আক্রমণ করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৮০০.
New START চুক্তি কোন দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া
  4. রাশিয়া ও ইউক্রেন
ব্যাখ্যা

New START চুক্তি:
- New START চুক্তি হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাস চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ৮ এপ্রিল ২০১০ সালে।
- চুক্তি কার্যকর হয় ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১১ সালে।
- স্বাক্ষরকারী নেতা: প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও দিমিত্রি মেদভেদেভ।
- চুক্তি মস্কো ও ওয়াশিংটনের মোট কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করে।
- ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি চুক্তি স্থগিতের ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

উৎস: Nuclear Threat Initiative