বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

মোট প্রশ্ন৩,৩৩৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

PrepBank · পাতা ১৭ / ৩৪ · ১,৬০১১,৭০০ / ৩,৩৩৯

১,৬০১.
The North Atlantic Treaty Organization এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল কতটি দেশ?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা

NATO:
- পূর্ণরূপ-The North Atlantic Treaty Organization.
-প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO র প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশগুলো হলো: Belgium, Canada, Denmark, France, Iceland, Italy, Luxembourg, the Netherlands, Norway, Portugal, the United Kingdom and the United States.
- বর্তমান সদস্য ৩২ টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ -সুইডেন।
- NATO ভুক্ত মুসলিম দেশ ২টি - তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- সদর দপ্তর ব্রাসেলস।

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।

১,৬০২.
নাসা কোন দেশের মহাকাশ গবেষনা সংস্থা?
  1. ক) জাপান
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা
নাসা হলো মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। এর সদরদপ্তর ওয়াশিংটন ডিসি তে অবস্থিত।
এটি ১৯৫৮ সালের ২৯ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়।
ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল হলো নাসার উৎক্ষেপণ কেন্দ্র। NASA এর পূর্ণরূপ হলো National Aeronautics and Space Administration.
(সূত্রঃ নাসা ওয়েবসাইট)
১,৬০৩.
কোন চুক্তির মাধ্যমে পাক-ভারত যুদ্ধের অবসান হয়?
  1. অটোয়া চুক্তি
  2. ডেটন চুক্তি
  3. তাসখন্দ চুক্তি
  4. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
ব্যাখ্যা
তাসখন্দ চুক্তি-১৯৬৬:
- পাক-ভারত যুদ্ধ বন্ধ হয়েছে তাসখন্দ চুক্তির মাধ্যমে।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়-১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬ সালে।
- পক্ষসমূহ- ভারত- পাকিস্তান।
- স্বাক্ষরকারী- ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এবং পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান।
- মধ্যস্থতাকারী- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন এর প্রধানমন্ত্রী নিকলাই কোসিগিন।
- উদ্দেশ্য- কাশ্মীর প্রশ্নে ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধের অবসান এবং শান্তি স্থাপন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা
১,৬০৪.
বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে -
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
Interpol:
- Interpol হল আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা।
- এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization.
- আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২৩ সালে।
- এর বর্তমান সদর দপ্তর: লিওঁ, ফ্রান্স।
- ১৯৪৬ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে এবং ১৯৮৯ সালে ফ্রান্সের লিওঁ শহরে সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়।
- সংস্থাটির বর্তমান সদস্য দেশ ১৯৬টি দেশ। (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
- এর সর্বশেষ সদস্য পালাউ।
- বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে ১৪ অক্টোবর, ১৯৭৬ সালে।
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা। (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
- তিনি ব্রাজিলের নাগরিক।
- ২০২৪ সালের নভেম্বরে যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত ৯২তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র - ইন্টারপোল অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৬০৫.
‘থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স’ কোন দেশের সক্রিয় বিদ্রোহী সংগঠন?
  1. থাইল্যান্ড
  2. পাকিস্তান
  3. মিয়ানমার
  4. শ্রীলঙ্কা
ব্যাখ্যা

থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স: 
- ‘থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স’ মিয়ানমারের একটি সক্রিয় বিদ্রোহী সংগঠন। 
- এটি তিনটি প্রধান জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠী নিয়ে গঠিত, এগুলো হলো - এমএনডিএ, টিএনএলএ এবং আরাকান আর্মি।
- এই জোটটি সামরিক জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করছে এবং মিয়ানমারের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে ব্যাপক সংঘর্ষে জড়িত।
- মিয়ানমারে ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে গণতন্ত্রপন্থী এবং স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠীগুলো একত্রিত হয়ে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে।
- পিডিএফ সহ আরও বহু বিদ্রোহী গোষ্ঠী জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে সমন্বিত হামলা চালাচ্ছে।

এছাড়াও, 
- মিয়ানমার দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার একটি দেশ,
- এটি ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- দেশটির রাজধানী ইয়াংগুন।
- মিয়ানমারের মুদ্রার নাম কিয়াট।

সূত্র: রয়টার্স ও ব্রিটানিকা। 

১,৬০৬.
'সোয়ুজ লঞ্চার' কোন দেশের মহাকাশযান?
  1. রাশিয়া 
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. উত্তর কোরিয়া
  4. ইরান
ব্যাখ্যা

- সোয়ুজ লঞ্চার' রাশিয়ার রকেট ।
- সম্প্রতি, রাশিয়ার সোয়ুজ লঞ্চারের মাধ্যমে মহাকাশে পাঠানো হয়েছে তিনটি নতুন ইরানি স্যাটেলাইট।
- নতুন স্যাটেলাইটগুলো- পায়া, জাফর-২ এবং দ্বিতীয় কাউসার কৃষি, প্রাকৃতিক সম্পদ ও পরিবেশ পর্যবেক্ষণে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছে।
- এরা পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে স্থাপন হবে।
- উল্লেখ্য,
- সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কক্ষপথে স্যাটেলাইট স্থাপনে ইরান ক্রমশ মিত্র রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল হয়ে উঠেছে।

উৎস: আলজাজিরা নিউজ।

১,৬০৭.
Open Door Policy-এর বিধান ন্যাটোর কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ - ৭
  2. অনুচ্ছেদ - ১০
  3. অনুচ্ছেদ - ৪
  4. অনুচ্ছেদ - ১২
ব্যাখ্যা
- ন্যাটোর অনুচ্ছেদ-১০ অনুযায়ী Open Door Policy বা নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি নীতি পরিচালিত হয়। এই অনুচ্ছেদের অধীনে নতুন সদস্য রাষ্ট্র ন্যাটোতে যোগ দিতে পারে।

ন্যাটো:

- NATO-এর পূর্ণরূপ হলো North Atlantic Treaty Organization,
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতির ভিত্তিতে এই সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমানে এর মহাপরিচালক Mark Rutte. [জুন - ২০২৫]

উল্লেখ্য,
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ছিল ১২টি দেশ।
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ হলো তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য হিসেবে যোগ দেয়।
- বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ৩২টি।[জুন - ২০২৫] 

NATO চুক্তিপত্রে মোট ১৪টি অনুচ্ছেদ (Article) রয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ হলো ⎯ আর্টিকেল - ৫ ও ১০।

অনুচ্ছেদ/আর্টিকেল - ৫: Collective Security বা যৌথ নিরাপত্তা
- ন্যাটো চুক্তির ৫ নং অনুচ্ছেদ বা Article - 5 কে এই চুক্তির heart বলা হয়।
- অনুচ্ছেদ - ৫ এ বলা হয়েছে - যদি জোটভুক্ত কোন সদস্য দেশ আক্রান্ত হয়, তাহলে এই জোটের সকল সদস্য দেশ আক্রান্ত হয়েছে বলে গণ্য হবে এবং সকল সদস্য দেশ আক্রান্ত দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এগিয়ে আসবে।

অনুচ্ছেদ - ১০: Open Door Policy [নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি]
- ন্যাটোর নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্ত হয় এই অনুচ্ছেদ অনুসারে।

সূত্র - ন্যাটো ওয়েবসাইট।
১,৬০৮.
নিচের কোনটি ন্যাটো-এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য নয়?
  1. ক) ইতালি
  2. খ) আইসল্যান্ড
  3. গ) জার্মানি
  4. ঘ) পর্তুগাল
ব্যাখ্যা
At present, NATO has 29 members. In 1949, there were 12 founding members of the Alliance: Belgium, Canada, Denmark, France, Iceland, Italy, Luxembourg, the Netherlands, Norway, Portugal, the United Kingdom and the United States.Germany joined NATO in 1955.
Source: NATO website.
১,৬০৯.
শাত-ইল-আরব ও ইরানের কোহেস্তানকে কেন্দ্র করে ইরান ও ইরাকের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অবস্থার অবসানের লক্ষ্যে কোন চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) অসলো চুক্তি
  2. খ) আলিজিয়ার্স চুক্তি
  3. গ) ক্যাম্প-ডেভিড চুক্তি
  4. ঘ) উই রিভার চুক্তি
ব্যাখ্যা
 ▪ শাত-ইল-আরব ও ইরানের কোহেস্তানকে কেন্দ্র করে ইরান ও ইরাকের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অবস্থার অবসানের লক্ষ্যে আলজেরিয়ার মধ্যস্থতায় “আলিজিয়ার্স চুক্তি” স্বাক্ষরিত হয়।

এক নজরে আলজিয়ার্স চুক্তি
▪ চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ:- ১৩ জুন, ১৯৭৫ সাল।
▪ চুক্তি অনুমোদন:- ১৯৭৬ সাল (উভয় দেশ কর্তৃক)।
▪ চুক্তির পক্ষ:- ইরান ও ইরাক।
▪ চুক্তি স্বাক্ষরকারী:- ইরানের পক্ষে  - শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী এবং ইরাকের পক্ষে - ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন
▪ চুক্তি অকার্যকর:- ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮০ সাল। (ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে।)
▪ চুক্তির লক্ষ্য:- ইরান ও ইরাকের মধ্যে বিরোধপূর্ণ সীমান্ত পরিস্তিতিতে শান্তিপূর্ণ সহ-অবস্থান, ইরান ও ইরাক কর্তৃক কুর্দিশ বিদ্রোহ দমন ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: হিস্টরি.কম এবং ব্রিটানিকা।
১,৬১০.
বাংলাদেশে সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক হিযবুত তাহরীরকে নিষিদ্ধ করা হয় কবে?
  1. ক) ২০১১
  2. খ) ২০১০
  3. গ) ২০০৯
  4. ঘ) ২০০৮
ব্যাখ্যা
- মুসলমান উম্মাহর মধ্যে ইসলামি খিলাফত ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৫৩ সালে হিযবুত তাহরীর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশে ২০০১ সাল হতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ দলটি তাদের কার্যক্রম শুরু করে।
- ২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে (২২ শে অক্টোবর) বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক "জননিরাপত্তার স্বার্থে" -এ কারণ দেখিয়ে এ দলটিকে নিষিদ্ধ করা হয়।

তথ্যসূত্র:- বিবিসি বাংলা।
১,৬১১.
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কোন শহরে বিমান হামলা চালিয়েছে? (জুলাই-২০২৫)
  1. মাশহাদ
  2. ইস্পাহান
  3. তেহরান
  4. আবাদান
ব্যাখ্যা
• যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তিনটি প্রধান পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।
• ইরান-ইসরায়েল সংঘাত দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করার পরপরই এই হামলা চালানো হলো।
• যে তিন গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা হয়েছে, সেগুলো হলো : নাতাঞ্জ, ফর্দো ও ইস্পাহান।

• ইস্পাহান:
- ইরানের রাজধানী তেহরান শহরের ৩৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত ইরানের তৃতীয় বৃহত্তম নগরী।
- ইস্পাহান ইরানের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত।
- এখানে দেশটির সবচেয়ে বড় পারমাণবিক গবেষণা কমপ্লেক্স।
- এই স্থাপনা চীনের সহায়তায় নির্মাণ করা হয়।
- আর এটি চালু হয় ১৯৮৪ সালে।
-  একে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ‘কেন্দ্রস্থল’ বলে ধারণা করা হয়।

উৎস: প্রথম আলো লিংক
১,৬১২.
১৯৭২ সালে মিউনিখ অলিম্পিকে অংশ নেওয়া ইসরায়েলের অ্যাথলেটকে অপহরণের ঘটনার সাথে কোন সংগঠনটি জড়িত?
  1. ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর
  2. M-19
  3. আবু সায়াফ
  4. হামাস
ব্যাখ্যা
ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর:
- ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর ফিলিস্তিনের একটি গেরিলা সংগঠন।
- এটি ফিলিস্তিনের ফাতাহ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া একটি অংশ।
- ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর ১৯৭১ সালে গঠিত হয় এবং ১৯৭৪ সালে বিলুপ্ত ঘোষিত হয়।

উল্লেখ্য,
- জার্মানির মিউনিখ শহরে ১৯৭২ সালে বসেছিল গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের আসর। 
- ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর সংগঠনটি জার্মানিতে অনুষ্ঠিত মিউনিখ অলিম্পিকে অংশ নেওয়া ইসরায়েলের অ্যাথলেটকে অপহরণের ঘটনার জন্যে আলোচিত।
- তাঁদের চাওয়া ছিল, ইসরায়েলের কারাগারে বন্দী থাকা কয়েকজন ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিতে হবে, কিন্তু তা হয়নি।
- জার্মান পুলিশ অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযানে নামে।
- এর ফলে অপহরণকারীরা দুজন খেলোয়াড়কে হত্যা করেন।
- অন্যদিকে অপহরণকারীদের বেশির ভাগ পুলিশের হাতে প্রাণ হারান।
- এ কারণে আধুনিক অলিম্পিকের ইতিহাসে ৫ সেপ্টেম্বর একটা কালো দিন হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: Britannica.
১,৬১৩.
ট্রুম্যান ডকট্রিনের উদ্দেশ্য ছিল -
  1. ক) গণতন্ত্রের বিকাশ
  2. খ) সমাজতন্ত্রের বিকাশ
  3. গ) গণতন্ত্রের প্রসার ঠেকানো
  4. ঘ) সমাজতন্ত্রের প্রসার ঠেকানো
ব্যাখ্যা
ট্রুম্যান ডকট্রিন:
- ১৯৪৭ সালে ট্রুম্যান ডকট্রিনের প্রদান করা হয়েছিল।
- ট্রুম্যান ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট (৩৩তম প্রেসিডেন্ট, ১৯৪৫-১৯৫৩)।
- ট্রুম্যান ডকট্রিনের উদ্দেশ্য ছিল সমাজতন্ত্রের প্রসার ঠেকানো।
- দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধোত্তর গ্রিস ও তুরস্কে কমিউনিস্টদের প্রভাব বাড়ছিল।
- ওই প্রভাব কমানোর পক্ষে যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে এলো।

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
১,৬১৪.
জেনেভা কনভেনশনে কয়টি প্রটোকল রয়েছে?
  1. ৪টি
  2. ৩টি
  3. ২টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

• জেনেভা কনভেনশন: 
- যুদ্ধের বর্বরতাকে সীমিত করার আর্ন্তজাতিক চুক্তি।
-  এতে চারটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি ও তিনটি বাড়তি প্রটোকল রয়েছে।
- প্রটোকল -১: আন্তর্জাতিক সশস্ত্র সংঘর্ষের শিকারদের সুরক্ষা সম্পর্কিত ।
- প্রটোকল-২: অ-আন্তর্জাতিক সশস্ত্র সংঘর্ষের শিকারদের সুরক্ষা সম্পর্কিত ।
- প্রটোকল-৩: একটি অতিরিক্ত স্বতন্ত্র প্রতীক (রেড ক্রিস্টাল) গ্রহণের সাথে সম্পর্কিত ।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১,৬১৫.
মহামন্দা মোকাবিলার জন্য নিউ ডিল(New Deal) ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন-
  1. ক) বেনিতো মুসোলিনী
  2. খ) জোসেফ স্ট্যালিন
  3. গ) ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট
  4. ঘ) রিচার্ড নিক্সন
ব্যাখ্যা
নিজ ডিল (New Deal):
১৯২৯ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে যুক্তরাষ্ট্র সহ সারা বিশ্বে অর্থনৈতিক মহামন্দা (Great Depression) দেখা দেয়।
- এর ফলে শেয়ার বাজারের পতন ঘটে, ব্যাংকগুলাে অর্থনৈতিক সমস্যায় জর্জরিত হতে থাকে, বেকারত্ব বৃদ্ধি পেতে থাকে, বেতন ও মজুরি ব্যাপকভাবে কমে যায়, ফলে জীবন ধারন দুর্বিসহ হয়ে পড়ে।

- যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেট তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসাবে নিউ ডিল (New Deal) ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন।
-নিউ ডিল (New Deal) ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত চলমান ছিল।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
১,৬১৬.
Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty- এ স্বাক্ষরকারী দেশের সংখ্যা কতটি? (অক্টোবর-২০২৫)
  1. ১৯০টি
  2. ১৮৭টি
  3. ১৮৯টি
  4. ১৮৩টি
ব্যাখ্যা

 CTBT:
- CTBT এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।(অক্টোবর-২০২৫)

CTBTO:
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ সংস্থা CTBTO।
- এর সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

উৎস: CTBTO ওয়েবসাইট

১,৬১৭.
ন্যাটোতে যোগদানকারী মুসলিম দেশের সংখ্যা কতটি? (আগস্ট-২০২৫)
  1. ১টি
  2. ৩টি
  3. ২টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা

- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation.
- ন্যাটো ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে।
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ১২টি দেশ।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩২টি দেশ। (আগস্ট , ২০২৫)
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সর্বশেষ ৩২তম সদস্য পদ লাভ করে।

উৎস: NATO .

১,৬১৮.
INTERPOL কর্তৃক প্রকাশিত জার্নাল কোনটি?
  1. Global Security Journal
  2. Law Enforcement Technology Magazine
  3. International Criminal Police Review
  4. Police Executive Research Forum Journal
ব্যাখ্যা
◉ ইন্টারপোল (Interpol):
- Interpol-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization.
- অপরাধীদের সনাক্তকরণ এবং গ্রেপ্তার করতে বিশ্বের দেশগুলো পরস্পরকে সহযোগিতা লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এ আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- International Criminal Police Review INTERPOL কর্তৃক প্রকাশিত জার্নাল। 
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩ (ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া)।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি। [২৫ জুন ২০২৪ পর্যন্ত]
- সর্বশেষ সদস্য: পালাউ। 

উৎস: Interpol ওয়েবসাইট ও Office of Justice USA [link]।
১,৬১৯.
আফগানিস্তানের কোন শহরে তালিবানরা ইরানের কূটনীতিবিদদের হত্যা করেছে?
  1. ক) মাজার-ই-শরীফ
  2. খ) হেরাত
  3. গ) জালালাবাদ
  4. ঘ) কান্দাহার
ব্যাখ্যা
আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় শহর মাজার-ই শরীফ।
- আফগানিস্তানে তালেবান ১৯৯৬-২০০১ সালে ক্ষমতায় থাকা কালে ১৯৯৮ সালে মাজার-ই শরীফে অবস্থিত ইরানের কনস্যুলেটে আক্রমন চালায়।
- তাদের হামলায় সেই সময় সাতজন কূটনীতিক ও এক ইরানি সাংবাদিক নিহত হয়েছিলেন। 
উৎসঃ যুগান্তর আর্কাইভ।
১,৬২০.
'আজভ ব্রিগেড' প্রতিষ্ঠা লাভ করে কত সালে?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৪ সালে
  4. ২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা
আজভ ব্রিগেড:
- 'আজভ ব্রিগেড' ইউক্রেনের একটি সশস্ত্র বাহিনী।
- এর সব সদস্যই স্বেচ্ছাসেবী।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২০১৪ সাল।
- উদ্যোক্তা: ইউক্রেনের অতি-জাতীয়তাবাদী এবং নব্য-নাৎসি সোশ্যাল ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি (এসএনএ) গোষ্ঠী।
- প্রতিষ্ঠাতা নেতা: অ্যান্ড্রি বিলেটস্কি।
- আজভ ব্যাটালিয়নের খরচ বহন করেন অলিগার্ক ইগর কলোময়েস্কি।
- তিনি ইউক্রেনিয়ান বিদ্যুৎ গ্রিডের মালিক।

তথ্যসূত্র - আল জাজিরা, ০১ মে, ২০২২।
১,৬২১.
ট্রুমান ডকট্রিন কত সালে প্রবর্তিত হয়?  
  1. ১৯৩৯ সালে 
  2. ১৯৪৪ সালে
  3. ১৯৪৫ সালে
  4. ১৯৪৭ সালে
ব্যাখ্যা

• ট্রুম্যান ডকট্রিন:
- ১৯৪৭ সালে ট্রুম্যান ডকট্রিনের প্রদান করা হয়েছিল।
- ট্রুম্যান ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট (৩৩তম প্রেসিডেন্ট, ১৯৪৫-১৯৫৩)।
- ট্রুম্যান ডকট্রিনের উদ্দেশ্য ছিল সমাজতন্ত্রের প্রসার ঠেকানো।
- দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধোত্তর গ্রিস ও তুরস্কে কমিউনিস্টদের প্রভাব বাড়ছিল।
- ওই প্রভাব কমানোর পক্ষে যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে এলো।

উৎস: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান ও ব্রিটানিকা।

১,৬২২.
ফেয়ার ফ্যাক্স কী?
  1. একটি সংবাদ মাধ্যম
  2. যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা
  3. রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা
  4. যুক্তরাষ্ট্রের টেলিফোন সংস্থা
ব্যাখ্যা
ফেয়ার ফ্যাক্স:
- ফেয়ারফ্যাক্স হলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থা।
-  সংস্থাটি অর্থনৈতিক বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থা হিসাবে কাজ করে।

• যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থা:
- সিআইএ, এফবিআই, এনজিএ, এনএসএ, আইএনআর ইত্যাদি।

উৎস: যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট &  ব্রিটানিকা.কম।
১,৬২৩.
ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের উত্থান রোধের লক্ষ্যে কোন সামরিক জোটটি গঠিত?
  1. ক) ন্যাটো
  2. খ) আনজুস
  3. গ) কোয়াড
  4. ঘ) কোভ্যাক্স
ব্যাখ্যা
Quadrilateral Security Dialogue (QSD) or Quad (কোয়াড) হলো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চারটি দেশের সমন্বয়ে গঠিত চীনবিরোধী একটি সামরিক জোট।
- কোয়াডভুক্ত দেশগুলো হলো:
- যুক্তরাষ্ট্র
- ভারত
- অস্ট্রেলিয়া এবং
- জাপান।
- ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের উত্থান রোধের লক্ষ্যে ২০০৭ সালে এই জোট গঠিত হয়।
- এটিকে ‘এশিয়ান ন্যাটো’ জোট নামেও অভিহিত করা হচ্ছে।
(সূত্র: আল জাজিরা এবং দৈনিক ইত্তেফাক রিপোর্ট)
১,৬২৪.
ANZUS চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কোথায়?
  1. ওয়াশিংটন, ডিসি
  2. সান ফ্রান্সিসকো
  3. প্যারিস
  4. নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা

আনজুস (ANZUS) চুক্তি:
- ANZUS পূর্ণরূপ: The Australia, New Zealand and United States Security Treaty.
- স্বাক্ষরিত দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরের তারিখ: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১।
- স্বাক্ষরের স্থান: সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া।
- আনুষ্ঠানিক নাম: Pacific Security Treaty (প্রশান্ত মহাসাগরীয় নিরাপত্তা চুক্তি)।
- উদ্দেশ্য: আগ্রাসনের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহায়তা এবং শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ নিষ্পত্তি।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৬২৫.
নর্থ আটলান্টিক চুক্তির কত নম্বর অনুচ্ছেদে স্থিতিস্থাপকতার মূলনীতি প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫
  2. অনুচ্ছেদ ৭
  3. অনুচ্ছেদ ২
  4. অনুচ্ছেদ ৩
ব্যাখ্যা
• NATO:
- পূর্ণরূপ -The North Atlantic Treaty Organization.
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO র বর্তমান সদর দপ্তর ব্রাসেলস।
- মহাপরিচালক- Jens Stoltenberg.
- NATO র প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি।
- NATO র বর্তমান সদস্য ৩২টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - সুইডেন।
- NATO ভুক্ত মুসলিম দেশ ২টি - তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- ন্যাটোর ISAF মিশন আফগানিস্তান নিয়োজিত ছিলো।
- নর্থ আটলান্টিক চুক্তির ৩ নম্বর অনুচ্ছেদে স্থিতিস্থাপকতার মূলনীতি প্রতিফলিত হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে: "এই চুক্তির লক্ষ্যগুলো আরও কার্যকরভাবে অর্জনের জন্য, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো স্বতন্ত্রভাবে এবং সম্মিলিতভাবে, ক্রমাগত ও কার্যকর আত্মনির্ভরতা এবং পারস্পরিক সাহায্যের মাধ্যমে, নিজেদের এবং সম্মিলিত সামর্থ্যকে সশস্ত্র আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করার জন্য বজায় রাখবে এবং উন্নত করবে।"

সূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
১,৬২৬.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন কে?
  1. ক) ফ্রাংক্‌লিন ডি. রুজভেল্ট
  2. খ) উড্রো উইলসন
  3. গ) হ্যারি এস ট্রুম্যান
  4. ঘ) জন এফ কেনেডি
ব্যাখ্যা
• উইলসনের ১৪ দফা:
- উড্রো উইলসন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ২৮তম প্রেসিডেন্ট।
- তিনি ক্ষমতায় ছিলেন ১৯১৩ থেকে ১৯২১ সাল পর্যন্ত।
- তিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তার ১৪ দফা উপস্থাপন করেছিলেন।
- ১৯১৮ সালের ৮ জানুয়ারি তিনি কংগ্রেসে তার দাবিসমূহ উপস্থাপন করেন।

• তার ১৪ দফা প্রস্তাবে ছিল :
১. আলোচনার মাধ্যমে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর;
২. সমুদ্রপথে অবাধ যাতায়াত,
৩. আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সব বাধা অপসারণ,
৪. যুদ্ধ উপকরণ ও যুদ্ধাস্ত্রের পরিমাণ হ্রাস করা,
৫. উপনিবেশগুলোর জনগণের স্বার্থানুসারে উপনিবেশ সম্পর্কিত দাবির বিচার ও কণ্টন করা; ৬. অধিকৃত রুশ অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার;
৭. বেলজিয়াম থেকে সকল সৈন্য প্রত্যাহার ও বেলজিয়ামের সার্বভৌমত্ব পুনঃস্থাপন;
৮. অধিকৃত ফরাসি এলাকা থেকে সকল বৈদেশিক সৈন্য প্রত্যাহার, আলসাস ও লোরেন এলাকায় ফরাসি অধিকার প্রতিষ্ঠা,
৯. পরিচিত জাতীয় সীমারেখা অনুসারে ইতালির সীমানা পুনর্বিন্যাস;
১০. অস্ট্রীয় হাঙ্গেরি সাম্রাজ্যের জনসাধারণের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার দান;
১১. রুমানিয়া, সার্বিয়া ও মন্‌টেনেগ্রো থেকে সেনা অপসারণ, সার্বিয়াকে সামুদ্রিক যোগসূত্র স্থাপনে সুবিধাদান ও বলকান অঞ্চলের দেশগুলোর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ;
১২. তুরস্কের অধীনস্থ সকল জাতিগোষ্ঠীর স্বায়ত্তশাসন দান;
১৩. পোলিশ জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত এলাকা নিয়ে স্বাতন্ত্র্য পোল্যান্ড রাষ্ট্র গঠন;
১৪. ক্ষুদ্র ও বৃহৎ সকল রাষ্ট্রের রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও রাজ্যসীমার নিরাপত্তা রক্ষার জন্য একটি বিশ্বসংস্থা গঠন। 

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
১,৬২৭.
NATO-ভুক্ত কয়টি দেশ উত্তর আমেরিকায় অবস্থিত?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation.
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- এই সংগঠনের মূলমন্ত্র হল "A mind unfettered in deliberation".

উল্লেখ্য,
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

উল্লেখ্য,
⇒ ন্যাটোর সদস্য দেশ:
- বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, গ্রীস, তুরস্ক, জার্মানি, স্পেন, চেক প্রজাতন্ত্র, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, আলবেনিয়া, ক্রোয়েশিয়া, মন্টিনিগ্রো, উত্তর মেসিডোনিয়া, ফিনল্যান্ড, সুইডেন।
- এর মধ্যে ৩০টি দেশ ইউরোপের অন্তর্ভুক্ত এবং ২টি দেশ উত্তর আমেরিকায় অবস্থিত: যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
১,৬২৮.
নিউ স্টার্ট (New START) চুক্তি কোন দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া
  2.  রাশিয়া এবং জার্মানি
  3. যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারত
  4. ফ্রান্স এবং যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

নিউ স্টার্ট (New START):
- ২০০৯ সালের ৫ ডিসেম্বর স্টার্ট-১ এর মেয়াদ শেষ হলে ওবামা প্রশাসন ও পুতিনের সরকারের মধ্যে আলোচনা শুরু হয় এবং দ্রুতই নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ে নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ ৮ এপ্রিল, ২০১০ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান প্রাগ, চেক রিপাবলিক।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী - যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বারাক ওবামা এবং রাশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি মেদভেদ।
- চুক্তি কার্যকর - ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সাল।
- চুক্তির বিষয়- দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তির মেয়াদ - প্রাথমিক মেয়াদ ১০ বছর (ফেব্রুয়ারি, ২০২১ পর্যন্ত)
- ২০২১ সালে মেয়াদান্তে তা আরো ৫ বছর অর্থ্যাৎ, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

উৎস: হিস্টরি.কম এবং ব্রিটানিকা।

১,৬২৯.
গোল্ডেন ডোম কোন দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা?
  1. ইসরায়েল
  2. ইরান 
  3. তুরস্ক
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

গোল্ডেন ডোম:
- গোল্ডেন ডোম  যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক একটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।

⇒ এই ব্যবস্থার লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রকে সুরক্ষিত রাখা, বিশেষত হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকি থেকে।
- হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, যা শব্দের চেয়েও পাঁচগুণ দ্রুত চলে, তার আঘাত প্রতিরোধ করতে গোল্ডেন ডোম তৈরি করা হচ্ছে।
- এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র তার আকাশ ও ভূখণ্ডকে এমন শক্তিশালী সুরক্ষা দেবে, যা বর্তমানে কোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা করতে সক্ষম নয়।
- এটি মহাকাশ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করে, ইনফ্রারেড লেজারের মাধ্যমে সেগুলোকে ধ্বংস করবে।
- গোল্ডেন ডোমের লেজার প্রযুক্তির অন্যতম বিশেষত্ব হলো এটি আয়রন ডোমের তুলনায় অনেক বেশি সাশ্রয়ী হবে।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সংস্থা ৪৪টি ভূমিভিত্তিক প্রতিরোধব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে থাকে।
- সেগুলো আলাস্কা ও ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত। এগুলো শুধু সীমিত হামলা প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

উৎস: i) Lockheed Martin.
ii) প্রথম আলো

১,৬৩০.
নিচের কোন দেশটি ন্যাটোর সদস্য নয়?
  1. হাঙ্গেরি
  2. বুলগেরিয়া
  3. রোমানিয়া
  4. ইউক্রেন
ব্যাখ্যা
- NATO প্রধানত একটি সামরিক জোট যা ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল গঠিত হয়।
- ন্যটোর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ১২টি।
- হাঙ্গেরি, রোমানিয়া ও বুলগেরিয়াসহ ন্যাটোর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩০টি।
- উত্তর মেসিডোনিয়া ন্যটোর সর্বশেষ সদস্য।
- ইউক্রেন ন্যাটোভুক্ত নয়।
- তুরস্ক ও আলবেনিয়া ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ।
- ন্যাটোর সদরদপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমান মহাসচিব জেনস স্টলেনবার্গ।
(তথ্যসূত্রঃ ন্যাটো ওয়েবসাইট)
১,৬৩১.
কত সালে পশ্চিম ইউরোপে 'ট্রুম্যান ডকট্রিন' ঘোষণা করা হয়?
  1. ক) ১৯৪৭ সালে
  2. খ) ১৯৪৮ সালে
  3. গ) ১৯৪৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৫০ সালে
ব্যাখ্যা
ট্রুম্যান ডকট্রিন:
- ট্রুম্যান ডকট্রিন ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি পররাষ্ট্রনীতি, যার মূল লক্ষ্য হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের ভূ-রাজনৈতিক বিস্তার প্রতিরোধ করা।
- তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হেনরি এস ট্রুম্যান ১২ মার্চ, ১৯৪৭ সালে কংগ্রেসে তার এ মতবাদটি উপস্থাপন করেন।
- ৪ জুলাই, ১৯৪৮ সালে ট্রুম্যান ডকট্রিন পররাষ্ট্রনীতির প্রয়োগ হিসেবে গ্রিস ও তুরস্কে চলমান কমিউনিস্ট বিদ্রোহকে নিয়ন্ত্রণে রাখার প্রতিশ্রুতি দেয়।
- কিন্তু এ বিদ্রোহ ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকে।
- ফলে গ্রিস ও তুরস্কের অর্থনৈতিক অবস্থায় ধস নামে।
- এ অবস্থা থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র গ্রিস ও তুরস্কের সামরিক বাহিনীকে সহায়তা করার জন্য আর্থিক সহায়তা বরাদ্দ করে।
- গ্রিস ও তুরস্ককে এ সহায়তার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বব্যাপী কমিউনিজম প্রতিরোধের পন্থা প্রসারিত করে।

উৎস: National Archives (.gov).
১,৬৩২.
‘বাসেল কনভেনশন’ গৃহিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৮৫ সালে
  2. খ) ১৯৮৯ সালে
  3. গ) ১৯৯২ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৮৯ সালের ২২ মার্চ সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃরাষ্ট্রীয় চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক ‘বাসেল কনভেনশন’ গৃহিত হয়।
এটি কার্যকর হয় ১৯৯২ সালের ৫ মে।
চুক্তিটিতে স্বাক্ষরকারী দেশ ৫৩টি এবং অংশীদার বাংলাদেশসহ ১৮৮টি দেশ।
(সূত্রঃ বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট)
১,৬৩৩.
ন্যাটো সম্মেলন- ২০২৬ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. আনাতোলিয়া
  2. আঙ্কারা
  3. তিরান
  4. হেগ
ব্যাখ্যা

- ন্যাটো সম্মেলন- ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে - তুরস্কের  আঙ্কারায়।
- ন্যাটো সম্মেলন- ২০২৭ অনুষ্ঠিত হবে - তিরান, আলবেনিয়া।

ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন- ২০২৫:
- নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন, ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়।
- দুই দিনব্যাপী (২৪ ও ২৫ জুন) শীর্ষ সম্মেলনে ৩২টি সদস্য দেশের নেতা ও সহযোগী রাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন।
- এবারের সম্মেলনে মূল আলোচ্য বিষয় ন্যাটোর প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরক্ষা ব্যয় সংক্রান্ত।
- উক্ত সম্মেলনে ন্যাটোভুক্ত ৩২টি দেশ তাদের জিডিপির ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়াতে সম্মত হয়েছে।

• ন্যাটো (NATO):
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organization.
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সাল।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদর দপ্তর: লন্ডন।
- বর্তমান সদরদপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২ টি। [জানুয়ারি, ২০২৬]
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: সুইডেন।
- ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ: তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট।[জানুয়ারি, ২০২৬]

উৎস: NATO ওয়েবসাইট

১,৬৩৪.
বর্তমানে পূর্ব ইউক্রেনের দনবাস অঞ্চল মূলত কেন সংঘাতপূর্ণ? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. কৃষি শিল্পের জন্য
  2. তেল ও গ্যাস খনির জন্য
  3. স্বর্ণের খনি আছে বলে
  4. কয়লা ও ইস্পাত শিল্পের জন্য
ব্যাখ্যা

পূর্ব ইউক্রেনের দনবাস অঞ্চলটি মূলত কয়লা ও ভারী শিল্পের জন্য সংঘাতপূর্ণ। এই অঞ্চলটি কয়লা খনি, ইস্পাত কারখানা এবং অন্যান্য ভারী শিল্পের জন্য পরিচিত, যা ইউক্রেনের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ। 

ইউক্রেনের দনবাস অঞ্চল:

- দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চল নিয়ে দনবাস গঠিত হয়েছে।
- ইউক্রেনের দনবাস অঞ্চল মূলত কয়লা শিল্প ও ইস্পাত/ভারী শিল্প-এর জন্য বিখ্যাত।

⇒ ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় দনবাসের লুহানস্ক ও দোনেৎস্ক এলাকা ইউক্রেনের শিল্পাঞ্চল হিসেবে খ্যাত। এই অঞ্চলে ইউক্রেনের রুশভাষী জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ বসবাস করে। ইউক্রেনের কয়লাভিত্তিক অর্থনীতির কেন্দ্র ছিল এই দনবাস এলাকা।
- খনিজসমৃদ্ধ এই অঞ্চলে আছে ইউরোপের চতুর্থ বৃহত্তম কয়লাক্ষেত্র। এখানে উত্তোলনযোগ্য কয়লার মজুত আছে এক হাজার কোটি টনের বেশি। এ ছাড়া দনবাসে থাকা ১১৫টি কয়লাখনি থেকে বছরে প্রায় ৭ কোটি টন কয়লা উৎপাদিত হয়। দোনেৎস্ক অঞ্চলে আছে আটটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র।
- অন্যদিকে লুহানস্ক হচ্ছে ওই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ পরিবহনকেন্দ্র। পাশাপাশি এলাকাটি ধাতুবিদ্যা, যন্ত্রপাতি ও কৃষিশিল্পের জন্যও সুপরিচিত। এখানে রাসায়নিক, ওষুধ কারখানা ও বেশ কয়েকটি কয়লাখনি আছে। সব মিলিয়ে ইউক্রেনের শিল্প উৎপাদনের প্রায় ২০ শতাংশের কেন্দ্র হচ্ছে এই দনবাস এলাকা। 

উৎস: i) Britannica.
ii) প্রথম আলো।

১,৬৩৫.
কোন দেশে প্রথম আণবিক বোমা ফেলা হয়?
  1. ইতালি
  2. জার্মানি
  3. জাপান
  4. চীন
ব্যাখ্যা
আণবিক বোমা:
- ১৯৪৫ সালের ১৬ জুলাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিউ মেক্সিকোর মরুভূমিতে বিশ্বে সর্বপ্রথম পারমাণবিক বোমার পরিক্ষা চালায়। 
- এই প্রকল্পের নাম ছিল 'ম্যানহাটান প্রজেক্ট'।
- সেই বোমা তৈরির প্রধান বিজ্ঞানী ছিলেন রবার্ট ওপেনহাইমার।

উল্লেখ্য,
- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার হয়- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে।
- এগুলো ছিল লিটলবয় এবং ফ্যাটম্যান নামের দুইটি পারমাণবিক বোমা যা জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকি শহরে বিস্ফোরন করা হয়।
- জাপানের দুটি শহরে এই বোমা ফেলার পর বিপুল প্রাণহানি আর ধ্বংসলীলা ঘটেছিল।
- ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ জাপানের হিরোশিমা শহরে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম লিটলবয় নামের পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করে।
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ ফ্যাটম্যান নামের বোমা নিক্ষেপ করা হয় নাগাসাকি শহরে।
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।

উৎস: History.com
১,৬৩৬.
'PKK' নিম্নের কোন দেশের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী?
  1. তুরস্ক
  2. সিরিয়া
  3. ইসরায়েল
  4. ইরান
ব্যাখ্যা
PKK:
- তুরস্কের নিষিদ্ধ ঘোষিত বিদ্রোহী গোষ্ঠী কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (পিকেকে)।

উল্লেখ্য,
- তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন কর্তৃক সন্ত্রাসী সংগঠন হিসাবে তালিকাভুক্ত পিকেকে ১৯৮৪ সাল থেকে সশস্ত্র বিদ্রোহ চালিয়ে আসছে, যার লক্ষ্য ছিল কুর্দিদের জন্য একটি স্বতন্ত্র মাতৃভূমি প্রতিষ্ঠা করা।
- পিকেকে-র সাথে যুক্ত গোষ্ঠীগুলো তুরস্কে মাঝেমধ্যেই হামলা চালায়। তারা সাধারণত গাড়ি বোমা ও অন্যান্য উপায় ব্যবহার করে তুরস্কের সেনা ও সামরিক অবকাঠামোর ওপর হামলা করে থাকে।
- তুরস্ক ও এর মিত্র পশ্চিমা দেশগুলো পিকেকেকে একটি ‘সন্ত্রাসী’ সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করে।
- সম্প্রতি (১ মার্চ, ২০২৫) কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (পিকেকে) দেশটির সরকারের সঙ্গে চলমান ৪০ বছরের সংঘাতের অবসান ঘটানোর জন্য যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছে। এ

উৎস: i) BBC.
ii) Britannica.
১,৬৩৭.
সম্প্রতি 'টু প্লাস টু' বৈঠকে অংশ নেয়া দেশ-
  1. ক) ভারত ও রাশিয়া
  2. খ) ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য
  3. গ) কাতার ও রাশিয়া
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত
ব্যাখ্যা
গত ২৬ অক্টোবর ২০২০ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপার ভারত সফরে আসেন। তারা ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রামানিয়াম জয়শঙ্কর ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সাথে বার্ষিক 'টু প্লাস টু' বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠক শেষে ২৭ অক্টোবর ২০২০ সালে দু'পক্ষের মধ্যে পাঁচটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর মধ্যে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে স্বাক্ষরিত হয় একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি। চুক্তিটির নামঃ Basic Exchange and Cooperation Agreement (BECA)।
উৎসঃ দৈনিক প্রথম আলো।
১,৬৩৮.
বর্তমানে ন্যাটোর কতটি সদস্য দেশ রয়েছে? (আগস্ট-২০২৫)
  1. ৩১টি
  2. ২৭টি
  3. ৩০টি
  4. ৩২টি
ব্যাখ্যা
• The North Atlantic Treaty Organization (NATO):
-  এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তি (ওয়াশিংটন চুক্তি) স্বাক্ষরের মাধ্যমে ন্যাটো প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বর্তমানে ন্যাটোর ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে।
- সর্বশেষ ন্যাটোর সদস্য - সুইডেন ( ২০২৪)।
- ন্যাটোর বর্তমান মহাসচিব -সাবেক ডাচ প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুট। (১ অক্টোবর ২০২৪ তিনি দ্বায়িত্ব গ্রহণ করেন)

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
১,৬৩৯.
সম্প্রতি ভারত, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার করার জন্য কোন পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়?
  1. সিল্ক রুট
  2. গোল্ড রুট
  3. স্পাইস রুট
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• চুক্তি:
- ভারত, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার করার জন্য আধুনিক যুগের এই স্পাইস রুট বা ‘মসলার পথ’ পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভারতসহ অন্যরা এি চুক্তিতে সই করে।
- চীন যে অবকাঠামো খাতে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করছে, তারই  বিকল্প হিসেবে স্পাইস রুটকে দেখা হচ্ছে।
- তথ্য, রেল, বিদ্যুৎ ও হাইড্রোজেন পাইপলাইনের মতো প্রকল্প থাকছে এই পরিকল্পনায়।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।[লিঙ্ক]
১,৬৪০.
পোল্যান্ড এবং লিথুনিয়ার মধ্যকার সীমারেখা কোনটি?
  1. ক) ফচ লাইন
  2. খ) কার্জন লাইন
  3. গ) ম্যানারহেইম লাইন
  4. ঘ) সনোরা লাইন
ব্যাখ্যা
ফচ লাইন:- পোল্যান্ড - লিথুনিয়া। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর অস্থায়ীভাবে চিহ্নিত দুটি দেশের মধ্যকার সীমারেখা।

অন্যদিকে,
▪ কার্জন লাইন (Curzon Line):- রাশিয়া - পোল্যান্ড মধ্যকার সীমারেখা। ১৯১৯-২০ সালে সংঘটিত রুশ-পোলিশ যুদ্ধের পর দুই দেশের মধ্যকার নির্ধারিত অস্থায়ী সীমারেখা। 
▪ ম্যানারহেইম লাইন:- রাশিয়া - ফিনল্যান্ড।
▪ সনোরা লাইন:- যুক্তরাষ্ট্র - মেক্সিকো।

তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা।     
১,৬৪১.
ন্যাটো প্রথমবারের মতো "Article 5" প্রয়োগ করেছিল -
  1. ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার পর
  2. ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধের সময়
  3. ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের সময়
  4. ১৯৯৯ সালে কোসোভো যুদ্ধের সময়
ব্যাখ্যা
- ন্যাটো তার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সংঘটিত হামলার কারণে আর্টিকেল ৫ প্রয়োগ করেছিল।

• NATO:
- পূর্ণরূপ - North Atlantic Treaty Organization.
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO এর বর্তমান সদর দপ্তর ব্রাসেলস।
- এর ভুক্ত মুসলিম দেশ ২টি - তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- ন্যাটোর ISAF মিশন আফগানিস্তান নিয়োজিত ছিলো।
- NATO এর বর্তমান সদস্য ৩২টি।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - সুইডেন।

আর্টিকেল-৫ অনুযায়ী,
- কোনো সদস্য দেশ আক্রান্ত হলে বাকি সবার সামরিক হস্তক্ষেপের কথা বলা হয়েছে।
- ন্যাটোর ইতিহাসে একবার মাত্র ন্যাটোর আর্টিকেল-৫ কার্যকর করা হয়েছে।
- নাইন ইলেভেনে টুইন টাওয়ার হামলার পর ২০০১ সালে এই আর্টিকেল অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
- এটির ভিত্তিতেই সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সঙ্গে নিয়ে আফগানিস্তানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।

সূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
১,৬৪২.
বাংলাদেশ কততম দেশ হিসেবে কমপ্রিহেনসিভ নিউক্লিয়ার টেস্ট ব্যান ট্রিটি (CTBT) তে স্বাক্ষর করে?
  1. ২৮তম
  2. ১২৮তম
  3. ১২৯তম 
  4. ৪৯তম
ব্যাখ্যা

CTBT:
- CTBT বিশ্বব্যাপী পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণের জন্য প্রণীত একটি চুক্তি, যা সামরিক ও বেসামরিক সব ধরনের পারমাণবিক পরীক্ষার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
- CTBT এর পূর্ণরূপ : Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty.
- এর সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা শহরে অবস্থিত।
- দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ CTBT কে অনুমোদন প্রদান করে এবং ১২৯তম দেশ হিসেবে ১৯৯৬ সালে চুক্তিতে স্বাক্ষর করে এবং ৫৪তম দেশ হিসেবে ২০০০ সালে এই চুক্তির অনুমোদন দেয়। 

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৫১তম অধিবেশনে চুক্তিটি গৃহীত হয়। তবে দুঃখজনকভাবে, এই চুক্তি এখনও আইনগতভাবে কার্যকর হয়নি।
- ২৪ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬ সালে কমপ্রিহেনসিভ নিউক্লিয়ার-টেস্ট-ব্যান ট্রিটি (CTBT) নিউইয়র্কে স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত হয়।
- ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ৭১টি দেশ সনদে স্বাক্ষর করে, যার মধ্যে পাঁচটি পরমাণু অস্ত্রধারী রাষ্ট্রও ছিল। 
- এর প্রস্তাবক দেশ ছিল অস্ট্রেলিয়া।
- যদিও অনেক দেশ এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে,কিন্তু  কিছু দেশ এখনো স্বাক্ষর করেনি, যার মধ্যে রয়েছে ভারত, পাকিস্তান এবং উত্তর কোরিয়া।
- এছাড়া, কিছু দেশ চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেও তা আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দেয়নি, যেমন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ইসরায়েল, ইরান ও মিশর। 
- এখন পর্যন্ত CTBT কে ১৭৮টি দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন প্রদান করেছে এবং এখন পর্যন্ত এই চুক্তিতে  স্বাক্ষর করেছে ১৮৭টি দেশ।

উৎস: Britannica;
CTBT official website.

১,৬৪৩.
ডেটন শান্তি চুক্তির পক্ষ সমূহ -
  1. আলবেনিয়া, জাম্বিয়া ও ক্রোয়েশিয়া
  2. সার্বিয়া, জাম্বিয়া ও ক্রোয়েশিয়া
  3. বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া
  4. বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও জর্জিয়া
ব্যাখ্যা
ডেটন শান্তি চুক্তি (Dayton Peace Agreement):
- ডেটন শান্তি চুক্তির পূর্ণনাম - General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina।
- বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয়। এই জন্য এই চুক্তিকে ডেটন শান্তি চুক্তি বলা হয়।
- ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বিল ক্লিন্টন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী - ওয়ারেন ক্রিস্টোফার।
- চুক্তিটির প্রধান শান্তি আলোচক - রিচার্ড হলব্রোক।
- চুক্তির খসড়া প্রস্তুত - ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - প্যারিস, ফ্রান্স
- চুক্তির পক্ষ সমূহ - বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী -
১. বসনিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ।
২. ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
৩. সার্বিয়ার পক্ষে - স্লোভাদান মিলোসোভিচ।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।
১,৬৪৪.
আরব-ইসরাইল যুদ্ধ কতবার সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ৩ বার
  2. ২ বার
  3. ৫ বার
  4. ৪ বার
ব্যাখ্যা
আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- মোট ৪টি আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

১ম আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- সংঘটিত হয় ১৯৪৮ সালে।
- ইসরায়েল এবং আরব রাষ্ট্রসমূহ ও ফিলিস্তিনি আরব বাহিনীর গুলোর সম্মিলিত সামরিক বাহিনী মধ্যে সংঘটিত হয়।
- এটি আরবিতে নাকবা (বিপর্যয়) ও হিব্রুতে মিলখেমেত হাতজমাউত (স্বাধীনতা যুদ্ধ) বলে পরিচিত।
 
২য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- সংঘটিত হয় ১৯৫৬ সালে।
 
৩য় আরব ইসরাইল যুদ্ধ:
- সংঘটিত হয় ১৯৬৭ সালে।
- ১৯৬৭ সালে ইসরাইল পূর্ব জেরুজালেম দখল করেছিল।
- এই যুদ্ধের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ৬ দিন।
 
৪র্থ আরব ইসরাইল যুদ্ধ:
- সংঘটিত হয় ১৯৭৩ সালে।
- Yom Kippur War নামে পরিচিত ৪র্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ।
- ইহুদিদের পবিত্র দিন ইয়োম কিপুরের সময় ইসরায়েল-অধিকৃত অঞ্চলে আরব জোটের অতর্কিত হামলার মাধ্যমে এই যুদ্ধ শুরু হয়।
- মিশরীয় ও সিরিয়ান সেনারা যুদ্ধবিরতি রেখা ভেদ করে যথাক্রমে সিনাই উপদ্বীপ ও গোলান মালভূমিতে ঢুকে পড়ে।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন উভয়ে তাদের নিজ নিজ মিত্রদের এসময়ে সহায়তা করে।
- ফলে দুইটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয়।
 
উৎস: World Atlas.
১,৬৪৫.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তিতে মধ্যস্থতা করেন কে?
  1. জন এফ কেনেডি
  2. জিমি কার্টার
  3. বারাক ওবামা 
  4. বিল ক্লিনটন
ব্যাখ্যা

ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (Camp David Accords) একটি ঐতিহাসিক চুক্তি, যা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- পক্ষসমূহ: মিশর ও ইসরাইল।
- স্বাক্ষরকারী: মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিন।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট।
- মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।

⇒ ফলাফল: মিশর ইসরাইলের স্বীকৃতি দেয়, সিনাই উপদ্বীপ মিশরের কাছে ফিরে আসে, সাদাত ও বেগিন নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

উল্লেখ্য,
- Camp David চুক্তি ও ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী আরব রাষ্ট্র জর্ডান ও মিশর।
- ১৯৯৪ সালে Israel-Jordan Peace Treaty স্বাক্ষরের মাধ্যমে দ্বিতীয় আরব রাষ্ট্র হিসেবে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে (Camp David চুক্তির পরোক্ষ ফলাফল হিসেবে)।
- ১৯৯৪ সালের চুক্তির মাধ্যমে জর্ডান ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে।

এছাড়াও,
- সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মরক্কো, সুদান ২০২০ সালে Abraham Accords-এর মাধ্যমে ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে (Camp David চুক্তির সরাসরি ফল নয়)।

উৎস: Britannica.

১,৬৪৬.
‘QUAD’ কোন চার দেশের সামরিক ও কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তি?
  1. যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড
  2. যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি
  3. যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান, অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
কোয়াড (The Quad):
- ২০০৪ সালে ভারত মহাসাগরে সুনামির পর যৌথ সহযোগিতার ভিত্তিতে কোয়াডের উৎপত্তি।
- সদস্য রাষ্ট্র: অস্ট্রেলিয়া, ভারত, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র।
- কোয়াড সদস্যরা যৌথভাবে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করার জন্য কাজ করে।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- উন্মুক্ত, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধশালী ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল নিশ্চিত করা।
- স্বাস্থ্য নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, অবকাঠামো উন্নয়ন, উদীয়মান প্রযুক্তি ও সাইবার নিরাপত্তা সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে কার্যক্রম পরিচালনা।
- মানবিক সহায়তা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, মহাকাশ গবেষণা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, ভুয়া তথ্য মোকাবিলা ও সন্ত্রাসবাদ দমন ইত্যাদি ক্ষেত্রে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।
- আসিয়ান (ASEAN) ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোর নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের উন্নয়ন কৌশলের সাথে সংহতি বজায় রাখা।

সহযোগিতা ও কৌশল:
- আসিয়ান (ASEAN) কেন্দ্রিক আঞ্চলিক কাঠামোকে সমর্থন করা।
- ভারত মহাসাগর রিম অ্যাসোসিয়েশন (IORA) এর সাথে যৌথভাবে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা।
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের ফোরাম (PIF) এবং ব্লু প্যাসিফিক কৌশলের (2050 Strategy for the Blue Pacific Continent) সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করা।

উৎস: Australia Government Department of Foreign Affairs and Trade.
১,৬৪৭.
AUKUS জোটের সদস্য কোন তিনটি দেশ?
  1. অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র
  2. অস্ট্রেলিয়া, ভারত, জাপান
  3. যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা
  4. অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, জাপান
ব্যাখ্যা

- AUKUS হলো অস্ট্রেলিয়া (AU), যুক্তরাজ্য (UK) এবং যুক্তরাষ্ট্রের (US) মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি। 

​AUKUS চুক্তি:
- AUKUS চুক্তি হলো অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি।
- ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

উল্লেখ্য,
- এই চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন অর্জনে সহায়তা করবে।
- অকাস হলো ২০৩০-এর শেষে বা ২০৪০-এর গোড়ার দিকে যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার নতুন উচ্চপ্রযুক্তির সাবমেরিন তৈরি ও মোতায়েনের পরিকল্পনা।
- এই উন্নত প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাষ্ট্র।
- এই চুক্তি অনুসারে ব্রিটিশ ও অ্যামেরিকার সাবমেরিন অস্ট্রেলিয়ায় মোতায়েন করা হবে।
- অস্ট্রেলিয়ার নৌবাহিনীর কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

সূত্র: U.S. Department of Defense (.gov).

১,৬৪৮.
Which country does not have nuclear weapons?
  1. France
  2. China
  3. Germany
  4. None of these
ব্যাখ্যা
পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী দেশ:
- বর্তমানে বিশ্বের ৯টি দেশ পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী।
- তারা হলো: রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, পাকিস্তান, ভারত, ইসরায়েল, উত্তর কোরিয়া।

উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী দেশ (NWS) হলো পাঁচটি রাষ্ট্র: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- আনুষ্ঠানিকভাবে NPT দ্বারা পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হিসাবে স্বীকৃত এই পাঁচটি দেশ।
- চুক্তিটি এই দেশগুলির পারমাণবিক অস্ত্রাগারকে স্বীকৃতি দেয়।
- ভারত, পাকিস্তান এবং ইসরায়েল কখনই NPT-এ যোগ দেয়নি কিন্তু এরা পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী বলে পরিচিত।

অন্যদিকে,
- জার্মানির পারমাণবিক অস্ত্র নেই।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
১,৬৪৯.
নানকিং চুক্তির মাধ্যমে কোন অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ ব্রিটিশদের দেওয়া হয়?
  1. সাংহাই
  2. মাকাও
  3. তাইওয়ান
  4. হংকং
ব্যাখ্যা

নানকিং চুক্তি:
- আফিম চোরাচালানকে কেন্দ্র করে চীন ও ব্রিটেনের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধে প্রথম আফিম যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৮৩৯-১৮৪২ সালে।
- এই যুদ্ধে পরাজয়ের পর চীনের শাসকগোষ্ঠী ব্রিটিশদের সঙ্গে একটি অপমানজনক চুক্তি স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়।
- এই চুক্তির নাম হলো নানকিং চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ২৯ আগস্ট ১৮৪২ সালে।
- এই চুক্তিই প্রথম আফিম যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
- নানকিং চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটিশদের হংকংয়ের নিয়ন্ত্রণ দেওয়া হয়।
- চীনের সরকার ব্রিটেনকে বিভিন্ন বাণিজ্যিক সুবিধা প্রদানে বাধ্য হয়।
- পরবর্তীতে ১৮৯৮ সালে চীন সরকার ৯৯ বছরের জন্য হংকংকে ব্রিটেনের নিকট লিজ দেয়।
- লিজের মেয়াদ শেষে ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই হংকং ব্রিটেন থেকে পুনরায় চীনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৬৫০.
ন্যাটো প্রথমবারের মতো কখন "Article 5" প্রয়োগ করেছিল?
  1. ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধের সময়
  2. ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার পর
  3. ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের সময়
  4. ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখলের পরে
ব্যাখ্যা
- ন্যাটো তার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সংঘটিত হামলার কারণে আর্টিকেল ৫ প্রয়োগ করেছিল।

• NATO:
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- পূর্ণরূপ -The North Atlantic Treaty Organization.
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO এর বর্তমান সদর দপ্তর ব্রাসেলস।
- এর ভুক্ত মুসলিম দেশ ২টি - তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- ন্যাটোর ISAF মিশন আফগানিস্তান নিয়োজিত ছিলো।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি।
- NATO এর বর্তমান সদস্য ৩২টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - সুইডেন।

সূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
১,৬৫১.
CIA এর সদর দপ্তর কোথায়?
  1. নিউইর্য়ক, যুক্তরাষ্ট্র
  2. ভার্জিনিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
  3. ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
  4. ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• CIA:
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- CIA এর পূর্ণরূপ হলো Central Intelligence Agency.
- এর সদরদপ্তর ভার্জিনিয়ার ল্যাংলিতে অবস্থিত।
- CIA ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- CIA এর বর্তমান পরিচালক উইলিয়াম জে. বার্নস।

উৎস: CIA ওয়েবসাইট।

১,৬৫২.
নিচের কোন চারটি দেশ Quad জোটের সদস্য?
  1. যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, ভারত
  2. যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, ভারত
  3. ভারত, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া
  4. অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, চীন
ব্যাখ্যা
- Quad জোটের সদস্য যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, ভারত

Quad:
- এর পূর্ণরূপ Quadrilateral Security Dialogue.
- যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, এবং ভারত এই চারটি দেশের জোট হচ্ছে কোয়াড।
- ২০০৭ সালে কোয়াড গঠনের পর দীর্ঘদিন এর কোন তৎপরতা না থাকলেও ১২ নভেম্বর ২০১৭ এক বৈঠকের মাধ্যমে কোয়াড আবারো সক্রিয় হয়ে ওঠে।
- ২৪ মে ২০২২ কোয়াডের সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
- মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও ভারত ‘ভারত মহাসাগর’ ও ‘প্রশান্ত মহাসাগরে’ নৌপথে অবাধ চলাচল বা স্বাধীন চলাচলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই জোট গঠিত হয়।

সূত্র: অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ওয়েবসাইট।
১,৬৫৩.
ইউক্রেনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা প্যাকেজের  মধ্যে কোন ধরনের  সামরিক সহায়তা রয়েছে?
  1. ক) অত্যাধুনিক ট্যাঙ্ক
  2. খ) অত্যাধুনিক বন্দুক
  3. গ) পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের সরঞ্জাম
  4. ঘ) ব্র‍্যাডলি ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান
ব্যাখ্যা
⇒ ইউক্রেনের জন্য ৩০০ কোটি ডলারেরও বেশি মূল্যের একটি বড় ধরনের সামরিক সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
⇒এই প্যাকেজে ৫০টি ব্র্যাডলি ট্যাংক এবং কয়েক ডজন সাঁজোয়া যান থাকছে।
⇒যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব তহবিল থেকে ২৮৫ কোটি এবং বিদেশিসামরিক অর্থায়নের ২২ কোটি ৫০ লাখ ডলারের এ সহায়তা প্যাকেজে  কিয়েভের চাওয়া অত্যাধুনিক পশ্চিমা ট্যাঙ্কগুলো অন্তর্ভুক্ত নেই।

 উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার ফ্রেব্রুয়ারি, ২০২২ এবং সমকাল।
১,৬৫৪.
Comprehensive Test Ban Treaty  (CТВТ) কোন সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা

Comprehensive Test Ban Treaty - CТВТ:

- এটি হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা বা যে কোনো পারমাণবিক বিস্ফোরণের ওপর একটি ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
- এটি ১৯৯৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়।
- চুক্তির বাস্তবায়নের জন্য CTBTO (Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty Organization) নামে একটি প্রতিষ্ঠান গঠন করা হয়েছে, যা গ্লোবাল মনিটরিং সিস্টেমের মাধ্যমে নিরীক্ষা চালায়।
- বাংলাদেশ CTBT-তে স্বাক্ষর করেছে এবং অনুমোদন দিয়েছে।
- চুক্তি স্বাক্ষর করে: ১৮৫টি দেশ।
- চুক্তি অনুমোদন: ১৭১টি দেশ।
- আটটি দেশ এখনও চুক্তি অনুমোদন করেনি (যেমন: যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারত, পাকিস্তান)।
- চুক্তি কার্যকর হতে হলে P5 (পাঁচটি স্থায়ী নিরাপত্তা পরিষদ সদস্য) সহ ৪৪টি নির্দিষ্ট দেশের অনুমোদন প্রয়োজন।
- বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষর করে ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে (দক্ষিণ এশিয়ায় ১ম)।
- বাংলাদেশ ৫৪তম দেশ হিসেবে CTBT অনুমোদন করে ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।

উৎস: CTBTO Official Website. Arms Control Association Website.

১,৬৫৫.
Federal Bureau of Investigation এর প্রতিষ্ঠাতা  কে?
  1. জোসেফ ওনাপার্ট
  2. চার্লস জোসে
  3. জোসেফ বোনাপার্ট
  4. চার্লস হ্যারি
ব্যাখ্যা
FBI:
- FBI এর পুরো নাম - Federal Bureau of Investigation
- ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন বা এফবিআই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি মার্কিন আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।
- সদর দপ্তর- ওয়াশিংটন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠাতা: চার্লস জোসেফ বোনাপার্ট।
- মূল সংস্থা: United States Department of Justice.

উৎস: FBI ওয়েবসাইট।
১,৬৫৬.
তাসখন্দ চুক্তির মধ্যস্থতাকারী কে ছিলেন?
  1. মিখাইল গর্বাচেভ
  2. অ্যালেক্সি কোসিগিন
  3. লালবাহাদুর শাস্ত্রী
  4. জোসেফ স্টালিন
ব্যাখ্যা

তাসখন্দ চুক্তি:
- চুক্তির স্থান: তাসখন্দ, উজবেকিস্তান।
- তাসখন্দ চুক্তির তারিখ: ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬।
- পক্ষ: ভারত ও পাকিস্তান।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য: ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা।
- মধ্যস্থতা করেন: তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্সি কোসিগিন।
- এই চুক্তির মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।

• স্বাক্ষরকারী:
- ভারতের পক্ষ থেকে: প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী।
- পাকিস্তানের পক্ষ থেকে: প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।

১,৬৫৭.
যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য কবে নিউ আটলান্টিক চার্টারে স্বাক্ষর করে?
  1. ১০ জুন ২০২১
  2. ১৪ জুন ২০২১
  3. ০৪ জুলাই ২০২১
  4. ১৪ আগস্ট ২০২১
ব্যাখ্যা
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন গত ১০ জুন ২০২১ যুক্তরাজ্যের কর্নওয়ালে ‘নিউ আটলান্টিক চার্টারে’ স্বাক্ষর করেন।
- ১৯৪১ সালের ১৪ আগস্ট আটলান্টিক মহাসাগরে প্রিন্স অব ওয়েলস রণতরীতে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট এবং তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল আটলান্টিক সনদ বা চার্টারে স্বাক্ষর করেছিলেন।
(তথ্যসূত্র: ওয়াইটহাউজ ওয়েবসাইট)
১,৬৫৮.
ইউরোপের বাইরে NATO'র প্রথম সামরিক অভিযান কোথায় হয়েছিল?
  1. আফগানিস্তান
  2. ইরাক
  3. লিবিয়া
  4. সোমালিয়া
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

⇒ ইউরোপের বাইরে NATO'র প্রথম সামরিক অভিযান আফগানিস্তানে ছিল।
- ২০০১ সালের ৯/১১ হামলার পর Operation Eagle Assist-এর মাধ্যমে আফগানিস্তানে NATO-এর প্রথম অ-ইউরোপীয় অভিযান শুরু হয়, যা পরে ISAF (ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাসিস্ট্যান্স ফোর্স) মিশনে রূপান্তরিত হয়।
- আর্টিকেল-৫ অনুযায়ী, কোনো সদস্য দেশ আক্রান্ত হলে বাকি সবার সামরিক হস্তক্ষেপের কথা বলা হয়েছে।
- ন্যাটোর ইতিহাসে একবার মাত্র ন্যাটোর আর্টিকেল-৫ কার্যকর করা হয়েছে।
- নাইন ইলেভেনে টুইন টাওয়ার হামলার পর ২০০১ সালে এই আর্টিকেল অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
- এটির ভিত্তিতেই সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সঙ্গে নিয়ে আফগানিস্তানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।

এছাড়াও,
- ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ইরাক যুদ্ধে সহায়তা কার্যক্রম চালায় ন্যাটো।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

১,৬৫৯.
North Atlantic Treaty Organization এর ২০২৪ সালের শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. কানাডা
  2. জার্মানি
  3. ইতালি
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
ন্যাটো:
- NATO এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization।
- NATO প্রধানত একটি সামরিক জোট যা ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল গঠিত হয়।
- ন্যাটোর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩১টি। 
- তুরস্ক ও আলবেনিয়া ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ।
- ন্যাটোর সদরদপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- জোটের প্রতিষ্ঠার পঁচাত্তর বছর পূর্তি উপলক্ষে ২০২৪ সালে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হবে।
- ৯ জুলাই -১১ জুলাই,২০২৪ সালে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। 

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
১,৬৬০.
যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণের নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল কোনটি? 
  1. প্রথম জেনেভা কনভেনশন
  2. দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন
  3. তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন
  4. চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন
ব্যাখ্যা

• জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১২ আগস্ট, ১৯৪৯ সালে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

•  মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): বেসামরিক জনগণের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.

১,৬৬১.
Anti-Personnel Mine Ban Convention চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় কোথায়?
  1. ক) ভিয়েনা
  2. খ) মন্ট্রিল
  3. গ) অসলো
  4. ঘ) অটোয়া
ব্যাখ্যা
• Anti-Personnel Mine Ban Convention (Ottowa Treaty):
- ভূমি মাইন ব্যবহার, গুদামজাত করা, উৎপাদন করা ও সরবরাহ করা নিষিদ্ধ সংক্রান্ত চুক্তিটির নাম হচ্ছে 'এন্টি পারসোনাল মাইন ব্যান কনভেনশন' যা অটোয়া চুক্তি নামেও অভিহিত করা হয়।
- ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে অটোয়ায় ১২২টি দেশ ভূমি-মাইন চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- যুক্তরাষ্ট্র সহ রাশিয়া, চীন, ভারত, পাকিস্তান, ইরান, ইরাক, ভিয়েতনাম ও তুরস্ক এ চুক্তি স্বাক্ষরে অস্বীকৃতি জানায় ।
- ১৯৯৯ সালের ১ মার্চ থেকে এটি আন্তর্জাতিক আইনে পরিণত হয়েছে।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
১,৬৬২.
'ন্যুরেমবার্গ ট্রায়াল' কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) যুদ্ধাপরাধের বিচার
  2. খ) সীমানা সংক্রান্ত
  3. গ) নারী অধিকার
  4. ঘ) মানবাধিকার
ব্যাখ্যা
নুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনাল:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিটলারের বাহিনী পরিকল্পিতভাবে যে ভয়ংকর গণহত্যা চালিয়েছিল, তার মূল পরিকল্পনাকারীদের  'নুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনালে' বিচারের আওতায় আনা হয়।
- বিশ্বের ইতিহাসে এত বড় আকারে যুদ্ধাপরাধের বিচা্র ই প্রথম করা হয়।
- এই ট্রাইব্যুনালের অন্যতম এক তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন বেনজামিন ফেরেনজ।
- নাৎসি জার্মান যুদ্ধবন্দীদের বিচার ২১ নভেম্বর, ১৯৪৫ থেকে ১ অক্টোবর, ১৯৪৬ সাল পর্যন্ত চলে জার্মানির ন্যুরেমবার্গে।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা এবং বিবিসি বাংলা নিউজ।
১,৬৬৩.
গোলান মালভূমি কোন দুই দেশের মধ্যে সংঘাতের কারণ?
  1. মিশর ও ইসরায়েল
  2. জর্ডান ও ইসরায়েল
  3. ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল
  4. সিরিয়া ও ইসরায়েল
ব্যাখ্যা

• গোলান মালভূমি:
- ১১৫০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের একটি মালভূমি যা গোলান পর্বতমালার অংশ।
- এটি সিরিয়া-ইসরায়েল সীমান্তে অবস্থিত।
- এটি ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত সিরিয়ার একটি অংশ ছিল।
- সেই বছর, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গোলান মালভূমিতে প্রবেশ করে।
- ১৯৮১ সালে ইসরায়েলি সরকার গোলান হাইটসকে সংযুক্ত করে, বা ঘোষণা করে যে এলাকাটি ইসরায়েলের একটি অংশ।
- এর উত্তরে লেবানন এবং দক্ষিণে জর্ডান অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৭ সালের তৃতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল গোলান মালভূমির দুই-তৃতীয়াংশ দখল করে নেয়।
- পরবর্তীতে, ১৯৭৩ সালে চতুর্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল এটি ফেরত দেয়।
- গোলান মালভূমিতে সিরিয়া-ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি রেখা ‘পার্পল লাইন' নামে পরিচিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৬৬৪.
North Atlantic Treaty Organization (NATO) is an international _____ alliance. 
  1. ক) geographical
  2. খ) military
  3. গ) economical
  4. ঘ) regional
ব্যাখ্যা
North Atlantic Treaty Organization (NATO), military alliance established by the North Atlantic Treaty (also called the Washington Treaty) of April 4, 1949, which sought to create a counterweight to Soviet armies stationed in central and eastern Europe after World War II.
Source: britannica.com
১,৬৬৫.
'NATO' কবে গঠিত হয়?
  1. ৪ জানুয়ারি ১৯৫০
  2. ৪ মার্চ, ১৯৪৯
  3. ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯
  4. ৪ এপ্রিল, ১৯৫০
ব্যাখ্যা
'NATO' গঠিত হয় ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল তারিখে।

NATO:

- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation.
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- এই সংগঠনের মূলমন্ত্র হল "A mind unfettered in deliberation".

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
১,৬৬৬.
হেলসিঙ্কি চুক্তির উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. ফিদেল কাস্ত্রোকে ক্ষমতাচ্যুত করা
  2. শান্তিপূর্ণ মহাকাশ ব্যবস্থাপনা
  3. সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
  4. ইউরোপে নিরাপত্তা, শান্তি এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
হেলসিঙ্কি চুক্তি (Helsinki Accords):
- ১৯৭৫ সালে স্বাক্ষরিত এই চুক্তিটি ইউরোপে নিরাপত্তা, শান্তি এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
- এটি ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে নিরাপত্তা ও সহযোগিতা সংক্রান্ত সম্মেলনের (Conference on Security and Cooperation in Europe - CSCE) অংশ ছিল।

চুক্তির মূল বিষয়:
- সীমান্ত অখণ্ডতা বজায় রাখা।
- মানবাধিকার এবং মৌলিক স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা।
- অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ।
- অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, এবং পরিবেশগত সহযোগিতা।

উৎস: OSCE Official Site
১,৬৬৭.
জেনেভা চুক্তির ফলশ্রুতিতে কোন দুইটি পৃথক রাষ্ট্রের জন্ম হয়?
  1. ক) লাউস ও কম্বোডিয়া
  2. খ) উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম
  3. গ) উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া
  4. ঘ) উত্তর আয়ারল্যান্ড ও দক্ষিণ আয়ারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- ২০ জুলাই, ১৯৫৪ সালে স্বাক্ষরিত হয় জেনেভা চুক্তি-১৯৫৪।
- এই চুক্তির পক্ষদ্বয় ছিল ফ্রান্স ও ভিয়েতনাম।
- এই চুক্তির ফলে উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম নামের দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়।

- ১৯৭৩ সালের ২৭ জানুয়ারি ভিয়েতনাম যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামের বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে প্যারিস শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিলো।
- এই চুক্তির ফলে রক্তক্ষয়ী ভিয়েতনাম ‍যুদ্ধের অবসান হয়।

উৎসঃ history.com
১,৬৬৮.
পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তিতে বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে কবে?
  1. ১৫ সেপ্টেম্বর , ২০১৭
  2. ২০ সেপ্টেম্বর , ২০১৭
  3. ২০ সেপ্টেম্বর , ২০১৯
  4. ২২ সেপ্টেম্বর , ২০২০
ব্যাখ্যা

পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি:
-  এই চুক্তির অপর নাম Nuclear Weapon Ban Treaty।
- পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করা হয় ০৭ জুলাই, ২০১৭। 
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০ সেপ্টেম্বর , ২০১৭।
- জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রথম পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে এই চুক্তি ২০১৭ সালে অনুমোদন করেছিল ১২২টি দেশ।
- কিন্তু এটি আইন হিসাবে কার্যকর করতে অন্তত ৫০টি দেশের চূড়ান্ত অনুমোদনের প্রয়োজন ছিল।
- ICAN পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে কাজ করছে (২০১৭ সালে শান্তিতে নোবেল পেয়েছে)।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বিবিসি নিউজ।

১,৬৬৯.
ইন্টারপোলের বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল-
  1. ক) জার্গেন স্টক
  2. খ) আসিম স্টেইনার
  3. গ) ইনগার এন্ডারসেন
  4. ঘ) নাতালিয়া কানেম
ব্যাখ্যা
- ইন্টারপোল হলো আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা। 
- Interpol এর পূর্ণরূপ হলো International Criminal Police Organisations.
- এটি ১৯২৩ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শুরুতে এটির সদরদপ্তর ছিলো অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা শহরে।
- ১৯৪৬ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে এবং ১৯৮৯ সালে ফ্রান্সের লিও শহরে সদরদপ্তর স্থাপন করা হয়।
- ইন্টারপোলের বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল জার্গেন স্টক (Jürgen Stock)। ২০১৯ সালে তিনি দ্বিতীয় মেয়াদে ৫ বছরের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হন।

- বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালে ইন্টারপোলের সদস্যপদ লাভ করে।

তথ্যসূত্র- ইন্টারপোল ওয়েবসাইট।
১,৬৭০.
জেনেভা কনভেনশনের কোন চুক্তিটি যুদ্ধক্ষেত্র বা অবরুদ্ধ অঞ্চলের বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা সংক্রান্ত?
  1. ক) প্রথম জেনেভা কনভেনশন চুক্তি
  2. খ) দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি
  3. গ) তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি
  4. ঘ) চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন চুক্তি
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন - ১৯৪৯ (Geneva Convention):
১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় 'জেনেভা কনভেনশন' স্বাক্ষর হয়।
এর আওতায় স্বাক্ষরিত চুক্তির সংখ্যা - ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল (যুদ্ধকালীন সামরিক, বেসামরিক ও স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ষার জন্য এতে চারটি রক্ষাকবচ/চুক্তি থাকায় এই চুক্তিকে “চারটি রেডক্রস কনভেনশন” বলা হয়।)
স্বাক্ষরিত চারটি চুক্তি হচ্ছে-
১. প্রথম জেনেভা কনভেনশন চুক্তি - জেনেভা কনভেনশনের প্রথম চুক্তিটি যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।
২. দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি - দ্বিতীয় চুক্তিটি সমুদ্রে বা জলের যুদ্ধে আহত, অসুস্থ ও জাহাজডুবির স্বীকার সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালের “হেগ চুক্তি সংশােধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি – জেনেভা কনভেনশনের তৃতীয় চুক্তিটি হচ্ছে যুদ্ধ-বন্দিদের প্রতি আচরণ সংক্রান্ত।
৪. চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন চুক্তি - চতুর্থ চুক্তিটি যুদ্ধক্ষেত্র বা অবরুদ্ধ অঞ্চলের বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং history.com।
১,৬৭১.
সোমালিয়া-ভিত্তিক উগ্রপন্থী গোষ্ঠী কোনটি?
  1. আল-শাবাব
  2. বোকো হারাম
  3. আবু সায়েফ
  4. আবু নিদাল
ব্যাখ্যা

• আল-শাবাব:
- আল-শাবাব; পুরো নাম হরকাত আল শাবাব আল মুজাহিদিন।
- সংক্ষেপে আল-শাবাব নামেই পরিচিত।
- এটি সোমালিয়া ভিত্তিক জঙ্গি গোষ্ঠী।
- এতে অনেক বিদেশি যোদ্ধা আছে বলে ধারণা করা হয়।
- এরা সরাসরি আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদার সঙ্গে সম্পৃক্ত।
- আল শাবাব এর অর্থ হল তারুণ্য।
- সদর দপ্তর: জিলিব, সোমালিয়া।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২০০৬।

অন্যদিকে: 
- বোকো হারাম নাইজেরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন।
- আবু সায়েফ ফিলিপাইনের গেরিলা গোষ্ঠী। 
- ১৯৭৪ সালে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আবু নিদাল অর্গানাইজেশন (এএনও) গঠিত হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

১,৬৭২.
ফ্রান্সের গোয়েন্দা সংস্থার নাম কী?
  1. ক) DGSE
  2. খ) FSEG
  3. গ) DGFI
  4. ঘ) FGSE
ব্যাখ্যা
• DGSE:
- DGSE হচ্ছে ফ্রান্সের গোয়েন্দা সংস্থার নাম।
- DGSE এর পূর্ণরুপ হেচ্ছে - of Direction Générale De La Sécurité Extérieure (“General Board of External Security”)
- DGSE প্রতিষ্ঠা লাভ করে - ১৯৪৭ সালে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১,৬৭৩.
QUAD এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Qualified Union for Asia-Pacific Defense
  2. Quadrilateral Security Dialogue
  3. Quality and Development Forum
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
Quad:
- এর পূর্ণরূপ Quadrilateral Security Dialogue.
- যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, এবং ভারত এই চারটি দেশের জোট হচ্ছে কোয়াড।
- ২০০৭ সালে কোয়াড গঠনের পর দীর্ঘদিন এর কোন তৎপরতা না থাকলেও ১২ নভেম্বর ২০১৭ এক বৈঠকের মাধ্যমে কোয়াড আবারো সক্রিয় হয়ে ওঠে।
- মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও ভারত ‘ভারত মহাসাগর’ ও ‘প্রশান্ত মহাসাগরে’ নৌপথে অবাধ চলাচল বা স্বাধীন চলাচলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই জোট গঠিত হয়।

সূত্র: অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ওয়েবসাইট।
১,৬৭৪.
'আল শাবাব' প্রতিষ্ঠা লাভ করে কত সালে?
  1. ২০০৪
  2. ২০০৬
  3. ২০০৮
  4. ২০০৯
ব্যাখ্যা
• আল-শাবাব:
→ আল-শাবাব পুরো নাম হরকাত আল শাবাব আল মুজাহিদিন। সোমালিয়ার রাজধানী-সহ বৃহদাংশ নিয়ন্ত্রণকারী শক্তি ইসলামিক কৌর্টস ইউনিয়ন থেকে ভেঙ্গে এসে গড়ে উঠেছে আল-শাবাব - যার অর্থ হচ্ছে তারুণ্য।
→ সোমালিয়ায় ইসলামি শাসন প্রতিষ্ঠা করার লক্ষে জাতিসংঘ সমর্থিত সরকার ও পশ্চিমা বিশ্বের বিরুদ্ধে লড়াই করছে।
→ সদর দপ্তর: জিলিব, সোমালিয়া।
→ প্রতিষ্ঠা লাভ করে - ২০০৬।
→ সোমালিয়ার বিলুপ্ত 'ইউনিয়ন অব ইসলামিক কোর্টস'-এর চরমপন্থী যুবসংগঠন হিসেবে আল-শাবাব যাত্রা শুরু করে।

তথ্যসূত্র: আজ জাজিরা নিউজ।
১,৬৭৫.
কোন চুক্তির ফলশ্রুতিতে আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালত (ICC) প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. রোম চুক্তি
  2. লিসবন চুক্তি
  3. গ্লাসগো চুক্তি
  4. প্যারিস প্যাক্ট
ব্যাখ্যা
- International Criminal Court (ICC) বা আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালত (আইসিসি) নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত।
- ১ জুলাই ২০০২ সালে রোম চুক্তি (১৭ জুলাই ১৯৯৮ স্বাক্ষরিত) কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর বর্তমান সদস্য ১২৩টি৷
- এই আদালত গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রভৃতি বিষয়ে অনুসন্ধান ও বিচারের মাধ্যমে দোষী সাব্যস্ত করতে পারে। গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করতে পারে। তবে দণ্ড কার্যকর করতে পারে না।
- বাংলাদেশ ১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৯৯ এটিতে স্বাক্ষর করে এবং ২৩ মার্চ ২০১০ এটি অনুমোদন করে।
তথ্যসূত্রঃ ICC ওয়েবসাইট
১,৬৭৬.
'জেনেভা কনভেনশন' হলো কতগুলো-
  1. মানবাধিকার চুক্তি 
  2. যুদ্ধচুক্তি
  3. সামরিক চুক্তি
  4. অর্থনৈতিক চুক্তি
ব্যাখ্যা

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন সম্পাদিত হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী প্রতিক্রিয়া ও এর ফলাফল হিসেবে।
- যুদ্ধপরাধকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে জেনেভা কনভেনশনকে মান্য করা হয়।
- মূলত এটি যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- যুদ্ধকালীন সামরিক, বেসামরিক ও স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ষার জন্য এতে চারটি চুক্তি থাকায় এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

কনভেনশনসমূহ:
• ১ম জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।

• ২য় জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; সমুদ্রস্থ যুদ্ধক্ষেত্রে আহত, অসুস্থ এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজের সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।

• ৩য় জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ ও তাদের নিরাপত্তা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত।

• ৪র্থ জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে, যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে ও তাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com

১,৬৭৭.
ভারতের আসাম রাজ্যের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন-
  1. NLFT
  2. LTTE
  3. JKLF
  4. ULFA
ব্যাখ্যা
উলফা:

• ULFA (United Liberation Front of Assam)।
• ভারতের আসামের গেরিলা সংগঠন বা উলফা ভারতের আসাম রাজ্যের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন। 
• উলফার প্রধান পরেশ বড়ুয়া
• লক্ষ্য: ভারত থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীন আসাম রাজ্য প্রতিষ্ঠা।
• এটি ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
• পরেশ বড়ুয়া, অনুপ চেটিয়া, অরবিন্দ রাজখোয়া প্রমুখ উলফার নেতা।
• বাংলাদেশের আলোচিত দশ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানের সাথে উলফা জড়িত।
• ভারত সরকার ১৯৯০ সালে সংগঠনটিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।

অপরদিকে,
- এল.টি.টি.ই (LTTE) Liberation Tigers of Tamil Eelam শ্রীলঙ্কায় স্বাধীন তামিল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রামরত গেরিলা সংগঠন।
- এন.এল.এফ.টি (NLFT) National Liberation Front of Tripura ভারতের ত্রিপুরার গেরিলা সংগঠন।
- জম্মু কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্ট (JKLF) Jammu Kasmir Liberation Front ভারতের জম্মু কাশ্মীরের গেরিলা সংগঠন

উৎস:  South Asia Terrorism Portal এবং বিবিসি বাংলা নিউজ।
১,৬৭৮.
নিচের কোনটিকে সিরিয়া ও ইসরায়েলের মাঝখানে বাফার জোন বলা হতো?
  1. জর্ডান নদী
  2. মৃত সাগর
  3. গোলান মালভূমি
  4. গ্যালিলিও সাগর
ব্যাখ্যা
গোলান মালভূমি:
- গোলান হলো সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত প্রায় ১৮০০ বর্গকিলোমিটার (প্রায় ১০০০ বর্গমাইল) আয়তনের এক পাথুরে মালভূমি।
- এলাকাটি ইসরায়েলের উত্তর-পূর্বাঞ্চল স্পর্শ করেছে। 
- এই অঞ্চলটি ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ-পশ্চিম সিরিয়ার অংশ ছিল। কিন্তু ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় এটি ইসরায়েলি সামরিক দখলে চলে যায়।
- ১৯৮১ সালের ডিসেম্বরে ইসরায়েল একতরফাভাবে দখলকৃত গোলান মালভূমিকে নিজেদের সাথে যুক্ত করার ঘোষণা দেয়।
- গোলান বর্তমানে ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে আছে।
- সিরিয়া ও ইসরায়েলের মাঝখানে বাফার জোন (সংঘাতমুক্ত বিশেষ অঞ্চল) বলা হতো গোলান মালভূমিকে।
- কিন্তু দামেস্কে প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের পতনের পর ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গোলানসহ আরও কয়েকটি এলাকা দখল করে নিয়েছে।

উৎস: Britannica.
বিবিসি বাংলা (১৩ ডিসেম্বর ২০২৪)
১,৬৭৯.
Chemical Weapons Convention (CWC) স্বাক্ষরকারী দেশ কয়টি? (জুলাই, ২০২৫)
  1. ১৯০টি
  2. ১৯১টি
  3. ১৯২টি
  4. ১৯৩টি
ব্যাখ্যা
Chemical Weapons Convention (CWC):
- CWC রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি।
- CWC এর পূর্ণরূপ Chemical Weapons Convention.
- এটি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- চুক্তির বিষয়: রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
- যে সকল দেশের হাতে রাসায়নিক অস্ত্র রয়েছে তাদেরকে এই অস্ত্র ধ্বংস করার কথাও বলা হয়েছে।
- ১৯৯২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের দপ্তরে নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক সম্মেলন (Conference on Disarmament) অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন বন্ধের চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করা হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৯৩টি। (জুলাই, ২০২৫)
- ইসরায়েল স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ও OPCW ওয়েবসাইট।
১,৬৮০.
যুক্তরাষ্ট্র 'অপারেশন ভাইপার' নামক অভিযান শুরু করে কোথায়? 
  1. ভেনেজুয়েলায়
  2. প্রশান্ত মহাসাগর
  3. আটলান্টিক মহাসাগর
  4. ইরানে 
ব্যাখ্যা

- যুক্তরাষ্ট্র 'অপারেশন ভাইপার' নামক অভিযান শুরু করে প্রশান্ত মহাসাগরে।

'অপারেশন ভাইপার':

- ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে যুক্তরাষ্ট্রের কোস্টগার্ড 'অপারেশন ভাইপার' নামের একটি অভিযান শুরু করে,
- যার লক্ষ্য ছিল প্রশান্ত মহাসাগরে মাদক আটকানো।
- ক্যারিবীয় অঞ্চলে এরই মধ্যে অন্তত সাতটি হামলা চালানো হয়েছে এবং অন্তত ৩২ জন নিহত হয়েছেন।
- কোস্টগার্ড জানিয়েছে, ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত তারা ১ লাখ পাউন্ডেরও বেশি কোকেন জব্দ করেছে।

উৎস: বিবিসি নিউজ।

১,৬৮১.
‘সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল’ কোন অঞ্চলের প্রধান বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী?
  1. ইরান
  2. ইসরায়েল
  3. ইয়েমেন
  4. ফিলিস্তিন
ব্যাখ্যা

সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল:
- দক্ষিণ ইয়েমেনের প্রধান বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল (এসটিসি)।
- বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী ‘সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল’ সংযুক্ত আরব আমিরাতের মদদপুষ্ট। 
- এটি ২০১৭ সালের ১১ মে গঠিত হয়।
- তাদের ঘোষিত লক্ষ্য ১৯৬৭–১৯৯০ সময়কালের মতো ‘দক্ষিণ রাষ্ট্র’ পুনঃপ্রতিষ্ঠা।

উল্লেখ্য, 
- সম্প্রতি ইয়েমেনের বন্দরনগরী মুকাল্লায় ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে বোমা হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব।
- সৌদি আরবের দাবি, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে সেখানে বিচ্ছিন্নতাবাদী বাহিনীর জন্য অস্ত্রের একটি চালান পাঠানো হয়েছিল, যার পরিপ্রেক্ষিতে এই হামলা চালানো হয়েছে।
- ডিসেম্বর, ২০২৫ থেকে ইয়েমেনের বিভিন্ন গোষ্ঠীর মাঝে তেলের কোটা ও এর উপর প্রভাব বিস্তার নিয়ে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দ্বন্দ্বই বর্তমান উত্তেজনার মূল উৎস।
- আমিরাত দক্ষিণ ইয়েমেনের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী এসটিসি-কে সমর্থন করছে। এই গোষ্ঠী বিগত মাসে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার থেকে দক্ষিণ ইয়েমেনের কিছু অংশ দখল করেছে।

উৎস: Al Jazeera.

১,৬৮২.
সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (CIA) কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা? 
  1. যুক্তরাজ্য
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
• CIA:
- সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি বা CIA হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তখন থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও গোপন অভিযানে সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছে।
- সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় অবস্থিত ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের ল্যাংলিতে।
- CIA বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ও প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত।  

সূত্র: CIA ওয়েবসাইট।
১,৬৮৩.
সম্প্রতি কোন দেশ জাতিসংঘের পরমাণু শক্তি সংস্থার সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ও সহযোগিতা স্থগিত করেছে? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. ইরান
  2. উত্তর কোরিয়া
  3. সৌদি আরব
  4. ইরাক
ব্যাখ্যা

• IAEA:
- পূর্ণ নাম: International Atomic Energy Agency. 
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২৯ জুলাই, ১৯৫৭।
- সদর দপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- সদস্য রাষ্ট্র সংখ্যা: ১৭৯টি। [ সেপ্টেম্বর, ২০২৫]

• ইরানের সদস্যপদ ত্যাগ:
- জাতিসংঘের পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ও সহযোগিতা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
- এর ফলে সংস্থাটির সঙ্গে সহযোগিতা চুক্তি থেকে ২জুলাই, ২০২৫ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে বেরিয়ে গেল তেহরান।

তথ্যসূত্র: IEAE ওয়েবসাইট ও পত্রিকা।

১,৬৮৪.
ন্যাটো জোটের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. স্টকহোম, সুইডেন
  2. ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র
  3. ব্রাসেলস, বেলজিয়াম
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

• NATO এর পূর্ণরূপ - North Atlantic Treaty Organization.
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি।
- বর্তমান সদস্য ৩২টি। (২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - সুইডেন।
- এর সদর দপ্তর ব্রাসেলস।
- বর্তমান মহাপরিচালক- মার্ক রুট।
- ন্যাটো জোটের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।

সূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।[লিংক]

১,৬৮৫.
চীন কোন দেশটিতে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের মাধ্যমে কৌশলগত সম্পর্ক স্থাপন করেছে?
  1. ক) ইথিওপিয়া
  2. খ) জাম্বিয়া
  3. গ) লাইবেরিয়া
  4. ঘ) জিবুতি
ব্যাখ্যা
পূর্ব আফ্রিকার বাব-এল-মান্দেবের তীরে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছোট দেশ জিবুতি। চীন ২০১৭ সালে জিবুতিতে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করে।
ভূরাজনৈতিক ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার জন্য আগে থেকেই দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও জাপানের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।
উৎসঃ বিবিসি নিউজ।
১,৬৮৬.
ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. রাশিয়া
  2. ইতালি
  3. ডেনমার্ক
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা

• ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি:
- ত্রিশ বছরব্যাপী অবিরামভাবে যুদ্ধ করার পর বিপর্যস্ত ইউরোপের সকল দেশের প্রতিনিধিরা ১৬৪৮ সালে জার্মানির ওয়েস্টফেলিয়াতে মিলিত হয়ে দুটি ভিন্ন শান্তিচুক্তি পাস করে
- ১৬৪৮ সালের ২৪শে অক্টোবর ওয়েস্টাফেলিয়া চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে দীর্ঘ ত্রিশ বছরব্যাপী ধর্মজনিত এই যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
- ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি ইউরোপের শান্তির স্বপক্ষে প্রথম এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
- এটি ইউরোপকে একটি আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে আসতে সক্ষম হয়।
- এই সন্ধির ভূ-খন্ডগত সীমানা নেপোলিয়নের যুগ পর্যন্ত বহাল থাকে।

উৎস: i) Britannica.
ii) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৮৭.
বি-৫২ কী?
  1. এক ধরনের যাত্রীবাহী বিমান
  2. এক বিশেষ ধরনের হেলিকপ্টার
  3. এক ধরনের বোমারু বিমান
  4. ভূমি হতে শূণ্যে ‍নিক্ষেপণযোগ্য এক ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র
ব্যাখ্যা
বি-৫২:
- বি-৫২ এক ধরনের বোমারু বিমান।

⇒ বি-৫২ (B-52) হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর একটি দীর্ঘ-পাল্লার, সাবসনিক, জেট-চালিত কৌশলগত বোমারু বিমান।
- এর পূর্ণ নাম Boeing B-52 Stratofortress।
- এটি ভারী বোমারু বিমান।
- ১৯৪৮ সালে এর ডিজাইন করা হয়েছিল।
- ১৯৫২ সালে এটি প্রথম উড্ডয়ন করা হয়েছিল।
- ১৯৫৫ সালে প্রথম সামরিক পরিষেবা দেয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) The Boeing Company.
১,৬৮৮.
ANZUS এর সদস্য দেশ নয় কোনটি?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য
  4. নিউজিল্যান্ড
ব্যাখ্যা

⇒ ANZUS এর সদস্য দেশ নয় যুক্তরাজ্য।

ANZUS:
- এটি শীতল যুদ্ধের সময় কমিউনিজমের হুমকির বিরুদ্ধে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য গঠিত হয়।
- ANZUS একটি সামরিক জোট।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১ সেপ্টেম্বর ১৯৫১ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৫২ সালে।
- ANZUS এর সদস্য দেশ: ৩টি। যথা:
• অস্ট্রেলিয়া,
• নিউজিল্যান্ড,
• যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ উদ্দেশ্য:
- যেকোনো একটি দেশের উপর প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সশস্ত্র আক্রমণ হলে অন্যদের শান্তি ও নিরাপত্তা বিপন্ন হবে বলে মনে করা হবে, এবং সকলে মিলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসারে সেই বিপদ মোকাবিলা করবে।

তথ্যসূত্র - ANZUS-এর ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।

১,৬৮৯.
'আরব বসন্ত' বলতে কি বুঝায়?
  1. ক) আরবের বিভিন্ন দেশে গণজাগরণ
  2. খ) আরব অঞ্চলে বসন্তকাল
  3. গ) আরব রাজতন্ত্র
  4. ঘ) আরবীয় মহিলাদের ক্ষমতায়ন
ব্যাখ্যা
Arab Spring, wave of pro-democracy protests and uprisings that took place in the Middle East and North Africa beginning in 2010 and 2011.
Source: britannica.com
১,৬৯০.
ফিনল্যান্ড ও সুইডেনকে ন্যাটোতে যোগদানের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়-
  1. ক) ১৫ জুন ২০২২
  2. খ) ১৮ জুন ২০২২
  3. গ) ২০ জুন ২০২২
  4. ঘ) ২৯ জুন ২০২২
ব্যাখ্যা
⇒ফিনল্যান্ড ও সুইডেনকে ন্যাটোতে যোগদানের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ করা হয় ২৯ জুন ২০২২
⇒২৮ জুন ২০২২ তিন দিনব্যাপী ৩২তম NATO'র শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয় স্পেনের মাদ্রিদে।
উৎস- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, আগস্ট ২০২২।
১,৬৯১.
ডলার কূটনীতি প্রয়োগ করেছিলেন কোন প্রেসিডেন্ট?
  1. উড্রো উইলসন
  2. বারাক ওবামা
  3. রোনাল্ড রিগান
  4. উইলিয়াম হাওয়ার্ড ট্যাফট
ব্যাখ্যা

ডলার কূটনীতি (Dollar Diplomacy):
- ডলার কূটনীতি হলো একটি কূটনৈতিক কৌশল যা অর্থনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে রাজনৈতিক বা কৌশলগত লক্ষ্য অর্জন করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- শব্দটি প্রথমত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবহৃত হয়।
- ডলার কূটনীতি প্রধানত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশল হিসেবে পরিচিত।
- এই কৌশল প্রয়োগ করেন প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম হাওয়ার্ড ট্যাফট এবং তার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফিল্যান্ডার নক্স।
- ডলার কূটনীতি অর্থনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমে অন্য দেশগুলোর ওপর রাজনৈতিক প্রভাব সৃষ্টি করার চেষ্টা করে।
- ১৯০০ থেকে ১৯১০ সালের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কিউবা, হন্ডুরাস এবং ডোমিনিকান রিপাবলিক এর মতো দেশগুলিতে এই নীতি ব্যবহার করেছিল।
- পরবর্তীতে ২৮তম প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন আগ্রাসী নীতি থেকে সরে আসেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৬৯২.
Camp David Accords was signed between which two countries?
  1. Egypt and Israel
  2. India and Pakistan
  3. United Kingdom and United States
  4. Libya and Oman
  5. Tunisia and Algeria
ব্যাখ্যা
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরানোর উদ্দেশ্যে মিশর এবং ইসরায়েলের মধ্যে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি হয়েছিল।

ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:

- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি ছিল মিশরের রাষ্ট্রপতি আনোয়ার সাদাত এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিন স্বাক্ষরিত একজোড়া রাজনৈতিক চুক্তি।
- মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরানোর গুরুত্বপূর্ণ একটি উদ্যোগ ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি।
- ১৯৭৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডের ক্যাম্প ডেভিডে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এ চুক্তির মধ্যস্ততা করেছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- চুক্তিটির জন্য মিশরকে আরব লীগ ও ওআইসি থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।
- তৎকালীন মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত চুক্তিটির জন্য ১৯৭৮ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

উৎস: Britannica.
১,৬৯৩.
কমনওয়েলথের বর্তমান সদস্য দেশ -
  1. ৫৮টি
  2. ৫৭টি
  3. ৫৬টি
  4. ৫৫টি
ব্যাখ্যা
• Commonwealth:
- ১৯৪৯ সালে ঐতিহাসিক লন্ডন ঘোষণার মাধ্যমে আধুনিক কমনওয়েলথের যাত্রা শুরু হয়।
- লন্ডন ঘোষণার দিনটিকে অর্থাৎ মার্চের দ্বিতীয় সোমবারকে প্রতিবছর কমনওয়েলথ দিবস পালন করা হয়।
- কমনওয়েলথের বর্তমান - প্রধান রাজা তৃতীয় চার্লস।
- কমনওয়েলথের সদর দপ্তর অবস্থিত মার্লবোরো হাউজ, লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- কমনওয়েলথের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৬ টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ গ্যাবন ও টোগো।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ‌ কমনওয়েলথের সদস্য পদ লাভ করে ১৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথ এর ৩২-তম সদস্য রাষ্ট্র। দেশ হিসাবে বাংলাদেশ - ৩৪ তম রাষ্ট্র।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্য হওয়ায় কমনওয়েলথ ত্যাগ করেছিল পাকিস্তান পরবর্তীতে ১৯৮৯ সালে পুনরায় যোগদান করে।
- কমনওয়েলথের বর্তমান মহাসচিব - Rt Hon Patricia স্কটল্যান্ড।
- কমনওয়েলথের ২৭তম সম্মেলন হবে - সামোয়াতে।

উৎস: কমনওয়েলথের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
১,৬৯৪.
কোন সংকটকে কেন্দ্র করে জাতিসংঘ 'Uniting for Peace' প্রস্তাব পাশ করে?
  1. কোরিয় সংকট
  2. কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট
  3. প্যালেস্টাইন সংকট
  4. ভিয়েতনাম সংকট
ব্যাখ্যা
কোরিয় যুদ্ধ:
- ১৯১০ সাল থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত কোরিয়া উপদ্বীপ জাপানের অধীনে ছিল।
- কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান পরাজিত হওয়ার ফলে ১৯৪৫ সালে মার্কিন প্রশাসন কোরীয় উপদ্বীপকে ভাগ করে।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন কর্তৃক অধিকৃত অঞ্চল নিয়ে ‘উত্তর কোরিয়া’ গঠিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক অধিকৃত অঞ্চল নিয়ে ‘দক্ষিণ কোরিয়া’ গঠিত হয়।
- ৩৮° সমান্তরাল রেখা বরাবর দুটি দেশের সীমান্ত নির্ধারিত হয়।
- ১৯৪৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্ম হয়।
- শুরু থেকেই দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে উত্তপ্ত সম্পর্ক বিরাজ করে।
- এই যুদ্ধকে  'the Forgotten War'  বলে অভিহিত করেছেন।
 
যুদ্ধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
- যুদ্ধ সংঘটনকাল: ১৯৫০-১৯৫৩ সাল।
▪ বিবাদমান পক্ষসমূহ: সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীনের সমর্থিত - উত্তর কোরিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের সমর্থিত - দক্ষিণ কোরিয়া।
▪ যুদ্ধের ফলাফল: কোরিয়া সংকটকালীন সময়ে ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ শান্তির জন্য ঐক্য” (Uniting for Peace) প্রস্তাব পাশ করে এবং উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চালায়। 
- এ যুদ্ধের প্রেক্ষিতে জাতিসংঘ ৩ নভেম্বর, ১৯৫০ সালে  'Uniting for peace resolution' পাশ করে।
- অবশেষে ২৭ জুলাই, ১৯৫৩ সালে কোরীয় যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
 
উৎস: UN ওয়েবসাইট।
১,৬৯৫.
নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য দূরীকরণ সনদ (CEDAW) কত সালে জাতিসংঘে গৃহীত হয়?
  1. ১৯৭৫ সাল
  2. ১৯৭৭ সাল
  3. ১৯৭৯ সাল
  4. ১৯৮২ সাল
ব্যাখ্যা
• নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য দূরীকরণে জাতিসংঘের ভূমিকা :
• নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদ (Convention on the Elimination of All Forms of Discrimination Against Women Or CEDAW )।
• ১৯৭৯ সালের ডিসেম্বর মাসে জাতিসংঘের সাধারণপরিষদে এটি গৃহীত হয়।
• ১৯৮১ সালে ২০টি দেশ সমর্থন করার পরএটি কার্যকর হয়।
• বাংলাদেশসহ মোট ১৩২টি দেশ বর্তমানেসনদটি সমর্থন করেছে।
- নারী ও পুরুষের সমতার নীতির ওপর ভিত্তি করে সিডও সনদটি তৈরি।
- সিডও সনদে ৩০টি ধারা আছে।
- প্রথম ১৬টি ধারা নারীর প্রতি কত প্রকার বৈষম্য আছে তা বিশ্লেষণ করে।
- আর পরের ১৪টি ধারা ব্যাখ্যা করে এ বৈষম্যগুলো কীভাবে বিলোপ করা যায়।
- নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ২৫শে নভেম্বরকে 'আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস' হিসেবে পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়।
- জাতিসংঘ ৮ই মার্চকে বিশ্ব নারী দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। 

উৎস : বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
১,৬৯৬.
কোন দেশটি Nuclear Non- Proliferation Treaty (NPT) থেকে প্রত্যাহার করেছিল?
  1. রাশিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ইসরায়েল
  4. উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যা

'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।

⇒ আনুষ্ঠানিকভাবে NPT দ্বারা পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হিসাবে স্বীকৃত রাষ্ট্র (NWS) হলো ৫টি।
- চুক্তিটি এই দেশগুলির পারমাণবিক অস্ত্রাগারকে স্বীকৃতি দেয়।
- কিন্তু NPT-এর ৬ অনুচ্ছেদের অধীনে তাদের চিরস্থায়ীভাবে এই ধরনের অস্ত্র তৈরি এবং বজায় রাখার উল্লেখ নেই।
- ৫টি রাষ্ট্র: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য,
- ভারত, পাকিস্তান এবং ইসরায়েল কখনই NPT-এ যোগ দেয়নি। কিন্তু দেশগুলি পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী বলে পরিচিত। 
- উত্তর কোরিয়া একটি অ-পারমাণবিক অস্ত্র রাষ্ট্র হিসাবে NPT-এ যোগদান করেছিল। কিন্তু ২০০৩ সালে NPT থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছিল। 

উৎস: i) Arms Control Association ওয়েবসাইট।
        ii) UNODA ওয়েবসাইট।

১,৬৯৭.
'মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা' কোথায় গৃহীত হয়?
  1. নিউ ইয়র্ক
  2. সান ফ্রান্সিসকো
  3. জেনেভা
  4. প্যারিস
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন:
- ১৯৪৬ সালে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন গঠিত হয়।
- কমিশন ‘মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা' এর খসড়া প্রস্তুতের জন্য একটি কমিটি গঠন করে।
- কমিটির প্রস্তুতকৃত খসড়া ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে গৃহীত হয়।
- মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণায় মোট ৩০টি ধারা রয়েছে।
- প্রতিবছর ১০ ডিসেম্বরকে বিশ্বব্যাপী 'আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।

উৎস: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।

১,৬৯৮.
সম্প্রতি রাশিয়ার উদ্ভাবিত 'Perm' একটি-
  1. নিউক্লিয়ার পাওয়ার্ড মিসাইল
  2. নিউক্লিয়ার পাওয়ার্ড সাবমেরিন
  3. নিউক্লিয়ার পাওয়ার্ড বোম্বার জেট
  4. নিউক্লিয়ার পাওয়ার্ড রকেট লঞ্চার
ব্যাখ্যা
• 'Perm'
- সম্প্রতি ২৭ মার্চ, ২০২৫ এ  রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তাদের নতুন "Perm" নামের নিউক্লিয়ার-চালিত সাবমেরিন উদ্বোধন করেছে।

- এটি অত্যাধুনিক Hypersonic Zircon মিসাইল দিয়ে সজ্জিত।
- এই Zircon মিসাইল শব্দের গতির অনেক গুণ বেশি গতিতে চলতে সক্ষম।
- এর লক্ষ্য হচ্ছে রাশিয়ার সমুদ্রভিত্তিক পারমাণবিক শক্তি আরও জোরদার করা।
- Borei-A class সাবমেরিনগুলোর মধ্যে Perm হচ্ছে ষষ্ঠ সাবমেরিন।

উৎস: রয়টার্স।
১,৬৯৯.
কোন দেশের উদ্যোগে সংঘাত নিরসনে ‘আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতা সংস্থা (IOMed)’ সংস্থা গঠিত হয়েছে?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. চীন
  3. জার্মানি
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতা সংস্থা (IOMed):
- IOMed-এর পূর্ণরূপ: International Organization for Mediation.
- চীনের উদ্যোগে সংঘাত নিরসনে হংকংয়ে আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতা সংস্থা (আইওমেড) নামে একটি বৈশ্বিক সংস্থা গঠিত হয়েছে। 
- ৩০ মে, ২০২৫ তারিখে এ বিষয়ে একটি কনভেনশনে স্বাক্ষর করেছে বিশ্বের ৩১টি দেশ। 
- বেইজিং আশা করছে, নতুন সংস্থাটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে কাজ করবে।

উল্লেখ্য, 
⇒  হংকংয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র সভাপতিত্বে IOMed প্রতিষ্ঠার চুক্তি ‘the Convention on the Establishment of the International Organization for Mediation’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এ সময় ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, লাওস, কম্বোডিয়া ও সার্বিয়াসহ ৩১টি দেশের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি জাতিসংঘসহ প্রায় ২০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
- ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ অথবা ২০২৬ সালের শুরুর দিকে কার্যক্রম শুরু করবে সংস্থাটি।
- IOMed এক দেশের সঙ্গে আরেক দেশের, একটি দেশের সঙ্গে অন্য একটি দেশের নাগরিকদের এবং ব্যক্তি মালিকানাধীন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সৃষ্ট বিরোধ নিষ্পত্তিতে সালিশি বা মধ্যস্থতা করবে।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) mofa.go.ug
১,৭০০.
নাগার্নো-কারাবাখ নিয়ে সংঘাত প্রধানত কোন দুটি দেশের মধ্যে?
  1. আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান 
  2. গ্রিস ও তুরস্ক
  3. ইরান ও ইরাক
  4. রাশিয়া ও ইউক্রেন
ব্যাখ্যা

নাগার্নো-কারাবাখ:
- 'নাগার্নো কারাবাখ' আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান-এর বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে দীর্ঘ তিন দশক ধরে বিরোধ চলে আসছে সাবেক সোভিয়েত রিপাবলিকের অংশ এই দেশ দুটির মধ্যে।
- ১৯৮৮-৯৪ সাল পর্যন্ত যুদ্ধ চলার পর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও থেমে থেমে সংঘর্ষ চলেছে।
- এলাকাটি নিয়ে কোন ধরনের নিষ্পত্তি দুই দেশের মধ্যে হয়নি।
- আন্তর্জাতিকভাবে এই এলাকাটি আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত।
- কিন্তু এটি পরিচালনা করে জাতিগত আর্মেনিয়রা।
- বন্দী বিনিময় এবং মরদেহ উদ্ধারের সুযোগ তৈরি করার জন্য এই যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

⇒ সম্প্রতি ৮ আগস্ট, ২০২৫ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হোয়াইট হাউসে ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ এবং আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশনিয়ান।
- এর মধ্য দিয়ে কয়েক দশকের সংঘাতের অবসান এবং দীর্ঘস্থায়ী মিত্রতা তৈরি হবে বলে প্রত্যাশা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।
- শান্তিচুক্তির পাশাপাশি উভয় দেশের সাথে করিডোর ও বাণিজ্য ইস্যুতে পৃথক চুক্তি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।

উৎস: i) Britannica.
         ii) Reuters.