বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

মোট প্রশ্ন৩,৩৩৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

PrepBank · পাতা ১৫ / ৩৪ · ১,৪০১১,৫০০ / ৩,৩৩৯

১,৪০১.
'ভিজিনজাম সমুদ্র বন্দর' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. কানাডা
  2. জর্ডান
  3. রাশিয়া
  4. ভারত
ব্যাখ্যা
সমুদ্রবন্দর:
- ভারতের সর্বদক্ষিণের সমুদ্রবন্দর ‘ভিজিনজাম’।
- কেরালায় অবস্থিত এ বন্দরে বিভিন্ন দেশের জাহাজ নোঙর করে তেল ভরাটসহ অন্যান্য পণ্য এক জাহাজ থেকে আরেক জাহাজে উঠাতে পারবে।
- আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথের পাশে এ অঞ্চলের অবস্থান, সেই পথে বিশ্বের ৩০ শতাংশ কার্গো জাহাজ চলাচল করে।
- আবার এই বন্দরের গভীরতা ২৪ মিটারের বেশি। ফলে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জাহাজগুলোও এখানে অনায়াসে ভিড়তে পারবে। 

অন্যদিকে,
- 'আকাবা' সমুদ্রবন্দর অবস্থিত জর্ডানে।
- 'এডেন' সমুদ্রবন্দর ইয়েমেনে অবস্থিত।
- গ্লাসগো সমুদ্র বন্দর অবস্থিত স্কটল্যান্ডে।
- মন্ট্রিল, কুইবেক, ভ্যাঙ্কুভার সমুদ্রবন্দর অবস্থিত কানাডায়।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৪০২.
Antarctic Treaty কত সালে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ১৯৫৯ সালে
  2. ১৯৬০ সালে
  3. ১৯৬১ সালে
  4. ১৯৬২ সালে
ব্যাখ্যা

এন্টার্কটিক ট্রিটি (Antarctic Treaty):
- চুক্তিটি অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের শান্তিপূর্ণ এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য একটি বিশেষ অঞ্চল হিসেবে সংরক্ষণ করার উদ্দেশ্য স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ ডিসেম্বর ১৯৫৯ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৬১ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: ওয়াশিংটন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- চুক্তি প্রথমে স্বাক্ষর করেছিল: ১২টি দেশ।
- বর্তমানে সদস্য: ৫৮টি দেশ।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৭-৫৮ সালের আন্তর্জাতিক ভূ-পদার্থিক বছর (IGY) চলাকালীন অ্যান্টার্কটিকায় এবং তার আশেপাশে অবস্থিত দেশের বিজ্ঞানীরা এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল।
- চুক্তিটি প্রথমে ১৯৫৯ সালে ১২টি দেশ (যারা অ্যান্টার্কটিকায় বৈজ্ঞানিক গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করছিল) দ্বারা স্বাক্ষরিত হয়।

⇒ অ্যান্টার্কটিক চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ বিধান:
- শান্তিপূর্ণ ব্যবহার: অ্যান্টার্কটিকা শুধুমাত্র শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হবে (আর্টিকেল I)।
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা: অ্যান্টার্কটিকায় বৈজ্ঞানিক তদন্তের স্বাধীনতা থাকবে এবং গবেষণা ফলাফল বিনিময় করা হবে (আর্টিকেল II ও III)।
- আঞ্চলিক দাবি নিষিদ্ধ: চুক্তির অধীনে নতুন আঞ্চলিক সার্বভৌমত্বের দাবি বা পুরনো দাবির প্রসারণ নিষিদ্ধ (আর্টিকেল IV)।
- কোনো সামরিক কার্যকলাপ নয়: অ্যান্টার্কটিকায় কোনো সামরিক কার্যকলাপ বা পারমাণবিক পরীক্ষা করা যাবে না।

উৎস: Antarctic Treaty ওয়েবসাইট।

১,৪০৩.
SALT-1 ও ABM উভয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৭১
  3. গ) ১৯৭০
  4. ঘ) ১৯৭৪
ব্যাখ্যা
- নিক্সন এবং সোভিয়েত জেনারেল সেক্রেটারি লিওনিড ব্রেজনেভ ১৯৭২ সালের ২৬মে মস্কোতে এবিএম (ABM) চুক্তি এবং অন্তর্বর্তীকালীন সল্ট ( SALT)চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। 
- স্নায়ুযুদ্ধের সময় প্রথমবারের মতো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন তাদের অস্ত্রাগারে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা সীমিত করতে সম্মত হয়েছিল।
 
SALT (Strategic Arms Limitation Talks) 
- ইহা কৌশলগত অস্ত্র সীমিতকরণ চুক্তি ।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তিতে নতুন ক্ষেপণাস্ত্র কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়।
- ২৬ মে, ১৯৭২ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি Strategic Arms Limitation Talk - 1 (SALT-1) স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৮ জুন ১৯৭৯ সালে স্বাক্ষরিত হয় Strategic Arms Limitation Talk - 2 (SALT-2)।

ABM  চুক্তি 
ABM - এর পূর্ণরূপ Anti-Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)। এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি। যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti-Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
স্বাক্ষর - ২৬ মে, ১৯৭২ সাল
কার্যকর - ৩ অক্টোবর, ১৯৭২
চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো।

তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট। 
১,৪০৪.
ভারতের সাথে বাংলাদেশের পানি চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) দার্জিলিং
  2. খ) কোলকাতা
  3. গ) নয়াদিল্লি
  4. ঘ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারতের নয়াদিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গা নদীর পানি বন্টন বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
এ চুক্তির মেয়াদকাল ৩০ বছর। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ ৩৫ হাজার কিউসেক পানি প্রাপ্তির বিধান থাকলেও বাস্তবে তা হয়নি৷
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১,৪০৫.
২০২৫ সালের কোয়াড সামিট অনুষ্ঠিত হবে -
  1. যুক্তরাষ্ট্রে
  2. অস্ট্রেলিয়ায়
  3. ভারতে
  4. জাপানে
ব্যাখ্যা
কোয়াড (QUAD):
- QUAD-এর পূর্ণরূপ: Quadrilateral Security Dialogue.
- কোয়াড হল অস্ট্রেলিয়া, ভারত, জাপান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি কূটনৈতিক জোট।
- এটি একটি অনানুষ্ঠানিক কৌশলগত নিরাপত্তা ফোরাম।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০০৭ সালে।
- সদস্য দেশ: ৪টি। (জানুয়ারি, ২০২৫)
• যুক্তরাষ্ট্র,
• অস্ট্রেলিয়া,
• ভারত,
• জাপান।
- ২০২৫ সালের কোয়াড সামিট অনুষ্ঠিত হবে ভারতে।
- কোয়াডের প্রাথমিক উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হল উন্মুক্ত, সমৃদ্ধ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য কাজ করা।

তথ্যসূত্র - অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ওয়েবসাইট।
১,৪০৬.
ইসরায়েলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি কোনটি?
  1. আল-আসাদ
  2. সাইট-৫১২
  3. আল-ধফরা
  4. আল-তানফা
ব্যাখ্যা
• "সাইট ৫১২," ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ পর্যবেক্ষণের জন্য ইসরায়েলের মরুভূমিতে একটি গোপন মার্কিন সামরিক ঘাঁটি।
•  সামরিক ঘাঁটির প্রাথমিক কাজ হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি দূরপাল্লার রাডার সুবিধা পরিচালনা করা।
• এই দূরপাল্লার রাডার সুবিধাটি ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অন্যান্য মার্কিন মিত্রদের বিরুদ্ধে ইরান বা তার প্রক্সি গোষ্ঠীগুলির যেকোনো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ পর্যবেক্ষণ করার দায়িত্বপ্রাপ্ত।

অন্যদিকে,
• সিরিয়ায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটি- আল-তানফা।
• ইরাকে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি - আল-আসাদ
• সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি- আল-ধফরা

উৎস: Defence Security Asia.
১,৪০৭.
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট ইয়েমেনে কোন বিদ্রোহীগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যুদ্ধরত?
  1. ক) ওয়াইপিজে
  2. খ) হিজবুল্লাহ
  3. গ) হুথি আনসারুল্লাহ
  4. ঘ) তানজিম আল জিহাদ
ব্যাখ্যা
ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন বাহিনী হুথি আনসারুল্লাহ বিদ্রোহীগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যুদ্ধরত। হুথি বিদ্রোহীরা শিয়া মতালম্বী এবং ইরানের সমর্থনপুষ্ট। এরা ইরানের নিকট থেকে সামরিক, আর্থিক ও রাজনৈতিক সহায়তা পেয়ে আসছে।
(সূত্রঃ ডয়েচেভেলে)
১,৪০৮.
Who is the current Secretary General of the North Atlantic Treaty Organization? (February, 2025)
  1. Jens Stoltenberg
  2. Manlio Brosio
  3. Anders Fogh Rasmussen
  4. Javier Solana
  5. Mark Rutte
ব্যাখ্যা
ন্যাটো:
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- NATO এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization.
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৯ সাল।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে। (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
- তিনি ১৪তম মহাসচিব।
- দায়িত্ব গ্রহণ করেন: ১ অক্টোবর ২০২৪।
- তিনি নেদারল্যান্ডসের নাগরিক।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি। (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)

তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৪০৯.
'M-19' কোন দেশের গেরিলা সংগঠন?
  1. ভারত
  2. জাপান
  3. কলম্বিয়া
  4. মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা

• এম-১৯:
- এম-১৯ ছিল কলম্বিয়ার একটি শহুরে গেরিলা সংগঠন।
- এই সংগঠনটি ১৯৭০ এবং ১৯৮০-এর দশকে সক্রিয় ছিল।
- দলটি কলম্বিয়ার বামপন্থী রাজনৈতিক দলের মধ্যেও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- দলটি মূলত শহরভিত্তিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করত এবং সমাজতান্ত্রিক মতাদর্শ প্রচার করত।
- এম-১৯ কলম্বিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম গেরিলা দল হিসেবে পরিচিত।
- দলটি প্রথমবার জাতীয়ভাবে নজর কেড়েছিল যখন এর সদস্যরা সিমন বলিভারের তরবারি চুরি করেছিল।
- এছাড়াও, এটি প্রায়ই দুঃসাহসিক জঙ্গি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সুপরিচিত ছিল।

উৎস: Britannica.

১,৪১০.
আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতা ও ব্রিটিশ শাসনের অবসানের জন্য লড়াই করা গেরিলা সংগঠনের নাম কী?
  1. আইআরএ 
  2. রেড ব্রিগেড
  3. আইটিএ
  4. আইসিএ
ব্যাখ্যা

- আইরিশ রিপাবলিকান আর্মি (IRA) হলো আইরিশ জাতীয়তাবাদী সশস্ত্র সংগঠন,

• আইরিশ রিপাবলিকান আর্মি (IRA): 
- এটি আইরিশ জাতীয়তাবাদী সশস্ত্র সংগঠন,
- যা প্রধানত ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করে এসেছে।
- প্রতিষ্ঠা এবং উদ্দেশ্য: ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত, IRA ইরিশ ভলান্টিয়ার্সের (১৯১৩ সালে গঠিত) উত্তরসূরি হিসেবে গড়ে ওঠে।
- এর প্রধান লক্ষ্য ছিল ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ আইরিশ প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা, বিশেষ করে উত্তর আইরল্যান্ডকে মূল আইরল্যান্ডের সাথে যুক্ত করা।

• আইরিশ স্বাধীনতা যুদ্ধ (১৯১৯-১৯২১): IRA গেরিলা কৌশল (যেমন অ্যাম্বুশ এবং হত্যাকাণ্ড) ব্যবহার করে ব্রিটিশ সেনাবাহিনী এবং লয়ালিস্ট বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে।
- এই যুদ্ধের ফলে ১৯২১ সালে অ্যাঙ্গলো-আইরিশ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা আইরিশ ফ্রি স্টেট তৈরি করে কিন্তু উত্তর আইরল্যান্ডকে ব্রিটেনের অধীনে রাখে।

- 'রেড ব্রিগেড' ১৯৭০-এর দশকে ইতালিতে সক্রিয় একটি চরমপন্থী বামপন্থী সশস্ত্র সংগঠন, যা মার্কসবাদী-লেনিনবাদী মতাদর্শে বিশ্বাসী ছিল। 
- আইটিএ এবং আইসিএ নামক কোনো গেরিলা সংগঠনের নাম নেই।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১,৪১১.
কোয়াড এর সদস্য দেশ নয় কোনটি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. জাপান
ব্যাখ্যা

⇒ যুক্তরাজ্য কোয়াড এর সদস্য দেশ নয়।

কোয়াড (QUAD):
- QUAD-এর পূর্ণরূপ: Quadrilateral Security Dialogue.
- কোয়াড হল অস্ট্রেলিয়া, ভারত, জাপান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি কূটনৈতিক জোট।
- এটি একটি অনানুষ্ঠানিক কৌশলগত নিরাপত্তা ফোরাম।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০০৭ সালে।
- সদস্য দেশ: ৪টি। (নভেম্বর, ২০২৫)
• যুক্তরাষ্ট্র,
• অস্ট্রেলিয়া,
• ভারত,
• জাপান।
- কোয়াডের প্রাথমিক উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হল উন্মুক্ত, সমৃদ্ধ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য কাজ করা।

তথ্যসূত্র - অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ওয়েবসাইট।

১,৪১২.
কয়টি দেশের মধ্যে 'অকাস চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
অকাস চুক্তি:
- অকাস চুক্তি হলো অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে।
- ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন অর্জনে সহায়তা করবে।
- এই চুক্তির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে 'সাইবার সক্ষমতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং অতিরিক্ত জলসীমার ক্ষমতা' বিষয়ে সহযোগিতা।
- ১৩ মার্চ, ২০২৩-এ, অকাস অংশীদাররা অস্ট্রেলিয়ায় একটি পারমাণবিক শক্তি চালিত সাবমেরিন সক্ষমতা তৈরি করওকে ঘোষণা করেছে এবং তিনটি অংশীদারই সর্বোচ্চ অপ্রসারণ মান বজায় রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

উৎস: U.S. Department of Defense ওয়েবসাইট। [link]
১,৪১৩.
যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত 'New START' চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয় কত সাল পর্যন্ত?
  1. ক) ২০২৬
  2. খ) ২০২৭
  3. গ) ২০২৫
  4. ঘ) ২০২৪
ব্যাখ্যা
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া সম্প্রতি নিজেদের মধ্যকার New START (The New Strategic Arms Reduction Treaty) চুক্তির মেয়াদ আরো পাঁচ বছর বৃদ্ধি করে ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করেছে।
- ২০১০ সালের ৮ এপ্রিল কৌশলগত বিপজ্জনক অস্ত্র হ্রাসকরণের লক্ষ্যে New START চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিলো, যা ২০১১ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
- ১০ বছর মেয়াদী চুক্তিটির মেয়াদ গত ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১ শেষ হয়েছিলো।
(সূত্র: মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়)
১,৪১৪.
‘অপারেশন প্যাসিফিক ভাইপার’ কোন দেশের মাদকবিরোধী অভিযান?
  1. চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র 
  3. রাশিয়া
  4. ভারত
ব্যাখ্যা

• অপারেশন প্যাসিফিক ভাইপার :
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত অপারেশন প্যাসিফিক ভাইপার পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে চলছে।
- এর উদ্দেশ্য হলো অবৈধ মাদক পরিবহন রোধ করা।
- এছাড়া ল্যাটিন আমেরিকার মাদক কার্টেল ও ট্রান্সন্যাশনাল ক্রিমিনাল অর্গানাইজেশন প্রতিহত করা।
- কোস্টগার্ড জাহাজ, বিমান এবং বিশেষ কৌশলগত দল মোতায়েন করা হয়েছে।
- এই দলগুলি মাদক শনাক্ত, আটক এবং ধ্বংস করছে।
- অভিযানে আন্তর্জাতিক ও আন্তঃসংস্থা সমন্বয় অন্তর্ভুক্ত, উদাহরণ হিসেবে উল্লেখযোগ্য: জয়েন্ট ইন্টারএজেন্সি টাস্ক ফোর্স-সাউথ।
- অপারেশন প্যাসিফিক ভাইপার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মাদক-সন্ত্রাস প্রতিরোধে মুখ্য ভূমিকা পালন করছে।
- সমুদ্রপথে মাদক পরিবহন রোধ করে অসংখ্য জীবন বাঁচাচ্ছে।

উৎস: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোস্টগার্ড।

১,৪১৫.
European Recovery Program নামে পরিচিত -
  1. ক) ডমিনো তত্ত্ব
  2. খ) ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  3. গ) ট্রুম্যান ডকট্রিন
  4. ঘ) মার্শাল প্ল্যান
ব্যাখ্যা
মার্শাল প্ল্যান এর পরিচিতি হচ্ছে European Recovery Program.

• প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান কংগ্রেসের কাছে প্রেরিত এক বার্তায় বলেছিলেন, যে সকল স্বাধীন জনগণ যারা সশস্ত্র সংখ্যালঘু বা বহিরাগত চাপের মারফত পদানত করার প্রচেষ্টা প্রতিহত করতে সচেষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নীতি হবে তাদের সমর্থন করা। অর্থাৎ এখানে কমিউনিজম ভীতি কাজ করছিল।
- প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যানের এই নীতি আর্থিকভাবে প্রয়োগ করার জন্য ১৯৪৭ সালের জুন মাসে তৎকালীন যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেট ঘোষণা করেছিলেন যে ইউরোপের পুনর্গঠনে যুক্তরাষ্ট্র সাহায্য করবে।
- প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান এতে স্বাক্ষর করেন ১৯৪৮ সালের ৩ এপ্রিল। ওইদিন থেকেই তা কার্যকর হয়।
- পশ্চিম ইউরোপ পুনর্গঠনের পরিকল্পনা সফল হয়েছিল।
- যুক্তরাষ্ট্র এই প্রোগ্রামের আওতায় ওই সময় ১৫ বিলিয়ন ডলার যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা দিয়েছিল।
- এই আর্থিক সহায়তার কারণে পশ্চিম ইউরোপের জিডিপি ১৫ থেকে ২৫ ভাগ বৃদ্ধি পেয়েছিল।
- পরবর্তীতে অনুন্নত দেশগুলোর জন্যও মার্শাল পরিকল্পনা প্রয়োগ করা হয়। 

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
১,৪১৬.
কোন দেশটি সিটিবিটি চুক্তি অনুমোদন করেনি?
  1. চীন
  2. দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. সুইজারল্যান্ড
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
১৯৯৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর সিটিবিটি বা সমন্বিত পারমাণবিক অস্ত্র পরিক্ষা রোধ চুক্তি স্বাক্ষরের জন্যে উন্মুক্ত করা হয়।
মে ২০২০ পর্যন্ত বাংলাদেশ. সুইজারল্যান্ড, জাপান সহ ১৮৪ টি দেশ সিটিবিটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে এবং ১৬৮টি দেশ অনুমোদন করেছে।
এতে ভারত, পাকিস্তান ও উত্তর কোরিয়া, সৌদি আরব, সিরিয়া, কিউবা সহ ১২টি দেশ স্বাক্ষর করেনি।
অন্যদিকে চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল সহ ১৬ টি দেশ স্বাক্ষর করলেও অনুমোদন করেনি।
বাংলাদেশ ১৯৯৬ সালের ২৪ অক্টোবর সিটিবিটি চুক্তিতে স্বাক্ষর এবং ৮ মার্চ ২০০০ সালে ৫৪তম দেশ হিসেবে চুক্তিটি অনুমোদন করে।
(সূত্রঃ সিটিবিটিও ওয়েবসাইট ও লাইভ এমসিকিউ লেকচার)
১,৪১৭.
নিম্নের কোনটি NATO-এর সদস্য দেশ নয়?
  1. কানাডা
  2. মন্টিনিগ্রো
  3. স্লোভাকিয়া
  4. সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

সুইজারল্যান্ড NATO-এর সদস্য দেশ নয়।

ন্যাটোর সদস্য দেশ:

- বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, গ্রীস, তুরস্ক, জার্মানি, স্পেন, চেক প্রজাতন্ত্র, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, আলবেনিয়া, ক্রোয়েশিয়া, মন্টিনিগ্রো, উত্তর মেসিডোনিয়া, ফিনল্যান্ড, সুইডেন।

উল্লেখ্য,
⇒ NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

১,৪১৮.
ফ্রান্স কত সালে প্রথম পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা করে?
  1. ১৯৫৫ সালে
  2. ১৯৬০ সালে
  3. ১৯৬৫ সালে
  4. ১৯৭০ সালে
ব্যাখ্যা
পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা:
- ফ্রান্স ১৯৬০ সালে সাহারা মরুভূমিতে প্রথম পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা করে।
- ১০৫মিটার (৩৪৪ফুট) টাওয়ার থেকে পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। 
- NPT এর অধীনে স্বীকৃত পাঁচটি পারমাণবিক অস্ত্র রাষ্ট্রের মধ্যে ফ্রান্স অন্যতম।
- ফ্রান্সের পারমাণবিক বোমা তৈরিতে প্রধান ব্যক্তিরা হলেন - পিয়েরে গুইলাউমাট, জেনারেল চার্লস আইলেরেট এবং ইয়েভেস রোকার্ড।
- বর্তমানে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম পারমাণবিক মজুদ রয়েছে, যা সাবমেরিন এবং এয়ার-লঞ্চ ক্রুজ মিসাইল দ্বারা সরবরাহযোগ্য।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং nti.org.[Link]
১,৪১৯.
দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে কোন যুদ্ধের অবসান হয়?
  1. ক্রিমিয়া যুদ্ধ
  2. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  3. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  4. শতবর্ষ যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
• দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে ছিলো।
- ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ফ্রান্সের ভার্সাইয়ে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১০ জানুয়ারি ১৯২০ এই চুক্তি কার্যকর হয়।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মিত্রশক্তি (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান) এবং জার্মানির মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি অনুসারে জার্মানিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয় এবং বিপুল পরিমাণ আর্থিক জরিমানা করা হয়।

সূত্র:- ব্রিটানিকা ও দৈনিক যুগান্তর।
১,৪২০.
’রাফাল’কোন দেশের তৈরি যুদ্ধবিমান?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ফ্রান্স
  3. জাপান
  4. ভারত
ব্যাখ্যা

রাফাল যুদ্ধবিমান:
- রাফাল যুদ্ধবিমান ফ্রান্সের দাসোঁ এভিয়েশনের তৈরি ।
- রাফাল যুদ্ধবিমানগুলো তৈরি করেছে ফরাসি মহাকাশ সংস্থা ডাসোঁ এভিয়েশন।
- এটি আধুনিক ও বিধ্বংসী ৪.৫ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান।।
- এই যুদ্ধবিমানটি ১ দশমিক ৮ মাক গতি অর্জন করতে পারে (ঘণ্টায় প্রায় ২ হাজার ২২৩ কিমি) এবং এর কমব্যাট রেঞ্জ ১ হাজার
৮৫০ কিমি।
- প্রধান ব্যবহার: এয়ার সুপারিওরিটি, আকাশ প্রতিরক্ষা, নিকটবর্তী আক্রমণ, দূরপাল্লার আক্রমণ, গোয়েন্দাগিরি, নৌযান বিধ্বংসী আক্রমণ, পারমাণবিক প্রতিরক্ষা।

উৎস: Dassault Aviation. The Business Standard.

১,৪২১.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তিতে কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. সেভার্স চুক্ত
  2. লুজেন (Lausanne) চুক্তি
  3. ভার্সাই চুক্তি
  4. প্যারিস চুক্তি
ব্যাখ্যা

- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তিতে "ভার্সাই চুক্তি" (Treaty of Versailles) স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তিটি ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদে স্বাক্ষরিত হয় এবং এতে জার্মানিকে যুদ্ধের জন্য দায়ী করা হয় ও কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়।

ভার্সাই চুক্তি: 

- ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে জার্মানি এবং মিত্রপক্ষের মধ্যে দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- এই চুক্তি অনুযায়ী জার্মানিকে দোষী সাব্যস্ত করে বিপুল পরিমাণ অর্থনৈতিক ক্ষতিপূরণ প্রদানে সম্মত করা হয়।
- ১০ জানুয়ারি ১৯২০ থেকে এই চুক্তি কার্যকর হয়।
- এর আগে ১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই অস্ট্রিয়া ও হাঙ্গেরি কর্তৃক সার্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা ঘটে।

অন্যদিকে: 
- সেভার্স চুক্তি: প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির সাথে অটোমান সাম্রাজ্য তথা বর্তমান তুরস্কের প্রথমে সেভার্স চুক্তি (১০ আগস্ট ১৯২০) সম্পাদিত হয়। কিন্তু তৎকালীন নব্য প্রতিষ্ঠিত তুর্কি জাতীয়তাবাদী সরকার সেভার্স চুক্তি প্রত্যাখ্যান করে।
- লুজান চুক্তি: ১৯২৩ সালের ২৪ জুলাই সেভার্স চুক্তির স্থলে লুজান চুক্তি সম্পাদিত হয়। সুইজারল্যান্ডের লুজান শহরে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- প্যারিস চুক্তি: প্যারিস চুক্তি ২০১৫ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে গৃহীত হয়। এর মূল লক্ষ্য বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস করা।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

১,৪২২.
ন্যাটোর ২০২৪ সালের শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ওয়াশিংটন ডিসি
  2. অটোয়া
  3. ভিয়েনা
  4. প্যারিস
ব্যাখ্যা
• ন্যাটো:
- NATO এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization।
- NATO প্রধানত একটি সামরিক জোট যা ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল গঠিত হয়।
- ন্যাটোর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩১টি। 
- তুরস্ক ও আলবেনিয়া ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ।
- ন্যাটোর সদরদপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- জোটের প্রতিষ্ঠার পঁচাত্তর বছর পূর্তি উপলক্ষে ২০২৪ সালে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হবে।
- ৯ জুলাই -১১ জুলাই,২০২৪ সালে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। 

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
১,৪২৩.
বর্তমানে কোন রাষ্ট্রের সীমানায় মেসোপটেমীয়া অঞ্চল অবস্থিত ছিল?
  1. মিশর
  2. ইরাক
  3. ভারত
  4. গ্রিস
ব্যাখ্যা
সভ্যতা:
- মেসোপটেমীয় সভ্যতা হলো পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা মধ্যে একটি।
- এটি বর্তমান ইরাক রাষ্ট্রের সীমানার মধ্যে অবস্থিত ছিল।
- সিরিয়া, তুরস্ক, ইরান, ও কুয়েতে এই সভ্যতার কিছু অংশ রয়েছে।
- মেসোপটেমিয়া একটি উন্নত সাংস্কৃতিক সভ্যতা ছিল, যেখানে লেখনী, গণনা, ও কলা প্রচলিত ছিল।

উৎস: হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।
১,৪২৪.
প্রথম কত সালে মধ্যপ্রাচ্যে ইসলামিক স্টেটের উত্থান ঘটেছিলো?
  1. ক) ২০১০ সালে
  2. খ) ২০১১ সালে
  3. গ) ২০১৩ সালে
  4. ঘ) ২০১৪ সালে
ব্যাখ্যা
- ইসলামিক স্টেট (আইএস) মধ্যপ্রাচ্যের একটি জঙ্গি সংগঠন।
- ২০১৪ সালে আইএস সিরিয়া, ইরাক ও লিবিয়ার বিস্তৃর্ণ অঞ্চল দখল করে নিজেদের খিলাফত ঘোষণা করে।
- এর প্রথম খলিফা ছিলেন আবু বকর আল বাগদাদি।
- তিনি ২৬ অক্টোবর ২০১৯ সিরিয়ার ইদলিব শহরে মার্কিন অভিযানে নিহত হন।
- তার মৃত্যুর পর আবু ইব্রাহিম আল হাশেমি আল কুরাইশি আইএস এর খলিফা নিযুক্ত হন।
- গত ৩ ফেব্রুয়ারি সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে আইএস প্রধানের গোপন আস্তানায় মার্কিন বিশেষ বাহিনী অভিযান চালায়। ওই অভিযানেই ইরাকি নাগরিক আবু ইব্রাহিম আল–কুরায়শি বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিজেকে উড়িয়ে দেন।
- আবু আল-হাসান আল-হাশেমি আল-কুরায়শি এখন সংগঠনের নতুন প্রধান।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা এবং প্রথম আলো।
১,৪২৫.
আটলান্টিক সনদে স্বাক্ষরকারী -
  1. জোসেফ স্ট্যালিন
  2. উইনস্টন চার্চিল
  3. ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট
  4. খ + গ
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক সনদ:
- আটলান্টিক সনদ মূলত শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি আন্তর্জাতিক সনদ।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল।
- সময়: ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ই আগস্ট 
- স্থান: উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে ব্রিটিশ রণতরি ’প্রিন্স অফ ওয়েলস’।
- মূলনীতি: ৮টি।
- ১৯৪১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়সীমাকে সম্মিলিত জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার প্রস্তুতি পর্ব হিসেবে গণ্য করা যায়।
- এই চুক্তিটি 'আটলান্টিক সনদ’ নামে পরিচিত। 

উৎস: Britannica.
১,৪২৬.
আণবিক শীত বলতে বুঝায় -
  1. ক) আণবিক নিরস্ত্রীকরণ
  2. খ) বোমা নিরস্ত্রীকরণ
  3. গ) আণবিক যুদ্ধপূর্ব শীত হাওয়া
  4. ঘ) যুদ্ধ পরবর্তী সর্বাত্মক অন্ধকার
ব্যাখ্যা

- আণবিক শীত বা পারমাণবিক শীত বলতে যুদ্ধ পরবর্তী সর্বাত্মক অন্ধকারকে বুঝানো হয়েছে।

• নিউক্লিয়ার উইন্টার বা পারমাণবিক শীত ভলকানিক উইন্টারের মতোই। খুব শক্তিশালী আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ছাই ও বস্তুকণা তৈরি হয় যা বায়ুমণ্ডলে ভাসতে থাকে ও সূর্যালোক প্রতিফলিত করে বাইরের দিকে পাঠিয়ে দেয়। ফলে পৃথিবী ঠাণ্ডা হয়ে আসে। ইতিহাস থেকে দেখা যায় এসব ভলকানিক উইন্টার কয়েক বছর অব্যহত ছিল। এমনকি পৃথিবীতে মানুষের আগমনের আগে প্রাণীজগতের বিলুপ্তির পেছনে কিছুটা হলেও এসব ভলকানিক উইন্টারের হাত ছিলো। এটি পৃথিবীকে সম্ভবত কয়েকশ বছর পর্যন্ত ঠাণ্ডা করে রাখতো।

অনেকটা এই ধরনেরই হবে নিউক্লিয়ার উইন্টার। তবে এখানে বায়ুমণ্ডলে ভাসমান ছাইগুলো হবে রেডিওঅ্যাকটিভ।

• পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণের ফলে কয়েক বছরের জন্য সূর্যের আলো থেকে বঞ্চিত হবে পৃথিবী। ফলে অন্ধকারে ঢেকে যাবে পৃথিবী। এতে বন্ধ হয়ে যাবে জীবন ধারণের অপরিহার্য একটি প্রক্রিয়া, সালোকসংশ্লেষণ। বেশিরভাগ উদ্ভিদ মারা যাবে নিউক্লিয়ার উইন্টারে। আমাদের মানব প্রজাতিটিও বিলুপ্ত হয়ে যাবার সমূহ সম্ভাবনা আছে।

সূত্র: ফক্সনিউজ

১,৪২৭.
ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা -
  1. M16
  2. RAW
  3. ISI
  4. NSI
ব্যাখ্যা
RAW:
- ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা।
- RAW - এর পূর্ণরূপ- Research and Analysis Wing (RAW).
- এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৬৮ সালে।
- RAW প্রতিষ্ঠার পূর্বে Intelligence Bureau ভারতের অভ্যন্তরীন এবং বাহ্যিক উভয় ক্ষেত্রে তৎপরতা চালাতো।
- প্রতিষ্ঠাকালিন পরিচালক ছিলেন - রামেশ্বর নাথ কাও।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,৪২৮.
চীন কোন ভারতীয় রাজ্যকে “দক্ষিণ তিব্বত” হিসেবে দাবি করে?
  1. সিকিম
  2. মেঘালয়
  3. অরুণাচল
  4. জম্মু ও কাশ্মীর
ব্যাখ্যা
- চীন অরুণাচল প্রদেশকে "দক্ষিণ তিব্বত" হিসেবে দাবি করে।  
- চীন অরুণাচল প্রদেশকে তাদের একটি অংশ হিসেবে বিবেচনা করে এবং এটিকে "জাংনান" নামে অভিহিত করে, যা দক্ষিণ তিব্বত নামেও পরিচিত।
- ভারত এই অঞ্চলের উপর চীনের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে এবং অরুণাচল প্রদেশকে একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে।
- চীন প্রায়শই অরুণাচল প্রদেশের বিভিন্ন স্থানের নাম পরিবর্তন করে তাদের মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করে, যা উভয় দেশের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করে। 
- মোট ২৭টি স্থানের নাম এবারে চীন তাদের মতো করে পরিবর্তন করেছে।
- এর মধ্যে রয়েছে ১৫টি পাহাড়, ৫টি আবাসিক এলাকা, ৪টি পাহাড়ের গিরিপথ, ২টি নদী ও ১টি হ্রদ।

উৎস: BBC NEWS বাংলা
প্রথম আলো (১৪ মে ২০২৫)
১,৪২৯.
জি-৭ জোটের সদস্য দেশ-
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) চীন
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) তুরস্ক
ব্যাখ্যা

- G-7 এর পূর্ণরূপ- Group of Seven।
- এটি বিশ্বের শিল্পোন্নত ৭টি দেশের আন্তঃরাষ্ট্রীয় জোট।
- জি-৭ গঠনের প্রস্তাবক দেশ ছিল ফ্রান্স।
- পূর্বে এর সদস্য সংখ্যা ছিল ৮টি। তবে ক্রিমিয়া ইস্যুতে রাশিয়ার সদস্যপদ স্থগিত থাকায় বর্তমানে এটি G-7 নামে পরিচিত।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৫ নভেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- জি-৭ এর বর্তমান সদস্য দেশ গুলো হলোঃ যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ইতালি, জাপান ও কানাডা।
- এই সংস্থার একমাত্র এশীয় দেশ জাপান।
- ২৬ জুন, ২০২২ তারিখ তিন দিনব্যাপী ৪৮তম G-7 শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয় জার্মানির বাভারিয়ান আল্পসে।
- ১৯-২১ মে, ২০২৩ তারিখে ৪৯তম G7 শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে হিরোশিমা, জাপান।
- ৫০তম সম্মেলন হবে ২০২৪ সালে ইতালিতে।

উৎসঃ বিবিসি নিউজ।

১,৪৩০.
কোনটি ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ক) নাইচো
  2. খ) সিআইএ
  3. গ) আমান
  4. ঘ) এম-১৯
ব্যাখ্যা
- মোসাদ ও আমান ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থার নাম।
- সিআইএ যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার নাম।
- এম-১৯ কলম্বিয়ার গেরিলা সংগঠন।
- নাইচো জাপানের গোয়েন্দা সংস্থার নাম।

উৎসঃ সংশ্লিষ্ট দেশসমূহের সরকারি ওয়েবসাইট।
১,৪৩১.
নিচের কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট অসলো-১ চুক্তির মধ্যস্থতা করেন?
  1. জিমি কার্টার
  2. বিল ক্লিনটন
  3. জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ
  4. রোনাল্ড রেগান
ব্যাখ্যা
অসলো-১ শান্তি চুক্তি:
- ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে অসলো শান্তি চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৯৩ সালে চুক্তিটি সাক্ষরিত হয়।
- অসলো-১ শান্তি চুক্তিটি ১৯৯৩ সালে যুক্তরাস্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে চুক্তিটি নিয়ে আলোচনা হওয়ায় চুক্তিটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- অসলো-১ চুক্তির ফলে ইসরাইল ও পিএলও পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এতে মধ্যস্থতা করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
১,৪৩২.
The Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons (TPNW) চুক্তির বিপক্ষে ভোট দেয় কোন দেশ?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. রাশিয়া
  3. চীন
  4. নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

TPNW:
- TPNW-এর পূর্ণরূপ হলো The Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons।
- এটি একটি পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- চুক্তিতে পারমাণবিক অস্ত্রের বিকাশ, পরীক্ষা, উৎপাদন, অধিগ্রহণ, অধিকার, মজুদ, ব্যবহার বা হুমকি না দেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আছে।
- চুক্তিটি গৃহীত হয় ৭ জুলাই ২০১৭ সালে, পরমাণু অস্ত্র মুক্ত বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে।
- এই চুক্তির পক্ষে ভোট দেয় ১২২টি দেশ।
- আর বিপক্ষে ভোট দেয় ১টি দেশ (নেদারল্যান্ডস)।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে।
- আর চুক্তি কার্যকর হয় ২২ জানুয়ারি ২০২১ সালে।
- চুক্তিতে মোট স্বাক্ষরকারী দেশ ৯৪টি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে স্বাক্ষর করে।
- ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ সালে অনুমোদন করে।

উৎস: United Nations Treaty Collection ওয়েবসাইট।

১,৪৩৩.
CIA এর ‍পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) American Intelligence Agency
  2. খ) Central Intelligence Agency
  3. গ) American Investigative Agency
  4. ঘ) Central Information Analysis Agency
ব্যাখ্যা
- CIA এর পূর্ণরূপ হলো Central Intelligence Agency. এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- এর সদরদপ্তর ভার্জিনিয়ার ল্যাংলিতে অবস্থিত।
- CIA ১৯৪৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- CIA এর বর্তমান পরিচালক উইলিয়াম জে. বার্নস।
- CIA বহির্বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষায় বহুমাত্রিক তৎপরতায় নিয়োজিত।

(তথ্যসূত্রঃ CIA ওয়েবসাইট)
১,৪৩৪.
তাসখন্দ চুক্তির মধ্যস্থতাকারী কে ছিলেন ?
  1. ক) নিকলাই কোসিগিন
  2. খ) রিচার্ড নিক্সন
  3. গ) রিচার্ড হলব্রুক
  4. ঘ) জিমি কার্টার
ব্যাখ্যা

তাসখন্দ চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী নিকলাই কোসিগিন।
- তাসখন্দ চুক্তি হচ্ছে ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি উজবেকিস্তানের রাজধানী তাসখন্দে পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে সম্পাদিত একটি চুক্তি,যা ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সমাধান করে।
- জাতিসংঘ,আমেরিকা ও সোভিয়েতর চাপে তাসখন্দ সম্মেলনে,ভারত ও পাকিস্তানকে তাদের পূর্বের চুক্তির বাধ্যবাধকতা মেনে চলতে বাধ্য করেছিল-একে অপরের জয়যুক্ত অঞ্চলগুলি ছেড়ে দিতে এবং কাশ্মীরের ১৯৪৯ সালের যুদ্ধবিরতির সীমান্ত চুক্তি মেনে চলা।

সূত্র: Live MCQ Lecture

১,৪৩৫.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ কোন চুক্তির মাধ্যমে সমাপ্ত হয়?
  1. প্যারিস চুক্তি 
  2. ভার্সাই চুক্তি
  3. জেনেভা চুক্তি
  4. রোম চুক্তি 
ব্যাখ্যা

ভার্সাই চুক্তি Treaty of Versailles (1919):
- ভার্সাই চুক্তি ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষে ১৯১৯ সালের প্যারিস শান্তি সম্মেলনের প্রধান চুক্তি।
- এটি ২৮ জুন ১৯১৯ সালে ভার্সাই প্রাসাদের "হল অব মিররস"-এ মিত্রশক্তি এবং জার্মানির মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় এবং ১০ জানুয়ারি ১৯২০ সালে কার্যকর হয়।
- মিত্রশক্তির মধ্যে যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স এবং চীন অন্যতম সদস্য।
- ভার্সাই চুক্তি জার্মানির উপর কঠোর ক্ষতিপূরণ আরোপ করে।
- চুক্তির মাধ্যমে জার্মানির কিছু অঞ্চল প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং কিছু অঞ্চল আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে রাখা হয়।
- এছাড়া, জার্মানির উপনিবেশগুলো ছিনিয়ে নেওয়া হয়, তাদের সামরিক ক্ষমতা কঠোরভাবে সীমিত করা হয় এবং মিত্রশক্তিকে যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য বাধ্য করা হয়।
- এই চুক্তির মাধ্যমে "লিগ অফ নেশন্স" (League of Nations) প্রতিষ্ঠিত হয়, যা পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এছাড়াও,
• প্যারিস চুক্তি:
- ফ্রান্সের প্যারিস শহরের নামানুসারে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি ,
-  এটি ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে গৃহীত হয়েছিল, যার লক্ষ্য ছিল বিশ্ব উষ্ণায়নে অবদান রাখে এমন গ্যাসের নির্গমন হ্রাস করা।
- প্যারিস চুক্তিটি কিয়োটো প্রোটোকলকে উন্নত এবং প্রতিস্থাপন করার লক্ষ্যে তৈরি হয়েছিল ,
- যা গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন রোধ করার জন্য পূর্ববর্তী একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি ছিল ।
- এটি ৪ নভেম্বর, ২০১৬ তারিখে কার্যকর হয় এবং ১৯৫টি দেশ স্বাক্ষর করেছে এবং ২০২১ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ১৯০টি দেশ এটি অনুমোদন করেছে।

• জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১২ আগস্ট, ১৯৪৯ সালে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

• রোম চুক্তি: 
- ১৯৫৭ সালের ২৫শে মার্চ রোম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং কার্যকর হয় ১৯৫৮ সালের ১ জানুয়ারি।
- এই ‍চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপিয়ান ইকোনমিক কমিউনিটি গঠিত হয়।
- এতে বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, লুক্সেমবার্গ, ফ্রান্স, ইতালি ও জার্মানি স্বাক্ষর করে।
- পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বর ম্যাস্ট্রিক্ট চুক্তি কার্যকরের মাধ্যমে ইউরোপিয়ান ইকোনমিক কমিউনিটি ইরোপিয়ান ইউনিয়নে পরিণত হয়।

উৎস: Britannica.

১,৪৩৬.
ইয়োম কিপুর যুদ্ধ সংঘটিত হয় -
  1. ক) ১৯৪৮ সালে
  2. খ) ১৯৫৬ সালে
  3. গ) ১৯৬৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
ইয়োম কিপুর যুদ্ধ:
- আরব দেশসমূহ পাশ্চাত্যের উপর তেল অবরোধ করে ইয়োম কিপুর যুদ্ধে।
- Yom Kippur War নামে পরিচিত চতুর্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ।
- ৪র্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৭৩ সালে। 
- ইহুদিদের পবিত্র দিন ইয়ম কিপুরের সময় ইসরায়েল-অধিকৃত অঞ্চলে আরব জোটের অতর্কিত হামলার মাধ্যমে এই যুদ্ধ শুরু হয়।
- এই যুদ্ধ মিশর ও সিরিয়ার নেতৃত্বাধীন জোট এবং ইসরায়েলের মধ্যে ১৯৭৩ সালের ৬ থেকে ২৫ অক্টোবরের মধ্যে সংঘটিত হয়।
- মিশরীয় ও সিরিয়ান সেনারা যুদ্ধবিরতি রেখা ভেদ করে যথাক্রমে সিনাই উপদ্বীপ ও গোলান মালভূমিতে ঢুকে পড়ে।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন উভয়ে তাদের নিজ নিজ মিত্রদের এসময়ে সহায়তা করে।
- ফলে দুইটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয়।
- এসময় মুসলিম পবিত্র মাস রমজান ছিল।
- এই যুদ্ধ অক্টোবর যুদ্ধ ও রমজান যুদ্ধ নামেও পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- মোট ৪টি আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ১ম আরব-ইসরাইল যুদ্ধ ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল এবং আরব রাষ্ট্রসমূহ ও ফিলিস্তিনি আরব বাহিনীর গুলোর সম্মিলিত সামরিক বাহিনী মধ্যে সংঘটিত হয়। এটি আরবিতে নাকবা (বিপর্যয়) ও হিব্রুতে মিলখেমেত হাতজমাউত (স্বাধীনতা যুদ্ধ) বলে পরিচিত।
- ২য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৫৬ সালে।
- ৩য় আরব ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৬৭ সালে। ১৯৬৭ সালে ইসরাইল পূর্ব জেরুজালেম দখল করেছিল। এই যুদ্ধের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ৬ দিন।

উৎস: Worldatlas.com.
১,৪৩৭.
তিউনিসিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) কত তারিখে অভিবাসনসংক্রান্ত চুক্তি করেছে?
  1. ১৭ মে, ২০২৩
  2. ১৭ জুন, ২০২৩
  3. ১৭ জুলাই, ২০২৩
  4. ১৭ আগস্ট, ২০২৩
ব্যাখ্যা
অভিবাসন মোকাবিলায় চুক্তি:
- ১৭ জুলাই, ২০২৩ তারিখে অভিবাসনসংক্রান্ত একটি চুক্তি করেছে তিউনিসিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।
- উভয় পক্ষ অভিবাসন বিষয়ে কৌশলগত ও ব্যাপক অংশীদারত্বের জন্য একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে।
- সমঝোতা স্মারকের উদ্দেশ্য অবৈধ অভিবাসন মোকাবিলা করা। পাশাপাশি তিউনিসিয়া ও ইইউর মধ্যে অর্থনৈতিকক সম্পর্ক বাড়ানো।
- ইউরোপমুখী শরণার্থী ও অভিবাসনপ্রত্যাশীদের একটি বড় রুট তিউনিসিয়া।
- সাম্প্রতিক সময়ে তিউনিসিয়া দিয়ে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টাকারী শরণার্থী ও অভিবাসনপ্রত্যাশীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

উৎস: ১৭ জুলাই, ২০২৩, প্রথম আলো।
১,৪৩৮.
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (Anti-Personnel Landmines Convention) অন্য কী নামে পরিচিত?
  1. জেনেভা চুক্তি
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. অটোয়া চুক্তি
  4. হেগ চুক্তি
ব্যাখ্যা

স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (Anti-Personnel Landmines Convention):
- এর আরেক নাম অটোয়া চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ, ১৯৯৯ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৬৪টি।
⇒ এর উদ্দেশ্য হলো Anti-Personnel Landmines বা স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধ।

⇒ বাংলাদেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করে: ৭ মে, ১৯৯৮ সালে।
- চুক্তি অনুমোদন করে: ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে।

অন্যদিকে,
- জেনেভা কনভেনশন চারটি চুক্তি ও তিনটি বাড়তি প্রটোকল নিয়ে গঠিত, যা যুদ্ধে মানবিক আচরণ নিশ্চিত করার জন্য প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- প্যারিস চুক্তি হলো-  ২০১৫ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে ৩০ নভেম্বর থেকে ১২ই ডিসেম্বর পর্যন্ত জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন, কপ- ২১।
- হেগ কনভেনশন, ১৮৯৯ এবং ১৯০৭ সালে নেদারল্যান্ডসের হেগে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সম্মেলন থেকে জারি করা আন্তর্জাতিক চুক্তির একটি সিরিজ।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।

১,৪৩৯.
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি অনুমোদন হয়েছিল কত সালে?
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০১৯ সালে
ব্যাখ্যা

পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি :
-  এই চুক্তির অপর নাম Nuclear Weapon Ban Treaty।
- পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করা হয় ০৭ জুলাই, ২০১৭। 
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০ সেপ্টেম্বর , ২০১৭।
- জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রথম পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে এই চুক্তি ২০১৭ সালে অনুমোদন করেছিল ১২২টি দেশ।
- কিন্তু এটি আইন হিসাবে কার্যকর করতে অন্তত ৫০টি দেশের চূড়ান্ত অনুমোদনের প্রয়োজন ছিল।
- ICAN পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে কাজ করছে (২০১৭ সালে শান্তিতে নোবেল পেয়েছে)।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও বিবিসি নিউজ।

১,৪৪০.
যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে আধুনিক আক্রমণাত্মক সাবমেরিন সিরিজ কোনটি? [আগস্ট,২০২৫]
  1. লস এঞ্জেলেস ক্লাস
  2. ভার্জিনিয়া ক্লাস
  3. সিওউল্ফ ক্লাস
  4. ওহাইও ক্লাস
ব্যাখ্যা
আধুনিক আক্রমণাত্মক সাবমেরিন:
- যুক্তরাষ্ট্র তিন ধরনের ফাস্ট অ্যাটাক সাবমেরিন পরিচালনা করে-
- ভার্জিনিয়া-ক্লাস, সিওউল্ফ-ক্লাস ও লস অ্যাঞ্জেলেস-ক্লাস (৬৮৮ ক্লাস নামেও পরিচিত)।
- ভার্জিনিয়া-ক্লাস সাবমেরিন সমুদ্রের নিচে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সর্বাধুনিক যুদ্ধ প্ল্যাটফর্ম।
- এতে রয়েছে বিশেষ অভিযানের জন্য আলাদা সুবিধা ও ডুবুরিদের জন্য লক-ইন/লক-আউট চেম্বার।
- যুক্তরাষ্ট্রে ২৪টি ভার্জিনিয়া-ক্লাস এসএসএন ২৪টি সক্রিয় রয়েছে।
- যার মধ্যে আছে ইউএসএস হাওয়াই, ইউএসএস নর্থ ক্যারোলাইনা, ইউএসএস মিসৌরি ইত্যাদি।

উৎস: প্রথম আলো।[লিঙ্ক]
১,৪৪১.
WMD-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Weapons of Mass Destruction
  2. Water Management Department
  3. Worldwide More Destruction
  4. Worldwide Mass Deforestation
ব্যাখ্যা
WMD:
- WMD-এর পূর্ণরূপ: Weapons of Mass Destruction.
- WMD বা গণবিধ্বংসী অস্ত্র।
- ২০০৩ সালে WMD আছে এমন আশঙ্কায় মার্কিন জোট ইরাকে আক্রমণ করেছিল।
- বোমারু বিমানের ব্যাপক ধ্বংসের ক্ষমতা বর্ণনা করতে ১৯৩৭ সালে এই শব্দের প্রথম ব্যবহার করা হয়।

⇒ Weapons of mass destruction অন্তর্ভুক্ত অস্ত্রগুলো হলো:
- Nuclear Weapon,
- Chemical Weapon,
০ Biological weapon.

উৎস: Britannica.
১,৪৪২.
আলজিয়ার্স চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা

আলজিয়ার্স চুক্তি:
- শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জুন, ১৯৭৫ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ইরাক-ইরান।
- মধ্যস্থতাকারী: আলজেরিয়া।
- স্বাক্ষরের স্থান: আলজিয়ার্স, আলজেরিয়া।
- স্বাক্ষরকারী: ইরানের পক্ষে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী এবং ইরাকের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন।
- চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে ১৯৮০ সালে চুক্তিটি অকার্যকর হয়।

উল্লেখ্য,
• ইরান-ইরাক যুদ্ধ:
- ইরাক-ইরান যুদ্ধ শুরু হয়: ১৯৮০ সালে।
- যুদ্ধ সংঘটনকাল: ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৮০ - ২০ আগস্ট, ১৯৮৮ সাল।
- ফলাফল: জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি।

উৎস: Britannica.

১,৪৪৩.
হেলসিংকি বিধি (Helsinki Rules) কী সম্পর্কিত?
  1. আন্তর্জাতিক নদী আইন
  2. আন্তর্জাতিক সড়ক আইন
  3. আন্তর্জাতিক পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ আইন
  4. আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন
ব্যাখ্যা

হেলসিংকি বিধি (The Helsinki Rules on the Uses of Water of International Rivers): 
- হেলসিংকি বিধি (Helsinki Rules) ১৯৬৬ সালে আন্তর্জাতিক আইন সংস্থা (International Law Association – ILA) কর্তৃক প্রণীত হয় ।
- এই বিধিগুলো মূলত আন্তর্জাতিক নদী বা আন্তঃসীমান্ত নদীর পানির ন্যায্য ও যুক্তিসংগত ব্যবহার (equitable and reasonable utilization) সংক্রান্ত নীতিমালা নির্ধারণ করে।

উল্লেখ্য,
- হেলসিঙ্কি চুক্তি (১ আগস্ট, ১৯৭৫) ফিনল্যান্ডের হেলসিঙ্কিতে ইউরোপে নিরাপত্তা ও সহযোগিতা সংক্রান্ত প্রথম সম্মেলন (CSCE; বর্তমানে ইউরোপে নিরাপত্তা ও সহযোগিতা সংস্থা নামে পরিচিত) এর সমাপ্তিতে স্বাক্ষরিত একটি প্রধান কূটনৈতিক চুক্তি ।

উৎস: IWRM ACTION HUB ওয়েবসাইট।

১,৪৪৪.
ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিলো কতটি?
  1. ক) ১০টি
  2. খ) ১২টি
  3. গ) ১৫টি
  4. ঘ) ২২টি
ব্যাখ্যা
১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ১২টি দেশের সমন্বয়ে North Atlantic Treaty Organizations (NATO) সামরিক জোট গঠিত হয়।

শুরুতে ন্যাটো জোটের সদরদপ্তর ছিলো লন্ডনে। সেখান থেকে ১৯৫২ সালে প্যারিসে এবং ১৯৬৭ সালে ব্রাসেলসে স্তানান্তর করা হয়। ন্যাটোর বর্তমান মহাসচিব নরওয়ের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেনস স্টলেনবার্গ।

ন্যাটোর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩০টি।
এগুলো হলো:
- যুক্তরাষ্ট্র (প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য)
- যুক্তরাজ্য (প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য)
- কানাডা (প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য)
- বেলজিয়াম (প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য)
- ফ্রান্স (প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য)
- ইতালি (প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য)
- ডেনমার্ক (প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য)
- আইসল্যান্ড (প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য)
- লুক্সেমবার্গ (প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য)
- নরওয়ে (প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য)
- নেদারল্যান্ড (প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য)
- পর্তুগাল (প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য)
- গ্রিস
- তুরস্ক (মুসলিম দেশ)
- জার্মানি
- স্পেন
- চেক প্রজাতন্ত্র
- হাঙ্গেরি
- পোল্যান্ড
- বুলগেরিয়া
- এস্তোনিয়া (সাবেক সোভিয়েত রাষ্ট্র)
- লাটভিয়া (সাবেক সোভিয়েত রাষ্ট্র)
- লিথুয়ানিয়া (সাবেক সোভিয়েত রাষ্ট্র)
- রোমানিয়া
- স্লোভাকিয়া
- স্লোভেনিয়া
- আলবেনিয়া (মুসলিম দেশ)
- ক্রোয়েশিয়া
- মন্টিনিগ্রো
- উত্তর মেসিডোনিয়া (সর্বশেষ সদস্য)।
(তথ্যসূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট)
১,৪৪৫.
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান উদ্যোক্তা কে ছিলেন?
  1. হেলমুট কোল
  2. অ্যাঞ্জেলা মার্কেল
  3. হোর্স্ট টেল্টশিক
  4. কেউই নয়
ব্যাখ্যা
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন:
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন (Munich Security Conference - MSC) হলো একটি বার্ষিক আন্তর্জাতিক সম্মেলন যা মূলত নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে আয়োজন করা হয়।
- ১৯৬৩ সালে সর্বপ্রথম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী নিরাপত্তা সম্মেলন হিসেবে বিবেচিত।
- এর লক্ষ্য হলো বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা করা এবং সমাধান খোঁজা।
- এটি প্রতি বছর ফেব্রুয়ারিতে জার্মানির মিউনিখে অনুষ্ঠিত হয়।
- বিশ্বের বিভিন্ন শক্তিশালী দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, কূটনীতিক এবং নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা এই সম্মেলনে অংশ নেন।

উল্লেখ্য,
⇒ মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান দুই উদ্যোক্তা ছিলেন এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক। 
- প্রথম এক দশক এই সম্মেলনে শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো জোটভুক্ত দেশগুলোই অংশ নিত।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক এই সম্মেলনকে বিশ্বজনীন রূপ দেওয়ার প্রয়াসে নতুন রূপরেখা তৈরি করেন।
- তারপর থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়কেরা মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে অংশ নিয়ে পারস্পরিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক ও সমস্যা নিয়ে আলোচনা করছেন।

⇒ ২০২৫ মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন:
- ২০২৫ সালে ৬১তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

উৎস: Munich Security Conference ওয়েবসাইট।
১,৪৪৬.
সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর নির্বাহী কাউন্সিলের প্রধান কে? (২০২৪)
  1. হাসান নাসরুল্লাহ
  2. হাশেম সাফিউদ্দিন
  3. নাইম কাসেম
  4. আব্বাস আল-মুসাবি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

হিজবুল্লাহর নির্বাহী কাউন্সিলের প্রধান

- ইসরায়েলের বিমান হামলায় হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরুল্লাহ নিহত হওয়ার পর ধারণা করা হচ্ছে, হিজবুল্লাহর দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত হাশেম সাফিউদ্দিন।
- সাফিউদ্দিন হিজবুল্লাহর নির্বাহী কাউন্সিলের প্রধান।
- গোষ্ঠীটির রাজনৈতিক বিষয় দেখভাল করা তাঁর দায়িত্ব।
- তিনি গোষ্ঠীটির জিহাদ কাউন্সিলেরও সদস্য। নিজেদের সামরিক অভিযানের ব্যবস্থাপনা করাই এই কাউন্সিলের কাজ।
- ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্র এবং সৌদি আরব সাফিউদ্দিনকে সন্ত্রাসী ঘোষণা করে।
- তিনি নিজেকে মহানবী হযরত মোহাম্মদের (সা.)-এর খুব কাছের বংশধর হিসেবেও দাবি করেন।

সূত্র- রয়টার্স।  
১,৪৪৭.
'Molotov-Ribbentrop' Pact was signed between which two countries?
  1. Soviet Union and France
  2. Soviet Union and Nazi Germany
  3. France and Nazi Germany
  4. Soviet Union and USA
  5. USA and Nazi Germany
ব্যাখ্যা
'মোলোটভ-রিবেনট্রপ' চুক্তি জার্মানি এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

'মোলোটভ-রিবেনট্রপ' চুক্তি:
- মোলোটভ-রিবেনট্রপ চুক্তিটি ছিল নাৎসি জার্মানি এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে একটি অ-আগ্রাসন চুক্তি।
- স্বাক্ষরকারী: জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোয়াকিম ভন রিবেনট্রপ ও সোভিয়েত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভ্যাচেস্লাভ মোলোটভ।
- এই চুক্তি দুইটি শক্তিকে তাদের মধ্যে পোল্যান্ডকে বিভক্ত করতে সক্ষম করেছিল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৩ আগস্ট ১৯৩৯।

উল্লেখ্য,
- এ চুক্তিতে নির্ধারণ করা হয় রাশিয়া কিংবা জার্মানি কেউ কারো ওপর আক্রমণ করবে না।
- এই চুক্তির ফলে জার্মানিকে নিরপেক্ষ রেখে স্টালিন রাশিয়াকে সামরিকভাবে শক্তিশালী করার সুযোগ পেয়েছিল।
- অন্যদিকে জার্মানি ইঙ্গ-ফরাসি জোট থেকে রাশিয়াকে বিচ্ছিন্ন রাখতে সমর্থ হন।
- এই চুক্তি মাত্র ২২ মাস স্থায়ী হয়।
- ১৯৪১ সালের ২২শে জুন জার্মানি এই চুক্তি ভঙ্গ করে রাশিয়া আক্রমণ করে।

উৎস: History Maps.
১,৪৪৮.
কোন চুক্তির মাধ্যমে পাক-ভারত যুদ্ধের অবসান হয়?
  1. ক) ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  2. খ) তাসখন্দ চুক্তি
  3. গ) ডেটন চুক্তি
  4. ঘ) মানবাধিকার চুক্তি
ব্যাখ্যা
তাসখন্দ চুক্তি-১৯৬৬:
- পাক-ভারত যুদ্ধ বন্ধ হয়েছে তাসখন্দ চুক্তির মাধ্যমে।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়-১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬ সালে।
- পক্ষসমূহ- ভারত- পাকিস্তান।
- স্বাক্ষরকারী- ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এবং পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান।
- মধ্যস্থতাকারী- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন এর প্রধানমন্ত্রী নিকলাই কোসিগিন।
- উদ্দেশ্য- কাশ্মীর প্রশ্নে ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধের অবসান এবং শান্তি স্থাপন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা

১,৪৪৯.
কোন দেশের মধ্যে 'স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ' নিয়ে বিরোধ রয়েছে?
  1. চীন ও ফিলিপাইন
  2. চীন ও রাশিয়া
  3. জাপান ও রাশিয়া
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ:
- স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন, তাইওয়ান, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন ও মালয়েশিয়ার মধ্যে বিরোধ বিদ্যমান।
- প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জটি চীন, তাইওয়ান ও ভিয়েতনামের মধ্যে বিরোধপূর্ণ।
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে শাখালিন ও কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে বিরোধপূর্ণ।

সূত্র - ব্রিটানিকা ও বিবিসি বাংলা।
১,৪৫০.
'জইশ-ই-মোহাম্মদ' কোন দেশের সন্ত্রাসী সংগঠন?
  1. পাকিস্তান
  2. আফগানিস্তান
  3. তুরস্ক
  4. ইরান
ব্যাখ্যা
জইশ-ই-মোহাম্মদ:
- জইশ-ই-মোহাম্মদ পাকিস্তানভিত্তিক একটি সুন্নি চরমপন্থী সন্ত্রাসী সংগঠন।
- এটি 'মোহাম্মদের সেনাবাহিনী' হিসেবেও পরিচিত।
- এটি মূলত ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরকে পাকিস্তানের সঙ্গে একীভূত করার লক্ষ্যে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
- সংগঠনটি ২০০০ সালে হরকত-উল-মুজাহিদিন থেকে আলাদা হয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা: মাওলানা মাসুদ আজহার।
- জইশ-ই-মোহাম্মদের প্রধান লক্ষ্য সমগ্র কাশ্মীরকে ভারতীয় প্রশাসন থেকে মুক্ত করা এবং পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণে আনা।
- ২০১৯ সালের পুলওয়ামা হামলার জন্য জইশ-ই-মোহাম্মদ দায়ী।
- প্রধান কার্যালয়: বাহাওয়ালপুর। 

উল্লেখ্য,
- ২০০০ সালে কাশ্মীরে প্রথম আত্মঘাতী বোমা হামলা চালানো জেইএমকে পাকিস্তান, রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ভারত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জাতিসংঘ সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে।

উৎস: DW.
১,৪৫১.
কোন চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভিসামুক্ত চলাচল শুরু হয়?
  1. ক) ম্যাসট্রিচট চুক্তি
  2. খ) শেনজেন চুক্তি
  3. গ) বেলফাস্ট চুক্তি
  4. ঘ) অসলো চুক্তি
ব্যাখ্যা

- শেনজেন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৪ জুন ১৯৮৫ সালে।
- এই চুক্তির বিষয়বস্তু ছিল ইউরোপের বিভিন্ন দেশসমূহের ইউরোপীয় অঞ্চলে এক ভিসা বা ভিসামুক্ত চলাচল।
- এই চুক্তিটি লুক্সেমবার্গের শেনজেনে স্বাক্ষরিত হয়।
- ম্যাসট্রিচট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২ সালে এবং এটি কার্যকর হয় ১ লা নভেম্বর ১৯৯৩ সালে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশসমূহে একক মুদ্রা ইউরো চালু হয়।
- বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ১৯ টি দেশে ইউরো মুদ্রা চালু আছে।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

১,৪৫২.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা কোনটি?
  1. ক) FIA
  2. খ) FBI
  3. গ) FSB
  4. ঘ) CBI
ব্যাখ্যা
FBI (Federal Bureau of Investigation) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা
• এটি ১৯০৮ সালে গঠিত হয়। এর সদরদপ্তর ওয়াশিংটনে অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- FSB রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা।
- CBI ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা।
- FIA পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার নাম ।

উৎসঃ সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট।
১,৪৫৩.
আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি (SALT-1) স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ১৯৬৮ সালে
ব্যাখ্যা
Strategic Arms Limitation Talks-1 (SALT-1):

• স্বাক্ষরকাল: ২৬ মে, ১৯৭২ সাল। 
• পক্ষসমূহ: যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
• ১৮ জুন ১৯৭৯ সালে স্বাক্ষরিত হয় Strategic Arms Limitation Talk - 2 (SALT-2)।
• পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (Nuclear Non-Proliferation Treaty) স্বাক্ষরিত হয় ১ জুলাই ১৯৬৮ সালে। কার্যকর হয় ৫ই মার্চ ১৯৭০ সালে।
• Anti Ballistic Missile Treaty (ABM)- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৬ মে ১৯৭২ সালে।
• এই চুক্তির দুইটি পক্ষ ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।
• ১৩ জুন ২০০২ সালে যুক্তরাষ্ট্র এ চুক্তি থেকে নাম প্রত্যাহার করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৪৫৪.
ANZUS সামরিক জোট এর সদস্য রাষ্ট্র-
  1. অস্ট্রেলিয়া, নিউজল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র
  2. আরব-আমিরাত, নিউজল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র
  3. অস্ট্রেলিয়া, নরওয়ে, যুক্তরাষ্ট্র
  4. অস্ট্রেলিয়া, নিউজল্যান্ড, উরুগুয়ে
ব্যাখ্যা
ANZUS (Australia, New Zealand, United States Security Treaty)

• চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৫১ সালে।
• উদ্দেশ্য ছিল প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
• এটি একটি ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি।
• যদিও চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল হয়নি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে সামরিক সম্পর্ক বর্তমানে সক্রিয় নয়।

উৎস: Office of the Historian (.gov)
১,৪৫৫.
'ফার্ক' (FARC) হচ্ছে -
  1. কলম্বিয়ার একটি ধর্মীয় সংগঠন
  2. ফিনল্যান্ডের বিদ্রোহী সংগঠন
  3. কলম্বিয়ার একটি গেরিলা সংগঠন
  4. ভিয়েতনামের একটি বিদ্রোহী সংগঠন
ব্যাখ্যা
- 'ফার্ক' (FARC) হচ্ছে কলম্বিয়ার একটি গেরিলা সংগঠন। 

• ফার্ক (FARC):

- ফার্ক বা Revolutionary Armed Forces of Colombia হচ্ছে ল্যাটিন আমেরিকার একটি পুরনো গেরিলা সংগঠন।
- এটি ১৯৬৪ সালের পর থেকে কলম্বিয়ায় সশস্ত্র সংগ্রাম পরিচালনা করে আসছে।
- ফার্ক মূলত মার্কসবাদী আদর্শে বিশ্বাসী এবং তাদের লক্ষ্য কৃষকদের সংগঠিত করে বিপ্লব ত্বরান্বিত করা।
- এদের একটি প্রশিক্ষিত সেনাবাহিনী রয়েছে এবং গুপ্তহত্যা ও মুক্তিপণ আদায়ের সাথেও তারা জড়িত ছিল।

এছাড়াও, 
- কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস ২০১৬ সালের ২৫ আগস্ট ফার্ক গেরিলাদের সাথে একটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করেন, যার মাধ্যমে ফার্ক সদস্যরা অস্ত্র ছেড়ে মূল ধারায় ফিরে আসবেন। দীর্ঘ ৪ বছর ধরে আলোচনার পর এই শান্তি চুক্তি সম্পন্ন হয় এবং কলম্বিয়ার পার্লামেন্ট ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর এটি অনুমোদন করে। ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে ফার্ক গেরিলাদের একটি শান্তি এলাকায় রাখা হয়, যেখানে তাদের পুনর্বাসন করা হয়।

উৎস: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
১,৪৫৬.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় কবে?
  1. ১৯৩৯ সালে
  2. ১৯৪৫ সালে
  3. ১৮৩৯ সালে
  4. ১৮৪৩ সালে
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিলো জার্মানি, জাপান ও ইতালি।
- মিত্রশক্তিতে ছিলো ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল মানব ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক সংঘাত; এর ফলে ৭০ থেকে ৮৫ মিলিয়ন প্রাণহানি ঘটে, যাদের অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক।

সূত্র: Britannica & History.com 
১,৪৫৭.
ম্যাগনা কার্টা কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১২১৫ সালে
  2. ১২১৪ সালে
  3. ১৮১৫ সালে
  4. ১২১২ সালে
ব্যাখ্যা

ম্যাগনা কার্টা:

⇒ ম্যাগনা কার্টা হল একটি মৌলিক দলিল যা ইংরেজ জনগণের জন্য নিশ্চিত স্বাধীনতার কথা বলে। এটি এমন অধিকার ঘোষণা করে যা ইংরেজি আইনের অংশ হয়ে উঠেছে এবং এখন প্রতিটি ইংরেজিভাষী দেশের সংবিধানের ভিত্তি।

⇒ ম্যাগনা কার্টা, যার ল্যাটিন ভাষায় অর্থ "মহান সনদ", রাজার ক্ষমতা সীমিত করার জন্য ইংরেজ ব্যারন (সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি) এবং গির্জার নেতারা তৈরি করেছিলেন। ১২১৫ সালে তারা অত্যাচারী রাজা জনকে এই সনদে সম্মত হতে বাধ্য করেছিলেন।

⇒ ম্যাগনা কার্টায় বলা হয়েছিল যে রাজাকে আইন মেনে চলতে হবে এবং কেবল নিজের ইচ্ছামতো শাসন করতে পারবেন না। এটি ছিল প্রথম নথিগুলির মধ্যে একটি যেখানে বলা হয়েছিল যে নাগরিকদের এই ধরনের অধিকার রয়েছে। আজ অনেকেই ম্যাগনা কার্টাকে ইউরোপের প্রথম লিখিত সংবিধান বলে মনে করেন।

⇒ রাজা জনের নিষ্ঠুরতা এবং লোভ শক্তিশালী সামন্ত সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিবর্গ, গির্জার নেতা এবং জনগণকে তার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করে। তিনি কর হিসেবে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করেন। রাজা যখন ফ্রান্সে এক ভয়াবহ যুদ্ধ চালাচ্ছিলেন, তখন ইংল্যান্ডের নেতৃস্থানীয় ব্যারনরা গোপনে মিলিত হন এবং তাকে তার প্রজাদের অধিকারের প্রতি সম্মান জানাতে বাধ্য করার শপথ নেন। জন ফিরে আসার পর, তারা তাকে একাধিক দাবি পেশ করেন।

⇒ জন দাবির কাছে নতি স্বীকার না করার জন্য সমর্থন সংগ্রহ করার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু তার প্রায় সকল অনুসারী তাকে ছেড়ে চলে যান। ব্যারন এবং বিশপদের প্রতিরোধ করতে এতটাই দুর্বল যে, অবশেষে তিনি টেমস নদীর দক্ষিণ তীরে, রানিমিড নামক একটি তৃণভূমিতে তাদের সাথে দেখা করেন। রাজা জন ১৫ জুন, ১২১৫ তারিখে ম্যাগনা কার্টায় তার সীলমোহর স্থাপন করেন।

⇒ এই দলিলটিতে ৬৩টি ধারা ছিল। যদিও এর বেশিরভাগ অংশই সামন্ততান্ত্রিক অধিকার এবং কর্তব্য নিয়ে আলোচনা করে, তবুও এতে গির্জা, বণিক এবং নগরবাসীর অধিকার রক্ষার বিধানও রয়েছে।

উৎস: বিট্রানিকা।

১,৪৫৮.
কোন দেশের সাথে ইতালি, স্পেন এবং বেলজিয়ামের সীমানা রয়েছে?
  1. ফ্রান্স
  2. জর্জিয়া
  3. বেলারুশ
  4. ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
ফ্রান্স:
• ফ্রান্সের মোট সীমানা ২৪৬৪ মাইল।
• ফ্রান্সের সাথে ইউরোপের আটটি দেশের সীমানা রয়েছে:
- জার্মানি,
- সুইজারল্যান্ড,
- লুক্সেমবার্গ,
- ইতালি,
- স্পেন,
- বেলজিয়াম,
- অ্যান্ডোরা এবং মোনাকো,

অন্যদিকে,
• স্পেনের সাথে ৪০১ মাইল সীমানা রয়েছে, যা ফ্রান্সের ইউরোপীয় প্রতিবেশী দেশের মধ্যে দীর্ঘতম।
• ফ্রান্স দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলির সাথেও সীমানাযুক্ত (দেশের বিদেশী অঞ্চল ফ্রেঞ্চ গায়ানার মাধ্যমে)।
• ফ্রান্সের সীমানার সাথে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ:
- ব্রাজিল
- সুরিনাম।

উৎস: World Atlas. [Link]
১,৪৫৯.
মোট কয়টি দেশের সমন্বয়ে Warsaw Pact গঠিত হয়েছিল? 
  1. ৬টি 
  2. ৭টি 
  3. ৮টি 
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা

ওয়ারশ চুক্তি (Warsaw Pact):
- Warsaw Pact-এর পূর্ণরূপ: Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance.
- এটি একটি প্রতিরক্ষা ও সহোযোগিতা চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ মে, ১৯৫৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- সদস্য সংখ্যা ছিলো: ৮টি (সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভাকিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া। 
- উদ্দেশ্য: পশ্চিমা দেশের (বিশেষত ন্যাটো) বিরুদ্ধে সামরিক সুরক্ষা এবং পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধি।
- এটি ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে একটি সামরিক জোট, যা পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত প্রভাব শক্তিশালী করতে সাহায্য করেছিল।

উল্লেখ্য,
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত।
- মূলত ন্যাটো জোটের বিপরীত জোট হিসেবে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো ১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ প্যাক্ট নামে সামরিক জোট গঠন করে।
- যদিও আলবেনিয়া ১৯৬৮ সালে এই জোট থেকে সড়ে আসে।

⇒ পূর্ব ইউরোপের রাষ্ট্র পোল্যান্ডের বৃহত্তম শহর ও রাজধানী ওয়ারশ এর নাম অনুসারে চুক্তিটির নামকরণ করা হয়।
- ১৯৯১ সালের ডিসেম্বরে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তির পরপরই ওয়ারশ চুক্তি ভেঙে যায়।
- ১৯৯১ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ চুক্তির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। 
- চেকোস্লোভাক রাষ্ট্রপতি ভ্যাক্লাভ হ্যাভেল ১৯৯১ সালের ১লা জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে এর সমাপ্তি ঘোষণা করেন। 

উৎস: i) NATO ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.

১,৪৬০.
ম্যাসট্রিক্ট চুক্তি কার্যকর হয় কবে?
  1. ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২
  2. ১ জানুয়ারি ১৯৯৩
  3. ১ অক্টোবর ১৯৯৩
  4. ১ নভেম্বর ১৯৯৩
ব্যাখ্যা
- ১৯৯২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডসের ম্যাসট্রিক্ট শহরে ইউরোপের ১২টি দেশ ম্যাসট্রিক্ট চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। চুক্তিটি ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হয়।
- ম্যাসট্রিক্ট চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপিয়ান কমিউনিটির স্থলে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন গঠিত হয়। যার কারণে চুক্তিটি ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন চুক্তি নামে পরিচিত।
- ম্যাসট্রিক্ট চুক্তির ফলে ইউরো মুদ্রার চালুর পথ সুগম হয়।
(তথ্যসূত্র: ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ওয়েবসাইট)
১,৪৬১.
রাশিয়া সম্প্রতি কোন চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়?
  1. নিউ স্টার্ট চুক্তি
  2. উন্মুক্ত আকাশ চুক্তি
  3. প্যারিস জলবায়ু চুক্তি
  4. সল্ট-১ চুক্তি
ব্যাখ্যা
- রাশিয়া গত ৭ জুন ২০২১ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত আকাশ চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গত ২২ নভেম্বর ২০২০ চুক্তিটি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিলে রাশিয়াও একই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
- স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তীতে সময়ে ১৯৯২ সালের ২৪ মার্চ ন্যাটো ও ওয়ারশ প্যাক্টভুক্ত দেশসমূহ নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে উন্মুক্ত আকাশ চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ২০০২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে।
- ৩৫টি দেশ চুক্তিটিতে স্বাক্ষর এবং ৩৪টি দেশ চুক্তিটি অনুমোদন করেছে।
- চুক্তিটির অধীন দেশসমূহ পরস্পরকে নিজেদের ভূখণ্ডে নির্দিষ্ট সংখ্যক আনআর্মড পর্যবেক্ষণ ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ প্রদান করে থাকে। এতে করে দেশগুলোর একে অপরের সামরিক তৎপরতা ও কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণে সক্ষম হয়। এর মাধ্যমে দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস প্রতিষ্ঠা পাবে।
(তথ্যসূত্র: ডয়েচভেলে এবং এনটিআই ওয়েবসাইট)
১,৪৬২.
ভারত কত সালে প্রথম পারমানবিক বোমার সফল বিষ্ফোরণ ঘটায়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
• ভারত পারমাণবিক শক্তি:
- ভারতের প্রথম সফল পারমাণবিক বোমা পরীক্ষার সাংকেতিক নাম ছিল ‘স্মাইলিং বুদ্ধ’।
- এটি ১৯৭৪ সালের ১৮ মে রাজস্থানের পোখরান-এ অনুষ্ঠিত হয়।
- পরীক্ষার মাধ্যমে ভারত ১৯৭৪ সালে পারমাণবিক শক্তির অধিকারী হয়। 
- সে সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ইন্দিরা গান্ধী।

উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক বোমার জনক: রবার্ট ওপেন হেইমার ।

উৎস:ব্রিটিনিকা
১,৪৬৩.
ন্যাটোর আর্টিকেল-৫ কখন প্রথমবার ব্যবহার করা হয়?
  1. ৯/১১ হামলার পর
  2. ইউক্রেন যুদ্ধে
  3. ইরাক যুদ্ধে
  4. শীতল যুদ্ধে
ব্যাখ্যা

উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (NATO):
- ন্যাটো (NATO) বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- এটি সদস্য দেশগুলোর স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- প্রতিষ্ঠা: ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সাল।
- এটি উত্তর আটলান্টিক চুক্তি (ওয়াশিংটন চুক্তি নামেও পরিচিত) স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ৩২টি।
- ন্যাটো ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ জোট।
- ন্যাটো প্রথমবারের মতো অনুচ্ছেদ ৫ প্রয়োগ করে ২০০১ সালে , ওসামা বিন লাদেনের পরিচালিত ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পর ধ্বংস হয়ে যায় নিউ ইয়র্ক সিটির ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার এবং এর কিছু অংশ ওয়াশিংটন ডিসির বাইরে পেন্টাগনে , প্রায় ৩,০০০ মানুষ নিহত।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট এন্ড ব্রিটানিকা ।

১,৪৬৪.
হুতি কোন দেশের বিদ্রোহী গোষ্ঠী?
  1. ইয়েমেন
  2. লেবানন
  3. সিরিয়া
  4. ইরান
ব্যাখ্যা
হুতি বিদ্রোহী:
- এটি ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
- হুতিদের আনুষ্ঠানিক নাম আনসারুল্লাহ।
- স্থানীয়ভাবে তাদের হুতি বলে ডাকা হয়।
- তারা মূলত শিয়া মতবাদে বিশ্বাসী।
- ধারণা ও অনেক ক্ষেত্রে অভিযোগ করা হয়, হুতিদের সামরিক ও আর্থিক সহায়তা দেয় শিয়াপ্রধান দেশ ইরান।
- ২০১৪ সালের শুরুর দিকে ইয়েমেনের সাআদা রাজ্যের দখল নিয়ে সবার নজরে আসে হুতিরা।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
১,৪৬৫.
INTERPOL-এর 'রেড নোটিস' কী?
  1. সাইবার অপরাধ ডাটাবেস
  2. অর্থ পাচার সতর্কতা
  3. সন্ত্রাসী তালিকা
  4. আন্তর্জাতিক গ্রেফতারি অনুরোধ
ব্যাখ্যা
Interpol:
- Interpol-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- প্রতিষ্ঠাতা: জোহানেস স্কোবার (Dr Johannes Schober) [অস্ট্রিয়ার পুলিশ প্রধান]।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি (সর্বশেষ সদস্য: পালাউ)।
- বর্তমান সভাপতি: আহমেদ নাসের আল-রাইসি (Major General Ahmed Naser Al-Raisi) [২০২১-২০২৫]। 
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা (Valdecy Urquiza) [ব্রাজিল]।
- ইন্টারপোলের মূল লক্ষ্য হলো বিভিন্ন দেশের পুলিশ বাহিনীকে একত্রে কাজ করার সুযোগ করে দিয়ে বৈশ্বিক নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা করা।

⇒ পূর্ব নাম: International Criminal Police Commission.
- বর্তমান নাম International Criminal Police Organization গ্রহণ করে ১৯৫৬ সালে।

⇒ রেড নোটিস: আন্তর্জাতিক গ্রেফতারি অনুরোধ।
- বিশ্বব্যাপী পুলিশি সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য এটি তৈরি হয়েছে। ইন্টারপোলের নিজস্বভাবে কাউকে গ্রেপ্তার বা আটক করার ক্ষমতা নেই। তবে ইন্টারপোল একটি আন্তর্জাতিক নোটিস ব্যবস্থার সমন্বয় করে। এর মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর পুলিশ একে অন্যের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। এটি একটি সদস্য দেশ এজন্য করে থাকে যে সে চায় অন্য দেশগুলো তাকে একজন অপরাধীর অবস্থান খুঁজে পেতে এবং তাকে গ্রেপ্তার করতে সহায়তা করুক।

এছাড়াও,
- ইন্টারপোল একটি নিরাপদ বৈশ্বিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যোগাযোগ ও তথ্য আদান-প্রদান সহজ করে তোলে। এই নেটওয়ার্কের নাম ‘I-24/7’। এর মাধ্যমে সদস্য দেশগুলো যেকোনো সময়, কেন্দ্র বা দূরবর্তী স্থান থেকে ইন্টারপোলের ডাটাবেইজ ও অন্যান্য সম্পদে সরাসরি প্রবেশাধিকার পায়।

উৎস: Interpol ওয়েবসাইট।
১,৪৬৬.
'অপারেশন জাস্ট কজ' কোন দেশে পরিচালিত হয়েছিল?
  1. পানামা
  2. ভেনিজুয়েলা
  3. মেক্সিকো
  4. সোমালিয়া
ব্যাখ্যা

অপারেশন জাস্ট কজ:
- 'অপারেশন জাস্ট কজ' পরিচালিত হয়েছে পানামায়।

⇒ লাতিন আমেরিকার দেশ পানামার স্বৈরশাসক ম্যানুয়েল নরিয়েগাকে ধরতে ১৯৮৯ সালের ডিসেম্বরে ‘অপারেশন জাস্ট কজ’ পরিচালনা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। 
- যুক্তরাষ্ট্রের ২০০টির বেশি উড়োজাহাজ পানামা অভিযানে অংশ নিয়েছিল। সেগুলোর মধ্যে ৮০টি সি-১৪১, ২২ থেকে ২৫টি সি-১৩০, ১১টি সি-৫১ স্ট্র্যাটেজিক এয়ার কমান্ড ছিল। এ ছাড়া ১৬টি এফ-১৫ ও ৪টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের কি ইস্ট থেকে ক্যারিবীয় উপকূলে ইউকাটান উপদ্বীপ ও কিউবার মধ্যে যুদ্ধকালীন টহল দিয়েছিল।
- রাতের আকাশ ভেদ করে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা শুরু করে মার্কিন বাহিনী। পিডিএফের দুটি রাইফেল কোম্পানি ব্যারাকে দুটি ২০০০ পাউন্ড ওজনের বোমা ফেলা হয়। অ্যাপাচি হেলিকপ্টার থেকে নিখুঁত নিশানায় ‘হেলফায়ার’ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ছিল মার্কিনদের জীবন রক্ষা করা, পানামায় গণতন্ত্র রক্ষা করা, মাদক পাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করা এবং পানামা খাল চুক্তির অখণ্ডতা রক্ষা করা।
- বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, পানামায় মার্কিন সামরিক অভিযানে দেশটির ৫১৪ জন সেনা ও বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১৫০ থেকে ২০০ জন পিডিএফের সেনা, অন্যরা বেসামরিক নাগরিক।
- দুই সপ্তাহে সফলভাবে পানামায় জাস্ট কজ অভিযান শেষ করে যুক্তরাষ্ট্র। গ্রেপ্তারের পর যুক্তরাষ্ট্রের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সংস্থার কর্মকর্তারা নরিয়েগাকে মায়ামিতে উড়িয়ে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁকে বিচারের মুখোমুখি করা হয়।
- ১৯৯২ সালে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে ৪০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

উৎস: Britannica.

১,৪৬৭.
'ওসামা বিন লাদেন' কোন সংগঠনের নেতা ছিলেন?
  1. ক) আইএসআইএস
  2. খ) হামাস
  3. গ) আল কায়েদা
  4. ঘ) আবু সায়াফ
ব্যাখ্যা
আল কায়েদা (পাকিস্তান):
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৮৮ সাল, পেশোয়ার, পাকিস্তান।
- মূল প্রতিষ্ঠাতা: ওসামা বিন লাদেন।
- ধর্ম: সুন্নি ৷
- সোভিয়েত-আফগান যুদ্ধ চলাকালীন ১৯৮৮ সালে এই আন্তঃদেশীয় জিহাদি সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ওসামা বিন লাদেন, আবদুল্লাহ আযযাম ও আফগান যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী কয়েকজন আরব যোদ্ধার হাতে ১৯৮৮ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তবে প্রতিষ্ঠাকালীন সোভিয়েত বিরোধী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করায় এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ সোভিয়েত ইউনিয়ন বিরোধীদের ব্যাপক সহযোগিতা পায়।
- আফগান যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তি সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরোধী গ্রুপগুলিকে ব্যাপক সহায়তা করেছিল।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন হওয়ার পর আমেরিকা আগ্রাসী হয়ে উঠলে আল-কায়েদা মার্কিন আধিপত্য বিরোধী নেটওয়ার্কের রূপ পরিগ্রহ করে এবং বৈশ্বিক জিহাদি গোষ্ঠীতে পরিণত হয়।

উল্লেখ্য,
- ২ মে, ২০১১ সালে পাকিস্তানীর রাজধানী ইসলামাবাদের ১২০ কি.মি. উত্তরে অবস্থিত অ্যাবোটাবাদ শহরে মার্কিন কমান্ডো হামলায় ওসামা বিন লাদেন নিহত হন।

অন্যদিকে -
- আবু সায়াফের প্রতিষ্ঠাতা আব্দুরাজিক জানজালানি।
- আইএসআইএস এর প্রতিষ্ঠাতা আবু বকর আল বাগদাদী।
- হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শেখ ইয়াসিন।

উৎস: Britannica.
১,৪৬৮.
স্থলমাইন মজুদ, উৎপাদন, হস্তান্তর ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা কোন কনভেনশনের মাধ্যমে?
  1. বাসেল কনভেনশন
  2. ভিয়েনা কনভেনশন 
  3. অটোয়া কনভেনশন
  4. রামসার কনভেনশন
ব্যাখ্যা

 • অটোয়া কনভেনশন
- স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি, যেটা অটোয়া কনভেনশন নামে পরিচিত, সেই চুক্তি অনুযায়ী কোন দেশের স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন, ও হস্তান্তর নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
- কানাডার অটোয়ায় ১৯৯৭ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ।
- উদ্দেশ্য- স্থলমাইন মজুদ, উৎপাদন, হস্তান্তর ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা।
- স্বাক্ষর করেনি- চীন, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, ইরান, ইসরাইল।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে: ৭ মে, ১৯৯৮ সালে এবং অনুমোদন করে ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে।

উৎস: United Nations Office for Disarmament Affairs (UNODA).

১,৪৬৯.
এলটিটিই গেরিলারা কোন দেশের?
  1. ক) লেবানন
  2. খ) লাইবেরিয়া
  3. গ) মিয়ানামার
  4. ঘ) শ্রীলঙ্কা
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের গেরিলা সংগঠন:
- শ্রীলংকা : এলটিটিই
- 'গডস আর্মি' মিয়ানমারের একটি বিপ্লবী গ্রুপ বা গোষ্ঠী।
- কলম্বিয়া : ফার্ক
- পেরু : শাইনিং পাথ, টুপাক আমারু, এমআরটিএ।

(সূত্র: ডয়েচভেলে, বিবিসি ওয়ার্ল্ড এবং আল জাজিরা)
১,৪৭০.
কোন চুক্তিতে ইসরাইল ও পিএলও পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ক) তাসখন্দ চুক্তি
  2. খ) ডেটন চুক্তি
  3. গ) অসলো চুক্তি
  4. ঘ) আলজিয়ার্স চুক্তি
ব্যাখ্যা
১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটন ডিসিতে স্বাক্ষরিত ‘অসলো চুক্তি’র মাধ্যমে পিএলও এবং ইসরাইল পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্নিনটন এতে মধ্যস্থতা করেন।
অন্যদিকে,
- আলজিয়ার্স চুক্তি (১৩ জুন, ১৯৭৫) : শাত ইল আরব জলপথ নিয়ে ইরাক-ইরান সীমান্ত সমস্যা নিরসন
- ডেটন চুক্তি (১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫) : বসনিয়া সংকট নিরসন
- তাসখন্দ চুক্তি (১০ জানুয়ারী ১৯৬৬) : পাক-ভারত যুদ্ধ অবসানে স্বাক্ষরিত হয়।
(সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার)
১,৪৭১.
নিচের কোন দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার মাঝে বিরোধ রয়েছে?
  1. স্পিটসবার্গেন দ্বীপপুঞ্জ
  2. সোলমন দ্বীপপুঞ্জ
  3. শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ
  4. ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ
ব্যাখ্যা

ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ:
- এটি মালভিনাস দ্বীপপুঞ্জ নামেও পরিচিত।
- দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত দ্বীপপুঞ্জ যা যুক্তরাজ্যের অভ্যন্তরীণ স্বায়ত্তশাসিত বিদেশি অঞ্চল।
- এই দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা নিয়ে যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার মাঝে বিরোধ রয়েছে।
- ১৯৮২ সালের ২ এপ্রিল আর্জেন্টিনার সামরিক সরকার ফকল্যান্ড আক্রমণ করে।
- এরই প্রেক্ষিতে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের যুদ্ধ শুরু হয়।
- ১০ সপ্তাহ পর স্ট্যানলিতে ব্রিটিশ সৈন্যদের কাছে আর্জেন্টাইন বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে এই যুদ্ধ শেষ হয়।
- ব্রিটিশ সৈন্যরা জোরপূর্বক দ্বীপগুলো পুনরায় দখল করে নেয়।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।

১,৪৭২.
ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় হামাস ও ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয় কবে? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ১০ অক্টোবর, ২০২৫ 
  2. ১১ অক্টোবর, ২০২৫ 
  3. ১৩ অক্টোবর, ২০২৫ 
  4. ১৪ অক্টোবর, ২০২৫ 
ব্যাখ্যা

• হামাস ও ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতি: 
- গাজায় যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনায় অনুমোদন দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
- ট্রাম্পের পরিকল্পনার প্রথম ধাপে ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।
- তার কার্যালয় থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
- যুদ্ধবিরতি এবং হামাসের কাছে থাকা জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার পাশাপাশি এই চুক্তির আওতায় প্রথম ধাপে ইসরায়েলও শত শত ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দেবে।
- গাজার কিছু অংশ থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার শুরু এবং গাজায় প্রতিদিন ত্রাণ সামগ্রীবাহী ট্রাক প্রবেশ করতে দেওয়ারও কথা রয়েছে।
- গাজায় যুদ্ধবিরতির বিষয়ে নজর রাখতে বহুজাতিক সেনা মোতায়েন করা হবে বলে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
- তবে তারা গাজায় প্রবেশ করবে না।
- যুদ্ধবিরতি এবং অন্যান্য লঙ্ঘন হচ্ছে কি না সেই বিষয়ে নজর রাখবে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি। (Link1) (Link2)

১,৪৭৩.
GATT চুক্তির রাউন্ডগুলোর মধ্যে সর্বশেষ রাউন্ড কোনটি?
  1. জেনেভা রাউন্ড
  2. উরুগুয়ে রাউন্ড
  3. অ্যানেসি রাউন্ড
  4. টোকিও রাউন্ড
ব্যাখ্যা

GATT চুক্তির রাউন্ড:
- ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত GATT চুক্তির দুর্বলতা ও সমস্যা সমাধানের জন্য মোট ৮টি রাউন্ড সম্পন্ন হয়।
- সেগুলো হলো:
1. Geneva Round,
2. Annecy Round,
3. Torquay Round,
4. Geneva II Round,
5. Dillon Round,
6. Kennedy Round,
7. Tokyo Round,
8. Uruguay Round.

উরুগুয়ে রাউন্ড:
- GATT চুক্তির রাউন্ডগুলোর মধ্যে সর্বশেষ রাউন্ড উরুগুয়ে রাউন্ড।
- GATT চুক্তির রাউন্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ রাউন্ড হচ্ছে উরুগুয়ে রাউন্ড।
- এই রাউন্ড শুরু হয় ১৯৮৬ সালের সেপ্টেম্বরে।
- ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সালে উরুগুয়ে রাউন্ডের সমাপ্তির সময়ে GATT চুক্তি সংশোধনের মাধ্যমে।
- এই রাউন্ডের সংলাপ চলে দীর্ঘ ৮ বছর ধরে।
- এর ফলে নতুন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংগঠন গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- যার ফলে ১৯৯৫ সালে জন্ম হয় World Trade Organization (WTO)-এর।

তথ্যসূত্র - WTO ওয়েবসাইট।

১,৪৭৪.
পৃথিবীর প্রথম লিখিত সংবিধান কোনটি?
  1. ক) ম্যাগনাকার্টা
  2. খ) মদিনা সনদ
  3. গ) বিল অব রাইটস
  4. ঘ) জেনেভা কনভেনশন
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর প্রথম লিখিত সংবিধান হলো মদিনা সনদ।
মদিনা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বসবাসকারী ইহুদী, খ্রিস্টান, পৌত্তলিক ও ‍মুসলমানদের মধ্যে সম্প্রীতির জন্যে হযরত ‍মুহাম্মদ (স.) ৬২২ খ্রিস্টাব্দে ‘মদিনা সনদ’ রচনা করেন। এতে ৪৭টি ধারা ছিলো।
(সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস ১মপত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১,৪৭৫.
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. ক) শেখ আহমেদ ইয়াসিন
  2. খ) শেখ হাসান নাসরুল্লাহ
  3. গ) আল মুজাহিদিন
  4. ঘ) আহমেদ আবদি গোদানে
ব্যাখ্যা
হামাস:
- হামাস ফিলিস্তিনের একটি স্বাধীনতাকামী সংগঠন।
- শেখ আহমেদ ইয়াসিন ১৯৮৭ সালে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- হামাসের বর্তমান প্রধান হলেন ইসমাইল হানিয়া। তিনি ২০১৭ সাল থেকে হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ২০২১ সালে ইসমাইল হানিয়া দ্বিতীয়বারের মতো পুনঃনির্বাচিত হন।
- হামাস ২০০৬ সাল থেকে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণ করছে।
- হামাসের সামরিক শাখা হিসেবে ১৯৯১ সালে ইজ্জ আল দ্বীন আল কাসেম বিগ্রেড গঠিত হয়। এই বিগ্রেডের বর্তমান প্রধান হলেন মোহাম্মদ দায়েফ।
- গাজা উপত্যকায় হামাসের বর্তমান প্রধান হলেন ইয়াহিয়া সিনাওয়ার।
- হামাস ইরানের সমর্থনপুষ্ট হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও পশ্চিমা দেশগুলো হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিত্রিত করে আসছে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি এবং আল জাজিরা রিপোর্ট।
১,৪৭৬.
ন্যাটো ও ওয়ারশ প্যাক্ট-এর সঙ্গে কোন তথ্যটি অপ্রাসঙ্গিক?
  1. পূর্ব ইউরোপের দেশের সমন্বয়ে ওয়ারশ প্যাক্ট গঠিত
  2. পূর্ব ইউরোপের দেশের সমন্বয়ে ন্যাটো গঠিত
  3. ন্যাটোর বিপরীত জোট ওয়ারশ প্যাক্ট
  4. পশ্চিম ইউরোপের দেশের সমন্বয়ে ন্যাটো গঠিত
ব্যাখ্যা
ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact):
- Warsaw Pact বলতে বোঝায় Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance.
-  এটি একটি প্রতিরক্ষা ও সহোযোগিতা জোট।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত।
- মূলত সোভিয়েত ইউনিয়ন ন্যাটোর (NATO) বিকল্প সামরিক জোট হিসেবে ওয়ারশ চুক্তি জোট গঠন করে। 
- ১৪ মে, ১৯৫৫ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- পূর্ব ইউরোপের রাষ্ট্র পোল্যান্ডের বৃহত্তম শহর ও রাজধানী ওয়ারশ এর নাম অনুসারে চুক্তিটির নামকরণ করা হয়।
- ৩১ মার্চ, ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্তির সাথে সাথে Warsaw Pact বিলুপ্ত হয়।

অন্যদিকে -
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি একটি সামরিক সহযোগিতার জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
- ইউরোপের বাইরে প্রথম মিশন: আফগানিস্তান, ২০০৩।

উৎস: i) NATO ওয়েবসাইট।
         II) Britannica.
১,৪৭৭.
মানুষবিহীন বিমান বহনে সক্ষম রণতরী তৈরী করেছে কোন দেশ?
  1. ক) তুরস্ক
  2. খ) ইসরাইল
  3. গ) ইরান
  4. ঘ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা
ড্রোন বহনে সক্ষম রণতরী:

- প্রথমবারের মতো মানুষবিহীন বিমান বহনে সক্ষম রণতরী চালু করেছে তুরস্ক।
- প্রথমবারের মতো মানুষবিহীন বিমান বহনে সক্ষম রণতরীর নাম “টিসিজি আনাদোলু”।
- রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেই প্রথমবারের মতো বিমানবাহী রণতরীটি চালু করল দেশটি।
- নৌ অভিযানে ড্রোনের সক্ষমতা বাড়াতেই তুরস্কের এ উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন দেশটির কর্মকর্তারা।
- এটি ছোট রানওয়ে থেকে উড্ডয়নে সক্ষম হেলিকপ্টার ও যুদ্ধবিমান বহন করতে পারবে। রণতরীটির দৈর্ঘ্য ২৩২ মিটার এবং প্রস্থ ৩২ মিটার। এটি বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধযানসহ ১ হাজার ৪০০ সেনা বহন করতে পারবে।
- তুরস্কের প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘তুরস্কের তৈরি বায়রাখতার টিবি৩, কিজিলেলমা ড্রোন এবং লাইট অ্যাটাক এয়ারক্রাফট হুরজেত জাহাজটি থেকে উড্ডয়ন এবং অবতরণ করতে পারবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘তুরস্ক এ জাহাজের সাহায্যে সারা বিশ্বে সামরিক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে সক্ষম হবে।’ রণতরীটি সাঁজোয়া যানও বহনে সক্ষম বলে জানান তিনি।

তথ্যসূত্র - দৈনিক যুগান্তর, ১১ এপ্রিল ২০২৩।
১,৪৭৮.
নিচের কোনটি জি-৪ জোটের সদস্য নয়?
  1. ক) চীন
  2. খ) ভারত
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) ব্রাজিল 
ব্যাখ্যা
জি-৪ (G4)
- জি-৪ হচ্ছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের  পুর্নগঠনের পক্ষে থাকা দেশগুলোর জোট।
- জাপান, ভারত, জার্মানি ও ব্রাজিল এই জোটের সদস্য।
- সম্প্রতি ২০২২ সালের ২২ সেপ্টেম্বর সদস্য রাষ্ট্রসমূহের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

সূত্র: জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইট
১,৪৭৯.
"ডমিনো থিওরি" কোন দেশের কৌশলগত ধারণা ছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন
  3. জার্মানি
  4. সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
ডমিনো তত্ত্ব:
- স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্র যে কয়েকটি পররাষ্ট্র নীতি গ্রহন করেছিল, তার মধ্যে 'ডমিনো তত্ত্ব' অন্যতম।
- ডমিনো তত্ত্বে বলা হয়েছে, কোনো একটি রাষ্ট্রে যদি সমাজতন্ত্রীরা ক্ষমতাসীন হয়, তাহলে পাশের রাষ্ট্রটিও সমাজতন্ত্রীদের দখলে চলে যাবে।

⇒ সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান এই তত্ত্বের উদ্যোক্তা হলেও তার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার প্রথম দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রয়োগ করেন।
- ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার ১৯৫৪ সালের ৭ এপ্রিল এক সংবাদ সম্মেলনে ইন্দোচিনে কমিউনিজমের কথা উল্লেখ করার সময় তত্ত্বটি বর্ণনা করেছিলেন।

উৎস: History.com
১,৪৮০.
NATO এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য সংখ্যা কত ছিল?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৫টি
ব্যাখ্যা

- ১৯৪৯ সালে NATO ১২টি দেশ নিয়ে যাত্রা শুরু করে।   

​ন্যাটো:
- NATO-এর পূর্ণরূপ হলো North Atlantic Treaty Organization,
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতির ভিত্তিতে এই সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত। বর্তমানে এর মহাপরিচালক Mark Rutte. [আগস্ট - ২০২৫]

উল্লেখ্য,
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ছিল ১২টি দেশ।
- পরবর্তীতে আরও দেশ যোগ দেওয়ার মাধ্যমে এর সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ হলো তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য হিসেবে যোগ দেয়।
- বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ৩২টি।[আগস্ট - ২০২৫]

সূত্র - ন্যাটো ওয়েবসাইট।

১,৪৮১.
ভারতের কাশ্মীর রাজ্যের স্বাধীনতাকামী গেরিলা সংগঠন কোনটি?
  1. ক) MILF
  2. খ) ISIL
  3. গ) UNITA
  4. ঘ) JKLF
ব্যাখ্যা
JKLF (Jammu-Kashmir Liberation Front) হলো ভারতের কাশ্মীর রাজ্যের স্বাধীনতাকামী গেরিলা সংগঠন। আমানুল্লাহ খান এবং মকবুল ভাট ১৯৭৭ সালে ব্রিটেনের বার্মিংহামে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
১৯৯৫ সালে ইয়াছিন মালিক আমানুল্লাহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে একই নামে আরেকটি শাখা খোলে। আমানুল্লাহ'র মৃত্যুর পর তার শাখাটি নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। অন্যদিকে ২০১৯ সালে ভারত সরকার ইয়াছিন মালিককে গ্রেফতার ও জেকেএলএফ কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। কাশ্মীর উপত্যকায় জেকেএলএফই সবচেয়ে বৃহৎ স্বাধীনতাকামী সশ্বস্ত্র সংগঠন।
(সূত্রঃ সাউথ এশিয়া টেরোরিজম পোর্টাল)
১,৪৮২.
কোন ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্র বাগরাম বিমানঘাঁটি দখল নেয়?
  1. ইরাক যুদ্ধ
  2. ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলা
  3. আফগান–সোভিয়েত যুদ্ধ
  4. আরব বসন্ত
ব্যাখ্যা

বাগরাম বিমানঘাঁটি:
- বাগরাম বিমানঘাঁটির অবস্থান আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার উত্তরে। আফগানিস্তানের পারওয়ান প্রদেশে বাগরাম বিমানঘাঁটি অবস্থিত।
- গত শতকের পঞ্চাশের দশকে বাগরাম ঘাঁটি প্রথম নির্মাণ করে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- আশির দশকে আফগান যুদ্ধের সময় আফগানিস্তানে সোভিয়েত সেনাদের প্রধান ঘাঁটি ছিল বাগরাম।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা হয়। এই হামলার পর সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে নামে যুক্তরাষ্ট্র। এই যুদ্ধের অংশ হিসেবে তারা আফগানিস্তানে সামরিক অভিযান শুরু করে। মার্কিন অভিযানে তালেবানের পতনের পর বাগরাম চলে যায় যুক্তরাষ্ট্রের দখলে। মার্কিন বাহিনী ঘাঁটিটি নতুন করে গড়ে তোলে। বাগরামকে এক সুবিশাল সামরিক কমপ্লেক্সে রূপ দেয় যুক্তরাষ্ট্র।
- ২০২১ সালে আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার করে যুক্তরাষ্ট্র। এ সময় তালেবান যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত কাবুল সরকারকে উৎখাত করে এবং মার্কিন ঘাঁটিগুলো দখলে নেয়। 
- তালেবানের ত্বরিত অগ্রযাত্রার মুখে ২০২১ সালের ১৫ আগস্ট তড়িঘড়ি করে আফগানিস্তান ছাড়তে বাধ্য হয় মার্কিন বাহিনী। তখন থেকে বাগরাম ঘাঁটি আফগানিস্তানের ক্ষমতাসীন তালেবান সরকারের নিয়ন্ত্রণে।
- বাগরামে একটি কারাগারও স্থাপন করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। কারাগারটি আফগানিস্তানের ‘গুয়ানতানামো বে’ নামে কুখ্যাতি পেয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- কৌশলগত অবস্থান ও মূল্যবান খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ দেশ হওয়ার কারণে সম্প্রতি (অক্টোবর, ২০২৫) আফগানিস্তানের বাগরাম বিমানঘাঁটি পুনর্দখলের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

উৎস: i) U.S. AIR FORCES CENTRAL (.mil).
ii) প্রথম আলো।

১,৪৮৩.
"Regional Comprehensive Economic Partnership" কোন আঞ্চলিক জোটের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি?
  1. ক) APEC
  2. খ) G7
  3. গ) ASEAN
  4. ঘ) OECD
ব্যাখ্যা
Regional Comprehensive Economic Partnership (RCEP) হল Association of Southeast Asian Nations (ASEAN) এর সদস্য রাষ্ট্র এবং এর মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) অংশীদারদের মধ্যে একটি প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তি।

The Regional Comprehensive Economic Partnership (RCEP) হলো বিশ্বের বৃহত্তম আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি। এটি ২০২০ সালের ১৫ নভেম্বর স্বাক্ষরিত হয় এবং ১ জানুয়ারি ২০২২ থেকে কার্যকর হয়।

RCEP চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী মোট দেশ ১৫টি।
এগুলো হলো:
- চীন
- জাপান
- দক্ষিণ কোরিয়া
- অস্ট্রেলিয়া
- নিউজিল্যান্ড
- ইন্দোনেশিয়া
- মালয়েশিয়া
- ভিয়েতনাম
- থাইল্যান্ড
- ফিলিপাইন
- ব্রুনাই
- সিঙ্গাপুর
- কম্বোডিয়া
- লাওস ও
- মিয়ানমার।

(তথ্যসূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড এবং আসিয়ান ওয়েবসাইট)
১,৪৮৪.
সমাজতন্ত্রের আগ্রাসন থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে রক্ষার জন্য নিচের কোন নিরাপত্তা চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিলো?
  1. CENTO
  2. CSTO
  3. SEATO
  4. SALT
ব্যাখ্যা
Central Treaty Organization (CENTO):
- CENTO - মধ্যপ্রাচ্যের একটি নিরাপত্তা চুক্তি। সমাজতন্ত্রের আগ্রাসন থেকে এই অঞ্চলের দেশগুলোকে রক্ষা করতে এই নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত এই সংস্থাটির জন্ম।
- ১৯৫৯ সালের আগে পর্যন্ত এই সংস্থাটি Middle East Treaty Organization নামে পরিচিত ছিল। বর্তমানে এটি একটি বিলুপ্ত সংস্থা।

- ১৯৫৯ সালের আগে পর্যন্ত এই সংস্থার সদস্য ছিল - ৫টি এবং তখন এর নাম ছিল - Middle East Treaty Organization। সদরদপ্তর ছিল - ইরাকের বাগদাদে। ইরাক ১৯৫৯ সাল সদস্যপদ প্রত্যাহার করে নেয়।
- ইরাক সদস্যপদ প্রত্যাহার করে নিলে সংস্থাটির নতুন নামকরণ করা হয় Central Treaty Organization (CENTO)। সদরদপ্তর বাগদাদ থেকে তুরস্কের আঙ্কারায় স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং শাহ - এর পতনের পর দেশটি এই সংস্থা থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়। এর ফলে সংস্থাটি বিলুপ্ত হয়ে যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম
১,৪৮৫.
নিচের কোন দেশটি CTBT তে স্বাক্ষর করে কিন্তু অনুমোদন দেয়নি?
  1. উত্তর কোরিয়া
  2. মিশর
  3. ভারত
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

- CTBT তে স্বাক্ষর করে কিন্তু অনুমোদন দেয়নি মিশর।

CTBTO:
 
- পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (CTBT):
- পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty.
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর, নিউইয়র্কে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৮৭টি দেশ,
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৭৮টি দেশ।
- স্বাক্ষর করেনি: ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া।
- স্বাক্ষর করে অনুমোদন দেয়নি: চীন, মিশর, ইরান, ইসরায়েল, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষরকরে: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর।

উল্লেখ্য
• CTBTO-এর মূল উদ্দেশ্য হলো:
- বিশ্বব্যাপী সব ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধ করা।
- একটি বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা
- গোপন পারমাণবিক পরীক্ষা সনাক্ত করতে সক্ষম হওয়া
- বিশ্বব্যাপী শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা

উৎস: CTBTO ওয়েবসাইট।

১,৪৮৬.
'FSB' কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. পাকিস্তান
  2. রাশিয়া
  3. ইরান
  4. ভারত
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা:
- বাংলাদেশ: National Security Intelligence (NSI), Criminal Investigation Department (CID), Detective Branch (DB).
- ভারত: Research and Analysis Wing (RAW), Central Bureau of Investigation (CBI).
- পাকিস্তান: Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA).
- রাশিয়া: Federal Security Service (FSB).
- ব্রিটেন: SIS/MI6 - Secret Intelligence Service (SIS) and Military Intelligence, Section 6 (MI6).
- ইসরায়েল: MOSSAD, Shin Bet (Shabak), Aman.
- ইরান: SAVAK.

তথ্যসূত্র - Britannica.com and WorldAtlas.com

১,৪৮৭.
কোনটি নিরস্ত্রীকরণের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়?
  1. SALT-I
  2. NATO
  3. NPT
  4. CTBT 
ব্যাখ্যা

কোনটি নিরস্ত্রীকরণের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়- NATO।

SALT:
- SALT-এর পূর্ণরূপ: Strategic Arms Limitation Talks।
- আলোচ্য বিষয়: কৌশলগত অস্ত্র সীমাবদ্ধতা।
- এই আলোচনা শুরু হয়েছিল ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকিতে।
- আলোচনার সময়: ১৯৬৯ সাল।
- পক্ষ: যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- দুইটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা SALT-I ও SALT-II নামে পরিচিত।
- SALT-I চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ২৬ মে, ১৯৭২ সালে।
- SALT-II চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ১৮ জুন, ১৯৭৯ সালে।
- এই আলোচনার সূত্র ধরেই Anti-Ballistii Missile Treaty স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- এই চুক্তি অনুযায়ী কৌশলগত যত পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ যন্ত্র আছে, তা 'ফ্রিজ' করা হয়।
- এতে করে কোনো পক্ষ আর তার সংখ্যা বাড়াতে পারে না।
- এর মাধ্যমে আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।

'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক রাষ্ট্রের সংখ্যা ৯টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া ও ইসরায়েল।

CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।

অন্যদিকে,
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

উৎস: i) Arms Control Association.
         ii) NATO ওয়েবসাইট।

১,৪৮৮.
বাংলাদেশ CTBT- তে স্বাক্ষর করে কত সালে? 
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৬ সালে 
  4. ১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা

পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (CTBT):
- পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর, নিউইয়র্কে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৮৭টি দেশ,
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৭৮টি দেশ।
- স্বাক্ষর করেনি: ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া।
- স্বাক্ষর করে অনুমোদন দেয়নি: চীন, মিশর, ইরান, ইসরায়েল, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষরকরে: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর।

উল্লেখ্য:
- চুক্তিটি কার্যকর হতে হলে Annex 2 দেশগুলোর মধ্যে ৪৪টি দেশকে স্বাক্ষর ও অনুমোদন দিতে হবে।
- এই দেশগুলোর মধ্যে ৯টি দেশ এখনও চুক্তি অনুমোদন করেনি।
- যার মধ্যে রাশিয়া ২০২৩ সালে তার অনুমোদন প্রত্যাহার করেছে।
- বর্তমানে, চুক্তিটি কার্যকর হয়নি কারণ প্রয়োজনীয় সংখ্যক দেশ অনুমোদন দেয়নি।

উৎস: CTBTO ওয়েবসাইট।

১,৪৮৯.
দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি কী উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিলো?
  1. ১ম বিশ্বযুদ্ধের অবসান
  2. ২য় বিশ্বযুদ্ধের অবসান
  3. যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার স্বীকৃতি
  4. ক্রিমিয়া যুদ্ধের অবসান
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি:
- বিধ্বংসী প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- স্থান: ফ্রান্সের ভার্সাই নগরী।
- পক্ষসমূহ: মিত্রশক্তি (ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান) এবং জার্মানি।
- এই চুক্তির জন্য জার্মানি ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য হয় এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়।
- এই চুক্তিতে জার্মানিকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

⇒ চুক্তির খসড়ার মূল নকশা করেন চারজন নেতা যারা ইতিহাসে বিগ ফোর হিসেবে খ্যাত।
▪ মিত্রপক্ষের তৎকালীন ৪টি দেশের নেতা যারা ইতিহাসে “বিগ ফোর” (Big Four) নামে পরিচিত, তারা হলেন:
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট - উড্রো উইলসন
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী - ডেভিড লয়েড জর্জ
- ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী - জর্জ ক্লেমেনসো ও
- ইতালির প্রধানমন্ত্রী - ভিটোরিও অরল্যান্ডো
• যদিও চুক্তির শর্ত নিয়ে উড্রো উইলসনের সাথে অন্যান্য নেতাদের মতবিরোধ ছিল।

⇒ দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তির দুইটি অংশ রয়েছে। যথা:
▪ চুক্তির প্রথম দফায় “Covenant of the League of Nations” স্বাক্ষরিত হয় যা জাতিপুঞ্জ গঠনের সনদ। এর ফলে জাতিপুঞ্জ গঠিত হয়। এতে জার্মানি স্বাক্ষর করে নি।
▪ চুক্তির দ্বিতীয় দফায় বিজয়ী মিত্রপক্ষ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সকল দায়দায়িত্ব ও অনৈতিক কিছু শর্ত জার্মানির উপর চাপিয়ে দিয়ে তা স্বাক্ষরিত হয়। এতে জার্মানিকে যুদ্ধাপরাধী দেশ হিসাবে চিহ্নিত করা হয় এবং মিত্রপক্ষের দেশগুলো ক্ষতিপূরণ প্রদানে জার্মানিকে বাধ্য করে।
▪ উল্লেখ্য, ভার্সাই চুক্তিতে জার্মানির সাথে একতরফাভাবে অতিরিক্ত বৈষম্যমূলক আচরনের প্রেক্ষিতে চুক্তিটি মার্কিন কংগ্রেসে অনুমোদিত হয় নি। আর তাই যুক্তরাষ্ট্র জাতিপুঞ্জে যোগ দেয় নি। ১৯২৬ সালে জার্মানি জাতিপুঞ্জের সদস্য হয়।

⇒ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফার্ডিন্যাস্ড বসনিয়র রাজধানী সারায়েভোতে - আততায়ীর হাতে নিহত হবার ঘটনার মধ্য দিয়ে।
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।

উৎস: History.com 
১,৪৯০.
'Vienna convention on diplomatic relations' কত সালে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৬০ সালে
  2. ১৯৬১ সালে
  3. ১৯৬২ সালে
  4. ১৯৬৩ সালে
ব্যাখ্যা
ভিয়েনা কনভেনশন:
- অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় সম্পন্ন হওয়া যেকোন চুক্তিই ভিয়েনা কনভেনশন হিসেবে পরিচিত হতে পারে।
- কূটনীতিকদের আচরণ বিষয়ে যে চুক্তিটি ১৯৬১ সালে জাতিসংঘের উদ্যোগে বিভিন্ন দেশের অংশগ্রহণে সই করা হয়েছিল সেটি ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপলোম্যাটিক রিলেশন হিসেবে পরিচিত।
- অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় হফবুর্গ প্যালেসে ১৯৬১ সালে ভিয়েনা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- এই চুক্তি কার্যকর হয় ১৯৬৪ সালে।
- এই কনভেনশনে মোট ৫৩টি আর্টিকেল বা ধারা রয়েছে।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল কিছু নিয়ম-নীতি এবং সেগুলো অনুসরণের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক উন্নয়ন।
- সেসময় স্বাধীন দেশগুলো ওই চুক্তিতে সই করেছিল।

উৎস: UN ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
১,৪৯১.
’তেজস যুদ্ধবিমান’ কোন দেশের তৈরি?
  1. ভারত
  2. চীন
  3. পাকিস্তান
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

- ভারত-নির্মিত তেজস একটি ৪.৫-জেনারেশন মাল্টি-রোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট,
- যা আকাশ-রক্ষা, আক্রমণাত্মক আকাশি সহায়তা এবং নিকটস্থ যুদ্ধসহ বিভিন্ন মিশন পরিচালনার জন্য নির্মিত।
- এটি তার শ্রেণির সবচেয়ে হালকা ও ছোট যুদ্ধবিমানগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত।
- সম্প্রতি, দুবাই এয়ার শোতে প্রদর্শনীর সময় একটি তেজস যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে।

উৎস: বিবিসি বাংলা।[লিঙ্ক]

১,৪৯২.
নকশাল আন্দোলন যাত্রা শুরু করে কোন দেশে?
  1. ক) নেপালে
  2. খ) ভারতে
  3. গ) আফগানিস্তানে
  4. ঘ) মায়ানমারে
ব্যাখ্যা
• নকশাল আন্দোলন:
-  ১৯৬৭ সালের ২৫শে মে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের শিলিগুড়ি জেলার নকশালবাড়ি গ্রামে পুলিশের সাথে কৃষক ও আদিবাসীদের সংঘর্ষের মাধ্যমে নকশালবাড়ি বা নকশাল আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।
- পরবর্তীতে এ আন্দোলন বিহার, উড়িষ্যা, ছত্তিসগড়, অন্ধপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র প্রভৃতি রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
- এ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন কমিউনিস্ট নেতা চারু মজুমদার, কানু স্যানাল, জঙ্গল সাঁওতাল প্রমুখ। নকশালপন্থীরা মাও সেতুং এর অনুসারী।
- এরা ছিলো উগ্র বামপন্থী যারা সশস্ত্র লড়াইয়ের মাধ্যমে ভারতে কমিউনিস্ট শাসনব্যবস্থা কায়েম করতে সচেষ্ট।
- বর্তমানে নকশাল আন্দোলন অনেকটাই স্তিমিত।

উৎস: বিবিসি বাংলা নিউজ।
১,৪৯৩.
Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance এর মূল উদ্দেশ্য কী ছিলো?
  1. ইউরোপে যুদ্ধ বন্ধকরণ
  2. সমাজতন্ত্রের গতি রোধ
  3. বিশ্বে সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধি
  4. অস্ত্রের ব্যবহার সীমিতকরণ
ব্যাখ্যা
Warsaw Pact:
- Warsaw Pact বলতে বোঝায় Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি।
- উদ্দেশ্য: মূলত, আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতিতে সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধিই ছিলো এর মূল উদ্দেশ্য।
- স্বাক্ষর: ১৪ মে, ১৯৫৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- সদস্য সংখ্যা ছিলো: ৮টি; সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া।
- বিলুপ্ত: ১ জুলাই, ১৯৯১।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
১,৪৯৪.
কোন দুইটি দেশের দ্বন্দ্ব নিরসনে ১৯৭৩ সালের প্যারিস শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল? 
  1. চীন ও যুক্তরাজ্য
  2. উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনাম
  4. ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

প্যারিস শান্তি চুক্তি:
- দীর্ঘ ভিয়েতনাম যুদ্ধের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামের মধ্যে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় সেটি প্যারিস শান্তি চুক্তি বা Paris Peace Accords নামে পরিচিত।
- আনুষ্ঠানিকভাবে "Agreement on Ending the War and Restoring Peace in Vietnam" নামে পরিচিত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকাল: ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩।
- স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তির পক্ষসমূহ: যুক্তরাষ্ট্র, উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম।
- ফলাফল: ভিয়েতনাম যুদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্য প্রত্যাহার এবং ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বন্দ্বের অবসান ঘটে।

উল্লেখ্য,
- প্যারিস শান্তি চুক্তির স্বাক্ষরের আগে ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা লি ডাক থো ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে হেনরি কিসিঞ্জার আলোচনা করেন এবং চুক্তির খসড়া প্রণয়ন করেন। এর সূত্র ধরে দুই জনকেই ১৯৭৩ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়।

উৎস: Britannica.

১,৪৯৫.
গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে কবে? 
  1. ২০২৫সালে
  2. ২০২৬ সালে
  3. ২০২৭ সালে
  4. ২০৩০ সালে
ব্যাখ্যা

- ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি ১৯৯৬ সালে ৩০ বছরের জন্য স্বাক্ষরিত হয়।
- ২০২৬ সালের মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে।

• গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি:
- হিমালয়ের হিমবাহে উৎপন্ন গঙ্গা নদী।
- গঙ্গা নদী ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের গোয়ালন্দের কাছে ব্রহ্মপুত্র নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- গঙ্গা নদী বাংলাদেশে পদ্মা নামে অভিহিত।
- ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে।
- এ অঞ্চলের পানিসম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ তৎকালীন সরকার ও ভারতের - প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী একটি স্থায়ী যৌথ নদী কমিশন গঠনের উদ্দেশ্যে এক যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন।
- এ ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭২ সালের নভেম্বরে একটি যৌথ নদী কমিশন গঠিত হয়।
- ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো।[লিঙ্ক]

১,৪৯৬.
‘Institute for Intelligence and Special Operations’ কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা? 
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ইসরায়েল
  3. যুক্তরাজ্য
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

- Institute for Intelligence and Special Operations হলো ইসরায়েলের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের আনুষ্ঠানিক নাম। 

• মোসাদ:

- মোসাদ ইসরায়েলের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: ডেভিড বেনগুরিয়ন।
- সদরদপ্তর: তেলআবিব, ইসরায়েল।
- হিব্রু ভাষায় ‘মোসাদ’ শব্দের অর্থ ‘ইনস্টিটিউট’ বা প্রতিষ্ঠান।
- আনুষ্ঠানিকভাবে এই বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থার নাম ‘দ্য ইনস্টিটিউট ফর ইনটেলিজেন্স অ্যান্ড স্পেশাল অপারেশন্স’ (Institute for Intelligence and Special Operations)। 
- মোসাদ কাজ করে তথ্য সংগ্রহ, গোপন অভিযান ও সন্ত্রাসবাদ দমন নিয়ে।
- এর পরিচালক সরাসরি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাবদিহি করেন।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম গুপ্তচর সংস্থাগুলোর একটি।
- মোসাদের কার্যক্রম এবং বাজেট কোনো আইন দ্বারা সংজ্ঞায়িত নয়। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা, মোসাদের ওয়েবসাইড ও বাংলাদশ প্রতিদিন। (Link1) (Link2) 

১,৪৯৭.
আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি (SALT-1) স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭০ সালে
  2. খ) ১৯৭২ সালে
  3. গ) ২০০২ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৮ সালে
ব্যাখ্যা
২৬ মে, ১৯৭২ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি Strategic Arms Limitation Talk - 1 (SALT-1) স্বাক্ষরিত হয়।

• ১৮ জুন ১৯৭৯ সালে স্বাক্ষরিত হয় Strategic Arms Limitation Talk - 2 (SALT-2)।

• পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (Nuclear Non-Proliferation Treaty)। এই চুক্তিকে সংক্ষেপে বলা হয় NPT।
- ১ জুলাই ১৯৬৮ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- কার্যকর হয় ৫ই মার্চ ১৯৭০ সালে।

• Anti Ballistic Missile Treaty (ABM)- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৬ মে ১৯৭২ সালে।
- এই চুক্তির দুইটি পক্ষ ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন। ১৩ জুন ২০০২ সালে যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি থেকে নাম প্রত্যাহার করে।

তথ্যসূত্র:- সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১,৪৯৮.
ভূমধ্যসাগরে জলসীমা নিয়ে দ্বন্দ্ব কোন দুটি দেশের মধ্যে?
  1. গ্রিস ও তুরস্ক
  2. স্পেন ও ফ্রান্স
  3. মোনাকো ও ইতালি
  4. ফ্রান্স ও ইতালি
ব্যাখ্যা
• ভূমধ্যসাগরে জলসীমা নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে গ্রিস ও তুরস্কের মধ্যে। 
- তুরস্কের সঙ্গে গ্রিসের ২০০ কিলোমিটারের সীমান্ত আছে।
- ভূমধ্যসাগরে প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলন নিয়েও দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বিরোধ চলে। 
- তুরস্ক ও গ্রিস দুটি দেশই ন্যাটোর সদস্য। কিন্তু পূর্ব ভূমধ্যসাগর এলাকা থেকে জ্বালানি আহরণের প্রতিযোগিতায় তারা হয়ে উঠেছে পরস্পরের প্রতিপক্ষ। 

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক রিপোর্ট। 
১,৪৯৯.
সম্প্রতি, আলোচিত ‘হালাল কূটনীতি’ কোন দুই দেশের সাথে সংশ্লিষ্ট? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. চীন- পাকিস্তান
  2. বাংলাদেশ- পাকিস্তান
  3. বাংলাদেশ- মালয়েশিয়া
  4. বাংলাদেশ- কাতার
ব্যাখ্যা

হালাল কূটনীতি:
- ১২ আগস্ট, ২০২৫ বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া হালাল ইকোসিস্টেমের ক্ষেত্রে সহযোগিতার একটি নোট বিনিময় করে, যাকে কর্মকর্তারা ‘হালাল কূটনীতি’ হিসাবে উল্লেখ করেছেন। 
- দ্রুত সম্প্রসারণশীল বৈশ্বিক হালাল পণ্যের বাজার ধরার লক্ষ্যে হালাল শিল্পপার্ক নির্মাণে মালয়েশিয়ার সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ। 
- বর্তমানে বিশ্বব্যাপী হালাল পণ্যের বাজার ৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এটি ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
- এই বাজারে মালয়েশিয়া এখনই অন্যতম বড় অংশীদার।  দেশটি ১৪টি হালাল শিল্প পার্ক পরিচালনা করছে এবং নিজস্ব মানদণ্ড অনুযায়ী পণ্য উৎপাদন ও রপতানিতে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে বাংলাদেশে হালাল সার্টিফিকেশনের অনুমোদিত একমাত্র সংস্থা হলো ইসলামিক ফাউন্ডেশন। 
- এ পর্যন্ত মাত্র ১২৪টি প্রতিষ্ঠান হালাল সার্টিফিকেট পেয়েছে, যা বৈশ্বিক বাজারের তুলনায় খুবই কম।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন।

১,৫০০.
'প্যারিস প্যাক্ট' কার্যকর হয় কত সালে?
  1. ১৯২৭ সালে
  2. ১৯২৯ সালে
  3. ১৯৩৪ সালে
  4. ১৯৩৮ সালে
ব্যাখ্যা
প্যারিস প্যাক্ট (Paris Pact):
- প্যারিস প্যাক্ট প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতার থেকে মানুষ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ সম্পর্কে সচেতন হয়।
- এই চুক্তির ফলে যুদ্ধ এড়াতে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ নিষিদ্ধ করা হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯২৮ সালের ২৭ আগস্ট।
- কার্যকর হয়: ২৪ জুলাই, ১৯২৯ সালে।
- এই চুক্তির অন্যনাম Kellogg - Briand Pact.
- তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী Frank B. Kellogg
- ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Aristide Briand আলোচনার মাধ্যমে এই চুক্তির খসড়া তৈরি করেন।

উৎস: History.com.