বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

মোট প্রশ্ন৩,৩৩৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

PrepBank · পাতা ১৩ / ৩৪ · ১,২০১১,৩০০ / ৩,৩৩৯

১,২০১.
CTBT চুক্তিটি কোন দেশ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে উত্থাপন করে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. রাশিয়া
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা

Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty (CTBT) চুক্তিটি অস্ট্রেলিয়া দেশ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে উত্থাপন করে।
- এটি জাতিসংঘের ৫১ তম অধিবেশনে উপস্থাপন করা হয়।
- বাংলাদেশ CTBT চুক্তিতে ১২৯ তম দেশ হিসেবে স্বাক্ষর করে ১৯৯৬ সালে।
-এটি পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।

উৎস: un.org

১,২০২.
স্নায়ুযুদ্ধকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে -
  1. ক) NATO
  2. খ) Warsaw Pact
  3. গ) মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
স্নায়ুযুদ্ধ

- পঞ্চাশের দশকে ঠান্ডা যুদ্ধ বা স্নায়ুযুদ্ধ শুরু হয়েছিল।
- তখন পৃথিবী ছিল দুই ভাগে বিভক্ত। একদিকে ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক শিবির, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে পুঁজিবাদী শিবিরের দেশগুলো।
- এই দুই শিবিরেই গঠিত হয়েছিল দুটি সামরিক জোট।
- একটি নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো), অন্যটি ওয়ারশ জোট
- পুরো স্নায়ুযুদ্ধের কালজুড়ে মধ্য ইউরোপের উভয় পক্ষের দেশগুলো পরস্পরের দিকে তাক করে রেখেছিল পারমাণবিক শক্তিসম্পন্ন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।
- তখন তীব্র স্নায়ুযুদ্ধের কালেও ১৯৬৩ সালে রাজনীতিক, গবেষক ও নাগরিক সমাজকে নিয়ে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়ে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের উদ্যোগ শুরু হয়। 
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান দুই উদ্যোক্তা এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক এই সম্মেলনকে বিশ্বজনীন রূপ দেওয়ার প্রয়াসে নতুন রূপরেখা তৈরি করেন। 


তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
১,২০৩.
কোন চুক্তি রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করে?
  1. BWC
  2. CWC
  3. INF
  4. SALT II
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (CWC):
- পূর্ণ নাম: Chemical Weapons Convention
- গৃহীত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭
- উদ্দেশ্য: রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন, ব্যবহার, মজুতকরণ এবং স্থানান্তর সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা এবং ধ্বংস নিশ্চিত করা।
- ১৯৩টি দেশ এই কনভেনশনের অন্তর্ভুক্ত।
- আন্তর্জাতিক তদারকি নিশ্চিত করতে "অর্গানাইজেশন ফর দ্য প্রোহিবিশন অফ কেমিক্যাল উইপনস" (OPCW) প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- OPCW ২০১৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে রাসায়নিক অস্ত্র নির্মূলের জন্য।

উল্লেখ্য,
- BWC বিষাক্ত ও জৈবিক অস্ত্রের উন্নয়ন, উৎপাদন, মজুদ এবং ব্যবহার নিষিদ্ধকারী একটি চুক্তি। 
- INF মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে একটি অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি।
- SALT II মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে কৌশলগত আক্রমণাত্মক অস্ত্রের সীমাবদ্ধতা সংক্রান্ত চুক্তি। 

উৎস: i) OPCW অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
ii) United Nations Archives
১,২০৪.
সিনহাই বিপ্লবের (Xinhai Revolution) মাধ্যমে যে রাজবংশের পতন ঘটে -
  1. হান রাজবংশের
  2. কিং রাজবংশের
  3. হ্যান রাজবংশের
  4. মিং রাজবংশের
ব্যাখ্যা
সিনহাই বিপ্লব:
- সিনহাই বিপ্লব যা চীনে 'Xinhai Revolution' হিসেবে পরিচিত।
- এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক আন্দোলন ছিল যা কিং রাজবংশের (Qing Dynasty) এর পতন ঘটিয়ে চীনে প্রথম প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে।
- এই বিপ্লবের ফলে চীনে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯১১ সালের ১০ অক্টোবর এই বিপ্লব শুরু হয় যা ১৯১২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সংঘটিত হয়।

⇒ ১৯১১ সালের অক্টোবরে সান ইয়েৎ সেনের নেতৃত্বে চীনে প্রজাতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- সান ইয়েৎ সেন ছিলেন চীন প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট।

⇒ চিং রাজবংশ ছিল চীনের শেষ সামন্ততান্ত্রিক রাজবংশ যা ১৬৪৪ থেকে ১৯১২ সাল পর্যন্ত শাসন করেছিল।
- জনগণের মধ্যে রাজবংশের শাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ছিল।
- চিং রাজবংশের শেষ সম্রাট পু ই স্বীকার করেন যে রাজবংশের শাসন অব্যাহত রাখার কোনও সম্ভাবনা নেই।
- এর ফলে, চীনের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে সান ইয়েৎ-সেন নির্বাচিত হন।
- চিং রাজবংশের পতনের সাথে সাথে চীনে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আধিপত্য কমে আসে।

উৎস: Britannica.
১,২০৫.
পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (TPNW) স্বাক্ষর হয় কোন দেশে?
  1. সুইজারল্যান্ড
  2. জাপান
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা
• পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (TPNW): 
- পূর্ণরূপ: Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ৯৪টি দেশ।
- কার্যকর হয়: ২২ জানুয়ারি ২০২১ (৫০টি দেশ চুক্তি অনুমোদন দেওয়ার পর)।
- অনুমোদনকারী দেশ: ৭৩টি দেশ।
- স্বাক্ষর করেনি: পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশগুলো (যেমন: যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া, ইসরায়েল)।
- স্বাক্ষর করে অনুমোদন দেয়নি: জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, ন্যাটো সদস্য দেশগুলো।
- অনুসমর্থকারী দেশ: বাংলাদেশসহ ৭৩টি দেশ।
- লক্ষ্য: পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার ও মজুত সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা।
- এবং পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে বৈশ্বিক প্রচেষ্টা জোরদার করা্

উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশ ২০১৭ সালে চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- এবং ২০১৯ সালে এটি অনুমোদন করে।

উৎস: TPNW ওয়েবসাইট।
১,২০৬.
NATO কী ধরনের জোট?
  1. শুধু সামরিক জোট
  2. অর্থনৈতিক জোট ও সামরিক জোট
  3. রাজনৈতিক জোট ও সামরিক জোট
  4. অর্থনৈতিক জোট ও রাজনৈতিক জোট
ব্যাখ্যা
◉ NATO:
- পূর্ণরূপ -The North Atlantic Treaty Organization.
- এটি রাজনৈতিক জোট ও সামরিক জোট। 
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO র বর্তমান সদর দপ্তর ব্রাসেলস।
- NATO ভুক্ত মুসলিম দেশ ২টি - তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- ন্যাটোর ISAF মিশন আফগানিস্তান নিয়োজিত ছিলো।
- মহাপরিচালক- Jens Stoltenberg.
- NATO র প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি।
- NATO র বর্তমান সদস্য ৩২টি। [২৫ জুন ২০২৪ পর্যন্ত]
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - সুইডেন।

সূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]।
১,২০৭.
কোন চুক্তি বসনিয়া সংকট সমাধানের পথ সুগম করেছিল?
  1. অসলো চুক্তি
  2. আলজিয়ার্স চুক্তি
  3. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  4. ডেটন চুক্তি
ব্যাখ্যা

১৯৯৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে বসনিয়া সংকট সমাধানের জন্য বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তি ‘ডেটন চুক্তি’ নামে পরিচিত।
- এই চুক্তি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- প্যারিসে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও অঙ্গরাজ্যের ডেটন শহরের প্যাটারসন বিমানঘাটিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো চুক্তির ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছায়। যার কারণে চুক্তিটি ‘ডেটন চুক্তি’ নামে পরিচিত।

অন্যদিকে,

- ইসরাইল ও পিএলও পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৯৯৩ সালে সম্পাদিত অসলো চুক্তির মাধ্যমে।
- ইরান-ইরাকের মধ্যে শাতিল আরব জলপথকে ঘিরে দ্বন্দ্ব নিরসনের লক্ষ্যে আলজিয়ার্স চুক্তি (১৯৭৫) স্বাক্ষরিত হয়।
- মিশর ও ইসরাইলের মধ্যে শান্তি স্থাপনে ১৯৭৮ সালে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,২০৮.
ভারত ও পাকিস্তানের সীমানারেখা কোনটি?
  1. লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল
  2. ডুরান্ড লাইন
  3. লাইন অব কন্ট্রোল
  4. ম্যাকমোহন লাইন
ব্যাখ্যা
লাইন অব কন্ট্রোল:
- লাইন অব কন্ট্রোল (LOC) ভারত ও পাকিস্তানের সীমানারেখা।
- ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারতের বিভাজনের সময় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীর নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত হয়।
- কাশ্মীরের তৎকালীন মহারাজা প্রথমে স্বাধীন থাকতে চাইলেও পরে পাকিস্তানি অনুপ্রবেশ রোধে ভারতের সহায়তার শর্তে ভারতভুক্ত হন, যার ফলে ১৯৪৭-৪৮ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু হয়।
- ১৯৪৯ সালের করাচি চুক্তি একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি আনলেও ১৯৬৫ সালে সীমান্ত সংঘর্ষ ফের পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নেয়।
- এরপর ১৯৭১ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের ফলে পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন হয়ে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তি কাশ্মীর অঞ্চলে লাইন অব কন্ট্রোল (LOC) স্থাপন করে।
- তবে ১৯৭৪ সালে ভারতের পারমাণবিক পরীক্ষা এবং পরে পাকিস্তানের একই পথে এগিয়ে যাওয়া এ বিরোধকে পারমাণবিক স্তরে নিয়ে যায়, যার ফলে উত্তেজনা আরও বাড়ে।

উল্লেখ্য,
- ভারত ও চীনের মধ্যে সীমানারেখা লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল। 
- ডুরান্ড লাইন হল আফগানিস্তান এবং পাকিস্তান সীমান্তে অবস্থিত একটি সীমান্ত রেখা বা লাইন।
- ম্যাকমোহন লাইন ১৯১৪ সালে সিমলা চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটেন ও তিব্বতের স্বীকৃত হয়। বর্তমানে এটি ভারত ও চীনের মধ্যে আইন স্বীকৃত সীমানা, যদিও চীন সরকার একে বিতর্কিত অংশ বলে মনে করে।

উৎস: Global Conflict Tracker
১,২০৯.
ন্যাটোর আর্টিকেল-৫ প্রথমবার কবে এবং কোন ঘটনার পরে প্রয়োগ করা হয়?
  1. ১৯৭২, মিউনিখ অলিম্পিক হামলা
  2. ২০০১, সেপ্টেম্বর ৯/১১ হামলা
  3. ১৯৬৫, কিউবান মিসাইল সংকট
  4. ১৯৮৪, সোভিয়েত মিসাইল স্থাপন
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
 
⇒ অনুচ্ছেদ/আর্টিকেল - ৫: Collective Security বা যৌথ নিরাপত্তা।
- অনুচ্ছেদ - ৫ এ বলা হয়েছে - জোটভুক্ত কোনো দেশ যদি বিদেশি শক্তির দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়, তাহলে জোটের সব সদস্যদেশ একযোগে তা প্রতিহত করবে অর্থাৎ সদস্যদেশগুলো সম্মিলিতভাবে একে অপরকে সুরক্ষা দেবে। ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় এ ধারাকে।
- ন্যাটোর ইতিহাসে একবার মাত্র ন্যাটোর আর্টিকেল-৫ কার্যকর করা হয়েছে।
- নাইন ইলেভেনে টুইন টাওয়ার হামলার পর ২০০১ সালে এই আর্টিকেল অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
- এটির ভিত্তিতেই সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সঙ্গে নিয়ে আফগানিস্তানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।
 
• নাইন-ইলেভেন:
- ১১ সেপ্টেম্বরের হামলা যা নাইন/ইলেভেন নামেও পরিচিত।
- ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের উপর আল কায়েদার একইসাথে চারটি সমন্বিত সন্ত্রাসী হামলা।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
১,২১০.
‘গালওয়ান উপত্যকা’ কোন দুটি দেশের মধ্যকার বিতর্কিত সীমান্ত এলাকা?
  1. ভারত ও চীন
  2. ভারত ও পাকিস্তান
  3. ভারত ও নেপাল
  4. নেপাল ও ভুটান
ব্যাখ্যা
গালওয়ান উপত্যকা:
- ‘গালওয়ান উপত্যকা’ ভারত ও চীনের মধ্যকার বিতর্কিত সীমান্ত এলাকা।

⇒ গালওয়ান উপত্যকা লাদাখ অঞ্চলে অবস্থিত এবং চীন ও ভারতের মধ্যে একটি বিতর্কিত এলাকা।
- গালওয়ান নদী এই অঞ্চলের মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে এবং নদীটির উভয় পাশে ভারত ও চীনের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।
- উপত্যকাটি উত্তরে কারাকোরাম পর্বতমালা সহ দুর্গম ভূখণ্ড দ্বারা বেষ্টিত।
- গালওয়ান উপত্যকার উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৩,০০০ থেকে ১৪,০০০ ফুটের মধ্যে অবস্থিত।
- এটি ভারত-চীন সীমান্তে লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC)-এর কাছে অবস্থিত।
- ১৯৬২-র যুদ্ধের সময় যে সমস্ত স্থানে ভারত ও চীনের বড়সড় লড়াই বেঁধেছিল, সেগুলির মধ্যে অন্যতম গালওয়ান নদী উপত্যকা।

উৎস: BBC.
১,২১১.
'মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের' প্রধান উদ্যোক্তা কারা?
  1. আলেকজান্ডার সলঝেনিটসিন ও ভিক্টর চেরনোমাইডিন
  2. মায়া প্লিসেটস্কায়া ও মিখাইল গর্বাচেভ
  3. জর্জ মাইকেলিস ও জর্জ ফন হার্টলিং
  4. এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক
ব্যাখ্যা
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন:
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন একটি উন্মুক্ত ফোরাম।
- এখানে নানা দেশের প্রতিনিধিরা নানা বিষয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা করেন।
- এখানে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।
- রাষ্ট্রনেতা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছাড়াও এ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বাণিজ্য ও অর্থনীতিবিষয়ক বিশেষজ্ঞ, পরিবেশবিদ, মানবাধিকারকর্মী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

উল্লেখ্য,
- আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়ে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন শুরু হয় ১৯৬৩ সালে।
- তীব্র স্নায়ুযুদ্ধের কালে ১৯৬৩ সালে রাজনীতিক, গবেষক ও নাগরিক সমাজকে নিয়ে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়ে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের উদ্যোগ শুরু হয়।
- প্রথম এক দশক সে সম্মেলনে শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো জোটভুক্ত দেশগুলোই অংশ নিত।
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান দুই উদ্যোক্তা এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক এই সম্মেলনকে বিশ্বজনীন রূপ দেওয়ার প্রয়াসে নতুন রূপরেখা তৈরি করেন।
- বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তার স্বার্থে ইউরোপের বাইরের বিভিন্ন দেশ এবং সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোকে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- তারপর থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়কেরা মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে অংশ নিয়ে পারস্পরিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক ও সমস্যা নিয়ে আলোচনা করছেন।

⇒ ২০২৪ মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন:
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন সাধারণত প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে জার্মানির মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- ২০২৪ সালে ৬০তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সর্বশেষ মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ সালে জার্মানির মিউনিখ শহরে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: Munich Security Conference ওয়েবসাইট।
১,২১২.
হুতি বিদ্রোহীদের আনুষ্ঠানিক নাম কী?
  1. আনসারুল্লাহ
  2. নসুরুল্লাহ
  3. হিজবুল্লাহ
  4. ফার্ক
ব্যাখ্যা
হুতি বিদ্রোহী:
- হুতি ইয়েমেনের একটি বিদ্রোহী গ্রুপ।
- উত্তর ইয়েমেনের শাদা শহরে হুতি বিদ্রোহের জন্ম।
- জাইদি শিয়া বাহিনী থেকে এর উৎপত্তি যার নেতা নির্বাচন করা হতো হুতি উপজাতি থেকে।
- হুতিরা আনসারুল্লাহ নামে পরিচিত।
- ১৯৯০ এর দশকে গোষ্ঠীটির উত্থান।
- তাদের নেতা হুসেইন আল-হুতি।
-  হুথিরা ২০১৪ সালে ক্ষমতা দখলের পর থেকে ইয়েমেনের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। 

উৎস:  ডিসেম্বর ২৬, ২০২৩, The Daily Star।
১,২১৩.
'নাগার্নো কারাবাখ' অঞ্চল নিয়ে কোন দুইটি দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে?
  1. আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান
  2. জর্জিয়া ও রাশিয়া
  3. রাশিয়া ও ইউক্রেন
  4. ইরান ও তুরস্ক
ব্যাখ্যা

নাগার্নো কারাবাখ:
- 'নাগার্নো কারাবাখ' আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান এর বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে দীর্ঘ তিন দশক ধরে বিরোধ চলে আসছে সাবেক সোভিয়েত রিপাবলিকের অংশ এই দেশ দুটির মধ্যে।
- ১৯৮৮-৯৪ সাল পর্যন্ত যুদ্ধ চলার পর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও থেমে থেমে সংঘর্ষ চলেছে।
- এলাকাটি নিয়ে কোন ধরনের নিষ্পত্তি দুই দেশের মধ্যে হয়নি।
- আন্তর্জাতিকভাবে এই এলাকাটি আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত।
- কিন্তু এটি পরিচালনা করে জাতিগত আর্মেনিয়রা।
- বন্দী বিনিময় এবং মরদেহ উদ্ধারের সুযোগ তৈরি করার জন্য এই যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।

১,২১৪.
কত সালে Anti Ballistic Missile Treaty বাতিল হয়?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৩ সালে
ব্যাখ্যা
ABM Treaty:
- ABM (Anti Ballistic Missile Treaty) ক্ষেপণাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি কার্যকর হয়: ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- চুক্তির বিষয়: দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল: ১৩ জুন, ২০০২ সাল।

উল্লেখ্য,
- ১৩ ডিসেম্বর, ২০০১-এ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং ৬ মাস পরে জুন, ২০০২ সালে এই প্রত্যাহার কার্যকর হয়।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
১,২১৫.
NATO-এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদর দপ্তর কোথায় ছিল?
  1. প্যারিস, ফ্রান্স
  2. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
  3. ব্রাসেলস, বেলজিয়াম
  4. ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• ন্যাটো (NATO):
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organization.
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সাল।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদর দপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- বর্তমান সদরদপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২ টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্যদেশ: সুইডেন।
- ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ: তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)

তথ্যসূত্র: NATO ওয়েবসাইট।

১,২১৬.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা কোনটি?
  1. CBI
  2. FBI
  3. FSB
  4. SIS
ব্যাখ্যা

• FBI:
- FBI এর পুরো নাম - Federal Bureau of Investigation।
- ২৬ জুলাই, ১৯০৮ সালে এই গোয়েন্দা সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাতা - মার্কিন প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্ট।
- সদর দপ্তর - ওয়াশিংটন ডিসি।
- ডিসেম্বর, ২০২৪ সালে এফবিআই-এর পরবর্তী পরিচালক হিসেবে কাশ প্যাটেলকে বেছে নিয়েছেন মার্কিন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


এছাড়াও,
- FBI হল একটি অভ্যন্তরীণ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা যা অপরাধ তদন্ত এবং জাতীয় নিরাপত্তার সাথে সম্পর্কিত কাজ করে।
- যুক্তরাষ্ট্র গোয়েন্দা সংস্থা CIA (Central Intelligence Agency)
- CIA মূলত বিদেশী গোয়েন্দাগিরি এবং সিক্রেট অপারেশন পরিচালনা করে।


অন্যদিকে,
- CBI (Central Bureau of Investigation) হলো ভারতের অন্যতম প্রধান তদন্ত সংস্থা। 
- রাশিয়ার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা হল এফএসবি (FSB), যার পূর্ণরূপ Federal Security Service.
- বাংলাদেশের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা হল NSI (National Security Intelligence), 
- ভারত গোয়েন্দা সংস্থা RAW (Research and Analysis Wing), 
- পাকিস্তান গোয়েন্দা সংস্থা ISI (Inter-Services Intelligence), 
- ব্রিটেন গোয়েন্দা সংস্থা SIS/MI6 (Secret Intelligence Service/Military Intelligence Section 6),
- ইসরায়েল গোয়েন্দা সংস্থা MOSSAD (Institute for Intelligence and Special Operations).


তথ্যসূত্র:  এফবিআই ওয়েবসাইট ও যুগান্তর পত্রিকার নিউজ এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

১,২১৭.
ইন্টারপোলের বর্তমান সদস্য দেশ কয়টি? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ১৯৩টি
  2. ১৯৪টি
  3. ১৯৫টি
  4. ১৯৬টি
ব্যাখ্যা
ইন্টারপোল (Interpol): 
- Interpol-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি (সর্বশেষ সদস্য: পালাউ)।
- বর্তমান সভাপতি: আহমেদ নাসের আল-রাইসি (২০২১-২০২৫)।
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা (ব্রাজিল)।

⇒ ইন্টারপোলের প্রধান উদ্দেশ্য হল আন্তর্জাতিক অপরাধ, যেমন মানবপাচার, মাদক চোরাচালান, সন্ত্রাসবাদ, যুদ্ধাপরাধ, আর্থিক অপরাধ, সাইবার অপরাধ, এবং অন্যান্য অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াই করা।
= বিভিন্ন দেশের পুলিশের মধ্যে তথ্য ও সুরক্ষা সম্পর্কিত সহযোগিতা নিশ্চিত করা।
- ইন্টারপোল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পুলিশদের জন্য তথ্য আদান-প্রদান এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ তদন্তে সহায়তা প্রদান করে।
- ইন্টারপোল আন্তর্জাতিকভাবে পলাতক অপরাধীদের ধরার জন্য "লাল নোটিশ" জারি করে, যা বিভিন্ন দেশকে সেই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য সতর্ক করে।

উৎস: Interpol ওয়েবসাইট।
১,২১৮.
ABM চুক্তি অনুযায়ী একটি দেশ সর্বোচ্চ কতটি ব্যালিস্টিক মিসাইল রাখতে পারবে?
  1. ক) ৮০
  2. খ) ১০০
  3. গ) ১৫০
  4. ঘ) ২০০
ব্যাখ্যা
ABM:

- এর পূর্ণরূপ Anti-Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- ABM চুক্তি অনুযায়ী একটি দেশ সর্বোচ্চ ১০০টি ব্যালিস্টিক মিসাইল রাখতে পারবে।
- চুক্তিটি  স্বাক্ষরিত হয় ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি কার্যকরের তারিখ ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় মস্কো, রাশিয়ায়।
- এই চুক্তির বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তিটি বাতিল হয় ১৩ জুন, ২০০২ সালে। 

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
১,২১৯.
ইন্টারপোলের বর্তমান মহাসচিব কোন দেশের নাগরিক? (জানুয়ারি, ২০২৫)
  1. যুক্তরাজ্য
  2. জার্মানি
  3. কানাডা
  4. ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
Interpol:
- Interpol হল আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা।
- এর পূর্ণরূপ International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯২৩ সাল।
- বর্তমান সদর দপ্তর: লিওঁ, ফ্রান্স।
- ১৯৪৬ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে এবং ১৯৮৯ সালে ফ্রান্সের লিওঁ শহরে সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৬টি দেশ। (জানুয়ারি, ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: পালাউ।
- বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে: ১৪ অক্টোবর, ১৯৭৬ সাল।
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা। (জানুয়ারি, ২০২৫)
- তিনি ব্রাজিলের নাগরিক।
- ২০২৪ সালের নভেম্বরে যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত ৯২তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র - ইন্টারপোল অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,২২০.
নিচের কোনটি নিরস্ত্রীকরণের সাথে সম্পর্কিত নয়?
  1. CTBT
  2. SALT
  3. NATO
  4. NPT
ব্যাখ্যা
NATO নিরস্ত্রীকরণের সাথে সম্পর্কিত নয়।

NATO:

- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

অন্যদিকে,
⇒ CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।

⇒ SALT:
- SALT-এর পূর্ণরূপ: Strategic Arms Limitation Talks।
- আলোচ্য বিষয়: কৌশলগত অস্ত্র সীমাবদ্ধতা।

⇒ 'NPT' চুক্তি:
- NPT এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।

উল্লেখ্য,
- সবগুলোই নিরস্ত্রীকরণ বা অস্ত্র সীমিতকরণের সাথে সম্পর্কিত।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
১,২২১.
CIA কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. কানাডা
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
- CIA মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।

CIA:
- সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি বা CIA হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তখন থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও গোপন অভিযানে সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছে।

উল্লেখ্য, 
- সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় অবস্থিত ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের ল্যাংলিতে।
- CIA বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ও প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত।

সূত্র: CIA ওয়েবসাইট।
১,২২২.
MI6 সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. এডিনবরা
  2. কার্ডিফ
  3. লন্ডন
  4. বেলফাস্ট
ব্যাখ্যা
• MI6:
- MI6 যুক্তরাজ্যের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা।
- সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস বা এমআই৬ বিদেশী গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং যথাযথ প্রচারের জন্য ব্রিটিশ সরকারী সংস্থা।
- সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস-এর ছয়টি সেকশনের জন্যে - এটি MI6 নামে পরিচিত।
- এটি ১৯০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাজ্যে।
- জার্মানিতে অ্যাডলফ হিটলারের ক্ষমতায় উত্থানের পর, MI6 ইউরোপ, লাতিন আমেরিকা এবং এশিয়ার বেশিরভাগ অংশে গুপ্তচরবৃত্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- MI6 ব্রিটিশ ভূখণ্ডের বাইরে গুপ্তচরবৃত্তি কার্যক্রম পরিচালনার জন্যও অভিযুক্ত।

উৎস: SIS ওয়েবসাইট। 
১,২২৩.
ANZUS কী ধরনের জোট?
  1. অর্থনৈতিক
  2. সামরিক
  3. রাজনৈতিক
  4. সাংস্কৃতিক
ব্যাখ্যা

ANZUS:
- ANZUS একটি সামরিক জোট।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১ সেপ্টেম্বর ১৯৫১ সালে।
- ANZUS এর সদস্য সংখ্যা ৩টি দেশ। (আগস্ট, ২০২৫)
- এই জোটের সদস্য দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র।

তথ্যসূত্র - ANZUS-এর ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।

১,২২৪.
Which agreement was executed between Israel and the PLO party with the aim of establishing peace?
  1. Oslo Agreement
  2. Madrid Agreement
  3. Dayton Agreement
  4. Paris Agreement
  5. None of these
ব্যাখ্যা
শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইসরায়েল ও ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বাধীন পিএলও পার্টির মধ্যে অসলো চুক্তি সই হয়।

পিএলও (PLO):
- PLO-এর পূর্ণরূপ: Palestine Liberation Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৬৪ সালে।
- সদর দপ্তর: রামাল্লাহ, ফিলিস্তিন।
- PLO-এর প্রথম চেয়ারম্যান: আহমদ শুকিরি ।
- PLO-এর তৃতীয় চেয়ারম্যান- ইয়াসির আরাফাত।
- সংগঠনটি একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৪ সাল থেকে পিএলও জাতিসংঘে পর্যবেক্ষক মর্যাদা ভোগ করছে।

⇒ অসলো চুক্তি:
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর অসলো চুক্তি করে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এর মধ্যস্থতা করে যুক্তরাষ্ট্র।
- হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিনের মধ্যে অসলো চুক্তি সই হয়।
- অসলো শান্তি চুক্তিতে ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্ব করেছিলো প্রয়াত ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বাধীন পিএলও পার্টি।

উৎস: Britannica.
১,২২৫.
'SAVAK' কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ইসরায়েল
  2. ইরান
  3. রাশিয়া
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা:
- বাংলাদেশ: National Security Intelligence (NSI), Criminal Investigation Department (CID), Detective Branch (DB).
- ভারত: Research and Analysis Wing (RAW), Central Bureau of Investigation (CBI).
- পাকিস্তান: Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA).
- রাশিয়া: Federal Security Service (FSB).
- ব্রিটেন: SIS/MI6 - Secret Intelligence Service (SIS) and Military Intelligence, Section 6 (MI6).
- ইসরায়েল: MOSSAD, Shin Bet (Shabak), Aman.
- ইরান: SAVAK.

তথ্যসূত্র - Britannica.com and WorldAtlas.com
১,২২৬.
অকাস চুক্তির অন্তর্ভুক্ত দেশ নয় কোনটি?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
অকাস চুক্তি:
- অকাস চুক্তি হলো অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে।
- ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন অর্জনে সহায়তা করবে।
- এই চুক্তির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে 'সাইবার সক্ষমতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং অতিরিক্ত জলসীমার ক্ষমতা' বিষয়ে সহযোগিতা।

উল্লেখ্য,
- মূলত বিরোধপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের প্রভাব মোকাবেলার জন্যই নতুন এই অকাস জোট গঠন করা হয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন অকাস গঠনের কথা ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে,
- ফ্রান্স অকাস চুক্তির অন্তর্ভুক্ত দেশ নয়। 

উৎস: U.S. Department of Defense (.gov).
১,২২৭.
সম্প্রতি 'অপারেশন রাইজিং লায়ন' পরিচালিত হয় কবে?
  1. ১১ জুন, ২০২৫
  2. ১৩ জুন, ২০২৫
  3. ১৫ জুন, ২০২৫
  4. ১৬ জুন, ২০২৫
ব্যাখ্যা
‘অপারেশন রাইজিং লায়ন':
- ইসরায়েল কর্তৃক ইরানে চালানো সামরিক অভিযানটির নাম 'অপারেশন রাইজিং লায়ন'।
- 'রাইজিং লায়ন' নামটি বাইবেলের একটি অনুচ্ছেদে সিংহের প্রতীকী পরাক্রমকে তুলে ধরে, ইসরায়েলের যুদ্ধ প্রস্তুতি এবং আত্মবিশ্বাসের প্রতীক।
- ১৩ জুন, ২০২৫-এর ভোরে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ যৌথভাবে 'অপারেশন রাইজিং লায়ন' পরিচালনা করে।
- ইসরায়েল প্রথমে 'ড্রোন' দ্বারা ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল করা, এরপর প্রধান পারমাণবিক ও সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা করে।

উল্লেখ্য:
- এই হামলার জবাবে ইরান পাল্টা হামলা চালায়।
- এই হামলার নাম দেয়া হয় 'অপারেশন টু প্রমিজ থ্রি’।
- ইরান পাল্টা জবাবে শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ে।

তথ্যসূত্র - পত্রিকার রিপোর্ট।
১,২২৮.
যখন দুটি রাষ্ট্রের কূটনীতিবিদরা সমঝােতা প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয়, তখন বিবাদ মীমাংসায় সুশীল সমাজের উদ্যোগকে কোন ধরনের কুটনীতি বলা হয়?
  1. ট্র্যাক ওয়ান কূটনীতি
  2. ট্র্যাক টু কূটনীতি
  3. ট্র্যাক থ্রি কূটনীতি
  4. মাল্টি ট্র্যাক কূটনীতি
ব্যাখ্যা
Second Track Diplomacy: 
- যখন দুটি রাষ্ট্রের কূটনীতিবিদরা সমঝােতা প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয়, তখন বিবাদ মীমাংসায় সুশীল সমাজের উদ্যোগকে ট্র্যাক টু কূটনীতি বলা হয়। 
- ট্র্যাক টু কূটনীতির ধারণাটি ১৯৭০ দশকে উদ্ভব হয়। 
- ১৯৮১ সালে ফরেন পলিসির সহ-লেখক ইউলিয়াম ডি ডেভিডসন এবং জোসেফ ভি মন্টভিল সর্ব প্রথম এই শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- এটিকে ব্যাকচ্যানেল কূটনীতি ও বলা হয়।
- ট্র্যাক টু কূটনীতি হল অনানুষ্ঠানিক এবং অ-কাঠামোগত  
- যেমন:
- ইসরায়েল এবং প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) এর মধ্যে ১৯৯৩ সালের অসলো চুক্তি।
- রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ সরকারের ট্র্যাক টু কূটনীতি গ্রহন। 

তথ্যসূত্র: mecouncil.org, ব্রিটিনিকা এবং Daily Star Report
১,২২৯.
নিচের কোনটি ফিলিপাইনের গেরিলা গোষ্ঠী?
  1. ক) টুপাক আমারু
  2. খ) আবু সায়েফ
  3. গ) ফেয়ার ফ্যাক্স
  4. ঘ) আল শাবাব
ব্যাখ্যা
'আবু সায়েফ':
- 'আবু সায়েফ' গেরিলা গোষ্ঠী ফিলিপাইনে তাদের তৎপরতা চালাচ্ছে।
- ১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠিত স্বাধীনতাকামী আবু সায়েফ গ্রুপ ফিলিপাইনের মুসলিম অধ্যুষিত মিন্দানাও প্রদেশে তৎপরতা চালাচ্ছে।
- তারা দীর্ঘদিন ধরে মুসলিম অধ্যুষিত মিন্দানাও প্রদেশে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গড়ার সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে।

তথ্যসূত্র- ব্রিটানিকা।
১,২৩০.
রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থা (OPCW)-এর বর্তমান সদস্য -
  1. ১৭৭টি
  2. ১৮৩টি
  3. ১৮৭টি
  4. ১৯৩টি
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থা (Organistion for the Prohibition of Chemical Weapons): 
- রাসায়নিক অস্ত্র চুক্তি এক ধরনের অস্ত্র সীমিতকরণ চুক্তি
- কার্যকর হয়েছিল: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭।
- চুক্তিটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিল Organistion for the Prohibition of Chemical Weapons (OPCW).
- জাতিসংঘের উদ্যোগে এই সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছিল।
- সদস্য দেশ: ১৯৩টি।
- সদর দপ্তর: হেগ, নেদারল্যান্ড।

উৎস: OPCW ওয়েবসাইট।
১,২৩১.
CWC কোন ধরনের চুক্তি?
  1. রাসায়নিক অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ
  2. জীবাণু অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ
  3. পরমাণু অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ
  4. ল্যান্ডমাইন নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা

• রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (CWC): 
- রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (Chemical Weapons Convention - CWC) হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা যুদ্ধের সময় রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে এবং এসব অস্ত্রের উন্নয়ন, উৎপাদন, সংগ্রহ, মজুদ বা স্থানান্তর নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
- চুক্তিটি ৩ সেপ্টেম্বর ১৯৯২ সালে জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ সম্মেলনে গৃহীত হয়।
- ১৩ জানুয়ারি ১৯৯৩ সালে এটি সব রাষ্ট্রের জন্য স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
- ২৯ এপ্রিল ১৯৯৭ সালে চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়।
- চুক্তির বাস্তবায়নে রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থা (OPCW) কাজ করে।
- CWC একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি, যা বিশ্বকে রাসায়নিক অস্ত্রের হুমকি থেকে সুরক্ষিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

উৎস: Britannica.

১,২৩২.
নানকিং চুক্তির ফলে কোন যুদ্ধের অবসান ঘটে?
  1. চীনের গৃহযুদ্ধ
  2. দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধ
  3. প্রথম আফিম যুদ্ধ
  4. ইয়োম কিপুর যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
নানকিং চুক্তি:
- আফিমের চোরাচালানকে কেন্দ্র করে চীন ও ব্রিটেনের মধ্যে যে সংঘটিত যুদ্ধ হয়েছিল, তা আফিম যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- প্রথম আফিম যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৮৩৯ থেকে ১৮৪২ সাল পর্যন্ত।
- এই যুদ্ধে পরাজয়ের পর চীনের শাসকগোষ্ঠী ব্রিটিশদের সাথে একটি অপমানজনক 'অসম চুক্তি' স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়।
- এই চুক্তির নাম নানকিং চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ আগস্ট, ১৮৪২ সালে।
- এই চুক্তিই প্রথম আফিম যুদ্ধের অবসান ঘটায়।

উল্লেখ্য,
- এই চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটিশদের হংকংয়ের নিয়ন্ত্রণ দেওয়া হয়েছিল।
- এছাড়া চীন কর্তৃক ব্রিটেনকে বিভিন্ন বাণিজ্যিক সুযোগ-সুবিধা প্রদানে বাধ্য হয়।
- পরবর্তীতে ১৮৯৮ সালে চীন সরকার ৯৯ বছরের জন্যে হংকংকে ব্রিটেনের নিকট লিজ দেয় এবং ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই লিজের মেয়াদ শেষে ব্রিটেন পুনরায় চীনের নিকট হংকং কে হস্তান্তর করে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১,২৩৩.
যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া নিজেদের মধ্যকার কোন চুক্তিটির মেয়াদ সম্প্রতি আরো পাঁচ বছরের জন্যে বৃদ্ধি করেছে?
  1. New START
  2. START-1
  3. INF
  4. SALT-2
ব্যাখ্যা
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া সম্প্রতি নিজেদের মধ্যকার New START (The New Strategic Arms Reduction Treaty) চুক্তির মেয়াদ আরো পাঁচ বছর বৃদ্ধি করে ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করেছে।
- ২০১০ সালের ৮ এপ্রিল কৌশলগত বিপজ্জনক অস্ত্র হ্রাসকরণের লক্ষ্যে New START চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিলো যা ২০১১ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
- ১০ বছর মেয়াদী চুক্তিটির মেয়াদ গত ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১ শেষ হয়েছিলো।
(সূত্র: মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়)
১,২৩৪.
কূটনৈতিক আচরণ সংক্রান্ত বিধি-
  1. জেনেভা কনভেনশন- ১৯৫১
  2. ভিয়েনা কনভেনশন- ১৯৬১
  3. জেনেভা কনভেনশন- ১৯৪৯
  4. ভিয়েনা কনভেনশন- ১৯৯৩
ব্যাখ্যা
• ভিয়েনা কনভেনশন-১৯৬১:
ভিয়েনা কনভেনশন- ১৯৬১ হল : কূটনৈতিক আচরণ সংক্রান্ত বিধি।
- চুক্তি অনুযায়ী, কূটনীতিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয় স্বাগতিক দেশকে।
- চািক্তটি গৃহীত হয়: ১৮ এপ্রিল ১৯৬১,
- চুক্তিটি কার্যকর হয়: ২৪ এপ্রিল ১৯৬৪,
- স্বাক্ষরিত হওয়ার স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া,
- ভিয়েনা কনভেনশনে মোট ৫৩টি ধারা রয়েছে।
- কোনো দেশ ওইসব ধারার পরিপন্থী কাজ করলে সেটাকে 'চুক্তির বরখেলাপ' হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৯৬৫ সালে ভারত 'ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশনস' চুক্তিতে সাক্ষর করে।
- বাংলাদেশ ওই চুক্তিতে সই করে ১৯৭৮ সালে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১,২৩৫.
পালাউ কবে ইন্টারপোলের সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ২৮ নভেম্বর, ২০২৩
  2. ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৩
  3. ২৮ অক্টোবর, ২০২৩
  4. ২৮ আগস্ট, ২০২৩
ব্যাখ্যা
ইন্টারপোল (Interpol):
- Interpol-এর পূর্ণরূপ: The International Criminal Police Organization.
- অপরাধীদের সনাক্তকরণ এবং গ্রেপ্তার করতে বিশ্বের দেশগুলো পরস্পরকে সহযোগিতা লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এ আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩ (ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া)। 
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি।
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সর্বশেষ সদস্য: পালাউ। 
- পালাউ ২৮ নভেম্বর, ২০২৩ তারিখে ইন্টারপোলের সদস্যপদ লাভ করে।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।

উৎস: Interpol ওয়েবসাইট।
১,২৩৬.
রেড আর্মি কোন দেশের গেরিলা সংগঠন?
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) জাপান
  3. গ) ফিলিপাইন
  4. ঘ) কন্ট্রা
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের গেরিলা সংগঠন: 
- আবু সায়াফ (ফিলিপাইন)
- আল শাবাব (সোমালিয়া)
- ISIS (ইরাক ও সিরিয়া)
- রেড আর্মি (জাপান)
- ইউনিটা (অ্যাঙ্গোলা)
- হিজবুল্লাহ (লেবানন)
- উলফা (আসাম)
- বোকো হারাম (নাইজেরিয়া)
- ইনোসিস (সাইপ্রাস)
- কন্ট্রা (নিকারাগুয়া)
- ব্ল্যাক ডিসেম্বর, আল আয়েদা, লস্কর-ই-তৈয়বা (পাকিস্তান)
- আরসা, আরাকান আর্মি (মিয়ানমার)
- নর্দান অ্যালায়েন্স (আফগানিস্তান)
- JKLF (জাম্বু-কাশ্মীর)
- অরেঞ্জ অর্ডার (উত্তর আয়ারল্যান্ড)
- ব্লাক প্যান্থার (যুক্তরাষ্ট্র)
- NIFI (ত্রিপুরা)

উৎস: ই-শিখন.গভ.বিডি
১,২৩৭.
শেনজেন চুক্তিভুক্ত দেশের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ১৯টি
  2. খ) ২২টি
  3. গ) ২৬টি
  4. ঘ) ৩৪টি
ব্যাখ্যা
- শেনজেন চুক্তি হলো অবাধ চলাচল সংক্রান্ত একটি চুক্তি যা লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে ১৯৮৫ সালের ১৪ জুন স্বাক্ষরিত হয়।
- বর্তমানে ২২টি ইইউ এবং ৪টি নন-ইইউ দেশসহ মোট ২৬টি দেশ শেনজেন এরিয়াভুক্ত।
দেশগুলো হলো:
- অস্ট্রিয়া
- বেলজিয়াম
- চেকিয়া (চেক রিপাবলিক)
- ডেনমার্ক
- এস্তোনিয়া
- ফিনল্যান্ড
- ফ্রান্স
- জার্মানি
- গ্রিস
- হাঙ্গেরি
- আইসল্যান্ড
- ইতালি
- লাটভিয়া
- লিচেনস্টাইন
- লিথুয়ানিয়া
- লুক্সেমবার্গ
- মাল্টা
- নেদারল্যান্ডস
- নরওয়ে
- পোল্যান্ড
- পর্তুগাল
- স্লোভাকিয়া
- স্লোভেনিয়া
- স্পেন
- সুইডেন
- সুইজারল্যান্ড।
(সূত্র: শেনজেন ভিসা ওয়েবসাইট)
১,২৩৮.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তিতে মধ্যস্থতা করেন কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?
  1. জিমি কার্টার
  2. বিল ক্লিনটন
  3. জন এফ কেনেডি
  4. ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি হলো ইসরায়েল ও মিশরের মধ্যে ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮ সালে স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি।
- এই চুক্তি পরবর্তী বছরে এই দুই দেশের মধ্যে প্রথম আনুষ্ঠানিক শান্তিচুক্তিতে পরিণত হয়।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের মধ্যস্থতায় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন ও মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত এতে অংশগ্রহণ করেন।
- চুক্তিটি “মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য কাঠামো” নামে পরিচিত ছিল।
- মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি অবকাশকেন্দ্র ক্যাম্প ডেভিড, মেরিল্যান্ডে আলোচনা হওয়ায় এটি “ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি” নামে পরিচিত হয়।
- এই চুক্তির কারণে সাদাত ও বেগিন শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং আরব-ইসরায়েল বিরোধ নিরসনে প্রথম সফল কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: Britannica.
১,২৩৯.
'ওয়ারশ প্যাক্ট' বলতে বুঝানো হয়-
  1. ক) সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর সামরিক জোট
  2. খ) পুঁজিবাদী দেশগুলোর সামরিক জোট
  3. গ) জোট নিরপেক্ষ দেশগুলোর সামরিক জোট
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
ন্যাটো জোটের পাল্টা জোট হিসেবে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো ১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ প্যাক্ট নামে সামরিক জোট গঠন করে। এর উদ্দেশ্য ছিলো পুঁজিবাদী দেশগুলোর আগ্রাসন প্রতিহত করা। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সাথে সাথে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই ওয়ারশ প্যাক্ট বিলুপ্ত ঘটে।
১,২৪০.
আলজিয়ার্স চুক্তিতে ইরাকের পক্ষে স্বাক্ষর করেন কে?
  1. সাঈদ জলিলী
  2. সাদ্দাম হোসেন
  3. হাসান রুহানি
  4. মাসুদ পেজেশকিয়ান
ব্যাখ্যা
আলজিয়ার্স চুক্তি:
- এই চুক্তিটি একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- ইরাক-ইরান দুই দেশের মধ্যে আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জুন,১৯৭৫ সালে।
- অনুমোদিত হয়: ১৯৭৬ সালে।
- মধ্যস্থতাকারী দেশ: আলজেরিয়া।
- স্বাক্ষরের স্থান: আলজিয়ার্স, আলজেরিয়া।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী:
• শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী (ইরান)।
• সাদ্দাম হোসেন (ইরাক)।

- ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর,১৯৮০ সালে চুক্তিটি অকার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
১,২৪১.
বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI) কোন দেশের একটি বৈদেশিক নীতি প্রকল্প?
  1. ভারত
  2. জাপান
  3. রাশিয়া
  4. চীন
ব্যাখ্যা
বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI): 
- উদ্যোগের সূচনা: ২০১৩ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং কর্তৃক প্রস্তাবিত।
- মূল উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও সংযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি সাধন।
- প্রধান উপাদান:
- সিল্ক রোড ইকোনমিক বেল্ট (স্থলপথ),
- ২১শ শতাব্দীর মেরিটাইম সিল্ক রোড (সমুদ্রপথ),
- অংশগ্রহণকারী অঞ্চল:
- এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশ।
- প্রধান প্রকল্পসমূহ:
- রেলপথ, মহাসড়ক, বন্দর, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, এবং ডিজিটাল অবকাঠামো নির্মাণ।
- অর্থায়ন উৎস: চীন সরকার, এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (AIIB), সিল্ক রোড ফান্ড, এবং অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
• ভূরাজনৈতিক প্রভাব:
- চীনের বৈশ্বিক প্রভাব বৃদ্ধি, অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক জোরদার।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,২৪২.
কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন উৎপাদনে সম্প্রতি চীনের সাথে বাংলাদেশের কোন ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) বেক্সিমকো
  2. খ) স্কয়ার
  3. গ) ইনসেপটা
  4. ঘ) এক্‌মি
ব্যাখ্যা
গত আগস্ট, ২০২১ তারিখে করোনাভাইরাস ঠেকাতে বাংলাদেশে প্রথমবারের মত চীনের সিনোফার্মের টিকা যৌথ উৎপাদনের লক্ষ্যে ঢাকায় একটি ত্রি-পক্ষীয় সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করে বাংলাদেশের সরকার।
- চীনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন দুটি প্রতিষ্ঠান চায়না ন্যাশনাল বায়োটেক গ্রুপ অব কোম্পানিজচায়না সিনোফার্ম ইন্টারন্যাশনাল কর্পোরেশন এবং ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার এই চুক্তি স্বাক্ষর করে।

- চুক্তি অনুযায়ী চীন থেকে ভ্যাকসিন উৎপাদনের কাঁচামাল ও উপকরণ বা বাল্ক নিয়ে আসা হবে, যেটি 'সেমি-ফিনিসড' অবস্থায় থাকবে।
- এরপর দেশেই বোতলজাতকরণ, লেবেলিং ও ফিনিশিং করবে ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস।
- উৎপাদনের পর সরকার চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত দামে ইনসেপ্টার কাছ থেকে ভ্যাকসিন কিনে নেবে।

উৎস: বিবিসি বাংলা রিপোর্ট।
১,২৪৩.
কোন দেশটি আরবলীগের অর্ন্তভুক্ত নয়?
  1. ক) জর্ডান
  2. খ) লেবানন
  3. গ) ইরান
  4. ঘ) বাহরাইন
ব্যাখ্যা
• ইরান আরব লীগের অন্তর্ভুক্ত নয়।
• প্রতিষ্ঠিত হয়: ২২ মার্চ ১৯৪৫ সালে ।
• প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৭ টি। ইরাক, সিরিয়া, মিশর, লেবানন, জর্ডান, ইয়ামেন ও সেীদি আরব ।
• বর্তমান সদস্য: ২২টি। আলজেরিয়া, বাহরাইন, কমোরোস , জিবুতি, মিশর, ইরাক, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, লিবিয়া, মেীরিতানিয়া, মরক্কো, ওমান, ফিলিস্তিন, কাতার, সেীদি আরব, সোমালিয়া, সুদান, সিরিয়া, তিউনেসিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইয়েমেন।
• আরব লীগের পর্যবেক্ষক দেশ: ব্রাজিল, ইরিত্রিয়া, ভারত ও ভেনিজুয়েলা।
• ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: মিশর।
• আরব লীগের সদর দফতর: কায়রো মিশর।

উৎস:আরব লীগের ওয়েবসাইট।
১,২৪৪.
যুদ্ধবস্থায় বেসামরিক জনগণকে রক্ষার বিষয়ে জেনেভা কনভেনশনের কত নং চুক্তিতে বলা আছে?
  1. ১নং চুক্তি
  2. ২নং চুক্তি
  3. ৩নং চুক্তি
  4. ৪নং চুক্তি
ব্যাখ্যা
• জেনেভা কনভেনশন ১৯৪৯ (Geneva Convention):
- ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় 'জেনেভা কনভেনশন' স্বাক্ষর হয়।
- এর আওতায় স্বাক্ষরিত চুক্তির সংখ্যা ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল।
- যুদ্ধকালীন সামরিক, বেসামরিক ও স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ষার জন্য এতে চারটি রক্ষাকবচ/চুক্তি থাকায় এই চুক্তিকে "চারটি রেডক্রস কনভেনশন" বলা হয়।
- স্বাক্ষরিত চারটি চুক্তি হচ্ছে -
১. প্রথম জেনেভা কনভেনশন: জেনেভা কনভেনশনের প্রথম চুক্তিটি যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।

২. দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন: দ্বিতীয় চুক্তিটি সমুদ্রে বা জলের যুদ্ধে আহত, অসুস্থ ও জাহাজডুবির স্বীকার সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালের "হেগ চুক্তি" সংশোধন করে এটি সাক্ষরিত হয়।

৩. তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন : জেনেভা কনভেনশনের তৃতীয় চুক্তিটি হচ্ছে যুদ্ধ-বন্দিদের প্রতি আচরণ সংক্রান্ত।

৪. চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন : চতুর্থ চুক্তিটি যুদ্ধক্ষেত্র বা অবরুদ্ধ অঞ্চলের বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি।

উৎস: Redcross অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,২৪৫.
UKUSA চুক্তির উপর ভিত্তি করে কোন গোয়েন্দা জোটটি গঠিত হয়েছে?
  1. ফাইভ আইস
  2. সিবিআই
  3. ফেয়ারফ্যাক্স
  4. মোসাদ
ব্যাখ্যা
Five Eyes:
- ফাইভ আইস ইন্টেলিজেন্স অ্যালায়েন্স, যা FVEY নামেও পরিচিত।
- ‘এটি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা এবং নিউজিল্যান্ডের একটি গোয়েন্দা জোট।
- জোটটি UKUSA চুক্তির উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে
- তারা বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে একসাথে কাজ করে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে তারা তাদের দেশকে নিরাপদ রাখতে একে অপরকে সাহায্য করছে।
- সন্ত্রাসবাদ, সাইবার হুমকি এবং অন্যান্য নিরাপত্তা সম্পর্কিত তথ্য তারা শেয়ার করে।

উল্লেখ্য,
⇒ UKUSA চুক্তি:
- ১৯৪৩ সালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য একটি সমবায় গোয়েন্দা চুক্তি গঠন করে যা BRUSA চুক্তি নামে পরিচিত।
- এই গোপন চুক্তিটি পরবর্তীতে UKUSA চুক্তি হিসাবে আনুষ্ঠানিক রূপ লাভ করে।
- এই চুক্তিটি ফাইভ আই দেশের মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের ভিত্তি স্থাপন করে।

উৎস: Five Eyes ওয়েবসাইট।
১,২৪৬.
সল্ট-১ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ____ সালে।
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৭৯
  3. গ) ১৯৭৩
  4. ঘ) ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় Strategic Arms Limitation Talk - 1 (SALT-1) ২৬শে মে, ১৯৭২ সালে এবং Strategic Arms Limitation Talk - 2 (SALT-2) স্বাক্ষরিত হয় ১৮ জুন ১৯৭৯ সালে। উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১,২৪৭.
আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা (Interpol) এর বর্তমান সদস্য কয়টি? (জুন, ২০২৫)
  1. ১৯৩টি
  2. ১৯৪টি
  3. ১৯৫টি
  4. ১৯৬টি
ব্যাখ্যা
Interpol:
- Interpol হল আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা।
- Interpol এর পূর্ণরূপ International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯২৩ সাল।
- বর্তমান সদর দপ্তর: লিওঁ, ফ্রান্স।
- ১৯৪৬ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে এবং ১৯৮৯ সালে ফ্রান্সের লিওঁ শহরে সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৬টি দেশ। (জুন, ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: পালাউ।
- বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে: ১৪ অক্টোবর, ১৯৭৬ সাল।
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা। (জুন, ২০২৫)
- তিনি ব্রাজিলের নাগরিক।
- ২০২৪ সালের নভেম্বরে যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত ৯২তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র - ইন্টারপোল অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,২৪৮.
‘সিয়াচেন হিমবাহ’ কোন দুটি দেশের মধ্যে একটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল?
  1. ভারত ও পাকিস্তান
  2. ভারত ও চীন
  3. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
  4. চীন ও নেপাল
ব্যাখ্যা

• সিয়াচেন হিমবাহ:
- ‘সিয়াচেন হিমবাহ’ অবস্থিত উত্তর কাশ্মীরে।
- সিয়াচেন হিমবাহ পৃথিবীর উচ্চতম যুদ্ধক্ষেত্র বলে পরিচিত।
- 'সিয়াচেন হিমবাহ' পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যকার একটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।

- কারাকোরাম পর্বতের সিয়াচেন হিমবাহ দখলে রাখা নিয়ে দুই চিরবৈরী দেশ ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে লড়াই শুরু হয় আশির দশকের গোড়া থেকে।
- তবে দ্বন্দ্বের বীজ লুকিয়ে ছিল দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া করাচি আর সিমলা চুক্তি দুটির মধ্যেই – যেখানে ‘এন জে ৯৮৪২’ নামের একটি অবস্থানের পরে নিয়ন্ত্রণ রেখা নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা হয়নি মানচিত্রে।
- মনে করা হত ওই এলাকার আবহাওয়া এতটাই প্রতিকুল, যেখানে কোনও মানুষ থাকতে পারবে না।

অন্যদিকে,
• ভারত ও নেপালের মধ্যে অমীমাংসিত ভূখন্ড হলো কালাপানি,
• ভারত ও চীনের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল লাদাখ,
• ভারত ও মিয়ানমারের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল ইম্ফল।

তথ্যসূত্র: i) Britannica.
ii) BBC.

১,২৪৯.
'ব্লাক ক্যাট' কোন দেশের কমান্ডো বাহিনী?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ভারত 
  3. পাকিস্তান
  4. মিয়ানমার
ব্যাখ্যা

ব্লাক ক্যাট (BLACK CAT):
- ভারতের ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (এনএসজি) সাধারণত ব্ল্যাক ক্যাটস নামে পরিচিত।
- এটি ভারতের কমান্ডো বাহিনী।
- এটা একটা কম্বাইন্ড কাউন্টার টেররিজম এলিট ফোর্স যেখানে সব বাহিনী থেকেই বাছাই করে লোক নেয়া হয়।
- এটি শুধু ভারতের অভ্যন্তরেই কাজ করে।
- এটি ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৬ই অক্টোবর, ১৯৮৪ সালে।
- এর সদরদপ্তর: নয়াদিল্লি, ভারত।

উৎস: Indian National Security Guard Website.

১,২৫০.
কোয়াড কোন অঞ্চলের জন্য একটি চতুর্পক্ষীয় নিরাপত্তা ফোরাম হিসেবে কাজ করে?
  1. আটলান্টিক মহাসাগরীয় অঞ্চল
  2. ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল
  3. ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল
  4. লোহিতসাগরীয় অঞ্চল
ব্যাখ্যা

QUAD (কোয়াড):
- QUAD-এর পূর্ণরূপ: Quadrilateral Security Dialogue.
- QUAD হলো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের (ভারত-প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চল) ‘চতুর্পক্ষীয় নিরাপত্তা ফোরাম’।
- গঠিত হয়: ২০০৭ সালে।
- সদস্য দেশ: ৪টি (যথা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপান)।

⇒ কোয়াড এর মূল উদ্দেশ্য: ভারত-প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, কৌশলগত, সামরিক এবং অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা, বৃহত্তর আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে একে অপরের প্রতি নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি করা।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালে কোয়াডের ৫ম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে ভারতে।

উৎস: Department of the Prime Minister and Cabinet.

১,২৫১.
পিস আর্ক কী?
  1. যুদ্ধ বিমান
  2. চিকিৎসা জাহাজ
  3. সংবাদ সংস্থা
  4. যুদ্ধ জাহাজ
ব্যাখ্যা

 পিস আর্ক:
- 'পিস আর্ক' হলো একটি চিকিৎসা জাহাজ।
- পিস আর্ক হসপিটাল জাহাজ, যা চীনা ভাষায় হেপিং ফাংঝু নামে পরিচিত।
- এটি দেশের প্রথম স্ট্যান্ডার্ড সমুদ্রগামী হাসপাতালের জাহাজ।
- এটি পিপলস লিবারেশন আর্মি নেভিতে দাইশান দাও হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
- এটি অত্যাধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তিতে সজ্জিত।
- ২০০৮ সালে চীনা নৌবাহিনীতে কমিশন করা 'পিস আর্ক' সহায়ক জাহাজগুলির মধ্যে একটি।
- একটি হাসপাতালের জাহাজ হিসাবে চিহ্নিত করার জন্য লাল ক্রস দিয়ে সাদা আঁকা।
- ক্রুতে চীনের কিছু নেতৃস্থানীয় চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ এবং নিউরোলজি, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি, ফিজিওথেরাপি, ঐতিহ্যবাহী চীনা ওষুধ, সংক্রামক রোগ, পুনর্গঠনমূলক সার্জারি এবং পোড়া বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

উৎস: China Military ওয়েবসাইট।

১,২৫২.
S-400 কী?
  1. বোমারু বিমান
  2. আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
  3. সামরিক হেলিকাপ্টার
  4. অত্যাধুনিক ট্যাংক
ব্যাখ্যা
• S-400:
- S-400 রাশিয়ার তৈরি অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
- এটি রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান 'আলমাজ আন্তে' তৈরি করে।
- ২০০৭ সাল থেকে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী S-400 প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে আসছে।
- এর ন্যাটো সাংকেতিক নাম (SA-21 Growler)।
- বর্তমানে রাশিয়া ব্যতীত চীন,ভারত ও তুরস্ক এই ব্যবস্থা ব্যবহার করছে।

উৎস: ডয়েচেভেলে এবং আল জাজিরা ।
১,২৫৩.
হামাসের সামরিক শাখা কী নামে পরিচিত?
  1. আল ফাতাহ ব্রিগেড
  2. ইজ্জেদিন আল-কাশেম ব্রিগেডস
  3. আল মুজাহিদীন ব্রিগেড
  4. আল কুদস ফোর্স
ব্যাখ্যা

হামাস:
- হামাস ফিলিস্তিনের গেরিলা সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৮৭।
- প্রতিষ্ঠাতা: শেখ ইয়াসিন।
- এর সদরদপ্তর গাজায় অবস্থিত।
- সামরিক শাখা: ইজ্জেদিন আল-কাশেম ব্রিগেডস।
- গাজা উপত্যকা দখল: ২০০৭ সালে। 

⇒ ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি দখলদারত্বের অবসানের দাবিতে ‘ইন্তিফাদা’ বা ফিলিস্তিনি গণজাগরণ শুরুর পর ১৯৮৭ সালে হামাস গঠিত হয়। কট্টর ইসরায়েলবিরোধী আধ্যাত্মিক নেতা শেখ আহমাদ ইয়াসিনের নেতৃত্বে আবদেল আজিজ আল-রান্তিসি ও মাহমুদ জহর সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- শুরু থেকেই নীতিগতভাবে প্রয়াত ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাতের স্বাধীনতাপন্থী সংস্থা পিএলও এর বিরোধিতা করে আসছে দলটি।
- তাদের প্রথম উদ্দেশ্য এর সামরিক শাখা ইজ্জেদিন আল-কাশেম ব্রিগেডসের মাধ্যমে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া। দ্বিতীয় উদ্দেশ্য ফিলিস্তিনে বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করা।

উৎস: i) Al Jazeera.
ii) Britannica.

১,২৫৪.
’ইয়াল্টা সম্মেলন’ কোন দেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল? 
  1. জার্মানি
  2. ফ্রান্স
  3. ইউক্রেন 
  4. যুক্তরাজ্য 
ব্যাখ্যা

• ইয়াল্টা সম্মেলন:
- ইয়াল্টা সম্মেলন ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন মিত্রশক্তির সম্মেলন।
- তিন প্রধান নেতা-যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে অনুষ্ঠিত একটি গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ বৈঠক।
- এটি ইউরোপে যুদ্ধ-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি নির্ধারণে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।
- তারিখ: ৪ -১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৫।
- স্থান: লিভাদিয়া প্রাসাদ, ইয়াল্টা, ক্রিমিয়া (তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন, বর্তমানে ইউক্রেন)।
- প্রধান অংশগ্রহণকারী নেতারা:
- ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট – মার্কিন প্রেসিডেন্ট,
- উইনস্টন চার্চিল - ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী,
- জোসেফ স্টালিন - সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা।

• প্রধান সিদ্ধান্তসমূহ:
- জার্মানিকে চারটি অধিকৃত অঞ্চলে ভাগ করা হবে (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও ফ্রান্স)।
- বার্লিন শহরকেও চার ভাগে ভাগ করা হবে।
- একটি নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা জাতিসংঘ (United Nations) গঠনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।
- নিরাপত্তা পরিষদে ভেটো ক্ষমতা যুক্ত করা হয় স্থায়ী সদস্যদের জন্য
- পোল্যান্ডের নতুন সীমা নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: Britannica.com.

১,২৫৫.
তুরস্ক সমর্থিত সিরিয়ার মিলিশিয়া গোষ্ঠী কোনটি?
  1. ক) Kurdistan Workers Party (PKK)
  2. খ) Popular Protection Unit (YPG)
  3. গ) Syrian Democratic Forces (SDF)
  4. ঘ) Syrian Natonal Army (SNA)
ব্যাখ্যা
সিরিয়ায় চলমান গৃহযুদ্ধে একাধিক পক্ষ পরস্পরের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত। এর মধ্যে তুরস্ক সমর্থিত মিলিশিয়া বাহিনী হলো Syrian National Army (SNA). এটি পূর্বে Free Syrian Army নামে পরিচিত ছিল। এটি ২০১১ সালে সিরিয়ান সেনাবাহিনী থেকে আসাদবিরোধী হিসেবে বিচ্যুতদের সমন্বয়ে গঠিত। SNA হেডকোয়ার্টার সিরিয়ার আলেপ্পোতে অবস্থিত৷ PKK এবং YPG হলো কুর্দি মিলিশিয়া গ্রুপ। SDF মার্কিন সমর্থনপুষ্ট মিলিশিয়া গোষ্ঠী যারা মূলত কুর্দিদের নিয়ে গঠিত। (সূত্রঃ আল জাজিরা এবং আনাদুলু এজেন্সি)
১,২৫৬.
নিচের কোন দেশ NATO-র সদস্য নয়?
  1. Canada
  2. Israel
  3. Turkey
  4. US
  5. UK
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি একটি সামরিক সহযোগিতার জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
- ইউরোপের বাইরে প্রথম মিশন: আফগানিস্তান, ২০০৩।

⇒ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ - ১০: Open Door Policy [নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি]।
- ন্যাটোর নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি হয় এই অনুচ্ছেদ অনুসারে।
- ন্যাটোর সদস্য হওয়ার পূর্ব শর্ত হলো দেশটিকে ইউরোপিয়ান দেশ হতে হবে।

উল্লেখ্য,
⇒ ন্যাটোর সদস্য দেশ:
- বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, গ্রীস, তুরস্ক, জার্মানি, স্পেন, চেক প্রজাতন্ত্র, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, আলবেনিয়া, ক্রোয়েশিয়া, মন্টিনিগ্রো, উত্তর মেসিডোনিয়া, ফিনল্যান্ড, সুইডেন।

অন্যদিকে,
- ইসরায়েল NATO-র সদস্য নয়।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
১,২৫৭.
'নিউ স্টার্ট' চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান কোনটি?
  1. প্রাগ, চেক রিপাবলিক
  2. ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
  3. রোম, ইতালি
  4. প্যারিস, ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
নিউ স্টার্ট (New START):

- ২০০৯ সালের ৫ ডিসেম্বর স্টার্ট-১ এর মেয়াদ শেষ হলে ওবামা প্রশাসন ও পুতিনের সরকারের মধ্যে আলোচনা শুরু হয় এবং দ্রুতই নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ে নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ৮ এপ্রিল, ২০১০ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - প্রাগ, চেক রিপাবলিক।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী - যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বারাক ওবামা এবং রাশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি মেদভেদ।
- চুক্তি কার্যকর - ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সাল।
- চুক্তির বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তির মেয়াদ - প্রাথমিক মেয়াদ - ১০ বছর (ফেব্রুয়ারি, ২০২১ পর্যন্ত) ২০২১ সালে মেয়াদান্তে তা আরো ৫ বছর অর্থ্যাৎ, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।
- চুক্তি অনুসারে দুই পক্ষ পারমাণবিক টর্পেডো ৫০০ - ১০০০ এবং ডেলিভারী বাহন ৮০০ এর মধ্যে সীমিত রাখার পক্ষে একমত হয়। ৮০০ বাহনের মধ্যে এক সাথে ৭০০ এর বেশি মোতায়ন করা যাবে না।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম এবং ব্রিটানিকা।
১,২৫৮.
প্যান্ডোরা পেপার্স, পানামা পেপারস, প্যারাডাইস পেপারস কেলেঙ্কারী প্রকাশকারী অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের সংস্থার নাম কী?
  1. ক) ICRJ
  2. খ) ICCJ
  3. গ) ICIJ
  4. ঘ) IRCJ
ব্যাখ্যা
• ICIJ:
- ICIJ এর পূর্ণরূপ The International Consortium of Investigative Journalists.
-  বিশ্বের ১০০টির অধিক দেশের শীর্ষস্থানীয় অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের একটি সংগঠন।
- মার্কিন সাংবাদিক চার্লস চাক লুইস ১৯৯৭ সালে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ICIJ এর সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
- পানামা পেপার্স, প্যারাডাইস পেপার্স, প্যান্ডোরা পেপার্স, আফসোর লিস প্রভৃতি গোপন নথিপত্র ফাঁসের মাধ্যমে ICIJ বিশ্বব্যাপী পরিচিতি লাভ করে।
-  এসব বারমুডায় অবস্থিত অ্যাপলবাই নামের এক আইনি সহযোগী সংঘটনের গোপন নথি।
- যার মধ্যে ১ কোটি ৩৪ লাখ ডকুমেন্টস এখন তদন্ত করে দেখছে ৬৭টি দেশের ৩৮০ জন সাংবাদিক। 

উৎস: ICIJ ওয়েবসাইট।
১,২৫৯.
'রাফাহ সীমান্ত' কোন দুইটি দেশের সাথে সংযুক্ত?
  1. সিরিয়া ও ফিলিস্তিন
  2. ইসরায়েল ও লেবানন
  3. মিশর ও ফিলিস্তিন
  4. ইসরায়েল ও সিরিয়া
ব্যাখ্যা
রাফাহ সীমান্ত :
- রাফাহ হল গাজা উপত্যকার সবচেয়ে দক্ষিণে ৫৫ বর্গকিলোমিটার আয়তনের একটি শহর।
- রাফাহ ক্রসিং হল মিশর আর ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ডের মধ্যে একমাত্র সীমান্ত পারাপারের পথ।
- সীমান্তটি মানবিক সহায়তা, পণ্য প্রবাহ এবং সাধারণ নাগরিক চলাচলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে।
- রাফাহ সীমান্তের গুরুত্ব ১৯৪৮ সালের পর থেকে বেড়ে গেছে, যখন ইসরায়েল এবং আরব দেশগুলির মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়।
- ২০০৭ সালে হামাস গাজায় ক্ষমতা গ্রহণ করার পর, সীমান্তে আরো কড়াকড়ি আরোপ করা হয়।
- রাফাহ সীমান্তটি বর্তমানে কখনো খোলা থাকে, কখনো আবার রাজনৈতিক বা যুদ্ধকালীন নিরাপত্তাজনিত কারণে বন্ধ থাকে।

উৎস: প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট।
১,২৬০.
নাগার্নো-কারাবাখ শান্তি চুক্তির পক্ষ কোনগুলো?
  1. ক) আলবেনিয়া ও আজারবাইজান
  2. খ) ইউক্রেন ও বেলারুশ
  3. গ) আলজেরিয়া ও আজারবাইজান
  4. ঘ) আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান
ব্যাখ্যা
প্রতিবেশী দুই দেশ আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া‌র মধ্যে দক্ষিণ ককেশাসের বিতর্কিত অঞ্চল নাগার্নো-কারাবাখ নিয়ে দ্বন্দ্ব অনেক পুরনো।
- বিবাদপূর্ণ নাগার্নো-কারাবাখের মালিকানা ঘিরে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ সালে সর্বাত্মক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া।
- ৯ নভেম্বর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে 'নাগার্নো-কারাবাখ শান্তি চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয়।
- এই অঞ্চলের প্রধান সম্পদ- দস্তা, কয়লা, স্বর্ণ, মার্বেল, চুনা পাথর ও প্রাকৃতিক ঝরণা।

উৎসঃ পত্রিকা রিপোর্ট।
১,২৬১.
ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী নিরাপত্তা ব্যবস্থা THAAD কোন দেশের উদ্ভাবন?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. রাশিয়া
  3. চীন
  4. ভারত
ব্যাখ্যা

• থাড (THAAD):
- থাড (THAAD) যুক্তরাষ্ট্রের ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রতিরোধী নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
- ‘THAAD’ এর পূর্ণরুপ: Terminal High Altitude Area Defense।
- ‘থাড’ হলো একটি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা যা স্বল্প, মাঝারি এবং মধ্যবর্তী-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আটকাতে সক্ষম।
- এটিই একমাত্র মার্কিন সিস্টেম যা বায়ুমণ্ডলের ভেতরে ও বাইরের লক্ষ্যবস্তুকে বাধা দিতে সক্ষম।
- শত্রু কোনো দেশ থেকে যদি কোনো মিসাইল নিক্ষেপিত হয়, থাড প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তা মহাশূন্যেই ধ্বংস করে দিতে সক্ষম।
- এটি প্রাথমিক ভাবে ২০১২ সালের এপ্রিলে মোতায়েন করা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী এটি ব্যবহার করে এবং ইতোমধ্যে আরব আমিরাত, তুরষ্ক ও দক্ষিণ কোরিয়াতে তা মোতায়েন করা হয়েছে।
- থাড মিসাইল-এর ব্যাপ্তি ১২৫ মাইল।
- থাড মিসাইল ব্যাটারী এক সাথে ৬টি মিসাইল নিক্ষেপ করতে পারে এবং শত্রু মিসাইল টার্গেটে আঘাত হানার আগেই ধ্বংস করতে সক্ষম।
- প্রতিটি থাড মিসাইল ব্যাটারীর মূল্য ৮০০ মিলিয়ন ডলার।
- এর নির্মাতা লকহিড মার্টিন কোম্পনি।

উৎস: i) Lockheed Martin ওয়েবসাইট।
ii) CRS Reports (.gov) ওয়েবসাইট।
iii) আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ - তারেক শামসুর রেহমান।

১,২৬২.
Which of the following countries is not a member of Quad defense alliance?
  1. United States
  2. Australia
  3. France
  4. Japan
ব্যাখ্যা
কোয়াড:
- QUAD-এর পূর্ণরূপ: Quadrilateral Security Dialogue.
- এর অর্থ হলো ‘চতুর্পক্ষীয় নিরাপত্তা সংলাপ’।
- এটি একটি অনানুষ্ঠানিক কৌশলগত নিরাপত্তা ফোরাম।
- কোয়াডের সদস্য দেশ মোট চারটি।
- যথা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপান।
- ২০০৭ সালে এ চারটি দেশ নিয়ে QUAD গঠিত হয়।
- কোয়াডের প্রাথমিক উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো একটি উন্মুক্ত, সমৃদ্ধ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য কাজ করা।
- কোয়াড এর মূল উদ্দেশ্য চীনের অর্থনৈতিক ও সামরিক অগ্ৰযাত্রা প্রতিহত করা।

উল্লেখ্য,
- ফ্রান্স প্রতিরক্ষামূলক জোট কোয়াড -এর সদস্য নয়। 

উৎস: The Guardian।
১,২৬৩.
'সিয়াচেন হিমবাহ' কোন দুইটি দেশের বিরোধপূর্ণ অঞ্চল?
  1. পাকিস্তান ও ভারত
  2. ভারত ও চীন
  3. পাকিস্তান ও চীন
  4. ভারত ও ভুটান
ব্যাখ্যা

সিয়াচেন হিমবাহ:
- ‘সিয়াচেন হিমবাহ’ অবস্থিত উত্তর কাশ্মীরে।
- সিয়াচেন হিমবাহ পৃথিবীর উচ্চতম যুদ্ধক্ষেত্র বলে পরিচিত।
- 'সিয়াচেন হিমবাহ' পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যকার একটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।

⇒ কারাকোরাম পর্বতের সিয়াচেন হিমবাহ দখলে রাখা নিয়ে দুই চিরবৈরী দেশ ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে লড়াই শুরু হয় আশির দশকের গোড়া থেকে।
- তবে দ্বন্দ্বের বীজ লুকিয়ে ছিল দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া করাচি আর সিমলা চুক্তি দুটির মধ্যেই – যেখানে ‘এন জে ৯৮৪২’ নামের একটি অবস্থানের পরে নিয়ন্ত্রণ রেখা নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা হয়নি মানচিত্রে।
- মনে করা হত ওই এলাকার আবহাওয়া এতটাই প্রতিকুল, যেখানে কোনও মানুষ থাকতে পারবে না।

অন্যদিকে,
• ভারত ও নেপালের মধ্যে অমীমাংসিত ভূখন্ড হলো কালাপানি,
• ভারত ও চীনের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল লাদাখ,
• ভারত ও মিয়ানমারের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল ইম্ফল।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮৪ সালে ভারত অপারেশন মেঘদূতের (Operation Meghdoot) মাধ্যমে সিয়াচেন হিমবাহের ৭০% নিয়ন্ত্রণ নেয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

১,২৬৪.
'RAW' কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ইরান
  2. ভারত
  3. পাকিস্তান
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
RAW:
- ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা।
- RAW - এর পূর্ণরূপ- Research and Analysis Wing (RAW).
- এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৬৮ সালে।
- RAW প্রতিষ্ঠার পূর্বে Intelligence Bureau ভারতের অভ্যন্তরীন এবং বাহ্যিক উভয় ক্ষেত্রে তৎপরতা চালাতো।
- প্রতিষ্ঠাকালিন পরিচালক ছিলেন - রামেশ্বর নাথ কাও।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,২৬৫.
ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর কোন দেশের গেরিলা সংগঠন? 
  1. সিরিয়া
  2. ফিলিস্তিন
  3. আফগানিস্তান
  4. ইয়েমেন
ব্যাখ্যা

ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর:
- ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর ফিলিস্তিনের একটি গেরিলা সংগঠন।
- এটি ফিলিস্তিনের ফাতাহ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া একটি অংশ।
- ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর ১৯৭১ সালে গঠিত হয় এবং ১৯৭৪ সালে বিলুপ্ত ঘোষিত হয়।
- নামকরণের কারণ: 
- ১৯৭০ সালের সেপ্টেম্বরে জর্ডানে সংঘর্ষে হাজারো ফিলিস্তিনি নিহত হয়  এই ঘটনাকে “Black September” বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- বিখ্যাত ঘটনা: মিউনিখ অলিম্পিক হত্যাকাণ্ড (১৯৭২)।
- ১১ জন ইসরায়েলি ক্রীড়াবিদ অপহরণ ও হত্যা
- অপারেশন ‘Wrath of God’ দ্বারা ইসরায়েলের প্রতিশোধ।
- জর্ডানের প্রধানমন্ত্রী ওয়াসফ আল-তেল-কে হত্যা (১৯৭১)।

উৎস: Britannica.

১,২৬৬.
'Minsk II' চুক্তিতে নিম্নের কোন দুইটি দেশ স্বাক্ষর করে?
  1. ক) আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া
  2. খ) রাশিয়া ও ইউক্রেন
  3. গ) তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তান
  4. ঘ) রাশিয়া ও আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
Minsk II
Representatives of Russia, Ukraine, the Organisation for Security and Cooperation in Europe (OSCE) and the leaders of separatist-held regions Donetsk and Luhansk signed a 13-point agreement in February 2015.
The leaders of France, Germany, Russia, and Ukraine gathered in Minsk to mark the occasion and issued a declaration of support.

Minsk I
Ukraine and the Russia-backed separatists agreed on a 12-point ceasefire deal in September 2014.
Its provisions included prisoner exchanges, deliveries of humanitarian aid and the withdrawal of heavy weapons.
However, the agreement quickly broke down, with violations by both sides.

Source: www.aljazeera.com
১,২৬৭.
ব্রাসেলস চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ২৫ আগস্ট, ১৯৪৮
  2. ১৭ মার্চ, ১৯৪৮
  3. ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯
  4. ১২ মার্চ, ১৯৪৭
ব্যাখ্যা

• ব্রাসেলস চুক্তি:
- ব্রাসেলস চুক্তি (১৯৪৮) ছিল পশ্চিম ইউরোপীয় দেশগুলো—ব্রিটেন, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস এবং লুক্সেমবার্গ—দ্বারা স্বাক্ষরিত একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা চুক্তি।
- এই চুক্তির মাধ্যমে তারা একটি সম্মিলিত প্রতিরক্ষা জোট গঠন করেছিল যা পরবর্তীতে পশ্চিম ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ন্যাটোর (NATO) জন্মের ভিত্তি তৈরি করে।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ মার্চ, ১৯৪৮ সালে বেলজিয়ামের ব্রাসেলস।
- কার্যকর হয়: ২৫ আগস্ট, ১৯৪৮ সালে।
- এ চুক্তির আওতায় দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বাড়ানো হয়।

উৎস: Britannica.

১,২৬৮.
কত সালে The African Continental Free Trade Area (AfCFTA) প্রতিষ্ঠা করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০০৯ সালে
  4. ২০১২ সালে
ব্যাখ্যা

• The African Continental Free Trade Area ( AfCFTA)
এটি হল বিশ্বের বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল যা আফ্রিকান ইউনিয়নের (AU) ৫৫টি দেশ এবং আটটি (৮) আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সম্প্রদায় (REC) কে একত্রিত করে।
- ২০১২ সালের জানুয়ারিতে ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবায় অনুষ্ঠিত রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের ১৮তম সাধারণ অধিবেশনে আফ্রিকান মহাদেশীয় মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল (AfCFTA) প্রতিষ্ঠা দ্রুত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
- এই অধিবেশনে আফ্রিকান কন্টিনেন্টাল ফ্রি ট্রেড এরিয়া প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- The African Continental Free Trade Area (AfCFTA) এ স্বাক্ষরকারী দেশ-৫৫ টি (সেপ্টেম্বর-২০২৫)।
- আন্তঃআফ্রিকান বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য কর্ম পরিকল্পনাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
- এর বাস্তবায়ন আফ্রিকার আর্থ-সামাজিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নকে উৎসাহিত করবে।
- AfCFTA-এর মূল লক্ষ্য হলো আন্তঃআফ্রিকান বাণিজ্য ত্বরান্বিত করা।
- বিশ্ব বাজারে আফ্রিকার বাণিজ্য অবস্থানকে জোরদার করা এর অন্যতম উদ্দেশ্য।
- বিশ্ব বাণিজ্য আলোচনায় আফ্রিকার সাধারণ কণ্ঠস্বর ও নীতিগত অবস্থানকে শক্তিশালী করা AfCFTA-এর আরেকটি লক্ষ্য।

উৎস: African Union এবং AfCFTA।

১,২৬৯.
'সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ' কোথায় অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ চীন সাগরে
  2. পূর্ব চীন সাগরে
  3. কোরিয়ান উপসাগরে
  4. আটলান্টিক মহাসাগরে
ব্যাখ্যা
সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ:
- চীন ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ সেনকাকু।
- দ্বীপটির মালিকানা নিয়ে চীন ও জাপানের মধ্যকার বিরোধ দীর্ঘদিনের।
- বিরোধপূর্ণ দ্বীপটি জাপানের কাছে ‘সেনকাকু’ ও চীনের কাছে ‘দিয়াওয়ু’ নামে পরিচিত।
- সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ পূর্ব চীন সাগরে অবস্থিত।
- ১৮৯৫ সালে সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ জাপানের ভূখণ্ডে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর, জাপানি নাগরিকরা দ্বীপগুলিতে বসতি স্থাপন করে।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
১,২৭০.
আলজিয়ার্স চুক্তির সাথে সম্পৃক্ত দেশ কোনটি?
  1. দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়া
  2. ইরান ও ইরাক
  3. ফ্রান্স ও জার্মানি
  4. ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
আলজিয়ার্স চুক্তি: 
-আলজিয়ার্স চুক্তির সাথে সম্পৃক্ত দেশ দুটি হলো ইরাক ও ইরান।
- চুক্তিটি ১৩ জুন ১৯৭৫ সালে আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে স্বাক্ষরিত হয়।
- আলজেরিয়ার মধ্যস্থতায় শাত-ইল-আরব নদীকে কেন্দ্র করে সীমান্ত বিরোধ নিরসনের লক্ষ্যে এটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

উল্লেখ্য, 
- ইরানের পক্ষে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী এবং ইরাকের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন এতে স্বাক্ষর করেন। তবে, ১৯৮০ সালে ইরাক ইরানে আক্রমণ করলে এই চুক্তি কার্যকারিতা হারায়। পরবর্তীতে এই ঘটনা ইরান-ইরাক যুদ্ধের সূচনা করে।
 
সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি.কম।
১,২৭১.
চীন ও ভিয়েতনামের মধ্যকার বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কোনটি?
  1. কুড়িল দ্বীপ
  2. স্প্রাটলি দ্বীপ
  3. শাখালিন দ্বীপ
  4. সেনকাকু দ্বীপ
ব্যাখ্যা
স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ:
- স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত।
- এটি চীনের অধীনস্ত বর্তমানে।
- এই দ্বীপটি নিয়ে চীন ও ভিয়েতনামের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।

অন্যদিকে,
রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ:
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ ও শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ।

• শাখালিন দ্বীপ:
- প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ।

• সেনকাকু দ্বীপ:
- চীন ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ।
- চীনে এটি পরিচিত 'দিয়াওয়ার্ড' নামে।

উৎস: Britannica.
১,২৭২.
তুরস্কের বিচ্ছিন্নতাবাদী দল Kurdistan Workers' Party বা PKK এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. জালাল তালাবানী
  2. মাসুদ বারজানী
  3. মাজলুম আবদি
  4. আবদুল্লাহ ওচালান
ব্যাখ্যা

♦ তুরস্কের বিচ্ছিন্নতাবাদী দল Kurdistan Workers' Party বা PKK এর প্রতিষ্ঠাতা আবদুল্লাহ ওচালান। 

Kurdistan Workers' Party (PKK):
- কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (পিকেকে) একটি কুর্দি জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক ও সামরিক সংগঠন।
- এটি মূলত তুরস্ক, ইরান, ইরাক এবং সিরিয়ায় কুর্দিদের অধিকারের পক্ষে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।
- পিকেকে ১৯৭৮ সালে আবদুল্লাহ ওচালানের (Abdullah Ocalan) নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। 
- পিকেকে শুরুতে একটি সাম্যবাদী বিপ্লবী গোষ্ঠী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- সংগঠনটির মূল দাবি ছিল স্বাধীন কুর্দিস্তান প্রতিষ্ঠা, তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারা আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসন ও সাংস্কৃতিক অধিকারের দিকেও মনোযোগ দেয়।
- পিকেকে-কে বিভিন্ন দেশ সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করলেও, অনেকের কাছে এটি কুর্দিদের অধিকারের জন্য সংগ্রামী প্রতিরোধ শক্তি।

উল্লেখ্য,
- পিকেকে ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে সশস্ত্র বিদ্রোহ চালিয়ে আসছে।
- পিকেকে'র আদর্শ বিপ্লবী মার্কসবাদ-লেনিনবাদ এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী জাতিগত-জাতীয়তাবাদের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়ার মতো অন্যান্য দেশ সহ অনেক দেশ পিকেকেকে আন্তর্জাতিকভাবে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।
- পিকেকে'র প্রাথমিক লক্ষ্যবস্তু হল তুরস্কের পুলিশ, সামরিক, অর্থনৈতিক এবং সামাজিক সম্পদ। 
- সম্প্রতি (১ মার্চ, ২০২৫) কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (পিকেকে) দেশটির সরকারের সঙ্গে চলমান ৪০ বছরের সংঘাতের অবসান ঘটানোর জন্য যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছে।

উৎস: i) BBC.
ii) Republic of Türkiye Ministry of Foreign Affairs.

১,২৭৩.
কত সালে অ্যান্টার্কটিক চুক্তি (Antarctic Treaty) স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ১৯৫৮ সালে
  2. ১৯৫৯ সালে
  3. ১৯৬০ সালে
  4. ১৯৬১ সালে
ব্যাখ্যা

অ্যান্টার্কটিক চুক্তি (Antarctic Treaty): 
- অ্যান্টার্কটিক চুক্তি অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের শান্তিপূর্ণ এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য একটি বিশেষ অঞ্চল হিসেবে সংরক্ষণ করার উদ্দেশ্য স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ ডিসেম্বর ১৯৫৯ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৬১ সালে। 
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: ওয়াশিংটন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- চুক্তি প্রথমে স্বাক্ষর করেছিল: ১২টি দেশ।
- বর্তমানে সদস্য: ৫৮টি দেশ।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৭-৫৮ সালের আন্তর্জাতিক ভূ-পদার্থিক বছর (IGY) চলাকালীন অ্যান্টার্কটিকায় এবং তার আশেপাশে অবস্থিত দেশের বিজ্ঞানীরা এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল।
- চুক্তিটি প্রথমে ১৯৫৯ সালে ১২টি দেশ (যারা অ্যান্টার্কটিকায় বৈজ্ঞানিক গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করছিল) দ্বারা স্বাক্ষরিত হয়।

⇒ অ্যান্টার্কটিক চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ বিধান:
- শান্তিপূর্ণ ব্যবহার: অ্যান্টার্কটিকা শুধুমাত্র শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হবে (আর্টিকেল I)।
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা: অ্যান্টার্কটিকায় বৈজ্ঞানিক তদন্তের স্বাধীনতা থাকবে এবং গবেষণা ফলাফল বিনিময় করা হবে (আর্টিকেল II ও III)।
- আঞ্চলিক দাবি নিষিদ্ধ: চুক্তির অধীনে নতুন আঞ্চলিক সার্বভৌমত্বের দাবি বা পুরনো দাবির প্রসারণ নিষিদ্ধ (আর্টিকেল IV)।
- কোনো সামরিক কার্যকলাপ নয়: অ্যান্টার্কটিকায় কোনো সামরিক কার্যকলাপ বা পারমাণবিক পরীক্ষা করা যাবে না।

উৎস: Antarctic Treaty ওয়েবসাইট।

১,২৭৪.
মোসাদের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জেরুজালেম
  2. হাইফা
  3. তেলআবিব
  4. রামাল্লাহ
ব্যাখ্যা
- মোসাদের সদর দপ্তর অবস্থিত তেলআবিব, ইসরায়েলে।
- এটি ইসরায়েলের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা হিসেবে গোপন অভিযানের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত।

মোসাদ:
- মোসাদ হলো ইসরায়েলের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা,
- এটি ১৯৪৯ সালের ১৩ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মোসাদের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ইসরায়েলের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ডেভিড বেন গুরিয়ন।
- মোসাদের সদরদপ্তর অবস্থিত ইসরায়েলের তেলআবিব শহরে।
- দীর্ঘদিন ধরে এই সংস্থাটি বিশ্বের অন্যতম দক্ষ এবং গোপনীয় গোয়েন্দা সংস্থা হিসেবে পরিচিত।

সূত্র: Center for Israel Education ওয়েবসাইট ও Britannica.
১,২৭৫.
কোয়াডভুক্ত দেশ নয় কোনটি?
  1. ক) ভারত
  2. খ) জাপান
  3. গ) দক্ষিণ কোরিয়া
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
 কোয়াড (দ্য কোয়াড্রিল্যাটারেল সিকিউরিটি ডায়ালগ) হলো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চারটি দেশের সমন্বয়ে গঠিত চীনবিরোধী একটি সামরিক জোট।

কোয়াডভুক্ত দেশগুলো হলো:
- যুক্তরাষ্ট্র
- ভারত
- অস্ট্রেলিয়া এবং
- জাপান।

ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের উত্থান রোধের লক্ষ্যে ২০০৭ সালে এই জোট গঠিত হয়।
এটিকে ‘এশিয়ান ন্যাটো’ জোট নামেও অভিহিত করা হচ্ছে।

(সূত্র: আল জাজিরা এবং দৈনিক ইত্তেফাক)
১,২৭৬.
ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ কোনটি?
  1. ক) তিউনিসিয়া
  2. খ) মিশর
  3. গ) লেবানন
  4. ঘ) তুরস্ক
ব্যাখ্যা
ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ তুরস্ক ১৯৪৯ সালে। আর প্রথম আরব দেশ হিসেবে মিশর স্বীকৃতি দেয় ১৯৭৯ সালে। উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ হলো তুরস্ক। ১৯৪৯ সালের ২৮ মার্চ তুরস্ক ইসরাইলকে স্বীকৃতি প্রদান করে। মিসর ২৬ মার্চ ১৯৭৯ এবং জর্দান ২৬ অক্টোবর ১৯৯৪ তারিখে ইসরাইলকে স্বীকৃতি প্রদান করে। সর্বপ্রথম যুক্তরাষ্ট্র ১৪ মে ১৯৪৮ সালে ইসরাইল স্বাধীনতা ঘোষণার ১১ মিনিটের মাথায় স্বীকৃতি প্রদান করে। এ যাবৎ ১৪৯ টি দেশ ইসরাইলকে স্বীকৃতি প্রদান করেছে। ইরান, তিউনিশিযা, কাতার, মরক্কো এবং কিউবা ইসরাইলকে প্রথমে স্বীকৃতি দেয় কিন্তু পরবর্তীতে তা আবার বাতিল করে। আফ্রিকার দেশ শাদ প্রথমে ১৯৬১ প্রথমে স্বীকৃতি দিয়ে পরে বাতিল করে আবার ২০১৯ সালে তা অনুমোদন করে। বিশ্বের ২৫ টি রাষ্ট্র ইসরাইলকে কখনোই স্বীকৃতি দিবে না বলে ঘোষণা প্রদান করেছ। এরা হলো- আফগানিস্তান, আলজেরিযা, বাহরাইন, বাংলাদেশ, ব্রুনাই, কমোরোস, জিবুতি, গিনি, ইন্দোনেশিয়া, ইরাক, কুয়েত, লেবানন, লিবিয়া, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, মালি, নাইজার, উত্তর কোরিয়া, পাকিস্তান, সৌদি আরব, সোমালিয়া, সুদান, সিরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইয়েমেন।(সূত্র: জুয়িশ ভার্চুয়াল লাইব্রেরি এবং অন্যান্য)
১,২৭৭.
ন্যাটো (NATO) জোট ভুক্ত মুসলিম দেশ কয়টি?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
ব্যাখ্যা
NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে। এটি একটি সামরিক জোট। এর সদরদপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালে সমাজতান্ত্রিক আগ্রাসন রোধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ১২ টি দেশ চুক্তিবদ্ধ হয়ে এটি প্রতিষ্ঠা করে।
ন্যাটোর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩০ টি। সর্বশেষ সদস্য দেশ উত্তর মেসিডোনিয়া। ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ দুইটি। দেশগুলো হলো- আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
উৎসঃ ন্যাটোর ওয়েবসাইট।
১,২৭৮.
রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি (CWC) কার্যকর হয় কত সালে?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
Chemical Weapons Convention (CWC):
- CWC রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি।
- CWC এর পূর্ণরূপ Chemical Weapons Convention.
- এটি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- চুক্তির বিষয়: রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
- যে সকল দেশের হাতে রাসায়নিক অস্ত্র রয়েছে তাদেরকে এই অস্ত্র ধ্বংস করার কথাও বলা হয়েছে।
- ১৯৯২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের দপ্তরে নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক সম্মেলন (Conference on Disarmament) অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন বন্ধের চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করা হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৯৩টি।
- ইসরায়েল স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ও OPCW ওয়েবসাইট।
১,২৭৯.
রেঞ্জার্স কোন দেশের সীমান্ত বাহিনীর নাম?
  1. পাকিস্তান
  2. নেপাল
  3. ভুটান
  4. চীন
ব্যাখ্যা
• পাকিস্তান: 
- পাকিস্তান  দক্ষিণ এশিয়া থেকে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন অবসানের ফলে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট একটি মুসলিম রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পাকিস্তান গণপরিষদ পাকিস্তান রাষ্ট্রের সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৪৭ সালে গঠিত হয়।
- গণপরিষদের প্রথম বৈঠক বসে ১৯৪৭ সালের ১০ আগস্ট করাচিতে।
- ইন্ডিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্স অ্যাক্ট ১৯৪৭-এর শর্তানুযায়ী দুটি গণপরিষদের একটি স্থাপিত হয় ভারতে এবং অপরটি পাকিস্তানে।
- ১৯৪৭ সালের ১১ আগস্ট মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ পাকিস্তান গণপরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হন।
-ভারতের স্বাধীনতা আইন অনুযায়ী গণপরিষদের দুটি সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব ছিল: দেশের সংবিধান প্রণয়ন এবং তা কার্যকর করার পূর্ব পর্যন্ত একটি ফেডারেল আইনসভা (সংসদ) হিসেবে কাজ করা। 
- রাজধানী: ইসলামাবাদ। 
- পাকিস্তানের সীমান্ত বাহিনীর নাম রেঞ্জার্স।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রফেসর মোঃ মজাম্মেল হক) এবং বাংলাপিডিয়া, পাকিস্তানের সরকারি ওয়েবসাইট।
১,২৮০.
শাইনিং পাথ কী?
  1. ক) তাইওয়ান ইস্যুতে চীনের গৃহীত পলিসি
  2. খ) পেরুর একটি গেরিলা সংগঠন
  3. গ) নাসার মঙ্গল মিশন
  4. ঘ) দ. আফ্রিকায় বর্ণবাদী শাসন অবসান প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা
 শাইনিং পাথ:
- শাইনিং পাথ হলো পেরুর সশ্স্ত্র কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।
- কমিউনিস্ট পার্টি অব পেরুর সামরিক শাখা হিসেবে ১৯৭০ সালে শাইনিং পাথ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- শাইনং পাথের প্রতিষ্ঠাতা আবিমায়েল গুজম্যান।
- বর্তমানে এটির কর্মকাণ্ড স্তিমিত রয়েছে।
 
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা
১,২৮১.
ইন্টারপোলের অফিসিয়াল ভাষা কয়টি?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৬
ব্যাখ্যা
Interpol এর পূর্ণরূপ হলো International Criminal Police Organization. এটি ১৯২৩ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়। শুরুতে এটির সদরদপ্তর ছিলো অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা শহরে। ১৯৪৬ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে এবং ১৯৮৯ সালে ফ্রান্সের লিও শহরে সদরদপ্তর স্থাপন করা হয়। প্রথমে ১৬টি দেশ নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৪টি। বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালে ইন্টারপোলের সদস্যপদ লাভ করে। এর অফিসিয়াল ভাষা- চারটি। যথা- ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি। (সূত্রঃ ইন্টারপোল ওয়েবসাইট)
১,২৮২.
কোন দেশ CTBT-তে স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি?
  1. চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ইরান
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।
- অনুমোদিত দেশ: ১৭৮টি।
- বাস্তবায়ন সংস্থা: CTBTO (Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty Organization) (সদর দপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া)।

⇒ ৯টি দেশ CTBT-তে স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।
- এগুলো হলো: চীন, মিশর, ইরান, ইসরায়েল, নেপাল, রাশিয়া, সোমালিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ইয়েমেন।

উৎস: i) CTBTO ওয়েবসাইট। 
ii) Arms Control Association ওয়েবসাইট।

১,২৮৩.
নাইন-ইলেভেন হামলায় কোন সন্ত্রাসী সংগঠন জড়িত ছিল?
  1. আল-কায়েদা
  2. হামাস
  3. উলফা
  4. হায়াত তাহরির আল-শাম
ব্যাখ্যা
নাইন-ইলেভেন:
- ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আল-কায়দা চারটি যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করে যুক্তরাষ্ট্রে একইসাথে চারটি সন্ত্রাসী হামলা চালায় যা নাইন-ইলেভেন নামে পরিচিত।
- ২টি বিমান দিয়ে আঘাত করে নিউইয়র্কে অবস্থিত ১১০ তলা বিশিষ্ট ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে, ১ টি পেন্টাগনে ও ১ টি পেনসিলভেনিয়ায়।
- আক্রমনে ২,৯৯৭ জন নিহত এবং ৬,০০০ এর অধিক মানুষ আহত হয়, এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অধিক অবকাঠামো ও সম্পদ।
- ধ্বংসস্তূপটি কে গ্রাউন্ড জিরো বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- নাইন-ইলেভেন হামলায় জড়িত ছিল সন্ত্রাসী সংগঠন আল কায়েদা।
- আল কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনের নেতৃত্বে এই হামলা সংঘটিত হয়েছিল।
- এই হামলার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বুশ সরকার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য Department of Homeland Security বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: Britannica.
১,২৮৪.
ফার্ক ও কলম্বিয়া সরকারের সাথে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তিতে মধ্যস্থতা করে-
  1. ফিনল্যান্ড ও কিউবা
  2. সুইডেন ও নরওয়ে
  3. পেরু ও আর্জেন্টিনা
  4. কিউবা ও নরওয়ে
ব্যাখ্যা
ফার্ক ও কলম্বিয়া সরকার:
- ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া ফার্ক (রেভ্যুলেশনারী আর্মড ফোর্সেস অব কলম্বিয়া) দীর্ঘ  ২০১৬ সালের ২৪ নভেম্বর কলম্বিয়া সরকারের সাথে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি সম্পাদন করে।
- এ প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতা করে কিউবা এবং নরওয়ে।
- শান্তি চুক্তি সম্পাদনের জন্যে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট হুয়ান ম্যানুয়াল সান্তোষ ২০১৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: বিবিসি ওয়ার্ল্ড।
১,২৮৫.
নিম্নের কোন চুক্তিটি 'ইরান পরমাণু চুক্তি' হিসেবে পরিচিত?
  1. Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty
  2. The Strategic Offensive Reductions Treaty
  3. Joint Comprehensive Plan of Action
  4. Oslo Treaty
ব্যাখ্যা
Joint Comprehensive Plan of Action:
- এটি ইরান পরমাণু চুক্তি হিসেবে পরিচিত।
- এটই সমঝোতা ‘ইরান ডিল’ নামেও পরিচিত।
- চুক্তিটি হয়েছিল ইরান ও জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য দেশ তথা যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের মধ্যে।
- এই চুক্তিতে স্থায়ী পাঁচ সদস্য দেশের সাথে জার্মানিও ছিল।
- এজন্য এই পক্ষকে ‘পি৫ + ১’ বলা হয়ে থাকে।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ জুলাই, ২০১৫ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৬ জানুয়ারি, ২০১৬ সালে।
- এই চুক্তিতে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ ও মজুদ করার ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।
- চুক্তি অনুসারে তেহরান তাদের কিছু পরমাণু স্থাপনা বন্ধ করে দিতে অথবা পরিবর্তন করতে সম্মত হয়।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে চুক্তিটি স্বাক্ষর ও কার্যকর হয়।

এছাড়া,
- ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের অনুমতিও দেয়া হয়।
- চুক্তির অধীনে ইরানের ওপর আরোপিত বেশ কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাও প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০১৮ সালে চুক্তি থেকে বের হয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র।
- ২০২০ সালের শুরুর দিকে পরমাণু চুক্তি থেকে সরে আসার ঘোষণা দেয় ইরান।

উৎস: U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।
১,২৮৬.
'আয়া সোফিয়া' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) তুরস্ক
  2. খ) ইরান
  3. গ) ইরাক
  4. ঘ) স্পেন
ব্যাখ্যা
আয়া সোফিয়া তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অবস্থিত। তুরস্কের শীর্ষ প্রশাসনিক আদালত ইস্তাম্বুলের বিখ্যাত আয়া সোফিয়ার জাদুঘরের মর্যাদা নাকচ করার পর এ স্থাপনাকে মসজিদ হিসেবে মুসলিমদের জন্য উন্মুক্ত বলে ঘোষণা দেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।
১ হাজার ৫০০ বছর আগে আয়া সোফিয়া ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থোডক্স গির্জা, পরে তা পরিণত হয় মসজিদে, এরও পর একে জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়।
সর্বশেষ ২৪ জুলাই ২০২০ তারিখে তুরস্কের ইস্তাম্বুলের বিখ্যাত স্থাপনা আয়া সোফিয়ায় দীর্ঘ ৮৬ বছর পর প্রথমবারের মতো জুমার নামাজ আদায় হয়।
উৎসঃ বিবিসি নিউজ।
১,২৮৭.
কোন আগ্নেয়গিরিকে 'ভূমধ্যসাগরের আলোক স্তম্ভ' বলা হয়?
  1. ভিসুভিয়াস
  2. স্ট্রম্বোলি
  3. এটনা
  4. বারবারো
ব্যাখ্যা

আগ্নেয়গিরি:
- স্ট্রম্বোলি হল একটি স্ট্র্যাটোভোলকানো যা শক্ত আগ্নেয়গিরির ছাই, শিলা এবং লাভা প্রবাহের স্তর দিয়ে গঠিত।
- যা 'ভূমধ্যসাগরের বাতিঘর বা  আলোক স্তম্ভ' নামে পরিচিত।
- স্ট্রম্বোলি দীর্ঘকাল ধরে পর্যটকদের আকৃষ্ট করেছে তার রাতের বিস্ফোরণের মাধ্যমে।
- স্ট্রম্বোলি অনলাইন আগ্নেয়গিরির আরও দর্শনীয় অগ্ন্যুৎপাতের কিছু ফটো গ্যালারি সরবরাহ করে।
- স্ট্রম্বোলি দ্বীপ টাইরহেনিয়ান সাগরে (ভূমধ্যসাগরের), অবস্থিত।
- আয়তন ৫ বর্গ মাইল (১২ বর্গ কিমি)।
- দর্শনার্থীরা দ্বীপের আগ্নেয়গিরি, জলবায়ু এবং সৈকত দ্বারা আকৃষ্ট হয়।

উৎস: Britannica & earthobservatory.nasa

১,২৮৮.
আয়রন ডোম হচ্ছে -
  1. একটি আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা
  2. একটি সামরিক বিমান
  3. একটি আক্রমণাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা
  4. একটি সাবমেরিন প্রতিরক্ষাব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
আয়রন ডোম: 
- আয়রন ডোম হলো বিশ্বের একটি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা,
- এটা বিশেষভাবে স্বল্পপাল্লার (শর্ট রেঞ্জ) হুমকির বিরুদ্ধে কাজ করে।
- ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে এটি মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে স্বল্পপাল্লার রকেট, মর্টার, আর্টিলারি শেল ও ড্রোন হামলা মোকাবিলা করা যায়।
- ২০১১ সালে ইসরায়েল প্রথম আয়রন ডোম মোতায়েন করে, এর প্রতিরক্ষা পরিসীমা প্রায় ৭০ কিলোমিটার।
- এই ব্যবস্থায় তিনটি কেন্দ্রীয় উপাদান থাকে, যা নিয়ে একটি আয়রন ডোম ইউনিট গঠিত হয়।
- উপাদান তিনটি হলো—রাডার ব্যবস্থা (ডিটেকশন-ট্র্যাকিং রাডার), কন্ট্রোল ব্যবস্থা (ব্যাটল ম্যানেজমেন্ট-উইপনস কন্ট্রোল) ও মিসাইল ফায়ারিং ব্যবস্থা।
- প্রতিটি মিসাইল ফায়ারিং ব্যবস্থায় ২০টি তামির ক্ষেপণাস্ত্র সংযুক্ত থাকে। 

সূত্র: প্রথম আলো।
১,২৮৯.
আন্তর্জাতিক পারমাণবিক অস্ত্র বিলুপ্তি প্রচারণা (ICAN) এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
  2. খ) বন, জার্মানি
  3. গ) জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  4. ঘ) রোম, ইতালি
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক পারমাণবিক অস্ত্র বিলুপ্তি প্রচারণা (ICAN)
ICAN - এর পূর্ণরূপ - International Campaign to Abolish Nuclear Weapons। এটি পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধ ও বিলুপ্তির জন্য পরিচালিত একটি প্রচারণা/অভিযান। বিশ্বের নানা প্রান্তের কয়েকটি বেসরকারি সংগঠন ও বেসামরিক নাগরিকদের সমন্বয়ে এই প্রচারণা বা অভিযান পরিচালনা করা হয়ে থাকে। 
▪ ভূমি মাইন স্থাপন বন্ধের প্রচারনা থেকে উৎসাহিত হয়ে International Physicians for the Prevention of Nuclear War (IPPNW) উদ্যোগী হয়ে ICAN প্রতিষ্ঠা করে।
• প্রতিষ্ঠাকাল:- ফান্ড সংগ্রহ - ২৩ এপ্রিল, ২০০৭ সাল এবং মূল প্রচারনা শুরু - ৩০ এপ্রিল, ২০০৭ সাল।
• প্রতিষ্ঠার স্থান - মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া (ফান্ড সংগ্রহ) এবং ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া (মূল কার্যক্রম শুরু)। 
সদরদপ্তর - জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
• নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে ২০১৭ সালে। 

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ডট কম।
১,২৯০.
FBI এর বর্তমান পরিচালক কে? (মার্চ, ২০২৫)
  1. ক্রিস্টোফার রে
  2. ক্যাশ প্যাটেল
  3. রবার্ট এস. মুলার
  4. অ্যান্ড্রু ম্যাককেব
ব্যাখ্যা
Federal Bureau of Investigation:
- FBI এর পূর্ণরূপ Federal Bureau of Investigation.
- FBI মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২৬ জুলাই, ১৯০৮ সাল।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন পেনসিলভানিয়া এভিনিউ, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান পরিচালক: ক্যাশ প্যাটেল। (মার্চ, ২০২৫)
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন।
- FBI মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে সংঘটিত অপরাধের অনুসন্ধান এবং দেশি-বিদেশি যেকোন নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা ও সুরক্ষা প্রদানে নিয়োজিত।

তথ্যসূত্র - FBI অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,২৯১.
নিচের কোনটি জাপানের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. DGSE
  2. ISI
  3. Naicho
  4. VEVAK
ব্যাখ্যা
→ জাপানের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা "নাইচো"(Naicho)
- এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে একটি ছোট বিভাগ।
-  প্রায় ৮০ জন কর্মী কাজ করেন।
- মূলত বিদেশ থেকে আসা তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের দায়িত্বে।
- নাইচোর মূল উদ্দেশ্য সরকারের অন্যান্য সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় তৈরি করা।

কয়েকটি দেশের গোয়েন্দা সংস্থা:
- ফ্রান্স: General Directorate of External Security (DGSE)।
- পাকিস্তান: ইন্টার সার্ভিস ইন্টিলিজেন্স (Inter-Services Intelligence)- ISI.
- ইরান: ভিভাক (VEVAK)
- যুক্তরাষ্ট্র:

- সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (Central Intelligence Agency)-C.I.A.
- যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় এর সদর দপ্তর অবস্থিত।
- ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (Defense Intelligence Agency)- DIA
- ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (FBI) Federal Bureau of Investigation
- যুক্তরাজ্য:
- সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস-Secret Intelligence Service (SIS),
- Military Intelligence, Section 6 (M16)
- সিকিউরিটি সার্ভিস-Security Service বা,
- Military Intelligence, Section 5 (M15),
- স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড (Scotland Yard),
- রাশিয়া: ফরেন ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস (Foreign Intelligence Service)- SVR, FSB
- চীন: মিনিস্ট্রি অব স্টেট সিকিউরিটি (Ministry of State Security)- MSS

উৎস: Global Security.org ওয়েবসাইট।
১,২৯২.
‘Central Bureau of Investigation’ কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) ভারত
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) সিঙ্গাপুর
  4. ঘ) ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

- CBI (Central Bureau of Investigation) হচ্ছে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা।
- CIA (Central Intelligence Agency) এবং FBI (Federal Bureau of Investigation) হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।
- FSB এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Federalnaya Sluzhba Bezopasnosti. এটি রাশিয়ার একটি গোয়েন্দা সংস্থার নাম।

উৎসঃ সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট।

১,২৯৩.
প্যারিস শান্তি চুক্তি কোন যুদ্ধের অবসান ঘটাতে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. কোরিয় যুদ্ধ
  2. আফগান যুদ্ধ
  3. উপসাগরীয় যুদ্ধ
  4. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

প্যারিস শান্তি চুক্তি ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান ঘটাতে স্বাক্ষরিত হয়।

প্যারিস শান্তি চুক্তি:
- দীর্ঘ ভিয়েতনাম যুদ্ধের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামের মধ্যে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় সেটি প্যারিস শান্তি চুক্তি বা Paris Peace Accords নামে পরিচিত।
- আনুষ্ঠানিকভাবে "Agreement on Ending the War and Restoring Peace in Vietnam" নামে পরিচিত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকাল: ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩।
- স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তির পক্ষসমূহ: যুক্তরাষ্ট্র, উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম।
- ফলাফল: ভিয়েতনাম যুদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্য প্রত্যাহার এবং ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বন্দ্বের অবসান ঘটে।
- প্যারিস শান্তি চুক্তির স্বাক্ষরের আগে ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা লি ডাক থো ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে হেনরি কিসিঞ্জার আলোচনা করেন এবং চুক্তির খসড়া প্রণয়ন করেন। এর সূত্র ধরে দুই জনকেই ১৯৭৩ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়।

⇒ ভিয়েতনাম যুদ্ধ:
- ভিয়েতনাম যুদ্ধ দ্বিতীয় ইন্দোচীন যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত যা প্রায় ২০ বছর (১৯৫৪-৭৫) ধরে চলে।
- এটি ছিল উত্তর ভিয়েতনাম (সমাজতান্ত্রিক) ও দক্ষিণ ভিয়েতনামের (মার্কিন-সমর্থিত) মধ্যে সংঘটিত একটি গৃহযুদ্ধ।
- এতে প্রায় ৩৮ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে।
- দক্ষিণ ভিয়েতনামে মার্কিন-সমর্থিত শাসকদের পরাজয় এবং ভিয়েতনামের উত্তর ও দক্ষিণ দুই ভাগেই কমিউনিস্ট শক্তির বিজয়ের মাধ্যমে এর সমাপ্তি ঘটে।
- প্যারিস শান্তি চুক্তি বা Paris Peace Accords-এর মাধ্যমে দীর্ঘ ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান ঘটে।

উৎস: History.com

১,২৯৪.
ওয়ারশ প্যাক্ট কবে বিলুপ্ত হয়?
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৯০ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা
ওয়ারশ প্যাক্ট:
- Warsaw Pact বলতে বোঝায় Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance।
- স্বাক্ষর: ১৪মে, ১৯৫৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- সদস্য সংখ্যা: ৮টি; সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া।
- বিলুপ্ত: ১ জুলাই, ১৯৯১।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
১,২৯৫.
বেলফাস্ট চুক্তির অপর নাম কী?
  1. Peace Accord
  2. Northern Ireland Pact
  3. Good Friday Agreement
  4. Atlanta Peace Treaty
ব্যাখ্যা

বেলফাস্ট চুক্তি:
- উত্তর আয়ারল্যান্ডে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বেলফাস্ট চুক্তিটি একটি মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত হয়। উত্তর আয়ারল্যান্ড - এর শাসনতন্ত্র কিরকম হবে তা এই চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষর: ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮ সাল।
- চুক্তি কার্যকর: ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তির পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
- 'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম - Good Friday Agreement.

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১,২৯৬.
নিচের কোনটি নিরাপত্তা-বিষয়ক সংস্থা? 
  1. ওপেক 
  2. আশিয়ান 
  3. ইউরোপীয় ইউনিয়ন 
  4. সার্ক 
ব্যাখ্যা

• ইউরোপীয় ইউনিয়ন (European Union): 
-  ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউরোপের ২৭টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত একটি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জোট।
- এর লক্ষ্য হচ্ছে- সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে স্থিতিশীলতা, সহযোগিতা ও সমন্বিত উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
- ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বর মাস্ট্রিচ চুক্তির মাধ্যমে এই জোট আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠা পায়। 
- সংস্থাটির সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা নীতির উপকমিটি (SEDE) ইউরোপীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা কৌশল প্রণয়নে মূল দায়িত্ব পালন করে।

উৎস:
1. Britannica;
2. European Union Official Website.

১,২৯৭.
‘অপারেশন র‍্যাথ অফ গড’ পরিচালনা করে কে?
  1. আইএসআই (ISI)
  2. মোসাদ (Mossad)
  3. এমআই৬ (MI6)
  4. সিআইএ (CIA)
ব্যাখ্যা

মোসাদ (Mossad):
- পূর্ণ নাম- সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট ফর ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড স্পেশাল অপারেশনস
- মোসাদ বিদেশী গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, গোয়েন্দা বিশ্লেষণ এবং গোপন অভিযানের সাথে জড়িত।
- ১৯৪৯ সালের ডিসেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে ইনস্টিটিউট ফর কো-অর্ডিনেশন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় মোসাদ।
- রুভেন শিলোহ প্রথম পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৭২ সালের মিউনিখ অলিম্পিক হত্যাকাণ্ডের পর ‘অপারেশন র‍্যাথ অফ গড’ পরিচালনা করে মোসাদ।
- ১৯৭২ সালের সেপ্টেম্বরে ফিলিস্তিনি জঙ্গিদের দ্বারা ১১ জন ইসরায়েলি ক্রীড়াবিদকে অপহরণ ও হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইসরায়েল কর্তৃক পরিচালিত গোপন হত্যা অভিযানের নাম 'অপারেশন র‍্যাথ অফ গড'।
- এই অভিযানটি 'অপারেশন বেয়োনেট' নামেও পরিচিত।
- ইরান, সিরিয়া, এবং অন্যান্য মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক দেশগুলোকে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে সংস্থাটি।
- মোসাদ তার দক্ষ অপারেশন এবং অসাধারণ সাফল্যের জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

১,২৯৮.
কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ' নিয়ে বিরোধ রয়েছে-
  1. জাপান ও চীন
  2. রাশিয়া ও জাপান
  3. চীন ও ফিলিপাইন
  4. স্পেন ও মরক্কো
ব্যাখ্যা
কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ:
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ ও শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- কুরিল দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের উত্তরে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের কাছ থেকে এই দ্বীপগুলো সোভিয়েত ইউনিয়ন দখল করে নেয়।
- প্রশান্ত মহাসাগরের যে চারটি দ্বীপ নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ এটি তার মধ্যে একটি হলো এই কুরিল দ্বীপপুঞ্জ।
- বিতর্কিত কুরিল দ্বীপপুঞ্জের চারটির মধ্যে দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় দ্বীপ কুনাশির।
- চারটি দ্বীপের সমন্বয়ে এই কুরিল দ্বীপপুঞ্জকে জাপান তাদের নর্দান টেরিটরি হিসাবে অভিহিত করে।
- এমনকি এই বিরোধের কারণে রাশিয়া ও জাপান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অবসান ঘোষণা করে হওয়া শান্তিচুক্তিতেও আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করে নি।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & Worldatlas.com
১,২৯৯.
আয়রন ডোম কোন দেশের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ইরান
  3. ইসরায়েল
  4. তুরস্ক
ব্যাখ্যা
- আয়রন ডোম হলো ইসরায়েলের অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা।
- এটি স্বল্পপাল্লার রকেট ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়।

আয়রন ডোম:
- আয়রন ডোম হলো বিশ্বের একটি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা,
- এটা বিশেষভাবে স্বল্পপাল্লার (শর্ট রেঞ্জ) হুমকির বিরুদ্ধে কাজ করে।
- ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে এটি মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে স্বল্পপাল্লার রকেট, মর্টার, আর্টিলারি শেল ও ড্রোন হামলা মোকাবিলা করা যায়।
- ২০১১ সালে ইসরায়েল প্রথম আয়রন ডোম মোতায়েন করে, এর প্রতিরক্ষা পরিসীমা প্রায় ৭০ কিলোমিটার।
- এই ব্যবস্থায় তিনটি কেন্দ্রীয় উপাদান থাকে, যা নিয়ে একটি আয়রন ডোম ইউনিট গঠিত হয়।
- উপাদান তিনটি হলো—রাডার ব্যবস্থা (ডিটেকশন-ট্র্যাকিং রাডার), কন্ট্রোল ব্যবস্থা (ব্যাটল ম্যানেজমেন্ট-উইপনস কন্ট্রোল) ও মিসাইল ফায়ারিং ব্যবস্থা।
- প্রতিটি মিসাইল ফায়ারিং ব্যবস্থায় ২০টি তামির ক্ষেপণাস্ত্র সংযুক্ত থাকে।

সূত্র: প্রথম আলো।
১,৩০০.
হুতি কোন দেশের বিদ্রোহী গোষ্ঠী?
  1. সিরিয়া
  2. ইয়েমেন
  3. লেবানন
  4. ফিলিস্তিন
ব্যাখ্যা

• হুতি বিদ্রোহী:
- এটি ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
- হুতিদের আনুষ্ঠানিক নাম আনসারুল্লাহ।
- স্থানীয়ভাবে তাদের হুতি বলে ডাকা হয়।
- তারা মূলত শিয়া মতবাদে বিশ্বাসী।
- ধারণা ও অনেক ক্ষেত্রে অভিযোগ করা হয়, হুতিদের সামরিক ও আর্থিক সহায়তা দেয় শিয়াপ্রধান দেশ ইরান।
- ২০১৪ সালের শুরুর দিকে ইয়েমেনের সাআদা রাজ্যের দখল নিয়ে সবার নজরে আসে হুতিরা।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।