বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

মোট প্রশ্ন৩,৩৩৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

PrepBank · পাতা ১১ / ৩৪ · ১,০০১১,১০০ / ৩,৩৩৯

১,০০১.
কোনটি পেরুর গেরিলা সংগঠন?
  1. গডস আর্মি
  2. শাইনিং পাথ 
  3. এম -১৯ 
  4. জে কে এল এফ
ব্যাখ্যা

 • শাইনিং পাথ:
- শাইনিং পাথ হলো পেরুর সশ্স্ত্র কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।
- কমিউনিস্ট পার্টি অব পেরুর সামরিক শাখা হিসেবে ১৯৭০ সালে শাইনিং পাথ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- শাইনং পাথের প্রতিষ্ঠাতা আবিমায়েল গুজম্যান।
- বর্তমানে এটির কর্মকাণ্ড স্তিমিত রয়েছে।

অন্যদিকে:
- 'M-19' কলম্বিয়ার গেরিলা সংগঠন।
- JKLF (Jammu-Kashmir Liberation Front) হলো ভারতের জম্মু-কাশ্মীর অঞ্চলের স্বাধীনতাকামী গেরিলা সংগঠন।
- গডস আর্মি মিয়ানমারের কারেন রাজ্যের একটি গেরিলা সংগঠন।

উৎস: ব্রিটানিকা ও জাতীয় পত্রিকা।

১,০০২.
AFTA চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ১৯৯০ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
AFTA:
- AFTA পূর্ণরূপ ASEAN Free Trade Area.
- AFTA হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সংগঠন আসিয়ানের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- ১৯৯২ সালের ২৮ জানুয়ারি চতুর্থ আসিয়ান সামিটে AFTA চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি ছয়টি দেশের সমন্বয়ে AFTA যাত্রা শুরু করে।
- AFTA এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১০টি। এগুলো হলো,
- মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, লাওস, থাইল্যান্ড, ব্রুনাই এবং মায়ানমার।

তথ্যসূত্র - আসিয়ান অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,০০৩.
NATO কী ধরনের জোট?
  1. ক) রাজনৈতিক
  2. খ) অর্থনৈতিক
  3. গ) সামরিক
  4. ঘ) ক + গ
ব্যাখ্যা
NATO একটি সামরিক ও রাজনৈতিক জোট। ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ন্যাটো গঠিত হয়। ন্যাটো সদরদপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত। বর্তমান মহাসচিব জেনস স্টলটেনবার্গ। ন্যাটোর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩০টি। ন্যাটোর সর্বশেষ সদস্য উত্তর মেসিডোনিয়া (২৭ মার্চ ২০২০)। ন্যাটোভুক্ত আলবেনিয়া ও তুরস্ক মুসলিম দেশ।
(সূত্রঃ ন্যাটো ওয়েবসাইট)
১,০০৪.
চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন মূলত কাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত?
  1. সামরিক সৈন্যদের
  2. যুদ্ধবন্দিদের
  3. স্বেচ্ছাসেবীদের
  4. বেসামরিক জনগণের
ব্যাখ্যা

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন সম্পাদিত হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী প্রতিক্রিয়া ও এর ফলাফল হিসেবে।
- যুদ্ধপরাধকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে জেনেভা কনভেনশনকে মান্য করা হয়।
- মূলত এটি যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- যুদ্ধকালীন সামরিক, বেসামরিক ও স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ষার জন্য এতে চারটি চুক্তি থাকায় এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

কনভেনশনসমূহ:
• ১ম জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।

• ২য় জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; সমুদ্রস্থ যুদ্ধক্ষেত্রে আহত, অসুস্থ এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজের সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।

• ৩য় জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ ও তাদের নিরাপত্তা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত।

• ৪র্থ জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে, যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে ও তাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com

১,০০৫.
Jammu-Kashmir Liberation Front এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ক) আফজাল গুরু
  2. খ) মকবুল বাট
  3. গ) মাসুদ আজহার
  4. ঘ) বুরহান ওয়ানি
ব্যাখ্যা
- JKLF (Jammu-Kashmir Liberation Front) হলো ভারতের কাশ্মীর রাজ্যের স্বাধীনতাকামী গেরিলা সংগঠন।
- এটির প্রতিষ্ঠাতা আমানুল্লাহ খান এবং মকবুল ভাট। এটি ১৯৭৭ সালে ব্রিটেনের বার্মিংহামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমান প্রধান ইয়াছিন মালিক।
- ভারত সরকার ২০১৯ সালে ইয়াছিন মালিককে গ্রেফতার ও JKLF কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
(তথ্যসূত্রঃ সাউথ এশিয়া টেরোরিজম পোর্টাল)
১,০০৬.
ATT চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা
ATT চুক্তি:
- ATT-এর পূর্ণরূপ হলো: Arms Trade Treaty.
- এটি প্রচলিত অস্ত্রের বিশ্ববাণিজ্য নিয়ন্ত্রণমূলক একটি চুক্তি।
- এটির প্রস্তাবক জাতিসংঘ।
- স্বাক্ষরিত হয়: ৩ জুন, ২০১৩।
- কার্যকর হয়: ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৪।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৪১টি।

তথ্যসূত্র - Arms Trade Treaty ওয়েবসাইট।
১,০০৭.
QUAD নিরাপত্তা সংলাপের সদস্য দেশ কোনটি নয়?
  1. ভারত
  2. জাপান
  3. চীন
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা

QUAD নিরাপত্তা সংলাপের সদস্য দেশ নয় - চীন।

কোয়াড:
- QUAD-এর পূর্ণরূপ: Quadrilateral Security Dialogue.
- 'কোয়াড' (QUAD) হলো যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া- এই চার দেশের একটি অনানুষ্ঠানিক কৌশলগত নিরাপত্তা জোট।
- ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে অবাধ ও মুক্ত নৌ চলাচল, সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ফোরাম হিসেবে কাজ করে।
- QUAD গঠিত হয়: ২০০৭ সালে।

⇒ কোয়াড এর মূল উদ্দেশ্য:
- ভারত-প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, কৌশলগত, সামরিক এবং অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা, বৃহত্তর আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে একে অপরের প্রতি নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি করা।
- এছাড়াও, চীনকে প্রতিহত করা এবং এই অঞ্চলে একটি নিয়মতান্ত্রিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।
- মালাবার (Malabar) নৌ মহড়ার মাধ্যমে দেশগুলো নিজেদের মধ্যে সামরিক সক্ষমতা ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করে। 

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালে কোয়াডের ৫ম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ভারতে।

উৎস: Department of the Prime Minister and Cabinet.

১,০০৮.
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কোন যুদ্ধের পর?
  1. ১৯৪৭ সালের যুদ্ধ
  2. ১৯৬৫ সালের যুদ্ধ
  3. ১৯৭১ সালের যুদ্ধ
  4. ১৯৯৯ সালের যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
তাসখন্দ ঘোষণা (Tashkent Declaration): 
- স্বাক্ষরের তারিখ: ১০ জানুয়ারি ১৯৬৬
- স্থান: তাসখন্দ, উজবেকিস্তান (তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন)
-  ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 
- ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ (আগস্ট – সেপ্টেম্বর ১৯৬৫): কাশ্মীর ইস্যুতে উভয় দেশের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
- জাতিসংঘের ভূমিকা: ২২ সেপ্টেম্বর ১৯৬৫ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ যুদ্ধবিরতি কার্যকর করে।
- সোভিয়েত মধ্যস্থতা: সোভিয়েত নেতা অ্যালেক্সি কসিগিন উভয় দেশের নেতাদের তাসখন্দে আলোচনার জন্য আমন্ত্রণ জানান।
- প্রধান স্বাক্ষরকারী: ভারতের প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী, পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আইয়ুব খান ও সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী (মধ্যস্থতাকারী) অ্যালেক্সি কসিগিন। - তাসখন্দ ঘোষণা ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি হলেও এটি কাশ্মীর সংকটের স্থায়ী সমাধান দিতে ব্যর্থ হয়।

উৎস: Britannica.
১,০০৯.
আটলান্টিক সনদ স্বাক্ষরিত হয় -
  1. ১২ জুন, ১৯৪১
  2. ২৫ এপ্রিল, ১৯৪১
  3. ১৪ আগস্ট, ১৯৪১
  4. ২৪ আগস্ট, ১৯৪১
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক সনদ:
- ১৪ আগস্ট, ১৯৪১ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরের স্থান: আটলান্টিক মহাসাগর।
- পক্ষসমূহ: যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন।
- উদ্দেশ্য: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে পৃথিবীতে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা।
- এর ফলে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয় এই সনদ।
- ৮ দফার এই সনদ স্বাক্ষরিত হয় উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে প্রিন্স অব ওয়েলস নামক একটি যুদ্ধ জাহাজে।

উৎস: Britannica.
১,০১০.
হামাসের সামরিক শাখার নাম কী?
  1. Al-Quds Brigade
  2. Al-Aqsa Martyrs Brigade
  3. Izz ad-Din al-Qassam Brigades
  4. Islamic Jihad Movement
ব্যাখ্যা
• হামাস:
- হামাস হলো ফিলিস্তিনের একটি প্রধান স্বাধীনতাকামী রাজনৈতিক ও সামরিক সংগঠন,
- এটি ১৯৮৭ সালে শেখ আহমেদ ইয়াসিনের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সংগঠনটির সামরিক শাখার নাম Izz ad-Din al-Qassam Brigades, 

উলেখ্য, 
- হামাস ইরানের সমর্থনপুষ্ট একটি সংগঠন হিসেবে পরিচিত, এবং এই সম্পর্কের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামাসকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করে। 

সূত্র: বিবিসি এবং আল জাজিরা।
১,০১১.
ভূমি মাইন চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. অটোয়া, কানাডা 
  2. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  3. হেগ, নেদারল্যান্ড
  4. প্যারিস, ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

অটোয়া কনভেনশন:
- অটোয়া কনভেনশন, যা "স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি" নামেও পরিচিত,।
- অ্যান্টি-পার্সোনেল ল্যান্ডমাইন (ভূ-মাইন) ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন এবং স্থানান্তরের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। 
- এই চুক্তিটি ১৯৯৭ সালে অটোয়ায, কানাডায় স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- এবং ১৯৯৯ সালের মার্চ থেকে কার্যকর হয়েছে। 
- উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী স্থলমাইন অস্ত্র ব্যবহার বন্ধ করা।
- বর্তমানে ১৬৪টি দেশ এই চুক্তির অংশীদার রয়েছে।
- স্বাক্ষরকারী কিন্তু অননুমোদিত: মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ।
- অ-স্বাক্ষরকারী: ৩৪টি দেশ (যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীনসহ)।

উৎস: Arms Control Association.

১,০১২.
মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের সদর দপ্তর ‘পেন্টাগন’ কোথায় অবস্থিত?
  1. নিউইয়র্ক
  2. সানফ্রান্সিস্কো
  3. ক্যালিফোর্নিয়া
  4. ভার্জিনিয়া
ব্যাখ্যা
পেন্টাগন (The Pentagon):
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর (Department of Defense) এর সদর দপ্তর।
- অবস্থান: আর্লিংটন, ভার্জিনিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- নির্মাণ কাল: ১৯৪১- ১৯৪৩।
- এর আকৃতি পঞ্চভুজাকৃতির বলে এর নাম পেন্টাগন করা হয়েছে।
- প্রায় ৬ লাখ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।

গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম:
- সামরিক পরিকল্পনা ও নীতি নির্ধারণ;
- জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ;
- আন্তর্জাতিক সামরিক সম্পর্ক উন্নয়ন করা;
- সামরিক বাজেট ও ব্যয় ব্যবস্থাপনা;
- প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি গবেষণা ও উন্নয়ন ইত্যাদি।

সম্প্রতি,
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনে কয়েক সপ্তাহ ধরে অস্থিরতা চলমান এবং ৫ হাজার ৪০০ কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দিয়েছে।
- শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা জেনারেল চার্লস কিউ ব্রাউন জুনিয়রকে বরখাস্ত করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
- জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের পরবর্তী চেয়ারম্যান হিসেবে বিমানবাহিনীর লেফটেন্যান্ট জেনারেল ড্যান “রাজিন” কেইনকে মনোনীত করেন তিনি।

তথ্যসূত্র- Britannica, পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
১,০১৩.
'কোঙ্কন উপকূল' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) থাইল্যান্ড
  2. খ) চীন
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) মিয়ানমার
ব্যাখ্যা
- 'কোঙ্কন উপকূল' ভারতের মহারাষ্ট্রে অবস্থিত।

 • উপকূল:
- মহারাষ্ট্রের উপকূলীয় জেলাগুলি নিয়ে গঠিত প্রশাসনিক উপবিভাগকে কোঙ্কণ বলা হয়।
- কোঙ্কণের অধিবাসীদেরকে কোঙ্কণী ডাকা হয়। 
- কোঙ্কনের বন্দরগুলি প্রাচীন গ্রীক ও মিশরীয়দের কাছে এবং আরব ব্যবসায়ীদের কাছে অতি পরিচিত ছিল।
- মশলার ব্যবসা 'কোঙ্কণ' এলাকার প্রাচীন হিন্দু রাজ্যে সমৃদ্ধি এনেছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং আনন্দ বাজার পত্রিকা।
১,০১৪.
নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে গৃহীত CEDAW সনদটি কার্যকর হয় কখন?
  1.  ১৯৭৯ সালে
  2.  ১৯৮১ সালে
  3. ১৯৮৪ সালে
  4. ১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা

• CEDAW:
- CEDAW-এর পূর্ণরূপ: Convention on the Elimination of Discrimination against Women.
- জাতিসংঘ নারীদের অধিকার রক্ষায় ১৮ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ সালে নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য প্রতিরোধ কনভেনশন বা CEDAW গ্রহণ করে।
- এই কনভেনশন গৃহ নির্যাতন, প্রজনন, আইনগত, রাজনৈতিক অধিকারের ক্ষেত্রে নারীদের সমমর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে থাকে।
- কার্যকর হয়: ৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৮১।
- CEDAW সনদে পরিচ্ছদ আছ: -৬ টি, ধারা আছে: ৩০ টি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ CEDAW অনুমোদন করে ৪ নভেম্বর, ১৯৮৪ সালে। 

তথ্যসূত্র: OHCHR ওয়েবসাইট।

১,০১৫.
FBI এর সদর দপ্তর কোথায়?
  1. ডালাস
  2. ভার্জিনিয়া
  3. নিউইয়র্ক
  4. ওয়াশিংটন
ব্যাখ্যা
FBI:
- FBI এর পুরো নাম - Federal Bureau of Investigation
- ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন বা এফবিআই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি মার্কিন আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।
- সদর দপ্তর- ওয়াশিংটন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠাতা: চার্লস জোসেফ বোনাপার্ট।
- মূল সংস্থা: United States Department of Justice.

উৎস: FBI ওয়েবসাইট।
১,০১৬.
'অপারেশন জাস্ট কজ' কোন দেশে পরিচালিত হয়েছিল?
  1. পানামা
  2. কিউবা
  3. কলম্বিয়া
  4. ইরাক
ব্যাখ্যা

অপারেশন জাস্ট কজ:
- 'অপারেশন জাস্ট কজ' পানামায় পরিচালিত হয়েছিল।

⇒ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৮৯ সালের ডিসেম্বরে জেনারেল ম্যানুয়েল নোরিয়েগাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে এই সামরিক অভিযান চালায়।
- এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল নোরিয়েগাকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ, ড্রাগ পাচার বন্ধ করা এবং পানামায় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা। 

⇒ যুক্তরাষ্ট্রের ২০০টির বেশি উড়োজাহাজ পানামা অভিযানে অংশ নিয়েছিল।
- সেগুলোর মধ্যে ৮০টি সি-১৪১, ২২ থেকে ২৫টি সি-১৩০, ১১টি সি-৫১ স্ট্র্যাটেজিক এয়ার কমান্ড ছিল। এ ছাড়া ১৬টি এফ-১৫ ও ৪টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের কি ইস্ট থেকে ক্যারিবীয় উপকূলে ইউকাটান উপদ্বীপ ও কিউবার মধ্যে যুদ্ধকালীন টহল দিয়েছিল।
- যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ছিল মার্কিনদের জীবন রক্ষা করা, পানামায় গণতন্ত্র রক্ষা করা, মাদক পাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করা এবং পানামা খাল চুক্তির অখণ্ডতা রক্ষা করা।
- দুই সপ্তাহে সফলভাবে পানামায় জাস্ট কজ অভিযান শেষ করে যুক্তরাষ্ট্র। গ্রেপ্তারের পর যুক্তরাষ্ট্রের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সংস্থার কর্মকর্তারা নরিয়েগাকে মায়ামিতে উড়িয়ে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁকে বিচারের মুখোমুখি করা হয়।
- ১৯৯২ সালে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে ৪০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

উৎস: Britannica.

১,০১৭.
সব ধরনের পারমাণবিক বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ করে কোন চুক্তি?
  1. NPT
  2. ABM
  3. CTBT
  4. Ottawa
ব্যাখ্যা
Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty (CTBT): 
- CTBT হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা সামরিক বা শান্তিপূর্ণ যেকোনো উদ্দেশ্যে সব ধরনের পারমাণবিক বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ করে।
- এই চুক্তিতে একটি ভূমিকা অংশ (preamble), ১৭টি অনুচ্ছেদ, দুটি সংযুক্তি (annexes), এবং একটি প্রোটোকল রয়েছে, যার সাথেও দুটি সংযুক্তি যুক্ত রয়েছে।
- ১৯৯৬ সালের ১৯ নভেম্বর চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলো একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব (Resolution) গ্রহণ করে যার মাধ্যমে Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty Organization (CTBTO) গঠনের জন্য প্রস্তুতিমূলক কমিশন প্রতিষ্ঠা করা হয়।

পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা (Verification Regime):
- চুক্তির কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে, CTBT-এর একটি অনন্য পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা রয়েছে, যা পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে সংঘটিত পারমাণবিক বিস্ফোরণ—সে ভূগর্ভে, পানির নিচে অথবা বায়ুমণ্ডলে হোক না কেন—সনাক্ত করতে সক্ষম।

উল্লেখ্য,
- NPT (পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি) পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ এবং পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে সহযোগিতা প্রচারের লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল (ABM) চুক্তিটি ছিলমার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে একটি অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি যা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে ব্যবহৃত অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা (ABM) স্থাপন সীমিত করে।
- অটোয়া চুক্তি অ্যান্টি-পার্সোনেল মাইনের ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন এবং স্থানান্তর নিষিদ্ধকরণ এবং তাদের ধ্বংস সম্পর্কিত কনভেনশনকে বোঝায়।

উৎস: CTBTO ওয়েবসাইট।
১,০১৮.
ব্যাপক ও অসম শক্তি প্রয়োগ এবং বেসামরিক লোকজন ও স্থাপনার ওপর ইচ্ছাকৃত হামলার ইসরায়েলি রণনীতি কী নামে পরিচিত?
  1. দাহিয়া ডকট্রিন
  2. হাইফা ডকট্রিন
  3. বৈরুত ডকট্রিন
  4. আশদূদ ডকট্রিন
ব্যাখ্যা

দাহিয়া ডকট্রিন (Dahiya doctrine):
- Institute for Middle East Understanding (IMEU)-এর মতে, দাহিয়া ডকট্রিন হলো ব্যাপক ও অসম শক্তি প্রয়োগ এবং বেসামরিক লোকজন ও স্থাপনার ওপর ইচ্ছাকৃত হামলার ইসরায়েলি রণনীতি।
- মূলত কোনো সরকার বা গোষ্ঠীর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহারে সেখানকার জনগণকে বাধ্য করতেই যুদ্ধে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের এই ‘দাহিয়া ডকট্রিন‘ প্রয়োগ করে থাকে ইসরায়েল। 
- ‘দাহিয়া ডকট্রিনের’ প্রবর্তক ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর তৎকালীন নর্দান কমান্ডের প্রধান জেনারেল গাদি আইজেনকট।

⇒ বেশ কয়েকটি কারণে যুদ্ধে ‘দাহিয়া ডকট্রিন’ প্রয়োগ করে আসছে ইসরায়েল।
- এর মধ্যে অন্যতম হলো কোনো সরকার বা গোষ্ঠীকে পরাস্ত করতে পুরো জনগোষ্ঠীকে শাস্তি দেওয়া। 
- আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ বেসামরিক স্থাপনায় হামলার আরেকটি উদ্দেশ্য হলো বিরোধী পক্ষকে সার্বিকভাবে দুর্বল করে দেওয়া বা পরনির্ভরশীল করে দেওয়া। 
- সর্বোপরি, একচেটিয়া আধিপত্য ধরে রাখতে ‘দাহিয়া ডকট্রিন’ প্রয়োগ করছে ইসরায়েল। 

উল্লেখ্য,
- লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দাহিয়াতে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সদর দপ্তর।
- ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ২০০৬ সালের যুদ্ধে দাহিয়াকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেয়।
- ওই যুদ্ধে বিদ্যুৎকেন্দ্র, পানিশোধন কেন্দ্র, সেতু, বন্দর অবকাঠামোসহ লেবাননের বেসামরিক স্থাপনায় ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল ইসরায়েল।

উৎস: i) Institute for Middle East Understanding (IMEU).
ii) প্রথম আলো।

১,০১৯.
কোন চুক্তির ফলে ইউরোপে ত্রিশ বছরব্যাপী যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে?
  1. মিনস্ক চুক্তি
  2. আলজিয়ার্স চুক্তি
  3. ডেটন চুক্তি
  4. ওয়েস্টফালিয়া চুক্তি
ব্যাখ্যা
ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি:
- ত্রিশ বছরব্যাপী অবিরামভাবে যুদ্ধ করার পর বিপর্যস্ত ইউরোপের সকল দেশের প্রতিনিধিরা ১৬৪৮ সালে ওয়েস্টফেলিয়াতে মিলিত হয়ে দুটি ভিন্ন শান্তিচুক্তি পাস করে।
- ১৬৪৮ সালের ২৪শে অক্টোবর ওয়েস্টাফেলিয়া চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে দীর্ঘ ত্রিশ বছরব্যাপী ধর্মজনিত এই যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
- এটি ইউরোপকে একটি আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে আসতে সক্ষম হয়।

উল্লেখ্য,
ত্রিশ বছরব্যাপী যুদ্ধ:
- ইউরোপে ধর্মকেন্দ্রিক যুদ্ধের সর্বশেষ উদাহরণ ছিলো ত্রিশবছরব্যাপী যুদ্ধ।
- প্রোটেস্টান্ট জার্মানির উপর অস্ট্রিয়ান হ্যাপসবার্গের-এর প্রভাব অক্ষুন্ন রাখা, ডেনমার্কের রাজার উচ্চভিলাষ, বাল্টিক অঞ্চলে সুইডেনের একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার এবং হ্যাপসবার্গকে পরাজিত করে ফ্রান্সকে ইউরোপের শ্রেষ্ঠ শক্তিতে পরিণত করা এসব নিয়েই যুদ্ধ প্রলম্বিত হতে থাকে।
- ধর্মান্ধতা, স্বার্থপরতা, নিজেদের উচ্চাকাংক্ষা এবং প্রাধান্য বিস্তারের প্রতিযোগিতায় ইউরোপের সকল দেশ এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- দীর্ঘ ত্রিশবছর ধরে যুদ্ধে সমগ্র জার্মানি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়।

উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০২০.
সম্প্রতি কোন দুটি দেশ 'তেলের বিনিময়ে পানি' সংক্রান্ত চুক্তি করেছে? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. সৌদি আরব ও তুরস্ক
  2. ইরাক ও তুরস্ক 
  3. তুরস্ক ও ওমান
  4. রাশিয়া ও ইরান
ব্যাখ্যা

• তেলের বিনিময়ে পানি চুক্তি:
- সম্প্রতি ইরাক ও তুরস্ক 'তেলের বিনিময়ে পানি চুক্তি' স্বাক্ষর করেছে।
- নভেম্বর, ২০২৫-এ দুই দেশের মধ্যে কয়েক শ কোটি ডলারের 'ওয়াটার কো-অপারেশন ফ্রেমওয়ার্ক অ্যাগ্রিমেন্ট' চূড়ান্ত হয়। 
- এই চুক্তির আওতায় তুর্কি কোম্পানিগুলো ইরাকের পানি সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে নতুন অবকাঠামো নির্মাণ করবে।
- বিষয়টি অনেকটা তেলের বিনিময়ে পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টার মতো।

উল্লেখ্য, 
- ইরাকের পানির উৎসের প্রায় ৬০ শতাংশই আসে প্রতিবেশী দেশ তুরস্ক থেকে। 
- তবে উজানে বাঁধ নির্মাণের কারণে আগের চেয়ে অনেক কম পানি পাচ্ছে দেশটি। 
- এই সংকট কাটাতে এবার তুরস্কের সঙ্গে বিতর্কিত একটি সহযোগিতা চুক্তিতে গেছে বাগদাদ। 
- এই চুক্তির মূল বিষয় হলো – ইরাকের তেল আয়ের বিনিময়ে দেশটির পানি অবকাঠামো উন্নয়ন করে দেবে তুরস্ক।

তথ্যসূত্র: The Business Standards.

১,০২১.
The North Atlantic Treaty Organization (NATO) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯
  2. ৪ এপ্রিল, ১৯৪৮
  3. ৪ এপ্রিল, ১৯৪৭
  4. ৪ এপ্রিল, ১৯৪৬
ব্যাখ্যা
• NATO:
- পূর্ণরূপ -The North Atlantic Treaty Organization. 
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO র প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি।
- NATO র বর্তমান সদস্য ৩২টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - সুইডেন।
- NATO ভুক্ত মুসলিম দেশ ২টি - তুরস্ক ও আলবেনিয়া। 
- NATO র বর্তমান সদর দপ্তর ব্রাসেলস।
- মহাপরিচালক- Jens Stoltenberg. 

সূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
১,০২২.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা FBI কখন প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিল?
  1. ক) ১৯০৫ সালে
  2. খ) ১৯০৬ সালে
  3. গ) ১৯০৭ সালে
  4. ঘ) ১৯০৮ সালে
ব্যাখ্যা
FBI:
- FBI এর পূর্ণরূপ হলো - Federal Bureau of Investigation.
- প্রতিষ্ঠাতা: চার্লস জোসেফ বোনাপার্ট।
- প্রতিষ্ঠার তারিখ ও স্থান: ২৬ জুলাই, ১৯০৮, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- মূল সংস্থা: United States Department of Justice.

তথ্যসূত্র : Interpol Website.
১,০২৩.
প্রেয়াহ বিহার (Preah Vihear) কোন দুটি দেশের সীমান্তে অবস্থিত?
  1. থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া
  2. থাইল্যান্ড ও মিয়ানমার
  3. ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া
  4. মিয়ানমার ও লাওস
ব্যাখ্যা

প্রেয়াহ বিহার (Preah Vihear):
- প্রেয়াহ বিহার একটি ঐতিহাসিক হিন্দু মন্দির যা থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সীমান্তে অবস্থিত।
- 'প্রেয়াহ বিহার' মন্দির নিয়ে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
- থাইল্যান্ডও এর মালিকানা দাবি করায় দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত বিরোধ চলে আসছে।
- ১৯৬২ সালে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ) রায় দেয় যে মন্দিরটি কম্বোডিয়ার অধীনে থাকবে।

⇒ ইংল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার অতীত এবং বর্তমানের এই দ্বন্দ্বে মন্দিরটি আর কেবল একটি স্থাপনা নয়—এটা এখন সম্মানের প্রতীক, ইতিহাসের ছায়া এবং ভূখণ্ডের দাবি।
- এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গেলে এসে মিলেছে থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া ও লাওস—এই তিন দেশের সীমানা।
- এই এলাকার মধ্যে সবচেয়ে স্পর্শকাতর হলো ১১০০ শতকে তৈরি প্রেয়াহ বিহার মন্দির।
- ১৯০৭ সালে সেই উপনিবেশিক শাসকরাই তৈরি করে একটি মানচিত্র, যেখানে স্পষ্টভাবে প্রেয়াহ বিহারকে দেখানো হয় কম্বোডিয়ার অংশ হিসেবে। কিন্তু পরবর্তীতে থাইল্যান্ড তা মানতে চায়নি। তারা দাবি তোলে, মন্দিরটি তাদের সীমানার ভেতরেই অবস্থিত।
- ২০০৮ সালে ফের উত্তেজনা তুঙ্গে ওঠে, যখন ইউনেস্কো প্রেয়াহ বিহারকে কম্বোডিয়ার অংশ হিসেবে বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদা দেয়।

উৎস: i) The Economic Times.
ii) প্রথম আলো।

১,০২৪.
উরুগুয়ে রাউন্ডের ব্যাপ্তিকাল কত বছর?
  1. ৮ বছর
  2. ৯ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১১ বছর
ব্যাখ্যা
GATT চুক্তির রাউন্ড:
- ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত GATT চুক্তির দুর্বলতা ও সমস্যা সমাধানের জন্য মোট ৮টি রাউন্ড সম্পন্ন হয়।
- সেগুলো হলো:
1. Geneva Round,
2. Annecy Round,
3. Torquay Round,
4. Geneva II Round,
5. Dillon Round,
6. Kennedy Round,
7. Tokyo Round,
8. Uruguay Round.

উরুগুয়ে রাউন্ড:
- GATT চুক্তির রাউন্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ রাউন্ড হচ্ছে উরুগুয়ে রাউন্ড।
- এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ রাউন্ড হচ্ছে উরুগুয়ে রাউন্ড।
- এই রাউন্ড শুরু হয় ১৯৮৬ সালের সেপ্টেম্বরে।
- ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সালে উরুগুয়ে রাউন্ডের সমাপ্তির সময়ে GATT চুক্তি সংশোধনের মাধ্যমে।
- এই রাউন্ডের সংলাপ চলে দীর্ঘ ৮ বছর ধরে।
- এর ফলে নতুন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংগঠন গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- যার ফলে ১৯৯৫ সালে জন্ম হয় World Trade Organization (WTO)-এর।

তথ্যসূত্র - WTO ওয়েবসাইট।
১,০২৫.
'MI6' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯০৭ সালে
  2. ১৯০৮ সালে
  3. ১৯০৯ সালে
  4. ১৯১০ সালে
ব্যাখ্যা
MI6:
-  MI6 যুক্তরাজ্যের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা।
- সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস বা এমআই ৬ বিদেশী গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং যথাযথ প্রচারের জন্য ব্রিটিশ সরকারী সংস্থা।
- এটি ১৯০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাজ্য। 
- সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস-এর ছয়টি সেকশনের জন্যে এটি MI6 নামে পরিচিত।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
১,০২৬.
নিচের কোনটি সামরিক জোট?
  1. ক) জেনেভা চুক্তি
  2. খ) প্যারিস প্যাক্ট
  3. গ) বেনেলাক্স
  4. ঘ) ওয়ারশ প্যাক্ট
ব্যাখ্যা
ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact-Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance) হলো স্নায়ুযুদ্ধের সময়ে ১৯৫৫ সালের ১৪ মে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সামরিক চুক্তি।
ন্যাটো জোটের পাল্টা জোট হিসেবে এটি গঠিত হয়। এই চুক্তির অংশীদার দেশগুলো হলো:
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- আলবেনিয়া
- বুলগেরিয়া
- পূর্ব জার্মানি
- হাঙ্গেরি
- পোল্যান্ড
- রোমানিয়া এবং
- চেকোশ্লোভাকিয়া।
১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের ফলে ওয়ারশ প্যাক্টেরও বিলুপ্তি ঘটে।
অন্যদিকে,
- জেনেভা চুক্তির (১৯৫৪) মাধ্যমে ভিয়েতনামকে দুভাগে ভাগ করা হয়।
- বেনেলাক্স হলো রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট।
(সূত্রঃ এনসাক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার শীট)
১,০২৭.
ফিলিস্তিনে রাফাহ শহরকে গাজা থেকে বিচ্ছিন্নকারী সামরিক করিডোরের নাম কী?
  1. মোরাগ করিডোর
  2. আল-রশিদ করিডোর
  3. ফিলাডেলফি করিডোর
  4. নেটজারিম করিডোর
ব্যাখ্যা
মোরাগ করিডোর:
- ইসরায়েল ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলে একটি নতুন সামরিক করিডোর নির্মাণ করে, যা রাফাহ শহরকে গাজার বাকি অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে।
- এই করিডোরটি "মোরাগ করিডোর" নামে পরিচিত।
- যা পূর্বে রাফাহ ও খান ইউনিসের মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত একটি ইসরায়েলি বসতির নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে।
- ২০২৫ সালের ২ এপ্রিল ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই করিডোর নির্মাণের ঘোষণা দেন।
- ১২ এপ্রিল ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (IDF) করিডোরটি সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে নেয়।
- ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের মতে, এই করিডোরের মাধ্যমে হামাসের ওপর চাপ সৃষ্টি করে অবশিষ্ট জিম্মিদের মুক্তি, হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং গাজা থেকে তাদের প্রস্থান নিশ্চিত করা হবে।
- এই করিডোর নির্মাণের ফলে রাফাহ শহর সম্পূর্ণভাবে ঘিরে ফেলা হয়েছে, যা গাজার বাকি অংশ থেকে শহরটিকে বিচ্ছিন্ন করেছে।
- এর ফলে প্রায় ২.৩ মিলিয়ন ফিলিস্তিনি সীমিত এলাকায় আটকে পড়েছেন, এবং খাদ্য, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও মানবিক সহায়তা প্রবাহ ব্যাহত হয়েছে।

তথ্যসূত্র - পত্রিকা রিপোর্ট।
১,০২৮.
সার্বজনীন মানবাধিকারের ঘোষণা সংক্রান্ত জাতিসংঘ সাধারন পরিষদের বিশেষ অধিবেশনটি কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ক) জেনেভা
  2. খ) লন্ডন
  3. গ) প্যারিস
  4. ঘ) নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা
মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা - ১৯৪৮
• মানবাধিকার রক্ষায় জাতিসংঘের প্রথম উদ্যোগ হচ্ছে মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা - ১৯৪৮ বা Universal Declaration of Human Rights।
• বিশ্বব্যাপী মানুষের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে এই ঘোষণা গৃহীত হয়।
• স্বাক্ষরের সময়কাল - ১০ ডিসেম্বর, ১৯৪৮ সাল।
• জাতিসংঘের প্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক নাম - General Assembly resolution 217 (A)
• সাধারণ পরিষদের অধিবেশন স্থল - প্যারিস, ফ্রান্স (সাধারণ পরিষদের বিশেষ অধিবেশন)
• সাধারণ পরিষদে এই ঘোষণা গৃহীত হওয়ার দিন - ১০ ডিসেম্বরকে “মানবাধিকার দিবস” হিসাবে পালন করা হয়।
• যুক্তরাষ্ট্রের এলিনর রুজভেল্ট - মানবাধিকারের খসড়া দলিল প্রণয়ন কমিটির প্রধান ছিলেন।
• ফরাসি নোবেলজয়ী আইনজীবী রেনে ক্যাসিন চুক্তিটি প্রস্তুত করেন।
• মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা - এর ৩০টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ওয়েবসাইট।
১,০২৯.
'হিজবুল্লাহ' কোন দেশের সশস্ত্র গোষ্ঠী?
  1. সিরিয়া
  2. লেবানন
  3. ইরান
  4. ইয়েমেন
ব্যাখ্যা

• হিজবুল্লাহ:
- হিজবুল্লাহ একটি রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী শিয়া মুসলিম সংগঠন।
- এটি লেবাননের একটি রাজনৈতিক ও সশস্ত্র গোষ্ঠী।
- হিজবুল্লাহ ইরান ও সিরিয়ার সমর্থনপুষ্ট।
- ১৯৭৫ সাল থেকে ১১৯০ সাল পর্যন্ত চলা লেবাননের গৃহযুদ্ধের সময় ইরানের রেভলিউশনারি গার্ডস ১৯৮২ সালে হিজবুল্লাহ গঠন করে।
- সংগঠনটি মূলত ইসলামিক জাতীয়তাবাদ, ইহুদিবাদ বিরোধী ও পশ্চিমা সংস্কৃতি বিরোধী।
- মূলত ইরানের উদ্যোগেই হিজবুল্লাহ সংগঠনটির জন্ম হয়েছিল।
- ১৯৮২ সালে লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন ও গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ১৯৮৫ সালে প্রকাশ্যে হিজবুল্লাহর আত্মপ্রকাশ ঘটে।

⇒ হিজবুল্লাহ লেবানন সরকারে প্রতিনিধিত্ব করছে।
- হিজবুল্লাহ লেবাননে একটি শক্তিশালী গ্যারিলা গ্রুপের জন্ম দিয়েছে।
- এজন্য হিজবুল্লাহকে বলা হয় 'রাষ্ট্রের ভেতরে আলাদা রাষ্ট্র'।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

১,০৩০.
ATACMS কোন দেশের তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. রাশিয়া
  3. তুরস্ক
  4. ইউক্রেন
ব্যাখ্যা
ATACMS (এটিএসিএমএস) ক্ষেপণাস্ত্র:
- ATACMS-এর পূর্ণরূপ: The Army Tactical Missile System.
- Army Tactical Missile System (ATACMS) ক্ষেপণাস্ত্রটি যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি।
- লকহিড মার্টিন কোম্পানি এটি তৈরি করেছে।

⇒ এটি মার্কিন সেনাবাহিনী এবং তার মিত্রদের দ্বারা ব্যবহার করা হয়।
- ATACMS ক্ষেপণাস্ত্রের মূল উদ্দেশ্য হল দীর্ঘপাল্লার আক্রমণ, বিশেষ করে প্রতিপক্ষের স্থলভিত্তিক লক্ষ্যবস্তু, যেমন সেনা ঘাঁটি, সরবরাহ লাইন এবং রাডার সিস্টেম আক্রমণ করা।
- এটি লোকেটেড সিস্টেম (Lance missile system) এর বিকল্প হিসেবে তৈরি করা হয়েছে এবং এটি উচ্চতর স্বতন্ত্রতায় বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।
- ATACMS ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ৩০০ কিলোমিটার (১৮৬ মাইল) পর্যন্ত হতে পারে এবং এটি একাধিক ধরনের যুদ্ধাস্ত্র বহন করতে সক্ষম।

⇒ এই ক্ষেপণাস্ত্রে দুটি ভিন্ন ধরনের ওয়ারহেডও বহন করানো যেতে পারে।
- প্রথমটি হলো শত শত ছোট বোমা ভরা একটি ক্লাস্টার ওয়ারহেড এবং দ্বিতীয়টি হলো একক ওয়ারহেড যা ২২৫ কেজি ওজনের শক্তিশালী বিস্ফোরক ভরা বোমা, যা বৃহত্তর কাঠামো ধ্বংস করতে ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধে প্রথম এ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি নভেম্বর, ২০২৪ প্রথমবারের মতো ইউক্রেইনকে রাশিয়ার ভূখণ্ডের গভীরে হামলা চালানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরবরাহ করা দূর পাল্লার এটিএসিএমএস ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন। এটি বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্টের এক বড় নীতিগত পরিবর্তন।
- ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি কয়েক মাস ধরে এটিএসিএমএস নামক এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের ওপর থেকে বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছিলেন, যাতে কিয়েভ তার নিজ সীমান্তের বাইরে হামলা করতে পারে।

উৎস: BBC.
১,০৩১.
NATO গঠনের প্রতিক্রিয়ায় সোভিয়েত ইউনিয়ন কোন সামরিক জোট গঠন করে?
  1. ওয়ারশ প্যাক্ট
  2. বার্লিন প্যাক্ট
  3. ব্রাসেলস প্যাক্ট
  4. ওয়াশিংটন প্যাক্ট
ব্যাখ্যা
Warsaw Pact:
- Warsaw Pact-এর পূর্ণরূপ: Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance.
- NATO গঠনের প্রতিক্রিয়ায় সোভিয়েত ইউনিয়ন সামরিক জোট ওয়ারশ প্যাক্ট গঠন করে।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ মে, ১৯৫৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- সদস্য সংখ্যা ছিলো: ৮টি (সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া।
- উদ্দেশ্য: পশ্চিমা দেশের (বিশেষত ন্যাটো) বিরুদ্ধে সামরিক সুরক্ষা এবং পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধি।
- মূলত ন্যাটো জোটের বিপরীত জোট হিসেবে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো ১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ প্যাক্ট নামে সামরিক জোট গঠন করে।
- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্তির সাথে সাথে Warsaw Pact বিলুপ্ত হয়।

⇒ NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।

উৎস: i) Britannica.
ii) NATO ওয়েবসাইট।
১,০৩২.
রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (CWC) কার্যকর হয় কোন সালে?
  1. ১৯৯৩
  2. ১৯৯৭
  3. ১৯৯৫
  4. ১৯৯৯
ব্যাখ্যা
• রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (CWC): 
- রাসায়নিক অস্ত্রের উন্নয়ন, উৎপাদন, মজুদ এবং ব্যবহার নিষিদ্ধকরণ এবং তাদের ধ্বংস সংক্রান্ত কনভেনশন (রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন বা CWC),
-  কনভেনশনটি একটি প্রস্তাবনা, 24টি অনুচ্ছেদ এবং 3টি পরিশিষ্ট নিয়ে গঠিত - রাসায়নিক দ্রব্যের পরিশিষ্ট, যাচাইকরণ পরিশিষ্ট এবং গোপনীয়তা পরিশিষ্ট।
• কনভেনশনটি ১৯৯৩ সালে প্যারিসে স্বাক্ষরিত হয়।
• কার্যকর হওয়ার তারিখ ২৯ এপ্রিল ১৯৯৭।
- এটি প্রথম আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি যা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একটি সম্পূর্ণ শ্রেণির গণবিধ্বংসী অস্ত্র নির্মূলের লক্ষ্য নির্ধারণ করে

উল্লেখ্য,
• রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার সীমিত করার প্রথম আন্তর্জাতিক চুক্তিটি ১৬৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, যখন ফ্রান্স এবং জার্মানি স্ট্রাসবার্গে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তিতে পৌঁছায়, যেখানে বিষ বুলেটের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়।

উৎস: opcw website.
১,০৩৩.
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিষয়ক  প্রটোকল কোনটি?
  1. কিয়োটো প্রটোকল
  2. নাগোয়া প্রটোকল
  3. কার্টাগেনা প্রটোকল
  4. মন্ট্রিল প্রটোকল
ব্যাখ্যা
নাগোয়া প্রোটোকল:
- প্রোটোকল টি জৈবিক বৈচিত্র্য কনভেনশনের একটি পরিপূরক চুক্তি যাজেনেটিক রিসোর্সেস অ্যাক্সেস এবং তাদের ব্যবহার থেকে উদ্ভত  সুবিধার ন্যায্য ও ন্যায্য বণ্টন সম্পর্কিত।
- প্রটোকলটি  ১৯৯২ সালের  Convention on Biological Diversity বাস্তবায়নে স্বাক্ষরিত হয়।
-  নাগোয়া প্রোটোকলটি ২৯ অক্টোবর ২০১০ তারিখে জাপানের নাগোয়ায় গৃহীত হয়।
 - ১২ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে কার্যকর হয়।
- প্রটোকলটির লক্ষ- বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ।

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- ওজনস্তর ক্ষয়কারী বস্তু সামগ্রী উৎপাদন, বিপণন এবং ব্যবহার বন্ধ বিষয়ক প্রটোকল।
- কানাডার মন্ট্রিলে স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষর ১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৮৭।
- কার্যকর ০১ জানুয়ারি ১৯৮৯।
 
কিয়োটো প্রটোকল:
 - বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ বিষয়ক প্রটোকল।
- জাপানের প্রাচীন রাজধানী কিয়োটোতে স্বাক্ষরিত হয়।
- গৃহীত হয় ১১ ডিসেম্বর ১৯৯৭

কার্টাগেনা  প্রটোকল:

- জৈব জ্বালানি নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- স্বাক্ষরিত হয় কানাডার মন্ট্রিল।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে।
- বাংলাদেশ অনুমোদন করে ২০০৪ সালে। 
- সদস্য সংখ্যা: ১৭৩টি ।
- সর্বশেষ অনুমোদন কারী দেশ- সিয়েরা লিওন ( ১৫ জুন ২০২০)

উৎস
: CBD. UNFCC. Britannica.
১,০৩৪.
'Strategic Arms Limitations Talk-1' চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৭১ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
• SALT: 
- SALT বা Strategic Arms Limitation Talks বা আলোচনা শুরু হয়েছিল ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকিতে ১৯৬৯ সালে।
- আলোচনা ও চুক্তি সীমাবদ্ধ ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে।
- এই আলোচনার সূত্র ধরেই Anti-Ballistii Missile Treaty স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- SALT I চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৯৭২ সালের ২৬ মে।
- এই চুক্তি অনুযায়ী কৌশলগত যত ব্যালিস্টিক মিসাইল লাঞ্চার, অর্থাৎ পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ যন্ত্র আছে, তা “ফ্রিজ করা হয়।
- যাতে করে কোনো পক্ষ আর তার সংখ্যা বাড়াতে না পারে।
- আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। 

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর- তারেক শামসুর রেহমান।
১,০৩৫.
'অগ্নি-৫' ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালায়-
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) চীন
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

- ২৭ অক্টোবর ২০২১ তারিখে চীনের সাথে দ্বন্দের মাঝেই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র অগ্নি-৫ এর সফল পরীক্ষা চালায় ভারত।
- যা ৫০০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বের লক্ষ্যবস্তুতেও আঘাত হানতে সক্ষম।

১,০৩৬.
সাভাক (SAVAK) কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থার নাম?
  1. ইসরায়েল
  2. জার্মানি
  3. ইরান
  4. সিরিয়া
ব্যাখ্যা
সাভাক (SAVAK):
- সাভাক (SAVAK) ইরানের একটি গোয়েন্দা সংস্থা ছিল।
- এটি ইরানের মোহাম্মদ রেজা শাহ'র শাসনামলে গঠিত হয় এবং ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর বিলুপ্ত হয়ে যায়।

⇒ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা:
- যুক্তরাষ্ট্র: Central Intelligence Agency (CIA), Defense Intelligence Agency (DIA), Fairfax, Federal Bureau of Investigation (FBI)।
- বাংলাদেশ: National Security Intelligence (NSI), Criminal Investigation Department (CID), Detective Branch (DB).
- ভারত: Research and Analysis Wing (RAW), Central Bureau of Investigation (CBI).
- পাকিস্তান: Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA).
- রাশিয়া: Federal Security Service (FSB).
- যুক্তরাজ্য: SIS/MI6 - Secret Intelligence Service (SIS) and Military Intelligence, Section 6 (MI6).
- ইসরায়েল: MOSSAD, Shin Bet (Shabak), Aman.

উৎস: Britannica.
১,০৩৭.
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল _____ ভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী সংস্থা।
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) জাপান
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) জার্মান
ব্যাখ্যা
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বার্লিনভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী সংস্থা। এটি ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা পিটার ইজেন। এটি ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী দুর্নীতি ধারণা সূচক (CPI) প্রকাশ করে আসছে। বাংলাদেশ প্রথম ২০০১ সালে টিআই এর দুর্নীতি ধারণা সূচক রিপোর্টে অন্তর্ভুক্ত হয় । তখন ৯১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিলো সর্বনিম্ন। স্কোর ছিল ১০ এর মধ্যে ০.৪। দুর্নীতি ধারণা সূচক - ২০১৯ এ শীর্ষদেশ ডেনমার্ক ও নিউজিল্যান্ড এবং সর্বনিম্ন দেশ সোমালিয়া। বাংলাদেশ ১৪৬তম। উৎসঃ টিআই ওয়েবসাইট।
১,০৩৮.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হাওয়াই দ্বীপের মার্কিন নৌঘাঁটি পার্ল হারবার আক্রমণ করে-
  1. ক) ইতালি
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) জার্মানি
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী জাপান, জার্মানি ও ইতালিকে একত্রে অক্ষশক্তি বলা হয়।
জাপান ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে পার্ল হারবারে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটি আক্রমণ করে।
এজন্য ১৯৪১ সালের ৮ ডিসেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
১,০৩৯.
নিচের কোন দেশটি ন্যাটোর সদস্যভুক্ত নয়? [নভেম্বর - ২০২৪]
  1. লাটভিয়া
  2. সুইজারল্যান্ড
  3. লুক্সেমবার্গ
  4. নরওয়ে
ব্যাখ্যা
- সুইজারল্যান্ড NATO-র সদস্য নয়।

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি একটি সামরিক সহযোগিতার জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ১২টি।
- এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমান মহাসচিব মার্ক রুট্টে। [নভেম্বর - ২০২৪]
- মুসলিম দেশ আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

উল্লেখ্য,
- ন্যাটোর সদস্য দেশ: বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, গ্রীস, তুরস্ক, জার্মানি, স্পেন, চেক প্রজাতন্ত্র, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, আলবেনিয়া, ক্রোয়েশিয়া, মন্টিনিগ্রো, উত্তর মেসিডোনিয়া, ফিনল্যান্ড, সুইডেন।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
১,০৪০.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তিতে মধ্যস্থতা করেন কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?
  1. রিচার্ড নিক্সন
  2. জিমি কার্টার
  3. রোনাল্ড রিগান
  4. বারাক ওবামা
ব্যাখ্যা

ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ইসরাইল ও মিশরের মধ্যে।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮ সালে।
- এই চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: ক্যাম্প ডেভিড, যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে অবস্থিত অবকাশ যাপন কেন্দ্র।
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তিতে মধ্যস্থতা করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- এই চুক্তির ফলে মিশরকে আরব লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,০৪১.
'ভাগনার গ্রুপ' কোন দেশভিত্তিক সংস্থা?
  1. বেলারুশ
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ইউক্রেন
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
• ভাগনার গ্রুপ: 
- একটি রাশিয়ার আধাসামরিক সংস্থা।
- এটি একটি প্রাইভেট মিলিটারি কোম্পানি।
- এটি ভাড়াটে সৈনিকদের একটি গ্রুপ।
- রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রাক্তন ঘনিষ্ঠ মিত্র ইয়েভগেনি প্রিগোশিন একটি ডি ফ্যাক্টো প্রাইভেট আর্মি।
- গ্রুপটি রাশিয়ায় আইনের বাইরে কাজ করে।
- যেহেতু এটি রুশ স্বার্থের সমর্থনে কাজ করে ও এটি রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সরঞ্জাম গ্রহণ এবং প্রশিক্ষণের জন্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্থাপনা ব্যবহার করে, তাই ভাগনার গ্রুপকে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বা রাশিয়ার সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা।
- ভাগনারের বিভিন্ন উপাদান নব্য-নাৎসিবাদ এবং উগ্র ডানপন্থী উগ্রবাদের সাথে যুক্ত।
- এটি ইউক্রেন এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে।

উৎস: DW ওয়েবসাইট।
১,০৪২.
আরব উপদ্বীপ এশিয়া মহাদেশের কোন দিকে অবস্থিত?
  1. উত্তর পশ্চিম কোণে
  2. পূর্বে পশ্চিম কোণে
  3. দক্ষিণ পশ্চিম কোণে
  4. দক্ষিণ পূর্বে কোণে
ব্যাখ্যা
আরব উপদ্বীপ:
- আরব উপদ্বীপ বিশ্বের বৃহত্তম উপদ্বীপ।
- এটি এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে অবস্থিত।
- আয়তন প্রায় ১,২০০,০০০ বর্গ মাইল (৩,১০০,০০০ বর্গ কিলোমিটার)।
- আরব উপদ্বীপের পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিমে লোহিত সাগর, দক্ষিণে এডেন উপসাগর।
- জর্ডান ও ইরাকসহ এতে নয়টি দেশ অবস্থিত। এর মধ্যে আয়তনে বৃহত্তম দেশ সৌদি আরব এবং ক্ষুদ্রতম বাহরাইন।

উৎস:ব্রিটানিকা।[Link]
১,০৪৩.
'আজভ ব্রিগেড' কোন দেশের সশস্ত্র বাহিনী?
  1. ফিলিস্তিন
  2. ইউক্রেন
  3. ইরান
  4. লেবানন
ব্যাখ্যা

আজভ ব্রিগেড:
- 'আজভ ব্রিগেড' ইউক্রেনের একটি সশস্ত্র বাহিনী।
- এর সব সদস্যই স্বেচ্ছাসেবী।
- ২০১৪ সালের মে মাসে স্বেচ্ছাসেবী গোষ্ঠী হিসেবে আজভ ব্রিগেড প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর উদ্যোক্তা ছিল একদল ইউক্রেনীয় অতি-জাতীয়তাবাদী এবং নব্য-নাৎসি সোশ্যাল ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি (এসএনএ) গোষ্ঠী।
- অ্যান্ড্রি বিলেটস্কি সশস্ত্র বাহিনীটি প্রতিষ্ঠাতা নেতা ছিলেন।
- আজভ ব্যাটালিয়নের খরচ বহন করেন অলিগার্ক ইগর কলোময়েস্কি। তিনি ইউক্রেনিয়ান বিদ্যুৎ গ্রিডের মালিক।

তথ্যসূত্র - আল জাজিরা, ০১ মে, ২০২২।

১,০৪৪.
Operation Absolute Resolve অভিযানটি কোন দেশের বাহিনী পরিচালনা করেছিল?
  1. রাশিয়া
  2. চীন
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. নাইজেরিয়া
ব্যাখ্যা

অপারেশন অ্যাবসলিউট রিজলভ:
- 'অপারেশন অ্যাবসলিউট রিজলভ' অভিযানটি যুক্তরাষ্ট্র পরিচালনা করেছিল ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে লক্ষ্য করে।

⇒ ৩ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে কারাকাসে চালানো এক বিশেষ অভিযানে মার্কিন ডেল্টা ফোর্স মাদুরোর বাসভবনে ঢুকে তাকে সস্ত্রীক আটক করে। 
- 'অপারেশন অ্যাবসলিউট রিজলভ' নামের এই মিশনের নীল নকশা তৈরি হয়েছিল অন্তত চার মাস আগে।
- গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ ভেনিজুয়েলার ভেতরে একটি গোপন দল মোতায়েন করেছিল। তাদের একমাত্র কাজ ছিল মাদুরোর প্রতিটি পদক্ষেপের ওপর নজর রাখা। 
- অভিযান শুরু হতেই ২০টি ভিন্ন মার্কিন ঘাঁটি থেকে ১৫০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার আকাশে ওড়ে। রাডার ফাঁকি দিতে হেলিকপ্টারগুলো সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০০ ফুট ওপর দিয়ে উড়ে কারাকাসে পৌঁছায়। মার্কিন সাইবার কমান্ডের মাধ্যমে কারাকাসের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও যোগাযোগ মাধ্যম সম্পূর্ণ বিকল করে দেয়া হয়।
- বর্তমানে মাদুরো ব্রুকলিনের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।
- অভিযান শেষে ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে, এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্র ভেনিজুয়েলা ‘পরিচালনা’ করবে এবং দেশটির তেল সম্পদের নিয়ন্ত্রণ নেবে।

উৎস: The New York Times.

১,০৪৫.
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে অবস্থিত মোট ছিটমহলের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ১১১টি
  2. খ) ৫১টি
  3. গ) ১৩০টি
  4. ঘ) ১৬২টি
ব্যাখ্যা
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে অবস্থিত মোট ছিটমহলের সংখ্যা ছিলো ১৬২ টি। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্থল সীমান্ত চুক্তি অনুযায়ী ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই দুই দেশের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় হয়। ফলে বাংলাদেশের মোট ভূখণ্ডে ১০০৪১.২৫ একর ভূমি যোগ হয়। এর ফলে বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে ভারতের ১১১টি ছিটমহল বাংলাদেশের সাথে এবং ভারতের ভূখন্ডের ভিতর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ভারতের সাথে যুক্ত হয়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি
১,০৪৬.
কোন চুক্তিতে পারমাণবিক পরীক্ষা বন্ধ করার কথা বলা হয়েছে?
  1. NPT
  2. SALT
  3. CТВТ
  4. AFTA
ব্যাখ্যা

• Comprehensive Test Ban Treaty - CТВТ:
- সমন্বিত পারমাণবিক পরীক্ষা-নিষেধ চুক্তি (CTBT) সামরিক বা বেসামরিক উদ্দেশ্যে সকল পারমাণবিক পরীক্ষা বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ করে।
- নতুন পারমাণবিক অস্ত্রের উন্নয়ন বন্ধ করতে এবং বিদ্যমান অস্ত্রের আপগ্রেড রোধ করতে চুক্তিটি ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছিল, যা অ-প্রসারণ এবং নিরস্ত্রীকরণের বিশ্বব্যাপী প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে।
- ১৯ নভেম্বর ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলির দ্বারা গৃহীত প্রস্তাব, যা ব্যাপক পারমাণবিক পরীক্ষা-নিষেধ চুক্তি সংস্থার (CTBTO) প্রস্তুতিমূলক কমিশন প্রতিষ্ঠা করে।

উৎস: জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,০৪৭.
ইন্টারপোল কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ১৯১৮ সালে
  2. ১৯২৩ সালে
  3. ১৯৩৩ সালে
  4. ১৯৪৫ সালে
ব্যাখ্যা

ইন্টারপোল (Interpol):
- Interpol-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- প্রতিষ্ঠাতা: জোহানেস স্কোবার (Dr Johannes Schober) [অস্ট্রিয়ার পুলিশ প্রধান]।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি (সর্বশেষ সদস্য: পালাউ)।
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা (Valdecy Urquiza) [ব্রাজিল]।
- ইন্টারপোলের মূল লক্ষ্য হলো বিভিন্ন দেশের পুলিশ বাহিনীকে একত্রে কাজ করার সুযোগ করে দিয়ে বৈশ্বিক নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা করা।

⇒ পূর্ব নাম: International Criminal Police Commission.
- বর্তমান নাম International Criminal Police Organization গ্রহণ করে ১৯৫৬ সালে।

⇒ ইন্টারপোলের প্রধান উদ্দেশ্য হল আন্তর্জাতিক অপরাধ, যেমন মানবপাচার, মাদক চোরাচালান, সন্ত্রাসবাদ, যুদ্ধাপরাধ, আর্থিক অপরাধ, সাইবার অপরাধ, এবং অন্যান্য অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াই করা।
- বিভিন্ন দেশের পুলিশের মধ্যে তথ্য ও সুরক্ষা সম্পর্কিত সহযোগিতা নিশ্চিত করা।
- ইন্টারপোল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পুলিশদের জন্য তথ্য আদান-প্রদান এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ তদন্তে সহায়তা প্রদান করে।
- ইন্টারপোল আন্তর্জাতিকভাবে পলাতক অপরাধীদের ধরার জন্য "লাল নোটিশ" জারি করে, যা বিভিন্ন দেশকে সেই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য সতর্ক করে।

উৎস: Interpol ওয়েবসাইট।

১,০৪৮.
Lashkar-e-Taiba কোন দেশভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন?
  1. আফগানিস্তান
  2. পাকিস্তান
  3. ভারত
  4. লেবানন 
ব্যাখ্যা

লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা:
- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা পাকিস্তান ভিত্তিক একটি জঙ্গি সংগঠন।
- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর একটি জঙ্গি সংগঠন।
- এটি কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর হলেও পরিচালিত হয় পাকিস্তান থেকে।
- ইসলামী সংগঠনটি যা সুন্নি ইসলামের ওয়াহাবি সম্প্রদায়ের দ্বারা প্রভাবিত । 
- প্রতিষ্ঠাতা: হাফিজ সাঈদ।
- হাফিজ সাঈদ ১৯৮০ সালের দিকে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা ১৯৯৩ সালে জম্মু ও কাশ্মীরে প্রথম অনুপ্রবেশ করেছিল।

উল্লেখ্য,
- ২০০১ সালে ভারতীয় পার্লামেন্ট ভবনে হামলা ও ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলার জন্যে ভারত সরকার লস্কর-ই-তৈইয়্যেবাকে দায়ী করে থাকে।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC. 

১,০৪৯.
নিচের কোন দেশটি সামরিক জোট কোয়াডের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. জাপান
  2. জার্মান
  3. ভারত
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
কোয়াড:
- QUAD পূর্ণ নাম: Quadrilateral Security Dialogue (QSD)
- ইংরেজি শব্দ কোয়াড্রিলেটারেল বা চতুর্পাক্ষিকের সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে কোয়াড।
- এটি চার পক্ষের একটি জোট। যা যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান, এবং অস্ট্রেলিয়া নিয়ে গঠিত।
- অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে জার্মান সামরিক জোট কোয়াডের অন্তর্ভুক্ত নয়।
- এর লক্ষ্য হলো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে মুক্ত, উন্মুক্ত, স্থিতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করা।
- ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা ও সমুদ্রপথে স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।
- চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ও সামরিক উপস্থিতি মোকাবিলা।
- ২০০৭ সালে কোয়াড গঠনের পর দীর্ঘদিন এর কোন তৎপরতা না থাকলেও,
- ১২ নভেম্বর ২০১৭ এক বৈঠকের মাধ্যমে কোয়াড আবারো সক্রিয় হয়ে ওঠে।
- এটিকে ‘এশিয়ান ন্যাটো’ জোট নামেও অভিহিত করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: The Guardian, আল জাজিরা এবং প্রথমআলো।
১,০৫০.
ANZUS চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়? 
  1. ১৯৪৬ সালে 
  2. ১৯৫০ সালে
  3. ১৯৫১ সালে
  4. ১৯৫২ সালে
ব্যাখ্যা

• ANZUS:
- এটি একটি সামরিক জোট।
- ANZUS চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১।
- কার্যকর হয়: ১৯৫২ সালে।
- সদস্য দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরের স্থান: সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া।
- লক্ষ্য: সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বিরুদ্ধে বৈদেশিক আগ্রাসন প্রতিহত করা।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

১,০৫১.
NATO এর বর্তমান মহাপরিচালক কে?(জানুয়ারি,২০২৬)
  1. জেনস স্টলটেনবার্গ
  2. মার্কো রুবিও
  3. মার্ক রুটে
  4. উরসুলা ভ্যান ডার লেন
ব্যাখ্যা

• ন্যাটো:
- পূর্ণরূপ - North Atlantic Treaty Organization.
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ন্যাটো ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে।
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ১২টি দেশ।
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩২টি দেশ। (জানুয়ারি, ২০২৬)
- NATO এর মহাপরিচালক Mark Rutte. 

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।

১,০৫২.
ভারত ও নেপালের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল কোনটি?
  1. কালাপানি
  2. লিমপিয়াধুরা
  3. লিপুলেখ
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ভারত-নেপাল সীমান্ত বিরোধ:
- ভারত ও নেপালের মধ্যে সীমান্ত রয়েছে ১,৬৯০ কিলোমিটার বা ১,০৫০ মাইল।
- বর্তমানে যেসব স্থান নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ চলছে সেগুলো হলো কালাপানি, লিমপিয়াধুরা, লিপুলেখ ও সুস্তা।
- ২ নভেম্বর ২০১৯ সালে ভারত নতুন একটি রাজনৈতিক মানচিত্র প্রকাশ করে।
- উক্ত মানচিত্রে বিতর্কিত ভূমি কালাপানি, লিমপিয়াধুরালিপুলেখ ভারতীয় সীমান্তের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে দেখানো হয়।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা।
১,০৫৩.
QUAD কোন অঞ্চলের নিরাপত্তা ফোরাম?
  1. ইন্দো-প্যাসিফিক
  2. লাতিন আমেরিকা
  3. আফ্রিকা
  4. বঙ্গোপসাগরীয়
ব্যাখ্যা

QUAD:
- QUAD-এর পূর্ণরূপ: Quadrilateral Security Dialogue.
- QUAD হলো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের ‘চতুর্পক্ষীয় নিরাপত্তা ফোরাম’।
- গঠিত হয়: ২০০৭ সালে।
- সদস্য দেশ: ৪টি (যথা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপান)।

⇒ QUAD- এর মূল উদ্দেশ্য: ভারত-প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, কৌশলগত, সামরিক এবং অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা, বৃহত্তর আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে একে অপরের প্রতি নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি করা।

উৎস: Department of the Prime Minister and Cabinet.

১,০৫৪.
পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা কোন সংস্থার মূল কাজ?
  1. CTBTO
  2. OPCW
  3. IAEA
  4. OSCE
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (IAEA):
- পূর্ণ নাম: International Atomic Energy Agency
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২৯ জুলাই, ১৯৫৭
- সদর দপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার প্রচার করা এবং পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধে কাজ করে।

মূল কাজ:
- পারমাণবিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
- সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পারমাণবিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা।
- পারমাণবিক শক্তির চিকিৎসা, কৃষি এবং শিল্পে শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা।
- গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি:NPT (Non-Proliferation Treaty) বাস্তবায়নে সহায়তা।
- পারমাণবিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণ।

উৎস: i) IAEA অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
ii) Britannica
১,০৫৫.
GATT চুক্তির সর্বশেষ রাউন্ড কোনটি?
  1. Annecy Round
  2. Uruguay Round
  3. Dillon Round
  4. Tokyo Round
ব্যাখ্যা

GATT চুক্তির রাউন্ড:
- ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত GATT চুক্তির দুর্বলতা ও সমস্যা সমাধানের জন্য মোট ৮টি রাউন্ড সম্পন্ন হয়।
- সেগুলো হলো:
1. Geneva Round,
2. Annecy Round,
3. Torquay Round,
4. Geneva II Round,
5. Dillon Round,
6. Kennedy Round,
7. Tokyo Round,
8. Uruguay Round.

উরুগুয়ে রাউন্ড:
- GATT চুক্তির রাউন্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ রাউন্ড হচ্ছে উরুগুয়ে রাউন্ড।
- এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ রাউন্ড হচ্ছে উরুগুয়ে রাউন্ড।
- এই রাউন্ড শুরু হয় ১৯৮৬ সালের সেপ্টেম্বরে।
- ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সালে উরুগুয়ে রাউন্ডের সমাপ্তির সময়ে GATT চুক্তি সংশোধনের মাধ্যমে।
- এই রাউন্ডের সংলাপ চলে দীর্ঘ ৮ বছর ধরে।
- এর ফলে নতুন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংগঠন গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- যার ফলে ১৯৯৫ সালে জন্ম হয় World Trade Organization (WTO)-এর।

তথ্যসূত্র - WTO ওয়েবসাইট।

১,০৫৬.
Inter-Services Intelligence কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. আফগানিস্তান 
  2. পাকিস্তান
  3. ইরান 
  4. ইরাক 
ব্যাখ্যা

◉ ISI বা Inter-Services Intelligence হলো পাকিস্তানের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা।

​Inter-Services Intelligence:
- ISI বা Inter-Services Intelligence পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা,
- এটি ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি মূলত পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থ রক্ষা করতে কাজ করে।
- আফগান যুদ্ধের সময়, ISI মার্কিন সহযোগিতায় মুজাহিদিনদের সহায়তা করেছিল।
- সংস্থাটি কাশ্মীর ইস্যু, আফগানিস্তানের রাজনীতি এবং সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রাখে।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

১,০৫৭.
লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা কোন অঞ্চলের মিলিশিয়া গ্রুপ?
  1. ক) কাশ্মির উপত্যকা
  2. খ) বেলুচিস্তান
  3. গ) আরাকান
  4. ঘ) আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা:
- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা ভারতের কাশ্মির উপত্যকায় তৎপর একটি জঙ্গি সংগঠন।
- এটি কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর হলেও পরিচালিত হয় পাকিস্তান থেকে।
- হাফিজ সাঈদ ১৯৮০ সালের দিকে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ২০০১ সালে ভারতীয় পার্লামেন্ট ভবনে হামলা ও ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলার জন্যে ভারত সরকার লস্কর-ই-তৈইয়েবাকে দায়ী করে থাকে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড
১,০৫৮.
ট্রুম্যান নীতি ও মার্শাল পরিকল্পনাকে কোন ধরনের কূটনীতি বলা যায়?
  1. ক) গানবোট কূটনীতি
  2. খ) ওয়ার কূটনীতি
  3. গ) ডলার কূটনীতি
  4. ঘ) খোলানীতি
ব্যাখ্যা
ট্রুম্যান নীতি (Truman Doctrine)

- ঘোষণা: ১২ মার্চ, ১৯৪৭; মার্কিন কংগ্রেসে।
- ঘোষণাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান।
- বিষয়বস্তু: ট্রুম্যান আনুষ্ঠানিকভাবে Cold War শব্দটি ব্যবহার করেন এবং তুরস্ক ও গ্রিসকে ৪০ কোটি ডলার সহায়তার ঘোষণা দেন।
- উল্লেখ্য, ট্রুম্যান নীতির পরই বিশ্বে ডলার কূটনীতি চালু হয়।

মার্শাল প্ল্যান (Marshall Plan)

- ঘোষণা: ৫ জুন, ১৯৪৭; হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে।
- ঘোষণাকারী: তৎকালীন মার্কিন সেক্রেটারি অব দ্য স্টেট (পররাষ্ট্রমন্ত্রী) জর্জ সি মার্শাল।
- আইনসভায় অনুমোদন: ৩ এপ্রিল, ১৯৪৮।
- বিষয়বস্তু: ইউরোপের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য ১২ বিলিয়ন ডলার সহায়তার ঘোষণা দেন। এর মধ্যে ২৬% পাবে যুক্তরাজ্য।
- উল্লেখ্য, রাশিয়ার প্রাভদা পত্রিকা এই পরিকল্পনাকে ডলার কূটনীতির সাথে তুলনা করেছে।


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১,০৫৯.
'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম কী?
  1. First Peace of Thorn Agreement.
  2. The Eternal Peace Agreement.
  3. Good Friday Agreement.
  4. The Fifty-Year Peace Agreement.
ব্যাখ্যা

বেলফাস্ট চুক্তি:
- 'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম: Good Friday Agreement.
- উত্তর আয়ারল্যান্ডে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বেলফাস্ট চুক্তিটি একটি মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত হয়। উত্তর আয়ারল্যান্ড - এর শাসনতন্ত্র কিরকম হবে তা এই চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষর: ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮ সাল।
- চুক্তি কার্যকর: ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তির পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,০৬০.
নকশাল আন্দোলন যাত্রা শুরু করে-
  1. ক) ভারতের তেলেঙ্গানায়
  2. খ) ভারতের পাঞ্জাবে
  3. গ) ভারতের পশ্চিমবঙ্গে
  4. ঘ) ভারতের গুজরাটে
ব্যাখ্যা
নকশাল আন্দোলন:
-  ১৯৬৭ সালের ২৫শে মে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের শিলিগুড়ি জেলার নকশালবাড়ি গ্রামে পুলিশের সাথে কৃষক ও আদিবাসীদের সংঘর্ষের মাধ্যমে নকশালবাড়ি বা নকশাল আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।
- পরবর্তীতে এ আন্দোলন বিহার, উড়িষ্যা, ছত্তিসগড়, অন্ধপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র প্রভৃতি রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
- এ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন কমিউনিস্ট নেতা চারু মজুমদার, কানু স্যানাল, জঙ্গল সাঁওতাল প্রমুখ। নকশালপন্থীরা মাও সেতুং এর অনুসারী।
- এরা ছিলো উগ্র বামপন্থী যারা সশস্ত্র লড়াইয়ের মাধ্যমে ভারতে কমিউনিস্ট শাসনব্যবস্থা কায়েম করতে সচেষ্ট।
- বর্তমানে নকশাল আন্দোলন অনেকটাই স্তিমিত।

উৎস: বিবিসি বাংলা নিউজ।
১,০৬১.
বর্তমানে কতটি স্বাধীন রাষ্ট্র নিয়ে ন্যাটো গঠিত?
  1. ক) ২৮
  2. খ) ২৯
  3. গ) ৩০
  4. ঘ) ৩১
ব্যাখ্যা
ন্যাটো

- প্রতিষ্ঠা: ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩০টি স্বাধীন রাষ্ট্র নিয়ে ন্যাটো গঠিত।
- সর্বশেষ সদস্য: উত্তর মেসিডোনিয়া।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- অফিসিয়াল স্লোগান/Motto:  "Animus in consulendo liber (A mind unfettered in deliberation)"।
- ন্যাটো সামরিক সহযোগিতার জোট।
- ন্যাটো জোটভুক্ত দেশগুলো পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা প্রদানে অঙ্গীকারবদ্ধ।


তথ্যসূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
১,০৬২.
QUAD এর পূর্ণরূপ -
  1. Quadrilateral Security Dialogue
  2. Questionable Alliance for Democracy
  3. Quality and Development Forum
  4. Qualified Union for Asia-Pacific Defense
ব্যাখ্যা
Quad:
- এর পূর্ণরূপ Quadrilateral Security Dialogue.
- যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, এবং ভারত এই চারটি দেশের জোট হচ্ছে কোয়াড।
- ২০০৭ সালে কোয়াড গঠনের পর দীর্ঘদিন এর কোন তৎপরতা না থাকলেও ১২ নভেম্বর ২০১৭ এক বৈঠকের মাধ্যমে কোয়াড আবারো সক্রিয় হয়ে ওঠে।
- ২৪ মে ২০২২ কোয়াডের সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, 
- মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও ভারত ‘ভারত মহাসাগর’ ও ‘প্রশান্ত মহাসাগরে’ নৌপথে অবাধ চলাচল বা স্বাধীন চলাচলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই জোট গঠিত হয়।

সূত্র: অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ওয়েবসাইট।
১,০৬৩.
আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠিত হয় কোন চুক্তির মাধ্যমে?
  1. AFTA
  2. NAFTA
  3. SAFTA
  4. APTA
ব্যাখ্যা

• ASEAN Free Trade Area (AFTA ).
- AFTA হলো আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সাক্ষরিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- ১৯৯২ সালের ২৮ জানুয়ারি চতুর্থ আসিয়ান সামিটে AFTA চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি কার্যকর হয়।
- AFTA এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১১টি। 
এগুলো হলো:
- মালয়েশিয়া;
- ইন্দোনেশিয়া;
- ফিলিপাইন;
- সিঙ্গাপুর;
- ভিয়েতনাম;
- কম্বোডিয়া;
- লাওস;
- থাইল্যান্ড;
- ব্রুনাই এবং;
- মায়ানমার।
- পূর্ব তিমুর।

অন্যদিকে,
- SAFTA (South Asian Free Trade Area) হলো সার্কভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- APTA হলো এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৭টি দেশের একটি অগ্রাধিকারমূলক আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তি।
- ১৯৯২ সালে স্বাক্ষরিত উত্তর আমেরিকার মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (NAFTA) ছিল একটি বিতর্কিত বাণিজ্য চুক্তি যার লক্ষ্য ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোর মধ্যে।

উৎস: আসিয়ান ওয়েবসাইট।

১,০৬৪.
সিমলা চুক্তিতে ভারতের পক্ষ থেকে কোন রাষ্ট্রনায়ক স্বাক্ষর করেছিলেন?
  1. রাজীব গান্ধী
  2. ইন্দিরা গান্ধী
  3. মনমোহন সিং
  4. লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
ব্যাখ্যা

- সিমলা চুক্তিতে ভারতের পক্ষ থেকে স্বাক্ষরকারী: ইন্দিরা গান্ধী (ভারতের প্রধানমন্ত্রী)।

• সিমলা চুক্তি: 
- এটি ছিল ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক শান্তি চুক্তি।
- ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতিতে স্বাক্ষরিত হয়।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও পাকিস্তানের পরাজয়-এর পর দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রয়াস

- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ: ২ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরস্থল: Barnes Court (বর্তমানে রাজভবন), সিমলা, ভারত।
- আলোচনার সময়কাল: ২৮ জুন – ২ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- স্বাক্ষরকারী: ইন্দিরা গান্ধী (ভারতের প্রধানমন্ত্রী) ও জুলফিকার আলি ভুট্টো (পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১,০৬৫.
ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান কোনটি?
  1. ডেটন, যুক্তরাষ্ট্র
  2. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
  3. প্যারিস, ফ্রান্স
  4. রোম, ইতালি
ব্যাখ্যা

ডেটন শান্তি চুক্তি:
- পূর্ণনাম: General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina.
- উদ্দেশ্য: বসনিয়া সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধান।
- অন্য নাম: প্যারিস প্রোটোকল / ডেটন-প্যারিস চুক্তি।
- খসড়া প্রণয়নের স্থান: ডেটন, ওহায়ো অঙ্গরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র (বিমানঘাঁটি)।
- খসড়া প্রস্তুতের তারিখ: ২১ নভেম্বর ১৯৯৫।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ: ১৪ ডিসেম্বর ১৯৯৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- মধ্যস্থতাকারী দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।
- মধ্যস্থতাকারী নেতৃবৃন্দ: সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট-বিল ক্লিন্টন ও সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী-ওয়ারেন ক্রিস্টোফার। 
- চুক্তির পক্ষসমূহ: বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া।

• স্বাক্ষরকারীগণ:
- বসনিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ।
- ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
- সার্বিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট স্লোভাদান মিলোসোভিচ।

উৎস: হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।

১,০৬৬.
ইন্টারপোলের সর্বশেষ সদস্য দেশ কোনটি? (জুন, ২০২৫)
  1. সান মারিনো
  2. নাউরু
  3. পালাউ
  4. সেন্ট লুসিয়া
ব্যাখ্যা
Interpol:
- Interpol হল আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা।
- এর পূর্ণরূপ International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯২৩ সাল।
- বর্তমান সদর দপ্তর: লিওঁ, ফ্রান্স।
- ১৯৪৬ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে এবং ১৯৮৯ সালে ফ্রান্সের লিওঁ শহরে সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৬টি দেশ। (জুন, ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: পালাউ।
- বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে: ১৪ অক্টোবর, ১৯৭৬ সাল।
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা। (জুন, ২০২৫)
- তিনি ব্রাজিলের নাগরিক।
- ২০২৪ সালের নভেম্বরে যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত ৯২তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র - ইন্টারপোল অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,০৬৭.
উত্তর আটলান্টিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত তারিখে?
  1. ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯
  2. ৪ জানুয়ারি, ১৯৫৪
  3. ৬ জুন, ১৯৫৭
  4. ১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৯
ব্যাখ্যা

৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ তারিখে উত্তর আটলান্টিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

• ন্যাটো বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (NATO):
- ন্যাটো (NATO) বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- এটি সদস্য দেশগুলোর স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে।
- ন্যাটোর ভিত্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্থাপিত হয় উত্তর আটলান্টিক চুক্তি (ওয়াশিংটন চুক্তি) স্বাক্ষরের মাধ্যমে।
- বর্তমানে ন্যাটোর ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে।
- Article 5: একটি দেশ আক্রান্ত হলে সেটিকে সব সদস্য দেশের উপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা।
- সদস্য দেশগুলোর মধ্যে যে কোনো আক্রমণের বিরুদ্ধে একযোগে প্রতিরোধ।
- ৯/১১ এর সন্ত্রাসী হামলায় প্রথমবার Article 5 প্রয়োগ করা হয়।
- ন্যাটোর প্রতিটি সিদ্ধান্ত সম্মিলিতভাবে গৃহীত হয়।
- কসোভো, ভূমধ্যসাগর এবং আফ্রিকান ইউনিয়নের মতো অঞ্চলে ন্যাটো মিশন পরিচালনা করে।
- ন্যাটো ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ জোট।

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।

১,০৬৮.
ইন্টারন্যাশনাল ওয়াইল্ডলাইফ ডে পালিত হয়-
  1. ক) ৩ মার্চ
  2. খ) ২২ মার্চ
  3. গ) ২০ জুন
  4. ঘ) ২৭ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
৩ মার্চ ইন্টারন্যাশনাল ওয়াইল্ডলাইফ ডে
২২ মার্চ বিশ্ব পানি দিবস
২০ জুন বিশ্ব শরনার্থী দিবস
২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস।
(সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
১,০৬৯.
ANZUS কোথায় স্বাক্ষরিত হয়েছিলো?
  1. ওয়াশিংটন ডিসি
  2. ক্যানবেরা
  3. সান ফ্রান্সিসকো
  4. অকল্যান্ড
ব্যাখ্যা
ANZUS:
- ANZUS একটি সামরিক জোট, 
- এটি ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তির স্বাক্ষরিত স্থান ছিল সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া।

উল্লেখ্য, 
- এই জোটের সদস্য দেশগুলো হলো অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- ANZUS চুক্তির প্রধান লক্ষ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বিরুদ্ধে বৈদেশিক আগ্রাসন প্রতিহত করা।
- ANZUS জোটের সদরদপ্তর ক্যানবেরা, অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থিত।

সূত্র: Britannica.
১,০৭০.
নিম্নের কোনটি জাতিসংঘের অস্ত্রবাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ চুক্তি?
  1. ATT
  2. NPT
  3. CWC
  4. CTBT
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের অস্ত্রবাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ চুক্তি হলো Arms Trade Treaty (ATT)।

ATT চুক্তি:
- জাতিসংঘের অস্ত্রবাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ চুক্তি ATT-এর পূর্ণরূপ হলো: Arms Trade Treaty.
- স্বাক্ষরিত হয়: ২ এপ্রিল, ২০১৩  (জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে)।
- কার্যকর হয়: ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৪।
- চুক্তিটি অনুমোদনকারী দেশ: ১১৭টি।
- স্বাক্ষর করেছে কিন্তু এখনও অনুমোদন করেনি: ২৫টি।
- উদ্দেশ্য: প্রচলিত অস্ত্রের অবৈধ বাণিজ্য রোধ ও মানবাধিকার রক্ষা।

উল্লেখ্য,
- নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী কোস্টারিকার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি অস্কার অ্যারিয়াস (Oscar Arias) ATT ধারণার মূল প্রবক্তা ছিলেন।
- যুক্তরাজ্য ২০০৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ATT প্রস্তাব জাতিসংঘে উত্থাপন করে।

অন্যদিকে,
- NPT (Nuclear Non-Proliferation Treaty): পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ।
- CWC (Chemical Weapons Convention): রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধ।
- CTBT (Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty): পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধ।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) Arms Trade Treaty ওয়েবসাইট।

১,০৭১.
প্রথম ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়-
  1. ক) ১৭৮৯ সালে
  2. খ) ১৭৯১ সালে
  3. গ) ১৭৯৯ সালে
  4. ঘ) ১৭৮৩ সালে
ব্যাখ্যা

- প্রথম ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ৩ সেপ্টেম্বর, ১৭৮৩ সালে।
- এই চুক্তির পক্ষদ্বয় যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র।
- ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটেন যুক্তরাষ্ট্রকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

১,০৭২.
'তানজিম আল কায়েদাতুল জিহাদ' কোন দেশের উগ্রপন্থী গোষ্ঠী?
  1. সিরিয়া
  2. আফগানিস্তান
  3. ইরাক
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

• তানজিম আল কায়েদাতুল জিহাদ:
- তানজিম আল কায়েদাতুল জিহাদ হলো ইরাকের আল কায়েদার শাখা।
- ২০০৪ সালের অক্টোবরে এটি জামাত আল তৌহিদ ওয়াল জিহাদ থেকে তানজিম আল জিহাদ নাম ধারণ করে।
- এটির প্রধান ছিলেন আবু মুসাব আল জারাকায়ি।
- তানজিম আল জিহাদ জাতিসংঘের কালো তালিকাভুক্ত সংঠন।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট। (Link)

১,০৭৩.
ভারতের বর্তমান রাষ্ট্রপতির নাম কী?
  1. ক) রামনাথ কোবিন্দ
  2. খ) দ্রৌপদী মুর্মু
  3. গ) যশবন্ত সিনহা
  4. ঘ) প্রণব কুমার মুখার্জি
ব্যাখ্যা
- ভারতের ১৫তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি দেশটির প্রথম আদিবাসী রাষ্ট্রপতি। 
- ১৯৫৮ সালের ২০ জুন ময়ুরভাঞ্জ জেলার বাইদাপোসি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন এবং বৃহৎ আদিবাসী গোষ্ঠী সাঁওতাল সম্প্রদায়ের।
- তিনি স্বাধীন ভারতে জন্ম নেয়া প্রথম ভারতীয় রাষ্ট্রপতি।
- ঝাড়খণ্ডের প্রাদেশিক গভর্নর হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।
- তার নিকটতম প্রার্থী ছিল যশবন্ত সিনহা।

অন্যদিকে,
- কোবিন্দ ২০১৫-২০১৭ সালে বিহারের রাজ্যপাল ছিলেন। 
- ভারতের ১৩ তম  রাষ্ট্রপতি প্রণব কুমার মুখার্জি। তিনি একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ যিনি ২০১২ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত ভারতের রাষ্ট্রপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

তথ্যসূত্র:- প্রথম আলো, দৈনিক ইত্তেফাক এবং বিডি নিউজ ২৪. কম।
১,০৭৪.
সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশসমূহ কোনগুলো?
  1. ভারত ও বাংলাদেশ
  2. ভারত ও পাকিস্তান
  3. ভারত ও নেপাল
  4. পাকিস্তান ও বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

সিমলা চুক্তি (Simla Agreement)
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে ভারত - পাকিস্তানের মধ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২ জুলাই, ১৯৭২।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ভারত ও পাকিস্তান।
- ভারতের পক্ষে স্বাক্ষরকারী: প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
- পাকিস্তানের পক্ষে স্বাক্ষরকারী: প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাশ্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।

১,০৭৫.
ভ্লাদিভস্টক কোন দেশের সমুদ্রবন্দর?
  1. ক) ইউক্রেন
  2. খ) কাজাখস্তান
  3. গ) তাজাখস্তান
  4. ঘ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা
রাশিয়ার অন্যতম প্রধান সমুদ্রবন্দর।
Source: Britannica
১,০৭৬.
'গুড ফ্রাইডে ট্রিটি' কোন অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় একটি মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত?
  1. ক) বসনিয়া
  2. খ) আইসল্যান্ড
  3. গ) কসোভো
  4. ঘ) উত্তর আয়ারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
বেলফাস্ট চুক্তি (Belfast Agreement):
উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বেলফাস্ট চুক্তিটি একটি মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত হয়।
উত্তর আয়ারল্যান্ড - এর শাসনতন্ত্র কিরকম হবে তা এই চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়। “বেলফাস্ট চুক্তি”র অপর নাম - Good Friday Agreement।
চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮ সাল।
চুক্তি কার্যকরের তারিখ - ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সাল।
চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ - ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
উৎসঃ History.com ও Live MCQ Content (Upcoming)
১,০৭৭.
“Red Army” কোন দেশের সেনাবাহিনীর নাম ছিলো?
  1. ক) জাপান
  2. খ) চীন
  3. গ) রাশিয়া
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
Red Army, Russian Krasnaya Armiya, Soviet army created by the Communist government after the Bolshevik Revolution of 1917. The name Red Army was abandoned in 1946.
Source: britannica.com
১,০৭৮.
Nuclear Non-Proliferation Treaty চুক্তিটি অনুমোদন করেনি -
  1. দক্ষিণ আফ্রিকা
  2. ইয়েমেন
  3. দক্ষিণ সুদান
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণ সুদান পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি।

• এনপিটি চুক্তি (NPT):
- NPT বা Nuclear Non-Proliferation Treaty হচ্ছে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- এর উদ্দেশ্য ছিল পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ করা ও পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার।
- ১৯৬৫ সাল থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৬৮ সালের ১ জুলাই।
- এবং কার্যকরী হয় ১৯৭০ সালের ৫ মার্চ থেকে।
- চুক্তিটি ২৫ বছর মেয়াদি ছিল।
- উত্তর কোরিয়া ২০০৩ সালে এনপিটি চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়।
- ভারত, ইসরাইল ও দক্ষিণ সুদান এনপিটি চুক্তিটি অনুমোদন করেনি।

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর- তারেক শামসুর রেহমান ও International Atomic Energy Agency.
১,০৭৯.
১৯৮৮ সালে 'আল কায়েদা' কোন দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) লিবিয়া
  3. গ) পাকিস্তান
  4. ঘ) আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
আল কায়েদা (পাকিস্তান)

- প্রতিষ্ঠা: ১৯৮৮ সাল, পেশোয়ার, পাকিস্তান
- মূল প্রতিষ্ঠাতা: ওসামা বিন লাদেন।
- ধর্ম: সুন্নি।
- প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট:
সোভিয়েত-আফগান যুদ্ধ চলাকালীন ১৯৮৮ সালে এই আন্তঃদেশীয় জিহাদি সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হয়। ওসামা বিন লাদেন, আবদুল্লাহ আযযাম ও আফগান যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী কয়েকজন আরব যোদ্ধার হাতে ১৯৮৮ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে প্রতিষ্ঠাকালীন সোভিয়েত বিরোধী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করায় এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ সোভিয়েত ইউনিয়ন বিরোধীদের ব্যাপক সহযোগিতা পায়। আফগান যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তি সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরোধী গ্রুপগুলিকে ব্যাপক সহায়তা করেছিল। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন হওয়ার পর আমেরিকা আগ্রাসী হয়ে উঠলে আল-কায়েদা মার্কিন আধিপত্য বিরোধী নেটওয়ার্কের রূপ পরিগ্রহ করে এবং বৈশ্বিক জিহাদি গোষ্ঠীতে পরিণত হয়।


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১,০৮০.
তাসখন্দ চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. উজবেকিস্তান 
  2. ভারত
  3. আফগানিস্তান
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

তাসখন্দ চুক্তি 
▪ ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
▪ এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
▪ সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
▪ তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী এ্যালেক্সি কোসিজিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ূব খান দুই দেশের পক্ষে  চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।

১,০৮১.
ওয়াখান করিডোর কোন দুটি দেশকে যুক্ত করেছে?
  1. ইরাক ও কুয়েত
  2. ইরান ও চীন
  3. চীন ও ভারত
  4. আফগানিস্তান ও চীন
ব্যাখ্যা
ওয়াখান করিডোর: 
- চীন এবং আফগানিস্তান কে ওয়াখান করিডোর যুক্ত করেছে। 
- এটি আফগানিস্তানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে 'ওয়াখান করিডোর' বা 'প্যানহ্যান্ডেল' নামে পরিচিত।
- করিডোরের দৈর্ঘ্য ৫৭ কিলোমিটার। 
- করিডোরটি বাদাখশান প্রদেশ থেকে পূর্ব এশিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- ১৯৬৩ সালের নভেম্বরে স্বাক্ষরিত একটি গোপন চুক্তির মাধ্যমে চীন-আফগান সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
 
সূত্র: BEIJING'S POWER and CHINA'S BORDERS বই, [লিঙ্ক]। 
১,০৮২.
ন্যাটো কোন চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. উত্তর আটলান্টিক চুক্তি
  2. পূর্ব আটলান্টিক চুক্তি
  3. ওয়াশিংটন চুক্তি
  4. ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (NATO):
- ন্যাটো (NATO) বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- এটি সদস্য দেশগুলোর স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- প্রতিষ্ঠা: ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সাল। 
- এটি উত্তর আটলান্টিক চুক্তি (ওয়াশিংটন চুক্তি নামেও পরিচিত) স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ৩২টি। 
- ন্যাটো ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ জোট।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
১,০৮৩.
কোন যুদ্ধের সময় সিনাই উপদ্বীপ ইসরায়েলের দখলে আসে?
  1. প্রথম আরব ইসরায়েল যুদ্ধ
  2. ছয় দিনের যুদ্ধ
  3. দ্বিতীয় আরব ইসরায়েল যুদ্ধ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সিনাই উপদ্বীপ: 
- সিনাই উপদ্বীপ হলো একটি ত্রিভুজাকৃতির উপদ্বীপ যা আফ্রিকাকে এশিয়ার সঙ্গে যুক্ত করে।
- এই শুষ্ক অঞ্চলটি সিনাই মরুভূমি নামে পরিচিত। 
- এটি সুয়েজ উপসাগর ও সুয়েজ খাল দ্বারা মিশরের পূর্ব মরুভূমি থেকে পৃথক।
- পূর্বদিকে এটি তেমন ভৌগোলিক পরিবর্তন ছাড়াই নেগেভ মরুভূমি পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সাধারণত এটি এশিয়ার অংশ হিসাবে গণ্য করা হয়।
- এটি মিশরের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত এবং পূর্বে ইসরায়েল ও গাজা উপত্যকার সীমানা সংলগ্ন।
- ১৯৬৭ সালের জুনে ছয় দিনের যুদ্ধের সময় উপদ্বীপটি ইসরায়েলের দখলে আসে।
- তবে ইসরায়েল ও মিশরের মধ্যে শান্তি চুক্তি অনুযায়ী ১৯৮২ সালে সিনাই উপদ্বীপ মিশরের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

উৎস: Britannica.
১,০৮৪.
কোন আন্তর্জাতিক জোটের সামরিক শক্তির সংহতি হিসেবে "Will for Peace 2026" মহড়াকে দেখা হচ্ছে?
  1. BRICS
  2. QUAD
  3. AUKUS
  4. NATO
ব্যাখ্যা

• Will for Peace 2026:
- ২০২৬ সালের জানুয়ারি ১০ তারিখে দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনের সাইমনস টাউনে “Will for Peace 2026” নামের যৌথ নৌ মহড়া শুরু হয়। 
- এতে অংশগ্রহণ করেছে BRICS সদস্য দেশগুলো: চীন, রাশিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকা।
- এই মহড়ার মূল উদ্দেশ্য হলো আন্তর্জাতিক নৌপথ ও সামুদ্রিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অংশগ্রহণকারী দেশের নৌসেনাদের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

উৎস: চীনের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

১,০৮৫.
নিচের কোনটি সংঘর্ষ নিবারক রাষ্ট্র?
  1. নেপাল
  2. মঙ্গোলিয়া
  3. ভুটান
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাফার স্টেট বা (সংঘর্ষ নিবারক রাষ্ট্র):
- ১৭ শতকে বাফার রাষ্ট্রের ধারণা প্রকাশ পায়।
- বিবদমান দুই বৃহত্তর রাষ্ট্রের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র স্বাধীন ও নিরপেক্ষ রাষ্ট্র।
- যেমন: বেলজিয়াম (ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স): নেপাল, ভুটান (ভারত ও চীন); মঙ্গোলিয়া (চীন ও রাশিয়া)।

উৎস: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।[লিংক]
১,০৮৬.
ভারত নিম্নের কোন দেশের সাথে '১২৩ চুক্তি' স্বাক্ষর করেছে?
  1. রাশিয়া
  2. চীন
  3. পাকিস্তান
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে '১২৩ চুক্তি' স্বাক্ষর করেছে।

ধারা ১২৩ চুক্তি (Section 123 Agreement):

- ধারা ১২৩ চুক্তি হলো মার্কিন পরমাণু শক্তি আইনের একটি অংশ যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য দেশের মধ্যে পারমাণবিক শক্তি সম্পর্কিত সহযোগিতার জন্য প্রয়োজনীয় আইনি কাঠামো প্রদান করে।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক শক্তি আইন ১৯৫৪-এর ধারা 123 এর অধীনে স্বাক্ষরিত হয়েছিল। 
- এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে পারমাণবিক উপাদান, প্রযুক্তি বা সরঞ্জাম স্থানান্তর এবং অন্যান্য দেশগুলোর সাথে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা।
- ১২ ডিসেম্বর, ২০২৪ পর্যন্ত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ২৫টি ১২৩ চুক্তি কার্যকর রয়েছে।
- এই চুক্তিগুলি ৪৯টি দেশ, আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (IAEA), এবং তাইওয়ানের গভর্নিং কর্তৃপক্ষের সাথে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক সহযোগিতা পরিচালনা করে।

⇒ ভারত-মার্কিন অসামরিক পারমাণবিক চুক্তি (Indo-US Civilian Nuclear Agreement):
- ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যে ১২৩ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল তা ভারত-মার্কিন অসামরিক পারমাণবিক চুক্তি (Indo-Us Nuclear Agreement) নামে পরিচিত।
- এই চুক্তির খসড়া ২০০৫ সালে ১৮ জুলাই শুরু হয়। 
- ভারতের প্রধানমন্ত্রী ডঃ মনমোহন সিংহ এবং মার্কিন রাষ্ট্রপতি জর্জ ডব্লিউ বুশের যৌথ বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে প্রকাশিত হয়।
- এই চুক্তিটির কার্যকারিতার জন্যে প্রায় তিন বছরের উর্দ্ধে সময় লাগে কারণ বিভিন্ন জটিল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে এটি অতিক্রান্ত হয়, এমনকি মার্কিন জাতীয় আইন এবং ১৯৫৪ সালের পারমাণবিক শক্তি আইনের (Atomic Energy Act of 1954) সংশোধন করতে হয়।
- ভারত- মার্কিন পারমাণবিক জ্বালানি ও প্রযুক্তি বিদ্যার সহযোগিতায় এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির অধীনে, আমেরিকা ভারতের সাথে সম্পূর্ণ বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতায় সম্মত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০০৮ সালে।

উৎস: i) Department of Energy (.gov) ওয়েবসাইট।
ii) Raja Narendra Lal Khan Women's College।
১,০৮৭.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে কোন চুক্তির মাধ্যমে?
  1. জেনেভা চুক্তি
  2. ওয়াশিংটন চুক্তি
  3. ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি
  4. ভার্সাই চুক্তি
ব্যাখ্যা

• ভার্সাই চুক্তি :
- ১৯১৯ সালে ভার্সাই প্রাসাদে স্বাক্ষরিত আন্তর্জাতিক চুক্তি ,যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটায়।
- যুদ্ধে পরাজিতদের অংশগ্রহণ ছাড়াই মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন এবং ফ্রান্স এটি নিয়ে আলোচনা করেছিল। 
- জার্মানি মিত্রশক্তির ক্ষতির জন্য দোষ স্বীকার করতে এবং বড় ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য হয়েছিল।
- এর ইউরোপীয় অঞ্চল প্রায় ১০% হ্রাস করা হয়েছিল, এর বিদেশী সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল এবং এর সামরিক স্থাপনা হ্রাস করা হয়েছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,০৮৮.
সম্প্রতি (ফেব্রুয়ারি, ২০২৪) এশিয়ার কোন দুইটি দেশের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. সিঙ্গাপুর এবং চীন
  2. থাইল্যান্ড এবং শ্রীলংকা
  3. মালয়েশিয়া এবং ফিলিপাইন
  4. থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA):

থাইল্যান্ড ও শ্রীলংকার মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় - ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪।
→ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে থাইল্যান্ডের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে শ্রীলংকা।
→ সম্প্রতি শ্রীলংকার রাজধানী কলম্বোয় দেশটির প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহে ও থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিন দুই দেশের পক্ষ থেকে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
→ শ্রীলংকা-থাইল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে পণ্য, বিনিয়োগ, শুল্ক পদ্ধতি ও মেধা সম্পত্তির মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

→ ২০১৬ সালে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে থাইল্যান্ডের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে শ্রীলংকা। দেশটির সরকারি তথ্যানুসারে, ২০২২ সালে থাইল্যান্ডের রফতানি ২৯ কোটি ২০ লাখ ও শ্রীলংকার রফতানি ৫ কোটি ৮০ লাখ ডলারসহ দেশ দুটির দ্বিমুখী বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ৩৫ কোটি ডলার।
→ শ্রীলংকার রফতানির মধ্যে রয়েছে প্রধানত মূল্যবান পাথর, পোশাক, চা ও মসলা। আর থাইল্যান্ডের রফতানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে স্মোকড রাবার শিট, প্রাকৃতিক রাবার, প্লাস্টিক ও সিমেন্ট। বাণিজ্য চুক্তিটি দ্বিমুখী বাণিজ্যকে ১৫০ কোটি ডলারে উন্নীত করবে বলে প্রত্যাশা করছে শ্রীলংকার সরকার।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা (৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪)।
১,০৮৯.
'খেমারুজ' কোন দেশ ভিত্তিক গেরিলা সংগঠন? 
  1. ফিলিপাইন 
  2. পেরু 
  3. কলম্বিয়া 
  4. কম্বোডিয়া 
ব্যাখ্যা

• খেমারুজ:
- খেমারুজ একটি সোশ্যালিস্ট গেরিলা সংগঠন ছিল।
- খেমারুজ নেতা ছিলেন পলপট। তিনি কম্বোডিয়ার সাবেক সোশ্যালিস্ট স্বৈরশাসক।
- ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত পলপটের নেতৃত্বে খেমারুজ শাসনে কম্বোডিয়ায় প্রায় ২০ লক্ষ মানুষ বিভিন্ন কারণে মারা যায় যা কম্বোডিয়া গণহত্যা নামে পরিচিত।
- ১৯৭৯ সালে ভিয়েতনাম বাহিনী কম্বোডিয়া আক্রমণ করলে পলপট ও খেমারুজ শাসনের পতন ঘটে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

১,০৯০.
ন্যাটো চুক্তির আর্টিকেল - ৫ আনুষ্ঠানিকভাবে কতবার প্রয়োগ করা হয়েছে?
  1. ১ বার
  2. ২ বার
  3. ৩ বার
  4. কখনোই না
ব্যাখ্যা

NATO চুক্তির আর্টিকেল - ৫: Collective Security বা যৌথ নিরাপত্তা।
- অনুচ্ছেদ - ৫ এ বলা হয়েছে - জোটভুক্ত কোনো দেশ যদি বিদেশি শক্তির দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়, তাহলে জোটের সব সদস্যদেশ একযোগে তা প্রতিহত করবে। অর্থাৎ সদস্যদেশগুলো সম্মিলিতভাবে একে অপরকে সুরক্ষা দেবে।
- ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় এ ধারাকে।

⇒ ন্যাটো চুক্তির আর্টিকেল - ৫ আনুষ্ঠানিকভাবে মাত্র একবার প্রয়োগ হয়েছিল।
-  ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের জঙ্গি হামলার পর এ অনুচ্ছেদের আওতায় আফগানিস্তানে সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে যোগ দেয় ন্যাটোর অন্যান্য সদস্যরা।
- এটির ভিত্তিতেই সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সঙ্গে নিয়ে আফগানিস্তানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য,
- তবে এর বাইরেও ন্যাটো অন্যান্য ক্ষেত্রে কার্যকর ব্যবস্থা নিয়েছে।
- ১৯৯১ সালে উপসাগরীয় যুদ্ধের সময়, ২০০৩ সালে ইরাক সংকটের সময় এবং ২০১২ সালে সিরিয়া পরিস্থিতিতে প্রতিক্রিয়া হিসেবে ন্যাটো প্যাট্রিয়ট মিসাইল মোতায়েনের মাধ্যমে যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা স্থাপন করেছিল। এই তিনবারই ন্যাটো তুরস্কের অনুরোধের ভিত্তিতে প্যাট্রিয়ট মিসাইল মোতায়েন করে।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

১,০৯১.
সিয়াচেন হিমবার (Siachen Glaciar) কোন দুইটি দেশের মধ্যে অবস্থিত?
  1. ভারত ও চীন
  2. নেপাল ও চীন
  3. পাকিস্তান ও চীন
  4. ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
সিয়াচেন হিমবার (Siachen Glacier) ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে অবস্থিত।
 
সিয়াচেন হিমবাহ:
- ‘সিয়াচেন হিমবাহ’ অবস্থিত উত্তর কাশ্মীরে।
- সিয়াচেন হিমবাহ পৃথিবীর উচ্চতম যুদ্ধক্ষেত্র বলে পরিচিত।
- 'সিয়াচেন হিমবাহ' পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যকার একটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।

⇒ কারাকোরাম পর্বতের সিয়াচেন হিমবাহ দখলে রাখা নিয়ে দুই চিরবৈরী দেশ ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে লড়াই শুরু হয় আশির দশকের গোড়া থেকে।
- তবে দ্বন্দ্বের বীজ লুকিয়ে ছিল দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া করাচি আর সিমলা চুক্তি দুটির মধ্যেই – যেখানে ‘এন জে ৯৮৪২’ নামের একটি অবস্থানের পরে নিয়ন্ত্রণ রেখা নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা হয়নি মানচিত্রে।
- মনে করা হত ওই এলাকার আবহাওয়া এতটাই প্রতিকুল, যেখানে কোনও মানুষ থাকতে পারবে না।

অন্যদিকে,
• ভারত ও নেপালের মধ্যে অমীমাংসিত ভূখন্ড হলো কালাপানি,
• ভারত ও চীনের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল লাদাখ,
• ভারত ও মিয়ানমারের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল ইম্ফল।



উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
১,০৯২.
'ISI' কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ভারত
  2. রাশিয়া
  3. পাকিস্তান
  4. ইসরায়েল
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা:
- বাংলাদেশ: National Security Intelligence (NSI), Criminal Investigation Department (CID), Detective Branch (DB).
- ভারত: Research and Analysis Wing (RAW), Central Bureau of Investigation (CBI).
- পাকিস্তান: Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA).
- রাশিয়া: Federal Security Service (FSB).
- ব্রিটেন: SIS/MI6 - Secret Intelligence Service (SIS) and Military Intelligence, Section 6 (MI6).
- ইসরায়েল: MOSSAD, Shin Bet (Shabak), Aman.
- ইরান: SAVAK.

তথ্যসূত্র - Britannica.com and WorldAtlas.com

১,০৯৩.
এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর জন্যে TRIPS চুক্তি কার্যকরের সময়সীমা কত সাল পর্যন্ত ‍বৃদ্ধি করা হয়েছে?
  1. ২০২৬ সাল
  2. ২০২৯ সাল
  3. ২০৩৪ সাল
  4. ২০৩৬ সাল
ব্যাখ্যা
- এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর জন্যে TRIPS চুক্তি কার্যকরের সময়সীমা ২০৩৪ সালের ১ জুলাই পর্যন্ত ‍বৃদ্ধি করা হয়েছে। গত ২৯ জুন ২০২১ TRIPS Council এর সভায় এই সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়।
- ২০২১ সালের ১ জুলাই পর্যন্ত এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর জন্যে TRIPS চুক্তি কার্যকরের বাধ্যবাধকতা ছিলো।
- Trade-Related Aspects of Intellectual Property Rights (TRIPS) চুক্তি হলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের মেধাস্বত্ব অধিকার সংরক্ষণ বিষয়ক একটি চুক্তি যা ১৯৯৪ সালের ১৫ এপ্রিল মরক্কোর মারাক্কাশে স্বাক্ষরিত হয়।
(তথ্যসূত্র: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা ওয়েবসাইট)
১,০৯৪.
Central Intelligence Agency-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ভার্জিনিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
  2. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
  3. নয়াদিল্লি, ভারত
  4. মস্কো, রাশিয়া
ব্যাখ্যা
CIA:
- CIA-এর পূর্ণরূপ: Central Intelligence Agency.
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে: ১৯৪৭ সালে।
- সদর দপ্তর: ভার্জিনিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং উচ্চপদস্থ নীতিনির্ধারকদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করা এই সংস্থার দায়িত্ব।
CIA মূলত বহির্বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষায় নিয়োজিত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে গঠিত অফিস অফ স্ট্র্যাটেজিক সার্ভিসেস (OSS)-এর উত্তরসূরী হিসেবে CIA-এর জন্ম।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪২ সালের জুন মাসে রুজভেল্ট মার্কিন বিদেশী গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের খণ্ডিত এবং অসংলগ্ন স্ট্র্যান্ডগুলিকে একক সংস্থায় একত্রিত করার জন্য OSS তৈরি করেছিলেন।
- এর কাজ ছিলো যুক্তরাষ্ট্র সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন শাখা-প্রশাখার মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করা।

উৎস: i) Britannica.
ii) CIA ওয়েবসাইট।
১,০৯৫.
কোন চুক্তিতে International Emissions Trading অনুমোদন দেয়া হয়?
  1. প্যারিস চুক্তি
  2. কিয়োটো প্রটোকল
  3. মন্ট্রিল প্রটোকল
  4. বাসেল কনভেনশন
ব্যাখ্যা
কিয়োটো প্রোটোকল:
- কিয়োটো প্রোটোকল একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এটি ভূমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও আবহাওয়ার পরিবর্তন রোধ বিষয়ক প্রটোকল।
- কিয়োটো প্রটোকল প্রথম কার্যকর হয় ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি।
- কিয়োটো প্রোটোকল চুক্তিতে International Emissions Trading অনুমোদন দেয়া হয়।
- কিয়োটো প্রটোকল প্রথম স্বাক্ষরিত হয় হয় ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর।
- বাংলাদেশ কিয়োটো প্রটোকল অনুমোদন করে ২০০১ সালের ২২ অক্টোবর।
- কিয়োটো প্রোটোকলের লক্ষ্য বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমন এবং গ্রিনহাউস গ্যাসের উপস্থিতি হ্রাস করা।
 
উৎস: UNFCCC & Kyoto Protocol অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]
১,০৯৬.
CTBT এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Chronic Nuclear Test Ban Treaty
  2. Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty
  3. Chemical Nuclear Test Ban Treaty
  4. Complete Nuclear Test Ban Treat
ব্যাখ্যা
CTBT:
- CTBT এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।

CTBTO:
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ সংস্থা CTBTO।
- এর সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট।
১,০৯৭.
GATT চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিলো কত সালে?
  1. ক) ১৯৪৪ সালে
  2. খ) ১৯৪৬ সালে
  3. গ) ১৯৪৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৪৯ সালে
ব্যাখ্যা
- GATT (The General Agreement on Tariffs and Trade) হলো WTO এর পূর্বসূরী।
- ১৯৪৭ সালের ৩০ অক্টোবর জেনেভায় ২৩টি দেশ GATT চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- ১৯৮৬ সালে সূত্রপাত হওয়া উরুগুয়ে রাউন্ডের আটবছরব্যাপী আলোচনার পর ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি GATT এর স্থলে WTO (World Trade Organization) আত্মপ্রকাশ করে।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর GATT এর সদস্য হয়।
(তথ্যসূত্রঃ WTO ওয়েবসাইট)
১,০৯৮.
Containment Doctrine-এর প্রবক্তা কে?
  1. জর্জ এফ. কেনান
  2. হেনরি কিসিঞ্জার
  3. হ্যারি এস. ট্রুম্যান
  4. উইনস্টন চার্চিল
ব্যাখ্যা
Containment Doctrine:
- Containment Doctrine ছিল যুক্তরাষ্ট্রের স্নায়ুযুদ্ধকালীন একটি গুরুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বজুড়ে কমিউনিজমের বিস্তার রোধ করা, বিশেষত সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব প্রতিরোধ করা।
- স্নায়ুযুদ্ধকালীন মার্কিন কূটনীতিক জর্জ এফ. কেনান ১৯৪৭ সালে এর প্রস্তাব করেন।
- তিনি Foreign Affairs পত্রিকায় একটি প্রবন্ধ লেখেন, যা "X Article" নামে পরিচিত।

⇒ ১৯৪৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান ঘোষণা দেন যে, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিস ও তুরস্ককে অর্থনৈতিক ও সামরিক সহায়তা প্রদান করবে, যেন তারা কমিউনিস্ট বিদ্রোহ বা প্রভাব থেকে রক্ষা পায়।
- এই ঘোষণা ইতিহাসে Truman Doctrine নামে পরিচিত।
- এটি ছিল Containment Doctrine–এর প্রথম বাস্তব প্রয়োগ।

উৎস: Office of the Historian (.gov)।
১,০৯৯.
কোন চুক্তিতে পারমাণবিক পরিক্ষা বন্ধ করার কথা বলা হয়েছে?
  1. ক) UNDP
  2. খ) UNEP
  3. গ) CTBTO
  4. ঘ) IAEA
ব্যাখ্যা
পারমাণবিক অস্ত্রের পরিক্ষা নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক সংস্থা (CTBTO):

- CTBTO এর পূর্ণরুপ-Nuclear-Test-Ban Treaty Organization. 
- পারমাণবিক পরীক্ষা-নিষেধাজ্ঞা চুক্তি, আনুষ্ঠানিকভাবে বায়ুমণ্ডলে, মহাকাশে এবং পানির নিচে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধ করার চুক্তি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং যুক্তরাজ্যের দ্বারা ৫ আগস্ট, ১৯৬৩ সালে মস্কোতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 
- সদর দপ্তর- ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
-  বাংলাদেশ CTBTO স্বাক্ষর করে- ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে ( এশিয়ার ১ম)।
- অনুমোদন করে- ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।
- বাংলাদেশ CTBTO স্বাক্ষরকারী- ৫৪ তম দেশ।
- বর্তমান নির্বাহী প্রধান- রবার্ট ফ্লয়েড।

তথ্যসূত্র - অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (CTBTO).
১,১০০.
AUKUS জোটের সদস্য কারা?
  1. জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া
  2. রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য
  3. অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র
  4. অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, ভারত 
ব্যাখ্যা
AUKUS চুক্তি:
- AUKUS চুক্তি হলো অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি।
- ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি কার্যকর হয়: ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে।

উল্লেখ্য, 
- এই চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন অর্জনে সহায়তা করবে।
- অকাস হলো ২০৩০-এর শেষে বা ২০৪০-এর গোড়ার দিকে যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার নতুন উচ্চপ্রযুক্তির সাবমেরিন তৈরি ও মোতায়েনের পরিকল্পনা।
- এই উন্নত প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাষ্ট্র।
- এই চুক্তি অনুসারে ব্রিটিশ ও অ্যামেরিকার সাবমেরিন অস্ট্রেলিয়ায় মোতায়েন করা হবে।
- অস্ট্রেলিয়ার নৌবাহিনীর কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

উৎস: U.S. Department of Defense (.gov).