বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

মোট প্রশ্ন৩,৩৩৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

PrepBank · পাতা ১০ / ৩৪ · ৯০১১,০০০ / ৩,৩৩৯

৯০১.
অপারেশন রাইজিং লায়ন পরিচালনার মূল লক্ষবস্তু কী ছিলো?
  1. যুদ্ধজাহাজ
  2. পারমাণবিক স্থাপনা
  3. বিদ্যুৎকেন্দ্র
  4. যুদ্ধবিমান
ব্যাখ্যা

• অপারেশন রাইজিং লায়ন:
- ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাকে লক্ষ্য করে সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েল
- শুক্রবার (১৩ জুন, ২০২৫) চালানো এই হামলার নাম দিয়েছে ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’।
- মূলত তেহরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির মূল কেন্দ্রবিন্দুতে আঘাত করাই ছিল এই অভিযানের উদ্দেশ্য।
- এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলের অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফেলা ইরানি পরিকল্পনাগুলোর ওপর হামলা চালানো।
- এর আওতায় ছিল ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামো, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কারখানা এবং সামরিক ঘাঁটিগুলো।

উৎস: daily-sun website.

৯০২.
'শিনবেত' কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ইসরায়েল
  2. জাপান
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
'শিনবেত':

• 'শিনবেত' ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা।
• ইসরাইলের অপর দুটি গোয়েন্দা সংস্থা হলো মোসাদ এবং আমান।
• মধ্যপ্রাচ্যের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে 'শিনবেত' অনেক পুরোনো সংস্থা।

অপরদিকে, 
• CIA এবং FBI যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।
• M16 যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা।
• জাপানের গোয়েন্দা সংস্থার নাম নাইচো।
• ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার নাম RAW
• পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার নাম ISI

উৎস: ব্রিটানিকা, আইডিএফ ওয়েবসাইট। 
৯০৩.
২০০৩ সালে উত্তর কোরিয়া কোন চুক্তি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছে?
  1. ক) NPT
  2. খ) CTBT
  3. গ) GATT
  4. ঘ) JCPOA
ব্যাখ্যা
২০০৩ সালে উত্তর কোরিয়া NTP থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছে। 
- পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (Nuclear Non-Proliferation Treaty) 
- এই চুক্তিকে সংক্ষেপে বলা হয় NTP ।
- ১ জুলাই ১৯৬৮ সালে স্বাক্ষরিত হয়। 
- কার্যকর হয় ৫ই মার্চ ১৯৭০।
- ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল চুক্তিটি স্বাক্ষর করেনি। 

উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার। 
৯০৪.
‘স্টিল ডোম’ কোন দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা?
  1. তুরস্ক
  2. রাশিয়া
  3. ইরান
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

- তুরস্কের সামরিক বাহিনীতে যুক্ত হয়েছে ‘স্টিল ডোম’ আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা।
- কয়েক স্তরের সমন্বিত এই আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা (২৭ আগস্ট-২০২৫) আনুষ্ঠানিকভাবে সামরিক বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। 
- এটি তুরস্কের প্রতিরক্ষা খাতের ‘গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ’ হিসেবে অভিহিত।

‘স্টিল ডোম’
- ‘স্টিল ডোম’ একক কোনো আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা নয়।
এটি তুরস্কের স্বল্প, মাঝারি ও দূরপাল্লার কয়েক স্তরের আকাশ ও রাডার ব্যবস্থার একটি সমন্বিত রূপ।
- সাধারণত রাডার, কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার ও ভ্রাম্যমাণ ক্ষেপণাস্ত্র ফায়ারিং ব্যবস্থার সমন্বয়ে একটি আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিট হয়ে থাকে।
- ‘স্টিল ডোম’ আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা তৈরিতে নেতৃত্ব দিচ্ছে তুরস্কের অন্যতম প্রতিরক্ষা কোম্পানি আসেলসান। প্রথম ধাপে ২৭ আগস্ট এ সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ৪৭টি যান সরবরাহ করেছে কোম্পানিটি।

- সরবরাহ করা সামরিক সরঞ্জামের মধ্যে ছিল ‘হিসার–ও প্লাস’ ও ‘সিপের’ আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, আল্প ৩০০-জি এবং ১০০-জি রাডার ব্যবস্থা, পুহু ও রেডেট ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম এবং কোরকুৎ স্বল্পপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা যান।

উৎস: প্রথম আলো।

৯০৫.
ভারত পাকিস্তানের মধ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে? 
  1. ১৯৭৪
  2. ১৯৭৩
  3. ১৯৭৫
  4. ১৯৭২
ব্যাখ্যা

সিমলা চুক্তি:
- ১৯৭১ সালে ভারত - পাকিস্তানের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধ (বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে) পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ২ জুলাই, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ - ভারত ও পাকিস্তান।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী - ভারতের পক্ষে - প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এবং পাকিস্তানের পক্ষে প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাস্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা এবং হিস্টরি.কম।

৯০৬.
'নাগার্নো কারাবাখ' কোন দুটি দেশের মধ্যকার বিরোধপূর্ণ অঞ্চল?
  1. আর্মেনিয়া - আজারবাইজান
  2. কাজাখস্তান - আজারবাইজান
  3. উজবেকিস্তান - তাজিকিস্তান
  4. আর্মেনিয়া - কাজাকিস্তান
ব্যাখ্যা

• নাগার্নো কারাবাখ:
- 'নাগার্নো কারাবাখ' ককেশাস অঞ্চলে অবস্থিত আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যকার একটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে যাওয়ার পর নাগার্নো কারাবাখ প্রজাতন্ত্র ১৯৯২ সালের শুরুতে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- এটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত হলেও এর অধিকাংশ অধিবাসী হলো আর্মেনীয় জাতিসত্ত্বার। ফলে এর নিয়ণন্ত্রণকে কেন্দ্র করে দেশ দুটির মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ বাঁধে।
- ১৯৯৪ সাল থেকে আর্মেনিয়া অঞ্চলটির উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
- ২০২০ সালে নাগার্নো কারাবাখ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে পুনরায় সংঘর্ষ বাঁধে।
- ২০২০ সালে রাশিয়ার মধ্যস্থতায় পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তির ফলে আজারবাইজান নাগার্নো কারাবাখের সাতটি অঞ্চলের পাঁচটির উপর তার নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করে।

এছাড়াও,
- আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে ২০২০ সালে নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলে চলমান সংঘাত নিরসনের জন্য একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তি ৯ নভেম্বর, ২০২০ সালে মস্কোতে স্বাক্ষরিত হয় এবং রাশিয়া এতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে। চুক্তির ফলে ১০ নভেম্বর, ২০২০ থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। এটি দুই দেশের মধ্যে সংঘাত কমিয়ে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: Britannica ও বিবিসি বাংলা।

৯০৭.
ব্রিটেনের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা -
  1. MI1
  2. MI3
  3. MI6
  4. MI9
ব্যাখ্যা
MI6:
- MI6 ব্রিটেনের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি ১৯১২ সালে বর্তমান রূপ লাভ করে।
- এর অফিশিয়াল নাম 'সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস।
- এর ছয়টি সেকশনের জন্যে এটি MI6 নামে পরিচিতি ' লাভ করে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৯০৮.
হামাসের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. শেখ খাইরুল হাসিম
  2. শেখ আহমেদ ইয়াসিন
  3. ইয়াসির আরাফাত
  4. হাসান বিন জামাল
ব্যাখ্যা
হামাস:
- হামাস হলো ফিলিস্তিনের একটি স্বাধীনতাকামী সংগঠন,
- এটা ১৯৮৭ সালে শেখ আহমেদ ইয়াসিন প্রতিষ্ঠা করেন।
- ২০০৬ সাল থেকে হামাস ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

উল্লেখ্য, 
- এর সামরিক শাখার নাম আল-কাসাম ব্রিগেড,
- এটা ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- হামাস ইরানের সমর্থনপুষ্ট হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও পশ্চিমা দেশগুলো একে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিত্রিত করে আসছে।

সূত্র: বিবিসি এবং আল জাজিরা, প্রথম আলো।
৯০৯.
সেইন্ট জেমস্‌ প্যালেস ঘোষণায় স্বাক্ষরকারী দেশ কয়টি?
  1. ১০টি
  2. ১৪টি
  3. ৯টি
  4. ১৫টি
ব্যাখ্যা
লন্ডন ঘোষণা বা সেইন্ট জেমস প্যালেস ঘোষণায় স্বাক্ষরকারী দেশসমূহ:
লন্ডন ঘোষণা বা সেইন্ট জেমস প্যালেস ঘোষণায় স্বাক্ষরকারী দেশ মোট ১৪টি।
দেশগুলোর মধ্যে -
➤ ইউরোপের দেশ - ১০টি। যথা - গ্রেট ব্রিটেন, বেলজিয়াম, চেকোস্লোভাকিয়া, গ্রিস, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস্‌, নরওয়ে, পোল্যান্ড, যুগোস্লাভিয়া ও ফ্রান্স।
➤ উত্তর আমেরিকার দেশ - ১টি। যথা - কানাডা।
➤  আফ্রিকা দেশ - ১টি। যথা - দক্ষিণ আফ্রিকা।
➤ ওশেনিয়ার দেশ - ২টি। যথা - অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড।
উল্লেখ্য, এশিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকার কোনো দেশ এই ঘোষণায় স্বাক্ষর করে নি। 

রেফারেন্স: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট, Jewish Virtual Library,  হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা
৯১০.
পারমানবিক অস্ত্র পরীক্ষারোধ (CTBT) চুক্তিতে নিচের কোন দেশটি স্বাক্ষর করেনি?
  1. ভারত
  2. পাকিস্তান
  3. উত্তর কোরিয়া
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
•পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (CTBT)
- পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর, নিউইয়র্কে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৮৭টি দেশ,
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৭৮টি দেশ,
- স্বাক্ষর করেনি: ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া।
- স্বাক্ষর করে অনুমোদন দেয়নি: চীন, মিশর, ইরান, ইসরায়েল, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষরকরে: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর।

উল্লেখ্য:
- চুক্তিটি কার্যকর হতে হলে Annex 2 দেশগুলোর মধ্যে ৪৪টি দেশকে স্বাক্ষর ও অনুমোদন দিতে হবে।
- এই দেশগুলোর মধ্যে ৯টি দেশ এখনও চুক্তি অনুমোদন করেনি।
- যার মধ্যে রাশিয়া ২০২৩ সালে তার অনুমোদন প্রত্যাহার করেছে।
- বর্তমানে, চুক্তিটি কার্যকর হয়নি কারণ প্রয়োজনীয় সংখ্যক দেশ অনুমোদন দেয়নি।

উৎস: CTBTO ওয়েবসাইট।
৯১১.
'ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর' কী?
  1. ফিলিস্তিনের একটি গেরিলা সংগঠন
  2. ফিলিস্তিনের একটি রাজনৈতিক সংগঠন
  3. ইসরাইলের গুপ্ত বাহিনী
  4. হিটলারের গুপ্ত বাহিনী
ব্যাখ্যা
ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর:
- ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর ছিল একটি ফিলিস্তিনি গেরিলা সংগঠন, যা মূলত ফাতাহ সংগঠন থেকে বিচ্ছিন্ন একটি অংশ হিসেবে গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনটি ফিলিস্তিন মুক্তি আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিল।
- যদিও এর কার্যক্রম মাত্র কয়েক বছরের জন্য সক্রিয় ছিল, ১৯৭৪ সালে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।
-  সংগঠনটি সবচেয়ে বেশি পরিচিত হয় ১৯৭২ সালের মিউনিখ অলিম্পিকে অংশগ্রহণকারী ১১ জন ইসরাইলি অ্যাথলেটকে অপহরণ করে।
- এই ঘটনার ফলে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রে আসে এবং সংগঠনটি বিশ্বব্যাপী নিন্দার পাত্র হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯১২.
কোরিয়ান ডিমিলিটারাইজড জোনে (DMZ) অবস্থিত শান্তিপূর্ণ গ্রামটির নাম কী?
  1. পানমুনজম
  2. গ্যাংনাম
  3. কিমচং
  4. ইনচন
ব্যাখ্যা
পানমুনজম গ্রাম: 
- কোরিয়ান ডিমিলিটারাইজড জোনে (DMZ) অবস্থিত শান্তিপূর্ণ গ্রামটির নাম পানমুনজম। 
- এই গ্রামটি উত্তর কোরিয়ার কায়েসোং থেকে প্রায় ৫ মাইল (৮ কিমি) পূর্বে এবং ৩৮ তম সমান্তরাল থেকে ৩ মাইল (৫ কিমি) দক্ষিণে অবস্থিত।
- কোরিয়ান যুদ্ধের সময়, পানমুনজোম ছিল যুদ্ধবিরতি সম্মেলনের স্থান, যেখানে ১৯৫৩ সালের ২৭ জুলাই জাতিসংঘ, উত্তর কোরিয়া এবং চীনের প্রতিনিধিরা অস্ত্রবিরতির বিষয়ে আলোচনা করে এবং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এরপর থেকে, পানমুনজোম বিভিন্ন কূটনৈতিক বৈঠক ও আলোচনার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে, যা শুধু উত্তর এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে নয়, বরং উত্তর কোরিয়া এবং অন্যান্য দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার স্থান হিসেবেও পরিচিত। 

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৯১৩.
'ব্ল্যাক ক্যাট' কোন দেশের কমান্ডো বাহিনী?
  1. ফ্রান্স 
  2. ভারত 
  3. ফিলিপাইন 
  4. মিয়ানমার 
ব্যাখ্যা

- 'ব্ল্যাক ক্যাট' ভারতের কমান্ডো বাহিনী।

• ব্ল্যাক ক্যাট (BLACK CAT):
- ভারতের ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (এনএসজি) সাধারণত 'ব্ল্যাক ক্যাট' নামে পরিচিত।
- এটি ভারতের কমান্ডো বাহিনী।
- এটা একটা কম্বাইন্ড কাউন্টার টেররিজম এলিট ফোর্স যেখানে সব বাহিনী থেকেই বাছাই করে লোক নেয়া হয়।
- এটি শুধু ভারতের অভ্যন্তরেই কাজ করে।
- এটি ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৬ই অক্টোবর, ১৯৮৪ সালে।
- এর সদরদপ্তর: নয়াদিল্লি, ভারত।

তথ্যসূত্র: Indian National Security Guard Website.

৯১৪.
'ওয়ারশ চুক্তি' কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) পোল্যান্ড
  2. খ) রোমানিয়া
  3. গ) বসনিয়া
  4. ঘ) হাঙ্গেরি
ব্যাখ্যা
- ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact-Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance) হলো স্নায়ুযুদ্ধের সময়ে ১৯৫৫ সালের ১৪ মে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সামরিক চুক্তি।
- ওয়ার'শ চুক্তি সংক্ষেপে ওয়ারশ প্যাক্ট  হিসেবে পরিচিত।
- প্রতিষ্ঠার তারিখ ও স্থান: ১৪ মে, ১৯৫৫, ওয়ারশো্, পোল্যান্ড
- চিফ অব কম্বাইন্ড স্টাফ: ভলাদিমির লোবোভ (প্রথম)।
- ধরন: সামরিক মৈত্রী।
- বিলুপ্ত: ১ জুলাই ১৯৯১

উৎস: Britannica.
৯১৫.
পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (NPT) কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৬৩ সালে
  2. ১৯৬৭ সালে
  3. ১৯৬৮ সালে
  4. ১৯৭০ সালে
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।

⇒ এর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে NPT দ্বারা পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হিসাবে স্বীকৃত রাষ্ট্র (NWS) হলো ৫টি।
- চুক্তিটি এই দেশগুলির পারমাণবিক অস্ত্রাগারকে স্বীকৃতি দেয়।
- কিন্তু NPT-এর ৬ অনুচ্ছেদের অধীনে তাদের চিরস্থায়ীভাবে এই ধরনের অস্ত্র তৈরি এবং বজায় রাখার উল্লেখ নেই।

অন্যদিকে,
- ভারত, পাকিস্তান এবং ইসরায়েল কখনই NPT-এ যোগ দেয়নি। কিন্তু দেশগুলি পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী বলে পরিচিত।
- উত্তর কোরিয়া একটি অ-পারমাণবিক অস্ত্র রাষ্ট্র হিসাবে NPT-এ যোগদান করেছিল। কিন্তু ২০০৩ সালে NPT থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছিল।

উৎস: i) Arms Control Association ওয়েবসাইট।
ii) UNODA ওয়েবসাইট।
৯১৬.
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রক্রিয়ার রূপরেখা নিরুপণ এবং শান্তি স্থাপনের লক্ষ্যে কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ভার্সাই চুক্তি
  2. ডেটন চুক্তি
  3. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  4. প্যারিস চুক্তি
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট।
- পক্ষসমূহ: মিসর - ইসরাইল।
- স্বাক্ষরকারী: মিসরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরায়েলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- উদ্দেশ্য: মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রক্রিয়ার রূপরেখা নিরুপণ এবং শান্তি স্থাপন।

 উৎস: Britannica.
৯১৭.
ন্যাটোর ১৪তম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন- (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
  1. মার্ক রোবেন
  2. বেঞ্জামিন আস্কের
  3. মার্ক রুটে
  4. স্টিফেন সানচেজ
ব্যাখ্যা
• মার্ক রুটে:
- ন্যাটোর ১৪তম মহাসচিব বর্তমান মহাসচিব মার্ক রুটে।
- তিনি ২০১০ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত প্রায় ১৪ বছর নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- জুন, ২০২৪-এ তিনি ন্যাটোর মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন।
- অক্টোবরের ১, ২০২৪ তারিখ থেকে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

• NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক ও রাজনৈতিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।(ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুটে (১৪তম)।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।(ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
৯১৮.
‘অরবিস’ একটি-
  1. ক) বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন
  2. খ) উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতাল
  3. গ) পরিবেশবাদী সংগঠন
  4. ঘ) ভ্যাকসিন কর্মসূচি
ব্যাখ্যা
অরবিস ইন্টারন্যাশনাল হলো একটি উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতাল। এটি ১৯৮২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত হয়। অরবিস ১৯৮৫ সালে প্রথম বাংলাদেশে আসে এবং ১৯৯৯ সালে ঢাকায় স্থায়ী শাখা চালু করে। বর্তমানে অরবিস বিশ্বের ৯০টি দেশে কাজ করছে। (সূত্রঃ অরবিস ইন্টারন্যাশনাল)
৯১৯.
ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি কোনটি?
  1. ABM
  2. NPT
  3. New START
  4. CTBT
ব্যাখ্যা
Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরের তারিখ - ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকরের তারিখ - ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল - ২০০২ সাল।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টরি কম।
৯২০.
অপারেশন ব্লু স্টার পরিচালিত হয় কোন দেশে?
  1. ক) ইরাক
  2. খ) আফগানিস্তান
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) সিরিয়া
ব্যাখ্যা
১৯৮৪ সালের ১-৮ জুন ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের অমৃতসরে অবস্থিত শিখ ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র উপাসনালয় স্বর্ণমন্দিরে পরিচালিত অভিযান হলো অপারেশন ব্লু স্টার। ভারতের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে শিখ অধ্যুষিত এলাকায় খালিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় তৎপর শিখ মিলিশিয়ারা স্বর্ণমন্দিরে অস্ত্র মজুদ ও অবস্থান নেওয়ার প্রেক্ষিতে ভারতীয় সেনাবাহিনী এ অভিযান পরিচালনা করে। এ অভিযানের প্রতিক্রিয়া হিসেবে ১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর শিখ দেহরক্ষীদের গুলিতে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী মারা যান। (সূত্রঃ ইন্ডিয়া টুডে)
৯২১.
চীনের জিনজিয়াং (Xinjiang) প্রদেশের মুসলিম গােষ্ঠীর নাম-
  1. ক) কুর্দি
  2. খ) আফ্রিদি
  3. গ) তুর্কমেন
  4. ঘ) উইঘুর
ব্যাখ্যা
- উইঘুর চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে বসবাসরত একটি জাতিগোষ্ঠী।
- এরা ইসলাম ধর্মাবলম্বী।
- চীন সরকার বিচ্ছিনতাবাদ ও সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ তুলে দীর্ঘদিন ধরে উইঘুর মুসলিম সম্প্রদায়ের উপর দমন নির্যাতন চালিয়ে আসছে।
- জিনজিয়াং এর বাইরে উইঘুরদের সবচেয়ে বড় সম্প্রদায় দক্ষিণ মধ্য হুনান প্রদেশে রয়েছে।

চীনে সংখ্যালঘু উইঘুর জনগোষ্ঠীর প্রতি দেশটির সরকারের আচরণকে গণহত্যা বলে মনে করে কানাডার পার্লামেন্ট।
- হাউস অব কমন্সে ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ তারিখে এ বিষয়ে সর্বসম্মতিক্রমে একটি প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।
- বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়, হাউস অব কমন্সে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট পড়েছে ২৬৬। বিপরীতে ভোট শূন্য।
- এর আগে যুক্তরাষ্ট্র উইঘুরদের প্রতি চীনের আচরণকে গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- চীন উইঘুরদের প্রতি গণহত্যা চালিয়ে গেলে ২০২২ সালে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া শীতকালীন অলিম্পিকের আয়োজন বেইজিংয়ে না করার জন্য ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটিকে আহ্বান জানানোর পক্ষে হাউস অব কমন্স।

তথ্যসূত্রঃ বিবিসি ওয়ার্ল্ড এবং ব্রিটানিকা।
৯২২.
Which is the latest member of the EU? (November, 2024)
  1. Finland
  2. Sweden
  3. Ukraine
  4. Poland
  5. Croatia
ব্যাখ্যা
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU):
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)।
- এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৬টি দেশ।
- বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস।
- বর্তমান সদস্য: ২৭টি দেশ। (নভেম্বর, ২০২৪)
- সর্বশেষ সদস্য: ক্রোয়েশিয়া। (নভেম্বর, ২০২৪)
- সর্বশেষ ত্যাগকারী: ব্রিটেন (৩১ জানুয়ারি, ২০২০)।
- এটি ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বরে মাসট্রিচট চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- তখন থেকে এটি বিশ্বের বৃহত্তম ট্রেডিং ব্লকে পরিণত হয়।

তথ্যসূত্র - EU ওয়েবসাইট।
৯২৩.
‘যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে চুক্তি’- জেনেভা কনভেনশন এর কোন চুক্তির বিষয়বস্তু?
  1. ক) ১ম চুক্তি
  2. খ) ২য় চুক্তি
  3. গ) ৩য় চুক্তি
  4. ঘ) ৪র্থ চুক্তি
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১২ আগস্ট, ১৯৪৯ সালে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য,
• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

⇒ প্রটোকলসমূহ:
• প্রটোকল:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
• প্রটোকল: ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
• প্রটোকল: ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.
৯২৪.
‘বাংকার-বাস্টার’ কী?
  1. যুদ্ধ জাহাজ
  2. প্রাণঘাতী বোমা
  3. যুদ্ধ বিমান
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
‘বাংকার-বাস্টার’
- বিস্ফোরণের আগে ভূগর্ভে প্রবেশ করতে পারে ‘বাংকার–বাস্টার’ বোমা।
- নির্ভুল আঘাত হানার একটি নির্দেশিকা ব্যবস্থা যুক্ত থাকে এই বোমায়।
- বোমাটি ৩০ মিটার গভীরে লক্ষ্যে পৌঁছে বিস্ফোরিত হতে পারে।
- জিবিইউ-২৮ মডেলের বোমাটির ডিজাইন করেছিলেন আলবার্ট এল ওয়েইমর্টস।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াটারভিলিয়েট কোম্পানি বোমাটি তৈরি করে। ২০০৩ সালে অপারেশন ডেজার্ট স্টর্মের সময় যুক্তরাষ্ট্র প্রথম এ বোমার ব্যবহার করে।
- সম্পূর্ণ লেজার গাইডেড বোমাটির ওজন ২০০০ থেকে ৪০০০ হাজার (৯০০-১৮০০ কেজি) পাউন্ড হয়ে থাকে।

সূত্র- বিবিসি রিপোর্ট।  
৯২৫.
'আজভ ব্রিগেড' কোন দেশের সশস্ত্র বাহিনী?
  1. ইরাক
  2. সিরিয়া
  3. কেনিয়া
  4. ইউক্রেন
ব্যাখ্যা

আজভ ব্রিগেড:
- 'আজভ ব্রিগেড' ইউক্রেনের একটি সশস্ত্র বাহিনী।
- এর সব সদস্যই স্বেচ্ছাসেবী।
- ২০১৪ সালের মে মাসে স্বেচ্ছাসেবী গোষ্ঠী হিসেবে আজভ ব্রিগেড প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর উদ্যোক্তা ছিল একদল ইউক্রেনীয় অতি-জাতীয়তাবাদী এবং নব্য-নাৎসি সোশ্যাল ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি (এসএনএ) গোষ্ঠী।
- অ্যান্ড্রি বিলেটস্কি সশস্ত্র বাহিনীটি প্রতিষ্ঠাতা নেতা ছিলেন।
- আজভ ব্যাটালিয়নের খরচ বহন করেন অলিগার্ক ইগর কলোময়েস্কি। তিনি ইউক্রেনিয়ান বিদ্যুৎ গ্রিডের মালিক।

তথ্যসূত্র - আল জাজিরা, ০১ মে, ২০২২।

৯২৬.
ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধকে কেন্দ্র করে লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে আক্রমণ চালায় কারা? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. হিজবুল্লাহ
  2. হুথি
  3. হামাস
  4. ইসরায়েল
ব্যাখ্যা
হুথি আন্দোলন:
- হুথি আন্দোলন হলো ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলে একটি ইসলামী মৌলবাদী আন্দোলন। 
- হুথিরা ২০১৪ সাল থেকে চলমান ইয়েমেনি গৃহযুদ্ধের অন্যতম প্রধান পক্ষ।
- এটি জায়েদি মুসলমানদের মধ্যে একটি পুনরুজ্জীবনমূলক আন্দোলন থেকে উদ্ভূত হয়।
- জায়েদি মুসলমানরা শিয়া ইসলামের একটি ছোট সম্প্রদায়, যারা ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলে কেন্দ্রীভূত।
- আন্দোলনটি ইয়েমেনি সরকারের ওপর বিদেশি প্রভাবের বিরোধিতা করত।
- ২১ শতকের গোড়ার দিকে সরকারী দমন-নীতি আন্দোলনটিকে অস্ত্র হাতে নিতে বাধ্য করে।
- ইয়েমেনি গৃহযুদ্ধ চলাকালীন হুথি আন্দোলন ইরানের সহায়তায় শক্তিশালী সামরিক শক্তি হয়ে ওঠে।
- ২০২০ সালের মধ্যে হুথি যোদ্ধারা সংঘর্ষে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি লাভ করে।
- ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধের প্রতিক্রিয়ায় হুথি আন্দোলন ইসরায়েলের দিকে মিসাইল ও ড্রোন ছোঁড়ে।
- হুথিরা লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর আক্রমণ চালিয়ে বৈশ্বিক বাণিজ্য বিঘ্নিত করে।
- হুথি আন্দোলন ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ সংঘাতে একটি শক্তিশালী প্রভাবশালী দল এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এর কার্যক্রম আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে।

উৎস: Britannica.
৯২৭.
সামন্তদের চাপে কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিলো?
  1. ক) প্যারিস শান্তি চুক্তি
  2. খ) ভেলভেট চুক্তি
  3. গ) ম্যাগনাকার্টা চুক্তি
  4. ঘ) জেনেভা কনভেনশন
ব্যাখ্যা

ম্যাগনাকার্টা বা মহাসনদ ১২১৫ সালে সামন্তদের চাপে পড়ে ইংল্যান্ডের রাজা জন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ।
- 'ম্যাগনাকার্টা হল রাজার ক্ষমতা খর্ব করার একটি ঐতিহাসিক দলিল।
- একে ব্রিটিশ শাসনতন্ত্রের বাইবেল বলা হয়।

সূত্র:Britannica.com

৯২৮.
নিচের কোনটি সামরিক জোট নয়?
  1. NATO
  2. ANZUS
  3. ASEAN
  4. CENTO
ব্যাখ্যা
ASEAN:
- ASEAN এর পূর্ণরূপ: Association of Southeast Asian Nations.
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি অর্থনৈতিক জোট। 
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৮ আগস্ট, ১৯৬৭ সালে।
- এর সদরদপ্তর: জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া।
- এটি সামরিক জোট নয়।

ন্যাটো:
- এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organization.
- ন্যাটো একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- এটি ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা বেড়ে ৩২টি দেশে পৌঁছেছে।[জুলাই - ২০২৫]

CENTO:
- মধ্যপ্রাচ্যের তেল সম্পদের ওপর কর্তৃত্ব স্থাপন এবং ওই অঞ্চলে সােভিয়েত রাশিয়ার প্রভাব প্রতিহত করার উদ্দেশ্যে ১৯৫৫ সালে আমেরিকার নেতৃত্বে একটি সামরিক জোট গড়ে তােলে।

ANZUS:
- এটি হলো একটি সামরিক চুক্তি বা জোট।
- তিনটি দেশের সমন্বয়ে এই জোট গঠিত।
- দেশগুলো হলো: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র।

সূত্র: স্ব স্ব সংস্থার ওয়েবসাইট ও পত্রিকা রিপোর্ট।
৯২৯.
’স্টিল ডোম’ কোন দেশের তৈরী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা? 
  1. ফ্রান্স
  2. ইসরায়েল
  3. তুরস্ক
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

 স্টিল ডোম: 
- ২০২৫ সালের ২৭ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে 'স্টিল ডোম' আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা চালু করেছে তুরস্ক।
- '
স্টিল ডোম' একক কোনো আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা নয়।
-
এটি মূলত স্বল্প, মাঝারি ও দূরপাল্লার বিভিন্ন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার, ক্ষেপণাস্ত্র ব্যাটারি, সেন্সর ও কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেমের সমন্বিত রূপ।
- তুরস্কের প্রতিরক্ষা কোম্পানি আসেলসান ও রকেটসান এর উন্নয়নে প্রধান ভূমিকা পালন করছে।
- প্রথম ধাপে সামরিক বাহিনীকে সরবরাহ করা হয়েছে ৪৭টি যান, যার মধ্যে ছিল হিসার-ও প্লাস, সিপের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, আল্প রাডার, পুহু ও রেডেট ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম এবং কোরকুৎ অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট গান।

'
স্টিল ডোমের সংযোজন: 
- ২০২৫ সালের ২৭ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে 'স্টিল ডোম' আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা তুরস্কের সামরিক বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করেন প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।
- মধ্যপ্রাচ্যের টানাপোড়েন, বিশেষত ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাত, সিরিয়া ইস্যু এবং ইরানে ইসরায়েলি হামলার পর আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য ওলটপালট হয়ে গেছে। 

উৎস: বিবিসি নিউজ।

৯৩০.
‘পানমুনজাম’ গ্রাম কোন দুটি দেশের সীমানায় অবস্থিত?
  1. ভারত ও চীন
  2. উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া
  3. ভারত ও পাকিস্তান
  4. আফগানিস্তান ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

‘পানমুনজাম’ গ্রাম:
- পানমুনজাম একটি ঐতিহাসিক গ্রাম যা উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার সীমানায় অবস্থিত।
- এই গ্রামে মূলত ১৯৫৩ সালে কোরিয়ান যুদ্ধের অস্ত্রবিরতি চুক্তির সাক্ষী হয়েছিল। 
- এটি একটি সম্মিলিত নিরাপত্তা অঞ্চল (Joint Security Area - JSA)-এর অংশ। 

উৎস: Britannica.

৯৩১.
হুথি আন্দোলনের আনুষ্ঠানিক নাম কী?
  1. গোলাম ই আনসার
  2. আনসার আল্লাহ
  3. বারিক আল্লাহ
  4. গোলাম ই রসুল
ব্যাখ্যা
• হুথি আন্দোলন:
- হুথি আন্দোলন (Houthi Movement), যা আনসার আল্লাহ (Ansar Allah) নামেও পরিচিত, ইয়েমেনের একটি শিয়া জায়েদি বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
- এদের বাস মূলত উত্তর ইয়েমেনে।
- এদের প্রথম উথান ঘটে ১৯৮০ সালের দিকে।
- হুথি আন্দোলন ২০১৪ সালে ইয়েমেনের রাজধানী সানার নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং ইয়েমেনের সরকার পতন ঘটায়।
- বর্তমানে এটি ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের সঙ্গে সংঘাতে লিপ্ত। এই সংঘাত ইয়েমেনের মানবিক সংকটকে গভীরতর করেছে।
- হুথিদের ইরানের সমর্থন রয়েছে বলে মনে করা হয়, যা এই সংঘর্ষকে আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার অংশ করে তুলেছে।

উৎস: ব্রিটানিকা
৯৩২.
'MSS' কোন দেশের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. রাশিয়া 
  2. উত্তর কোরিয়া 
  3. চীন 
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

এমএসএস (MSS):
- 'MSS' কোন চীনের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- MSS-এর পূর্ণনাম: Ministry of State Security। 
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৮৩ সাল।

ইতিহাস ও ভূমিকা:
- চীনের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা MSS, দেশের আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
- এটি বিশেষত বিদেশি গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং চীনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় কাজ করে।

কার্যক্রম:
- MSS চীনের অর্থনৈতিক গুপ্তচরবৃত্তি, কৌশলগত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান পরিচালনায় অত্যন্ত সক্রিয়।
- এটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চীনা স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

উৎস: Britannica.

৯৩৩.
'স্ন্যাপব্যাক মেকানিজম' কোন বিষয়ের সাথে জড়িত?
  1. ইউরোপে রাশিয়ার গ্যাস সরবরাহ
  2. অভিবাসন সংকট
  3. ইরান ও ছয়জাতি মধ্যকার পরমাণু চুক্তি
  4. হংকং ইস্যুতে চীনের উপর মার্কিন অবরোধ
ব্যাখ্যা
- স্ন্যাপব্যাক মেকানিজম হলো আগের অবস্থায় ফিরে যাওয়া।
- সম্প্রতি ইরানের সাথে ছয়জাতির স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতা চুক্তি প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের উপর স্ন্যাপব্যাক মেকানিজম প্রয়োগের চেষ্টা চালায়।
- স্ন্যাপব্যাক ইরানের পরমাণু চুক্তি বিষয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের গৃহিত ২২৩১ রেজ্যুলিউশনের একটি অংশ। যেখানে বলা হয়, ইরান ব্যতীত অন্য ছয়টি দেশের কোনটি যদি মনে করে ইরান চুক্তির শর্ত মেনে চলছে না তাহলে সেই দেশ নিরাপত্তা পরিষদে ইরানের উপর পুনরায় সকল নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তাব পেশ করতে পারবে।
- এক্ষেত্রে এই প্রস্তাবে অন্যকোন দেশ ভেটো প্রয়োগ করতে পারবে না। যুক্তরাষ্ট্র ২০১৮ সালের মে মাসে নিজেকে চুক্তি থেকে প্রত্যাহার নেয়। ফলে চুক্তির অন্যগুলোর বক্তব্য ছিলো যেহেতু যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে নেই, তাই দেশটির স্ন্যাপব্যাক মেকানিজম চালুর অধিকার নেই।
- যার কারণে নিরাপত্তা পরিষদে ডমিনিকান রিপাবলিক ব্যতীত বাকি ১৩টি দেশ যুক্তরাষ্ট্রের স্ন্যাপব্যাক মেকানিজম প্রয়োগের বৈধতার প্রস্তাবে ভেটো দেয়।
- পরমাণু চুক্তি অনুযায়ী ইরানের উপর থেকে ২০২০ সালের অক্টোবরে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা উঠে যায়।
(সূত্রঃ নিউইয়র্ক টাইমস এবং আল জাজিরা)
৯৩৪.
ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে কার পতন ঘটে?
  1. ক) চতুর্দশ লুই
  2. খ) পঞ্চদশ লুই
  3. গ) ষোড়শ লুই
  4. ঘ) এয়োদশ লুই
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব আধুনিক যুগের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতা'র মূলমন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে ফরাসি জনগন কর্তৃক বাস্তিল কারাদূর্গ আক্রমণের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের সূচনা ঘটে।
এই বিপ্লবের মাধ্যমে রাজা ষোড়শ লুই ক্ষমতাচ্যুত হন এবং এতে করে ফ্রান্সের বিদ্যমান রাজতন্ত্র ও সামন্তবাদের পতন ঘটে। ফ্রান্সকে প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়।
(সূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
৯৩৫.
কোন রাষ্ট্রটি পরমানু অস্ত্র বিস্তাররোধ চুক্তি স্বাক্ষর করেনি?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) চীন
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা

পারমানবিক অস্ত্রের প্রসার রোধকল্পে ১৯৬৮ সালের ১ জুলাই NPT বা Non-Proliferation Treaty চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৭০ সালের ৫ মার্চ তা কার্যকর হয়।
ভারত, পাকিস্তান, ইসরাইল এবং দক্ষিণ সুদান এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি।
উল্লেখ্য যে, ২০০৩ সালে উত্তর কোরিয়া নিজেকে নিরস্ত্রীকরণ ও অস্ত্র নিয়ন্ত্রন চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়।
উৎসঃ জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।

৯৩৬.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা FBI কে প্রতিষ্ঠা করেছিল?
  1. ক) চার্লস জোসেফ বোনাপার্ট
  2. খ) ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট
  3. গ) আব্রাহাম লিংকন
  4. ঘ) জর্জ ওয়াশিংটন
ব্যাখ্যা
FBI:
- FBI এর পূর্ণরূপ হলো - Federal Bureau of Investigation.
- প্রতিষ্ঠাতা: চার্লস জোসেফ বোনাপার্ট।
- প্রতিষ্ঠার তারিখ ও স্থান: ২৬ জুলাই, ১৯০৮, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- মূল সংস্থা: United States Department of Justice.

তথ্যসূত্র : Interpol Website.
৯৩৭.
'Avangard' হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র কোন দেশের?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. রাশিয়া
  3. চীন
  4. ইরান 
ব্যাখ্যা

• Avangard:
- Avangard হলো রাশিয়ার তৈরি একটি হাইপারসনিক গ্লাইড ভেহিকল (HGV), যা আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (ICBM) মাধ্যমে উৎক্ষেপণ করা যায়।
- এর গতি ম্যাক ২০ (শব্দের গতির ২০ গুণের বেশি), এবং এটি অত্যন্ত অনির্দেশ্য কৌশলে গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে, ফলে শত্রুর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়িয়ে যেতে সক্ষম।
- ২০১৮ সালে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এটি উন্মোচন করেন এবং ২০১৯ সালের শেষ দিকে কার্যকরভাবে মোতায়েন শুরু হয়।
-এটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেমকে ভেদ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।

উৎস: BBC ও Avangard Website. 

৯৩৮.
ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে ঐতিহাসিক সিন্ধু পানি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ১৯৬০ সালে
  2. ১৯৬২ সালে
  3. ১৯৬৫ সালে
  4. ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
সিন্ধু পানি চুক্তি:
- ভারতের উজান থেকে পাকিস্তানের সিন্ধু অববাহিকায় প্রবাহিত নদীগুলোর পানি ব্যবহার সংক্রান্ত চুক্তি হচ্ছে সিন্ধু পানি চুক্তি।
- ১৯৬০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় এ চুক্তি হয় এবং ভারত ও পাকিস্তান তাতে স্বাক্ষর করে।
- সিন্ধু পানি চুক্তি অনুসরণ করেই এসব নদীর পানি ব্যবহার করা হয়।
- চুক্তিটির মাধ্যমে সিন্ধু ও এর উপনদীগুলোর পানিকে দুই দেশের মধ্যে বণ্টন করে দেওয়া হয় এবং পানিবণ্টনের নিয়ম নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।
- সিন্ধু অববাহিকার পূর্বাঞ্চলীয় তিনটি নদী ইরাবতী, বিপাশা ও শতদ্রুর পানি ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হয় ভারতকে।
- আর পাকিস্তানকে পশ্চিমাঞ্চলের তিনটি নদ-নদী সিন্ধু, ঝিলাম ও চেনাবের অধিকাংশ পানি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ২২ এপ্রিল, ২০২৫ কাশ্মীরে পর্যটকদের ওপর বন্দুকধারীদের হামলায় ২৬ জন নিহত হওয়ার পর পাকিস্তানের সঙ্গে সিন্ধু পানি চুক্তি তাৎক্ষণিকভাবে স্থগিত করে ভারত।
- প্রতিবেশী দেশটির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক কমানোর পদক্ষেপের অংশ হিসেবে ভারত এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা, পত্রিকা রিপোর্ট।
৯৩৯.
‘নেটজারিম করিডোর’ কোথায় অবস্থিত?
  1. মিশর
  2. ফিলিস্তিন
  3. জর্ডান
  4. লেবানন
ব্যাখ্যা
নেটজারিম করিডোর:
- নেটজারিম করিডোর ফিলিস্তিনের গাজায় অবস্থিত।
- এই করিডোর গাজার উত্তর ও দক্ষিণ অংশের সংযোগকারী প্রধান চেকপয়েন্ট।
- ইসরাইলি বাহিনী এটি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে এবং এটি ব্যবহার করেই ইসরাইল উত্তর ও দক্ষিণ গাজার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী হামাস যোদ্ধাদের আকস্মিক হামলার পর গাজায় যুদ্ধ শুর করে ইসরাইল।
- দীর্ঘ দেড় বছরের যুদ্ধে ইসরাইলি হামলায় ৪৭ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়। যাদের বেশির ভাগই ছিল নারী ও শিশু।
- ১৯ জানুয়ারি, ২০২৫ ইসরাইল-হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হয়।
- সম্প্রতি,যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী, গাজার নেটজারিম করিডোরের পশ্চিম অংশ থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু করেছে ইসরাইল।
- এই সেনা প্রত্যাহারের উদ্দেশ্য হল বাস্তচ্যুত ফিলিস্তিনিদের জন্য গাজার উত্তর অংশে ফিরে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করা।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৯৪০.
কোন দেশের শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য 'গুড ফ্রাইডে' চুক্তি হয়েছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. উত্তর আয়ারল্যান্ড
  3. জার্মানি
  4. স্কটল্যান্ড
ব্যাখ্যা
বেলফাস্ট চুক্তি:
- 'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম গুড ফ্রাইডে' চুক্তি বা Good Friday Agreement.
- গুড ফ্রাইডে' চুক্তির প্রধান উদ্দেশ্য ছিল উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি প্রতিষ্ঠা।
- চুক্তি স্বাক্ষর: ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮।
- চুক্তি কার্যকর: ডিসেম্বর, ১৯৯৯।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তির পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
- চুক্তির মধ্যস্থতাকারী: লর্ড ট্রিম্বল (যুক্তরাজ্যের উত্তর আয়ারল্যান্ডের সাবেক ফার্স্ট মিনিস্টার)।

⇒ শুক্রবারে সই হওয়ায় এটি গুড ফ্রাইডে চুক্তি (জিএফএ) নামেই বেশি পরিচিতি।
- এই চুক্তির শর্তানুযায়ী, উত্তর আয়ারল্যান্ডে সরকার পরিচালনায় প্রোটেস্ট্যান্ট ও ক্যাথলিকদের মধ্যে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে ক্ষমতা ভাগাভাগি করে সরকার গঠনের বিধান গৃহীত হয়। সেই সঙ্গে যুক্তরাজ্যের একটি অংশ হিসেবে উত্তর আয়ারল্যান্ডের সাংবিধানিক মর্যাদা স্বীকার করে নেওয়া হয়। পাশাপাশি সংযুক্ত আয়ারল্যান্ড গঠন করার একটি নীতিও গ্রহণ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯২১ সালে যুক্তরাজ্যের অংশ হিসেবে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের যাত্রা শুরু হয়। সে সময় আয়ারল্যান্ডের বাকি অংশ স্বাধীন সার্বভৌম দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ফলে অঞ্চলটির জনগণ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। এক দল আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে একত্রিত হতে চেয়েছিল, আরেক দল চেয়েছিল যুক্তরাজ্যের অংশ হয়েই থাকতে। বিষয়টি নিয়ে প্রায় ৩০ বছরের সহিংস সংঘর্ষের অবসান ঘটেছিল গুড ফ্রাইডে চুক্তির মাধ্যমে। এই সংঘর্ষে প্রাণ হারায় প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মানুষ।

উৎস: Britannica.
৯৪১.
ISI কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ভারত
  2. আফগানিস্তান
  3. পাকিস্তান
  4. সিরিয়া 
ব্যাখ্যা

ISI বা Inter-Services Intelligence হলো পাকিস্তানের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা।

​Inter-Services Intelligence:
- ISI বা Inter-Services Intelligence পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা,
- এটি ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি মূলত পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থ রক্ষা করতে কাজ করে।
- আফগান যুদ্ধের সময়, ISI মার্কিন সহযোগিতায় মুজাহিদিনদের সহায়তা করেছিল।
- সংস্থাটি কাশ্মীর ইস্যু, আফগানিস্তানের রাজনীতি এবং সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রাখে।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

৯৪২.
নিচের কোনটি ভারতের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. Inter-Services Intelligence
  2. Research and Analysist Wing
  3. Ministry of State Security
  4. Research and Analysis Wing
ব্যাখ্যা
ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা (RAW):
- RAW এর পূর্ণরূপ- Research and Analysis Wing (RAW)।
- এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে-১৯৬৮ সালে।
- RAW প্রতিষ্ঠার পূর্বে Intelligence Bureau ভারতের অভ্যন্তরীন এবং বাহ্যিক উভয় ক্ষেত্রে তৎপরতা চালাতো।

অন্যদিকে,
- ISI (Inter-Services Intelligence) পাকিস্তানের প্রধান সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা।
- MSS (Ministry of State Security) চীন সিভিল গোয়েন্দা সংস্থা।
- FSB (Federal Security Service) রাশিয়ার সাবেক গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবি এর উত্তরসূরী।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৯৪৩.
'ওয়ারশ প্যাক্ট' মূলত কোন সংগঠনকে মোকাবিলার উদ্দেশ্যে সৃষ্টি হয়েছিল?
  1. ANZUS
  2. EU
  3. NATO
  4. AUKUS
ব্যাখ্যা

• ওয়ারশ চুক্তি (Warsaw Pact):
- Warsaw Pact-এর পূর্ণরূপ: Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance.
- এটি একটি প্রতিরক্ষা ও সহযোগিতা চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ মে, ১৯৫৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- সদস্য সংখ্যা ছিলো: ৮টি (সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভাকিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া। 
- উদ্দেশ্য: পশ্চিমা দেশের (বিশেষত ন্যাটো) বিরুদ্ধে সামরিক সুরক্ষা এবং পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধি।
- এটি ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে একটি সামরিক জোট, যা পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত প্রভাব শক্তিশালী করতে সাহায্য করেছিল।

উল্লেখ্য,
- মূলত ন্যাটো জোটের বিপরীত জোট হিসেবে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো ১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ প্যাক্ট নামে সামরিক জোট গঠন করে।

⇒ ১৯৯১ সালের ডিসেম্বরে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তির পরপরই ওয়ারশ চুক্তি ভেঙে যায়।
- ১৯৯১ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ চুক্তির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। 
- চেকোস্লোভাক রাষ্ট্রপতি ভ্যাক্লাভ হ্যাভেল ১৯৯১ সালের ১লা জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে এর সমাপ্তি ঘোষণা করেন। 

তথ্যসূত্র: i) NATO ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.

৯৪৪.
বাংলাদেশ কোন সনে CTBT অনুমোদন করে?
  1. ক) ১৯৯৯
  2. খ) ২০০০
  3. গ) ২০০১
  4. ঘ) ২০০২
ব্যাখ্যা
সমন্বিত পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (CTBT):
- CTBT এর পূর্ণরূপ Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- ১৯৯৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ সভায় এই চুক্তি গৃহীত হয়।
- বর্তমানে চুক্তিটি স্বাক্ষরকারী দেশ - ১৮৫ ও অনুমোদনকারী দেশ - ১৭০টি।
- সর্বশেষ স্বাক্ষরকারী দেশ: কিউবা (৪ ফেব্রুয়ারি,২০২১), ১৮৫-তম। কিউবা একই দিন ১৬৯-তম দেশ হিসেবে চুক্তি অনুমোদন করে।
- সর্বশেষ অনুমোদনকারী দেশ: কমোরোস (১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২১), ১৭০-তম।
- বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৪-তম অনুমোদনকারী দেশ।
উৎসঃ CTBTO ওয়েবসাইট.
৯৪৫.
ডেটন শান্তি চুক্তির মধ্যস্থতা করেন কে?
  1. রোনাল্ড রিগান
  2. রিচার্ড নিক্সন
  3. জর্জ ডব্লিউ বুশ
  4. বিল ক্লিনটন
ব্যাখ্যা

ডেটন শান্তি চুক্তি (Dayton Peace Agreement):
- ডেটন শান্তি চুক্তির পূর্ণনাম - General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina।
- বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয়। এই জন্য এই চুক্তিকে ডেটন শান্তি চুক্তি বলা হয়।
- ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন যুক্ত রাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বিল ক্লিন্টন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী - ওয়ারেন ক্রিস্টোফার।
- চুক্তিটির প্রধান শান্তি আলোচক - রিচার্ড হলব্রোক।
- চুক্তির খসড়া প্রস্তুত - ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - প্যারিস, ফ্রান্স
- চুক্তির পক্ষ সমূহ - বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া

• চুক্তি স্বাক্ষরকারী -
১. বসনিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ।
২. ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
৩. সার্বিয়ার পক্ষে - স্লোভাদান মিলোসোভিচ।

উৎস: হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।

৯৪৬.
নিচের কোন দেশটি ন্যাটোভুক্ত নয়?
  1. ক) তুরস্ক
  2. খ) গ্রিস
  3. গ) বুলগেরিয়া
  4. ঘ) ইসরাইল
ব্যাখ্যা
NATO প্রধানত একটি সামরিক জোট যা ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল গঠিত হয়।
এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ১২টি। তুরস্ক, গ্রিস ও বুলগেরিয়াসহ ন্যাটোর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩০টি। উত্তর মেসিডোনিয়া ন্যটোর সর্বশেষ সদস্য।
ইসরাইল ন্যাটোভুক্ত নয়। তুরস্ক ও আলবেনিয়া ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ।
ন্যাটোর সদরদপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত। বর্তমান মহাসচিব জেনস স্টলেনবার্গ।
(সূত্রঃ ন্যাটো ওয়েবসাইট)
৯৪৭.
ইন্টারপোল এর হেডকোয়ার্টার কোথায়?
  1. ক) ফ্রাঙ্কফুর্ট
  2. খ) জেনেভা
  3. গ) লিও
  4. ঘ) ওয়ারশ
ব্যাখ্যা
ইন্টারপোল হলো আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা। এর সদরদপ্তর অবস্থিত ফ্রান্সের লিও শহরে। এটি ১৯২৩ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথমে ১৬টি দেশ নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৪টি। বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালের ১৪ অক্টোবর ইন্টারপোলের সদস্যপদ লাভ করে। (সূত্রঃ ইন্টারপোল ওয়েবসাইট)
৯৪৮.
নিচের কোন দেশটি সর্বশেষ ন্যাটো জোটে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে?
  1. ফিনল্যান্ড
  2. সুইডেন
  3. আইসল্যান্ড
  4. নরওয়ে
ব্যাখ্যা

• ন্যাটো:
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- NATO এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৯ সাল।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে। 
- তিনি ১৪তম মহাসচিব।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- ন্যাটোতে যোগদানকারী মুসলিম দেশ: তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ সদস্য: সুইডেন।
- সুইডেন ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে ২০২৪ সালে।

তথ্যসূত্র: ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৯৪৯.
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ সিটিবিটি (CTBT) চুক্তিটি গ্রহণ করে ১৯৯৬ সালের কত তারিখে?
  1. ২ সেপ্টেম্বর
  2. ১ সেপ্টেম্বর
  3. ১২ সেপ্টেম্বর
  4. ১০ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
CTBT:
- CTBT এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।

CTBTO:
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ সংস্থা CTBTO।
- এর সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
৯৫০.
কোন চুক্তির জন্য ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিন নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন?
  1. মিনস্ক চুক্তি
  2. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  3. ডেটন চুক্তি
  4. অসলো চুক্তি
ব্যাখ্যা
অসলো চুক্তি:
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি চুক্তিতে পৌঁছায় ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান: হোয়াইট হাউস, যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরকারী: ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী আইজাক রবিন।
- উদ্দেশ্য: রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ।
- মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্রেরর প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।

⇒ নরওয়ের রাজধানী অসলোতে শুরু হওয়া আলোচনার পথ ধরে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (পিএলও) প্রধান ইয়াসির আরাফাত ফিলিস্তিনিদের পক্ষ হয়ে ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।
- এই চুক্তির জন্য ইয়াসের আরাফাত এবং তৎকালীন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিন নোবেল শান্তি পুরষ্কারও পেয়েছিলেন।

উল্লেখ্য,
- চুক্তিটি নিয়ে সবচেয়ে বেশি হতাশ গাজা উপত্যকার মানুষ।
- শান্তি চুক্তিতে ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্ব করেছিলো প্রয়াত ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বাধীন পিএলও পার্টি।
- কিন্তু ২০০৭ সাল থেকে গাজা শাসন করে আসছে কট্টরপন্থী ফিলিস্তিনি দল হামাস।
- ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের অনেকবার যুদ্ধ হয়েছে।
- আবার গাজার সীমান্ত কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে ইসরায়েল এবং মিশর, যাতে হামাসের কাছে কোন অস্ত্র পৌঁছাতে না পারে।

উৎস: i) BBC।
ii) U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।
৯৫১.
জেনেভা কনভেনশন কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য
  2. শান্তি ও সংঘাত
  3. নারীর অধিকার
  4. যুদ্ধ পরিচালনা
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন যুদ্ধ পরিচালনার সাথে সম্পর্কিত। 
- জেনেভা কনভেনশনে ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- জেনেভা কনভেনশন হলো ১৮৬৪ থেকে ১৯৪৯ সালের মধ্যে জেনেভাতে স্বাক্ষরিত আন্তর্জাতিক চুক্তিসমূহের একটি সিরিজ, যা যুদ্ধের সময় সৈন্য ও বেসামরিক জনগণের মানবিক অবস্থার উন্নতির লক্ষ্যে গৃহীত হয়।
- এই চুক্তিগুলোর মাধ্যমে যুদ্ধকালীন সময়ে নির্দিষ্ট নীতিমালা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যা যুদ্ধের সময় মানবাধিকারের সুরক্ষায় সহায়ক।
- জেনেভা কনভেনশন যুদ্ধকালীন মানবাধিকারের সুরক্ষায় একটি বৈশ্বিক মাইলফলক এবং এটি আজও আন্তর্জাতিক আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
i) জেনেভা কনভেনশন প্রথমবার গৃহীত হয় ১৮৬৪ সালে, যা রেড ক্রসের প্রতিষ্ঠাতা অঁরি দুঁনার-এর উদ্যোগে।
- আহত সৈন্যদের চিকিৎসাকেন্দ্র এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের নিরাপত্তা।
- সকল যোদ্ধার প্রতি নিরপেক্ষ আচরণ।
- আহতদের সহায়তায় নিয়োজিত বেসামরিক ব্যক্তিদের সুরক্ষা।
- রেড ক্রস প্রতীককে সুরক্ষা ও শনাক্তকরণের প্রতীক হিসেবে গ্রহণ।
ii) ১৯০৬: প্রথম চুক্তি সংশোধন ও সম্প্রসারণ।
iii) ১৯২৯: তৃতীয় চুক্তি, যেখানে যুদ্ধবন্দীদের প্রতি মানবিক আচরণ এবং তাদের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
iv) ১৯৪৯: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রেক্ষিতে চারটি নতুন কনভেনশন গৃহীত হয়:
- স্থলযুদ্ধে আহতদের জন্য।
- সমুদ্রে আহত এবং উদ্ধারকৃতদের জন্য।
- যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা।
- যুদ্ধকালীন সময়ে বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা।

উৎস: Britannica.
icrc.org
৯৫২.
ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা RAW প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ক) ১৯৬৮ সালে
  2. খ) ১৯৬৯ সালে
  3. গ) ১৯৭০ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা
RAW:
- ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা- RAW
- এর পূর্ণরুপ- Research and Analysis Wing (RAW)
- এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে-১৯৬৮ সালে
- RAW প্রতিষ্ঠার পূর্বে Intelligence Bureau ভারতের অভ্যন্তরীন এবং বাহ্যিক উভয় ক্ষেত্রে তৎপরতা চালাতো।
- প্রতিষ্ঠাকালিন পরিচালক ছিলেন - রামেশ্বর নাথ কাও।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা
৯৫৩.
আলজিয়ার্স চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় দুই দেশের মধ্যে?
  1. ইরান ও সিরিয়া
  2. ইরান ও আলজেরিয়া
  3. আলজেরিয়া ও সৌদি আরব
  4. ইরান ও ইরাক
ব্যাখ্যা

আলজিয়ার্স চুক্তি:
- এটি একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- আলজিয়ার্স চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ইরাক-ইরান দুই দেশের মধ্যে।
- এটি স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জুন,১৯৭৫ সালে।
- অনুমোদিত হয়: ১৯৭৬ সালে।
- মধ্যস্থতাকারী দেশ: আলজেরিয়া।
- স্বাক্ষরের স্থান: আলজিয়ার্স, আলজেরিয়া।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী (ইরান) ও সাদ্দাম হোসেন (ইরাক)।
- ১৭ সেপ্টেম্বর,১৯৮০ সালে চুক্তিটি অকার্যকর হয় ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

৯৫৪.
Interpol কী?
  1. ক) ইইউ সীমান্তরক্ষী বাহিনী
  2. খ) নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা
  3. গ) আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা
  4. ঘ) বেসরকারি গোয়েন্দা সংস্থা
ব্যাখ্যা
- Interpol (International Criminal Police Organisation) হলো আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা।
- Interpol ১৯২৩ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির বর্তমান সদরদপ্তর ফ্রান্সের লিও শহরে অবস্থিত। তবে শুরুতে সদরদপ্তর ছিলো অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা শহরে। ১৯৪৬ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে এবং ১৯৮৯ সালে ফ্রান্সের লিও শহরে সদরদপ্তর স্থাপন করা হয়।
- এটির বর্তমান সদস্য ১৯৫টি দেশ।
- বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালের ১৪ অক্টোবর ইন্টারপোলের সদস্যপদ লাভ করে।
- ইন্টারপোলের বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল জর্জেন স্টক।
(তথ্যসূত্রঃ Interpol ওয়েবসাইট)
৯৫৫.
লস্কর-ই-তৈইয়্যেবার প্রতিষ্ঠাতা-
  1. ক) হাফিজ সাঈদ
  2. খ) কাশেম বিন ওয়ালিদ
  3. গ) ওসামা বিন লাদেন
  4. ঘ) কাশেম সুলাইমানি
ব্যাখ্যা
- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা ভারতের কাশ্মির উপত্যকায় তৎপর একটি জঙ্গি সংগঠন।
- এটি কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর হলেও পরিচালিত হয় পাকিস্তান থেকে।
- হাফিজ সাঈদ ১৯৮০ সালের দিকে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ২০০১ সালে ভারতীয় পার্লামেন্ট ভবনে হামলা ও ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলার জন্যে ভারত সরকার লস্কর-ই-তৈইয়েবাকে দায়ী করে থাকে।
- ইসলামিক স্টেটের স্বঘোষিত খলিফা ছিলেন আবু বকর আল বাগদাদি।

তথ্যসূত্র:- বিবিসি ওয়ার্ল্ড।
৯৫৬.
লেবানন ভিত্তিক হিজবুল্লাহ গেরিলাদের প্রধান নেতা কে?
  1. মাহমুদ আহমাদিনেজাদ
  2. মুকতাদা আল সদর
  3. হাসান নাসরুল্লাহ
  4. শেখ ইয়াসিন
ব্যাখ্যা
হিজবুল্লাহ:
- হিজবুল্লাহ লেবাননের মুসলিম শিয়া সম্প্রদায়ের একটি রাজনৈতিক ও সশ্বস্ত্ৰ গোষ্ঠী।
- এর প্রধান নেতা শেখ হাসান নাসরুল্লাহ।
- ১৯৯২ সাল থেকে হাসান নাসরুল্লাহ হিজবুল্লাহর মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
- ১৯৮২ সালে লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন ও গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ১৯৮৫ সালে প্রকাশ্যে হিজবুল্লাহর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- হিজবুল্লাহ ইরান ও সিরিয়ার সমর্থনপুষ্ট।

উল্লেখ্য,
- হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরুল্লাহ লেবাননের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে ইসরাইলকে হঁশিয়ার করে দিয়েছেন।
- হিজবুল্লাহর শক্তিশালী ঘাঁটি বৈরুতের দক্ষিণ উপকণ্ঠে হামলায় হামাসের উপনেতা নিহত হওয়ার এক দিন পর তিনি এ সতর্ক বার্তা উচ্চারণ করলেন।

উৎস: i) Britannica.
         ii) ৪ জানুয়ারি, ২০২৪, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
৯৫৭.
কোন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী বোফোর্স কেলেঙ্কারির সাথে জড়িত ছিলেন?
  1. অতল বিহারী বাজপেয়ী
  2. রাজীব গান্ধী
  3. ইন্দিরা গান্ধী
  4. লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
ব্যাখ্যা
বোফোর্স কেলেঙ্কারি:
- বোফোর্স কেলেঙ্কারির সাথে ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর নাম জড়িত।
- বোফোর্স হলো সুইডেনের একটি অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৮৬ সালে ভারত সরকার এই কোম্পানির সাথে অস্ত্র ক্রয়ের চুক্তি সম্পাদন করে।
- এই চুক্তি সম্পাদনে গান্ধী সরকারের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠে।
- আর এটিই বোফোর্স কেলেঙ্কারি নামে পরিচিত।
- এই ঘটনায় রাজীব গান্ধীর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে ধ্বস নামে।

তথ্যসূত্র - ইন্ডিয়া টাইমস।
৯৫৮.
তানজিম আল জিহাদ কোন দেশে তৎপর উগ্রপন্থী গোষ্ঠী?
  1. ইয়েমেন
  2. আফগানিস্তান
  3. ইরাক
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
- তানজিম আল জিহাদ হলো ইরাকি আল কায়েদার একটি শাখা। ২০০৪ সালের অক্টোবরে এটি জামাত আল তৌহিদ ওয়াল জিহাদ থেকে জানজিম আল জিহাদ নাম ধারণ করে।
- এটির প্রধান ছিলেন আবু মুসাব আল জারাকায়ি। তিনি ২০০৬ সালে নিহত হলে আবু আইয়ুব আল মাসরি এটির নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। তানজিম আল জিহাদ জাতিসংঘের কালো তালিকাভুক্ত সংগঠন।
(তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৯৫৯.
কোন দেশের সেনাবাহিনী "অপারেশন রিস্টোর হোপ" পরিচালনা করেন?
  1. রাশিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ইরান
  4. ইসরাইল
ব্যাখ্যা
অপারেশন রিস্টোর হোপ: 
- ১৯৯২ সালের ডিসেম্বর 'অপারেশন রিস্টোর হোপ' নামে মার্কিন নেতৃত্বাধীন বহুজাতিক বাহিনী সোমালিয়ায় অবতরণ করেছিল
- কিন্তু মার্কিন বাহিনীর 'জন্যে তা সুখের হয়নি। এতে করে সোমালিয়ার সার্বভৌমত্ব বিঘ্নিত হয়েছিল বলে তখন অভিযোগ উঠেছিল।
- একসময় সোমালিয়ার জনগণ মার্কিন সেনা সদস্যদের অবরুদ্ধ করে তাদের কাউকে কাউকে হত্যা করে।
- এরপর যুক্তরাষ্ট্র প্রতিবাদের মুখে তাদের সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করে নেয়।

উৎস: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ - তারেক শামসুর রেহমান।
৯৬০.
TIFA এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Trade for International Finance Agreement
  2. খ) Trade and Investment Framework Agreement
  3. গ) Treaty for International Free Area
  4. ঘ) Trade and Investment form America
ব্যাখ্যা
• TIFA এর পূর্ণরুপ হচ্ছে Trade and Investment Framework Agreement.
- ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে বিনিয়োগের পথ সুগম করতে - Trade and Investment Framework Agreement (TIFA) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সে দেশের বাণিজ্য, পর্যটন ও বিনিয়োগ বিষয়ক মন্ত্রী ডান টিহান এবং বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- বাংলাদেশ ২০০৩ সাল থেকে অস্ট্রেলিয়ায় ডিউটি এবং কোটা ফ্রি বাণিজ্য সুবিধা পেয়ে আসছে।

সূত্র:
১. Office of the United States Trade Representative [Link]
২. Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার: এপ্রিল, ২০২১ – এপ্রিল, ২০২২।
৯৬১.
নিম্নের কোন দুইটি দেশের মধ্যে 'মোলোটভ-রিবেনট্রপ' চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. জার্মানি ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা

'মোলোটভ-রিবেনট্রপ' চুক্তি:
- মোলোটভ-রিবেনট্রপ চুক্তিটি ছিল নাৎসি জার্মানি এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে একটি অ-আগ্রাসন চুক্তি।
- স্বাক্ষরকারী: জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোয়াকিম ভন রিবেনট্রপ ও সোভিয়েত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভ্যাচেস্লাভ মোলোটভ।
- এই চুক্তি দুইটি শক্তিকে তাদের মধ্যে পোল্যান্ডকে বিভক্ত করতে সক্ষম করেছিল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৩ আগস্ট ১৯৩৯।

উল্লেখ্য,
- এ চুক্তিতে নির্ধারণ করা হয় রাশিয়া কিংবা জার্মানি কেউ কারো ওপর আক্রমণ করবে না।
- এই চুক্তির ফলে জার্মানিকে নিরপেক্ষ রেখে স্টালিন রাশিয়াকে সামরিকভাবে শক্তিশালী করার সুযোগ পেয়েছিল।
- অন্যদিকে জার্মানি ইঙ্গ-ফরাসি জোট থেকে রাশিয়াকে বিচ্ছিন্ন রাখতে সমর্থ হন।
- এই চুক্তি মাত্র ২২ মাস স্থায়ী হয়।
- ১৯৪১ সালের ২২শে জুন জার্মানি এই চুক্তি ভঙ্গ করে রাশিয়া আক্রমণ করে।

উৎস: History Maps.

৯৬২.
সম্প্রতি কোন দুটি দেশের মধ্যে ‘Trinity House Agreement’ নামের প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য
  3. যুক্তরাজ্য-জার্মানি
  4. রাশিয়া-ইউক্রেন
ব্যাখ্যা
Trinity House Agreement:
- যুক্তরাজ্য ও জার্মানির মধ্যে Trinity House Agreement’ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উল্লেখ্য,
- জার্মানি ও যুক্তরাজ্য দুই দেশই ন্যাটোর সদস্য।
- দুই দেশই প্রতিরক্ষাখাতে প্রচুর অর্থ খরচ করে।
- তাদের মধ্যে নতুন ‘ট্রিনিটি হাউস চুক্তি’ প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা আরো বাড়াবে।
- জার্মানির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস ও এবং যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি গত জুলাইতে বার্লিনে এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
- এবার তারা সেই চুক্তিতে সই করবেন।

⇒ ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের দুই বছর পর এবং যুক্তরাজ্যে সরকার পরিবর্তনের কয়েক মাসের মধ্যে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগেই এই চুক্তি সেরে ফেলছে জার্মানি ও যুক্তরাজ্য।

উৎস: GOV.UK
৯৬৩.
রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি (CWC) কার্যকর হয় কবে?
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৮ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
Chemical Weapons Convention (CWC):
- রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তির নাম - Chemical Weapons Convention (CWC)।
- এটি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- এই চুক্তি অনুসারে রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
- যে সকল দেশের হাতে রাসায়নিক অস্ত্র রয়েছে তাদেরকে এই অস্ত্র ধ্বংস করার কথাও বলা হয়েছে।
- ১৯৯২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের দপ্তরে নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক সম্মেলন (Conference on Disarmament) অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন বন্ধের চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করা হয়।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত ও স্বাক্ষরিত হয় ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- কার্যকর হয় - ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ - ১৯৩টি।
- ইসরায়েল স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ও OPCW ওয়েবসাইট।
৯৬৪.
'ফার্ক' কোন দেশের গেরিলা সংগঠন?
  1. কলম্বিয়া
  2. পেরু 
  3. জাপান
  4. কম্বোডিয়া 
ব্যাখ্যা

• ফার্ক কলম্বিয়ার কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।

• ফার্ক (FARC):
- FARC-এর পূর্ণরূপ: Revolutionary Armed Forces of Colombia.
- এটি কলম্বিয়ার কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।
- ১৯৬৪ সালে কলম্বিয়ান কমিউনিস্ট পার্টির সামরিক শাখা হিসেবে ফার্ক গঠিত হয়।
- ফার্কের প্রতিষ্ঠাতা ম্যানুয়েল মারুলেন্দা।
- এরা মূলত মার্কসবাদী আদর্শে বিশ্বাসী।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৯৬৫.
OSCE নিম্নের কোন অঞ্চলের নিরাপত্তা সংগঠন?
  1. লাতিন আমেরিকা
  2. দক্ষিণ এশিয়া
  3. ইউরোপ
  4. পূর্ব আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
OSCE:
- OSCE-এর পূর্ণরূপ: The Organisation for Security and Co-Operation in Europe.
- এটি হলো ইউরোপের বৃহত্তম আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংগঠন। 
- সদস্য: ৫৭টি দেশ।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৫ সালে (হেলসিঙ্কি চুক্তির মাধ্যমে)।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান মহাসচিব: ফেরিদুন এইচ. সিনিরলিওগলু  (তুর্কিয়ে)।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭০-এর দশকের ডিটেনটে পর্বে পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে সংলাপের জন্য Conference on Security and Cooperation in Europe (CSCE) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৫ সালের হেলসিঙ্কি চুক্তি CSCE-কে একটি বহুপাক্ষিক ফোরাম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে, যা রাজনৈতিক, সামরিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত এবং মানবাধিকার বিষয়ক প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছিল।
- ১৯৯০ সালের প্যারিস শীর্ষ সম্মেলনে CSCE নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।
- এরপর, ১৯৯৪ সালে বুদাপেস্ট শীর্ষ সম্মেলনে CSCE এর নাম পরিবর্তন করে OSCE রাখা হয়।

উৎস: OSCE ওয়েবসাইট।
৯৬৬.
'যৌথ নিরাপত্তা' (Collective Security) ⎯ North Atlantic Treaty -এর কোন অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু?
  1. আর্টিকেল - ১৪
  2. আর্টিকেল - ১০
  3. আর্টিকেল - ৬
  4. আর্টিকেল - ৫
ব্যাখ্যা
বিশ্বের বৃহত্তম সামরিক জোট NATO চুক্তির ৫ নং অনুচ্ছেদে Collective Security বা যৌথ নিরাপত্তার বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।
➝ চুক্তিটির নাম North Atlantic Treaty যা Washington Treaty নামেও পরিচিত।

ন্যাটো (North Atlantic Treaty Organization):
➝ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তৎকালীন সোভিয়েত প্রভাব ও সমাজতন্ত্রকে প্রতিহত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে একটি সামরিক বা নিরাপত্তা জোট গঠন করা হয় যা North Atlantic Treaty Organization বা ন্যাটো নামে পরিচিত।
➝ ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে ১২টি দেশের মধ্যে NATO চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এটি Washington Treaty নামেও পরিচিত।
➝ ন্যাটোর বর্তমান সদস্য - ৩২টি দেশ [এপ্রিল, ২০২৪ পর্যন্ত]
➝ সর্বশেষ সদস্য দেশ ⎯ সুইডেন [৭ মার্চ, ২০২৪]
➝ NATO -এর বর্তমান সদরদপ্তর ⎯ বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত। [পূর্বে সদরদপ্তর - লন্ডন ও প্যারিসে অবস্থিত ছিলো।]
➝ ন্যাটোর বর্তমান মহাপরিচালক - Jens Stoltenberg [নরওয়ের নাগরিক]
⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯
North Atlantic Treaty সম্পর্কে যা জানা প্রয়োজন:
NATO চুক্তিপত্রে মোট ১৪টি অনুচ্ছেদ (Article) রয়েছে। এই অনুচ্ছেদগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ হলো ⎯ আর্টিকেল - ৫।
◉ অনুচ্ছেদ/আর্টিকেল - ৫: Collective Security বা যৌথ নিরাপত্তা
➝  ন্যাটো চুক্তির ৫ নং অনুচ্ছেদ বা Article - 5 কে এই চুক্তির heart বলা হয়।
➝ অনুচ্ছেদ - ৫ এ বলা হয়েছে - যদি জোটভুক্ত কোন সদস্য দেশ আক্রান্ত হয়, তাহলে এই জোটের সকল সদস্য দেশ আক্রান্ত হয়েছে বলে গণ্য হবে এবং সকল সদস্য দেশ আক্রান্ত দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এগিয়ে আসবে।

◉ অনুচ্ছেদ - ১০: Open Door Policy [নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি]
➝ ন্যাটোর নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি হয় এই অনুচ্ছেদ অনুসারে।
➝ ন্যাটোর সদস্য হওয়ার পূর্ব শর্ত হলো - দেশটিকে ইউরোপিয়ান দেশ হতে হবে।

সূত্র: NATO ওয়েবসাইট।
৯৬৭.
কোন চুক্তি ইউরোপে আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার উদ্ভব ঘটায়?
  1. ক) আগসবার্গের চুক্তি
  2. খ) ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
  3. গ) বার্লিন চুক্তি
  4. ঘ) হিডেনবার্গ চুক্তি
ব্যাখ্যা
- ত্রিশবছরব্যাপী অবিরামভাবে যুদ্ধ করার পর ঘটে ক্লান্ত বিপর্যস্ত ইউরোপ ১৬৪৮ সালে ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে এই যুদ্ধের অবসান ঘটায়। 
এই চুক্তি ইউরোপে আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার উদ্ভব ঘটায় এবং আন্তর্জাতিক রীতিনীতির গোড়াপত্তন ঘটায়। 
- পূর্বে ইউরোপীয় রাজন্যবর্গ পবিত্র রোমান সাম্রাজ্যের সঙ্গে মিলিত হবার আদর্শে বিশ্বাসী ছিল তবে এই যুদ্ধের ফলে সেই কাঠামো ভেঙ্গে যায় এবং শক্তিশালী রাজতন্ত্রের উদ্ভব ঘটিযে দ্রুত ইউরোপে রাজরা তাদের প্রভাব প্রতিষ্ঠার জন্য এক নতুন দ্বন্দ্ব শুরু করেন। 
- জার্মানি তথা ইউরোপে সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ত্রিশ বছরব্যাপী যুদ্ধের প্রভাব ছিলো ভয়াবহ। 
সমগ্র জার্মানি ধ্বংসস্তুপে পরিণত করে। 
 
উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯৬৮.
'ওয়েস্টফালিয়া শান্তিচুক্তি' এর উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. রাজার ক্ষমতা হ্রাস করা
  2. জনগণকে সরকারের অন্তর্গত করা
  3. ইউরোপে ধর্মযুদ্ধ বন্ধ করা
  4. ইউরোপের সাম্রাজ্যবাদের বৈধতা দান করা
ব্যাখ্যা

• ওয়েস্টফালিয়া শান্তিচুক্তি:
-ষোড়শ শতকে খ্রিষ্টন  ধর্ম সংস্কার আন্দেলনের ফলে, সপ্তদশ শতকে ইউরোপের বিভিন্ন শহরে ধর্মযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। ১৬১৮ সাল থেকে ১৬৪৮ সাল পর্যন্ত স্থায়ী  (Thirty Years War) এ যুদ্ধ ১৬৪৮ সালের ওয়েস্টফালিয়া শান্তিচুক্তির মাধ্যমে শেষ হয়।
- ওয়েস্টফালিয়া শান্তিচুক্তি- ১৬৪৮ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তির উদ্দেশ্য- ৩০ বছর ব্যাপী যুদ্ধের অবসান।
- ফলাফল- যুদ্ধের অবসান এবং আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার সূচনা।

উৎস: Britannica

৯৬৯.
NATO কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৪৫ সালে
  2. ১৯৪৯ সালে
  3. ১৯৬৩ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
• NATO:
- পূর্ণরূপ -The North Atlantic Treaty Organization.
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- মহাপরিচালক- Mark Rutte.(জুন, ২০২৫)
- NATO র প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি।
- NATO র বর্তমান সদস্য ৩২টি।(জুন, ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - সুইডেন।(জুন, ২০২৫)
- NATO ভুক্ত মুসলিম দেশ ২টি - তুরস্ক ও আলবেনিয়া।(জুন, ২০২৫)

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
৯৭০.
Chemical Weapons Convention কত সালে স্বাক্ষরিত হয়েছে?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ১৯৯৪ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

Chemical Weapons Convention:
- Chemical Weapons Convention হলো আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ (প্যারিসে)।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি দেশ।
- নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা: Organisation for the Prohibition of Chemical Weapons (OPCW)।
- সদর দপ্তর: দ্য হেগ, নেদারল্যান্ডস।

⇒ মূল উদ্দেশ্য:
- রাসায়নিক অস্ত্র নির্মাণ ও মজুদ নিষিদ্ধকরণ। 
- বিদ্যমান রাসায়নিক অস্ত্রের ধ্বংস নিশ্চিত করা। 
- রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার রোধ। 
- শিল্পখাতে রাসায়নিকের শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা।

উল্লেখ্য,
- CWC-এর আওতায় রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংসের হার ৯৮%।
- রাসায়নিক অস্ত্র চুক্তি (Chemical Weapons Convention - CWC) অনুযায়ী, সব ঘোষিত রাসায়নিক অস্ত্রের মজুদ ধ্বংসের কাজ ৭ জুলাই ২০২৩-এ সম্পন্ন হয়।
- এই দিনে যুক্তরাষ্ট্র, শেষ ঘোষক রাষ্ট্র হিসেবে তার ঘোষিত রাসায়নিক অস্ত্রের মজুদ সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে, যা OPCW দ্বারা যাচাই করা হয়।
- এটি CWC-এর অধীনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ছিল যা বিশ্বের সমস্ত ঘোষিত রাসায়নিক অস্ত্রের মজুদ অপসারণের সূচনা করে।
- তবে অঘোষিত মজুদ এবং অ-সদস্য রাষ্ট্রের (যেমন, মিশর, উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ সুদান) সম্ভাব্য মজুদ নিয়ে উদ্বেগ এখনও রয়ে গেছে।

উৎস: i) OPCW ওয়েবসাইট।
ii) Arms Control Association ওয়েবসাইট।

৯৭১.
ন্যাটোর কোন Article অনুসারে একটি সদস্য দেশ আক্রান্ত হলে সেটিকে সব সদস্য দেশের উপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
  1. Article 1
  2. Article 3
  3. Article 5
  4. Article 9
ব্যাখ্যা
ন্যাটো বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (NATO):
- ন্যাটো (NATO) বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- এটি সদস্য দেশগুলোর স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে।
- ন্যাটোর ভিত্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্থাপিত হয় উত্তর আটলান্টিক চুক্তি (ওয়াশিংটন চুক্তি) স্বাক্ষরের মাধ্যমে।
- বর্তমানে ন্যাটোর ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে।
- Article 5: একটি সদস্য দেশ আক্রান্ত হলে সেটিকে সব সদস্য দেশের উপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- সদস্য দেশগুলোর মধ্যে যে কোনো আক্রমণের বিরুদ্ধে একযোগে প্রতিরোধ।
- ন্যাটোর প্রতিটি সিদ্ধান্ত সম্মিলিতভাবে গৃহীত হয়।
- কসোভো, ভূমধ্যসাগর এবং আফ্রিকান ইউনিয়নের মতো অঞ্চলে ন্যাটো মিশন পরিচালনা করে।
- ন্যাটো ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ জোট।

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
৯৭২.
বেলফাস্ট চুক্তির বিষয়বস্তু কী ছিল?
  1. ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা
  2. উত্তর আয়ারল্যান্ডের শান্তি প্রতিষ্ঠা
  3. অটোমান সাম্রাজ্যের দেশগুলো ভাগ করে নেয়া
  4. নিরাপদ করিডর প্রদান
ব্যাখ্যা
বেলফাস্ট চুক্তি: 
- বেলফাস্ট চুক্তি, যা গুড ফ্রাইডে চুক্তি নামেও পরিচিত, ১৯৯৮ সালের ১০ এপ্রিল স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তিটি উত্তর আয়ারল্যান্ডের শান্তি, সাংবিধানিক কাঠামো এবং এর রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।
- এই চুক্তি ২২ মে ১৯৯৮ তারিখে আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ড উভয় জায়গায় গণভোটের মাধ্যমে অনুমোদিত হয়।
- চুক্তির মূল বিষয় ছিল উত্তর আয়ারল্যান্ডে একটি বিকেন্দ্রীকৃত সরকার গঠন করা।
- ১৯৬০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে, উত্তর আয়ারল্যান্ডে সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রোটেস্টান্ট সম্প্রদায় রাজ্য পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণে ছিল।
- অনেক সময় এই ক্ষমতা রোমান ক্যাথলিক সংখ্যালঘুদের প্রতি বৈষম্যমূলকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে—যদিও সেই বৈষম্যের প্রকৃতি ও মাত্রা নিয়ে এখনো তর্ক চলমান।
- গুড ফ্রাইডে চুক্তিটি এই দীর্ঘমেয়াদি দ্বন্দ্ব ও সহিংসতার অবসান ঘটিয়ে একটি নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পথে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত।

উৎস: Britannica.
Gov.uk
৯৭৩.
নিচের কোনটি কলম্বিয়ার গেরিলা সংগঠন ?
  1. নাসাকা
  2. আল-সাইকাহ
  3. কন্ট্রা
  4. M-19
ব্যাখ্যা

• এম-১৯ (M-19) গেরিলা দল:
- এম-১৯ ছিল কলম্বিয়ার একটি নগরমুখী মার্কসবাদী গেরিলা সংগঠন।
- এটি ১৯৭৩-৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ভিন্নমতাবলম্বী আনাপো সদস্য, অসন্তুষ্ট কমিউনিস্ট ও FARC গেরিলাদের মাধ্যমে। 
- ​দলটির নাম নেওয়া হয় ১৯৭০ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ থেকে।
- অন্য গেরিলা গোষ্ঠীর মতো আন্তর্জাতিক মডেল অনুকরণ না করে এম-১৯ কলম্বিয়ার নিজস্ব ইতিহাসভিত্তিক সমাজতান্ত্রিক মতাদর্শ গ্রহণ করে।
-​ তারা দুঃসাহসিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আলোচনায় আসে—যেমন সিমন বলিভারের তরবারি চুরি, ১৯৭৮ সালে বোগোটা অস্ত্রাগারে সুড়ঙ্গ খনন করে অস্ত্র লুণ্ঠন, ও ১৯৮০ সালে ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রের দূতাবাসে অতিথি অপহরণ।
- পরে আলোচনার মাধ্যমে ১৯৯০ সালের মার্চে এম-১৯ শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করে এবং এপ্রিলে তারা বৈধ রাজনৈতিক দল আলিয়াঞ্জা ডেমোক্র্যাটিকা এম-১৯-এ রূপান্তরিত হয়।

অন্যদিকে,
- মিয়ানমারের বিদ্রোহী সামরিক গ্রুপ- Nasaka (নাসাকা) ।
- আল-সাইকাহ হল- সিরিয়ার সরকার কর্তৃক স্পনসরিত সিরিয়ান গেরিলা বাহিনী যা সিরিয়ার ফিলিস্তিনি শাখার স্বার্থ প্রচারের উদ্দেশ্যে গঠিত।
- ’কন্ট্রা’ , নিকারাগুয়ার বামপন্থী স্যান্ডিনিস্তা সরকারকে উৎখাত করার চেষ্টাকারী গ্রুপ।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৯৭৪.
এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গল কোন কোন দেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চল?
  1. মায়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস
  2. কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম
  3. কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, লাওস
  4. মায়ানমার, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা

এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গল (Emerald Triangle):
- এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গল হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড ও লাওস—এই তিনটি দেশের সীমান্ত সংলগ্ন একটি গুরুত্বপূর্ণ পাহাড়ি ও বনভূমি অঞ্চল। 

⇒ এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গলে মিলিত হয়েছে থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া ও লাওসের সীমানা। 
- কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের মধ্যে সীমান্ত দ্বন্দ্ব শত বছরের বেশি পুরোনো। সীমান্তে বিরোধপূর্ণ অঞ্চলটি ‘এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গল’ নামে পরিচিত।
- এই অঞ্চলে ১১ শতকের মোয়ান থম নামের একটি মন্দির নিয়ে ২০০৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড শত্রুতা বাড়ে।
- এরপর বছরের পর বছর ধরে সীমান্ত সংঘাতে দুই দেশে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

উৎস: The Economic Times.

৯৭৫.
ন্যাটোর আর্টিকেল-৫ অনুযায়ী, কোন দেশে ন্যাটো প্রথমবারের মতো হামলা চালায়?
  1. কসোভো
  2. লিবিয়া
  3. ইরাক
  4. আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি একটি সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

⇒ উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- এই সংগঠনের মূলমন্ত্র হল "A mind unfettered in deliberation".

⇒ ইউরোপের বাইরে প্রথম মিশন: আফগানিস্তান, ২০০৩।

⇒ ন্যাটোর গঠনতন্ত্র ও চুক্তিগুলো শুধু সদস্য দেশগুলোর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। 
- ন্যাটোর আর্টিকেল-৪-এ কোনো সদস্য দেশ অন্য কোনো দেশ বা সন্ত্রাসী সংগঠনের কাছ থেকে হুমকি বোধ করলে সে বিষয় নিয়ে সংগঠনের অবস্থান ও করণীয় নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে।
- ন্যাটোর গঠনতন্ত্রে আর্টিকেল-৫-এর সঙ্গে আর্টিকেল-৪-এর বিস্তর পার্থক্য রয়েছে।
- আর্টিকেল-৫ অনুযায়ী, কোনো সদস্য দেশ আক্রান্ত হলে বাকি সবার সামরিক হস্তক্ষেপের কথা বলা হয়েছে।
- ন্যাটোর ইতিহাসে একবার মাত্র ন্যাটোর আর্টিকেল-৫ কার্যকর করা হয়েছে।
- নাইন ইলেভেনে টুইন টাওয়ার হামলার পর ২০০১ সালে এই আর্টিকেল অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
- এটির ভিত্তিতেই সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সঙ্গে নিয়ে আফগানিস্তানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। 

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
৯৭৬.
শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে নিম্নের কোন চুক্তি গৃহীত হয়?
  1. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  2. আলজিয়ার্স চুক্তি
  3. অসলো চুক্তি
  4. সেভ্রেস চুক্তি
ব্যাখ্যা

শাত-ইল-আরব:
- এটি পারস্য উপসাগরে অবস্থিত।
- শাত-ইল-আরব জলপথের অধিকারকে কেন্দ্র করেই মূলত ইরাক-ইরান বিরোধ শুরু হয়।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে।
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ হয়েছিল।
- শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।

⇒ আলজিয়ার্স চুক্তি:
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ইরাক এবং ইরান।
- চুক্তির বিষয়: শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মীমাংসা।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ই জুন, ১৯৭৫।
- চুক্তি অনুমোদন হয়: ১৯৭৬ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: আলজির্য়াস, আলজেরিয়া।
- স্বাক্ষরকারী: ইরানের পক্ষে রেজা শাহ পাহলভী এবং ইরাকের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন। 

উল্লেখ্য,
- আলজিয়ার্স চুক্তি অকার্যকর হয় ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮০ সালে ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে।

উৎস: Britannica.

৯৭৭.
তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে একটি কুর্দি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় কোন সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রাম করে আসছে?
  1. ক) হুথি
  2. খ) তানজিম আল জিহাদ
  3. গ) পিকেকে
  4. ঘ) লস্কর - ই তৈইব্যা
ব্যাখ্যা
- PKK (Partiya Karkeren Kurdistan) বা কুর্দিস্তান ওয়ার্কাস পার্টি হলো তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কুর্দিদের একটি মিলিশিয়া ও রাজনৈতিক সংগঠন।
- ১৯৭৮ সালে আব্দুল্লাহ ওচালান এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- পিকেকে তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে একটি কুর্দি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রাম করে আসছে।
- তুরস্ক সরকার পিকেকে গোষ্ঠীকে নির্মূলের লক্ষ্যে সিরিয়া ও উত্তর ইরাকে সামরিক তৎপরতা চালিয়ে আসছে।

তথ্যসূত্র:- কুর্দিস্তান প্রজেক্ট এবং বিবিসি ওয়ার্ল্ড।
৯৭৮.
AFTA কোন অঞ্চলের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি?
  1. দক্ষিণ আমেরিকা
  2. দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
  3. পশ্চিম আফ্রিকা
  4. মধ্য এশিয়া
ব্যাখ্যা
AFTA:
- AFTA পূর্ণরূপ ASEAN Free Trade Area.
- AFTA হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সংগঠন আসিয়ানের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- ১৯৯২ সালের ২৮ জানুয়ারি চতুর্থ আসিয়ান সামিটে AFTA চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি ছয়টি দেশের সমন্বয়ে AFTA যাত্রা শুরু করে।
- AFTA এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১০টি। এগুলো হলো,
- মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, লাওস, থাইল্যান্ড, ব্রুনাই এবং মায়ানমার।

তথ্যসূত্র - আসিয়ান অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯৭৯.
ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয় কোন চুক্তির মাধ্যমে?
  1. প্যারিস শান্তি চুক্তি
  2. উত্তর আটলান্টিক চুক্তি
  3. লন্ডন চুক্তি
  4. শেনজেন চুক্তি
ব্যাখ্যা
ন্যাটো
- উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট বা North Atlantic Treaty Organisation (NATO) ন্যাটো।
- ন্যাটোর বিস্তারিত অর্থ—শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে এবং সদস্যদের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য ইউরোপীয় এবং উত্তর আমেরিকার দেশগুলোর প্রতিষ্ঠিত একটি অনাক্রমনাত্মক জোট।
- স্নায়ুযুদ্ধের প্রাক্বালে ন্যাটোর জন্ম।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালের এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং আরো ৮টি ইউরোপীয় দেশসহ ১২ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য একে অপরকে রাজনৈতিক ও সামরিক ক্ষেত্রে রক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে উত্তর আটলান্টিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- পরে কয়েক দশক ধরে জোটটি বড় হতে থাকে। বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ৩২।
- ন্যাটো হচ্ছে বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামরিক সংগঠন।

ন্যাটোর উদ্দেশ্য
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসনের হাত থেকে পশ্চিম বার্লিন এবং ইউরোপের নিরাপত্তা বাস্তবায়ন করা।
- ন্যাটো একটি যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি, যে চুক্তির আওতায় জোটভুক্ত দেশগুলো পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা প্রদানে অঙ্গীকারাবদ্ধ।
- যুক্তরাষ্ট্রে নাইন-ইলেভেনের সন্ত্রাসী হামলার পর ন্যাটো তাদের রক্ষায় মাঠে নামে।
- এর প্রত্যেকটি সদস্য রাষ্ট্র তাদের সামরিক বাহিনীকে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত রাখতে বদ্ধপরিকর।

ন্যাটোর ৩২ সদস্য রাষ্ট্র
- ন্যাটোর ৩২ সদস্য দেশ হলো— আলবেনিয়া, বেলজিয়াম, বুলগেরিয়া, কানাডা, ক্রোয়েশিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রিস, হাঙ্গেরি, আইসল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মন্টিনেগ্রো, নেদারল্যান্ডস, উত্তর মেসিডোনিয়া, নরওয়ে, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন, তুরস্ক, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফিনল্যান্ড ও সুইডেন। 

উৎস: ন্যাটোর ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।  
৯৮০.
কোন চুক্তির ফলশ্রুতিতে OSCE জন্মলাভ করে?
  1. Minsk
  2. CSCE
  3. Maastricht
  4. Berlin
ব্যাখ্যা
- ৩০ জুলাই- ১ আগস্ট, ১৯৭৫ ফিনল্যান্ডের হেলসিংকিতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে Conference on Security & Co-operation in Europe (CSCE) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এ সময় ৩৫ টি দেশ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপের নিরাপত্তা ও সহযোগিতা সংস্থা Organisation for Security and Cooperation in Europe(OSCE) জন্মলাভ করে ।
- এটি হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা ভিত্তিক আন্তঃসরকার প্রতিষ্ঠান ।

সূত্র: ব্রিটানিকা
৯৮১.
তাসখন্দ চুক্তিতে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে মধ্যস্থতা করেছিলেন কে?
  1. অ্যালেক্সি কোসিগিন
  2. জোসেফ স্টালিন
  3. দিমিত্রি মেদভেদেভ
  4. মিখাইল গর্বাচেভ
ব্যাখ্যা

• তাসখন্দ চুক্তি:
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী 'অ্যালেক্সি কোসিগিনের' মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান দুই দেশের পক্ষে  চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।

৯৮২.
পৃথিবীর কোন অঞ্চলে হিজবুল্লাহ গেরিলা গোষ্ঠীর অবস্থান র‍য়েছে?
  1. ইয়েমেন
  2. ফিলিস্তিন
  3. লেবানন
  4. ইসরাইল
ব্যাখ্যা
হিজবুল্লাহ:
- হিজবুল্লাহ লেবাননের মুসলিম শিয়া সম্প্রদায়ের একটি রাজনৈতিক ও সশস্ত্ৰ গোষ্ঠী।
- হিজবুল্লাহর অবস্থান র‍য়েছে লেবাননে।
- ১৯৮২ সালে লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন ও গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ১৯৮৫ সালে প্রকাশ্যে হিজবুল্লাহর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- হিজবুল্লাহ ইরান ও সিরিয়ার সমর্থনপুষ্ট।
- বর্তমান ও তৃতীয় মহাসচিব শেখ হাসান নাসরুল্লাহ।
- ১৯৯২ সাল থেকে হাসান নসরুল্লাহ হিজবুল্লাহর মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

উৎস: Britannica.com
৯৮৩.
 ’তাসখন্দ চুক্তিতে‘ পাকিস্তানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন কে?
  1. লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
  2. মোহাম্মদ আইয়ুব খান
  3. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  4. ইস্কান্দার মির্জা
ব্যাখ্যা

• তাসখন্দ চুক্তি: 
- তাসখন্দ চুক্তি ছিল একটি দ্বিপাক্ষিক শান্তি চুক্তি।
- যা ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তির মধ্যস্থতাকারী দেশ তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।
• স্বাক্ষরের তারিখ ও স্থান:
- তারিখ: ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬ সালে।
- স্থান: তাসখন্দ, তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান উজবেকিস্তান)।

• প্রধান অংশগ্রহণকারীরা:
- ভারতের পক্ষে: প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী।
- পাকিস্তানের পক্ষে: প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আয়ুব খান।
- মধ্যস্থতাকারী: সোভিয়েত নেতা আলেক্সি কোসিগিন।
- ১৯৬৫ সালের আগস্ট মাসে কাশ্মীর নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো যুদ্ধ শুরু হয়।

 উৎস:  Britannica.com ও WorldAtlas.com.

৯৮৪.
NATO প্রতিষ্ঠাকালীন চুক্তি কোনটি?
  1. ক) The Washington Treaty
  2. খ) The North Treaty
  3. গ) The Brussels Treaty
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ন্যাটো

- প্রতিষ্ঠা: ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠাকালীন চুক্তি: The North Atlantic Treaty বা The Washington Treaty
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩০টি।
- সর্বশেষ সদস্য: উত্তর মেসিডোনিয়া (২৭ মার্চ, ২০২০)।
- মুসলিম সদস্য দেশ: তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- অফিসিয়াল স্লোগান/Motto: "Animus in consulendo liber (A mind unfettered in deliberation)"।
- ন্যাটো সামরিক সহযোগিতার জোট।
- ন্যাটো জোটভুক্ত দেশগুলো পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা প্রদানে অঙ্গীকারবদ্ধ।
ন্যাটোর  

উল্লেখ্য,
- ২০০২ সালে ন্যাটো-রাশিয়া সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- রাশিয়া ন্যাটোর সদস্য না হয়েও সহযোগী হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে। আর তাই, রাশিয়াকে ন্যাটো-২০ বলা হয়।
- ১ এপ্রিল, ২০১৪ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক হস্তক্ষেপের জের ধরে রাশিয়ার ন্যাটোর অংশীদারিত্ব স্থগিত করা হয়।


তথ্যসূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
৯৮৫.
টুপাক আমারু কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৭৫ সালে
  2. খ) ১৯৭৭ সালে
  3. গ) ১৯৮০ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৪ সালে
ব্যাখ্যা
টুপাক আমারু:

- টুপাক আমারু রেভ্যুলেশনারী মুভমেন্ট (MRTA) হলো পেরুর কমিউনিস্ট সশস্ত্র সংগঠন।
- ভিক্টর পোলে ক্যাম্পোস ১৯৮৪ সালে এমআরটিএ সংগঠিত করেছিলেন। 
- এটি পেরুতে শ্রেণীহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষে ১৯৮৪ সাল থেকে সশস্ত্র লড়াই শুরু করে।
- ২০০০ সালের দিকে এর কার্যক্রম নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। শাইনিং পাথ পেরুর অপর একটি কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।

তথ্যসূত্র - এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশন এর ওয়েবসাইট।
৯৮৬.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. কানাডা
  2. যুক্তরাষ্ট্রে
  3. জার্মানি
  4. নরওয়ে
ব্যাখ্যা

ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত, ক্যাম্পডেভিড অবকাশযাপন কেন্দ্রে স্বাক্ষরিত ইসরাঈল ও মিশরের মধ্যকার ১৯৭৮ সালে সম্পাদিত চুক্তিকে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি বলে
- মধ্যস্থতাকারী- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- স্বাক্ষর করে- মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরাইল প্রধানমন্ত্রী মেনামে বেগিন ।
- উদ্দেশ্য- মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি স্থাপন।
- ফলাফল- সাময়িকভাবে মিশরকে OIC ও আরব লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

উল্লেখ্য: 
​ক্যাম্পডেভিড, যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত একটি অবকাশযাপন কেন্দ্রে। এখানে চুক্তিটি সম্পাদিত হয়েছে বলে চুক্তিটি ক্যাম্পডেভিড নামে পরিচিত।

উৎস: Britannica

৯৮৭.
নিম্নের কোন গোয়েন্দা সংস্থা ‘অপারেশন র‍্যাথ অফ গড’ পরিচালনা করে?
  1. এমআই৬
  2. মোসাদ
  3. সিআইএ
  4. আইএসআই
ব্যাখ্যা

অপারেশন র‍্যাথ অফ গড (Operation Wrath of God):
- ‘অপারেশন র‍্যাথ অফ গড’ পরিচালনা করে গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ।
- এটি অপারেশন ‘বেয়োনেট’ নামেও পরিচিত।

⇒ ১৯৭২ সালের মিউনিখ অলিম্পিক হত্যাকাণ্ডের পর ‘অপারেশন র‍্যাথ অফ গড’ পরিচালনা করে মোসাদ।
- ১৯৭২ সালে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের আসর অনুষ্ঠিত হয়েছিল জার্মানির মিউনিখ শহরে। মিউনিখ অলিম্পিকে অংশ নেওয়া ইসরায়েলের অ্যাথলেটকে অপহরণ করে ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর। তাঁদের চাওয়া ছিল, ইসরায়েলের কারাগারে বন্দী থাকা কয়েকজন ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিতে হবে, কিন্তু তা হয়নি। জার্মান পুলিশ অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযানে নামে। এর ফলে অপহরণকারীরা দুজন খেলোয়াড়কে হত্যা করেন।
- এর জবাবে মোসাদ অপারেশন র‌্যাথ অব গড অভিযান পরিচালনা করে।
- এ অপারেশনের উদ্দেশ্য ছিল মিউনিখ গণহত্যায় জড়িতদের হত্যা করা।  মূল টার্গেট ছিল ফিলিস্তিনের সশস্ত্র উগ্রপন্থি গ্রুপ ‘ব্লাক সেপ্টেম্বরের’ সদস্যরা এবং প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের অপারেটিভরা। এ অপারেশন অনুমোদন দিয়েছিলেন ১৯৭২ সালের শরতে তখনকার ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী গোল্ডা মায়ার।

উল্লেখ্য,
- ইসরায়েলের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ। 
- মোসাদ-এর পূর্ণরূপ: Institute for Intelligence and Special Operations.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: ডেভিড বেনগুরিয়ন।
- বর্তমান পরিচালক (Director): ডেভিড বার্নিয়া (David Barnea)।
- সদরদপ্তর: তেলআবিব, ইসরাইল।
- প্রথম পরিচালক: রুভেন শিলোয়াহ (Reuven Shiloah)।
- মোসাদ ইসরায়েলের মূল গোয়েন্দা সংস্থা এবং এটি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও অত্যন্ত প্রভাবশালী। সংস্থাটি প্রধানত সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম, বিদেশি গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে। মোসাদ তার দক্ষ অপারেশন এবং অসাধারণ সাফল্যের জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত।

উৎস: Britannica.

৯৮৮.
সম্প্রতি, ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক পরিচালিত অপারেশনের নাম কোনটি? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. অপারেশন অ্যাবসোলিউট রিজলভ
  2. অপারেশন অ্যাবসোলিউট স্ট্রেন্থ 
  3. অপারেশন স্ট্রং হোল্ড
  4. অপারেশন লিবারেশন শিল্ড
ব্যাখ্যা

• অপারেশন অ্যাবসোলিউট রিজলভ: 
- কয়েক মাস ধরে উত্তেজনা বাড়তে থাকা এবং কূটনৈতিক চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভেনিজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার একটি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেন।
- ৩ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে মার্কিন সেনাবাহিনীর ডেল্টা ফোর্স আটক করেছে।  
- এই অভিযানের নাম ছিল “অপারেশন অ্যাবসোলিউট রিজলভ”। 
- মাদুরো সরকার যুক্তরাষ্ট্রে মাদক ও গ্যাং সদস্য পাঠাচ্ছে বলে ট্রাম্প প্রশাসন বহুদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে ।

তথ্যসূত্র: বিবিসি ও ফক্স ফোর।

৯৮৯.
ইরানের সাথে ছয় বিশ্বশক্তির পরমাণু চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে কত সালে?
  1. ক) ২০১৫ সালে
  2. খ) ২০১৪ সালে
  3. গ) ২০১৬ সালে
  4. ঘ) ২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা
২০১৫ সালের ১৩ জুলাই সোমবার রাতে ইরানের সাথে আইএইএ’র একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৪ জুলাই ভিয়েনায় ছয় বিশ্বশক্তির [যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স, চীন ও জার্মানি] সাথে পরমাণু চুক্তিতে স্বাক্ষর করে ইরান। সূত্রঃ দৈনিক সংগ্রাম।
৯৯০.
কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান কোথায়?
  1. প্রশান্ত মহাসাগরে
  2. উত্তর মহাসাগরে
  3. দক্ষিণ চীন সাগরে
  4. ভারত মহাসাগরে
ব্যাখ্যা
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের ঠিক উত্তরে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের কাছ থেকে এই দ্বীপগুলো সোভিয়েত ইউনিয়ন দখল করে নেয়।
- প্রশান্ত মহাসাগরের যে চারটি দ্বীপ নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ এটি তার মধ্যে একটি  হলো এই কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের মোট আয়তন ১০,৫০৩.২ বর্গ কি. মি.।
- দ্বীপপুঞ্জটি বর্তমানে সম্পূর্ণরূপে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণাধীন।
 
 সূত্র: ব্রিটানিকা, ওয়ার্ল্ড এটলাস ও বিবিসি বাংলা। 
৯৯১.
'কোয়াড' এর সদস্য দেশ কয়টি? (মে, ২০২৫)
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা
কোয়াড (QUAD):
- QUAD-এর পূর্ণরূপ: Quadrilateral Security Dialogue.
- কোয়াড হল অস্ট্রেলিয়া, ভারত, জাপান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি কূটনৈতিক জোট।
- এটি একটি অনানুষ্ঠানিক কৌশলগত নিরাপত্তা ফোরাম।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০০৭ সালে।
- সদস্য দেশ: ৪টি। (মে, ২০২৫)
• যুক্তরাষ্ট্র,
• অস্ট্রেলিয়া,
• ভারত,
• জাপান।
- কোয়াডের প্রাথমিক উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হল উন্মুক্ত, সমৃদ্ধ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য কাজ করা।

তথ্যসূত্র - অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ওয়েবসাইট।
৯৯২.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা কোনটি?
  1. CBI
  2. FBI
  3. FSB
  4. SIS
ব্যাখ্যা
• FBI:
- FBI এর পুরো নাম - Federal Bureau of Investigation।
- ২৬ জুলাই, ১৯০৮ সালে এই গোয়েন্দা সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাতা - মার্কিন প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্ট।
- সদর দপ্তর - ওয়াশিংটন ডিসি।
- ডিসেম্বর, ২০২৪ সালে এফবিআই-এর পরবর্তী পরিচালক হিসেবে কাশ প্যাটেলকে বেছে নিয়েছেন মার্কিন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এছাড়াও,
- FBI হল একটি অভ্যন্তরীণ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা যা অপরাধ তদন্ত এবং জাতীয় নিরাপত্তার সাথে সম্পর্কিত কাজ করে।
- যুক্তরাষ্ট্র গোয়েন্দা সংস্থা CIA (Central Intelligence Agency)
- CIA মূলত বিদেশী গোয়েন্দাগিরি এবং সিক্রেট অপারেশন পরিচালনা করে।

অন্যদিকে,
- CBI (Central Bureau of Investigation) হলো ভারতের অন্যতম প্রধান তদন্ত সংস্থা। 
- রাশিয়ার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা হল এফএসবি (FSB), যার পূর্ণরূপ Federal Security Service.
- বাংলাদেশের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা হল NSI (National Security Intelligence), 
- ভারত গোয়েন্দা সংস্থা RAW (Research and Analysis Wing), 
- পাকিস্তান গোয়েন্দা সংস্থা ISI (Inter-Services Intelligence), 
- ব্রিটেন গোয়েন্দা সংস্থা SIS/MI6 (Secret Intelligence Service/Military Intelligence Section 6),
- ইসরায়েল গোয়েন্দা সংস্থা MOSSAD (Institute for Intelligence and Special Operations).

উৎস:  এফবিআই ওয়েবসাইট ও যুগান্তর পত্রিকার নিউজ এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৯৯৩.
ইন্টারপোলের বর্তমান মহাসচিব কে?
  1. আহমেদ নাসের আল-রাইসি
  2. ভালডেসি উরকুইজা
  3. জুর্গেন স্টক
  4. রোনাল্ড কে. নোবেল
ব্যাখ্যা

ইন্টারপোল (Interpol):
- Interpol-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- প্রতিষ্ঠাতা: জোহানেস স্কোবার (Dr Johannes Schober) [অস্ট্রিয়ার পুলিশ প্রধান]।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি (সর্বশেষ সদস্য: পালাউ)।
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা (Valdecy Urquiza) [ব্রাজিল]।
- ইন্টারপোলের মূল লক্ষ্য হলো বিভিন্ন দেশের পুলিশ বাহিনীকে একত্রে কাজ করার সুযোগ করে দিয়ে বৈশ্বিক নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা করা।

⇒ পূর্ব নাম: International Criminal Police Commission. বর্তমান নাম International Criminal Police Organization গ্রহণ করে ১৯৫৬ সালে।
- রেড নোটিস: আন্তর্জাতিক গ্রেফতারি অনুরোধ।

উৎস: Interpol ওয়েবসাইট।

৯৯৪.
ইসরাইল কত সালে সিরিয়ার নিকট থেকে গোলান মালভূমি দখল করে নেয়?
  1. ক) ১৯৪৯ সালে
  2. খ) ১৯৫৬ সালে
  3. গ) ১৯৬৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
গোলান মালভূমি হলো মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত ইসরাইল দখলকৃত সিরিয়ার একটি পার্বত্য ভূমি। এটি জর্ডান নদীর পশ্চিমে ইসরাইল, সিরিয়া, লেবানন এবং জর্ডানের মাঝে অবস্থিত।

১৯৬৭ সালের ৫-১০ জুন ছয়দিনব্যাপী তৃতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল এটি দখল করে নেয়।
১৯৮১ সালে ইসরাইল গোলান মালভূমিকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য ভূমি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে নেয়। তবে আন্তর্জাতিকভাবে গোলান মালভূমি সিরিয়ার ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত।
গোলান মালভূমিতে জাতিসংঘের পর্যবেক্ষণ মিশন নিয়োজিত রয়েছে।

(তথ্যসূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৯৯৫.
NATO প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৪৫ সালে
  2. ১৯৪৬ সালে
  3. ১৯৪৯ সালে
  4. ১৯৫২ সালে
ব্যাখ্যা
- NATO গঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে।

NATO:
- NATO এর পূর্ণরূপ - North Atlantic Treaty Organization.
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO এর বর্তমান সদর দপ্তর ব্রাসেলস।
- এর ভুক্ত মুসলিম দেশ ২টি - তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- ন্যাটোর ISAF মিশন আফগানিস্তান নিয়োজিত ছিলো।

উল্লেখ্য,
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি।
- NATO এর বর্তমান সদস্য ৩২টি।[জুলাই - ২০২৫] 
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - সুইডেন।

সূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
৯৯৬.
ভিয়েনা কনভেনশনে মোট কতটি ধারা রয়েছে?
  1. ৫১টি
  2. ৪৯টি
  3. ৫৫টি
  4. ৫৩টি
ব্যাখ্যা

ভিয়েনা কনভেনশন-১৯৬১:
ভিয়েনা কনভেনশন- ১৯৬১ হল : কূটনৈতিক আচরণ সংক্রান্ত বিধি।
- চুক্তি অনুযায়ী, কূটনীতিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয় স্বাগতিক দেশকে।
- চািক্তটি গৃহীত হয়: ১৮ এপ্রিল ১৯৬১,
- চুক্তিটি কার্যকর হয়: ২৪ এপ্রিল ১৯৬৪,
- স্বাক্ষরিত হওয়ার স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া,
- ভিয়েনা কনভেনশনে মোট ৫৩টি ধারা রয়েছে।
- কোনো দেশ ওইসব ধারার পরিপন্থী কাজ করলে সেটাকে 'চুক্তির বরখেলাপ' হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৯৬৫ সালে ভারত 'ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশনস' চুক্তিতে সাক্ষর করে।
- বাংলাদেশ ওই চুক্তিতে সই করে ১৯৭৮ সালে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৯৯৭.
কত সালে হামাস ফিলিস্তিনের নির্বাচনে জয়লাভ করে গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ নেয়?
  1. ২০০৫ সালে
  2. ২০০৬ সালে
  3. ২০০৭ সালে
  4. ২০০৮ সালে
ব্যাখ্যা

হামাস:
- হামাস ফিলিস্তিনের গেরিলা সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৮৭।
- প্রতিষ্ঠাতা: শেখ ইয়াসিন।
- এর সদরদপ্তর গাজায় অবস্থিত।
- সামরিক শাখা: ইজ্জেদিন আল-কাশেম ব্রিগেডস।

⇒ ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি দখলদারত্বের অবসানের দাবিতে ‘ইন্তিফাদা’ বা ফিলিস্তিনি গণজাগরণ শুরুর পর ১৯৮৭ সালে হামাস গঠিত হয়। কট্টর ইসরায়েলবিরোধী আধ্যাত্মিক নেতা শেখ আহমাদ ইয়াসিনের নেতৃত্বে আবদেল আজিজ আল-রান্তিসি ও মাহমুদ জহর সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- শুরু থেকেই নীতিগতভাবে প্রয়াত ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাতের স্বাধীনতাপন্থী সংস্থা পিএলও এর বিরোধিতা করে আসছে দলটি।
- দের প্রথম উদ্দেশ্য এর সামরিক শাখা ইজ্জেদিন আল-কাশেম ব্রিগেডসের মাধ্যমে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া। দ্বিতীয় উদ্দেশ্য ফিলিস্তিনে বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করা।
- ২০০৬ সালে গাজার সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে হামাস।
- ২০০৭ সালে গোটা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ পায় দলটি।

উল্লেখ্য,
- আরব বিশ্বের প্রথম ব্যালট বাক্সের নির্বাচনে জিতেছে হামাস।
- গাজা, পশ্চিম তীর এবং অধিকৃত পূর্ব জেরুসালেমে ফিলিস্তিনিরা ২০০৬ সালের ২৫শে জানুয়ারি ভোট দেয় কয়েক দশকের মধ্যে অনুষ্ঠিত প্রথম পার্লামেন্ট নির্বাচনে।
- সেবারই প্রথমবারের মত ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাস অংশ নেয় ফিলিস্তিনের কোন সংসদীয় নির্বাচনে।
- সংসদের ১৩২টি আসনের মধ্যে হামাস জয়লাভ করে ৭৪টি আসনে। 
- ক্ষমতাসীন ফাতাহ পার্টি পায় মাত্র ৪৫টি আসন।

উৎস: i) Al Jazeera.
ii) Britannica.
iii) CIA World Factbook.

৯৯৮.
NAFTA এর স্থলাভিষিক্ত যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়-
  1. USMCA
  2. NAPTA
  3. USTPPC
  4. SAFTA
ব্যাখ্যা

- NAFTA এর পূর্ণরূপ North American Free Trade Agreement.
- এই চুক্তি পাস হয় ১৭ নভেম্বর, ১৯৯২ সালে।
- এই চুক্তিটি কার্যকর হয় ১ জানুয়ারি, ১৯৯৪ সালে।
- নাফটার সদস্য দেশ ৩টি। যথাঃ যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডা।
- বর্তমানে NAFTA এর স্থলাভিষিক্ত USMCA চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় তিনটি দেশের মধ্যে।

৯৯৯.
প্রথম আরব দেশ হিসেবে ইসরাইলকে স্বীকৃতি প্রদান করে-
  1. ক) তুরস্ক
  2. খ) জর্ডান
  3. গ) মিশর
  4. ঘ) বাহরাইন
ব্যাখ্যা
প্রথম আরব দেশ হিসেবে মিশর ২৬শে মার্চ ১৯৭৯ ইসরাইলকে স্বীকৃতি প্রদান করে মিশর।
দ্বিতীয় আরব দেশ হিসেবে জর্দান ২৬ অক্টোবর ১৯৯৪ তারিখে ইসরাইলকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
সম্প্রতি (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০) তৃতীয় ও চতুর্থ আরব দেশ হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে। পরবর্তীতে সুদান ও মরক্কোও একই পথ অনুসরণ করে।
প্রথম মুসলিম দেশ হিসেবে তুরস্ক ১৯৪৯ সালের ২৮ মার্চ ইসরাইলকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
(সূত্র: বিবিসি এবং জুয়িশ ভার্চুয়াল লাইব্রেরী)
১,০০০.
ANZUS গঠনের লক্ষ্যে কোথায় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. সিডনি, অস্ট্রেলিয়া
  2. নিউইয়র্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  3. সান ফ্রান্সিসকো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  4. ক্যানভেরা, অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
• ANZUS:
-চুক্তি  স্বাক্ষরিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১।
- কার্যকর হয়: ১৯৫২ সালে।
- সদস্য দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরের স্থান:  সান ফ্রান্সিসকো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- এটি একটি সামরিক জোট। 

উল্লেখ্য, 
- ১৯৮০-এর দশকের মাঝামাঝি নিউজিল্যান্ড একটি পরমাণু বিরোধী নীতি চালু করেছিল, যার একটি বিধান ছিল মার্কিন নৌবাহিনীসহ নিউজিল্যান্ডের বন্দরগুলোতে পারমাণবিক অস্ত্রবাহী জাহাজ নিষিদ্ধ করা।
- এর প্রতিক্রিয়া হিসাবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৮৬ সালে নিউজিল্যান্ডের সাথে তার চুক্তির বাধ্যবাধকতা স্থগিত করে এবং দুই দেশের সামরিক সম্পর্ক হ্রাস করে।

সূত্র: ব্রিটানিকা।