ব্যাখ্যা
- সুতরাং 'তিমির'-এর বিপরীতার্থক শব্দ - আলো।
• 'অন্ধকার' শব্দের সমার্থক শব্দ:
আঁধার, আধারি, তমসা, তিমির, তমিস্র, শর্বর, তমঃ, তমিস্রা, আঁধিয়ার, তিমির ইত্যাদি।
উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৭৬ / ৮১ · ৭,৫০১–৭,৬০০ / ৮,১৭১
• 'যা আহুত (ডাকা) হয় নি' এর এক কথায় প্রকাশ - অনাহুত।
অন্যদিকে,
• 'যা আঘাত পায় নি' এর এক কথায় প্রকাশ - অনাহত।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ:
• 'যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে' এক কথায বলে - প্রত্যুৎপন্নমতি।
• 'যার কোন কিছু থেকেই ভয় নেই' এক কথায বলে - অকুতোভয়।
• 'কথায় প্রকাশ করার অযোগ্য' এক কথায় প্রকাশ - অবক্তব্য।
• 'যা পূর্বে শোনা যায় নি এমন' এক কথায় প্রকাশ - অশ্রুতপূর্ব।
• 'যা কখনো নষ্ট হয় না এমন' এক কথায় প্রকাশ - অবিনশ্বর।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
'বন' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- অরণ্য, জঙ্গল, কানন, বনানী, বনবাদাড়, কুঞ্জ, কান্তার, বিপিন, অটবী।
অন্যদিকে,
'পদ্ম' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- কমল, উৎপল, পঙ্কজ, কুমুদ, কুবলয়, শতদল, অরবিন্দ, রাজীব, নলিনী, সরোজ।
'বৃক্ষ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- গাছ, পাদপ, দ্রুম, বনানী, তরু, বিটপী, শাখী, পণী, শৃঙ্গী, শিখরী, মহীরুহ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• ‘থ বনে যাওয়া’ বলতে বোঝায় হঠাৎ কোনো অবস্থায় বিস্মিত বা স্তম্ভিত হয়ে যাওয়া।
--------------------------------------------
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা-
- অকাল কুষ্মাণ্ড = অপদার্থ, অকেজো;
- আকাশ কুসুম = অসম্ভব কল্পনা;
- ইঁদুর কপালে = নিতান্ত মন্দভাগ্য;
- উড়নচন্ডী = অমিতব্যয়ী;
- এলোপাতাড়ি = বিশৃঙ্খলা;
- ওজন বুঝে চলা = অবস্থা বুঝে চলা;
- কচুকাটা করা = নির্মমভাবে ধ্বংস করা;
- খাল কেটে কুমির আনা = বিপদ ডেকে আনা;
- গরজ বড় বালাই = প্রয়োজনে গুরুত্ব;
- ঘর ভাঙানো = সংসার বিনষ্ট করা;
- চক্ষুদান করা = চুরি করা;
- জগাখিচুড়ি পাকানো = গোলমাল বাধানো;
- ঝড়ো কাক = বিপর্যস্ত;
- টাকার কুমির = ধনী ব্যক্তি;
- ডুমুরের ফুল = দুর্লভ বস্তু;
- ঠাঁট বজায় রাখা = অভাব চাপা রাখা;
- ঢাক ঢাক গুড় গুড় = গোপন রাখার চেষ্টা;
- তাসের ঘর = ক্ষণস্থায়ী;
- থ বনে যাওয়া = স্তম্ভিত হওয়া।
উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ;
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর।
• 'ঈদের চাঁদ' বাগ্ধারার অর্থ- আকাঙ্ক্ষিত বস্তু।
বাক্য- হারানো ছেলেকে ফিরে পেয়ে মা যেন ঈদের চাঁদ হাতে পেলেন।
অন্যদিকে,
• 'আঁধার ঘরের মানিক' অর্থ- অত্যন্ত প্রিয়জন।
• 'আকাশকুসুম' অর্থ- কাল্পনিক বস্তু।
• 'কেউকেটা' অর্থ- বিশিষ্ট ব্যক্তি।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'তুলসী বনের বাঘ' বাগ্ধারার অর্থ - ভণ্ড, শয়তান।
বাক্য: নাম শুভ হলে হবে কী, আসলে ও তুলসী বনের বাঘ।
অন্যদিকে,
• 'ঢাকের কাঠি' অর্থ - তোষামোদকারী।
• 'ডাকাবুকো' অর্থ - নিৰ্ভীক।
• 'তালকানা' অর্থ - কাণ্ডজ্ঞানহীন।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াৎ মামুদ।
• 'খপোত' শব্দের অর্থ - বিমান, উড়োজাহাজ, আকাশযান।
আরো কয়েকটি শব্দের অর্থ:
- 'খরগোশ' শব্দের অর্থ - শশক।
- 'গাড়ি' শব্দের অর্থ - পণ্য বহনের জন্য ব্যবহৃত শকট।
- 'হরিণ' শব্দের অর্থ - কুরঙ্গ, মৃগ, সুনয়ন।
- 'যুবক' শব্দের অর্থ - তরুণ / জোয়ান।
- ‘পাখি’ শব্দের অর্থ - পক্ষী, বিহগ, বিহঙ্গ, খেচর, বিহঙ্গম, শকুন্ত, অণ্ডজ, পতত্রী৷
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান ও বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ ও ২০২১ সংস্করণ)।
• 'তীর্থের কাক' বাগ্ধারার অর্থ - সুযোগ সন্ধানী।
অন্যদিকে,
• 'চিনে জোঁক' অর্থ - নাছোড়বান্দা।
• 'উড়নপেকে' অর্থ- অপব্যয়ী।
• 'কলুর বলদ' অর্থ- একটানা খাটুনি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম দশম শ্রেণি (২০২১- সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'কত ধানে কত চাল' প্রবাদটির অর্থ - অভিজ্ঞতা দিয়ে জানা।
অন্যদিকে,
- 'উন বর্ষে দুনো শীত' প্রবাদটির অর্থ - অল্প বর্ষায় বেশি শীত।
- 'উনা ভাতে দুনা বল' প্রবাদটির অর্থ - স্বল্পাহার স্বাস্থ্যপ্রদ।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
• 'অষ্টরম্ভা' বাগ্ধারাটির অর্থ- ফাঁকি।
• কিছু বহুল প্রচলিত বাগ্ধারা:
- 'কেউকেটা' - বিশিষ্ট ব্যক্তি।
- 'দুধের মাছি' - সুসময়ের বন্ধু।
- 'তালকানা' - কাণ্ডজ্ঞানহীন।
- 'আদায় কাঁচকলায়' - ঘোর শত্রুতা।
- 'আকাশের চাঁদ'- দুর্লভ বস্তু।
- 'উড়নপেকে' - অপব্যয়ী।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• কলাপী শব্দের সমার্থক শব্দ - ময়ূর।
ময়ূর' শব্দের সমার্থক শব্দ :
- কলাপী , কেকী , শিখী , শিখণ্ডী , বর্হী , বর্হিণ।
• বৃক্ষ শব্দের সমার্থক শব্দ:
- গাছ, পাদপ, দ্রুম, তরু, বিটপী, শাখী, পণী, শৃঙ্গী, শিখরী, মহীরুহ ইত্যাদি।
‘কবুতর’ এর সমার্থক শব্দ:
- কপোত, পায়রা, পারাবত, নোটন।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'বিহান' শব্দের অর্থ প্রভাত, সকাল।
• এর বিপরীত শব্দ সন্ধ্যা।
উৎসঃ ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
• 'Disparity' এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ- বৈষম্য।
অন্যদিকে,
• 'Disobedience' অর্থ - অবাধ্যতা।
• 'Disobey' অর্থ - অমান্য করা।
• 'Disorder' অর্থ - বিশৃঙ্খলা।
উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা, বাংলা একাডেমি।
গভীর জলের মাছ- চালাক লোক; যার অনেক বুদ্ধি আছে।
বুদ্ধির ঢেঁকি- নিরেট মূর্খ, নির্বোধ।
বক ধার্মিক/বিড়াল তপস্বী- ভন্ড সাধু।
কাক ভেজা - সম্পূর্ণ ভেজা।
ভূষণ্ডির কাক/কাক ভূষণ্ডি - বিচক্ষণ ব্যক্তি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
• 'তাসের ঘর' বাগ্ধারার অর্থ - ক্ষণস্থায়ী বা ক্ষণস্থায়ী ঘর।
• 'শরতের শিশির' বাগ্ধারার অর্থ - সুসময়ের বন্ধু বা ক্ষণস্থায়ী।
অন্যদিকে,
তামার বিষ - অর্থের কুপ্রভাব।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
ব্যাকরণের যে অংশে শব্দ, বর্গ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয়, সেই অংশের নাম অর্থতত্ত্ব। একে বাগর্থতত্ত্বও বলা হয়।
বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ, শব্দজোড়, বাগধারা প্রভৃতি বিষয় অর্থতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত।
এছাড়া শব্দ, বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা নিয়েও ব্যাকরণের এই অংশে আলোচনা থাকে।
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।
• 'রাত্রির মধ্য ভাগ' এর এক কথায় প্রকাশ - মহানিশা।
অন্যদিকে,
রাত্রিকালীন যুদ্ধ - সৌপ্তিক।
রাতের শিশির - শবনম।
রাত্রির তিন ভাগ একত্রে - ত্রিযামা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'Adherence' এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ- আনুগত্য, বিশ্বস্ততা, সংলগ্নতা, সংশ্লিষ্টতা।
অন্যদিকে,
• 'Adjacent' এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ- সন্নিহিত, নিকটস্থ।
• 'Adjoining' এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ- সংলগ্ন, পার্শ্ববর্তী।
• 'Adjusted' এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ- সমন্বিত।
উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।
• সমার্থক শব্দগুচ্ছ — হয়, বাজী, মরুদ্রথ।
- এগুলো ঘোড়ার সমার্থক শব্দ।
- ঘোড়ার সমার্থক শব্দগুলো হলো-
- অশ্ব, তুরগ, তুরঙ্গম, ঘোটক, হয়, বাজী, এবং ঘোটকী, বাহ, মরুদ্রথ, বামী, সৈন্ধব, বাহনশ্রেষ্ঠ, হ্রেষী, বড়বা, টাঙ্গন ইত্যাদি।
--------------------------
অন্যদিকে,
• অগ্নি শব্দের সমার্থক শব্দগুলো হলো: পাবক, দহন।
• অন্ধকার শব্দের সমার্থক শব্দগুলো হলো: তমিস্র, নভাক।
• আলো শব্দের সমার্থক শব্দগুলো হলো: অংশু, কর।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'Seconder' এর বাংলা পরিভাষা - সমর্থক।
অন্যদিকে,
Avocation - পেশা / বৃত্তি।
Amplitude - বিস্তার।
Delinquency - দুষ্ক্রিয়তা।
উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।
“মাছি মারা কেরানি”- প্রবচনটির অর্থ বিচারবোধহীন নকলনবিশ।
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
মাছি মারা কেরানি এর অর্থ হুবহু অনুকরণকারী ব্যক্তি। কেউ যদি কোনো কাজের অর্থ, প্রয়োগ ও গুরুত্ব বিবেচনা করে ভুলত্রুটিসহ শুধুমাত্র অনুকরণ করে যায় তাদের মাছি মারা কেরানি বলে। জীবনের প্রতিটা কাজের ক্ষেত্রে মানুষের নিজের বিচার বুদ্ধি বিবেচনা করার একটা সুযোগ থাকে। কিন্তু ‘কেরানি’ বা ইংরেজিতে যাদের ক্লার্ক বলে তাদের পেশাটাই এমন যেখানে নিজের বুদ্ধি বিবেচনার সুযোগ হয়তো কমই থাকে। এ পেশার লোকদের কাজই হলো অন্যের নির্দেশ হুবহু মেনে চলে কোনো কাজ করা।
এই প্রবচনটি ইংরেজ আমল থেকে প্রচলিত হয়ে আসছে। এটা নিয়ে সুন্দর একটা গল্প আছে। পড়তে পারেন- [এখানে ক্লিক করুন]
'সূর্য' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- রবি, তপন, ভানু, ভাস্কর, আদিত্য, সবিতা, প্রভাকর, দিবাকর, বিভাবসু, দিনমণি, মার্তণ্ড, অংশুমালী, অরুণ।
অন্যদিকে,
'চাঁদ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- চন্দ্র, শশী, শশধর, শশাঙ্ক, বিধু, সোম, নিশাকর, সুধাংশু, সুধাকর, ইন্দু, সিতাংশু, হিমাংশু, মৃগাঙ্ক।
'বিদ্যুৎ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- তড়িৎ, বিজলি, বিজুরি, অশনি, ক্ষণপ্রভা, সৌদামিনী, দামিনী, চপলা।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।