ব্যাখ্যা
কেষ্টবিষ্টু (বিশেষ্য)
অর্থ:
- সন্মানিত লোক;
-হোমরা-চোমরা।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১৪ / ৮১ · ১,৩০১–১,৪০০ / ৮,১৭১
চম্পূ (বিশেষ্য):
অর্থ = গদ্যপদ্যময় কাব্য।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।
• সমুদ্র শব্দের সমার্থক শব্দ নয়- বৈভব।
• সমুদ্র শব্দের সমার্থক শব্দ গুলো হলো:
অর্ণব, জলধি, উদধি, পয়োধি, পয়োনিধি, তোয়ধি, পারাবার, সাগর, সিন্ধু, বারিধি, বারীশ, রত্নাকর, সায়র, অকূল ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
• 'ধন' শব্দের সমার্থক শব্দ: বিত্ত, অর্থ, সম্পদ, বিভব, বৈভব, বিভূতি, নিধি, ঐশ্বর্য।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
- 'কামিনী' শব্দের সমার্থক শব্দ গুলো হলোঃ নারী, অবলা, রমণী, মহিলা, স্ত্রীলোক ইত্যাদি।
- এখানে রত্নাকর শব্দের অর্থ সমুদ্র।
- সৌদামিনী শব্দের সমার্থক শব্দ বিদ্যুৎ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
ময়ূখ (বিশেষ্য) কিরণ; আলো; জ্যোতিঃ; রশ্মি।
কালকূট (বিশেষ্য) তীব্র বিষ; গরল।
জহর (বিশেষ্য) বিষ; গরল; যা খেলে মৃত্যু হতে পারে।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
'ঝড়' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- বাত্যা, ঝটিকা, ঝঞ্ঝা, তুফান, প্রভঞ্জন, ঝড়ি, ঝঞ্ঝাবায়ু।
অন্যদিকে,
'ঝোকঁ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- টান, পক্ষপাত, আগ্রহ, প্রভাব, আকর্ষণ, ঘোের, শখ, প্রবণতা, পছন্দ।
'বিদ্যুৎ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
তড়িৎ, বিজলি, বিজুরি, ক্ষণপ্রভা, সৌদামিনী, দামিনী, চপলা, শম্পা।
'পদ্ম' শব্দের সমার্থক শব্দ:
শতদল, উৎপল, নলিনী, অরবিন্দ, পঙ্কজ, সরোজ, কমল, কুবলয়, তামরস, কোকনদ, কুমুদ, পুণ্ডরীক ইত্যাদি।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
'বন' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- অরণ্য, জঙ্গল, কানন, বনানী, বনবাদাড়, কুঞ্জ, কান্তার, বিপিন, অটবী।
অন্যদিকে,
'পদ্ম' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- কমল, উৎপল, পঙ্কজ, কুমুদ, কুবলয়, শতদল, অরবিন্দ, রাজীব, নলিনী, সরোজ।
'বৃক্ষ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- গাছ, পাদপ, দ্রুম, বনানী, তরু, বিটপী, শাখী, পণী, শৃঙ্গী, শিখরী, মহীরুহ ইত্যাদি।
উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• শব্দ এবং উচ্চারণ: রজত /রজোত্।
- ব্যুৎপত্তি: [সংস্কৃত মূল: রন্জ+অত]
- অর্থ (বিশেষ্য): রৌপ্য, রূপা, চাঁদি (রূপা)
- অর্থ (বিশেষণ): সাদা।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'উন্নত' এর বিপরীতার্থক শব্দ- অবনত, অনুন্নত।
অন্যদিকে,
অর্থ - অনর্থ।
ধনী - নির্ধন, দরিদ্র।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
• 'লাফিয়ে চলে যে' এক কথায় প্রকাশ - প্লবগ।
অন্যদিকে,
-----------------
• 'পা দিয়ে যে চলেনা' এক কথায় প্রকাশ- পন্নগ।
• 'হাঁস ডাহুক প্রভৃতি উভচর পাখি' - প্রবচর।
• 'ভেসে থাকতে পারার গুণ' - প্লবতা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
Incite(verb): encourage or stir up.
Synonym: provoke, instigate, motivate.
Source: Merriam Webster Dictionary.
• 'Monotony' এর বাংলা পরিভাষা - একঘেয়েমি।
অন্যদিকে,
Monopoly - একচেটিয়া
Monarchy - রাজতন্ত্র
Mortgage - বন্ধক
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• মেঘ শব্দের সমার্থক শব্দ- অভ্র।
'মেঘ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
জলদ, জলধর, নীরদ, বারিদ, ঘন, জীমূত, অভ্র, অম্বুবাহ।
অন্যদিকে,
'পানি'-এর সমার্থক শব্দ:
জল, নীর, উদক, সলিল, পানি, অপ, প্রানদ, তোয়, জীবন ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'Profiteer' এর বাংলা পরিভাষা - মুনাফাখোর।
অন্যদিকে,
• 'Apprentice' এর বাংলা পরিভাষা- 'শিক্ষানবিস'।
• 'Deceit' এর বাংলা পরিভাষা- 'প্রতারণা'।
• ‘Programme co-ordinator’ শব্দের বাংলা পরিভাষা - 'কার্যক্রম সমন্বয়ক'।
উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।
• 'দক্ষিণ হস্ত বাগ্ধারার অর্থ - প্রধান সহযোগী।
অন্যদিকে,
দহরম মহরম - অন্তরঙ্গতা।
থই পাওয়া - পথ পাওয়া/ অবস্থা নাগালে আসা।
ধর্মপুত্র যুধিষ্ঠির - সত্যবাদিতার ভান করা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
সঠিক উত্তর — ঘ) তোষামোদকারী।
উল্লখ্য,
'ধামাধরা' বাগধারাটির অর্থ = তোষামোদকারী/ যে ব্যক্তি অন্যের প্রশংসা করে নিজের স্বার্থ হাসিল করে।
বাক্যের বিশ্লেষণ:
• "ধামাধরা লোকজন সব সময় বসের পাশে থাকে" - এখানে বোঝানো হচ্ছে যে তোষামোদকারী লোকেরা সবসময় ক্ষমতাবান ব্যক্তির (বস) কাছাকাছি থাকে তাদের খুশি রাখার জন্য এবং নিজেদের সুবিধা আদায়ের জন্য।
অন্যান্য অপশনগুলো:
নির্লিপ্ততা অর্থ- উদাসীনতা।
কদরহীন লোক অর্থ- যার মূল্য নেই।
যথেচ্ছাচারী অর্থ- ইচ্ছামতো আচরণকারী।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• 'কূপমণ্ডূক' বাগ্ধারা অর্থ - সীমাবন্ধ জ্ঞানবিশিষ্ট।
উল্লেখ্য,
- কেউকেটা - তুচ্ছ ব্যক্তি।
- খয়ের খাঁ - তোষামোদকারী।
- খোদার খাসি - ভাবনাচিন্তাহীন।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
'Agoraphobia' এর পারিভাষিক শব্দ মুক্তস্থানাতঙ্ক; মুক্ত স্থান সম্বন্ধে আতঙ্ক।
সূত্র: বাংলা একাডেমি প্রণীত অভিগম্য অভিধান।
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
উদধি শব্দের অর্থ:
১) সমুদ্র।
২) মেঘ।
• 'মেঘ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
বারিদ, জীমূত, জলধর, জলদ, পয়োধর, তোয়দ, পয়োদ, নীরদ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
দৃপ্ত অর্থ বলিষ্ঠ, শক্তিমান
দীপ্ত অর্থ উজ্জ্বল, আলোকিত
উৎস : নবম দশম শ্রেণির ব্যাকরণ (নতুন)
• 'Custom' এর বাংলা পরিভাষা - প্রথা।
অন্যদিকে,
Excise Duty - আবগারি শুল্ক।
Obligatory - বাধ্যতামূলক।
Gratuity - আনুতোষিক।
উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।
• ‘ক্লান্তিহীনভাবে চলে যা’ বাক্যটি এক কথায় প্রকাশ করলে হয়- অক্লান্ত।
-----------------------
অন্যদিকে,
- কর্মে যাহার ক্লান্তি নাই' = অক্লান্ত কর্মী।
- ‘যাহার কোন কিছুতে ক্লান্তি নাই’ = ক্লান্তিহীন।
------------------------
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ:
- বাতাসে চরে যে = কপোত।
- পূর্ব জন্মের কথা স্মরণ আছে যার = জাতিস্বর।
- সরোবরে জন্মায় যাহা = সরোজ।
- যা পুনঃ পুনঃ জ্বলিতেছে = জাজ্বল্যমান।
- সকলের জন্য প্রযোজ্য = সর্বজনীন।
- সকলের জন্য অনুষ্ঠিত = সার্বজনীন।
- প্রায় প্রভাত হয়েছে এমন = প্রভাতকল্পা।
- রাত্রির মধ্যভাগ = মহানিশা।
- স্মৃতিশাস্ত্রে পণ্ডিত যিনি = শাস্ত্রজ্ঞ।
- স্মৃতি শাস্ত্র রচনা করেন যিনি = শাস্ত্রকার।
- এখনও শত্রু জন্মায় নাই যার = অজাতশত্রু।
- যা পূর্বে শোনা যায় নি — অশ্রুতপূর্ব।
- যা পূর্বে দেখা যায় নি — অদৃষ্টপূর্ব।
- যা বলা হয় নি — অনুক্ত।
- যা বলার যোগ্য নয় — অকথ্য।
- যার অন্য উপায় নেই — অনন্যোপায়।
- যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে — প্রত্যুৎপন্নমতি।
- যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না — অজ্ঞাতকুলশীল।
- যার সর্বস্ব হারিয়ে গেছে — সর্বহারা, হতসর্বস্ব।
- যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে — বীরপ্রসূ।
- যে নারীর সন্তান বাঁচে না — মৃতবৎসা।
- যে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ — শাপদসংকুল
- যে বিষয়ে কোনো বিতর্ক (বা বিরোধবাদ) নেই — অবিসংবাদিত।
- যা গমন করে না — নগ।
- যার স্পৃহা দূর হয়েছে — বীতস্পৃহ।
- যে রমণীর হাসি পবিত্র — শুচিস্মিতা।
- যে রমণীর হাসি সুন্দর — সুহাসিনী।
উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ;
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
• 'শিশমহল' একটি ফারসি শব্দ।
- যার অর্থ: কাচের ঘর।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ:
- কোথাও উঁচু কোথাও বা নিচু - বন্ধুর।
- কী করতে হবে যে স্থির করতে পারে না - কিংকর্তব্যবিমূঢ়।
- কুৎসিত আকার যার - কদাকার।
- কালে যা ঘটে - কালীন।
- কৃষি থেকে উৎপন্ন - কৃষিজ।
- কষ্টে অতিক্রম করা যায় যা- দুরতিক্রম্য।
- কূলের বিপরীত - প্রতিকূল।
- কাচের তৈরি ঘর - শিশমহল।
- কল্পনার দ্বারা রচিত মূর্তি - ভাবমূর্তি।
- ক্রিয়ার বিপরীত - প্রতিক্রিয়া।
- কিছু বলতে যার ঠোঁটে বাধে না - ঠোঁটকাটা।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
'বাঘের চোখ' বাগ্ধারার অর্থ দুঃসাধ্য বস্তু।
অন্যদিকে,
- বালির বাঁধ বাগ্ধারার অর্থ অস্থায়ী বস্তু।
- তাসের ঘর বাগ্ধারার অর্থ ক্ষণস্থায়ী বস্তু।
- কাঁঠালের আমসত্ত্বা বাগ্ধারার অর্থ অসম্ভব বস্তু।
- অমাবস্যার চাঁদ বাগ্ধারার অর্থ দুর্লভ বস্তু।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
‘ঘোড়া’ শব্দের সমার্থক শব্দ:
- অশ্ব, ঘোটক, হয়, বাজী, তুরঙ্গ।
অন্যদিকে,
'পাথর' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- পাষাণ, প্রস্তর, শিলা, উপল, অশ্ম, কঙ্কর।
'হাতি' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- গজ, হস্তী, করী, দ্বিপ, বারণ, মাতঙ্গ, কুঞ্জর, দন্তী, দ্বিরদ, পিল।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
'কাঁচা' পদের বিশিষ্টার্থে প্রয়োগ:
• 'অপূর্ণ' অর্থে- কাঁচা ঘুমে জাগিয়ো না।
• 'অদক্ষ' অর্থে- ছেলেটার বুদ্ধি কাঁচা।
• 'অপ্রাপ্ত বয়স্ক' অর্থে- ছেলেটার কাঁচা বয়েস।
• 'মাটির তৈরি' অর্থে- কাঁচা রাস্তায় বর্ষাকালে কাদা হয়।
• 'নতুন করে শুরু করা' অর্থে- গুটিটা কাঁচালে কেন?
• 'অল্প জ্ঞান' অর্থে- মেয়েটা অঙ্কে কাঁচা।
• 'কালো' অর্থে- বৃদ্ধলোকদের চুল কাঁচা থাকে না।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
সঠিক উত্তরঃ কোনটিই নয়।
শুদ্ধ [শুদ্ধো] (বিশেষণ)
১) নির্দোষ।
২) নির্মল।
৩) পবিত্র।
৪) শোধিত।
৫) খাঁটি; ভেজালহীন।
৬) নির্ভুল।
৭) শুচি।
৮) অমিশ্রিত।
৯) বিশুদ্ধ।
১০) আঞ্চলিকতা বর্জিত।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।
• 'ছিঁচকাঁদুনে' বাগ্ধারাটির অর্থ- সামান্যতে কেঁদে ফেলে।
• বাক্য গঠন- এম.এ. পাশ করেও মেয়েটার ছিঁচকাঁদুনে স্বভাব গেল না।
অন্যদিকে,
• 'উনপাঁজুরে' অর্থ- দুর্বল ও ব্যক্তিত্বহীন।
• 'ঝড়ো কাক' অর্থ- বিপর্যস্ত অবস্থা।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্ধারা:
• 'কড়ি কপালে, লগন চাঁদা' বাগ্ধারাটির অর্থ - ভাগ্যবান।
• 'কপাল ফেরা' বাগ্ধারাটির অর্থ - সৌভাগ্য লাভ।
• ‘ক-অক্ষর গোমাংশ’ বাগ্ধারাটির অর্থ - সম্পূর্ণ মূর্খ।
• 'কেউকেটা' বাগ্ধারাটির অর্থ - সামান্য।
• ‘আটাশে ছেলে’ বাগ্ধারাটির অর্থ - দুর্বল ছেলে।
• ‘আক্কেল সেলামি’ বাগ্ধারাটির অর্থ - নির্বুদ্ধিতার দণ্ড।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা , ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'ধামাধরা' বাগ্ধারার অর্থ - তোষামুদে।
অন্যদিকে,
দুকান কাটা - বেহায়া / নির্লজ্জ।
নয়-ছয় - অপচয়/বিশৃঙ্খল অবস্থা।
দিবাস্বপ্ন - অলীক কল্পনা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
'অরণ্যে রোদন' বাগধারাটির অর্থ হলো নিষ্ফল আবেদন বা বৃথা চেষ্টা।
- এর মানে হলো এমন কোনো আবেদন বা চেষ্টা করা যা কোনো ফল দেবে না
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
- অকাল কুষ্মাণ্ড: অপদার্থ, অকেজো,
- অক্কা পাওয়া: মারা যাওয়া,
- অগস্ত্য যাত্রা: চিরকালের জন্য প্রস্থান,
- অগাধ জলের মাছ: সুচতুর ব্যক্তি,
- অর্ধচন্দ্র: গলা ধাক্কা,
- অন্ধের নড়ি: একমাত্র অবলম্বন,
- আকাশ কুসুম: অসম্ভব কল্পনা,
- আকাশ পাতাল: অনেক পার্থক্য,
- অতি লোভে তাঁতি নষ্ট: লোভে ক্ষতি,
- অন্ধের যষ্টি: একমাত্র অবলম্বন,
- আঙুল ফুলে কলাগাছ: অপ্রত্যাশিত ধনলাভ,
- আষাঢ়ে গল্প: আজগুবি কথা,
- উভয় সংকট: দুই দিকেই বিপদ,
- উড়ে এসে জুড়ে বসা: অনধিকার চর্চা,
- এক চোখা: পক্ষপাতদুষ্ট,
- কচুকাটা করা: নির্মমভাবে ধ্বংস করা,
- কূপমণ্ডুক: সীমাবদ্ধ জ্ঞানসম্পন্ন,
- করায় গণ্ডায়: পুরোপুরি,
- গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল: আগেই আয়োজন,
- গোবর গণেশ: মূর্খ,
- গুড়ে বালি: আশায় নৈরাশ্য,
- চোখে ধুলো দেওয়া = প্রতারণা করা,
- ঝোপ বুঝে কোপ মারা: সুযোগ বুঝে আঘাত,
- টনক নড়া: চৈতন্যোদয় হওয়া,
- তিলকে তাল করা = বাড়িয়ে বলা,
- সাপের পাঁচ পা দেখা : অহঙ্কারী হওয়া,
- সোনায় সোহাগা : উপযুক্ত মিলন,
- সাক্ষী গোপাল : নিষ্ক্রিয় দর্শক,
- সখাত সলিলে : ঘোর বিপদে পড়া,
- সব শেয়ালের এক রা : ঐকমত্য,
- হাটে হাঁড়ি ভাঙা : গোপন কথা প্রকাশ করা,
- হাতটান : চুরির অভ্যাস,
- হ য ব র ল : বিশৃঙ্খলা,
- হরি ঘোষের গোয়াল : বহু অপদার্থ ব্যক্তির সমাবেশ,
- হরিলুট : অপচয়,
- হাড়ে দুর্বা গজানো : অত্যন্ত অলস হওয়া,
- হাতের পাঁচ : শেষ সম্বল,
- হীরার ধার : অতি তীক্ষ্ণবুদ্ধি,
- হোমরা চোমরা : গণ্যমান্য ব্যক্তি,
- হিতে বিপরীত : উল্টো ফল,
- হাড় হদ্দ : নাড়ি নক্ষত্র/সব তথ্য,
- হাড় হাভাতে : হতভাগ্য।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর।
• অকথ্য শব্দের অর্থ:
১. বলার অযোগ্য, অবাচ্য (অকথ্য কথন)।
২. কথায় প্রকাশ করা যায় না এমন (অকথ্য নির্যাতন)।
উল্লেখ্য,
- যা বলা হয়নি = অনুক্ত।
- যা বলা হয়েছে = উক্ত।
- যা বলা হবে = বক্তব্য।
- যা প্রকাশ করা হয়নি = অব্যক্ত।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
- ‘লেফাফা দুরস্ত’ বাগধারাটির অর্থ 'পরিপাটি'
- 'অকাল কুষ্মাণ্ড' বাগধারার অর্থ 'অপদার্থ'
- 'তুলসী বনের বাঘ' বাগধারার অর্থ 'শয়তান'
- 'হস্তিমূর্খ' বাগধারাটির অর্থ নিরেট 'মূর্খ'
[উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মাহমুদ]
• 'হাতি' এর সমার্থক শব্দ:
- গজ, দ্বিপ, দ্বিরদ, ঐরাবত, হস্তী, করী, দন্তী, দন্তাবল, দ্রুমারি, গজ ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
'ফণী' শব্দের সমার্থক শব্দ - সর্প, সাপ, আশীবিষ, নাগ, অহি, ভুজঙ্গ, ফনাধর, বিষধর ইত্যাদি।
উৎস: ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
’শাপে বর’ -বাগ্ধারার অর্থ- অমঙ্গলে মঙ্গল ঘটা।
অন্যদিকে,
’সাপে নেউলে’- বাগ্ধারার অর্থ- ভীষণ শত্রুতা।
’সপ্তকাণ্ড রামায়ণ’- বাগ্ধারার অর্থ- বৃহৎ বিষয়।
’ঘোল কলা’- বাগ্ধারার অর্থ- সম্পূর্ণ।
উৎস: ভাষা শিক্ষা ড. হায়াৎ মামুদ।