বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

মোট প্রশ্ন১,৭৮৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

PrepBank · পাতা / ১৮ · ৮০১৯০০ / ১,৭৮৪

৮০১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, দেশে আমদানি বাণিজ্যে শীর্ষ দেশ কোনটি? 
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক আমদানি:
- ২০২৩-২৪ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

⇒ দেশে আমদানি বাণিজ্যে শীর্ষ দেশ: চীন।
- আমদানির পরিমাণ: ২৮.৪৬%।

⇒ দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে: ভারত।
- আমদানির পরিমাণ: ১৩.৪২%

⇒ তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে: যুক্তরাষ্ট্র।
- আমদানির পরিমাণা: ৪.৫১%।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৮০২.
বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি) কোন বিভাগের অধীন?
  1. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ
  2. ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ
  3. সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ
  4. পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি):
- বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি) ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধীন একটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি।
- এটি ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর হতে দেশে সাবমেরিন ক্যাবল এর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করছে।
- এটি বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক তথ্য সুপারহাইওয়ে এর সাথে সংযুক্ত রেখেছে।
- বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ড (সংশোধনী) অধ্যাদেশ ২০০৮ এর ৫বি ধারাবলে কক্সবাজারস্থ ল্যান্ডিং স্টেশনসহ এসএমডব্লিউ-৪ সাবমেরিন ক্যাবলকে বিলুপ্ত বিটিটিবি থেকে আলাদা করে "বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)" নামক একটি নতুন কোম্পানি গঠন করা হয়।
- এটি গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে আরজেএসসি হতে ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে "বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি)" এ পরিবর্তিত হয়।
- এর লক্ষ্য দেশের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইডথের চাহিদার সাথে সংগতি রেখে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে পর্যাপ্ত ব্যান্ডউইডথের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা।

উৎস: বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি ওয়েবসাইট।
৮০৩.
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের নিয়ন্ত্রণাধীন সর্ববৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান-
  1. ক) শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড
  2. খ) ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড
  3. গ) যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড
  4. ঘ) কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড
ব্যাখ্যা
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ রসায়ন শিল্প সংস্থার নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে দেশে ৮টি সার কারখানা রয়েছে। শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের নিয়ন্ত্রণে স্থাপিত দেশের অত্যাধুনিক ডিসিএস, পিএলসি সম্বলিত শক্তি সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব দৈনিক ১৭৬০ মে.টন উৎপাদনক্ষমতা সম্পন্ন সর্ববৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপদনকারী একটি সরকারি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। এসএফসিএল কারখানাটি সিলেট শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। অন্যদিকে যমুনা সার কারখানা এবং চিটাগাং ইউরিয়া সার কারখানা এর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫ লক্ষ ৬১ হাজার মে. টন। কাফকো সার কারখানা বাংলাদেশ ও জাপানের যৌথ উদ্যোগে ১৯৯২ সালে চট্টগ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয়। যমুনা ও কাফকো সার কারখানায় দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়।
[সূত্রঃ বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট]
৮০৪.
বাংলাদেশের মোট রপ্তানিতে ইপিজেডের অবদান কত শতাংশ?
  1. ১০.৩০ শতাংশ
  2. ১৪.৭০ শতাংশ
  3. ২১.৮০ শতাংশ
  4. ২৭.২৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে ইপিজেডের অবদান ১৪.৭০ শতাংশ।
বিগত অর্থবছরে দেশের মোট রপ্তানির পরিমাণ ৩৩৬৭.৪ কোটি মা. ডলার যার মধ্যে ইপিজেড থেকে রপ্তানির পরিমাণ ছিলো ৪৯৪.৩৭৪ কোটি ডলার।
২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে ইপিজেডের অবদান ১৮.৫৬ শতাংশ এবং ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে ছিলো ১৯.৬৬ শতাংশ।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক)
৮০৫.
শিল্পখাত জিডিপির কয়টি খাতের সমন্বয়ে গঠিত?
  1. ক) ৮টি
  2. খ) ৫টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৭টি
ব্যাখ্যা
বৃহৎ শিল্পখাত জিডিপির ৫টি খাতের সমন্বয়ে গঠিত। যথা:
- খনিজ ও খনন
- ম্যানুফ্যাকচারিং
- বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা
- পানি সরবরাহ এবং
- নিৰ্মাণ

- এর মধ্যে জিডিপিতে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের অবদান সর্বোচ্চ। 
- স্থির মূল্যে ২০২১-২২ অর্থবছরের জিডিপিতে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের অবদান দাঁড়িয়েছে ২৪.৪৫ শতাংশ, যা গত অর্থবছরে ছিল ২৩.৩৬ শতাংশ। 
- অবদানের ক্ষেত্রে এটি অর্থনীতির সবচেয়ে বড় খাত।
- তবে বৃহৎ ৩টি খাতের মধ্যে হিসাব করলে (কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত), সেবাখাতের অবদান সবচেয়ে বেশি (৫১.৪৪%) ।
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
৮০৬.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট আমদানির পরিমান কত?
  1. ৬২ বিলিয়ন
  2. ৬১ বিলিয়ন
  3. ৫০ বিলিয়ন
  4. ৫৫ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা

- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে মোট ৬১ বিলিয়ন বা ৬ হাজার ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি হয়েছে, 
- যা এর আগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চেয়ে ৭ শতাংশ কম। 
- আগের অর্থবছরে আমদানি হয়েছিল ৬ হাজার ৫১৪ কোটি ডলারের পণ্য।
- পরিমাণের দিক থেকে ২০২৪–২৫ অর্থবছরে আমদানি বেড়েছে।
- সব মিলিয়ে সোয়া ১৪ কোটি টন পণ্য আমদানি হয়েছে, 
- যা এর আগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ১৩ কোটি ৭৬ লাখ টনের চেয়ে ৪ শতাংশ বেশি।

- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আওতাধীন ৫০টি শুল্ক স্টেশনে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে খালাস হওয়া পণ্যের তথ্য পর্যালোচনা করে আমদানির এই চিত্র পাওয়া গেছে।

উৎস: প্রথম আলো

৮০৭.
বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. গাজীপুর
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা

বিএমটিএফ:
- বিএমটিএফ এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর, ১৯৭৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (BMTF) যাত্রা শুরু করে।
- এটি শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে একটি।
- বিএমটিএফ এর কার্যক্রম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড গাজীপুরের শিমুলতলীতে অবস্থিত।
- এর আয়তন ১৫৬.৪৭ একর।
- বিএমটিএফ ১৯টি গতিশীল কারখানা নিয়ে গঠিত।
- সেনাবাহিনী প্রধানের নেতৃত্বে বোর্ড চেয়ারম্যান এবং একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নেতৃত্বে বিএমটিএফ এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

তথ্যসূত্র - বিএমটিএফ ওয়েবসাইট।

৮০৮.
বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৮১ সালে
  3. ১৯৮৩ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZ):
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা (Bangladesh Export Processing Zone Authority-BEPZA) দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- BEPZA প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে।
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ৮টি সরকারি ইপিজেড রয়েছে।
- যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড।
- এর বাইরে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে রয়েছে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল।

⇒ সরকারি ইপিজেডগুলো হলো:
• চট্টগ্রাম ইপিজেড: ১৯৮৩ সাল,
• ঢাকা: ১৯৯৩ সাল,
• মংলা, খুলনা: ১৯৯৮ সাল,
• কুমিল্লা: ২০০০ সাল,
• উত্তরা, নীলফামারী: ২০০১ সাল,
• ঈশ্বরদী, পাবনা: ২০০১ সাল,
• আদমজী, নারায়ণগঞ্জ: ২০০৬ সাল,
• কর্ণফুলি, চট্টগ্রাম: ২০০৬ সাল।

⇒ বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড:
- বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল হিসাবে ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের হালিশহরে ৪৫৩ একর জায়গার উপর নির্মাণ করা হয় চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- এটা সমুদ্র বন্দর থেকে ৩.১০ কিলোমিটার এবং শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে মাত্র ১১.৩০ কিলোমিটার দুরত্বে হওয়ায় শিল্প পার্ক হিসাবে দ্রুত প্রসার লাভ করেছ।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকেই চট্টগ্রামতথা বাংলাদেশের বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে চট্টগ্রাম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
- সম্প্রতি লন্ডন ভিত্তিক FDI ম্যাগাজিনThe Financial Times এর জরিপে চট্টগ্রাম ইপিজেড বিশ্বের ৭০০ টি ইকোনোমিক জোন এর মধ্যে Cost Effective Zone category-তে তৃতীয় স্থান এবং Best Economic Potential 2010-2011 category-তে চতুর্থ স্থান অধিকার করেছে (FDIম্যাগাজিন- জুন/জুলাই’১০ সংস্করণ)।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।
৮০৯.
ঔষধ শিল্পপার্ক কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) গজারিয়া
  2. খ) কালিয়াকৈর
  3. গ) সাভার
  4. ঘ) আড়াইহাজার
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম ঔষধ শিল্পপার্ক নির্মিত হচ্ছে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বাউশিয়ায়। এর আয়তন প্রায় ২০০ একর। ২০০৮ সালে সরকার ঔষধ শিল্পপার্ক স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করে। ২০২৩ সালে এটি পুরোদমে উৎপাদনে যাবে। (সূত্রঃ বিসিক ও বাংলাদেশ প্রতিদিন)
৮১০.
দেশের একমাত্র গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী 'উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. গাজীপুর
  3. কুষ্টিয়া
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা
উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ:
- 'উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ' চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত।

⇒ উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ ১৯৫৯ সালের ৩০শে জুন একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর উদ্দেশ্য ছিল স্মারকলিপিতে উল্লেখিত, যা অন্যান্য বিষয়ের সাথে সাথে একটি কাচের শিট কারখানা প্রতিষ্ঠা এবং পরিচালনার বিধান করে, যাতে জনসাধারণের একটি বৃহত্তর অংশকে একটি ক্রমবর্ধমান শিল্পের সাথে যুক্ত করা যায়।
- কোম্পানিটি ১৯৬২ সালের ২৭শে অক্টোবর একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তরিত হয়।

⇒ বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশ শিল্প উদ্যোগ (জাতীয়করণ) আদেশ, ১৯৭২ (১৯৭২ সালের পিওন নং ২৭) এর প্রাসঙ্গিক বিধান অনুসারে কোম্পানিটিকে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনায় অর্পণ করে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী, ১৯৮৭ সালে সম্পদের পুনর্মূল্যায়ন এবং কোম্পানির নিট মূল্য চূড়ান্তকরণের পর কোম্পানির ৪৯% শেয়ার জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ (জাতীয়করণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ১৯৮৭ (১৯৮৭ সালের অধ্যাদেশ নং ৭) দ্বারা সংশোধিত ১৯৭২ সালের পিও নং ২৭ এর অধীনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আর্থিক পুনর্গঠন করে।
- কোম্পানিটি চট্টগ্রামের কালুরঘাট শিল্প এলাকায় ৯.৮ একর জমিতে অবস্থিত একটি কারখানার মালিক এবং পরিচালনা করছে, যার বার্ষিক ২০১.০০ লক্ষ বর্গফুট (বর্গফুট) কাচের শিট উৎপাদন ক্ষমতা রয়েছে।

উৎস: BCIC ওয়েবসাইট।
৮১১.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় নদী বন্দর কোনটি?
  1. চাঁদপুর নদীবন্দর
  2. নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর
  3. ভৈরব নদীবন্দর
  4. ঢাকা নদীবন্দর
ব্যাখ্যা
নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর:
- পলাশী যুদ্ধে বাংলার পরাজয়ের পর পর ইংরেজরা দল বেঁধে এ অঞ্চলে আসতে থাকে ব্যবসা-বাণিজ্যের আশায়। 
- ইংল্যান্ডের টেমস নদীর পর পৃথিবীর দ্বিতীয় ‘হারবার’ বেষ্টিত শান্ত নদী শীতলক্ষ্যা।
- শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর বাংলাদেশের ঐতিহাসিক এবং সবচেয়ে বড় নদী বন্দর।
- ভৌগোলিক, বাণিজ্যিকভাবে এ বন্দরের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।

উৎস: বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ।
৮১২.
বাংলাদেশ কত সালে জাহাজ রপ্তানিকারক দেশ হিসাবে স্বীকৃতি পায়?
  1. ক) ২০০৯
  2. খ) ২০০৬
  3. গ) ২০০৭
  4. ঘ) ২০০৮
ব্যাখ্যা
- সম্প্রতি বাংলাদেশে তৈ‌রি এক‌টি পণ্যবাহী কন্টেইনার জাহাজ প্রথমবারের মতো যুক্তরাজ্যে রপ্তা‌নি করা হয়েছে। 
- দে‌শীয় প্রতিষ্ঠান আনন্দ শিপইয়ার্ডের তৈ‌রি করা ৬ হাজার ১০০ টন ধারণক্ষমতার জাহাজ‌টি কিনেছে যুক্তরাজ্যের এনজিয়ান শিপিং কোম্পানি লিমিটেড।
- বাংলাদেশের মুদ্রায় প্রায় ৬০ কোটি টাকায় এ জাহাজটি বিক্রি করেছে আনন্দ শিপইয়ার্ড।
- আনন্দ শিপইয়ার্ড এ পর্যন্ত দেশি-বিদেশি ক্রেতাদের কাছে ৩৫৬টি জলযান নির্মাণ করে সরবরাহ করেছে। 
- প্রতিষ্ঠানটি ২০০৮ সালে ডেনমার্কে অত্যাধুনিক কন্টেইনার জাহাজ “স্টেলা মেরিস” রপ্তানির মধ্য দিয়ে বংলাদেশের জন্য জাহাজ রপ্তানির স্বর্ণদ্বার উন্মোচন করে এবং বাংলাদেশ জাহাজ রপ্তানিকারক দেশ হিসাবে পরিচিতি পায়।
- জাহাজ নির্মাণশিল্প বাংলাদেশের একটি সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাত।
 
উৎস: বাংলা ট্রিবিউন, যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।
৮১৩.
এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে কোন দেশে?
  1. ইন্দোনেশিয়া
  2. ভিয়েতনাম
  3. জাপান
  4. ভারত
ব্যাখ্যা
• দেশভিত্তিক রপ্তানি:
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র। 
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে। 

তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, জুলাই-ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত।
৮১৪.
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারকদের সর্ববৃহৎ সংগঠন 'BGMEA' এর পূর্ণরুপ -
  1. Bangladesh Garments Manufact and Exporters Association
  2. Bangladesh Garment Manufacting Exported Association
  3. Bangladesh Garments Manufacturers and Exporters Associated
  4. Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association
ব্যাখ্যা
• BGMEA এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association.
•  বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারকদের সর্ববৃহৎ সংগঠন বিজিএমইএ (BGMEA)।
•  প্রতিষ্ঠা-১৯৮৩সালে।

উৎস: BGMEA ওয়েবসাইট।
৮১৫.
ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র কোনটি?
  1. ফ্রান্স
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জার্মানি
  4. স্পেন
ব্যাখ্যা

রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৮.০০%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১০.৯৬%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ৯.৫৭%।

→ এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ২.৯২%।

→ অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৮১৬.
প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কত বিলিয়ন মা. ডলার অতিক্রম করে?
  1. ক) ৩৩ বিলিয়ন মা. ডলার
  2. খ) ৩২ বিলিয়ন মা. ডলার
  3. গ) ৩৭ বিলিয়ন মা. ডলার
  4. ঘ) ৩৮ বিলিয়ন মা. ডলার
ব্যাখ্যা
২৮ জুলাই ২০২০ বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম করে। ৩ আগস্ট রিজার্ভ দাড়ায় ৩৭.২৮৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এর আগে ০২ জুলাই ২০২০ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৩৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম করে। একক মাস হিসেবে জুলাই মাসে ইতিহাসের সর্বোচ্চ ২.৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স আসায় রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম করে।
(সূত্র: ঢাকা ট্রিবিউন)
৮১৭.
টিকফা (TICFA) কী?
  1. Trade and Investment Corporation Frame Agreement
  2. Trade and Investment Conciliation Framework Agreement
  3. Trade and Investment Cooperation Forum Agreement
  4. Trade and Investment Coordination Framework Agreement
ব্যাখ্যা
• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা ফোরাম চুক্তি হচ্ছে Trade and Investment Cooperation Forum Agreement (টিকফা)।

- ২০১৩ সালে ‘বাণিজ্য ও বিনিয়োগের’ স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে দুই দেশের মধ্যে টিকফা চুক্তি সই হয়।
- এরই মধ্যে চুক্তির এক দশক পার হতে চলেছে।
- ২০২৩ সালে ঢাকায় টিকফার সপ্তম কাউন্সিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং পত্রিকা রিপোর্ট।
৮১৮.
“বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর” কয়টি জেলা নিয়ে গঠিত?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ১টি
ব্যাখ্যা
• চট্টগ্রাম ও ফেনী এই দুই জেলার ৩টি উপজেলা নিয়ে 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর' শিল্পাঞ্চল টি গড়ে তুলা হচ্ছে।

- চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুণ্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলা জুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে দেশের বৃহত্তম শিল্পাঞ্চল 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর'।
- এর আয়তন প্রায় ৩০ হাজার একর।
- এখানে প্রায় ১৫ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থান হবে।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ বা বেজা এটি বাস্তবায়ন করছে।

উৎসঃ বেজা ওয়েবসাইট।
৮১৯.
দেশের প্রথম অর্গানিক চা উৎপাদন শুরু হয় কোন জেলায়?
  1. কুড়িগ্রাম
  2. পঞ্চগড়
  3. মৌলভীবাজার
  4. হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা

অর্গানিক চা:
- অর্গানিক বা ভেষজ চা হচ্ছে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে কোনোরকম ক্ষতিকর রাসায়নিক ও কৃত্রিম উপাদান ছাড়া উৎপাদন প্রক্রিয়া।
- অর্গানিক চা চাষে রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহৃত হয় না।
- বাংলাদেশে পঞ্চগড় জেলার তেতুঁলিয়ায় সর্বপ্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়।
- ২০০০ সালে কাজী অ্যান্ড কাজী টি এস্টেটে চায়ের আবাদ শুরু হয়।
- উৎপাদন শুরু হয় ২০০৪ সালে।
- বর্তমানে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর জেলায় ক্ষুদ্র ও বৃহৎ পরিসরে অর্গানিক চায়ের চাষ হচ্ছে।


উল্লেখ্য,
- দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত চা বাগান ১৭১ টি। [নভেম্বর,২০২৫]
- মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত ৯০টি চা বাগান,
- সিলেট জেলায় অবস্থিত ১৯টি চা বাগান,
- পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত ১১ টি চা বাগান,
- রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত ০২টি চা বাগান,
- খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় অবস্থিত ০১টি চা বাগান।

উৎস: প্রথম আলো ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৮২০.
রাষ্ট্রয়াত্ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক নয় কোনটি?
  1. জনতা ব্যাংক পিএলসি
  2. রূপালী ব্যাংক
  3. বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
  4. পূবালী ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
• পূবালী ব্যাংক পিএলসি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক।

ব্যাংক:
- তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা - ৬১টি।
- রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি।
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- বাংলাদেশে বিদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা - ৯টি।
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৪৩টি।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান) - ৩৫টি।

রাষ্ট্রয়াত্ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- জনতা ব্যাংক পিএলসি।
- অগ্রণী ব্যাংক।
- রূপালী ব্যাংক।
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ ও বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৮২১.
গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭৪ সালে
  2. খ) ১৯৭৮ সালে
  3. গ) ১৯৮৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৭৬ সালে চট্টগ্রামের জোবরা গ্রামে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক একটি গবেষণা প্রকল্প চালু করেন যা পরবর্তীতে টাঙ্গাইল জেলাতেও বিস্তৃত হয়।
প্রকল্পটি সফলতা লাভ করায় বাংলাদেশ সরকার ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর অধ্যাদেশের মাধ্যমে এই প্রকল্পকে গ্রামীণ ব্যাংক এ রূপান্তর করে।
২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. ইউনূস নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
(সূত্র: গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
৮২২.
’অ্যালায়েন্স’ কীসের সাথে সম্পৃক্ত?
  1. কৃষি
  2. সিরামিক
  3. পোশাক
  4. চামড়া
ব্যাখ্যা

 যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন- Alliance।
- রানা প্লাজা ধসের ঘটনার পর বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের নিরাপদ কর্ম পরিবেশ তৈরিতে আমেরিকান ক্রেতাদের নিয়ে ২০১৩ সালে অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি নামের একটি জোট গঠিত হয়।
- এই জোটে গ্যাপ ও ওয়ালমার্টের মতো বড় ক্রেতা প্রতিষ্ঠানও রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিখ্যাত গার্মেন্টস ব্র্যান্ডগুলো নিয়ে গঠিত সংগঠন অ্যালায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ২৮টি।

উৎসঃ দ্যা ডেইলি স্টার এবং বিবিসি।

৮২৩.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ এর রিপোর্ট অনুসারে, চীন থেকে আমদানির পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ২৮.৪৬%
  2. ২৯.৩৭%
  3. ৩০.৮১%
  4. ৩১.২৫%
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক আমদানি:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ: ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।
⇒ বাংলাদেশের আমদানি ক্ষেত্রে শীর্ষ দেশ: চীন।
- আমদানির পরিমাণ: ২৮.৪৬%।

⇒ দ্বিতীয় অবস্থানে আছে: ভারত।
- আমদানির পরিমাণ: ১৩.৪২%।

⇒ তৃতীয় অবস্থানে আছে: যুক্তরাষ্ট্র।
- আমদানির পরিমাণ: ৪.৫১%।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৮২৪.
কৃষিক্ষেত্রে রবি মৌসুম হলো-
  1. ক) ভাদ্র-অগ্রহায়ণ
  2. খ) শ্রাবণ-আশ্বিন
  3. গ) কার্তিক-ফাল্গুন
  4. ঘ) চৈত্র-বৈশাখ
ব্যাখ্যা
• ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি  মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা: রবি মৌসুম এবং খরিপ মৌসুম।
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য। কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।
- গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিপ শস্য। চৈত্র থেকে আষাঢ় এবং শ্রাবণ থেকে আশ্বিন হলো খরিপ মৌসুম।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
৮২৫.
বর্তমানে বিএফআইডিসির মালিকানাধীন দেশে রাবার বাগান রয়েছে কতটি? [অক্টোবর,২০২৫]
  1. ২০টি
  2. ১৮টি
  3. ১৫টি
  4. ১৬টি
ব্যাখ্যা

-  বিএফআইডিসির মালিকানাধীন রাবার বাগান রয়েছে ১৮টি।

রাবার বাগান: 

- বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বৃটিশদের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথম রাবার চাষ শুরু হয়।
- ১৯৫৯ সালে  জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) বাংলাদেশে রাবার চাষের সম্ভাব্যতা যাচাই করে।
- ১৯৬১ সালে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় বাণিজ্যিকভাবে চট্টগ্রাম ও সিলেটের পার্বত্য এলাকায় রাবার চাষ শুরু করা হয়।
- বনবিভাগ ১৯৬০ সালে ২৮৭ হেক্টর জমিতে রাবার চাষের একটি পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করে।
- উক্ত প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজারের রামুতে ৩০ একর  এবং চট্টগ্রামের রাউজানে ১০ একর মোট ৪০ একর বাগান সৃষ্টির মাধ্যমে এদেশে রাবার চাষের যাত্রা শুরু হয়।
- বিএফআইডিসির মালিকানাধীন রাবার বাগান রয়েছে ১৮টি।


উৎস: বাংলাদেশ রাবার বোর্ড ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]

৮২৬.
সবচেয়ে বেশি উৎপাদণরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে -
  1. ক) ঢাকা ইপিজেডে
  2. খ) কুমিল্লা ইপিজেডে
  3. গ) চট্টগ্রাম ইপিজেডে
  4. ঘ) ঈশ্বরদী ইপিজেডে
ব্যাখ্যা
-  ইপিজেডসমূহে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ পর্যন্ত উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা - ৪৬৩টি এবং বাস্তবায়নাধীন রয়েছে - ৬৮টি। উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি - ১৩৯টি।
-  সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে - চট্টগ্রাম ইপিজেডে;
- উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা - ১৫৩টি।
- দ্বিতীয় - ঢাকা ইপিজেড; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা - ৯৪টি।
- সবচেয়ে কম উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে - ঈশ্বরদী ইপিজেডের;
- উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা - ১৯টি।

উৎস : অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১
৮২৭.
বাংলাদেশের শীর্ষ আমদানি পণ্য কোনটি?
  1. টেক্সটাইলস ও টেক্সটাইল সামগ্রী
  2. মেশিনারিজ ও মূলধনী যন্ত্রপাতি
  3. মিনারেল প্রোডাক্টস
  4. রাসায়নিক সামগ্রী
ব্যাখ্যা
২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ মোট ৫৪.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি করে।
শীর্ষ আমদানি পণ্যসমূহ (মার্কিন ডলার):
- প্রথম : টেক্সটাইলস ও টেক্সটাইল সামগ্রী (১০.২ বিলিয়ন)
- দ্বিতীয় : মিনারেল প্রোডাক্টস (৭.৫৫ বিলিয়ন)
- তৃতীয় : মেশিনারিজ ও মূলধনী যন্ত্রপাতি (৬.৯৮ বিলিয়ন)।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
৮২৮.
চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে দেশের মোট আমদানির কত শতাংশ বাণিজ্য সম্পন্ন হয়?
  1. ক) ৮০%
  2. খ) ৮৫%
  3. গ) ১৩%
  4. ঘ) ৮%
ব্যাখ্যা
চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে দেশের মোট আমদানির ৮৫ শতাংশ বাণিজ্য সম্পন্ন হয়।
দেশের অভ্যন্তরে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে জলপথ তথা নৌপথ ও সমুদ্রপথ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের তিনটি সমুদ্রবন্দর আছে— চট্টগ্রাম, মংলা ও পায়রা বন্দর। 
চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে দেশের মোট আমদানির প্রায় ৮৫ শতাংশ এবং রপ্তানির ৮০ শতাংশ বাণিজ্য সম্পন্ন হয়।
মংলা বন্দর দিয়ে মোট রপ্তানির প্রায় ১৩ শতাংশ এবং আমদানির প্রায় ৮ শতাংশ বাণিজ্য সম্পন্ন হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ (নবম - দশম শ্রেণি)
৮২৯.
ট্যারিফ কমিশন কয়টি শাখায় বিভক্ত?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

ট্যারিফ কমিশন:
- ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত একটি প্রতিষ্ঠান।
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২৮ জুলাই ১৯৭৩ তারিখের সিদ্ধান্তবলে উক্ত মন্ত্রণালয়ের একটি অধীনস্থ অধিদপ্তর হিসেবে কাজ শুরু করে।
- ১৯৯২ সনের নভেম্বরে উক্ত কমিশন বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন ১৯৯২ (১৯৯২ সনের ৪৩ নম্বর আইন)-এর অধীনে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন নামে পুর্ণগঠিত হয়।
- বর্তমানে এটি দেশীয় শিল্পসমূহকে অসম প্রতিযোগিতা থেকে রক্ষা ও যথাযথ সংরক্ষণের লক্ষ্যে একটি স্বায়ত্তশাসিত বিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।
- বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট।
- এর প্রধান হচ্ছেন সরকারের সচিব পর্যায়ের মর্যাদাসম্পন্ন একজন চেয়ারম্যান।
- কমিশন তিনটি শাখায় বিভক্ত:
• বাণিজ্য নীতিমালা।
• বাণিজ্য প্রতিকার।
• আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শাখা।
- প্রতিটি শাখা একজন সদস্য দ্বারা পরিচালিত। এছাড়াও একটি প্রশাসনিক শাখা আছে।
- এই শাখা কমিশনের সচিব দ্বারা পরিচালিত।

তথ্যসূত্র - ট্যারিফ কমিশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৮৩০.
এশিয়ার প্রথম সার কারখানা কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) রাজশাহীতে
  2. খ) ঢাকায়
  3. গ) চট্টগ্রামে
  4. ঘ) সিলেটে
ব্যাখ্যা
সঠিক  উত্তর: সিলেটে 

সার শিল্প:

- ১৯৬১ সালে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে প্রথম ।
- এশিয়ার প্রথম সার কারখানা হলো "ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড"(ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা)। যেটি সংক্ষেপে এনজিএফএফ (NGFF) নামে পরিচিত।
- ১১ আগস্ট, ২০২১ সালে নিলামে দ্বিগুণ দামে বিক্রি হয়েছে।
- সর্বোচ্চ দরদাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিলামে ২১১ কোটি ৪০ লাখ ২৫ হাজার টাকা দিয়ে পুরাতন সারকারখানাটি স্ক্রেপ হিসেবে কিনে নেন মেসার্স সাইদুর রহমান। 

উৎস: লাইভ এম সি কিউ লেকচার।
৮৩১.
উৎপাদন খাতে নিয়োজিত মাঝারি শিল্পের সর্বনিম্ন স্থায়ী সম্পদের মূল্য কত হতে হয়?
  1. ৮ কোটি টাকা
  2. ১০ কোটি টাকা
  3. ১২ কোটি টাকা
  4. ১৫ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

উৎপাদন খাতে নিয়োজিত মাঝারি শিল্পের সর্বনিম্ন স্থায়ী সম্পদের মূল্য ১৫ কোটি টাকা হতে হয়। 

মাঝারি শিল্প (Medium scale industries):

- ম্যানুফ্যাকচারিং এর ক্ষেত্রে ‘মাঝারি শিল্প’ (Medium Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১৫ কোটি টাকা থেকে ৫০ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২১-৩০০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।
- তবে তৈরি পোশাক প্রতিষ্ঠান/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে মাঝারি শিল্পে শ্রমিকের সংখ্যা সর্বোচ্চ ১০০০ জন।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘মাঝারি শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ২ কোটি টাকা থেকে ৩০ কোটি টাকা পর্যন্ত কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৫১-১২০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

উৎস: ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।

৮৩২.
ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স প্রেরণের ক্ষেত্রে সরকার কত শতাংশ বোনাস প্রদান করে?
  1. ক) ১ শতাংশ
  2. খ) ৩ শতাংশ
  3. গ) ২ শতাংশ
  4. ঘ) ৪ শতাংশ
ব্যাখ্যা

- বিদেশ থেকে অবৈধপথে অর্থ প্রেরণ বন্ধ করা এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার ২০১৯-২০২০ অর্থবছর থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রেরণে ২ শতাংশ প্রণোদনা বা বোনাস প্রদান চালু করে।
- এ উদ্যোগের ফলে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দেশের রেমিট্যান্স আহরণ ১৮.২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে রেমিট্যান্স আহরণ ২৪.৭৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌছায় যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং দৈনিক প্রথম আলো।

৮৩৩.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি রপ্তানি আয় আসে কোন খাত থেকে?
  1. পাট
  2. তৈরি পোশাক
  3. ওষুধ
  4. চা
  5. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৮.৩৫% বা ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৈরি পোশাক: ৩৭.১০%।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নীটওয়‍্যার ও তৈরি পোশাক পণ্যের রপ্তানি আয় ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

অন্যদিকে,
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.২৫%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- 'শিল্পজাত পণ্য'- এর অবদান/রপ্তানির হার; ৯৭.৩৭%।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: 'কৃষিজাত পণ্য' (১.৩৯%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: হিমায়িত খাদ্য' (০.৭১%)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৮৩৪.
The Security Printing Corporation Bangladesh Limited (SPCBL) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৮ সালে 
  2. ১৯৮৭ সালে 
  3. ১৯৮৩ সালে 
  4. ১৯৮২ সালে 
ব্যাখ্যা

 • দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন বাংলাদেশ :
- বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক ১৯৮১ সনে ‘সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস’ নামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে।
- ১৯৮৩ সনে একনেক (ECNEC) কর্তৃক অনুমোদিত হয়।
- বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস গাজীপুরে ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ।
- ১৯৮৮ সনে পরীক্ষামূলকভাবে ১ টাকা মূল্যমানের কারেন্সি নোট এবং ১০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট মুদ্রণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম কাগজি মুদ্রা উৎপাদন শুরু হয়।
- নোট উৎপাদনের পাশাপাশি ১৯৮৯-১৯৯০ সন থেকে , প্রাইজবন্ড, সঞ্চয়পত্র, স্মারক ডাকটিকিট, ইনভেলাপ, পোস্ট কার্ড, সরকারি ট্রেজারি বন্ড, পোস্টাল স্ট্যাম্প, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প, রেভিনিউ স্ট্যাম্প, সিগারেট ট্যাক্স-লেবেল, বিড়ি-ব্যান্ডরোল, বাণিজ্যিক ব্যাংকের চেকবই, সরকারি ও বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তামূলক ট্যাক্স-টোকেন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার নম্বরপত্র ও সনদপত্রের ফরমেট, বীজ প্রত্যয়ন ট্যাগ, বিআইডব্লিউটিএ এর টার্মিনাল টিকেট, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর জিএসপি ফরম, গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন পেপার সিল ইত্যাদি মুদ্রণ করা হয়েছে এবং হচ্ছে।
- এই প্রতিষ্ঠানটি সাধারণ জনগণের নিকট ‘টাকশাল’ নামে সর্বাধিক পরিচিত। 
- দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড-এর সংক্ষিপ্ত রূপ ‘এসপিসিবিএল’ বা ‘এসপিসি’ নামেও  পরিচিত।

উৎস: spcbl.

৮৩৫.
বাংলাদেশ ব্যাংক কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর
  2. ১৯৭২ সালের ২৯ মার্চ
  3. ১৯৭২ সালের ৯ মার্চ
  4. ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক হলো বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার-১৯৭২ এর অধীনে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরও দশটি শাখা রয়েছে।
- এগুলো হলো: মতিঝিল, সদরঘাট, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী, বগুড়া, খুলনা, ময়মনসিংহ, রংপুর।

এছাড়াও 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে, এটি বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমি নামে পরিচিত।
- প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৮৩৬.
কোন কাগজ কলে কাঁচামাল হিসেবে আখের ছোবড়া ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) কর্ণফুলি পেপার মিল
  2. খ) খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল
  3. গ) সিলেট পেপার মিল
  4. ঘ) নর্থবেঙ্গল পেপার মিল
ব্যাখ্যা
- পাবনা জেলার পাকশিতে অবস্থিত নর্থবেঙ্গল পেপার মিল ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- উৎপাদন শুরু করে ১৯৬৯ সালে। 
- ক্রমাগত লোকসানের জন্যে ৩০ ডিসেম্বর ২০০২ এটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়। 
- এই পেপার মিলে কাঁচামাল হিসেবে উত্তরবঙ্গের চিনিকল সমূহ হতে প্রাপ্ত আখের ছোবড়া ব্যবহার করা হতো।

- কর্ণফুলী পেপার মিলে বাঁশ।

- খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলে সুন্দরবনের গেওয়া কাঠ ব্যবহৃত হয়। 
- খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলও বর্তমানে বন্ধ। 

উৎস: বিসিআইসি ওয়েবসাইট।
৮৩৭.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে, শিল্প খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী কত শতাংশ?
  1. ক) ২১.৯ শতাংশ
  2. খ) ৩৯.০ শতাংশ।
  3. গ) ২০.৪ শতাংশ
  4. ঘ) ৩৭.০৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী,
• জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১১.৫ শতাংশ।
• কৃষি খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৪০.৬ শতাংশ।
• জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.০৭ শতাংশ।
• শিল্প খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ২০.৪ শতাংশ।
• জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.৪৪ শতাংশ।
• সেবা খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৩৯.০ শতাংশ।

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২
৮৩৮.
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশনের অধীন শিল্পনগরীর সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ৭৫টি
  2. খ) ৭৬টি
  3. গ) ৭৯টি
  4. ঘ) ৮০টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১ অনুসারে দেশে বর্তমানে বিসিক শিল্পনগরীর সংখ্যা ৭৬টি। এসব শিল্পনগরীতে উৎপাদনরত মোট শিল্প ইউনিটের সংখ্যা ৪,৬৬৬টি।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১)
৮৩৯.
চিলাহাটি স্থল বন্দর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ভুরুঙ্গামারি, কুড়িগ্রাম
  2. খ) কোম্পানীগঞ্জ, সিলেট
  3. গ) ডোমার, নীলফামারী
  4. ঘ) পাটগ্রাম, লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা
• স্থলবন্দর:
- স্থলপথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি সহজতর এবং উন্নতর করাই বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য।
- বর্তমানে বাংলাদেশের মোট স্থলবন্দরের সংখ্যা ২৫টি।
- যার মধ্যে চালুকৃত বন্দরের সংখ্যা ১২ টি।
- চালুকৃত ১২টি স্থলবন্দরের মধ্যে বেনাপােল, ভােমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল ও সোনাহাট স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের (বাস্থবক) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং সোনা মসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার স্থলবন্দর Build Operate Transfer (BOT) ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।
- চিলাহাটি স্থলবন্দর অবস্থিত - ডোমার, নীলফামারী
- চিলাহাটি স্থলবন্দরের সাথে ভারতীয় সীমান্তবর্তী জায়গার নাম- লদিবাড়ী, পশ্চিমবঙ্গ।
- সর্বশেষ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে দেশের ২৫তম স্থলবন্দর হিসেবে মুজিবনগর স্থলবন্দরের নাম গেজেট আকারে প্রকাশ হয়।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল ও কালের কণ্ঠ পত্রিকা।
৮৪০.
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA) কোন প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণাধীন?
  1. অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. শিল্প মন্ত্রণালয়
  3. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  4. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা

 Bangladesh Investment Development Authority (BIDA)
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA-Bangladesh Investment Development Authority) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৮৯ সালে - বিনিয়োগ বোর্ড গঠিত হয়।
- ১৯৯৩ সালে গঠিত প্রাইভেটাইজেশন বোর্ড এবং ১৯৮৯ সালে গঠিত বিনিয়োগ বোর্ড একীভূত করে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করা  হয়। 
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করা  হয়- ১ সেপ্টেম্বর ২০১৬।
- BIDA নির্বাহী চেয়ারম্যান- চৌধুরি  আশিক মুহাম্মদ বিন হারুন  (ডিসেম্বর- ২০২৫) ।
- বিডার লক্ষ- বাংলাদেশের বিদেশি  বিনিয়োগের পরিমাণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করা , যাতে দেশের আত্নসামাজিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
- সর্বশেষ বাংলাদেশ বিনিয়োগ সামিট অনুষ্ঠিত হয়েছে- ৭-১০ এপ্রিল ২০২৫ ।

উৎস: বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে (বিডা) এবং বাংলাপিডিয়া।

৮৪১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১ মতে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশের রপ্তানি আয়ের মধ্যে চামড়ার অবস্থান কত?
  1. ক) চতুর্থ
  2. খ) নবম
  3. গ) অষ্টম
  4. ঘ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২১।
৮৪২.
অর্থসচিব কর্তৃক স্বাক্ষরিত সরকারি নোট কোনটি?
  1. ক) দশ টাকা
  2. খ) পাঁচ টাকা
  3. গ) একশ টাকা
  4. ঘ) বিশ টাকা
ব্যাখ্যা
• কেন্দ্রীয় ব্যাংক যেসব নোট বের করে থাকে তাদের ব্যাংক নোট বলা হয়। এসব নোটে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তথা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বাংলাদেশে বর্তমানে ব্যাংক নোটের সংখ্যা সাতটি। এগুলো হলো:
- দশ টাকা
- বিশ টাকা
- পঞ্চাশ টাকা
- একশত টাকা
- দুইশত টাকা
- পাঁচশত টাকা এবং
- একহাজার টাকা।

• অন্যদিকে, পাঁচ, দুই ও এক টাকার নোট হলো সরকারি নোট। এসব নোটে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।
- এসব নোট বের করে অর্থ মন্ত্রণালয়।

তথ্যসূত্র: অর্থ মন্ত্রণালয় এবং প্রথম আলো।
৮৪৩.
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ কত বছর?
  1. ৩ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৫ ছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানের পদবী গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্ণর ছিলেন- এ. এন. হামিদুল্লাহ।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। (জুন, ২০২৫)
- তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৩তম গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ ৪ বছর।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৮৪৪.
বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো কোন দেশের সাথে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করে?
  1. ক) শ্রীলঙ্কা
  2. খ) ভারত
  3. গ) নেপাল
  4. ঘ) ভুটান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ভুটানের সাথে প্রথমবারের মতো অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করে ৬ ডিসেম্বর, ২০২০ সালে ঢাকায়।
- উক্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করে ভুটানের অর্থমন্ত্রী লিওনপো লোকনাথ শর্মা এবং বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশী।

[উৎস: ডাইনামিক প্যানেল]
৮৪৫.
লোকসানের কারণে বিজেএমসি সম্প্রতি কতটি রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বন্ধ করে দেয়?
  1. ক) ১৭টি
  2. খ) ২২টি
  3. গ) ২৫টি
  4. ঘ) ২৯টি
ব্যাখ্যা
ক্রমাগত লোকসানের কারণে বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি বিজেএমসির অধীনে থাকা সর্বশেষ ২৫টি রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বন্ধের ঘোষণা দেয়।
এর মাধ্যমে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল যুগের অবসান ঘটলো।
এর আগে ২০০২ সালের ৩০ জুন লোকসানের কারনে এশিয়ার বৃহত্তম আদমজী পাটকল বন্ধ ঘোষণা করে সরকার।
(সূত্র: বিবিসি বাংলা)
৮৪৬.
বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা কোথায় অবস্থিত?
  1. কুমিল্লা
  2. গাজীপুর 
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা (বিওএফ):
- বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনের একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- এই শিল্প প্রতিষ্ঠানটি ঢাকার অদূরে গাজীপুর জেলার চতর মৌজার ৩০৩.১৪ একর জমির উপর অবস্থিত।
- চীনের কারিগরী সহযোগিতায় কারখানাটি ১৯৭০ সালের ০৬ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে উৎপাদন শুরু করে।
- দেশের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে সামরিক ও আধা সামরিক বাহিনীর চাহিদা পূরণ করে উদ্বৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ রপ্তানিকরণ এ প্রতিষ্ঠানের মূল কর্মপরিধি।

উৎস: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৮৪৭.
BCIC-এর অধীনে পরিচালিত একমাত্র সিমেন্ট কারখানা কোনটি?
  1. ছাতক সিমেন্ট কারখানা
  2. মোংলা সিমেন্ট কারখানা
  3. লাফার্জ-সুরমা সিমেন্ট কারখানা
  4. মেঘনা সিমেন্ট কারখানা
ব্যাখ্যা
• ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড:
- ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা।
- ইহা ১৯৩৭ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হলে ১৯৬৬ সন হতে উহা ইপিআইডিসি’র নিয়ন্ত্রনে আসে।
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, পরে বিএমইডিসি এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি’র নিয়ন্ত্রণে আসে।

উৎস: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।
৮৪৮.
বিএফআইডিসির মালিকানাধীন দেশে কয়টি রাবার বাগান রয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ১৬টি
  2. ১৮টি
  3. ২১টি
  4. ২৮টি
ব্যাখ্যা

রাবার:
- রাবার একটি অত্যন্ত মূল্যবান অর্থকরী বনজ সম্পদ যার বিভিন্ন ধরণের ব্যবহার রয়েছে।
- রাবার গাছের কষ (ল্যাটেক্স) থেকে রাবার উৎপন্ন হয়।
- বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বৃটিশদের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথম রাবার চাষ শুরু হয়।
- ১৯৫২ সালে তৎকালীন বনবিভাগ মালয়েশিয়া ও শ্রীলংকা হতে রাবার বীজ ও কয়েক হাজার রাবার চারা নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে চট্টগ্রাম ও টাঙাইলের মধুপুর এলাকায় কিছু গাছ রোপণ করে।
- ১৯৫৯ সালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) বাংলাদেশে রাবার চাষের সম্ভাব্যতা যাচাই করে এবং এদেশের জলবায়ু ও মাটি রাবার চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী তাই বাণিজ্যিকভাবে রাবার চাষ করার সুপারিশ করে।
- ১৯৬১ সালে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় বাণিজ্যিকভাবে চট্টগ্রাম ও সিলেটের পার্বত্য এলাকায় রাবার চাষ শুরু করা হয়।

উল্লেখ্য,
- বিএফআইডিসির মালিকানাধীন রাবার বাগান রয়েছে ১৮টি।
- বাংলাদেশে রাবার জোন রয়েছে ৩টি। এগুলো হলো: বৃহত্তর চট্টগ্রাম, সিলেট এবং টাঙ্গাইল - শেরপুর।
- ৩টি জোনে মোট রাবার বাগান ১৮টি; এর মধ্যে চট্টগ্রামে ৯টি, সিলেট জোনে ৪টি এবং টাঙ্গাইল-শেরপুর জোনে ৫টি।

⇒ বিএফআইডিসি ১৯৮০-৮১ সাল হতে উচ্চ ফলনশীল রাবার চারা রোপণ শুরু করে এবং ১৯৯৭ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম, সিলেট ও মধুপুরের ১৩,২০৭ হেক্টর জমিতে ১৬টি রাবার বাগান সৃজন করে।
- তার মধ্যে ৮% চারা মালয়েশিয়া হতে আনীত প্রিম ৬০০ এবং পিবি ২৩৫ ক্লোন হতে লাগানো হয়।
- প্রতিটি ক্লোন হতে উৎপন্ন চারা হতে বছরে তিন কেজি করে রাবার উৎপন্ন হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ রাবার বোর্ড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

৮৪৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার কোন দেশ?
  1. চীন
  2. যুক্তরাজ্য 
  3. জার্মানি
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

উল্লেখ্য,
- নীটওয়্যার: ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪৮.৩৫%)।
- তৈরি পোশাক: ১৪,২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩৭.১০%)।

⇔ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- দেশ হিসেবে তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- ২০২৪ সালে বাংলাদেশ থেকে ৭৩৪ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। 
- এই রপ্তানি ২০২৩ সালের তুলনায় শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ বেশি।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ii) ১১ মার্চ, ২০২৫, প্রথম আলো।
৮৫০.
তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অপ্রচলিত বাজারগুলোর মধ্যে শীর্ষে আছে- [জুলাই, ২০২৫]
  1. ভারত
  2. জাপান
  3. রাশিয়া
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
পোশাক রপ্তানির অপ্রচলিত বাজার:
- চলতি ২০২৪–২৫ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) নতুন বাজারগুলোতে মোট ৬০৪ কোটি মার্কিন ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে।
- এ রপ্তানি গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ৭৯ শতাংশ বেশি।
- বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে অপ্রচলিত সবচেয়ে বড় বাজার জাপান।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মে পর্যন্ত ১১ মাসে দেশটিতে ১১২ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়।
- যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১০ দশমিক ৩২ শতাংশ বেশি।
- অপ্রচলিত বাজারগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

উল্লেখ্য,
- অপ্রচলিত বা নতুন বাজার বলতে এমন দেশ বা অঞ্চলকে বোঝানো হয়, যেগুলো প্রচলিতভাবে কোনো দেশের পণ্য বা সেবার প্রধান ক্রেতা ছিল না, কিন্তু বর্তমানে যেসব দেশে রপ্তানি বাড়ছে বা রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
- প্রচলিত বাজার হিসেবে ২৭ জাতির জোট ইইউ, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাকে গণ্য করা হয়।
- এর বাইরে সব দেশকে অপ্রচলিত বাজার হিসেবে গণ্য করা হয়। জাপান, অস্ট্রেলিয়া, চীন, ভারত ও তুরস্ক অপ্রচলিত শ্রেণিতে উল্লেখযোগ্য নাম।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৮৫১.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক?
  1. ক) কমিউনিটি ব্যাংক লিমিটেড
  2. খ) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  3. গ) বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড
  4. ঘ) আরব বাংলাদেশ ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা ৬টি।
এগুলো হলোঃ
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
- জনতা ব্যাংক লিমিটেড
- অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড
- রূপালি ব্যাংক লিমিটেড
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড।
অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক : রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংক
- কমিউনিটি ব্যাংক লিমিটেড ও আবর বাংলাদেশ ব্যাংক লিমিটেড হলো বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক লিমিটেড।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
৮৫২.
কোন গাছের কাঠের উপর ভিত্তি করে খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি গড়ে উঠেছে?
  1. গর্জন
  2. ধুন্দল
  3. গেওয়া
  4. গরান
ব্যাখ্যা

শিল্প উন্নয়নে বনভূমির গুরুত্ব:

⇒ কাগজ শিল্প:
- রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
- সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।

⇒ নিউজপ্রিন্ট কারখানা:
- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর ভিত্তি করে খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি গড়ে উঠেছে।

⇒ দিয়াশলাই শিল্প:
- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর নির্ভর করে দিয়াশলাই শিল্প গড়ে উঠেছে।
- এছাড়া কদম ও শিমুল গাছের কাঠ এই শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

⇒ রেয়ন শিল্প:
- চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনার রেয়ন কারখানাটি স্থানীয় বনভূমির নরম কাঠ ও বাঁশের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
পরিবহন শিল্প:
- বনভূমি থেকে প্রাপ্ত গর্জন, সেগুন, চাপালিশ, প্রভৃতি গাছের কাঠ রেলথের স্লিপার, রেলগাড়ির বগি, লঞ্চ, স্টিমার, নৌকা, বাস ও ট্রাকের বডি, বৈদ্যুতিক খুঁটি, রাস্তার পুল ইত্যাদি তৈরি করতে প্রয়োজন।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৫৩.
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য -
  1. ক) হিমায়িত খাদ্য
  2. খ) চামড়া
  3. গ) কৃষিজাত পণ্য
  4. ঘ) তৈরি পোশাক
ব্যাখ্যা
• দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক

• অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।

•  এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- রপ্তানির পরিমাণ – ৮৯৫.০৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানির ২.৬৪%।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২।
৮৫৪.
ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী E- Governance কে নতুন কী নামে অভিহিত করেছেন?
  1. ক) Smart Governance
  2. খ) Digital Governance
  3. গ) Online Governance
  4. ঘ) IT Governance
ব্যাখ্যা
Smart শব্দটির পূর্ণরূপ হলো S= Simple, M = Moral, A = Accountable, R = Responsive, T= Transparent.রেফারেন্সঃ পৌরনীতি ও সুশাসন –প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৮৫৫.
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কেনার জন্য ইউরোপীয় ক্রেতাদের জোটের নাম কি?
  1. ক) Accord
  2. খ) Aksa
  3. গ) Alliance
  4. ঘ) Frontex
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কেনার জন্য-
- উত্তর আমেরিকার ক্রেতাদের জোটের নাম - অ্যালায়েন্স,
- ইউরোপীয় ক্রেতাদের জোটের নাম - অ্যাকর্ড এবং
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের অস্ত্র কেনা-বেচা বিষয়ক চুক্তির নাম - আকসা (Acquisition and Cross-Servicing Agreement)।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

৮৫৬.
বাংলাদেশের শিল্পখাতের রাষ্ট্রায়াত্ত্ব কয়টি সংস্থা রয়েছে?
  1. ক) ৪
  2. খ) ৬
  3. গ) ৮
  4. ঘ) ৯
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে অ-আর্থিক রাষ্ট্রায়াত্ত্ব সংস্থার সংখ্যা - ৪৯টি।
শিল্পখাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়াত্ত্ব সংস্থা ৬টি। যথা-
১. বাংলাদেশ বস্ত্রশিল্প কর্পোরেশন
২. বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন
৩. বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন
৪. বাংলাদেশ রসায়ন শিল্প কর্পোরেশন
৫. বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন
৬. বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশন
এছাড়া অন্যান্য খাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়াত্ত্ব সংস্থা -
- বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি খাতে - ৬টি
- পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে - ৭টি
- বাণিজ্য খাতে - ৩টি
- কৃষি খাতে - ২টি
- নির্মাণ খাতে - ৬টি
- সার্ভিস খাতে - ১৯টি
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

৮৫৭.
কর্ণফুলি পেপার মিলস কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫২ সালে
  2. ১৯৫৩ সালে
  3. ১৯৫৪ সালে
  4. ১৯৫৫ সালে
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলি পেপার মিলস্:
- এশিয়ার বৃহত্তম কাগজের কল কর্ণফুলি পেপার মিলস্ লিমিটেড।
- ১৯৫৩ সালে রাঙ্গামাটি কাপ্তাই উপজেলাধীন চন্দ্রঘোনা নামক স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- ৫ একর জমি জুড়ে ১৯৫৩ সালে তদানীন্তন পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক বার্ষিক ৩০,০০০ মেঃ টন কাগজ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন  কর্ণফূলী পেপার মিলস্ লিঃ স্থাপিত হয়।
- এতে কাঁচামাল হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চলের বাঁশ ব্যবহৃত হয়।
- কাগজ উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল বাশেঁর প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে কর্ণফুলি পেপার মিলটি চন্দ্রঘোনায় স্থাপন করা হয়েছিল।

উৎস: বিসিআইসি ওয়েবসাইট।
৮৫৮.
বাংলাদেশ থেকে প্রথম রপ্তানি করা জাহাজ কোনটি?
  1. এমভি স্টেলা মেরিস
  2. এমভি স্টেলার মেরি
  3. এমভি স্টেলার
  4. এমভি স্টেলার মেরিস
ব্যাখ্যা

জাহাজ রপ্তানি:
বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো জাহাজ রপ্তানি করা হয় ২০০৮ সালে।
• জাহাজটির নাম ছিল MV স্টেলা মেরিস (Stella Maris).
• এটি নির্মাণ করেছিল আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড স্লিপওয়েজ লিমিটেড।
• বাংলাদেশের আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড স্লিপওয়েজ লিমিটেড যুক্তরাজ্যের এনজিয়ান শিপিং কোম্পানি লিমিটেডকে ৬,১০০ ডিডব্লিউটির এই জাহাজটি রপ্তানি করেছে।
• এটি ডেনমার্কের জন্য নির্মাণ করা হয়েছিল।
• এই জাহাজটি এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের রপ্তানিকৃত সবচেয়ে বড় জাহাজ হিসেবে পরিচিত।

উল্লেখ্য, 
- জলবায়ু পরিবর্তন জাহাজ শিল্পকে প্রভাবিত করে।
- সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, চরম আবহাওয়া ও স্রোতের পরিবর্তন বন্দরের অবকাঠামো ও সমুদ্রপথে সমস্যা সৃষ্টি করে;
- পাশাপাশি জাহাজ শিল্প নিজেও গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমনের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনে অবদান রাখে।

উৎস:
১. The Business Standard;
২. প্রথম আলো।

৮৫৯.
দেশে স্থাপিত প্রথম চিনিকল কোনটি?
  1. ক) নর্থবেঙ্গল সুগার মিলস লি.
  2. খ) কেরু এন্ড কোং (বিডি) লি.
  3. গ) সেতাবগঞ্জ সুগার মিলস লি.
  4. ঘ) নাটোর সুগার মিলস লি.
ব্যাখ্যা
ব্রিটিশ ভারতে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে স্থাপিত প্রথম চিনিকল হলো নর্থবেঙ্গল সুগার মিলস লিমিটেড। এটি ১৯৩০ সালে নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার গোপালপুরে স্থাপিত হয়।
বর্তমানে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের অধীনে মোট ১৫টি চিনিকল রয়েছে৷
এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের সর্ববৃহৎ চিনিকল হলো চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় অবস্থিত কেরু এন্ড কোং (বিডি) লিমিটেড।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন ওয়েবসাইট)
৮৬০.
BEZA এর প্রধান কাজ হলো-
  1. রপ্তানি আয় বৃদ্ধি করা
  2. বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা
  3. অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা
  4. অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ করা
ব্যাখ্যা
- Bangladesh Economic Zones Authority (BEZA) এর প্রধান কাজ হলেো দেশের সম্ভাবনাময় স্থানে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, রক্ষণাবেক্ষণ ও দেখভাল করা।
- ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর বেজা গঠিত হয়। এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
অন্যদিকে,
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ও বেপজা রপ্তানি আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে।
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণে কাজ করে।
(তথ্যসূত্রঃ বেজা ওয়েবসাইট)
৮৬১.
বাংলাদেশে বর্তমানে নিবন্ধিত চা বাগান রয়েছে কয়টি? [জুন,২০২৫]
  1. ১৯০ টি
  2. ১৮০ টি
  3. ১৭০ টি
  4. ১৭৫টি
ব্যাখ্যা
নিবন্ধিত চা বাগান:
- দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত চা বাগান ১৭০ টি। [জুন,২০২৫]
- মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত ৯০টি চা বাগান,
- হাবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত ২৫টি চা বাগান,
- সিলেট জেলায় অবস্থিত ১৯টি চা বাগান,
- চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত ২২টি চা বাগান,
- পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত ১০ টি চা বাগান,
- রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত ০২টি চা বাগান,
- ঠাকুরগাঁও জেলায় অবস্থিত ০১টি চা বাগান,
- খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় অবস্থিত ০১টি চা বাগান।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮৬২.
সোনাহাট স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. কুড়িগ্রাম
  3. রংপুর
  4. শেরপুর
ব্যাখ্যা
সোনাহাট স্থলবন্দর: 
- এটি  কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলা সীমান্তে অবস্থিত।
- সোনাহাট স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতের আসাম রাজ্যের ধুবড়ী জেলার গোলকগঞ্জ সীমান্ত অবস্থিত।
- স্থলপথে ২৫ অক্টোবর, ২০১২ খ্রিঃ তারিখের স্থলবন্দর ঘোষনা করা হয়।
- পরবর্তীতে ০৯ জুন ২০১৮ খ্রিঃ তারিখে সোনাহাট স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: সোনাহাট স্থলবন্দর ওয়েবসাইট।
৮৬৩.
বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের কতটি দেশে আম রপ্তানি করে? [জুন, ২০২৫]
  1. ৩৮টি
  2. ২৭টি
  3. ৩২টি
  4. ৪৪টি
ব্যাখ্যা
আম উৎপাদনে বাংলাদেশ:
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুসারে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশে আম উৎপাদিত হয়েছে ২৪ লাখ টন। এর মধ্যে রপ্তানি হয়েছে মাত্র ১ হাজার ৩২১ টন।
- দেশে মোট ৭২ ধরনের আমের উৎপাদন হয়।
- তবে রপ্তানি হয় সাত থেকে আট জাতের আম।
- ৩৮টি দেশে আম রপ্তানির অভিজ্ঞতা রয়েছে বাংলাদেশের।
- গত বছর অবশ্য রপ্তানি করা হয় ২১টি দেশে।
- বর্তমানে আম উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম।

⇒ রাজশাহী, নওগাঁ, সাতক্ষীরা, চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ দেশের ১৫টি জেলায় সবচেয়ে বেশি আম উৎপাদন হয়।
- বাংলাদেশের সুস্বাদু আম বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়। প্রধানত ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, যুক্তরাজ্য, ইতালি, জার্মানি, ফ্রান্স, সুইডেন এবং কানাডার মতো দেশগুলোতে বাংলাদেশের আম রপ্তানি করা হয়।

উৎস: i) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো। 
ii) প্রথম আলো।
৮৬৪.
বাংলাদেশ সরকার কোন খাত থেকে সর্বাধিক রাজস্ব আয় করে?
  1. ক) সম্পূরক শুল্ক
  2. খ) আবগারি শুল্ক
  3. গ) আমদানি শুল্ক
  4. ঘ) মূল্য সংযােজন কর
ব্যাখ্যা
রাজস্ব বাের্ড কর্তৃক আহরিত করসমূহের উৎস - 
মূল্য সংযােজন কর - ১,৪১,১৯২ (৩৮.২%)।
• আয়, মুনাফা ও মূলধনের উপর কর - ১,২১,০২০ (৩২.৭%)।
• সম্পূরক শুল্ক - ৫৮,৫২৪ (১৫.৮%)।
• আমদানি শুল্ক - ৪৩,৯৯৪ (১১.৯%)।
• আবগারি শুল্ক - ৪,১২৭।   

জেনে রাখা ভালো, 
• বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT- Value Added Tax, মূল্য সংযোজন কর) চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
• ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
• দেশে বর্তমানে কর প্রদানকারীর সংখ্যা - ২৯ লাখ।    

তথ্যসূত্র:- জাতীয় বাজেট, ২০২২-২৩।
৮৬৫.
BSTI-এর পূর্ণরূপ -
  1. Bangladesh standards and testing Institute
  2. Bangladesh standards and testing Institution
  3. Bangladesh standards and technical Institution
  4. Bangladesh standards and technical Institute
ব্যাখ্যা
বিএসটিআই:
- BSTI-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Standards and Testing Institution.
- ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের জারীকৃত অধ্যাদেশ ৩৭ (The Bangladesh Standards and Testing Institution Ordinance, 37 of 1985) এর মাধ্যমে সেন্ট্রাল টেস্টিং ল্যাবরেটরী (CTL) এবং বাংলাদেশ স্ট্যন্ডার্ডস ইন্সটিটিউশন (BDSI) কে একীভূত করে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ স্ট্যন্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (BSTI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ কৃষি পণ্য বিপণন ও শ্রেনীবিন্যাস পরিদপ্তরটিও (Department of Agricultural Grading and Marking) বিএসটিআই’র সঙ্গে একীভূত হয়।

⇒ বিএসটিআই-এর কাজ:
- পণ্য, সেবা ও প্রক্রিয়ার জাতীয় মান প্রণয়ন, তদানুযায়ী পণ্য পরীক্ষণ ও পণ্যের গুণগত মান সনদ (সার্টিফিকেশন) প্রদান এবং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্টিফিকেট প্রদান করে থাকে।
- এছাড়া দেশব্যাপী ওজন ও পরিমাপের সকল ক্ষেত্রে মেট্রিক পদ্ধতির প্রচলন এবং পরিমাপ যন্ত্রসমূহ ভেরিফিকেশন ও ক্যালিব্রেশনের দায়িত্বেও নিয়োজিত।

উৎস: বিএসটিআই ওয়েবসাইট।
৮৬৬.
বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে কয়টি শিল্প কারখানা চালু রয়েছে?
  1. ক) ৭ টি
  2. খ) ৮ টি
  3. গ) ৯ টি
  4. ঘ) ১০ টি
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১০টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে।
চালু কারখানাগুলোর মধ্যে
→ ৪টি ইউরিয়া সার কারখানা,
→ ১টি ডিএপি সার কারখানা,
→১টি টিএসপি সার কারখানা,
→ ১টি কাগজ কারখানা,
→ ১টি সিমেন্ট কারখানা,
→ ১টি গ্লাসশীট কারখানা ও
→ ১টি স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা রয়েছে।
বিসিআইসি’র উৎপাদিত পণ্যের ৮০ শতাংশই বিভিন্ন রাসায়নিক সার, যার মধ্যে ৭০ শতাংশ ইউরিয়া সার এবং ১০ শতাংশ অন্যান্য সার।

বিসিআইসি’র চালু কারখানাসমূহ:   
→ ১. চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিঃ।   
→ ২. শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ।   
→ ৩. যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ।  
→ ৪. আশুগঞ্জ ফাটিলাইজার এন্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ।
→ ৫. টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ।    
→ ৬. ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ।    
→ ৭. কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ।   
→ ৮. ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ।   
→ ৯. উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ।    
→ ১০. বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ।    
 
তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩
৮৬৭.
Which one of the following minerals is found at Gopalpur area of Netrokona district? 
  1. Coal
  2. White clay
  3. Lime stone
  4. Hard rock
  5. None
ব্যাখ্যা
সাদা মাটি/চীনামাটি:
- সাদা মাটি বা চীনামাটি (kaolin) একটি বিশেষ ধরনের মাটি যা প্রধানত সিলিকেট মিনারেল থেকে তৈরি।
- এই সাদা মাটি চীনামাটি হিসেবেও পরিচিত।
- এটি সাধারণত সাদা রঙের, কিন্তু এর গুণমান ও বৈশিষ্ট্য বিভিন্ন হতে পারে।
- এই মাটি সিরামিক, পেপার, পেইন্ট, ওষুধ, প্রসাধনী এবং অন্যান্য অনেক শিল্পে ব্যবহার করা হয়।
- নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর এবং গোপালপুর এলাকা, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি, চট্টগ্রাম জেলার হায়দগাঁও এবং চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার বাইটুল ইজ্জত এলাকায় সাদা মাটির তলদেশে বা তলদেশে সাদা মাটির খনি রয়েছে।
- তবে এখানে পাওয়া সাদা মাটি সাধারণত উচ্চ মানের নয় এবং তাই এটি উচ্চ মানের আমদানিকৃত সাদা মাটির সাথে মিশিয়ে ব্যবহৃত হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০২১ সালের ১৭ জুন জিআই পণ্য সনদ পায় নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুরের পর্যটন স্পট সাদা মাটি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, কালের কণ্ঠ পত্রিকা।
৮৬৮.
BEPZA এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Export Processing Zonal Authority
  2. Bangladesh Expert Processing Zones Authority
  3. Bangladesh Expert Processing Zone Authority
  4. Bangladesh Export Processing Zones Authority
ব্যাখ্যা
Bangladesh Export Processing Zones Authority (BEPZA): 
- BEPZA এর পূর্ণরূপ Bangladesh Export Processing Zones Authority.
- দেশের দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বিশেষত শিল্পায়নের মাধ্যমে, ত্বরান্বিত করতে সরকার 'উন্মুক্ত দরজা নীতি' গ্রহণ করেছে।
- এই নীতির মাধ্যমে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের চেষ্টা করা হচ্ছে।
- বেপজা (BEPZA) সরকারের একটি সংস্থা যা ইপিজেডে (EPZ) বিদেশি বিনিয়োগ প্রচার, আকর্ষণ এবং সহায়তা প্রদান করে।
- বেপজা সামাজিক ও পরিবেশগত বিষয়, কর্মস্থলের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করে।
- ইপিজেডে শ্রম-ব্যবস্থাপনা ও শিল্প সম্পর্ক শান্তিপূর্ণ রাখার দায়িত্বও পালন করে বেপজা।
- ইপিজেডের মূল উদ্দেশ্য হলো বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ এলাকা তৈরি করা।
- এই এলাকায় জটিল প্রক্রিয়া থেকে মুক্ত একটি অনুকূল বিনিয়োগ পরিবেশ প্রদান করা হয়।

উৎস: BEPZA ওয়েবসাইট।
৮৬৯.
ঘোড়াশাল সার কারখানায় কোন সার উৎপাদিত হয়?
  1. টিএসপি
  2. ইউরিয়া
  3. পটাশ
  4. অ্যামোনিয়া সালফেট 
ব্যাখ্যা

• ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা হলো ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
- এটি নরসিংদীতে অবস্থিত।
- ইউরিয়া ফার্টিলাইজরা ফ্যাক্টরি লিঃ এবং পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ কারখানা ২টির স্থানে আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে বার্ষিক ৯,২৪,০০০ (নয় লক্ষ চব্বিশ হাজার) মেট্রিক টন উৎপাদন ক্ষমতা ও জ্বালানি সাশ্রয়ী সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এবং উচ্চতর ক্ষমতাসম্পন্ন ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপনের লক্ষ্যে “ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্প” শীর্ষক প্রকল্পটি ১২ নভেম্বর ২০২৩ খ্রি. তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক উদ্ধোধন করা হয়।
- ঘোড়াশাল সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়। 

তথ্যসূত্র: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

৮৭০.
বর্তমানে বাংলাদেশ কয়টি দেশে ঔষধ রপ্তানি করছে?
  1. ক) ১৪৫টি
  2. খ) ১৪৭টি
  3. গ) ১৫৩টি
  4. ঘ) ১৫৭টি
ব্যাখ্যা
- স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ঔষধ প্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল। ফলে অনেক উচ্চ মূল্যে জনগণকে ঔষধ ক্রয় করতে হতো। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ঔষধ আমদানিকারক দেশ হতে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশ ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়। 
- বর্তমানে বাংলাদেশের ৫৪টি ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ ১৫৭টি দেশে।  রপ্তানি করছে। 


উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
৮৭১.
বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পোশাক রপ্তানি করে- (নভেম্বর-২০২৫)
  1. ফ্রান্স
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জার্মানি
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা

• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র :
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  বাংলাদেশী রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার।
- আমদানীকারক দেশ সমূহের তালিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে অবস্থান করছে।
- ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৮৬৯২.৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য

• জার্মানীঃ
২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের জার্মানীতে মোট  ৫২৯২.৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়েছে যা মোট রপ্তানি আয়ের 10.96% এবং বর্তমানে দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানীকারক দেশে পরিণত হয়েছে। 

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

৮৭২.
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে ভারতে কোন পণ্য সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়? [মে, ২০২৫]
  1. প্রক্রিয়াজাত খাদ্য
  2. তৈরি পোশাক
  3. আসবাব পণ্য
  4. কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ- ভারত দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য:
- বাংলাদেশ–ভারত দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ক অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ। 
- সর্বশেষ গত ২০২৩–২৪ অর্থবছরে ভারত থেকে বাংলাদেশ ৯০০ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে।
- তার বিপরীতে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পণ্য রপ্তানি হয়েছে মাত্র ১৫৭ কোটি ডলারের।
- ইপিবির তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে ভারতে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয় তৈরি পোশাক।
- গত ২০২৩–২৪ অর্থবছরে ভারতে ৫৪ কোটি ৮৮ লাখ ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছেন বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা।

উল্লেখ্য,
- গত ১৭ মে, ২০২৫ নতুন করে স্থলপথে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাকসহ বেশ কিছু পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ভারত সরকার।
- ওই আদেশে বলা হয়, এখন থেকে শুধু ভারতের নব সেবা ও কলকাতা সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করে দেশটির আমদানিকারকেরা বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক আমদানি করতে পারবেন।
- এর আগে গত এপ্রিলে ট্রান্সশিপমেন্টের মাধ্যমে নিজ দেশের বন্দর ব্যবহার করে তৃতীয় দেশে বাংলাদেশের পণ্য যাওয়ার ব্যবস্থাও প্রত্যাহার করে ভারত।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
৮৭৩.
ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র কোনটি? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. জার্মানি
  2. ফ্রান্স
  3. লুক্সেমবার্গ
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

দেশ হিসেবে রপ্তানি:

- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।

অন্যদিকে,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র: জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: জাপানে।

⇒ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছর এর জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়কালে বাংলাদেশি পণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে যথাক্রমে ৬,১০৩.১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ৪,৩১২.১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা দেশের মোট রপ্তানির যথাক্রমে ১৫.৮৭ শতাংশ এবং ১১.২১ শতাংশ।
- যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে রপ্তানীকৃত প্রধান প্রধান পণ্যসমূহ হলো- তৈরি পোশাক (ওভেন), নিটওয়্যার, হিমায়িত চিংড়ি, কাঁকড়া, গৃহস্থালি বস্ত্র ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৮৭৪.
বাংলাদেশের মোট কয়টি ট্যানারি প্রতিষ্ঠান লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের (এলডব্লিউজি) সনদ পেয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ৮টি
  2. ১০টি
  3. ১৩টি
  4. ১৫টি
ব্যাখ্যা

এলডব্লিউজি সনদ:
- বৈশ্বিক সংস্থা লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের (এলডব্লিউজি) তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ১ হাজার ৪৫৫টি চামড়া উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এলডব্লিউজির সনদ পেয়েছে।
- এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৩৫টি প্রতিষ্ঠান ইতালির।
- এদিকে, বাংলাদেশের মাত্র আট প্রতিষ্ঠান এখন পর্যন্ত বৈশ্বিক সংস্থা লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের (এলডব্লিউজি) সনদ পেয়েছে।
- দেশে প্রথম এলডব্লিউজি সনদ পায় অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ট্যানারি ইউনিট, ২০১৫ সালে।
- তারা নিরীক্ষায় সেরা মান, অর্থাৎ গোল্ড কারখানার মর্যাদা পেয়েছে।

তথ্যসূত্র- প্রথম আলো। [link]

৮৭৫.
পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি বিজিএমইএ (BGMEA) এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association
  2. Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Alliance
  3. Bangladesh Garment Makers and Exporters Association
  4. Bangladesh Garment Manufacturers and Entrepreneurs Association
ব্যাখ্যা
বিজিএমইএ (BGMEA):
- BGMEA এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association.
- বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের প্রতিনিধিত্বকারী জাতীয় বণিক সমিতি।
- এটি ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি দুই বছর মেয়াদে নির্বাচিত ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালক পর্ষদের দ্বারা পরিচালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৭ সালে মাত্র ১২ সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরুর পর থেকে সমিতিটি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের উন্নয়ন ও বৃহত্তর স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য কাজ করে আসছে।
- বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ৪৫০০ এর কাছাকাছি।

তথ্যসূত্র: BGMEA ওয়েবসাইট।
৮৭৬.
রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মূল জ্বালানি হচ্ছে -
  1. কয়লা
  2. পারমাণবিক পদার্থ
  3. ডিজেল
  4. ফার্নেস তেল
ব্যাখ্যা
• রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে:
- রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ১৩২০ মেগাওয়াট।
- রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার রামপালে অবস্থিত একটি কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রাঃ) লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল)
- প্রকল্প ব্যয় - ১৬,০০০ কোটি টাকা।

→ তথ্যসূত্র: বিদ্যুৎ বিভাগ।
৮৭৭.
জুটিন (Jutin) এর আবিষ্কারক-
  1. ক) ড. আব্দুল খালেক
  2. খ) ড. মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ
  3. গ) ড. মোবারক আহমেদ খান
  4. ঘ) ড. মাকসুদুল আলম
ব্যাখ্যা
পাট থেকে ঢেউটিনের আবিষ্কার করেন ড. মোবারক আহমেদ খান। পাট (Jute) দিয়ে তৈরী বলে এ টিনের নাম জুটিন (Jutin)।
তাঁর অন্যান্য আবিষ্কারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- সোনালি ব্যাগ, হেলমেট ও টাইলস। তাঁর তৈরি সোনালি ব্যাগ বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা হচ্ছে।
জুটন এর আবিষ্কারক- ড. মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ। পাটের জিন বিন্যাস আবিষ্কার করেন – ড. মাকসুদুল আলম। স্বর্ণা সার আবিষ্কার করেন ড. আব্দুল খালেক।
[সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ডিসেম্বর- ২০১৯]
৮৭৮.
বাংলাদেশের কোন ইপিজেডে সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে?
  1. ঢাকা ইপিজেড
  2. চট্টগ্রাম ইপিজেড
  3. মোংলা ইপিজেড
  4. কর্ণফুলী ইপিজেড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ইপিজেড (EPZ):
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা (Bangladesh Export Processing Zone Authority-BEPZA) দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ৮টি সরকারি ইপিজেড রয়েছে।
- যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড।

উল্লেখ্য,
- ইপিজেডসমূহে উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ৪৫০ টি এবং বাস্তবায়নাধীন রয়েছে: ১০৩টি।
- সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে চট্টগ্রাম ইপিজেডে; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ১৪৫টিী সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয় ও রপ্তানি আয় আসে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- দ্বিতীয়: ঢাকা ইপিজেড; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ৮৮টি।

অন্যদিকে,
- সবচেয়ে কম উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে ঈশ্বরদী ইপিজেডের; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ২২টি।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৮৭৯.
'Blue Chips' শব্দটি ব্যবহৃত হয় -
  1. ক্রিপ্টোকারেন্সি মার্কেটে
  2. স্টক মার্কেটে
  3. রিয়েল এস্টেটে
  4. কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণে
ব্যাখ্যা

⇒ 'Blue Chips' শব্দটি শেয়ার বাজার বা স্টক মার্কেটের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

Blue Chips:

- আর্থিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী, দীর্ঘদিন ধরে লাভজনক, বাজারে সুনামধন্য এবং স্থিতিশীল কোম্পানির শেয়ারকে Blue Chip বোঝায়।
- Blue Chip হলো শেয়ার বাজারের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির শেয়ার।
- এগুলো দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ বলে বিবেচিত হয়।
- অর্থনৈতিক মন্দা বা সংকটের সময়ও এদের শেয়ারের দাম তুলনামূলকভাবে কম ওঠানামা করে।
- আন্তর্জাতিক বাজারে Apple, Microsoft, Amazon, Coca-Cola, Google, Johnson & Johnson এর মত প্রতিষ্ঠানকে Blue Chip বলা হয়।
- বাংলাদেশে গ্রামীণফোন, ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো, স্কয়ার ফার্মা, ইউনিলিভারকে Blue Chip বলা হয়।

তথ্যসূত্র - ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও বিটানিকা।

৮৮০.
কোন্ ফসলটি রপ্তানী বহুমুখীকরনে সম্ভাবনাময়?
  1. আউশ ধান
  2. তেলবীজ
  3. পাট
  4. আলু
ব্যাখ্যা

→ আলু রপ্তানী বহুমুখীকরনে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ফসল।

♦ ফসল রপ্তানী বহুমুখীকরণ:
- একটি দেশের রপ্তানি খাতে শুধুমাত্র এক বা কয়েকটি প্রধান ফসল এর ওপর অত্যধিক নির্ভরতা কমিয়ে নতুন, বৈচিত্র্যপূর্ণ ও উচ্চমূল্যের ফসল রপ্তানি বাড়ানোর প্রক্রিয়াকে ফসল রপ্তানী বহুমুখীকরণ বলে।
- কৃষি পণ্যের মধ্যে বর্তমানে আলু সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনাময় ফসল হিসেবে বিবেচিত হয়।
- বর্তমানে দেশে প্রায় ১ কোটি ১২ লাখ টন আলু উৎপাদন হয়েছে।
- যা চাহিদার তুলনায় প্রায় ২২ লাখ টন বেশি।
- কৃষি মন্ত্রণালয়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (EPB) আলুকে রপ্তানিমুখী ফসল হিসেবে প্রাধান্য দিয়ে বিশেষ রোডম্যাপ, প্রশিক্ষণ, গুণগত মান নিশ্চিতকরণ (GAP, Phytosanitary certificate) এবং আলু উৎসবের মতো কর্মসূচি চালাচ্ছে।
- বাংলাদেশ বিশ্বের ৭ম বৃহত্তম আলু উৎপাদনকারী দেশ এবং এশিয়া মহাদেশে বাংলাদেশের অবস্থান ৩য়।
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) তথ্য অনুসারে, বাংলাদেশ থেকে আলু রপ্তানি শুরু হয় ১৯৯৯ সালে।
- বাংলাদেশ থেকে ১৪টি দেশে আলু রপ্তানি করা হয়।
- সৌদি আরব, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ ছাড়াও সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও নেপালে আলু রপ্তানি করা হচ্ছে।
- মোট রপ্তানিকৃত আলুর ৮০ শতাংশ রপ্তানি করা হয় মালয়েশিয়াতে।
- ২০২৪ অর্থ বছরে সবোর্চ্চ ৬২ হাজার ১৩৫ টন আলু রপ্তানি হয়েছে।


Img Source: The Financial Express

পাট কেন নয়?
→ কারণ পাট রপ্তানিযোগ্য হলেও, এই প্রশ্নে মূলকথা হচ্ছে “রপ্তানি বহুমুখীকরণে (নতুন/উদীয়মান) সম্ভাবনাময় ফসল”—সেই দৃষ্টিতে আলু বেশি প্রাসঙ্গিক।
→ পাট বাংলাদেশের ঐতিহ্যগত/প্রচলিত রপ্তানি খাত। এটা বহুমুখীকরনের নতুন পণ্য নয়; বরং পুরনো প্রতিষ্ঠিত পণ্য।
→ পাট রপ্তানি আয় ক্রমহ্রাসমান। 

Img Source: The Daily Star 

♦ উল্লেখ্য:

- আউশ ধান: খাদ্য নিরাপত্তার ফসল। রপ্তানি প্রায় নেই।
- তেলবীজ: এখনো আমদানি নির্ভরতা বেশি। রপ্তানির জন্য প্রস্তুত নয়।
- পাট: ইতোমধ্যে রপ্তানি হয় (পাট ও পাটজাত পণ্য), নতুন বহুমুখীকরণের জন্য 'সম্ভাবনাময়' নয়।

তথ্যসূত্র - কৃষি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট, কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট ও বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার রিপোর্ট।

৮৮১.
নিচের কোনটি বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চলের সংক্ষিপ্ত রূপ?
  1. BAZA
  2. BIDA
  3. BEZA
  4. BEPZA
ব্যাখ্যা
ইপিজেড:
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চলের সংক্ষিপ্ত রূপ BEZA.
- BEZA এর পূর্ণরূপ Bangladesh Economic Zones Authority.
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১০ সালে।
- বাংলাদেশে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, লাইসেন্স, পরিচালনা, পরিচালনা এবং নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা: ৯টি
• সরকারি ইপিজেড: ৮টি।
• বেসরকারি: ১টি।
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড: চট্টগ্রাম।
- যাত্রা শুরু করে: ১৯৮৩ সালে।

তথ্যসূত্র - বেজা ওয়েবসাইট।
৮৮২.
ইউরিয়া সারের কাঁচামাল -
  1. মিথেন গ্যাস
  2. এ্যামোনিয়া
  3. ক্লিংকার
  4. অপরিশোধিত তৈল
ব্যাখ্যা

• ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল হলো মিথেন গ্যাস বা প্রাকৃতিক গ্যাস।

ইউরিয়া সার:
- বাংলাদেশে ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সারের মধ্যে ইউরিয়া প্রধান। 
- নাইট্রোজেনজাতীয় সারের মধ্যে ইউরিয়াতেই সবচেয়ে বেশি পরিমাণে নাইট্রোজেন থাকে।
- গৃহপালিত পশুর মূত্রে ইউরিয়া থাকে এবং মাটি এ উৎস থেকেও ইউরিয়া পায়। 
- ইউরিয়া সার থেকে উদ্ভিদ নাইট্রোজেন প্রধানত লাভ করে।
- এই সারে ৪০-৪৭ শতাংশ নাইট্রোজেন বিদ্যমান থাকে।
- এ সার জমিতে প্রয়োগ করলে মাটিতে রাসায়নিক বিক্রিয়া ছাড়া অনেক ফসলই সরাসরি ইউরিয়া হিসেবে এটি পরিশোষণ করতে পারে।
- তাছাড়া গাছে নাইট্রোজেনের অভাজনিত লক্ষণ পরিলক্ষিত হলে ইউরিয়ার দ্রবণ তৈরি করে সিঞ্চন যন্ত্রের সাহায্যে সরাসরি উদ্ভিদের পাতায় প্রয়োগ করলে উদ্ভিদ পত্র - রন্ধ্রের মাধ্যমে ইউরিয়া পরিশোষণ করতে পারে।
- ফলে রোগাক্রান্ত ও বিনষ্ট শিকড়যুক্ত উদ্ভিদ সতেজ হয়ে যায়।

উৎস: উদ্ভিদ পুষ্টি ও সার ব্যবস্থাপনা, বিসিআইসি ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৮৮৩.
বাংলাদেশের EPZ গুলোতে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করে কোন দেশ? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. চীন 
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জাপান
  4. শ্রীলঙ্কা 
ব্যাখ্যা

সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ:
- বর্তমানে দেশে বেপজার অধীনে মোট আটটি ইপিজেড ও একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল রয়েছে। 
- এগুলো হচ্ছে চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, উত্তরা, ঈশ্বরদী, কর্ণফুলী ও আদমজী ইপিজেড এবং চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে অবস্থিত বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল।

⇒ এ পর্যন্ত বেপজার ইপিজেডগুলোতে ৩৮টি দেশ থেকে বিনিয়োগ এসেছে।
- সবচেয়ে বেশি এসেছে চীন থেকে। চীনের মোট ১০৮টি প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ রয়েছে ইপিজেডে। 
- এরপর বিনিয়োগ করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার ৬১টি, জাপানের ২৯টি, ভারতের ১৯টি, যুক্তরাজ্যের ১৯টি, যুক্তরাষ্ট্রের ১৭টি ও শ্রীলঙ্কার ৭টি প্রতিষ্ঠান। বাকিগুলো অন্যান্য দেশের।

উৎস: i) বেপজা ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো। [link]

৮৮৪.
চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া কনটেইনার নির্মাণে কোন দেশভিত্তিক কোম্পানির সাথে চুক্তি সই হয়েছে?
  1. সুইডেন
  2. ডেনমার্ক
  3. যুক্তরাজ্য
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

- লালদিয়া টার্মিনাল নির্মাণে ডেনমার্ক দেশভিত্তিক কোম্পানির সাথে চুক্তি সই হয়েছে।
• লালদিয়ার চুক্তির এসব তথ্যের মধ্যে রয়েছে-
- মূল কনসেশন চুক্তিটি ৩৩ বছরের।
- এর মধ্যে নির্মাণে ৩ বছর এবং বাকি ৩০ বছর পরিচালনার। শর্ত পূরণ হলে আরও ১৫ বছর মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ আছে।
- আট লাখ একক কনটেইনার ওঠানো নামানো পর্যন্ত প্রতি একক কনটেইনারে বন্দর কর্তৃপক্ষ ২১ ডলার করে মাশুল পাবে।
- আর আট লাখের বেশি ৯ লাখ একক কনটেইনার ওঠানো–নামানো পর্যন্ত প্রতি একক কনটেইনারের জন্য ২৩ ডলার করে পাবে বন্দর। - এই দুটি স্তর ছাড়া আরও একটি স্তর রয়েছে। যেমন ৯ লাখের বেশি কনটেইনার ওঠানো–নামানো হলে বন্দরকে আরেকটি স্তরে মাশুল - দেবে এপিএম টার্মিনালস। তবে সেই হার কত, তা প্রকাশ করা হয়নি।
- সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) আওতায় একসঙ্গে তিনটি জাহাজ ভেড়ানোর তিন জেটির এই টার্মিনাল নির্মাণের জন্য  কোম্পানিটি ৫৫ কোটি ডলার বা প্রায় ৬ হাজার ৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের পর ২৫০ কোটি টাকা ‘আপফ্রন্ট ফি’ (এককালীন ফি) পাবে বন্দর।


উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।[লিঙ্ক]

৮৮৫.
কোনটি নিয়ন্ত্রিত শিল্প?
  1. ক) সমুদ্রগামী জাহাজ চলাচল
  2. খ) পারমাণবিক শক্তি
  3. গ) হাইটেক শিল্প
  4. ঘ) সিকিউরিটিজ প্রিন্টিং
ব্যাখ্যা
নিয়ন্ত্রিত শিল্প
- যেসব শিল্প প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করে এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে তাদের নিয়ন্ত্রিত শিল্প বলে।
- এটি নিয়ন্ত্রিত শিল্পের কর্মীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেমন শিক্ষাদান বা আর্থিক পরিষেবা৷ পারমাণবিক শিল্প বিশ্বের সবচেয়ে নিয়ন্ত্রিত শিল্প।
নিয়ন্ত্রিত শিল্পের তালিকা
১। যন্ত্রচালিত ট্রলারযোগে গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ শিল্প।
২। বেসরকারি খাতে ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান শিল্প।
৩। বেসরকারি খাতে ইনস্যুরেন্স কোম্পানি।
৪। বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ প্রকল্পসমূহ।
৫। প্রাকৃতিক গ্যাস/তেল অনুসন্ধান, উত্তোলন ও সরবরাহকরণ শিল্প।
৬। কয়লা অনুসন্ধান, উত্তোলন ও সরবরাহকরণ শিল্প।
৭। অন্যান্য প্রাকৃতিক খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান, উত্তোলন ও সরবরাহকরণ শিল্প।
৮। বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প (যেমন-ফ্লাইওভার, এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ে, মনোরেইল, অর্থনৈতিক অঞ্চল, ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো/কনটেইনার ফ্রেইট স্টেশন ইত্যাদি) স্থাপন।
৯। ক্রুড অয়েল রিফাইনারী (জ্বালানী হিসেবে ব্যবহৃত )/ব্যবহৃত লুব অয়েল রিসাইক্লিং/রিফাইনিং।
১০। কাঁচামাল হিসেবে দেশিয় প্রাকৃতিক গ্যাস/কনডেনসেট ও অন্যান্য খনিজ ব্যবহৃত মাঝারি ও বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান।
১১। টেলিকমিউনিকেশন সেবা শিল্প (মোবাইল/সেলুলার এবং ল্যান্ড ফোন।
১২। স্যাটেলাইট চ্যানেল।
১৩। কার্গো/যাত্রী পরিবহন বিমান।
১৪। সমুদ্রগামী জাহাজ চলাচল।
১৫। সমুদ্র বন্দর/গভীর সমুদ্র বন্দর স্থাপন।
16। VoIP (Voice Over Internet Protocol) ও IP (Internet Protocol) Telephone।
১৭। সৈকত বালি থেকে আহরিত ভারী খনিজ নির্ভর শিল্প স্থাপন ও আহরণ।
১৮। বিস্ফোরকসহ (প্রজ্জ্বলীয় কঠিন পদার্থ, জারক পদার্থ, বিষাক্ত পদার্থ) যে কোন প্রকার বিস্ফোরক দ্রব্য উৎপাদনকারী শিল্প প্রতিষ্ঠান।
১৯। এসিড উৎপাদনকারী শিল্প।
২০। রাসায়নিক সার উৎপাদনকারী শিল্প।
২১। সকল প্রকার শিল্প স্লাজ (Industrial Sludge) ও স্লাজ দ্বারা প্রস্তুতকৃত সার এবং এ সংক্রান্ত যে কোন সামগ্ৰী উৎপাদনকারী/ প্রস্তুতকারী শিল্প।
২২। স্টোন ক্রাশার শিল্প।

উৎস:  জাতীয় শিল্পনীতি- ২০১৬. pdf, bangladesh.gov.bd.
৮৮৬.
মেঘনা গ্যাস ফিল্ড কোথায় অবস্থিত?
  1. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  2. সিলেট
  3. ভোলা
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
মেঘনা গ্যাস ফিল্ড:
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় মেঘনা গ্যাস ফিল্ড অবস্থিত।

- ১৯৯৭ সালে পেট্রোবাংলা মেঘনা গ্যাস ক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে।
- পেট্রোবাংলার হিসাব অনুযায়ী এ গ্যাস ক্ষেত্রটির মোট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুদ ১০১ বিলিয়ন ঘনফুট (বিসিএফ)।
- ১৯৯৭ সালে মেঘনা ফিল্ড থেকে বাণিজ্যিক গ্যাস উৎপাদন শুরু করা হয়।
- কিন্তু অত্যাধিক পানি উৎপাদনের কারণে ১০ আগস্ট, ২০০৭ সাল থেকে এ ক্ষেত্রটির গ্যাস উৎপাদন স্থগিত করা হয়।
- পরবর্তীতে ওয়ার্কওভারের মাধ্যমে পূন:সম্পাদন করে (ডুয়াল কমপ্লিশন) ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১০ সাল থেকে শর্ট ট্রিং থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু করা হয়।
- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সালে কূপটির লং স্ট্রিং দিয়ে দৈনিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস উৎপাদন শুরু করা হলেও অতিরিক্ত পানি উৎপাদনের জন্য ১৬ মে, ২০১৬ সাল থেকে গ্যাস উৎপাদন বন্ধ করে দেয়া হয়।
- বর্তমানে শুধুমাত্র শর্ট স্ট্রিং দিয়ে গড়ে দৈনিক ৩ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে।
- এপ্রিল ৩০, ২০২৫ পর্যন্ত মোট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের পরিমাণ ৮৩.০৩৭ বিলিয়ন ঘনফুট বা শতকরা ৮২.২১%।

উল্লেখ্য
- বাংলাদেশে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৫৫ সালে সিলেট জেলার হরিপুরে।
- এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে।
- ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র জকিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র, সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায়।
- সর্বশেষ গ্যাসক্ষেত্র ভোলার ইলিশা-১। [জুন,২০২৫]
- এটি অনুসন্ধান করে, (বাপেক্স)।
- এটি দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮৮৭.
সিমেন্ট তৈরিতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) কয়লা
  2. খ) ক্লিংকার
  3. গ) মিথেন
  4. ঘ) মণ্ড
ব্যাখ্যা
সিমেন্ট তৈরিতে কাঁচামাল হিসেবে ক্লিংকার, জিপসাম, ফ্লাই অ্যাশ, চুনাপাথর, মাটি ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়। প্রথমে মাটি বা কর্দমের সাথে চুনাপাথর মিশিয়ে প্রচন্ড উত্তাপের সাহায্যে ক্লিংকার তৈরি করা হয়। পরবর্তীতে ক্লিংকারের সাথে জিপসাম মিশিয়ে সিমেন্ট তৈরি করা হয়।
বাংলাদেশে ছাতক সিমেন্ট কারখানা ও লাফার্জ সুরমা কারখানা ক্লিংকার তৈরি করে। অন্যসব সিমেন্ট কারখানা বিদেশ হতে ক্লিংকার আমদানি করে থাকে।
(সূত্র: প্রথম আলো)
৮৮৮.
’রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো’ কোন মন্ত্রনালয়ের অধীনে?
  1. অর্থ মন্ত্রনালয়
  2. কৃষি মন্ত্রনালয়
  3. বণিজ্য মন্ত্রনালয়
  4. শিল্প মন্ত্রনালয়
ব্যাখ্যা
• বাণিজ্য মন্ত্রণালয়:
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর মন্ত্রণালয়।
- স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮১ খ্রিস্টাব্দে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে বাণিজ্য বিভাগ ও বৈদেশিক বাণিজ্য বিভাগ নামে দু’টি বিভাগে বিভক্ত করা হয়।
- ১৯৮২ খ্রিস্টাব্দে শিল্পের সাথে একীভূত হয়ে শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- সে সময় বাণিজ্য বিভাগ, শিল্প বিভাগ এবং পাট বিভাগ এ মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত করা হয়।
- ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় হিসেবে পুনঃকার্যক্রম শুরু হয়।

• বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপর অর্পিত এ সকল কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বেশ কয়েকটি অধীনস্থ দপ্তর/সংস্থা রয়েছে।
এগুলো হচ্ছেঃ
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।
- বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন;
-  আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তর;
- জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর;
- যৌথমূলধন কোম্পানী ও ফার্ম সমূহের নিবন্ধকের কার্যালয়;
- বাংলাদেশ চা বোর্ড;
- ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ;
- বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন;
- বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল;
- কম্পিটিশন কমিশন;
- বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট;
- দি ইনস্টিটিউট অব কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট এ্যাকাউন্টস অব বাংলাদেশ;
- দি ইনস্টিটিউট অব চার্টাড এ্যাকাউন্টস অব বাংলাদেশ;

উৎস: বণিজ্য মন্ত্রনালয়।
৮৮৯.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP) এর জন্য কত বরাদ্দ আছে?
  1. ক) ২,৬৩,০০০ কোটি টাকা
  2. খ) ২,২৩,০০০ কোটি টাকা
  3. গ) ২,০৯,১৪৫ কোটি টাকা
  4. ঘ) ২,৭২,৩০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
বাজেট ২০২৩-২৪:
- ৫২ তম (অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট বাদে)।
- ঘোষণা দেয় - ১ জুন, ২০২৩
- বাজেট পাশ হয় - ২৬ জুন, ২০২৩
- আওয়ামী লীগ সরকারের টানা ১৫তম এবং মোট ২৫ তম বাজেট।
- স্লোগান - উন্নয়নের অভিযাত্রার দেড় দশক পেরিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা।
- বাজেটের আকার - ৭,৬১,৭৮৫ কোটি।

- করমুক্ত আয়সীমা - ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।
- GDP'র প্রবৃদ্ধি - ৭.৫%
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ - জনপ্রশাসন খাতে (১,৬৭,৮৮০ কোটি টাকা)।
- শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বরাদ্দ - ১,০৪,১৩৭ কোটি টাকা।
- পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে বরাদ্দ - ৮৭, ৬২৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP) এর জন্য কত বরাদ্দ আছে - ২,৬৩,০০০ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র: বাজেট ২০২৩-২৪
৮৯০.
বিলোনিয়া স্থল বন্দর কোথায় অবস্থিত? 
  1. সোনাগাজী, ফেনী
  2. ফুলগাজী, ফেনী
  3. পরশুরাম, ফেনী
  4. কসবা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্যাখ্যা

বিলোনিয়া স্থল বন্দর:
- বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত;
- ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলার বিলোনিয়া সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুহুরীঘাট এলসিএস রয়েছে;
- ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখ বিলোনিয়া শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়;
- ১৯ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখ বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়;
-  রাজধানী ঢাকা হতে বিলোনিয়া স্থলবন্দরের দূরত্ব প্রায় ১৫৬ কি.মি.।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৮৯১.
বাংলাদেশ-ভুটানের যৌথ উদ্যোগে দেশের কোন জেলায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে? 
  1. রাজশাহী
  2. বগুড়া 
  3. কুড়িগ্রাম
  4. নীলফামারী
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক অঞ্চল:
- সম্প্রতি, বাংলাদেশ ও ভুটান আঞ্চলিক যোগাযোগ জোরদার করার লক্ষ্যে কুড়িগ্রাম-গেলেফু করিডোর উন্নয়নে সম্মত হয়েছে।
- বাংলাদেশ-ভুটানের যৌথ উদ্যোগে কুড়িগ্রামে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে।
- বাংলাদেশের সঙ্গে জিটুজি অংশীদারত্বে নির্মাণাধীন কুড়িগ্রাম স্পেশাল ইকোনমিক জোন ভুটানের আসন্ন 'গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি'র সঙ্গে যুক্ত হয়ে সীমান্ত-পারাপারের নতুন অর্থনৈতিক প্রবাহ সৃষ্টি করবে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।[লিঙ্ক]

৮৯২.
বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নাটোর
  2. দিনাজপুর
  3. নীলফামারী
  4. পাবনা
ব্যাখ্যা

ইপিজেড:
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- ১৯৮৩ সালে এটি যাত্রা শুরু করে।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড, ঢাকার সাভারে এর অবস্থান।
- বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা ইপিজেড। এটি নীলফামারীতে অবস্থিত।
- মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।

তথ্যসূত্র - বেপজা ওয়েবসাইট।

৮৯৩.
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো রিপোর্ট অনুযায়ী একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার কোন দেশ?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জার্মানি
  3. যুক্তরাজ্য
  4. চীন
ব্যাখ্যা
• দেশভিত্তিক রপ্তানি:
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র। 
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে। 

তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, জুলাই-ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত।
৮৯৪.
খুলনা হার্ডবোর্ড মিলে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় কোন ধরনের কাঠ?
  1. সেগুন
  2. শাল
  3. সুন্দরী
  4. গেওয়া
ব্যাখ্যা

খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস লি:
- খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস লি. দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড কারখানা।
- খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস লি. এর স্থাপনা তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি’র) সময়ে ১৯৬৫ সালে।
- কারখানাটি কানাডীয় সরকারি সাহায্য সংস্থার সহায়তায় স্থাপিত হয়।
- খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস কারখানার প্রধান কাঁচামাল সুন্দরবনে উৎপাদিত কাঁচা সুন্দরী জ্বালানী কাঠ।

উৎস: বাংলাদেশ ক্যামিকেল ইন্ড্রাস্টিজ কর্পোরেশন (BCIC)।

৮৯৫.
দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা কোনটি?
  1. শাহ সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড
  2. বসুন্ধরা সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড
  3. ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড
  4. শাহজালাল সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১০টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে।

⇒ চালু কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৪টি (চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ, আশুগঞ্জ ফাটিলাইজার এন্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ)।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
• কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
• সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
• গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
• স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

⇒ ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড:
- দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা বর্তমান সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে স্থাপিত হয়।
- ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা
- এটি ১৯৩৭ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হলে ১৯৬৬ সন হতে উহা ইপিআইডিসি’র নিয়ন্ত্রনে আসে।
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, পরে বিএমইডিসি এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি’র নিয়ন্ত্রণে আসে।

উৎস: i) BCIC ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৮৯৬.
সম্প্রতি, বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের তালিকায় কোনটি যুক্ত হয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. সয়াবিন তেল
  2. রাইস ব্র্যান অয়েল
  3. পাম অয়েল
  4. সানফ্লাউয়ার অয়েল
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

রপ্তানি পণ্য:

- দেশে ভোজ্যতেলের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ২২ থেকে ২৩ লাখ টন।
- এই চাহিদার বিপরীতে অপরিশোধিত সয়াবিন ও পাম তেল আমদানি করে স্থানীয়ভাবে পরিশোধনের মাধ্যমে চাহিদার প্রায় ৯০ শতাংশ পূরণ করা হয়।
- রপ্তানি নীতি ২০২৪-২৭ এর আওতায় রপ্তানি পণ্যের তালিকায় রাইস ব্র্যান, পরিশোধিত রাইস ব্র্যান অয়েল ও অপরিশোধিত রাইস ব্র্যান অয়েল অন্তর্ভুক্ত করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
- এরই অংশ হিসেবে সম্প্রতি বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে অপরিশোধিত রাইস ব্রান তেলের রপ্তানি নিরুৎসাহিত করতে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব রাখে।
 
উল্লেখ্য,
- পাবনার ঈশ্বরদীতে ২০১১ সালে রশিদ অয়েল মিলস লিমিটেড হোয়াইট গোল্ড ব্র্যান্ড নামে প্রথম ধানের কুঁড়ার এই তেল উৎপাদন শুরু করে।
- বাংলাদেশ রাইস ব্র্যান অয়েল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুসারে, দেশে মোট ২০টি রাইস ব্র্যান অয়েল মিল রয়েছে।
- এসব মিলের বার্ষিক উৎপাদনক্ষমতা ৪ লাখ ৫৩ হাজার টন।

তথ্যসূত্র: রপ্তানি নীতি ২০২৪-২৭।
৮৯৭.
দেশের প্রথম ইপিজেড কোথায় অবস্থিত?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. হালিশহর
  3. সাভার
  4. মংলা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড:
- বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল হিসেবে ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের হালিশহরে নির্মাণ করা হয় চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- এটি ৪৫৩ একর জায়গার উপর  অবস্থিত।
- এটা সমুদ্র বন্দর থেকে ৩.১০ কিলোমিটার এবং শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে মাত্র ১১.৩০ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত।
- তাই এটি শিল্প পার্ক হিসাবে দ্রুত প্রসার লাভ করেছে। 
- প্রতিষ্ঠার পর থেকেই চট্টগ্রাম তথা বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে চট্টগ্রাম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
- লন্ডন ভিত্তিক FDI ম্যাগাজিন 'The Financial Times' এর জরিপে চট্টগ্রাম ইপিজেড বিশ্বের ৭০০টি ইকোনোমিক জোন এর মধ্যে Cost Effective Zone category-তে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে (FDIম্যাগাজিন- জুন/জুলাই’১০ সংস্করণ)।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮৯৮.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংক নয়?
  1. ক) প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
  2. খ) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  3. গ) রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
  4. ঘ) সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
• বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি। এগুলো হল - 
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।

• রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি। এগুলো হল - 
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
- জনতা ব্যাংক লিমিটেড
- অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড
- রূপালি ব্যাংক লিমিটেড
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড।

• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৪৩টি, বিদেশি ব্যাংক - ৯টি।
৮৯৯.
বাংলাদেশের কোন রপ্তানী প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চলে (EPZ) সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে?
  1. ক) কুমিল্লা
  2. খ) সাভার
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) ঈশ্বরদী
ব্যাখ্যা
• শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা (Bangladesh Export Processing Zone Authority-BEPZA) দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
• বাংলাদেশে বর্তমানে সরকারি মোট ৮টি ইপিজেড রয়েছে; যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড। 
সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে - চট্টগ্রাম ইপিজেডে;
- উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা - ১৫৪টি।
• দ্বিতীয় - ঢাকা ইপিজেড;
- উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা - ৯২টি।
• সবচেয়ে কম উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে - ঈশ্বরদী ইপিজেডের;
- উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা - ২০টি। 
• এছাড়াও বেপজা চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই উপজেলায় ১,১৩৮ একর জমিতে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল নামে একটি  অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। 

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২।
৯০০.
বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পের অগ্রদূত বলা হয় কাকে?
  1. ক) স্যামসন এইচ চৌধুরী
  2. খ) নুরুল কাদের খান
  3. গ) মঞ্জুরুল আহসান মুন্সি
  4. ঘ) ইয়ার মোহাম্মদ খান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্প জন্মলাভ করে বিংশ শতাব্দীর সত্তরের দশকে। এ শিল্পের অগ্রদূত হলেন প্রয়াত নুরুল কাদের খান।
তিনিই প্রথম ‘দেশ গার্মেন্টস’ প্রতিষ্ঠা করেন এবং ১৯৭৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় ১৩০ জন শ্রমিককে প্রশিক্ষিত করে তাদের মাধ্যমে দেশে রপ্তানিমুখী গার্মেন্টস শিল্পের যাত্রা শুরু করেন।
সেই সূচনা থেকে বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশে উন্নীত হয়েছে।
(সূত্র: বিজিএমইএ ওয়েবসাইট)