বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

মোট প্রশ্ন১,৭৮৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

PrepBank · পাতা / ১৮ · ৫০১৬০০ / ১,৭৮৪

৫০১.
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে এশিয়ার কোন দেশের সাথে বাংলাদেশের সর্বাধিক ঘাটতি রয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ভারত
  2. চীন
  3. জাপান
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

বাণিজ্য ঘাটতি:
- এশিয়া মহাদেশে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে চীনের সাথে বাংলাদেশের সর্বাধিক ঘাটতি রয়েছে।
- চীন থেকে গত অর্থবছরে (২০২৪-২৫) পণ্য আমদানি হয়েছে ২ হাজার ৬১ কোটি ডলারের। 
- এর বিপরীতে বাংলাদেশ রপ্তানি করেছে ৭৪ কোটি ডলারের পণ্য।
- তাতে দেশটির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশের ঘাটতি ১ হাজার ৯৮৭ কোটি ডলারের।
- চীনের পরেই বড় ঘাটতি ভারতের সঙ্গে।
- গত অর্থবছরে দেশটি থেকে আমদানি হয়েছে ৯৬৮ কোটি ডলার পণ্য।
- রপ্তানি হয়েছে ১৮২ কোটি ডলারের পণ্য। তাতে বছর শেষে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশের ঘাটতি ৭৮৬ কোটি ডলারের।

তথ্যসূত্র- প্রথম আলো। [link]

৫০২.
বাংলাদেশের বার্ষিক বৈদেশিক সাহায্যের পরিমাণ নির্ধারণকারী সংস্থা কোনটি?
  1. বিশ্বব্যাংক
  2. এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক
  3. বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম
  4. বাংলাদেশ ব্যাংক
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বার্ষিক বৈদেশিক সাহায্যের পরিমাণ নির্ধারণকারী সংস্থা বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম।

BDF:
- BDF-এর পূর্ণরূপ- Bangladesh Development Forum.
- বিডিএফ হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
- তখন এর নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম।
- প্রথমদিকে এর বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- বিশ্বব্যাংক এই ফোরামের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) Economic Relations Division ওয়েবসাইট।

৫০৩.
দেশে বর্তমান উপকূলীয় নদীবন্দর কয়টি? (ডিসেম্বর, ২০২৪)
  1. ৫৪টি
  2. ৩৪টি
  3. ৬টি
  4. ১টি
ব্যাখ্যা
সন্দ্বীপ নদীবন্দর:
- দেশের প্রথম এবং বর্তমানে একমাত্র উপকূলীয় নদীবন্দর এটি।
- ১১ ডিসেম্বর,২০২৪ তারিখে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
- বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষকে (বিআইডব্লিউটিএ) সংরক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
- সন্দ্বীপ দ্বীপের চারপাশের তীরের সাধারণ ভরাকটালের সময় সর্বোচ্চ পানি সমতল থেকে ভূ–ভাগের দিকে ৫০ মিটার পর্যন্ত এর সীমানা বিস্তৃত।
- সন্দ্বীপ উপকূলীয় এলাকার ওই সীমানার মধ্যে খালগুলো নদীবন্দরের সীমানার আওতাভুক্ত হবে।

উল্লেখ্য,
- এ নিয়ে দেশে নদীবন্দরের সংখ্যা দাঁড়ালো ৫৪টিতে।
- এর মধ্যে ৪টি বড় নদীবন্দর হচ্ছে ঢাকা (সদরঘাট), নারায়ণগঞ্জ, চাঁদপুর ও বরিশাল।
- এছাড়া দেশের কন্টেইনার টার্মিনাল নদীবন্দর হচ্ছে ঢাকার পানগাঁও।

উৎস: বিআইডব্লিউটিএ ওয়েবসাইট।
৫০৪.
ইউরিয়া সারের কাঁচামাল কী?
  1. ক) প্রাকৃতিক গ্যাস
  2. খ) চুনাপাথর
  3. গ) মিথেন গ্যাস
  4. ঘ) ইলমেনাইট
ব্যাখ্যা
⇒ প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো মিথেন। 
- এছাড়াও প্রাকৃতিক গ্যাসে - ইথেন, প্রোপেন, বিউটেন, আইসোবিউটেন, পেন্টেন, কার্বন ডাইঅক্সাইড ইত্যাদি উপাদানও উপস্থিত থাকে।



ইউরিয়া উৎপাদনের মূলনীতি:
• বাংলাদেশে ৭টি সার কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদনে কাঁচামাল (Raw Material) হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়।




ইউরিয়া উৎপাদনে প্রধান কাঁচামাল তথা প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে প্রাপ্ত মিথেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড উভয়ই ব্যবহৃত হয় এবং উভয়ই প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদান।
যেহেতু মিথেন ছাড়াও প্রাকৃতিক গ্যাসের অন্যান্য উপাদানও ইউরিয়া সারের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই, কাঁচামাল তথা Raw Material হিসেবে 'প্রাকৃতিক গ্যাস' অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর। অপশনে প্রাকৃতিক গ্যাস না থাকলে মিথেন উত্তর হবে।


সূত্র:
১. কার্বন ডাইঅক্সাইড প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদান: American Energy Information Administration [Link]
২. রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. রসায়ন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, হাজারী ও নাগ।
৫০৫.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে সঙ্গে কোন ধরনের বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে? 
  1. মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি
  2. অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি
  3. অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি
  4. শুল্ক সহযোগিতা চুক্তি
ব্যাখ্যা

• অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (Economic Partnership Agreement - EPA): 
- বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে এই প্রথম অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (Economic Partnership Agreement - EPA) স্বাক্ষরিত হয়েছে ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে টোকিওতে।
- এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম কোনো দেশের সঙ্গে এ ধরনের পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্য চুক্তি।
- ভুটানের সঙ্গে অগ্রাধিকার বাণিজ্যচুক্তি (পিটিএ) ছাড়া আর কোনো দেশের সঙ্গেই বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় কোনো অর্থনৈতিক বা বাণিজ্যচুক্তি নেই।
- চুক্তিটি বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের পর জাপানের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা অব্যাহত রাখা এবং বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- ২২ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদিত এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা তৈরি পোশাকসহ প্রায় ৭,৩৭৯টি পণ্যে জাপানের বাজারে তাৎক্ষণিক শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবেন, যা মোট রপ্তানি পণ্যের ৯৭ শতাংশ।
- বিনিময়ে জাপান বাংলাদেশের বাজারে ১,০৩৯টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে।
- তবে টয়োটা, হোন্ডা ও সুবারুর মতো গাড়ি ব্র্যান্ডগুলো বাংলাদেশে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে না।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ এশিয়ার অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে বেশি পণ্য জাপানে রপ্তানি করে।
- বর্তমানে সেখানে বার্ষিক রপ্তানি আয় প্রায় দুই বিলিয়ন ডলার, যার বেশির ভাগই তৈরি পোশাক।
- অন্যদিকে জাপান থেকে আমদানির পরিমাণ ১ দশমিক ৮ থেকে ২ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে ওঠানামা করে।

• একনজরে জাপানের সাথে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি: 
- চুক্তির নাম: অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি/ Economic Partnership Agreement - EPA
- বাংলাদেশের পক্ষে: বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ।
- জাপানের পক্ষে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হোরি ইওয়াও।
- স্থান: জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, টোকিও।
- বাংলাদেশের শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা: ৭,৩৭৯টি পণ্যে। 
- জাপানের শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা: ১,০৩৯টি পণ্যে। (পর্যায়ক্রমে)

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার ও প্রথম আলো। (Link) 

৫০৬.
বাংলাদেশে কোন জেলায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) নারায়ণগঞ্জ
  2. খ) কুড়িগ্রাম
  3. গ) মুন্সিগঞ্জ
  4. ঘ) মাদারীপুর
ব্যাখ্যা
বিবিএসের সর্বশেষ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ -২০১৬ অনুসারে দেশের মধ্যে দারিদ্র্য হার সবচেয়ে বেশি কুড়িগ্রাম জেলায় (৭০.৮ শতাংশ)। দ্বিতীয় সর্বাধিক দারিদ্র্যপূর্ণ জেলা দিনাজপুর (৬৪.৩ শতাংশ)। তৃতীয় বান্দরবান (৬৩.২ শতাংশ)। দারিদ্র্য হার সবচেয়ে কম নারায়ণগঞ্জ জেলায় (২.৬ শতাংশ)। দ্বিতীয় কম দারিদ্র্যপূর্ণ জেলা ‍মুন্সিগঞ্জ (৩.১ শতাংশ)। তৃতীয় মাদারীপুর (৩.৭ শতাংশ)। (সূত্রঃ বিবিএস খানা আয় ও ব্যয় জরিপ -২০১৬)
৫০৭.
বর্তমানে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান- [আগস্ট,২০২৫]
  1. প্রথম 
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
ব্যাখ্যা

পোশাক রপ্তানি:
- একক দেশ হিসেবে বিশ্ববাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় বাংলাদেশ।
- বাজার হিস্যা দশমিক ৪৮ শতাংশীয় পয়েন্ট কমে গেছে।
- বাংলাদেশের পর তৃতীয় অবস্থানে আছে ভিয়েতনাম।
- আর শীর্ষ অবস্থানে আছে বরাবরের মতো চীন।
- তাদের বাজার হিস্যা ২ শতাংশীয় পয়েন্ট কমে গেছে।

উৎস: প্রথম আলো।

৫০৮.
ভোমরা স্থলবন্দরটি কোথায় অবস্থিত?
  1. বাগেরহাট
  2. সিলেট
  3. সাতক্ষীরা
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা

ভোমরা স্থলবন্দর:
- ভোমরা স্থলবন্দর সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত।

- ভোমরা স্থলবন্দর সাতক্ষীরা সদর উপজেলাধীন ভোমরা সীমান্তে অবস্থিত।
- সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত।
- ভোমরা স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতীয় অংশে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের চব্বিশ পরগণা জেলার গোজাডাঙ্গা সীমান্ত অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার চেকপয়েন্ট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর।
- স্থলপথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সহজতর করার লক্ষ্যে এটি যথাক্রমে ১২-০১-২০০২ খ্রিঃ তারিখে স্থলবন্দর ঘোষণা এবং  ১৯-০৫-২০১৩ খ্রিঃ তারিখে স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়।
- রাজধানী হতে ভোমরা স্থলবন্দরের দূরত্ব প্রায় ২৮৫ কিঃমিঃ এবং কোলকাতার দূরত্ব প্রায় ৬০ কিঃমিঃ।

• স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- হিলি স্থলবন্দর: হাকিমপুর, দিনাজপুর।
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।

উৎস: স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।

৫০৯.
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রথম কোন দেশে রপ্তানি হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্রে
  2. জার্মানিতে 
  3. কানাডায়
  4. ফ্রান্সে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক:
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রথম ফ্রান্সে রপ্তানি হয়।

⇒ বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল শিল্প খাত হচ্ছে তৈরি পোশাক।
- বর্তমানে মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি এই খাতটি থেকেই আসে।
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে বর্তমানে তৃতীয়। 
- ১৯৭৮ সালের ২৮ জুলাই রিয়াজউদ্দিন ফরাসি ক্রেতা হল্যান্ডার ফ্রঁসের কাছে দশ হাজার শার্ট রপ্তানি করেন।
- স্বাধীনতার পর রিয়াজউদ্দিন ব্যবসা শুরু করেন, ১৯৭৩ সালে তিনি এর নাম দেন রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড এবং স্বাধীন বাংলার প্রথম তৈরি পোশাক কারখানা হিসেবে স্বীকৃতি পান। 
- ২৮ জুলাই ১৯৭৮ সালে, রিয়াজউদ্দিন ১০ হাজার রিয়াজ শার্ট ফরাসি ক্রেতা হলান্ডার ফ্রঁসের কাছে রপ্তানী করলেন।
- শার্টের ওই চালানের ফরাসী মুদ্রায় দাম ছিল ১৩ মিলিয়ন ফ্রা, বাংলাদেশী টাকায় যা ছিল ৪ লাখ ২৭ হাজার টাকা।
- সেটিই ছিল বাংলাদেশ থেকে প্রথম পোশাক রপ্তানি।
- ১৯৯৮ সালে গাজীপুরের বোর্ডবাজারে তৈরি হয় পাঁচ হাজার শার্ট তৈরির ক্ষমতাসম্পন্ন রিয়াজ এক্সপোর্ট অ্যাপারেল।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) The Business Standard.

৫১০.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, প্রাথমিক পণ্য হিসেবে রপ্তানি খাতে কৃষিজাত পণ্যের অবদান কত শতাংশ?
  1. ০.২৬%
  2. ০.৭১%
  3. ১.৩৯%
  4. ১.৭৮%
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৮.৩৫% বা ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৈরি পোশাক: ৩৭.১০%।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নীটওয়‍্যার ও তৈরি পোশাক পণ্যের রপ্তানি আয় ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

অন্যদিকে,
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.২৫%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: 'কৃষিজাত পণ্য' (১.৩৯%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: হিমায়িত খাদ্য' (০.৭১%)।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: কাচাপাট (০.২৬%))।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৫১১.
দেশের সর্ববৃহৎ বেসরকারি ভাসমান সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত? [ডিসেম্বর,২০২৫]
  1. ময়মনসিংহ
  2. গাজীপুর
  3. কুষ্টিয়া
  4. নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা

• ভাসমান সৌর বিদ্যুৎ: 
- দেশের সর্ববৃহৎ ভাসমান সৌর বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট স্থাপন করেছে ওয়ালটন।
- বাংলাদেশের শিল্পখাতে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবহারে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি।
- নিজস্ব অর্থায়নে প্রতিষ্ঠানটি গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সের জলাশয়ের ওপর স্থাপন করেছে দেশের সর্ববৃহৎ বেসরকারি ভাসমান সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র।
- সম্প্রতি ১ মেগাওয়াট ক্ষমতার এই ফ্লোটিং সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট চালু হয়েছে।

উৎস: THE BUSINESS STANDARD.[Link]

৫১২.
দেশের ১২তম বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল কোনটি?
  1. ক) চাঁদপুর
  2. খ) কুমিল্লা
  3. গ) হবিগঞ্জ
  4. ঘ) খুলনা
ব্যাখ্যা
• বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল:
- দেশের ১২তম বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে সনদ পায় কুমিল্লা অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- দেশে বেসরকারিভাবে গড়ে ওঠা কুমিল্লা অর্থনৈতিক অঞ্চলকে লাইসেন্স দিয়েছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)।
- এর মাধ্যমে দেশের ১২তম বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃতি পেল কুমিল্লা অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের আওতাধীন কুমিল্লা ইকোনমিক জোনকে চূড়ান্তভাবে এ লাইসেন্স দেওয়া হলো।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো নিউজ।
৫১৩.
বাংলাদেশে মোট কতটি রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল রয়েছে? (২০২৪)
  1. ১৩ টি
  2. ৬ টি
  3. ৫ টি
  4. ১৫ টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল বন্ধ:
- বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের (বিএসএফআইসি) অধীনে সরকারি মোট ১৫টি চিনিকল রয়েছে।
- এর মধ্যে ছয়টির কার্যক্রম বন্ধ আছে।
- এগুলো হচ্ছে কুষ্টিয়া, পাবনা, পঞ্চগড়, শ্যামপুর (রংপুর), রংপুর ও সেতাবগঞ্জ (দিনাজপুর) চিনিকল।
- ছয়টি সরকারি চিনিকলে প্রায় চার বছর ধরে আখমাড়াই বন্ধ রয়েছে।
- এসব চিনিকল পর্যায়ক্রমে আবার চালুর চিন্তাভাবনা করছে অন্তর্বর্তী সরকার।

সূত্র- প্রথম আলো রিপোর্ট।
৫১৪.
BJMC- এর পূর্ণরূপ-
  1. Bangladesh Jute Mills Council
  2. Bangladesh Joint Of Military Coordination
  3. Bangladesh Jute Mills Corporation
  4. Bangladesh Jute Mills Cooperation
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন (বিজেএমসি):
- BJMC- এর পূর্ণরূপ-Bangladesh Jute Mills Corporation.
- ১৯৭২ মূলে ৭৮টি রাষ্ট্রায়ত্ত জুট মিল পরিচালন কাজ তত্ত্বাবধানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জুট মিলস্ করপোরেশন (বিজেএমসি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে ৪টি মিল স্থাপনের মাধ্যমে মিল সংখ্যা দাঁড়ায় ৮২ টি।
- ২০০২ সালে বন্ধ ঘোষিত ২টি মিল।
- আদমজী জুট মিলস লিঃ ও এবিসি লিঃ।
- যা সরকারি আদেশে বেপজার নিকট হস্তান্তর করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন ওয়েবসাইট।
৫১৫.
BIDA এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Industry Development Authority
  2. Bangladesh Investment Development Authority
  3. Bangladesh Import Development Alliance 
  4. Bangladesh Irrigation Development Authority
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA):
- BIDA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Investment Development Authority.
- এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ একটি প্রতিষ্ঠান।
- এর নিয়ন্ত্রক প্রধানমন্ত্রী/ প্রধান উপদেষ্টা।
- গঠিত হয়: ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।
- কাজ: বেসরকারি বিনিয়োগ বিশেষত বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং বিনিয়োগ কারীদের বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করে থাকে।

উৎস: BIDA ওয়েবসাইট।

৫১৬.
২০২২-২৩ অর্থবছরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি খাত কোনটি?
  1. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  2. তৈরি পোশাক
  3. পাট ও পাটজাত পণ্য
  4. হোম টেক্সটাইল
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি পন্য - পাট ও পাটজাত পন্য।

ইপিবির তথ্যানুযায়ী - দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি পন্য চামড়া ও চামড়াজাত পন্য
-------------- 
রপ্তানি বিষয়ক তথ্যের জন্য রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)-র তথ্য অধিক গ্রহণযোগ্য। 

রপ্তানি আয়:
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩১,৩৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩১.৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪.৫৮%।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৬.০১% ও তৈরি পোশাক: ৩৮.৫৭%।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.২৯%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৪৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- 'শিল্পজাত পণ্য'- এর অবদান/রপ্তানির হার; ৯৭.১১%।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: 'কৃষিজাত পণ্য' (০.৯২%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: হিমায়িত খাদ্য' (০.৮৬%)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।

৫১৭.
বাংলাদেশে কয়টি স্থলবন্দর চালু রয়েছে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ১২টি
  2. ১৪টি
  3. ১৫টি
  4. ১৬টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্থলবন্দর:
- বাংলাদেশে বর্তমানে সরকার ঘোষিত ২৪ টি স্থল বন্দর রয়েছে।
- যার মধ্যে চালু রয়েছে ১৬টি।

উল্লেখ্য,
⇒ চালুকৃত স্থলবন্দর ১৬টি:
- সোনা মসজিদ স্থলবন্দর, হিলি স্থলবন্দর, বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর, বিবির বাজার স্থলবন্দর, টেকনাফ স্থলবন্দর, বেনাপোল স্থলবন্দর, বুড়িমারী স্থলবন্দর, ভোমরা স্থলবন্দর, তামাবিল স্থলবন্দর, সোনাহাট স্থলবন্দর, নাকুগাঁও স্থলবন্দর, আখাউড়া স্থলবন্দর, বিলোনিয়া স্থলবন্দর, গোবরাকুড়া-কড়ইতলী স্থলবন্দর, শেওলা স্থলবন্দর, ধানুয়া কামালপুর স্থলবন্দর।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ। [link]
৫১৮.
চিনামাটি কোন শিল্পের মূল কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. কাগজ শিল্প
  2. সিরামিক শিল্প
  3. ইস্পাত শিল্প
  4. সিমেন্ট শিল্প
ব্যাখ্যা

• নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুর ও এর আশপাশের এলাকায় রয়েছে চিনামাটির খনি।
- চিনামাটি মূলতঃ সিরামিক শিল্পের কাঁচামাল।
- খনিজ সম্পদ ব্যুরোর ১৯৫৭ সালের তথ্যানুযায়ী, এ এলাকায় চিনামাটির মজুদ প্রায় ২৪ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন। 
- এটি দিয়ে বাংলাদেশের তিনশ বছরের চাহিদা পূরণ সম্ভব বলে তখন বলা হয়েছিল।
- খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো থেকে অনুমতি নিয়ে কয়েকটি বেসরকারি কোম্পানী এখানকার চিনামাটি আহরণ করছে।
- প্রতিদিন হাজার হাজার শ্রমিক মাটি খননের কাজ করছে খনিজ প্রকল্পগুলোতে।
- এরপর তা পরিবহন করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে সিরামিক শিল্পের কারখানাগুলোতে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫১৯.
কোন মন্ত্রণালয় বাংলাদেশের দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে নিয়োজিত?
  1. অর্থ
  2. বাণিজ্য
  3. শিল্প
  4. পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়:
- স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় হিসেবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যাত্রা শুরু হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৮১ সালে বাণিজ্য বিভাগ ও বৈদেশিক বাণিজ্য বিভাগ নামে দু’টি বিভাগে বিভক্ত করা হয়।
- যা ১৯৮২ সালে শিল্পের সাথে একীভূত হয়ে শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- ১৯৮৫ সাল থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় হিসেবে পুনঃকার্যক্রম শুরু হয়।

⇒ অভিলক্ষ্য: ব্যবসা বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, বাণিজ্য পদ্ধতির সহজীকরণ, রপ্তানি বৃদ্ধিতে সহায়তা প্রদান, রপ্তানি পণ্য ও বাজার বহুমূখীকরণ, বৈদেশিক বাণিজ্যে সক্ষমতা বৃদ্ধি, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নে ভূমিকা রাখা।

• বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা ও দপ্তরসমূহ:
⇒ বর্তমানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট ১৩টি সংস্থা বা দপ্তর রয়েছে। যথা:
১. বাংলাদেশ ট্রেড এবং ট্যারিফ কমিশন,
২. রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো,
৩. ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ,
৪. জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,
৫. যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর,
৬. আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের অফিস,
৭. বাংলাদেশ চা বোর্ড,
৮. বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন,
৯. বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট,
১০. বিজনেজ প্রমোশন কাউন্সিল,
১১. দি ইন্সটিটিউট অব কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টস অব বাংলাদেশ,
১২. দি ইন্সটিটিউট অব চার্টাড একাউন্টস অব বাংলাদেশ,
১৩. ইন্সটিটিউট অব চার্টাড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ।

উৎস: বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৫২০.
বৈদেশিক বাণিজ্যে কোন দেশটির সাথে বাংলাদেশের সর্বাধিক বাণিজ্য উদ্বৃত্ত বিদ্যমান?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) কানাডা
  3. গ) জার্মানি
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সার্বিক বৈদেশিক বাণিজ্যে ঘাটতি বিদ্যমান।
গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাণিজ্য ভারসাম্যে ঘাটতি ছিলো ১৭.৮৫৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
তবে কয়েকটি দেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈদেশিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের উদ্বৃত্ত রয়েছে। এগুলোর মধ্যে:
- প্রথম : জার্মানি (৪.২৩ বি. ড.)
- দ্বিতীয় : যুক্তরাষ্ট্র (৩.৭ বি. ড.)
- তৃতীয় : যুক্তরাজ্য (২.৯ বি. ড.)।
অন্যদিকে, বাংলাদেশের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য ঘাটতি বিদ্যমান চীনের সাথে। দ্বিতীয় সর্বাধিক ভারতের সাথে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
৫২১.
২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে, বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের পরিমাণ কত?
  1. ৪৭,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. ৪৮,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. ৪৬,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ৪৪,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

• ২০২৪-২০২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি কার্যক্রমঃ
- বিগত ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে আমাদের রপ্তানি আয় হয়েছিল ৪৪,৪৬৯.৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
- চলতি ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা  ৫০,০০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের জুলাই-জুন সময়ের পণ্য খাতের অর্জিত রপ্তানি আয় ৪৮,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা বিগত ২০২৩ -২০২৪ অর্থ বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় ৪৪,৪৬৯.৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ৮.৫৮% বেশী এবং নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৫০,০০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ৯৬.৫৭% ।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

৫২২.
বাংলাদেশের একমাত্র পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) রাঙ্গামাটি
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) পঞ্চগড়
  4. ঘ) বান্দরবান
ব্যাখ্যা
• পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- রাঙামাটি জেলার কাপ্তাইয়ে দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত।
- এটি ১৯৬২ সালে চালু হয়।
- ১৯৫৬ থেকে ১৯৬১ সালে কাপ্তাই খালে বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে তৈরি জলাধারের পানি প্রবাহের মাধ্যমে এই কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়।
- এই কেন্দ্রের বর্তমান উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৫২৩.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের তফসিলভুক্ত বিশেষায়িত ব্যাংক?
  1. গ্রামীণ ব্যাংক
  2. রুপালী ব্যাংক
  3. অগ্রণী ব্যাংক
  4. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
ব্যাখ্যা
• তালিকাভুক্ত (Scheduled) ব্যাংক
- বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী ব্যাংকগুলো তালিকাভুক্ত থাকে।
- মোট তালিকাভুক্ত ব্যাংক: ৬২টি। [মে, ২০২৫]

• বিশেষায়িত ব্যাংক (SDBs): মোট ৩টি।
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক,
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, 
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।

অপরদিকে,
- রুপালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক এগুলো রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক।

• ব্যক্তিমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক (PCBs):
- মোট: ৪৩টি।
- প্রচলিত পদ্ধতির ব্যাংক: ৩৩টি (সুদ ভিত্তিক)।
- ইসলামি শরিয়াভিত্তিক ব্যাংক: ১০টি (লাভ-লোকসান ভাগাভাগির ভিত্তিতে পরিচালিত)
- ডিজিটাল বাণিজ্যিক ব্যাংক: মোট: ১টি।
- অবস্থা: এখনও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের অনুমতি পায়নি
- বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক (FCBs): মোট: ৯টি।

• বাংলাদেশে বর্তমানে ৫টি অতালিকাভুক্ত ব্যাংক রয়েছে:
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
- কর্মসংস্থান ব্যাংক,
- গ্রামীণ ব্যাংক,
- জুবিলি ব্যাংক,
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৫২৪.
বাংলাদেশ কোন্ দুটি দেশ হতে সিংহভাগ সয়াবিন তেল আমদানী করে?
  1. মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া
  2. ভারত ও চীন
  3. জার্মানি ও ভিয়েতনাম
  4. আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল
ব্যাখ্যা

সয়াবিন তেল আমদানি:
- বাংলাদেশ বিশ্বের তৃতীয় শীর্ষ সয়াবিন তেল আমদানিকারক দেশ হিসেবে পরিচিত।
- দেশের সয়াবিন তেলের চাহিদার বড় অংশই আমদানি দ্বারা পূরণ হয়।
- বাংলাদেশ তার সয়াবিন তেলের অধিকাংশ আমদানি করে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে।
- এই তিনটি দেশ প্রধান সয়াবিন উৎপাদক ও সরবরাহকারী হিসেবে বাংলাদেশের বার্ষিক চাহিদার বড় অংশ পূরণ করে।

এছাড়াও,
- জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ সাত দেশের আট প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় সোয়া ১৪ লাখ টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করে।

সূত্র: মার্কিন কৃষি বিভাগের (USDA) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিস এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট [লিংক] [লিংক]

৫২৫.
WARPO-এর পূর্ণরূপ-
  1. Water Resource Protection Organization
  2. Water Resource Planning Organization
  3. Water Regulation and Planning Office
  4. Water Resource Production Organization
ব্যাখ্যা

ওয়ারপো (WARPO):
- ওয়ারপো হলো বাংলাদেশের একটি স্বশাসিত সরকারি সংস্থা।
- এর পূর্ণরূপ- Water Resources Planning Organization (পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থা)।
- এটি দেশের পানি সম্পদকে সমন্বিতভাবে পরিকল্পনা, ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নের কাজ করে থাকে।
- এর মূল লক্ষ্য টেকসই উন্নয়ন ও ন্যায্য ব্যবহার নিশ্চিত করা। 
- এটি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়-এর অধীনে কাজ করে।
- সংস্থাটি ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি জাতীয় পানি নীতি ১৯৯৯ ও বাংলাদেশ পানি আইন ২০১৩-এর আওতায় দেশের সর্বোচ্চ পরিকল্পনাকারী সংস্থা হিসেবে কাজ করে।
- এই সংস্থার সদর দপ্তর ৭২ গ্রিন রোড, ঢাকায় অবস্থিত। 

উল্লেখ্য,
• ওয়ারপোর প্রধান কাজগুলো হলো:
- জাতীয় পানি সম্পদ পরিকল্পনা (NWRP) প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা।
- বাংলাদেশ পানি আইন-এর সমন্বয় ও বাস্তবায়ন করা।
- সমন্বিত পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা (IWRM)-এর জন্য কাজ করা।
- জাতীয় পানি সম্পদ ডেটাবেস ও জ্ঞানভাণ্ডার তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণ করা।
- পানি খাতের বিভিন্ন প্রকল্পের অনুমোদন ও পর্যবেক্ষণ করা।
- বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পানি ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নীতি ও প্রবিধান বাস্তবায়ন করা 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫২৬.
বাংলাদেশের পুঁজি বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান হচ্ছে -
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ
  3. চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ
  4. বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন
ব্যাখ্যা

BSEC: 
- বাংলাদেশের পুঁজি বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC)।
- এটি ১৯৯৩ সালের ৮ জুন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন ১৯৯৩ অনুসারে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বিএসইসি পুঁজিবাজারের নিয়ম-কানুন তৈরি ও বাস্তবায়ন করে এবং শেয়ারবাজারের নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়নে কাজ করে।
- বিএসইসি ২০১৩ সাল থেকে International Organization of Securities Commissions (IOSCO) এর সদস্য। এছাড়াও, বিএসইসি ২০২৪ সালের ৭ অক্টোবর পুঁজিবাজার সংস্কারের জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠন করেছে।

সূত্র: BSEC.

৫২৭.
দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র কোনটি?
  1. ক) গোমতী নদী
  2. খ) আন্ধারমানিক লেক
  3. গ) শনির হাওর
  4. ঘ) হালদা নদী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হলো হালদা নদী। এটি চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত। এটি সরকার ঘোষিত একটি মৎস্য অভয়াশ্রম। সম্প্রতি সরকার হালদা নদীকে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ ঘোষণা করেছে।
(সূত্রঃ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট)
৫২৮.
গত অর্থবছর চীন থেকে বাংলাদেশের আমদানির পরিমাণ প্রায় -
  1. ১৫ বিলিয়ন ডলার
  2. ১৩ বিলিয়ন ডলার
  3. ১৭ বিলিয়ন ডলার
  4. ১১ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের ৯৮% পণ্যে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা দেবে চীন। 
- এতে এখন থেকে চীনের বাজারে বাংলাদেশের ৮,৯৩০টি পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়া যাবে। 
- ২০২০ সালে বাংলাদেশের ৯৭% পণ্যকে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা দেয় চীন, যা ওই বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়।
- এর আওতায় বাংলাদেশের ৮৫৪৭টি পণ্য শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পেয়েছে। অর্থাৎ, চীন বাংলাদেশের আরও ৩৮৩টি পণ্যকে নতুন করে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিচ্ছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছর চীন থেকে বাংলাদেশের আমদানির পরিমাণ প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশের মোট আমদানি ব্যয়ের এক-চতুর্থাংশ।
- একই সময়ে চীনে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৬৮১ মিলিয়ন ডলার। এটি আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৩.৪২% বেশি।  

উৎস: www.tbsnews.net
৫২৯.
বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে চলমান শিল্প কারখানা রয়েছে -
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে চলমান শিল্প কারখানা রয়েছে ১১টি।

⇒ চলমান শিল্প কারখানাগুলোর মধ্যে:
- ইউরিয়া সার কারখানা: ৫টি (চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড,আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী - লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ,ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী )।
- ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
- টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
- কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
- সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
- গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
- স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

উৎস: BCIC ওয়েবসাইট।

৫৩০.
বাংলাদেশে অ-তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা কয়টি?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৫টি
  3. গ) ৯টি
  4. ঘ) ৬টি
ব্যাখ্যা
• অ-তফসিলি ব্যাংক হলো সেসব ব্যাংক যেগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকাভুক্ত নয়। এসব ব্যাংক বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত। এগুলোকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংকও বলে।
• বাংলাদেশের অ-তফসিলি ব্যাংক হলোটি। যথা:
১. আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
২. কর্মসংস্থান ব্যাংক,
৩. জুবিলি ব্যাংক,
৪. গ্রামীণ ব্যাংক জুবিলি ব্যাংক এবং
৫. পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

• রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি
• বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি
• বাংলাদেশে বিদেশি ব্যাংকের সংখ্যা - ৯টি


(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
৫৩১.
কর্ণফুলী কাগজ কলে কাঁচামাল হিসেবে কী ব্যবহৃত হয়?
  1. বেত
  2. ধুন্দল গাছ
  3. বাঁশ
  4. আখের ছোবড়া
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড:
- বাংলাদেশের প্রথম কাগজ কল কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড।
- এশিয়ার বৃহত্তম কাগজের কল কর্ণফুলি পেপার মিলস্ লিমিটেড।
- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলাধীন চন্দ্রঘোনা নামক স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরই এ প্রতিষ্ঠানটিকে জাতীয়করণ করা হয়।
- ৫ একর জমি জুড়ে ১৯৫৩ সালে তদানীন্তন পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক বার্ষিক ৩০,০০০ মেঃ টন কাগজ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন কর্ণফূলী পেপার মিলস্ লিঃ স্থাপিত হয়।
- চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের প্রধান কাঁচামাল বাঁশ।
- কাগজ উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল বাশেঁর প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে কর্ণফুলি পেপার মিলটি চন্দ্রঘোনায় স্থাপন করা হয়েছিল।
- এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কাগজ উৎপাদনকারী কোম্পানি।

উল্লেখ্য,
- পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলে প্রচুর বাঁশ জন্মে এবং বাঁশ ব্যবহার করে কর্ণফুলী পেপার মিলে কাগজ তৈরি হয়।
- এই মিলে সাদা কাগজ এবং বাদামী ও অন্যান্য রঙ্গিন কাগজ উৎপাদিত হয়।
- এদেশে সরকারী চাহিদার প্রায় অর্ধেকের বেশি কাগজ সরবরাহ করে থাকে এ প্রতিষ্ঠানটি।

উৎস: বিসিআইসি ওয়েবসাইট।
৫৩২.
টেক্সটাইল শিল্পে Blue Sign মূলত কোন বিষয়ের মানদণ্ড নির্ধারণ করে?
  1. পরিবেশ ও রাসায়নিক নিরাপত্তা 
  2. রপ্তানির পরিমাণ
  3. শ্রমিকের বেতন
  4. উৎপাদনগত গতি
ব্যাখ্যা

• Blue Sign:
- Blue Sign হলো পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পে ব্যবহৃত একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশবান্ধব সার্টিফিকেশন।
- এটি পুরো উৎপাদন প্রক্রিয়াকে নিরাপদ, টেকসই এবং মানবিক মানদণ্ডে পরিচালিত হচ্ছে কি না তা নিশ্চিত করে।
- Blue Sign শুধুমাত্র পণ্যের মান নয় - এর উৎপাদনের প্রতিটি ধাপ ও পর্যবেক্ষণ করে।
- যেমন:
রাসায়নিক ব্যবহার,
• পরিবেশগত প্রভাব
• পানি ও শক্তি সাশ্রয়, 
• বর্জ্য ব্যবস্থাপনা - সবই কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করে।

উল্লেখ্য,
- যে পণ্যগুলো Blue Sign স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে, সেগুলোর ওপর “Blue Sign Approved” বা “Blue Sign PRODUCT” লেবেল দেওয়া হয়।
- এই সার্টিফিকেশন ক্ষতিকর রাসায়নিক পরিহারে সাহায্য করে, পরিবেশ দূষণ কমায় এবং কর্মী ও ভোক্তা—দু’পক্ষের জন্যই নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করে।

উৎস: Blue Sign Official Website.

৫৩৩.
What is the secondary market concerned with?
  1. ক) labor market
  2. খ) job market
  3. গ) Agricultural market
  4. ঘ) stock market
ব্যাখ্যা
• স্টক এক্সচেঞ্জ:
• সিকিউরিটিস এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ দুইটি। একটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং অপরটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। 

• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:

- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত।
-  ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে - ১৯৫৪ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে - ১৯৫৬ সালে।

• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়।
এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ ১৯৯৫ সালের জানুয়ারিতে সরকারের কাছে আবেদন করলে সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ১৯৯৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে এর অনুমোদন দেন।

তথ্যসূত্র:- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।
৫৩৪.
জাপানি অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মিত হচ্ছে কোথায়?
  1. ক) আনোয়ারা
  2. খ) আড়াইহাজার
  3. গ) মংলা
  4. ঘ) মিরসরাই
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের অধীনে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্যে ৫টি অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে।
এগুলো হলো:
জাপানি অর্থনৈতিক অঞ্চল – আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ)
চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল – আনোয়ারা (চট্টগ্রাম)
ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল – মিরসরাই (চট্টগ্রাম)
ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল – মংলা (বাগেরহাট)
ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল – কুষ্টিয়া।
(সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট)
৫৩৫.
বর্তমানে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য-
  1. ক) ১০টি
  2. খ) ৯টি
  3. গ) ১১টি
  4. ঘ) ৮টি
ব্যাখ্যা

• বর্তমানে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য ১১টি।
যথা-
১. জামদানি শাড়ি (১৭ নভেম্বর, ২০১৬)
২. ইলিশ মাছ (৬ আগস্ট, ২০১৭)
৩. ক্ষীরশাপাতি আম (২৭ জানুয়ারি, ২০১৯)
৪. ঢাকাই মসলিন (২৮ ডিসেম্বর, ২০২০)
৫. রাজশাহী সিল্ক (২০২১),
৬. রংপুরের শতরঞ্জি (২০২১),
৭. নেত্রকোনার বিজয়পুরের সাদামাটি (২০২১),
৮. দিনাজপুরের কাটারিভোগ, (২০২১),
৯. বাংলাদেশি কালিজিরা (২০২১),
১০. বাগদা চিংড়ি (২০২২) ও
১১. ফজলি আম (২০২২)।

৫৩৬.
বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) প্রধান কাজ কী?
  1. বাজেট তৈরি
  2. কর আদায়
  3. মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ
  4. ঋণ নিয়ন্ত্রন
ব্যাখ্যা

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড: 
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (জারাবো) রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা।
- ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নং - ৭৬ দ্বারা গঠিত হয়েছে।
-  প্রশাসনিকভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অর্থ মন্ত্রনালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন একটি পরিচালিত হয়।
-  অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব জারাবো'র এক্স-অফিসিও চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক প্রধান।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে প্রধান দায়িত্ব হলো কাস্টমস, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর সংক্রান্ত্ বিধি-বিধান তৈরি এবং তার আলোকে যথাযথ কর-রাজস্ব আদায় করা।
- এ ছাড়াও চোরাচালান প্রতিরোধ, শুল্ক-কর সংক্রান্ত আর্ন্তজাতিক চুক্তি সম্পাদন ও সরকারের রাজস্ব নীতি সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে প্রতিনিধিত্ব করা।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কাস্টমস, মূসক ও আয়কর অনুবিভাগের মাধ্যমে কাজ করে।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

৫৩৭.
দেশের নবম ইপিজেড কোথায় স্থাপিত হবে?
  1. পটুয়াখালী
  2. গাইবান্ধা
  3. গোপালগঞ্জ
  4. যশোর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নবম ইপিজেড:
- বাংলাদেশের নবম ইপিজেড পটুয়াখালীতে স্থাপিত হবে।
- ১,৫৩০ মিলিয়ন ডলার বৈদেশিক বিনিয়োগ পাওয়ার ও ১,৮৩৬ মিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্য নিয়ে পটুয়াখালীতে গড়ে তোলা হচ্ছে বাংলাদেশের নবম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড)।
- 'প্রস্তাবিত ইপিজেডের কাছাকাছি দুটি সমুদ্র বন্দর রয়েছে-একটি পায়রা, অপরটি মোংলা সমুদ্র বন্দর।
- সমীক্ষা অনুযায়ী, পটুয়াখাালীর পচাকোড়ালিয়া ও কুয়াকাটার ৪১৮ একর জমিতে প্রস্তাবিত ইপিজেডে ৩০৬টি শিল্প প্লট তৈরি করা যাবে।
- প্রস্তাবিত ইপিজেডে ১ লাখ বাংলাদেশি নাগরিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
- এছাড়া আরও ২ লাখ বাংলাদেশির পরোক্ষ কর্মসংস্থান হবে।
- ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে ইপিডেজ স্থাপনের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮০ সালে গঠন করা হয় বেপজা।
- বর্তমানে, বাংলাদেশে ৮টি ইপিজেড আছে।
- এগুলো হচ্ছে: চট্টগ্রাম ইপিজেড, ঢাকা ইপিজেড, মোংলা ইপিজেড, ঈশ্বরদী ইপিজেড, কুমিল্লা ইপিজেড, উত্তরা ইপিজেড, আদমজী ইপিজেড ও কর্ণফুলী ইপিজেড।

উৎস: ২৩ জুন, ২০২৩, The Business Standard।
৫৩৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, সেবাখাত জিডিপির কয়টি খাতের সমন্বয়ে গঠিত?
  1. ১৩টি
  2. ১৫টি
  3. ১৭টি
  4. ১৯টি
ব্যাখ্যা

সেবাখাত: 
- সেবাখাত বাংলাদেশের অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে বড় খাত।
- বর্তমানে ১৩টি খাত নিয়ে এই বৃহৎ সেবাখাত গঠিত।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪% এবং প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০%।
- এতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ – ৩৮.০০%।
- বৃহৎ সেবাখাতের অন্তর্গত ১৩টি খাতের মধ্যে 'পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মেরামত' খাতটি সবচেয়ে বড়।
- সেবাখাতের অন্তর্গত ১৩টি খাতের মধ্যে জিডিপিতে এই খাতের অবদান সবেচেয়ে বেশি- ১৫.৩২%।
- এর প্রবৃদ্ধির হার ৬.১৯%।
- বৃহৎ সেবাখাতের অন্তর্গত সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত 'মানব স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা' যার প্রবৃদ্ধির হার সেবাখাতের অন্তর্গত ১৩টি খাতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১০.০৭%।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪। 

৫৩৯.
বর্তমানে বাংলাদেশের নদীবন্দর কয়টি? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ৫১টি
  2. ৫২টি
  3. ৫৩টি
  4. ৫৪টি
ব্যাখ্যা
দেশের নদীবন্দর:
- বাংলাদেশে বর্তমানে ৫৪টি নদীবন্দর রয়েছে
- ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের হিসাবে, বাংলাদেশে নদীবন্দরের সংখ্যা ৫৪টি।
- এর মধ্যে চারটি বড় নদী বন্দর হচ্ছে ঢাকা (সদরঘাট), নারায়ণগঞ্জ, চাঁদপুর ও বরিশাল। 
- দেশের কন্টেইনার টার্মিনাল নদীবন্দর হচ্ছে ঢাকার পানগাঁও।

উল্লেখ্য,
- দেশের প্রথম উপকূলীয় নদীবন্দর হলো সন্দ্বীপ। চট্টগ্রামের সন্দ্বীপকে নদীবন্দর ঘোষণা করেছে সরকার।

উৎস: i) বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ওয়েবসাইট।
ii) বণিক বার্তা।
৫৪০.
EPB-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Export Promotion Board
  2. Export Promotion Bureau
  3. Export Products Board
  4. Export Products Bureau
ব্যাখ্যা

EPB:
- EPB-এর পূর্ণরূপ: Export Promotion Bureau.
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) Export Promotion Bureau Act, 2015 দ্বারা গঠিত একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা।
- মাননীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পদাধিকার বলে পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান।
- সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংস্থার সদস্যবৃন্দের (যুগ্মসচিবের নিন্মে নহে) সমন্বয়ে ব্যুরোর ২২-সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদ।
- এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা। 
- ১৯৬২ সালে ইপিবি সরকারি সংস্থা হিসেবে যাত্রা শুরু করে। ১৯৭৭ সালে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ (XLVII of 1977) বলে ২৫৪ জনবলের ইপিবিকে আধা-স্বায়ত্বশাসিত সংস্থায় রুপান্তর করা হয়।  ১৯৮৪ সালে ইপিবির TO&E পুনর্গঠনপূর্বক ২৩৬ জনবল কাঠামোর সংস্থায় রুপান্তর করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৮৬ সাল হতে ২০০১ সাল পর্যন্ত ইপিবির আওতায় সৃষ্ট বস্ত্রসেলে বৎসর-ভিত্তিক সংরক্ষণ মঞ্জুরির ৪২টি পদ ২০০৯ ও ২০১০ সালে ইপিবির সাংগঠনিক কাঠামোতে স্থায়ী করা হয়।

⇒ বর্তমানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট ১৩টি সংস্থা বা দপ্তর রয়েছে। যথা:
১. বাংলাদেশ ট্রেড এবং ট্যারিফ কমিশন,
২. রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো,
৩. ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ,
৪. জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,
৫. যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর,
৬. আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের অফিস,
৭. বাংলাদেশ চা বোর্ড,
৮. বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন,
৯. বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট,
১০. বিজনেজ প্রমোশন কাউন্সিল,
১১. দি ইন্সটিটিউট অব কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টস অব বাংলাদেশ,
১২. দি ইন্সটিটিউট অব চার্টাড একাউন্টস অব বাংলাদেশ,
১৩. ইন্সটিটিউট অব চার্টাড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ।

উৎস: বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৫৪১.
দেশের প্রথম অর্গানিক চা উৎপাদন শুরু হয় কোন জেলায়?
  1. কুড়িগ্রাম
  2. পঞ্চগড়
  3. মৌলভীবাজার
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
অর্গানিক চা:
- অর্গানিক বা ভেষজ চা হচ্ছে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে কোনোরকম ক্ষতিকর রাসায়নিক ও কৃত্রিম উপাদান ছাড়া উৎপাদন প্রক্রিয়া।
- অর্গানিক চা চাষে রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহৃত হয় না।
- বাংলাদেশে পঞ্চগড় জেলার তেতুঁলিয়ায় সর্বপ্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়।
- ২০০০ সালে কাজী অ্যান্ড কাজী টি এস্টেটে চায়ের আবাদ শুরু হয়।
- উৎপাদন শুরু হয় ২০০৪ সালে।
- বর্তমানে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর জেলায় ক্ষুদ্র ও বৃহৎ পরিসরে অর্গানিক চায়ের চাষ হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত চা বাগান ১৭০ টি। [আগস্ট,২০২৫]
- মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত ৯০টি চা বাগান,
- সিলেট জেলায় অবস্থিত ১৯টি চা বাগান,
- পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত ১০ টি চা বাগান,
- রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত ০২টি চা বাগান,
- খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় অবস্থিত ০১টি চা বাগান।

উৎস: প্রথম আলো ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫৪২.
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে -
  1. ১৯৫৩ সালে
  2. ১৯৫৪ সালে
  3. ১৯৫৫ সালে
  4. ১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা

স্টক এক্সচেঞ্জ:
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের পুঁজি বাজার পরিচালনা করে বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ কিমিশন বা Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ দুইটি।
- একটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং অপরটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত। 
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৫৪ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়। 
- এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ ১৯৯৫ সালের জানুয়ারিতে সরকারের কাছে আবেদন করলে সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ১৯৯৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে এর অনুমোদন দেন।

তথ্যসূত্র- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।

৫৪৩.
পানগাঁও অভ্যন্তরীণ কনটেইনার টার্মিনাল কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. শীতলক্ষ্যা
  2. বুড়িগঙ্গা
  3. মেঘনা
  4. পদ্মা
ব্যাখ্যা

• ২০১৩ সালের ৭ নভেম্বর বুড়িগঙ্গার তীরে কেরানীগঞ্জে চালু করা হয়েছিল ‘পানগাঁও অভ্যন্তরীণ কনটেইনার টার্মিনাল’। 
- চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে এটি নির্মাণ করে চালু করে।
- টার্মিনালে বিনিয়োগ হয়েছে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা। 

- সাম্প্রতি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পানগাঁও নৌ টার্মিনাল আগামী ২২ বছরের জন্য পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব প্রধান করে সুইজারল্যান্ডের প্রতিষ্ঠান মেডলগকে। 
-  চুক্তির আওতায় সরকার বছরে ১ কোটি ১ লাখ টাকা ফি পাবে। পাশাপাশি প্রতি একক কনটেইনার থেকে ২৫০ টাকা মাশুল পাবে সরকার।
- এ টার্মিনালে মোট ৪ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে মেডলগ।
- তৈরি করা হবে কটন ওয়্যারহাউস। নিজস্ব বার্থ জাহাজ এবং ট্রাক ও ফ্রিজিং ট্রাক ক্রয় করা হবে টার্মিনালটির জন্য।
- এত দিন ধরে বছরে ২২ কোটি টাকা লোকসানে ছিল পানগাঁও নৌ টার্মিনালটি।

উৎস: Prime Minister Office ও প্রথম আলো।

৫৪৪.
লোকসানের কারণে এবং পাটখাতে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলো বন্ধ ঘোষণা করে-
  1. ক) ১ জুন, ২০২০
  2. খ) ২ জুন, ২০২০
  3. গ) ১ জুলাই, ২০২০
  4. ঘ) ৩ জুলাই, ২০২০
ব্যাখ্যা
ধারাবাহিক লোকসানের কারণে এবং পাটখাতে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার বিজেএমসি এর নিয়ন্ত্রণাধীন ২৫টি রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলসমূহ ১ জুলাই ২০২০ থেকে বন্ধ ঘোষণা করে। এর মধ্যে ২২টি পুরোদমে পাটকল ও ৩টি নন-জুট ইন্ডাস্ট্রি ছিল।
[সূত্রঃ বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়]
৫৪৫.
নবম সরকারি 'রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল' কোথায় গড়ে তোলা হচ্ছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. গাজীপুর
  2. লালমনিরহাট
  3. পটুয়াখালী
  4. কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা

• দেশের নবম সরকারি ইপিজেড:
- পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ৪১০.৭৮ একর জমির ওপর গড়ে উঠছে দেশের নবম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড)। 
- ২০২৩ সালের ২৯ আগস্ট একনেকে অনুমোদিত এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১,৪৪২.৭৮ কোটি টাকা। 
- পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯ টি।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
 বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড, ঢাকার সাভারে এর অবস্থান।
- বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা ইপিজেড। এটি নীলফামারীতে অবস্থিত।
- মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।

তথ্যসূত্র: বেপজা ওয়েবসাইট এবং দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। (Link)

৫৪৬.
বাংলাদেশে বৃহত্তম স্থল বন্দর কোনটি?
  1. নাকুগাঁও স্থলবন্দর
  2. বেনাপোল স্থলবন্দর
  3. আখাউড়া স্থলবন্দর
  4. বুড়িমারী স্থলবন্দর
ব্যাখ্যা
বেনাপোল স্থল বন্দর:
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থল বন্দর বেনাপোল স্থল বন্দর।
- বেনাপোল স্থল বন্দর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বেনাপোল সীমান্তে অবস্থিত।
- মোট ৮৬.৬৮ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- স্থলবন্দরটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি/রপ্তানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হিসেবে কাজ করে।।
- বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ তল্লাশী ঘাঁটি ও আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর হিসেবে পরিচিত।
- দেশের স্থল বাণিজ্যের প্রায় ৯০% এ বন্দরের মাধ্যমে হয়ে থাকে।

বিভিন্ন স্থলবন্দর:
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

উৎস: বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।
৫৪৭.
বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি ব্যাংক হিসেবে স্বীকৃত কোনটি?
  1. ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
  2. এবি ব্যাংক পিএলসি
  3. এক্সিম ব্যাংক পিএলসি
  4. সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
- এবি ব্যাংক পিএলসি বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বেসরকারি ব্যাংক।

এবি ব্যাংক পিএলসি:
- এবি ব্যাংক পিএলসি বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বেসরকারি ব্যাংক।
- এবি ব্যাংক পিএলসি আত্মপ্রকাশ করে ১৯৮১ সালের ৩১শে ডিসেম্বর। 
- আরব বাংলাদেশ ব্যাংক ১৯৮২ সালের ১২ই এপ্রিল ব্যাংকটি তার কর্মকান্ড শুরু করে।
- ব্যাংকটি ১৯৯৬ সালে প্রথম এটিএম সেবা চালু করে।
- ১৯৯৯ সালে এটি প্রথম বাংলাদেশি ব্যাংক হিসেবে সুইফট সেবা চালু করে।

উৎস: এবি ব্যাংক পিএলসি ওয়েবসাইট।
৫৪৮.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে কোন খাদ্যশস্যের আমদানি সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. গম
  2. চাল
  3. ডাল
  4. ভোজ্যতেল
ব্যাখ্যা

খাদ্যশস্য আমদানি:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্প্রতি প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চালের আমদানি সবচেয়ে বেড়েছে। 
​- গত অর্থবছর ৬৮ কোটি ২৪ লাখ ডলারের চাল আমদানি হয়েছে। আগের অর্থবছরের তুলনায় যা প্রায় ২৬ গুণ বেশি। 
​- এর আগের অর্থবছরে দুই কোটি ৫৪ লাখ ডলারের চাল আমদানি হয়। 
​- তবে গমের আমদানি ২০ শতাংশ কমে ১৬২ কোটি ডলারে নেমেছে। 
​- ভোজ্যতেলের আমদানি প্রায় ২৪ শতাংশ বেড়ে ২৭১ কোটি ডলার হয়েছে। 
​- ডালের আমদানি বেড়েছে ৩৪ শতাংশের বেশি।

​তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]

৫৪৯.
বর্তমানে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান-
  1. ক) ১ম
  2. খ) ২য়
  3. গ) ৩য়
  4. ঘ) ৪র্থ
ব্যাখ্যা

- বর্তমানে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়।
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ চীন।
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় শীর্ষ দেশ ভিয়েতনাম।

- তৈরি পোশাক আমদানিতে শীর্ষ দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
- দ্বিতীয় শীর্ষ দেশ জাপান।
- তৈরি পোশাক আমদানিতে তৃতীয় শীর্ষ দেশ যুক্তরাজ্য।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের জুলাইয়ে ভিয়েতনাম বাংলাদেশকে টপকে দ্বিতীয় অবস্থানে চলে আসে।

৫৫০.
বাংলাদেশে প্রথম ট্যানারি স্থাপন করেন কে?
  1. শিশির কুমার ঘোষ
  2. কাঙাল হরিনাথ মজুমদার
  3. রণদাপ্রসাদ সাহা
  4. সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী
ব্যাখ্যা
ট্যানারি শিল্প:
- ট্যানারি শিল্প বলতে চামড়া পাকা করা বা প্রক্রিয়াজাত করা হয়, এমন কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়।
- ট্যানারিতে পশুর কাঁচা চামড়া পাকা করার পর জুতা, ব্যাগ, স্যুটকেস, বেল্ট, মানিব্যাগ, জ্যাকেট ইত্যাদি উৎপাদনের উপযোগী চামড়া তৈরি করা হয়।
- এ অঞ্চলে ১৯৪০ সালে নারায়ণগঞ্জে প্রথম ট্যানারি স্থাপন করেন রণদাপ্রসাদ সাহা।
- পরবর্তীকালে ট্যানারিটি ঢাকার হাজারীবাগে স্থানান্তর করা হয়।
- এই ট্যানারিকে কেন্দ্র করেই হাজারীবাগ এলাকায় অনেক ট্যানারি গড়ে ওঠে।
- দেশ বিভাগের আগ পর্যন্ত পূর্ববঙ্গে উৎপাদিত সব কাঁচা চামড়া পশ্চিম বাংলায় বিশেষত কলকাতায় রপ্তানি হতো।
- ২০১৭ সালে ট্যানারি শিল্প জনবহুল হাজারীবাগ এলাকা থেকে সাভারে নিজস্ব শিল্পনগরীতে স্থানান্তর করা হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC.
৫৫১.
বাংলাদেশে সিমেন্ট শিল্পের সূচনা কোন কারখানার মাধ্যমে হয়?
  1. হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেড
  2. ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড
  3. মোস্তফা হাকিম সিমেন্ট লিমিটেড
  4. শাহ সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে সিমেন্ট শিল্পের সূচনা হয় 'ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড' এর যাত্রার মাধ্যমে।

• ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড:
- দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা বর্তমান সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে স্থাপিত হয়।
- ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা। 
- এটি ১৯৩৭ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হলে ১৯৬৬ সন হতে উহা ইপিআইডিসি’র নিয়ন্ত্রনে আসে।
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, পরে বিএমইডিসি এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি’র নিয়ন্ত্রণে আসে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।

৫৫২.
বাংলাদেশের প্রধান প্রধান রপ্তানি দ্রব্যকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ক) তিন
  2. খ) চার
  3. গ) দুই
  4. ঘ) পাঁচ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ হওয়ায় এদেশ প্রধানত শিল্পের কাঁচামাল ও কৃষিদ্রব্য রপ্তানি করে থাকে। তবে সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের গতিপ্রকৃতিতে বেশ পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। বাংলাদেশের প্রধান প্রধান রপ্তানি দ্রব্যকে দুভাগে ভাগ করা হয়। যথা :
(ক) প্রচলিত রপ্তানি দ্রব্যসমূহ (Traditional Export Goods) ও
(খ) অপ্রচলিত রপ্তানি দ্রব্যসমূহ (Non-Traditional Export Goods)

বর্তমান বিশ্ববাজারে বিভিন্নমুখী চাহিদার প্রেক্ষিতে উৎপাদন বা সরবরাহ খাতেও এর পরিমাণগত এবং মাত্রাগত পরিবর্তন ঘটেছে। এ প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের রপ্তানি দ্রব্যসমূহকে দুভাগে ভাগ করা হয়। যথা—(i) প্রাথমিক পণ্য এবং (ii) শিল্পজাত পণ্য। 
প্রাথমিক পণ্যের মধ্যে—হিমায়িত খাদ্য, চা, কৃষিজাত পণ্য, কাঁচা পাট এবং অন্যান্য। 
শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে—ওভেন পোশাক, নিটওয়্যার, চামড়া, পাটজাত পণ্য, সার ও রাসায়নিক দ্রব্য, জুতা, সিরামিক সামগ্রী, প্রকৌশল দ্রব্যাদি, পেট্রোলিয়াম উপজাত, হস্তশিল্পজাত দ্রব্য এবং অন্যান্য।

উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, অর্থনীতি ২য় পত্র; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৫৩.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক নয়?
  1. ক) বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
  2. খ) বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড
  3. গ) রূপালি ব্যাংক লিমিটেড
  4. ঘ) প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা ৬টি।
এগুলো হলোঃ
সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
জনতা ব্যাংক লিমিটেড
অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড
রূপালি ব্যাংক লিমিটেড
বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড।
রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকের সংখ্যা তিনটি। এগুলো হলো:
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
৫৫৪.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট আমদানি ব্যয় কত ছিল?
  1. ৪৪.১১ বিলিয়ন ইউএস ডলার
  2. ৭৫.০৬ বিলিয়ন ইউএস ডলার
  3. ৬৩.২৪ বিলিয়ন ইউএস ডলার
  4. ৫২.১৯ বিলিয়ন ইউএস ডলার
ব্যাখ্যা
আমদানি: 
- গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৫.০৬ বিলিয়ন ইউএস ডলার। 
- এটি পূর্ববর্তী অর্থবছরের তুলনায় ১৫.৮১ শতাংশ কম।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৪.১১ বিলিয়ন ইউএস ডলার। 
- এটি পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ৫২,১৯০.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আমদানি ব্যয় ১০ দশমিক ৬১ শতাংশ কমে ৬ হাজার ৩২৪ কোটি ডলারে নেমে যায়।
- বিলাস জাতীয় দ্রব্য ও অপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি নিরুৎসাহিত করার লক্ষ্যে এলসি মার্জিন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধির ফলে আমদানি ব্যয় হ্রাস পেয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

উৎস: যুগান্তর রিপোর্ট।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
৫৫৫.
বর্তমানে চামড়া শিল্পনগরী কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) নারায়ণগঞ্জে
  2. খ) সাভারে
  3. গ) হাজারীবাগে
  4. ঘ) গাজীপুরে
ব্যাখ্যা
- সাভারের হেমায়েতপুরে চামড়া শিল্পনগরী অবস্থিত। 
- পুরাতন ঢাকার হাজারীবাগে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠা ট্যানারি সমূহকে সাভারে স্থানান্তরের লক্ষ্যে ২০০৩ সালে সরকার এই শিল্পনগরী প্রকল্পের অনুমোদন দেয় যা ২০০৫ সালে সমাপ্ত হওয়ার কথা। 
- মোট ২০০ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত এই শিল্পনগরীতে ২০৫ টি প্লট রয়েছে। 

উৎসঃ শিল্প মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৫৫৬.
What is the former name of electricity generation company of Bangladesh Limited?
  1. Meghna power company limited
  2. Meghnaghat Power Company Limited
  3. Padma power company limited
  4. Bangladesh power company limited
  5. None of these
ব্যাখ্যা
মেঘনাঘাট পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড:

- বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ সেক্টর রিফর্ম এর আওতায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এর একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইন অনুযায়ী প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে ২৩ নভেম্বর ১৯৯৬ তারিখে মেঘনাঘাট পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড গঠিত হয়।
- ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০০৪ তারিখে মেঘনাঘাট পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড এর নাম পরিবর্তিত হয়ে ইলেক্ট্রিসিটি জেনারেশন কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (ইজিসিবি) হয়।
- ইজিসিবি ১৫ জানুয়ারী ২০০৯ তারিখে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি থেকে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তরিত হয়।
- বর্তমানে কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র - ইলেক্ট্রিসিটি জেনারেশন কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড ওয়েবসাইট।
৫৫৭.
বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর কোনটি?
  1. সোনাহাট স্থলবন্দর
  2. বুড়িমারী স্থলবন্দর
  3. বেনোপোল স্থলবন্দর
  4. তামাবিল স্থলবন্দর-
ব্যাখ্যা
• দেশের স্থলবন্দর:
- বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর - বেনোপোল স্থলবন্দর।

• গুরত্বপূর্ণ স্থলবন্দরের অবস্থান:
• বেনাপোল স্থলবন্দর - বেনাপোল, যশোর।
• বুড়িমারী স্থলবন্দর - পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
• আখাউড়া স্থলবন্দর- আখাউড়া, ব্রাহ্মনবাড়িয়া।
• ভোমরা স্থলবন্দর - ভোমরা, সাতক্ষিরা।
• তামাবিল স্থলবন্দর- গোয়াইনঘাট সিলেট।
• দর্শনা স্থলবন্দর - দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
• সোনাহাট স্থলবন্দর - ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ
৫৫৮.
কোনটি উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত?
  1. ক) ড্রামহেড
  2. খ) চান্দিনা
  3. গ) কার্ডিনাল
  4. ঘ) প্রভাতী
ব্যাখ্যা
• উচ্চ ফলনশীল কয়েকটি আলুর জাত:
- হীরা, 
- আইলসা,
- ডায়মন্ড,
- কার্ডিনাল,
- চমক, 
- সুন্দরী, 
- কুফরী ইত্যাদি।

• উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস,
- ড্রামহেড,
- গোল্ডেন ক্রস,
- প্রভাতী, 
- অগ্রদূত ইত্যাদি।

• উচ্চ ফলনশীল কয়েকটি ধানের জাত:
- বিপ্লব, 
- ইরাটম, 
- ময়না,
- চান্দিনা,
- হরিধান, 
- নারিফা, 
- প্রগতি ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
৫৫৯.
বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে কোন শিল্প পণ্যটি?
  1. ক) মৎস শিল্প
  2. খ) তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার
  3. গ) পাটজাত পণ্য
  4. ঘ) হস্তশিল্পজাত দ্রব্য
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের পোশাক খাত ‘তৈরি পোশাক’ ও ‘নীটওয়্যার’ – ইত্যাদি কয়েক ধরনের রপ্তানি পণ্যের সমন্বয়ে গঠিত।

- ২০২১-২২ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় - ২৭,৪৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৭.৪৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের - ৮১.২৫%।
- নীটওয়্যার- ৪৪.৫৩% ও তৈরি পোশাক - ৩৬.৭২%।
- অর্থাৎ, রপ্তানি আয়ে তৈরি পোশাক খাতের অবদান - ৮১.২৫%।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।
৫৬০.
OMS stands for-
  1. Open Market Strategy
  2. Open Market Sale
  3. Open Market System
  4. Open Market Support
ব্যাখ্যা
OMS:
- OMS এর পূর্ণরূপ: Open Market Sale.
- Public Food Distribution System (PFDS) এর আওতায় খোলা বাজারে খাদ্যশস্য বিক্রয় একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি।
- খাদ্যশস্যের বাজার মূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রবণতা রোধ করে নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীকে মূল্য সহায়তা (Price Support) দেয়া এবং বাজার দর স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে এই কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়। 
- এর মধ্যে নগদ সহায়তায় (Monetised) আকারে ওপেন মার্কেট সেল (OMS) সহায়তা দিয়ে থাকে।

উৎস: খাদ্য মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৫৬১.
বাংলাদেশের অষ্টম সরকারি EPZ এর নাম কী?
  1. ক) কর্ণফুলী ইপিজেড
  2. খ) চট্টগ্রাম ইপিজেড
  3. গ) মংলা ইপিজেড
  4. ঘ) কুমিল্লা ইপিজেড
ব্যাখ্যা
• ইপিজেড:
- BEPZA প্রতিষ্ঠিত হয় - ১৯৮০ সালে।
- প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- যাত্রা শুরু - ১৯৮৩ সালে।
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ০৯ টি। 
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১ টি। 

- বাংলাদেশের অষ্টম সরকারি EPZ এর নাম - কর্ণফুলী ইপিজেড।
- সরকারি ইপিজেড হচ্ছে - চট্টগ্রাম ইপিজেড (১৯৮৩), ঢাকা ইপিজেড (১৯৯৩),  মংলা ইপিজেড (১৯৯৮), ঈশ্বরদী ইপিজেড (১৯৯৮), কুমিল্লা ইপিজেড (২০০০), উত্তরা ইপিজেড (২০০১), আদমজী ইপিজেড (২০০৬), কর্ণফুলী ইপিজেড (২০০৬)। 
- একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড - কোরিয়ান ইপিজেড চট্টগ্রাম,।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৫৬২.
১৯৫৩ সালে বাংলাদেশের কোথায় প্রথম কাগজ কল স্থাপিত হয়?
  1. ক) পাকশী
  2. খ) মাগুরা
  3. গ) চন্দ্রঘোনা
  4. ঘ) মেঘনা
ব্যাখ্যা
১৯৫৩ সালে রাঙ্গামাটির চন্দ্রঘোনায় দেশের প্রথম কাগজ কল তথা কর্ণফুলি পেপার মিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
এ কাগজকলে বাঁশ হচ্ছে প্রধান কাঁচামাল। দেশের মধ্যে এটাই বৃহত্তম কাগজকল (মন্ডসহ)।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম-দশম শ্রেণী।
৫৬৩.
দেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয় কোনটির মাধ্যমে? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. তৈরি পোশাক রপ্তানি
  2. প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থ
  3. পাটজাত পণ্য রপ্তানি
  4. চিংড়ি রপ্তানি 
ব্যাখ্যা

দেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন:
- দেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয় তৈরি পোশাক রপ্তানির মাধ্যমে।
- বাংলাদেশের এটিই সবচেয়ে বড় রপ্তানি খাত এবং দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎস।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৯.৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- তৈরি পোশাক খাতের মধ্যে নিটওয়্যার রপ্তানি হয়েছে ২১.১৫ বিলিয়ন ডলার এবং ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১৮.১৮ বিলিয়ন ডলার।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের রপ্তানি আয় ৮.৫৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এ সময়ে মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৪৮.২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসীদের থেকে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩০.৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পাটজাত পণ্য থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৮২ কোটি মার্কিন ডলার।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে হিমায়িত মাছ ও চিংড়ি রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৩৮৮ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলার।

উৎস: i) বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।
ii) প্রথম আলো।

৫৬৪.
বাংলাদেশের বেসরকারি সেক্টরের বাণিজ্য বিষয়ক সর্বোচ্চ সংগঠন -
  1. বিজিএমইএ
  2. বিডিএমইআই
  3. এফবিসিসিআই
  4. ডিএনসিসি
ব্যাখ্যা
FBCCI:
- FBCCI এর পূর্ণরূপ: The Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industry.
- বাংলাদেশের বেসরকারি সেক্টরের বাণিজ্য বিষয়ক সর্বোচ্চ সংগঠন FBCCI (এফবিসিসিআই)।
- ট্রেড অর্গানাইজেশন অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১ এবং কোম্পানি আইন, ১৯১৩ এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এফবিসিসিআই এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের শীর্ষ বাণিজ্য সংস্থা হিসেবে পরামর্শমূলক এবং উপদেষ্টা ক্ষমতায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে, বেসরকারি বাণিজ্য খাতের স্বার্থ রক্ষা করে।

তথ্যসূত্র - FBCCI ওয়েবসাইট।
৫৬৫.
ট্যারিফ কমিশন কয়টি শাখায় বিভক্ত?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

ট্যারিফ কমিশন:
- ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত একটি প্রতিষ্ঠান।
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২৮ জুলাই ১৯৭৩ তারিখের সিদ্ধান্তবলে উক্ত মন্ত্রণালয়ের একটি অধীনস্থ অধিদপ্তর হিসেবে কাজ শুরু করে।
- ১৯৯২ সনের নভেম্বরে উক্ত কমিশন বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন ১৯৯২ (১৯৯২ সনের ৪৩ নম্বর আইন)-এর অধীনে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন নামে পুর্ণগঠিত হয়।
- বর্তমানে এটি দেশীয় শিল্পসমূহকে অসম প্রতিযোগিতা থেকে রক্ষা ও যথাযথ সংরক্ষণের লক্ষ্যে একটি স্বায়ত্তশাসিত বিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।
- বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট।
- এর প্রধান হচ্ছেন সরকারের সচিব পর্যায়ের মর্যাদাসম্পন্ন একজন চেয়ারম্যান।
- কমিশন তিনটি শাখায় বিভক্ত:
• বাণিজ্য নীতিমালা।
• বাণিজ্য প্রতিকার।
• আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শাখা।
- প্রতিটি শাখা একজন সদস্য দ্বারা পরিচালিত। এছাড়াও একটি প্রশাসনিক শাখা আছে।
- এই শাখা কমিশনের সচিব দ্বারা পরিচালিত।

তথ্যসূত্র - ট্যারিফ কমিশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৫৬৬.
'অ্যাকর্ড' কোন দেশ/অঞ্চলের গার্মেন্টস পণ্য আমদানিকারকদের জোট?
  1. ক) কানাডা
  2. খ) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) ইউরোপ
  4. ঘ) জি-২০
ব্যাখ্যা
'অ্যাকর্ড' হলো ইউরোপীয় পোশাক আমদানিকারকদের একটি জোট। এটি বাংলাদেশে তৈরি পোশাক কারখানাগুলোর কর্মপরিবেশ ও মান পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শনে নিয়োজিত।
২০১৩ সালে রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় সহস্রাধিক শ্রমিক নিহত হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই জোট গড়ে উঠে। চলতি ২০২০ সালের ১ জুন অ্যাকর্ড তাদের মিশন সমাপ্ত ঘোষণা করে।
(সূত্রঃ দৈনিক সমকাল)
৫৬৭.
দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর আরোপিত সরকারি কর বা শুল্ককে বলা হয়-
  1. ক) Excise Duties
  2. খ) Customs Duties
  3. গ) Value Added Tax
  4. ঘ) Supplymentary Duties
ব্যাখ্যা
দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর সরকারি যে কর বা শুল্ক আরোপ করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক (Excise Duties) বলে। সূত্র- অর্থনীতি নবম-দশম শ্রেণি।
৫৬৮.
বাংলাদেশে প্রথম গ্যাস উত্তোলন হয়েছিল কোথায়?
  1. বাখরাবাদ
  2. হরিপুর
  3. কৈলাসটিলা
  4. তিতাস
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৫৫ সালে সিলেট জেলার হরিপুরে।
- এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে।
- ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র জকিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র, সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায়।
- সর্বশেষ গ্যাসক্ষেত্র ভোলার ইলিশা-১। [ আগস্ট, ২০২৫]
- এটি অনুসন্ধান করে, (বাপেক্স)।
- এটি দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র। 

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ এবং প্রথম আলো।
৫৬৯.
দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড কারখানা কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. খুলনা
  3. রাঙামাটি
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
খুলনা হার্ড বোর্ড মিলস লিঃ:
- দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড কারখানা 'খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস্ লিঃ' খুলনা জেলার খালিশপুর শহরে অবস্থিত।
- খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস্ লিঃ এর স্থাপনা তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি’র) সময়ে ১৯৬৫ সালে।
- কারখানাটি কানাডীয় সরকারি সাহায্য সংস্থার সহায়তায় স্থাপিত হয়।
- এটি বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন( বিসিআইসি) এর অধিনস্থ্য একটি প্রতিষ্ঠান।
- কারখানার প্রধান কাঁচামাল সুন্দরবনে উৎপাদিত কাঁচা সুন্দরী জ্বালানী কাঠ।

উল্লেখ্য,
- দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড মিলটি ১৯৬৫ সালে স্থাপন করা হয়।
- কানাডীয় অনুদানে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা মিলটি স্থাপন করে।
- স্বাধীনতার পরে সেটি বিসিআইসির কাছে আসে।
- তখন কারখানার বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ৩ কোটি বর্গফুট।

[উল্লেখ্য, মিলটি প্রতিষ্ঠার পরে অনেকবার বন্ধ ও পুনরায় চালু হয়েছে। বর্তমানে মিলটী বন্ধ রয়েছে এবং মিলটি চালুর জন্য বাংলাদেশের অন্তবর্তাকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। মিলটি চালু হলয়ে বেকার সমস্যার অনেকখানি সমাধান হবে।]

উৎস: i) খুলনা হার্ড বোর্ড মিলস লিঃ।
ii) প্রথম আলো।
৫৭০.
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা কোনটি?
  1. আশুগঞ্জ ইউরিয়া সার কারখানা
  2. টিসিএল সার কারখানা
  3. গাজীপুর সার কারখানা
  4. ঘোড়াশাল–পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা
ব্যাখ্যা

• ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা হলো ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
- এটি নরসিংদীতে অবস্থিত।
- ইউরিয়া ফার্টিলাইজরা ফ্যাক্টরি লিঃ এবং পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ কারখানা ২টির স্থানে আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে বার্ষিক ৯,২৪,০০০ (নয় লক্ষ চব্বিশ হাজার) মেট্রিক টন উৎপাদন ক্ষমতা ও জ্বালানি সাশ্রয়ী সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এবং উচ্চতর ক্ষমতাসম্পন্ন ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপনের লক্ষ্যে “ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্প” শীর্ষক প্রকল্পটি ১২ নভেম্বর ২০২৩ খ্রি. তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক উদ্ধোধন করা হয়।
- ঘোড়াশাল সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়। 

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাই

৫৭১.
'ট্যাক্স হলিডে' নীতির উদ্দেশ্য হলো:
  1. কর পরিশোধে উৎসাহিত করা
  2. কর পরিশোধের জন্য দিন ধার্য করা
  3. নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কর মওকুফ করা
  4. কর মেলার আয়োজন করা
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎস প্রধানত দুইটি। যথা- কর রাজস্ব এবং করবহির্ভূত রাজস্ব।

- কর পরিশোধে ২০১২ সালের মে মাসে বাংলাদেশে ই-পেমেন্ট পদ্ধতি চালু হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের সবচেয়ে বেশি আয় আসে ভ্যাট থেকে।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) প্রথম প্রবর্তিত হয় ১ জুলাই, ১৯৯১।

⇒ শিল্পকে উৎসাহিত করার জন্য সাময়িকভাবে ট্যাক্স মওকুফ করাই হচ্ছে ট্যাক্স হলিডে। অর্থাৎ, কর অবকাশ (ট্যাক্স হলিডে) হচ্ছে অস্থায়ী কর হ্রাস বা বর্জন ব্যবস্থা। [NBR]

⇒ সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠান কে কর অবকাশ দেয়া হয়েছে যারা শিল্প অঙ্গীকার করেছে এবং সকল শর্ত পূরণ করে ১ জুলাই ২০১১ থেকে ৩০ জুন ২০১৯ এর মধ্যে ভৌত অবকাঠামো প্রতিষ্ঠিত করেছে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন-একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি এবং এনবিআর।
৫৭২.
ট্যারিফ কমিশন কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে?
  1. শিল্প মন্ত্রণালয়
  2. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  3. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  4. অর্থ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

ট্যারিফ কমিশন:
- ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত একটি প্রতিষ্ঠান।
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২৮ জুলাই ১৯৭৩ তারিখের সিদ্ধান্তবলে উক্ত মন্ত্রণালয়ের একটি অধীনস্থ অধিদপ্তর হিসেবে কাজ শুরু করে।
- ১৯৯২ সনের নভেম্বরে উক্ত কমিশন বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন ১৯৯২ (১৯৯২ সনের ৪৩ নম্বর আইন)-এর অধীনে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন নামে পুর্ণগঠিত হয়।
- বর্তমানে এটি দেশীয় শিল্পসমূহকে অসম প্রতিযোগিতা থেকে রক্ষা ও যথাযথ সংরক্ষণের লক্ষ্যে একটি স্বায়ত্তশাসিত বিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।
- বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট।
- এর প্রধান হচ্ছেন সরকারের সচিব পর্যায়ের মর্যাদাসম্পন্ন একজন চেয়ারম্যান।
- কমিশন তিনটি শাখায় বিভক্ত:
• বাণিজ্য নীতিমালা।
• বাণিজ্য প্রতিকার।
• আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শাখা।
- প্রতিটি শাখা একজন সদস্য দ্বারা পরিচালিত। এছাড়াও একটি প্রশাসনিক শাখা আছে।
- এই শাখা কমিশনের সচিব দ্বারা পরিচালিত।

তথ্যসূত্র - ট্যারিফ কমিশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৫৭৩.
BSTI-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh ‍Society for Telecommunication & Information
  2. Bangladesh Standards and Testing Institution
  3. Bangladesh Scientific Testing Institute
  4. Bangladesh Security & testing Institute
ব্যাখ্যা

• BSTI:
- পূর্ণরূপ Bangladesh Standards and Testing Institution
- এ উপমহাদেশে ১৯৪৬ সালে Indian Standards Institute স্থাপনের মাধ্যমে জাতীয় মান সংস্থার কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।
- ১৯৪৭ সালে উপনিবেশিক শাসনের অবসানের সুদীর্ঘ এক যুগেরও বেশী সময় পরে, ১৯৫৮ সালে, তৎকালীন পাকিস্তানে Pakistan Standards Institute (PSI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তৎপূর্বে ১৯৫৬ সালে Colombo Plan এর অধীনে ঢাকায় Central Testing Laboratory (CTL) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ঢাকায় ১৯৬৩ সালে PSI এর অফিস প্রতিষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে CTL এবং BDSI, এই দুটি সংস্থা পৃথক সত্তা হিসেবে নিজ নিজ দায়িত্বে কার্যরত ছিল।

 - ১৬ই মে ১৯৮৩ সালে তৎকালীন মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী Science & Technology Division এর অধিনস্ত সরকারি প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল টেস্টিং ল্যাবরেটরী (CTL) ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস ইনস্টিটিউশন (BDSI)-কে একীভূত করে ২৫শে জুলাই ১৯৮৫ তারিখে বাংলাদেশ সরকারের জারীকৃত ‘দি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন অধ্যাদেশ, ১৯৮৫’ -এর মাধ্যমে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) গঠিত হয়।

তথ্যসূত্র: বিএসটিআই ওয়েবসাইট।

৫৭৪.
পায়রা বন্দরের কার্যক্রম কত সালে শুরু হয়?
  1. ক) ২০১২ ইং
  2. খ) ২০১৩ ইং
  3. গ) ২০১৪ ইং
  4. ঘ) ২০১৫ ইং
ব্যাখ্যা
২০১৩ সালে দেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর হিসেবে পায়রা বন্দরের যাত্রা শুরু হয়েছে।
- পায়রা বন্দরটি পূর্ণাঙ্গভাবে প্রতিষ্ঠার জন্য যুক্তরাজ্য ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান এইচআর ওয়েলিংফোর্ড কর্তৃক Feasibility Study সম্পন্ন করা হয়।
- উক্ত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রণীত প্রতিবেদনে বন্দরটি বাস্তবায়নের সুবিধার্থে বন্দরের সকল কার্যক্রমকে ১৯টি কম্পোনেন্টে বিভাজন করা হয়েছে।
- তন্মধ্যে ১২টি কম্পোনেন্ট নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও ৭টি কম্পোনেন্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে এবং সেই অনুযায়ী ধাপে ধাপে বন্দরটি পূর্ণাঙ্গরুপে গড়ে তোলার কাজ চলমান রয়েছে। 
-  ধারনা করা যায় যে, এ বন্দর প্রতিষ্ঠার ফলে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে যে গতি সঞ্চার হবে তাতে দেশের জিডিপি প্রায় ২% বৃদ্ধি পাবে।

সূত্র: পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ।
৫৭৫.
বর্তমানে দেশের চাহিদার কত শতাংশ ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. প্রায় ৮৪%
  2. প্রায় ৮৮%
  3. প্রায় ৯২%
  4. প্রায় ৯৮%
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ঔষধ শিল্প:
- বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প যাত্রা শুরু করে ১৯৫০-এর দশকে।
- ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর এটি আরও বৃদ্ধি পায়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের ২০ শতাংশ চাহিদা মাত্র পূরণ করতে পারতো, বাকি ৮০ শতাংশ আমদানি করা হতো।
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮% ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়
- দেশে বর্তমানে ২৮৪টি ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি নিবন্ধিত, যার মধ্যে ২২৯টি সক্রিয়ভাবে উৎপাদনে রয়েছে।
- এ বাজারের প্রায় ৭১ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে শীর্ষ ১০টি কোম্পানি।
- এর মধ্যে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, ইনসেপ্টা, বেক্সিমকো, রেনাটা, অপসনিন, এসকেয়ার, হেলথকেয়ার অন্যতম। বড় কোম্পানিগুলো আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণায় বিনিয়োগ এবং বিস্তৃত বিতরণ কাঠামোর মাধ্যমে এগিয়ে যাচ্ছে।

⇒ বাংলাদেশে ১৯৮২ সালে ড্রাগ অর্ডিন্যান্স জারি হওয়ার পর প্রথম বারের মতো ঔষধ বা ফার্মাসিউটিক্যালসকে ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্প হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
-  এতে বহুজাতিক কোম্পানির একচেটিয়া দাপট কমে আসে, গুণগত মান ও ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতের মাধ্যমে দেশীয় কোম্পানিগুলো ধীরে ধীরে আস্থা অর্জন করতে থাকে।
- বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে।
- বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বের ১৫৭ টিরও বেশি দেশে ঔষধ রপ্তানি করছি।
- বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানির শীর্ষ ১০টি গন্তব্য হলো– মিয়ানমার, যুক্তরাষ্ট্র, ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান, কেনিয়া, কম্বোডিয়া, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম ও নেপাল।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যমতে, ২০১০ সালে ওষুধশিল্পের বাজার ছিল প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকার, যা ২০২৪ সালে পৌঁছেছে সাড়ে ৪২ হাজার কোটিতে, ইউএস ডলারে প্রায় ৩.৫ বিলিয়ন। গত এক দশকে এই খাতের গড় বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ১০-১৪ শতাংশ।

উৎস: i) MedEx.
ii) বণিক বার্তা।

৫৭৬.
বাংলাদেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. আমির গার্মেন্টস লিমিটেড
  2. রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড
  3. বৈশাখী গার্মেন্টস লিমিটেড
  4. বন্ড গার্মেন্টস লিমিটেড
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান 'রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড'।

বাংলাদেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল শিল্প খাত হচ্ছে তৈরি পোশাক।
- বর্তমানে মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি এই খাতটি থেকেই আসে।
- ১৯৭৮ সালের ২৮ জুলাই রিয়াজউদ্দিন ফরাসি ক্রেতা হল্যান্ডার ফ্রঁসের কাছে দশ হাজার শার্ট রপ্তানি করেন।
- স্বাধীনতার পর রিয়াজউদ্দিন ব্যবসা শুরু করেন, ১৯৭৩ সালে তিনি এর নাম দেন রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড এবং স্বাধীন বাংলার প্রথম তৈরি পোশাক কারখানা হিসেবে স্বীকৃতি পান।
- ২৮ জুলাই, ১৯৭৮ সালে রিয়াজউদ্দিন ১০ হাজার রিয়াজ শার্ট ফরাসি ক্রেতা হলান্ডার ফ্রঁসের কাছে রপ্তানী করলেন।
- শার্টের ওই চালানের ফরাসী মুদ্রায় দাম ছিল ১৩ মিলিয়ন ফ্রা, বাংলাদেশী টাকায় যা ছিল ৪ লাখ ২৭হাজার টাকা।
- সেটিই ছিল বাংলাদেশ থেকে প্রথম পোশাক রপ্তানি।
- ১৯৯৮ সালে গাজীপুরের বোর্ডবাজারে তৈরি হয় পাঁচ হাজার শার্ট তৈরির ক্ষমতাসম্পন্ন রিয়াজ এক্সপোর্ট অ্যাপারেল।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো ও বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

৫৭৭.
কর্ণফুলী পেপার মিলস কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) রাঙামাটির চন্দ্রঘোনায়
  2. খ) সিলেটের ছাতকে
  3. গ) পাবনার পাকশীতে
  4. ঘ) কুষ্টিয়ার জগতিতে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম কাগজকল হলো কর্ণফুলী পেপার মিল।
এটি ১৯৫৩ সালে রাঙামাটি জেলার চন্দ্রঘোনায় স্থাপিত হয়।
এটির বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৩০ হাজার মে. টন।
এতে কাঁচামাল হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চলের বাঁশ ব্যবহৃত হয়।
(সূত্রঃ বিসিআইসি ওয়েবসাইট)

৫৭৮.
বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড কত সালে যাত্রা শুরু করে?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
বিএমটিএফ:
- বিএমটিএফ এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর, ১৯৭৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (BMTF) যাত্রা শুরু করে।
- এটি শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে একটি।
- বিএমটিএফ এর কার্যক্রম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড গাজীপুরের শিমুলতলীতে অবস্থিত।
- এর আয়তন ১৫৬.৪৭ একর।
- বিএমটিএফ ১৯টি গতিশীল কারখানা নিয়ে গঠিত।
- সেনাবাহিনী প্রধানের নেতৃত্বে বোর্ড চেয়ারম্যান এবং একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নেতৃত্বে বিএমটিএফ এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

তথ্যসূত্র - বিএমটিএফ ওয়েবসাইট।
৫৭৯.
আতাউর রহমান খানের মন্ত্রিসভায় বঙ্গবন্ধু কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন?
  1. কৃষি ও সমবায়
  2. শিল্প ও বাণিজ্য
  3. শিক্ষা ও স্বাস্থ্য
  4. বেসামরিক সরবরাহ
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর আতাউর রহমান খানকে মুখ্যমন্ত্রী করে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তানে সরকার গঠন করে।
- ১৬ সেপ্টেম্বর আতাউর রহমান খানের মন্ত্রীসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিল্প, বাণিজ্য ও শ্রম, দুর্নীতি দমন ও ভিলেজএইড দপ্তরের মন্ত্রীত্ব লাভ করেন।
- কিন্তু দলীয় কাজে মনোযোগ দানের উদ্দেশ্যে ১৯৫৭ সালের ৩০ মে বঙ্গবন্ধু মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ করেন।
- এর আগে ১৯৫৪ সালের ১৫ মে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভায় বঙ্গবন্ধু কৃষি ও সমবায় মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
(তথ্যসূত্র: অসমাপ্ত আত্মজীবনী ও বাংলাপিডিয়া)
৫৮০.
মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কোন দেশের অর্থায়নে নির্মিত হচ্ছে?
  1. ক) মালয়েশিয়া
  2. খ) জাপান
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত ১২শ মেগাওয়াট ক্ষমতার মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুকেন্দ্র জাপান সরকারের আর্থিক সহায়তায় নির্মিত হচ্ছে। প্রকল্পের মোট ব্যয়ের ৩৬ হাজার কোটি টাকার মধ্যে জাইকা ২৯ হাজার কোটি টাকা অর্থায়ন করছে।
কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিপিজিসিবিএল) এটি বাস্তবায়ন করছে। এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্যে অস্ট্রেলিয়া ও ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা আমদানি করা হবে। ২০২৩ সালের মধ্যে এর নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হওয়ার কথা।
(সূত্র: সিপিজিসিবিএল ওয়েবসাইট)
৫৮১.
বিজিএমইএ-এর বর্তমান সভাপতি কে? (অক্টোবর, ২০২৫)
  1. মাহমুদ হাসান খান
  2. রুবানা হক
  3. সিদ্দিকুর রহমান
  4. কামাল উদ্দিন
ব্যাখ্যা

⇒ বিজিএমইএ এর বর্তমান সভাপতি মাহমুদ হাসান খান। (অক্টোবর, ২০২৫)

বিজিএমইএ:
- বিজিএমইএ এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন।
- দেশের অন্যতম বৃহৎ ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন যা তৈরি পোশাক শিল্পের প্রতিনিধিত্ব করে।
- সংগঠনটি ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকে, বিজিএমইএ সরকারের কাছে নীতি সমর্থন, সদস্যদের সেবা, শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করা এবং কারখানায় সামাজিক সম্মতির মাধ্যমে পোশাক শিল্পের প্রচার ও সুবিধার জন্য নিবেদিত।
- বিজিএমইএ বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের বিকাশের পথ প্রশস্ত করতে ব্র্যান্ড এবং উন্নয়ন অংশীদার সহ স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক স্টেকহোল্ডারদের সাথে সহযোগিতা করে।
- বর্তমানে বিজিএমইএর নিবন্ধিত পোশাক কারখানা রয়েছে প্রায় চার হাজার।

তথ্যসূত্র - বিজিএমইএ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৫৮২.
তৈরি পোশাক খাতে নিয়োজিত শ্রমিক সংখ্যা কত?
  1. ক) ২০ লক্ষ
  2. খ) ৩০ লক্ষ
  3. গ) ৪০ লক্ষ
  4. ঘ) ৫৫ লক্ষ
ব্যাখ্যা
তৈরি পোশাক শিল্প দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনকারী খাত। এই খাতে নিয়োজিত জনশক্তি বা শ্রমিকের সংখ্যা ৪০ লক্ষের অধিক যাদের অধিকাংশই হলো নারী শ্রমিক।
(সূত্র: বিবিএস পরিসংখ্যান পকেটবুক-২০১৯)
৫৮৩.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্রায়তন শিল্প কোনটি?
  1. সিমেন্ট শিল্প
  2. কাগজ শিল্প
  3. লবন শিল্প
  4. সার শিল্প
ব্যাখ্যা
আকার অনুযায়ী শিল্পের শ্রেণীবিভাগ (Classification of industry according to size):
- বাংলাদেশের শিল্পসমূহ আকার অনুযায়ী বা আকারের ভিত্তিতে মূলত তিন প্রকার।

১। বৃহৎ শিল্প (Large scale industries):
- বৃহৎ শিল্প বলতে বড় শিল্প বোঝায় অর্থাৎ যে শিল্পে অধিক মূলধন, অনেক শ্রমিক ও প্রচুর পরিমান কাঁচামাল ব্যবহার করে আধুনিক তথা উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে বিপুল পরিমাণ দ্রব্য সামগ্রী উৎপাদন করা হয় তাকে বৃহৎ অথবা বৃহদায়তন শিল্প বলা হয়। এখানে উল্লেখ্য বাংলাদেশ শিল্প আইন অনুযায়ী যে শিল্প কারখানায় ২৩০ জনের অধিক শ্রমিক কাজ করে তাকে বৃহৎ শিল্প বলে।
- পাট, বস্ত্র, সিমেন্ট, কাগজ, সার ইত্যাদি বাংলাদেশের শিল্পের উদাহরণ।

২। মাঝারি শিল্প (Medium scale industries):
- বাংলাদেশে শিল্প আইন বা কারখানা আইন অনুযায়ী যে কারখানায় ২০ জনের বেশি কিন্তু ২৩০ জনের কম শ্রমিক নিয়োজিত আছে তাকে মাঝারি শিল্প বলে।
- মাঝারি শিল্প, বৃহৎ শিল্পের ন্যায় উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে তবে মূলধন তুলনামূলক ভাবে বৃহৎ শিল্প অপেক্ষা কম ব্যবহার করে।
- বাংলাদেশে বহু সংখ্যক মাঝারি শিল্প গড়ে উঠেছে এবং উঠছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো চামড়া শিল্প, সিগারেট শিল্প, সাবানশিল্প, দিয়াশলাই শিল্প ইত্যাদি।

৩। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প (Small and cottage industries):
- সাধারণ অর্থে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প একই অর্থে ব্যবহৃত হয় তবে সুক্ষ্ম অর্থে এ দুয়ের পার্থক্য আছে। বাংলাদেশে কারখানা ও শিল্প আইন অনুযায়ী যে কারখানায় সর্বোচ্চ ২০ জন শ্রমিক কাজ করে তাকে ক্ষুদ্র বা কুটির শিল্প বলে।
- তবে এখানে উল্লেখ্য ক্ষুদ্র শিল্পে ভাড়া করা শ্রমিক ও বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয়, তাছাড়া ক্ষেত্রবিশেষে উন্নত প্রযুক্তিও ব্যবহার হয়।
- কুটির শিল্প মূলত পারিবারিক শ্রমিক দ্বারা পরিচালিত হয় এবং বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয় না। মোট কথা স্থানীয় কাঁচামাল কম মূলধন ও পারিবারের সদস্য দ্বারা কুটির শিল্প বিভিন্ন দ্রব্য উৎপাদন করে থাকে।
- বাংলাদেশে তাত শিল্প, বাঁশ ও বেত শিল্প, বিড়ি শিল্প, লবন শিল্প ইত্যাদি হল কুটির শিল্প।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮৪.
IDRA এর পূর্ণরূপ নিচের কোনটি?
  1. Income Tax Development and Regulatory Authority
  2. Insurance Development and Regulation Authority
  3. Insurance Design and Regulatory Authority
  4. Insurance Development and Regulatory Authority
ব্যাখ্যা
IDRA:
- IDRAএর পূর্ণরূপ: Insurance Development and Regulatory Authority.
- ২০১১ সালের ২৬শে জানুয়ারী বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ আইন ২০১০ এর বিধানের অধীনে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (IDRA) গঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশ সরকার বীমা ব্যবসার বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেছে।
- এটি বীমা ব্যবসার তত্ত্বাবধান এবং পলিসি হোল্ডারের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- কর্তৃপক্ষ 'জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বীমা শিল্পের পদ্ধতিগত উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করছে।
- IDRA একজন চেয়ারম্যান এবং চারজন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত।

সূত্র - বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
৫৮৫.
ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড - এর প্রধান কাঁচামাল কোনটি?
  1. ক) বালি
  2. খ) প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. গ) চুনাপাথর
  4. ঘ) সিলিকা
ব্যাখ্যা

ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা। ইহা ১৯৩৭ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত। ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হলে ১৯৬৬ সন হতে উহা ইপিআইডিসি'র নিয়ন্ত্রনে আসে। বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, পরে বিএমইডিসি এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি'র নিয়ন্ত্রণে আসে।
বর্তমানে এর উৎপাদন ক্ষমতা - ১,৯০,০০০ মেট্রিক টন এবং ''চুনাপাথর'' এর প্রধান কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
Source: BCIC website.

৫৮৬.
২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট রপ্তানি আয়ের পরিমাণ -
  1. ক) ৫১.১৫ বিলিয়ন ডলার
  2. খ) ৫২.০৫ বিলিয়ন ডলার
  3. গ) ৫৩.৪৫ বিলিয়ন ডলার
  4. ঘ) ৫৫.৫৫ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২২–২৩ অর্থবছরে রপ্তানি হয়েছে ৫৫.৫৫ বিলিয়ন ডলার।
- এই রপ্তানি তার আগের অর্থবছরের তুলনায় ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ বেশি।
- গত ২০২১-২২ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৩৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ।
- ২০২১-২২ অর্থবছরের রপ্তানি আয় ছিল ৫২.০৮ বিলিয়ন ডলার।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের জুনে রপ্তানি আয় ২.৫১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫.০৩ বিলিয়ন ডলারে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুসারে,
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি, রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ৩৭,০৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩৭ বিলিয়ন ডলার (প্রায়)।

উৎস: জুলাই ৩, ২০২৩, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
৫৮৭.
বাংলাদেশের কোন ইপিজেড থেকে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি আয় আসে? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ঢাকা ইপিজেড
  2. কর্ণফুলী ইপিজেড
  3. কুমিল্লা ইপিজেড
  4. চট্টগ্রাম ইপিজেড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZ):
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা (Bangladesh Export Processing Zone Authority-BEPZA) দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ৮টি সরকারি ইপিজেড রয়েছে।
- যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড।

উল্লেখ্য,
⇒ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে চট্টগ্রাম ইপিজেডে; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ১৪৫টি। সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয় ও রপ্তানি আয় আসে চট্টগ্রাম ইপিজেড।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৫৮৮.
বাংলাদেশে চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. খুলনা
  2. কক্সবাজার
  3. বাগেরহাট
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র বাগেরহাটে অবস্থিত। 

এছাড়াও, 
→ স্বাদুপানি কেন্দ্র – ময়মনসিংহে অবস্থিত। 
→ নদী কেন্দ্র – চাঁদপুরে অবস্থিত। 
→ লোনাপানি কেন্দ্র – পাইকগাছা, খুলনায় অবস্থিত। 
→ সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র – কক্সবাজারে অবস্থিত। 

সূত্র: চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রের ওয়েবসাইট। 

৫৮৯.
বাংলাদেশের বৃহৎ শিল্পখাতের মোট কয়টি উপখাত রয়েছে?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৬
ব্যাখ্যা

বৃহৎ শিল্পের ৪টি খাত -
১. নির্মাণ খাত
২. খনিজ ও খনন
৩. ম্যানুফ্যাকচারিং এবং
৪. বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সম্পদ
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯

৫৯০.
বিটাক কি ?
  1. ক) লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ
  2. খ) ব্যবস্থা কোন উন্নয়ন কেন্দ্র
  3. গ) শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র
  4. ঘ) কুটির শিল্প সংস্থা
ব্যাখ্যা

বিটাক শিল্পকে প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়ে থাকে।

- এটি শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র ।

- ক্রমবর্ধমান বিশ্বায়নের গুরুত্ব অনুধাবন করে উন্নতর প্রযুক্তিতে কারিগরি দক্ষতা সম্পন্ন জনবল তৈরিতে বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলছে। দেশের শিল্প খাতের সম্প্রসারণ এবং নিরবিচ্ছিন্ন উৎপাদনে সহযোগিতা করাই বিটাক এর মূল দায়িত্বে। 

-২৬-০৫-১৯৬২ তারিখের Resolution No. C & P-9 (11)/62 দ্বারা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠিত Pakistan Industrial Technical Assistance Center (PITAC) কে স্বাধীনতাত্তোর ১৯৭২ সালে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) হিসাবে নামকরণ করা হয় । 

-২০১৯ সালের ১৯ নং আইন এর অধীন বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক)/ Bangladesh Industrial Technical Assistance Center (BITAC)-কে মহান জাতীয় সংসদে সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। আইন এর ৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শিল্প সচিবের নেতৃত্বে ১১ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদ দ্বারা বিটাক পরিচালিত হচ্ছে। 

উৎস:bitac.gov.bd( বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র)

৫৯১.
বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণের বৈধ মাধ্যম নয় কোনটি?
  1. ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন
  2. বাণিজ্যিক ব্যাংক
  3. হুন্ডি
  4. ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
বিদেশ থেকে বাংলাদেশে অর্থ প্রেরণের বৈধ পন্থা: 
- প্রাপকের অনুকূলে রেমিট্যান্স/চেক/ড্রাফট/টিটি/এমটি ইত্যাদি শুধুমাত্র বাংলাদেশে ব্যবসারত কোন ব্যাংকের মাধ্যমে সংগ্রহ বৈধ।
- প্রবাসী আয় ব্যাংকিং ব্যবস্থার পাশাপাশি এক্সচেঞ্জ হাউসের মাধ্যমেও বাংলাদেশে রেমিট্যান্স করা যায়।
- গ্লোবাল এক্সচেঞ্জ হাউস:
i) Western Union Money Transfer
ii) Transfast Remittance L.L.C. Global
iii) Moneygram International 
iv) RIA Finanacial Services LTD
- বাংলাদেশে ব্যাংকিং চ্যানেলে বৈদেশিক মুদ্রা সংগৃহীত হবে না এমন কোন পন্থার (যেমন অবৈধ হুন্ডি কার্যক্রম) অবলম্বন Foreign Exchange Regulation Act, 1947 (সেপ্টেম্বর, ২০১৫ পর্যন্ত সংশোধিত) এর আওতায় দন্ডনীয় এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় দন্ডনীয় অপরাধ।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক। 
সোনালী ব্যাংক।
৫৯২.
দেশের প্রথম ও সর্ববৃহৎ সার কারখানা হচ্ছে -
  1. ঘোড়াশাল সার কারখানা
  2. ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা
  3. আশুগঞ্জ সার কারখানা
  4. যমুনা সার কারখানা
ব্যাখ্যা
• ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা:
- সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইগাঁও ইউনিয়নে অবস্থিত।
- ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ (ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা) এটি এশিয়ার প্রথম সার কারখানা।
- ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা হতে প্রায় ০৫ কিলোমিটার দক্ষিণে সিলেট-মৌলভীবাজার হাইওয়ে রোডের পূর্ব দিকে হাইওয়ে রোড হতে ০১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

এছাড়াও,
- দেশের প্রথম ও সর্ববৃহৎ সার কারখানা হচ্ছে ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা। [বিস্তারিত]
- এই কারখানাটি ১৯৬১ সালে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইগাঁও ইউনিয়নের অবস্থিত।
- এই কারখানাটিতে ১৯৬৯ সালে এ্যামোনিয়াম সালফেট প্ল্যান্টটি স্থাপন করা হয়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ১,০৬,০০০ মেট্রিক টন।

উৎস: ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ওয়েবসাইট।
৫৯৩.
একক দেশ হিসেবে, তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
ব্যাখ্যা
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডাব্লিউটিও) ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩ : কি ইনসাইটস অ্যান্ড ট্রেন্ডস’ শীর্ষক প্রতিবেদন অনুসারে,
- শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে চীন। বর্তমানে তাদের বাজার হিস্যা ৩১.৬৪ শতাংশ।
- একক দেশ হিসেবে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে দ্বিতীয় শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ।
- বিশ্বের তৈরি পোশাকের বাজারে বাংলাদেশের হিস্যা ছিল ৭.৩৮ শতাংশ।
- ২০২২ সালে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৪৫ বিলিয়ন বা সাড়ে চার হাজার কোটি ডলার।
- ভিয়েতনাম বাংলাদেশের চেয়ে ৭০০ কোটি ডলার কম মূল্যের তৈরি পোশাক রপ্তানি করে তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

উৎস: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ওয়েবসাইট।
৫৯৪.
বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৬৯ সাল
  2. ১৯৭০ সাল
  3. ১৯৭১ সাল
  4. ১৯৭৩ সাল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা:
- ০৬ এপ্রিল ১৯৭০ সালে কারখানাটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।
-  ১৯৭১ সালে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের কারণে নির্মাণকাজ ব্যাহত হয় এবং চীনা দল কারখানা ত্যাগ করে।
-  ১৯৭৬ সালে একটি ৪৫ সদস্যের কারিগরি দল চীন থেকে আসে এবং বাকি কাজগুলি যেমন যন্ত্রপাতি, সরঞ্জাম, গেজ, ফিক্সচার ইত্যাদির ব্যবস্থা করা সম্পন্ন করে।
-  ১৯৭৭ সালে কারখানাটি নিয়মিত উৎপাদনের জন্য চালু হয়।
- বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানাটি গাজিপুর সেনানিবাস, গাজিপুরে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা ওয়েবসাইট।
৫৯৫.
সম্প্রতি, বিনিয়োগ-সংক্রান্ত কয়টি সংস্থা একীভূত করে 'সিঙ্গেল উইন্ডো' কাঠামো গঠনের পরিকল্পনা করছে সরকার? [অক্টোবর,২০২৫]
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৪টি
  4. ৩টি
ব্যাখ্যা

• ছয় সংস্থাকে একীভূত করে একটি 'সিঙ্গেল উইন্ডো' বা কেন্দ্রীয় কাঠামো গঠনের পরিকল্পনা করছে সরকার।
- দেশে বর্তমানে বিনিয়োগ-সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে এরকম শীর্ষ ছয় প্রতিষ্ঠান:
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা বিডা,
- বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেপজা),
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা),
- বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ,
- পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) কর্তৃপক্ষ
- ও বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)।
- এই ছয় সংস্থাকে একীভূত করে একটি 'সিঙ্গেল উইন্ডো' বা কেন্দ্রীয় কাঠামো গঠনের পরিকল্পনা করছে সরকার।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।[লিঙ্ক]

৫৯৬.
বাংলাদেশের শীর্ষ রপ্তানি পণ্য কোনটি?
  1. হিমায়িত খাদ্য
  2. নীটওয়‍্যার ও তৈরি পোশাক
  3. পাটজাত পণ্য
  4. কৃষিজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- বাংলাদেশের শীর্ষ রপ্তানি পণ্য নীটওয়‍্যার ও তৈরি পোশাক। 
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নীটওয়‍্যার ও তৈরি পোশাক পণ্যের রপ্তানি আয় ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার: ৪৮.৩৫% বা ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৈরি পোশাক: ৩৭.১০%।

উল্লেখ্য,
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: কৃষিজাত পণ্য (১.৩৯%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: হিমায়িত খাদ্য (০.৭১%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৫৯৭.
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত কোনটি? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. পাট ও পাটজাত পণ্য
  2. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  3. হিমায়িত পণ্য
  4. কৃষি পণ্য
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের শীর্ষ রপ্তানি খাত:
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) পরিসংখ্যান অনুসারে, বাংলাদেশের শীর্ষ রপ্তানি খাত হলো তৈরি পোশাক।
- এবং দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত হলো চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৪ হাজার ৮২৮ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছিল।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাসে মোট রপ্তানির মধ্যে তৈরি পোশাকের হিস্যা ৮৩ শতাংশ। এই সময়ে রপ্তানি হয়েছে ৩৯৬ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক।
- তৈরি পোশাকের পর দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাসে ১২ কোটি ৭৪ লাখ ডলারের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
- ৩য় শীর্ষ রপ্তানি খাত কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাসে কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্যের রপ্তানি ৯ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে।

উৎস: i) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)।
ii) প্রথম আলো। 

৫৯৮.
বাংলাদেশ হরিণ প্রজনন কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. বাগেরহাট 
  3. বান্দরবান
  4. চকোরিয়া
ব্যাখ্যা

প্রজনন কেন্দ্র:
- প্রজনন কেন্দ্র হলো বিশেষভাবে গঠিত এমন একটি স্থান, যেখানে কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতি বা পরিকল্পিত প্রযুক্তির মাধ্যমে উন্নত জাতের গবাদি পশু বা বিপন্ন বন্যপ্রাণীর প্রজনন ও বংশবৃদ্ধি করা হয়। এছাড়া এখানে পশুর জাত উন্নয়ন, প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সংরক্ষণমূলক কার্যক্রমও পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রাণীর প্রজনন কেন্দ্র স্থাপিত হয়েছে। 
- বাংলাদেশে প্রধান কয়েকটি হরিণ প্রজনন কেন্দ্র রয়েছে।
- এর মধ্যে অন্যতম প্রজনন কেন্দ্র কক্সবাজার জেলার চকরিয়ায় অবস্থিত। 
---------------------------
• বাংলাদেশের কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রাণীর প্রজনন কেন্দ্র:

• বন্যপ্রাণী প্রজননের জন্য ব্যবহৃত কেন্দ্র হলো ডুলাহাজরা, কক্সবাজার।
- কক্সবাজারের ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক বন্যপ্রাণী প্রজনন ও সংরক্ষণের জন্য একটি অন্যতম প্রধান কেন্দ্র।
- এটি ১৯৮০-৮১ সালে একটি 'হরিণ প্রজনন কেন্দ্র' হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও, পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালে এটি পূর্ণাঙ্গ সাফারি পার্কে রূপান্তরিত হয়

• গরু পালন ও প্রজননের জন্য সাভার, ঢাকা জেলা পরিচিত। 
• দেশি ছাগল প্রধানত টিলাগড়, সিলেট অঞ্চলে প্রজনিত হয়।
• মহিষ প্রজননের জন্য ফকিরহাট, বাগেরহাট অঞ্চল ব্যবহৃত হয়।
• কুমির প্রজননের কেন্দ্র হিসেবে খ্যাত করমজল, সুন্দরবন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৫৯৯.
ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান -
  1. রকেট
  2. বিকাশ
  3. নগদ
  4. শিওর ক্যাশ
ব্যাখ্যা
মোবাইল ব্যাংকিং:
- বাংলাদেশে মোবাইলের মাধ্যমে আর্থিক সেবার যাত্রা শুরু হয় মার্চ ২০১১ সালে।
- বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং যাত্রা শুরু করে ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের মাধ্যমে।
- যার নাম এখন রকেট।
- ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিকাশ সেবা চালু হয়।
- ২০১৯ সালের মার্চে চালু হয় ডাক বিভাগের সেবা নগদ।
- বর্তমানে বিকাশ,রকেটের পাশাপাশি মাই ক্যাশ,উপায়,শিওর ক্যাশসহ ১৫টি ব্যাংক এ সেবা দিচ্ছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২৯ মার্চ ২০২১।
৬০০.
রূপকল্প ২০২১ অনুযায়ী, ২০২১ সালে জাতীয় আয়ে শিল্পখাতের অবদান হবে-
  1. ক) ৩৫ শতাংশ
  2. খ) ৪৫ শতাংশ
  3. গ) ৩০ শতাংশ
  4. ঘ) ৪০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
রূপকল্প ২০২১ অনুযায়ী ২০২১ সালে একটি শক্তিশালী শিল্পখাত গড়ে উঠবে যেখানে জাতীয় আয়ে শিল্পখাতের অবদান হবে ৪০ শতাংশ এবং মোট কর্মসংস্থানে অবদান হবে ২৫ শতাংশ। সূত্র- অর্থনীতি নবম-দশম শ্রেণি।