বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

মোট প্রশ্ন১,৭৮৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

PrepBank · পাতা / ১৮ · ৩০১৪০০ / ১,৭৮৪

৩০১.
বাংলাদেশের চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে কোথায়?
  1. ক) জামালগঞ্জে
  2. খ) রানীগঞ্জে
  3. গ) বিজয়পুরে
  4. ঘ) টেকের হাট
ব্যাখ্যা
- চীনামাটি (White Clay or China Clay)  কেওলিন কর্দম মণিক দ্বারা গঠিত উন্নতমানের  কর্দম; প্রধানত সিরামিক শিল্পে ব্যবহূত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে গৃহস্থালি সামগ্রী হিসেবে চীনামাটির তৈরী তৈজসপত্রের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
- বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ভূ-পৃষ্ঠে অথবা অন্তর্ভূ-পৃষ্ঠে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
- নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর ও গোপালপুরে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়, চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও ও সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে চীনামাটির মজুত রয়েছে।
- এ ছাড়া দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া, বড়পুকুরিয়া ও দীঘিপাড়া এবং নওগাঁ জেলার পত্নীতলাতে ভূ-পৃষ্ঠের নিকটে চীনামাটি মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
- এ চীনামাটির সঙ্গে আমদানিকৃত উচ্চ মানসম্পন্ন কর্দম মিশিয়ে তা দেশের  সিরামিক শিল্প কারখানাগুলিতে ব্যবহূত হয়ে থাকে।

উৎস:  বাংলাপিডিয়া।
৩০২.
এশিয়া মহাদেশে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ঘাটতি কোন দেশের সঙ্গে?
  1. চীন 
  2. জাপান 
  3. দক্ষিণ কোরিয়া
  4. ভারত
ব্যাখ্যা

দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশের বড় ঘাটতি:
- এশিয়া মহাদেশে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশের বড় ঘাটতি চীনের সঙ্গে।
- দেশটি থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পণ্য আমদানি হয়েছে ২ হাজার ৬১ কোটি ডলারের। এর বিপরীতে বাংলাদেশ রপ্তানি করেছে ৭৪ কোটি ডলারের পণ্য। তাতে দেশটির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশের ঘাটতি ১ হাজার ৯৮৭ কোটি ডলারের।

⇒ চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার হলেও দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি সবচেয়ে বেশি।
- চীন বাংলাদেশের আমদানির প্রধান উৎস। দেশের ৩০ শতাংশের বেশি পণ্য আমদানি হয় চীন থেকে।
- জাতিসংঘের সংস্থা UNCTAD-এর তথ্যমতে, ২০২৪ সালে দেশটি বাংলাদেশে প্রায় ২ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে।
- অন্যদিকে, চীনে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি কয়েক বছর ধরেই ৮০ কোটি ডলারের নিচে সীমাবদ্ধ।

উল্লেখ্য,
- চীনের পরেই বড় ঘাটতি ভারতের সঙ্গে। যদিও প্রতিবেশী দেশটিতে রপ্তানি বাড়তে থাকায় ঘাটতি কমছে। এরপরও গত অর্থবছরে দেশটি থেকে আমদানি হয়েছে ৯৬৮ কোটি ডলার পণ্য। রপ্তানি হয়েছে ১৮২ কোটি ডলারের পণ্য। তাতে বছর শেষে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশের ঘাটতি ৭৮৬ কোটি ডলারের।

এছাড়াও,
- এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরে চীন থেকে আমদানি হওয়া পণ্যের ৫৪ শতাংশই ছিল রপ্তানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল। বাকি ৪৬ শতাংশ ছিল বাণিজিক পণ্য। একইভাবে ভারত থেকে গত অর্থবছরে আমদানি হওয়া পণ্যের ৩১ শতাংশই ছিল রপ্তানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল। বাংলাদেশের বাজারের চাহিদা অনুযায়ী পণ্যের বড় উৎস এই দেশ দুটি। 

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) Independent Tv.

৩০৩.
বাংলাদেশে বৃহত্তম সার কারখানা কোনটি?
  1. শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোঃ লিমিটেড
  2. টিএসপি কমপ্লেক্স লিমিটিড
  3. ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি
  4. ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ
ব্যাখ্যা
• ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি:
- ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী (জিপিএফপিএলসি) নরসিংদী জেলাস্থ পলাশ উপজেলায় ঘোড়াশাল পৌরসভার অন্তর্গত খানেপুর মৌজায় অবস্থিত।
- পূর্বেকার ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড (ইউএফএফএল) এবং পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড (পিইউএফএফএল) একীভূত করে গত ০১-০৭-২০২১ খ্রি. তারিখ থেকে ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী (জিপিএফপিএলসি) গঠিত হয়।
----------------------------------------------------------
• বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন এর অধিনে সারকারখানা সমূহ:
- ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী।
- শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোঃ লিমিটেড।
- চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড।
- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড।
- আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ
- টিএসপি কমপ্লেক্স লিমিটিড।
- ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ।

উৎস: BCIC.
৩০৪.
ব্যবহারের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি গ্যাস ব্যবহৃত হয় কোন খাতে?
  1. ক) বিদ্যুৎ উৎপাদনে
  2. খ) গৃহস্থালির কাজে
  3. গ) শিল্পখাতে
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• ব্যবহারের দিক থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সবচেয়ে বেশি গ্যাস ব্যবহৃত হয়।

• জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের হিসাব মতে, প্রাকৃতিক গ্যাস সর্বোচ্চ ব্যবহারের কয়েকটি খাত হচ্ছে:
- বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার - ৪২৫.৮ বিলিয়ন ঘনফুট (৪২.০০%)। 
- শিল্পখাতে ব্যবহার – ১৮১.৭ বিলিয়ন ঘনফুট (১৮.০০%)।
- গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার - ১৩৪.২ বিলিয়ন ঘনফুট। (১৩.০০%)।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
৩০৫.
শিল্পখাতে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারের হার প্রায় -
  1. ক) ৪২.০০%
  2. খ) ১৮.০০%
  3. গ) ১৩.০০%
  4. ঘ) ২৯.০০%
ব্যাখ্যা
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের হিসাব মতে, প্রাকৃতিক গ্যাস সর্বোচ্চ ব্যবহারের কয়েকটি খাত হচ্ছে -
বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার - ৪২৫.৮ বিলিয়ন ঘনফুট (৪২.০০%)। ব্যবহারের দিক থেকে এই খাতে সবচেয়ে বেশি গ্যাস ব্যবহৃত হয়।
শিল্পখাতে ব্যবহার – ১৮১.৭ বিলিয়ন ঘনফুট (১৮.০০%)
গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার - ১৩৪.২ বিলিয়ন ঘনফুট। (১৩.০০%)
 
উৎস: জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ ওয়েবসাইট। 
৩০৬.
বাংলাদেশে কয় ধরনের ভূমি রয়েছে?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৭
  3. গ) ১১
  4. ঘ) ১৬
  5. ঙ) ২৫
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বর্তমানে ১৬ ধরনের ভূমি রয়েছে। পূর্বে ছিল ১১২৪ ধরনের। ২৭ ফেব্রুয়ারী ভূমি মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তা ১৬ শ্রেণীতে নিয়ে আসে। এগুলো হলোঃ বন, পাহাড়, নদী, রাস্তা, আবাদি, আবাসিক, টার্মিনাল, বন্দর, জলাভূমি, অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিল্প, বাণিজ্যিক, বিনোদন কেন্দ্র, স্মৃতিস্তভ ও ধর্মীয় স্থান। (সূত্রঃ ভূমি মন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইট)
৩০৭.
কোন সিটি কর্পোরেশন দেশে প্রথমবারের মতো বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে?
  1. ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন
  2. ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন
  3. চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন
  4. নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা

আমিনবাজার বর্জ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প:
- বাংলাদেশের প্রথম বর্জ্য থেকে শক্তি বিদ্যুৎ কেন্দ্র আমিনবাজার বর্জ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প।
- ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় আমিনবাজার ল্যান্ডফিলে দেশে প্রথমবারের মতো বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্প নেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- তুরাগ নদের কাছাকাছি আমিনবাজার এলাকায় বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজ শুরু হয়েছে।
- প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে চায়না মেশিনারি ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন (সিএমইসি)।
- ২০২১ সালের ১ ডিসেম্বর সিএমইসির সঙ্গে চুক্তি সই করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এবং বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)।
- প্রকল্পটির বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা: ৪২.৫ মেগাওয়াট।
- প্রকল্পটির নির্মাণ ব্যয়:  ১৫ হাজার ৩২৫ কোটি টাকা।
- ২০২৬ সালের মধ্যে এ প্রকল্প থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে।

⇒ এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতি দিন ৩ হাজার টন বর্জ্য পোড়ানোর মাধ্যমে ৪২ দশমিক ৫ মেগা ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে।
- বর্জ্য পোড়ানোর ফ্লাই অ্যাশ বা ছাই সিমেন্ট কারখানায় সিমেন্ট তৈরির উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।
- বটম অ্যাশ সড়ক নির্মাণের কাজে ব্যবহৃত হবে।
- এ কেন্দ্র থেকে প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা (প্রতি ইউনিট) বিদ্যুৎ ১৮.২৯৫ টাকার সমপরিমাণ ২১ দশমিক ৭৮ সেন্ট দিয়ে কিনবে বিপিডিবি।

উৎস: i) Business Insider.
ii) প্রথম আলো।

৩০৮.
২০২০ সালে বাংলাদেশের কোন খাতে সর্বোচ্চ বৈদেশিক বিনিয়োগ এসেছে?
  1. ক) তৈরি পোশাক
  2. খ) টেলিযোগাযোগ
  3. গ) গ্যাস ও খনিজ
  4. ঘ) বিদ্যুৎ
ব্যাখ্যা
তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন। 
কিছুটা মডিফাই করে প্রশ্নটি প্রণীত হয়েছে। 

জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা (UNCTAD) গত ১৬ জুন ২০২০ বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন (WIR) প্রকাশ করে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী-
- বিদেশি বিনিয়োগ প্রাপ্তিতে শীর্ষ দেশ - যুক্তরাষ্ট্র, দ্বিতীয় - চীন।
- বাংলাদেশে বিনিয়োগকারী শীর্ষ দেশ - চীন, দ্বিতীয় - যুক্তরাজ্য।
- বিদেশি বিনিয়োগ প্রাপ্তিতে বাংলাদেশের শীর্ষ খাত- তৈরি পোশাক খাত।
স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (LDC) মধ্যে বিদেশি বিনিয়োগ প্রাপ্তিতে শীর্ষ দেশ - কম্বোডিয়া, দ্বিতীয় - মায়ানমার, বাংলাদেশের অবস্থান - ৫ম।

উৎসঃ Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার।
৩০৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, এশিয়ার কোন দেশে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে?
  1. ভারত
  2. নেপাল
  3. শ্রীলঙ্কা
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১১.২১%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ১০.৫২%।

• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪০%।

• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৩১০.
বর্তমানে দেশের চাহিদার কত শতাংশ ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ৫৭ শতাংশ 
  2. ৬৬ শতাংশ 
  3. ৮৭ শতাংশ 
  4. ৯৮ শতাংশ 
ব্যাখ্যা

ঔষধ শিল্প:
- স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ঔষধ প্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল।
- ফলে অনেক উচ্চ মূল্যে জনগণকে ঔষধ ক্রয় করতে হতো।
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮% ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়
- বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ঔষধ আমদানিকারক দেশ হতে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।
- এরা বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ রপ্তানি করছে ১৫৭টি দেশে।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ওষুধ রপ্তানি দাঁড়িয়েছে ২১৩ মিলিয়ন ডলার।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে।
- ১৯৭৩ সালে প্রয়োজনীয় ওষুধ আমদানি করার জন্য ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের অধীনে একটি সেল গঠন করা হয়েছিল।
- সরকার ১৯৭৪ সালে ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তর গঠন করে।
- ১৯৮২ সালে ঔষধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে ক্ষতিকর ও অপ্রয়োজনীয় ঔষধ বাজারজাতকরণ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং স্বাস্থ্যসেবার প্রতিটি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ বৃদ্ধি করা হয়।
- ১৯৮২ সালের ওষুধনীতিতে ১৫০টি ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়।

উৎস: i) প্রথম আলো।
         ii) The Daily Star Bangla.

৩১১.
কোরিয়ান ইপিজেড কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. নারায়ণগঞ্জ
  3. কুড়িগ্রাম
  4. নীলফামারী
ব্যাখ্যা

কোরিয়ান ইপিজেড:
- দেশের একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড কোরিয়ান ইপিজেড।
- এটি চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত।
- কোরিয়ান ইপিজেড-এর প্রতিষ্ঠাতা কিয়াক সুং।
- চট্টগ্রামে কোরিয়ান ইপিজেড এর কার্যক্রম ১৯৯৫ সালে শুরু হয়।
- প্রথমে দুই দেশের সরকার উদ্যোগ নিলেও কোরিয়ান প্রতিষ্ঠান ইয়াংওয়ান গ্রুপ শিল্পাঞ্চলটি গড়ে তোলে বেসরকারিভাবে।
- ইয়াংওয়ান করপোরেশন পরিচালিত কেইপিজেডে বর্তমানে ৪৮টি শিল্পে ৩৪ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।
- এই ইপিজেডের ৫২ শতাংশ জমি বনায়ন ও পরিবেশের জন্য নির্ধারিত।
- ফলে এটিকে বড় পরিবেশবান্ধব ইপিজেড বলা হয়।

উৎস: i) বণিক বার্তা।
ii) বেজা ওয়েবসাইট।

৩১২.
নিচের কোনটি 'হোয়াইট গোল্ড' নামে পরিচিত?
  1. চিংড়ি
  2. পাট
  3. রূপচাঁদা
  4. ইলিশ
ব্যাখ্যা

হোয়াইট গোল্ড:
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে 'সাদা সোনা' বা 'হোয়াইট গোল্ড' বলা হয়।
- বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বের মোট চিংড়ির একটা উল্লেখযোগ্য অংশ উত্পাদিত হচ্ছে, তবে বছরভেদে এর পরিমান ওঠানামা করে।
- ২০২১-২২ অর্থবছরে ৪১ কোটি ডলারের চিংড়ি রপ্তানি হয়।
- প্রবৃদ্ধি দাড়ায় ২৩.৮৪ শতাংশ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ আগস্ট ২০২৩ ও ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩।

৩১৩.
বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগার কোথায় অবস্থিত?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. চট্টগ্রাম
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা
- ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগার।
- এটি চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- এটি ১৯৬৮ সালের ৭ মে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে।
- এর বার্ষিক পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লক্ষ টন।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন এটির শতভাগ শেয়ারের মালিক।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ও সিঙ্গাপুরে অবস্থিত সেল ইস্টার্ন পেট্রোলিয়াম লিঃ কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে যৌথ প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ চট্টগ্রামস্থ ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড-এ অপরিশোধিত খনিজ তেল ও পেট্রোলিয়াম শোধন করে। 
- এখানে উপজাত হিসেবে ন্যাপথা ও ফার্নেস তেল উৎপাদিত হয় যা দেশের চাহিদা পূরণের পর রপ্তানি করা হয়।

উৎস: বিপিসি ও ইআরএল ওয়েবসাইট; অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১৪.
বাংলাদেশ তাঁত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. কুমিল্লা
  2. টাঙ্গাইল
  3. নরসিংদী
  4. নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ তাঁত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট:
- বাংলাদেশ তাতঁ শিক্ষা ও প্রশিক্ষন ইন্সটিটিউট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের  বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এর অধীন বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের নিয়ন্ত্রনাধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি নরসিংদীর সাহেপ্রতাপ নামক স্থানে অবস্থিত।
- অত্র প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮১ সালে তাঁতিদের প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে বর্তমান সরকারের সার্বিক তত্তাবধানে ২০১০ সালে তাঁতি এবং তাঁতি পরিবারের সন্তানদের ১০% কোটা সংরক্ষন রেখে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কারিকুলাম অনুযায়ী ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল  ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স  চালু হয়।
- লক্ষ্য: তাঁতি অথবা তাঁত শিল্পী, তাঁত উদ্যোক্তা, তাঁত সহযোগী এবং তাঁত পেশায় আগ্রহীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, চলতি মূলধন যোগান, গুণগত মানসম্পন্ন তাঁত বস্ত্র উৎপাদন এবং বাজারজাতকরণের সুবিধা সৃষ্টির মাধ্যমে তাঁত খাতের সম্প্রসারণসহ তাঁতিদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন।

উৎস: বাংলাদেশ তাঁত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট ওয়েবসাইট।

৩১৫.
দেশের একমাত্র ‘ফসফেটিক‘ সার কারখানা কোনটি?
  1. ঘোড়াশাল সার কারখানা
  2. আশুগঞ্জ সার কার‌খানা
  3. শাহজালাল সার কারখানা
  4. টিএসপি সার কারখানা
ব্যাখ্যা
• টিএসপি সার কারখানা:
- অবস্থান - পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।
- এটি দেশের একমাত্র ফসফেটিক সার কারখানা।
- টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ এর স্থাপনা তৎকালীন পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি’র) সময়ে আরম্ভ হলেও ১৯৭৬ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উত্‍পাদন ক্ষমতা ১,০০,০০০  মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৩১৬.
দেশে প্রথম কাগজকল স্থাপিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৫১ সালে
  2. খ) ১৯৫২ সালে
  3. গ) ১৯৫৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৪ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম কাগজকল হলো রাঙামাটি জেলার চন্দ্রঘোনায় অবস্থিত কর্ণফুলী পেপার মিল। এটি ১৯৫৩ সালে স্থাপিত হয়।
এটির বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৩০ হাজার মে. টন। এতে কাঁচামাল হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চলের বাঁশ ব্যবহৃত হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী এবং বিসিআইসি ওয়েবসাইট)
৩১৭.
বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি ইপিজেড কোনটি?
  1. ক) REPZ
  2. খ) KEPZ
  3. গ) CEPZ
  4. ঘ) DEPZ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি ইপিজেড - কোরিয়ান ইপিজেড (KEPZ)।
- এটি ১৯৯৯ সালে অক্টোবরে চট্টগ্রামে চালু হয়।
- এছাড়া রাঙ্গুনিয়ায় আরেকটি প্রাইভেট ইপিজেড চালু হওয়ার কথা থাকলেও সেটি এখনো স্থাপিত হয় নি।
—------------
বর্তমানে সরকারি ইপিজেড ৮টি। এগুলো হলো:
চট্টগ্রাম, ঢাকা (সাভার), আদমজী, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, মোংলা, উত্তরা (নীলফামারী) ও কর্ণফুলী ইপিজেড। 
বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড।

উৎস: BEZA ওয়েবসাইট।
৩১৮.
বিসিআইসি কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি): 
- ১লা জুলাই, ১৯৭৬ সালে তারিখে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সংস্থার চেয়ারম্যান এবং বোর্ড  অব ডিরেক্টর্স এর পরিচালকবৃন্দ সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত।
- উত্তরাধীকার সূত্রে প্রাপ্ত ৮৮টি প্রতিষ্ঠান নিয়ে সংস্থার যাত্রা শুরু হয়।
- বর্তমানে এ সংস্থার অধীনে ১১ টি চালু কারখানা আছে।
- চালু কারখানাসমূহের মধ্যে ৫টি ইউরিয়া সার কারখানা, ১টি ডিএপি সার কারখানা, ১টি টিএসপি সার কারখানা, ১টি কাগজ কারখানা, ১টি সিমেন্ট কারখানা, ১টি গ্লাসশীট কারখানা ও ১টি স্যানিটারীওয়্যার ও ইনসুলেটর কারখানা রয়েছে।
- বিসিআইসি’র উৎপাদিত  পন্যের মধ্যে ৮০% রাসায়নিক সার ; এর মধ্যে ৭০% ইউরিয়া সার ও ১০% অন্যান্য সার।
- তাছাড়া যৌথ অংশীদারিত্বে ১০টি কারখানা রয়েছে।

উৎস: বিসিআইসি ওয়েবসাইট।
৩১৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য কোনটি?  
  1. হোম টেক্সটাইল
  2. নিটওয়্যার 
  3. চামড়াজাত পণ্য
  4. হিমায়িত মাছ
ব্যাখ্যা

• নীট পোশাক: 
- বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য নীটওয়্যার।
- এখাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ২১,১৫৯.০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৪৩.৮২%।

• ওভেন পোষাক:
- ওভেন পোষাক খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ১৮,১৮৭.৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৩৭.৬৭%।

• হোম টেক্সটাইল:
- হোম টেক্সটাইল খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ৮৭১.৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ১.১৮%।

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫। 

৩২০.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চিনির কল কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) দর্শনা
  2. খ) ঈশ্বরদী
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) রাজশাহী
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন ১৫টি চিনিকল, ১টি ডিস্টিলারি ইউনিট, ১টি ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা, ১টি জৈবসার কারখানা ও ৩টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে কর্মকান্ড পরিচালনা করছে।
• চিনিকলগুলোতে ২০২১-২২ অর্থবছরে ৫০,০০০ হাজার মেট্রিক টন চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ২৪,৫০৯.৭৫ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদিত হয়েছে।
• ‘কেরু এ্যান্ড কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড‘ বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গা জেলায় দর্শনায় অবস্থিত একটি ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান।
• এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম চিনি কল। 

• চিনিকল করপোরেশনের আওত্তাধীন চিনিকলসমূহের ঠিকানা
- পঞ্চগড় সুগার মিলস লি:
- ঠাকুরগাঁও সুগার মিলস লি-
- শ্যামপুর সুগার মিলস লি-
- জয়পুরহাঁট সুগার মিলস লি-
- সেতাবগঞ্জ সুগার মিলস লি-
- রংপুর সুগার মিলস লি-
- ফরিদপুর সুগার মিলস লি:
- নর্থবেঙ্গল সুগার মিলস লি:
- কেরু এন্ড কোং (বিডি) লি:
- পাবনা সুগার মিলস লি:
- রাজশাহী সুগার মিলস লি-
- নাটোর সুগার মিলস লি-
- জিল বাংলা সুগার মিলস লি:
- কুষ্টিয়া সুগার মিলস লি:
- মোবারকগঞ্জ সুগার মিলস লি:
- প্রকৌশল কারখানা
- রেনউইক যজ্ঞেশ্বর অ্যান্ড কোম্পানি
 সূত্র: বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন ও অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২২।
৩২১.
বাংলাদেশের বৃহত্তম সার কারখানার নাম-
  1. ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড
  2. যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড
  3. পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড
  4. ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের বৃহত্তম সার কারখানার নাম পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড।

♦ ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
→ দেশের বৃহত্তম সার কারখানা ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
→ এটি নরসিংদীতে অবস্থিত।
→ দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ১৯৭০ সালে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় বার্ষিক ৩,৪০,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিঃ এবং ১৯৮৫ সালে বার্ষিক ৯৫,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপিত হয়।

♦ উল্লেখ্য:
→ ১২ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে পরিবেশবান্ধব, জ্বালানি সাশ্রয়ী ও আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক এ কারখানার উদ্বোধন করা হয়।
→ সার উৎপাদনের ক্ষমতা: বার্ষিক ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন।
→ এটি বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা, যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্লু গ্যাস থেকে পরিবেশদূষণকারী আহরণ করা হবে এবং ক্যাপচার করা কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে ইউরিয়া সারের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে (প্রায় ১০ শতাংশ)।
→ এটি দেশে 'অত্যাধুনিক, শক্তি সাশ্রয়ী ও সবুজ' সার কারখানা, যা ইউরিয়া সারের আমদানি কমিয়ে দেবে এবং কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট ও পত্রিকার রিপোর্ট।

৩২২.
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান কত? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৫ম
ব্যাখ্যা
পোশাক রপ্তানি:
- যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি পোশাক বাজারে তৃতীয় শীর্ষ রপ্তানিকারক দেশ বাংলাদেশ।
- অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলসের (অটেক্সা) তথ্যমতে, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ থেকে ৭৩৪ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে।
- সংস্থাটির তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানি গত সেপ্টেম্বরে ১৮ শতাংশ, অক্টোবরে ২৬ দশমিক ৭ শতাংশ ও নভেম্বরে ৪১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে।
- বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার হিস্যার ৯ শতাংশ দখলে আছে বাংলাদেশ।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বরাবরের মতো শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে চীন এবং ২য় অবস্থানে আছে ভিয়েতনাম।

সূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
৩২৩.
দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের প্রধান সংগঠনটি কোনটি?
  1. এফবিসিসিআই
  2. বিজিএমইএ
  3. ডিসিসিআই
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

• FBCCI:
- FBCCI-এর পূর্ণরূপ: The Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industry (FBCCI).
- এটি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন।
- এই সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন ও চেম্বারসমূহকে একত্রিত করে সামগ্রিক ব্যবসা উন্নয়নে কাজ করা।
- দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ১৯৭৩ সালে ট্রেড অর্গানাইজেশন অর্ডিন্যান্স অ্যান্ড কোম্পানি অ্যাক্ট, ১৯১৩- এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- এফবিসিসিআই দেশব্যাপী চেম্বার ও সমিতিসমূহ গঠনে সহায়তা প্রদান করে এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগ, শিল্প-বাণিজ্য, কৃষি, পর্যটন, মানবসম্পদ এবং যোগাযোগসহ অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে।
- ফেডারেশন অভিন্ন স্বার্থের প্রশ্নে দেশের শিল্প, বাণিজ্য ও বণিক সমিতিসমূহের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলে।
- এফবিসিসিআই আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ফোরামের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের শিল্প-বাণিজ্য বিষয়ক প্রতিষ্ঠানসমূহের সাথে বহির্বাণিজ্য সম্পর্ক স্থাপনে ভূমিকা পালন করে।
- বিদেশী বিনিয়োগ ও যৌথ বিনিয়োগ সহযোগী নির্বাচনে কাজ করে এফবিসিসিআই।

তথ্যসূত্র: FBCCI ওয়েবসাইট।

৩২৪.
পানগাঁও টার্মিনাল কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্রগ্রাম
  3. খুলনা
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা

পানগাঁও টার্মিনাল:
- পানগাঁও টার্মিনাল ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।
- এটি দেশের প্রথম নদীবন্দরভিত্তিক ইনল্যান্ড কনটেইনার টার্মিনাল, যা মূলত চট্টগ্রাম ও নারায়ণগঞ্জের সঙ্গে নৌপথে পণ্য পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে টার্মিনালটি নির্মাণ করে।
- এই কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণে ব্যয় হয় ১৪৯ কোটি টাকা।
- ২০১৩ সালে এটির কার্যক্রম শুরু হয়।

সম্প্রতি,
- এই নৌ টার্মিনাল পরিচালনায় ২২ বছরের জন্য দায়িত্ব পেয়েছে সুইজারল্যান্ডের প্রতিষ্ঠান মেডলগ।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [link]

৩২৫.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ গ্যাস ক্ষেত্র?
  1. ক) বাখরাবাদ
  2. খ) হরিপুর
  3. গ) তিতাস
  4. ঘ) হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের -এর দিক থেকে বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস যা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত।
- এই গ্যাসক্ষেত্রটি ১৯৬২ সালে আবিষ্কার করে - পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি।
- ৬৪ বর্গকিলোমিটার ব্যাপী বিস্তৃত এই গ্যাসক্ষেত্রটির ভূগঠন গম্বুজাকৃতির।
- প্রমাণিত গ্যাস মজুদের পরিমাণ - ৬৩৬৭ বি.ঘ.ফু।

- প্রাথমিক মজুদ, উত্তোলনরত কূপ ইত্যাদির পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র - বিবিয়ানা
- এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
- ১৯৯৮ সালে ইউনোক্যাল এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে।
- প্রমাণিত গ্যাস মজুদের পরিমাণ - পরিমাণ ৫৭৫৫ বি.ঘ.ফু।

================
আবার,
- প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা; মজুদের পরিমাণ ৮৩৫০ বি.ঘ.ফু।
- দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস; মজুদের পরিমাণ ৮১৪৮.৯ বি.ঘ.ফু।

দেশের উৎপাদনরত ২০টি গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদনরত কূপের সংখ্যা ১০৫টি।
এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কূপ রয়েছে:
- বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রের - ২৬টি;
- দ্বিতীয় তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের - ২২টি।


সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২২ এবং বাংলাপিডিয়া।
৩২৬.
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা কোনটি?
  1. চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিঃ
  2. আশুগঞ্জ ফাটিলাইজার এন্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ
  3. ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা
  4. শাহজালাল সার কারখানা
ব্যাখ্যা
ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা হলো ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা
- এটি নরসিংদীতে অবস্থিত।
- দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ১৯৭০ সালে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় বার্ষিক ৩,৪০,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিঃ এবং ১৯৮৫ সালে বার্ষিক ৯৫,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপিত হয়।

 উল্লেখ্য,
- ১২ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে উদ্বোধনী ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব, জ্বালানি সাশ্রয়ী ও আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক এ কারখানার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- সার উৎপাদনের ক্ষমতা: বার্ষিক ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন।
- বিসিক জানায়, কারখানাটি ৩০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
- ১১০ একর জমিতে কারখানাটি নির্মিত হবে।
- নির্মাণ ব্যয়: ১৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
- কারখানাটির দৈনিক সার উৎপাদন হবে ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা, যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্লু গ্যাস থেকে পরিবেশদূষণকারী আহরণ করা হবে এবং ক্যাপচার করা কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে ইউরিয়া সারের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে (প্রায় ১০ শতাংশ)।
- এটি দেশে ‘অত্যাধুনিক, শক্তি সাশ্রয়ী ও সবুজ’ সার কারখানা, যা ইউরিয়া সারের আমদানি কমিয়ে দেবে এবং কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে।


উৎস: i) ১২ নভেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
         ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৩২৭.
'শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড' এ মূলত কোন ধরনের সার উৎপাদিত হয়?
  1. ক) সুপার ফসফেট
  2. খ) ইউরিয়া
  3. গ) টিএসপি
  4. ঘ) সালফেট
ব্যাখ্যা
- শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ রসায়ন শিল্প সংস্থার নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে দেশে ৮টি সার কারখানা রয়েছে।
- এর মধ্যে উৎপাদন ক্ষমতার দিক থেকে সবচেয়ে বৃহৎ সার কারখানা হলো শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড।
- এটি ২০১৬ সালে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে স্থাপিত হয়।
- এর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫ লক্ষ ৮১ হাজার মে. টন।
- এতে মূলত ইউরিয়া সার উৎপাদন হয়।
- অন্যদিকে যমুনা সার কারখানা এবং চিটাগাং ইউরিয়া সার কারখানা এর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫ লক্ষ ৬১ হাজার মে. টন।
- ১৯৬১ সালে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে স্থাপিত দেশের প্রথম সার কারখানা ন্যাচারাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড ২০১৪ সালে বন্ধ হয়ে যায়।
- একে শাহজালাল সার কারখানার সাথে একীভূত করা হয়।
- কাফকো সার কারখানা বাংলাদেশ ও জাপানের যৌথ উদ্যোগে ১৯৯২ সালে চট্টগ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যমুনা ও কাফকো সার কারখানায় দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ রসায়ন শিল্প সংস্থা ওয়েবসাইট।
৩২৮.
বাংলাদেশে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে কোথায়?
  1. গোপালপুর
  2. জামালগঞ্জ
  3. মহাস্থানগড়
  4. রাণীগঞ্জ
ব্যাখ্যা
চীনামাটি:
- চীনামাটি কেওলিন কর্দম মণিক দ্বারা গঠিত উন্নতমানের  কর্দম; প্রধানত সিরামিক শিল্পে ব্যবহূত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে গৃহস্থালি সামগ্রী হিসেবে চীনামাটির তৈরী তৈজসপত্রের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
- বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
- নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর ও গোপালপুরে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়, চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও ও সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে চীনামাটির মজুত রয়েছে।
- এ ছাড়া দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া, বড়পুকুরিয়া ও দীঘিপাড়া এবং নওগাঁ জেলার পত্নীতলাতে ভূ-পৃষ্ঠের নিকটে চীনামাটি মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩২৯.
In which year did the fire occur in the Magurchara gas field?
  1. 1997
  2. 2005
  3. 1998
  4. 2003
  5. 2007
ব্যাখ্যা
মাগুড়ছড়া গ্যাস ক্ষেত্রে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে ১৯৯৭ সালে।
বাংলাদেশের গ্যাস ফিল্ড দুর্ঘটনা:

- এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ২ টি গ্যাস ক্ষেত্রে দুর্ঘটনা হয়।
১. মাগুরছড়া:
- এটি মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জে অবস্থিত।
- ১৯৯৭ সালের ১৪ জুন এই গ্যাস ক্ষেত্রে আগুন লাগে।
- এই গ্যাস ক্ষেত্রের খননের সাথে জড়িত ছিলো মার্কিন কোম্পানি অক্সিডেন্টাল।

২. টেংরাটিলা:
- এটি সুনামগঞ্জের দুয়ারাবাজারে অবস্থিত।
- ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি প্রথম দফা এবং ২৪ জুন দ্বিতীয় দফা এখানে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
- এই গ্যাস ক্ষেত্রের খন কাজের দায়িত্বে ছিলো কানাডিয়ান কোম্পানী নাইকো।

উৎস: প্রথম আলো ও BGFCL.
৩৩০.
জাতীয় আয়কর দিবস পালিত হয় কত তারিখে?
  1. ক) ১৫ সেপ্টেম্বর
  2. খ) ৩০ সেপ্টেম্বর
  3. গ) ১৫ নভেম্বর
  4. ঘ) ৩০ নভেম্বর
ব্যাখ্যা
• জাতীয় আয়কর দিবস পালিত হয়  প্রতি বছরের ৩০ নভেম্বর
- ২০০৮ সাল থেকে দেশে আয়কর দিবস উদযাপিত হচ্ছে।
- আগে প্রতি বছর ১৫ সেপ্টেম্বর দিবসটি উদযাপিত হতো।  
- তবে ২০১৬ সাল থেকে ৩০ নভেম্বর আয়কর দিবস পালন করছে এনবিআর।
- এদিন ব্যক্তিশ্রেণির আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন জমা দেওয়ারও শেষ দিন।

সূত্র: যুগান্তর ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৩১.
সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন লিমিটেড যাত্রা শুরু করে-
  1. ক) ১৯৭৬ সালে
  2. খ) ১৯৮৩ সালে
  3. গ) ১৯৮৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা
- 'দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড' হলো দেশের একমাত্র টাকশাল যা গাজীপুর জেলায় অবস্থিত। এটির যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৮ সালে। এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীন।
- এতে বিভিন্ন নোট, ডাকটিকিট, স্ট্যাম্প, সঞ্চয়পত্র, প্রাইজবন্ড, নম্বরপত্র, সনদ ইত্যাদি ছাপানো হয়৷

উৎসঃ সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন লিমিটেড ওয়েবসাইট।
৩৩২.
দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনকারী সেক্টর কোনটি?
  1. ক) চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  2. খ) তৈরি পোশাক
  3. গ) রেমিট্যান্স
  4. ঘ) পাট ও পাটজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনকারী সেক্টর হলো তৈরি পোশাক শিল্প।
২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি ৩৩.৬৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মধ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে আয় ছিলো ২৭.৯৫ বিলিয়ন ডলার যা মোট রপ্তানির প্রায় ৮৩ ভাগ।
দ্বিতীয় প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনকারী খাত হলো রেমিট্যান্স ১৮.২০ বিলিয়ন ডলার।
(সূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ও বাংলাদেশ ব্যাংক)
৩৩৩.
বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড কোথায় অবস্থিত?
  1. খুলনা
  2. গাজীপুর
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

বিএমটিএফ:
- বিএমটিএফ এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর, ১৯৭৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (BMTF) যাত্রা শুরু করে।
- এটি শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে একটি।
- বিএমটিএফ এর কার্যক্রম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড গাজীপুরের শিমুলতলীতে অবস্থিত।
- এর আয়তন ১৫৬.৪৭ একর।
- বিএমটিএফ ১৯টি গতিশীল কারখানা নিয়ে গঠিত।
- সেনাবাহিনী প্রধানের নেতৃত্বে বোর্ড চেয়ারম্যান এবং একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নেতৃত্বে বিএমটিএফ এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

তথ্যসূত্র - বিএমটিএফ ওয়েবসাইট।

৩৩৪.
দেশের নবম ইপিজেড কোন জেলায় স্থাপিত হবে?
  1. বরগুনা
  2. রাজবাড়ী
  3. পটুয়াখালী
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
নবম ইপিজেড:

- দেশের নবম ইপিজেড স্থাপিত হবে পটুয়াখালী জেলায়।
- পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের পঁচাকোড়ালিয়া গ্রামে হচ্ছে এই ইপিজেড।
- এর আয়তন ৪১০ দশমিক ৭৮ একর।
- ৩০৬ শিল্প প্লট নিয়ে ১ হাজার ৪৪৩ কোটি টাকা খরচে 'পটুয়াখালী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা' বা ইপিজেড স্থাপিত হচ্ছে।
- প্রকল্পের আওতায় রাস্তা, ড্রেন নির্মাণের পাশাপাশি ৪টি ৬ তলা কারখানা ভবন, ৩টি ১০ তলা, ৪টি ৬ তলা আবাসিক ভবন, একটি ৬ তলা ও ২টি ৪ তলা অফিস ভবন এবং ২টি অন্যান্য ভবন নির্মাণ করা হবে।
- এ ছাড়াও, বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ১৪টি ১১/০.৪১৫ কেভি সাবস্টেশন, ১৫ কিলোমিটার ১১ কেভি এইচটি লাইন ও একটি ৩৩/১১ কেভি জিআইএস সাবস্টেশন নির্মাণ ও একটি হেলিপ্যাড নির্মাণ করা হবে।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার, সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৩।
৩৩৫.
কোন ‘প্রাথমিক পণ্য’টি বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে?
  1. ক) পাটজাত দ্রব্য
  2. খ) তৈরি পোশাক
  3. গ) হিমায়িত খাদ্য
  4. ঘ) কৃষিজাত পণ্য
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ যেসব প্রাথমিক পণ্য রপ্তানি করে সেগুলোর নাম ও রপ্তানির পরিমাণঃ (২০১৮-১৯ অর্থ বছরের হিসাব)
১. কাঁচাপাট - ৮৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
২. চা - ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
৩. হিমায়িত খাদ্য - ৩৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
৪. কৃষিজাত পণ্য - ৪৯৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
৫. অন্যান্য পণ্য - ১৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
শিল্পজাত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে ''তৈরি পোশাক'' শীর্ষ পণ্য।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

৩৩৬.
ভোমরা স্থল বন্দরের সাথে ভারতের কোন জেলা সংযুক্ত?
  1. ক) চব্বিশ পরগনা
  2. খ) মুর্শিদাবাদ
  3. গ) নদিয়া
  4. ঘ) হুগলি
ব্যাখ্যা
• ভোমরা স্থলবন্দর:
- ভোমরা স্থলবন্দর সাতক্ষীরা সদর উপজেলাধীন ভোমরা সীমান্তে অবস্থিত।
- ভোমরা স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতীয় অংশে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের চব্বিশ পরগণা জেলার গোজাডাঙ্গা সীমান্ত অবস্থিত।

- এটি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার চেকপয়েন্ট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর।
- স্থলপথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সহজতর করার লক্ষ্যে এটি যথাক্রমে ১২-০১-২০০২ খ্রিঃ তারিখে স্থলবন্দর ঘোষণা কেএবং ১৯-০৫-২০১৩ খ্রিঃ তারিখে স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।
৩৩৭.
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত ব্যাংক -
  1. ক) ট্রাস্ট ব্যাংক
  2. খ) স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক
  3. গ) সিটিজেনস ব্যাংক
  4. ঘ) পুবালি ব্যাংক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত ব্যাংক - ট্রাস্ট ব্যাংক।

এছাড়া, 

- বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা ৬টি।
এগুলো হলোঃ
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
- জনতা ব্যাংক লিমিটেড
- অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড
- রূপালি ব্যাংক লিমিটেড
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড।

বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকের সংখ্যা তিনটি। এগুলো হলো:
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।

(সূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক ও ট্রাস্ট ব্যাংক ওয়েবসাইট)
৩৩৮.
দেশের একমাত্র টাকশাল কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) নারায়ণগঞ্জ
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) গাজীপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের একমাত্র টাকশাল বা টাকা ছাপানোর প্রতিষ্ঠান হলো 'দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড'।
এটি গাজীপুর জেলায় অবস্থিত যা ১৯৮৮ সালে যাত্রা শুরু করে।
এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীন।
এতে বিভিন্ন নোট, ডাকটিকিট, স্ট্যাম্প, সঞ্চয়পত্র, প্রাইজবন্ড, নম্বরপত্র, সনদ ইত্যাদি ছাপানো হয়৷
(সূত্রঃ সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন লিমিটেড ওয়েবসাইট)
৩৩৯.
ঔষধ শিল্প থেকে বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় কত শতাংশ ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়?
  1. ৯০ শতাংশ
  2. ৯৫ শতাংশ
  3. ৯৮ শতাংশ
  4. ১০০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
ঔষধ শিল্প: 
- স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ঔষধ প্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল।
- ফলে অনেক উচ্চ মূল্যে জনগণকে ঔষধ ক্রয় করতে হতো।
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশ ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়
- বর্তমানে শুধু মাত্র কিছু হাইটেক প্রোডাক্ট (ব্লাড বায়োসিমিলার প্রোডাক্ট, এন্টিক্যান্সার ড্রাগ, ভ্যাকসিন ইত্যাদি) আমদানি করা হয়।
- বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ঔষধ আমদানিকারক দেশ হতে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে। 
- সারা বিশ্বে বাংলাদেশের মানসম্পন্ন ঔষধ সুনাম অর্জন করেছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশের ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ ১৫৭টি দেশে রপ্তানি করছে এবং ঔষধ রপ্তানির পরিমাণ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
৩৪০.
২০২১-২২ অর্থবছরে তৈরি পােশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় কত?
  1. ক) ২৯.৫২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. খ) ২৭.৪৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. গ) ৩৭.৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ঘ) ৪৯.২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের তৈরি পােশাক খাত তৈরি পােশাক’ ও ‘নীটওয়্যার’ - ইত্যাদি কয়েক ধরনের রপ্তানি পণ্যের সমন্বয়ে গঠিত।
• ২০২১-২২ অর্থবছরে তৈরি পােশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় - ২৭,৪৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৭.৪৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মােট রপ্তানি আয়ের - ৮১.২৫% (নীটওয়্যার- ৪৪.৫৩% ও তৈরি পােশাক - ৩৬.৭২%)।
• অর্থাৎ রপ্তানি আয়ে তৈরি পােশাক খাতের অবদান - ৮১.২৫%।
• এই খাতের বাইরে শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে - পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (৬৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
• রপ্তানিতে প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ৪.১৫% এবং ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার - ৯৫.৮৪%।
• প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে - “হিমায়িত খাদ্য’।
• দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে - ‘কৃষিজাত পণ্য।   

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২
৩৪১.
Bangladesh’s main import product -
  1. Mineral fuels including oil
  2. Fertilizer
  3. Textile
  4. Electrical machinery, equipmen
ব্যাখ্যা
আমদানি ব্যয়:
- বাংলাদেশ বেশিরভাগ পেট্রোলিয়াম ও তেল আমদানি করে (মোট আমদানির ১১ শতাংশ);
- টেক্সটাইল (১০ শতাংশ) এবং খাদ্য সামগ্রী (৯ শতাংশ)।
- অন্যদের মধ্যে রয়েছে: লোহা ও ইস্পাত (৭ শতাংশ), ভোজ্য তেল (৪ শতাংশ), রাসায়নিক (৪ শতাংশ), সুতা ও প্লাস্টিক এবং রাবার সামগ্রী (৪ শতাংশ)।
- ২০১৩ সালে, ধানের শীষের আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে মূলত এই সময়ের মধ্যে চালের পর্যাপ্ত অভ্যন্তরীণ সরবরাহের কারণে।

উৎস: Trading Economics ওয়েবসাইট।
৩৪২.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স প্রেরণে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. সৌদি আরব
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. কুয়েত
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা

২০২৪-২৫ অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রাপ্তি:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে সব মিলিয়ে প্রায় ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।
- এই আয় ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ২৩.৯১ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে ৬.৪২ বিলিয়ন ডলার বা ২৬.৮ শতাংশ বেশি।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স প্রেরণে শীর্ষ দেশ:
১. যুক্তরাষ্ট্র, 
২. সৌদি আরব, 
৩. সংযুক্ত আরব আমিরাত, 
৪. যুক্তরাজ্য, 
৫. মালয়েশিয়া। 

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৩৪৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩ অনুযায়ী, প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?
  1. বাখরাবাদ
  2. শ্রীকাইল
  3. বিবিয়ানা
  4. তিতাস
ব্যাখ্যা
• গ্যাসক্ষেত্র:
- উত্তোলনযোগ্য, প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – তিতাস (পরিমাণ – ৬৩৬৭ বি.ঘ.ফু)।
- এটি ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলায় অবস্থিত।
- দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – বিবিয়ানা (পরিমাণ – ৫৭৫৫ বি.ঘ.ফু), এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

- প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – বিবিয়ানা (প্রাথমিক মোট মজুদ পরিমাণ – ৮৩৫০.০ বি.ঘ.ফু)
- এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
- দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – তিতাস (পরিমাণ – ৮১৪৮.৯ বি.ঘ.ফু) এটি ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলায় অবস্থিত। 

- দেশের উৎপাদনরত ২০টি গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদনরত কূপের সংখ্যা - ১০৭টি।
- এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কূপ রয়েছে - বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রের; ২৬টি।
- দ্বিতীয় তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের – ২২টি। 

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৩।
৩৪৪.
BGMEA গঠিত হয় সালে?
  1. ক) ১৯৭৬ সালে
  2. খ) ১৯৮০ সালে
  3. গ) ১৯৮৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা
- BGMEA (Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association) হলো দেশের গার্মেন্টস প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের জাতীয় সংগঠন।
- এটি ১৯৮৩ সালে ১২টি ফ্যাক্টরি সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে।
- বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা প্রায় ৪,৫০০ ফ্যাক্টরি।
- BGMEA এর বর্তমান সভাপতি ফারুক হাসান।

(তথ্যসূত্র: BGMEA ওয়েবসাইট)
৩৪৫.
নিচের কোন উদ্ভিদ থেকে পেন্সিল তৈরি করা হয়?
  1. ধুন্দল গাছ
  2. গরান গাছ
  3. সুন্দরী গাছ
  4. গেওয়া কাঠ 
ব্যাখ্যা

• ধুন্দল গাছ: 
- ধুন্দল গাছ হলো সুন্দরবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যানগ্রোভ গাছ।
- সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ অঞ্চলে ধুন্দল ব্যাপকভাবে জন্মায়।
- এটি সুন্দরবনের উদ্ভিদবৈচিত্র্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- এর কাঠ খুবই মূল্যবান।
- ধুন্দল গাছ মাঝারি আকারের এবং চিরহরিৎ, অর্থাৎ বছরের সব সময় সবুজ থাকে।
- এই গাছের আরেকটি পরিচিত নাম হলো ‘ক্যাননবল ট্রি’।
- ধুন্দল গাছকে “Puzzle Fruit Tree” ও বলা হয়।
- ধুন্দলের কাঠ শক্ত কিন্তু হালকা, তাই এটি সহজেই কাটা যায় এবং বিভিন্ন আকারে ছাঁচে ফেলা যায়।
- এই কারণে এটি পেন্সিল তৈরি করার জন্য উপযুক্ত।
- এছাড়াও, ধুন্দলের কাঠ নির্মাণ কাজ এবং নৌকা বানানোর কাজে ব্যবহার করা হয়, কারণ এটি ঘুন-পোকা প্রতিরোধী।
- ধুন্দল বিভিন্ন প্রাণীর খাদ্য ও আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে।
- তবে, কাঠ ও অন্যান্য ব্যবহার বেশি হওয়ায় এবং বন ধ্বংসের কারণে এই গাছের সংখ্যা কমে আসছে।  

অন্যদিকে, 
• গরান গাছের ছাল থেকে রং প্রস্তুত করা হয়।
• সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হচ্ছে সুন্দরী। 
• গেওয়া কাঠ থেকে দিয়াশলাইয়ের কাঠি প্রস্তুত করা হয়। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৩৪৬.
রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মূল জ্বালানি হচ্ছে -
  1. ফার্নেস তেল
  2. ডিজেল
  3. কয়লা
  4. পারমাণবিক পদার্থ
ব্যাখ্যা
• রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে:
- রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ১৩২০ মেগাওয়াট।
- রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার রামপালে অবস্থিত একটি কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রাঃ) লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল)
- প্রকল্প ব্যয় - ১৬,০০০ কোটি টাকা।

→ তথ্যসূত্র: বিদ্যুৎ বিভাগ।
৩৪৭.
‘কর্ণফুলী কাগজকল’ কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. রাঙামাটি
  3. বান্দরবান
  4. খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা

• কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড: 
- অবস্থান: চন্দ্রঘোনা, কাপ্তাই, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা।
- পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর ১৯৫৩ সালে চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনায় প্রথম ‘কর্ণফুলী কাগজকল’ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এরপর স্থাপিত হয় খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল ও পাবনায় নর্থ বেঙ্গল পেপার মিল।
- বাংলাদেশের প্রথম কাগজ কল কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড।
- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলাধীন চন্দ্রঘোনা নামক স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরই এ প্রতিষ্ঠানটিকে জাতীয়করণ করা হয়।
- চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের প্রধান কাঁচামাল বাঁশ।
- কাগজ উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল বাশেঁর প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে কর্ণফুলি পেপার মিলটি চন্দ্রঘোনায় স্থাপন করা হয়েছিল।
- এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কাগজ উৎপাদনকারী কোম্পানি।

উল্লেখ্য, 
- বর্তমানে বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারি মিলে পঞ্চাশের অধিক কাগজকল রয়েছে।
- এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বসুন্ধরা পেপার মিল, সোনালি পেপার মিল, হাশেম পেপার ও পাল্প মিল, হোসেন পেপার মিল, পার্ল পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলস, সাদেক পেপার মিল ইত্যাদি।

- বেসরকারি বেশ কিছু কারখানায় প্রধানত আমদানি করা রাসায়নিক মণ্ড ব্যবহার করে উন্নত মানের কাগজ তৈরি করা হয়।
- আমাদের দেশে মূলত লেখার কাগজ, ছাপার কাগজ, নিউজপ্রিন্ট ও প্যাকেজিং জাতীয় কাগজ-এই চার ধরনের কাগজ উৎপাদিত হয়।
- এর মধ্যে নিউজপ্রিন্ট সবচেয়ে সস্তা ও কম টেকসই।

তথ্যসূত্র: i) বিসিআইসি ওয়েবসাইট।
ii)  বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, পঞ্চম শ্রেণি।
iii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। (Link)

৩৪৮.
বিসিআইসির তথ্য অনুযায়ী, দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা কোনটি?
  1. আকিজ সিমেন্ট
  2. বসুন্ধরা সিমেন্ট
  3. ছাতক সিমেন্ট
  4. শাহ সিমেন্ট
ব্যাখ্যা

ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড:
- বিসিআইসির ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ছাতক সিমেন্ট কারখানা দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা।
- এখানে ক্লিংকার ও সিমেন্ট উৎপাদন করা হয়। 

⇒ ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা। 
- এটি ১৯৩৭ সালে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হলে ১৯৬৬ সাল হতে এটি ইপিআইডিসি’র নিয়ন্ত্রনে আসে। 
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, পরে বিএমইডিসি এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি’র নিয়ন্ত্রণে আসে।

উল্লেখ্য,
- সিমেন্ট উৎপাদনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ক্লিংকার।
- চুনাপাথর ও মাটি থেকে প্রাপ্ত ক্যালসিয়াম, সিলিকা, অ্যালুমিনা, আয়রন ইত্যাদিকে বিভিন্ন তাপমাত্রায় রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে ক্লিংকার প্রস্তুত করা হয়।

উৎস: i) BCIC ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৩৪৯.
Which of the following sectors earns highest amount of foreign currency for Bangladesh?
  1. Garments
  2. Tea
  3. Shrimp
  4. Leather
  5. Jute
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩১,৩৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩১.৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪.৫৮%।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৬.০১% ও
- তৈরি পোশাক: ৩৮.৫৭%। 
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.২৯%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৪৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
 
উল্লেখ্য,
- ‘শিল্পজাত পণ্য’- এর অবদান/রপ্তানির হার: ৯৭.১১%। 
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: ‘কৃষিজাত পণ্য’ (০.৯২%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: ‘হিমায়িত খাদ্য’ (০.৮৬%)।

➝ একক পণ্য হিসাবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করা হয় ⎯ নীট ওয়্যার; পরিমাণ ⎯ ১৭,০৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার; রপ্তানি আয়ের ⎯ ৪৬.০১%।
 
◉ দেশভিত্তিক রপ্তানি আয়:
➝ অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে ⎯ ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে।
➝ একক দেশ হিসাবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে ⎯ যুক্তরাষ্ট্রে এবং এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে ⎯ জাপানে।
 
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৩৫০.
বাংলাদেশের বেসরকারি সেক্টরের বাণিজ্য বিষয়ক সর্বোচ্চ সংগঠন ( FBCCI ) কত সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৭৩
  3. গ) ১৯৭৪
  4. ঘ) ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
• The Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industry (FBCCI).
• বাংলাদেশের বেসরকারি সেক্টরের বাণিজ্য বিষয়ক সর্বোচ্চ সংগঠন।
• ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
• বর্তমান সভাপতি - জসিম উদ্দিন।
• বাংলাদেশের শীর্ষ বাণিজ্য সংস্থা হিসেবে পরামর্শমূলক এবং উপদেষ্টা ক্ষমতায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে, বেসরকারি বাণিজ্য খাতের স্বার্থ রক্ষা করে।

সূত্র: FBCCI ওয়েবসাইট।
৩৫১.
ভোমরা স্থল বন্দরটি বাংলাদেশের কোথায় অবস্থিত?
  1. দিনাজপুর
  2. শেরপুর
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা
• ভোমরা স্থলবন্দর:
- ভোমরা স্থলবন্দর সাতক্ষীরা সদর উপজেলাধীন ভোমরা সীমান্তে অবস্থিত।
- ভোমরা স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতীয় অংশে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের চব্বিশ পরগনা জেলার গোজাডাঙ্গা সীমান্ত অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার চেকপয়েন্ট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর।
- এটি ১২ জানুয়ারি ২০০২ স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।
- এবং ১৯ মে ২০১৩ স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়।

• স্থলবন্দর:
 
- স্থলবন্দর সীমান্তে অবস্থিত আন্তদেশীয় পণ্য ও যাত্রী যাতায়াত এবং বিনিময় কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র। 
- স্থলবন্দরে শুল্ক, অভিবাসন, সীমান্ত নিরাপত্তা বিধান দপ্তর ছাড়াও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণমূলক দপ্তরসমূহের অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়। 
- স্থলপথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি সহজতর এবং উন্নতর করাই বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য।
- দেশের প্রধান ও বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল ।
- এটি যশোর জেলায় অবস্থিত।
- বর্তমানে স্থলবন্দরের মোট সংখ্যা ২৫টি এবং চালুকৃত বন্দরের সংখ্যা ১৫ টি।
- চালুকৃত ১৫টি স্থলবন্দরের মধ্যে বেনাপােল, ভােমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল ও সোনাহাট স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের (বাস্থবক) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং সোনা মসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার স্থলবন্দর Build Operate Transfer (BOT) ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।

কয়েকটি স্থলবন্দর ও অবস্থান দেওয়া হলো: 
→ হিলি স্থল বন্দর- হাকিমপুর, দিনাজপুর।
→ নাকুগাঁও স্থল বন্দর- নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
→ ভোমরা স্থল বন্দর- সাতক্ষীরা সদর, সাতক্ষীরা।
→ সোনামসজিদ স্থল বন্দর- শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
→ বিবির বাজার স্থল বন্দর- কুমিল্লা সদর, কুমিল্লা।
→ বিরল স্থল বন্দর- বিরল, দিনাজপুর।
→ টেকনাফ স্থল বন্দর- টেকনাফ, কক্সবাজার।
→ হালুয়াঘাট স্থল বন্দর- হালুয়াঘাট, ময়মনসিংহ।
→ আখাউড়া স্থল বন্দর- আখাউড়া, ব্রাম্মণবাড়িয়া।
→ বুড়িমারী স্থলবন্দর- পাট গ্রাম, লালমনিহাট।
→ দর্শনা স্থল বন্দর- দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
→ তামাবিল স্থল বন্দর- গোয়াইনঘাট, সিলেট।
→ সোনাহাট স্থলবন্দর- ভুরুঙ্গামারী, কুুুড়িগ্রাম।  

উৎস: বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।
৩৫২.
ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য নিবন্ধন করে নিচের কোন প্রতিষ্ঠান?  
  1. ক) বিএসটিআই
  2. খ) বিআইএম
  3. গ) ডিপিডিটি
  4. ঘ) বিটাক
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস( ডিপিডিটি ) অধিদপ্তর ।
• সাবেক ‘পেটেন্ট অফিস’ এবং ‘ট্রেডমার্কস রেজিস্ট্রি’ অফিস দুটি একীভূত করে ২০০৩ সালে পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর হিসাবে এটি কার্যক্রম শুরু করে।
• এই অধিদপ্তরের মূল কার্যাবলীর মধ্যে রয়েছে মেধা সম্পদ সুরক্ষায় নতুন নতুন উদ্ভাবনের পেটেন্ট, ডিজাইন সত্ত্ব মঞ্জর করা, পণ্য ও সেবার ট্রেডমার্ক ও ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য নিবন্ধন করা।
 
সূত্র: শিল্প মন্ত্রণালয়।
৩৫৩.
ঐতিহাসিক ‘কিন ব্রিজ’ কোন নদীর ওপর স্থাপিত?
  1. সুরমা
  2. কুশিয়ারা
  3. ধলাই
  4. খোয়াই
ব্যাখ্যা

ক্বীন ব্রীজ:
- ঐতিহাসিক ‘ক্বীন ব্রীজ’ বাংলাদেশের সিলেট শহরের সুরমা নদীর ওপর স্থাপিত।

⇒ সুরমা নদীর উপর অবস্থিত কীন ব্রিজ সিলেটের প্রবেশদ্বার হিসেবেই পরিচিত।
- এক সময় এ ব্রিজটি সিলেটেরই অন্য পরিচয় হয়ে উঠেছিলো।
- সময়ের পরিক্রমায় কীন ব্রিজের সে জৌলুস আর থাকলেও এটি এখনও সিলেটের ঐতিহ্য ও ইতিহাসের অংশ হয়ে সুরমার বুকে টিকে আছে।
- ১৯৩৬ সালে আসামের শিক্ষামন্ত্রী খান বাহাদুর আবদুল হামিদ এবং আসামের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের সদস্য বাবু প্রমোদ চন্দ্র দত্তের উদ্যোগে ব্রিজটি তেরি হয়।
- ব্রিজটি উদ্বোধন করেন আসামের তৎকালীন গভর্নর মাইকেল কীন (গরপযধবষ কবধহব)। তার নামেই ব্রিজের নামকরণ করা হয়।
- তবে ব্রিজটি সুরমা ব্রিজ নামেও ব্যাপক পরিচিত।
- স্টিলের তৈরী এই ব্রিজটি দৈর্ঘ্যে ৩৯৫ মিটার এবং প্রস্থে ৫.৫০ মিটার।
- তৎকালীন সময়ে ব্যয় হয়েছিল প্রায় ৫৬ লাখ টাকা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩৫৪.
স্বাধীন বাংলাদেশে ‘প্রথম কৃষিশুমারি’ অনুষ্ঠিত হয়-
  1. ক) ১৯৭৩ সালে
  2. খ) ১৯৭৭ সালে
  3. গ) ১৯৮৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৭ সালে প্রথম, ১৯৮৩-৮৪ সালে দ্বিতীয়, ১৯৯৬ সালে তৃতীয়, ২০০৮ সালে চতুর্থ এবং ২০১৯ সালের ৯-২০ জুন সর্বশেষ পঞ্চম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়৷ পাকিস্তান আমলে ১৯৬০ সালে প্রথম নমুনা আকারে কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
[সূত্রঃ বিবিএস ওয়েবসাইট এবং দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকা]
৩৫৫.
বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক এবং বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা একত্রিত হয়ে গঠিত হয়-
  1. উত্তরা ব্যাংক পিএলসি
  2. অগ্রণি ব্যাংক পিএলসি
  3. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি
  4. পূবালী ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি:
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (BDBL) গঠিত হয় ১৬ নভেম্বর ২০০৯ তারিখে Companies Act,
- 1994 অনুযায়ী একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে।
- এটি গঠিত হয় রাষ্ট্রীয় খাতে দুইটি উন্নয়নমূলক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (DFIs)- 
১) বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক (BSB) এবং
২) বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা (BSRS).

উৎস: বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি ওয়েবসাইট।
৩৫৬.
দেশের বৃহত্তম সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নাম কী?
  1. বঙ্গবন্ধু সোলার লিমিটেড
  2. তিস্তা সোলার লিমিটেড
  3. পদ্মা সোলার লিমিটেড
  4. কাপ্তাই সোলার লিমিটেড
ব্যাখ্যা
•  দেশের বৃহত্তম সৌর বিদ্যুৎ :
- দেশের বৃহত্তম সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নাম - তিস্তা সোলার লিমিটেড।
- উদ্বোধন করা হয় ২ আগস্ট, ২০২৩ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় অনাবাদি চরের সাড়ে ছয়শ একর জমিতে গড়ে উঠেছে দেশের সবচেয়ে বড় ও এশিয়ার অন্যতম বড় সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র। তিস্তা সোলার লিমিটেড নামের এই কেন্দ্রটি গড়ে তুলেছে বেক্সিমকোর গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো পাওয়ার লিমিটেড।

- তিস্তা পাড়ের লাটশালা এলাকায় বিশাল এই কেন্দ্রটির নির্মাণ শুরু হয় ২০১৭ সালে।
- বসানো হয় সাড়ে পাঁচ লাখ সোলার প্যানেল।
- উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করতে সুন্দরগঞ্জের তিস্তা পাড় থেকে রংপুর পর্যন্ত নির্মাণ করা হয়েছে ১২২টি টাওয়ারের ১৩২ কিলো ভোল্টের ৩৫ কিলোমিটার বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন।
- নির্মাণ করা হয়েছে সাবস্টেশন, বসানো হয়েছে ইনভার্টারসহ সব ধরনের যন্ত্র। 

তথ্যসূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক (২ আগস্ট, ২০২৩)।
৩৫৭.
বাংলাদেশ প্রাকৃতিক গ্যাস সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়-
  1. সার কারখানায়
  2. সিমেন্ট কারখানায়
  3. বিদ্যুৎ উৎপাদনে
  4. রান্নার কাজে
ব্যাখ্যা

• প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার:
-  বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাস সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে।

⇒ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের হিসাব মতে, প্রাকৃতিক গ্যাস সর্বোচ্চ ব্যবহারের কয়েকটি খাত হচ্ছে –
- বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার: ৩৭২.৩ বিলিয়ন ঘনফুট (৪১.০০%),
- শিল্পখাতে ব্যবহার: ১৭০.৪ বিলিয়ন ঘনফুট (১৯.০০%),
- ক্যাপটিভ: ১৪৯.৮ বিলিয়ন ঘনফুট (১৭%),
- গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার: ৯৭.৮ বিলিয়ন ঘনফুট। (১১.০০%)।

উল্লেখ্য,
- পেট্রোবাংলার তথ্যমতে দেশে গ্যাসক্ষেত্র ২৯টি।
- উত্তোলনরত ২০টি, উৎপাদনে যায়নি ৪টি, এবং উৎপাদন স্থগিত রয়েছে ৫টি।
- উত্তোলনযোগ্য, প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা।
- প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস।

তথ্যসূত্র:
i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
ii) প্রথম আলো।

৩৫৮.
দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন কোনটি?
  1. এফবিসিসিআই
  2. বিজিএমইএ
  3. ডিসিসিআই
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

FBCCI:
- FBCCI-এর পূর্ণরূপ: The Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industry (FBCCI).
- এটি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন।
- এই সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন ও চেম্বারসমূহকে একত্রিত করে সামগ্রিক ব্যবসা উন্নয়নে কাজ করা।
- দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ১৯৭৩ সালে ট্রেড অর্গানাইজেশন অর্ডিন্যান্স অ্যান্ড কোম্পানি অ্যাক্ট, ১৯১৩- এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- এফবিসিসিআই দেশব্যাপী চেম্বার ও সমিতিসমূহ গঠনে সহায়তা প্রদান করে এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগ, শিল্প-বাণিজ্য, কৃষি, পর্যটন, মানবসম্পদ এবং যোগাযোগসহ অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে।
- ফেডারেশন অভিন্ন স্বার্থের প্রশ্নে দেশের শিল্প, বাণিজ্য ও বণিক সমিতিসমূহের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলে।
- এফবিসিসিআই শিল্প ও বাণিজ্য মেলা আয়োজনে দেশের বিভিন্ন বণিক সমিতির সঙ্গে কাজ করে।
- এফবিসিসিআই আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ফোরামের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের শিল্প-বাণিজ্য বিষয়ক প্রতিষ্ঠানসমূহের সাথে বহির্বাণিজ্য সম্পর্ক স্থাপনে ভূমিকা পালন করে।
- বিদেশী বিনিয়োগ ও যৌথ বিনিয়োগ সহযোগী নির্বাচনে কাজ করে এফবিসিসিআই।
- দেশের শিল্প ও বাণিজ্য স্বার্থ সংরক্ষণে এফবিসিসিআই সদস্য হিসেবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠনসমূহের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এফবিসিসিআই বিভিন্ন দেশের জাতীয় বাণিজ্য সংস্থাসমূহের সঙ্গে যৌথ চেম্বার/সহযোগিতা চুক্তি করেছে।

উৎস: FBCCI ওয়েবসাইট।

৩৫৯.
'কামতা' গ্যাসক্ষেত্রটি অবস্থিত-
  1. ক) নোয়াখালী
  2. খ) ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা

- সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্রটি খাগড়াছড়িতে অবস্থিত।
- 'কামতা' গ্যাসক্ষেত্র অবস্থিত গাজীপুরে।
- এটি ১৯৮১ সালে যাত্রা শুরু করে।
- সালদা গ্যাসক্ষেত্র, তিতাস গ্যাসক্ষেত্র, শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্র কুমিল্লায় অবস্থিত।
- সুন্দলপুর গ্যাসক্ষেত্রটি নোয়াখালীতে অবস্থিত।

উৎস: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

৩৬০.
কৃষি কাজের জন্যে সর্বোত্তম মাটি কোনটি?
  1. ক) দোআঁশ মাটি
  2. খ) বেলে মাটি
  3. গ) এঁটেল মাটি
  4. ঘ) লাল মাটি
ব্যাখ্যা
কৃষি কাজের জন্যে সবচেয়ে উপযোগী মাটি হলো দোআঁশ মাটি। ৫০ ভাগ বালিকণা ও ৫০ ভাগ পলি ও কর্দমকণা সমৃদ্ধ দোআঁশ মাটি কৃষি কাজের জন্যে সবচেয়ে উপযোগী। বাংলাদেশের অধিকাংশ মাটিই দোআঁশ মাটি। যার কারণে বাংলাদেশের ভূমি সর্বত্রই উর্বর।
(সূত্রঃ কৃষি শিক্ষা : ষষ্ঠ শ্রেণী)
৩৬১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ এর রিপোর্ট অনুসারে, প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় -
  1. তৈলবীজ
  2. গম
  3. তুলা
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
একক পণ্য আমদানি:
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।

শিল্পজাত পণ্য আমদানি:
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- শিল্পজাত পণ্য হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়: সার।
- শিল্পজাত পণ্য হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়: সুতা।

প্রাথমিক পণ্য আমদানি:
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়: গম।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়: তৈলবীজ।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৩৬২.
বুড়িমারী স্থলবন্দরটি কোথায় অবস্থিত?
  1. গাইবান্ধা
  2. লালমনিরহাট 
  3. রংপুর
  4. চুয়াডাঙ্গা
ব্যাখ্যা

• বুড়িমারী স্থলবন্দরটি:
- স্থলবন্দরটি লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত।
- ১৯৮৮ সালে বুড়িমারী স্থল শুল্ক স্টেশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি ২০০২ সালে স্থলবন্দর হিসেবে ঘোষিত হলেও এর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয় ২০১০ সালে।
- আমদানি রপ্তানির পরিমাণ অনুযায়ী বুড়িমারী স্থলবন্দরটি বাংলাদেশের চতুর্থ বৃহত্তম স্থলবন্দর।

• গুরত্বপূর্ণ স্থলবন্দরের অবস্থান:
• বেনাপোল স্থলবন্দর - বেনাপোল, যশোর।
• আখাউড়া স্থলবন্দর- আখাউড়া, ব্রাহ্মনবাড়িয়া।
• ভোমরা স্থলবন্দর - ভোমরা, সাতক্ষিরা।
• তামাবিল স্থলবন্দর- গোয়াইনঘাট সিলেট।
• দর্শনা স্থলবন্দর  - দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
• বিলোনিয়া স্থলবন্দর - বিলোনিয়া, ফেনী।
• গোবড়াকুড়া-কড়ইতলী স্থলবন্দর - হালুয়াঘাট, ময়মনসিংহ।
• রামগড় স্থলবন্দর - রামগড়, খাগড়াছড়ি।
• সোনাহাট স্থলবন্দর - ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
• সোনামসজিদ স্থলবন্দর- শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
• বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর- তেতুলিয়া, পঞ্চগড়।
• টেকনাফ স্থলবন্দর- টেকনাফ, কক্সবাজার।
• বিবিরবাজার স্থলবন্দর- বিবিরবাজার কুমিল্লা সদর।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ

৩৬৩.
When did the first gas extraction in the country begin?
  1. 1955
  2. 1957
  3. 1958
  4. 1963
  5. 1967
ব্যাখ্যা
গ্যাসক্ষেত্র:
- প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে ।
- প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে। 
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র হলো তিতাস গ্যাসক্ষেত্র।
- বাংলাদেশের প্রথম সামুদ্রিক গ্যাসক্ষেত্র সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র।
- এটি ১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি কর্তৃক আবিস্কৃত হয়।
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯টি।
- সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- সর্বশেষ ভোলার ইলিশা -১ দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
৩৬৪.
বর্তমানে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানিকারক দেশ কোনটি? (মার্চ-২০২৬)
  1. চীন
  2. জার্মানি
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ভারত
ব্যাখ্যা

• জার্মানী:
⇒ ২০২৫–২০২৬ অর্থ-বছরের জুলাই–ডিসেম্বর সময়ে জার্মানীতে রপ্তানি হয়েছে ২,৩৬৩.১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা মোট রপ্তানি আয়ের ৯.৮৫%।
⇒ জার্মানি বর্তমানে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানিকারক দেশ।

• জার্মানিতে রপ্তানিকৃত প্রধান পণ্যসমূহ হলো—
- নীটওয়্যার : ১,৩৪৮.৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
- ওভেন পোষাক : ৮৩৮.৩১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
- হোম টেক্সটাইল: ৫৪.৩৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
- ক্রাস্টেসিয়ানস : ২১.৪৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
- বাইসাইকেল : ২৪.৯৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার

⇒ মোট রপ্তানিকৃত নীটওয়্যারের ১২.৮৬%, ওভেন পোষাকের ৯.৪৪%, হোম টেক্সটাইলের ১০.৮০% এবং ক্রাস্টেসিয়ানসের ১১.৪৫% জার্মানীতে রপ্তানি হয়েছে।

⇒ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশী রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার।
- ২০২৫–২০২৬ অর্থ-বছরের জুলাই–ডিসেম্বর সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৪,৪৬৭.২১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা মোট রপ্তানির ১৮.৬২%।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

৩৬৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে কোন দেশটি?
  1. জাপান
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জার্মানি
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১১.২১%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ১০.৫২%।

• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪০%।

• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৩৬৬.
সম্প্রতি কোন ব্যাংক দেশের প্রথম সোশ্যাল কারেন্সি কার্ড চালু করেছে? [আগস্ট - ২০২৫]
  1. ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি
  2. ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসি
  3. ইউসিবি ব্যাংক পিএলসি
  4. সিটি ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা

সোশ্যাল কারেন্সি কার্ড:
- দেশের প্রথম 'সোশ্যাল কারেন্সি কার্ড' চালু করেছে ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি।
- ইস্টার্ন ব্যাংক (ইবিএল) আনুষ্ঠানিকভাবে ‘স্কাইফ্লেক্স ভিসা প্রিপেইড কার্ড’ চালু করেছে।

উল্লেখ্য, 
- এটি দেশের প্রথম অ্যাপ-ভিত্তিক সোশ্যাল কারেন্সি প্রিপেইড কার্ড।
- এতে কৌশলগত সহযোগিতা দিয়েছে দ্য ইউরস ট্রুলি ও ভিসা।

সূত্র: Eastern Bank PLC ওয়েবসাইট।

৩৬৭.
'নাকুগাঁও স্থলবন্দর' এর অবস্থান -
  1. ক) দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা
  2. খ) পাটগ্রাম, লালমনিরহাট
  3. গ) গোয়াইনঘাট, সিলেট
  4. ঘ) নালিতাবাড়ী, শেরপুর
ব্যাখ্যা
• সারসংক্ষেপস্থলবন্দর:
১। ঘোষিত স্থলবন্দরের সংখ্যা: ২৫টি
২। চালু স্থলবন্দরের সংখ্যা: ১২টি (নিজস্ব তত্ত্ববধানে ৭টি+বিওটি ভিত্তিতে ৫টি)
৩। বাস্থবকের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্থলবন্দরের সংখ্যা: ১৮টি
৪। বিওটির ব্যবস্থাপনাধীন স্থলবন্দরের সংখ্যা: ০৬টি
৫। উন্নয়ন কার্যক্রমাধীন স্থলবন্দরের সংখ্যা: ১২টি

• জেলা প্রশাসক সম্মেলনে নিম্নোক্ত ২টি স্থলবন্দরের ঘোষণার দাবী রয়েছে:
০ প্রাগপুর-দৌলতপুর, কুষ্টিয়া।
০ মোঘলহাট-লালমনিরহাট, সদর।

• কয়েকটি স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
০ বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর
০ বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট
০ আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া
০ ভোমরা স্থলবন্দর: ভোমরা, সাতক্ষীরা সদর
০ নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর
০ তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট
০ সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম
০ দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা
০ বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী

সূত্র: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ
৩৬৮.
বাংলাদেশের প্রথম ঔষধ পার্ক কোথায় অবস্থিত?
  1. টঙ্গী
  2. কালিগঞ্জ
  3. গজারিয়া
  4. সাভার
ব্যাখ্যা
ঔষধ পার্ক:
- দেশের প্রথম ঔষধ পার্ক মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
- এখানকার কারখানায় উৎপাদিত ওষুধ দিয়েই দেশের বাজারে চাহিদা পূর্ণ করে রপ্তানিও করে ওষুধ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো।
- এটিই দেশের প্রথম ওষুধ শিল্প পার্ক।
- প্রকল্পটির আয়তন ২০০ একর।
- ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে ২০০৮ সালে সরকার এই শিল্প পার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়।
- পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেওয়া হয় এপিআই শিল্প পার্কটির।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাদেশ প্রতিদিন, ৭ এপ্রিল, ২০১৮।
৩৬৯.
‘যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) রাঙ্গুনিয়া
  2. খ) সেতাবগঞ্জ
  3. গ) সরিষাবাড়ী
  4. ঘ) আশগঞ্জ
ব্যাখ্যা
যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী থানার তারাকান্দিতে অবস্থিত।
এটি ১৯৯২ সালে স্থাপিত হয়। এর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫.৬১ লক্ষ মেট্রিক টন।
এটিতে দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ রসায়ন শিল্প সংস্থার নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে দেশে ৮টি সার কারখানা রয়েছে। এর মধ্যে চালু কারখানা ৬টি।
(সূত্রঃ বিসিআইসি ওয়েবসাইট)
৩৭০.
দেশে কত সালে প্রথম EPZ স্থাপিত হয়?
  1. ১৯৮১ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড:
- দেশে ১৯৮৩ সালে প্রথম EPZ স্থাপিত হয়।

⇒ বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল হিসাবে ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের হালিশহরে ৪৫৩ একর জায়গার উপর নির্মাণ করা হয় চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- এটা সমুদ্র বন্দর থেকে ৩.১০ কিলোমিটার এবং শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে মাত্র ১১.৩০ কিলোমিটার দুরত্বে হওয়ায় শিল্প পার্ক হিসাবে দ্রুত প্রসার লাভ করেছ।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকেই চট্টগ্রামতথা বাংলাদেশের বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে চট্টগ্রাম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
- সম্প্রতি লন্ডন ভিত্তিক FDI ম্যাগাজিনThe Financial Times এর জরিপে চট্টগ্রাম ইপিজেড বিশ্বের ৭০০ টি ইকোনোমিক জোন এর মধ্যে Cost Effective Zone category-তে তৃতীয় স্থান এবং Best Economic Potential 2010-2011 category-তে চতুর্থ স্থান অধিকার করেছে (FDIম্যাগাজিন- জুন/জুলাই’১০ সংস্করণ)।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের সরকারি ইপিজেডগুলো হলো:
• চট্টগ্রাম ইপিজেড: ১৯৮৩ সাল,
• ঢাকা: ১৯৯৩ সাল,
• মংলা, খুলনা: ১৯৯৮ সাল,
• কুমিল্লা: ২০০০ সাল,
• উত্তরা, নীলফামারী: ২০০১ সাল,
• ঈশ্বরদী, পাবনা: ২০০১ সাল,
• আদমজী, নারায়ণগঞ্জ: ২০০৬ সাল,
• কর্ণফুলি, চট্টগ্রাম: ২০০৬ সাল।

উৎস: BEPZA ওয়েবসাইট।

৩৭১.
বর্তমানে রেমিট্যান্স প্রাপ্তির দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান-
  1. ক) ৩য়
  2. খ) ৫ম
  3. গ) ৮ম
  4. ঘ) ৯ম
ব্যাখ্যা

বৈশ্বিক রেমিটেন্স প্রবাহঃ
গত ২৯ অক্টোবর ২০২০ বিশ্বব্যাংক প্রকাশ করে ‘COVID-19 Crisis Through a Migration Lens’ নামক প্রতিবেদন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রবাসী আয়ে -
- শীর্ষ দেশ - ভারত (রেমিট্যান্সের পরিমাণ - ৮৩.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।)
- দ্বিতীয় - চীন
- অষ্টম - বাংলাদেশ (রেমিট্যান্সের পরিমাণ - ১৮.৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।)
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে- সৌদি আরব থেকে এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে- সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে।

সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৩৭২.
BTRC-এর ইংরেজি পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Bangladesh Telephone Regulatory Commission
  2. Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission
  3. Bangladesh Telecom Regulatory Commission
  4. Bangladesh Telephone and Telegraph Regulatory Commission
ব্যাখ্যা
BTRC:
- BTRC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission.
– Bangladesh Telecommunication Regulatory Act 2001 এর অধীনে ৩১ জানুয়ারি ২০০২ সালে Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission (BTRC) গঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) হলো বাংলাদেশের একটি স্বাধীন কমিশন, যা বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ এবং টেলিযোগাযোগ সেবা নিয়ন্ত্রণের নিমিত্তে কাজ করে থাকে।
- বিটিআরসি বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ সংক্রান্ত বিষয়াবলী যেমন, সেলুলার নেটওয়ার্ক, পিএসটিএন, কৃত্রিম উপগ্রহ এবং ক্যাবল ইত্যাদির রক্ষণাবেক্ষন, উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
- ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন বোর্ড অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন বোর্ড গঠিত হয়। অধ্যাদেশটি পরে ১৯৯৫ সালে সংশোধন করা হয়।
- বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন, ২০০১, (২০০১ সালের আইন নং ১৮) এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বাধীন নিয়ন্ত্রক কমিশন ১৬ এপ্রিল, ২০০১ তারিখে বাংলাদেশ গেজেটে অসাধারণভাবে প্রকাশিত হয়।
- বিটিআরসি ৩১শে এপ্রিল থেকে তার যাত্রা শুরু করে।
- ২০০২ সালের জানুয়ারিতে উক্ত আইনের কার্যক্রম পরিচালনা করা।
- এটি চালু হওয়ার সাথে সাথে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রয়োজনীয় কর্তৃত্ব, দায়িত্ব এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বিটিআরসি-র উপর ন্যস্ত করা হয়।

উৎস: BTRC ওয়েবসাইট।
৩৭৩.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় হয় কোনটি থেকে?
  1. তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার
  2. কৃষিজাত পণ্য
  3. পাট ও পাটজাত পণ্য
  4. হিমায়িত খাদ্য
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩১,৩৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩১.৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪.৫৮%।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৬.০১% ও তৈরি পোশাক: ৩৮.৫৭%।

অন্যদিকে-
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.২৯%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৪৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- ‘শিল্পজাত পণ্য’- এর অবদান/রপ্তানির হার: ৯৭.১১%।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: ‘কৃষিজাত পণ্য’ (০.৯২%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: ‘হিমায়িত খাদ্য’ (০.৮৬%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৩৭৪.
সোনাহাট স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চিলমারী, কুড়িগ্রাম
  2. ভূরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম
  3. হাতীবান্ধা, লালমনিরহাট
  4. পাটগ্রাম, লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা

- কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সোনাহাট স্থলবন্দর অবস্থিত।

• সোনাহাট স্থলবন্দর:

- স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ৪ সেপ্টেম্বর দেশের ১৮তম স্থলবন্দর হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর সোনাহাট স্থলবন্দর।
- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়সহ সেভেন সিস্টারস রাজ্যগুলোর সঙ্গে সীমান্ত বাণিজ্যের অন্যতম প্রবেশদ্বার এটি।
- ২০২৫ সালে এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ-ভারত স্থলবন্দরবিষয়ক যৌথ বৈঠকে সোনাহাটকে আঞ্চলিক ট্রানজিট পয়েন্টে রূপান্তরের প্রস্তাব তোলা হয়।

• দেশের কয়েকটি স্থলবন্দর:
- বেনাপোল: এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর এবং যশোর জেলার শার্শা উপজেলায় অবস্থিত।
- হিলি: এটি দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলায় অবস্থিত এবং দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর।
- ভোমরা: সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত।
- বুড়িমারী: লালমনিরহাট জেলায় অবস্থিত।
- বিরল: দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত।
- দর্শনা: চুয়াডাঙ্গা জেলায় অবস্থিত।
- আখাউড়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত।
- বাংলাবান্ধা: পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত।
- টেকনাফ: বাংলাদেশের মিয়ানমার সীমান্তে অবস্থিত একমাত্র স্থলবন্দর।
- তামাবিল: সিলেট জেলায় অবস্থিত।

উৎস: স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

৩৭৫.
বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ কোনটি? (নভেম্বর-২০২৫)
  1. কানাডা
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জার্মানি
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা

• ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্র রপ্তানি:
- দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের প্রধান গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র। 
- কোনো কোনো বছর জার্মানি শীর্ষস্থানে ছিল। 

- যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রপ্তানির পরিমাণ ৮৬৯ কোটি ডলার, যা দেশের মোট রপ্তানির ১৮ শতাংশ। 
- এর আগের অর্থবছরের চেয়ে রপ্তানি বাড়ে ১৪ শতাংশ। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৭৬০ কোটি ডলার।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি তালিকায় প্রধান পণ্যের মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাকের ওভেন, অর্থাৎ শার্ট-প্যান্ট জাতীয় পোশাক।
- ওভেন পোশাকের রপ্তানি ছিল ৪৯৫ কোটি ডলার। 
- দেশটিতে বাংলাদেশের মোট রপ্তানিতে ওভেনের অংশ ২৭ শতাংশ।
- তৈরি পোশাকের নিট ক্যাটেগরির পণ্য অর্থাৎ গেঞ্জি ও সোয়েটার জাতীয় পণ্যের রপ্তানির পরিমাণ ছিল ২৬০ কোটি ডলার।
- নিটওয়্যারে অংশ ১২ শতাংশ। 

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

৩৭৬.
২০২০-২১ অর্থবছরে রপ্তানি বাণিজ্যে প্রথম অবস্থানে রয়েছে কোনটি?
  1. ক) ওভেন পোশাক
  2. খ) নীটওয়্যার
  3. গ) হোম টেক্সটাইল
  4. ঘ) পাট ও পাটজাত দ্রব্য
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যে বিগত দুই দশক যাবৎ নীটওয়্যার খাত অতীব সম্ভাবনাময় ও প্রতিশ্রুতিশীল খাত হিসাবে বিবেচিত হয়ে আসছে।
- রপ্তানি বাণিজ্যে বর্তমানে এ খাতটি প্রথম অবস্থানে রয়েছে।
- ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে এ খাতের রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ১৬৯৬০.০৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা বিগত ২০১৯-২০ অর্থ বছরের রপ্তানি ১৩৯০৮.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ২১.৯৪% বেশী।
- ২০২০২০২১ অর্থ বছরে বাংলাদেশের রপ্তানিতে নীটওয়্যার খাতের অবদান হলাে ৪৩.৭৬%।
- ২০০৭-২০০৮ অর্থ বছরের তুলনায় ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে নীটওয়্যার খাতে প্রবৃদ্ধির পরিমাণ ২০৭% যা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।
- নীটওয়্যার খাতের প্রধান ৫টি বাজার হচ্ছে: জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও স্পেন।

- ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে বাংলাদেশের রপ্তানিতে ওভেন পোশাক খাতের অবদান হলাে ৩৭.৪০%।
- ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে বাংলাদেশের রপ্তানিতে পাট ও পাটজাত দ্রব্য খাতের অবদান হলাে ৩.০০%।
- ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে বাংলাদেশের রপ্তানিতে হোম টেক্সটাইল খাতের অবদান হলাে ২.৯২%।


উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এবং অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২০-২০২১।
৩৭৭.
বিজিএমইএ এর বর্তমান সভাপতি কে? (ডিসেম্বর, ২০২৪)
  1. রুবানা হক
  2. মাতলুব আহমেদ
  3. মাযহারুল হক
  4. রফিকুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
⇒ বিজিএমইএ এর বর্তমান সভাপতি রফিকুল ইসলাম। (ডিসেম্বর, ২০২৪)

বিজিএমইএ:
- বিজিএমইএ এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন।
- দেশের অন্যতম বৃহৎ ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন যা তৈরি পোশাক শিল্পের প্রতিনিধিত্ব করে।
- সংগঠনটি ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকে, বিজিএমইএ সরকারের কাছে নীতি সমর্থন, সদস্যদের সেবা, শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করা এবং কারখানায় সামাজিক সম্মতির মাধ্যমে পোশাক শিল্পের প্রচার ও সুবিধার জন্য নিবেদিত।
- বিজিএমইএ বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের বিকাশের পথ প্রশস্ত করতে ব্র্যান্ড এবং উন্নয়ন অংশীদার সহ স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক স্টেকহোল্ডারদের সাথে সহযোগিতা করে।
- বর্তমানে বিজিএমইএর নিবন্ধিত পোশাক কারখানা রয়েছে প্রায় চার হাজার।

তথ্যসূত্র - বিজিএমইএ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩৭৮.
বর্তমানে বাংলাদেশের বৃহত্তম পাটকল কোনটি? [আগস্ট, ২০২৪]
  1. ইউ.এম.সি. জুট মিলস
  2. আমিন জুট মিলস
  3. আদমজী জুট মিলস
  4. আকিজ জুট মিলস
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

আকিজ জুট মিল:

- বর্তমানে বিশ্বের তথা বাংলাদেশের বৃহত্তম পাটকল আকিজ জুট মিলস।
- এটি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় অবস্থিত।
- ৪৫০ বিঘা জুড়ে বিস্তৃত পাটকলটিতে ছয়টি কারখানা থাকবে।
- আকিজ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম শেখ আকিজ উদ্দিনের উদ্যোগী ছেলেরা প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে বাংলাদেশের পাট শিল্পে অর্থ ঢেলে যাচ্ছেন।
- আকিজ গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং আকিজ জুট মিলের মালিক শেখ নাসির উদ্দিন।

উল্লেখ্য,
⇒ আদমজী জুট মিল:
- ১৯৫১ সালে নারায়ণগঞ্জের আদমজীনগরে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম পাটকল ‘আদমজী জুট মিল’।
- এটি ছিল বিশ্বের বৃহত্তম পাটকল।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে এটিকে জাতীয়করণ করা হয়।
- তখন থেকে ১৯৮০ এর দশকের কয়েকটি বছর ব্যতীত অন্য সব বছর এটি বিপুল পরিমাণে ক্ষতির সম্মুখীন হয়।
- ৩০ জুন, ২০০২ এটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

উৎস: i) জতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ১২ আগস্ট, ২০২৩, The Business Standard।
৩৭৯.
দর্শনা (চুয়াডাঙ্গা) স্থলবন্দর সংলগ্ন ভারতীয় স্থলবন্দর এর নাম কী?
  1. ক) কৃষ্ণনগর
  2. খ) দর্শনা
  3. গ) পেট্রোপোল
  4. ঘ) ডাউকি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর যশোর জেলা বেনাপোল ভারতীয় পেট্রাপোল স্থলবন্দর।
• ভারতের বাংলা প্রদেশের কৃষ্ণনগর স্থলবন্দরের সাথে সংলগ্ন বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গার দর্শনা স্থলবন্দর।
• সিলেটের তামাবিল এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর যথাক্রমে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডাউকি এবং পশ্চিমবঙ্গের মোহাদিপুর স্থলবন্দরের সাথে সংযুক্ত।

সূত্র: বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।
৩৮০.
কোনটিকে ‘বাণিজ্যিক রাজধানী’ বলা হয়?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. সিলেট
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম:
- চট্টগ্রামকে ‘বাণিজ্যিক রাজধানী’ বলা হয়। 
- বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ সম্পন্ন হয় চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর দিয়ে।
- যার কারণে চট্টগ্রামে গড়ে উঠেছে প্রচুর শিল্প-কারখানা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
- এর মাধ্যমে ত্বরান্বিত হয়েছে হয়েছে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন।
- এই অর্থনৈতিক গুরুত্বের কারনেই চট্টগ্রাম দেশের বাণিজ্যিক রাজধানীর মর্যাদা লাভ করেছে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৮১.
তৈরি পোশাক থেকে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের শতকরা কত ভাগ আসে? [অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৪]
  1. শতকরা প্রায় ৩৭ ভাগ
  2. শতকরা প্রায় ৪৪ ভাগ
  3. শতকরা প্রায় ৩৩ ভাগ
  4. শতকরা প্রায় ৪৮ ভাগ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

রপ্তানি পরিস্থিতি:

- পণ্যভিত্তিক রপ্তানি আয়: ৩৮,৪৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

উল্লেখ্য,
- নীটওয়্যার: ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪৮.৩৫%)।
- তৈরি পোশাক: ১৪,২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩৭.১০%)। 

অন্যদিকে,
- ২য় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাটজাত পণ্য - ৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১.২৫%)।
- ৩য় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: ইঞ্জিনিয়ারিং (প্রকৌশল) দ্রব্য - ৩৩৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.৮৮%)।

এছাড়াও,
⇒ সার্বিক রপ্তানি পরিস্থিতি:
১. কৃষিজাত পণ্য: ৫৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১.৩৯%)।
২. হিমায়িত খাদ্য: ২৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.৭১%)।
৩. কাঁচাপাট: ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.২৬%)।
৪. চা: ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.০০%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৩৮২.
বাংলাদেশের LNG প্রথম টার্মিনাল কোথায় স্থাপিত হয়েছে?
  1. পতেঙ্গা
  2. মংলা
  3. কুয়াকাটা
  4. মহেশখালি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম LNG টার্মিনাল:
- Excelerate Energy Bangladesh Limited (EEBL) কর্তৃক স্থাপিত MLNG টার্মিনাল।
- চুক্তি স্বাক্ষর : ১৮ জুলাই, ২০১৬।
- বাস্তবায়ন : Build Own Operate and Transfer (BOOT) ভিত্তিতে।
- অবস্থান : কক্সবাজারের মহেশখালীতে।
- Floating Storage Re-gasification Unit (FSRU) এর নাম : Excellence।
- আকার: দৈর্ঘ্যে ২৭৭ মিটার, প্রস্থে ৪৪ মিটার এবং ড্রাফট ১২.৫ মিটার।
- ধারনক্ষমতা: ১৩৮,০০০ ঘনমিটার।
- রিগ্যাসিফিকেশন ক্যাপাসিটি: ৫০০ এমএমএসসিএফডি।
- চুক্তির মেয়াদ : ১৫ বছর (২০১৮-২০৩২)।
- গ্যাস সরবরাহ শুরু: ১৯ আগষ্ট, ২০১৮।
- শুরু থেকে ৩১ জানুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহের পরিমান: ৫৯৭,৭৮৬.৭১ এমএমএসসিএফ।
- টার্মিনাল হস্তান্তর: ১৫ বছর পর কোন ধরনের চার্জ গ্রহন ব্যাতিত FSRU টি EEBL পেট্রোবাংলার নিকট হস্তান্তর করবে।

উৎস: রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানী লিমিটেড।
৩৮৩.
যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন-
  1. Allienet
  2. Accord
  3. Alliance
  4. Antros
ব্যাখ্যা

- যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন- Alliance।
- 'Alliance for Bangladesh Worker's Safety' ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিখ্যাত গার্মেন্টস ব্র্যান্ডগুলো নিয়ে গঠিত সংগঠন অ্যালায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ২৮টি।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন Accord I
- অ্যাকর্ড হল ব্র্যান্ড এবং ট্রেড ইউনিয়নগুলির মধ্যে একটি স্বাধীন, আইনত বাধ্যতামূলক চুক্তি যা বাংলাদেশে একটি নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যকর পোশাক এবং টেক্সটাইল শিল্পের লক্ষ্যে কাজ করে।
- অ্যাকর্ড বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কারখানাগুলিকে লক্ষ লক্ষ শ্রমিকের জন্য নিরাপদ করে তুলতে - এবং নিরাপদ রাখতে সাহায্য করে।

উৎসঃ Accord Bangladesh, দ্যা ডেইলি স্টার।

৩৮৪.
বাংলাদেশের শিল্পখাতে কয়টি উপখাত রয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের শিল্পখাতের উপখাত:
বাংলাদেশের শিল্পখাতে বর্তমানে ৫টি উপখাত রয়েছে। যথা-
- খনিজ ও খনন খাত
- নির্মাণ খাত
- ম্যানুফ্যাকচারিং খাত
- বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা
- পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।

⇒ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) উৎপাদন পদ্ধতিতে GDP পরিমাপের জন্য অর্থনীতিকে মোট ১৯টি প্রধান খাতে বিভক্ত করেছে। খাতসমূহ হচ্ছে:
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত - ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।

৩৮৫.
BGMEA কোন শিল্পের অ্যাসোসিয়েশন?
  1. ইস্পাত শিল্প
  2. জাহাজ শিল্প
  3. তৈরি পোশাক শিল্প
  4. কাগজ শিল্প
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association (BGMEA):
- বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) দেশের অন্যতম বৃহৎ ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন যা তৈরি পোশাক শিল্পের প্রতিনিধিত্ব করে।
- BGMEA ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- বিজিএমইএ ১৯৮০ এর দশকের শুরুতে মাত্র ১২ সদস্য নিয়ে শুরু হয়েছিল এবং বর্তমানে প্রায় ৪৫০০ সদস্য কারখানা রয়েছে।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিজিএমইএ পোশাক শিল্পের প্রচার ও সুবিধার জন্য সরকারের কাছে নীতি সমর্থন, সদস্যদের সেবা, কারখানায় শ্রমিকদের অধিকার এবং সামাজিক সম্মতি নিশ্চিত করার জন্য নিবেদিত।
- BGMEA বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের বিকাশের পথ প্রশস্ত করতে ব্র্যান্ড এবং উন্নয়ন অংশীদার সহ স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক স্টেকহোল্ডারদের সাথে সহযোগিতা করে।

উৎস: BGMEA ওয়েবসাইট।
৩৮৬.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ চুক্তির নাম কী?
  1. ক) TICFA
  2. খ) PTA
  3. গ) FTA
  4. ঘ) SAPTA
ব্যাখ্যা
• ২৫ নভেম্বর, ২০১৩ সালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করতে এবং মোকাবেলা করার জন্য একটি বার্ষিক ফোরাম প্রতিষ্ঠার জন্য বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা ফোরাম চুক্তি ( TICFA ) স্বাক্ষর করে।
• Trade and Investment Cooperation Forum Agreement (TICFA).
 
সূত্র: U.S. Embassy in Bangladesh Website.
৩৮৭.
নিচের কোন জেলায় কোনো EPZ নেই?
  1. নীলফামারী
  2. পাবনা
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
• ইপিজেড:
- BEPZA প্রতিষ্ঠিত হয় - ১৯৮০ সালে।
- প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- যাত্রা শুরু - ১৯৮৩ সালে।
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ০৯ টি। 
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১ টি। 

• সরকারি EPZ:
- বাংলাদেশে সরকারি EPZ এর সংখ্যা ৮ টি।
এগুলোর অবস্থান হলো-
- চট্টগ্রাম, সাভার, মংলা (খুলনা), উত্তরা (নীলফামারী), ঈশ্বরদী (পাবনা), কুমিল্লা, কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) ও আদমজী (নারায়ণগঞ্জ)

- এট ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সংসদে পাশ হওয়া আইনবলে ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের EPZ সমূহের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রন করে BEPZA.
- দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক EPZ উত্তরা, নীলফামারী।

অন্যদিকে,
রাজশাহীতে কোনো - EPZ নেই।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
৩৮৮.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল 'দহগ্রাম ছিটমহল' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুড়িগ্রাম
  2. ঠাকুরগাঁও
  3. লালমনিরহাট
  4. পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

দহগ্রাম ছিটমহল:
- বাংলাদেশের বৃহত্তম ছিটমহল দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা যা লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত এবং ভারতের তিন বিঘা করিডোর দিয়ে বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সাথে যুক্ত।

উল্লেখ্য,
- লালমনিরহাট জেলাধীন পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা। এ ছিটমহলের সাথে তৎকালীন পাকিস্তানের মূল ভূখন্ডের যোগাযোগের জন্য একটি ‘প্যাসেজ ডোর’ এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল, যা বর্তমানে ‘তিন বিঘা করিডোর’ নামে পরিচিত।
- পাকিস্তান আমল পেরিয়ে বাংলাদেশ আমল পর্যন্ত তিন বিঘা হস্তান্তর প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের অনেক বৈঠক এবং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দের পর থেকে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল পাটগ্রাম উপজেলার একটি স্বতন্ত্র ইউনিয়ন ‘দহগ্রাম ইউনিয়ন’ হিসেবে পরিগণিত হয়। ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ জুন ইজারার মাধ্যমে উক্ত তিন বিঘা বাংলাদেশকে প্রদান করা হয়।

⇒ ৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ খ্রি. তারিখে ঢাকাতে অনুষ্ঠিত হাসিনা-মনমোহন বৈঠকে স্বাক্ষরিত চুক্তি মোতাবেক বাংলাদেশীদের যাতায়াতের জন্য তিনবিঘা করিডোর বর্তমানে ২৪ ঘন্টা খোলা রাখা হচ্ছে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩৮৯.
'বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ' (BIDA) কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ২০১৪
  2. ২০১৫
  3. ২০১৬
  4. ২০১৭
ব্যাখ্যা

• BIDA:
- BIDA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Investment Development Authority বা বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।
- এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ একটি প্রতিষ্ঠান।
- এর নিয়ন্ত্রক প্রধানমন্ত্রী/ প্রধান উপদেষ্টা।
- গঠিত হয়: ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।
- কাজ: বেসরকারি বিনিয়োগ বিশেষত বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং বিনিয়োগ কারীদের বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করে থাকে।

তথ্যসূত্র: BIDA ওয়েবসাইট।

৩৯০.
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসাবে বিএসইসি কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ৬ জুন, ১৯৯১
  2. ১৩ জুন, ১৯৯১
  3. ৩ জুন, ১৯৯৩
  4. ৮ জুন, ১৯৯৩
ব্যাখ্যা

BSEC:
- বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান BSEC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- ৮ জুন, ১৯৯৩ তারিখে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ -এর অধীনে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসাবে বিএসইসি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এ সংস্থা সরকারের সহযোগিতায় তার কর্মপরিধির আওতায় পুঁজিবাজারের সামগ্রিক উন্নয়ন তথা একটি স্বয়ংক্রিয়, টেকসই ও উন্নত পুঁজিবাজার প্রতিষ্ঠার প্রয়াস অব্যাহত রেখেছে।
- কমিশনের উদ্দেশ্য হলো গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা।
- কমিশন একজন চেয়ারম্যান ও চারজন কমিশনার নিয়ে গঠিত এবং চেয়ারম্যান কমিশনের প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- বাজার নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয় বিধি প্রণয়ন এবং সে মোতাবেক বাজার তদারকি করা কমিশনের সার্বিক দায়িত্ব।
- কমিশন একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত।

⇒ বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ (শেয়ার বাজার) দুইটি। যথা:
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪ সাল),
• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫ সাল)।

উৎস: BSEC ওয়েবসাইট।

৩৯১.
দেশের ৬ষ্ঠ ইলিশ অভয়ারণ্য কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) চাদপুর
  2. খ) ভোলা
  3. গ) বরিশাল
  4. ঘ) পটুয়াখালী
  5. ঙ) শরীয়তপুর
ব্যাখ্যা
১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ বরিশাল জেলার সদর, হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার ৩১৮ বর্গ কি.মি. এলাকাকে সরকার ইলিশ অভয়ারণ্য ঘোষণা করে। এর আগে চাদপুরে নিম্ন মেঘনা নদী, ভোলার শাহবাজপুর চ্যানেল ও তেতুঁলিয়া নদী, পটুয়াখালীর আন্ধারমানিক নদী ও শরীয়তপুরের নিম্ন পদ্মা নদীকে ইলিশ অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হয়। এসব অভয়ারণ্যে মার্চ-এপ্রিল দু'মাস ইলিশ মাছ ধরা বন্ধ থাকে। (সূত্রঃ বরিশাল জেলা ওয়েবসাইট ও মৎস্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৩৯২.
ট্যারিফ কমিশন কয়টি শাখায় বিভক্ত?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
ব্যাখ্যা

ট্যারিফ কমিশন:
- ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত একটি প্রতিষ্ঠান।
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২৮ জুলাই ১৯৭৩ তারিখের সিদ্ধান্তবলে উক্ত মন্ত্রণালয়ের একটি অধীনস্থ অধিদপ্তর হিসেবে কাজ শুরু করে।
- ১৯৯২ সনের নভেম্বরে উক্ত কমিশন বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন ১৯৯২ (১৯৯২ সনের ৪৩ নম্বর আইন)-এর অধীনে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন নামে পুর্ণগঠিত হয়।
- বর্তমানে এটি দেশীয় শিল্পসমূহকে অসম প্রতিযোগিতা থেকে রক্ষা ও যথাযথ সংরক্ষণের লক্ষ্যে একটি স্বায়ত্তশাসিত বিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।
- বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট।
- এর প্রধান হচ্ছেন সরকারের সচিব পর্যায়ের মর্যাদাসম্পন্ন একজন চেয়ারম্যান।
- কমিশন তিনটি শাখায় বিভক্ত:
• বাণিজ্য নীতিমালা।
• বাণিজ্য প্রতিকার।
• আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শাখা।
- প্রতিটি শাখা একজন সদস্য দ্বারা পরিচালিত। এছাড়াও একটি প্রশাসনিক শাখা আছে।
- এই শাখা কমিশনের সচিব দ্বারা পরিচালিত।

তথ্যসূত্র - ট্যারিফ কমিশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৩৯৩.
ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (TCB) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
TCB:
- TCB-এর পূর্ণরূপ: Trading Corporation of Bangladesh.
- ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান,
- এটি ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ৬৮ নম্বর আদেশের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকেই টিসিবি বাংলাদেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রমের পথিকৃৎ হিসেবে ভূমিকা রেখে আসছে।

উল্লেখ্য, 
- এটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য থেকে শুরু করে শিল্পের কাঁচামাল পর্যন্ত আমদানি করে এবং পাট, তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক বাণিজ্য পরিচালনা করে। টিসিবি দেশের বাজার স্থিতিশীল রাখা এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সূত্র: ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ওয়েবসাইট।
৩৯৪.
Trading Corporation of Bangladesh কোন মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত?
  1. শিল্প
  2. অর্থ
  3. বাণিজ্য
  4. পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা
TCB:
- TCB-এর পূর্ণরূপ: Trading Corporation of Bangladesh.
- ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
- এই প্রেক্ষাপটে ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ৬৮নং আদেশের মাধ্যমে টিসিবি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠার পর এদেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের পথিকৃৎ হিসেবে কাজ করছে টিসিবি।
- টিসিবি’র মাধ্যমেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যাদি থেকে শিল্পের কাঁচামাল পর্যন্ত আমদানি এবং পাট, তৈরী পোশাক প্রভৃতি রপ্তানির মাধ্যমে দেশে বৈদেশিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালু করা হয়।
- উদ্দেশ্য কতিপয় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা।
- বর্তমানে তৈরী পোশাক রপ্তানি অর্থনীতিতে যে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে তারও পথিকৃৎ টিসিবি।

⇒ বর্তমানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট ১৩টি সংস্থা বা দপ্তর রয়েছে। যথা:
১. বাংলাদেশ ট্রেড এবং ট্যারিফ কমিশন,
২. রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো,
৩. ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ,
৪. জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,
৫. যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর,
৬. আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের অফিস,
৭. বাংলাদেশ চা বোর্ড,
৮. বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন,
৯. বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট,
১০. বিজনেজ প্রমোশন কাউন্সিল,
১১. দি ইন্সটিটিউট অব কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টস অব বাংলাদেশ,
১২. দি ইন্সটিটিউট অব চার্টাড একাউন্টস অব বাংলাদেশ,
১৩. ইন্সটিটিউট অব চার্টাড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ।

উৎস: i) ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ওয়েবসাইট।
ii) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৩৯৫.
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষি খাতের অবদান কিরূপ?
  1. ক) স্থিতিশীল
  2. খ) ক্রম বর্ধমান
  3. গ) ক্রমহ্রাসমান
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ক্রমহ্রাসমান।

স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান
- ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে : ১৪.৭৪ শতাংশ
- ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে : ১৪.২৩ শতাংশ
- ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে : ১৩.৬৫ শতাংশ
- ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে : ১৩.৩৫ শতাংশ
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে : ১২.১৫ শতাংশ
- ২০২১-২০২২ অর্থবছরে : ১১.৫০ শতাংশ।

(সূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
৩৯৬.
বাংলাদেশে প্রথম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) প্রতিষ্ঠিত হয়-
  1. ক) ১৯৮০ সালে
  2. খ) ১৯৮৩ সালে
  3. গ) ১৯৯৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
দেশের ইপিজেডগুলো ব্যবস্থাপনাকারী কর্তৃপক্ষ হলো বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেপজা)। এটি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন। ইপিজেড প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৮০ সালে বেপজা গঠন করা হয়। বেপজা গঠনের পর শুরু হয় ইপিজেড প্রতিষ্ঠার কাজ। প্রথম ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (সিইপিজেড) প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর তিন দশক ধরে সরকারি ইপিজেডের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে আটটি। চট্টগ্রাম ইপিজেড প্রতিষ্ঠার ১০ বছর পর ১৯৯৩ সালে এসে গড়ে ওঠে ঢাকা ইপিজেড। এরপর পর্যায়ক্রমে ১৯৯৯ সালে মংলা, ২০০০ সালে কুমিল্লা, ২০০১ সালে ঈশ্বরদী ও নীলফামারীতে উত্তরা, ২০০৬ সালে নারায়ণগঞ্জে আদমজী ও চট্টগ্রামে কর্ণফুলী ইপিজেডের যাত্রা শুরু হয়। সূত্র-প্রথম আলো এবং বেপজা ওয়েবসাইট।
৩৯৭.
২০২৪ সালে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে কোথায়?
  1. যুক্তরাষ্ট্রে
  2. যুক্তরাজ্যে
  3. জার্মানিতে
  4. ইউরোপীয় ইউনিয়নে
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ২০২৪ তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশ গুলোতে সবচেয়ে বেশি তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। কিন্তু বর্তমান সময় (২০২৫) সাল অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলোতে।  প্রশ্নের ভাষা অনুযায়ী ইউরোপীয় ইউনিয়ন উত্তর গ্রহণযোগ্য।
 

রপ্তানি প্রতিবেদন:

- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক রপ্তানিতে মোট ৩৮ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে। 
- পোশাক খাতের মোট রপ্তানির ৫০ দশমিক ৩৪ শতাংশ ইউরোপীয় ইউনিয়নে হয়েছে।
- যার আর্থিক মূল্য ১৯ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ডলার।
- এছাড়া, ১৮ দশমিক ৭২ শতাংশ পোশাক গেছে যুক্তরাষ্ট্রে। যার মূল্য ৭ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হয়েছে ৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার, যা মোট পোশাক রপ্তানির ১১ দশমিক ২৫ শতাংশ।

উল্লেখ্য,
- ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে জার্মানিতে ৪ দশমিক ৮৩ বিলিয়ন ডলার, স্পেনে ৩ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার এবং ফ্রান্সে ২ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি করা হয়েছে।
- এ ছাড়া কানাডায় ১ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পোশাক রপ্তানি হয়েছে, যা মোট রপ্তানির ৩ দশমিক ২৩ শতাংশ।

তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
৩৯৮.
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্দেশ্য কী?
  1. ক) মুনাফা অর্জন
  2. খ) মুদ্রার মান নিয়ন্ত্রণ  
  3. গ) ঋণ প্রদান  
  4. ঘ) আমানত গ্রহণ  
ব্যাখ্যা
• ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার ১২৭ নং আদেশ অনুযায়ী, বাংলাদেশে অবস্থিত সাবেক 'স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তান 'এর সব দায় -দায়িত্ব নিয়ে ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক 'বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় ।
• বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাজ হলঃ
- মুদ্রার গতিবিধি প্রক্ষেপণ কর,
- মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করা ,
- বেসরকারি ঋণের যোগান ধার্য করা,
- মুদ্রা নীতি ঘোষণা,
- বাণিজ্যিক ব্যাংককে ঋণ দেয়া,
- নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন ।
তবে এই কাজ গুলোর করার মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক এর মূল উদ্দেশ্য় হলো - মুদ্রার মান নিয়ন্ত্রণ রাখা
 
সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৩৯৯.
একক দেশ হিসেবে, তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ কততম? [ আগস্ট, ২০২৫]
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
ব্যাখ্যা
পোশাক রপ্তানি: 
- একক দেশ হিসেবে বিশ্ববাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ।
- বাজার হিস্যা দশমিক ৪৮ শতাংশীয় পয়েন্ট কমে গেছে।
- বাংলাদেশের পর তৃতীয় অবস্থানে আছে ভিয়েতনাম।
- আর শীর্ষ অবস্থানে আছে বরাবরের মতো চীন।
- তাদের বাজার হিস্যা ২ শতাংশীয় পয়েন্ট কমে গেছে।

উৎস: প্রথম আলো। [লিঙ্ক]
৪০০.
বর্তমানে বাংলাদেশে চালুকৃত স্থলবন্দরের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ১২ টি
  2. খ) ১৩ টি
  3. গ) ১৪ টি
  4. ঘ) ১৫ টি
ব্যাখ্যা
• স্থলপথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি সহজতর এবং উন্নতর করাই বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য।
• বর্তমানে স্থলবন্দরের মোট সংখ্যা ২৫টি এবং চালুকৃত বন্দরের সংখ্যা ১২ টি
• চালুকৃত ১২টি স্থলবন্দরের মধ্যে বেনাপােল, ভােমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল ও সোনাহাট স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের  নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং
• সোনামসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার স্থলবন্দর Build Operate Transfer (BOT) ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২২