বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

মোট প্রশ্ন১,৭৮৪এই পাতা৭৫প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

PrepBank · পাতা ১৮ / ১৮ · ১,৭০১১,৭৭৫ / ১,৭৮৪

১,৭০১.
বাংলাদেশ সর্বাধিক জনশক্তি রপ্তানি করে কোন দেশে?
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. সৌদিআরব
  3. কুয়েত
  4. মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সর্বাধিক জনশক্তি রপ্তানি করে সৌদি আরবে।

বাংলাদেশের বৃহত্তম শ্রম বাজার:

- বাংলাদেশ থেকে ২০২৪ সালে মোট ১০ লাখ ১১ হাজার ৮৫৬ জন কর্মী বিদেশে গেছেন, যা বার্ষিক হিসাবে দেশের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ।
- ২০২৪ সালে দেশে আসা রেমিট্যান্সের পরিমাণও রেকর্ড ২৬ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
- বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য থেকে এসব জানা গেছে।
- তথ্য মতে, টানা তিন বছর ১০ লাখের বেশি করে কর্মী বিদেশে পাঠিয়ে রেকর্ড অর্জন করেছে বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থান খাত।

তথ্য মতে-
- ২০২৪ সালে সৌদি আরব সর্বোচ্চ ৬ লাখ ২৮ হাজার বাংলাদেশি কর্মী নিয়েছে, যা একক বছরে কোনো দেশের জন্য সর্বোচ্চ সংখ্যা।

⇒ ২০২৪ সালে ৯০ শতাংশ কর্মী গেছেন মাত্র ছয়টি দেশে।
- এগুলো হচ্ছে- সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, কাতার, সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জর্ডান। 

উৎস: The Business Standard. [link] 
১,৭০২.
বাংলাদেশ সরকার কত বছরের কর্মসূচি হিসাবে ADP ঘোষণা করে?
  1. ক) ১ বছর
  2. খ) ৩ বছর
  3. গ) ৬ মাস
  4. ঘ) ২ বছর
ব্যাখ্যা
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP) হচ্ছে বাংলাদেশ সরকারের ঘোষিত ১ বছরের কর্মসূচি। ২০২০-২১ অর্থবছরে ADP পরিমান ২,০৫,১৪৫ কোটি টাকা। (যা জিডিপির-৬.৪৭% এবং বাজেটের ৩৬.১২%)।
উৎসঃ অর্থ মন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইট।
১,৭০৩.
বিএসটিআই কত সালে যাত্রা শুরু করে?
  1. ক) ১৯৮৪ সালে
  2. খ) ১৯৮৫ সালে
  3. গ) ১৯৮৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা
বিএসটিআই (BSTI - Bangladesh Standards and Testing Institution) শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
১৯৮৫ সালে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিএসটিআই যাত্রা শুরু করে।
এটি বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা।
বিএসটিআই বিভিন্ন পণ্যের অনুমোদন, মান ও পরিমাণ পর্যবেক্ষণ ইত্যাদি কাজ করে থাকে।

(সূত্রঃ বিএসটিআই ওয়েবসাইট)
১,৭০৪.
সার্বিকভাবে জিডিপি কতটি খাত নিয়ে গঠিত?
  1. ক) ১৮টি
  2. খ) ১৯টি
  3. গ) ১৭টি
  4. ঘ) ১৩টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জিডিপি’কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।যথা -
- কৃষিখাত,
- শিল্পখাত ও
- সেবাখাত।
উল্লেখ্য,
সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত। এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত। এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভূক্ত।  

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২২।
১,৭০৫.
বাংলাদেশের কোন ইপিজেডে সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. চট্টগ্রাম
  2. ঢাকা
  3. মোংলা
  4. আদমজী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZ):
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা (Bangladesh Export Processing Zone Authority-BEPZA) দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ৮টি সরকারি ইপিজেড রয়েছে।
- যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড।
- বর্তমানে বেপজার অধীনস্থ অঞ্চলগুলোয় ৫৬৩টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার মধ্যে ৪৫০টি প্রতিষ্ঠান চালু রয়েছে। বাকি ১১৩টি প্রতিষ্ঠান বাস্তবায়ন হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

⇒ সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে চট্টগ্রাম ইপিজেডে।
- সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয় ও রপ্তানি আয় আসে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- দ্বিতীয়: ঢাকা ইপিজেড।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) আওতাধীন রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড ) ও বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রতিষ্ঠানগুলোর রপ্তানি বেড়েছে ১৬ শতাংশ, যা দেশের মোট পণ্য রপ্তানির ১৭ শতাংশ।
- বর্তমানে ইপিজেডে উৎপাদিত পণ্য ১২০টির বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
- বেপজার অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোয় ৫ লাখ ৩৩ হাজার ৫২৭ জনের কর্মসংস্থান হয়েছে। 

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৭০৬.
ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা দেশ-
  1. ক) জার্মানি
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) ইতালি
ব্যাখ্যা
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে। 
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।

- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে। 

- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে জাপানে।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২ ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৭০৭.
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী কত শতাংশ?
  1. ক) ৩৭.০৭%
  2. খ) ২৪.০৭%
  3. গ) ৩৯.০৯%
  4. ঘ) ২০.৪%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী,
- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১১.৫ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৪০.৬ শতাংশ।
- জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.০৭ শতাংশ।
- শিল্প খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ২০.৪ শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.৪৪ শতাংশ।
- সেবা খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৩৯.০ শতাংশ।

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২২।
১,৭০৮.
বাংলাদেশ ইনসুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিমিটেড (বিআইএসএফএল) কোথায় অবস্থিত?
  1. বরিশাল
  2. চট্টগ্রাম
  3. কুমিল্লা
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা
• বিআইএসএফএল পরিচিতি:
- বাংলাদেশ ইনসুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিমিটেড (বিআইএসএফএল) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি)-এর  নিয়ন্ত্রণাধীন একটি রাষ্ট্রায়ত্ত্ব শিল্প প্রতিষ্ঠান।
- এটি ইনসুলেটর ও স্যানিটারীওয়্যার উৎপাদনকারী দেশের একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্গত শাহ আলী থানার অধীন মিরপুর চিড়িয়াখানা রোডে ৩০.৩৭ একর জায়গা জুড়ে অবস্থিত।
- এখানে ১৯৮১ সনে ৪০০০ মে. টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন স্যানিটারীওয়্যার প্লান্ট এবং ২৪০০ মে. টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ইনসুলেটর প্লান্টের উৎপাদন শুরু হয়।
- পরবর্তীতে বাজার চাহিদার আলোকে হালকা ওজনের পণ্য উৎপাদন প্রবর্তন করায় সংখ্যা ভিত্তিক উৎপাদন কিছুটা বৃদ্ধি করা সত্ত্বেও টন ভিত্তিক উৎপাদন যথাক্রমে ৩৪০০ মে. টন ও ১৪০০ মে. টন নির্ধারণ হয়। - ১৯৮৬-১৯৮৭ অর্থ বছরে ১১০০ মে. টন উৎপাদন ক্ষমতার গ্লেজড টাইলস প্লান্ট সংযোজন করা হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৯১-১৯৯২ অর্থ বছরে বিভিন্ন প্রকার রিফ্র্যক্টরীজ ব্রিকস্ উৎপাদন শুরু হয়।
- ২০০১ সাল হতে টাইল উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ আছে। 

উৎস: বিআইএসএফএল ওয়েবসাইট।
১,৭০৯.
দেশের প্রথম কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় কোথায়?
  1. জয়পুরহাট
  2. রংপুর
  3. দিনাজপুর
  4. নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা
কয়লা ক্ষেত্র:
- বাংলাদেশে আবিস্কৃত মোট কয়লা ক্ষেত্র ৫টি।
- ১৯৬২ সালে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জে দেশের সর্বপ্রথম কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- গভীরতা বেশি হওয়ায় জামালগঞ্জ খনি থেকে এখনো কয়লা উত্তোলন শুরু হয়নি।
- দেশে একমাত্র দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলিত হচ্ছে।

দেশের কয়লা খনিসমূহ হলো:
• বড়পুকুরিয়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৫।
• দীঘিপাড়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৯৫।
• ফুলবাড়ী: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৯।
• খালাসপীর: রংপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: বি.এইচ.পি মিনারেলস, ১৯৯৭।
• জামালগঞ্জ: জয়পুরহাট, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন:  জিএসবি, ১৯৬২।

উৎস: খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট। 
১,৭১০.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. জার্মানি
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. চীন
ব্যাখ্যা
রপ্তানি:

- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৭.৩৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১৩.২৩%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ৯.৫৭%।
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১,৭১১.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী নীটওয়‍্যার পণ্যের রপ্তানি আয় মোট রপ্তানি আয়ের কত শতাংশ?
  1. ৮৫.৪৫%
  2. ৮০.৩৭%
  3. ৪৮.৩৫%
  4. ৩৭.১০%
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নীটওয়‍্যার ও তৈরি পোশাক পণ্যের রপ্তানি আয় ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার: ৪৮.৩৫% বা ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৈরি পোশাক: ৩৭.১০%।

উল্লেখ্য,
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: কৃষিজাত পণ্য (১.৩৯%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: হিমায়িত খাদ্য (০.৭১%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৭১২.
বৈশ্বিক ‘ওয়ান হানড্রেড পোর্টস ২০২৫’ তালিকায় চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান কত? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ৫৮তম
  2. ৬৮তম
  3. ৭৮তম
  4. ৮৮তম
ব্যাখ্যা

‘ওয়ান হানড্রেড পোর্টস ২০২৫’ তালিকা:
- ২০২৪ সালে বিশ্বের বিভিন্ন বন্দরের কনটেইনার পরিবহনের সংখ্যা হিসাব করে ‘ওয়ান হানড্রেড পোর্টস ২০২৫’ তালিকা প্রকাশ করেছে লন্ডনভিত্তিক শিপিং–বিষয়ক বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো সংবাদমাধ্যম লয়েডস লিস্ট।
- বৈশ্বিক তালিকায় চট্টগ্রাম বন্দরের নতুন অবস্থান এখন ৬৮তম।
- ২০২৪ সালে এই বন্দর ৩২ লাখ ৭৫ হাজার একক কনটেইনার পরিবহন করেছে।
- লয়েডস লিস্টের ক্রমতালিকা অনুযায়ী, গত বছর চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান ছিল ৬৭তম। 

উল্লেখ্য,
- লয়েডস লিস্টের প্রকাশনা অনুযায়ী, শীর্ষ তালিকায় স্থান পাওয়া ১০০টি বন্দরে গত বছর ৭৪ কোটি ৩৬ লাখ একক কনটেইনার ওঠানো-নামানো হয়েছে।
- তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চীনের সাংহাই বন্দর। গত বছর বন্দরটি দিয়ে ৫ কোটি ১৫ লাখ একক কনটেইনার পরিবহন হয়েছে।
- তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুর বন্দর। সিঙ্গাপুর বন্দরে গত বছর পরিবহন হয়েছে ৪ কোটি ১১ লাখ একক কনটেইনার।
- সবার শেষে, অর্থাৎ ১০০তম স্থানে রয়েছে চিলির সান অন্তোনিও বন্দর। এই বন্দর দিয়ে কনটেইনার পরিবহন হয়েছে ১৮ লাখ।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১,৭১৩.
দেশের সর্বশেষ আবিষ্কৃত কয়লা খনি কোনটি? (নভেম্বর, ২০২৪)
  1. দীঘিপাড়া
  2. জয়পুরহাট
  3. খালাসপীর
  4. বড়পুকুরিয়া
ব্যাখ্যা
দেশের সর্বশেষ আবিষ্কৃত কয়লা খনি - দীঘিপাড়া, দিনাজপুর।

কয়লা ক্ষেত্র:

- বাংলাদেশে আবিস্কৃত মোট কয়লা ক্ষেত্র ৫টি।
- ১৯৬২ সালে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জে দেশের সর্বপ্রথম কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- গভীরতা বেশি হওয়ায় জামালগঞ্জ খনি থেকে এখনো কয়লা উত্তোলন শুরু হয়নি।
- দেশে একমাত্র দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলিত হচ্ছে।

দেশের কয়লা খনিসমূহ হলো:
• জামালগঞ্জ: জয়পুরহাট ১৯৬২।
• বড়পুকুরিয়া: দিনাজপুর ১৯৮৫।
• খালাসপীর: রংপুর ১৯৮৯।
• ফুলবাড়ী: দিনাজপুর ১৯৯৪।
• দীঘিপাড়া: দিনাজপুর ১৯৯৫।

উৎস: খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
১,৭১৪.
বর্তমানে মোট রপ্তানি আয়ের কত শতাংশ শিল্পজাত পণ্য থেকে অর্জিত হয়?
  1. ক) ৮০ শতাংশ
  2. খ) ৭০ শতাংশ
  3. গ) ৯৫ শতাংশ
  4. ঘ) ৮৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
• রপ্তানি আয়ে ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার - ৯৫.৮৪%

• শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে তৈরি পোশাক থেকে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত  ‘তৈরি পোশাক’ ও ‘নীটওয়্যার’ – ইত্যাদি কয়েক ধরনের রপ্তানি পণ্যের সমন্বয়ে গঠিত।
- ২০২১-২২ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় - ২৭,৪৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৭.৪৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের - ৮১.২৫% (নীটওয়্যার- ৪৪.৫৩% ও তৈরি পোশাক - ৩৬.৭২%)। অর্থাৎ, রপ্তানি আয়ে তৈরি পোশাক খাতের অবদান - ৮১.২৫%।  

• এই খাতের বাইরে শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে - পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (৬৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
- রপ্তানিতে ‘প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ৪.১৫% এবং প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে - ‘হিমায়িত পণ্য’। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে ‘কৃষিজাত পণ্য’।

উৎস: (রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো)।
১,৭১৫.
বর্তমানে দেশে মাথাপিছু আয় -
  1. ক) ২ হাজার ৮২০ মার্কিন ডলার
  2. খ) ২ হাজার ৮২৪ মার্কিন ডলার
  3. গ) ২ হাজার ৮২৬ মার্কিন ডলার
  4. ঘ) ২ হাজার ৮২৮ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
• দেশের মানুষের মাথাপিছু আয়  ২ হাজার ৮২৪ মার্কিন ডলার

• মাথাপিছু জাতীয় আয় (Per Capita National Income) একটি দেশের জনসাধারণের জনপ্রতি গড় জাতীয় আয়কে মাথাপিছু জাতীয় আয় বলে।
- মোট জাতীয় আয়কে মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ দিলে মাথাপিছু জাতীয় আয় পাওয়া যায়।
-  উল্লেখ্য যে, মাথাপিছু জাতীয় আয় একটি দেশের জনগণের কেবলমাত্র জনপ্রতি প্রাপ্যতা (availability) নির্দেশ করে।
- এটা কখনই নির্দেশ করে না যে, দেশের প্রতিটি মানুষ একই পরিমাণ আয় উপার্জন করছে।
- অন্যভাবে বলা যায়, মাথাপিছু জাতীয় আয় কোন দেশের জাতীয় আয়ের বন্টন সম্পর্কে কোন প্রকার ধারণা দিতে পারে না ।

সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১,৭১৬.
দেশের প্রথম ঔষধ শিল্প পার্ক কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. মুন্সীগঞ্জ
  2. মাদারীপুর
  3. নারায়াণগঞ্জ
  4. গাজীপুর
ব্যাখ্যা
• ঔষধ শিল্প পার্ক:
- দেশের প্রথম ঔষধ পার্ক মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায়।
- ২০০৮ সালে গজারিয়ায় এপিআই শিল্প পার্ক প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। 
- এটি দেশের প্রথম বিশেষায়িত ঔষধ শিল্প পার্ক।
- শিল্প পার্কে ইতোমধ্যে এক্‌মি, হেলথকেয়ার, ইউনিমেড,
- ইবনে সিনা-র মতো প্রতিষ্ঠান কারখানা স্থাপন করেছে।
- ৪২টি প্লটের মধ্যে ২৭টি কোম্পানিকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।
১,৭১৭.
বিসিআইসি এর অধীনে বর্তমানে কতগুলি কারখানা চলমান?
  1. ১১
  2. ১২
  3. ১৩
  4. ১৪
  5. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বিসিআইসি এর অধীনে বর্তমানে ১১টি কারখানা চলমান।

⇒ চলমান কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৫টি (চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড,আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ,ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী )।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
• কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
• সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
• গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
• স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

উৎস: BCIC ওয়েবসাইট।
১,৭১৮.
বাংলাদেশে হরিণ প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত-
  1. ক) বাগেরহাট
  2. খ) সিলেট
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
হরিণ প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত ডুলাহাজরা, চকোরিয়া, কক্সবাজার
(ডুলাহাজরা সাফারি পার্ক/বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাফারি পার্ক)
মূলত ডুলাহাজরা কক্সবাজারের চকোরিয়া উপজেলার অন্তর্গত একটি ইউনিয়ন।
ডুলাহাজরায় অবস্থিত বাংলাদেশের প্রথম সাফারি পার্ক যা ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাফারি পার্ক’ হিসাবে পরিচিত।
এখানেই হরিণ প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত।
==========
- কুমির প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত - করমজল, সুন্দরবন।
- মহিষ প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত - ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- গরুর প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত - সাভার, ঢাকা।
- ছাগল প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত - টিলাগড়, সিলেট।
১,৭১৯.
বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাংলাদেশে কোন নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা রয়েছে?
  1. ক) সমুদ্রস্রোত
  2. খ) বায়ু শক্তি
  3. গ) বায়োগ্যাস
  4. ঘ) সৌর শক্তি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা রয়েছে সৌর শক্তি থেকে উৎপন্ন বিদ্যুতের।
এছাড়াও রয়েছে পানি বিদ্যুৎ, বায়ু বিদ্যুৎ, বায়োগ্যাস, ধানের তুষ, ইক্ষুর ছোবড়া, বর্জ্য, শিল্প প্রক্রিয়ার অব্যবহৃত তাপ হতে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ইত্যাদি।
সৌরশক্তি বা সোলার পাওয়ার: সূর্য রশ্মির আলো ও তাপ কে ব্যবহার করা হচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদনে। এর ফটোইলেক্ট্রিক ইফেক্টকে কাজে লাগিয়ে ফটোভোল্টাইক কোষের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করার পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয় গত শতাব্দীতে।
সূত্রঃ Ministry of Power, Energy and Mineral Resource-এর ওয়েবসাইট।

১,৭২০.
'ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩' অনুসারে, পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩:
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) কর্তৃক 'বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান ২০২৩' প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
- শিরোনাম: ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩: কি ইনসাইটস অ্যান্ড ট্রেন্ডস’।
- সর্বশেষ প্রকাশিত হয়: আগস্ট, ২০২৪।
- পোশাক রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ২য়।

⇒ প্রতিবেদন অনুযায়ী, পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ:
১. চীন, 
২. বাংলাদেশ,
৩. ভিয়েতনাম,
৪. তুরস্ক,
৫. ভারত।

এছাড়াও,
- পোশাক আমদানীতে শীর্ষ দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস: WTO ওয়েবসাইট। [link]
১,৭২১.
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড) কোথায় অবস্থিত?
  1. মোংলা
  2. ঈশ্বরদী
  3. আড়াইহাজার
  4. মিরসরাই
ব্যাখ্যা
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড):
- দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় এলাকা সন্দ্বীপ চ্যানেলের পাশে প্রায় ১৩৭ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- এটি চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুন্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত।
- এই শিল্পনগরের আয়তন ৩৩ হাজার ৮০৫ একর।
- এর ৪১ শতাংশ বা ১৪ হাজার একরে শুধু শিল্পকারখানা হবে, বাকি ৫৯ শতাংশ এলাকার মধ্যে আছে খোলা জায়গা, বনায়ন, বন্দর–সুবিধা, আবাসন, স্বাস্থ্য, প্রশিক্ষণ ও বিনোদনকেন্দ্র।

⇒ ২০১৬ সালে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল নামে এই শিল্পনগরের উদ্বোধন করা হয়।
- ২০১৮ সালে এটির নাম পাল্টে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর’ রাখা হয়।
- সম্প্রতি নভেম্বর, ২০২৪-এ ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর’-এর নাম পাল্টে নতুন নাম দেওয়া হয়েছে ‘জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল’।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলটি ১২টি পৃথক অঞ্চলে বিভক্ত।
- সেখানে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল, পোশাক (বিজিএমইএ) শিল্পপার্ক, ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল, এসবিজি (শিকদার, বসুন্ধরা ও গ্যাসমেন গ্রুপ) অর্থনৈতিক অঞ্চলের মতো আলাদা জোন রয়েছে।
- পুরো অর্থনৈতিক অঞ্চলটি চালু হলে আগামী ১৫ বছরের মধ্যে সেখানে ১৫ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে এবংংসেখান থেকে প্রতিবছর রপ্তানি আয় হবে ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার।

উৎস: i) বেপজা ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১,৭২২.
বাংলাদেশের জাতীয় ওষুধনীতির জনক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন কে?
  1. ডা. কাজী হোসেন আহমেদ
  2. ডা. আনোয়ার হোসেন
  3. ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
  4. ডা. নূর উদ্দিন
ব্যাখ্যা
জাতীয় ঔষধনীতি:
- দেশে প্রথম ওষুধনীতি ঘোষিত হয় ১৯৮২ সালে।
- ১৯৮২ সালের নীতিতে দেশি ওষুধশিল্পের বিকাশে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল।
- এই নীতির কারণে দেশে সহজ প্রযুক্তির ওষুধ আসা শুরু হয়।
- তালিকা করে দেড় হাজারের বেশি ওষুধ দেশে নিষিদ্ধ করা হয়।
- বলা হয়েছিল, যেসব ওষুধ দেশি কোম্পানিগুলো তৈরি করতে পারে সেসব ওষুধ আমদানি করা যাবে না।
- এগুলো ছিল ওষুধশিল্প পর্যায়ক্রমে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পেছনের কারণ।
- বাংলাদেশের জাতীয় ওষুধনীতির জনক হিসেবে পরিচিত ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
- সর্বশেষ ২০১৬ সালে সংস্কার করে নতুন ওষুধনীতি করা হয়।

⇒ জাতীয় ঔষধ নীতি, ২০১৬:
১. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫(ক), ১৫(ঘ) ও ১৮(১) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার কার্যকর স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের বিষয়ে জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
২. এক সময় যেখানে চাহিদার প্রায় ৮০% ঔষধ আমদানি করা হত সেখানে বর্তমানে ৯৭% এরও অধিক ঔষধ দেশেই উৎপাদিত হচ্ছে। বাংলাদেশে উৎপাদিত গুণগতমানসম্পন্ন ঔষধ এখন বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশসহ ১১৩টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
৩. বঙ্গবন্ধু দেশে মানসম্মত ওষুধের উৎপাদন বাড়ানো এবং এ শিল্পকে সহযোগিতা ও নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ১৯৭৪ সালে 'ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তর' গঠন করেন।
৪. ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ সরকার প্রথম জাতীয় ঔষধনীতি প্রণয়ন করে।

উৎস: জাতীয় ঔষধনীতি-২০১৬।
১,৭২৩.
বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) পঞ্চগড়
  2. খ) সিলেট
  3. গ) মৌলভীবাজার
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
সমুদ্রপথে আন্তর্জাতিক বাজারে চা রপ্তানির সুবিধার্থে ১৬ জুলাই ১৯৪৯ বন্দরনগরী চট্টগ্রামে দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। ৮ ডিসেম্বর ২০১৭ চায়ের রাজধানী মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় উদ্বোধন করা হয় দেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র।
[সূত্র : বাংলাদেশ চা বোর্ড]
১,৭২৪.
বর্তমানে দেশে কয়টি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে? [সেপ্টেম্বর,২০২৫]
  1. ২৬টি
  2. ২৯টি
  3. ২৭টি
  4. ৩০টি
ব্যাখ্যা

গ্যাসক্ষেত্রে: 
- পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ২৯টি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে।
- এর মধ্যে উৎপাদনে আছে ২০টি।
- বাকিগুলোর মধ্যে চারটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করা হলেও উত্তোলন করা হচ্ছে না।
- সেগুলো হলো ভোলার ইলিশা ও ভোলা নর্থ, সিলেটের জকিগঞ্জ এবং কুতুবদিয়া।
- দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্রে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস।যা আবিষ্কৃত হয়েছিল ১৯৬২ সালে।
- সর্বশেষ বড় গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল ১৯৯৮ সালে, সেটি সিলেটের বিবিয়ানা।
- বিবিয়ানা থেকেই এখন সবচেয়ে বেশি গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।

উৎস: প্রথম আলো।[লিঙ্ক]

১,৭২৫.
বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের শীর্ষ ক্রেতা কোম্পানি এইচ এন্ড এম কোন দেশের কোম্পানি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ইতালি
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৩,৬৩৭ কোটি ডলার মূল্যের পোশাক রপ্তানি করেছে।
- এর মধ্যে শীর্ষ ১০ ক্রেতা কিনেছে ১,০৫০ কোটি ডলারের পোশাক।
- এইচঅ্যান্ডএম, ইন্ডিটেক্স, ও প্রাইমার্ক একাই ৬০০ কোটি ডলারের পোশাক কিনেছে।
- বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানই নেয় রপ্তানি হওয়া তৈরি পোশাকের প্রায় ২৯ শতাংশ।
- বাংলাদেশি তৈরি পোশাক কেনায় শীর্ষে সুইডেনের বহুজাতিক খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান এইচঅ্যান্ডএম।
- দ্বিতীয় ও তৃতীয় শীর্ষ ক্রেতার তালিকায় আছে যথাক্রমে স্পেনের ইন্ডিটেক্স ও আয়ারল্যান্ডের প্রাইমার্ক।

বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের শীর্ষ ১০ ক্রেতার তালিকা:
- এইচঅ্যান্ডএম
- ইন্ডিটেক্স
- প্রাইমার্ক
- ডেনমার্কের বেস্টসেলার,
- যুক্তরাজ্যের মার্কস অ্যান্ড স্পেনসার,
- নেদারল্যান্ডসের সিঅ্যান্ডএ,
- জাপানের ইউনিক্লো,
- পোল্যান্ডের এলপিপি,
- যুক্তরাজ্যের নেক্সট ও
- পোল্যান্ডের পেপকো।

উৎস: প্রথম আলো (২৩ ডিসেম্বর ২০২৪)।
১,৭২৬.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরটি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ফেনী
  2. কক্সবাজার
  3. চট্টগ্রাম
  4. a এবং c
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর:
-চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুন্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় প্রায় ৩০,০০০ একর জমির উপর দেশের বৃহত্তম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর অবস্থিত।
- এ শিল্পনগরে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল, বিজিএমইএ গার্মেন্টস পার্ক, পিপিপি অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং এশিয়ান পেইন্টস, নিপ্পন- ম্যাকডোনাল্ড স্টিল, বিএসআরএমসহ ৫৬টি শিল্প প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে এ পর্যন্ত ৬,০৭৯ একর জমি বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। 
- এখানে প্রায় ৭ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। 
- সুবৃহৎ পরিসরের এ শিল্পনগরকে স্বয়ংসম্পূর্ণ বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বান্ধব বহুমাত্রিক শিল্প-বাণিজ্যের কেন্দ্রস্থল হিসেবে গড়ে তোলার জন্য পর্যায়ক্রমে সমুদ্র ও বিমান বন্দর, এলএনজি টার্মিনাল, বাণিজ্যিক কেন্দ্র নির্মাণসহ শিল্প ও বাণিজ্যের নিয়ামক সকল ধরনের সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করা হবে।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।
১,৭২৭.
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (EPB)-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫–২০২৬ অর্থবছরের নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৫০,০০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. ৫৫,০০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. ৬৫,০০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ৬০,০০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

• ২০২৫-২০২৬ অর্থ-বছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের রপ্তানি কার্যক্রম:

- গত ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে রপ্তানি আয় হয়েছিল ৪৮,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- চলতি ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৫৫,০০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে পণ্য খাতের অর্জিত রপ্তানি আয় ২৩,৯৯৬.৮৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি বিগত ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের একই সময়ের রপ্তানি আয় ২৪,৫৩৩.৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ২.১৯% কম।
- অর্জিত রপ্তানি আয় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার ৪৩.৬৩%।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো [লিংক]।

১,৭২৮.
বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল নির্মিত হয় -
  1. ১৯৮১ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৪ সালে
  4. ১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড:
- বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল হিসাবে ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের হালিশহরে ৪৫৩ একর জায়গার উপর নির্মাণ করা হয় চট্টগ্রাম ইপিজেড। 
- এটা সমুদ্র বন্দর  থেকে ৩.১০ কিলোমিটার এবং শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে মাত্র ১১.৩০ কিলোমিটার দুরত্বে হওয়ায় শিল্প পার্ক হিসাবে দ্রুত প্রসার লাভ করেছ। 
- প্রতিষ্ঠার পর থেকেই চট্টগ্রামতথা বাংলাদেশের বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে চট্টগ্রাম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
-  সম্প্রতি লন্ডন ভিত্তিক FDI ম্যাগাজিনThe Financial Times এর জরিপে চট্টগ্রাম ইপিজেড বিশ্বের ৭০০ টি ইকোনোমিক জোন এর মধ্যে Cost Effective Zone category-তে তৃতীয় স্থান এবং Best Economic Potential 2010-2011 category-তে চতুর্থ স্থান অধিকার করেছে (FDIম্যাগাজিন- জুন/জুলাই’১০ সংস্করণ)।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৭২৯.
বিশ্বের বৃহত্তম পাটকল বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ফরিদপুর
  2. নরসিংদী
  3. গোপালগঞ্জ
  4. নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

আকিজ জুট মিল:

- বিশ্বের বৃহত্তম পাটকল আকিজ জুট মিলস।
- এটি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় অবস্থিত।
- ৪৫০ বিঘা জুড়ে বিস্তৃত পাটকলটিতে ছয়টি কারখানা থাকবে।
- আকিজ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম শেখ আকিজ উদ্দিনের উদ্যোগী ছেলেরা প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে বাংলাদেশের পাট শিল্পে অর্থ ঢেলে যাচ্ছেন।
- আকিজ গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং আকিজ জুট মিলের মালিক শেখ নাসির উদ্দিন।

উল্লেখ্য,
⇒ বাংলাদেশের পাট শিল্প:
- বাংলাদেশে বছরে ১১-১২ লাখ টন পাট উৎপাদন হয়।
- যার মধ্যে দুই লাখ টন কাঁচা পাট সরাসরি রপ্তানি করা হয় এবং আরও দুই লাখ টন স্থানীয়ভাবে ব্যবহার করা হয়।
- বাকি সাত লাখ টন ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন পণ্য বিশেষ করে বিশ্ববাজারে রপ্তানির জন্য সুতা তৈরিতে।

উৎস: The Business Standard।
১,৭৩০.
কোন দেশ থেকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে?
  1. ক) যুক্তরাজ্য
  2. খ) কুয়েত
  3. গ) সৌদি আরব
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
- প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগ আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে।
- ২০২২ সালের জুলাই-মার্চ সময়ে সৌদি আরব থেকে সর্বাধিক রেমিট্যান্স (২১%) এসেছে।
- এর পরের অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র (১৬%), যুক্তরাজ্য (১১%), সংযুক্ত আরব আমিরাত (৯%), কুয়েত (৮%), কাতার (৬%)।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
১,৭৩১.
নিম্নের কোন উপজেলায় সোনামসজিদ স্থলবন্দর অবস্থিত?
  1. শিবগঞ্জ
  2. ভোলাহাট
  3. নাচোল
  4. গোমস্তাপুর
ব্যাখ্যা

সোনামসজিদ স্থলবন্দর:
- সোনামসজিদ স্থলবন্দর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ সীমান্তে অবস্থিত।
- এ বন্দরের বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মালদহ জেলার মহাদীপুর অবস্থিত।  
- ১২ জানুয়ারি, ২০০২ তারিখ সোনামসজিদ শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়;
- ৯ অক্টোবর, ২০০৫ তারিখ স্থলবন্দর উন্নয়ন ও পরিচালনার  জন্য কর্তৃপক্ষের সাথে  পানামা-সোনামসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেড মধ্যে Concession Agreement (CA) স্বাক্ষরিত হয়।  
- CA অনুযায়ী পোর্ট অপারেটর ২০-মে ২০১০ তারিখ স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করে।

• বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ:
- স্থলপথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি সহজতর এবং উন্নতর করাই বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য।
- বর্তমানে স্থলবন্দরের মোট সংখ্যা ২৪টি এবং চলমান স্থলবন্দরের সংখ্যা ১৬টি।

⇒ ১৬টি স্থলবন্দরের মধ্যে ১১টি স্থলবন্দর যেমন বেনাপোল, ভোমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল, সোনাহাট, গোবড়াকুড়া-কড়ইতলী, বিলোনিয়া, শেওলা ও ধানুয়াকামালপুর স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের (বাস্থবক) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং সোনামসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার এই ৫টি স্থলবন্দর BOT ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।
- এছাড়া রামগড় ও বাল্লা এই ২টি স্থলবন্দর চালুর জন্য অপেক্ষাধীন রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।

১,৭৩২.
বাংলাদেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য কোনটি?
  1. ক) ঢাকাই মসলিন
  2. খ) ক্ষীরশাপাতি আম
  3. গ) ইলিশ মাছ
  4. ঘ) জামদানি শাড়ি
ব্যাখ্যা
• বর্তমানে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য ১১টি। যথা:

১. জামদানি শাড়ি (১৭ নভেম্বর, ২০১৬)
- বাংলাদেশের প্রথম স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ভৌগোলিক নির্দেশক (জি আই) পণ্য হচ্ছে  জামদানি। এটির আবেদনকারী ও সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (BSCIC)।

২. ইলিশ মাছ (৬ আগস্ট, ২০১৭)
- দ্বিতীয় ভৌগলিক নিদের্শক (জিআই) পণ্য হলো 'ইলিশ'। এটির আবেদনকারী ও সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান হল মৎস্য অধিদপ্তর।
৩. ক্ষীরশাপাতি আম (২৭ জানুয়ারি, ২০১৯)
৪. ঢাকাই মসলিন (২৮ ডিসেম্বর, ২০২০)
৫. রাজশাহী সিল্ক (২০২১),
৬. রংপুরের শতরঞ্জি (২০২১),
৭. নেত্রকোনার বিজয়পুরের সাদামাটি (২০২১),
৮. দিনাজপুরের কাটারিভোগ, (২০২১),
৯. বাংলাদেশি কালিজিরা (২০২১),
১০. বাগদা চিংড়ি (২০২২) ও
১১. ফজলি আম (সর্বশেষ, ২০২২)।

- বাংলাদেশের মোট ১১টি পণ্যকে ভৌগোলিক নির্দেশক সামগ্রী হিসেবে স্বীকৃতি দেয় WIPO। 

[উৎস: সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট]
১,৭৩৩.
নিম্নের কোনটি অগ্রাধিকার শিল্প নয়?
  1. পাট ও পাটজাত শিল্প
  2. চা শিল্প
  3. উইন্ড মিল
  4. পর্যটন শিল্প
ব্যাখ্যা
পাট ও পাটজাত শিল্প অগ্রাধিকার শিল্প নয়।

অগ্রাধিকার শিল্প:

- 'অগ্রাধিকার শিল্প (Priority Sector)' বলতে সে সমস্ত শিল্প গণ্য হবে যে শিল্পখাতগুলো বিকাশমান এবং ক্রমবর্ধমানভাবে দেশের সামগ্রিক রপ্তানিতে অবদান রাখার সম্ভাবনা রয়েছে।
- কোন কোন শিল্পখাত/শিল্প উপ-খাত অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত শিল্পখাত/উপ-খাত হিসেবে চিহ্নিত হবে তা সময়ে সময়ে সরকার কর্তৃক ঘোষিত হবে।

⇒ অগ্রাধিকার প্রাপ্ত শিল্পখাতসমূহ:
- বৈদেশিক কর্মসংস্থান,
- পরিবেশসম্মত জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প,
- পর্যটন শিল্প,
- হোম টেক্সটাইল শিল্প,
- উইন্ড মিল,
- ভেষজ ঔষধ শিল্প,
- হাসপাতাল ও ক্লিনিক,
- এলইডি, সিএফএল বাল্ব উৎপাদন,
- চা শিল্প,
- বীজ শিল্প,
- প্রসাধনী ও টয়লেট্রিজ,
- সিমেন্ট শিল্প,
- লজিস্টিকস শিল্প খাত।

উৎস: জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২।
১,৭৩৪.
বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানীকারক গার্মেন্টস-
  1. রয়েল গার্মেন্টস
  2. ডিজি গার্মেন্টস 
  3. রিয়াজ গার্মেন্টস
  4. ঢাকা অ্যাপারেল লিমিটেড
ব্যাখ্যা

রিয়াজ গার্মেন্টস:
- বর্তমানে মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি এই খাতটি থেকেই আসে।
- ১৯৭৮ সালের ২৮ জুলাই মোহাম্মদ রিয়াজউদ্দিন ১০ হাজার শার্ট ফরাসি ক্রেতা হলান্ডার ফ্রঁসের কাছে রপ্তানি করেন।
- শার্টের ওই চালানের ফরাসি মুদ্রায় দাম ছিল ১৩ মিলিয়ন ফ্রাঁ, বাংলাদেশি টাকায় যা ছিল ৪ লাখ ২৭ হাজার টাকা।
- সেটিই ছিল বাংলাদেশ থেকে প্রথম পোশাক রপ্তানি।
- রিয়াজ গার্মেন্টস দেশের প্রথম রপ্তানিকারক গার্মেন্টস।
- বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি টিকে না থাকলেও পোশাকশিল্পের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে মোহাম্মদ রিয়াজউদ্দিন ও তাঁর রিয়াজ গার্মেন্টসের নাম।

উৎস: প্রথম আলো।

১,৭৩৫.
বাংলাদেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল কোথায় অবস্থিত?
  1. টঙ্গী
  2. মিরসরাই
  3. আড়াইহাজার
  4. ঈশ্বরদী
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই-এ অবস্থিত।

জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড):

- দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় এলাকা সন্দ্বীপ চ্যানেলের পাশে প্রায় ১৩৭ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল। 
- এটি চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুন্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত।
- এই শিল্পনগরের আয়তন ৩৩ হাজার ৮০৫ একর।
- এর ৪১ শতাংশ বা ১৪ হাজার একরে শুধু শিল্পকারখানা হবে, বাকি ৫৯ শতাংশ এলাকার মধ্যে আছে খোলা জায়গা, বনায়ন, বন্দর–সুবিধা, আবাসন, স্বাস্থ্য, প্রশিক্ষণ ও বিনোদনকেন্দ্র।

⇒ ২০১৬ সালে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল নামে এই শিল্পনগরের উদ্বোধন করা হয়।
- ২০১৮ সালে এটির নাম পাল্টে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর’ রাখা হয়।
- সম্প্রতি নভেম্বর, ২০২৪-এ ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর’-এর নাম পাল্টে নতুন নাম দেওয়া হয়েছে ‘জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল’। 

উল্লেখ্য,
- জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলটি ১২টি পৃথক অঞ্চলে বিভক্ত।
- সেখানে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল, পোশাক (বিজিএমইএ) শিল্পপার্ক, ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল, এসবিজি (শিকদার, বসুন্ধরা ও গ্যাসমেন গ্রুপ) অর্থনৈতিক অঞ্চলের মতো আলাদা জোন রয়েছে।
- পুরো অর্থনৈতিক অঞ্চলটি চালু হলে আগামী ১৫ বছরের মধ্যে সেখানে ১৫ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে এবংংসেখান থেকে প্রতিবছর রপ্তানি আয় হবে ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার।

উৎস: i) বেপজা ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১,৭৩৬.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ওষুধ নীতি ঘোষণা করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৮২ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৮৮ সালে
  4. ১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ওষুধনীতি: 
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ওষুধনীতি ঘোষণা করা হয় ১৯৮২ সালে।
- এই নীতিটি দেশে ওষুধশিল্পের উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত।
- ১৯৮২ সালের ওষুধনীতি অনুসারে, দেশীয় কোম্পানিগুলোর বিকাশে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
- নীতিতে ১৫০টি ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয় এবং দেশীয় কোম্পানিগুলোর মোট উৎপাদনের ৬০ শতাংশ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ উৎপাদন বাধ্যতামূলক করা হয়। 
- এ নীতির ফলে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, দক্ষ জনবলের ব্যবহার, এবং দেশীয় উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হয়। ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণে আনা হয়, যা সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী চিকিৎসা নিশ্চিত করে।
- ১৯৮২ সালের পর এই নীতির সংস্কার ২০০৫ ও ২০১৬ সালে করা হয়েছে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
১,৭৩৭.
বাংলাদেশে বর্তমানে রাষ্ট্রয়াত্ত বানিজ্য ব্যাংক কয়টি? [জুন, ২০২৫]
  1. ৫ টি
  2. ৬ টি
  3. ৮ টি
  4. ১০ টি
ব্যাখ্যা
• তালিকাভুক্ত (Scheduled) ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী ব্যাংকগুলো তালিকাভুক্ত থাকে।
- মোট তালিকাভুক্ত ব্যাংক: ৬২টি। [জুন, ২০২৫]
• রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক (SOCBs): মোট: ৬টি
- বিশেষায়িত ব্যাংক (SDBs): মোট ৩টি।
- ব্যক্তিমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক (PCBs):
- মোট: ৪৩টি।
- প্রচলিত পদ্ধতির ব্যাংক: ৩৩টি (সুদ ভিত্তিক)।
- ইসলামি শরিয়াভিত্তিক ব্যাংক: ১০টি (লাভ-লোকসান ভাগাভাগির ভিত্তিতে পরিচালিত)
- ডিজিটাল বাণিজ্যিক ব্যাংক: মোট: ১টি।
- অবস্থা: এখনও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের অনুমতি পায়নি
- বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক (FCBs): মোট: ৯টি।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১,৭৩৮.
BGMEA এর বর্তমান সভাপতি কে?
  1. ক) কাজী মাতলুব আহমেদ
  2. খ) রাবাব ফাতিমা
  3. গ) রুবানা হক
  4. ঘ) সালাম মুর্শেদী
ব্যাখ্যা
BGMEA (Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association) দেশের গার্মেন্টস মালিক ও রপ্তানিকারকদের জাতীয় সংগঠন। এটি ১৯৮৩ সালে ১২ টি ফ্যাক্টরি সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা প্রায় ৪৫০০ ফ্যাক্টরি। BGMEA এর বর্তমান সভাপতি রুবানা হক। ২০১৯ সালে তিনি প্রথম মহিলা হিসেবে BGMEA এর সভাপতি নির্বাচিত হন। (সূত্র: BGMEA ওয়েবসাইট)
১,৭৩৯.
বাংলাদেশের ২৫ তম স্থল বন্দরের নাম কী?
  1. ক) মুজিবনগর স্থলবন্দর
  2. খ) সোনাইহাট স্থলবন্দর
  3. গ) বাকেরগঞ্জ স্থলবন্দর
  4. ঘ) কুতুবদিয়া স্থলবন্দর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বর্তমানে স্থলবন্দরের সংখ্যা- ২৫ টি।
বাংলাদেশের ২৫ তম স্থল বন্দরের নাম- মুজিবনগর স্থলবন্দর।
২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ সর্বশেষ মুজিবনগর স্থলবন্দরের নাম গেজেট আকারে প্রকাশ করে?
চালুকৃত স্থলবন্দর- ১২ টি।

তথ্যসূত্র: কালেরকণ্ঠ পত্রিকা
১,৭৪০.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহৎ আমদানি উৎস কোনটি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জার্মানি
  3. জাপান
  4. ভারত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রধান আমদানি উৎসসমূহ(২০২০-২০২১):
- প্রথম : চীন (২৫.৩ শতাংশ)
- দ্বিতীয় : ভারত (১৬.৯ শতাংশ)
- তৃতীয় : সিঙ্গাপুর (৪.৮ শতাংশ)
- চতুর্থ : যুক্তরাষ্ট্র (৪.৪ শতাংশ)
- পঞ্চম : জাপান (৩.৯ শতাংশ)।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১,৭৪১.
বাংলাদেশের কৃষিতে ‘সাদা সোনা’ বলা হয় কোনটিকে?
  1. চা
  2. চিংড়ি
  3. ইলিশ
  4. পাট
ব্যাখ্যা
White gold:
- বঙ্গোপসাগর, মোহনা ও স্বাদুপানিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ চিংড়ি থাকায় বাংলাদেশকে চিংড়িসমৃদ্ধ দেশ বলা যায়।
- এদেশে মোট ৫৬টি প্রজাতির চিংড়ি শনাক্ত করা হয়েছে।
- এর মধ্যে ৩৭টি লবণাক্ত পানির, ১২টি কমলবণাক্ত পানির ও ৭টি স্বাদুপানির বাসিন্দা।
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে ‘সাদা সোনা’ বা ‘হোয়াইট গোল্ড’ বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- চিংড়ি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী রপ্তানি পণ্য।
- দেশের মোট উৎপাদিত চিংড়ির বেশীরভাগই উৎপাদিত হয় দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বিশেষ করে বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরায়।
- সত্তর দশকের শুরু থেকেই মূলত উপকূলীয় অঞ্চলের চাষীরা সনাতন পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ শুরু করে।
- আশির দশক থেকে দেশে বাণিজ্যিকভাবে বাগদা চিংড়ি উৎপাদন ও রপ্তানি হচ্ছে।
- আশির দশকের শুরুতে আধা-লোনা পানিতে মৎস্য খামার স্থাপন প্রকল্পের উদ্যোগে খুলনা অঞ্চলে পোল্ডারের মধ্যে এবং কক্সবাজার অঞ্চলে লবণের সাথে চিংড়ি চাষ শুরু করা হয়।
- আশির দশকের মাঝামাঝি চিংড়ি চাষ প্রকল্পে মৎস্য অধিদপ্তর হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদনে সাফল্য অর্জন করে এবং বেসরকারি পর্যায়ে চিংড়ি হ্যাচারি স্থাপনে সহায়তা প্রদান করে।

এছাড়া,
- পাটকে সোনালী আশ বলা হয়।
- ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ।

উৎস: i) পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) মৎস্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১,৭৪২.
'বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ' নিচের কোনটির অধীনস্থ সংস্থা?
  1. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  2. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  3. অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. শিল্প মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
বিনিয়োগ বোর্ড:
- BIDA এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।
- BIDA এর পূর্বতন প্রতিষ্ঠানের নাম ছিল বিনিয়োগ বোর্ড।
- বিনিয়োগ বোর্ড প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের অধীন একটি সংস্থা।
- বিনিয়োগ বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৮৯ সালে।
- ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রাইভেটাইজেশন বোর্ড, যা ২০০০ সালে প্রাইভেটাইজেশন কমিশন নামে রুপান্তরিত হয় সেটিকে একত্রিত করে সরকার বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA) প্রতিষ্ঠা করে।
- বিনিয়োগ বোর্ডের লক্ষ্য ছিল দেশে বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করা, অর্থনীতিতে বিশেষ করে বেসরকারি খাত এবং বিদেশি বেসরকারি পুঁজির অংশগ্রহণ বাড়ানোর উপযোগী সরকারি নীতির বাস্তবায়ন ঘটানো।
- এর পরিচালনায় ছিল নির্বাহী সদস্যবৃন্দ এবং নির্বাহী চেয়ারম্যান সমন্বয়ে গঠিত একটি নির্বাহী পরিষদ।

তথ্যসূত্র - বিনিয়োগ বোর্ড ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
১,৭৪৩.
সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে কোন কোম্পানি?
  1. শেল অয়েল কোম্পানি
  2. বার্মা অয়েল কোম্পানি
  3. টার্নার মরিসন অ্যান্ড কোম্পানি
  4. হোয়াইট হল পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র: 
-  বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
- ১৯৫৫ সালে বার্মা অয়েল কোম্পানি এদেশে সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে।
- ১৯৫৭ সাল থেকে গ্যাসের উৎপাদন শুরু হয়।
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯ টি।
- বাংলাদেশের অন্যান্য খনিজ সম্পদের মধ্যে কয়লা, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, গন্ধক, খনিজ তেল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখ্য, 
-সম্প্রতি সিলেটের হরিপুরে পুরোনো গ্যাসকূপ (সিলেট-৭) সংস্কার করতে গিয়ে নতুন করে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে।
-এ কূপ থেকে প্রতিদিন অন্তত ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী এবং পেট্রোবাংলা, প্রথম আলো।
১,৭৪৪.
কত সালে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
BEZA:
- BEZA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Economic Zones Authority.
- বেজা বা বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ আইন- ২০১০ অধ্যাদেশ দ্বারা গঠিত।

⇒ এটি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন, ২০১০ এর বিধানানুসারে ৯ নভেম্বর ২০১০ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বেজা'র লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে পশ্চাতপদ ও অনগ্রসর এলাকাসহ সম্ভবনাময় সকল এলাকায় পরিকল্পিতভাবে শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের লক্ষ্যে ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা।
- অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন, উৎপাদন, রপ্তানী ও কর্ম সংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে দেশকে উন্নত রাষ্ট্রের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া।
- এ লক্ষ্যে বেজা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
- দৈনন্দিন কার্যক্রম তত্ত্বাবধানের জন্য একজন নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং তিন জন নির্বাহী সদস্য সমন্বয়ে বেজার নির্বাহী বোর্ড গঠিত।

উৎস: বেজা ওয়েবসাইট।
১,৭৪৫.
রপ্তানি নীতি ২০২৪-২৭ অনুযায়ী, ২০২৭ সালের মধ্যে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ১০০ বিলিয়ন
  2. ১১০ বিলিয়ন
  3. ১২৫ বিলিয়ন
  4. ১৫০ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা

- ২০২৪-২৭ মেয়াদের নতুন নীতিতে ১১০ বিলিয়ন ডলার রফতানি আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।
- রফতানি নীতি ২০২১-২৪-এর মেয়াদ শেষ হচ্ছে চলতি বছরের জুনে।
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫-১৮ মেয়াদে রফতানি আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ হয় ৬০ বিলিয়ন ডলার।
- ২০১৮-২১ মেয়াদের নীতিতেও আয়ের লক্ষ্য অপরিবর্তিত ছিল।
- ২০২৪ সালের মধ্যে ৮০ বিলিয়ন ডলার রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ২০২১-২৪ মেয়াদের চলমান নীতিটি প্রণয়ন হয়েছিল। 

উৎস: বণিক বার্তা।

১,৭৪৬.
IDRA এর সম্পর্কে কোন তথ্যটি সত্য?
  1. এটি বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ
  2. এটি অভ্যন্তরীণ গ্রামীণ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
  3. এটি আন্তর্জাতিক গ্রামীণ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
  4. এটি একটি মানবাধিকার সংস্থা
ব্যাখ্যা
IDRA:
- IDRAএর পূর্ণরূপ: Insurance Development and Regulatory Authority.
-  এটি বাংলাদেশের বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা,
- এটি ২০১১ সালের ২৬ জানুয়ারী বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ আইন ২০১০ এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি বীমা ব্যবসার বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকার কর্তৃক প্রণীত বীমা আইন ২০১০ অনুযায়ী কাজ করে।
- IDRA মূলত বীমা ব্যবসার তত্ত্বাবধান এবং পলিসি হোল্ডারের স্বার্থ রক্ষার জন্য গঠিত হয়েছে।
- কর্তৃপক্ষ 'জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বীমা শিল্পের পদ্ধতিগত উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।
- IDRA এর একটি চেয়ারম্যান এবং চারজন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত।

সূত্র - বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
১,৭৪৭.
সম্প্রতি, কোন শিল্পোন্নত দেশের সাথে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তির (ইপিএ) খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. চীন
  2. জাপান
  3. ভুটান
  4. ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি:
- সম্প্রতি, বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তির (ইপিএ) খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে।
- জাপানের সঙ্গে এই ইপিএ করার মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রথম কোনো উন্নত দেশের সঙ্গে চুক্তি করতে যাচ্ছে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ জাপানের জন্য ৯৭টি উপখাত উন্মুক্ত করতে রাজি হয়েছে।
- অন্যদিকে জাপান বাংলাদেশের জন্য ১২০টি উপখাত উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
- চুক্তি স্বাক্ষর হলে প্রথম দিন থেকেই বাংলাদেশের ৭ হাজার ৩৭৯টি পণ্য জাপানের বাজারে তাৎক্ষণিক শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার সুবিধা পাবে।
- অন্যদিকে জাপানের ১ হাজার ৩৯টি পণ্য বাংলাদেশের বাজারে তাৎক্ষণিক শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে।

তথ্যসূত্র- প্রথম আলো। [link]

১,৭৪৮.
বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক সরকারি ইপিজেড- 
  1. কর্ণফুলী ইপিজেড
  2. উত্তরা ইপিজেড
  3. ঈশ্বরদী ইপিজেড
  4. কুমিল্লা ইপিজেড
ব্যাখ্যা

• উত্তরা ইপিজেড: 
- এটি একমাত্র কৃষি ভিত্তিক সরকারি ইপিজেড।
- উত্তরা ইপিজেড নীলফামারী জেলার সদর উপজেলার সংগলশী ইউনিয়নে অবস্থিত।
- প্রতিষ্ঠা জুলাই, ১৯৯৯ এবং উদ্বোধন জুলাই, ২০০১।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হলো চট্টগ্রাম ইপিজেড,
- এটি ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- দ্বিতীয় ইপিজেড হলো ঢাকা ইপিজেড, এটি ঢাকার সাভারে অবস্থিত।
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ৮টি সরকারি ইপিজেড রয়েছে।
- যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড। 

উল্লেখ্য,
- দেশে নবম সরকারি ইপিজেড পটুয়াখালীতে নির্মিত হচ্ছে।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।

১,৭৪৯.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. ডিএসইসি
  3. বিএসইসি
  4. বাংলাদেশ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
স্টক এক্সচেঞ্জ:
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের পুঁজি বাজার পরিচালনা বা নিয়ন্ত্রণ করে বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ কিমিশন (বিএসইসি) বা Bangladesh Securities and Exchange Commission (BSEC).
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ দুইটি।
- একটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং অপরটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।
১,৭৫০.
প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় কোনটি?
  1. তুলা
  2. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম
  3. গম
  4. তৈল বীজ
ব্যাখ্যা
আমদানি পরিস্থিতি:
২০২২-২৩ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৫২,৭১৩.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, 
→ শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - সার।
→ প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - তুলা।
→ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ - গম।

উৎস: পরিসংখ্যান বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, জুলাই- ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত।
১,৭৫১.
'বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশনের আওতাধীন কতটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ৫টি
  2. ৯টি
  3. ৭টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান (জাতীয়করণ) অধ্যাদেশ ১৯৭২ (প্রেসিডেন্ট অর্ডার নং ২৭ অব ১৯৭২) অনুযায়ী বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন গঠন করা  হয়। 
- বর্তমানে আইনটি বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ আইন, ২০১৮ নামে অভিহিত। প্রারম্ভিক ভাবে বাংলাদেশ স্টীল মিলস্ করপোরেশন ও বাংলাদেশ প্রকৌশল ও জাহাজ নির্মাণ করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণাধীন ৬২টি শিল্প প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএসইসি কার্যক্রম শুরু করে। 
- পরে বিএসইসি নিজস্ব উদ্যোগে ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ ব্লেড ফ্যাক্টরী লিঃ প্রতিষ্ঠা করে। 
- বর্তমানে করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় ৯টি শিল্প প্রতিষ্ঠান চালু রয়েছে। 

• যেমন প্রতিষ্ঠানের নাম:
- প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ।
- জেনারেল ইলেকট্রিক ম্যানুঃ কোম্পানী লিঃ।
- ঢাকা স্টীল ওয়ার্কস লিঃ।
- ইস্টার্ন কেবলস লিঃ।
- ইস্টার্ন টিউবস লিঃ।
- গাজী ওয়্যারস লিঃ।
- ন্যাশনাল টিউবস লিঃ।
- এটলাস বাংলাদেশ লিঃ।
- বাংলাদেশ ব্লেড ফ্যাক্টরী লিঃ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন অফিসিয়াল ওয়েব সাইট।

১,৭৫২.
বর্তমানে বাংলাদেশের চামড়াজাত পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার কোন দেশ? (অক্টোবর ২০২৫)
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জার্মানি
  4. স্পেন
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত:
- তৈরি পোশাকের পর দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য। 
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৩৪ কোটি মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের তৈরি চামড়া ও চামড়াবিহীন জুতা এবং চামড়া পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র। 
- বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩৪ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৯ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। তার বাইরে ভারতে ৭ কোটি ১৯ লাখ, জাপানে ৫ কোটি ৬৩ লাখ ও বেলজিয়ামে ২ কোটি ৮২ লাখ ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়।
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের বাজার বিস্তারের জন্য ২০১৭ সালে ট্যানারি শিল্পের স্থানান্তর করা হয় সাভারের হেমায়েতপুরে।

উৎস: প্রথম আলো। [link]

১,৭৫৩.
বাংলাদেশের শীর্ষ আমদানি পণ্য কোনটি?
  1. ক) তুলা ও সুতা
  2. খ) মেশিনারিজ ও মূলধনী যন্ত্রপাতি
  3. গ) খনিজ তেল ও জ্বালানি পণ্য
  4. ঘ) দানাদার জাতীয় খাদ্যশস্য
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের শীর্ষ আমদানি পণ্যসমূহ:
- প্রথম : খনিজ তেল ও জ্বালানি পণ্য (৫০,৩৩৩ কোটি টাকা)
- দ্বিতীয় : তুলা ও সুতা ( ৪৯,০৫৫ কোটি টাকা)
- তৃতীয় : মেশিনারিজ ও মূলধনী যন্ত্রপাতি (৪১,০৬১ কোটি টাকা)।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)

১,৭৫৪.
বিলোনিয়া স্থল বন্দর কোথায় অবস্থিত?
  1. ফেনী
  2. সিলেট
  3. সুনামগঞ্জ
  4. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্যাখ্যা
• বিলোনিয়া স্থল বন্দর:
- বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত;
- ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলার বিলোনিয়া সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুহুরীঘাট এলসিএস রয়েছে;  
- ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখ বিলোনিয়া শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়; 
- ১৯ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখ বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়;
- রাজধানী ঢাকা হতে বিলোনিয়া স্থলবন্দরের দূরত্ব প্রায় ১৫৬ কি.মি.। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৭৫৫.
জিডিপিতে শিল্প খাতের অন্তর্ভুক্ত কোন খাতের অবদান সর্বোচ্চ?
  1. ক) খনিজ ও খনন
  2. খ) ম্যানুফ্যাকচারিং
  3. গ) বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা
  4. ঘ) পানি সরবরাহ
ব্যাখ্যা
• বৃহৎ শিল্পখাত জিডিপির ৫টি খাতের সমন্বয়ে গঠিত।
যথা:
খনিজ ও খনন,
ম্যানুফ্যাকচারিং,
বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা,
পানি সরবরাহ, এবং
নির্মাণ।
- এর মধ্যে জিডিপিতে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের অবদান সর্বোচ্চ।
- স্থির মূল্যে ২০২১-২২ অর্থবছরের জিডিপিতে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের অবদান দাঁড়িয়েছে ২৪.৪৫ শতাংশ, যা গত অর্থবছরে ছিল ২৩.৩৬ শতাংশ।
- অবদানের ক্ষেত্রে এটি অর্থনীতির সবচেয়ে বড় খাত।
- তবে বৃহৎ ৩টি খাতের মধ্যে হিসাব করলে (কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত), সেবাখাতের অবদান সবচেয়ে বেশি (৫১.৪৪%) ।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
১,৭৫৬.
যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিকৃত বাংলাদেশি পণ্যে ২০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক কার্যকর হয় কবে?
  1. ১ আগস্ট, ২০২৫
  2. ৭ আগস্ট, ২০২৫
  3. ১০ আগস্ট, ২০২৫
  4. ১৭ আগস্ট, ২০২৫
ব্যাখ্যা

মার্কিন শুল্ক:
- ৩য় দফা আলোচনার পর ৩১ জুলাই, ২০২৫ বাংলাদেশের পণ্যে ৩৫ শতাংশ পাল্টা শুল্ক কমিয়ে ২০ শতাংশ নির্ধারণ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- নতুন এই শুল্কহার ৭ আগস্ট, ২০২৫ থেকে কার্যকর হয়। 
- যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কমিশনের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ থেকে ৮৪৪ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করেছে দেশটি।
- এসব পণ্যের ওপর দেশটি শুল্ক আদায় করেছে ১২৭ কোটি ডলার।
- অর্থাৎ গত বছর বাংলাদেশের পণ্যে গড়ে শুল্কহার ছিল ১৫ শতাংশ।
- নতুন করে ২০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক যুক্ত হলে তা ৩৫ শতাংশে উন্নীত হবে।
- তবে পণ্যভেদে কার্যকর শুল্কহার ভিন্ন ভিন্ন হবে।

তথ্যসূত্র- বিবিসি।

১,৭৫৭.
একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার কোনটি? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. জার্মানি 
  2. ব্রিটেন 
  3. জাপান 
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক (১৫.৮৭%)।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি (১১.২১%)।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য (১০.৫২%)।
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
১,৭৫৮.
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) চাদঁপুর
  2. খ) চট্রগ্রাম
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় ইনস্টিটিউটের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
- প্রশাসনিকভাবে এটি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- পরিবেশ এবং মৎস্য সম্পদের প্রকৃতি অনুযায়ী দেশের ৫টি এলাকায় ইনস্টিটিউটের ৫টি গবেষণা কেন্দ্র ও ৫টি উপকেন্দ্র রয়েছে।
এগুলো হলো-
- ময়মনসিংহে অবস্থিত স্বাদুপানি কেন্দ্র।
- চাঁদপুরে অবস্থিত নদী কেন্দ্র।
- খুলনার পাইকগাছায় অবস্থিত লোনাপানি কেন্দ্র।
- কক্সবাজারে অবস্থিত সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র এবং
- বাগেরহাটে অবস্থিত চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র।

• উপকেন্দ্র ৫টি হলো:
- রাঙ্গামাটিতে কাপ্তাই লেক উপকেন্দ্র, সান্তাহারে প্লাবনভূমি উপকেন্দ্র, যশোরে স্বাদুপানি উপকেন্দ্র, পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায় অবস্থিত নদী উপকেন্দ্র এবং সৈয়দপুরে অবস্থিত স্বাদুপানি উপকেন্দ্র।
- ইনস্টিটিউটের গবেষণা কার্যক্রম এসব কেন্দ্র ও উপকেন্দ্রের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়ে থাকে।
- মৎস্য সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও উৎপাদন বৃদ্ধির আধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবন ইনস্টিটিউটের গবেষণা কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট
১,৭৫৯.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে কোন দেশ থেকে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. সৌদি আরব
  3. যুক্তরাজ্য
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে।
- ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র থেকে রেমিট্যান্স এসেছে দুই দশমিক নয় বিলিয়ন ডলার।

উল্লেখ্য,
- চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স আয়ের প্রধান উৎস ছিল যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও সৌদি আরব। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে—এ সময়ে শীর্ষ ৩০ দেশ থেকে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ১৫ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলার।
- ২০২৪ সালে দেশে মোট প্রায় ২৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের রেমিট্যান্স প্রবাহ আগের বছরের তুলনায় ২৩ শতাংশ বেশি।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) The Daily Star Bangla।
১,৭৬০.
বাংলাদেশের প্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় কোথায়?
  1. ক) বড়পুকুরিয়া
  2. খ) হরিপুর
  3. গ) রূপপুর
  4. ঘ) দাশিয়ারা
ব্যাখ্যা
হরিপুর তেলক্ষেত্র: 
-  বাংলাদেশে সর্বপ্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- ১৯৮৭ সনে এই তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরুর মাধ্যমে বাংলাদেশ তেলযুগে পদার্পন করে।
-  ১৯৯৪ সালের জুলাই মাস থেকে হরিপুর তেলক্ষেত্রে তেল উৎপাদন স্থগিত রয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৭৬১.
বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস্ করপোরেশন (BTMC) - এর অধীনস্ত বস্ত্র কারখানা/গার্মেন্টসের সংখ্যা কয়টি?
  1. ক) ২০
  2. খ) ২২
  3. গ) ২৫
  4. ঘ) ২৯
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস্ করপোরেশন (BTMC) - এর অধীনস্ত গার্মেন্টসের সংখ্যা - ২৫টি।
এর মধ্যে,
- ৮ টি ভাড়ায় পরিচালিত
- ৮ টি সাময়িকভাবে বন্ধ
- ৭ টি পুণঃ অধিগ্রহনকৃত
- ২ টি টেক্সটাইল পল্লী
উৎসঃ BTMC website.

১,৭৬২.
তামাবিল স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. সিলেট
  2. কুড়িগ্রাম
  3. চুয়াডাঙ্গা
  4. লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা
স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- হিলি স্থলবন্দর: হাকিমপুর, দিনাজপুর।
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- ভোমরা স্থলবন্দর: ভোমরা, সাতক্ষীরা সদর।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
১,৭৬৩.
বাংলাদেশের রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলসমূহের তদারকির দায়িত্বে নিয়োজিত কোন সংস্থা?
  1. SEC
  2. ΒΕΡΖΑ
  3. IDRA
  4. ΒΕΖΑ
ব্যাখ্যা

BEPZA:
- BEPZA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Export Processing Zone Authority অথবা বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ।
- বাংলাদেশের রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলগুলির (EPZ) তদারকির দায়িত্বে নিয়োজিত সংস্থা হলো বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা)।

⇒ বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) প্রধানমন্ত্রীর কার্যলয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা।
- বাংলাদেশ সরকার দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র বিমোচনের উদ্দেশ্যে শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশের লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) আইন ১৯৮০ (আইন নং-৩৬) এর মাধ্যমে "বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ" (বেপজা) গঠন করে।
- বেপজা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইপিজেড স্থাপনর্পবুক দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আনয়ন, বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং প্রযুক্তি আহরণের মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন তথা সরকারের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য পুরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
- ১৯৮৩ সালে BEPZA (Bangladesh Export processing Zone Authority) কর্তৃক সর্বপ্রথম ইপিজেড (EPZ) প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামে।

উৎস: BEPZA ওয়েবসাইট।

১,৭৬৪.
বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র কোন জেলায় অবস্থিত? 
  1. নোয়াখালী
  2. হবিগঞ্জ
  3. সিলেট
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
⇒ বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র:
- এটি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত।
- ১৯৬৯ সালে শেল অয়েল কোম্পানি এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে।
- ১৯৮৪ সালে এখান থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু হয় এবং ১৯৯৩ সালে এর উৎপাদন সর্বোচ্চে পৌঁছে (দৈনিক ১৯০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস)।
- তখন থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের চাপ ও উৎপাদনে দ্রুত পতন ঘটে।
- ২০০০ সালের শেষদিকে এখান থেকে প্রতিদিন মাত্র ৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে যে, বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রটি দ্রুত নিঃশেষ হয়ে যাবে।

উল্লেখ্য,
• কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র সিলেট জেলায় অবস্থিত।
• হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
• সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত।
• বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,৭৬৫.
বাংলাদেশে প্রথম ইপিজেড যাত্রা শুরু করে -
  1. ক) ১৯৭৯ সালে
  2. খ) ১৯৮০ সালে
  3. গ) ১৯৮২ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম ইপিজেড যাত্রা শুরু করে - ১৯৮৩ সালে।

• ইপিজেড:
- বাংলাদেশে ১৯৮০ সালে সংসদ প্রণীত একটি আইনের ভিত্তিতে ১৯৮৩ সালে প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ০৯ টি। 
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১ টি। 
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্রগ্রাম ইপিজেড।
- যাত্রা শুরু- ১৯৮৩ সালে।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড- ঢাকার সাভারে।
- বাংলাদেশে একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড - উত্তরা ইপিজেড। এটি নীলফামারীতে অবস্থিত
 
তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,৭৬৬.
সরকারি ও বেসরকারি উভয়ক্ষেত্রেই সবচেয়ে বেশি আমদানি করা খাদ্যশস্য কোনটি?
  1. ক) চাল
  2. খ) পেঁয়াজ
  3. গ) ভুট্টা
  4. ঘ) গম
ব্যাখ্যা
খাদ্যশস্য সংগ্রহ ও আমদানি

- ২০২১-২২ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে - ১৯.৫০ লক্ষ মেট্রিক টন (চাল১৮.৫০ লক্ষ মেট্রিক টন এবং গম ১.০০ লক্ষ মেট্রিক টন)।
- খাদ্যশস্যের মধ্যে সরকারিভাবে সবচেয়ে বেশি সংগ্রহ করা হয় - ধান/চাল।
- ২০২১-২২ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে সরকারিভাবে ১৩.৩৩ লক্ষ মেট্রিক টন (চাল ৭.৩২ লক্ষ মেট্রিক টন ও গম ৬.০১ লক্ষ মেট্রিক টন) খাদ্যশস্য আমদানির লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে (ফেব্রুয়ারি, ২০২২ পর্যন্ত) প্রকৃত খাদ্যশস্য আমদানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০.৫৯ লক্ষ মেট্রিক টন (চাল৬.৫১ লক্ষ মেট্রিক টন এবং গম ৪.০৮ লক্ষ মেট্রিক টন)।  
- বেসরকারি খাতে একই সময়ে আমদানির পরিমাণ ২৭.৬৯ লক্ষ মেট্রিক টন (চাল ৩.০৪ লক্ষ মেট্রিক টন এবং গম ২৪.৬৫ লক্ষ মেট্রিক টন)।   
- ফলে সার্বিকভাবে দেশে মোট খাদ্যশস্য আমদানির পরিমাণ ৩৮.২৮ লক্ষ মেট্রিক টন (চাল ৯.৫৫ লক্ষ মেট্রিক টন এবং গম ২৮.৭৩ লক্ষ মেট্রিক টন)।
- সরকারি ও বেসরকারি উভয়ক্ষেত্রেই সবচেয়ে বেশি আমদানি করা খাদ্যশস্য - গম

তথ্যসূত্র:- অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
১,৭৬৭.
২০২৪–২৫ অর্থবছরে, বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের কত শতাংশ ভারত থেকে আসে?
  1. ৩.৬৫%
  2. ৯.৩৪ %
  3. ১১.৪২ %
  4. ১৪.২২ %
ব্যাখ্যা

• ২০২৪–২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের ভারতে ১,৭৬৪.২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়েছে যা বিবেচ্য সময়ের মোট রপ্তানি আয়ের ৩.৬৫%।
- ভারতে রপ্তানিকৃত প্রধান পণ্য হলো পাট ও পাটজাতপণ্য (৫৩, ৬৩০৫১০) ,(২১১.২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার), ওভেন গার্মেন্টস্ (৬২) (৪২৮.৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার), নীটওয়‍্যার (৬১) (২১৫.৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার), কটন ও কটন প্রোডাক্টস (৫২) (২৯.৮৮ মি: মা: ড:), প্লাস্টিক দ্রব্যাদি (৩৯) (৫৬.৭২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) এবং চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য (৪১–৪৩, ৬৪০৩) (১০৮.১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
- বিগত বছরের একই সময়ের রপ্তানি আয় ১,৫৬৯.২৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ১২.৪৩% বেশি।

 উল্লেখ্য,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশী রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার।
- আমাদের রপ্তানি কার্যক্রম পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, বরাবরের মত আমাদের পণ্যের আমদানীকারক দেশ সমূহের তালিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে অবস্থান করছে।
- ২০২৪–২০২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৮,৬৯২.৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য যা উক্ত সময়ের মোট রপ্তানির ১৮.০০%। 

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

১,৭৬৮.
বাংলাদেশের সাথে PTA (Preferential Trade Agreement) সম্পাদনকারী দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ কোনটি?
  1. ভারত
  2. ভুটান
  3. নেপাল
  4. মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা
Preferential Trade Agreement:
- বাংলাদেশের সাথে PTA (Preferential Trade Agreement) সম্পাদনকারী দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ ভুটান।
- ৬ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখে ভুটানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত হয়েছে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি । 
- এ চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় পিটিএ এবং এফটিএ স্বাক্ষরের যাত্রা শুরু করে।
- এটি অবশ্য পুরোপুরি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নয়, বরং বলা যায় এফটিএর আগের ধাপ বা আংশিক এফটিএ।
- এ চুক্তির আওতায় এখন বাংলাদেশ ভুটানে ১০০টি পণ্যে ও ভুটান বাংলাদেশে ৩৪টি পণ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাচ্ছে।

উৎস: ৬ ডিসেম্বর ২০২০, প্রথম আলো।
১,৭৬৯.
ভোলার ইলিশা-১ বাংলাদেশের কততম গ্যাসক্ষেত্র?
  1. ২৮তম
  2. ২৯তম
  3. ৩০তম
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• গ্যাসক্ষেত্র:
- প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র হলো তিতাস গ্যাসক্ষেত্র।
- এটি ১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি কর্তৃক আবিস্কৃত হয়।
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯টি।
- সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- সর্বশেষ ভোলার ইলিশা-১ দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
১,৭৭০.
কোন জেলায় বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয়?
  1. সিলেট
  2. হবিগঞ্জ
  3. মৌলভীবাজার
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
চা ও চা বাগান:
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় চট্টগ্রামে।
- বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় ১৮৪০ সালে।
- সিলেটের মালনিছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান মৌলভীবাজার জেলায়।

তথ্যসূত্র- বিবিসি বাংলা, ২১ মে ২০১২, দৈনিক সমকাল, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ও বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
১,৭৭১.
বাংলাদেশে কোন মুক্ত বাণিজ্য এলাকা চুক্তি (FTA) এর সদস্য?
  1. SAFTA
  2. AFTA 
  3. SAPTA
  4. NAFTA 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে দক্ষিণ এশিয়া মুক্ত বাণিজ্য এলাকা  (South Asia Free Trade Area) (SAFTA)-র সদস্য।
- সাফটা (SAFTA) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ৬ জানুয়ারি, ২০০৪ সালে ইসলামাবাদ, পাকিস্তান।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১ জানুয়ারি, ২০০৬ সালে।
- মোট সদস্য দেশ ৮টি : বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, ভুটান, ভারত, ও নেপাল।

অন্যদিকে,
⇒ ASEAN Free Trade Area (AFTA ) হলো আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সাক্ষরিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- ১৯৯২ সালের ২৮ জানুয়ারি চতুর্থ আসিয়ান সামিটে AFTA চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি কার্যকর হয়।

⇒ NAFTA এর পূর্ণরূপ The North American Free Trade Agreement.
- এটি হলো উত্তর আমেরিকা অঞ্চলের তিনটি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- ২০১৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর NAFTA চুক্তির স্থলে USMCA (The United States-Mexico-Canada Agreement) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। যার কারণে NAFTA চুক্তি বর্তমানে অস্তিত্বশীল নয়।

উৎস: SAARC ও আসিয়ান ওয়েবসাইট।

১,৭৭২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুসারে, বর্তমানে বাংলাদেশে কয়টি ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে?
  1. ৫১টি
  2. ৫২টি
  3. ৫৩টি
  4. ৫৪টি
ব্যাখ্যা
ঔষধ শিল্প:
- স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ঔষধ প্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল।
- ফলে অনেক উচ্চ মূল্যে জনগণকে ঔষধ ক্রয় করতে হতো।
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮% ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়।
- বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ঔষধ আমদানিকারক দেশ হতে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশে ৫৪টি ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এরা বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ রপ্তানি করছে ১৫৭টি দেশে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১,৭৭৩.
স্থলবন্দর ‘বিরল‘ অবস্থিত -
  1. নাটোর
  2. দিনাজপুর
  3. সাতক্ষীরা
  4. যশোর
ব্যাখ্যা
• বিরল স্থলবন্দর:
- দিনাজপুরের বিরল উপজেলার ভান্ডারা ইউনিয়নের পাকুড়া মৌজায় এ স্থলবন্দরের অবস্থান।
- এই স্থলবন্দর বাংলাদেশের একমাত্র স্থলবন্দর, যা ব্যবহার করে একই সঙ্গে রেল ও সড়কপথে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত ও নেপালে পণ্য আমদানি-রফতানি করা যাবে।
- বন্দরের বাংলাদেশ অংশে রয়েছে দিনাজপুরের বিরল উপজেলা ও ভারত অংশে রয়েছে উত্তর দিনাজপুরের রাধিকাপুর।

তথ্যসূত্র: দিনাজপুর জেলার ওয়েবসাইট।
১,৭৭৪.
বাংলাদেশে প্রথম PTA স্বাক্ষর করে কোন দেশের সাথে?
  1. নেপাল
  2. ভুটান
  3. শ্রীলংকা
  4. ভারত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি:
- ২০২০ সালে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ভুটানের সাথে একটি অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (Preferential Trade Agreement - PTA) স্বাক্ষর করে। 
- ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ভুটানের স্বীকৃতি দেওয়া দিনটিকে শুল্কমুক্ত বাজারসুবিধা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে দুই দেশ অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের দিন হিসেবে বেছে নেয়।
- এই চুক্তি অনুযায়ী ভুটান ১০০টি বাংলাদেশি পণ্য রফতানিতে শুল্ক সুবিধা দেয়।
- ভুটানের ৩৪টি পণ্য বাংলাদেশে রফতানিতে একই ধরনের শুল্ক ছাড় পায়।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৭৭৫.
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ২০১৫
  2. খ) ২০১৬
  3. গ) ২০১৯
  4. ঘ) ২০১৮
ব্যাখ্যা
- Bangladesh Investment Development Authority (BIDA) বা বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- BIDA’র চেয়ারম্যান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
- এটির কাজ হলো বেসরকারি বিনিয়োগ বিশেষত বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন সুবিধাদি প্রদান করা।

(সূত্রঃ বেপজা ওয়েবসাইট)