বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

মোট প্রশ্ন১,৭৮৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

PrepBank · পাতা ১৬ / ১৮ · ১,৫০১১,৬০০ / ১,৭৮৪

১,৫০১.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে মোট কত বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি হয়েছে? 
  1. ৬৫ বিলিয়ন
  2. ৬১ বিলিয়ন
  3. ৬০ বিলিয়ন
  4. ৫৫ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা

- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে মোট ৬১ বিলিয়ন বা ৬ হাজার ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি হয়েছে, 
- যা  ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চেয়ে ৭ শতাংশ কম।
- ২০২৩-২৪  অর্থবছরে আমদানি হয়েছিল ৬ হাজার ৫১৪ কোটি ডলারের পণ্য।
- এনবিআরের তথ্যভান্ডার অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রপ্তানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল, দেশীয় শিল্পের কাঁচামাল, মূলধনি যন্ত্রপাতিসহ দেশে প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত হয়, এ রকম অনেক পণ্য আমদানি হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো। [লিঙ্ক]

১,৫০২.
দেশে বর্তমানে কোন দেশ থেকে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এসেছে?
  1. সৌদি আরব
  2. যুক্তরাজ্য
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা

সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়:
- দেশে বর্তমানে সৌদি আরব থেকে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এসেছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট ১ হাজার ৩০৩ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। 

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের জুলাই-নভেম্বর সময়ে সৌদি আরব থেকে সর্বোচ্চ ২০৫ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।
- যুক্তরাজ্য থেকে ১৬৭ কোটি,
- সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ১৫৮ কোটি,
- মালয়েশিয়া ১৪৩ কোটি এবং
- যুক্তরাষ্ট্র ১০৩ কোটি ডলার এসেছে।

⇒ একই সময়ে ইতালি থেকে ৮৩ কোটি, ওমান থেকে ৭৭ কোটি, কুয়েত থেকে ৬৪ কোটি, কাতার থেকে ৫৯ কোটি ও সিঙ্গাপুর থেকে ৫৫ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো। [link]

১,৫০৩.
বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা (বিওএফ) কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. গাজীপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা (বিওএফ):
- বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনের একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- এই শিল্প প্রতিষ্ঠানটি ঢাকার অদূরে গাজীপুর জেলার চতর মৌজার ৩০৩.১৪ একর জমির উপর অবস্থিত।
- চীনের কারিগরী সহযোগিতায় কারখানাটি ১৯৭০ সালের ০৬ এপ্রিলে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৭ সালে কারখানাটি নিয়মিত উৎপাদনের জন্য চালু হয়। 
- দেশের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে সামরিক ও আধা সামরিক বাহিনীর চাহিদা পূরণ করে উদ্বৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ রপ্তানিকরণ এ প্রতিষ্ঠানের মূল কর্মপরিধি।

তথ্যসূত্র - প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১,৫০৪.
২০২৪–২৫ অর্থবছরের জুলাই- ডিসেম্বর মাসে নিচের কোন খাত সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে?
  1. তৈরি পোশাক
  2. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  3. প্লাস্টিক পণ্য
  4. চামড়াবহির্ভূত জুতা
ব্যাখ্যা
রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি: ২০২৪–২৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাস
- চামড়াবহির্ভূত জুতা বৈশ্বিক বাজারে চাহিদা বাড়ছে।
- বাংলাদেশ এই খাতে ধীরে ধীরে চীনের পর বৈশ্বিক বাজারে অবস্থান মজবুত করছে।

প্রধান খাতের পারফরম্যান্স:
তৈরি পোশাক:
রপ্তানি আয়: ১,৯৮৯ কোটি ডলার।
প্রবৃদ্ধি: ১৩.২৮%।

চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য:
রপ্তানি আয়: ৫৮ কোটি ডলার।
প্রবৃদ্ধি: ১০.৫%।

হিমায়িত মৎস্য:
রপ্তানি আয়: সাড়ে ২৪ কোটি ডলার।
প্রবৃদ্ধি: ১৩%।

প্লাস্টিক পণ্য:
রপ্তানি আয়: ১৬ কোটি ডলার।
প্রবৃদ্ধি: ৩০%।

চামড়াবহির্ভূত জুতা:
রপ্তানি আয়: সাড়ে ২৭ কোটি ডলার।
প্রবৃদ্ধি: ৩৯%।

বিশেষায়িত বস্ত্রপণ্য:
রপ্তানি আয়: সাড়ে ১৯ কোটি ডলার।
প্রবৃদ্ধি: ২৩%।

উৎস: প্রথম আলো (৩ জানুয়ারি ২০২৫)। (লিঙ্ক)
১,৫০৫.
বাংলাদেশ রেলওয়ের সর্ববৃহৎ কারখানাটি কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. সৈয়দপুর
  3. গাজীপুর
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ রেলওয়ের কারখানা সমূহ:

• সৈয়দপুর (১টি):
- সবচেয়ে বড় কারখানা।
- এখানে উভয় গেজের রেলকোচ ও ওয়াগনের বড় মেরামত করা হয়।
- নতুন রেলকোচ ও ওয়াগন সন্নিবেশ করা হয়।

• পাহাড়তলী (২টি):
- একটি কারখানায় মিটারগেজ রেলযান ও ওয়াগন মেরামত ও সমাবেশ করা হয়।
- অন্যটিতে মিটারগেজ ডিজেল ইলেকট্রিক রেল ইঞ্জিন মেরামত করা হয়।
-
• পার্বতীপুর (২টি):
- ১৯৯২ সালে কেন্দ্রীয় ডিজেল কারখানা স্থাপিত হয়।
- এখানে ডিজেল রেল ইঞ্জিনের বড় মেরামত ও ওভারহলিং করা হয়।
- অন্য কারখানায় ব্রডগেজ ডিজেল রেল ইঞ্জিনের সাধারণ মেরামত করা হয়।

• ঢাকা (১টি):
- এখানে মিটারগেজ রেল ইঞ্জিনের সাধারণ মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া। (লিংক)

১,৫০৬.
দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড কারখানা?
  1. কুমিল্লা হার্ডবোর্ড মিল
  2. খুলনা হার্ডবোর্ড মিল
  3. চট্রগ্রাম হার্ডবোর্ড মিল
  4. রংপুর হার্ডবোর্ড মিল
ব্যাখ্যা
- খুলনা হার্ডবোর্ড মিল দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড কারখানা।
- এটি ১৯৬৫ সালে খুলনা জেলার খালিশপুরে কানাডীয় সরকারি সাহায্য সংস্থার সহায়তায় স্থাপিত হয়।
- এটিতে কাঁচামাল হিসেবে ‍সুন্দরবনের সুন্দরী কাঠ ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: বিসিআইসি ওয়েবসাইট। 
১,৫০৭.
ঘোড়াশাল সার কারখানার প্রধান উৎপাদিত সারের নাম কী?
  1. ডিএপি
  2. ইউরিয়া
  3. পটাশ
  4. টিএসপি
ব্যাখ্যা
ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা হলো ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
- এটি নরসিংদীতে অবস্থিত।
- দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ১৯৭০ সালে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় বার্ষিক ৩,৪০,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিঃ এবং ১৯৮৫ সালে বার্ষিক ৯৫,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১২ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে উদ্বোধনী ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব, জ্বালানি সাশ্রয়ী ও আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক এ কারখানার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- সার উৎপাদনের ক্ষমতা: বার্ষিক ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন।
- নির্মাণ ব্যয়: ১৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
- কারখানাটির দৈনিক সার উৎপাদন হবে ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা, যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্লু গ্যাস থেকে পরিবেশদূষণকারী আহরণ করা হবে এবং ক্যাপচার করা কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে ইউরিয়া সারের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে (প্রায় ১০ শতাংশ)।
- এটি দেশে ‘অত্যাধুনিক, শক্তি সাশ্রয়ী ও সবুজ’ সার কারখানা, যা ইউরিয়া সারের আমদানি কমিয়ে দেবে এবং কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে।

তথ্যসূত্র: i) প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১,৫০৮.
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA)-এর নিয়ন্ত্রক কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. অর্থমন্ত্রী
  3. শিল্পমন্ত্রী
  4. স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
BIDA:
- BIDA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Investment Development Authority বা বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।
- এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ একটি প্রতিষ্ঠান।
- এর নিয়ন্ত্রক প্রধানমন্ত্রী/ প্রধান উপদেষ্টা।
- গঠিত হয়: ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।
- কাজ: বেসরকারি বিনিয়োগ বিশেষত বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং বিনিয়োগ কারীদের বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করে থাকে।

উৎস: BIDA ওয়েবসাইট।
১,৫০৯.
কেরু এন্ড কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত? 
  1. খুলনা
  2. রংপুর
  3. চুয়াডাঙ্গা
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

• কেরু এন্ড কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড:
- কেরু অ্যান্ড কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড হলো দেশের বৃহত্তম চিনিকল।
- আয়তন ও উৎপাদন ক্ষমতার দিক থেকে এটি এশিয়ার বৃহত্তম চিনিকল হিসেবেও পরিচিত।
- বাংলাদেশে এটি ১৯৩৮ সালে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি একটি বৃহৎ শিল্প কমপ্লেক্স, যা চিনি কারখানা, ডিস্টিলারি, বাণিজ্যিক খামার এবং জৈব সারকারখানা নিয়ে গঠিত। 
- এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন এর মালিকানাধীন।

উৎস: বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন। 

১,৫১০.
বাংলাদেশ কোন ‍উৎস থেকে সর্বাধিক রপ্তানি আয় করে থাকে?
  1. শাক সবজি
  2. হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ
  3. চমড়া
  4. তৈরি পোশাক
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ’তৈরি পোশাক’ থেকে সর্বাধিক রপ্তানি আয় করে থাকে।

- প্রধান প্রধান পণ্যের রপ্তানি অবস্থাঃ
→ নীট পোষাক খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ২১১৫৯.০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৪৩.৮২%।

→ ওভেন পোষাক খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ১৮১৮৭.৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৩৭.৬৭%।

→ হোম টেক্সটাইল খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ৮৭১.৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ১.৮১%।

→ চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ১১৪৫.০৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ২.৩৭%।

→ হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ৪৪১.৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ০.৯১%।

→ কৃষিজাত পণ্য খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ১০০৬.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ২.০৯%।

উৎস: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, রপ্তানি পরিসংখ্যান।

১,৫১১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জ্বালানি উৎস কোনটি?
  1. ক) ফার্নেস অয়েল
  2. খ) কয়লা
  3. গ) ডিজেল
  4. ঘ) গ্যাস
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জ্বালানি উৎস: 
গ্যাস - ৫১.৩৫%
ফার্নেস অয়েল - 27.86%
কয়লা - ৮.০১% 
ডিজেল – ৫.৮৫%
 বিদ্যুৎ আমদানি – ৫. 26%
জলবিদ্যুৎ – ১.০৪%
নবায়নযোগ্য জ্বালানি - ১.০৪%

• বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালিকানা:
সরকারি - ৪৫%
বেসরকারি - ৪৪% 
যৌথ উদ্যোগ – ৬% 
আমদানি - ৫%

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
১,৫১২.
দেশের প্রথম সার কারখানা-
  1. যমুনা সার কারখানা
  2. ফেনী সার কারখানা
  3. ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা
  4. গোবিন্দগঞ্জ সার কারখানা
ব্যাখ্যা
ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা: 
- ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ এটি এশিয়ার প্রথম সার কারখানা।
- ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা অবস্থিত।
- দেশের প্রথম সার কারখানা হচ্ছে ফেঞ্চুগঞ্জ সারকারখানা।
- এই কারখানাটি ১৯৬১ সালে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইগাঁও ইউনিয়নের অবস্থিত।

উৎস: সিলেট জেলার ওয়েবসাইট।
১,৫১৩.
প্রথম স্থাপিত পাটকল কোনটি?
  1. ক) আদমজী জুট মিল
  2. খ) আমিন জুট মিল
  3. গ) গুল আহম্মদ জুট মিল
  4. ঘ) স্টার জুট মিল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ভূখণ্ডে স্থাপিত প্রথম পাটকল হলো আদমজী জুটমিল। এটি ১৯৫১ সালে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে স্থাপিত হয়। এটি এক সময় বিশ্বের বৃহত্তম পাটকল ছিলো।
দেশ স্বাধীনের পর ক্রমাগত লোকসানের কারণে ২০০২ সালের ৩০ জুন তৎকালীন সরকার আদমজী পাটকল বন্ধ করে দেয়। পরবর্তীতে ২০০৬ সালে আদমজী জুটমিলের জায়গায় ২৪৫ একর জমির উপর আদমজী ইপিজেড প্রতিষ্ঠা করা হয়।
(সূত্রঃ মাধ্যমিক ভূগোল ও বাংলাপিডিয়া)
১,৫১৪.
ট্রিপল সুপার ফসফেট সার কারখানাটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ডেমরা
  2. আশুগঞ্জ
  3. ঘোড়াশাল
  4. চট্রগ্রাম
ব্যাখ্যা
সার কারখানা:
- ট্রিপল সুপার ফসফেট সারই টিএসপি সার নামে পরিচিত। এতে সর্বাধিক পরিমাণ ফসফেট পাওয়া যায়।
- টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ, উত্তর পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম দেশের একমাত্র ফসফেটিক সার কারখানা।
- টিএসপি কমপেস্নক্স লিঃ এর স্থাপনা তৎদকালীন পূর্ব-পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি’র) সময়ে আরম্ভ হলেও ১৯৭৬ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উত্‍পাদন ক্ষমতা ১,০০,০০০ মেট্রিক টন।

উৎস : www.bcic.gov.bd
১,৫১৫.
বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে পণ্য রপ্তানিতে কোন প্রতিষ্ঠান শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. হা-মীম গ্রুপ
  2. ইয়াংওয়ান করপোরেশন
  3. ডিবিএল গ্রুপ
  4. মণ্ডল গ্রুপ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ থেকে পণ্য রপ্তানিতে:
- বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে পণ্য রপ্তানিতে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানি ইয়াংওয়ান করপোরেশন।
- দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্যোক্তা কিহাক সাংয়ের মালিকানাধীন ইয়াংওয়ান করপোরেশন।
- সর্বশেষ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটি ৯৭ মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। 
- ইয়াংওয়ানের রপ্তানির ৯৪ শতাংশই তৈরি পোশাক। তৈরি পোশাক ছাড়াও জুতা, হাতব্যাগ, কৃত্রিম তন্তুর কাপড় ইত্যাদি রপ্তানি করে গ্রুপটি। 

⇒ দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে দেশীয় ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি এ কে আজাদের মালিকানাধীন হা-মীম গ্রুপ। ইয়াংওয়ান ও হা-মীম ছাড়াও রপ্তানিতে সেরা দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় থাকা বাকি আট শিল্প গ্রুপ হচ্ছে মণ্ডল গ্রুপ, ডিবিএল গ্রুপ, অনন্ত, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ, স্কয়ার গ্রুপ, পলমল গ্রুপ, প্যাসিফিক জিনস গ্রুপ ও মাইক্রো ফাইবার গ্রুপ।

⇒ সেরা দশে থাকা নয়টি শিল্প গ্রুপের রপ্তানির ৯০ থেকে ১০০ শতাংশই তৈরি পোশাক। এই তালিকায় ব্যতিক্রম শুধু প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ। কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য থেকে শুরু করে জুতা, আসবাব, প্লাস্টিক ও হালকা প্রকৌশল পণ্য—প্রায় সবই আছে শিল্প গ্রুপটির রপ্তানির তালিকায়।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ২০২৪-২৫ অর্থবছরের রপ্তানি পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে প্রথম আলো বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের শীর্ষ ১০ শিল্পগোষ্ঠীর এই তালিকা তৈরি করেছে। 
- এনবিআরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশ থেকে মোট ৪৬ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন বা ৪ হাজার ৬৫৭ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে শীর্ষ দশ গ্রুপের সম্মিলিত রপ্তানির পরিমাণ ৫ দশমিক ২৫ বিলিয়ন বা ৫২৫ কোটি মার্কিন ডলার, যা মোট রপ্তানির ১১ শতাংশ।

উৎস: প্রথম আলো।

১,৫১৬.
Currently How many gas fields are there in Bangladesh?
  1. ক) 27
  2. খ) 28
  3. গ) 29
  4. ঘ) 30
ব্যাখ্যা
• গ্যাসক্ষেত্র:
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৮টি
- সর্বশেষ সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- গত ৯ আগস্ট নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড এক্সপ্লোরেশন কোম্পানি (বাপেক্স) এটি আবিষ্কার করে।
- ক্ষেত্রটিতে ৬,৮০০ কোটি ঘনফুট গ্যাস রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দৈনিক এই ক্ষেত্র থেকে ১ কোটি ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো
১,৫১৭.
BSEC-এর প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কে?
  1. প্রধান উপদেষ্টা
  2. মহাপরিচালক
  3. পরিচালক
  4. চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
BSEC:
- BSEC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বিএসইসি।
- ৮ জুন, ১৯৯৩ তারিখে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ -এর অধীনে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসাবে বিএসইসি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এ সংস্থা সরকারের সহযোগিতায় তার কর্মপরিধির আওতায় পুঁজিবাজারের সামগ্রিক উন্নয়ন তথা একটি স্বয়ংক্রিয়, টেকসই ও উন্নত পুঁজিবাজার প্রতিষ্ঠার প্রয়াস অব্যাহত রেখেছে।
- কমিশনের উদ্দেশ্য হলো গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা।
- কমিশন একজন চেয়ারম্যান ও চারজন কমিশনার নিয়ে গঠিত এবং চেয়ারম্যান কমিশনের প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- বাজার নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয় বিধি প্রণয়ন এবং সে মোতাবেক বাজার তদারকি করা কমিশনের সার্বিক দায়িত্ব।
- কমিশন একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত।
- BSEC ২২ ডিসেম্বর ২০১৩ সাল থেকে আন্তর্জাতিক সিকিউরিটিজ কমিশন (IOSCO) এর 'A' ক্যাটাগরির সদস্য।

⇒ BSEC-এর চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ।

উৎস: BSEC ওয়েবসাইট।
১,৫১৮.
When was Petro Bangla Formed?
  1. 1972
  2. 1973
  3. 1974
  4. 1975
  5. 1976
ব্যাখ্যা
পেট্রোবাংলা:
- পেট্রোবাংলা সরকারি মালিকানাধীন বাংলাদেশের জাতীয় তেল কোম্পানি।
- এটি বাংলাদেশে খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস অনুসন্ধান, উত্তোলন, পরিশোধন, ও বাজারজাতকরণের কাজ করে।
- এছাড়াও কোম্পানিটি বাংলাদেশে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস অনুসন্ধান এবং উন্নয়নে আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানিসমূহের সাথে উৎপাদন অংশীদারি চুক্তি করে থাকে। 
- ২৬ মার্চ, ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ২৭-এর মাধ্যমে দেশের তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ খনিজ, তেল ও গ্যাস করপোরেশন (বিএমওজিসি) গঠিত হয়।
- বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে বাংলাদেশ খনিজ, তৈল ও গ্যাস করপোরেশন (বিএমওজিসি)-কে বাংলাদেশ তৈল ও গ্যাস করপোরেশন (বিওজিসি) নামে পুনর্গঠন করা হয় এবং ১৯৭৪ সালের ২২ আগস্ট রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ১৫ এর মাধ্যমে বিওজিসি’কে ‘পেট্রোবাংলা’ নামে সংক্ষিপ্ত নামকরণ করা হয়।
- উদ্দেশ্য: টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য জ্বালানি সরবরাহ করা এবং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা বজায় রাখা/নিশ্চিত করা। 

উৎস: i) বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ কর্পোরেশন (পেট্রোবাংলা) ওয়েবসাইট।
১,৫১৯.
BEPZA কোনটির অধীনে?
  1. ক) শিল্প মন্ত্রণালয়
  2. খ) পরিকল্পনা কমিশন
  3. গ) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা

- BEPZA (Bangladesh Export Processing Zones Authority) ১৯৮০ সালে গঠিত হয়।
- এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটির কাজ হলো দেশের সম্ভাবনাময় স্থানে রপ্তানী প্রক্রিয়াকরণ এলাকা প্রতিষ্ঠা, ব্যবস্থাপনা ও বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা।
- বেপজার অধীনে বর্তমানে দেশে ৮টি সরকারি ইপিজেড রয়েছে।
উৎসঃ বেপজা ওয়েবসাইট।

১,৫২০.
বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে অপ্রচলিত সবচেয়ে বড় বাজার কোনটি? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. জাপান
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
পোশাক রপ্তানি ২০২৪-২৫:
- চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) অপ্রচলিত বা নতুন বাজারে ৫১২ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে।
- বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে অপ্রচলিত সবচেয়ে বড় বাজার জাপান।
- জাপানে রপ্তানি হয়েছে ৯৬ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক। এ রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি।
- দ্বিতীয় বড় বাজার অস্ট্রেলিয়ায় চলতি অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে ৬৫ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে।
- ভারত বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের তৃতীয় শীর্ষ নতুন বাজার।
- নতুন বাজারের মধ্যে রাশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) তৈরি পোশাক রপ্তানি কমেছে।

উল্লেখ্য,
- অপ্রচলিত বা নতুন বাজার বলতে এমন দেশ বা অঞ্চলকে বোঝানো হয়, যেগুলো প্রচলিতভাবে কোনো দেশের পণ্য বা সেবার প্রধান ক্রেতা ছিল না, কিন্তু বর্তমানে যেসব দেশে রপ্তানি বাড়ছে বা রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
- প্রচলিত বাজার হিসেবে ২৭ জাতির জোট ইইউ, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাকে গণ্য করা হয়।
- এর বাইরে সব দেশকে অপ্রচলিত বাজার হিসেবে গণ্য করা হয়। জাপান, অস্ট্রেলিয়া, চীন, ভারত ও তুরস্ক অপ্রচলিত শ্রেণিতে উল্লেখযোগ্য নাম।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
১,৫২১.
BRTA কোন ধরনের লাইসেন্স প্রদান করে?
  1. পাসপোর্ট
  2. ড্রাইভিং লাইসেন্স
  3. ব্যবসা লাইসেন্স
  4. জাতীয় পরিচয়পত্র
ব্যাখ্যা
BRTA:
- BRTA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Road Transport Authority বা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ।
- Bangladesh Road Transport Authority ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করে।

উল্লেখ্য,
- ড্রাইভিং লাইসেন্সের পূর্বশর্ত হলো লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স।
- ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনকারীর ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা ৮ম শ্রেণী পাশ।
- অপেশাদার এর জন্য ন্যূনতম ১৮ বছর এবং পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর জন্য বয়স ন্যূনতম ২১ বছর হতে হবে।
- মানসিক ও শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে হবে।

উৎস: BRTA ওয়েবসাইট।
১,৫২২.
পায়রা সমুদ্র বন্দর কোন চ্যানেলে অবস্থিত?
  1. গাবখান চ্যানেল
  2. রামনাবাদ চ্যানেল
  3. কর্ণফুলী চ্যানেল
  4. পশুর চ্যানেল
ব্যাখ্যা
পায়রা সমুদ্র বন্দর:
- বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর ‘পায়রা বন্দর'।
- পায়রা সমুদ্র বন্দর পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ চ্যানেল সংলগ্ন আন্ধারমানিক নদীর পাড়ের টিয়াখালী ইউনিয়নের ইটবাড়িয়ায় অবস্থিত।

⇒ ‘পায়রা বন্দর' পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া, বালিয়াতলী, ধূলাসার, ধানখালী ও টিয়াখালী ইউনিয়নের অনত্মর্গত রাবনাবাদ চ্যানেলের পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
- শিপিং-বান্ধব বিস্মীর্ণ এলাকা হিসেবে এটি সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য প্রাকৃতিকভাবেই উপযুক্ত একটি অঞ্চল।
- ১৩ আগস্ট, ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পায়রা বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
- এ উদ্বোধনের দ্বারা বাংলাদেশের আমদানি- রপ্তানি বাণিজ্য তথা দেশের সার্বিক উন্নয়নে নতুন মাইল ফলক রচিত হবে বলে আশা করা যায়।
- ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ এই প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
- এটি বঙ্গোপসাগরের কাছে রামনাবাদ চ্যানেলে অবস্থিত।

উৎস: পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ।
১,৫২৩.
নিচের কোনটি অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্য?
  1. ক) পাটজাত পণ্য
  2. খ) চামড়াজাত পণ্য
  3. গ) ঔষধ
  4. ঘ) হস্তশিল্পজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
যেসব রপ্তানি পণ্যের কাঁচামালের যোগান স্থানীয় উৎস থেকে অথবা যেসব পণ্যের মূল্য সংযোজনের পরিমাণ ৭০% বা তার বেশি সেগুলো হলো প্রচলিত রপ্তানি পণ্য।
এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে:
- পাট ও পাটজাত পণ্য
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
- শাকসবজি
- তাঁত ও হস্তশিল্পজাত পণ্য
- চা
- মাছ
- ফল
- চিংড়ি প্রভৃতি।

অন্যদিকে, যেসব রপ্তানি পণ্যের মূল্য সংযোজনের পরিমাণ ৭০% এর কম সেগুলোকে অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্য ধরা হয়।
এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে:
- বাইসাইকেল
- ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য
- পেট্রোলিয়াম উপজাত
- ঔষধ
- রাসায়নিক সার
- কসমেটিকস
- হোম টেক্সটাইল
- ওভেন গার্মেন্টস
- কটন প্রোডাক্টস প্রভৃতি।

(সূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
১,৫২৪.
বাংলাদেশের কোন পাহাড়ে ইউরেনিয়াম পাওয়া যায়?
  1. ক) তাজিংডং পাহাড়
  2. খ) হাফং পাহাড়
  3. গ) জেব্রা পাহাড়
  4. ঘ) হাড়গাছা পাহাড়
ব্যাখ্যা
- মৌলভীবাজার জেলার হাড়গাছা পাহাড়ে ইউরেনিয়াম পাওয়া যায়।
- ইউরেনিয়াম আকরিক প্রধানত পারমাণবিক চুল্লিতে শক্তি ও পারমাণবিক বোমা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে জন্য ইউরেনিয়াম আকরিক কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহৃত হয়
- বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া হতে টেকনাফ পর্যন্ত বির্স্তীণ উপকূলীয় অঞ্চলের মাটিতে তেজস্ক্রিয় বালু পাওয়া যায়।
 
উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, ভূগোল দ্বিতীয় পত্র; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫২৫.
'বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান ২০২৩' অনুসারে, পোশাক রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান ২০২৩:

- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) কর্তৃক 'বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান ২০২৩' প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
- শিরোনাম: ‘ওয়াল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩: কি ইনসাইটস অ্যান্ড ট্রেন্ডস’।
- প্রকাশিত হয়: আগস্ট, ২০২৪।

⇒ প্রতিবেদন অনুযায়ী -
- বৈশ্বিক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ: চীন;
- বৈশ্বিক আমদানিতে শীর্ষ দেশ: যুক্তরাষ্ট্র;
- বস্ত্র রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ: চীন;
- বস্ত্র আমদানীতে শীর্ষ দে:শ যুক্তরাষ্ট্র;
- পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ: চীন;
- পোশাক আমদানীতে শীর্ষ দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য,
- পোশাক রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ২য়।

উৎস: WTO ওয়েবসাইট।
১,৫২৬.
২০২৪–২০২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট রপ্তানির কত শতাংশ ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে আয় করা হয়?
  1. ৪৩.২৯%
  2. ৪৬.২৯%
  3. ৪৪.২৯%
  4. ৪০.২৯%
ব্যাখ্যা

⇒ ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরের (জুলাই–জুন) সময়ে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের প্রধান বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায় যে, মাত্র চারটি বাজার থেকে মোট রপ্তানির একটি বড় অংশ অর্জিত হয়েছে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ২১,৩৮৪.১৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা মোট রপ্তানি আয়ের ৪৪.২৯%।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৮,৬৯২.৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা মোট রপ্তানি আয়ের ১৮.০০%।
- কানাডা থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ১,৪৬৩.৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা মোট রপ্তানি আয়ের ৩.০৩%।
- জাপান থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ১,৪১১.৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা মোট রপ্তানি আয়ের ২.৯২%।
- উপরোক্ত চারটি বাজার থেকে সর্বমোট রপ্তানি আয় হয়েছে ৩২,৯৫১.৮৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এ আয় উক্ত সময়ের বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৬৮.২৫% প্রতিনিধিত্ব করে।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

১,৫২৭.
বিগত ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের রপ্তানির সবচেয়ে বড় বাজার ছিল কোন দেশ?
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. জার্মানি
  3. স্পেন
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের রপ্তানির সবচেয়ে বড় বাজার:
- বিগত ২০২৪–২৫ অর্থবছরে দেশ হিসেবে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার ছিল যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৭.৫৪ বিলিয়ন ডলার (১৯.১৮ শতাংশ)। যুক্তরাজ্যে রপ্তানিতে ৩.৬৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
-  বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত দেশের তৈরি পোশাকের দেশ ভিত্তিক রপ্তানি হিসাব অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এ খাতের সবচেয়ে বড় বাজার হিসেবে অবস্থান করছে। ইউরোপীয় বাজারে বাংলাদেশের আরএমজি রপ্তানি হয়েছে ১৯.৭১ বিলিয়ন ডলার যা দেশে মোট আরএমজি রপ্তানির ৫০.১০ শতাংশ।

⇒ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের হিসাবে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ২০১টি দেশ ও অঞ্চলে মোট ৪,৬৫৭ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই রপ্তানির প্রায় ১৯ শতাংশের গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয় ৭৫৮ কোটি ৫০ লাখ ডলারের।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি খাতে ৮.৮৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এ সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৯.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ইউরোপের মধ্যে জার্মানি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার, যেখানে রপ্তানি হয়েছে ৪.৯৫ বিলিয়ন ডলার। এরপর রয়েছে স্পেন (৩.৪০ বিলিয়ন ডলার), ফ্রান্স (২.১৬ বিলিয়ন ডলার), নেদারল্যান্ডস (২.০৯ বিলিয়ন ডলার), পোল্যান্ড (১.৭০ বিলিয়ন ডলার), ইতালি (১.৫৪ বিলিয়ন ডলার) এবং ডেনমার্ক (১.০৪ বিলিয়ন ডলার)।

এছাড়াও,
- কানাডা ও যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হয়েছে যথাক্রমে ১.৩০ বিলিয়ন ডলার (৩.৩১ শতাংশ) এবং ৪.৩৫ বিলিয়ন ডলার (১১.০৫ শতাংশ)।

উৎস: i) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)।
ii) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
iii) প্রথম আলো।

১,৫২৮.
দেশের একমাত্র ফসফেটিক সার কারখানা কোনটি?
  1. যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড
  2. ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ
  3. শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ
  4. টিএসপি কমপ্লেক্স লিমিটিড
ব্যাখ্যা
টিএসপি সার কারখানা:
- অবস্থান: পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।
- এটি দেশের একমাত্র ফসফেটিক সার কারখানা
- টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ এর স্থাপনা তৎকাতলীন পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি’র) সময়ে আরম্ভ হলেও ১৯৭৬ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উত্‍পাদন ক্ষমতা ১,০০,০০০ মেট্রিক টন।

উৎস: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১,৫২৯.
How much is the foreign exchange reserve of Bangladesh as of October 2022?
  1. ক) $39,599 Million
  2. খ) $42,670 Million
  3. গ) $38,867 Million
  4. ঘ) $35,808 Million
ব্যাখ্যা
২০২২ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত বাংলাদেশের বর্তমান রিজার্ভের পরিমাণ -  ৩৫,৮০৮ মিলিয়ন ডলার।

উৎস : বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট
১,৫৩০.
ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানায় কী ধরনের সার উৎপাদিত হয়?
  1. টিএসপি
  2. ইউরিয়া 
  3. এএসপি
  4. ডিএপি
ব্যাখ্যা

ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা হলো ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
- এটি নরসিংদীতে অবস্থিত।
দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ১৯৭০ সালে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় বার্ষিক ৩,৪০,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিঃ এবং ১৯৮৫ সালে বার্ষিক ৯৫,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপিত হয়।

 উল্লেখ্য,
- ১২ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে উদ্বোধনী ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব, জ্বালানি সাশ্রয়ী ও আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক এ কারখানার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- সার উৎপাদনের ক্ষমতা: বার্ষিক ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন।
- বিসিক জানায়, কারখানাটি ৩০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
- ১১০ একর জমিতে কারখানাটি নির্মিত হবে।
- নির্মাণ ব্যয়: ১৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
- কারখানাটির দৈনিক সার উৎপাদন হবে ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা, যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্লু গ্যাস থেকে পরিবেশদূষণকারী আহরণ করা হবে এবং ক্যাপচার করা কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে ইউরিয়া সারের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে (প্রায় ১০ শতাংশ)।
- এটি দেশে ‘অত্যাধুনিক, শক্তি সাশ্রয়ী ও সবুজ’ সার কারখানা, যা ইউরিয়া সারের আমদানি কমিয়ে দেবে এবং কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে।

উৎস: i) ১২ নভেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
         ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

১,৫৩১.
উৎপাদনের ভিত্তিতে দেশের সবচেয়ে বড় চিনিকল কোনটি? [আগস্ট, ২০২৪]
  1. রাজশাহী সুগার মিলস লি:
  2. জয়পুরহাট সুগার মিলস লি:
  3. নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস লি:
  4. কেরু এন্ড কোং (বিডি) লি:
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন (BSFIC):

- BSFIC এর পুর্ণ রূপ: Bangladesh Sugar and Food Industries Corporation.
- বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন-এর অধীনে ১৫টি চিনিকল রয়েছে। 

উল্লেখ্য,
⇒ জয়পুরহাট সুগার মিলস লিমিটেড:
- দেশের সবচেয়ে বড় চিনিকল হলো জয়পুরহাট সুগার মিলস লিমিটেড।
- এটি জয়পুরহাট জেলায় অবস্থিত।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬০ সালে।
- বাৎসরিক চিনি উৎপাদন ক্ষমতা: ২০,৩২০ মে. টন।

অন্যদিকে,
- নাটোরে অবস্থিত নর্থবেঙ্গল চিনিকল দেশের প্রথম চিনিকল।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ii) বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১,৫৩২.
পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) ১ম
  2. খ) ২য়
  3. গ) ৩য়
  4. ঘ) ৪র্থ
ব্যাখ্যা

বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান পর্যালোচনা ২০২০ঃ
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা গত (WTO) গত ৩১ জুলাই ২০২০ বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান পর্যালোচনা প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী-
- বিশ্বে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ- চীন
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ২য়- ইউরোপীয় ইউনিয়ন
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান- ৩য়
- একক দেশ হিসেবে বিশ্বে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান- ২য়

১,৫৩৩.
বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. ঢাকা
  3. চট্টগ্রাম
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা

বিএমটিএফ:
- বিএমটিএফ এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর, ১৯৭৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (BMTF) যাত্রা শুরু করে।
- এটি শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে একটি।
- বিএমটিএফ এর কার্যক্রম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড গাজীপুরের শিমুলতলীতে অবস্থিত।
- এর আয়তন ১৫৬.৪৭ একর।
- বিএমটিএফ ১৯টি গতিশীল কারখানা নিয়ে গঠিত।
- সেনাবাহিনী প্রধানের নেতৃত্বে বোর্ড চেয়ারম্যান এবং একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নেতৃত্বে বিএমটিএফ এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

তথ্যসূত্র - বিএমটিএফ ওয়েবসাইট।

১,৫৩৪.
২০২৪-২৫ অর্থ-বছরে, বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য কোনটি?
  1. কৃষিজাত পণ্য
  2. হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ
  3. চামড়া-চামড়াজাত পণ্য
  4. নীট পোষাক
ব্যাখ্যা

২০২৪-২৫ অর্থ-বছরে, বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য -  নীট পোষাক।

• পণ্যভিত্তিক রপ্তানি কার্যক্রম পর্যালোচনাঃ
- প্রধান প্রধান পণ্যের রপ্তানি অবস্থাঃ

• নীট পোষাক:
-  নীট পোষাক খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ২১,১৫৯.০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার । উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৪৩.৮২%।
 
• ওভেন পোষাক :
- ওভেন পোষাক খাতে  ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ১৮,১৮৭.৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৩৭.৬৭% ।

• হোম টেক্সটাইল 
 - হোম টেক্সটাইল খাতে  ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ৮৭১.৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ১.৮১%।

• চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা:
- চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ১,১৪৫.০৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার । উক্ত সময়ের মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ২.৩৭%।

• হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ:
- হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ খাতে  ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ৪৪১.৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ।উক্ত সময়ের মোট রপ্তানিতে হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ খাতের অবদান ০.৯১।

• কৃষিজাত পণ্য :
- কৃষিজাত পণ্য খাতে  ২০২৪-২৫  অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে  ১০০৬.৯৩ মি: মা: ড: । উক্ত সময়ের মোট রপ্তানিতে এ খাতের আবদান ২.০৯%।

উৎস: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, রপ্তানি পরিসংখ্যান।

১,৫৩৫.
বাংলাদেশের সকল সরকারি-বেসরকারি সংস্থার ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান-
  1. ক) PKSF
  2. খ) IDRA
  3. গ) BRAC
  4. ঘ) MRA
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে কর্মরত ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণের জন্য ২০০৬ সালে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি (এমআরএ) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্যে এমআরএ অনুমতি প্রদান করে।
- দেশে কর্মরত সকল সরকারি-বেসরকারি সংস্থার ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের তথ্যাদি সংগ্রহ ও সংরক্ষণ মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটির অন্যতম প্রধান কাজ।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
১,৫৩৬.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ে নীটওয়্যার ও তৈরি পোশাকের অবদান -
  1. ৪৮.৩৫%
  2. ৫৮.২৫%
  3. ৬৬.৮৫%
  4. ৮৫.৪৫%
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

উল্লেখ্য,
- নীটওয়্যার: ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪৮.৩৫%)।
- তৈরি পোশাক: ১৪,২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩৭.১০%)।

⇔ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছর- এ বাংলাদেশি পণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে রপ্তানীকৃত প্রধান প্রধান পণ্যসমূহ হলো তৈরি পোশাক (ওভেন), নিটওয়্যার, হিমায়িত চিংড়ি, কাঁকড়া, গৃহস্থালি বস্ত্র ইত্যাদি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৫৩৭.
২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের জুলাই-জুন সময়ে বাংলাদেশের পণ্য খাতের অর্জিত রপ্তানি আয় কত মিলিয়ন মার্কিন ডলার?
  1. ৪৫,০০০.৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. ৪৮,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. ৫০,৫০০.৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ৪৬,৭৫০.৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

• ২০২৪-২০২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি কার্যক্রমঃ

- বিগত ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে আমাদের রপ্তানি আয় হয়েছিল ৪৪,৪৬৯.৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- চলতি ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৫০,০০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
- ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের জুলাই-জুন সময়ের পণ্য খাতের অর্জিত রপ্তানি আয় ৪৮,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা - বিগত ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় ৪৪,৪৬৯.৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় 8.58% বেশী এবং নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৫০,০০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ৯৬.৫৭% ।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।[লিংক]

১,৫৩৮.
বাংলাদেশ প্রথম বানিজ্যিকভাবে জাহাজ রপ্তানি শুরু করে কত সালে? 
  1. ২০০৫ সালে 
  2. ২০০৬ সালে 
  3. ২০০৭ সালে 
  4. ২০০৮ সালে 
ব্যাখ্যা

• জাহাজ নির্মাণ শিল্প:
- জাহাজ নির্মাণ শিল্প বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শিল্পখাত।
- বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা খুলনায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের ২০০শ'র মতো জাহাজ নির্মাণ কোম্পানি রয়েছে যেগুলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, বরিশাল ও খুলনাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।
- বর্তমানে দেশে নৌপথে ছোট-বড় ১২৫০০ অধিক সংখ্যক জলযান মালামাল ও যাত্রী পরিবহনে ব্যবহৃত হয়।
- এই সকল নৌযান তৈরিতে ২০টি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ও ১০০টি স্থানীয় মানের শিপইয়ার্ড ও ডকইয়ার্ড রয়েছে।
- আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিপইয়ার্ডগুলো বছরে গড়ে ১০০টি জাহাজ নির্মাণে সক্ষম।
- দেশে বর্তমানে সর্বোচ্চ ১০০০০ DWT ক্ষমতাসম্পন্ন জাহাজ নির্মাণ হচ্ছে।
- বাংলাদেশে বঙ্গোপসাগরের একটি দীর্ঘ উপকূলীয় সীমারেখা ছাড়াও প্রায় ৭০০টি ছোট-বড় নদী রয়েছে।
- দেশের তিন-চতুর্থাংশ মালামাল নৌপথে পরিবহন হয়।
- ২০০৮ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ডেনমার্কে বাংলাদেশ প্রথম জাহাজ রপ্তানি শুরু করে।
- বিগত কয়েক বছরে দেশের শিপইয়ার্ডগুলো ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়ার কয়েকটি দেশে ৪০টি জাহাজ রপ্তানি করে ১৮০ মিলিয়ন ডলার আয়ের মাধ্যমে দেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্পের ভাবমূর্তি উন্নয়নে অবদান রেখেছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের শিল্প মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও সমকাল। 

১,৫৩৯.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে বনভূমির পরিমাণ খুবই কম?
  1. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল
  2. দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে
  3. উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

• বনভূমি:
- বাংলাদেশের মোট বনভূমির আয়তন প্রায় ২২.৫ লক্ষ হেক্টর।
- বনভূমির এ পরিমাণ দেশের মোট ভূমির শতকরা ১৭ ভাগ।
- এ বন সারাদেশে সমানভাবে বিস্তৃত নয়।
- অধিকাংশ বনভূমি দেশের পূর্ব, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত।
- দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বনভূমির পরিমাণ খুবই কম।

• অবস্থান ও বিস্তৃতিভেদে বাংলাদেশের বনাঞ্চলকে প্রধানত পাঁচভাগে ভাগ করা হয়েছে।
১। পাহাড়ি বন;
২। সমতলভূমির বন;
৩। ম্যানগ্রোভ বন;
৪। সামাজিক বন;
৫। কৃষি বন।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম  উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৪০.
মাতারবাড়ী তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র কত মেগাওয়াটের?
  1. ৯০০
  2. ১১৫০
  3. ১২০০
  4. ১৩২০
ব্যাখ্যা
মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলো বাংলাদেশের একটি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলায় মাতারবাড়ী ও ধলঘাটা ইউনিয়নের ১,৪১৪ একর জমিতে এই বিদ্যুৎ প্রকল্পটি নির্মাণ করা হচ্ছে।
- ৬০০ মেগাওয়াট এর মোট দুটি ইউনিট তৈরি হবে।
- মোট উৎপাদন ক্ষমতা ১২০০ মেগাওয়াট।
- জাপানের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থা জাইকার অর্থায়নে মাতারবাড়ির এই বিদ্যুৎকেন্দ্র।
- বিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের মহাপরিকল্পনায় মাতারবাড়িকে ‘বিদ্যুৎ হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা রয়েছে।
- ২৯ জুলাই, ২০২৩ তারিখে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয় মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট।

উৎস: ২৯ জুলাই, ২০২৩, কালের কন্ঠ।
১,৫৪১.
সম্প্রতি, কোন বন্দরে ‘অনলাইন গেট পাস’ ব্যবস্থা চালু করা হয়? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. মোংলা
  2. চট্টগ্রাম
  3. বেনাপোল
  4. পায়রা
ব্যাখ্যা
‘অনলাইন গেট পাস’ ব্যবস্থা:
- আমদানি ও রপ্তানি পণ্য পরিবহণ সহজ করতে সম্প্রতি অনলাইন গেট পাস ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দরে।
- ১৮ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান এই ডিজিটাল ব্যবস্থার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
- এই অনলাইন গেট পাস ব্যবস্থায় প্রযুক্তিগত সহায়তা নিয়ে তৈরি করেছে ডেটাসফট সিস্টেমস বাংলাদেশ লিমিটেড।
- এই অনলাইন ব্যবস্থার জন্য প্রায় এক লাখ ট্রাকচালক ও সহকারীকে বন্দরের ডাটাবেসে নিবন্ধন করা হয়েছে।
- নতুন ব্যবস্থায় বন্দরে প্রবেশ ফি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আগেই পরিশোধ করা যাবে।
- ফলে গেটে আর নগদ লেনদেনের প্রয়োজন হবে না।
- এর ফলে পণ্যে পরিবহনের সময় কমে আসার পাশাপাশি ও যানজটও কমবে।

তথ্যসূত্র- নিউজ প্রতিবেদন। [Link]
১,৫৪২.
’রশিদপুর গ্যাসক্ষেত্র’ কোথায় অবস্থিত?
  1.  সিলেট
  2. হবিগঞ্জ 
  3. মৌলভীবাজার
  4. কিশোরগঞ্জ
ব্যাখ্যা

রশিদপুর গ্যাসক্ষেত্র:
- রশিদপুর গ্যাসক্ষেত্র হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার অবস্থিত।

- হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার রশিদপুর গ্যাসক্ষেত্রের ৩ নম্বর কূপের সংস্কার (ওয়ার্কওভার) কার্যক্রম চালানোর পর নতুন গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- ৩ নম্বর কূপ থেকে ১০ বছরে ২৫ দশমিক ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
- বর্তমানে প্রতি ঘনমিটার এলএনজির দাম ৬৫ টাকা বিবেচনা করলে ওই কূপ থেকে আনুমানিক ৪ হাজার ৭০০ কোটি টাকার গ্যাস পাওয়া যাবে।

উৎস: পত্রিকার রিপোর্ট।[লিঙ্ক]

১,৫৪৩.
বাংলাদেশে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় কোথায়? 
  1. হরিপুর, সিলেট
  2. বাখরাবাদ, কুমিল্লা 
  3. ইলিশা, ভোলা
  4. তিতাস, কুমিল্লা
  5. রুপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৫৫ সালে সিলেট জেলার হরিপুরে।
- এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে।
- ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র জকিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র, সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায়।
- সর্বশেষ গ্যাসক্ষেত্র ভোলার ইলিশা-১। [ আগস্ট, ২০২৫]
- এটি অনুসন্ধান করে, (বাপেক্স)।
- এটি দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র। 

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ এবং প্রথম আলো।
১,৫৪৪.
বাংলাদেশের বৃহত্তম সার কারখানা কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নরসিংদী 
  2. সিলেট 
  3. জামালপুর
  4. সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা

ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- বাংলাদেশের বৃহত্তম সার কারখানা হলো নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় অবস্থিত ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
- এটি দেশের বৃহত্তম এবং প্রথম পরিবেশবান্ধব সার কারখানা হিসেবে পরিচিত।
- এটি দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানাগুলোর একটি।

⇒ ইউরিয়া ফার্টিলাইজরা ফ্যাক্টরি লিঃ এবং পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ কারখানা ২টির স্থানে আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে বার্ষিক ৯,২৪,০০০ (নয় লক্ষ চব্বিশ হাজার) মেট্রিক টন উৎপাদন ক্ষমতা ও জ্বালানি সাশ্রয়ী সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এবং উচ্চতর ক্ষমতাসম্পন্ন ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপনের লক্ষ্যে “ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্প” শীর্ষক প্রকল্পটি ১২ নভেম্বর ২০২৩ খ্রি. তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক উদ্ধোধন করা হয়।
- বর্তমানে কারখানার উৎপাদন চালু আছে।

উল্লেখ্য,
- বিসিক জানায়, কারখানাটি ৩০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
- ১১০ একর জমিতে কারখানাটি নির্মিত হবে।
- নির্মাণ ব্যয়: ১৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
- কারখানাটির দৈনিক সার উৎপাদন হবে ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা, যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্লু গ্যাস থেকে পরিবেশদূষণকারী আহরণ করা হবে এবং ক্যাপচার করা কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে ইউরিয়া সারের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে (প্রায় ১০ শতাংশ)।
- এটি দেশে ‘অত্যাধুনিক, শক্তি সাশ্রয়ী ও সবুজ’ সার কারখানা, যা ইউরিয়া সারের আমদানি কমিয়ে দেবে এবং কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে।

এছাড়াও,
- পূর্বেকার বৃহত্তম সার কারখানা যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড জামালপুর জেলায় অবস্থিত। 

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

১,৫৪৫.
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা'র রিপোর্ট অনুসারে বাংলাদেশ বিশ্বের কততম বৃহৎ আমদানিকারক দেশ?
  1. ক) ১৮ তম
  2. খ) ২৫ তম
  3. গ) ৩০ তম
  4. ঘ) ৪০ তম
ব্যাখ্যা
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা'র 'ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিক্যাল রিভিউ-২০১৯' অনুসারে বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বের ৩০তম বৃহৎ আমদানিকারক দেশ। একই সময়ে রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান ৪২ তম। গত অর্থবছরে বাংলাদেশের আমদানি ও রপ্তানির পরিমাণ ছিলো যথাক্রমে ৫৫.৪৩ বিলিয়ন ডলার এবং ৪০.৫৩ বিলিয়ন ডলার। (সূত্রঃ WTO এবং EPB ওয়েবসাইট)
১,৫৪৬.
বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগার কোথায় অবস্থিত?
  1. পতেঙ্গা
  2. চন্দ্রঘোনা
  3. পটিয়া
  4. সীতাকুন্ড
ব্যাখ্যা

ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড:
- বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার হলো ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড।
- এটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।
- এটি একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি।
- কোম্পানি আইন ১৯১৩ (সংশোধিত, ১৯৯৪) অনুযায়ী এ প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- একদল পাকিস্তানি শিল্প-উদ্যোক্তা ১৯৬৩ সালে এ প্রকল্পটির উদ্যোগ নেয় এবং চট্টগ্রামের কর্ণফুলি নদীর তীরে এ পরিশোধনাগারটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৬৮ সাল থেকে পরিশোধন কেন্দ্রটিতে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়।
- ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড তাদের নিজস্ব পরিশোধন ইউনিটের মাধ্যমে অপরিশোধিত তেল শোধিত করে থাকে।
- এর বার্ষিক পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লক্ষ টন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,৫৪৭.
যমুনা সার কারখানায় কোন সার উৎপাদন হয়?
  1. কম্পোস্ট
  2. ইউরিয়া
  3. টিএসপি
  4. এমপি
ব্যাখ্যা
যমুনা সার কারখানায়:
- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ কারখানাটি ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যমুনা সার কারখানা জামালপুর  জেলার সরিষাবাড়ীতে অবস্থিত।
- যমুনা সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন হয়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫,৬১,০০০ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১,৫৪৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ এর রিপোর্ট অনুযায়ী, এশিয়ার কোন দেশটিতে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে?
  1. ভারত
  2. সৌদি আরব
  3. জাপান
  4. থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
• একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।
- রপ্তানি হার: ১৫.৮৭%।

• একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ২য় সর্বোচ্চ রপ্তানি করে: জার্মানি।
- রপ্তানি হার: ১১.২১%।

• একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ৩য় সর্বোচ্চ রপ্তানি করে: যুক্তরাজ্য।
- রপ্তানি হার: ১০.৫২%।

⇒ এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: জাপান।
- রপ্তানি হার: ৩.৪০%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৫৪৯.
বাংলাদেশ বিশ্বের কততম বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ?
  1. ক) তৃতীয়
  2. খ) প্রথম
  3. গ) দ্বিতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ।
- ২০২০-২১ অর্থবছরে তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি আয় প্রায় ৩১.৪৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা উক্ত সময়ে দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৩ শতাংশ। 

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
১,৫৫০.
বাংলাদেশের ঘোষিত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা কত? (অক্টোবর, ২০২৫)
  1. ৩৭ টি
  2. ৫৭ টি
  3. ৫৯টি
  4. ২৯ টি
ব্যাখ্যা

গ্যাসক্ষেত্র:
- প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে।
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯টি। (অক্টোবর, ২০২৫)
- সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- সর্বশেষ ভোলার ইলিশা-১ দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।

১,৫৫১.
শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রটি অবস্থিত ___ জেলায়।
  1. ক) ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  2. খ) কুমিল্লা
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) ভোলা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মোট গ্যাসক্ষেত্র - ২৭টি। সর্বশেষ আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র - ভোলা নর্থ।
বাংলাদেশের আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রগুলোর মধ্যে -
উৎপাদনরত - ২০টি
উৎপাদনে যায় নি - ২টি
উৎপাদন স্থগিত রয়েছে - ৫টি
শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রটি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার শ্রীকাইলের হাজিপুরে অবস্থিত।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২১।

১,৫৫২.
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)-এর পরিচালিত পাট বীজ উৎপাদন খামার সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ২৪টি
  4. ঘ) ১১টি
ব্যাখ্যা
সারাদেশব্যাপী বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)-এর পরিচালিত বীজ উৎপাদন খামারের সংখ্যা -
- দানা শস্য বীজ উৎপাদন খামার – ২৪টি
- পাট বীজ উৎপাদন খামার - ২টি
- আলু বীজ উৎপাদন খামার - ২টি
- ডাল ও তৈলবীজ উৎপাদন খামার - ৪টি
- সবজি বীজ উৎপাদন খামার - ২টি
- চুক্তিবদ্ধ চাষী জোন - ১১১টি

[উৎস:অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১]

১,৫৫৩.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে পণ্যভিত্তিক আমদানি ব্যয় কত দাঁড়িয়েছে?
  1. ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলার
  2. ৫ হাজার ৮০০ কোটি ডলার
  3. ৬ হাজার ৩২৪ কোটি ডলার
  4. ৭ হাজার ৭৫ কোটি ডলার
ব্যাখ্যা
পণ্যভিত্তিক আমদানি ব্যয়:
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে ব্যয় ৭ হাজার ৭৫ কোটি ডলারে দাঁড়ায়।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আমদানি ব্যয় ১০ দশমিক ৬১ শতাংশ কমে ৬ হাজার ৩২৪ কোটি ডলারে নেমে যায়।

- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ৫২,১৯০.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।

উৎস: যুগান্তর রিপোর্ট।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
১,৫৫৪.
চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর প্রতিষ্ঠিত হয়-
  1. ক) ১৮৭৬ সালে
  2. খ) ১৮৮৭ সালে
  3. গ) ১৮৯৮ সালে
  4. ঘ) ১৮৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশের চালু সমুদ্র বন্দর ৩টি। এগুলো হলোঃ চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর, মোংলা সমুদ্রবন্দর, পায়রা সমুদ্রবন্দর।
অপরদিকে মাতারবাড়ি সমুদ্র বন্দর নির্মানাধীন রয়েছে।

- বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্রবন্দর - চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর।
- এটি ১৮৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর - মোংলা সমুদ্রবন্দর।
- এটি ১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্রবন্দর - পায়রা সমুদ্রবন্দর। 
- এটি ২০১৬ সালে যাত্রা শুরু করে।

- স্বাধীন বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর - মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর।
- এটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে ২০২৫ সালে।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট ও সংশ্লিষ্ট বন্দর ওয়েবসাইট।
১,৫৫৫.
বিবির বাজার স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুড়িগ্রাম
  2. ফেনী
  3. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
বিবির বাজার স্থলবন্দর:
- বিবির বাজার স্থলবন্দর কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর, যা ভারতীয় সীমান্তের সাথে সংযুক্ত এবং বাণিজ্যিক লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- ২০০৬ সালে এই স্থলবন্দর উদ্ধোধন হয় এবং ২০১০ সালে এই স্থলবন্দরের কার্যক্রম চালু হয়।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
১,৫৫৬.
বাংলাদেশের প্রথম কয়লা নির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. সাভার
  2. কাপ্তাই
  3. বড়পুকুরিয়া
  4. সীতাকুন্ড
ব্যাখ্যা

• বড়পুকুরিয়া:
- বাংলাদেশের প্রথম কয়লা নির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলো বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এটি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলায় অবস্থিত। 
- এটি ২০০৬ সালে গড়ে ওঠে।
- এর মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট, যা তিনটি ইউনিটের মাধ্যমে উৎপাদিত হয়।
- বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি ১৯৮৫ সালে আবিষ্কৃত হয় এবং
- এটি বাংলাদেশের একমাত্র বাস্তবায়িত কয়লা খনি।
- বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে হিরক ও সোনার সন্ধান পাওয়া গেছে।

উৎস: প্রথম আলো।

১,৫৫৭.
রাষ্ট্রায়ত্ত খাতে দেশের বৃহত্তম শিল্প সংস্থা কোনটি?
  1. বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন
  2. বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন
  3. বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন
  4. বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত খাতে সর্ববৃহৎ শিল্প সংস্থা হলো বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি)।
- বিসিআইসি’র অধীনে বর্তমানে দেশে চালু শিল্প কারখানার সংখ্যা ১০টি। এগুলোর মধ্যে ৬টি সার কারখানা, ১টি কাগজকল, ১টি সিমেন্ট কারখানা, ১টি গ্লাসশীট কারখানা এবং ১টি স্যানিটারি ও ইন্স্যুলেটর কারখানা।
এছাড়া, যৌথ মালিকানাধীন কোম্পানির সংখ্যা ৯টি।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১ ও বিসিআইসি ওয়েবসাইট)
১,৫৫৮.
বাংলাদেশের একমাত্র কয়লা শোধনাগার কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সুনামগঞ্জ
  2. খ) সিলেট
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের একমাত্র কয়লা শোধনাগার দিনাজপুরে অবস্থিত।
- এর নাম বিরামপুর হার্ড কোল লিমিটেড।
- এটি দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় অবস্থিত।

১,৫৫৯.
বাগদা চিংড়ি কোন দশক থেকে রপ্তানি পণ্য হিসেবে স্থান করে নেয়?
  1. পঞ্চাশ দশক
  2. ষাট দশক
  3. সত্তর দশক
  4. আশির দশক
ব্যাখ্যা
◉ আশির দশক থেকে বাগদা চিংড়ি রপ্তানি পণ্য হিসেবে স্থান করে নেয়।

বাগদা চিংড়ি:

- বাগদা চিংড়ির বৈজ্ঞানিক নাম Penaeus monodon।
- লোনা পানিতে উৎপাদিত চিংড়িকে Shrimp এবং স্বাদু পানিতে উৎপাদিত চিংড়িকে Prawn বলা হয়'।
- বাগদা লোনা পানির চিংড়ি (Shrimp)।
- রপ্তানি বাজারে এটি Black Tigar Shrimp নামে পরিচিত।
- বাগদা চিংড়ি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল এবং দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের উপকূল ও সামুদ্রিক অঞ্চলে উদ্ভুত একটি মৎস্য প্রজাতি।

উল্লেখ্য,
- চিংড়ি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী রপ্তানি পণ্য।
- দেশের মোট উৎপাদিত চিংড়ির বেশীরভাগই উৎপাদিত হয় দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বিশেষ করে বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরায়।
- সত্তর দশকের শুরু থেকেই মূলত উপকূলীয় অঞ্চলের চাষীরা সনাতন পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ শুরু করে।
- আশির দশক থেকে দেশে বাণিজ্যিকভাবে বাগদা চিংড়ি উৎপাদন ও রপ্তানি হচ্ছে।
- আশির দশকের শুরুতে আধা-লোনা পানিতে মৎস্য খামার স্থাপন প্রকল্পের উদ্যোগে খুলনা অঞ্চলে পোল্ডারের মধ্যে এবং কক্সবাজার অঞ্চলে লবণের সাথে চিংড়ি চাষ শুরু করা হয়।
- আশির দশকের মাঝামাঝি চিংড়ি চাষ প্রকল্পে মৎস্য অধিদপ্তর হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদনে সাফল্য অর্জন করে এবং বেসরকারি পর্যায়ে চিংড়ি হ্যাচারি স্থাপনে সহায়তা প্রদান করে।

উৎস: i) পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
         ii) মৎস্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
         iii) ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, প্রথম আলো।
১,৫৬০.
বাংলাদেশের সর্বশেষ নদী বন্দর কোনটি? (জুন-২০২৫)
  1. সিলেট নদী বন্দর
  2. গোয়াইনঘাট নদী বন্দর
  3. সন্দ্বীপ নদী বন্দর
  4. হাতিয়া নদী বন্দর
ব্যাখ্যা
• বর্তমানে বাংলাদেশে নদী বন্দর ৫৫ টি। (জুন-২০২৫)
- বাংলাদেশের সর্বশেষ নদীবন্দর ’হাতিয়া নদী বন্দর  (লিংক)।
- এটি দেশের উপকূলীয় নদীবন্দর ।

উল্লেখ্য, 
- দেশের প্রথম উপকূলীয় নদী বন্দর হলো সন্দ্বীপ। ডিসেম্বর, ২০২৪-এ এটি নদীবন্দর হিসেবে ঘোষিত হয়।
- দেশের ২য় উপকূলীয় নদীবন্দর হাতিয়া। জুন, ২০২৫-এ এটি নদীবন্দর হিসেবে ঘোষিত হয়।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী বন্দর নারায়ণগঞ্জ।

• এর মধ্যে চারটি বড় নদী বন্দর হচ্ছে :
- ঢাকা (সদরঘাট),
- নারায়ণগঞ্জ,
- চাঁদপুর;
- ও বরিশাল।

উৎস:  বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইট।
১,৫৬১.
যমুনা রেলসেতুর দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?
  1. ৪.২ কিলোমিটার
  2. ৪.৮ কিলোমিটার
  3. ৬.২ কিলোমিটার
  4. ৬.৮ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

যমুনা রেলসেতু:
- যমুনা সেতু দেশের দীর্ঘতম রেলসেতু। 
- সেতুটি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার।
- সেতুর মোট স্প্যান ৪৯টি।
- সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৫০টি।
- সেতুটিতে ডুয়েল গেজ ডাবল রেললাইন নির্মাণ করা হয়েছে।
- সেতুর ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চলাচল করতে পারবে।
- ১৮ মার্চ, ২০২৫ তারিখে যমুনা সেতু আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- যমুনা রেলসেতু প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা)। 

⇒ দেশের দীর্ঘতম এ রেলওয়ে সেতু প্রকল্পের প্রথম নির্মাণ ব্যয় ৯ হাজার ৭৩৪ কোটি ৭ লাখ টাকা নির্ধারিত হলেও পরে তা ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি ৯৬ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়।
- এর মধ্যে ২৭ দশমিক ৬০ শতাংশ অর্থায়ন করেছে দেশি উৎস থেকে এবং ৭২ দশমিক ৪০ শতাংশ ঋণ দিয়েছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)।
- দেশের সর্ববৃহৎ এ রেলওয়ে সেতুর নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করেছে জাপানি কোম্পানি ওটিজি ও আইএইচআই জয়েন্টভেঞ্চার।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।

১,৫৬২.
বৈদেশিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের প্রধান অংশীদার কোনটি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ভারত
  3. চীন
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক বাণিজ্য হয়ে থাকে চীনের সাথে।
বাংলাদেশের সাথে বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য (২০২০):
- চীন : ১৫.৮ বিলিয়ন মা. ডলার
- ভারত : ৮.৯২ বিলিয়ন মা. ডলার
- যুক্তরাষ্ট্র : ৮.০৪ বিলিয়ন মা. ডলার।

(তথ্যসূত্র: দেশগুলোর সরকারি ওয়েবসাইট)
১,৫৬৩.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, আমদানি ক্ষেত্রে শীর্ষ দেশ -
  1. জাপান
  2. ভারত
  3. ফ্রান্স
  4. চীন
ব্যাখ্যা

দেশভিত্তিক আমদানি:
- ২০২৩-২৪ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।
- ২০১২-১৩ অর্থবছর থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছর (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত দেশে আমদানি ক্ষেত্রে চীন শীর্ষে রয়েছে।
- শতকরা ২৮.৪৬ ভাগ আমদানি হয়েছে চীন থেকে।
- দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারত (১৩.৪২%) ও যুক্তরাষ্ট্র (৪.৫১%)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

১,৫৬৪.
নিচের কোনটি সরকারি গাড়ি সংযোজন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) এটলাস বাংলাদেশ লিমিটেড
  2. খ) প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড
  3. গ) টেলিফোন শিল্প সংস্থা
  4. ঘ) বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশনের অধীন সরকারি গাড়ি সংযোজন কারখানা হলো ‘প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’।
এটি ১৯৬৬ সালে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ডে ‘গান্ধারা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’ নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭২ সালে ‘প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’ নামে এটি জাতীয়করণ করে বিএসইসি এর অধীনে ন্যস্ত করা হয়।
প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড বর্তমানে জাপানের ‘মিৎসুবিসি মোটরস করপোরেশনে’র পাজেরো স্পোর্ট(কিউএক্স) জীপ, চীনের ‘ফোর্ড অটোমোবাইলস কোং লিঃ’ এর ল্যান্ডফোর্ট এসইউভি জীপ এর সিকেডি আমদানী ও সংযোজনপূর্বক স্থানীয়ভাবে বাজারজাত করছে।
(সূত্র: বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন ওয়েবসাইট)
১,৫৬৫.
‘কতিপয় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা‘ নিচের কোন প্রতিষ্ঠান এর কাজ?
  1. ক) ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ
  2. খ) বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন
  3. গ) আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের অফিস
  4. ঘ) বাংলাদেশ ট্রেড এণ্ড ট্যারিফ কমিশন
ব্যাখ্যা
• ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ সরকারের একটি সংস্থা।
• স্বাধীনতার পর দেশ পুনর্গঠনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনেক অবিস্মরণীয় সৃষ্টির মধ্যে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) প্রতিষ্ঠা অন্যতম।
• ১৯৭১ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতির আদেশ নং-৬৮/১৯৭২ এর মাধ্যমে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) প্রতিষ্ঠা করেন।
• ১৯৭২ সনের ০১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠার পর এদেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের পথিকৃৎ হিসেবে কাজ করছে টিসিবি।
• টিসিবি’র মাধ্যমেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যাদি থেকে শিল্পের কাঁচামাল পর্যন্ত আমদানি এবং পাট, তৈরী পোশাক প্রভৃতি রপ্তানির মাধ্যমে দেশে বৈদেশিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালু করা হয়।
• বর্তমানে তৈরী পোশাক রপ্তানি অর্থনীতিতে যে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে তারও পথিকৃৎ টিসিবি।
• উদ্দেশ্য
 - কতিপয় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা।

সূত্র:  বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১,৫৬৬.
বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগার কোথায় অবস্থিত?
  1. ডুলহাজরা
  2. পতেঙ্গা
  3. ঈশ্বরদী
  4. কুলাউড়া
ব্যাখ্যা
ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড:
- বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার হলো ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড।
- এটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।
- এটি একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি।
- কোম্পানি আইন ১৯১৩ (সংশোধিত, ১৯৯৪) অনুযায়ী এ প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৫৬৭.
বাংলাদেশের সরকারি ইপিজেডের সংখ্যা কত?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা
ইপিজেড:
- বাংলাদেশে ১৯৮০ সালে সংসদ প্রণীত একটি আইনের ভিত্তিতে ১৯৮৩ সালে প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- চট্টগ্রাম ইপিজেড যাত্রা শুরু - ১৯৮৩ সালে।
- 'কোরিয়ান ইপিজেড' চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় অবস্থিত দেশের একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড।

উৎস: বেজা ওয়েবসাইট।
১,৫৬৮.
IDRA কোন ধরণের প্রতিষ্ঠান?
  1. শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান
  2. বীমা নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান
  3. উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিকারী প্রতিষ্ঠান
  4. শিল্পের মান নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
IDRA:
- IDRAএর পূর্ণরূপ: Insurance Development and Regulatory Authority.
- IDRA এর মানে হলো বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ।
- ২০১১ সালের ২৬শে জানুয়ারী বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ আইন ২০১০ এর বিধানের অধীনে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (IDRA) গঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশ সরকার বীমা ব্যবসার বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেছে।
- এটি বীমা ব্যবসার তত্ত্বাবধান এবং পলিসি হোল্ডারের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- কর্তৃপক্ষ 'জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বীমা শিল্পের পদ্ধতিগত উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করছে।
- IDRA একজন চেয়ারম্যান এবং চারজন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত।

উৎস: বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
১,৫৬৯.
গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা হলো-
  1. ক) রংপুর
  2. খ) লালমনিরহাট
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) ঠাকুরগাঁও
ব্যাখ্যা
ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ - রংপুর  (২১,৯২,৩৪৭ মে.টন)
ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা  - দিনাজপুর (৬,২৭,৮৫০ মে.টন)

গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ -  রাজশাহী  (৪,১২,৮২৫ মে.টন)
গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ঠাকুরগাঁও  (১,৭৫,৬৬৯ মে.টন)

পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ - ঢাকা (২৬,৩০,৪২০ মে.টন)
পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ফরিদপুর  (৮,৯১,৯৩৮ মে.টন)

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২০
১,৫৭০.
নিচের কোনটি ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের উদাহরণ নয়?
  1. ক) জিন প্রকৌশল
  2. খ) ভিডিও কনফারেন্স
  3. গ) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
  4. ঘ) সবগুলোই উদাহরণ
  5. ঙ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
শিল্প বিপ্লব
• ১৭৮৪ সালে পানি ও বাষ্পীয় ইঞ্জিনের নানামুখী ব্যবহারের কৌশল আবিষ্কারের মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছিল প্রথম শিল্পবিপ্লব।
• এরপর ১৮৭০ সালে বিদ্যুৎ আবিষ্কারের ফলে একেবারেই পাল্টে যায় মানুষের জীবনের চিত্র।
• শারীরিক শ্রমের দিন কমতে থাকে দ্রুততর গতিতে।
• এটিকে বলা হয় দ্বিতীয় শিল্পবিপ্লব।
• দ্বিতীয় শিল্পবিপ্লবের ঠিক ১০০ বছরের মাথায় ১৯৬৯ সালে আবিষ্কৃত হয় ইন্টারনেট।
• শুরু হয় ইন্টারনেট ভিত্তিক তৃতীয় শিল্পবিপ্লব।
• প্রযুক্তিনির্ভর এ ডিজিটাল বিপ্লবকেই বলা হচ্ছে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব।
• ডিজিটাল এ বৈপ্লবিক পরিবর্তনকেই বলা হচ্ছে ‘চতুর্থ শিল্পবিপ্লব’।
• চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের ধারণাটি প্রথম এপ্রিল, ২০১৩ সালে জার্মানিতে আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপিত হয়েছিল।
• ডিজিটাল বাংলাদেশকে টেকসই করতে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ডিজিটাল ডেভেলপমেন্ট, ডিজিটাল টেকনোলজি, বায়োটেকনোলজি, ন্যানোটেকনোলজি, অ্যাডভান্স টেকনোলজি, ইন্সট্রাকশনাল টেকনোলজি Robotics, IT/ITES, Cloud Computing, VLSI (Very-Large-Scale-Integration), Navigation (Vehicle), Hardware Navigation, ই-কমার্স, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং, টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, নেটওয়ার্ক অ্যান্ড কমিউনিকেশন ম্যানেজমেন্ট, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনা, সাইবার নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা, ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সরকারি ও বেসরকারীভাবে নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

উৎস: যুগান্তর ও বণিক বার্তা ।
১,৫৭১.
'সেকেন্ডারি মার্কেট' কীসের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. শ্রম বাজার
  2. চাকুরি বাজার
  3. কৃষি বাজার
  4. পুঁজি বাজার
ব্যাখ্যা
স্টক এক্সচেঞ্জ:
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- এটি শেয়ার বাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।

⇒ বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ (শেয়ার বাজার) দুইটি। যথা:
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪ সাল),
• অপরটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৫ সাল)।

⇒ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত।
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৫৪ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে।

⇒ চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ ১৯৯৫ সালের জানুয়ারিতে সরকারের কাছে আবেদন করলে সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ১৯৯৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে এর অনুমোদন দেন.

উৎস: BSEC ওয়েবসাইট।
১,৫৭২.
ড. আহসান এইচ মনসুর বাংলাদেশ ব্যাংকের কততম গভর্নর?
  1. ১১তম
  2. ১২তম
  3. ১৩তম
  4. ১৪তম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এ পর্ষদের সভাপতি।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর: আহসান এইচ মনসুর (১৩তম)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ ৪ বছর।

উৎস: Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
১,৫৭৩.
এফবিসিসিআই এর বর্তমান সভাপতি কে? (আগস্ট, ২০২৪)
  1. ফিরোজ আহমেদ
  2. মিজানুর রহমান
  3. আলী আহসান
  4. মাহবুবুল আলম
ব্যাখ্যা
FBCCI:
- FBCCI এর পূর্ণরূপ: The Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industry.
- বাংলাদেশের বেসরকারি সেক্টরের বাণিজ্য বিষয়ক সর্বোচ্চ সংগঠন FBCCI (এফবিসিসিআই)।
- ট্রেড অর্গানাইজেশন অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১ এবং কোম্পানি আইন, ১৯১৩ এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের শীর্ষ বাণিজ্য সংস্থা হিসেবে পরামর্শমূলক এবং উপদেষ্টা ক্ষমতায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে, বেসরকারি বাণিজ্য খাতের স্বার্থ রক্ষা করে।
- এফবিসিসিআই'র বর্তমান সভাপতি মাহবুবুল আলম। (আগস্ট, ২০২৪)

তথ্যসূত্র - FBCCI ওয়েবসাইট।
১,৫৭৪.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী নিচের কোন দেশে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে?
  1. জাপান
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জার্মানি
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১১.২১%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ১০.৫২%।

• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪০%।

• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৫৭৫.
ঘোড়াশাল সার কারখানা কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. মুন্সিগঞ্জ
  3. নরসিংদী
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
ঘোড়াশাল সার কারখানা:
- ঘোড়াশাল সার কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদিত হয়।
- এটি নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় অবস্থিত।
- শিল্পকারখানা নাম - পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি ।

অন্যন্যা সার কারখানা:
- বর্তমানে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) এর তত্ত্বাবধানে ৬টি কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদিত হচ্ছে।
- এ সার কারখানাগুলি হচ্ছে:
১) ফেঞ্চুগঞ্জে অবস্থিত এনজিএফএফ (NGFF),
২) ঘোড়াশালে অবস্থিত ইউএফএফএল (UFFL),
৩) আশুগঞ্জে অবস্থিত জেডএফসিএল (ZFCL),
৪) নরসিংদীর পলাশে অবস্থিত পলাশ সার কারখানা,
৫) চট্টগ্রামে অবস্থিত সিইউএফএল (CUFL) এবং
৬)জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ীতে অবস্থিত যমুনা সার কারখানা।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৫৭৬.
জিডিপিতে প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম কোন খাতের?
  1. ক) সেবা খাত
  2. খ) শিল্পখাত
  3. গ) কৃষি খাত
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান – ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান - ক্রমবর্ধমান। যদিও সাময়িক হিসাবে ২০২০-২১ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার পূর্ববর্তী অর্থবছরের ০.৫৮ শতাংশ হতে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৩১ শতাংশে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য 
• অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার - ১০.৪৪%।
কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার - ২.২০%।

• জিডিপির 
সর্ববৃহৎ খাত – সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত)।
ছোট খাত - কৃষিখাত।

• কর্মসংস্থানের দিক থেকে 
বৃহৎখাত - কৃষিখাত (৪০.৬% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
ছোট খাত – শিল্পখাত (২০.৪% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
১,৫৭৭.
বর্তমানে বিটিএমসি’র নিয়ন্ত্রণাধীন টেক্সটাইল মিলের সংখ্যা হলো-
  1. ক) ৩০টি
  2. খ) ২৫টি
  3. গ) ৩৫ টি
  4. ঘ) ২৯টি
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস কর্পোরেশন (বিটিএমসি) এর নিয়ন্ত্রণাধীন টেক্সটাইল মিলের সংখ্যা ২৫টি।
স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে ৭৪টি মিল নিয়ে বিটিএমসি যাত্রা শুরু করে। পরবর্তীতে এতে আরো ১২টি মিল যুক্ত হয়।
মোট ৮৬টি মিলের মধ্যে বর্তমানে বিটিএমসির নিয়ন্ত্রণাধীন মিলের সংখ্যা ২৫টি।

(সূত্র: বিটিএমসি ওয়েবসাইট)
১,৫৭৮.
মোংলা সমুদ্রবন্দর কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল? 
  1. ১৯৪৭
  2. ১৯৫০
  3. ১৯৫৩
  4. ১৯৫৫
ব্যাখ্যা

• মোংলা সমুদ্রবন্দর:
- মোংলা হলো বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর।
- এটি  বাগেরহাট জেলার মোংলা উপজেলায় অবস্থিত।
-  সমুদ্রবন্দরটি খুলনা বিভাগের একটি সমুদ্রবন্দর এবং
- পশুর নদীর তীরে অবস্থিত।
- মোংলা বন্দর প্রথম স্থাপিত হয় ১৯৫০ সালের ১ ডিসেম্বর খুলনার চালনা এলাকায়
- ভৌগোলিক কারণে তিন বছরের মধ্যে বন্দরটি মোংলা, বাগেরহাটে স্থানান্তরিত করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- ১৯৫০ সালের ১১ ডিসেম্বর ‘দ্য সিটি অব লিয়নস’ নামের ব্রিটিশ বাণিজ্যিক জাহাজ মোংলায় আগমন করার পর বন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়।

উৎস:
১. প্রথম আলো;
২. মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।

১,৫৭৯.
মেট্রোরেল প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে কোন উন্নয়ন সংস্থা?
  1. ক) আইএমএফ
  2. খ) বিশ্ব ব্যাংক
  3. গ) জাইকা
  4. ঘ) এডিবি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে মেট্রোরেল চালু করার জন্য সরকার ‘ঢাকা মাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট’ নামে একটি প্রকল্পের ধারণা নিয়ে কাজ করছিল।
- অবশেষে ২০১২ সালের ডিসেম্বরে, ‘ঢাকা মাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট’ বা ‘মেট্রো রেল’ প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) দ্বারা অনুমোদিত হয়।
- প্রকল্পের জন্য মোট ৫টি রুট লাইন প্রস্তাব করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে এমআরটি লাইন ১, ২, ৪, ৫, এবং ৬।
- জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) এর অর্থায়নে ‘দ্য ঢাকা আরবান ট্রান্সপোর্ট নেটওয়ার্ক ডেভেলপমেন্ট সার্ভে (ডিএইচইউটিএস ১)’ মূল্যায়ন করা হয় এবং ‘এমআরটি লাইন-৬’ নামে মেট্রো রেলের জন্য প্রথম এমআরটি রুট নির্বাচন করা হয়।
- প্রকল্পের মোট ব্যয় আনুমানিক ২.৮২ বিলিয়ন ডলার, যার মধ্যে জাইকা ০.০১ শতাংশ সুদের হারে প্রায় ৭৫ শতাংশ বা ২.১৩ বিলিয়ন ডলার প্রদান করছে।
- বাকি ২৫ শতাংশ তহবিল দেবে বাংলাদেশ সরকার।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জুন ২০১৬ সালে নির্মাণ কাজের সূচনা করেন।
- প্রাথমিকভাবে, ‘এমআরটি লাইন ৬’-এর দৈর্ঘ্য ২০.১ কিলোমিটার হিসাবে প্রস্তাব করা হয়েছিল, উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত, যা পরে কমলাপুর পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়, যার ফলে রুটটির দৈর্ঘ্য আরও ১.১৬ কিলোমিটার বৃদ্ধি পায়। এটির মোট দৈর্ঘ্য হবে ২১.২৬ কিমি.। রুটে মোট ১৭টি স্টেশন থাকবে এবং রুটে ২৪টি ট্রেন সেট চলবে।
- ২৯ আগস্ট ২০২১-এ, প্রথম ট্রায়াল রান দিয়া বাড়ি থেকে উত্তরা পর্যন্ত পরিচালিত হয়। মেট্রোরেল উত্তরা-আগারগাঁও রুটে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করবে।
- প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে, সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ঢাকা মেট্রো রেলে প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৬০,০০০ যাত্রী বা প্রতিদিন ৯৬০,০০০ জন যাত্রী যাতায়াত করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সূত্র: ঢাকা মাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট ও যুগান্তর। 
১,৫৮০.
LNG ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে কোথায়?
  1. মাতারবাড়ি
  2. ফুলবাড়ী
  3. পায়রা
  4. রূপপুর
ব্যাখ্যা

পায়রাতেই ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট সক্ষমতার একটি এলএনজিভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে নর্থওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেড (এনডব্লিউপিজিসিএল)। এরই মধ্যে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কাজ শেষ হয়েছে। আগামী ২০২৫ থেকে ২০২৭ সালের মধ্যে তিনটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রেরই উৎপাদনক্ষম হয়ে ওঠার কথা রয়েছে।

⇒ পটুয়াখালীর পায়রায় ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট সক্ষমতার একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালনা করছে বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিসিপিসিএল)। সংস্থাটি এখন পায়রায় একই সক্ষমতার কয়লাভিত্তিক আরেকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করছে। যৌথভাবে কয়লাভিত্তিক আরেকটি বিদ্যুৎ নির্মাণ করছে চীনা কোম্পানি নরিনকো ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড।

• মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র হল বাংলাদেশের একটি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলায় মাতারবাড়ী ও ধলঘাটা ইউনিয়নের এক হাজার ৪১৪ একর জমিতে এই বিদ্যুৎ প্রকল্পটি নির্মাণ করা হচ্ছে।
- ৬০০ মেগাওয়াট এর মোট দুটি ইউনিট তৈরি হবে।
- জাপানের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থা জাইকার অর্থায়নে মাতারবাড়ির এই বিদ্যুৎকেন্দ্র হবে বাংলাদেশের অন্যতম বড় প্রকল্প।
- বিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের মহাপরিকল্পনায় মাতারবাড়িকে ‘বিদ্যুৎ হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা রয়েছে।
২৯ জুলাই, ২০২৩ তারিখে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হলো কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলায় কয়লাভিত্তিক মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট।
- এই ইউনিটের উৎপাদনক্ষমতা ৬০০ মেগাওয়াট।
- পরীক্ষামূলক উৎপাদনের শুরুতে ৩৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। 

• বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এর এল.এন.জি ও কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প :
⇒ বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, কর্তৃক এল এন জি ও কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য মহেশখালী উপজেলা 
- এ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৮৫০০ মে. ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে মর্মে জানা যায়।

উৎস:
i) বণিক বার্তা [লিংক]
ii) ২৯ জুলাই, ২০২৩, কালের কন্ঠ।

১,৫৮১.
দেশে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক কতটি?
  1. ক) তিনটি
  2. খ) চারটি
  3. গ) ছয়টি
  4. ঘ) নয়টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা ৬টি।
এগুলো হলোঃ
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
- জনতা ব্যাংক লিমিটেড
- অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড
- রূপালি ব্যাংক লিমিটেড
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড।
- রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকের সংখ্যা তিনটি।
এগুলো হলো:
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১,৫৮২.
কৈলাসটিলা গ্যাসক্ষেত্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. রাজশাহী
  3. সিলেট
  4. চট্রগ্রাম
ব্যাখ্যা
•  কৈলাসটিলা গ্যাসক্ষেত্র 
- কৈলাসটিলা গ্যাসক্ষেত্র সিলেট বিভাগে অবস্থিত একটি গ্যাসক্ষেত্র।
- সবোর্চ্চ মজুদের দিক থেকে বাংলাদেশে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে কৈলাসটিলা গ্যাসক্ষেত্র।
- এখানে আছে দুই হাজার ৮৮০ বিসিএফ। ১৯৬২ সালে কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্রে প্রাকৃতিক গ্যাস আবিষ্কৃত হয়।
- এটি থেকে ১৯৮৩ সালে গ্যাস উৎপাদন শুরু হয়।
- এই গ্যাসক্ষেত্রটি সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।
- এই গ্যাসক্ষেত্রটি বিয়ানীবাজার গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
- বর্তমানে এ গ্যাসক্ষেত্রের অধীনে ৭টি কূপ রয়েছে।
- ২০১২ সালে এই গ্যাসক্ষেত্রে তেলের মজুদের সন্ধ্যান পাওয়া যায়।
- ২০১২ সালে, বাপেক্স একটি ত্রিমাত্রিক ভূকম্পন জরিপ পরিচালনা করে, যার মাধ্যমে বাপেক্স কৈলাশটিলা এবং হরিপুরে প্রায় ১৩৭ মিলিয়ন ব্যারেল তেলের মজুদ খুঁজে পায়; যার মধ্যে কৈলাশিলায় ১০৯ মিলিয়ন ব্যারেল এবং হরিপুরে অবশিষ্ট ২৮ মিলিয়ন ব্যারেল তেল পাওয়া যায়।
- কৈলাসটিলা-৮ কূপের খনন কাজ শুরু হয়েছে ১১ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে।

সূত্র- বাংলাপিডিয়া ও যুগান্তর পত্রিকা।
১,৫৮৩.
যমুনা রেলওয়ে সেতুতে কোন ধরনের রেললাইন নির্মাণ করা হয়েছে?
  1. সিঙ্গেল গেজ সিঙ্গেল ট্র্যাক
  2. ডুয়েল গেজ সিঙ্গেল ট্র্যাক
  3. ডুয়েল গেজ ডাবল ট্র্যাক
  4. ব্রড গেজ সিঙ্গেল ট্র্যাক
ব্যাখ্যা
যমুনা রেলসেতু:
- যমুনা সেতু দেশের দীর্ঘতম রেলসেতু।
- সেতুটি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার।
- সেতুর মোট স্প্যান ৪৯টি।
- সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৫০টি।
- সেতুটিতে ডুয়েল গেজ ডাবল রেললাইন নির্মাণ করা হয়েছে।
- সেতুর ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চলাচল করতে পারবে।
- ১৮ মার্চ, ২০২৫ তারিখে যমুনা সেতু আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।

⇒ যমুনা রেলসেতু প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা)।
- দেশের সর্ববৃহৎ এ রেলওয়ে সেতুর নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করেছে জাপানি কোম্পানি ওটিজি ও আইএইচআই জয়েন্টভেঞ্চার।
- জাপানি ৫টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিশাল এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের রেলপথ দুই ধরনের: মিটারগেজ ও ব্রডগেজ।
- মিটারগেজ এক মিটার তথা ৩৯.৩৭ ইঞ্চি প্রশস্ত।
- ব্রডগেজ ৬৫.৯৮ ইঞ্চি প্রশস্ত।
- ডুয়েলগেজে তিনটি রেল (রেলের পাত বা ট্র্যাক) থাকে, যাতে মিটারগেজ ও ব্রডগেজ– উভয় ট্রেন চলতে পারে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
১,৫৮৪.
বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী কোন পণ্য 'হোয়াইট গোল্ড' হিসেবে পরিচিত?
  1. ইলিশ
  2. পাট
  3. চিংড়ি
  4. চা
ব্যাখ্যা
White gold:
- বঙ্গোপসাগর, মোহনা ও স্বাদুপানিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ চিংড়ি থাকায় বাংলাদেশকে চিংড়িসমৃদ্ধ দেশ বলা যায়।
- এদেশে মোট ৫৬টি প্রজাতির চিংড়ি শনাক্ত করা হয়েছে।
- এর মধ্যে ৩৭টি লবণাক্ত পানির, ১২টি কমলবণাক্ত পানির ও ৭টি স্বাদুপানির বাসিন্দা।
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে ‘সাদা সোনা’ বা ‘হোয়াইট গোল্ড’ বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- চিংড়ি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী রপ্তানি পণ্য।
- দেশের মোট উৎপাদিত চিংড়ির বেশীরভাগই উৎপাদিত হয় দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বিশেষ করে বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরায়।
- সত্তর দশকের শুরু থেকেই মূলত উপকূলীয় অঞ্চলের চাষীরা সনাতন পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ শুরু করে।
- আশির দশক থেকে দেশে বাণিজ্যিকভাবে বাগদা চিংড়ি উৎপাদন ও রপ্তানি হচ্ছে।
- আশির দশকের শুরুতে আধা-লোনা পানিতে মৎস্য খামার স্থাপন প্রকল্পের উদ্যোগে খুলনা অঞ্চলে পোল্ডারের মধ্যে এবং কক্সবাজার অঞ্চলে লবণের সাথে চিংড়ি চাষ শুরু করা হয়।
- আশির দশকের মাঝামাঝি চিংড়ি চাষ প্রকল্পে মৎস্য অধিদপ্তর হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদনে সাফল্য অর্জন করে এবং বেসরকারি পর্যায়ে চিংড়ি হ্যাচারি স্থাপনে সহায়তা প্রদান করে।

এছাড়া,
- পাটকে সোনালী আশ বলা হয়।
- ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ।

উৎস: i) পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) মৎস্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১,৫৮৫.
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশি পণ্যে মোট কত শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে?  
  1. ১৮ শতাংশ 
  2. ২০ শতাংশ 
  3. ৩৪ শতাংশ 
  4. ৩৫ শতাংশ 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি (Agreement on Reciprocal Trade): 
- বাংলাদেশ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি) স্বাক্ষরিত হয়েছে। 
- ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়। 
- চুক্তিতে বাংলাদেশের ওপর আরোপ করা বাড়তি শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৯ শতাংশ করা হয়েছে। 
- এতে করে মোট শুল্কহার আগের ৩৫ শতাংশ থেকে কমে হবে ৩৪ শতাংশ। আগের ১৫ শতাংশ শুল্কের সঙ্গে বাংলাদেশকে ১৯ শতাংশ পাল্টা শুল্ক দিতে হবে। 
- চুক্তির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৯ শতাংশ করেছে।
- ফলে প্রায় আড়াই হাজার বাংলাদেশি পণ্য শুল্কমুক্ত বা বিশেষ সুবিধায় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ঢুকতে পারবে। 
- তবে চুক্তিতে নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রাসহ এক ধরনের ‘নিয়ন্ত্রিত বাণিজ্য’ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
- বাংলাদেশ আগামী ১৫ বছরে ১৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন জ্বালানি, বিশেষ করে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কিনতে রাজি হয়েছে।

- এ ছাড়া রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কিনবে। ফলে প্রতিদ্বন্দ্বী ইউরোপের এয়ারবাসের বদলে মার্কিন কোম্পানিই অগ্রাধিকার পাবে। কৃষিখাতে বাংলাদেশ অন্তত ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন কৃষিপণ্য, যেমন গম ও সয়াবিনের মতো পণ্য আমদানি করবে।

উল্লেখ্য, 
- একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশী রফতানি পণ্যের প্রধান গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র। 
- যুক্তরাষ্ট্রের সেনসাস ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানি করে ৮৩৫ কোটি ৮৭ লাখ ডলারের। - একই সময়ে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য রফতানির অর্থমূল্য ছিল ২২৯ কোটি ৫২ লাখ ডলার। এ হিসাবে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাটতির পরিমাণ ৬০৬ কোটি ৩৫ লাখ, যা কমিয়ে আনতেই ট্রাম্প প্রশাসন পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছেন। 

তথ্যসূত্র: 
i) বনিক বার্তা। (Link)
ii) ডেইলি স্টার।(Link) 
iii) সমকাল। (Link)
iv) ইত্তফাক। (Link)

১,৫৮৬.
গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের তৃতীয় সর্বাধিক রপ্তানি পণ্য কোনটি?
  1. তৈরি পোশাক
  2. পাট ও পাটজাত পণ্য
  3. কৃষিপণ্য
  4. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট রপ্তানির পরিমাণ ৩৩.৬৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এর মধ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ২৭.৯৫ বিলিয়ন ডলার। যা মোট রপ্তানির প্রায় ৮৩ ভাগ।
দ্বিতীয়, সর্বাধিক রপ্তানি পণ্য পাট ও পাটজাত পণ্য ৮৮২.৩৫ মিলিয়ন ডলার। তৃতীয়, কৃষিপণ্য ৮৬২.০৬ মিলিয়ন ডলার। চতুর্থ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য ৭৯৭.৬ মিলিয়ন ডলার।
[সূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট]
১,৫৮৭.
পায়রা সমুদ্র বন্দর কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. পায়রা নদী
  2. শ্যালা নদী
  3. তেতুলিয়া নদী
  4. আন্ধারমানিক নদী
ব্যাখ্যা
পায়রা সমুদ্র বন্দর:
- পায়রা সমুদ্র বন্দর পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ চ্যানেল সংলগ্ন আন্ধারমানিক নদীর পাড়ের টিয়াখালী ইউনিয়নের ইটবাড়িয়ায় অবস্থিত।

⇒ বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর ‘পায়রা বন্দর'।
- ‘পায়রা বন্দর' পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া, বালিয়াতলী, ধূলাসার, ধানখালী ও টিয়াখালী ইউনিয়নের অনত্মর্গত রাবনাবাদ চ্যানেলের পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
- শিপিং-বান্ধব বিস্মীর্ণ এলাকা হিসেবে এটি সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য প্রাকৃতিকভাবেই উপযুক্ত একটি অঞ্চল।
- ১৩ আগস্ট, ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পায়রা বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
- এ উদ্বোধনের দ্বারা বাংলাদেশের আমদানি- রপ্তানি বাণিজ্য তথা দেশের সার্বিক উন্নয়নে নতুন মাইল ফলক রচিত হবে বলে আশা করা যায়।
- ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ এই প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
- এটি বঙ্গোপসাগরের কাছে রামনাবাদ চ্যানেলে অবস্থিত।

উৎস: পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ।
১,৫৮৮.
বাংলাদেশে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা কয়টি?
  1. ক) ২৬ টি
  2. খ) ২৭ টি
  3. গ) ২৮ টি
  4. ঘ) ২৯ টি
ব্যাখ্যা
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯টি
- সর্বশেষ সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- গত ৯ আগস্ট নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড এক্সপ্লোরেশন কোম্পানি (বাপেক্স) এটি আবিষ্কার করে।
- ক্ষেত্রটিতে ৬,৮০০ কোটি ঘনফুট গ্যাস রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
- দৈনিক এই ক্ষেত্র থেকে ১ কোটি ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো
১,৫৮৯.
বর্তমানে দেশের বৃহত্তম রপ্তানীমুখী শিল্প কোনটি?
  1. ক) পােশাক শিল্প
  2. খ) কৃষিজাত পণ্য
  3. গ) প্রক্রিয়াজাত পণ্য
  4. ঘ) পাট ও পাটজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
⇨ বাংলাদেশের তৈরি পােশাক খাত তৈরি পােশাক’ ও ‘নীটওয়্যার’ - ইত্যাদি কয়েক ধরনের রপ্তানি পণ্যের সমন্বয়ে গঠিত।
⇨ ২০২১-২২ অর্থবছরে তৈরি পােশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় - ২৭,৪৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৭.৪৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মােট রপ্তানি আয়ের - ৮১.২৫% (নীটওয়্যার- ৪৪.৫৩% ও তৈরি পােশাক - ৩৬.৭২%)।
⇨ অর্থাৎ রপ্তানি আয়ে তৈরি পােশাক খাতের অবদান - ৮১.২৫%
⇨ এই খাতের বাইরে শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে - পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (৬৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
⇨ রপ্তানিতে প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ৪.১৫% এবং ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার - ৯৫.৮৪%।
⇨ প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে - “হিমায়িত খাদ্য’।
⇨ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে - ‘কৃষিজাত পণ্য।   

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
১,৫৯০.
বর্তমানে মৌলভীবাজার জেলায় কতটি চা-বাগান রয়েছে? [অক্টোবর,২০২৫]
  1. ৮৭ টি
  2. ৯০ টি
  3. ৯৫ টি
  4. ৮২ টি
ব্যাখ্যা

- মৌলভীবাজার জেলায় ৯০টি চা বাগান রয়েছে।

চা শিল্প:

- ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশে চা বাগানের সংখ্যা ছিল ১৫০টি।
- বর্তমানে চা বাগানের সংখ্যা ১৭১টি।
- বর্তমানে দেশে ৩টি চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে (চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল, পঞ্চগড়)।
- দেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়।
- মৌলভীবাজার জেলায় ৯০টি চা বাগান রয়েছে।

এছাড়াও
- হবিগঞ্জ জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা ২৫ টি।
- সিলেট জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা ১৯ টি।
- চট্টগ্রাম জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা ২২ টি
- রাঙ্গামাটি জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা ২ টি।
- পঞ্চগড় জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা ১১ টি।
- ঠাকুরগাওঁ জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা ১টি।
- খাগড়াছড়ি জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা-১ টি

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

১,৫৯১.
’বিলোনিয়া স্থলবন্দর’ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ফেনী 
  2. বাগেরহাট
  3. লালমনির হাট
  4. খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা

• বিলোনিয়া স্থলবন্দর:
- ফেনী জেলার অন্তর্গত পরশুরাম উপজেলার উত্তর সীমান্তে রয়েছে বাংলাদেশের ১১তম স্থলবন্দর বিলোনিয়া স্থলবন্দর।
- এটি বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত;
- ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলার বিলোনিয়া সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুহুরীঘাট এলসিএস রয়েছে;
- ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখ বিলোনিয়া শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়;
- ১৯ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখ বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়;

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং যুগান্তর।

১,৫৯২.
পায়রা সমুদ্র বন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. পটুয়াখালী
  2. বাগেরহাট
  3. খুলনা
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

•পায়রা বন্দর: 
- বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর পায়রা।
- পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ চ্যানেলের তীরে অবস্থিত।
- ১৩ আগস্ট ২০১৬ সালে সীমিত পরিসরে পায়রা বন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়।
- সেপ্টেম্বর ২০১৯ থেকে নিয়মিতভাবে কয়লা ও অন্যান্য পণ্যবাহী জাহাজ এই বন্দরে আগমন করছে।
- নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রতিষ্ঠান রয়েল হাসকনিংডিএইচভি এর মাধ্যমে বন্দরের মাস্টার প্ল্যান প্রস্তুত হয়েছে।
- রাবনাবাদ চ্যানেলে মূল খনন (ক্যাপিটাল ড্রেজিং) চলছে।
- চ্যানেলটি -১০.৫ মিটার চার্ট ডাটাম (CD) পর্যন্ত গভীর করা হবে,
- যাতে প্যানামাক্স (PANAMAX) আকারের জাহাজ ভিড়তে পারে।

উল্লেখ্য, 
- চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের প্রধান সামুদ্রিক বন্দর।
- এটি কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- ১৯৫৪ সালের ২০শে জুন মোংলা বন্দর নামকরন করা হয়।
- ১৯৮৭ সালের মার্চ মাসে এটি নাম পরিবর্তনপূর্বক "মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ” হিসেবে যাত্রা শুরু করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৫৯৩.
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন কতটি শিল্প কারখানা পরিচালনা করছে?
  1. ১১
  2. ১৩
  3. ১৫
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বর্তমানে বিসিআইসি’ ১১টি  কারখানা পরিচালনা করছে।

• চালু কারখানাসমূহের মধ্যে:
- ৫টি ইউরিয়া সার কারখানা, ১টি ডিএপি সার কারখানা, ১টি টিএসপি সার কারখানা, ১টি কাগজ কারখানা, ১টি সিমেন্ট কারখানা, ১টি গ্লাসশীট কারখানা ও ১টি স্যানিটারীওয়্যার ও ইনসুলেটর কারখানা রয়েছে। 

» চালু কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৫টি (চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড,আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ,ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী )।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
• কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
• সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
• গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
• স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

তথ্যসূত্র: BCIC ওয়েবসাইট। (Link)

১,৫৯৪.
কর্ণফুলী পেপার মিল- এর প্রধান কাঁচামাল নিচের কোনটি?
  1. বাঁশ
  2. আখের ছোবড়া
  3. নল খাগড়া
  4. ধানের খড়
ব্যাখ্যা
• কর্ণফুলী কাগজ কল:
- এটা সর্ব প্রথম ও বৃহত্তম কাগজকল।
- ১৯৫৩ সালে রাঙ্গামাটি জেলার চন্দ্রঘোনা নামক স্থানে কর্ণফুলী নদীর তীরে এ কলটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রধান কাচাঁমাল: বাঁশ ও নরম কাঠ।

এছাড়াও, 
- খুলনা নিউজপ্রিন্ট কারখানা: ১৯৫৯ সালে খুলনার খালিশপুরে এ কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটা দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কাগজ কল।
- উত্তরবঙ্গ কাগজ কল: এটি দেশের তৃতীয় বৃহত্তম কাগজ কল।
- ১৯৬৯ সালে পাবনার পাকশীতে পদ্মা নদীর তীরে এ কলটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সিলেট মন্ড ও কাগজ কল: ছাতকের সুরমা নদীর তীরে কারখানটি অবস্থিত।
- এছাড়া নারায়ণগঞ্জের মেঘনা ঘাটের নিকট বসুন্ধরা, মাগুরা ও শাহজালাল নামে কাগজ কল রয়েছে।
- খুলনা হার্ডবোর্ড মিল: ১৯৬৬ সালে খুলনার খালিশপুরে খুলনা হার্ডবোর্ড মিল প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: বিসিসিআই এবং অর্থনৈতিক ভূগোল।
১,৫৯৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুয়ায়ী, বাংলাদেশ প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করে -
  1. সুতা
  2. গম
  3. সার
  4. তুলা
ব্যাখ্যা
সার্বিক আমদানি পরিস্থিতি:
ক) প্রধান প্রাথমিক পণ্য
১. তুলা: ২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

⇒ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি: তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি: তুলা।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৫৯৬.
বাংলাদেশ বন শিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন (BFIDC)-এর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে কয়টি রাবার জোন রয়েছে?
  1. ২টি 
  2. ৩টি 
  3. ৪টি 
  4. ৫টি 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ বন শিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন (BFIDC)-র তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে মোট ৩টি রাবার জোন বা অঞ্চল রয়েছে।
জোনগুলো হলো:  চট্টগ্রাম জোন, সিলেট জোন ও টাঙ্গাইল-শেরপুর (মধুপুর) জোন।

রাবার:
- রাবার একটি অত্যন্ত মূল্যবান অর্থকরী বনজ সম্পদ যার বিভিন্ন ধরণের ব্যবহার রয়েছে।
- বিএফআইডিসির মালিকানাধীন রাবার বাগান রয়েছে ১৮টি।
- বাংলাদেশে রাবার জোন রয়েছে ৩টি। এগুলো হলো: বৃহত্তর চট্টগ্রাম, সিলেট এবং টাঙ্গাইল - শেরপুর।
- ৩টি জোনে মোট রাবার বাগান ১৮টি; এর মধ্যে চট্টগ্রামে ৯টি, সিলেট জোনে ৪টি এবং টাঙ্গাইল-শেরপুর জোনে ৫টি।

• বিএফআইডিসি ১৯৮০-৮১ সাল হতে উচ্চ ফলনশীল রাবার চারা রোপণ শুরু করে এবং ১৯৯৭ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম, সিলেট ও মধুপুরের ১৩,২০৭ হেক্টর জমিতে ১৬টি রাবার বাগান সৃজন করে।
- তার মধ্যে ৮% চারা মালয়েশিয়া হতে আনীত প্রিম ৬০০ এবং পিবি ২৩৫ ক্লোন হতে লাগানো হয়।
- প্রতিটি ক্লোন হতে উৎপন্ন চারা হতে বছরে তিন কেজি করে রাবার উৎপন্ন হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ রাবার বোর্ড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

১,৫৯৭.
Which of the following companies does assemble the Japanese automobiles in Bangladesh?
  1. Nitol Motors Ltd.
  2. Ifad Autos Ltd.
  3. Rangs Motors Ltd.
  4. Progoti Industries Ltd.
ব্যাখ্যা
প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ:
- প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ কোম্পানি বাংলাদেশে জাপানি অটোমোবাইল একত্রিত করে।
- ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডের জেনারেল মোটরস-এর কারিগরী সহযোগিতায় চট্টগ্রামের বাড়বকুন্ডে গাড়ী উৎপাদনের নিমিত্ত ব্যক্তি মালিকানায় গান্ধারা ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭২ সালে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু সরকারের আমলে প্রতিষ্ঠানটিকে প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ (পিআইএল) নামে জাতীয়করণ করে বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি)এর নিয়ন্ত্রণে দেয়া হয়-যা অদ্যাবধি বিএসইসি কর্তৃক পরিচালিত হচ্ছে।
- বাংলাদেশের গাড়ী সংযোজনকারী একমাত্র সরকারী প্রতিষ্ঠান পিআইএল ইংল্যান্ডের বেডফোর্ড কোম্পানীর বাস ও ট্রাক সংযোজন করার মাধ্যমে প্রাথমিক যাত্রা শুরু করে।
- বর্তমানে জাপানের মিৎসুবিসি মোটরস করপোরেশনের পাজেরো স্পোর্ট(কিউএক্স) জীপ, চীনের ফোর্ডে অটোমোবাইলস কোং লিঃ এর ল্যান্ডফোর্ট এসইউভি জীপ এর সিকেডি আমদানী ও সংযোজন পূর্বক স্থানীয়ভাবে বাজারজাত করছে।
- তাছাড়া, পিআইএল মিৎসুবিসি এল-২০০ ডাবল কেবিন পিকআপ,টয়োটা এ্যাম্বুলেন্স,মাইক্রোবাস ইত্যাদি সিবিইউ অবস্থায় আমদানী করে বাজারজাত করছে।

তথ্যসূত্র - প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ ওয়েবসাইট।
১,৫৯৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, শিল্পজাত পণ্য হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় -
  1. সুতা
  2. সার
  3. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
  4. তুলা
ব্যাখ্যা
একক পণ্য আমদানি:
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - তুলা।

শিল্পজাত পণ্য আমদানি:
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- শিল্পজাত পণ্য হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়- সার।
- শিল্পজাত পণ্য হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় - সুতা।

প্রাথমিক পণ্য আমদানি:
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - তুলা।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়- গম।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় - তৈলবীজ।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৫৯৯.
বর্তমানে বিসিআইসি'র অধীনে কতটি শিল্প কারখানা রয়েছে?
  1. ১২টি
  2. ৮টি
  3. ১৩টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি): 
- বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) সরকারি খাতে বাংলাদেশের দশের পাবলিক সেক্টর কর্পোরেশনগুলোর মধ্যে সর্ববৃহৎ শিল্প সংস্থা।
- দীর্ঘদিন থেকে সফলতার সাথে ইউরিয়া সার উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশে সারের চাহিদা পূরণ করে আসছে।
- বর্তমানে ১৩টি শিল্প প্রতিষ্ঠান বিসিআইসি’র নিয়ন্ত্রনাধীনে পরিচালিত হচ্ছে। 
- চালু কারখানাগুলোর মধ্যে ৪টি ইউরিয়া সার কারখানা, ১টি ডিএপি সার কারখানা, ১টি টিএসপি সার কারখানা, ১টি কাগজ কারখানা ও ১টি স্যানিটারীওয়্যার ও ইন্স্যুলেটর কারখানা রয়েছে।
- সম্প্রতি প্রধান কাঁচামাল স্বল্পতার কারণে ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লি. ও উসমানিয়া গ্লাস শীট ফ্যাক্টরি লি. কারখানা ২টির উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।
- শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোতে ইউরিয়া সার, কাগজ, ইনস্যুলেটর ও স্যানিটারীওয়্যার ইত্যাদি পণ্য উৎপাদিত হচ্ছে।
- বিসিআইসি'র উৎপাদিত পণ্যের ৮০ শতাংশই বিভিন্ন রাসায়নিক সার, যার মধ্যে ৭০ শতাংশ ইউরিয়া সার এবং ১০ শতাংশ অন্যান্য সার।
- বিসিআইসি'র সাথে স্থানীয়/বিদেশি যৌথ উদ্যোগে ৯টি প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে।

উৎস: বিসিআইসি ওয়েবসাইট।
১,৬০০.
প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে -
  1. নিট ওয়্যার
  2. হোম টেক্সটাইলস
  3. কৃষিজাত পণ্য
  4. পাট ও পাটজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
পণ্যভিত্তিক রপ্তানি:
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে – ‘কৃষিজাত পণ্য’।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে – ‘হিমায়িত খাদ্য’।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত ‘তৈরি পোশাক’ ও ‘নীটওয়্যার’ ইত্যাদি কয়েক ধরনের রপ্তানি পণ্যের সমন্বয়ে গঠিত।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় – ১৪,২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।
- একক পণ্য হিসাবে নীটওয়্যার সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়, পরিমাণ – ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- রপ্তানিতে ‘প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ২.৬৩% ।
- ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার – ৯৭.৩৭%। 

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৪ ।