বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

মোট প্রশ্ন১,৭৮৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

PrepBank · পাতা ১৫ / ১৮ · ১,৪০১১,৫০০ / ১,৭৮৪

১,৪০১.
২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা কত নির্ধারণ করা হয়েছে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ৫৩.৫ বিলিয়ন ডলার
  2. ৬৩.৫ বিলিয়ন ডলার
  3. ৭৩.৫ বিলিয়ন ডলার
  4. ৮৩.৫ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা

রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা:
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিশ্ববাজারে পণ্য ও সেবা রপ্তানি করে ৬৩.৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। 
- এর মধ্যে পণ্যের রপ্তানি থেকে ৫৫ বিলিয়ন ডলার এবং সেবা খাত থেকে ৮.৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। 
- গত অর্থবছরে ২০২৪-২৫ এ লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ হাজার ৭৫০ কোটি মার্কিন ডলার।
- চলতি অর্থবছরের এই লক্ষ্য ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় ১৬.৫ শতাংশ বেশি। 

উল্লেখ্য,
- সমাপ্ত অর্থবছর ২০২৪-২৫-এ বাংলাদেশ পণ্য খাতে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৪৮ দশমিক ২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছে, যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৯৭ শতাংশ এবং পূর্ববর্তী ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তুলনায় ৮.৫৮ শতাংশ বেশি। 
- সেবা খাতের লক্ষ্যমাত্রা ৭ দশমিক ৫০ বিলিয়নের বিপরীতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জুলাই-এপ্রিল পর্যন্ত রপ্তানি হয়েছে ৫ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ দশমিক ১৩ শতাংশ বেশি।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]

১,৪০২.
বাংলাদেশের বৃহত্তম তফসিলি ব্যাংক কোনটি?
  1. ক) গ্রামীন ব্যাংক
  2. খ) যমুনা ব্যাংক
  3. গ) সোনালী ব্যাংক
  4. ঘ) ডাচ-বাংলা ব্যাংক
ব্যাখ্যা
ব্যাংক:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক।
- বাংলাদেশের ব্যাংকসমূহকে মূলত দুই শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে.
- সেগুলো হলো:
i) তালিকাভুক্ত বা তফসিলি ও
ii) অ-তালিকাভুক্ত বা অ-তফসিলি ব্যাংক। 
- দেশের মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি (ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত)।
এর মধ্যে –
• রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
• বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
• বিদেশি ব্যাংক: ৯টি ও
• ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান: ৩৬টি।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম তফসিলি ব্যাংক সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- 'বাংলাদেশ ব্যাংক (ন্যাশনালাইজেশন) অর্ডার ১৯৭২' অনুসারে ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠিত হয়। 

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
         ii) বাংলাদেশ ব্যাংক।
১,৪০৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৫ অনুসারে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ পরিমাণ কত?
  1. ৬৩ বিলিয়ন
  2. ৬৮ বিলিয়ন
  3. ৬৬ বিলিয়ন
  4. ৬৫ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা

• আমদানি পরিস্থিতি
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৮,৩৫৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার =৬৮.৩৫৪ বিলিয়ন।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ৬৬,৭২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ২.৪ শতাংশ বেশি।
- মোট পণ্য আমদানি মূল্যের ভিত্তিতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চীন থেকে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়।
- যা দেশের মোট আমদানির ৩০.০২ শতাংশ।
- আলোচ্য সময়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারত (১৪.১৮%) ও যুক্তরাষ্ট্র (৩.৬৭%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫।

১,৪০৪.
বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে কোন কোন দেশে? [জুন, ২০২৫]
  1. যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানি
  2. জার্মানি, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য
  3. যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, যুক্তরাজ্য
  4. যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক রপ্তানি আয়:
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, যুক্তরাজ্য থেকে পণ্য রপ্তানি বাবদ সবচেয়ে বেশি আয় করেছে।

⇒ দেশভিত্তিক রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ⎯
১. শীর্ষ দেশ: যুক্তরাষ্ট্র,
- রপ্তানির পরিমাণ: ৬,১০৩.১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ১৫.৮৭%।

২. দ্বিতীয় দেশ: জার্মানি,
- রপ্তানির পরিমাণ: ৪,৩১২.১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ১১.২১%।

৩. তৃতীয় দেশ: যুক্তরাজ্য,
- রপ্তানির পরিমাণ: ৪,০৪৫.৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ১০.৫২%।

৪. চতুর্থ দেশ: ফ্রান্স,
- রপ্তানির পরিমাণ: ২,১৯২.৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ৫.৭০%।

৫. পঞ্চম দেশ: ইতালি,
- রপ্তানির পরিমাণ: ১,৬২৭.৫৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ৪.২৩%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৪০৫.
আদমজী পাটকল বন্ধ করে দেয়া হয় -
  1. ক) ২০০২ সালের ৩০ জুলাই
  2. খ) ২০০২ সালের ৩০জুন
  3. গ) ২০০০ সালের ৩০ জুলাই
  4. ঘ) ২০০০ সালের ৩০জুন
ব্যাখ্যা
♦উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো - ২০০২ সালের ৩০ জুন।

• পাট শিল্প:

-  ১৯৫১ সালে নারায়নগঞ্জের আদমজীনগরে বিশ্বের বৃহত্তম পাটকল।
- ১০০০ তাঁত নিয়ে শুরু হয়। 
- ৫২ বছর পর ২০০২ সালের ৩০ জুন বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। 
- ২৪৫ দশমিক ১২ একর জায়গায় পরে গড়ে তোলা হয় ২০০৬ সালে। 
- আদমজী ইপিজেডের প্লট সংখ্যা ২২৯টি।
 - বিজেএমসি বর্তমানে ২৭টি পাটকল নিয়ন্ত্রণ করে।
 
উৎস: লাইভ এম সি কিউ লেকচার।
১,৪০৬.
মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্রে যে জ্বালানী ব্যবহৃত হবে-
  1. ক) LNG
  2. খ) Diesel
  3. গ) Coal
  4. ঘ) HFO
ব্যাখ্যা
- প্রকল্পের নাম: মাতারবাড়ি আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল ফায়ার্ড পাওয়ার প্রজেক্ট।
- সংস্থা: কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিপিজিসিবিএল)।
- কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী ও ধলঘাটা ইউনিয়নে ২ X ৬০০ মেগাওয়াট আল্ট্রাসুপার ক্রিটিক্যাল কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
- বাংলাদেশ সরকার ও জাইকার মধ্যে ১৬ জুন ২০১৪ ইং তারিখে একটি ঋণচুক্তি সম্পাদিত হয়। প্রকল্পের অনুমোদিত আরডিপিপি অনুযায়ী, এই প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ৫১,৮৫৪.৮৮ কোটি টাকা।
- প্রকল্পের মোট অর্থায়নের ৪৩,৯২১.০৩ কোটি টাকা প্রকল্প সাহায্য হিসেবে জাইকা থেকে এবং অবশিষ্ট ৭,৯৩৩.৮৫ কোটি টাকা বাংলাদেশ সরকার ও সিপিজিসিবিএল এর নিজস্ব তহবিল থেকে সংস্থান করা হবে।
- ফেব্রুয়ারি-২০২৩ পর্যন্ত ভৌত অগ্রগতি ৭৩.৩৫% এবং পোর্ট ও পাওয়ার প্ল্যান্ট কাজের ভৌত অগ্রগতি ৯১.১০%।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। [link]
১,৪০৭.
আমদানি ও রপ্তানি পণ্য পরিবহন সহজ করতে কোন বন্দরে ‘অনলাইন গেট পাস’ ব্যবস্থা চালু করা হয়? [মার্চ - ২০২৫]
  1. মোংলা বন্দর
  2. চট্টগ্রাম বন্দর
  3. পায়রা বন্দর
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

অনলাইন গেট পাস: 
- আমদানি ও রপ্তানি পণ্য পরিবহন সহজ করতে চট্টগ্রাম বন্দরে ‘অনলাইন গেট পাস’ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
- ২০২৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান এই ডিজিটাল ব্যবস্থার উদ্বোধন করেন।
- এর ফলে পণ্য প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় কমবে এবং যানজট হ্রাস পাবে। টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেমের (টিওএস) আওতায় ডেটাসফট সিস্টেমস বাংলাদেশ লিমিটেড প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়েছে।
- ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে ফি পরিশোধ করে দ্রুত গেট পাস সংগ্রহ করা যাবে।
- প্রতিদিন প্রায় ৮ হাজার যানবাহন বন্দরের মাধ্যমে চলাচল করায় এই ব্যবস্থা কার্যক্রমকে আরও সহজ করবে।

চট্টগ্রাম বন্দর:
- ১৯৭৬ সালে জারিকৃত রাষ্ট্রপতির ৫২ নং আদেশ বলে চট্টগ্রাম বন্দর ট্রাস্ট-কে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক) এ রূপান্তরিত করা হয়।
- চট্টগ্রাম বন্দর দেশের প্রধান ও ব্যস্ততম সামুদ্রিক বন্দর।
- চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থা।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের উত্তর পূর্বে পর্বত শ্রেণি থেকে উৎপন্ন এবং বঙ্গোপসাগরে পতিত কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- সমুদ্র হতে কয়েক মাইল অভ্যন্তরে গভীর সমুদ্রে নোঙর করার সুবিধাই এ বন্দরের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- বঙ্গোপসাগরের বাইরের দিকে বালুচর হতে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে প্রধান ঘাট পর্যন্ত চলমান দূরত্ব হচ্ছে ১৬ কিলোমিটার।

সূত্র - চট্টগ্রাম বন্দর ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।

১,৪০৮.
২০১৮ - ১৯ অর্থ বছরে বিদ্যুৎ - এর মোট উৎপাদন কত?
  1. ক) ১০,৯৫৮ মেগাওয়াট
  2. খ) ১১,৬২৩ মেগাওয়াট
  3. গ) ১২,৫২৪ মেগাওয়াট
  4. ঘ) ১৮,০৭৯ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বর্তমানে গ্রিডভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা - ১৮,০৭৯ মেগাওয়াট
এবং প্রকৃত উৎপাদন - ১১,৬২৩ মেগাওয়াট
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

১,৪০৯.
বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৩ সালে
  2. ১৯৮৭ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯৫ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড:
- বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল হিসাবে ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের হালিশহরে ৪৫৩ একর জায়গার উপর নির্মাণ করা হয় চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- এটা সমুদ্র বন্দর থেকে ৩.১০ কিলোমিটার এবং শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে মাত্র ১১.৩০ কিলোমিটার দুরত্বে হওয়ায় শিল্প পার্ক হিসাবে দ্রুত প্রসার লাভ করেছ।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকেই চট্টগ্রামতথা বাংলাদেশের বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে চট্টগ্রাম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

⇒ সরকারি ইপিজেডগুলো হলো:
• চট্টগ্রাম ইপিজেড: ১৯৮৩ সাল,
• ঢাকা: ১৯৯৩ সাল,
• মংলা, খুলনা: ১৯৯৮ সাল,
• কুমিল্লা: ২০০০ সাল,
• উত্তরা, নীলফামারী: ২০০১ সাল,
• ঈশ্বরদী, পাবনা: ২০০১ সাল,
• আদমজী, নারায়ণগঞ্জ: ২০০৬ সাল,
• কর্ণফুলি, চট্টগ্রাম: ২০০৬ সাল।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।
১,৪১০.
পোষাক রপ্তানিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা
• পোষাক রপ্তানি:
- পোষাক রপ্তানিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান - দ্বিতীয়।
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডাব্লিউটিও) প্রকাশিত বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান পর্যালোচনা ২০২২-এ দেখা যায়, বাংলাদেশ ২০২১ সালে বৈশ্বিক তৈরি পোশাক রপ্তানি বাজারে আবারও দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে।

- বিশ্বব্যাপী তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানিতে ভিয়েতনামের অংশ ২০২০ সালের ৬.৪০ শতাংশ থেকে ২০২১ সালে ৫.৮০ শতাংশ কমেছে।
- বাংলাদেশের হিস্যা ২০২০ সালের ৬.৩০ শতাংশ থেকে গত বছর ৬.৪০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।
- এই অনুপাত ২০১৯ সালে ৬.৮০ শতাংশ এবং ২০১৮ সালে ছিল ৬.৪০ শতাংশ।

- তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পোশাক আমদানিতে সরবরাহকারী সব শীর্ষ দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে বাংলাদেশের।
- এ ছাড়া চীন ইউরোপীয় ইউনিয়নের পোশাক আমদানির প্রধান শীর্ষস্থানীয় উৎস এবং ২৮.০৬ শতাংশ অংশ নিয়ে চীনের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৬.৫৯ শতাংশ।

তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ।
১,৪১১.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বৃহৎ রপ্তানি বাজার-
  1. ভারত
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জাপান
  4. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

রপ্তানি (২০২৪-২৫):
- বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জার্মানি
- তৃতীয় সর্বোচ্চ- যুক্তরাজ্য।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ - স্পেন।

এছাড়াও,
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

উৎস: বানিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

১,৪১২.
Which institute is the regulator of the Capital Market of Bangladesh?
  1. Bangladesh Bank
  2. Ministry of Finance
  3. Securities and Exchange Commission
  4. Ministry of Commerce
  5. None
ব্যাখ্যা
BSEC:
- BSEC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান নাম বিএসইসি।
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বর্তমান চেয়ারম্যান মাশরুর রিয়াজ।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ (শেয়ার বাজার) দুইটি।
- যথা:
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪ সাল),
• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫ সাল)।

উল্লেখ্য,
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।

উৎস: BSEC ওয়েবসাইট।
১,৪১৩.
BIDA-এর বর্তমান চেয়ারম্যান - [জুন, ২০২৫]
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ড. এম আসলাম আলম
  3. জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান
  4. আশিক চৌধুরী
ব্যাখ্যা
BIDA:
- BIDA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Investment Development Authority বা বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।
- এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ একটি প্রতিষ্ঠান।
- এর নিয়ন্ত্রক প্রধানমন্ত্রী/ প্রধান উপদেষ্টা: ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- নির্বাহী চেয়ারম্যান: চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন (আশিক চৌধুরী)।
- গঠিত হয়: ২০১৬ সালে।
- কাজ: বেসরকারি বিনিয়োগ বিশেষত বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং বিনিয়োগ কারীদের বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করে থাকে।

উল্লেখ্য,
- ৭ এপ্রিল, ২০২৫ বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীকে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা প্রদান করেছে সরকার।

অন্যদিকে,
- বেপজার বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান।
- বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ-এর বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. এম আসলাম আলম।

উৎস: BIDA ওয়েবসাইট।
১,৪১৪.
জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে, মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য কত জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে?
  1. ১২১-৩৫০ জন
  2. ১২১-৩০০ জন
  3. ১২১-২৫০ জন
  4. ১২১-২০০ জন
ব্যাখ্যা
জাতীয় শিল্পনীতি:
- সর্বশেষ জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে এসএমই ও অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠান/উদ্যোগ এর শ্রেণিবিন্যাস -

⇒ বৃহৎ শিল্প (Large scale industries):
- উৎপাদনের ক্ষেত্রে ‘বৃহৎ শিল্প’ (Large Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ (Replacement Cost) ৫০ কোটি টাকার অধিক কিংবা তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠান ব্যতীত যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৩০০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। যে সকল তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকের সংখ্যা ১০০০ এর অধিক কেবল সে সকল তৈরি পোশাক শিল্প বৃহৎ শিল্পের অন্তর্ভুক্ত হবে।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘বৃহৎ শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৩০ কোটি টাকার অধিক কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

⇒ মাঝারি শিল্প (Medium scale industries):
- ম্যানুফ্যাকচারিং এর ক্ষেত্রে ‘মাঝারি শিল্প’ (Medium Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১৫ কোটি টাকা থেকে ৫০ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২১-৩০০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। তবে তৈরি পোশাক প্রতিষ্ঠান/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে মাঝারি শিল্পে শ্রমিকের সংখ্যা সর্বোচ্চ ১০০০ জন।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘মাঝারি শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ২ কোটি টাকা থেকে ৩০ কোটি টাকা পর্যন্ত কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৫১-১২০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

⇒ ক্ষুদ্র শিল্প (Small industries):
- ম্যানুফ্যাকচারিং এর ক্ষেত্রে ‘ক্ষুদ্র শিল্প’ (Small Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৭৫ লক্ষ টাকা থেকে ১৫ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ২৬-১২০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘ক্ষুদ্র শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকা থেকে ২ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১৬-৫০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

⇒ মাইক্রো শিল্প (Micro Industry):
- ‘মাইক্রো শিল্প’ (Micro Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকা থেকে ৭৫ লক্ষ টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ০১-২৫ জন বা তার চেয়ে কম সংখ্যক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘মাইক্রো শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকার নীচে কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ ১৫ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

উৎস: ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।
১,৪১৫.
রপ্তানি আয়ে ইপিজেডের অবদান কত শতাংশ?
  1. ক) ১০.২০ শতাংশ
  2. খ) ১৪.৪০ শতাংশ
  3. গ) ১৮.৫৬ শতাংশ
  4. ঘ) ২৮.৯০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে ইপিজেডের অবদান ১৮.৫৬ শতাংশ। এ সময়ে ৪০৫৩ কোটি ডলারের মোট রপ্তানি আয়ে ইপিজেড সমূহের অবদান ছিলো ৭৫২.৪১ কোটি মা. ডলার। এর আগে ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ে ইপিজেডের অবদান ছিলো ১৯.৬৬ শতাংশ। (সূত্রঃ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ও বেপজা)
১,৪১৬.
চা বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা কতটি? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ১৭০টি
  2. ১৭১টি
  3. ১৭২টি
  4. ১৭৩টি
ব্যাখ্যা

বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত চা বাগান:
- চা বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা ১৭১টি।
- দেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়। মৌলভীবাজার জেলায় ৯০টি চা বাগান রয়েছে।
- বর্তমানে দেশে ৩টি চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে (চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল, পঞ্চগড়)।

⇒ ১৮০০ শতাব্দীর প্রথম ভাগে ভারতবর্ষের আসাম ও তৎসংলগ্ন এলাকায় চা চাষ শুরু হয়। তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলী নদীর তীরে চা আবাদের জন্য ১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দে জমি বরাদ্দ হয়।
- ১৮৪০ খ্রিষ্টাব্দে চট্টগ্রাম শহরের বর্তমান চট্টগ্রাম ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় একটি চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যা কুন্ডদের বাগান নামে পরিচিত।
- সিলেটের মালনীছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৭ সালে।
- দেশ স্বাধীনের পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশে শুধুমাত্র দুইটি জেলায় চা আবাদ করা হতো। একটি সিলেট জেলায় যা ‘সুরমা ভ্যালি' নামে পরিচিত ছিল, আর অপরটি চট্টগ্রাম জেলায় যা ‘হালদা ভ্যালি' নামে পরিচিত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

১,৪১৭.
What is the first sea shore gas field in Bangladesh?
  1. ক) Sangu
  2. খ) Bakhrabad
  3. গ) Semutang
  4. ঘ) Srikail
  5. ঙ) None
ব্যাখ্যা
• প্রথম সামুদ্রিক গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের প্রথম সামুদ্রিক গ্যাসক্ষেত্র সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র।
- বাংলাদেশের সমুদ্রবক্ষে একমাত্র উৎপাদনশীল গ্যাসক্ষেত্র সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিঃশেষ ও পরিত্যক্ত হয় ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর।

উৎসঃ দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট
১,৪১৮.
যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে প্রথম জিএসপি সুবিধা দেয় -
  1. ক) ১ জানুয়ারি, ১৯৭৪
  2. খ) ১ জানুয়ারি, ১৯৭৫
  3. গ) ১ জানুয়ারি, ১৯৭৬
  4. ঘ) ১ জানুয়ারি, ১৯৭৭
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে প্রথম জিএসপি সুবিধা দেয় -  ১ জানুয়ারি, ১৯৭৬ সালে।

• GSP:

- GSP এর পূর্ণরূপ Generalized System of Preferences.
- GSP হচ্ছে পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার।
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রথম GSP সুবিধা চালু করে।
- নিম্ন আয়ের দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত দেশ হিসেবে গণ্য করা হয় 
- তাজরিন ফ্যাশন ও রানা প্লাজা ধসে সহস্রাধিক শ্রমিকের প্রাণহানির ঘটনা ঘটলে এ দেশের পোশাকশিল্প চাপের মুখে পড়ে।
- এই  পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশ জিএসপি সুবিধা হারায় ২৭ জুন, ২০১৩ সালে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।
১,৪১৯.
সর্বশেষ কোন জেলায় চা নিলাম কেন্দ্র স্থাপন করা হয়? (মার্চ, ২০২৫)
  1. সিলেট
  2. পঞ্চগড়
  3. মৌলভীবাজার
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
চা নিলাম কেন্দ্র:
- চট্টগ্রাম ও সিলেটের পরে ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সালে পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়েছে।
- এই নিলাম কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তৎকালীন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
- এতে চা উৎপাদনকারীদের ব্যয় কমবে।
- চা-চাষিরা পাতার মূল্য না পেলে এই নিলামকেন্দ্র চালু করা মূল্যহীন হবে।
- দেশে মোট উৎপাদিত চায়ের ১৯ শতাংশ চা পঞ্চগড় ও পাশ্ববর্তী জেলাগুলোতে উৎপাদন হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
১,৪২০.
কোন দেশ থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. জাপান
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিভাগের তথ্য মতে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আমদানি করেছে চীন থেকে।
- দেশের আমদানির ৭টি দেশভিত্তিক চিত্র নিম্নরূপ:



উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, জুলাই-ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ পর্যন্ত।

১,৪২১.
বাংলাদেশ নিচের কোন দেশে রপ্তানি ক্ষেত্রে জিএসপি সুবিধা পাচ্ছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. সিঙ্গাপুর
  3. পোল্যান্ড
  4. সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে বাংলাদেশ ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত ২৭টি দেশসহ মোট ৩৮টি দেশে রপ্তানি ক্ষেত্রে জিএসপি সুবিধা পাচ্ছে।
ইইউ বর্হিভূত দেশগুলো হলো:
- যুক্তরাজ্য
- অস্ট্রেলিয়া
- নিউজিল্যান্ড
- জাপান
- কানাডা
- তুরস্ক
- রাশিয়া
- বেলারুশ
- লিচেনস্টাইন
- নরওয়ে এবং
- সুইজারল্যান্ড।
(তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো)
১,৪২২.
সুতা শিল্প কোন শিল্পের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ভোগ্য দ্রব্য শিল্প
  2. মূলধনী দ্রব্যের শিল্প
  3. মাধ্যমিক দ্রব্য শিল্প
  4. প্রাথমিক দ্রব্য শিল্প
ব্যাখ্যা

• কাঠামো অনুযায়ী শিল্পের শ্রেণী বিভাগ
- কাঠামো অনুযায়ী বাংলাদেশের শিল্পসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 

১। ভোগ্য দ্রব্য শিল্প:
- সে সব শিল্পকারখানা সরাসরি মানুষের ভোগ উপযোগী দ্রব্য তৈরি করে তাকে ভোগ্য দ্রব্য শিল্প বলে।
- যেমন- সাবান শিল্প, চিনি শিল্প, সিগারেট শিল্প ইত্যাদি।
- বাংলাদেশ একটি অতিরিক্ত জনসংখ্যার দেশ। তাই এখানে ভোগ্য শিল্পের গুরুত্ব অত্যাধিক।

২। মাধ্যমিক দ্রব্য শিল্প:
- যে সকল উৎপাদিত পণ্য পুনরায় অন্য দ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহৃত হয় তাকে মাধ্যমিক দ্রব্য বলে।
- আর এই মাধ্যমিক দ্রব্য যে সকল কারখানায় তৈরি হয় তাকে মাধ্যমিক দ্রব্য শিল্প বলে।
- যেমন- সুতা একটি উৎপাদিত দ্রব্য যা বস্ত্র শিল্পে উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- তাই সুতা শিল্পকে মাধ্যমিক শিল্প বলে।

৩। মূলধনী দ্রব্যের শিল্প:
- বাংলাদেশে মূলধনী বা ভারী শিল্প নেই বললেই চলে।
- তবে একটি দেশের অর্থনীতির ভিত্তি মজবুত করতে হলে অবশ্যই প্রয়োজন মূলধনী শিল্প।
- মূলধনী দ্রব্য যে কারখানায় তৈরি হয় তাকে মূলধনী শিল্প বলে।
- যেমন- জয়দেবপুর মেশিন ও টুলস ফ্যাক্টারী, চিটাগাং স্টিল মিল ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪২৩.
বাংলাদেশের একমাত্র ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার’ কোথায় অবস্থিত?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. চট্টগ্রাম
  3. মুন্সীগঞ্জ
  4. গাজীপুর
ব্যাখ্যা

• ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার:
- 'দ্যা ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার চট্টগ্রাম' বাংলাদেশে প্রথম ও একমাত্র বাণিজ্যিক কেন্দ্র।
- এটি চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে অবস্থিত।
- চট্টগ্রাম চেম্বার অব কর্মাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের অর্থায়নে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারটি নির্মাণ করা হয়েছে।
- ২১ তলা ভবনের শীর্ষস্থানীয় এই ভবনটির উচ্চতা ৯০,৭০ মিটার (২৯৮ ফুট)।
- সব আধুনিক সুবিধার ব্যবস্থাসহ ট্রেড সেন্টারটি আন্তর্জাতিক মানের পর্যায়ে আমদানির-রপ্তানিসহ দেশের সামগ্রিক ব্যবসায়িক কার্যক্রমে সাহায্য করে।
- ভবনটি ২০১৬ সালে উদ্বোধন করা হয়ে।

উল্লেখ্য,
- এই ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের মধ্য দিয়ে বিশ্বের ৩২৭টি ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হয় বন্দরনগরী চট্টগ্রাম।

তথ্যসূত্র: World Trade Center Chittagong ওয়েবসাইট।

১,৪২৪.
বাংলাদেশের প্রধানতম খনিজ সম্পদ কোনটি?
  1. ক) কয়লা
  2. খ) প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. গ) চুনাপাথর
  4. ঘ) চীনামাটি
ব্যাখ্যা
• প্রধান খনিজ সম্পদ:
- বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
- ১৯৫৫ সালে বার্মা ওয়েল কোম্পানি এদেশে সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। ১৯৫৭ সাল থেকে গ্যাসের উৎপাদন শুরু হয়।
- বর্তমানে দেশে মোট ২৯টি গ্যাস ক্ষেত্র রয়েছে। ভোলার ইলিশা-১ কূপটি দেশের নতুন গ্যাসক্ষেত্র (২৯তম)।
- বাংলাদেশের অন্যান্য খনিজ সম্পদের মধ্যে কয়লা, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, গন্ধক, খনিজতেল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী এবং পেট্রোবাংলা।
১,৪২৫.
দেশের বৃহত্তম সার কারখানা কোনটি? [মে, ২০২৫]
  1. যমুনা সার কারখানা
  2. শাহজালাল সার কারখানা
  3. ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানা
  4. চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানা
ব্যাখ্যা
ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- দেশের বৃহত্তম সার কারখানা ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।

⇒ এটি নরসিংদীতে অবস্থিত।
- দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ১৯৭০ সালে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় বার্ষিক ৩,৪০,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিঃ এবং ১৯৮৫ সালে বার্ষিক ৯৫,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১২ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে পরিবেশবান্ধব, জ্বালানি সাশ্রয়ী ও আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক এ কারখানার উদ্বোধন করা হয়।
- সার উৎপাদনের ক্ষমতা: বার্ষিক ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন।
- বিসিক জানায়, কারখানাটি ৩০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
- ১১০ একর জমিতে কারখানাটি নির্মিত হবে।
- নির্মাণ ব্যয়: ১৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
- কারখানাটির দৈনিক সার উৎপাদন হবে ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা, যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্লু গ্যাস থেকে পরিবেশদূষণকারী আহরণ করা হবে এবং ক্যাপচার করা কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে ইউরিয়া সারের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে (প্রায় ১০ শতাংশ)।
- এটি দেশে ‘অত্যাধুনিক, শক্তি সাশ্রয়ী ও সবুজ’ সার কারখানা, যা ইউরিয়া সারের আমদানি কমিয়ে দেবে এবং কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে।

উৎস: i) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১,৪২৬.
২০২১-২২ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ে মোট প্রবৃদ্ধি কত?
  1. ক) ৩৪.৩৮%
  2. খ) ৩৮.৩৪%
  3. গ) ৪৩.৩৮%
  4. ঘ) ৪৫.২৩%
ব্যাখ্যা
২০২১-২২ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ে মোট প্রবৃদ্ধি হয় – ৩৪.৩৮%
- রপ্তানি খাতে প্রথম অবস্থানে রয়েছে তৈরি পোশাক খাত যার রপ্তানি আয় ৪,২৬১ কোটি মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে হোমটেক্সটাইল (১৬২ কোটি মা.ড.); চামড়া ও চামড়াজাত (১২৫ কোটি মা.ড.); কৃষি প্রক্রিয়াজাত (১১৬ কোটি মা.ড.); পাট ও পাটজাত (১১৩ কোটি মা.ড.)

উৎস: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, আগস্ট ২০২২।
১,৪২৭.
প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় কোনটি?
  1. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম
  2. গম
  3. তুলা
  4. তৈল বীজ
ব্যাখ্যা
আমদানি পরিস্থিতি:
২০২২-২৩ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৫২,৭১৩.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, 
→ শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - সার।
→ প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - তুলা।
→ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ - গম।

উৎস: পরিসংখ্যান বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, জুলাই- ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত।
১,৪২৮.
নিচের কোনটি বিশেষায়িত ব্যাংক?
  1. কমার্শিয়াল ব্যাংক
  2. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
  3. উরি ব্যাংক
  4. স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
ব্যাখ্যা
বিশেষায়িত ব্যাংক:
- বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকের সংখ্যা ৩টি।
- এগুলো হলোঃ
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১,৪২৯.
ট্রেনিং ইনস্টিটিউট ফর কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (টিআইসিআই) কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. নারায়ণগঞ্জ
  3. নরসিংদী
  4. মুন্সীগঞ্জ
ব্যাখ্যা
ট্রেনিং ইনস্টিটিউট ফর কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (টিআইসিআই):
- ট্রেনিং ইনস্টিটিউট ফর কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (টিআইসিআই) নরসিংদীতে অবস্থিত।

⇒ বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রীজ কর্পোরেশন এর অধীনস্ত শিল্প প্রযুক্তির জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি সমৃদ্ধ একমাত্র উন্নত প্রশিক্ষন প্রতিষ্ঠান ট্রেনিং ইনিষ্টিটিউট ফর কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রীজ (টিআইসিআই)। 
- আধুনিক শিল্প প্রযুক্তি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিসিআইসি ও এর নিয়ন্ত্রণাধীন কারখানাসমূহ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা,দক্ষ ও অভিজ্ঞ জনশক্তি তৈরি এবং শিল্পের নতুন নিয়োগকৃত ও কর্মরত কর্মীদের কারিগরি শিক্ষা প্রদান ও কারিগরি দক্ষতার স্তর উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৮৩ সালে পলাশ, নরসিংদীতে “ট্রেনিং ইনস্টিটিউট ফর কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (টিআইসিআই)” প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- নেদারল্যান্ড সরকারের উদ্যোগে হাতে কলমে প্রশিক্ষনের জন্য আধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হয়।
- টিআইসিআইতে আধুনিক যন্ত্রপাতি সমৃদ্ধ ৭টি কারিগরি ডিপার্টমেন্ট ও ৩৬টি ল্যাব আছে এর মধ্যে পরিবেশ দূষন পর্যবেক্ষন ল্যাবও আছে।

উৎস: BCIC ওয়েবসাইট।
১,৪৩০.
বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎস? [ডিসেম্বর- ২০২৫]
  1. পাটজাত পণ্য রপ্তানি
  2. রেমিট্যান্স 
  3. চিংড়ি রপ্তানি
  4. তৈরি পোশাক রপ্তানি
ব্যাখ্যা

দেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন:
- দেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয় তৈরি পোশাক রপ্তানির মাধ্যমে।
- বাংলাদেশের এটিই সবচেয়ে বড় রপ্তানি খাত এবং দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎস।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৯.৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- তৈরি পোশাক খাতের মধ্যে নিটওয়্যার রপ্তানি হয়েছে ২১.১৫ বিলিয়ন ডলার এবং ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১৮.১৮ বিলিয়ন ডলার।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের রপ্তানি আয় ৮.৫৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এ সময়ে মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৪৮.২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসীদের থেকে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩০.৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পাটজাত পণ্য থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৮২ কোটি মার্কিন ডলার।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে হিমায়িত মাছ ও চিংড়ি রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৩৮৮ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলার।

উৎস: i) বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।
ii) প্রথম আলো।

১,৪৩১.
বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল কোন দেশ? (অক্টোবর ২০২৫)
  1. সৌদি আরব 
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাত 
  3. জর্ডান 
  4. লেবানন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল:
- বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য মতে, বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সবচেয়ে বড় গন্তব্যস্থল মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো।
- এর মধ্যে অভিবাসী নারী শ্রমিকরা সবচেয়ে বড় গন্তব্যস্থল সৌদি আরব। 
- মোট নারী অভিবাসীর ৭২ শতাংশের গন্তব্য হলো সৌদি আরব।

এছাড়াও,
- অভিবাসী নারী শ্রমিকদের ২য় বড় গন্তব্যস্থল জর্ডান (১৮%)।
- অভিবাসী নারী শ্রমিকদের ৩য় বড় গন্তব্যস্থল কাতার (১৮%)।
- কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে গন্তব্যের পরিমাণ ১%।

উৎস: BMET ওয়েবসাইট। 

১,৪৩২.
Who is the current chairman of Petrobangla? (November, 2024)
  1. Nazmul Ahsan
  2. Abul Mansur Md. Faizullah
  3. Md. Ruhul Amin
  4. ABM Abdul Fattah
  5. Zanendra Nath Sarker
ব্যাখ্যা
পেট্রোবাংলা:
- পেট্রোবাংলা সরকারি মালিকানাধীন বাংলাদেশের জাতীয় তেল কোম্পানি।
- এটি বাংলাদেশে খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস অনুসন্ধান, উত্তোলন, পরিশোধন, ও বাজারজাতকরণের কাজ করে।
- এছাড়াও কোম্পানিটি বাংলাদেশে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস অনুসন্ধান এবং উন্নয়নে আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানিসমূহের সাথে উৎপাদন অংশীদারি চুক্তি করে থাকে।
- ২৬ মার্চ, ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ২৭-এর মাধ্যমে দেশের তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ খনিজ, তেল ও গ্যাস করপোরেশন (বিএমওজিসি) গঠিত হয়।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সময়ে বাংলাদেশ খনিজ, তৈল ও গ্যাস করপোরেশন (বিএমওজিসি)-কে বাংলাদেশ তৈল ও গ্যাস করপোরেশন (বিওজিসি) নামে পুনর্গঠন করা হয় এবং ১৯৭৪ সালের ২২ আগস্ট রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ১৫ এর মাধ্যমে বিওজিসি’কে ‘পেট্রোবাংলা’ নামে সংক্ষিপ্ত নামকরণ করা হয়।
- বর্তমানে পেট্রোবাংলার অধীনস্তে ১৩টি কোম্পানি রয়েছে। (নভেম্বর, ২০২৪)
- পেট্রোবাংলার বর্তমান চেয়ারম্যান 'জনেন্দ্র নাথ সরকার'। (নভেম্বর, ২০২৪)
- উদ্দেশ্য: টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য জ্বালানি সরবরাহ করা এবং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা বজায় রাখা/নিশ্চিত করা।

তথ্যসূত্র - পেট্রোবাংলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৪৩৩.
কেরু এন্ড কোং (বিডি) লিমিটেড কোথায় অবস্থিত?
  1. ঈশ্বরদী, পাবনা
  2. মধুখালী, তরিদপুর
  3. দর্শনা, চুয়াডাঙ্গা
  4. শ্যামপুর, রংপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন (BSFIC):
- BSFIC এর পুর্ণ রূপ: Bangladesh Sugar and Food Industries Corporation.
- বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন ১৫টি চিনিকল, ১টি ডিস্টিলারি ইউনিট, ১টি ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা, ১টি জৈবসার কারখানা ও ২টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে কর্মকান্ড পরিচালনা করছে।
- চিনিকলগুলোতে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫২,৯৪৫ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ২১,৩১৩ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদিত হয়েছে।

উল্লেখ্য,
⇒ কেরু এন্ড কোং (বিডি) লিমিটেড:
- রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের সর্ববৃহৎ চিনিকল হলো কেরু এন্ড কোং (বিডি) লিমিটেড।
- এটি চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনায় অবস্থিত।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৩৮ সালে।
- বাৎসরিক চিনি উৎপাদন ক্ষমতা: ১১৫০০ মে. টন।

⇒ করপোরেশনের আওত্তাধীন চিনিকলসমূহ:
- পঞ্চগড় সুগার মিলস লি:
- ঠাকুরগাঁও সুগার মিলস লি:
- শ্যামপুর সুগার মিলস লি:
- জয়পুরহাঁট সুগার মিলস লি:
- সেতাবগঞ্জ সুগার মিলস লি:
- রংপুর সুগার মিলস লি:
- ফরিদপুর সুগার মিলস লি:
- নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস লি:
- কেরু এন্ড কোং (বিডি) লি:
- পাবনা সুগার মিলস লি:
- রাজশাহী সুগার মিলস লি:
- নাটোর সুগার মিলস লি:
- জিল বাংলা সুগার মিলস লি:
- কুষ্টিয়া সুগার মিলস লি:
- মোবারকগঞ্জ সুগার মিলস লি:।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ii) বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১,৪৩৪.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় নদী বন্দর -
  1. ভৈরব
  2. নারায়নগঞ্জ
  3. চাঁদপুর
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় নদী বন্দর হলো নারায়ণগঞ্জ। 

নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর:
- পলাশী যুদ্ধে বাংলার পরাজয়ের পর পর ইংরেজরা দল বেঁধে এ অঞ্চলে আসতে থাকে ব্যবসা-বাণিজ্যের আশায়। 
- ইংল্যান্ডের টেমস নদীর পর পৃথিবীর দ্বিতীয় ‘হারবার’ বেষ্টিত শান্ত নদী শীতলক্ষ্যা।
- শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর বাংলাদেশের ঐতিহাসিক এবং সবচেয়ে বড় নদী বন্দর।
- ভৌগোলিক, বাণিজ্যিকভাবে এ বন্দরের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।

উৎস: বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ।

১,৪৩৫.
চামড়া শিল্প মালিকদের জোটের নাম কী?
  1. টোয়াব
  2. নোয়াব
  3. বিটিএ
  4. কোয়াব
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ):
- চামড়া শিল্প মালিকদের জোটের নাম বিটিএ।

- বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ) হলো বাংলাদেশের ট্যানারি শিল্পের একটি অলাভজনক সংস্থা।
- এই সংগঠনটি দেশের ট্যানারি শিল্পের পক্ষে দৃঢ়ভাবে অবস্থান নেয়,
- সদস্যদের স্বার্থে নীতিগত সংস্কারের পক্ষে কাজ করে এবং গোটা চামড়া খাত তথা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

•প্রধান উদ্দেশ্য:
- এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য হলো:
- বাংলাদেশের ট্যানিং শিল্পকে সুরক্ষা প্রদান,
- প্রচারণা চালানো, এবং
- উন্নয়ন সাধন।

• বিটিএ-এর মোট ৮০৯ জন সদস্য রয়েছে, যা দুই ভাগে বিভক্ত:
- সাধারণ সদস্য (General Members):
- সংখ্যা: ১৭০ জন,
- এরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ট্যানারি কারখানার মালিক, প্রধানত ঢাকায় এদের অবস্থান।

• সহযোগী সদস্য (Associate Members):
- বিটিএ-এর মোট ৮০৯ জন সদস্য রয়েছে, যা দুই ভাগে বিভক্ত:
- সাধারণ সদস্য (General Members):
- সংখ্যা: ১৭০ জন,
- এরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ট্যানারি কারখানার মালিক, প্রধানত ঢাকায় এদের অবস্থান।
- সহযোগী সদস্য (Associate Members):
- সংখ্যা: ৬৪৯ জন,
- এরা বাণিজ্যিকভাবে রপ্তানিমুখী কার্যক্রম পরিচালনা করে,

অপরদিকে,
- ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব)।
- সংবাদপত্রের মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব)।
- ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)।

উৎস: বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন ওয়েবসাইট।
১,৪৩৬.
কোন জাহাজ চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনের ব্যবসা শুরু করে?
  1. এমভি বাংলার প্রগতি
  2. এমভি বাংলার নবযাত্রা
  3. এমভি বাংলার দূত
  4. এমভি বাংলার মুখ
ব্যাখ্যা

এমভি বাংলার দূত:
- ১৯৭২ সালের জুনে ‘এমভি বাংলার দূত’ জাহাজ চালুর মাধ্যমে সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনের ব্যবসা শুরু করে সরকারি সংস্থা বিএসসি। 

⇒ সম্প্রতি (অক্টোবর, ২০২৫) চীনের জিংজিয়াং বন্দর থেকে প্রথমবারের মতো যাত্রা শুরু করেছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘এমভি বাংলার প্রগতি’। 
- এছাড়াও ডিসেম্বর, ২০২৫ প্রথম সপ্তাহে এমভি বাংলার নবযাত্রাও বিএসসির বহরে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন (বিএসসি)  বাংলাদেশ এবং বর্হিবিশ্বের মাঝে খাদ্যশস্য, জ্বালানি, ভোজ্য তেল, পোশাক, প্রক্রিয়াজাতকরণ খাদ্য, চা, চামড়া, রাসায়নিক দ্রব্যসহ কনটেইনারজাত যে কোন মালামাল আমদানি ও রপ্তানির উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় সংস্থা।
- ১৯৭২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতির আদেশ বলে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- শিপিং কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠার পরপরই বাংলার দূত এবং বাংলার সম্পদ নামের দুটো সমুদ্রগামী জাহাজ বিএসসিতে সংযোজিত হয়। 

উৎস: i) বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১,৪৩৭.
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক কোনটি?
  1. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
  2. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  3. বেসিক ব্যাংক
  4. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
ব্যাখ্যা

বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬ টি।
- বেসিক ব্যাংক
- জনতা ব্যাংক, 
- সোনালী ব্যাংক, 
- রূপালী ব্যাংক, 
- অগ্রণী ব্যাংক, 
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

বিশেষায়িত ব্যাংক: বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।

সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১,৪৩৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বর্তমানে স্থলবন্দরের মোট সংখ্যা কয়টি?
  1. ২৪টি
  2. ২৩টি
  3. ২১টি
  4. ১৯টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ:

- স্থলপথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি সহজতর এবং উন্নতর করাই বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য।
- বর্তমানে স্থলবন্দরের মোট সংখ্যা ২৪টি এবং চালুকৃত বন্দরের সংখ্যা ১৬ টি।

⇒ ১৬টি স্থলবন্দরের মধ্যে ১১টি স্থলবন্দর যেমন বেনাপোল, ভোমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল, সোনাহাট, গোবড়াকুড়া-কড়ইতলী, বিলোনিয়া, শেওলা ও ধানুয়াকামালপুর স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের (বাস্থবক) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং সোনামসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার এই ৫টি স্থলবন্দর BOT ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।
- এছাড়া রামগড় ও বাল্লা এই ২টি স্থলবন্দর চালুর জন্য অপেক্ষাধীন রয়েছে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৪৩৯.
EPB এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Export Promotion Bureau
  2. Economic Planning Board
  3. Export Policy Board
  4. External Product Bureau
ব্যাখ্যা

ইপিবি : 
- ​রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)।
​- EPB এর পূর্ণরূপ  Export Promotion Bureau.
​- মাননীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পদাধিকার বলে পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান। 
​- ইপিবির ভাইস-চেয়ারম্যান (প্রধান নির্বাহী) পরিচালনা পর্ষদেরও ভাইস-চেয়ারম্যান যিনি পর্ষদের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেন।
​- ১৯৬২ সালে ইপিবি সরকারি সংস্থা হিসেবে যাত্রা শুরু করে। 

​উৎস: EPB ওয়েবসাইট।

১,৪৪০.
সর্বশেষ জাতীয় শিল্পনীতি প্রণীত হয় কত সালে?
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৪ সালে
  3. ২০১৬ সালে
  4. ২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা
- সর্বশেষ জাতীয় শিল্পনীতি গৃহিত হয় ২০১৬ সালে।
- এই শিল্পনীতিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে শিল্প উন্নয়নের প্রধান মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
- এছাড়া ২০২১ সালের মধ্যে জাতীয় আয়ে শিল্পখাতের অবদান ৩৫ শতাংশে ও শিল্পখাতে শ্রমশক্তির পরিমাণ শতকরা ২৫ ভাগে উন্নীত করা লক্ষ্য স্থির করা হয়।
- এই শিল্পনীতি অনুসারে বাংলাদেশে শিল্পোন্নত জেলার সংখ্যা ১৪টি।
(তথ্যসূত্রঃ জাতীয় শিল্পনীতি - ২০১৬)
১,৪৪১.
বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. ঢাকা
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা

ইপিজেড:
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- ১৯৮৩ সালে এটি যাত্রা শুরু করে।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড, ঢাকার সাভারে এর অবস্থান।
- বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা ইপিজেড। এটি নীলফামারীতে অবস্থিত।
- মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।

তথ্যসূত্র - বেপজা ওয়েবসাইট।

১,৪৪২.
সোনালী ব্যাংক পিএলসি এর কয়টি বিদেশী শাখা রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
সোনালী ব্যাংক পিএলসি:

- সোনালী ব্যাংকের বর্তমান নাম সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- বাংলাদেশ ব্যাংক্স (ন্যাশনালাইজেশন) অর্ডার ১৯৭২, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ নম্বর ২৬, ১৯৭২ অনুসারে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ব্যাংক অব বাহ্ওয়ালপুর এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে ‘সোনালী ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর শাখার সংখ্যা বর্তমানে ১২৩১টি।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২২৯টি এবং বিদেশে ২টি শাখা রয়েছে।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২২৯টি শাখার মধ্যে গ্রামাঞ্চলে রয়েছে ৭৩০টি এবং অবশিষ্ট ৫০০টি শহরাঞ্চলে।
- বিদেশে ২টি শাখার মধ্যে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোলকাতায় ১টি ও শিলিগুড়িতে ১টি।

তথ্যসূত্র - সোনালী ব্যাংক পিএলসি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৪৪৩.
BSTI-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Standards and Testing Institution
  2. Bangladesh Scientific and Technical Institute
  3. Bangladesh Standard Technology Institute
  4. Bangladesh Standard Testing Initiative
ব্যাখ্যা

 বিএসটিআই (BSTI):
- BSTI-এর পূর্ণরূপ হলো- Bangladesh Standards and Testing Institution.
- বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা। 
- এটি দেশে উৎপাদিত এবং আমদানিকৃত পণ্যের গুণমান নির্ধারণ, তদারকি এবং লাইসেন্স প্রদান করে।

- বিএসটিআই-এর প্রধান দায়িত্ব হলো:
• দেশে উৎপাদিত শিল্পপণ্য, বৈদ্যুতিক ও প্রকৌশল পণ্য, খাদ্য ও কৃষিজাত পণ্যের জন্য জাতীয় মান নির্ধারণ এবং পরীক্ষা প্রক্রিয়া তৈরি করা।• প্রণীত মান অনুযায়ী পণ্যের গুণমান পরীক্ষা ও নিশ্চয়তা প্রদান।
• ব্যবসায় ও বাণিজ্যে মেট্রিক পদ্ধতির প্রচলন এবং ওজন ও পরিমাপের সঠিকতা নিশ্চিত করা।

উৎস: বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন ওয়েবসাইট।  

১,৪৪৪.
বাংলাদেশে শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য কয়টি স্টক এক্সচেঞ্জ রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
স্টক এক্সচেঞ্জ:
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের পুঁজি বাজার পরিচালনা করে বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ কিমিশন বা Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য দুটি স্টক এক্সচেঞ্জ রয়েছে।
- প্রথমটি হলো ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (DSE) এবং দ্বিতীয়টি হলো চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (CSE)।
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ দেশের সবচেয়ে বড় এবং প্রধান স্টক এক্সচেঞ্জ।
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্টক এক্সচেঞ্জ এবং এটি চট্টগ্রামে অবস্থিত।  

সূত্র - ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।
১,৪৪৫.
কোন দেশটির সাথে বাংলাদেশের সর্বাধিক বাণিজ্যিক ঘাটতি রয়েছে?
  1. ক) চীন
  2. খ) ভারত
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
• টাকার অঙ্কে বাংলাদেশ সর্বাধিক পণ্য আমদানি করে চীন থেকে (১৬,১৩৯ মিলিয়ন ডলার)। যা মোট আমদানি বাণিজ্যের প্রায় ২৭.৪৬ শতাংশ। 
• চীনের পর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত (১০,০২৬ মিলিয়ন ডলার), যা মোট আমদানি বাণিজ্যের প্রায় ১৭.৬ শতাংশ। 
• বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্যিক ঘাটতি সবচেয়ে বেশি চীনের এবং দ্বিতীয় ভারত।  
• বাংলাদেশ জাপান থেকে ২,৩৮৬ মিলিয়ন ডলার আমদানি করে যা মোট আমদানি বাণিজ্যের প্রায় ৪.০৬% শতাংশ। 
• দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
• যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
• এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।

তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।
১,৪৪৬.
বর্তমানে দেশে পরিবেশবান্ধব সনদপ্রাপ্ত শিল্পকারখানার সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ১৮০টি
  2. খ) ১৮২টি
  3. গ) ১৮৭টি
  4. ঘ) ১৯২টি
ব্যাখ্যা
গার্মেন্টেস শিল্প:
- ২০১২ সালে পাবনার ঈশ্বরদী ইপিজেডে স্থাপনের মাধ্যমে প্রথম পরিবেশবান্ধব কারখানার যাত্রা শুরু হয় বাংলাদেশে।
- বর্তমানে বিশ্বে অন্য যে কোনো দেশের চেয়ে বাংলাদেশেই সবচেয়ে বেশি পরিবেশবান্ধব পোশাক ও বস্ত্রকল রয়েছে।
- তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতের পাশাপাশি শিপইয়ার্ড, জুতা ও ইলেকট্রনিক পণ্য খাতেও আছে পরিবেশবান্ধব কারখানা।
- বাণিজ্যিক ভবনও হচ্ছে পরিবেশবান্ধব।
- বিজিএমইএ জানিয়েছে, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে এখন লিড সনদ পাওয়া কারখানার সংখ্যা ১৯২টি।
- এর মধ্যে ৬৮টি কারখানাই লিড প্লাটিনাম সনদভুক্ত।
- বর্তমানের বিশ্বের শীর্ষ ১০ কারখানার ৮টিই বাংলাদেশে।
- আর শীর্ষ ১০০ পরিবেশবান্ধব কারখানার ৫৩টিই বাংলাদেশে অবস্থিত।

উৎস: ৭ মার্চ, ২০২৩, সময় নিউজ।
১,৪৪৭.
নদী থেকে বালু উত্তোলন কোন শিল্পের অন্তর্গত?
  1. উৎপাদন
  2. নিষ্কাশন
  3. নির্মাণ
  4. সেবা পরিবেশক
ব্যাখ্যা
প্রাথমিক শিল্প:
- প্রকৃতি থেকে সম্পদ সংগ্রহের সকল প্রক্রিয়াই প্রাথমিক শিল্পের অন্তর্ভূক্ত।

• কৃষি শিল্প:
- জমিতে ফসল ফলানো, খনি থেকে সম্পদ উত্তোলন, বন থেকে কাঠ, মধু প্রভৃতি সংগ্রহ, নদী ও সাগর থেকে শামুক, ঝিনুক, ইত্যাদি সংগ্রহ, জমিতে বীজ রোপন করে চারাগাছ উৎপাদন প্রভৃতি কৃষি শিল্পের মধ্যে পড়ে।

• প্রজনন শিল্প:
- যে শিল্পে উৎপাদিত সামগ্রী পুনরায় সৃষ্টি বা উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত হয় তাকে প্রজনন শিল্প বলে। যেমন: নার্সারী, হ্যাচারী, হাঁস-মুরগীর খামার প্রভৃতি।

• নিস্কশন শিল্প:
- যে শিল্প প্রচেষ্টার মাধ্যমে ভূ-গর্ভস্থ পানি বা বায়ু হতে সম্পদ উত্তোলন বা আহরণ করা হয় তাকে নিস্কাশন শিল্প বলে।
- খনিজ পদার্থ উত্তোলন, মৎস্য শিকার, এধরনের শিল্পের উদাহরণ।
- নদী থেকে বালু উত্তোলন নিস্কশন শিল্পের অন্তর্গত।

তথ্যসূত্র - ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৪৮.
গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম প্রাথমিকভাবে শুরু হয় কোথায়?
  1. চট্টগ্রামের হালিশহর
  2. চট্টগ্রামের জোবরা
  3. চট্টগ্রামের রাউজান
  4. চট্টগ্রামের আনোয়ারা
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৬ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস চট্টগ্রামের জোবরা গ্রামে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রকল্প প্রাথমিকভাবে শুরু করেন।

গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

উল্লেখ্য,
- গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্পটি ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার 'জোবরা' গ্রামে একটি অ্যাকশন গবেষণা পাইলট প্রকল্প হিসাবে শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালে ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রান্তিক দরিদ্রদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে পাইলট প্রকল্পটি একটি ব্যাংকে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১,৪৪৯.
বাংলাদেশে বেসরকারি ইপিজেড (EPZ) কয়টি?
  1. ২টি
  2. ৪টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

বেসরকারি ইপিজেড (EPZ):
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা (Bangladesh Export Processing Zone Authority-BEPZA) দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- বাংলাদেশে বেসরকারি ইপিজেড (EPZ) ২টি।  এগুলো হলো: কোরিয়ান ইপিজেড ও রাঙ্গুনিয়া ইপিজেড।

উল্লেখ্য যে, 
- ১৯৯৯ সালের ১০ অক্টোবর রাঙ্গুনিয়া ইপিজেডের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। রাঙ্গুনিয়া ইপিজেড (REPZ) প্রকল্পটি ১৯৯৯ সালে শুরু হলেও এখনও পুরোপুরি চালু হয়নি।
- সে হিসেবে বাংলাদেশের একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড কোরিয়ান ইপিজেড।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ৮টি সরকারি ইপিজেড রয়েছে। যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।

১,৪৫০.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার কত শতাংশ?
  1. ১৫.৮৭%
  2. ১৬.২৩%
  3. ১৭.৩৮%
  4. ১৮.৫১%
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১১.২১%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ১০.৫২%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৪৫১.
বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনের দ্বিতীয় প্রধান খাত কোনটি?
  1. তৈরি পোশাক
  2. রেমিট্যান্স
  3. পাট ও পাটজাত পণ্য
  4. কৃষিজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনের প্রধান খাতসমূহ:
- প্রথম : তৈরি পোশাক
- রপ্তানি দ্বিতীয় : প্রবাসিদের প্রেরিত অর্থ বা রেমিট্যান্স
- তৃতীয় : পাট ও পাটজজাত পণ্য।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো)
১,৪৫২.
গ্র্যান্ড সুলতান হোটেল কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) মৌলভীবাজার
  3. গ) সুনামগঞ্জ
  4. ঘ) হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলায় পাঁচ তারকা মানের একটি হোটেল রয়েছে।
- যার নাম হচ্ছে ‘গ্রান্ড সুলতান টি রিসোর্ট এন্ড গল্ফ’। উক্ত প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আন্তর্জাতিক মানের অতিথি সেবা প্রদান করে আসছে এবং এতে বিপুল পরিমাণ পর্যটকের সমাগম ঘটে।
- ইতোমধ্যে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সম্মেলন, এডিবি সম্মেলন, বিশ্ব  ব্যাংক সম্মেলন ছাড়াও বিভিন্ন দেশী-বিদেশী বহুজাতিক কোম্পানীর বিভিন্ন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সূত্র: http://www.moulvibazar.gov.bd/
১,৪৫৩.
বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের (BGMC) নিয়ন্ত্রণাধীন মিল-কারখানার সংখ্যা কত?
  1. ক) ১৮
  2. খ) ২২
  3. গ) ২৬
  4. ঘ) ২৭
ব্যাখ্যা

বর্তমানে বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের (BGMC) নিয়ন্ত্রণাধীন মিল-কারখানার সংখ্যা ২৬টি।
তার মধ্যে -
- ২টি মিল পরীক্ষামূলকভাবে চলমান
- ২টি নন-জুট
- ১টি মিল বন্ধ
এবং বাকি ২১টি জুট মিল পুরোদমে চলমান।
উৎসঃ BJMC website

১,৪৫৪.
যমুনা সার কারখানায় কোন ধরণের সার উৎপাদন হয়?
  1. টিএসপি
  2. ইউরিয়া
  3. ডিএপি
  4. ফসফেট
ব্যাখ্যা

যমুনা সার কারখানা:
- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ কারখানাটি ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যমুনা সার কারখানা জামালপুর  জেলার সরিষাবাড়ীতে অবস্থিত।
- যমুনা সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন হয়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫,৬১,০০০ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

১,৪৫৫.
বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানা -
  1. নাইস কটন লিমিটেড, গাজীপুর
  2. ভিনটেজ ডেনিম স্টুডিও, পাবনা
  3. গ্রিন টেক্সটাইল, ময়মনসিংহ
  4. এসএম সোর্সিং, গাজীপুর
ব্যাখ্যা
বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানা:
- ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ইউএসজিবিসি যে সনদ দেয়, সেটির নাম ‘লিড’।
- লিডের পূর্ণরূপ: লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ডিজাইন।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি) এ সনদ দেয়।
- ২০১২ সালে পোশাকশিল্পের উদ্যোক্তা সাজ্জাদুর রহমান মৃধার হাত ধরে প্রথম পরিবেশবান্ধব সবুজ কারখানার যাত্রা শুরু দেশে।
- বর্তমানে দেশে তৈরি পোশাক খাতে লিড সবুজ কারখানা ২০৬টি।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানা গাজীপুরের এসএম সোর্সিং।
- এই ছোট কারখানা লিড সনদে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানার স্বীকৃতি অর্জন করেছে।
- ১১০ নম্বরের মধ্যে এসএম সোর্সিং পেয়েছে ১০৬।

অন্যদিকে -
- লিড প্রত্যয়িত দ্বিতীয় কারখানা নাইস কটন লিমিটেড ৮১ পয়েন্ট অর্জন করেছে।
- ১০৪ নম্বর নিয়ে ময়মনসিংহের গ্রিন টেক্সটাইল (ইউনিট ৪) ছিল বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানা।
- প্রথম পরিবেশবান্ধব সবুজ কারখানা পাবনার ঈশ্বরদী ইপিজেডে স্থাপিত ‘ভিনটেজ ডেনিম স্টুডিও।’

উৎস: i) ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৩, কালের কন্ঠ। 
         ii) ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৩, প্রথম আলো।
১,৪৫৬.
বাংলাদেশের আনন্দ শিপইয়ার্ড কোন জাহাজটি প্রথমবার রপ্তানি করে?
  1. এম ভি প্রিন্স অব ওয়েলস
  2. এম ভি স্টেলা ম্যারিস
  3. এম ভি হারকিউলিস
  4. এম ভি সি প্যালেস
ব্যাখ্যা

• আনন্দ শিপইয়ার্ড:
- আনন্দ শিপইয়ার্ড এন্ড স্লিপওয়ে লিমিটেড নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার মেঘনাঘাটে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম শিপইয়ার্ড।
- এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার নয়াপল্টনে অবস্থিত।
- এটি ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- এটি ১৯৯৯ সালে এটি বেসরকারি লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ২০০৯ সালে সরকারিভাবে যাত্রা শুরু করে।

⇒ বাংলাদেশ থেকে প্রথম জাহাজ রপ্তানি করে আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড স্লিপওয়েজ।
- ২০০৮ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ডেনমার্কে জাহাজ রপ্তানির মাধ্যমে এই অভিযাত্রা শুরু হয়।
- প্রথম রপ্তানি হওয়া জাহাজটির নাম ছিল এমভি স্টেলা ম্যারিস।
- কনটেইনার পরিবহনের উপযোগী করে তৈরি জাহাজটির রপ্তানিমূল্য ছিল বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।
- জাহাজ রপ্তানির দুই বছর আগে ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি মোজাম্বিকে ফেরি রপ্তানি করেছিল।

তথ্যসূত্র: i) আনন্দ শিপইয়ার্ড এন্ড স্লিপওয়ে লিমিটেড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

১,৪৫৭.
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রুপিতে লেনদেন শুরু হবে ২০২৩ সালের?
  1. ১ জুলাই
  2. ১০ জুলাই
  3. ১১ জুলাই
  4. ১৫ জুলাই
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রুপিতে লেনদেন:

- ১১ই জুলাই ২০২৩ সাল থেকে ভারতের সাথে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে রুপির ব্যবহার শুরু করেছে বাংলাদেশ।
- ঢাকায় দুই দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন।
- একটি পাইলট কর্মসূচি হিসেবে এই লেনদেন চালু হচ্ছে।
- আপাতত শুধুমাত্র রূপিতে লেনদেন হবে, পর্যায়ক্রমে টাকায়ও লেনদেন চালু হবে বলে বলছে কর্তৃপক্ষ।
- এখন বাংলাদেশের কোনও ব্যবসায়ী ভারতের সাথে আমদানি বা রপ্তানির ক্ষেত্রে রুপিতে এলসি খুলতে চাইলে তা করতে পারবেন।
- এতদিন বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের পুরোটাই হতো মার্কিন ডলারে।
- প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশ অংশে সোনালী ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড এবং ভারতের অংশে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া এবং আইসিআইসিআই ব্যাংকের মাধ্যমে এ লেনদেন হবে।
- পরবর্তীতে দুই দেশের আরও ব্যাংক ধীরে ধীরে এই প্রক্রিয়ায় যোগ দেবে বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

তথ্যসূত্র - বিবিসি নিউজ বাংলা, ১১ জুলাই ২০২৩।
১,৪৫৮.
বাংলাদেশি পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে সর্বশেষ নির্ধারিত ট্যারিফ কত শতাংশ?
  1. ৩৭
  2. ২০
  3. ৩৫
  4. ২৫
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশি পণ্যের যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানির ক্ষেত্রে সর্বশেষ নির্ধারিত ট্যারিফ হার ২০ শতাংশ।
- যা ২০২৫ সালের অগাস্ট মাসে কার্যকর হয়েছে।
- এটি ট্রাম্প প্রশাসনের 'রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ' নীতির অংশ।
- যা বাণিজ্য ঘাটতির কারণে আরোপিত হয়েছিল।
- প্রথমে ২০২৫ সালের এপ্রিলে ৩৭ শতাংশ ঘোষণা করা হয়।
- যা জুলাইয়ে ৩৫ শতাংশে নামানো হয় এবং পরে বাংলাদেশের আলোচনার ফলে ২০ শতাংশে সীমিত হয়।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা পত্রিকার রিপোর্ট।

১,৪৫৯.
তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে নিয়োজিত রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা কোনটি?
  1. বিএসইসি
  2. বাপেক্স
  3. জিটিসিএল
  4. সিইসি
ব্যাখ্যা
বাপেক্স (BAPEX):
- BAPEX-এর পূর্ণরূ: Bangladesh Petroleum Exploration and Production Company Limited.
- এটি প্রধানত তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৯ সালে।
- বাপেক্সকে আত্মনির্ভরশীল করার লক্ষ্যে ২০০০ সালে একটি অনুসন্ধান ও উৎপাদন সংস্থায় রূপান্তরিত হয়।
- সদর দপ্তর: ঢাকা।

⇒ বর্তমানে বাপেক্স তার ছয়টি উপকূলীয় গ্যাসক্ষেত্র (সালদানদী, ফেঞ্চুগঞ্জ, শাহবাজপুর, সেমুতাং, শাহজাদপুর-সুন্দলপুর, শ্রীকাইল ও রূপগঞ্জ) থেকে দৈনিক প্রায় ১১০ এমএমসিএফ গ্যাস উৎপাদন করছে যা দেশের ক্রমবর্ধমান গ্যাসের চাহিদা কমাতে অবদান রাখছে।
- এছাড়াও, এর পুরস্কৃত এলাকায় অনুসন্ধান এবং খনন কার্যক্রম, বাপেক্স শুরু থেকেই পেট্রোবাংলার অন্যান্য সহযোগী উদ্বেগের জন্য ড্রিলিং এবং ওয়ার্ক-ওভার অপারেশন পরিচালনা করে আসছে। 

উৎস: বাপেক্স ওয়েবসাইট।
১,৪৬০.
MRT এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Mass Rapid Transport
  2. Mass Rapid Transit
  3. Metro Rail Transit
  4. Modern Railway Transport
ব্যাখ্যা

- ঢাকা মহানগরী ও তৎসংলগ্ন পার্শ্ববর্তী এলাকার যানজট নিরসনে ও পরিবেশ উন্নয়নে অত্যাধুনিক গণপরিবহন হিসেবে Mass Rapid Transit (MRT) বা মেট্রোরেল নেটওয়ার্কের পরিকল্পনা, সার্ভে, ডিজাইন, অর্থায়ন, নির্মাণ, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের নিমিত্ত The Companies Act 1994 অনুযায়ী গত ০৩ জুন ২০১৩ তারিখ শতভাগ সরকারি মালিকানাধীন Dhaka Mass Transit Company Limited (DMTCL) গঠন করা হয়।

• Dhaka Mass Transit Company Limited (DMTCL):
- এটি ২০১৩ সালে গঠিত হয়।
- এটি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এর আওতাধীন ।
- প্রধান কার্যালয়- মেট্রোরেল ভবন, এমআরটি লাইন-৬ ডিপো সোনারগাঁও জনপথ, সেক্টরঃ ১৫-১৬ দিয়াবাড়ি, উত্তরা, ঢাকা- ১২।

উৎস: DMTCL।

১,৪৬১.
বিলোনিয়া স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. যশোর
  2. চুয়াডাঙ্গা
  3. কুড়িগ্রাম
  4. ফেনী
ব্যাখ্যা

স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
- ভোমরা স্থলবন্দর: ভোমরা, সাতক্ষীরা সদর।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

১,৪৬২.
বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান কীরূপ?
  1. ক্রমবর্ধমান
  2. ক্রমহ্রাসমান
  3. অপরিবর্তিত
  4. অনিয়মিতভাবে হ্রাসমান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ক্রমবর্ধমান।

শিল্প খাত:

⇒ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪ অনুযায়ী,
- বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ।
- প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
- শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।

উল্লেখ্য,
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩, অনুযায়ী জিডিপিতে শিল্প খাতে অবদান ৩৭.৫৬%।
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.০৭%।
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১ অনুযায়ী জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৪.৯৯%।

⇒ -সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান: ক্রমবর্ধমান।

অন্যদিকে,
- একই সময়ে জিডিপিতে সেবা, কৃষি ও খনিজ খাতের অবদান ক্রমহ্রাসমান।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৪৬৩.
'বিলোনিয়া স্থলবন্দর' কোথায় অবস্থিত?
  1. কুমিল্লা
  2. ফেনী
  3. চট্টগ্রাম
  4. যশোর
ব্যাখ্যা

• বিলোনিয়া স্থলবন্দর:
- বাংলাদেশের বাণিজ্যনগরী হিসাবে পরিচিত চট্টগ্রাম বিভাগের অন্যতম একটি জেলা ফেনী।
- এ জেলার অন্তর্গত পরশুরাম উপজেলার উত্তর সীমান্তে রয়েছে বাংলাদেশের ১১তম স্থলবন্দর বিলোনিয়া স্থলবন্দর।
- এটি বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত;
- ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলার বিলোনিয়া সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুহুরীঘাট এলসিএস রয়েছে;
- ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখ বিলোনিয়া শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়;
- ১৯ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখ বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়;

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং যুগান্তর।

১,৪৬৪.
বর্তমানে কয়টি চলমান স্থলবন্দর রয়েছে? [মে, ২০২৫]
  1. ২৪টি
  2. ২২টি
  3. ১৮টি
  4. ১৬টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ:
- স্থলপথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি সহজতর এবং উন্নতর করাই বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য।
- বর্তমানে স্থলবন্দরের মোট সংখ্যা ২৪টি এবং চলমান স্থলবন্দরের সংখ্যা ১৬টি।

⇒ ১৬টি স্থলবন্দরের মধ্যে ১১টি স্থলবন্দর যেমন বেনাপোল, ভোমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল, সোনাহাট, গোবড়াকুড়া-কড়ইতলী, বিলোনিয়া, শেওলা ও ধানুয়াকামালপুর স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের (বাস্থবক) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং সোনামসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার এই ৫টি স্থলবন্দর BOT ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।
- এছাড়া রামগড় ও বাল্লা এই ২টি স্থলবন্দর চালুর জন্য অপেক্ষাধীন রয়েছে।

⇒ বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ (বিএসবিকে) প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০১ সালে।
- স্বায়ত্তশাসিত এ প্রতিষ্ঠানটি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ।
- স্থলপথে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য কার্যক্রম সহজ ও অধিকতর উন্নত করতে কাজ করে যাচ্ছে এ সংস্থাটি।
- বিএসবিকের আওতায় এ পর্যন্ত মোট ২৪টি স্থল শুল্ক স্টেশনকে ‘স্থলবন্দর’ ঘোষণা করা হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৪৬৫.
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বস্ত্র ও তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ -
  1. ভারত
  2. ভিয়েতনাম
  3. চীন
  4. বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
‘World Trade Statistical Review 2021’ অনুসারে,
একক দেশ হিসেবে বিশ্বে রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ - চীন;
আমদানিতে শীর্ষ দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
বস্ত্র ও তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ - চীন;
বস্ত্র ও তৈরি পোশাক আমদানিতে শীর্ষ দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা World Trade Statistical Review 2021 প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে। 
উৎস : wto.org
১,৪৬৬.
বর্তমানে দেশের কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য বিশ্বের কয়টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ১২২টি
  2. ১৩৪টি
  3. ১৪৮টি
  4. ১৫৩টি
ব্যাখ্যা
দেশের কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য:
- বর্তমানে দেশের কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য বিশ্বের ১৪৮টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।

⇒ বাংলাদেশ থেকে কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব, জার্মানি, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্যসহ ১৪৮টি দেশে কৃষিজাত পণ্য রপ্তানি হয়।
- বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্যানুসারে, উল্লেখযোগ্য কৃষিজাত রপ্তানি পণ্য হলো পাট ও পাটজাত দ্রব্য, সুগন্ধি চাল, শাক-সবজি ও ফলমূল যেমন হিমায়িত আলু, কচু, পটোল, কচুমুখি, লাউ, পেঁপে, শিম, করলা, কাঁকরোল, চিচিঙ্গা, মিষ্টিকুমড়া, আম, কাঁঠাল, লেবু, লিচু, লটকন, আমড়া, পেয়ারা, শুকনা বরই ইত্যাদি। চা, ফুল, নানা রকম মসলা যেমন কালিজিরা, হলুদের গুঁড়া, মরিচের গুঁড়া, শুকনা মরিচ, বিরিয়ানি মসলা, কারি মসলা, তামাক, ড্রিংকস, ড্রাই ফুডস প্রভৃতি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
- তবে এর মধ্যে ‘ড্রাই ফুড’ বা শুকনা খাদ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। এসব ড্রাই ফুডের মধ্যে আছে বিস্কুট, চানাচুর, কেক, পটেটো ক্র্যাকার ও বাদামের মতো নানা রকম খাদ্যপণ্য। কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাদ্যের মধ্যে বেশি রপ্তানি হয় রুটি, বিস্কুট ও চানাচুরজাতীয় শুকনা খাবার, ভোজ্যতেল ও সমজাতীয় পণ্য, ফলের রস, বিভিন্ন ধরনের মসলা, পানীয় এবং জ্যাম-জেলির মতো বিভিন্ন সুগার কনফেকশনারি।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কৃষিপণ্য থেকে ১.১২ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল সরকার।

উৎস: কালের কন্ঠ।
১,৪৬৭.
বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল কোন দেশ? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত 
  2. কুয়েত 
  3. সৌদি আরব
  4. কাতার 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল:
- বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য মতে, বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সবচেয়ে বড় গন্তব্যস্থল মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো।
- এর মধ্যে অভিবাসী নারী শ্রমিকরা সবচেয়ে বড় গন্তব্যস্থল সৌদি আরব।
- মোট নারী অভিবাসীর ৭২ শতাংশের গন্তব্য হলো সৌদি আরব।

এছাড়াও,
- অভিবাসী নারী শ্রমিকদের ২য় বড় গন্তব্যস্থল জর্ডান (১৮%)।
- অভিবাসী নারী শ্রমিকদের ৩য় বড় গন্তব্যস্থল কাতার (১৮%)।
- কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে গন্তব্যের পরিমাণ ১%।

উৎস: BMET ওয়েবসাইট।

১,৪৬৮.
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সমূহের সরবরাহকৃত বিদ্যুতের ফ্রিকোয়েন্সি কত?
  1. ক) ৪৫ হার্জ
  2. খ) ৫০ হার্জ
  3. গ) ৫৫ হার্জ
  4. ঘ) ৬০ হার্জ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কতৃক ৪ ধরনের বিদ্যুত সরবরাহ করা হয়।

১। নিম্নচাপ (এলটি): ২৩০/৪০০ ভোল্ট
- বিদ্যুৎ সরবরাহ: নিম্নচাপ এসি সিঙ্গেল ফেজ ২৩০ ভোল্ট এবং তিন ফেজ ৪০০ ভোল্ট।
- ফ্রিকোয়েন্সি: ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড।

২। মধ্যমচাপ (এমটি): ১১ কেভি
 -বিদ্যুৎ সরবরাহ: মধ্যমচাপ এসি ১১ কেভি।
- ফ্রিকোয়েন্সি: ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড।

৩। উচ্চচাপ (এইচটি): ৩৩ কেভি
- বিদ্যুৎ সরবরাহ: উচ্চচাপ এসি ৩৩ কেভি।
- ফ্রিকোয়েন্সি: ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড।

৪। অতি উচ্চচাপ (ইএইচটি): ১৩২ কেভি এবং ২৩০ কেভি
- বিদ্যুৎ সরবরাহ: অতি উচ্চচাপ এসি ১৩২ কেভি এবং ২৩০ কেভি।
- ফ্রিকোয়েন্সি: ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। [link]
১,৪৬৯.
‘পদ্মা সেতু’ কোন দুটি জেলাকে সংযুক্ত করেছে?
  1. মাদারীপুর ও শরীয়তপুর
  2. শরীয়তপুর ও মুন্সিগঞ্জ
  3. মুন্সিগঞ্জ ও মাদারীপুর
  4. মুন্সিগঞ্জ ও ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- পদ্মা সেতুর নকশা প্রণয়ন করে AECOM।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুর প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার ।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ তারিখে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন, ২০২২ তারিখে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উৎস: The Daily Star বাংলা ও সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট। 
১,৪৭০.
বর্তমানে দেশে প্রবাসী আয়ে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. ক) যুক্তরাজ্য
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) সৌদি আরব
  4. ঘ) সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা
• প্রবাসী আয়:
- শীর্ষ দেশ - সৌদি আরব।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে।

- সৌদি আরব এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স পাঠানো দেশ।
- বিদায়ী ২০২২-২৩ অর্থবছরের মাঝামাঝি চিত্র উল্টে যায়।
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা প্রবাসী আয় সৌদি আরবকে ছাড়িয়ে যায়।
- তবে সৌদি আরব থেকে রেমিট্যান্স প্রবাহ কিছুটা কম হলেও তবে বছর শেষে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এসেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে।

- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রবাসী আয় এসেছে ৩৫২ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার।
- আর সৌদি আরব থেকে প্রবাসী আয় এসেছে ৩৭৬ কোটি ৫২ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার।

তথ্যসূত্র: বাংলা নিউজ।
১,৪৭১.
অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে -
  1. ক) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশসমূহে
  2. খ) উত্তর আমেরিকার দেশসমূহে
  3. গ) ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে
  4. ঘ) আফ্রিকার দেশসমূহে
ব্যাখ্যা
• দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
• যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
• এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
• যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
• অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে
• ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
• ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।   

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
১,৪৭২.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রায়ত্ত ঔষধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি?
  1. ক) নর্থ বেঙ্গল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড
  2. খ) ইউনিভার্সেল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড
  3. গ) স্পার্ক ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডি
  4. ঘ) এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড
ব্যাখ্যা
- এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ঔষধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি। এটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন।
- এটি ১৯৬২ সালে গভর্নমেন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস ল্যাবরেটরি নামে যাত্রা ‍শুরু করে। ১৯৮৩ সালে এটি এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড নামধারণ করে।
- এই কোম্পানি সরকারি ঔষধের প্রায় ৭২ শতাংশ সরবরাহ করে থাকে।
- ঢাকা ব্যতীত খুলনা, গোপালগঞ্জ, বগুড়া ও টাঙ্গাইলে এটির প্লান্ট রয়েছে।
(তথ্যসূত্র: এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড ওয়েবসাইট)
১,৪৭৩.
মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা-
  1. ক) সুনামগঞ্জ
  2. খ) কিশোরগঞ্জ
  3. গ) হবিগঞ্জ
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

কৃষি বর্ষগ্রন্থ-২০২০ অনুসারে,
• মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
• গম উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
• পেঁয়াজ উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা পাবনা।
• পাট উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
• ধান উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
• কাঁঠাল উৎপাদনে বাংলাদেশের জেলা নরসিংদী।
• আলু উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা বগুড়া।
• চা উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার
• রেশম উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা রাজশাহী।
• রাবার উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা কক্সবাজার।

১,৪৭৪.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ কত?
  1. ৪০,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. ৪৪,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. ৪৮,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ৫৬,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
আমদানি পরিস্থিতি:
- ২০২৩-২৪ (জুলাই – ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।

⇒ সার্বিক আমদানি পরিস্থিতি (সাময়িক):
ক) প্রধান প্রাথমিক পণ্য
১. তুলা: ২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

খ) প্রধান শিল্পজাত পণ্যসমূহ
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,২৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সার: ২,০৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সুতা: ২,০৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ১,৪১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ৯৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬. ক্লিংকার: ৬২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।
শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৪৭৫.
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান কে? (জুন, ২০২৫)
  1. লোকমান হোসেন
  2. আশিক চৌধুরী
  3. মো. সিরাজুল ইসলাম
  4. মো. সারওয়ার বারী
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। (জুন, ২০২৫)

বিনিয়োগ বোর্ড:
- BIDA এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।
- BIDA এর পূর্বতন প্রতিষ্ঠানের নাম ছিল বিনিয়োগ বোর্ড।
- বিনিয়োগ বোর্ড প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের অধীন একটি সংস্থা।
- বিনিয়োগ বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৮৯ সালে।
- ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রাইভেটাইজেশন বোর্ড, যা ২০০০ সালে প্রাইভেটাইজেশন কমিশন নামে রুপান্তরিত হয় সেটিকে একত্রিত করে সরকার বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA) প্রতিষ্ঠা করে।
- বিনিয়োগ বোর্ডের লক্ষ্য ছিল দেশে বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করা, অর্থনীতিতে বিশেষ করে বেসরকারি খাত এবং বিদেশি বেসরকারি পুঁজির অংশগ্রহণ বাড়ানোর উপযোগী সরকারি নীতির বাস্তবায়ন ঘটানো।
- এর পরিচালনায় ছিল নির্বাহী সদস্যবৃন্দ এবং নির্বাহী চেয়ারম্যান সমন্বয়ে গঠিত একটি নির্বাহী পরিষদ।

তথ্যসূত্র - বিনিয়োগ বোর্ড ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
১,৪৭৬.
বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর কততম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন? [মার্চ - ২০২৫]
  1. ১৩তম
  2. ১৪তম
  3. ১১তম
  4. ১২তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এ পর্ষদের সভাপতি।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। 
- তিনি ১৩তম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
- তিনি ১৩ আগস্ট ২০২৪ সালে এই পদে নিযুক্ত হন।
- এর আগে, তিনি পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ সাধারণত ৪ বছর হয়।

সূত্র: Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
১,৪৭৭.
SME খাতের উদ্যোক্তাদের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. বৃহৎ শিল্পের প্রসার
  2. ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উন্নয়ন
  3. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ
  4. সরকারি খাতের উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
• ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তার সাথে সম্পর্কিত - Small and medium-sized Enterprises (SME).
--------------- 
ক্ষুদ্র শিল্প:
উৎপাদনের ক্ষেত্রে ‘ক্ষুদ্র বা ছোট শিল্প’ বলতে সেসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে, যেসব প্রতিষ্ঠানের জমি ও কারখানা ভবন ছাড়া স্থায়ী সম্পদের মূল্য ৭৫ লাখ থেকে ১৫ কোটি টাকা। পাশাপাশি যেসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ২৬-১২০ জন শ্রমিক রয়েছে।

মাঝারি শিল্প:
উৎপাদন খাতে ‘মাঝারি শিল্প’ বলতে সেসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে, যাদের জমি ও কারখানা ভবন ছাড়া স্থায়ী সম্পদের মূল্য ১৫ কোটি থেকে ৫০ কোটি টাকা। পাশাপাশি যেসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ১২১-৩০০ জন শ্রমিক রয়েছে।

Vision of SME:
দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং এর ফলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার জন্য ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে (এসএমই) প্রচার করা।

উৎস: শিল্প মন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইট. Small & Medium Enterprise Foundation.
১,৪৭৮.
সদ্য সমাপ্ত ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে মোট তৈরি পোশাক রপ্তানির পরিমাণ কত?
  1. ক) ২৭.৯৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. খ) ৩১.৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. গ) ৩৩.৬৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ঘ) ৩৮.৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
- সদ্য সমাপ্ত ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট তৈরি পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ৩১.৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি দেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮১.১৬ শতাংশ।
- একই সময়ে দেশের মোট রপ্তানি ছিলো ৩৮.৭৫৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
তৈরি পোশাক রপ্তানির গন্তব্য:
- প্রথম : ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন
- দ্বিতীয় : যুক্তরাষ্ট্র
দেশ হিসেবে:
- প্রথম : যুক্তরাষ্ট্র
- দ্বিতীয় : জার্মানি
- তৃতীয় : যুক্তরাজ্য।
(তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এবং বিজিএমইএ ওয়েবসাইট)
১,৪৭৯.
২০২০-২১ অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক সাহায্য পেয়েছে কোন সংস্থা থেকে?
  1. ক) IDA
  2. খ) IMF
  3. গ) JICA
  4. ঘ) ADB
ব্যাখ্যা
● বাংলাদেশ ২০২০-২১ অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক সাহায্য পেয়েছে – IDA থেকে (সংস্থা)
● বাংলাদেশ ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশ হিসেবে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক সাহায্য পেয়েছে – জাপান থেকে।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২
১,৪৮০.
২০২০ সালে বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. ক) চীন
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) নেদারল্যান্ডস
  4. ঘ) জাপান
ব্যাখ্যা
- ২০২০ সালে বাংলাদেশে নিট প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ হয়েছে ২৫৬.৩৫ কোটি মার্কিন ডলার।
বিনিয়োগকারী শীর্ষ দেশসমূহ (মার্কিন ডলার):
- প্রথম : নেদারল্যান্ডস (৪০০ মি. ডলার)
- দ্বিতীয় : যুক্তরাজ্য (৩৯৬ মি. ডলার)
- তৃতীয় : যুক্তরাষ্ট্র (২৯৬ মি. ডলার)।
বিনিয়োগের শীর্ষখাতসমূহ (মার্কিন ডলার):
- প্রথম : পাওয়ার বা জ্বালানি (৫০৮ মি. ডলার)
- দ্বিতীয় : খাদ্য (৩৩২ মি. ডলার)
- তৃতীয় : ব্যাংকিং (৩০২ মি. ডলার)।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১,৪৮১.
Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association (BGMEA) প্রতিষ্ঠাকালে কতটি সদস্য ফ্যাক্টরি নিয়ে যাত্রা শুরু করে?
  1. ক) ২০টি
  2. খ) ১৫টি
  3. গ) ২৫টি
  4. ঘ) ১২টি
ব্যাখ্যা
- Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association (BGMEA) হলো দেশের গার্মেন্ট প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের জাতীয় সংগঠন।
- এটি ১৯৪৩ সালে ১২টি ফ্যাক্টরি সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে।
- বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা প্রায় ৪৫০০ ফ্যাক্টরি।

(উৎস: BGMEA ওয়েবসাইট) ।
১,৪৮২.
বাংলাদেশ সর্বাধিক বৈদেশিক সহায়তা পায়-
  1. ক) যুক্তরাজ্য থেকে
  2. খ) চীন থেকে
  3. গ) জাপান থেকে
  4. ঘ) ভারত থেকে
ব্যাখ্যা

- দ্বিপাক্ষিকভাবে বাংলাদেশ সর্বাধিক বৈদেশিক সহায়তা পায় জাপান থেকে।
- জাপান থেকে প্রাপ্ত ঋণের সুদের হার মাত্র ০.০১ শতাংশ এবং পরিশোধ মেয়াদ থাকে ৫০ বছর।
- জাপান ব্যতীত যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা বাংলাদেশের অপর দুটি প্রধান উন্নয়ন অংশীদার।

উৎসঃ অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের ওয়েবসাইট।

১,৪৮৩.
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কয়টি কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে?
  1. ৫ টি
  2. ৬ টি
  3. ৭ টি
  4. ৮ টি
ব্যাখ্যা
কয়লা:
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে - ৫টি; বড়পুকুরিয়া, দীঘিপাড়া, ফুলবাড়ি, খালাসপীর ও জামালগঞ্জ।
- আবিষ্কৃত ৫টি কয়লাক্ষেত্রে কয়লার মোট মজুদের পরিমাণ - আনুমানিক ৭,৮২৩ মিলিয়ন টন (যা প্রায় ১৮৫ টিসিএফ প্রাকৃতিক গ্যাস সমতুল্য)। 

- মজুদকৃত কয়লা থেকে ডিসেম্বর ২০২২ পর্যন্ত উত্তোলিত মোট কয়লার পরিমাণ - আনুমানিক ১৩.৪৭ মিলিয়ন টন।  
- বিদ্যুৎ উৎপাদন ও ইট তৈরিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জ্বালানি হিসেবে কয়লার ব্যবহার রয়েছে।

-  বর্তমানে প্রতিবছর ০.৮ মিলিয়ন টন কয়লা উত্তোলনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার বড়পুকুরিয়া কয়লাক্ষেত্র থেকে ‘ভূ-গর্ভস্থ খনি পদ্ধতি’তে কয়লা উত্তোলন করা হচ্ছে।

- বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির উৎপাদিত কয়লা ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে খনি এলাকায় ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপিত হয়েছে।
- উক্ত বিদ্যুৎকেন্দ্রে ৫২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে নিয়মিতভাবে জাতীয় গ্রীডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১,৪৮৪.
কাঁচামাল হিসেবে আখের ছোবড়া ব্যবহার করা হয়-
  1. ক) কর্ণফুলী কাগজ কল, চন্দ্রঘোনা
  2. খ) খুলনা নিউজপ্রিণ্ট মিল, খালিশপুর
  3. গ) উত্তরবঙ্গ কাগজ কল, পাকশী
  4. ঘ) পার্টিকেল রোড মিল, নারায়নগঞ্জ
ব্যাখ্যা
• কাঁচামাল হিসেবে আখের ছোবড়া ব্যবহার করা হয়- উত্তরবঙ্গ কাগজ কল, পাকশী। (বর্তমানে বন্ধ অবস্থায় আছে) 

• পাবনার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত নর্থ বেঙ্গল পেপার মিলের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তার কাজে ব্যবহারের জন্য মিলের জমি হস্তান্তর করা হয়েছে। এতে উত্তরবঙ্গের অন্যতম ভারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানটির ৫৬ বছরের পথচলা শেষ হলো। 

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার।  
১,৪৮৫.
বাংলাদেশের রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য গৃহীত অন্যতম পদক্ষেপ কোনটি?
  1. রপ্তানি পণ্যে নগদ সহায়তা
  2. রপ্তানি পণ্য বৈচিত্র্যকরণ
  3. নতুন বাজার খোঁজা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- উপরের সবগুলোই বাংলাদেশের রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য গৃহীত অন্যতম পদক্ষেপ।

বাংলাদেশে আমদানি-রপ্তানি ভারসাম্যহীনতা দূর করার জন্য একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল:
রপ্তানি পণ্যে নগদ সহায়তা: সরকার রপ্তানিকারকদের উৎসাহিত করতে রপ্তানি পণ্যে নগদ সহায়তা প্রদান করে থাকে, যাতে তারা রপ্তানির পরিমাণ বৃদ্ধি করতে পারে।
রপ্তানি পণ্য বৈচিত্র্যকরণ: একক পণ্যের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে বিভিন্ন পণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর জন্য বৈচিত্র্যকরণের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
নতুন বাজার খোঁজা: বাংলাদেশ নতুন আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির সুযোগ তৈরির জন্য উদ্যোগ নিয়েছে, যাতে বিশ্বব্যাপী রপ্তানি বাড়ানো যায়।
এই পদক্ষেপগুলো একত্রে কাজ করে বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি ভারসাম্যহীনতা কমানোর লক্ষ্যে সহায়তা প্রদান করছে।

রপ্তানি নীতি ২০২১-২৪ এ বলা হয়েছে:
অপেক্ষাকৃত নিম্ন সুদ হার এবং সহজ শর্তে রপ্তানি ঋণ প্রদানসহ রপ্তানিকারকদেরকে বিভিন্ন আর্থিক প্রণোদনা (Incetive) প্রদান করা;
পণ্য পরিচিতি (Product Branding)ও নতুন বাজার অন্বেষণ উদ্যোগের আওতায় বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি পণ্যের একক মেলা আয়োজন ও আন্তর্জাতিক মেলায় কার্যকরভাবে যোগদানের ক্ষেত্রে রপ্তানিকারকদেরকে সহায়তা প্রদান।
নতুন নতুন পণ্য উৎপাদন, পণ্য বহুমুখীকরণ, পণ্য রপ্তানিতে উচ্চতর প্রবৃদ্ধি অর্জন ইত্যাদি কর্মকান্ডের জন্য বিভিন্ন খাতে প্রতি বছর শ্রেষ্ঠ রপ্তানিকারকদেরকে সিআইপি মর্যাদা ও জাতীয় রপ্তানি ট্রফি প্রদান।
তৈরি পোশাকের পাশাপাশি Non-RMG খাত বিশেষকরে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পজাত পণ্য, চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা, হালকা প্রকৌশল পণ্য, ফার্মাসিউটিক্যালস, কৃষিপণ্য, উদ্ভিদ ও উদ্ভিদজাত পণ্য, পাটপণ্য, প্রাণি ও প্রাণিজাত পণ্য, হালাল পণ্য, অপ্রচলিত পণ্য, মেরিন রিসোর্স হতে আহরিত পণ্য খাতে রপ্তানি বৃদ্ধিতে অগ্রাধিকারমূলক নীতি সুবিধা প্রদান। এছাড়া পণ্য বহুমুখীকরণের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট খাতে বৈচিত্র্য আনয়নে (Diversification within the sector) উৎসাহ প্রদান প্রদান;

উৎস:বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)।
১,৪৮৬.
পেট্রোবাংলার অধীনস্ত কোম্পানি কোনটি?
  1. পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (পিজিসিএল)
  2. সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (এসজিসিএল)
  3. রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল)
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
পেট্রোবাংলার অধীনস্ত কোম্পনি:
- বর্তমানে পেট্রোবাংলার অধীনস্ত ১৩টি পৃথক কোম্পনির মাধ্যমে পেট্রোবাংলা তার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে।
- কোম্পানিগুলির নাম:
• বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স),
• বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল),
• সিলেট গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (এসজিএফসিএল),
• গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড (জিটিসিএল),
• তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (টিজিটিডিসিএল),
• জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমস লিমিটেড (জেজিটিডিএসএল),
• বাখরাবাদ গ্যাস সিস্টেমস লিমিটেড (বিজিএসএল),
• পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (পিজিসিএল),
• কর্নফুলি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল),
• সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (এসজিসিএল),
• রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল),
• বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড (বিসিএমসিএল) এবং
• মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড (এমজিএমসিএল)।

তথ্যসূত্র - পেট্রোবাংলার ওয়েবসাইট।
১,৪৮৭.
BRTA-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Rural Transport Authority
  2. Bangladesh Road Transport Authority
  3. Bangladesh Rural Telecommunication Agency
  4. Bangladesh Road Telecommunication Agency
ব্যাখ্যা
BRTA:
- BRTA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Road Transport Authority.
- BRTA বা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ।
- মোটরযান অধ্যাদেশ ১৯৮৩ (সংশোধিত ১৯৮৭) এর ধারা ২এ অনুযায়ী ২০ ডিসেম্বর ১৯৮৭ তারিখে এসআরও নং ৩০৩/আইন/৮৭/এমভিআরটি/১ই-৭/৮৪(অংশ) এর মাধ্যমে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি(বিআরটিএ) গঠিত হয়।
- ১৯৮৮ সালের জানুয়ারি থেকে কার্যক্রম শুরু করে।
- সুষ্ঠু সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাপনা, সড়ক পরিবহন সেক্টরে শৃঙ্খলা এবং সড়ক নিরাপত্তা বিধান কল্পে বিআরটিএ গঠন করা হয়।
- মোটরযান অধ্যাদেশ ১৯৮৩ বাস্তবায়নের উদ্দ্যেশ্যে তৎকালীন যোগাযোগ মন্ত্রণালয় (বর্তমানে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়)-এর অধীন বিআরটিএ গঠন করা হয়।
- সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ আইন ২০১৭ এর অধীনে বিআরটিএ কাজ করছে।
- চেয়ারম্যান বিআরটিএ’র সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী।
- সরকার কর্তৃক সময় সময় জারীকৃত কার্যসম্পাদন করাও চেয়ারম্যানের দায়িত্ব।
- সংশোধিত অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী বর্তমানে বিআরটিএ’র মোট বিভাগীয় অফিস ৮টি এবং সার্কেল অফিস ৬৪টি।
- এর মধ্যে জেলা সার্কেল ৬৪টি এবং মেট্রো সার্কেল ৬টি।

⇒ ড্রাইভিং লাইসেন্স:
- BRTA বা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করে।
- ড্রাইভিং লাইসেন্সের পূর্বশর্ত হলো লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স।
- ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনকারীর ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা ৮ম শ্রেণী পাশ।
- অপেশাদার এর জন্য ন্যূনতম ১৮ বছর এবং পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর জন্য বয়স ন্যূনতম ২১ বছর হতে হবে।
- মানসিক ও শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে হবে।

উৎস: BRTA ওয়েবসাইট।
১,৪৮৮.
দেশের একমাত্র সরকারি গাড়ি সংযোজন প্রতিষ্ঠান ‘প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) টঙ্গি
  2. খ) সীতাকুণ্ড
  3. গ) জয়দেবপুর
  4. ঘ) তেজগাঁও
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশনের অধীন দেশের একমাত্র সরকারি গাড়ি সংযোজন কারখানা হলো প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।
এটি ১৯৬৬ সালে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ডে ‘গান্ধারা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’ নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭২ সালে ‘প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’ নামে এটি জাতীয়করণ করে বিএসইসি এর অধীনে ন্যস্ত করা হয়।
প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড বর্তমানে জাপানের মিৎসুবিসি মোটরস করপোরেশনের পাজেরো স্পোর্ট(কিউএক্স) জীপ, চীনের ফোর্ডে অটোমোবাইলস কোং লিঃ এর ল্যান্ডফোর্ট এসইউভি জীপ এর সিকেডি আমদানী ও সংযোজনপূর্বক স্থানীয়ভাবে বাজারজাত করছে।
(সূত্র: বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন ওয়েবসাইট)
১,৪৮৯.
'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর' অবস্থিত-
  1. ক) ফরিদপুর
  2. খ) গজারিয়া
  3. গ) গাজিপুর
  4. ঘ) মিরসরাই
ব্যাখ্যা
- চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুণ্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলা জুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে দেশের বৃহত্তম শিল্পাঞ্চল 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর'।
- এর আয়তন প্রায় ৩০ হাজার একর।
- এখানে প্রায় ১৫ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থান হবে।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ বা বেজা এটি বাস্তবায়ন করছে। 

উৎসঃ বেজা ওয়েবসাইট।
১,৪৯০.
কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড কত সালে স্থাপিত হয়?
  1. ১৯৬৩ সালে
  2. ১৯৫৩ সালে
  3. ১৯৫৭ সালে
  4. ১৯৬৫ সালে
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড:
- কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিমিটেড রাঙ্গামাটি জেলায় অন্তর্গত কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নে অবস্থিত।
- একটি রাষ্ট্রয়াত্ব কাগজ কল।
- কারখানাটি ১৯৫৩ সালে স্থাপিত হয়।
- প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কারখানাটির বার্ষিক নিজস্ব পাল্প উৎপাদন ক্ষমতা ২৪,০০০ মে. টন এবং কাগজ উৎপাদন ক্ষমতা ৩০,০০০ মে. টন।
- কারখানা স্থাপিত হওয়ার পর হতে প্রথমে পিআইডিসি (১৯৫৩-১৯৫৮), দাউদ (১৯৫৯-১৯৭১), পেপার এন্ড বোর্ড কর্পোরেশন (১৯৭১-৭৪) এবং পরবর্তীতে ১৯৭৪-৭৫ হতে অদ্যাবধি  বিসিআইসি কারখানা পরিচালনা করে আসছে।

উৎস: কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড ওয়েবসাইট।
১,৪৯১.
সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুযায়ী - ২০২০ সালের মধ্যে দেশ কত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন করবে?
  1. ক) ১৮,০০০ মেগাওয়াট
  2. খ) ২০,০০০ মেগাওয়াট
  3. গ) ২৩,০০০ মেগাওয়াট
  4. ঘ) ২৪,০০০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা

কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতে উৎপাদন বাড়ানোর মৌল উপকরণ হিসেবে সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় বিদ্যুত ও জ্বালানি খাতকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। ২০২০ সালের মধ্যে সমকালীন ১৩ হাজার ৫শ' মেগাওয়াট থেকে ২৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুত উৎপাদন বাড়ানোর কার্যক্রমের রূপরেখা সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় সুনির্দিষ্টভাবে স্থান পেয়েছে। এছাড়া - জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য মিশ্র জ্বালানি নিশ্চিত করা, সিস্টেম লস ১৩% থেকে ৯% এ নামিয়ে আনা ইত্যাদি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।
সূত্রঃ সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা।

১,৪৯২.
দেশের একমাত্র সরকারি জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার কোনটি?
  1. পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড
  2. মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড
  3. যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড
  4. ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড
ব্যাখ্যা

ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড:
- দেশের একমাত্র সরকারি জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল)।
- এই পরিশোধনাগারে জ্বালানি তেল শোধনের সক্ষমতা বছরে সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টন।
- এটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।
- এটি একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি।
- কোম্পানি আইন ১৯১৩ (সংশোধিত, ১৯৯৪) অনুযায়ী এ প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- একদল পাকিস্তানি শিল্প-উদ্যোক্তা ১৯৬৩ সালে এ প্রকল্পটির উদ্যোগ নেয় এবং  চট্টগ্রামের কর্ণফুলি নদীর তীরে এ পরিশোধনাগারটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সরকারি তেল পরিশোধনাগার ইআরএল তৈরি করা হয় ১৯৬৮ সালে।
- বিপিসির মাধ্যমে আনা অপরিশোধিত জ্বালানি তেল তারা শোধন করে। এলপিজি, পেট্রল, অকটেন, কেরোসিন, ডিজেল, ফার্নেসসহ ১৪ রকমের তেল উৎপাদন করে ইআরএল। 

উল্লেখ্য,
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১৫ লাখ ৩৫ হাজার টন তেল শোধন করা হয়েছে। প্রথমবারের মতো ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডে এত বেশি তেল পরিশোধন করা সম্ভব হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।

১,৪৯৩.
বিসিআইসি’র অধীনে কয়টি কাগজ কারখানা রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১০টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে।
- চালু কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৪টি (চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ, আশুগঞ্জ ফাটিলাইজার এন্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ)।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
• কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
• সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
• গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
• স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

উল্লেখ্য,
- বিসিআইসির ওয়েবসাইট অনুযায়ী বিসিআইসি’র অধীনে ১৩টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১,৪৯৪.
BTTC-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Trade and Tariff Chamber
  2. Bangladesh Trade and Tariff Corporation
  3. Bangladesh Trade and Tariff Council
  4. Bangladesh Trade and Tariff Commission
ব্যাখ্যা
BTTC:
- BTTC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Trade and Tariff Commission.
- ট্যারিফ কমিশন পাকিস্তান ট্যারিফ কমিশনের পূর্ব পাকিস্তান শাখার উত্তরবর্তী।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এর নতুন নাম হয় ট্যারিফ কমিশন।
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২৮ জুলাই, ১৯৭৩ তারিখের সিদ্ধান্তবলে উক্ত মন্ত্রণালয়ের একটি অধীনস্থ অধিদপ্তর হিসেবে কাজ শুরু করে।
- ১৯৯২ সালের নভেম্বরে উক্ত কমিশন বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন ১৯৯২ (১৯৯২ সনের ৪৩ নম্বর আইন)-এর অধীনে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন নামে পুনর্গঠিত হয়।

⇒ বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট।
- এর প্রধান হচ্ছেন সরকারের সচিব পর্যায়ের মর্যাদাসম্পন্ন একজন চেয়ারম্যান।
- কমিশন তিনটি শাখায় বিভক্ত: বাণিজ্য নীতিমালা, বাণিজ্য প্রতিকার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শাখা।
- প্রতিটি শাখা একজন সদস্য দ্বারা পরিচালিত। 

উৎস: বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন ওয়েবসাইট।
১,৪৯৫.
দেশে বর্তমানে বিসিক শিল্পনগরীর সংখ্যা কয়টি?
  1. ক) ৭৭ টি
  2. খ) ৭৮ টি
  3. গ) ৮০ টি
  4. ঘ) ৮৩ টি
ব্যাখ্যা
বিসিক শিল্পনগরী নিয়ে গুরুত্বপুর্ণ তত্ত্ব:
• মোট শিল্পনগরীর সংখ্যা - ৮০টি।
• উৎপাদনরত মোট শিল্প ইউনিট- ৪৭৬৯ টি (ফেব্রুয়ারী, ২০২৩ পর্যন্ত)। 

- সারাদেশে অবস্থিত বিসিকের ৮০টি শিল্পনগরীতে ফেব্রুয়ারি ২০২৩ পর্যন্ত মোট ৫,৯৯৮টি শিল্প ইউনিটের অনুকূলে ১০,৬০৭টি প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, যার মধ্যে ৪,৭৬৯টি ইউনিট বর্তমানে উৎপাদনরত আছে।
- ৮০টি শিল্পনগরীতে জুন ২০২২ পর্যন্ত স্থাপিত শিল্প- কারখানাসমূহে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ৪৩,২৫৯.৭৭ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩
১,৪৯৬.
বাংলাদেশের জার্মানিতে রপ্তানি করা সবচেয়ে বড় সমুদ্রগামী জাহাজ কোনটি?
  1. এমভি মেরিস 
  2. এমভি আনসু
  3. এমভি চট্টগ্রাম
  4. এমভি সিলেট
ব্যাখ্যা

‘এমভি আনসু’ (MV Ansu):
- বাংলাদেশের জার্মানিতে রপ্তানি করা সবচেয়ে বড় সমুদ্রগামী জাহাজ হলো —‘এমভি আনসু’। 
- এটি নারায়ণগঞ্জের আনন্দ শিপইয়ার্ড কোম্পানি দ্বারা নির্মিত। 
- ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে জার্মানির HS Schiffahrts GmbH & Co. KG MS কোম্পানির কাছে এমভি আনসু হস্তান্তর করা হয়।
- এমভি আনসু একটি মাল্টিপারপাস মালবাহী জাহাজ।
- এর ধারণক্ষমতা ৫৫০০ ডিডব্লিউটিএ।
- জাহাজটির দৈর্ঘ্য ৩৪২ ফুট, প্রস্থ ৫০ ফুট, গভীরতা ২৪.২৭ ফুট।
- জাহাজটির ইঞ্জিন ক্ষমতা ২৭৫০ হর্সপাওয়ার এবং ঘন্টায় ১২ নটিক্যাল মাইল গতিবেগে চলতে পারে।
- এটি বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের তৈরি অন্যতম বৃহত্তম জাহাজ, যা রপ্তানির মাধ্যমে জার্মানিতে পাঠানো হয়।

উৎস: দৈনিক ইত্তাফাক পত্রিকা। 

১,৪৯৭.
হিলি স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. লালমনিরহাট
  2. সিলেট
  3. দিনাজপুর
  4. সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা

হিলি স্থলবন্দর:
- পানামা-হিলি পোর্ট লিংক লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত।
- হিলি স্থলবন্দর দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপেজলার বাংলা হিলি সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি এলসিএস রয়েছে।
- ১২ জানুয়ারি ২০০২ তারিখ হিলি শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।
- ০৯ অক্টোবর ২০০৫ তারিখ স্থলবন্দর উন্নয়ন ও পরিচালনার  জন্য কর্তৃপক্ষের সাথে  পানামা-হিলি পোর্ট লিংক লিমিটেড মধ্যে Concession Agreement (CA) স্বাক্ষরিত হয়।
- CA অনুযায়ী পোর্ট অপারেটর ০১ জানুয়ারি ২০১০ তারিখ স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করে;
- রাজধানী ঢাকা হতে হিলি স্থলবন্দরের দূরত্ব প্রায় ২৮৫ কি.মি.

তথ্যসূত্র - হিলি স্থলবন্দর ওয়েবসাইট।

১,৪৯৮.
ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম কী?
  1. টিএসপি
  2. ডিএপি
  3. অ্যামোনিয়াম সালফেট
  4. ইউরিয়া
ব্যাখ্যা
ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা হলো ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানা।
- এটি নরসিংদীতে অবস্থিত।
- ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম ইউরিয়া।
- ইউরিয়া ফার্টিলাইজরা ফ্যাক্টরি লিঃ এবং পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ কারখানা ২টির স্থানে আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে বার্ষিক ৯,২৪,০০০ (নয় লক্ষ চব্বিশ হাজার) মেট্রিক টন উৎপাদন ক্ষমতা ও জ্বালানি সাশ্রয়ী সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এবং উচ্চতর ক্ষমতাসম্পন্ন ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপনের লক্ষ্যে “ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্প” শীর্ষক প্রকল্পটি ১২ নভেম্বর ২০২৩ খ্রি. তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক উদ্ধোধন করা হয়।
- বর্তমানে কারখানার উৎপাদন চালু আছে।

উল্লেখ্য,
- নির্মাণ ব্যয়: ১৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
- কারখানাটির দৈনিক সার উৎপাদন হবে ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন।
- বিসিক জানায়, ১১০ একর জমিতে কারখানাটি নির্মিত হবে এবং কারখানাটি ৩০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা, যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্লু গ্যাস থেকে পরিবেশদূষণকারী আহরণ করা হবে এবং ক্যাপচার করা কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে ইউরিয়া সারের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে (প্রায় ১০ শতাংশ)।
- এটি দেশে ‘অত্যাধুনিক, শক্তি সাশ্রয়ী ও সবুজ’ সার কারখানা, যা ইউরিয়া সারের আমদানি কমিয়ে দেবে এবং কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১,৪৯৯.
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ কত বছর?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:

- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানের পদবী গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার (১২তম)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ ৪ বছর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্ণর ছিলেন- এ. এন. হামিদুল্লাহ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৫০০.
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) ‘ওয়ার্ল্ড স্ট্যাটিসটিক্যাল রিভিউ ২০২০’ অনুযায়ী বস্ত্র বা কাপড় আমদানিতে বাংলাদেশের অবস্থান-
  1. ক) দ্বিতীয়
  2. খ) চতুর্থ
  3. গ) সপ্তম
  4. ঘ) অষ্টম
ব্যাখ্যা
পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও বস্ত্র বা কাপড় রপ্তানিতে শীর্ষ দশে নেই বাংলাদেশ। পোশাকের মতো এখানেও চীনের রাজত্ব। গত বছর চীন ১২ হাজার কোটি ডলারের বস্ত্র রপ্তানি করেছে। রপ্তানিতে না থাকলেও কাপড় আমদানিতে শীর্ষ দশ দেশের মধ্যে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। গত বছর বাংলাদেশে ১ হাজার কোটি ডলারের কাপড় আমদানি হয়েছে।
[সূত্রঃ প্রথম আলো পত্রিকা]