বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

মোট প্রশ্ন১,৭৮৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

PrepBank · পাতা ১৪ / ১৮ · ১,৩০১১,৪০০ / ১,৭৮৪

১,৩০১.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান রপ্তানি পণ্য কোনটি?
  1. ক) পাট ও পাটজাত পণ্য
  2. খ) চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  3. গ) হিমায়িত খাদ্য
  4. ঘ) ঔষধ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য হলো তৈরি পোশাক (৩৪১৩ কোটি ডলার)। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য। গত ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে এ খাত থেকে আয় আসে ১০১.৯৮ কোটি মার্কিন ডলার। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে কৃষিপণ্য (৯০.৮৯ কোটি ডলার)। চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে পাট ও পাটজাত পণ্য (৮১.৬২ কোটি ডলার)। পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে হিমায়িত খাদ্য (৩৬.১১ কোটি ডলার)। ঔষধ থেকে রপ্তানি আয় ১৩ কোটি ডলার। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মোট রপ্তানি আয় ছিলো ৪০.৫৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। (সূত্রঃ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
১,৩০২.
বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা কোনটি?
  1. বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ
  2. ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ
  3. ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ
  4. যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ
ব্যাখ্যা
সার কারখানা:
- ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ (ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা)।
- দেশের প্রথম ও সর্ববৃহৎ সার কারখানা হচ্ছে ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ (ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা)।
- এই কারখানাটি ১৯৬১ সালে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইগাঁও ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা হতে প্রায় ০৫ কিলোমিটার দক্ষিণে সিলেট-মৌলভীবাজার হাইওয়ে রোডের পূর্ব দিকে হাইওয়ে রোড হতে ০১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র- সিলেট জেলার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৩০৩.
দেশের একমাত্র পাথর খনি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
- দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়ায় অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ গ্রানাইট পাথরের খনি।
-মধ্যপাড়া গ্রানাইট পাথরের মজুতটি ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগ আবিষ্কার করে।
- এখানে প্রায় এক বর্গকিলোমিটার এলাকায় অতি অল্প গভীরতায় গ্রানাইট পাথরের মজুত ১৭ কোটি ৪০ লাখ টন বলে প্রমাণিত হয়, যার প্রায় ৪২ শতাংশ উত্তোলনযোগ্য।
-  ২০০৭ সাল থেকে এ পাথর উত্তোলন করা হচ্ছে।
- বিস্ফোরকের অভাবে বর্তমানে উৎপাদন বন্ধ।

উৎস: প্রথম আলো প্রতিবেদন।
১,৩০৪.
ইউরিয়া সার উৎপাদনে কাঁচামাল হিসেবে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) এলএনজি
  2. খ) মিথেন গ্যাস
  3. গ) অপরিশোধিত তেল
  4. ঘ) ক্লিংকার
ব্যাখ্যা
ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল হলো মিথেন গ্যাস বা প্রাকৃতিক গ্যাস।
- ইউরিয়া সার জমিতে নাইট্রোজেনের অভাব পূরণ করে। বাংলাদেশে কৃষিক্ষেত্রে বিভিন্ন সারের মধ্যে ইউরিয়া সারের ব্যবহার সবচেয় বেশি হয়।

(তথ্যসূত্র: ভুগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বিসিআইসি ওয়েবসাইট)
১,৩০৫.
বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা কতটি? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]
  1. ১৭০টি
  2. ১৭১টি
  3. ১৭২টি
  4. ১৭৩টি
ব্যাখ্যা

বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত চা বাগান:
- চা বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা ১৭১টি।
- বর্তমানে দেশে ৩টি চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে (চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল, পঞ্চগড়)।

উল্লেখ্য,
- ১৮০০ শতাব্দীর প্রথম ভাগে ভারতবর্ষের আসাম ও তৎসংলগ্ন এলাকায় চা চাষ শুরু হয়। তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলী নদীর তীরে চা আবাদের জন্য ১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দে জমি বরাদ্দ হয়।
- ১৮৪০ খ্রিষ্টাব্দে চট্টগ্রাম শহরের বর্তমান চট্টগ্রাম ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় একটি চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যা কুন্ডদের বাগান নামে পরিচিত।
- সিলেটের মালনীছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৭ সালে।
- দেশ স্বাধীনের পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশে শুধুমাত্র দুইটি জেলায় চা আবাদ করা হতো। একটি সিলেট জেলায় যা ‘সুরমা ভ্যালি' নামে পরিচিত ছিল, আর অপরটি চট্টগ্রাম জেলায় যা ‘হালদা ভ্যালি' নামে পরিচিত ছিল।

• ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশে চা বাগানের সংখ্যা ছিল ১৫০টি।
- দেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়। মৌলভীবাজার জেলায় ৯০টি চা বাগান রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

১,৩০৬.
খুলনা হার্ডবোর্ড মিলে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় কোন ধরনের কাঠ?
  1. চাপালিশ
  2. কেওয়া
  3. গেওয়া
  4. সুন্দরী
ব্যাখ্যা
• খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস লি:
- খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস লি. দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড কারখানা।
- খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস লি. এর স্থাপনা তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি’র) সময়ে ১৯৬৫ সালে।
- কারখানাটি কানাডীয় সরকারি সাহায্য সংস্থার সহায়তায় স্থাপিত হয়।
- কারখানার প্রধান কাঁচামাল সুন্দরবনে উৎপাদিত কাঁচা সুন্দরী জ্বালানী কাঠ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ক্যামিকেল ইন্ড্রাস্টিজ কর্পোরেশন (BCIC)।
১,৩০৭.
বাংলাদেশ রপ্তানি ক্ষেত্রে জিএসপি সুবিধা পাচ্ছে কোথায়?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) ইইউ
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশ ইইউ ভুক্ত ২৭টি দেশসহ মোট ৩৮টি দেশে রপ্তানি ক্ষেত্রে জিএসপি সুবিধা পাচ্ছে।
ইইউ বর্হিভূত দেশগুলো হলো অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জাপান, কানাডা, তুরস্ক, রাশিয়া, বেলারুশ, লিচেনস্টাইন, নরওয়ে, সুইজারল্যান্ড এবং যুক্তরাজ্য।
ইউরোপীয়ান ইউনিয়নে ‘Everything But Arms’ স্কিমের আওতায় অস্ত্র ব্যতীত সকল পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শুল্কমুক্ত সুবিধা পাচ্ছে।
(সূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো)
১,৩০৮.
২০২৩–২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয় কত ছিল? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ৪৮৪৯ কোটি ডলার
  2. ৪৪৪৬ কোটি ডলার
  3. ৪৬৫১ কোটি ডলার
  4. ২৪৫৩ কোটি ডলার
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়: 
- ২০২৪–২৫ অর্থবছরের (জুলাই-ডিসেম্বর) প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশ পণ্য রপ্তানিতে প্রায় ১২.৮৪% প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।
- ২০২৪–২৫ অর্থবছর (জুলাই-ডিসেম্বর): ২৪৫৩ কোটি ডলার।
- ২০২৩–২৪ অর্থবছর (জুলাই-ডিসেম্বর): ২১৭৪ কোটি ডলার।
- ২০২৩–২৪ অর্থবছর ৪৪৪৬ কোটি ডলার। 
- তৈরি পোশাক রপ্তানি আয়: ১৯৮৯ কোটি ডলার।
- তৈরি পোশাক প্রবৃদ্ধি: ১৩.২৮%।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো রিপোর্ট।
১,৩০৯.
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর রিপোর্ট অনুসারে, ২০২৩-২৪ সালে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের রপ্তানি কত? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ৫৬ বিলিয়ন ডলার
  2. ৪৬ বিলিয়ন ডলার
  3. ৩৬ বিলিয়ন ডলার
  4. ২৬ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর রিপোর্ট অনুসারে,
- ২০২৩-২৪ সালে তৈরি পোশাক রপ্তানি ৩৬.১৫১ বিলিয়ন ডলার।
- এর মধ্যে নিটওয়্যার ১৯.২৮২ বিলিয়ন ডলার।
- উভেন ওয়্যার ১৬.৮৬৯ বিলিয়ন ডলার।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর রিপোর্ট।
১,৩১০.
বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্রবন্দর পায়রা কত সালে যাত্রা শুরু করে?
  1. ক) ২০১২
  2. খ) ২০১৪
  3. গ) ২০১৫
  4. ঘ) ২০১৬
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্রবন্দর - চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর।
- এটি ১৮৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর - মোংলা সমুদ্রবন্দর।
- এটি ১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্রবন্দর - পায়রা সমুদ্রবন্দর। 
- এটি ২০১৬ সালে যাত্রা শুরু করে।

- স্বাধীন বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর - মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর।
- এটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে ২০২৫ সালে।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট ও সংশ্লিষ্ট বন্দর ওয়েবসাইট।
১,৩১১.
সর্বশেষ অর্থবছরে বাংলাদেশ কোন দেশে সবচেয়ে বেশি চা রপ্তানি করেছে? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. পোল্যান্ড
  2. সৌদি আরব
  3. পাকিস্তান
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা

চা:
- চা বাংলাদেশের ২য় অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- বাংলাদেশের মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে সবচেয়ে বেশি চা উৎপন্ন হয়।
- বাংলাদেশের চায়ের বিশেষ সুনাম থাকায় বিদেশে এর চাহিদা রয়েছে। চা রপ্তানি করে বাংলাদেশ অনেক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি চা রপ্তানি করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয়েছিল ১৮৪০ সালে চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে। চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে প্রথম চা উৎপাদিত হয় ১৮৪৩ সালে। কিন্তু বিভিন্ন কারণে সেখানে চা চাষ বিলম্বিত হয়।
- মালনীছড়া বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান।

উৎস: i) বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
ii) কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১,৩১২.
গত বছর কোন সেক্টরে সর্বাধিক প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ হয়েছে?
  1. ক) ব্যাংকিং সেক্টর
  2. খ) টেলিকমিউনিকেশন সেক্টর
  3. গ) পাওয়ার সেক্টর
  4. ঘ) টেক্সটাইল সেক্টর
ব্যাখ্যা
২০১৯ সালে বাংলাদেশে মোট প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগের পরিমাণ ২৮৭ কোটি মার্কিন ডলার। সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয়েছে পাওয়ার সেক্টরে ৯৪.২০ কোটি ডলার।
দ্বিতীয় ব্যাংকিং খাতে ৩৩.৫৩ কোটি ডলার। তৃতীয় খাদ্য খাতে ২৪.৮৫ কোটি ডলার। চতুর্থ টেক্সটাইল খাতে ২৪.৪২ কোটি ডলার এবং পঞ্চম টেলিকমিউনিকেশন খাতে ২০.৮৪ কোটি ডলার।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক এবং ঢাকা ট্রিবিউন-১৭ জুন ২০২০)
১,৩১৩.
বাংলাদেশে চীনা মাটি পাওয়া যায় -
  1. ক) কুলাউড়ায়
  2. খ) হরিপুরে
  3. গ) বিজয়পুরে
  4. ঘ) তামাবিলে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ভূ-পৃষ্ঠে অথবা অন্তর্ভূ-পৃষ্ঠে (subsurface) চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর ও গোপালপুরে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়, চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও ও সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে চীনামাটির মজুত রয়েছে।

এ ছাড়া দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া, বড়পুকুরিয়া ও দীঘিপাড়া এবং নওগাঁ জেলার পত্নীতলাতে ভূ-পৃষ্ঠের নিকটে চীনামাটি মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া
১,৩১৪.
বর্তমানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে কতটি অধিদপ্তর রয়েছে?
  1. ১৪টি
  2. ১২টি
  3. ১৩টি
  4. ১৪টি
ব্যাখ্যা
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/দপ্তরঃ মোট ১৩টি
১. বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন
২. রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো
৩. ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ
৪. জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর
৫. যৌথ মূলধনী কোম্পানী ও ফার্মস্ নিবন্ধক
৬. আমদানি - রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ অফিস
৭. বাংলাদেশ চা বোর্ড
৮. বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইসস্টিটিউট
৯. বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল
১০. দি ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টস্ অব বাংলাদেশ
১১. দি ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড একাউন্ডস্ অব বাংলাদেশ
১২. ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ
১৩. বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন
উৎসঃ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট
১,৩১৫.
চা বোর্ডের অধীনে বাংলাদেশের নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা কত? (আগস্ট - ২০২৫)
  1. ১৭২ টি
  2. ১৬৯ টি
  3. ১৭০ টি
  4. ১৭১ টি
ব্যাখ্যা

চা বোর্ডের অধীনে বাংলাদেশের নিবন্ধিত চা বাগান - ১৭১ টি। (আগস্ট - ২০২৫)
- মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত - ৯০ টি চা বাগান।
- হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত - ২৫টি চা বাগান।
- সিলেট জেলায় অবস্থিত ১৯টি চা বাগান।
- চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত ২২ টি চা বাগান।
- পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত ১০ টি চা বাগান।
- রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত ২ টি চা বাগান।
- ঠাকুরগাঁও জেলায় অবস্থিত ১ টি চা বাগান।
- খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় অবস্থিত ১ টি চা বাগান।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড।

১,৩১৬.
নিচের কোনটিকে বর্ষপণ্য ২০২৪ ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. পাটজাত পণ্য
  2. ইলিশ
  3. হস্তশিল্প
  4. মৃৎশিল্প
ব্যাখ্যা
হস্তশিল্প:
- সরকার হস্তশিল্পকে ২০২৪ সালের পণ্য বা বর্ষপণ্য ২০২৪ হিসাবে ঘোষণা করেছে।
- হস্তশিল্পের বার্ষিক অভ্যন্তরীণ বাজার প্রায় ১০,০০০ কোটি টাকা মূল্যের।
- কমপক্ষে ৪০,০০০ উদ্যোক্তা এই খাতে জড়িত।
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো অনুসারে, হস্তশিল্প রপ্তানি ২০২২-২৩ অর্থবছরে ২৯.৭৫ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে যা আগের অর্থবছরে ৪২.৮৩ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে।
- রপ্তানিকারকরা বর্তমানে হস্তশিল্প পণ্য রপ্তানিতে আট শতাংশ নগদ প্রণোদনা পেয়েছেন।

- বর্ষপণ্য ২০২৩ ছিল পাটজাত পণ্য ।

উৎস: The Daily Star.
১,৩১৭.
'বুড়িমারী স্থলবন্দর' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুড়িগ্রাম
  2. লালমনিরহাট
  3. পঞ্চগড়
  4. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
• বুড়িমারী স্থলবন্দর:
- বুড়িমারী স্থলবন্দর লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপেজলার বুড়িমারী সীমান্তে অবস্থিত।
- এ বন্দরের বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মেখলিগঞ্জ মহাকুমার চেংড়াবান্ধা এলসিএস রয়েছে;  
- ১২ জানুয়ারি ২০০২ তারিখ বুড়িমারী শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।
- এ বন্দর দিয়ে ভারত, নেপাল ও ভুটানের সাথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনা হয়।
--------------------------------------------------------
• সোনাহাট স্থলবন্দর - ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
• সোনামসজিদ স্থলবন্দর- শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
• বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর- তেতুলিয়া, পঞ্চগড়।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং বুড়িমারী স্থলবন্দর।
১,৩১৮.
Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association কত সালে যাত্রা শুরু করে?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা
বিজিএমইএ: 
- বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- এটি দেশের অন্যতম বৃহৎ ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন, এটি তৈরি পোশাক শিল্পের প্রতিনিধিত্ব করে।
- বিজিএমইএ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে পোশাক শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- এটি সরকারের কাছে নীতি সমর্থন ও পোশাক শিল্পের সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করে এবং সদস্যদের সেবা প্রদান করে। বর্তমানে বিজিএমইএর প্রায় চার হাজার নিবন্ধিত পোশাক কারখানা রয়েছে।

সূত্র: বিজিএমইএ ওয়েবসাইট।
১,৩১৯.
"রপ্তানিসংক্রান্ত জাতীয় কমিটি" এর সভাপতি কে?
  1. ক) বাণিজ্যমন্ত্রী
  2. খ) শিল্পমন্ত্রী
  3. গ) প্রধানমন্ত্রী
  4. ঘ) এফবিসিসিআই সভাপতি
ব্যাখ্যা
- স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে ২০২৬ সালে বের হলে বাংলাদেশকে কী ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে, সে নিয়ে করণীয় নির্ধারণে ‘রপ্তানিসংক্রান্ত জাতীয় কমিটি’ গঠন করেছে সরকার।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সভাপতি করে গঠিত এ কমিটির সদস্যসংখ্যা ৪৪। 
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গত ২২ এপ্রিল ২০২২ সালে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
-  অর্থমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রীসহ ১১ জন মন্ত্রী, অর্থসচিব, বাণিজ্যসচিবসহ ১১ জন সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, বিডা, বেজা, বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান, এফবিসিসিআই সভাপতিসহ সম্পর্কিত বিভিন্ন চেম্বার ও সমিতির সভাপতিরা এ কমিটির সদস্য।
 
উৎস: প্রথম আলো 
১,৩২০.
এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে-
  1. শ্রীলঙ্কায়
  2. জাপানে
  3. চীনে
  4. ভারতে
ব্যাখ্যা

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশী পণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি।
আলোচ্য সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে যথাক্রমে ৮,৬৯২.৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ৫,২৯৪.৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা দেশের মোট রপ্তানির যথাক্রমে ১৮.০০ শতাংশ এবং ১০.৯৬ শতাংশ।

⇒ যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে রপ্তানিকৃত প্রধান প্রধান পণ্যসমূহ হলোঃ তৈরি পোশাক, নীটওয়্যার, হিমায়িত চিংড়ি, কাঁকড়া, গৃহস্থালী বস্ত্র ইত্যাদি।

- দেশভিত্তিক পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাজ্য (৯.৫৭%), ফ্রান্স (৫.০০%) ও নেদারল্যান্ড (৪.৮৭%)।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে জাপানে; রপ্তানির পরিমাণ ১৪১২.২৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট
রপ্তানির ২.৯২%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫।

১,৩২১.
জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে, কুটির শিল্পের সর্বোচ্চ জনবল কতজন?
  1. ১৫ জন
  2. ২০ জন
  3. ২৫ জন
  4. ২৮ জন
ব্যাখ্যা
জাতীয় শিল্পনীতি:
- সর্বশেষ জাতীয় শিল্পনীতি-২০২২ অনুসারে এসএমই ও অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠান/উদ্যোগ এর শ্রেণিবিন্যাস -

⇒ বৃহৎ শিল্প (Large scale industries):
- উৎপাদনের ক্ষেত্রে ‘বৃহৎ শিল্প’ (Large Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ (Replacement Cost) ৫০ কোটি টাকার অধিক কিংবা তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠান ব্যতীত যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৩০০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। যে সকল তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকের সংখ্যা ১০০০ এর অধিক কেবল সে সকল তৈরি পোশাক শিল্প বৃহৎ শিল্পের অন্তর্ভুক্ত হবে।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘বৃহৎ শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৩০ কোটি টাকার অধিক কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

⇒ মাঝারি শিল্প (Medium scale industries):
- ম্যানুফ্যাকচারিং এর ক্ষেত্রে ‘মাঝারি শিল্প’ (Medium Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১৫ কোটি টাকা থেকে ৫০ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২১-৩০০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। তবে তৈরি পোশাক প্রতিষ্ঠান/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে মাঝারি শিল্পে শ্রমিকের সংখ্যা সর্বোচ্চ ১০০০ জন।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘মাঝারি শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ২ কোটি টাকা থেকে ৩০ কোটি টাকা পর্যন্ত কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৫১-১২০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

⇒ ক্ষুদ্র শিল্প (Small industries):
- ম্যানুফ্যাকচারিং এর ক্ষেত্রে ‘ক্ষুদ্র শিল্প’ (Small Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৭৫ লক্ষ টাকা থেকে ১৫ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ২৬-১২০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘ক্ষুদ্র শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকা থেকে ২ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১৬-৫০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

⇒ মাইক্রো শিল্প (Micro Industry):
- ‘মাইক্রো শিল্প’ (Micro Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকা থেকে ৭৫ লক্ষ টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ০১-২৫ জন বা তার চেয়ে কম সংখ্যক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘মাইক্রো শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকার নীচে কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ ১৫ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

⇒ কুটির শিল্প (Cottage Industry):
- ‘কুটির শিল্প’ (Cottage Industry) বলতে পরিবারের সদস্যদের প্রাধান্যভুক্ত সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকার নীচে এবং যা পারিবারিক সদস্যসহ অন্যান্য সদস্য সমন্বয়ে গঠিত এবং সর্বোচ্চ জনবল ১৫ এর অধিক নয়।

⇒ ভারী শিল্প:
- ‘ভারী শিল্প’ বলতে এমন শিল্পপণ্যের উৎপাদন প্রক্রিয়াকে বোঝায় যেখানে বৃহৎ আকারের উদ্যোগ, বড় যন্ত্রপাতি, ভূমির বৃহৎ এলাকা, উচ্চ খরচ ইত্যাদি বিষয়গুলো জড়িত থাকবে এবং যা হালকা প্রকৌশল শিল্পের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে। উদাহরণস্বরূপ জাহাজ নির্মাণ শিল্প, পেট্রোলিয়াম পরিশোধন শিল্প, ইস্পাত শিল্প, মোটর গাড়ি নির্মাণ শিল্প, সিমেন্ট শিল্প, জলবিদ্যুৎ উৎপাদন শিল্প ইত্যাদি ভারী শিল্প হিসেবে গণ্য হবে।

উৎস: ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।
১,৩২২.
IDRA এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Insurance Tax Development and Regulatory Authority
  2. Insurance Development and Regulation Authority
  3. Insurance Design and Regulatory Authority
  4. Insurance Development and Regulatory Authority
ব্যাখ্যা
IDRA:
- IDRA এর পূর্ণরূপ: Insurance Development and Regulatory Authority.
- ২০১১ সালের ২৬শে জানুয়ারী বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ আইন ২০১০ এর বিধানের অধীনে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (IDRA) গঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশ সরকার বীমা ব্যবসার বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেছে।
- এটি বীমা ব্যবসার তত্ত্বাবধান এবং পলিসি হোল্ডারের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- কর্তৃপক্ষ 'জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বীমা শিল্পের পদ্ধতিগত উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করছে।
- IDRA একজন চেয়ারম্যান এবং চারজন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত।

সূত্র - বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
১,৩২৩.
প্রাথমিক পণ্য হিসেবে রপ্তানির শীর্ষে রয়েছে কোন পণ্যটি?
  1. ক) কৃষিজাত পণ্য
  2. খ) কাঁচাপাট
  3. গ) চা
  4. ঘ) হিমায়িত খাদ্য
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের তৈরি পােশাক খাত তৈরি পােশাক’ ও ‘নীটওয়্যার’ - ইত্যাদি কয়েক ধরনের রপ্তানি পণ্যের সমন্বয়ে গঠিত।
• ২০২১-২২ অর্থবছরে তৈরি পােশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় - ২৭,৪৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৭.৪৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মােট রপ্তানি আয়ের - ৮১.২৫% (নীটওয়্যার- ৪৪.৫৩% ও তৈরি পােশাক - ৩৬.৭২%)।
• অর্থাৎ রপ্তানি আয়ে তৈরি পােশাক খাতের অবদান - ৮১.২৫%।
• এই খাতের বাইরে শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে - পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (৬৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
• রপ্তানিতে প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ৪.১৫% এবং ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার - ৯৫.৮৪%।
• প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে - “হিমায়িত খাদ্য’। এর রপ্তানি আয় ৪০৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা রপ্তানির শতকরা ১.২০% 
• দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে - কৃষিজাত পণ্য (৩৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।   
• তৃতীয় স্থানে রয়েছে - কাঁচাপাট (১৪৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
  
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২
১,৩২৪.
বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা কোন খাত থেকে আসে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. চামড়াজাত পণ্য
  2. জাহাজ নির্মাণ শিল্প
  3. তৈরি পোশাক
  4. হস্তশিল্প
ব্যাখ্যা
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুসারে,
- বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা তৈরি পোশাক থেকে আসে। 
- ২০২৩-২৪ সালে তৈরি পোশাক রপ্তানি ৩৬১৫১ মিলিয়ন ডলার বা ৩৬.১৫১ বিলিয়ন ডলার।
- এর মধ্যে নিটওয়্যার ১৯২৮২ মিলিয়ন ডলার বা ১৯.২৮২ বিলিয়ন ডলার।
- ওভেন ওয়্যার ১৬৮৬৯ মিলিয়ন ডলার বা ১৬.৮৬৯ বিলিয়ন ডলার।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর রিপোর্ট।
১,৩২৫.
 বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড কত সালে নির্মিত হয়?
  1. ১৯৮১ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা

 বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড:
- বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল হিসাবে ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের হালিশহরে ৪৫৩ একর জায়গার উপর নির্মাণ করা হয় চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- এটা সমুদ্র বন্দর থেকে ৩.১০ কিলোমিটার এবং শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে মাত্র ১১.৩০ কিলোমিটার দুরত্বে হওয়ায় শিল্প পার্ক হিসাবে দ্রুত প্রসার লাভ করেছ।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকেই চট্টগ্রামতথা বাংলাদেশের বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে চট্টগ্রাম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
- সম্প্রতি লন্ডন ভিত্তিক FDI ম্যাগাজিনThe Financial Times এর জরিপে চট্টগ্রাম ইপিজেড বিশ্বের ৭০০ টি ইকোনোমিক জোন এর মধ্যে Cost Effective Zone category-তে তৃতীয় স্থান এবং Best Economic Potential 2010-2011 category-তে চতুর্থ স্থান অধিকার করেছে (FDIম্যাগাজিন- জুন/জুলাই’১০ সংস্করণ)।

⇒ সরকারি ইপিজেডগুলো হলো:
• চট্টগ্রাম ইপিজেড: ১৯৮৩ সাল,
• ঢাকা: ১৯৯৩ সাল,
• মংলা, খুলনা: ১৯৯৮ সাল,
• কুমিল্লা: ২০০০ সাল,
• উত্তরা, নীলফামারী: ২০০১ সাল,
• ঈশ্বরদী, পাবনা: ২০০১ সাল,
• আদমজী, নারায়ণগঞ্জ: ২০০৬ সাল,
• কর্ণফুলি, চট্টগ্রাম: ২০০৬ সাল।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।

১,৩২৬.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করেছে কোন দেশে?
  1. ফ্রান্স
  2. জার্মানি
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র :
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  বাংলাদেশী রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার।
- আমদানীকারক দেশ সমূহের তালিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে অবস্থান করছে।
- ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৮৬৯২.৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য

• জার্মানী:
২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের জার্মানীতে মোট  ৫২৯২.৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়েছে যা মোট রপ্তানি আয়ের ১০.৯৬% এবং বর্তমানে দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানীকারক দেশে পরিণত হয়েছে। 

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

১,৩২৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান কত?
  1. ১০.১৯%
  2. ১১.২০%
  3. ১৩.৭৫%
  4. ১৮.৪২%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.২০%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৫৬%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.২৪%।

অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫.৩৩%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৭.৬৫%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১,৩২৮.
বাংলাদেশের উন্নতমানের কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে-
  1. জামালগঞ্জে
  2. জকিগঞ্জে
  3. বিজয়পুরে
  4. রানীগঞ্জে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের উন্নতমানের কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে- জামালগঞ্জে।
-------------------------
• খনিজ সম্পদ কয়লা ও বাংলাদেশ: 
- বাংলাদেশে দ্বিতীয় প্রধান খনিজ পদার্থ - কয়লা।
- বাংলাদেশে এ যাবৎকাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত প্রধান কয়লার খনি - পাঁচটি।
- সেগুলোর মধ্যে, 
১.দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাক্ষেত্র,
২.জয়পুরহাটের জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্র,
৩.রংপুর জেলার খালাশপীর কয়লাক্ষেত্র, 
৪. ফুলবাড়ী, দিনাজপুর এবং
৫.দিনাজপুরের দীঘিপাড়ায় অবস্থিত কয়লাক্ষেত্র।

- এই পাঁচটি কয়লাক্ষেত্রে বর্তমানে মোট ৩৩০০ মিলিয়ন মে. টন কয়লা মজুদ আছে।

এছাড়াও, 
- পীট কয়লা পাওয়া গেছে-ফরিদপুর, খুলনা, সিলেট, বি-বাড়িয়া, এবং ময়মনসিংহ।
- বাংলাদেশে প্রধান খনিজ পদার্থ - প্রাকৃতিক গ্যাস।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত আবি: গ্যাসক্ষেত্র - ২৯ টি। সর্বশেষ ইলিশা গ্যাসক্ষেত্র, পাবনা।
- সর্বপ্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবি: হয় -১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে।
-  সর্ববৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র -তিতাস গ্যাসক্ষেত্র।
- সমুদ্র উপকূলীয় গ্যাসক্ষেত্র - সাঙ্গু ও কুতুবদিয়া।

উল্লেখ্য,
• বাংলাদেশে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে — নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুরে। 

তথ্যসূত্র - খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
১,৩২৯.
দেশের মোট বাণিজ্যিক জ্বালানি ব্যবহারের প্রধান উৎস কোনটি?
  1. ক) প্রাকৃতিক গ্যাস
  2. খ) ফার্নেস অয়েল 
  3. গ) ডিজেল 
  4. ঘ) কয়লা 
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক গ্যাস দেশের মোট বাণিজ্যিক জ্বালানি ব্যবহারের পূরণ করে - প্রায় ৬২%। 
• জ্বালানি উৎস:
– গ্যাস  
– ফার্নেস অয়েল 
– কয়লা 
– ডিজেল 
– জলবিদ্যুৎ 
– নবায়নযোগ্য জ্বালানি 

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২। 
 
১,৩৩০.
বর্তমানে বাংলাদেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে কোনটির অধীনে শুল্কমুক্ত সুবিধা ভোগ করে?
  1. ক) Preferential Trade Arrangements (PTAs)
  2. খ) European Free Trade Agreement (EFTA)
  3. গ) Everything but Arms (EBA)
  4. ঘ) Economic Partnership Agreement (EPA)
ব্যাখ্যা
- এভরিথিং বাট আর্মস (ইবিএ) হলো ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রণীত স্বল্পোন্নত দেশগুলোর শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা। 
- বাংলাদেশ বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে ইবিএ স্কিমের অধীনে শুল্কমুক্ত সুবিধা ভোগ করে। 
- তবে ২০২৬ সালে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের মর্যাদা অর্জন করলে এই সুবিধা বন্ধ হয়ে যাবে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলোতে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে এভরিথিং বাট আর্মস (ইবিএ) সুবিধার পর জিএসপি প্লাস সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সব সম্ভাবনা দেখছে ইইউ।
- 'ইইউর এভরিথিং বাট আর্মস (ইবিএ) বাণিজ্য সুবিধা বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন যাত্রাকে ক্রমাগত গতিশীল করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
 
উৎস: দ্যা ডেইলি ষ্টার। 
১,৩৩১.
বাংলাদেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা কোনটি?
  1. মেঘনা সিমেন্ট মিলস লিমিটেড
  2. ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি
  3. লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কারখানা
  4. শাহ সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড।

ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড:

- দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা বর্তমান সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে স্থাপিত হয়।
- ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা। 
- এটি ১৯৩৭ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হলে ১৯৬৬ সন হতে উহা ইপিআইডিসি’র নিয়ন্ত্রনে আসে।
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, পরে বিএমইডিসি এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি’র নিয়ন্ত্রণে আসে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।

১,৩৩২.
BCIC-এর অধীনে সার কারখানার সংখ্যা কতটি?
  1. ৭টি
  2. ৫টি
  3. ৪টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

BCIC-এর অধীনে সার কারখানার সংখ্যা -৭টি

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (BCIC):

- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১১টি  শিল্প কারখানা চালু রয়েছে।

⇒ চালু কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৫টি (চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড,আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ,ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী )।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
• কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
• সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
• গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
• স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

উৎস: BCIC ওয়েবসাইট। 

১,৩৩৩.
বাংলাদেশে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক রয়েছে কয়টি? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ৪টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে বর্তমানে ৫টি অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক রয়েছে:
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
- কর্মসংস্থান ব্যাংক,
- গ্রামীণ ব্যাংক,
- জুবিলি ব্যাংক,
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

• রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক (SOCBs): মোট: ৬টি
- বিশেষায়িত ব্যাংক (SDBs): মোট ৩টি।
- বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক (FCBs): মোট: ৯টি।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট। 

১,৩৩৪.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে -
  1. চীনে
  2. ভারতে
  3. নেপালে
  4. জাপানে
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১১.২১%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ১০.৫২%।

• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪০%।

• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৩৩৫.
বন অধিদপ্তরের তথ্যানুসারে, বাংলাদেশ সরকার নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ দেশের মোট আয়তনের প্রায় -
  1. ১৩.২৮%
  2. ১৫.৫৮%
  3. ১৭.৩৮%
  4. ১৮.৬৮%
ব্যাখ্যা

বন:
- বন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ।
- একটি দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য দেশের মোট আয়তনের কমপক্ষে শতকরা ২০ থেকে ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন। কারণ ভূমির ক্ষয়রোধ, ভূমির উর্বরতা বৃদ্ধি, জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষা, বৃষ্টিপাত নিয়ন্ত্রণ প্রভৃতির জন্য বনভূমি থাকা প্রয়োজন।

⇒ বাংলাদেশের বনভূমিকে পাঁচটি অঞ্চলে ভাগ করা যায়; যথা- ১। চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি; ২। সিলেটের বনাঞ্চল; ৩। সুন্দরবন; ৪। মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি এবং ৫। দিনাজপুর ও রংপুরের বনভূমি।
- বাংলাদেশের বনভূমিতে যেসব বৃক্ষ দেখা যায় তার মধ্যে সুন্দরী, গেওয়া, গরান, কেওড়া, গর্জন, সেগুন, চাপালিস, গামারি, শিরীষ, শাল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
- এছাড়া সুন্দরবনে গোলপাতা এবং সিলেট ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বনে প্রচুর বাঁশ ও বেত পাওয়া যায়।
- ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, নৌকা, রেলওয়ের স্লিপার, খুঁটি প্রভৃতি তৈরিতে এসব গাছের কাঠ বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবহার করা হয়।
- বন থেকে আমরা জ্বালানি কাঠও পেয়ে থাকি। বন হতে মধু, মোম, গোলপাতা, কাঠ প্রভৃতি সংগ্রহ করে অনেক লোক জীবিকা নির্বাহ করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের আয়তন ১ লক্ষ ৪৭ হাজার ৫৭০ বর্গ কি.মি. এবং সরকার নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ প্রায় ২৩ লক্ষ হেক্টর যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ১৫.৫৮%।
- বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রত বনভূমির পামিাণ প্রায় ১৬ লক্ষ হেক্টর যা দেশের আয়তনের প্রায় ১০.৭৪।
- বাংলাদেশের বৃক্ষ আচ্ছাদিত ভূমির পারিমাণ দেশের মোট আয়তনের ২২.৩৭%।

উৎস: i) অর্থনীতি, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
iii) ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৩৬.
দেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান কোনটি?
  1. লাক্কাতুরা
  2. সুরমা ভ্যালি
  3. মালনিছড়া
  4. ইস্পাহানি
ব্যাখ্যা
চা ও চা বাগান:

- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় চট্টগ্রামে।
- বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় ১৮৪০ সালে।
- সিলেটের মালনিছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান মৌলভীবাজার জেলায়।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা, ২১ মে ২০১২, দৈনিক সমকাল, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ও বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
১,৩৩৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, রপ্তানি বাণিজ্যে তৈরি পোশাকের অবদান কত?
  1. ৩৭.১০%
  2. ৪১.২৮%
  3. ৪৫.৭৬%
  4. ৪৮.৪৩%
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৮.৩৫% বা ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৈরি পোশাক: ৩৭.১০%।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নীটওয়‍্যার ও তৈরি পোশাক পণ্যের রপ্তানি আয় ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

অন্যদিকে,
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.২৫%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: 'কৃষিজাত পণ্য' (১.৩৯%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: হিমায়িত খাদ্য' (০.৭১%)।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: কাচাপাট (০.২৬)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৩৩৮.
বাংলাদেশের সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. ঢাকা
  3. গাজীপুর
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস:
- বাংলাদেশের সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস গাজীপুরে অবস্থিত।

⇒ নিরাপত্তা মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান নিঃসন্দেহে যে কোন স্বাধীন জাতির সার্বভৌমত্বের অন্যতম প্রতীক। দেশের ব্যাংক নোট ও কারেন্সী নোট এবং মূল্যবান নিরাপত্তা দলিলাদি দেশে মুদ্রণের উদ্দেশ্যে ১৯৮১ সনে গাজীপুরে সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস স্থাপনের কাজ শুরু হয়।
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) এর ২৭.১১.৮৩ খ্রিঃ তারিখে অনুষ্ঠিত সভায় প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়।
- ১৯৮৮ সনের জুন মাস থেকে ১ টাকার কারেন্সী নোট এবং একই বছরের নভেম্বর মাস থেকে ১০ টাকা মূল্যমান ব্যাংক নোট পরীক্ষামূলক উৎপাদনের মধ্য দিয়ে প্রকল্পের পদযাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮৮-১৯৮৯ সনে ২৮৮ মিলিয়ন পিস নোট উৎপাদিত হয়। 

⇒ ব্যাংক ও কারেন্সী নোট ছাড়াও চেক, স্ট্যাম্প সরকারী বিল, বন্ড, শেয়ার, স্টক, ঋণপত্র, নিরাপত্তা প্রত্যায়নপত্র, জমাদানের প্রত্যায়নপত্র, লগ্নিকারী বিশেষ প্রতিষ্ঠান প্রকল্পের ইউনিট এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক ও অন্যান্য ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের জন্য পূর্বোক্ত ধরনের দলিলাদি ছাপানো হচ্ছে।
- এখানে সকল ধরনের মুদ্রণ কার্যে সর্ব্বোচ্চ নিরাপত্তা বজায় রাখা হয়।
- ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হলে 'বাংলাদেশ ব্যাংক' ১৯৭২ সালে ৪মার্চ ১ টাকা ও ১০ টাকার কাগজের নোট প্রচলন করেন।
- স্বাধীনতার পর বিদেশ থেকে কাগজের নোট মুদ্রণ করা হতো।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে গাজীপুরে 'দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিঃ' প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ১৯৮৮ সাল থেকে শুরু হয় আন্তর্জাতিক মানের কাগজের নোট মুদ্রণ। বর্তমানে বাংলাদেশের কাগজের নোট স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য নিয়ে দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্ব করছে।

উৎস: দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিঃ।
১,৩৩৯.
বাংলাদেশে কোন উৎস থেকে বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়?
  1. তেল
  2. জল
  3. বায়ু
  4. গ্যাস
ব্যাখ্যা
 বিদ্যুৎ উৎপাদনে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় -  গ্যাস ।

বিদ্যুৎ উৎপাদন:
• জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের হিসাব মতে, প্রাকৃতিক গ্যাস সর্বোচ্চ ব্যবহারের কয়েকটি খাত হচ্ছে:
- বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার - ৪২৫.৮ বিলিয়ন ঘনফুট (৪২.০০%)। 
- শিল্পখাতে ব্যবহার – ১৮১.৭ বিলিয়ন ঘনফুট (১৮.০০%)।
- গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার - ১৩৪.২ বিলিয়ন ঘনফুট। (১৩.০০%)।

উৎস:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
১,৩৪০.
IMF-এর bailout package-এর মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রধানত কোনটি রক্ষিত হয়?
  1. ক) রপ্তানি নির্ভর উন্নয়ন
  2. খ) বাণিজ্য ভারসাম্য
  3. গ) দেশীয় বাজার সম্প্রসারণ
  4. ঘ) অভ্যন্তরীণ ব্যয় সংকোচন
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (IMF) অন্যতম কাজ - সদস্য দেশগুলোর বাণিজ্য ঘাটতি দূর করণে ব্যবস্থা করা।
- বাণিজ্য ঘাটতি দূর করার জন্য IMF তার সদস্য দেশগুলোকে বড় আকারের ঋণ প্রদান করে থাকে (Bailout Package - এর মাধ্যমে)।
- বাংলাদেশও IMF এর সদস্য হিসাবে Bailout Package - এর মাধ্যমে ঋণ গ্রহণ করে বাণিজ্য ঘাটতি পূরণ করে থাকে।
 
 
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ ব্রেটনউডস সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল স্থির হারের বিনিময়ব্যবস্থাটি পরিচালনা করা।
- এটি সরকারকে ঋণদানের মাধ্যমে অস্থায়ী বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা সংশোধন করতে সহায়তা করে।
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা IMF ১৯৬৯ সালে Special Drawing Right (SDR) সিস্টেম প্রবর্তন করে।
- SDR হলো আন্তর্জাতিক রিজার্ভ সম্পদ।
-একে আইএমএফের ভার্চুয়াল মুদ্রাও বলা হয় যার মান আইএমএফ স্বীকৃত পাঁচটি আন্তর্জাতিক মুদ্রার (ইউএস ডলার, ইউরো, ইউয়ান, ইয়েন ও পাউন্ড স্টার্লিং) গড় বিনিময় হারের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।

সূত্রঃ আইএমএফ ওয়েবসাইট; এমবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

 
১,৩৪১.
বাংলাদেশের বৃহত্তম সার কারখানার নাম কী?
  1. যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড
  2. ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি
  3. শাহজালাল সার কারখানা
  4. চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের বৃহত্তম সার কারখানার নাম পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড।

♦ ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- দেশের বৃহত্তম সার কারখানা ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
- পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড নরসিংদীতে অবস্থিত।
- দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ১৯৭০ সালে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় বার্ষিক ৩,৪০,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিঃ এবং ১৯৮৫ সালে বার্ষিক ৯৫,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপিত হয়।
- ১২ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে পরিবেশবান্ধব, জ্বালানি সাশ্রয়ী ও আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক এ কারখানার উদ্বোধন করা হয়।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা, যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্লু গ্যাস থেকে পরিবেশদূষণকারী আহরণ করা হবে এবং ক্যাপচার করা কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে ইউরিয়া সারের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে (প্রায় ১০ শতাংশ)।
- এটি দেশে 'অত্যাধুনিক, শক্তি সাশ্রয়ী ও সবুজ' সার কারখানা, যা ইউরিয়া সারের আমদানি কমিয়ে দেবে এবং কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট ও পত্রিকার রিপোর্ট।

১,৩৪২.
জুটনের কতভাগ পাট থাকে?
  1. ক) ৪০%
  2. খ) ৫০%
  3. গ) ৬০%
  4. ঘ) ৭০%
ব্যাখ্যা
- জুটন (Jutton) হল ৭০ ভাগ পাট ৩০ ভাগ তুলার মিশ্রণে তৈরি কাপড়।
- তুলার আঁশের তৈরি বস্ত্রের বিকল্প হিসেবে পাট ও তুলার আঁশ নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশিয়ে এই ধরনের তন্তু তৈরি করা হয়।
- জুটনের আবিষ্কারক ড. মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,৩৪৩.
হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মৌলভীবাজার
  2. খ) সিলেট
  3. গ) হবিগঞ্জ
  4. ঘ) সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা
• হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র: ১৯৫৫ সালে আবিষ্কৃত এ গ্যাসক্ষেত্রটি সিলেটের হরিপুরের ফতেহপুর ইউনিয়নে অবস্থিত। এখান থেকে ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ করা হয়।

• কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র: ১৯৬২ সালে সিলেটের গোপালপুর গ্রামের নিকট কৈলাশটিলাতে এ গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কৃত হয়। এই গ্যাসক্ষেত্র হতে উত্তোলিত গ্যাস সিলেট শহরে সরবরাহ করা হয়।

• হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: ১৯৬৩ সালে হবিগঞ্জ জেলায় এ গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করা হয়। হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র হতে শাহজীবাজার তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং আশুগঞ্জ সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ করা হয়।

• বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র: কুমিল্লা জেলার বাখরাবাদ নামক স্থানে এ গ্যাসক্ষেত্রটি অবস্থিত। এটি ১৯৬৯ সালে আবিষ্কৃত হয়। বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র হতে চট্টগ্রাম শহর এবং কুমিল্লা ও ফেনীতে গ্যাস সরবরাহ করা হয়।

• রশিদপুর গ্যাসক্ষেত্র: রশিদপুর গ্যাসক্ষেত্রটি ১৯৬০ সালে আবিষ্কৃত হয়। এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

সূত্র: বাংলাদেশ স্টাডিজ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৪৪.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ এর রিপোর্ট অনুযায়ী রপ্তানি খাতে নীটওয়্যারের পরিমাণ কত?
  1. ৪১.৭৪%
  2. ৪৫.২৮%
  3. ৪৮.৩৫%
  4. ৫১.৪৯%
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার।
- পরিমাণ: ৪৮.৩৫% বা ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৈরি পোশাক।
- পরিমাণ: ৩৭.১০%।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নীটওয়‍্যার ও তৈরি পোশাক পণ্যের রপ্তানি আয় ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য।
- পরিমাণ: ১.২৫% বা ৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৩৪৫.
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় কোথায়?
  1. ক) রংপুর
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) ঠাকুরগাও
ব্যাখ্যা
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় রংপুর (২৩,৬০০.৮২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় দিনাজপুর (১০,৬০৪ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয় ঢাকা  (২,80,15২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয় গাজীপুর (৯৫,৭৯৬ মেট্রিক টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন হয় রাজশাহী (৪,১৭,৫৬২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন ঠাকুরগাও  (১,৮৩,৬১৭ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা  উৎপাদন রংপুর  (২১,৬৯,৩০৮ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয় দিনাজপুর (৫,৮৪,৯৮০ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় রাজশাহী (১৬,১০,২৩৭ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় নাটোর (৯,৬৮,০০৭.৯২ মে.টন)।

তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১
১,৩৪৬.
কোন সাল থেকে ওয়েজ আর্নার স্কিম চালু হয়েছে?
  1. ১৯৭৪ সাল
  2. ১৯৭৫ সাল
  3. ১৯৭৬ সাল
  4. ১৯৭৭ সাল
ব্যাখ্যা
ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড আইন:
- ওয়েজ আর্নার্স স্কিম ১৯৭৪ সালে প্রবর্তিত হয়।

- বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিকদের অর্জিত আয় সরকারি চ্যানেলের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রেরণে উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে স্কিমটি চালু করা হয়।
- এ সময় বৈদেশিক মুদ্রা মজুত থাকার কারণে আমদানিকারকদের অনুকূলে বৈদেশিক মুদ্রার ছাড় হ্রাস পায়, যার ফলে স্কিমটি কার্যকারিতা অর্জন করে।
-  বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমজীবীদের প্রেরিত অর্থ খোলাবাজার বিনিময় হারের কাছাকাছি হারে বিনিময়ের লক্ষ্যে স্কিমটি চালু করা হয়।

⇒ প্রবাসী কর্মীদের অবদানের বিষয়টি বিবেচনা করে তাদের এবং দেশে বিদেশে কর্মীদের পরিবার পরিজনকে সাহায্য সহযোগিতা কিংবা উদ্ভূত সমস্যার সমাধান কল্পে তথা সার্বিক কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে সরকার Emigration Ordinance-1982 এর ১৯(১) ধারার ক্ষমতাবলে ১৯৯০ সালে “ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ তহবিল” গঠন করে।
- “ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড আইন,২০১৮” এর মাধ্যমে “ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড” একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড ওয়েবসাইট।
১,৩৪৭.
‘বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ বাস্তবায়নে ২০৩০ সালের মধ্যে কয়টি প্রকল্প গ্রহণ করবে সরকার?
  1. ক) ৫০টি
  2. খ) ৬০টি
  3. গ) ৮০টি
  4. ঘ) ১০০টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হলো ‘বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’। বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনার দীর্ঘমেয়াদি কৌশল হিসেবে বহু আলোচিত এই পরিকল্পনা ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি)। এই পরিকল্পনার মেয়াদ ১০০ বছর। এটি প্রণয়নে সহায়তা করছে নেদারল্যান্ডস। ‘ডেল্টা প্ল্যান’ নামে বেশি পরিচিত এ মহাপরিকল্পনার অধীনে আপাতত ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য ৮০টি প্রকল্প নেবে সরকার, যাতে ব্যয় হবে প্রায় ২৯৭৮ বিলিয়ন টাকা।
[সূত্রঃ পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট এবং দৈনিক প্রথম আলো]
১,৩৪৮.
পেট্রোবাংলার অধীনস্ত কোম্পানির সংখ্যা কয়টি? (মার্চ, ২০২৫)
  1. ১৩টি
  2. ১৫টি
  3. ১৮টি
  4. ১৯টি
ব্যাখ্যা
পেট্রোবাংলার অধীনস্ত কোম্পানি:
- বর্তমানে পেট্রোবাংলার অধীনস্ত ১৩টি পৃথক কোম্পনির মাধ্যমে পেট্রোবাংলা তার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে।
- কোম্পানিগুলির নাম:
• বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স),
• বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল),
• সিলেট গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (এসজিএফসিএল),
• গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড (জিটিসিএল),
• তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (টিজিটিডিসিএল),
• জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমস লিমিটেড (জেজিটিডিএসএল),
• বাখরাবাদ গ্যাস সিস্টেমস লিমিটেড (বিজিএসএল),
• পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (পিজিসিএল),
• কর্নফুলি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল),
• সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (এসজিসিএল),
• রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল),
• বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড (বিসিএমসিএল) এবং
• মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড (এমজিএমসিএল)।

তথ্যসূত্র - পেট্রোবাংলার ওয়েবসাইট।
১,৩৪৯.
রেমিট্যান্স আহরণে শীর্ষ ব্যাংক কোনটি?
  1. ক) আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড
  2. খ) সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
  3. গ) ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড
  4. ঘ) ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড
ব্যাখ্যা
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশে প্রেরিত মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ ২৪৭৭.৭১ কোটি মার্কিন ডলার।
রেমিট্যান্স আহরণে শীর্ষ ব্যাংকসমূহ:
- প্রথম : ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লি. (৭৪৫.৭৬ কোটি মা. ডলার)
- দ্বিতীয় : অগ্রণী ব্যাংক লি. (২৮২.৩ কোটি ডলার)
- তৃতীয় : ডাচ বাংলা ব্যাংক লি. (২৪৯.১৩ কোটি ডলার)
- চতুর্থ : সোনালী ব্যাংক লি. (১৫২.৯৫ কোটি ডলার)।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১,৩৫০.
কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. হবিগঞ্জ
  2. সিলেট
  3. চট্টগ্রাম
  4. খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা

• কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র: এটি সিলেট জেলায় অবস্থিত। বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি ১৯৬২ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। এর মোট অনুমিত মজুত ৩.৬৫ টিসিএফ যার মধ্যে উত্তোলনযোগ্য মজুত ২.৫২ টিসিএফ গ্যাস। কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাসের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কনডেনসেটও উৎপাদিত হয়ে থাকে। ১৯৮৩ সাল থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।

• হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: এটি ১৯৬৩ সালে আবিষ্কৃত দেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। এটি ১১ কিমি দীর্ঘ এবং ৪.৫ কিমি প্রশস্ত। প্রায় ৩০ শতাংশ সচ্ছিদ্রতাবিশিষ্ট হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র একটি উন্নতমানের গ্যাসাধার হিসেবে খ্যাত। বর্তমানে এটি দেশের অন্যতম একটি গ্যাস উৎপাদনক্ষেত্র। আজ পর্যন্ত এই গ্যাসক্ষেত্রে ১০টি কূপ খনন করা হয়েছে।

• বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র: এটি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত। ১৯৬৯ সালে শেল অয়েল কোম্পানি এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। ১৯৮৪ সালে এখান থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু হয় এবং ১৯৯৩ সালে এর উৎপাদন সর্বোচ্চে পৌঁছে (দৈনিক ১৯০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস)। তখন থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের চাপ ও উৎপাদনে দ্রুত পতন ঘটে। ২০০০ সালের শেষদিকে এখান থেকে প্রতিদিন মাত্র ৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে যে, বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রটি দ্রুত নিঃশেষ হয়ে যাবে।

• সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র: এটি খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার একমাত্র গ্যাসক্ষেত্র। ১৯৬৯ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের জাতীয় তেল কোম্পানি ও.জি.ডি.সি এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। খননকৃত ৪টি কূপের মধ্যে ৩নং ও ৪নং কূপে কোন গ্যাস পাওয়া যায় নি। এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে কোন গ্যাস উত্তোলিত হয় নি।

• কুতুবদিয়া গ্যাসক্ষেত্র: এটি চট্টগ্রাম বন্দরের প্রায় ৯২ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিয়ন অয়েল কোম্পানি ১৯৭৬ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। যদিও গ্যাসক্ষেত্রটি ছোট আকৃতির, তবুও এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় নি।

• বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: এটি নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত। পেট্রোবাংলা ১৯৭৭ সালে এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্রটি একটি ছোট আকৃতির গ্যাসক্ষেত্র এবং এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় নি। এখানে খননকৃত দুটি গ্যাসক্ষেত্রের মধ্যে একটি শুষ্ক পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১,৩৫১.
কোন জেলায় বাংলাদেশের প্রথম ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী কারখানা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. গাজীপুর
  2. কুমিল্লা
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. মুন্সিগঞ্জ
ব্যাখ্যা

প্রথম ভ্যাকসিন প্লান্ট:
- মুন্সীগঞ্জে দেশের প্রথম ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী কারখানা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।।
- মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানে কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে এই কারখানা স্থাপন করা হবে।
- পরিকল্পনা কমিশন থেকে জানা গেছে, প্রায় ৪০ একর জমিতে ৩ হাজার ১২৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ভ্যাকসিন প্লান্টটি নির্মাণ করা হবে।
- চলতি বছরের মধ্যেই অবকাঠামো নির্মাণকাজ শুরু হবে এবং ২০২৭ সালের মধ্যে টিকা উৎপাদন শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে।
- প্লান্টটিতে ২০২৮ সালের মধ্যে ৬ ধরনের ও ২০২৯ সালে আরও ৯ ধরনের টিকা উৎপাদনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়।
- পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০৩০ সালে।

তথ্যসূত্র: নিউজ রিপোর্ট। [link]

১,৩৫২.
'যে আগুনে পুড়ি' চলচ্চিত্রের পরিচালক-
  1. ক) মোরশেদুল ইসলাম
  2. খ) তারেক মাসুদ
  3. গ) শেখ নিয়ামত আলী
  4. ঘ) আমির হোসেন
ব্যাখ্যা
- আমির হোসেন মালিতা একজন ভাষা সৈনিক ছিলেন এবং বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে তিনি যুদ্ধকালীন সময়ে সংগঠক ছিলেন; 
- সে সময়ে তিনি ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতিও ছিলেন তিনি। বঙ্গবন্ধুর সাথে তার অনেক স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। 
- ১৯৭৩ সালে তিনি রাজ্জাক-কবরীকে নিয়ে 'যে আগুনে পুড়ি' সিনেমা পরিচালনা করেন। যা মুক্তি পেলে গোটা দেশে আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

উৎসঃ দৈনিক প্রথম আলো।
১,৩৫৩.
দেশের প্রথম সার কারখানা কোনটি?
  1. যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লি.
  2. চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লি.
  3. ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ
  4. ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী
ব্যাখ্যা
সার কারখানা:
- ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ (ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা)।
- দেশের প্রথম সার কারখানা হচ্ছে 'ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ'।
- এই কারখানাটি ১৯৬১ সালে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইগাঁও ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা হতে প্রায় ০৫ কিলোমিটার দক্ষিণে সিলেট-মৌলভীবাজার হাইওয়ে রোডের পূর্ব দিকে হাইওয়ে রোড হতে ০১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - সিলেট জেলার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৩৫৪.
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বান্দরবান
  2. খ) সাতক্ষিরা
  3. গ) বাগেরহাট
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের সদর দপ্তর চট্টগ্রাম শহরের ষোলশহর এলাকায় অবস্থিত। [সূত্র: bfri.gov.bd]
১,৩৫৫.
বাংলাদেশ কোন পণ্য রপ্তানি থেকে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করে?
  1. ক) চা
  2. খ) তৈরী পোশাক
  3. গ) পাট
  4. ঘ) তামাক
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনকারী খাত হলো তৈরি পোশাক। ২০২২-২৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাক রপ্তানি করে বাংলাদেশ ৪ হাজার ৬৯৯ কোটি ডলারের আয় করে।
- তৈরি পোশাকের পর রেমিট্যান্স থেকে বাংলাদেশ দ্বিতীয় সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে।
- এছাড়া অন্যান্য খাতের মধ্যে পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, কৃষিপণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
 
১,৩৫৬.
বাংলাদেশে কোন ধরনের ধান সবচেয়ে বেশি উপাদিত হয়-
  1. ক) আমন ধান
  2. খ) বোরো ধান
  3. গ) বিন্নি ধান
  4. ঘ) আউশ ধান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত হয় বোরো ধান। সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থের তথ্য অনুযায়ী দেশে গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৪৯ লক্ষ হেক্টর জমিতে মোট ২.০৩ কোটি মেট্রিক টন বোরো ধান উৎপন্ন হয়। এটি দেশের মোট উৎপাদিত ধানের প্রায় ৫৫ ভাগ।
(সূত্রঃ BRRI ওয়েবসাইট)
১,৩৫৭.
ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও) হলো শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি -
  1. ক) বোর্ড
  2. খ) করপোরেশন
  3. গ) ফাউন্ডেশন
  4. ঘ) দপ্তর
ব্যাখ্যা

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বর্তমানে ৪টি সংস্থা, ৬টি অধিদপ্তর, ১টি বোর্ড এবং ২টি ফাউন্ডেশন কাজ করে।

বাংলাদেশ শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/কর্পোরেশনঃ ৪টি
১. বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)
২. বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)
৩. বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি)
৪. বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ দপ্তরঃ ৬টি
১. বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই)
২. বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম)
৩. বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক)
৪. ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও)
৫. পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর
৬. প্রধান বয়লার পরিদর্শকের কার্যালয়

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বোর্ডঃ ১টি
- বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) 

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ফাউন্ডেশন: ২টি 
- ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন-এসএমই ফাউন্ডেশন (Small and Medium Enterprise Foundation-SME Foundation)
- ক্ষুদ্র, মাইক্রো ও কুটির শিল্প ফাউন্ডেশন-এসএমসিআইএফ (Small, Micro and Cottage Industries Foundation-SMCIF)


উৎসঃ শিল্প মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট
১,৩৫৮.
মুদ্রার অবমূল্যায়ন হলে নিচের কোনটি ঘটে?
  1. রপ্তানি কমে
  2. আমদানি হ্রাস পায়
  3. আমদানি বৃদ্ধি পায়
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
মুদ্রার অবমূল্যায়ন:
- মুদ্রার অবমূল্যায়ন হলো ডলারের বিপরীতে কোন দেশের মুদ্রার মান কমিয়ে দেওয়া।
- মুদ্রা ইস্যুকারী সরকার একটি মুদ্রার অবমূল্যায়ন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- মুদ্রার অবমূল্যায়নের ফলে বিদেশী ক্রেতারা সমপরিমাণ ডলার দিয়ে পূর্বাপেক্ষা কম দামে অধিক পণ্য ক্রয় করতে পারে।
- এতে করে রপ্তানি বৃদ্ধি পায় এবং আমদানি হ্রাস পায়।
- ফলশ্রুতিতে বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস পায়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৫৯.
বিসিআইসির (BCIC) অধীনে বর্তমানে কতটি কারখানা চলমান রয়েছে?
  1. ১০টি
  2. ১১টি 
  3. ১২টি 
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বিসিআইসির (BCIC) অধীনে বর্তমানে ১১টি কারখানা চলমান রয়েছে।

⇒ চলমান কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৫টি (চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড,আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ,ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী )।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
• কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
• সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
• গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
• স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

উৎস: BCIC ওয়েবসাইট।

১,৩৬০.
বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানাটি কোন দেশের কারিগরী সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন
  3. জাপান
  4. সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা (বিওএফ):
- বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনের একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- এই শিল্প প্রতিষ্ঠানটি ঢাকার অদূরে গাজীপুর জেলার চতর মৌজার ৩০৩.১৪ একর জমির উপর অবস্থিত।
- চীনের কারিগরী সহযোগিতায় কারখানাটি ১৯৭০ সালের ০৬ এপ্রিলে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৭ সালে কারখানাটি নিয়মিত উৎপাদনের জন্য চালু হয়।
- দেশের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে সামরিক ও আধা সামরিক বাহিনীর চাহিদা পূরণ করে উদ্বৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ রপ্তানিকরণ এ প্রতিষ্ঠানের মূল কর্মপরিধি।

তথ্যসূত্র: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১,৩৬১.
বাংলাদেশ তাঁত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. শ্রীপুর, গাজীপুর
  2. কলাপাড়া, পটুয়াখালী
  3. সাহেবপ্রতাপ, নরসিংদী
  4. রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ তাতঁ শিক্ষা ও প্রশিক্ষন ইন্সটিটিউট:
- বাংলাদেশ তাতঁ শিক্ষা ও প্রশিক্ষন ইন্সটিটিউট ,গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের  বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এর অধীন বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের নিয়ন্ত্রনাধীন একটি প্রতিষ্ঠান ।
- এটি  নরসিংদীর সাহেপ্রতাপ নামক স্থানে অবস্থিত।
- এই প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮১ সালে তাঁতিদের প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয় ।
- পরবর্তীতে বর্তমান সরকারের সার্বিক তত্তাবধানে ২০১০ সালে তাঁতি এবং তাঁতি পরিবারের সন্তানদের ১০% কোটা সংরক্ষন রেখে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কারিকুলাম অনুযায়ী ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল  ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স  চালু হয়।

উৎস: বাংলাদেশ তাতঁ শিক্ষা ও প্রশিক্ষন ইন্সটিটিউট ওয়েবসাইট।

১,৩৬২.
বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড কোথায় স্থাপিত হয়?
  1. সাভার, ঢাকা 
  2. পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম
  3. উত্তরা, নীলফামারী
  4. আনোয়ারা, চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা:
- রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানাদি স্থাপনের জন্য নির্ধারিত বিশেষ এলাকা।
- বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ নামে একটি প্রতিষ্ঠান ১৫ এপ্রিল ১৯৮১ তারিখে গঠন করা হয় ।
- এবং এই প্রতিষ্ঠানটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কর্তৃক পরিচালিত হয়।
- প্রতিষ্ঠানটি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা ব্যবস্থাপনা ও এগুলোর কার্যক্রম তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব পালন করে।
- বাংলাদেশে ১৯৮০ সালে সংসদ প্রণীত একটি আইনের ভিত্তিতে ১৯৮৩ সালে প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- দ্বিতীয়টি প্রতিষ্ঠিত হয় এর দশ বছর পর, ১৯৯৩ সালে ঢাকার সাভারে।
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ৮টি সরকারি ইপিজেড রয়েছে।
- যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড। 
- নবম সরকারি ইপিজেড পটুয়াখালীতে নির্মিত হচ্ছে।

উৎস- বেপজা ওয়েবসাইট ।

১,৩৬৩.
নিচের কোন রপ্তানি পণ্যেটি 'White Gold' নামে পরিচিত?
  1. পাট
  2. ইলিশ
  3. চিংড়ি
  4. ফুলকপি
ব্যাখ্যা

White gold:
- বঙ্গোপসাগর, মোহনা ও স্বাদুপানিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ চিংড়ি থাকায় বাংলাদেশকে চিংড়িসমৃদ্ধ দেশ বলা যায়।
- এদেশে মোট ৫৬টি প্রজাতির চিংড়ি শনাক্ত করা হয়েছে এবং এগুলির মধ্যে ৩৭টি লবণাক্ত পানির, ১২টি কমলবণাক্ত পানির ও ৭টি স্বাদুপানির বাসিন্দা।
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে ‘সাদা সোনা’ বা ‘হোয়াইট গোল্ড’ বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- দেশের মোট উৎপাদিত চিংড়ির বেশীরভাগই উৎপাদিত হয় দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বিশেষ করে বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরায়।
- সত্তর দশকের শুরু থেকেই মূলত উপকূলীয় অঞ্চলের চাষীরা সনাতন পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ শুরু করে।
- আশির দশক থেকে দেশে বাণিজ্যিকভাবে বাগদা চিংড়ি উৎপাদন ও রপ্তানি হচ্ছে।
- আশির দশকের শুরুতে আধা-লোনা পানিতে মৎস্য খামার স্থাপন প্রকল্পের উদ্যোগে খুলনা অঞ্চলে পোল্ডারের মধ্যে এবং কক্সবাজার অঞ্চলে লবণের সাথে চিংড়ি চাষ শুরু করা হয়।
- আশির দশকের মাঝামাঝি চিংড়ি চাষ প্রকল্পে মৎস্য অধিদপ্তর হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদনে সাফল্য অর্জন করে এবং বেসরকারি পর্যায়ে চিংড়ি হ্যাচারি স্থাপনে সহায়তা প্রদান করে।

এছাড়া,
- পাটকে সোনালী আশ বলা হয়।
- ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ।

উৎস: i) পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) মৎস্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

১,৩৬৪.
বাংলাদেশের প্রথম চিনিকল কোনটি?
  1. পঞ্চগড় সুগার মিলস লি
  2. পাবনা সুগার মিলস লি
  3. কেরু এন্ড কোং (বিডি) লি
  4. নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস লি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন (BSFIC):
- BSFIC এর পুর্ণ রূপ: Bangladesh Sugar and Food Industries Corporation.
- বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন ১৫টি চিনিকল, ১টি ডিস্টিলারি ইউনিট, ১টি ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা, ১টি জৈবসার কারখানা ও ২টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে কর্মকান্ড পরিচালনা করছে।
- চিনিকলগুলোতে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫২,৯৪৫ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ২১,৩১৩ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদিত হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- নাটোরে অবস্থিত নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস লি দেশের প্রথম চিনিকল।

⇒ করপোরেশনের আওত্তাধীন চিনিকলসমূহ:
- পঞ্চগড় সুগার মিলস লি:
- ঠাকুরগাঁও সুগার মিলস লি:
- শ্যামপুর সুগার মিলস লি:
- জয়পুরহাঁট সুগার মিলস লি:
- সেতাবগঞ্জ সুগার মিলস লি:
- রংপুর সুগার মিলস লি:
- ফরিদপুর সুগার মিলস লি:
- নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস লি:
- কেরু এন্ড কোং (বিডি) লি:
- পাবনা সুগার মিলস লি:
- রাজশাহী সুগার মিলস লি:
- নাটোর সুগার মিলস লি:
- জিল বাংলা সুগার মিলস লি:
- কুষ্টিয়া সুগার মিলস লি:
- মোবারকগঞ্জ সুগার মিলস লি:।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ii) বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১,৩৬৫.
বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন কয়টি শাখায় বিভক্ত?
  1. ৫টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন: 
- ট্যারিফ কমিশন পাকিস্তান ট্যারিফ কমিশনের পূর্ব পাকিস্তান শাখার উত্তরবর্তী।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এর নতুন নাম হয় ট্যারিফ কমিশন।
- বর্তমানে এটি দেশীয় শিল্পসমূহকে অসম প্রতিযোগিতা থেকে রক্ষা ও যথাযথ সংরক্ষণের লক্ষ্যে একটি স্বায়ত্তশাসিত বিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।
- বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট।
- এর প্রধান হচ্ছেন সরকারের সচিব পর্যায়ের মর্যাদাসম্পন্ন একজন চেয়ারম্যান।
- ট্যারিফ কমিশন তিনটি শাখায় বিভক্ত:
১. বাণিজ্য নীতিমালা,
২. বাণিজ্য প্রতিকার এবং
৩. আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শাখা।

উল্লেখ্য
- ট্যারিফ  কমিশেনের প্রতিটি শাখা একজন সদস্য দ্বারা পরিচালিত।
- এছাড়াও একটি প্রশাসনিক শাখা আছে। এই শাখা কমিশনের সচিব দ্বারা পরিচালিত। 

উৎস: বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন ওয়েবসােইট।

১,৩৬৬.
বর্তমানে BCIC- এর অধীনে কয়টি শিল্প কারখানা চালু আছে?
  1. ক) ৭টি
  2. খ) ৮টি
  3. গ) ৯টি
  4. ঘ) ১০টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- BCIC- এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Chemical Industries Corporation.
- বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) দীর্ঘদিন থেকে সফলতার সাথে ইউরিয়া সার উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশে সারের চাহিদা পূরণ করে আসছে।
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১০টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে।
- চালু কারখানাগুলোর মধ্যে -
• ৪টি ইউরিয়া সার কারখানা,
• ১টি ডিএপি সার কারখানা,
• ১টি টিএসপি সার কারখানা,
• ১টি কাগজ কারখানা,
• ১টি সিমেন্ট কারখানা,
• ১টি গ্লাসশীট কারখানা ও
• ১টি স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা রয়েছে।
- বিসিআইসি’র উৎপাদিত পণ্যের ৮০% বিভিন্ন রাসায়নিক সার, যার মধ্যে ৭০% ইউরিয়া সার এবং ১০% অন্যান্য সার।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১,৩৬৭.
এমআরটি লাইন–৬ কবে উদ্বোধন করা হয়? 
  1. ১১ ডিসেম্বর, ২০২২ 
  2. ২২ ডিসেম্বর, ২০২২ 
  3. ১৬ ডিসেম্বর, ২০২২ 
  4. ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ 
ব্যাখ্যা

এমআরটি লাইন–৬:
- ঢাকার এমআরটি লাইন–৬ হলো বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র দ্রুতগামী মেট্রোরেল ব্যবস্থা।
- এটি উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এটি ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) পরিচালনা করে।
- ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এমআরটি লাইন–৬ এর অন্তর্ভুক্ত এরিয়া উত্তরা উত্তর থেকে আগারগাঁও অংশের উদ্বোধন করেন।
- এবং ২৯ ডিসেম্বর থেকে মেট্রোরেলটি বাণিজ্যিকভাবে চালু হয়।
- পরে ২০২৩ সালের ৫ নভেম্বর আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশ চালু হওয়ার মাধ্যমে পুরো রুট কার্যকর হয়।
- সম্পূর্ণ বিদ্যুৎচালিত এই আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থা ঢাকার যানজট কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
- স্টেশনভেদে ভাড়া ২০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত নির্ধারিত।
- এমআরটি লাইন–৬ এর পাশাপাশি লাইন–১সহ অন্যান্য রুটের কাজ চলমান।
- এর মাধ্যমে ২০২৬–২০৩০ সালের মধ্যে একটি বৃহৎ মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১,৩৬৮.
তামাবিল স্থলবন্দরের ভারতের অংশের নাম কী?
  1. পেট্রাপোল
  2. ডাউকি
  3. আখাউড়া
  4. হিলি
ব্যাখ্যা
তামাবিল স্থলবন্দর: 
- সিলেট জেলার অন্তর্গত গোয়াইনঘাট উপজেলার তামাবিল নামক স্থানে অবস্থিত।
- তামাবিল স্থলবন্দরের বিপরীতে ডাউকি, শিলং, মেঘালয়, ভারত। 
- নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে তামাবিল স্থলবন্দরের কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আওতায় তামাবিল স্থল শুল্ক ষ্টেশনের কার্যক্রম চালু হয়।
- ভারত হতে আমদানিকৃত পণ্য গ্রহণ, সংরক্ষণ, কাস্টমস্ কর্তৃক রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সুবিধা ও সেবা প্রদানের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক তামাবিল স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে একটি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বন্দরের ২৩.৭২ একর জমি অধিগ্রহণপূর্বক প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মিত হয়।
- পরবর্তীতে ২৭-১০-২০১৭ খ্রি: তারিখে তামাবিল স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট। 
১,৩৬৯.
বাংলাদেশ থেকে রপ্তানিকৃত প্রথম জাহাজ কোনটি?
  1. ফ্রিডজফ ন্যানসন
  2. স্টেলা মরিস
  3. এমভি আনসু
  4. বে ওয়ান
ব্যাখ্যা
জাহাজ রপ্তানি:
- বাংলাদেশ থেকে জাহাজ রপ্তানি শুরু হয় ২০০৮ সালে।
- ঢাকার আনন্দ শিপইয়ার্ড ডেনমার্কে 'স্টেলা মেরিস‘ নামের ছোট আকারের জাহাজ রপ্তানি করে।
- প্রতিষ্ঠানটি ২০০৮ সালে ডেনমার্কে অত্যাধুনিক কন্টেইনার জাহাজ 'স্টেলা মেরিস‘ রপ্তানির মধ্য দিয়ে বংলাদেশের জন্য জাহাজ রপ্তানির স্বর্ণদ্বার উন্মোচন করে ও বাংলাদেশ জাহাজ রপ্তানিকারক দেশ হিসাবে পরিচিতি পায়।
- জাহাজ নির্মাণশিল্প বাংলাদেশের একটি সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাত।
- এর পরেই যুক্ত হয় চট্টগ্রামের ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড।
- তারা জার্মানির গ্রোনা শিপিং কোম্পানির কাছ থেকে ৮৫ মিলিয়ন ডলারের আটটি জাহাজ নির্মাণের কার্যাদেশ পায়।

তথ্যসূত্র - আনন্দ শিপইয়ার্ড ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া, দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৩৭০.
বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী প্রধান খাত-
  1. চামড়া ও চামড়াজাত শিল্প
  2. লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প
  3. তৈরি পোশাক ও নীটওয়ার শিল্প
  4. পাট ও পাটজাত শিল্প
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২০ অনুযায়ী,
- বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী বাংলাদেশের প্রধান খাত তৈরি পোশাক ও নীটওয়ার শিল্প।
- ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ৩৩.৬৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এর মধ্যে এই খাতে রপ্তানির পরিমাণ ২৭.৯৫ বিলিয়ন ডলার যা মোট রপ্তানির প্রায় ৮৩ ভাগ।
- ২০২১-২২ অর্থবছর শেষে পোশাক রপ্তানিতে আয়ের লক্ষ্য- ৫০ বিলিয়ন ডলার।
- যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান- ৩য়।

১,৩৭১.
ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের সাথে সম্পর্কিত নিচের কোনটি?
  1. ক) EPB
  2. খ) PPP
  3. গ) SME
  4. ঘ) OTC
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তার সাথে সম্পর্কিত - Small and medium-sized Enterprises (SME)
অন্যদিকে,
EPB = Export Promotion Bureau.
PPP= Public-Private partnership.
OTC = Over the Counter Market.
উৎসঃ শিল্প মন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইট

১,৩৭২.
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের আওতাধীন, বাংলাদেশে বর্তমানে কয়টি চিনিকল আছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ১৫টি
  2. ১৬টি
  3. ১৮টি
  4. ২১টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন (BSFIC):
- BSFIC-এর পুর্ণ রূপ: Bangladesh Sugar and Food Industries Corporation.
- বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রপতির ২৭ (১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ২৭ নম্বর আদেশ) নম্বর আদেশক্রমে গঠিত বাংলাদেশ সুগার মিলস্ করপোরেশন এবং বাংলাদেশ ফুড অ্যান্ড অ্যালাইড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন নামক করপোরেশন দুটি একীভূত করে ১৯৭৬ সালের ১ জুলাই হতে রাষ্ট্রপতির ২৫ নং আদেশবলে (সংশোধিত) বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (BSFIC) গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ আইন ২০১৮ অনুযায়ী বিএসএফআইসি শিল্পমন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে।
- বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের আওতাধীন, বাংলাদেশে বর্তমানে ১৫টি চিনিকল রয়েছে।
- ২০২৪-২০২৫ মাড়াই মৌসুমে ৯ টি চিনিকলের মাড়াই কার্যক্রম অব্যাহত আছে।

⇒ করপোরেশনের আওত্তাধীন চিনিকলসমূহ:
- পঞ্চগড় সুগার মিলস লি:
- ঠাকুরগাঁও সুগার মিলস লি:
- শ্যামপুর সুগার মিলস লি:
- জয়পুরহাঁট সুগার মিলস লি:
- সেতাবগঞ্জ সুগার মিলস লি:
- রংপুর সুগার মিলস লি:
- ফরিদপুর সুগার মিলস লি:
- নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস লি:
- কেরু এন্ড কোং (বিডি) লি:
- পাবনা সুগার মিলস লি:
- রাজশাহী সুগার মিলস লি:
- নাটোর সুগার মিলস লি:
- জিল বাংলা সুগার মিলস লি:
- কুষ্টিয়া সুগার মিলস লি:
- মোবারকগঞ্জ সুগার মিলস লি:।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
ii) বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

১,৩৭৩.
বিসিআইসির অধীনে বাংলাদেশে সার কারখানা কতটি? (মে - ২০২৫)
  1. ৭ টি
  2. ৫ টি
  3. ৬ টি
  4. ৩ টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন এর অধীনে সারকারখানা সমূহ:
- বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন এর অধীনে মোট  সারকারখানা ৭ টি।
যথা: 
- ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী।
- শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোঃ লিমিটেড।
- চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড।
- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড।
- আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ।
- টিএসপি কমপ্লেক্স লিমিটিড।
- ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ।

উৎস: bcic website .লিংক
১,৩৭৪.
উত্তরা ইপিজেড কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. রাজশাহী
  3. নীলফামারী
  4. সিরাজগঞ্জ
ব্যাখ্যা
ইপিজেড:
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- ১৯৮৩ সালে এটি যাত্রা শুরু করে।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড, ঢাকার সাভারে এর অবস্থান।
- বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা ইপিজেড। এটি নীলফামারীতে অবস্থিত।
- মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।

তথ্যসূত্র - বেপজা ওয়েবসাইট।
১,৩৭৫.
বর্তমানে গ্রিন শিল্প প্রকল্পে বাংলাদেশে সবুজ বস্ত্র কারখানার সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ১৭৮ টি
  2. খ) ১৫৬ টি
  3. গ) ১৭০ টি
  4. ঘ) ১৮৭ টি
ব্যাখ্যা
বর্তমানে গ্রিন শিল্প প্রকল্পে বাংলাদেশে সবুজ কারখানার সংখ্যা ১৮৭ টি। 

গার্মেন্টেস শিল্প:

- গ্রিন শিল্প প্রকল্পে বাংলাদেশে সবুজ কারখানার সংখ্যা এখন ১৮৭টি।
- সর্বশেষ তালিকায় যুক্ত হয়েছে চট্টগ্রামের কেডিএস আইডিআর লিমিটেড।
- বিশ্বের প্রথম ১০০ টি গ্রিন শিল্প প্রকল্প হিসেবে সনদ প্রাপ্তদের মধ্যে ৫০টি বাংলাদেশে অবস্থিত। 
- দেশে মোট পরিবেশবান্ধব সনদপ্রাপ্ত কারখানার সংখ্যা এখন ১৮৭।
- ২০২১-২২ অর্থ বছরে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো রপ্তানি থেকে ৫২.০৮ বিলিয়ন ডলার আয় করে।
- এর মধ্যে কেবল তৈরি পোশাক খাত থেকে ৪২.৬১ বিলিয়ন ডলার, মোট রপ্তানির ৮১.৮১%। 
- এটি রপ্তানি ছিল লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৯.৭৩%।

উৎস: লাইভ এম সি কিউ লেকচার।
১,৩৭৬.
সোনাহাট স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুড়িগ্রাম
  2. সাতক্ষীরা
  3. শেরপুর
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা

সোনাহাট স্থলবন্দর: 
- এটি  কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলা সীমান্তে অবস্থিত।
- সোনাহাট স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতের আসাম রাজ্যের ধুবড়ী জেলার গোলকগঞ্জ সীমান্ত অবস্থিত।
- স্থলপথে ২৫ অক্টোবর, ২০১২ খ্রিঃ তারিখের স্থলবন্দর ঘোষনা করা হয়।
- পরবর্তীতে ০৯ জুন ২০১৮ খ্রিঃ তারিখে সোনাহাট স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

• বিভিন্ন স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

উৎস: সোনাহাট স্থলবন্দর ওয়েবসাইট।

১,৩৭৭.
হাজারীবাগের ট্যানারী শিল্প স্থানান্তর করা হয়েছে কোথায়?
  1. ক) ভালুকা
  2. খ) হেমায়েতপুর
  3. গ) রূপগঞ্জ
  4. ঘ) টঙ্গী
ব্যাখ্যা
পুরাতন ঢাকার হাজারীবাগে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠা ট্যানারিসমূহকে সাভারের হেমায়েতপুরে স্থাপিত চামড়া শিল্পনগরীতে স্থানান্তর করা হয়েছে। ২০০ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত এই শিল্পনগরীতে ২০৫টি প্লট রয়েছে। তবে চামড়া শিল্পনগরীর কাজ এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি।
(সূত্রঃ শিল্প মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট এবং সারাবাংলা)
১,৩৭৮.
২০২১-২০২২ অর্থবছরে বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান রপ্তানি পণ্য কোনটি?
  1. ক) চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  2. খ) হোম টেক্সটাইল
  3. গ) কৃষিজ পণ্য
  4. ঘ) পাট ও পাটজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
২০২১-২০২২ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট রপ্তানির পরিমাণ ৫২.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার

রপ্তানি আয়ে বিভিন্ন পণ্যের অবদান:
- প্রথম : তৈরি পোশাক (৪২.৬১ বিলিয়ন ডলার, মোট রপ্তানির ৮১.৮১ শতাংশ)
- দ্বিতীয় : হোম টেক্সটাইল (১৬২.১৯ কোটি ডলার)
- তৃতীয় : চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য (১২৫ কোটি ডলার)
- চতুর্থ : কৃষিপণ্য (১১৬.২২ কোটি ডলার)
- পঞ্চম : পাট ও পাটজাত পণ্য (১১২.৭৬ কোটি ডলার)।

(তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
১,৩৭৯.
বাংলাদেশের বৃহত্তম সার কারখানা কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. সিলেট
  2. সুনামগঞ্জ
  3. হবিগঞ্জ
  4. নরসিংদী
ব্যাখ্যা

ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- বাংলাদেশের ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা হলো ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
- এটি নরসিংদীতে অবস্থিত।
- ইউরিয়া ফার্টিলাইজরা ফ্যাক্টরি লিঃ এবং পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ কারখানা ২টির স্থানে আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে বার্ষিক ৯,২৪,০০০ (নয় লক্ষ চব্বিশ হাজার) মেট্রিক টন উৎপাদন ক্ষমতা ও জ্বালানি সাশ্রয়ী সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এবং উচ্চতর ক্ষমতাসম্পন্ন ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপনের লক্ষ্যে “ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্প” শীর্ষক প্রকল্পটি ১২ নভেম্বর ২০২৩ খ্রি. তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক উদ্ধোধন করা হয়।
- বর্তমানে কারখানার উৎপাদন চালু আছে।

উল্লেখ্য,
- বিসিক জানায়, কারখানাটি ৩০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
- ১১০ একর জমিতে কারখানাটি নির্মিত হবে।
- নির্মাণ ব্যয়: ১৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
- কারখানাটির দৈনিক সার উৎপাদন হবে ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা, যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্লু গ্যাস থেকে পরিবেশদূষণকারী আহরণ করা হবে এবং ক্যাপচার করা কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে ইউরিয়া সারের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে (প্রায় ১০ শতাংশ)।
- এটি দেশে ‘অত্যাধুনিক, শক্তি সাশ্রয়ী ও সবুজ’ সার কারখানা, যা ইউরিয়া সারের আমদানি কমিয়ে দেবে এবং কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

১,৩৮০.
বাংলাদেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা- 
  1. শাহ সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড
  2. লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কারখানা
  3. ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি
  4. মেঘনা সিমেন্ট মিলস লিমিটেড
ব্যাখ্যা

• ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী:
- দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড।
- ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা।
-  এটি ১৯৩৭ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হয়।
- পরে ১৯৬৬ সন হতে উহা ইপিআইডিসি'র নিয়ন্ত্রনে আসে।
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, বিএমইডিসি ।
- এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি'র নিয়ন্ত্রণে আসে।

অপরদিকে,
- লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কারখানা:
- ছাতক লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট ফ্যাক্টরি বাংলাদেশে তথা এশিয়া মহাদেশের অন্যতম মাল্টি-ন্যাশনাল কোম্পানি।
- ২০০০ সালের পর উক্ত কোম্পানি টি প্রতিষ্ঠিত হয়

উৎস: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।

১,৩৮১.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী প্রধান থাকেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী?
  1. ক) বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
  2. খ) বাংলাদেশ ট্রেড এণ্ড ট্যারিফ কমিশন
  3. গ) জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর
  4. ঘ) বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(BIDA) এর গর্ভনিং বোর্ড এর প্রধান/ নির্বাহী প্রধান হলো প্রধানমন্ত্রী।
• প্রতিষ্ঠিত হয়-৩০ আগস্ট,২০১৬ সালে কার্যালয়- আগারগাঁও,ঢাকা। 
• শিল্পমন্ত্রী , বাণিজ্যমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী হলো ঐ বোর্ড এর সদস্য।

• বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর/সংস্থাসমূহ নিম্নরূপ:
-  বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন
 - বাংলাদেশ ট্রেড এণ্ড ট্যারিফ কমিশন
- জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর


সূত্র: বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট ও  বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১,৩৮২.
ভারত থেকে বাংলাদেশের প্রধান আমদানি পণ্য কোনটি?
  1. ক) যানবাহন
  2. খ) তুলা
  3. গ) মেশিনারি যন্ত্রপাতি
  4. ঘ) লোহা ও ইস্পাত সামগ্রী
ব্যাখ্যা
গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে ভারত থেকে বাংলাদেশের মোট আমদানির পরিমাণ ৫৭৯৩.৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এর মধ্যে শীর্ষ আমদানি পণ্যসমূহ হলো:
প্রথম – তুলা (১৩৪৩.২ মি. ডলার)
দ্বিতীয় – যানবাহন (৫৯২.২ মি. ডলার)
তৃতীয় – মেশিনারি যন্ত্রপাতি (৪০১.১ মি. ডলার)
চতুর্থ – লোহা ও ইস্পাত (৩০৭.৬ মি. ডলার)
(সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক)
১,৩৮৩.
সম্প্রতি লোকসানের কারণে সরকার কতটি রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বন্ধ ঘোষণা করে?
  1. ক) ১৫টি
  2. খ) ২০টি
  3. গ) ২৫টি
  4. ঘ) ৩২টি
ব্যাখ্যা
গত ২৮ জুন ২০২০ বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বিজেএমসির অধীনে থাকা সর্বশেষ ২৫টি রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বন্ধের ঘোষণা দেয়। এর আগে ২০০২ সালের ৩০ জুন লোকসানের কারনে এশিয়ার বৃহত্তম আদমজী পাটকল বন্ধ ঘোষণা করে সরকার।
(সূত্র: বিবিসি বাংলা)
১,৩৮৪.
In which district is Bakhrabad gas field located?
  1. ক) Brahmanbaria
  2. খ) Sylhet
  3. গ) Comilla
  4. ঘ) Habiganj
ব্যাখ্যা
গ্যাসক্ষেত্র:

- বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত। ১৯৬৯ সালে শেল অয়েল কোম্পানি এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। 
- বাংলাদেশে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হয় ১৯৫৫ সালে।
- ১৯৫৯ সালে ছাতক গ্যাসক্ষেত্র থেকে সর্বপ্রথম শিল্পখাতে গ্যাস সংযোগ দেয়া হয়।
- দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্রগুলির মধ্যে একটি এবং বর্তমান সময় পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গ্যাস উৎপাদনকারী ক্ষেত্র।
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত এই গ্যাসক্ষেত্রটি ১৯৬২ সালে পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি আবিষ্কার করে।
- সিলেট গ্যাসক্ষেত্র  সিলেট শহরের ২০ কিমি উত্তর-পূর্বে অবস্থিত। পাকিস্তান পেট্রোলিয়াম লিমিটেড (পিপিএল) ১৯৫৫ সালে গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে।
- ছাতক গ্যাসক্ষেত্র  সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত এই গ্যাসক্ষেত্রটি পাকিস্তান পেট্রোলিয়াম লিমিটেড কর্তৃক ১৯৫৯ সালে আবিষ্কৃত হয়।
- হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র ১৯৬৩ সালে আবিষ্কৃত দেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,৩৮৫.
বাংলাদেশ বিশ্বের কতটি দেশে ওষুধ রপ্তানি করে? [মে, ২০২৫]
  1. ১৫৭টি
  2. ১৫৮টি
  3. ১৫৯টি
  4. ১৬০টি
ব্যাখ্যা
ঔষধ শিল্প:
- স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ঔষধ প্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল।
- ফলে অনেক উচ্চ মূল্যে জনগণকে ঔষধ ক্রয় করতে হতো।
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮% ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়।
- বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ঔষধ আমদানিকারক দেশ হতে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশের ৫৪টি ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এরা বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ রপ্তানি করছে ১৫৭টি দেশে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে।
- এরপর গত কয়েক দশকে স্বল্পোন্নত দেশগুলোয় ওষুধের বৃহত্তম উৎস হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪। 
ii) বণিক বার্তা।
১,৩৮৬.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির দ্বিতীয় শীর্ষ গন্তব্য কোন দেশ?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জার্মানি 
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

• রপ্তানি (২০২৪-২৫):
- বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ - জার্মানি
- তৃতীয় সর্বোচ্চ - যুক্তরাজ্য।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ - স্পেন।

​এছাড়াও,
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ – যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য – তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র: বানিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

১,৩৮৭.
বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন কোন মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. শিল্প মন্ত্রণালয়
  3. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  4. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন: 
- বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা।
- এটি মূলত দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা, রপ্তানি উন্নয়ন ও বাণিজ্য নীতিমালা প্রণয়নে সরকারকে পরামর্শ প্রদান করে।
- ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর এটি ১৯৯২ সালের বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন অনুযায়ী পুনর্গঠিত হয়।
- কমিশন তিনটি শাখায় বিভক্ত: বাণিজ্য নীতিমালা, বাণিজ্য প্রতিকার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা।
- এর প্রধান হচ্ছেন সচিব মর্যাদার একজন চেয়ারম্যান।  

সূত্র: বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন। 

১,৩৮৮.
বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা কোথায় অবস্থিত?
  1. নারায়নগঞ্জ
  2. কক্সবাজার
  3. চট্টগ্রাম
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা

জাহাজ নির্মাণ শিল্প:
- জাহাজ নির্মাণ শিল্প বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শিল্পখাত।
- বাংলাদেশে জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত কারখানা ৩টি।
- বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা খুলনায় অবস্থিত।

• খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড:
- খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড (KSY) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বাধীন সরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
- এটী বাংলাদেশ নৌবাহিনী দ্বারা পরিচালিত ও পরিচালিত হয়।
- এটি রূপসা নদীর পশ্চিম তীরে খুলনায় অবস্থিত।
- ইয়ার্ডটিতে ৯০ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৭০০ টন লাইটওয়েট পর্যন্ত স্টিল/অ্যালুমিনিয়াম জাহাজ নির্মাণের ক্ষমতা রয়েছে।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র গর্বিত যুদ্ধজাহাজ নির্মাতা।
- এটি পশ্চিম জার্মান সহায়তায় ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড ১৯৯৯ সালে নৌবাহিনীর নিকট হস্তান্তর করা হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে তৈরি প্রথম যুদ্ধ জাহাজ নির্মাণ করে খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড।
- এটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘বিএনএস পদ্মা’।

উৎস: i) খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

১,৩৮৯.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে কোন দেশটিতে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি তৈরি পোশাক রপ্তানি করে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. ফ্রান্স
  3. জার্মানি
  4. স্পেন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি:
- আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বিশাল অংশজুড়ে রয়েছে তৈরি পোশাক শিল্প। প্রতি বছর এই খাত থেকে শত শত কোটি ডলারের ব্যবসা হয় এবং পোশাক রপ্তানিকারকরা যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্যসহ সারা বিশ্বে পোশাক রপ্তানি করে।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি খাতে ৮.৮৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এ সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৯.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
- বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এখনও বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্য হিসেবে রয়েছে। এই বাজারে রপ্তানি আয় হয়েছে ১৯.৭১ বিলিয়ন ডলার, যা দেশের মোট আরএমজি রপ্তানির ৫০.১০ শতাংশ।
- একক দেশ হিসেবে তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৭.৫৪ বিলিয়ন ডলার, যা মোট রপ্তানির ১৯.১৮ শতাংশ। 
- কানাডা ও যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হয়েছে যথাক্রমে ১.৩০ বিলিয়ন ডলার (৩.৩১ শতাংশ) এবং ৪.৩৫ বিলিয়ন ডলার (১১.০৫ শতাংশ)।

উল্লেখ্য,
- ইউরোপের মধ্যে জার্মানি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার, যেখানে রপ্তানি হয়েছে ৪.৯৫ বিলিয়ন ডলার। এরপর রয়েছে স্পেন (৩.৪০ বিলিয়ন ডলার), ফ্রান্স (২.১৬ বিলিয়ন ডলার), নেদারল্যান্ডস (২.০৯ বিলিয়ন ডলার), পোল্যান্ড (১.৭০ বিলিয়ন ডলার), ইতালি (১.৫৪ বিলিয়ন ডলার) এবং ডেনমার্ক (১.০৪ বিলিয়ন ডলার)।

উৎস: i) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)। [link]
ii) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
iii) প্রথম আলো।
১,৩৯০.
বর্তমানে দেশে কতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে?
  1. ক) চারটি
  2. খ) ছয়টি
  3. গ) সাতটি
  4. ঘ) আটটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত। এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে। এগুলো হলো: ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।
অন্যদিকে, ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট। এসব নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে এবং এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।
(সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ও প্রথম আলো)
১,৩৯১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র কোনটি?
  1. জার্মানি
  2. পোল্যান্ড
  3. ডেনমার্ক
  4. বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১১.২১%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ১০.৫২%।

• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪০%।

• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৩৯২.
দেশের প্রথম জিআই পন্য কোনটি?
  1. ইলিশ
  2. হাঁড়িভাঙ্গা আম
  3. জামদানি শাড়ি
  4. খিরসাপাত আম
ব্যাখ্যা
• জিআই পণ্য:
- ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (Geographical Indication)।
- সংক্ষেপে GI) বলতে বোঝায় এমন একটি পণ্য, যা বিশেষ কোনো ভৌগোলিক এলাকা বা অঞ্চলের কারণে তার গুণগত মান, খ্যাতি বা অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত ও স্বীকৃত।
- দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) জামদানি।
- সময়: ১৭ নভেম্বর ২০১৬ সালে স্বীকৃতি লাভ করে।
- জামদানি শাড়ি প্রথম জিআই পন্য।
- বাংলাদেশ ইলিশ ২য় জিআই পন্য।
- খিরসাপাত আম তৃতীয় জিআই পন্য।
- হাঁড়িভাঙ্গা আম চতুর্থ জি আই পন্য।

উৎস: পেটেন্ট, শিল্প, নকশা, ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর।
১,৩৯৩.
বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রবাসী আয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. পঞ্চম
  2. ষষ্ঠ
  3. সপ্তম
  4. অষ্টম
ব্যাখ্যা
প্রবাসী আয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান:
- ২০২৩ সালে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় প্রাপ্তিতে শীর্ষ দশ দেশের মধ্যে ৭ম অবস্থানে থাকবে বাংলাদেশ।
- এ বছরে শেষে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ ২৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।
- বিশ্বব্যাংক ও নোমাডের মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ব্রিফ ৩৯-এ এসব তথ্য উঠে এসেছে। 

উল্লেখ্য,
- বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৩ সালের শেষেও বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে।
- রেমিট্যান্সের উৎস হিসেবে দ্বিতীয় স্থানে থাকবে সৌদি আরব। 

উৎস: প্রবাসী আয় সংক্রান্ত রিপোর্ট-২০২৩ (বিশ্বব্যাংক)।
১,৩৯৪.
বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ায় প্রবাসী আয়ে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
ব্যাখ্যা
• প্রবাসী আয় সংক্রান্ত রিপোর্ট ২০২৩:
- বিশ্বব্যাংক প্রতিষ্ঠিত বহুপক্ষীয় ট্রাস্ট ফান্ড ‘the Global Knowledge Partnership on Migration and Development (KNOMAD)’ ডিসেম্বর-২০২৩ তারিখে প্রবাসী আয় সংক্রান্ত “Remittances Remain Resilient but Are Slowing”- Migration and Development Brief 39 শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, 
- ২০২৩ সাল শেষে দেশে প্রবাসী আয়ে প্রবৃদ্ধি হবে - ৭ শতাংশ।
- বিশ্বে প্রবাসী আয়ে বাংলাদেশের অবস্থান - সপ্তম।
- দক্ষিণ এশিয়ায় প্রবাসী আয়ে শীর্ষ দেশ - ভারত।
- দক্ষিণ এশিয়ায় প্রবাসী আয়ে বাংলাদেশের অবস্থান - তৃতীয়।

তথ্যসূত্র: প্রবাসী আয় সংক্রান্ত রিপোর্ট ২০২৩।
১,৩৯৫.
বাংলাদেশ নিম্নের কোন দেশ থেকে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পাচ্ছে?
  1. ক) নিউজিল্যান্ড
  2. খ) কানাডা
  3. গ) অস্ট্রেলিয়া
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ বিশ্ব বাণিজ্য ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। 
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ হিসাবে এবং স্বল্পোন্নত দেশসমূহের মূখপাত্র হিসাবে উন্নত ও অগ্রগামী উন্নয়নশীল দেশগুলোর কাছ থেকে অনেক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত বাজার সুবিধা আদায় করেছে যা সাধারণভাবে জেনারালাইজড সিস্টেম অব প্রিফারেন্স বা জিএসপি নামে পরিচিত। 
- বাংলাদেশের রপ্তানিকারকগণ বর্তমানে মোট ৩৮ টি দেশে একতরফা (Unilateral) সুবিধার আওতায় শুল্কমুক্তভাবে রপ্তানির সুবিধাপ্রাপ্ত। 
- তন্মধ্যে ইউরোপীয়ান ইউনিয়নভূক্ত (EU) দেশসমূহ, জাপান, চিলি, নরওয়ে, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা অন্যতম। এসব দেশ থেকে প্রাপ্ত সুবিধার বিপরীতে বাংলাদেশকে ঐসব দেশ থেকে পণ্য আমদানিতে কোন প্রকার শুল্কছাড় দিতে হয় না। 
- তাই সেসব দেশে বিনা শুল্কে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি করা যায় যার সুযোগ রপ্তানিকারকগণ গ্রহণ করতে পারেন। 
- এছাড়া কতিপয় আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) এবং অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (PTA) এর আওতায় বাংলাদেশের আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকগণ চুক্তিভূক্ত অন্যান্য দেশে বাংলাদেশের পণ্য বিনা শুল্কে/কম শুল্কে রপ্তানি করতে পারে কিংবা সেসব দেশের পণ্য বাংলাদেশে আমদানি করতে পারে।
 
উৎস: বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট
১,৩৯৬.
দেশের গার্মেন্টস প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের জাতীয় সংগঠন কোনটি?
  1. ক) BKMAE
  2. খ) BGMEA
  3. গ) BJMC
  4. ঘ) FBCCI
ব্যাখ্যা
BGMEA (Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association) হলো দেশের গার্মেন্টস প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের জাতীয় সংগঠন।
এটি ১৯৮৩ সালে ১২টি ফ্যাক্টরি সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা প্রায় ৪৫০০ ফ্যাক্টরি।
BGMEA এর বর্তমান সভাপতি রুবানা হক।
(সূত্র: BGMEA ওয়েবসাইট)
১,৩৯৭.
'মওলানা ভাসানী সেতু' কোন দুটি উপজেলাকে সংযুক্ত করেছে?
  1. চিলমারী এবং সুন্দরগঞ্জ
  2. মহিপুর এবং গংগাচড়া 
  3. সুন্দরগঞ্জ এবং ভুরুঙ্গামারী
  4. চিলমারী এবং রাজারহাট
ব্যাখ্যা

- মওলানা ভাসানী সেতু চিলমারী এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলাকে সংযুক্ত করেছে।

• মওলানা ভাসানী সেতু: 

- সংযোগ জেলা : গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম
- তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত হয় 'মওলানা ভাসানী সেতু'।
-  ২০ আগস্ট ২০২৫ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
- সেতুটির দৈর্ঘ্য ১৪৯০ মিটার
- এবং প্রস্থ ৯.৬০ মিটার, লেন সংখ্যা ২, মোট স্প্যান সংখ্যা ৩১টি। 
- এটি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর ঘাট থেকে কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী পর্যন্ত বিস্তৃত।

উৎস: বিবিসি বাংলা নিউজ।

১,৩৯৮.
কোন গাছের কাঠ থেকে পেন্সিল তৈরি হয়?
  1. গেওয়া
  2. গর্জন
  3. ধুন্দল
  4. সুন্দরী
ব্যাখ্যা
স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন:
- এ বনভূমির আয়তন ৬,৪৭৪ বর্গ কি.মি.। খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগের হাট ও বরগুনা জেলায় এ বনাঞ্চল অবস্থিত।
- সুন্দরী ও গরান এ বনভূমির প্রধান গাছ।
- অন্যান্য গাছের মধ্যে গেওয়া, পশুর, ধুন্দল, কেওড়া, বায়েন প্রভৃতি প্রধান।
- সুন্দরবনে প্রচুর গোলপাতা জন্মে।

শিল্প:
- বাংলাদেশে কাগজ, রেয়ন, দিয়াশলাই, ফাইবার বোর্ড, খেলনার সরঞ্জাম প্রভৃতির উৎপাদন কাজে বনজ সম্পদ ব্যবহৃত হয়ে শিল্পের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করছে।
- কর্নফুলী কাগজকল, খুলনা নিউজ প্রিন্ট কারখানা বনজ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
- ধুন্দল গাছের কাঠ থেকে পেন্সিল প্রস্তুত করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ – ৪, বিএ এবং বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৯৯.
ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানীসহ দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা কত মেগাওয়াট?
  1. ক) ১২, ৬৬৭ মেগাওয়াট
  2. খ) ১৬, ৫৪৫ মেগাওয়াট
  3. গ) ১৮, ০৭৯ মেগাওয়াট
  4. ঘ) ২১, ১৬৯ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা

বর্তমানে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে (ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ পর্যন্ত) বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়ে-
- সরকারি খাতে ৯,০৬৫ মেগাওয়াট,
- বেসরকারি খাতে ৭,৮৫৪ মেগাওয়াট ও
- ভারত থেকে আমদানি ১১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎসহ গ্রিডভিত্তিক মোট স্থাপিত উৎপাদন ক্ষমতা ১৮,০৭৯ মেগাওয়াটে দাঁড়ায়।
যা ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি সহ ২১,১৬৯ মেগাওয়াট।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

১,৪০০.
বাংলাদেশের প্রথম কাগজ কল কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. রাঙামাটি
  2. খুলনা
  3. চট্টগ্রাম 
  4. বাগেরহাট
ব্যাখ্যা

কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড:
- বাংলাদেশের প্রথম কাগজ কল কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড। 
- এশিয়ার বৃহত্তম কাগজের কল কর্ণফুলি পেপার মিলস্ লিমিটেড।
- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলাধীন চন্দ্রঘোনা নামক স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরই এ প্রতিষ্ঠানটিকে জাতীয়করণ করা হয়।
- ৫ একর জমি জুড়ে ১৯৫৩ সালে তদানীন্তন পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক বার্ষিক ৩০,০০০ মেঃ টন কাগজ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন কর্ণফূলী পেপার মিলস্ লিঃ স্থাপিত হয়।
- চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের প্রধান কাঁচামাল বাঁশ।
- কাগজ উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল বাশেঁর প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে কর্ণফুলি পেপার মিলটি চন্দ্রঘোনায় স্থাপন করা হয়েছিল।
- এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কাগজ উৎপাদনকারী কোম্পানি।

উল্লেখ্য,
- পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলে প্রচুর বাঁশ জন্মে এবং বাঁশ ব্যবহার করে কর্ণফুলী পেপার মিলে কাগজ তৈরি হয়।
- এই মিলে সাদা কাগজ এবং বাদামী ও অন্যান্য রঙ্গিন কাগজ উৎপাদিত হয়।
- এদেশে সরকারী চাহিদার প্রায় অর্ধেকের বেশি কাগজ সরবরাহ করে থাকে এ প্রতিষ্ঠানটি।

উৎস: বিসিআইসি ওয়েবসাইট।