বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

মোট প্রশ্ন১,৭৮৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

PrepBank · পাতা ১১ / ১৮ · ১,০০১১,১০০ / ১,৭৮৪

১,০০১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ -
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ভারত
  3. চীন
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১১.২১%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ১০.৫২%।

• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪০%।

• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,০০২.
বাংলাদেশের রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের সহায়তাকারী দেশ কোনটি?
  1. ভারত
  2. চীন
  3. রাশিয়া
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র: 
- পাবনা জেলার রূপপুরে পারমাণবিক চুল্লি নির্মিত হয়েছে রাশিয়ার সহায়তায় । 
- রূপপুর কেন্দ্রে দুটি ইউনিটে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। 
- এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে প্রাথমিকভাবে এক লক্ষ তের হাজার কোটি টাকারও বেশি খরচ ধরা হয়েছে। 
- বাংলাদেশে একক প্রকল্প হিসেবে এটি সবচেয়ে বড় কোনো অবকাঠামো প্রকল্প।

সূত্র: বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন।
১,০০৩.
২০২৩–২৪ অর্থবছরে, বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে সর্বোচ্চ বিনিয়োগকারী দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশের শেয়ারবাজারের বিদেশি বিনিয়োগ:

- বাংলাদেশের শেয়ারবাজারের বিদেশি বিনিয়োগ ১০ দেশনির্ভর।
- এসব দেশের মধ্যে বিনিয়োগের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ বিনিয়োগের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, লুক্সেমবার্গ, সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইউএই, কানাডা, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড, কেম্যান আইল্যান্ডস, মরিশাস ও কুয়েত। যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, লুক্সেমবার্গ, সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইউএই, কানাডা, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড, কেম্যান আইল্যান্ডস, মরিশাস ও কুয়েত। 
- ২০২৩–২৪ অর্থবছরে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডে এই ১০ দেশের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৮০ কোটি মার্কিন ডলার।
- প্রতি ডলারের বিনিময় মূল্য ১২০ টাকা হিসাবে বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ৯ হাজার ৬০০ কোটি টাকা।
- বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ–সংক্রান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

⇒ বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে দুই ধরনের পোর্টফোলিও বা পত্রকোষ বিনিয়োগ করেন।
- তার একটি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারে, যা ইকুইটি সিকিউরিটিজ হিসেবে পরিচিত, অন্যটি ডেবট সিকিউরিটিজে। 

উৎস: প্রথম আলো। [link]

১,০০৪.
দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড
  2. বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি লিমিটেড
  3. ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি লিমিটেড
  4. রেনেটা ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি লিমিটেড
ব্যাখ্যা

এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড:
- দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল)।
- এটি ১৯৬২ সালে গভর্নমেন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস ল্যাবরেটরি (GPL) নামে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৭৯ সালে এর নাম পরিবর্তন করে ফার্মাসিউটিক্যালস প্রোডাকশন ইউনিট (PPU) রাখা হয়।
- ১৯৮৩ সালে জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও ওষুধ উৎপাদনের লক্ষ্যে এটি আধুনিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সরকারি হাসপাতাল, সিভিল সার্জন অফিস, ইউনিসেফ, WHO, আইসিডিডিআরবি প্রভৃতি সংস্থায় মানসম্পন্ন ওষুধ সরবরাহ করছে।
- এটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে।

তথ্যসূত্র - এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড ওয়েবসাইট।

১,০০৫.
চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মিত হচ্ছে কোথায়?
  1. ক) আড়াইহাজার
  2. খ) আনোয়ারা
  3. গ) সীতাকুণ্ড
  4. ঘ) সাভার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের অধীনে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্যে ৫টি অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে।
এগুলো হলো:
চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল – আনোয়ারা (চট্টগ্রাম)
জাপানি অর্থনৈতিক অঞ্চল – আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ)
ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল – মিরসরাই (চট্টগ্রাম)
ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল – মংলা (বাগেরহাট)
ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল – কুষ্টিয়া।
(সূত্র: BEZA ওয়েবসাইট)
১,০০৬.
দেশীয় শিল্পের স্বার্থ রক্ষায় কোন সংস্থাটি কাজ করে?
  1. ক) বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড
  2. খ) বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন বোর্ড
  3. গ) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ
  4. ঘ) বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন
ব্যাখ্যা
- দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সংরক্ষণ, মান উন্নয়ন ও প্রসারের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন কাজ করে।
- ১৯৯২ সালে আইনের মাধ্যমে পূর্বেকার ট্যারিফ অধিদপ্তর বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন নামে পুনর্গঠিত হয় যা ২০২০ সালে বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন নামধারণ করে।
- এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
(তথ্যসূত্র: ট্যারিফ কমিশন ওয়েবসাইট)
১,০০৭.
নিচের কোনটি বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রকল্প অনুমোদন সংক্রান্ত সর্বোচ্চ নির্বাহী কমিটি?
  1. ক) বিএসইসি
  2. খ) এনইসি
  3. গ) একনেক
  4. ঘ) নিকার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রকল্প অনুমোদন সংক্রান্ত সর্বোচ্চ নির্বাহী কমিটি হলো ECNEC (Executive Committee of the National Economic Council)। এটি ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
ECNEC এর চেয়ারপার্সন হলেন প্রধানমন্ত্রী এবং বিকল্প চেয়ারপার্সন অর্থমন্ত্রী।

অন্যদিকে,
NEC (National Economic Council) হলো জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল
BSEC (Bangladesh Securities and Exchange Commission) হলো বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন
NICAR (National Implementation Committee for Administrative Reform) হলো প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসজনিত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি।

(তথ্যসূত্র: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট)
১,০০৮.
BITAC এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Investment Technical Assistance Center
  2. Bangladesh Industrial Trade Assistance Center
  3. Bangladesh Industrial Technical Assistance Center
  4. Bangladesh Industrial Technical Assistannt Center
ব্যাখ্যা
বিটাক:
- এর পূর্ণরূপ Bangladesh Industrial Technical Assistance Center।
- ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টার নামে।
- ১৯৭২ সালে এর নাম পরিবর্তন করে বিটাক রাখা হয়।
- প্রধান নির্বাহী হলেন মহাপরিচালক।
- বর্তমানে এর পাঁচটি কেন্দ্র রয়েছে ঢাকা (১৯৬৪), চট্টগ্রাম (১৯৭৬), চাঁদপুর (১৯৮৩), খুলনায়(১৯৯৩) এবং বগুড়া (২০০৬)।

উৎস: বিটাক অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,০০৯.
কোন খাতে দেশের সবচেয়ে বেশি প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়?
  1. বিদ্যুৎ উৎপাদন
  2. গৃহস্থালি 
  3. শিল্প
  4. সার উৎপাদন
ব্যাখ্যা

প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার:
-  বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাস সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে।

⇒ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের হিসাব মতে, প্রাকৃতিক গ্যাস সর্বোচ্চ ব্যবহারের কয়েকটি খাত হচ্ছে –
- বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার: ৩৭২.৩ বিলিয়ন ঘনফুট (৪১.০০%),
- শিল্পখাতে ব্যবহার: ১৭০.৪ বিলিয়ন ঘনফুট (১৯.০০%),
- ক্যাপটিভ: ১৪৯.৮ বিলিয়ন ঘনফুট (১৭%),
- গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার: ৯৭.৮ বিলিয়ন ঘনফুট। (১১.০০%)।

উল্লেখ্য,
- পেট্রোবাংলার তথ্যমতে দেশে গ্যাসক্ষেত্র ২৯টি।
- উত্তোলনরত ২০টি, উৎপাদনে যায়নি ৪টি, এবং উৎপাদন স্থগিত রয়েছে ৫টি।
- উত্তোলনযোগ্য, প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা।
- প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
ii) প্রথম আলো।

১,০১০.
বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি কোন দেশের সাথে?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি চীনের সাথে।

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ আগের অর্থবছরের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ২০ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭৩৫ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে চীন থেকে বাংলাদেশের আমদানির পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৬৬৪ কোটি মার্কিন ডলার এবং রপ্তানি আয় ছিল প্রায় ৭১ কোটি ৫৩ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশটির সঙ্গে সঙ্গে বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ২১৮০ কোটি ডলার। 

অন্যদিকে,
- যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর) এর প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক পণ্য বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে আনুমানিক ১০.৬ বিলিয়ন ডলার বা ১০৬০ কোটি মার্কিন ডলার।

- এই বাণিজ্যের মধ্যে, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে রপ্তানি করেছে ২.২ বিলিয়ন ডলারের পণ্য — যা ২০২৩ সালের তুলনায় ১.৫ শতাংশ  কম, অর্থাৎ প্রায় ৩৪ মিলিয়ন ডলার হ্রাস পেয়েছে। বিপরীতে, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করেছে ৮.৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্য, যা  বছরের তুলনায় ১.১ শতাংশ বা প্রায় ৮৯.৩ মিলিয়ন ডলার বেড়েছে। 

উৎস: The Business Standard[লিংক]। এবং বাংলাদেশ প্রতিদিন [লিংক]

১,০১১.
বাংলাদেশ নিচের কোন দেশে রপ্তানি ক্ষেত্রে জিএসপি সুবিধা পেয়ে থাকে?
  1. দক্ষিণ কোরিয়া
  2. মালয়েশিয়া
  3. বেলারুশ
  4. সিঙ্গাপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বর্তমানে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত ২৭টি দেশসহ মোট ৩৮টি দেশে রপ্তানি ক্ষেত্রে জিএসপি সুবিধা পাচ্ছে।
বাংলাদেশকে জিএসপি সুবিধা প্রদানকারী ইইউ বর্হিভূত দেশগুলো হলো:
- বেলারুশ
- রাশিয়া
- কানাডা
- যুক্তরাজ্য
- নিউজিল্যান্ড
- অস্ট্রেলিয়া
- নরওয়ে
- জাপান
- তুরস্ক
- সুইজারল্যান্ড
- লিচেনস্টাইন।

(তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
১,০১২.
বাংলাদেশী পণ্যের দ্বিতীয় প্রধান আমদানিকারক দেশ হচ্ছে -
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) জার্মানি
  4. ঘ) ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
• দেশভিত্তিক রপ্তানি:
- ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশী পণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি। 
নিচে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দেশে জুলাই- ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত পণ্য রপ্তানির চিত্র তুলে ধরা হলো -

→ প্রথম - যুক্তরাষ্ট্র।
→ দ্বিতীয় - জার্মানি।
→ তৃতীয় - যুক্তরাজ্য।
→ চতুর্থ - ফ্রান্স।
→ পঞ্চম - নেদারল্যান্ডস।
→ ষষ্ঠ - ইতালি।
→ সপ্তম - জাপান।

তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, জুলাই-ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত।
১,০১৩.
যমুনা রেল সেতু কবে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে?
  1. ১৬ মার্চ, ২০২৫
  2. ১৭ মার্চ, ২০২৫
  3. ১৮ মার্চ, ২০২৫
  4. ১৯ মার্চ, ২০২৫
ব্যাখ্যা
যমুনা রেল সেতু:
- যমুনা সেতু যমুনার নদীর ওপর অবস্থিত রেল সেতু।
- সেতুটি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার।
- সেতুর মোট স্প্যান ৪৯টি।
- সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৫০টি।
- সেতুটিতে ডুয়েল গেজ ডাবল রেললাইন নির্মাণ করা হয়েছে।
- সেতুর ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চলাচল করতে পারবে।
- ১৮ মার্চ, ২০২৫ তারিখে যমুনা সেতু আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।

এছাড়াও,
- ১৯৯৮ সালে যমুনা নদীর ওপর সড়কসেতু চালু হয়। তারপর চালু হয় রেলসেতু।
- তবে ২০০৬ সালে সেতুটিতে ফাটল দেখা দেওয়ার পর সেতুর ওপর দিয়ে ট্রেন চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়।
- তখন থেকে সেতু দিয়ে ঘণ্টায় ২০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচল করত। এ সমস্যার সমাধানে সরকার যমুনা নদীর ওপর পৃথক রেলসেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয়।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
১,০১৪.
বাংলাদেশ কত সালে জাতিসংঘের LDC তালিকা থেকে উত্তরণ করবে?
  1. ক) ২০২১ সালে
  2. খ) ২০২৪ সালে
  3. গ) ২০৩৩ সালে
  4. ঘ) কখনোই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ২০১৮ সালে প্রথমবারের মত LDC তালিকা থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করে। অর্জিত লক্ষ্যসমূহ ২০২১ সাল পর্যন্ত অক্ষুন্ন থাকলে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিক ভাবে এলডিসি তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।
জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন প্রথম ১৯৭১ সালে বিশ্বের সর্বাধিক অনুন্নত দেশসমূহ নিয়ে এলডিসি তালিকা প্রণয়ন করে।
বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে LDC তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয় । বর্তমানে এলডিসি তালিকায় ৪৬টি দেশ রয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ৫টি দেশ LDC তালিকা থেকে উত্তরণ করতে সমর্থ হয়েছে।
উৎসঃ জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
১,০১৫.
বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নোয়াখালী
  2. হবিগঞ্জ
  3. সিলেট
  4. মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

• কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র: এটি সিলেট জেলায় অবস্থিত; বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি ১৯৬২ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। এর মোট অনুমিত মজুত ৩.৬৫ টিসিএফ যার মধ্যে উত্তোলনযোগ্য মজুত ২.৫২ টিসিএফ গ্যাস। কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাসের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কনডেনসেটও উৎপাদিত হয়ে থাকে। ১৯৮৩ সাল থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।

• হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: এটি ১৯৬৩ সালে আবিষ্কৃত দেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। এটি ১১ কিমি দীর্ঘ এবং ৪.৫ কিমি প্রশস্ত। প্রায় ৩০ শতাংশ সচ্ছিদ্রতাবিশিষ্ট হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র একটি উন্নতমানের গ্যাসাধার হিসেবে খ্যাত। বর্তমানে এটি দেশের অন্যতম একটি গ্যাস উৎপাদনক্ষেত্র। আজ পর্যন্ত এই গ্যাসক্ষেত্রে ১০টি কূপ খনন করা হয়েছে।

• বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র: এটি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত। ১৯৬৯ সালে শেল অয়েল কোম্পানি এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। ১৯৮৪ সালে এখান থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু হয় এবং ১৯৯৩ সালে এর উৎপাদন সর্বোচ্চে পৌঁছে (দৈনিক ১৯০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস)। তখন থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের চাপ ও উৎপাদনে দ্রুত পতন ঘটে। ২০০০ সালের শেষদিকে এখান থেকে প্রতিদিন মাত্র ৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে যে, বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রটি দ্রুত নিঃশেষ হয়ে যাবে।

• সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র: এটি খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার একমাত্র গ্যাসক্ষেত্র। ১৯৬৯ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের জাতীয় তেল কোম্পানি ও.জি.ডি.সি এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। খননকৃত ৪টি কূপের মধ্যে ৩নং ও ৪নং কূপে কোন গ্যাস পাওয়া যায় নি। এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে কোন গ্যাস উত্তোলিত হয় নি।

• কুতুবদিয়া গ্যাসক্ষেত্র: এটি চট্টগ্রাম বন্দরের প্রায় ৯২ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিয়ন অয়েল কোম্পানি ১৯৭৬ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। যদিও গ্যাসক্ষেত্রটি ছোট আকৃতির, তবুও এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় নি।

• বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: এটি নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত। পেট্রোবাংলা ১৯৭৭ সালে এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্রটি একটি ছোট আকৃতির গ্যাসক্ষেত্র এবং এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় নি। এখানে খননকৃত দুটি গ্যাসক্ষেত্রের মধ্যে একটি শুষ্ক পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১,০১৬.
চীনের কোন রাজবংশের আমলে সিল্ক রোড গড়ে উঠেছিল?
  1. হান রাজবংশ
  2. কান রাজবংশ
  3. চৌ রাজবংশ
  4.  সং রাজবংশ
ব্যাখ্যা

সিল্ক রোড
- 'সিল্ক রোড' হলো চীনের চালু করা বাণিজ্য পথ।
- প্রাচীনকালে সিল্ক রোড বলতে চীনের সাথে পশ্চিমাঞ্চলের সংযোগ বোঝাতো।
- চীন থেকে মধ্য এশিয়া হয়ে দক্ষিণ এশিয়া, পশ্চিম এশিয়া তথা ইউরোপে আর উত্তর আফ্রিকায় চীনের রেশম আর রেশমী কাপড় পাঠানো হয়েছিল বলে এ পথ ‘সিল্ক রোড (Silk Road)’ বা ‘সিল্ক রুট (Silk Rute)’ নামে সুপরিচিত।
- সিল্ক রোড গড়ে উঠেছিল খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতকে চীনের হান রাজবংশের আমলে। 
- চীনারা তাদের রেশম সুতা ও রেশম সুতার তৈরি কাপড় এর বাণিজ্যিক কার্যক্রম বিস্তারের লক্ষে কেন্দ্রীয় চীন থেকে শুরু হওয়া পথটির মাধ্যমে ভারত, পার্সিয়া, আরব, রোম, গ্রীস ও ইতালিতে চীনাদের অর্থনীতি প্রসার ঘটে।
 - শিল্প, সাহিত্য, ভাষা, শিক্ষা ও ধর্মের বিনিময় হয়েছিল এই রোডের মাধ্যমেই।
- সিল্ক রোড ৬ হাজার ৪শ ৩৭ কিলোমিটার বা চার হাজার মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- এশিয়ার সবচেয়ে বড় গোবি মরুভূমি ও পামির পর্বতসহ পৃথিবীর গুরুত্বপূর্ণ জনপদ দিয়ে ছিল এই রোডের যাত্রা।

উল্লেখ্য,
- ১৯৩০ সালে যুক্তরাজ্য প্রাচীন সিল্ক রোড চালুর উদ্যোগ নিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।
- ২০১৪ সালে চীন নিউ সিল্ক রোড চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করে ।
 
উৎস: ব্রিটানিকা।

১,০১৭.
বাংলাদেশের চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে-
  1. রানীগঞ্জে
  2. বিজয়পুরে
  3. টেকেরহাটে
  4. বাগালীবাজারে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে — নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুরে। 
----------------- 
• 'চীনামাটি':
- চীনামাটি কেওলিন কর্দম মণিক দ্বারা গঠিত উন্নতমানের কর্দম; প্রধানত সিরামিক শিল্পে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে গৃহস্থালি সামগ্রী হিসেবে চীনামাটির তৈরী তৈজসপত্রের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। 
- বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
- নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর ও গোপালপুরে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়, চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও ও সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে চীনামাটির মজুত রয়েছে।
- এ ছাড়া দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া, বড়পুকুরিয়া ও দীঘিপাড়া এবং নওগাঁ জেলার পত্নীতলাতে ভূ-পৃষ্ঠের নিকটে চীনামাটি মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৭ সালে বর্তমান নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর থানার অন্তর্গত ভেদিকুরা নামক স্থানে প্রথম চীনামাটির সন্ধান লাভ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,০১৮.
পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) পাবনা
  2. খ) ফরিদপুর
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা
২০২০-২০২১ অর্থবছরে দেশে মোট পাট উৎপাদন হয় ৭৭.২৫ লক্ষ বেল।

পাট উৎপাদনে শীর্ষ তিন জেলা:

- প্রথম : ফরিদপুর (৭.৩৮ লক্ষ বেল)
- দ্বিতীয় : পাবনা (৫.১২ লক্ষ বেল)
- তৃতীয় : কুষ্টিয়া (৪.৯৪ লক্ষ বেল)।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২১)
১,০১৯.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি চা কোন দেশে রপ্তানি করে?
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. সৌদি আরব
  3. পাকিস্তান 
  4. ওমান
ব্যাখ্যা

চা:
- চা বাংলাদেশের ২য় অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- বাংলাদেশের মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে সবচেয়ে বেশি চা উৎপন্ন হয়।
- বাংলাদেশের চায়ের বিশেষ সুনাম থাকায় বিদেশে এর চাহিদা রয়েছে। চা রপ্তানি করে বাংলাদেশ অনেক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি চা রপ্তানি করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয়েছিল ১৮৪০ সালে চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে। চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে প্রথম চা উৎপাদিত হয় ১৮৪৩ সালে। কিন্তু বিভিন্ন কারণে সেখানে চা চাষ বিলম্বিত হয়।
- মালনীছড়া বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান।



উৎস: i) বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
ii) কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১,০২০.
বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে কয়টি চালু সার কারখানা রয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১১টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে, তার মধ্যে ৭টি সার কারখানা রয়েছে। 

⇒ চালু কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৫টি (চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড,আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ,ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী )।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
• কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
• সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
• গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
• স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

এছাড়া,
- বিসিআইসি’র উৎপাদিত  পন্যের মধ্যে ৮০% রাসায়নিক সার ; এর মধ্যে ৭০% ইউরিয়া সার ও ১০% অন্যান্য সার। তাছাড়া যৌথ অংশীদারিত্বে ১০টি কারখানা রয়েছে। উল্লেখ্য যে, ১৯৯৬-৯৭ সাল থেকে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষে সারা দেশে কৃষকদের মাঝে সার বিতরনের মত স্পর্শকাতর বিষয়টি বিসিআইসি’র উপর ন্যাস্ত হয়। বিসিআইসি অত্যন্ত আস্তা এবং সফলতার সাথে এই গুরু দয়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

উৎস: BCIC ওয়েবসাইট।

১,০২১.
ইউরোপে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বৃহৎ বাজার কোনটি?
  1. ক) ফ্রান্স
  2. খ) ইংল্যান্ড
  3. গ) জার্মানি
  4. ঘ) ইতালি
ব্যাখ্যা
দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র। 
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে। 
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র জার্মানি।
-  ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে; রপ্তানির পরিমাণ – ৮৯৫.০৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট - রপ্তানির ২.৬৪%।
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
১,০২২.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে কোন প্রতিষ্ঠান শীর্ষে রয়েছে?
  1. হা-মীম গ্রুপ
  2. মণ্ডল গ্রুপ
  3. অনন্ত গ্রুপ
  4. ইয়াংওয়ান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

তৈরি পোশাক রপ্তানির শীর্ষ প্রতিষ্ঠান:

- দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানি ইয়াংওয়ান।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠান ইয়াংওয়ান।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ইয়াংওয়ান ৮০ কোটি ৬৪ লাখ ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে।
- তৈরি পোশাকের বাইরে ব্যাগ, জুতা ও পোশাকশিল্পের কাঁচামালসহ নানা পণ্য রপ্তানি করে ইয়াংওয়ান।

উল্লেখ্য,
⇒ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক রপ্তানি আয় ৩ হাজার ৬৮৮ কোটি ডলার।
- বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক রপ্তানির শীর্ষ স্থানটি বিদেশি উদ্যোক্তার দখলেই আছে।

⇒ পোশাক রপ্তানিতে বর্তমানে শীর্ষ প্রতিষ্ঠান:
- ১ম: ইয়াংওয়ান।
- ২য়: হা-মীম গ্রুপ।
- ৩য়: মণ্ডল গ্রুপ।
- ৪র্থ: অনন্ত গ্রুপ।
- ৫ম: ডিবিএল গ্রুপ।

উৎস: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪, প্রথম আলো।
১,০২৩.
জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬ অনুসারে নিচের কোনটি শিল্পোন্নত এলাকা?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) বরিশাল
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
- জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬ অনুসারে দেশের ১৪টি জেলাকে শিল্পোন্নত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
এগুলো হলো:
- ঢাকা
- নারায়ণগঞ্জ
- গাজীপুর
- নরসিংদী
- টাঙ্গাইল
- চট্টগ্রাম
- কক্সবাজার
- কুমিল্লা
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- চাঁদপুর
- নোয়াখালী
- লক্ষীপুর
- ফেনী
- বগুড়া।
(তথ্যসূত্র: জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬)
১,০২৪.
Bangladesh Economic Zones Authority গঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৮০ সালে
  2. খ) ১৯৯২ সালে
  3. গ) ২০১০ সালে
  4. ঘ) ২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা
- Bangladesh Economic Zones Authority (BEZA) ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর গঠিত হয়। এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটির কাজ হলো দেশের সম্ভাবনাময় স্থানে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং নিবন্ধন প্রদান করা।
- বেজার অধীনে দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। এর মধ্যে সর্ববৃহৎ হলো চট্টগ্রাম ও ফেনী জেলা জুড়ে বিস্তৃত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরী।
(তথ্যসূত্রঃ বেজা ওয়েবসাইট)
১,০২৫.
বিশ্বব্যাংকের কনটেইনার পোর্ট পারফরম্যান্স অনুযায়ী, চট্টগ্রামে বন্দরের অবস্থান কততম? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ৩১৭তম
  2. ৩২৭তম
  3. ৩৩৭তম
  4. ৩৪৭তম
ব্যাখ্যা

চট্টগ্রাম বন্দর:
- দেশের অর্থনীতির প্রধান প্রবেশদ্বার চট্টগ্রামে বন্দর।
- দেশের ৯২ শতাংশ সমুদ্র–বাণিজ্য ও ৯৮ শতাংশ কনটেইনার কার্গো এখান দিয়ে ওঠানো নামানো হয়।
- ২০২৫ অর্থবছরে রেকর্ড ৩ দশমিক ৩ মিলিয়ন টিইইউ হ্যান্ডল করা হয়েছে।
- বিশ্বব্যাংকের কনটেইনার পোর্ট পারফরম্যান্স অনুযায়ী চট্টগ্রামের অবস্থান ৩৩৭তম/৪০৫।
- টার্মিনালের ক্রেন উৎপাদনশীলতা মাত্র ১৮-২১ মুভ/ঘণ্টায়, যেখানে আন্তর্জাতিক মান ৩৫-৪৫।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১,০২৬.
জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে, কোনটি অগ্রাধিকার শিল্প নয়?
  1. পর্যটন শিল্প
  2. উইন্ড মিল
  3. রাবার শিল্প
  4. হোম টেক্সটাইল শিল্প
ব্যাখ্যা
জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে, অগ্রাধিকার শিল্প নয় রাবার শিল্প।

অগ্রাধিকার শিল্প
:
- 'অগ্রাধিকার শিল্প (Priority Sector)' বলতে সে সমস্ত শিল্প গণ্য হবে যে শিল্পখাতগুলো বিকাশমান এবং ক্রমবর্ধমানভাবে দেশের সামগ্রিক রপ্তানিতে অবদান রাখার সম্ভাবনা রয়েছে।
- কোন কোন শিল্পখাত/শিল্প উপ-খাত অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত শিল্পখাত/উপ-খাত হিসেবে চিহ্নিত হবে তা সময়ে সময়ে সরকার কর্তৃক ঘোষিত হবে।

⇒ অগ্রাধিকার প্রাপ্ত শিল্পখাতসমূহ:
- বৈদেশিক কর্মসংস্থান, পরিবেশসম্মত জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প, পর্যটন শিল্প, হোম টেক্সটাইল শিল্প, উইন্ড মিল, ভেষজ ঔষধ শিল্প, হাসপাতাল ও ক্লিনিক, এলইডি, সিএফএল বাল্ব উৎপাদন, চা শিল্প, বীজ শিল্প, প্রসাধনী ও টয়লেট্রিজ, সিমেন্ট শিল্প, লজিস্টিকস শিল্প খাত।

অন্যদিকে,
⇒ বিশেষ উন্নয়নমূলক শিল্পখাত:
- ইলেকট্রিক ও ইলেক্টনিক শিল্প; সিরামিক শিল্প; মৎস্য শিল্প; প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং শিল্প; জুয়েলারি শিল্প; পেপার ও পেপার প্রোডাক্টস; রাবার শিল্প; রেশম শিল্প; হস্ত ও কারু শিল্প তাঁতজাত শিল্প; সোলার এনার্জি; কাজুবাদাম (কাঁচা এবং প্রক্রিয়াকৃত); জীবন্ত ও প্রক্রিয়াজাত কাঁকড়া; খেলনা শিল্প; আগর শিল্প। হালাল মাংস ও মাংসজাত পণ্য এবং অন্যান্য হালাল পণ্য, রিসাইকেল্ডড পণ্য।

উৎস: জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২।
১,০২৭.
“চামড়া শিল্পনগরী” প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয় কত সালে?
  1. ক) ২০০৫
  2. খ) ২০০৭
  3. গ) ২০০৯
  4. ঘ) ২০০৩
ব্যাখ্যা
- সাভারের হেমায়েতপুরে চামড়া শিল্পনগরী অবস্থিত।
- পুরাতন ঢাকার হাজারীবাগে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠা ট্যানারি সমূহকে সাভারে স্থানান্তরের লক্ষ্যে ২০০৩ সালে সরকার এই শিল্পনগরী প্রকল্পের অনুমোদন দেয় যা ২০০৫ সালে সমাপ্ত হওয়ার কথা।
- তবে এর মেয়াদ বাড়িয়ে তা ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়।
- মোট ২০০ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত এই শিল্পনগরীতে ২০৫ টি প্লট রয়েছে।

উৎসঃ শিল্প মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১,০২৮.
বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন-
  1. Accord
  2. Rasha
  3. Alliance
  4. Fiend
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন Accord I
- অ্যাকর্ড হল ব্র্যান্ড এবং ট্রেড ইউনিয়নগুলির মধ্যে একটি স্বাধীন, আইনত বাধ্যতামূলক চুক্তি যা বাংলাদেশে একটি নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যকর পোশাক এবং টেক্সটাইল শিল্পের লক্ষ্যে কাজ করে।
- অ্যাকর্ড বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কারখানাগুলিকে লক্ষ লক্ষ শ্রমিকের জন্য নিরাপদ করে তুলতে - এবং নিরাপদ রাখতে সাহায্য করে।

অন্যদিকে,
- যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন- Alliance।
- 'Alliance for Bangladesh Worker's Safety' ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিখ্যাত গার্মেন্টস ব্র্যান্ডগুলো নিয়ে গঠিত সংগঠন অ্যালায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ২৮টি।

উৎসঃ Accord Bangladesh, দ্যা ডেইলি স্টার।
১,০২৯.
"ম্যাডোনা ৪৩” কোন শিল্পীর চিত্রকর্ম?
  1. কাদির গোমেজ
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. আফ্রিদুল ইসলাম
  4. হামিদুল্লাহ খান
ব্যাখ্যা

• জয়নুল আবেদিন: 
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
- জয়নুল আবেদিন ছিলেন বিংশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট বাঙালি চিত্রশিল্পী, যিনি তার অসাধারণ অবদানের কারণে ‘শিল্পাচার্য’ উপাধিতে সম্মানিত হন।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষকে কেন্দ্র করে চিত্রশিল্প সৃষ্টি করেছিলেন।
- এই সিরিজের একটি গুরুত্বপূর্ণ চিত্রকর্ম হলো ‘ম্যাডোনা ৪৩’।
- এই চিত্রকর্মের মাধ্যমে দুর্ভিক্ষের সময় ক্ষুধার্ত ও অসহায় মানুষের যন্ত্রণা এবং কষ্টের প্রতিফলন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, 
• জয়নুল আবেদিনের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্মগুলো হলো :
- দুর্ভিক্ষ-চিত্রমালা,
- নবান্ন,
- গুণ টানা,
- মই টানা, সংগ্রাম,
- সাঁওতাল রমণী,
- মনপুরা ৭০,
- ম্যাডোনা ৪৩,
- ঝড়,
- কাক,
- নৌকা।
• তার সকল চিত্রকর্ম ময়মনসিংহের কর্মশালায় সংগ্রহ করা আছে।

উৎস: বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন।

১,০৩০.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ পিট কয়লাক্ষেত্র কোনটি?
  1. ক) হাকালুকি হাওর
  2. খ) টাঙ্গুয়ার হাওর
  3. গ) ভাগিয়াচান্দা বিল
  4. ঘ) চলন বিল
ব্যাখ্যা
• দেশের অন্যতম বৃহৎ হাওর হাকালুকিতে ২০০ মিলিয়ন টনের বেশি পিট কয়লা মজুত রয়েছে।
- এটি দেশের সর্ববৃহৎ পিট কয়লাক্ষেত্র। 
- মৌলভীবাজারের জুড়ী, কুলাউড়া ও বড়লেখা এবং সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ ও গোলাপগঞ্জ উপজেলাজুড়ে হাকালুকি হাওরের বিস্তৃতি।
- এর আয়তন প্রায় ২৮ হাজার হেক্টর।
- হাকালুকি হাওরে ২০০ মিলিয়ন টনের বেশি পিট কয়লা মজুত আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে
- যার বাজারমূল্য এক হাজার কোটি টাকার বেশি।
- সেখানকার পিট কয়লার বয়স পাঁচ থেকে আট হাজার বছর হবে।
- হাওরের অন্তত ১০০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে পিট কয়লা মজুত রয়েছে বলে তাঁদের ধারণা।
- হাকালুকির পিট কয়লা ৩০ মেগাওয়াটের তিনটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের কমপক্ষে ১০০ বছরের জ্বালানির চাহিদা মেটাতে সক্ষম।
- এর আগে ফরিদপুরের ভাগিয়াচান্দা বিলে জরিপ চালিয়ে প্রায় ১০০ মিলিয়ন টন পিট কয়লার মজুত পাওয়া যায়।

সূত্র:  ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর ও প্রথম আলো।
১,০৩১.
দেশের প্রথম ওষুধ পার্ক কার অধীনে ?
  1. শিল্প মন্ত্রণালয়
  2. স্বাস্থ্য মন্ত্রাণালয়
  3. ভূমি মন্ত্রাণালয়
  4. অর্থ মন্ত্রাণালয়
ব্যাখ্যা
- দেশের প্রথম ওষুধ পার্ক (নির্মানাধীন) মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়ায় অবস্থিত।
- ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে ২০০৮ সালে সরকার এই শিল্প পার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়।
- শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০০ একর জমিতে গড়ে ওঠছে এই প্রকল্পটি।

[ সুত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন]
১,০৩২.
"রেনউইক যজ্ঞেশ্বর অ্যান্ড কোম্পানি" কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) যশোর
  2. খ) খুলনা
  3. গ) নাটোর
  4. ঘ) কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন (বিএসএফআইসি) ১৬টি কোম্পানি পরিচালনা করে যার মধ্যে ১৫টি চিনিকল এবং একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি, রেনউইক যজ্ঞেশ্বর অ্যান্ড কোম্পানি।
- চিনিকলগুলোর প্রয়োজনীয় নানা যন্ত্রাংশ তৈরির একমাত্র ভারি প্রতিষ্ঠান রেনউইক যজ্ঞেশ্বর অ্যান্ড কোম্পানি।
- এটি কুষ্টিয়া সদরে অবস্থিত। 
- গড়াই নদীর পাড়ে ১৮৮১ সালে ৩৯ দশমিক ৯৬ একর জায়গার উপর স্থাপিত হয় যজ্ঞেশ্বর ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ। 
- দেশভাগের পর প্রতিষ্ঠানটি রেনউইক যজ্ঞেশ্বর অ্যান্ড কোম্পানি নামে পরিচিতি লাভ করে। সরকারি মালিকানাধীন এই কারখানায় চিনিকলগুলোর জন্য মেশিন ও ২৯ ধরনের যন্ত্রাংশ তৈরি করা হয়।
 
উৎস: বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন ওয়েবসাইট, একুশে টিভি 
 
১,০৩৩.
দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের সর্বাধিক ব্যবহার কোন খাতে হয়?  [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]
  1. বিদ্যুৎ উৎপাদন
  2. গৃহস্থালি
  3. শিল্প
  4. সার উৎপাদন
ব্যাখ্যা

• প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার:
-  বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাস সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে।

- জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের হিসাব মতে, প্রাকৃতিক গ্যাস সর্বোচ্চ ব্যবহারের কয়েকটি খাত হচ্ছে –
- বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার: ৩৭২.৩ বিলিয়ন ঘনফুট (৪১.০০%),
- শিল্পখাতে ব্যবহার: ১৭০.৪ বিলিয়ন ঘনফুট (১৯.০০%),
- ক্যাপটিভ: ১৪৯.৮ বিলিয়ন ঘনফুট (১৭%),
- গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার: ৯৭.৮ বিলিয়ন ঘনফুট। (১১.০০%)।

উল্লেখ্য,
- পেট্রোবাংলার তথ্যমতে দেশে গ্যাসক্ষেত্র ২৯টি।
- উত্তোলনরত ২০টি, উৎপাদনে যায়নি ৪টি, এবং উৎপাদন স্থগিত রয়েছে ৫টি।
- উত্তোলনযোগ্য, প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা।
- প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস।

তথ্যসূত্র:  i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
ii) প্রথম আলো।

১,০৩৪.
দেশ গার্মেন্টস কোন দেশের কোম্পানির সঙ্গে যৌথভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. দক্ষিণ কোরিয়া
  2. জাপান
  3. চীন
  4. থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা

দেশ গার্মেন্টস দক্ষিণ কোরিয়ার দেউও (Daewoo) কোম্পানির সঙ্গে যৌথভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
-----------------------------
দেশ গার্মেন্টস:
- ১৯৭৭ সালে মোঃ নুরুল কাদেরের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশ গার্মেন্টস বাংলাদেশের প্রথম ১০০% রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক কারখানা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮০ সালে এটি উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করে।
- কোম্পানির প্রধান কারখানা চট্টগ্রামের কালুরঘাট শিল্প এলাকায় স্থাপিত।

- দক্ষিণ কোরিয়ার দেউও (Daewoo) কোম্পানির সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি হয় এই কারখানা। 
- কারখানাটি দেশে প্রথম আধুনিক পোশাক উৎপাদনের প্রযুক্তি নিয়ে আসে।
- এছাড়া, ১৯৭৮ সালে দেশ গার্মেন্টস দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মী পাঠিয়েছিলো পোশাক ব্যবসা সম্পর্কে জানার জন্য, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম। 
- দেশ গার্মেন্টস বাংলাদেশের প্রথম পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে গড়ে ওঠে এবং বিভিন্ন পুরস্কারও পায়।
- এটি আমেরিকা ও কানাডায় সবচেয়ে বেশি কোটাধারী কোম্পানি হিসেবে পরিচিত।
- বর্তমানে দেশ গার্মেন্টস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত এবং আধুনিক ব্যবস্থাপনা ব্যবহারের জন্য সুপরিচিত।

উৎস: দেশ গার্মেন্টসের ওয়েবসাইট। 

১,০৩৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র -
  1. জার্মানি
  2. পোল্যান্ড
  3. বেলজিয়াম
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
রপ্তানি:

- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৭.৩৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১৩.২৩%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ৯.৫৭%।
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১,০৩৬.
তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে বঙ্গোপসাগরকে কয়টি ব্লকে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ২০টি
  2. ২২টি
  3. ২৬টি
  4. ৩০টি
ব্যাখ্যা
- জ্বালানি বিভাগ ও পেট্রোবাংলা উৎসে জানা গেছে, বঙ্গোপসাগরের অগভীর ও গভীর অংশকে মোট ২৬টি ব্লকে ভাগ করা হয়েছে।
- এর মধ্যে অগভীর অংশে ব্লক ১১টি, আর গভীর সমুদ্রে ব্লক ১৫টি।
- ঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করেছে রাষ্ট্রীয় কোম্পানি পেট্রোবাংলা।
- এতে অংশ নিতে বিশ্বের শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক কোম্পানি ইতিমধ্যে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
- ৫৫টি কোম্পানিকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে পেট্রোবাংলা।
- ২০১২ সালে ভারতের সঙ্গে ও ২০১৪ সালে মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা-বিরোধ নিষ্পত্তি হয়।
- এখন গভীর সমুদ্রে ১৫টি ও অগভীর সমুদ্রে ১১টি ব্লক আছে।

সূত্র- পেট্রোবাংলার ওয়েবসাইট। 
১,০৩৭.
২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রেরণে দ্বিতীয় শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. গ) মালয়েশিয়া
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
- ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট ২৪.৭৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। দেশ অনুযায়ী রেমিট্যান্স প্রবাহের শীর্ষ উৎস:
- প্রথম : সৌদি আরব (৫৭২.১৪ কোটি ডলার)
- দ্বিতীয় : যুক্তরাষ্ট্র (৩৪৬.১৬ কোটি ডলার)
- তৃতীয় : সংযুক্ত আরব আমিরাত (২৪৩.৯৯ কোটি ডলার)
- চতুর্থ : যুক্তরাজ্য (২০২.৩৬ কোটি ডলার)
- পঞ্চম : মালয়েশিয়া (২০০.২৩ কোটি ডলার)
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক)
১,০৩৮.
বাংলাদেশের শেয়ার বাজার কয়টি?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৫টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা
স্টক এক্সচেঞ্জ:
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের পুঁজি বাজার পরিচালনা করে বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ কিমিশন বা Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে শেয়ার বাজার দুইটি।
• একটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ।
• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।

⇒ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৯৫৪ সালে।
- কার্যক্রম শুরু করে: ১৯৫৬ সালে।

⇒ চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:
- অনুমোদন পায়: ১২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৫ সালে।
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়।

তথ্যসূত্র- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।
১,০৩৯.
বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি কোথায় অবস্থিত?
  1. পোড়াবাড়ী, গাজীপুর
  2. শিমুলতলী, গাজীপুর
  3. তেজগাঁও, ঢাকা
  4. আনোয়ারা, চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি: 
- বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড হলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
- এটি গাজীপুরের শিমুলতলীতে অবস্থিত।
- বিএমটিএফ-এ রয়েছে ১৯টি কার্যকরী কারখানা।
- সেনাবাহিনী প্রধান এর বোর্ড চেয়ারম্যান ।
- সেনাবাহিনী প্রধান বোর্ড চেয়ারম্যান এবং একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালক দ্বারা পরিচালিত হয়।

উৎস: বিএমটিএফ ওয়েবসাইট।

১,০৪০.
ইউরোপে বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের দ্বিতীয় বৃহৎ বাজার-
  1. ফ্রান্স
  2. স্পেন
  3. জার্মানি
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
ইউরোপে বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বৃহৎ বাজার হলো জার্মানি।
গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে জার্মানিতে বাংলাদেশ মোট ৪৭৯.৩০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের তৈরি পোশাক রপ্তানি করে।
ইউরোপে দ্বিতীয় বৃহৎ বাজার হলো যুক্তরাজ্য (৩১৭.২৩ কোটি ডলার)। তৃতীয় স্পেন (২০২ কোটি ডলার)। গত অর্থবছরে ইউরোপে মোট রপ্তানির পরিমাণ ছিলো ২১.১৩ বিলিয়ন ডলার।
[সূত্র: বিজিএমইএ]
১,০৪১.
বর্তমানে বাংলাদেশে সংরক্ষিত শিল্প কয়টি?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের শিল্পনীতি-২০১৬ তে চারটি শিল্পকে সংরক্ষিত শিল্প ঘোষণা করা হয়েছে।
এগুলো হলোঃ
- অস্ত্রশস্ত্র ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি (সমরাস্ত্র শিল্প)
- পারমাণবিক শক্তি
- সিকিউরিটি প্রিন্টিং ও টাকশাল এবং
- বনায়ন ও সংরক্ষিত বনভূমির সীমানায় যান্ত্রিক আহরণ
• এগুলো সরাসরি রাষ্ট্রীয় মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়।



উৎসঃ বাংলাদেশ শিল্পনীতি-২০১৬।

১,০৪২.
বাংলাদেশে নির্মিত প্রথম রেললাইন কোনটি?
  1.  দর্শনা -  জগতি রেললাইন
  2.  আখাউড়া -  জগতি রেললাইন
  3. লাকসাম জংশং - চাদঁপুর রেললাইন
  4.  গুনবতী - সীতাকুন্ড রেললাইন
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে রেলওয়ের সূচনা হয় ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর দর্শনা- জগতি রেললাইন নির্মাণের মাধ্যমে।
- ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ রেলওয়ে অথরিটি (বিআরএ)গঠন করা হয়।
- বাংলাদেশ রেলওয়ের ২৮৭৭ কিঃমিঃ রেল লাইন নেটওয়ার্ক দেশের ৪৪ টি জেলায় সংযুক্ত। (এপ্রিল ২০২৫)
- রেলপথ মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়- ২০১১ সালে
-বাংলাদেশে মোট ৪৭০ টি রেলওয়ে স্টেশন আছে। 
- বাংলাদেশে মোট ৩ ধরনের রেলপথ আছে।
১. ব্রডগেজ ২. মিটারগেজ ৩. ডুয়েল গেজ।

উৎস: বাংলাদেশ রেলপথ মন্ত্রনালয়।

১,০৪৩.
বাংলাদেশে আবিস্কৃত মোট কয়লা ক্ষেত্র কয়টি?  [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ৪টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে মোট ৫টি কয়লা ক্ষেত্র বিদ্যমান: বড়পুকুরিয়া, দীঘিপাড়া, ফুলবাড়ি, খালাশপীর ও জামালগঞ্জ। 

» কয়লা ক্ষেত্র:
- বাংলাদেশে আবিস্কৃত মোট কয়লা ক্ষেত্র ৫টি।  
- ১৯৬২ সালে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জে দেশের সর্বপ্রথম কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- দেশে একমাত্র দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলিত হচ্ছে।
- গভীরতা বেশি হওয়ায় জামালগঞ্জ খনি থেকে এখনো কয়লা উত্তোলন শুরু হয়নি।

» দেশের কয়লা খনিসমূহ হলো:
• ফুলবাড়ী: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৯।
• খালাসপীর: রংপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: বি.এইচ.পি মিনারেলস, ১৯৯৭।
• জামালগঞ্জ: আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জয়পুরহাট, জিএসবি, ১৯৬২।
• বড়পুকুরিয়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৫।
• দীঘিপাড়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৯৫।


তথ্যসূত্র: খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।

১,০৪৪.
নিচের কোনটি সরকারি নোট?
  1. দশ টাকা
  2. দুই টাকা
  3. পঞ্চাশ টাকা
  4. বিশ টাকা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে প্রচলিত সরকারি নোট ৩টি।
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট। 
- এসব নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে। 
- এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

• বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
১,০৪৫.
বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
  2. খ) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
  3. গ) ১০ জানুয়ারি ১৯৭২
  4. ঘ) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার-১৯৭২ এর অধীনে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত। প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরও দশটি শাখা রয়েছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান ১১তম গভর্নর ফজলে কবীর।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১,০৪৬.
বিকেএমইএ (BKMEA) কোন খাতের প্রতিনিধিত্ব করে?
  1. চামড়া খাত
  2. নিটওয়্যার খাত
  3. ইলেকট্রনিক্স খাত
  4. কৃষি খাত
ব্যাখ্যা

• BKMEA :
- The Bangladesh Knitwear Manufacturers & Exporters Association (BKMEA), একটি শীর্ষ বাণিজ্য সংস্থা হিসেবে, বাংলাদেশের নিটওয়্যার খাতের প্রতিনিধিত্ব করে।
- বিকেএমইএ ১৯৯৬ সালে একদল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, 
- বর্তমানে প্রায় ২৫৪০টি নিটওয়্যার সদস্য কারখানার প্রতিনিধিত্ব করে। 
- এটি বিশ্ব পোশাক বাজারে বাংলাদেশের নিটওয়্যার খাতের প্রচার ও অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

উৎস: বিকেএমই অফিসিয়াল ওয়েব সাইট।

১,০৪৭.
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে কয়টি সংস্থা রয়েছে?
  1. ক) ৮
  2. খ) ১০
  3. গ) ১২
  4. ঘ) ১৫
ব্যাখ্যা

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/দপ্তরঃ মোট ১২টি
১. বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন
২. রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো
৩. ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ
৪. জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর
৫. যৌথ মূলধনী কোম্পানী ও ফার্মস্ নিবন্ধক
৬. আমদানি - রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ অফিস
৭. বাংলাদেশ চা বোর্ড
৮. বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইসস্টিটিউট
৯. বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল
১০. দি ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টস্ অব বাংলাদেশ
১১. দি ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড একাউন্ডস্ অব বাংলাদেশ
১২. ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ
উৎসঃ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট

১,০৪৮.
ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানায় উৎপন্ন হয় -
  1. ক) ইউরিয়া ও অ্যামোনিয়াম সালফেট
  2. খ) ফসফরাস
  3. গ) ইউরিয়া
  4. ঘ) ইউরিয়া ও ফসফরাস
ব্যাখ্যা
ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানায় উৎপন্ন হয় - ইউরিয়া ও অ্যামোনিয়াম সালফেট।

• ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা:

- সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইগাঁও ইউনিয়নে অবস্থিত।
- ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ (ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা) এটি এশিয়ার প্রথম সার কারখানা।
- ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা হতে প্রায় ০৫ কিলোমিটার দক্ষিণে সিলেট-মৌলভীবাজার হাইওয়ে রোডের পূর্ব দিকে হাইওয়ে রোড হতে ০১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

- দেশের প্রথম ও সর্ববৃহৎ সার কারখানা হচ্ছে ফেঞ্চুগঞ্জ সারকারখানা।
- এই কারখানাটি ১৯৬১ সালে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইগাঁও ইউনিয়নের অবস্থিত।
- এই কারখানাটিতে ১৯৬৯ সালে এ্যামোনিয়াম সালফেট পস্ন্যান্টটি স্থাপন করা হয়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ১,০৬,০০০ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র: ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ওয়েবসাইট।
১,০৪৯.
বাংলাদেশ একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করে-
  1. ক) পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
  2. খ) ভোজ্যতৈল জাতীয় পণ্য
  3. গ) স্টেপল ফাইবার জাতীয় পণ্য
  4. ঘ) মূলধনী যন্ত্রসামগ্রী
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করে পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সুতা এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ সার।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় তুলা এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গম।

উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
১,০৫০.
বাংলাদেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল কোনটি?
  1. কুড়িগ্রাম বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
  2. বেজা অর্থনৈতিক অঞ্চল
  3. অর্থনৈতিক অঞ্চল কুমিল্লা
  4. জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
ব্যাখ্যা
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল:
- দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- এটি চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুন্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত।
- এই শিল্পনগরের আয়তন ৩৩ হাজার ৮০৫ একর।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলটি ১২টি পৃথক অঞ্চলে বিভক্ত।
- সেখানে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল, পোশাক (বিজিএমইএ) শিল্পপার্ক, ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল, এসবিজি (শিকদার, বসুন্ধরা ও গ্যাসমেন গ্রুপ) অর্থনৈতিক অঞ্চলের মতো আলাদা জোন রয়েছে।
- পুরো অর্থনৈতিক অঞ্চলটি চালু হলে আগামী ১৫ বছরের মধ্যে সেখানে ১৫ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে এবংংসেখান থেকে প্রতিবছর রপ্তানি আয় হবে ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার।

⇒ ২০১৬ সালে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল নামে এই শিল্পনগরের উদ্বোধন করা হয়।
- ২০১৮ সালে এটির নাম পাল্টে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর’ রাখা হয়।
- সম্প্রতি নভেম্বর, ২০২৪-এ ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর’-এর নাম পাল্টে নতুন নাম দেওয়া হয়েছে ‘জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল’।

উৎস: i) বেপজা ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১,০৫১.
বাংলাদেশে সংরক্ষিত শিল্প কোনটি?
  1. ক) পারমাণবিক শক্তি
  2. খ) সমরাস্ত্র শিল্প
  3. গ) সিকিউরিটি প্রিন্টিং ও টাকশাল
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের শিল্পনীতি- ২০১৬ এ তিনটি শিল্পকে সংরক্ষিত শিল্প ঘোষণা করা হয়েছে। এগুলো হলো সমরাস্ত্র শিল্প, পারমাণবিক শক্তি এবং সিকিউরিটি প্রিন্টিং ও টাকশাল। এগুলো সরাসরি রাষ্ট্রীয় মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। (সূত্রঃ বাংলাদেশ শিল্পনীতি - ২০১৬)
১,০৫২.
বাংলাদেশের বৃহত্তম রেলসেতুর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৩.৫ কিমি
  2. ৬.১ কিমি
  3. ৫.২ কিমি
  4. ৪.৮ কিমি 
ব্যাখ্যা

যমুনা রেলসেতু

- ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন রেলসেতু নির্মাণের প্রকল্প নেওয়া হয় ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে।
- প্রকল্পের নকশা প্রণয়নসহ সেতুর নির্মাণ ব্যয় প্রথমে ধরা হয়েছিল ৯ হাজার ৭৩৪ কোটি ৭ লাখ টাকা।
- ২০২৩ সালের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা ছিল।
- পরে ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি ৯৬ লাখ টাকা।
- প্রকল্পের শুরুতে এই সেতুর নাম ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু।
- অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত বছরের ডিসেম্বরে সেতুর নাম পাল্টে যমুনা রেলসেতু রাখা হয়।
- নতুন রেলসেতু ৫০টি পিলারের ওপর ৪৯টি স্প্যানে নির্মিত হয়েছে।
- এই সেতুতে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচল করতে পারবে।
- রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, তারা সর্বোচ্চ ১০০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচল নির্ধারিত করে দিয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।

১,০৫৩.
২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশে বিনিয়োগের শীর্ষ খাত কোনটি?
  1. ক) পাওয়ার
  2. খ) ব্যাংকিং
  3. গ) টেলিকমিউনিকেশন
  4. ঘ) টেক্সটাইল
ব্যাখ্যা
গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশে নীট বিনিয়োগের পরিমাণ ২৩৭০.৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
বিনিয়োগের শীর্ষ খাত সমূহ:
প্রথম - পাওয়ার
দ্বিতীয় - ব্যাংকিং
তৃতীয় – টেক্সটাইল।
শীর্ষ বিনিয়োগকারী দেশসমমূহ:
প্রথম - ‍যুক্তরাজ্য
দ্বিতীয় – যুক্তরাষ্ট্র
তৃতীয় – নরওয়ে।
(সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১,০৫৪.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হাওর এলাকার উপযোগী ধানের কোন জাতটি ইন্দোনেশিয়া থেকে এদেশে প্রবর্তন করেছে?
  1. ক) ময়না
  2. খ) মোহিনী
  3. গ) মঙ্গল
  4. ঘ) শাহীবালাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের হাওর এলাকার উপযোগী বলে এ জাতটি ইন্দোনেশিয়া থেকে এদেশে প্রবর্তন করেছে। এটি ১৯৮৫ সনে বোরো মৌসুমে চাষাবাদের জন্য বিআর ১৯ নামে জাতীয় বীজ বোর্ডের অনুমোদন লাভ করে। এ জাতের জনপ্রিয় নাম মঙ্গল। এটি হাওর অঞ্চলের ধান।
[সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)]
১,০৫৫.
বাংলাদেশ রেলওয়ের সর্ববৃহৎ কারখানা কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. ঢাকা
  3. সৈয়দপুর
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
- মূলত রেলওয়ে কারখানাকে কেন্দ্র করে সৈয়দপুর শহরের গোড়া পত্তন হয়েছিল।
- এ রেলওয়ে কারখানাটি ১৮৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- কারখানাটি ১৮৭০ সালে ১১০ একর জমির ওপর নির্মিত। 
- দেশের বৃহত্তম সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা। 
- এখানে মঞ্জুরিকৃত পদের বিপরীতে ৬০-৭০ ভাগ শূন্য।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
দৈনিক জনকণ্ঠ।
১,০৫৬.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. যশোর 
  2. ব্রাহ্মণবাড়িয়া 
  3. সিলেট 
  4. লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা

বেনাপোল স্থল বন্দর:
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থল বন্দর বেনাপোল স্থল বন্দর।
- বেনাপোল স্থল বন্দর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বেনাপোল সীমান্তে অবস্থিত।
- মোট ৮৬.৬৮ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- স্থলবন্দরটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি/রপ্তানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হিসেবে কাজ করে।।
- বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ তল্লাশী ঘাঁটি ও আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর হিসেবে পরিচিত।
- দেশের স্থল বাণিজ্যের প্রায় ৯০% এ বন্দরের মাধ্যমে হয়ে থাকে।

⇒ বিভিন্ন স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।
- বিবিরবাজার স্থলবন্দর: কুমিল্লা।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

১,০৫৭.
চলতি অর্থবছরের বাজেটে ঘাটতি জিডিপির কত শতাংশ?
  1. ক) ৫.৬ শতাংশ
  2. খ) ৫.৯ শতাংশ
  3. গ) ৬.২ শতাংশ
  4. ঘ) ৬.৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে অনুদান ব্যতীত মোট ঘাটতির পরিমাণ ২,১৪,৬৮১ কোটি টাকা যা জিডিপির ৬.২ শতাংশ।
- অনুদানসহ ঘাটতি ২,১১,১৯১ কোটি টাকা যা জিডিপির ৬.১ শতাংশ।
- চলতি বাজেটে বৈদেশিক অনুদানের পরিমাণ ৩,৪৯০ কোটি টাকা।
(তথ্যসূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
১,০৫৮.
বাংলাদেশের সর্বাধিক রফতানিকৃত পণ্য - (অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪)
  1. পাট ও পাটের পণ্য
  2. ঔষধ
  3. সফটওয়্যার
  4. তৈরি পোশাক
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৮.৩৫% বা ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৈরি পোশাক: ৩৭.১০%।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নীটওয়‍্যার ও তৈরি পোশাক পণ্যের রপ্তানি আয় ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

অন্যদিকে,
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.২৫%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- 'শিল্পজাত পণ্য'- এর অবদান/রপ্তানির হার; ৯৭.৩৭%।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: 'কৃষিজাত পণ্য' (১.৩৯%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: হিমায়িত খাদ্য' (০.৭১%)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,০৫৯.
রংপুর জেলার রাণীপুকুর ও পীরগঞ্জে কোন খনিজ আবিষ্কৃত হয়েছে?
  1. ক) চুনাপাথর
  2. খ) কয়লা
  3. গ) চীনামাটি
  4. ঘ) তামা
ব্যাখ্যা
• রংপুর জেলার রাণীপুকুর ও পীরগঞ্জে খনিজ কয়লা আবিষ্কৃত হয়েছে।
- কয়লা এক প্রকার জীবাশ্ম জ্বালানি।
- গাছপালা দীর্ঘদিন ধরে মাটির তলায় চাপা পড়ে থাকার ফলে ধীরে ধীরে তা কালো বা গাঢ় বাদামি বর্ণের খনিজ পদার্থের রূপ ধারণ করে যা কয়লা নামে পরিচিত।

সূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।
 
১,০৬০.
বাংলাদেশে প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় -
  1. গম
  2. তৈলবীজ
  3. তুলা
  4. চাল
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

আমদানি পরিস্থিতি:

- ২০২৩-২৪ (জুলাই – ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।

⇒ সার্বিক আমদানি পরিস্থিতি (সাময়িক):
ক) প্রধান প্রাথমিক পণ্য
১. তুলা: ২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

খ) প্রধান শিল্পজাত পণ্যসমূহ
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,২৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সার: ২,০৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সুতা: ২,০৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ১,৪১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ৯৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬. ক্লিংকার: ৬২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

⇒ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,০৬১.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স প্রাপ্তি পূর্ববর্তী অর্থবছরের তুলনায় কত শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে?
  1. প্রায় ১৫%
  2. প্রায় ২৭%
  3. প্রায় ৩৭%
  4. প্রায় ৪৪%
ব্যাখ্যা

রেমিট্যান্স প্রাপ্তি:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসী বাংলাদেশিরা রেমিট্যান্স হিসেবে ৩০.৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন, যা দেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ পরিমাণ রেমিট্যান্স।
- এটি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ২৩.৯১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ২৬.৮০ শতাংশ বা প্রায় ২৭ শতাংশ বেশি।
- এছাড়া এটি পূর্ববর্তী রেকর্ড  ২০২০-২১ অর্থবছরের ২৪.৭৭ বিলিয়ন ডলারকেও ছাড়িয়ে গেছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।

১,০৬২.
বাংলাদেশ সর্বাধিক পরিমাণ অর্থের পণ্য আমদানি করে কোন দেশ থেকে? [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. জাপান
  2. ভুটান
  3. চীন
  4. ভারত
ব্যাখ্যা

দেশভিত্তিক আমদানির চিত্র:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিভাগের তথ্য মতে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের আমদানির ৫টি দেশভিত্তিক চিত্র নিম্নরূপ:
- চীন: ২০৫২২(৩০.০২%);
- ভারত ৯৬৯৩( ১৪.১৮%);
- যুক্তরাষ্ট্র: ২৫০৬ (৩.৬৭%);
- সিঙ্গাপুর: ২২৬৮( ৩.৩২%) ;
- জাপান ১৯৬৮ (২.৮৮%) ;

উল্লেখ্য
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – তুলা, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ – গম।
 
উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

১,০৬৩.
পায়রা সমুদ্র বন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বাগেরহাট
  2. খুলনা
  3. পটুয়াখালী
  4. কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
• পায়রা বন্দর: 
- বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর পায়রা।
- পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ চ্যানেলের তীরে অবস্থিত।
- ১৩ আগস্ট ২০১৬ সালে সীমিত পরিসরে পায়রা বন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়।
- সেপ্টেম্বর ২০১৯ থেকে নিয়মিতভাবে কয়লা ও অন্যান্য পণ্যবাহী জাহাজ এই বন্দরে আগমন করছে।
- নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রতিষ্ঠান রয়েল হাসকনিংডিএইচভি এর মাধ্যমে বন্দরের মাস্টার প্ল্যান প্রস্তুত হয়েছে।
- রাবনাবাদ চ্যানেলে মূল খনন (ক্যাপিটাল ড্রেজিং) চলছে।
- চ্যানেলটি -১০.৫ মিটার চার্ট ডাটাম (CD) পর্যন্ত গভীর করা হবে,
- যাতে প্যানামাক্স (PANAMAX) আকারের জাহাজ ভিড়তে পারে।

উল্লেখ্য, 
- চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের প্রধান সামুদ্রিক বন্দর।
- এটি কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- ইংরেজ শাসনের প্রথম দিকে ইংরেজ ও দেশীয় ব্যবসায়ীরা বার্ষিক এক টাকা সেলামির বিনিময়ে নিজ ব্যয়ে কর্ণফুলি নদীতে কাঠের জেটি নির্মাণ করেন।
- ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দে প্রথম দুটি অস্থায়ী জেটি নির্মিত হয়।
- ১৯৫৪ সালের ২০শে জুন মোংলা বন্দর নামকরন করা হয়।
- ১৯৮৭ সালের মার্চ মাসে এটি নাম পরিবর্তনপূর্বক "মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ” হিসেবে যাত্রা শুরু করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,০৬৪.
বর্তমানে বাংলাদেশে বৃহত্তম রপ্তানীমুখী শিল্প কোনটি?
  1. ক) ঔষধ শিল্প
  2. খ) পােশাক শিল্প
  3. গ) পাট শিল্প
  4. ঘ) সিরামিক শিল্প
ব্যাখ্যা
⇨ বাংলাদেশের তৈরি পােশাক খাত তৈরি পােশাক’ ও ‘নীটওয়্যার’ - ইত্যাদি কয়েক ধরনের রপ্তানি পণ্যের সমন্বয়ে গঠিত।
⇨ ২০২১-২২ অর্থবছরে তৈরি পােশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় - ২৭,৪৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৭.৪৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মােট রপ্তানি আয়ের - ৮১.২৫% (নীটওয়্যার- ৪৪.৫৩% ও তৈরি পােশাক - ৩৬.৭২%)।
⇨ অর্থাৎ, রপ্তানি আয়ে তৈরি পােশাক খাতের অবদান - ৮১.২৫%।
⇨ এই খাতের বাইরে শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে - পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (৬৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
⇨ রপ্তানিতে প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ৪.১৫% এবং ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার - ৯৫.৮৪%।
⇨ প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে - “হিমায়িত খাদ্য’।
⇨ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে - ‘কৃষিজাত পণ্য।   

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
১,০৬৫.
বাংলাদেশের প্রথম LNG টার্মিনাল কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়
  2. কক্সবাজারের মহেশখালীতে
  3. পটুয়াখালীর কুয়াকাটায়
  4. বাগেরহাটের মংলায়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম LNG টার্মিনাল:
- Excelerate Energy Bangladesh Limited (EEBL) কর্তৃক স্থাপিত MLNG টার্মিনাল।
- চুক্তি স্বাক্ষর : ১৮ জুলাই, ২০১৬।
- বাস্তবায়ন : Build Own Operate and Transfer (BOOT) ভিত্তিতে।
- অবস্থান : কক্সবাজারের মহেশখালীতে।
- Floating Storage Re-gasification Unit (FSRU) এর নাম : Excellence।
- আকার: দৈর্ঘ্যে ২৭৭ মিটার, প্রস্থে ৪৪ মিটার এবং ড্রাফট ১২.৫ মিটার।
- ধারনক্ষমতা: ১৩৮,০০০ ঘনমিটার।
- রিগ্যাসিফিকেশন ক্যাপাসিটি: ৫০০ এমএমএসসিএফডি।
- চুক্তির মেয়াদ : ১৫ বছর (২০১৮-২০৩২)।
- গ্যাস সরবরাহ শুরু: ১৯ আগষ্ট, ২০১৮।
- শুরু থেকে ৩১ জানুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহের পরিমান: ৫৯৭,৭৮৬.৭১ এমএমএসসিএফ।
- টার্মিনাল হস্তান্তর: ১৫ বছর পর কোন ধরনের চার্জ গ্রহন ব্যাতিত FSRU টি EEBL পেট্রোবাংলার নিকট হস্তান্তর করবে।

উৎস: রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানী লিমিটেড।
১,০৬৬.
বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল -
  1. সৌদি আরব
  2. কুয়েত
  3. ওমান
  4. জর্দান
ব্যাখ্যা
[এটি পরিবর্তনশীল তথ্য। পরিবর্তনশীল তথ্যগুলো অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য থেকে দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল:

- বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য মতে, বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সবচেয়ে বড় গন্তব্যস্থল মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো।
- এর মধ্যে অভিবাসী নারী শ্রমিকরা সবচেয়ে বেশি যান সৌদি আরবে।
- মোট নারী অভিবাসীর ৬৬ শতাংশের গন্তব্য হলো সৌদি আরব।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ থেকে ২০২৪ সালে মোট ১০ লাখ ১১ হাজার ৮৫৬ জন কর্মী বিদেশে গেছেন, যা বার্ষিক হিসাবে দেশের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ।
- ২০২৪ সালে দেশে আসা রেমিট্যান্সের পরিমাণও রেকর্ড ২৬ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
- বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য থেকে এসব জানা গেছে।
- তথ্য মতে, টানা তিন বছর ১০ লাখের বেশি করে কর্মী বিদেশে পাঠিয়ে রেকর্ড অর্জন করেছে বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থান খাত।
- ২০২৪ সালে সৌদি আরব সর্বোচ্চ ৬ লাখ ২৮ হাজার বাংলাদেশি কর্মী নিয়েছে, যা একক বছরে কোনো দেশের জন্য সর্বোচ্চ সংখ্যা।
 ২০২৪ সালে ৯০ শতাংশ কর্মী গেছেন মাত্র ছয়টি দেশে।
- এগুলো হচ্ছে- সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, কাতার, সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জর্ডান।



উৎস: BMET ওয়েবসাইট। [link]
১,০৬৭.
বাংলাদেশের বিগত অর্থবছরের তুলনায় রপ্তানি প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ক) ৫.৬%
  2. খ) ৮.৬৫%
  3. গ) ১২.৯৮%
  4. ঘ) ১৪.২৩%
ব্যাখ্যা

২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় - ২৭,৫৬৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার;
যা আগের বছরের তুলনায় ১২.৯৮% বেশি।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

১,০৬৮.
বাংলাদেশের কোন সম্পদকে White gold বলা হয়? 
  1. পাট
  2. চিংড়ি
  3. ইলিশ
  4. ধান 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের চিংড়ি সম্পদকে White gold বলা হয়। 
---------------- 
• চিংড়ি সম্পদ:
- বৃহত্তর খুলনা অঞ্চল—বিশেষ করে খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা—চিংড়ি চাষের জন্য খুবই প্রসিদ্ধ।
- উপকূলীয় ও লোনা পানির উপযোগী ভৌগোলিক পরিবেশ থাকার কারণে এখানে ব্যাপক হারে চিংড়ি চাষ সম্ভব হয়েছে। 
- বাংলাদেশ বিদেশে প্রচুর পরিমাণে চিংড়ি রপ্তানি করে উল্লেখযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- এটি দেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি পণ্য এবং জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
- আন্তর্জাতিক বাজারে বাগদা ও গলদা চিংড়ির ব্যাপক চাহিদা ও উচ্চ মূল্য থাকায় এ খাত অত্যন্ত লাভজনক। 
- বিশেষ করে খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরাসহ উপকূলীয় অঞ্চলে চিংড়ি শিল্প হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে।
- এ কারণেই চিংড়িকে ‘সাদা সোনা’ বা ‘হোয়াইট গোল্ড’ বলা হয়।
- এছাড়া কাঁচা চিংড়ির সাদাটে বা স্বচ্ছ রঙের কারণেও একে ‘সাদা সোনা’ বলা হয়।
- বাণিজ্যিক দিক থেকে অত্যন্ত মূল্যবান ও লাভজনক হওয়ায় চিংড়ি শিল্পকে খনিজ সোনার সঙ্গে তুলনা করা হয়।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা [লিঙ্ক]। 

১,০৬৯.
ভোলা ইকো-ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিক জোনে বিনিয়োগ করছে কোন দেশ? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. জাপান
  2. চীন
  3. ভারত
  4. দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা

ভোলা ইকো-ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিক জোন:
- চীনা প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ভোলা জেলায় নতুন একটি বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
- ‘ভোলা ইকো-ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিক জোন’ নামক এ অর্থনৈতিক অঞ্চলটি নির্মাণ করবে চীনা ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান ‘লিজ ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিজ’।
- অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনে ইতোমধ্যে প্রাথমিক অনুমোদন বা প্রি-কোয়ালিফিকেশন লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে।
- এতে ব্যয় হবে প্রায় ১০০ কোটি ডলার।
- পরিকল্পনা অনুযায়ী এখানে প্রায় ৪০টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে।
- নতুন এই অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিপূর্ণভাবে চালু হলে তাতে কর্মসংস্থান হবে প্রায় এক লাখ লোকের।।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১,০৭০.
'নর্থবেঙ্গল পেপার মিল' অবস্থিত-
  1. ক) পাবনা
  2. খ) দর্শনা
  3. গ) নাটোর
  4. ঘ) বগুড়া
ব্যাখ্যা

- পাবনা জেলার পাকশিতে অবস্থিত নর্থবেঙ্গল পেপার মিল ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- উৎপাদন শুরু করে ১৯৬৯ সালে।
- ক্রমাগত লোকসানের জন্যে ৩০ ডিসেম্বর ২০০২ এটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
- এই পেপার মিলে কাঁচামাল হিসেবে উত্তরবঙ্গের চিনিকল সমূহ হতে প্রাপ্ত আখের ছোবড়া ব্যবহার করা হতো।
- কর্ণফুলী পেপার মিলে বাঁশ এবং
- খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলে সুন্দরবনের গেওয়া কাঠ ব্যবহৃত হয়।
- খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলও বর্তমানে বন্ধ।

উৎসঃ বিসিআইসি ওয়েবসাইট।

১,০৭১.
Which industry related organizations are Accord and Alliance?
  1. Garments
  2. Insurance
  3. IT
  4. Automobile
ব্যাখ্যা
- পোশাকশিল্পের অগ্নি এবং ভবন নিরাপত্তায় একর্ড ২০১৩ সালের ১৫ মে তারিখে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তি।
- পোশাকশিল্পের নিরাপত্তা বিধান ও কর্মপরিবেশের উন্নয়নে গঠিত হয় ইউরোপীয় ক্রেতাদের জোট অ্যাকর্ড ও আমেরিকার ক্রেতাদের জোট অ্যালায়েন্স।
- অ্যাকর্ড হল ২০টি দেশের ২০০ ক্রেতার জোট।
- তারা কারখানার অবকাঠামোগত নিরাপত্তার উন্নয়নে পোশাকশিল্প মালিকদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন এবং সহযোগিতা করেন।

তথ্যসূত্র - ডেইলী স্টার ও বিবিসি বাংলা পত্রিকার রিপোর্ট।
১,০৭২.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর কোথায় অবস্থিত?
  1. মিরসরাই
  2. ঈশ্বরদী
  3. সোনারগাঁও
  4. মংলা
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর:
- সরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলসমূহের মধ্যে চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুন্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় প্রায় ৩০,০০০ একর জমির উপর দেশের বৃহত্তম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর অবস্থিত।
- এ শিল্পনগরে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল, বিজিএমইএ গার্মেন্টস পার্ক, পিপিপি অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং এশিয়ান পেইন্টস, নিপ্পন- ম্যাকডোনাল্ড স্টিল, বিএসআরএমসহ ৫৬টি শিল্প প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে এ পর্যন্ত ৬,০৭৯ একর জমি বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। 
- এখানে প্রায় ৭ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। 
- সুবৃহৎ পরিসরের এ শিল্পনগরকে স্বয়ংসম্পূর্ণ বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বান্ধব বহুমাত্রিক শিল্প-বাণিজ্যের কেন্দ্রস্থল হিসেবে গড়ে তোলার জন্য পর্যায়ক্রমে সমুদ্র ও বিমান বন্দর, এলএনজি টার্মিনাল, বাণিজ্যিক কেন্দ্র নির্মাণসহ শিল্প ও বাণিজ্যের নিয়ামক সকল ধরনের সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করা হবে।

উল্লেখ্য,
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর বাস্তবায়নে মিঠা পানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে ডিস্যালাইনেশনের (পানির লবণাক্ততা দূরীকরণ) কথা ভাবছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)।
- ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নামা ও দূষণ, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে ফেনী নদী ও সাগরের পানির লবণাক্ততা বৃদ্ধি এবং হালদা নদী থেকে পানি সংগ্রহের প্রকল্প বাতিল হওয়ায় মিঠা পানির সরবরাহ নিয়ে সংকট তৈরি হয়েছে।
- এ সংকট মোকাবিলায় সমুদ্রের পানির লবণাক্ততা দূরীকরণের মাধ্যমে সমাধান খুঁজছে বেজা। 

উৎস: i) বেপজা ওয়েবসাইট।
         ii) ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৩, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
১,০৭৩.
বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানীকারক গার্মেন্টস-
  1. নোভা গার্মেন্টস
  2. রিয়াজ গার্মেন্টস
  3. ডিজি গার্মেন্টস
  4. ঢাকা অ্যাপারেল লিমিটেড
ব্যাখ্যা
রিয়াজ গার্মেন্টস:
- বর্তমানে মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি এই খাতটি থেকেই আসে।
- ১৯৭৮ সালের ২৮ জুলাই মোহাম্মদ রিয়াজউদ্দিন ১০ হাজার শার্ট ফরাসি ক্রেতা হলান্ডার ফ্রঁসের কাছে রপ্তানি করেন।
- শার্টের ওই চালানের ফরাসি মুদ্রায় দাম ছিল ১৩ মিলিয়ন ফ্রাঁ, বাংলাদেশি টাকায় যা ছিল ৪ লাখ ২৭ হাজার টাকা।
- সেটিই ছিল বাংলাদেশ থেকে প্রথম পোশাক রপ্তানি।
- রিয়াজ গার্মেন্টস দেশের প্রথম রপ্তানিকারক গার্মেন্টস।

- বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি টিকে না থাকলেও পোশাকশিল্পের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে মোহাম্মদ রিয়াজউদ্দিন ও তাঁর রিয়াজ গার্মেন্টসের নাম।

উৎস: প্রথম আলো।[লিঙ্ক]
১,০৭৪.
পণ্যের গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ করা কোন সংস্থার কাজ?
  1. Bangladesh Standards and Testing Institution 
  2. National Productivity Organization
  3. Bangladesh Sugar and Food Industries Corporation
  4. Bangladesh Fertilizers & Agro Chemicals Ltd. 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (BSTI):
- বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন হলো শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি সংস্থা।
- BSTI এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Standards and Testing Institution.
- এটি ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর ঢাকার তেজগাঁও এলাকায় অবস্থিত।
- BSTI এর কাজ হচ্ছে:
পণ্যের গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ করা;
• সেবা ও পণ্যের মান নিশ্চিতকরণ এবং
• ওজন ও পরিমাপের একক নির্ধারণ করা। 

উৎস: বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। 

১,০৭৫.
একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার কোনটি?
  1. জার্মানি
  2. চীন
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. জাপান
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার:
- একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ বিশ্বের বৃহৎ ভোক্তার বাজার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছে।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশটিতে ৮৭৬ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। তার বিপরীতে আমদানি করেছে ২৫০ কোটি ডলারের পণ্য।
- সেই হিসাবে দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের উদ্বৃত্ত বাণিজ্য ৬২৬ কোটি ডলার।

⇒ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের হিসাবে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ২০১টি দেশ ও অঞ্চলে মোট ৪ হাজার ৬৫৭ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
- এই রপ্তানির প্রায় ১৯ শতাংশের গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয় ৭৫৮ কোটি ৫০ লাখ ডলারের। তৈরি পোশাক ছাড়া অন্যান্য পণ্য রপ্তানি হয়েছে ১১৭ কোটি ৪৭ লাখ ডলারের। 

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্রের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি বেড়েছে জার্মানিতে। জার্মানিতে ২০২৪–২৫ অর্থবছরে রপ্তানি আয় ৫৩২ কোটি ডলার।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি নেদারল্যান্ডসে। রপ্তানি আয় ২৩৬ কোটি ডলার।
- যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও বাকি ১১টি দেশ হলো জার্মানি, যুক্তরাজ্য, স্পেন, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, হলান্ড, ভারত, ইতালি, কানাডা, জাপান ও ডেনমার্ক।





উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।

১,০৭৬.
মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী সিডিএ ফ্লাইওভার কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. ঢাকা
  3. কুমিল্লা
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী সিডিএ ফ্লাইওভার:
- চট্টগ্রাম নগরের প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নাম 'মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী সিডিএ ফ্লাইওভার'।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৪ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে গণভবন থেকে বন্দরনগরীর প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করেন।
- এক্সপ্রেসওয়েটি ৪ হাজার ২৯৮ কোটি ৯৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত।
- এই এক্সপ্রেসওয়ের দৈর্ঘ্য ১৫.২০ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৬.৫০ মিটার।

উল্লেখ্য,
- বঙ্গবন্ধু টানেলের সঙ্গে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সরাসরি সংযোগ স্থাপিত হওয়ার মাধ্যমে দক্ষিণ চট্টগ্রামের সঙ্গে চট্টগ্রাম শহরের নতুন সড়ক নেটওয়ার্ক সৃষ্টি হবে। 
- এর মাধ্যমে চট্টগ্রাম শহর থেকে যাত্রীরা মাত্র ২০ মিনিটে বিমানবন্দরে যাতায়াত করতে পারবে।
- এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে আখতারুজ্জামান চৌধুরী ফ্লাইওভারের সংযোগের ফলে উত্তর ও দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার মধ্যে সংযোগ স্থাপিত হওয়ার পাশাপাশি দক্ষিণ চট্টগ্রামের যানজট সমস্যা নিরসন হবে।

উৎস: ১৪ নভেম্বর ২০২৩, দৈনিক ইত্তেফাক।
১,০৭৭.
বাংলাদেশের সাথে কতটি দেশের যৌথ অর্থনৈতিক কমিশন রয়েছে?
  1. ক) ১৫টি
  2. খ) ১৭টি
  3. গ) ১৯টি
  4. ঘ) ২৭টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সাথে ১৭টি দেশ ও ১টি সংস্থার যৌথ অর্থনৈতিক কমিশন রয়েছে।
এগুলো হলোঃ
- সৌদি আরব
- নেপাল
- তুরস্ক
- ইরান
- ভারত
- চীন
- কুয়েত
- সংযুক্ত আরব আমিরাত
- রোমানিয়া
- পাকিস্তান
- শ্রীলঙ্কা
- মালয়েশিয়া
- ইন্দোনেশিয়া
- ভিয়েতনাম
- থাইল্যান্ড
- দক্ষিণ কোরিয়া এবং
- ফিলিপাইন
- ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন।
(তথ্যসূত্রঃ অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ ওয়েবসাইট)
১,০৭৮.
২০২০ সালে বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. চীন
  2. নেদারল্যান্ডস
  3. যুক্তরাজ্য
  4. দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
২০২০ সালে বাংলাদেশে নিট প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ হয়েছে ২৫৬.৩৫ কোটি মার্কিন ডলার।
বিনিয়োগকারী শীর্ষ দেশসমূহ (মার্কিন ডলার):
- প্রথম : নেদারল্যান্ডস (৪০০ মি. ডলার)
- দ্বিতীয় : যুক্তরাজ্য (৩৯৬ মি. ডলার)
- তৃতীয় : যুক্তরাষ্ট্র (২৯৬ মি. ডলার)।

বিনিয়োগের শীর্ষখাতসমূহ (মার্কিন ডলার):
- প্রথম : পাওয়ার বা জ্বালানি (৫০৮ মি. ডলার)
- দ্বিতীয় : খাদ্য (৩৩২ মি. ডলার)
- তৃতীয় : ব্যাংকিং (৩০২ মি. ডলার)।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১,০৭৯.
বাংলাদেশ বিমান সংস্থার বাণিজ্যিক নাম কী? 
  1. বিমান বাংলাদেশ লিমিটেড 
  2. বাংলাদেশ বিমান 
  3. এয়ারলাইন্স বাংলাদেশ লিমিটেড 
  4. বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেড 
ব্যাখ্যা

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স:
- বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বাংলাদেশ বিমান সংস্থার বাণিজ্যিক নাম। 
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা হলো বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স (Biman Bangladesh Airlines)।
- ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিমান সংস্থা যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী উভয় ধরনের বিমান পরিচালনা করে থাকে।
- বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রতীক - উদীয়মান সূর্যের মধ্যে উড়ন্ত বলাকা।
- বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট শুরু হয়- ৪ঠা মার্চ,১৯৭২ সালে।
- রুট ছিল- ঢাকা- লন্ডন- ঢাকা।
- বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ইনফ্লাইট ম্যাগাজিনের নাম- দিগন্ত।
- বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সদর দপ্তর- বলাকা ভবন, কুর্মিটোলা, ঢাকা। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১,০৮০.
বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৩০ শতাংশ
  2. ৪০ শতাংশ
  3. ২০ শতাংশ
  4. ১০ শতাংশ
ব্যাখ্যা

বিদ্যুৎ উৎপাদন: 
- সরকার ২০২৫ সালে নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা তৈরি করে,
- যা ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।
- এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। 
- এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি প্রণয়ন করা হয়েছে,
- যা ২৯ জুন উপদেষ্টা পরিষদের সভায় অনুমোদিত হয়েছে। এর আওতায় সারা দেশে ২০০০ থেকে ৩০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উৎস: বিদ্যুৎ বিভাগ ওয়েবসাইট।

১,০৮১.
বিশ্বের কয়টি দেশে বাংলাদেশ মাছ রপ্তানি করে? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. ৪৪টি
  2. ৫২টি
  3. ৬১টি
  4. ৬৭টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বিশ্বের মাছ রপ্তানী:

- পৃথিবীর ৫২টি দেশে বাংলাদেশ মাছ রপ্তানি করে।

⇒ ২০২২-'২৩ অর্থবছরে মৎস্য উৎপাদন হয়েছে ৪৯.১৫ লাখ মে. টন।
- বর্তমানে মৎস্য সেক্টরে ১৪ লক্ষ নারীসহ প্রায় ১ কোটি ৯৫ লক্ষ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জীবিকা নির্বাহ করছে।
- ২০২২-'২৩ অর্থবছরে জিডিপিতে মৎস্য খাতের অবদান ২.৫৩%, কৃষিজ জিডিপিতে মৎস্য খাতের অবদান ২২.২৬% এবং জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার ২.৮১%।
- মাছ ইলিশের উৎপাদন একক প্রজাতি হিসেবে মোট মৎস্য উৎপাদনের প্রায় ১২%।
- এছাড়া বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম।
- জিডিপিতে ইলিশের অবদান শতকরা ১% এর বেশি।
- বর্তমানে দেশের চাহিদা মিটিয়ে মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য পৃথিবীর ৫২টি'র অধিক দেশে রপ্তানি করছে।
- সম্প্রতি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) দ্য স্টেট অব ওয়ার্ল্ড ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকোয়াকালচার-২০২৪ এর প্রতিবেদন অনুযায়ী মিঠা পানির মাছ আহরণে বাংলাদেশ চীনকে টপকে বিশ্বে ২য় অবস্থানে উঠে এসেছে।

উৎস: i) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। [link]
ii) প্রথম আলো।
১,০৮২.
Power System Master Plan অনুযায়ী ২০৪১ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ক) ৪৫,০০০ মেঃ ওঃ
  2. খ) ৫০,০০০ মেঃ ওঃ
  3. গ) ৫৫,০০০ মেঃ ওঃ
  4. ঘ) ৬০,০০০ মেঃ ওঃ
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎখাতের উন্নয়নে সুদূর প্রসারী ও সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০২১, ২০৩০ ও ২০৪১ সাল নাগাদ বিদ্যুৎ উৎপাদনের নিম্নবর্ণিত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে:
২০২১ সালে ২৪০০০ মেগাওয়াট
২০৩১ সালে ৪০০০০ মেগাওয়াট
২০৪১ সালে ৬০০০০ মেগাওয়াট

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।[link]
১,০৮৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ এর রিপোর্ট অনুযায়ী ইউরোপের কোন দেশে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে?
  1. অষ্ট্রিয়া
  2. ক্রোয়েশিয়া
  3. জার্মানি
  4. বেলারুশ
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:

⇒ একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: যুক্তরাষ্ট্রে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।
- রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।

⇒ একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে: জার্মানি।
- রপ্তানি হার: ১১.২১%।

⇒ একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে: যুক্তরাজ্য।
- রপ্তানি হার: ১০.৫২%।

• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: জাপানে।
- রপ্তানি হার: ৩.৪০%।

• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের শীর্ষ ক্রেতা রাষ্ট্র: জার্মানি।
- প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,০৮৪.
Export Promotion Bureau (EPB) এর প্রধান দায়িত্ব কী?
  1. দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যবসা বৃদ্ধি করা
  2. রপ্তানি বাণিজ্য প্রসার করা
  3. উৎপাদন খাতের উন্নয়ন করা
  4. সরকারি বেসরকারি অংশীদারিত্বের সেবা প্রদান
ব্যাখ্যা
• Export Promotion Bureau (EPB):
- ‘রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো’ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংস্থা।
- ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত পাকিস্তান রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।
- ১৯৭৭ সালে ও ২০১৫ সালে পুনর্গঠিত হয়ে বর্তমান ‘রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো’তে রূপান্তরিত হয়।
- দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের প্রসারে এটি কাজ করে থাকে।
- এ লক্ষ্যে EPB বাণিজ্য মেলা ও রপ্তানি মেলার আয়োজন, নতুন নতুন রপ্তানি পণ্য ও বাজার অনুসন্ধান, রপ্তানি বিষয়ক তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ ও সংরক্ষণ ইত্যাদি কাজ করে থাকে।

সূত্র: 
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ওয়েবসয়াইট।
১,০৮৫.
চামড়া পাকা করার জন্য চামড়া শিল্পে কী ব্যবহৃত হয়?
  1. সুন্দরবনের গোলপাতা
  2. সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল
  3. গর্জন, সেগুন ও চাপালিশ গাছের বাকল
  4. সুন্দরবনের গেওয়া গাছের পাতা
ব্যাখ্যা
• চামড়া শিল্প:
- সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল চামড়া পাকা করার জন্য চামড়া শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

এছাড়াও -
বাঘ, হরিণ, গুইসাপ, অজগর সাপ প্রভৃতি প্রাণীর চামড়াও শিল্পের কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে -
• কাগজ শিল্প:
- রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]
১,০৮৬.
কোনটি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলাচলকারী ট্রেন নয়?
  1. ক) মিতালী এক্সপ্রেস
  2. খ) মেঘনা এক্সপ্রেস
  3. গ) মৈত্রী এক্সপ্রেস
  4. ঘ) বন্ধন এক্সপ্রেস
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলাচলকারী ট্রেন - ৩টি।
- এগুলো হলো:- মৈত্রী এক্সপ্রেস, মিতালী এক্সপ্রেস, বন্ধন এক্সপ্রেস।
- মেঘনা এক্সপ্রেস  চাদপুর-চট্রগ্রাম রুটে চলাচলকারী একটি ট্রেন।

এছাড়াও,
- ঢাকা- রাজশাহী রুটে বিরতিহীন নতুন আন্তঃনগর ট্রেন হলো বনলতা এক্সপ্রেস।
- ২৫ এপ্রিল ২০১৯ প্রধানমন্ত্রী এ ট্রেন উদ্বোধন করেন।
- ১২ টি কম্পার্টমেন্টের এই ট্রেন সপ্তাহে শনি থেকে বৃহঃবার ঢাকা - রাজশাহী রুটে বিরতিহীন চলাচল করে।

উৎস:- দৈনিক যুগান্তর ও বাংলাদেশ রেলওয়ে।
১,০৮৭.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় কবে? 
  1. ১৯৫৫ সালে
  2. ১৯৫৬ সালে
  3. ১৯৫৭ সালে
  4. ১৯৫৮ সালে
ব্যাখ্যা

• গ্যাসক্ষেত্র:
- প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে।
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯টি। (অক্টোবর, ২০২৫)
- সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- সর্বশেষ ভোলার ইলিশা-১ দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।

১,০৮৮.
বাংলাদেশে আমদানিকৃত প্রাথমিক পণ্য কোনটি?
  1. ভোজ্যতৈল
  2. ক্লিংকার
  3. সার
  4. তৈলবীজ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে আমদানিকৃত প্রধান প্রাথমিক পণ্য:
১. তুলা: ২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

• বাংলাদেশে আমদানিকৃত প্রধান শিল্পজাত পণ্যসমূহ:
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,২৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সার: ২,০৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সুতা: ২,০৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ১,৪১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ৯৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬. ক্লিংকার: ৬২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,০৮৯.
জাতীয় শিল্পনীতি - অনুযায়ী বাংলাদেশের শিল্পোন্নয়নের প্রধান মাধ্যম কোন ধরনের শিল্প?
  1. ক) ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প
  2. খ) বৃহৎ শিল্প
  3. গ) বৃহৎ ও মাঝারি শিল্প
  4. ঘ) ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত সুরক্ষার মাধ্যমে দেশের সুষম উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার ''জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬'' - এ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতকে শিল্প উন্নয়নের প্রধান মাধ্যম হিসেবে গণ্য করে।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

১,০৯০.
বন্যা শেষে ধান চাষের জন্য বিলম্ব জাত হিসেবে ‘কিরণ ও দিশারি’ নামে দুইটি ধানের জাত উদ্ভাবন করে-
  1. ক) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  2. খ) বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট
  3. গ) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট
  4. ঘ) বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট
ব্যাখ্যা
বন্যার শেষে ধান চাষের জন্য বিলম্ব জাত হিসেবে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট ‘কিরণ ও দিশারি’ নামে দুইটি ধানের জাত উদ্ভাবন করে।
ধানের অন্যান্য জাত-
১। স্থানীয় জাত : টেপি, গিরবি, দুধসর, বতিশাইল ইত্যাদি।
২। স্থানীয় উন্নত জাত : হবিগঞ্জ, কটকতারা, পাজাম, কালিজিরা, হাসিকলমি, নাইজারশাইল, লতিশাইল, বিনাশাইল ইত্যাদি।
৩। উচ্চ ফলনশীল জাত : মুক্তা, ময়না, শাহজালাল, মঙ্গল, নিজামী ইত্যাদি।
[সূত্রঃ ৮ম শ্রেণি(কৃষিশিক্ষা) এবং উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়(কৃষিশিক্ষা)]
১,০৯১.
সম্প্রতি, ত্রিপক্ষীয় চুক্তিতে নেপাল থেকে বাংলাদেশ জলবিদ্যুৎ আমদানি করবে কত মেগাওয়াট? (অক্টোবর,২০২৪)
  1. ২৫ মেগাওয়াট
  2. ৩০ মেগাওয়াট
  3. ৩৫ মেগাওয়াট
  4. ৪০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

- নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ আমদানির করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
- ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে  নেপাল, ভারত ও বাংলাদেশ ত্রিপক্ষীয় একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ত্রিপক্ষীয় এ চুক্তিতে নেপাল ইলেকট্রিসিটি অথোরিটি (এনইএ), ভারতের এনটিপিসি বিদ্যুৎ ব্যাপার নিগম লিমিটেড এবং বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) স্বাক্ষর করবে।

• জলবিদ্যুৎ:

- পানি নবায়নযোগ্য শক্তির অন্যতম উৎস।
- পানির স্রোত ও জোয়ার-ভাটাকে ব্যবহার করে শক্তির উৎপাদন করা যায়।
- পানির স্রোতে আছে গতি শক্তি ও বিভব শক্তি।
- পানির স্রোতকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা যায়।
- একে জলবিদ্যুৎ বলা হয়।
- পানির স্রোতকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন পৃথিবীতে খুবই জনপ্রিয়।
- বাংলাদেশে রাঙ্গামাটির কাপ্তাইতে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র আছে।
- জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বিভব শক্তি বা স্থিতি শক্তি ব্যবহার করা হয়। 
- পানির স্রোতের সাহায্যে একটি টারবাইন ঘোরানো হয়।
- এই টারবাইন ঘূর্ণন থেকেই এখানে যান্ত্রিক শক্তি ও চৌম্বকশক্তির সমন্বয় ঘটানো হয়।
- প্রবাহিত পানির স্রোত থেকে যান্ত্রিক শক্তি সংগ্রহ করে চৌম্বক শক্তির সমন্বয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রথম আলো প্রতিবেদন।     
১,০৯২.
বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিক উপলক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক কত টাকার নতুন নোট বাজারে ছাড়ে?
  1. ক) ২০০০
  2. খ) ৫০০
  3. গ) ১০০০
  4. ঘ) ২০০
ব্যাখ্যা

- মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক ১৮ মার্চ ২০২০ দুইশত (২০০) টাকা মূল্যমানের প্রচলিত ও স্মারক নোট ইস্যু করে।
- প্রচলিত নোটে 'মুজিব শতবর্ষ' কথাটি লেখা রয়েছে।
- তবে ২০২১ সালে থেকে বাজারে কেবল প্রচলিত নোট থাকবে এবং এতে মুজিব শতবর্ষ লেখা থাকবে না।

উৎসঃ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।

১,০৯৩.
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুই ইউনিটের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা?
  1. ২০০০ মেগাওয়াট
  2. ২১০০ মেগাওয়াট
  3. ২২০০ মেগাওয়াট
  4. ২৪০০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র: 
- পাবনা জেলার রূপপুরে পারমাণবিক চুল্লি নির্মিত হয়েছে রাশিয়াযর সহায়তায় । 
- রূপপুর কেন্দ্রে দুটি ইউনিটে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। 
- এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে প্রাথমিকভাবে এক লক্ষ তের হাজার কোটি টাকারও বেশি খরচ ধরা হয়েছে। 
- বাংলাদেশে একক প্রকল্প হিসেবে এটি সবচেয়ে বড় কোনো অবকাঠামো প্রকল্প।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন।
১,০৯৪.
বাংলাদেশের প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য বেশি রপ্তানি হয় কোন দেশে? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. সৌদি আরব
  3. ওমান
  4. বাহরাইন
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য বেশি রপ্তানি হয় সংযুক্ত আরব আমিরাত।
• বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের ১৪৫টি দেশে ১৭২ ধরনের কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি করে।
- এর মধ্যে ১০৬টি দেশে প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি হয়।
- এ খাতের প্রধান পাঁচ রপ্তানি পণ্যের বাজার হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), সৌদি আরব, ভারত, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র।
- এই পাঁচ দেশেই মোট রপ্তানির প্রায় ৬০ শতাংশ যায়।
- সর্বোচ্চ প্রায় ৯৩ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয় ইউএইতে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।

১,০৯৫.
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ-এর সূচক কোনটি?
  1. DSEX Index
  2. DSE CDSET Index
  3. DS30 Index
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত।
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৫৪ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে।

⇒ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ে সূচক পদ্ধতি অবলম্বন করে।
- সাধারণ শেয়ার বাজারের গতি বা সার্বিক অবস্থা বোঝার জন্য সূচক ব্যবহার করা হয়।

• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ-এর ইনডেক্স: 
i) DSE Broad Index,
ii) DSEX Shariah Index,
iii) DS30 Index,
iv) DSE CDSET Index.

উৎস: DSE ওয়েবসাইট। [link]
১,০৯৬.
বাংলাদেশের প্রথম প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) ঈশ্বরদী
  3. গ) মংলা
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ এর সরকারি ইপিজেড সংখ্যা ৮ টি।
-চট্টগ্রাম প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রথম এবং বৃহত্তম ইপিজেড।
- ঢাকা প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, ২য় বৃহত্তম।
- ঈশ্বরদী প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, ৩য় বৃহত্তম৷
- কুমিল্লা প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, ৪র্থ বৃহত্তম।
- মংলা প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল। ৫ম বৃহত্তম।
- আদমজী প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, ৬ষ্ঠ বৃহত্তম।
-  উত্তরা প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, ৭ম বৃহত্তম।
- কর্ণফুলী প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, ৮ম বৃহত্তম ৷ 
- নতুন ৩টি অনুমোদন হয়েছে পটুয়াখালি, যশোর, গাইবান্ধা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,০৯৭.
নিম্নের কোন প্রতিষ্ঠান স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২ অর্জন করে?
  1. ক) গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিডব্লিউএমআরআই
  2. খ) বিদ্যুৎ বিভাগ
  3. গ) বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
  4. ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা
- স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পুরস্কার।
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ২টি প্রতিষ্ঠান এ পুরস্কার লাভ করে।
- সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতিবছর স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার দিয়ে আসছে। 

স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ

১. বীর মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী
২. শহীদ কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা (বীর বিক্রম)
৩. আবদুল জলিল
৪. সিরাজ উদ্দীন আহমেদ
৫. মরহুম মোহাম্মদ ছহিউদ্দিন বিশ্বাস
৬. মরহুম সিরাজুল হক।

চিকিৎসাবিদ্যা

৭. অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়া
৮. অধ্যাপক মো. কামরুল ইসলাম

স্থাপত্য

৯. মরহুম স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।

গবেষণা ও প্রশিক্ষণ

১০. গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিডব্লিউএমআরআই)

বিদ্যুতায়নের মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান ও শতভাগ বিদ্যুতায়নের স্বীকৃতি স্বরূপ:
১১. বিদ্যুৎ বিভাগ

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল - ২০২২।
১,০৯৮.
আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ অনুযায়ী, এশিয়ার কোন দেশের সাথে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ভারত
  2. জাপান
  3. চীন
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

বাণিজ্য ঘাটতি:
- এশিয়া মহাদেশে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে চীনের সাথে বাংলাদেশের সর্বাধিক ঘাটতি রয়েছে।
- চীন থেকে গত অর্থবছরে (২০২৪-২৫) পণ্য আমদানি হয়েছে ২ হাজার ৬১ কোটি ডলারের। 
- এর বিপরীতে বাংলাদেশ রপ্তানি করেছে ৭৪ কোটি ডলারের পণ্য।
- তাতে দেশটির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশের ঘাটতি ১ হাজার ৯৮৭ কোটি ডলারের।
- চীনের পরেই বড় ঘাটতি ভারতের সঙ্গে।
- গত অর্থবছরে দেশটি থেকে আমদানি হয়েছে ৯৬৮ কোটি ডলার পণ্য।
- রপ্তানি হয়েছে ১৮২ কোটি ডলারের পণ্য। তাতে বছর শেষে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশের ঘাটতি ৭৮৬ কোটি ডলারের।

তথ্যসূত্র- প্রথম আলো। [link]

১,০৯৯.
কৃষি জমিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক সারগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যবহৃত সার কোনটি?
  1. ক) টিএসপি
  2. খ) জিপসাম
  3. গ) ইউরিয়া
  4. ঘ) ডিএপি
ব্যাখ্যা
-  কৃষি জমিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক সারগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যবহৃত সার - ইউরিয়া সার; পরিমাণ - ২,৪৫০ হাজার/২৪.৫০ লক্ষ মেট্রিক টন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যবহৃত সার - ডিএপি (DAP); পরিমাণ – ১,৩০০.০০ হাজার/১৩.০০ লক্ষ মেট্রিক টন।
-  বাংলাদেশের কৃষিতে ২০২০-২১ অর্থবছরে মোট রাসায়নিক সার ব্যবহৃত হয় - ৫,৮৬৫ হাজার মেট্রিক টন/৫৮.৬৫ লক্ষ মেট্রিক টন।

[উৎস: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২১]
১,১০০.
পেট্রোবাংলা প্রতিষ্ঠিত হয়-
  1. ক) ১৯৭২ সাথে
  2. খ) ১৯৭৬ সাথে
  3. গ) ১৯৮০ সাথে
  4. ঘ) ১৯৮৮ সাথে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলন, পরিশোধন ও বাজারজাত প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলা।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২৬ মার্চ ১৯৭২ সালে।
- প্রতিষ্ঠানটির অধীনে ১৩টি সংস্থা বা কোম্পানি পরিচালিত হয়।

উৎসঃ পেট্রোবাংলার ওয়েবসাইট।