বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

মোট প্রশ্ন১,৭৮৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

PrepBank · পাতা ১০ / ১৮ · ৯০১১,০০০ / ১,৭৮৪

৯০১.
সিমেন্ট শিল্পে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়-
  1. ডিনামাইট
  2. চুনাপাথর 
  3. কয়লা
  4. চীনা মাটি
ব্যাখ্যা

• চুনাপাথর :
- চুনাপাথর (Limestone)  এক প্রকার পাললিক শিলা যা প্রধানত ক্যালসিয়াম কার্বোনেট দ্বারা গঠিত।
- প্রকৃতিতে ম্যাগনেসিয়াম কার্বোনেট সহযোগে অথবা ম্যাগনেসিয়াম কার্বোনেটের উপস্থিতি ব্যতীত খনিজ ক্যালসাইট হিসেবে চুনাপাথর পাওয়া যায়। 
- বাংলাদেশে চুনাপাথরের ভূ-পৃষ্ঠীয় (surface) এবং অন্তর্ভূ-পৃষ্ঠীয় (sub-surface) বা ভূগর্ভস্থ উভয় প্রকার মজুত রয়েছে। 
- কক্সবাজার জেলার সেন্টমার্টিনস দ্বীপ এবং  সুনামগঞ্জ জেলার ভাঙ্গেরঘাট-লালঘাট-টাকেরঘাট এলাকায় চুনাপাথরের ভূ-পৃষ্ঠীয় ও ভূ-পৃষ্ঠের স্বল্পগভীরতায় মজুত রয়েছে।  
- জয়পুরহাট জেলার জয়পুরহাটে রয়েছে চুনাপাথরের অন্তর্ভূ-পৃষ্ঠীয় বা ভূগর্ভস্থ মজুত।
- বাংলাদেশে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে ১৯৫৭ সালে সর্বপ্রথম চুনাপাথরের মজুত আবিষ্কৃত হয়।
- সিমেন্ট তৈরির প্রধান কাঁচামাল হচ্ছে চুনাপাথর। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৯০২.
বাংলাদেশে রপ্তানিতে দ্বিতীয় শীর্ষদেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন
  3. ভারত
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
- গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট আমদানির পরিমাণ ৫৫.৬৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এর মধ্যে পণ্য আমদানি ৪৮.৬৯৯ বিলিয়ন ডলার এবং সেবা আমদানি ৬.৯৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
দেশ অনুযায়ী শীর্ষ আমদানি উৎস:
- প্রথম : চীন : ১১.৪৮৯ বি. ডলার
- দ্বিতীয় : ভারত : ৫.৭৯৩ বি. ডলার
- তৃতীয় : যুক্তরাষ্ট্র : ২.১২৬ বি. ডলার
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
৯০৩.
বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন কত সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ক) ১৯৭৩
  2. খ) ১৯৭২
  3. গ) ১৯৭৪
  4. ঘ) ১৯৮৩
ব্যাখ্যা
• ট্যারিফ কমিশন পাকিস্তান ট্যারিফ কমিশনের পূর্ব পাকিস্তান শাখার উত্তরবর্তী।
•  বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এর নতুন নাম হয় ট্যারিফ কমিশন।
• বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২৮ জুলাই ১৯৭৩ তারিখের সিদ্ধান্তবলে উক্ত মন্ত্রণালয়ের একটি অধীনস্থ অধিদপ্তর হিসেবে কাজ শুরু করে।
•  ১৯৯২ সনের নভেম্বরে উক্ত কমিশন বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন ১৯৯২ (১৯৯২ সনের ৪৩ নম্বর আইন)-এর অধীনে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন নামে  পূর্ণগঠিত  হয়।
• বর্তমানে এটি দেশীয় শিল্পসমূহকে অসম প্রতিযোগিতা থেকে রক্ষা ও যথাযথ সংরক্ষণের লক্ষ্যে একটি স্বায়ত্তশাসিত বিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।

সূত্র: বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন ওয়েবসাইট।
৯০৪.
বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BTRI)-এর প্রধান কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. মৌলভীবাজার 
  3. চট্টগ্রাম
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট
- মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই) এর প্রধান কার্যালয়।
- ১৯৫৭ সালে ২৮ ফেব্রুয়ারি এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনষ্টিটিউটটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ চা বোর্ডের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে।
- বৈজ্ঞানিক গবেষনার মাধ্যমে উচ্চ ফলনশীলতা ও গুনগত মান বৃদ্ধি, চা শিল্পের উন্নয়ন ও উৎকর্ষে বিজ্ঞান ভিত্তিক পরামর্শ ও সহায়তা দান এবং গবেণালব্ধ প্রযুক্তি চা শিল্পে বিস্তার করাই এ প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য।
- বর্তমানে এ ইনষ্টিটিউট ১২ টি জাতীয় কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের অন্যতম প্রতিষ্ঠান হিসেবেও পরিগনিত।
- এ ইনষ্টিটিউট এ যাবৎ উচ্চ ফলনশীল ও আকর্ষনীয় গুনগতমান সম্পন্ন ২৩ টি ক্লোন ও ৫টি বীজজাত উদ্ভাবন করেছে।

উৎস: বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট।

৯০৫.
ঘোড়াশাল সার কারখানার উৎপাদিত সারের নাম-
  1. টিএসপি
  2. ইউরিয়া
  3. এমওপি
  4. জিপসাম 
ব্যাখ্যা

•ঘোড়াশাল সার কারখানা: 
- ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী (জিপিএফপিএলসি) নরসিংদী জেলায় অবস্থিত।
- পূর্বেকার ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড (ইউএফএফএল) এবং পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড (পিইউএফএফএল) একীভূত হয়।
- একিভূত হয়: ০১-০৭-২০২১ খ্রি.।
-  ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী (জিপিএফপিএলসি) গঠিত হয়।
- উৎপাদিত সার: ইউরিয়া।

উল্লেখ্য,
- ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিঃ প্রতিষ্ঠিত হয়:  ১৯৭০ সালে নরসিংদী জেলায়।
- পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৮৫ সালে নরসিংদী জেলায়। 

উৎস: বিসিসিআই এবং প্রথম আলো।

৯০৬.
নিম্নের কোন জেলায় চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে?
  1. পঞ্চগড়
  2. মৌলভীবাজার
  3. চট্টগ্রাম
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত চা বাগান:
- চা বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা ১৭১টি।
- দেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়। মৌলভীবাজার জেলায় ৯০টি চা বাগান রয়েছে।
- বর্তমানে দেশে ৩টি চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে (চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল, পঞ্চগড়)।
- বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান: মালনীছড়া চা বাগান।

উল্লেখ্য,
- দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র স্থাপন করা হয় চট্টগ্রামে।
- দেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে।
- দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র পঞ্চগড়ে অবস্থিত। চা-চাষিদের কাঁচা চা-পাতার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র চালু করা হয়। এতে চা উৎপাদনকারীদের ব্যয় কমবে।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

৯০৭.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থল বন্দর কোনটি?
  1. বেনাপোল
  2. হিলি
  3. বুড়িমারী
  4. ভোমরা
ব্যাখ্যা
বেনাপোল স্থল বন্দর:
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থল বন্দর বেনাপোল স্থল বন্দর।
- বেনাপোল স্থল বন্দর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বেনাপোল সীমান্তে অবস্থিত।
- মোট ৮৬.৬৮ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- স্থলবন্দরটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি/রপ্তানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হিসেবে কাজ করে।।
- বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ তল্লাশী ঘাঁটি ও আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর হিসেবে পরিচিত।
- দেশের স্থল বাণিজ্যের প্রায় ৯০% এ বন্দরের মাধ্যমে হয়ে থাকে।

স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- হিলি স্থলবন্দর: হাকিমপুর, দিনাজপুর।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- ভোমরা স্থলবন্দর: ভোমরা, সাতক্ষীরা সদর।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
৯০৮.
বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্প খাতের হার কত (সাময়িক ২০২৪-২০২৫ অর্থবছর)?
  1. ৩.৩৪%
  2. ৫.৩৪%
  3. ৩.৮৪%
  4. ৪.৩৪%
ব্যাখ্যা
• ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব:

• শিল্প (Industry) খাতঃ
সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শিল্প খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৪.৩৪%।

উল্লেখ্য,
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩.৫১%।
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার ০.৮৩ শতাংশীয় পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে।

এছাড়াও, 

সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে,
- জিডিপিতে কৃষি খাতের হার ১.৭৯ শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের হার ৪.৫১% শতাংশ।

উৎস: বিবিএস ।
৯০৯.
কোনটি পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক শিল্পের শ্রেণী বিভাজন নয়?
  1. ক) সবুজ
  2. খ) হলুদ
  3. গ) কমলা
  4. ঘ) লাল
ব্যাখ্যা
পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র
- ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- ক্ষুদ্র, মাঝারি কিংবা বৃহৎ সব ধরনের ব্যবসায় কিংবা ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করতে গেলে এই ছাড়পত্র অত্যাবশ্যক। 
- পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদানের উদ্দেশ্যে পরিবেশের উপর প্রভাব বিস্তার এবং অবস্থান অনুযায়ী শিল্প প্রতিষ্ঠান ও প্রকল্পসমূহ চারটি শ্রেণীতে বিভক্ত হইবে:
ক) সবুজ।
খ) কমলা-ক।
গ) কমলা-খ।
ঘ) লাল।


উৎস: পরিবেশগত-ছাড়পত্রের-জন্য-প্রয়োজনীয়-কাগজপত্র, doe.gov.bd.
৯১০.
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে কয়টি অধিদপ্তর রয়েছে?
  1. ক) ৪টি
  2. খ) ৫টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৭টি
ব্যাখ্যা
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বর্তমানে ৪টি সংস্থা, ৬টি অধিদপ্তর, ১টি বোর্ড এবং ২টি ফাউন্ডেশন কাজ করে। 

৬টি অধিদপ্তর গুলো হলো: 
১.বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন-বিএসটিআই 
২.বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট-বিআইএম 
৩.বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র-বিটাক 
৪.ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন-এনপিও 
৫.পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর-ডিপিডিটি 
৬.প্রধান বয়লার পরিদর্শকের কার্যালয়

[উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১]
৯১১.
বাংলাদেশ প্রাণীসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) জয়দেবপুর
  2. খ) ঈশ্বরদী
  3. গ) সাভার
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ প্রাণীসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট ঢাকার সাভারে অবস্থিত।
প্রধান কার্যালয় ব্যতীত সিরাজগঞ্জ, বান্দরবান, রাজশাহী, যশোর ও ফরিদপুরে এর আরো ৫টি আঞ্চলিক কেন্দ্র রয়েছে।
এটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় যা মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা প্রাণী ও পোল্ট্রিসম্পদ বিষয়ে গবেষণা করে থাকে।
এটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা প্রাণী ও পোল্ট্রি সম্পদ বিষয়ে গবেষণা করে থাকে।
(সূত্রঃ প্রাণীসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট)
৯১২.
BITAC নিম্নের কোনটি নিয়ে কাজ করে?
  1. ক) ভোক্তার অধিকার প্রতিষ্ঠা
  2. খ) উৎপাদিত পণ্যের মান উন্নয়ন
  3. গ) ব্যবসা বাণিজ্যের সম্প্রসারণ
  4. ঘ) শিল্পক্ষেত্রে দক্ষ জনবল তৈরি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র-বিটাক (Bangladesh Industrial and Technical Assistance Center-BITAC): 
দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীকে কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদী প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালনা করে আসছে বিটাক। এর ফলে শিল্পক্ষেত্রে দক্ষ জনবল তৈরিসহ গবেষণার মাধ্যমে আমদানি বিকল্প যন্ত্রাংশ তৈরি করার মাধ্যমে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করে আসছে বিটাক।
 
-২৬-০৫-১৯৬২ তারিখের Resolution No. C & P-9 (11)/62 দ্বারা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠিত Pakistan Industrial Technical Assistance Center (PITAC) কে স্বাধীনতাত্তোর ১৯৭২ সালে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) হিসাবে নামকরণ করা হয় । 

- ২০১৯ সালের ১৯ নং আইন এর অধীন বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক)/ Bangladesh Industrial Technical Assistance Center (BITAC)-কে মহান জাতীয় সংসদে সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। আইন এর ৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শিল্প সচিবের নেতৃত্বে ১১ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদ দ্বারা বিটাক পরিচালিত হচ্ছে। 

উৎস: বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র ওয়েবসাইট (bitac.gov.bd)
৯১৩.
দেশের প্রথম ঔষধ পার্ক কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. ভোলা
  3. কক্সবাজার
  4. মুন্সিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
ঔষধ পার্ক:
- দেশের প্রথম ঔষধ পার্ক মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
- এখানকার কারখানায় উৎপাদিত ওষুধ দিয়েই দেশের বাজারে চাহিদা পূর্ণ করে রপ্তানিও করে ওষুধ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো।
- রাজধানীর অদূরে মেঘনা নদীর পার ঘেঁষে গড়ে ওঠা মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে দেশের প্রথম ওষুধ শিল্প পার্ক।
- ঢাকা থেকে ৩৭ কিলোমিটার দূরত্বে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দক্ষিণ পাশে উপজেলার বাউশিয়া মৌজায় ২০০ একর জমির ওপর বাস্তবায়ন হচ্ছে প্রকল্পটি।
- ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে ২০০৮ সালে সরকার এই শিল্প পার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়।
- পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেওয়া হয় এপিআই শিল্প পার্কটির।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ প্রতিদিন।
৯১৪.
বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন:
- ১৯৭২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতির আদেশ বলে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, 
- শিপিং কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠার পরপরই বাংলার দূত এবং বাংলার সম্পদ নামের দুটো সমুদ্রগামী জাহাজ বিএসসিতে সংযোজিত হয়।
- তারপর থেকে বিএসসি এ যাবত সর্বমোট ৪৪টি জাহাজ সংগ্রহ করে।
- তবে জাহাজের স্বাভাবিক বয়সজনিত কারণে এবং বাণিজ্যিকভাবে অলাভজনক বিবেচিত হওয়ায় বিভিন্ন পর্যায়ে ৩৬টি জাহাজ বিক্রি বা স্ক্র্যাপ করা হয়।
- বর্তমানে ৮টি জাহাজের মিশ্র বহর নিয়ে বিএসসি সমুদ্রপথে বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের পতাকা বহন করছে।

⇒ সাত সদস্যের একটি পরিচালনা পরিষদের মাধ্যমে বিএসসি পরিচালিত হয়।
- নৌপরিবহণ মন্ত্রী পদাধিকার বলে সংস্থাটির চেয়ারম্যান।
- বিএসসির প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- এছাড়া ঢাকা ও খুলনায় দুটি সাব অফিস রয়েছে। 
- বহির্বিশ্বে মালামাল আনা-নেয়ার সুবিধার্থে সিঙ্গাপুর ও লন্ডনে দুটি আঞ্চলিক অফিস খোলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

৯১৫.
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হয় কত সালে?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০০৯ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০১১ সালে
ব্যাখ্যা
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর:
- এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- ২০০৯ সালের ২৮ জুন ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর অধীনে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার কারওয়ান বাজারে অবস্থিত।
- ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষণের লক্ষ্যে এই অধিদপ্তর বাজার তদারকি, পণ্যের গুণাগুণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ, ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা, জনসচেতনা সৃষ্টি প্রভৃতি কর্মকাণ্ড করে থাকে।
- 'ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯', ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ, ভোক্তা-অধিকার বিরোধী কার্য প্রতিরোধ ও তৎসংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে বিধান করিবার লক্ষ্যে প্রণীত আইন।
- ন্যায্য মূল্যে ন্যায্য সেবা ও পণ্য পাওয়া ভোক্তাদের একটি অধিকার।
- এ আইন প্রণয়নের মাধ্যমে প্রতিদিনই বাজার তদারকি করে অপরাধ দমনের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে এবং ভোক্তাগণ তাদের অধিকার লঙ্ঘিত হলে এই আইন অনুযায়ী অভিযোগ দায়েরের সুযোগ পাচ্ছেন।
- এই আইন বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় ভোক্তা ও ব্যবসায়ীগণ সচেতন হতে শুরু করেছেন।

⇒ কার্যাবলি:
১. বাজার তদারকির মাধ্যমে ভোক্তা-স্বার্থ সংরক্ষণ;
২. ভোক্তাদের অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং
৩. জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে সচেতনতামূলক সভা, সেমিনার ও ওয়ার্কসপ আয়োজনসহ অন্যান্য কার্যক্রম গ্রহণ।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন সেবা (নম্বর: ১৬১২১)।

তথ্যসূত্র - জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৯১৬.
স্বাধীন বাংলাদেশে সর্বশেষ কততম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) চতুর্থ
  2. খ) পঞ্চম
  3. গ) ষষ্ঠ
  4. ঘ) সপ্তম
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৭ সালে প্রথম, ১৯৮৩-৮৪ সালে দ্বিতীয়, ১৯৯৬ সালে তৃতীয়, ২০০৮ সালে চতুর্থ এবং ২০১৯ সালের ৯-২০ জুন সর্বশেষ পঞ্চম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়৷
পাকিস্তান আমলে ১৯৬০ সালে প্রথম নমুনা আকারে কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
উৎসঃ বিবিএস ওয়েবসাইট এবং দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকা।
৯১৭.
BDF এর সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে কে?
  1. ক) IMF
  2. খ) ADB
  3. গ) World Bank
  4. ঘ) JICA
ব্যাখ্যা
• BDF এর পূর্ণরূপ- Bangladesh Development Forum.
• বিডিএফ হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম ১ যা ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
- তখন এর নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম।
- প্রথমদিকে এর বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- বিশ্বব্যাংক এই ফোরামের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে। 

উৎস: ইআরডি ওয়েবসাইট।
৯১৮.
বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা কোথায় অবস্থিত? 
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. কক্সবাজার
  3. চট্টগ্রাম
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা
• জাহাজ নির্মাণ শিল্প:
- জাহাজ নির্মাণ শিল্প বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শিল্পখাত। 
- বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা — খুলনায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের ২০০শ'র মতো জাহাজ নির্মাণ কোম্পানি রয়েছে যেগুলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, বরিশাল ও খুলনাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।
- বর্তমানে দেশে নৌপথে ছোট-বড় ১২৫০০ অধিক সংখ্যক জলযান মালামাল ও যাত্রী পরিবহনে ব্যবহৃত হয়।
- এই সকল নৌযান তৈরিতে ২০টি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ও ১০০টি স্থানীয় মানের শিপইয়ার্ড ও ডকইয়ার্ড রয়েছে। 
- আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিপইয়ার্ডগুলো বছরে গড়ে ১০০টি জাহাজ নির্মাণে সক্ষম।
- দেশে বর্তমানে সর্বোচ্চ ১০০০০ DWT ক্ষমতাসম্পন্ন জাহাজ নির্মাণ হচ্ছে। 
- বাংলাদেশে বঙ্গোপসাগরের একটি দীর্ঘ উপকূলীয় সীমারেখা ছাড়াও প্রায় ৭০০টি ছোট-বড় নদী রয়েছে। 
- দেশের তিন-চতুর্থাংশ মালামাল নৌপথে পরিবহন হয়।
- ২০০৮ সালে বাংলাদেশ জাহাজ রপ্তানি শুরু করে। 
- বিগত কয়েক বছরে দেশের শিপইয়ার্ডগুলো ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়ার কয়েকটি দেশে ৪০টি জাহাজ রপ্তানি করে ১৮০ মিলিয়ন ডলার আয়ের মাধ্যমে দেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্পের ভাবমূর্তি উন্নয়নে অবদান রেখেছে। 

উৎস: বাংলাদেশের শিল্প মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৯১৯.
সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে কোন কোম্পানি?
  1. বার্মা অয়েল কোম্পানি
  2. শেল অয়েল কোম্পানি
  3. টার্নার মরিসন অ্যান্ড কোম্পানি
  4. হোয়াইট হল পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র: 
-  বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
- ১৯৫৫ সালে বার্মা অয়েল কোম্পানি এদেশে সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে।
- ১৯৫৭ সাল থেকে গ্যাসের উৎপাদন শুরু হয়।
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯ টি।
- বাংলাদেশের অন্যান্য খনিজ সম্পদের মধ্যে কয়লা, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, গন্ধক, খনিজ তেল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখ্য, 
-সম্প্রতি সিলেটের হরিপুরে পুরোনো গ্যাসকূপ (সিলেট-৭) সংস্কার করতে গিয়ে নতুন করে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে।
-এ কূপ থেকে প্রতিদিন অন্তত ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী এবং পেট্রোবাংলা, প্রথম আলো , চানেল২৪।
৯২০.
দেশের বৃহত্তম সার কারখানা কোনটি?
  1. ক) যমুনা সার কারখানা, জামালপুর
  2. খ) ঘোড়াশাল সার কারখানা, নরসিংদী
  3. গ) শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড
  4. ঘ) চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানা, চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

 শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড দেশের বৃহত্তম সার কারখানা । 

-গণপ্রজাতীয় বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রীজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) এর নিয়ন্ত্রানাধীন সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০১২ সালের মার্চ মাসে শাহাজলাল ফার্টিলাইজার প্রকল্পের কন্সট্রাকশন কাজের শুভ উদ্ধোধন করেন।

-২০১৬সালে. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং চীন সরকারের মহামান্য রাষ্ট্রপতি শিং জিং পিং যৌথভাবে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে কারখানাটির শুভ উদ্বোধন করেন।

- কারখানার বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫,৮০,৮০০ মে.টন।

উৎস:sfcl.gov.bd(শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড)

৯২১.
Export Promotion Bureau কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
  1. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. শিল্প মন্ত্রণালয়
  4. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
- Export Promotion Bureau (EPB) বা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংস্থা।
- ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত পাকিস্তান রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ১৯৭৭ সালে ও ২০১৫ সালে পুনর্গঠিত হয়ে বর্তমান ‘রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো’তে রূপান্তরিত হয়।
- EPB প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের প্রসার ঘটানো।
(তথ্যসূত্র: Export Promotion Bureau)
৯২২.
ইপিজেডগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ বিনিয়োগ হয় কোন ইপিজেডে? [মার্চ, ২০২৫]
  1. আদমজী
  2. চট্টগ্রাম
  3. ঈশ্বরদী
  4. কর্ণফুলি
ব্যাখ্যা
সর্বোচ্চ বিনিয়োগ:
- ইপিজেডগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ বিনিয়োগ হয় চট্টগ্রাম ইপিজেডে।

উল্লেখ্য,
- ইপিজেডসমূহে উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ৪৫০ টি এবং বাস্তবায়নাধীন রয়েছে: ১০৩টি।
- সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে চট্টগ্রাম ইপিজেডে; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ১৪৫টি।
- সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয় ও রপ্তানি আয় আসে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- দ্বিতীয়: ঢাকা ইপিজেড; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ৮৮টি।
- সবচেয়ে কম উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে ঈশ্বরদী ইপিজেডের; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ২২টি।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৯২৩.
দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. সিলেট
  2. মৌলভীবাজার
  3. নোয়াখালী
  4. ভোলা
ব্যাখ্যা

 • গ্যাসক্ষেত্র:
- প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে ।
- প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে। 
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র হলো তিতাস গ্যাসক্ষেত্র।
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯টি।
- সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- সর্বশেষ ভোলার ইলিশা -১ হচ্ছে দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।

৯২৪.
দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার কোনটি?
  1. ক) ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড
  2. খ) পদ্মা রিফাইনারি লিমিটেড
  3. গ) শেলওয়েল রিফাইনারি লিমিটেড
  4. ঘ) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম রিফাইনারি লিমিটেড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার হলো ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড।
এটি চট্টগ্রামে অবস্থিত যা ১৯৬৮ সালের ৭ মে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে।
এর বার্ষিক পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লক্ষ টন। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন এটির শতভাগ শেয়ারের মালিক।
(সূত্রঃ বিপিসি ও ইআরএল ওয়েবসাইট)
৯২৫.
যমুনা সার কারখানায় কোন সার উৎপন্ন হয়?
  1. সালফেট
  2. ডিএপি
  3. টিএসপি
  4. ইউরিয়া
ব্যাখ্যা

যমুনা সার কারখানা:
- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ কারখানাটি ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যমুনা সার কারখানা জামালপুর  জেলার সরিষাবাড়ীতে অবস্থিত।
- যমুনা সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন হয়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫,৬১,০০০ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

৯২৬.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত-
  1. ক) ময়মনসিংহে
  2. খ) ফার্মগেটে
  3. গ) জয়দেবপুরে
  4. ঘ) দিনাজপুরে
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট গাজিপুরের জয়দেবপুরে অবস্থিত।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭০ সালে।
- এর প্রধান অঙ্গ হল ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।

উৎসঃ বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের ওয়েবসাইট।

৯২৭.
তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) যশোর
  2. খ) ঝিনাইদহ
  3. গ) সাতক্ষীরা
  4. ঘ) কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা
২০২০-২১ অর্থবছরে দেশে মোট তুলা উৎপাদিত হয় ৭১,৮৮৩ মে. টন।
তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলাসমূহ:

- প্রথম : ঝিনাইদহ (২৮,৩৯৭ টন)
- দ্বিতীয় : যশোর (৮,৩৯৬ টন)
- তৃতীয় : মেহেরপুর (৯,৪৫৫ টন)।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১)
৯২৮.
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উদ্ভিদের নাম কী?
  1. বৈলাম
  2. ইউক্লিপটাস
  3. শাল
  4. কেওড়া
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু বৃক্ষ বৈলাম স্থানীয় পর্যায়ে বইলাম নামেও পরিচিত।
- ভৌগোলিকভাবে এটি বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়ায় পাওয়া যায়।
- আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘের (আইইউসিএন) লাল তালিকায় বৈলাম বিশ্বব্যাপী একটি মহাবিপদাপন্ন প্রজাতির গাছ।
- বন উজাড়, মাতৃবৃক্ষের অপ্রতুলতা ও অতিরিক্ত কাঠ আহরণের ফলে বর্তমানে বাংলাদেশে বৈলাম গাছ দুষ্প্রাপ্য ও বিপন্ন হয়ে পড়েছে। - সাধারণত পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি জেলার, কাপ্তাই, বিলাইছড়ির সংরক্ষিত বন ছাড়াও দেশের বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও নার্সারি এটি সংরক্ষণ করছে।

উৎস: i) পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) বণিক বার্তা।

৯২৯.
SEZ-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Standard Economic Zone
  2. Special Economic Zone
  3. Strategic Economic Zone
  4. Sustainable Economic Zone
ব্যাখ্যা

SEZ:
- SEZ-এর পূর্ণরূপ: Special Economic Zone.

⇒ একটি দেশের নির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত সেই সকল অঞ্চল যেগুলি দেশের আন্যান্য অঞ্চলের তুলজ অর্থনীতি ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে প্রচলিত সরকারী নীতি নিয়মের ব্যাপারে অধিক সুযোগ সুবিধা ভোগ করে তাদের SEZ বলে।
- উদ্দেশ্য:
(i) দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা,
(ii) রপ্তানী বৃদ্ধি করা,
(iii) সরকারী নিয়মনীতির জটিলত নেই বলে বিনিয়োগকারীদের উৎসাহ বোধ করা।
(iv) উৎপাদনমূলক ও পরিষেবামূলক শিল্পে সুলঙ্গে আন্তর্জাতিক গুণমানের পণ্য উৎপাদন করা।
(v) সহজে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা ও দেশের অর্থনৈতি উন্নতি তরান্বিত করা।

উৎস: BSEZ ওয়েবসাইট।

৯৩০.
বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে মোট চালু কারখানা রয়েছে- 
  1. ১১ টি 
  2. ১৩ টি 
  3. ১৫ টি 
  4. ১৬ টি 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১১ টি চালু কারখানা আছে।
- বিসিআইসি’র উৎপাদিত পন্যের মধ্যে ৮০% রাসায়নিক সার ; এর মধ্যে ৭০% ইউরিয়া সার ও ১০% অন্যান্য সার।
- তাছাড়া যৌথ অংশীদারিত্বে ১০টি কারখানা রয়েছে।
- উল্লেখ্য যে, ১৯৯৬-৯৭ সাল থেকে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষে সারা দেশে কৃষকদের মাঝে সার বিতরনের মত স্পর্শকাতর বিষয়টি বিসিআইসি’র উপর ন্যাস্ত হয়।
- বিসিআইসি অত্যন্ত আস্তা এবং সফলতার সাথে এই গুরু দয়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

⇒ চালু সার কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ৫টি ইউরিয়া সার কারখানা।
• ১টি ডিএপি সার কারখানা।
• ১টি টিএসপি সার কারখানা।
• ১টি কাগজ কারখানা।
• ১টি সিমেন্ট কারখানা।
• ১টি গ্লাসশীট কারখানা।
• ১টি স্যানিটারীওয়্যার ও ইনসুলেটর কারখানা রয়েছে।

উল্লেখ্য ৫টি ইউরিয়া সার কারখানা হলো -
- চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড, 
- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড,
- আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ,
- শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ,
- ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী ।

উৎস: BCIC ওয়েবসাইট।

৯৩১.
বাংলাদেশে সাধারনত কয় প্রকার পাট চাষ করা হয়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে সাধারনত দুই প্রকার পাট চাষ করা হয় - দেশি এবং তোষা পাট।
রংপুর, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, কুমিল্লা, যশোর, ঢাকা, কুষ্টিয়া, জামালপুর, টাঙ্গাইল, পাবনা প্রভৃতি জেলায় পাট চাষ ভাল হয়।
সূত্রঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ বোর্ড বই।
৯৩২.
বাংলাদেশের প্রথম নদীনির্ভর টার্মিনাল 'পানগাঁও' কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. তিস্তা
  2. যমুনা
  3. মেঘনা
  4. বুড়িগঙ্গা
ব্যাখ্যা

পানগাঁও টার্মিনাল:
- বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে কেরানীগঞ্জে অবস্থিত দেশের প্রথম নদীনির্ভর টার্মিনাল পানগাঁও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো (আইসিডি)।
- ২০১৩ সালের শেষ দিকে এই টার্মিনাল উদ্বোধন করা হয়।
- প্রায় ১৫৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ টার্মিনাল বছরে ১ লাখ ১৬ হাজার টুয়েন্টি-ফুট ইকুইভালেন্ট ইউনিটস (টিইইউএস) কনটেইনার হ্যান্ডল করার সক্ষমতা নিয়ে চালু হয়েছিল।
- তবে বর্তমানে টার্মিনালটির ব্যবহার হচ্ছে সক্ষমতার ২০ শতাংশেরও কম।

সম্প্রতি,
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় কনটেইনার পরিবহনকারী প্রতিষ্ঠান মেডিটেরেনিয়ান শিপিং কোম্পানি (এমএসসি) পানগাঁও আইসিডি আধুনিকায়ন ও পরিচালনার জন্য ৪০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে।

তথ্যসূত্র- দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। [link]

৯৩৩.
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ কত সালে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে?
  1. ১৯৫৬ সালে
  2. ১৯৫৮ সালে
  3. ১৯৬০ সালে
  4. ১৯৬২ সালে
ব্যাখ্যা

স্টক এক্সচেঞ্জ:
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের পুঁজি বাজার পরিচালনা করে বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ কিমিশন বা Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ দুইটি।
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ, 
• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।

⇒ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত। 
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৯৫৪ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে: ১৯৫৬ সালে।

⇒ চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়। 
- এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ ১৯৯৫ সালের জানুয়ারিতে সরকারের কাছে আবেদন করলে সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ১৯৯৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে এর অনুমোদন দেন।

তথ্যসূত্র- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।

৯৩৪.
Leed সার্টিফিকেট কোন খাতের জন্য প্রদান করা হয়?
  1. ফাইন্যান্স
  2. শিপিং
  3. ব্যাংকিং
  4. তৈরি পোশাক
ব্যাখ্যা
Leed সার্টিফিকেট তৈরি পোশাক খাতের জন্য প্রদান করা হয়।

Leed:

- Leed-এর পূর্ণরূপ: Leadership in energy and Environmental Design.
- এটি হলো বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে আলোচিত ও গ্রহণযোগ্য Green Building Rating System।
- এটি কোন স্থাপনা বা ভবনের পরিবেশগত কার্যকারিতা মূল্যায়ন করতে ব্যবহৃত হয়। 
- পরিবেশবান্ধব তৈরি পোশাক সবুজ কারখানায় এ সনদ প্রদান করা হয়।

⇒ ১৯৯৩ সালে United States Green Building Council (USGBC) এই LEED Certification পদ্ধতিটি প্রবর্তন করে।
- শিল্পকারখানার ভবন নির্মাণ থেকে পণ্য উৎপাদন পর্যন্ত সব পর্যায়ে পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি ভালোভাবে বিশ্লেষণ করে সর্বোচ্চ মানের কারখানাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ‘ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল’ (ইউএসজিবিসি) এ সনদ দেয়।
- এ সনদ পেতে প্রতিটি প্রকল্পকে ইউএসজিবিসির তত্ত্বাবধানে স্থাপনা নির্মাণের কাজ থেকে শুরু করে উৎপাদন পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে মান রক্ষা করতে হয়।

⇒ Green Building-এর নকশা, নির্মাণ এবং অপারেশনের মূল্যায়ক হিসেবে LEED Certification বিশ্বব্যাপী পরিচিত এবং স্বীকৃত একটি নাম।
- LEED এর মাধ্যমে ভবনটির মালিক বা অপারেটর তার ভবনটির কার্যকারিতার উপর বেশ গুরুত্বপূর্ণ ও পরিমাপযোগ্য পরিবর্তন রাখতে পারে।
- মূলত পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সম্পর্কিত পাঁচটি ক্ষেত্রে কোন ভবনের টেকসই কার্যকারিতার উপর ভিত্তি করে LEED Certification টি দেয়া হয়।
- এই পাঁচটি ক্ষেত্র হলো, টেকসই সাইট, পানি সাশ্রয়, সক্তি সাশ্রয়, নির্মাণ সামগ্রী নির্বাচন ও আভ্যন্তরীণ পরিবেশ।

⇒ LEED Certification চারটি মাত্রা রয়েছে: i) সার্টিফাইড, ii) সিলভার, iii) গোল্ড, iV) প্লাটিনাম।

উল্লেখ্য,
- ৩ নভেম্বর ২০২৪, তারিখে বাংলাদেশে লিড সনদপ্রাপ্ত তৈরি পোশাক কারখানার সংখ্যা দাঁড়ায় ২৩০টিতে।
- বিশ্বের ১০০টি শীর্ষ লিড সদনপ্রাপ্ত কারখানার ৬২টি এখন বাংলাদেশের।

উৎস: i) U.S. Green Building Council.
ii) প্রথম আলো।
৯৩৫.
বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে কয়টি দেশে ওষুধ সরবরাহ করা হয়?
  1. ১৫৭টি
  2. ২০৩টি
  3. ১৮৭টি
  4. ১১৩টি
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ১৫৭টি দেশে ওষুধ সরবরাহ করা হয়।

ঔষধ শিল্প:

- দেশে প্রথম ওষুধনীতি ঘোষিত হয় ১৯৮২ সালে।
- ১৯৮২ সালের নীতিতে দেশি ওষুধশিল্পের বিকাশে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল।
- এই নীতির কারণে দেশে সহজ প্রযুক্তির ওষুধ আসা শুরু হয়।
- তালিকা করে দেড় হাজারের বেশি ওষুধ দেশে নিষিদ্ধ করা হয়।
- বলা হয়েছিল, যেসব ওষুধ দেশি কোম্পানিগুলো তৈরি করতে পারে সেসব ওষুধ আমদানি করা যাবে না।
- এগুলো ছিল ওষুধশিল্প পর্যায়ক্রমে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পেছনের কারণ।
- বাংলাদেশের জাতীয় ওষুধনীতির জনক হিসেবে পরিচিত ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
- বাংলাদেশ ওষুধ উৎপাদনে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ।
- সর্বশেষ ২০১৬ সালে সংস্কার করে নতুন ওষুধনীতি করা হয়।

এছাড়াও,
- বর্তমানে দেশে ২১৩টি ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান আছে।
- এ শিল্পে বার্ষিক গড় প্রবৃদ্ধি ১২ শতাংশ।
- বাংলাদেশ থেকে বর্তমানে প্রায় ১৫৭টি দেশে ওষুধ সরবরাহ করা হয়।
- এ খাত থেকে গত অর্থবছরে ১৭ কোটি ৫৪ লাখ ২০ হাজার ডলার আয় হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৩ সালে প্রয়োজনীয় ওষুধ আমদানি করার জন্য ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের অধীনে একটি সেল গঠন করা হয়েছিল।
- সরকার ১৯৭৪ সালে ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তর গঠন করে।
- ১৯৮২ সালে ঔষধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে ক্ষতিকর ও অপ্রয়োজনীয় ঔষধ বাজারজাতকরণ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং স্বাস্থ্যসেবার প্রতিটি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ বৃদ্ধি করা হয়।
- ১৯৮২ সালের ওষুধনীতিতে ১৫০টি ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়।
- বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে।

উৎস: i) এপ্রিল ২৭, ২০২৪, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
        ii) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৯৩৬.
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য মতে, ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের সময়ের পণ্য খাতের অর্জিত রপ্তানি আয়ের পরিমান কত?
  1. ৫২,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. ৪৮,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. ৪৯,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ৭১,২৪৪.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

• ২০২৪-২০২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি কার্যক্রমঃ
- বিগত ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে আমাদের রপ্তানি আয় হয়েছিল ৪৪,৪৬৯.৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
- চলতি ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা  ৫০,০০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের জুলাই-জুন সময়ের পণ্য খাতের অর্জিত রপ্তানি আয় ৪৮,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা বিগত ২০২৩ -২০২৪ অর্থ বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় ৪৪,৪৬৯.৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ৮.৫৮% বেশী এবং নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৫০,০০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ৯৬.৫৭% ।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

৯৩৭.
দেশের প্রথম সার কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ১৯৫৬ সালে
  2. ১৯৫৯ সালে
  3. ১৯৬১ সালে
  4. ১৯৬৫ সালে
ব্যাখ্যা
সার কারখানা:
- ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ (ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা)।
- দেশের প্রথম ও সর্ববৃহৎ সার কারখানা হচ্ছে ফেঞ্চুগঞ্জ সারকারখানা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৬১ সালে।
- কারখানাটি ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইগাঁও ইউনিয়নের অবস্থিত।
- ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা হতে প্রায় ০৫ কিলোমিটার দক্ষিণে সিলেট-মৌলভীবাজার হাইওয়ে রোডের পূর্ব দিকে হাইওয়ে রোড হতে ০১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র- সিলেট জেলার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯৩৮.
সর্বশেষ জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে, বৃহৎ শিল্পে শ্রমিক সংখ্যা কত?
  1. ৩০০ জনের অধিক
  2. ২৫০ জনের অধিক
  3. ২০০ জনের অধিক
  4. ১৫০ জনের অধিক
ব্যাখ্যা
জাতীয় শিল্পনীতি:
- সর্বশেষ শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে এসএমই ও অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠান/উদ্যোগ এর শ্রেণিবিন্যাস -

⇒ বৃহৎ শিল্প (Large scale industries):
- উৎপাদনের ক্ষেত্রে ‘বৃহৎ শিল্প’ (Large Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ (Replacement Cost) ৫০ কোটি টাকার অধিক কিংবা তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠান ব্যতীত যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৩০০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। যে সকল তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকের সংখ্যা ১০০০ এর অধিক কেবল সে সকল তৈরি পোশাক শিল্প বৃহৎ শিল্পের অন্তর্ভুক্ত হবে।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘বৃহৎ শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৩০ কোটি টাকার অধিক কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

⇒ মাঝারি শিল্প (Medium scale industries):
- ম্যানুফ্যাকচারিং এর ক্ষেত্রে ‘মাঝারি শিল্প’ (Medium Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১৫ কোটি টাকা থেকে ৫০ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২১-৩০০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। তবে তৈরি পোশাক প্রতিষ্ঠান/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে মাঝারি শিল্পে শ্রমিকের সংখ্যা সর্বোচ্চ ১০০০ জন।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘মাঝারি শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ২ কোটি টাকা থেকে ৩০ কোটি টাকা পর্যন্ত কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৫১-১২০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

⇒ ক্ষুদ্র শিল্প (Small industries):
- ম্যানুফ্যাকচারিং এর ক্ষেত্রে ‘ক্ষুদ্র শিল্প’ (Small Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৭৫ লক্ষ টাকা থেকে ১৫ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ২৬-১২০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘ক্ষুদ্র শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকা থেকে ২ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১৬-৫০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

⇒ মাইক্রো শিল্প (Micro Industry):
- ‘মাইক্রো শিল্প’ (Micro Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকা থেকে ৭৫ লক্ষ টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ০১-২৫ জন বা তার চেয়ে কম সংখ্যক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘মাইক্রো শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকার নীচে কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ ১৫ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

⇒ কুটির শিল্প (Cottage Industry):
- ‘কুটির শিল্প’ (Cottage Industry) বলতে পরিবারের সদস্যদের প্রাধান্যভুক্ত সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকার নীচে এবং যা পারিবারিক সদস্যসহ অন্যান্য সদস্য সমন্বয়ে গঠিত এবং সর্বোচ্চ জনবল ১৫ এর অধিক নয়।

⇒ ভারী শিল্প:
- ‘ভারী শিল্প’ বলতে এমন শিল্পপণ্যের উৎপাদন প্রক্রিয়াকে বোঝায় যেখানে বৃহৎ আকারের উদ্যোগ, বড় যন্ত্রপাতি, ভূমির বৃহৎ এলাকা, উচ্চ খরচ ইত্যাদি বিষয়গুলো জড়িত থাকবে এবং যা হালকা প্রকৌশল শিল্পের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে। উদাহরণস্বরূপ জাহাজ নির্মাণ শিল্প, পেট্রোলিয়াম পরিশোধন শিল্প, ইস্পাত শিল্প, মোটর গাড়ি নির্মাণ শিল্প, সিমেন্ট শিল্প, জলবিদ্যুৎ উৎপাদন শিল্প ইত্যাদি ভারী শিল্প হিসেবে গণ্য হবে।

উৎস: ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।
৯৩৯.
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. দিনাজপুর
  3. নীলফামারী
  4. পঞ্চগড় 
ব্যাখ্যা

• বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর :
- বাংলাবান্ধা ল্যান্ড পোর্ট লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত;
- বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা সীমান্তে অবস্থিত।
- এ বন্দরের বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জলপাইগুড়ি জেলার ফুলবাড়ী এলসিএস রয়েছে।
- ১২ জানুয়ারি, ২০০২ তারিখ বাংলাবান্ধা শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯৪০.
বাংলাদেশে তৈরি প্রথম যুদ্ধ জাহাজ কোনটি?
  1. বিএনএস পলাশ
  2. বিএনএস পদ্মা
  3. সংগ্রাম
  4. স্টেলা মেরিস
ব্যাখ্যা
জাহাজ নির্মাণ শিল্প:
- জাহাজ নির্মাণ শিল্প বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শিল্পখাত।
- দেশে আনুমানিক ১০,০০০ টন ক্ষমতার আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জাহাজ তৈরির ক্ষমতা সম্পন্ন প্রায় ১১টি স্থানীয় শিপইয়ার্ড রয়েছে।

⇒ খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড:
- খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড (KSY) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বাধীন সরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
- এটী বাংলাদেশ নৌবাহিনী দ্বারা পরিচালিত ও পরিচালিত হয়।
- এটি রূপসা নদীর পশ্চিম তীরে খুলনায় অবস্থিত।
- ইয়ার্ডটিতে ৯০ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৭০০ টন লাইটওয়েট পর্যন্ত স্টিল/অ্যালুমিনিয়াম জাহাজ নির্মাণের ক্ষমতা রয়েছে।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম যুদ্ধজাহাজ নির্মাতা।
- এটি পশ্চিম জার্মান সহায়তায় ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড ১৯৯৯ সালে নৌবাহিনীর নিকট হস্তান্তর করা হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ বাংলাদেশে তৈরি প্রথম যুদ্ধ জাহাজ নির্মাণ করে খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড।
- বাংলাদেশে তৈরি প্রথম যুদ্ধ জাহাজ ‘বিএনএস পদ্মা’।
- বিএনএস পদ্মার গতিবেগদ ঘন্টায় ২৩ নটিকাল মাইল (প্রায় ৩৭ মাইল)।
- পানির নীচে এর গভীরতা ৪ দশমিক ১ মিটার।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা খুলনায় অবস্থিত।
- ২০০৮ সালে আনন্দ শিপইয়ার্ড ডেনমার্কে প্রথম স্টেলা মেরিস নামে জাহাজ রপ্তানি করে।

উৎস: i) খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৯৪১.
দেশের প্রথম স্থায়ী ডিজিটলি ইপিআই সেন্টার স্থাপিত হয় কোথায়?
  1. ক) খুলনা
  2. খ) কুষ্টিয়া
  3. গ) রংপুর
  4. ঘ) গাইবান্ধা
  5. ঙ) মেহেরপুর
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম স্থায়ী ডিজিটাল সম্প্রসারিত টিকাদান কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয় রংপুর সিটি কর্পোরেশনে । এটি ২০১৯ সালের ১৩ মে উদ্বোধন করা হয়। এটিতে ডিজিটাল পদ্ধতিতে নিবন্ধনের ব্যবস্থার সঙ্গে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা রাখা হয়।(সূত্রঃ দৈনিক সংগ্রাম)
৯৪২.
শ্রমিকের সংখ্যা কত হলে সে সকল তৈরি পোশাক শিল্প বৃহৎ শিল্পের অন্তর্ভুক্ত হবে?
  1. ১২০ জনের অধিক
  2. ৩০০ জনের অধিক
  3. ৫০০ জনের অধিক
  4. ১০০০ জনের অধিক
ব্যাখ্যা
বৃহৎ শিল্প: 
জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে, 
- উৎপাদনের ক্ষেত্রে 'বৃহৎ শিল্প' (Large Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ (Replacement Cost) ৫০ কোটি টাকার অধিক কিংবা তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠান ব্যতীত যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৩০০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।
- যে সকল তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকের সংখ্যা ১০০০ এর অধিক কেবল সে সকল তৈরি পোশাক শিল্প বৃহৎ শিল্পের অন্তর্ভুক্ত হবে। 

- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে 'বৃহৎ শিল্প' বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৩০ কোটি টাকার অধিক কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

উৎস: জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২, শিল্প মন্ত্রণালয়।
৯৪৩.
BSEC-এর পূর্ণরূপ -
  1. Bangladesh Securities and Export Commission
  2. Bangladesh Securities and Exchange Commerce
  3. Bangladesh Securities and Exchange Commission
  4. Bangladesh Sell and Exchange Commission
ব্যাখ্যা
BSEC:
- BSEC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান নাম বিএসইসি।
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ (শেয়ার বাজার) দুইটি। 
- যথা:
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪ সাল),
• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫ সাল)।

উল্লেখ্য,
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।

অন্যদিকে -
- ডিএসসি হচ্ছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ।
- সিএসই হচ্ছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।

উৎস: BSEC ওয়েবসাইট।
৯৪৪.
বুড়িমারী স্থলবন্দরটি কোথায় অবস্থিত?
  1. চুয়াডাঙ্গা
  2. লালমনিরহাট
  3. যশোর
  4. পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
• দেশের স্থলবন্দর:
- বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয় - ১৪ জুন ২০০১ সালে।
- বাংলাদেশের স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয় - ঢাকা।
- বাংলাদেশের প্রধান স্থলবন্দর - বেনোপোল স্থলবন্দর।

• গুরত্বপূর্ণ স্থলবন্দরের অবস্থান:
• বেনাপোল স্থলবন্দর - বেনাপোল, যশোর।
• বুড়িমারী স্থলবন্দর - পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
• আখাউড়া স্থলবন্দর- আখাউড়া, ব্রাহ্মনবাড়িয়া।
• ভোমরা স্থলবন্দর - ভোমরা, সাতক্ষিরা।
• তামাবিল স্থলবন্দর- গোয়াইনঘাট সিলেট।
• দর্শনা স্থলবন্দর  - দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
• বিলোনিয়া স্থলবন্দর - বিলোনিয়া, ফেনী।
• গোবড়াকুড়া-কড়ইতলী স্থলবন্দর - হালুয়াঘাট, ময়মনসিংহ।
• রামগড় স্থলবন্দর - রামগড়, খাগড়াছড়ি।
• সোনাহাট স্থলবন্দর - ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
• সোনামসজিদ স্থলবন্দর- শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
• বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর- তেতুলিয়া, পঞ্চগড়।
• টেকনাফ স্থলবন্দর- টেকনাফ, কক্সবাজার।
• বিবিরবাজার স্থলবন্দর- বিবিরবাজার কুমিল্লা সদর।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ {লিংক }।


৯৪৫.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে কোন দুটি খাত নিয়ে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে? [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. স্বাস্থ্যসেবা এবং ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ
  2. বাণিজ্য এবং কৃষি
  3. বিদ্যুৎ এবং পরিবহন
  4. শিক্ষা এবং পর্যটন
ব্যাখ্যা

- স্বাস্থ্যসেবা এবং ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ নিয়ে  স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক: 
-
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের উপস্থিতিতে দুটি  সমঝোতা স্মারক হয়।
-  বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি ও ইন্টারনেট সংযোগ বিষয়ে দুটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়।
- স্থান:  প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, তেজগাঁও, ঢাকা।
- সময়: ২২ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ।
- স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি ও ইন্টারনেট সংযোগ বিষয়ে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে।

• প্রথম সমঝোতা স্মারকটি স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ-সংক্রান্ত, যা সই করে বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং ভুটানের রয়‍্যাল সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

• দ্বিতীয় সমঝোতা স্মারকটি আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ এবং অন্যান্য টেলিযোগাযোগসেবা বাণিজ্য-সম্পর্কিত।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ।[লিঙ্ক]

৯৪৬.
Bangladesh Economic Zone Authority is expected to open a special economic zone for Bhutan in which of the following districts?
  1. Rangpur
  2. Nilphamari
  3. Kurigram
  4. Dinajpur
  5. None
ব্যাখ্যা
ভুটান অর্থনৈতিক অঞ্চল:
- 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' কুড়িগ্রাম জেলায় নির্মিত হচ্ছে।
- উত্তরের সীমান্তবর্তী কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলায় ধরলা নদীর পাশে মাধবরাম গ্রামে গড়ে উঠতে যাচ্ছে 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল'।
- বাংলাদেশ ও ভুটান সরকারের যৌথ উদ্যোগে কুড়িগ্রামে জিটুজি-ভিত্তিক প্রস্তাবিত 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।

উল্লেখ্য,
- চর মাধবরাম এলাকায় ১৩৩ দশমিক ৯২ একর জমি ভুটানকে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের জন্য বেজার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২৮ মার্চ ২০২৪।
৯৪৭.
বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চর্তুথ
ব্যাখ্যা
• মাছ উৎপাদন:
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার The State of World Fisheries and Aquaculture ২০২২ এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ ৩য়,
- বদ্ধ জলাশয়ে চাষকৃত মাছ উৎপাদনে ৫ম স্থান অর্জন করেছে। 
- পাশাপাশি বিশেষ সামুদ্রিক ও উপকূলীয় ক্রাস্টাশিয়ান্স ও ফিনফিস উৎপাদনে যথাক্রমে ৮ম ও ১১তম স্থান অধিকার করেছে। 
- এছাড়া বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১ম।
- তেলাপিয়া উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে ৪র্থ এবং এশিয়ার মধ্যে ৩য় স্থান অধিকার করেছে। 

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩
৯৪৮.
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ‘ওয়ার্ল্ড স্ট্যাটিসটিক্যাল রিভিউ ২০২০’ অনুসারে একক দেশ হিসেবে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান-
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
ব্যাখ্যা
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ‘ওয়ার্ল্ড স্ট্যাটিসটিক্যাল রিভিউ ২০২০’ অনুসারে চীন তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষে অবস্থান করছে।
দ্বিতীয় অবস্থানে মূলত ২৭ দেশের জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।
তবে একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ দ্বিতীয় শীর্ষ পোশাক রপ্তানিকারক।
তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভিয়েতনাম।
পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও বস্ত্র বা কাপড় আমদানিতে শীর্ষ দশ দেশের মধ্যে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।
[সূত্রঃ ওয়ার্ল্ড স্ট্যাটিসটিক্যাল রিভিউ ২০২০ এবং প্রথম আলো পত্রিকা]
৯৪৯.
বৈষয়িক ব্যাপারে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার আইনানুসারে লিখিত পত্রকে কী বলে ?
  1. ক) চুক্তিপত্র
  2. খ) বায়নানামা
  3. গ) বাণিজ্যিকপত্র
  4. ঘ) দলিলপত্র
ব্যাখ্যা
বৈষয়িক ব্যাপারে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার আইনানুসারে লিখিত পত্রকে দলিলপত্র বলা হয়।

অন্যদিকে,
- চুক্তিপত্র বলতে আমরা বুঝি যে, বিভিন্ন কাজে বিভিন্ন উদ্দেশ্য নিয়ে যদি নানাবিধ শর্তাবলী আরোপিত কোনো কাগজে দুই পক্ষের কোনো সম্মতি স্বরূপ কাজ নিযুক্ত হয় এবং তাতে আর্থিকভাবে লাভবান হবার দুই পক্ষের একটা রূপকাঠি দাঁড়ায় তাহলে সেই লেনদেনের লিখিত রূপই হলো চুক্তিপত্র

- কোন সম্পত্তি বা মূল্যবান কোনো কিছু ভবিষ্যতে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সম্পত্তি বা ঐ বস্তুর মূল্য বাবদ আংশিক অর্থপ্রাপ্তির প্রদানের মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে বর্তমানে যে চুক্তি করা হয় তাকে বায়না পত্র বা বায়নানামা বলে।

- লিখিতভাবে ব্যবসায় বাণিজ্য সংক্রান্ত কোন তথ্য আদান প্রদান করাকে বাণিজ্যিক পত্র বলে। একটু ব্যাপক দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা বলতে পারি - দুই বা ততোধিক ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ফরমায়েশ, ক্রয়-বিক্রয়, দেনা-পাওনা, অভিযোগ, আদায়-পরিশোধ ইত্যাদি কারবারি তথ্যগুলো যদি লিখিতভাবে আদান প্রদান করা হয় তবে তাকে বাণিজ্যিক পত্র বলে।

উৎস: ব্যবসায় যোগাযোগ, বিবিএস প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং কালের কণ্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।
৯৫০.
নিচের কোনটি নিয়ন্ত্রিত শিল্প?
  1. আর্থিক প্রতিষ্ঠান
  2. স্যাটেলাইট চ্যানেল
  3. সমুদ্রগামী জাহাজ চলাচল
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
নিয়ন্ত্রিত শিল্প:
- যেসব শিল্প প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করে এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে তাদের নিয়ন্ত্রিত শিল্প বলে।
- এটি নিয়ন্ত্রিত শিল্পের কর্মীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেমন শিক্ষাদান বা আর্থিক পরিষেবা৷ পারমাণবিক শিল্প বিশ্বের সবচেয়ে নিয়ন্ত্রিত শিল্প।

⇒ নিয়ন্ত্রিত শিল্পের তালিকা:
১। যন্ত্রচালিত ট্রলারযোগে গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ শিল্প।
২। বেসরকারি খাতে ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান শিল্প।
৩। বেসরকারি খাতে ইনস্যুরেন্স কোম্পানি।
৪। বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ প্রকল্পসমূহ।
৫। প্রাকৃতিক গ্যাস/তেল অনুসন্ধান, উত্তোলন ও সরবরাহকরণ শিল্প।
৬। কয়লা অনুসন্ধান, উত্তোলন ও সরবরাহকরণ শিল্প।
৭। অন্যান্য প্রাকৃতিক খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান, উত্তোলন ও সরবরাহকরণ শিল্প।
৮। বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প (যেমন-ফ্লাইওভার, এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ে, মনোরেইল, অর্থনৈতিক অঞ্চল, ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো/কনটেইনার ফ্রেইট স্টেশন ইত্যাদি) স্থাপন।
৯। ক্রুড অয়েল রিফাইনারী (জ্বালানী হিসেবে ব্যবহৃত )/ব্যবহৃত লুব অয়েল রিসাইক্লিং/রিফাইনিং।
১০। কাঁচামাল হিসেবে দেশিয় প্রাকৃতিক গ্যাস/কনডেনসেট ও অন্যান্য খনিজ ব্যবহৃত মাঝারি ও বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান।
১১। টেলিকমিউনিকেশন সেবা শিল্প (মোবাইল/সেলুলার এবং ল্যান্ড ফোন।
১২। স্যাটেলাইট চ্যানেল।
১৩। কার্গো/যাত্রী পরিবহন বিমান।
১৪। সমুদ্রগামী জাহাজ চলাচল।
১৫। সমুদ্র বন্দর/গভীর সমুদ্র বন্দর স্থাপন।
16। VoIP (Voice Over Internet Protocol) ও IP (Internet Protocol) Telephone।
১৭। সৈকত বালি থেকে আহরিত ভারী খনিজ নির্ভর শিল্প স্থাপন ও আহরণ।
১৮। বিস্ফোরকসহ (প্রজ্জ্বলীয় কঠিন পদার্থ, জারক পদার্থ, বিষাক্ত পদার্থ) যে কোন প্রকার বিস্ফোরক দ্রব্য উৎপাদনকারী শিল্প প্রতিষ্ঠান।
১৯। এসিড উৎপাদনকারী শিল্প।
২০। রাসায়নিক সার উৎপাদনকারী শিল্প।
২১। সকল প্রকার শিল্প স্লাজ (Industrial Sludge) ও স্লাজ দ্বারা প্রস্তুতকৃত সার এবং এ সংক্রান্ত যে কোন সামগ্ৰী উৎপাদনকারী/ প্রস্তুতকারী শিল্প।
২২। স্টোন ক্রাশার শিল্প।

উৎস: জাতীয় শিল্পনীতি- ২০১৬. pdf, bangladesh.gov.bd.
৯৫১.
ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য -
  1. রাসায়নিক দ্রব্য
  2. কৃষিজাত পণ্য
  3. তৈরি পোশাক
  4. চামড়া
ব্যাখ্যা
• রপ্তানি বাণিজ্য:
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে। 

তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, জুলাই-ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত।
৯৫২.
রপ্তানি আয়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান পণ্য হিসেবে কোনটি বিবেচিত হয়? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. পাট ও পাটবস্ত্র
  2. খাদ্যশস্য
  3. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  4. কফি ও চা
ব্যাখ্যা

• চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য:
- দেশে নিজস্ব কাঁচামালনির্ভর রপ্তানিপণ্যের মধ্যে চামড়া অন্যতম। 
- এটি দেশের দ্বিতীয় প্রধান রপ্তানিপণ্য।
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, সদ্যোবিদায়ি অর্থবছরে (২০২৪-২৫) চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে চার হাজার ৮২৮ কোটি মার্কিন ডলারের, যা ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তিন হাজার ৯৩৪ কোটি ডলারের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি। 

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো। (Link1)

৯৫৩.
বাংলাদেশের বৃহত্তম রপ্তানি বাজার কোনটি?
  1. ক) জার্মানি
  2. খ) ভারত
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) চীন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি বাজারসমূহ:
- প্রথম : যুক্তরাষ্ট্র (১৬.৫ শতাংশ)
- দ্বিতীয় : জার্মানি (১৪.২ শতাংশ)
- তৃতীয় : যুক্তরাজ্য (৯.৫ শতাংশ)।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
৯৫৪.
২০২৩-২৪ সালের হিসাব মতে, তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার থেকে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের শতকরা কত ভাগ আসে?
  1. প্রায় ৭৮.৭৫ ভাগ
  2. প্রায় ৮১.২৪ ভাগ
  3. প্রায় ৮৫.৪৫ ভাগ
  4. প্রায় ৮৭.২৩ ভাগ
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

উল্লেখ্য,
- নীটওয়্যার: ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪৮.৩৫%)।
- তৈরি পোশাক: ১৪,২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩৭.১০%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৯৫৫.
ইলিশা-১ গ্যাস ক্ষেত্রটি বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চাঁদপুর
  2. ভোলা
  3. সিলেট
  4. নোয়াখালী
ব্যাখ্যা

- ইলিশা-১ গ্যাস ক্ষেত্রটি বাংলাদেশের  ভোলা জেলায় অবস্থিত।

গ্যাসক্ষেত্র:

- প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র হলো তিতাস গ্যাসক্ষেত্র।
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯টি।
- সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- সর্বশেষ ভোলার ইলিশা -১ হচ্ছে দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।

৯৫৬.
বাংলাদেশ প্রথম কোন দেশে জাহাজ রপ্তানি করে?
  1. ডেনমার্ক
  2. সুইডেন
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা

জাহাজ রপ্তানি: 
- বাংলাদেশ থেকে প্রথম জাহাজ রপ্তানি করে আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড স্লিপওয়েজ।
- সময়: ২০০৮ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর।
- ডেনমার্কে জাহাজ রপ্তানির মাধ্যমে এই অভিযাত্রা শুরু হয়।
- প্রথম রপ্তানি হওয়া জাহাজটির নাম ছিল এমভি স্টেলা ম্যারিস।
- কনটেইনার পরিবহনের উপযোগী করে তৈরি জাহাজটির রপ্তানিমূল্য ছিল বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।
- জাহাজ রপ্তানির দুই বছর আগে ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি মোজাম্বিকে ফেরি রপ্তানি করেছিল।
- এরপর ২০১০ সালে জাহাজ রপ্তানিতে যুক্ত হয় চট্টগ্রামের ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের নাম।
- ওই বছরের ৩০ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানটি জার্মানিতে একটি সমুদ্রগামী জাহাজ রপ্তানি করে।
- জাহাজটির রপ্তানিমূল্য ছিল ১২৩ কোটি টাকা।

উৎস: প্রথম আলো রিপোর্ট।

৯৫৭.
‘ডাচ ডিজিজ‘ কিসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) অর্থনীতি
  2. খ) রাজনীতি
  3. গ) পরিবেশ
  4. ঘ) যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
• মূলত একটি মাত্র প্রাকৃতিক সম্পদের উপর অতি নির্ভরতা (৮০ ভাগ বা বেশি) এবং ভবিষ্যতে এই সম্পদের পরিমাণ বা মূল্য হ্রাস পেলে যে আর্থিক মন্দার সৃষ্টি হয়, সেটাকে ডাচ ডিজিজ বলা হয়ে থাকে। 
• ডাচ ডিজিজ কথাটি প্রথম ১৯৭৭ ব্যবহার করে দ্য ইকোনমিস্ট ম্যাগাজিন।
• ১৯৫৯ সালে নেদারল্যান্ডসে প্রাকৃতিক গ্যাসের বিশাল মজুদের সন্ধান পায় দেশটি।
• বিপুল পরিমাণ গ্যাসের উত্তোলন ও রপ্তানির ফলে নেদারল্যান্ডসের অর্থনীতি প্রাথমিক দিকে সমৃদ্ধ হলেও পরবর্তী সময়ে এ গ্যাসেই তাদের বিপর্যয় ডেকে আনে অর্থনীতিতে।
• ম্যাগাজিনটি নেদারল্যান্ডসের এ অর্থনৈতিক বিপর্যয়কে বুঝানোর জন্য ডাচ ডিজিজ কথাটির প্রয়োগ করেন।
• অর্থাৎ ডাচ ডিজিজ বলতে বোঝায় কোনো দেশ একটি মাত্র প্রাকৃতিক সম্পদ কিংবা একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওপর অতিনির্র্ভরতা (৮০ ভাগ বা বেশি) এবং ভবিষ্যতে এ সম্পদের কিংবা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ভঙ্গুর অবস্থা সৃষ্টি হলে যে আর্থিক মন্দার সৃষ্টি হয়, সেটাকে ডাচ ডিজিজ বলা হয়ে থাকে।
• ডাচ জিজিজের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে ভেনিজুয়েলা। ভেনিজুয়েলা বিশ্বের বৃহত্তম তেল মজুদকারী দেশ এবং উৎপাদিত তেলের প্রায় সবটাই রফতানি করে থাকে।

সূত্র: দ্য ইকোনমিস্ট ও বণিক বার্তা।
৯৫৮.
বাংলাদেশে প্রথম কত সালে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়?
  1. ক) ১৯৪৩
  2. খ) ১৯৫৭
  3. গ) ১৯৫৫
  4. ঘ) ১৯৫৯
ব্যাখ্যা

১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
বাংলাদেশে প্রথম গ্যাস উত্তোলন করা হয় ১৯৫৭ সালে।
প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন যা আমাদের দেশের গ্যাসে ৯৫-৯৯ ভাগ থাকে।
সমুদ্র এলাকায় বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র সাঙ্গু।
১৯৯৭ সালে মাগুরছড়া ও ২০০৫ সালে টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
উৎস: বাংলাপিডিয়া

৯৫৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ এর রিপোর্ট অনুসারে দেশে একক পণ্য হিসেবে সর্বোচ্চ আমদানি হয় -
  1. সার
  2. তুলা
  3. গম
  4. তৈলবীজ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

একক পণ্য আমদানি:

- একক পণ্য হিসেবে সর্বোচ্চ আমদানি - তুলা।

শিল্পজাত পণ্য আমদানি:
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ আমদানি - পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- শিল্পজাত পণ্য হিসেবে ২য় সর্বোচ্চ আমদানি - সার।
- শিল্পজাত পণ্য হিসেবে ৩য় সর্বোচ্চ আমদানি - সুতা।

প্রাথমিক পণ্য আমদানি:
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ আমদানি - তুলা।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে ২য় সর্বোচ্চ আমদানি - গম।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে ৩য় সর্বোচ্চ আমদানি - তৈলবীজ।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৯৬০.
কোন সংস্থাটি খোলা বাজারে ন্যায্যমূল্যে পণ্য-দ্রব্য বিক্রি করে থাকে?
  1. ক) BSTI
  2. খ) TCB
  3. গ) BADC
  4. ঘ) DAE
ব্যাখ্যা
- Trading Corporation of Bangladesh (TCB) খোলা বাজারে সরকারের পক্ষ থেকে ন্যায্যমূল্যে বিভিন্ন পণ্য-দ্রব্যাদি বিক্রি করে থাকে।
- এছাড়া বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির সরবরাহ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ করা, চাহিদা ও যোগানের মধ্যে সামঞ্জস্য রেখে আপদকালীন সময়ের জন্য বিভিন্ন পণ্য মজুদ করা, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী পণ্য আমদানি করা ইত্যাদি কার্যাদিও টিসিবি করে থাকে।
- টিসিবি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ টিসিবি ওয়েবসাইট)
৯৬১.
নিচের কোনটি বাংলাদেশে জাতীয় বীমা দিবস?
  1. ক) ১ মার্চ।
  2. খ) ৪ মার্চ।
  3. গ) ২ মার্চ।
  4. ঘ) ৩ মার্চ।
ব্যাখ্যা
• জাতীয় বীমা দিবস বাংলাদেশে পালিত একটি জাতীয় দিবস।
• জাতীয় বীমা দিবস ১ মার্চ।
• বীমা শিল্পের উন্নয়ন ও বীমা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকার এটি প্রবর্তন করে।
• ইতিহাস
• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬০ সালের ১ মার্চ পাকিস্তানের আলফা ইনস্যুরেন্স কোম্পানিতে যোগ দেন।
তাঁর এ যোগদানের দিনটিকে জাতীয় পর্যায়ে স্মরণীয় রাখতে ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সুপারিশক্রমে প্রতিবছর ১ মার্চকে জাতীয় বীমা দিবস ঘোষণা করে বাংলাদেশ সরকার।
• ওই বছরের ১ মার্চ এটি প্রথম দিবস হিসেবে পালিত হয়।

সূত্র: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ,গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
৯৬২.
’বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা

• Bangladesh Sugar & Food Industries Corporation.

- বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রপতির ২৭ (১৯৭২ সালের ২৭ নম্বর আদেশ) নম্বর আদেশক্রমে গঠিত বাংলাদেশ সুগার মিলস্ করপোরেশন এবং বাংলাদেশ ফুড অ্যান্ড অ্যালাইড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন নামক করপোরেশন দুটি একীভূত করে ১৯৭৬ সালের ১ জুলাই হতে রাষ্ট্রপতির ২৫ নং আদেশবলে (সংশোধিত) বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিএসএফআইসি) গঠিত হয়। 

- বর্তমানে বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ আইন ২০১৮ অনুযায়ী সরকার কর্তৃক নিয়োজিত ১ জন চেয়ারম্যান ও ৫ জন পরিচালকের সমন্বয়ে গঠিত বোর্ড দ্বারা বিএসএফআইসি পরিচালিত হচ্ছে। 

- ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে ১৫টি চিনিকল, ১টি ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা ও ২টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে করপোরেশনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত আছে। এছাড়াও কেরু অ্যান্ড কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড এর সাথে একটি ডিস্টিলারি প্লান্ট ও একটি জৈবসার কারখানা রয়েছে।

তথ্যসূত্র: বিএসএফআইসি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৯৬৩.
দেশের প্রথম বর্জ্য বিদ্যুৎ প্রকল্প কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) নারায়ণগঞ্জ
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) কুষ্টিয়া
  5. ঙ) গাজীপুর
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম বর্জ্য বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করা হচ্ছে কুষ্টিয়া পৌরসভাতে। অস্ট্রেলিয়ার ওয়েস্ট পাওয়ার প্লান্ট লিমিটেড এটি তৈরী করবে। এর উৎপাদন ক্ষমতা ১০০ কিলোওয়াট। ব্যয় হবে সাড়ে আট কোটি টাকা। (সূত্রঃ সমকাল, ২৪ অক্টোরব ২০১৯)
৯৬৪.
সরকারি কোন সংস্থাটি খোলা বাজারে পণ্য-দ্রব্য বিক্রি করে?
  1. ক) বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন
  2. খ) ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ
  3. গ) বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ
  4. ঘ) বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ট্রেডিং কর্পোরেশন (টিসিবি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি খোলা বাজারে সরকারের পক্ষ থেকে ন্যায্যমূল্যে বিভিন্ন পণ্য-দ্রব্যাদি বিক্রি করে থাকে।
এছাড়া বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির সরবরাহ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ করা, চাহিদা ও যোগানের মধ্যে সামঞ্জস্য রেখে আপদকালীন সময়ের জন্য বিভিন্ন পণ্য মজুদ করা, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী পণ্য আমদানি করা ইত্যাদি কার্যাদিও টিসিবি করে থাকে।
(সূত্রঃ টিসিবি ওয়েবসাইট)
৯৬৫.
সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয় কোন জেলায়?
  1. ক) গাজীপুর
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) দিনাজপুর 
  4. ঘ) কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয় ঢাকা  (২,80,15২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয় গাজীপুর (৯৫,৭৯৬ মেট্রিক টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন হয় রাজশাহী (৪,১৭,৫৬২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন ঠাকুরগাও  (১,৮৩,৬১৭ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা  উৎপাদন রংপুর  (২১,৬৯,৩০৮ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয় দিনাজপুর (৫,৮৪,৯৮০ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় রাজশাহী (১৬,১০,২৩৭ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় নাটোর (৯,৬৮,০০৭.৯২ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় রংপুর (২৩,৬০০.৮২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় দিনাজপুর (১০,৬০৪ মে.টন)।

তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১
৯৬৬.
বাংলাদেশে বোনা আমন ধান কাটা হয়-
  1. ক) অগ্রহায়ণ মাসে
  2. খ) মাঘ- ফাল্গুন মাসে
  3. গ) চৈত্র-বৈশাখ মাসে
  4. ঘ) শ্রাবণ-ভাদ্র মাসে
ব্যাখ্যা
আমন ধান মূলত দুই প্রকার; রোপা আমন ও বোনা আমন।
রোপা আমন অন্য জমিতে চারা প্রস্তুত করে, সেই চারা ক্ষেতে রোপণ করে ধান উৎপন্ন হয় বলে এর এরূপ নাম। রোপা আমন আষাঢ় মাসে বীজতলায় বীজ বোনা হয়, শ্রাবণ-ভাদ্র মাসে মূল জমিতে রোপণ করা হয় এবং কার্তিক-অগ্রহায়ণ-পৌষ (এলাকাভেদে) মাসে ধান কাটা হয়।
বোনা আমন ছিটিয়ে বোনা হয়। চৈত্র-বৈশাখ মাসে মাঠে বোনা আমনের বীজ বপন করা হয় এবং অগ্রহায়ণ মাসে পাকা ধান কাটা হয়। একে আছড়া আমন, বাওয়া আমন বা গভীর পানির আমনও বলা হয়।
[সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)]
৯৬৭.
ইউরোপীয় ইউনিয়নে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী কোন দেশ? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. ভিয়েতনাম
  2. চীন
  3. ভারত
  4. মেক্সিকো
ব্যাখ্যা

ইউরোপীয় ইউনিয়নে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী ভিয়েতনাম।

দেশভিত্তিক রপ্তানি আয়:

- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে।
- একক দেশ হিসাবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে জাপানে।
- জুলাই- ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ পর্যন্ত বাংলাদেশ জাপানে রপ্তানি করে ১৩০৮.৮৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

⇒ ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) জোট হিসেবে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি বাজার।
- মোট রপ্তানি আয়ের ৫০ শতাংশের বেশি আসে ইইউ অঞ্চল থেকে। 
- বাংলাদেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮৫ শতাংশ তৈরি পোশাক।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী দেশ ভিয়েতনাম।
- ২০২৩ সালে যেখানে ইইউতে ভিয়েতনামের রপ্তানি ছিল ৫ হাজার ৭০ কোটি মার্কিন ডলার, সেখানে বাংলাদেশের রপ্তানি ছিল ২ হাজার কোটি ডলার। 

উল্লেখ্য,
⇒ ইউরোপীয় ইউনিয়নে পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ স্থানে রয়েছে চীন। 
- ২য় শীর্ষ স্থানে রয়েছে ভিয়েতনাম।
- বাংলাদেশের অবস্থান ৩য়।

উৎস: i) প্রথম আলো। [link]
ii) অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

৯৬৮.
বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার হলো-
  1. পদ্মা রিফাইনারি লিমিটেড
  2. ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড
  3. যমুনা রিফাইনারি লিমিটেড
  4. কর্ণফুলী রিফাইনারি লিমিটেড
ব্যাখ্যা

ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড:
- ১৯৬০ সালে খ্যাতনামা শিল্পোদ্যোক্তা জনাব আব্বাস খলিলি'র নেতৃত্বে সর্বপ্রথম একটি প্রকল্প আকারে তৈল শোধনাগার স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
- ১৯৬৩ কোম্পানী আইন ১৯১৩ অনুসারে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী হিসেবে নিবন্ধিত হয়।
- ১৯৬৮ সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়।
- বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার হলো ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড।
- এটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত।
-বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।
- এটি একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি।

উৎস: ইস্টার্ণ রিফাইনারী লিমিটেড এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

৯৬৯.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় পণ্য হিসেবে নিচের কোনটি ‘Geographical Indication (জিআই)’ সনদ লাভ করে?
  1. ক) কাঁকড়া
  2. খ) হিমসাগর আম
  3. গ) ইলিশ
  4. ঘ) চিংড়ি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম পণ্য হিসেবে ২০১৬ সালের ১৭ নভেম্বর জামদানি শাড়ি ‘Geographical Indication (GI)’ বা ভৌগোলিক নির্দেশক সনদ লাভ করে। ২০১৭ সালে দ্বিতীয় পণ্য হিসেবে ইলিশ মাছ এবং ২০১৯ সালে তৃতীয় পণ্য হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্ষীরসাপাত আম বা হিমসাগর আম জিআই সনদ লাভ করে। বাংলাদেশে জাতিসংঘের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ সংস্থা এর প্রতিনিধি হিসেবে প্যাটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর জিআই সনদ প্রদান করে থাকে।
[সূত্রঃ প্যাটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর, জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং দৈনিক কালেরকণ্ঠ]
৯৭০.
২০২৪–২৫ অর্থবছরে দেশে মোট রপ্তানির পরিমাণ ছিল কত? (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫)
  1. ৩৮,৩০০ মিলিয়ন ডলার
  2. ৪৮,৩০০ মিলিয়ন ডলার
  3. ৫৮,৩০০ মিলিয়ন ডলার
  4. ৬৮,৩০০ মিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা

২০২৪-২৫ অর্থবছরে আমদানি-রপ্তানি চিত্র:
- ২০২৪–২৫ অর্থবছরে মোট আমদানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৮,৩৫৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- অন্যদিকে একই সময়ে মোট রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৪৮,৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- রপ্তানি আয়ের তুলনায় আমদানি ব্যয় বেশি হওয়ায় দেশে ২০,৩৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বাণিজ্য ভারসাম্য ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে।
- এই ঘাটতি নির্দেশ করে যে দেশের বৈদেশিক লেনদেনে আমদানির চাপ রপ্তানির তুলনায় বেশি, যা সামষ্টিক অর্থনীতি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও মুদ্রাবাজারে প্রভাব ফেলতে পারে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫।

৯৭১.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কাগজ কল কোনটি?
  1. খুলনা নিউজ প্রিন্ট মিল
  2. সিলেট মন্ড কাগজ মিল
  3. কর্ণফুলি পেপার মিল 
  4. চন্দ্রঘোনা কাগজ মিল
ব্যাখ্যা
• কর্ণফুলি পেপার মিল:
কর্ণফুলি পেপার মিল বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কাগজের কল।
- ১৯৫১ সালে পাকিস্তান ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন-এর অধীনে ৬৭.৫৭ মিলিয়ন রুপি ব্যয়ে চট্টগ্রাম চন্দ্রঘোনায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ওই সময়ে পূর্ব পাকিস্তান এ ৩১টি হাতে তৈরি কাগজের এন্টারপ্রাইজ এবং ১২২ জন শ্রমিকসহ একটি কার্বন কাগজ তৈরির ইউনিট ছিল।
- এই সকল প্রতিষ্ঠানে কাজ করত ৫৫ জন পুরুষ, ৫১ জন মহিলা ও ১৬ জন শিশুশ্রমিক।
- কর্ণফুলি পেপার মিলটি শিল্প আইনের অধীনে নিবন্ধিত প্রথম কাগজশিল্প যা ত্রিশ হাজার শ্রমিক নিয়ে এশিয়ার সর্ববৃহৎ কাগজ-কল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মিলটি আমেরিকা, ইংল্যান্ড, জার্মানি, সুইডেন এবং ইতালির সহযোগিতায় ও বিশ্বব্যাংকের ঋণ সহায়তায় স্থাপিত হয়।
- বাৎসরিক ৩০,০০০ টন ধারণক্ষমতা নিয়ে ১৯৫৩ সালে মিলটিতে উৎপাদন আরম্ভ হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯৭২.
নিচের কোনটি বিদেশি ব্যাংক?
  1. ক) ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড
  2. খ) স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক লিমিটেড
  3. গ) স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড
  4. ঘ) ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বর্তমানে বিদেশি তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা ৯টি। এগুলো হলো:
- স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক লিমিটেড
- হাবিব ব্যাংক লিমিটেড
- স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া
- কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন
- ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান
- সিটি ব্যাংক এনএ
- উরি ব্যাংক
- হংকং সাংহাই ব্যাংকিং কর্পোরেশন (এইচএসবিসি) লিমিটেড এবং
- ব্যাংক আল-ফালাহ লিমিটেড।
এদের মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক লিমিটেড সবচেয়ে পুরনো এবং বৃহৎ বিদেশি ব্যাংক।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
৯৭৩.
নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস লিমিটেড রাষ্ট্রীয়করণ করা হয় কবে?
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৯৩৩ সালে
  3. ১৯৬৫ সালে
  4. ১৯৪৫ সালে
ব্যাখ্যা
• নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস লিমিটেড: 
- অবস্থান: গোপালপুর, লালপুর, নাটোর,
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৩৩ সালে,
- রাষ্ট্রীয়করণ: ১৯৬৫ সালে।
- অনুমোদিত জনবল: ১,২৩৮ জন।
- বর্তমানে কর্মরত: ৯৭০ জন।
- ট্রেনিং কমপ্লেক্স: ১টি।
- উৎপাদন তথ্য (সর্বশেষ মৌসুম): 
- নিজস্ব খামার থেকে আখ সংগ্রহ: ৩৪,০০০ মেট্রিক টন,
- মোট আখ মাড়াই: ২,৫৯,৩১২ মেট্রিক টন,
- উৎপাদন হয়েছে: ১৯,৯৬৩.৭০ মেট্রিক টন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯৭৪.
রেলপথ মন্ত্রণালয় গঠন করা হয় কত সালে?
  1. ২০১২ সাল
  2. ২০১১ সাল
  3. ২০১৩ সাল
  4. ২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের গণপরিবহন খাতের মধ্যে রেলওয়ে অন্যতম প্রধান রাষ্ট্রীয় পরিবহন মাধ্যম।
- প্রথম রেলওয়ের সূচনা: ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর, দর্শনা–জগতি রেললাইন নির্মাণের মাধ্যমে।
- বর্তমান রেল নেটওয়ার্ক: ২৮৭৭ কিঃমিঃ, দেশের ৪৪টি জেলায় সংযুক্ত।
- ১৯৪৭ সালের পূর্বে অবিভক্ত ভারতবর্ষে রেলওয়ে বোর্ডের মাধ্যমে রেল পরিচালিত হতো।

- ১৯৭৩ সালে রেলওয়ে বোর্ড বিলুপ্ত করে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত করা হয়।
- ১৯৮২ সালে রেলপথ বিভাগ গঠন করা হয়; সচিব ডিজি কাম সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।
- ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ রেলওয়ে অথরিটি (বিআরএ) গঠন করা হয়, তবে কার্যক্রম দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।
- ১৯৯৬–২০০৩ সময়ে এডিবি অর্থায়নে রেলওয়ের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
- এরপর যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে সড়ক ও রেলপথ বিভাগের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালিত হত।
-  মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ০৪-১২-২০১১ তারিখের এস আরও নং ৩৬১ আইন/২০১১ অনুযায়ী রেলপথ মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়।

উৎস:রেল মন্ত্রণালয়।

৯৭৫.
বিসিআইসি কবে গঠিত হয়?
  1. ১৯৭২
  2. ১৯৭৩
  3. ১৯৭৬
  4. ১৯৭৯
  5. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বিসিআইসি ১৯৭৬ সালে গঠিত হয়।

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- ১৯৭২ সনের রাষ্ট্রপতি ২৭ নম্বর অধ্যাদেশের ১৯৭৬ সনের ২৫ নম্বর সংশোধনী বলে ৩টি কর্পেোরেশন যথা- বাংলাদেশ সার, রসায়ন ও ভেষজ শিল্প কর্পোরেশন, বাংলাদেশ কাগজ ও বোর্ড কর্পোরেশন, বাংলাদেশ ট্যানারীজ কর্পোরেশন একীভূত করে ১লা জুলাই, ১৯৭৬ইং তারিখে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সংস্থার চেয়ারম্যান এবং বোর্ড অব ডিরেক্টর্স এর পরিচালকবৃন্দ সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত।
- প্রধান নির্বাহী হিসাবে চেয়ারম্যানকে সংস্থাটি পরিচালনার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।
- কর্পোরেশনের সার্বিক কার্যক্রম সরকারের পক্ষ থেকে নিয়োগকৃত একজন চেয়ারম্যান ও ৫ জন পরিচালক এর সমন্বয়ে গঠিত একটি বোর্ড অব ডিরেক্টরর্স এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

⇒ উত্তরাধীকার সূত্রে প্রাপ্ত ৮৮টি প্রতিষ্ঠান নিয়ে সংস্থার যাত্রা শুরু হয়।
- পরবর্তীতে ৬টি নতুন কারখানা সংস্থা কর্তৃক স্থাপিত হয় এবং ৩টি কারখানা অন্য সংস্থা হতে বিসিআইসি’র নিয়ন্ত্রনাধীনে ন্যাস্ত হয়।
- সরকার বিরাষ্ট্রীয়করন নীতিমালা বাস্তবায়নের ফলে মোট ৯৭টি শিল্প প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬৫টি প্রতিষ্ঠান হতে পূজি প্রত্যাহার করা হয়।
- ৭টি কারখানা প্রাক্তন মালিকের নিকট এবং ৭টি প্রতিষ্ঠান মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাষ্টের নিকট হস্তান্তর করা হয়।
- ৫টি প্রতিষ্ঠান সরকারি সিদ্ধান্তক্রমে বন্ধ করে জনবল পে-অফ করা হয়েছে।
- সরকারের বিরাষ্ট্রীয়করণ নীতিমালার আওতায় ২০০২ সাল হতে ৮টি প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ বন্ধ আছে।

উৎস: BCIC ওয়েবসাইট।
৯৭৬.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশি পণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জার্মানি
  4. ভারত
ব্যাখ্যা

দেশভিত্তিক রপ্তানি:
- দেশভিত্তিক রপ্তানি উপাত্তে দেখা যায় যে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশি পণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি।
- আলোচ্য সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে যথাক্রমে ৮,৬৯২.৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ৫,২৯৪.৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
- যা দেশের মোট রপ্তানির যথাক্রমে ১৮.০০ শতাংশ এবং ১০.৯৬ শতাংশ।
- যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে রপ্তানিকৃত প্রধান প্রধান পণ্যসমূহ হলোঃ তৈরি পোশাক, নীটওয়্যার, হিমায়িত চিংড়ি, কাঁকড়া, গৃহস্থালী বস্ত্র ইত্যাদি।
- দেশভিত্তিক পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাজ্য (৯.৫৭%), ফ্রান্স (৫.০০%) ও নেদারল্যান্ড (৪.৮৭%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৯৭৭.
বাংলাদেশের রপ্তানী পণ্যর সর্ব বৃহৎ বাজার- [নভেম্বর,২০২৫]
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জার্মানি
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. সৌদি আরব
ব্যাখ্যা

রপ্তানি (২০২৪-২৫):
- বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জার্মানি
- তৃতীয় সর্বোচ্চ- যুক্তরাজ্য।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ - স্পেন।

এছাড়াও,
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

উৎস: বানিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

৯৭৮.
বাংলাদেশের কোন গ্যাসক্ষেত্রটি সর্বপ্রথম আবিষ্কৃত হয়?
  1. ক) বাখরাবাদ
  2. খ) সাঙ্গু ভেলী
  3. গ) সালদা
  4. ঘ) হরিপুর
ব্যাখ্যা
• গ্যাসক্ষেত্র:
- প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে
- প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে। 
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র হলো তিতাস গ্যাসক্ষেত্র।
- এটি ১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি কর্তৃক আবিস্কৃত হয়।
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯টি।
- সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- সর্বশেষ ভোলার ইলিশা-১ দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
৯৭৯.
মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরটি কোথায় অবস্থিত?
  1. কক্সবাজারের মহেশখালী
  2. চট্টগ্রামের বাঁশখালী
  3. পটুয়াখালীর কলাপাড়া 
  4. কক্সবাজারের টেকনাফ
ব্যাখ্যা

মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর:
- মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর বাংলাদেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর। 
- এটি কক্সবাজার জেলার মহেশখালীতে নির্মাণাধীন।
- এই বন্দরের নেভিগেশন চ্যানেল ১৬–১৮ মিটার গভীর হওয়ায় বড় আকারের জাহাজ বা মাদার ভেসেল সরাসরি ভিড়তে পারবে।
- প্রকল্পটি দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উদ্যোগ, যার মাধ্যমে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের ওপর চাপ কমবে এবং আঞ্চলিক বাণিজ্য বাড়বে।
- মাতারবাড়ী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য নির্মিত জেটি সম্প্রসারণ করে এটিকে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক বন্দরে রূপ দেওয়া হচ্ছে।
- জাপান সরকারের সরকারি সংস্থা জাইকার- সহায়তায় নির্মিত এই বন্দর ২০২৬ সালে প্রথম ধাপে চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে; 
- এবং ২০২৯–২০৩০ সালের মধ্যে পুরোপুরি সম্পন্ন হবে।
- এটি বড় কন্টেইনার জাহাজ হ্যান্ডলিং, ট্রানজিট সুবিধা বৃদ্ধি এবং দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন [লিঙ্ক]। 

৯৮০.
বাংলাদেশ রপ্তানি ক্ষেত্রে নিচের কোন দেশে জিএসপি সুবিধা পাচ্ছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. সিঙ্গাপুর
  3. ভারত
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ বর্তমানে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত ২৭টি দেশসহ মোট ৩৮টি দেশে রপ্তানি ক্ষেত্রে জিএসপি সুবিধা পাচ্ছে।
ইইউ বর্হিভূত দেশগুলো হলো:
- যুক্তরাজ্য
- অস্ট্রেলিয়া
- নিউজিল্যান্ড
- জাপান
- কানাডা
- তুরস্ক
- রাশিয়া
- বেলারুশ
- লিচেনস্টাইন
- নরওয়ে এবং
- সুইজারল্যান্ড।
(তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
৯৮১.
দেশের প্রথম উপকূলীয় নদীবন্দর কোনটি?
  1. হাতিয়া
  2. বাউফল
  3. আনোয়ারা
  4. সন্দ্বীপ
ব্যাখ্যা

দেশের উপকূলীয় নদীবন্দর:
- দেশের প্রথম উপকূলীয় নদীবন্দর হলো সন্দ্বীপ।
- নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্প্রতি সন্দ্বীপকে দেশের প্রথম উপকূলীয় নদীবন্দর হিসেবে ঘোষণা করেছে।
- বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষকে (বিআইডব্লিউটিএ) সন্দ্বীপ উপকূলীয় নদীবন্দরের সংরক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। 

উল্লেখ্য,
- দেশের দ্বিতীয় উপকূলীয় নদীবন্দর হলো হাতিয়া। নোয়াখালীর হাতিয়াকে দেশের ২য় উপকূলীয় নদীবন্দর ঘোষণা করেছে সরকার।

উৎস: i) বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ওয়েবসাইট।
ii) দৈনিক ইনকিলাব।

৯৮২.
যমুনা বঙ্গবন্ধু সেতুর পিলার কয়টি?
  1. ৭৫ টি
  2. ৫৯ টি
  3. ৫০ টি
  4. ৪৫ টি
ব্যাখ্যা
যমুনা সেতু:
- এটি যমুনার নদীর ওপর নির্মিত।
- সেতুটি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার।
- সেতুর মোট স্প্যান ৪৯টি।
- সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৫০টি।
- সেতুটিতে ডুয়েল গেজ ডাবল রেললাইন নির্মাণ করা হবে।
- এর নির্মাণ ব্যয় ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা।
- ২০২০ সালের ২৯ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেতুটি নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- সেতুর ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চলাচল করতে পারবে।

উল্লেখ্য,
- জাপান ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে সেতুটি নির্মিত হচ্ছে।
- ডব্লিউডি-১ ও ডব্লিউডি-২ নামে দুটি প্যাকেজে জাপানি পাঁচটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।
- ডব্লিউডি-১ প্যাকেজটি বাস্তবায়ন করছে জাপানি আন্তর্জাতিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ওবাইসি, টোআ করপোরেশন ও জেইসি (ওটিজে) জয়েন্ট ভেঞ্চার।
- ডব্লিউডি-২ প্যাকেজটি বাস্তবায়নে রয়েছে জাপানের আইএইচআই ও এসএমসিসি জয়েন্ট ভেঞ্চার।
- সেতুটি নির্মাণে জাপান, ভিয়েতনাম, নেপাল, অস্ট্রেলিয়া, ফিলিপাইন ও বাংলাদেশের কর্মীরা নিয়োজিত আছেন।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
৯৮৩.
বর্তমানে বাংলাদেশের 'চামড়া শিল্প নগরীর' অবস্থান কোথায়?
  1. আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ
  2. শ্রীপুর, গাজীপুর
  3. হেমায়েতপুর, সাভার
  4. হাজারীবাগ, ঢাকা
ব্যাখ্যা

• ট্যানারি শিল্প:
- ট্যানারি শিল্প বলতে চামড়া পাকা করা বা প্রক্রিয়াজাত করা হয়, এমন কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়।
- ট্যানারিতে পশুর কাঁচা চামড়া পাকা করার পর জুতা, ব্যাগ, স্যুটকেস, বেল্ট, মানিব্যাগ, জ্যাকেট ইত্যাদি উৎপাদনের উপযোগী চামড়া তৈরি করা হয়।
- ১৯৪০ সালে প্রথম ট্যানারি স্থাপিত হয় নারায়নগঞ্জে যার উদ্যোক্তা ছিলেন আর.পি সাহা (রণদাপ্রসাদ সাহা)।
- পরবর্তীকালে ট্যানারিটি ঢাকার হাজারীবাগে স্থানান্তর করা হয়।
- এই ট্যানারিকে কেন্দ্র করেই হাজারীবাগ এলাকায় অনেক ট্যানারি গড়ে ওঠে।
- দেশ বিভাগের আগ পর্যন্ত পূর্ববঙ্গে উৎপাদিত সব কাঁচা চামড়া পশ্চিম বাংলায় বিশেষত কলকাতায় রপ্তানি হতো।
- উপর্যুক্ত বাধা কাটিয়ে উঠার লক্ষ্যে ২০১৬ সালে ট্যানারিগুলোকে সাভারের হেমায়েতপুর এলাকায় ২০০ একর জমির উপর কেন্দ্রীয়ভাবে বর্জ্য শোধনাগার সুবিধাসহ স্থানান্তরের পবিকল্পনা নেয়া হয়।
- ২০১৭ সালে ট্যানারি শিল্প জনবহুল হাজারীবাগ এলাকা থেকে সাভারে নিজস্ব শিল্পনগরীতে স্থানান্তর করা হয়।

তথ্যসূত্র: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC.

৯৮৪.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে মোট আমদানির পরিমান কত?
  1.  ৭৯ বিলিয়ন
  2. ৬১ বিলিয়ন
  3. ৮২ বিলিয়ন
  4. ৫৬ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা

- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে মোট ৬১ বিলিয়ন বা ৬ হাজার ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি হয়েছে, 
- যা এর আগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চেয়ে ৭ শতাংশ কম। 
- আগের অর্থবছরে আমদানি হয়েছিল ৬ হাজার ৫১৪ কোটি ডলারের পণ্য।
- পরিমাণের দিক থেকে ২০২৪–২৫ অর্থবছরে আমদানি বেড়েছে।
- সব মিলিয়ে সোয়া ১৪ কোটি টন পণ্য আমদানি হয়েছে, 
- যা এর আগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ১৩ কোটি ৭৬ লাখ টনের চেয়ে ৪ শতাংশ বেশি।

- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আওতাধীন ৫০টি শুল্ক স্টেশনে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে খালাস হওয়া পণ্যের তথ্য পর্যালোচনা করে আমদানির এই চিত্র পাওয়া গেছে।

উৎস: প্রথম আলো [লিংক]

৯৮৫.
এমভি আবদুল্লাহ জাহাজের পুরাতন নাম কী?
  1. গোল্ডেন হক
  2. মুক্তা মনি
  3. হিমালয়
  4. বিজয় কেতন
ব্যাখ্যা
এমভি আবদুল্লাহ জাহাজ
- কবির গ্রুপের এস আর শিপিংয়ের মালিকানাধীন মোট ২৪টি জাহাজের মধ্যে সর্বশেষ যুক্ত হয় জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ।
- ২০১৬ সালে তৈরি এই বাল্ক ক্যারিয়ারটির দৈর্ঘ্য ১৮৯ দশমিক ৯৩ মিটার
- এবং প্রস্থ ৩২ দশমিক ২৬ মিটার।ড্রাফট ১১ মিটারের কিছু বেশি।
- গত বছর জাহাজটি এসআর শিপিং কিনে নেওয়ার আগে এটির নাম ছিল গোল্ডেন হক।
- মালিকানা পরিবর্তনের পর নতুন নাম হয় এমভি আবদুল্লাহ।]

সূত্র- বাংলা ট্রিবিউন। 
 
৯৮৬.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান রপ্তানি পণ্য কোনটি?
  1. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  2. পাট ও পাটজাত পণ্য
  3. হিমায়িত খাদ্য
  4. রাসায়নিক দ্রব্যাদি
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান রপ্তানি পণ্য হলো পাট ও পাটজাত পণ্য। ২০২০-২০২১ অর্থবছরে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানির পরিমাণ ছিলো ১১৬১.৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২০২০-২০২১ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ে বিভিন্ন পণ্যের অবদান:
প্রথম : তৈরি পোশাক (৩১.৪৫ বিলিয়ন ডলার)
দ্বিতীয় : পাট ও পাটজাত পণ্য (১১৬১.৪৮ মিলিয়ন ডলার)
তৃতীয় : কৃষিপণ্য (১০২৮.১৪ মিলিয়ন ডলার)
চতুর্থ : চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য (৯৪১.৬৭ মিলিয়ন ডলার)।

(তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
৯৮৭.
বর্তমানে চাহিদার কত শতাংশ ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ৭৬ শতাংশ
  2. ৭৯ শতাংশ
  3. ৮১ শতাংশ
  4. ৯৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ঔষধ শিল্প:

- স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ঔষধ প্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল।
- ফলে অনেক উচ্চ মূল্যে জনগণকে ঔষধ ক্রয় করতে হতো।
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮% ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়।
- বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ঔষধ আমদানিকারক দেশ হতে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশের ৫৪টি ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এরা বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ রপ্তানি করছে ১৫৭টি দেশে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে।
- এরপর গত কয়েক দশকে স্বল্পোন্নত দেশগুলোয় ওষুধের বৃহত্তম উৎস হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ।

অন্যদিকে -
- ১৯৭৩ সালে প্রয়োজনীয় ওষুধ আমদানি করার জন্য ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের অধীনে একটি সেল গঠন করা হয়েছিল।
- সরকার ১৯৭৪ সালে ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তর গঠন করে।
- ১৯৮২ সালে ঔষধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে ক্ষতিকর ও অপ্রয়োজনীয় ঔষধ বাজারজাতকরণ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং স্বাস্থ্যসেবার প্রতিটি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ বৃদ্ধি করা হয়।
- ১৯৮২ সালের ওষুধনীতিতে ১৫০টি ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ii) প্রথম আলো।
৯৮৮.
মোট পণ্য আমদানি মূল্যের ভিত্তিতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কোন দেশ থেকে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. জাপান
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

২০২৪-২৫ অর্থবছরের আমদানি:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৮,৩৫৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ৬৬,৭২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ২.৪ শতাংশ বেশি।
- মোট পণ্য আমদানি মূল্যের ভিত্তিতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চীন থেকে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়।
- যা দেশের মোট আমদানির ৩০.০২ শতাংশ।
- আলোচ্য সময়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারত (১৪.১৮%) ও যুক্তরাষ্ট্র (৩.৬৭%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫।

৯৮৯.
বিশ্বের মোট ইলিশের কত শতাংশ বাংলাদেশে উৎপাদিত হয়?
  1. ক) ৫৫ শতাংশ
  2. খ) ৬৫ শতাংশ
  3. গ) ৭৫ শতাংশ
  4. ঘ) ৮৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা

ইলিশ উৎপাদনে,

- বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম,
- ভারত বিশ্বে দ্বিতীয়,
- মিয়ানমার বিশ্বে তৃতীয়।
- বাংলাদেশের মোট উৎপাদিত মাছের মধ্যে ইলিশের পরিমাণ- ১২%।
- মোট দেশজ উৎপাদনে ইলিশের অবদান- ১%।
- বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬% (World Fish- এর তথ্যানুসারে)
- বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৫% (FAO এর The State of World Fisheries and Aquaculture 2020 এর তথ্যানুসারে)।

৯৯০.
গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে হিমায়িত খাদ্য রপ্তানির পরিমাণ কত?
  1. ক) ৩৩.২৬ কোটি মা. ডলার
  2. খ) ৪৫.৬১ কোটি মা. ডলার
  3. গ) ৫৯.৩৬ কোটি মা. ডলার
  4. ঘ) ৯৯.১৯ কোটি মা. ডলার
ব্যাখ্যা
গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে হিমায়িত খাদ্য রপ্তানির পরিমাণ ৪৫.৬১৫ কোটি মার্কিন ডলার।
হিমায়িত খাদ্যের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:
- মাছ : ৭.৫৩ কোটি ডলার
- চিংড়ি : ৩৩.২৬ কোটি ডলার
- অন্যান্য : ৪.৮২ কোটি ডলার।
(সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক)
৯৯১.
ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য কোনটি?
  1. পাটজাত পণ্য
  2. চা
  3. তৈরি পোশাক
  4. হিমায়িত খাদ্য
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

দেশ হিসেবে রপ্তানি:

- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।

অন্যদিকে,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র: জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: জাপানে।

⇒ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছর এর জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়কালে বাংলাদেশি পণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে যথাক্রমে ৬,১০৩.১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ৪,৩১২.১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা দেশের মোট রপ্তানির যথাক্রমে ১৫.৮৭ শতাংশ এবং ১১.২১ শতাংশ।
- যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে রপ্তানীকৃত প্রধান প্রধান পণ্যসমূহ হলো- তৈরি পোশাক (ওভেন), নিটওয়্যার, হিমায়িত চিংড়ি, কাঁকড়া, গৃহস্থালি বস্ত্র ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৯৯২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে আমদানি ক্ষেত্রে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক আমদানি:
- ২০২৩-২৪ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।
- ২০১২-১৩ অর্থবছর থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছর (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত দেশে আমদানি ক্ষেত্রে চীন শীর্ষে রয়েছে।
- শতকরা ২৮.৪৬ ভাগ আমদানি হয়েছে চীন থেকে।
- দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারত (১৩.৪২%) ও যুক্তরাষ্ট্র (৪.৫১%)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৯৯৩.
মূসক হলো এক প্রকার-
  1. ক) প্রত্যক্ষ কর
  2. খ) পরোক্ষ কর
  3. গ) আয়কর কর
  4. ঘ) সম্পদ কর
ব্যাখ্যা
• মূসক হলো স্বনির্ধারণী পরোক্ষ কর

• সরবরাহকৃত পণ্য বা সেবার ওপর প্রদেয় করের বিপরীতে উপকরণ কর সমন্বয় করে পণ্য বা সেবার মূল্যস্তরের প্রকৃত সংযোজনের ওপর আরোপিত করই ঐ পণ্য বা সেবার মূল্য সংযোজন কর বা মূসক।
- করযোগ্য আমদানি এবং করযোগ্য সরবরাহের ওপর মূসক আরোপিত হয়। 
- আইনের প্রথম তফসিলে বর্ণিত অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্য ও সেবা ব্যতীত সকল পণ্য ও সেবার উপর ১৫ শতাংশ হারে মূসক আরোপিত হবে।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে ১ জুলাই মূল্য সংযোজন কর চালু হয়।

সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ।
৯৯৪.
২০২৫-২৬ অর্থ বছরের প্রধান রপ্তানি পণ্য কোনটি?
  1. কৃষিজাত পণ্য
  2. হিমায়িত খাদ্য
  3. চামড়া-চামড়াজাত পণ্য
  4. নীট পোশাক
ব্যাখ্যা

২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের প্রধান রপ্তানি পণ্য-  নীট পোশাক।

• নীট পোশাক :

- ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের রপ্তানি আয়: ১০,৪৮৮.০৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানিতে খাতটির অবদান: ৪৩.৭১%।

• কৃষিজাত পণ্য:
২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের রপ্তানি আয়: ৫৪৫.৪৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
মোট রপ্তানিতে খাতটির অবদান: ২.২৭%

• চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা:
২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের রপ্তানি আয়: ৬০৯.৬৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
মোট রপ্তানিতে খাতটির অবদান: ২.৫৪%

• হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ :
২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের রপ্তানি আয়: ২৫৪.৮৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
মোট রপ্তানিতে খাতটির অবদান: ১.০৬%

⇒ ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের মোট ৮টি পণ্য খাত থেকে রপ্তানি আয়:

- ওভেন পোশাক;
- নীটওয়্যার;
- হোম টেক্সটাইল;
- হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ ;
- কৃষিজাত পণ্য ;
- পাট ও পাটজাত দ্রব্য ;
- চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা ;
- প্রকৌশল দ্রব্যাদি ;
→ এই ৮টি খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ২১,৯৩২.৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা মোট রপ্তানি আয়ের ৯১.৪০%।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

৯৯৫.
বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিএসএফআইসি) কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা

• Bangladesh Sugar & Food Industries Corporation.

- বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রপতির ২৭ (১৯৭২ সালের ২৭ নম্বর আদেশ) নম্বর আদেশক্রমে গঠিত বাংলাদেশ সুগার মিলস্ করপোরেশন এবং বাংলাদেশ ফুড অ্যান্ড অ্যালাইড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন নামক করপোরেশন দুটি একীভূত করে ১৯৭৬ সালের ১ জুলাই হতে রাষ্ট্রপতির ২৫ নং আদেশবলে (সংশোধিত) বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিএসএফআইসি) গঠিত হয়। 

- বর্তমানে বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ আইন ২০১৮ অনুযায়ী সরকার কর্তৃক নিয়োজিত ১ জন চেয়ারম্যান ও ৫ জন পরিচালকের সমন্বয়ে গঠিত বোর্ড দ্বারা বিএসএফআইসি পরিচালিত হচ্ছে। 

- ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে ১৫টি চিনিকল, ১টি ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা ও ২টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে করপোরেশনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত আছে। এছাড়াও কেরু অ্যান্ড কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড এর সাথে একটি ডিস্টিলারি প্লান্ট ও একটি জৈবসার কারখানা রয়েছে।

উৎস: বিএসএফআইসি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৯৯৬.
‘অ্যাকর্ড’ কী?
  1. ক) মার্কিন তেল অনুসন্ধান কোম্পানি
  2. খ) তৈরি পোশাক আমদানিকারকদের জোট
  3. গ) রাশিয়ান পরমাণু জ্বালানি সরবরাহ সংস্থা
  4. ঘ) সিঙ্গাপুরভিত্তিক কনসালটেশন ফার্ম
ব্যাখ্যা
‘অ্যাকর্ড’ হলো ইউরোপভিত্তিক তৈরি পোশাক আমদানিকারকদের একটি জোট।
এটি ২০১৩ সালে রানাপ্লাজা ধ্বসের পর বাংলাদেশে গার্মেন্টসগুলোর কর্মপরিবেশ পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন মিশন শুরু করে।
২০২০ সালের জুলাইয়ে ‘অ্যাকর্ড’ তাদের কার্যক্রম সমাপ্ত করে।
‘অ্যালায়েন্স হলো যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক তৈরি পোশাক আমদানিকারকদের জোট।
(সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো)
৯৯৭.
বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি জনশক্তি প্রেরণ করে কোন দেশে?
  1. ক) সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. খ) সৌদি আরব
  3. গ) ওমান
  4. ঘ) কাতার
ব্যাখ্যা
⇨ প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে।
⇨ ২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহের মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে - সৌদি আরব থেকে।
⇨ দ্বিতীয় - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তৃতীয় - যুক্তরাজ্য।
⇨ ইউরােপিয়ান দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে - যুক্তরাজ্য।
⇨ ২০২২ (ফেব্রুয়ারি) সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২,০২,২৬৭ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
⇨ সবচেয়ে বেশি জনশক্তি প্রেরণ করা হয় - সৌদি আরব (১,২৭,১৮৭ জন যা মােট অভিবাসনের ৭৪.০৮%), দ্বিতীয় – সংযুক্ত আরব আমিরাতে (২৭,৪৭০ জন)।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।     
৯৯৮.
ঔষধ নীতির প্রধান উদ্দেশ্য হলো-
  1. ক) অপ্রয়োজনীয় এবং ক্ষতিকর ঔষধ প্রস্তুত বন্ধ করা
  2. খ) ঔষধ শিল্পে দেশীয় কাঁচামালের ব্যবহার নিশ্চিত করা
  3. গ) ঔষধ শিল্পে দেশীয় শিল্পপতিদের অগ্রাধিকার দেয়া
  4. ঘ) বিদেশী শিল্পপতিদের দেশীয় কাঁচামাল ব্যবহারে বাধ্য করা
ব্যাখ্যা
জাতীয় ঔষুধ নীতি ২০১৬ অনুযায়ী, 
নকল, ভেজাল, ক্ষতিকর, নিবন্ধনবিহীন, কাউন্টারফেইট (counterfeit), মিসব্রান্ডেড 
(misbranded) ও নিম্নমানের ঔষধ ও মেডিকেল ডিভাইস প্রস্তুত, বিক্রয় ও বিতরণ
নিষিদ্ধ করা এবং অনুরূপ কর্মকাণ্ডের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করার বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে । 

উৎসঃ dgda.gov.bd
৯৯৯.
USGBC-এর তালিকা অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানা কোনটি? [মে, ২০২৫]
  1. এসএম সোর্সিং, গাজীপুর
  2. তাসনিয়া ফেব্রিকস, গাজীপুর
  3. রেমি হোল্ডিংস লিমিটেড, নারায়ণগঞ্জ
  4. গ্রিন টেক্সটাইল লিমিটেড, ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানা:
- বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় পরিবেশবান্ধব ১০টি কারখানার ৯টিই এখন বাংলাদেশে।
- গাজীপুরের তাসনিয়া ফেব্রিকস লিড সনদে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানার স্বীকৃতি অর্জন করেছে। 

- যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি) থেকে ৮ মে এই পরিবেশবান্ধব সনদ পেয়েছে তাসনিয়া ফেব্রিকসের প্রশাসনিক ভবন।
- কারখানাটির প্রশাসনিক ভবন লিড সনদে ১১০ নম্বরের মধ্যে পেয়েছে ১০৭।
- গাজীপুরের এসএম সোর্সিং এবং তাসনিয়া ফেব্রিকসের পোশাক কারখানা যৌথভাবে দ্বিতীয় শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানা।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান পরিবেশবান্ধব স্থাপনার সনদ দিয়ে থাকে। সেগুলোর মধ্যে অন্যতম ইউএসজিবিসি।
- ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ইউএসজিবিসি যে সনদ দেয়, সেটির নাম ‘লিড’।
- লিডের পূর্ণাঙ্গ রূপ হলো লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ডিজাইন।
- এ সনদ পেতে প্রতিটি প্রকল্পকে ইউএসজিবিসির তত্ত্বাবধানে স্থাপনা নির্মাণের কাজ করা থেকে শুরু করে উৎপাদন পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে সর্বোচ্চ মান রক্ষা করতে হয়।
- বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতে বর্তমানে লিড সনদ পাওয়া পরিবেশবান্ধব কারখানা ২৪৩টি। [মে, ২০২৫]
- তার মধ্যে ১০১টি লিড প্লাটিনাম, ১২৮টি গোল্ড, ১০টি সিলভার এবং ৪টি কারখানা সার্টিফায়েড সনদ পেয়েছে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
১,০০০.
দেশের প্রথম ঔষধ পার্ক উপজেলায় অবস্থিত?
  1. শ্রীনগর
  2. কেরানীগঞ্জ
  3. কালিয়াকৈর
  4. গজারিয়া
ব্যাখ্যা
ঔষধ পার্ক:
- দেশের প্রথম ঔষধ পার্ক মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
- এখানকার কারখানায় উৎপাদিত ওষুধ দিয়েই দেশের বাজারে চাহিদা পূর্ণ করে রপ্তানিও করে ওষুধ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো।
- এটিই দেশের প্রথম ওষুধ শিল্প পার্ক।
- প্রকল্পটির আয়তন ২০০ একর।
- ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে ২০০৮ সালে সরকার এই শিল্প পার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়।
- পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেওয়া হয় এপিআই শিল্প পার্কটির।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাদেশ প্রতিদিন, ৭ এপ্রিল, ২০১৮।