ব্যাখ্যা
হাসুলীবাঁকের উপকথা:
- হাঁসুলী বাঁকের উপকথা হলো তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায় লিখিত একটি আঞ্চলিক উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৯৪৭ সালে প্রকশিত হয়।
- রাঢ় অঞ্চলের বিশেষ মানুষজনদের ইতিবৃত্ত রচনার প্রবণতাও গুরুত্বপূর্ণ।আর তাই অনিবার্যভাবে 'উপকথা' শব্দটি গ্রন্থনামে লক্ষ করা যায়।
- কাহিনি বিন্যাসের ক্ষেত্রে নদী প্রবাহের ধারাটিই এখানে লক্ষণীয়। 'কোপাই' নদীর তীরবর্তী মানুষজন এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়:
- বিংশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট বাঙালি কথাসাহিত্যিক ছিলেন।
- ১৮৯৮ সালের ২৩ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার লাভপুর গ্রামে এক জমিদারবংশে তাঁর জন্ম।
- তিনি হাবু শর্মা ছদ্মনামে লিখতেন।
- তারাশঙ্করের প্রথম গল্প ‘রসকলি’ সেকালের বিখ্যাত পত্রিকা কল্লোল-এ প্রকাশিত হয়।
- এছাড়া কালিকলম, বঙ্গশ্রী, শনিবারের চিঠি, প্রবাসী, পরিচয় প্রভৃতি প্রথম শ্রেণির পত্র-পত্রিকায় তাঁর লেখা প্রকাশিত হয়।
তাঁর রচিত উপন্যাস:
- চৈতালী ঘূর্ণি,
- ধাত্রীদেবতা,
- কালিন্দী,
- গণদেবতা,
- পঞ্চগ্রাম,
- কবি,
- হাঁসুলি বাঁকের উপকথা,
- একটি কালো মেয়ের কথা।
উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া, হাসুলীবাঁকের উপকথা’গ্রন্থ ।