ব্যাখ্যা
উৎসঃ শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, মোহসীনা নাজিলা ও লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১৩ / ৭৭ · ১,২০১–১,৩০০ / ৭,৬৪৬
• 'আমার প্রতিদিনের শব্দ' সৈয়দ আলী আহসান রচিত কাব্যগ্রন্থ।
-------------
• সৈয়দ আলী আহসান:
- সৈয়দ আলী আহসান মূলত শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক ছিলেন।
- তিনি ১৯২২ সালের ২৬শে মার্চ মাগুরা জেলার আলোকদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৩৭ সালে আর্মানীটোলা স্কুলে অধ্যয়নকালে স্কুল ম্যাগাজিনে সৈয়দ আলী আহসানের 'The Rose' নামে একটি ইংরেজি কবিতা প্রকাশিত হয়।
- রাজশাহী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৬৭ সালে তিনি কবিতার জন্য বাংলা একাডেমি পুরস্কার, ১৯৮৩ সালে একুশে পদক এবং ১৯৮৭ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।
- ২০০২ সালের ২৫ জুলাই তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের অবসান ঘটে।
তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অনেক আকাশ,
- একক সন্ধ্যায় বসন্ত,
- সহসা সচকিত,
- উচ্চারণ,
- আমার প্রতিদিনের শব্দ,
- সমুদ্রেই যাবো।
তাঁর রচিত প্রবন্ধ-গবেষণাগ্রন্থ:
- কবিতার কথা,
- নজরুল ইসলাম,
- রবীন্দ্র কাব্যবিচারের ভূমিকা,
- কবিতার কথা ও অন্যান্য বিবেচনা,
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস,
- পদ্মাবতী।
তাঁর রচিত আত্মজীবনী:
- আমার সাক্ষ্য।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ প্রতিবাদী কবি হিসেবে খ্যাত।
রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
- তিনি ১৯৫৬ সালের ১৬ অক্টোবর বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস বাগেরহাট জেলার মংলা থানার সাহেবের মেঠ গ্রামে।
- রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ একজন প্রতিবাদী কবি হিসেবে পরিচিত।
- প্রকৃত নাম শেখ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ; ‘রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ’ নামটি তিনি নিজে গ্রহণ করেন।
- ছাত্রজীবনেই তাঁর দুটি কাব্যগ্রন্থ উপদ্রুত উপকূল (১৯৭৯) ও ফিরে চাই স্বর্ণগ্রাম (১৯৮১) প্রকাশিত হয়।
- তাঁর কবিতায় মুক্তিযুদ্ধ, দেশপ্রেম, গণআন্দোলন, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং অসাম্প্রদায়িকতার বিষয়গুলো দৃঢ়ভাবে ফুটে উঠেছে।
- সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৮০ সালে তিনি 'মুনীর চৌধুরী স্মৃতিপুরস্কার' লাভ করেন।
- ১৯৯১ সালের ২১ জুন ঢাকায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- দিয়েছিলে সকল আকাশ,
- মৌলিক মুখোশ,
- মানুষের মানচিত্র।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।
'আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে,
কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে।' - এই বিখ্যাত কবিতার রচয়িতা কুসুমকুমারী দাশ।
- তিনি ১৮৮২ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- কুসুমকুমারী দাশ শিশুদের জন্য রচনা করেন 'কবিতা-মুকুল।'
- 'ফণি-মনসা' কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ।
- 'পাখির বাসা' ফররুখ আহমদ রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ।
- 'ইতল বিতল' সুফিয়া কামাল রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞসা- ড. সৌমিত্র শেখর।
• ‘আমলার মামলা’ — শওকত ওসমান রচিত একটি নাটক।
- নাটকটি ১৯৪৯ সালে প্রকাশিত হয়।
• শওকত ওসমান:
- শওকত ওসমান ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলা সাহিত্যিক এবং নাট্যকার।
- তাঁর প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান।
- তিনি ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবলসিংহপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর সাহিত্যকর্মে সমাজের নানা অসঙ্গতি এবং জীবনের বাস্তবচিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
তাঁর রচিত নাটক:
- তস্কর লস্কর,
- পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা,
- আমলার মামলা,
- কাঁকর মণি,
- বাগদাদের কবি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• হেনরি লুই ডিরোজিও ছিলেন ইয়ংবেঙ্গল আন্দোলনের প্রবক্তা।
হেনরি লুই ডিরোজিও:
- হেনরি লুই ডিরোজিও ছিলেন একজন ইউরেশীয় তরুণ কবি, যুক্তিবাদী, চিন্তাবিদ ও শিক্ষক।
- তিনি মাত্র ১৭ বছর বয়সে হিন্দু কলেজের শিক্ষক নিযুক্ত হন।
- ‘ইয়ংবেঙ্গল’ ডিরোজিও প্রভাবিত এক তরুণ ছাত্রগোষ্ঠী।
- ছাত্রদেরকে জ্ঞানানুরাগী হতে এবং যে কোন অন্ধবিশ্বাস পরিত্যাগ করতে দীক্ষা দিয়েছিলেন ডিরোজিও।
- এ ক্ষেত্রে দৃষ্টান্ত ছিল ইতিহাস আর দর্শন।
- তাঁর উপদেশ ছিল ‘সত্যের জন্য বাঁচা, সত্যের জন্য মরা’।
ইয়ংবেঙ্গল নিয়ে আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- ইয়ংবেঙ্গলদের নিয়ে মদুসূদন দত্তের বিখ্যাত প্রহসন: ‘একেই কি বলে সভ্যতা’
- হেনরি ডিরোজিওর অনুসারীরা ছিলেন: মুক্তচিন্তক গোষ্ঠী
- হেনরি ডিরোজিও ১৮২৮ সালে ‘অ্যাকাডেমিক অ্যাসোসিয়েশন’ নামে সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন।
- ‘ইয়ংবেঙ্গল’ ডিরোজিও প্রভাবিত ছাত্রগোষ্ঠী ছিলেন: কৃষ্ণমোহ্ন বন্দ্যোপাধ্যায়, রসিককৃষ্ণ মল্লিক, রামগোপাল ঘোষ, রামতনু লাহিড়ী, দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়, প্যারীচাঁদ মিত্র, এবং তারাচাঁদ চক্রবর্তী।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া।
সিকান্দার আবু জাফর রচিত উপন্যাস হচ্ছে নবী কাহিনী।
সিকান্দার আবু জাফর:
- সিকান্দার আবু জাফরের পূর্ণ নাম সৈয়দ আল্ হাশেমী আবু জাফর মুহম্মদ বখত সিকান্দার।
- জন্ম: ১৯১৯ সালের ১৯ মার্চ, সাতক্ষীরা জেলার তেঁতুলিয়া গ্রামে।
- মাসিক সমকাল পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক (১৯৫৭-১৯৭০)
- তিনি ১৯৬৬ সালে বাংলা একাডেমী পুরস্কার লাভ করেন।
- ৫ই আগস্ট, ১৯৭৫ সালে তিত্নি মৃত্যু বরণ করেন।
কাব্যগ্রন্থ:
- প্রসন্ন শহর,
- তিমিরান্তিক,
- বৈরী বৃষ্টিতে,
- বৃশ্চিক-লগ্ন।
নাটক:
- সিরাজ-উদ-দৌলা,
- মহাকবি আলাউল,
- শকুন্ত উপাখ্যান।
উপন্যাস:
- মাটি আর অশ্রু,
- জয়ের পথে,
- নবী কাহিনী,
- পূরবী।
অনূদিত গ্রন্থ:
- যাদুর কলস,
- সেন্ট লুইয়ের সেতু,
- রুবাইয়াৎ: ওমর খৈয়াম।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।
• পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা(নাটক) এই অপশনটি সঠিক।
• শওকত ওসমান:
- শওকত ওসমান কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক।
- ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবলসিংহপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান; ‘শওকত ওসমান’ তাঁর সাহিত্যিক নাম।
- ‘নেকড়ে অরণ্য’ - শওকত ওসমান রচিত উপন্যাস। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত নেকড়ে অরণ্য গ্রন্থে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কর্তৃক বাংলার নরনারীর নির্যাতনের করুণ বিবরণ আছে।
- তাঁর জননী ও ক্রীতদাসের হাসি উপন্যাস দুটি প্রশংসিত হয়েছে।
- জননীতে সামাজিক জীবন ও ক্রীতদাসের হাসিতে রাজনৈতিক জীবনের কিছু অন্ধকার দিক উন্মোচিত হয়েছে।
- 'জাহান্নাম হইতে বিদায়' শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস।
• শওকত ওসমান রচিত কয়েকটি উপন্যাস -
- ক্রীতদাসের হাসি,
- সমাগম,
- রাজা উপাখ্যান,
- দুই সৈনিক,
- নেকড়ে অরণ্য,
- পতঙ্গ পিঞ্জর,
- রাজসাক্ষী,
- জলাঙ্গী,
- পুরাতন খঞ্জর,
- বনি আদম,
- জননী,
- চৌরসন্ধি,
• শওকত ওসমান রচিত নাটক -
- তস্কর নস্কর,
- পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা,
- আমলার মামলা।
• শওকত ওসমান রচিত গল্পগ্রন্থ -
- ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দী,
- পিঁজরাপোল,
- জন্ম যদি তব বঙ্গে ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ:
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ ভারতীয় উপমহাদেশের একজন স্মরণীয় বাঙালি ব্যক্তিত্ব, বহুভাষাবিদ, বিশিষ্ট শিক্ষক ও দার্শনিক ছিলেন।
- ১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তিনি 'জ্ঞানতাপস' হিসেবে অধিক পরিচিত। তাঁকে 'চলিষ্ণু অভিধান' বলা হয়।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট জাতিসত্তা সম্পর্কে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর বিখ্যাত উক্তি- ''আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি।''
- ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত 'বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত' রচনা করেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ।
- এছাড়া তিনি বাংলা একাডেমির 'আঞ্চলিক ভাষার অভিধান' সম্পাদনা করেন।
তাঁর ভাষা ও সাহিত্যবিষয়ক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- ভাষা ও সাহিত্য,
- বাঙ্গালা ব্যাকরণ,
- বাংলা সাহিত্যের কথা,
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।
আবুল মনসুর আহমেদ: সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ।
উপন্যাসঃ
- সত্যমিথ্যা (১৯৫৩),
- জীবনক্ষুধা (১৯৫৫),
- আবে হায়াত (১৯৬৮)।
গল্পগ্রন্থ :
- আয়না (১৯৩৫),
- ফুড কনফারেন্স (১৯৪৪),
- আসমানী পর্দা (১৯৬৪)।
রাজনীতিবিষয়ক গ্রন্থ :
- আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর (১৯৬৯),
- শেরে বাংলা থেকে বঙ্গবন্ধু (১৯৭২)।
স্মৃতিকথা:
- আত্মকথা (১৯৭৮)।
শিশুসাহিত্য:
- ছােটদের কসাসুল আম্বিয়া (১৯৪৯),
- গালিভারের সফরনামা (১৯৫৯)।
কাজী নজরুল ইসলাম তার 'আয়না' গ্রন্থের ভূমিকা লেখেন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
• ‘অমৃত উপাখ্যান’ উপন্যাস:
- সেলিম আল দীন তাঁর ‘অমৃত উপাখ্যান’ উপন্যাসে ব্যক্তিগত জীবনের এক ঘটনাচিত্র উপস্থাপন করেছেন।
- তিনি বলেন, ‘কখনও আত্মজীবনীতে আমার ব্যক্তিগত প্রসঙ্গের লুপ্ত অংশগুলো যদি প্রকাশিত হয় তবে এ গল্পের উৎসাভাস পাঠকরা পাবেন নিশ্চয়ই’। আবার লেখক এই উপন্যাসকে ‘উপাখ্যানের লক্ষণযুক্ত’ বলে মনে করেছেন। এজন্যই তিনি তাঁর এই উপন্যাসের শুরুতেই বলেছেন, ‘উপাখ্যান হচ্ছে বিকেলের আলোয় মর্ত-পৃথিবীর উল্টা ছায়া। আঁধারের পাঁচ আঙ্গুল’। একই সঙ্গে তিনি আরও বলেছেন, ‘উপাখ্যান হলো-বলতে বলতে মধ্যরাতে-কালীগঙ্গার ঢালুতীর-নেশাকর ধোঁয়া বাস্তবে মিশে গুপীযন্ত্রের সাথে হাত ধরাধরি করে নাচে’।
- মনজুরুল হাসান হাসু এবং এলিজার প্রেম কাহিনি ‘অমৃত উপাখ্যান’ উপন্যাসটির মূল উপজীব্য।
উপন্যাসের কাহিনি সংক্ষেপ-
এই উপন্যাসের অন্যতম চরিত্র হাসান একজন টেলিভিশন প্রডিউসার বা প্রযোজক। নবীন প্রযোজক হিসেবে বিতর্ক অনুষ্ঠান, আলোচনা অনুষ্ঠান প্রযোজনা করাই তার কাজ। একদিন টেলিভিশন স্টুডিওতে এক বিতর্ক অনুষ্ঠান ক্যামেরায় ধারণ করার সময় এলিজা চুপচাপ বসেছিল দর্শকসারিতে। ক্যামেরাম্যান কৌতূহলবশত এলিজাকে একাধিকবার ক্লোজশটে ধারণ করে। প্যানেলে বসে এলিজার সেই দৃশ্য হাসান অবলোকন করে আনন্দ মনে। শুধু তাই নয়, ক্যামেরার ক্লোজশটে মেয়েটির ছবি দেখার পর হাসানের মনে ‘এক অনামা নীলবর্ণ নদী রেখা’ তৈরি হয়।
অতঃপর শহরের একটি গানের দোকানে ক্যাসেটে গান রেকর্ডিং করতে গিয়ে হাসান ও এলিজার মধ্যে পরিচয় হয়। এই পরিচয় থেকেই ক্রমে তাদের মধ্যে রোমান্টিক প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। শেষ পর্যন্ত এলিজার আত্মহত্যার মধ্যদিয়ে এর কাহিনি সমাপ্ত হয়।
প্রেমের এই দৃশ্যপটের সঙ্গে হাসানের কল্পনা ও জীবন বাস্তবতার বিচিত্র ঘটনা এবং নানা চরিত্রের আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং সুখ ও দুঃখ চিত্রিত হয়েছে অমৃত উপাখ্যান উপন্যাসটিতে।
------------------------
সেলিম আল দীন রচিত নাট্যগ্রন্থগুলো হলো:
- সর্প বিষয়ক গল্প ও অন্যান্য,
- বাসন,
- কেরামতমঙ্গল,
- কীর্তন খোলা,
- হাতহদাই,
- জুলান,
- শকুন্তলা,
- মুনতাসীর ফ্যান্টাসি,
- জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন,
- চাকা,
- যৈবতী কন্যার মন,
- হরগজ,
- নিমজ্জন ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; ‘অমৃত উপাখ্যান’ উপন্যাস এবং বাংলাপিডিয়া।
• তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ত্রয়ী উপন্যাস:
- ধাত্রীদেবতা,
- গণদেবতা ও
- পঞ্চগ্রাম।
• তাঁর রচিত গল্প:
- রসকলি,
- ডাকহরকরা,
- বেদেনী ইত্যাদি।
• তাঁর রচিত নাটক:
- পথের ডাক,
- দ্বীপান্তর ও
- দুই পুরুষ ইত্যাদি।
উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
- হারেম আবু ইসহাক রচিত একটি গল্প।
- তাঁর রচিত উপন্যাস:
• পদ্মার পলিদ্বীপ,
• সূর্য দীঘল বাড়ি,
• জাল।
- তাঁর রচিত গল্প: মহাপতঙ্গ।
- জোঁক তাঁর রচিত একটি ছোটগল্প।
উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
• 'ভাষা আন্দোলন ও অন্যান্য প্রসঙ্গ' গ্রন্থের রচয়িতা বদরুদ্দীন উমর।
• বদরুদ্দীন উমর:
- তিনি ২০শে ডিসেম্বর, ১৯৩১ সালে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানে জন্মগ্রহন করেন।
- তিনি মূলত অধ্যাপক এবং রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত।
- তিনি ‘সংস্কৃতি’ সাময়িকী সম্পাদনা করেন।
• তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ:
- সাম্প্রদায়িকতা,
- সংস্কৃতির সাম্প্রদায়িকতা,
- পূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি,
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও উনিশ শতকের বাঙালী সমাজ,
- যুদ্ধপূর্ব বাঙলাদেশ,
- যুদ্ধোত্তর বাঙলাদেশ,
- ভাষা আন্দোলন ও অন্যান্য প্রসঙ্গ,
- বঙ্গভঙ্গ ও সাম্প্রদায়িক রাজনীতি,
- সংস্কৃতির সংকট ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
সোমেন চন্দঃ ২৪ মে ১৯২০ সালে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার বালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ ছিলেন।
সোমেন চন্দের রাজনৈতিক জীবনের সঙ্গে সাহিত্যিক জীবন ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল। তিনি রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে গল্পগুলিতে গণচেতনা ও অস্তিত্বের সংগ্রামের কথা বলেছেন। তাঁর গল্পের মৌলিক আবেদন ছিল গণসচেতনতা।
• তাঁর রচিত গল্পঃ
- ইঁদুর,
- সংকেত ও অন্যান্য গল্প,
- বনস্পতি ও অন্যান্য গল্প।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
• মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার:
- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পন্ডিত, ভাষাবিদ, লেখক।
- উইলিয়াম কেরীর সুপারিশে তিনি ১৮০১ সালের ৪ মে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজএর বাংলা বিভাগের হেড-পন্ডিত নিযুক্ত হন।
- এছাড়াও তিনি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির জজ-পন্ডিত হিসেবে।
- তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের লেখকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গ্রন্থের রচয়িতা।
তার রচিত গ্রন্থ:
- বত্রিশ সিংহাসন,
- রাজাবলী,
- হিতোপদেশ,
- বেদান্তচন্দ্রিকা,
- প্রবোধচন্দ্রিকা ইত্যাদি।
উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
• “ভালো আছি, ভালো থেকো” গানের রচয়িতা- রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ।
-------------------------------------------
• রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ:
- রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ (১৯৫৬-১৯৯১) ছিলেন একজন প্রতিবাদী ও রোমান্টিক কবি, গীতিকার এবং সাহিত্যিক।
- তিনি ১৬ অক্টোবর ১৯৫৬ সালে বরিশাল জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল বাগেরহাট জেলার মোংলা উপজেলার সাবেড়হাট গ্রামে।
- তিনি তার প্রতিবাদী চেতনা ও প্রেমিকাভঙ্গির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
- তার প্রকৃত নাম শেখ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ।
- পরে তিনি ‘রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ’ রূপে গ্রহণ করেন।
- মাত্র ৩৫ বছর বয়সে ২১ জুন ১৯৯১ সালে তাঁর মৃত্যু ঘটে।
- স্বল্পায়ু জীবনে তিনি একাধিক কাব্যগ্রন্থ এবং অসংখ্য গান রচনা করেছেন।
• রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর উল্লেখযোগ্য কবিতা হলো:
- ‘বাতাসে লাশের গন্ধ’।
• রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর উল্লেখযোগ্য কাব্য হলো:
- ‘উপদ্রুত উপকূলে’,
- ‘ফিরে চাই স্বর্ণগ্রাম’,
- ‘মানুষের মানচিত্র’,
- ‘ছোবল’,
- ‘দিয়েছিলে সকল আকাশ’,
- ‘মৌলিক মুখোশ’ ইত্যাদি।
- এছাড়া, তিনি ‘ভালো আছি ভালো থেকো’সহ অর্ধশতাধিক গান রচনা করেছেন ও সুর দিয়েছেন।
- তার কাব্যনাট্য ‘বিষ বিরিক্ষের বীজ’ও উল্লেখযোগ্য।
--------------------------------------
অন্যদিকে,
• “সব ক’টা জানালা খুলে দাও না” হলো বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান।
- গানটি সাবিনা ইয়াসমিন গেয়েছেন।
- গানটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, দেশের প্রতি ভালোবাসা এবং শহীদদের স্মরণ করার জন্য বিশেষভাবে জনপ্রিয়।
• “মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি” গানটির রচয়িতা গোবিন্দ হালদার।
- গানটি বাঙালির দৃঢ় সংকল্প ও প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে পরিচিত।
উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।
মুনীর চৌধুরী : তিনি ছিলেন মূলত শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সমালোচক ও বাগ্মী৷
ভাষা আন্দোলনের উপর রচিত তার নাটক 'কবর' (১৯৬৬)।
তার রচিত অন্যান্য নাটক-
- রক্তাক্ত প্রান্তর
- চিঠি
- দণ্ডকারণ্য
- পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য
- মুখরা রমনী বশীকরণ
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়:
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, একজন কথাসাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ।
- তিনি ১৮৯৮ সালে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় এক জমিদারবংশে জন্ম গ্রহণ করেন।
- তারাশঙ্করের প্রথম গল্প ‘রসকলি’ সেকালের বিখ্যাত পত্রিকা কল্লোল-এ প্রকাশিত হয়।
- তারাশঙ্করের ত্রয়ী উপন্যাস- ধাত্রীদেবতা, গণদেবতা, পঞ্চগ্রাম।
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস:
- চৈতালি ঘূর্ণি,
- ধাত্রীদেবতা,
- কালিন্দী,
- জলসাঘর,
- কবি,
- হাঁসুলি বাঁকের উপকথা,
- গণদেবতা,
- আরগ্য,
- নিকেতন,
- পঞ্চপুণ্ডলী,
- রাধা ইত্যাদি।
তাঁর প্রসিদ্ধ ছোটগল্প:
- রসকলি,
- বেদেনী,
- ডাকহরকরা।
উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।