ব্যাখ্যা
• গ্রন্থটি সম্পর্কে সম্পাদকের মন্তব্যটি স্মরণযোগ্য : ‘ভাষা আন্দোলন থেকে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সময় পর্যন্ত বাংলাদেশের সাহিত্য নানা মোড় ফিরেছে, সমৃদ্ধ হয়েছে, জনমানসের প্রতিরোধ চেতনাকে বিস্তার লাভে আরও সাহায্য করেছে। বর্তমানে জাতীয় মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের গল্প ও কবিতার ভূমিকা তাই গৌণ নয়। বাংলাদেশ কথা কয় গ্রন্থে সন্নিবেশিত বাংলাদেশের কয়েক তরুণ ও প্রবীণ কথাশিল্পীর লেখা গল্পগুলো তাই নিছক যুদ্ধ-সাহিত্য নয়; বরং বাঙালী জাতীয় মানসের বর্তমান বিপ্লবী প্রতিরোধ চেতনার কয়েকটি রূপরেখা।
এ সঙ্কলনে মোট ষোলোটি গল্প স্থান পায়। এগুলো হলো:
• বিপ্রদাশ বড়–য়ার ‘সাদা কফিন’,
• নির্মলেন্দু গুণের ‘শেষ যাত্রা নয়’,
• আবদুল হাফিজের ‘লাল পল্টন’,
• সুব্রত বড়–য়ার ‘বুলি তোমাকে লিখছি’,
• ফজলুল হকের ‘চরিত্র’,
• আসফ-উজ-জামানের ‘রক্ত প্রজন্ম’,
• বুলবন ওসমানের ‘সোলেমান ভাই’,
• কামাল মাহবুবের ‘নীল নকশা’,
• অনু ইসলামের ‘শব্দতাড়িত’,
• আসাদ চৌধুরীর ‘কমলা রঙের রোদ’,
• সত্যেন সেনের ‘পরীবানুর কাহিনী’,
• ইলিয়াস আহমদের অন্যের ডায়েরি থেকে,
• জহির রায়হানের ‘সময়ের প্রয়োজনে’,
• কায়েস আহমেদের ‘শেষ বাজি’,
• শওকত ওসমানের ‘আলোক-অন্বেষা ’এবং
• আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর ‘রোদের অন্ধকারে বৃষ্টি’।
এসব গল্পে মুক্তিযুদ্ধের তাৎক্ষণিক অভিজ্ঞতা ও প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত হয়েছে।
অন্যদিকে,
‘একাত্তরের দিনগুলি’ জাহানারা ইমাম রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গ্রন্থ।
‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ সৈয়দ শামসুল হক রচিত কাব্যনাট্য।
‘একাত্তরের রণাঙ্গন’ শামসুল হুদা চৌধুরী রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গ্রন্থ।
উৎস: দৈনিক জনকন্ঠ।