বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

স্টোরেজ ডিভাইসসমূহ (রম, র‍্যাম, হার্ডডিস্ক ইত্যাদি)

মোট প্রশ্ন৩৩৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

স্টোরেজ ডিভাইসসমূহ (রম, র‍্যাম, হার্ডডিস্ক ইত্যাদি)

PrepBank · পাতা / · ১০১২০০ / ৩৩৪

১০১.
কোনটি কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতি?
  1. হার্ড ডিস্ক
  2. র‍্যাম
  3. কম্প্যাক্ট ডিস্ক
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• মেমরি বা স্মৃতি অংশ (Memory Unit):
- কোনো সমস্যা সমাধান করার জন্য কম্পিউটারে যে সমস্ত উপাত্ত বা নির্দেশাবলি ইনপুট ডিভাইসের সাহায্যে দেওয়া হয় তা কম্পিউটারের স্মৃতি অংশে জমা হয়।
- কম্পিউটারে সাধারণত প্রধান ও সহায়ক স্মৃতি অংশ বিদ্যমান।
- প্রধান স্মৃতি একটি পঠন/লিখন অর্ধপরিবাহী স্মৃতি।
- প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রোগ্রাম ও উপাত্তকে এ অংশে সংরক্ষণ করা হয়।
- এছাড়া প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় অন্তর্বতীকালীন ফলাফলকে এ ধরনের স্মৃতি অংশে সংরক্ষণ করা হয়।
- তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য সহায়ক স্মৃতির প্রয়োজন হয়।
- র‍্যাম হচ্ছে প্রধান স্মৃতি, হার্ডডিস্ক ও কম্প্যাক্ট ডিস্ক হচ্ছে সহায়ক স্মৃতি।

উৎস:মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০২.
একটি SCSI ক্যাবলে সর্বোচ্চ কতটি ড্রাইভ সংযুক্ত করা যায়?
  1. ২ টি
  2. ৪ টি
  3. ৮ টি
  4. ১৬ টি
ব্যাখ্যা
• স্ক্যাজি (SCSI) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ:
- স্ক্যাজি এর পুরো অর্থ হলো 'স্মল কম্পিউটার সিস্টেম ইন্টারফেস ড্রাইভ (Small Computer System Interface Drive)'।
- SCSI ড্রাইভগুলোর সাধারণত ৫০টি থেকে ৬৮টি পিন থাকে।
- SCSI ড্রাইভগুলো সাধারণত 640MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।
- এই ড্রাইভগুলো সোয়াপেবল (swappable) নয়।
- SCSI হার্ড ডিস্ক সংযোগের জন্য সাধারণত SCSI ক্যাবল ব্যবহৃত হয়।
- একটি SCSI ক্যাবলে সর্বোচ্চ ১৬টি ড্রাইভ সংযুক্ত করা যায়।
- ক্যাবলে এর আইডেন্টিফিকেশনের জন্য প্রতিটি হার্ড ডিস্ক ড্রাইভের একটি ৮ বাইট হেক্সাডেসিম্যাল কোড রয়েছে যা WWN (world wide name) নামে পরিচিত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশববিদ্যালয়।
১০৩.
নিচের মেমোরি গুলোর মধ্যে কোনটি সবচেয়ে দ্রুত অ্যাক্সেস সম্ভব?
  1. Virtual Memory
  2. Cache Memory
  3. Main Memory (RAM)
  4. Register
ব্যাখ্যা
• সর্বোচ্চ দ্রুত অ্যাক্সেস ক্ষমতা সম্পন্ন মেমোরি হলো রেজিস্টার। রেজিস্টার হলো প্রসেসরের ভেতরে থাকা ছোট, অতিবেগুনি মেমোরি, যেখানে প্রক্রিয়াকরণের জন্য জরুরি ডেটা বা নির্দেশনা অতি দ্রুত সরবরাহ করা হয়। এর ফলে রেজিস্টার থেকে তথ্য পড়া বা লেখা করার গতি অন্য মেমোরিগুলোর তুলনায় অনেক বেশি। ক্যাশ মেমোরি এর গতি রেজিস্টারের পরে সবচেয়ে দ্রুত, কারণ এটি প্রসেসর ও মেইন মেমোরির মধ্যে অবস্থিত এবং প্রায়ই ব্যবহৃত ডেটা সংরক্ষণ করে। মেইন মেমোরি (RAM) অপেক্ষাকৃত ধীর, কারণ এটি বড় আকারের এবং প্রসেসর থেকে দূরে অবস্থিত। সবচেয়ে ধীর হলো ভার্চুয়াল মেমোরি, যা মূলত হার্ডডিস্কের কিছু অংশ ব্যবহার করে এবং এটি মেইন মেমোরির অভাবে ডেটা রাখে, তাই অ্যাক্সেস গতি খুব কম। তাই দ্রুততম হলো রেজিস্টার।

• রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন: অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।

• মেমরির ধারণক্ষমতা, দাম ও গতির ক্রম:

- পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
- আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।

এছাড়াও,
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- RAM হলো অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি এবং ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হলো হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।


উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৪.
ক্যাশ মেমরি সাধারণত কোন ধরণের মেমরির ওপর ভিত্তি করে তৈরি?
  1. Flash
  2. ROM
  3. DRAM
  4. SRAM
ব্যাখ্যা

• ক্যাশ মেমরি সাধারণত SRAM (Static Random Access Memory) এর ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়। এটি DRAM এর তুলনায় অনেক দ্রুত এবং স্থিতিশীল, কারণ SRAM এ ডেটা ধরে রাখার জন্য রিফ্রেশ করতে হয় না। ক্যাশ মেমরি প্রসেসরের সাথে নিকটবর্তী অবস্থানে রাখা হয় যাতে প্রয়োজনীয় ডেটা এবং নির্দেশনা দ্রুত প্রসেসরকে সরবরাহ করা যায়, ফলে কম্পিউটারের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। SRAM এর সেল ডিজাইন জটিল এবং এটি বেশি পাওয়ার ব্যবহার করে, কিন্তু দ্রুত এক্সেসের কারণে এটি ক্যাশ মেমরির জন্য আদর্শ।
- অন্যদিকে DRAM ধীর এবং রিফ্রেশের প্রয়োজন, ROM স্থায়ী তথ্যের জন্য ব্যবহৃত হয়, আর Flash সাধারণত স্টোরেজ ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়, তাই ক্যাশ মেমরিতে SRAM সবচেয়ে উপযুক্ত।

ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১০৫.
দুই বা তার বেশি ক্লাউড একসাথে হলে সেটাকে কী বলা হয়?
  1. কমিউনিটি ক্লাউড
  2. হাইব্রিড ক্লাউড
  3. প্রাইভেট ক্লাউড
  4. পাবলিক ক্লাউড
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
- ক্লাউড ব্যবহারকারী কারা, তার ওপরে ভিত্তি করে ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:

• হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud):
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক আর প্রাইভেটের সংমিশ্রণ।
- এখানে প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয়, আর প্রাইভেট ক্লাউডের ধারণক্ষমতা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেয়া হয়।
- পাবলিক ক্লাউডের চেয়ে হাইব্রিড ক্লাউডের খরচ বেশি।

• পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud):
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত। যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
- যেমন: আমাজনের EC2.
- এসব ক্লাউডের সুবিধা হলো যে কেউ এর সেবা নিতে পারে।

• প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud):
- যখন বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্লাউড সিস্টেম ডেভোলাপ করে তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে।
- এটি সাধারণত একটি সংস্থায় অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হয়।
- এতে খরচ অনেক বেশি হয়, নিজস্ব ডেটা সেন্টার বসাতে হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিজস্ব জনবল রাখার প্রয়োজন হয়।

• কমিউনিটি ক্লাউড (Community Cloud):
- সাধারণত কোনো বিশেষ কমিউনিটির জন্য যে ক্লাউড ডেভেলোপ করা হয় সেটি হলো কমিউনিটি ক্লাউড।
- কমিউনিটি ক্লাউডের সুবিধা হলো কমিউনিটির মধ্যে ইউজার সীমাবদ্ধ থাকে বলে এখানে সিকিউরিটির কোনো সমস্যা নেই।
- আর অসুবিধা হলো এখানে ক্লায়েন্টের সংখ্যা সীমিত বলে খরচ বেশি হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১০৬.
অপটিকেল স্টোরেজ এ নিচের কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Optical fibers
  2. খ) Laser beams
  3. গ) Magnetic beads
  4. ঘ) Electronic guns
ব্যাখ্যা
Optical storage, electronic storage medium that uses low-power laser beams to record and retrieve digital (binary) data.
In optical-storage technology, a laser beam encodes digital data onto an optical, or laser, disk in the form of tiny pits arranged in a spiral track on the disk’s surface. 
Source: Britannica
১০৭.
কোন মেমোরি বিদ্যুৎ চলে গেলে তার তথ্য মুছে ফেলতে থাকে? 
  1. র‍্যাম
  2. রম
  3. হ্যাশ মেমোরি
  4. ক্যাশ মেমোরি
ব্যাখ্যা
RAM: 
- RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory. 
- মাদারবোর্ডের সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে মেমোরিতে পঠন এবং লিখন দুটি কাজই সম্পন্ন করা যায় সে মেমোরিকে RAM বলা হয়। 
- এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি। 
- কম্পিউটারের যতক্ষণ বিদ্যুৎপ্রবাহ চালিত থাকে ততক্ষণ RAM এ তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে। 
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে RAM তার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলে। 
- এজন্য RAM কে কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরিও বলা হয়। 

ROM: 
- এটি হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস (যেমন কম্পিউটার) এর স্টোরেজ সিস্টেম। 
- এটিকে স্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়। 
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি। 
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি। 
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি। 

উৎস: ব্রিটানিকা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৮.
মাদারবোর্ডে DIMM স্লটে প্রধানত কোন ধরনের মেমরি ইনস্টল করা হয়?
  1. RAM
  2. ROM
  3. SSD
  4. HDD
ব্যাখ্যা
• DIMM: 
- DIMM এর পূর্ণরূপ  dual in-line memory module.
- মাদারবোর্ডে DIMM স্লটে সাধারণত RAM ইনস্টল করা হয়।

কম্পিউটার মেমরি:
- কম্পিউটার মেমরি প্রধানত ২ প্রকার। যথা:
১) প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory)
২) গৌণ/ সহায়ক মেমরি (Secondary Memory)

• প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory): 
- RAM( Random Access Memory) এবং
- ROM(Read Only Memory) কে প্রাথমিক মেমরি বলা হয়।
- RAM কে Volatile Memory বলে।
- ROM কে নন- Volatile Memory বলে।

• গৌণ/ সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- প্রধান মেমরি ব্যতিত সকল ধরনের মেমরিকে সহায়ক মেমরি বলে।
- যেমন: Hard Disk, Pen Drive, DVD, Floppy Disk.

১) নবম-দশম শ্রেণির ICT বই।
২) computerhope.com/DIMM [লিংক]
১০৯.
কম্পিউটারের কোন অংশে ক্যাশ মেমোরি থাকে?
  1. CPU এবং RAM এর মধ্যে
  2. হার্ড ডিস্কের ভিতরে
  3. RAM এবং GPU এর মধ্যে
  4. পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিটের ভিতরে
ব্যাখ্যা

• ক্যাশ মেমোরি মূলত CPU এবং RAM এর মধ্যে থাকে। এটি একটি দ্রুত গতির মেমোরি যা প্রক্রিয়াকরণের সময় CPU-কে বারবার RAM থেকে ডেটা আনতে না হয় তা নিশ্চিত করে। ক্যাশ মেমোরি CPU-এর নিকটবর্তী হওয়ায় এটি তথ্য খুব দ্রুত সরবরাহ করতে পারে, ফলে প্রোগ্রামের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সাধারণত CPU তে লেভেল ১ (L1), লেভেল ২ (L2) এবং কিছু ক্ষেত্রে লেভেল ৩ (L3) ক্যাশ থাকে, যা পর্যায়ক্রমে RAM থেকে ডেটা দ্রুত অ্যাক্সেস করতে সাহায্য করে। এটি প্রক্রিয়াকরণকে মসৃণ ও কার্যকর করে। তাই ক্যাশ মেমোরি CPU এবং RAM-এর মধ্যে অবস্থান করে।

সঠিক উত্তর: ক) CPU এবং RAM এর মধ্যে।

ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়। 
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১১০.
নিচের কোন মেমোরিতে সবচেয়ে দ্রুত অ্যাক্সেস করা যায়?
  1. Optical Disk
  2. RAM 
  3. Cache
  4. Flash Drive
ব্যাখ্যা

• ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory) হলো কম্পিউটারের সবচেয়ে দ্রুততম মেমোরি। এটি সিপিইউ (CPU) এবং প্রধান মেমোরির (RAM) মাঝখানে অবস্থান করে ডেটা আদান-প্রদানের গতি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

• Memory:
- মেমোরি তৈরির মূল, ধারণক্ষমতা এবং অ্যাক্সেস টাইম বিষয়গুলোর ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটারে ব্যবহৃত মেমোরি রেজিস্টার থেকে শুরু করে অপটিক্যাল ডিস্ক পর্যন্ত স্মৃতিগুলোকে বিভিন্ন ক্রমে বা পর্যায়ে ভাগ করা যেতে পারে।
- CD, RAM, Hard Disk এর চেয়ে Cache Memory তে সবচেয়ে দ্রুত অ্যাক্সেস করা যায়।

• Cache Memory:
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে Cache Memory বলা হয়।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য Cache Memory ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১১১.
কম্পিউটারে একটি ASCII ক্যারেক্টারের জন্য কতটুকু মেমোরি প্রয়োজন?
  1. ক) ৮ কিলোবাইট
  2. খ) ১ বাইট
  3. গ) ১ বিট
  4. ঘ) ১৬ কিলোবাইট
ব্যাখ্যা
অ্যাস্কি বা ASCII এর পূর্ণরূপ হল American Standard Code for Information Interchange। কম্পিউটার ও বিভিন্ন ধরনের টেলিযোগাযোগের যন্ত্র সহ অন্যান যেসব যন্ত্রে বর্ণভিত্তিক (Text Based) ইন্টারফেস দরকার হয় তাতে ব্যবহারের জন্য ইংরেজি ভাষার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা একধরনের character encoding এই অ্যাস্কি। ইংরেজি ছাড়াও অন্যান ভাষার সুবিধা দিতে পারে যেসব আধুনিক character encoding তাদেরও অনেকে ঐতিহাসিক দিক থেকে অ্যাস্কির সাথে কোনভাবে সম্পর্কিত। সর্বশেষ প্রকাশিত সংষ্করণ অনুযায়ী অ্যাস্কি কোডের ধারণক্ষমতা ১২৮ টি বর্ণ, তার মধ্যে ৯৫টি ছাপারযোগ্য বর্ণ এবং ৩৩টি নিয়ন্ত্রণ সংকেত (control characters) হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
১১২.
RAM সম্পর্কে নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. RAM SSD থেকে দ্রুত
  2. RAM মাল্টিটাস্কিং উন্নত করে
  3. RAM ভোলাটাইল
  4. RAM স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে
ব্যাখ্যা

◉ RAM কখনোই স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে না। এটি কেবল চলমান প্রোগ্রাম ও তথ্য সাময়িকভাবে ধারণ করে। বিদ্যুৎ চলে গেলে সব ডেটা হারিয়ে যায়।

• র‍্যাম (RAM):
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত একাধিক চিপ সমন্বয়ে র‍্যাম এলাকা গঠিত।
- র‍্যামে সব ধরনের তথ্য লেখা ও পড়া যায়। র‍্যামে তথ্য জমা থাকে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে, ফলে র‍্যামের সব তথ্য অস্থায়ীভবে থাকে।
- এজন্য র‍্যামকে কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি বলা হয়।
- কোন কারণে বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটারের সুইচ বন্ধ করলে র‍্যাম থেকে সব তথ্যই মুছে যায়। তাই র‍্যামকে ভোলাটাইল বলা হয়।
- র‍্যামের ধারণ ক্ষমতা বেশি হলে কম্পিউটারের কাজ করার ক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।
- কাজের গতি বাড়ানোর জন্য র‍্যাম ক্যাশ (RAM Cash) ব্যবহার করা হয়।
- র‍্যাম ক্যাশ র‍্যামের অংশ বিশেষ।

• র‍্যাম দুই ধরনের:
- DRAM (Dynamic RAM),
- SRAM (Static RAM).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৩.
কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতি হিসেবে কোন মেমোরিটি ব্যবহৃত হয়?
  1. Hard Disk
  2. RAM
  3. Pen Drive
  4. CD-ROM
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতি হিসেবে RAM (Random Access Memory) ব্যবহৃত হয়। এটি একটি তাত্ক্ষণিক এবং অস্থায়ী মেমোরি, যেখানে কম্পিউটার চলাকালীন প্রোগ্রাম ও ডেটা রাখা হয়। RAM-এ সংরক্ষিত তথ্য অস্থায়ী, অর্থাৎ কম্পিউটার বন্ধ হলে তা মুছে যায়। এটি প্রসেসরের সঙ্গে সরাসরি কাজ করে, তাই কম্পিউটারের গতি ও কার্যক্ষমতা নির্ভর করে RAM-এর পরিমাণ ও গুণমানের ওপর। অন্যদিকে, Hard Disk, Pen Drive, ও CD-ROM হলো স্থায়ী স্টোরেজ ডিভাইস, যেখানে তথ্য দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণ করা হয়, কিন্তু প্রসেসরের সঙ্গে সরাসরি দ্রুত ডেটা আদানপ্রদান সম্ভব নয়। সুতরাং, দ্রুত তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য RAM প্রধান স্মৃতির কাজ করে।

• কম্পিউটারের স্মৃতি:
- কম্পিউটারের স্মৃতি প্রধানত দুই প্রকার।
১. প্রধান স্মৃতি বা প্রাথমিক স্মৃতি (Main Memory),
২. সহায়ক স্মৃতি (Auxiliary Memory)।

• প্রধান স্মৃতি (Main Memory):
- প্রধান স্মৃতির সংগে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটের সরাসরি সংযোগ থাকে। এজন্য প্রধান স্মৃতিকে প্রাথমিক স্মৃতি বা অভ্যন্তরীণ স্মৃতিও বলা হয়।
- প্রক্রিয়াকরণের জন্য তথ্য সমূহকে কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে রাখা হয়।
- যতক্ষন প্রক্রিয়াকরণের কাজ চলে ততক্ষণ তথ্যগুলো কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে অবস্থান করে।
- যেহেতু নির্বাহের জন্য সমস্যা সমাধানের প্রোগ্রাম ও তথ্য প্রধান স্মৃতিতে থাকতে হয়, এজন্য প্রধান স্মৃতি যথেষ্ট বড় হওয়া প্রয়োজন।
- প্রধান স্মৃতির প্রতিটি স্থান চিহ্নিত হয় সংখ্যা দ্বারা এবং এই সংখ্যাকে বলা হয় স্মৃতি স্থানের ঠিকানা বা Address.

• কম্পিউটারে ব্যবহারের জন্য কয়েক ধরনের প্রধান স্মৃতি বা প্রাথমিক স্মৃতি আছে। সেগুলো নিম্নরূপ-
- চুম্বকীয় কোর স্মৃতি (Magnetic Core Memory),
- চুম্বকীয় বুদবুদ স্মৃতি (Magnetic Bubble Memory),
- অর্ধপরিবাহী স্মৃতি (Semiconductor Memory),
i. RAM,
ii. ROM.
- পাতলা পর্দা স্মৃতি (Thin Film Memory),
- চার্জ কাপল স্মৃতি (Charge Couple Memory).

• কম্পিউটারের সহায়ক স্মৃতি:
- কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতি বা অভ্যন্তরীণ স্মৃতি তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারে না।
- সহায়ক স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা প্রধান স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা অপেক্ষা বহুগুণ বেশি।
- স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই স্মৃতি হতে কোন তথ্য মুছে যায় না।
- কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে প্রক্রিয়াকরণকৃত তথ্য সহায়ক স্মৃতিতে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়।

• কয়েক ধরনের সহায়ক স্মৃতি হচ্ছে:
- ফ্লপি ডিস্ক (Floppy Disc),
- হার্ড ডিস্ক (Hard Disc),
- সিডি (CD- Compact Disc),
- চৌম্বক ফিতা (Magnetic Disc),
- চৌম্বক ড্রাম (Magnetic Drum).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৪.
ভার্চুয়াল মেমোরি অপ্রয়োজনীয় ডেটাকে কোথায় স্থানান্তর করে?
  1. BIOS
  2. সেকেন্ডারি স্টোরেজ
  3. রেজিস্টার
  4. ক্যাশ মেমোরি
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল মেমোরি (Virtual Memory): 
- ভার্চুয়াল মেমোরি হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা RAM এবং সেকেন্ডারি স্টোরেজ (যেমন হার্ড ডিস্ক) একত্রে ব্যবহার করে। 
- এটি প্রোগ্রামকে তার বাস্তব RAM এর চেয়ে বেশি মেমোরি ব্যবহার করতে সক্ষম করে। 
- ভার্চুয়াল মেমোরি সিস্টেম RAM পূর্ণ হলে, অপ্রয়োজনীয় ডেটা বা প্রোগ্রাম অংশকে সেকেন্ডারি স্টোরেজে স্থানান্তরিত করে। 
- অপারেটিং সিস্টেম এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা করে, ফলে ব্যবহারকারী বা প্রোগ্রামারকে মেমোরি সীমা নিয়ে চিন্তা করতে হয় না। 
- ভার্চুয়াল মেমোরি ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার করে RAM বাড়ানো। 

উৎস: geeksforgeeks [লিঙ্ক]।

১১৫.
স্টোরেজ যা পাওয়ার বন্ধ হওয়ার পরেও ডেটা সঞ্চয় করে বা ধরে রাখে ____।
  1. Volatile Storage
  2. Non-volatile Storage
  3. Sequential Storage
  4. Direct Storage
ব্যাখ্যা

বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার অফ/বন্ধ করলে যেটার তথ্য মুছে যায় না তাকে Non-volatile Memory/Storage বলা হয়।
যেমন- ROM। ROM -এর পূর্ণরূপ হলো Read Only Memory। এটি নন-ভোলাইটল মেমরি (Non-volatile Memory) হওয়ার ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলেও রমে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় না।
সাধারণত রমে নতুন কিছু সংযোজন, সংশোধন বা পরিবর্তন করা যায় না। কম্পিউটারের মাইক্রোপ্রসেসর ও হার্ডওয়্যারের অভ্যন্তরীণ কার্যাবলি সম্পাদনের প্রোগ্রাম রমে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১৬.
কম্পিউটারে ক্যাশ মেমোরির প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. সিস্টেম বুট করা
  2. তথ্য পুনরুদ্ধার করা
  3. স্ক্রিন রিফ্রেশ করা
  4. প্রসেসরের কাজ দ্রুত করা
ব্যাখ্যা
◉ Cache Memory হলো প্রসেসর (CPU) ও প্রধান মেমোরি (RAM)-এর মধ্যে অবস্থিত একটি মেমোরি। CPU বারবার যেসব ডেটা ও নির্দেশনা ব্যবহার করে, সেগুলো ক্যাশে সংরক্ষিত থাকে। এর ফলে CPU সরাসরি দ্রুত ডেটা পায় এবং প্রসেসিং স্পিড বেড়ে যায়।

ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১১৭.
মেমোরি বাফার রেজিস্টার নামে পরিচিত -
  1. ক) Memory Address Register
  2. খ) Instruction Register
  3. গ) Flag Register
  4. ঘ) Memory Data Register
ব্যাখ্যা
মেমোরি ডাটা রেজিস্টারকে মেমোরি বাফার রেজিস্টারও বলা হয়। 

- মেমোরি ডাটা রেজিস্টারে মূল ডেটা এ ধরনের রেজিস্টারে জমা থাকে।
- এ ধরনের রেজিস্টার ডেটা বাসের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে।
- স্মৃতিতে উপাত্ত লেখনের কাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এ রেজিস্টারে জমা থাকে।
- এ ধরনের রেজিস্টার সিপিইউ ও প্রধান মেমরির মধ্যে মধ্যবর্তী স্মৃতি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে। 


মেমরি অ্যাড্রেস রেজিস্টার (Memory Address Register):  প্রধান মেমরির কোন ঠিকানায় উপাত্ত বা নির্দেশ পাওয়া যাবে বা লিখতে হবে তার ঠিকানা মেমরি অ্যাড্রেস রেজিস্টারে থাকে। অর্থাৎ মাইক্রোপ্রসেসর মেমরি অ্যাড্রেস রেজিস্টারের সাহায্যে মেমরি হতে ডেটা বা নির্দেশসমূহ পড়া ও লেখার কাজ সম্পন্ন করে।

ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার (Instruction Register): Instruction বা নির্দেশ সংরক্ষণের জন্য ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। নির্বাহের প্রয়োজনে প্রসেসর কোনো ইনস্ট্রাকশন যখন মেমরি থেকে তুলে আহরণ করে তখন তাৎক্ষণিকভাবে তা ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টারে রাখা হয়।

ফ্ল্যাগ রেজিস্টার (Flag Register/ Status Register):  ফ্ল্যাগ রেজিস্টারকে কন্ডিশন কোড বা স্ট্যাটাস রেজিস্টারও বলা হয়। মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের সময় বিভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত রেজিস্টারকে ফ্ল্যাগ রেজিস্টার বলা হয়। এ ধরনের রেজিস্টারে অনেক কয়টি Flag রেজিস্টার থাকে। যেমন- শূন্য Flag গাণিতিক বা যুক্তিমূলক অংশের কোনো অপারেশনের ফলাফল শূন্য হলে শূন্য Flag-এ 'এক' হয়। আর তা না হলে '০' হয়। অন্যান্য Flag bit গুলো হলো Carry Flag, Parity Flag, Sign Flag. Overflow Flag ইত্যাদি ।

সূত্র:  ৯৬ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৮.
সবচেয়ে দ্রুতগতি সম্পন্ন মেমোরি কোনটি?
  1. ক) রেজিস্টার
  2. খ) ক্যাশ মেমোরি
  3. গ) র‍্যাম
  4. ঘ) সিডি
ব্যাখ্যা

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১১৯.
SSD এবং HDD এর মধ্যে কী ধরনের পার্থক্য রয়েছে?
  1. SSD-তে ম্যাগনেটিক ডিস্ক বেশি থাকে
  2. HDD-র ডাটা ট্রান্সফার রেট SSD-র চেয়ে বেশি
  3. SSD-তে মুভিং পার্ট নেই, কিন্তু HDD-তে আছে
  4. SSD শুধু বুট ড্রাইভ হিসেবে ব্যবহার করা যায়
ব্যাখ্যা

• SSD (Solid State Drive) এবং HDD (Hard Disk Drive) হলো কম্পিউটারের দুই ধরনের স্টোরেজ ডিভাইস। মূল পার্থক্য হলো SSD-তে কোনো মুভিং পার্ট নেই, অর্থাৎ এতে ডাটা স্টোর হয় ফ্ল্যাশ মেমোরিতে, তাই এটি দ্রুত ডাটা রিড ও রাইট করতে সক্ষম। বিপরীতে, HDD-তে ম্যাগনেটিক ডিস্ক থাকে যা ঘূর্ণন করে এবং হেডের মাধ্যমে ডাটা পড়া/লিখা হয়, তাই এটি ধীর কিন্তু তুলনামূলক সস্তা। HDD-এর ডাটা ট্রান্সফার রেট SSD-এর তুলনায় কম। SSD শুধু বুট ড্রাইভ হিসেবে সীমাবদ্ধ নয়, এটি সাধারণ ডাটা স্টোরেজ হিসেবেও ব্যবহার করা যায়।
- সুতরাং সঠিক পার্থক্য হলো: SSD-তে মুভিং পার্ট নেই, HDD-তে আছে।

SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।
- HDD-তে ম্যাগনেটিক ডিস্ক ও স্পিনিং প্ল্যাটার থাকে, যা মেকানিক্যাল মুভমেন্টের মাধ্যমে ডাটা read ও write করে, ফলে এটি তুলনামূলকভাবে ধীরগতি সম্পন্ন।
- SSD-এর ডাটা ট্রান্সফার স্পিড HDD-এর চেয়ে অনেক বেশি, তাই অপারেটিং সিস্টেম চালানোর জন্য এটি অধিক কার্যকর।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Amazon Web Services (AWS) ওয়েবসাইট। 

১২০.
ধ্বংসাত্মক মেমরির উদাহরণ কোনটি?
  1. র‍্যাম
  2. রম
  3. চৌম্বক কোর মেমরি
  4. চৌম্বক টেপ
ব্যাখ্যা
• ভোলাটাইল বা উদ্বায়ী মেমরি:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় তাকে উদ্বায়ী স্মৃতি বা ভোলাটাইল মেমরি বলে। যেমন- RAM।

• নন-ভোলাটাইল মেমরি বা অনুদ্বায়ী:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় না তাকে অনুদ্বায়ী স্মৃতি বা নন-ভোলাটাইল মেমরি বলে। যেমন- ROM।

• ধ্বংসাত্মক মেমরি:
- যদি কোনো মেমরি পঠনের পর সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় তাহলে তাকে ধ্বংসাত্মক মেমরি বলা হয়। যেমন- চৌম্বক কোর মেমরি।

• অধ্বংসাত্মক মেমরি:
- যদি পঠনের পর সংরক্ষিত তথ্য মুছে না যায় তাহলে তাকে অধ্বংসাত্মক মেমরি বলে। যেমন- চৌম্বক টেপ।

উৎস : মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২১.
How many bits of information can each flip-flop of a register store?
  1. 1 bit
  2. 2 bit
  3. 3 bit
  4. 4 bit
ব্যাখ্যা

 রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী। রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট (Bit) তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। - একটি n-bit রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-bit তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ ছাড়াও রেজিস্টারে কম্বিনেশনাল (Combinational) গেইট থাকতে পারে যা কোন ডাটা প্রসেসিংয়ের কাজ করতে পারে।

রেজিস্টারের ব্যবহার:

১। রেজিস্টারে প্রোগ্রামার কোন কিছু জমা রাখতে পারে না, একমাত্র CPU-ই গণনার প্রয়োজনে রেজিস্টারে কোন কিছু সঞ্চিত রাখতে পারে।
২। রেজিস্টার প্রধান মেমরির অন্তর্গত না হলেও এর গঠন প্রধান মেমরির অনুরূপ হতে পারে। ক্যাশ মেমরি হিসেবে রেজিস্টার বহুল ব্যবহৃত হয়।
৩। তাছাড়া ক্যালকুলেটর এবং ঘড়িতেও রেজিস্টারের ব্যবহার দেখা যায়।

উৎস: এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২২.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি? 
  1. ফ্লপি ডিস্ক
  2. ইউএসবি ড্রাইভ
  3. এসএসডি
  4. র‌্যাম 
  5. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
মেমোরি বা স্মৃতি ইউনিট:
- কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য কম্পিউটারে যে সমস্ত উপাত্ত বা নির্দেশাবলী ইনপুট ডিভাইসের সাহায্যে দেওয়া হয়, তা কম্পিউটারের স্মৃতি ইউনিটে জমা হয়।
- কম্পিউটারে সাধারণত প্রধান এবং সহায়ক স্মৃতি ইউনিট বিদ্যমান।
- প্রধান বা প্রাইমারি মেমোরিতে প্রোগ্রাম, নির্দেশনা এবং ফলাফল নির্বাহের সময় অস্থায়ী ফলাফল সংরক্ষিত থাকে।
- সহায়ক মেমোরি তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- র‍্যাম হলো প্রধান বা প্রাইমারি মেমোরি।
- এসএসডি, ফ্লপি ডিস্ক, ইউএসবি ড্রাইভ হলো সেকেন্ডারি স্টোরেজ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
১২৩.
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে ফ্লিপ-ফ্লপ কী?
  1. একটি সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিট
  2. একটি কম্বিনেশনাল সার্কিট
  3. একটি পাওয়ার সাপ্লাই ডিভাইস
  4. একটি লজিক গেট
ব্যাখ্যা

• ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে ফ্লিপ-ফ্লপ হলো একটি সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিট, তাই সঠিক উত্তর হলো ক)। ফ্লিপ-ফ্লপ এমন একটি মৌলিক মেমোরি উপাদান যা এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। এটি শুধু বর্তমান ইনপুটের উপর নির্ভর করে না, বরং আগের অবস্থার (previous state) উপরও নির্ভরশীল। সাধারণত ক্লক সিগনালের সাহায্যে ফ্লিপ-ফ্লপ কাজ করে এবং ডেটা সংরক্ষণ, কাউন্টার, রেজিস্টার ও মেমোরি ডিজাইনে ব্যবহৃত হয়। কম্বিনেশনাল সার্কিটের মতো এটি তাৎক্ষণিক আউটপুট দেয় না এবং এটি পাওয়ার সাপ্লাই বা সাধারণ লজিক গেটও নয়।
 
ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে, 
- বাকি তিনটি অপশন ফ্লিপ-ফ্লপের বৈশিষ্ট্য নয়। 

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

১২৪.
রেজিস্টার তৈরির জন্য কোন উপকরণ ব্যবহৃত হয়?
  1. সেমিকন্ডাক্টর
  2. ডায়োড
  3. ফ্লিপ-ফ্লপ
  4. ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা

• রেজিস্টার একটি মূলত তথ্য সংরক্ষণের উপাদান, যা কম্পিউটারের প্রসেসরে অস্থায়ীভাবে ডেটা রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, কারণ ফ্লিপ-ফ্লপ একটি দ্বি-স্থিতিশীল সার্কিট যা একটি বিট তথ্য ধরে রাখতে সক্ষম। প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ একটি একক বিট সংরক্ষণ করতে পারে এবং অনেকগুলো ফ্লিপ-ফ্লপ একত্র করে একটি রেজিস্টার তৈরি করা হয়। যদিও সেমিকন্ডাক্টর, ট্রানজিস্টর ও ডায়োড ফ্লিপ-ফ্লপের নির্মাণে ব্যবহৃত হয়, সরাসরি রেজিস্টারের মূল উপকরণ হিসেবে ফ্লিপ-ফ্লপ বিবেচিত হয়।
- তাই রেজিস্টারের কার্যকরী এবং মৌলিক উপাদান হলো ফ্লিপ-ফ্লপ।


• ইন্টারনাল মেমরি:
- কম্পিউটারের ইন্টারনাল মেমরি বলতে রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমরিকে বোঝানো হয়।

• রেজিস্টার:
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন- অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।
- মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২৫.
HDD-এর ডেটা সংরক্ষিত হয় কোনটির মাধ্যমে?
  1. বৈদ্যুতিক ডিস্ক
  2. চৌম্বকীয় ডিস্ক
  3. অপটিক্যাল ডিস্ক
  4. র‍্যাম চিপ
ব্যাখ্যা
• হার্ডডিস্ক:
- হার্ডডিস্ক বা HDD হলো ধাতব পাতের সমন্বয়ে গঠিত সহায়ক স্মৃতি। 

HDD (Hard Disk Drive)-এর ডেটা চৌম্বকীয় ডিস্ক-এর মাধ্যমে সংরক্ষিত হয়
- HDD-এর ভিতরে ঘূর্ণায়মান চৌম্বকীয় প্লেটার (Platter) থাকে, যার উপর ডেটা চৌম্বকীয়ভাবে রেকর্ড করা হয়।
- রিড/রাইট হেড এই ডেটা অ্যাক্সেস বা পরিবর্তন করে।

• হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা নির্ভর করে নিম্নলিখিত বিষয়ের ওপর -
- ব্যবহারযোগ্য পৃষ্ঠের সংখ্যা। 
- ট্র্যাকের সংখ্যা। 
- ট্র্যাকে সেক্টরের সংখ্যা। 
- প্রতি সেক্টরের ধারণক্ষম বাইটের সংখ্যা। 

অন্যদিকে,
• বৈদ্যুতিক ডিস্ক → এটি SSD (Solid State Drive)-তে ব্যবহৃত হয়, HDD-তে ব্যবহৃত হয় না।
• অপটিক্যাল ডিস্ক → এটি CD, DVD বা Blu-ray-এ ব্যবহৃত হয়।
• র‍্যাম চিপ → এটি অস্থায়ী মেমোরি (Volatile), অন্যদিকে HDD স্থায়ী ডেটা সংরক্ষণ করে।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৬.
কোনটি স্টোরেজ ডিভাইস?
  1. ক) CD
  2. খ) Light Pen
  3. গ) Touch Screen
  4. ঘ) OMR
ব্যাখ্যা


সূত্র - Computer & ICT - 2, SSC Vocational, Board Book
১২৭.
কোন কম্পিউটার মেমোরি Volatile?
  1. SSD
  2. HDD
  3. RAM
  4. ROM
ব্যাখ্যা
• RAM হচ্ছে Volatile Memory.
- বিদ্যুৎ চলে গেলে যে মেমরি এর তথ্য মুছে যায় তাকে ভোলাটাইল মেমোরি বলে।

• র‍্যাম (RAM):
- RAM-এর পুরো অর্থ Random Access Memory.
- র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
- কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়। তাই একে ভোলাটাইল স্মৃতি বা অস্থায়ী স্মৃতিও বলা হয়।

• র‍্যাম (RAM) মেমরির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
১. র‍্যাম এক ধরনের ভোলাটাইল মেমরি।
২. তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়।
৩. র‍্যামের তথ্য বা প্রোগ্রামকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে পুনরায় সংরক্ষণ করা যায়।
৪. কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
৫. বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়।

অন্যান্য অপশনসমূহ সম্পর্কে আলোচনা:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায়না তাকে ভোলাটাইল মেমরি বলে।
যেমন- ROM, SSD, HHD ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৮.
সিডি-রম এর স্টোরেজ ক্যাপাসিটি-
  1. ক) 4.7 GB
  2. খ) 700 MB
  3. গ) 17 GB
  4. ঘ) 450 MB
ব্যাখ্যা

সিডি-রমঃ 

বর্তমান সময়ে কম্পিউটারে সম্পাদিত ডেটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত মেমরির নাম সিডি-রম। সাধারণত সিডির ধারণক্ষমতা ৬৫০ মেগাবাইট থেকে ৭৫০ মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। এতে সাধারণত এক সাইডে তথ্য সংরক্ষিত থাকে। বিপুল পরিমাণ ধারণক্ষমতা এবং দামে সস্তা হওয়ার কারণে সিডিতে অডিও, ভিডিও, সফটওয়্যার বড় ধরনের ডেটা ইত্যাদি সংরক্ষণে খুবই জনপ্রিয়। সিডিতে সংরক্ষিত তথ্য বহুদিন পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকে।

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১২৯.
RAM কয় ধরনের হয়ে থাকে?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৬
ব্যাখ্যা
সাধারণত RAM দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১। স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM) ও
২। ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM)
১৩০.
CD-ROM এবং DVD-ROM নিচের কোন শ্রেণির স্টোরেজ ডিভাইস?
  1. Magnetic Storage
  2. Optical Storage
  3. Cloud Storage
  4. Volatile Storage
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Optical Storage

• স্টোরেজ ডিভাইস (Storage Hardware):
স্টোরেজ ডিভাইস বা স্টোরেজ হার্ডওয়‍্যারে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের সুবিধার জন্য স্টোরেজ মিডিয়াতে ডেটা ও নির্দেশাবলি জমা রাখা যায় এবং প্রয়োজনে তা সহজে কাজে লাগানো যায়। স্টোরেজ ডিভাইসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস (Primary Storage Device):
- RAM (Random-Access Memory), 
- ROM (Read-Only Memory).

২। সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস (Secondary Storage Device):
- Hard Disk, 
- Floppy Disk, 
- USB Flash Drive, 
- Magnetic Tape, 
- Optical Storage Devices (CD-ROMs and DVD-ROMs), 
- Solid-State Drives (SSDs)

• অপটিক্যাল স্টোরেজ সিস্টেম (Optical Storage System):
- যে সমস্ত ডিস্কে Optical Storage Technology-এর মাধ্যমে ডেটা সংরক্ষণ করা হয়, তাকে Optical Disk বলা হয়।
যেমন- CD-ROM Disk বা CD Disk, DVD ইত্যাদি।

• সিডি-রম (CD-Rom-Compact Disk Read Only Memory):
বর্তমান সময়ে কম্পিউটারে সম্পাদিত ডেটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত মেমরির নাম সিডি-রম।
- সাধারণত সিডির ধারণক্ষমতা 650 মেগাবাইট থেকে 750 মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। এতে সাধারণত এক সাইডে তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- বিপুল পরিমাণ ধারণক্ষমতা এবং দামে সস্তা হওয়ার কারণে সিডিতে অডিও, ভিডিও, সফটওয়‍্যার, বড় ধরনের ডেটা ইত্যাদি সংরক্ষণে খুবই জনপ্রিয়।
- সিডিতে সংরক্ষিত তথ্য বহুদিন পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকে।

• ডিভিডি (DVD):
- ১৯৯৬ সালের দিকে অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন অপটিক্যাল ডিস্কের উন্নতমানের সংস্করণ ডিভিডির (DVD- Digital Versatile Disk) উদ্ভব হয়।
- প্রথম দিকে DVD চলচ্চিত্র বা সিনেমার জন্য উন্নয়ন করা হলেও পরবর্তীতে টেক্সট, বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটার সফটওয়্যার, তথ্যাবলি, ছবি, শব্দ ইত্যাদি সংরক্ষণে ব্যাপক সুবিধা পাওয়া যায়।
- DVD-এর গঠন ও আকার সিডির মতোই। তবে অধিক পরিমাণে তথ্য সংরক্ষণ করার জন্য DVD-তে ট্র্যাকসমূহ আরো ঘন করে সন্নিবেশিত থাকে।
- সাধারণত DVD-এর ধারণক্ষমতা ৪ গিগাবাইট থেকে ১৭ গিগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- DVD পড়ার জন্য DVD ড্রাইভের প্রয়োজন। বর্তমানে DVD-R, DVD-RW এবং DVD RAM -এ লাল লেজার রশ্মির মাধ্যমে DVD-এর ডেটা পড়া ও লেখা হয়।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩১.
মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত মেমােরি কোনটি?
  1. সাধারণ চৌম্বক টেপ
  2. চৌম্বক ডিস্ক
  3. অপটিক্যাল ডিস্ক
  4. র‍্যাম ও রম
ব্যাখ্যা

মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সংযােগের উপর ভিত্তি করে মেমােরির শ্রেণিবিভাগ :
প্রধান বা অভ্যন্তরীণ মেমােরি: মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত মেমােরিকে প্রধান বা অভ্যন্তরীণ মেমােরি বলা হয়। প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রােগ্রাম ও তথ্যকে এ মেমােরিতে অস্থায়ীভাবে জমা রাখা হয়।
যেমন- র‍্যাম, রম ইত্যাদি।
মাদারবাের্ডে মাইক্রোপ্রসেসরের পাশাপাশি এ মেমােরি অবস্থান করে ।

সহায়ক বা অভ্যন্তরীণ মেমােরি: যে মেমােরির সাথে মাইক্রোপ্রসেসরের সরাসরি সংযোগ থাকে না, নির্দিষ্ট কন্ট্রোলের মাধ্যমে সংযােগ রক্ষা করে তাকে অভ্যন্তরীণ মেমােরি বলা হয়।
এ মেমােরিকে আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের সাহায্যে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করা হয়। ব্যবহারকারী ভবিষ্যৎ প্রয়ােজনে উপাত্ত বা প্রােগ্রামকে স্থায়ীভাবে সঞ্চয় করতে পারে বলে একে সহায়ক মেমােরি বলা হয়।
সাধারণ চৌম্বক টেপ, চৌম্বক ডিস্ক, অপটিক্যাল ডিস্ক ইত্যাদি সহায়ক মেমােরির উদাহরণ।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

১৩২.
নিচের কোনটি ভোলাইটল মেমোরির উদাহরণ?
  1. RAM
  2. ROM
  3. Hard Disc
  4. DVD Disc
ব্যাখ্যা
RAM:
- এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random-Access Memory.
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে তথ্য মুছে যায়।
- একে ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমোরি বলা হয়।
- RAM কে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন: static RAM (SRAM) এবং dynamic RAM (DRAM)।
১৩৩.
ROM-এর প্রকারভেদ নয় কোনটি?
  1. PROM
  2. DROM
  3. EPROM
  4. EAPROM
ব্যাখ্যা
• DROM, ROM-এর কোনো প্রকারভেদ নয়।

• রম:
- রম (ROM) হল রিড-ওনলি মেমোরি (Read-Only Memory) এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি। 

• ROM (Read-Only Memory) এর প্রকারভেদ:
→  PROM (Programmable ROM):
- একবার প্রোগ্রাম করা যায়। 
- একবার প্রোগ্রাম করার পর ডাটা পরিবর্তন করা যায় না। 
→  EPROM (Erasable Programmable ROM):
- UV (আল্ট্রাভায়োলেট) আলো দিয়ে ডাটা মুছে আবার নতুন ডাটা লেখা যায়। 
- ২০-৩০ মিনিট UV আলোতে রাখলে সম্পূর্ণ ডাটা মুছে যায়। 
→  EEPROM/EAPROM (Electrically Erasable Programmable ROM):
- বৈদ্যুতিক সংকেত দিয়ে ডাটা মুছে আবার লেখা যায়। 
- নির্দিষ্ট অংশের ডাটা আলাদাভাবে মুছে নতুন ডাটা লেখা সম্ভব। 
- এটি Flash memory এর ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। 
→  Mask ROM:
- ডাটা স্থায়ীভাবে লেখা হয়। 
- প্রোগ্রাম পরিবর্তন অসম্ভব। 

• ROM এর বৈশিষ্ট্য:
- কম্পিউটার বন্ধ হলেও ডাটা থেকে যায়। অর্থাৎ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও তথ্য নষ্ট হয় না। 
- সাধারণত ডাটা পড়া যায়, কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না। 
- BIOS, অপারেটিং সিস্টেমের প্রাথমিক অংশ সংরক্ষিত থাকে।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৪.
স্টোরেজ ডিভাইসকে প্রধানত কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. পাঁচ ভাগে
ব্যাখ্যা
• স্টোরেজ ডিভাইস:
- স্টোরেজ ডিভাইস বা স্টোরেজ হার্ডওয়্যারে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়।
- স্টোরেজ ডিভাইসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-

১. প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস (Primary Storage Device):
- প্রাইমারি স্টোরেজ হলো মাইক্রোপ্রসেসরের কর্মক্ষেত্র বা ওয়ার্কপ্লেস।
- প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারে প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত ডিভাইসসমূহকে প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস বলা হয়। যেমন- র‍্যাম।

২. সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস (Secondary Storage Device):
- কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারসমূহকে বলা হয় সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্ক, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ।

 উৎস : মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৫.
ক্যাশ মেমোরি ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. ডেটা ব্যাকআপ সংরক্ষণ করা
  2. ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা
  3. প্রসেসরের কাজের গতি বাড়ানো
  4. ডিলিট হওয়া ফাইল পুনরুদ্ধার করা
ব্যাখ্যা

◉ Cache Memory হলো একটি অতি দ্রুতগতির মেমোরি, যা সাধারণত CPU এবং প্রধান মেমোরি (RAM)-এর মধ্যে অবস্থান করে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো প্রায়ই ব্যবহৃত ডেটা এবং নির্দেশনা অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা। এর ফলে প্রসেসরের গতি বাড়ে এবং সিস্টেম পারফরম্যান্স উন্নত হয়।

ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১৩৬.
নিচের কোনটির ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হলেও সংরক্ষিত তথ্য অক্ষত থাকে?
  1. ASDRAM
  2. DRAM
  3. PROM
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ভোলাটাইল মেমোরি:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় তাকে ভোলাটাইল মেমরি বলে।
- যেমন: RAM.

• নন-ভোলাটাইল মেমরি:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় না তাকে নন-ভোলাটাইল মেমোরি বলে।
- যেমন- ROM.

• পিরম:
- PROM-এর পূর্ণরূপ হলো Programmable Read Only Memory.
- সাধারণত বাজারে যে সমস্ত প্রোগ্রাম করা রম পাওয়া যায় তাতে ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী সমস্ত কাজ হয় না। এসব ক্ষেত্রে PROM ব্যবহার করা হয়।
- PROM কে একবার প্রোগ্রাম করা হলে পুনঃ প্রোগ্রামের কোনো সুযোগ থাকে না।
- এ ধরনের রমে বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হলেও সংরক্ষিত তথ্য নষ্ট হয় না।

• স্ট্যাটিক র‍্যাম:
- SRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Static Random Access Memory.
- এ ধরনের মেমোরি ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, যা বাইনারি বিট (0 বা 1) ধারণ করে এবং ধারনকৃত ডেটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে।

• ডাইনামিক র‍্যাম:
- DRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Dynamic Random Access Memory.
- এটি সাধারণত মসফেট ট্রানজিস্টর ও ক্যাপাসিটরের সাহায্যে তৈরি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৭.
ধারণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি -
  1. ক) CD
  2. খ) DVD
  3. গ) Blue Ray DVD
  4. ঘ) None
ব্যাখ্যা
কতটুকু তথ্য ধারণ করতে পারে, তাকেই ধারণ ক্ষমতা বলা হয়। ধারণ ক্ষমতা নিম্নরূপ :
- CD = 700MB
- DVD = 17 GB
- Blue Ray DVD =100 GB
১৩৮.
কোনটি CPU রেজিস্টার হিসেবে ব্যবহৃত হয় না?
  1. ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার
  2. হার্ড ডিস্ক
  3. অ্যাকিউমুলেটর
  4. প্রোগ্রাম কাউন্টার
ব্যাখ্যা

• CPU বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটের রেজিস্টার হল ছোট, দ্রুত মেমোরি এলাকা যা অস্থায়ীভাবে ডেটা, নির্দেশনা এবং ঠিকানা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। প্রদত্ত অপশন গুলির মধ্যে, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, অ্যাকিউমুলেটর এবং প্রোগ্রাম কাউন্টার -ই CPU রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে। ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার বর্তমান ইনস্ট্রাকশন সংরক্ষণ করে, অ্যাকিউমুলেটর গণনার সময় অস্থায়ী ফলাফল রাখে, এবং প্রোগ্রাম কাউন্টার পরবর্তী নির্দেশনার ঠিকানা নির্দেশ করে। তবে হার্ড ডিস্ক হল একটি স্থায়ী স্টোরেজ ডিভাইস, যা CPU রেজিস্টার নয়। এটি বৃহৎ ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং প্রসেসরের সাথে সরাসরি দ্রুত লেনদেন করতে পারে না। তাই সঠিক উত্তর হল খ) হার্ড ডিস্ক।
 
• ইন্টারনাল মেমরি:
- কম্পিউটারের ইন্টারনাল মেমরি বলতে রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমরিকে বোঝানো হয়।

• রেজিস্টার:
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন- অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।
- মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৯.
কোনটি প্রতিরোধমূলক রক্ষণাবেক্ষণের উদাহরণ?
  1. অপারেটিং সিস্টেম পুনঃস্থাপন করা
  2. সংক্রমণের পর ভাইরাস অপসারণ করা
  3. নষ্ট হার্ড ড্রাইভ পরিবর্তন করা
  4. অভ্যন্তরীণ অংশ থেকে ধুলো পরিষ্কার করা
ব্যাখ্যা

• প্রতিরোধমূলক রক্ষণাবেক্ষণ (Preventive Maintenance) হল এমন ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ যা কোনো যন্ত্র বা সিস্টেমের সমস্যা দেখা দেওয়ার আগেই তা প্রতিরোধ করার উদ্দেশ্যে করা হয়। এর মূল লক্ষ্য হলো যন্ত্রপাতি বা সিস্টেমের কার্যকারিতা বজায় রাখা এবং বড় ধরনের ক্ষতি বা ব্যর্থতা এড়ানো। প্রদত্ত উদাহরণগুলোর মধ্যে, অপারেটিং সিস্টেম পুনঃস্থাপন করা, সংক্রমণের পর ভাইরাস অপসারণ করা বা নষ্ট হার্ড ড্রাইভ পরিবর্তন করা সবই ঘটার পরে করা রক্ষণাবেক্ষণ, যা সমস্যা সমাধানের জন্য করা হয়।
- অন্যদিকে, অভ্যন্তরীণ অংশ থেকে ধুলো পরিষ্কার করা একটি প্রতিরোধমূলক কাজ, কারণ এটি হার্ডওয়্যার সঠিকভাবে চলতে সাহায্য করে এবং ভবিষ্যতে সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা কমায়। তাই, প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে “ঘ) অভ্যন্তরীণ অংশ থেকে ধুলো পরিষ্কার করা” প্রতিরোধমূলক রক্ষণাবেক্ষণের উদাহরণ।

 
• কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ:
- কম্পিউটার অনেক দিন কার্যক্ষম রাখতে এর রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন।
- পার্সোনাল কম্পিউটার বা ডেস্কটপ, ল্যাপটপসহ সকল ধরনের কম্পিউটার এর সঠিক ব্যবহার, পরিচর্যা এবং ট্রাবলশুটিং করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সফ্টওয়্যার ও হার্ডওয়‍্যার ইন্সটল এবং আন-ইন্সটল করাকে কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ বলা হয়।
- কম্পিউটার ব্যবহার করার সময় অনেক টেম্পোরারি ফাইল তৈরি হয়।
- অনেক দিন এ ফাইলগুলো না মুছে দিলে হার্ডডিস্কের অনেক জায়গা দখল করে থাকে এবং এই অস্থায়ী ফাইলগুলো কাজের গতি কমিয়ে দেয়।
- অস্থায়ী ফাইলগুলো ডিলিট করে দিলে হার্ডডিস্কের বেশ খানিকটা জায়গা খালি হয় এবং কম্পিউটার এর কাজের গতিও অনেক বেড়ে যায়।
- ইন্টারনেট ব্যবহার করলে ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমরিতে অনেক টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে।
- প্রতিদিন সম্ভব না হলে কিছুদিন পরপর ক্যাশ মেমোরি পরিস্কার করতে হয়। এ কাজটি করতে সফ্টওয়্যার সাহায্য করতে পারে।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- IBM. [link]

১৪০.
CPU-র রেজিস্টার বলতে কী বোঝায়?
  1. মেমোরি কার্ডের একটি ধরন
  2. CPU-এর বাইরে একটি তথ্য সংরক্ষণের জায়গা
  3. CPU-এর ভেতরে দ্রুত কাজ করা ছোট স্টোরেজ
  4. সফটওয়্যার প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা

• উত্তর: গ) CPU-এর ভেতরে দ্রুত কাজ করা ছোট স্টোরেজ।

CPU-এর রেজিস্টার হলো মাইক্রোপ্রসেসরের ভেতরে থাকা অত্যন্ত দ্রুত এবং ছোট আকারের ডেটা স্টোরেজ ইউনিট। এগুলো প্রধানত তথ্য ও নির্দেশনা সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়, যাতে CPU দ্রুত গণনা ও প্রসেসিং করতে পারে। রেজিস্টার মেমোরির তুলনায় অনেক দ্রুত, কারণ এগুলো সরাসরি প্রসেসরের অংশ। বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার থাকে, যেমন সাধারণ উদ্দেশ্যের রেজিস্টার, অ্যাকিউমুলেটর, স্ট্যাক পয়েন্টার, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার ইত্যাদি। রেজিস্টার ডেটা লোড, সংরক্ষণ এবং অংক কষার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর ব্যবহার CPU-কে কার্যকর ও দ্রুতগতিতে কাজ করতে সহায়তা করে।

• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট (Bit) তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-bit রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-bit তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ ছাড়াও রেজিস্টারে কম্বিনেশনাল গেইট থাকতে পারে যা কোন ডাটা প্রসেসিংয়ের কাজ করতে পারে।

- রেজিস্টারে ডাটার স্থানান্তর তিনভাবে হতে পারে। যথা-
১. প্যারালাল স্থানান্তর,
২. সিরিয়াল স্থানান্তর ও
৩. মিশ্রভাবে স্থানান্তর।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪১.
Flash Memory কোন প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. Punch Card
  2. Magnetic
  3. Optical
  4. EEPROM
ব্যাখ্যা

• Flash memory মূলত EEPROM (Electrically Erasable Programmable Read-Only Memory) প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে কাজ করে। এটি একটি ধরনের অস্থায়ী না হওয়া মেমরি যা বৈদ্যুতিক সংকেত ব্যবহার করে তথ্য সংরক্ষণ এবং মুছে ফেলার কাজ করতে পারে। অন্য প্রযুক্তিগুলোর সাথে তুলনা করলে, যেমন পাঞ্চ কার্ড, ম্যাগনেটিক বা অপটিক্যাল মিডিয়া, এগুলোতে তথ্য সংরক্ষণ প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় বা বৈদ্যুতিকভাবে মুছা সম্ভব নয়। Flash memory এর সুবিধা হলো দ্রুত পড়া এবং লেখা সম্ভব এবং এটি বহুল ব্যবহৃত হয় USB drives, SSD এবং স্মার্টফোনের স্টোরেজে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) EEPROM.

EEPROM:
- EEPROM-এর পূর্ণরূপ হলো "Electrically Erasable Programmable Read-Only Memory"।
- EEPROM-এ তথ্য মুছতে EPROM-এর তুলনায় অনেক কম সময় লাগে।
- EPROM-এর একটি অসুবিধা ছিল যে এতে সংরক্ষিত তথ্য মুছতে অনেক সময় লাগতো, প্রায় আধা ঘণ্টা। এছাড়া, আংশিকভাবে তথ্য মুছা সম্ভব ছিল না। এই অসুবিধা দূর করার জন্য EEPROM ব্যবহার করা হয়।
- EEPROM-এ আংশিক বা সম্পূর্ণ ডেটা মুছে ফেলা সম্ভব। তবে, এটি করার জন্য EEPROM কে সার্কিট থেকে খুলতে হয় না। প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ প্রবাহ চালিয়ে তথ্য মুছে ফেলা যায় এবং নতুন তথ্য সংযোজন করা যায়।
- ফ্ল্যাশ মেমরি হলো এক ধরণের EEPROM (Electronically Erasable Programmable Read-Only Memory).

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।

১৪২.
SSD এবং HDD এর মধ্যে মূল পার্থক্য কী?
  1. SSD-তে মুভিং পার্ট নেই, কিন্তু HDD-তে আছে
  2. SSD শুধু বুট ড্রাইভ হিসেবে ব্যবহার করা যায়
  3. HDD-র ডাটা ট্রান্সফার রেট SSD-র চেয়ে বেশি
  4. SSD-তে ম্যাগনেটিক ডিস্ক বেশি থাকে
ব্যাখ্যা

◉ SSD (Solid State Drive) এবং HDD (Hard Disk Drive) এর মধ্যে প্রধান পার্থক্য হল যে SSD-এর কোনো মুভিং পার্ট নেই, এটি ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহার করে, ফলে এটি দ্রুত এবং টেকসই হয়।

SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।
- HDD-তে ম্যাগনেটিক ডিস্ক ও স্পিনিং প্ল্যাটার থাকে, যা মেকানিক্যাল মুভমেন্টের মাধ্যমে ডাটা read ও write করে, ফলে এটি তুলনামূলকভাবে ধীরগতি সম্পন্ন।
- SSD-এর ডাটা ট্রান্সফার স্পিড HDD-এর চেয়ে অনেক বেশি, তাই অপারেটিং সিস্টেম চালানোর জন্য এটি অধিক কার্যকর।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Amazon Web Services (AWS) ওয়েবসাইট। 

১৪৩.
4004 কত বিটের প্রসেসর?
  1. ক) 4
  2. খ) 6
  3. গ) 8
  4. ঘ) 16
ব্যাখ্যা
- ৪০০৪, ৪০৪০ হল ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০০৮, ৮০৮০ হল ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৮৬, ৮০৮৮, ৮০১৮৬ হল ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৩৮৬, ৮০৪৮৬ হল ৩২ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium হল ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
১৪৪.
নিচের কোনটি L1 ক্যাশ (L1 Cache) মেমোরির বৈশিষ্ট্য? 
  1. প্রসেসরের সবচেয়ে নিকটবর্তী এবং দ্রুততম ক্যাশ মেমরি স্তর
  2. এটি মাদারবোর্ডে প্রসেসর থেকে দূরে অবস্থান করে
  3. এর ধারণক্ষমতা L3 ক্যাশ অপেক্ষা অনেক বেশি
  4. এটি একটি স্থায়ী বা নন-ভোলাটাইল মেমরি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) প্রসেসরের সবচেয়ে নিকটবর্তী এবং দ্রুততম ক্যাশ মেমরি স্তর।
• L1 Cache বা লেভেল ১ ক্যাশ সরাসরি প্রসেসর চিপের ভেতরে প্রতিটি কোরের সাথে সংযুক্ত থাকে। এটি প্রসেসরের ক্লক স্পিডের সমান গতিতে কাজ করতে পারে, যা একে কম্পিউটারের দ্রুততম মেমরি স্তরে (রেজিস্টারের পরেই) পরিণত করেছে। প্রসেসরের সবচেয়ে কাছে থাকায় এটি অত্যন্ত দ্রুত গতিতে ডাটা সরবরাহ করে।

• Cache Memory:
- Cache Memory হলো একটি অত্যন্ত দ্রুতগতির বিশেষ ধরণের স্মৃতি, যা CPU বা প্রসেসরের খুব কাছে অবস্থান করে।
- এটি প্রধানত সেই ডেটা ও নির্দেশনা সংরক্ষণ করে, যেগুলো প্রসেসর বারবার ব্যবহার করে বা অতি দ্রুত অ্যাক্সেসের প্রয়োজন হয়।

• Cache Memory কেন প্রয়োজনতা:
- প্রসেসরের কাজের গতি অনেক বেশি, কিন্তু RAM বা Main Memory তুলনামূলক ধীর।
- প্রসেসর যখন RAM থেকে ডেটা আনতে চায়, তখন সময় বেশি লাগে। এই ব্যবধান কমাতে Cache Memory ব্যবহার করা হয়।
- Cache Memory প্রসেসর ও মূল স্মৃতির মধ্যে একটি উচ্চ গতির সেতু (Buffer Layer) হিসেবে কাজ করে। ফলে প্রয়োজনীয় ডেটা প্রসেসর খুব দ্রুত পায় এবং সিস্টেমের সামগ্রিক কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পায়।

• Cache Memory ব্যবহারের উদ্দেশ্য ও সুবিধা:
- প্রসেসর অপেক্ষার সময় কমানো: RAM থেকে ডেটা আনতে যে বিলম্ব হয়, Cache সেই বিলম্ব দূর করে।
- গতি বৃদ্ধি: Cache থেকে ডেটা অ্যাক্সেস করা RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুত, ফলে CPU-এর কার্যক্ষমতা বাড়ে।
- প্রায়শই ব্যবহৃত ডেটা সংরক্ষণ: CPU যে নির্দেশ বা ডেটা বারবার ব্যবহার করে, তা Cache Memory-তে রাখা হয়।
- Latency কমানো: ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে, যা সিস্টেমের Response Time উন্নত করে।
 
• Cache Memory এর স্তরসমূহ (L1, L2, L3):
- L1 Cache: সবচেয়ে ছোট কিন্তু সবচেয়ে দ্রুত, সরাসরি CPU কোরের সাথে সংযুক্ত।
- L2 Cache: L1-এর তুলনায় বড়, গতি কিছুটা কম, কিন্তু এখনো RAM এর চেয়ে দ্রুত।
- L3 Cache: বহু কোরের জন্য শেয়ারড, বড় এবং অপেক্ষাকৃত ধীর কিন্তু RAM এর চেয়ে দ্রুত।
- এই স্তরগুলো মিলে CPU-এর প্রয়োজনীয় ডেটা দ্রুত পৌঁছে দেয়।

উৎস: 
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- ব্রিটানিকা।

১৪৫.
ভার্চুয়াল মেমরির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার কোনটি?
  1. হার্ড ডিস্ক
  2. GPU
  3. নেটওয়ার্ক কার্ড
  4. পাওয়ার সাপ্লাই
ব্যাখ্যা

•  ভার্চুয়াল মেমরি হলো একটি প্রযুক্তি যা কম্পিউটারকে তার মূল মেমরি (RAM) এর সীমা ছাড়িয়ে প্রোগ্রাম চালানোর ক্ষমতা দেয়। যখন RAM পর্যাপ্ত থাকে না, তখন অপারেটিং সিস্টেম অপ্রয়োজনীয় ডেটা বা প্রোগ্রাম অংশকে হার্ড ডিস্কে সংরক্ষণ করে, যা “পেজ ফাইল” বা “সাপারফ্লো স্পেস” হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কম্পিউটার RAM-এর চেয়ে বড় প্রোগ্রামও চালাতে সক্ষম হয়। তাই ভার্চুয়াল মেমরির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার হলো হার্ড ডিস্ক, কারণ এটি RAM-এর অতিরিক্ত স্থান সরবরাহ করে এবং ডেটা আয়ত্তে রাখে।
- অন্য হার্ডওয়্যার যেমন GPU, নেটওয়ার্ক কার্ড বা পাওয়ার সাপ্লাই সরাসরি ভার্চুয়াল মেমরির কাজের সঙ্গে জড়িত নয়।

 
ভার্চুয়াল মেমরি: 
- ভার্চুয়াল মেমরি (Virtual Memory) হলো কম্পিউটার সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা প্রধান মেমরির (RAM) সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে হার্ড ড্রাইভের একটি অংশকে অস্থায়ীভাবে RAM হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যাতে একসাথে আরও বেশি প্রোগ্রাম চালানো যায়।
- অপারেটিং সিস্টেম নিজেই ঠিক করে কোন অংশ RAM-এ থাকবে আর কোন অংশ হার্ড ড্রাইভে যাবে।
- যখন RAM পূর্ণ হয়ে যায়, তখন কম ব্যবহার হওয়া ডেটাগুলো হার্ড ড্রাইভের একটি নির্দিষ্ট অংশে (page file/swap space) পাঠানো হয়।
- প্রয়োজনে আবার সেই ডেটা RAM-এ ফিরিয়ে আনা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি ব্যবহারকারীর অজান্তেই ঘটে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বিভিন্ন টেক ওয়েবসাইট। 

১৪৬.
1 জেটাবাইট = কত?
  1. ক) 1024 পেটাবাইট
  2. খ) 1024 টেরাবাইট
  3. গ) 1024 এক্সাবাইট
  4. ঘ) 1024 মেটাবাইট
ব্যাখ্যা

সূত্রঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি - ১, নবম-দশম শ্রেণি (ভোকেশনাল)
১৪৭.
RAM-এর মধ্যে তথ্য কতক্ষণ সংরক্ষিত থাকে- 
  1. সবসময়
  2. হার্ড ডিস্কে সংরক্ষণ পর্যন্ত 
  3. শুধুমাত্র বন্ধ থাকা অবস্থায়
  4. কম্পিউটার চালু থাকা পর্যন্ত
ব্যাখ্যা

RAM: 
- RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory. 
- মাদারবোর্ডের সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে মেমোরিতে পঠন এবং লিখন দুটি কাজই সম্পন্ন করা যায় সে মেমোরিকে RAM বলা হয়। 
- এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি। 
- কম্পিউটারের যতক্ষণ বিদ্যুৎপ্রবাহ চালিত থাকে ততক্ষণ RAM এ তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে। 
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে RAM তার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলে। 
- এজন্য RAM কে কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরিও বলা হয়। 
 
ROM: 
- এটি হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস (যেমন কম্পিউটার) এর স্টোরেজ সিস্টেম। 
- এটিকে স্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়। 
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি। 
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি। 
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা। 

১৪৮.
নন-ভোলাটাইল মেমোরি হিসেবে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. SD-RAM
  2. PROM
  3. D-RAM
  4. S-RAM
ব্যাখ্যা

• অপশন আলোচনা:
- S-RAM (Static RAM) – এটি একটি ভোলাটাইল (volatile) মেমোরি। বিদ্যুৎ না থাকলে ডেটা মুছে যায়।
- D-RAM (Dynamic RAM) – এটিও ভোলাটাইল, এবং বারবার রিফ্রেশ করতে হয় ডেটা ধরে রাখতে।
- SD-RAM (Synchronous DRAM) – এটি D-RAM-এর উন্নত সংস্করণ, কিন্তু এখনো ভোলাটাইল।
- PROM (Programmable Read-Only Memory) – এটি একটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি, অর্থাৎ বিদ্যুৎ বন্ধ হলেও এতে সংরক্ষিত ডেটা মুছে যায় না।

- PROM একবার প্রোগ্রাম করা হলে ডেটা স্থায়ীভাবে থেকে যায়। তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরির উদাহরণ।

• ভোলাটাইল মেমোরি (Volatile Memory):
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় তাকে ভোলাটাইল মেমরি বলে।
- যেমন: RAM.

• নন-ভোলাটাইল মেমরি (Non-Volatile Memory):
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় না তাকে নন-ভোলাটাইল মেমোরি বলে।
- যেমন- ROM.

• পিরম (PROM):
- PROM-এর পূর্ণরূপ হলো Programmable Read Only Memory.
- সাধারণত বাজারে যে সমস্ত প্রোগ্রাম করা রম পাওয়া যায় তাতে ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী সমস্ত কাজ হয় না। এসব ক্ষেত্রে PROM ব্যবহার করা হয়।
- PROM কে একবার প্রোগ্রাম করা হলে পুনঃ প্রোগ্রামের কোনো সুযোগ থাকে না।
- এ ধরনের রমে বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হলেও সংরক্ষিত তথ্য নষ্ট হয় না।

• স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM):
- SRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Static Random Access Memory.
- এ ধরনের মেমোরি ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, যা বাইনারি বিট (0 বা 1) ধারণ করে এবং ধারনকৃত ডেটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে।

• ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM):
- DRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Dynamic Random Access Memory.
- এটি সাধারণত মসফেট ট্রানজিস্টর ও ক্যাপাসিটরের সাহায্যে তৈরি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪৯.
কোন স্টোরেজ ডিভাইসে কম্পিউটারে ডেটা অ্যাক্সেসের স্পিড সবচেয়ে বেশি?
  1. Hard Disk
  2. RAM
  3. ROM
  4. Register
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারে ডেটা অ্যাক্সেসের গতি নির্ভর করে স্টোরেজ ডিভাইসের ধরন ও প্রযুক্তির উপর। সাধারণভাবে, Register হল CPU-এর ভিতরে থাকা ক্ষুদ্র কিন্তু অত্যন্ত দ্রুত স্টোরেজ, যা তাত্ক্ষণিকভাবে ডেটা প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এর পরে আসে RAM, যা CPU এবং অন্যান্য ডিভাইসের মধ্যে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। ROM হলো স্থায়ী মেমোরি, যা সাধারণত ধীর এবং শুধুমাত্র পড়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। সবচেয়ে ধীর স্টোরেজ হলো Hard Disk, যা চুম্বকীয় বা মেকানিকাল প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে। তাই দ্রুততম ডেটা অ্যাক্সেসের জন্য Register সবচেয়ে উপযুক্ত।

• কম্পিউটারের মেমোরির গতি অনুযায়ী যদি সাজাই, তাহলে ক্রম হবে:
Register > Cache > RAM > ROM > Hard Disk.

রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন: অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।

• মেমরির ধারণক্ষমতা ও গতির ক্রম:


- পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
- আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।

এছাড়াও, 
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- RAM হলো অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি এবং ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হলো হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫০.
ক্যাশ মেমরিকে কোন ধরণের কম্পিউটার মেমরি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়?
  1. Dynamic Memory
  2. Magnetic Memory
  3. Optical Memory
  4. Static Memory
ব্যাখ্যা

• ক্যাশ মেমরি একটি দ্রুতগতির, ছোট আকারের মেমরি যা প্রসেসরের সঙ্গে সরাসরি কাজ করে এবং প্রধান মেমরি থেকে তথ্য দ্রুত আনা ও পাঠাতে সাহায্য করে। এটি Static Memory (ঘ) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, কারণ এটি তথ্য সংরক্ষণ করতে নিয়মিত রিফ্রেশের প্রয়োজন হয় না, যা Dynamic Memory-র ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয়। ক্যাশ মেমরি সাধারণত RAM-এর তুলনায় দ্রুত এবং ছোট, এবং CPU-কে বারবার ধীর প্রধান মেমরি (যেমন DRAM) থেকে তথ্য আনার ঝামেলা থেকে মুক্ত রাখে। এই মেমরির সাহায্যে কম্পিউটার প্রোগ্রাম দ্রুত কার্যকর হয়, কারণ প্রায়শই ব্যবহৃত তথ্যকে ক্যাশে সংরক্ষণ করে প্রসেসর তা দ্রুত অ্যাক্সেস করতে পারে। তাই এটি দ্রুত এবং স্থায়ী তথ্য সংরক্ষণের জন্য Static Memory-এর উদাহরণ।
 
• ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১৫১.
নিচের কোন মেমােরিটিতে Access Time সবচেয়ে কম?
  1. Registers
  2. SSD
  3. RAM
  4. Cache memory
ব্যাখ্যা
• Register মেমোরিটিতে Access Time সবচেয়ে কম।


- চিত্রে, পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি। আবার পিড়ামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।
- CD, RAM এর চেয়ে Cach Memory তে সবচেয়ে দ্রুত অ্যাক্সেস করা যায়।

• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী। রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-বিট রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- কম্পিউটারের রেজিস্টার মেমোরি একসেস সবচেয়ে কম।
- কম্পিউটারের প্রসেসরের সবচেয়ে কাছে থাকে রেজিস্টার, তাই এর ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড তুলনামূলক বেশি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫২.
যে স্মৃতিতে তথ্য শুধু পাঠ করা যায় কিন্তু নতুন তথ্য সংযোজন করা যায় না তাকে কি বলে?
  1. ক) RAM
  2. খ) ROM
  3. গ) CD
  4. ঘ) DVD
ব্যাখ্যা

ROM এ তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত হয়। এতে কোন তথ্য যুক্ত করা যায় না। RAM এ তথ্য মুছে ফেলে নতুন তথ্য সংযোজন করা যায়।
সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (মাহবুবুর রহমান)

১৫৩.
পার্সোনাল কম্পিউটারে মাইক্রোপ্রসেসর এর গতি পরিমাপ করা হয়-
  1. ক) GB এককে
  2. খ) GHz এককে
  3. গ) BIPS এককে
  4. ঘ) TBS এককে
ব্যাখ্যা

সাধারণত মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MHz বা GHz এ। কিন্তু মিনি ও মেইনফ্রেম কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MIPS (Millions of Instructions per Second) বা BIPS (Billions of Instructions per Second) এ।
আবার সুপার কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MFLOPS (Millions of Floating Point Operations per Second), GFLOPS (Giga of Floating Point Operations per Second), TFLOPS (Tera of Floating Point Operations per Second) ইত্যাদিতে।


সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১৫৪.
ROM- এ অবস্থিত ফার্মওয়্যারের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. হার্ডওয়্যারে প্রোগ্রাম করা স্থায়ী সফটওয়্যার
  2. ক্লাউডে চলা সফটওয়্যার
  3. RAM-এ সংরক্ষিত অস্থায়ী ডেটা
  4. অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
• ROM-এ অবস্থিত ফার্মওয়্যারের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো: ক) হার্ডওয়্যারে প্রোগ্রাম করা স্থায়ী সফটওয়্যার। ফার্মওয়্যার হলো এক ধরনের সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের সাথে সরাসরি কাজ করে এবং এটি সাধারণত ROM (Read-Only Memory)-এ সংরক্ষিত থাকে। এটি মূলত কম্পিউটারের বুটিং প্রক্রিয়া এবং হার্ডওয়্যারের প্রাথমিক নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়। ফার্মওয়্যার স্থায়ী বা সেমি-স্থায়ী হয় এবং ব্যবহারকারী সাধারণভাবে এটি পরিবর্তন করতে পারে না। এর উদাহরণ হলো BIOS বা UEFI, যা কম্পিউটার চালুর সময় হার্ডওয়্যারের কাজ শুরু করে। তাই ফার্মওয়্যারকে হার্ডওয়্যারে প্রোগ্রাম করা স্থায়ী সফটওয়্যার হিসেবে ধরা হয়।

• ROM (রম):
- ROM এর পূর্ণরূপ Read only memory.
- রমে যে তথ্য থাকে তাকে পরিবর্তন করা যায় না।
- রম ভিত্তিক প্রোগ্রামকে Firmware বলে।
- সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম তৈরি করার সময় কম্পিউটারের মেমরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তাকে ফার্মওয়্যার বলে।
- যেমন: PC-তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি। [ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ]।
১৫৫.
র‍্যাম কোথায় যুক্ত থাকে?
  1. ফ্লপি ডিস্ক
  2. এক্সপানশন বোর্ড
  3. এক্সটার্নাল ড্রাইভ
  4. মাদারবোর্ড
ব্যাখ্যা

র‌্যামঃ কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত একাধিক চিপ সমন্বয়ে র‌্যাম এলাকা গঠিত।
র‌্যাম হচ্ছে কম্পিউটারের কর্ম এলাকা। র‌্যামে সব ধরনের তথ্য লেখা ও পড়া যায়। র‌্যামে তথ্য জমা থাকে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে, ফলে র‌্যামের সব তথ্য অস্থায়ীভবে থাকে। এজন্য র‌্যামকে কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি বলা হয়।
কোন কারণে বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটারের সুইচ বন্ধ করলে র‌্যাম থেকে সব তথ্যই মুছে য়ায়। তাই র‌্যামকে ভোলাটাইল বলা হয়। সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১৫৬.
নিচের কোন মেমরিটি বিদ্যুৎ না থাকলে ডেটা ধরে রাখতে পারে না?
  1. RAM
  2. HDD
  3. SSD
  4. ROM
ব্যাখ্যা

• বিদ্যুৎ না থাকলে যে মেমরি ডেটা ধরে রাখতে পারে না, সেটি হলো RAM (Random Access Memory)। RAM একটি অস্থায়ী বা ভোলাটাইল মেমরি, যা কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায়ই শুধু তথ্য সংরক্ষণ করে। কম্পিউটার বন্ধ হয়ে গেলে বা বিদ্যুৎ চলে গেলে RAM-এ থাকা সব ডেটা মুছে যায়। বর্তমানে চলমান প্রোগ্রাম, সফটওয়্যার ও প্রসেসিং-এর জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য RAM-এ সাময়িকভাবে রাখা হয়, যাতে দ্রুত কাজ করা যায়। অন্যদিকে HDD, SSD ও ROM হলো নন-ভোলাটাইল মেমরি, যেগুলো বিদ্যুৎ না থাকলেও ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) RAM.
 
• ভোলাটাইল মেমরি:
- যে সকল মেমরিতে সংরক্ষিত ডাটা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে মুছে. যায় তাকে ভোলাটাইল মেমরি বলে।

• RAM:
- RAM-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory. র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়। তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়। 
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
- কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়। তাই একে ভোলাটাইল স্মৃতি বা অস্থায়ী স্মৃতিও বলা হয়।

• RAM-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো-
- র‍্যাম এক ধরনের ভোলাটাইল মেমরি (Volatile Memory) ।
- তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়।
- র‍্যামের তথ্য বা প্রোগ্রামকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে পুনরায় সংরক্ষণ করা যায়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫৭.
অতিরিক্ত তথ্য ও প্রোগ্রাম যা প্রসেসর ব্যবহার করে না তা কোথায় স্টোর করা হয়?
  1. ইনপুট ইউনিট
  2. সেকেন্ডারি স্টোরেজ
  3. আউটপুট ইউনিট
  4. সিপিইউ
ব্যাখ্যা
• অতিরিক্ত তথ্য ও প্রোগ্রাম যা প্রসেসর ব্যবহার করে না তা সেকেন্ডারি স্টোরেজে স্টোর করা হয়।

• সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যার সমূহকে বলা হয় সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।
- সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস হলো স্টোরেজ ডিভাইস যা কম্পিউটারের প্রাথমিক স্টোরেজ, র‍্যাম এবং ক্যাশ মেমরির পাশাপাশি কাজ করে।
- এই ডিভাইসগুলি প্রায় সব ধরণের প্রোগ্রাম এবং আ্যাপ্লিকেশন সংরক্ষণ করে।
- এতে অপারেটিং সিস্টেম, ডিভাইস ড্রাইভার, অ্যাপ্লিকেশন এবং ব্যবহারকারী ডেটা আইটেম থাকতে পারে।
- হার্ডডিস্ক, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৮.
সাধারণভাবে কোন ক্যাশ লেভেলটি আকারে সবচেয়ে ছোট ও গতিতে সবচেয়ে দ্রুত?
  1. L1 Cache
  2. L2 Cache
  3. L3 Cache
  4. Main Memory
ব্যাখ্যা

• সাধারণভাবে L1 ক্যাশ আকারে সবচেয়ে ছোট এবং গতিতে সবচেয়ে দ্রুত। এটি প্রসেসরের ভেতরে সরাসরি সংযুক্ত থাকে এবং প্রসেসরের যেকোনো রেজিস্টারের সাথে খুব দ্রুত ডেটা আদান-প্রদানে সক্ষম। L1 ক্যাশ সাধারণত কয়েক দশক কিলোবাইট (KB) সীমার মধ্যে থাকে, তাই এটি সীমিত কিন্তু অত্যন্ত দ্রুত। L2 এবং L3 ক্যাশ তুলনায় বড় হলেও ধীরগতির হয়, আর মেইন মেমরি (RAM) অনেক বড় হলেও তার এক্সেস টাইম অনেক বেশি। তাই CPU দ্রুততর প্রসেসিংয়ের জন্য L1 ক্যাশকে প্রথম স্তরের (Level 1) ডেটা স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহার করে, যা প্রোগ্রামের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। L1 ক্যাশের দ্রুততা এবং সরাসরি অ্যাক্সেস ক্ষমতার কারণে এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
 
ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়। 
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১৫৯.
কম্পিউটারের নিজস্ব স্মৃতি কেন্দ্র কোনটি?
  1. ক) RAM
  2. খ) ROM
  3. গ) Hard Disk
  4. ঘ) Compact Disk
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের প্রধান মেমরি ২ প্রকার; যথা - RAM ও ROM।
RAM - কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত একাধিক চিপ সমন্বয়ে র‌্যাম এলাকা গঠিত। র‌্যাম হচ্ছে কম্পিউটারের কর্ম এলাকা। র‌্যামে সব ধরনের তথ্য লেখা ও পড়া যায়। র‌্যামে তথ্য জমা থাকে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে, ফলে র‌্যামের সব তথ্য অস্থায়ীভবে থাকে। এজন্য র‌্যামকে কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি বলা হয়।
ROM - রম হচ্ছে কম্পিউটারের নিজস্ব স্মৃতি কেন্দ্র। কম্পিউটার রম থেকে কেবলমাত্র তথ্য পড়তে পারে এবং সেই অনুযায়ী কাজ করে। রমের স্মৃতিতে সংরক্ষিত কোন তথ্য কম্পিউটার মুছে ফেলতে পারে না বা পরিবর্তন করতে পারে না। এজন্য রমকে কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতি বলা হয়। কম্পিউটারের রম যত বেশি হবে কম্পিউটার তত কঠিন কার্যপ্রক্রিয়া অতি দ্রুত সম্পাদন করতে পারবে।
উল্লেখ্য, হার্ড ডিস্ক ও সিডি - কম্পিউটারের সহায়ক স্মৃতি।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর কম্পিউটার শিক্ষা বই (উন্মুক্ত)।

১৬০.
কম্পিউটারের একটি রেজিস্টার প্রধানত ব্যবহৃত হয়:
  1. স্থায়ীভাবে প্রোগ্রাম রাখতে
  2. অস্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করতে
  3. পর্দায় আউটপুট প্রদর্শন করতে
  4. হার্ডওয়্যার ডিভাইস যুক্ত করতে
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারের একটি রেজিস্টার মূলত অস্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। রেজিস্টার হলো সিপিইউ’র ভেতরে অবস্থিত অতিদ্রুত গতির মেমোরি লোকেশন, যা প্রসেসরকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও ডেটা মুহূর্তের মধ্যে প্রক্রিয়া করার সুযোগ দেয়। যখন কোনো প্রোগ্রাম চালানো হয়, তখন মূল মেমোরি (RAM) থেকে প্রয়োজনীয় ডেটা রেজিস্টারে আনা হয় এবং এখান থেকেই সিপিইউ তা প্রক্রিয়াকরণ করে। রেজিস্টার সাধারণত খুব ছোট আকারের হলেও এর কাজের গতি অত্যন্ত দ্রুত। স্থায়ীভাবে প্রোগ্রাম সংরক্ষণ, আউটপুট প্রদর্শন বা হার্ডওয়্যার যুক্ত করার জন্য এটি নয়। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো অস্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করা।

রেজিস্টার:
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর ভেদে রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা ভিন ভিন্ন হতে পারে। যেমন ৪-বিট রেজিস্টার 16-বিট রেজিস্টার, 32 বিট রেজিস্টার, 64-বিট রেজিস্টার ইত্যাদি।
- ইলেকট্রনিক সার্কিট দিয়ে তৈরি বলে রেজিস্টারগুলোর কাজ করার ক্ষমতা খুব দ্রুত হয়।
- গাণিতিক ও যুক্তিমূলক ইউনিটের প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল তাৎক্ষণিক অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য অ্যাকিউমুলেটর (রেজিস্টার) ব্যবহৃত হয়।
- অ্যাকিউমুলেটর একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টার।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬১.
ফ্লপি ডিস্ক এর ধারণ ক্ষমতা কত?
  1. ক) 3.44 KB
  2. খ) 1.44 MB
  3. গ) 1.44 KB
  4. ঘ) 3.44 GB
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৩ সালে ফ্লপি ডিস্কের প্রচলন শুরু হয়। এটি ডিস্কেট নামেও পরিচিত। 
- ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী ফ্লপি ডিস্ক দুই ধরনের। 
- সাধারণ ফ্লপি ডিস্কের ধারণ ক্ষমতা ৭২০ হতে ৮০০ কিলোবাইট পর্যন্ত এবং হাই ডেনসিটি ফ্লপি ডিস্কের ধারণ ক্ষমতা ১.২ হতে ১.৪ মেগাবাইট পর্যন্ত হতে পারে।

উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

১৬২.
নিচের কোনটি মেমোরি ধারণক্ষমতার ক্ষুদ্রতম একক?
  1. ক) মেগাবাইট
  2. খ) বাইট
  3. গ) বিট
  4. ঘ) গিগাবাইট
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার মেমোরির ধারণ ক্ষমতার ক্ষুদ্রতম একক হল বিট।

- কম্পিউটার মেমোরিতে ডেটা সংরক্ষণের পরিমাণকে মেমোরির ধারণক্ষমতা বলে।
- আট বিট নিয়ে গঠিত শব্দকে বলা হয় বাইট।
- বাইনারি গণনা পদ্ধতির ০ এবং ১ এই দুইটি মৌলিক অঙ্ককে বলা হয় বিট।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 

১৬৩.
নিচের কোনটি সত্য নয়?
  1. ৮ বিট = ১ অক্ষর
  2. ১০২৪ বাইট = ১ কিলােবাইট
  3. ১০২৪ টেরাবাইট = ১ এক্সাবাইট
  4. কোনটিই নয়।
ব্যাখ্যা

বিট (Bit) :
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক ০ (শূন্য) এবং ১ (এক) কে বিট বলে। ইংরেজি Binary শব্দের Bi এবং Digit শব্দের নিয়ে Bit শব্দটি গঠিত হয়।
ডিজিটাল কম্পিউটারের মেশিন ভাষা হলাে বিট (০ ও ১)। এক্ষেত্রে (0) বিট দিয়ে নিম্ন ভােল্টেজ (Low Voltage) এবং (১) বিট দিয়ে উচ্চ ভােল্টেজ (High Voltage) নির্দেশ করা হয়।

বাইট (Byte) : ৮টি বিট মিলে ১ বাইট হয়। এরূপ ৮ বিটের কোড দিয়ে যে কোনাে বর্ণ, অঙ্ক বা বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ করা হয়। এরূপ ৮ বিট বিশিষ্ট শব্দকে বাইট বলা হয়।
কম্পিউটার মেমােরি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক।

(ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।
(খ) ১০২৪ বাইট =১ কিলােবাইট (KB)
(গ) ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট =১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট =১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট =১ ইট্রাবাইট (YB)

কম্পিউটার ওয়ার্ড (Computer Word) পর পর সংলগ্ন কতকগুলাে বিট বা বাইটের সমষ্টিকে একটি কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে। সাধারণত ১৬ বা ৩২
বিটে ১ ওয়ার্ড ধরা হয়।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

১৬৪.
ALU-এর আউটপুট রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়-
  1. ROM
  2. Flags
  3. Cache
  4. Register
ব্যাখ্যা

◉ ALU (Arithmetic Logic Unit)-এর আউটপুট সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করার জন্য রেজিস্টার (Register) ব্যবহৃত হয়।

রেজিস্টার: 
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর ভেদে রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা ভিন ভিন্ন হতে পারে। যেমন ৪-বিট রেজিস্টার 16-বিট রেজিস্টার, 32 বিট রেজিস্টার, 64-বিট রেজিস্টার ইত্যাদি।
- ইলেকট্রনিক সার্কিট দিয়ে তৈরি বলে রেজিস্টারগুলোর কাজ করার ক্ষমতা খুব দ্রুত হয়।
- গাণিতিক ও যুক্তিমূলক ইউনিটের প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল তাৎক্ষণিক অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য অ্যাকিউমুলেটর (রেজিস্টার) ব্যবহৃত হয়।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) ROM (Read-Only Memory) - ROM হলো স্থায়ী মেমোরি, এটি শুধুমাত্র রিড অপারেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
খ) Flags Register বিভিন্ন অবস্থার সংকেত (যেমন Zero Flag, Carry Flag) ধরে রাখে, তবে এটি সরাসরি ALU-এর আউটপুট সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় না।
গ) Cache মূলত প্রসেসরের তথ্য দ্রুত পুনরুদ্ধারের জন্য ব্যবহৃত হয় কিন্তু ALU সরাসরি এতে আউটপুট সংরক্ষণ করে না।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬৫.
Cache Memory কোন ধরনের মেমোরি?
  1. Secondary Memory
  2. Primary Memory
  3. High-speed buffer memory
  4. Virtual Memory
ব্যাখ্যা

◉ Cache Memory হলো এক ধরনের high-speed buffer মেমোরি, যা CPU আর RAM এর মধ্যে bridge এর মতো কাজ করে।

ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১৬৬.
Floppy disk- এর সর্বোচ্চ ধারণ ক্ষমতা কত?
  1. 1.44 MB
  2. 3 MB
  3. 4.46 MB
  4. 6 MB
ব্যাখ্যা
• ফ্লপি ডিস্ক:
- ফ্লপি ডিস্ক হচ্ছে এমন এক ধরনের সহায়ক মেমরি, যা পাতলা প্লাস্টিকের চাকতির ওপর ম্যাগনেটিক অক্সাইডের প্রলেপ দিয়ে তৈরি।
- ১৯৭৩ সালে ফ্লপি ডিস্কের প্রচলন শুরু হয়।
- এটি ওজনে হালকা এবং আকারে ছোট বলে সহজে বহনযোগ্য।
- এ ধরনের ডিস্কের সাহায্যে সহজেই এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়।
- আকৃতি ও ধারণক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে ফ্লপি ডিস্ক বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে।

- ৮ ইঞ্চি মাপের ফ্লপি ডিস্ক মিনি কম্পিউটারে এবং ৫.২৫ ইঞ্চি ও ৩.৫ ইঞ্চি মাপের ফ্লপি ডিস্ক মাইক্রোকম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- ৫.২৫ ইঞ্চি মাপের ফ্লপি ডিস্কের ধারণক্ষমতা ৩৬০ কিলোবাইট হতে ১.২ মেগাবাইট এবং ৩.৫ ইঞ্চি মাপের পর ফ্লপি ডিস্কের ধারণক্ষমতা ৭২০ কিলোবাইট থেকে ১.৪৪ মেগাবাইট পর্যন্ত।
- ফ্লপি ডিস্ক চালু অবস্থায় অনবরত ঘুরতে থাকে এবং ঘূর্ণনের গতি সাধারণত মিনিটে ৩০০ থেকে ৪৫০ বার।
- ফ্লপি ডিস্কের  প্রতিটি সেক্টরের ডেটা সংরক্ষণের ক্ষমতা সমান।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬৭.
নিচের কোনটি ইউনিপোলার মেমরি নয়?
  1. EAPROM
  2. DRAM
  3. EPROM
  4. SRAM
ব্যাখ্যা
• অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর মেমরি প্রধানত দুটি উপায়ে তৈরি করা হয়। যথা-
১. ইউনিপোলার মেমরি:
- ইউনিপোলার মেমরি মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর ফিল্ড ইফেক্ট ট্রানজিস্টর (Metal Oxide Semiconductor Field Effect Transistor : MOSFET) বা কমপ্লিমেন্টারি মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর ( Complementory Metal Oxide Semiconductor : CMOS) দিয়ে তৈরি করা হয়।
- DRAM, EPROM, EAPROM ইত্যাদি এ জাতীয় মেমরির উদাহরণ।

২. বাইপোলার মেমরি:
- ট্রানজিস্টর ট্রানজিস্টর লজিক (Transistor Transistor Logic : TTL ) দিয়ে বাইপোলার মেমরি তৈরি করা হয়।
- SRAM, PROM ইত্যাদি এ জাতীয় মেমরির উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬৮.
নিচের কোনটির ধারনক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম?
  1. Register
  2. Cache Memory
  3. RAM
  4. HDD
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত অপশনসমূহের মধ্যে Register-এর ধারনক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম।

• রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ-ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।


- চিত্রে পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
- আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা
- অর্থাৎ পিরামিডের উপর থেকে নিচের দিকের ক্রম অনুসারে খরচ কম হয়, ধারণক্ষমতা বাড়ে এবং অ্যাকসেস টাইম বৃদ্ধি পায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬৯.
একজন ব্যবহারকারী বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরেও ডেটা সংরক্ষণ রাখতে চান। এ উদ্দেশ্যে কোন ধরনের হার্ডওয়্যার ব্যবহার উপযোগী?
  1. RAM ব্যবহার করে অস্থায়ী সংরক্ষণ
  2. ROM ব্যবহার করে নির্দেশ সংরক্ষণ
  3. VRAM ব্যবহার করে গ্রাফিক্স সংরক্ষণ
  4. হার্ডডিস্ক বা সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার
ব্যাখ্যা

• হার্ডডিস্ক বা সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার — কারণ সেকেন্ডারি স্টোরেজে ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও তা মুছে যায় না।

• স্টোরেজ হার্ডওয়্যার:
- কম্পিউটারের বিভিন্ন ডেটা, তথ্য, নির্দেশাবলি, ইমেজ, অডিও, ভিডিও ইত্যাদি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রাংশকে স্টোরেজ হার্ডওয়্যার বলা হয়।
- ইনপুট ডিভাইসের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটা প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল সংরক্ষণে স্টোরেজ হার্ডওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- প্রক্রিয়াকরণের সুবিধার্থে স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটা ও নির্দেশাবলি জমা রাখা যায় এবং প্রয়োজনে তা পুনরায় ব্যবহার করা যায়।

• স্টোরেজ হার্ডওয়্যারের প্রকারভেদ:
- প্রাথমিক স্টোরেজ (Primary Storage),
- মাধ্যমিক স্টোরেজ (Secondary Storage).

• প্রাথমিক স্টোরেজ (Primary Storage):
- CPU-এর সাথে সরাসরি সংযুক্ত থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে।
- অ্যাক্সেস সময় কম।
- ধারণক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হলে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায়।

• মাধ্যমিক স্টোরেজ (Secondary Storage):
- বিপুল পরিমাণ তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- CPU-এর সাথে সরাসরি সংযুক্ত থাকে না।
- ধারণক্ষমতা তুলনামূলকভাবে বেশি।
- দাম তুলনামূলকভাবে কম।
- অ্যাক্সেস সময় প্রাথমিক স্টোরেজের তুলনায় বেশি।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হলেও সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় না।
- উদাহরণ: হার্ডডিস্ক, ফ্লপি ডিস্ক, অপটিক্যাল ডিস্ক, সলিড স্টেট ডিভাইস, পেনড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ, জিপ ড্রাইভ।

• অন্যান্য অপশন:
- RAM ব্যবহার করে অস্থায়ী সংরক্ষণ → RAM হলো Volatile memory. বিদ্যুৎ বন্ধ হলেই সব ডেটা মুছে যায়। অস্থায়ী কাজের জন্য ব্যবহার হয়, স্থায়ী সংরক্ষণের জন্য নয়।
- ROM ব্যবহার করে নির্দেশ সংরক্ষণ → ROM (Read-Only Memory) বিদ্যুৎ বন্ধ হলেও ডেটা থাকে, কিন্তু এটি শুধুমাত্র ফার্মওয়্যার/নির্দেশ (যেমন BIOS) সংরক্ষণের জন্য। ব্যবহারকারীর ডেটা (ফাইল, ছবি, ডকুমেন্ট) সংরক্ষণ করা যায় না।
- VRAM ব্যবহার করে গ্রাফিক্স সংরক্ষণ → VRAM হলো গ্রাফিক্স কার্ডের RAM। এটিও Volatile. বিদ্যুৎ বন্ধ হলে গ্রাফিক্স ডেটা হারিয়ে যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭০.
কম্পিউটারের মূল মেমোরি কী দিয়ে তৈরি করা হয়?  
  1. প্লাস্টিক
  2. গ্যালিয়াম
  3. অ্যালুমিনিয়াম
  4. সিলিকন
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের মেমোরি:
- কম্পিউটারের প্রাইমারি মেমোরি বা মূল মেমোরি 'সিলিকন' নামক পদার্থ দিয়ে তৈরি করা হয়। 
- সিলিকনের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি- ইলেকট্রনিক্স শিল্পে। 
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা আইসি। 
- সিলিকন নামক মৌলটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়- কম্পিউটারের চিপ তৈরিতে। 
- সিলিকন অন্যান্য উপাদানের তুলনায় অপেক্ষাকৃত সাশ্রয়ী, সহজলভ্য এবং অন্য উপাদানের সাথে সহজে ব্যবহার করা যায় বলে কম্পিউটারের চিপ, টানজিস্টর সিলিকন ডায়েড, মেমোরি এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স সার্কিট তৈরিত ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবর রহমান)।
১৭১.
যে রেজিস্টারটি গাণিতিক ও লজিক্যাল গণনার মধ্যবর্তী ফলাফল সংরক্ষণ করে, তাকে বলে:
  1. অ্যাকুমুলেটর
  2. স্ট্যাটাস রেজিস্টার
  3. প্রোগ্রাম কাউন্টার
  4. ডেটা রেজিস্টার
ব্যাখ্যা

• অ্যাকুমুলেটর রেজিস্টার হলো CPU-এর একটি বিশেষ ধরনের রেজিস্টার যা গাণিতিক এবং লজিক্যাল অপারেশনের মধ্যবর্তী ফলাফল সংরক্ষণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। যখন CPU কোনো গণনা বা লজিক্যাল কমান্ড সম্পাদন করে, তখন ফলাফল সরাসরি অ্যাকুমুলেটরে রাখা হয়। এটি পরবর্তী ধাপের অপারেশনে ব্যবহার করা যায় এবং প্রসেসরের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে। অন্য রেজিস্টার যেমন স্ট্যাটাস রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার বা ডেটা রেজিস্টার ভিন্ন ধরনের তথ্য সংরক্ষণ বা নির্দেশনা নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই CPU-এর মধ্যে দ্রুত এবং ধারাবাহিক গণনার জন্য অ্যাকুমুলেটর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

উত্তর: ক) অ্যাকুমুলেটর। 




• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো সিপিইউ-এর মধ্যে অবস্থিত সবচেয়ে ছোট এবং দ্রুততম মেমরি যা প্রোগ্রাম কার্যকর করার জন্য ডেটা ও নির্দেশাবলী সংরক্ষণ করে।
- এর অ্যাক্সেস সময় ন্যানোসেকেন্ডে পরিমাপ করা হয়।
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী। রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-বিট রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- কম্পিউটারের রেজিস্টার মেমোরি একসেস সবচেয়ে কম।
- কম্পিউটারের প্রসেসরের সবচেয়ে কাছে থাকে রেজিস্টার, তাই এর ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড তুলনামূলক বেশি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. [link]

১৭২.
মেমরি হতে ডেটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে কী বলে?
  1. রিড টাইম
  2. ল্যাটেন্সি টাইম
  3. সিক টাইম
  4. অ্যাকসেস টাইম
ব্যাখ্যা
• অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বুঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- অ্যাকসেস সময় যত কম হয়, কম্পিউটার তত দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।
- কম্পিউটার উক্ত সময়ে তাহলে ১০ মিলিয়ন নির্দেশ নির্বাহ করতে পারে।

• পঠনক্রিয়া (Read Operation):
- মেমরির কোনো নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অবস্থিত বাইনারি ওয়ার্ডকে খুঁজে নেওয়া হলে তাকে রিড অপারেশন বলে।

• লিখন অপারেশন (Write Operation):
- মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়।

• সিক টাইম (Seek Time):
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে। 

• ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time):
- রিড-রাইট হেডকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়া পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
১৭৩.
What is the full form of ISA?
  1. Integrated System Architecture
  2. Industry Standard Architecture
  3. Internal Software Application
  4. Intelligent System Analysis
ব্যাখ্যা
• আইএসএ বাস (ISA BUS):
- ISA-এর পুরো নাম Industry Standard Architecture.
- এটি একটি ধীরগতিসম্পন্ন বাস।
- ১৯৮১ সালে আইবিএম ইন্টেলের 8088 প্রসেসরে ISA বাস ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
- তখন এটি ছিল ৪ বিট ডেটা বাস। এর কাজের গতি ছিল ৪ মেগাহার্টজ।
- 16 বিট ISA বাস প্লটের পয়েন্টগুলো 2 ভাগে বিভক্ত থাকে।
- এর প্রথম ভাগে 62টি পয়েন্ট এবং দ্বিতীয় ভাগে 36 পয়েন্ট থাকে। নিম্নের ছবিতে এই ভাগ দ্বয়ের ডায়াগ্রাম দেখানো হলো।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭৪.
RAM-এর বৈশিষ্ট্য কোনটি? 
  1. স্থায়ী মেমোরি
  2. ভোলাটাইল মেমোরি
  3. শুধুমাত্র রিড করা যায়
  4. শুধুমাত্র BIOS সংরক্ষণ করে
ব্যাখ্যা
• RAM-এর বৈশিষ্ট্য হলো এটি একটি ভোলাটাইল মেমোরি। 

• RAM:
- RAM বা Random Access Memory হল একটি ভোলাটাইল মেমোরি, অর্থাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে এর তথ্য মুছে যায়।
- এটি কম্পিউটারের প্রাথমিক (Primary) মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- এটি এমন একটি স্টোরেজ ডিভাইস যেখানে কম্পিউটার প্রসেসর কাজ করার সময় প্রয়োজনীয় ডেটা ও প্রোগ্রাম সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে।

• RAM-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
→ ভোলাটাইল মেমোরি (Volatile Memory): বিদ্যুৎ না থাকলে RAM-এর সব ডেটা মুছে যায়।
→ প্রাথমিক মেমোরি: এটি কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি, যা প্রসেসিংয়ের সময় সক্রিয় থাকে।
→ রানিং প্রোগ্রাম ও প্রসেস: বর্তমানে চালু থাকা সফটওয়্যার, অ্যাপ্লিকেশন এবং অপারেটিং সিস্টেমের অংশবিশেষ RAM-এ লোড থাকে।
→ দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেস: CPU, RAM থেকে খুব দ্রুত তথ্য পড়তে ও লিখতে পারে।
- কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে RAM-এর আকার ও গতির উপর।

অন্যদিকে, 
→ স্থায়ী মেমোরি (Permanent Memory): এটি ROM বা হার্ড ডিস্ক-এর বৈশিষ্ট্য।
→ শুধুমাত্র রিড করা যায়: এটি ROM-এর বৈশিষ্ট্য, RAM থেকে ডেটা রিড এবং রাইট উভয়ই করা যায়।
→ শুধুমাত্র BIOS সংরক্ষণ করে: BIOS সাধারণত ROM বা Flash Memory-তে সংরক্ষিত থাকে, RAM-এ নয়।

তথ্যসুত্র:
- কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১(ভোকেশনাল), ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
- "Computer Organization and Design" by David A. Patterson & John L. Hennessy.
- Intel - What is RAM?
১৭৫.
মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে যে মেমরি ব্যবহার করা হয় তাকে বলা হয় -
  1. ক) র‍্যাম
  2. খ) রম
  3. গ) ক্যাশ মেমোরি
  4. ঘ) পেন ড্রাইভ
ব্যাখ্যা
ক্যাশ মেমরি (Cache Memory) : 
এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমরিব্যবস্থা। 
মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমরি বলা হয়। 
কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমরি ব্যবহৃত হয়।
এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমরি। যেসব নির্দেশ ও ডেটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাদেরকে ক্যাশ মেমরিতে রাখা হয়। এর ধারণক্ষমতা ২৫৬ কিলোবাইট হতে কয়েক মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
এ ধরনের পদ্ধতিতে সিপিইউয়ের কোনো নির্দেশ প্রয়োজন হলে প্রথমে ক্যাশ মেমরি পরীক্ষা করে, সেখানে না পেলে পরে প্রধান মেমরিতে খোঁজ করে। সেখানেও না পেলে সহায়ক মেমরিতে খোঁজ করে। 

সূত্র: ১২৩ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৭৬.
নিচের কোনটি প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস?
  1. Random Access Memory (RAM)
  2. Hard Disk Drive (HDD)
  3. Solid State Drive (SSD)
  4. Compact Disc (CD)
ব্যাখ্যা

• প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস হলো সেই স্টোরেজ যা কম্পিউটার সরাসরি প্রসেসরের সাথে যোগাযোগ করে তথ্য সংরক্ষণ এবং পড়ার কাজ করে। এটি সাধারণত অস্থায়ী (volatile) মেমোরি হিসেবে কাজ করে, অর্থাৎ পাওয়ার বন্ধ হলে ডেটা মুছে যায়। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Random Access Memory (RAM) হলো প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস। RAM ব্যবহার করে CPU দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে এবং কম্পিউটার সফটওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশনগুলো কার্যকরভাবে চালাতে পারে। অন্যদিকে, Hard Disk Drive (HDD), Solid State Drive (SSD), এবং Compact Disc (CD) হলো সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস, যা দীর্ঘমেয়াদি ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং সরাসরি প্রসেসরের সাথে যোগাযোগ করে না। তাই RAM প্রধান প্রাইমারি স্টোরেজ।
 
• প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারে প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত ডিভাইসসমূহকে প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস বলা হয়।
- প্রাইমারি স্টোরেজ হলো মাইক্রোপ্রসেসরের কর্মক্ষেত্র বা ওয়ার্কপ্লেস। 
যেমন- র‍্যাম।

• প্রাইমারি স্টোরেজের বৈশিষ্ট্য:
-  এ ধরনের স্টোরেজ সাধারণত সিপিইউয়ের সাথে সরাসরি সংযোগ থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা এবং কম্পিউটারের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত কিছু প্রোগ্রাম প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস ধারণ করে।
-  অ্যাকসেস সময় কম।
-  ধারণক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
-  ডেটা স্থানান্তরের গতি বেশি।
-  বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে এ ধরনের স্টোরেজে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭৭.
OTG-cable is not related to -
  1. ক) Smart Phone
  2. খ) RAM
  3. গ) Camcorder
  4. ঘ) DSL
ব্যাখ্যা
OTG মূলত এক ধরণের Cable যার মাধ্যমে Data transfer করা যায়।
১৭৮.
RAM বলতে কী বোঝায়?
  1. Read Write Memory
  2. Main Storage
  3. Volatile Memory
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা

• RAM বলতে Random Access Memory বোঝায়, যা কম্পিউটারের মুখ্য কার্যকরী স্মৃতি (Main Storage) হিসেবে কাজ করে। এটি Volatile Memory, অর্থাৎ কম্পিউটার বন্ধ হলে এর মধ্যে থাকা তথ্য মুছে যায়। RAM-এর মাধ্যমে প্রসেসর দ্রুত তথ্য পড়তে ও লিখতে পারে, যা সিস্টেমের পারফরম্যান্স বাড়াতে সহায়তা করে। তাই RAM হলো এমন একটি মেমোরি যা ডেটা Read ও Write উভয়ভাবে সমর্থন করে এবং অস্থায়ীভাবে তথ্য সংরক্ষণ করে। সংক্ষেপে বলা যায়, RAM হলো Read Write Memory, Main Storage, এবং Volatile Memory-এর সব মিলিত বৈশিষ্ট্যের একটি স্মৃতি। সুতরাং সঠিক উত্তর: ঘ) সবগুলো।

• কম্পিউটার মেমরি:
- কম্পিউতার মেমরি প্রধানত ২ প্রকার। যথা:
১) প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory)
২) গৌণ/ সহায়ক মেমরি (Secondary Memory)

• প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory):
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে সকল মেমোরিতে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় তাদেরকে Volatile Memory বলে।
- RAM( Random Access Memory) এবং ROM(Read Only Memory) কে প্রাথমিক মেমরি বলা হয়।
- RAM কে Volatile Memory বলে।
- RAM কে Main Storage এবং Read Write Memory ও বলা হয়।
- ROM কে Non Volatile Memory বলে।

• গৌণ/ সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- প্রধান মেমরি ব্যতিত সকল ধরনের মেমরিকে সহায়ক মেমরি বলে। যেমন: Hard Disk, Pem Drive.

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেনী।
২। ব্রিটানিকা

১৭৯.
DRAM কী দ্বারা তৈরি হয়?
  1. মসফেট ট্রানজিস্টর ও ক্যাপাসিটর
  2. রেজিস্টর ও ক্যাপাসিটর
  3. ফ্লিপ-ফ্লপ ও ট্রানজিস্টর
  4. রেজিস্টর ও ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা
• সাধারণত RAM দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১। স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM) ও
২। ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM)।

• স্ট্যাটিক র‍্যাম:
- SRAM-এর পূর্ণরূপ Static Random Access Memory.
- এ ধরনের মেমরি ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, যা বাইনারি বিট (0 বা 1) ধারণ করে এবং ধারণকৃত ডেটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে।
- SRAM অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন হওয়ায় ভিডিও র‍্যাম, ক্যাশ মেমোরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।

• ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM):
- DRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Dynamic Random Access Memory.
- এটি সাধারণত মসফেট ট্রানজিস্টর (MOSFET - Metal Oxide Semiconductor Field Effect Transistor) ও ক্যাপাসিটরের সাহায্যে তৈরি।
- DRAM দুই ধরনের হয়। যথা-
১. SDRAM (Synchronous DRAM) ও
২. ASDRAM (Asynchronous DRAM).

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮০.
হার্ডডিস্ককে কী হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়?
  1. Internal Memory
  2. Secondary Memory
  3. Main Memory
  4. Primary Memory
ব্যাখ্যা

• হার্ডডিস্ক একটি কম্পিউটার স্টোরেজ ডিভাইস যা বড় পরিমাণের তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে সক্ষম। এটি প্রধানত তথ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা পাওয়ার বন্ধ থাকা সত্ত্বেও হারায় না। কম্পিউটারে হার্ডডিস্ককে Secondary Memory হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়, কারণ এটি প্রধান বা প্রাথমিক মেমরির চেয়ে ধীর গতিতে কাজ করে এবং র‌্যাম-এর মতো তাত্ক্ষণিক প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহার হয় না। হার্ডডিস্কে অপারেটিং সিস্টেম, সফটওয়্যার এবং ব্যক্তিগত ডেটা সংরক্ষণ করা হয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: খ) Secondary Memory.


• হার্ডডিস্ক:
- হার্ডডিস্ক পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস ।
- হার্ড ডিস্কে রক্ষিত তথ্যসমূহ সহজে নষ্ট হয় না বলে প্রয়োজনীয় সকল প্যাকেজ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা হয় হার্ডডিস্ক নষ্ট হওয়া বা মোছনীয় কোনো কমা ব্যতীত এখানকার তথ্যসমূহ নষ্ট হয় না।
- হার্ডডিস্ক হচ্ছে কম্পিউটারের স্টোরেজ মিডিয়াগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ স্টোরেজ মিডিয়া।
- হার্ডডিস্ক কতগুলো ট্র্যাক এবং ট্রাকগুলোর কয়েকটি সেক্টরের সমন্বয়ে গঠিত।

• সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- কম্পিউটারের যে মেমরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমরি বলা হয়।
- এ ধরনের মেমরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।

• সহায়ক মেমরি (Secondary Memory) এর উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক
- সিডি
- ডিভিডি
- পেনড্রাইভ
- জিপ ড্রাইভ
- ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮১.
নিচের কোনটি সহায়ক মেমোরি?
  1. ক) র‍্যাম
  2. খ) রম
  3. গ) অপটিক্যাল ডিস্ক
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

সহায়ক বা অভ্যন্তরীণ মেমােরি: যে মেমােরির সাথে মাইক্রোপ্রসেসরের সরাসরি সংযোগ থাকে না, নির্দিষ্ট কন্ট্রোলের মাধ্যমে সংযােগ রক্ষা করে তাকে অভ্যন্তরীণ মেমােরি বলা হয়। এ মেমােরিকে আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের সাহায্যে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করা হয়।
ব্যবহারকারী ভবিষ্যৎ প্রয়ােজনে উপাত্ত বা প্রােগ্রামকে স্থায়ীভাবে সঞ্চয় করতে পারে বলে একে সহায়ক মেমােরি বলা হয়। সাধারণ চৌম্বক টেপ, চৌম্বক ডিস্ক, অপটিক্যাল ডিস্ক ইত্যাদি সহায়ক মেমােরির উদাহরণ।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

১৮২.
ভার্চুয়াল মেমরি পরিচালনার জন্য তথ্যের মূল একক হলো:
  1. Page
  2. Frame
  3. Segment
  4. Block
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল মেমরি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে তথ্যের মূল একক হলো Page। ভার্চুয়াল মেমরি ব্যবহার করে একটি প্রোগ্রামকে তার বাস্তব মেমরির চেয়ে বড় মনে হতে পারে। এখানে মেমরি ছোট ছোট সমান আকারের ইউনিটে ভাগ করা হয় যেগুলোকে Page বলা হয়। এই পেজগুলোকে ফিজিক্যাল মেমরির ছোট ইউনিট Frame-এর সাথে মিলিয়ে সংরক্ষণ করা হয়। ফলে, পুরো প্রোগ্রাম একসাথে মেমরিতে থাকতে হয় না, এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পেজ লোড বা আনলোড করা যায়। এই পদ্ধতি মেমরির ব্যবহার দক্ষ ও কার্যকর করে।

• ভার্চুয়াল মেমোরি (Virtual Memory):
- ভার্চুয়াল মেমোরি হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা RAM এবং সেকেন্ডারি স্টোরেজ (যেমন হার্ড ডিস্ক) একত্রে ব্যবহার করে।  
- এটি প্রোগ্রামকে তার বাস্তব RAM এর চেয়ে বেশি মেমোরি ব্যবহার করতে সক্ষম করে।  
- ভার্চুয়াল মেমোরি সিস্টেম RAM পূর্ণ হলে, অপ্রয়োজনীয় ডেটা বা প্রোগ্রাম অংশকে সেকেন্ডারি স্টোরেজে স্থানান্তরিত করে।  
- অপারেটিং সিস্টেম এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা করে, ফলে ব্যবহারকারী বা প্রোগ্রামারকে মেমোরি সীমা নিয়ে চিন্তা করতে হয় না।  
- মূল উদ্দেশ্য: সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার করে RAM বাড়ানো।  

সূত্র: 
- University of Illinois Chicago [link]

১৮৩.
Solid-State Drive (SSD)-এর প্রধান কাজ কী?
  1. সফটওয়্যার চালানো
  2. ডেটা সংরক্ষণ করা
  3. নেটওয়ার্ক সংযোগ প্রদান করা
  4. ডেটা এনক্রিপ্ট করা
ব্যাখ্যা

◉ SSD (Solid-State Drive) একটি স্টোরেজ ডিভাইস, যা NAND Flash মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে। এটি প্রচলিত হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ (HDD)-এর তুলনায় অনেক দ্রুত, টেকসই এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।

​SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।

SSD ও HDD:
SSD: ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহার করে, দ্রুতগতি, কম বিদ্যুৎ খরচ, কম তাপ উৎপাদন।
HDD: চৌম্বকীয় ডিস্ক ব্যবহার করে, তুলনামূলক ধীরগতি, যান্ত্রিক অংশ রয়েছে।

উৎস: Avast website.

১৮৪.
নিচের কোনটি ROM-এর বৈশিষ্ট্য?
  1. অস্থায়ী ডেটা সংরক্ষণ করে
  2. ডেটা সহজে পরিবর্তন করা যায়
  3. নন-ভোলাটাইল মেমরি
  4. ভোলাটাইল মেমরি
ব্যাখ্যা

• ROM বা Read-Only Memory হলো কম্পিউটারের এমন একটি মেমরি যা নন-ভোলাটাইল, অর্থাৎ বিদ্যুৎ বন্ধ হলেও ডেটা হারায় না। এটি মূলত স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। ROM-এ রাখা তথ্য সাধারণত প্রস্তুতকারকের দ্বারা লিখিত হয় এবং ব্যবহারকারী সহজে তা পরিবর্তন করতে পারে না। তাই এটি অস্থায়ী নয় এবং এতে থাকা ডেটা সহজে পরিবর্তনযোগ্য নয়। এটি ভোলাটাইল মেমরির মতো নয়, যেখানে বিদ্যুৎ বন্ধ হলে সব তথ্য মুছে যায়। সুতরাং, দেওয়া অপশন গুলোর মধ্যে “নন-ভোলাটাইল মেমরি” ROM-এর বৈশিষ্ট্য।

ROM:
- এটি হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস (যেমন কম্পিউটার) এর স্টোরেজ সিস্টেম।
- এটিকে স্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়।
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।

RAM:

- RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory.
- মাদারবোর্ডের সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে মেমোরিতে পঠন এবং লিখন দুটি কাজই সম্পন্ন করা যায় সে মেমোরিকে RAM বলা হয়।
- এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি।
- কম্পিউটারের যতক্ষণ বিদ্যুৎপ্রবাহ চালিত থাকে ততক্ষণ RAM এ তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে RAM তার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলে।
- এজন্য RAM কে কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরিও বলা হয়।

Cache Memory:
- কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করার জন্য ব্যবহৃত একটি মেমরি।
- সাধারনত RAM ও CPU এর মাঝখানে অবস্থান করে।
- কম্পিউটার যেসব ডাটাগুলো বারংবার ব্যবহার করে সেই ডাটা গুলো RAM থেকে এসে Cache তে অবস্থান করে।
- Cache এর গতি বেশি হওয়ায় এখান থেকে ডাটা প্রোসেসিং এ যেতে সময় কম লাগে।

Register:
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ-ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- অর্থাৎ মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়

উৎস:
১. ব্রিটানিকা
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮৫.
What does 'SSD' stand for?
  1. Static State Drive
  2. Solid State Drive
  3. Strong Steady Drive
  4. Static Steady Drive
ব্যাখ্যা

• SSD-এর পূর্ণরূপ হলো Solid State Drive। এটি একটি আধুনিক স্টোরেজ ডিভাইস যা ফ্ল্যাশ মেমোরি প্রযুক্তি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে। প্রথাগত হার্ডডিস্কের (HDD) মতো এতে কোনো চলন্ত বা ঘূর্ণায়মান যান্ত্রিক অংশ (যেমন—ডিস্ক বা রিড-রাইট হেড) থাকে না। এই কারণেই একে 'Solid State' বলা হয়। যান্ত্রিক অংশ না থাকায় এটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে কাজ করতে পারে এবং সহজে নষ্ট হয় না।

• SSD:
- SSD-এর পূর্ণরূপ হলো Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk (HDD)-এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।
- HDD-তে ম্যাগনেটিক ডিস্ক ও স্পিনিং প্ল্যাটার থাকে, যা মেকানিক্যাল মুভমেন্টের মাধ্যমে ডেটা read ও write করে; ফলে এটি তুলনামূলকভাবে ধীরগতিতে কাজ করে।
- SSD-এর ডেটা ট্রান্সফার স্পিড HDD-এর চেয়ে অনেক বেশি; তাই অপারেটিং সিস্টেম চালানোর জন্য এটি অধিক কার্যকর।

• সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস:
-কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারসমূহকে বলা হয় সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্ক, এসএসডি, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Amazon Web Services (AWS) ওয়েবসাইট। [link]

১৮৬.
নিচের কোন মেমোরিটি আল্ট্রাভায়োলেট (UV) রশ্মি ব্যবহার করে তথ্য মুছে পুনরায় লিখতে পারে?
  1. PROM
  2. EPROM
  3. RAM
  4. Mask ROM
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: খ) EPROM 

• রম (ROM):

- রম (ROM) হল রিড-ওনলি মেমোরি (Read-Only Memory) এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি। 

• ROM (Read-Only Memory) এর প্রকারভেদ:
PROM (Programmable ROM):
- একবার প্রোগ্রাম করা যায়। 
- একবার প্রোগ্রাম করার পর ডাটা পরিবর্তন করা যায় না। 

EPROM (Erasable Programmable ROM):
- UV (আল্ট্রাভায়োলেট) আলো দিয়ে ডাটা মুছে আবার নতুন ডাটা লেখা যায়। 
- ২০-৩০ মিনিট UV আলোতে রাখলে সম্পূর্ণ ডাটা মুছে যায়। 

EEPROM/EAPROM (Electrically Erasable Programmable ROM):
- বৈদ্যুতিক সংকেত দিয়ে ডাটা মুছে আবার লেখা যায়। 
- নির্দিষ্ট অংশের ডাটা আলাদাভাবে মুছে নতুন ডাটা লেখা সম্ভব। 
- এটি Flash memory এর ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। 

Mask ROM:
- ডাটা স্থায়ীভাবে লেখা হয়। 
- প্রোগ্রাম পরিবর্তন অসম্ভব। 

• ROM এর বৈশিষ্ট্য:
- কম্পিউটার বন্ধ হলেও ডাটা থেকে যায়। অর্থাৎ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও তথ্য নষ্ট হয় না। 
- সাধারণত ডাটা পড়া যায়, কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না। 
- BIOS, অপারেটিং সিস্টেমের প্রাথমিক অংশ সংরক্ষিত থাকে।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮৭.
সাধারণভাবে, হার্ড ডিস্কের এক সেক্টর কত বাইট ধারণ করতে পারে?
  1. 1 byte
  2. 2048 bytes
  3. 4 kilobytes
  4. 512 bytes
ব্যাখ্যা
• সাধারণভাবে হার্ড ডিস্কের এক সেক্টর ৫১২ বাইট তথ্য ধারণ করতে পারে। হার্ড ডিস্কের তথ্য সংরক্ষণ ইউনিটকে সেক্টর বলা হয়, যা একটি ছোট অংশ। প্রতিটি সেক্টরে নির্দিষ্ট পরিমাণ ডেটা থাকে এবং হার্ড ডিস্কের ডেটা পড়া বা লেখা হয় সেক্টর ভিত্তিতে। যদিও আধুনিক প্রযুক্তিতে সেক্টরের আকার বৃদ্ধি পেয়েছে, কিন্তু ঐতিহ্যবাহী হার্ড ডিস্কে এক সেক্টর সাধারণত ৫১২ বাইটের সমান। এটি ডেটা স্টোরেজ এবং রিড-রাইট অপারেশনের জন্য এক মৌলিক ইউনিট হিসেবে কাজ করে। তাই, এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হচ্ছে ঘ) ৫১২ বাইট।

• হার্ডডিস্ক: 
- হার্ডডিস্ক ডেটা সংরক্ষণ করার জন্য ম্যাগনেটিক মিডিয়া ব্যবহার করে। 
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হল হার্ডডিস্ক। 
- হার্ডডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়। 
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ডডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়। 
- হার্ডডিস্ক এর প্রতিটি সেক্টরের ধারণ ক্ষমতা ৫১২ বাইট। 
- হার্ডডিস্ক প্রথম ব্যবহার হয় IBM কোম্পানী ১৯৫৬ সালে মেইনফ্রেম বা মিনি কম্পিউটারের ডাটা সংরক্ষণের জন্য সর্বপ্রথম হার্ড ডিস্ক ব্যবহার হয়। 
- তবে তখনকার সময়ে হার্ডডিস্ক এর আকৃতি বা ধরণ ছিল বর্তমানের হার্ডডিস্ক এর আকৃতির তুলনামুলকভাবে অনেক বেশি বড়। 
- ১৯৮০ সালে ১ গিগাবাইট তথ্য ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন হার্ডডিস্কের আকার ছিল একটি বড়সর রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজের সমান এবং দাম ও ছিল তুলনামুলক অনেক বেশি। 

উৎস: 
১. ব্রিটানিকা।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৮৮.
কোন ধরনের মেমোরি ব্যবহারে ডেটা বিদ্যুৎ চলে গেলেও মুছে যায় না?
  1. RAM
  2. Cache Memory
  3. ROM
  4. Virtual Memory
ব্যাখ্যা

◉ ROM (Read-Only Memory) একটি Non-Volatile Memory, অর্থাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলেও এর ডেটা অক্ষত থাকে।

ভোলাটাইল মেমোরি (Volatile Memory):
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় তাকে ভোলাটাইল মেমরি বলে।
- যেমন: RAM.

নন-ভোলাটাইল মেমরি (Non-Volatile Memory):
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় না তাকে নন-ভোলাটাইল মেমোরি বলে।
- যেমন- ROM.

রম (ROM):
- ROM-এর পূর্ণ অর্থ হলো Read Only Memory.
- এটি মূলত এক ধরনের নন-ভোলাইটল মেমরি (Non-Volatile Memory)।
- অর্থাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলেও রমে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় না।
- কম্পিউটারের মাইক্রোপ্রসেসর ও হার্ডওয়্যারের অভ্যন্তরীণ কার্যাবলি সম্পাদনের প্রোগ্রাম রমে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) RAM (Random Access Memory): এটি Volatile Memory, অর্থাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে এর ডেটা মুছে যায়।
খ) Cache Memory: বিদ্যুৎ চলে গেলে এর ডেটা হারিয়ে যায় (Volatile Memory)।
ঘ) Virtual Memory: এটি একটি সফটওয়্যার-ভিত্তিক মেমোরি ম্যানেজমেন্ট টেকনিক, যা হার্ড ডিস্কের কিছু অংশকে RAM-এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করে। এটি  RAM এর মতো ডেটা হারাতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮৯.
RAM-কে কেন 'ভোলাটাইল' বা অস্থায়ী মেমোরি বলা হয়?
  1. এটি খুব দ্রুত কাজ করে
  2. এতে ডেটা পড়া ও লেখা যায়
  3. বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে ডেটা মুছে যায়
  4. এটি সিলিকন দিয়ে তৈরি
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: গ) বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে ডেটা মুছে যায়।

• প্রধান মেমোরি বা মুখ্য মেমোরি (Main/Primary Memory):
- প্রধান মেমোরি কম্পিউটারের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা মাইক্রোপ্রসেসরের কাজের জায়গা বা ওয়ার্কপ্লেস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও ফলাফল অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে।
- আধুনিক কম্পিউটারে প্রধান মেমোরি অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি হয়। সেমিকন্ডাক্টরের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ আংশিকভাবে চলাচল করতে পারে। এর প্রধান কাঁচামাল হলো সিলিকন।
- প্রধান মেমোরির মূল ভিত্তি হলো ফ্লিপ-ফ্লপ নামক ইলেকট্রনিক সার্কিট, যা ০ বা ১ বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে সক্ষম।
- কম্পিউটারে ব্যবহৃত প্রধান মেমোরিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: ক. র‍্যাম (RAM) ও খ. রম (ROM)।

ক. RAM (Random Access Memory):
- র‍্যাম কম্পিউটারের একটি অস্থায়ী মেমোরি যা ডেটা সংরক্ষণ এবং প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত হয়।
- সংরক্ষিত ডেটা যে কোনো ক্রমে অ্যাক্সেস করা যায় বিধায় একে র‍্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি (RAM) বলে। এছাড়াও ডেটা পড়া এবং লেখা উভয়ই সম্ভব হওয়ায় একে রিড/রাইট মেমোরিও বলা হয়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথে অপারেটিং সিস্টেম এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম র‍্যামে লোড হয়। কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে সংরক্ষিত ডেটা মুছে যায়, তাই একে ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমোরি বলে
- এটি চলমান প্রোগ্রাম এবং বারবার পরিবর্তনশীল ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- সিপিইউ (CPU)-এর গাণিতিক ও যুক্তি অংশের (ALU) সাথে প্রধানত রেজিস্টার (Register) এবং প্রাথমিক মেমরি বা মেইন মেমরি (RAM - Random Access Memory)-এর প্রত্যক্ষ সংযোগ থাকে। ALU-এর কাজের জন্য প্রয়োজনীয় ডেটা ও নির্দেশাবলী সরাসরি এই মেমোরি থেকে গ্রহণ করে এবং প্রসেসিংয়ের পর ফলাফল আবার রেজিস্টার বা র‍্যাম-এ জমা রাখে।

খ. রম (ROM):
- কম্পিউটার ROM হচ্ছে Read-Only Memory যা কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটার এর স্মৃতিতে কিছু প্রোগ্রাম এবং ডকুমেন্ট এমন ভাবে দেওয়া থাকে যা আমরা কোনভাবেই রিরাইট, ডিলিট বা কিচ্ছু করতে পারি না। কম্পিউটারের সেই স্মৃতিকেই মুলত বলা হয় ROM বা রিড অনলি মেমোরি।

রেজিস্টার (Register):
- এটি সিপিইউ-এর ভেতরে থাকা সবচেয়ে দ্রুতগতির ক্ষুদ্র মেমোরি, যা ALU-কে সরাসরি ডেটা সরবরাহ করে।

তথ্যসূত্র: 
- Geeksforgeeks [Link]
- Computer & ICT Cloud

১৯০.
কোনটি সবচেয়ে দ্রুত কাজ করে?
  1. RAM
  2. Hard Disk
  3. Cache
  4. Keyboard
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত অপশন সমূহের মধ্যে ক্যাশ মেমরি সবচেয়ে দ্রুত কাজ করে।

• ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়। 

• মেমরির ধারণক্ষমতার ক্রম:

 
- পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
- আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯১.
কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করার জন্য কোন মেমরি ব্যবহার করা হয়?
  1. র‍্যাম
  2. ম্যাগনেটিক কোর মেমরি
  3. ক্যাশ মেমরি
  4. রম
ব্যাখ্যা
• ক্যাশ মেমরি:
- কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- সাধারনত RAM ও CPU এর মাঝখানে অবস্থান করে।
- কম্পিউটার যেসব ডাটাগুলো বারবার ব্যবহার করে সেই ডাটা গুলো RAM থেকে এসে Cache-ে অবস্থান করে।
- Cache এর গতি বেশি হওয়ায় এখান থেকে ডাটা প্রোসেসিং এ যেতে সময় কম লাগে।
- Cache ২ ধরনের হয়ে থাকে। যথা
- অভ্যন্তরীণ ক্যাশে বা লেভেল 1 যা প্রসেসর এর অভ্যন্তরে থাকে।
- বহিঃস্থ ক্যাশে বা লেভেল 2 যা রেম এবং প্রসেসর এর মাঝখানে থাকে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৯২.
এসএসডি-তে কোন ধরনের মেমোরি ব্যবহার করা হয়?
  1. Magnetic Tape
  2. DRAM
  3.  SRAM 
  4. Flash Memory
ব্যাখ্যা

• এসএসডি (Solid State Drive) হল একটি আধুনিক স্টোরেজ ডিভাইস যা হার্ড ডিস্কের মতো ডেটা সংরক্ষণ করে, তবে এটি কোনো ঘূর্ণমান পার্ট নেই। এসএসডিতে ফ্ল্যাশ মেমোরি (Flash Memory) ব্যবহার করা হয়, যা অস্থায়ী নয়, অর্থাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলেও ডেটা সংরক্ষিত থাকে। ফ্ল্যাশ মেমোরি দ্রুত ডেটা পড়া ও লেখা করতে সক্ষম, ফলে কম্পিউটার বা ল্যাপটপের বুটিং এবং অ্যাপ্লিকেশন লোডিং অনেক দ্রুত হয়। এটি DRAM বা SRAM এর মতো ভলাটাইল মেমোরি নয়, যেখানে বিদ্যুৎ বন্ধ হলে ডেটা মুছে যায়। এছাড়া Magnetic Tape বা হার্ড ডিস্কের চেয়ে এটি কম শক্তি খরচ করে এবং কম জায়গা দখল করে। তাই এসএসডি দ্রুত, নির্ভরযোগ্য এবং শক্তি সাশ্রয়ী স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।

সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারসমূহকে বলা হয় সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্ক, এসএসডি, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ।

উৎস: Avast website এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯৩.
CPU performance বৃদ্ধি করতে বারবার ব্যবহৃত ডেটা দ্রুত অ্যাক্সেসের জন্য কোন মেমোরি ব্যবহৃত হয়?
  1. RAM
  2. Cache Memory
  3. ROM
  4. Hard Disk
ব্যাখ্যা

• Cache Memory CPU-এর নিকটবর্তী একটি ছোট কিন্তু অত্যন্ত দ্রুতগতির মেমোরি, যা বারবার ব্যবহৃত ডেটা সংরক্ষণ করে CPU performance বৃদ্ধি করে।

• CPU Performance:
- CPU performance বোঝায় একটি প্রসেসর কত দ্রুত ও দক্ষভাবে নির্দেশনা (instructions) সম্পাদন করতে পারে।
- CPU performance সাধারণত clock speed, number of cores, cache memory, এবং processor architecture-এর উপর নির্ভর করে।

• Clock Speed:
- Clock speed হলো CPU প্রতি সেকেন্ডে কতটি clock cycle সম্পন্ন করতে পারে তার পরিমাপ।
- এটি Hertz (Hz) এককে মাপা হয়।
- আধুনিক প্রসেসরে clock speed সাধারণত Gigahertz (GHz) এ প্রকাশ করা হয়।

• CPU Core:
- Core হলো CPU-এর একটি স্বাধীন processing unit।
- Multi-core processor একই সময়ে একাধিক instruction বা task প্রক্রিয়া করতে পারে।
- উদাহরণ: Dual-core, Quad-core, Octa-core processor।

• Cache Memory:
- Cache memory হলো একটি ছোট কিন্তু অত্যন্ত দ্রুতগতির মেমোরি যা CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে।
- এটি বারবার ব্যবহৃত ডেটা দ্রুত অ্যাক্সেসের জন্য সংরক্ষণ করে।
- Cache memory ব্যবহারের ফলে CPU-এর ডেটা অ্যাক্সেস সময় কমে এবং performance বৃদ্ধি পায়।

• Instruction Per Cycle (IPC):
- Instruction per cycle (IPC) বোঝায় CPU একটি clock cycle-এ গড়ে কতটি instruction সম্পাদন করতে পারে।
- IPC বেশি হলে একই clock speed-এ CPU বেশি কাজ সম্পন্ন করতে পারে।

• CPU Architecture:
- CPU architecture বোঝায় প্রসেসরের নকশা এবং instruction set structure।
- উন্নত architecture সাধারণত বেশি efficient processing নিশ্চিত করে।

• Multithreading:
- Multithreading এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে একটি CPU core একই সময়ে একাধিক thread পরিচালনা করতে পারে।
- এটি CPU utilization এবং performance বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

• Benchmark:
- Benchmark হলো CPU performance পরিমাপের একটি standard test।
- বিভিন্ন প্রসেসরের performance তুলনা করার জন্য benchmark ব্যবহার করা হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- RAM → Primary memory, যা চলমান প্রোগ্রামের ডেটা সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে।
- ROM → Non-volatile memory, যেখানে স্থায়ীভাবে firmware সংরক্ষিত থাকে।
- Hard Disk → Magnetic secondary storage device, যা স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে।

Source:
- Encyclopaedia Britannica,
- Intel CPU Performance Guide,
- IBM CPU Overview,
- ৯ম ও ১০ম শ্রেণী কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১(ভোকেশনাল),
- Computer Organization and Design – David A. Patterson & John L. Hennessy.

১৯৪.
তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষন করে কোনটি?
  1. ক) স্ট্যাটিক র‍্যাম
  2. খ) ডাইনামিক র‍্যাম
  3. গ) রম
  4. ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা

র‍্যামকে ভোলাটাইল মেমোরি বলা হয় কারণ এতে সংরক্ষিত তথ্য বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর আর থাকে না।
র‍্যামের আধুনিক দুটো প্রধান প্রকার হল স্ট্যাটিক র‍্যাম এবং ডাইনামিক র‍্যাম।
স্ট্যাটিক এবং ডাইনামিক র‍্যাম উভয়ই ভোলাটাইল (বিদ্যুত চলে গেলে স্মৃতি মুছে যায়)। অন্যদিকে রম তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষন করে যেটা কোন অবস্থাতেই পরিবর্তন করা যায় না।

১৯৫.
স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ না করেই প্রয়োজন মতো ডেটা ট্রান্সমিট করা যায় কোন পদ্ধতিতে?
  1. অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  2. সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  3. ক) ও খ) উভয়েই
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Isochronous transmission) : অ্যাসিনক্রোনাস ও সিনক্রোনাস -এর একটি মিশ্র পদ্ধতি হচ্ছে আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন। এ প্রক্রিয়ায় অ্যাসিনক্রোনাস পদ্ধতির স্টার্ট ও স্টপ বিটের মাঝখানে সিনক্রোনাস পদ্ধতিতে ব্লক আকারে ডেটা ট্রান্সফার করা হয়।
যেহেতু পুরােটা সিনক্রোনাস নয়, তাই স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ না করেই যখন প্রয়োজন তখন সেই ডেটা ট্রান্সমিট করা যায়। সাধারণত রিয়েল টাইম অ্যাপ্লিকেশনে এর প্রচলন বেশি।
বিভিন্ন মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন যেমন, অডিও বা ভিডিও কল -এর ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়ে থাকে।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

উল্লেখ্য,
অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনে (Asynchronous Transmission) ডাটা প্রাইমারি স্টোরেজে সংরক্ষণের প্রয়োজন হয় না।
১৯৬.
আধুনিক কম্পিউটারে প্রধান মেমরি হিসেবে সাধারণত কোন ধরনের RAM ব্যবহার করা হয়?
  1. SRAM
  2. EEPROM
  3. DRAM
  4. Flash Memory
ব্যাখ্যা

• আধুনিক কম্পিউটারে প্রধান মেমরি হিসেবে সাধারণত DRAM (Dynamic RAM) ব্যবহার করা হয়। DRAM-এ প্রতিটি ডেটা বিট একেকটি ক্যাপাসিটরে সংরক্ষিত থাকে এবং সময়ে সময়ে রিফ্রেশ করতে হয়, তাই একে “ডাইনামিক” বলা হয়। এর নির্মাণ খরচ তুলনামূলকভাবে কম এবং ঘনত্ব বেশি হওয়ায় অল্প স্থানে বিপুল পরিমাণ ডেটা সংরক্ষণ সম্ভব। যদিও এর গতি SRAM-এর তুলনায় ধীর, তবুও দাম কম এবং স্টোরেজ ক্ষমতা বেশি হওয়ার কারণে DRAM-ই RAM হিসেবে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) DRAM.
 
• র‍্যাম (RAM):
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত একাধিক চিপ সমন্বয়ে র‍্যাম এলাকা গঠিত।
- র‍্যামে সব ধরনের তথ্য লেখা ও পড়া যায়। র‍্যামে তথ্য জমা থাকে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে, ফলে র‍্যামের সব তথ্য অস্থায়ীভাবে থাকে।
- এজন্য র‍্যামকে কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি বলা হয়।
- কোন কারণে বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটারের সুইচ বন্ধ করলে র‍্যাম থেকে সব তথ্যই মুছে যায়। তাই র‍্যামকে ভোলাটাইল বলা হয়।
- র‍্যামের ধারণ ক্ষমতা বেশি হলে কম্পিউটারের কাজ করার ক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।
- কাজের গতি বাড়ানোর জন্য র‍্যাম ক্যাশ (RAM Cache) ব্যবহার করা হয়।
- র‍্যাম ক্যাশ র‍্যামের অংশ বিশেষ।

• র‍্যাম দুই ধরনের:
- DRAM (Dynamic RAM),
- SRAM (Static RAM).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯৭.
প্রধান মেমোরির মূল ভিত্তি 'ফ্লিপ-ফ্লপ' সার্কিট নিচের কোনটি সংরক্ষণ করতে সক্ষম?
  1. এনালগ সিগন্যাল
  2. ০ বা ১ বাইনারি বিট
  3. শুধুমাত্র অডিও ফাইল
  4. হাই ভোল্টেজ ইলেক্ট্রিসিটি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) ০ বা ১ বাইনারি বিট  

• প্রধান মেমোরি বা মুখ্য মেমোরি (Main/Primary Memory):
- প্রধান মেমোরি কম্পিউটারের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা মাইক্রোপ্রসেসরের কাজের জায়গা বা ওয়ার্কপ্লেস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও ফলাফল অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে।
- আধুনিক কম্পিউটারে প্রধান মেমোরি অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি হয়। সেমিকন্ডাক্টরের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ আংশিকভাবে চলাচল করতে পারে। এর প্রধান কাঁচামাল হলো সিলিকন।
- প্রধান মেমোরির মূল ভিত্তি হলো ফ্লিপ-ফ্লপ নামক ইলেকট্রনিক সার্কিট, যা ০ বা ১ বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে সক্ষম
- কম্পিউটারে ব্যবহৃত প্রধান মেমোরিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: ক. র‍্যাম (RAM) ও খ. রম (ROM)।

ক. RAM (Random Access Memory):
- র‍্যাম কম্পিউটারের একটি অস্থায়ী মেমোরি যা ডেটা সংরক্ষণ এবং প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত হয়।
- সংরক্ষিত ডেটা যে কোনো ক্রমে অ্যাক্সেস করা যায় বিধায় একে র‍্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি (RAM) বলে। এছাড়াও ডেটা পড়া এবং লেখা উভয়ই সম্ভব হওয়ায় একে রিড/রাইট মেমোরিও বলা হয়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথে অপারেটিং সিস্টেম এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম র‍্যামে লোড হয়। কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে সংরক্ষিত ডেটা মুছে যায়, তাই একে ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমোরি বলে।

খ. রম (ROM):
- কম্পিউটার ROM হচ্ছে Read-Only Memory যা কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটার এর স্মৃতিতে কিছু প্রোগ্রাম এবং ডকুমেন্ট এমন ভাবে দেওয়া থাকে যা আমরা কোনভাবেই রিরাইট, ডিলিট বা কিচ্ছু করতে পারি না। কম্পিউটারের সেই স্মৃতিকেই মুলত বলা হয় ROM বা রিড অনলি মেমোরি।
- ROM এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছে, CD ROM, Hard Disk, SSD, Pen Drive ইত্যাদি।


উৎস: 
১। Geeksforgeeks [Link]
২। Computer & ICT Cloud

১৯৮.
CPU-তে রেজিস্টারের মূল কাজ কী?
  1. ডেটা ও ইনস্ট্রাকশন সাময়িকভাবে রাখা
  2. CPU-কে I/O ডিভাইসের সাথে যুক্ত করা
  3. CPU-এর পাওয়ার নিয়ন্ত্রণ করা
  4. ডেটা স্থায়ীভাবে রাখা
ব্যাখ্যা

• CPU-তে রেজিস্টারের মূল কাজ হল ডেটা ও ইনস্ট্রাকশন সাময়িকভাবে রাখা। রেজিস্টারগুলো হলো ছোট, অত্যন্ত দ্রুত মেমরি ইউনিট যা প্রসেসরের ভিতরে থাকে। যখন CPU কোনো প্রোগ্রাম চালায়, তখন তা চলাকালীন তথ্য এবং নির্দেশাবলী রেজিস্টারে সংরক্ষণ করা হয়, যাতে প্রসেসর সেগুলো খুব দ্রুত অ্যাক্সেস করতে পারে। এটি ডেটা প্রক্রিয়াকরণকে দ্রুততর করে, কারণ RAM-এর তুলনায় রেজিস্টারে তথ্য পড়া এবং লেখা অনেক দ্রুত হয়। রেজিস্টার CPU-এর অস্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে কাজ করে, এবং এটি মূলত সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য তথ্য ধারণ করে, স্থায়ীভাবে নয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো (ক) ডেটা ও ইনস্ট্রাকশন সাময়িকভাবে রাখা।

রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন: অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।

মেমরির ধারণক্ষমতা, দাম ও গতির ক্রম:

- পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
- আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।

এছাড়াও, 
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- RAM হলো অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি এবং ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হলো হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯৯.
NVMe এর সম্পূর্ণ অর্থ বা নাম কী?
  1. Non-Volatile Module Extension
  2. Non-Volatile Memory Express
  3. Network Virtual Machine Environment
  4. New Virtual Memory Exchange
ব্যাখ্যা

• NVMe-এর সম্পূর্ণ নাম হলো Non-Volatile Memory Express। এটি একটি উচ্চগতিসম্পন্ন স্টোরেজ ইন্টারফেস প্রটোকল, যা বিশেষভাবে SSD (Solid State Drive) এর জন্য তৈরি করা হয়েছে। NVMe স্টোরেজ ডিভাইসগুলোকে কম ল্যাটেন্সি এবং উচ্চ ব্যান্ডউইথে ডেটা ট্রান্সফার করতে সাহায্য করে। এটি SATA বা SAS SSD-এর তুলনায় অনেক দ্রুত ডেটা রিড ও রাইট করতে সক্ষম। NVMe প্রোটোকল কমান্ড লাইন সংখ্যা বৃদ্ধি করে এবং CPU এর লোড কমায়, ফলে সিস্টেমের সামগ্রিক পারফরম্যান্স বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে আধুনিক কম্পিউটার, ল্যাপটপ ও সার্ভারগুলোতে NVMe SSD ব্যবহার করা হচ্ছে দ্রুত স্টোরেজ সমাধানের জন্য।

- সঠিক উত্তর: খ) Non-Volatile Memory Express.

• NVMe:
- NVMe এর পূর্ণ রূপ "Non-Volatile Memory Express".
- এটি SSD-র মতো স্টোরেজ ডিভাইস অ্যাক্সেস করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
এটি সিস্টেমের বাকি অংশের সাথে যোগাযোগ করার জন্য SSD- এর জন্য আরও গতিশীল এবং সুবিন্যস্ত উপায় প্রদান করে।
- NVMe দ্রুত ডেটা স্থানান্তর এবং কম লেটেন্সির জন্য ব্যবহার করা হয়।
- NVMe সাধারণত PCIe ইন্টারফেস ব্যবহার করে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।

• NVMe প্রযুক্তির প্রয়োগ:
- ল্যাপটপ,
- ডেস্কটপ কম্পিউটার এবং
- ডেটা সেন্টার সহ বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান।

উৎস: ibm website.

২০০.
হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা নির্ভর করে -
  1. ক) হার্ডডিস্কের পাতের উপর।
  2. খ) ব্যবহৃত ডিস্কের সংখ্যার উপর।
  3. গ) মাইক্রোপ্রসেসরের উপর।
  4. ঘ) হার্ডডিস্ক নির্মিত প্রতিষ্ঠানের উপর।
ব্যাখ্যা
হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা নির্ভর করে হার্ডডিস্কে ব্যবহৃত ডিস্কের সংখ্যার উপর

- হার্ডডিস্ক পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস ।
- হার্ড ডিস্কে রক্ষিত তথ্যসমূহ সহজে নষ্ট হয় না বলে প্রয়োজনীয় সকল প্যাকেজ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা হয় হার্ডডিস্ক নষ্ট হওয়া বা মোছনীয় কোনো কমা ব্যতীত এখানকার তথ্যসমূহ নষ্ট হয় না।
- হার্ডডিস্ক হচ্ছে কম্পিউটারের স্টোরেজ মিডিয়াগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ স্টোরেজ মিডিয়া।
- হার্ডডিস্ক কতগুলো ট্র্যাক এবং ট্রাকগুলোর কয়েকটি সেক্টরের সমন্বয়ে গঠিত।
- অন্যান্য সহায়ক মেমোরির তুলনায় হার্ডডিস্কের বৃহত্তর ধারণক্ষমতার কারণে এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে ।
হার্ডডিস্ক ভিন্ন ভিন্ন ক্যাপাসিটির হয়ে থাকে যেমন – ২০০ গিগাবাইট, ৫০০ গিগাবাইট, ১ টেরাবাইট ইত্যাদি ।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)