বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটারের অঙ্গসংগঠন ও পেরিফেরালস

মোট প্রশ্ন২,০১৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটারের অঙ্গসংগঠন ও পেরিফেরালস

PrepBank · পাতা / ২১ · ৮০১৯০০ / ২,০১৭

৮০১.
Boot Disk Failure- বার্তা দেখা দিলে কি বোঝায়?
  1. হার্ড ডিস্ক নেই বা কাজ করছে না
  2. মাউস কাজ করছে না 
  3. র‍্যাম পূর্ণ
  4. CPU বন্ধ
ব্যাখ্যা

- কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় BIOS (Basic Input Output System) বা UEFI সিস্টেম একটি “boot device” খুঁজে বের করে, যেখান থেকে অপারেটিং সিস্টেম (যেমন: Windows, Linux ইত্যাদি) লোড হয়।
- যখন কম্পিউটার Boot Disk Failure বার্তা দেখায়, তখন এর অর্থ হচ্ছে-
-  সিস্টেম নির্ধারিত হার্ড ডিস্ক বা বুট ড্রাইভ খুঁজে পাচ্ছে না, অথবা
- সেই ডিস্কে থাকা অপারেটিং সিস্টেম নষ্ট বা অনুপস্থিত।

এটি সাধারণত নিচের কারণে হতে পারে:
- হার্ড ডিস্ক সংযোগ বিচ্ছিন্ন বা ঢিলা হয়ে যাওয়া।
- হার্ড ডিস্ক সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে যাওয়া (corrupted বা damaged)।
- BIOS-এ ভুল বুট অর্ডার সেট থাকা (যেমন: CD/DVD বা USB প্রথমে সেট করা আছে)।
- সিস্টেম ফাইল বা বুট সেক্টর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

৮০২.
কোনটি ডেটা ইনপুটের জন্য ব্যবহৃত হয় না?
  1. Trackball
  2. Headphone
  3. Lightpen
  4. Digitizer
ব্যাখ্যা

• ডেটা ইনপুটের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্র হলো সেই যন্ত্র যা ব্যবহারকারী থেকে কম্পিউটারে তথ্য পাঠায়। প্রশ্নে চারটি অপশনের মধ্যে Trackball, Lightpen, Digitizer- এই তিনটি ডিভাইস মূলত ইনপুট ডিভাইস, যা মাউস বা পেনের মতো কম্পিউটারে নির্দেশনা, আঁকা বা ডেটা পাঠাতে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে Headphone একটি আউটপুট ডিভাইস, যা কম্পিউটারের সাউন্ড বা তথ্য ব্যবহারকারীর কানে পৌঁছে দেয়, ইনপুট দেয় না। তাই, ডেটা ইনপুটের জন্য ব্যবহৃত হয় না এমন যন্ত্র হলো Headphone. এটি ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে কোনো তথ্য পাঠায় না, বরং কম্পিউটার থেকে আসা তথ্য শোনার জন্য ব্যবহৃত হয়।

ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera, ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive, Modem ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮০৩.
মাদারবোর্ডে কয়টি সিরিয়াল পোর্ট থাকে?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
ব্যাখ্যা
• সিরিয়াল পোর্ট (Serial Port):
- RS-232 বা সিরিয়াল পোর্টের মাধ্যমে ডেটা পর্যায়ক্রমে এক বিট করে স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত সিস্টেম ইউনিট থেকে দূরবর্তী ডিভাইসসমূহ সংযোগের জন্য এ ধরনের পোর্ট ব্যবহৃত হয়।
- মডেম, মাউস, কী- বোর্ড ইত্যাদি হার্ডওয়্যার এ ধরনের পোর্টের সঙ্গে যুক্ত থাকে।
- মাদারবোর্ডে ৯ পিনবিশিষ্ট COM1 এবং COM2 নামে দুটি সিরিয়াল পোর্ট থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮০৪.
কী-বোর্ডে F1-F12 বোতামগুলোকে কী বলা হয়? 
  1. Sound Key
  2. Special Key
  3. Function Key
  4. Multimedia Key
ব্যাখ্যা
- কী-বোর্ডে F1 - F12 বোতামগুলোকে 'ফাংশন কী' (Function Key) বলা হয়। 

ফাংশন কী: 
- বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2......F12 নম্বরযুক্ত ১২টি কী কে ফাংশন কী বলা হয়। 
- বার বার করতে হয় এমন কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদনের জন্য ফাংশন কী গুলো ব্যবহৃত হয়। 
- ফাংশন কী গুলোর মাধ্যমে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন, সম্পাদনার কাজ সহ মেনুর বিভিন্ন কমান্ড বা অপশন নির্বাচন করা হয়। 
- বিভিন্ন প্যাকেজে ফাংশন কী গুলোর ব্যবহার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮০৫.
বিদ্যুৎ চলে গেলে যে মেমোরির ধারণকৃত উপাত্ত হারিয়ে যায় তাকে বলা হয়-
  1. ক) Non volatile
  2. খ) Volatile
  3. গ) Non destructive
  4. ঘ) Destructive
ব্যাখ্যা

- মাদারবোর্ডের সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে মেমোরিতে পঠন এবং লিখন দুটি কাজই সম্পন্ন করা যায় সে মেমোরিকে RAM বলা হয়।
- এটি একটি অস্থায়ী (volatile) মেমোরি।
- কম্পিউটারের যতক্ষণ বিদ্যুৎপ্রবাহ চালিত থাকে ততক্ষণ RAM এ তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে RAM তার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলে।
- এজন্য RAM কে কম্পিউটারের অস্থায়ী (volatile) মেমোরিও বলা হয়।

৮০৬.
ট্রাকপ্যাড একটি -
  1. ক) ইনপুট ডিভাইস
  2. খ) আউটপুট ডিভাইস
  3. গ) স্টোরেজ ডিভাইস
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ট্রাকপ্যাড একটি ইনপুট ডিভাইস। 

- কম্পিউটারে ইনপুট প্রদানের জন্য যে যন্ত্র ব্যবহার করা হয় তাকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
যেমন– কি-বোর্ড (Keyboard), মাউস (Mouse), ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital camera), স্ক্যানার (Scanner), ভিডিও ক্যামেরা (Video camera), ওয়েব ক্যাম ইত্যাদি।

আরও কিছু কম্পিউটার ইনপুট ডিভাইসসমূহের নাম- 
Keyboard
Microphone
Modem
OMR
Mouse
Scanner
Graphics Tablet
OCR
Light Pen
Trackball
Touch screen
Trackpad

সূত্র: ৫৮ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৮০৭.
কম্পিউটারে সিস্টেমে ব্যবহৃত সমস্ত হার্ডওয়্যার কোনো না কোনোভাবে কার সাথে সংযুক্ত থাকে?
  1. ক) মাইক্রোপ্রসেসর
  2. খ) হার্ড ডিস্ক
  3. গ) মাদারবোর্ড
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
মাদারবোর্ড:

- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড। এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়ার যায়।

তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮০৮.
মনিটর সম্পর্কিত কোন বৈশিষ্ট্যটি হার্টজ এককে মাপা হয়?
  1. রেজ্যুলেশন
  2. স্পীড
  3. রিফ্রেশ রেট
  4. সাইজ
ব্যাখ্যা
- রিফ্রেশ রেট হলো পিক্সেলের উজ্জ্বলতা ঠিক রাখার জন্য প্রতি সেকেন্ডে পিক্সেলগুলো কতবার রিচার্জ হয় তার সংখ্যা।
- Refresh Rate যত বেশি হবে ইমেজ স্ক্রীনে তত বেশি দৃঢ় দেখাবে।
- Refresh Rate কে হার্টজ এককে প্রকাশ করা হয়।
- সাধারণভাবে মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করে রিফ্রেশ করা হয়।
- এছাড়া কী F5 বোর্ডেরে বোতাম চেপে রিফ্রেশ করা যায়।

উৎস: Intel. [Link]
৮০৯.
মাইক্রোপ্রসেসর কে উদ্ভাবন করেছেন?
  1. Wilhelm Leibniz
  2. Ted Hoff
  3. Alan Turing
  4. Charles Babbage
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য ব্যবহৃত প্রধান হার্ডওয়্যার অংশ।
- এটি কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন টেড হফ।
- মাইক্রোপ্রসেসর সিলিকনের তৈরি একটি VLSI - Very Large Scale Integration চিপ।
- মাইক্রোপ্রসেসরকে মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
- ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে, যা ছিল Intel 4004 নামের ৪ বিট মাইক্রোপ্রসেসর।
- মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ বিটের সংখ্যা এর ওপর ভিত্তি করে করা হয়, যেমন: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Stanford University.

৮১০.
পার্সোনাল কম্পিউটারে মাইক্রোপ্রসেসর এর গতি পরিমাপ করা হয়-
  1. ক) BIPS এককে
  2. খ) GHz এককে
  3. গ) TBS এককে
  4. ঘ) GB এককে
ব্যাখ্যা
- সাধারণত মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MHz বা GHz এ।
- কিন্তু মিনি ও মেইনফ্রেম কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MIPS (Millions of Instructions per Second) বা BIPS (Billions of Instructions per Second) এ।
- আবার সুপার কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MFLOPS (Millions of Floating Point Operations per Second), GFLOPS (Giga of Floating Point Operations per Second), TFLOPS (Tera of Floating Point Operations per Second) ইত্যাদিতে।

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৮১১.
মেমোরিতে ডেটা পড়া বা লেখার (Read/Write) প্রক্রিয়া সম্পাদনে প্রয়োজনীয় সময়কে কী বলে?
  1. Refresh Interval
  2. Transmission Time
  3. Access Time
  4. Data Rate
ব্যাখ্যা

অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বুঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- অ্যাকসেস সময় যত কম হয়, কম্পিউটার তত দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।
- কম্পিউটার উক্ত সময়ে তাহলে ১০ মিলিয়ন নির্দেশ নির্বাহ করতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।

৮১২.
মাউস ও কী-বোর্ড কোন পোর্টে যুক্ত করা হয়?
  1. ভিজিএ পোর্ট
  2. সিরিয়াল পোর্ট
  3. ল্যান পোর্ট
  4. প্যারালাল পোর্ট
ব্যাখ্যা
• পোর্ট:
- কম্পিউটারের পোর্ট হলো এক ধরনের পয়েন্ট বা সংযোগ মুখ।
- কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিটের মাদারবোর্ডের সাথে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট, আউটপুট কিংবা কমিউনিকেশন হার্ডওয়্যারের সাথে যুক্ত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সংযোগ পয়েন্ট থাকে। এ ধরনের সংযোগ পয়েন্টকে বলা হয় পোর্ট।

• সিরিয়াল পোর্ট:
- মাদারবোর্ডে ব্যবহৃত সিরিয়াল পোর্টে ৯টি পিন থাকে।
- COM পোর্টকে সিরিয়াল পোর্ট বা RS-232 পোর্টও বলা যায়।
- RS-232 বা সিরিয়াল পোর্টের মাধ্যমে ডেটা পর্যায়ক্রমে এক বিট করে স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত সিস্টেম ইউনিট থেকে দূরবর্তী ডিভাইসসমূহ সংযোগের জন্য এ ধরনের পোর্ট ব্যবহৃত হয়।
- মডেম, মাউস, কী-বোর্ড ইত্যাদি হার্ডওয়্যারে এই ধরনের পোর্টের সাথে যুক্ত থাকে।
- মাদারবোর্ডে ৯ পিনবিশিষ্ট COM1 এবং COM2 নামে দুটি সিরিয়াল পোর্ট থাকে।

• প্যারালাল পোর্ট:
- প্যারালাল পোর্টের মাধ্যমে একসঙ্গে একাধিক বিট স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত প্যারালাল পোর্ট ২৫ পিন বিশিষ্ট হয়।
- এ ধরনের পোর্টে তথ্য সমান্তরালভাবে আদান-প্রদান করা হয়।
- প্রিন্টার, স্ক্যানার, অপটিক্যাল ড্রাইভ ইত্যাদি ডিভাইস এ ধরনের পোর্টে যুক্ত করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮১৩.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের ইনপুট এবং আউটপুট উভয় পেরিফেরাল হিসেবে কাজ করে?
  1. ক) হার্ডডিস্ক
  2. খ) প্লটার
  3. গ) ওএমআর (OMR)
  4. ঘ) লাইটপেন
ব্যাখ্যা
হার্ডডিস্ক  কম্পিউটারের ইনপুট এবং আউটপুট উভয় পেরিফেরাল হিসেবে কাজ করে। 

- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়। যেমন- হার্ডডিস্ক, সিডি, টাচস্ক্রিন ইত্যাদি।  
- হার্ডডিক্স  Hard Disk(HDD) যা মূলত হার্ড ড্রাইভ বা ফিক্স ড্রাইভ নামেও পরিচিত।
- যার প্রধান কাজ হল ডাটা বা তথ্য সংরক্ষণ করা ও প্রয়োজনে সংরক্ষিত ডাটা গুলো পুনরুদ্ধার করে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয়। 
- হার্ডডিস্ক (Hard Disk) হলো একটি দৃঢ় অপসারণযোগ্য (Non Removable) চুম্বকীয় ডিস্ক (magnetic disk) যা প্রচুর পরিমান ডেটা স্টোর (store) করে রাখতে সক্ষম।
- বর্তমান সময়ে বেশিরভাগ কম্পিউটার ও ল্যাপটপে হার্ড ডিস্ক ব্যবহার করা হয়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮১৪.
CD-ROM এবং DVD-ROM নিচের কোন শ্রেণির স্টোরেজ ডিভাইস?
  1. Magnetic Storage
  2. Optical Storage
  3. Cloud Storage
  4. Volatile Storage
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Optical Storage

• স্টোরেজ ডিভাইস (Storage Hardware):
স্টোরেজ ডিভাইস বা স্টোরেজ হার্ডওয়‍্যারে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের সুবিধার জন্য স্টোরেজ মিডিয়াতে ডেটা ও নির্দেশাবলি জমা রাখা যায় এবং প্রয়োজনে তা সহজে কাজে লাগানো যায়। স্টোরেজ ডিভাইসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস (Primary Storage Device):
- RAM (Random-Access Memory), 
- ROM (Read-Only Memory).

২। সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস (Secondary Storage Device):
- Hard Disk, 
- Floppy Disk, 
- USB Flash Drive, 
- Magnetic Tape, 
- Optical Storage Devices (CD-ROMs and DVD-ROMs), 
- Solid-State Drives (SSDs)

• অপটিক্যাল স্টোরেজ সিস্টেম (Optical Storage System):
- যে সমস্ত ডিস্কে Optical Storage Technology-এর মাধ্যমে ডেটা সংরক্ষণ করা হয়, তাকে Optical Disk বলা হয়।
যেমন- CD-ROM Disk বা CD Disk, DVD ইত্যাদি।

• সিডি-রম (CD-Rom-Compact Disk Read Only Memory):
বর্তমান সময়ে কম্পিউটারে সম্পাদিত ডেটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত মেমরির নাম সিডি-রম।
- সাধারণত সিডির ধারণক্ষমতা 650 মেগাবাইট থেকে 750 মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। এতে সাধারণত এক সাইডে তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- বিপুল পরিমাণ ধারণক্ষমতা এবং দামে সস্তা হওয়ার কারণে সিডিতে অডিও, ভিডিও, সফটওয়‍্যার, বড় ধরনের ডেটা ইত্যাদি সংরক্ষণে খুবই জনপ্রিয়।
- সিডিতে সংরক্ষিত তথ্য বহুদিন পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকে।

• ডিভিডি (DVD):
- ১৯৯৬ সালের দিকে অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন অপটিক্যাল ডিস্কের উন্নতমানের সংস্করণ ডিভিডির (DVD- Digital Versatile Disk) উদ্ভব হয়।
- প্রথম দিকে DVD চলচ্চিত্র বা সিনেমার জন্য উন্নয়ন করা হলেও পরবর্তীতে টেক্সট, বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটার সফটওয়্যার, তথ্যাবলি, ছবি, শব্দ ইত্যাদি সংরক্ষণে ব্যাপক সুবিধা পাওয়া যায়।
- DVD-এর গঠন ও আকার সিডির মতোই। তবে অধিক পরিমাণে তথ্য সংরক্ষণ করার জন্য DVD-তে ট্র্যাকসমূহ আরো ঘন করে সন্নিবেশিত থাকে।
- সাধারণত DVD-এর ধারণক্ষমতা ৪ গিগাবাইট থেকে ১৭ গিগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- DVD পড়ার জন্য DVD ড্রাইভের প্রয়োজন। বর্তমানে DVD-R, DVD-RW এবং DVD RAM -এ লাল লেজার রশ্মির মাধ্যমে DVD-এর ডেটা পড়া ও লেখা হয়।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮১৫.
ব্যবহারকারীর কাছ থেকে প্রক্রিয়াকরণের জন্য বিভিন্ন ধরনের ডেটা গ্রহণকারী ডিভাইসসমূহকে কী বলে?
  1. ইনপুট পেরিফেরাল
  2. কালেক্টর পেরিফেরাল
  3. আউটপুট পেরিফেরাল
  4. রিসিভ পেরিফেরাল
ব্যাখ্যা
ইনপুট পেরিফেরাল:
কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে প্রক্রিয়াকরণের জন্য বিভিন্ন ধরনের ডেটা গ্রহণ করে। কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের কাজে ডেটা প্রদানে নিয়োজিত হার্ডওয়্যারসমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল। কম্পিউটার সিস্টেমে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট পেরিফেরাল ব্যবহৃত হয়। 

• উল্লেখযোগ্য ইনপুট পেরিফেরালসমূহ হলো:
কি-বোর্ড (Keyboard)
ওএমআর (OMR)
মাউস (Mouse)
ওসিআর (OCR)
ট্যাকবল (Trackball)
স্ক্যানার (Scanner)
জয়স্টিক (Joystick)
ডিজিটাইজার (Digitizer)
টাচ স্ক্রিন (Touch Screen)
লাইটপেন (Lightpen)
গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad)
বার কোড রিডার (Bar Code Reader)
ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera)
পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮১৬.
ALU নিচের কোনটির অন্তর্ভুক্ত ইউনিট?
  1. মাদারবোর্ড
  2. হার্ডডিস্ক
  3. সিপিইউ
  4. সিস্টেম বোর্ড
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit),
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit) ও
৩. রেজিস্টারসমূহ (Register Set)।

- সিপিইউ (CPU) এর Arithmetic Logic Unit অংশ গাণিতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ করে।
- ALU এর পূর্ণরূপ Arithmetic Logic Unit.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮১৭.
ISA বাস-এর "ISA" দ্বারা কী বোঝায়?
  1. Integrated Service Application
  2. Internal Software Access
  3. Industry Standard Architecture
  4. International System Architecture
ব্যাখ্যা
• আইএসএ বাস (ISA BUS):
- ISA-এর পুরো নাম Industry Standard Architecture.
- এটি একটি ধীরগতিসম্পন্ন বাস।
- ১৯৮১ সালে আইবিএম ইন্টেলের 8088 প্রসেসরে ISA বাস ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
- তখন এটি ছিল ৪ বিট ডেটা বাস। এর কাজের গতি ছিল ৪ মেগাহার্টজ।
- 16 বিট ISA বাস স্লটের পয়েন্টগুলো 2 ভাগে বিভক্ত থাকে। এর প্রথম ভাগে 62টি পয়েন্ট এবং দ্বিতীয় ভাগে 36 পয়েন্ট থাকে।
- ISA বাসের বৈশিষ্ট্য:

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮১৮.
নিম্নলিখিত কোনটি সিস্টেম বাসের অংশ নয়?
  1. Data Bus
  2. Address Bus
  3. Expansion Bus
  4. Control Bus
ব্যাখ্যা
• এক্সপ্যানশন বাস (Expansion Bus):
- এক্সপ্যানশন বাস (Expansion Bus) একটি আলাদা বাস সিস্টেম যা কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত বাহ্যিক ডিভাইসের সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি কম্পিউটারের মূল সিস্টেম বাসের অংশ নয়, বরং এটি মাদারবোর্ডে যুক্ত অতিরিক্ত ডিভাইসগুলিকে সংযোগ করার জন্য ব্যবহৃত হয় (যেমন গ্রাফিক্স কার্ড, সাউন্ড কার্ড ইত্যাদি)।
- এক্সপ্যানশন বাসের মাধ্যমে বাহ্যিক ডিভাইসগুলো CPU বা RAM-এর সাথে যোগাযোগ করে, কিন্তু এটি সিস্টেম বাসের একটি অংশ হিসেবে গণ্য হয় না।

সিস্টেম বাসে সাধারণত তিনটি প্রধান উপাদান থাকে:
• ডেটা বাস (Data Bus):
- এটি ডেটা স্থানান্তর করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশ (যেমন CPU, RAM, I/O ডিভাইস)
- এর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান এই বাসের মাধ্যমে হয়।
- এটি সাধারণত বাইডির মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সফার করে এবং এটি দুই দিকেরও হতে পারে (দ্বিমুখী)।

• অ্যাড্রেস বাস (Address Bus):
- অ্যাড্রেস বাসের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট স্থানে তথ্য কোথায় পাঠাতে হবে তা নির্ধারণ করা হয়।
- এটি মূলত RAM বা I/O ডিভাইসের ঠিকানা সরবরাহ করে।
- সাধারণত, অ্যাড্রেস বাস একমুখী হয়, অর্থাৎ এটি শুধুমাত্র তথ্যের স্থান নির্দেশ করে, কিন্তু ডেটা স্থানান্তর করে না।

• কন্ট্রোল বাস (Control Bus):
- কন্ট্রোল বাস সিস্টেমের বিভিন্ন অংশের মধ্যে নির্দেশনা বা সিগন্যাল প্রেরণ করে।
- এটি কম্পিউটার সিস্টেমের বিভিন্ন উপাদানকে সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে এবং ডেটা বা অ্যাড্রেস বাসের কাজকে সঠিকভাবে সিঙ্ক্রোনাইজ করে।
- এটি একমুখী সিগন্যাল প্রেরণ করে যা সিস্টেমের বিভিন্ন অংশের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ এবং সমন্বয় করে।

- Data Bus: সিস্টেম বাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- Control Bus: সিস্টেম বাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- Address Bus: সিস্টেম বাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

- সঠিক উত্তর D) Expansion Bus, কারণ এটি সিস্টেম বাসের অংশ নয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮১৯.
OCR-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Optical Card Reader
  2. Online Code Reader
  3. Optical Character Reader
  4. Optical Code Reader
ব্যাখ্যা
• OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader.

• ওসিআর (OCR):
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে। 
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮২০.
মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত মেমােরি কোনটি?
  1. সাধারণ চৌম্বক টেপ
  2. চৌম্বক ডিস্ক
  3. অপটিক্যাল ডিস্ক
  4. র‍্যাম ও রম
ব্যাখ্যা

মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সংযােগের উপর ভিত্তি করে মেমােরির শ্রেণিবিভাগ :
প্রধান বা অভ্যন্তরীণ মেমােরি: মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত মেমােরিকে প্রধান বা অভ্যন্তরীণ মেমােরি বলা হয়। প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রােগ্রাম ও তথ্যকে এ মেমােরিতে অস্থায়ীভাবে জমা রাখা হয়।
যেমন- র‍্যাম, রম ইত্যাদি।
মাদারবাের্ডে মাইক্রোপ্রসেসরের পাশাপাশি এ মেমােরি অবস্থান করে ।

সহায়ক বা অভ্যন্তরীণ মেমােরি: যে মেমােরির সাথে মাইক্রোপ্রসেসরের সরাসরি সংযোগ থাকে না, নির্দিষ্ট কন্ট্রোলের মাধ্যমে সংযােগ রক্ষা করে তাকে অভ্যন্তরীণ মেমােরি বলা হয়।
এ মেমােরিকে আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের সাহায্যে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করা হয়। ব্যবহারকারী ভবিষ্যৎ প্রয়ােজনে উপাত্ত বা প্রােগ্রামকে স্থায়ীভাবে সঞ্চয় করতে পারে বলে একে সহায়ক মেমােরি বলা হয়।
সাধারণ চৌম্বক টেপ, চৌম্বক ডিস্ক, অপটিক্যাল ডিস্ক ইত্যাদি সহায়ক মেমােরির উদাহরণ।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৮২১.
কোন যন্ত্রটি ইলেকট্রনিক সংকেতকে ভিজ্যুয়াল আকারে রূপান্তরিত করে?
  1. Monitor
  2. Keyboard
  3. Printer
  4. USB Drive
ব্যাখ্যা

• ইলেকট্রনিক সংকেতকে ভিজ্যুয়াল আকারে রূপান্তর করার জন্য যে যন্ত্রটি ব্যবহৃত হয়, তা হলো মনিটর। মনিটর কম্পিউটারের প্রধান আউটপুট ডিভাইস, যা ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক সংকেতকে মানুষের চোখের জন্য দৃশ্যমান আকারে প্রদর্শন করে। যখন কম্পিউটার তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে, তখন সেগুলি ইলেকট্রনিক সংকেত আকারে থাকে। মনিটরের স্ক্রিন এই সংকেতগুলোকে পিক্সেল আকারে রূপান্তরিত করে এবং ব্যবহারকারীকে ছবি, লেখা বা ভিডিও আকারে দেখায়। অন্যদিকে, কীবোর্ড তথ্য ইনপুট দেয়, প্রিন্টার তথ্যকে কাগজে মুদ্রণ করে এবং ইউএসবি ড্রাইভ তথ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। সুতরাং ভিজ্যুয়াল আউটপুটের জন্য সঠিক উত্তর হলো মনিটর।

• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- পেরিফেরাল ডিভাইস হচ্ছে এমন ডিভাইস যা কম্পিউটারের প্রধান ইউনিট (CPU) এর সাথে সংযুক্ত হয়ে ইনপুট বা আউটপুট প্রদান করে। এটি তিন ধরনের হতে পারে:

• ইনপুট ডিভাইস: 
- যা কম্পিউটারকে তথ্য দেয়।
- উদাহরণ: কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার।

• আউটপুট ডিভাইস: 
- যা কম্পিউটার থেকে তথ্য নিয়ে ব্যবহারকারীকে প্রদর্শন করে।
- উদাহরণ: মনিটর, প্রিন্টার, হেডফোন।

• ইনপুট-আউটপুট (I/O) উভয় ডিভাইস: 
- যা ইনপুট ও আউটপুট দুই কাজই করতে পারে।
- উদাহরণ: টাচস্ক্রিন, পেন ড্রাইভ।

তথ্যসূত্র:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
- Britannica.

৮২২.
নিচের কোনটি প্রসেসিং হার্ডওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত?
  1. কীবোর্ড
  2. মনিটর
  3. মাইক্রোপ্রসেসর
  4. প্রিন্টার
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোপ্রসেসরই মূলত ডেটা প্রক্রিয়াকরণের প্রধান অংশ।

• প্রসেসিং হার্ডওয়্যার (
Processing Hardware):

ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল কম্পিউটার তার প্রক্রিয়াকরণের ফলাফলের মাধ্যমে পূরণ করে থাকে। প্রসেসিং বা প্রক্রিয়াকরণের কাজের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পর্কযুক্ত হার্ডওয়্যারসমূহকে বলা হয় প্রসেসিং হার্ডওয়্যার। সাধারণত সিপিইউ ইউনিটের (কম্পিউটার কেসিং) ভেতরে এগুলো সংযুক্ত থাকে। তবে কম্পিউটারের প্রসেসিং কাজের সাথে বিভিন্ন ধরনের এক্সটার্নাল হার্ডওয়্যারও যুক্ত থাকে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্যগুলো হলো—

১। মাইক্রোপ্রসেসর (Microprocessor),
২। মেমরি (Memory),
৩। রম চিপ (ROM chips),
৪। ভির‍্যাম (VRAM),
৫। বাস (BUS),
৬। মাদারবোর্ড (Motherboard),
৭। পোর্ট (Port),
৮। পাওয়ার সাপ্লাই (Power Supply),
৯। এক্সপ্যানশন স্লট (Expansion slot), ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৮২৩.
নিচের কোনটি ভোলাইটল মেমোরির উদাহরণ?
  1. RAM
  2. ROM
  3. Hard Disc
  4. DVD Disc
ব্যাখ্যা
RAM:
- এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random-Access Memory.
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে তথ্য মুছে যায়।
- একে ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমোরি বলা হয়।
- RAM কে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন: static RAM (SRAM) এবং dynamic RAM (DRAM)।
৮২৪.
নিচের কোনটি নন-ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার?
  1. ক) ডট মেট্রিক্স প্রিন্টার
  2. খ) ডেইজি হুইল প্রিন্টার
  3. গ) চেইন প্রিন্টার
  4. ঘ) ইঙ্ক-জেট প্রিন্টার
ব্যাখ্যা

নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারঃ

যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে সাধারণত স্পর্শ করে না তাদেরকে নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়। এ ধরনের প্রিন্টারের রেজ্যুলুশন ও গতি বেশি থাকে। আবার প্রিন্ট করার সময় সাধারণত শব্দ হয় না। তবে দাম তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে। নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমনঃ-
১। লেজার প্রিন্টার 
২। ইংকজেট প্রিন্টার
৩। থার্মাল প্রিন্টার; ইত্যাদি।

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৮২৫.
8080 কত বিটের মাইক্রোপ্রসেসর?
  1. 4-bit
  2. 8-bit
  3. 16-bit
  4. 32-bit
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসর: 
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়। 
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI- Very Larege Scale Integration) চিপ। 
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে। 
• 4-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: 4004, 4040. 
• 8-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: 8008, 8080
•16-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: 8086, 8088, 80186. 
• 32-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: 80386, 80486. 
• 64-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium. 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৮২৬.
ROM-এর প্রকারভেদ নয় কোনটি?
  1. PROM
  2. DROM
  3. EPROM
  4. EAPROM
ব্যাখ্যা
• DROM, ROM-এর কোনো প্রকারভেদ নয়।

• রম:
- রম (ROM) হল রিড-ওনলি মেমোরি (Read-Only Memory) এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি। 

• ROM (Read-Only Memory) এর প্রকারভেদ:
→  PROM (Programmable ROM):
- একবার প্রোগ্রাম করা যায়। 
- একবার প্রোগ্রাম করার পর ডাটা পরিবর্তন করা যায় না। 
→  EPROM (Erasable Programmable ROM):
- UV (আল্ট্রাভায়োলেট) আলো দিয়ে ডাটা মুছে আবার নতুন ডাটা লেখা যায়। 
- ২০-৩০ মিনিট UV আলোতে রাখলে সম্পূর্ণ ডাটা মুছে যায়। 
→  EEPROM/EAPROM (Electrically Erasable Programmable ROM):
- বৈদ্যুতিক সংকেত দিয়ে ডাটা মুছে আবার লেখা যায়। 
- নির্দিষ্ট অংশের ডাটা আলাদাভাবে মুছে নতুন ডাটা লেখা সম্ভব। 
- এটি Flash memory এর ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। 
→  Mask ROM:
- ডাটা স্থায়ীভাবে লেখা হয়। 
- প্রোগ্রাম পরিবর্তন অসম্ভব। 

• ROM এর বৈশিষ্ট্য:
- কম্পিউটার বন্ধ হলেও ডাটা থেকে যায়। অর্থাৎ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও তথ্য নষ্ট হয় না। 
- সাধারণত ডাটা পড়া যায়, কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না। 
- BIOS, অপারেটিং সিস্টেমের প্রাথমিক অংশ সংরক্ষিত থাকে।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮২৭.
স্টোরেজ ডিভাইসকে প্রধানত কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. পাঁচ ভাগে
ব্যাখ্যা
• স্টোরেজ ডিভাইস:
- স্টোরেজ ডিভাইস বা স্টোরেজ হার্ডওয়্যারে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়।
- স্টোরেজ ডিভাইসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-

১. প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস (Primary Storage Device):
- প্রাইমারি স্টোরেজ হলো মাইক্রোপ্রসেসরের কর্মক্ষেত্র বা ওয়ার্কপ্লেস।
- প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারে প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত ডিভাইসসমূহকে প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস বলা হয়। যেমন- র‍্যাম।

২. সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস (Secondary Storage Device):
- কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারসমূহকে বলা হয় সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্ক, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ।

 উৎস : মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮২৮.
ক্যাশ মেমোরি ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. ডেটা ব্যাকআপ সংরক্ষণ করা
  2. ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা
  3. প্রসেসরের কাজের গতি বাড়ানো
  4. ডিলিট হওয়া ফাইল পুনরুদ্ধার করা
ব্যাখ্যা

◉ Cache Memory হলো একটি অতি দ্রুতগতির মেমোরি, যা সাধারণত CPU এবং প্রধান মেমোরি (RAM)-এর মধ্যে অবস্থান করে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো প্রায়ই ব্যবহৃত ডেটা এবং নির্দেশনা অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা। এর ফলে প্রসেসরের গতি বাড়ে এবং সিস্টেম পারফরম্যান্স উন্নত হয়।

ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৮২৯.
MCQ পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে কোন ইনপুট ডিভাইসটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Scanner
  2. খ) OMR
  3. গ) OCR
  4. ঘ) MICR
ব্যাখ্যা
ওএমআর (OMR) এক ধরনের ইনপুট ডিভাইস, যার পূর্ণরূপ Optical Mark Recognition। ওএমআর যন্ত্র কোনো চিহ্ন পাঠ করে ঐ চিহ্নের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ফলাফল দান করতে পারে। MCQ পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে OMR ইনপুট ডিভাইসটি ব্যবহৃত হয়।
[সূত্রঃ techopedia]
৮৩০.
নিচের কোন হার্ডডিস্ক এর ডেটা ট্রান্সফার রেট সর্বাধিক?
  1. KAS হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ
  2. SCSI হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ
  3. SATA হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ
  4. IDE হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ড্রাইভকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায় । এগুলাে হলাে :
১. আইডিই বা পাটা (IDE/PATA)হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ
২. সাটা (SATA)হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ
৩. স্ক্যাজি (SCSI) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ
৪. সাস (SAS) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ

- IDE/PATA ড্রাইভগুলো 133 MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।
- SATA ড্রাইভগুলো সাধারণত 300 MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।
- SCSI ড্রাইভগুলো সাধারণত 640 MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি। [ভোকেশনাল ২০২১ সংস্করণ]
৮৩১.
নিচের কোনটির ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হলেও সংরক্ষিত তথ্য অক্ষত থাকে?
  1. ASDRAM
  2. DRAM
  3. PROM
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ভোলাটাইল মেমোরি:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় তাকে ভোলাটাইল মেমরি বলে।
- যেমন: RAM.

• নন-ভোলাটাইল মেমরি:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় না তাকে নন-ভোলাটাইল মেমোরি বলে।
- যেমন- ROM.

• পিরম:
- PROM-এর পূর্ণরূপ হলো Programmable Read Only Memory.
- সাধারণত বাজারে যে সমস্ত প্রোগ্রাম করা রম পাওয়া যায় তাতে ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী সমস্ত কাজ হয় না। এসব ক্ষেত্রে PROM ব্যবহার করা হয়।
- PROM কে একবার প্রোগ্রাম করা হলে পুনঃ প্রোগ্রামের কোনো সুযোগ থাকে না।
- এ ধরনের রমে বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হলেও সংরক্ষিত তথ্য নষ্ট হয় না।

• স্ট্যাটিক র‍্যাম:
- SRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Static Random Access Memory.
- এ ধরনের মেমোরি ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, যা বাইনারি বিট (0 বা 1) ধারণ করে এবং ধারনকৃত ডেটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে।

• ডাইনামিক র‍্যাম:
- DRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Dynamic Random Access Memory.
- এটি সাধারণত মসফেট ট্রানজিস্টর ও ক্যাপাসিটরের সাহায্যে তৈরি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৩২.
ধারণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি -
  1. ক) CD
  2. খ) DVD
  3. গ) Blue Ray DVD
  4. ঘ) None
ব্যাখ্যা
কতটুকু তথ্য ধারণ করতে পারে, তাকেই ধারণ ক্ষমতা বলা হয়। ধারণ ক্ষমতা নিম্নরূপ :
- CD = 700MB
- DVD = 17 GB
- Blue Ray DVD =100 GB
৮৩৩.
What is BIOS?
  1. A permanent software that starts the computer boot
  2. A firmware that resides on the motherboard
  3. A computer memory management software
  4. An input/output interface
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) A firmware that resides on the motherboard

BIOS (Basic Input/Output System)
- BIOS হলো একটি ফার্মওয়্যার, অর্থাৎ মাদারবোর্ডে থাকা স্থায়ী সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারকে “মস্তিষ্ক” হিসেবে কাজ করার ক্ষমতা দেয়।
- যখন ব্যবহারকারী কম্পিউটার চালু করেন, তখন BIOS ইনিশিয়ালাইজেশন প্রক্রিয়া শুরু করে, এবং হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে পাওয়ার-অন সেলফ-টেস্ট (POST) পরিচালনা করে।
- হার্ডওয়্যার ঠিক আছে তা নিশ্চিত হওয়ার পর, BIOS খুঁজে বের করে মাস্টার বুট রেকর্ড (MBR), যা BIOS-কে নির্দেশ দেয় কিভাবে সিস্টেম “বুট” (শুরু) করতে হবে।
- BIOS কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম (OS) এবং সমস্ত বাহ্যিক ডিভাইসের মধ্যে ডেটা পরিচালনা করে।

• BIOS-এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী:
- হার্ডওয়্যারের তথ্য অ্যাক্সেস করতে পারে,
- কম্পিউটার বুট হওয়ার ক্রম পরিবর্তন করতে পারে,
- এবং একটি মাস্টার পাসওয়ার্ড সেট করতে পারে।
- ২১শ শতকের প্রারম্ভে, BIOS-এর স্থানে UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) এসেছে, যা বড় ড্রাইভ পরিচালনা করতে পারে এবং BIOS-এর চেয়ে দ্রুত কাজ করতে সক্ষম।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

৮৩৪.
কোনটি Hardware এর উদাহরণ নয়?
  1. মাউস
  2. কীবোর্ড
  3. উইন্ডোজ
  4. মনিটর
ব্যাখ্যা

‘উইন্ডোজ’ Hardware এর উদাহরণ নয়, এটি software এর একটি উদাহরণ।

উইন্ডোজ 
-এটি একটি অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার (Operating System Software), যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে।

হার্ডওয়্যার (Hardware)- যে সকল যন্ত্রাংশ দিয়ে কম্পিউটার তৈরি করা হয় এদেরকে কম্পিউটার হার্ডওয়্যার বলে।
যেমন: কীবোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, মনিটর, মডেম ইত্যাদি।

সফটওয়্যার (software)- কম্পিউটারের প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টিকে সফটওয়্যার বলে।
যেমন: উইন্ডোজ, এম এস ওয়ার্ড, এক্সেল ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল ( ভোকেশনাল)

৮৩৫.
কোনটি CPU রেজিস্টার হিসেবে ব্যবহৃত হয় না?
  1. ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার
  2. হার্ড ডিস্ক
  3. অ্যাকিউমুলেটর
  4. প্রোগ্রাম কাউন্টার
ব্যাখ্যা

• CPU বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটের রেজিস্টার হল ছোট, দ্রুত মেমোরি এলাকা যা অস্থায়ীভাবে ডেটা, নির্দেশনা এবং ঠিকানা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। প্রদত্ত অপশন গুলির মধ্যে, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, অ্যাকিউমুলেটর এবং প্রোগ্রাম কাউন্টার -ই CPU রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে। ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার বর্তমান ইনস্ট্রাকশন সংরক্ষণ করে, অ্যাকিউমুলেটর গণনার সময় অস্থায়ী ফলাফল রাখে, এবং প্রোগ্রাম কাউন্টার পরবর্তী নির্দেশনার ঠিকানা নির্দেশ করে। তবে হার্ড ডিস্ক হল একটি স্থায়ী স্টোরেজ ডিভাইস, যা CPU রেজিস্টার নয়। এটি বৃহৎ ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং প্রসেসরের সাথে সরাসরি দ্রুত লেনদেন করতে পারে না। তাই সঠিক উত্তর হল খ) হার্ড ডিস্ক।
 
• ইন্টারনাল মেমরি:
- কম্পিউটারের ইন্টারনাল মেমরি বলতে রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমরিকে বোঝানো হয়।

• রেজিস্টার:
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন- অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।
- মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৩৬.
Which one is a super computer?
  1. ক) IBM S/34
  2. খ) SuperSXII
  3. গ) UNIVAC 1100
  4. ঘ) CYBER 170
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল কম্পিউটারকে চারটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা- মাইক্রো কম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার, সুপার কম্পিউটার, এবং মেইনফ্রেম কম্পিউটার। 

মাইক্রো কম্পিউটার-  এ ধরনের কম্পিউটার বলতে ছোট বা ক্ষুদ্রাকৃতির  কম্পিউটারগুলোকেই বোঝায়। এই কম্পিউটারগুলো ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রো প্রসেসর চিপ দিয়ে তৈরি বলে একে মাইক্রো কম্পিউটার বলা হয়। একটি প্রধান মাইক্রো প্রসেসর, প্রধান মেমোরি,সহায়ক মেমোরি, এবং ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস নিয়ে একটি মাইক্রো কম্পিউটার গঠিত হয়। 
উদাহরণ: IBM386, IBM pentium ইত্যাদি। 

মিনি কম্পিউটার- মিনি কম্পিউটারের কাজের ক্ষমতা ও কাজের গতি অপেক্ষাকৃত কম। মেইনফ্রেম কম্পিউটার ও মিনি কম্পিউটারের মধ্যে কাজের ধরণ ও প্রক্রিয়াগত দিক থেকে কোন পার্থক্য নাই। 
উদাহরণ: IBM S/34, IBM S / 36, PDP 11, NCR S/9290 ইত্যাদি।

সুপার কম্পিউটার- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার। সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে। এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।
আমেরিকায় CYBER-205, জাপানের নিপ্পন কোম্পানির SuperSXII.

মেইনফ্রেম কম্পিউটার- যে কম্পিউটার মিনি ও মাইক্রোকম্পিউটারের চেয়ে বড় এবং সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট তাকে মেইনফ্রেম কম্পিউটার বলে। এতে অনেকগুলো কম্পিউটার যুক্ত থাকে এবং এক সঙ্গে অনেক মানুষ কাজ করতে পারে।
IBM 4341, UNIVAC 1100, CYBER 170 ইত্যাদি

সূত্র- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৮৩৭.
কম্পিউটারের মেমোরি স্তরক্রমে সবচেয়ে ছোট এবং দ্রুত মেমোরি কোনটি?
  1. DRAM
  2. Cache memory
  3. ROM
  4. Register
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের মেমোরি স্তরক্রমে সবচেয়ে ছোট এবং দ্রুত মেমোরি হলো রেজিস্টার। 

কম্পিউটারের মেমোরি স্তরক্রম (Memory Hierarchy):
কম্পিউটারের মেমোরি একটি স্তরক্রমে (Hierarchy) বিন্যস্ত।

স্তরক্রমের ধাপসমূহ:
- স্তরক্রমের শুরু হয় CPU-এর রেজিস্টার থেকে, যা খুব ছোট, অত্যন্ত দ্রুত এবং ব্যয়বহুল।
- এরপর আসে ছোট, দ্রুত ক্যাশ মেমোরি।
- এর পরের স্তর হলো বড় DRAM (প্রাইমারি মেমোরি)।
- এরপর আছে খুব বড় হার্ড ডিস্ক।
- স্তরক্রমের শেষ ধাপ হলো ধীর ও সস্তা ননভোলাটাইল ব্যাকআপ স্টোরেজ।

ভার্চুয়াল মেমোরি:
- আধুনিক কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম মেমোরি ব্যবহার করে ভার্চুয়াল মেমোরি সিস্টেমের মাধ্যমে, যা প্রোগ্রামগুলোকে বড় অ্যাড্রেস স্পেস সরবরাহ করে।
- ভার্চুয়াল মেমোরি ব্যবহার করলে প্রোগ্রামের প্রয়োজনীয় মেমোরি CPU-এর প্রকৃত RAM-এর চেয়ে বেশি হতে পারে।

সংক্ষেপে, কম্পিউটারের মেমোরি স্তরক্রমে সবচেয়ে ছোট এবং দ্রুত মেমোরি হলো CPU-এর রেজিস্টার।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৮৩৮.
কোনটি প্রতিরোধমূলক রক্ষণাবেক্ষণের উদাহরণ?
  1. অপারেটিং সিস্টেম পুনঃস্থাপন করা
  2. সংক্রমণের পর ভাইরাস অপসারণ করা
  3. নষ্ট হার্ড ড্রাইভ পরিবর্তন করা
  4. অভ্যন্তরীণ অংশ থেকে ধুলো পরিষ্কার করা
ব্যাখ্যা

• প্রতিরোধমূলক রক্ষণাবেক্ষণ (Preventive Maintenance) হল এমন ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ যা কোনো যন্ত্র বা সিস্টেমের সমস্যা দেখা দেওয়ার আগেই তা প্রতিরোধ করার উদ্দেশ্যে করা হয়। এর মূল লক্ষ্য হলো যন্ত্রপাতি বা সিস্টেমের কার্যকারিতা বজায় রাখা এবং বড় ধরনের ক্ষতি বা ব্যর্থতা এড়ানো। প্রদত্ত উদাহরণগুলোর মধ্যে, অপারেটিং সিস্টেম পুনঃস্থাপন করা, সংক্রমণের পর ভাইরাস অপসারণ করা বা নষ্ট হার্ড ড্রাইভ পরিবর্তন করা সবই ঘটার পরে করা রক্ষণাবেক্ষণ, যা সমস্যা সমাধানের জন্য করা হয়।
- অন্যদিকে, অভ্যন্তরীণ অংশ থেকে ধুলো পরিষ্কার করা একটি প্রতিরোধমূলক কাজ, কারণ এটি হার্ডওয়্যার সঠিকভাবে চলতে সাহায্য করে এবং ভবিষ্যতে সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা কমায়। তাই, প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে “ঘ) অভ্যন্তরীণ অংশ থেকে ধুলো পরিষ্কার করা” প্রতিরোধমূলক রক্ষণাবেক্ষণের উদাহরণ।

 
• কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ:
- কম্পিউটার অনেক দিন কার্যক্ষম রাখতে এর রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন।
- পার্সোনাল কম্পিউটার বা ডেস্কটপ, ল্যাপটপসহ সকল ধরনের কম্পিউটার এর সঠিক ব্যবহার, পরিচর্যা এবং ট্রাবলশুটিং করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সফ্টওয়্যার ও হার্ডওয়‍্যার ইন্সটল এবং আন-ইন্সটল করাকে কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ বলা হয়।
- কম্পিউটার ব্যবহার করার সময় অনেক টেম্পোরারি ফাইল তৈরি হয়।
- অনেক দিন এ ফাইলগুলো না মুছে দিলে হার্ডডিস্কের অনেক জায়গা দখল করে থাকে এবং এই অস্থায়ী ফাইলগুলো কাজের গতি কমিয়ে দেয়।
- অস্থায়ী ফাইলগুলো ডিলিট করে দিলে হার্ডডিস্কের বেশ খানিকটা জায়গা খালি হয় এবং কম্পিউটার এর কাজের গতিও অনেক বেড়ে যায়।
- ইন্টারনেট ব্যবহার করলে ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমরিতে অনেক টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে।
- প্রতিদিন সম্ভব না হলে কিছুদিন পরপর ক্যাশ মেমোরি পরিস্কার করতে হয়। এ কাজটি করতে সফ্টওয়্যার সাহায্য করতে পারে।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- IBM. [link]

৮৩৯.
কোন মেমরি সিপিইউ এর সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে?
  1. ক) ম্যাগনেটিক মেমরি
  2. খ) প্রধান মেমরি
  3. গ) সহায়ক মেমরি
  4. ঘ) কোর মেমরি
ব্যাখ্যা
প্রধান/ প্রাইমারি মেমরি: 
- প্রোসেসরের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে।
- RAM প্রধান মেমরি হিসাবে কাজ করে।
- তথ্য় স্থায়ী ভাবে সংরক্ষণ করা যায় না।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৮৪০.
What is the role of registers in a CPU?
  1. To perform arithmetic operations
  2. To store instructions and data temporarily
  3. To manage input/output operations
  4. To connect to external devices
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) To store instructions and data temporarily

প্রসেসর বা CPU-এর সংগঠন

CPU-এর প্রধান অংশ:
CPU প্রধানত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত:
- নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit)
- অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (ALU) / গাণিতিক যুক্তি অংশ
- রেজিস্টার বা মেমোরি (Registers/Memory)

নিয়ন্ত্রণ অংশ:
- কম্পিউটারে সম্পাদিত সমস্ত কাজের নিয়ন্ত্রণ পরিচালনা করে।
- CPU, মেমোরি এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে ডেটার প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
- কন্ট্রোল ইউনিট ROM ও RAM-এ সংরক্ষিত নির্দেশ অনুসারে কম্পিউটারের অন্যান্য অংশকে আদেশ দেয়।
- বাইনারি কোডের নির্দেশনা স্মৃতি থেকে গ্রহণ করে এবং সেগুলোকে ডিকোড করে।

অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (ALU) / গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি সম্পন্ন হয়।
- একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার থাকে, যা পূর্ববর্তী নির্দেশনার ঠিকানা ধারণ করে।
- কোন নির্দেশনা কখন সম্পাদিত হবে তা এই ঠিকানা থেকে জানা যায়।

রেজিস্টার বা মেমোরি / স্মৃতি:
- রেজিস্টার CPU-এর অংশ, যা দ্রুত লেখা ও পড়া সম্ভব।
- ALU-তে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের সময় রেজিস্টার সহায়তা করে।
- কোনো কাজ সম্পাদনের সময় সাময়িকভাবে ডেটা সংরক্ষণের জন্য রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফলাফলও সাময়িকভাবে এখানে সংরক্ষিত থাকে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৮৪১.
কোনটি নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার?
  1. ক) Line Printer
  2. খ) Laser Printer
  3. গ) Serial Printer
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার (Non-Impact Printer): 
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে সাধারণত স্পর্শ করে না তাদেরকে নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি বেশি থাকে। 
- নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন:
১. লেজার প্রিন্টার (Laser Printer),
২. ইংকজেট প্রিন্টার (Ink-Jet Printer),
৩. থার্মাল প্রিন্টার (Thirmal Printer), 
৪. স্থির বা স্থিতি বৈদ্যুতিক প্রিন্টার (Electrostatic Printer); ইত্যাদি।

লেজার প্রিন্টার (Laser Printer):
- প্রিন্টিংয়ের গুণগত মানের দিক থেকে লেজার প্রিন্টার হচ্ছে সবচেয়ে ভালো প্রিন্টার।
- যদিও নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারের মধ্যে সবচেয়ে দামি প্রিন্টার। কিন্তু এ ধরনের প্রিন্টারের মাধ্যমে দ্রুততিতে ও সবচেয়ে সুন্দরতম লেখা ছাপানো যায়।
- তবে লেজার প্রিন্টার লেজার (LASER - Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation) রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ফুটিয়ে তোলে। 

ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার (Impact Printer):
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে স্পর্শ করে তাদেরকে সংস্পর্শ বা ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি কম থাকে। 
- ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. লাইন প্রিন্টার (Line Printer) ও
২. অক্ষর প্রিন্টার বা সিরিয়াল (Serial Printer)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৪২.
কোনটি দ্বারা নিউমেরিক কীপ্যাড এর অধিকাংশ কী দ্বৈত কাজে ব্যবহার করা যায়?
  1. ক) Tab
  2. খ) Num Lock
  3. গ) ctrl + shift
  4. ঘ) Caps Lock
ব্যাখ্যা
- কীবোর্ডের ডান দিকে অবস্থিত ক্যালকুলেটরের মতো ১৭ থেকে ১৮ টি  কীসম্বলিত অংশকে নিউমেরিক কী প্যাড বলা হয়।
- পরিসংখ্যান ও গণিত বিষয়ক কাজের জন্য নিউমেরিক কী প্যাড ব্যবহার সুবিধাজনক।
- নিউমেরিক কী প্যাডের উপরের বাম পাশে অবস্থিত Num Lock লেখাযুক্ত কী-টি অফ ও অন করে নিউমেরিক কীপ্যাড অধিকাংশ কী দ্বৈত কাজে ব্যবহার করা যায়।
- অর্থাৎ Num Lock কী অন করে রাখলে গাণিতিক ফাংশনগুলো কাজ করে, আবার Num Lock কী বন্ধ থাকলে নিউমেরিক কীসমূহের নিচে যা লেখা রয়েছে সেগুলো কাজ করবে।
- যেমন, 7 লেখা কী-টির নিচে Home লেখা রয়েছে। Num Lock কী চালু থাকলে এটি চাপলে 7 লেখা হবে। আবার Num Lock কী বন্ধ থাকলে এটি চাপলে কার্সর লাইনের শেষে স্থানান্তরিত হবে।

উৎস : মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ – বি এড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮৪৩.
নিচের কোনটি একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করেনা?
  1. টাচস্ক্রিন
  2. পেনড্রাইভ
  3. ডিভিডি
  4. মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
- তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট পেরিফেরালস,
২. আউটপুট পেরিফেরালস এবং
৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরালস।

১. ইনপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল।
- যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ, টাচস্ক্রিন ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৪৪.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতি?
  1. ক) রম
  2. খ) ফ্লপি ডিস্ক
  3. গ) হার্ড ডিস্ক
  4. ঘ) চৌম্বক ড্রাম
ব্যাখ্যা
চুম্বকীয় কোর স্মৃতি (Magnetic Core Memory):
- কম্পিউটার উদ্ভাবনের প্রথম দিকে চুম্বকীয় কোর স্মৃতিই ছিল একমাত্র প্রধান স্মৃতি।
- কম্পিউটারের প্রধান মেমরি ২ ভাগে বিভক্ত - র‍্যাম ও রম।
- প্রধান মেমরি গুলো হচ্ছে - চুম্বকীয় কোর স্মৃতি, চুম্বকীয় বুদবুদ স্মৃতি (Magnetic Bubble Memory), অর্ধপরিবাহী স্মৃতি, পাতলা পর্দা স্মৃতি, চার্জ কাপল স্মৃতি ইত্যাদি।

- অন্যদিকে, কম্পিউটারের সহায়ক স্মৃতিগুলো হচ্ছে - ফ্লপি ডিস্ক, হার্ড ডিস্ক, কম্প্যাক্ট ডিস্ক, চৌম্বক ফিতা, চৌম্বক ড্রাম ইত্যাদি।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
৮৪৫.
CPU-র রেজিস্টার বলতে কী বোঝায়?
  1. মেমোরি কার্ডের একটি ধরন
  2. CPU-এর বাইরে একটি তথ্য সংরক্ষণের জায়গা
  3. CPU-এর ভেতরে দ্রুত কাজ করা ছোট স্টোরেজ
  4. সফটওয়্যার প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা

• উত্তর: গ) CPU-এর ভেতরে দ্রুত কাজ করা ছোট স্টোরেজ।

CPU-এর রেজিস্টার হলো মাইক্রোপ্রসেসরের ভেতরে থাকা অত্যন্ত দ্রুত এবং ছোট আকারের ডেটা স্টোরেজ ইউনিট। এগুলো প্রধানত তথ্য ও নির্দেশনা সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়, যাতে CPU দ্রুত গণনা ও প্রসেসিং করতে পারে। রেজিস্টার মেমোরির তুলনায় অনেক দ্রুত, কারণ এগুলো সরাসরি প্রসেসরের অংশ। বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার থাকে, যেমন সাধারণ উদ্দেশ্যের রেজিস্টার, অ্যাকিউমুলেটর, স্ট্যাক পয়েন্টার, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার ইত্যাদি। রেজিস্টার ডেটা লোড, সংরক্ষণ এবং অংক কষার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর ব্যবহার CPU-কে কার্যকর ও দ্রুতগতিতে কাজ করতে সহায়তা করে।

• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট (Bit) তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-bit রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-bit তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ ছাড়াও রেজিস্টারে কম্বিনেশনাল গেইট থাকতে পারে যা কোন ডাটা প্রসেসিংয়ের কাজ করতে পারে।

- রেজিস্টারে ডাটার স্থানান্তর তিনভাবে হতে পারে। যথা-
১. প্যারালাল স্থানান্তর,
২. সিরিয়াল স্থানান্তর ও
৩. মিশ্রভাবে স্থানান্তর।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৪৬.
Flash Memory কোন প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. Punch Card
  2. Magnetic
  3. Optical
  4. EEPROM
ব্যাখ্যা

• Flash memory মূলত EEPROM (Electrically Erasable Programmable Read-Only Memory) প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে কাজ করে। এটি একটি ধরনের অস্থায়ী না হওয়া মেমরি যা বৈদ্যুতিক সংকেত ব্যবহার করে তথ্য সংরক্ষণ এবং মুছে ফেলার কাজ করতে পারে। অন্য প্রযুক্তিগুলোর সাথে তুলনা করলে, যেমন পাঞ্চ কার্ড, ম্যাগনেটিক বা অপটিক্যাল মিডিয়া, এগুলোতে তথ্য সংরক্ষণ প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় বা বৈদ্যুতিকভাবে মুছা সম্ভব নয়। Flash memory এর সুবিধা হলো দ্রুত পড়া এবং লেখা সম্ভব এবং এটি বহুল ব্যবহৃত হয় USB drives, SSD এবং স্মার্টফোনের স্টোরেজে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) EEPROM.

EEPROM:
- EEPROM-এর পূর্ণরূপ হলো "Electrically Erasable Programmable Read-Only Memory"।
- EEPROM-এ তথ্য মুছতে EPROM-এর তুলনায় অনেক কম সময় লাগে।
- EPROM-এর একটি অসুবিধা ছিল যে এতে সংরক্ষিত তথ্য মুছতে অনেক সময় লাগতো, প্রায় আধা ঘণ্টা। এছাড়া, আংশিকভাবে তথ্য মুছা সম্ভব ছিল না। এই অসুবিধা দূর করার জন্য EEPROM ব্যবহার করা হয়।
- EEPROM-এ আংশিক বা সম্পূর্ণ ডেটা মুছে ফেলা সম্ভব। তবে, এটি করার জন্য EEPROM কে সার্কিট থেকে খুলতে হয় না। প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ প্রবাহ চালিয়ে তথ্য মুছে ফেলা যায় এবং নতুন তথ্য সংযোজন করা যায়।
- ফ্ল্যাশ মেমরি হলো এক ধরণের EEPROM (Electronically Erasable Programmable Read-Only Memory).

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।

৮৪৭.
নিচের কোনটি আউটপুট ডিভাইস?
  1. Scanner
  2. Keyboard
  3. Printer
  4. Mouse
ব্যাখ্যা

পেরিফেরাল ডিভাইসসমূহ:
• ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো - 
- Keyboard,
- Mouse,
- Trackball,
- Joystick,
- Touch Screen,
- Barcode Reader,
- Point-of-sale,
- OMR,
- OCR,
- Scanner,
- Digitizer,
- Lightpen,
- Graphics pad,
- Digital Camera ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
- Monitor,
- Printer,
- Plotter,
- Speaker,
- Multimedia
- Projector,
- Image setter,
- Film Recorder,
- Headphone ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
- Hard Disk,
- CD/DVD, 
- Touch screen,
- Pendrive, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৪৮.
কম্পিউটারের কোন অংশটি arithmetic ও logical operations সম্পাদন করে?
  1. HDD
  2. CU
  3. ALU
  4. RAM
ব্যাখ্যা

◉ কম্পিউটারের ALU (Arithmetic Logic Unit) অংশটি arithmetic (গাণিতিক) এবং logical (যৌক্তিক) operations সম্পাদন করে। এটি CPU (Central Processing Unit)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

গাণিতিক যুক্তি অংশ (ALU):
- ALU এর পূর্ণরূপ হলো Arithmetic Logic Unit.
- নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা ALU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি।
- কোনো রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদান করে থাকে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত রাখে।
- বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর প্রয়োজনে একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহৃত হয়।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
RAM (Random Access Memory): এটি কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরি, যা ডেটা এবং প্রোগ্রাম সংরক্ষণ করে যখন কম্পিউটার চালু থাকে। 
CU (Control Unit): এটি CPU-এর আরেকটি অংশ, যা নির্দেশাবলী নিয়ন্ত্রণ করে এবং ALU-কে নির্দেশ দেয় কী করতে হবে। 
HDD (Hard Disk Drive): এটি কম্পিউটারের স্থায়ী স্টোরেজ ডিভাইস, যা ডেটা এবং প্রোগ্রাম সংরক্ষণ করে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৮৪৯.
"বার কোড রিডার" - কী ধরনের ডিভাইস?
  1. আউটপুট ডিভাইস
  2. ইনপুট ডিভাইস
  3. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে প্রক্রিয়ারণে বিভিন্ন ধরনের ডাটা গ্রহন করে। কম্পিউটার প্রক্রিয়ারণের কাজে ডাটা প্রদানে নিয়োজিত হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট ডিভাইস।
- কম্পিউটার সিস্টেমে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট ডিভাইস ব্যবহৃত হয়।

• উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইসসমূহ হলো:
- কী-বোর্ড,
- মাউস,
- ট্যাকবল,
- জয়স্টিক,
- বার কোড রিডার,
- পয়েন্ট অফ সেল,
- ওএমআর,
- স্ক্যানার,
- ডিজিটাইজার,
- লাইটপেন ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৫০.
কোন এককের মাধ্যমে প্রিন্টারের রেজোলিউশন মাপা হয়?
  1. বাইট
  2. ডিপিআই
  3. হার্জ
  4. বিট
ব্যাখ্যা
• প্রিন্টারের রেজোলিউশন পরিমাপ করা হয় ডিপিআই (DPI) এককের মাধ্যমে। 

• প্রিন্টার:
- যে যন্ত্রের সাহায্যে কম্পিউটার হতে কোনো লেখা, ছবি ইত্যাদি কাগজের ওপরে ছেপে বের করা হয়, তাকে প্রিন্টার (Printer) বলা হয়।

• প্রিন্টারের রেজোলিউশন বোঝায়, প্রিন্টারের প্রতি ইঞ্চিতে কতগুলো ডট (বিন্দু) ছাপাতে পারে- অর্থাৎ এটি প্রিন্টের সূক্ষ্মতা ও মান নির্ধারণ করে।

• DPI (Dots Per Inch):
- DPI হলো প্রিন্টারের রেজোলিউশন পরিমাপের একক।
- উদাহরণ: একটি প্রিন্টারের রেজোলিউশন যদি 600 DPI হয়, তাহলে প্রিন্টারটি প্রতি ইঞ্চিতে 600 ডট প্রিন্ট করতে পারে।
- উচ্চ DPI এর মান যত বেশী হবে প্রিন্টারের প্রিন্টের মান তত ভালো হবে।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- লিংক
৮৫১.
VCR কোন ধরনের ডিভাইস?
  1. ক) ইনপুট
  2. খ) আউটপুট
  3. গ) ইনপুট-আউটপুট উভয়ই
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

VCR: Short for a video cassette recorder, the VCR was first released by Philips in 1970.
It is a recording and playback device used with TV. It allows someone to play a VHS tape or record a TV show to a VHS tape. Today, although VCRs are still around, most consumers have replaced their VCRs with DVD and DVR players.
Source: Computerhope

যেহেতু, রেকর্ড করা এবং টিভিতে দেখানো দুইটার জন্যই ব্যবহৃত হতো তাই এটা ইনপুট এবং আউটপুট দুইটাই করে।

৮৫২.
প্রিন্টারের DPI কী নির্দেশ করে?
  1. রঙের গভীরতা
  2. প্রিন্টারের গতি
  3. প্রতি ইঞ্চিতে ডট বা বিন্দুর সংখ্যা
  4. প্রিন্টারের পেপার সাইজ
ব্যাখ্যা

প্রিন্টারের DPI হলো ডটস পার ইঞ্চ (Dots Per Inch)। অর্থাৎ, প্রতি ইঞ্চিতে প্রিন্টারের ডট বা বিন্দুর সংখ্যা।

• পিক্সেল:
- একটি ইমেজের ডট পার ইঞ্চিকে পিক্সেল বলে (DPI)।
- অর্থাৎ সহজভাবে বলতে গেলে পিক্সেল হলো একটি ইমেজের ক্ষুদ্রতম অংশ।
- কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
- পিক্সেল হচ্ছে ডেটা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত মাধ্যমের (মনিটরের পর্দা) ক্ষুদ্রতম এলাকা, যার বর্ণ ও উজ্জ্বলতা স্বতন্ত্রভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- DPI দ্বারা নির্দেশ করা হয় প্রতি ইঞ্চিতে কতগুলি ডট (বিন্দু) প্রিন্ট করা যায়।
- যত বেশি DPI, তত বেশি শার্প এবং ডিটেইলযুক্ত প্রিন্ট আউটপুট পাওয়া যায়।
- উদাহরণস্বরূপ, 300 DPI মানে প্রতি ইঞ্চিতে 300টি ডট প্রিন্ট করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৫৩.
Which component is primarily responsible for a computer's boot time?
  1. GPU
  2. SSD 
  3. RAM
  4. Power Supply
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) SSD 
SSD (Solid State Drive) হলো সেই উপাদান যা বুট সময়কে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে, কারণ এর ডেটা অ্যাক্সেসের গতি দ্রুত।

Solid-State Device (SSD):
- SSD হলো একটি ধরনের সলিড-স্টেট ডিভাইস, যা হার্ড ডিস্কের মতো যান্ত্রিক অংশ ব্যবহার না করে তথ্য ইলেকট্রনিকভাবে সংরক্ষণ করে।
- সলিড-স্টেট ডিভাইস এমন একটি যন্ত্র, যেখানে শক্ত সেমিকন্ডাক্টরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ পরিবাহিত হয়; ট্রানজিস্টর হলো এর প্রধান উপাদান। এটি আধুনিক ইলেকট্রনিক্সের মূল ভিত্তি।
- SSD-তে ব্যবহৃত ফ্ল্যাশ মেমোরি চিপ ডেটা দ্রুত পড়তে ও লিখতে সক্ষম, ফলে কম্পিউটার দ্রুত অন এবং অফ করা যায়।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার দ্রুত চালু হয় এবং কার্যক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।
- ২১শ শতকের শুরু থেকেই পারফরম্যান্স বাড়ানোর উদ্দেশ্যে অনেক ল্যাপটপ ও কম্পিউটারে SSD ব্যবহার শুরু হয়েছে।

উৎস: ১। শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৮৫৪.
LASER এর পূর্ণরূপ কি?
  1. Light Analysis by Stimulated Emission of Radiation
  2. Light Amplification Standard Emission of Reduction
  3. Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation
  4. Light Analysis by Single Emission of Radiation
ব্যাখ্যা
• লেজার প্রিন্টার (Laser Printer):
- LASER এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation.
- প্রিন্টিংয়ের গুণগত মানের দিক থেকে লেজার প্রিন্টার হচ্ছে সবচেয়ে ভালো প্রিন্টার।
- এ ধরনের প্রিন্টারের মাধ্যমে দ্রুত গতিতে ও সবচেয়ে সুন্দরতম লেখা ছাপানো যায়।
- তবে লেজার প্রিন্টার লেজার রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ফুটিয়ে তোলে।
- লেজার প্রিন্টারের প্রধান অংশগুলো হলো লেজার হেড, ড্রাম ইউনিট ও টোনার কার্টিজ।
- ড্রাম ইউনিট আলোক সংবেদনশীল উপাদান দ্বারা তৈরি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৫৫.
SSD এবং HDD এর মধ্যে মূল পার্থক্য কী?
  1. SSD-তে মুভিং পার্ট নেই, কিন্তু HDD-তে আছে
  2. SSD শুধু বুট ড্রাইভ হিসেবে ব্যবহার করা যায়
  3. HDD-র ডাটা ট্রান্সফার রেট SSD-র চেয়ে বেশি
  4. SSD-তে ম্যাগনেটিক ডিস্ক বেশি থাকে
ব্যাখ্যা

◉ SSD (Solid State Drive) এবং HDD (Hard Disk Drive) এর মধ্যে প্রধান পার্থক্য হল যে SSD-এর কোনো মুভিং পার্ট নেই, এটি ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহার করে, ফলে এটি দ্রুত এবং টেকসই হয়।

SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।
- HDD-তে ম্যাগনেটিক ডিস্ক ও স্পিনিং প্ল্যাটার থাকে, যা মেকানিক্যাল মুভমেন্টের মাধ্যমে ডাটা read ও write করে, ফলে এটি তুলনামূলকভাবে ধীরগতি সম্পন্ন।
- SSD-এর ডাটা ট্রান্সফার স্পিড HDD-এর চেয়ে অনেক বেশি, তাই অপারেটিং সিস্টেম চালানোর জন্য এটি অধিক কার্যকর।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Amazon Web Services (AWS) ওয়েবসাইট। 

৮৫৬.
কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি কোনটি?
  1. হার্ডডিস্ক
  2. পেনড্রাইভ
  3. ফ্লপি ডিস্ক
  4. র‍্যাম
ব্যাখ্যা

RAM (Random Access Memory) হলো কম্পিউটারের প্রধান বা প্রাথমিক মেমোরি।

• মেমোরি বা স্মৃতি ইউনিট:
- কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য কম্পিউটারে যে সমস্ত উপাত্ত বা নির্দেশাবলী ইনপুট ডিভাইসের সাহায্যে দেওয়া হয়, তা কম্পিউটারের স্মৃতি ইউনিটে জমা হয়।
- কম্পিউটারে সাধারণত প্রধান এবং সহায়ক স্মৃতি ইউনিট বিদ্যমান।
- প্রধান বা প্রাইমারি মেমোরিতে প্রোগ্রাম, নির্দেশনা এবং ফলাফল নির্বাহের সময় অস্থায়ী ফলাফল সংরক্ষিত থাকে।
- সহায়ক মেমোরি তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- র‍্যাম হলো প্রধান বা প্রাইমারি মেমোরি।
- হার্ডডিস্ক, ফ্লপি ডিস্ক, পেনড্রাইভ হলো সহায়ক বা সেকেন্ডারি মেমোরি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৮৫৭.
কোন স্লটের মাধ্যমে মাদারবোর্ডে গ্রাফিক্স কার্ড ইনস্টল করা হয়?
  1. PCIe
  2. USB
  3. SATA
  4. DIMM
ব্যাখ্যা

• গ্রাফিক্স কার্ড মাদারবোর্ডে ইনস্টল করার জন্য ব্যবহৃত হয় PCIe (Peripheral Component Interconnect Express) স্লট। এটি একটি উচ্চগতির এক্সপ্যানশন স্লট যা বিশেষভাবে গ্রাফিক্স কার্ড, সাউন্ড কার্ড বা অন্যান্য এক্সপ্যানশন কার্ড সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। PCIe স্লটের গতি ও ব্যান্ডউইথ অন্যান্য সংযোগ পোর্টের তুলনায় অনেক বেশি, যা গ্রাফিক্স কার্ডকে দ্রুত ডেটা প্রসেস করতে সহায়তা করে। অন্যদিকে USB সাধারণত বাহ্যিক ডিভাইস সংযোগের জন্য, SATA স্টোরেজ ড্রাইভ যুক্ত করার জন্য এবং DIMM র‍্যাম ইনস্টল করার জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) PCIe.

• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভেতরে অবস্থিত সার্কিট বোর্ড যাতে সিস্টেম এর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযুক্ত করার ব্যাবস্থা থাকে। 
- মাদারবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হলো: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি। 
- মাদারবোর্ডকে প্রায়ই কম্পিউটার এর “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সবকিছুকে একত্রে ধরে রাখে ও সংযোগ দেয়।

• অবস্থান ও আকার:
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেসের (casing) ভেতরে সবচেয়ে বড় বোর্ড।
- একটি টাওয়ার কম্পিউটারে এটি উল্লম্বভাবে বাম বা ডান পাশে বসানো থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের মাদারবোর্ড বিভিন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে।

• গঠন ও উপাদান:
- ভিত্তি (Base): শক্ত, non-conductive (বিদ্যুৎ না পরিবাহিত) প্লাস্টিকের শীট।
- ট্রেস (Traces): পাতলা কপার বা অ্যালুমিনিয়ামের রেখা, যা সার্কিট গঠন করে।
- স্লট ও সকেট:
  • CPU (Central Processing Unit),
  • RAM (Random Access Memory),
  • Expansion Cards (যেমন: গ্রাফিক্স কার্ড)।
- পোর্ট ও সংযোগ: হার্ডড্রাইভ, ডিস্কড্রাইভ, ফ্রন্ট প্যানেল, মনিটর, কীবোর্ড, মাউসের সঙ্গে সংযোগ।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
২। ব্রিটানিকা।

৮৫৮.
4004 কত বিটের প্রসেসর?
  1. ক) 4
  2. খ) 6
  3. গ) 8
  4. ঘ) 16
ব্যাখ্যা
- ৪০০৪, ৪০৪০ হল ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০০৮, ৮০৮০ হল ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৮৬, ৮০৮৮, ৮০১৮৬ হল ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৩৮৬, ৮০৪৮৬ হল ৩২ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium হল ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
৮৫৯.
কম্পিউটার ব্রেইন হলো-
  1. মেমোরি
  2. হার্ডডিস্ক
  3. উইন্ডোজ
  4. মাইক্রোপ্রসেসর
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
- বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যেমন: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
- এটি ছিলো Intel 4004 নামের 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৬০.
What technology is used for flat panel displays?
  1. ক) Solid state
  2. খ) RBG monitor
  3. গ) VLSI
  4. ঘ) Direct view storage tube
ব্যাখ্যা

Solid-state display technology : refers to electronic components, devices, and systems based entirely on the semiconductor.
Integrated circuit (IC), the light-emitting diode (LED), and liquid-crystal display (LCD) are examples of solid-state devices.

৮৬১.
নিচের কোনটি L1 ক্যাশ (L1 Cache) মেমোরির বৈশিষ্ট্য? 
  1. প্রসেসরের সবচেয়ে নিকটবর্তী এবং দ্রুততম ক্যাশ মেমরি স্তর
  2. এটি মাদারবোর্ডে প্রসেসর থেকে দূরে অবস্থান করে
  3. এর ধারণক্ষমতা L3 ক্যাশ অপেক্ষা অনেক বেশি
  4. এটি একটি স্থায়ী বা নন-ভোলাটাইল মেমরি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) প্রসেসরের সবচেয়ে নিকটবর্তী এবং দ্রুততম ক্যাশ মেমরি স্তর।
• L1 Cache বা লেভেল ১ ক্যাশ সরাসরি প্রসেসর চিপের ভেতরে প্রতিটি কোরের সাথে সংযুক্ত থাকে। এটি প্রসেসরের ক্লক স্পিডের সমান গতিতে কাজ করতে পারে, যা একে কম্পিউটারের দ্রুততম মেমরি স্তরে (রেজিস্টারের পরেই) পরিণত করেছে। প্রসেসরের সবচেয়ে কাছে থাকায় এটি অত্যন্ত দ্রুত গতিতে ডাটা সরবরাহ করে।

• Cache Memory:
- Cache Memory হলো একটি অত্যন্ত দ্রুতগতির বিশেষ ধরণের স্মৃতি, যা CPU বা প্রসেসরের খুব কাছে অবস্থান করে।
- এটি প্রধানত সেই ডেটা ও নির্দেশনা সংরক্ষণ করে, যেগুলো প্রসেসর বারবার ব্যবহার করে বা অতি দ্রুত অ্যাক্সেসের প্রয়োজন হয়।

• Cache Memory কেন প্রয়োজনতা:
- প্রসেসরের কাজের গতি অনেক বেশি, কিন্তু RAM বা Main Memory তুলনামূলক ধীর।
- প্রসেসর যখন RAM থেকে ডেটা আনতে চায়, তখন সময় বেশি লাগে। এই ব্যবধান কমাতে Cache Memory ব্যবহার করা হয়।
- Cache Memory প্রসেসর ও মূল স্মৃতির মধ্যে একটি উচ্চ গতির সেতু (Buffer Layer) হিসেবে কাজ করে। ফলে প্রয়োজনীয় ডেটা প্রসেসর খুব দ্রুত পায় এবং সিস্টেমের সামগ্রিক কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পায়।

• Cache Memory ব্যবহারের উদ্দেশ্য ও সুবিধা:
- প্রসেসর অপেক্ষার সময় কমানো: RAM থেকে ডেটা আনতে যে বিলম্ব হয়, Cache সেই বিলম্ব দূর করে।
- গতি বৃদ্ধি: Cache থেকে ডেটা অ্যাক্সেস করা RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুত, ফলে CPU-এর কার্যক্ষমতা বাড়ে।
- প্রায়শই ব্যবহৃত ডেটা সংরক্ষণ: CPU যে নির্দেশ বা ডেটা বারবার ব্যবহার করে, তা Cache Memory-তে রাখা হয়।
- Latency কমানো: ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে, যা সিস্টেমের Response Time উন্নত করে।
 
• Cache Memory এর স্তরসমূহ (L1, L2, L3):
- L1 Cache: সবচেয়ে ছোট কিন্তু সবচেয়ে দ্রুত, সরাসরি CPU কোরের সাথে সংযুক্ত।
- L2 Cache: L1-এর তুলনায় বড়, গতি কিছুটা কম, কিন্তু এখনো RAM এর চেয়ে দ্রুত।
- L3 Cache: বহু কোরের জন্য শেয়ারড, বড় এবং অপেক্ষাকৃত ধীর কিন্তু RAM এর চেয়ে দ্রুত।
- এই স্তরগুলো মিলে CPU-এর প্রয়োজনীয় ডেটা দ্রুত পৌঁছে দেয়।

উৎস: 
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- ব্রিটানিকা।

৮৬২.
প্রিন্টারের গতি পরিমাপ করা হয় কোন এককে?
  1. Hrtz
  2. DPI
  3. PPM
  4. Pixel
ব্যাখ্যা
• লেজার প্রিন্টার: 
- লেজার প্রিন্টার একটি নন-ইমপেক্ট প্রিন্টার। 
- এ লেজার প্রিন্টিং প্রযুক্তির মূলে রয়েছে আলোক পরিবাহী পদার্থ বা আলোর উপস্থিতিতে বিদ্যুৎ সুপরিবাহী এবং আলোর অনুপস্থিতিতে বিদ্যুৎ কুপরিবাহী। 
- লেজার প্রিন্টারে লেজার রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ছাপানো হয়। 
- লেজার প্রিন্টার উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে। 
- লেজার প্রিন্টারে ছাপা উন্নতমানের হয়। 
- লেজার প্রিন্টারে ছাপার খরচ অনেক বেশি হয় অন্যান্য প্রিন্টারের তুলনায়। 
- লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন, স্পিড অন্যান্য প্রিন্টারের চেয়ে বেশি। 
- প্রিন্টারের রেজুলেশন DPI এবং গতি PPM (Pages per minute) এ পরিমাপ করা হয়। 
- বর্তমানে একটি লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন ১২০০ DPI এবং গতি ২৪ PPM. 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
৮৬৩.
ভার্চুয়াল মেমরির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার কোনটি?
  1. হার্ড ডিস্ক
  2. GPU
  3. নেটওয়ার্ক কার্ড
  4. পাওয়ার সাপ্লাই
ব্যাখ্যা

•  ভার্চুয়াল মেমরি হলো একটি প্রযুক্তি যা কম্পিউটারকে তার মূল মেমরি (RAM) এর সীমা ছাড়িয়ে প্রোগ্রাম চালানোর ক্ষমতা দেয়। যখন RAM পর্যাপ্ত থাকে না, তখন অপারেটিং সিস্টেম অপ্রয়োজনীয় ডেটা বা প্রোগ্রাম অংশকে হার্ড ডিস্কে সংরক্ষণ করে, যা “পেজ ফাইল” বা “সাপারফ্লো স্পেস” হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কম্পিউটার RAM-এর চেয়ে বড় প্রোগ্রামও চালাতে সক্ষম হয়। তাই ভার্চুয়াল মেমরির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার হলো হার্ড ডিস্ক, কারণ এটি RAM-এর অতিরিক্ত স্থান সরবরাহ করে এবং ডেটা আয়ত্তে রাখে।
- অন্য হার্ডওয়্যার যেমন GPU, নেটওয়ার্ক কার্ড বা পাওয়ার সাপ্লাই সরাসরি ভার্চুয়াল মেমরির কাজের সঙ্গে জড়িত নয়।

 
ভার্চুয়াল মেমরি: 
- ভার্চুয়াল মেমরি (Virtual Memory) হলো কম্পিউটার সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা প্রধান মেমরির (RAM) সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে হার্ড ড্রাইভের একটি অংশকে অস্থায়ীভাবে RAM হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যাতে একসাথে আরও বেশি প্রোগ্রাম চালানো যায়।
- অপারেটিং সিস্টেম নিজেই ঠিক করে কোন অংশ RAM-এ থাকবে আর কোন অংশ হার্ড ড্রাইভে যাবে।
- যখন RAM পূর্ণ হয়ে যায়, তখন কম ব্যবহার হওয়া ডেটাগুলো হার্ড ড্রাইভের একটি নির্দিষ্ট অংশে (page file/swap space) পাঠানো হয়।
- প্রয়োজনে আবার সেই ডেটা RAM-এ ফিরিয়ে আনা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি ব্যবহারকারীর অজান্তেই ঘটে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বিভিন্ন টেক ওয়েবসাইট। 

৮৬৪.
সিস্টেম ইউনিট থেকে দূরবর্তী ডিভাইসসমূহ সংযোগের জন্য সাধারণত কোন ধরনের পোর্ট ব্যবহৃত হয়?
  1. সিরিয়াল পোর্ট
  2. ল্যান পোর্ট
  3. প্যারালাল পোর্ট
  4. ভিজিএ পোর্ট
ব্যাখ্যা
• পোর্ট:
- কম্পিউটারের পোর্ট হলো এক ধরনের পয়েন্ট বা সংযোগ মুখ।
- কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিটের মাদারবোর্ডের সাথে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট, আউটপুট কিংবা কমিউনিকেশন হার্ডওয়্যারের সাথে যুক্ত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সংযোগ পয়েন্ট থাকে। এ ধরনের সংযোগ পয়েন্টকে বলা হয় পোর্ট।

• সিরিয়াল পোর্ট:
- মাদারবোর্ডে ব্যবহৃত সিরিয়াল পোর্টে ৯টি পিন থাকে।
- COM পোর্টকে সিরিয়াল পোর্ট বা RS-232 পোর্টও বলা যায়।
- RS-232 বা সিরিয়াল পোর্টের মাধ্যমে ডেটা পর্যায়ক্রমে এক বিট করে স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত সিস্টেম ইউনিট থেকে দূরবর্তী ডিভাইসসমূহ সংযোগের জন্য এ ধরনের পোর্ট ব্যবহৃত হয়।
- মডেম, মাউস, কী-বোর্ড ইত্যাদি হার্ডওয়্যারে এই ধরনের পোর্টের সাথে যুক্ত থাকে।
- মাদারবোর্ডে ৯ পিনবিশিষ্ট COM1 এবং COM2 নামে দুটি সিরিয়াল পোর্ট থাকে।

• প্যারালাল পোর্ট:
- প্যারালাল পোর্টের মাধ্যমে একসঙ্গে একাধিক বিট স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত প্যারালাল পোর্ট ২৫ পিন বিশিষ্ট হয়।
- এ ধরনের পোর্টে তথ্য সমান্তরালভাবে আদান-প্রদান করা হয়।
- প্রিন্টার, স্ক্যানার, অপটিক্যাল ড্রাইভ ইত্যাদি ডিভাইস এ ধরনের পোর্টে যুক্ত করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৬৫.
OCR সফটওয়্যার বিটম্যাপ ইমেজকে কোন ফরম্যাটে রূপান্তর করে?
  1. JPG file
  2. DOC
  3. ASCII text
  4. PDF
ব্যাখ্যা
OCR সফটওয়্যার বিটম্যাপ ইমেজকে কোন ফরম্যাটে রূপান্তর করে

OCR:

- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- OCR হলো একটি স্ক্যানিং ও তুলনামূলক প্রযুক্তি, যা প্রিন্ট করা লেখা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে পারে।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR এর কার্যপ্রনালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্ট বিট্র্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেস্কটে রুপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বাক বিশেষ ক্যারেকটার চিনতে পারে।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা
৮৬৬.
CD-ROM এ নিচের কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. Optical fibers
  2. Laser beams
  3. Magnetic beads
  4. Electronic guns
ব্যাখ্যা
CD-ROM একটি অপটিক্যাল মিডিয়া বা ডিস্ক যা একটি বিশেষ ধরনের সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস। এতে লেজার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
Optical storage, electronic storage medium that uses low-power laser beams to record and retrieve digital (binary) data.
In optical-storage technology, a laser beam encodes digital data onto an optical, or laser, disk in the form of tiny pits arranged in a spiral track on the disk’s surface. 

Source: Britannica, নবম-দশম শ্রেণীর (উন্মুক্ত বিশ্বঃ) কম্পিউটার ও আইসিটি বই।
৮৬৭.
রেজিস্টার-এর ব্যবহার কোনটি?
  1. অস্থায়ীভাবে ডেটা সঞ্চয় করতে ব্যবহৃত হয়।
  2. ক্যাশ মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  3. ক্যালকুলেটর ও ডিজিটাল ঘড়িতে ব্যবহৃত হয়।
  4. সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো কম্পিউটারের প্রসেসরের অভ্যন্তরে থাকা একটি উচ্চগতির বিশেষ ধরনের স্টোরেজ বা মেমোরি।
- এটি ডেটা প্রসেসিংয়ের আগে অস্থায়ীভাবে তথ্য সংরক্ষণ করে, যা প্রসেসরের কার্যক্ষমতাকে দ্রুততর করে।
- রেজিস্টার একগুচ্ছ ফ্লিপ-ফ্লপ এবং লজিক গেইটের সমন্বয়ে গঠিত একটি সার্কিট, যা অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে।
- একটি n-বিট রেজিস্টার-এ n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে এবং এটি n-বিট বাইনারি তথ্য সংরক্ষণ করতে সক্ষম।
- রেজিস্টার হলো CPU-এর অভ্যন্তরে থাকা প্রথম মেমোরি ডিভাইস, যা প্রসেসিং-এর সময় দ্রুত ডেটা সঞ্চয় ও পুনরুদ্ধার করতে সহায়তা করে।
- সরল এবং সাধারণ রেজিস্টারগুলো শুধুমাত্র ফ্লিপ-ফ্লপ সার্কিট দ্বারা তৈরি হয় এবং ক্লক পালস দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

• গঠন অনুসারে রেজিস্টার দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা:
১. প্যারালাল লোড রেজিস্টার এবং
২. শিফট রেজিস্টার।

• রেজিস্টার-এর ব্যবহার:
১. অস্থায়ীভাবে ডেটা সঞ্চয় করতে ব্যবহৃত হয়।
২. ক্যাশ মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. বিভিন্ন ধরনের প্রিন্টার ও কী-বোর্ড বাফারে ব্যবহৃত হয়।
৪. ক্যালকুলেটর ও ডিজিটাল ঘড়িতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৬৮.
when you start your computer then which component works first?
  1. BIOS
  2. Hard Disk
  3. Processor
  4. RAM
ব্যাখ্যা
BIOS: 
- Basic Input/Output System. 
- BIOS হচ্ছে একটি program, যা Processor এর মধ্যে থাকে। 

• কম্পিউটার চালু করা হলে সর্বপ্রথম যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS. 
- কিন্তু, প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়েছে কোন component আগে কাজ শুরু করে। সেক্ষেত্রে Processor আগে কাজ শুরু করে। 
- কেননা BIOS যেহেতু Processor এর একটি অংশ, তাই BIOS চালু হতে হলে অবশ্যই Processor চালু হতে হবে। 
- কম্পিউটার চালু করা হলে Processor (CPU) আগে BIOS কে নির্দেশ দেয় সব কানেকশন ঠিক আছে কিনা চেক করার জন্য। [Link]
৮৬৯.
কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড বলা হয় কোনটিকে?
  1. হার্ড ডিস্কড্রাইভ
  2. সিস্টেম বোর্ড
  3. মনিটর
  4. প্রসেসর
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড: 
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়ার যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭০.
যে স্ক্রিন বা চিত্রের মাধ্যমে ডাটাবেজ রেকর্ড ইনপুট দেওয়া হয় বা আউটপুট পাওয়া যায় তাকে বলে-
  1. টাচস্ক্রিন
  2. লে আউট
  3. সর্টিং
  4. ইনডেক্স
ব্যাখ্যা
লে আউটঃযে স্ক্রীণ বা চিত্রের মাধ্যমে আমরা ইনপুট দেই বা আউটপুট পাই তাকে লে আউট বলে।
ডাটাবেজে তথ্যকে উপস্থাপনের জন্য যে পরিবেশ তৈরী করা হয়, তাকে লে আউট বলে।
লে আউট-এর মাধ্যমে তথ্যকে ইনপুট হিসাবে নিতে পারি বা আউটপুট হিসাবে পেতে পারি। প্রয়োজন অনুযায়ী তথ্য বের করতে সর্টিং-সার্চিং ব্যবহৃত হয়।
সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৮৭১.
সিরিয়াল পোর্ট কানেক্টরে কয়টি পিন থাকে?
  1. ক) ৬টি
  2. খ) ১৬টি
  3. গ) ৯টি
  4. ঘ) ১৮টি
ব্যাখ্যা
সিরিয়াল কমিউনিকেশনে ডিভাইস সংযোগ দেওয়ার পোর্টকে বলা হয় সিরিয়াল পোর্ট। এতে মোট ৯টি পিন থাকে। মডেম এবং মাউস সিরিয়াল কমিউনিকেশন ডিভাইস এর উদাহরণ।
৮৭২.
বিজয় কী-বোর্ডে ‘Shift+L’ চাপলে কম্পিউটারের স্ক্রিনে বাংলা কোন অক্ষরটি উঠবে?
  1. ক) ধ
  2. খ) ল
  3. গ) থ
  4. ঘ) শ
ব্যাখ্যা
বিজয় কী-বোর্ডে ‘Shift+L’ চাপলে কম্পিউটারের স্ক্রিনে বাংলা ‘ধ’ অক্ষরটি উঠবে।
৮৭৩.
​​কম্পিউটার পাওয়ার সিস্টেমে DC কে AC-তে রূপান্তর করার প্রক্রিয়াকে বলা হয় –
  1. Rectification
  2. Inversion
  3. Amplification
  4. Modulation
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) ইনভার্শন (Inversion)

​​কম্পিউটার পাওয়ার সিস্টেম
- কম্পিউটার পাওয়ার সিস্টেম কম্পিউটারকে স্থিতিশীল ও নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।
- এটি AC কে DC তে রূপান্তর করে কম্পিউটারকে ব্যবহারযোগ্য করে তোলে।

UPS (Uninterruptible Power Source)
- UPS হলো পাওয়ার সিস্টেমের উন্নত রূপ।
- এতে থাকে স্টোরেজ ব্যাটারি, rectifier, inverter ও control circuits।
- বিদ্যুৎ লাইনে ভোল্টেজ ওঠানামা করলে ব্যাটারি থেকে AC বিদ্যুৎ সরবরাহ হয়।

​ব্যাটারির ভূমিকা
- ব্যাটারি কম ভোল্টেজের DC উৎস।
- DC কে AC তে রূপান্তর (Inversion) করে transformer দ্বারা ভোল্টেজ বাড়ানো হয়।

Inversion ও ট্রানজিস্টরের ব্যবহার
- Inversion করা হয় high-power transistor দিয়ে।
- ট্রানজিস্টর switch-এর মতো কাজ করে এবং ৫০/৬০ Hz ফ্রিকোয়েন্সিতে AC তৈরি করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৮৭৪.
ইন্টারনেট ব্রাউজার বা উইন্ডোজ রিফ্রেশ (Refresh) করার জন্য কোন কী ব্যবহৃত হয়?
  1. F5
  2. F2
  3. F10
  4. F3
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) F5

- কীবোর্ডের ফাংশন কী হচ্ছে ১২টি।
• কীবোর্ডের ফাংশন কী এর কাজসমূহ: 
-F1 : সাহায্যকারী কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। F1 চাপলে প্রতিটি প্রোগ্রামের ‘হেল্প’ চলে আসবে।
-F2 : সাধারণত কোনো ফাইল বা ফোল্ডারের নাম বদলের (রিনেম) জন্য ব্যবহূত হয়।
-F3: এটি চাপলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজসহ অনেক প্রোগ্রামের সার্চ সুবিধা চালু হয়।
-F4 : Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা হয়। 
-F5 : মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি রিফ্রেশ করা হয় F5 চেপে। 
-F6 : এটা দিয়ে মাউস কার্সারকে ওয়েব ব্রাউজারের ঠিকানা লেখার জায়গায় (অ্যাড্রেসবার) নিয়ে যাওয়া যায়।
-F7 : ওয়ার্ডে লেখার বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয় এ কি চেপে।
-F8 : অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার সময় কাজে লাগে এই কী। 
-F9 : কোয়ার্ক এক্সপ্রেস ৫.০-এর মেজারমেন্ট টুলবার খোলা যায় এই কী দিয়ে।
-F10 : ওয়েব ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন করা হয় এ কী চেপে।
-F11: ওয়েব ব্রাউজার পর্দাজুড়ে দেখা যায় ।
-F12 : ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো খোলা হয় এ কী চেপে।

তথ্যসূত্র:
- Computer Hope Website [Link]
- Computer & ICT Cloud

৮৭৫.
নিচের কোনটি পয়েন্টিক ডিভাইস নয়?
  1. ক) মাউস
  2. খ) টাচ স্ক্রিন
  3. গ) OMR
  4. ঘ) লাইট পেন
ব্যাখ্যা
যে সব ডিভাইস পয়েন্টারকে মনিটরের যেকোন জায়গায় move করানো যায় তাদেরকে পয়েন্টিং ডিভাইস বলে। যেমনঃ মাউস, টাচ স্ক্রিন, লাইট পেন।
৮৭৬.
1 জেটাবাইট = কত?
  1. ক) 1024 পেটাবাইট
  2. খ) 1024 টেরাবাইট
  3. গ) 1024 এক্সাবাইট
  4. ঘ) 1024 মেটাবাইট
ব্যাখ্যা

সূত্রঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি - ১, নবম-দশম শ্রেণি (ভোকেশনাল)
৮৭৭.
কম্পিউটারের তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে -
  1. ক) মডেম
  2. খ) হার্ডডিস্ক
  3. গ) লজিক ইউনিট
  4. ঘ) গাণিতিক যুক্তি ইউনিট
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে হার্ডডিস্কে। 

- হার্ডডিক্স যা মূলত হার্ড ড্রাইভ বা ফিক্স ড্রাইভ নামেও পরিচিত।
- যার প্রধান কাজ হল ডাটা বা তথ্য সংরক্ষণ করা ও প্রয়োজনে সংরক্ষিত ডাটা গুলো পুনরুদ্ধার করে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয়।
- বর্তমানে প্রায় অনেক ধরনের ইলেকট্রিক্যাল যন্ত্রপাতিতে হার্ডডিক্স ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- হার্ডডিক্স এর প্রধান কাজ হল বিভিন্ন ধরনের তথ্য সংরক্ষন করা।
- হার্ডডিক্স একটি Non-Valotile Electro Megnetic Data Storage Device.
- এটি সাধারণত কম্পিউটারের অভ্যান্তরে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

সূত্র: ২৭ পৃষ্ঠা, ডিজিটাল কম্পিউটার হার্ডওয়্যার, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭৮.
নিচের কোনটি সিপিইউ এর অংশ নয়?
  1. ক) গাণিতিক যুক্তি অংশ
  2. খ) নিয়ন্ত্রণ অংশ
  3. গ) রেজিস্টার
  4. ঘ) এক্সিকিউশন অংশ
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় অংশ হলো সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট।
- সিপিইউ বলতে আগের দিনে বোঝাত কম্পিউটারের মধ্যবর্তী কেন্দ্রীয় অংশটিকে।
- এখন সিপিইউ বলতে শুধু মাইক্রোপ্রসেসরকে বোঝানো হয়।
- সিপিইউকে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়।
- সিপিইউকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- গাণিতিক যুক্তি ইউনিট, নিয়ন্ত্রণ ইউনিট, রেজিস্টার স্মৃতি।

_________________________
- এক্সিকিউশন অংশ সিপিইউ এর অংশ নয়।
৮৭৯.
ROM কোন ধরনের মেমোরি
  1. ভোলাটাইল মেমোরি
  2. নন-ভোলাটাইল মেমোরি
  3. প্রসেসিং মেমোরি
  4. কন্ট্রোল মেমোরি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) প্রসেসিং মেমোরি

ROM (Read-Only Memory)
- ROM এর পূর্ণরূপ হলো Read-Only Memory।
- এটি সাধারণত একটি ছোট কম্পিউটার মেমোরি, যা বিশেষ উদ্দেশ্যের তথ্য সংরক্ষণ করে, যেমন কোনো প্রোগ্রাম, যা পরিবর্তন করা যায় না।
- ROM হলো নন-ভোলাটাইল মেমোরি, অর্থাৎ বিদ্যুৎ বন্ধ হলেও এর তথ্য হারায় না।
- ROM প্রোগ্রামগুলো কম্পিউটারের জন্য অত্যাবশ্যকীয়, যেমন বুটস্ট্র্যাপ প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার চালু করে এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড করে, অথবা BIOS (Basic Input/Output System) যা ব্যক্তিগত কম্পিউটারের বাহ্যিক ডিভাইসগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- PROM, EPROM, এবং EEPROM হলো ROM-এর (Read-Only Memory) বিভিন্ন ধরন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৮৮০.
নিচের কোনটি মাইক্রোপ্রসেসরের অংশ?
  1. ক) Control Unit
  2. খ) Arithmetic Logic Unit
  3. গ) Register Set
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসরের সংগঠন(Organization of Microprocessor)
মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত।
যথা
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit)
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit) ও
৩. রেজিস্টারসমূহ (Register Set)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৮১.
নিচের কোনটি পয়েন্টিং ডিভাইস?
  1. ক) প্রজেক্টর
  2. খ) ট্র্যাকবল
  3. গ) প্লটার
  4. ঘ) হেডফোন
ব্যাখ্যা
- ট্র্যাকবল হলো পয়েন্টিং ডিভাইস। 
- পয়েন্টিং ডিভাইসকে হলো একটি হার্ডওয়্যার ইনপুট ডিভাইস যা ব্যবহারকারীকে একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা GUI অপারেটিং সিস্টেমে মাউস কার্সার সরাতে ব্যবহৃত হয়।

পয়েন্টিং ডিভাইসের উদাহরণ:
- Computer mouse
- Joystick
- Leap Motion
- Light pen (pen)
- Trackball
- TrackPoint
- Touchpad
- Touchscreen 
- Keyboard
 
 
৮৮২.
RAM-এর মধ্যে তথ্য কতক্ষণ সংরক্ষিত থাকে- 
  1. সবসময়
  2. হার্ড ডিস্কে সংরক্ষণ পর্যন্ত 
  3. শুধুমাত্র বন্ধ থাকা অবস্থায়
  4. কম্পিউটার চালু থাকা পর্যন্ত
ব্যাখ্যা

RAM: 
- RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory. 
- মাদারবোর্ডের সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে মেমোরিতে পঠন এবং লিখন দুটি কাজই সম্পন্ন করা যায় সে মেমোরিকে RAM বলা হয়। 
- এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি। 
- কম্পিউটারের যতক্ষণ বিদ্যুৎপ্রবাহ চালিত থাকে ততক্ষণ RAM এ তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে। 
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে RAM তার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলে। 
- এজন্য RAM কে কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরিও বলা হয়। 
 
ROM: 
- এটি হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস (যেমন কম্পিউটার) এর স্টোরেজ সিস্টেম। 
- এটিকে স্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়। 
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি। 
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি। 
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা। 

৮৮৩.
AGP-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Advanced Graphics Por
  2. Access Graphics Port
  3. Active Graphics Port
  4. Accelerated Graphics Port
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: ঘ) Accelerated Graphics Port.

• AGP:
 
- AGP-এর পূর্ণরূপ হলো Accelerated Graphics Port.
- উন্নতমানের ছবি দৃশ্যমান করার জন্য ব্যবহৃত পোর্ট বিশেষ।
- আধুনিককালের সকল মাদারবোর্ড ও এজিপির ব্যবহার করার জন্য পৃথক স্লট রয়েছে।
উচ্চমানের গ্রাফিক্সকে দ্রুত ও নিখুঁতভাবে প্রদর্শনযোগ্য করার জন্য ইন্টেল AGP কার্ডের উন্নয়ন করে।
- বিশেষ করে ত্রিমাত্রিক ছবি প্রদর্শনের জন্য কম্পিউটারের গেমস ও কম্পিউটারের এইডেড ডিজাইনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ছবির মান উন্নয়নের জন্য AGP পোর্টের উন্নতি ঘটেছিল।
- এটি গ্রাফিক্সের জন্য পিসিআই বাসের উন্নত সংস্করণ। কিন্তু পিসিতে এটি স্বাধীনভাবে গ্রাফিক্সের জন্য কাজ করে।
- 133.2 মেগাহার্টজ গতিতে সঞ্চালন হার সর্বোচ্চ দাঁড়ায় 533 মেগাবিট/সেকেন্ড।
- মাদারবোর্ডে এজিপি কার্ড স্থাপনের জন্য একটিমাত্র এজিপি স্লট থাকে।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৮৪.
ইনপুট-আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবে কাজ করে কোনটি?
  1. মাউস
  2. নেটওয়ার্ক কার্ড
  3. VGA
  4. প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
- একটি নেটওয়ার্ক কার্ড (একটি নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড বা NIC নামেও পরিচিত) প্রাথমিকভাবে নেটওয়ার্ক যোগাযোগের জন্য একটি ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইস হিসাবে কাজ করে, এটি একটি দ্বিমুখী উপাদান তৈরি করে। 
- এটি একটি কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে সক্ষম করে। 
- নেটওয়ার্ক কার্ড ইনপুট-আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবে কাজ করে কারণ এটি ডেটা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে সক্ষম। 
৮৮৫.
What is the primary function of a motherboard in a computer system?
  1. Store data
  2. Process information
  3. Display graphics
  4. Connect various components
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড: 
→ মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
→ সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
→ এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইন বোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
→ কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
→ কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
→ বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়ার যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৮৬.
মাদারবোর্ড কী ধরণের কাজ সম্পন্ন করে?
  1. কেবলমাত্র ডিসপ্লেতে আউটপুট প্রদান করা
  2. মেমোরি সংরক্ষণ করা
  3. কম্পিউটারের বিদ্যুৎ সরবরাহ করা
  4. কম্পিউটারের সকল অংশকে সংযুক্ত করা
ব্যাখ্যা

• মাদারবোর্ডের প্রধান কাজ - কম্পিউটারের সকল অংশকে সংযুক্ত করা।

• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হলো একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৮৭.
কম্পিউটার মনিটর প্রযুক্তিতে IPS এর পূর্ণরূপ -
  1. ক) In-Pixel Screen
  2. খ) In-Plane Switching
  3. গ) Input-Pixel Screen
  4. ঘ) Instant Power Supply
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার মনিটর প্রযুক্তিতে IPS এর পূর্ণরূপ -In-Plane Switching
- IPS মনিটর হলো একধরণের LCD (liquid-crystal display) মনিটর। 

An in-plane switching (IPS) monitor is a type of LCD (liquid-crystal display) monitor. It’s made up of backlighting or a mirror behind a polarizer. These sit behind the liquid with crystals mixed into it. The monitor relies on perfect alignment of the liquid crystals to pass along the light to the next polarizer.

উৎস : HP Development Company Website
৮৮৮.
কোন নন-ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার প্রযুক্তি কাগজে কালি ছিটিয়ে প্রিন্ট করে?
  1. Laser Printer
  2. Inkjet Printer 
  3. Thermal Printer
  4. Dot Matrix Printer
ব্যাখ্যা

• নন-ইমপ্যাক্ট প্রিন্টারের মধ্যে ইঙ্কজেট প্রিন্টার (Inkjet Printer) কাগজে কালি ছিটিয়ে প্রিন্ট করে। এই প্রযুক্তিতে সূক্ষ্ম নোজল বা ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে তরল কালি খুব ক্ষুদ্র বিন্দু আকারে কাগজের উপর ছিটানো হয়। কালি বিন্দুগুলি নির্দিষ্ট জায়গায় সঠিকভাবে বসে লেখার বা ছবির আকার তৈরি করে। এর ফলে প্রিন্টের মান অনেক পরিষ্কার, রঙিন এবং উচ্চ রেজোলিউশনের হয়। যেহেতু এটি নন-ইমপ্যাক্ট প্রযুক্তি, তাই প্রিন্টিংয়ের সময় শব্দ কম হয়। ইঙ্কজেট প্রিন্টার সাধারণত ঘরোয়া ও অফিসের কাজে ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি কম খরচে উচ্চ মানের প্রিন্ট প্রদান করতে সক্ষম।

• প্রিন্টার:
- প্রিন্টার কম্পিউটারের একটি আউটপুট ডিভাইস।
- কম্পিউটারের সঙ্গে ব্যবহৃত যত যন্ত্র আছে তাদের মধ্যে প্রিন্টার বহুল ব্যবহৃত ও প্রয়োজনীয় যন্ত্র।
- কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফলকে লিখিত আকারে পাওয়ার জন্য প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়।
- কার্যপ্রণালী অনুসারে প্রিন্টারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে স্পর্শ করে তাদেরকে সংস্পর্শ বা ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি কম থাকে।
- দাম তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
- ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- লাইন প্রিন্টার ও অক্ষর প্রিন্টার।

২. নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে সাধারণত স্পর্শ করে না তাদেরকে নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি বেশি থাকে।
- দাম তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে।
- নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন: লেজার প্রিন্টার, ইংকজেট প্রিন্টার, থার্মাল প্রিন্টার, স্থির বা স্থিতি বৈদ্যুতিক প্রিন্টার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৮৯.
নন-ভোলাটাইল মেমোরি হিসেবে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. SD-RAM
  2. PROM
  3. D-RAM
  4. S-RAM
ব্যাখ্যা

• অপশন আলোচনা:
- S-RAM (Static RAM) – এটি একটি ভোলাটাইল (volatile) মেমোরি। বিদ্যুৎ না থাকলে ডেটা মুছে যায়।
- D-RAM (Dynamic RAM) – এটিও ভোলাটাইল, এবং বারবার রিফ্রেশ করতে হয় ডেটা ধরে রাখতে।
- SD-RAM (Synchronous DRAM) – এটি D-RAM-এর উন্নত সংস্করণ, কিন্তু এখনো ভোলাটাইল।
- PROM (Programmable Read-Only Memory) – এটি একটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি, অর্থাৎ বিদ্যুৎ বন্ধ হলেও এতে সংরক্ষিত ডেটা মুছে যায় না।

- PROM একবার প্রোগ্রাম করা হলে ডেটা স্থায়ীভাবে থেকে যায়। তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরির উদাহরণ।

• ভোলাটাইল মেমোরি (Volatile Memory):
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় তাকে ভোলাটাইল মেমরি বলে।
- যেমন: RAM.

• নন-ভোলাটাইল মেমরি (Non-Volatile Memory):
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় না তাকে নন-ভোলাটাইল মেমোরি বলে।
- যেমন- ROM.

• পিরম (PROM):
- PROM-এর পূর্ণরূপ হলো Programmable Read Only Memory.
- সাধারণত বাজারে যে সমস্ত প্রোগ্রাম করা রম পাওয়া যায় তাতে ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী সমস্ত কাজ হয় না। এসব ক্ষেত্রে PROM ব্যবহার করা হয়।
- PROM কে একবার প্রোগ্রাম করা হলে পুনঃ প্রোগ্রামের কোনো সুযোগ থাকে না।
- এ ধরনের রমে বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হলেও সংরক্ষিত তথ্য নষ্ট হয় না।

• স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM):
- SRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Static Random Access Memory.
- এ ধরনের মেমোরি ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, যা বাইনারি বিট (0 বা 1) ধারণ করে এবং ধারনকৃত ডেটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে।

• ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM):
- DRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Dynamic Random Access Memory.
- এটি সাধারণত মসফেট ট্রানজিস্টর ও ক্যাপাসিটরের সাহায্যে তৈরি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৯০.
কত সালে ফ্লপি ডিস্কের প্রচলন শুরু হয়?
  1. ক) ১৯৭৩
  2. খ) ১৯৭০
  3. গ) ১৯৬২
  4. ঘ) ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
১৯৭৩ সালে ফ্লপি ডিস্কের প্রচলন শুরু হয়। এটি ডিস্কেট নামেও পরিচিত। ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী ফ্লপি ডিস্ক দুই ধরনের। সাধারণ ফ্লপি ডিস্কের ধারণ ক্ষমতা ৭২০ হতে ৮০০ কিলোবাইট পর্যন্ত এবং হাই ডেনসিটি ফ্লপি ডিস্কের ধারণ ক্ষমতা ১.২ হতে ১.৪ মেগাবাইট পর্যন্ত হতে পারে। সূত্রঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড বই।
৮৯১.
রেজিস্টার সাধারণত কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. CPU-এর অভ্যন্তরীণ দ্রুতগতির মেমোরি হিসেবে
  2. সেকেন্ডারি স্টোরেজে তথ্য সংরক্ষণে
  3. গ্রাফিক্স প্রক্রিয়াকরণের কাজে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

রেজিস্টার হলো প্রসেসরের অভ্যন্তরে স্থাপিত উচ্চ-গতির, অস্থায়ী মেমোরি ইউনিট, যা CPU-এর ইনস্ট্রাকশন ও ডেটা সাময়িকভাবে ধারণ করে

Register:
- রেজিস্টার হলো কম্পিউটারের প্রসেসর এর ভিতর অনেক গতিসম্পন্ন বিশেষ ধরনের স্টোরেজ বা মেমোরি।
- সব ডেটা প্রসেস হওয়ার পূর্বে রেজিস্টারে অস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত হয়।
- রেজিস্টার হলো একগুচ্ছ ফ্লিপফ্লপ ও লজিক গেইটের সমন্বয়ে গঠিত সার্কিট, যা অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে।
- n বিট রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফুপ থাকে এবং n নিট বাইনারি তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- রেজিস্টার প্রথম মেমোরি ডিভাইস হিসেবে CPU-এর অভ্যন্তরে থাকে এবং প্রসেসিং-এর সময় অস্থায়ীভাবে ডেটা সঞ্চিত রাখে।

• গঠন অনুসারে রেজিস্টার দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা:
১. প্যারালাল লোড রেজিস্টার এবং
২. শিফট রেজিস্টার।

• রেজিস্টার-এর ব্যবহার:
- ক্যালকুলেটর ও ডিজিটাল ঘড়িতে ব্যবহৃত হয়।
- অস্থায়ীভাবে ডেটা সঞ্চয় করতে ব্যবহৃত হয়।
- ক্যাশ মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের প্রিন্টার ও কী-বোর্ড বাফারে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৯২.
ATM -এর পূর্ণরূপ কি?
  1. ক) Automated Transit Machine
  2. খ) Automatic Teller Machine
  3. গ) Accurate Transmission Machine
  4. ঘ) Automated Teller Machine
ব্যাখ্যা
ATM -এর পূর্ণরূপ Automated Teller Machine. এটিএম একটি আধুনিক তহবিল স্থানান্তর যন্ত্র। এর মাধ্যমে দিনের যেকোনো সময় অর্থ জমা, উত্তোলন ও স্থানান্তর করা যায়। ব্যাংক তার গ্রাহককে একটি করে প্লাস্টিক কার্ড সরবরাহ করে। কার্ডের মাধ্যমে গোপন নম্বর ব্যবহার করে যেকোনো দিন যেকোনো সময় ব্যাংক হতে টাকা উত্তোলন স্থানান্তর করা যায়। তবে বাংলাদেশে সকল এটিএম বুথে টাকা উত্তোলনের সুবিধা থাকলেও শুধুমাত্র টাকা জমা দেওয়ার সুবিধা আছে।
৮৯৩.
কোন ধরনের আর্কিটেকচার RISC-এর বিপরীতে কাজ করে?
  1. SPARC
  2. ARM
  3. CISC
  4. MIPS
ব্যাখ্যা

• RISC (Reduced Instruction Set Computer) আর্কিটেকচারের বিপরীতে কাজ করে CISC (Complex Instruction Set Computer) আর্কিটেকচার। RISC-এ কম এবং সরল নির্দেশনা থাকে, যা দ্রুত এক্সিকিউশনের জন্য ডিজাইন করা হয়। কিন্তু CISC আর্কিটেকচারে অনেক জটিল এবং বহু-ধাপের নির্দেশনা থাকে, যা একক ইনস্ট্রাকশনে জটিল কাজ করতে সক্ষম। উদাহরণস্বরূপ, মেমরি থেকে ডেটা লোড, অ্যারিথমেটিক অপারেশন এবং স্টোর করার কাজ এক ইনস্ট্রাকশনে করা যায়। RISC-ভিত্তিক আর্কিটেকচারের মধ্যে ARM, MIPS এবং SPARC অন্তর্ভুক্ত, যা সহজ এবং দ্রুত নির্দেশনা ব্যবহার করে। ফলে, CISC হলো সেই আর্কিটেকচার যা RISC-এর সরল এবং কম নির্দেশনামূলক নীতির বিপরীতে চলে।

- সঠিক উত্তর: গ) CISC.

• RISC (Reduced Instruction Set Computer):
- RISC হলো এমন এক মাইক্রোপ্রসেসর আর্কিটেকচার যা simplicity এবং গতির ওপর জোর দেয়। এর মূল ধারণা হলো, কম এবং সরল ইনস্ট্রাকশন সেট ব্যবহার করে প্রোগ্রামের কার্যসম্পাদনকে দ্রুততর করা।
- RISC প্রসেসরগুলো দ্রুত এবং দক্ষ, কারণ এগুলো কমপ্লেক্স ইনস্ট্রাকশনকে ছোট ছোট সহজ ইনস্ট্রাকশনে ভেঙে কার্যকর করে।
- আধুনিক মোবাইল প্রসেসরগুলো (যেমন ARM architecture) মূলত RISC ভিত্তিক।
- RISC আর্কিটেকচার কম শক্তি খরচ করে, দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে পারে এবং ব্যাটারি-চালিত ডিভাইসের (যেমন স্মার্টফোন, ট্যাবলেট) জন্য আদর্শ।

উৎস:
- Encyclopedia Britannica.

৮৯৪.
কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাগজের ডকুমেন্টকে ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করা যায়?
  1. OCR
  2. OMR
  3. MICR
  4. ICR
ব্যাখ্যা

◉ OCR (Optical Character Recognition) প্রযুক্তি স্ক্যান করা কাগজের ডকুমেন্ট বা ইমেজের লেখা শনাক্ত করে এডিটেবল ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করতে পারে। যেমন: স্ক্যান করা বইকে PDF থেকে Word ডকুমেন্টে রূপান্তর করা।

​OCR:
- OCR -এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

​OCR এর ব্যবহার:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
- চিঠির পিনকোড,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

​অন্যান্য অপশনসমূহ, 
​OMR (Optical Mark Recognition): এটি বুদবুদ/চিহ্ন পড়তে ব্যবহৃত হয়, যেমন MCQ উত্তরপত্র স্ক্যান করা।
MICR (Magnetic Ink Character Recognition): এটি ব্যাংক চেকের মতো ডকুমেন্টে বিশেষ কালিতে লেখা সংখ্যা পড়তে ব্যবহৃত হয়।
ICR (Intelligent Character Recognition): এটি OCR-এর উন্নত সংস্করণ, যা মানুষের হাতের লেখা (Handwriting) শনাক্ত করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৯৫.
যে সকল হার্ডওয়ার কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে তাদেরকে কী বলে?
  1. টুলস
  2. পেরিফেরালস
  3. এক্সেসরিস
  4. অটোমোবাইলস
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরাল ডিভাইস (Peripheral Device):
- যে সকল হার্ডওয়ার কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থেকে কম্পিউটারের কার্যাবলীকে সুষ্ঠভাবে সম্পাদন করতে সাহায্য করে ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে তাকে কম্পিউটার পেরিফেরাল বলে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।

- তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট পেরিফেরালস
২. আউটপুট পেরিফেরালস এবং
৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরালস।

১. ইনপুট পেরিফেরাল: কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে তথ্য গ্রহণকারী হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল। 
- যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট পেরিফেরাল: কম্পিউটারের ফলাফল প্রর্দশনের বা প্রদানের কাজে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার জড়িত থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যার আউটপুট পেরিফেয়াল নামে পরিচিত। অর্থাৎ কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল: কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়। 
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৯৬.
মেমরি হতে ডেটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে কী বলে?
  1. সিক টাইম
  2. অ্যাকসেস টাইম
  3. ল্যাটেন্সি টাইম
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বুঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- অ্যাকসেস সময় যত কম হয়, কম্পিউটার তত দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।
- কম্পিউটার উক্ত সময়ে তাহলে ১০ মিলিয়ন নির্দেশ নির্বাহ করতে পারে।

• পঠনক্রিয়া (Read Operation):
- মেমরির কোনো নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অবস্থিত বাইনারি ওয়ার্ডকে খুঁজে নেওয়া হলে তাকে রিড অপারেশন বলে।

• লিখন অপারেশন (Write Operation):
- মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়।

• সিক টাইম (Seek Time):
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে। 

• ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time):
- রিড-রাইট হেডকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়া পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে।
৮৯৭.
সার্ভারের সাথে সংযুক্ত কম্পিউটারকে বলা হয়-
  1. পিসি
  2. ওয়ার্ক স্টেশন
  3. হোস্ট
  4. চ্যানেল
ব্যাখ্যা
কোনো কম্পিউটারে সংরক্ষিত রিসোর্সসমূহ যদি একসাথে এবং একই সময়ে অনেক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে বা শেয়ার করতে পারে তাকে সার্ভার বলে। সার্ভারের সাথে সংযুক্ত হয়ে সে সেবা গ্রহণ করে তাকে ওয়ার্ক স্টেশন বা ক্লায়েন্ট বলে।
৮৯৮.
Central Processing Unit (CPU) consists of
  1. ক) control unit
  2. খ) arithmetic and logic unit
  3. গ) main store
  4. ঘ) all of the above
ব্যাখ্যা
• CPU এর পূর্ণরুপ Central Processing Unit।
- কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলতে CPU কে বোঝায়।
- কম্পিউটারের প্রদত্ত সব কমান্ড প্রক্রিয়াকরণ হয় CPU তে।
- এটিই সব কিছুর নিয়ন্ত্রক।
• CPU এর তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত-
  1. ALU (Arithmetic Logic Unit)
  2. Control Unit
  3. Memory/Register

উৎস: ব্রিটানিকা।
৮৯৯.
What is the main function of a register in the CPU?
  1. Store permanent data
  2. Store temporary results of operations
  3. Control memory access
  4. Process input data
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) Store temporary results of operations

• প্রসেসর বা CPU এর সংগঠন এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে -
১) নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২) অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (গাণিতিক যুক্তি অংশ),
৩) রেজিস্টার বা মেমোরি (স্মৃতি)।

• নিয়ন্ত্রণ অংশ:
- কম্পিউটারে সম্পাদিত সমস্ত কাজের নিয়ন্ত্রণ করে এ নিয়ন্ত্রণ অংশ।
- এ অংশ সিপিইউ, মেমোরি, এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
- কন্ট্রোল ইউনিট ROM ও RAM-এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুসারে কাজ করে এবং কম্পিউটারের অন্য সব অংশকে আদেশ দেয়।
- তাছাড়া বাইনারি কোডের ইন্সট্রাকশনকে স্মৃতি থেকে গ্রহণ করে এবং এগুলোকে ডিকোড করে।

• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ডাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

• রেজিস্টার বা মেমোরি/স্মৃতি:
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
- কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৯০০.
Cut অপারেশনের কম্পিউটার কী-বোর্ড শর্টকাট কমান্ড কোনটি?
  1. ক) Ctrl+C
  2. খ) Ctrl+V
  3. গ) Ctrl+X
  4. ঘ) Ctrl+B
ব্যাখ্যা
Ctrl+C = কপি করার জন্য এই কমান্ড দেয়া হয়।
Ctrl+V = পেস্ট করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
Ctrl+X = নির্দিষ্ট অংশ কাট করতে ব্যবহার করা হয়।
Ctrl+B = নির্দিষ্ট অংশ বোল্ড করতে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মাইক্রোসফট এর অফিশিয়াল সাইট।