বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটারের অঙ্গসংগঠন ও পেরিফেরালস

মোট প্রশ্ন২,০১৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটারের অঙ্গসংগঠন ও পেরিফেরালস

PrepBank · পাতা / ২১ · ৬০১৭০০ / ২,০১৭

৬০১.
নিচের কোনটি কম্পিউটার প্রিন্টারের প্রকারভেদ নয়?
  1. ক) Laser
  2. খ) Dot Matrix
  3. গ) Duel Core
  4. ঘ) Ink jet
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরনের প্রিন্টারঃ চেইন প্রিন্টার, ড্রাম প্রিন্টার,ডেইজি হুইল প্রিন্টার, ডট মেট্রিক্স প্রিন্টার, লেজার প্রিন্টার, ইঙ্কজেট প্রিন্টার, থার্মাল প্রিন্টার, স্থিরবিদ্যুৎ প্রিন্টার।
৬০২.
কম্পিউটারের আউটপুট ডিভাইস কোনটি?
  1. স্পিকার
  2. স্ক্যানার
  3. মাউস
  4. জয়স্টিক
ব্যাখ্যা
ইনপুট ডিভাইস: 
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস। 
উদাহরণ: কী-বোর্ড, মাউস, অপটিকাল রিডার, জয়স্টিক, মাইক্রোফোন, স্ক্যানার, গ্রাফিক্স প্যাড, লাইট পেন, ওয়েবক্যাম, ওসিআর ইত্যাদি। 

আউটপুট ডিভাইস: 
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস। 
উদাহরণ: মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার, হেডফোন ইত্যাদি। 

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস: 
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে। 
উদাহরণ: পেনড্রাইভ, টাচ স্ক্রিন, মডেম ইত্যাদি। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬০৩.
কম্পিউটার চালু করার পর BIOS প্রথম কোন কাজটি সম্পন্ন করে?
  1. অপারেটিং সিস্টেম আপডেট করা
  2.  ইন্টারনেট ব্রাউজার চালু করা
  3. হার্ডডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্ট করা
  4. POST (Power-On Self-Test) পরিচালনা করা
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: ঘ) POST (Power-On Self-Test) পরিচালনা করা
• কম্পিউটারের পাওয়ার সুইচ অন করার পর BIOS (Basic Input/Output System) সর্বপ্রথম যে কাজটি করে তা হলো POST বা Power-On Self-Test। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কম্পিউটার তার সাথে যুক্ত সকল হার্ডওয়্যার (যেমন: র‍্যাম, কীবোর্ড, ডিস্ক ড্রাইভ, প্রসেসর) ঠিকমতো কাজ করছে কি না তা পরীক্ষা করে নেয়। যদি সব হার্ডওয়্যার ঠিক থাকে, তবেই সে অপারেটিং সিস্টেম লোড করার পরবর্তী ধাপে যায়।

• BIOS:
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- এটি কম্পিউটারের রম (ROM) চিপে সংরক্ষিত থাকে।
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

POST এবং BIOS-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- BIOS হলো একটি ফার্মওয়‍্যার যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে প্রাথমিক সংযোগ স্থাপন করে।
- POST নিশ্চিত করে যে মেমোরি, প্রসেসর এবং ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলো কাজ করার জন্য প্রস্তুত।
- POST প্রক্রিয়ার সময় কোনো ত্রুটি ধরা পড়লে কম্পিউটার বিভিন্ন ধরণের শব্দ বা 'Beep Code' প্রদান করে। এটি কম্পিউটারের পাওয়ার অন হওয়ার ঠিক পরের এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়ার আগের ধাপ।
- আধুনিক কম্পিউটারে BIOS-এর পরিবর্তে আরও উন্নত UEFI ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬০৪.
কম্পিউটার মেমোরি থেকে সংরক্ষিত ডাটা উত্তোলনের পদ্ধতিকে কি বলে?
  1. Read-out
  2. Read from
  3. Read
  4. উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
মেমরি: 
- মেমরি হচ্ছে কম্পিউটারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। 
- মেমরি লক্ষ লক্ষ স্মৃতি কোষ নিয়ে গঠিত, যেখানে একটি বিট ০ বা ১ সংরক্ষণ করা যায়। 
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরে যে অংশে তথ্যসমূহ স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে জমা থাকে তাকে কম্পিউটারের মেমরি বা মেমরি বলা হয়। 
- প্রক্রিয়াকরণের সুবিধার জন্য মেমরিতে তথ্য জমা রাখা হয় এবং প্রয়োজনে কাজে লাগানো যায়। 
- কম্পিউটার মেমোরি থেকে সংরক্ষিত ডাটা উত্তোলনের পদ্ধতিকে Read বলে। 
- কম্পিউটারে আমরা যখন কোন তথ্য রাখি, তা কম্পিউটার মেমোরিতে জমা থাকে এবং পরবর্তীতে আমাদের চাহিদা অনুযায়ী কম্পিউটার তা মেমোরি থেকে read করে আমাদের প্রদান করে থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬০৫.
একাধিক কম্পিউটারকে একত্রিভূতভাবে কাজ করলে তাকে কী বলে?
  1. PC
  2. LAN
  3. RISC
  4. System Unit
ব্যাখ্যা
♦ সিস্টেম ইউনিট:
- সিষ্টেম ইউনিটের ভিতরে কম্পিউটারের অন্যান্য অংশসমূহ বিদ্যমান। যেমন-
• মাদার বোর্ড,
• ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ,
• হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
• ফ্যাক্স মডেম কার্ড,
• ল্যান (LAN - Local Area Network) কার্ড:
- এটি এক ধরনের মডেম কার্ড, এই কার্ড ব্যবহার করে একাধিক কম্পিউটারকে তারের মাধ্যমে একত্রিভূত করে তথ্য আদান প্রদান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা করা যায়।
• পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট,
• স্পীকার।

উৎস: [www.ebookbou.edu.bd]
৬০৬.
সিপিইউয়ের সাথে সরাসরি সংযোগ থাকে কোন মেমোরির?
  1. ক) কোর মেমোরি
  2. খ) সহায়ক মেমোরি
  3. গ) প্রধান মেমোরি
  4. ঘ) ম্যাগনেটিক মেমোরি
ব্যাখ্যা
সিপিইউয়ের সাথে সরাসরি সংযোগ থাকে প্রধান মেমোরির। 


উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি -২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
৬০৭.
কম্পিউটারের মূল ও কেন্দ্রীয় অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের ভেতরে সংযুক্ত থাকে, তাকে কী বলা হয়?
  1. প্রসেসর
  2. র‍্যাম
  3. হার্ড ড্রাইভ
  4. মাদারবোর্ড
ব্যাখ্যা

• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড একটি কম্পিউটারের মূল ও কেন্দ্রীয় অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের ভেতরে সংযুক্ত থাকে।
- এটি সিস্টেমের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থল হিসেবে কাজ করে এবং একে সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ডও বলা হয়।
- কম্পিউটারের প্রধান প্রসেসর বা CPU মাদারবোর্ডেই স্থাপিত থাকে, যা কম্পিউটারের "মস্তিষ্ক" হিসেবে পরিচিত।
- মাদারবোর্ডে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্ন পোর্ট ও সংযোগ ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারের প্রতিটি যন্ত্রাংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে, যা মাদারবোর্ডকে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।
- বর্তমানে বাজারে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ড জনপ্রিয়।

• মাদারবোর্ডের স্লট:
1. AGP slot,
2. RAM slot,
3. PCI slot ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬০৮.
What type of storage is RAM?
  1. Secondary storage
  2. Primary storage
  3. Tertiary storage
  4. Cache storage
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) Primary storage।

• Random Access Memory (RAM)
- যে স্মৃতিতে কোনো একটি তথ্য মুছে ফেলে ঐ জায়গায় নতুন তথ্য লেখা যায় এবং সেই তথ্য প্রয়োজন অনুসারে ব্যবহার করা যায় তাকে Random Access Memory বলে।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার অফ/বন্ধ করলে এর তথ্য মুছে যায়।
- প্রাইমারি স্টোরেজকে সাধারণত র‍্যাম বলে কারণ সরাসরি ডেটা এবং ইন্সট্রাকশন সংরক্ষণ এবং পুনরুদ্ধার করতে এই মেমোরির যে কোনো লোকেশন সিলেক্ট ও ব্যবহার করা সম্ভব।
- মেমোরির প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা লোকেশন অন্য লোকেশনের মতোই এক্সেস করা সহজ এবং একই পরিমাণ সময়ের প্রয়োজন হয়।
- এটাকে রিড/রাইট মেমোরি তথ্য লেখাও যায় আবার এ থেকে তথ্য পড়াও যায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৬০৯.
উইন্ডোজ ফাইল এক্সপ্লোরার উইন্ডোর কনটেন্ট পুনরায় লোড করতে কোন কী প্রেস করতে হবে?
  1. F5
  2. F3
  3. Esc
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• যখন আপনি ফাইল এক্সপ্লোরারে নতুন কোনো ফাইল তৈরি করেন, মুছে ফেলেন, বা কোনো পরিবর্তন করেন — তখন সেই পরিবর্তন সঙ্গে সঙ্গে না-ও দেখা যেতে পারে। এই অবস্থায় F5 চাপলে উইন্ডোটি রিফ্রেশ হয় এবং সবশেষ আপডেট দেখা যায়।

• অপশন আলোচনা:
- F3 – এটি সার্চ অপশন চালু করতে ব্যবহৃত হয়।
- Esc – এটি সাধারণত চলমান কাজ বা লোডিং বন্ধ করতে ব্যবহৃত হয়, রিফ্রেশ করতে নয়।

• সাধারণ কীবোর্ডে F1 থেকে F12 পর্যন্ত ১২টি ফাংশন কী থাকে।

• কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।

- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণগত ভুল বের করতে ব্যবহৃত হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬১০.
কোন অংশটি কম্পিউটারে প্রোগ্রাম এবং ডেটা সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে?
  1. Hard disk
  2. ALU
  3. RAM
  4. ROM
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারে প্রোগ্রাম এবং ডেটা সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করার জন্য RAM (Random Access Memory) ব্যবহার করা হয়। এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি, যা কেবল তখনই তথ্য ধরে রাখে যখন কম্পিউটার চালু থাকে। কম্পিউটার যখন কোনো প্রোগ্রাম চালায় বা ডেটা প্রসেস করে, তখন সেই তথ্য RAM-এ লোড হয়, যাতে CPU দ্রুত অ্যাক্সেস করতে পারে। RAM-এর সাহায্যে কম্পিউটার দ্রুত হিসাব করতে এবং প্রোগ্রাম চালাতে সক্ষম হয়, কারণ এটি Hard Disk-এর তুলনায় অনেক দ্রুত। Hard Disk স্থায়ীভাবে তথ্য সংরক্ষণ করে, ALU গণনা ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে, আর ROM-এ স্থায়ী তথ্য থাকে, যা পরিবর্তন করা যায় না। তাই সাময়িক সংরক্ষণের জন্য RAM অপরিহার্য।
 
RAM: 
- RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory. 
- RAM কে কার্যকরী স্মৃতি কেন্দ্র বলা হয়। 
- RAM যতো বাড়বে কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা ততো বাড়বে, অর্থাৎ ততো বেশি ফাইলকে একসাথে স্মৃতি কেন্দ্রে উঠিয়ে কাজ করতে পারবে। 
- RAM এ লেখাপড়া উভয়ই করা যায়। 
- কিন্তু বিদ্যুৎ চলে গেলে RAM থেকে সমস্ত তথ্য মুছে যায়. তাই RAM কে ভোলাটাইল বলে। 
- RAM দুই ধরনের। DRAM (Dynamic RAM) ও SRAM (Static RAM)। 
- প্রথম দিকে পিসিতে শুধু DRAM ব্যবহৃত হতো, বর্তমানে উভয় প্রকারের RAM-ই পিসিতে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- ব্যবহারকারী যখন কোনো সফটওয়্যার চালায় (যেমন: Chrome, Word), সেটি RAM-এ লোড হয়। CPU সরাসরি RAM থেকে ডেটা পড়ে এবং প্রসেস করে।
- দ্রুতগতির অ্যাক্সেসের জন্য RAM অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (হার্ড ডিস্কের চেয়ে ১০-১০০ গুণ দ্রুত)।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬১১.
ইলেক্ট্রনিক্সের শুরু হয়-
  1. ক) রোবট আবিষ্কারের মাধ্যমে
  2. খ) আইসি আবিষ্কারের সময় থেকে
  3. গ) কম্পিউটার আবিষ্কারের মাধ্যমে
  4. ঘ) ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের সময় থেকে
ব্যাখ্যা

ইলেক্ট্রনিক্সের শুরু হয় ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের সময় থেকে। আমেরিকার বেল ল্যাবরেটরিতে ১৯৪৭ সালে জন বারডিন, উইলিয়াম শকলে এবং ওয়াল্টার ব্রাটেইন ট্রানজিস্টর উদ্ভাবন করেন।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬১২.
LCD এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Laser Emitting Diode
  2. Liquid Crystal Display
  3. Light Emitting Diode
  4. Light Crystal Display
ব্যাখ্যা
• ফ্ল্যাট প্যানেল মনিটর: 
- এ ধরনের মনিটরগুলোতে ইলেকট্রন গান বা পিকচার টিউব থাকে না। সাধারণত ক্যাথোড রশ্মি টিউবের পরিবর্তে এলসিডি (Liquid Crystal Display-LCD) বা এলইডি (Light Emitting Diode-LED) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- বর্তমানে ডেস্কটপ থেকে শুরু করে নোটবুক, ল্যাপটপ ইত্যাদিতে ক্যাথোড রশ্মি টিউবের পরিবর্তে এলসিডি বা এলইডি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- ক্যাথোড রশ্মি মনিটর বেশি জায়গা দখল করে এবং প্রচুর বৈদ্যুতিক শক্তি খরচ করে। 

• মনিটরের বৈশিষ্ট্য:
১. পিক্সেল:
- কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল। 

২. রেজুল্যশন:
- ডিসপ্লে স্ক্রিনে প্রদর্শিত ছবির সূক্ষ্মতাকে রেজুল্যশন বলে।
- একটি মনিটরের রেজুল্যশন যত বেশি হবে, মনিটরটি তত বেশি ভাল হবে। 
- একটি CRT তে 640টি কলাম এবং 480টি পিক্সেল সারি থাকলে CRT এর রেজুল্যশন হবে 640 X 480

৩. নন-ইন্টারলেস্ক:
- টেলিভিশনের ছবি চোখে দৃশ্যমান এবং গতিমান রাখার জন্যে একটা ছবিকে ফ্রেম হিসেবে পাঠানো হয়। একটা ফ্রেমে ২৫টি লাইন থাকে এবং পরবর্তী ফ্রেমের ২৫টি লাইন থাকে। এখন গতিময়তা দেবার জন্যে এক ফ্রেমকে অন্য ফ্রেমের ওপর ১, ৩, ৫, ৭, ৩২, ৪, ৬. ৮ পদ্ধতিতে উপস্থাপন করা হয়।

৪. লো-রেডিয়েশন:
- বর্তমানে ব্লাক ট্রিনিট্রিন পদ্ধতি আবিষ্কারের ফলে মনিটরের পর্দাকে এমনভাবে তৈরি করা হয় যাতে ভেতরের ইলেকট্রনসমূহ বাইরে যথাসম্ভব না বেরিয়ে পর্দায় লেখার উজ্জ্বলতা বাড়াবে আর সম্ভাব্য ক্ষতির হাত থেকে মানুষের চোখ রক্ষা পাবে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬১৩.
গ্রাফিক্স নির্ভর চলচ্চিত্র নির্মাণে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. অ্যানালগ কম্পিউটার
  2. মাইক্রো কম্পিউটার
  3. ট্যাবলেট কম্পিউটার
  4. শক্তিশালী ডিজিটাল কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
শক্তিশালী ডিজিটাল কম্পিউটার:
একটি শক্তিশালী ডিজিটাল কম্পিউটার, যাকে প্রায়ই "উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার" বা "সুপার কম্পিউটার" হিসাবে উল্লেখ করা হয়, এটি উল্লেখযোগ্য কম্পিউটিং ক্ষমতা এবং প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা সহ ডিজাইন করা একটি কম্পিউটার সিস্টেম। এই কম্পিউটারগুলি চাহিদাপূর্ণ এবং গণনামূলকভাবে নিবিড় কাজের জন্য ব্যবহৃত হয় যার জন্য ব্যাপক ডেটা প্রক্রিয়াকরণ, জটিল সিমুলেশন এবং দ্রুত গণনার প্রয়োজন হয়।  শক্তিশালী ডিজিটাল কম্পিউটারের কিছু বৈশিষ্ট্য:
- প্রক্রিয়াকরণ শক্তি: শক্তিশালী ডিজিটাল কম্পিউটারগুলি তাদের ব্যতিক্রমী উচ্চ প্রক্রিয়াকরণ শক্তি দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। সমান্তরাল প্রক্রিয়াকরণের জন্য তারা সাধারণত একাধিক প্রসেসর বা কোর (প্রায়শই CPU ক্লাস্টার আকারে) ব্যবহার করে, যার ফলে তারা একই সাথে বিপুল সংখ্যক গণনা পরিচালনা করতে পারে।

- গতি: এই কম্পিউটারগুলি বিশ্বের দ্রুততম, প্রতি সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন গণনা সম্পাদন করতে সক্ষম। 

- মেমরি: সুপারকম্পিউটারগুলিতে জটিল সিমুলেশন এবং ডেটা বিশ্লেষণের কাজগুলির প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনীয়তা মিটমাট করার জন্য প্রচুর পরিমাণে RAM  থাকে।

বিশেষায়িত আর্কিটেকচার: অনেক শক্তিশালী ডিজিটাল কম্পিউটার নির্দিষ্ট ধরণের গণনার জন্য অপ্টিমাইজ করা বিশেষ হার্ডওয়্যার এবং আর্কিটেকচার ব্যবহার করে। এর মধ্যে থাকতে পারে GPUs (গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট), TPUs (টেনসর প্রসেসিং ইউনিট), অথবা বৈজ্ঞানিক বা প্রকৌশল সিমুলেশনের জন্য তৈরি কাস্টম-ডিজাইন করা প্রসেসর।

শক্তি খরচ: সুপারকম্পিউটারগুলি কাজ করার জন্য যথেষ্ট পরিমাণে বিদ্যুৎ খরচ করে, যা উচ্চ পরিচালন খরচ হতে পারে।

অ্যাপ্লিকেশন: শক্তিশালী ডিজিটাল কম্পিউটারগুলি বৈজ্ঞানিক গবেষণা (যেমন, জলবায়ু মডেলিং, অ্যাস্ট্রোফিজিক্স সিমুলেশন), প্রকৌশল (যেমন, এরোডাইনামিকস, কাঠামোগত বিশ্লেষণ), ফার্মাসিউটিক্যাল গবেষণা (যেমন, ওষুধ আবিষ্কার), আর্থিক মডেলিং এবং জাতীয় প্রতিরক্ষা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। যেমন, ক্রিপ্টোগ্রাফি, পারমাণবিক সিমুলেশন।

অ্যানালগ  কম্পিউটার
একটি অ্যানালগ কম্পিউটার হল এক ধরনের কম্পিউটিং ডিভাইস যা ডেটা উপস্থাপন এবং পরিবর্তন করার জন্য বৈদ্যুতিক ভোল্টেজ, তরল চাপ বা যান্ত্রিক গতির মতো  ঘটনা ব্যবহার করে।
- এনালগ কম্পিউটারগুলি অবিচ্ছিন্ন সংকেতগুলির সাথে কাজ করে এবং বিশেষ ধরনের গাণিতিক সমস্যা এবং সিমুলেশনগুলি সমাধানের জন্য বিশেষভাবে উপযুক্ত। 

মাইক্রোকম্পিউটার
- একটি মাইক্রোকম্পিউটার, যাকে প্রায়ই "মাইক্রো" বলা হয় একটি ছোট এবং তুলনামূলকভাবে সস্তা কম্পিউটার যা সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর (CPU), মেমরি, স্টোরেজ এবং ইনপুট/আউটপুট পেরিফেরিয়াল নিয়ে গঠিত।
- মাইক্রোকম্পিউটারগুলি ব্যক্তিগত কম্পিউটার (পিসি) নামেও পরিচিত এবং পৃথক ব্যবহারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। 

ট্যাবলেট কম্পিউটার
একটি ট্যাবলেট কম্পিউটার, যাকে প্রায়ই "ট্যাবলেট" বলা হয়, এটি একটি টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস সহ একটি বহনযোগ্য কম্পিউটিং ডিভাইস। ট্যাবলেটগুলি ওয়েব ব্রাউজিং, বিনোদন, উত্পাদনশীলতা এবং আরও অনেক কিছু সহ বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে৷ 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬১৪.
How is firmware different from software?
  1. Firmware is only found in embedded systems.
  2. Firmware is exclusively used in computer peripherals.
  3. Firmware doesn't perform any computational tasks.
  4. Firmware is stored permanently and cannot be easily modified.
ব্যাখ্যা
• ফার্মওয়্যার:
→ কম্পিউটার সিস্টেম তৈরি করার সময় কম্পিউটারের মেমরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তাকে ফার্মওয়্যার বলে।
→ এ সকল প্রোগ্রাম কম্পিউটার ব্যবহারকারী পরিবর্তন করতে পারে না।
→ ROM, BIOS- এর মধ্যে যে ডেটা এবং নির্দেশগুলো থাকে তা হলো ফার্মওয়্যার।

• সফটওয়্যার:
→ সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে।
→ DOS, Windows, MS Office, Adobe Photoshop, Vedio Player Pagemaker ইত্যাদি সফটওয়্যারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬১৫.
নিম্নে উল্লিখিত বিভিন্ন ধরনের মেমোরির মধ্যে কোনটি সবচেয়ে দ্রুত অ্যাক্সেস সম্ভব?
  1. Virtual Memory
  2. Cache Memory
  3. Main Memory (RAM)
  4. Register
ব্যাখ্যা

• Register মেমোরি হলো সবচেয়ে দ্রুত অ্যাক্সেসযোগ্য মেমোরি। এটি প্রসেসরের মধ্যে অবস্থিত ছোট এবং খুব দ্রুত মেমোরি যা তথ্য সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে। Register গুলোর মাধ্যমে প্রসেসর সরাসরি ডাটা এবং ইনস্ট্রাকশন অ্যাক্সেস করে কাজ করে, যার ফলে প্রসেসিং দ্রুত হয়।

• রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন: অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।

• মেমরির ধারণক্ষমতা, দাম ও গতির ক্রম:
 
- পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
- আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।

এছাড়াও,
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- RAM হলো অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি এবং ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হলো হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬১৬.
কোন ডিভাইস ডেটা সংরক্ষণের জন্য ম্যাগনেটিক মিডিয়া ব্যবহার করে?
  1. USB flash drive
  2. Hard disk
  3. CD-ROM
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

◉ হার্ড ডিস্ক (Hard disk) ডেটা সংরক্ষণের জন্য ম্যাগনেটিক মিডিয়া ব্যবহার করে। ডিস্কের পৃষ্ঠতলে চৌম্বকীয় কণাগুলো ডেটা স্টোর করে।

হার্ড ডিস্ক: 
- হার্ড ডিস্ক ডেটা সংরক্ষণ করার জন্য ম্যাগনেটিক মিডিয়া ব্যবহার করে।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হল হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।
- সিডি-রম একটি অপটিক্যাল স্টোরেজ ডিভাইস যা সহায়ক স্মৃতি।
- একটি ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ (পেনড্রাইভ) একটি ডেটা স্টোরেজ ডিভাইস যা একটি সমন্বিত USB ইন্টারফেসের সাথে ফ্ল্যাশ মেমরি অন্তর্ভুক্ত করে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
USB ফ্ল্যাশ ড্রাইভ: সলিড-স্টেট মেমরি (ফ্ল্যাশ মেমরি) ব্যবহার করে, ম্যাগনেটিক মিডিয়া নয়।
CD-ROM: অপটিক্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে, যেখানে ডেটা লেজার দ্বারা পড়া ও লেখা হয়।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬১৭.
কম্পিউটার যেসব ডেটা বারবার ব্যবহার করে তা কোথায় জমা থাকে?
  1. Cache Memory
  2. Hard Disk
  3. ROM
  4. Register
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : ক) Cache Memory

• RAM:

- RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory.
- মাদারবোর্ডের সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে মেমোরিতে পঠন এবং লিখন দুটি কাজই সম্পন্ন করা যায় সে মেমোরিকে RAM বলা হয়।
- এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি।
- কম্পিউটারের যতক্ষণ বিদ্যুৎপ্রবাহ চালিত থাকে ততক্ষণ RAM এ তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে RAM তার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলে।
- এজন্য RAM কে কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরিও বলা হয়।
 
• ROM:
- এটি হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস (যেমন কম্পিউটার) এর স্টোরেজ সিস্টেম।
- এটিকে স্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়।
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।

• Cache Memory:
- কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করার জন্য ব্যবহৃত একটি মেমরি।
- সাধারনত RAM ও CPU এর মাঝখানে অবস্থান করে।
- কম্পিউটার যেসব ডাটাগুলো বারংবার ব্যবহার করে সেই ডাটা গুলো RAM থেকে এসে Cache Memory তে অবস্থান করে
- Cache এর গতি বেশি হওয়ায় এখান থেকে ডাটা প্রোসেসিং এ যেতে সময় কম লাগে।

• Register:
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ-ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- অর্থাৎ মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়।

• Hard Disk:
- হার্ডডিস্ক হচ্ছে পাতলা-গোলাকার ধাতব পাতের সমন্বয়ে গঠিত সহায়ক স্মৃতি।
- গোলাকার পাতগুলোর উভয় পৃষ্ঠে চুম্বকীয় পদার্থ ফেরিক অক্সাইডের প্রলেপ থাকে এবং একটির ওপরে একটি স্তূপ আকারে বসানো থাকে। পাতগুলোর মাঝখানে থাকে একটি দণ্ড। উক্ত দণ্ডের সাহায্যেই পাতগুলো একটির ওপরে একটি করে বসানো থাকে। কাজের সময় পাতগুলো প্রতি মিনিটে ৭২০০ বা আরো বেশিবার আবর্তিত হয়।
- হার্ডডিস্ক সাধারণত মটর, স্পিন্ডল, রিড-রাইট হেড, অ্যাকিউটর, ফ্রেম, এয়ার ফিল্টার, গ্লাস অথবা সিরামিক এবং ইলেকট্রনিক্সের সমন্বয়ে গঠিত, যা চুম্বকীয় মাধ্যম দ্বারা আবৃত্ত থাকে।
- একেবারে ওপরের ডিস্কের ওপরের পৃষ্ঠ এবং নিচের ডিস্কের নিচের পৃষ্ঠ ছাড়া অন্য ডিস্কগুলোর উভয় পৃষ্ঠ এবং ওপরের ও নিচের ডিস্কের ভেতরের দিকের পৃষ্ঠে উপাত্ত, তথ্য, প্রোগ্রাম ইত্যাদি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।
 
উৎস:
১. ব্রিটানিকা
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬১৮.
উদ্বায়ী মেমরির উদাহরণ কোনটি?
  1. র‍্যাম
  2. রম
  3. চৌম্বক কোর মেমরি
  4. ক ও গ
ব্যাখ্যা
• ভোলাটাইল বা উদ্বায়ী মেমরি:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় তাকে উদ্বায়ী স্মৃতি বা ভোলাটাইল মেমরি বলে। যেমন- RAM

• নন-ভোলাটাইল মেমরি বা অনুদ্বায়ী:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় না তাকে অনুদ্বায়ী স্মৃতি বা নন-ভোলাটাইল মেমরি বলে। যেমন- ROM।

• ধ্বংসাত্মক মেমরি:
- যদি কোনো মেমরি পঠনের পর সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় তাহলে তাকে ধ্বংসাত্মক মেমরি বলা হয়। যেমন- চৌম্বক কোর মেমরি।

• অধ্বংসাত্মক মেমরি:
- যদি পঠনের পর সংরক্ষিত তথ্য মুছে না যায় তাহলে তাকে অধ্বংসাত্মক মেমরি বলে। যেমন- চৌম্বক টেপ।

উৎস : মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬১৯.
ALU কোন কাজটি সম্পাদন করে না?
  1. যোগ এবং বিয়োগ
  2. তুলনা করা 
  3. সত্য-মিথ্যা যাচাই
  4. ডেটা নিয়ন্ত্রণ করা 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) ডেটা নিয়ন্ত্রণ করা 

Arithmetic and Logic Unit (ALU):
- ALU নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক এবং লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- সাধারণত, গাণিতিক অপারেশনগুলো যেমন যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো যেমন তুলনা, সত্য- মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি সম্পাদন করা হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ইলেক্ট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলির সম্পাদন করে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ী রেজিস্টারে সংরক্ষন করে রাখে।
- বর্তমানে মাইক্রপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর জন্য একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৬২০.
কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড কোনটি?
  1. মাদারবোর্ড
  2. হার্ড ডিস্ক
  3. মনিটর
  4. সিপিইউ
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড হচ্ছে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

• মাদারবোর্ড:

- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়ার যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬২১.
সিপিইউ এর অপর নাম কী?
  1. ক) মাইক্রোচিপ
  2. খ) মাইক্রোপ্রসেসর
  3. গ) মেমরি
  4. ঘ) মাদারবোর্ড
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় অংশ হলো সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট।
- এই সিপিইউ এর অপর নাম মাইক্রোপ্রসেসর। সিপিইউ বলতে আগের দিনে বোঝাত কম্পিউটারের মধ্যবর্তী কেন্দ্রীয় অংশটিকে।
- এখন সিপিইউ বলতে শুধু মাইক্রোপ্রসেসরকে বোঝানো হয়।
- সিপিইউকে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়।
- সিপিইউকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- গাণিতিক যুক্তি ইউনিট, নিয়ন্ত্রণ ইউনিট, রেজিস্টার স্মৃতি।
৬২২.
মাইক্রোপ্রসেসরের অংশ নয় কোনটি?
  1. Control Unit
  2. Memory Unit
  3. Arithmetic Logic Unit
  4. Register Set
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর: 
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের VLSI (Very large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকে মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।

• মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা-
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ(Control Unit),
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ(Arithmetic Logic Unit) এবং
৩. রেজিস্টার সমূহ(Register Set)।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬২৩.
প্রিন্টারের ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) রেডিও ওয়েব
  2. খ) মাইক্রো ওয়েব
  3. গ) ইনফ্রারেড
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ইনফ্রারেড: এটি এক ধরনের ওয়েভ যার ফ্রিকুয়েন্সী সীমা ৩০০ GHz থেকে ৪০০THz হয়ে থাকে।
খুব কাছাকাছি অবস্থিত দুইটি ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইনফ্রারেড ব্যবহার করা হয়।
এ ধরনের যোগাযোগে দুই প্রান্তে ট্রান্সমিটার ও রিসিভার থাকে।
টেলিভিশন, ভিসিআর এ ব্যবহৃত রিমোট কন্ট্রোলে, বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, প্রিন্টার ইত্যাদির ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনে ব্যবহৃত হয়।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৬২৪.
বর্তমানে প্রথম শ্রেণির অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট ফোনে কোন ধরনের মনিটর ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) CRT
  2. খ) LAD
  3. গ) LCD
  4. ঘ) AMOLED
ব্যাখ্যা
- টেলিভিশনের মতো দেখতে কম্পিউটার ব্যবস্থার অংশটিকে মনিটর বলা হয়। টিভি কার্ড ব্যবহার করে মনিটর দিয়ে টিভির ন্যায় টেলিভিশন স্টেশন থেকে সম্প্রচারিত অনুষ্ঠান দেখা যায়।
- মনিটর সাধারণত চার ধরনের হয়ে থাকে। যথা: 
১। সিআরটি মনিটর (CRT Monitor)
২ এলসিডি মনিটর  (LCD Monitor)
৩। এলইডি মনিটর (LED Monitor) এবং
৪। এমোলেড মনিটর (AMOLED Monitor)

এমোলেড মনিটর (AMOLED Monitor)
- AMOLED -এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Active-Matrix Organic Light Emitting Diode.
- AMOLED হলো মোবাইল ফোন, টেলিভিশন এবং এ জাতীয় ডিসপ্লে এর জন্য একটি নতুন ডিসপ্লে প্রযুক্তি। 
- বর্তমানে প্রথম শ্রেণির অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট ফোনে AMOLED ধরনের মনিটর ব্যবহৃত হয়। যেমন: LG Flex, Nexus, Samsung Galaxy S সিরিজ। 
- AMOLED এর পারফরমেন্স LCD এর চেয়ে অনেকগুণ বেশি। 
- AMOLED এর ডিসপ্লেতে মাত্র দুইটি লেয়ার থাকে। একটি হলো OLED (Organic Light Emitting Diode) লেয়ার যার মাধ্যমে লাইট নির্গত হয়, আর অপরটি হলো TFT (Thin-Film Transistor) সার্কিট দিয়ে তৈরি ব্যাকপ্লেন যা OLED এ বিদ্যুৎ সরবরাহ করে উজ্জ্বলতা নিয়ন্ত্রণ করে। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
৬২৫.
.wav কোন ধরনের ফাইল এক্সটেনশন?
  1. অডিও
  2. ভিডিও
  3. ইমেজ
  4. ডকুমেন্ট
ব্যাখ্যা
.wav হচ্ছে Audio ফাইল এক্সটেনশন। 
- Developed by: IBM and Microsoft
- ফাইল এক্সটেনশন হচ্ছে ফাইলের ফরম্যাট নির্দেশকারী একটি সুচক যা ফাইলের নামের শেষে যুক্ত থাকে।
- কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফাইল এক্সটেনশন এর উদাহরণ হলো-
• Music and sound files:
.mp3
.wav

• Picture files:
.bmp
.gif
.jpg
.png

• Operating system files:
.dll
.exe

• Text and word processing documents:
.doc
.docx
.rtf
.txt

• Spreadsheet files:
.xls
.xlsx
.xlr
.csv

• Web Page files:
.htm
.html

উৎস: Computerhope Website.
৬২৬.
RAM কে বলা হয় -
  1. Virtual memory
  2. Volatile Memory
  3. Non-volatile memory
  4. Cache memory
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার মেমরি:
- কম্পিউতার মেমরি প্রধানত ২ প্রকার। যথা:
১) প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory)
২) গৌণ/ সহায়ক মেমরি (Secondary Memory)

 • প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory):
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে সকল মেমোরিতে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় তাদেরকে Volatile Memory বলে।
- RAM( Random Access Memory) এবং ROM(Read Only Memory) কে প্রাথমিক মেমরি বলা হয়।
- RAM কে Volatile Memory বলে।
- ROM কে Non Volatile Memory বলে।

• গৌণ/ সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- প্রধান মেমরি ব্যতিত সকল ধরনের মেমরিকে সহায়ক মেমরি বলে। যেমন: Hard Disk, Pem Drive.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেনী।
৬২৭.
কোন ইনপুট ডিভাইসটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও ভাষা প্রক্রিয়াকরণের সহায়তায় কাজ করে?
  1. কীবোর্ড
  2. অ্যামাজন ইকো
  3. টাচস্ক্রিন
  4. মাউস
ব্যাখ্যা
ভয়েস রিকগনিশন সিস্টেম:
- ভয়েস রিকগনিশন সিস্টেম হল একটি বিশেষধরনের ইনপুট প্রযুক্তি যা মানব কণ্ঠস্বরকে শনাক্ত, বিশ্লেষণ এবং অনুবাদ করে লিখিত টেক্সট বা কমান্ডে রূপান্তর করে।
- এই প্রযুক্তি মানুষের কণ্ঠের স্বরলিপি, উচ্চারণ, শব্দচয়ন ও ভাষা বোঝার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ (Natural Language Processing - NLP) ব্যবহার করে।
অ্যামাজন ইকো(Amazon Echo) (Alexa)  হলো এমন একটি ইনপুট ডিভাইস যেটি ভয়েস ইনপুট নিয়ে ভয়েস রিকগনিশন সিস্টেম এর মাধ্যমে নির্দেশনা প্রক্রিয়াকরন করে। 

এটি যেভাবে কাজ করে:
শব্দ সনাক্তকরণ (Speech Detection): AI মডেলগুলো কণ্ঠস্বর থেকে শব্দ শনাক্ত করে।

ভাষা বিশ্লেষণ (Language Processing): NLP ব্যবহার করে শব্দগুলোর অর্থ বুঝে নেয়, যেমন কন্ঠের মাধ্যমে কমান্ড দেওয়া হয়েছে নাকি প্রশ্ন করা হয়েছে সেটি বোঝানো হয়। 

বিষয় অনুসন্ধান (Context Understanding): AI পূর্ববর্তী কথোপকথনের প্রসঙ্গ অনুযায়ী উত্তর দিতে পারে। 

মেশিন লার্নিং (Machine Learning): বারবার ব্যবহার ও ডেটা বিশ্লেষণের মাধ্যমে সিস্টেমটি আরও স্মার্ট হয়ে ওঠে।

ভয়েস রিকগনিশন সিস্টেম যুক্ত কয়েকটি প্রযুক্তি হলো- 
Siri (Apple) – ভয়েস দিয়ে প্রশ্ন করলে তা বোঝে এবং উত্তর দেয়।
Alexa (Amazon Echo ) – ভয়েস কমান্ডে ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করে।
Google Assistant – ভয়েস ব্যবহার করে ফোন কল, মেসেজ প্রেরণ, বা সার্চ করে।

অন্যদিকে,
 কিবোর্ড, টাচস্ক্রিন ও মাউস হলো সাধারণ ইনপুট ডিভাইস। 

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি,একাদশ-দ্বাদশ ও আলীম শ্রেনী।
- IBM - what is voice recognition.
- Microsoft - Ai and Speech recognition.
৬২৮.
RAM- এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Random Access Memory.
  2. Read Available Memory.
  3. Read Access Memory.
  4. Random Available Memory.
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার মেমরি:
- কম্পিউতার মেমরি প্রধানত ২ প্রকার। 
যথা:
১) প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory)
২) গৌণ/ সহায়ক মেমরি (Secondary Memory)

• প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory):
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে সকল মেমোরিতে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় তাদেরকে Volatile Memory বলে।
- RAM( Random Access Memory) এবং ROM(Read Only Memory) কে প্রাথমিক মেমরি বলা হয়।
- RAM কে Volatile Memory বলে।
- RAM কে Main Storage এবং Read Write Memory ও বলা হয়।
- ROM কে Non Volatile Memory বলে।

• গৌণ/ সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- প্রধান মেমরি ব্যতিত সকল ধরনের মেমরিকে সহায়ক মেমরি বলে।
যেমন: Hard Disk, Pem Drive.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেনী এবং ব্রিটানিকা।

৬২৯.
ইনপুট-আউটপুট যন্ত্রাংশ নিয়ন্ত্রণ এবং মেমোরি থেকে ডাটা উত্তোলনের কাজ করে-
  1. কন্ট্রোল ইউনিট
  2. হার্ড ডিস্ক
  3. প্রসেসর ফ্যান
  4. ALU
ব্যাখ্যা

• সিস্টেম ইউনিট (CPU):
- কম্পিউটারের প্রধান অংশ হলো সিস্টেম ইউনিট বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU)।
- মানুষের মত কম্পিউটারেও মস্তিষ্ক বা প্রসেসর বিদ্যমান রয়েছে।
- কম্পিউটারের সব রকমের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ, প্রক্রিয়াকরণ ও তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করাই হচ্ছে এ অংশের কাজ। এ কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে ইনপুট ও আউটপুট এর যন্ত্রাংশসমূহ নিয়ন্ত্রণ, মেমোরি থেকে ডাটা উত্তোলন ডাটা প্রক্রিয়াকরণ ও মেমোরিতে ডাটা সংরক্ষণ ইত্যাদি।
- প্রক্রিয়াকরণ বা প্রসেসিং ইউনিটের প্রধান অংশ তিনটি। যথা:

অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (ALU):
- এ অংশের কাজ হলো গাণিতিক ও যৌক্তিক কাজগুলো করা। গাণিতিক কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি। আর যৌক্তিক কাজগুলো হতে পারে ছোট-বড় নির্ণয় করা, সমান কী-না যাচাই করা ইত্যাদি।

কন্ট্রোল ইউনিট:
- কম্পিউটারের সব রকমের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ ও তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করাই হচ্ছে এ অংশের কাজ। এ কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে ইনপুট ও আউটপুট এর যন্ত্রাংশসমূহ নিয়ন্ত্রণ, মেমোরি থেকে ডাটা উত্তোলন ও মেমোরিতে ডাটা সংরক্ষণ ইত্যাদি

মেমোরি বা স্মৃতি:
- প্রক্রিয়াকরণের পূর্বে প্রদত্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকালীন সময়ে অন্তবর্তীকালীন ফলাফল এবং প্রক্রিয়াকরণের শেষে চূড়ান্ত ফলাফল জমা রাখার জন্য কম্পিউটারের যে অংশগুলো (প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি মেমোরি) কাজ করে তাকে মেমোরি ইউনিট বলে।
- ডাটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৬৩০.
কম্পিউটারে ক্যাশ মেমোরি ব্যবহারের মূল কারণ কী?
  1. ব্যাকআপ নেওয়া
  2. CPU এর কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি
  3. স্থায়ী ডেটা সংরক্ষণ
  4. তথ্য পুনরুদ্ধার করা
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারে ক্যাশ মেমোরি ব্যবহারের প্রধান কারণ হলো CPU এর কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি। ক্যাশ মেমোরি হল একটি উচ্চগতির অস্থায়ী মেমোরি যা প্রায়শই ব্যবহৃত ডেটা এবং নির্দেশাবলী সংরক্ষণ করে। যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন, তখন এটি সরাসরি ক্যাশ থেকে দ্রুত তথ্য গ্রহণ করতে পারে, ফলে প্রধান RAM থেকে তথ্য আনার সময় নষ্ট হয় না। এর ফলে প্রসেসিং দ্রুত হয় এবং কম্পিউটারের সামগ্রিক কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। তাই, ক্যাশ মেমোরি ব্যাকআপ বা স্থায়ী সংরক্ষণের জন্য নয়, মূলত CPU এর কার্যকারিতা উন্নত করতে ব্যবহৃত হয়।

- সঠিক উত্তর: খ) CPU এর কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি।

ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৬৩১.
ব্লু-রে ডিভিডি (Blue-Ray DVD) এর প্রতি লেয়ারের ধারণক্ষমতা কত?
  1. ক) ০.৭ গিগাবাইট
  2. খ) ৪.৭ গিগাবাইট
  3. গ) ১৭ গিগাবাইট
  4. ঘ) ২৫ গিগাবাইট
ব্যাখ্যা
ব্লু-রে ডিভিডি (Blue-Ray DVD):
ব্লু-রে ডিভিডি দেখতে সাধারণ ডিভিডি-এর মতাে কিন্তু এর ধারণক্ষমতা অনেক। ১০০ গিগাবাইটের ব্লু-রে ডিভিডিতে অডিও, ভিডিও বা অধিক ডেটা সংরক্ষণ করা হয়। এটিও সাধারণ সিডি বা ডিভিডির মতাে ১২ মি.মি. প্লাস্টিক ডিস্কের সাহায্যে তৈরি করা হয়। এর প্রতি লেয়ারের ধারণক্ষমতা ২৫ গিগাবাইট।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল ২০২১ সংস্করণ)
৬৩২.
'Accumulator' এক ধরনের-
  1. ক) ইনপুট ডিভাইস
  2. খ) রেজিস্টার
  3. গ) বাস
  4. ঘ) বায়োস
ব্যাখ্যা
আ্যাকিউমুলেটর (Accumulator) রেজিস্টার:
- আ্যাকিউমুলেটর একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টার।
- গাণিতিক ও যুক্তিমূলক ইউনিটের প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল তাৎক্ষণিক অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য আ্যাকিউমুলেটর ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৩৩.
নিচের কোনটি একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে? 
  1. টাচ স্ক্রীন
  2. প্রিন্টার
  3. মাউস
  4. মাইক্রোফোন
ব্যাখ্যা
ইনপুট ডিভাইস: 
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে প্রক্রিয়াকরণে বিভিন্ন ধরনের ডাটা গ্রহন করে। কম্পিউটার প্রক্রিয়াকরণের কাজে ডাটা প্রদানে নিয়োজিত ডিভাইসসমূহই হলো ইনপুট ডিভাইস। 
যেমন - 
• কী-বোর্ড, 
মাউস
• জয়স্টিক, 
মাইক্রোফোন
• বারকোড রিডার, 
• ওএমআর, 
• ওসিআর, 
• লাইটপেন, 
• স্ক্যানার ইত্যাদি। 

আউটপুট ডিভাইস: 
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের বা প্রদানের কাজে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার জড়িত থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যার আউটপুট ডিভাইস নামে পরিচিত। 
যেমন - 
• মনিটর, 
প্রিন্টার
• প্রজেক্টর, 
• প্লটার, 
• স্পিকার ইত্যাদি। 

ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস: 
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে। 
যেমন - 
টাচস্ক্রিন
• ডিজিটাল ক্যামেরা, 
• মডেম ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৬৩৪.
বিভিন্ন পণ্যের প্যাকেটের ওপর পণ্যের নাম, ধরন, নির্মাণকারীর নাম, পরিমাণ, মূল্য ইত্যাদি তথ্য সংযোজিত থাকে কীসের মাধ্যমে?
  1. ক) বার কোড
  2. খ) ওএমআর
  3. গ) ওসিআর
  4. ঘ) ডিজিটাইজার
ব্যাখ্যা
বার কোড রিডার
- বার কোড বলতে লম্বা আকারের সরু, মোটা এবং তার সাথে নম্বর সংযুক্ত পর্যায়ক্রমে কতকগুলো বার বা রেখার সমষ্টিকে বোঝায়।
- সাধারণত বিভিন্নপণ্য বা পোডাক্টের প্যাকেটের ওপর বার কোডের সাহায্যে পণ্যের নাম, পণ্যের ধরন, কোম্পানির বা নির্মাণকারীর নাম, পরিমাণ, মূল্য ইত্যাদি তথ্য লেখা থাকে।
- বার কোড সাধারণত যেকোনো ধরনের পণ্য, বই, পোস্টাল প্যাকেট ইত্যাদির পরিচিতি শনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়।
- এ ধরনের বার কোডসমূহ পড়ার জন্য একটি বিশেষায়িত যন্ত্র ব্যবহৃত হয়, যা বার কোড রিডার নামে পরিচিত। 

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৩৫.
"Central Circuit Board" হিসেবে পরিচিত -
  1. র‍্যাম
  2. প্রসেসর
  3. মনিটর
  4. মাদারবোর্ড
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড (Motherboard): 
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।

- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন, কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড বা "Central Circuit Board"। 
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়া যায়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৩৬.
OCR মূলত __________ রূপান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়।
  1. অডিও থেকে টেক্সট
  2. ভিডিও থেকে টেক্সট
  3. টেক্সট থেকে ছবি
  4. ছবি থেকে টেক্সট
ব্যাখ্যা
⚪ OCR এর পূর্ণরূপ হলো Optical Character Recognition। এটি একটি প্রযুক্তি যা স্ক্যান করা ছবি, প্রিন্টেড ডকুমেন্ট বা হাতে লেখা লেখার ছবি থেকে লেখা (টেক্সট) চিনে নিয়ে সেটিকে ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করে।

উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি কোনো বইয়ের একটি পৃষ্ঠা স্ক্যান করেন, তাহলে OCR প্রযুক্তির মাধ্যমে সেই ছবির ভিতরের লেখাগুলোকে চিনে নিয়ে কপি-পেস্ট করার উপযোগী টেক্সটে রূপান্তর করা যায়।

⚪ OCR:
- OCR-এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader/Recognition.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।

- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে হাতের লেখা অত্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন
এবং প্রয়োজনীয় গঠন অনুসারে লিখিত হওয়া দরকার।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়‍্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

⚪ OCR এর ব্যবহার:
 - ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
- চিঠির পিনকোড,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৩৭.
নিচের কোনটি কম্পিউটারে সেকেন্ডারি মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) RAM
  2. খ) ROM
  3. গ) Hard Disc
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
হার্ডডিস্ক  কম্পিউটারে সেকেন্ডারি মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

- ১৯৮০ সালের দিকে হার্ডডিস্কের প্রচলন শুরু হয়।
- হার্ডডিস্ক হচ্ছে পাতলা-গোলাকার ধাতব পাতের সমন্বয়ে গঠিত সহায়ক স্মৃতি।
- গোলাকার পাতগুলোর উভয় পৃষ্ঠে চুম্বকীয় পদার্থ ফেরিক অক্সাইডের প্রলেপ থাকে এবং একটির ওপরে একটি স্তূপ আকারে বসানো থাকে।
- পাতগুলোর মাঝখানে থাকে একটি দণ্ড, উক্ত দণ্ডের সাহায্যেই পাতগুলো একটির ওপরে একটি করে বসানো থাকে।
- কাজের সময় পাতগুলো প্রতি মিনিটে ৭২০০ বা আরো বেশিবার আবর্তিত হয়।
- হার্ডডিস্ক সাধারণত মটর, স্পিন্ডল, রিড-রাইট হেড, অ্যাকিউটর, ফ্রেম, এয়ার ফিল্টার, গ্লাস অথবা সিরামিক এবং ইলেকট্রনিক্সের সমন্বয়ে গঠিত, যা চুম্বকীয় মাধ্যম দ্বারা আবৃত্ত থাকে।
- একেবারে ওপরের ডিস্কের ওপরের পৃষ্ঠ এবং নিচের ভিক্ষের নিচের পৃষ্ঠ ছাড়া অন্য ডিস্কগুলোর উভয় পৃষ্ঠ এবং ওপরের ও নিচের ডিস্কের ভেতরের দিকের পৃষ্ঠে উপাত্ত, তথ্য প্রোগ্রাম ইত্যাদি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।

সূত্র: ১২৯ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৩৮.
পেনড্রাইভ একটি -
  1. Main Memory
  2. Secondary Memory
  3. Primary Memory
  4. Internal Memory
ব্যাখ্যা
মেমোরির শ্রেণীবিভাগ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত মেমোরিকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
১. প্রধান মেমোরি বা মুখ্য মেমোরি (Main Memory or Primary Memory),
২. সহায়ক মেমোরি বা গৌণ মেমোরি (Secondary Memory or Mass Memory) এবং 
৩. ইন্টারনাল মেমোরি (Internal Memory)। 

সহায়ক মেমোরি:
- কম্পিউটারের যে মেমোরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমোরি বলা হয়।
- এ ধরনের মেমোরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের (CPU) সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও তথ্য বা প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।
- হার্ডডিস্ক, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি এ ধরনের সহায়ক মেমোরির উদাহরণ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৩৯.
কোন ডিভাইসটিকে ইনপুট ডিভাইস বলা হয়?
  1. Monitor
  2. Speaker
  3. Keyboard
  4. Headphone
ব্যাখ্যা

• ইনপুট ডিভাইস হলো এমন ডিভাইস যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী কম্পিউটারে তথ্য প্রেরণ করতে পারে। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Keyboard একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে পরিচিত। 

• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস বলে।
- কম্পিউটার পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ:
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive ইত্যাদি।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৪০.
Avro কি?
  1. ক) ই-কমার্স সাইট
  2. খ) তথ্য ও প্রযুক্তি কোম্পানি
  3. গ) বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
  4. ঘ) অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
অভ্র সফটওয়্যার এর অনন্য বৈশিষ্ট্য হল ফনেটিক অর্থাৎ ইংরেজি উচ্চারণ করে বাংলা লেখা যায়। ২০০৩ সালের ২৬ মার্চ ডাক্তার মেহেদী হাসান খান অভ্র কিবোর্ড উদ্ভাবন করেন।
৬৪১.
ইন্টারনাল বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত কয়টি ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. পাঁচ ভাগে
ব্যাখ্যা
• সিস্টেম বাস:
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।
- সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা -
১. ডেটা বাস (Data Bus),
২. অ্যাড্রেস বাস (Address Bus) এবং
৩. কন্ট্রোল বাস (Control Bus)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৪২.
What does ROM stand for?
  1. Random Output Memory
  2. Read Output Mechanism
  3. Run Over Memory
  4. Read Only Memory
ব্যাখ্যা
ROM এর পূর্ণরূপ Read Only Memory.

রম (ROM):
- রম হচ্ছে কম্পিউটারের নিজস্ব স্মৃতি কেন্দ্র।
- কম্পিউটার রম থেকে কেবলমাত্র তথ্য পড়তে পারে এবং সেই অনুযায়ী কাজ করে।
- রমের স্মৃতিতে সংরক্ষিত কোন তথ্য কম্পিউটার মুছে ফেলতে পারে না বা পরিবর্তন করতে পারে না।
- এজন্য রমকে কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতি বলা হয়।
- কম্পিউটারের রম যত কার্যপ্রক্রিয়া অতি দ্রুত সম্পাদন করতে পারবে।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৪৩.
কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের কোন হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে?
  1. অপারেটিং সিস্টেম
  2. হার্ড ডিস্ক
  3. মাইক্রোপ্রসেসর
  4. সিডি
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়। 
- বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যেমন: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
- এটি ছিলো Intel 4004 নামের 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর। 

• ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর:  ৪০০৪, ৪০৪০।
• ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: ৮০০৮, ৮০৮০।
• ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: ৮০৮৬, ৮০৮৮,৮০১৮৬।
• ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৪৪.
CPU-র কোন কম্পোনেন্ট ইনস্ট্রাকশনকে রূপান্তর বা ডিকোড করে?
  1. Bus
  2. Register
  3. Control Unit
  4. ALU
ব্যাখ্যা

• CPU-তে Control Unit (CU) হলো সেই গুরুত্বপূর্ণ কম্পোনেন্ট যা ইনস্ট্রাকশনকে ডিকোড করে এবং প্রক্রিয়াজাত করার নির্দেশ প্রদান করে। যখন মেমোরি থেকে কোনো প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশন আসে, CU সেটিকে বোঝে এবং প্রয়োজনীয় অপারেশন কি হবে তা নির্ধারণ করে। এটি ALU, রেজিস্টার এবং মেমোরির মধ্যে সমন্বয় সাধন করে, যাতে ইনস্ট্রাকশন সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়। অন্য কম্পোনেন্ট যেমন Bus ডেটা পরিবহন করে, Register তথ্য সংরক্ষণ করে, আর ALU গণনা ও লজিক অপারেশন করে। কিন্তু ইনস্ট্রাকশনকে ব্যাখ্যা ও রূপান্তরের দায়িত্ব একমাত্র Control Unit-এর। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) Control Unit.
 
• কন্ট্রোল ইউনিটের (CU) কাজ:
- Instruction Fetch:- মেমোরি থেকে ইনস্ট্রাকশন আনে।
- Instruction Decode:- ইনস্ট্রাকশন বুঝে নেয় (যেমন:  যোগ করার ইনস্ট্রাকশন, না কি গুণ করার)।
- Instruction Execution:- ALU বা অন্যান্য ইউনিটকে আদেশ দেয় নির্দিষ্ট কাজটি করতে। 

অন্যদিকে, 
ALU (Arithmetic Logic Unit):
⇒ কেবল গাণিতিক ও যৌক্তিক (logical) কাজ করে — যেমন যোগ, বিয়োগ, তুলনা। Instruction decode করে না।
 
Register:
⇒ এটি অস্থায়ী মেমোরির মতো কাজ করে। ডেটা ধরে রাখে, তবে decode করে না।

Bus:
⇒ এটি হলো CPU ও অন্যান্য অংশের মধ্যে ডেটা পরিবহণের পথ। এটি ইনস্ট্রাকশন বুঝতে পারে না।

তথ্যসূত্র: 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT), নবম-দশম শ্রেণী । 
- Computer Organization and Design by David A. Patterson.
- Fundamentals of Computers by P.K. Sinha.

৬৪৫.
নেটয়ার্ক কার্ডের ইউনিক ক্রমিক নম্বরকে কি বলে?
  1. ক) আইপি এড্রেস
  2. খ) ম্যাক এড্রেস
  3. গ) ইউআরএল
  4. ঘ) নেটওয়ার্ক ড্রাইভার
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৬৪৬.
কোনটি কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতি?
  1. হার্ড ডিস্ক
  2. র‍্যাম
  3. কম্প্যাক্ট ডিস্ক
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• মেমরি বা স্মৃতি অংশ (Memory Unit):
- কোনো সমস্যা সমাধান করার জন্য কম্পিউটারে যে সমস্ত উপাত্ত বা নির্দেশাবলি ইনপুট ডিভাইসের সাহায্যে দেওয়া হয় তা কম্পিউটারের স্মৃতি অংশে জমা হয়।
- কম্পিউটারে সাধারণত প্রধান ও সহায়ক স্মৃতি অংশ বিদ্যমান।
- প্রধান স্মৃতি একটি পঠন/লিখন অর্ধপরিবাহী স্মৃতি।
- প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রোগ্রাম ও উপাত্তকে এ অংশে সংরক্ষণ করা হয়।
- এছাড়া প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় অন্তর্বতীকালীন ফলাফলকে এ ধরনের স্মৃতি অংশে সংরক্ষণ করা হয়।
- তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য সহায়ক স্মৃতির প্রয়োজন হয়।
- র‍্যাম হচ্ছে প্রধান স্মৃতি, হার্ডডিস্ক ও কম্প্যাক্ট ডিস্ক হচ্ছে সহায়ক স্মৃতি।

উৎস:মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৪৭.
CPU-এর কোন অংশে ALU থাকে?
  1. কন্ট্রোল ইউনিট
  2.  প্রসেসিং ইউনিট 
  3. মেমোরি ইউনিট
  4. ক্যাশ
ব্যাখ্যা

• CPU-এর মূল অংশগুলোর মধ্যে ALU (Arithmetic Logic Unit) থাকে প্রসেসিং ইউনিটে। প্রসেসিং ইউনিট মূলত সেই অংশ যা কম্পিউটারের সব গাণিতিক ও যৌক্তিক (logical) কাজ সম্পাদন করে। ALU সংখ্যা যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগের মতো অঙ্কীয় কাজ এবং তুলনা, AND, OR, NOT এর মতো যৌক্তিক কাজ সম্পাদন করে। কন্ট্রোল ইউনিট CPU-এর অন্যান্য অংশকে নির্দেশনা দেয় এবং কার্যক্রম সমন্বয় করে, মেমোরি ইউনিট তথ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয় এবং ক্যাশ দ্রুত অ্যাক্সেসের জন্য ছোট, দ্রুততর মেমোরি হিসেবে কাজ করে। তাই ALU সরাসরি প্রসেসিং ইউনিটের অংশ হিসেবে কাজ করে এবং কম্পিউটারের প্রধান গণনার ক্ষমতা প্রদান করে।

উত্তর: খ) প্রসেসিং ইউনিট।

• কম্পিউটারের CPU (Central Processing Unit) মূলত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা:
১। গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit),
২। নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit),
৩। স্মৃতি অংশ (Memory Unit)।

• গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit):
- ALU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Arithmetic Logic Unit.
- নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা ALU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি।
- কোনো রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদান করে থাকে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত রাখে।
- বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর প্রয়োজনে একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহৃত হয়।

উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৬৪৮.
একটি SCSI ক্যাবলে সর্বোচ্চ কতটি ড্রাইভ সংযুক্ত করা যায়?
  1. ২ টি
  2. ৪ টি
  3. ৮ টি
  4. ১৬ টি
ব্যাখ্যা
• স্ক্যাজি (SCSI) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ:
- স্ক্যাজি এর পুরো অর্থ হলো 'স্মল কম্পিউটার সিস্টেম ইন্টারফেস ড্রাইভ (Small Computer System Interface Drive)'।
- SCSI ড্রাইভগুলোর সাধারণত ৫০টি থেকে ৬৮টি পিন থাকে।
- SCSI ড্রাইভগুলো সাধারণত 640MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।
- এই ড্রাইভগুলো সোয়াপেবল (swappable) নয়।
- SCSI হার্ড ডিস্ক সংযোগের জন্য সাধারণত SCSI ক্যাবল ব্যবহৃত হয়।
- একটি SCSI ক্যাবলে সর্বোচ্চ ১৬টি ড্রাইভ সংযুক্ত করা যায়।
- ক্যাবলে এর আইডেন্টিফিকেশনের জন্য প্রতিটি হার্ড ডিস্ক ড্রাইভের একটি ৮ বাইট হেক্সাডেসিম্যাল কোড রয়েছে যা WWN (world wide name) নামে পরিচিত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশববিদ্যালয়।
৬৪৯.
নিচের কোনটি ইনপুট–আউটপুট ডিভাইস?
  1. USB Flash Drive
  2. Scanner
  3. Speaker
  4. Projector
ব্যাখ্যা

• USB Flash Drive হচ্ছে একটি ইনপুট–আউটপুট ডিভাইস।

• ইনপুট ডিভাইস (Input Device):
ইনপুট ডিভাইস হলো সেই সব যন্ত্র যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী কম্পিউটারে ডাটা বা নির্দেশ প্রবেশ করায়। অর্থাৎ, যেসব ডিভাইস দিয়ে তথ্য কম্পিউটারের ভিতরে পাঠানো হয়, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
Keyboard, 
Mouse, 
Scanner,
Microphone, 
Webcam, 
Joystick,
Touchpad, 
Barcode Reader, 

• আউটপুট ডিভাইস (Output Device):
আউটপুট ডিভাইস হলো সেই সব যন্ত্র যার মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে প্রক্রিয়াজাত তথ্য ব্যবহারকারীর কাছে প্রদর্শিত বা সরবরাহ করা হয়।
Monitor,  
Speaker, 
Projector, 
Plotter, 
Headphone, 
LED Display,

• ইনপুট–আউটপুট ডিভাইস (Input–Output Device):
ইনপুট–আউটপুট ডিভাইস হলো এমন ডিভাইস যা একই সাথে কম্পিউটারে তথ্য প্রবেশ করাতে (Input) এবং কম্পিউটার থেকে তথ্য বের করতে (Output) পারে।
Touchscreen, 
All-in-one Printer, 
USB Flash Drive, 
Hard Disk, 
Modem,

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৫০.
নিচের মেমোরি গুলোর মধ্যে কোনটি সবচেয়ে দ্রুত অ্যাক্সেস সম্ভব?
  1. Virtual Memory
  2. Cache Memory
  3. Main Memory (RAM)
  4. Register
ব্যাখ্যা
• সর্বোচ্চ দ্রুত অ্যাক্সেস ক্ষমতা সম্পন্ন মেমোরি হলো রেজিস্টার। রেজিস্টার হলো প্রসেসরের ভেতরে থাকা ছোট, অতিবেগুনি মেমোরি, যেখানে প্রক্রিয়াকরণের জন্য জরুরি ডেটা বা নির্দেশনা অতি দ্রুত সরবরাহ করা হয়। এর ফলে রেজিস্টার থেকে তথ্য পড়া বা লেখা করার গতি অন্য মেমোরিগুলোর তুলনায় অনেক বেশি। ক্যাশ মেমোরি এর গতি রেজিস্টারের পরে সবচেয়ে দ্রুত, কারণ এটি প্রসেসর ও মেইন মেমোরির মধ্যে অবস্থিত এবং প্রায়ই ব্যবহৃত ডেটা সংরক্ষণ করে। মেইন মেমোরি (RAM) অপেক্ষাকৃত ধীর, কারণ এটি বড় আকারের এবং প্রসেসর থেকে দূরে অবস্থিত। সবচেয়ে ধীর হলো ভার্চুয়াল মেমোরি, যা মূলত হার্ডডিস্কের কিছু অংশ ব্যবহার করে এবং এটি মেইন মেমোরির অভাবে ডেটা রাখে, তাই অ্যাক্সেস গতি খুব কম। তাই দ্রুততম হলো রেজিস্টার।

• রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন: অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।

• মেমরির ধারণক্ষমতা, দাম ও গতির ক্রম:

- পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
- আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।

এছাড়াও,
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- RAM হলো অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি এবং ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হলো হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।


উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৫১.
অনলাইনে যেকোনো ফর্ম পূরণের সময় মাউস ব্যবহার না করে ফর্মের ফিল্ড পরিবর্তন করতে কিবোর্ডের কোন বাটন বা বাটনগুলো ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) Alt
  2. খ) Shift+alt
  3. গ) Tab
  4. ঘ) Alt+Tab
ব্যাখ্যা

Tab key can be used on your computer to:
- Indent a line or paragraph of text.
- Pressing Alt+Tab switches between open program windows on a Microsoft Windows computer.
- Pressing the Ctrl+Tab switches between open documents or tabs in the program that is open.
- Pressing Windows key+Tab shows available open programs in Microsoft Windows.
- In most programs and computers pressing the Tab key moves between selectable elements. For example, you press the Tab key in your Internet browser now to switch between all selectable elements on this web page.

Source: Computerhope Website. (Not a perfectly solid reference but we verified the info.)

৬৫২.
CRT নিচের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. প্রিন্টার
  2. বাস
  3. মনিটর
  4. মাউস
ব্যাখ্যা
• মনিটর:
- মনিটর হলো একটি অন্যতম সফটকপি আউটপুট হার্ডওয়্যার, যা দেখতে সাধারণত টেলিভিশনের পর্দার মতো।
- মনিটর সাদা-কালো বা রঙিন হয়ে থাকে। আবার অ্যানালগ কিংবা ডিজিটালও হতে পারে।
- প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে মনিটরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১. ক্যাথোড রশ্মির টিউব মনিটর (Cathode Ray Tube - CRT)
২. ফ্ল্যাট প্যানেল মনিটর (Flat Panel Monitor)। 

• ক্যাথোড রশ্মির টিউব মনিটর (CRT- Cathode Ray Tube Monitor):
- সিআরটি মনিটরের প্রধান উপকরণ হলো পিকচার টিউব।
- টিউবের ভেতরের দিকে লাল, সবুজ ও আসমানি এ তিনটি মৌলিক বর্ণের ফসফরাসের আবরণের প্রলেপ থাকে।
- ফসফরাসের আবরণটি অনেকগুলো বিন্দু বা ডটের সমন্বয়ে গঠিত। এদেরকে পিক্সেল বলা হয়। কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
- মনিটরের পর্দায় একটি ইমেজ বা চিত্র তখনই পূর্ণাঙ্গভাবে অবলোকন করা যায়, যখন ইলেকট্রন বিম সম্পূর্ণ স্ক্রিনটিকে স্ক্যান করে এবং প্রতিটি পিক্সেলকে উজ্জ্বল করে দেয়।
- পিক্সেলের সংখ্যার ওপর মনিটরের রেজুল্যশন নির্ভর করে। বর্তমানে প্রচলিত মনিটরগুলো সাধারণত ৬৪০০০ থেকে ২ মিলিয়ন পিক্সেলবিশিষ্ট হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৫৩.
ক্যাশ মেমরি সাধারণত কোন ধরণের মেমরির ওপর ভিত্তি করে তৈরি?
  1. Flash
  2. ROM
  3. DRAM
  4. SRAM
ব্যাখ্যা

• ক্যাশ মেমরি সাধারণত SRAM (Static Random Access Memory) এর ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়। এটি DRAM এর তুলনায় অনেক দ্রুত এবং স্থিতিশীল, কারণ SRAM এ ডেটা ধরে রাখার জন্য রিফ্রেশ করতে হয় না। ক্যাশ মেমরি প্রসেসরের সাথে নিকটবর্তী অবস্থানে রাখা হয় যাতে প্রয়োজনীয় ডেটা এবং নির্দেশনা দ্রুত প্রসেসরকে সরবরাহ করা যায়, ফলে কম্পিউটারের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। SRAM এর সেল ডিজাইন জটিল এবং এটি বেশি পাওয়ার ব্যবহার করে, কিন্তু দ্রুত এক্সেসের কারণে এটি ক্যাশ মেমরির জন্য আদর্শ।
- অন্যদিকে DRAM ধীর এবং রিফ্রেশের প্রয়োজন, ROM স্থায়ী তথ্যের জন্য ব্যবহৃত হয়, আর Flash সাধারণত স্টোরেজ ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়, তাই ক্যাশ মেমরিতে SRAM সবচেয়ে উপযুক্ত।

ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৬৫৪.
আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কোনটি কাজ করে?
  1. মাউস
  2. স্ক্যানার
  3. মডেম
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা
ইনপুট ডিভাইস: 
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস। 
যেমন- 
- কি-বোর্ড, 
- মাউস
- অপটিকাল রিডার, 
- জয়স্টিক, 
- মাইক্রোফোন, 
- স্ক্যানার
- গ্রাফিক্স প্যাড, 
- লাইট পেন, 
- ওয়েবক্যাম, 
- ওসিআর ইত্যাদি। 

আউটপুট ডিভাইস: 
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস। 
যেমন- 
- মনিটর, 
 - প্রিন্টার, 
- প্রজেক্টর, 
- স্পিকার
- প্লটার, 
- হেডফোন। 

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস: 
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে। 
যেমন- 
- পেনড্রাইভ, 
- টাচ স্ক্রিন, 
- মডেম। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৬৫৫.
মডেম হচ্ছে—
  1. ক) সহায়ক স্মৃতি
  2. খ) সিপিইউর অংশ
  3. গ) তথ্য আদান-প্রদানের যন্ত্র
  4. ঘ) উন্নত মানের প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
মডেম (মড্যুলেটর-ডিম্যুলেটর) হল একটি যন্ত্র যা একটি প্রেরিত এনালগ সংকেতকে ডিজিটাল তথ্যে রূপান্তর করে এবং ডিজিটাল তথ্যকে পাঠানোর সময় এনকোড করে এনালগ সংকেত হিসেবে প্রেরণ করে। এর উদ্দেশ্য হল সহজে সংকেত পাঠানো এবং তা আবার একই রকমভাবে অন্য প্রান্তে পাওয়া।
৬৫৬.
হেল্প মেনু দেখার জন্য কোন ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) F1
  2. খ) F5
  3. গ) F7
  4. ঘ) F12
ব্যাখ্যা
ফাংশন কী: কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে। তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়।

কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয় ।
- F4 last action performed repeat করা যায় এবং কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা
৬৫৭.
হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে কোনটি?
  1. ফার্মওয়্যার
  2. হিউম্যানওয়্যার
  3. সফটওয়্যার
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ফার্মওয়্যার:
- কম্পিউটার সিস্টেম তৈরি করার সময় কম্পিউটারের মেমরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তাকে ফার্মওয়্যার বলে।
- এ সকল প্রোগ্রাম কম্পিউটার ব্যবহারকারী পরিবর্তন করতে পারে না।
- ROM BIOS-এর মধ্যে যে ডেটা এবং নির্দেশগুলো থাকে তা হলো ফার্মওয়্যার।

• হার্ডওয়্যার: 
- কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড, ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের উদাহরণ।

• সফটওয়্যার:
- সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে। 
- DOS, Windows, MS Office, Adobe Photoshop, Vedio Player Pagemaker ইত্যাদি সফটওয়্যারের উদাহরণ।

 • হিউম্যানওয়্যার:
- ডেটা সংগ্রহ, প্রোগ্রাম বা ডেটা সংরক্ষণ ও পরীক্ষাকরণ, কম্পিউটার চালনা, প্রোগ্রাম লেখা, সিস্টেমগুলো ডিজাইন ও রেকর্ড লিপিবদ্ধকরণ এবং সংরক্ষণ, সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যারের মধ্যে সমন্বয় সাধন ইত্যাদি কাজগুলোর সাথে যুক্ত সমস্ত মানুষকে একসাথে হিউম্যানওয়্যার বলে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৫৮.
কোনটি সবচেয়ে দ্রুত গতির মেমরি?
  1. মেগনেটিক ডিস্ক
  2. ক্যাশে মেমরি
  3. মেইন মেমরি
  4. রেজিস্টার
ব্যাখ্যা
মেমরির ক্রম:


- পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
- আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৫৯.
দুই বা তার বেশি ক্লাউড একসাথে হলে সেটাকে কী বলা হয়?
  1. কমিউনিটি ক্লাউড
  2. হাইব্রিড ক্লাউড
  3. প্রাইভেট ক্লাউড
  4. পাবলিক ক্লাউড
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
- ক্লাউড ব্যবহারকারী কারা, তার ওপরে ভিত্তি করে ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:

• হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud):
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক আর প্রাইভেটের সংমিশ্রণ।
- এখানে প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয়, আর প্রাইভেট ক্লাউডের ধারণক্ষমতা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেয়া হয়।
- পাবলিক ক্লাউডের চেয়ে হাইব্রিড ক্লাউডের খরচ বেশি।

• পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud):
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত। যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
- যেমন: আমাজনের EC2.
- এসব ক্লাউডের সুবিধা হলো যে কেউ এর সেবা নিতে পারে।

• প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud):
- যখন বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্লাউড সিস্টেম ডেভোলাপ করে তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে।
- এটি সাধারণত একটি সংস্থায় অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হয়।
- এতে খরচ অনেক বেশি হয়, নিজস্ব ডেটা সেন্টার বসাতে হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিজস্ব জনবল রাখার প্রয়োজন হয়।

• কমিউনিটি ক্লাউড (Community Cloud):
- সাধারণত কোনো বিশেষ কমিউনিটির জন্য যে ক্লাউড ডেভেলোপ করা হয় সেটি হলো কমিউনিটি ক্লাউড।
- কমিউনিটি ক্লাউডের সুবিধা হলো কমিউনিটির মধ্যে ইউজার সীমাবদ্ধ থাকে বলে এখানে সিকিউরিটির কোনো সমস্যা নেই।
- আর অসুবিধা হলো এখানে ক্লায়েন্টের সংখ্যা সীমিত বলে খরচ বেশি হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬৬০.
অপটিকেল স্টোরেজ এ নিচের কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Optical fibers
  2. খ) Laser beams
  3. গ) Magnetic beads
  4. ঘ) Electronic guns
ব্যাখ্যা
Optical storage, electronic storage medium that uses low-power laser beams to record and retrieve digital (binary) data.
In optical-storage technology, a laser beam encodes digital data onto an optical, or laser, disk in the form of tiny pits arranged in a spiral track on the disk’s surface. 
Source: Britannica
৬৬১.
Magnetic tape is an example of —
  1. Input Device
  2. Output Device
  3. Processing Device
  4. Storage Device
ব্যাখ্যা

Magnetic tape is an example of storage Device.

কম্পিউটার পেরিফেরালসমূহকে কাজের উপর ভিত্তি করে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা-
১. ইনপুট ডিভাইস (Input Device)
২. আউটপুট ডিভাইস (Output Device) ও
৩. স্টোরেজ ডিভাইস (Storage Device) ।

ক) ইনপুট ডিভাইস:
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
উদাহরণ:
- কীবোর্ড,
- মাউস,
- স্ক্যানার,
- মাইক্রোফোন,
- জয়স্টিক।

খ) আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- স্পিকার,
- প্রজেক্টর।

গ) স্টোরেজ ডিভাইস:
উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত ভৌত মাধ্যমকে স্টোরেজ মিডিয়া বলে। যেমন-
- হার্ডডিস্ক,
- ম্যাগনেটিক টেপ,
- রি-রাইটেবল সিডি,
- ফ্লপিডিস্ক,
- কমপ্যাক্ট ডিস্ক বা সিডি,
- ডিভিডি,
- ফ্লাশ মেমোরি বা পেন ড্রাইভ,
- মেমোরি কার্ড।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৬৬২.
আধুনিক কম্পিউটারে CPU সাধারণত কোথায় থাকে?
  1. আলাদা আলাদা সার্কিট বোর্ডে
  2. ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট চিপে
  3. পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিটে
  4. র‍্যাম চিপে
ব্যাখ্যা

আধুনিক কম্পিউটারে CPU সাধারণত ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট চিপে থাকে।
একটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) বা চিপ হলো ইলেকট্রনিক উপাদানের একটি সমাবেশ।

সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU) 
- সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU) হলো যেকোনো ডিজিটাল কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান অংশ। 
- এটি সাধারণত প্রধান মেমরি, কন্ট্রোল ইউনিট এবং অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিট নিয়ে গঠিত। 
- এটি একটি কম্পিউটার সিস্টেমের ফিজিক্যাল হার্ট বা মূল কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। 
- এর সাথে বিভিন্ন পেরিফেরাল সরঞ্জাম যেমন ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস এবং সহায়ক স্টোরেজ ইউনিট যুক্ত থাকে। 
- আধুনিক কম্পিউটারে, CPU একটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট চিপের মধ্যে থাকে, যাকে মাইক্রোপ্রসেসর বলা হয়।

- সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিটের কন্ট্রোল ইউনিট কম্পিউটারের কার্যক্রমগুলো নিয়ন্ত্রণ করে এবং একত্রিত করে। 
- এটি প্রধান মেমরি থেকে সঠিক ক্রমে নির্দেশাবলী নির্বাচন ও পুনরুদ্ধার করে এবং সেগুলোকে ব্যাখ্যা করে সিস্টেমের অন্যান্য কার্যকরী উপাদানগুলোকে সক্রিয় করে, যাতে তারা তাদের নিজ নিজ কাজগুলো সঠিক সময়ে করতে পারে। 
- সমস্ত ইনপুট ডেটা প্রধান মেমরির মাধ্যমে অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিটে স্থানান্তরিত হয়। 
- অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিট চারটি মৌলিক গাণিতিক ফাংশন (যোগ, বিয়োগ, গুণ এবং ভাগ) এবং ডেটা তুলনা ও সমস্যার সমাধান করার জন্য প্রয়োজনীয় পদ্ধতি নির্বাচন করার মতো কিছু লজিক অপারেশন করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬৬৩.
The terminal device that functions as a cash register, computer terminal, and OCR reader is the:
  1. ক) Data collection terminal
  2. খ) OCR register terminal
  3. গ) Video display terminal
  4. ঘ) POS terminal
ব্যাখ্যা
Point-of-sale terminal is a type of electronic-transaction terminal. Typically include a computer, a cash register and other equipment or software used to sell goods or services
৬৬৪.
কোন মেমোরি বিদ্যুৎ চলে গেলে তার তথ্য মুছে ফেলতে থাকে? 
  1. র‍্যাম
  2. রম
  3. হ্যাশ মেমোরি
  4. ক্যাশ মেমোরি
ব্যাখ্যা
RAM: 
- RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory. 
- মাদারবোর্ডের সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে মেমোরিতে পঠন এবং লিখন দুটি কাজই সম্পন্ন করা যায় সে মেমোরিকে RAM বলা হয়। 
- এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি। 
- কম্পিউটারের যতক্ষণ বিদ্যুৎপ্রবাহ চালিত থাকে ততক্ষণ RAM এ তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে। 
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে RAM তার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলে। 
- এজন্য RAM কে কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরিও বলা হয়। 

ROM: 
- এটি হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস (যেমন কম্পিউটার) এর স্টোরেজ সিস্টেম। 
- এটিকে স্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়। 
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি। 
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি। 
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি। 

উৎস: ব্রিটানিকা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৬৫.
মাদারবোর্ডে DIMM স্লটে প্রধানত কোন ধরনের মেমরি ইনস্টল করা হয়?
  1. RAM
  2. ROM
  3. SSD
  4. HDD
ব্যাখ্যা
• DIMM: 
- DIMM এর পূর্ণরূপ  dual in-line memory module.
- মাদারবোর্ডে DIMM স্লটে সাধারণত RAM ইনস্টল করা হয়।

কম্পিউটার মেমরি:
- কম্পিউটার মেমরি প্রধানত ২ প্রকার। যথা:
১) প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory)
২) গৌণ/ সহায়ক মেমরি (Secondary Memory)

• প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory): 
- RAM( Random Access Memory) এবং
- ROM(Read Only Memory) কে প্রাথমিক মেমরি বলা হয়।
- RAM কে Volatile Memory বলে।
- ROM কে নন- Volatile Memory বলে।

• গৌণ/ সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- প্রধান মেমরি ব্যতিত সকল ধরনের মেমরিকে সহায়ক মেমরি বলে।
- যেমন: Hard Disk, Pen Drive, DVD, Floppy Disk.

১) নবম-দশম শ্রেণির ICT বই।
২) computerhope.com/DIMM [লিংক]
৬৬৬.
কম্পিউটারের কোন অংশে ক্যাশ মেমোরি থাকে?
  1. CPU এবং RAM এর মধ্যে
  2. হার্ড ডিস্কের ভিতরে
  3. RAM এবং GPU এর মধ্যে
  4. পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিটের ভিতরে
ব্যাখ্যা

• ক্যাশ মেমোরি মূলত CPU এবং RAM এর মধ্যে থাকে। এটি একটি দ্রুত গতির মেমোরি যা প্রক্রিয়াকরণের সময় CPU-কে বারবার RAM থেকে ডেটা আনতে না হয় তা নিশ্চিত করে। ক্যাশ মেমোরি CPU-এর নিকটবর্তী হওয়ায় এটি তথ্য খুব দ্রুত সরবরাহ করতে পারে, ফলে প্রোগ্রামের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সাধারণত CPU তে লেভেল ১ (L1), লেভেল ২ (L2) এবং কিছু ক্ষেত্রে লেভেল ৩ (L3) ক্যাশ থাকে, যা পর্যায়ক্রমে RAM থেকে ডেটা দ্রুত অ্যাক্সেস করতে সাহায্য করে। এটি প্রক্রিয়াকরণকে মসৃণ ও কার্যকর করে। তাই ক্যাশ মেমোরি CPU এবং RAM-এর মধ্যে অবস্থান করে।

সঠিক উত্তর: ক) CPU এবং RAM এর মধ্যে।

ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়। 
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৬৬৭.
নিচের কোন মেমোরিতে সবচেয়ে দ্রুত অ্যাক্সেস করা যায়?
  1. Optical Disk
  2. RAM 
  3. Cache
  4. Flash Drive
ব্যাখ্যা

• ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory) হলো কম্পিউটারের সবচেয়ে দ্রুততম মেমোরি। এটি সিপিইউ (CPU) এবং প্রধান মেমোরির (RAM) মাঝখানে অবস্থান করে ডেটা আদান-প্রদানের গতি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

• Memory:
- মেমোরি তৈরির মূল, ধারণক্ষমতা এবং অ্যাক্সেস টাইম বিষয়গুলোর ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটারে ব্যবহৃত মেমোরি রেজিস্টার থেকে শুরু করে অপটিক্যাল ডিস্ক পর্যন্ত স্মৃতিগুলোকে বিভিন্ন ক্রমে বা পর্যায়ে ভাগ করা যেতে পারে।
- CD, RAM, Hard Disk এর চেয়ে Cache Memory তে সবচেয়ে দ্রুত অ্যাক্সেস করা যায়।

• Cache Memory:
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে Cache Memory বলা হয়।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য Cache Memory ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৬৬৮.
কম্পিউটারে একটি ASCII ক্যারেক্টারের জন্য কতটুকু মেমোরি প্রয়োজন?
  1. ক) ৮ কিলোবাইট
  2. খ) ১ বাইট
  3. গ) ১ বিট
  4. ঘ) ১৬ কিলোবাইট
ব্যাখ্যা
অ্যাস্কি বা ASCII এর পূর্ণরূপ হল American Standard Code for Information Interchange। কম্পিউটার ও বিভিন্ন ধরনের টেলিযোগাযোগের যন্ত্র সহ অন্যান যেসব যন্ত্রে বর্ণভিত্তিক (Text Based) ইন্টারফেস দরকার হয় তাতে ব্যবহারের জন্য ইংরেজি ভাষার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা একধরনের character encoding এই অ্যাস্কি। ইংরেজি ছাড়াও অন্যান ভাষার সুবিধা দিতে পারে যেসব আধুনিক character encoding তাদেরও অনেকে ঐতিহাসিক দিক থেকে অ্যাস্কির সাথে কোনভাবে সম্পর্কিত। সর্বশেষ প্রকাশিত সংষ্করণ অনুযায়ী অ্যাস্কি কোডের ধারণক্ষমতা ১২৮ টি বর্ণ, তার মধ্যে ৯৫টি ছাপারযোগ্য বর্ণ এবং ৩৩টি নিয়ন্ত্রণ সংকেত (control characters) হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৬৬৯.
Cache Memory কেন ব্যবহৃত হয়?
  1. ডেটা স্থায়ীভাবে রাখার জন্য।
  2. CPU ধীর করার জন্য।
  3. ইন্টারনেট দ্রুত করার জন্য।
  4. CPU কে দ্রুত ডেটা দেওয়ার জন্য।
ব্যাখ্যা

• Cache Memory ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির গতি পার্থক্য দূর করে CPU-কে দ্রুত ডেটা সরবরাহ করা। ফলে কম্পিউটারের সামগ্রিক গতি, পারফরম্যান্স এবং দক্ষতা বেড়ে যায়।

• Cache Memory:
- Cache Memory হলো একটি অত্যন্ত দ্রুতগতির বিশেষ ধরণের স্মৃতি, যা CPU বা প্রসেসরের খুব কাছে অবস্থান করে।
- এটি প্রধানত সেই ডেটা ও নির্দেশনা সংরক্ষণ করে, যেগুলো প্রসেসর বারবার ব্যবহার করে বা অতি দ্রুত অ্যাক্সেসের প্রয়োজন হয়।

• Cache Memory কেন প্রয়োজনতা:
- প্রসেসরের কাজের গতি অনেক বেশি, কিন্তু RAM বা Main Memory তুলনামূলক ধীর।
- প্রসেসর যখন RAM থেকে ডেটা আনতে চায়, তখন সময় বেশি লাগে। এই ব্যবধান কমাতে Cache Memory ব্যবহার করা হয়।
- Cache Memory প্রসেসর ও মূল স্মৃতির মধ্যে একটি উচ্চ গতির সেতু (Buffer Layer) হিসেবে কাজ করে। ফলে প্রয়োজনীয় ডেটা প্রসেসর খুব দ্রুত পায় এবং সিস্টেমের সামগ্রিক কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পায়।

• Cache Memory ব্যবহারের উদ্দেশ্য ও সুবিধা:
- প্রসেসর অপেক্ষার সময় কমানো: RAM থেকে ডেটা আনতে যে বিলম্ব হয়, Cache সেই বিলম্ব দূর করে।
- গতি বৃদ্ধি: Cache থেকে ডেটা অ্যাক্সেস করা RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুত, ফলে CPU-এর কার্যক্ষমতা বাড়ে।
- প্রায়শই ব্যবহৃত ডেটা সংরক্ষণ: CPU যে নির্দেশ বা ডেটা বারবার ব্যবহার করে, তা Cache Memory-তে রাখা হয়।
- Latency কমানো: ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে, যা সিস্টেমের Response Time উন্নত করে।
 
• Cache Memory এর স্তরসমূহ (L1, L2, L3):
- L1 Cache: সবচেয়ে ছোট কিন্তু সবচেয়ে দ্রুত, সরাসরি CPU কোরের সাথে সংযুক্ত।
- L2 Cache: L1-এর তুলনায় বড়, গতি কিছুটা কম, কিন্তু এখনো RAM এর চেয়ে দ্রুত।
- L3 Cache: বহু কোরের জন্য শেয়ারড, বড় এবং অপেক্ষাকৃত ধীর কিন্তু RAM এর চেয়ে দ্রুত।
- এই স্তরগুলো মিলে CPU-এর প্রয়োজনীয় ডেটা দ্রুত পৌঁছে দেয়।

উৎস: 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- ব্রিটানিকা [লিংক]।

৬৭০.
এম্বেডেড সিস্টেমের জন্য প্রাথমিক মেমরি কোনটি?
  1. Magnetic tape
  2. Flash storage
  3. ROM (Read-Only Memory)
  4. Hard Disk Drive (HDD)
ব্যাখ্যা

• এম্বেডেড সিস্টেমে প্রাথমিক মেমরি হিসেবে সাধারণত ROM (Read-Only Memory) ব্যবহার করা হয়। এটি এমন একটি স্থায়ী মেমরি যা সিস্টেমের প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও তথ্য সংরক্ষণ করতে সক্ষম। এম্বেডেড ডিভাইসে ROM ব্যবহার করার মূল কারণ হলো এটি পাওয়ার বন্ধ হলেও তথ্য হারায় না এবং সিস্টেম বুট করার সময় তা সরাসরি প্রয়োজনীয় নির্দেশাবলী প্রদান করতে পারে। অন্যদিকে, Magnetic tape, Flash storage বা HDD প্রাথমিক মেমরির জন্য সাধারণত ব্যবহার করা হয় না, কারণ এগুলো ধীরে কাজ করে বা পরিবর্তনযোগ্য তথ্য সংরক্ষণে বেশি ব্যবহৃত হয়। তাই এম্বেডেড সিস্টেমের জন্য প্রাথমিক মেমরি হিসেবে ROM সবচেয়ে উপযুক্ত।

- সঠিক উত্তর: গ) ROM (Read-Only Memory).

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি কেবলে সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কতিপয় কাজই সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, করে।
- বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার হলো The Apollo Guidance Computer.

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬৭১.
প্রিন্টারের রেজুলেশন পরিমাপের একক কোনটি?
  1. ক) Pixel
  2. খ) Dots Per Inch
  3. গ) Lines Per Minute
  4. ঘ) Lines Per sq. Inch
ব্যাখ্যা
The term Dots Per Inch (DPI) is commonly used to describe the resolution of an image.
DPI refers to the number of printed dots contained within one inch of an image printed by a printer.
Source: sony.com
৬৭২.
মেমোরি বাস কোন দুটির মধ্যে যোগাযোগ নিশ্চিত করে?
  1. ক) প্রসেসর এবং আই/ও ডিভাইস
  2. খ) আই/ও ডিভাইস এবং মেমোরি
  3. গ) ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইস
  4. ঘ) প্রসেসর এবং মেমোরি
ব্যাখ্যা
The memory bus is the computer bus which connects the main memory to the memory controller in computer systems.
৬৭৩.
নিচের কোনটি এক্সপানশনস বাস?
  1. ক) অ্যাড্রেস বাস
  2. খ) কন্ট্রোল বাস
  3. গ) ডাটা বাস
  4. ঘ) লোকাল বাস
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার বাস
- বাস হচ্ছে কিছু তারের সমাহার যেগুলোর মধ্য দিয়ে ডিজিটলি সংকেত তথা ০ বা ১ চলাচল করে।
- বাস দুই প্রকার। যথা:
১. সিস্টেম বাস ও
২. এক্সপানশনস বাস।

সিস্টেম বাস 
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।
- সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: অ্যাড্রেস বাস, কন্ট্রোল বাস ও ডাটা বাস।

এক্সপানশনস বাস
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে সম্প্রসারিত বাস বা এক্সপানশন বাস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। উল্লেখযোগ্য এক্সপানশন বাসগুলো হচ্ছে-
১. আইএসএ বাস (ISA-Industry Standards Architecture)
২. ইআইএসএ বাস (EISA - Extended Industry Standards Architecture)
৩. লোকাল বাস – 
- ভেসা (VESA-Video Electronic Standard Architecture)
- পিসিআই (PCI- Peripheral Component Interconnect)
৪. ইউএসবি (USB- Universal Serial Bus)
৫. ফায়ারওয়্যার বাস (Firewire Bus) ev IEEE 1394
৬. এজিপি (AGP – Accelerated Graphics Port); ইত্যাদি।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬৭৪.
কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে USB ডিভাইস সংযোগ করার সাথে সাথেই কাজ শুরু করতে পারে?
  1. Store and Forward
  2. Plug and Play
  3. Read and Write
  4. Copy and Paste
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: খ) Plug and Play

• USB:
- যে পেরিফেরাল ডিভাইসগুলি ইনস্টলেশনের সময় অতিরিক্ত কনফিগারেশন ছাড়া কাজ করে, সেগুলো হলো USB Devices (ইউএসবি ডিভাইস)।
- USB মানে হলো Universal Serial Bus, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিস্টেমের সাথে সংযোগ স্থাপন করে এবং ড্রাইভার ইনস্টলেশন প্রক্রিয়া সহজ করে।
- এটি মূলত 'Plug and Play' বৈশিষ্ট্য বহন করে।
- নতুন USB ডিভাইস সংযুক্ত করলে, অপারেটিং সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিভাইস চিহ্নিত করে এবং প্রয়োজনীয় ড্রাইভার লোড করে, ফলে ব্যবহারকারীর কাছে কোনো জটিল কনফিগারেশন বা IRQ, I/O পোর্ট ঠিক করার প্রয়োজন পড়ে না।
- অন্যদিকে, SCSI, Parallel এবং Serial Port ডিভাইস সাধারণত ম্যানুয়ালি কনফিগারেশন প্রয়োজন হয়, যেমন ডিভাইস আইডি, পোর্ট ঠিক করা বা IRQ সেট করা। তাই স্বয়ংক্রিয় Plug-and-Play সুবিধার জন্য USB ডিভাইসকে সবচেয়ে সুবিধাজনক ধরা হয়।
 
• কয়েকটি USB ডিভাইস হলো: 
- Pendrive.
- USB Keyboard / Mouse.
- USB Printer.
- External Hard Drive.
 
তথ্যসূত্র: 
- Computer Fundamentals – P.K. Sinha.

৬৭৫.
MICR প্রধানত কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. বারকোড স্ক্যানিং
  2. ক্রেডিট কার্ড এনকোডিং
  3. ব্যাংকে চেক প্রক্রিয়াকরণ
  4. পাসপোর্ট মুদ্রণ
ব্যাখ্যা

• MICR (Magnetic Ink Character Recognition) প্রযুক্তি প্রধানত ব্যাংকিং খাতে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে চেক প্রক্রিয়াকরণের জন্য।

• MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৬৭৬.
কোনটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে পরিচিত?
  1. Headphone
  2. Speaker
  3. Monitor
  4. Keyboard
ব্যাখ্যা

• ইনপুট ডিভাইস হলো এমন ডিভাইস যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী কম্পিউটারে তথ্য প্রেরণ করতে পারে। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Keyboard একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে পরিচিত। কারণ কীবোর্ডের সাহায্যে ব্যবহারকারী অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন ও বিভিন্ন কমান্ড টাইপ করে কম্পিউটারে পাঠাতে পারে। অন্যদিকে হেডফোন, স্পিকার এবং মনিটর ইনপুট ডিভাইস নয়; এগুলো আউটপুট ডিভাইস, যা কম্পিউটার থেকে তথ্য গ্রহণ করে ব্যবহারকারীর কাছে উপস্থাপন করে। যেমন মনিটরে ছবি ও লেখা দেখা যায়, স্পিকারে শব্দ শোনা যায় এবং হেডফোনও একইভাবে কাজ করে। তাই সঠিক উত্তর হলো Keyboard, যা ব্যবহারকারীর ইনপুট কম্পিউটারে পাঠায়।

• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস বলে।
- কম্পিউটার পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ:
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive ইত্যাদি।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৭৭.
RAM সম্পর্কে নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. RAM SSD থেকে দ্রুত
  2. RAM মাল্টিটাস্কিং উন্নত করে
  3. RAM ভোলাটাইল
  4. RAM স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে
ব্যাখ্যা

◉ RAM কখনোই স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে না। এটি কেবল চলমান প্রোগ্রাম ও তথ্য সাময়িকভাবে ধারণ করে। বিদ্যুৎ চলে গেলে সব ডেটা হারিয়ে যায়।

• র‍্যাম (RAM):
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত একাধিক চিপ সমন্বয়ে র‍্যাম এলাকা গঠিত।
- র‍্যামে সব ধরনের তথ্য লেখা ও পড়া যায়। র‍্যামে তথ্য জমা থাকে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে, ফলে র‍্যামের সব তথ্য অস্থায়ীভবে থাকে।
- এজন্য র‍্যামকে কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি বলা হয়।
- কোন কারণে বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটারের সুইচ বন্ধ করলে র‍্যাম থেকে সব তথ্যই মুছে যায়। তাই র‍্যামকে ভোলাটাইল বলা হয়।
- র‍্যামের ধারণ ক্ষমতা বেশি হলে কম্পিউটারের কাজ করার ক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।
- কাজের গতি বাড়ানোর জন্য র‍্যাম ক্যাশ (RAM Cash) ব্যবহার করা হয়।
- র‍্যাম ক্যাশ র‍্যামের অংশ বিশেষ।

• র‍্যাম দুই ধরনের:
- DRAM (Dynamic RAM),
- SRAM (Static RAM).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৭৮.
বিজয় লে আউটে বাংলা লেখার সময় ‘ন’ বর্ণটি লিখতে কীবোর্ডে ইংরেজি কোন বর্ণটি চাপতে হয়?
  1. ক) N
  2. খ) G
  3. গ) K
  4. ঘ) B
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৬৭৯.
OMR এর ক্ষেত্রে নিচের কোনটি প্রযোজ্য?
  1. ক) হাতের লেখা বা টাইপ করা বর্ণকে পড়তে পারে।
  2. খ) হার্ড টেক্সট হতে যে কোন বর্ণকে শনাক্ত করতে পারে।
  3. গ) কেবলমাত্র দাগকে শনাক্ত বা পড়তে পারে।
  4. ঘ) হাতের লেখাকে এনকোডেড টেক্সটে রূপান্তরিত করতে পারে।
ব্যাখ্যা
OMR কেবলমাত্র দাগকে শনাক্ত বা, পড়তে পারে।  

ওএমআর (OMR)-এর পুরো অর্থ হলো অপটিক্যাল মার্ক রিডার (Optical Mark Reader)।

অপটিক্যাল মার্ক রিডার এমন একটি যন্ত্র যা পেন্সিল বা কালির দাগ (Mark) বুঝতে পারে। পেন্সিলের দাগ বোঝা যায় পেন্সিলের সীসের উপাদান গ্রাফাইটের বিদ্যুৎ-পরিবাহিতা বিচার করে। কালির দাগ বোঝা যায় কালির দাগের আলোর প্রতিফলন বিচার করে। অপটিক্যাল মার্ক রিডার বিশেষ ব্যবস্থার সাহায্যে এই দাগগুলোর অস্তিত্ব বুঝতে পারে এবং সঠিক দাগ গণনা করতে পারে।

প্রশ্নের উত্তরপত্র পরীক্ষা, বাজার সমীক্ষা, জনগণনা ইত্যাদি কাজে OMR ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৬৮০.
হায়ারার্কিকাল টপোলজি নামে পরিচিত কোনটি?
  1. রিং টপোলজি
  2. স্টার টপোলজি
  3. ট্রি টপোলজি
  4. বাস টপোলজি
ব্যাখ্যা

• ট্রি টপোলজিকে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলা হয়।

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের টপোলজি:
- নেটওয়ার্ক ভুক্ত কম্পিউটার সমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি।
- টপোলজিকে তাই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সংগঠন হিসাবে অভিহিত করা হয়।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে সাধারণত নিম্নলিখিত চার ধরনের সংযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
১. স্টার টপোলজি;
২. বাস টপোলজি;
৩. রিং টপোলজি;
৪. ট্রি টপোলজি;

• ট্রি টপোলজি:
- এটি বর্তমানে সর্বাধিক ব্যবহৃত টপোলজিগুলোর মধ্যে একটি।
- ট্রি টপোলজি বাস টপোলজি এবং স্টার টপোলজির বৈশিষ্ট্যগুলোকে একত্রিত করে।
- এই টপোলজিটি নেটওয়ার্ককে একাধিক স্তরে বিভক্ত করে, যেখানে প্রথম স্তরের কম্পিউটারগুলো দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়।
- একইভাবে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলো তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়, এভাবে স্তরে স্তরে বিভক্ত থাকে।
- ট্রি টপোলজিতে মূল হোস্ট কম্পিউটার থেকে হায়ারার্কিক্যাল গঠনে বাকি কম্পিউটার গুলোর সংযোগ থাকে তাই একে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলে।

• ট্রি টপোলজির সুবিধাসমূহ:
- দীর্ঘ দূরত্বে সংকেত প্রেরণ করা যায়।
- যেকোন সময় নতুন শাখা-প্রশাখা সৃষ্টির মাধ্যমে ট্রি-টপোলজির নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা সহজ।
- নতুন কোনো নোড সংযোগ বা বাদ দিলে নেটওয়ার্কের স্বাভাবিক কাজকর্মের কোনো অসুবিধা হয় না।
- ট্রি টপোলজিতে ত্রুটি সনাক্তকরণ এবং সংশোধন খুব সহজ।
- নেটওয়ার্কের কোন নোড বা শাখা নষ্ট হলে, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক অকার্যকর হয় না।
- প্রতিটি পৃথক সেগমেন্ট এর জন্য পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ওয়্যারিং রয়েছে।
- বড় ধরণের নেটওয়ার্ক গঠনে বা অফিস ব্যবস্থাপনার কাজে এ নেটওয়ার্ক টপোলজি খুবই উপযোগী।
- ডেটা নিরাপত্তা সবচেয়ে বেশি।

• ট্রি টপোলজির অসুবিধাসমূহ:
- এই টপোলজি কিছুটা জটিল প্রকৃতির।
- বাস্তবায়ন খরচ তুলনামূলকভাবে বেশি।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৬৮১.
Which of the following is used as an input device?
  1. Speaker
  2. Joystick
  3. Printer
  4. Projector
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Joystick

ইনপুট ডিভাইস:
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
উদাহরণ:
- কীবোর্ড,
- মাউস,
- স্ক্যানার,
- মাইক্রোফোন,
- জয়স্টিক।

আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- স্পিকার,
- প্রজেক্টর।

ইনপুট আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এখন এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ভুক্ত করা যায়। যেমন:
- টাচস্ক্রিন,
- পেনড্রাইভ,
- মডেম,
- প্রিন্টার- স্ক্যানার,
- ডিজিটাল ক্যামেরা,
- সিডি বা ডিভিডি, ইত্যাদি।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৮২.
The blinking point which shows your position in the text is called -
  1. Blinker
  2. Causer
  3. Cursor
  4. Pointer
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার বা মোবাইলের স্ক্রিনে যখন আপনি কিছু টাইপ করেন বা টেক্সট এডিটিং করেন, সেখানে থাকে একটি ব্লিঙ্কিং বা চমকানো পয়েন্ট যা আপনার মুভিং অবস্থান দেখায়। এই পয়েন্টটিকেই 'কার্সর' বলে। 
- কার্সর হলো একটি কম্পিউটার স্ক্রিনে একটি চলমান সূচক যা ব্যবহারকারীর ইনপুট দ্বারা প্রভাবিত হবে এমন বিন্দু চিহ্নিত করে। 
- মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের মতো অ্যাপ্লিকেশনগুলিতে কার্সরটি একটি উল্লম্ব বারে পরিবর্তিত হয় যা আপনি নথিতে কোথায় আছেন তা নির্দেশ করতে জ্বলজ্বল করে। 

- Cursor is a movable indicator on a computer screen identifying the point that will be affected by input from the user.
- In applications such as Microsoft Word, the cursor changes to a vertical bar that blinks to indicate where you are in the document. 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬৮৩.
নিয়ন্ত্রণ অংশের (Control Unit)-এর মূল কাজ হলো-
  1. ক) কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করা
  2. খ) কম্পিউটারের গাণিতিক অপারেশনের সম্পাদনা করা
  3. গ) কম্পিউটারে ডেটা বা তথ্য মজুদ রাখা
  4. ঘ) উপরের কোনটিই না
ব্যাখ্যা

কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট কম্পিউটারের সকল অংশকে নিয়ন্ত্রণের ও পরিচালনার মাধ্যমে মূলত বিভিন্ন অংশের মধ্যে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
এটি মেমরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমরি হতে কখন প্রধান মেমরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট হতে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে এসব বিষয় নিয়ন্ত্রণের জন্য কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।

৬৮৪.
সিডি, ডিভিডি বা পেনড্রাইভ থেকে কোনো সফটওয়্যার ইন্সটলের সময় নিচের কোন প্রোগ্রামটি প্রথম চালু হয়?
  1. ক) Setup
  2. খ) Auto run
  3. গ) Read me
  4. ঘ) Restart
ব্যাখ্যা
• সফটওয়্যার ইনস্টল:
- সিডি, ডিভিডি বা পেন ড্রাইভ থেকে কোন সফটওয়্যার ইনস্টল করতে গেলে প্রথমে Autorun চালু হয় ।
- তারপর Setup করার অনুমতি দিতে হয়।
- অনুমতি প্রদান করা হলে পরবর্তী ধাপসমমূহ ক্রমান্বয়ে অনুসরণ করা হলে সফটওয়্যার ইন্সটল হয়।
- সব শেষে কম্পিউটার  Restart করলে ইন্সটলকৃত প্রোগ্রামটি ব্যবহার করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : নবম-দশম শ্রেণি।
৬৮৫.
মাদারবোর্ডের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ফার্মওয়্যার কোনটি?
  1. BIOS
  2. GPU
  3. SSD
  4. HDD
ব্যাখ্যা

• মাদারবোর্ডের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ফার্মওয়্যার হলো BIOS। এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে একটি মধ্যবর্তী সফটওয়্যার হিসেবে কাজ করে। BIOS (Basic Input/Output System) মাদারবোর্ডে সংরক্ষিত থাকে এবং কম্পিউটার চালু হলে প্রথমে হার্ডওয়্যার ডিভাইস যেমন প্রসেসর, র‍্যাম, হার্ডড্রাইভ, কীবোর্ড ইত্যাদিকে পরীক্ষা ও সঠিকভাবে শনাক্ত করে। এছাড়া এটি অপারেটিং সিস্টেম লোড করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রাথমিক নির্দেশনা প্রদান করে। অন্যদিকে GPU, SSD বা HDD হার্ডওয়্যার ডিভাইস হলেও এগুলো ফার্মওয়্যার নয়। তাই মাদারবোর্ডের জন্য ফার্মওয়্যারের মূল অংশ হিসেবে BIOS সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

- উত্তর: ক) BIOS.

• BIOS (Basic Input Output System):
- BIOS হল কম্পিউটারের ফার্মওয়্যার, বা স্থায়ী সফ্টওয়্যার।
- BIOS সাধারণত মাদারবোর্ড এ থাকে।
- কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে ।
- হার্ডওয়‍্যার ও সফটওয়‍্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
- BIOS অপারেটিং সিস্টেম (OS) এবং মাউস, কীবোর্ডের মতো বাহ্যিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে তথ্য পরিচালনাও করে। 
- BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২। ব্রিটানিকা

৬৮৬.
BIOS কম্পিউটারে কোন কাজটি নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. ডাটা স্টোরেজ ম্যানেজমেন্ট
  2. অপারেটিং সিস্টেম লোড করা
  3. হার্ডওয়্যার সিকিউরিটি ও মেইন্টেন্যান্স
  4. ভাইরাস স্ক্যানিং
ব্যাখ্যা

• BIOS (Basic Input/Output System) মূলত কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় অপারেটিং সিস্টেম লোড করার কাজটি নিয়ন্ত্রণ করে। কম্পিউটার অন করলে BIOS প্রথমে হার্ডওয়্যারগুলো ঠিকভাবে কাজ করছে কি না তা পরীক্ষা করে (POST), তারপর হার্ডডিস্ক, SSD বা অন্য বুট ডিভাইস থেকে অপারেটিং সিস্টেম মেমোরিতে লোড করে। ডাটা স্টোরেজ ম্যানেজমেন্ট, হার্ডওয়্যার সিকিউরিটি ও মেইন্টেন্যান্স বা ভাইরাস স্ক্যানিং BIOS-এর প্রধান কাজ নয়; এসব কাজ অপারেটিং সিস্টেম বা আলাদা সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো খ) অপারেটিং সিস্টেম লোড করা।

 
BIOS:
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটারে BIOS সংরক্ষিত থাকে - মাদারবোর্ডের ROM চিপে।
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬৮৭.
প্রথম সফল Touch Sensor আবিষ্কার করেন কে?
  1. স্যামুয়েল হার্স্ট
  2. মার্টিন কুপার
  3. স্টিভ জবস
  4. ক্লাউডি শ্যানন
ব্যাখ্যা
- টাচস্ক্রিন প্রযুক্তির আবিষ্কারক ড. স্যামুয়েল হার্স্ট।
- ১৯৬৫ সালে E.A. Johnson সর্বপ্রথম টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি বর্ণনা করেন।
- ১৯৬০ এর দশকে টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ শুরু হলেও ১৯৭১ সালে ড. স্যামুয়েল হার্স্ট প্রথম সফল Touch Sensor আবিষ্কার করতে সক্ষম হন।
- পরবর্তীতে তিনি ১৯৭৫ সালে সফল ও কার্যকর টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি আবিষ্কার করেন যা ১৯৮২ সালে প্রকাশ্যে আসে।
- টাচস্ক্রিন মোবাইল ফোনের জনক স্টিভ জবস্‌।
- তিনি ১৯৭৬ সালে অ্যাপল কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন।
- অ্যাপল পরবর্তীতে টাচস্ক্রীন প্রযুক্তি, স্মার্ট ফোন ও ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসে।
- বিশ্বের প্রথম স্মার্ট ফোন মোবাইল - Simon যা ১৯৯৪ সালে IBM বাজারজাত করে।

উৎস: WEF ওয়েবসাইট ও elprocus ওয়েবসাইট।
৬৮৮.
কোনটি ইনপুট ডিভাইস?
  1. Headphone
  2. Image setter
  3. Plotter
  4. Lightpen
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস বলে।

• কম্পিউটার পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।

• কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ:
- Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।

• কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ:

- Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।

• কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ:

- Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive ইত্যাদি।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৮৯.
ALU যে যৌক্তিক ক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করে, তার মধ্যে রয়েছে -
  1. AND, OR, NOT 
  2. ADD, SUB, MUL 
  3. MOVE, COPY, PASTE
  4. FETCH, DECODE, EXECUTE
ব্যাখ্যা

• ALU বা Arithmetic Logic Unit হলো কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা প্রধানত গণিত ও যৌক্তিক (logical) কাজ সম্পন্ন করে। এটি তথ্য প্রক্রিয়াকরণের সময় AND, OR, NOT মত যৌক্তিক অপারেশনগুলো সম্পন্ন করতে সক্ষম। উদাহরণস্বরূপ, দুইটি বিটের মধ্যে AND অপারেশন করলে শুধুমাত্র উভয়ই ১ হলে ফল ১ হবে, অন্যথায় ০ হবে। একইভাবে, OR এবং NOT অপারেশনগুলো বিভিন্ন যৌক্তিক হিসাব করতে ব্যবহার হয়। ALU সাধারণত ADD, SUB মতো গাণিতিক কাজও করে, কিন্তু যৌক্তিক কাজের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়। অন্য অপশন যেমন MOVE, COPY, PASTE বা FETCH, DECODE, EXECUTE মূলত মেমোরি বা CPU-এর অন্যান্য অংশের কাজ, তাই ALU-এর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।

সঠিক উত্তর: ক) AND, OR, NOT.

• মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit),
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit) ও
৩. রেজিস্টারসমূহ (Register Set)।

গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit):
- ALU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Arithmetic Logic Unit.
- নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা ALU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি।
- কোনো রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদান করে থাকে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত রাখে।
- বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর প্রয়োজনে একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৯০.
বৃহৎ আর্কিটেকচারাল ডিজাইন প্রিন্ট করতে নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Electrostatic Printer
  2. খ) Ink-Jet Printer
  3. গ) Laser Printer
  4. ঘ) Plotter
ব্যাখ্যা
প্লটার (Plotter):
- প্লটার এক ধরনের বিশেষ ধরনের আউটপুট ডিভাইজ যা প্রিন্টারের মতোই কাজ করে।
- মূলত বৃহৎ আকারের ছবি, প্রতীক, মানচিত্র, আর্কিটেকচারাল ডিজাইন ইত্যাদির কাজে প্লটার ব্যবহৃত হয়।
- তাছাড়া ভবনের নকশা, বিশাল ও সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতির নকশা, মানচিত্র ইত্যাদির মুদ্রণ নেওয়ার জন্যও প্লটার ব্যবহৃত হয়।
- প্লটার সাধারণত ২ প্রকার। যথা:
১. ফ্ল্যাটবেড (Flatbed) প্লটার ও
২. ড্রাম (Drum) প্লটার। 

স্থির বৈদ্যুতিক প্রিন্টার (Electrostatic Printer):
- ইলেট্রোস্ট্যাটিক প্রিন্টার কম্পিউটারের ফলাফলকে বৈদ্যুতিক চার্জের সাহায্যে প্রিন্ট করে।
- এটির কার্যপ্রণালী ফটোস্ট্যাট মেশিনের অনুরূপ। 

ইংকজেট প্রিন্টার (Ink-Jet Printer):
- যে প্রিন্টার কালি ছড়িয়ে বা স্প্রে করে কম্পিউটারের ফলাফলকে প্রিন্ট করে তাকে ইংকজেট প্রিন্টার বলা হয়।
- প্রিন্টের গুণগতমান ও দামের দিক দিয়ে এটি তুলনামূলকভাবে সস্তা এবং ভালো প্রিন্টার। 

লেজার প্রিন্টার (Laser Printer):
- প্রিন্টিংয়ের গুণগত মানের দিক থেকে লেজার প্রিন্টার হচ্ছে সবচেয়ে ভালো প্রিন্টার।
- লেজার প্রিন্টার লেজার (LASER - Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation) রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ফুটিয়ে তোলে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৯১.
কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রক্ষা করে কোনটি?
  1. অ্যান্টিভাইরাস
  2. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  3. সিস্টেম সফটওয়্যার
  4. এমএস অফিস
ব্যাখ্যা

• সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software):
- সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক। এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে
- সিস্টেম সফটওয়‍্যার ছাড়া কম্পিউটার অচল। তাই কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে সকল প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি দরকার তাদেরকে সিস্টেম সফটওয়‍্যার বলে।
- সিস্টেম সফটওয়‍্যার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি রাখে। আবার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে।
- DOS, Windows Xp, Linux, Unix, Mac OS, Solaries ইত্যাদি হলো সিস্টেম সফটওয়‍্যারের উদাহরণ।
- আবার Compiler, Interpretor, Assembler প্রোগ্রামসমূহও সিস্টেম সফটওয়‍্যারের অন্তর্গত।
- সিস্টেম সফটওয়‍্যারকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১। সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট বা সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ প্রোগ্রাম (System Management or Control Program)
২। সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (System Development Program) এবং
৩। সিস্টেম সাপোর্ট প্রোগ্রাম (System Support Program)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৯২.
Which command is used to center text?
  1. Ctrl + L
  2. Ctrl + E
  3. Ctrl + R
  4. Ctrl + C
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Ctrl + E।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমান্ড: 
- Ctrl + O : Open a document. 
- Ctrl + N : Create a new document. 
- Ctrl + S : Save the document. 
- Ctrl + W : Close the document. 
- Ctrl + C : Copy the selected content to the Clipboard. 
- Ctrl + V : Paste the contents of the Clipboard. 
- Ctrl + B : Apply bold formatting to text. 
- Ctrl + I : Apply italic formatting to text. 
- Ctrl + U : Apply underline formatting to text. 
- Ctrl + Left bracket ( [ ) : Decrease the font size by 1 point. 
- Ctrl + Right bracket ( ] ) : Increase the font size by 1 point. 
 - Ctrl + E : Center the text. 
- Ctrl + L : Align the text to the left. 
- Ctrl + R : Align the text to the right. 
- Esc : Cancel a command. 
- Ctrl + Z : Undo the previous action. 
- Ctrl + Y : Redo the previous action, if possible. 
- Alt + W : Adjust the zoom magnification. 

 উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।

৬৯৩.
গোলক ভরাট করা খাতা পড়তে পারে কোন ইনপুট ডিভাইস?
  1. ক) বারকোড রিডার
  2. খ) স্ক্যানার
  3. গ) ও এম আর
  4. ঘ) ওয়েব ক্যাম
ব্যাখ্যা
ইনপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে প্রক্রিয়ারণে বিভিন্ন ধরনের ডাটা গ্রহন করে। - কম্পিউটার প্রক্রিয়ারণের কাজে ডাটা প্রদানে নিয়োজিত হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট ডিভাইস। 
- ইনপুট ডিভাইসসমূহ হলো: কী-বোর্ড, মাউস, ট্যাকবল, জয়স্টিক, বার কোড রিডার, পয়েন্ট অফ সেল, ও এম আর, স্ক্যানার ইত্যাদি।

ওএমআর (OMR):
- OMR হলো বিশেষ এক ধরনের ইনপুট ডিভাইস যার পুরো নাম হচ্ছে Optical Mark Reader.
- এটি এমন এক ধরনের আলোক সংবেদনশীল স্ক্যানার যন্ত্র, যা কলম বা পেনসিল দিয়ে বিশেষ কাগজে দাগাঙ্কিত কোনো পূর্বে নির্ধারিত চিহ্নকে (যেমন- গোলাকার বা বর্গাকার) রিড করে সংশ্লিষ্ট চিহ্ন দ্বারা নির্ধারিত তথ্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে। কম্পিউটার উক্ত তথ্যসমূহ প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ফলাফল তৈরি করে।
- সাধারণত নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষার উত্তরপত্র, পণ্যের বাজার জরিপ, জনমত জরিপ, পরিচিতিমূলক তথ্যাবলি ইত্যাদি ক্ষেত্রে OMR ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৯৪.
প্রথম মাউস তৈরি করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৫২ সালে
  2. ১৯৫৬ সালে
  3. ১৯৬৪ সালে
  4. ১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
• মাউস:
- ১৯৬৪ সালে প্রথম মাউস তৈরি করা হয় সহজে এবং দ্রুত বিভিন্ন প্রোগ্রাম নিয়ন্ত্রণ করার জন্য।
- বর্তমানে মাউস হচ্ছে বহুল ব্যবহৃত ইনপুট যন্ত্র।
- মাউস হাত দিয়ে নিয়ন্ত্রিত একটি পয়েন্টিং ডিভাইস।
- সাধারণত কম্পিউটারকে নির্দেশনা দেবার জন্য দুই অথবা তিনটি বোতামে সমন্বিত ইনপুট ডিভাইসটিকে মাউস নামে অভিহিত করা হয়।
- মাউস বিভিন্ন পোর্টের মাধ্যমে কম্পিউটারে সরাসরি যুক্ত।
- এটি কি-বোর্ডের নির্দেশ প্রদান ছাড়াই একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
- সাধারণত Graphical User Interface অপারেটিং সিস্টেমে ফাইল ব্যবস্থা থেকে শুরু করে সকল কাজেই মাউসের সাহায্যে করা হয়।
- এছাড়া ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের কাজ একই কার্সর কি দিয়ে করা গেলেও মাউসের সাহায্যে দ্রুত করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৯৫.
ডেটা গ্রহণ ও নির্গমন বাসের নাম কী?
  1. ক) আউটপুট বাস
  2. খ) ইনপুট বাস
  3. গ) ডেটা বাস
  4. ঘ) পাওয়ার সাপ্লাই
ব্যাখ্যা
ডেটা বাস (Data Bus):
- কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরের বিভিন্ন উপাদান যেমন, মাইক্রোপ্রসেসর, হার্ডডিস্ক, র‍্যাম, ইনপুট/আউটপুট পোর্ট ইত্যাদির মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানে যে বাস ব্যবহৃত বাসকে ডেটা বাস বলা হয়।
- ডেটা বাসের মাধ্যমে কম্পিউটার ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস থেকে প্রসেসর এবং প্রসেসর থেকে মেমোরি অথবা মেমোরি থেকে প্রসেসর এবং মেমোরি থেকে ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করে।
- এ ধরনের বাসের মধ্যে উভয় দিকেই ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।
- তাই ডেটা বাসকে দ্বিমুখী বা Bi-directional বাস বলা হয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৯৬.
পেনড্রাইভে কোন ধরনের রম ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) SRAM
  2. খ) DRAM
  3. গ) MROM
  4. ঘ) EEPROM
ব্যাখ্যা
EEPROM:
- EEPROM-এর পূর্ণরূপ হলো Electrically Erasable Programmable Read Only Memory.
- EPROM-এর অসুবিধা হলো এতে সংরক্ষিত তথ্য মুছতে বেশি সময়, অর্থাৎ প্রায় আধা-ঘন্টা সময় লাগে এবং আংশিকভাবে কোনো তথ্য মোছা যায় না। এ ধরনের অসুবিধা দূর করার জন্যই মূলত EEPROM ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের রমের আংশিক বা সম্পূর্ণ ডেটা মোছা যায়। তবে তথ্য মুছতে EEPROM কে সার্কিট থেকে খুলতে হয় না বরং প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ প্রবাহ চালিয়ে তথ্য মুছে ফেলা যায় এবং নতুন তথ্য সংযোজন করা যায়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Techopedia website.
৬৯৭.
কম্পিউটার পাওয়ার বাটন চাপ দেওয়ার পর প্রথম কোন নির্দেশগুলো পালিত হয়?
  1. অপারেটিং সিস্টেমের নির্দেশ
  2. মাউস ও কিবোর্ডের নির্দেশ
  3. ইন্টারনেটের নির্দেশ
  4. BIOS চিপে সংরক্ষিত নির্দেশ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) BIOS চিপে সংরক্ষিত নির্দেশ

• BIOS (Basic Input Output System):
- BIOS হল কম্পিউটারের ফার্মওয়‍্যার, বা স্থায়ী সফ্টওয়্যার।
- BIOS সাধারণত মাদারবোর্ডে থাকে।
- কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে অর্থাৎ BIOS চিপে সংরক্ষিত নির্দেশ হিসেবে।
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
- BIOS অপারেটিং সিস্টেম (OS) এবং মাউস, কীবোর্ডের মতো বাহ্যিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে তথ্য পরিচালনাও করে।
- BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।


উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৬৯৮.
কম্পিউটারের বাস নয় কোনটি?
  1. অ্যাড্রেস বাস
  2. ফায়ারওয়্যার বাস
  3. এজিপি বাস
  4. ইআইপি বাস
ব্যাখ্যা

ইআইপি বাস কম্পিউটারের বাস নয়।

• কম্পিউটার বাস (Computer Bus):
- কম্পিউটারের বাস হলো এমন একগুচ্ছ তার, যার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল সংকেত ০ বা ১ চলাচল করতে পারে।
- বাসের সাহায্যেই কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়‍্যার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে।
- কম্পিউটারের বাস কতকগুলো বিদ্যুৎ পরিবাহী লাইনের সাহায্যে গঠিত, যার মাধ্যমে কম্পিউটারের এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডেটা, তথ্য, সিগন্যাল, নির্দেশ বা প্রোগ্রাম আদান-প্রদানের কাজ সম্পন্ন হয়।

• সিস্টেম বাস:
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।

→ সিস্টেম বাসের প্রকারভেদ:
- ডেটা বাস (Data Bus), 
- অ্যাড্রেস বাস (Address Bus), 
- কন্ট্রোল বাস (Control Bus)। 

• এক্সপানশন বাস:
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে সেগুলোকে এক্সপানশন বাস (Expansion Bus) বলা হয়। 

→ এক্সপানশন বাসের প্রকারভেদ:
- আইএসএ বাস (ISA Bus), 
-  ইআইএসএ বাস (EISA Bus), 
-  ইউএসবি (USB)
 - ফায়ারওয়্যার বাস (Fireware Bus)
-  এজিপি বাস (AGP Bus),
-  লোকাল বাস (Local Bus): লোকাল বাস দুই প্রকার হয়ে থাকে। যথা- 
ⅰ. ভেসা বাস (VESA Bus), 
ii. পিসিআই বাস (PCI Bus)। 

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৯৯.
নিচের কোনটি হার্ডওয়্যার নয়?
  1. ক) কীবোর্ড
  2. খ) মনিটর
  3. গ) এক্সেল
  4. ঘ) সিপিইউ
ব্যাখ্যা
এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বিশেষ ধরনের কাজ বা ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি সফট্ওয়্যার। আর্থিক ব্যবস্থাপনার জন্য স্প্রেডসিট এ্যানালাইসিস প্যাকেজ যেমন- লোটাস, মাইক্রোসফট এক্সেল ইত্যাদি এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়।
কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্র বা যন্ত্রাংশকে হার্ডওয়্যার বলে। ছোট, বড়, অতি গুরুত্বপূর্ণ, কম গুরুত্বপূর্ণ যেমন যন্ত্রই হোক না কেন, যন্ত্র মানেই হার্ডওয়্যার। হার্ডওয়্যার হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায় এবং এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বহন করা যায়। কী-বোর্ড, মনিটর, প্রিন্টার, মাউস, সিলিকন চিপ ইত্যাদি হার্ডওয়্যারের অংশ। হার্ডওয়্যারকে কম্পিউটারের দেহ বলা যেতে পারে।
[সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)]
৭০০.
কোনটি একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. OCR
  2. Plotter
  3. Joystick
  4. Pen Drive
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
- Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
- Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
- Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pen Drive, Modem ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।