বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটারের অঙ্গসংগঠন ও পেরিফেরালস

মোট প্রশ্ন২,০১৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটারের অঙ্গসংগঠন ও পেরিফেরালস

PrepBank · পাতা ১৬ / ২১ · ১,৫০১১,৬০০ / ২,০১৭

১,৫০১.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের একটি ইনপুট যন্ত্র?
  1. ক) মনিটর
  2. খ) প্রিন্টার
  3. গ) বারকোড রিডার
  4. ঘ) প্লটার
ব্যাখ্যা

- কম্পিউটারের আউটপুট ডিভাইসঃ
• মনিটর
• প্লটার
• স্পিকার
• প্রিন্টার
• প্রজেক্টর ইত্যাদি।
- কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইসঃ
• পাঞ্চকার্ড,
• বারকোড রিডার,
• ওয়েবক্যাম,
• মাউস,
• ওএমআর,
• ওসিআর,
• স্ক্যানার,
• জয়স্টিক,
• ট্র্যাকবল,
• লাইটপেন,
• ডিজিটাইজার ইত্যাদি

১,৫০২.
কোনটি র‍্যামের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) র‍্যামের তথ্য পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে পুনরায় সংরক্ষন করা যায়
  2. খ) র‍্যাম ক্যাশ মেমোরির চেয়ে দ্রুতগতির
  3. গ) বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়
  4. ঘ) র‍্যামের প্রতিটি মেমরি সেলের জন্য অ্যাক্সেস সময় সমান
ব্যাখ্যা
• র‍্যাম ক্যাশ মেমোরির চেয়ে দ্রুতগতির- এটি র‍্যামের বৈশিষ্ট্য নয়। কারন ক্যাশ মেমোরি র‍্যাম এর থেকে আরও দ্রুতগতির, সাইজে তুলনামূলক ছোট এবং দামে কম।
• র‍্যাম: RAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Random Access Memory।
- র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়।
- তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায় বলে র‍্যামকে লিখন/পঠন স্মৃতিও বলা হয়।
 - উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমৃহ হলো:
১. র‍্যাম এক ধরনের ভোলাটাইল মেমরি ।
২. তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়।
৩. র‍্যামের তথ্য বা প্রোগ্রামকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে পুনরায় সংরক্ষণ করা যায়।
৪. কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
৫. বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়।
৬. র‍্যামের প্রতিটি মেমরি সেলের জন্য অ্যাক্সেস সময় সমান।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫০৩.
কোনটি স্টোরেজ হার্ডওয়্যার নয়?
  1. অপটিক্যাল ডিস্ক
  2. ম্যাগনেটিভ টেইপ
  3. হাব
  4. সলিড স্টেড ডিভাইস
ব্যাখ্যা
স্টোরেজ হার্ডওয়্যার: 
- মূলত কম্পিউটার ইনপুট হার্ডওয়্যারের মাধ্যমে গ্রহণকৃত ডেটাসমূহকে প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে।
- তবে কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের পর প্রক্রিয়াজাতকৃত ফলাফল সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারসমূহই হলো স্টোরেজ হার্ডওয়্যার। - হার্ডডিস্ক, ফ্লপিডিস্ক, অপটিক্যাল ডিস্ক, সলিড স্টেড ডিভাইস, পেনড্রাইভ, ম্যাগনেটিভ টেইপ, চৌম্বক ড্রাম, জিপ ড্রাইভ ইত্যাদি হলো উল্লেখযোগ্য স্টোরেজ হার্ডওয়্যার।

অন্যদিকে, হাব একটি কমিউনিকেশন হার্ডওয়্যার। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫০৪.
নিচের কোনটি 'output device' নয়?
  1. monitor
  2. microphone
  3. printer
  4. speaker
ব্যাখ্যা

• microphone - 'output device' নয়। 

ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera, ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive, Modem ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫০৫.
Flash Memory কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে?
  1. Magnetic
  2. Optical
  3. EEPROM
  4. Punch Card
ব্যাখ্যা

◉ Flash Memory হলো Electrically Erasable Programmable Read-Only Memory-এর একধরনের রূপ।

EEPROM:
- EEPROM-এর পূর্ণরূপ হলো "Electrically Erasable Programmable Read-Only Memory"।
- EEPROM-এ তথ্য মুছতে EPROM-এর তুলনায় অনেক কম সময় লাগে।
- EPROM-এর একটি অসুবিধা ছিল যে এতে সংরক্ষিত তথ্য মুছতে অনেক সময় লাগতো, প্রায় আধা ঘণ্টা। এছাড়া, আংশিকভাবে তথ্য মুছা সম্ভব ছিল না। এই অসুবিধা দূর করার জন্য EEPROM ব্যবহার করা হয়।
- EEPROM-এ আংশিক বা সম্পূর্ণ ডেটা মুছে ফেলা সম্ভব। তবে, এটি করার জন্য EEPROM কে সার্কিট থেকে খুলতে হয় না। প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ প্রবাহ চালিয়ে তথ্য মুছে ফেলা যায় এবং নতুন তথ্য সংযোজন করা যায়।
- ফ্ল্যাশ মেমরি হলো এক ধরণের EEPROM (Electronically Erasable Programmable Read-Only Memory).

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।

১,৫০৬.
কীবোর্ডের বামদিকে F1 থেকে F12 চিহ্নিত কীসমূহকে বলা হয়-
  1. ক) ফাংশন কী
  2. খ) টাইপিং কী
  3. গ) নিউমারিক কী
  4. ঘ) মডিফায়ার কী
ব্যাখ্যা
- কীবোর্ড হলো কম্পিউটারের অন্যতম একটি ইনপুট ডিভাইস যার মধ্যে বর্ণ, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্নের বিভিন্ন কীগুলো সারিবদ্ধভাবে সাজানো থাকে। 
- কম্পিউটারের কীবোর্ডের কীগুলোর সাহায্যে টাইপ করা ছাড়াও কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের নির্দেশ প্রদান করা হয়। 
- বর্তমানে প্রচলিত কীবোর্ডগুলোতে সর্বোচ্চ ১০৫ টি কী আছে।
- ফাংশন কী: কীবোর্ডের একেবারে উপরের সারিতে বা বামদিকে F1 থেকে F12 চিহ্নিত কীসমূহ ফাংশন কী নামে পরিচিত
- তথ্য সংযোজন বা ইনসার্ট করা, অপ্রয়োজনীয় তথ্য মুছে ফেলা এবং বিশেষ ধরনের নির্ধারিত নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাওংশন কী ব্যবহৃত হয়।
- টাইপিং কী: বর্ণমালা গাণিতিক অংক এবং অন্যান্য চিহ্নসমূহ লেখার জন্য ব্যবহৃত কীগুলোকে টাইপিং কী বলে। 
- নিউমারিক কী: কীবোর্ডের ডান অংশে ক্যালকুলেটরের মতো ০-৯ এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নতি কীগুলোকে নিউমারিক কী বলে। 
- মডিফায়ার কী: কীবোর্ডগুলোর মধ্যে Shift, Option, Command, Control, Alt প্রভৃতি কীগুলোকে বলা হয় মডিফায়ার কী (Modifier Key)।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫০৭.
Del বোতাম চাপ দিলে কী হয়?
  1. ক) কার্সরের পরের শব্দ মুছে যায়
  2. খ) কার্সরের পরের লাইন মুছে যায়
  3. গ) কার্সরের পরের অক্ষর মুছে যায়
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
Del হচ্ছে Delete এর সংক্ষিপ্ত রূপ। কম্পিউটারে সংরক্ষিত কোনো তথ্য মুছে ফেলা যায় এর সাহায্যে। ওয়ার্ড ফাইলে কাজ করার সময় del চাপ দিলে কার্সরের পরের অক্ষরটি মুছে যায়।
১,৫০৮.
নিচের কোনটি হার্ডডিস্ক ড্রাইভ নয়?
  1. SCSI
  2. PATA
  3. SATA
  4. QATA
ব্যাখ্যা
QATA হার্ডডিস্ক ড্রাইভ নয়।

• হার্ডডিস্ক:
- হার্ডডিস্ক পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্কে রক্ষিত তথ্যসমূহ সহজে নষ্ট হয় না বলে প্রয়োজনীয় সকল প্যাকেজ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথাসমূহ হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা হয়।
- ডিস্কটি অধিক ধারণক্ষম বিধায় এখানে অনেক তথ্য সংরক্ষণ করা যায়।
- যে ডিভাইসের সাহায্যে হার্ডডিস্ক চালনা করা হয় তাকে হার্ডডিস্ক ড্রাইভ (Hard disk drive) বা সংক্ষেপে এইচডিডি (HDD) বলে।
- হার্ডডিস্ক ড্রাইভ এর কাজ হলো তথ্য লিখন ও পঠন এবং এর পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা।

• বিভিন্ন ধরনের হার্ডডিস্ক ড্রাইভ রয়েছে:
কম্পিউটারের হার্ডডিস্ককে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
১. আইডিই বা পাটা (IDE/PATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
২. সাটা (SATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৩. স্ক্যাজি (SCSI) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৪. সাস (SAS) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১,৫০৯.
MICR টেকনোলজি কোথায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. ব্যাংকের চেক বইয়ে
  2. জন্ম নিবন্ধন ফর্ম
  3. জাতীয় পরিচয় পত্র
  4. পাসপোর্ট
ব্যাখ্যা
• MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৫১০.
কাগজের উপর কালি স্প্রে করে থাকে কোন ধরনের প্রিন্টার?
  1. ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার
  2. লেজার প্রিন্টার
  3. ইংকজেট প্রিন্টার
  4. থার্মাল প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
• ইংকজেট প্রিন্টার কাগজের ওপর কালি স্প্রে করে।

• প্রিন্টার (Printer):

- প্রিন্টার হলো কম্পিউটারের একটি আউটপুট ডিভাইস যা কম্পিউটারে প্রক্রিয়াকৃত তথ্যকে লিখিত আকারে উপস্থাপন করে।
- প্রিন্টার কম্পিউটারের একটি আউটপুট ডিভাইস।
- উদাহরণ: ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার, লেজার প্রিন্টার, ইংকজেট প্রিন্টার, থার্মাল প্রিন্টার ইত্যাদি।

• ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার:
- এই প্রিন্টার প্রিন্টিং হেডের পিনের মাধ্যমে অক্ষর তৈরি করে, যেখানে একাধিক পিন ব্যবহার করে কালি ফোঁটা আকারে অক্ষর ফুটিয়ে তোলে।
- সাধারণত ৯, ২৪, বা ৪৮ পিন বিশিষ্ট প্রিন্টিং হেড থাকে, যা পিনের সংখ্যা অনুযায়ী প্রিন্টের গুণগত মান নির্ধারণ করে।

• লেজার প্রিন্টার:
- প্রিন্টিংয়ের গুণগত মানে লেজার প্রিন্টার সবচেয়ে উন্নত।
- এটি দ্রুত এবং উচ্চ মানের প্রিন্টিং করতে সক্ষম।
- লেজার প্রিন্টার "লেজার" (Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation) রশ্মির মাধ্যমে কাগজে লেখা ফুটিয়ে তোলে।
- এর প্রধান অংশগুলো হলো লেজার হেড, ড্রাম ইউনিট, এবং টোনার কার্টিজ।

• ইংকজেট প্রিন্টার:
- ইংকজেট প্রিন্টার কালি ছড়িয়ে বা স্প্রে করে প্রিন্ট তৈরি করে।
- এর প্রধান অংশগুলো হলো প্রিন্টিং হেড, কার্টিজ, হেড সরানোর মেকানিজম এবং কাগজ গ্রহণ করার কৌশল।

• থার্মাল প্রিন্টার:
- থার্মাল প্রিন্টারে কালি বা রিবন ব্যবহার করা হয় না; এর পরিবর্তে রাসায়নিক প্রলেপ দেওয়া বিশেষ ধরনের কাগজ ব্যবহার করা হয়।
- এতে প্রিন্ট হেডে বৈদ্যুতিক রোধকের বিন্দু থাকে, যা তাপের মাধ্যমে কাগজে প্রিন্ট তৈরি করে।
- ছাপার কাগজে রাসায়নিক প্রলেপ থাকায় তাপের প্রভাবে প্রিন্ট তৈরি হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫১১.
কম্পিউটারের RAM হচ্ছে-
  1. Read Access Memory.
  2. Random Access Memory.
  3. Read Arithmetic Memory.
  4. Random Arithmetic Memory.
ব্যাখ্যা
- RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Random Access Memory
- RAM মূলত একটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস যেটি সাধারণভাবে কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত থাকে। 
- RAM কম্পিউটার এর টেম্পোরারি মেমোরি হিসেবে কাজ করে এটি একটি Read/Write মেমরি। 
- সমস্ত কিছুকে পড়তে এবং রাইট করতে পারে। 
- RAM কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১,৫১২.
সরবরাহ লাইনে বিদ্যুতের ভোল্টেজ কমে যাওয়াকে কী বলে?
  1. ব্রাউন আউট
  2. ব্লাক আউট
  3. ট্রানসিয়েন্ট
  4. নয়েজ
ব্যাখ্যা
- ব্লাক আউট (Black Out): হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়াকে ব্লাক আউট বলে। সাধারণত প্রচণ্ড ঝড়, তুফান, বজ্রপাত প্রভৃতি কারণে ব্লাক আউট হতে পারে। ব্লাক আউটের কারণে কম্পিউটারের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। তাই ঝড়, তুফান ও বজ্রপাতের সময় কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।

- ব্রাউন আউট (Brown Out): পরিকল্পিত বা অপরিকল্পিত কোনো কারণে সরবরাহ লাইনে বিদ্যুতের ভোল্টেজ কমে যাওয়াকে ব্রাউন আউট বলা হয়। সাধারণত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর অক্ষমতার কারণে এ ঘটনা ঘটে। এক্ষেত্রে কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।

- ট্রানসিয়েন্ট (Transient): বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন সৃষ্ট ভোল্টেজ বা কারেন্টের অপেক্ষাকৃত বড় ধরনের স্পাইককে ট্রানসিয়েন্ট বলা হয়। অনেক ট্রানসিয়েন্ট পাওয়ার সাপ্লাই দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হয়ে নিঃশেষ হয় কিন্তু অনেক ট্রানসিয়েন্ট এ বাধা অতিক্রম করে কম্পিউটারের ভেতরের অনেক বর্তনীসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নষ্ট করে দিতে পারে।

- নয়েজ (Noise): সাধারণত প্রিন্টারের শব্দ, স্পিকারের উচ্চমাত্রার শব্দ, পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদি থেকে নয়েজ সৃষ্টি হয়ে থাকে। প্রিন্টার, ডিস্ক ড্রাইভ, স্পিকার ইত্যাদির নয়েজকে শাব্দিক নয়েজ এবং পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদির নয়েজকে সিস্টেম নয়েজ বলা হয়। এ ধরনের নয়েজ কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যারের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৫১৩.
প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইসের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. অ্যাকসেস সময় কম
  2. ডাটা স্থানান্তরের গতি বেশি
  3. ধারণক্ষমতা বেশি
  4. সিপিইউ এর সাথে সরাসরি সংযুক্ত
ব্যাখ্যা
• ধারণক্ষমতা বেশি থাকা প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইসের বৈশিষ্ট্য নয়। 

• প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারে প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত ডিভাইসসমূহকে প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস বলা হয়।
- প্রাইমারি স্টোরেজ হলো মাইক্রোপ্রসেসরের কর্মক্ষেত্র বা ওয়ার্কপ্লেস। 
যেমন- র‍্যাম।

• প্রাইমারি স্টোরেজের বৈশিষ্ট্য:
-  এ ধরনের স্টোরেজ সাধারণত সিপিইউয়ের সাথে সরাসরি সংযোগ থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা এবং কম্পিউটারের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত কিছু প্রোগ্রাম প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস ধারণ করে।
-  অ্যাকসেস সময় কম।
-  ধারণক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
-  ডেটা স্থানান্তরের গতি বেশি।
-  বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে এ ধরনের স্টোরেজে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫১৪.
মোবাইল ফোনের ক্ষেত্রে কোনটি ইনপুট ডিভাইস?
  1. ক) টাচ স্ক্রিন
  2. খ) কি-প্যাড
  3. গ) ক্যামেরা
  4. ঘ) সব কয়টি
ব্যাখ্যা

Input Devices:

  • Graphics Tablets
  • Video Capture Hardware
  • Trackballs
  • Barcode reader
  • Digital camera
  • MIDI keyboard
  • Gamepad
  • Joystick
  • Keyboard/keypad
  • Cameras
  • Microphone
  • Mouse (pointing device)
  • Scanner
  • Webcam
  • Touchpad/Touch screen
  • Microphone
  • Electronic Whiteboard
  • OMR
  • OCR
  • Pen Input
  • Punch card reader
  • MICR (Magnetic Ink character reader)
  • Magnetic Tape Drive

(রেফারেন্সঃ Fundamentals of Computer)

১,৫১৫.
Which of the following statements about flip-flops is true?
  1. They are used primarily in analog circuits.
  2. They have no memory capabilities.
  3. They are not used in digital systems.
  4. They can only store a single bit of information.
ব্যাখ্যা
• ফ্লিপ-ফ্লপ (Flip-Flop):
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- ফ্লিপ-ফ্লপের কার্যাবলী - মেমরি ডিভাইস, কাউন্টার এবং রেজিস্টার, ডেটা ট্রান্সফার হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়।
- প্রতিটা ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- মেমোরি ডিভাইসের ক্ষুদ্রতম একক হলো ফ্লিপ-ফ্লপ গেইট।
- অসংখ্য ফ্লিপ-ফ্লপ এর সমন্বয়ে তৈরি হয় ইলেক্ট্রনিক মেমোরি ডিভাইস।

• ফ্লিপ-ফ্লপের ব্যবহার:
১. মেমোরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. কাউন্টার, রেজিস্টার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. ডেটা ট্রান্সফারে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৫১৬.
Which of the following is a volatile memory?
  1. Cache
  2. ROM
  3. SSD
  4. USB Flash Drives
ব্যাখ্যা

Cache memory হলো একটি volatile memory, অর্থাৎ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হলে ডেটা ধরে রাখতে পারে না।

ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- Cache মেমরিকে (সাধারণত L1, L2, L3) SRAM (Static RAM) ব্যবহার করে তৈরি করা হয়।
- SRAM হলো এক ধরনের উদ্বায়ী (Volatile) মেমরি, যার অর্থ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে এতে সংরক্ষিত সমস্ত ডেটা তাৎক্ষণিকভাবে মুছে যায়।

অন্যান্য অপশন:
- ROM (Read-Only Memory): Non-Volatile মেমোরি। বিদ্যুৎ চলে গেলেও এর ডেটা মুছে যায় না
- SSD (Solid State Drive): Non-Volatile মেমোরি। এটি ডেটা সংরক্ষণের জন্য ফ্ল্যাশ মেমরি ব্যবহার করে।
- USB Flash Drives: Non-Volatile মেমোরি ডিভাইস যা পোর্টেবল ডেটা স্টোরেজের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১,৫১৭.
উঁচু মানের গ্রাফিক্যাল প্রতিরূপ তৈরি করে -
  1. Dot Matrix Printer
  2. Plotter
  3. Inkjet Printer
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
প্লটার (Ploter):
প্লটার এক ধরনের বিশেষ ধরনের আউটপুট ডিভাইজ যা প্রিন্টারের মতোই কাজ করে।
- মূলত বৃহৎ আকারের ছবি, প্রতীক, মানচিত্র, আর্কিটেকচারাল ডিজাইন ইত্যাদির কাজে প্লটার ব্যবহৃত হয়।
- তাছাড়া ভবনের নকশা, বিশাল ও সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতির নকশা, মানচিত্র ইত্যাদির মুদ্রণ নেওয়ার জন্যও প্লটার ব্যবহৃত হয়।
প্লটার সাধারণত ২ প্রকার।
যথা:
১. ফ্ল্যাটবেড (Flat bed) প্লটার ও
 ২. ড্রাম (Drum) প্লটার 

- প্লটার নিঃসন্দেহে সবচেয়ে ভালো গ্রাফিক্যাল আউটপুট দেয়।
- তবে একই প্রশ্নে যদি প্লটার অপশনে না থাকে তবে, উত্তর হিসাবে "লেজার প্রিন্টার" নেওয়া যাবে।
- প্রিন্টারগুলোর মধ্যে লেজার প্রিন্টার সবচেয়ে ভালো গ্রাফিক্যাল আউটপুট দেয়।

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫১৮.
কোন ফাইল সেভ করার জন্য কোন ফাংশন কি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) F10
  2. খ) F12
  3. গ) F5
  4. ঘ) F1
ব্যাখ্যা
F1-F12 পর্যন্ত মোট ১২টি ফাংশন কী রয়েছে. 
ফাইল সেভ করতে F12 ব্যবহৃত হয়।
১,৫১৯.
অধিকাংশ ব্রাউজারে F5 কী চাপার ফলে কী ঘটে?
  1. চলমান পেজটি রিফ্রেশ বা লোড হয়
  2. পেইজটি বুকমার্ক হয়
  3. ডেভেলপার টুলস খুলে
  4. ব্রাউজার বন্ধ হয়
ব্যাখ্যা

• অধিকাংশ ব্রাউজারে F5 কী চাপলে চলমান ওয়েবপেজটি রিফ্রেশ বা রিলোড হয়। অর্থাৎ, ব্রাউজার আবার সেই ওয়েবসাইটে গিয়ে সার্ভার থেকে হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহ করে এবং পেজটি নতুন করে প্রদর্শন করে। অনেক সময় ওয়েবসাইটে নতুন কনটেন্ট যোগ হলে বা কোনো ত্রুটি দেখা দিলে ব্যবহারকারীরা F5 চাপ দিয়ে পেজ আপডেট করে সর্বশেষ তথ্য দেখতে পান। এটি বুকমার্ক করা, ডেভেলপার টুলস খোলা বা ব্রাউজার বন্ধ করার কাজ করে না। তাই প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো- ক) চলমান পেজটি রিফ্রেশ বা লোড হয়।

কি-বোর্ডে ১২টি ফাংশন কী রয়েছে।
-কি-বোর্ডে মোট ১০৫ টি কী রয়েছে।

• ফাংশন কী:
- ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইন্সরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫২০.
Pixel এর পূর্ণরূপ কি?
  1. ক) Pixture elementary
  2. খ) Pixture Element
  3. গ) Picture Elementary
  4. ঘ) Picture Element
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল। এই শব্দটি ইংরেজি Picture Element এর সংক্ষিপ্ত রূপ। পিক্সেল হচ্ছে ডাটা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত মাধ্যমের (যেমন- মনিটরের পর্দা) ক্ষুদ্রতম এলাকা যার বর্ণ এবং উজ্জলতা স্বাতন্ত্র্যভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
১,৫২১.
ক্যাশ মেমোরি সাধারণত:
  1. শুধুমাত্র সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত
  2. র‍্যামের সমান গতি
  3. র‍্যামের চেয়ে ধীর
  4. র‍্যামের চেয়ে দ্রুত
ব্যাখ্যা

• ক্যাশ মেমোরি হলো এক ধরনের উচ্চগতির মেমোরি যা সাধারণত প্রসেসরের ভেতরে বা খুব কাছাকাছি অবস্থান করে। এটি মূলত ব্যবহৃত হয় বারবার প্রয়োজনীয় ডেটা বা নির্দেশ দ্রুত প্রসেসরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য। ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের তুলনায় অনেক দ্রুত কাজ করে, কারণ এর অ্যাক্সেস টাইম কম এবং প্রসেসরের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারে। যদিও র‍্যামের ক্ষমতা বেশি, কিন্তু এর গতি তুলনামূলকভাবে ধীর। তাই প্রসেসরের পারফরম্যান্স বাড়াতে ক্যাশ মেমোরি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো: ঘ) র‍্যামের চেয়ে দ্রুত।

ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১,৫২২.
নিম্নলিখিত কোনটি নেভিগেশন কী নয়?
  1. Insert
  2. Arrow Keys
  3. Windows logo key
  4. সবগুলোই নেভিগেশন কী
ব্যাখ্যা
• কী-বোর্ড (Keyboard):
- কম্পিউটারে বিভিন্ন তথ্য বা নির্দেশনা প্রদান, প্রচলিত ভাষায় বর্ণ, অংক বা বিশেষ চিহ্ন প্রদান করার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে কী-বোর্ড ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে কী-বোর্ডের মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব কী-গুলো ব্যবহার করে কম্পিউটারকে সরাসরি মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব ব্রাউজিং সম্পর্কে নির্দেশ প্রদান করা যায়।

- সাধারণত দুই ধরনের কী-বোর্ড পাওয়া যায়। যথা: ১. স্ট্যান্ডার্ড কী-বোর্ড ও ২. এনহ্যান্সড কী-বোর্ড।
- কী-বোর্ডে ৯৪-১০০টি কী থাকে।

• নেভিগেশন কী:
- কী বোর্ডের Delete, Insert, Home, End, Page Up, Page Down, Arrows Keys সমূহ নেভিগেশন কী নামে পরিচিত।
- নেভিগেশন কী ১০টি রয়েছে। 

• কন্ট্রোল কী:
- Ctrl, Alt, Windows logo key.

• নিউম্যারিক কী:
- নাম্বার 0 থেকে 9, Arithmetic operators: + (addition), - (subtraction), * (multiplication), and / (division) ইত্যাদি। 

• ফাংশন কী: 
- কীবোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2, .... F12 নম্বরযুক্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।

উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) Microsoft website.
১,৫২৩.
What is the main advantage of magnetic core memory over semiconductor RAM memory?
  1. ক) more compact and smaller
  2. খ) more economical
  3. গ) a bit does not have to write after reading
  4. ঘ) non volatile
ব্যাখ্যা
Semiconducor memory is volatile it means it save data if power is supply and if power is goes data is goes and magnetic memory is store permanent no effect of power supply.
১,৫২৪.
Which of the following is true about RAM?
  1. It permanently stores data even when the power is off.
  2. It is a non-volatile memory.
  3. It is slower than secondary storage devices like hard drives.
  4. It temporarily holds data and instructions that the CPU needs.
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার মেমরি:
- কম্পিউটার মেমরি প্রধানত ২ প্রকার। যথা:
১) প্রাথমিক/প্রধান মেমোরি (Main Memory).
২) গৌণ/সহায়ক মেমোরি (Secondary Memory).

 • প্রাথমিক/প্রধান মেমরি (Main Memory):
→ বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে সকল মেমোরিতে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় তাদেরকে Volatile Memory বলে।
→ অর্থাৎ, RAM CPU- র instruction গুলো অস্থায়ীভাবে ধরে রাখে।
→ RAM( Random Access Memory) এবং ROM(Read Only Memory) কে প্রাথমিক মেমরি বলা হয়।
→ RAM কে Volatile Memory বলে।
→ ROM কে নন- Volatile Memory বলে।

• গৌণ/সহায়ক মেমোরি (Secondary Memory):
→ প্রধান মেমোরি ব্যতীত  সকল ধরনের মেমোরিকে সহায়ক মেমোরি বলে। যেমন: Hard Disk, Pen Drive.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫২৫.
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কোনটি ব্যবহার হতো?
  1. চৌম্বক ড্রাম
  2. পাঞ্চ কার্ড
  3. ট্র্যাকবল
  4. চৌম্বক টেপ
ব্যাখ্যা
- Punch cards (or "punched cards"), also known as Hollerith cards or IBM cards, are paper cards where holes may be punched by hand or machine to represent computer data and instructions.
- They were a widely-used means of inputting data into early computers. The cards were fed into a card reader connected to a computer, which converted the sequence of holes to digital information.

- For example, an early computer programmer would write a program by hand, then convert the program to a series of punched cards using a punch card machine.
- The programmer would then take the stack of cards to a computer and feed the cards into a card reader to input the program.
- Pictured is an example of a woman using a punch card machine to create a punch card.

Source: https://www.computerhope.com/
১,৫২৬.
IPS কম্পিউটারের জন্য কী প্রদান করে?
  1. তথ্য প্রক্রিয়াকরণ
  2. আউটপুট প্রদর্শন
  3. ইনপুট নিয়ন্ত্রণ
  4. বিদ্যুৎ সরবরাহ
ব্যাখ্যা
- IPS এর পূর্ণরূপ Instant Power Supply.
- মেইন পাওয়ার সাপ্লাই লাইনের পাওয়ার চলে গেলে গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি নিরবিচ্ছিন্নভাবে চালু রাখার জন্য ব্যাটারি ব্যাংক যা চার্জ হয়ে পাওয়ার ধরে রাখে তাকে পাওয়ার ব্যাকআপ বলা হয়।
- পাওয়ার ব্যাকআপ পদ্ধতি বা ইনভার্টার হলো এমন একটি ডিভাইস যা ব্যাটারির সাহায্যে ডিসি সাপ্লাইকে ইলেকট্রিক্যাল বা ইলেকট্রনিক্স লোডের উপযোগী এসি পাওয়ার সাপ্লাই এ রূপান্তর করতে পারে।
- কার্য ও স্থানভেদে এ ধরনের পাওয়ার ব্যাকআপ পদ্ধতিকে IPS (Instant Power Supply), UPS (Uninterrupted Power Supply), EPS (Emergency Power Supply), QPS (Quick Power Supply) বলা হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫২৭.
কী-বোর্ডের নিউমেরিক কী থাকে কয়টি?
  1. ১২টি
  2. ১৭টি
  3. ১০টি
  4. ১৫টি
ব্যাখ্যা
ফাংশন কীঃ (F1 - F12) ১২টি ফাংশন কী রয়েছে। যেগুলো দিয়ে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদান করা হয়।

আলফানিউমেরিক কীঃ (A - Z) এবং (0 -9) এগুলো টাইপ রাইটারের মতো সাজানো থাকে। এগুলোকে আলফানিউমেরিক কী বলে।

নিউমেরিক কীঃ (0 -9) এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নিত কী গুলোকে নিউমেরিক কী বলে। ১৭ টি নিউমেরিক কী  রয়েছে।

Shift, Ctrl, Alt, Esc ইত্যাদি কী গুলোকে কন্ট্রোল বা মডিফাইয়ার কী বলে।


উৎস: মাইক্রোসফট সাপোর্ট।
১,৫২৮.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের Secondary Memory নয়?
  1. ROM
  2. Hard Disk
  3. Pen Drive
  4. DVD
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার মেমরি:
- কম্পিউতার মেমরি প্রধানত ২ প্রকার। যথা:
১) প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory) ও 
২) গৌণ/ সহায়ক মেমরি (Secondary Memory)।

 • প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory):
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে সকল মেমোরিতে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় তাদেরকে Volatile Memory বলে।
- RAM( Random Access Memory) এবং ROM (Read Only Memory) কে প্রাথমিক মেমরি বলা হয়।
- RAM কে Volatile Memory বলে।
- ROM কে Non - Volatile Memory বলে।

• গৌণ/ সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- প্রধান মেমরি ব্যতীত সকল ধরনের মেমরিকে সহায়ক মেমরি বলে। যেমন: Hard Disk, Pen Drive, CD/DVD ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫২৯.
যে যন্ত্রের সাহায্যে কম্পিউটারে তথ্য দেওয়া হয়-
  1. র‍্যাম
  2. মেমোরি
  3. ইনপুট ডিভাইস
  4. সিপিইউ
ব্যাখ্যা

যে সমস্ত যন্ত্র কম্পিউটারে তথ্য বা ইনপুট দেবার জন্য ব্যবহৃত হয়, তাদেরকে বলা হয় ইনপুট ডিভাইস।
যেমন কী-বোর্ড, মাউস ইত্যাদি।
যে সমস্ত যন্ত্রের সাহায্যে কম্পিউটারের কাজের ফলাফল প্রদর্শিত হয় সেই সব যন্ত্রকে বলা হয় আউটপুট ডিভাইস।
যেমন মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি।
এই সমস্ত যন্ত্রপাতি ক্যাবল বা তারের সাহায্যে কম্পিউটারের সিপিইউ-এর সঙ্গে যুক্ত থাকে।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১,৫৩০.
ক্যাশ মেমরি এবং রেজিস্টার কোন ধরনের মেমোরির অন্তর্ভুক্ত?
  1. সহায়ক মেমোরি
  2. ইন্টারনাল মেমোরি
  3. প্রধান মেমোরি
  4. সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনাল মেমোরি:
- কম্পিউটারের ইন্টারনাল মেমোরি বলতে রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমোরিকে বোঝানো হয়।

১.রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমোরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ-ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।

২. ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরিব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।

• প্রধান মেমোরি (Main Memory):
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের (CPU) সঙ্গে প্রধান মেমোরির সরাসরি সংযোগ থাকে।
- প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারের প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে প্রধান মেমোরি সংগ্রহ করে রাখে।
- র‍্যাম (RAM) ও রম (ROM) হলো এ ধরনের মেমোরির উদাহরণ।

• সহায়ক মেমোরি (Secondary Memory):
- কম্পিউটারের যে মেমোরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমোরি বলা হয়।
- হার্ডডিস্ক, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি এ ধরনের সহায়ক মেমোরির উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৩১.
কোন ডিভাইসটি ইনপুট এবং আউটপুট ফাংশন দুটোই পালন করে?
  1. মডেম
  2. কি-বোর্ড
  3. মাইক্রোফোন
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা

•"মডেম" - ডিভাইসটি ইনপুট ও আউটপুট উভয় হিসেবে কাজ করে। 

• ইনপুট ডিভাইস:
- যে সব যন্ত্র বা ডিভাইস দ্বারা কম্পিউটারে বিভিন্ন ডাটা এবং নির্দেশ প্রদান করা হয় সেসব যন্ত্র বা ডিভাইসকে ইনপুট ডিভাইস বলা হয়। 

• ইনপুট ডিভাইসের বৈশিষ্ট্য:
- ইনপুট ডিভাইস ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা বা নির্দেশনা গ্রহণ করে।
- এটি সেই ডেটাকে ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তর করে কম্পিউটারে পাঠায়।
- প্রতিটি ইনপুট ডিভাইসের নিজস্ব নির্ভুলতা ও গতির মাত্রা রয়েছে। 

• ইনপুট ডিভাইসের  উদাহরণ:
- কি-বোর্ড, 
- ওএমআর, 
- মাউস, 
- ওসিআর, 
- ট্র্যাকবল, 
- স্ক্যানার, 
- জয়স্টিক, 
- ডিজিটাইজার, 
- টাচ স্ক্রিন, 
- লাইটপেন, 
- বার কোড রিডার,
- পয়েন্ট অফ সেল, ডিজিটাল ক্যামেরা ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- 
- মনিটর, 
-  প্রিন্টার, 
-  প্লটার, 
-  স্পিকার, 
-  মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, 
-  ইমেজ সেটার, 
-  ফিল্ম রেকর্ডার, 
-  হেড ফোন ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৩২.
1MHz = ?
  1. ক) 103 Hz
  2. খ) 104 Hz
  3. গ) 109 Hz
  4. ঘ) 106 Hz
ব্যাখ্যা
1MHz = 103 KHz = 106 Hz
১,৫৩৩.
কোনটি স্টোরেজ ডিভাইস?
  1. মেমোরি কার্ড
  2. ফ্লপিডিস্ক
  3. কমপ্যাক্ট ডিস্ক
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
স্টোরেজ ডিভাইস (Storage Device)
উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত ভৌত মাধ্যমকে স্টোরেজ মিডিয়া বলে । যেমন—
- হার্ডডিস্ক,
- ম্যাগনেটিক টেপ,
- রি—রাইটেবল সিডি,
- ফ্লপিডিস্ক,
- কমপ্যাক্ট ডিস্ক বা সিডি,
- ডিভিডি,
- ফ্লাশ মেমোরি বা পেন ড্রাইভ,
- মেমোরি কার্ড ইত্যাদি ।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি, এস এস সি ও দাখিল(ভোকেশনাল)।
১,৫৩৪.
OCR ব্যবহার করা হয়—
  1. টেক্সট পড়ার জন্য
  2. গাণিতিক সমস্যা সমাধানের জন্য
  3. ইমেজ থেকে টেক্সট রূপান্তরের জন্য
  4. ডিভাইস সংযোগের জন্য
ব্যাখ্যা
• OCR (Optical Character Recognition) এমন একটি প্রযুক্তি যা ইমেজ বা স্ক্যানকৃত ডকুমেন্ট থেকে টেক্সট সনাক্ত করে এবং তা ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করে।
- এটি এমন একটি ইনপুট প্রযুক্তি যা ছবি বা স্ক্যানকৃত কাগজপত্র থেকে লেখা চিনে নিতে সক্ষম।

এর কার্যপদ্ধতি
- OCR প্রযুক্তি মূলত স্ক্যানকৃত ছবি, পিডিএফ, কিংবা হস্তলিখিত কনটেন্ট বিশ্লেষণ করে।
- এরপর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্যাটার্ন রিকগনিশনের সাহায্যে তা ডিজিটাল টেক্সটে রূপ দেয়। 
- এটি ম্যানুয়াল টাইপিং-এর প্রয়োজনীয়তা হ্রাস করে, যেমন: বই টাইপ না করে  বই স্ক্যান করে তা ডিজিটাল বইয়ে রূপান্তর করা যায়।

এর ব্যবহার:
- বই বা কাগজ স্ক্যান করে ডিজিটাল ফর্ম তৈরি করা।
- ব্যাংক চেক থেকে অটোমেটিক তথ্য সংগ্রহ।
- জাতীয় পরিচয়পত্র বা সরকারি নথি ডিজিটালাইজেশন।
- Google Lens, Adobe Scan, Microsoft OneNote- OCR এর বাস্তব প্রয়োগ।

তথ্যসূত্র:
-  একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
-   HSC ICT , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৩৫.
কোন ধরণের কম্পিউটারে প্রথম হার্ডডিস্ক ব্যবহার করা হয়?
  1. পামটপ কম্পিউটার
  2. মাইক্রো কম্পিউটার
  3. সুপার কম্পিউটার
  4. মিনি কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
- হার্ড ডিস্ক ডেটা সংরক্ষণ করার জন্য ম্যাগনেটিক মিডিয়া ব্যবহার করে।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হল হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।
- হার্ডডিস্ক এর প্রতিটি সেক্টরের ধারণ ক্ষমতা ৫১২ বাইট।
- হার্ড ডিস্ক প্রথম ব্যবহার হয়, IBM কোম্পানী ১৯৫৬ সালে মেইনফ্রেম বা মিনি কম্পিউটারের ডাটা সংরক্ষণের জন্য সর্বপ্রথম হার্ড ডিস্ক ব্যবহার হয়।
- তবে তখনকার সময়ে হার্ড ডিস্ক এর আকৃতি বা ধরণ ছিল বর্তমানের হার্ড ডিস্ক এর আকৃতির তুলনামুলকভাবে অনেক বেশি বড়।
- ১৯৮০ সালে ১ গিগাবাইট তথ্য ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন হার্ডডিস্কের আকার ছিল একটি বড়সর রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজের সমান এবং দাম ও ছিল তুলনামুলক অনেক বেশি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৫৩৬.
Which of the following is a keyboard operation key?
  1. ক) Enter
  2. খ) B
  3. গ) Alter
  4. ঘ) F2
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইসগুলোর মধ্যে কীবোর্ড হচ্ছে অন্যতম। 

বিভিন্ন ধরনের কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কীর্বোডে বিভিন্ন ধরনের কী রয়েছে ।
 যেমনঃ অপারেশন কী, কার্সর কী, ফাংশন কী, কন্ট্রোল কী এবং নিউমেরিক কীপ্যাড। 

অপারেশন কী : কীবোর্ডের মাঝামাঝি অবস্থিত A, B, C,...... ১, ২, ...,!, #... ইত্যাদি মুদ্রিত কী-সমূহ অপারেশন কী নামে পরিচিত। 
লিপি প্রস্তুতকরণ কাজ অপারেশন কী-সমূহের অন্যতম ব্যবহার। 
কীবোর্ডে অপারেশন কী-গুলোর সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি এবং তথ্য প্রবেশের জন্য বেশি ব্যবহৃত হয়।
 
অপরদিকে,
F9 হচ্ছে ফাংশন কী। 
Enter, Alter হচ্ছে কন্ট্রোল কী। 
 
 
উৎস : মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা, বিএড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১,৫৩৭.
নিচের কোনটি Non-Volatile Memory?
  1. RAM
  2. DRAM
  3. NVRAM
  4. SRAM
ব্যাখ্যা
• RAM হচ্ছে Volatile Memory.

Volatile Memory:
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে সকল মেমোরিতে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় তাদেরকে Volatile Memory বলে।
যেমন- RAM, DRAM, SRAM, SD-RAM প্রভৃতি। 

Non-Volatile Memory:
- Non-Volatile Memory হলো সেগুলো যাদের ক্ষেত্রে সংরক্ষিত ডাটা বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলেও মুছে যায় না।
যেমন- ROM.
- NVRAM (non-volatile random-access memory) refers to computer memory that can hold data even when power to the memory chips has been turned off.
- NVRAM is a type of computer memory that retains its stored information even when the power is turned off. Unlike traditional random-access memory (RAM) which is volatile and loses data when power is cut, NVRAM retains its contents.

উৎস: Computerhope Website, www.techtarget.com, www.lenovo.com.
১,৫৩৮.
What type of printer sprays ink onto paper?
  1. Dot Matrix
  2. Laser
  3. Ink-Jet
  4. None of above
ব্যাখ্যা
• প্রিন্টার (Printer):
- প্রিন্টার কম্পিউটারের একটি আউটপুট ডিভাইস।
- কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফলকে লিখিত আকারে পাওয়ার জন্য প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণ: ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার, লেজার প্রিন্টার, ইংকজেট প্রিন্টার, থার্মাল প্রিন্টার ইত্যাদি।

• ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার (Dot matrix Printer):
- এ ধরনের প্রিন্টারের প্রিন্টিং হেডের পিনের সাহায্যে কয়েকটি কালির ফোঁটা দিয়ে অক্ষর লেখা হয়।
- তবে প্রিন্টিং হেড ৯২,৪৪৮ পিন বা আরো বেশি পিনবিশিষ্ট হয়ে থাকে।

• লেজার প্রিন্টার (Laser Printer):
- প্রিন্টিংয়ের গুণগত মানের দিক থেকে লেজার প্রিন্টার হচ্ছে সবচেয়ে ভালো প্রিন্টার।
- এ ধরনের প্রিন্টারের মাধ্যমে দ্রুত ও সবচেয়ে সুন্দরতম লেখা ছাপানো যায়।
- তবে লেজার প্রিন্টার লেজার (LASER - Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation) রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ফুটিয়ে তোলে।
- লেজার প্রিন্টারের প্রধান অংশগুলো হলো লেজার হেড, ড্রাম ইউনিট ও টোনার কার্টিজ।

• ইংকজেট প্রিন্টার (Ink-Jet Printer):
- যে প্রিন্টার কালি ছড়িয়ে বা স্প্রে করে কম্পিউটারের ফলাফলকে প্রিন্ট করে তাকে ইংকজেট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের প্রধান অংশ হলো প্রিন্টিং হেড, কার্টিজ, হেড সরানো এবং কাগজ গ্রহণ করার কৌশল।

• থার্মাল প্রিন্টার (Thermal Printer):
- থার্মাল প্রিন্টারে কোনো কালি ও রিবন ব্যবহৃত হয় না, শুধু রাসায়নিক প্রলেপ দেওয়া কাগজ ব্যবহৃত হয়।
- এ ধরনের প্রিন্ট হেড পিনের বদলে থাকে কতকগুলো বৈদ্যুতিক রোধকের বিন্দু।
- ছাপার কাগজে বিশেষ ধরনের রাসায়নিক পদার্থ লাগানো থাকে, যার সাহায্যে প্রিন্ট করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৩৯.
RS-232 হলো-
  1. ক) সিরিয়াল পোর্ট
  2. খ) প্যারালাল পোর্ট
  3. গ) অডিও পোর্ট
  4. ঘ) ভিডিও পোর্ট
ব্যাখ্যা
• সিরিয়াল পোর্ট (Serial Port):
- RS-232 বা সিরিয়াল পোর্টের মাধ্যমে ডেটা পর্যায়ক্রমে এক বিট করে স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত সিস্টেম ইউনিট থেকে দূরবর্তী ডিভাইসসমূহ সংযোগের জন্য এ ধরনের পোর্ট ব্যবহৃত হয়।
- মডেম, মাউস, কি- বোর্ড ইত্যাদি হার্ডওয়্যার এ ধরনের পোর্টের সঙ্গে যুক্ত থাকে।
- মাদারবোর্ডে ৯ পিনবিশিষ্ট COM1 এবং COM2 নামে দুটি সিরিয়াল পোর্ট থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৪০.
সিআরটি মনিটরের পিকচার টিউবে কতগুলি মৌলিক বর্ণ ব্যবহার করা হয়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা

◉ সিআরটি (Cathode Ray Tube) মনিটরে তিনটি মৌলিক বর্ণ (Primary Colors) থাকে।
এই তিনটি প্রাথমিক রঙ হল:
- লাল (Red), 
- সবুজ (Green), 
- নীল (Blue).
এগুলিকে একসাথে "RGB Color Model" বলা হয়।

সিআরটি মনিটর:
- CRT এর পূর্ণরূপ হলো Cathod Ray Tube.
- সিআরটি মনিটরের প্রধান উপকরণ হলো পিকচার টিউব।
- টিউবের ভেতরের দিকে লাল, সবুজ ও আসমানি-এ তিনটি মৌলিক বর্ণের ফসফরাসের আবরণের প্রলেপ থাকে।
- পেছনের দিকে ইলেকট্রন বিম নিক্ষেপের জন্য একটি ইলেকট্রন গান থাকে।
- ইলেকট্রন বিম ফসফরাসের ওপরে পতিত হলে ফসফরাস উজ্জ্বল আলো নির্গত করে।
- ফসফরাসের ধরনের ভিত্তিতে মনিটরের পর্দায় প্রদর্শিত বিষয় এক রঙের বা বহু রঙের হতে পারে।
- ফসফরাসের আবরণটি অনেকগুলো বিন্দু বা ডটের সমন্বয়ে গঠিত। এদেরকে পিক্সেল বলা হয়।
- কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
- মনিটরের পর্দায় একটি ইমেজ বা চিত্র তখনই পূর্ণাঙ্গভাবে অবলোকন করা যায়, যখন ইলেকট্রন বিম সম্পূর্ণ স্ক্রিনটিকে স্ক্যান করে এবং প্রতিটি পিক্সেলকে উজ্জ্বল করে দেয়।
- পিক্সেলের সংখ্যার ওপর মনিটরের রেজুল্যশন নির্ভর করে। বর্তমানে প্রচলিত মনিটরগুলো সাধারণত ৬৪০০০ থেকে ২ মিলিয়ন পিক্সেলবিশিষ্ট হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,৫৪১.
কোন এক্সপ্যানশন বাস সবচেয়ে দ্রুত ডেটা ট্রান্সফার করতে পারে?
  1. ISA
  2. PCI
  3. PCIe
  4. USB 1.0
ব্যাখ্যা
• সবচেয়ে দ্রুত ডেটা ট্রান্সফার করার সক্ষমতা রাখে PCIe (Peripheral Component Interconnect Express)। PCIe আধুনিক এক্সপ্যানশন বাস যা সিরিয়াল কমিউনিকেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে এবং উচ্চ গতির ডেটা ট্রান্সফার নিশ্চিত করে। এটি লেন ভিত্তিক আর্কিটেকচার অনুসরণ করে, যেখানে একাধিক লেন (x1, x4, x8, x16 ইত্যাদি) ব্যবহার করে ডেটা স্থানান্তর করা যায়। PCIe এর সর্বোচ্চ ব্যান্ডউইথ অন্যান্য সব বাসের তুলনায় অনেক বেশি। অন্যদিকে ISA ও PCI তুলনামূলকভাবে পুরনো প্রযুক্তি এবং ধীর। USB 1.0-ও সীমিত গতি (১২ Mbps) প্রদান করে, যা PCIe-এর সাথে তুলনা করলে খুবই কম।

• এক্সপানশন বাস:
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে সম্প্রসারিত বাস বা এক্সপানশন বাস বলে।
- CPU এক্সপানশন বাসের সাহায্যে কম্পিউটারের ইনপুট/আউটপুট ও অন্যান্য পেরিফেরিয়াল ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করে।
- কম্পিউটারে বর্ধিত সুবিধা পাবার জন্য মাদারবোর্ডে কোনো ডিভাইস (যেমন- নেটওয়াক কার্ড, সাউন্ড কার্ড, এজিপি কার্ড, টিভি কার্ড ইত্যাদি) যে স্লটে স্থাপন করা হয় তাকে এক্সপানশন স্লট বলে।
- মাইক্রোপ্রসেসর যে গতিতে ডেটা সঞ্চালন করতে পারে অধিকাংশ এক্সপানশন বাস তার চেয়ে অনেক কম গতির হয়ে থাকে।

• উল্লেখযোগ্য এক্সপানশন বাসগুলো হচ্ছে-
১. আইএসএ বাস (ISA - Industry Standards Architecture),
২. ইআইএসএ বাস (EISA - Extended Industry Standards Architecture),
৩. লোকাল বাস (Local Bus):
i. ভেসা (VESA-Video Electronic Standard Architecture),
ii. পিসিআই (PCI- Peripheral Component Interconnect),
৪. ইউএসবি (USB - Universal Serial Bus),
৫. ফায়ারওয়‍্যার বাস (Fireware Bus) বা IEEE
৬. এজিপি (AGP - Accelerated Graphics Port); ইত্যাদি।

• সিস্টেম বাস:
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।

• সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। ডেটা বাস (Data Bus),
২। অ্যাড্রেস বাস (Address Bus) ও
৩। কন্ট্রোল বাস (Control Bus)।

উৎস:
১) মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) lenovo [লিংক]
১,৫৪২.
পাওয়ার অফ করলে কোন ধরনের মেমোরির ডেটা মুছে যায়?
  1. ফ্ল্যাশ মেমোরি
  2. হার্ড ড্রাইভ
  3. রম
  4. র‍্যাম
ব্যাখ্যা
• পাওয়ার বন্ধ করলে র‍্যাম (RAM) এর ডেটা মুছে যায়। র‍্যাম একটি ভোলাটাইল (volatile) মেমোরি, যার মানে হলো এতে সংরক্ষিত তথ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকা অবস্থায় থাকে, কিন্তু পাওয়ার বন্ধ হলেই সমস্ত তথ্য মুছে যায়। এটি সাধারণত কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে এবং চলমান প্রোগ্রাম ও প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহার হয়। অন্যদিকে, ফ্ল্যাশ মেমোরি, হার্ড ড্রাইভ ও রম (ROM) হলো নন-ভোলাটাইল (non-volatile) মেমোরি, অর্থাৎ এদের ডেটা পাওয়ার অফ করলেও মুছে যায় না। সুতরাং সঠিক উত্তর হচ্ছে: ঘ) র‍্যাম।

• RAM: 
- RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory. 
- মাদারবোর্ডের সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে মেমোরিতে পঠন এবং লিখন দুটি কাজই সম্পন্ন করা যায় সে মেমোরিকে RAM বলা হয়। 
- এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি। 
- কম্পিউটারের যতক্ষণ বিদ্যুৎপ্রবাহ চালিত থাকে ততক্ষণ RAM এ তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে। 
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে RAM তার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলে। 
- এজন্য RAM কে কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরিও বলা হয়। 

• ROM: 
- এটি হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস (যেমন কম্পিউটার) এর স্টোরেজ সিস্টেম। 
- এটিকে স্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়। 
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি। 
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি। 
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি। 

উৎস: ব্রিটানিকা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৪৩.
কম্পিউটারের স্টার্টআপ ডিস্ক হিসেবে কাজ করে কোনটি?
  1. রম
  2. সিডি
  3. হার্ডডিস্ক
  4. ফ্লপি ডিস্ক
ব্যাখ্যা
- হার্ডডিস্ক কম্পিউটারের স্টার্টআপ ডিস্ক হিসাবে কাজ করে।
- কম্পিউটারের যে ডিস্কে সিস্টেম সফট্ওয়্যার থাকে সেই ডিস্ককেই স্টার্টআপ ডিস্ক বলে।
- বর্তমানে কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার থাকে।
- অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ও এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মাঝখানে অবস্থান করে এবং এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের কাজগুলো করার ব্যাপারে সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করে।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১,৫৪৪.
ROM কোন ধরনের মেমোরি?
  1. ক্যাশ মেমোরি
  2. নন-ভোলাটাইল
  3. ভোলাটাইল 
  4. র‌্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি 
ব্যাখ্যা

ROM: 
- ROM এর পূর্ণরূপ হলো Read Only Memory. 
- এটি মূলত এক ধরনের নন-ভোলাইটল মেমোরি (Non-Volatile Memory), অর্থাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলেও রমে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় না। 
- কম্পিউটারের মাইক্রোপ্রসেসর ও হার্ডওয়্যারের অভ্যন্তরীণ কার্যাবলি সম্পাদনের প্রোগ্রাম রমে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। 
- কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতিশক্তিকে ROM বলে। 
- সাধারণত রমে নতুন কিছু সংযোজন, সংশোধন বা পরিবর্তন করা যায় না। 
- রমে ম্যানুফেকচাররার কর্তৃক প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করা থাকে। 
- সাধারণত রমে সংরক্ষিত তথ্য শুধু পড়া যায়, লেখা যায় না। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৪৫.
ROM কোন স্টোরেজ ফরম্যাট হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. সিস্টেম স্টোরেজ
  2. স্ন্যাপ শট স্টোরেজ
  3. অস্থায়ী স্টোরেজ
  4. স্থায়ী স্টোরেজ
ব্যাখ্যা

• ROM:
- এটি হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস।
- যেমন কম্পিউটার এর স্টোরেজ সিস্টেম।
- এটিকে স্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়।
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি এবং RAM হল অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৪৬.
Which of the following is an output device used for printing graphics?
  1. Joystick 
  2. Mouse
  3. Scanner
  4. Plotter
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) Plotter
প্লটার হলো একটি ডিভাইস যা গ্রাফ আঁকার জন্য ব্যবহৃত হয়, বিশেষত একটি যন্ত্র যা কম্পিউটারের আউটপুটকে গ্রাফ আকারে প্রদর্শন করে।

• ইনপুট ডিভাইস
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
উদাহরণ:
- কি-বোর্ড (Keyboard),
- ওএমআর (OMR),
- মাউস (Mouse),
- ওসিআর (OCR),
- ট্যাকবল (Trackball),
- স্ক্যানার (Scanner),
- জয়স্টিক (Joystick),
- ডিজিটাইজার (Digitizer),
- টাচ স্ক্রিন (Touch Screen),
- লাইটপেন (Lightpen),
- বার কোড রিডার (Bar Code Reader),
- গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad),
- পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale),
- ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera); ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর (Monitor),
- প্রিন্টার (Printer),
- প্লটার (Ploter),
- স্পিকার (Speaker),
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector),
- ইমেজ সেটার (Image Setter),
- ফিল্ম রেকর্ডার (Flim Recoder),
- হেডফোন (Headphone); ইত্যাদি।

• ইনপুট আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এখন এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ভুক্ত করা যায়।
যেমন:
- হার্ডডিস্ক,
- সিডি বা ডিভিডি,
- পেনড্রাইভ,
- টাচ স্ক্রিন; ইত্যাদি।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৪৭.
নিচের কোনটি ইউএসবি (USB) বাস সম্পর্কে সঠিক নয়?
  1. USB এর পূর্ণরূপ Universal Serial Bus
  2. একাধিক ডিভাইস সংযুক্ত করা যায়
  3. ডেটা সমান্তরাল (parallel) পদ্ধতিতে চলে
  4. পেরিফেরাল যন্ত্র থেকে সিপিইউতে দ্রুত ডাটা স্থানান্তরে সহায়তা করে
ব্যাখ্যা

USB বাসের মাধ্যমে ডেটা সিরিয়াল পদ্ধতিতে চলাচল করে।

• USB বাস:
- USB-এর পূর্ণ অর্থ হলো Universal Serial Bus.
- ১৯৯৮ সাল থেকে ইন্টেল মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি কম্পিউটারগুলোতে এ ধরনের বাস ব্যবহার করা হচ্ছে।
- এই বাস দিয়ে সিরিয়াল পদ্ধতিতে ডেটা চলাচল করে।
- USB বাস অন্যান্য বাসের তুলনায় কম গতিতে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে কিন্তু এটি প্রচলিত সিরিয়াল বাসের তুলনায় অনেকটা উন্নত।

• এ ধরনের বাসের সুবিধাগুলো নিম্নরূপ:
১। বাসের মধ্য দিয়ে একই গতিতে ডেটা চলাচল করে। ফলে যেসব ডিভাইসের মধ্যে একই গতিতে ডেটা চলাচলের প্রয়োজন হয় সেসব ক্ষেত্রে এ ধরনের বাস ব্যবহার করা হয়।
২। এ ধরনের বাসে একসাথে অনেকগুলো যন্ত্রের সংযোগ প্রদান করা যায়।
৩। USB বাস পেরিফেরাল যন্ত্রগুলো হতে সিপিইউতে দ্রুতগতিতে ডেটা আদান-প্রদানে সহায়তা করে ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৪৮.
Which keyboard shortcut is used to Paste the contents of the Clipboard?
  1. Shift + P
  2. Ctrl + P
  3. Shift + V
  4. Ctrl + V
ব্যাখ্যা
Ctrl + V is used to Paste the contents of the Clipboard. 

গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমান্ড:
- Ctrl + O Open a document.
- Ctrl + N Create a new document.
- Ctrl + S Save the document.
- Ctrl + W Close the document. 
- Ctrl + C Copy the selected content to the Clipboard.
- Ctrl + V Paste the contents of the Clipboard. 
- Ctrl + B Apply bold formatting to text.
- Ctrl + I Apply italic formatting to text.
- Ctrl + U Apply underline formatting to text.
- Ctrl + Left bracket (1) Decrease the font size by 1 point. 
- Ctrl + Right bracket (1) - Increase the font size by 1 point.
- Ctrl + E Center the text. 
- Ctrl + L Align the text to the left.
- Ctrl + R Align the text to the right.
- Esc Cancel a command.
- Ctrl + Z Undo the previous action. 
- Ctrl + Y Redo the previous action, if possible. 
- Alt + W Adjust the zoom magnification.

Source: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।
১,৫৪৯.
কোনটি নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারের ধরন?
  1. লেজার প্রিন্টার
  2. লাইন প্রিন্টার
  3. অক্ষর প্রিন্টার
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা

• প্রিন্টার:
- প্রিন্টার কম্পিউটারের একটি আউটপুট ডিভাইস।
- কম্পিউটারের সঙ্গে ব্যবহৃত যত যন্ত্র আছে তাদের মধ্যে প্রিন্টার বহুল ব্যবহৃত ও প্রয়োজনীয় যন্ত্র।

• কার্যপ্রণালী অনুসারে প্রিন্টারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে স্পর্শ করে তাদেরকে সংস্পর্শ বা ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।।
- ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
- যেমন: লাইন প্রিন্টার ও অক্ষর প্রিন্টার।

২. নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে সাধারণত স্পর্শ করে না তাদেরকে নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে।
- যেমন: লেজার প্রিন্টার, ইংকজেট প্রিন্টার, থার্মাল প্রিন্টার, স্থির বা স্থিতি বৈদ্যুতিক প্রিন্টার।

• লেজার প্রিন্টার:
- লেজার প্রিন্টার একটি নন-ইমপেক্ট প্রিন্টার।
- লেজার প্রিন্টারে লেজার রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ছাপানো হয়।
- লেজার প্রিন্টার উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে।
- লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন, স্পিড অন্যান্য প্রিন্টারের চেয়ে বেশি।
- প্রিন্টারের রেজুলেশন DPI এবং গতি PPM (Pages per minute) এ পরিমাপ করা হয়।
- বর্তমানে একটি লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন ১২০০ DPI এবং গতি ২৪ PPM.

উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৫০.
নিচের কোনটি ইনপুট এবং আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবে কাজ করে?
  1. স্ক্যানার
  2. টাচস্ক্রিন
  3. ওয়েবক্যাম
  4. মনিটর
ব্যাখ্যা

• টাচস্ক্রিন হলো ইনপুট এবং আউটপুট উভয় ডিভাইস। 
- এটি ব্যবহারকারীর স্পর্শের মাধ্যমে ইনপুট গ্রহণ করে এবং আউটপুট ডিভাইস হিসেবে তথ্য প্রদর্শন করে।

• ইনপুট ডিভাইস:
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস। উদাহরণ:
- কি-বোর্ড, মাউস, অপটিকাল রিডার, জয়স্টিক, মাইক্রোফোন, স্ক্যানার, গ্রাফিক্স প্যাড, লাইট পেন, ওয়েবক্যাম, ওসিআর ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস। উদাহরণ:
- মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোই হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ:
- পেন ড্রাইভ, টাচ স্ক্রিন, মডেম ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৫১.
কোনটি CPU-এর অংশ নয়?
  1. নিয়ন্ত্রণ অংশ
  2. রেজিস্টার
  3. ইন্টারপ্রেটার
  4. অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট
ব্যাখ্যা
ইন্টারপ্রেটার CPU-এর অংশ নয়।
ইন্টারপ্রেটার হল একটি প্রোগ্রামিং ভাষা অনুবাদক, যা একটি উচ্চ-স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা (যেমন পাইথন) থেকে লেখা কোডকে মেশিন কোডে অনুবাদ করে, যা CPU বুঝতে পারে।

• প্রসেসর বা CPU এর সংগঠন এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে -
১) নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২) অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (গাণিতিক যুক্তি অংশ,
৩) রেজিস্টার বা মেমোরি (স্মৃতি)।

• নিয়ন্ত্রণ অংশ:
- কম্পিউটারে সম্পাদিত সমস্ত কাজের নিয়ন্ত্রণ করে এ নিয়ন্ত্রণ অংশ।
- এ অংশ সিপিইউ, মেমোরি, এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
- কন্ট্রোল ইউনিট ROM ও RAM-এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুসারে কাজ করে এবং কম্পিউটারের অন্য সব অংশকে আদেশ দেয়।
- তাছাড়া বাইনারি কোডের ইন্সট্রাকশনকে স্মৃতি থেকে গ্রহণ করে এবং এগুলোকে ডিকোড করে।

• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ডাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

• রেজিস্টার বা মেমোরি/স্মৃতি:
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
- কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১,৫৫২.
মুদ্রিত লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা শনাক্ত করে কোনটি? 
  1. Barcode
  2. OMR
  3. OCR
  4. QR Code
ব্যাখ্যা

OCR মুদ্রিত লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা শনাক্ত করে থাকে। 

OCR (Optical Character Recognition)
- OCR হলো একটি স্ক্যানিং এবং তুলনা প্রযুক্তি, যা মুদ্রিত লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা শনাক্ত করে।
- এর ফলে মুদ্রিত তথ্য পুনরায় টাইপ করার প্রয়োজন হয় না।

কাজের পদ্ধতি:
- OCR সফটওয়্যার অক্ষরগুলোকে লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আকারের সাথে তুলনা করে চিনে নেয়।
- অক্ষরের নিকটতার (proximity) মাধ্যমে শব্দ শনাক্ত করা হয়।
- মূল পৃষ্ঠার বিন্যাস পুনর্গঠন করার চেষ্টা করা হয়।

নির্ভুলতা:
- উচ্চমানের এবং পরিষ্কার স্ক্যান থেকে সঠিকতা বেশি হয়।
- মূল পত্রের বা স্ক্যানের মান কমলে সঠিকতা হ্রাস পায়।

ব্যবহার:
- একটি অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিডার (OCR) সরাসরি মেইল শ্রেণিবিন্যাস করতে পারে বা মেশিন-রিডেবল কোড দিয়ে চিহ্নিত করে দ্রুত স্বয়ংক্রিয় শ্রেণিবিন্যাসে সাহায্য করে।
- 1965 সালে, ইউ.এস. পোস্টাল সার্ভিস অক্ষর ও সংখ্যা শনাক্তকরণের OCR পরীক্ষামূলকভাবে চালু করে।
- 1980-এর দশকের শুরুর দিকে, তারা এমন একটি যন্ত্র তৈরি করে যা তিনটি ঠিকানার লাইন স্ক্যান, পোস্টাল কোড যাচাই, এবং রাউটিং কোড প্রিন্ট করতে পারে।

OCR প্রক্রিয়ার মূল ধাপগুলো:
-  মুদ্রিত লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা স্ক্যান করা।
-  অক্ষরের আকারের সঙ্গে লাইব্রেরির অক্ষরের তুলনা করে সনাক্তকরণ।
-  অক্ষরের নিকটতার মাধ্যমে শব্দ শনাক্ত করা।
- মূল পৃষ্ঠার বিন্যাস পুনর্গঠন।

অন্যদিকে,
ক) Barcode: বারকোড হলো রেখা বা প্যাটার্নের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও শনাক্ত করার প্রযুক্তি।
খ) OMR: OMR হলো একটি প্রযুক্তি যা চিহ্নিত মার্ক বা বুলেট/ডট শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
ঘ) QR Code: এটি লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা শনাক্ত করার জন্য নয়, বরং সংরক্ষিত তথ্য স্ক্যান করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

১,৫৫৩.
Why is RAM called volatile memory?
  1. Because it stores data permanently
  2. Because it loses data without power
  3. Because it is very stable
  4. Because it stores ROM data
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - খ) Because it loses data without power।

• র‍্যাম (RAM):
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত একাধিক চিপ সমন্বয়ে র‍্যাম এলাকা গঠিত।
- র‍্যামে সব ধরনের তথ্য লেখা ও পড়া যায়। র‍্যামে তথ্য জমা থাকে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে, ফলে র‍্যামের সব তথ্য অস্থায়ীভবে থাকে।
- এজন্য র‍্যামকে কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি বলা হয়।
- কোন কারণে বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটারের সুইচ বন্ধ করলে র‍্যাম থেকে সব তথ্যই মুছে যায়। তাই র‍্যামকে ভোলাটাইল বলা হয়।
- র‍্যামের ধারণ ক্ষমতা বেশি হলে কম্পিউটারের কাজ করার ক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।
- কাজের গতি বাড়ানোর জন্য র‍্যাম ক্যাশ (RAM Cash) ব্যবহার করা হয়।
- র‍্যাম ক্যাশ র‍্যামের অংশ বিশেষ।

• র‍্যাম দুই ধরনের:
- DRAM (Dynamic RAM),
- SRAM (Static RAM).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৫৪.
কম্পিউটারে BIOS কী ভূমিকা পালন করে?
  1. ডাটা স্টোরেজ ম্যানেজমেন্ট
  2. হার্ডওয়্যার সিকিউরিটি ও মেইন্টেন্যান্স
  3. ভাইরাস স্ক্যানিং
  4. অপারেটিং সিস্টেম লোড করা
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারে BIOS (Basic Input Output System) মূলত হার্ডওয়্যার এবং অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে একটি সেতুর মতো কাজ করে। এটি কম্পিউটার চালু হলে প্রথমে সক্রিয় হয় এবং হার্ডওয়্যার ডিভাইসগুলো ঠিকভাবে কাজ করছে কি না তা পরীক্ষা করে। BIOS এর প্রধান ভূমিকা হলো অপারেটিং সিস্টেম লোড করা, অর্থাৎ স্টোরেজ থেকে OS কে মেমরিতে নিয়ে আসা, যাতে ব্যবহারকারী কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারে। এটি ডাটা ম্যানেজমেন্ট বা ভাইরাস স্ক্যানিং নয়, বরং হার্ডওয়্যার সঠিকভাবে শনাক্ত ও পরিচালনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ঘ) অপারেটিং সিস্টেম লোড করা।


• BIOS:
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৫৫৫.
আর্কিটেকচারাল ডিজাইনের কাজে ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) ইলেক্ট্রোস্ট্যাটিক
  2. খ) প্লটার
  3. গ) ইমেজ সেটার
  4. ঘ) স্ক্যানার
ব্যাখ্যা
প্লটার এক ধরনের বিশেষ ধরনের আউটপুট ডিভাইজ যা প্রিন্টারের মতই কাজ করে৷ মূলত বৃহৎ আকারের ছবি, প্রতীক, মানচিত্র, আর্কিটেকচারাল ডিজাইন ইত্যাদির কাজে প্লটার ব্যবহৃত হয়৷
সোর্সঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম
১,৫৫৬.
মাদারবোর্ডে নিচের কোনটি স্থাপিত থাকে?
  1. হার্ড ড্রাইভ
  2. সিপিইউ
  3. পেনড্রাইভ
  4. মনিটর
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড একটি কম্পিউটারের মূল ও কেন্দ্রীয় অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের ভেতরে সংযুক্ত থাকে।
- এটি সিস্টেমের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থল হিসেবে কাজ করে এবং একে সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ডও বলা হয়।
- কম্পিউটারের প্রধান প্রসেসর বা CPU মাদারবোর্ডেই স্থাপিত থাকে, যা কম্পিউটারের "মস্তিষ্ক" হিসেবে পরিচিত।
- মাদারবোর্ডে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্ন পোর্ট ও সংযোগ ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারের প্রতিটি যন্ত্রাংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে, যা মাদারবোর্ডকে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।
- বর্তমানে বাজারে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ড জনপ্রিয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৫৭.
সহায়ক মেমরির বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ক) সিপিইউ এর সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে
  2. খ) তথ্য স্থায়ী ভাবে সংরক্ষণ করা যায়
  3. গ) ধারণক্ষমতা অত্যাধিক
  4. ঘ) বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলেও তথ্য মুছে যায় না
ব্যাখ্যা
সহায়ক মেমরির বৈশিষ্ট্য: 
- সিপিইউ এর সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে না।
- তথ্য স্থায়ী ভাবে সংরক্ষণ করা যায়।
- ধারণক্ষমতা অত্যাধিক।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলেও তথ্য মুছে যায় না।
- সহজে পরিবহন করা যায়।
- কোনো তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা
১,৫৫৮.
কম্পিউটার সিস্টেমে ক্যাশ মেমোরি হিসেবে কোন ধরনের মেমোরি ব্যবহার করা হয়?
  1. SRAM
  2. SDRAM
  3. DRAM
  4. PROM
ব্যাখ্যা

ক্যাশ মেমোরি হিসেবে SRAM (Static Random Access Memory) ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি দ্রুতগতির এবং CPU-এর কাছে ডেটা দ্রুত অ্যাক্সেস করতে সাহায্য করে।

ক্যাশ মেমরি:
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।

• স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM- Static Random Access Memory):
- এ ধরনের মেমরি ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, যা বাইনারি বিট (0 বা 1) ধারণ করে এবং ধারণকৃত ডেটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে। SRAM অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন হওয়ায় ভিডিও র‍্যাম, ক্যাশ মেমোরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১,৫৫৯.
RAM এর পূর্ণ রূপ কী?
  1. Read Access Memory
  2. Random Access Memory
  3. Rapid Access Machine
  4. Real Access Memory
ব্যাখ্যা
RAM এর পূর্ণ রূপ হচ্ছে Random Access Memory.

Random Access Memory (RAM)
- যে স্মৃতিতে কোনো একটি তথ্য মুছে ফেলে ঐ জায়গায় নতুন তথ্য লেখা যায় এবং সেই তথ্য প্রয়োজন অনুসারে ব্যবহার করা যায় তাকে Random Access Memory বলে।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার অফ/বন্ধ করলে এর তথ্য মুছে যায়।
- প্রাইমারি স্টোরেজকে সাধারণত র‍্যাম বলে কারণ সরাসরি ডেটা এবং ইন্সট্রাকশন সংরক্ষণ এবং পুনরুদ্ধার করতে এই মেমোরির যে কোনো লোকেশন সিলেক্ট ও ব্যবহার করা সম্ভব।
- মেমোরির প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা লোকেশন অন্য লোকেশনের মতোই এক্সেস করা সহজ এবং একই পরিমাণ সময়ের প্রয়োজন হয়।
- এটাকে রিড/রাইট মেমোরি তথ্য লেখাও যায় আবার এ থেকে তথ্য পড়াও যায়।

র‍্যামের শ্রেণিবিভাগ
অপারেটিং মোড অনুসারে র‍্যামকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
- স্ট্যাটিক র‍্যাম (Static RAM) ও
- ডাইনামিক র‍্যাম (Dynamic RAM)

স্ট্যাটিক র‍্যাম (Static RAM)
- স্ট্যাটিক র‍্যাম ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত যা বাইনারি বিট ০ ও ১ ধারণ করে।
- এ ধারণকৃত ডাটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে মেমোরিতে রক্ষিত ডাটা মুছে যায়।
- স্ট্যাটিক র‍্যাম অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন হয় বলে এটা ভিডিও র‍্যাম, ক্যাশ মেমোরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

ডাইনামিক র‍্যাম (Dynamic RAM)
- ডাইনামিক র‍্যাম-এ বাইনারি বিট ০ ও ১ বৈদ্যুতিক চার্জ আকারে ক্যাপাসিটরে জমা থাকে।
- ক্যাপাসিটর চার্জ থাকলে ১ অবস্থা, না থাকলে ০ অবস্থা বোঝায়।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকা অবস্থায়ও ক্যাপাসিটরের চার্জ ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়।
- তাই কয়েক মিলিসেকেন্ড পর পর র‍্যাম কন্ট্রোলারের সাহায্যে প্রত্যেক মেমোরি কোষে লেখা তথ্য নতুন করে লিখতে হয়।
- ক্যাপাসিটরের পরিভাষায় একে মেমোরি রিফ্রেশিং বলা হয়।
- মাইক্রোকম্পিউটারের প্রধান মেমোরি হিসেবে সাধারণত ডাইনামিক র‍্যাম ব্যবহার করা হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১,৫৬০.
ভার্চুয়াল মেমরির পরিমাণ কোনটির উপর নির্ভরশীল?
  1. রেজিস্টারের সংখ্যা
  2. ক্যাশের আকার
  3. অ্যাড্রেস বাসের প্রস্থ
  4. প্রসেসরের গতি
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল মেমরির পরিমাণ অ্যাড্রেস বাসের প্রস্থের উপর নির্ভরশীল। কারণ ভার্চুয়াল মেমরি মূলত প্রসেসরের ব্যবহারযোগ্য অ্যাড্রেস স্পেস দ্বারা সীমাবদ্ধ। অ্যাড্রেস বাসের প্রস্থ যত বেশি, তত বেশি সংখ্যা প্রদর্শন করা যায় এবং প্রসেসর তত বড় মেমরি ঠিকানা করতে সক্ষম হয়। উদাহরণস্বরূপ, ৩২‑বিট অ্যাড্রেস বাস দিয়ে ২ⁿ মেমরি ঠিকানা করা যায়, যেখানে n হলো অ্যাড্রেস লাইনের সংখ্যা। অন্যদিকে রেজিস্টারের সংখ্যা, ক্যাশের আকার বা প্রসেসরের গতি সরাসরি ভার্চুয়াল মেমরির সীমা নির্ধারণ করে না, যদিও এগুলো পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলে। তাই ভার্চুয়াল মেমরির সম্ভাব্য সর্বোচ্চ আকার অ্যাড্রেস বাসের প্রস্থ দ্বারা নির্ধারিত হয়।

উত্তর: গ) অ্যাড্রেস বাসের প্রস্থ।

 • ভার্চুয়াল মেমোরি (Virtual Memory):
- ভার্চুয়াল মেমোরি হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা RAM এবং সেকেন্ডারি স্টোরেজ (যেমন হার্ড ডিস্ক) একত্রে ব্যবহার করে।  
- এটি প্রোগ্রামকে তার বাস্তব RAM এর চেয়ে বেশি মেমোরি ব্যবহার করতে সক্ষম করে।  
- ভার্চুয়াল মেমোরি সিস্টেম RAM পূর্ণ হলে, অপ্রয়োজনীয় ডেটা বা প্রোগ্রাম অংশকে সেকেন্ডারি স্টোরেজে স্থানান্তরিত করে।  
- অপারেটিং সিস্টেম এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা করে, ফলে ব্যবহারকারী বা প্রোগ্রামারকে মেমোরি সীমা নিয়ে চিন্তা করতে হয় না।  
- মূল উদ্দেশ্য: সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার করে RAM বাড়ানো।  

সূত্র: 
- geeksforgeeks [link]

১,৫৬১.
What is a Register in the CPU?
  1. A permanent storage area within the CPU
  2. A temporary storage area within the CPU
  3. An arithmetic operator
  4. A network device
ব্যাখ্যা
Register is a temporary storage area within the CPU.

• প্রসেসর বা CPU এর সংগঠন এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে -
১) নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২) অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (গাণিতিক যুক্তি অংশ,
৩) রেজিস্টার বা মেমোরি (স্মৃতি)।

• নিয়ন্ত্রণ অংশ:
- কম্পিউটারে সম্পাদিত সমস্ত কাজের নিয়ন্ত্রণ করে এ নিয়ন্ত্রণ অংশ।
- এ অংশ সিপিইউ, মেমোরি, এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
- কন্ট্রোল ইউনিট ROM ও RAM-এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুসারে কাজ করে এবং কম্পিউটারের অন্য সব অংশকে আদেশ দেয়।
- তাছাড়া বাইনারি কোডের ইন্সট্রাকশনকে স্মৃতি থেকে গ্রহণ করে এবং এগুলোকে ডিকোড করে।

• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ডাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

• রেজিস্টার বা মেমোরি/স্মৃতি:
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
- কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১,৫৬২.
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে ফাইল বা ডকুমেন্ট ক্লোজ করতে কোনটি চাপতে হয়?
  1. ক) Ctrl + S
  2. খ) Ctrl + O
  3. গ) Alt + F4
  4. ঘ) Ctrl + W
ব্যাখ্যা
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের কিছু শর্টকার্ট কী (Key):
১. Ctrl+O = ডকুমেন্ট ওপেন করা
২. Ctrl+N = নতুন ডকুমেন্ট খোলা
৩. Ctrl+S = ডকুমেন্ট সংরক্ষণ করা
৪. Ctrl+W = ডকুমেন্ট ক্লোজ করা
৫. Ctrl+A = ডকুমেন্টের সব কন্টেন্ট সিলেক্ট করা।



উৎস: মাইক্রোসফট সাপোর্ট।
১,৫৬৩.
নিচের কোনটি মনিটরের প্রকারভেদ নয়?
  1. LCD Monitor
  2. LED Monitor
  3. AMOLED Monitor
  4. CTR Monitor
ব্যাখ্যা
মনিটরের প্রকারভেদ (Types of Monitor)
মনিটর সাধারণত চার ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১. সিআরটি মনিটর (CRT Monitor)
২. এলসিডি মনিটর (LCD Monitor)
৩. এলইডি মনিটর (LED Monitor)
৪. এমােলেড মনিটর (AMOLED Monitor)
(রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল))
১,৫৬৪.
হার্ডডিস্ক কী?
  1. একটি ইনপুট ডিভাইস
  2. একটি আউটপুট ডিভাইস
  3. একটি স্টোরেজ ডিভাইস
  4. একটি প্রসেসর
ব্যাখ্যা
হার্ডডিস্ক একটি স্টোরেজ ডিভাইস।

• হার্ডডিস্ক:
- হার্ডডিস্ক পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্কে রক্ষিত তথ্যসমূহ সহজে নষ্ট হয় না বলে প্রয়োজনীয় সকল প্যাকেজ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথাসমূহ হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা হয়।
- ডিস্কটি অধিক ধারণক্ষম বিধায় এখানে অনেক তথ্য সংরক্ষণ করা যায়।
- যে ডিভাইসের সাহায্যে হার্ডডিস্ক চালনা করা হয় তাকে হার্ডডিস্ক ড্রাইভ (Hard disk drive) বা সংক্ষেপে এইচডিডি (HDD) বলে।
- হার্ডডিস্ক ড্রাইভ এর কাজ হলো তথ্য লিখন ও পঠন এবং এর পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা।

• হার্ডডিস্কের সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
- ধারণক্ষমতা অন্য যে কোনো স্টোরেজ মিডিয়ার চেয়ে বেশি।
- এ্যালুমিনিয়ামের পাতের উপরে ম্যাগনেটিক অক্সাইডের প্রলেপ দিয়ে হার্ডডিস্কে ডাটা সংরক্ষণ করা হয়।
- হার্ডডিস্ক দীর্ঘস্থায়ী এবং প্রোগ্রাম ও ডাটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অধিক নির্ভরশীল।
- ডেটা রিড এবং রাইট করার গতি অনেক বেশি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১,৫৬৫.
Flash memory is-
  1. ক) Non-removable
  2. খ) Non-volatile
  3. গ) Non-portable
  4. ঘ) Volatile
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে সকল মেমোরিতে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় না তাকে Non-Volitile মেমোরি বলে। যেমন হার্ডডিস্ক, রম, ফ্লাশ মেমোরি ইত্যাদি।
১,৫৬৬.
ALU কোন ধরনের অপারেশন সম্পন্ন করে?
  1. তুলনা এবং সত্য-মিথ্যা যাচাই
  2. ব্রাউজিং এবং ডাউনলোডিং
  3. মিউজিক প্লে করা
  4. কম্পিউটার ভাইরাস স্ক্যানিং
ব্যাখ্যা

• গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- ALU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Arithmetic Logic Unit.
- ALU নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক এবং লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- সাধারণত, গাণিতিক অপারেশনগুলো যেমন যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো যেমন তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি সম্পাদন করা হয়।
- ALU রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও করে।
- বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর জন্য একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহার করা হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদন করে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষণ করে রাখে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৬৭.
গ্রাফিক্স কার্ড বা সাউন্ড কার্ডের মতো অতিরিক্ত ডিভাইস সংযোগের জন্য কোন বাস ব্যবহৃত হয়?
  1. ইন্টারনাল বাস
  2. এক্সপানশন বাস
  3. অ্যাড্রেস বাস
  4. ডেটা বাস
ব্যাখ্যা

 সঠিক উত্তর: খ) এক্সপানশন বাস।

• কম্পিউটার বাস (Computer Bus):
- কম্পিউটারের বাস হলো এমন একগুচ্ছ তার, যার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল সংকেত ০ বা ১ চলাচল করতে পারে।
- বাসের সাহায্যেই কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়‍্যার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে।
- কম্পিউটারের বাস কতকগুলো বিদ্যুৎ পরিবাহী লাইনের সাহায্যে গঠিত, যার মাধ্যমে কম্পিউটারের এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডেটা, তথ্য, সিগন্যাল, নির্দেশ বা প্রোগ্রাম আদান-প্রদানের কাজ সম্পন্ন হয়।

• সিস্টেম বাস:
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।

→ সিস্টেম বাসের প্রকারভেদ:
- ডেটা বাস (Data Bus), 
- অ্যাড্রেস বাস (Address Bus), 
- কন্ট্রোল বাস (Control Bus)। 

• এক্সপানশন বাস:
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে সেগুলোকে এক্সপানশন বাস (Expansion Bus) বলা হয়। 
- এক্সপানশন বাস হলো এমন বাস যা মূল মাদারবোর্ডের প্রসেসর বা মেমরির বাইরে থাকা অতিরিক্ত ডিভাইস সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, পিসিতে গ্রাফিক্স কার্ড, সাউন্ড কার্ড বা নেটওয়ার্ক কার্ড যুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত আইও পোর্ট সাধারণত এক্সপানশন বাসের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়

→ এক্সপানশন বাসের প্রকারভেদ:
- আইএসএ বাস (ISA Bus), 
-  ইআইএসএ বাস (EISA Bus), 
-  ইউএসবি (USB),
 - ফায়ারওয়্যার বাস (Fireware Bus),
-  এজিপি বাস (AGP Bus),
-  লোকাল বাস (Local Bus): লোকাল বাস দুই প্রকার হয়ে থাকে। যথা- 
ⅰ. ভেসা বাস (VESA Bus), 
ii. পিসিআই বাস (PCI Bus)।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৬৮.
What type of software is BIOS?
  1. Application software
  2. Firmware 
  3. Operating system
  4. Driver software
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Firmware 
BIOS (Basic Input/Output System) হলো একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা EPROM-এ সংরক্ষিত থাকে এবং CPU ব্যবহার করে কম্পিউটার চালু করার সময় স্টার্ট-আপ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে। এটি পেরিফেরাল ডিভাইসগুলো চিহ্নিত করে এবং অপারেটিং সিস্টেমকে প্রধান মেমোরিতে লোড করে। স্টার্ট-আপের পর, BIOS অপারেটিং সিস্টেম এবং পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।

BIOS (Basic Input/Output System)
- BIOS হলো মাদারবোর্ডে থাকা একটি ফার্মওয়্যার বা স্থায়ী সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারকে “মস্তিষ্ক” হিসেবে কাজ করার ক্ষমতা প্রদান করে।
- যখন ব্যবহারকারী কম্পিউটার চালু করেন, তখন BIOS ইনিশিয়ালাইজেশন প্রক্রিয়া শুরু করে এবং হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে পাওয়ার-অন সেলফ-টেস্ট (POST) সম্পাদন করে।
- হার্ডওয়্যার ঠিক থাকলে, BIOS মাস্টার বুট রেকর্ড (MBR) খুঁজে বের করে, যা নির্দেশ দেয় সিস্টেম কীভাবে বুট (শুরু) করবে।
- BIOS অপারেটিং সিস্টেম (OS) এবং সমস্ত বাহ্যিক ডিভাইসের মধ্যে ডেটা পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- ২১শ শতকের শুরুতে BIOS-এর পরিবর্তে UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) এসেছে, যা বড় স্টোরেজ ড্রাইভ পরিচালনা করতে সক্ষম এবং BIOS-এর তুলনায় দ্রুত কাজ করে।

BIOS-এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী করতে পারেন:
- হার্ডওয়্যারের তথ্য অ্যাক্সেস করা,
- কম্পিউটার বুটের ক্রম পরিবর্তন করা,
- মাস্টার পাসওয়ার্ড সেট করা। 

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৫৬৯.
কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড কোনটি?
  1. মাদারবোর্ড
  2. সিস্টেম বোর্ড
  3. মেইনবোর্ড
  4. সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়া যায়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৭০.
নিচের কোনটি কম্পিউটার হার্ডওয়্যার নয়?
  1. Monitor
  2. MS paint
  3. Keyboard
  4. RAM
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরাল ডিভাইস (Peripheral Device): সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
- তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট পেরিফেরালস
২. আউটপুট পেরিফেরালস এবং
৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরালস।

১. ইনপুট পেরিফেরাল: কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল।
- যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট পেরিফেরাল: কম্পিউটারের ফলাফল প্রর্দশনের বা প্রদানের কাজে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার জড়িত থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যার আউটপুট পেরিফেয়াল নামে পরিচিত। অর্থাৎ কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল: কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

সফটওয়্যার:
সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে। সফটওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে কার্যোপযোগী করা হয়।

সমস্যা সমাধান বা কার্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে কম্পিউটারের ভাষায় ধারাবাহিকভাবে লিখিত সুশৃঙ্খল কতগুলো নির্দেশের সমষ্টিকে প্রোগ্রাম বলে। প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মধ্যে সম্পর্ক সৃষ্টির মাধ্যমে হার্ডওয়্যারকে কার্যক্ষম রাখে, তাকে সফটওয়্যার বলে।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার: Dos, Windows, MS Office, MS paint, Adobe Photoshop, Video Player, PageMaker.

অন্যদিকে, কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সম্পর্ক সৃষ্টি করে অপারেটিং সিস্টেম।

উৎস: ব্রিটানিকা
১,৫৭১.
কম্পিউটার সংগঠনের কোন অংশ, কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে?
  1. ইনপুট ইউনিট
  2. কন্ট্রোল ইউনিট
  3. গাণিতিক যুক্তি ইউনিট
  4. আউটপুট ইউনিট
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার সংগঠন:
- কম্পিউটার সংগঠন বলতে মূলত হার্ডওয়্যার এর সংগঠনকেই বোঝায়।

• কম্পিউটার সংগঠনের ৫ টি অংশ রয়েছে। যথা-
- ইনপুট ইউনিট,
- কন্ট্রোল ইউনিট,
- গাণিতিক যুক্তি ইউনিট,
- মেমোরি ইউনিট,
- আউটপুট ইউনিট।

• কন্ট্রোল ইউনিট:
- একটি কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের যে অংশ কম্পিউটারের কার্যাবলীর নির্দেশনা দেয় তাকে Control Unit বা নিয়ন্ত্রণ অংশ বলা হয়।

• কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট কম্পিউটারের সকল অংশকে নিয়ন্ত্রণের ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি হতে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট হতে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।
- মেমোরি ও গাণিতিক যুক্তি ইউনিটের (ALU) মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে কন্ট্রোল ইউনিট (Control Unit)।
- কন্ট্রোল ইউনিট মেমোরি থেকে ডেটা সংগ্রহ করে এবং ALU কে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করে, যা ডেটার উপর গাণিতিক ও যৌক্তিক কাজ করে থাকে।
- এরপর, ALU ফলাফল মেমরিতে সংরক্ষণ করে।
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের প্রধান কাজই হলো মেমোরি হতে ইনস্ট্রাকশন কোড পড়া ও ডিকোড করা এবং মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশসমূহকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় কন্ট্রোল সিগন্যাল তৈরি করা।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৭২.
ডাটা রেজিস্টার হলো এক ধরণের-
  1. ক) User-visible register
  2. খ) Control Register
  3. গ) Status Register
  4. ঘ) উপরের কোনটিই না
ব্যাখ্যা

User Visible Registers:
- General Purpose Register
- Data Register
- Address Register
- Condition Codes

১,৫৭৩.
কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয় কোনটিকে?
  1. RAM
  2. CPU
  3. GPU
  4. BIOS
ব্যাখ্যা
• CPU:
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।

- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইনস্বরূপ। কারণ মানুষের মস্তিষ্ক যেমন শরীরের সব কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, ঠিক তেমনই CPU একটি কম্পিউটারের সমস্ত কার্যকলাপ পরিচালনা করে।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।

• সিপিইউ-এর সংগঠন:
-  সিপিইউ তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmatic Logic Unit)
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit)
৩. স্মৃতি অংশ (Memory Unit)

অন্যদিকে,
• RAM: এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি, যেখানে কম্পিউটার কাজ করার সময় অস্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে।
• GPU: এটি হলো গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট, যা ছবি ও ভিডিও এডিটিং , গেমিং ইত্যাদি কাজে কাজে ব্যবহৃত হয়।
• BIOS: এটি বুটিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম লোড করা, হার্ডওয়্যার ইনিশিয়ালাইজেশন ও টেস্টিং সম্পন্ন হয়।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৭৪.
"লাইটপেন" কোন ক্যাটাগরির ডিভাইসের অন্তর্গত?
  1. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস
  2. স্টোরেজ ডিভাইস
  3. ইনপুট ডিভাইস
  4. আউটপুট ডিভাইস
ব্যাখ্যা

• লাইটপেন একটি ইনপুট ডিভাইস। এটি ব্যবহারকারীকে সরাসরি স্ক্রিনের উপর পয়েন্ট বা নির্বাচন করতে সাহায্য করে। লাইটপেন একটি বিশেষ ধরনের পেন যা টেলিভিশন বা কম্পিউটার মনিটরের উপর আলোকে সংবেদন করে। যখন এটি স্ক্রিনের সঙ্গে স্পর্শ করা হয়, তখন স্ক্রিনের নির্দিষ্ট স্থান থেকে লাইটপেন সিগন্যাল গ্রহণ করে এবং কম্পিউটারে প্রেরণ করে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী সহজে প্রোগ্রাম বা গ্রাফিক্স নির্বাচন, আঁকা বা কমান্ড দেওয়ার কাজ করতে পারে। তাই এটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ।

- উত্তর: গ) ইনপুট ডিভাইস।

• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
• তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ইনপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল।
- যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৭৫.
লাইটপেনের প্রধান কাজ কী?
  1. তথ্য প্রদর্শন করা
  2. ডিজিটাল কনটেন্ট সংরক্ষণ করা
  3. ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করা
  4. প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি করা
ব্যাখ্যা
• লাইটপেন একটি ইনপুট ডিভাইস যা কম্পিউটারের স্ক্রীনে সরাসরি লেখা বা ছবি আঁকার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর প্রধান কাজ হলো ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করা, অর্থাৎ ব্যবহারকারী স্ক্রীনের নির্দিষ্ট স্থানে লাইটপেন স্পর্শ করলে সেটি সেই অবস্থানের তথ্য কম্পিউটারে পাঠায়। লাইটপেনের মাধ্যমে ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করা এবং সম্পাদনা করা সহজ হয়। এটি তথ্য প্রদর্শন বা প্রসেসিং গতি বৃদ্ধির জন্য ব্যবহৃত হয় না, বরং এটি ব্যবহারকারীর ইনপুট গ্রহণের একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। তাই লাইটপেনের মূল কাজ হলো ব্যবহারকারীর নির্দেশনা বা ড্রয়িং ইনপুট হিসেবে গ্রহণ করা।

১. ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive ইত্যাদি।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৭৬.
বর্তমানে প্রথম শ্রেণির এন্ডোয়েড স্মার্ট ফোনে (LG Flex, Nexus এবং Samsung Galaxy) কোন ধরণের মনিটর ব্যবহৃত হচ্ছে?
  1. ক) CRT Monitor
  2. খ) AMOLED Monitor
  3. গ) Android Monitor
  4. ঘ) LCD Monitor
ব্যাখ্যা
AMOLED Monitor
AMOLED- Active Matrix Organic Light Emitting Diode. মােবাইল ফোন, টেলিভিশন এবং এ জাতীয় ডিসপ্লে এর জন্য একটি নতুন ডিসপ্লে প্রযুক্তি। বর্তমানে এটি প্রথম শ্রেণির এন্ডোয়েড স্মার্ট ফোন যেমন- LG Flex, Nexus এবং Samsung Galaxy s সিরিজে ব্যবহৃত হচ্ছে। এর পারফরমেন্স LCD এর চেয়ে অনেক গুণ বেশি। এর ইমেজ মান খুবই ভালাে। এটি অনেক পাতলা ও হালকা। এ প্রযুক্তিতে আগের LCD এর চেয়ে ৩০-৫০% কম পাওয়ার লাগে। এর রেসপন্স টাইম এলসিডি এর চেয়ে হাজার গুণ বেশি। AMOLED ডিসপ্লেতে মাত্র দুইটি লেয়ার থাকে। একটি হলাে OLED (organic light-emitting diode) লেয়ার যার মাধ্যমে লাইট নির্গত হয়। অপর লেয়ারটি হলাে TFT (thin-film transistor) সার্কিট দিয়ে তৈরি ব্যাকপ্লেন যা OLED এ বিদ্যুৎ সরবরাহ করে উজ্জ্বলতা নিয়ন্ত্রণ করে। (রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল))
১,৫৭৭.
ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারে ব্যবহৃত হয়-
  1. ক) টোনার কার্টিজ
  2. খ) রিবন কার্টিজ
  3. গ) ইংক কার্টিজ
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

- রিবন কার্টিজঃ ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারে ব্যবহৃত একটি কালিমাখা ফিতার সরঞ্জাম।
- ইংক কার্টিজঃ সাধারণত বাবল জেট বা ইংকজেট প্রিন্টারে বেশি ব্যবহৃত হয়।
- টোনার কার্টিজঃ লেজার প্রিন্টারে ব্যবহৃত পাউডার জাতীয় কালির আধার।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল), (২০২১ সংস্করণ)

১,৫৭৮.
OCR ______ থেকে _____ এ রূপান্তরের জন্য ব্যবহার করা হয়।
  1. অডিও হতে টেক্সট 
  2. ইমেজ হতে টেক্সট 
  3. ভিডিও হতে টেক্সট
  4. বাইনারি হতে ডেসিমেল
ব্যাখ্যা

• OCR (Optical Character Recognition) একটি প্রযুক্তি যা ইমেজ থেকে টেক্সটে রূপান্তর করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত স্ক্যান করা ডকুমেন্ট, ছবি বা স্ক্রিনশটের মধ্যে থাকা অক্ষর চিনে নিয়ে তা সম্পূর্ণ সম্পাদনযোগ্য টেক্সটে পরিণত করে। উদাহরণস্বরূপ, কোনো স্ক্যান করা পেপার ডকুমেন্ট যদি PDF বা JPG ফরম্যাটে থাকে, OCR সফটওয়্যার সেই ছবির অক্ষরগুলো চিনে তা Word বা Text ফাইলের আকারে প্রদান করতে পারে। এটি ডেটা এন্ট্রি, ডিজিটাল আর্কাইভিং, স্বয়ংক্রিয় ফর্ম পূরণ এবং অগণিত প্রশাসনিক কাজকে সহজ করে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ইমেজ হতে টেক্সট, অর্থাৎ অপশন (খ)।

• OCR (Optical Character Reader/Recognition):
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- OCR হলো একটি স্ক্যানিং ও তুলনামূলক প্রযুক্তি, যা প্রিন্ট করা লেখা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে পারে।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা নয়, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে, ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা এবং বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

উৎস:
1. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
2. ব্রিটানিকা।

১,৫৭৯.
CD-ROM এর পুর্ণরূপ কি?
  1. ক) Computer Disk Run Only Memory
  2. খ) Computer Drive Read Only Memory
  3. গ) Compact Disc Read Only Memory
  4. ঘ) Compact Drive Read Only Memory
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
১,৫৮০.
MICR E-13B ফন্টে কোন ধরনের অক্ষর ব্যবহার করা হয়?
  1. সব ASCII অক্ষর
  2. শুধুমাত্র সংখ্যা
  3. সংখ্যা 0–9 এবং কয়েকটি বিশেষ চিহ্ন
  4. শুধুমাত্র বর্ণ
ব্যাখ্যা

• MICR (Magnetic Ink Character Recognition) E-13B ফন্ট মূলত ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে চেক প্রসেসিংয়ের জন্য। এই ফন্টে সব ASCII অক্ষর বা শুধুমাত্র বর্ণ ব্যবহৃত হয় না। আবার কেবল সংখ্যা দিয়েও সীমাবদ্ধ নয়। এতে সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত ব্যবহার করা হয় এবং এর সাথে কিছু নির্দিষ্ট বিশেষ চিহ্ন যেমন চারটি অনন্য সিম্বল থাকে—Transit (⑆), Amount (⑇), On-Us (⑈) এবং Dash (⑉)। এসব অক্ষর ও চিহ্ন একসাথে ব্যবহার করে ব্যাংক সহজে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চেক শনাক্ত, শ্রেণিবদ্ধ এবং প্রক্রিয়াজাত করতে পারে। সঠিক উত্তর হলো গ)।

⚪ MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৫৮১.
RAM এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Read Access Module
  2. Random Access Memory
  3. Rapid Access Memory
  4. Rapid Action Module
ব্যাখ্যা
RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory.

• Random Access Memory (RAM)
- যে স্মৃতিতে কোনো একটি তথ্য মুছে ফেলে ঐ জায়গায় নতুন তথ্য লেখা যায় এবং সেই তথ্য প্রয়োজন অনুসারে ব্যবহার করা যায় তাকে Random Access Memory বলে।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার অফ/বন্ধ করলে এর তথ্য মুছে যায়।
- প্রাইমারি স্টোরেজকে সাধারণত র‍্যাম বলে কারণ সরাসরি ডেটা এবং ইন্সট্রাকশন সংরক্ষণ এবং পুনরুদ্ধার করতে এই মেমোরির যে কোনো লোকেশন সিলেক্ট ও ব্যবহার করা সম্ভব।
- মেমোরির প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা লোকেশন অন্য লোকেশনের মতোই এক্সেস করা সহজ এবং একই পরিমাণ সময়ের প্রয়োজন হয়।
- এটাকে রিড/রাইট মেমোরি তথ্য লেখাও যায় আবার এ থেকে তথ্য পড়াও যায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১,৫৮২.
BIOS কী হিসেবে পরিচিত?
  1. PC BIOS
  2. System BIOS
  3. ROM BIOS
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
 • BIOS:
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৫৮৩.
What type of software is BIOS?
  1. Application Software
  2. Firmware
  3. Operating System
  4. Utility Software
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Firmware

BIOS (Basic Input Output System)

- BIOS হলো কম্পিউটারের একটি স্থায়ী সফ্টওয়্যার বা ফার্মওয়্যার, যা সাধারণত মাদারবোর্ডে - এটি কম্পিউটারের সমস্ত কাজ ধাপে ধাপে নির্দেশ অনুযায়ী সম্পন্ন করতে সহায়তা করে।
- কম্পিউটার চালুর সময় পাওয়ার বাটন চাপলে প্রথম যে নির্দেশগুলো কার্যকর হয়, সেগুলো BIOS চিপে সংরক্ষিত থাকে।
- BIOS হার্ডওয়্যার এবং সফ্টওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে।
- এটি অপারেটিং সিস্টেম এবং বাহ্যিক ডিভাইস যেমন মাউস ও কীবোর্ড পরিচালনায় সহায়তা করে।
- BIOS-এর নির্দেশ অনুযায়ী প্রসেসর কম্পিউটারের বিভিন্ন উপাদানের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে এবং কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: ১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১,৫৮৪.
ক্যাশে মেমরি হল এক ধরণের -
  1. ক) Processor
  2. খ) Data
  3. গ) RAM
  4. ঘ) ROM
ব্যাখ্যা
ক্যাশে মেমরি হল এক ধরনের হাই-স্পিড Random Access Memory (RAM)  যা প্রসেসরের মধ্যে থাকে।
- এর ধারণক্ষমতা ২৫৬ কিলোবাইট হতে কয়েক মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- ক্যাশে মেমরির কর্মক্ষমতা Hit ratio এককে পরিমাপ করা হয়।
 
উৎস : বিবিসি ওয়েবসাইট
১,৫৮৫.
সাধারণত কোন এককে কম্পিউটার বাসের গতি মাপা হয়?
  1. বিট
  2. বাইট
  3. কিলোবাইট
  4. মেগাহার্টজ
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার বাস:
- কম্পিউটারের বাস হলো এমন একগুচ্ছ তার, যার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল সংকেত ০ বা ১ চলাচল করতে পারে।
- বাসের সাহায্যেই কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে।
- বাস মূলত কম্পিউটারের সাংগঠনিক বিভিন্ন অংশ যেমন- ইনপুট অংশ, আউটপুট অংশ, মাইক্রোপ্রসেসর, মেমরি বা রেজিস্টার, মাদারবোর্ডে অবস্থানরত অন্য চিপসমূহের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কার্যাবলি সম্পাদান করে।
- কম্পিউটারের বাস কতকগুলো বিদ্যুৎ পরিবাহী লাইনের সাহায্যে গঠিত, যার মাধ্যমে কম্পিউটারের এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডেটা, তথ্য, সিগন্যাল, নির্দেশ বা প্রোগ্রাম আদান-প্রদানের কাজ সম্পন্ন হয়।
- তবে একই সময়ে কম্পিউটারের বাসের মধ্যে দিয়ে যতগুলো বিট চলাচল করে তাকে বলা হয় বাসের উইডথ বা প্রশস্ততা।
- যেমন- কোনো বাসের উইডথ ৩২ বিট বলতে বাসের মধ্যে দিয়ে একই সাথে ৩২টি বিট চলাচল করতে পারে।
- বাসের গতি মাপা হয় মেগাহার্টজে।
- তবে এই গতি গিগাহার্টজও হতে পারে। যেমন- ১৩৩ মেগাহার্টজ, ২০০ মেগাহার্টজ, ৪০০ মেগাহার্টজ ইত্যাদি।
- বাসের প্রশস্ততা যত বেশি হবে, কম্পিউটার ডেটা তত বেশি দ্রুতগতিতে চলাচল করতে পারবে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৮৬.
বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় তাকে কী বলে?
  1. ক) ভোলাটাইল মেমরি
  2. খ) নন- ভোলাটাইল মেমরি
  3. গ) নন উদ্বায়ী
  4. ঘ) কোনটি নয়।
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় তাকে উদ্বায়ী স্মৃতি বা ভোলাটাইল মেমরি বলে। যেমন: RAM
 
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি। 
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি এবং RAM হল অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।

তথ্যসূত্র:- কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৮৭.
কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র এবং গাণিতিক ও যুক্তি নির্ণয় কেন্দ্র একসাথে একটা মাইক্রোচিপ এর ভিতরে প্রস্তুত করা হয়। সেই মাইক্রোচিপকে কী বলা হয়?
  1. ক) CPU
  2. খ) Memory
  3. গ) SIM card
  4. ঘ) Modem
ব্যাখ্যা
নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র এবং গাণিতিক ও যুক্তি নির্ণয় কেন্দ্র একসাথে একটা মাইক্রোচিপ (Microchip) এর ভিতরে প্রস্তুত করা হয় এবং তাকে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট বা CPU (Central Processing Unit) বলা হয়।
- এটাকে কম্পিউটারের Brain-ও বলা হয়।

- প্রথম দিকের কম্পিউটারে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট ও স্মৃতি ভিন্ন ভিন্ন ভাবে থাকতো। সংযোগের মাধ্যমে এ দুটি অংশের মধ্যে তথ্য বিনিময়ের কাজ চলতো।

- সমন্বিত (Integrated Circuit) বর্তনী আবিষ্কারের ফলে বর্তমানে পার্সোনাল কম্পিউটারগুলোতে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট অর্থাৎ নিয়ন্ত্রণ ইউনিট এবং গাণিতিক/যুক্তি ইউনিটগুলো একই সংগে মাইক্রোপ্রসেসরে থাকে। ফলে আধুনিক কম্পিউটারে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট বলতে মাইক্রোপ্রসেসরকেই বুঝায়।

মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান কাজগুলো হলো-
১. ইনপুট ও আউটপুট অংশগুলোর সংগে কাজের সমন্বয় সাধন করা।
২. গাণিতিক/যুক্তির কাজ করা।
৩. কম্পিউটারের স্মৃতিতে সঞ্চিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করা।
৪. স্মৃতি ও গাণিতিক/যুক্তি অংশের তথ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজ এবং অন্যান্য অংশের সাথে তথ্য বিনিময়ের কাজ নিয়ন্ত্রণ করা।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা (এস.এস.সি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
১,৫৮৮.
কম্পিউটারের কোন 'ফাংশন কী' চাপলে ফুলস্ক্রিন মোডে পরিবর্তিত হয়?
  1. F3
  2. F5
  3. F11
  4. F7
ব্যাখ্যা
• ফাংশন কী:
- বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2......F12 নম্বরযুক্ত কী গুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।
- বার বার করতে হয় এমন কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদনের জন্য ফাংশন কী গুলো ব্যবহৃত হয়।
- ফাংশন কী গুলোর মাধ্যমে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন, সম্পাদনার কাজ সহ মেনুর বিভিন্ন কমান্ড বা অপশন নির্বাচন করা হয়।
- বিভিন্ন প্যাকেজে ফাংশন কী গুলোর ব্যবহার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে।
- কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে। তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়।

• কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।]
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা
১,৫৮৯.
1 গিগা বাইটে কত কিলো বাইট?
  1. ক) 1010254
  2. খ) 1048576
  3. গ) 1024
  4. ঘ) 512
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার মেমরির হিসাব: 
8 bit = 1 byte
1024 byte = 1 kilo byte
1024 kilo byte = 1 mega byte
1024 mega byte = 1 giga byte


∴ 1 গিগা বাইট = 1024 × 1024 = 1048576 কিলো বাইট।
১,৫৯০.
In MS-Word, which shortcut key is used to replace a text?
  1. Ctrl + F
  2. Ctrl + H
  3. Ctrl + N
  4. Ctrl + Y
ব্যাখ্যা
• MS-Word এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্টকাট: 
Left Alignment - Ctrl + Q
Right Alignment - Ctrl + R
Justify Alignment - Ctrl + J
Central Alignment - Ctrl + E
Replace - Ctrl + H
Save - Ctrl + S
Copy - Ctrl + C
Paste - Ctrl + V
Undo - Ctrl + Z
Redo - Ctrl + Y
Print - Ctrl + P
Find - Ctrl + F
Cut - Ctrl + X
Open a new window - Ctrl + N

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৯১.
নিচের কোনটি সিস্টেম বাস (System Bus) নয়?
  1. ক) ডেটাবাস
  2. খ) এক্সপানশন বাস
  3. গ) অ্যাড্রেস বাস
  4. ঘ) কন্ট্রোল বাস
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার বাস মূলত ২ প্রকার ।
যথা -১. সিস্টেম বাস ও ২. এক্সপানশন বাস।
আবার তিন ধরনের System Bus হলো - Address Bus , Data Bus ও Control Bus.

১,৫৯২.
মনিটরে দৃশ্যমান ছবির গুনগত মান নির্ভর করে নিচের কোনটির উপর?
  1. NIC Card
  2. VGA Card
  3. RAM
  4. ROM
ব্যাখ্যা
 - মনিটরে দৃশ্যমান ছবির গুনগত মান নির্ভর করে ভিজিএ কার্ডের উপর।
- VGA( video graphics array), ভিডিও গ্রাফিক্স অ্যারে ভিডিও ডিভাইস যেমন মনিটর এবং প্রজেক্টরগুলির জন্য এক প্রকারের সংযোগ।
- সাধারনত, ভিজিএ ভয়েস ক্যাবল, পোর্ট, এবং সংযোগকারীগুলিকে ভিডিও কার্ড গুলিতে মনিটরের সাথে সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- ভিজিএ বিভাগে ভিডিও আউটপুট সংক্রান্ত কাজ হয়ে থাকে।
- এজন্য ভিজিএ এর জন্য আলাদা স্লট থাকে কম্পিউটার ব্যবহারকারী তাদের ইচ্ছামত গ্রাফিক্স আপডেট করতে পারে।
- বর্তমানে মাদারবোর্ডে বিল্ট ইন ভিজিএ থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৫৯৩.
CPU-এর দুইটি প্রধান কম্পোনেন্ট কী?
  1. BIOS and Bus
  2. Cache and Hard disk
  3. RAM & ROM
  4. ALU & CU
ব্যাখ্যা

• CPU-এর দুইটি প্রধান কম্পোনেন্ট হলো ALU (Arithmetic Logic Unit) এবং CU (Control Unit)। ALU গণিত এবং লজিক্যাল অপারেশন সম্পাদন করে, যেমন যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং তুলনা। এটি তথ্য প্রক্রিয়াকরণের মূল কেন্দ্র। অন্যদিকে, CU নির্দেশনা নিয়ন্ত্রণ করে এবং CPU-এর বিভিন্ন অংশকে সমন্বয় করে কাজ সম্পাদনে সহায়তা করে। CU মেমোরি, ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের সঙ্গে তথ্য আদানপ্রদান নিয়ন্ত্রণ করে এবং নির্দেশাবলী অনুসারে ALU-কে সঠিক অপারেশন করার নির্দেশ দেয়। CPU-এর কার্যক্ষমতা মূলত এই দুটি কম্পোনেন্টের কার্যকর সমন্বয় এবং দ্রুত তথ্য প্রক্রিয়াকরণের উপর নির্ভর করে। সুতরাং, ALU ও CU মিলেই CPU-এর মূল ক্ষমতা তৈরি করে।

- উত্তর: ঘ) ALU & CU.

১) ALU (Arithmetic Logic Unit):-
- এটি গাণিতিক (যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ) ও যৌক্তিক (AND, OR, NOT) কাজ করে।
- কম্পিউটারের সকল ধরণের গণনা এখানেই সম্পন্ন হয়।
 
২) CU (Control Unit):-
- এটি কম্পিউটারের সকল অংশকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোন কাজ কখন হবে, কোন তথ্য কোথা থেকে আসবে, কোথায় যাবে - এসব CU ঠিক করে দেয়।

• এ দুটির সম্মিলিত কার্যকলাপের মাধ্যমেই CPU কাজ করে এবং প্রোগ্রাম প্রসেস করে যার দুইটি প্রধান অংশ হলো ALU & CU.

তথ্যসূত্র: 
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
- "Computer Fundamentals" by P.K. Sinha.

১,৫৯৪.
ফার্মওয়্যার আপডেটকে কী বলা হয়?
  1. Debugging
  2. Compiling
  3. Formatting
  4. Flashing
ব্যাখ্যা

• ফার্মওয়্যার হলো একটি ডিভাইসের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী প্রোগ্রাম। ফার্মওয়্যার আপডেট বলতে বোঝায় ডিভাইসের এই প্রোগ্রামকে নতুন বা সংশোধিত সংস্করণে আপগ্রেড করা, যাতে ডিভাইস আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে, বাগ ঠিক করা যায় বা নতুন ফিচার যোগ করা যায়। ফার্মওয়্যার আপডেট করার প্রক্রিয়াকে সাধারণত “Flashing” বলা হয়। এই প্রক্রিয়ায় পুরনো ফার্মওয়্যার মুছে ফেলা হয় এবং নতুন ফার্মওয়্যার মেমরিতে লেখা হয়। তাই ডিবাগিং, কম্পাইলিং বা ফরম্যাটিং নয়, বরং ফার্মওয়্যার আপডেটের সঠিক নাম হলো Flashing। এটি ডিভাইসের স্থায়ী সফটওয়্যার উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ফার্মওয়্যার:
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- ফার্মওয়্যার মূলত হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার-এর সমন্বয়ে গঠিত।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS)।
- এছাড়া প্রত্যেকটি হার্ডওয়্যারের সাথে থাকে তার নিজস্ব ডিভাইস ড্রাইভার।
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে। অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার।
- এগুলি পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না। যেমন PC-তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার।
- এটিতে কিছু প্রোগ্রাম জমা করে রাখা হয় যা হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ ঘটায়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৫৯৫.
কম্পিউটারের এক্সপানশন বাস নয় কোনটি?
  1. ফায়ারওয়্যার বাস
  2. ইউএসবি বাস
  3. ডাটা বাস
  4. লোকাল বাস
ব্যাখ্যা
• ডাটা বাস কম্পিউটারের এক্সপানশন বাস নয়, বরং এটি কন্ট্রোল বাসের একটি প্রকার। 

• কম্পিউটার বাস (Computer Bus):
- কম্পিউটারের বাস হলো এমন একগুচ্ছ তার, যার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল সংকেত ০ বা ১ চলাচল করতে পারে।
- বাসের সাহায্যেই কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়‍্যার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে।
- কম্পিউটারের বাস কতকগুলো বিদ্যুৎ পরিবাহী লাইনের সাহায্যে গঠিত, যার মাধ্যমে কম্পিউটারের এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডেটা, তথ্য, সিগন্যাল, নির্দেশ বা প্রোগ্রাম আদান-প্রদানের কাজ সম্পন্ন হয়।

• সিস্টেম বাস:
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।

→ সিস্টেম বাসের প্রকারভেদ:
- ডেটা বাস (Data Bus), 
- অ্যাড্রেস বাস (Address Bus), 
- কন্ট্রোল বাস (Control Bus)। 

• এক্সপানশন বাস:
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে সেগুলোকে এক্সপানশন বাস (Expansion Bus) বলা হয়। 

→ এক্সপানশন বাসের প্রকারভেদ:
- আইএসএ বাস (ISA Bus), 
-  ইআইএসএ বাস (EISA Bus), 
-  ইউএসবি (USB)
 - ফায়ারওয়্যার বাস (Fireware Bus)
-  এজিপি বাস (AGP Bus),
-  লোকাল বাস (Local Bus): লোকাল বাস দুই প্রকার হয়ে থাকে। যথা- 
ⅰ. ভেসা বাস (VESA Bus), 
ii. পিসিআই বাস (PCI Bus)। 

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৯৬.
মাইক্রোপ্রসেসরে ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. রেজিস্টার
  2. ক্যাশ মেমোরি
  3. হার্ডডিস্ক
  4. ম্যাগনেটিক টেপ
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসরে ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য ব্যবহৃত হয় রেজিস্টার।

• রেজিস্টার:
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে। এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন- অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।
- মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়।

• ক্যাশ মেমোরি;
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমরি বলা হয়।
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমরিব্যবস্থা।

• ম্যাগনেটিক টেপ, হার্ডডিস্ক - এগুলো হচ্ছে কম্পিউটারের সহায়ক মেমরি।
- এতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেইজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৯৭.
কম্পিউটার কী-বোর্ডের নেভিগেশন কী কয়টি?
  1. ৭ টি
  2. ১০ টি
  3. ১২ টি
  4. ১৭ টি
ব্যাখ্যা
নেভিগেশন কী:
• নেভিগেশন কী সাহায্যে যেকোনো ডকুমেন্টে ঘুরে বেড়ানো যায়, কার্সারকে পরিচালনা করা যায়।
• নেভিগেশন কী ১০টি। যথা:
- Delete,
- Insert,
- Home,
- End,
- Page Up,
- Page Down,
- Arrows Keys।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Microsoft website.
১,৫৯৮.
In computer terminology, OCR stands for-
  1. Optical Character Reader
  2. Optical Card Reader
  3. Online Code Reader
  4. Optical Code Reader
ব্যাখ্যা
• ওসিআর (OCR):
- OCR এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader.
- OCR প্রযুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ছবিকে টেক্সট সনাক্ত করা।  
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৯৯.
গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে কোনটি সাহায্য করে?
  1. ক) রেজিস্টার
  2. খ) অপারেন্ড
  3. গ) কন্ট্রোল ইউনিট
  4. ঘ) এএলইউ
ব্যাখ্যা
রেজিস্টার বা মেমােরি/স্মৃতিঃ
রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ। এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব। গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে। কোনাে একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। বিভিন্ন কাজে বিভিন্ন রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে। (রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল))
১,৬০০.
কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয় কোনটিকে?
  1. Memory
  2. Motherboard
  3. CPU
  4. Mouse
ব্যাখ্যা
CPU:
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় অংশ হলো সিপিইউ (সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট)।
- সিপিইউকে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়।
- সিপিইউ-এর তিনটি অংশ থাকে।
যথা-
- গাণিতিক যুক্তি ইউনিট,
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিট এবং
- রেজিস্টার স্মৃতি।

- ALU (Arithmetic Logic Unit) হচ্ছে কম্পিউটারের ক্যালকুলেটর স্বরূপ। ইহা সকল গাণিতিক এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ করে থাকে।
- গাণিতিক যুক্তি ইউনিটই মূলত কম্পিউটারের মস্তিষ্ক হিসেবে কাজ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।