বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটারের অঙ্গসংগঠন ও পেরিফেরালস

মোট প্রশ্ন২,০১৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটারের অঙ্গসংগঠন ও পেরিফেরালস

PrepBank · পাতা ১১ / ২১ · ১,০০১১,১০০ / ২,০১৭

১,০০১.
IPS এবং UPS-এর মধ্যে কোনটি দীর্ঘ সময় ব্যাকআপ দিতে সক্ষম?
  1. IPS
  2. UPS
  3. উভয়ই সমান সময় ব্যাকআপ দেয়
  4. কোনোটিই দীর্ঘ সময় ব্যাকআপ দিতে পারে না
ব্যাখ্যা
• আইপিএস:
- IPS-এর পূর্ণ অর্থ হলো Instant Power Supply.
- এটি মূলত পাওয়ার স্টোরেজ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- IPS বিদ্যুৎ সরবরাহের মেইন লাইন হতে পাওয়ার রিজার্ভ করে সঞ্চিত রাখে এবং বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে গেলে ব্যাকআপ প্রদান করে। এটি অনেকটা ইউপিএসের মতো। তবে UPS বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সাথে সাথে বিদ্যুৎ সরবরাহ দিতে পারে, সেখানে IPS 0.1 সেকেন্ড পরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকে।
- UPS এর তুলনায় IPS বেশি সময় ব্যাকআপ দিয়ে থাকে।

• ইউপিএস:
- UPS -এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Uninterrupted Power Supply.
- এটি এক ধরনের ইলেকট্রনিক যন্ত্র, যা কিছু সময়ের জন্য বিদ্যুৎ শক্তি সঞ্চয় করে রাখতে পারে।
- সাধারণত কোনো কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে কিছু সময় এর জন্য কম্পিউটারকে সচল রাখার জন্য কম্পিউটারে ইউপিএস (UPS) ব্যবহার করা হয়।
- কম্পিউটার, প্রিন্টার, প্লটার, রেফ্রিজারেটর, টিভি ইত্যাদিতে UPS ব্যবহার করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০০২.
ULSI এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Ultra Logic System Integration
  2. Ultra Large Scale Integration
  3. Unified Logical System Interface
  4. Ultimate Linear Signal Integration
ব্যাখ্যা

- ULSI (Ultra Large Scale Integration) হলো এক ধরনের ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) প্রযুক্তি, যেখানে লক্ষ লক্ষ (বা তারও বেশি) ট্রানজিস্টর একটি মাত্র চিপে সংযোজিত থাকে।
- এটি VLSI (Very Large Scale Integration) এর পরবর্তী ধাপ, যা আরও উন্নত এবং ঘন প্রযুক্তি নির্দেশ করে।
- এই প্রযুক্তি ব্যবহারে চিপগুলো ছোট আকারের, দ্রুতগতির, এবং কম বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী হয়।
- পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোতে ULSI প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।

• ব্যবহার:
- মাইক্রোপ্রসেসর (CPU)।
- গ্রাফিক্স প্রসেসর (GPU)।
- মেমোরি চিপ (RAM, Flash memory)।
- নেটওয়ার্কিং এবং টেলিকম চিপস।
- AI এবং Deep Learning Hardware.

- ULSI চিপগুলো তৈরি হয় অত্যাধুনিক লিথোগ্রাফি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, যেমন 5nm, 3nm বা তারও ছোট ট্রানজিস্টর প্রযুক্তি।
- লিথোগ্রাফি প্রক্রিয়া হল এক ধরণের আলোক বা ইলেকট্রন বীম ব্যবহার করে চিপের সিলিকন ওয়েফারে ন্যানো স্কেল লজিক প্যাটার্ন তৈরি করা হয়।
- ULSI চিপের ট্রানজিস্টরগুলো GHz (গিগাহার্টজ) গতি পর্যন্ত সুইচ করতে পারে।
- ULSI চিপে একাধিক ফাংশনাল লজিক ও ইউনিট এক চিপে সংযুক্ত থাকে:
- ALU (Arithmetic Logic Unit).
- CU (Control Unit).
- Registers ও Cache Memory.
- I/O Interfaces.

উৎস: Geeksforgeeks. [লিংক]

১,০০৩.
দুই ইনপুট বিশিষ্ট অর (OR) গেইট-এর আউটপুট এক হয় যখন ____ হয়।
  1. উভয় ইনপুট 1
  2. যেকোন একটি ইনপুট 1
  3. উপরের সবগুলো
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
অর গেইট এর ইনপুট আউটপুট নিম্মরূপঃ
A B => output
0 0 => 0
0 1 => 1
1 0 => 1
1 1 => 1
১,০০৪.
কম্পিউটারের ব্রেইন বলা হয় কোনটিকে?
  1. Arithmetic Logic Unit
  2. Control Unit
  3. CPU
  4. Register
ব্যাখ্যা
• CPU:
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।
- CPU কে কম্পিউটারের ব্রেইন বলা হয়।
- তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে CPU বা  কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট গঠিত। যথা-
১. Arithmatic Logic Unit
২. Control Unit
৩. Register

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০০৫.
PROM stands for -
  1. ক) Programmable Read Only Memory
  2. খ) Primary Read Only Memory
  3. গ) Programmable Only Memory
  4. ঘ) None of these
ব্যাখ্যা
- PROM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Programmable Read Only Memory.

রম (ROM) এর বৈশিষ্ট্য:
১। সাধারণত রমে একবারই স্থায়ীভাবে ডাটা সংরক্ষণ করা হয় এবং প্রয়ােজনে যে কোনাে সময় সংরক্ষিত ডাটা পঠন সম্ভব।
২। রম উদ্বায়ী মেমােরি নয়; অর্থাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলেও রমে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় না।
৩। সহজে পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না এমন ডাটা ও প্রােগ্রাম রমে সংরক্ষণ করা হয়।
৪। রমে সাধারণত তৈরির সময় প্রােগ্রাম করা হয়ে থাকে যা ফার্মওয়্যার নামে পরিচিত।
৫। রমের আকারের উপর কম্পিউটারের কাজের ক্ষমতা নির্ভরশীল নয় এবং অতিরিক্ত রম চিপ করা যায় না।
১,০০৬.
বৃহৎ আকারের ছবি, প্রতীক, মানচিত্র এবং আর্কিটেকচারাল ডিজাইনের কাজে কোনটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. প্লটার
  2. স্ক্যানার
  3. প্রিন্টার
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
• Ploter:
- প্লটার এক ধরনের আউটপুট ডিভাইস যা প্রিন্টারের মতোই কাজ করে।
- মূলত বৃহৎ আকারের ছবি, প্রতীক, মানচিত্র, আর্কিটেকচারাল ডিজাইন ইত্যাদির কাজে প্লটার ব্যবহৃত হয়।
- তাছাড়া ভবনের নকশা, বিশাল ও সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতির নকশা, মানচিত্র ইত্যাদির মুদ্রণ নেওয়ার জন্যও প্লটার ব্যবহৃত হয়।

• প্লটার সাধারণত ২ প্রকার। যথা:
১. ফ্ল্যাটবেড (Flatbed) প্লটার ও
২. ড্রাম (Drum) প্লটার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০০৭.
কম্পিউটারে গাণিতিক/যুক্তি অংশের কাজ নয় কোনটি?
  1. ক) গাণিতিক কাজ
  2. খ) যুক্তিমূলক কাজ
  3. গ) তথ্য সংরক্ষণ
  4. ঘ) তথ্য পরিচালনা
ব্যাখ্যা
গাণিতিক/যুক্তি অংশে তিন প্রকারের কাজ সম্পাদিত হয়।
১. গাণিতিক কাজঃ যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি এ কাজের অন্তর্ভূক্ত। আবার সংখ্যার মধ্যে কোনটি ছোট, কোনটি বড়, না সমান ইত্যদি যাচাই করে দেখার জন্য বিয়োগের সাহায্যে দুইটি সংখ্যার তুলনাও গাণিতিক কাজের অন্তর্ভূক্ত।
২. যুক্তিমূলক কাজঃ যুক্তির ভিত্তিতে প্রাপ্ত নির্দেশ অনুযায়ী কাজ সম্পাদন করা এবং সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া এ অংশের কাজ। এ অংশে কাজ সম্পাদিত হওয়ার মূল ভিত্তি হল এবং, অথবা, না, নতুবা ইত্যাদি যুক্তিমূলক নির্দেশ।
৩. তথ্য পরিচালনাঃ তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য তথ্য স্থানান্তর করে কোন কোন রেজিস্টার শূন্য করে দেওয়াই এ অংশের প্রধান কাজ। রেজিস্টারে সংরক্ষিত বাইনারী সংখ্যাকে স্থানান্তর করে ডানে বা বামে শুধুমাত্র ১ বিট স্থান পর্যন্ত সরানো যায়।
১,০০৮.
AGP প্রধানত কোন প্রযুক্তিকে প্রতিস্থাপন করেছে?
  1. PCI
  2. USB
  3. SATA
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
• AGP (Accelerated Graphics Port) প্রধানত PCI (Peripheral Component Interconnect) প্রযুক্তিকে প্রতিস্থাপন করেছে। ১৯৯৭ সালে ইন্টেল AGP চালু করে, যা গ্রাফিক্স কার্ডের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছিল। PCI বাসে গ্রাফিক্স কার্ড যুক্ত করা হলে ব্যান্ডউইথ এবং পারফরম্যান্স সীমিত ছিল, কারণ অন্যান্য ডিভাইসও একই বাস শেয়ার করত। AGP আলাদা চ্যানেল ব্যবহার করে কেবল গ্রাফিক্স ডেটা ট্রান্সফার করত, ফলে দ্রুত এবং উন্নত পারফরম্যান্স পাওয়া যেত, বিশেষ করে থ্রিডি গ্রাফিক্স এবং গেমিংয়ে। তাই, AGP মূলত PCI প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উন্নত গ্রাফিক্স পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়েছে।
- সঠিক উত্তর: ক) PCI.

• AGP:
- AGP এর পূর্ণ অর্থ হলো Accelerated Graphics Port.
- উন্নতমানের ছবি দৃশ্যমান করার জন্য ব্যবহৃত পোর্ট বিশেষ।
- আধুনিককালের সকল মাদারবোর্ড ও এজিপির ব্যবহার করার জন্য পৃথক স্লট রয়েছে।
- উচ্চমানের গ্রাফিক্সকে দ্রুত ও নিখুঁতভাবে প্রদর্শনযোগ্য করার জন্য ইন্টেল AGP কার্ডের উন্নয়ন করে।
- বিশেষ করে ত্রিমাত্রিক ছবি প্রদর্শনের জন্য কম্পিউটারের গেমস ও কম্পিউটারের এইডেড ডিজাইনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ছবির মান উন্নয়নের জন্য এ ধরনের পোর্টের উন্নতি ঘটেছিল।
- এটি গ্রাফিক্সের জন্য পিসিআই বাসের উন্নত সংস্করণ।
- কিন্তু পিসিতে এটি স্বাধীনভাবে গ্রাফিক্সের জন্য কাজ করে।
- 133.2 মেগাহার্টজ গতিতে এজন্য সঞ্চালন হার সর্বোচ্চ দাঁড়ায় 533 মেগাবিট/সেকেন্ড।
- মাদারবোর্ডে এজিপি কার্ড স্থাপনের জন্য একটিমাত্র এজিপি স্লট থাকে।

উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
২) lenovo [লিংক]
১,০০৯.
OMR কোন ধরনের প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে?
  1. ইনফ্রারেড সিগন্যাল
  2. শব্দ শনাক্তকরণ
  3. রেডিও তরঙ্গ
  4. অপটিক্যাল স্ক্যানিং
ব্যাখ্যা

• OMR বা Optical Mark Recognition একটি প্রযুক্তি যা ঘনিষ্ঠ বা চিহ্নিত মার্কগুলি শনাক্ত করতে অপটিক্যাল স্ক্যানিং ব্যবহার করে। পরীক্ষার উত্তরপত্র, ভোটার ব্যালট বা সার্ভে ফর্মে যে স্থানে চিহ্নিত করা হয় তা OMR ডিভাইস বা সফটওয়্যার দ্বারা পড়া হয়। এটি পেপারের উপর থাকা কালো বা গাঢ় চিহ্নগুলিকে আলোর প্রতিফলন বা শোষণের মাধ্যমে শনাক্ত করে, ফলে কোন অপশনটি নির্বাচিত হয়েছে তা সঠিকভাবে নির্ধারণ করা যায়। OMR প্রযুক্তি কোনো রেডিও তরঙ্গ, শব্দ শনাক্তকরণ বা ইনফ্রারেড সিগন্যালের উপর নির্ভর করে না, বরং এটি প্রদত্ত মার্কের অপটিক্যাল বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) অপটিক্যাল স্ক্যানিং।
 
ওএমআর (OMR):
- অপটিক্যাল মার্ক রিকগনাইজার (Optical Mark Recognition) একটি বিশেষ ধরনের ইনপুট ডিভাইস।  
- OMR সিটে স্পষ্টভাবে দাগাংকিত বিশেষ ধরনের পেনসিল বা কলমের দাগ অনুধাবন করতে পারে।
- এটি OMR সিটে ওপর প্রদত্ত বিশেষ ধরনের চার্জ এর উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি অপটিক্যাল বিম দ্বারা স্ক্যান করে সমতুল্য বৈদ্যুতিক পালস উৎপন্ন করে।
- বিশেষ OMR সিটের মার্ককে পাঠ করে নির্দিষ্ট ফরম্যাটের ডাটা তৈরি করে। এজন্য ওএমআর-এ একটি আলোক উৎস থাকে। আলোতে উৎস থেকে নির্গত আলো মার্কসমূহকে স্কানিং করে।
- নৈর্বাচনিক প্রশ্নোত্তরভিত্তিক উত্তরপত্র মূল্যায়ন, জনসংখ্যা জরিপসহ অনুরূপ নানাবিধ কাজে ওএমআর ব্যবহৃত হরে থাকে। 
- এ ডিভাইস অতি অল্পসময়ে বিপুল পরিমাণ তথ্য স্ক্যান করতে পারে। 
- মার্ক করা কাগজ স্পষ্ট না হলে সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

১,০১০.
একটি বারকোড রিডার থেকে বের হয়-
  1. ক) কম্পাঙ্ক
  2. খ) তরঙ্গ
  3. গ) আলো
  4. ঘ) শব্দ
ব্যাখ্যা

- বারকোড রিডার একটি অপটিক্যাল ইনপুট ডিভাইস।
- বারকোড বলতে কম বেশি চওড়াবিশিষ্ট পর্যায়ক্রমে কতগুলো বার বা রেখার সমাহারকে বুঝায়।
- একে ইউনিভার্সাল প্রোডাক্ট কোডও বলা হয়।
- এই লেখাগুলোকে চিহ্নিত করার জন্য বারকোড রিডার থেকে আলো বের হয়।

১,০১১.
নিচের কোনটি ইনপুট ইউনিট?
  1. ক) মনিটর
  2. খ) প্রিন্টার
  3. গ) প্লটার
  4. ঘ) জয়স্টিক
ব্যাখ্যা
এক ধরনের বিশেষ যন্ত্র যা গেম কার্ডের সাথে যুক্ত করে বিভিন্ন সংকেত বা নির্দেশ কম্পিউটারে প্রবেশ করানো হয়। সাধারণত খেলা সংক্রান্ত সফট্ওয়্যারের ক্ষেত্রে জয়স্টিক ব্যবহৃত হয়।
১,০১২.
Which device transforms digital data signals into modulated analog signals?
  1. Hub
  2. Switch
  3. Bridge
  4. Modem
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) Modem

মডেম (Modem)
- মডেমের পূর্ণরূপ হলো “মডুলেটর/ডিমডুলেটর” (Modulator/Demodulator)।
- এটি একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যা ডিজিটাল ডেটা সিগন্যালকে মডুলেটেড অ্যানালগ সিগন্যালে রূপান্তর করে, যাতে তা অ্যানালগ টেলিকমিউনিকেশন সার্কিটে প্রেরণ করা যায়।
- মডেম একইভাবে মডুলেটেড সিগন্যাল গ্রহণ করে এবং ডিমডুলেট করে, যাতে ডিজিটাল সিগন্যাল পুনরায় ডেটা যন্ত্রের ব্যবহারযোগ্য হয়।
- মডেম বিভিন্ন ডেটা যোগাযোগ সহজতর করে, যেমন: ইমেইল, ফ্যাক্স, ফাইল ডাউনলোড।
- প্রথম বাণিজ্যিকভাবে উপলব্ধ মডেম ছিল Bell 103, যা ১৯৬২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চালু হয়।
- পরবর্তীতে, Bell 212 মডেম ফেজ-শিফট কিিং (PSK) ব্যবহার করে ১,২০০ বিট প্রতি সেকেন্ড ডেটা প্রেরণ করত।

সূত্র: ব্রিটানিকা।

১,০১৩.
কোনটি ইনপুট ও আউটপুট ফাংশন দুইই করতে সক্ষম?
  1. Printer
  2. Microphone
  3. Touch Screen
  4. Mouse
ব্যাখ্যা

• যে ডিভাইসটি ইনপুট ও আউটপুট উভয় কাজ করতে সক্ষম, তা হলো Touch Screen। একটি টাচ স্ক্রিন ব্যবহারকারীকে ডিভাইসে সরাসরি স্পর্শের মাধ্যমে তথ্য প্রদান করার সুযোগ দেয়, যেমন লেখা বা কমান্ড দেওয়া, যা ইনপুটের কাজ। পাশাপাশি, এটি ব্যবহারকারীকে ভিজ্যুয়াল বা গ্রাফিকাল আউটপুট দেখায়, যেমন অ্যাপ্লিকেশন ইন্টারফেস বা ছবি প্রদর্শন করা। অন্যদিকে, প্রিন্টার শুধুমাত্র আউটপুট দেয়, মাইক্রোফোন শুধুমাত্র ইনপুট নেয়, এবং মাউস মূলত ইনপুট ডিভাইস। তাই, টাচ স্ক্রিনই একমাত্র ডিভাইস যা একই সঙ্গে তথ্য গ্রহণ এবং প্রদর্শনের কাজ করতে পারে। এটি আধুনিক ইলেকট্রনিক ডিভাইসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারফেস।

• ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Pendrive, Modem, Touch screen ইত্যাদি।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০১৪.
প্রচলিত BIOS-এর পরিবর্তে আধুনিক পিসিতে সাধারণত কোন ধরনের BIOS ব্যবহার করা হচ্ছে?
  1. GPT
  2. DOS
  3. CMOS
  4. UEFI
ব্যাখ্যা

• আধুনিক পিসিতে প্রচলিত BIOS-এর পরিবর্তে সাধারণত UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি পুরোনো Legacy BIOS-এর তুলনায় অনেক উন্নত এবং নিরাপদ। UEFI দ্রুত বুটিং করতে সাহায্য করে, বড় স্টোরেজ ডিভাইসকে সমর্থন করে এবং গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস প্রদান করতে সক্ষম। এছাড়াও, UEFI Secure Boot ফিচারের মাধ্যমে সিস্টেমে অযাচিত বা ম্যালওয়্যার বুট হওয়া প্রতিরোধ করা যায়। এটি আরও মডুলার এবং কনফিগারেশন সুবিধাজনক, যা পিসি নির্মাতাদের জন্য কাস্টমাইজেশন সহজ করে। ফলে, আধুনিক কম্পিউটারগুলোতে Legacy BIOS-এর পরিবর্তে UEFI ব্যবহার করা হচ্ছে।

সঠিক উত্তর: ঘ) UEFI.

BIOS (Basic Input Output System):
- BIOS একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা সাধারণত EPROM (Erasable Programmable Read-Only Memory)-এ সংরক্ষিত থাকে।
- কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে ।
- এই চিপ টির নাম BIOS, এটি মাদারবোর্ড এ থাকে।
- হার্ডওয়‍্যার ও সফটওয়‍্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
- BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।
- BIOS-এর কারণে অপারেটিং সিস্টেম বা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে ডিভাইসগুলোর হার্ডওয়্যার ডিটেইল জানার প্রয়োজন হয় না (যেমন হার্ডওয়্যার অ্যাড্রেস)।
- ২১শ শতকের শুরুতে BIOS-এর জায়গায় আধুনিক ও দ্রুতগতির UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) ব্যবহার শুরু হয়, যা বড় সাইজের ড্রাইভ সাপোর্ট করে এবং বুটিং দ্রুত করে।

BIOS-এর দুটি প্রধান কাজ:
- কোন কোন পারিফেরাল ডিভাইস (যেমন: কীবোর্ড, মাউস, ডিস্ক ড্রাইভ, প্রিন্টার, ভিডিও কার্ড ইত্যাদি) সংযুক্ত আছে তা নির্ধারণ করা।
- অপারেটিং সিস্টেম (OS) কে মেইন মেমোরি (RAM)-তে লোড করা।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

১,০১৫.
কম্পিউটার র‍্যাম প্রধানত কয় ধরনের?
  1. অসংখ্য
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত একাধিক চিপ সমন্বয়ে র‍্যাম এলাকা গঠিত। র‍্যাম হচ্ছে কম্পিউটারের কর্ম এলাকা। র‍্যামে সব ধরনের তথ্য লেখা ও পড়া যায়। র‍্যামে তথ্য জমা থাকে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে, ফলে র‍্যামের সব তথ্য অস্থায়ীভবে থাকে।
কোন কারণে বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটারের সুইচ বন্ধ করলে র‍্যাম থেকে সব তথ্যই মুছে যায়। তাই র‍্যামকে ভােলাটাইল বলা হয়।
র‍্যাম দুই ধরনের। DRAM (Dynamic RAM) ও SRAM (Static RAM)।
প্রথম দিকে পিসিতে DRAM ব্যবহৃত হতাে, বর্তমানে উভয় প্রকার RAM-ই ব্যবহৃত হচ্ছে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১,০১৬.
নিচের কোনটি প্রাইমারি স্টোরেজ মিডিয়া?
  1. ম্যাগনেটিক ড্রাম
  2. ম্যাগনেটিক টেপ
  3. ম্যাগনেটিক কোর মেমোরি
  4. কম্প্যাক্ট ডিস্ক
ব্যাখ্যা


উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি -২, এসএসসি ও দাখিল ( ভোকেশনাল )
১,০১৭.
ফাংশন কী গুলো সাধারণত কত পর্যন্ত থাকে?
  1. F1 থেকে F6
  2. F1 থেকে F12
  3. F1 থেকে F24
  4. F1 থেকে F10
ব্যাখ্যা
ফাংশন কী গুলো সাধারণত F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

• ফাংশন কী:
- ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইন্সরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০১৮.
Full screen চালু বা বন্ধ করতে কোন কী ব্যবহৃত হয়?
  1. F12
  2. F9
  3. F10
  4. F11
ব্যাখ্যা
Full screen চালু বা বন্ধ করতে F11 কী ব্যবহৃত হয়।

• ফাংশন কী:
ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।
- কি-বোর্ডে ১২টি ফাংশন কী রয়েছে।
- কি-বোর্ডে মোট ১০৫ টি কী রয়েছে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও
২। ব্রিটানিকা।
১,০১৯.
কম্পিউটারের মাউস -
  1. ক) একটি পয়েন্টিং ডিভাইস
  2. খ) ইনপুট ডিভাইস
  3. গ) এর আবিষ্কারক ডগলাস এঞ্জেলবার্ট
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
মাউস হলো হাত দিয়ে নিয়ন্ত্রিত ইঁদুর সদৃশ একটি পয়েন্টিং ডিভাইস। মাউস পয়েন্টারকে মনিটরের স্ক্রিনের যে কোন জায়গায় মুভ করানোকে পয়েন্টিং বলা হয়। মাউস কীবোর্ডের নির্দেশ প্রদান ছাড়াই একটি কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
১৯৬৪ সালে ডগলাস এঞ্জেলবার্ট মাউস আবিষ্কার করেন।
১৯৮৪ সালে Macintosh কম্পিউটারে সর্বপ্রথম মাউস ব্যবহৃত হয়।
১,০২০.
নিচের কোনটি মেমোরি ধারণক্ষমতার ক্ষুদ্রতম একক?
  1. ক) মেগাবাইট
  2. খ) বাইট
  3. গ) বিট
  4. ঘ) গিগাবাইট
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার মেমোরির ধারণ ক্ষমতার ক্ষুদ্রতম একক হল বিট।

- কম্পিউটার মেমোরিতে ডেটা সংরক্ষণের পরিমাণকে মেমোরির ধারণক্ষমতা বলে।
- আট বিট নিয়ে গঠিত শব্দকে বলা হয় বাইট।
- বাইনারি গণনা পদ্ধতির ০ এবং ১ এই দুইটি মৌলিক অঙ্ককে বলা হয় বিট।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 

১,০২১.
নিচের কোনটি সত্য নয়?
  1. ৮ বিট = ১ অক্ষর
  2. ১০২৪ বাইট = ১ কিলােবাইট
  3. ১০২৪ টেরাবাইট = ১ এক্সাবাইট
  4. কোনটিই নয়।
ব্যাখ্যা

বিট (Bit) :
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক ০ (শূন্য) এবং ১ (এক) কে বিট বলে। ইংরেজি Binary শব্দের Bi এবং Digit শব্দের নিয়ে Bit শব্দটি গঠিত হয়।
ডিজিটাল কম্পিউটারের মেশিন ভাষা হলাে বিট (০ ও ১)। এক্ষেত্রে (0) বিট দিয়ে নিম্ন ভােল্টেজ (Low Voltage) এবং (১) বিট দিয়ে উচ্চ ভােল্টেজ (High Voltage) নির্দেশ করা হয়।

বাইট (Byte) : ৮টি বিট মিলে ১ বাইট হয়। এরূপ ৮ বিটের কোড দিয়ে যে কোনাে বর্ণ, অঙ্ক বা বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ করা হয়। এরূপ ৮ বিট বিশিষ্ট শব্দকে বাইট বলা হয়।
কম্পিউটার মেমােরি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক।

(ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।
(খ) ১০২৪ বাইট =১ কিলােবাইট (KB)
(গ) ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট =১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট =১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট =১ ইট্রাবাইট (YB)

কম্পিউটার ওয়ার্ড (Computer Word) পর পর সংলগ্ন কতকগুলাে বিট বা বাইটের সমষ্টিকে একটি কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে। সাধারণত ১৬ বা ৩২
বিটে ১ ওয়ার্ড ধরা হয়।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

১,০২২.
নিচের কোনটি ইনপুট ও আউটপুট উভয় প্রকার ডিভাইস নয়?
  1. ক) Headset
  2. খ) Digital Camera
  3. গ) FAX
  4. ঘ) Graphics Tablet
ব্যাখ্যা

Both Input–Output Devices:

  • Touch Screen
  • Modems
  • Digital Camera
  • Network cards
  • Audio Cards / Sound Card
  • Headsets (Headset consists of Speakers and Microphone.
  • Speaker act Output Device and Microphone act as Input device
  • Facsimile (FAX) (It has scanner to scan the document and also have printer to Print the document)

(রেফারেন্সঃ Fundamentals of Computer)

১,০২৩.
EISA-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Executive Industry Standards Architecture
  2. Extended Industry Standard Architecture
  3. Enhanced Integrated Systems Architecture
  4. Embedded Internet Systems Architecture
ব্যাখ্যা
• এক্সপানশন বাস:
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে সম্প্রসারিত বাস বা এক্সপানশন বাস বলে।
- CPU এক্সপানশন বাসের সাহায্যে কম্পিউটারের ইনপুট/আউটপুট ও অন্যান্য পেরিফেরিয়াল ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করে।
- কম্পিউটারে বর্ধিত সুবিধা পাবার জন্য মাদারবোর্ডে কোনো ডিভাইস (যেমন- নেটওয়াক কার্ড, সাউন্ড কার্ড, এজিপি কার্ড, টিভি কার্ড ইত্যাদি) যে স্লটে স্থাপন করা হয় তাকে এক্সপানশন স্লট বলে।
- গতির দিক থেকে সকল এক্সপানশন বাস একই রকম হয় না।
- মাইক্রোপ্রসেসর যে গতিতে ডেটা সঞ্চালন করতে পারে অধিকাংশ এক্সপানশন বাস তার চেয়ে অনেক কম গতির হয়ে থাকে।

• উল্লেখযোগ্য এক্সপানশন বাসগুলো হচ্ছে-
১. আইএসএ বাস (ISA - Industry Standards Architecture)
২. ইআইএসএ বাস (EISA - Extended Industry Standard Architecture)
৩. লোকাল বাস (Local Bus)
i. ভেসা (VESA-Video Electronic Standard Architecture)
ii. পিসিআই (PCI- Peripheral Component Interconnect)
৪. ইউএসবি (USB - Universal Serial Bus)
৫. ফায়ারওয়্যার বাস (Fireware Bus) বা IEEE 1394
৬. এজিপি (AGP - Accelerated Graphics Port); ইত্যাদি।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০২৪.
নিম্নের কোন ডিভাইসটি গেম খেলার জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) টিভি কার্ড
  2. খ) মাইক্রোফিল্ম
  3. গ) ডিজিটাল ক্যামেরা
  4. ঘ) জয়স্টিক
ব্যাখ্যা
জয়স্টিক ডিভাইসটি গেম খেলার জন্য ব্যবহৃত হয়। 

-জয়স্টিক দ্বারা সিগন্যালকে বিভিন্ন দিকে মুভ করানো যায়। 

-টিভি কার্ড হচ্ছে সিস্টেম ইউনিট ডিভাইসের অন্তর্ভুক্ত। 

-টিভি কার্ড হচ্ছে কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিটের অন্তর্ভুক্ত। 

-মাইক্রোফিল্ম কম্পিউটারের আউটপুট ডিভাইস। 

-ডিজিটাল ক্যামেরা হচ্ছে কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইস।  

সূত্র- ২৪ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১,০২৫.
কোনটি অস্থায়ী মেমোরি?
  1. RAM
  2. ROM
  3. Drive
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

RAM হচ্ছে অস্থায়ী মেমোরি।

• RAM:
- এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random-Access Memory.
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে তথ্য মুছে যায়।
- একে ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমোরি বলা হয়।
- RAM কে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন: static RAM (SRAM) এবং dynamic RAM (DRAM)।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• ROM:
- এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Read Only Memory.
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলেও তথ্য মুছে যায় না।
- একে নন-ভোলাটাইল বা স্থায়ী মেমোরি বলা হয়।
- যেমন: MROM, PROM, EPROM, EEPROM.

• Hard Disk বা Drive:
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা হয়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।
- হার্ডডিস্ক এর প্রতিটি সেক্টরের ধারণ ক্ষমতা ৫১২ বাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১,০২৬.
১ পিটাবাইট সমান কত বাইট?
  1. ক) ২৩০
  2. খ) ২৪০
  3. গ) ২৫০
  4. ঘ) ২৬০
ব্যাখ্যা

১ পিটাবাইট সমান ২৫০ বাইট বা ১০২৪ টেরাবাইট।
১ টেরাবাইট সমান ২৪০ বাইট বা ১০২৪ গিগাবাইট।
১ গিগাবাইট সমান ২৩০ বাইট বা ১০২৪ মেগাবাইট।
১ মেগাবাইট সমান ২২০ বাইট বা ১০২৪ কিলোবাইট।
১ কিলোবাইট সমান ২১০ বাইট বা ১০২৪ বাইট।
১ বাইট সমান ৮ বিট এবং ১ নিবল সমান ৪ বিট।

১,০২৭.
হাইব্রিড কম্পিউটারে ইনপুট দেয়ার ক্ষেত্রে কোন অংশ ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ডিজিটাল অংশ
  2. খ) অ্যানালগ অংশ
  3. গ) যান্ত্রিক অংশ
  4. ঘ) অ্যামবেডেড অংশ
ব্যাখ্যা
এনালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারে কাংক্ষিত বৈশিষ্ট্যের সমন্বয় ঘটিয়ে হাইব্রিড কম্পিউটার তৈরি করা হয়। হাইব্রিড কম্পিউটারে ডেটা ইনপুট দেয়ার ক্ষেত্রে অ্যানালগ অংশ ব্যবহৃত হয় এবং প্রোসেস এর জন্য সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়। হাসপাতাল, ক্ষেপণাস্ত্র, নভোযান, আবহাওয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
[সূত্রঃ bcc.portal.gov.bd]
১,০২৮.
কম্পিউটারের ক্ষেত্রে তথ্য পরিবহণের জন্য পরিবাহী পথকে কী বলে?
  1. ক) প্রিন্টার
  2. খ) মাউস
  3. গ) বাস
  4. ঘ) কী-বোর্ড
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার বাস (Computer Bus):
- কম্পিউটারের বাস হলো এমন একগুচ্ছ তার, যার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল সংকেত ০ বা ১ চলাচল করতে পারে।
- বাসের সাহায্যেই কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে।
- বাস মূলত কম্পিউটারের সাংগঠনিক বিভিন্ন অংশ যেমন- ইনপুট অংশ, আউটপুট অংশ, মাইক্রোপ্রসেসর, মেমোরি বা রেজিস্টার, মাদারবোর্ডে অবস্থানরত অন্য চিপসমূহের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কার্যাবলি সম্পাদান করে।
- কম্পিউটারের বাস কতকগুলো বিদ্যুৎ পরিবাহী লাইনের সাহায্যে গঠিত, যার মাধ্যমে কম্পিউটারের এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডেটা, তথ্য, সিগন্যাল, নির্দেশ বা প্রোগ্রাম আদান-প্রদানের কাজ সম্পন্ন হয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০২৯.
MacWrite কী ধরনের সফটওয়্যার?
  1. ক) Spread Sheet Analysis
  2. খ) Database Management System
  3. গ) Word Processing
  4. ঘ) Graphics Design Program
ব্যাখ্যা
• MacWrite সফটওয়্যার।

• ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার (Word Processing Software):
- কম্পিউটারের সাহায্যে বর্ণমালা, সংখ্যা, চিহ্ন বা শব্দ ব্যবহার করে ডকুমেন্ট বা লিপি তৈরি করা এবং উক্ত ডকুমেন্টকে সম্পাদনই হলো ওয়ার্ড প্রসেসিং।
- ডকুমেন্ট তৈরি ও প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত এক বিশেষ ধরনের কম্পিউটারের ব্যবস্থাকে ওয়ার্ড প্রসেসর বলা হয়। মূলত লেখালেখির কাজ করার জন্য ব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকেই ওয়ার্ড প্রসেসর বা ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম বলা হয়ে থাকে।

• ওয়ার্ড প্রসেসর প্রোগ্রামসমূহ হলো:
- মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (Microsoft word)
- ওয়ার্ডস্টার (Wordstar)
- ওয়ার্ডপারফেক্ট (Wordperfect)
- ল্যাটেক্স (Latex)
- নোড প্যাড (Note Pad)
- ম্যাকরাইট (MacWrite)
- ওয়ার্ড প্যাড (Word Pad) ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৩০.
কোনটি অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিকগনিশন (OCR) সফটওয়্যারের উদাহরণ?
  1. Adobe Photoshop
  2. Tesseract
  3. VLC Media Player
  4. WinRAR
ব্যাখ্যা

• অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিকগনিশন (OCR) হলো একটি প্রযুক্তি যা ছবি বা স্ক্যান করা ডকুমেন্ট থেকে লেখা বা অক্ষর চিনতে এবং ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করতে সক্ষম। OCR সফটওয়্যার মূলত পিডিএফ, ছবি বা স্ক্যান করা নথি থেকে তথ্য বের করতে ব্যবহৃত হয়, যা পরে সম্পাদনা, অনুসন্ধান বা সংরক্ষণ করা যায়। এই সফটওয়্যারের উদাহরণ হলো Tesseract, যা একটি ওপেন সোর্স OCR ইঞ্জিন। এটি বিভিন্ন ভাষার লেখা চিনতে পারে এবং টেক্সটকে প্রোগ্রাম্যাটিকভাবে প্রসেস করার সুবিধা দেয়। অন্যদিকে, Adobe Photoshop হলো ছবি সম্পাদনার সফটওয়্যার, VLC Media Player ভিডিও প্লেয়ার, আর WinRAR ফাইল কমপ্রেশন টুল; এরা OCR এর কাজ করে না। 
- তাই সঠিক উত্তর হলো খ) Tesseract.


​OCR:
- OCR -এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

​OCR এর ব্যবহার:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
- চিঠির পিনকোড,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট। 

১,০৩১.
কোনটি একসাথে ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. অপটিকাল রিডার
  2. প্লটার
  3. মাইক্রোফোন
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
ইনপুট ডিভাইস:
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড, মাউস, অপটিকাল রিডার, জয়স্টিক, মাইক্রোফোন, স্ক্যানার, গ্রাফিক্স প্যাড, লাইট পেন, ওয়েবক্যাম, ওসিআর ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার ইত্যাদি।

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোই হিসেবে কাজ করে।
- পেন ড্রাইভ, টাচ স্ক্রিন, মডেম ইত্যাদি।

উৎস: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, নবম দশম শ্রেণি।
১,০৩২.
কোন পেরিফেরাল ডিভাইসটিকে BIOS প্রাথমিকভাবে সনাক্ত করতে পারে না?
  1. USB মাউস
  2. SATA হার্ডডিস্ক
  3. Bluetooth কীবোর্ড
  4. HDMI মনিটর
ব্যাখ্যা
• BIOS (Basic Input/Output System) হলো একটি ফার্মওয়্যার, যা কম্পিউটার চালু হলে প্রথমে হার্ডওয়্যারগুলো পরীক্ষা করে।
• BIOS মূলত যেসব ডিভাইসের সাথে বুটিংয়ের সময় সরাসরি সংযোগ করতে পারে, সেগুলোকে প্রাথমিকভাবে সনাক্ত করতে পারে। 

BIOS  যেসব ডিভাইস সনাক্ত করতে পারে:
-  প্লে-স্টেশন , USB মাউস ও কীবোর্ড।
-  SATA বা IDE হার্ডডিস্ক। 
-  VGA/HDMI মনিটর। 

 BIOS ,  CMOS ব্যাটারির সাহায্যে কনফিগারেশন সংরক্ষণ করে।
বুটিং-এর সময়ই BIOS একবারই কাজ করে ।

Bluetooth কীবোর্ড –  এটি BIOS সনাক্ত করতে পারে না, কারণ Bluetooth কীবোর্ড  ড্রাইভার ইনস্টল হওয়ার পরেই কাজ করে। BIOS এর সময় ব্লুটুথ সাপোর্ট থাকে না।

অন্যদিকে, 
USB মাউস – BIOS সাধারণত USB ইনপুট ডিভাইস সনাক্ত করতে পারে, বিশেষ করে যদি Legacy USB Support BIOS-এ সক্রিয় থাকে।
SATA হার্ডডিস্ক – BIOS অবশ্যই SATA ড্রাইভ সনাক্ত করে, কারণ এটি বুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
HDMI মনিটর – BIOS গ্রাফিক্স আউটপুট দেয় VGA/HDMI পোর্টে, তাই HDMI মনিটর সাধারণত সনাক্তযোগ্য হয়।

তথ্যসূত্র:
-  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী। 
-  "Computer Organization and Design" by David A. Patterson
-  Intel BIOS Documentation
১,০৩৩.
The computer disk that contains the system software is called-
  1. Floppy disk
  2. System disk
  3. Compact disc
  4. Startup disk
  5. None of the obove
ব্যাখ্যা
- হার্ডডিস্ক কম্পিউটারের স্টার্টআপ ডিস্ক হিসাবে কাজ করে।
- কম্পিউটারের যে ডিস্কে সিস্টেম সফট্ওয়্যার থাকে সেই ডিস্ককেই স্টার্টআপ ডিস্ক বলে।
- বর্তমানে কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার থাকে।
- অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ও এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মাঝখানে অবস্থান করে এবং এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের কাজগুলো করার ব্যাপারে সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করে।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৩৪.
কম্পিউটারের ক্যাশ মেমোরিতে ব্যবহার করা হয়-
  1. DRAM
  2. SRAM
  3. SDRAM
  4. ASDRAM
ব্যাখ্যা
স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM- Static Random Access Memory):
এ ধরনের মেমরি ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, যা বাইনারি বিট (0 বা 1) ধারণ করে এবং ধারণকৃত ডেটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে। SRAM অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন হওয়ায় ভিডিও র‍্যাম, ক্যাশ মেমোরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল ২০২১ সংস্করণ) এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)
১,০৩৫.
ALU-এর আউটপুট রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়-
  1. ROM
  2. Flags
  3. Cache
  4. Register
ব্যাখ্যা

◉ ALU (Arithmetic Logic Unit)-এর আউটপুট সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করার জন্য রেজিস্টার (Register) ব্যবহৃত হয়।

রেজিস্টার: 
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর ভেদে রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা ভিন ভিন্ন হতে পারে। যেমন ৪-বিট রেজিস্টার 16-বিট রেজিস্টার, 32 বিট রেজিস্টার, 64-বিট রেজিস্টার ইত্যাদি।
- ইলেকট্রনিক সার্কিট দিয়ে তৈরি বলে রেজিস্টারগুলোর কাজ করার ক্ষমতা খুব দ্রুত হয়।
- গাণিতিক ও যুক্তিমূলক ইউনিটের প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল তাৎক্ষণিক অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য অ্যাকিউমুলেটর (রেজিস্টার) ব্যবহৃত হয়।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) ROM (Read-Only Memory) - ROM হলো স্থায়ী মেমোরি, এটি শুধুমাত্র রিড অপারেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
খ) Flags Register বিভিন্ন অবস্থার সংকেত (যেমন Zero Flag, Carry Flag) ধরে রাখে, তবে এটি সরাসরি ALU-এর আউটপুট সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় না।
গ) Cache মূলত প্রসেসরের তথ্য দ্রুত পুনরুদ্ধারের জন্য ব্যবহৃত হয় কিন্তু ALU সরাসরি এতে আউটপুট সংরক্ষণ করে না।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৩৬.
Cache Memory কোন ধরনের মেমোরি?
  1. Secondary Memory
  2. Primary Memory
  3. High-speed buffer memory
  4. Virtual Memory
ব্যাখ্যা

◉ Cache Memory হলো এক ধরনের high-speed buffer মেমোরি, যা CPU আর RAM এর মধ্যে bridge এর মতো কাজ করে।

ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১,০৩৭.
Which one is called read/write memory?
  1. ক) PROM
  2. খ) RAM
  3. গ) EPROM
  4. ঘ) All of the above
ব্যাখ্যা
• পিরম (PROM):
- PROM এর পূর্ণরূপ হলো Programmable Read Only Memory.
- এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি। বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হলেও সংরক্ষিত তথ্য নষ্ট হয়ে যায়না।
- সাধারণত বাজারে যে সমস্ত প্রোগ্রাম করা রম পাওয়া যায় তাতে ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী সমস্ত কাজ হয় না। এসব ক্ষেত্রে PROM ব্যবহার করা হয়।
- তবে PROM কে একবার প্রোগ্রাম করা হলে পুনঃ প্রোগ্রামের কোনো সুযোগ থাকে না।

• র‍্যাম (RAM):
- RAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Random Access Memory.
- র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়।
- তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায় বলে র‍্যামকে লিখন/পঠন (Read/Write Memory) স্মৃতিও বলা হয়। 

• ইপিরম (EPROM):
- EPROM এর পূর্ণরূপ হলো Erasable Programmable Read Only Memory.
- PROM-এ একবার তথ্য সংরক্ষণ করলে আর পরিবর্তন করা যায় না। এ ধরনের সমস্যা সমাধানের জন্য EPROM ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের রমে প্রোগ্রামের মাধ্যমে ব্যবহারকারী নিজেই ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে এবং সংরক্ষিত ডেটা মুছে পুনঃ প্রোগ্রাম করা সম্ভব। 

• ইইপিরম (EEPROM):
- EEPROM-এর পূর্ণরূপ হলো Electrically Erasable Programmable Read Only Memory.
- EPROM-এর অসুবিধা হলো এতে সংরক্ষিত তথ্য মুছতে বেশি সময়, অর্থাৎ প্রায় আধা-ঘন্টা সময় লাগে এবং আংশিকভাবে কোনো তথ্য মোছা যায় না।
- এধরনের অসুবিধা দূর করার জন্যই মূলত EEPROM ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের রমের আংশিক বা সম্পূর্ণ ডেটা মোছা যায়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৩৮.
এমবেডেড কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. এটি আকারে অনেক বড় হয়
  2. এটি সাধারণ কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়
  3. এটি নির্দিষ্ট কোনো যন্ত্রের অভ্যন্তরে স্থাপিত ক্ষুদ্রাকৃতির কম্পিউটার
  4. এটি সুপার কম্পিউটারের চেয়ে শক্তিশালী
ব্যাখ্যা

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার (Embedded Computer) হলো একটি বিশেষ ধরনের কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহত্তর যান্ত্রিক বা বৈদ্যুতিক সিস্টেমের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য তৈরি করা হয়
- এটি সাধারণ পার্সোনাল কম্পিউটার (PC) এর মতো সব ধরনের কাজ না করে শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট বা ডেডিকেটেড কাজ সম্পন্ন করার জন্য ডিজাইন করা হয়। 

• এমবেডেড কম্পিউটারের গঠন:
একটি সাধারণ এমবেডেড সিস্টেমে তিনটি প্রধান অংশ থাকে-
ক. হার্ডওয়্যার: এতে মাইক্রোপ্রসেসর বা মাইক্রোকন্ট্রোলার থাকে।
খ. সফটওয়্যার বা ফার্মওয়্যার: এটি নির্দিষ্ট কাজের নির্দেশনা বহন করে।
গ. রিয়েল-টাইম অপারেটিং সিস্টেম (RTOS): যা কাজগুলোকে সময়মতো পরিচালনা করে।

• মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১) এটি নির্দিষ্ট একটি কাজের জন্য প্রোগ্রাম করা থাকে (যেমন: এসির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা)।
২) এগুলো সাধারণত খুব কম বিদ্যুৎ খরচ করে।
৩) এগুলো আকারে অনেক ছোট হয় এবং মূল যন্ত্রের ভেতরেই থাকে।
৪) এটি খুব দ্রুত ইনপুটের সাড়া দিতে পারে।
৫) এতে সাধারণত রম (ROM) বা ফ্ল্যাশ মেমোরিতে সফটওয়্যার সংরক্ষিত থাকে।

• দৈনন্দিন জীবনে উদাহরণ:
আমাদের চারপাশে থাকা অসংখ্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়:
গৃহস্থালি সরঞ্জাম: মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ওয়াশিং মেশিন, স্মার্ট টিভি, এসি।
যোগাযোগ ব্যবস্থা: স্মার্টফোন, রাউটার।
চিকিৎসা সরঞ্জাম: পেসমেকার, ইসিজি মেশিন, এমআরআই স্ক্যানার।
যানবাহন: গাড়ির অ্যান্টি-লক ব্রেকিং সিস্টেম (ABS), এয়ারব্যাগ কন্ট্রোল সিস্টেম।
শিল্প কারখানা: রোবটিক আর্ম, অটোমেটেড প্রোডাকশন লাইন।

উৎস: 
১। ব্রিটানিকা।
২। Computer & ICT Cloud

১,০৩৯.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস?
  1. Webcam
  2. Monitor
  3. Plotter
  4. Multimedia Projector
ব্যাখ্যা

• Webcam এক ধরনের Input Device.
- ওয়েবক্যাম হলো একটি ইনপুট পেরিফেরাল ডিভাইস। এটি কম্পিউটারে তথ্য প্রবেশ এবং প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহার করা হয়। ওয়েবক্যাম মূলত ছবি এবং ভিডিও ধারণ করে সেগুলোকে কম্পিউটারে ইনপুট হিসেবে পাঠায়।

• ইনপুট ডিভাইস:
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস। এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
​উদাহরণ:
- কি-বোর্ড (Keyboard),
- মাউস (Mouse),
- ডিজিটাইজার (Digitizer),
- ওয়েবক্যাম (Webcam),
- ওএমআর (OMR),
- লাইটপেন (Light pen),
- বার কোড রিডার (Bar Code Reader),
- গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad),
- ওসিআর (OCR),
- ট্র্যাকবল (Trackball),
- স্ক্যানার (Scanner),
- জয়স্টিক (Joystick),
- পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale),
- ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera), ইত্যাদি।

• ​আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
​উদাহরণ:
- মনিটর (Monitor),
- প্রিন্টার (Printer),
- প্লটার (Plotter),
- স্পিকার (Speaker),
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector),
- ইমেজ সেটার (Image Setter),
- ফিল্ম রেকর্ডার (Film Recorder),
- হেডফোন (Headphone), ইত্যাদি।

• ​ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ে ব্যবহার করা যায়।
​উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক,
- সিডি বা ডিভিডি,
- পেনড্রাইভ,
- টাচ স্ক্রিন, ইত্যাদি।

সোর্স:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল),
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
৩। ব্রিটানিকা। 

১,০৪০.
Optical Mark Reader (OMR); আলোর কোন নীতির ভিত্তিতে কাজ করে?
  1. ক) প্রতিসরণ
  2. খ) প্রতিফলন
  3. গ) প্রতিবিম্ব
  4. ঘ) ব্যাতিচার
ব্যাখ্যা
OMR (Optical Mark Reader) হলো একটি যন্ত্র, যা পেন্সিল বা কালির দাগ বুঝতে পারে। কালির দাগ বোঝা যায় কালির দাগের ওপর আলোর প্রতিফলন বিচার করে। 
• এটি আলাের প্রতিফলন বিচার করে বিভিন্ন ধরনের তথ্য বুঝতে পারে। ও এম আরের কাজের ধরণ অনেকটা স্ক্যানারের মতাে। বিশেষভাবে তৈরি করা কিছু দাগ বা চিহ্ন ও এম আর পড়তে বা বুঝতে পারে। আলাের প্রতিফলন ধর্ম ব্যবহার করে ও এম আর কাজ করে।
বর্তমানে বিভিন্ন পরীক্ষার নৈর্ব্যক্তিক উত্তরপত্র মূল্যায়ন, জনমত জরিপ, আদমশুমারি ইত্যাদি ক্ষেত্রে এই যন্ত্র ব্যবহৃত হয়।

• OMR এর সুবিধা :
১. উত্তরপত্র বা কোন ডকুমেন্ট পরীক্ষা করলে ভুল বা পক্ষপাতিত্বের আশঙ্কা থাকে না।
২. দ্রুতগতিতে পরীক্ষা করা যায়।
৩. হাতের লেখা নয় বলে কম্পিউটার দ্বারা পড়তে অসুবিধা হয় না।

• OMR এর অসুবিধা :
১. পেন্সিলের গ্রাফাইটের উপাদানগত সমস্যা থাকলে পড়তে পারে না।
২. কালির উপাদানগত সমস্যা থাকলে পড়তে পারে না।
৩. দামি কাগজের প্রয়োজন হয়।
১,০৪১.
A terabyte consists of ____
  1. 1024 gigabyte
  2. 1024 kilobyte
  3. 512 gigabyte
  4. 1024 megabyte
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার মেমোরি পরিমাপের একক সমূহ:
8 bits = 1 byte;
1,024 bytes = 1 kilobyte;
1,024 kilobytes = 1 megabyte;
1,024 megabytes = 1 gigabyte;
1,024 gigabytes = 1 terabyte.

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,০৪২.
নিচের কোনটি একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে?
  1. বার কোড রিডার
  2. মনিটর
  3. সিডি
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
- তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট পেরিফেরালস,
২. আউটপুট পেরিফেরালস এবং
৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরালস।

১. ইনপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল। 
- যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়। 
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৪৩.
কম্পিউটার এর ব্রেইন বলা হয় কোনটিকে?
  1. প্রসেসর
  2. RAM
  3. ROM
  4. হার্ড ডিক্স
ব্যাখ্যা

মাইক্রোপ্রসেসর (Microprocessor):
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর মাইক্রোকম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
মাইক্রোপ্রসেসরকে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৪৪.
অপটিক্যাল স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ কোনটি?
  1. হার্ড ড্রাইভ
  2. এসএসডি
  3. ডিভিডি ডিস্ক
  4. পেন ড্রাইভ
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার তার পেরিফেরাল ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত যে সকল ডিভাইসকে উপাত্ত তথ্য ও নির্দেশমালা সংরক্ষনের কাজে ব্যবহার করে সে সকল ডিভাইসকে স্টোরেজ ডিভাইস বা স্টোরেজ পেরিফেরালস বলে।
- মেগনেটিক স্টোরেজ ডিভাইস এর উদাহরণ: হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক, টেপ ক্যাসেট ইত্যাদি।
- অপটিক্যাল স্টোরেজ ডিভাইস: সিডি রম ও ডিভিডি ডিস্ক ইত্যাদি।
- ফ্ল্যাশ মেমরি ডিভাইস: মেমরি কার্ড, মেমরি স্টিক, পেন ড্রাইভ, সলিড স্টেট ড্রাইভ (এসএসডি) ইত্যাদি। 

উৎস: মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
১,০৪৫.
নিচের কোনটিকে ইন্টারনাল বাস (Internal Bus) বলা হয়?
  1. লোকাল বাস
  2. সিস্টেম বাস
  3. এজিপি
  4. আইএসএ বাস
ব্যাখ্যা

• 'সিস্টেম বাসকে' ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।

• কম্পিউটার বাস:
- কম্পিউটার বাস হলো এমন একগুচ্ছ তার, যার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল সংকেত ০ বা ১ চলাচল করতে পারে।
- বাসের সাহায্যেই কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে।

• কম্পিউটার বাসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১. সিস্টেম বাস (System Bus):
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।

- সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
• ডেটা বাস (Data Bus),
• অ্যাড্রেস বাস (Address Bus),
• কন্ট্রোল বাস (Control Bus).

২. এক্সপানশন বাস (Expansion Bus):
- Expansion Bus যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে সম্প্রসারিত বাস বা এক্সপানশন বাস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
- CPU এক্সপানশন বাসের সাহায্যে কম্পিউটারের ইনপুট/আউটপুট ও অন্যান্য পেরিফেরিয়াল ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করে।
- কম্পিউটারে বর্ধিত সুবিধা পাবার জন্য মাদারবোর্ডে কোনো ডিভাইস যে প্লটে স্থাপন করা হয় তাকে এক্সপানশন প্লট বলে।
- মাইক্রোপ্রসেসর যে গতিতে ডেটা সঞ্চালন করতে পারে অধিকাংশ এক্সপানশন বাস তার চেয়ে অনেক কম গতির হয়ে থাকে।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- আইএসএ বাস, লোকাল বাস এবং এজিপি ইত্যাদি হচ্ছে এক্সপানশন বাস।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৪৬.
'bps' এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) bit per second
  2. খ) bite per second
  3. গ) byte per second
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
bps এর পূর্ণরূপ হলো bit per second.
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান
১,০৪৭.
ডাইন্যামিক র‍্যাম তৈরিতে কোন ধরণের অর্ধপরিবাহী ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) মেটাল সিলিকেট
  2. খ) মেটাল অক্সাইড
  3. গ) নন-মেটাল অক্সাইড
  4. ঘ) নন-মেটাল সিলিকেট
ব্যাখ্যা
ডাইনামিক RAM বা DRAM MOSFET-Metal Oxide Semiconductor Field Effect Transistor ও ক্যাপাসিটর ব্যবহার করে এ ধরনের র‍্যাম তৈরি করা হয়। (রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল))
১,০৪৮.
মডেমের কোন অংশটি ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যালে পরিবর্তনে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) মডুলেটর
  2. খ) ডিমডুলেটর
  3. গ) ট্রান্সলেটর
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
মডেম একটি ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস। কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের ক্ষেত্রে মডেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
মডেম এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে। মডেমের দুটি অংশ। যথা:
- মডুলেটর ও
- ডি-মডুলেটর
 
- মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রূপান্তর করে। এই রূপান্তরের ক্রিয়াকে বলা হয় মডুলেশন। 
- ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে। এই রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডিমডুলেশন। 
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

 
১,০৪৯.
Floppy disk- এর সর্বোচ্চ ধারণ ক্ষমতা কত?
  1. 1.44 MB
  2. 3 MB
  3. 4.46 MB
  4. 6 MB
ব্যাখ্যা
• ফ্লপি ডিস্ক:
- ফ্লপি ডিস্ক হচ্ছে এমন এক ধরনের সহায়ক মেমরি, যা পাতলা প্লাস্টিকের চাকতির ওপর ম্যাগনেটিক অক্সাইডের প্রলেপ দিয়ে তৈরি।
- ১৯৭৩ সালে ফ্লপি ডিস্কের প্রচলন শুরু হয়।
- এটি ওজনে হালকা এবং আকারে ছোট বলে সহজে বহনযোগ্য।
- এ ধরনের ডিস্কের সাহায্যে সহজেই এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়।
- আকৃতি ও ধারণক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে ফ্লপি ডিস্ক বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে।

- ৮ ইঞ্চি মাপের ফ্লপি ডিস্ক মিনি কম্পিউটারে এবং ৫.২৫ ইঞ্চি ও ৩.৫ ইঞ্চি মাপের ফ্লপি ডিস্ক মাইক্রোকম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- ৫.২৫ ইঞ্চি মাপের ফ্লপি ডিস্কের ধারণক্ষমতা ৩৬০ কিলোবাইট হতে ১.২ মেগাবাইট এবং ৩.৫ ইঞ্চি মাপের পর ফ্লপি ডিস্কের ধারণক্ষমতা ৭২০ কিলোবাইট থেকে ১.৪৪ মেগাবাইট পর্যন্ত।
- ফ্লপি ডিস্ক চালু অবস্থায় অনবরত ঘুরতে থাকে এবং ঘূর্ণনের গতি সাধারণত মিনিটে ৩০০ থেকে ৪৫০ বার।
- ফ্লপি ডিস্কের  প্রতিটি সেক্টরের ডেটা সংরক্ষণের ক্ষমতা সমান।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৫০.
নিচের কোনটি ইউনিপোলার মেমরি নয়?
  1. EAPROM
  2. DRAM
  3. EPROM
  4. SRAM
ব্যাখ্যা
• অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর মেমরি প্রধানত দুটি উপায়ে তৈরি করা হয়। যথা-
১. ইউনিপোলার মেমরি:
- ইউনিপোলার মেমরি মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর ফিল্ড ইফেক্ট ট্রানজিস্টর (Metal Oxide Semiconductor Field Effect Transistor : MOSFET) বা কমপ্লিমেন্টারি মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর ( Complementory Metal Oxide Semiconductor : CMOS) দিয়ে তৈরি করা হয়।
- DRAM, EPROM, EAPROM ইত্যাদি এ জাতীয় মেমরির উদাহরণ।

২. বাইপোলার মেমরি:
- ট্রানজিস্টর ট্রানজিস্টর লজিক (Transistor Transistor Logic : TTL ) দিয়ে বাইপোলার মেমরি তৈরি করা হয়।
- SRAM, PROM ইত্যাদি এ জাতীয় মেমরির উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৫১.
নিচের কোনটির ধারনক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম?
  1. Register
  2. Cache Memory
  3. RAM
  4. HDD
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত অপশনসমূহের মধ্যে Register-এর ধারনক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম।

• রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ-ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।


- চিত্রে পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
- আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা
- অর্থাৎ পিরামিডের উপর থেকে নিচের দিকের ক্রম অনুসারে খরচ কম হয়, ধারণক্ষমতা বাড়ে এবং অ্যাকসেস টাইম বৃদ্ধি পায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৫২.
কী ধরণের ডেটা ট্রান্সমিশন মেথডে কম্পিউটারের সাথে প্রিন্টারের সংযোগ হয়?
  1. প্যারালাল ডেটা ট্রান্সমিশন
  2. এসিনক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশন
  3. সিনক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশন
  4. আইসোক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশন
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো — ক) প্যারালাল ডেটা ট্রান্সমিশন।

• কম্পিউটার ও প্রিন্টারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান সাধারণত Parallel Data Transmission পদ্ধতিতে হয় (বিশেষত পুরনো প্রিন্টারগুলিতে, যেমন Centronics parallel port)।

Parallel Transmission-এ:
- একসাথে একাধিক বিট (সাধারণত ৮ বিট বা ১ বাইট) পাঠানো হয়।
- তাই এটি দ্রুতগতি সম্পন্ন হয়।
- উদাহরণ: প্রিন্টার, স্ক্যানার, কিছু হার্ডওয়্যার ইন্টারফেস।

• অপশন আলোচনা:
- Asynchronous Transmission: সিরিয়াল যোগাযোগে ব্যবহৃত হয়, যেমন মডেম বা সিরিয়াল পোর্ট।
- Synchronous Transmission: নির্দিষ্ট ক্লক সিগন্যালের সাথে সিরিয়াল ডেটা ট্রান্সফার হয় (যেমন নেটওয়ার্ক যোগাযোগে)।
- Isochronous Transmission: অডিও-ভিডিওর মতো সময়-সংবেদনশীল ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য ব্যবহৃত হয় (যেমন USB অডিও)।
- তাই প্রিন্টারের সাথে কম্পিউটারের সংযোগ হয় প্যারালাল ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে।

সূত্র: geeksforgeeks [link]

১,০৫৩.
একটি কম্পিউটারকে চালু করা হলে তা সিপিইউ ইউনিটে হার্ডওয়্যারগুলোর সঙ্গে সঠিকভাবে যুক্ত আছে কিনা তা যাচাই করার প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. POST
  2. Booting
  3. FIFO
  4. LIFO
ব্যাখ্যা
- 'POST' এর পূর্ণরূপ- Power-On Self Test.
- Power-On Self Test হল একটি ডায়াগনস্টিক প্রক্রিয়া,  যখন কম্পিউটারটি প্রথম চালু বা রিবুট করা হয় তখন কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার উপাদানগুলি এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়।
- অর্থাৎ একটি কম্পিউটারকে চালু করা হলে তা সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট প্রথমেই যাচাই করে নেয় যে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর ইত্যাদি যন্ত্রাংশ এর সঙ্গে সঠিকভাবে যুক্ত আছে কিনা। এই যাচাই করার প্রক্রিয়াকে বলে পোস্ট Power on self test (POST)।
- কম্পিউটার চালুর প্রক্রিয়াকে বুট বা বুটিং বলে। 

• হার্ডওয়্যার: 
- কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্র বা যন্ত্রাংশকে হার্ডওয়্যার বলে। 
- ছোট, বড়, অতি গুরুত্বপূর্ণ, কম গুরুত্বপূর্ণ যেমন যন্ত্রই হোক না কেন, যন্ত্র মানেই হার্ডওয়্যার। 
- হার্ডওয়্যার হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায় এবং এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বহন করা যায়। 
- কী-বোর্ড, মনিটর, প্রিন্টার, মাউস, সিলিকন চিপ, সিপিইউ ইত্যাদি হার্ডওয়্যারের অংশ। 
- হার্ডওয়্যারকে কম্পিউটারের দেহ বলা যেতে পারে। 

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১,০৫৪.
একজন ব্যবহারকারী বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরেও ডেটা সংরক্ষণ রাখতে চান। এ উদ্দেশ্যে কোন ধরনের হার্ডওয়্যার ব্যবহার উপযোগী?
  1. RAM ব্যবহার করে অস্থায়ী সংরক্ষণ
  2. ROM ব্যবহার করে নির্দেশ সংরক্ষণ
  3. VRAM ব্যবহার করে গ্রাফিক্স সংরক্ষণ
  4. হার্ডডিস্ক বা সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার
ব্যাখ্যা

• হার্ডডিস্ক বা সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার — কারণ সেকেন্ডারি স্টোরেজে ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও তা মুছে যায় না।

• স্টোরেজ হার্ডওয়্যার:
- কম্পিউটারের বিভিন্ন ডেটা, তথ্য, নির্দেশাবলি, ইমেজ, অডিও, ভিডিও ইত্যাদি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রাংশকে স্টোরেজ হার্ডওয়্যার বলা হয়।
- ইনপুট ডিভাইসের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটা প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল সংরক্ষণে স্টোরেজ হার্ডওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- প্রক্রিয়াকরণের সুবিধার্থে স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটা ও নির্দেশাবলি জমা রাখা যায় এবং প্রয়োজনে তা পুনরায় ব্যবহার করা যায়।

• স্টোরেজ হার্ডওয়্যারের প্রকারভেদ:
- প্রাথমিক স্টোরেজ (Primary Storage),
- মাধ্যমিক স্টোরেজ (Secondary Storage).

• প্রাথমিক স্টোরেজ (Primary Storage):
- CPU-এর সাথে সরাসরি সংযুক্ত থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে।
- অ্যাক্সেস সময় কম।
- ধারণক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হলে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায়।

• মাধ্যমিক স্টোরেজ (Secondary Storage):
- বিপুল পরিমাণ তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- CPU-এর সাথে সরাসরি সংযুক্ত থাকে না।
- ধারণক্ষমতা তুলনামূলকভাবে বেশি।
- দাম তুলনামূলকভাবে কম।
- অ্যাক্সেস সময় প্রাথমিক স্টোরেজের তুলনায় বেশি।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হলেও সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় না।
- উদাহরণ: হার্ডডিস্ক, ফ্লপি ডিস্ক, অপটিক্যাল ডিস্ক, সলিড স্টেট ডিভাইস, পেনড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ, জিপ ড্রাইভ।

• অন্যান্য অপশন:
- RAM ব্যবহার করে অস্থায়ী সংরক্ষণ → RAM হলো Volatile memory. বিদ্যুৎ বন্ধ হলেই সব ডেটা মুছে যায়। অস্থায়ী কাজের জন্য ব্যবহার হয়, স্থায়ী সংরক্ষণের জন্য নয়।
- ROM ব্যবহার করে নির্দেশ সংরক্ষণ → ROM (Read-Only Memory) বিদ্যুৎ বন্ধ হলেও ডেটা থাকে, কিন্তু এটি শুধুমাত্র ফার্মওয়্যার/নির্দেশ (যেমন BIOS) সংরক্ষণের জন্য। ব্যবহারকারীর ডেটা (ফাইল, ছবি, ডকুমেন্ট) সংরক্ষণ করা যায় না।
- VRAM ব্যবহার করে গ্রাফিক্স সংরক্ষণ → VRAM হলো গ্রাফিক্স কার্ডের RAM। এটিও Volatile. বিদ্যুৎ বন্ধ হলে গ্রাফিক্স ডেটা হারিয়ে যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৫৫.
কম্পিউটারের মূল মেমোরি কী দিয়ে তৈরি করা হয়?  
  1. প্লাস্টিক
  2. গ্যালিয়াম
  3. অ্যালুমিনিয়াম
  4. সিলিকন
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের মেমোরি:
- কম্পিউটারের প্রাইমারি মেমোরি বা মূল মেমোরি 'সিলিকন' নামক পদার্থ দিয়ে তৈরি করা হয়। 
- সিলিকনের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি- ইলেকট্রনিক্স শিল্পে। 
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা আইসি। 
- সিলিকন নামক মৌলটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়- কম্পিউটারের চিপ তৈরিতে। 
- সিলিকন অন্যান্য উপাদানের তুলনায় অপেক্ষাকৃত সাশ্রয়ী, সহজলভ্য এবং অন্য উপাদানের সাথে সহজে ব্যবহার করা যায় বলে কম্পিউটারের চিপ, টানজিস্টর সিলিকন ডায়েড, মেমোরি এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স সার্কিট তৈরিত ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবর রহমান)।
১,০৫৬.
কোন ডিভাইসটি সফট কপি আউটপুটের উদাহরণ?
  1. মনিটর
  2. প্রিন্টার
  3. প্লটার
  4. উপরের সবগুলো 
ব্যাখ্যা

• সফট কপি আউটপুট হলো এমন আউটপুট যা সরাসরি কম্পিউটার বা অন্য কোনো ডিভাইসে দেখা যায়, কিন্তু কাগজে মুদ্রিত হয় না। এটি সাধারণত স্ক্রিন বা মনিটরের মাধ্যমে প্রদর্শিত হয়। মনিটর হলো একটি আউটপুট ডিভাইস যা কম্পিউটারের তথ্যকে ভিজ্যুয়াল আকারে ব্যবহারকারীর সামনে দেখায়। এখানে তথ্য কেবলই দৃশ্যমান থাকে এবং তা স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত হয় না। অন্যদিকে, প্রিন্টার বা প্লটার ব্যবহার করলে আউটপুট কাগজে আসে, যা হার্ড কপি হিসেবে পরিচিত।
- তাই সফট কপির উদাহরণ হিসেবে মনিটর সঠিক উত্তর। এটি ব্যবহারকারীকে ইলেকট্রনিকভাবে তথ্য দেখার সুবিধা প্রদান করে।

• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- পেরিফেরাল ডিভাইস হচ্ছে এমন ডিভাইস যা কম্পিউটারের প্রধান ইউনিট (CPU) এর সাথে সংযুক্ত হয়ে ইনপুট বা আউটপুট প্রদান করে। এটি তিন ধরনের হতে পারে:

• ইনপুট ডিভাইস: 
- যা কম্পিউটারকে তথ্য দেয়।
- উদাহরণ: কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার।

• আউটপুট ডিভাইস: 
- যা কম্পিউটার থেকে তথ্য নিয়ে ব্যবহারকারীকে প্রদর্শন করে।
- উদাহরণ: মনিটর, প্রিন্টার, হেডফোন।

• ইনপুট-আউটপুট (I/O) উভয় ডিভাইস: 
- যা ইনপুট ও আউটপুট দুই কাজই করতে পারে।
- উদাহরণ: টাচস্ক্রিন, পেন ড্রাইভ।

তথ্যসূত্র:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
- Britannica.

১,০৫৭.
UPS-এর পূর্ণরূপ নিচের কোনটি?
  1. Universal Power System
  2. Ultra Power Saver
  3. United Power Source
  4. Uninterruptible Power Supply
ব্যাখ্যা

• ইউপিএস (UPS):
- ইউপিএস (UPS)-এর পূর্ণরূপ হলো Uninterruptible Power Supply। এটি এমন একটি বৈদ্যুতিক ডিভাইস যা বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সাথে সাথে তাৎক্ষণিকভাবে সংযুক্ত যন্ত্রপাতিতে (যেমন: কম্পিউটার বা সার্ভার) বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল রাখে। 
- বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার মাত্র কয়েক মিলিসেকেন্ডের মধ্যে এটি ব্যাটারি থেকে পাওয়ার সরবরাহ শুরু করে, ফলে কম্পিউটার বা ডিভাইস বন্ধ হয় না।
- এটি বিদ্যুৎ লাইনের ভোল্টেজের ওঠানামা (Surge বা Spike) নিয়ন্ত্রণ করে আপনার দামী ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতিকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।
- ইউপিএস সাধারণত একটি ব্যাটারি, চার্জার এবং ইনভার্টার (যা ডিসি কারেন্টকে এসিতে রূপান্তর করে) নিয়ে গঠিত। 
 
• ইউপিএস-এর প্রকারভেদ:
১. অফলাইন/স্ট্যান্ডবাই ইউপিএস: এটি সাধারণ ব্যবহারের জন্য। বিদ্যুৎ চলে গেলেই কেবল এটি সক্রিয় হয়।
২. অনলাইন ইউপিএস: এটি সব সময়ই চালু থাকে এবং সবথেকে স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করে। এটি সাধারণত সার্ভার বা বড় শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
৩. লাইন ইন্টারঅ্যাক্টিভ ইউপিএস: এটি অফলাইনের মতো কাজ করলেও ভোল্টেজ রেগুলেশনের জন্য এতে বিশেষ প্রযুক্তি থাকে।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Solent-Power [Link]

১,০৫৮.
যে ডিভাইস ব্যবহারকারীকে স্ক্রিনে পয়েন্ট ও ক্লিক করতে সাহায্য করে, তাকে কী বলা হয়?
  1. মাইক্রোফোন
  2. জয়স্টিক
  3. মাউস
  4. স্ক্যানার
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার ব্যবহারে বিভিন্ন ইনপুট ডিভাইস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই ডিভাইসগুলো ব্যবহারকারীকে কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ করতে এবং নির্দেশনা দিতে সাহায্য করে। তাদের মধ্যে মাউস এমন একটি ডিভাইস যা স্ক্রিনে কার্সরের অবস্থান নির্ধারণ এবং বিভিন্ন আইকন বা ফাংশনে ক্লিক করার মাধ্যমে কাজ সম্পাদনে সাহায্য করে। মাউস সাধারণত হাতে ধরে ব্যবহার করা হয় এবং এটি বাম ও ডান বাটন এবং মাঝে হুইলসহ আসে। বাম বাটন সাধারণভাবে নির্বাচন বা ক্লিক করার কাজে ব্যবহৃত হয়, ডান বাটন অতিরিক্ত অপশন দেখায়, এবং হুইল স্ক্রল করার সুবিধা দেয়। তাই স্ক্রিনে পয়েন্ট ও ক্লিক করার জন্য ব্যবহৃত ডিভাইস হলো মাউস।
- উত্তর: গ) মাউস।

• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- পেরিফেরাল ডিভাইস হচ্ছে এমন ডিভাইস যা কম্পিউটারের প্রধান ইউনিট (CPU) এর সাথে সংযুক্ত হয়ে ইনপুট বা আউটপুট প্রদান করে। এটি তিন ধরনের হতে পারে:

• ইনপুট ডিভাইস: 
- যা কম্পিউটারকে তথ্য দেয়।
- উদাহরণ: কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার।

• আউটপুট ডিভাইস: 
- যা কম্পিউটার থেকে তথ্য নিয়ে ব্যবহারকারীকে প্রদর্শন করে।
- উদাহরণ: মনিটর, প্রিন্টার, হেডফোন।

• ইনপুট-আউটপুট (I/O) উভয় ডিভাইস: 
- যা ইনপুট ও আউটপুট দুই কাজই করতে পারে।
- উদাহরণ: টাচস্ক্রিন, পেন ড্রাইভ।

তথ্যসূত্র:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
- Britannica.

১,০৫৯.
Which of the following is a storage device?
  1. Joystick
  2. Mouse
  3. Pen drive
  4. Scanner
ব্যাখ্যা
Pen drive is a storage device. 

কম্পিউটার পেরিফেরালসমূহকে কাজের উপর ভিত্তি করে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা-
১. ইনপুট ডিভাইস (Input Device)
২. আউটপুট ডিভাইস (Output Device) ও
৩. স্টোরেজ ডিভাইস (Storage Device) ।

ক) ইনপুট ডিভাইস:
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
উদাহরণ:
- কীবোর্ড,
- মাউস,
- স্ক্যানার,
- মাইক্রোফোন,
- জয়স্টিক।

খ) আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- স্পিকার,
- প্রজেক্টর।

গ) স্টোরেজ ডিভাইস:
উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত ভৌত মাধ্যমকে স্টোরেজ মিডিয়া বলে। যেমন-
- হার্ডডিস্ক,
- ম্যাগনেটিক টেপ,
- রি-রাইটেবল সিডি,
- ফ্লপিডিস্ক,
- কমপ্যাক্ট ডিস্ক বা সিডি,
- ডিভিডি,
- ফ্লাশ মেমোরি বা পেন ড্রাইভ,
- মেমোরি কার্ড।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১,০৬০.
নিচের কোনটি ইউনিপোলার মেমরি নয়?
  1. EAPROM
  2. DRAM
  3. PROM
  4. খ ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• "PROM" ইউনিপোলার মেমরি নয়।

• অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর মেমরি প্রধানত দুটি উপায়ে তৈরি করা হয়।
যথা:
১. বাইপোলার মেমরি ও
২. ইউনিপোলার মেমরি।

• ইউনিপোলার মেমরি:
- ইউনিপোলার মেমরি মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর ফিল্ড ইফেক্ট ট্রানজিস্টর (Metal Oxide Semiconductor Field Effect Transistor : MOSFET) বা কমপ্লিমেন্টারি মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর ( Complementory Metal Oxide Semiconductor : CMOS) দিয়ে তৈরি করা হয়।
- DRAM, EPROM, EAPROM ইত্যাদি এ জাতীয় মেমরির উদাহরণ।

• বাইপোলার মেমরি:
- ট্রানজিস্টর ট্রানজিস্টর লজিক (Transistor Transistor Logic : TTL ) দিয়ে বাইপোলার মেমরি তৈরি করা হয়।
- SRAM, PROM ইত্যাদি এ জাতীয় মেমরির উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৬১.
হেডার কী?
  1. ক) পৃষ্ঠার মাঝের অংশ
  2. খ) পৃষ্ঠার উপরের অংশের টাইটেল
  3. গ) পৃষ্ঠার নিচের অংশের টাইটেল
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের পৃষ্ঠার উপরের অংশের মার্জিনকে হেডার বলে যেখানে পৃষ্ঠা সংখ্যা, শিরোনাম, তারিখ ব্যবহার করা যায়।
১,০৬২.
যে রেজিস্টারটি গাণিতিক ও লজিক্যাল গণনার মধ্যবর্তী ফলাফল সংরক্ষণ করে, তাকে বলে:
  1. অ্যাকুমুলেটর
  2. স্ট্যাটাস রেজিস্টার
  3. প্রোগ্রাম কাউন্টার
  4. ডেটা রেজিস্টার
ব্যাখ্যা

• অ্যাকুমুলেটর রেজিস্টার হলো CPU-এর একটি বিশেষ ধরনের রেজিস্টার যা গাণিতিক এবং লজিক্যাল অপারেশনের মধ্যবর্তী ফলাফল সংরক্ষণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। যখন CPU কোনো গণনা বা লজিক্যাল কমান্ড সম্পাদন করে, তখন ফলাফল সরাসরি অ্যাকুমুলেটরে রাখা হয়। এটি পরবর্তী ধাপের অপারেশনে ব্যবহার করা যায় এবং প্রসেসরের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে। অন্য রেজিস্টার যেমন স্ট্যাটাস রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার বা ডেটা রেজিস্টার ভিন্ন ধরনের তথ্য সংরক্ষণ বা নির্দেশনা নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই CPU-এর মধ্যে দ্রুত এবং ধারাবাহিক গণনার জন্য অ্যাকুমুলেটর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

উত্তর: ক) অ্যাকুমুলেটর। 




• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো সিপিইউ-এর মধ্যে অবস্থিত সবচেয়ে ছোট এবং দ্রুততম মেমরি যা প্রোগ্রাম কার্যকর করার জন্য ডেটা ও নির্দেশাবলী সংরক্ষণ করে।
- এর অ্যাক্সেস সময় ন্যানোসেকেন্ডে পরিমাপ করা হয়।
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী। রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-বিট রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- কম্পিউটারের রেজিস্টার মেমোরি একসেস সবচেয়ে কম।
- কম্পিউটারের প্রসেসরের সবচেয়ে কাছে থাকে রেজিস্টার, তাই এর ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড তুলনামূলক বেশি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. [link]

১,০৬৩.
কোনটি কী ফিল্ড নয়-
  1. ক) প্রাইমারি কী
  2. খ) নিউমেরিক কী
  3. গ) ফরেন কী
  4. ঘ) কম্পোজিট প্রাইমারি কী
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ টেবিলের কলামকে বলা হয় ফিল্ড। যে সকল ফিল্ড অদ্বিতীয় তাদের কী ফিল্ড বলা হয়। সাধারণত কী ফিল্ডের সাহায্যে ডেটাবেজ থেকে রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়৷ কী ফিল্ড তিন প্রকারঃ প্রাইমারি কী, কম্পোজিট প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী। (সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)
১,০৬৪.
মেমরি হতে ডেটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে কী বলে?
  1. রিড টাইম
  2. ল্যাটেন্সি টাইম
  3. সিক টাইম
  4. অ্যাকসেস টাইম
ব্যাখ্যা
• অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বুঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- অ্যাকসেস সময় যত কম হয়, কম্পিউটার তত দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।
- কম্পিউটার উক্ত সময়ে তাহলে ১০ মিলিয়ন নির্দেশ নির্বাহ করতে পারে।

• পঠনক্রিয়া (Read Operation):
- মেমরির কোনো নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অবস্থিত বাইনারি ওয়ার্ডকে খুঁজে নেওয়া হলে তাকে রিড অপারেশন বলে।

• লিখন অপারেশন (Write Operation):
- মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়।

• সিক টাইম (Seek Time):
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে। 

• ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time):
- রিড-রাইট হেডকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়া পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
১,০৬৫.
কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ অংশের (Control Unit) এর কাজ নয় কোনটি?
  1. মাইক্রোপ্রসেসরের জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা
  2. ইনপুট ডিভাইস থেকে তথ্য সংরক্ষণ করা
  3. মেমোরি থেকে নির্দেশনা কোড পড়া ও ডিকোড করা
  4. কম্পিউটারের সমস্ত অংশকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা
ব্যাখ্যা

ইনপুট ডিভাইস থেকে তথ্য সংরক্ষণ করা মেমোরি ইউনিটের কাজ।

• কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান পাঁচটি অংশ হলো:
১। ইনপুট ইউনিট (Input Unit)
২। নিয়ন্ত্রণ ইউনিট (Control Unit)
৩। গাণিতিক যুক্তি ইউনিট (Arithmetic Logic Unit)
৪। মেমোরি ইউনিট (Memory Unit)
৫। আউটপুট ইউনিট (Output Unit)

• নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit):
- কন্ট্রোল ইউনিটের প্রধান কাজ হলো মেমোরি থেকে নির্দেশনা কোড পড়া ও ডিকোড করা।
- মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা। যেমন—গাণিতিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের গাণিতিক যুক্তি অংশকে নিয়ন্ত্রণ সংকেতের মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান করা।
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিট বা কন্ট্রোল ইউনিট কম্পিউটারের সমস্ত অংশকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি থেকে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট থেকে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে - এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

১,০৬৬.
মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেওয়ার জন্য নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ওসিআর
  2. স্ক্যানার
  3. ওএমআর
  4. এমআইসিআর
ব্যাখ্যা
• ওসিআর (OCR):
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে। 
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।

• স্ক্যানার (Scanner):
- স্ক্যানার একটি আধুনিকতম ইনপুট ডিভাইস যার সাহায্যে যেকোনো ধরনের ইমেজ বা ছবি, টেক্সট ইত্যাদি কম্পিউটারে ইনপুট করা যায়।
- এটির সাহায্যে যেকোনো ধরনের লেখা বা ইমেজ কম্পিউটারে ইনপুট করে প্রয়োজন অনুসারে পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন, বিভিন্ন রঙের ব্যবহার, একাধিক ইমেজের সংযোগ ইত্যাদি কার্যাবলি সম্পাদন করা যায়। তবে এ কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য মূলত ব্যবহারিক সফটওয়্যার (অ্যাডোব ফটোশপ) ব্যবহার করা হয়ে থাকে। 

• ওএমআর (OMR):
- OMR হলো বিশেষ এক ধরনের ইনপুট ডিভাইস যার পুরো নাম হচ্ছে Optical Mark Reader.
- এটি এমন এক ধরনের আলোক সংবেদনশীল স্ক্যানার যন্ত্র, যা কলম বা পেনসিল দিয়ে বিশেষ কাগজে দাগাঙ্কিত কোনো পূর্বে নির্ধারিত চিহ্নকে (যেমন- গোলাকার বা বর্গাকার) রিড করে সংশ্লিষ্ট চিহ্ন দ্বারা নির্ধারিত তথ্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে। 

• এমআইসিআর (MICR): 
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
১,০৬৭.
নিচের কোন উপাদানটি মাদারবোর্ডে বিল্ট ইন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকে না?
  1. SATA সংযোগকারী
  2. মনিটর
  3. BIOS/UEFI চিপ
  4. নর্থব্রিজ
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ডে সাধারণত SATA সংযোগকারী, BIOS/UEFI চিপ, এবং নর্থব্রিজ বিল্ট ইন হিসেবে থাকে। SATA সংযোগকারী ব্যবহার করা হয় হার্ডডিস্ক, SSD ইত্যাদি ডিভাইস সংযোগের জন্য। BIOS/UEFI চিপ মাদারবোর্ডের বুটিং ও হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণের কাজ করে। নর্থব্রিজ চিপ প্রসেসর, RAM, এবং গ্রাফিক্স কার্ডের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান সহজতর করে। তবে মনিটর মাদারবোর্ডে বিল্ট ইন থাকে না; এটি একটি বাহ্যিক আউটপুট ডিভাইস যা আলাদাভাবে সংযুক্ত করতে হয়। তাই, মনিটর মাদারবোর্ডে অন্তর্ভুক্ত হয় না।

• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৬৮.
নিচের কোনটি মনিটরের ধরণ নয়?
  1. ক) LED
  2. খ) LDC
  3. গ) CRT
  4. ঘ) AMOLED
ব্যাখ্যা
মনিটরের প্রকারভেদ (Types of Monitor)
মনিটর সাধারণত চার ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১. সিআরটি মনিটর (CRT Monitor)
২. এলসিডি মনিটর (LCD Monitor)
৩. এলইডি মনিটর (LED Monitor)
৪. এমােলেড মনিটর (AMOLED Monitor)
উৎসঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল)
১,০৬৯.
What is the full form of ISA?
  1. Integrated System Architecture
  2. Industry Standard Architecture
  3. Internal Software Application
  4. Intelligent System Analysis
ব্যাখ্যা
• আইএসএ বাস (ISA BUS):
- ISA-এর পুরো নাম Industry Standard Architecture.
- এটি একটি ধীরগতিসম্পন্ন বাস।
- ১৯৮১ সালে আইবিএম ইন্টেলের 8088 প্রসেসরে ISA বাস ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
- তখন এটি ছিল ৪ বিট ডেটা বাস। এর কাজের গতি ছিল ৪ মেগাহার্টজ।
- 16 বিট ISA বাস প্লটের পয়েন্টগুলো 2 ভাগে বিভক্ত থাকে।
- এর প্রথম ভাগে 62টি পয়েন্ট এবং দ্বিতীয় ভাগে 36 পয়েন্ট থাকে। নিম্নের ছবিতে এই ভাগ দ্বয়ের ডায়াগ্রাম দেখানো হলো।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৭০.
কম্পিউটারের কাজ করার মৌলিক ধাপ -
  1. ক) Input, Addition and Output
  2. খ) Input, Multiplication and Output
  3. গ) Input, Processing and Output
  4. ঘ) উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের কাজ করার ধাপ হচ্ছে তিনটি। যথা-
১. ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য-উপাত্তকে ও নির্দেশ গ্রহণ করা (ইনপুট)
২. তথ্যের প্রক্রিয়াকরণ (প্রসেসিং) করা এবং
৩. প্রক্রিয়াজাত তথ্য প্রদান বা প্রকাশ করা (আউটপুট)।
উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।

১,০৭১.
মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে যে মেমরি ব্যবহার করা হয় তাকে কী বলা হয়?
  1. রম
  2. র‍্যাম
  3. ক্যাশ মেমরি
  4. হার্ড ডিস্ক
ব্যাখ্যা
• ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমরিব্যবস্থা। 
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমরি বলা হয়। 
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমরি। যেসব নির্দেশ ও ডেটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাদেরকে ক্যাশ মেমরিতে রাখা হয়। - এর ধারণক্ষমতা ২৫৬ কিলোবাইট হতে কয়েক মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- এ ধরনের পদ্ধতিতে সিপিইউয়ের কোনো নির্দেশ প্রয়োজন হলে প্রথমে ক্যাশ মেমরি পরীক্ষা করে, সেখানে না পেলে পরে প্রধান মেমরিতে খোঁজ করে। সেখানেও না পেলে সহায়ক মেমরিতে খোঁজ করে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,০৭২.
Shift + delete কমান্ড একটি ফাইলকে কোথায় পাঠিয়ে দেয়?
  1. Control Panel
  2. Recycle Bin
  3. My Documents
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারে হার্ডডিস্ক থেকে ডাটা ডিলিট করলে সেটা রিসাইকেল বিনে জমা হয়।

কিন্তু, যদি Shift + Delete কমান্ড দেয়া হয় তাহলে ডাটা রিসাইকেল বিন বা অন্য কোথাও জমা না হয়ে সরাসরি হারিয়ে যায়।

১,০৭৩.
RAM-এর বৈশিষ্ট্য কোনটি? 
  1. স্থায়ী মেমোরি
  2. ভোলাটাইল মেমোরি
  3. শুধুমাত্র রিড করা যায়
  4. শুধুমাত্র BIOS সংরক্ষণ করে
ব্যাখ্যা
• RAM-এর বৈশিষ্ট্য হলো এটি একটি ভোলাটাইল মেমোরি। 

• RAM:
- RAM বা Random Access Memory হল একটি ভোলাটাইল মেমোরি, অর্থাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে এর তথ্য মুছে যায়।
- এটি কম্পিউটারের প্রাথমিক (Primary) মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- এটি এমন একটি স্টোরেজ ডিভাইস যেখানে কম্পিউটার প্রসেসর কাজ করার সময় প্রয়োজনীয় ডেটা ও প্রোগ্রাম সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে।

• RAM-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
→ ভোলাটাইল মেমোরি (Volatile Memory): বিদ্যুৎ না থাকলে RAM-এর সব ডেটা মুছে যায়।
→ প্রাথমিক মেমোরি: এটি কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি, যা প্রসেসিংয়ের সময় সক্রিয় থাকে।
→ রানিং প্রোগ্রাম ও প্রসেস: বর্তমানে চালু থাকা সফটওয়্যার, অ্যাপ্লিকেশন এবং অপারেটিং সিস্টেমের অংশবিশেষ RAM-এ লোড থাকে।
→ দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেস: CPU, RAM থেকে খুব দ্রুত তথ্য পড়তে ও লিখতে পারে।
- কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে RAM-এর আকার ও গতির উপর।

অন্যদিকে, 
→ স্থায়ী মেমোরি (Permanent Memory): এটি ROM বা হার্ড ডিস্ক-এর বৈশিষ্ট্য।
→ শুধুমাত্র রিড করা যায়: এটি ROM-এর বৈশিষ্ট্য, RAM থেকে ডেটা রিড এবং রাইট উভয়ই করা যায়।
→ শুধুমাত্র BIOS সংরক্ষণ করে: BIOS সাধারণত ROM বা Flash Memory-তে সংরক্ষিত থাকে, RAM-এ নয়।

তথ্যসুত্র:
- কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১(ভোকেশনাল), ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
- "Computer Organization and Design" by David A. Patterson & John L. Hennessy.
- Intel - What is RAM?
১,০৭৪.
OCR প্রক্রিয়ার পর সাধারণত কোন ফাইল ফরম্যাট উৎপন্ন হয়?
  1. .mp3
  2. .jpg
  3. .txt
  4. .mp4 
ব্যাখ্যা

• OCR (Optical Character Recognition) হল একটি প্রযুক্তি যা স্ক্যান করা ছবি বা পিডিএফ থেকে লেখা চিহ্নিত করে এবং ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করে। এই প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য হলো ছবির মধ্যে থাকা অক্ষরগুলোকে এডিটেবল এবং সার্চেবল ফরম্যাটে পরিবর্তন করা। OCR-এর পর সাধারণত যে ফাইল ফরম্যাট উৎপন্ন হয় তা হলো .txt ফাইল বা, .pdf ফাইল, কারণ এটি কেবল টেক্সট সংরক্ষণ করে এবং সহজেই বিভিন্ন প্রোগ্রামে ব্যবহারযোগ্য। অন্য ফরম্যাট যেমন .jpg বা .mp4 মূলত ছবি বা ভিডিও সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, আর .mp3 শুধুমাত্র অডিও সংরক্ষণের জন্য। সুতরাং, OCR-এর আউটপুটের জন্য সঠিক উত্তর হলো গ) .txt

​OCR:
- OCR -এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

​OCR এর ব্যবহার:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
- চিঠির পিনকোড,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৭৫.
পেরিফেরাল ডিভাইস কোনটি?
  1. ক) Microsoft windows
  2. খ) Monitor
  3. গ) Mac OS
  4. ঘ) Linux
ব্যাখ্যা
পেরিফেরাল ডিভাইস:
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস। তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট পেরিফেরাল,
২. আউটপুট পেরিফেরাল এবং
৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল।

১. ইনপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল। 
- যেমন: কি-বোর্ড , ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার , লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রর্দশনের বা প্রদানের কাজে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার জড়িত থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যার আউটপুট পেরিফেয়াল নামে পরিচিত। অর্থাৎ কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার , স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়। 
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৭৬.
নিচের কোনটি ভুল?
  1. স্ক্যানার - ইনপুট ডিভাইস
  2. প্রিন্টার - আউটপুট ডিভাইস
  3. বারকোড রিডার - আউটপুট ডিভাইস
  4. ডিজিটাইজার - ইনপুট ডিভাইস
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
- তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ইনপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল।
- যেমন: কী-বোর্ড , ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার , লাইটপেন, বারকোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রর্দশনের কাজে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার জড়িত থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যার আউটপুট পেরিফেয়াল নামে পরিচিত।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার , স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৭৭.
কী-বোর্ডে Delete এবং Insert কী নামে পরিচিত?
  1. ক) কন্ট্রোল কী
  2. খ) ফাংশন কী
  3. গ) নিউম্যারিক কী
  4. ঘ) নেভিগেশন কী
ব্যাখ্যা
কী-বোর্ড (Keyboard):
- কম্পিউটারে বিভিন্ন তথ্য বা নির্দেশনা প্রদান, প্রচলিত ভাষায় বর্ণ, অংক বা বিশেষ চিহ্ন প্রদান করার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে কী-বোর্ড ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে কী-বোর্ডের মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব কী-গুলো ব্যবহার করে কম্পিউটারকে সরাসরি মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব ব্রাউজিং সম্পর্কে নির্দেশ প্রদান করা যায়।
- সাধারণত দুই ধরনের কী-বোর্ড পাওয়া যায়। যথা: ১. স্ট্যান্ডার্ড কী-বোর্ড ও ২. এনহ্যান্সড কী-বোর্ড।
- কী-বোর্ডে ৯৪-১০০টি কী থাকে।

নেভিগেশন কী:
কী বোর্ডের Delete, Insert, Home, End, Page Up, Page Down, Arros Keys সমূহ নেভিগেশন কী নামে পরিচিত। নেভিগেশন কী ১০টি রয়েছে। 

কন্ট্রোল কী:
Ctrl, Alt, the Windows logo key.

নিউম্যারিক কী:
নাম্বার 0 থেকে 9, Arithmetic operators: + (addition), - (subtraction), * (multiplication), and / (division) ইত্যাদি। 

ফাংশন কী: 
কীবোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2, .... F12 নম্বরযুক্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Microsoft website.
১,০৭৮.
CPU এর মধ্যে তথ্য সাময়িকভাবে সংরক্ষণের স্থান কোনটি?
  1. ইউএসবি ড্রাইভে
  2. হার্ড ডিস্কে
  3. রেজিস্টারে
  4. ক্যাশ মেমোরিতে
ব্যাখ্যা

• CPU-এর মধ্যে তথ্য সাময়িকভাবে সংরক্ষণের স্থান হলো রেজিস্টার। রেজিস্টার হলো একটি ছোট, উচ্চ-গতিসম্পন্ন মেমোরি ইউনিট যা সরাসরি CPU-র সাথে সংযুক্ত থাকে। এটি প্রসেসরের জন্য প্রয়োজনীয় ডেটা, নির্দেশনা এবং অস্থায়ী গণনার ফলাফল সংরক্ষণ করে। রেজিস্টার ব্যবহার করা হয় কারণ এটি RAM বা হার্ড ডিস্কের চেয়ে অনেক দ্রুত, যা CPU-কে দ্রুত তথ্য প্রক্রিয়াকরণের সুবিধা দেয়। অন্যদিকে, USB ড্রাইভ এবং হার্ড ডিস্ক দীর্ঘমেয়াদি তথ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং তাদের অ্যাক্সেসের গতি রেজিস্টারের তুলনায় অনেক ধীর। ক্যাশ মেমোরিও CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করলেও এটি রেজিস্টারের চেয়ে বড় এবং কিছুটা ধীর, তাই মূলত ডেটা অস্থায়ীভাবে দ্রুত অ্যাক্সেসের জন্য রেজিস্টারই ব্যবহার করা হয়।

- সঠিক উত্তর: গ) রেজিস্টার।

প্রসেসর বা CPU এর সংগঠন এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে-
১) নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২) অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (গাণিতিক যুক্তি অংশ),
৩) রেজিস্টার বা মেমোরি (স্মৃতি)।

• নিয়ন্ত্রণ অংশ:
- কম্পিউটারে সম্পাদিত সমস্ত কাজের নিয়ন্ত্রন করে এ নিয়ন্ত্রণ অংশ।
- এ অংশ সিপিইউ, মেমোরি, এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
- কন্ট্রোল একক ROM ও RAM এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুসারে কাজ করতে কম্পিউটারের অন্য সব অংশকে আদেশ দেয়।
- তাছাড়া বাইনারি কোডের ইন্সট্রাকশনকে স্মৃতি থেকে গ্রহণ করে এবং এগুলোকে ডিকোড করে।

• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ডাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

• রেজিস্টার বা মেমোরি/স্মৃতি:
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
- কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

১,০৭৯.
সিপিইউ-এর দ্বিতীয় সাব-ব্লককে কী বলে?
  1. Memory Unit
  2. Timing & Control Unit
  3. Arithmetic Logic Unit
  4. Register Unit
ব্যাখ্যা
[সিপিইউ-এর দ্বিতীয় সাব-ব্লককে টাইমিং অ্যান্ড কন্ট্রোল ইউনিট (Timing & Control Unit) বলে। এটি কম্পিউটারের সমস্ত অংশে ডেটা প্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করে। এটি কম্পিউটারের প্রধান ঘড়ি বা দোলক (computer's main clock or oscillator) দ্বারা চালিত হয়। প্রতি সেকেন্ডে ঘড়ির স্পন্দনের সংখ্যা বা ঘড়ির ফ্রিকোয়েন্সি সিপিইউ-এর একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ প্যারামিটার। এটি সিদ্ধান্ত নেয় যে এক সেকেন্ডে এটি কতগুলি অপারেশন সম্পাদন করতে পারে।]

• সিপিইউ (CPU - Central Processing Unit):

- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।
- সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit),
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit) ও
৩. স্মৃতি অংশ (Memory Unit)।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৮০.
মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে যে মেমরি ব্যবহার করা হয় তাকে বলা হয় -
  1. ক) র‍্যাম
  2. খ) রম
  3. গ) ক্যাশ মেমোরি
  4. ঘ) পেন ড্রাইভ
ব্যাখ্যা
ক্যাশ মেমরি (Cache Memory) : 
এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমরিব্যবস্থা। 
মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমরি বলা হয়। 
কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমরি ব্যবহৃত হয়।
এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমরি। যেসব নির্দেশ ও ডেটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাদেরকে ক্যাশ মেমরিতে রাখা হয়। এর ধারণক্ষমতা ২৫৬ কিলোবাইট হতে কয়েক মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
এ ধরনের পদ্ধতিতে সিপিইউয়ের কোনো নির্দেশ প্রয়োজন হলে প্রথমে ক্যাশ মেমরি পরীক্ষা করে, সেখানে না পেলে পরে প্রধান মেমরিতে খোঁজ করে। সেখানেও না পেলে সহায়ক মেমরিতে খোঁজ করে। 

সূত্র: ১২৩ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,০৮১.
Digital Device এ Decoder সাধারণত কোন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?
  1. Signal Storage
  2. Data Compression
  3. Noise Reduction
  4. Memory Addressing
ব্যাখ্যা

• Decoder হলো একটি ডিজিটাল সার্কিট যা n-bit ইনপুট গ্রহণ করে এবং 2n আউটপুট লাইনে রূপান্তর করে। এই আউটপুটগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র একটি লাইন সক্রিয় থাকে, এবং বাকি সব লাইন নিষ্ক্রিয় থাকে।

কর্মপ্রক্রিয়া:
- Decoder একটি নির্দিষ্ট ইনপুট বাইনারি কোড গ্রহণ করে এবং সেই কোড অনুযায়ী আউটপুটের নির্দিষ্ট লাইনকে সক্রিয় করে। 

প্রধান ব্যবহার ক্ষেত্র:
- Memory Addressing: মেমোরির নির্দিষ্ট র‍্যাম বা রেজিস্টার লাইন সক্রিয় করার জন্য Decoder ব্যবহার করা হয়। এটি CPU এবং কন্ট্রোল ইউনিটে ডেটা সঠিকভাবে প্রেরণের জন্য অপরিহার্য।
- ডেটা রাউটিং: নির্দিষ্ট ডিভাইসে তথ্য পাঠাতে বা প্রসেস করতে ব্যবহার করা হয়।
- One-Hot Encoding: ডিজিটাল লজিক সার্কিটে নির্দিষ্ট লাইন বা ডিভাইস সিলেকশন সহজ করতে One-Hot আউটপুট তৈরি করা হয়।

গুরুত্ব:
- Decoder ডিজিটাল ডিভাইসে নির্দিষ্ট লাইন বা ডিভাইস সিলেকশন সহজ করে।
- এটি মেমোরি, CPU, এবং কন্ট্রোল ইউনিটের জন্য অপরিহার্য।

তথ্যসূত্র:
- NCTB, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
- ব্রিটানিকা [লিংক] 

১,০৮২.
কম্পিউটার তৈরি করার সময় উহার মেমোরিতে যে সকল প্রোগ্রাম সময় স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তাকে ____ বলে।
  1. ক) ফায়ারওয়্যার
  2. খ) ফায়ারওয়াল
  3. গ) ফার্মওয়্যার
  4. ঘ) ফ্রেমওয়ার্ক
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার তৈরি করার সময় উহার মেমোরিতে যে সকল প্রোগ্রাম সময় স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তাকে ফার্মওয়্যার বলে। এ সকল প্রোগ্রামের কোন পরিবর্তন করা যায় না। কম্পিউটারে স্থায়ীভাবে রাখা দরকার সেইসবপ নির্দেশের তালিকা এবং ডাটাগুলোকে কম্পিউটার প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার তৈরি সময় কম্পিউটারের সেমিকন্ডাক্টর রমে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত রাখার ব্যবস্থা করেন। উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
১,০৮৩.
একটি কম্পিউটার চালু হলে যে BIOS চিপ থেকে প্রাথমিক নির্দেশনা লোড হয়, সেটি কোথায় অবস্থিত থাকে?
  1. পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিটে
  2. RAM-এর ভেতরে
  3. ক্যাশ মেমরি-এর ভেতরে
  4. মাদারবোর্ডে
ব্যাখ্যা

◉ BIOS Chip সাধারণত ROM (Read Only Memory) বা Flash Memory-তে সংরক্ষিত থাকে এবং কম্পিউটারের মাদারবোর্ডে স্থাপন করা হয়।

​BIOS:
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,০৮৪.
প্রিন্টারের DPI কী নির্দেশ করে?
  1. ডকুমেন্ট প্রিন্টিং ইনডেক্স
  2. ডটস পার ইঞ্চ
  3. ডিজিটাল প্রিন্টিং ইন্টারফেস
  4. ডিসপ্লে পিক্সেল ইনডেক্স
ব্যাখ্যা

◉ প্রিন্টারের DPI হলো ডটস পার ইঞ্চ (Dots Per Inch)।

পিক্সেল:
- একটি ইমেজের ডট পার ইঞ্চিকে পিক্সেল বলে(DPI)।
- অর্থাৎ সহজভাবে বলতে গেলে পিক্সেল হলো একটি ইমেজের ক্ষুদ্রতম অংশ।
- কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
- পিক্সেল হচ্ছে ডেটা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত মাধ্যমের (মনিটরের পর্দা) ক্ষুদ্রতম এলাকা, যার বর্ণ ও উজ্জ্বলতা স্বতন্ত্রভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- DPI দ্বারা নির্দেশ করা হয় প্রতি ইঞ্চিতে কতগুলি ডট (বিন্দু) প্রিন্ট করা যায়।
- যত বেশি DPI, তত বেশি শার্প এবং ডিটেইলযুক্ত প্রিন্ট আউটপুট পাওয়া যায়। উদাহরণস্বরূপ, 300 DPI মানে প্রতি ইঞ্চিতে 300টি ডট প্রিন্ট করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৮৫.
ইনপুট পেরিফেরাল নয় কোনটি?
  1. Image Setter
  2. OMR
  3. Scanner
  4. Digitizer
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
- তথ্যপ্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ইনপুট পেরিফেরাল, আউটপুট পেরিফেরাল এবং ইনপুট-আউটপুট পেরিফেরাল।

• ইনপুট পেরিফেরাল (Input Peripheral):
- কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের কাজে ডেটা প্রদানে নিয়োজিত হার্ডওয়্যারসমূহই হলো ইনপুট পেরিফেয়াল।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট পেরিফেয়ালসমূহ হলো :
১। কি-বোর্ড (Keyboard)
৮। ওএমআর (OMR)
২। মাউস (Mouse)
৯। ওসিআর (OCR)
৩। ট্যাকবল (Trackball)
১০। স্ক্যানার (Scanner)
৪। জয়স্টিক (Joystick)
১১। ডিজিটাইজার (Digitizer)
৫। টাচ স্ক্রিন (Touch Screen)
১২। লাইটপেন (Lightpen )
৬। বার কোড রিডার (Bar Code Reader)
১৩। গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad)
৭। পয়েন্ট অফ সেল (Point of Sale )
১৪। ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera); ইত্যাদি।

- Image Setter একটি আউটপুট পেরিফেরাল।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৮৬.
বর্তমানে প্রচলিত কীবোর্ডগুলোতে সর্বোচ্চ কী থাকে-
  1. ক) ১০২ টি
  2. খ) ১০৩ টি
  3. গ) ১০৪ টি
  4. ঘ) ১০৫ টি
ব্যাখ্যা
- কীবোর্ড হলো কম্পিউটারের অন্যতম একটি ইনপুট ডিভাইস যার মধ্যে বর্ণ, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্নের বিভিন্ন কীগুলো সারিবদ্ধভাবে সাজানো থাকে।
- কম্পিউটারের কীবোর্ডের কীগুলোর সাহায্যে টাইপ করা ছাড়াও কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের নির্দেশ প্রদান করা হয়। 
- বর্তমানে প্রচলিত কীবোর্ডগুলোতে সর্বোচ্চ ১০৫ টি কী আছে
- ইংরেজি বর্ণ ও সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্নে চিহ্নিত কীগুলো সাধারণ টাইপরাইটারের মতো এবং বিন্যাস বা সাজানোও একই রকম। কীবোর্ড প্রায় সব কম্পিউটারেই থাকে।
- কীবোর্ডগুলোর মধ্যে Shift, Option, Command, Control, Alt প্রভৃতি কীগুলোকে বলা হয় Modifier Key। 
- কীবোর্ডের প্রত্যেক কী একটি বৈদ্যুতিক সুইচের সঙ্গে একটি এনকোডার দ্বারা যুক্ত থাকে। কীবোর্ডের কোনো কী চাপলে এনকোডার সেই বর্ণের কোডের ডিজিটাল বৈদ্যুতিক সংকেত ০ বা ১ উৎপন্ন করে। 
- তারবিহীন কীবোর্ড, ব্লুটুথ কীবোর্ড এবং ভ্রমণে কাজ করার জন্য পাতলা কীবোর্ড পাওয়া যায়।
- বিদ্যুৎ ছাড়া সোলার পাওয়ারে কাজের উপযোগি কীবোর্ড পাওয়া যায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
১,০৮৭.
MICR-এর বিস্তারিত রূপ কী?
  1. Magnetic Ink Character Recognition
  2. Multi Ink Character Recognition
  3. Machine Integrated Code Reader
  4. Magnetic Information Code Reader
ব্যাখ্যা

• MICR-এর পূর্ণরূপ হলো Magnetic Ink Character Recognition। এটি একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে ব্যাংকিং খাতে চেক, ড্রাফট ও অন্যান্য আর্থিক নথিতে থাকা অক্ষর ও সংখ্যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সনাক্ত করা যায়। MICR কালি ব্যবহার করে লেখা হয়, যা চৌম্বকীয়ভাবে সক্রিয় এবং বিশেষ যন্ত্র দিয়ে পড়া যায়। এটি তথ্য প্রক্রিয়াকরণকে দ্রুত এবং সঠিক করে তোলে, কারণ মানুষের হাতে পড়ার সময় ত্রুটি কম হয়। মূলত ব্যাংকগুলো চেক ক্লিয়ারিং প্রক্রিয়ায় এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকে।

উত্তর: ক) Magnetic Ink Character Recognition.

• MICR:
- MICR এর পূর্ণরূপ Magnetic Ink Character Recognition/Reader.
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- MICR এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে চেকের বৈধতা যাচাই করা যায়।
- এতে চুম্বকীয় কালি (Magnetic Ink) ব্যবহার করা হয়।
- এই চেক স্ক্যান করার সময় এর চুম্বকীয় ডিজিট, কম্পিউটার নির্দিষ্ট সফটওয়্যারের মাধ্যমে পাঠ করে এবং ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করে।

সকল রিলায়েবল সোর্সেই MICR এর পূর্ণরূপ হিসাবে Magnetic Ink Character Recognition এর কথা বলা হয়েছে।
তবে অপশনে Recognition না থেকে শুধু reader দেওয়া থাকলে উত্তর হিসাবে Magnetic Ink Character Reader দেয়া যাবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১,০৮৮.
Which of the following cache types is fastest but most expensive and usually located inside the CPU?
  1. L3 Cache
  2. Main Memory
  3. L1 Cache
  4. Virtual Memory
ব্যাখ্যা

• L1 (Level 1) ক্যাশ হলো প্রসেসরের সবচেয়ে নিকটবর্তী মেমোরি যা সরাসরি সিপিপিইউ (CPU) কোরের ভেতরে অবস্থান করে। এটি আকারে অত্যন্ত ছোট (সাধারণত কয়েক কিলোবাইট) হলেও এর গতি প্রসেসরের গতির প্রায় সমান। এটি অন্য সব মেমোরির তুলনায় সবচেয়ে দ্রুত কাজ করে এবং এর উৎপাদন খরচও সবচেয়ে বেশি। প্রসেসর যখন কোনো কাজ করে, তখন সে প্রয়োজনীয় ডেটা সবার আগে L1 ক্যাশে খুঁজে দেখে।

• Cache Memory:
- Cache Memory হলো একটি অত্যন্ত দ্রুতগতির বিশেষ ধরণের স্মৃতি, যা CPU বা প্রসেসরের খুব কাছে অবস্থান করে।
- এটি প্রধানত সেই ডেটা ও নির্দেশনা সংরক্ষণ করে, যেগুলো প্রসেসর বারবার ব্যবহার করে বা অতি দ্রুত অ্যাক্সেসের প্রয়োজন হয়।

• Cache Memory এর প্রয়োজনীয়তা:
- প্রসেসরের কাজের গতি অনেক বেশি, কিন্তু RAM বা Main Memory তুলনামূলক ধীর।
- প্রসেসর যখন RAM থেকে ডেটা আনতে চায়, তখন সময় বেশি লাগে। এই ব্যবধান কমাতে Cache Memory ব্যবহার করা হয়।
- Cache Memory প্রসেসর ও মূল স্মৃতির মধ্যে একটি উচ্চ গতির সেতু (Buffer Layer) হিসেবে কাজ করে। ফলে প্রয়োজনীয় ডেটা প্রসেসর খুব দ্রুত পায় এবং সিস্টেমের সামগ্রিক কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পায়।

• Cache Memory ব্যবহারের উদ্দেশ্য ও সুবিধা:
- প্রসেসর অপেক্ষার সময় কমানো: RAM থেকে ডেটা আনতে যে বিলম্ব হয়, Cache সেই বিলম্ব দূর করে।
- গতি বৃদ্ধি: Cache থেকে ডেটা অ্যাক্সেস করা RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুত, ফলে CPU-এর কার্যক্ষমতা বাড়ে।
- প্রায়শই ব্যবহৃত ডেটা সংরক্ষণ: CPU যে নির্দেশ বা ডেটা বারবার ব্যবহার করে, তা Cache Memory-তে রাখা হয়।
- Latency কমানো: ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে, যা সিস্টেমের Response Time উন্নত করে।
 
• Cache Memory এর স্তরসমূহ (L1, L2, L3):
- L1 Cache: সবচেয়ে ছোট কিন্তু সবচেয়ে দ্রুত, সরাসরি CPU কোরের সাথে সংযুক্ত।
- L2 Cache: L1-এর তুলনায় বড়, গতি কিছুটা কম, কিন্তু এখনো RAM এর চেয়ে দ্রুত।
- L3 Cache: বহু কোরের জন্য শেয়ারড, বড় এবং অপেক্ষাকৃত ধীর কিন্তু RAM এর চেয়ে দ্রুত।
- এই স্তরগুলো মিলে CPU-এর প্রয়োজনীয় ডেটা দ্রুত পৌঁছে দেয়।

উৎস: 
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

১,০৮৯.
কোনটি নন-ভোলাটাইল স্টোরেজ ডিভাইস?
  1. RAM
  2. ক্যাশ মেমোরি
  3. হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ 
  4. রেজিস্টার
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) হার্ড ডিস্ক

নন-ভোলাটাইল মেমোরি:
নন-ভোলাটাইল মেমোরি সেই মেমোরি যা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকলেও সংরক্ষিত তথ্য বজায় রাখে।
হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ (HDD) হলো এক ধরনের সহায়ক মেমোরি, যা নন-ভোলাটাইল, তাই এটি অ-সক্রিয় প্রোগ্রাম সংরক্ষণ এবং ডেটা আর্কাইভ করার জন্য উপযুক্ত।

• হার্ড ডিস্ক:
- হার্ড ডিস্ক হলো কম্পিউটারের একটি চৌম্বকীয় সংরক্ষণ মাধ্যম, যা অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের তথ্য ধারণ ক্ষমতা রাখে।
- এটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার হিসেবে কাজ করে।
-  হার্ড ডিস্ক স্থায়ীভাবে কম্পিউটারের ভিতরে বসানো থাকে, তবে বহিরাগত বা বহনযোগ্য হার্ড ডিস্কও ব্যবহার করা যায়।
- হার্ড ডিস্ক স্থানান্তরযোগ্য; একটি কম্পিউটারের হার্ড ডিস্ক ড্রাইভে সংযুক্ত করে তথ্য প্রসেস করা হলে, সেটি অন্য কম্পিউটারের হার্ড ডিস্ক ড্রাইভেও ব্যবহার করা যায়।

অন্যদিকে,
- RAM (Random Access Memory): এটি ভোলাটাইল মেমোরি, অর্থাৎ বিদ্যুৎ বন্ধ হলে এর ডেটা হারিয়ে যায়।
- ক্যাশ মেমোরি: এটি CPU চিপে থাকা একটি ছোট, দ্রুত SRAM যা প্রায়ই ব্যবহৃত নির্দেশাবলী এবং ডেটা দ্রুত অ্যাক্সেসের জন্য সংরক্ষণ করে। RAM-এর মতোই ক্যাশ মেমোরি ভোলাটাইল।
- রেজিস্টার: এগুলো ছোট, অত্যন্ত দ্রুত SRAM যা CPU বর্তমান নির্দেশাবলী এবং ডেটা ধারণ করার জন্য ব্যবহার করে। রেজিস্টারও ভোলাটাইল।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; ব্রিটানিকা।

১,০৯০.
CPU কোন address generate করে? 
  1. Physical address
  2. Logical Address
  3. Both physical and logical addresses
  4. উপরের কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- সিপিইউ দ্বারা প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় সর্বদা Logical Address generate করে।
- অন্যদিকে, ভৌত ঠিকানা (Physical Address) হচ্ছে, মেমরি ইউনিট দ্বারা প্রদর্শিত ঠিকানা।
- অর্থাৎ, CPU Logical অ্যাড্রেস জেনারেট করে এবং মেমরি ইউনিট Physical অ্যাড্রেস প্রদর্শন করে।
- কম্পিউটারে চলমান এপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলো Physical Address দেখতে পায় না। তারা সবসময় Logical Adress ব্যবহার করে কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
১,০৯১.
নিচের কোনটি প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস?
  1. Random Access Memory (RAM)
  2. Hard Disk Drive (HDD)
  3. Solid State Drive (SSD)
  4. Compact Disc (CD)
ব্যাখ্যা

• প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস হলো সেই স্টোরেজ যা কম্পিউটার সরাসরি প্রসেসরের সাথে যোগাযোগ করে তথ্য সংরক্ষণ এবং পড়ার কাজ করে। এটি সাধারণত অস্থায়ী (volatile) মেমোরি হিসেবে কাজ করে, অর্থাৎ পাওয়ার বন্ধ হলে ডেটা মুছে যায়। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Random Access Memory (RAM) হলো প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস। RAM ব্যবহার করে CPU দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে এবং কম্পিউটার সফটওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশনগুলো কার্যকরভাবে চালাতে পারে। অন্যদিকে, Hard Disk Drive (HDD), Solid State Drive (SSD), এবং Compact Disc (CD) হলো সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস, যা দীর্ঘমেয়াদি ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং সরাসরি প্রসেসরের সাথে যোগাযোগ করে না। তাই RAM প্রধান প্রাইমারি স্টোরেজ।
 
• প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারে প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত ডিভাইসসমূহকে প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস বলা হয়।
- প্রাইমারি স্টোরেজ হলো মাইক্রোপ্রসেসরের কর্মক্ষেত্র বা ওয়ার্কপ্লেস। 
যেমন- র‍্যাম।

• প্রাইমারি স্টোরেজের বৈশিষ্ট্য:
-  এ ধরনের স্টোরেজ সাধারণত সিপিইউয়ের সাথে সরাসরি সংযোগ থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা এবং কম্পিউটারের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত কিছু প্রোগ্রাম প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস ধারণ করে।
-  অ্যাকসেস সময় কম।
-  ধারণক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
-  ডেটা স্থানান্তরের গতি বেশি।
-  বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে এ ধরনের স্টোরেজে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৯২.
ওসিআর প্রযুক্তি কী ধরনের ফরমেটে আউটপুট প্রদান করে?
  1. অডিও
  2. ইমেজ
  3. ভিডিও
  4. টেক্সট
ব্যাখ্যা
• ওসিআর (OCR):
- ওসিআর (OCR) এর পূর্ণরূপ Optical Character Recognition
- ওসিআর হাতের লেখা, টাইপ করা লেখা অথবা প্রিন্ট করা লেখাকে পড়ে মেশিন এনকোডেড টেক্সটে রূপান্তরিত করে।

• ওসিআর (OCR) এর বৈশিষ্ট্য:
১. অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিকগনাইজার বিশেষ ধরনের বর্ণ বা বর্ণ সমষ্টিকে অনুধাবন করে সমতুল্য বৈদ্যুতিক পালস উৎপন্ন করে। এ বৈদ্যুতিক পালস থেকে কম্পিউটার উপযোগী ডাটা তৈরি করে।
২. ওসিআর সফটওয়্যার ব্যবহার করে স্ক্যানার হতে প্রাপ্ত ইমেজকে টেক্সট ফরমেটে রূপান্তর করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা যায়।
৩. টাইপ রাইটার বা হাতের লেখা বর্ণসমূহকে রিড করার জন্য প্রতিটি বর্ণের আকার আকৃতি নির্দিষ্ট অবিকলের হওয়া প্রয়োজন।
৪. এ সিস্টেমে কাগজের উপস্থিতি কারেক্টারগুলোকে ওসিআর দ্বারা স্ক্যান করার পর একে কম্পিউটারে সংরক্ষিত কারেক্টার ফন্টের সাথে তুলনা করা হয়। যদি স্ক্যান করা কাগজের কারেক্টার এবং কম্পিউটারে সংরক্ষিত কারেক্টার ফন্ট মিলে যায় তবে কম্পিউটার স্ক্যান করা কারেক্টরকে সংরক্ষণ করে অন্যথায় উক্ত কাগজের তথ্য ভুল হিসেবে গণ্য করে।
৫. ওসিআর দ্বারা সেকেন্ডে সর্বোচ্চ ২৪০০ কারেক্টার পড়া যায়। ব্যাংক, ইনসুরেন্স কোম্পানি, এয়ার লাইন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ওসিআর ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১,০৯৩.
ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে কোনটি?
  1. Hard disk
  2. CPU
  3. Monitor
  4. Pen Drive
ব্যাখ্যা
CPU ( Central Processing Unit) ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে থাকে।

CPU ( Central Processing Unit):
CPU হলো কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা “ব্রেইন”। এটি ইনপুট ডিভাইস থেকে আসা তথ্য নিয়ে গণনা, বিশ্লেষণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ফলাফল প্রদান করে।

CPU-এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে:
১। CU (Control Unit)- পুরো কম্পিউটারের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। নির্দেশ দেয় কে কখন কী করবে।
২। ALU (Arithmetic Logic Unit)- গাণিতিক ও যুক্তিগত কাজ করে। যেমন: যোগ, বিয়োগ, তুলনা ইত্যাদি।
৩️। Memory unit - সাময়িকভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে প্রসেসিংয়ের সময়।

Hard disk, Monitor এসব আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ।
Pen Drive  ইনপুট- আউটপুট ডিভাইস

উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
১,০৯৪.
হার্ডওয়্যার উপাদান নয় কোনটি?
  1. Microprocessor
  2. Mother-Board
  3. Mouse
  4. Adobe Photoshop
ব্যাখ্যা
হার্ডওয়্যার:
- হার্ডওয়্যার হলো কম্পিউটারের ভৌত সংগঠন। কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।
- সাধারণত কম্পিউটার হার্ডওয়্যারকে আমরা দেখতে পারি এবং স্পর্শ করতে পারি।
- কি-বোর্ড, মাউস, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড, ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি হলো কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের উদাহরণ।

সফটওয়্যার:
- সাধারণত সফটওয়্যার বলতে কম্পিউটারের প্রোগ্রামসমূহের সমষ্টিকে বোঝানো হয়।
অর্থাৎ সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে।
- সফটওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে কার্যোপযোগী করা হয়।
- DOS, Windows, MS Office, Adobe Photoshop, Vedio Player Pagemaker, Mac OS  ইত্যাদি হলো সফটওয়্যারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৯৫.
প্রিন্টারের গতি পরিমাপের একক হলো-
  1. Hertz
  2. DPI
  3. PPM
  4. Flops
ব্যাখ্যা
• লেজার প্রিন্টার:
- লেজার প্রিন্টার একটি নন-ইমপেক্ট প্রিন্টার।
- এ লেজার প্রিন্টিং প্রযুক্তির মূলে রয়েছে আলোক পরিবাহী পদার্থ বা আলোর উপস্থিতিতে বিদ্যুৎ সুপরিবাহী এবং আলোর অনুপস্থিতিতে বিদ্যুৎ কুপরিবাহী।
- লেজার প্রিন্টারে লেজার রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ছাপানো হয়।
- লেজার প্রিন্টার উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে।
- লেজার প্রিন্টারে ছাপা উন্নতমানের হয়।
- লেজার প্রিন্টারে ছাপার খরচ অনেক বেশি হয় অন্যান্য প্রিন্টারের তুলনায়।
- লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন, স্পিড অন্যান্য প্রিন্টারের চেয়ে বেশি।
- প্রিন্টারের রেজুলেশন DPI এবং গতি PPM (Pages per minute) এ পরিমাপ করা হয়।
- বর্তমানে একটি লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন ১২০০ DPI এবং গতি ২৪ PPM.

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
১,০৯৬.
মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান কাজ কী?
  1. নির্দেশাবলী কার্যকর করা
  2. ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা
  3. RAM-এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করা
  4. সার্কিটকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান কাজ হলো নির্দেশাবলী কার্যকর করা। এটি একটি কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট (CPU) যা কম্পিউটারের মস্তিষ্কের মতো কাজ করে। মাইক্রোপ্রসেসর বিভিন্ন ধরনের ইনপুট নেয়, যেমন প্রোগ্রামের কোড বা ব্যবহারকারীর নির্দেশ, এবং এগুলিকে প্রসেস করে আউটপুট তৈরি করে। এটি গণনা, লজিক্যাল অপারেশন, এবং ডেটা স্থানান্তরসহ বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করতে সক্ষম। অন্য অপশনগুলো—ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ, RAM-এর ক্ষমতা বৃদ্ধি, বা সার্কিটকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা—মাইক্রোপ্রসেসরের কাজের অংশ নয়। এগুলো আলাদা উপাদান যেমন মেমোরি বা পাওয়ার সাপ্লাই দ্বারা সম্পন্ন হয়। তাই, মাইক্রোপ্রসেসরের মূল কাজ হল নির্দেশাবলী কার্যকর করা।

• মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো একটি ক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ যা CPU-এর গাণিতিক, যুক্তিগত ও নিয়ন্ত্রণ কার্য সম্পাদন করে।
- এটি একটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) যা প্রোগ্রামের নির্দেশনা ব্যাখ্যা ও সম্পাদন করতে পারে।

• উদ্ভব ও বিকাশ:
- LSI (Large Scale Integration) প্রযুক্তির মাধ্যমে ১৯৭০-এর দশকে হাজার হাজার যন্ত্রাংশ একত্রে একটি সিলিকন চিপে বসানো সম্ভব হয়।
- বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর ছিল Intel 4004, যা ১৯৭১ সালে বাজারে আসে।
- VLSI (Very Large Scale Integration) প্রযুক্তির মাধ্যমে ১৯৮০-এর দশকে মাইক্রোপ্রসেসরের ঘনত্ব ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।
- ২০১০-এর দশকে একটি ছোট চিপেই বিলিয়ন সংখ্যক যন্ত্রাংশ বসানো সম্ভব হয়েছে।

• মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান কাজগুলো হলো-
- ইনপুট ও আউটপুট অংশগুলোর সংগে কাজের সমন্বয় সাধন করা।
- গাণিতিক/যুক্তির কাজ করা।
- কম্পিউটারের স্মৃতিতে সঞ্চিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করা।
- স্মৃতি ও গাণিতিক/যুক্তি অংশের তথ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজ এবং অন্যান্য অংশের সাথে তথ্য বিনিময়ের কাজ নিয়ন্ত্রণ করা।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

১,০৯৭.
OTG-cable is not related to -
  1. ক) Smart Phone
  2. খ) RAM
  3. গ) Camcorder
  4. ঘ) DSL
ব্যাখ্যা
OTG মূলত এক ধরণের Cable যার মাধ্যমে Data transfer করা যায়।
১,০৯৮.
RAM বলতে কী বোঝায়?
  1. Read Write Memory
  2. Main Storage
  3. Volatile Memory
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা

• RAM বলতে Random Access Memory বোঝায়, যা কম্পিউটারের মুখ্য কার্যকরী স্মৃতি (Main Storage) হিসেবে কাজ করে। এটি Volatile Memory, অর্থাৎ কম্পিউটার বন্ধ হলে এর মধ্যে থাকা তথ্য মুছে যায়। RAM-এর মাধ্যমে প্রসেসর দ্রুত তথ্য পড়তে ও লিখতে পারে, যা সিস্টেমের পারফরম্যান্স বাড়াতে সহায়তা করে। তাই RAM হলো এমন একটি মেমোরি যা ডেটা Read ও Write উভয়ভাবে সমর্থন করে এবং অস্থায়ীভাবে তথ্য সংরক্ষণ করে। সংক্ষেপে বলা যায়, RAM হলো Read Write Memory, Main Storage, এবং Volatile Memory-এর সব মিলিত বৈশিষ্ট্যের একটি স্মৃতি। সুতরাং সঠিক উত্তর: ঘ) সবগুলো।

• কম্পিউটার মেমরি:
- কম্পিউতার মেমরি প্রধানত ২ প্রকার। যথা:
১) প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory)
২) গৌণ/ সহায়ক মেমরি (Secondary Memory)

• প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory):
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে সকল মেমোরিতে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় তাদেরকে Volatile Memory বলে।
- RAM( Random Access Memory) এবং ROM(Read Only Memory) কে প্রাথমিক মেমরি বলা হয়।
- RAM কে Volatile Memory বলে।
- RAM কে Main Storage এবং Read Write Memory ও বলা হয়।
- ROM কে Non Volatile Memory বলে।

• গৌণ/ সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- প্রধান মেমরি ব্যতিত সকল ধরনের মেমরিকে সহায়ক মেমরি বলে। যেমন: Hard Disk, Pem Drive.

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেনী।
২। ব্রিটানিকা

১,০৯৯.
DRAM কী দ্বারা তৈরি হয়?
  1. মসফেট ট্রানজিস্টর ও ক্যাপাসিটর
  2. রেজিস্টর ও ক্যাপাসিটর
  3. ফ্লিপ-ফ্লপ ও ট্রানজিস্টর
  4. রেজিস্টর ও ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা
• সাধারণত RAM দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১। স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM) ও
২। ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM)।

• স্ট্যাটিক র‍্যাম:
- SRAM-এর পূর্ণরূপ Static Random Access Memory.
- এ ধরনের মেমরি ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, যা বাইনারি বিট (0 বা 1) ধারণ করে এবং ধারণকৃত ডেটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে।
- SRAM অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন হওয়ায় ভিডিও র‍্যাম, ক্যাশ মেমোরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।

• ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM):
- DRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Dynamic Random Access Memory.
- এটি সাধারণত মসফেট ট্রানজিস্টর (MOSFET - Metal Oxide Semiconductor Field Effect Transistor) ও ক্যাপাসিটরের সাহায্যে তৈরি।
- DRAM দুই ধরনের হয়। যথা-
১. SDRAM (Synchronous DRAM) ও
২. ASDRAM (Asynchronous DRAM).

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১০০.
কম্পিউটারের কর্মদক্ষতা ও গতি প্রধানত কোন উপাদানের দ্বারা প্রভাবিত হয়?
  1. এএলইউ
  2. সিপিইউ
  3. রেজিস্টার 
  4. মেমরি 
ব্যাখ্যা

◉ কম্পিউটারের গতি ও কর্মদক্ষতা নির্ভর করে সিপিইউ (Central Processing Unit)-এর ওপর, কারণ এটি সমগ্র সিস্টেমের "মস্তিষ্ক" হিসেবে কাজ করে। সিপিইউ-এর ডিজাইন, ক্লক স্পিড, কোর সংখ্যা এবং ক্যাশে মেমরি সরাসরি প্রসেসিং গতিকে প্রভাবিত করে।

সিপিইউ (CPU - Central Processing Unit):
- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।

সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit),
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit) ও
৩. স্মৃতি অংশ (Memory Unit)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।