বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটারের অঙ্গসংগঠন ও পেরিফেরালস

মোট প্রশ্ন২,০১৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটারের অঙ্গসংগঠন ও পেরিফেরালস

PrepBank · পাতা ১০ / ২১ · ৯০১১,০০০ / ২,০১৭

৯০১.
মাইক্রোপ্রসেসরের অংশ নয় কোনটি?
  1. Control Unit
  2. Execution Unit
  3. Arithmetic Logic Unit
  4. Register
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের VLSI(Very large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকে মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা-

১. নিয়ন্ত্রণ অংশ(Control Unit)
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ(Arithmetic Logic Unit)
৩. রেজিস্টার সমূহ(Register Set)


উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯০২.
মাদারবোর্ড এর অপর নাম কী?
  1. Main Board
  2. Procesor Board
  3. Circuit Board
  4. Control Board
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

• মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস:
- কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯০৩.
নিচের কোনটি RAM চিপ?
  1. ক) SRAID
  2. খ) DIMM
  3. গ) SRIM
  4. ঘ) rRAM
ব্যাখ্যা

DIMM এর পূর্ণরূপ Dual In-line Memory Module.
ইহা মাদারবোর্ড-এ অবস্থিত একটি RAM চিপ। 

একটি মাদারবোর্ড-এ সিপিউ, RAM চিপসমূহ (SIMM/DIMM), ROM চিপ (BIOS), DMA চিপ (Direct Memory Access), PIC চিপ (Programmable Intrupt Controller), PIT চিপ (Programmable Intrupt Timer), Expansion slotসমূহ ও DPI, কীবোর্ড সংযোগ পোর্ট, পাওয়ার সাপ্লাই পোর্ট, বিভিন্ন Jumper connection ও LED connection ইত্যাদি উপকরণসমূহ বিদ্যমান থাকে ।

 

উৎস : মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ – বি এড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৯০৪.
সিআরটি মনিটরের পিকচার টিউবে কয়টি মৌলিক বর্ণ থাকে?
  1. তিনটি
  2. দুইটি
  3. চারটি
  4. সাতটি
ব্যাখ্যা
• সিআরটি মনিটর:
- CRT এর পূর্ণরূপ হলো Cathod Ray Tube.
- সিআরটি মনিটরের প্রধান উপকরণ হলো পিকচার টিউব।
- টিউবের ভেতরের দিকে লাল, সবুজ ও আসমানি-এ তিনটি মৌলিক বর্ণের ফসফরাসের আবরণের প্রলেপ থাকে।
- পেছনের দিকে ইলেকট্রন বিম নিক্ষেপের জন্য একটি ইলেকট্রন গান থাকে।
- ইলেকট্রন বিম ফসফরাসের ওপরে পতিত হলে ফসফরাস উজ্জ্বল আলো নির্গত করে।
- ফসফরাসের ধরনের ভিত্তিতে মনিটরের পর্দায় প্রদর্শিত বিষয় এক রঙের বা বহু রঙের হতে পারে।
- ফসফরাসের আবরণটি অনেকগুলো বিন্দু বা ডটের সমন্বয়ে গঠিত। এদেরকে পিক্সেল বলা হয়।
- কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
- মনিটরের পর্দায় একটি ইমেজ বা চিত্র তখনই পূর্ণাঙ্গভাবে অবলোকন করা যায়, যখন ইলেকট্রন বিম সম্পূর্ণ স্ক্রিনটিকে স্ক্যান করে এবং প্রতিটি পিক্সেলকে উজ্জ্বল করে দেয়।
- পিক্সেলের সংখ্যার ওপর মনিটরের রেজুল্যশন নির্ভর করে। বর্তমানে প্রচলিত মনিটরগুলো সাধারণত ৬৪০০০ থেকে ২ মিলিয়ন পিক্সেলবিশিষ্ট হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৯০৫.
নিম্নোক্ত কোন ধরনের স্টোরেজ ডিভাইসটি অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে পরিচিত?
  1. SSD 
  2. DVD-ROM
  3. DRAM
  4. Magnetic Tape
ব্যাখ্যা

•  DRAM (Dynamic Random Access Memory) হলো এক ধরনের ভোলাটাইল মেমোরি, যা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে তার ডেটা হারিয়ে ফেলে।

• ভোলাটাইল মেমোরি:
- অস্থায়ী বা ভোলাটাইল মেমোরি হলো এমন এক ধরনের মেমোরি, যা ডেটা ধরে রাখতে বিদ্যুৎ সরবরাহের উপর নির্ভরশীল। 
- কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় তথ্য সংরক্ষণ করার জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে এই মেমোরিতে সংরক্ষিত সকল ডেটা মুছে যায়।
- এর মধ্যে DRAM (Dynamic Random Access Memory) সবচেয়ে প্রচলিত। এটি প্রধান মেমোরি (main memory) বা RAM হিসাবে কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- কম্পিউটার বন্ধ করলে, DRAM-এ থাকা সব তথ্য মুছে যায়।

উল্লেখ্য-
- SSD (Solid State Drive): এটি একটি নন-ভোলাটাইল স্টোরেজ ডিভাইস, যা বিদ্যুৎ ছাড়াই ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে।
- DVD-ROM: এটি একটি অপটিক্যাল স্টোরেজ মাধ্যম যা ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে এবং এটিও নন-ভোলাটাইল।
- Magnetic Tape: এটি দীর্ঘমেয়াদী ডেটা ব্যাকআপের জন্য ব্যবহৃত নন-ভোলাটাইল স্টোরেজ।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৯০৬.
RAM ইনস্টল করার জন্য মাদারবোর্ডে কী ধরনের মেমরি স্লট থাকে?
  1. DIMM
  2. PCIe
  3. SATA
  4. HDMI
ব্যাখ্যা

• RAM ইনস্টল করার জন্য মাদারবোর্ডে DIMM (Dual Inline Memory Module) ধরনের মেমরি স্লট থাকে। DIMM স্লট হলো দীর্ঘ আকারের, যেখানে RAM মডিউল উল্লম্বভাবে বসানো হয়। এটি মাদারবোর্ডের প্রসেসরের সাথে সরাসরি ডেটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে PCIe স্লট মূলত গ্রাফিক্স কার্ড বা অন্যান্য এক্সপ্যানশন কার্ডের জন্য, SATA পোর্ট স্টোরেজ ডিভাইস যেমন হার্ডড্রাইভ বা SSD সংযোগের জন্য, এবং HDMI পোর্ট ভিডিও আউটপুটের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই, মাদারবোর্ডে RAM স্থাপন করতে DIMM স্লটের উপস্থিতি অপরিহার্য। RAM ঠিকমতো কাজ করার জন্য স্লট এবং মডিউলের ধরণ মেলাতে হবে।

উত্তর: ক) DIMM.

মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভেতরে অবস্থিত সার্কিট বোর্ড যাতে সিস্টেম এর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযুক্ত করার ব্যাবস্থা থাকে।
- মাদারবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হলো: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি।
- মাদারবোর্ডকে প্রায়ই কম্পিউটার এর “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সবকিছুকে একত্রে ধরে রাখে ও সংযোগ দেয়।

​অবস্থান ও আকার:
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেসের (casing) ভেতরে সবচেয়ে বড় বোর্ড।
- একটি টাওয়ার কম্পিউটারে এটি উল্লম্বভাবে বাম বা ডান পাশে বসানো থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের মাদারবোর্ড বিভিন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
২। ব্রিটানিকা। 

৯০৭.
Which type of ROM is used in pen drive?
  1. Mask ROM
  2. PROM
  3. CD ROM
  4. EE PROM
ব্যাখ্যা
EEPROM: 
- EEPROM-এর পূর্ণরূপ হলো Electrically Erasable Programmable Read Only Memory. 
- EPROM-এর অসুবিধা হলো এতে সংরক্ষিত তথ্য মুছতে বেশি সময়, অর্থাৎ প্রায় আধা-ঘন্টা সময় লাগে এবং আংশিকভাবে কোনো তথ্য মোছা যায় না। এ ধরনের অসুবিধা দূর করার জন্যই মূলত EEPROM ব্যবহার করা হয়। 
- এ ধরনের রমের আংশিক বা সম্পূর্ণ ডেটা মোছা যায়। তবে তথ্য মুছতে EEPROM কে সার্কিট থেকে খুলতে হয় না বরং প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ প্রবাহ চালিয়ে তথ্য মুছে ফেলা যায় এবং নতুন তথ্য সংযোজন করা যায়। 
- এটি এমন এক ধরনের রম যা আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মির আলোর প্রয়োজন ছাড়াই ইলেকট্রনিকভাবে মুছে ফেলা এবং পুনরায় প্রোগ্রাম করা যায়। 
- এটি এমন অ্যাপ্লিকেশনগুলিতে ব্যবহৃত হয় যেখানে ডেটা ঘন ঘন পরিবর্তন করতে হয় যেমন- BIOS, স্মার্ট কার্ড এবং USB ফ্ল্যাশ ড্রাইভ ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Techopedia website.
৯০৮.
কোন স্টোরেজ ডিভাইসে কম্পিউটারে ডেটা অ্যাক্সেসের স্পিড সবচেয়ে বেশি?
  1. Hard Disk
  2. RAM
  3. ROM
  4. Register
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারে ডেটা অ্যাক্সেসের গতি নির্ভর করে স্টোরেজ ডিভাইসের ধরন ও প্রযুক্তির উপর। সাধারণভাবে, Register হল CPU-এর ভিতরে থাকা ক্ষুদ্র কিন্তু অত্যন্ত দ্রুত স্টোরেজ, যা তাত্ক্ষণিকভাবে ডেটা প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এর পরে আসে RAM, যা CPU এবং অন্যান্য ডিভাইসের মধ্যে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। ROM হলো স্থায়ী মেমোরি, যা সাধারণত ধীর এবং শুধুমাত্র পড়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। সবচেয়ে ধীর স্টোরেজ হলো Hard Disk, যা চুম্বকীয় বা মেকানিকাল প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে। তাই দ্রুততম ডেটা অ্যাক্সেসের জন্য Register সবচেয়ে উপযুক্ত।

• কম্পিউটারের মেমোরির গতি অনুযায়ী যদি সাজাই, তাহলে ক্রম হবে:
Register > Cache > RAM > ROM > Hard Disk.

রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন: অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।

• মেমরির ধারণক্ষমতা ও গতির ক্রম:


- পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
- আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।

এছাড়াও, 
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- RAM হলো অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি এবং ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হলো হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯০৯.
মাউসের কার্সরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে কোন ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়?
  1. F3
  2. F6
  3. F7
  4. F9
ব্যাখ্যা
• ফাংশন কী:
- কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে।
- তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়।

• কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কার্সরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।]
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯১০.
পেন্সিলের দাগ শনাক্তকরণে নিচের কোন ডিভাইসটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) স্ক্যানার
  2. খ) প্লটার
  3. গ) ওএমআর
  4. ঘ) ম্যাগনেটিক টেপ
ব্যাখ্যা
পেন্সিলের দাগ শনাক্তকরণে ওএমআর নামক ডিভাইসটি ব্যবহার করা হয়। 

- ওএমআর (OMR)-এর পুরো অর্থ হলো অপটিক্যাল মার্ক রিডার (Optical Mark Reader)।
- অপটিক্যাল মার্ক রিডার এমন একটি যন্ত্র যা পেন্সিল বা কালির দাগ (Mark) বুঝতে পারে।
- পেন্সিলের দাগ বোঝা যায় পেন্সিলের সীসের উপাদান গ্রাফাইটের বিদ্যুৎ-পরিবাহিতা বিচার করে।

OMR- এর ব্যবহার- 
- পরীক্ষার খাতার ফলাফল। 
- স্টুডেন্ট সমীক্ষা। 
- কোর্স অথবা টিচার এভালুয়েশন। 
- কোর্স রেজিস্ট্রেশন।

সূত্র- ৬৩ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৯১১.
ক্যাশ মেমরিকে কোন ধরণের কম্পিউটার মেমরি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়?
  1. Dynamic Memory
  2. Magnetic Memory
  3. Optical Memory
  4. Static Memory
ব্যাখ্যা

• ক্যাশ মেমরি একটি দ্রুতগতির, ছোট আকারের মেমরি যা প্রসেসরের সঙ্গে সরাসরি কাজ করে এবং প্রধান মেমরি থেকে তথ্য দ্রুত আনা ও পাঠাতে সাহায্য করে। এটি Static Memory (ঘ) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, কারণ এটি তথ্য সংরক্ষণ করতে নিয়মিত রিফ্রেশের প্রয়োজন হয় না, যা Dynamic Memory-র ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয়। ক্যাশ মেমরি সাধারণত RAM-এর তুলনায় দ্রুত এবং ছোট, এবং CPU-কে বারবার ধীর প্রধান মেমরি (যেমন DRAM) থেকে তথ্য আনার ঝামেলা থেকে মুক্ত রাখে। এই মেমরির সাহায্যে কম্পিউটার প্রোগ্রাম দ্রুত কার্যকর হয়, কারণ প্রায়শই ব্যবহৃত তথ্যকে ক্যাশে সংরক্ষণ করে প্রসেসর তা দ্রুত অ্যাক্সেস করতে পারে। তাই এটি দ্রুত এবং স্থায়ী তথ্য সংরক্ষণের জন্য Static Memory-এর উদাহরণ।
 
• ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৯১২.
মাদারবোর্ডে কোন অংশ গ্রাফিক্স কার্ড-এর সংযোগ স্থাপন করে?
  1. Optical Drive
  2. Hard Drive
  3. Power Supply
  4. Expansion Slots
ব্যাখ্যা

• মাদারবোর্ডে গ্রাফিক্স কার্ড সংযোগ করার জন্য Expansion Slots ব্যবহার করা হয়। এগুলি সাধারণত PCI Express (PCIe) ধরণের হয়। গ্রাফিক্স কার্ড একটি উচ্চগতির ডেটা ট্রান্সফার ডিভাইস, যা প্রসেসর এবং মেমরির সাথে দ্রুত যোগাযোগ করতে পারে। Optical Drive বা Hard Drive ডেটা সংরক্ষণ বা অপটিক্যাল ডিস্ক পড়ার জন্য ব্যবহৃত হয়, আর Power Supply শুধুমাত্র বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। তাই মাদারবোর্ডে গ্রাফিক্স কার্ড স্থাপনের জন্য Expansion Slotsই উপযুক্ত অংশ।

• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন, কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়া যায়।
- মাদারবোর্ডে Expansion Slots উপাদানটি CPU এবং RAM সংযুক্ত করে।
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে সম্প্রসারিত বাস বা এক্সপানশন বাস বলে।
- CPU এক্সপানশন বাসের সাহায্যে কম্পিউটারের ইনপুট/আউটপুট ও অন্যান্য পেরিফেরিয়াল ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করে।
- কম্পিউটারে বর্ধিত সুবিধা পাবার জন্য মাদারবোর্ডে কোনো ডিভাইস (যেমন- নেটওয়াক কার্ড, সাউন্ড কার্ড, এজিপি কার্ড, টিভি কার্ড ইত্যাদি) যে স্লটে স্থাপন করা হয় তাকে এক্সপানশন স্লট বলে।
- গতির দিক থেকে সকল এক্সপানশন বাস একই রকম হয় না।
- মাইক্রোপ্রসেসর যে গতিতে ডেটা সঞ্চালন করতে পারে অধিকাংশ এক্সপানশন বাস তার চেয়ে অনেক কম গতির হয়ে থাকে।
- উল্লেখযোগ্য এক্সপানশন বাসগুলো হচ্ছে- ISA বাস, EISA বাস, Local বাস ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯১৩.
নিচের কোনটি এনালগ কম্পিউটারের কাজের একটি উদাহরণ?
  1. জটিল গাণিতিক হিসাব সম্পন্ন করা
  2. ভোল্টেজের ওঠানামা পরিমাপ করা
  3. ডাটাবেস তৈরি করা
  4. ইন্টারনেট ব্রাউজিং করা
ব্যাখ্যা

• এনালগ কম্পিউটার:
- এনালগ কম্পিউটার হলো এমন এক ধরনের গণনাকারী যন্ত্র যা অবিচ্ছিন্ন ভৌত রাশি (যেমন- চাপ, তাপমাত্রা, ভোল্টেজ, বা গতির) পরিবর্তনের মাধ্যমে সরাসরি ডেটা পরিমাপ ও সমাধান করে।
- এগুলি সাধারণত বৈজ্ঞানিক ও শিল্পক্ষেত্রে, যেমন- রকেট বা ইঞ্জিনের গতি বিশ্লেষণে ব্যবহৃত হতো।
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মতো এটি সংখ্যা ব্যবহার করে না, বরং দ্রুত Simulation বা মডেলিংয়ের জন্য পরিচিত।

• এনালগ কম্পিউটারের মূল বৈশিষ্ট্য:
কার্যপদ্ধতি: এটি বৈদ্যুতিক ভোল্টেজ বা যান্ত্রিক মুভমেন্ট ব্যবহার করে সমস্যার সমাধান করে।

উদাহরণ: স্লাইড রুল, স্পিডোমিটার, থার্মোমিটার, এবং পুরনো দিনের ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার।

সুবিধা: নিরবিচ্ছিন্ন ডেটা সরাসরি প্রক্রিয়া করে বলে দ্রুত ফলাফল প্রদান করতে পারে।

অসুবিধা: ডিজিটাল কম্পিউটারের তুলনায় কম নিখুঁত (precision কম) এবং এদের মেমোরি ক্ষমতা নেই।

বর্তমান অবস্থা: বর্তমানে দ্রুততর ও নির্ভুল ডিজিটাল কম্পিউটারের কারণে এনালগ কম্পিউটারের ব্যবহার কমে গেছে, তবে কিছু বিশেষ শিল্পক্ষেত্রে এখনো ব্যবহৃত হয়

উৎস: Britannica [Link]

৯১৪.
নিচের কোন মেমােরিটিতে Access Time সবচেয়ে কম?
  1. Registers
  2. SSD
  3. RAM
  4. Cache memory
ব্যাখ্যা
• Register মেমোরিটিতে Access Time সবচেয়ে কম।


- চিত্রে, পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি। আবার পিড়ামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।
- CD, RAM এর চেয়ে Cach Memory তে সবচেয়ে দ্রুত অ্যাক্সেস করা যায়।

• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী। রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-বিট রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- কম্পিউটারের রেজিস্টার মেমোরি একসেস সবচেয়ে কম।
- কম্পিউটারের প্রসেসরের সবচেয়ে কাছে থাকে রেজিস্টার, তাই এর ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড তুলনামূলক বেশি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯১৫.
Dot Matrix is a ____
  1. printer
  2. Scanner
  3. Mouse
  4. Key-board
ব্যাখ্যা
• প্রিন্টার (Printer):
- প্রিন্টার কম্পিউটারের একটি আউটপুট ডিভাইস।
- কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফলকে লিখিত আকারে পাওয়ার জন্য প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়। 
- উদাহরণ: ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার, লেজার প্রিন্টার, ইংকজেট প্রিন্টার, থার্মাল প্রিন্টার ইত্যাদি। 

• ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার (Dot matrix Printer): 
- এ ধরনের প্রিন্টারের প্রিন্টিং হেডের পিনের সাহায্যে কয়েকটি কালির ফোঁটা দিয়ে অক্ষর লেখা হয়।
- তবে প্রিন্টিং হেড ৯২,৪৪৮ পিন বা আরো বেশি পিনবিশিষ্ট হয়ে থাকে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯১৬.
Which of the following is considered a storage device?
  1. Joystick
  2. Projector
  3. DVD
  4. Scanner
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) DVD

কম্পিউটার পেরিফেরালসমূহকে কাজের উপর ভিত্তি করে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা-

১. ইনপুট ডিভাইস (Input Device)
২. আউটপুট ডিভাইস (Output Device) ও
৩. স্টোরেজ ডিভাইস (Storage Device) ।

ক) ইনপুট ডিভাইস:
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
উদাহরণ:
- কীবোর্ড,
- মাউস,
- স্ক্যানার,
- মাইক্রোফোন,
- জয়স্টিক।

খ) আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- স্পিকার,
- প্রজেক্টর।

গ) স্টোরেজ ডিভাইস:
উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত ভৌত মাধ্যমকে স্টোরেজ মিডিয়া বলে। যেমন-
- হার্ডডিস্ক,
- ম্যাগনেটিক টেপ,
- রি-রাইটেবল সিডি,
- ফ্লপিডিস্ক,
- কমপ্যাক্ট ডিস্ক বা সিডি,
- ডিভিডি,
- ফ্লাশ মেমোরি বা পেন ড্রাইভ,
- মেমোরি কার্ড।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৯১৭.
“QWERTY” শব্দটি কী বোঝায়?
  1. একটি অপারেটিং সিস্টেম
  2. এক ধরনের প্রিন্টার
  3. একটি কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা
  4. একটি কীবোর্ডের বিন্যাস
ব্যাখ্যা

• উত্তর: ঘ) একটি কীবোর্ডের বিন্যাস।

QWERTY হল কীবোর্ডের একটি জনপ্রিয় বিন্যাস যা সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। এর নাম আসে কীবোর্ডের প্রথম ছয়টি অক্ষর “Q-W-E-R-T-Y” থেকে। এটি মূলত টাইপরাইটারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল, যাতে সাধারণভাবে ব্যবহৃত অক্ষরগুলো একে অপরের কাছাকাছি না থাকে এবং টাইপিং চলাকালীন কীগুলোর জ্যাম কমানো যায়। আজকের সময়ে কম্পিউটার কীবোর্ডেও এই বিন্যাসটি প্রায়শই ব্যবহৃত হয়। QWERTY বিন্যাস শিক্ষার জন্য সহজ এবং দ্রুত টাইপিং করার জন্য মানক ধরা হয়েছে, এবং এটি বিভিন্ন ভাষায় সামান্য পরিবর্তনসহ প্রয়োগ করা হয়।

• ফাংশন কী:
- একটি স্ট্যান্ডার্ড QWERTY কী-বোর্ডের একদম উপরের সারিতে F1 থেকে F12 পর্যন্ত ফাংশন কী-গুলো সাজানো থাকে।

- QWERTY কী-বোর্ডে 'নিউমেরিক কী' থাকে ১৭ টি।
- ফাংশন কী থাকে ১২টি।
- অ্যারো কী থাকে ৪ টি।
- নেভিগেশন কী থাকে ১০টি।

উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল), নবম-দশম শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।

৯১৮.
Which of the following is not a type of hard disk drive?
  1. PATA
  2. SATA
  3. SCSI
  4. LCD
ব্যাখ্যা
LCD is not a type of hard disk drive.
LCD (Liquid Crystal Display) হলো একটি স্ক্রিন বা মনিটর প্রযুক্তি, এটি হার্ডডিস্ক ড্রাইভ বা স্টোরেজ ডিভাইস নয়।

হার্ডডিস্ক:
- হার্ডডিস্ক পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্কে রক্ষিত তথ্যসমূহ সহজে নষ্ট হয় না বলে প্রয়োজনীয় সকল প্যাকেজ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথাসমূহ হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা হয়।
- ডিস্কটি অধিক ধারণক্ষম বিধায় এখানে অনেক তথ্য সংরক্ষণ করা যায়।
- যে ডিভাইসের সাহায্যে হার্ডডিস্ক চালনা করা হয় তাকে হার্ডডিস্ক ড্রাইভ (Hard disk drive) বা সংক্ষেপে এইচডিডি (HDD) বলে।
- হার্ডডিস্ক ড্রাইভ এর কাজ হলো তথ্য লিখন ও পঠন এবং এর পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা।

- হার্ডডিস্ক ব্যবহারের জন্যে আলাদা ড্রাইভের প্রয়োজন হয় না।
- ডিস্ক এবং ড্রাইভ একসাথেই সংযোজিত থাকে।
- এক্ষেত্রে একাধিক ডিস্ক একসঙ্গে পর পর রেখে লিখন ও পঠনের কার্যাবলি সম্পাদন করা হয়।
- কেসিং-এর মধ্যে কয়েকটি ক্রু দ্বারা এটি স্থাপন করা হয় বিধায় ফ্লপি ডিস্কের ন্যায় এটিকে সহজে এক স্থান থেকে অন্যত্র স্থানান্তর করা যায় না।
- অন্যান্য ডিস্কের তুলনায় হার্ডডিস্ক অনেক দ্রুতগতিতে কার্যাবলি সম্পাদন করে।

হার্ডডিস্কের সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
- ধারণক্ষমতা অন্য যে কোনো স্টোরেজ মিডিয়ার চেয়ে বেশি।
- এ্যালুমিনিয়ামের পাতের উপরে ম্যাগনেটিক অক্সাইডের প্রলেপ দিয়ে হার্ডডিস্কে ডাটা সংরক্ষণ করা হয়।
- হার্ডডিস্ক দীর্ঘস্থায়ী এবং প্রোগ্রাম ও ডাটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অধিক নির্ভরশীল।
- ডেটা রিড এবং রাইট করার গতি অনেক বেশি।

বিভিন্ন ধরনের হার্ডডিস্ক ড্রাইভ রয়েছে:
কম্পিউটারের হার্ডডিস্ককে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
১. আইডিই বা পাটা (IDE/PATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
২. সাটা (SATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৩. স্ক্যাজি (SCSI) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৪. সাস (SAS) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৯১৯.
কীবোর্ডে মোট কয়টি ফাংশন কী থাকে?
  1. ১২০
  2. ১২
  3. ১৫
  4. ১০৫
ব্যাখ্যা
কী-বোর্ডে মোট ১২ টি ফাংশন কী থাকে।

- কি-বোর্ডে ১২টি ফাংশন কী রয়েছে।
- কি-বোর্ডে মোট ১০৫ টি কী রয়েছে।

• ফাংশন কী:
- ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯২০.
নিচের কোনটি হার্ডওয়্যার নয়?
  1. Operating system
  2. CPU
  3. Keyboard
  4. Hard disk
ব্যাখ্যা
সফটওয়্যার: 
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বিশেষ ধরনের কাজ বা ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি সফটওয়্যার। 
- আর্থিক ব্যবস্থাপনার জন্য স্প্রেডসিট অ্যানালাইসিস প্যাকেজ যেমন- লোটাস, মাইক্রোসফট এক্সেল ইত্যাদি অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়। 
- Power Point একটি মাইক্রোসফটের অ্যাপ্লিকেশন যা কম্পিউটারের সফটওয়্যারের অংশ।
- Operating System ও সফটওয়্যার এর অন্তর্ভূক্ত।

হার্ডওয়্যার: 
- কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্র বা যন্ত্রাংশকে হার্ডওয়্যার বলে। 
- ছোট, বড়, অতি গুরুত্বপূর্ণ, কম গুরুত্বপূর্ণ যেমন যন্ত্রই হোক না কেন, যন্ত্র মানেই হার্ডওয়্যার। 
- হার্ডওয়্যার হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায় এবং এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বহন করা যায়। 
- কী-বোর্ড, হার্ড ডিক্স, মনিটর, প্রিন্টার, মাউস, সিলিকন চিপ, সিপিইউ ইত্যাদি হার্ডওয়্যারের অংশ। 
- হার্ডওয়্যারকে কম্পিউটারের দেহ বলা যেতে পারে। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯২১.
কোনটি কন্ট্রোল ইউনিট সম্পর্কে সত্য?
  1. মেমরি, CPU এবং I/O ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করে
  2. লজিক্যাল ক্যালকুলেশন করে
  3. প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে
  4. ALU এর সমতুল্য
ব্যাখ্যা

• কন্ট্রোল ইউনিট (CU) কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা CPU-এর অন্যান্য উপাদানগুলোকে পরিচালনা এবং সমন্বয় করে। এটি মূলত মেমরি, ইনপুট/আউটপুট (I/O) ডিভাইস এবং Arithmetic Logic Unit (ALU)-এর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে, যাতে কম্পিউটার প্রোগ্রাম অনুযায়ী ঠিকমতো কাজ করতে পারে। CU নিজে কোনো লজিক্যাল ক্যালকুলেশন বা গণনা করে না; এটি শুধু নির্দেশাবলী পড়ে এবং সেগুলো কার্যকর করার জন্য সিগন্যাল পাঠায়। এটি প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারে না, বরং প্রোগ্রামকে নিয়ন্ত্রণ এবং পরিচালনা করে। ALU-এর সমতুল্য নয়, কারণ ALU গণনা ও লজিক্যাল অপারেশন সম্পাদন করে, যেখানে CU প্রধানত নির্দেশনামূলক নিয়ন্ত্রণের কাজ করে। 

​কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান পাঁচটি অংশ হলো:
১। ইনপুট ইউনিট (Input Unit)
২। নিয়ন্ত্রণ ইউনিট (Control Unit)
৩। গাণিতিক যুক্তি ইউনিট (Arithmetic Logic Unit)
৪। মেমোরি ইউনিট (Memory Unit)
৫। আউটপুট ইউনিট (Output Unit)

​নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit):
- কন্ট্রোল ইউনিটের প্রধান কাজ হলো মেমোরি থেকে নির্দেশনা কোড পড়া ও ডিকোড করা।
- মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা। যেমন—গাণিতিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের গাণিতিক যুক্তি অংশকে নিয়ন্ত্রণ সংকেতের মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান করা।
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিট বা কন্ট্রোল ইউনিট কম্পিউটারের সমস্ত অংশকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি থেকে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট থেকে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে - এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৯২২.
সিপিইউ-এর কোন অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে?
  1. নিয়ন্ত্রণ অংশ
  2. স্মৃতি অংশ
  3. গাণিতিক যুক্তি অংশ
  4. রেজিস্টার
ব্যাখ্যা
• গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit) হচ্ছে কম্পিউটারের ক্যালকুলেটর স্বরূপ। এই অংশ সকল গাণিতিক এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ করে থাকে।

• সিপিইউ (CPU):

- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।

• সিপিইউ-এর গঠন:
- সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা:
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit)
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit)
৩. স্মৃতি অংশ (Memory Unit)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯২৩.
যে স্মৃতিতে তথ্য শুধু পাঠ করা যায় কিন্তু নতুন তথ্য সংযোজন করা যায় না তাকে কি বলে?
  1. ক) RAM
  2. খ) ROM
  3. গ) CD
  4. ঘ) DVD
ব্যাখ্যা

ROM এ তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত হয়। এতে কোন তথ্য যুক্ত করা যায় না। RAM এ তথ্য মুছে ফেলে নতুন তথ্য সংযোজন করা যায়।
সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (মাহবুবুর রহমান)

৯২৪.
ন্যানো সেকেন্ড হলো এক সেকেন্ডের -
  1. ক) এক লক্ষ ভাগের এক ভাগ
  2. খ) এক কোটি ভাগের এক ভাগ
  3. গ) একশ কোটি ভাগের এক ভাগ
  4. ঘ) এক হাজার কোটি ভাগের এক ভাগ
ব্যাখ্যা
Nanosecond is one billionth of a second. অর্থাৎ এক সেকেন্ডের একশ কোটি ভাগের একভাগ। [source: dictionary.com]
৯২৫.
প্রক্রিয়াকরণের সময় কম্পিউটার তার যাবতীয় তথ্যাবলি ও প্রোগ্রাম যেখানে সংরক্ষণ করে তাকে কী বলে?
  1. ক) Cache Memory
  2. খ) RAM
  3. গ) ROM
  4. ঘ) Register
ব্যাখ্যা
র‍্যাম (RAM)
RAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Random Access Memory. র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়। তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায় বলে র‍্যামকে লিখন / পঠন (Read/Write Memory) স্মৃতিও বলা হয়। কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে। কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়। তাই একে ভোলাটাইল স্মৃতি বা অস্থায়ী স্মৃতিও বলা হয়।

র‍্যামের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. র‍্যাম এক ধরনের ভোলাটাইল মেমরি (Volatile Memory)।
২. তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়।
৩. র‍্যামের তথ্য বা প্রোগ্রামকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে পুনরায় সংরক্ষণ করা যায়।
৪. কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
৫. বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়।
৬. র‍্যামের প্রতিটি মেমরি সেলের জন্য অ্যাকসেস সময় সমান।
৭. প্রক্রিয়াকরণের সময় কম্পিউটার তার যাবতীয় তথ্যাবলি ও প্রোগ্রাম র‍্যাম সংরক্ষণ করে।

র‍্যামের প্রকারভেদ: সাধারণত RAM দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১. স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM) ও
২. ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM)

উৎস:
১. বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২. কম্পিউটার হোপ ওয়েবসাইট।
৯২৬.
নিচের কোন ডিভাইসটি একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে?
  1. প্রজেক্টর
  2. পেনড্রাইভ
  3. স্ক্যানার
  4. ফিল্ম রেকর্ডার
ব্যাখ্যা

পেনড্রাইভ (USB Flash Drive) একটি বিশেষ ধরনের স্টোরেজ ডিভাইস যা একইসাথে ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করতে সক্ষম।

ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
- Keyboard, Scanner, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
- Monitor,Multimedia Projector, Film Recorder, Printer, Plotter, Speaker, Image setter, Headphone ইত্যাদি।

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
- Pendrive, Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Modem ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯২৭.
মাইক্রোসফট এক্সেল ওয়ার্কশিটে ডাটা রিপ্লেস করতে কোন শর্টকাট কমান্ড ব্যবহৃত হয়?
  1. Ctrl R
  2. Shift R
  3. Ctrl H
  4. Ctrl F
ব্যাখ্যা
To replace text or numbers, press Ctrl+H, or go to Home > Editing Find & Select > Replace.
Source: support.microsoft.com
৯২৮.
নিচের কোনটি সিস্টেম বাসের অংশ নয়? 
  1. কন্ট্রোল বাস
  2. অ্যাড্রেস বাস
  3. ডেটা বাস
  4. এক্সপ্যানশন বাস
ব্যাখ্যা

• এক্সপ্যানশন বাস সিস্টেম বাসের অন্তর্ভুক্ত নয়; সিস্টেম বাসের অংশ হলো ডেটা, অ্যাড্রেস ও কন্ট্রোল বাস।

• সিস্টেম বাস (System Bus):

- যে সকল বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট–আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান–প্রদান করে, তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাস বলা হয়।

• ব্যবহারিক দিক থেকে সিস্টেম বাসকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়, যথা—
- ডেটা বাস (Data Bus),
- অ্যাড্রেস বাস (Address Bus),
- কন্ট্রোল বাস (Control Bus).

• এক্সপ্যানশন বাস (Expansion Bus):

- যে সকল বাস প্রধান বাসের সহায়ক বাস হিসেবে কাজ করে, সেগুলোকে এক্সপ্যানশন বাস বলা হয়।
- এক্সপ্যানশন বাস কম্পিউটারের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বিভিন্ন এক্সপ্যানশন ডিভাইস সংযুক্ত করতে সাহায্য করে।
 
• এক্সপ্যানশন বাসের প্রকারভেদ:
- আইএসএ বাস (ISA Bus),
- ইআইএসএ বাস (EISA Bus),
- ইউএসবি (USB),
- ফায়ারওয়ার বাস (FireWire Bus),
- এজিপি বাস (AGP Bus),
- লোকাল বাস (Local Bus):

• লোকাল বাস সাধারণত দুই প্রকার হয়ে থাকে। যথা—
i. ভেসা বাস (VESA Bus),
ii. পিসিআই বাস (PCI Bus)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯২৯.
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে ডকুমেন্টে জাস্টিফাই এলাইনমেন্টের জন্য চাপতে হয় -
  1. Ctrl + B
  2. Ctrl + I
  3. Ctrl + U
  4. Ctrl + J
ব্যাখ্যা

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড একটি প্যাকেজ প্রোগ্রাম সফটওয়্যার যার সাহায্যে নতুন ডকুমেন্ট তৈরি, পূর্বে তৈরিকৃত ডকুমেন্টে পরিবর্তন করা যায়।
ডকুমেন্টে কোনো শব্দকে বোল্ড করার জন্য সেটিকে মার্ক করে Ctrl + B চাপতে হয়।
ইটালিক করার জন্য Ctrl + I, আন্ডারলাইন করার জন্য Ctrl + U চাপতে হয়।
ডকুমেন্টে জাস্টিফাই এলাইনমেন্টের জন্য Ctrl + J চাপতে হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৯৩০.
কোনটি ট্রানজিস্টর এর অংশ নয়?
  1. ক) Emitter
  2. খ) Base
  3. গ) Connector
  4. ঘ) Collector
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর:
- সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরী একটি ডিভাইস যেটি দুর্বল বৈদ্যুতিক সংকেতকে শক্তিশালী সংকেতে রূপান্তরিত করে।
- ১৯৪৮ সালে প্রথম ট্রানজিস্টর আবিষ্কার হয়।
- ট্রানজিস্টর সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরী। যেমন- সিলিকন, জার্মেনিয়াম।

প্রতিটি সেমিকন্ডাক্টর ট্রানজিস্ট্ররে ৩ টি অংশ থাকে।
E - Emitter
B - Base
C - Collector

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯৩১.
পার্সোনাল কম্পিউটারে মাইক্রোপ্রসেসর এর গতি পরিমাপ করা হয়-
  1. ক) GB এককে
  2. খ) GHz এককে
  3. গ) BIPS এককে
  4. ঘ) TBS এককে
ব্যাখ্যা

সাধারণত মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MHz বা GHz এ। কিন্তু মিনি ও মেইনফ্রেম কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MIPS (Millions of Instructions per Second) বা BIPS (Billions of Instructions per Second) এ।
আবার সুপার কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MFLOPS (Millions of Floating Point Operations per Second), GFLOPS (Giga of Floating Point Operations per Second), TFLOPS (Tera of Floating Point Operations per Second) ইত্যাদিতে।


সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৯৩২.
নিচের কোনটি আউটপুট ডিভাইস?
  1. ক) স্পিকার
  2. খ) ওসিআর
  3. গ) মাউস
  4. ঘ) কিবোর্ড
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট প্রাপ্ত ইনপুটকে ব্যবহারকারীর দেওয়া নির্দেশ অনুযায়ী প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পন্ন করে। প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পন্ন হলে তার ফল পাওয়া যায়। একে বলে আউটপুট। প্রক্রিয়াকরণের পর যে সকল যন্ত্রের সাহায্যে ফল পাওয়া যায় তাদেরকে বলা হয় আউটপুট ডিভাইস। যেমনঃ মনিটর, প্রিন্টার, স্পিকার, প্রোজেক্টর, প্লটার, হেডফোন ইত্যাদি।
৯৩৩.
কম্পিউটারে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলোর কাজ করে থাকে -
  1. ক) Control Unit
  2. খ) CPU
  3. গ) ALU
  4. ঘ) Memory Unit
ব্যাখ্যা
নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা (ALU) বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি।
আবার কোনো রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদান করে থাকে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত রাখে।
বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর প্রয়োজনে একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৯৩৪.
ROM- এ অবস্থিত ফার্মওয়্যারের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. হার্ডওয়্যারে প্রোগ্রাম করা স্থায়ী সফটওয়্যার
  2. ক্লাউডে চলা সফটওয়্যার
  3. RAM-এ সংরক্ষিত অস্থায়ী ডেটা
  4. অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
• ROM-এ অবস্থিত ফার্মওয়্যারের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো: ক) হার্ডওয়্যারে প্রোগ্রাম করা স্থায়ী সফটওয়্যার। ফার্মওয়্যার হলো এক ধরনের সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের সাথে সরাসরি কাজ করে এবং এটি সাধারণত ROM (Read-Only Memory)-এ সংরক্ষিত থাকে। এটি মূলত কম্পিউটারের বুটিং প্রক্রিয়া এবং হার্ডওয়্যারের প্রাথমিক নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়। ফার্মওয়্যার স্থায়ী বা সেমি-স্থায়ী হয় এবং ব্যবহারকারী সাধারণভাবে এটি পরিবর্তন করতে পারে না। এর উদাহরণ হলো BIOS বা UEFI, যা কম্পিউটার চালুর সময় হার্ডওয়্যারের কাজ শুরু করে। তাই ফার্মওয়্যারকে হার্ডওয়্যারে প্রোগ্রাম করা স্থায়ী সফটওয়্যার হিসেবে ধরা হয়।

• ROM (রম):
- ROM এর পূর্ণরূপ Read only memory.
- রমে যে তথ্য থাকে তাকে পরিবর্তন করা যায় না।
- রম ভিত্তিক প্রোগ্রামকে Firmware বলে।
- সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম তৈরি করার সময় কম্পিউটারের মেমরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তাকে ফার্মওয়্যার বলে।
- যেমন: PC-তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি। [ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ]।
৯৩৫.
যে মাল্টিমিডিয়াতে Text, Graphics, Sound পরস্পর সম্পর্কযুক্ত কিন্তু ব্যবহারকারীর কোন নিয়ন্ত্রণ নেই তাকে বলে-
  1. ক) ইন্টারএক্টিভ মাল্টিমিডিয়া
  2. খ) নন-ইন্টারএক্টিভ মাল্টিমিডিয়া
  3. গ) ডিজিট্যাল মাল্টিমিডিয়া
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

মাল্টিমিডিয়ার প্রকারভেদ
তথ্য পরিবেশনের প্রকৃতি অনুসারে মাল্টিমিডিয়াকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
১. ইন্টারএক্টিভ মাল্টিমিডিয়া ((Interactive Multimedia) ও
২. নন-ইন্টারএক্টিভ মাল্টিমিডিয়া (Non-Interactive Multimedia).

ইন্টারএক্টিভ মাল্টিমিডিয়া
ইন্টারএক্টিভ মাল্টিমিডিয়া হল পরস্পর ক্রিয়াশীল মাল্টিমিডিয়া। এই ধরনের মাল্টিমিডিয়াতে শব্দ, বর্ণ ও চিত্র সবই থাকে এবং এগুলো ব্যবহারকারী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত থাকে এবং একটির সাথে অপরটির সম্পর্কযুক্ত থাকে। ধরা যাক জীব বৈচিত্রের উপর একটি প্যাকেজ তৈরী করা হয়েছে। এই প্যাকেজে বিভিন্ন প্রাণীর তালিকা আছে। এখন হরিণ নামক প্রাণীটির উপর ক্লিক করলে হরিণের বিবরণ ও ছবি দেখা যাবে। যদি হরিণের ডাক শুনতে ইচ্ছা হয় তাহলে শব্দের জন্য নির্ধারিত স্থানে ক্লিক করলে তা শোনা যাবে। যদি হরিণের চলাফেরা ও আচরণ দেখতে চান তাহলে মুভি নামক স্থানে ক্লিক করলে তার চলাচল এবং আচরণ দেখা যাবে। এক্ষেত্রে একটি প্যাকেজের মধ্যে পরস্পর আন্তঃক্রিয়াশীল বিভিন্ন ধরনের সুবিধা রয়েছে। সুতরাং এই প্যাকেজটিকে বলা হয় ইন্টারএক্টিভ মাল্টিমিডিয়া।

নন-ইন্টারএক্টিভ মাল্টিমিডিয়া
কিছু কিছু মাল্টিমিডিয়াতে উপরোক্ত সুবিধা নেই। সেখানে শব্দ, স্থির ছবি, সচল ছবি, বর্ণ সবই আছে, কিন্তু নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতে নেই। এই ধরনের মাল্টিমিডিয়াকে নন-ইন্টারএক্টিভ মাল্টিমিডিয়া বলে। সাধারণত বিভিন্ন বাণিজ্যিক কোম্পানি ও সফটওয়্যার নির্মাতারা তাদের নির্মাণকৃত সামগ্রীকে আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপনের জন্য বা ডেমো দেখানোর জন্য নন-ইন্টারএক্টিভ মাল্টিমিডিয়া প্যাকেজ তৈরী করে থাকেন।

সুত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৩৬.
নিচের কোনটি সঠিক?
  1. ক) 1024 Bytes = 1MB
  2. খ) 1024 KB = 1GB
  3. গ) 1024 GB = 1TB
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার মেমোরি পরিমাপের একক:
1 Bit = Binary Digit
8 Bits = 1 Byte
1024 Bytes = 1 KB (Kilo Byte)
1024 KB = 1 MB (Mega Byte)
1024 MB = 1 GB (Giga Byte)
1024 GB = 1 TB (Terra Byte)
1024 TB = 1 PB (Petabyte)
1024 PB = 1 EB (Exa Byte)

উৎস: Computerhope website.
৯৩৭.
নিচের কোনটি সফটওয়্যার নয়?
  1. Mac OS
  2. Adobe Photoshop
  3. MS Office
  4. Disk drive
ব্যাখ্যা
• সফটওয়্যার:
- সাধারণত সফটওয়্যার বলতে কম্পিউটারের প্রোগ্রামসমূহের সমষ্টিকে বোঝানো হয়।
অর্থাৎ সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে।
- সফটওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে কার্যোপযোগী করা হয়।
- DOS, Windows, MS Office, Adobe Photoshop, Vedio Player, Pagemaker, Mac OS  ইত্যাদি হলো সফটওয়্যারের উদাহরণ ।

• হার্ডওয়্যার:
- হার্ডওয়্যার হলো কম্পিউটারের ভৌত সংগঠন। কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।
- সাধারণত কম্পিউটার হার্ডওয়্যারকে আমরা দেখতে পারি এবং স্পর্শ করতে পারি।
- কি-বোর্ড, মাউস, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড, ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি হলো কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৩৮.
A webcam that transmits live images over the internet is a -
  1. Output device
  2. Storage device
  3. Input device
  4. Processing device
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) Input device।
- Webcam হলো একটি ক্যামেরা যা লাইভ চিত্র ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রেরণ করে এবং এটি একটি ইনপুট ডিভাইস।
- ওয়েবক্যাম চলমান দৃশ্যকে ধাপে ধাপে স্থির চিত্র বা ফ্রেম হিসেবে ধারণ করে। এই ফ্রেমগুলো যত দ্রুত প্রদর্শিত হয়, চলমান দৃশ্যের অভিজ্ঞতা তত মসৃণ মনে হয়।

ইনপুট ডিভাইস:
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস। এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।

উদাহরণ:
- কি-বোর্ড (Keyboard),
- ওএমআর (OMR),
- মাউস (Mouse),
- ওয়েবক্যাম (Webcam),
- ওসিআর (OCR),
- ট্র্যাকবল (Trackball),
- স্ক্যানার (Scanner),
- জয়স্টিক (Joystick),
- ডিজিটাইজার (Digitizer),
- লাইটপেন (Light pen),
- বার কোড রিডার (Bar Code Reader),
- গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad),
- পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale),
- ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera), ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।

উদাহরণ:
- মনিটর (Monitor),
- প্রিন্টার (Printer),
- প্লটার (Plotter),
- স্পিকার (Speaker),
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector),
- ইমেজ সেটার (Image Setter),
- ফিল্ম রেকর্ডার (Film Recorder),
- হেডফোন (Headphone), ইত্যাদি।

স্টোরেজ ডিভাইস:
- Hard Disk, 
- USB Flash Drive, 
- Magnetic Tape, 
- Optical Storage Devices (CD-ROMs and DVD-ROMs), 
- Solid-State Drives (SSDs), 
- RAM (Random-Access Memory), 
- ROM (Read-Only Memory).

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৩৯.
কি-বোর্ডের পোর্ট কয় ধরণের হয়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
৯৪০.
Which of the following does not represent volatile memory?
  1. Cache
  2. RAM
  3. HDD
  4. Capacitors
  5. Register
ব্যাখ্যা

Hard Disk Drive (HDD) হলো একটি এটি একটি নন-ভোলাটাইল স্টোরেজ ডিভাইস, যা পাওয়ার বন্ধ থাকলেও ডেটা সংরক্ষিত রাখে।

• মেমরিকে সাধারণত দুটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়: Volatile (অস্থায়ী) এবং Non-Volatile (স্থায়ী)।

• ভোলাটাইল মেমোরি: 
- এই ধরনের মেমরি বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে তার মধ্যে থাকা সমস্ত তথ্য হারিয়ে ফেলে।
- এটি অস্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে।
- ভোলাটাইল মেমরির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এগুলোর গতি অত্যন্ত দ্রুত কিন্তু নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রয়োজন।
- RAM এবং ক্যাশ (Cache) মেমোরি, রেজিস্টার এগুলো ভোলাটাইল মেমোরির উদাহরণ। 
- কারণ এগুলো তথ্য সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে এবং পাওয়ার বন্ধ হলে ডেটা মুছে যায়।

নন-ভোলাটাইল মেমোরি:
- নন-ভোলাটাইল মেমরি হলো এমন ধরনের স্টোরেজ যা বৈদ্যুতিক শক্তি সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলেও সংরক্ষিত ডেটা স্থায়ীভাবে ধরে রাখে।
- এই মেমরির মূল বৈশিষ্ট্য হলো এটি পাওয়ার নির্ভরশীল নয় এবং দীর্ঘমেয়াদী ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- ROM, Hard Disk Drive (HDD), SSD, USB ড্রাইভ, মেমরি কার্ড এগুলো নন-ভোলাটাইল মেমোরির উদাহরণ। 
- অপারেটিং সিস্টেম, সফটওয়্যার প্রোগ্রাম, ব্যক্তিগত ফাইল, ডাটাবেস এবং সমস্ত ধরনের দীর্ঘমেয়াদী তথ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৯৪১.
নিচের কোনটি মাদারবোর্ড-এর অংশ?
  1. সিপিইউ
  2. রেজিস্টার
  3. মেমোরি
  4. উপরের সবকয়টি
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড (Motherboard):
- সিপিইউ, মেমোরি, রেজিস্টার এই সবগুলোই মাদারবোর্ড-এর অংশ।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড। যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৪২.
কম্পিউটারের কোন মেমোরি কখনো স্মৃতিভ্রংশ হয় না?
  1. ক) ROM
  2. খ) RAM
  3. গ) CD-ROM
  4. ঘ) Processor
ব্যাখ্যা
ROM- abbreviation for read only memory: a type of computer memory that holds information that can be used but not changed or added to; Basically it refers to permanency of the memory. Source: Cambridge Dictionary
৯৪৩.
মাদারবোর্ডের প্রধান কাজ কী?
  1. কম্পিউটারের বিদ্যুৎ সরবরাহ করা
  2. কম্পিউটারের সকল অংশকে সংযুক্ত করা
  3. মেমোরি সংরক্ষণ করা
  4. কেবলমাত্র ডিসপ্লেতে আউটপুট প্রদান করা
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হলো একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৪৪.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের 'সিস্টেম বাস' (System Bus)-এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ডেটা বাস
  2. কন্ট্রোল বাস
  3. লোকাল বাস
  4. অ্যাড্রেস বাস
ব্যাখ্যা

• সিস্টেম বাস: 
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।
- সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা -
১. ডেটা বাস (Data Bus ) 
২. অ্যাড্রেস বাস (Address Bus ) 
৩. কন্ট্রোল বাস (Control Bus
 
• এক্সপানশন বাস (Expansion Bus):
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে সম্প্রসারিত বাস বা এক্সপানশন বাস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
- CPU এক্সপানশন বাসের সাহায্যে কম্পিউটারের ইনপুট/আউটপুট ও অন্যান্য পেরিফেরিয়াল ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসর যে গতিতে ডেটা সঞ্চালন করতে পারে অধিকাংশ এক্সপানশন বাস তার চেয়ে অনেক কম গতির হয়ে থাকে।
- কম্পিউটার প্রযুক্তির বিকাশের বিভিন্ন পর্যায়ে অনেক ধরনের এক্সপানশান বাস আবিষ্কৃত হয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য।
- এক্সপানশন বাসগুলো হচ্ছে:
১. আইএসএ বাস (ISA-Industry Standards Architecture), 
২. ইআইএসএ বাস (EISA Extended Industry Standards Architecture), 
৩. লোকাল বাস (Local Bus) -
i. ভেসা (VESA-Video Electronic Standard Architecture), 
ii. পিসিআই (PCI- Peripheral Component Interconnect), 
৪. ইউএসবি (USB- Universal Serial Bus), 
৫. ফায়ারওয়্যার বাস (Fireware Bus) বা IEEE 1394, 
৬. এজিপি (AGP - Accelerated Graphics Port); ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
 
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৪৫.
বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষ্যে বিভিন্ন স্থানে পর্দায় খেলা দেখা হয়, এটি কোন ধরণের ডিভাইস?
  1. ক) ইনপুট
  2. খ) আউটপুট
  3. গ) ইনপুট-আউটপুট
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
ব্যবহারকারীর দেওয়া নির্দেশ অনুযায়ী প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পন্ন হলে তার ফলাফল পাওয়া যায়, একে বলে আউটপুট। 
প্রক্রিয়াকরণের পর যে সকল যন্ত্রের সাহায্যে ফলাফল পাওয়া যায় তাদেরকে বলা হয় আউটপুট ডিভাইস (Output Device)। 
পর্দার মাধ্যমে যেহেতু খেলা (ফলাফল) দেখা যায়, তাই এটি আউটপুট ডিভাইস। 

৯৪৬.
ডিস্কেট নামে পরিচিত নিচের কোনটি?
  1. ক) কমপ্যাক্ট ডিস্ক
  2. খ) হার্ডডিস্ক
  3. গ) স্টার্টআপ ডিস্ক
  4. ঘ) ফ্লপি ডিস্ক
ব্যাখ্যা
১৯৭৩ সালে ফ্লপি ডিস্কের প্রচলন শুরু হয়। এটি ডিস্কেট নামেও পরিচিত।
ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী ফ্লপি ডিস্ক দুই ধরনের।
সাধারণ ফ্লপি ডিস্কের ধারণ ক্ষমতা ৭২০ হতে ৮০০ কিলোবাইট পর্যন্ত এবং হাই ডেনসিটি ফ্লপি ডিস্কের ধারণ ক্ষমতা ১.২ হতে ১.৪ মেগাবাইট পর্যন্ত হতে পারে।
সূত্রঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড বই
৯৪৭.
ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টেশন ব্যবহৃত হয় কেন?
  1. ক) ডিস্ক ফরমেট করতে
  2. খ) ভাইরাস দূর করতে
  3. গ) ডিস্কের ফাইলগুলো পুনর্বিন্যস্ত করতে
  4. ঘ) ডিস্ক লক করতে
ব্যাখ্যা
ব্যবহারজনিত কারণে হার্ডডিস্কের ফাইলগুলো বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পরে, একে হার্ডডিস্কের অসজ্জিত অবস্থা বা ডিফ্রাগ বলে। এ অবস্থায় কোন তথ্য পড়তে অপেক্ষাকৃত বেশি সময়ের প্রয়োজন পড়ে। এ ক্ষেত্রে ডিস্কের সর্বোচ্চ কার্যকারিতা নিশ্চিত করার জন্য ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টেশন কমান্ড ব্যবহার করে ফাইলগুলো পুনর্বিন্যস্ত করা হয়।
৯৪৮.
What type of device is a Barcode Reader?
  1. Input Device
  2. Output Device
  3. Storage Device
  4. Processing Device
ব্যাখ্যা

বারকোড রিডার একটি ইনপুট ডিভাইস। 

Barcode Reader
- বারকোড রিডার বা বারকোড স্ক্যানার হলো একটি কম্পিউটার ইনপুট ডিভাইস, যা আলো রশ্মি ব্যবহার করে বারকোড স্ক্যান করে এবং সেই তথ্য কম্পিউটার সিস্টেমে ইনপুট করে।
- বারকোড হলো সমান্তরাল দাগ বা বিভিন্ন প্রস্থের রেখার একটি মুদ্রিত সিরিজ, যা বাইনারি সংখ্যা প্রকাশ করে, আর সেই বাইনারি সংখ্যা দ্বারা আসল সংখ্যা প্রকাশিত হয়।
- একটি হ্যান্ডহেল্ড স্ক্যানার বা বারকোড পেন কোডের উপর সরানো হয়, অথবা কোডটি স্ক্যানারের উপর দিয়ে সরানো হয়। এরপর কম্পিউটার সেই ডেটা প্রক্রিয়াজাত করে।
- বারকোড স্ক্যানার খুচরা দোকানের পয়েন্ট-অফ-সেল টার্মিনালে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়, যেখানে এটি পণ্য শনাক্ত করে, তাদের দাম নির্ধারণ করে এবং সেই তথ্য ক্যাশ রেজিস্টারে পাঠায়।

ইনপুট ডিভাইস:
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস। এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।

উদাহরণ:
- কি-বোর্ড (Keyboard),
- ওএমআর (OMR),
- মাউস (Mouse),
- ওসিআর (OCR),
- ট্র্যাকবল (Trackball),
- স্ক্যানার (Scanner),
- জয়স্টিক (Joystick),
- ডিজিটাইজার (Digitizer),
- লাইটপেন (Light pen),
- বার কোড রিডার (Bar Code Reader),
- গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad),
- পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale),
- ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera), ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।

উদাহরণ:
- মনিটর (Monitor),
- প্রিন্টার (Printer),
- প্লটার (Plotter),
- স্পিকার (Speaker),
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector),
- ইমেজ সেটার (Image Setter),
- ফিল্ম রেকর্ডার (Film Recorder),
- হেডফোন (Headphone), ইত্যাদি।

স্টোরেজ ডিভাইস
- Hard Disk, 
- USB Flash Drive, 
- Magnetic Tape, 
- Optical Storage Devices (CD-ROMs and DVD-ROMs), 
- Solid-State Drives (SSDs), 
- RAM (Random-Access Memory), 
- ROM (Read-Only Memory).

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৪৯.
Which of the following in computer that acts as a startup disk?
  1. ক) CD
  2. খ) Floppy disk
  3. গ) Hard disk
  4. ঘ) Memory
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের যে ডিস্কে সিস্টেম সফট্ওয়্যার থাকে সেই ডিস্ককেই স্টার্টআপ ডিস্ক বলে।
- বর্তমানে কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার থাকে।
- ফলে হার্ডডিস্কই কম্পিউটারের স্টার্টআপ ডিস্ক হিসাবে কাজ করে।
- অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ও এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মাঝখানে অবস্থান করে এবং এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের কাজগুলো করার ব্যাপারে সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করে ।

উৎস : মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৫০.
মাউসের মত ডেটা ইনপুটের জন্য ব্যবহৃত হয় কোনটি?
  1. ক) প্লটার
  2. খ) লাইট পেন
  3. গ) জয়স্টিক
  4. ঘ) BCR
ব্যাখ্যা
জয়স্টিক একটি হাতলযুক্ত ইনপুট ডিভাইস, যার হাতলটি সাধারণত গোলক আকৃতির বলের ওপর বসানো থাকে৷ আর হাতলটির চারপাশে কতিপয় বাটন বিদ্যমান থাকে৷ এটি মাউসের মতই ডেটা ইনপুটের জন্য ব্যবহৃত হয়৷ তবে জয়স্টিকের হাতলটি নাড়াচাড়ার মাধ্যমে পর্দার যেকোন স্থানে কার্সরকে স্থানান্তর করা যায়। এটি মূলত ভিডিও গেমস খেলার কাজে ব্যবহৃত হয়৷
সোর্সঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম।
৯৫১.
র‍্যাম কোথায় যুক্ত থাকে?
  1. ফ্লপি ডিস্ক
  2. এক্সপানশন বোর্ড
  3. এক্সটার্নাল ড্রাইভ
  4. মাদারবোর্ড
ব্যাখ্যা

র‌্যামঃ কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত একাধিক চিপ সমন্বয়ে র‌্যাম এলাকা গঠিত।
র‌্যাম হচ্ছে কম্পিউটারের কর্ম এলাকা। র‌্যামে সব ধরনের তথ্য লেখা ও পড়া যায়। র‌্যামে তথ্য জমা থাকে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে, ফলে র‌্যামের সব তথ্য অস্থায়ীভবে থাকে। এজন্য র‌্যামকে কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি বলা হয়।
কোন কারণে বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটারের সুইচ বন্ধ করলে র‌্যাম থেকে সব তথ্যই মুছে য়ায়। তাই র‌্যামকে ভোলাটাইল বলা হয়। সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৯৫২.
F1 কী সাধারণত কোন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. Rename করা
  2. Fullscreen মোড চালু/বন্ধ
  3. Restart করার জন্য
  4. Help মেনু খোলার জন্য
ব্যাখ্যা
F1 কী সাধারণত Help মেনু খোলার জন্য ব্যবহৃত হয়।

• ফাংশন কী:
ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।
- কি-বোর্ডে ১২টি ফাংশন কী রয়েছে।
- কি-বোর্ডে মোট ১০৫ টি কী রয়েছে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও
২। ব্রিটানিকা।
৯৫৩.
নিচের কোনটি আউটপুট হার্ডওয়্যার নয়?
  1. ক) ফিল্ম রেকর্ডার
  2. খ) প্লটার
  3. গ) এমআইসিআর
  4. ঘ) ইমেজ সেটার
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের বা প্রদানের কাজে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার জড়িত থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যার আউটপুট হার্ডওয়্যার নামে পরিচিত।
অর্থাৎ কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যারসমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রদর্শন করায় সেগুলোকে আউটপুট যন্ত্রাংশ বা আউটপট হার্ডওয়্যার বলা হয়।

উল্লেখযোগ্য আউটপট হার্ডওয়্যারসমূহ হলো:
- মনিটর (Monitor)
- প্রিন্টার (Printer)
- প্লটার (Ploter)
- স্পিকার (Speaker)
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector)
-  ইমেজ সেটার (Image Setter)
- ফিল্ম রেকর্ডার (Flim Recoder)
- হেড ফোন (Headphone) ইত্যাদি।

অপরদিকে, এমআইসিআর (MICR) হলো ইনপুট ডিভাইস। 

উৎস : মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৫৪.
নিচের কোনটি বড় মাপের আর্কিটেকচারাল নকশা বা মানচিত্র প্রিন্ট করার জন্য সবচেয়ে উপযোগী?
  1. লেজার প্রিন্টার
  2. ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার
  3. থার্মাল প্রিন্টার
  4. প্লটার
ব্যাখ্যা

• প্লটার (Plotter):
- প্লটার হলো বিশেষ ধরনের কম্পিউটার আউটপুট ডিভাইস বা প্রিন্টার, যা মূলত ভেক্টর গ্রাফিক্স ব্যবহার করে বড় আকারের নকশা, ম্যাপ, ইঞ্জিনিয়ারিং ড্রয়িং, বিলবোর্ড বা ব্যানার অত্যন্ত নিখুঁতভাবে প্রিন্ট করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি কলম, পেনসিল বা লেজার প্রযুক্তির মাধ্যমে চওড়া কাগজে বা বিভিন্ন মাধ্যমে উচ্চমানের গ্রাফিক্স তৈরি করে
- মূলত বৃহৎ আকারের ছবি, প্রতীক, মানচিত্র, আর্কিটেকচারাল ডিজাইন ইত্যাদির কাজে প্লটার ব্যবহৃত হয়। তাছাড়া ভবনের নকশা, বিশাল ও সূক্ষ্ণ যন্ত্রপাতির নকশা, মানচিত্র ইত্যাদির মুদ্রণ নেওয়ার জন্যও প্লটার ব্যবহৃত হয়।
- পিক্সেলের পরিবর্তে ভেক্টর বা রেখা ব্যবহার করায়, জ্যামিতিক নকশা অত্যন্ত সূক্ষ্ম হয়।
- কিছু প্লটার কাগজ বা ভিনাইল কাটার (Cutting) জন্যও ব্যবহৃত হয়।
- প্লটার সাধারণত ২ প্রকার। যথা-
১। ফ্ল্যাটবেড (Flat bed) প্লটার ও
২। ড্রাম (Drum) প্লটার

উৎস:
১। Lenovo [Link]
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৫৫.
ওয়ার্কশীটে ফর্মুলা লেখার জন্য ফর্মুলা বারে কোন চিহ্ন টাইপ করতে হয়?
  1. ক) =
  2. খ) <
  3. গ) >
  4. ঘ) +
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

ওয়ার্কশীটে ফর্মুলা লেখার জন্য ফর্মুলা বারে (=) চিহ্ন টাইপ করতে হয়।
যেমনঃ =sum(C9,C12) and =sum (C9:C12) দুইটাই sum এর সঠিক ফর্মুলা।
=sum(C9,C12) -- এটা শুধু C9 এবং C12 সেল দুটির যোগ করবে।
=sum(C9:C12) -- এভাবে লিখলে C9 থেকে C12 পর্যন্ত সকল সেলকে যোগ করবে।

৯৫৬.
A microprocessor is mainly made of—
  1. Plastic and metal
  2. Silicon
  3. Copper
  4. Aluminum
ব্যাখ্যা

• একটি microprocessor মূলত Silicon দিয়ে তৈরি করা হয়।
- Silicon একটি semiconductor material, যা বিদ্যুৎ পরিবাহিতা নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম।
- এই উপাদান দিয়েই transistor, diode, register এবং অন্যান্য electronic component তৈরি করা হয়।

• মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর (Microprocessor or Processor):
- কম্পিউটারের সামগ্রিক কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার ক্ষেত্রে যে হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর বলা হয়।
 
• গঠন ও প্রকৃতি:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকন দ্বারা তৈরি একটি বিশেষ ধরনের VLSI (Very Large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক VLSI সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ইলেকট্রনিক উপাদান—যেমন:  ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূতভাবে সংযোজিত থাকে।
 
• কার্যাবলি ও ভূমিকা:
- মাইক্রোপ্রসেসর মাইক্রোকম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- এটি ডেটা প্রক্রিয়াকরণ, নির্দেশনা নিয়ন্ত্রণ এবং গাণিতিক ও যৌক্তিক কাজ সম্পাদন করে।

• গুরুত্ব:
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক (Brain) বলা হয়, কারণ সমস্ত প্রক্রিয়া ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ এর মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৯৫৭.
প্লটার হলো এক ধরনের - 
  1. প্রিন্টার
  2. ইমেজ
  3. প্রোগ্রাম
  4. লেজার জেট
ব্যাখ্যা
প্লটার (Ploter): 
- প্লটার এক ধরনের বিশেষ ধরনের আউটপুট ডিভাইস যা প্রিন্টারের মতোই কাজ করে। 
- মূলত বৃহৎ আকারের ছবি, প্রতীক, মানচিত্র, আর্কিটেকচারাল ডিজাইন ইত্যাদির কাজে প্লটার ব্যবহৃত হয়। 
- তাছাড়া ভবনের নকশা, বিশাল ও সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতির নকশা, মানচিত্র ইত্যাদির মুদ্রণ নেওয়ার জন্যও প্লটার ব্যবহৃত হয়। 
- প্লটার সাধারণত ২ প্রকার। 
যথা: 
১. ফ্ল্যাটবেড (Flatbed) প্লটার ও 
২. ড্রাম (Drum) প্লটার। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৫৮.
কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য কোন ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়?
  1. ​F4
  2. F5
  3. ​F1
  4. F3
ব্যাখ্যা

◉ Microsoft Word বা Excel-এর মতো অফিস অ্যাপ্লিকেশনে, F4 কী ব্যবহার করা হয় সর্বশেষ কমান্ড বা কাজটি পুনরাবৃত্তি (Repeat) করার জন্য। 

ফাংশন কী:
- বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2......F12 নম্বরযুক্ত কী গুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।
- কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে।
- ফাংশন কী গুলোর মাধ্যমে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন, সম্পাদনার কাজ সহ মেনুর বিভিন্ন কমান্ড বা অপশন নির্বাচন করা হয়।

• কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয় ।
- F4 last action performed repeat করা যায় এবং কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৯৫৯.
নিচের কোনটি ডাটা পরিবহনের জন্য সুবিধাজনক?
  1. ক) স্পিকার
  2. খ) পেনড্রাইভ
  3. গ) প্রসেসর
  4. ঘ) পাওয়ার সাপ্লাই
ব্যাখ্যা
A USB flash drive is a data storage device that includes flash memory with an integrated USB interface. It is typically removable, re writable and much smaller than an optical disc.
৯৬০.
নিচের কোনটি পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেমের নাম নয়?
  1. IPS
  2. UPS
  3. LCD
  4. EPS
ব্যাখ্যা
LCD পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেম নয়।

• পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেম
- মেইন পাওয়ার সাপ্লাই লাইনের পাওয়ার চলে গেলে গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি নিরবিচ্ছিন্নভাবে চালু রাখার জন্য ব্যাটারি ব্যাংক যা চার্জ হয়ে পাওয়ার ধরে রাখে তাকে পাওয়ার ব্যাকআপ বলা হয়।
- পাওয়ার ব্যাকআপ পদ্ধতি বা ইনভার্টার হলো এমন একটি ডিভাইস যা ব্যাটারির সাহায্যে ডিসি সাপ্লাইকে ইলেকট্রিক্যাল বা ইলেকট্রনিক্স লোডের উপযোগী এসি পাওয়ার সাপ্লাই এ রূপান্তর করতে পারে।
- কার্য ও স্থানভেদে এ ধরনের পাওয়ার ব্যাকআপ পদ্ধতিকে IPS (Instant Power Supply), UPS (Uninterrupted Power Supply), EPS (Emergency Power Supply), QPS (Quick Power Supply) বলা হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) - নবম-দশম শ্রেণি।
৯৬১.
PC-তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে-
  1. ক) হার্ডওয়্যার
  2. খ) সফটওয়্যার
  3. গ) ফার্মওয়্যার
  4. ঘ) শেয়ারওয়্যার
ব্যাখ্যা
সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম তৈরি করার সময় কম্পিউটারের মেমরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তাকে ফার্মওয়্যার বলে। এ সকল প্রোগ্রাম কম্পিউটার ব্যবহারকারী পরিবর্তন করতে পারে না।
যেমনঃ PC-তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)
৯৬২.
Which of the following circuit is used as a 'Memory device' in computers?
  1. ক) Flip Flop
  2. খ) Rectifier
  3. গ) Comparator
  4. ঘ) Attenuator
ব্যাখ্যা
ফ্লিপ-ফ্লপ বা Latch 
- ফ্লিপ-ফ্লপ লজিক গেইট দ্বারা তৈরি এক ধরনের মেমরি উপাদান যা একটি বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে পারে।
- ফ্লিপ ফ্লপের দুটি স্থায়ী অবস্থা (0,1) আছে এবং ফ্লিপ ফ্লপ দুটি স্থায়ী অবস্থার যে কোন একটিতে থাকতে পারে । 
- ফ্লিপ-ফ্লপের একটি আউটপুট অপর আউটপুটের বিপরীত হয়।

ফ্লিপ-ফ্লপের ব্যবহার
১। বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২। সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩। ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬৩.
নিচের কোন মেমরিটি বিদ্যুৎ না থাকলে ডেটা ধরে রাখতে পারে না?
  1. RAM
  2. HDD
  3. SSD
  4. ROM
ব্যাখ্যা

• বিদ্যুৎ না থাকলে যে মেমরি ডেটা ধরে রাখতে পারে না, সেটি হলো RAM (Random Access Memory)। RAM একটি অস্থায়ী বা ভোলাটাইল মেমরি, যা কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায়ই শুধু তথ্য সংরক্ষণ করে। কম্পিউটার বন্ধ হয়ে গেলে বা বিদ্যুৎ চলে গেলে RAM-এ থাকা সব ডেটা মুছে যায়। বর্তমানে চলমান প্রোগ্রাম, সফটওয়্যার ও প্রসেসিং-এর জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য RAM-এ সাময়িকভাবে রাখা হয়, যাতে দ্রুত কাজ করা যায়। অন্যদিকে HDD, SSD ও ROM হলো নন-ভোলাটাইল মেমরি, যেগুলো বিদ্যুৎ না থাকলেও ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) RAM.
 
• ভোলাটাইল মেমরি:
- যে সকল মেমরিতে সংরক্ষিত ডাটা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে মুছে. যায় তাকে ভোলাটাইল মেমরি বলে।

• RAM:
- RAM-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory. র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়। তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়। 
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
- কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়। তাই একে ভোলাটাইল স্মৃতি বা অস্থায়ী স্মৃতিও বলা হয়।

• RAM-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো-
- র‍্যাম এক ধরনের ভোলাটাইল মেমরি (Volatile Memory) ।
- তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়।
- র‍্যামের তথ্য বা প্রোগ্রামকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে পুনরায় সংরক্ষণ করা যায়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৬৪.
অতিরিক্ত তথ্য ও প্রোগ্রাম যা প্রসেসর ব্যবহার করে না তা কোথায় স্টোর করা হয়?
  1. ইনপুট ইউনিট
  2. সেকেন্ডারি স্টোরেজ
  3. আউটপুট ইউনিট
  4. সিপিইউ
ব্যাখ্যা
• অতিরিক্ত তথ্য ও প্রোগ্রাম যা প্রসেসর ব্যবহার করে না তা সেকেন্ডারি স্টোরেজে স্টোর করা হয়।

• সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যার সমূহকে বলা হয় সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।
- সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস হলো স্টোরেজ ডিভাইস যা কম্পিউটারের প্রাথমিক স্টোরেজ, র‍্যাম এবং ক্যাশ মেমরির পাশাপাশি কাজ করে।
- এই ডিভাইসগুলি প্রায় সব ধরণের প্রোগ্রাম এবং আ্যাপ্লিকেশন সংরক্ষণ করে।
- এতে অপারেটিং সিস্টেম, ডিভাইস ড্রাইভার, অ্যাপ্লিকেশন এবং ব্যবহারকারী ডেটা আইটেম থাকতে পারে।
- হার্ডডিস্ক, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬৫.
CD-ROM is a
  1. ক) Semiconductor memory
  2. খ) Memory register
  3. গ) Magnetic memory
  4. ঘ) None of the above
ব্যাখ্যা
Compact Disc Read-Only Memory (CD-ROM) is a mass storage medium utilizing an optical laser technology. That is why the answer is none.
৯৬৬.
নিচের কোনটি output device নয়?
  1. ক) Monitor
  2. খ) Printer
  3. গ) OCR
  4. ঘ) Speaker
ব্যাখ্যা
ইনপুট ডিভাইসঃ যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড
- মাউস
- অপটিকাল রিডার
- জয়স্টিক
- মাইক্রোফোন
- স্ক্যানার
- গ্রাফিক্স প্যাড
- লাইট পেন
- ওয়েবক্যাম
- ওসিআর ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইসঃ যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর
 - প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসঃ  কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে
- পেনড্রাইভ
- টাচ স্ক্রিন
- মডেম

সূত্রঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় নবম দশম শ্রেণী ও কালের কণ্ঠ পত্রিকা
৯৬৭.
একটি ALU দ্বারা সম্পাদিত লজিক্যাল অপারেশনগুলির মধ্যে রয়েছে:
  1. Boot, Load, Shutdown
  2. Read, Write, Store
  3. Fetch, Decode, Execute
  4. AND, OR, NOT
ব্যাখ্যা

• একটি ALU (Arithmetic Logic Unit) মূলত গাণিতিক ও লজিক্যাল অপারেশন সম্পাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়। ALU-এর লজিক্যাল অপারেশনগুলি হলো এমন কাজ যা বাইনারি ডেটার উপর লজিক্যাল সিদ্ধান্ত নেয়। উদাহরণস্বরূপ, AND, OR, NOT অপারেশনগুলি ALU দ্বারা সরাসরি সম্পন্ন করা যায়, যেখানে AND দুটি বিটকে একত্রিত করে এবং ফলাফল নির্ধারণ করে, OR দুটি বিটের মধ্যে যেকোনো একটির উপস্থিতি দেখায়, আর NOT বিটের মান উল্টে দেয়। অন্যদিকে, Boot, Load, Shutdown, Read, Write, Store, Fetch, Decode, Execute এইগুলো ALU-র কাজ নয়; এগুলো মূলত প্রসেসরের নিয়ন্ত্রণ, মেমরি অ্যাক্সেস বা প্রোগ্রামের কার্যপ্রণালীর অংশ। সুতরাং, ALU-এর লজিক্যাল অপারেশন হলো AND, OR, NOT.

অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ডাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৯৬৮.
একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে কোন ডিভাইসটি?
  1. Point-of-sale
  2. Pendrive
  3. Mouse
  4. Plotter
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- 
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে  তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive ইত্যাদি।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬৯.
'CPU' এর কোন অংশকে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়?
  1. ক) Control Unit
  2. খ) ALU
  3. গ) Register
  4. ঘ) RAM
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় অংশ হলো সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট। সিপিইউ বলতে আগের দিনে বোঝাত কম্পিউটারের মধ্যবর্তী কেন্দ্রীয় অংশটিকে। এখন সিপিইউ বলতে শুধু মাইক্রোপ্রসেসরকে বোঝানো হয়। সিপিইউকে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়। সিপিইউকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- গাণিতিক যুক্তি ইউনিট, নিয়ন্ত্রণ ইউনিট, রেজিস্টার স্মৃতি। এই সিপিইউ'র গাণিতিক যুক্তি ইউনিটকে (ALU) কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়।
৯৭০.
B বিটবিশিষ্ট W টি শব্দ ধারণে সক্ষম কোনো মেমরির ধারণক্ষমতা-
  1. B বিট
  2. (W × B) বিট
  3. (W × B)/2 বিট
  4. W × (B/2) বিট
ব্যাখ্যা
মেমরির ধারণক্ষমতা বা ক্যাপাসিটি (Capacity): 
- কম্পিউটারের মেমরির ধারণক্ষমতা বলতে কম্পিউটার তার স্মৃতি স্থানে কতকগুলো বিট বা বাইট সংরক্ষণ করতে পারে তা বোঝায়। - মেমরির ধারণক্ষমতা পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে বিট।
- B বিটবিশিষ্ট W টি শব্দ ধারণে সক্ষম কোনো মেমরির ধারণক্ষমতা W × B বিট। যেমন- ৪ বিটের 1024টি শব্দ ধারণে সক্ষম মেমরির ধারণক্ষমতা হলো (1024 × ৪)টি বিট = 8192 বিট।
- মেমরির ধারণ ক্ষমতা প্রকাশ করা হয় বিট, বাইট, কিলোবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট, টেরাবাইট, পেটাবাইট ইত্যাদি দ্বারা। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৭১.
কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট কয়টি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
ব্যাখ্যা
• CPU:
- CPU এর পূর্ণরূপ Central Processing Unit.
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।
- CPU কে কম্পিউটারের ব্রেইন বলা হয়।
- তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে CPU বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট গঠিত। যথা-
১. Arithmatic Logic Unit
২. Control Unit
৩. Register

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৭২.
কম্পিউটারের Heart বলা হয় কোনটিকে?
  1. Memory
  2. Monitor
  3. CPU
  4. Disc
ব্যাখ্যা
CPU: 
- CPU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Central Processing Unit. 
- কম্পিউটার ব্রেইন বা হার্ট বলতে CPU কে বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলকে বুঝায়। 
- কম্পিউটারের প্রদত্ত সব কমান্ড প্রক্রিয়াকরণ হয় CPU তে। 
- এটিই কম্পিউটারের সবকিছুর নিয়ন্ত্রক। 
- তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে CPU গঠিত। 
• ALU (Arithmetic Logic Unit), 
• Control Unit এবং 
• Memory/Register. 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯৭৩.
কিউয়ার্টি কীবোর্ডে 'T' বর্ণের ঠিক ডান পাশে কোন বর্ণটি আছে?
  1. Y
  2. U
  3. R
  4. S
ব্যাখ্যা
• কিউয়ার্টি (QWERTY) কীবোর্ড হলো ইংরেজি টাইপিং কীবোর্ডের একটি প্রচলিত বিন্যাস, যার নামকরণ হয়েছে উপরের সারির প্রথম ছয়টি বর্ণ (Q, W, E, R, T, Y) অনুসারে। এই বিন্যাসে প্রতিটি বর্ণ একটি নির্দিষ্ট স্থানে সাজানো থাকে যেন টাইপ করার সময় আঙুলের গতি দ্রুত হয় ও হাতের অবস্থান স্বাভাবিক থাকে। এখন, প্রশ্ন অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে—'T' বর্ণের ঠিক ডান পাশে কোন বর্ণটি অবস্থান করে? যদি কীবোর্ডের উপরের সারি পর্যবেক্ষণ করি, তাহলে দেখতে পাই যে ‘T’-এর ঠিক ডান পাশে আছে 'Y' বর্ণটি। অর্থাৎ, বাম থেকে ডানে সাজানো বর্ণগুলোর ক্রম হলো: Q, W, E, R, T, Y, U, I, O, P। অতএব, সঠিক উত্তর: ক) Y.

• QWERTY:
- সবচেয়ে প্রচলিত লে-আউট।
- যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, বাংলাদেশ সহ অনেক দেশে ব্যবহৃত হয়।
- নাম এসেছে প্রথম ছয়টি অক্ষর থেকে: Q-W-E-R-T-Y

• AZERTY:
- এই লেআউট টি ফ্রান্স, বেলজিয়ামে ব্যবহৃত হয়।
- এখানে A এবং Z দিয়ে শুরু হয়।

• QWERTZ:
- এই লেআউট টি জার্মানি ও মধ্য ইউরোপে ব্যবহৃত হয়।
- এখানে কীবোর্ডে  Y ও Z এর অবস্থান অদলবদল হয়।

তথ্যসূত্র: 
- KeyBoard layout, Microsoft.
- Introduction to Computers by Peter Norton.
৯৭৪.
নিচের কোন ডিভাইসটি ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যালে পরিবর্তনে ব্যবহৃত হয়?
  1. Router
  2. Switch
  3. Modem
  4. HUB
ব্যাখ্যা
• Modem ডিভাইসটি ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যালে পরিবর্তনে ব্যবহৃত হয়।

• মডেম:
- মডেম একটি ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কিৎয়ের ক্ষেত্রে মডেম গুরুতপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- মডেম এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে।
- মডেমের দুটি অংশ। যথা:
১. মডুলেটর ও
২. ডি-মডুলেটর।
- মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রূপান্তর করে।
- এই রূপান্তরের ক্রিয়াকে বলা হয় মডুলেশন।
- ডিমডুলেটর আ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে।
- এই রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডিমডুলেশন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৭৫.
সাধারণভাবে কোন ক্যাশ লেভেলটি আকারে সবচেয়ে ছোট ও গতিতে সবচেয়ে দ্রুত?
  1. L1 Cache
  2. L2 Cache
  3. L3 Cache
  4. Main Memory
ব্যাখ্যা

• সাধারণভাবে L1 ক্যাশ আকারে সবচেয়ে ছোট এবং গতিতে সবচেয়ে দ্রুত। এটি প্রসেসরের ভেতরে সরাসরি সংযুক্ত থাকে এবং প্রসেসরের যেকোনো রেজিস্টারের সাথে খুব দ্রুত ডেটা আদান-প্রদানে সক্ষম। L1 ক্যাশ সাধারণত কয়েক দশক কিলোবাইট (KB) সীমার মধ্যে থাকে, তাই এটি সীমিত কিন্তু অত্যন্ত দ্রুত। L2 এবং L3 ক্যাশ তুলনায় বড় হলেও ধীরগতির হয়, আর মেইন মেমরি (RAM) অনেক বড় হলেও তার এক্সেস টাইম অনেক বেশি। তাই CPU দ্রুততর প্রসেসিংয়ের জন্য L1 ক্যাশকে প্রথম স্তরের (Level 1) ডেটা স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহার করে, যা প্রোগ্রামের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। L1 ক্যাশের দ্রুততা এবং সরাসরি অ্যাক্সেস ক্ষমতার কারণে এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
 
ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়। 
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৯৭৬.
CPU-এর প্রধান কাজ নয় কোনটি?
  1. গাণিতিক যুক্তি সমাধান
  2. যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়া
  3. স্থায়ীভাবে ডাটা সংরক্ষণ করা
  4. নির্দেশনা কার্যকর করা
ব্যাখ্যা
• স্থায়ীভাবে ডাটা সংরক্ষণ করা CPU-এর প্রধান কাজ নয়। 

• সিপিইউ:
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সিপিইউ (সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট) বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ বলে।

• সিপিইউ এর বৈশিষ্ট্য:
- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
- প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটকে প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে আরো কিছু যান্ত্রিক অংশ সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে। 
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।

• সিপিইউ-এর সংগঠন:
সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-
- গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmatic Logic Unit)। 
- নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit)। 
- স্মৃতি অংশ (Memory Unit)। 

• CPU-এর প্রধান কাজ:
→ গাণিতিক যুক্তি সমাধান:
- ALU (Arithmetic Logic Unit) দ্বারা যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশন (AND, OR, NOT) সম্পাদন করে।
→ যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়া:
- ALU ও Control Unit যৌক্তিক অপারেশনের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয় (যেমন: IF...THEN শর্ত)।
→ নির্দেশনা কার্যকর করা:
- Control Unit প্রোগ্রামের প্রতিটি নির্দেশনা পড়ে এবং ALU, রেজিস্টার ইত্যাদিকে পরিচালনা করে।
→ ডেটা স্থানান্তর:
- রেজিস্টার, RAM, এবং I/O ডিভাইসের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে।

• ডেটা সংরক্ষণের জন্য RAM, ROM, হার্ড ডিস্ক, বা SSD ব্যবহৃত হয়।
- CPU শুধু অস্থায়ী ডেটা রেজিস্টারে রাখে (যেমন: Cache), যা পাওয়ার অফ করলে মুছে যায়।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- ব্রিটানিকা।
৯৭৭.
আধুনিক স্মার্টফোনে চার্জিং ও ডেটা আদান-প্রদানের জন্য নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. USB
  2. VGA
  3. HDMI
  4. LAN Port
ব্যাখ্যা

- USB-এর পূর্ণরূপ হলো Universal Serial Bus (ইউনিভার্সাল সিরিয়াল বাস)।
- এটি একটি আধুনিক প্রযুক্তি যা কম্পিউটার ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসের (যেমন: মাউস, কীবোর্ড, প্রিন্টার, স্ক্যানার, পেনড্রাইভ, ডিজিটাল ক্যামেরা ইত্যাদি) মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান এবং বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ব্যবহৃত হয়
- এটি প্লাগ-এন্ড-প্লে প্রযুক্তির মাধ্যমে সহজে সংযুক্ত করা যায় এবং বর্তমানে স্মার্টফোন চার্জিংয়েও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়
- USB সমর্থিত ডিভাইসসমূহ এ জাতীয় পোর্টে সংযুক্ত করা হয়। সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম ইউনিটের সামনে বা পেছনে ২ থেকে ৪টি USB পোর্ট থাকে। 
- USB ধরন: USB 2.0, USB 3.0, এবং আধুনিক USB Type-C ।
- আগের প্রযুক্তির তুলনায় ডেটা ট্রান্সফার দ্রুততর এবং এটি সার্বজনীন অর্থাৎ, একটিমাত্র পোর্টের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরণের ডিভাইস ব্যবহার করা সম্ভব।

উৎস:
১। Lenovo [Link]
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৭৮.
Which device is used as both an input and output device?
  1. Modem
  2. Printer
  3. OMR
  4. Mouse
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ডিভাইস:
→ যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
→ কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
→ কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
→ কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- 
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস: 
→ কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে। 
→ কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Pendrive, Modem, Touch screen ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৭৯.
যদি সিপিইউকে খুব দ্রুত অল্প পরিমাণ তথ্য অ্যাক্সেস করতে হয়, তাহলে কোন কম্পোনেন্টটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. RAM
  2. Hard Drive
  3. Registers
  4. ROM
ব্যাখ্যা
• যদি সিপিইউকে খুব দ্রুত অল্প পরিমাণ তথ্য অ্যাক্সেস করতে হয়, তাহলে রেজিস্টার (গ) Registers সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। রেজিস্টার হলো সিপিইউর ভেতরে থাকা অতি দ্রুতগতি সম্পন্ন মেমোরি ইউনিট যা খুব ছোট পরিমাণ তথ্য ধরে রাখতে সক্ষম। এটি RAM বা অন্য মেমোরির তুলনায় অনেক দ্রুত কাজ করে। যখন সিপিইউ কোনো ডেটা বা নির্দেশনা (instruction) প্রক্রিয়া করে, তখন সেই তথ্য সাময়িকভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত হয়। রেজিস্টারের এই উচ্চগতি এবং সিপিইউর সরাসরি নিয়ন্ত্রণাধীন থাকার কারণে এটি অল্প পরিমাণ তথ্য দ্রুত অ্যাক্সেস করার জন্য সবচেয়ে কার্যকর উপাদান। RAM, ROM এবং হার্ড ড্রাইভ তুলনামূলকভাবে ধীর এবং সিপিইউ থেকে দূরে অবস্থান করে।

• প্রসেসর বা CPU এর সংগঠন এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে-
১) নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২) অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (গাণিতিক যুক্তি অংশ,
৩) রেজিস্টার বা মেমোরি (স্মৃতি)।

• নিয়ন্ত্রণ অংশ:
- কম্পিউটারে সম্পাদিত সমস্ত কাজের নিয়ন্ত্রন করে এ নিয়ন্ত্রণ অংশ।
- এ অংশ সিপিইউ, মেমোরি, এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। - কন্ট্রোল একক ROM ও RAM এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুসারে কাজ করতে কম্পিউটারের অন্য সব অংশকে আদেশ দেয়।
- তাহাড়া বাইনারি কোডের ইন্সট্রাকশনকে স্মৃতি থেকে গ্রহণ করে এবং এগুলোকে ডিকোড করে।

• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ভাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

• রেজিস্টার বা মেমোরি/স্মৃতি:
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
- কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৯৮০.
ROM BIOS-এ সংরক্ষিত ডেটা এবং নির্দেশাবলী কী নামে পরিচিত?
  1. সফটওয়্যার
  2. হার্ডওয়্যার
  3. ফার্মওয়্যার
  4. হিউম্যানওয়্যার
ব্যাখ্যা
ফার্মওয়্যার:
- ফার্মওয়্যার হলো কম্পিউটার বা ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মেমরিতে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বা কোডের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে।
- উদাহরণস্বরূপ, ROM BIOS বা UEFI-তে সংরক্ষিত ডেটা এবং নির্দেশাবলী হলো ফার্মওয়্যার।

হার্ডওয়্যার:
- হার্ডওয়্যার হলো কম্পিউটার সিস্টেমের ভৌত অংশ, যা দেখা যায়, স্পর্শ করা যায় এবং যন্ত্রাংশগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার কাজ করে।
- এর মধ্যে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড, হার্ড ডিস্ক, SSD, RAM, কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি।

সফটওয়্যার:
- সফটওয়্যার হলো প্রোগ্রাম বা নির্দেশাবলীর সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে নির্দেশনা দিয়ে ব্যবহারকারীর প্রয়োজনীয় কাজ সম্পাদন করে।
- এটি দুই ধরনের হতে পারে: সিস্টেম সফটওয়্যার (যেমন: অপারেটিং সিস্টেম, ডিভাইস ড্রাইভার) এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (যেমন: MS Office, Adobe Photoshop, ভিডিও প্লেয়ার)।

হিউম্যানওয়্যার:
- হিউম্যানওয়্যার হলো কম্পিউটার সিস্টেমের সাথে জড়িত মানুষ, যারা ডেটা সংগ্রহ, প্রোগ্রামিং, সিস্টেম ডিজাইন, হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সমন্বয় সাধন, এবং কম্পিউটার পরিচালনার মতো কাজ করে।
- এর মধ্যে রয়েছে প্রোগ্রামার, সিস্টেম অ্যানালিস্ট, নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার, টেকনিশিয়ান, এবং সাধারণ ব্যবহারকারী।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৮১.
নিচের কোনটি একই সাথে ট্রান্সমিটার ও রিসিভার?
  1. ক) সার্ভার
  2. খ) ক্যামেরা
  3. গ) রাউটার
  4. ঘ) কম্পিউটার কী-বাের্ড
ব্যাখ্যা
১. সাের্স : ক্যামেরা, মাইক্রোফোন, কম্পিউটার কী-বাের্ড ইত্যাদি
২. ট্রান্সমিটার : মডেম, রাউটার, টিভি স্টেশন, রেডিও স্টেশন, টেলিফোন ও মােবাইল ফোন কোম্পানির এক্সচেঞ্জ ইত্যাদি।
৩. মিডিয়াম : টেলিফোন লাইন, ফাইবার অপটিক ক্যাবল, মাইক্রোওয়েভ ইত্যাদি
৪. রিসিভার : মডেম, রাউটার, টেলিফোন এক্সচেঞ্জ ইত্যাদি।
৫, ডেসটিনেশন : কম্পিউটার, সার্ভার, টেলিফোন বা মােবাইল ফোন ইত্যাদি।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
৯৮২.
Which of the following is a modifier key?
  1. F2
  2. Home
  3. Backspace
  4. Ctrl
ব্যাখ্যা

• Ctrl (Control) হলো একটি মডিফায়ার কী কারণ এটি অন্য কোনো কী-এর সাথে সমন্বিত হয়ে বিশেষ কমান্ড বা শর্টকাট (যেমন: Ctrl+C) হিসেবে কাজ করে। মডিফায়ার কী মূলত কোনো কী-এর সাধারণ আউটপুটকে পরিবর্তন বা মডিফাই করার জন্য ব্যবহৃত হয়। Shift এবং Alt-ও মডিফায়ার কী-এর অন্তর্ভুক্ত।

• নেভিগেশন কী:
- এগুলোর সাহায্যে যেকোনো ডকুমেন্টে ঘুরে বেড়ানো যায়, কার্সারকে পরিচালনা করা যায়। নেভিগেশন কী এর মধ্যে রয়েছে: Arrow keys, Home key, End key, Page Up, Page Down, Insert, Delete ইত্যাদি। 

• ফাংশন কী:
- কীবোর্ডের একেবারে উপরের সারিতে বা বামদিকে F1 থেকে F12 চিহ্নিত ১২টি কী'কে ফাংশন কী বলা হয়।
- তথ্য সংযোজন বা ইনসার্ট করা, বিশেষ ধরনের নির্ধারিত নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাওশন কী ব্যবহৃত হয়।

• নিউমারিক কী:
- (0 -9) এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নিত কী গুলোকে নিউমেরিক কী বলে। ১৭ টি নিউমেরিক কী রয়েছে।

• মডিফায়ার কী:
- কীবোর্ডগুলোর মধ্যে Shift, Option, Command, Ctrl (Control), Alt প্রভৃতি কীগুলোকে বলা হয় মডিফায়ার কী (Modifier Key)।

• আলফানিউমেরিক কী:
- (A - Z) এবং (0 -9) এগুলো টাইপ রাইটারের মতো সাজানো থাকে। এগুলোকে আলফানিউমেরিক কী বলে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি, ব্রিটানিকা।

৯৮৩.
নিচের কোনটি মডিফায়ার কী?
  1. Home
  2. Insert
  3. Alt
  4. F1
ব্যাখ্যা
• কী-বোর্ড:
- কম্পিউটারে বিভিন্ন তথ্য বা নির্দেশনা প্রদান, প্রচলিত ভাষায় বর্ণ, অংক বা বিশেষ চিহ্ন প্রদান করার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে কী-বোর্ড ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে কী-বোর্ডের মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব কী-গুলো ব্যবহার করে কম্পিউটারকে সরাসরি মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব ব্রাউজিং সম্পর্কে নির্দেশ প্রদান করা যায়।
- সাধারণত দুই ধরনের কী-বোর্ড পাওয়া যায়। যথা: ১. স্ট্যান্ডার্ড কী-বোর্ড ও ২. এনহ্যান্সড কী-বোর্ড।
- কী-বোর্ডে ৯৪-১০০টি কী থাকে।

• ফাংশন কী:
- কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2, .... F12 নম্বরযুক্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।

• নেভিগেশন কী:
- কী-বোর্ডের Delete, Insert, Home, End, Page Up, Page Down, Arrow Keys সমূহ নেভিগেশন কী নামে পরিচিত। নেভিগেশন কী ১০টি রয়েছে।

• মডিফায়ার কী:
- Ctrl, Alt, the Windows logo key.

• নিউম্যারিক কী:
- নাম্বার 0 থেকে 9, Arithmetic operators: + (addition), - (subtraction), * (multiplication), and / (division) ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Microsoft website.
৯৮৪.
মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়-
  1. Optical Character Recognition
  2. Scanner
  3. Optical Mark Reader
  4. Magnetic Ink Character Recognition
ব্যাখ্যা
• ওসিআর (OCR):
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।

• স্ক্যানার (Scanner):
- স্ক্যানার একটি আধুনিকতম ইনপুট ডিভাইস যার সাহায্যে যেকোনো ধরনের ইমেজ বা ছবি, টেক্সট ইত্যাদি কম্পিউটারে ইনপুট করা যায়।
- এটির সাহায্যে যেকোনো ধরনের লেখা বা ইমেজ কম্পিউটারে ইনপুট করে প্রয়োজন অনুসারে পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন, বিভিন্ন রঙের ব্যবহার, একাধিক ইমেজের সংযোগ ইত্যাদি কার্যাবলি সম্পাদন করা যায়। তবে এ কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য মূলত ব্যবহারিক সফটওয়্যার (অ্যাডোব ফটোশপ) ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

• ওএমআর (OMR):
- OMR হলো বিশেষ এক ধরনের ইনপুট ডিভাইস যার পুরো নাম হচ্ছে Optical Mark Reader.
- এটি এমন এক ধরনের আলোক সংবেদনশীল স্ক্যানার যন্ত্র, যা কলম বা পেনসিল দিয়ে বিশেষ কাগজে দাগাঙ্কিত কোনো পূর্বে নির্ধারিত চিহ্নকে (যেমন- গোলাকার বা বর্গাকার) রিড করে সংশ্লিষ্ট চিহ্ন দ্বারা নির্ধারিত তথ্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে।

• এমআইসিআর (MICR):
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৮৫.
পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেমে হঠাৎ ভোল্টেজ বেড়ে যাওয়া থেকে সুরক্ষা দেয় কোন অংশ?
  1. ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ও রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ফিল্টার
  2. সার্জ সাপ্রেসর
  3. প্রধান বিদ্যুৎ উৎস
  4. ব্যাটারি চার্জার
ব্যাখ্যা

• সার্জ সাপ্রেসর পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেমে হঠাৎ ভোল্টেজ বেড়ে যাওয়া থেকে যন্ত্রপাতিকে সুরক্ষা দেয়।

• পাওয়ার ব্যাকআপ (Power Backup):
- মেইন পাওয়ার সাপ্লাই বন্ধ হয়ে গেলে গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যেন নিরবিচ্ছিন্নভাবে চালু থাকে, সেই উদ্দেশ্যে পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।
- এতে সাধারণত একটি ব্যাটারি ব্যাংক থাকে।
- মেইন পাওয়ার থাকাকালে ব্যাটারি চার্জ হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে সংরক্ষিত শক্তি ব্যবহার করে যন্ত্রপাতি চালু রাখা হয়।

• পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেমের প্রধান অংশগুলো:
- Utility → প্রধান বিদ্যুৎ উৎস।
- EMI/RFI Filter → ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ও রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি নয়েজ কমায়।
- Surge Suppressor → হঠাৎ ভোল্টেজ বেড়ে যাওয়া থেকে সুরক্ষা দেয়।
- Transfer Switch → মেইন পাওয়ার ও ব্যাকআপ পাওয়ারের মধ্যে পরিবর্তন ঘটায়।
- AVR (Automatic Voltage Regulator) → ভোল্টেজ স্থিতিশীল রাখে।
- Battery Charger → ব্যাটারি চার্জ করে রাখে।
- Inverter → ডিসি বিদ্যুৎকে এসি বিদ্যুতে রূপান্তর করে।

• পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেমের প্রকারভেদ:
- IPS (Instant Power Supply)।
- UPS (Uninterrupted Power Supply)।
- EPS (Emergency Power Supply)।
- QPS (Quick Power Supply)।

• অন্যান্য অপশন:
- ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ও রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ফিল্টার → ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ও রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি নয়েজ কমাতে ব্যবহৃত হয়।
- প্রধান বিদ্যুৎ উৎস → এটি বিদ্যুতের মূল সরবরাহ উৎস।
- ব্যাটারি চার্জার → ব্যাটারি চার্জ করে শক্তি সংরক্ষণ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), মোঃ মাহবুবুর রহমান।

৯৮৬.
কম্পিউটারের নিজস্ব স্মৃতি কেন্দ্র কোনটি?
  1. ক) RAM
  2. খ) ROM
  3. গ) Hard Disk
  4. ঘ) Compact Disk
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের প্রধান মেমরি ২ প্রকার; যথা - RAM ও ROM।
RAM - কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত একাধিক চিপ সমন্বয়ে র‌্যাম এলাকা গঠিত। র‌্যাম হচ্ছে কম্পিউটারের কর্ম এলাকা। র‌্যামে সব ধরনের তথ্য লেখা ও পড়া যায়। র‌্যামে তথ্য জমা থাকে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে, ফলে র‌্যামের সব তথ্য অস্থায়ীভবে থাকে। এজন্য র‌্যামকে কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি বলা হয়।
ROM - রম হচ্ছে কম্পিউটারের নিজস্ব স্মৃতি কেন্দ্র। কম্পিউটার রম থেকে কেবলমাত্র তথ্য পড়তে পারে এবং সেই অনুযায়ী কাজ করে। রমের স্মৃতিতে সংরক্ষিত কোন তথ্য কম্পিউটার মুছে ফেলতে পারে না বা পরিবর্তন করতে পারে না। এজন্য রমকে কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতি বলা হয়। কম্পিউটারের রম যত বেশি হবে কম্পিউটার তত কঠিন কার্যপ্রক্রিয়া অতি দ্রুত সম্পাদন করতে পারবে।
উল্লেখ্য, হার্ড ডিস্ক ও সিডি - কম্পিউটারের সহায়ক স্মৃতি।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর কম্পিউটার শিক্ষা বই (উন্মুক্ত)।

৯৮৭.
32-বিট অপারেটিং সিস্টেম প্রবেশ করতে পারে-
  1. ক) 232 memory addresses
  2. খ) 264 memory addresses
  3. গ) 286 memory addresses
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

একটি 32-বিট অপারেটিং সিস্টেম 232 বা 4,294,967,296টি মেমরি অ্যাড্রেসে অ্যাক্সেস করতে পারে।
অর্থাৎ, 4গিগাবাইট র‍্যাম বা Physical Memory আদর্শভাবে 4 গিগাবাইটেরও বেশি র‍্যাম অ্যাক্সেস করতে পারে।

একটি 64-বিট অপারেটিং সিস্টেম 264 বা 18,446,744,073,709,551,616 (18 ট্রিলিয়ন) মেমরি অ্যাড্রেসে অ্যাক্সেস করতে পারে।

৯৮৮.
সিরিয়াল পোর্টে কয়টি পিন থাকে?
  1. ক) ৬
  2. খ) ৯
  3. গ) ১৫
  4. ঘ) ২৫
ব্যাখ্যা
পোর্ট (Port)
- কম্পিউটারের পোর্ট হলো এক ধরনের পয়েন্ট বা সংযোগমুখ।
- কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিটের মাদারবোর্ডের সাথে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট, আউটপুট কিংবা কমিউনিকেশন হার্ডওয়্যার সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সংযোগ পয়েন্ট থাকে। এ ধরনের সংযোগ পয়েন্টকে বলা হয় পোর্ট।

সিরিয়াল পোর্ট (Serial Port)
- RS-232 বা সিরিয়াল পোর্টের মাধ্যমে ডেটা পর্যায়ক্রমে এক বিট করে স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত সিস্টেম ইউনিট থেকে দূরবর্তী ডিভাইসসমূহ সংযোগের জন্য এ ধরনের পোর্ট ব্যবহৃত হয়।
- মডেম, মাউস, কি বোর্ড ইত্যাদি হার্ডওয়্যার এ ধরনের পোর্টের সঙ্গে যুক্ত থাকে।
- মাদারবোর্ডে ৯ পিনবিশিষ্ট COM1 এবং COM2 নামে দুটি সিরিয়াল পোর্ট থাকে।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৯৮৯.
POST means
  1. Proper Operating Service Terminal
  2. Post Office Sale Terminal
  3. Point of Sale Terminal
  4. None of the Above
ব্যাখ্যা
'POST' এর পূর্ণরূপ- Power-On Self Test.
- Power-On Self Test হল একটি ডায়াগনস্টিক প্রক্রিয়া,  যখন কম্পিউটারটি প্রথম চালু বা রিবুট করা হয় তখন কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার উপাদানগুলি এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়।
- এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়ার আগে প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার উপাদানগুলি সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা তা পরীক্ষা করা এবং যাচাই করা। 

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৯৯০.
মেমোরি ভাগ করা হয়েছে ___
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. পাঁচ ভাগে
ব্যাখ্যা
• মেমোরির শ্রেণীবিভাগ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত মেমোরিকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. প্রধান মেমোরি বা মুখ্য মেমোরি (Main Memory or Primary Memory),
২. সহায়ক মেমোরি বা গৌণ মেমোরি (Secondary Memory or Mass Memory) এবং 
৩. ইন্টারনাল মেমোরি (Internal Memory)। 

প্রধান মেমোরি:
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের (CPU) সঙ্গে প্রধান মেমোরির সরাসরি সংযোগ থাকে। এ ধরনের মেমোরিতে তথ্য ও নির্দেশাবলি অস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে।
- প্রধান মেমোরিকে মেইন বা প্রাথমিক মেমোরিও বলা হয়। এটি অত্যন্ত দ্রুতগতির হয়ে থাকে। 
- প্রধান মেমরির অ্যাক্সেস সময় ন্যানোসেকেন্ড বা তার কম সময় হয়ে থাকে। র‍্যাম (RAM) ও রম (ROM) হলো এ ধরনের মেমোরির উদাহরণ। 

সহায়ক মেমোরি:
- কম্পিউটারের যে মেমোরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমোরি বলা হয়।
- এ ধরনের মেমোরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের (CPU) সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও তথ্য বা প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।
- হার্ডডিস্ক, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি এ ধরনের সহায়ক মেমোরির উদাহরণ। 

ইন্টারনাল মেমরি
বিভিন্ন ধরণের কম্পিউটারের ইন্টারনাল মেমরি বলতে রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমরিকে বোঝানো হয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৯১.
কম্পিউটারের একটি রেজিস্টার প্রধানত ব্যবহৃত হয়:
  1. স্থায়ীভাবে প্রোগ্রাম রাখতে
  2. অস্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করতে
  3. পর্দায় আউটপুট প্রদর্শন করতে
  4. হার্ডওয়্যার ডিভাইস যুক্ত করতে
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারের একটি রেজিস্টার মূলত অস্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। রেজিস্টার হলো সিপিইউ’র ভেতরে অবস্থিত অতিদ্রুত গতির মেমোরি লোকেশন, যা প্রসেসরকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও ডেটা মুহূর্তের মধ্যে প্রক্রিয়া করার সুযোগ দেয়। যখন কোনো প্রোগ্রাম চালানো হয়, তখন মূল মেমোরি (RAM) থেকে প্রয়োজনীয় ডেটা রেজিস্টারে আনা হয় এবং এখান থেকেই সিপিইউ তা প্রক্রিয়াকরণ করে। রেজিস্টার সাধারণত খুব ছোট আকারের হলেও এর কাজের গতি অত্যন্ত দ্রুত। স্থায়ীভাবে প্রোগ্রাম সংরক্ষণ, আউটপুট প্রদর্শন বা হার্ডওয়্যার যুক্ত করার জন্য এটি নয়। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো অস্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করা।

রেজিস্টার:
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর ভেদে রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা ভিন ভিন্ন হতে পারে। যেমন ৪-বিট রেজিস্টার 16-বিট রেজিস্টার, 32 বিট রেজিস্টার, 64-বিট রেজিস্টার ইত্যাদি।
- ইলেকট্রনিক সার্কিট দিয়ে তৈরি বলে রেজিস্টারগুলোর কাজ করার ক্ষমতা খুব দ্রুত হয়।
- গাণিতিক ও যুক্তিমূলক ইউনিটের প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল তাৎক্ষণিক অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য অ্যাকিউমুলেটর (রেজিস্টার) ব্যবহৃত হয়।
- অ্যাকিউমুলেটর একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টার।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৯২.
Which term is not used to describe the memory component of a computer?
  1. ক) ROM
  2. খ) PROM
  3. গ) RAM
  4. ঘ) SAM
ব্যাখ্যা

Sequential access memory (SAM) : is data storage devices that read stored data in a sequence. This is in contrast to RAM where data can be accessed in any order. SAM devices are usually a form of magnetic storage.
So it is not a memory component of a PC, it is a secondary storage devices.

৯৯৩.
ইনপুট ডিভাইস হিসেবে মাইক্রোফোন কী কাজ করে?
  1. ফাইল সংরক্ষণ করে
  2. ডকুমেন্ট প্রিন্ট করে
  3. টেক্সট দেখায়
  4. শব্দকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোফোন একটি ইনপুট ডিভাইস, যা শব্দকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে। এটি ব্যবহারকারীর কণ্ঠ বা আশেপাশের শব্দ গ্রহণ করে এবং সেগুলোকে ইলেকট্রনিক সিগনালে রূপান্তর করে কম্পিউটারে প্রেরণ করে। এই প্রক্রিয়ায় অ্যানালগ শব্দ তরঙ্গগুলোকে ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করা হয়, যা কম্পিউটার দ্বারা প্রক্রিয়াজাত ও সংরক্ষিত হতে পারে। মাইক্রোফোন সাধারণত ভয়েস রেকর্ডিং, অনলাইন মিটিং, গেম খেলার সময় যোগাযোগ এবং ভয়েস কমান্ড গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত হয়। সুতরাং, সঠিক উত্তর ঘ) শব্দকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে।

• ইনপুট ডিভাইস:
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড, মাউস, অপটিকাল রিডার, জয়স্টিক, মাইক্রোফোন, স্ক্যানার, গ্রাফিক্স প্যাড, লাইট পেন, ওয়েবক্যাম, ওসিআর ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোই হিসেবে কাজ করে।
- পেন ড্রাইভ, টাচ স্ক্রিন, মডেম ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৯৪.
কম্পিউটার সিস্টেমে কয়টি অংশ থাকে?
  1. ২টি
  2. ৪টি
  3. ৬টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে চারটি অংশ থাকে। যথা: 
- A control unit,
- An arithmetic logic unit (ALU),
- A memory unit,
-  input/output (I/O) controllers.

উৎস: ব্রিটানিকা
৯৯৫.
একটি অপটিক্যাল মাউসের মুভমেন্ট শনাক্ত করতে মূলত কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. ইনফ্রারেড লাইট বা LED
  2. আল্ট্রাসনিক ওয়েভ
  3. রেডিও ওয়েভ
  4. মেকানিক্যাল বল
ব্যাখ্যা

• একটি অপটিক্যাল মাউসের মুভমেন্ট শনাক্ত করার জন্য মূলত ইনফ্রারেড লাইট বা LED প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। অপটিক্যাল মাউসের তলার দিকে ছোট একটি LED থাকে যা কাজের পৃষ্ঠের ওপর আলো ফেলে। সেই আলো থেকে প্রতিফলিত আলো একটি সেন্সর ক্যাপচার করে। মাউসের গতি অনুযায়ী পৃষ্ঠের বীট বা প্যাটার্ন পরিবর্তিত হয়, এবং সেন্সর সেই পরিবর্তনগুলোকে ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তর করে। এই সিগনাল কম্পিউটার প্রসেসর মাউসের কার্সরের অবস্থান নির্ধারণে ব্যবহার করে। তাই অপটিক্যাল মাউস মেকানিক্যাল বলের বদলে লাইট বেসড সেন্সর ব্যবহার করে, যা দ্রুত, নির্ভুল এবং ময়লা-প্লে সম্বন্ধে কম সংবেদনশীল। সুতরাং সঠিক উত্তর: ক) ইনফ্রারেড লাইট বা LED.
 
• মাউস:
- মাউস হলো হাত দিয়ে নিয়ন্ত্রিত ইঁদুর সদৃশ একটি পয়েন্টিং ডিভাইস।
- মাউস পয়েন্টারকে মনিটর স্ক্রীনের যে কোন জায়গায় মুভ করানোকে পয়েন্টিং বলা হয়।
- মাউস কী বোর্ডের নির্দেশ প্রদান ছাড়াই একটি কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
- আমেরিকান উদ্ভাবক ডগলাস এঙ্গেলবার্ট মাউস আবিষ্কার করেন।
- মাউস হল এক ধরনের ছোট হার্ডওয়ার ইনপুট ডিভাইস (input device) যা হাত দ্বারা ব্যবহৃত হয়।
-  এটিকে hand operated input device ও বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের কার্সারের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে এবং ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের বিভিন্ন ফাইল, ফোল্ডার, টেক্সট আইকন সারাতে এবং নির্বাচন করতে ব্যবহার করা হয়।

• মাউস দুই ধরণের হয়ে থাকে। যথা:
১. Mechanical এবং
২. Optical Mouse.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল।
২. ব্রিটানিকা।

৯৯৬.
A number of letters that appears little below the normal text is called -
  1. ক) Subscript
  2. খ) Superscript
  3. গ) Supertext
  4. ঘ) Toptext
ব্যাখ্যা
• কোন লেখা স্বাভাবিকের চেয়ে অর্ধেক আকারে অন্যান্য লেখার একটু নিচে প্রদর্শিত হলে তাকে Subscript বলে।
• আর যখন অর্ধেক আকারে অন্যান্য লেখার একটু উপরে প্রদর্শিত হয় তাকে Superscript বলে।

Source: www.support.microsoft.com
৯৯৭.
সিপিইউ প্রধান কয়টি অংশ নিয়ে গঠিত?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
ব্যাখ্যা
• সিপিইউ:
- CPU এর পূর্ণরূপ Central Processing Unit।
- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট। 
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিস্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।
- সিপিইউ নিম্নলিখিত প্রধান তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmatic Logic Unit),
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit) ও
৩. স্মৃতি অংশ (Memory Unit)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৯৮.
ফ্লপি ডিস্ক এর ধারণ ক্ষমতা কত?
  1. ক) 3.44 KB
  2. খ) 1.44 MB
  3. গ) 1.44 KB
  4. ঘ) 3.44 GB
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৩ সালে ফ্লপি ডিস্কের প্রচলন শুরু হয়। এটি ডিস্কেট নামেও পরিচিত। 
- ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী ফ্লপি ডিস্ক দুই ধরনের। 
- সাধারণ ফ্লপি ডিস্কের ধারণ ক্ষমতা ৭২০ হতে ৮০০ কিলোবাইট পর্যন্ত এবং হাই ডেনসিটি ফ্লপি ডিস্কের ধারণ ক্ষমতা ১.২ হতে ১.৪ মেগাবাইট পর্যন্ত হতে পারে।

উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

৯৯৯.
কম্পিউটারের সব রকমের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় সাধন করে কোন অংশ?
  1. অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট
  2. কন্ট্রোল ইউনিট
  3. সেকেন্ডারি মেমোরি
  4. রেজিস্টার
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: খ) কন্ট্রোল ইউনিট

• সিস্টেম ইউনিট (CPU):
- কম্পিউটারের প্রধান অংশ হলো সিস্টেম ইউনিট বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU)।
- মানুষের মত কম্পিউটারেও মস্তিষ্ক বা প্রসেসর বিদ্যমান রয়েছে।
- কম্পিউটারের সব রকমের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ, প্রক্রিয়াকরণ ও তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করাই হচ্ছে এ অংশের কাজ। এ কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে ইনপুট ও আউটপুট এর যন্ত্রাংশসমূহ নিয়ন্ত্রণ, মেমোরি থেকে ডাটা উত্তোলন ডাটা প্রক্রিয়াকরণ ও মেমোরিতে ডাটা সংরক্ষণ ইত্যাদি।
- প্রক্রিয়াকরণ বা প্রসেসিং ইউনিটের প্রধান অংশ তিনটি। যথা:

• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (ALU):
- এ অংশের কাজ হলো গাণিতিক ও যৌক্তিক কাজগুলো করা। গাণিতিক কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি। আর যৌক্তিক কাজগুলো হতে পারে ছোট-বড় নির্ণয় করা, সমান কী-না যাচাই করা ইত্যাদি।

• কন্ট্রোল ইউনিট:
- কম্পিউটারের সব রকমের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ ও তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করাই হচ্ছে এ অংশের কাজ। এ কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে ইনপুট ও আউটপুট এর যন্ত্রাংশসমূহ নিয়ন্ত্রণ, মেমোরি থেকে ডাটা উত্তোলন ও মেমোরিতে ডাটা সংরক্ষণ ইত্যাদি।

• মেমোরি বা স্মৃতি:
- প্রক্রিয়াকরণের পূর্বে প্রদত্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকালীন সময়ে অন্তবর্তীকালীন ফলাফল এবং প্রক্রিয়াকরণের শেষে চূড়ান্ত ফলাফল জমা রাখার জন্য কম্পিউটারের যে অংশগুলো (প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি মেমোরি) কাজ করে তাকে মেমোরি ইউনিট বলে।
- ডাটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে।

• রেজিস্টার:
এটি অস্থায়ী মেমোরির মতো কাজ করে। ডেটা ধরে রাখে, তবে CPU এর মতো decode করে না।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

১,০০০.
USB বাসের মাধ্যমে ডেটা কীভাবে চলাচল করে?
  1. হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে
  2. প্যারালাল পদ্ধতিতে
  3. ওয়্যারলেস সিগন্যালের মাধ্যমে
  4. সিরিয়াল পদ্ধতিতে
ব্যাখ্যা

USB বাসের মাধ্যমে ডেটা সিরিয়াল পদ্ধতিতে চলাচল করে।

• USB বাস:
- USB-এর পূর্ণ অর্থ হলো Universal Serial Bus.
- ১৯৯৮ সাল থেকে ইন্টেল মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি কম্পিউটারগুলোতে এ ধরনের বাস ব্যবহার করা হচ্ছে।
- এই বাস দিয়ে সিরিয়াল পদ্ধতিতে ডেটা চলাচল করে।
- USB বাস অন্যান্য বাসের তুলনায় কম গতিতে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে কিন্তু এটি প্রচলিত সিরিয়াল বাসের তুলনায় অনেকটা উন্নত।

• এ ধরনের বাসের সুবিধাগুলো নিম্নরূপ:
১। বাসের মধ্য দিয়ে একই গতিতে ডেটা চলাচল করে। ফলে যেসব ডিভাইসের মধ্যে একই গতিতে ডেটা চলাচলের প্রয়োজন হয় সেসব ক্ষেত্রে এ ধরনের বাস ব্যবহার করা হয়।
২। এ ধরনের বাসে একসাথে অনেকগুলো যন্ত্রের সংযোগ প্রদান করা যায়।
৩। USB বাস পেরিফেরাল যন্ত্রগুলো হতে সিপিইউতে দ্রুতগতিতে ডেটা আদান-প্রদানে সহায়তা করে ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।