বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আধুনিক বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৩,৮৭৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আধুনিক বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৩৭ / ৩৯ · ৩,৬০১৩,৭০০ / ৩,৮৭৯

৩,৬০১.
পাললিক শিলার কোন শিলাটি যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গঠিত হয়?
  1. গ্রাফাইট
  2. মার্বেল
  3. নিস
  4. বেলেপাথর
ব্যাখ্যা
পাললিক শিলা: 
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠন করে তাকে পাললিক শিলা বলে। 
যেমন: চুনাপাথর, বেলেপাথর, পাথুরিয়া কয়লা, সৈন্ধব লবণ, খড়িমাটি প্রভৃতি। 
- পলল বা তলানি থেকে গঠিত হয় বলে এরূপ শিলাকে পাললিক শিলা বলে। 
- এ শিলার পলি সাধারণত স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়। আর স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয় বলে এ শিলাকে স্তরীভূত শিলাও বলা হয়। 
- পাললিক শিলা ভূ-ত্বকের মোট আয়তনের শতকরা ৫ ভাগ। 
- তবে মহাদেশীয় ভূ-ত্বকের উন্মুক্ত অংশের প্রায় ৭৫ ভাগই পাললিক শিলায় গঠিত। 
- পাললিক শিলার প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে স্তরীভূত, জীবাশ্ম বিশিষ্ট, অকেলাসিত, তরঙ্গচিহ্ন ও কোমলতা ইত্যাদি। 
- মানুষের দৈনন্দিন জীবনে পাললিক শিলা সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। 

- পাললিক শিলা প্রধানত তিন প্রকার। 
যথা- 
১। যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- বেলেপাথর। 
২। রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- চুনাপাথর এবং 
৩। জৈবিক উপায়ে গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- বাংলাদেশের জামালগঞ্জের কয়লা ও গোপালগঞ্জের পিট কয়লা। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬০২.
'আলোকবর্ষ' কী নির্দেশ করে?
  1. সূর্য ও পৃথিবীর গড় দূরত্ব
  2. আলোর এক বছরে অতিক্রান্ত দূরত্ব
  3. আলোর এক বছরের তীব্রতা
  4. আলোর এক সেকেন্ডে অতিক্রান্ত দূরত্ব
ব্যাখ্যা
আলোকবর্ষ:
- আলো একবছর সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোকবর্ষ বলে।
- এটি দূরত্বের একক।
- এক আলোকবর্ষ = 9.468 × 1012 km.

অন্যদিকে,
- সূর্য ও পৃথিবীর গড় দূরত্ব এক অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট = 1495 × 108 km.
- এক পারসেক বলতে বোঝায় ১ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল দৈর্ঘ্যের চাপ যে দূরত্বে এক সেকেন্ড কোণ উৎপন্ন করে।
- এক পারসেক = 3.0857 × 1013 km.

তথ্যসূত্র: পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,৬০৩.
n-টাইপ অর্ধপরিবাহী তৈরিতে ব্যবহৃত হয়-
  1. গ্যালিয়াম
  2. বোরন
  3. আর্সেনিক
  4. ইনডিয়াম
ব্যাখ্যা
- যে সকল মৌলের (যেমন- ফসফরাস, আর্সেনিক বা অ্যান্টিমনি) বহির্খোলকে পাঁচটি ইলেকট্রন থাকে তাদের ভেজাল হিসেবে ব্যবহার করা হলে সিলিকন বা জার্মেনিয়াম n-টাইপ বস্তুতে বা n-টাইপ অর্ধপরিবাহীতে পরিণত হয়। 

- যে সব মৌলের (যেমন- অ্যালুমিনিয়াম, বোরন, গ্যালিয়াম বা ইনডিয়াম) তিনটি যোজন ইলেকট্রন থাকে তাদের ভেজাল হিসেবে ব্যবহার করা হলে সিলিকন বা জার্মেনিয়াম P-টাইপ বস্তুতে বা P-টাইপ অর্ধপরিবাহীতে পরিণত হয়। 

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি, পদার্থ বিজ্ঞান।
৩,৬০৪.
সমুদ্রস্রোত এবং বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যাওয়াটা কী নামে পরিচিত?
  1. বাইস ব্যালট সূত্র
  2. কোরিওলিস প্রভাব
  3. ফেরেলের সূত্র
  4. বয়েলের সূত্র
ব্যাখ্যা
ফেরেলের সূত্রের সাহায্যে: 
- সমুদ্রস্রোত এবং বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়।
- এই বেঁকে যাওয়াটা ফেরেলের সূত্র নামে পরিচিত।
- বায়ুপ্রবাহ এবং সমুদ্রস্রোতের এই গতিবেগ প্রমাণ করে যে, আহ্নিক গতিতে পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করছে। 

উল্লেখ্য,
- বাইস ব্যালট সূত্রানুযায়ী উত্তর গােলার্ধে বায়ুপ্রবাহের দিকে পিছন করে দাঁড়ালে ডানদিকের তুলনায় বামদিকে বায়ুর চাপ কম অনুভূত হয় এবং দক্ষিণ গােলার্ধে ঠিক এর বিপরীত অবস্থা দেখা যায়।
- কোরিওলিস প্রভাব বলতে বোঝায় পৃথিবীর পৃষ্ঠের সাপেক্ষে একটি সরল পথে চলমান বস্তুর (যেমন বিমান) আপাত বিচ্যুতি।
- বয়েলের সূত্র হল একটি গ্যাস আইন , যা বলে যে গ্যাসের চাপ এবং আয়তনের মধ্যে একটি বিপরীত সম্পর্ক রয়েছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩,৬০৫.
মানবদেহের রক্তের শ্রেণিবিন্যাস করেন কে?
  1. ক) কার্ল ল্যান্ডস্টাইনার
  2. খ) লুই পাস্তুর
  3. গ) লিউয়েন হুক
  4. ঘ) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং 
ব্যাখ্যা

১৯০১ সালে বিজ্ঞানী কার্ল ল্যান্ডস্টাইনার মানুষের রক্তের শ্রেণীবিন্যাস করে তা A,B,O এবং AB- এ চারটি গ্রুপের নামকরণ করেন। সাধারণত একজন মানুষের জীবনে রক্তের গ্রুপ আজীবন একই রকম থাকে।
গ্রুপ A- এ শ্রেণির রক্তে A এন্টিজেন এবং b এন্টিবডি থাকে।
গ্রুপ B- এ শ্রেণির রক্তে B এন্টিজেন ও a এন্টিবডি থাকে।
গ্রুপ AB- এ শ্রেণির রক্তে A ও B এন্টিজেন থাকে এবং কোন এন্টিবডি থাকে না।
গ্রুপ O- এ শ্রেণির রক্তে কোন এন্টিজেন থাকে না কিন্তু a ও b এন্টিবডি থাকে।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

৩,৬০৬.
শিশুকে বুকের দুধ পান করানোর সময় মায়ের শরীরে কোন হরমোন নিঃসৃত হয়?
  1. ইনসুলিন
  2. অক্সিটোসিন
  3. অ্যাড্রেনালিন
  4. থাইরক্সিন
ব্যাখ্যা

- শিশুকে বুকের দুধ পান করানোর সময় মায়ের শরীরে অক্সিটোসিন হরমোন নিঃসৃত হয়। এই হরমোনটি স্তনের পেশি সংকুচিত করে দুধ বের হতে সাহায্য করে এবং মায়ের সাথে শিশুর মানসিক বন্ধন দৃঢ় করে। এছাড়াও এই সময় প্রোল্যাকটিন নামক আরেকটি হরমোন নিঃসৃত হয় যা দুধ উৎপাদনে সহায়তা করে। 

শিশুকে মায়ের দুধ দেয়ার প্রয়োজনীয়তা: 
- জন্মের পরপরই সুস্থ নবজাতককে উষ্ণ রাখার জন্য মায়ের পেট ও বুকে রাখা হয়। 
- প্রকৃতির নিয়ম অনুযায়ী শিশুর জন্য মায়ের দুধ সর্বোৎকৃষ্ট খাদ্য। 
১। শিশুর প্রথম খাবার হিসেবে শালদুধ বা কলোস্ট্রাম শিশুর প্রথম টিকা হিসাবে কাজ করে। শালদুধ এন্টিবডি ও প্রতিরক্ষামূলক প্রোটিনসমৃদ্ধ হওয়ায় শিশুর বহু রোগ সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। 
২। শিশু জন্মের প্রথম ৩-৫ দিন শালদুধ অল্প মাত্রায় আসে। তবে এ পরিমাণই নবজাতকের শারীরিক সুরক্ষার জন্য যথেষ্ট। শালদুধ শিশুর পরিপাচক অন্ত্রসমূহকে উদ্দীপিত করে, যার ফলে অন্ত্র থেকে দ্রুত মিকোনিয়াম (শিশুর প্রথম মল) পরিষ্কার হয়। এ অবস্থা জন্ডিস সৃষ্টিকারী জীবাণু শরীর থেকে বের হয়ে যেতে সাহায্য করে। 
৩। শিশু মায়ের স্তন মুখে নেয়া ও চোষার ফলে মায়ের শরীরে অক্সিটোসিন নামক হরমোন নির্গত হয়। এতে মা শান্ত, অবসাদমুক্ত বোধ করেন এবং শিশুর সাথে মায়ের ভালোবাসার বন্ধন দৃঢ় হয়। 
৪। শিশু জীবনের প্রথম ছয় মাস শুধুমাত্র মায়ের দুধ এবং ছয় মাস পর থেকে ২ বছর পর্যন্ত বাড়তি খাবারের সাথে মায়ের দুধ দেয়া চলতে থাকে। 
৫। মায়ের দুধে রোগ জীবাণু প্রবেশের ভয় থাকে না, এ দুধের উত্তাপ শরীরের তাপমাত্রা অনুযায়ী থাকে বলে একে ঠান্ডা বা গরম করতে হয় না। 
৬। শিশুকে বুকের দুধ দিতে হলে ধৈর্য ও মানসিক প্রস্তুতির প্রয়োজন। কারণ, মানসিক অশান্তি, স্বাস্থ্যহীনতা, রোগাক্রান্ত অবস্থা বা উত্তেজিত পরিস্থিতিতে শিশুকে দুধ দিলে মায়ের দুধ কমে যাবে, শিশুর মধ্যেও অতৃপ্তি আসবে। 

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬০৭.
'হাইপোথাইরয়েডিজম' রোগ হয় কিসের অভাবে?
  1. ক) ভিটামিন
  2. খ) ক্যালসিয়াম
  3. গ) আয়োডিন
  4. ঘ) পটাসিয়াম
ব্যাখ্যা
- আয়োডিনের অভাবে হাইপোথাইরয়েডিজম এবং গলগণ্ড রোগ হয়।
- ক্যালসিয়াম প্রাণীদের হাড় এবং দাঁতের একটি প্রধান উপাদান।
- খনিজ পদার্থের মধ্যে দেহে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।

সূত্র: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৬০৮.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে সূর্যরশ্মির অতি বেগুনি রশ্মি শোষিত হয়?
  1. ট্রপােস্ফিয়ার
  2. স্ট্রাটেস্ফিয়ার
  3. ওজোনস্ফিয়ার
  4. আয়ােনােস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা
স্ট্রাটোমন্ডল (Stratosphere): 
বায়ুমন্ডলের দ্বিতীয় স্তরটি হলো স্ট্রাটোমন্ডল। 
যা ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। 
এ স্তরের শেষ সীমা স্ট্রাটোবিরতি (Stratopause)। 
এ স্তরে ২০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হয় না। 
 স্ট্রাটোবিরতিতে তাপমাত্রা ০° সেলসিয়াস বা এর কাছাকাছি হয়। এ স্তরে বায়ুর ঘনত্ব ও চাপ উভয়ই কম।

স্ট্রাটোমন্ডলে জলীয়বাষ্প ও ধূলিকণার পরিমাণ খুব নগন্য এবং প্রায় মেঘশূন্য থাকে। এ স্তরে বাতাস অত্যন্ত হালকা। বাতাসের ঊর্ধ্ব বা নিম্ন গতি নেই, তবে সমান্তরাল গতি দেখা যায়। 
স্ট্রাটোমন্ডলে ঝড়-বৃষ্টি থাকে না বলে এ স্তরের মধ্য দিয়েই সাধারণত বিমান চলাচল করে থাকে। 
 
স্ট্রাটোমন্ডলের উপরের দিকে ওজোন (Ozone) গ্যাসের স্তর রয়েছে যা ওজোন মন্ডল বা Ozonesphere নামে পরিচিত। এ স্তরটির গভীরতা ১২-১৬ কিলোমিটার। 
 
ওজোন স্তর সূর্যরশ্মির অতি বেগুনি রশ্মি (Ultral Violet Rays) শোষণ করে। জীবজগতের জন্য সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি খুবই ক্ষতিকর। তবে এটি ওজোন স্তর ভেদ করে পৃথিবীতে পৌছাতে পারে না। এ স্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণ করায় তাপমাত্রা (প্রায় ৭৬° সেলসিয়াস) অনেক বেশি।
উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,৬০৯.
পরমাণুতে নিউক্লিয়াসের চারদিকে ঘূর্ণায়মান ইলেকট্রনের মধ্যে কত ধরনের শক্তি বিদ্যমান থাকে?
  1. ক) দুই ধরনের
  2. খ) তিন ধরনের
  3. গ) চার ধরনের
  4. ঘ) এক ধরনের
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রন:
- সকল পদার্থই অতি ক্ষুদ্র কণিকা দ্বারা গঠিত। এদেরকে পরমাণু বলে।
- পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে ধনাত্মক আধানযুক্ত নিউক্লিয়াস।
- নিউক্লিয়াসের চারদিকে ঋণাত্মক আধানযুক্ত কণা ইলেকট্রন বিভিন্ন কক্ষপথে আবর্তন করে।
- ইলেকট্রন হলো ঋণাত্মক আধানযুক্ত কণা এবং এর ভর নগন্য।
- ইলেকট্রনের বৈশিষ্ট্য: 
(ক) ইলেকট্রনের আধান, e=1.602×10-19 C;
(খ) ইলেকট্রনের ভর, m = = 9.0×10-31 kg;
(গ) ইলেকট্রনের ব্যাসার্ধ, r =1.9×10-15 m এবং
(ঘ) ইলেকট্রনের আপেক্ষিক আধান, e/m =1.77×1011 Ckg-1। 
- ইলেকট্রনের আপেক্ষিক আধানের মান থেকে দেখা যায় যে, ইলেকট্রনের আধানের তুলনায় এর ভর খুবই কম।
- ইলেকট্রনের এ ধর্মের কারণে এর গতিশীলতা অনেক বেশি এবং এটি তড়িৎক্ষেত্র অথবা চৌম্বকক্ষেত্র দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়।
- পরমাণুতে নিউক্লিয়াসের চারদিকে ঘূর্ণায়মান ইলেকট্রনের মধ্যে দুধরনের শক্তি বিদ্যমান থাকে
- এর গতির জন্য থাকে গতিশক্তি এবং নিউক্লিয়াসের আধানের জন্য থাকে বিভবশক্তি।
- ইলেকট্রনের মোট শক্তি এর গতিশক্তি ও বিভবশক্তির যোগফলের সমান। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬১০.
ভিট্রিয়াস হিউমার কোথায় থাকে?
  1. ক) লেন্স ও কর্নিয়ার মাঝে
  2. খ) লেন্স ও রেটিনার মাঝে
  3. গ) রেটিনা ও কর্নিয়ার মাঝে
  4. ঘ) কর্নিয়া ও আইরিশের মাঝে
ব্যাখ্যা

লেন্স ও কর্ণিয়ার মাঝে ফাঁকা যায়গায় এক ধরনের স্বচ্ছ লবণাক্ত জলীয় পদার্থে পূর্ণ থাকে। লেন্স ও রেটিনার মাঝখানের ফাঁকা যায়গাও অনুরূপভাবে এক ধরণের জেলি জাতীয় স্বচ্ছ পদার্থে পূর্ণ থাকে। এদের যথাক্রমে অ্যাকুয়াস হিউমার এবং ভিট্রিয়াস হিউমার বলা হয়।
কর্ণিয়া, অ্যাকুয়াস হিউমার, ভিট্রিয়াস হিউমার, চক্ষুলেন্স সব কিছু মিলে একত্রে একটি উত্তল লেন্সের কাজ করে।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৩,৬১১.
কোন ভ্যাকসিনের ব্যবহার বাংলাদেশে পোলিও রোগকে নির্মূল করতে সাহায্য করেছে? 
  1. OPV
  2. BCG
  3. DPT
  4. MMR
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে ভ্যাকসিনেশন প্রোগ্রাম: 
- রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে টিকার আবিষ্কার এবং এর প্রচলন মানুষের জন্য আশীর্বাদ। 
- টিকার মাধ্যমে ১৯৭৯ সালে চূড়ান্তভাবে নির্মূলের পূর্বে গুটি বসন্ত এককভাবে পৃথিবীর প্রায় ৩০-৪০ কোটি মানুষের প্রাণ হরণ করেছে। 
- আবিষ্কৃত পোলিও ভ্যাকসিন OPV এর ব্যবহার দ্বারা বাংলাদেশ বর্তমানে পোলিও রোগ মুক্ত। 
- এই টিকা বা ভ্যাকসিনের জন্যই রুবেলা, হাম, মাম্পস, যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, পারটুসিস, ধনুষ্টংকার, হেপাটাইটিস ইত্যাদি রোগের সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব হচ্ছে। 
- বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization-WHO) এর (Expanded Program on Immunization-EPI) কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী কয়েকটি রোগ, যথা- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, টিটেনাস, পোলিও এবং হাম ইত্যাদির ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। এছাড়াও হেপাটাইটিস-বি এবং হিমোফাইলা ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি-এর ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- মা এবং শিশুকে টিটেনাস থেকে রক্ষার জন্য টিটেনাস টক্সেয়েড (tetanus toxoid) ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- ভ্যাকসিনেশনের জাতীয় কর্মসূচীতে নিচের ছক অনুযায়ী টিকা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়-


উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬১২.
জোয়ার-ভাটার সৃষ্টির প্রধান কারণ -
  1. ক) চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব
  2. খ) পৃথিবীর আবর্তনের ফলে উৎপন্ন কেন্দ্রাতিগ শক্তি
  3. গ) পৃথিবীর আহ্নিক গতি
  4. ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা

প্রধানত দুটি কারণে জোয়ার-ভাটার সৃষ্টি হয়। এগুলাে হলাে-
(১) চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব।
এবং (২) পৃথিবীর আবর্তনের ফলে উৎপন্ন কেন্দ্রাতিগ শক্তি।
(১) চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব: মহাকর্ষ সূত্র অনুযায়ী মহাকাশে বিভিন্ন গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র প্রভৃতি প্রতিটি জ্যোতিষ্ক পরস্পরকে আকর্ষণ করে। তাই এর প্রভাবে সূর্য ও চাঁদ পৃথিবীকে আকর্ষণ করে।
কিন্তু পৃথিবীর উপর সূর্য অপেক্ষা চাঁদের আকর্ষণ বল বেশি হয়। কারণ সূর্যের ভর অপেক্ষা চাঁদের ভর অনেক কম হলেও চাঁদ সূর্য অপেক্ষা পৃথিবীর অনেক নিকটে অবস্থিত। তাই সমুদ্রের জল তরল বলে চাঁদের আকর্ষণেই প্রধানত সমুদ্রের জল ফুলে ওঠে ও জোয়ার হয়। সূর্যের আকর্ষণে জোয়ার তত জোরালাে হয় না।
চাঁদ ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থিত হলে চাঁদ ও সূর্য উভয়ের আকর্ষণে জোয়ার অত্যন্ত প্রবল হয়।

২) পৃথিবীর আবর্তনের ফলে উৎপন্ন কেন্দ্রাতিগ শক্তি :
পৃথিবী নিজ মেরুরেখার চারদিকে অনবরত আবর্তন করে বলে কেন্দ্রাতিগ শক্তি বা বিকর্ষণ শক্তির সৃষ্টি হয়। এই কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে পৃথিবীর প্রতিটি অণুই মহাকর্ষ শক্তির বিপরীত দিকে বিকর্ষিত হয় বা ছিটকে যায়। তাই পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে যেখানে মহাশক্তির প্রভাবে জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তার বিপরীত দিকে জল বিক্ষিপ্ত হয়েও জোয়ারের সৃষ্টি করে।

উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণি, ভূগোল ও পরিবেশ

৩,৬১৩.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরটি বিষমমণ্ডলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ট্রপোমণ্ডল
  2. তাপমণ্ডল
  3. স্ট্রাটোমণ্ডল
  4. মেসোমণ্ডল
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডলের স্তর বিন্যাস: 
- বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন স্তরে স্তরে সজ্জিত। 
- বায়ুমণ্ডলের স্তরসমূহের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তর থেকে উপরের দিকে ক্রমশ লঘু হয়। 
- উলম্বভাবে (Vertically) বায়ুর তাপমাত্রার বিন্যাসের ভিত্তিতে বায়ুমণ্ডলকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা - 
১। ট্রপোমণ্ডল,  
২। স্ট্রাটোমণ্ডল, 
৩। মেসোমণ্ডল, 
৪। তাপমণ্ডল এবং  
৫। এক্সোমণ্ডল। 

- বায়ুমণ্ডলের উপরিউক্ত স্তরগুলোর মধ্যে প্রথম তিনটি (ট্রপোমণ্ডল, স্ট্রাটোমণ্ডল ও মেসোমণ্ডল) সমমণ্ডলের অন্তর্ভুক্ত এবং শেষের দুইটি (তাপমণ্ডল ও এক্সোমণ্ডল) বিষমমণ্ডলের অন্তর্ভুক্ত। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,৬১৪.
কোনটির অভাবে এসিডোসিস রোগের সৃষ্টি হয়? 
  1. পানি
  2. আমিষ
  3. শর্করা
  4. খনিজ লবণ
ব্যাখ্যা
পানি: 
- পানি খাদ্যের একটি প্রধান উপাদান। 
- দেহের গঠন ও অভ্যন্তরীণ কাজ পানি ছাড়া চলতে পারে না। 
- আমাদের দৈহিক ওজনের ৬০%- ৭৫% হচ্ছে পানি। 
- আমাদের রক্ত, মাংস, স্নায়ু, দাঁত, হাড় ইত্যাদি প্রতিটি অঙ্গ গঠনের জন্য পানির প্রয়োজন। 
- পানি জীবদেহে দ্রাবকের কাজ করে, খাদ্য উপাদানের পরিপাক ও পরিশোষণে সাহায্য করে। 
- বিপাকের ফলে দেহে উৎপন্ন ইউরিয়া, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি শরীরের জন্য ক্ষতিকর এবং বিষাক্ত পদার্থগুলোকে পানি মূত্র ও ঘাম হিসেবে শরীর থেকে বের করে দেয়। 
- এছাড়া পানি শরীর থেকে ঘাম নিঃসরণ এবং বাষ্পীভবনের মাধ্যমে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখে। 

- একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক ২-৩ লিটার পানি পান করা উচিত, কারণ প্রায় ঐ পরিমাণ পানি প্রত্যেকদিনই আমাদের শরীর থেকে বের হয়ে যায়। 
- মাছ, মাংস কিংবা শাক-সবিজিতে শতকরা ৬০-৯০ ভাগ পানি থাকে। 
- পানির অভাবে এসিডোসিস রোগের সৃষ্টি হয় যা দেহে অম্ল ও ক্ষারের সমতা নষ্ট করে। 
- শরীরে পানি ১০% কমে গেলে সংজ্ঞা লোপ পায়, এমনকি মৃত্যুও ঘটতে পারে। 
- শরীরে পানির অভাব নিরসনের জন্য যত দ্রুত সম্ভব রোগীকে খাবার স্যালাইন খাওয়াতে হয়। 
- শরীর থেকে যে পরমাণ পানি ও লবণ বের হয়ে যায়, খবার স্যালাইন তা পূরণ করে শরীরে পানি ও লবণের ভারসাম্য ঠিক রাখে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৬১৫.
মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ করে কোন ধমনী ?
  1. ক) ফেসিয়াল ধমনি
  2. খ) অক্সিপিটাল ধমনি
  3. গ) বহি: ক্যারোটিড ধমনি
  4. ঘ) আন্তঃক্যারোটিড ধমনি
ব্যাখ্যা
আন্তঃক্যারোটিড ধমনি মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ করে।

ধমনি:

মানব দেহের এমনসব রক্তবাহী নালি যেগুলো হৃৎপিণ্ড থেকে পরিশোধিত রক্ত বহন করে দেহের বিভিন্ন অংশে সরবরাহ করে। ধমনি সবসময় পরিশোধিত তথা অক্সিজেনসমৃদ্ধ (অক্সিজেনেটেড) রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে সরবরাহ করে; তবে ব্যতিক্রম হলো ফুসফুসীয় ধমনি এবং আমবিলিক্যাল ধমনি।

তাছাড়া--
ফেসিয়াল ধমনি:  মুখমণ্ডল ,ত্বক ও পেশিতে রক্ত সরবরাহ করে।
অক্সিপিটাল ধমনি: অক্সিপিটাল অঞ্চলের ত্বক ও পেশিতে রক্ত বহন করে। 
বহি: ক্যারোটিড ধমনি : মাথার ত্বক এবং ঘাড়ে রক্ত সরবরাহ করে। 

 
SOURCE: জীব বিজ্ঞান (প্রাণবিজ্ঞিান) ২য় পত্র, এইচ এস সি পোগ্রাম , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
৩,৬১৬.
বায়ূ দূষণের ফলে সৃষ্ট রোগ কোনটি?
  1. ক) শ্বাসকষ্ট
  2. খ) ডায়রিয়া
  3. গ) আমাশয়
  4. ঘ) টাইফয়েড
ব্যাখ্যা
- জগতের প্রতিটি প্রাণের অস্তিত্বের জন্য অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বায়ু। বায়ু দূষণের ফলে মানব স্বাস্থ্যের উপর যে প্রভাব পড়ে তা হলো- 

মানব স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব:
- বায়ু দূষণের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয় মানব স্বাস্থ্য।
- দূষিত বায়ু গ্রহণের মাধ্যমে শুধুমাত্র শ্বাস-প্রশ্বাসই নয় এর মাধ্যমে জীবনও বিপন্ন হতে পারে।
- বায়ু দূষণের ফলে শ্বাসনালীতে জ্বালা, কাশি ও দম বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
- বিশেষ করে সালফারের অক্সাইডগুলো ফুসফুসে নানা ধরনের রোগ সৃষ্টির প্রধান কারণ।
- নাইট্রোজেনের অক্সাইডগুলোর বিষাক্ত প্রতিক্রিয়ায় ফুসফুস ফুলে যায় এবং ফুসফুসে পানি জমে রোগীর মৃত্যুও হতে পারে।
- অতিমাত্রায় বায়ু দূষণ দীর্ঘস্থায়ী হাঁপানি, শ্বাসনালীর প্রদাহ ও কণ্ঠস্বর ভঙ্গের কারণ হতে পারে।
- বায়ু দূষণের ফলে মানব স্বাস্থ্যের আরো যেসব ক্ষতি হতে পারে:
১. অ্যাজমা
২. ব্রঙ্কাইটিজ 
৩. মাথাব্যাথা 
৪. চোখের সমস্যা 
৫. হাইপারটেনশন 
৬. রক্তের অক্সিজেন বহন ক্ষমতা হ্রাস
৭. হৃদরোগ
৮. অবসন্নতা  
৯. মাথা ঘূন্নি 
১০. আলসার
১১. বমি বমি ভাব 
১২. খিচুনী ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬১৭.
'স্নায়ু বিষ' অভিহিত করা হয় কোনটিকে?
  1. টেস্টিং সল্ট
  2. সাদা চিনি
  3. টেবিল সল্ট
  4. লাইম স্টোন
ব্যাখ্যা
- খাবার লবণের রাসায়নিক নাম সোডিয়াম ক্লোরাইড।
- টেস্টিং সল্ট নামে পরিচিত আরেকটি লবণ আছে যার রাসায়নিক নাম সোডিয়াম গ্লুটামেট বা মনো সোডিয়াম গ্লুটামেট।
- এটি শুষ্ক খাবার যেমন পাউরুটি, চানাচুর প্রভৃতির স্বাদ বাড়িয়ে তোলে।
- খাবারকে মুখরোচক বা মজাদার করতে স্বাদ লবণ বা টেস্টিং সল্ট নামের রাসায়নিক উপাদান বাড়িতে ও খাবার দোকানে বহুল ব্যবহূত হয়।
- এটি বেশি পরিমাণে ব্যবহার হলে স্নায়ুতন্ত্রের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে, তাই বিজ্ঞানীরা একে স্নায়ুবিষ বলে থাকেন।

উৎস:
১. বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২০ শিক্ষাবর্ষ।
২. দৈনিক ইত্তেফাক। [Link]
৩,৬১৮.
কৃষ্ণবিবরে আলোর কোন ধরণের আচরণ পরিলক্ষিত হয়?
  1. ক) প্রতিফলন
  2. খ) প্রতিসরণ
  3. গ) শোষণ
  4. ঘ) বিচ্ছুরণ
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণবিবর (Black Hole): 
- ১৯৬৯ সালে ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বর আবিষ্কার করেন মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার।
- কৃষ্ণগহবর বা কৃষ্ণবিবরে মহাকর্ষজনিত আকর্ষণ থাকে প্রবল।
- কৃষ্ণবিবরের আয়তন সসীম এবং ঘনত্ব, ভর, অভিকর্ষজ ত্বরণ, মুক্তিবেগ প্রায় অসীম।
- কৃষ্ণ বিবর মহাবিশ্বের এমন একটি বস্তু যা এত ঘন সন্নিবিষ্ট বা অতি ক্ষুদ্র আয়তনে এর ভর এত বেশি যে এর মহাকর্ষীয় শক্তি কোন কিছুকেই তার ভিতর থেকে বের হতে দেয় না, এমনকি তাড়িত চৌম্বক বিকিরণকেও (যেমন: আলো) নয়।
৩,৬১৯.
মহাবিশ্ব সৃষ্টি এবং এর বিবর্তন সংক্রান্ত বিজ্ঞান-
  1. ক) Astronomy
  2. খ) Particle Physics
  3. গ) Cosmology
  4. ঘ) Astrology
ব্যাখ্যা
Cosmology - the science of the origin and development of the universe. Modern cosmology is dominated by the Big Bang theory, which brings together observational astronomy and particle physics.
Source: Oxford
৩,৬২০.
লেজার রশ্মির বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. একবর্ণী
  2. দশা সুসঙ্গত
  3. পানি দ্বারা শোষিত হয়
  4. তীব্রতা অনেক বেশি
ব্যাখ্যা

লেজার রশ্মির বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো-
- একবর্ণী
- তীব্রতা খুব বেশি
- প্রায় নিখুঁতভাবে সমান্তরাল
- দশা সুসঙ্গত
- পানি দ্বারা শোষিত হয় না
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩,৬২১.
পৃথিবীর কেন্দ্রে কোনো বস্তুর ওজন কত?
  1. শূন্য
  2. ছয় ভাগের এক ভাগ
  3. প্রকৃত ওজনের সমান
  4. প্রকৃত ওজনের অর্ধেক
ব্যাখ্যা
- বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর উপর নির্ভরশীল।
- অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর আদর্শমান ৯.৮ মিটার/সেকেন্ড২
- যে স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ বেশি সেই স্থানে বস্তুর ওজন বেশি।
- বিষুবীয় অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণ সবচেয়ে কম তাই বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম হয়।
- মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণ সবচেয়ে বেশি তাই বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি হয়।
- পৃথিবীর কেন্দ্রে বস্তুর ওজন শূন্য।
- চন্দ্রে কোনো বস্তুর ওজন পৃথিবীর ওজনের ছয় ভাগের এক ভাগ।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি, NCTB।
৩,৬২২.
উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চলে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়কে বলা হয়-
  1. সাইক্লোন
  2. হারিকেন
  3. টাইফুন
  4. সিভিয়ার ট্রপিক্যাল সাইক্লোন
ব্যাখ্যা
সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়:
• সাইক্লোন, টাইফুন ও হারিকেন সবগুলোই সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়। 

⇒ হারিকেন:
- উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চল, মধ্য এবং পূর্ব উত্তর প্রশান্ত মহাসাগর, ক্যারিবিয়ান সাগর এবং মেক্সিকো উপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়কে 'হারিকেন' বলা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, কিউবা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে হারিকেন আঘাত করে।

⇒ টাইফুন: 
- উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চলে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়কে বলা হয় 'টাইফুন'।

- চীন, তাইওয়ান, ফাইলিপাইন ও জাপানে প্রায় প্রতি বছরই টাইফুনের কারণে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়।

⇒ সাইক্লোন: 
- বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় 'সাইক্লোন' হিসেবে পরিচিত।
- সাইক্লোনের কারণে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও ভারতে প্রচুর জানমালের ক্ষতি হয়।

• এ ছাড়াও, দক্ষিণ পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগর এবং দক্ষিণ-পূর্ব ভারত মহাসাগরের ঘূর্ণিঝড়কে বলা হয় সিভিয়ার ট্রপিক্যাল সাইক্লোন।
• আর দক্ষিণ-পশ্চিম ভারত মহাসাগরে একে ট্রপিক্যাল সাইক্লোন বলা হয়।

⇒ যেসব এলাকায় ঘূর্ণিঝড় হয় না: 
- পৃথিবীর বিষুব রেখা বরাবর সাগরে সাধারণত কোনো ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয় না।
- বিষুব রেখা থেকে উত্তর ও দক্ষিণে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়।
- অন্যদিকে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরেও কোনো ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয় না।

উল্লেখ্য, কোনো টাইফুন তার এলাকা থেকে সরে গিয়ে হারিকেন প্রবণ অঞ্চলে প্রবেশ করলে একে তখন একে হারিকেন হিসেবেই ডাকা হয়। একইভাবে কোনো হারিকেন দিক পরিবর্তন করে টাইফুনের এলাকায় চলে এলেও একে তখন টাইফুন বলা হয়।

উৎস: ওয়ার্ল্ড মেটেওরলজিক্যাল অর্গানাইজেনশনের ওয়েবসাইট এবং The Daily Star Bangla. 
৩,৬২৩.
ফোটনের ধর্ম নয়-
  1. ক) এটি চার্জহীন
  2. খ) এর স্থিতি ভর শূন্য
  3. গ) এর ভরবেগ আছে
  4. ঘ) এটি সহজেই আয়নিত হয়
ব্যাখ্যা
ফোটনের কিছু ধর্ম বা বৈশিষ্ট্যঃ
পদার্থের ক্ষুদ্র অংশ কে যেমন পরমাণু বলে, তেমনি কোন বিকিরণের ক্ষুদ্র অংশকে ফোটন বলে, ফোটন আলোর বেগে প্রবাহিত হয়, ফোটনের স্থিতি ভর শূন্য, প্রতি ফোটনের নির্দিষ্ট শক্তি এবং নির্দিষ্ট রৈখিক ভরবেগ আছে, ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ। এর কোন চার্জ নেই, ফোটন এর কণা তরঙ্গ দ্বৈত রুপ আছে, এদের আয়নিত করা যায় না।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র,
একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,৬২৪.
শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ
  1. ক) ৩৩৪ মি/সে
  2. খ) ১৪৯৩ মি/সে
  3. গ) ৫১৩০ মি/সে
  4. ঘ) কোনো বেগ নেই
ব্যাখ্যা
শব্দ মাধ্যম ছাড়া প্রবাহিত হতে পারে না। তাই শূন্য মাধ্যমে শব্দের কোনো বেগ নেই। শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ ০ মি/সে ও লেখা যাবে না৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
৩,৬২৫.
কেন্দ্রাতিগ শক্তির ফলাফল -
  1. মূখ্য জোয়ার
  2. অমাবস্যা ও পূর্ণিমা
  3. গৌণ জোয়ার
  4. ভূ-পৃষ্ঠের জলরাশি কেন্দ্র থেকে বাইরে প্রবাহিত হওয়া
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাব (Centrifugal Force):
- মহাকর্ষ শক্তির মত ঘূর্ণনশীল পৃথিবী পৃষ্ঠে যে কেন্দ্রাতিগ শক্তি উৎপন্ন হয় সেটিও জোয়ার ভাঁটা উৎপত্তির কারণ।
- কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে গৌণ জোয়ার সৃষ্টি হয়।
- পৃথিবী যখন তার অক্ষের উপর ঘুরতে থাকে তখন একটি বিপরীত শক্তি এর পৃষ্ঠ থেকে বিপরীত দিকে নিয়ে যেতে চায়।
উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, বৃষ্টির পানিতে পূর্ণ কোনো রাস্তৃা দিয়ে কোনো যানবাহন যদি খুব দ্রুতগতিতে এগিয়ে যায়, তখন চাকার প্রভাবে ঐ পানি দূরে ছিটকে পরে।

অনুরূপভাবে,
- পৃথিবী শুধু নিজ অক্ষেই ঘুরছে না। সেই সাথে অভিকর্ষ শক্তির প্রভাবে পৃথিবীর প্রতিটি বস্তু নিজ অবস্থানে দাঁড়িয়ে থাকতে পারছে।
- আবার আরেকটি শক্তি কেন্দ্র থেকে বাইরের দিকে প্রবাহিত হচ্ছে যা সবকিছু বাইরের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এই শক্তিকেই বলা হয় কেন্দ্রাতিগ শক্তি বা বিকর্ষণ শক্তি।
- এই কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণেই ভূ-পৃষ্ঠের জলরাশি বাইরের দিকে প্রবাহিত হয় এবং জোয়ার ভাঁটার সৃষ্টি হয়।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর ভূগোল ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)।
৩,৬২৬.
________ মূলত কৃষ্ণগহবরের আবিষ্কারক।
  1. স্টিফেন হকিং
  2. জন হুইলার
  3. আইজ্যাক নিউটন
  4. আলবার্ট আইনস্টাইন
ব্যাখ্যা
• কৃষ্ণগহব্বর (Black Hole):
- কৃষ্ণগহবর বা কৃষ্ণবিবরে মহাকর্ষজনিত আকর্ষণ থাকে প্রবল।
- কৃষ্ণবিবরের আয়তন সসীম। ঘনত্ব, ভর, অভিকর্ষজ ত্বরণ, মুক্তিবেগ প্রায় অসীম।
- একটি মিল্কীওয়েতে ১০০ মিলিয়নের বেশি ব্ল্যাকহোল থাকতে পারে।

- মহাকাশে কৃষ্ণগহব্বর থাকার কথা প্রথম ধারণা করেন - আলবার্ট আইনস্টাইন। ১৯১৬ সালে তিনি তাঁর general theory of relativity তে এই ধারণা তুলে ধরেন।
- আমেরিকান মহাকাশ বিজ্ঞানী জন হুইলার সর্বপ্রথম ১৯৬৭ সালে "black hole" শব্দটি ব্যবহার করেন। তিনিই মূলত কৃষ্ণগহবরের আবিষ্কারক।
- ২০১৯ সালে প্রথম ব্ল্যাক হোলের ছবি তুলতে সক্ষম হয় Event Horizon Telescope (EHT).

উৎস: নাসা ও ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৩,৬২৭.
মানুষের দেহকোষে কতটি ক্রোমোসোম থাকে?
  1. ক) ২৩ টি
  2. খ) ২২ টি
  3. গ) ৪৪ টি
  4. ঘ) ৪৬ টি
ব্যাখ্যা
মানুষ এবং অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীতে প্রায় একই পদ্ধতিতে লিঙ্গ নির্ধারণ হয়। মানবদেহে ক্রোমোজোম সংখ্যা 46 টি বা 23 জোড়া। এর মধ্যে 22 জোড়া বা 44টিকে বা অটোজোম (Autosome ) এবং 1 জোড়াকে  সেক্স- ক্রোমোজোম (Sex chromosome) বলা হয়।

অটোজোমগুলো শারীরবৃত্তীয়, ভ্রূণ এবং দেহ গঠন ইত্যাদি কার্যাদিতে অংশগ্রহণ করে। লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনো ভূমিকা নেই।
সেক্স ক্রোমোজোম দুটি এক্স (X) এবং ওয়াই (Y) নামে পরিচিত। লিঙ্গ নির্ধারণে এরা মুখ্য ভূমিকা পালন করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৩,৬২৮.
দক্ষিণ মহাসাগরের অবস্থান কোথায়?
  1. ক) আমেরিকা ও এশিয়ার মধ্যবর্তী
  2. খ) এন্টার্কটিকা ও ৬০ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যবর্তী
  3. গ) পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে
  4. ঘ) আফ্রিকা, ভারত ও অস্ট্রেলিয়া জুড়ে
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর মহাসাগরগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম মহাসাগর - দক্ষিণ মহাসাগরের (Antarctic Ocean) অবস্থান এন্টার্কটিকা ও ৬০ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যবর্তী স্থানে। এর আয়তন - ২ কোটি ১৯ লক্ষ বর্গকিলোমিটার।
গড় গভীরতা - ৩,২০০ মিটার ও সর্বোচ্চ গভীরতা -৭,২৩৫ মিটার। এই মহাসাগরের গভীরতম স্থান - সাউথ স্যান্ডোইচ ট্রেঞ্চ।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল বোর্ড বই ও Live MCQ Content (Upcoming)।

৩,৬২৯.
কোয়াশিয়রকর রোগ হয়-
  1. ক) শর্করার অভাবে
  2. খ) ভিটামিনের অভাবে
  3. গ) আমিষের অভাবে
  4. ঘ) খনিজ পুষ্টির অভাব
ব্যাখ্যা

- ২ থেকে ৪ বছরের শিশুদের কোয়াশিয়রকর রোগ হয় আমিষের অভাবে।
- শিশুদের মেরাসমাস ও কোয়াশিয়রকর রোগ হয় আমিষ বা প্রোটিনের অভাবে।
- এর ফলে দেখা দেয় রক্তস্বল্পতা।
- এ রোগের লক্ষণগুলো হলোঃ
• শিশুর বৃদ্ধি হ্রাস পায়।
• পেটের পীড়া দেখা দেয়।
• পেশি ক্ষয় হতে থাকে।
• পানি জমে শরীর ফুলে যায়। ‌

৩,৬৩০.
প্লুটো একটি-
  1. ক) নক্ষত্র
  2. খ) উপগ্রহ
  3. গ) গ্রহ
  4. ঘ) বামন গ্রহ
ব্যাখ্যা
প্লুটো সহ সৌরজগতে এরিস, ম্যাকিম্যাকি ও সিরেস নামে আরো কয়েকটি বামন গ্রহ আছে৷ ২০০৬ সালে প্লুটো গ্রহের মর্যাদা হারায়, বর্তমানে এটাকে বামন গ্রহ (Dwarf Planet) বলা হয়ে থাকে।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
৩,৬৩১.
ইনসুলিন এক ধরনের-
  1. হরমোন
  2. শর্করা
  3. ভিটামিন
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
- বহুমূত্র রোগ বা ডায়াবেটিস মেলিটাস এক ধরনের বিপাকজনিত রোগ।
- প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নামক এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণকে কমায়।
- অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহেন্স থেকে গ্লুকানল এবং ইনসুলিন নির্গত হয়।
- ইনসুলিনের অভাবেই ডায়াবেটিস রোগ হয়।
- কারো ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন নির্গত করতে পারে না, কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না।
- যে কারণে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বই।
৩,৬৩২.
মানুষের লালারসে কোন এনজাইমটি থাকে?
  1. পেপসিন
  2. ট্রিপসিন
  3. টায়ালিন
  4. অ্যামাইলেজ
ব্যাখ্যা
- মানুষের লালারসে টায়ালিন এনজাইম থাকে। 

মুখবিবর: 
- মুখ পরবর্তী অংশটি মুখবিবর। 
- মুখবিবরে তিন জোড়া লালাগ্রন্থি থাকে। 
- নিম্ন চোয়ালের অস্থির সাথে জিহ্বাযুক্ত থাকে। 
- জিহ্বার অগ্রভাগ মিষ্টি, দুই পার্শ্ব নোনা, পশ্চাৎ ভাগের দুই পার্শ্ব টক এবং পেছনের দিক তিক্ত স্বাদ গ্রহণ করে। 
- জিহ্বা খাদ্য দ্রব্যের স্বাদ গ্রহণ করে এবং পেষণের সময় লালারস মিশ্রিত করে খাদ্য দ্রব্যকে পিচ্ছিল করে পেছনে ঠেলে দেয়। 
- লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত “মিউসিন” খাদ্যকে পিচ্ছিল করে। 
- আর লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত টায়ালিন ও মল্টেজ এনজাইম খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৩৩.
নিচের কোনটি হাইপোথ্যালামাসের কাজ?
  1. অম্ল ও ক্ষারের সাম্যতা রক্ষা করা
  2. ঐচ্ছিক চলাফেরা নিয়ন্ত্রণ করা
  3. দেহের ভারসাম্য রক্ষা করা
  4. দেহতাপ নিয়ন্ত্রণ করা
ব্যাখ্যা

অগ্রমস্তিষ্কের প্রধান অংশে অবস্থিত হাইপোথ্যালামাস। এর কাজগুলো হলো -
১) দেহে তাপ নিয়ন্ত্রণ করা।
২) স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুকেন্দ্রের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করা।
৩) ক্ষুধা, তৃষ্ণা, ভালো লাগা, ঘাম, ঘুম, রাগ ইত্যাদির উপক্রম ঘটায়।

৩,৬৩৪.
জীবাশ্ম কঠিন ও তরল আকারে খনি থেকে তুলে কি রূপে ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) ধ্বংসাবশেষ হিসাবে
  2. খ) ফসল রূপে
  3. গ) জ্বালানি রূপে
  4. ঘ) বর্জ্য পদার্থরূপে
ব্যাখ্যা
• জীবাশ্ম কঠিন ও তরল আকারে খনি থেকে তুলে জ্বালানি রূপে ব্যবহার করা হয়।
• জীবাশ্ম জ্বালানি: কোটি কোটি বছর পূর্বে গাছ-পালা ও জীবজন্তু প্রচন্ড ভূমিকম্প বা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে বা অন্য কোনো কারণে মাটি চাপা পড়ে যায়। এদেরই দেহাবশেষ এ জীবাশ্ম কঠিন বা তরল আকারে খনি থেকে তুলে তাপ শক্তি উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা হয়। এদেরকেই জীবাশ্ম জ্বালানি বলে।
- উদাহরণ: কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৩৫.
'পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে' ধারণাটি প্রথম প্রমাণ করেন কে? 
  1. নিকোলাস কোপার্নিকাস
  2. বিজ্ঞানী গ্যালিলিও
  3. আইজ্যাক নিউটন
  4. জোহান কেপলার
ব্যাখ্যা

- বিখ্যাত বিজ্ঞানী ও দার্শনিক অ্যারিস্টটল মনে করতেন পৃথিবীর চারপাশে সূর্য ঘােরে। 
- বিখ্যাত গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী টলেমী জোরালােভাবে বলেন যে পৃথিবীকে কেন্দ্র করেই সবকিছু ঘুরছে। 
- কোপার্নিকাস নামে একজন জ্যোর্তিবিদ সম্পূর্ণ নতুন মতবাদ ব্যাক্ত করেন, তিনি পৃথিবীকেন্দ্রিক মডেলের পরিবর্তে সূর্যকেন্দ্রিক মডেলের প্রস্তাব করেন। 
- তার সূর্যকেন্দ্রিক মডেলের মূল কথা ছিল 'পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘােরে'। 
- নিকোলাস কোপার্নিকাস (১৪৭৩-১৫৪৩) একজন জ্যোর্তিবিজ্ঞানী ছিলেন। 
- নিকোলাস কোপার্নিকাসই প্রথম ধারণা দেন যে, পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে। 
- তিনি প্রচলিত বৃত্তাকার কক্ষপথের ধারণা পাল্টে উপবৃত্তাকার কক্ষপথের কল্পনা করেন। 
- পরবর্তীতে বিজ্ঞানী গ্যলিলিও প্রথম কোপার্নিকাসের মতবাদের পক্ষে প্রমাণ হাজির করেন। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬৩৬.
কোনটির অভাবে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়?
  1. ক) থায়ামিন
  2. খ) রাইবোফ্ল্যাভিন
  3. গ) নিয়াসিন
  4. ঘ) কোবালামিন
ব্যাখ্যা

- দেহে থায়ামিনের চরম অভাবে বেরিবেরি রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। এর অভাবে স্নায়ুর দুর্বলতা, মানসিক অবসাদ, ক্লান্তি, খাওয়ায় অরুচি, ওজনহীনতা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়।
- রাইবোফ্ল্যাভিনের অভাবে ঠোঁটের দুপাশে ফাটল দেখা দেয়, মুখে ও জিভে ঘা হয়, ত্বক খসখসে হয়। চোখ দিয়ে পানি পড়ে। এর অভাবে তীব্র আলোতে চোখ খুলতে অসুবিধা হয়।
- নিয়াসিনের অভাবে পেলেগ্রা হয়।
- কোবালামিন/ সায়ানোকোবালামিন/ ভিটামিন B12 এর অভাবে রক্তশূন্যতা দেখা দেয় এবং স্নায়ুর অবক্ষয় ঘটে।

সূত্র: মাধমিক বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি 

৩,৬৩৭.
কোন হরমোনকে স্ট্রেস হরমোন বলা হয়?
  1. কর্টিসল
  2. মেলাটোনিন
  3. লেপটিন
  4. ইনসুলিন
ব্যাখ্যা
• কর্টিসল হরমোন:
- কর্টিসল হরমোনকে স্ট্রেস হরমোনও বলা হয়।
- মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তায় এই হরমোন বেড়ে যায়।
- কর্টিসল হল একটি স্টেরয়েড হরমোন।
- কর্টিসল গ্লুকোজ বিপাক নিয়ন্ত্রণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

অপশন আলোচনা:
• মেলাটোনিন হরমোন - মেলাটোনিন হরমোন ঘুম নিয়ন্ত্রণ করে।

• লেপটিন হরমোন - কতটুকু খেতে হবে, এখন কি খেতে ইচ্ছা করছে কিংবা ক্ষুধা নিবারণ হয়েছে কিনা; লেপটিন হরমোন আমাদের মস্তিষ্কে তা জানান দেয়।

• ইনসুলিন হরমোন:
- ডায়াবেটিসের কারণে রক্তে গ্লুকোজ বা শর্করার পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়।
- সাধারণত ডায়াবেটিসের লক্ষণগুলোর মধ্যে অত্যধিক পিপাসা, ঘনঘন প্রস্রাব হওয়া, ক্লান্তি, ক্ষত না শোঁকানো ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।
- এর সঠিক চিকিৎসা না হলে পরবর্তী সময়ে হৃদরোগ, কিডনি রোগ, স্ট্রোক ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে।
- প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নামক এক ধরনের হরমোন নিঃসৃত হয়, যা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণকে কমায়।
- অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহেন্স থেকে গ্লুকাগন এবং ইনসুলিন নিঃসৃত হয়।
- ইনসুলিনের অভাবেই ডায়াবেটিস রোগ হয়।
- কারো ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন নিঃসৃত করতে পারে না, কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না, যে কারণে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়।

উৎস:
১) বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২) National Center for Biotechnology Information.
৩,৬৩৮.
নিচের কোন রোগের ফলে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়? 
  1. লিউকেমিয়া
  2. অ্যানিমিয়া
  3. থ্যালাসেমিয়া
  4. পলিসাইথিমিয়া
ব্যাখ্যা
রক্ত: 
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু। 
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%। 
- মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের। 
- মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়। 
যেমন: 
১। পলিসাইথিমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পায়। 

২। অ্যানিমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া অথবা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া। 

৩। লিউকেমিয়া: 
- নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়। 
- কিন্তু যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে। 

৪। লিউকোসাইটোসিস: 
- শ্বেত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিক অবস্থার মান থেকে বেড়ে যদি ২০,০০০-৩০,০০০ হয়, তাকে লিউকোসাইটোসিস বলে। 
- নিউমোনিয়া, হুপিং কাশি ইত্যাদি রোগে এ অবস্থা হয়। 

৫। থ্রম্বোসাইটোসিস: 
- এ অবস্থায় অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। 
- রক্তনালীর অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়াকে থ্রম্বোসিস বলে। 
- হৃৎপিণ্ডের করোনারি রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস বলে এবং মস্তিষ্কের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে। 

৬। পারপুরা: 
- ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হলে এ অবস্থা হতে পারে। এ অবস্থায় অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়। 

৭। থ্যালাসেমিয়া: 
- থ্যালাসেমিয়া একধরনের বংশগত রক্তের রোগ। এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে রক্তশূন্যতা সৃষ্টি হয়। 
- হিমোগ্লোবিনের অস্বাভাবিকতার কারণে লোহিত রক্ত কণিকা ভেঙ্গে যায়, ফলে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। 
- সাধারণত শিশু অবস্থায় এ থ্যালাসেমিয়া রোগটি শনাক্ত হয়। এ রোগের জন্য রোগিকে প্রতি ৩ মাস অন্তর রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন হয়। তবে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে রক্তশূন্যতার হার কমে যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৬৩৯.
CFC গ্যাস কোন স্তরের ক্ষতি করে?
  1. ট্রপোস্ফিয়ার
  2. স্ট্রাটোস্ফিয়ার
  3. মেসোস্ফিয়ার
  4. আয়নোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা

◉ CFC (Chlorofluorocarbon) গ্যাস মূলত ফ্রিজ, এয়ার কন্ডিশনার ও স্প্রে ক্যান থেকে নির্গত হয়। CFC গ্যাস স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোন স্তরের ক্ষতি করে। 

CFC গ্যাস:
- CFC গ্যাস হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বন।
- সিএফসি বায়ুমন্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরের ক্ষতি করে।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ ওজোন স্তরকে ক্ষতি করে কিন্তু এর মধ্যে ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (সিএফসি) গ্যাস প্রত্যক্ষভাবে ওজোন স্তরের ক্ষতি করে।
- সিএফসি এর মধ্যে CFC12 এবং CFC13 সর্বাধিক ক্ষতিকর।
- CFC12 এবং CFC13 এর কার্বন যৌগপ্তলো জায়মান দশায় ক্লোরিন উৎপাদন করে।
- উৎপন্ন ক্লোরিন ওজোনের সাথে বিক্রিয়া করে ওজোনের অণু ধ্বংস করে।
- এক লক্ষ ওজোনের অণু ধ্বংসের জন্য একটি ক্লোরিনের অণুই যথেষ্ট।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬৪০.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে?
  1. ক) ট্রপোস্ফিয়ার
  2. খ) স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার
  3. গ) মেসোস্ফিয়ার 
  4. ঘ) থার্মোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডলের থার্মোস্ফিয়ার স্তরটি প্রায় বায়ুশুন্য। এই স্তরে বায়ুর তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ে, তাই এর নাম তাপমণ্ডল। তাপমণ্ডলে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে। 

- ট্রপোস্ফিয়ার- বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নীচের স্তরটিকে ট্রপোস্ফিয়ার বলে। 
- স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার- ট্রপোস্ফিয়ারের ওপরে বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তরটিকে বলা হয় স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার (Stratosphere)। 
- মেসোস্ফিয়ার- স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের ওপরে বায়ুমণ্ডলের তৃতীয় স্তরটিকে বলা হয় মেসােস্ফিয়ার (Mesosphere)। 

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি
৩,৬৪১.
'কার্ডিওলজী' কোন রোগের সাথে সম্পৃক্ত?
  1. ক) হার্ট
  2. খ) চোখ
  3. গ) কিডনি
  4. ঘ) ফুসফুস
ব্যাখ্যা

Cardiology is the study and treatment of disorders of the heart and the blood vessels.

Cardiologist (noun): a doctor who specializes in treating diseases of the heart.

৩,৬৪২.
মানবশিশুর দুধ দাঁতের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ২০টি
  2. খ) ২১টি
  3. গ) ২৪টি
  4. ঘ) ২৬টি
ব্যাখ্যা
- মানুষের চোয়ালে চার ধরনের দাঁত উপস্থিত থাকে।
- পরিণত মানুষের চোয়ালে মোট দাঁতের সংখ্যা ৩২টি।
- মানুষের দুধ দাঁতের সংখ্যা ২০টি। 

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
৩,৬৪৩.
সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচিতে ব্যবহৃত 'এমআর ভ্যাকসিন' দেওয়া হয় কোন রোগের বিরুদ্ধে?
  1. ধনুষ্টংকার
  2. রুবেলা
  3. যক্ষ্মা
  4. নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া
ব্যাখ্যা
সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচিতে,
- বিসিজি ভ্যাকসিন দেওয়া হয় যক্ষ্মার বিরুদ্ধে।
- ডিপিটি ভ্যাকসিন দেওয়া হয় ধনুষ্টংকার, ডিপথেরিয়া ও হুপিং কাশির বিরুদ্ধে।
- এমআর ভ্যাকসিন দেওয়া হয় হাম ও রুবেলার বিরুদ্ধে।
- পিসিভি ভ্যাকসিন দেওয়া হয় নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়ার বিরুদ্ধে।
সূত্র: www.dghs.gov.bd ওয়েবসাইট
৩,৬৪৪.
কোনটি জলবায়ু পরিবর্তনের ফলাফল হিসেবে বিবেচিত নয়?
  1. বনাঞ্চল ধ্বংস
  2. খরা বৃদ্ধি
  3. জনসংখ্যা বৃদ্ধি
  4. সুপেয় পানি দূষণ
ব্যাখ্যা
• জলবায়ু পরিবর্তন মূলত পরিবেশগত পরিবর্তন নিয়ে কাজ করে এবং এর ফলে বিভিন্ন নেতিবাচক প্রভাব দেখা দেয়। বনাঞ্চল ধ্বংস, খরা বৃদ্ধি এবং সুপেয় পানি দূষণ—all these are direct or indirect consequences of changing climate patterns. জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে তাপমাত্রা বাড়তে পারে, বৃষ্টি কমে বা বেড়ে যেতে পারে, যা বনাঞ্চল ধ্বংস এবং খরার কারণ হয়। পানি দূষণও বৃদ্ধি পায় কারণ প্রাকৃতিক ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়। তবে জনসংখ্যা বৃদ্ধি জলবায়ু পরিবর্তনের ফলাফল নয়; এটি মানব সমাজের বৃদ্ধি এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক কারণে ঘটে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো গ) জনসংখ্যা বৃদ্ধি।


• জলবায়ু পরিবর্তন প্রভাব:
- জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই বিশ্বের আবহাওয়ার ধরন দিন দিন পরিবর্তিত হচ্ছে।
- সঠিকভাবে কোনো ঋতুতেই আমরা প্রকৃতির কাছ থেকে স্বাভাবিক আচরণ পাচ্ছি না।
বৃষ্টির সময় অনাবৃষ্টি, শীতের সময়ে গরম আবহাওয়া এবং গরমের ভিন্নধর্মী আবহাওয়া ইত্যাদিই জলবায়ু পরিবর্তনেরই নেতিবাচক প্রভাব।
- এছাড়াও এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠ ফুলে উঠা, বন্য জীবজন্তুর সংখ্যা কমে যাওয়া, লোনা পানির প্রবেশ ঝুঁকি বৃদ্ধি, অসময়ে জলোচ্ছ্বাসের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, সুপেয় পানি দূষণ, বনাঞ্চল ধ্বংস, বাস্তুসংস্থানের উপর হুমকি, খরা বৃদ্ধি, বন্যা ও লবনাক্ততা দ্বারা ফসলি জমির ক্ষতি ইত্যাদি জলবায়ু পরিবর্তনেরই প্রভাব।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৪৫.
বাংলাদেশ ভূ-খন্ড সৃষ্টির আগে এখানে কী ছিল?
  1. ক) ডেল্টা বেসিন
  2. খ) বঙ্গ বেসিন
  3. গ) ভারত মহাসাগরীয় বেসিন
  4. ঘ) সাগর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ (বঙ্গীয় বদ্বীপ) ← বঙ্গ বেসিন (বঙ্গীয় অববাহিকা) ← সাগর।
অর্থাৎ বাংলাদেশ ভূ-খন্ড সৃষ্টির পূর্বে এখানে বঙ্গ বেসিন (বঙ্গীয় অববাহিকা) অবস্থিত ছিল।
ভূত্বকীয় ভারতীয় প্লেট (Indian Plate) এবং এশিয়ান প্লেটের (Asian Plate) সংঘর্ষের ফলে বঙ্গীয় অববাহিকার উৎপত্তি হয়েছে। ইয়োসিন উপযুগের শেষাংশে এই সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকে একদিকে টেথিস সাগরের বিলুপ্তি এবং অপরদিকে হিমালয় পর্বতের সৃষ্টি-এই দুটি ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে বঙ্গীয় অববাহিকার জন্ম হয় এবং ক্রমাগতভাবে তা হিমালয় পর্বত থেকে আগত নদীধারা কর্তৃক বাহিত পলিমাটি দ্বারা ভরাট হয়ে বঙ্গীয় বদ্বীপের সৃষ্টি করে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

৩,৬৪৬.
ক্যালসিয়ামের অভাবে নিচের কোন সমস্যাটি দেখা দেয়? 
  1. এটির অভাবে রক্ত সঞ্চালনে বিঘ্ন ঘটে।
  2. এটির অভাবে রিকেটস রোগ হয়।
  3. এটির অভাবে শিশুদের দাঁত উঠতে দেরি হয়।
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ক্যালসিয়াম: 
- ক্যালসিয়াম (Ca) প্রাণীদের হাড় ও দাঁতের একটি প্রধান উপাদান। 
- মানুষের শরীরের মোট ওজনের শতকরা দুই ভাগ হচ্ছে ক্যালসিয়াম। 
- খনিজ পদার্থের মধ্যে দেহে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। 
- অস্থি এবং দাঁতে ফসফরাস ও  ম্যাগনেসিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে এর  ৯০% শরীরে সঞ্চিত থাকে। 
- রক্ত এবং লসিকাতে এর উপস্থিতি রয়েছে। 
- ক্যালসিয়ামের উদ্ভিজ্জ উৎস হচ্ছে: ডাল, তিল, সয়াবিন, ফুলকপি, গাজর, লালশাক, পালংশাক, কচুশাক, কলমিশাক, বাধঁকপি এবং ফল। 
- প্রাণিজ উৎস হচ্ছে: দুধ, ডিম, ছোট মাছ, শুঁটকি মাছ ইত্যাদি। 
- হাড় ও দাঁটের গঠন শক্ত রাখার জন্য ক্যালসিয়াম একটি অতিপ্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ। 
- এ ছাড়া ক্যালসিয়াম রক্ত সঞ্চালনে, হৃৎপিণ্ডের পেশির স্বাভাবিক সংকোচনে এবং স্নায়ু ও পেশির সঞ্চালনে সাহায্য করে। 
- ক্যালসিয়ামের অভাবের কারণে রিকেটস এবং বয়স্ক নারীদের অস্টিওম্যালেসিয়া রোগ হয়। 
- এর অভাবে শিশুদের দাঁত উঠতে দেরি হয় এবং তাদের রক্ত সঞ্চালনে বিঘ্ন ঘটে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৬৪৭.
সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক লোকের হৃদপিন্ডের সিস্টোলিক চাপ কত?
  1. ক) 70 - 90 মিলিমিটার মার্কারি
  2. খ) 110 - 130 মিলিমিটার মার্কারি
  3. গ) 70 - 80 মিলিমিটার মার্কারি
  4. ঘ) 130 - 150 মিলিমিটারি মার্কারি
ব্যাখ্যা
রক্ত চাপ : রক্ত প্রবাহের সময় ধমনিগাত্রে যে চাপ সৃষ্টি হয় তাকে রক্তচাপ বলে।

হৃদপিন্ডের সংকোচনশীল অবস্থায় যে সর্বাধিক চাপ সৃষ্টি করে তাকে সিস্টোলিক প্রেসার বলে। সুস্থ প্রাপ্ত বয়স্ক লোকের স্বাভাবিক সিস্টোলিক প্রেসার হলো ১১০-১৩০ মি.মি. Hg গড়ে ১২০ মি.মি।

হৃদপিন্ডের শিথিল অবস্থায় যে সর্বনিম্ন চাপ সৃষ্টি করে তাকে ডায়াস্টোলিক প্রেসার বলে। সুস্থ প্রাপ্ত বয়স্ক লোকের ডায়াস্টোলিক প্রেসার হলো ৭০-৯০ মি.মি. (গড়ে ৮০ মি.মি. Hg) রক্ত চাপকে সাধারণতঃ ১২০/৮০ রূপে প্রকাশ করা হয়।

সূত্রঃ প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৪৮.
যখন সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে চন্দ্র অবস্থান করে তখন কোনটি ঘটে?
  1. ক) চন্দ্রগ্রহণ
  2. খ) সূর্যগ্রহণ
  3. গ) আমবস্যা
  4. ঘ) পূর্ণিমা
ব্যাখ্যা
অমাবস্যার তিথিতে পৃথিবী, চন্দ্র ও সূর্য প্রায় একই সরলরেখায় অবস্থান করে। এ সময় চাঁদ পৃথিবী ও সূর্যের মাঝে অবস্থান করে। ফলে চাঁদের ছায়া পৃথিবীর উপর পড়ে। এ ঘটনাকে সূর্যগ্রহণ বলে। সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৬৪৯.
কোয়াসার কী? 
  1. একটি গ্রহীয় নীহারিকা 
  2. একটি সুপারনোভা বিস্ফোরণের অবশেষ 
  3. মহাবিশ্বের সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তু 
  4. সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ 
ব্যাখ্যা

কোয়াসার (Quasar): 
- মহাবিশ্বে এ যাবৎ কালের আবিস্কৃত সবচেয়ে বিস্ময়কর বস্তু সম্ভবত কোয়সার। 
- কোয়াসার হলো মহাবিশ্বের সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তু। 
- একটি কোয়সারের মোট শক্তির পরিমাণ একটি সম্পূর্ণ গ্যালাক্সির শক্তির চেয়ে প্রায় 100 গুণ বেশি। অথচ একটি কোয়াসারের ব্যাপ্তি সৌরজগতের প্রায় দ্বিগুণের মতো। 
- বিজ্ঞানীদের অনেকেই মনে করেন কোয়াসার হলো গ্যালাক্সির কেন্দ্রে অবস্থিত ঘূর্ণায়মান ব্ল্যাক হোল যা ক্রমাগত সন্নিকটবর্তী নক্ষত্রসমূহকে গ্রাস করে চলছে। 
- সুতরাং কোয়াসারের শক্তির উৎস ব্ল্যাক হোল কর্তৃক নক্ষত্র গলধঃকরণ হতে পারে। 
- কোয়াসার এখনও মহাবিশ্বের অতি রহস্যময় এক বস্তু। 
- তবে কোয়াসারের যে বৈশিষ্ট্যগুলো এখন পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়েছে তাদের মধ্যে উলেখযোগ্য হলো কোয়াসার দেখতে নক্ষত্রের মতো, তাদের রং নীলাভ, কতকগুলো কোয়াসার তীব্র বেতার বিকিরণের উৎস, কোয়াসারের লোহিত সরণ খুবই বেশি প্রভৃতি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩,৬৫০.
কোন তত্ত্ব মহাবিশ্বের উৎপত্তি ব্যাখ্যা করে?
  1. বিগ ব্যাং থিওরি
  2. ইনফ্লেশন থিওরি
  3. বিগ রিপ থিওরি
  4. অসিলেটিং ইউনিভার্স থিওরি
ব্যাখ্যা
• বিগ ব্যাং:
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি ল্যামেটার (১৯২৭ সাল)।
- কোনো এক সময় মহাবিশ্বের সব বস্তুপিন্ড একত্রিত অবস্থায় ছিল এবং এক মহাবিস্ফোরণের ফলেই এগুলো ক্রমেই ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে।
- প্রকৃতপক্ষে বিগ ব্যাং বলতে মহাবিশ্ব সৃষ্টির 'শুরু' বোঝায় যখন থেকে স্থান ও সময় গণনা আরম্ভ হয়।
- বিগ ব্যাং সিদ্ধান্ত অনুসারে, মহাবিশ্বের উৎপত্তি ঘটেছে প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে।
- এই সিদ্ধান্তে বলা হয় যে, মহাবিশ্ব একটি একটি সুপারনোভা বা মহাস্থির বিস্ফোরণের ফলে প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে গ্রহাণুগুলি আরম্ভিক অবস্থায় ছিল।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৫১.
পশ্চিমা বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে সমুদ্র স্রোত কোন দিকে প্রবাহিত হয়?
  1. পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে
  2. পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে
  3. উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে
  4. দক্ষিণ থেকে উত্তর দিকে
ব্যাখ্যা
- মহাসাগর ও সাগরের পানির একস্থান থেকে অন্যস্থানে নির্দিষ্ট ও নিয়মিত প্রবাহকে মহাসাগরীয় স্রোত বা সমুদ্রস্রোত বলে।
- উষ্ণতার তারতম্য অনুযায়ী সমুদ্র স্রোতকে প্রধানত ২ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. উষ্ণ স্রোত এবং
২. শীতল স্রোত।
- সমুদ্র স্রোতের প্রধান কারণ বায়ুপ্রবাহ।
- অয়ন বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে সমুদ্র স্রোত পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়।
- পশ্চিমা বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে সমুদ্র স্রোত পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৫২.
নিচের কোন শিলা গ্রাফাইটে রূপান্তরিত হয়? 
  1. কয়লা
  2. গ্রানাইট
  3. বেলেপাথর
  4. চুনাপাথর
ব্যাখ্যা

শিলা: 
- ভূত্বক যেসব উপাদান দ্বারা গঠিত তাদের সাধারণ নাম শিলা। 
- ভূতত্ত্ববিদগণের মতে দুই বা ততোধিক খনিজ দ্রব্যের সংমিশ্রণে এসব শিলার সৃষ্টি হয়। 
- ভূত্বক গঠনকারী সকল কঠিন ও কোমল পদার্থই শিলা। 
উদাহরণস্বরূপ নুড়ি, কাঁকর, গ্রানাইট, কাদা, বালি প্রভৃতি। 
- গঠনপ্রণালি অনুসারে শিলাকে তিনটি প্রধান শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। 
যথা- (১) আগ্নেয় শিলা, (২) পাললিক শিলা ও (৩) রূপান্তরিত শিলা। 

রূপান্তরিত শিলা: 
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা যখন প্রচন্ড চাপ, উত্তাপ এবং রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে রূপ পরিবর্তন করে নতুন রূপ ধারণ করে তখন তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে। 
- ভূআন্দোলন, অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প, রাসায়নিক ক্রিয়া কিংবা ভূগর্ভস্থ তাপ আগ্নেয় ও পাললিক শিলাকে রূপান্তরিত করে। 
যেমন- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল, বেলেপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট, কাদা ও শেল রূপান্তরিত হয়ে স্লেট, গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস এবং কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়। 
- রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এই শিলা স্ফটিকযুক্ত, খুব কঠিন হয়; এতে জীবাশ্ম দেখা যায় না; কোনো কোনো রূপান্তরিত শিলায় ঢেউ খেলানো স্তর দেখা যায়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৬৫৩.
টাইফয়েড রোগের কারণ—
  1. ক) ছত্রাক
  2. খ) ভাইরাস
  3. গ) ব্যাকটেরিয়া
  4. ঘ) নেমাটোড
ব্যাখ্যা
ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ: 
• যক্ষ্মা, 
টাইফয়েড
• আমাশয়
• কলেরা
• গনোরিয়া
• নিউমোনিয়া
• ডিপথেরিয়া
• হুপিংকাশি 
• ধনুষ্টংকার ইত্যাদি।

ভাইরাসজনিত রোগ:
• জলাতঙ্ক
• ইনফ্লুয়েঞ্জা
• হার্পিস
• গুটি বসন্ত
• জলবসন্ত 
• এইডস ইত্যাদি।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৬৫৪.
পরমাণুর নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে কী বলে? 
  1. ফিশন
  2. মেসন
  3. ফিউশন
  4. ডেটন
ব্যাখ্যা
- পরমাণুর নিউক্লিয়াস হতে দুটি প্রক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করা যায়।
- প্রক্রিয়া দুটি হল:
১.  নিউক্লিয়ার ফিশন বা নিউক্লীয় বিভাজন: 
- যে প্রক্রিয়ায় ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস শক্তিশালী কণিকার আঘাতের ফলে প্রায় সমান দুটি খন্ডে বিভক্ত হয় এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিশন বলে। 
- উচ্চ শক্তিসম্পন্ন প্রোটন, নিউট্রন বা ডিউটেরনের আঘাতের ফলে ইউরেনিয়াম নিউক্লিয়াস ৩টি নিউট্রনসহ দুটি তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াসে ভেঙ্গে পড়ে। 
- পরমাণুর নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে ফিশন বলে। 

২. নিউক্লিয়ার ফিউশন বা নিউক্লীয় সংযোজন: 
- যে প্রক্রিয়ায় একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াস পরিণত হয় এবং তাতে প্রচুর শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিউশন বলে। 
- অত্যধিক উচ্চ তাপে ফিউশন সংঘটিত হয়। 
- চারটি হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াস ফিউশন প্রক্রিয়াতে জড়িত হয়ে একটি করে হিলিয়াম নিউক্লিয়াস গঠিত হয়। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৫৫.
বায়ুমণ্ডলে তাপমাত্রা বাড়লে বায়ুচাপের ক্ষেত্রে কী ধরনের পরিবর্তন হয়? 
  1. বায়ুচাপ কমে
  2. বায়ুচাপ বাড়ে
  3. অপরিবর্তিত থাকে
  4. প্রথমে বাড়ে তারপর কমে
ব্যাখ্যা
- বায়ু তার ওজনের কারণে ভূ-পৃষ্ঠের উপর যে চাপ প্রয়োগ করে তাই বায়ুচাপ। 
- বায়ুচাপের একক হল প্যাসকেল। 
- তাপমাত্রা বাড়লে কোন বদ্ধ পাত্রে বায়বীয় পদার্থের চাপ বেড়ে যায় কিন্তু বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বাড়লে বায়ুচাপ কমে যায় এর কারণ বায়ুমণ্ডল পাত্র বদ্ধ নয়; এটি খোলা। 
- তাপ পেলে বায়ু হালকা হয়ে উপরে উঠে যায় ফলে বায়ুর ঘনত্ব কমে যায় ফলে বায়ুচাপ কমে যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৩,৬৫৬.
বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান কোনটি?
  1. হাইড্রোজেন
  2. অক্সিজেন
  3. নাইট্রোজেন
  4. হিলিয়াম
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডলের উপাদান সমূহ:
- নাইট্রোজেন : ৭৮.০২ শতাংশ
- অক্সিজেন : ২০.৭১ শতাংশ
- আর্গন : ০.৮০ শতাংশ
- কার্বন ডাইঅক্সাইড : ০.০৩ শতাংশ
- জলীয়বাষ্প : ০.৪১ শতাংশ
- ধূলিকণা : ০.০১ শতাংশ
- অন্যান্য গ্যাস : ০.০২ শতাংশ।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,৬৫৭.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরের তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি?
  1. ট্রপোস্ফিয়ার
  2. স্ট্র‍্যাটোস্ফিয়ার
  3. মেসোস্ফিয়ার
  4. থার্মোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডলের চতুর্থ স্তর হলো থার্মোস্ফিয়ার।
- এটি ৫০০ কি.মি. পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এ স্তরে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে সৌরবিকিরণ মাত্রার ওপর ভিত্তি করে ৪২৭°C থেকে ১৭২৭° C এর মধ্যে পরিবর্তিত হয়।
- বায়ুমণ্ডলের এ স্তরেই তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩,৬৫৮.
এক আলোক তরঙ্গ যখন অত্যন্ত ক্ষুদ্র কোনো কণার উপর পড়ে, তখন কণাগুলোর আলোক তরঙ্গকে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে দেয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় -
  1. বিক্ষেপণ
  2. প্রতিসরণ
  3. অপবর্তন
  4. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
ব্যাখ্যা
- সূর্যের মধ্যে বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সাত রঙের আলো আছে। 
- এক আলোক তরঙ্গ যখন অত্যন্ত ক্ষুদ্র কোনো কণার উপর পড়ে, তখন এ কণাগুলো আলোক তরঙ্গকে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে দেয়, আর এ ছড়িয়ে দেয়াকে আলোর বিক্ষেপন বলে। 
- এ আলোর বিক্ষেপণ নির্ভর করে আলোক তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর। 
- যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, তার বিক্ষেপণ তত বেশি। 
- নীল বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম তাই নীল আলোর বিক্ষেপণ বেশি হয়, ফলে আকাশ নীল দেখায়। 
- সূর্যরশ্মি যখন বায়ুমণ্ডলে সূক্ষ্ম ধূলিকণা ও অণুতে আপতিত হয়, তখন নীল রঙ ও এর কাছাকাছি রঙগুলোর বিক্ষেপন বেশি হয়। 
- ফলে বেগুনি, আসমানী ও নীল রঙের প্রাচুর্য্য ঘটায় বলে আকাশ নীল দেখায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,৬৫৯.
ট্রানজিস্টর কয় ধরণের হয়ে থাকে?
  1. ক) দুই
  2. খ) তিন
  3. গ) চার
  4. ঘ) পাঁচ
ব্যাখ্যা
- ট্রানজিস্টর হলো তিন প্রান্ত (terminal) বিশিষ্ট একটি ডিভাইস (Device)।
- ১৯৪৮ সালে আমেরিকায় বেল ল্যাবরেটরীতে (Bell Laboratory) প্রথম এর আবিষ্কার হয়।
- আবিষ্কারের পর থেকেই ট্রানজিস্টার ইলেকট্রনিক জগতে বিপ্লবের সৃষ্টি করেছে।
- ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির এটি একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।
- বিবর্ধক (Amplifier) হিসেবে এর ব্যবহার সর্বাধিক সাধারণ ট্রানজিস্টারে ইলেকট্রন এবং হোল উভয় ধরনের চার্জ বাহক (Charge carrier) থাকে বলে একে বাইপোলার ট্রানজিস্টার বলে ।
- পয়েন্ট কন্টাক্ট (Point contact) এবং জাংশন তৈরি পদ্ধতিতে ট্রানজিস্টর তৈরি করা হয়। 
- ট্রানজিস্টর দু'ধরনের। যথা- n-p-n এবং এ p-n-p।
- বিশেষ প্রক্রিয়ায় দুটি p-n জাংশন পাশাপাশি সংযোগ করলে n-p-n বা p-n-p ট্রানজিস্টর পাওয়া যায়।

সূত্র: ৩৫৪ পৃষ্ঠা, পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।   
৩,৬৬০.
মানবদেহের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন পরিবহনের কাজ করে কোনটি?
  1. রক্ত
  2. লসিকা
  3. শিরা
  4. ধমনী
ব্যাখ্যা
- ফুসফুস থেকে মানবদেহের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন পরিবহন এবং প্রতিটি কোষ থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড ফুসফুসে পরিবহনের কাজ করে থাকে রক্ত। 
- লসিকা শরীরের প্রতিরক্ষায় সাহায্য করে এবং স্নেহ জাতীয় খাদ্যের শোষণ ও পরিবহনে সাহায্য করে।
- মূত্র এবং ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে বিভিন্ন বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশিত হয়।

- ধমনীর সাহায্যে হৃদপিণ্ড থেকে দেহে রক্ত সঞ্চারিত হয়।
- শিরার সাহায্যে দেহের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে রক্ত হৃদপিন্ডে ফিরে আসে।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৩,৬৬১.
ভাইরাসজনিত রোগ নয় কোনটি?
  1. জন্ডিস
  2. এইডস
  3. চোখ ওঠা
  4. নিউমোনিয়া
ব্যাখ্যা

- জন্ডিস হয়ে থাকে হেপাটাইটিস- এ, বি, সি, ডি, ই ইত্যাদি ভাইরাসের কারণে।
- এইডস হয়ে থাকে HIV নামক ভাইরাসের কারণে।
- চোখ ওঠা বিভিন্ন ধরনের ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে। এদের মধ্যে এডেনো ভাইরাস, পিকর্না ভাইরাস, হার্পিস ভাইরাস ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- নিউমোনিয়া প্রধানত স্ট্রেপটোকক্কাস নিউমোনি নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়ে থাকে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩,৬৬২.
এইডস রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তির শরীরে -
  1. ক) শ্বেতরক্তকণিকা ধ্বংস হয়ে যায়।
  2. খ) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা লোপ পায়।
  3. গ) কোন নির্দিষ্ট লক্ষণ নেই।
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- মানবদেহে এইচআইভি এর আক্রমণে এইডস রোগ হয়।
- এইডস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের শ্বেতকনিকা ধ্বংস হয়।
- ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা লোপ পায়।
- এইচআইভি সংক্রমণের সর্বশেষ পর্যায়ে হলো এইডস।
- মানব দেহে এইচআইভি ভাইরাস প্রবেশ করার ৬ মাস থেকে ১০ বছরের মধ্যে শরীরে এইডসের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
- এইডস রোগের কোন নির্দিষ্ট লক্ষণ নেই।
৩,৬৬৩.
ঘূর্ণিঝড়ের আগে বায়ু কেমন থাকে?
  1. ক) শীতল
  2. খ) শুষ্ক ও ঝড়ো
  3. গ) শীতল ও আর্দ্র
  4. ঘ) উষ্ণ ও আর্দ্র
ব্যাখ্যা
• ঘূর্ণিঝড়ের আগে বায়ু উষ্ণ ও আর্দ্র থাকে।

ঘূর্ণিঝড়ের গঠন: ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হতে হলে কিছু বৈশিষ্ট্য বা উপাদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এগুলো হলো-
১. সমুদ্র পৃষ্ঠের কাছাকাছি অন্তত ২৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিশিষ্ট যথেষ্ট পরিমাণে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু থাকে।
২. মুষলধারে বৃষ্টিপাত হয় এবং বায়ুপ্রবাহের ভেতরে এবং উপরের দিকে খাড়া হয়ে মেঘপুঞ্জের সৃষ্টি হয়।
৩. উর্দ্ধস্তরের বায়ু বহির্গামী হবে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৬৪.
ভাইরাসের গঠনে নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত?
  1. রাইবােসােম
  2. নিউক্লিয়াস
  3. সাইটোপ্লাজম
  4. নিউক্লিক অ্যাসিড
ব্যাখ্যা

• ভাইরাসের গঠনে নিউক্লিক অ্যাসিড অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) নিউক্লিক অ্যাসিড। ভাইরাস কোনো পূর্ণাঙ্গ কোষ নয়, তাই এতে রাইবোসোম, নিউক্লিয়াস বা সাইটোপ্লাজম থাকে না। ভাইরাস মূলত দুটি অংশ নিয়ে গঠিত- একটি হলো জিনগত উপাদান (DNA বা RNA), যা নিউক্লিক অ্যাসিড, এবং অন্যটি হলো প্রোটিন আবরণ বা ক্যাপসিড। এই নিউক্লিক অ্যাসিডের মাধ্যমেই ভাইরাস বংশবিস্তার ও সংক্রমণ ঘটাতে সক্ষম হয়। জীবকোষের ভেতরে প্রবেশ না করলে ভাইরাস কোনো বিপাকীয় কাজ করতে পারে না, তাই একে জীব ও অজীবের মধ্যবর্তী বলা হয়।
 
ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য: 
- ভাইরাস কখনও জীবের ন্যায় আচরণ করে, আবার কখনও জড়ের ন্যায় আচরণ করে। 
- তাই ভাইরাসে জীব এবং জড় উভয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান। 

ভাইরাসে জীব বৈশিষ্ট্য: 
- ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA বা RNA থাকে। 
- পােষক কোষের অভ্যন্তরে এরা সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে। 
- এতে জেনেটিক রিকম্বিনেশন ঘটতে দেখা যায়। 
- ভাইরাস মিউটেশন ঘটাতে এবং প্রকরণ তৈরি করতে সক্ষম। 
- নতুন সৃষ্ট ভাইরাসে মূল ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে অর্থাৎ একটি ভাইরাস তার অনুরূপ ভাইরাস জন্ম দিতে পারে। 

ভাইরাসের জড় বৈশিষ্ট্য: 
- ভাইরাস অকোষীয়। এদের সাইটোপ্লাজম, কোষ ঝিল্লী, কোষ প্রাচীর, রাইবােসােম, মাইটোকন্ড্রিয়া, নিউক্লিয়াস ইত্যাদি থাকে না। 
- এদের বিপাকীয় এনজাইম এবং পুষ্টি প্রক্রিয়া অনুপস্থিত। 
- এদের কোন জৈবিক কার্যকলাপ যেমন প্রজনন অন্য সজীব কোষ ছাড়া ঘটতে পারে না। 
- ভাইরাসকে কেলাসিত করা যায়, সেন্ট্রিফিউজ করা যায়, ব্যাপন করা যায়, পানির সাথে মিশিয়ে সাসপেনশন তৈরি করা যায় এবং তলানিও করা যায়। 
- জীবকোষের বাইরে ভাইরাস রাসায়নিক কণার ন্যায় নিষ্ক্রিয় থাকে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬৬৫.
ইলেক্ট্রনিক্সের বিপ্লব শুরু হয়-
  1. ক) আইসি আবিষ্কারের সময় থেকে
  2. খ) রোবট আবিষ্কারের মাধ্যমে
  3. গ) ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের সময় থেকে
  4. ঘ) কম্পিউটার আবিষ্কারের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রনিক্সে বিপ্লব শুরু হয় ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের সময় থেকে। ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয় বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে‌। ট্রানজিস্টর বিবর্ধন করে তড়িৎ সংকেতকে।
৩,৬৬৬.
পৃথিবী থেকে চাঁদের গড় দূরত্ব কত?
  1. ৩,২০,০০০ কিমি
  2. ৪,২০,০০০ কিমি
  3. ৩,৮১,৫০০ কিলোমিটার
  4. ১,৫০,০০০ কিমি
ব্যাখ্যা
• চাঁদ:
- পৃথিবী থেকে চাঁদের গড় দূরত্ব ৩,৮১,৫০০ কিলোমিটার।
- চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে নিজ কক্ষপথে ২৯ দিনে একবার আবর্তন করে।
- চাঁদের ব্যাস ৩.৪৭৫ কিলোমিটার। ১৯৬৯ সালের ২১ শে জুলাই সর্বপ্রথম মানুষ চাঁদে অবতরণ করেন।
- চাঁদে পানি, বায়ু, উদ্ভিদ বা প্রাণী নেই। চাঁদে বহু সমতলভূমি, পাহাড় পর্বত ও বৃহদাকার গর্তের উপরিভাগ দেখা যায়।
- চাঁদের সবচেয়ে বড় গহ্বরটির নাম আইটকেন।
- চাঁদের আকাশ দিনে-রাতে একই রকম কালো।
- চাঁদের নিজস্ব আলো নেই। সূর্যের আলোতে চাদ আলোকিত হয়।
- চাঁদের যে পৃষ্ঠে সূর্যালোক পড়ে সে পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ১০০" সেলসিয়াস এর ওপরে এবং অন্ধকার পৃষ্ঠের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের ১৫০ সেলসিয়াসের নীচে।

উৎস:
১. Baylor University Media Release. 
২. বাংলা ট্রিবিউন। [Link]
৩,৬৬৭.
কোনটি কলেরা, টাইফয়েড ও যক্ষ্মা রোগের সৃষ্টি করে?
  1. ক) ব্যাকটেরিয়া
  2. খ) ভাইরাস
  3. গ) সিজেলা
  4. ঘ) জিয়াডিয়া
ব্যাখ্যা
- ব্যাকটেরিয়া মানবদেহে বিভিন্ন ধরনের রোগের সৃষ্টি করে থাকে।
যেমন- কলেরা, টাইফয়েড, যক্ষ্মা, আমাশয়, টিটেনাশ, কুষ্ঠ (লেপরসী) প্রভৃতি।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,৬৬৮.
চারিদিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত বিস্তীর্ণ প্রাকৃতিক জলরাশিকে বলা হয় -
  1. হ্রদ
  2. সাগর
  3. উপসাগর
  4. মহাসাগর
ব্যাখ্যা
- আয়তন এবং গভীরতার ভিত্তিতে বারিমণ্ডলকে চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা - 
১। মহাসাগর (Ocean), 
২। সাগর (Sea), 
৩। উপসাগর (Bay), 
৪। হ্রদ (Lake)। 
 
মহাসাগর (Ocean): 
- উন্মুক্ত বিস্তীর্ণ জলরাশি বা পানি রাশিকে মহাসাগর (Ocean) বলে। 
- পৃথিবীতে মোট পাঁচটি মহাসাগর রয়েছে। 
যথা: প্রশান্ত মহাসাগর (Pacific Ocean), আটলান্টিক মহাসাগর (Atlantic Ocean), ভারত মহাসাগর (Indian Ocean), উত্তর মহাসাগর (North Ocean), দক্ষিণ মহাসাগর (South Ocean)। 
 
সাগর (Sea): 
- সাগর হচ্ছে মহাদেশের উপকূলভাগে মহাসাগরের প্রান্তে অবস্থিত জলভাগ যা প্রাকৃতিক ভূ-প্রকৃতি দ্বারা মহাসাগর থেকে আংশিকভাবে বিচ্ছিন্ন। 
- সংক্ষেপে মহাসাগর অপেক্ষা স্বল্প আয়তন বিশিষ্ট জলরাশিকে সাগর (Sea) বলে। 
যেমন- জাপান সাগর, ক্যারিবিয়ান সাগর, লোহিত সাগর, ভূ-মধ্যসাগর। 
 
উপসাগর (Bay): 
- শুধুমাত্র একদিকে জল এবং বাকী তিনদিক স্থলভাগ দ্বারা পরিবেষ্টিত জলরাশিকে উপসাগর (Bay) বলে। 
যেমন- মেক্সিকো উপসাগর, পারস্য উপসাগর, বঙ্গোপসাগর। 
 
হ্রদ (Lake): 
- চারদিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত বিস্তীর্ণ প্রাকৃতিক জলরাশিকে হ্রদ (Lake) বলে। 
যেমন- রাশিয়ার বৈকাল হ্রদ, আফ্রিকার ভিক্টোরিয়া হ্রদ। 
- যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্তে অবস্থিত সুপিরিয়র হ্রদ। 
 
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,৬৬৯.
নিচের কোনটি গ্রিনহাউজ গ্যাস নয়?
  1. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  2. নাইট্রাস অক্সাইড
  3. হাইড্রোফ্লুরোকার্বন
  4. আর্গন
ব্যাখ্যা
গ্রিনহাউস গ্যাস (Greenhouse Gases):
সাধারণভাবে, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রধান কারণ কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂), যা অনেক ক্লাইমেট চেঞ্জ উদ্যোগের কেন্দ্রে রয়েছে। মিথেন (CH₄) এবং নাইট্রাস অক্সাইড (N₂O) কিছুটা কম পরিমাণে, সাধারণত <20% অবদান রাখে।

Direct Greenhouse Gases:
প্যারিস চুক্তির অধীনে সাতটি ডাইরেক্ট গ্রিনহাউস গ্যাস রিপোর্ট করা হয়:
- কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂), 
- মিথেন (CH₄), 
- নাইট্রাস অক্সাইড (N₂O), 
- হাইড্রোফ্লুরোকার্বন (HFCs), 
- পেরফ্লুরোকার্বন (PFCs), 
- সালফার হেক্সাফ্লুরাইড (SF₆), 
- নাইট্রোজেন ট্রাইফ্লুরাইড (NF₃), 
এই গ্যাসগুলি তাপমাত্রা বৃদ্ধি বা রেডিয়েটিভ ফরসিং প্রভাবের মাধ্যমে সরাসরি ক্লাইমেট চেঞ্জে অবদান রাখে।
- HFCs, PFCs, SF₆ এবং NF₃ collectively "এফ-গ্যাস" নামে পরিচিত।

Indirect Greenhouse Gases:
এছাড়া আরও চারটি ইন্ডাইরেক্ট গ্রিনহাউস গ্যাস রয়েছে:
- নাইট্রোজেন অক্সাইড (NOx)
- কার্বন মনোক্সাইড (CO)
- নন-মিথেন ভলাটাইল অর্গানিক কম্পাউন্ড (NMVOC)
- সালফার ডাইঅক্সাইড (SO₂)
এই গ্যাসগুলি সরাসরি তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে অবদান না রাখলেও, তারা অন্যান্য গ্যাসের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া করে গ্রিনহাউস গ্যাসের উৎপাদন ঘটাতে পারে এবং পরিবেশে অবদান রাখতে পারে।

উৎস:National Atmospheric Emissions Inventory,UK Website.
৩,৬৭০.
'আবদুল্লাহ' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
  2. ইবরাহীম খাঁ
  3. কাজী আব্দুল ওদুদ
  4. কাজী ইমদাদুল হক
ব্যাখ্যা
• 'আবদুল্লাহ' উপন্যাস:
- 'আবদুল্লাহ' কাজী ইমদাদুল হক রচিত একটি উপন্যাস। এটি মোসলেম ভারত পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হতো। ১৯৩৩ সালে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

- কাজী ইমদাদুল হকের 'আবদুল্লাহ' উপন্যাসের 'তৎকালীন মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজের চিত্র' অঙ্কিত হয়েছে।

- উপন্যাসটি রচনাকালীন সময়ে কাজী ইমদাদুল হকের মৃত্যু হলে, কাজী আনোয়ারুল কাদির ইমদাদুল হকের খসড়া অবলম্বন করে অসমাপ্ত উপন্যাসটি সমাপ্ত করেন। উপন্যাসটিতে চিত্রিত হয়েছে গ্রামীণ মুসলিম সমাজের পিরভক্তি, ধর্মীয় কুসংস্কার, পর্দাপ্রথা, সম্প্রদায়বিদ্বেষ ইত্যাদির বিরুদ্ধে মানবতাবাদী প্রতিবাদ।

- শিল্পের বিচারে 'আবদুল্লাহ্' উৎকৃষ্ট উপন্যাস নয়, তবে বাংলার সামাজিক বিবর্তনের, বিশেষ করে বাঙালি মুসলমানের অগ্রযাত্রার সম্ভাবনা ও প্রতিবন্ধকতা সুচারুভাবে ফুটে উঠায় গ্রন্থটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব আছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩,৬৭১.
বিবর্তনবিদ্যার আলোচ্য বিষয় নয় কোনটি?
  1. ক) প্রাণের বিকাশ
  2. খ) জীবের বিবর্তন
  3. গ) কালের বিবর্তন
  4. ঘ) জীবের ক্রমবিকাশ
ব্যাখ্যা
বিবর্তনবিদ্যা (Evolution): পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশ, জীবের বিবর্তন এবংক্রমবিকাশের তথ্যসমূহের আলােচনা এ শাখার বিষয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই
৩,৬৭২.
‘জিকা ভাইরাস‘ কোন দেশে সর্বপ্রথম ছড়ায়?
  1. ক) ভারত
  2. খ) আমেরিকা
  3. গ) ব্রাজিল
  4. ঘ) ইরাক
ব্যাখ্যা
- জিকা ভাইরাস প্রথম আবিষ্কৃত হয় ১৯৪৭ সালে, উগান্ডায়। 
- ২০১৫ সালে সর্বপ্রথম ব্রাজিলে ছড়িয়ে পড়ে জিকা ভাইরাস।
 
জিকা ভাইরাস এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। 

সাধারণত সংক্রামিত এডিস এজেপ্টাই মশার কামড় থেকে জিকা ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটে। ক্রান্তীয় অঞ্চলগুলিতে যেখানে মশার প্রকোপ খুব বেশি, সেখানে এই ধরনের সংক্রমণ বেশি হয়। সংক্রামিত এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে মানুষের শরীরে জিকা ভাইরাস প্রবেশ করে।

জিকার কারণে মাত্র কয়েকদিনের জন্য মৃদু জ্বর, ফুসকুড়ি, চোখে জ্বালা, এবং দেহে ব্যথা হতে পারে। যদিও বেশীরভাগ লোকই যারা জিকা ভাইরাস আক্রান্ত হয়েছে তাদের কোন লক্ষণ দেখা যায় না।

জিকার লক্ষণসমূহ: 
- ১ বা ২ দিনের জন্য নীচু মাত্রায় জ্বর, সাধারণতঃ ৩৮° (১০১°ফা)-এর বেশী নয়
- চোখে জ্বালা বা চোখ লাল
- অস্থির ব্যথা
- ত্বকে চুলকানি
- পেশীতে ব্যথা ও মাথা ব্যথা
 
The first confirmed case of Zika virus infection in the Americas was reported in Northeast Brazil in May 2015, although phylogenetic studies indicate virus introduction as early as 2013. Zika rapidly spread across Brazil and to more than 50 other countries and territories on the American continent.
 
Zika virus was first discovered in 1947 and is named after the Zika Forest in Uganda. In 1952, the first human cases of Zika were detected and since then, outbreaks of Zika have been reported in tropical Africa, Southeast Asia, and the Pacific Islands. Zika outbreaks have probably occurred in many locations.
 
Source: National Library Medicine of Science , Center for disease control and prevention 
৩,৬৭৩.
ভরা কটাল বা তেজ কটাল কখন ঘটে? 
  1. সমুদ্রের গভীরতার কারণে 
  2. চাঁদ পৃথিবীর নিকটবর্তী অংশে থাকলে 
  3. অমাবস্যা ও পূর্ণিমার সময় চাঁদ ও সূর্য একই সরলরেখায় থাকলে 
  4. চাঁদ ও সূর্য পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থাকলে 
ব্যাখ্যা

জোয়ার-ভাটা: 
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাটা সংঘটিত হয়। 
- পৃথিবী থেকে চন্দ্র গড়ে প্রায় ৩৮.৪ লক্ষ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত হওয়ার কারণে পৃথিবীর ওপর চন্দ্রের আকর্ষণ ক্ষমতা সূর্য অপেক্ষা বেশি। ফলে জোয়ার-ভাটায় চন্দ্রের প্রভাব বা চাঁদের আকর্ষণ বেশি লক্ষ্য করা যায়। 
- জোয়ার ভাটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়।
যথা- 
১. মুখ্য জোয়ার: 
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরূপ সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

২. গৌণ জোয়ার: 
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। 

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে। 

৪. মরা কটাল: 
- চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬৭৪.
পৃথিবীর পরিধি কত?
  1. ৪৫ ডিগ্রি
  2. ৯০ ডিগ্রি
  3. ১৮০ ডিগ্রি
  4. ৩৬০ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা
পৃথিবী:
- পৃথিবীর পরিধি ৩৬০ ডিগ্রি।
- পৃথিবীকে বলা হয় আদর্শ গ্রহ।
- একমাত্র পৃথিবী গ্রহেই উদ্ভিদ ও প্রাণীর বসবাসের উপযোগী পরিবেশ রয়েছে।
- সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দুরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার।
- পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড।
- পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৭৫.
অপটিক্যাল ফাইবারের প্রধান উপাদান কোনটি?
  1. CaO
  2. MgO
  3. CuO
  4. SiO2
ব্যাখ্যা

SiO2
অপটিক্যাল ফাইবার:
অপটিক্যাল ফাইবার হলো স্বচ্ছ, নমনীয় এবং খুব সূক্ষ্ম কাচ বা প্লাস্টিকের তন্তু, যা আলোক সঙ্কেত পরিবহন করে।
- আলো চলাচলের জন্য স্বচ্ছ মাধ্যমের প্রয়োজন।
- কাঁচের সংকেত সিলিকন-ডাই-অক্সাইড (SiO2)।
- এটি অত্যন্ত স্বচ্ছ, রাসায়নিকভাবে স্থিতিশীল, ও আলোক সংকেতকে খুব কম ক্ষয় সহ পরিবহন করতে পারে  এজন্য এটি অপটিক্যাল ফাইবারের মূল উপাদান।

অপটিক্যাল ফাইবার তিনটি অংশে গঠিত: 
১. Core (কোর): SiO₂ দ্বারা তৈরি, যেখানে আলো সঞ্চালিত হয়।
২. Cladding (ক্ল্যাডিং): কোরের চারপাশে থাকে, যার প্রতিসরণাঙ্ক কিছুটা কম থাকে, ফলে আলো সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে কোরে সীমাবদ্ধ থাকে।
৩. Jacket (জ্যাকেট): বাহ্যিক সুরক্ষামূলক স্তর।

অপরদিকে,
- CaO হল কুইক লাইম, যা চুনাপাথর থেকে পাওয়া যায়। এটি একধরনের ক্ষারীয় পদার্থ, আলোক পরিবাহিতা নেই, এবং স্বচ্ছ নয়
- MgO তাপ সহনশীল যা গাড়ীর ইঞ্জিন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।
- CuO একটি ধাতব অক্সাইড যা বিদ্যুত পরিবহণে সক্ষম। 

তথ্যসূত্র: NCTB পদার্থবিজ্ঞান বই, Britannica: [লিংক]

৩,৬৭৬.
নিচের কোনটি মাছের চাষ বুঝায়?
  1. পিসিকালচার (Pisciculture)
  2. সেরিকালচার (Sericulture)
  3. এপিকালচার (Apiculture)
  4. হর্টিকালচার (Horticulture)
ব্যাখ্যা
আধুনিক চাষ পদ্ধতি: 
- রেশম চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- সেরিকালচার। 
- মৎস্য চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- পিসিকালচার। 
- মৌমাছি পালন বিদ্যাকে বলা হয়- এপিকালচার। 
- পাখি পালন বিদ্যাকে বলা হয়- এভিকালচার। 
- চিংডি চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- প্রণকালচার। 
- উদ্যান পালন বিদ্যাকে বলা হয়- হর্টিকালচার। 
- সামদ্রিক মৎস্য চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- মেরিকালচার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৩,৬৭৭.
নিচের কোনটি মিঠা পানির উৎস নয়?
  1. ক) নদী
  2. খ) হ্রদ
  3. গ) ভূগর্ভস্থ পানি
  4. ঘ) সাগর
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর সমস্ত পানিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- লবণাক্ত ও মিঠা পানি। পৃথিবীর সকল মহাসাগর, সাগর ও উপসাগরের জলরাশি লবণাক্ত এবং নদী, হ্রদ ও ভূগর্ভস্থ পানি মিঠা পানির উৎস। উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৬৭৮.
যানবাহন থেকে নির্গত কালো বিষাক্ত গ্যাসটির নাম কী? 
  1. ফেরিক অক্সাইড
  2. মিথেন
  3. কার্বন মনোক্সাইড
  4. ইথেন
ব্যাখ্যা
- যানবাহন থেকে নির্গত কালো বিষাক্ত গ্যাসটির নাম হচ্ছে কার্বন মনোক্সাইড
- এই গ্যাসটি বায়ু দূষণের জন্য দায়ী। 
- যেসব সংক্রামক উপাদান বায়ু পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে সেইসব উপাদানকে বলা হয় দূষক। 
- পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার ঘটনাকে বলা হয় দূষণ।

বায়ু দূষণের ক্ষতিকর প্রভাবসমূহ - 
১. কার্বন মনোক্সাইড এর প্রভাবে মাথাধরা, ঝিমুনি, শারীরিক শক্তি হ্রাস পায়। 
২. সালফার অক্সাইড-এর প্রভাবে শ্বাসনালির জ্বালা, হাঁপানি, কাশি, নাকজ্বালা। 
৩.  নাইট্রোজেন অক্সাইড-এর প্রভাবে শ্বাসনালির স্ফীতি ও ফুসফুসের জ্বালা। 
৪. সূক্ষ্মণার প্রভাবে চোখ, নাক ও গলার জ্বালা, রােগ প্রতিরােধ ক্ষমতা হ্রাস। 

উৎস: Texas Commission on Environmental Quality Website [লিঙ্ক]
৩,৬৭৯.
মার্বেল কোন ধরনের শিলা?
  1. ক) রূপান্তরিত শিলা
  2. খ) আগ্নেয় শিলা
  3. গ) পাললিক শিলা
  4. ঘ) মিশ্র শিলা
ব্যাখ্যা

আগ্নেয় ও পাললিক শিলা অত্যধিক চাপ, তাপ ও রাসায়নিক ক্রিয়ায় পরিবর্তিত হয়ে যে নতুন রূপ ধারণ করে তাকে ‘রূপান্তরিত শিলা’ বলে।

রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ:
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইট
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল
- বেলপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস।
অন্যদিকে,
- ল্যাকোলিথ ও গ্রানাইট : অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা
- কয়লা : পাললিক শিলা।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি : পৃষ্ঠা: ৫০-৫১

৩,৬৮০.
ঘূর্ণিঝড় হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করার জন্য ন্যূনতম বাতাসের গতিবেগ কত কিমি/ঘণ্টা বা তার বেশি হতে হয়?
  1. ৩০ কিমি/ঘণ্টা
  2. ৬৫ কিমি/ঘণ্টা
  3. ৪৫ কিমি/ঘণ্টা
  4. ৮০ কিমি/ঘণ্টা
ব্যাখ্যা

- ঘূর্ণিঝড় হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করার জন্য ন্যূনতম বাতাসের গতিবেগ প্রায় ৬৫ কিমি/ঘণ্টা (বা ৩৬ নট) হতে হয়, যা সাধারণত "ঘূর্ণিঝড়" (Cyclonic Storm) ক্যাটাগরির সর্বনিম্ন সীমা, তবে এর চেয়ে কম গতিতে গভীর নিম্নচাপ (Deep Depression) হয়। 

সাইক্লোন: 
- ঘূর্ণিঝড়ের ইংরেজি প্রতিশব্দ Cyclone, এটি গ্রিক শব্দ Kyklos থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে যার অর্থ কুণ্ডলি পাকানো সাপ। ঘূর্ণিঝড়ের বাতাস কুণ্ডলি পাকানো সাপের আকার ধারণ করে বলে এরূপ নামকরণ করা হয়েছে। 
- সাধারণত এপ্রিল-মে এবং অক্টোবর-ডিসেম্বর মাসে ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়ে থাকে। 
- বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগর গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির একটি আদর্শ ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত। 

সাইক্লোন সৃষ্টির কারণ: 
- এই দুর্যোগ সৃষ্টির প্রধান কারণ হলো উচ্চ তাপমাত্রা ও নিম্নচাপ। 
- সাইক্লোন সৃষ্টি হয় গভীর সমুদ্রে এবং আঘাত হানে উপকূলীয় এলাকায়। 
- সাধারণত এই তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রী সেলসিয়াসের বেশি হওয়া প্রয়োজন এবং ঝড়ের সময় বাযুপ্রবাহের গতিবেগ ৬৫ কিলোমিটার বা তারও বেশি হয়। 
- বঙ্গোপসাগরে প্রায় সারা বছরই এইরূপ তাপমাত্রা বিদ্যমান। 
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ বিরাজ করে। এ সময় উচ্চচাপযুক্ত বায়ু প্রবলবেগে ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রভাগে যেখানে নিম্নচাপ থাকে সেদিকে ধাবিত হয়। এ প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে সম্পন্ন হয়। 
- এটি উষ্ণ সমুদ্রপৃষ্ঠে উৎপত্তি লাভ করে মহাদেশীয় মূলভাগের দিকে অগ্রসর হয়। 
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলকে চোখ বলে। 
- এছাড়াও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬৮১.
শিশুর জন্মের এক মাসের মধ্যে কোন টিকা দিতে হয়? 
  1. DPT
  2. DT
  3. OPV
  4. TT
ব্যাখ্যা
- শিশুর জন্মের ১ সপ্তাহের মধ্যে 'বিসিজি ও ওপিভি-ও' টিকা নেয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়। 

ভ্যাকসিনেশন: 
- বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization-WHO) এর (Expended Programe on Immounization -EPI) কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী কয়রকটি রোগ যথা- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, টিটেনাস, পোলিও এবং হাম-ইত্যাদি রোগের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- এছাড়াও হেপাটাইটিস-বি এবং হিমোফাইলা ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি-এর ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- মা এবং শিশুকে টিটেনাস থেকে রক্ষার জন্য টিটেনাস টক্সেয়েড (tetanus toxoid) ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 


উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৮২.
পৃথিবী আপন কক্ষপথে কত ডিগ্রি কোণে হেলে আছে?
  1. ২৩.৫°
  2. ৫৫.৫°
  3. ৪৬.৫°
  4. ৬৬.৫°
ব্যাখ্যা
- পৃথিবী আপন কক্ষপথে ৬৬.৫°কোণে হেলে আছে। 
- পৃথিবী নিজ অক্ষে ২৩.৫° কোণে হেলে আছে।
- আহ্নিক গতির ফলে দিবা-রাত্রির সংঘটন, বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত সৃষ্টি এবং তাপমাত্রার তারতম্য ঘটে। 
- বার্ষিক গতির ফলে দিবা-রাত্রির হ্রাস ও ঋতু পরিবর্তন সংঘটিত হয়। 
- ২১শে মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রি সমান হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৮৩.
নিচের কোনটি মৃত আগ্নেয়গিরি?
  1. ক) কোহি সুলতান
  2. খ) ফুজিয়ামা
  3. গ) কিলিমাঞ্জারো
  4. ঘ) স্ট্রম্ব্যালি
ব্যাখ্যা
- যেসব আগ্নেয়গিরি দীর্ঘকাল ধরে নিষ্ক্রীয় আছে এবং ভবিষ্যতেও অগ্ন্যূৎপাতের সম্ভাবনা নেই তাদের মৃত আগ্নেয়গিরি বলা হয়।
মৃত আগ্নেয়গিরি উদাহরণ:
- কোহি সুলতান (ইরান)
- বেন নেভিস (যুক্তরাজ্য) প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- ফুজিয়ামা (জাপান) : সুপ্ত আগ্নেয়গিরি
- কিলিমাঞ্জারো (তাঞ্জানিয়া) : সু্প্ত আগ্নেয়গিরি
- স্ট্রম্ব্যালি (ইতালি) : সক্রিয় আগ্নেয়গিরি
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং ব্রিটানিকা)
৩,৬৮৪.
ভূ - ত্বকে কোন উপাদান সবচেয়ে কম থাকে?
  1. সোডিয়াম
  2. অ্যালুমিনিয়াম
  3. ক্যালসিয়াম
  4. লোহা
ব্যাখ্যা
ভূ-ত্বক: 
- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক। 
- ভূত্বকের পুরুত্ব খুবই কম। 
- ভূত্বকের প্রধান উপাদান বা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় অক্সিজেন। 

ভূ-ত্বকে, 
অক্সিজেনের পরিমাণ- ৪২.৭%, 
সিলিকনের পরিমাণ- ২৭.৭%, 
অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ- ৮.১%, 
লোহা বা আয়রনের পরিমাণ- ৫.১%, 
ক্যালসিয়ামের পরিমাণ- ৩.৭%, 
সোডিয়ামের পরিমাণ- ২.৮%, 
পটাসিয়ামের পরিমাণ- ২.৬% এবং 
ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ- ২.১%। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৬৮৫.
ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলে কোন অবস্থা বিরাজ করে? 
  1. শুষ্ক আবহাওয়া
  2. নিম্ন তাপ
  3. নিম্নচাপ
  4. উচ্চচাপ
ব্যাখ্যা

ঘূর্ণিঝড় (Cyclone): 
- বাংলাদেশে সংঘটিত প্রচন্ড শক্তিশালী এবং মারাত্মক ধ্বংসকারী প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় উল্লেখযোগ্য। 
- স্থান অনুসারে ঘূর্ণিঝড়ের বিভিন্ন নামকরণ হয়। 
- ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রমুখী ও ঊর্ধ্বমুখী বায়ুরূপে পরিচিত। 
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 
- বাংলাদেশে আশ্বিন-কার্তিক এবং চৈত্র-বৈশাখ মাসে এ ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়। 
- বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর কারণে ঘূর্ণিঝড় হয় এবং একই ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। 
- বাংলাদেশের দক্ষিণে ফানেল আকৃতির কারণে এ দেশে অধিক সংখ্যক ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়। 
- ঘূর্ণিঝড় একটি সাময়িক প্রাকৃতিক দুর্যোগ। 
- গত তিন দশকে বাংলাদেশের পূর্বাংশে বেশি ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, টেকনাফ, সন্দ্বীপ, হাতিয়া, কুতুবদিয়া, উরিরচর, চর জব্বার, চর আলেকজান্ডার প্রভৃতি স্থানে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৬৮৬.
তিন দিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত জলরাশিকে কী বলে?
  1. সাগর
  2. হ্রদ
  3. উপসাগর
  4. মহাসাগর
ব্যাখ্যা
- বারিমণ্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Hydrosphere.
- আয়তন এবং গভীরতার ভিত্তিতে বারিমন্ডলকে চারটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- মহাসাগর, সাগর, উপসাগর এবং হ্রদ।
- পৃথিবীর মোট জলরাশির শতকরা ৯০ ভাগ রয়েছে সমুদ্রে।
- পৃথিবীতে মোট ৫টি মহাসাগর রয়েছে।
- আয়তন ও গভীরতার দিক দিয়ে প্রশান্ত মহাসাগর সর্ববৃহৎ।
- তিন দিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত জলরাশিকে উপসাগর বলে।
- চার দিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত জলরাশিকে হ্রদ বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৮৭.
মঙ্গল গ্রহের উপগ্রহ কয়টি?
  1. ক) ১ টি
  2. খ) ২ টি
  3. গ) ৩ টি
  4. ঘ) ৫ টি
ব্যাখ্যা

মঙ্গল গ্রহের উপরিভাগে রয়েছে গিরিখাত ও আগ্নেয়গিরি ।
এ গ্রহে অক্সিজেন ও পানির পরিমাণ খুবই কম এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ এত বেশি (শতকরা ১৯ ভাগ) যে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয়।
মঙ্গলে ফোবস ও ডিমােস নামে দুটি উপগ্রহ রয়েছে।
উৎসঃ ভূগােল, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৬৮৮.
নিচের কোন নামে নীহারিকা (Nebula) পরিচিত?
  1. Pillars of Solar System
  2. Pillars of Destruction
  3. Pillars of Creation
  4. Pillars of Black Hole
ব্যাখ্যা
নীহারিকা (Nebula):
- সৃষ্টি জগতের সকল উপাদানকে একত্রে মহাবিশ্ব বলা হয়।
- মহাবিশ্বের মহাকাশে গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র, ধূমকেতু, নীহারিকা, ছায়াপথ, গ্যালাক্সি ও উল্কা ইত্যাদিকে জ্যোতিষ্ক বলে।
- নীহারিকা বা নেবুলা (Nebula) হলো ধুলা, হাইড্রোজেন, হিলিয়াম ও আয়নিত গ্যাসের আন্তর্মহাকাশীয় মেঘ।
- এগুলো আসলে হালকা গ্যাসের অতিকায় পিণ্ড।
- একটি নীহারিকার মাঝে কোটি কোটি নক্ষত্র থাকতে পারে।
- নীহারিকার মেঘস্তম্ভকে নক্ষত্র সৃষ্টির আধার হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
- তাই নাসার বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন "Pillars of Creation"। 
- আবার তারার সুপারনোভা বিস্ফোরণে নীহারিকা তৈরি হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৮৯.
ভরা কটাল কখন হয়?
  1. ক) সপ্তমী তিথিতে
  2. খ) অষ্টমী তিথিতে
  3. গ) অমাবস্যা তিথিতে
  4. ঘ) ক + খ
ব্যাখ্যা
তেজ কটাল বা ভরা কটাল (Spring Tide)
- চন্দ্রের মত সূর্যও জোয়ার ভাঁটা সৃষ্টিতে সাহায্য করে।
- যখন অমাবস্যার সৃষ্টি হয় তখন সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে।
- অন্যদিকে পূর্ণিমার সময় পৃথিবীর একপাশে সূর্য ও অন্যপাশে চন্দ্র অবস্থান করে। এই সময় চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। 
- মূলত পূর্ণিমা ও অমাবস্যায় চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণে জোয়ারের পানি ফুলে উঠে। এই জোয়ারকেই বলা হয় ভরা কটাল বা তেজ কটাল।
- পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী পৃষ্ঠের যে স্থানে চন্দ্রের প্রভাবে মুখ্য জোয়ার হয়, সে স্থানে সূর্যের প্রভাবে গৌণ জোয়ার হয়।
- আবার চন্দ্রের প্রভাবে যে স্থানে গৌণ জোয়ার হয় ঐ স্থানে সূর্যের আকষর্ণে মুখ্য জোয়ার হয়।

মরা কটাল (Neap Tide)
- সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থান করে না।
- এ সময় চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে।
- এই সময় তারা পৃথিবীকে আড়াআড়ি আকর্ষণ করে এবং এই আকর্ষণ বেগ কম হয়।
- এ সময় চন্দ্রের আকর্ষণে চন্দ্র ও তার বিপরীত দিকে জোয়ার হয়।
- কিন্তু চন্দ্রের আকর্ষণ সূর্য হতে বেশি বলে সূর্য ও তার বিপরীত দিকে ভাঁটা হয়।
- সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে জোয়ারের তীব্রতা সবচেয়ে কম থাকায় এইরূপ জোয়ারকে বলা হয় মরা কটাল।

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় 
৩,৬৯০.
ব্ল্যাক হোলের-
  1. ক) আয়তন বেশি ও ভর কম
  2. খ) আয়তন ও ভর কম
  3. গ) আয়তন কম‌ ও ভর বেশি
  4. ঘ) আয়তন ও ভর বেশি
ব্যাখ্যা

কৃষ্ণগহ্বর বা কৃষ্ণ বিবর (ব্ল্যাক হােল নামেও পরিচিত) মহাবিশ্বের অস্তিত্ব ও প্রকৃতি বিষয়ক একটি বহুল প্রচলিত ধারণা।
এই ধারণা অনুযায়ী কৃষ্ণগহ্বর মহাবিশ্বের এমন একটি বস্তু যা এত ঘন সন্নিবিষ্ট বা অতি ক্ষুদ্র আয়তনে এর ভর এত বেশি যে এর মহাকর্ষীয় শক্তি কোন কিছুকেই তার ভিতর থেকে বের হতে দেয় না, এমনকি তড়িৎচুম্বকীয়‌ বিকিরণকেও (যেমন: আলাে) নয়।
প্রকৃতপক্ষে এই স্থানে সাধারণ মহাকর্ষীয় বলের মান এত বেশি হয়ে যায় যে এটি মহাবিশ্বের অন্য সকল বলকে অতিক্রম করে। ফলে এ থেকে কোন কিছুই পালাতে পারে না।
অষ্টাদশ শতাব্দীতে প্রথম তৎকালীন মহাকর্ষের ধারণার ভিত্তিতে কৃষ্ণগহ্বরের অস্তিত্বের বিষয়টি উত্থাপিত হয়।

৩,৬৯১.
লোহিত রক্তকণিকার প্রধান কাজ কোনটি?
  1. ক) অক্সিজেন পরিবহন করা
  2. খ) রোগ প্রতিরোধ করা
  3. গ) রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
লোহিত রক্ত কণিকা: 
- লোহিত রক্ত কণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন।
- লাল অস্থিমজ্জায় লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি হয়।
- লোহিত রক্ত কণিকা প্লীহাতে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়।
- রক্ত কণিকার মধ্যে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- এটি শ্বাসকার্যে অক্সিজেন (O2) পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- লোহিত রক্ত কণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না, দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতো দ্বি-অবতল।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৬৯২.
তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ টেকনিশিয়াম-99 এর লাইফটাইম-
  1. ক) ৬ লক্ষ বছর
  2. খ) ৬ হাজার বছর
  3. গ) ৬ শত বছর
  4. ঘ) ৬ ঘন্টা
ব্যাখ্যা
রোগাক্রান্ত স্থানের ছবি তোলার জন্য তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ টেকনিশিয়াম-99 ব্যবহার করা হয় যার লাইফটাইম ৬ ঘন্টা।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৩,৬৯৩.
ঝড়, কুয়াশা ও বজ্রপাত বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে সৃষ্টি হয়? 
  1. স্ট্রাটোমণ্ডল 
  2. ট্রপোমণ্ডল 
  3. তাপমণ্ডল 
  4. মেসোমণ্ডল 
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডল: 
- বায়ুমণ্ডল যে সমস্ত উপাদানে গঠিত তাদের প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য ও উষ্ণতার পার্থক্য অনুসারে ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়। 
যথা- ট্রপোমণ্ডল, স্ট্রাটোমণ্ডল, মেসোমণ্ডল, তাপমণ্ডল ও এক্সোমণ্ডল। 

ট্রপোমণ্ডল: 
- ভূ-পৃষ্ঠের নিকটতম বায়ুস্তরকে বলে ট্রপোমণ্ডল। 
- আবহাওয়া ও জলবায়ুজনিত যাবতীয় প্রক্রিয়ার বেশির ভাগ বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে ঘটে। 
- মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড় ও কুয়াশা সবকিছুই বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে সৃষ্টি হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 

৩,৬৯৪.
কোন পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি?
  1. ক) পুকুরের পানিতে
  2. খ) লেকের পানিতে
  3. গ) নদীর পানিতে
  4. ঘ) সাগরের পানিতে
ব্যাখ্যা
আবদ্ধ পানির চেয়ে চলমান পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি থাকে। এবং, সাগরের পানির চেয়ে মিঠা পানিতে অক্সিজেন বেশি থাকে।
Rapidly moving water, such as in a mountain stream or large river, tends to contain a lot of dissolved oxygen, whereas stagnant water contains less.
Source: USGS and others.
৩,৬৯৫.
নিম্নের কোন রােগটি RNA ভাইরাসঘটিত নয়?
  1. ক) ডেঙ্গুজ্বর
  2. খ) কোভিড-১৯
  3. গ) স্মলপক্স
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
অপশনগুলোর মধ্যে একমাত্র খ) স্মলপক্স DNA টাইপ ভাইরাসঘটিত।

Smallpox বা গুটিবসন্ত মানবজাতির ইতিহাসে একমাত্র রোগ যেটা সম্পূর্ণভাবে নির্মূল হয়েছে।

- WHO ১৯৮০ সালে গুটিবসন্ত নির্মূলের ঘোষণা দেয়।
- গুটিবসন্ত হয় - ভেরিওলা ভাইরাসের কারনে। (DNA Type)
- সর্বশেষ ১৯৭৭ সালে সোমালিয়াতে দেখা গিয়েছিল।
 
=====
অপরদিকে,
- ডেঙ্গু একটি ভাইরাস জনিত রোগ।
- এর ভাইরাসের নাম Dengue virus(DENV)
- ইহা একটি RNA ভাইরাস
- এর বাহক Aedes aegypti.
 
- COVID-19 এর জন্য দায়ী হলো SARS CoV2 নামক বিশেষ করোনা ভাইরাস। 
- এটি এক ধরনের RNA ভাইরাস
 
উৎস : জীব বিজ্ঞান, প্রথম পত্র - গাজী আজমল , একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি; বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইট।
৩,৬৯৬.
Endoscope যন্ত্রে আলোক পরিবহনের জন্য ভৌত বিজ্ঞানের কোন নীতি প্রয়োগ করা হয়?
  1. Echo
  2. Refraction
  3. Reflection
  4. Total internal reflection
ব্যাখ্যা

◉ এন্ডোস্কোপ হলো একটি চিকিৎসা-যন্ত্র, যা শরীরের ভেতরের অংশ যেমন পাকস্থলী, অন্ত্র বা অন্যান্য অঙ্গ পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এতে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন (Total internal reflection) ব্যবহৃত হয়। 

এন্ডোসকোপি: 
- এন্ডোসকোপি বলতে সাধারণভাবে কোনো কিছুর ভিতরে দেখাকে বুঝানো হয়। 
- আবার এন্ডোসকোপি বলতে চিকিৎসাজনিত কারণে বা প্রয়োজনে দেহের অভ্যন্তরস্থ কোনো অঙ্গ বা গহ্বরকে বাহির থেকে পর্যবেক্ষণ। 
- এন্ডোসকোপ যন্ত্রের মাধ্যমে শরীরের ফাঁকা অঙ্গসমূহের অভ্যন্তরভাগ পরীক্ষা করা হয়। 
- এন্ডোসকোপি যন্ত্রে দুটি নল থাকে। 
- এদের একটির মধ্য দিয়ে বাইরে থেকে রোগীর শরীরের নির্দিষ্ট অঙ্গে আলো প্রেরণ করা হয়। আলোক তন্তুর ভিতরের দেয়ালে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে উজ্জ্বল আলো রোগীর দেহ গহ্বরে প্রবেশ করে, এই আলো রোগাক্রান্ত বা ক্ষতিগ্রস্থ অঙ্গকে আলোকিত করে। 
- দ্বিতীয় আলোক তন্তু নলের ভিতর দিয়ে আলোর প্রতিফলিত অংশ একইভাবে ফিরে আসে। প্রতিফলিত আলো অভিনেত্র লেন্সের মাধ্যমে চিকিৎসকের চোখে প্রবেশ করে। ফলে চিকিৎসক পরীক্ষনীয় অঙ্গের অভ্যন্তরে কী ঘটছে বা হচ্ছে তা দেখতে পারেন। 

- এন্ডোসকোপির মাধ্যমে চিকিৎসকগণ শরীরের অভ্যন্তরে যে কোনো ধরণের অস্বস্তিবোধ, ক্ষত, প্রদাহ এবং অস্বাভাবিক কোষবৃদ্ধি পরীক্ষা করে থাকেন। 
- বিভিন্ন অঙ্গ পরীক্ষা করার জন্য এন্ডোসকোপি ব্যবহৃত হয়। 
যেমন- 
ক. ফুসফুস, বুকের কেন্দ্রীয় বিভাজন অংশ; 
খ. পাকস্থলী, ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদান্ত্র বা কোলন; 
গ. স্ত্রী প্রজনন অঙ্গ; 
ঘ. উদর এবং পেলভিস; 
ঙ. মূত্রথলির অভ্যন্তরভাগ; 
চ. নাসাগহ্বর এবং নাকের চারপাশের সাইনাসসমূহ; 
ছ. কান ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৬৯৭.
পৃথিবীর কোথায় আহ্নিক গতির বেগ সর্বাপেক্ষা বেশি?
  1. মেরুরেখা
  2. কর্কটক্রান্তি রেখা
  3. মকরক্রান্তি রেখা
  4. নিরক্ষরেখা
ব্যাখ্যা
আহ্নিক গতি:
- পৃথিবী নিজ অক্ষের চারদিকে দিনে একবার নির্দিষ্ট গতিতে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করে। পৃথিবীর এই আবর্তন গতিই দৈনিক গতি বা আহ্নিক গতি নামে পরিচিত। নিজ অক্ষের চারদিকে আবর্তন করতে পৃথিবীর সময় লাগে ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড বা ২৪ ঘণ্টা অর্থাৎ এক দিন। এটিকে সৌর দিন বলে।

⇒ পৃথিবীর আহ্নিক গতি একেক জায়গায় একেক রকম হয়।
- পৃথিবীপৃষ্ঠ পুরোপুরি গোল না হওয়ায় এর পৃষ্ঠ সর্বত্র সমান নয়।
- সে কারণে পৃথিবীপৃষ্ঠের সব স্থানের আবর্তন বেগও সমান নয়।
- নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর পরিধি সবচেয়ে বেশি।
- এ জন্য নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর আবর্তনের বেগও সবচেয়ে বেশি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬৯৮.
পৃথিবী থেকে নিকটতম নক্ষত্র Proxima Centauri এর দূরত্ব কত আলোকবর্ষ ?
  1. ৪.২
  2. ২.৪
  3. ৫.৬
  4. ৩.১
  5. ১.৯
ব্যাখ্যা
প্রক্সিমা সেন্টোরাই:
- সূর্যের নিকটতম বা পৃথিবী থেকে নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টোরাই।

⇒ ১৯১৫ সালে স্কটিশ জ্যোতির্বিজ্ঞানী রবার্ট আইনেস নক্ষত্রটি আবিষ্কার করেছিলেন।
- তিনি নক্ষত্রটি 'প্রক্সিমা সেন্টোরাই' নামকরণের প্রস্তাব দেন (মূলত প্রক্সিমা সেন্টারাস)।
- পৃথিবী থেকে এটির দূরত্ব ৪.২ কোটি আলোকবর্ষ।

উল্লেখ্য,
- যেসব জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো রয়েছে তাদের নক্ষত্র বলা হয়।
- সূর্য এরূপ একটি নক্ষত্র।
- অর্থাৎ সূর্য ব্যতীত পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টোরাই।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) Britannica.
৩,৬৯৯.
প্রাকৃতিক কোন উৎস হতে সবচেয়ে বেশি মৃদু পানি পাওয়া যায়?
  1. নদী
  2. সাগর
  3. হ্রদ
  4. বৃষ্টিপাত
ব্যাখ্যা
- মৃদু পানির সবচেয়ে বড় উৎস হলো বৃষ্টির পানি। 
- সাগরের পানিতে লবণ থাকে বলে এটি মৃদু বা মিষ্টি পানির উৎস নয়। 
- নদীর পানি ও বিলের পানি মৃদু হলেও এসব মূলত বৃষ্টিপাতের উপরে নির্ভরশীল। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৭০০.
রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে কতটুকু বিদ্যুৎ উৎপাদনের আশা করছে সরকার?
  1. ক) দেড়শো মেগাওয়াট
  2. খ) দেড় হাজার মেগাওয়াট
  3. গ) আড়াইশো মেগাওয়াট
  4. ঘ) দুই হাজার চারশো মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে দুই হাজার চারশো মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই