বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আধুনিক বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৩,৮৭৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আধুনিক বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৩৩ / ৩৯ · ৩,২০১৩,৩০০ / ৩,৮৭৯

৩,২০১.
বায়ুমন্ডলের কোন স্তরটি ভূ-ত্বকের সব থেকে নিচের স্তরে অবস্থিত?
  1. ট্রপোমন্ডল
  2. স্ট্র্যাটোমন্ডল
  3. আয়নোস্ফিয়ার
  4. এক্সোমন্ডল
ব্যাখ্যা
• বায়ুমন্ডলের যে স্তরটি ভূ-ত্বকের সব থেকে নিচের স্তরে অবস্থিত সেটি হলো ট্রপোমন্ডল।

• বায়ুমন্ডল:

- ভূ-পৃষ্ঠের চারপাশ যে বায়বীয় আবরণ দ্বারা বেষ্টিত রয়েছে তাকেই সহজ ভাষায় বলা হয় বায়ুমন্ডল।
- বায়ুমন্ডলের গঠনকারী উপাদানসমূহের প্রকৃতি, উষ্ণতার পার্থক্য ও অন্যান্য গ্যাসীয় উপাদানের তারতম্যের জন্য বায়ুমন্ডলকে ৫টি স্তরে ভাগ করা যায়।
- ভূ-পৃষ্ঠ হতে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে এই পাঁচটি স্তর হলো- ট্রপোমন্ডল, স্ট্রাটোমন্ডল,মেসোমন্ডল, তাপমন্ডল ও এক্সোমন্ডল।
- ভূ-পৃষ্ঠ হতে ৮০ কিলোমিটারর মধ্যে সমমন্ডল অবস্থিত যা তিনটি স্তর অর্থাৎ ট্রপোমন্ডল, স্ট্রাটোমন্ডল ও মেসোমন্ডল নিয়ে গঠিত।
- বিষমমন্ডল প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত যা ২টি স্তর নিয়ে গঠিত।
- এগুলো হলো- তাপমন্ডল ও এক্সোমন্ডল।
- বায়ুমন্ডলের যে স্তরটি ভূ-ত্বকের সব থেকে নিচের স্তরে অবস্থিত সেটি হলো ট্রপোমন্ডল।
- এই স্তরে বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, মেঘ, বৃষ্টি, কুয়াশা, তুষারপাত, শিশির ইত্যাদির সৃষ্টি হয়।
- ট্রপোমন্ডলের শেষ প্রান্তের অংশের নাম ট্রপোবিরতি বা ট্রপোপজ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২০২.
রাতকানা রোগের প্রধান কারণ কী?
  1. ভিটামিন A-এর অভাব 
  2. ভিটামিন B-এর অভাব
  3. ভিটামিন C-এর অভাব
  4. ভিটামিন D-এর অভাব
ব্যাখ্যা

• রোগ: রাতকানা,
মূল কারণ: ভিটামিন ‘এ’-এর অভাব,
ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠী: শিশু,
প্রতিরোধ: ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল।

• রাতকানা (Night Blindness):
- রাতকানা একটি রোগ, যেখানে স্বল্প আলোতে, বিশেষ করে রাতে, স্পষ্টভাবে দেখতে সমস্যা হয়।
- শিশুরা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়।
- দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চলতে থাকলে চোখ সম্পূর্ণরূপে অন্ধ হয়ে যেতে পারে।

• কারণ ও ঝুঁকি:
- রাতকানা রোগ মূলত ভিটামিন ‘এ’-এর অভাবে হয়ে থাকে।
- অপুষ্টি ও অপর্যাপ্ত খাদ্যগ্রহণ এ রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

• প্রতিরোধ ও করণীয়:
- রাতকানা প্রতিরোধে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল অত্যন্ত কার্যকর।
- আক্রান্ত শিশুদের সবুজ শাকসবজি ও রঙিন ফলমূল খাওয়ানো উচিত।
- আমাদের দেশে টিকা দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন টিকা কেন্দ্রে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণি।

৩,২০৩.
মানুষের শরীরের রক্তনালীগুলো দেখবার জন্য নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) আলট্রাসনোগ্রাফি
  2. খ) এমআরআই
  3. গ) সিটি স্ক্যান
  4. ঘ) এনজিওগ্রাফি
ব্যাখ্যা
- এনজিওগ্রাফি ব্যবহার করে মানবদেহের ভেতরের কোন অঙ্গকে বাইরে থেকে দেখা যায়। 
- এনজিওগ্রাফি মূলত ব্যবহার করা হয় এক্স-রে এর মাধ্যমে শরীরের রক্তনালীগুলো দেখবার জন্য। 
- সাধারণত এক্স-রে করে রক্তনালীগুলোর নিখুতভাবে দেখা যায়না। তাই রক্তনালীর ভেতর ভালভাবে পরিক্ষা করার জন্য এনজিওগ্রাফি করা হয়।
- সাধারণত রক্তনালীগুলো খুবই সরু হয়। এগুলো কেটে অপারেশন করা খুবই সময় স্বাপেক্ষ এবং একই সাথে কষ্টেরও বটে। 
- অপারেশনের ঝামেলা থেকে বাচার জন্য চিকিৎসা বিজ্ঞানে এই এনজিওগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- এনজিওগ্রাফির মাধ্যমে কোনোরকম সার্জারি না করেই তাৎক্ষণিক ভাবে রক্তনালী ব্লকের চিকিৎসা করা সম্ভব। 
- যে প্রক্রিয়ায় এনজিওগ্রাম করার সময় ধমনির ব্লক মুক্ত করা হয় তাকে এনজিওপ্লাস্টি বলা হয়।

অপরদিকে, 
- আলট্রাসনোগ্রাফি মূলত স্ত্রীরোগ এবং প্রসূতিবিজ্ঞানে ব্যবহার করা হয়। 
- সিটি স্ক্যানের সাহায্যে শরীরের নরম টিস্যু, রক্তবাহী শিরা বা, ধমনী, ফুসফুস ইত্যাদির সম্পূর্ণ ছবি পাওয়া যায়। 
- MRI দিয়ে শরীরের ভেতরের নরম কোমল টিস্যুর পার্থক্য ভালো করে পর্যবেক্ষণ করা যায়। 

সূত্র- ৩৯৯ পৃষ্ঠা, পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২০৪.
ধূমকেতু কী? 
  1. একটি চন্দ্র 
  2. একটি জ্যোতিষ্ক 
  3. একটি গ্রহ 
  4. একটি উপগ্রহ 
ব্যাখ্যা

ধূমকেতু (Comet): 
- ধূমকেতু এক ধরনের জ্যোতিষ্ক। 
- ধূমকেতুর দুইটি অংশ রয়েছে। 
যেমন: মস্তক (Head) বা কেন্দ্র ও পুচ্ছ (Tail)। 
- কোনো কোনো ধূমকেতুর মস্তক বা কেন্দ্র গ্রহ অপেক্ষা বড় হয়ে থাকে। 
- ধূমকেতুর রয়েছে গ্যাসীয় পদার্থের তৈরি সুদীর্ঘ পুচ্ছ। 
- অধিকাংশ ধূমকেতু উপবৃত্তাকার কক্ষপথে গ্রহসমূহের আবর্তন পথের উল্টোদিকে ছুটে চলে। 
- হ্যালির ধূমকেতু (Hally's Comet) প্রতি ৭৬ বছর অন্তর পৃথিবীর আকাশে দৃষ্টিগোচরীভূত হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২০৫.
একটি সাধারণ ব্যাটারি সেলের বিভব পার্থক্য মাত্র -
  1. ২.৫V
  2. ১.০V
  3. ১.৫V
  4. ২.০V
ব্যাখ্যা
ব্যাটারি: 
- ব্যাটারি বলতে একাধিক কোষের (Cell) সমন্বয়কে বুঝানো হয়। একটি তড়িৎ ব্যাটারি বলে উল্লেখ করলেও প্রকৃতপক্ষে ব্যাটারি হলো একাধিক তড়িৎ কোষের সমন্বয়। ব্যাটারি সেলে ব্যবহারের জন্য তড়িৎ শক্তি জমা থাকে। 
- ব্যাটারিতে সাধারণত তিনটি অংশ থাকে। 
যেমন- অ্যানোড, ক্যাথোড এবং মাঝখানে থাকে ইলেকট্রোলাইট। 

- ব্যাটারি সেলের বিভব পার্থক্য সবসময় সমান থাকে বলে এগুলোকে ডিসি সাপ্লাই বলা হয়।
- আমাদের বাসায় যে বৈদ্যুতিক সাপ্লাই দেওয়া হয়, সেগুলো প্রতি সেকেন্ডে ৫০বার ধনাত্মক থেকে ঋণাত্মক বিভবে পরিবর্তিত হয় বলে সেগুলোকে এসি (Alternating Current) বলা হয়। 
- একটি সাধারন ব্যাটারি সেলে বিভব পার্থক্য মাত্র ১.৫V । সেই তুলনায় আমাদের বাসার বিদ্যুৎ সাপ্লাই ২২০V । 
- বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০V থেকে বেশি হলে আমরা সেটি অনুভব করতে পারি। আবার ২২০V সাপ্লাই থেকে অনেক বড় ইলেকট্রিক শক খাওয়া সম্ভব এবং এই ইলেকট্রিক শকের কারণে শরীরের ভেতর দিয়ে যথেষ্ট বিদ্যুৎ প্রবাহ হয় বলে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৩,২০৬.
লিউকোমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার হয়-
  1. ক) লোহিত রক্তকণিকা বেড়ে গেলে
  2. খ) অণুচক্রিকা কমে গেলে
  3. গ) শ্বেত রক্তকণিকা অত্যধিক হারে বেড়ে গেলে
  4. ঘ) শ্বেত রক্তকণিকা কমে গেলে
ব্যাখ্যা
নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়। কিন্তু যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিকোমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি৷
৩,২০৭.
কোন বিজ্ঞানীর মতে 'পরিবেশের প্রভাবের ফলেই বিবর্তন সংঘটিত হতে পারে'? 
  1. ডারউইন
  2. ল্যামার্ক
  3. ভাইসম্যান
  4. জেনোফেন
ব্যাখ্যা
ল্যামার্কিজম (Lamarckism): 
- ফরাসী প্রকৃতি বিজ্ঞানী Jcan Baptist Lamarck (১৭৪৪-১৮২৯), ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে ফিলোসফিক জুলজিক (Philosophic Zoologique) গ্রন্থে অর্জিত বৈশিষ্ট্যের বংশগতি (theory of inheritance of acquired character) নামক বিবর্তন সম্পর্কীত মতবাদ প্রকাশ করেন। 
- ল্যামার্কের মতবাদের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো, পরিবেশের প্রভাবের ফলেই বিবর্তন সংঘটিত হতে পারে। 
- পরিবেশের প্রভাবে জীবের দৈহিক গঠনের পরিবর্তন হয়। 
- তাঁর মতে বিবর্তন কতিপয় রীতি-নীতি মেনে চলে। এই রীতি-নীতিগুলোই বিবর্তনের ক্রম ও বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে। 
- ল্যামার্ক তাঁর বিবর্তন তত্ত্বেও এ রীতি-নীতিগুলোই ব্যাখ্যা করেছেন। 
- আধুনিক বিজ্ঞানীদের মধ্যে Dodson, 1960 ল্যামার্কের একজন বিশিষ্ট সমর্থক। 
- Dodson ল্যামার্কবাদকে চারটি সূত্রে ব্যাখ্যা করেছেন যা ল্যামার্কীয় সুত্র বলেও পরিচিত। 
সূত্র ১. জীবদেহ এবং দেহের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ আকারে ক্রমবর্ধিত হওয়ার একটি লক্ষণ সর্বদাই পরিলক্ষিত হয়। 
সূত্র ২. জীবন ধারণের প্রয়োজনে কোন নতুন চাহিদা এবং এ চাহিদার ফলে জীবন অভ্যাসের যে পরিবর্তন হয় তার ফলেই নতুন প্রত্যঙ্গের উৎপত্তি হয়। 
সূত্র ৩. কোন একটি অঙ্গ প্রতিনিয়ত ব্যবহৃত হলে তা উন্নত এবং সুগঠিত হয়, কিন্তু ব্যবহৃত না হলে ক্রমান্বয়ে ক্ষয়প্রাপ্ত হতে হতে অবশেষে বিলুপ্ত হয়ে যায়। এ সুত্রটি ব্যবহার ও অব্যবহারের সূত্র নামে পরিচিত। 
সূত্র ৪. কোন একটি জীবের দেহে উন্নতি বা ক্ষয়প্রাপ্তির মাধ্যমে যে সকল পরিবর্তন সাধিত হয় তা অর্জিত বৈশিষ্ট্যরূপে অঙ্গীভূত হয় এবং পরবর্তী প্রজন্মে (Generation) সঞ্চারিত ও বিকশিত হয়। এ সূত্রটি অর্জিত বৈশিষ্ট্য সঞ্চারণের সূত্র (Law of inhertance of acquired character) নামে অভিহিত। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২০৮.
হিগস বোসন কণার অস্তিত্ব কত সালে ধরা পড়ে?
  1. ২০০০
  2. ২০১৩
  3. ২০১৫
  4. ২০২০
ব্যাখ্যা
• হিগস বোসন কণা:
- হিগস বোসন (Higgs boson) একটি মৌলিক কণা যা কণা পদার্থবিজ্ঞানের স্ট্যান্ডার্ড মডেলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। 

• ১৯৬৪ সালে পিটার হিগস এবং তাঁর পাঁচ সহযোগী মিলে সর্বপ্রথম এ কণা সম্পর্কিত তত্ত্ব প্রদান করেন।
- এটি কণা পদার্থবিদ্যার স্ট্যান্ডার্ড মডেলে (Standard Model) উল্লেখিত ১৭টি মৌলিক কণার একটি।
- সুইজারল্যান্ডের সার্ন (European Organization for Nuclear Research, CERN) এর লার্জ হ্যাডরন কোলাইডার (Large Hadron Collider) বা LHC যন্ত্রে ২০১৩ সালে এ কণার অস্তিত্ব ধরা পড়ে। 
- বছরই পিটার হিগস (Peter Higgs) ও ফ্রানকোসিস এঙ্গলার্ট (Francosis Englert) এ কাজের জন্য পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- পদার্থবিজ্ঞানী লিওন লেডারম্যান (Leon Lederman) ১৯৯৩ সালে হিগস কণাকে ঈশ্বর কণা বা God particle নামে অভিহিত করেন।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
৩,২০৯.
এক আলোকবর্ষ = কত কিলোমিটার?
  1. 3.0857 × 1013 km
  2. 9.468 × 1012 km
  3. 1495 × 108 km
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- আলো একবছর সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোকবর্ষ বলে।
- এটি দূরত্বের একক।
- এক আলোকবর্ষ = 9.4607 × 1015 m = 9.468 × 1012 km.
- সূর্য ও পৃথিবীর 
- এক অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট = 1495 × 108 km.
- এক পারসেক = 3.0857 × 1013 km.
- এক পারসেক বলতে বোঝায় ১ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল দৈর্ঘ্যের চাপ যে দূরত্বে এক সেকেন্ড কোণ উৎপন্ন করে।

উৎস:
১. পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. Live MCQ লেকচার শীট।
৩,২১০.
স্থানচ্যুত হাড় বা হাড়ে ফাটল শনাক্তকরণে কোন রশ্মি ব্যবহার করা হয়? 
  1. বিটা রশ্মি
  2. আলফা রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. রঞ্জন রশ্মি
ব্যাখ্যা

এক্স-রে (রঞ্জন রশ্মি): 
- ১৮৯৫ সালে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী উইলিয়াম রন্টজেন আবিষ্কার করেন যে, তড়িৎক্ষরণ নল থেকে যখন ক্যাথোড রশ্মি নলের দেয়ালে পড়ে তখন এক্সরে উৎপন্ন হয়।
- এক্সরের একক রন্টজেন। 
- এক্সরে উচ্চ ভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন। 
- রঞ্জনরশ্মি বা এক্স-রশ্মি (X-ray) বলতে আলোর চেয়ে অনেক ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উচ্চ ভেদনক্ষমতাবিশিষ্ট তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণকে বোঝায়। 

এক্স-রে এর ব্যবহার: 
- হীরক সনাক্তকরণে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে দাগ বা ফাটল শনাক্ত করণে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 
- শরীরের ভিতরের কোন বস্তুর বা ফুসফুসে কোন ক্ষতের অবস্থান নির্ণয়ে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 
- গোয়েন্দা বিভাগে কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক রাখলে তা খুঁজে বের করতে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২১১.
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং কেন বিখ্যাত?
  1. ক) অশ্বশক্তি আবিষ্কারের জন্য
  2. খ) আপেক্ষিক তত্ত্ব আবিষ্কারের জন্য
  3. গ) হাইড্রোজেন আবিষ্কারের জন্য
  4. ঘ) এন্টিবায়োটিক আবিষ্কারের জন্য
ব্যাখ্যা
পেনিসিলিন এক ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক যা পেনিসিলিয়াম নামক ছত্রাক থেকে তৈরি হয়। ১৯২৯ সালে আলেকজান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন।
৩,২১২.
ইনসোমনিয়া একটি-
  1. ক) নিদ্রাজনিত রোগ
  2. খ) স্নায়ুরোগ
  3. গ) চোখের রোগ
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
ইনসোমোনিয়া হচ্ছে একটি নিদ্রাহীনজনিত সমস্যা। 

ইনসোমনিয়ার উপসর্গ সমূহ-
১. ঘুম না আসা
২. মাথাব্যাথা করা
৩. কাজে মনোনিবেশ করতে না পারা
৪. সারাদিন ক্লান্তিতে কাটা
৫. মুড সুয়িং ইত্যাদি।

সূত্র: NHS Website [লিঙ্ক]
৩,২১৩.
কয়লা রূপান্তরিত হয়ে নিচের কোন শিলায় পরিণত হয়? 
  1. নিস
  2. মার্বেল
  3. স্লেট
  4. গ্রাফাইট
ব্যাখ্যা
শিলা: 
- ভূত্বক যেসব উপাদান দ্বারা গঠিত তাদের সাধারণ নাম শিলা। 
- ভূতত্ত্ববিদগণের মতে দুই বা ততোধিক খনিজ দ্রব্যের সংমিশ্রণে এসব শিলার সৃষ্টি হয়। 
- ভূত্বক গঠনকারী সকল কঠিন ও কোমল পদার্থই শিলা। 
উদাহরণস্বরূপ নুড়ি, কাঁকর, গ্রানাইট, কাদা, বালি প্রভৃতি। 
- গঠনপ্রণালি অনুসারে শিলাকে তিনটি প্রধান শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। 
যথা- (১) আগ্নেয় শিলা, (২) পাললিক শিলা ও (৩) রূপান্তরিত শিলা। 

রূপান্তরিত শিলা (Metamorphic Rocks): 
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা যখন প্রচন্ড চাপ, উত্তাপ এবং রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে রূপ পরিবর্তন করে নতুন রূপ ধারণ করে তখন তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে। 
- ভূআন্দোলন, অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প, রাসায়নিক ক্রিয়া কিংবা ভূগর্ভস্থ তাপ আগ্নেয় ও পাললিক শিলাকে রূপান্তরিত করে। 
যেমন- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল, বেলেপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট, কাদা ও শেল রূপান্তরিত হয়ে স্লেট, গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস এবং কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়। 
- রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এই শিলা স্ফটিকযুক্ত, খুব কঠিন হয়; এতে জীবাশ্ম দেখা যায় না; কোনো কোনো রূপান্তরিত শিলায় ঢেউ খেলানো স্তর দেখা যায়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২১৪.
সামদ্রিক মৎস্য চাষের বিজ্ঞানকে কী বলা হয়? 
  1. মেরিকালচার 
  2. প্রণকালচার 
  3. হর্টিকালচার
  4. পিসিকালচার
ব্যাখ্যা

আধুনিক চাষ পদ্ধতি: 
- সামদ্রিক মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় মেরিকালচার। 
- রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার। 
- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার। 
- পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার। 
- মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার। 
- চিংডি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় প্রণকালচার। 
- উদ্যান পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় হর্টিকালচার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

৩,২১৫.
মাঙ্কিপক্স ভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হটলাইন নম্বর কোনটি?
  1. ১৬২৬৩
  2. ১০৬৫৫
  3. ক+খ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
মাঙ্কিপক্স ভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হটলাইন নম্বর
- মাঙ্কিপক্সের লক্ষণ দেখা গেলে সন্দেহভাজনদের দ্রুততম সময়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬২৬৩ ও ১০৬৫৫ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

মাঙ্কিপক্স ভাইরাস
- আন্তর্জাতিক উদ্বেগ থেকে আফ্রিকার কিছু অংশে এমপক্সের প্রাদুর্ভাবকে জরুরি জনস্বাস্থ্য অবস্থা ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও।
- আগে মাঙ্কিপক্স নামে পরিচিত অত্যন্ত সংক্রামক এই রোগে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে অন্তত ৪৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এমপক্স লক্ষণগুলো 
- এই রোগে আক্রান্তদের প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে জ্বর, মাথাব্যথা, ফোলা, পিঠে এবং পেশিতে ব্যথা।
- আক্রান্ত ব্যক্তির একবার জ্বর উঠলে গায়ে ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে। সাধারণত মুখ থেকে শুরু হয়ে পরে হাতের তালু এবং পায়ের তলদেশসহ শরীরের অন্যান্য অংশে তা ছড়িয়ে পড়ে।
- অত্যন্ত চুলকানো বা ব্যথাদায়ক এই ফুসকুড়িগুলো পরিবর্তন হয় এবং বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে স্ক্যাব বা গোল গোল পুরু আস্তরে পরিণত হয়ে শেষে পড়ে যায়। এর ফলে দাগ সৃষ্টি হতে পারে।

সূত্র- স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
৩,২১৬.
কলেরা রোগ নিরাময়ে কোন আন্তর্জাতিক সংস্থা কাজ করছে?
  1. ক) WHO
  2. খ) FAO
  3. গ) ICDDR,B
  4. ঘ) UNICEF
ব্যাখ্যা

- কলেরা রােগ নিরাময়ের জন্য কাজ করছে ICDDR,B (International Centre for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh) এর প্রতিষ্ঠাকাল- ১৯৬০।

অপরদিকে,
- WHO (World Health Organization) প্রতিষ্ঠিত হয়- ৭ এপ্রিল, ১৯৪৮।
সদরদপ্তর- জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- FAO (Food and Agricultural Organization) গঠিত হয় ১৯৪৫ সালে, সদরদপ্তর- রােম।
- UNICEF (United Nations Children's Fund) প্রতিষ্ঠিত হয়- ১১ ডিসেম্বর, ১৯৪৬ সালে।
সদরদপ্তর- নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।

উৎসঃ সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৩,২১৭.
কোনটির মাধ্যমে বায়ুর আর্দ্রতা পরিমাপ করা যায়? 
  1. পাইরোমিটার 
  2. ম্যানোমিটার 
  3. ব্যারোমিটার
  4. হাইগ্রোমিটার 
ব্যাখ্যা

বায়ুর আর্দ্রতা (Humidity): 
- বায়ুতে জলীয়বাষ্প ধারণ করা না হলে পানিচক্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হত না। 
- বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণ করাকে তাই বলা হয় বায়ুর আর্দ্রতা। 
অর্থাৎ, বায়ুর আর্দ্রতার উপর বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণক্ষমতা নির্ভর করে। 
- বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ শতকরা ১ ভাগেরও কম। 
- আর্দ্র বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ প্রায় শতকরা ২ থেকে ৫ ভাগ বেশি থাকে। 
- বায়ুর এই আর্দ্রতা হাইগ্রোমিটার দ্বারা পরিমাপ করা যায়। 
- বায়ুর আর্দ্রতা মূলত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। পরম আর্দ্রতা: 
- কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণকে বলা হয় পরম আর্দ্রতা। 

২। আপেক্ষিক আর্দ্রতা: 
- কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণ আর একই আয়তনের বায়ুতে একই উষ্ণতায় পরিপৃক্ত করতে যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প প্রয়োজন এ দুটির অনুপাতকে বলা হয় আপেক্ষিক আর্দ্রতা। 

অন্যদিকে, 
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ম্যানোমিটার। 
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার। 
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

৩,২১৮.
জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েলের তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গতত্ত্ব কোন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত হয়?
  1. রন্টজেন এক্স-রের মাধ্যমে 
  2. হেনরিখ হার্জের পরীক্ষার মাধ্যমে 
  3. জে. জে. থমসনের ইলেকট্রন আবিষ্কারের মাধ্যমে 
  4. মার্কনীর বেতার পরীক্ষার মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

- জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েলের তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গতত্ত্ব হেনরিখ হার্জের পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়। ১৮৮০-এর দশকের শেষের দিকে হার্জ পরীক্ষামূলকভাবে তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ উৎপাদন ও শনাক্তকরণ করেন, যা আলোর গতি ও প্রকৃতির সাথে ম্যাক্সওয়েলের ভবিষ্যদ্বাণীকে সঠিক বলে প্রমাণ করে। 

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান: 
- ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অভূতপূর্ব উন্নতি ঘটে।
- ১৮৬৪ সালে বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল আলোর তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের ধারণা দেন। তিনি তড়িৎ ক্ষেত্র এবং চুম্বক ক্ষেত্র একত্র করে তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের বিকাশ ঘটান যা পরবর্তীতে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী হেরিখ হার্জের পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত হয়।
- ১৮৯৬ সালে বিজ্ঞানী মার্কনী তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ ব্যবহার করে অধিক দূরত্বে সংকেত পাঠানোর পন্থা আবিষ্কার করেন। 
- বাঙ্গালী বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসুও একই প্রকার পরীক্ষা নীরিক্ষা চালান, পরবর্তীতে বেতার যন্ত্র আবিষ্কার হয়। 
- ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানের উদ্ভব ঘটে। 
- ১৮৯৫ সালে রন্টজেন এক্স-রে এবং বেকেরেল আবিষ্কার করেন যে, কিছু কিছু পদার্থ থেকে স্বত:স্ফূর্ত ভাবে রশ্মি নির্গমনের মাধ্যমে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। 
- মেরী কুরী (১৮৬৭-১৯৩৪) এবং পিয়েরে কুরী (১৮৫৯-১৯০৬) এ ঘটনার নাম দেন তেজস্ক্রিয়তা। 
- ১৮৯৭ সালে জে.জে. থমসন ইলেক্ট্রন আবিষ্কার করেন যা থেকে পরমাণুর গঠন সম্পর্কে বিস্তারিত জানা সম্ভব। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২১৯.
নিচের কোনটি পরিবার পরিকল্পনায় অস্থায়ী পদ্ধতি নয়?
  1. ক) টিউবেকটমী
  2. খ) ইমপ্ল্যান্ট
  3. গ) আইইউডি
  4. ঘ) খাবার বড়ি
ব্যাখ্যা

পরিবার পরিকল্পনায় মহিলাদের স্থায়ী পদ্ধতি টিউবেকটমি (Tubectomy)/লাইগেশন। বিস্তারিত জানতে- [এখানে ক্লিক করুন]।

৩,২২০.
পাখি পালন বিষয়ক বিজ্ঞানকে কী বলে?
  1. Animal Husbandry
  2. Sericulture
  3. Apiculture
  4. Aviculture
ব্যাখ্যা
• Aviculture (এভিকালচার) - পাখি পালন বিষয়ক বিজ্ঞান।

অপশন আলোচনা:
• Animal Husbandry (এনিম্যাল হাসবেন্ড্রি):
- পশুপালন বিষয়ক বিজ্ঞান।

• Sericulture (সেরিকালচার):
- সেরিকালচারে রেশম চাষ বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

• Apiculture (এপিকালচার):
- এপিকালচারে মৌমাছি পালন সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

উৎস: Britannica.com
৩,২২১.
এন্টিবডি উৎপন্ন করে-
  1. ক) মনোসাইট
  2. খ) লিম্ফোসাইট
  3. গ) নিউট্রোফিল
  4. ঘ) বেসোফিল
ব্যাখ্যা
মনোসাইট এবং নিউট্রোফিল ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ধ্বংস করে। লিম্ফোসাইট এন্টিবডি উৎপন্ন করে। বেসোফিল হেপারিন নিঃসৃত করে।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৩,২২২.
শুকতারা বা সন্ধ্যাতারা আসলে -
  1. নক্ষত্রমণ্ডলী
  2. শুক্র গ্রহ
  3. বুধ গ্রহ
  4. নীহারিকা
ব্যাখ্যা
শুক্র (Venus):
- শুক্র গ্রহকে ভোরের আকাশে শুকতারা এবং সন্ধ্যার আকাশে সন্ধ্যাতারা হিসেবে দেখা যায়।
- শুকতারা বা সন্ধ্যাতারা আসলে কোনো তারা নয়, শুক্র গ্রহ।
- কিন্তু নক্ষত্রের মতো জ্বলজ্বল করে বলেই আমরা একে ভুল করে তারা বলি।
- শুক্র গ্রহটি ঘন মেঘে ঢাকা। তাই এর উপরিভাগ থেকে সূর্যকে কখনই দেখা যায় না।
- শুক্রের মেঘাচ্ছন্ন বায়ুমণ্ডল প্রধানত কার্বন ডাইঅক্সাইডের তৈরি।
- এটি সৌরজগতের সবচেয়ে উজ্জ্বল ও সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ।
- সূর্য থেকে শুক্র গ্রহের দূরত্ব ১০.৮ কোটি কিলোমিটার।
- এর দিন ও রাতের মধ্যে আলোর বিশেষ কোনো তারতম্য হয় না।
- এখানে বৃষ্টি হয় তবে এসিড বৃষ্টি।
- শুক্রের ব্যাস ১২,১০৪ কিলোমিটার।
- সূর্যকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন।
- সুতরাং শুক্রে ২২৫ দিনে এক বছর।
- শুক্রের কোনো উপগ্রহ নেই।
- সকল গ্রহ এদের নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বে পাক খেলেও শুক্র গ্রহ পূর্ব থেকে পশ্চিমে পাক খায়। (বোর্ড বই)

উল্লেখ্য নাসার তথ্য মতে,
- শুক্রের মতো, ইউরেনাসও পূর্ব থেকে পশ্চিমে ঘূর্ণন করে।
- তবে ইউরেনাসের বিশেষত্ব হলো এটি পার্শ্বাভিমুখে ঘূর্ণন করে, যা একে অনন্য করে তুলেছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩,২২৩.
কোন বল দ্বারা মহাবিশ্বের প্রত্যেক বস্তু একে অপরকে আকর্ষণ করে?
  1. তাড়িতচৌম্বক বল
  2. সবল নিউক্লিয় বল
  3. মহাকর্ষ বল
  4. দুর্বল নিউক্লিয় বল
ব্যাখ্যা
মৌলিক বল: 
- যে সকল বল মূল বা স্বাধীন অর্থাৎ যে সকল বল অন্য কোনো বল থেকে উৎপন্ন হয় না বরং অন্যান্য বল এ সকল বলের কোনো না কোনো রূপের প্রকাশ তাদেরকে মৌলিক বল বলে। 
মৌলিক বলগুলো হলো - 
১. মহাকর্ষ বল (Gravitational Force), 
২. তাড়িতচৌম্বক বল (Electromagnetic Force), 
৩. সবল নিউক্লিয় বল (Strong Nuclear Force) এবং 
৪. দুর্বল নিউক্লিয় বল (Weak Nuclear Force) । 

মহাকর্ষ বল: 
- মহাবিশ্বের প্রত্যেক বস্তু একে অপরকে আকর্ষণ করে। এ আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বল বলে। 
- বস্তুর ভরের কারণে এ আকর্ষণ ঘটে। 
- এ বলের কারণে গ্রহসমূহ নক্ষত্রের চারদিকে ঘুরে, পৃথিবীর যাবতীয় প্রাণী ও বস্তু ভূ-পৃষ্ঠের সংলগ্ন থাকে, বস্তুর ওজন অনুভূত হয় ইত্যাদি। 
- দুটি বস্তুর মধ্যে গ্রাভিটন নামক এক প্রকার কণার পারস্পরিক বিনিময়ের মাধ্যমে এ বল কার্যকর হয়। 
- অবশ্য গ্রাভিটনের অস্তিত্বের কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। 
- মহাকর্ষ বলের পাল্লা অসীম। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২২৪.
শিশুর বয়স কত হলে পিসিভি ভ্যাকসিন দেওয়া হয়?
  1. ক) ৯ সপ্তাহ
  2. খ) ৬ সপ্তাহ
  3. গ) ৯ মাস
  4. ঘ) ১৫ মাস
ব্যাখ্যা
- পিসিভি ভ্যাকসিন দেওয়া হয় নিউমোকক্কাল নিঊমোনিয়ার বিরুদ্ধে। 
- এর ডোজের সংখ্যা  ৩ টি। 
- শিশুর বয়স ৬ সপ্তাহ পূর্ণ হলে এই টিকা দিতে হয়। 
 
উৎস: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট। 
৩,২২৫.
আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়ন (IAU) -এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিচের কোনটি গ্রহের মর্যাদা হারায়?
  1. শনি
  2. ইউরেনাস
  3. নেপচুন
  4. প্লুটো
ব্যাখ্যা

প্লুটো:
- প্লুটো একসময় নবম গ্রহ হিসেবে স্বীকৃত ছিল।
- ২০০৬ সালে IAU এর সংজ্ঞা অনুযায়ী প্লুটো গ্রহের মর্যাদা হারায়।
- এখন এটি একটি বামন গ্রহ (dwarf planet) হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ।

উল্লেখ্য,
- একটি বস্তুকে গ্রহ হিসেবে চিহ্নিত করতে বিজ্ঞানীরা সাধারণত কিছু শর্ত আরোপ করেন।
১. এটি যথেষ্ট বড় হতে হবে (সাধারণত ১,০০০ কিমি বা তার বেশি)। 
২. নিজের মাধ্যাকর্ষণের কারণে এটি গোলাকার (আনুমানিক ৭০০ কিমি ব্যাস) আকৃতি ধারণ করতে সক্ষম হতে হবে।
৩. এর ভর এমন হতে হবে যাতে কেন্দ্রস্থলে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু না হয়।

• আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়ন (IAU) অনুসারে, আমাদের সৌরজগতের ৮টি গ্রহ। যথা-
- বুধ,
- শুক্র,
- পৃথিবী,
- মঙ্গল,
- বৃহস্পতি,
- শনি,
- ইউরেনাস, এবং
- নেপচুন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩,২২৬.
বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন কে? 
  1. জর্জ গ্যামো
  2. এডুইন হাবল
  3. স্টিফেন হকিং 
  4. জি. ল্যামেটার 
ব্যাখ্যা

বিগ ব্যাং তত্ত্ব: 
- মহাবিশ্ব একটি বিন্দুতে ছিল; হঠাৎ এক মহা বিস্ফোরণের মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয় এটা বিগ ব্যাং থিওরি নামে পরিচিত। 
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি. ল্যামেটার (১৯২৭ সাল)। 
- জি. ল্যামেটার বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী। 
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং। 
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সংম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই ‘A Brief History of Time’. 
-  বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি. ল্যামেটার এবং বিগ ব্যাং (Big Bang) তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

৩,২২৭.
জীবাশ্মগত বিদ্যাকে বলা হয় -
  1. Helminthology
  2. Paleontology
  3. Parasitology
  4. Ophthalmology
ব্যাখ্যা
জীবাশ্ম: 
- জীবাশ্ম বা ফসিল (Fossil) ল্যাটিন Fossilis শব্দ থেকে ইংরেজি Fossil শব্দের উৎপত্তি। 
- Fossilis শব্দের অর্থ হলো dug out বা খুঁড়ে তোলা। 
- পূর্বে মাটি খুঁড়ে যা কিছু তোলা হতো তাকেই জীবাশ্ম বা ফসিল বলা হতো। 
- বর্তমানে পৃথিবীর ভূ-ত্বকে প্রাকৃতিক উপায়ে সংরক্ষিত প্রাগৈতিহাসিক জীবের দেহ, দেহাবশেষ বা দেহের কোন অংশের চিহ্ন বা সাক্ষ্যকে জীবাশ্ম বা ফসিল বলা হয়। 
- গমন পথ, ট্রেইল এবং জীবজনিত গর্তকে ট্রেস ফসিল (trace fossil) বা ইকনোফসিল (ichnofossil ) বা জার্মান ভাষায় লেবেনস্পুরেন (lebenspuren) নামে আখ্যায়িত করা হয়। 
- জীবাশ্মগত বিদ্যাকে জীবাশ্মবিদ্যা বা প্যালেন্টোলজি (Paleontology) বলা হয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২২৮.
Vit-C এর অভাবে-
  1. ক) বেরিবেরি
  2. খ) স্কার্ভি
  3. গ) রিকেটস
  4. ঘ) পেলেগ্রা
ব্যাখ্যা

ভিটামিন-বি১(B1) এর অভাবে বেরিবেরি রোগ হয়। এছাড়া ভিটামিন-সি(C) এর অভাবে স্কার্ভি; ভিটামিন-ডি(D) এর অভাবে রিকেটস; এবং ভিটামিন-এ(A) এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৩,২২৯.
'কসমিক রে' কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
  1. ক) ১৯০৮
  2. খ) ১৯১২
  3. গ) ১৯২৩
  4. ঘ) ১৯৩৬
ব্যাখ্যা
Cosmic rays were discovered in 1912 by Victor Hess, when he found that an electroscope discharged more rapidly as he ascended in a balloon. He attributed this to a source of radiation entering the atmosphere from above, and in 1936 was awarded the Nobel prize for his discovery.
Source: srl.caltech.edu
৩,২৩০.
MRI যন্ত্র দিয়ে শরীরের কোন অংশ সবচেয়ে ভালোভাবে বিশ্লেষণ করা যায়? 
  1. হজমতন্ত্র
  2. হাড়ের গঠন
  3. দাঁতের গঠন
  4. কোমল টিস্যু
ব্যাখ্যা
এমআরআই: 
- মানুষের শরীরের প্রায় সত্তরভাগ পানি, যার অর্থ মানুষের শরীরের প্রায় সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গে পানি থাকে। 
- পানির প্রতিটি অণুতে থাকে হাইড্রোজেন এবং হাইড্রোজেনের নিউক্লিয়াস হচ্ছে প্রোটন। 
- শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র প্রয়োগ করলে প্রোটনগুলো চৌম্বকক্ষেত্রের দিক সারিবদ্ধ হয়ে যায়, তখন নির্দিষ্ট একটি কম্পনের বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ পাঠানো হলে এই প্রোটনগুলো সেই তরঙ্গ থেকে শক্তি গ্রহণ করে তাদের দিক পরিবর্তন করে এবং এই প্রক্রিয়াকে বলে নিউক্লিয়ার ম্যাগনেটিক রেজোনেন্স। 
- তার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে ম্যাগনেটিক রেজোনেন্স ইমেজিং বা এমআরআই (MRI: Magnetic Resonance Imaging)। এই যন্ত্রটি দেখতে সিটিস্ক্যান যন্ত্রের মতো কিন্তু এর কার্যপ্রণালী সম্পূর্ণ ভিন্ন। 
- সিটিস্ক্যান যন্ত্রে এক্স-রে পাঠিয়ে প্রতিচ্ছবি নেওয়া হয় কিন্তু এমআরআই যন্ত্রে একজন রোগীকে অনেক শক্তিশালী চৌম্বকক্ষত্রের মাধ্যমে তার শরীরে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ দেওয়া হয়। 

- শরীরের পানির অণুর ভেতরকার হাইড্রোজেনের প্রোটন থেকে ফিরে আসা সংকেতকে কম্পিউটার দিয়ে বিশ্লেষণ করে শরীরের ভেতরকার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়। 
- সিটিস্ক্যান দিয়ে যা কিছু করা সম্ভব, এমআরআই দিয়েও সেগুলো করা সম্ভব। তবে এমআরআই দিয়ে শরীরের ভেতরকার কোমল টিস্যুর ভেতরকার পার্থক্যগুলো ভালো করে বুঝা সম্ভব। 
- সিটিস্ক্যান করতে যে সময়ের দরকার হয় তার তুলনায় একটু বেশি সময় লাগে এমআরআই করতে। 
- সিটিস্ক্যানে এক্স-রে ব্যবহার করা হয় বলে যত কমই হোক তেজস্ক্রিয়তার একটু ঝুঁকি থাকে, যা এমআরআইয়ে সেই ঝুঁকি নেই। 
- শরীরের ভেতর কোনো ধাতব কিছু থাকলে (যেমন: পেস মেকার) এমআরআই করা যায় না, কারণ আরএফ (RF) তরঙ্গ ধাতুকে উত্তপ্ত করে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২৩১.
বিজ্ঞানীরা কোন কণাটিকে “গডস পার্টিকল” নামে অভিহিত করেন?
  1. হিগস বোসন কণা
  2. গেজ বোসন কণা
  3. গ্রাভিটন কণা
  4. লেপটন কণা
ব্যাখ্যা

• বিজ্ঞানীরা “গডস পার্টিকল” বা ঈশ্বর কণা হিসেবে হিগস বোসন কণাকে অভিহিত করেন। এটি একটি মৌলিক কণা, যা হিগস ক্ষেত্রের সাথে যুক্ত এবং অন্যান্য কণাগুলোর ভর উৎপন্ন করতে সাহায্য করে। হিগস বোসন না থাকলে, মৌলিক কণাগুলি ভরহীন থাকত এবং মহাবিশ্বে পারমাণবিক কাঠামো তৈরি হতো না। ২০১২ সালে সিএমএস ও এটিএলএস এক্সপেরিমেন্টের মাধ্যমে লার্জ হ্যাড্রন কলাইডারে (LHC) এই কণার অস্তিত্ব নিশ্চিত করা হয়। এর মাধ্যমে স্ট্যান্ডার্ড মডেল তত্ত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ পরীক্ষা ও সমর্থিত হলো। তাই হিগস বোসনকে “গডস পার্টিকল” বলা হয়।

- সঠিক উত্তর: ক) হিগস বোসন কণা।

হিগস বোসন (Higgs Boson): 
- হিগস বোসন এর স্পিন 0, তবে এর ভর আছে। 
- হিগস বোসন বুঝতে হলে হিগস ক্ষেত্র সম্বন্ধে জানতে হবে। 
- হিগস ক্ষেত্র একটি তাত্ত্বিক বলক্ষেত্র যা সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। এই ক্ষেত্রের কাজ হলো মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করা। 
- যখন কোনো ভরহীন কণা হিগস ক্ষেত্রে প্রবেশ করে তখন তা ধীরে ধীরে ভর লাভ করে। ফলে তার চলার গতি ধীর হয়ে যায়। 
- হিগস বোসনের মাধ্যমে ভর কণাতে স্থানান্তরিত হয়। 
- হিগস ক্ষেত্র ভর সৃষ্টি করে না, তা কেবল ভর স্থানান্তরিত করে হিগস বোসনের মাধ্যমে। 
- এই হিগস বোসনই ঈশ্বর কণা (God's Particle) নামে পরিচিত। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২৩২.
জন্মের এক মাসের মধ্যে কোন টিকা নেয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়? 
  1. ডিপিটি
  2. ডিটি
  3. টিটি
  4. বিসিজি
ব্যাখ্যা
- জন্মের এক মাসের মধ্যে 'বিসিজি ও ওপিভি-ও' টিকা নেয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়। 

ভ্যাকসিনেশন: 
- বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization-WHO) এর (Expended Programe on Immounization -EPI) কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী কয়েকটি রোগ যথা- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, টিটেনাস, পোলিও এবং হাম ইত্যাদির ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- এছাড়াও হেপাটাইটিস-বি এবং হিমোফাইলা ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি-এর ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- মা এবং শিশুকে টিটেনাস থেকে রক্ষার জন্য টিটেনাস টক্সেয়েড (tetanus toxoid) ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 


উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৩৩.
একজন মানুষের দেহে হাড়ের সংখ্যা কত?
  1. ২১০
  2. ৩০৯
  3. ৩০৮
  4. ২০৬
ব্যাখ্যা
মানুষের কঙ্কালতন্ত্র:
ভ্রূণীয় মেসোডার্ম স্তর থেকে সৃষ্ট অস্থি, তরুণাস্থি ও লিগামেন্ট এর সমন্বয়ে গঠিত যে তন্ত্র দেহের কাঠামো সৃষ্টি করে, নির্দিষ্ট আকার আকৃতি দান করে, ভার বহন করে এবং অভ্যন্তরীণ অঙ্গাদি সুরক্ষিত রাখে, তাদেরকে একত্রে কঙ্কালতন্ত্র বলে।
- মানুষের কঙ্কালতন্ত্র ২০৬টি অস্থির সমন্বয়ে গঠিত এবং এ ধরনের কঙ্কালতন্ত্রকে অন্তঃকস্কাল বলে। কারণ বাইরে থেকে এ কঙ্কাল দেখা যায় না।

মানুষের কঙ্কালতন্ত্রকে প্রধান দুটি অংশে ভাগ করা হয়।
যথা-
১. অক্ষীয় কঙ্কাল
২. উপাঙ্গীয় কঙ্কাল

কঙ্কালতন্ত্রে অক্ষীয় অস্থি ৮০টি এর মধ্যে-
● করোটিতে অস্থি সংখ্যা ২২টি
● বক্ষপিঞ্জরে অস্থি সংখ্যা ২৫টি
● মেরুদন্ডে ৩৩টি অস্থি রয়েছে।
২. উপাঙ্গীয় অস্থি ১২৬ টি এর মধ্যে-
● বাহুতে অস্থি সংখ্যা ৬০টি
● পা এ অস্থি সংখ্যা ৬০টি
● বক্ষ অস্থি চক্রে অস্থি সংখ্যা ৪টি
● শ্রেণি অস্থি চক্রে ২টি অস্থি রয়েছে।

উৎস: প্রাণীবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৩৪.
COVID-19 কিসের নাম?
  1. মহামারি
  2. ভাইরাস
  3. রোগ
  4. ব্যাক্টেরিয়া
ব্যাখ্যা

২০১৯ সালের শেষদিকে চীন থেকে একটি প্রাণঘাতী ভাইরাস সারা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে যার নাম - করোনা ভাইরাস।
করোনা ভাইরাসের আনুষ্ঠানিক নাম নির্ধারণ করা হয় - SARS-CoV-2 বা severe acute respiratory syndrome coronavirus 2
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি এই নামটি নির্ধারণ করে। ভাইরাসটির পূর্ব নাম ছিল - 2019 novel coronavirus
এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে যে রোগটি হয় তার আনুষ্ঠানিক নাম - COVID - 19
উৎসঃ WHO website.

৩,২৩৫.
নিচের কোনটি প্লাজমা তৈরির প্রক্রিয়া বা উপায় নয়?
  1. ক) প্রচণ্ড তাপ প্রদান
  2. খ) বৃষ্টিপাতের মাধ্যমে
  3. গ) শক্তিশালী বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র প্রয়ােগ করে
  4. ঘ) নিওন লাইটের উজ্জ্বল বিজ্ঞাপন
ব্যাখ্যা

প্লাজমা তৈরির উপায়:

  1. প্রচণ্ড তাপ দিয়ে গ্যাসকে প্লাজমা করা যায়।
  2. শক্তিশালী বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র প্রয়ােগ করেও প্লাজমা করা যায়।
  3. টিউবলাইটের ভেতর প্লাজমা তৈরি হয়।
  4. নিওন লাইটের যে উজ্জ্বল বিজ্ঞাপন দেখা যায় সেগুলাের ভেতরে প্লাজমা তৈরি হয়
  5. বজ্রপাত হলে যে বিজলির আলাে দেখা যায় সেটিও প্লাজমা আবার দূর নক্ষত্রের মাঝে যে পদার্থ সেটিও প্লাজমা অবস্থায় আছে।

(উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)

৩,২৩৬.
নিচের কোন ক্ষেত্রে এক্সরে ব্যবহৃত হয় না? 
  1. হাড়ে ফাটল নির্ণয়ে 
  2. দাঁতের গোড়ার ক্ষয় নির্ণয়ে 
  3. পেটের অন্ত্র প্রতিবন্ধকতা সনাক্ত করতে 
  4. রক্তচাপ পরিমাপ করতে  
ব্যাখ্যা

- 'রক্তচাপ পরিমাপ করতে' এক্সরে ব্যবহৃত হয় না। 

এক্সরে যন্ত্রের মূলনীতি ও ও এর ব্যবহার: 

- এক্সরে হলো এক ধরনের তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ। 
- এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সাধারণ আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক কম। 
- এই রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 10-10 m এর কাছাকাছি। 
- ১৮৯৫ সালে রন্টজেন এক্সরে আবিস্কার করেন। 
- এক্সরে রঞ্জন রশ্মি নামেও পরিচিত। 

- চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক্সরের অবদান নিচে বর্ণনা করা হলো- 
১. স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙে যাওয়া হাড় ইত্যাদি এক্সরের সাহায্যে খুব সহজেই সনাক্ত করা যায়। 
২. মুখমন্ডলীর যে কোনো ধরনের রোগ নির্ণয়ে এক্সরের ব্যবহার অনেক যেমন- দাঁতের গোড়ায় ঘা এবং ক্ষয় নির্ণয়ে এক্সরে ব্যবহৃত হয়। 
৩. পেটের এক্সরের সাহায্যে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা সনাক্ত করা যায়। 
৪. এক্সরের সাহায্যে পিত্ত থলি ও কিডনির পাথরকে সনাক্ত করা যায়। 
৫. বুকের এক্সরের সাহায্যে ফুসফুসের রোগ যেমন- যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ফুসফুসের ক্যান্সার ইত্যাদি নির্ণয় করা যায়।
৬. চিকিৎসার কাজেও এক্সরে ব্যবহার করা যায়। এটি ক্যান্সার কোষকে মেরে ফেলতে পারে। রেডিওথেরাপি প্রয়োগ করে ক্যান্সারের চিকিৎসা করা যায়। 
- এক্সরের অপ্রয়োজনীয় বিকিরণ সম্পাত যাতে রোগীর ক্ষতি করতে না পারে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এজন্য এক্সরে নেওয়ার সময় রোগীকে সীসা নির্মিত এপ্রোন দ্বারা যথাসম্ভব আচ্ছাদিত করতে হবে। 
- অতি জরুরী না হলে গর্ভবতী মহিলাদের উদর এবং পেলভিক অঞ্চলের এক্সরে করা উচিত নয়। অন্য কোনো এক্সরে পরীক্ষা প্রয়োজন হলে সীসা নির্মিত এপ্রোন অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২৩৭.
EPI-এর পূর্ণরূপ কী? 
  1. Extended Program on immunization
  2. Expanded program on immunization
  3. Essential polio immunization
  4. Extended pediatric immunization
ব্যাখ্যা

- EPI-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Expanded Program on Immunization যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization-WHO) এর একটি কার্যক্রম যার আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী কয়েকটি রোগের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 

বাংলাদেশে ভ্যাকসিনেশন প্রোগ্রাম: 
- রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে টিকার আবিষ্কার এবং টিকার প্রচলন মানুষের জন্য আশীর্বাদ। 
- টিকার মাধ্যমে ১৯৭৯ সালে চূড়ান্তভাবে নির্মূলের পূর্বে গুটি বসন্ত এককভাবে পৃথিবীর প্রায় ৩০-৪০ কোটি মানুষের প্রাণ হরণ করেছে। 
- আবিষ্কৃত পোলিও ভ্যাকসিন OPV এবং এটির ব্যবহার দ্বারা বাংলাদেশ বর্তমানে পোলিও রোগ মুক্ত হয়েছে। 
- এই টিকা বা ভ্যাকসিনের জন্যই রুবেলা, হাম, মাম্পস, যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, পারটুসিস, ধনুষ্টংকার, হেপাটাইটিস ইত্যাদি রোগের সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব হচ্ছে। 
- বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization-WHO) এর (Expanded Program on Immunization-EPI) কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী কয়েকটি রোগ, যথা- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, টিটেনাস, পোলিও এবং হাম ইত্যাদির ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। এছাড়াও হেপাটাইটিস-বি এবং হিমোফাইলা ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি-এর ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- মা এবং শিশুকে টিটেনাস থেকে রক্ষার জন্য টিটেনাস টক্সেয়েড (tetanus toxoid) ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- ভ্যাকসিনেশনের জাতীয় কর্মসূচীতে নিচের ছক অনুযায়ী টিকা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়- 



উৎস:
প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা। 

৩,২৩৮.
কোন ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ বৈশ্বিক ঝুঁকিতে অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) কৃষিক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা
  2. খ) ভূমিকম্প
  3. গ) সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি
  4. ঘ) মরুকরণ
ব্যাখ্যা
- ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করে।
এগুলো হলো:
- মরুকরণ
- বন্যা
- ঝড়
- সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং
- কৃষিক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা।

- এর মধ্যে বন্যা ঝুঁকিতে বাংলাদেশের অবস্থান ১ নম্বরে।
- ঝড়ের ঝুঁকিতে ২ নম্বর এবং সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বৃদ্ধিতে ১০ নম্বর।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,২৩৯.
বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন‌ কে? 
  1. স্টিফেন হকিং
  2. জি. লেমেটার
  3. জন হুইলার
  4. আইনস্টাইন
ব্যাখ্যা
স্টিফেন হকিং: 
- স্টিফেন হকিং একজন পদার্থবিদ ও গণিতজ্ঞ। 
- স্টিফেন হকিং মহাবিস্ফোরণ বা বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন‌। 
- তাঁর রচিত বইসমূহ- 
• A Brief History of Time, 
• The Universe in a Nutshell এবং 
• The Grand Design ইত্যাদি। 

অন্যদিকে, 
- মহাবিস্ফোরণ বা বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা বেলজিয়ামের জ্যোতির্বিজ্ঞানী জি. লেমেটার। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২৪০.
কেন্দ্রমণ্ডলে কোন দুটি উপাদানের আধিক্য বিদ্যমান?
  1. সিলিকন ও অ্যালুমিনিয়াম
  2. ম্যাগনেসিয়াম ও সিলিকন
  3. লোহা ও নিকেল
  4. সিলিকন ও লোহা
ব্যাখ্যা
- কেন্দ্রমণ্ডল ভূ-অভ্যন্তরের সবচেয়ে ভেতরের স্তর। এই স্তরের পুরত্ব প্রায় ৩,৪৮৬ কিলোমিটার।
- কেন্দ্রমণ্ডলের উপাদান সমূহের মধ্যে লোহা ও নিকেল প্রধান।
- অন্যান্য উপাদানের মধ্যে পারদ ও সীসা উল্লেখযোগ্য।
(সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,২৪১.
কোনটি কেপলারের সূত্র নয়?
  1. ক্ষেত্রফল সূত্র
  2. উপবৃত্ত সূত্র
  3. অক্ষের সূত্র
  4. আবর্তনকালের সূত্র
ব্যাখ্যা
কেপলারের সূত্র:
- ডেনমার্কের জ্যোতির্বিদ জোহান কেপলারের (Johann Kepler) গ্রহ সম্পর্কিত সূত্র সূর্যের চারদিকে গ্রহগুলোর গতি ব্যাখ্যা করে।
- ১৬১৮ সালে কেপলার বলেন, গ্রহগুলো কোনো এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অবিরাম ঘুরছে।
- এই সম্পর্কে তিনি তিনটি সূত্র প্রদান করেন।
- তার নাম অনুসারে এই তিনটি সূত্রকে কেপলার এর গ্রহ সম্পর্কীয় গতিসূত্র বলা হয়।
- সূত্র তিনটি:

প্রথম সূত্র (উপবৃত্ত সূত্র):
- সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে।
দ্বিতীয় সূত্র (ক্ষেত্রফল সূত্র):
- প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্র সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।
তৃতীয় সূত্র (আবর্তনকালের সূত্র):
- সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের ঘনফলের সমানুপাতিক।

উৎস: পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৪২.
ম্যালেরিয়া রোগের বাহক কী?
  1. এডিস
  2. কিউলেক্স
  3. স্যান্ড ফ্লাই
  4. অ্যানােফিলিস মশা
ব্যাখ্যা
ম্যালেরিয়া জ্বর:
- Plasmodium নামক অনুজীবের কারণে ম্যালেরিয়া রোগ হয়। 
- অ্যানােফিলিস মশা (Anopheles mosquitoes) এর মাধ্যমে ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণু বিস্তার লাভ করে। 

⇒ স্যার রোনাল্ড রস প্রমাণ করেন যে অ্যানোফিলিস মশা ম্যালেরিয়া জ্বরের জন্য দায়ী।
- ১৮৯৭ সালে ভারতে কর্মরত ব্রিটিশ ডাক্তার স‍্যার রোনাল্ড রস প্রমাণ করেন যে Anopheles মশা এই রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে।
- এ আবিষ্কারের কারণে তাকে ১৯০২ সালে চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়।
- তিনি সুস্থ ও সংক্রমিত পাখিদেরকে অধ্যয়ন করে প্লাসমোডিয়াম জীবাণুর সমগ্র জীবনচক্র সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করেন।
- তিনি দেখান যে মশার লালাগ্রন্থিতে প্লাসমোডিয়াম জীবাণু থাকে এবং মশার কামড়ের মাধ্যমে এটি অন্য পোষকের দেহে সংক্রমিত হয়।
- তাঁর এই কাজের উপর ভিত্তি করে অ্যানোফিলিস মশার বংশবিস্তার রোধের মাধ্যমে ম্যালেরিয়া রোগ প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

অন্যদিকে,
- ডেঙ্গু রোগের জীবাণুবাহী মশার প্রজাতি হলো- এডিস।
- ফাইলেরিয়া বা গোদ রোগের জীবাণুবাহী মশা- কিউলেক্স।
- কালাজ্বরের জীবাণুবাহী মশা- স্যান্ড ফ্লাই।
- Aedes aegypti (এডিস এজিপটাই) প্রজাতির মশার কামড়ে ডেঙ্গু ছড়ায়। এছাড়া এডিস এলবোপিকটাস মশার কামরেও ডেঙ্গু রোগ ছড়াতে পারে।

উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,২৪৩.
হীরক উজ্জ্বল দেখার কারণ -
  1. ক) পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের জন্য
  2. খ) প্রতিসরণের জন্য
  3. গ) প্রতিফলনের জন্য
  4. ঘ) অপবর্তনের জন্য
ব্যাখ্যা
A diamond sparkles(জ্বলজ্বল করে) as when the rays of light enter the diamond they suffer total internal reflection (পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন) at its various faces.
৩,২৪৪.
স্কাইল্যাব কি?
  1. ক) একটি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী প্রতিষ্ঠান
  2. খ) একটি মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র
  3. গ) একটি মহাকাশ স্টেশন
  4. ঘ) একটি ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
স্কাইল্যাব (Skylab) হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উৎক্ষেপিত প্রথম মহাকাশ স্টেশন যা ১৪ মে ১৯৭৩ সালে পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠানো হয়।
সূত্র: ব্রিটানিকা
৩,২৪৫.
পানিতে শব্দের বেগ কত?
  1. ক) ১২৩৯ মি/সে
  2. খ) ১৩৩৯ মি/সে
  3. গ) ১৪৩৯ মি/সে
  4. ঘ) ১৫৩৯ মি/সে
ব্যাখ্যা

নবম দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বই অনুসারে,
১৯৩ পৃষ্ঠাতে,
পানিতে শব্দের বেগ - ১,৪৯৩ মি/সে

২০৩ পৃষ্ঠাতে,
প্রমাণ তাপমাত্রা ও বায়ুচাপে বিভিন্ন মাধ্যমে শব্দের বেগ -
বায়ু মাধ্যম -- ৩৩০ মি/সে
পানি মাধ্যম -- ১,৪৯৩ মি/সে
কঠিন মাধ্যম /লোহায় -- ৫,১৩০ মি/সে

নবম - দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত) বই অনুসারে,
প্রমাণ তাপমাত্রা ও বায়ুচাপে বিভিন্ন মাধ্যমে শব্দের বেগ -
বায়ু মাধ্যম -- ৩৩২ মি/সে
পানি মাধ্যম -- ১,৪৫০ মি/সে
কঠিন মাধ্যম /লোহায় -- ৫,২২০ মি/সে

অষ্টম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই অনুসারে,
প্রমাণ তাপমাত্রা ও বায়ুচাপে বিভিন্ন মাধ্যমে শব্দের বেগ -
বায়ু মাধ্যম -- ৩৪৩ মি/সে
পানি মাধ্যম -- ১,৪৯৬ মি/সে
অ্যালুমিনিয়ামে -- ৬,৪২০ মি/সে

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান প্রথম পত্র বই অনুসারে,
প্রমাণ তাপমাত্রা ও বায়ুচাপে বিভিন্ন মাধ্যমে শব্দের বেগ -
বায়ু মাধ্যম -- ৩৩২ মি/সে
পানি মাধ্যম -- ১,৪৫০ মি/সে
কঠিন মাধ্যম /লোহায় -- ৫,১২১ মি/সে

আমরা সকল পাঠ্য বইয়ের তথ্য আপনাদের দিলাম, আপনারা বিবেচনা করে উত্তর করবেন।

৩,২৪৬.
নিচের কোনটি জীবন্ত জীবাশ্ম?
  1. ক) Pinus
  2. খ) Genetum
  3. গ) Cycas
  4. ঘ) Wolffia
ব্যাখ্যা
• Cycas একটি জীবন্ত জীবাশ্ম।

• জীবন্ত জীবাশ্ম :
বর্তমান কালের কোন জীবিত উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য অতীত কালের কোন জীবাশ্ম উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যের সাথে মিল সম্পন্ন হলে তাকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়।

Cycas কে জীবন্ত জীবাশ্ম বলার কারণ: এটি Cycadales বর্গের অন্তর্গত একটি উদ্ভিদ।
- প্রাথমিক মেসোজোয়িক যুগে Cycadales বর্গের অনেক উদ্ভিদ পৃথিবীব্যাপি বিস্তৃত ছিল।
- এদের অনেকেই এখন বিলুপ্ত। এদের পাওয়া যায় জীবাশ্ম হিসেবে।
- এ বর্গের Cycas সহ ৯টি গণের প্রায় ১০০টি প্রজাতি এখনও পৃথিবীর বুকে টিকে রয়েছে।
- এদের অনেক বৈশিষ্ট্য আদি কালের বিলুপ্ত জীবাশ্ম সাইকাড্স এর বৈশিষ্ট্যের অনুরূপ এবং আদি প্রকৃতির।
- এজন্যই Cycas সহ বর্তমানকালের সকল সাইকাড্সকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়।
- Cycadales বর্গের সদস্যদেরকে সাইকাড্স বলে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৪৭.
মানবদেহের হাড়ে কতটুকু পানি থাকে?
  1. ক) ১০-২০%
  2. খ) ২০-২৫%
  3. গ) ৪০-৫০%
  4. ঘ) ৭০-৮০%
ব্যাখ্যা

অস্থি যোজক কলার রূপান্তরিত রূপ। এটি দেহের সবচেয়ে দৃঢ় কলা।
লম্বা, ছোট, অসমান, চ্যাপ্টা মোট ২০৬ টি অস্থির সমন্বয়ে পূর্ণ বয়স্ক মানব কঙ্কাল গঠিত হয়।
শিশুর কঙ্কালে অস্থির সংখ্যা আরো বেশি থাকে।

- অস্থি মূলত ফসফরাস, সোডিয়াম, পটাশিয়াম এবং ক্যালসিয়ামের বিভিন্ন যৌগ দিয়ে তৈরি।
- অস্থিতে ৪০ থেকে ৫০ ভাগ পানি থাকে
- অস্থির বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার প্রয়োজন।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

৩,২৪৮.
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখাটি কোন মহাসাগর বরাবর কল্পনা করা হয়?
  1. আটলান্টিক মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর
  3. আরব মহাসাগর
  4. প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীপৃষ্ঠে কল্পিত ১৮০° দ্রাঘিমারেখাটি আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত।
- এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অঙ্কিত আন্তর্জাতিক তারিখ রেখাটি স্থলভাগ এড়িয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয়।
- প্রতি ১° দ্রাঘিমান্তরে মোট সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট।
- বাংলাদেশের প্রমাণ সময় হিসেবে গণনা করা হয় ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৪৯.
কোন মশার কামড়ে ডেঙ্গু জ্বর হয়?
  1. কিউলেক্স
  2. অ্যানোফিলিস
  3. এডিস মশা
  4. হেমাগোগাস
ব্যাখ্যা
ডেঙ্গু জ্বর
- উপক্রান্তিয় এবং ক্রান্তীয় অঞ্চলের গ্রীষ্ম-প্রধান দেশে ডেঙ্গু এবং ডেঙ্গু জ্বর একটি অত্যন্ত সাধারণ ভেক্টর-বাহিত ভাইরাসঘটিত রোগ।
- ডেঙ্গু জ্বর হল একটি মশা-বাহিত ভাইরাস-ঘটিত রোগ।
- একটি স্ত্রী এডিস মশা যদি ফ্ল্যাভিভাইরাস প্যাথোজেন বহন করে এবং এ অবস্থায় কাউকে কামড় দেয় তাহলে ভুক্তভোগী ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হতে পারেন।
- ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে জয়েন্টে ব্যথা, রক্তক্ষরণ এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
- যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন মনে করে সারা বিশ্বে প্রতি বছর ১০ কোটি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়।

সূত্র- বিবিসি।
৩,২৫০.
গর্ভাবস্থায় রক্তস্বল্পতা দেখা দিলে কোন ধরনের ট্যাবলেট সাধারণত খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়?
  1. ভিটামিন 
  2. জিংক 
  3. আয়রন 
  4. আয়োডিন 
ব্যাখ্যা

গর্ভকালীন বিভিন্ন সমস্যা ও সচেতনতা: 
- প্রতিবছর গর্ভকালীন জটিলতায় অনেক নারী মৃত্যুবরণ করেন। 
- গর্ভকালীন সমস্যা সম্পর্কে অজ্ঞতা ও সচেতনতার অভাব মা ও শিশুর উভয়ের জন্য জীবনঘাতী হতে পারে। 
- তাই সঠিক পরিচর্যা ও চিকিৎসা মায়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 

গর্ভকালীন রক্তস্বল্পতা: 
- গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত রক্ত প্রবাহ ও পুষ্টির ঘাটতির কারণে রক্তস্বল্পতা হতে পারে।
- গর্ভকালীন সময় রক্তস্বল্পতা দেখা দিলে ডাক্তারের নিচের পরামর্শগুলো মেনে চলার পরামর্শ দেন- 
• প্রথম মাস থেকে ফলিক অ্যাসিড ট্যাবলেট গ্রহণ করতে হয়। 
তৃতীয় মাস থেকে আয়রন ও ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। 
• আয়রনযুক্ত খাবার খেতে হবে। যেমন: কচুশাক, কলিজা, তেঁতুল, তরমুজ, ডিম ইত্যাদি। 
• ভিটামিন C সমৃদ্ধ খাবার খেলে আয়রনের শোষণ বৃদ্ধি পায়। যেমন: আমলকি, লেবু, কাঁচামরিচ, পেয়ারা, আনারস, কাঁচা ফলমূল ইত্যাদি। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২৫১.
সামুদ্রিক জীব বায়ুমণ্ডল থেকে কোন গ্যাস শোষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে?
  1. নাইট্রোজেন
  2. অক্সিজেন
  3. কার্বন ডাই–অক্সাইড
  4. ওজোন
ব্যাখ্যা

সামুদ্রিক জীবন: 
- সায়েন্স অ্যাডভান্সেসে প্রকাশিত একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় বলা হচ্ছে, মানবজাতি এখন পর্যন্ত গভীর সমুদ্রতলের মাত্র ০.০০১ শতাংশ কম এলাকা সম্পর্কে জানে। এই এলাকার আকার রোড আইল্যান্ডের প্রায় সমান বা বেলজিয়ামের প্রায় এক-দশমাংশ। এই সীমিত অনুসন্ধান আমাদের গ্রহের বৃহত্তম বাস্তুতন্ত্রকে সঠিকভাবে বোঝা ও সংরক্ষণের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। 
- ২০০ মিটারের বেশি গভীরতা থেকে গভীর মহাসাগর শুরু হয়, যা পৃথিবীপৃষ্ঠের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশজুড়ে বিস্তৃত। বিশালতা সত্ত্বেও সমুদ্র সবচেয়ে কম অন্বেষণ করা অংশ। 
- গভীর মহাসাগর বিভিন্ন ধরনের জীবের আবাসস্থল, জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ, অক্সিজেন উৎপাদন আর খাদ্য ও ওষুধের মতো মূল্যবান সম্পদ সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সমুদ্রপৃষ্ঠে বসবাসকারী ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন পৃথিবীর প্রায় ৮০ ভাগ অক্সিজেন উৎপন্ন করে। এসব জীব গভীর সমুদ্রস্রোত থেকে পুষ্টি সংগ্রহ করে। 
- সামুদ্রিক জীব উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বায়ুমণ্ডলীয় কার্বন ডাই–অক্সাইড শোষণে সহায়তা করছে। জলবায়ু স্থিতিশীলতায় সমুদ্রের অবদান অনেক। 

- প্রতিবছর ২০ কোটি টন সামুদ্রিক খাবার সরবরাহ করা হয় সমুদ্র থেকে। বিশ্বব্যাপী প্রায় ৬ কোটি মানুষকে কর্মসংস্থান দিচ্ছে সমুদ্র। এছাড়া স্পঞ্জ ও ব্যাকটেরিয়ার মতো সামুদ্রিক জীব এইচআইভি, স্তন ক্যানসার ও কোভিড-১৯ সহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় ভূমিকা রাখছে। পাঁচ দশক ধরে বিজ্ঞানীরা সম্ভাব্য চিকিৎসার জন্য হাজার হাজার নতুন সামুদ্রিক যৌগ খুঁজে যাচ্ছেন। 
- গবেষকেরা ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন, সমুদ্রে মানুষের বিভিন্ন কার্যকলাপ ও উষ্ণায়নের কারণে ভবিষ্যতে ক্ষতিকর প্রভাব প্রায় দ্বিগুণ হবে। মহাসাগর ইতিমধ্যে মানুষের কার্যকলাপ থেকে প্রায় ৯০ শতাংশ অতিরিক্ত তাপ ও ৩০ শতাংশ কার্বন ডাই–অক্সাইড শোষণ করেছে। এর ফলে উষ্ণ তাপমাত্রা, অক্সিজেনের মাত্রা হ্রাস ও সমুদ্রের অম্লতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ধরনের পরিবর্তন গভীর সমুদ্রের আবাসস্থলকে অযোগ্য করে তুলছে। বিভিন্ন গভীরতায় সামুদ্রিক জীবনকে ব্যাহত করছে। বিশ্বব্যাপী জীববৈচিত্র্য ও উৎপাদনশীলতাকে প্রভাবিত করছে। 

উৎস: সায়েন্স অ্যালার্ট এবং দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা (৬ জুন, ২০২৫) [লিঙ্ক]।

৩,২৫২.
পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করতে চাঁদ-এর সময় লাগে-
  1. ক) ২৭ দিন ৮ ঘণ্টা
  2. খ) ২৭ দিন ১৭ ঘণ্টা
  3. গ) ২৮ দিন ২ ঘণ্টা
  4. ঘ) ২৮ দিন ৫ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ।
চাঁদ ২৭ দিন ৮ ঘন্টায় পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করে।
এটি পৃথিবীর আয়তনের ৫০ ভাগের একভাগ।
সূত্রঃ বিজ্ঞান ৬ষ্ঠ শ্রেণি।

৩,২৫৩.
কোন গ্রহের তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে অধিক?
  1. শুক্র
  2. পৃথিবী
  3. মঙ্গল
  4. বুধ
ব্যাখ্যা
সৌরজগতের বিভিন্ন গ্রহের তাপমাত্রা: 
- প্রতিটি গ্রহের গড় তাপমাত্রা একটি গ্রহ সূর্য থেকে যত দূরে থাকে গ্রহের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ততই শীতল হতে থাকে। 
- শুক্র ব্যতিক্রম, কারণ সূর্যের সান্নিধ্য এবং এর ঘন বায়ুমণ্ডল এটিকে আমাদের সৌরজগতের উষ্ণতম গ্রহ করে তোলে। 
- পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ শুক্র। 
- শুক্রের মেঘাচ্ছন্ন বায়ুমণ্ডল প্রধানত কার্বন ডাই অক্সাইডের তৈরি। 
- এটি সৌরজগতের সবচেয়ে উজ্জ্বল ও সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ। 
- পৃথিবী সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ। 
- আমাদের সৌরজগতের গ্রহগুলির গড় তাপমাত্রা হলো- 
• বুধ: ১৬৭° সেলসিয়াস, 
শুক্র: ৪৬৪° সেলসিয়াস, 
• পৃথিবী: ১৫° সেলসিয়াস, 
• মঙ্গল: -৬৫° সেলসিয়াস, 
• বৃহস্পতি: -১১০° সেলসিয়াস, 
• শনি: -১৪০° সেলসিয়াস, 
• ইউরেনাস: -১৯৫° সেলসিয়াস এবং 
• নেপচুন: -২০০° সেলসিয়াস। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং NASA ওয়েবসাইট।
৩,২৫৪.
HMPV- এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Human Malaria Pneumovirus
  2. Human Metapneumovirus
  3. Human Mycoplasma Pneumonia Virus
  4. Human Meningococcal Pneumonia Virus
ব্যাখ্যা
‘এইচএমপিভি’ ভাইরাস:
- এইচএমপিভি (Human Metapneumovirus) ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে চীন এবং জাপানে।
- এই ভাইরাস ইনফ্লুয়েঞ্জা ধাঁচের এবং করোনার মতোই ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
- বিশেষজ্ঞদের শঙ্কা, ২০২৫ সালে করোনার মতো নতুন কোনো মহামারি উদ্ভব হতে পারে।
- ডিজিজ এক্স নামক মহামারি নিয়ে বিশেষজ্ঞরা আগাম সতর্কতা জারি করেছেন।
- চীনে এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বাড়লেও, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা সরকার এখন পর্যন্ত কোনো সতর্কতা জারি করেনি।
- ভাইরাসের সাধারণ উপসর্গ হলো জ্বর, নাক বন্ধ, কাশি বা শ্বাসকষ্ট, তবে তীব্র সংক্রমণে ব্রঙ্কাইটিস, নিউমোনিয়া বা কানে ইনফেকশন হতে পারে।
- প্রতিরোধ ও প্রতিকার হিসেবে সাবান এবং পানি দিয়ে হাত ধোয়া, অপরিষ্কার হাতে নাক-মুখ স্পর্শ না করা এবং আক্রান্ত ব্যক্তিদের থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
- দুই দশক আগে প্রথমবারের মতো এই ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হলেও, এখনও এর কোনো টিকা আবিষ্কৃত হয়নি।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা নিউজ [লিঙ্ক]
৩,২৫৫.
নিচের কোন ভ্যাকসিন দেহ তলের রাসায়নিক উপাদান থেকে তৈরি? 
  1. বিসিজি
  2. পোলিও
  3. হেপাটাইটিস-বি
  4. ইনফ্লুয়েঞ্জা
ব্যাখ্যা
টিকা: 
- টিকা হলো প্রাণিদেহে রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের নিষ্ক্রিয় পরিদ্রুত সাসপেনশন। 
- টিকায় বিদ্যমান অণুজীবগুলো (ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া) জীবিত, অর্ধমৃত বা মৃতও হতে পারে। এদের এমনভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয় যাতে এরা জীবকোষে কোনো রোগ সৃষ্টি করতে না পারে, কিন্তু রোগের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করে। 

টিকার প্রকারভেদ: 
- মানবদেহের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে দমন করতে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরনের টিকা আবিষ্কার করেছেন। 
যেমন- 
১। নিষ্ক্রিয়কৃত জীবাণু জীবন্ত টিকা: 
- কালচার করা, ক্ষতিকর বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় বা দুর্বল করে দেওয়া জীবিত জীবাণু নিয়ে তৈরি। 
উদাহরণ- BCG, হাম, মাম্পস, পোলিও, জলাতঙ্ক, যক্ষ্মা, গুটিবসন্ত, প্লেগ, টাইফয়েড প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

২। মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা: 
- এধরনের টিকা মৃত জীবাণু দিয়ে তৈরি। 
উদাহারণ- ইনফ্লুয়েঞ্জা, কলেরা প্রভৃতি ভ্যাকসিন। 

৩। নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা: 
- এ ধরনের টিকা জীবাণু নিঃসৃত টক্সয়েড দিয়ে তৈরি। 
উদাহরণ-ডিপথেরিয়া, টিটেনাস (ধনুষ্টংকার) প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

৪। দেহ তলের রাসায়নিক বস্ত: 
- অনেক ক্ষেত্রে সংক্রমণকারী জীবাণুর দেহ তল থেকে রাসায়নিক উপাদান (নির্দিষ্ট প্রোটিনের অংশ) আলাদা করে ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 
উদাহরণ- হেপাটাইটিস-B ভ্যাকসিন, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস ভ্যাকসিন প্রভৃতি। 

৫। ডিএনএ টিকা: 
- রিকমবিনেন্ট DNA পদ্ধতিতে DNA ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৫৬.
মহাবিশ্ব প্রতিনিয়ত সম্প্রসারিত হচ্ছে- এ মতবাদটি কার?
  1. ক) আইনস্টাইন
  2. খ) এডউইন হাবল
  3. গ) স্টিফেন হকিং
  4. ঘ) কোপার্নিকাস
ব্যাখ্যা
মহাবিশ্ব প্রতিনিয়ত সম্প্রসারিত হচ্ছে- এ মতবাদটি এডউইন হাবল সর্বপ্রথম প্রদান করেন। 

- সর্বপ্রথম ১৯২০ সালে আমেরিকান জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডউইন হাবল পর্যবেক্ষণ করেন যে, পৃথিবী থেকে দূরবর্তী নক্ষত্র এবং ছায়াপথগুলি ক্রমশই সরে যাচ্ছে। 
- আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার তত্ত্ব মতবাদ প্রদান করেন। 
- স্টিফেন হকিং আধুনিক বিগ ব্যাঙ মতবাদের প্রবক্তা। 
- কোপার্নিকাস সর্বপ্রথম প্রমাণ করেন যে, সূর্য নয়, পৃথিবীই সূর্যের চারদিকে ঘোরে, যে পথে পৃথিবী ঘোরে সেটা পৃথিবীর কক্ষপথ আর এই কক্ষপথ বৃত্তাকার।
- ১৯২৭ সালে বেলজিয়ামের জ্যোতির্বিদ জর্জ লেমাইটার প্রসারণশীল বিশ্ব সংক্রান্ত তত্ত্ব প্রদান করেন, যা হাবলের সাথে মিলে যায়।

সূত্র- ৪১৪ পৃষ্ঠা, পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৫৭.
আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার নীতি অনুসারে কোনটি ব্যাখ্যা করা যায় না?
  1. মহাকর্ষ
  2. নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি
  3. সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা
  4. চৌম্বক ধর্ম
ব্যাখ্যা
• আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার নীতি অনুসারে চৌম্বক ধর্ম ব্যাখ্যা করা যায় না। 

• আপেক্ষিক তত্ত্ব:
- আইনস্টাইনের মতে স্থান, কাল ও ভর পরম নয়,সবই আপেক্ষিক। আইনস্টাইনের এই তত্ত্বই আপেক্ষিক তত্ত্ব (Theory of relativity) নামে পরিচিত।

• আপেক্ষিক তত্ত্ব (Theory of Relativity) মূলত দুভাগে বিভক্ত, যথা-
- আপেক্ষিকতার সাধারণ বা সার্বিক তত্ত্ব (The general theory of relativity) এবং
- আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব (The special theory of relativity)।

• আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব (১৯০৫) ও সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব (১৯১৫) নিম্নলিখিত বিষয়গুলি ব্যাখ্যা করে:
- মহাকর্ষ।
- নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি।
- সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্ব ধারণা।

অন্যদিকে,
- চৌম্বকত্ব বা পদার্থের চৌম্বক ধর্ম ব্যাখ্যার জন্য কোয়ান্টাম ইলেক্ট্রোডাইনামিক্স (QED) বা ম্যাক্সওয়েলের সমীকরণ ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৫৮.
সমুদ্রের এক স্থানে প্রতিদিন কয়টি জোয়ার সংঘটিত হয়?
  1. ক) ৪টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ১টি
  4. ঘ) ২টি
ব্যাখ্যা
জোয়ার-ভাটা
সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাটা হয়। উপকূলে কোন একটি স্থানে একটি জোয়ারের প্রায় ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট পর ভাটা হয়। অর্থাৎ একটি জোয়ার অথবা একটি ভাটার স্থিতিকাল হচ্ছে ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট।

যখন ‘জোয়ার-ভাটা’ একইসাথে এভাবে স্থিতিকাল জানতে চাইবে তখন একটি জোয়ার অথবা ভাটার স্থিতিকাল গণনা করবেন। প্রশ্নে ভাষাগত একটু জটিলতা আছে। এখানে মূলত একটি জোয়ার অথবা একটি ভাটার স্থিতিকাল জানতে চাওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে উত্তর হবে ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট।

আবার উপকূলে কোন একটি স্থানে পর পর দুটি জোয়ার বা দুটি ভাঁটার মধ্যে ব্যবধান বললে উত্তর হবে ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট।

কয়েকটি স্যাম্পল প্রশ্ন দেখুন:

- জোয়ার ভাটার মধ্যকার ব্যবধান প্রায় কত?
উত্তর: ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট।

- জোয়ারের কত সময় পর ভাঁটা হয়?
উত্তর: ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট।

- জোয়ার-ভাটার স্থিতিকাল কত?
উত্তর: ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট।

- পর পর দুটি জোয়ারের মধ্যে ব্যবধান কত?
উত্তর: ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট।

[বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়) বইয়ে ৬ ঘণ্টা ৬ মিনিট ৩০ সেকেন্ড দেওয়া আছে যা ভুল। প্রকৃতপক্ষে এটা হবে ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট।]
৩,২৫৯.
যদি 2 cal তাপ সম্পূর্ণরূপে কাজে রূপান্তরিত হয় তবে কাজের পরিমাণ কত?
  1. ক) 4.2 J
  2. খ) 4.8 J
  3. গ) 8.2 J
  4. ঘ) 8.4 J
ব্যাখ্যা

১ ক্যালরি = ৪.২ জুল।
সুতরা,  ২ ক্যালরি = ৮.৪ জুল।

৩,২৬০.
সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে-
  1. ৬ মিনিট ১৬ সেকেন্ড
  2. ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড
  3. ৭ মিনিট ১৯ সেকেন্ড
  4. ৯ মিনিট ৩২ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা

• সূর্য থেকে পৃথিবী:
- পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব এত বেশি যে কিলোমিটার দ্বারা এই দূরত্ব প্রকাশ করা যায় না।
- এই দূরত্ব আলোক বর্ষ এককে মাপা হয়।
- আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে।
- এই বেগে এক বছরে আলো যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোক বর্ষ বলে।
- সূর্য পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড।
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টারাই (Proxima Centauri)।
- পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৪.২ আলোক বর্ষ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি।

৩,২৬১.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে ঝড়, বৃষ্টি, শিলাবৃষ্টি, বজ্রপাত ঘটে থাকে?
  1. ক) এক্সোস্ফিয়ার
  2. খ) আয়োনোস্ফিয়ার
  3. গ) ট্রপোস্ফিয়ার
  4. ঘ) মেসোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডলের ট্রপোস্ফিয়ার স্তরে ঝড়, বৃষ্টি, শিলাবৃষ্টি, বজ্রপাত ঘটে থাকে। 

- গ্রিক শব্দ ট্রপো (Tropo) কথার অর্থ হল পরিবর্তন।
- দৈনন্দিন আবহাওয়ায় আমরা যেরকম বিভিন্ন পরিবর্তন অনুভব করি, এই বায়ুস্তরেও সে ধরনের পরিবর্তন দেখা যায় ।
- বায়ুমণ্ডলের একেবারে নীচের স্তরে অবাধে তাপীয় মিশ্রণ ঘটে বলে, একে ট্রপোস্ফিয়ার বলে। 
- এ স্তরে ৭৮% নাইট্রোজেন, ২১% অক্সিজেন এবং ১% আর্গন, জলীয় বাষ্প এবং কার্বন ডাই অক্সাইড রয়েছে। 
- ট্রপোস্ফিয়ারের উর্ধ্বসীমাকে বলে ট্রপোপজ ।
- ট্রপোপজ স্তরে বায়ুর উষ্ণতা একই রকম থাকে বলে একে সমতাপ অঞ্চল বলে। 

সূত্র- NASA Website [লিঙ্ক]
৩,২৬২.
সংক্ষিপ্ত পথে চলতে চলতে জাহাজের চালকরা কি অনুরসণ করে? 
  1. ক) সমুদ্রস্রোত    
  2. খ) সূর্য 
  3. গ) দ্রাঘিমা    
  4. ঘ) অক্ষাংশ
ব্যাখ্যা
সমুদ্র এবং উপকূলবর্তী নদীর জলরাশি প্রতিদিনই কোনো একটি সময়ে ঐ জলরাশি ধীরে ধীরে ফুলে উঠছে এবং কিছুক্ষণ পরে আবার তা ধীরে ধীরে নেমে যাচ্ছে। জলরাশির এরকম নিয়মিত স্ফীতি বা ফুলে ওঠাকে জোয়ার বা নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে। সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দু'বার ভাটা হয়। উপকূলে কোন একটি স্থানে পর পর দুটি জোয়ার বা পর পর দুটি ভাটার মধ্যে ব্যবধান হলো ১২ ঘণ্টা। সংক্ষিপ্ত পথে চলতে চলতে জাহাজের চালকরা সমুদ্রস্রোত অনুরসণ করে। 

Source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম।
৩,২৬৩.
কোন বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলে দিকে প্রবাহিত হয়? 
  1. স্থানীয় বায়ু
  2. নিয়ত বায়ু
  3. অনিয়মিত বায়ু
  4. সাময়িক বায়ু
ব্যাখ্যা

বায়ুপ্রবাহ: 
- বায়ু সর্বদা একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু কিছু নিয়ম মেনে প্রবাহিত হয়। 
যেমন- সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নচাপ বলয়ে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু প্রবাহের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়। 
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত চার প্রকার। 
যথা- নিয়ত বায়ু, সাময়িক বায়ু, স্থানীয় বায়ু ও অনিয়মিত বায়ু। 

নিয়ত বায়ু: 
- যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলে দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে নিয়ত বায়ু বলে। 
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়। 
- এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। 
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২৬৪.
রক্তের হিমোগ্লোবিন এক প্রকার - 
  1. আমিষ
  2. প্লাটিলেট
  3. চর্বি
  4. এন্টিজেন
ব্যাখ্যা
রক্ত: 
- মানবদেহে রক্তের প্রধান উপাদান হলো রক্তরস এবং রক্তকণিকা। 
- রক্তে শতকরা ৫৫% হলো রক্তরস আর ৪৫% হলো রক্তকণিকা। 
- মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের। 
- রক্তের রসে লাল রঙের হিমোগ্লোবিন নামে লৌহ-ঘটিত প্রোটিন বা আমিষ জাতীয় পদার্থ থাকায় রক্তের রঙ লাল হয়। 
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে। 
- তবে কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে ফুসফুসে পরিবাহিত হয়, তবে কার্বন ডাই-অক্সাইডের সিংহভাগ বাইকার্বনেট আয়ন হিসেবে রক্ত দ্বারা ফুসফুসে পরিবাহিত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২৬৫.
স্নায়ুকোষের কত শতাংশ ধ্বংস হলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা লোপ পেতে থাকে?
  1. এক-তৃতীয়াংশ
  2. এক-পঞ্চমাংশ
  3. এক-চতুর্থাংশ
  4. এক-দ্বিতীয়াংশ
ব্যাখ্যা
স্নায়ুতন্ত্র: 
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ মস্তিষ্ক। 
- স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যকরী একক কে বলে নিউরন। 
- মস্তিষ্কের নিউরন থাকে ১০ মিলিয়ন। 
- মানুষের মস্তিষ্কের ওজন ১.৩৬ কেজি। 
- মস্তিষ্ককে আবৃতকারী পর্দার নাম মেনিনজেস। 
- মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা পাওয়াকে বলে স্ট্রোক। 
- স্নায়ুকোষের এক-চতুর্থাংশ বা ২৫% ধ্বংস হয়ে গেলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা লোপ পেতে থাকে। 
- স্নায়ুকোষ ধ্বংস হলে মস্তিষ্কের বিভিন্ন প্রকার রোগ যেমন স্মৃতিভ্রংশ, বুদ্ধিবৈকল্য ইত্যাদি হতে পারে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২৬৬.
এক্সরে (x-ray) আবিষ্কৃত হয়-
  1. ১৮৯৮ সালে
  2. ১৮৯৩ সালে
  3. ১৮৯৫ সালে
  4. ১৮৯০
ব্যাখ্যা
- ক্যাথোড রশ্মি হচ্ছে এক রাশি ইলেকট্রন।
- ১৮৯৫ সালে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী উইলিয়াম রন্টজেন আবিষ্কার করেন যে, তড়িৎক্ষরণ নল থেকে যখন ক্যাথোড রশ্মি নলের দেয়ালে পড়ে তখন এক্সরে উৎপন্ন হয়।
- এক্সরের একক রন্টজেন।
- এক্সরে উচ্চ ভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২৬৭.
নিউক্লিয়াসের সংগঠনের ভিত্তিতে কোষ কত প্রকার?
  1. ক) তিন
  2. খ) চার
  3. গ) এক
  4. ঘ) দুই
  5. ঙ) আট
ব্যাখ্যা
নিউক্লিয়াসের গঠনের উপর ভিত্তি করে কোষ দুই প্রকার। আদিকোষে নিউক্লিয়াস সুগঠিত থাকে না এবং প্রকৃত কোষে নিউক্লিয়াস সুগঠিত।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই।
৩,২৬৮.
কবে থেকে আঙুলের ছাপ ব্যবহার করা শুরু হয়?
  1. ক) ১৯ শতকের শেষের দিকে
  2. খ) ১৯ শতকের প্রথমার্ধে
  3. গ) ১৮ শতকের শুরুতে
  4. ঘ) ১৮ শতকের শেষার্ধে
  5. ঙ) ১৯ শতকের শুরুতে
ব্যাখ্যা
১৯ শতকের শেষের দিকে আঙুলের ছাপ ব্যবহার শুরু হয়
উৎসঃতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান।
৩,২৬৯.
বিটা রশ্মি বা বিটা কণার ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) এটি আসলে ইলেক্ট্রন
  2. খ) ইলেকট্রিক এবং চৌম্বকীয় ক্ষেত্র দিয়ে প্রভাবিত করা যায় না
  3. গ) হিলিয়াম নিউক্লিয়াসের তুলনায় ইলেকট্রন খুবই ক্ষুদ্র
  4. ঘ) কয়েক মিলিমিটার পুরু অ্যালুমিনিয়ামের পাত দিয়ে একটি সাধারণ বিটা কণাকে থামানাে সম্ভব
ব্যাখ্যা

বিটা রশ্মি বা বিটা কণা আসলে ইলেকট্রন। বিটার কণা যেহেতু ইলেকট্রন তাই তার চার্জ নেগেটিভ (ঋণাত্মক আধান) এবং সে কারণে সেটি ইলেকট্রিক এবং চৌম্বকীয় ক্ষেত্র দিয়ে প্রভাবিত করা যায়। এটি যখন কোনাে পদার্থের ভেতর দিয়ে যায় তখন সেই পদার্থের অণু-পরমাণুর সাথে সংঘর্ষের কারণে সেগুলােকে আয়নিতকরতে পারে।আলফা কণার হিলিয়াম নিউক্লিয়াসের তুলনায় ইলেকট্রন খুবই ক্ষুদ্র তাই ইলেকট্রনের ভেদনক্ষমতা অনেক বেশি এবং সেটি পদার্থের অনেক ভেতর ঢুকে যেতে পারে। কয়েক মিলিমিটার পুরু অ্যালুমিনিয়ামের পাত দিয়ে একটি সাধারণ বিটা কণাকে থামানাে সম্ভব।
উৎসঃ  ৯ম- ১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান

৩,২৭০.
ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ নয় কোনটি?
  1. যক্ষ্মা
  2. আমাশয়
  3. ডেঙ্গু
  4. টাইফয়েড
ব্যাখ্যা
• ব্যাকটেরিয়া:
- গ্রিক শব্দ Bakterion (little rod) থেকে ব্যাকটেরিয়া শব্দটির উৎপত্তি।
- ব্যাকটেরিয়া (একবচনে ব্যাকটেরিয়াম) এক ধরনের ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক জীব।
- অ্যান্টনি ভ্যান লীউয়েনহুককে ব্যাকটেরিওলজি ও প্রোটোজুওলজির জনক বলা হয়ে থাকে।
- জার্মান বিজ্ঞানী এরেনবার্গ ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে এসব ক্ষুদ্রজীবদের ব্যাকটেরিয়া নামকরণ করেন।
- ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর ১৮৬৯ খ্রিস্টাব্দে ব্যাকটেরিয়ার ওপর ব্যাপক গবেষণা এবং ব্যাকটেরিইয়া তত্ত্বকে প্রতিষ্টিত করেন।
- ব্যাকটেরিয়া আদিকোষী জীব, এদের কোষে জড় কোষ প্রাচীর থাকে।

- মানবদেহে ব্যাকটেরিয়া গঠিত কিছু রোগ হলো:
• যক্ষ্মা
• নিউমোনিয়া
• কলেরা
• টাইফয়েড
• কলেরা
• ডিপথেরিয়া
• আমাশয়
• ধনুষ্টংকার
• হুপিংকাশি ইত্যাদি।

- ডেঙ্গু ভাইরাস গঠিত রোগ।

উৎস: জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
৩,২৭১.
পরিবেশের সাথে জীবন সম্পর্ক সম্বন্ধীয় বিজ্ঞানকে বলা হয়- 
  1. Ecology
  2. Meteorology
  3. Toxicology
  4. Horticulture
ব্যাখ্যা
- পরিবেশের সাথে জীবন সম্পর্ক সম্বন্ধীয় বিজ্ঞানকে বলে Ecology

অন্যদিকে, 
- আবহাওয়া ও জলবায়ু সম্বন্ধীয় বিজ্ঞানকে বলা হয় Meteorology. 
- বিষ সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয় Toxicology. 
- উদ্যান বিষয়ক বিজ্ঞানকে বলা হয় Horticulture. 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,২৭২.
মানবদেহের মেরুদণ্ডে হাড়ের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ২৯টি
  2. খ) ২৫টি
  3. গ) ৬০টি
  4. ঘ) ২৬টি
ব্যাখ্যা

একজন পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তির শরীরে মেরুদণ্ডে হাড় থাকে ২৬টি।
আর নবজাতকের শরীরে মেরুদণ্ডে হাড় থাকে ৩৩টি।
পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তির শরীরে মেরুদণ্ডে থাকেঃ
- ৭টি গ্রীবাদেশীয় কশেরুকা
- ১২টি বক্ষদেশীয় কশেরুকা
- ৫টি কটিদেশীয় কশেরুকা
- ৫টি হাড় একীভূত হয়ে একটি শ্রোণিদেশীয় কশেরুকা
- ৪টি হাড় একীভূত হয়ে একটি পুচ্ছদেশীয় কশেরুকা 
- এই সর্বমোট ২৬টি কশেরুকা।
শৈশাবস্থায় শ্রোণিদেশীয় ও পুচ্ছদেশীয় হাড়গুলো একীভূত না হওয়ায় তখন মেরুদণ্ডে মোট অস্থির সংখ্যা থাকে ৩৩টি।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩,২৭৩.
মানুষের চুল ও নখে কোন ধরণের প্রোটিন থাকে?
  1. ক) ফাইব্রেয়ন
  2. খ) গ্লোবিউলিন
  3. গ) কেরাটিন
  4. ঘ) অ্যাকটিন
ব্যাখ্যা
- মানুষের চুল ও নখে কেরাটিন নামক প্রোটিন থাকে।
- রেশম মূলত ফাইব্রেয়ন নামক প্রোটিন দ্বারা তৈরি।
- জীবন্ত মেষ থেকে লোম সরিয়ে যে পশম তৈরি করা হয়, তাকে ফ্লিস উল (Fleece Wool) বলে।
- মৃত বা জবাই করা মেষ থেকে যে পশম তৈরি করা হয়, পুল্ড উল (Pulled Wool) বলে।

সূত্র: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২৭৪.
পারমাণবিক চুল্লিতে 'মডারেটরের' প্রাথমিক কাজ হলো:
  1. অতিরিক্ত নিউট্রন শোষণ এবং চেইন বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ
  2. চুল্লির কেন্দ্রে উৎপন্ন তাপ স্থানান্তর করে শীতল করা
  3. দ্রুতগতি সম্পন্ন নিউট্রনগুলোকে ধীরগতি করে ফিশনের সম্ভাবনা বাড়ানো
  4. ক্ষতিকারক গামা বিকিরণ থেকে সুরক্ষা প্রদান
ব্যাখ্যা

- পারমাণবিক চুল্লিতে ফিশন প্রক্রিয়ার সময় অত্যন্ত উচ্চ গতিসম্পন্ন বা উচ্চ শক্তির নিউট্রন উৎপন্ন হয়। কিন্তু জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর নিউক্লিয়াসকে আঘাত করে নতুন ফিশন শুরু করার জন্য ধীরগতি সম্পন্ন বা তাপীয় নিউট্রন অনেক বেশি কার্যকর। মডারেটরের প্রধান কাজ হলো ইলাস্টিক কলিশন বা স্থিতিস্থাপক সংঘর্ষের মাধ্যমে নিউট্রনের গতি কমিয়ে সেগুলোকে ফিশন উপযোগী করা, যাতে চেইন রিঅ্যাকশন বজায় থাকে। 

নিউক্লিয় রিঅ্যাকটর: 
- শৃঙ্খল বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে ইউরেনিয়ামকে তাপীয় নিউট্রন দিয়ে আঘাত করলে এই ভারী নিউক্লিয়াসটি প্রায় সমান ভাবে দুটি নিউক্লিয়াসে ভেঙ্গে যায় এবং এর সাথে প্রচুর শক্তি নির্গত করে।  

- নিউক্লিয় বিভাজন থেকে উৎপন্ন তাপশক্তিকে তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত করার জন্য এমন ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, যাতে অতি অল্প সময়ে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয়ে সমগ্র প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায় এবং যাতে দীর্ঘ সময় ধরে সমহারে শক্তির সরবরাহ পাওয়া যায়। একে নিয়ন্ত্রিত বিভাজন বা নিউক্লিয় রিঅ্যাকটর বলা হয়। 
- পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্রের নিউক্লিয় রিঅ্যাকটরকে এই নিয়ন্ত্রিত বিভাজনের উপযোগী করে তৈরি করা হয়।
- নিউক্লিয় রিঅ্যাকটরের মডারেটর (Moderator) সম্বন্ধে এখানে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো- 
মডারেটর (Moderator): 
- নিউক্লিয় বিক্রিয়ার জন্য তাপীয় নিউট্রন অর্থাৎ ধীর গতির নিউট্রন প্রয়োজন। অথচ এই বিক্রিয়ায় নির্গত নিউট্রনের শক্তি প্রায় 181 MeV অর্থাৎ দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রন, সেইজন্য এর গতি কমিয়ে তাপীয় নিউট্রন তৈরি করা প্রয়োজন। 
- মডারেটরের কাজ হলো দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রনগুলিকে পরবর্তী বিভাজনে কাজে লাগাতে হলে পর্যাপ্ত পরিমাণ মন্দন ঘটিয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত করে নিতে হয়। 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে পাঠালে উচ্চ গতির নিউট্রন মন্দীভূত হয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত হতে পারে, তাদের বলা হয় মডারেটর। 
- বহুল প্রচলিত দুটি মডারেটর হলো- ভারী জল বা ডিউটেরিয়াম অক্সাইড (D2O) এবং গ্রাফাইট। মডারেটর হিসেবে সাধারণত ভারী পানি ব্যবহার করা হয়।
- নিউক্লীয় বিক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন উচ্চ গতিশক্তিসম্পন্ন নিউট্রনগুলিকে মন্দীভূত করে মডারেটর এবং মন্দীভূত নিউট্রনগুলি আবার নিউক্লীয় বিক্রিয়া ঘটায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২৭৫.
যে তাপমাত্রার বায়ু জলীয়বাষ্পে সম্পৃক্ত হয় তাকে কী বলে?
  1. ক) আপেক্ষিক আর্দ্রতা
  2. খ) তুল্য আর্দ্রতা
  3. গ) কুয়াশা
  4. ঘ) শিশিরাঙ্ক
ব্যাখ্যা
• যে তাপমাত্রার বায়ু জলীয়বাষ্পে সম্পৃক্ত হয় তা শিশিরাঙ্ক নামে পরিচিত।
- অর্থাৎ বায়ুতে উপস্থিত জলীয়বাষ্প দ্বারা ঐ বায়ুতে সম্পৃক্ত করতে হলে যে তাপমাত্রা পর্যন্ত শীতল করা প্রয়োজন সেই তাপমাত্রাকে শিশিরাঙ্ক বলে।
- তুল্য আর্দ্রতার সাথে শিশিরাঙ্কের সম্পর্ক রয়েছে।
- কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে অবস্থিত জলীয়বাম্পের প্রকৃত পরিমাপকে তুল্য আর্দ্রতা বলে।

উৎস: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৭৬.
শিল্পক্ষেত্রে ইউরিয়া থেকে কি পাওয়া যায়?
  1. ক) PVC
  2. খ) মেলামাইন পলিমার
  3. গ) নাইলন
  4. ঘ) অ্যামোনিয়া
ব্যাখ্যা

- ইউরিয়া মূল্যবান পদার্থ। কার্বন - ডাই - অক্সাইড ও অ্যামোনিয়া গ্যাসের মিশ্রণকে উচ্চচাপে ও ১৩০ ডিগ্রী - ১৫০ ডিগ্রী তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে প্রথমে অ্যামোনিয়াম কার্বনেট উৎপন্ন হয়।
- পরবর্তীতে অ্যামোনিয়াম কার্বামেট ভেঙ্গে ইউরিয়া প্রস্তুত করা হয়। অ্যামোনিয়াম সায়ানাইড থেকেও ইউরিয়া পাওয়া যায়।
- শিল্পক্ষেত্রে ইউরিয়া থেকে মেলামাইন পলিমার পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র: রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি, পৃষ্ঠা - ৩০২।

৩,২৭৭.
নিচের কোন রোগটি RNA ভাইরাস নয়?
  1. ক) ডেঙ্গুজ্বর
  2. খ) কোভিড-১৯
  3. গ) স্মলপক্স
  4. ঘ) পােলিও
ব্যাখ্যা
ডেঙ্গুজ্বর, কোভিড-১৯, পােলিও হলো RNA ভাইরাসঘটিত রোগ। 
অপরদিকে, স্মলপক্স DNA ভাইরাসঘটিত রোগ। 
 
Smallpox বা গুটিবসন্ত মানবজাতির ইতিহাসে একমাত্র রোগ যেটা সম্পূর্ণভাবে নির্মূল হয়েছে।
- WHO ১৯৮০ সালে গুটিবসন্ত নির্মূলের ঘোষণা দেয়।
- গুটিবসন্ত হয় - ভেরিওলা ভাইরাসের কারনে। (DNA Type)
- সর্বশেষ ১৯৭৭ সালে সোমালিয়াতে দেখা গিয়েছিল।
৩,২৭৮.
বারিমন্ডলে সমুদ্রের পানির পরিমাণ কত?
  1. ক) ৭১.৩৭%
  2. খ) ৭৫.৯৭%
  3. গ) ৯৫.৯৬%
  4. ঘ) ৯৭.২৫%
ব্যাখ্যা
বারিমন্ডলের পানির প্রধান উৎসসমূহঃ
সমুদ্র - ৯৭.২৫%
হিমবাহ - ২.০৫
ভূগর্ভস্থ পানি - ০.৬৮%
হ্রদ - ০.০১%
নদী - ০.০০০১%

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২৭৯.
নিচের কোন টেকনোলজির দ্বারা চিকিৎসা ক্ষেত্রে বায়োটেকনোলজির প্রয়োগ বর্ণনা করা হয়?
  1. ইয়োলো বায়োটেকনোলজি
  2. ব্লু বায়োটেকনোলজি
  3. রেড বায়োটেকনোলজি
  4. গ্রীন বায়োটেকনোলজি
ব্যাখ্যা
রেড ও হোয়াইট  বায়োটেকনোলজি (Red and White Biotechnology): 
- রেড ও হোয়াইট  বায়োটেকনোলজি দ্বারা চিকিৎসা ক্ষেত্রে বায়োটেকনোলজির প্রয়োগ বর্ণনা করা হয়। 

চিকিৎসা শাস্ত্রে বায়োটেকনোলজির ব্যবহার: 
- বিভিন্ন জটিল রোগের প্রতিষেধক এবং রোগ ব্যাধি সনাক্তকরণের জন্য এন্টিবডি উৎপাদন করা। 
- ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে সংশ্লেষিত ইনসুলিন ও ইন্টারফেরনসহ নানা ধরনের হরমোন উৎপাদন করা। 
- মানুষের বৃদ্ধি হরমোন উৎপাদন করা। 
- মস্তিষ্কে, হৃৎপিণ্ডে ও ফুসফুসে রক্ত জমাট প্রতিরোধ উপাদান উৎপাদন করা। 
- বর্তমান বায়োফার্মের মাধ্যমে হরমোন, এন্টিজেন ও ভিটামিন তৈরি করা। 

অন্যদিকে,
- ব্লু বায়োটেকনোলজি দ্বারা জলীয় সামুদ্রিক প্রয়োগ বর্ণনা করা হয়। 
- গ্রীন বায়োটেকনোলজি দ্বারা বায়োটেকনোলজির কৃষি ক্ষেত্রের প্রয়োগ বর্ণনা করা হয়। 
- ইয়েলো বায়োটেকনোলজি দ্বারা খাদ্য উৎপাদনে ( খাদ্য শিল্প ) জৈবপ্রযুক্তির প্রয়োগ বর্ণনা করা হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মুহাম্মদ আবুল হাসান)।
৩,২৮০.
সার্কিট তৈরির জন্য প্রয়োজন -
  1. ট্রানজিস্টর
  2. ক্যাপাসিটর
  3. রেজিস্টর
  4. উপরের সবগুলো
৩,২৮১.
মানবদেহে বিলিরুবিন তৈরি হয় কোথায়?
  1. ক) প্লীহায়
  2. খ) যকৃতে
  3. গ) পিত্তথলিতে
  4. ঘ) বৃক্কে
ব্যাখ্যা
বিলিরুবিন পুরোপুরি তৈরি হয় যকৃতে এবং অস্থিমজ্জায়। এটি জমা থাকে প্লীহাতে।

- বিলিরুবিন এক ধরণের হলুদ রঙের পদার্থ, যেটা রক্তে উপস্থিত লাল রক্ত কনিকার ১২০ দিনের চক্র পূরণ হলে ভেঙ্গে তৈরি হয়।
- বিলিরুবিনে বিলি থাকে, যেটা লিভারে তৈরি পাচক তরল পদার্থ এবং এটি গলব্লাডারে থাকে।
- এটা খাবারকে হজম করতে এবং মল তৈরি হতে সাহায্য করে। 
- জন্ডিস হবার মূল কারণ হল রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা অধিক পরিমাণে বেড়ে যাওয়া।
- যদি কোন কারণের ফলে বিলিরুবিন বিলির সাথে মিশতে না পারে কিংবা যখন লাল রক্ত কনিকা সামান্য থেকে কম পরিমাণে ভাঙতে শুরু করে, তখন রক্তে বিলিরুবিনের স্তর দ্রুত বাড়তে থাকে। আর এই ভাবে এটা অন্য অঙ্গে পৌঁছে সেখানে হলুদ ভাবের সৃষ্টি করে।

• ব্রিটানিকা থেকে -
Bilirubin, a brownish-yellow pigment of bile, secreted by the liver in vertebrates, which gives to solid waste products (feces) their characteristic color.
It is produced in bone marrow cells and in the liver as the end product of red-blood-cell (hemoglobin) breakdown.

সূত্র: University of California Website ও ব্রিটানিকা।
৩,২৮২.
বায়ুমণ্ডলের কোন অঞ্চলে ঝড়-ঝঞ্ঝার উৎপত্তি ঘটে?
  1. ক) ট্রপোস্ফিয়ার
  2. খ) স্ট্রাটোস্ফিয়ার
  3. গ) মেসোস্ফিয়ার
  4. ঘ) থার্মোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা

ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৫ কি.মি. উচ্চতা পর্যন্ত বায়ুমণ্ডলের স্তরকে ট্রপোস্ফিয়ার বলে।
এ অঞ্চলে তাপমাত্রা ও চাপ উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে কমতে থাকে। ট্রপোস্ফিয়ারে ঝড়, ঝঞ্ঝা প্রভৃতি প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটে থাকে।
প্রায় সব ধরনের বিমান এ অঞ্চলেই চলাচল করে।
তাই ট্রপোস্ফিয়ারকে ক্ষুব্ধ মণ্ডলও বলা হয়।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩,২৮৩.
হৃদপিন্ডের অ্যাট্রিয়াম অথবা ভেন্ট্রিকল অথবা উভয়ের সংকোচন ক্ষমতা লোপ পাওয়াকে কী বলে?
  1. করোনারি থ্রম্বোসিস
  2. হার্ট ব্লক
  3. হার্ট অ্যাটাক
  4. হার্ট ফেইলিউর
ব্যাখ্যা
হৃদরোগ:
- রক্তে কোলেস্টেরলের আধিক্য হৃদরোগের আশংকা বাড়ায়।
- স্বাভাবিক মাত্রা থেকে রক্তে কোলেস্টেরল বেশি হলে রক্তনালীর অন্তঃপ্রাচীরের গাত্রে কোলেস্টেরল ও ক্যালসিয়াম জমা হয়ে রক্ত নালি গহ্বর সংকুচিত হয়। ফলে ধমনির প্রাচীরের স্থিতিস্থাপকতা কমে যায় এবং শক্ত হয়ে যায়— এ অবস্থাকে ধমনির কাঠিন্য বা Arteriosclerosis বলে ।
- আর্টারিওস্ক্লেরোসিস এর কারণে ধমনির প্রাচীরে ফাটল দেখা দিতে পারে। ধমনিগাত্রের ফাটল দিয়ে রক্ত ক্ষরণ হয়ে জমাট বাঁধার কারণে রক্ত প্রবাহ বাধা প্রাপ্ত হয়।
- হৃদপিন্ডের করোনারি রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস বলে এবং মস্তিকের রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে। এতে আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে। 

হার্ট ব্লক:
- হৃদপিন্ডের স্পন্দন প্রবাহ উৎপাদন ত্রুটিপূর্ণ হলে বা উৎপন্ন প্রবাহ সঠিক পথে পরিবাহিত না হলে তাকে হৃদ অবরোধ বা হার্ট ব্লক বলে।

হার্ট অ্যাটাক:
- হৃদপিন্ডের করোনারি ধমনি কোনো কারণে বন্ধ হয়ে গেলে হৃদপেশির রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়ে যে রোগ সৃষ্টি হয় তাকে হার্ট অ্যাটাক বলে ।

হার্ট ফেইলিউর:
- হৃদপিন্ডের অ্যাট্রিয়াম অথবা ভেন্ট্রিকল অথবা উভয়ের সংকোচন ক্ষমতা লোপ পাওয়াকে হার্ট ফেলিওর বলে।
 
তথ্যসূত্র - হৃদপিণ্ডের যত কথা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৮৪.
নিচের কোনটি অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা?
  1. ক) ব্যাসল্ট ও রায়োলাইট
  2. খ) ল্যাকোলিথ ও ডলোরাইট
  3. গ) চুনাপাথর ও ব্যাসল্ট
  4. ঘ) গ্রাফাইট ও কেওলিন
ব্যাখ্যা
পৃথিবী সৃষ্টির প্রাথমিক পর্যায়ের উত্তপ্ত ও গলিত অবস্থা হতে ক্রমান্বয়ে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে যে শিলা গঠিত হয়েছে তা আগ্নেয় শিলা নামে পরিচিত। পৃথিবীর প্রথম পর্যায়ে সৃষ্টি হয়েছে বিধায় আগ্নেয় শিলাকে প্রাথমিক শিলাও বলা হয়।

আগ্নেয় শিলা দুপ্রকার।
যথা:
- অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা এবং
- বহিঃজ আগ্নেয় শিলা।

অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা:
 - গ্রানাইট
- গ্যাব্রো
- ডলোরাইট
- ল্যাকোলিথ
- ব্যাথোলিথ
- ডাইক
- সিল প্রভৃতি।

বহিঃজ আগ্নেয় শিলা:
- ব্যাসল্ট
- রায়োলাইট
- অ্যান্ডিসাইট।

অন্যদিকে,
- চুনাপাথর ও কেওলিন : পাললিক শিলা
- গ্রাফাইট : রূপান্তরিত শিলা।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,২৮৫.
মানুষের অটোজোম কয় জোড়া?
  1. ৪৬
  2. ৪৪
  3. ২২
  4. ২৪
ব্যাখ্যা

- মানবদেহে ক্রোমোজোম সংখ্যা ৪৬ টি বা ২৩ জোড়া।
- এরমধ্যে ২২ জোড়া বা ৪৪ টি অটোজোম এবং ১ জোড়া বা ২টি সেক্স ক্রোমোজোম।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,২৮৬.
আলোর গতি নির্ধারণ করেন কে?
  1. নিউটন
  2. আইনস্টাইন
  3. রোমার
  4. ফ্যারাডে
ব্যাখ্যা

• ইতিহাসে প্রথমবার আলোর গতি নির্ধারণ করেছিলেন জ্যোতির্বিদ ওলে রোমার (Ole Rømer), ১৬৭৬ সালে।

- গতি হলো প্রকৃতির একটি মৌলিক ধ্রুবক, যা শূন্যস্থানে প্রায় 3 × 108 m/s। 

রোমারের পর্যবেক্ষণ:
- রোমার ড্যানিশ জ্যোতির্বিদ ছিলেন।
- তিনি বৃহস্পতি (Jupiter) ও তার উপগ্রহ আইও (Io)-এর কক্ষপথ পর্যবেক্ষণ করছিলেন।
- তিনি লক্ষ্য করেন, আইও-র গ্রহন (eclipse) সময় সবসময় একই থাকে না।
- পৃথিবী যখন সূর্যের অপর পাশে থাকে, তখন গ্রহনের সময় কিছুটা দেরিতে দেখা যায়।
- তিনি এই সময়ের পার্থক্য থেকে অনুমান করেন যে, আলোর পৃথিবী পর্যন্ত আসতে সময় লাগে, অর্থাৎ আলোর গতি সীমিত।

আলোর গতি নির্ণয়:
- রোমার অনুমান করেন, পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘুরে বিপরীত পাশে গেলে (প্রায় ৩০ কোটি কিমি দূরত্ব বাড়ে), আলোর পৌঁছাতে প্রায় ২২ মিনিট বেশি সময় লাগে।
- এই তথ্য থেকে তিনি আলোর গতি আনুমানিক নির্ণয় করেন 2.14 × 108 m/s, যা আধুনিক মানের কাছাকাছি।

পরবর্তীতে:
- ফিজো (Fizeau, 1849) এবং মাইকেলসন (Michelson, 1879) পরীক্ষাগারে আলোর গতি আরও নিখুঁতভাবে পরিমাপ করেন।
- আইনস্টাইন (Einstein) পরে আলোর ধ্রুব গতিকে ভিত্তি করে আপেক্ষিক তত্ত্ব (Theory of Relativity) তৈরি করেন, তবে তিনি প্রথম মাপেননি।

তথ্যসূত্র:
- NCTB মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই। 
- ব্রিটানিকা [লিংক]

৩,২৮৭.
ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলে কী থাকে? 
  1. শূন্যচাপ 
  2. উচ্চচাপ 
  3. নিম্নচাপ 
  4. উচ্চ তাপমাত্রা 
ব্যাখ্যা

ঘূর্ণিঝড় (Cyclone): 
- বাংলাদেশে সংঘটিত প্রচন্ড শক্তিশালী এবং মারাত্মক ধ্বংসাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় উল্লেযোগ্য। 
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলে অর্থাৎ ঘূর্ণিঝড়ের 'চোখ'-এ নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ বিরাজ করে। ফলে বাহিরের অংশ হতে উচ্চচাপ যুক্ত বায়ু প্রবল বেগে ঘড়ির কাঁটার দিকে আবর্তন করতে করতে ঝড়ের কেন্দ্রভাগে নিম্নচাপযুক্ত অঞ্চলের দিকে ধাবিত হয়। 
- বাংলাদেশে আশ্বিন-কার্তিক এবং চৈত্র-বৈশাখ মাসে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর কারণে ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়। 
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উপকূলভাগ ফানেল আকৃতির হওয়ার কারণে এ দেশে অধিক সংখ্যক ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়। 
- ঘূর্ণিঝড় একটি সাময়িক প্রাকৃতিক দুর্যোগ। 
- গত তিন দশকে বাংলাদেশের উপকূলে, বিশেষত চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, টেকনাফ, সন্দ্বীপ, হাতিয়া, কুতুবদিয়া, উরিরচর, চর জব্বার, চর আলেকজান্ডার প্রভৃতি স্থানে বেশ কয়েকটি বড় ধরনের ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়েছে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২৮৮.
কোন অণুজীবের সংক্রমণে শ্বাসনালীর প্রদাহ দেখা দেয়?
  1. ক) Staphylococcus
  2. খ) Streptococcus
  3. গ) Enterococcus
  4. ঘ) Salmonella
ব্যাখ্যা
Streptococcus অণুজীবের সংক্রমণে সৃষ্ট শ্বাসনালীর প্রদাহ, ফুসকুড়িযুক্ত সংক্রামক জ্বর, টনসিলের প্রদাহ দেখা দেয়। 

শিশু ও বয়স্করা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকেন। শ্বাসনালী ও তার শাখা-প্রশাখার ক্ষুদ্র ঝিল্লি আক্রান্ত হওয়াই এ রোগের কারণ। হঠাৎ শ্বাসনালীর প্রদাহ রোগ সাধারণ সর্দি লাগার ফলেই হয়ে থাকে। সর্দি কণ্ঠনালী হতে নিচের দিকে প্রসারিত হয়ে বায়ুনালীগুলোকে আক্রমণ করলেই তার নাম হয় হঠাৎ শ্বাসনালীর প্রদাহ। যে ঋতুতে আবহাওয়া ঘন ঘন পরিবর্তিত হয় অর্থাৎ শরৎকাল ও বসন্তকালের প্রারম্ভেই রোগটি সাধারণত প্রকাশ পায় এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দুর্বল দেহ, উপযুক্ত ও পুষ্টিকর খাদ্য হতে বঞ্চিত এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বাস করতে বাধ্য হয় এ ধরনের ব্যক্তিকে এ রোগ আক্রমণ করে।

লক্ষণ-
প্রবল শুষ্ক কাশিতে বুকে ব্যথা লাগে, শ্বাস-প্রশ্বাসের দ্রুততা বৃদ্ধি পায়। দেহের উত্তাপ বাড়ে। ক্রমে শ্লেষ্মা সরল হতে থাকে এবং অল্প কাশিতেই থোকা থোকা কফ উঠে বুক পরিষ্কার হয়ে যায়। সাধারণত সুস্থ যুবকদের পক্ষে হঠাৎ শ্বাসনালীর প্রদাহ কখনোই মারাত্মক হয় না। কিন্তু শিশু ও বৃদ্ধদের ক্ষেত্রে অবস্থাভেদে এ রোগ অথবা এ রোগ বিস্তৃত হয়ে অন্য উপসর্গের সৃষ্টি করলে বিপদের আশঙ্কা দেখা দিতে পারে। উপযুক্ত সময়ে রোগ প্রশমিত না হলে তা পুরাতন আকার ধারণ করে, তখন তাকে পুরাতন বা দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসনালীর প্রদাহ বলে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৩,২৮৯.
মহাবিস্ফোরণ তত্ত্বের ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন‌-
  1. ক) আইনস্টাইন
  2. খ) লেমেটার
  3. গ) স্টিফেন হকিং
  4. ঘ) গ্যালিলিও
ব্যাখ্যা

- যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত পদার্থবিদ ও গণিতজ্ঞ স্টিফেন হকিং।
- তিনি মহাবিস্ফোরণ বা বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন‌।
- তাঁর রচিত বিখ্যাত কয়েকটি গ্রন্থ:
- A brief history of time,
- The Universe in a Nutshell,
- The grand design
- অপরদিকে, মহাবিস্ফোরণ বা বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা বেলজিয়ামের জ্যোতির্বিজ্ঞানী জি. লেমেটার।

৩,২৯০.
হিমোগ্লোবিন কী জাতীয় পদার্থ?
  1. ক) আয়োডিন
  2. খ) লৌহ
  3. গ) আমিষ
  4. ঘ) স্নেহ
ব্যাখ্যা

- হিমোগ্লোবিন আমিষ জাতীয় পদার্থ।
- রক্তের রং লাল হয় হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতির জন্য।
- হিমোগ্লোবিনের কাজ ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে কলায় পরিবহন করা এবং কলা থেকে কার্বণ-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে ফুসফুসে পরিবহন করা।

৩,২৯১.
হেপাটাইটিস 'বি' ভাইরাস শরীরের কোথায় আক্রমণ করে?
  1. ক) ফুসফুস
  2. খ) হৃদপিণ্ড
  3. গ) যকৃত
  4. ঘ) অগ্ন্যাশয়
ব্যাখ্যা
হেপাটাইটিস 'বি' ভাইরাস
- হেপাটাইটিস বি একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ যা যকৃত বা লিভার কে আক্রমণ করে।
- হেপাটাইটিস বি ভাইরাস (HBV) এর আক্রমণে এ রোগ হয়। 
- রক্তের হেপাটাইটিস ভাইরাস (বি, সি) ছড়ায় যখন একজন আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত অথবা দেহজ তরল অন্য ব্যক্তির দেহে পৌঁছায়। 
- যাদের মধ্যে উপসর্গ দেখা যায়, তাদের ক্ষেত্রে সংক্রমণ এবং উপসর্গের মধ্যে দুই থেকে ছয় সপ্তাহের ব্যবধান থাকে।
- যখন উপসর্গগুলো দেখা যায়, তখন সেগুলো সাধারণত আট সপ্তাহ স্থায়ী হয় এবং তার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে: বমিভাব, বমি হওয়া, উদরাময়, হলুদ ত্বক, জ্বর এবং তলপেটে ব্যথা।

উৎস: Hepatitis B Virus: Advances in Prevention, Diagnosis and National Institutes of Health (.gov).
৩,২৯২.
মানুষের হৃদপিণ্ডে প্রাকৃতিক পেসমেকার বলা হয় কোনটিকে?
  1. পারকিঞ্জি তন্তু
  2. সাইনো-অ্যাট্রিয়াল নোড
  3. অ্যাট্রিও-ভেন্ট্রিকুলার নোড
  4. বান্ডল অব হিজ
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
হৃদপিণ্ডের প্রাচীরের কিছু রূপান্তরিত হৃদপেশি মায়োজেনিক প্রকৃতির জন্য দায়ী। এ বিশেষ ধরনের পেশিগুলোকে সম্মিলিতভাবে সংযোগী টিস্যু বা জাংশনাল টিস্যু বলে। ৪ ধরনের জাংশনাল টিস্যুর মধ্যে রয়েছেঃ
- সাইনো-অ্যাট্রিয়াল নোড: একে পেসমেকার বলা হয়, কারণ হৃদপিণ্ডে প্রতিটি উত্তেজনার তরঙ্গ এখানেই সৃষ্টি হয় এবং পরবর্তী উত্তেজনার তরঙ্গ সৃষ্টির উদ্দীপক হিসাবেও কাজ করে।
- অ্যাট্রিও-ভেন্ট্রিকুলার নোড: সাইনো-অ্যাট্রিয়াল নোডের অনুরূপ গঠন বৈশিষ্ট্যের অ্যাট্রিও-ভেন্ট্রিকুলার টিস্যু AV বান্ডেল নামক বিশেষ পেশিতন্তু গুচ্ছের সাথে যুক্ত থাকে। AV বান্ডেল এর মাধ্যমে হৃদউদ্দীপনার ঢেউ অ্যাট্রিয়াম থেকে ভেন্ট্রিকলে প্রবাহিত হয়।
- বান্ডল অব হিজ: এটি AV নোড থেকে উদ্দীপনা গ্রহণ করে ভেন্ট্রিকলের প্রাচীরে সঞ্চারিত করে।
- পারকিঞ্জি তন্তু: এ তন্তুগুলো বান্ডল অব হিজ থেকে উৎপন্ন হয়ে ভেণ্ট্রিকলের প্রাচীরে জালক সৃষ্টি করে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩,২৯৩.
একজন ব্যক্তির দেহের ওজন ১০০ কেজি এবং উচ্চতা ২ মিটার হলে বিএমআই কত?
  1. ২০
  2. ২৫
  3. ৩০.২৫
  4. ৫০
ব্যাখ্যা
- শিশু জন্মগ্রহণের পর তার দেহের বৃদ্ধি ঘটতে থাকে এবং পরবর্তীকালে শৈশব, কৈশোর পার হয়ে যৌবন ও প্রাপ্তবয়স্কে উপনীত হয়।
- মানবদেহের বৃদ্ধি ২০-২৪ বছর পর্যন্ত ঘটে এবং তারপর আর উচ্চতার বৃদ্ধি হয় না।
- দেহের উচ্চতার সাথে ওজনের সামঞ্জস্য রক্ষা করার সূচককে বিএমআই (BMI: Body Mass Index) বা ভরসূচি বলা হয়।
- উচ্চতার সাথে যদি দেহের ওজনের সামঞ্জস্য থাকে, তবেই পুষ্টিগত দিক থেকে শরীর সুস্থ বলা হয় ।

বিএমাইয়ের সূত্র: 
দেহের ওজন(কেজি)/[উচ্চতা(মিটার)]২ 

ধরা যাক, একজনের দেহের ওজন ১০০ কেজি এবং উচ্চতা ২ মিটার তাহলে বিএমআই = ১০০/(২ × ২) = ২৫

উৎস: বিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি।
৩,২৯৪.
নিচের কোনটি হার্ট অ্যাটাকের জন্য দায়ী?
  1. ক) ভেন্ট্রিকুলার ফাইব্রিলেশন
  2. খ) উচ্চ রক্তচাপ
  3. গ) রক্তে কোলেস্টেরল বৃদ্ধি
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
হার্ট অ্যাটাকের জন্য দায়ী ঝুঁকিপূর্ণ কারণগুলো হলো-
ভেন্ট্রিকুলার ফ্রাইব্রিলেশন : হৃদপেশির আঘাতজনিত কারণে হৃদপিণ্ডের স্পন্দন থেমে যায় এমনকি মস্তিষ্ক ও দেহের অন্যান্য অঞ্চলে রক্ত সঞ্চালন অক্ষম হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় ৫ মিনিটের মধ্যে রোগীর মৃত্যু হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
রক্তে কোলেস্টেরল বৃদ্ধি : অতিমাত্রায় কোলেস্টেরল বৃদ্ধির ফলে ধমনির ভেতরের প্রাচীরে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়ে স্বাভাবিক রক্ত সঞ্চালন ব্যাহত হয়ে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।
উচ্চ রক্ত চাপ (Hyper blood pressure /hypertension): অতিমাত্রায় উচ্চ রক্ত চাপের কারণে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে হঠাৎ রোগীর মৃত্যু হতে পারে।
তামাক সেবন: তামাক ও তামাক জাতীয় রাসায়নিক উপাদান রক্ত নালির প্রাচীরে আক্রান্ত করে হার্ট অ্যাটাকের ঝুকি বাড়িয়ে তোলে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩,২৯৫.
টিকা দেওয়ার ধারণাটি প্রদান করেন কে?
  1. ক) লুই পাস্তুর
  2. খ) এডওয়ার্ড জেনার
  3. গ) কার্ল ল্যান্ডস্টাইনার
  4. ঘ) জোসেফ মিয়েস্টার
ব্যাখ্যা

এডওয়ার্ড জেনার পশ্চিমে ভ্যাকসিনোলজির প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে বিবেচিত।
১৭৯৬ সালে, তিনি 13 বছর বয়সী একটি ছেলের উপর গুটিবসন্তের প্রতিরোধক হিসেবে টিকা প্রয়োগ করেছিলেন।
১৭৯৮ সালে প্রথম গুটিবসন্তের ভ্যাকসিন তৈরি হয়েছিল।

সোর্স: http://www.aun.edu.eg/

৩,২৯৬.
সেরিকালচার সম্পর্কিত কোনটি?
  1. মধু উৎপাদন
  2. রেশম উৎপাদন
  3. মাছ চাষ
  4. ফুল চাষ
ব্যাখ্যা
◉ সেরিকালচার হলো রেশমকীট (Silkworm) পালন ও রেশম উৎপাদনের প্রক্রিয়া।

সেরিকালচার:
- বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রেশম পোকার চাষ পদ্ধতিকে বলে সেরিকালচার।
- রেশম পকার ইংরেজি নাম Silk Worm.
- বৈজ্ঞানিক নাম: Bombyx Mori.
- তুঁতজাত রেশম মথের প্রতিপালন এবং এর গুটি থেকে অপরিশোধিত রেশম নিষ্কাশন ও পরিশোধন করে ব্যবহারোপযোগী পণ্যে পরিণত করার সার্বিক পদ্ধতিই সেরিকালচার নামে পরিচিত।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
মধু উৎপাদন - Apiculture, 
মাছ চাষ - Pisciculture, 
ফুল চাষ - Floriculture.

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,২৯৭.
কোন জ্যোতির্বিজ্ঞানী হ্যালির ধূমকেতু আবিষ্কার করেন?
  1. আইজ্যাক নিউটন 
  2. এডমন্ড হ্যালি
  3. গ্যালিলিও গ্যালিলি
  4. কার্ল সাগান
ব্যাখ্যা

• ধূমকেতু (Comet):
- মহাকাশে মাঝে মাঝে একপ্রকার জ্যোতিষ্কের আবির্ভাব ঘটে।
- এদের একটি মাথা ও একটি লেজ আছে।
- এসব জ্যোতিষ্ককে ধূমকেতু বলে।
- ধূমকেতু আকাশের এক অতি বিস্ময়কর জ্যোতিষ্ক।
- সৌরজগতের মধ্যে ধূমকেতুর বসবাস হলেও এরা কিছুদিনের জন্য উদয় হয়ে আবার অদৃশ্য হয়ে যায়।
- সূর্যের চারদিকে অনেক দূর দিয়ে এরা পরিক্রমণ করে। সূর্যের নিকটবর্তী হলে এদের দেখা যায়।
- এরা সূর্যের যত কাছাকাছি আসতে থাকে তত এদের লেজ লম্বা হতে থাকে।
- অনেক দীর্ঘ কক্ষপথে সূর্যকে পরিক্রমণ করে বলে এরা অনেক বছর পর পর আবির্ভূত হয়।
- জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি যে ধূমকেতু আবিষ্কার করেন তা হ্যালির ধূমকেতু নামে পরিচিত।
- হ্যালির ধূমকেতু প্রতি ৭৬ বছরে একবার দেখা যায়।
- হ্যালির ধূমকেতু ২৪০ খ্রিষ্টপূর্ব অব্দ থেকে দেখা যায় এবং সর্বশেষ ১৯৮৬ সালে হ্যালির ধূমকেতু দেখা গেছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

৩,২৯৮.
হাড়ের চিকিৎসায় ব্যাবহৃত আইসোটোপ -
  1. কোবাল্ট- ৬০
  2. আয়োডিন-১৩১
  3. প্লুটোনিয়াম -২৩৮
  4. টেকনেশিয়াম - ৯৯
ব্যাখ্যা
চিকিৎসাক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ
- চিকিৎসাক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের প্রধানত দু’ধরনের ব্যবহার আছে। যেমন -
ক) রোগ নিরাময়ে ও
খ) কোন রোগ বা রোগাক্রান্ত স্থান নির্ণয়।

- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর নিরাময়ের জন্য Co - 60 থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়।
- কোবাল্ট- 60 থেকে নির্গত গামা রশ্মির সাহায্যে অপারেশনের যন্ত্রপতি রোগ জীবাণুমুক্ত করা হয়। 

-  থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-১৩১ (131I) ব্যবহৃত হয়। এ তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থিতে অবস্থিত কোষ কলা বৃদ্ধি প্রতিহত করে।
-  শ্বেত-কণিকা অত্যধিক বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতা বা লিউকোমিয়া (blood-leukemia) রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ (32P) এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়।
-  দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য 99Tc (Isotope of Technetium) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
-  প্লুটোনিয়াম -২৩৮ হার্টে পেইসমেকার বসাতে ব্যবহার করা হয়।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বই (উন্মুক্ত)।
৩,২৯৯.
নিচের কোন রোগটি ভাইরাস দ্বারা হয়?
  1. এনথ্রাক্স
  2. হুপিং কাশি
  3. সিফিলিস
  4. রুবেলা
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
- Bacillus anthracis নামক গ্রাম পজেটিভ অ্যারোবিক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা এনথ্রাক্স হয়।
- Bordetella Pertussis নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে শিশুদের হুপিং কাশি হয়ে থাকে।
- Treponema pallidum নামক spirochete ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে সিফিলিস হয়।
- Rubella virus নামক এক ধরনের Togavirus এর কারণে রুবেলা বা জার্মান হাম রোগটি হয়ে থাকে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩,৩০০.
'মাঙ্কি পক্স' এর রোগী প্রথম শনাক্ত হয় কোন দেশে?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) চীন
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) সেনেগাল
ব্যাখ্যা
- গত ৭ মে প্রথম মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত রোগীর হদিশ মেলে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে
- মাঙ্কি পক্স এক বিশেষ ধরনের বসন্ত।
- একাধিক বন্যপ্রাণীর মাধ্যমে ছড়াতে পারে এই ভাইরাস। তবে এটি সবচেয়ে বেশি ছড়ায় ইঁদুরের মাধ্যমে।
- পাশাপাশি, আক্রান্ত ব্যক্তির কাছাকাছি থাকলে সংক্রমণের আশঙ্কা বেড়ে যেতে পারে বলেও মত বিশেষজ্ঞদের।
- শ্বাসনালি, ক্ষত স্থান, নাক, মুখ কিংবা চোখের মাধ্যমে এই ভাইরাস প্রবেশ করতে পারে সুস্থ ব্যক্তির দেহে।

তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার।