বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আধুনিক বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৩,৮৭৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আধুনিক বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ২৮ / ৩৯ · ২,৭০১২,৮০০ / ৩,৮৭৯

২,৭০১.
দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালী ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণকারী ক্রোমোজোমের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ২৩টি
  3. গ) ৪৪টি
  4. ঘ) ৪৬ টি
ব্যাখ্যা
মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬ টি ক্রোমোজোম থাকে। এ ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় অটোজোম। অটোজোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালী ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনো ভূমিকা নেই। সূত্রঃ সাধারণ বিজ্ঞান(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
২,৭০২.
রক্ত এক ধরনের -
  1. ক) অম্লধর্মী তরল যোজক কলা।
  2. খ) অম্লধর্মী তরল আবরণী কলা।
  3. গ) ক্ষারধর্মী তরল আবরণী কলা।
  4. ঘ) ক্ষারধর্মী তরল যোজক কলা।
ব্যাখ্যা
- প্রাণীদেহের রক্ত একধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু।
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যেটি মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%।
- রক্তের রসে লাল রংয়ের হিমোগ্লোবিন নামে লৌহ-ঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকায় রক্তের রং লাল।
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে।
- কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে ফুসফুসে পরিবাহিত হয়, তবে কার্বন ডাই-অক্সাইডের সিংহভাগ বাইকার্বনেট আয়ন হিসেবে রক্ত দ্বারা ফুসফুসে পরিবাহিত হয়।

সূত্রঃ ৯ম-১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
২,৭০৩.
গ্রীনিচ মানমন্দির অবস্থিত-
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্রে
  3. ফ্রান্সে
  4. জার্মানিতে
ব্যাখ্যা
• গ্রীনিচ মানমন্দির:
- গ্রীনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।
- এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গেছে।
- ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয়।
- তবে ১৯৭২ সালে GMT এর পরিবর্তে আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময হিসেবে UTC (Coordinated Universal Time) গৃহিত হয়।
- গ্রীনিচ মানমন্দির অফিসিয়াল টাইম জোন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

- যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ মানমন্দিরের সময় অপেক্ষা বাংলাদেশের সময় ৬ ঘন্টা বেশি।
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০×৪=৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং গ্রীনিচ মানমন্দির ওয়েবসাইট।
২,৭০৪.
সুনামি সংগঠিত হওয়ার কারণ কোনটি?
  1. ক) জোয়ার ভাটা
  2. খ) আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
  3. গ) সমুদ্রের ঢেউ
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
সুনামি অর্থ হলো বন্দরের ঢেউ। সমুদ্রতলদেশে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধ্বস এবং নভোজাগতিক ঘটনা সুনামির সৃষ্টি করতে পারে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল বই
২,৭০৫.
পানির তলায় তেলের সঞ্চায়ক যন্ত্রের নাম কী?
  1. হাইগ্রোমিটার
  2. ব্যারোমিটার
  3. গ্রাভিমিটার
  4. ম্যানোমিটার
ব্যাখ্যা
- বাতাসের আদ্রতা মাপার যন্ত্রের নাম হাইগ্রোমিটার।
- বায়ুচাপ মাপার যন্ত্র ব্যারোমিটার।
- পানির তলায় তেলের সঞ্চায়ক যন্ত্র হলো গ্রাভিমিটার।
- চাপ পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্র হলো ম্যানোমিটার।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,৭০৬.
থিওরী অব রিলেটিভিটি এর প্রবক্তা কে?
  1. ক) আইনস্টাইন
  2. খ) নিউটন
  3. গ) হাইজেনবার্গ
  4. ঘ) ম্যাক্সওয়েল
ব্যাখ্যা
আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্ব Einstein's Theory of Relativity.
বিংশ শতাব্দীর শুরুতে বিজ্ঞান জগতে এক নতুন যুগের সূচনা হয় । আর এ নতুন যুগের সূচনা করেন বিজ্ঞানী আইনস্টাইন তাঁর আপেক্ষিকতা তত্ত্ব প্রবর্তনের মাধ্যমে।

চিরায়ত বলবিজ্ঞানের মতে স্থান, কাল এবং ভর ধ্রুব।
আইনস্টাইন এগুলো সম্পর্কে চিরায়ত বলবিজ্ঞানের ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করেন এবং বলেন, স্থান, কাল এবং ভর এগুলো পরম কিছু নয়; এগুলো আপেক্ষিক। সুতরাং আইনস্টাইনের এ তত্ত্বকে বলা হয় আপেক্ষিকতা তত্ত্ব।

আপেক্ষিকতা তত্ত্বটি দুটো ভাগে বিভক্ত। এগুলো হলো:
(ক) আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব (Special theory of relativity) এবং
(খ) আপেক্ষিকতার সার্বিক তত্ত্ব (General theory of relativity)


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, দ্বিতীয় পত্র; একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
(ড. শাহজাহান তপন, মুহম্মদ আজিজ হাসান, ড. রানা চৌধুরী)
২,৭০৭.
পোলিও ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর ভ্যাক্সিন আবিষ্কার করেন কে?
  1. জোনাস সাল্ক
  2. এডওয়ার্ড জেনার
  3. হার্ভে জে অল্টার
  4. ওয়াল্টার রিড
ব্যাখ্যা
- জোনাস এডওয়ার্ড সাল্ক প্রথম পোলিও টিকার উদ্ভাবন করেন। এই টিকাতে তিনি মৃত পোলিও ভাইরাস ব্যবহার করেন। তিনি এই টিকায় বৈজ্ঞানিক কাজে ব্যবহৃত এক ধরনের বিশেষ কোষ (হেলা কোষ) ব্যবহার করেন, এবং ১৯৫২ সালে সর্বপ্রথম এর পরীক্ষা চালান। ডাঃ টমাস ফ্রান্সিস জুনিয়র ১৯৫৫ সালের ১২ এপ্রিল গোটা বিশ্বে এই টিকার কথা ঘোষণা করেন।
- বিজ্ঞানী এডওয়ার্ড জেনার ১৭৯৬ সালে প্রথম ভাইরাসঘটিত বসন্ত রোগের কথা উল্লেখ করেন।
- ১৯৮৯ সালে হার্ভে জে অল্টার হেপাটাইটিস- সি ভাইরাস আবিষ্কার করেন।
- ওয়াল্টার রিড ১৯০১ সালে সর্বপ্রথম মানবদেহের পীত জ্বর সৃষ্টিকারী ভাইরাস আবিষ্কার করেন।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং Encyclopedia Britannica
২,৭০৮.
পাললিক শিলার উদাহরণ কোনটি?
  1. ল্যাকোলিথ
  2. মার্বেল
  3. চুনাপাথর
  4. গ্রানাইট
ব্যাখ্যা

• পাললিক শিলা (Sedimentary Rocks):
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয়েছে তাকে পাললিক শিলা বলে।
যেমন: বেলেপাথর, কয়লা, শেল, চুনাপাথর, কাদাপাথর ও কেওলিন পাললিক শিলার।

• আগ্নেয় শিলা (Igneous Rocks) উদাহরণ- ব্যাসন্ট, রায়োলাইট, অ্যান্ডিসাইট, গ্রানাইট, গ্যাব্রো, ডলোরাইট, ল্যাকোলিথ, ব্যাথোলিথ,।

• রূপান্তরিত শিলা (Metamorphic Rocks)উদাহরণ- : মার্বেল, কোয়ার্টজাইট, স্লেট, নিস

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ নবম-দশম শ্রেণি বোর্ড বই।

২,৭০৯.
কন্টিনেন্টাল ড্রিফট তত্ত্ব অনুসারে প্রাচীনকালে পৃথিবীর সমস্ত মহাদেশ মিলিত হয়ে একটি মহাদেশ গঠন করেছিল, যার নাম ছিল-
  1. গন্ডোয়ানা
  2. ইউরেশিয়া
  3. প্যানজিয়া
  4. অ্যাবাকাস
ব্যাখ্যা
• টেকটোনিক প্লেট:
- টেকটোনিক প্লেট হচ্ছে পাথরের একটি স্তর যা পৃথিবীর অভ্যন্তরের গলিত অংশটির সবচেয়ে বাইরের আবরণ।
- টেকটোনিক প্লেট এর উপরে পৃথিবীর সবকিছু অবস্থান করছে।
- ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে আবহাওয়াবিদ আলফ্রেড ওয়েগেনারের মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব বা কন্টিনেন্টাল ড্রিফট থেকে টেকটোনিক প্লেট ধারণার জন্ম হয়।
- মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব অনুসারে কোনো একসময় সবগুলো মহাদেশ মিলে একটি মহাদেশ ছিল যাকে প্যানজিয়া বলা হয়।
- এই মতবাদ অনুসারে ভূ-ত্বক প্রধানত ৭টি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত।
- প্লেটগুলো হলো:
• ইউরেশীয় প্লেট (Eurasian Plate),
• উত্তর আমেরিকান প্লেট (North American Plate),
• দক্ষিণ আমেরিকান প্লেট (South American Plate),
• আফ্রিকান প্লেট (African Plate),
• অ্যান্টার্কটিক প্লেট (Antarctic Plate),
• ভারত-অস্ট্রেলীয় প্লেট (Indo-Australian Plate) ও
• প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট (Pacific Plate)

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,৭১০.
ব্যান্ড তত্ত্বের আলোকে পদার্থকে কতটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
ব্যান্ড তত্ত্বের আলোকে পদার্থকে তিনটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায়। অপরিবাহী, অর্ধপরিবাহী এবং অন্তরক।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
২,৭১১.
ফোটন কণার প্রথম ধারণা পাওয়া যায় আইনস্টাইনের কোন তত্ত্বে?
  1. ক) স্পেসাল থিউরি অফ রিলেটিভিটি
  2. খ) জেনেরাল থিউরি অফ রিলেটিভিটি
  3. গ) ফটো ইলেক্ট্রিক ইফেক্ট
  4. ঘ) কোয়ান্টাম থিউরি
ব্যাখ্যা

ফোটন কণার ধারনাটি প্রথম পাওয়া যায় ১৯০৫ সালে যখন আইন্সটাইন ফটো ইলেক্ট্রিক ইফেক্টের ব্যাখ্যা দেন।
সোর্সঃ ব্রিটানিকা।

সূত্রঃ পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র (HSC Programm), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭১২.
'মধুবালা' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. তরমুজ
  2. মরিচ
  3. তামাক
  4. টমেটো
ব্যাখ্যা

- মধুবালা' তরমুজের একটি উচ্চ ফলনশীল জাত:
- তরমুজের জাত:
- অশোক,
- সুলতানা,
- মোহিনী,
- বিশাল ইত্যাদি।

অপরদিকে,
- গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬।
- আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
- ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
- তামাকের উন্নত জাত সুমাত্রা, ম্যানিলা।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।

২,৭১৩.
নদীর একপাশ থেকে গুণ টেনে নৌকাকে মাঝ নদীতে রেখেই সামনের দিকে নেয়া সম্ভব হয় কিভাবে?
  1. ক) যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে
  2. খ) নদী স্রোতের সুকৌশল ব্যবহারে
  3. গ) গুণ টানার সময় টানটি সামনের দিকে রেখে
  4. ঘ) পাল ব্যবহার করে
ব্যাখ্যা
বলের অনুভূমিক উপাংশ নৌকাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায় এবং উল্লম্ব উপাংশ নৌকাটিকে পাড়ের দিকে টানে। কিন্তু নৌকার হাল দ্বারা উল্লম্ব উপাংশ প্রতিহত করা হয়। গুণ যত লম্বা হয়, নৌকা তত তাড়াতাড়ি নৌকা সামনে এগিয়ে যায়।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৭১৪.
বায়ুমন্ডলে যে স্তরে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়-
  1. স্ট্রাটোস্ফিয়ার
  2. ট্রাপোস্ফিয়ার
  3. আয়োনোস্ফিয়ার
  4. ওজোন স্তর
ব্যাখ্যা
• তাপমণ্ডল:
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে ৮০ কিলোমিটার ঊর্ধ্বসীমা থেকে অর্থাৎ মেসোবিরতি থেকে তাপমন্ডলের শুরু।
- এ স্তরের উপরের সীমা ৫০০ কি.মি পর্যন্ত।
- এখানে বায়ুমন্ডল অত্যন্ত হালকা এবং বায়ুচাপ ক্ষীণ।
- তাপমন্ডলের ১০০ থেকে ৩০০ কি.মি উচ্চতায় অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন পরমাণু অত্যন্ত ছোট তরঙ্গমাপের সৌরশক্তি শোষণ করায় উষ্ণতা প্রায় ১০০০° সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।
- তাপমন্ডলে আয়নিত এ অংশ আয়নমন্ডল (Ionosphere) নামে পরিচিত।
- আয়নমন্ডল মূলত মেসোমন্ডলের ঊর্ধ্বাংশ থেকে তাপমন্ডলের নিম্নাংশ (৫০ থেকে ১০০ কিলোমিটার) পর্যন্ত সম্প্রসারিত।
- আয়নমন্ডলে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়ে ভূ-পৃষ্ঠে ফিরে আসে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭১৫.
বায়ুমণ্ডলের আর্গনের শতকরা অংশ কত? 
  1. o.৮০ 
  2. ০.০৩ 
  3. ০.৪১ 
  4. ০.০০০১
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডল: 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের চারপাশে বেষ্টন করে যে অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ রয়েছে তাই হলো বায়ুমণ্ডল। 
- বায়ুমণ্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Atmosphere; বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর অপরিহার্য অংশ। 
- বায়ুমণ্ডল মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে পৃথিবীর গায়ের সাথে লেগে থাকে এবং আবর্তন করে। তবে বায়ু কঠিন ভূমির সাথে সমানভাবে চলতে না পারায় সামান্য পশ্চাতে পড়ে থাকে।

বায়ুমণ্ডলের উপাদানের পরিমাণ: 
উপাদানের নাম ⇒ শতকরা অংশ: 
• নাইট্রোজেন ⇒ ৭৮.০২, 
• অক্সিজেন ⇒ ২০.৭১, 
আর্গন ⇒ o.৮০
• কার্বন ডাই-অক্সাইড ⇒ ০.০৩, 
• ওজোন ⇒ ০.০০০১, 
• অন্যান্য গ্যাস ⇒ ০.০১৯৯, 
• জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১ এবং 
• ধূলিকণা ও কনিক্স ⇒ ০.০১। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭১৬.
স্টারশিপ রকেটের জন্য কোন মহাকাশ কোম্পানি প্রথমবারের মত "capture on return" মাইলফলক অর্জন করেছে?
  1. NASA
  2. Blue Origin
  3. Virgin Galactic
  4. SpaceX
ব্যাখ্যা
১. SpaceX:
- এটি ইলন মাস্ক দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি বেসরকারি মহাকাশ কোম্পানি।
- সম্প্রতি (অক্টোবর, ২০২৪) স্টারশিপ রকেটের একটি অংশ সফলভাবে তার লঞ্চ প্যাডে ফেরার সময় ধরা পড়েছে, যা একটি নতুন মাইলফলক।

২. NASA:
- যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি মহাকাশ সংস্থা, কিন্তু তাদের স্টারশিপ রকেটের সাথে সরাসরি সম্পর্ক নেই।
- তারা বিভিন্ন মহাকাশ মিশনে কাজ করে, কিন্তু এই বিশেষ মাইলফলকে নেই।

৩. Blue Origin:
- জেফ বেজোস কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একটি মহাকাশ কোম্পানি, যা রকেট উৎক্ষেপণ এবং মহাকাশ পর্যটন নিয়ে কাজ করে।
- তারা এই মাইলফলক অর্জন করেনি, বরং তাদের নিজস্ব প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে।

৪. Virgin Galactic:
- রিচার্ড ব্র্যানসনের প্রতিষ্ঠিত একটি কোম্পানি, যা মহাকাশ পর্যটন নিয়ে কাজ করছে।
- তাদের লক্ষ্য মহাকাশে পর্যটন সেবা প্রদান করা, কিন্তু তারা স্টারশিপ রকেটের সাথে সম্পর্কিত নয়।

সারসংক্ষেপ:
- SpaceX একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জন করেছে যেখানে তাদের স্টারশিপ রকেটের একটি অংশ সফলভাবে লঞ্চ প্যাডে ফেরার সময় ধরা পড়ে। অন্যান্য কোম্পানিগুলি এই অর্জনে ভূমিকা রাখেনি।

সূত্র: BBC [লিংক]
২,৭১৭.
দুটি স্থানের মধ্যে দ্রাঘিমাংশের পার্থক্য ৯০ ডিগ্রি হলে সময়ের পার্থক্য কত?
  1. ক) ৪ মিনিট
  2. খ) ৪ ঘন্টা
  3. গ) ৫ ঘন্টা
  4. ঘ) ৬ ঘন্টা
ব্যাখ্যা

পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে। সেজন্যেই বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০×৪=৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।
(সূত্রঃ মাধ্যমিক ভূগোল)

২,৭১৮.
'Imagination is more important than knowledge' বলেছেন-
  1. ক) উইনস্টন চার্চিল
  2. খ) আইনস্টাইন
  3. গ) চার্লস ডারউইন
  4. ঘ) এরিস্টোটল
ব্যাখ্যা
জার্মান বিজ্ঞানী আইনস্টাইন বিশ্বাস করতেন, 'Imagination is more important than knowledge' অর্থাৎ কল্পনাশক্তি জ্ঞান অপেক্ষা অধিক গুরুত্বপূর্ণ। উৎস: আইনস্টাইন বিখ্যাত উক্তি সমূহ।
২,৭১৯.
বিবর্তন শব্দটি এসেছে -
  1. ক) Evolveri থেকে
  2. খ) Evolver থেকে
  3. গ) Evolvers থেকে
  4. ঘ) Evolution থেকে
ব্যাখ্যা
- সময়ের সাথে কোন জীবের পরিবর্তনের ফলে নতুন কোন প্রজাতি সৃষ্টি হলে তাকে জৈব বিবর্তন বলে। 
- ইংরেজ দার্শনিক ও শিক্ষাবিদ হার্বার্ট স্পেন্সার প্রথম ইভোলিউশন কথাটি ব্যবহার করেন।
- Evolution অর্থ বিবর্তন বা অভিব্যক্তি। 
 -বিবর্তন শব্দটি এসেছে Evolveri থেকে।

সূত্র - নবম-দশম শ্রেণি, বিজ্ঞান, বোর্ড বই
২,৭২০.
মানুষের গায়ের রং কোন উপাদানের উপর নির্ভর করে?
  1. ক) হিমোগ্লোবিন
  2. খ) মেলানিন
  3. গ) থায়ামিন
  4. ঘ) ক্যারোটিন
ব্যাখ্যা
- মানুষের ত্বকে উপস্থিত মেলানোসাইট নামক কোষ মেলানিন নামক রঞ্জক পদার্থ উৎপন্ন করে যা গায়ের রঙ ফর্সা বা কালো হওয়ার জন্য দায়ী। 
- পিনিয়াল গ্রন্থি থেকে মেলাটোনিন নামক রাসায়নিক উৎপন্ন হতে পারে যা ঘুমের উপর প্রভাব বিস্তার করে। 
- মেলানিনের অনুপস্থিতিতে চামড়ায় কোন রঞ্জক পদার্থ থাকে না, ফলে চামড়া সাদা হয়। এটাই অ্যালবিনিজম নামে পরিচিত। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
২,৭২১.
নিচের কোন রোগটির বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন প্রচলিত আছে?
  1. ক) দাদ
  2. খ) আমাশয়
  3. গ) ইনফ্লুয়েঞ্জা
  4. ঘ) এইডস
ব্যাখ্যা

- দাদ, আমাশয়, এইডস ইত্যাদি রোগের বিরুদ্ধে এখনো পর্যন্ত কোনো ভ্যাকসিন প্রচলিত নেই।
- ইনফ্লুয়েঞ্জা, কলেরা, ধনুষ্টংকার, হুপিং কাশি, হাম, রুবেলা, জলবসন্ত, পীতজ্বর, যক্ষ্মা, পোলিও ইত্যাদি রোগের বিরুদ্ধে কার্যকর ভ্যাকসিন প্রচলিত আছে৷
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

২,৭২২.
সর্বপ্রথম পারমাণবিক সংখ্যা নির্ণয়ের পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন কে? 
  1. মোসলে 
  2. রাদারফোর্ড 
  3. থমসন
  4. চ্যাডউইক 
ব্যাখ্যা

পারমাণবিক সংখ্যা: 
- পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটনের অবস্থান। 
- কোনো একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে যত সংখ্যক প্রোটন থাকে, প্রোটনের সেই সর্বমোট সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বলে। 
- একে 'Z' দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে বিজ্ঞানী মোসলে সর্বপ্রথম পারমাণবিক সংখ্যা নির্ণয়ের পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। 
- অক্সিজেনের পারমাণবিক সংখ্যা, Z = ৮। 
সুতরাং, অক্সিজেন নিউক্লিয়াসে ৮টি প্রোটন আছে। 
- পারমাণবিক সংখ্যা প্রোটন সংখ্যার সমান।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭২৩.
মৌমাছি কোন ধরনের পোকা? 
  1. একাকী পোকা
  2. ছত্রাক জাতীয় পোকা
  3. পরজীবী পোকা
  4. সামাজিক পোকা
ব্যাখ্যা
এপিকালচার (Apiculture): 
- অনেক পোকা আছে যা আমাদের প্রভৃত উপকার করে থাকে যার মধ্যে মৌমাছি অন্যতম। কারণ মধু ও মোমের জন্য মৌমাছি সকলের নিকট খুবই প্রিয়। 
- এছাড়াও এরা ফসলের পরাগায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে ফলন অনেক বাড়িয়ে দেয়। 
- মধু ও মোম উৎপাদনের উদ্দেশ্যে মৌমাছি পালন করার বিদ্যাকে মৌমাছি পালনবিদ্যা (Apiculture) বলা হয়। 
- সাধারণতঃ প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে মৌমাছি সংগ্রহ করে এনে মৌবাক্সে মৌচাকের উপযোগী কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি করে বিজ্ঞানসম্মত আধুনিক পদ্ধতিতে মৌমাছি পালন করাকে মৌমাছি চাষ বলা হয়। 
- মৌমাছি একটি সামাজিক পোকা। 
- এরা কলোনী তৈরি করে একসাথে বসবাস করে। 
- এই পোকার মধ্যে শ্রমবিভাজন দেখা যায়। 
- শ্রমবিভাজন অনুসারে এই পোকাদের ৩টি শ্রেণি বা কাস্টে বিভক্ত করা হয়। 
যথা- (১) রাণী মৌমাছি (২) কর্মী বা শ্রমিক মৌমাছি (৩) পুরুষ মৌমাছি। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথমপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭২৪.
জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত কোনটি?
  1. বিআর ৫
  2. ব্রি ধান ৬৪
  3. ব্রি ধান ৬২
  4. ব্রি ধান ৫১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান  ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
২,৭২৫.
ভুমিকম্পের উৎসস্থল কে কি বলা হয়?
  1. ক) ফাটল
  2. খ) ভুকম্পন তরঙ্গ
  3. গ) উপকেন্দ্র
  4. ঘ) কম্পকেন্দ্র
ব্যাখ্যা
ভূ-আলোড়নের সময়ে বা অন্যকোন কারণে ভূপৃষ্ঠের কিছু অংশ ক্ষণিকের জন্য কেঁপে উঠলে, তখন তাকে ভূ-কম্পন বলে।
ভূ-গর্ভস্থ যে স্থানে এই কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকম্পের উৎস স্থল বা কম্পকেন্দ্র বলে। 
কম্পকেন্দ্র বরাবর লম্বভাবে ভূপৃষ্ঠের যে বিন্দুটি রয়েছে, তাকে উপকেন্দ্র বলে।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২,৭২৬.
নিচের কোনটি কাপড় কাচার সোডা হিসাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) সোডিয়াম বাই কার্বনেট
  2. খ) সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট
  3. গ) সোডিয়াম কার্বনেট
  4. ঘ) সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট ও টারটারিক এসিডের মিশ্রণ
ব্যাখ্যা

- সোডিয়াম বাই কার্বনেট অর্থাৎ সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট হলো খাবার সোডা বা বেকিং সোডা।
- সোডিয়াম কার্বনেট হলো কাপড় কাচার সোডা
- সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট ও টারটারিক এসিডের মিশ্রণ হলো বেকিং পাউডার।
সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

২,৭২৭.
নিচের কোনটি তেজস্ক্রিয় মৌল নয়?
  1. ক্যালিফোর্নিয়াম
  2. কুরিয়াম
  3. ফ্র্যান্সিয়াম
  4. জিরকোনিয়াম
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় পদার্থ:
- ভারি মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- সাধারণত যে সকল মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২ এর বেশি সেই সকল পরমাণু তেজস্ক্রিয়তা প্রদর্শন করে।
- তবে ৮২ থেকে কম পারমাণবিক সংখ্যা বিশিষ্ট কিছু মৌলের আইসোটোপের ক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয়তা পরিলক্ষিত হয়।
……………….
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে হেনরি বেকেরেল তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন।
- তেজস্ক্রিয়তার এসআই লব্ধ একক হলো বেকেরেল (Bq), যা আবিষ্কারকের নামানুসারে করা হয়।

কয়েকটি তেজস্ক্রিয় পদার্থ হল:
- রেডন (Rn) - (পারমাণবিক সংখ্যা ৮৬),
- ফ্র্যান্সিয়াম (Fr) - (পারমাণবিক সংখ্যা ৮৭),
- রেডিয়াম (Ra) - (পারমাণবিক সংখ্যা ৮৮),
- থোরিয়াম (Th) - (পারমাণবিক সংখ্যা ৯০),
- ইউরেনিয়াম (U) - (পারমাণবিক সংখ্যা ৯২),
- কুরিয়াম (Cm) - (পারমাণবিক সংখ্যা ৯৬) - মেরি কুরি ও পিয়েরে কুরির নাম অনুযায়ী নামকরণ
- ক্যালিফোর্নিয়াম (Cf) - (পারমাণবিক সংখ্যা ৯৮) ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- জিরকোনিয়াম (Zr) এর পারমাণবিক সংখ্যা ৪০ যা ৮২ থেকে কম তাই এটি তেজস্ক্রিয় মৌল নয়

তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য:
বিভিন্ন তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে নির্গত রশ্মি পর্যবেক্ষণ করে নিম্নলিখিত তথ্যগুলো পাওয়া যায় -
(১) তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফূর্ত ও অবিরাম ঘটনা । তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না।
(২) তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা, বিটা কণিকা ও গামা রশ্মি নির্গত হয়।
(৩) তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তিস্থল হলো নিউক্লিয়াস। পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়।
(৪) উচ্চমাত্রায় তেজস্ক্রিয়তার ফলে গাছপালা মরে যায়। এছাড়া অন্যান্য খাদ্যশৃংখলের মাধ্যমে এরা প্রাণিদেহে প্রবেশ করে ভয়াবহ রোগ সৃষ্টি করে।

উৎস:
১) বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭২৮.
বাতাসের অক্সিজেনের শতকরা হার কত?
  1. ৭৬%
  2. 8%
  3. .০০২%
  4. ২১%
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডল: 
- ভূ-পৃষ্ঠের চারপাশ যে বায়বীয় আবরণ দ্বারা বেষ্টিত রয়েছে তাকেই সহজ ভাষায় বলা হয় বায়ুমণ্ডল। 
- বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের প্রাধান্য সবচেয়ে বেশি। 

বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদানসমূহ:
- নাইট্রোজেন : ৭৮.০২ শতাংশ, 
- অক্সিজেন : ২০.৭১ শতাংশ (প্রায় ২১%)
- আরগন : ০.৮০ শতাংশ, 
- জলীয়বাষ্প ০.৪১ শতাংশ, 
- কার্বন ডাই-অক্সাইড ০.০৩ শতাংশ, 
- অন্যান্য গ্যাস ০.০২ শতাংশ, 
- ধূলিকণা ও কণিকা ০.০১ শতাংশ। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭২৯.
নিচের কোনটি ভূমিকম্পের প্রভাব বা ফলাফল নয়?
  1. তাপমাত্রা বৃদ্ধি
  2. ফাটল ও চ্যুতির সৃষ্টি
  3. সমুদ্রতলের পরিবর্তন
  4. নদীর গতিপথ পরিবর্তন
ব্যাখ্যা
• ভূমিকম্প একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ যা পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ শক্তির কারণে সৃষ্ট হয় এবং এটি বিভিন্ন ধরনের প্রভাব ফেলে। ভূমিকম্পের ফলে মাটিতে ফাটল ও চ্যুতি সৃষ্টি হয়, যা ভবন ধ্বংস, রাস্তা ভাঙন ইত্যাদি ঘটায়। এছাড়া, সমুদ্রতলে পরিবর্তন হয়ে সুনামি সৃষ্টি হতে পারে এবং নদীর গতিপথও পরিবর্তিত হতে পারে। তবে, ভূমিকম্পের কারণে সরাসরি তাপমাত্রা বৃদ্ধি ঘটে না। তাপমাত্রা পরিবর্তনের সঙ্গে ভূমিকম্পের কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। তাই উল্লিখিত বিকল্পগুলোর মধ্যে “ক) তাপমাত্রা বৃদ্ধি” ভূমিকম্পের একটি প্রভাব বা ফলাফল নয়।

• ভূমিকম্পের ফলাফল ও প্রভাব (Results and Effects of Earthquake):
• ফাটল ও চ্যুতির সৃষ্টি:
- ভূমিকম্পের দরুন ভূ-ত্বকে অসংখ্য ফাটল ও চ্যুতির সৃষ্টি হয়।
- ভূ-ত্বকে চ্যুতি সৃষ্টির ফলে চ্যুতির মধ্যবর্তী ভূ-ভাগ নিচের দিকে নেমে যায়, যাকে স্রস্ত উপত্যকা (Rift Valley) বলে এবং যখন উপরের দিকে ওঠে যায় তখন তাকে হর্স্ট (Horst) বা স্তূপ পর্বত বলে।

• সমুদ্রতলের পরিবর্তন:
- ভূমিকম্পের ফলে সমুদ্রতলের অনেক স্থান ওপরে উত্থিত হয় এবং স্থলভাগের অনেক স্থান সমুদ্রতলে ডুবে যায়।
যেমন- ১৯২১ সালের ভূমিকম্পের ফলে টোকিও উপসাগরের তলদেশ ৬০ মিটার উঁচু হয়।
- এছাড়া সমুদ্রগর্ভ হতে হিমালয় পর্বত উত্থিত হয়েছে।
- অপরদিকে ১৮৯৯ সালে ভারতে কচ্ছ উপসাগরের ৫০০০ বর্গকিলোমিটার স্থান সমুদ্রগর্ভে নিমজ্জিত হয়।

• নদীর গতিপথ পরিবর্তন:
- ভূমিকম্পের ফলে নদীর গতি পরিবর্তিত হয়, নদী শুঁকিয়ে যায় কখনও জলাভূমির সৃষ্টি হয়।
যেমন- ১৯৫০ সালে আসামের ভূমিকম্পে দিবং নদীর গতি পথ পরিবর্তিত হয়।
- এছাড়া ১৭৮৭ সালে ভারতের আসাম রাজ্যে যে ভূমিকম্প হয় তার ফলে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদীর তলদেশ উঁচু হয়ে যায়।
- এজন্য ব্রহ্মপুত্র নদীটি তার গতিপথ পরিবর্তন করে বর্তমান যমুনা খাত দিয়ে প্রবাহিত হয়।

আরো কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ফলাফল হলো:
- ভূমির উত্থান ও অবনমন;
- ভাঁজের সৃষ্টি;
- ভূ-পাত;
- বন্যার সৃষ্টি।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৩০.
কাচের গ্লাসে গরম পানি ঢাললে কাচের গ্লাসের কী হবে?
  1. ক) ফেটে যাবে
  2. খ) গলে যাবে
  3. গ) পুড়ে যাবে
  4. ঘ) উড়ে যাবে
ব্যাখ্যা
কাচের গ্লাসে গরম পানি ঢাললে তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে কোথাও প্রসারণ বেশি, কোথাও কম হওয়ার কারণে গ্লাস ফেটে যায়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
২,৭৩১.
ই-মেইল আবিষ্কারের পেছনে কাকে পাইওনিয়ার বা পুরোধা ব্যক্তি বলে ধারণা করা হয়?
  1. বিল গেটস
  2. স্টিভ জবস
  3. রে টমলিনসন
  4. ইলন মাস্ক
ব্যাখ্যা
- রে টমলিনসনকে ই-মেইল আবিষ্কারের পেছনে যে অ্যামেরিকানকে পাইওনিয়ার বা পুরোধা ব্যক্তি বলে ধারণা করা হয়। 
- তিনি ইলেকট্রনিক মেসেজ পাঠানোর প্রক্রিয়া প্রথম চালু করেন ১৯৭১ সালে ।
- সেসময় তিনি কাজ করতেন বোস্টনে, একজন কম্পিউটার প্রকৌশলী হিসেবে।
- ইমেইলের ঠিকানায় আমরা যে অ্যাট (@) চিহ্নটা ব্যবহার করি তারও প্রচলন করেছিলেন এই রে টমলিনসন।

উৎস: বিবিসি বাংলা।
২,৭৩২.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য কতটি? 
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: 
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অর্থ হলো, যথাযথ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং দুর্যোগে সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা। 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য: 
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য তিনটি। 
যেমন: 
(ক) দুর্যোগকালিন সময়ে জীবন, সম্পদ ও পরিবেশের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো বা পরিমাণ হ্রাস করা। 
(খ) দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে দ্রুত প্রয়োজনীয় ত্রাণ পৌঁছানো ও পূর্ণবাসন নিশ্চিত করা এবং
(গ) দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ সুষ্ঠুরূপে সম্পন্ন করা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৩৩.
নিউক্লিয়াস এবং ইলেকট্রনের কক্ষপথ সম্বন্ধে সর্বপ্রথম ধারণা দেন-
  1. ক) বোর
  2. খ) ডাল্টন
  3. গ) নিউটন
  4. ঘ) রাদারফোর্ড
ব্যাখ্যা
১৯১১ সালে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড পরমাণুর গঠন সম্পর্কে একটি মডেল প্রদান করেন। রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলকে সৌরজগতের সাথে তুলনা করা হয়েছে বলে এ মডেলটিকে সােলার সিস্টেম মডেল বা সৌর মডেল বলে। আবার, এ মডেলের মাধ্যমে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড সর্বপ্রথম নিউক্লিয়াস সম্পর্কে ধারণা দেন বলে এ মডেলটিকে নিউক্লিয়ার মডেলও বলা হয়। রাদারফোর্ডই সর্বপ্রথম নিউক্লিয়াস এবং ইলেকট্রনের কক্ষপথ সম্বন্ধে ধারণা দেন।
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭৩৪.
মানবদেহের প্রতিটি কোষে কয়টি ক্রোমোসোম থাকে?
  1. ২৩ জোড়া
  2. ২২ জোড়া
  3. ১ জোড়া
  4. ১১ জোড়া
ব্যাখ্যা
মানুষের লিঙ্গ নির্ধারণ: 
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোসোম থাকে। 
- এর মধ্যে একজোড়া ক্রোমোসোম লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য দায়ী। 
- এই ক্রোমোসোমগুলোকে লিঙ্গ নির্ধারক বা সেক্স ক্রোমোসোম বলে। 
- লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোসোম গুলোকে আখ্যায়িত করা হয় X এবং Y ক্রোমোসোম নামে। 
- এক জোড়া লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোসোম ছাড়া বাকি ক্রোমোসোমগুলোকে অটোসোম বলা হয়। 
- মানুষের ক্ষেত্রে মহিলাদের দেহকোষে ডিপ্লয়েড অবস্থায় XX সেক্স ক্রোমোসোম থাকে এবং পুরুষের দেহকোষে ডিপ্লয়েড অবস্থায় XY ক্রোমোসোম থাকে। 
- এ জন্য মানুষ এবং অন্যান্য জীবে সূচক বর্ণের দ্বারা ক্রোমোসোমকে দেখানো হয় যেমন 44+XY পুরুষের এবং 44+XX মহিলার ক্ষেত্রে। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৩৫.
মানবদেহের তাপমাত্রা ৯৮ ডিগ্রী ফারেনহাইট হলে, সেলসিয়াস স্কেলে কত ডিগ্রী?
  1. ৩৭
  2. ৩৭.৬৭
  3. ৩৬.৬৭
  4. ৩৮.৬৭
ব্যাখ্যা
সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলের সম্পর্কঃ
C/5 = (F - 32)/9
বা, C/5 = (98 - 32)/9
বা, C/5= 66/9
বা, C = (66 × 5)/9
বা, C = 330/9
∴ C = 36.67

∴ মানবদেহের তাপমাত্রা ৯৮ ডিগ্রী ফারেনহাইট হলে, সেলসিয়াস স্কেলে ৩৬.৬৭ ডিগ্রী হবে। 
২,৭৩৬.
বোসন কোন ধরনের কণা? 
  1. দুর্বল কণা
  2. জটিল কণা
  3. যৌগিক কণা
  4. মৌলিক কণা
ব্যাখ্যা
কণা: 
- কণাকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- মৌলিক কণা এবং যৌগিক কণা। 
- মৌলিক কণা হলো এমন কণা যার ভিতরে আর কোনও কণা নেই। 
- যৌগিক কণা হলো এমন কণা যা দুটি বা ততোধিক মৌলিক কণার সমন্বয়ে গঠিত। 

বোসন: 
- বোসন হল মৌলিক কণা যেগুলো পূর্ণসংখ্যার মান (0, 1, 2, ইত্যাদি) স্পিন করে। 
- মৌলিক বলগুলো কাজ করে কণার আদান-প্রদানের মাধ্যমে। এই বলবাহী কণাগুলোই হচ্ছে বোসন। 
- এদের স্পিন পূর্ণসংখ্যা 0, 1 ইত্যাদি। 
- স্পিন হল কণার চৌম্বকীয় বৈশিষ্ট্যের একটি পরিমাপ। 
- স্পিন পূর্ণসংখ্যা থাকার কারণে, বোসনরা পাউলির বর্জন নীতি মেনে চলে না। 
- পাউলির বর্জন নীতি অনুসারে, একই শক্তিস্তরে একই কোয়ান্টাম সংখ্যা বিশিষ্ট দুটি কণা একই স্থান দখল করতে পারে না। 
- এদের আলাদা প্রতিকণা নেই। এরা নিজেরাই নিজেদের প্রতিকণা। 
- স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে বোসন কণাগুলো দুই ধরনের। 
যথা: 
১। গেজ বোসন ও 
২। হিগস বোসন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৩৭.
‘পার্কার সোলার প্রোব’ কী?
  1. নৌযান
  2. মহাকাশযান
  3. নতুন আবিষ্কৃত গ্রহ
  4. নতুন আবিষ্কৃত উপগ্রহ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
--------------------
→ ‘পার্কার সোলার প্রোব’ এক প্রকার মহাকাশযান।


পার্কার সোলার প্রোব:
- মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার তৈরি ‘পার্কার সোলার প্রোব’ নামের এই মহাকাশযান সূর্যের বাইরের বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করতে যাচ্ছে।
- ২০১৮ সালে সৌরজগতের কেন্দ্রভাগ লক্ষ্য করে মহাকাশযানটি ওড়ানো হয়।
- এটি ঘণ্টায় ৪ লাখ ৩০ হাজার মাইল গতিতে চলতে পারে।
- ইতিমধ্যে এটি ২১ বার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করার সময় এর আরও নিকটবর্তী হয়েছে।
- ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৪, নাসার মহাকাশযান ‘পার্কার সোলার প্রোব’ সফলভাবে সূর্যের কাছে পৌঁছেছে, যা পূর্বে কোনো মহাকাশযান করতে পারেনি।
- প্রোবটি সূর্যের প্রায় ৩৮ লাখ মাইল কাছাকাছি পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে।
- এটি গত ২৪ ডিসেম্বর সূর্যের দিকে যাত্রা শুরু করেছিল এবং ৯৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা সহ্য করেছে।
- মহাকাশযানটি সূর্যের কাছাকাছি পৌঁছানোর পর একটি আলোক সংকেত পাঠিয়েছে, যা তার নিরাপত্তা ও কার্যক্রমের সাফল্যের সংকেত।
- ১ জানুয়ারি ২০২৫-এ এটি সূর্যের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য পাঠাবে।
- এর মাধ্যমে সূর্যের চারপাশের অতি উত্তপ্ত অঞ্চল এবং সৌরবায়ুর উৎস সম্পর্কে নতুন তথ্য জানা যাবে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক]
২,৭৩৮.
শ্বেত বামন কি?
  1. মৃততারা
  2. একটি উপন্যাস
  3. একটি পাহাড়ের নাম
  4. একটি উপজাতির নাম
ব্যাখ্যা
শ্বেত বামন:
- মহাবিশ্বের অধিকাংশ তারারই শেষ দশা হচ্ছে শ্বেত বামন।
- কারণ অধিকাংশ তারার ভর সূর্যের সমান বা তার কাছাকাছি হয়।
- আর এই ভরের তারাদের মৃত্যু ঘটে শ্বেত বামন সৃষ্টির মাধ্যমে।
- শ্বেত বামনের জীবনকাল প্রায় ১,৫০০ কোটি বছর হয়, যা আমাদের মহাবিশ্বের বর্তমান বয়সের চেয়েও বেশি।
- শ্বেত বামন এর জীবনকাল শেষে কৃষ্ণ বামনে পরিণত হবে বলে ধারণা করা হয়।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট।
২,৭৩৯.
নিচের কোনটি জলবায়ুর নিয়ামক নয়?
  1. অক্ষাংশ
  2. বনভূমি
  3. বারিপাত
  4. সমুদ্রস্রোত
ব্যাখ্যা
- বারিপাত জলবায়ুর নিয়ামক নয়।

জলবায়ু:
- জলবায়ু হলো কোনো একটি অঞ্চলের সাধারণত ৩০-৪০ বছরের গড় আবহাওয়ার অবস্থা।
- অর্থাৎ জলবায়ু হলো কোনো একটি অঞ্চলের অনেক বছরের বায়ুমন্ডলের নিম্নস্তরের সামগ্রিক গড় অবস্থা।
- জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য হলো এটি নিয়ত পরিবর্তনশীল নয়।
- আবহাওয়ার থেকে জলবায়ুর পার্থক্য হলো আবহাওয়া কোনো দেশ বা মহাদেশের বায়ুমণ্ডলের স্বল্পস্থায়ী অবস্থাকে বুঝায়।
- জলবায়ু বলতে কোনো দেশ বা মহাদেশের বায়ুমণ্ডলের দীর্ঘস্থায়ী অবস্থাকে বুঝায়।
- জলবায়ুর প্রধান নিয়ামকগুলো হলো- অক্ষাংশ, উচ্চতা, সমুদ্র থেকে দূরত্ব, বায়ুপ্রবাহ, বনভূমি, সমুদ্রস্রোত, পর্বতের অবস্থান, ভূমির ঢাল ও মৃত্তিকা প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৪০.
রিকেটস রোগের ফলে শরীরের কোনটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়?
  1. ক) যকৃত
  2. খ) মস্তিষ্ক
  3. গ) হাড়
  4. ঘ) কিডনি
ব্যাখ্যা
রিকেটস (Rickets)
- ভিটামিন 'ডি' এর অভাবে এ রােগ হয়। অন্ত্রে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শােষণ, দাঁত ও হাড় গঠন প্রভৃতি শারীরবৃত্তীয় কাজে এই ভিটামিন প্রয়ােজন।
- সুতরাং, রিকেটস্‌ রোগের ফলে হাড়ের গঠন ব্যাহত হয়।
- দুধ, মাখন, ডিম, কডলিভার তল ও হাঙ্গরের তেলে প্রচুর ভিটামিন 'ডি' পাওয়া যায়।
- সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির প্রভাবে মানুষের ত্বকে জমা থাকা কোলেস্টেরল থেকেও এটি তৈরি হয়, তবে সেক্ষেত্রে ভিটামিন ডি তৈরির শেষ ধাপটি সংঘটিত হয় কিডনিতে।
২,৭৪১.
দেহের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াগুলো সুষ্ঠুভাবে কাজ করতে কোন বিষয়টির প্রয়োজন?
  1. শারীরিক বৃদ্ধি
  2. শারীরিক সুস্থতা
  3. নিয়মিত ব্যায়াম
  4. লেখাপড়া
ব্যাখ্যা
⇒ শারীরিক উন্নয়ন, মানসিক বিকাশ সাধন, আবেগের নিয়ন্ত্রণ ও সামাজিক গুণাবলি অর্জনই হলো শারীরিক শিক্ষা।

⇒ শারীরিক শিক্ষার উদ্দেশ্যকে চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১। শারীরিক সুস্থতা অর্জন।
২। মানসিক বিকাশ সাধন।
৩। চারিত্রিক গুণাবলি অর্জন।
৪। সামাজিক গুণাবলি অর্জন।

⇒ শারীরিক সুস্থতা অর্জন:
ক. সুস্বাস্থ্য গঠনে আগ্রহী করে তোলা।
খ. স্নায়ু ও মাংসপেশির সমন্বয় সাধনমূলক কর্মকান্ড দ্বারা কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করা অর্থাৎ দেহের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াগুলো সুষ্ঠুভাবে কর্মক্ষম করা।
গ. দেহ ও মনের সুষম উন্নতি সাধন করা।
ঘ. কঠোর পরিশ্রম ও অনুশীলনের মাধ্যমে কাঙ্খিত ফল লাভ করা।
ঙ. নিয়মকানুন মেনে ভালো করে খেলতে পারা।
চ.  শারীরিক নিরাপত্তা বিধানের জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জন করা।
ছ. দক্ষতার সাথে অঙ্গ সঞ্চালন ও নিয়ন্ত্রণের কলাকৌশল রপ্ত করা।

উৎস: শারীরিক শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৪২.
নিচের কোনটি সুনামি সৃষ্টির কারণ নয়? 
  1. পানির নিচে বিস্ফোরণ
  2. হিমবাহ গলন
  3. সমুদ্রতলের ভূমিকম্প
  4. আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
ব্যাখ্যা
সুনামি (Tsunami): 
- সুনামি (Tsunami) একটি জাপানি শব্দ, জাপানি ভাষায় এর অর্থ হলো 'পোতাশ্রয়ের ঢেউ'। 
- সুনামির পানির ঢেউ সমুদ্রের স্বাভাবিক ঢেউয়ের মতো নয়, এটা সাধারণ ঢেউয়ের চেয়ে অনেক বিশালাকৃতির। 
- অতি দ্রুত ফুঁসে ফুলে ওঠা জোয়ারের মতো, যা উপকূল ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি করে। 
- সুনামির পানির ঢেউগুলো একের পর এক উঁচু হয়ে আসতেই থাকে তাই একে ঢেউয়ের রেলগাড়ি বা 'ওয়েভ ট্রেন' বলে। 
- সুনামি হলো পানির এক মারাত্মক ঢেউ যা সমুদ্রের মধ্যে বা বিশাল হ্রদে ভূমিকম্প বা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে সৃষ্টি হয়ে থাকে। 
- পানির নিচে কোনো পারমাণবিক বা অন্য কোনো বিস্ফোরণ, ভূপাত ইত্যাদি কারণেও সুনামি হতে পারে। 
- সুনামির ক্ষয়ক্ষতি সমুদ্র উপকূলীয় এলাকাগুলোতে সীমাবদ্ধ থাকলেও এর আশেপাশে সুনামির ধ্বংসাত্মক লীলা সংঘটিত হয়। 
- ২০০৪ সালের ২৬শে ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরে যে সুনামি সৃষ্টি হয় তা এই মহাসাগরের আশেপাশে ১৪টি দেশে আঘাত হানে এবং মারাত্মক একটি দুর্যোগ সৃষ্টি করে। 

অন্যদিকে, 
- হিমবাহ গলন মূলত ধীরগতির একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া এবং তা সরাসরি সুনামির মতো আকস্মিক ও বিশাল ঢেউয়ের সৃষ্টি করে না। তাই এটি সুনামি সৃষ্টির কারণ নয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭৪৩.
'সেরিকালচার' সম্পর্কিত নিচের কোনটি?
  1. পাখি পালন
  2. মৎস্য চাষ
  3. মৌমাছি চাষ
  4. রেশম চাষ
ব্যাখ্যা

সেরিকালচার (Sericulture): 
- রেশম চাষ এর ইংরেজি হলো সেরিকালচার (Sericulture)।
- ল্যাটিন শব্দ 'Serio' থেকে Sericulture শব্দের উৎপত্তি হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। 'Serio' শব্দের অর্থ Silk বা রেশম।
- রেশম পোকার বিভিন্ন প্রজাতি রয়েছে।
- এদের মধ্যে Bombyx mori রেশম চাষে বেশি ব্যবহার করা হয়। এ পোকা তুঁত গাছের পাতা খেয়ে জীবন ধারণ করে বিধায় রেশম চাষীকে তুঁত গাছ চাষ করতে হয়।
- রেশম পোকার খাদ্যের জন্য তুঁত গাছ চাষ করে এই পোকার লার্ভা পালন করে তাদের সৃষ্ট গুটি বা কোকুন থেকে রেশম সুতা আহরণ করার পদ্ধতিকে রেশম চাষ বলা হয়।

• গুরুত্বপূর্ণ আরোও কিছু আধুনিক চাষ পদ্ধতি: 
- বাণিজ্যিকভাবে উদ্যান বিষয়ক বিদ্যাকে বলে হর্টিকালচার। 
- বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি চাষ করাকে এপিকালচার বলে। 
- বাণিজ্যিকভাবে পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলে এভিকালচার। 
- বাণিজ্যিকভাবে মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলে পিসিকালচার। 
- বাণিজ্যিকভাবে চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলে প্রণকালচার। 
- বাণিজ্যিকভাবে সামুদ্রিক মৎস্য পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলে মেরিকালচার।  

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথমপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা ও বাংলাপিডিয়া।

২,৭৪৪.
জ্যাক কেলবি কোনটির সাহায্যে আইসি তৈরি করেন?
  1. ক) ট্রানজিস্টর
  2. খ) রেজিস্টর
  3. গ) ক্যাপাসিটর
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট।
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা আইসি নামে পরিচিত লাভ করে
- আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়।
- আইসি আবিষ্কারের সাথে কমে আসে কম্পিউটার মূল্য এবং হিসাব নিকাশের সময়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
২,৭৪৫.
একটি Optical fiber নিচের কোনটির উপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. Polarization
  2. Total internal reflection
  3. Diffraction
  4. Refraction
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল ফাইবারের ভিতরে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন (Total internal reflection ) এর মাধ্যমে ডাটা স্থানান্তরিত হয়।
- অপটিক্যাল ফাইবার হচ্ছে খুব সরু এবং নমনীয় কাচ তন্তু।
- আলো বহনের কাজে এটি ব্যবহৃত হয়।
- আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ধর্মকে কাজে লাগিয়ে অপটিক্যাল ফাইবার তৈরি করা হয়।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই।
২,৭৪৬.
বাংলাদেশের উপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব-
  1. মৎস্য প্রজাতির বিলুপ্তি
  2. জনসংখ্যা বৃদ্ধি
  3. কৃষি জমির পরিমাণ হ্রাস
  4. ক ও গ
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের উপর প্রভাব:

• জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের উপরও বিভিন্ন নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। নিম্নে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের উপরও যেসব প্রভাব পড়বে সেগুলো উল্লেখ করা হলো।

১. উপকূলীয় অঞ্চলের জমিতে লবনাক্ততার পরিমাণ বৃদ্ধি,
২. কৃষি জমির উর্বরতা হ্রাস,
৩. অধিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি,
৪. দেশের উত্তরাংশসহ বিস্তীর্ণ এলাকা খরায় আক্রান্ত হওয়া,
৫. ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া,
৬. আবাদী জমির পরিমাণ হ্রাস পাওয়া,
৭. মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ যেমন- অতিরিক্ত লবনাক্ততায় মৎস্য প্রজাতির বিলুপ্তি দেখা যাচ্ছে।
৮. যে হারে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে সেই হারে যদি সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পায় তাহলে প্রায় ১৫% স্থলভাগ হারানোর সম্ভাবনা আছে। এক্ষেত্রে উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসকারী প্রায় ৩০ মিলিয়ন (৩কোটি) মানুষ ও নানা প্রজাতির জীবজন্তু, সম্পদ প্রভৃতি ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।
৯. এদেশের স্বতন্ত্র বাস্তুতন্ত্রের সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো সুন্দরবন, সেখানে প্রাণি বৈচিত্র্য হুমকির সম্মুখীন হতে পারে।
১০. বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৭৪৭.
রেশম পোকার কোন অংশ থেকে রেশম সুতা আহরণ করা হয়? 
  1. ডিম
  2. লার্ভা
  3. ডানার খোলস
  4. কোকুন
ব্যাখ্যা
সেরিকালচার (Sericulture): 
- রেশম পোকার বিভিন্ন প্রজাতি রয়েছে।
- এদের মধ্যে Bombyx mori রেশম চাষে বেশি ব্যবহার করা হয়। এ পোকা তুঁত গাছের পাতা খেয়ে জীবন ধারণ করে বিধায় রেশম চাষীকে তুঁত গাছ চাষ করতে হয়।
- রেশম চাষ এর ইংরেজি হলো Sericulture। ল্যাটিন শব্দ 'Serio' থেকে Sericulture শব্দের উৎপত্তি হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। 'Serio' শব্দের অর্থ Silk বা রেশম।
- রেশম পোকার খাদ্যের জন্য তুঁত গাছ চাষ করে এই পোকার লার্ভা পালন করে তাদের সৃষ্ট গুটি বা কোকুন থেকে রেশম সুতা আহরণ করার পদ্ধতিকে রেশম চাষ বলা হয়
- তুঁত গাছ চাষ ও রেশম পোকার লার্ভা পালন ছাড়াও এ পোকার বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে প্রজনন ঘটিয়ে অধিক উৎপাদনশীল রেশম পোকা উদ্ভাবন করা আধুনিক রেশম চাষের অন্তর্ভুক্ত।
- এই দেশের মাটি, আবহাওয়া ও জলবায়ু রেশম চাষের জন্য বেশ উপযোগী। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথমপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৪৮.
কোন গ্রহের আকার এবং আকৃতি অনেকটা পৃথিবীর সাথে মেলে?
  1. মঙ্গল
  2. শুক্র
  3. ইউরেনাস
  4. নেপচুন
ব্যাখ্যা
শুক্র (Venus):
- শুক্র গ্রহকে পৃথিবীর যমজ গ্রহ হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
- কারণ এটির আকার এবং আকৃতি অনেকটা পৃথিবীর সাথে মেলে।
- এটির গঠনও অনেকটা একই রকমের।
- শুক্র গ্রহে বিশাল পাহাড়, সমতল ভূমি ও অনেক আগ্নেয়গিরি রয়েছে বলে বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছেন।

উল্লেখ্য,
- সূর্যের চারিদিকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১০.৮ কোটি কিলোমিটার।
- ভোর রাতে পূর্ব আকাশে শুক্র গ্রহকে বলা হয় শুকতারা।
- সন্ধ্যাবেলায় পশ্চিম আকাশে একে বলা হয় সন্ধ্যাতারা।
- শুক্র গ্রহেরও কোনো উপগ্রহ নেই।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
        ii) প্রথম আলো।
২,৭৪৯.
পৃথিবীকে উত্তর গোলার্ধ ও দক্ষিণ গোলার্ধ দুটি সমান অংশে ভাগ করেছে কোন রেখা? 
  1. মেরুরেখা 
  2. বিষুবরেখা
  3. কর্কটক্রান্তি রেখা
  4. গ্রিনিচ রেখা
ব্যাখ্যা

নিরক্ষরেখাঃ 
- দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে একটি রেখা কল্পনা করা হয়েছে। একে নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা।
- বিষুবরেখা পৃথিবীকে উত্তর গোলার্ধ ও দক্ষিণ গোলার্ধ দুটি সমান অংশে ভাগ করেছে।

মেরুরেখাঃ
- পৃথিবীর গোলাকৃতি কেন্দ্র দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কল্পিত রেখাকে অক্ষ বা মেরুরেখা বলে।
- এই অক্ষের উত্তর প্রান্তবিন্দু হলো উত্তর মেরু বা সুমেরু এবং দক্ষিণ প্রান্তবিন্দু হলো দক্ষিণ মেরু বা কুমেরু।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট এবং  ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।

২,৭৫০.
নিচের কোন যুগলটি সঠিক নয়?
  1. সেরিকালচার : রেশম পোকা পালন
  2. পিসিকালচার : মৎস চাষ
  3. এপিকালচার : মৌমাছি পালন
  4. হারপেটোলজি : ঝিনুক চাষ
ব্যাখ্যা
- Sericulture, the production of raw silk by means of raising caterpillars (larvae), particularly those of the domesticated silkworm (Bombyx mori).
- Fish farming or pisciculture involves commercial breeding of fish, usually for food, in fish tanks or artificial enclosures such as fish ponds.
- Beekeeping (or apiculture) is the maintenance of bee colonies, commonly in man-made hives, by humans. Most such bees are honey bees in the genus Apis, but other honey-producing bees such as Melipona stingless bees are also kept.
- Herpetology is the scientific study of amphibians and reptiles.

সুতরাং, অপশন ঘ) তে প্রদত্ত হারপেটোলজি : ঝিনুক চাষ সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

সূত্র: Encyclopedia Britannica.
২,৭৫১.
বায়ুতে জলীয়বাষ্পের উপস্থিতিকে কী বলা হয়?
  1. ক) নিম্নচাপ
  2. খ) আর্দ্রতা
  3. গ) মেঘ
  4. ঘ) শিশির
ব্যাখ্যা
- বায়ুতে জলীয়বাষ্পের উপস্থিতিকে বলা হয় আর্দ্রতা। বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ ০.৪১ শতাংশ।
- জলীয়বাষ্পহীন বায়ু শুষ্ক বায়ু নামে পরিচিত।
- কোন নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোন বায়ু যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প ধারণ করতে বায়ুতে সেই পরিমাণ জলীয়বাষ্প থাকলে তাকে পরিপৃক্ত ও সম্পৃক্ত বায়ু বলে।
- ভূপৃষ্ঠের তাপ বিকিরণের ফলে ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুর জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হয়ে জলবিন্দুতে পরিণত হয় যা শিশির নামে পরিচিত।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
২,৭৫২.
গ্রিনিচ মান সময়ের সঙ্গে আমাদের সময়ের পার্থক্য-
  1. ক) ৬ ঘন্টা
  2. খ) ৮ ঘন্টা
  3. গ) ১০ ঘন্টা
  4. ঘ) ৫ ঘন্টা
ব্যাখ্যা
Bangladesh Standard Time is 6 hours ahead of Greenwich Mean Time ( GMT+6 ). Bangladesh Daylight Saving Time is 7 hours ahead of Greenwich Mean Time ( GMT+7 ).
Source: greenwichmeantime.com
২,৭৫৩.
স্টিফেন হকিং একজন-
  1. দার্শনিক
  2. পদার্থবিদ
  3. রসায়নবিদ
  4. কবি
ব্যাখ্যা
স্টিফেন হকিং:
- স্টিফেন হকিং বিশ্বের একজন প্রথিতযশা পদার্থবিজ্ঞানী।

• তাঁর রচিত বইসমূহ:
- A Brief History of Time,
- The Universe in a Nutshell,
- The Grand Design,
- A Brief History of Time.

উল্লেখ্য, 
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই – 'A Brief History of Time'.

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,৭৫৪.
ইউরেনাস সম্পর্কিত কোন তথ্যটি ভুল?
  1. সৌরজগতের শীতলতম গ্রহ
  2. একে সবুজ গ্রহ বলা হয়
  3. সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ
  4. এই গ্রহের বায়ুতে প্রচুর পরিমাণে মিথেন গ্যাস আছে
ব্যাখ্যা
• ইউরেনাস:
- ইউরেনাস একটি অত্যন্ত ঠান্ডা এবং শীতল গ্রহ।
- এই গ্রহের বায়ুতে প্রচুর পরিমাণে মিথেন গ্যাস উপস্থিত হওয়ায় এটিকে সবুজ রঙের দেখা যায়।
- তাই একে সবুজ গ্রহ বলা হয়।
- এটি সৌরজগতের তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- এটি সৌরজগতের শীতলতম গ্রহ।
- এটিতে শনির মতো একটি বলয় রয়েছে।
- উইলিয়াম হার্শেল ১৭৮১ সালে গ্রহটি আবিষ্কার করেছিলেন।

• বুধ হলো সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
২,৭৫৫.
কোনটির আক্রমণে ‘এমিবিক আমাশয়’ হয়ে থাকে?
  1. ক) ব্যাসিলাস ব্যাক্টেরিয়া
  2. খ) এন্টামিবা
  3. গ) অ্যামিবা
  4. ঘ) প্রোটোজোয়া
ব্যাখ্যা
আমাশয় রোগ সাধারণত দু’ধরণের, যথা- এমিবিক ও ব্যাসিলারি। ব্যাসিলারি আমাশয়ের কারণ হিসেবে এক ধরণের ব্যাসিলাস ব্যাক্টেরিয়াকে দায়ী করা হয়। এন্টামিবা নামক এক ধরণের এককোষী প্রাণীর আক্রমণে এমিবিক আমাশয় হয়ে তাকে। খালি চোখে এদের দেখা যায় না। এদের দেহের কোন নির্দিষ্ট আকৃতি নাই কারণ এরা অ্যামিবার ন্যায় আকার ও আকৃতি সর্বদাই পরিবর্তন করতে থাকে। এদের দেহ স্বচ্ছ জেলীর ন্যায় । কখনও কখনও প্রতিকুল পরিবেশে এরা গোলাকার শক্ত আবরণে নিজেদের দেহ ঢেকে রাখে। এ অবস্থায় একে সিস্ট বলে। সূত্রঃ বিজ্ঞান ৭ম শ্রেণি।
২,৭৫৬.
মানুষের জিহ্বা আসলে কী?
  1. ক) বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক পেশি
  2. খ) এক ধরনের অর্ধকঠিন যোজক কলা
  3. গ) রূপান্তরিত অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি
  4. ঘ) কয়েকটি ঐচ্ছিক পেশির সমন্বয়
ব্যাখ্যা

জিহ্বা আসলে বেশ কয়েকটি ঐচ্ছিক পেশির সমন্বিত রূপ। হাইপোগ্লোসাল নামক করোটিক স্নায়ু জিহ্বাতে উপস্থিত বেশিরভাগ পেশির সঞ্চালনের জন্য দায়ী।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

২,৭৫৭.
নিচের কোনটি ইলেকট্রনিকসের শুরু হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
  1. ভিএলএসআই
  2. ট্রানজিস্টর
  3. ভ্যাকুয়াম টিউব
  4. প্রসেসর
ব্যাখ্যা
- ১৮৮৩ সালে এডিসন দেখেছিলেন লাইট বাল্বের ভেতরে ফিলামেন্ট থেকে অন্য একটি ধাতব প্লেটে ফাঁকা জায়গা দিয়েও বিদ্যুৎ পরিবহন হতে পারে। 
- এই প্রক্রিয়াটি এডিসন ক্রিয়া (Edison Effect) নামে পরিচিত। 
- ১৯০৪ সালে জন ফ্লেমিং এডিসন ক্রিয়াকে কাজে লাগিয়ে প্রথম দুই ইলেকট্রোডের একটি ভ্যাকুয়াম টিউব তৈরি করেন যেটি রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করত অর্থাৎ পরিবর্তনশীল বিদ্যুৎপ্রবাহকে একদিকে প্রবাহিত করত। 
- এই ভ্যাকুয়াম টিউবটিকে ইলেকট্রনিকসের শুরু হিসেবে বিবেচনা করা যায়। 
- এই সময় রেডিও তরঙ্গ দিয়ে তথ্য আদান-প্রদানের কাজ শুরু হয়েছিল এবং গুগলিয়েলমো মার্কনির রেডিও তরঙ্গ নিয়ন্ত্রণের জন্য এই ধরনের একটি ভ্যাকুয়াম টিউবের খুব প্রয়োজন ছিল।

উল্লেখ্য,
১৯৪৭/৪৮ সালে ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের ফলে ইলেক্ট্রনিকস্‌ - শিল্পে বিপ্লব আসে।
 
উৎস: নবম-দশম শ্রেণি; পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই ও ব্রিটানিকা। 
২,৭৫৮.
শিশুর বয়স ৬ সপ্তাহ পূর্ণ হলে কোন টিকা দিতে হয়?
  1. হিব
  2. হেপাটাইটিস-বি
  3. ডিপিটি
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- শিশুর বয়স ৬ সপ্তাহ বা ৪২ দিন পূর্ণ হলেই পেন্টাভ্যালেন্ট (ডিপিটি, হেপাটাইটিস-বি, হিব) ও ওপিভি টিকার প্রথম ডােজ দিতে হবে জন্মের প্রথম বছরেই সবগুলাে টিকা দেয়ার জন্য কমপক্ষে ৪ বার টিকা কেন্দ্রে নিয়ে আসতে হবে ।
- শিশুর বয়স ৯ মাস পূর্ণ হয়ে ১০ মাসে পড়লেই হামের টিকা এবং ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দিতে হবে। 
- ১৫ বছর বয়স হলেই সকল মহিলাদের ধনুষ্টংকারের প্রতিষেধক টিটি টিকা দেয়া শুরু করতে হবে এবং সময়সূচি অনুযায়ী ৫ ডােজ টিটি টিকা নেয়া শেষ করতে হবে। 
- ১-৫ বছর বয়সী শিশুকে ৬ মাস অন্তর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ও কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়াতে হবে।

সূত্র: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট
২,৭৫৯.
মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ সম্পর্কিত হাবলের সূত্র কী ব্যাখ্যা করে? 
  1. মহাবিশ্ব সংকুচিত হচ্ছে
  2. মহাবিশ্ব স্থির এবং অপরিবর্তনীয়
  3. গ্যালাক্সিগুলো পরস্পরের দিকে ধাবিত হচ্ছে
  4. গ্যালাক্সিগুলো পরস্পর থেকে দূরে সরে যাচ্ছে
ব্যাখ্যা
মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ: 
- ১৯২০ সালে বিখ্যাত মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডউইন হাবল (Edwin Hubble) তার 2.5 m টেলিস্কোপের সাহায্যে গ্যালাক্সিগুলো পর্যবেক্ষণের সময় লক্ষ্য করলেন যে, গ্যালাক্সিগুলো পরস্পর থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে। 
- দূরবর্তী গ্যালাক্সি এর নক্ষত্র থেকে আসা আলো পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায় যে, নক্ষত্রের বর্ণালীর ফ্রনহকার কালো রেখাগুলো ধীরে ধীরে লাল বর্ণের দিকে সরে যাচ্ছে। 
- ডপলার ক্রিয়ার মাধ্যমে এ থেকে সিদ্ধান্ত আসা যায় যে, দূরবর্তী গ্যালাক্সি বা গ্যালাক্সিগুচ্ছ আমাদের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। 
- ১৯২৯ সালে হাবল তাঁর দীর্ঘ নয় বছরের পর্যবেক্ষণের ফলাফল পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, মহাবিশ্ব অত্যন্ত দ্রুতগতিতে সম্প্রসারিত হচ্ছে। 
- তাঁর এই সিদ্ধান্তকে তিনি একটি সূত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করেন যা হাবলের সূত্র নামে পরিচিত। 
- হাবলের সূত্রনুসারে- 'গ্যালাক্সিসমূহ নিজেরা এবং পৃথিবী হতে দ্রতগতিতে দূরে সরে যাচ্ছে এবং গ্যালাক্সিগুলোর মধ্যে দূরত্ব যতো বেশি পরষ্পর হতে দূরে সরে যাওয়ার বেগও ততো বেশি'। 

- হাবল প্যারামিটার এর গ্রহণযোগ্য মান ব্যবহার করে মহাবিশ্বের বয়স 14×109 y বা ১৪০০ কোটি বছর নির্ণয় করতে পারে। 
- আবার pc বা পারসেক (parsec) হচ্ছে মহাবৈশ্বিক দূরত্ব পরিমাপের একক। 
- সূর্য বা পৃথিবীর মধ্যকার গড় দূরত্বকে এক অ্যাস্ট্রোনোমিক্যাল ইউনিট (AU) বলে। 
• 1 AU = 1.495×108 km. 
- 1 AU দৈর্ঘ্যের কোনো চাপ (arc) যে দূরত্বে ঠিক এক সেকেন্ডে কোণ উৎপন্ন করে সেই দূরত্বকে 1 pc বা এক পারসেক বলে। 
• 1 pc = 3.261 y = 3.0857×1013 km বা Mpc (mega parsec) = 106 pc = 3.0857×1019 km. 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৬০.
নিচের কোন বডি মাস ইনডেক্স (বিএমআই) সূচক পুরুষদের সঠিক ওজন নির্দেশ করে?
  1. ক) < ১৮.৫
  2. খ) ১৮.৫ - ২৪.৯
  3. গ) ২৫ - ২৯.৯
  4. ঘ) >৩০
ব্যাখ্যা



সূত্র- ৯ম-১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
২,৭৬১.
জোয়ার-ভাটা সৃষ্টির প্রধান কারণ কোনটি?
  1. অন্যান্য নক্ষত্রের আকর্ষণ 
  2. পৃথিবীর ঘূর্ণন
  3. চন্দ্রের মহাকর্ষীয় আকর্ষণ
  4. সূর্যের মহাকর্ষীয় আকর্ষণ
ব্যাখ্যা

জোয়ার-ভাটা: 
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাটা সংঘটিত হয়। 
- চন্দ্র অপেক্ষা সূর্য ২ কোটি ৬০ লক্ষ গুণ বড় এবং পৃথিবী অপেক্ষা সূর্য প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ বড় হলেও পৃথিবী থেকে সূর্য গড়ে প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং পৃথিবী থেকে চন্দ্র গড়ে প্রায় ৩৮.৪ লক্ষ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এ কারণেই পৃথিবীর ওপর চন্দ্রের আকর্ষণ ক্ষমতা সূর্য অপেক্ষা বেশি, ফলে জোয়ার ভাটায় চন্দ্রের প্রভাব বা চাঁদের আকর্ষণ বেশি লক্ষ্য করা যায়। 
- জোয়ার ভাটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা: 
১. মুখ্য জোয়ার: 
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরূপ সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

২. গৌণ জোয়ার: 
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। 

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে।

৪. মরা কটাল: 
- চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭৬২.
HMPV কী?
  1. ব্যাকটেরিয়া
  2. ভাইরাস
  3. নতুন প্রযুক্তি
  4. কম্পিউটার প্রোগ্রামের নাম
ব্যাখ্যা
HMPV (এইচএমপিভি) ভাইরাস: 
- HMPV এক ধরনের ভাইরাসজনিত রোগ। 
- সম্প্রতি এইচএমপিভি (Human Metapneumovirus) ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে চীন এবং জাপানে।
- এই ভাইরাস ইনফ্লুয়েঞ্জা ধাঁচের এবং করোনার মতোই ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
- বিশেষজ্ঞদের শঙ্কা, ২০২৫ সালে করোনার মতো নতুন কোনো মহামারি উদ্ভব হতে পারে।
- ডিজিজ এক্স নামক মহামারি নিয়ে বিশেষজ্ঞরা আগাম সতর্কতা জারি করেছেন।
- চীনে এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বাড়লেও, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা সরকার এখন পর্যন্ত কোনো সতর্কতা জারি করেনি।
- ভাইরাসের সাধারণ উপসর্গ হলো জ্বর, নাক বন্ধ, কাশি বা শ্বাসকষ্ট, তবে তীব্র সংক্রমণে ব্রঙ্কাইটিস, নিউমোনিয়া বা কানে ইনফেকশন হতে পারে।
- প্রতিরোধ ও প্রতিকার হিসেবে সাবান এবং পানি দিয়ে হাত ধোয়া, অপরিষ্কার হাতে নাক-মুখ স্পর্শ না করা এবং আক্রান্ত ব্যক্তিদের থেকে নিরাপদ
দূরত্ব বজায় রাখা পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
- দুই দশক আগে প্রথমবারের মতো এই ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হলেও, এখনও এর কোনো টিকা আবিষ্কৃত হয়নি। 

উৎস: বিবিসি বাংলা নিউজ [লিঙ্ক]।
২,৭৬৩.
নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে কী বলে?
  1. ফিশন
  2. ফিউশন
  3. মেসন
  4. সেপারেশন
ব্যাখ্যা
• নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে ফিশন বলা হয়।

পরমাণুর নিউক্লিয়াস হতে দুটি প্রক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করা যায়। যথা:
১. নিউক্লিয়ার ফিশন বা নিউক্লীয় বিভাজন।
২. নিউক্লিয়ার ফিউশন বা নিউক্লীয় সংযোজন।
• নিউক্লিয়ার ফিশন:
- যে প্রক্রিয়ায় ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস শক্তিশালী কণিকার আঘাতের ফলে প্রায় সমান দুটি খন্ডে বিভক্ত হয় এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিশন বলে।

• নিউক্লিয়ার ফিউশন:
- যে প্রক্রিয়ায় একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং তাতে প্রচুর শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিউশন বলে।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৬৪.
How long does it take Mercury to go once around the Sun?
  1. 65 days
  2. 88 days
  3. 115 days
  4. 172 days
ব্যাখ্যা
বুধ (Mercury):
- সূর্যের নিকটতম গ্রহ বুধ। এর ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার।
- সূর্য থেকে বুধের গড় দূরত্ব প্রায় ৫৮ কোটি কিলোমিটার।
- সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরে আসতে বুধের সময় লাগে প্রায় ৮৮ দিন।
- দিনের বেলায় বুধের তাপমাত্রা থাকে প্রায় ৪০০° সেলসিয়াসের এবং রাতে তাপমাত্রা হিমাংকের নীচে থাকে।
- বুধে বায়ুমন্ডল, পানি, চৌম্বকত্ব ও জীবজন্তু নেই। বুধের কোনো উপগ্রহও নেই।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৬৫.
কিসের জন্য পেপটিক আলসার হয়?
  1. ক) HCL
  2. খ) CH3COOH
  3. গ) H2SO4
  4. ঘ) H2CO3
ব্যাখ্যা
আমাদের পাকস্থলির দেয়াল থেকে HCL উৎপন্ন হয়৷ পাকস্থলি খালি রাখলে HCL পাকস্থলির দেয়ালের কোষগুলোকে ভেঙে সেখানে ক্ষতের সৃষ্টি করে। এ অবস্থাকে পেপটিক আলসার বলে৷
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
২,৭৬৬.
২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর আঘাত হানা সুনামির ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল -
  1. ক) ১০.১
  2. খ) ৯.১
  3. গ) ৮.১
  4. ঘ) ৭.৯
ব্যাখ্যা

২০০৪ সালের ২৬শে ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরে যে সুনামি সৃষ্টি হয় তা এই মহাসাগরের আশেপাশে ১৪টি দেশে আঘাত হানে এবং মারাত্মক একটি দুর্যোগ সৃষ্টি করে।
আঘাত হানা এই প্রলয়ঙ্কারী সুনামির ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৯.১। আনুমানিক ২,৩০,০০০ লোকের প্রাণহানি ঘটায়।
সোর্সঃ borgenproject.org

২,৭৬৭.
সুনামির পানির ঢেউগুলাে কি নামে পরিচিত?
  1. ক) সারকুলার ওয়েব
  2. খ) ওয়েব ট্রেন
  3. গ) ওয়েব রকেট
  4. ঘ) সুপার ওয়েব
ব্যাখ্যা

সুনামির পানির ঢেউগুলাে একের পর এক উঁচু হয়ে আসতেই থাকে তাই একে ঢেউয়ের রেলগাড়ি বা ‘ওয়েভ ট্রেন’ বলে। সুনামি হলাে পানির এক মারাত্মক ঢেউ যা সমুদ্রের মধ্যে বা বিশাল হ্রদে ভূমিকম্প বা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে সৃষ্টি হয়ে থাকে।
পানির নিচে কোনাে পারমাণবিক বা অন্য কোনাে বিস্ফোরণ, ভূপাত ইত্যাদি কারণেও সুনামি হতে পারে। সুনামির ক্ষয়ক্ষতি সমুদ্র উপকূলীয় এলাকাগুলােতে সীমাবদ্ধ থাকলেও এর আশেপাশে সুনামির ধ্বংসাত্মক লীলা সংঘটিত হয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, ভূগোল ও পরিবেশ।

২,৭৬৮.
Natural protein এর কোড নাম-
  1. ক) Protein-P 53
  2. খ) Protein-P 51
  3. গ) Protein-P 49
  4. ঘ) Protein-P 54
ব্যাখ্যা
অ্যামিনো এসিডের পলিমারকে প্রোটিন বা আমিষ বলে।
এটি একটি পেপটাইড যৌগ।
ন্যাচারাল প্রোটিনের কোড নাম P-49 যা একটি জটিল জৈব যৌগ।
এটি দেহের বৃদ্ধিসাধন ও ক্ষয়পূরণ করে।
২,৭৬৯.
ধানের বাদামী রোগটির জন্য নিচের কোনটি দায়ী? 
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) ব্যাকটেরিওফাজ
  4. ঘ) ছত্রাক
ব্যাখ্যা

রোগের নাম : বাদামি দাগ রোগ (Brown spot)

রোগের কারণ:
বাইপোলারিস ওরাইজি (Bipolaris oryzae) নামক ছত্রাক দ্বারা হয়ে থাকে।
এ রোগটি চারা অবস্থা থেকে যে কোনো বয়সের ধান গাছে হতে পারে। তবে চারার বয়স বেশি হলে রোগটির প্রকোপ বেশি দেখা যায়। মাটিতে পুষ্টি উপাদানের অভাব বা পানির অভাব হলে রোগের মাত্রা বেড়ে যায়।

রোগের লক্ষণঃ
পাতায় প্রথমে তিলের দানার মতো ছোট ছোট দাগ পড়ে। দাগগুলো বড় হয়ে মাঝখানে সাদা ও কিনারা বাদামি হয়ে যায়।
একাধিক দাগ মিলে বড় দাগ সৃষ্টি হয়ে পাতাটিকে মেরে ফেলতে পারে। ধানের পাতার চেয়ে রোগটি বীজে বেশি দেখা যায়। রোগ আক্রান্ত গাছে অপুষ্ট বীজ হয় ও বাদামি বর্ণ হয়।

উৎসঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)

২,৭৭০.
ফোটন কণায় কোন ধরনের বল বিদ্যমান?
  1. সবল নিউক্লিয় বল
  2. দুর্বল নিউক্লিয় বল
  3. তাড়িতচৌম্বক বল
  4. মহাকর্ষ বল
ব্যাখ্যা
ফোটন:
- ফোটন কণায় তাড়িতচৌম্বক বল বিদ্যমান। 
- ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (০)। 
- প্রতিটি কোয়ান্টা আকার তার বা শক্তি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের কম্পাংকের উপর নির্ভরশীল।
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের মূল কথা হলো, তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ তরঙ্গধর্মী নয়, বরং এক ধরণের কণার স্রোত, এই কণার নাম ফোটন (Photon)।

ফোটন কণার ধর্মসমূহ: 
১। প্রতিটি ফোটন কণাই তড়িৎ নিরপেক্ষ।
২। শূন্য মাধ্যমে প্রতিটি ফোটন কণাই আলোর বেগে (C= 3×108 ms-1) চলাচল করে। কোনো ঘটনাতেই ফোটনের বেগের কোনো হ্রাস বৃদ্ধি ঘটে না।
৩। প্রতি ফোটন দ্বারা বাহিত শক্তির পরিমান E = hf; এখানে f = বিবিরণের কম্পাঙ্ক, h = প্লাংকের ধ্রুবক। ফোটনের স্রোতে ফোটন কণার সংখ্যা যত বেশী হয়, বাহিত শক্তির পরিমাণও তত বেশী হয়। ফলে বিকিরণের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়।
৪ । নিউটনীয় বলবিদ্যায় ফোটনের ভর ব্যাখ্যা করা যায় না। ফোটনের যে ভর আছে এই ধারণা বর্জনীয়। সহজে বলা যায়, ফোটনের স্থির ভর শূন্য।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৭৭১.
ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র কোনটি?
  1. সিসমোগ্রাফ
  2. ফ্যাদোমিটার
  3. হাইগ্রোমিটার
  4. পাইরোমিটার 
ব্যাখ্যা

- সিসমোগ্রাফ (Seismograph) হলো সেই যন্ত্র যা ভূমিকম্প ও ভূমিকম্পের কম্পনের মাত্রা ও প্রকৃতি পরিমাপ করে। 

বিভিন্ন পরিমাপক যন্ত্র: 

• ব্যারােমিটার- বায়ুমণ্ডলের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র।
• সেক্সট্যান্ট- সূর্য ও অন্যান্য গ্রহের কৌণিক উন্নতি পরিমাপক যন্ত্র।
• সিসমোগ্রাফ- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র।
• ম্যানােমিটার- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র।
• ফ্যাদোমিটার- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র।
• হাইগ্রোমিটার- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র।
• পাইরোমিটার- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র।
• ট্যাকোমিটার- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র। 
• অ্যালটিমিটার- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র। 
• ওডোমিটার মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র। 
• অডিওমিটার- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

২,৭৭২.
‘প্রণকালচার’ বলতে কোন বাণিজ্যিক চাষকে বোঝানো হয়?
  1. মৎস্য চাষ 
  2. মৌমাছি চাষ 
  3. চিংড়ি চাষ 
  4. রেশম চাষ 
ব্যাখ্যা

- চিংড়ি চাষকে ইংরেজিতে Prawn Culture বা প্রণকালচার বলা হয়। এটি জলজ চাষের একটি বিশেষ শাখা যেখানে বাণিজ্যিকভাবে চিংড়ি উৎপাদন করা হয়। 

আধুনিক চাষ: 

- বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি চাষ করাকে এপিকালচার বলে। 
- বাণিজ্যিকভাবে রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলে সেরিকালচার। 
- বাণিজ্যিকভাবে মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলে পিসিকালচার। 
- বাণিজ্যিকভাবে চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলে প্রণকালচার। 
- বাণিজ্যিকভাবে উদ্যান বিষয়ক বিদ্যাকে বলে হর্টিকালচার। 
- বাণিজ্যিকভাবে পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলে এভিকালচার। 
- বাণিজ্যিকভাবে সামুদ্রিক মৎস্য পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলে মেরিকালচার। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

২,৭৭৩.
পাথফাইন্ডার-এর মঙ্গলে অবতরণ সাল-
  1. ১৯৯০
  2. ১৯৯৫
  3. ১৯৯৭
  4. ২০০০
ব্যাখ্যা
- মার্স পাথফাইন্ডার ১৯৯৬ সালের ৪ ডিসেম্বর উৎক্ষেপণ করা হয় এবং ১৯৯৭ সালের ৪ জুলাই মঙ্গল গ্রহের এরেস ভ্যালিস-এ অবতরণ করে।
- এটি সফলভাবে একটি যন্ত্রযুক্ত ল্যান্ডার এবং সোজার্নার রোভার সরবরাহ করে, যা ছিল মঙ্গল গ্রহে অবতরণ করা এবং পরিচালিত প্রথম রোবোটিক রোভার।
- পাথফাইন্ডার তখন পর্যন্ত অভূতপূর্ব পরিমাণ তথ্য পৃথিবীতে প্রেরণ করে এবং তার প্রাথমিক নকশা জীবনের চেয়েও বেশি সময় ধরে সক্রিয় ছিল।

• Key facts:

উৎস: নাসা। [Link]
২,৭৭৪.
ম্যালেরিয়া রোগের পরজীবী আবিষ্কার করেন কে?
  1. ক) স্যার রোনাল্ড রস
  2. খ) চার্লস ল্যাভেরন
  3. গ) রবার্ট কচ
  4. ঘ) লুই পাস্তুর
ব্যাখ্যা
- পূর্বে একটি ধারণা প্রচলিত ছিলো যে, দূষিত বায়ু সেবনে ম্যালেরিয়া রোগ সৃষ্টি হয়। কিন্তু ফরাসি ডাক্তার চার্লস ল্যাভেরন ম্যালেরিয়া আক্রান্ত রোগীর লোহিত রক্তকণিকা থেকে ম্যালেরিয়ার পরজীবী আবিষ্কার করলে প্রায় শত বছরের ভ্রান্ত ধারণাটির অবসান ঘটে। ১৮৯৭ সালে ডাক্তার রোনাল্ড রস আবিষ্কার করেন যে, Anopheles গণভুক্ত মশকীরা এ রোগের জীবাণু এক দেহ থেকে অন্য দেহে বিস্তার ঘটায়।
- ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর ১৮৬৯ খ্রিস্টাব্দে ব্যাকটেরিয়ার ওপর ব্যাপক গবেষণা করে Germ theory of Disease তত্ত্বকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
- জার্মান ডাক্তার রবার্ট কচ যক্ষ্মা রোগের জন্য দায়ী Mycobacterium tuberculosis ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কার করেন।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
২,৭৭৫.
গ্রীনিচ মান সময় থেকে বাংলাদেশ কত ঘন্টা এগিয়ে?
  1. ৩ ঘণ্টা
  2. ৪ ঘণ্টা
  3. ৫ ঘণ্টা
  4. ৬ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
গ্রীনিচ মান সময়: 
- গ্রীনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় ৬ ঘণ্টা আগে। 
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে। 
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রীনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রীনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা। 
- গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচের থেকে এগিয়ে থাকে। 
- গ্রীনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭৭৬.
নিচের কোন রোগটি ব্যাকটেরিয়াজনিত নয়?
  1. এনথ্রাক্স
  2. রুবেলা
  3. হুপিং কাশি
  4. সিফিলিস
ব্যাখ্যা
- Bacillus anthracis নামক গ্রাম পজেটিভ অ্যারোবিক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা এনথ্রাক্স হয়।
- Bordetella Pertussis নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে শিশুদের হুপিং কাশি হয়ে থাকে।
- Treponema pallidum নামক spirochete ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে সিফিলিস হয়।
- Rubella virus নামক এক ধরনের Togavirus এর কারণে রুবেলা বা জার্মান হাম রোগটি হয়ে থাকে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
২,৭৭৭.
নিচের কোনটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস নয়?
  1. ক) Geothermal
  2. খ) Nuclear energy
  3. গ) Solar Energy
  4. ঘ) Biomass
ব্যাখ্যা
শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। একটি হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস এবং অন্যটি হচ্ছে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।
নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়। নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়।

নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস (Renewable source of energy):
- সৌরশক্তি (Solar Energy),
- জলবিদ্যুৎ (Hydropower),
- বায়ু শক্তি (Wind Energy,
- ভূতাপীয় শক্তি (Geothermal)
- জৈবিকভর (Biomass) ইত্যাদি।

অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস (Non-renewable source of energy):
- পেট্রোলিয়াম (Petroleum)
- প্রাকৃতিক গ্যাস (Natural gas)
- কয়লা (Coal)
- পারমাণবিক শক্তি (Nuclear energy)

সূত্রঃ www.eia.gov ও পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম - ১০ম শ্রেণি।
২,৭৭৮.
কোন ভাইরাস দ্বারা মানবদেহ জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত হয়?
  1. ইবোলা ভাইরাস
  2. নিপাহ ভাইরাস
  3. র‍্যাবিস ভাইরাস
  4. অ্যাডিনো ভাইরাস
ব্যাখ্যা
- 'র‍্যাবিস ভাইরাস' দ্বারা মানবদেহ জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত হয়। 

ভাইরাস: 
- প্রাণী ও উদ্ভিদ দেহে ভাইরাস নানাবিধ রোগ উৎপন্ন করে। 
- ভাইরাস আক্রমণের ফলে মানুষের অন্ধত্ব, পঙ্গুত্ব এমনকি অকাল মৃত্যুও হতে পারে। 
- স্বল্প পরিসরে ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর অনেক উপকারও করে। 
- তবে তুলনামূলকভাবে ভাইরাস মানুষের উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে থাকে। 
- বিভিন্ন প্রকার ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর নানা রকমের রোগ সৃষ্টি করে। 
যেমন - 


উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৭৯.
নিচের কোনটি ভূত্বকের বাহ্যিক অবয়ব নয়? 
  1. পর্বত
  2. সমভূমি
  3. মালভূমি
  4. সমুদ্রস্রোত
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠন: 
- সৃষ্টির সময় পৃথিবী ছিল একটি উত্তপ্ত গ্যাসপিণ্ড, উত্তপ্ত অবস্থা থেকে এটি শীতল ও ঘনীভূত হয়। 
- এই সময় পৃথিবীর বাইরের ভারী উপাদানগুলো এর কেন্দ্রের দিকে জমা হয় আর হালকা উপাদানগুলো ভরের তারতম্য অনুসারে নিচ থেকে উপরে স্তরে স্তরে জমা হয়, পৃথিবীর এই বিভিন্ন স্তরকে মণ্ডল বলে। 
- উপরের স্তরটিকে অশ্মমণ্ডল বলে, অশ্মমণ্ডলের উপরের অংশ ভূত্বক নামে পরিচিত। 

ভূত্বক (Earth's Crust): 
- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক। 
- ভূ-অভ্যন্তরের অন্যান্য স্তরের তুলনায় ভূত্বকের পুরুত্ব সবচেয়ে কম; গড়ে ২০ কিলোমিটার। 
- ভূত্বক মহাদেশের 'তলদেশে গড়ে ৩৫ কিলোমিটার এবং সমুদ্র তলদেশে তা গড়ে মাত্র ৫ কিলোমিটার পুরু। 
- সাধারণভাবে মহাদেশীয় ভূত্বকের এ স্তরকে সিয়াল (Sial) স্তর বলে, যা সিলিকন (Si) ও অ্যালুমিনিয়াম (AI) দ্বারা গঠিত। 
- এটি সিয়াল স্তরের তুলনায় ভারী এবং এর প্রধান খনিজ উপাদান সিলিকন (Si) ও ম্যাগনেসিয়াম (Mg) যা সাধারণভাবে সিমা (Sima) নামে পরিচিত। 
- অনুমান করা হয় যে, এ ব্যাসল্ট স্তরই সারা পৃথিবী জুড়ে বহিরাবরণ ও গভীর সমুদ্র তলদেশে বিদ্যমান। 
- ভূত্বকের উপরের ভাগেই বাহ্যিক অবয়বগুলো দেখা যায়। যেমন- পর্বত, মালভূমি, সমভূমি ইত্যাদি। 
- ভূত্বকের নিচের দিকে প্রতি কিলোমিটারে ৩০০ সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ে। 

অন্যদিকে, 
- সমুদ্রস্রোত হলো জলবায়ু ও মেরু-গোলার্ধীয় ঘূর্ণনের প্রভাবে সৃষ্ট সাগরের জলপ্রবাহ, যা ভূত্বকের গঠন নয়, বরং জলবায়ুগত একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া। তাই এটি ভূত্বকের বাহ্যিক অবয়ব নয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭৮০.
নিম্নলিখিত কোন রোগের জন্য মৃত জীবাণুভিত্তিক টিকা (killed vaccine) ব্যবহার করা হয়?
  1. যক্ষ্মা 
  2. ইনফ্লুয়েঞ্জা 
  3. গুটিবসন্ত 
  4. ডিপথেরিয়া 
ব্যাখ্যা

টিকা: 
- টিকা হলো প্রাণিদেহে রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের নিষ্ক্রিয় পরিদ্রুত সাসপেনশন। 
- টিকায় বিদ্যমান অণুজীবগুলো (ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া) জীবিত, অর্ধমৃত বা মৃতও হতে পারে। এদের এমনভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয় যাতে এরা জীবকোষে কোনো রোগ সৃষ্টি করতে না পারে, কিন্তু রোগের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করে। 

টিকার প্রকারভেদ: 
- মানবদেহের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে দমন করতে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরনের টিকা আবিষ্কার করেছেন। 
যেমন- 
১। নিষ্ক্রিয়কৃত জীবাণু জীবন্ত টিকা (Attenuated live vaccine): 
- কালচার করা, ক্ষতিকর বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় বা দুর্বল করে দেওয়া জীবিত জীবাণু নিয়ে তৈরি। 
যেমন- BCG, হাম, মাম্পস, পোলিও, জলাতঙ্ক, যক্ষ্মা, গুটিবসন্ত, প্লেগ, টাইফয়েড প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

২। মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা (killed vaccine): 
- এধরনের টিকা মৃত জীবাণু দিয়ে তৈরি। 
যেমন- ইনফ্লুয়েঞ্জা, কলেরা প্রভৃতি ভ্যাকসিন। 

৩। নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা (Toxoid vaccine): 
- এ ধরনের টিকা জীবাণু নিঃসৃত টক্সয়েড দিয়ে তৈরি। 
যেমন- ডিপথেরিয়া, টিটেনাস (ধনুষ্টংকার) প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

৪। দেহ তলের রাসায়নিক বস্ত (Surface chemical molecule): 
- অনেক ক্ষেত্রে সংক্রমণকারী জীবাণুর দেহ তল থেকে রাসায়নিক উপাদান (নির্দিষ্ট প্রোটিনের অংশ) আলাদা করে ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 
যেমন- হেপাটাইটিস-B ভ্যাকসিন, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস ভ্যাকসিন প্রভৃতি। 

৫। ডিএনএ টিকা (DNA vaccine): 
- রিকমবিনেন্ট DNA পদ্ধতিতে DNA ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭৮১.
একজন পূর্ণবয়স্ক স্ত্রীলোকের হৃদপিন্ডের ওজন কত?
  1. ক) ৫০০ গ্রাম
  2. খ) ৩০০ গ্রাম
  3. গ) ২০০ গ্রাম
  4. ঘ) ৪০০ গ্রাম
ব্যাখ্যা
একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির (পুরুষ) হৃদপিন্ডের ওজন ৩০০ গ্রাম। আর স্ত্রীলোকদের ক্ষেত্রে ওজন ২০০ গ্রাম। অর্থাৎ ১০০ গ্রাম কম। উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৭৮২.
যক্ষ্মার (Tuberculosis) প্রতিষেধক BCG টিকা কোন ধরণের অনাক্রম্যতা (immunity) প্রদান করে?
  1. কৃত্রিম সক্রিয় অনাক্রম্যতা
  2. প্রাকৃতিক সক্রিয় অনাক্রম্যতা
  3. কৃত্রিম নিষ্ক্রিয় অনাক্রম্যতা
  4. প্রাকৃতিক নিষ্ক্রিয় অনাক্রম্যতা
ব্যাখ্যা
• অনাক্রম্যতা হল একটি  প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে বিশেষ কোন  একটি প্যাথোজেন বা সংক্রামক রোগের প্রতি সংবেদনশীলতা দেখা দেয়। 
- অনাক্রম্যতা প্রাকৃতিকভাবে ঘটতে পারে বা পূর্বে কোন রোগের মাধ্যমে ইমিউনাইজেশন দ্বারা তৈরি হতে পারে।

• BCG টিকা (Bacillus Calmette–Guérin) একটি কৃত্রিমভাবে তৈরি প্রতিষেধক, যা টিউবারকুলোসিস বা যক্ষ্মা রোগ প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।
- এটি মানবদেহে কৃত্রিমভাবে জীবিত কিন্তু দুর্বলকৃত জীবাণু প্রবেশ করিয়ে শরীরকে ওই জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা গড়ে তুলতে সহায়তা করে।
- এই প্রক্রিয়ায় দেহ নিজে থেকে প্রতিরক্ষামূলক অ্যান্টিবডি তৈরি করে, 
- ফলে দেহে তৈরি হয় কৃত্রিম ও সক্রিয় অনাক্রম্যতা। 

• সক্রিয়তার দিক থেকে  অনাক্রম্যতা দুই প্রকারের হয়ে থাকে। 

⇒ সক্রিয় অনাক্রম্যতা – দেহ নিজে প্রতিরক্ষা তৈরি করে। এটি আবার দুই প্রকারের হয়ে থাকে। 
 - প্রাকৃতিক: সংক্রমণের পর (রোগ হয়ে যাওয়ার পর)। 
-  কৃত্রিম: টিকার মাধ্যমে (যেমন BCG, Polio)। 

নিষ্ক্রিয় অনাক্রম্যতা: প্রস্তুত অ্যান্টিবডি সরাসরি দেহে প্রবেশ করানো হয়। এটি দুই প্রকার। 
- প্রাকৃতিক: মাতৃদুগ্ধ বা গর্ভকালীন সংক্রমণ প্রতিরোধ।
- কৃত্রিম: সেরাম বা অ্যান্টিবডি ইনজেকশন । 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; গাজী আজমল।
- World Health Organization (WHO).
২,৭৮৩.
HIV কোন প্রাণী হতে মানবদেহে ছড়ায়?
  1. ক) বানর হতে
  2. খ) শিম্পাঞ্জি হতে
  3. গ) ইঁদুর হতে
  4. ঘ) বাদুড় হতে
ব্যাখ্যা
HIV  (human immunodeficiency virus) শিম্পাঞ্জি হতে মানবদেহে ছড়ায়। 

বাংলাদেশে এখন এইডস আক্রান্তের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার ০.১ শতাংশ। ইউএনএইডসের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে এইডস আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা ১৪ হাজারের বেশি।

এইচআইভির লক্ষণসমূহ-
জ্বর এবং অত্যধিক শীত লাগা
রাতে খুব বেশি ঘাম হওয়া
মাংসপেশিতে টান এবং সারা শরীরে যন্ত্রণা
শরীরে র‍্যাশ বেরনো
গলায় ব্যথা
ক্লান্তি
গলা ফুলে যাওয়া
মাউথ আলসার

সূত্র: Centers for Disease Control and Prevention Website.
২,৭৮৪.
দুর্যোগের আগাম বার্তা জানার জন্য টোল ফ্রি নম্বর কোনটি?
  1. ১০৯০
  2. ১৬১০৮
  3. ১০৬
  4. ১০৯
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও বাংলাদেশ 
- বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সাফল্যের মূলে রয়েছে স্থানীয়ভাবে বিন্যস্ত শক্তিশালী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাঠামো।
- জনগুরুত্বপূর্ণ এ কার্যক্রমের সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন ৫২ সদস্য বিশিষ্ট জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাউন্সিল।

- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ২০১২ এর ক্ষমতাবলে সরকার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা ২০১৫ প্রণয়ন করে ।
- এতে ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কতা ও হুশিয়ারি সংকেত হিসেবে সমুদ্রবন্দরের জন্য ১১ টি ও নদী বন্দরের জন্য ৪ টি সংকেত নির্ধারণ করা হয়।
- বর্তমানে মোবাইল ফোন নম্বর থেকে ১০৯০(টোল ফ্রি) নম্বরে ডায়াল করে দুর্যোগের আগাম বার্তা পেয়ে জনগণ পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে।
- জলবায়ুর ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য দুর্যোগ ঝুঁকি-হ্রাস বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করে সরকার ১০০ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০ প্রণয়ন করেছে। 

- দুর্যোগ ঝুঁকি-হ্রাস ও দুর্যোগ মোকাবিলা বিষয়ক কার্যক্র মকে সমন্বিত, লক্ষ্যভিত্তিক ও শক্তিশালী করা এবং সব ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলায় কার্যকর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে এক নজরে বাংলাদেশ সরকারের কিছু পদক্ষেপ: 
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ২০১২,
- জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০১৫,
- জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ২০১৬-২০২০,
- ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০১১,
- মৃতদেহ ব্যবস্থাপনা নির্দেশিকা-২০১৬,
- দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী (এসওডি) ২০১৯ ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ দলিল প্রণীত হয়েছে। 

অন্যদিকে, 
- মানবাধিকার কল সেন্টার টোল ফ্রি নম্বর  - ১৬১০৮।
- সরকারি তথ্য ও সেবা টোল ফ্রি নম্বর  - ৩৩৩।
- দুর্নীতি দমন কমিশন টোল ফ্রি নম্বর  - ১০৬।
- নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ টোল ফ্রি নম্বর  - ১০৯। 

তথ্যসূত্র - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

২,৭৮৫.
বাংলাদেশের কোন নদীতে জোয়ার ভাটা হয় না?
  1. ক) খোয়াই
  2. খ) গোমতী
  3. গ) নাফ
  4. ঘ) মেঘনা
ব্যাখ্যা
গোমতী নদীতে জোয়ার-ভাটা নেই। যেসব নদী সমুদ্রের সঙ্গে যুক্ত নয়, সেসব নদীতে জোয়ার-ভাটা হয় না। সমুদ্রের পানি পূর্ণিমায় চাঁদের আকর্ষণে ফুলে-ফেঁপে উঠে তার সংযুক্ত নদীতে পানি প্রবাহিত করে। ফলে নদীতে নদীতে জোয়ার-ভাটা হয়।
উৎসঃ দৈনিক প্রথম আলো
২,৭৮৬.
বৃহস্পতি গ্রহের উপগ্রহ কয়টি?
  1. ১৪
  2. ২৭
  3. ৬২
  4. ৬৭
ব্যাখ্যা
বৃহস্পতি: 
- বৃহস্পতি সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ।
- বৃহস্পতিকে গ্রহরাজ বলা হয়।
- বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডল হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। 
- সবচেয়ে বেশি উপগ্রহ রয়েছে শনি গ্রহের। শনি গ্রহের উপগ্রহের সংখ্যা ৮৩টি। 
- অপরদিকে বৃহস্পতি গ্রহের উপগ্রহের সংখ্যা ৮০টি। 
- সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের নিকটতম গ্রহ বুধ।
- মঙ্গল গ্রহকে লাল গ্রহ বলা হয়।

উল্লেখ্য যে, 
- তবে অষ্টম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই অনুসারে, বৃহস্পতি গ্রহের উপগ্রহের সংখ্যা ৬৭ টি। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, নাসা ওয়েবসাইট এবং বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি। 
২,৭৮৭.
আল্ট্রসনোগ্রাফি কী?
  1. ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের শব্দ দ্বারা ইমেজিং
  2. বড় তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের শব্দ দ্বারা ইমেজিং
  3. আলোকনল দ্বারা শরীরের অভ্যন্তরে ইমেজিং
  4. শক্তিশালী শব্দ নিয়ে পিত্তপাথর বিচূর্ণীকরণ
ব্যাখ্যা
• আল্ট্রাসনোগ্রাফি:
- শরীরের অভ্যন্তরীণ নরম পেশী বা টিস্যুর সমস্যা নির্ণয়ে আল্ট্রাসাউন্ডকে কাজে লাগিয়ে যে পরীক্ষা করা হয় তাকে আল্ট্রাসনোগ্রাফি বলে।
- আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে উচ্চ কম্পাংকের বা ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের শব্দের প্রতিফলন বা প্রতিধ্বনিকে কাজে লাগানো হয়।
- উচ্চ কম্পাংকের শব্দ যখন শরীরের গভীরের কোনো অঙ্গ বা পেশী থেকে প্রতিফলিত হয় তখন প্রতিফলিত তরঙ্গের সাহায্যে ঐ অঙ্গের অনুরূপ একটি প্রতিবিম্ব মনিটরের পর্দায় গঠন করা হয়।
- রোগ নির্ণয়ে যে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা হয় সেই শব্দের কম্পাংক ১-১০ মেগাহার্টজ হয়ে থাকে।
- হৃদপিন্ডে অথবা শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য নরম অঙ্গ যেমন- যকৃৎ, পিত্তথলি, প্রধানরক্ত নালী সমূহে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা হয়।
- বিশেষত ভ্রুণের বৃদ্ধি, বৃদ্ধিপ্রাপ্ত ভ্রুণের লিঙ্গ নির্ধারণ ও স্ত্রী প্রজননতন্ত্রের টিউমার সনাক্তকরণে।
- এক্সরের তুলনায় আল্ট্রাসনোগ্রাফি অধিকতর নিরাপদ রোগ নির্ণয়ের কৌশল।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৮৮.
দিক নির্ধারণের জন্য কোন যন্ত্র ব্যবহার করা হয়?
  1. কম্পাস
  2. গ্যালভানোমিটার
  3. অ্যামিটার
  4. ভোল্টমিটার
ব্যাখ্যা

◉ কম্পাস (Compass) হলো একটি যন্ত্র, যা উত্তর-দক্ষিণ দিক নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়।
-
এতে একটি চুম্বকীয় সূঁচ (Magnetic Needle) থাকে, যা পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের কারণে সর্বদা চৌম্বকীয় উত্তর (Magnetic North) ও দক্ষিণ (Magnetic South) নির্দেশ করে।

স্থায়ী চুম্বকের ব্যবহার:
- সমুদ্রে জাহাজ নিয়ন্ত্রণের জন্য চৌম্বক কম্পাস বহু শতাব্দী ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
- এটি Navigation-এর অন্তর্ভুক্ত একটি যন্ত্র।
- পৃথিবীর চুম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে পৃথিবী পৃষ্ঠে মুক্তভাবে ঘূর্ণনক্ষম চুম্বক শলাকা সর্বদা উত্তর দক্ষিণ দিক বরাবর অবস্থান করে।
- চুম্বকের এ ধর্মকে কাজে লাগিয়ে চৌম্বক কম্পাস তৈরি করা হয়েছে।
- চৌম্বক কম্পাস একটি মুক্তভাবে ঘূর্ণনক্ষম চৌম্বক শলাকা দিয়ে গঠিত। চুম্বক শলাকার অবস্থান দেখে দিক নির্ণয় করা হয়।
- এছাড়াও মাইক্রোফোন ও স্পিকার, বৈদ্যুতিক মোটরে ইত্যাদিতে স্থায়ী চুম্বক ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭৮৯.
হেপাটাইটিস হলে মানুষের শরীরের কোন অংশ ধীরে ধীরে কার্যক্ষমতা হারায়?
  1. পাকস্থলী
  2. লিভার
  3. বৃক্ক
  4. হৃদপিণ্ড
ব্যাখ্যা
হেপাটাইটিস:

- হেপাটাইটিস লিভার বা যকৃৎ এর একটি প্রদাহ যা হেপাটাইটিসের ৫টি ভাইরাসের ( এ, বি, সি, ডি এবং ই) মাধ্যমে ঘটে।
- দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে হেপাটাইটিসের বিভিন্ন ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করে। 
- হেপাটাইটিস লিভার বা যকৃতের কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কমিয়ে দিতে শুরু করে। 
- হেপাটাইটিসের ভাইরাসগুলোর মধ্যে টাইপ-বি এবং সি মারাত্মক রূপ নেয় এবং লিভার সিরোসিস এবং ক্যান্সারের মতো মারাত্মক আকার ধারণ করে।
- প্রাথমিক অবস্থায় তা চিকিৎসা না করলে গুরুতর হয়ে ওঠে এবং লিভার সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। 

• ভাইরাসের নাম- ধরণ- সংক্রমণের মাধ্যম:

• Hepatities A- RNA - পানি, দূষিত খাবার;
• Hepatities B- DNA- রক্ত, যৌন মাধ্যম;
• Hepatities C- RNA- রক্ত, যৌন মাধ্যম;
• Hepatities D- RNA- রক্ত, যৌন মাধ্যম, লালা;
• Hepatities E- RNA- পানি, দূষিত খাবার।

উৎস: জীববিজ্ঞান, প্রথম পত্র- গাজী আজমল, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৭৯০.
কোনটি দক্ষিণ নাতিশীতোষ্ণ মন্ডলের বৈশিষ্ট্য?
  1. দক্ষিণে প্রচন্ড শীত
  2. সারা বছর মধ্যম উষ্ণতা থাকে
  3. মকরক্রান্তি থেকে কুমেরু পর্যন্ত সূর্যরশ্মি তির্যক বা লম্বভাবে পড়া
  4. ককটক্রান্তি থেকে সুমেরুবৃত্ত পর্যন্ত সূর্যালোক লম্বভাবে বা তির্যকভাবে পড়া
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণ নাতিশীতোষ্ণ মন্ডলের বৈশিষ্ট্য-
• দক্ষিণ নাতিশীতোষ্ণমন্ডল: দক্ষিণে ২৩১/২° হতে ৬৬১/২° দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত এলাকাটি দক্ষিণ নাতিশীতোষ্ণমন্ডল বলে পরিচিত।
- এখানে সারা বছরই মধ্যম উষ্ণতা থাকে।
- এখানকার গড় তাপমাত্রা ০-২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকে।

উৎস: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৯১.
বিছাপোকার কোন অবস্থা মাসকালাইয়ের জন্য ক্ষতিকর?
  1. লার্ভা
  2. ডিম
  3. পিউপা
  4. পূর্ণ বয়স্ক অবস্থা
ব্যাখ্যা

মাসকালাই:
- মাসকালাই একটি গুরুত্বপূর্ণ ডাল ফসল।
- এ ফসল গোখাদ্য ও সবুজ সার ফসল হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
- সুনিষ্কাশিত উচ-নিচু সব ধরনের জমিতেই এ ফসল চাষ করা যায়।
- এর উন্নত ও স্থানীয় জাত রয়েছে।
- এ ফসল সারিতে বা ছিটিয়ে চাষ করা হয়।
- এ ফসলে জীবানু সার প্রয়োগ করা হলে ইউরিয়া সার দিতে হয় না।
- সঠিক পন্থায় ও ঠিক সময়ে পোকা ও রোগ দমন করে এ ফসলের ভালো ফলন নিশ্চিত করা যায়।
- জাতভেদে হেক্টরপ্রতি এ ফসলের ফলন ১.৫-২ টন পর্যন্ত হয়ে থাকে।

⇒ বিছা পোকা:
- এ পোকার কীড়া/লার্ভা মাসকালাই ফসলের পাতা খেয়ে জালিকার মত করে ফেলে।
- এতে ফলন মারাত্মকভাবে কমে যায়।
- এ পোকার কীড়াগুলো দলবদ্ধভাবে আক্রমন করে বিধায় হাত দ্বারা সংগ্রহ করে তা মেরে ফেলতে হবে।
- আক্রমনের তীব্রতা বেশি হলে সাইলারমেথ্রিন ইসি এক লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭৯২.
সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাত্রা ও পরিমাণ বেড়ে যায়?
  1. ভূমিকম্প
  2. ধুলিঝড়
  3. আগ্নেয়গিরি
  4. জলোচ্ছ্বাস
ব্যাখ্যা

সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং ফসল উৎপাদনে প্রভাব: 
- সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এশিয়ার দেশগুলোতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাত্রা ও পরিমাণ আরও বাড়িয়ে দেয়। 
- প্রায়শই বন্যা, সাইক্লোন, জলোচ্ছ্বাস ও লবণাক্ততা সৃষ্টি হয়। 
- অধিকন্তু ঋতু পরিবর্তনের স্বাভাবিক নিয়মে বৈচিত্র্য দেখা দিচ্ছে। 
- বিশ্বব্যাংক বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব নিয়ে টার্ন ডাউন দ্য হিট: ক্লাইমেট রিজিওনাল ইমপ্যাক্ট অ্যান্ড কেস ফর রেজিলিয়ান্স শীর্ষক প্রতিবেদনে বাংলাদেশ সম্পর্কে উল্লেখ করেছে- প্রতি তিন থেকে পাঁচ বছর পরপর বাংলাদেশের দুই-তৃতীয়াংশ এলাকা বন্যায় ডুবে যাবে। 
- তাপমাত্রা আড়াই ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়লে বন্যায় প্লাবিত এলাকার পরিমাণ ২৯ শতাংশ বাড়বে। 
- ২০৮০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উপকূলে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা ৬৫ সেন্টিমিটার বাড়লে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৪০ শতাংশ ফসলি জমি হারিয়ে যাবে। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭৯৩.
জমির লবণাক্ততা নিয়িন্ত্রণ করে কোনটি?
  1. কৃত্রিম সার প্রয়োগ
  2. পানি সেচ
  3. মাটিতে নাইট্রোজেন ধরে রাখা
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস প্রয়োগ
ব্যাখ্যা
- জমির লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ করে পানি সেচ। 
- দুই-তিনবার স্বাদুপানির সেচ দিয়ে সেই পানি জমি থেকে বের করে দিলে জমির লবণাক্ততা অনেকটাই কমে যায়। 
- এটা একটি প্রাকৃতিক পদ্ধতি। 
- লবণাক্ততার কারণে শুকনো মৌসুমে বিশেষ করে রবি ও খরিফ-১ মৌসুমে ফসল চাষ অসম্ভব হয়ে পড়ে। 
- এ সময়ে মাটির লবণাক্ততা ৮.০ ডিএস/মি. এর উপরে চলে যায়। 
- এছাড়া এ সময়ে নদীর পানির লবণাক্ততা ২৫.০-৩০.০ ডিএস/মি. পর্যন্ত লক্ষ করা যায়। 

জমির উর্বরতা রক্ষা ও বৃদ্ধির জন্যে করণীয় হলো: 
- ভূমিক্ষয় রোধ করা। 
- মাটিতে জৈব পদার্থ প্রয়োগ করা। 
- মাটির অম্লমান নিয়ন্ত্রণ করা। 
- শিম জাতীয় উদ্ভিদের চাষ করা। 
- একই জমিতে একই ফসল বারবার চাষ না করে ভিন্ন ভিন্ন ফসল চাষ করা। 
- পানি ও আগাছা ব্যবস্থাপনা প্রভৃতি। 

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং কৃষিশিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৯৪.
কোনটি মশলা হিসেবে পেঁয়াজের বিকল্প হতে পারে?
  1. লেমনগ্রাস
  2. ক্যাপসিকাম
  3. চিভ
  4. ব্রকোলি
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর: গ) চিভ।
- পেঁয়াজের বিকল্প হিসেবে যে উপাদানটি মশলার কাজ করতে পারে, সেটি এমন কিছু হওয়া উচিত যা স্বাদে বা গন্ধে কিছুটা পেঁয়াজের মতো।

অপশন আলোচনা:
- চিভ (গ): এটি একটি হালকা স্বাদের গুল্মজাতীয় মশলা, যা অনেকটা পেঁয়াজ বা রসুনের স্বাদের কাছাকাছি। এটি সাধারণত সালাদ, স্যুপ, বা ডিশের গার্নিশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই এটি পেঁয়াজের বিকল্প হিসেবে গ্রহণযোগ্য।
- লেমনগ্রাস (ক): এটি একটি সুগন্ধি গুল্ম যা সাধারণত থাই রান্নায় ব্যবহৃত হয়, তবে এটি পেঁয়াজের মতো স্বাদ বা গন্ধ দেয় না।

- ক্যাপসিকাম (খ): এটি মূলত একটি সবজি এবং স্বাদে মিষ্টি বা হালকা ঝাল হয়; পেঁয়াজের মতো নয়।
- ব্রকোলি (ঘ): এটি একটি সবজি এবং পেঁয়াজের সাথে এর স্বাদের কোনো মিল নেই।

- সুতরাং, চিভ-ই পেঁয়াজের বিকল্প হিসেবে সবচেয়ে উপযুক্ত মশলা।

সূত্র: prothomalo [লিংক]
২,৭৯৫.
উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম-
  1. ট্যাকোমিটার
  2. ক্রনোমিটার
  3. ম্যানোমিটার
  4. গ্রাডিমিটার
ব্যাখ্যা

◉ উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম- ট্যাকোমিটার। 

ট্যাকোমিটার (Tachometer) ঘূর্ণনশীল যন্ত্রের গতি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং একক হিসেবে RPM (Revolutions Per Minute) ব্যবহার করা হয়। এটি গাড়ি, ইঞ্জিন, মোটর, টারবাইন এবং উড়োজাহাজে ব্যবহৃত হয়।

এছাড়াও,
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার।
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অ্যালটিমিটার।
- সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র - ক্রনোমিটার
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র- অডিওমিটার।
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র - ম্যানোমিটার
- তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব নির্ণায়ক যন্ত্র - হাইড্রোমিটার।
- পানির তলায় তেলের সঞ্চায়ক যন্ত্র - গ্রাডিমিটার

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

২,৭৯৬.
প্রাকৃতিক কোন উৎস থেকে সবচেয়ে বেশী মৃদু পানি পাওয়া যায়?
  1. সাগর
  2. বৃষ্টি
  3. হ্রদ
  4. নদী
ব্যাখ্যা
- প্রাকৃতিক কোন উৎস থেকে মৃদু পানির সবচেয়ে বড় উৎস হলো বৃষ্টির পানি। 
- সাগরের পানিতে লবণ থাকে বলে এটি মৃদু বা মিষ্টি পানির উৎস নয়। 
- নদীর পানি ও বিলের পানি মৃদু হলেও এসব মূলত বৃষ্টিপাতের উপরে নির্ভরশীল। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭৯৭.
মানুষের কলেরা রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার আকৃতি(ধরণ)-
  1. ক) ব্যাসিলাস
  2. খ) কক্কাস
  3. গ) কমা
  4. ঘ) স্পাইরিলাম
ব্যাখ্যা

ব্যাকটেরিয়া হল আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত, অসবুজ, এককোষী অণুবীক্ষণিক জীব। বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ফন লিউয়েন হুক সর্বপ্রথম ব্যাকটেরিয়া দেখতে পান। ব্যাকটেরিয়া কোষগোলাকার, দন্ডাকার, কমা আকার, প্যাঁচানো ইত্যাদি নানা ধরণের হতে পারে। দেহের আকার আকৃতির ভিত্তিতে একে নিম্নরূপে শ্রেণীবদ্ধকরা হয়:
কক্কাস: কোন কোন ব্যাকটেরিয়া কোষের আকৃতি গোলাকার। এরা কক্কাস ব্যাকটেরিয়া। এরা এককভাবে অথবা দলবেঁধে থাকতে পারে, যেমন- নিউমোনিয়া রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া।
ব্যাসিলাস: এরা লম্বা দন্ডের ন্যায় দেখতে। ধনুষ্টংকার, রক্তামাশয় ইত্যাদি রোগ এরা সৃষ্টি করে।
কমা: এরা বাঁকা দন্ডের ন্যায় আকৃতির ব্যাকটেরিয়া। মানুষের কলেরা রোগের ব্যাকটেরিয়া এ ধরণের।
স্পাইরিলাম: এ ধরণের ব্যাকটোরিয়ামের আকৃতি প্যাঁচানো।
সূত্রঃ বিজ্ঞান ৭ম শ্রেণি।

২,৭৯৮.
আকাশে উজ্জ্বলতম তারা কোনটি?
  1. প্রক্সিমা সেন্টারাই
  2. লুব্ধক
  3. পলিক্স
  4. ডিমোস
ব্যাখ্যা

• লুব্ধক (Sirius):
- লুব্ধক (Sirius) হল রাত্রিকালীন আকাশে দৃশ্যমান সবচেয়ে উজ্জ্বল তারা।
- এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৮.৬ আলোকবর্ষ দূরে।
- লুব্ধক আসলে একটি যুগল তারকা (binary star system), যেখানে Sirius A ও Sirius B নামে দুটি তারা রয়েছে।

অন্যদিকে,
- প্রক্সিমা সেন্টারাই পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র।
- (প্রক্সিমা সেন্টরাই (Proxima Centauri) হল পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র, যদি আমরা সূর্যকে গণনার বাইরে রাখি।)

- ডিমোস মঙ্গল গ্রহের একটি উপগ্রহ।
- পলিক্স এটি Gemini তারামণ্ডলের সবচেয়ে উজ্জ্বল তারকা।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,৭৯৯.
বাংলাদেশের কৃষি মৌসুম কয় ভাগে বিভক্ত?
  1. তিনটি মৌসুমে
  2. দুটি মৌসুমে
  3. চারটি মৌসুমে
  4. একটি মৌসুমে
ব্যাখ্যা

• কৃষি মৌসুম: 
• কৃষি ঋতু তিনটি। 
যথা-
- রবি (শীতকাল), 
- খরিপ-১ (গ্রীষ্মকাল) ও 
- খরিপ-২ (বর্ষাকাল)। 

• ঋতু ভেদে ফসল উৎপাদনে ভিন্নতা দেখা যায়।
- যেমন- শীতকালে, শাক সবজি ও গ্রীষ্মকালে ফলমূলের উৎপাদন বেশি হয়।
- বিশেষ করে জৈষ্ঠ্য মাসে দেশীয় নানা সুমিষ্ট ফলমূলের সমাহার বেশি থাকে বলে একে মধু মাসও বলা হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ৭ম শ্রেণি।

২,৮০০.
ঊর্ধ্বপাতন ঘটে না কার?
  1. ক) নিশাদল
  2. খ) কর্পূর
  3. গ) আয়োডিন
  4. ঘ) বরফ
ব্যাখ্যা
যে প্রক্রিয়ায় কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি গ্যাসীয় পদার্থে পরিণত হয় তাকে ঊর্ধ্বপাতন বলে। নিশাদল, কর্পূর, আয়োডিন, কঠিন কার্বন ডাই অক্সাইডের বেলায় এরকম হয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই