বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আধুনিক বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৩,৮৭৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আধুনিক বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ২০ / ৩৯ · ১,৯০১২,০০০ / ৩,৮৭৯

১,৯০১.
মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্র মোট কতটি অস্থি নিয়ে গঠিত? 
  1. ২০২টি
  2. ২০৬টি
  3. ২০৮টি
  4. ২১২টি
ব্যাখ্যা
মানব কঙ্কাল: 
- মানব দেহের গঠন কাঠামো হলো কঙ্কাল (Skeleton)। 
- অস্থি (Bone) ও তরুণাস্থি (Cartilage) দ্বারা গঠিত যে তন্ত্র দেহের মূল কাঠামো গঠন করে এবং অভ্যন্তরীণ নরম অঙ্গগুলোকে রক্ষা করে দেহের ভার বহন করে এবং পেশি সংযোজনের জন্য উপযুক্ত স্থান সৃষ্টি করে তাকে কঙ্কালতন্ত্র (Skeletal system) বলে। 
- মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্র মোট ২০৬টি অস্থি নিয়ে গঠিত। 
- হৃদপিন্ড, ফুসফুস, পাকস্থলী, যকৃত, মগজ ইত্যাদি দেহের কোমল অঙ্গসমূহকে অস্থির আবরণে সুরক্ষিত রাখে। 
- অস্থিগুলো ঐচ্ছিক মাংসপেশি দ্বারা পরস্পর যুক্ত থাকায় ইচ্ছাকৃত অঙ্গ সঞ্চালন ও চলাফেরা করা সম্ভব হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯০২.
মহাবিশ্বের উৎপত্তি এবং বিবর্তন সম্পর্কে কোনটিতে আলোচনা করা হয়?
  1. ক) জেনেটিক্স 
  2. খ) কসমোলজি
  3. গ) সমুদ্রবিদ্যা
  4. ঘ) প্রত্নতত্ত্ববিদ্যা
ব্যাখ্যা
মহাবিশ্বের উৎপত্তি এবং বিবর্তন সম্পর্কে কসমোলজি শাখায় আলোচনা ও গবেষণা করা হয়। কসমোলজি মূলত জ্যোতির্বিদ্যার একটি শাখা। NASA'র সংজ্ঞানুসারে, কসমোলজির সংজ্ঞা হল "সম্পূর্ণ মহাবিশ্বের বৃহৎ আকারের বৈশিষ্ট্যগুলির বৈজ্ঞানিক অধ্যয়ন।" 

সূত্র: নাসা ওয়েবসাইট। 
১,৯০৩.
বাতাসের আদ্রতা মাপার যন্ত্রের নাম কী?
  1. ক) মাইকোমিটার
  2. খ) হাইগ্রোমিটার
  3. গ) বায়ােমিটার
  4. ঘ) গ্রাভিমিটার
ব্যাখ্যা
- বায়ুর আর্দ্রতা মাপার যন্ত্র : হাইগ্রোমিটার
- গ্রাডিমিটার -- পানির নিচে তেলের সঞ্চয় নির্ণায়ক যন্ত্র।
- রক্তচাপ মাপার যন্ত্র : স্ফিগমোম্যানোমিটার।

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা।
১,৯০৪.
স্ট্রোকের কারণে কোন শারীরিক সমস্যাটি দেখা দেয়?
  1. ক) এপিলেপসি
  2. খ) প্যারালাইসিস
  3. গ) পারকিনসন
  4. ঘ) অস্টিওপরোসিস
ব্যাখ্যা
স্ট্রোকের কারণে প্যারালাইসিস নামক শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। 

- প্যারালাইসিস বা পক্ষাঘাতগ্রস্ততা হচ্ছে মানুষের শরীরের কোনো অংশের মাংসপেশির কর্মক্ষমতা হারানো।
- মাংসপেশি শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের নাড়াচড়া করিয়ে থাকে, আর যদি ওই অংশের মাংসপেশির কর্মক্ষমতা হারায় তখন রোগী শরীরের ওই অংশের নড়াচড়া করার ক্ষমতা হারায়, অনেক সময় ওই অংশের বোধ বা অনুভূতি শক্তিও হারিয়ে ফেলে,তখন এটাকেই বলে প্যারালাইসিস।
- প্যারালাইসিস রোগ দেখা দেয়ার সাথে সাথে রোগীকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে এবং প্রয়োজনে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে।
- প্যারালাইসিসের জন্য রোগীর ওষুধের চেয়েও বেশি দরকার হলো পরিচর্যার এবং প্রশিক্ষণের।
- ওষুধ হিসেবে প্রয়োজন অনুযায়ী পেনটস্রিফাইলিন, ভিমপোসিটিন, এসপিরিন ইত্যাদি দেয়া যেতে পারে।
- প্যারালাইসিস রিসার্চ সেন্টারের তত্ত্বাবধানে আমেরিকায় ৫.৪ মিলিয়ন জনগোষ্ঠীর উপর করা এক গবেষণায় দেখা যায় প্রতি ৫০ জন লোকের মধ্যে ১ জন প্যারালাইসিসে আক্রান্ত।
- প্যারালাইসিস বিষয়টি মূলত নিউরোমাসকুলার অর্থাৎ নার্ভ ও মাংসপেশির সঙ্গে সম্পর্কিত। 
- নার্ভের ইনজুরি বা অস্বাভাবিকতার কারণে মাংসপেশির পরিবর্তন বা দুর্বলতা বা অক্ষমতাই প্যারালাসিস হওয়ার জন্য প্রাথমিক সূচক। 

সূত্র- ২২৬ পৃষ্ঠা, জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকা [লিঙ্ক]
১,৯০৫.
ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ কত হলে তাকে সাইক্লোন হিসেবে গণ্য করা হয়?
  1. ৪০ কিলোমিটার বা তার বেশি
  2. ৪৩ কিলোমিটার বা তার বেশি
  3. ৫১ কিলোমিটার বা তার বেশি
  4. ৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি
ব্যাখ্যা
• সাইক্লোন হলো একটি প্রাকৃতিক বায়ুপ্রবাহ যা শক্তিশালী ঘূর্ণায়মান বাতাসের মাধ্যমে সৃষ্টি হয়। সাধারণত, যখন বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি হয়, তখন তাকে সাইক্লোন হিসেবে গণ্য করা হয়। এই ধরনের বাতাস খুবই শক্তিশালী এবং এর ফলে প্রচণ্ড বৃষ্টিপাত, প্রবল ঝড়, ও বন্যার ঝুঁকি বেড়ে যায়। সাইক্লোন সাধারণত গভীর নিম্নচাপের অঞ্চল থেকে সৃষ্টি হয় এবং এটি স্থল বা সাগরের উপরে দ্রুত বেগে চলতে থাকে। সুতরাং, ঘন্টায় বাতাসের গতি যদি ৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি হয়, তখন সেটাকে সাইক্লোন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সাইক্লোনের কারণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে, তাই এটি গুরুত্ব সহকারে পর্যবেক্ষণ করা হয়।

সাইক্লোন:

- সাইক্লোন সৃষ্টির পেছনে ‍গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে নিম্নচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা।
- সাধারণভাবে সাগরের তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে তা সাইক্লোন সৃষ্টির জন্যে উপযোগী হয়।
- বঙ্গোসাগরে প্রায় সারাবছর এই পরিমাণ তাপমাত্রা থাকার কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
- বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি হলে একে সাইক্লোন হিসেবে গণ্য করা হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৯০৬.
পুকুরের পানির ভেতর মাছকে কিছুটা ওপরে দেখা যাওয়ার কারণ আলাের কোন ঘটনা?
  1. ক) প্রতিফলন
  2. খ) প্রতিসরণ
  3. গ) অপবর্তন
  4. ঘ) সমবর্তন
ব্যাখ্যা

আলোর প্রতিসরণের ফলে- 
১) পুকুরের পানির ভেতর মাছকে কিছুটা ওপরে দেখা যায়।
২) একটি সরল দণ্ডকে তির্যকভাবে পানিতে ডোবালে বাঁকা দেখা যায়
৩) পানিতে ডােবানাে পয়সা উপর থেকে তাকালে কিছুটা উপরে দেখা যায়
৪) খাড়াভাবে তাকালে পুকুরের গভীরতা প্রকৃত গভীরতা থেকে কম মনে হয়
(উৎসঃ  ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান আলোকে )

১,৯০৭.
বোসন কোন ধরনের কণা?
  1. যৌগিক কণা 
  2. জটিল কণা 
  3. দুর্বল কণা
  4. মৌলিক কণা 
ব্যাখ্যা

কণা: 
- কণাকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- মৌলিক কণা এবং যৌগিক কণা। 
- মৌলিক কণা হলো এমন কণা যার ভিতরে আর কোনও কণা নেই। 
- যৌগিক কণা হলো এমন কণা যা দুটি বা ততোধিক মৌলিক কণার সমন্বয়ে গঠিত। 
 
বোসন: 
- বোসন হল মৌলিক কণা যেগুলো পূর্ণসংখ্যার মান (০, ১, ২ ইত্যাদি) স্পিন করে। 
- মৌলিক বলগুলো কাজ করে কণার আদান-প্রদানের মাধ্যমে। এই বলবাহী কণাগুলোই হচ্ছে বোসন। 
- এদের স্পিন পূর্ণসংখ্যা ০, ১ ইত্যাদি। 
-  স্পিন হল কণার চৌম্বকীয় বৈশিষ্ট্যের একটি পরিমাপ। 
- স্পিন পূর্ণসংখ্যা থাকার কারণে, বোসনরা পাউলির বর্জন নীতি মেনে চলে না। 
- পাউলির বর্জন নীতি অনুসারে, একই শক্তিস্তরে একই কোয়ান্টাম সংখ্যা বিশিষ্ট দুটি কণা একই স্থান দখল করতে পারে না। 
- এদের আলাদা প্রতিকণা নেই। এরা নিজেরাই নিজেদের প্রতিকণা। 
- স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে বোসন কণাগুলো দুই ধরনের। 
যথা- ১। গেজ বোসন ও ২। হিগস বোসন। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯০৮.
IC এর পূর্ণরূপ কি?
  1. ক) Integrated Circuit
  2. খ) Integrated Circle
  3. গ) Integrated Cycle
  4. ঘ) Internal Coil
ব্যাখ্যা

- IC এর পূর্ণরূপ - Integrated Circuit
- আইসি হল একটি সংকর সমন্বিত বর্তনী যার উপরে একাধিক ভিন্ন ভিন্ন অর্ধপরিবাহী বস্তু ও নিষ্ক্রিয় (প্যাসিভ) উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত ক্ষুদ্র ইলেক্ট্রনিক বর্তনী।
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটকে মাইক্রোইলেক্ট্রনিক সার্কিট, মাইক্রোচিপ বা চিপও বলা হয়।

উৎস: Britannica

১,৯০৯.
ফেরেলের সূত্রানুযায়ী, বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধে কোন দিকে বেঁকে যায়?
  1. সোজা দিকে
  2. উল্টো দিকে
  3. ডান দিকে
  4. বাম দিকে
ব্যাখ্যা
• কোরিওলিস প্রভাব:
- ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ু উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে প্রবাহিত হয়।
- বায়ুপ্রবাহের পরিবর্তনের এই শক্তিকেই বলা হয় কোরিওলিস প্রভাব/শক্তি।
- গোলার্ধভিত্তিক এই পরিবর্তন কোনো প্রবাহিত চলমান বস্তুর উপর পৃথিবীর ঘূর্ণন বলের প্রভাব বলে অনুমান করা যায়।
- এই দিক পরিবর্তনকারী শক্তি -
১. বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তনে প্রভাব ফেলে যা সর্বদা লম্বভাবে ক্রিয়া করে।
২. কোরিওলিস শক্তি বায়ুর গতির উপর কোনো প্রভাব ফেলে না।
৩. কোরিওলিসের প্রভাব মেরুতে সবচেয়ে বেশি এবং বিষুবীয় এলাকায় অস্তিত্ব লোপ পায়।

• পৃথিবীর আবর্তন:
- আহ্নিক গতির কারণে পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে ঘুরছে।
- পৃথিবীর এইরূপ আর্বতনের সাথে সাথে সাগর মহাসাগরের পানিরাশিও পশ্চিম হতে পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়ে সমুদ্র স্রোতের সৃষ্টি হয়।
- আবর্তন গতির ফলে সৃষ্ট সমুদ্র স্রোত ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে প্রবাহিত হয।
- যেমন: উত্তর গোলার্ধে উপসাগরীয় স্রোত ও ক্যানারি স্রোতের প্রবাহ ঘড়ির কাঁটার দিকে অর্থাৎ ডান দিক ঘুরে প্রবাহিত হয়।
- একইভাবে দক্ষিণ গোলার্ধে ব্রাজিল স্রোত ও পশ্চিমা বায়ু প্রবাহজনিত স্রোত ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে ঘুরে প্রবাহিত হয়।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯১০.
কোভিড-১৯ কে বৈশ্বিক মহামারী হিসেবে কবে কে ঘোষণা দেয়?
  1. ১১ মার্চ ২০২০, WHO
  2. ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, UNICEF
  3. ১৪ মার্চ ২০২০, WHO
  4. ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, WHO
ব্যাখ্যা
COVID-19 অতিমারী বা মহামারী:
- ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বিষয়ে চীনা সরকার প্রথম বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে অবহিত করে।
- ৩০ জানুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনা ইস্যুতে বিশ্বে স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা জারি করে।
- ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই রোগের নামকরণ করে COVID-19।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১১ মার্চ ২০২০ সালে COVID-19 কে অতিমারী বা মহামারী হিসেবে চিহ্নিত করে।

উৎস: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ওয়েবসাইট।
১,৯১১.
কোনটি দ্বারা মাছ চাষ বোঝায়?
  1. এপিকালচার
  2. সেরিকালচার
  3. পিসিকালচার
  4. হর্টিকালচার
ব্যাখ্যা

◉ পিসিকালচার (Pisciculture) — মাছের চাষ বা উৎপাদনকে বোঝায়। এটি মৎস্যচাষের বৈজ্ঞানিক নাম।

পিসিকালচার (Pisciculture):
- বিজ্ঞানভিত্তিক উপায়ে মৎস্য চাষ তথা মৎস্য পালন, আহরণ ও সংরক্ষণ পদ্ধতিকে পিসিকালচার বলে।
- মাছ ছাড়াও বিভিন্ন শামুক, ঝিনুক, কাঁকড়া ইত্যাদি অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পন্ন প্রাণীদের চাষ পালন, আহরণ ও সংরক্ষণ পদ্ধতিকে পিসিকালচার বলে।

অন্যান্য অপসনসমূহ, 
এপিকালচার (Apiculture) — মৌমাছি পালন।
সেরিকালচার (Sericulture) — রেশম উৎপাদনের জন্য রেশমকীট পালন।
হর্টিকালচার (Horticulture) — ফল, ফুল, শাকসবজির চাষ।

উৎস:
১. কৃষিশিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১,৯১২.
বজ্রবৃষ্টির ফলে মাটিতে উদ্ভিদের কোন খাদ্য উপাদান বৃদ্ধি পায়?
  1. নাইট্রোজেন
  2. পটাশিয়াম
  3. অক্সিজেন
  4. ফসফরাস
ব্যাখ্যা
- মাটিতে নাইট্রোজেনের উৎস নাইট্রোজেন লবণ। 
- বায়ুমণ্ডলে শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ নাইট্রোজেন থাকা সত্ত্বেও উদ্ভিদ সরাসরি বায়ুমণ্ডল থেকে নাইট্রোজেন গ্রহণ করতে পারে না। 
- উদ্ভিদ মাটি থেকে আয়নিত অবস্থায় নাইট্রোজেন গ্রহণ করে থাকে। 
- বিশ্বে ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সারের মধ্যে ইউরিয়া অন্যতম প্রধান এবং বহুল ব্যবহৃত সার। 

- বজ্রপাত একটি শক্তিশালী সার প্রদানকারী এজেন্ট। 
- প্রতিবার বজ্রপাত ঘটলে বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেন হাইড্রোজেন বা অক্সিজেনের সাথে মিলিত হয়ে অ্যামোনিয়াম এবং নাইট্রেট তৈরি করে। 
- নাইট্রোজেন তারপর বৃষ্টিতে মাটিতে ধুয়ে যায়। 
- গাছপালা তখন মাটি থেকে নাইট্রোজেন শোষণ করে এবং বৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করে। 
- যেহেতু ইহা ক্লোরোফিলের একটি মূল উপাদান বিধায় নাইট্রোজেন গাছের সবুজায়ন ঘটায়। 

Lightening is a potent fertilizing agent. Every time it strikes, nitrogen in the atmosphere is combined with hydrogen or oxygen to form ammonium and nitrate, two forms of nitrogen. The nitrogen then goes into solution in atmospheric moisture and is washed to the ground in rainfall. Plants then absorb nitrogen from the ground and utilize it for growth. Since it is a key constituent in chlorophyll, the green pigment of plants, nitrogen causes a greening of the plant.

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং cals.arizona.edu
১,৯১৩.
‘পদার্থ এবং শক্তি প্রকৃতপক্ষে অভিন্ন’ এই বিষয়টি কে পরীক্ষা করে দেখান?
  1. ক) নিউটন
  2. খ) আইনস্টাইন
  3. গ) স্টিফেন হকিং
  4. ঘ) ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
ব্যাখ্যা
১৯০৫ সালে আইনস্টাইন দেখান যে, পদার্থ এবং শক্তি প্রকৃতপক্ষে অভিন্ন। E = mc2, একে আইনস্টাইনের পদার্থ ও শক্তির অভিন্নতা বিষয়ক সূত্র বলা হয়।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১,৯১৪.
অন্ধদের জন্য লিখনরীতির উদ্ভাবন করেন-
  1. ক) ব্রেইল
  2. খ) কপার্নিকাস
  3. গ) ডেভিটবোর
  4. ঘ) টমাস আলভা এডিসন
ব্যাখ্যা
- Braille, universally accepted system of writing used by and for blind persons and consisting of a code of 63 characters, each made up of one to six raised dots arranged in a six-position matrix or cell.
- These Braille characters are embossed in lines on paper and read by passing the fingers lightly over the manuscript.
- Louis Braille, who was blinded at the age of three, invented the system in 1824 while a student at the Institution Nationale des Jeunes Aveugles (National Institute for Blind Children), Paris.

Source: Britannica
১,৯১৫.
আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় ভিডিও কনফারেন্সিং একটি ___ প্রক্রিয়া।
  1. একমুখী
  2. উভমুখী
  3. বহুমুখী
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা: 
- ভিন্ন ভৌগোলিক দূরত্বে কিছু ব্যক্তি অবস্থান করে টেলিযোগাযোগ সিস্টেমের মাধ্যমে সংযুক্ত থেকে কোন সভা অথবা সেমিনার অনুষ্ঠানের প্রক্রিয়াকে বলা হয় টেলিকনফারেন্সিং। 
- বিভিন্ন ধরনের টেলিকনফারেন্সিং ব্যবস্থা রয়েছে। 
যেমন- পাবলিক কনফারেন্স, ক্লোজড কনফারেন্স এবং অনলি কনফারেন্স। 
- টেলিকমিউনিকেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে দুই বা ততোধিক ভৌগোলিক অবস্থানে অডিও এবং ভিডিও এর যুগপৎ উভমুখী স্থানান্তর করার প্রক্রিয়াকে ভিডিও কনফারেন্সিং বলে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১,৯১৬.
বিভাজন ক্ষমতা নেই কোন কোষের?
  1. ক) স্নায়ু কোষের
  2. খ) পেশি কোষের
  3. গ) আবরণী কোষের
  4. ঘ) জনন কোষের
ব্যাখ্যা
নিউরন বা স্নায়ুকোষ বহুভাজাকৃতি এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত। কোষের সাইটোপ্লাজমে মাইটোকন্ড্রিয়া, গলজিবডি, রাইবোজোম, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি থাকে, তবে নিউরনের সাইটোপ্লাজমে সক্রিয় সেন্ট্রিওল থাকে না বলে নিউরন বা স্নায়ুকোষ বিভাজিত হয় না। সূত্রঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি।
১,৯১৭.
অসংক্রামক ব্যাধি-
  1. ক) যক্ষ্মা
  2. খ) নিউমোনিয়া
  3. গ) অ্যাজমা
  4. ঘ) আমাশয়
ব্যাখ্যা
এইডস, যক্ষ্মা, পোলিও, ধনুষ্টংকার, হাম, হার্পিস, কোভিড-১৯, দাদ, নিউমোনিয়া, আমাশয় ইত্যাদি হল সংক্রামক রোগ। অন্যদিকে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, অ্যাজমা, কিডনি রোগ ইত্যাদি হল অসংক্রামক রোগ।
১,৯১৮.
ব্যাকটেরিয়ার বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ক) এরা আণুবীক্ষণিক জীব।
  2. খ) এরা অকোষীয়।
  3. গ) এদের কোষ প্রাককেন্দ্রিক।
  4. ঘ) এরা সাধারণত বাইনারি ফিশন প্রক্রিয়ায় সংখ্যাবৃদ্ধি করে।
ব্যাখ্যা
ব্যাকটেরিয়ার বৈশিষ্ট্য
ব্যাকটেরিয়া জড় কোষ প্রাচীরবিশিষ্ট এককোষী আদিকেন্দ্রিক অণুজীব। এর সাধারণ বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে
১. ব্যাকটেরিয়ার আকার সাধারণত ০.২-৫০ মাইক্রোমিটার।
২. এরা আণুবীক্ষণিক জীব।
৩. এরা এককোষী, তবে একসাথে অনেকগুলো কোষ কলোনি করে বা দলবদ্ধভাবে থাকতে পারে।
৪. এদের কোষ প্রাককেন্দ্রিক। তাই এদের কোষে রাইবোসোম ছাড়া অন্য কোন ঝিল্লীবদ্ধ অঙ্গাণু (যেমন নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া, ক্লোরোপ্লাস্ট, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম, গলগি বডি, লাইসোসোম এবং সাইটোস্কেলেটন ইত্যাদি) থাকে না।
৫. এরা পরজীবী ও রোগ উৎপাদনকারী, অধিকাংশই মৃতজীবি এবং কিছু স্বনির্ভর। এরা সাধারণত দ্বিভাজন বা বাইনারি ফিশন প্রক্রিয়ায় সংখ্যাবৃদ্ধি করে।
৬. এদের কোষ প্রাচীর প্রধানত পেপটিডোগ্লাইকান। এর সাথে মিউরামিক অ্যাসিড এবং টিকোয়িক অ্যাসিড থাকে।
৭. ফায ভাইরাসের প্রতি এরা সংবেদনশীল।
৮. এরা অজৈব লবণ জারিত করে শক্তি সংগ্রহ করে।
৯. এরা সাধারণত মৌলিক রং ধারণ করতে পারে। যেমন- গ্রাম পজিটিভ বা গ্রাম নেগেটিভ।
১০. এদের কোষে ক্রোমোসোম হিসেবে একটি দ্বিসূত্রক বৃত্তাকার DNA অণু থাকে। এতে ক্রোমোসোমাল হিস্টোন প্রোটিন থাকে না।
১১. কিছুকিছু ব্যাকটেরিয়াতে নিউক্লিয়ার বহির্ভূত DNA থাকে যা সাধারণত প্লাজমিড নামে পরিচিত।

সূত্র: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র(উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১,৯১৯.
মহাবিশ্বের গঠনে অদৃশ্য বস্তুর অবদান প্রায়-
  1. 70%
  2. 27%
  3. 5%
  4. 35%
ব্যাখ্যা
By fitting a theoretical model of the composition of the universe to the combined set of cosmological observations, scientists have come up with the composition:
~68% dark energy, ~27% dark matter, ~5% normal matter. 

Source: science.nasa.gov
১,৯২০.
ভূমিকম্পের কেন্দ্র বরাবর লম্বভাবে ভূ-পৃষ্ঠের যে বিন্দুটি থাকে, তাকে কী বলা হয়?
  1. সমকেন্দ্র
  2. উপকেন্দ্র
  3. অনুকেন্দ্র
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

ভূমিকম্প:
- ভূ-আলোড়নের সময়ে অথবা অন্য কোন প্রাকৃতিক কারণে ভূ-পৃষ্ঠের একটি অংশ যখন হঠাৎ কিছুক্ষণের জন্য কেঁপে উঠে, তখন ভূ-ত্বকের এই কম্পনকে ভূমিকম্প বলা হয়।
- ভূ-গর্ভস্থ যে স্থানে এই কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকম্পের উৎস স্থল বা কম্পকেন্দ্র বলা হয়।
- কম্পকেন্দ্র বরাবর লম্বভাবে ভূ-পৃষ্ঠের যে বিন্দুটি থাকে, তাকে উপকেন্দ্র বলা হয়।
- সাধারণত ভূ-ত্বকের ৩২ কি.মি. এর মধ্যে ভূমিকম্পের উৎস স্থান থাকলেও কোনো কোনো ক্ষেত্রে গভীরতা আরও বেশি হতে পারে।
- কম্পকেন্দ্র থেকে ভূমিকম্প চারিদিকে ঢেউ-এর মত ছড়িয়ে পড়ে।
- ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়ে থাকে। ভূমিকম্প মাপন যন্ত্রের নাম সিসমোমিটার।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯২১.
মহাকাশযাত্রার প্রথম পদক্ষেপটির সূচনা হয়েছিল কত সালে?
  1. ১৯৬১ সালে
  2. ১৯৫৭ সালে
  3. ১৯৫১ সালে
  4. ১৯৬৫ সালে
  5. ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
- মহাকাশযাত্রার প্রথম পদক্ষেপটির সূচনা হয়েছিল ১৯৫৭ সালের ৪ঠা অক্টোবর।
- এই যাত্রার সূচনা করে তৎকালীন সোভিয়েট ইউনিয়ন।
- তারা স্পুটনিক-১ নামক - কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করে।
- স্পুটনিক শব্দের অর্থ হলো ভ্রমণসঙ্গী বা সহযাত্রী।
- একই বছর ২রা নভেম্বর স্পুটনিক-২ নামক আরেকটি কৃত্রিম উপগ্রহ তারা মহাকাশে পাঠান।

উল্লেখ্য,
- প্রথম মার্কিন কৃত্রিম উপগ্রহের নাম এক্সপ্লোরার-১।
- এই উপগ্রহ ১৯৫৮ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি মহাকাশে পাঠানো হয়।
- ভস্টক-১ নামক সোভিয়েট কৃত্রিম উপগ্রহ মানুষ নিয়ে প্রথম পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে।
- প্রথম মহাকাশে গিয়েছিলেন সোভিয়েট ইউনিয়নের ইউরি গ্যাগারিন।
- তিনি ১৯৬১ সালের ১২ই এপ্রিল ভস্টক-১ কৃত্রিম উপগ্রহে চড়ে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করেন।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১,৯২২.
ডায়াবেটিস রােগী নিচের কোনটি খেতে পারবেন না?
  1. ক) কাঁচাকলা
  2. খ) খেজুরের রস
  3. গ) কচুরমুখি
  4. ঘ) মিষ্টি কুমড়া
ব্যাখ্যা
ডায়াবেটিস রােগী খেতে পারবেন না:
- চিনি/গুড়
- মধু
- খেজুরের রস।

ডায়াবেটিস রােগী ইচ্ছামতাে খেতে পারবেন:
-  শাকসবজি
- টক ফল।

ডায়াবেটিস রােগী পরিমাণমতাে খেতে পারবেন:
- আটার রুটি/ভাত/মুড়ি
- মাছ
- ডিম/ডাল।
- সবজি: আলু, কাঁচাকলা, মিষ্টি কুমড়া, কচুরমুখি, শিমের বিচি, গাজর।


সূত্র: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট
১,৯২৩.
জ্যোতিষ্ক কত প্রকার?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৭
ব্যাখ্যা

মহাশূন্যে অবস্থিত বস্তুসমূহকে জ্যোতিষ্ক বলা হয়ে থাকে।
জ্যোতিষ্ক ৭ প্রকার।
যথা-নক্ষত্র, নীহারিকা, গ্রহ, উপগ্রহ, ছায়াপথ, ধূমকেতু এবং উল্কা।
উৎস: ভূগােল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৯২৪.
জোয়ার-ভাটা সম্পর্কিত কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. ক) ভাটার স্রোতের বিপরীতে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়
  2. খ) চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ শক্তির প্রভাবে জোয়ার-ভাটা হয়
  3. গ) দৈনিক একবার জোয়ার-ভাটা হয়
  4. ঘ) জোয়ার-ভাটার ফলে সৃষ্ট স্রোতের সাহায্যে নদীখাত গভীর হয়
ব্যাখ্যা
প্রধানত দুটি কারণে জোয়ার-ভাটার সৃষ্টি হয়। এগুলাে হলাে-
(১) চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব
(২) পৃথিবীর আবর্তনের ফলে উৎপন্ন কেন্দ্রাতিগ শক্তি।
জোয়ার-ভাটার প্রভাব (Effects of Tides): মানব-জীবনের উপর জোয়ার-ভাটার যথেষ্ট প্রভাব আছে। বিশ্বের সমুদ্র উপকূলবর্তী দেশসমূহে জোয়ার-ভাটার নিম্নের প্রভাবসমূহ লক্ষ করা যায়।
১। জোয়ার-ভাটার মাধ্যমে ভূখন্ড থেকে আবর্জনাসমূহ নদীর মধ্য দিয়ে সমুদ্রে গিয়ে পতিত হয়।
২। দৈনিক দুবার জোয়ার-ভাটা হওয়ার ফলে ভাটার টানে নদীর মােহনায় পলি ও আবর্জনা জমতে পারে না।
৩। জোয়ার-ভাটার ফলে সৃষ্ট স্রোতের সাহায্যে নদীখাত গভীর হয়।
৪। বহু নদীতে ভাটার স্রোতের বিপরীতে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ (Hydroelectricity) উৎপাদন করা হয়।
উৎসঃ ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৯২৫.
মহাবিশ্বের উৎপত্তি সম্পর্কে প্রাথমিক ও প্রধান তত্ত্ব কোনটি?
  1. ডারউইনের বিবর্তন তত্ত্ব
  2. বিগব্যাং তত্ত্ব
  3. আপেক্ষিক তত্ত্ব
  4. নিউটনের গতি সূত্রীয় তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

• মহাবিশ্বের উৎপত্তি সম্পর্কে প্রাথমিক ও প্রধান তত্ত্ব হলো বিগব্যাং তত্ত্ব (খ)। এই তত্ত্ব অনুযায়ী, প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে মহাবিশ্ব একটি অত্যন্ত ঘন ও উত্তপ্ত বিন্দু থেকে বিস্ফোরণের মাধ্যমে প্রসারিত হতে শুরু করে। সেই বিস্ফোরণের ফলেই স্থান, সময়, পদার্থ ও শক্তির সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে গ্যালাক্সি, নক্ষত্র, গ্রহ ও অন্যান্য জাগতিক বস্তুর গঠন ঘটে। ডারউইনের বিবর্তন তত্ত্ব জীবজগতের বিকাশ ব্যাখ্যা করে, আপেক্ষিক তত্ত্ব মহাকর্ষ ও স্থান-সময়ের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করে এবং নিউটনের গতি সূত্র বস্তুগত গতি বোঝায়, কিন্তু মহাবিশ্বের উৎপত্তি ব্যাখ্যা করে না।

মহাবিশ্ব: 
- এ সৃষ্টি জগতে যা কিছু আছে তার সবকিছু নিয়েই মহাবিশ্ব। 
যেমন- ক্ষুদ্র পোকামাকড় ও ধূলিকণা থেকে শুরু করে এই পৃথিবী, দূর-দূরান্তের গ্রহ-নক্ষত্র, ধূমকেতু, গ্যালাক্সি এবং দেখা না দেখা সবকিছু নিয়েই মহাবিশ্ব। 
- অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন মহাবিশ্বের শুরু ও শেষ নেই, তবে কেউ কেউ এখনও বিশ্বাস করেন মহাবিশ্বের আকার ও আকৃতি আছে। 
- বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন, মহাবিশ্বের কোনো কোনো অংশে বস্তু বা পদার্থের উপস্থিতি অন্য অংশের চেয়ে বেশি। 
- যেসব অংশে পদার্থ বা বস্তু বেশি জড়ো বা ঘনীভূত হয়েছে, তাদের বলা হয় গ্যালাক্সি বা নক্ষত্রজগৎ। গ্যালাক্সি হলো গ্রহ ও নক্ষত্রের এক বৃহৎ দল। 
- বাসভূমি পৃথিবী যে গ্যালাক্সিতে অবস্থিত তার নাম ছায়াপথ বা মিল্কিওয়ে, এরকম কোটি কোটি গ্যালাক্সি রয়েছে মহাবিশ্বে, যেখানে রয়েছে কোটি কোটি নক্ষত্র। 
- গ্যালাক্সিগুলো মহাকাশে ঘুরে বেড়ায়, গ্যালাক্সির নক্ষত্রগুলোকে যত কাছাকাছি মনে হয়, আসলে তা নয়; এরা পরস্পর থেকে অনেক দূরে। 
- আলো এক সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ যেতে পারে। পৃথিবী ও সূর্যের দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড। 
- অন্যদিকে সূর্য থেকে এর সবচেয়ে নিকটবর্তী নক্ষত্র আলফা সেন্টোরিতে আলো পৌঁছাতে সময় লাগে ৪ বছরের চেয়ে বেশি। এক দূরবর্তী নক্ষত্র থেকে অন্য দূরবর্তী নক্ষত্রে আলোর পৌঁছাতে সময় লাগতে পারে কয়েক মিলিয়ন বছর। এ থেকে বুঝায় যায়, নক্ষত্রগুলোর মধ্যবর্তী দূরত্ব কত বেশি আর মহাবিশ্ব কত বিশাল। 

মহাবিশ্বের উৎপত্তি: 
- মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও বিকাশ সংক্রান্ত যেসব তত্ত্ব আছে, তার মধ্যে বহুল প্রচলিত হলো 'বিগব্যাং তত্ত্ব', বাংলায় একে বলা হয় 'মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব'। 
- এই তত্ত্ব মতে, মহাবিশ্ব একসময় অত্যন্ত উত্তপ্ত ও একক বিন্দুতে অসীম ঘনত্বের (Infinitely dense) অবস্থায় ছিলো। 
- বিগব্যাং তত্ত্ব অনুসারে, মহাবিশ্ব স্বতঃস্ফূর্তভাবে অতি দ্রুত প্রসারিত হয়ে যায়। দ্রুত প্রসারণের ফলে মহাবিশ্ব ঠাণ্ডা হয়ে যায় এবং বর্তমান প্রসারণশীল অবস্থায় পৌঁছায়। 
- অতি সম্প্রতি জানা গেছে যে, বিগব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ সংঘটিত হয়েছিল প্রায় ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর (১৩৭৫ কোটি বছর) পূর্বে এবং এটাই মহাবিশ্বের বয়স। 
- বিগব্যাং তত্ত্ব একটি বহু পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব যা বেশিরভাগ বিজ্ঞানী গ্রহণ করেছেন, কারণ জ্যোতির্বিদদের পর্যবেক্ষিত প্রায় সকল ঘটনাই এই তত্ত্ব সঠিক ও ব্যাপকভাবে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম। 
- বর্তমান কালের বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংসহ সকল জ্যোর্তিবিজ্ঞানী এই তত্ত্বের পক্ষে মতামত ব্যক্ত করেছেন। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

১,৯২৬.
সৌরজগতের সবচেয়ে ছোট গ্রহ কোনটি?
  1. Mercury
  2. Venus
  3. Mars
  4. Uranus
ব্যাখ্যা

• বুধ (Mercury): 
- বুধ গ্রহ সৌরজগতের সবচেয়ে ছোট গ্রহ এবং সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার; এর ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার।
- সূর্যের খুব কাছাকাছি থাকায় সূর্যের আলোর তীব্রতার কারণে সবসময় একে দেখা যায় না।
- বুধ হল সবচেয়ে দ্রুততম গ্রহ, প্রতি ৮৮দিনে (পৃথিবীর) সূর্যের চারপাশে ঘুরে আসে।
- এটি প্রতি ৮৮ দিনে সূর্যের চারপাশে দ্রুত গতিতে ঘুরে আসে, মহাকাশে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ২৯ মাইল (৪৭ কিলোমিটার) গতিতে ভ্রমণ করে, যা অন্য যেকোনো গ্রহের চেয়ে দ্রুত।
- সুতরাং বুধ গ্রহে ৮৮ দিনে এক বছর হয়।
- বুধের মাধ্যাকর্ষণ বল এত কম যে এটি কোনো বায়ুমন্ডল ধরে রাখতে পারে না।
-  এখানে নেই মেঘ, বৃষ্টি, বাতাস ও পানি। সুতরাং প্রাণির অস্তিত্ব নেই।
- ১৯৭৪ সালে মার্কিন মহাশূন্যযান মেরিনার-১০ বুধের যে ছবি পাঠায় তা থেকে দেখা যায় যে, বুধের উপরিতল একদম চাঁদের মতো।
- ভূত্বক অসংখ্য গর্তে ভরা এবং এবড়ো-থেবড়ো। এখানে আছে অসংখ্য পাহাড় ও সমতলভূমি।
- বুধের কোনো উপগ্রহ নেই।

উৎস: NASA.

১,৯২৭.
কোন রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তির শরীরে খিঁচুনি দিতে থাকে?
  1. ক) প্যারালাইসিস
  2. খ) এপিলেপসি
  3. গ) পারকিনসন ডিজিজ
  4. ঘ) গয়টার
ব্যাখ্যা
এপিলেপসি মস্তিষ্কের একটি রোগ, যাতে আক্রান্ত ব্যাক্তির শরীরে খিঁচুনি বা কাঁপুনি দিতে থাকে। অনেক ক্ষেত্রে রোগী অজ্ঞান হয়ে পড়ে। একে মৃগী রোগও বলা হয়।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১,৯২৮.
পিতা ও মাতা দুই জনই থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক হলে, সন্তান থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাব্যতা কত?
  1. ক) ২৫%
  2. খ) ৫০%
  3. গ) ৭৫%
  4. ঘ) ১০০%
ব্যাখ্যা
- থ্যালাসেমিয়া বংশগত রক্তস্বল্পতাজনিত রোগ।
- মা ও বাবা দুজনই থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক হলে সন্তান থ্যালাসেমিয়ার রোগী হওয়ার আশঙ্কা থাকে। 
- এটি যেমন কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়, তেমনি রক্তের ক্যানসারও নয়।
- জিনগত ত্রুটির কারণে এই রোগে অস্বাভাবিক হিমোগ্লোবিন তৈরি হয় বলে লোহিত রক্তকণিকা সময়ের আগেই ভেঙে যায়। ফলে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। 

• পিতা ও মাতা দুই জনই থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক হলে -
- সুস্থ সন্তান জন্ম নেয়ার সম্ভাব্যতা - ২৫%
- সুস্থ কিন্তু বাহক শিশু জন্মের সম্ভাব্যতা - ৫০%
- থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশু জন্ম নেয়ার সম্ভাব্যতা - ২৫%।


সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৯২৯.
কোন বিজ্ঞানী রোগজীবাণু তত্ত্ব উদ্ভাবন করেন?
  1. লুই পাস্তুর
  2. প্রিস্টলি
  3. ডারউইন
  4. ল্যাভয়সিয়ে
ব্যাখ্যা
- বিজ্ঞানী 'লুই পাস্তুর' রোগজীবাণু তত্ত্ব উদ্ভাবন করেন। 
- তিনি ছিলেন ফ্রেঞ্চ রসায়নবিদ এবং অণুজীববিজ্ঞানী। 
- ১৮৮৫ সালে লুই পাস্তুর জলাতঙ্কের টিকা আবিষ্কার করেন এবং টিকাজগতে বিপ্লব ঘটান। 
- এছাড়াও তিনি মুরগির কলেরা, গবাদি পশুর অ্যানথ্রাক্স, পাস্তুরাইজেশন পদ্ধতি প্রভৃতি উদ্ভাবন করেন। 

উৎস: ব্রিটনিকা।
১,৯৩০.
নিচের কোনটি জীবন্ত জীবাশ্ম?
  1. ক) প্লাটিপাস
  2. খ) লিমুলাস
  3. গ) ইকুইজিটাম
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
জীবন্ত জীবাশ্ম:
কতগুলাে জীব সুদূর অতীতে উৎপত্তি লাভ করেও কোনােরকম পরিবর্তন ছাড়াই এখনাে পৃথিবীতে বেঁচে আছে অথচ তাদের সমগােত্রীয় এবং সমসাময়িক অনেক জীবনের বিলুপ্তি ঘটছে। এই জীবদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলে।
যেমন - লিমুলাস বা রাজকাঁকড়া নামক সন্ধিপদ প্রাণী, স্ফোনোডন নামক সরীসৃপ প্রাণী, প্লাটিপাস নামক স্তন্যপায়ী প্রাণী এর উদাহরণ।
অন্যদিকে,
- ইকুইজিটাম, নিটামপিঙ্কো বাইলােবা নামের উদ্ভিদগুলো উদ্ভিদের জীবন্ত জীবাশ্মের উদাহরণ।

প্রায় ৪০০ মিলিয়ন বছর আগে লিমিউলাস জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। এর সমসাময়িক অন্যান্য আথ্রোপোডাগুলাে বিলুত হয়ে গিয়েছে, কিন্তু এরা আজও বেঁচে আছে। তাই এদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়।

সুত্র: নব জীবনের সুচনা, বিজ্ঞান, নবম-দশম।
১,৯৩১.
জেনেটিক ডিজঅর্ডার- এর ফলে মানব দেহে কোন ধরনের রোগ দেখা দেয়?
  1. ক) বর্ণান্ধতা
  2. খ) থ্যালাসেমিয়া
  3. গ) ডাউন সিনড্রোম
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
জেনেটিক ডিসওর্ডার : বংশগতির অনিয়মের কারণে মানবদেহে বিভিন্ন ধরনের ঘটনা ঘটে যা উদ্বেগের বিষয়। বংশগতির এ অনিয়মকে বলা হয় জেনেটিক ডিসওর্ডার।
ইহা এক প্রকার অস্বাভাবিকতা। এর ফলে মানবদেহে বিভিন্ন ধরনের রোগ দেখা দেয়।
যেমন- বর্ণান্ধতা, থ্যালাসেমিয়া, ডাউন সিন্ড্রোম, পাটাও সিন্ড্রোম, এডওয়ার্ড সিন্ড্রোম, ক্লাইনফেল্টার ও ডাবল ওয়াই সিন্ড্রোম, ট্রিপলো-এক্স সিন্ড্রোম, টার্নার সিন্ড্রোম, হানটিংটন’স সিন্ড্রোম, সিকিল সেল (রক্তশূন্যতা) ইত্যাদি।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৩২.
সিস্টোলিক চাপ বলতে কোনটি বুঝায়? 
  1. ধমনির প্রসারণের চাপ 
  2. হৃৎপিণ্ডের প্রসারণ চাপ 
  3. হৃৎপিণ্ডের সংকোচন চাপ 
  4. হৃৎপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণ উভয় চাপ 
ব্যাখ্যা

হৃৎপিণ্ড (Heart): 
- মানুষের রক্ত সঞ্চালন ব্যবস্থার মূল অংশ হলো হৃৎপিণ্ড, ধমনি, শিরা এবং কৈশিক জালিকা। 
- হৃৎপিণ্ড অবিরাম সংকোচিত ও প্রসারিত হয়ে রক্তকে ধমনি ও শিরার মাধ্যমে সারা দেহে প্রেরণ করে। 
- হৃৎপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণ একটি নির্দিষ্ট ছন্দে ঘটে, যা রক্ত সঞ্চালনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 
- সিস্টোল (Systole) হল হৃৎপিণ্ডের সংকোচন পর্যায়, যখন রক্ত অলিন্দ থেকে ভেন্ট্রিকলে অথবা ভেন্ট্রিকল থেকে ধমনিতে প্রবাহিত হয়। 
- ডায়াস্টোল (Diastole) হলো হৃৎপিণ্ডের প্রসারণ পর্যায়, যখন হৃৎপিণ্ড রক্ত গ্রহণের জন্য আলগা হয়ে যায়। 
- সিস্টোলের সময় হৃৎপিণ্ডের চাপ সবচেয়ে বেশি থাকে, যা সিস্টোলিক চাপ নামে পরিচিত। 
- অলিন্দে যখন সিস্টোল হয়, তখন ভেন্ট্রিকল ডায়াস্টোল অবস্থায় থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৯৩৩.
সাইক্লোন সৃষ্টির জন্য কমপক্ষে কত তাপমাত্রার প্রয়োজন?
  1. ২৩° সেলসিয়াস 
  2. ২১° সেলসিয়াস 
  3. ২৪° সেলসিয়াস 
  4. ২৭° সেলসিয়াস 
ব্যাখ্যা

ঘূর্ণিঝড়:
- ঘূর্ণিঝড়ের ইংরেজি প্রতিশব্দ Cyclone।
- এটি গ্রিক শব্দ Kyklos থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। যার অর্থ কুণ্ডলি পাকানো সাপ।
- ঘূর্ণিঝড়ের বাতাস কুণ্ডলি পাকানো সাপের আকার ধারণ করে বলে এরূপ নামকরণ করা হয়েছে। 
- সাধারণত এপ্রিল-মে এবং অক্টোবর-ডিসেম্বর মাসে ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগর গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির একটি আদর্শ ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত।
- ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য সমুদ্র পৃষ্ঠে সাধারণত ২৭° সেলসিয়াস বা এর বেশি তাপমাত্রা প্রয়োজন হয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ বিরাজ করে।
- এসময় উচ্চচাপযুক্ত বায়ু প্রবলবেগে ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রভাগে যেখানে নিম্নচাপ থাকে সেদিকে ধাবিত হয়। এ প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে সম্পন্ন হয়।
- এটি উষ্ণ সমুদ্রপৃষ্ঠে উৎপত্তি লাভ করে মহাদেশীয় মূলভাগের দিকে অগ্রসর হয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলকে চোখ বলে।  

তথ্যসূত্র: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,৯৩৪.
সমস্ত শরীর থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত প্রথমে হৃদপিণ্ডের কোন প্রকোষ্ঠে এসে জমা হয়?
  1. বাম অলিন্দ
  2. বাম নিলয়
  3. ডান অলিন্দ
  4. করোনারি সাইনাস
ব্যাখ্যা

সমস্ত শরীর থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত প্রথমে হৃদপিণ্ডের ডান অলিন্দে এসে জমা হয়। এরপর এই রক্ত ডান নিলয়ের মাধ্যমে ফুসফুসীয় ধমনিতে প্রবেশ করে। ফুসফুসে এসে রক্ত অক্সিজেনসমৃদ্ধ হয়ে হৃদপিণ্ডের বাম অলিন্দে প্রবেশ করে৷ বাম অলিন্দ থেকে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত বাম নিলয়ে প্রবেশ করে এবং মহাধমনির মাধ্যমে সমস্ত শরীরে ছড়িয়ে পড়ে৷
করোনারি সাইনাস হৃদপিণ্ডের গাত্র থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত বহন করে এনে ডান অলিন্দে পৌছে দেয়৷
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১,৯৩৫.
মানুষের অন্ত্রে বসবাসকারী ব্যাকটেরিয়া কোনটি?
  1. ক) Enterococcus faecalis 
  2. খ) Moraxella catharralis 
  3. গ) Escherichia Coli
  4. ঘ) Neisseria meningitidis 
ব্যাখ্যা

মানুষের অন্ত্রে বসবাসকারী ব্যাকটেরিয়া হল- Escherichia Coli.

Escherichia Coli এক ধরণের ব্যকটিরিয়া৷ এটা সাধারণত তেমন কোন ক্ষতি করে না কিন্তু মানব দেহে তা খাবারের সঙ্গে প্রবেশ করতে পারে৷ প্রবেশ করলে তা ফুড-পয়জনিং বা খাবারে বিষক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে৷ ফলে মানুষটি মারা যেতে পারে৷ ইকোলাই এর ব্যকটিরিয়া সাধারণত পাকস্থলীতে আশ্রয় নেয়৷ সেখান থেকেই শুরু হয় বিষক্রিয়া৷

উৎস: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১,৯৩৬.
GMT কী?
  1. পৃথিবীর মধ্যভাগের সময়
  2. পৃথিবীর মানমন্দির
  3. সময় আবিষ্কারের স্থান
  4. একটি শহর
ব্যাখ্যা
গ্রিনিচ মান সময়: 
- গ্রিনিচ মান মন্দির যুক্তরাজ্য অবস্থিত। 
- Greenwich Mean Time (GMT) একটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে প্রণীত সময় পদ্ধতি। 
- বাংলাদেশের সাথে GMT এর পার্থক্য +৬ ঘন্টা। 
- গ্রীনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় ৬ ঘণ্টা আগে। 
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে। 
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা। 
- গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচ এর থেকে এগিয়ে থাকে। 

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৯৩৭.
গর্ববতী মায়ের রক্ত স্বল্পতা দেখা দিলে কোন ধরনের ট্যাবলেট খেতে বলা হয়?
  1. জিঙ্ক
  2. ভিটামিন
  3. আয়োডিন
  4. আয়রন ও ক্যালসিয়াম
ব্যাখ্যা
গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন সমস্যা: 
- প্রতিবছর গর্ভকালীন বিভিন্ন জটিলতায় আমাদের দেশে বহু নারীর মৃত্যু হয়। 
- গর্ভকালীন বিভিন্ন জটিলতা ও সমস্যা সম্পর্কে অজ্ঞতা ও সচেতনতার অভাবে মা ও শিশু উভয়ের জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। 
- তাই গর্ভকালীন সমস্যা বিষয়ে সচেতনতা ও সঠিক পরিচর্যাই পারে মা ও শিশুর জীবন বাঁচাতে। 

রক্ত স্বল্পতা: 
- অনেক সময় গর্ভাবস্থায় রক্ত স্বল্পতা দেখা দেয়। 
- ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রথম মাস থেকে ফলিক এসিড এবং ৩ মাসের পর থেকে আয়রন ও ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট খেতে হবে। 
- আয়রনযুক্ত খাবার যেমন- কচু শাক, কলিজা, তেঁতুল, তরমুজ, ডিম ইত্যাদি খেতে হবে। 
- ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার যেমন- আমলকি, লেবু, কাঁচামরিচ, পেয়ারা, আনারস এবং কাঁচা ফলমূল খেতে হবে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৯৩৮.
লোহিত রক্ত কণিকার অস্বাভাবিক অবস্থাজনিত রোগের নাম কী?
  1. ক) লিউকেমিয়া
  2. খ) থ্যালাসেমিয়া
  3. গ) লিউকোপেনিয়া
  4. ঘ) থ্রম্বোসিস
ব্যাখ্যা
- থ্যালাসেমিয়া রক্তের লোহিত রক্ত কণিকার এক অস্বাভাবিক অবস্থাজনিত রোগের নাম।
- এই রোগে লোহিত রক্ত কণিকা গুলো নষ্ট হয়।
- ফলে রোগী রক্ত শূন্যতায় ভোগে।
এই রোগ বংশপরম্পরায় হয়ে থাকে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৯৩৯.
রিবোফ্লাভিনের অভাবে -
  1. ক) রাতকানা রোগ দেখা দেয়।
  2. খ) ত্বক খসখসে হয়ে যায়।
  3. গ) বমিভাব দেখা দেয়।
  4. ঘ) রক্তশুন্যতা দেখা দেয়।
ব্যাখ্যা
রিবোফ্লাভিনের অভাবে ত্বক খসখসে হয়ে যায়

রিবোফ্লাভিন বা ভিটামিন বি ২
উৎস : কমলা ও হলুদ বর্ণের শাকসবজি যেমন মিষ্টি কুমড়া, পাকা পেঁপে, কুমড়োর ফুল, ডিমের কুসুম, দুধ, বাদাম, যকৃত রিবোফ্লাভিনের ভালো উৎস।
অভাবজনিত অবস্থা : এর অভাবে জিহ্বায়, ঠোঁটের কোণায় ও মুখের ভিতরে ঘা দেখা দেয়। ত্বক খসখসে হয়ে যায় ।

দৈনিক চাহিদা : প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষের দৈনিক ১.৭ মিলিগ্রাম ও নারীর ১.৩ মিলিগ্রাম প্রয়োজন। শিশুদের দৈনিক ০.৮ মিলিগ্রাম এবং কিশোর কিশোরীদের যথাক্রমে ২.০ মিলিগ্রাম ও ১.৩ মিলিগ্রাম প্রয়োজন।

সূত্রঃ ১৬ পৃষ্ঠা, বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৪০.
সোলার প্যানেল মূলত কীভাবে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে?
  1. সূর্যের তাপ শক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করে
  2. সূর্যের আলোক শক্তিকে সরাসরি বিদ্যুতে রূপান্তর করে
  3. সূর্যের চৌম্বক ক্ষেত্র ব্যবহার করে বিদ্যুৎ তৈরি করে
  4. উপরের কোনোটিই নয় 
ব্যাখ্যা

◉ সোলার প্যানেল আসলে ফোটোভোল্টায়িক (Photovoltaic, PV) সেল দ্বারা তৈরি। সূর্যের আলোতে থাকা ফোটন (Photon) যখন প্যানেলের সিলিকন স্তরে আঘাত করে, তখন তা সিলিকনের ইলেকট্রনগুলোকে উত্তেজিত করে। এই ইলেকট্রনগুলোর গতি থেকেই ডাইরেক্ট কারেন্ট (DC) বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। পরবর্তীতে ইনভার্টার ব্যবহার করে এই DC কে Alternating Current (AC) এ রূপান্তরিত করা হয়, যা আমরা বাসা-বাড়ি বা শিল্পে ব্যবহার করি।

সৌর কোষ: 
- সৌর কোষ বা সৌর সেল হলো এক ধরনের ডিভাইস যা সূর্যের আলো (ফোটন) শোষণ করে এবং এটিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
- সৌর সেল বা ফটোভোলটাইক কোষে সিলিকন (Si) ব্যবহৃত হয়, যা একটি অর্ধপরিবাহী (Semiconductor) পদার্থ।
- এটি সূর্যের আলোকে সরাসরি বিদ্যুতে রূপান্তর করে।

• সৌর সেলের কাজের পদ্ধতি:
- সূর্যের ফোটন সিলিকন পরমাণুতে আঘাত করে।
- ইলেকট্রন-হোল জোড় সৃষ্টি হয়।
- p-n জাংশনের বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র ইলেকট্রন প্রবাহ তৈরি করে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

১,৯৪১.
বাংলাদেশে র শীতলতম স্থান -
  1. ক) লালপুর
  2. খ) শ্রীমঙ্গল
  3. গ) শ্রীহরপুর
  4. ঘ) লালাখাল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের শীতলতম স্থান শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার

অন্যদিকে,
উষ্ণতম স্থান - লালপুর
শীতলতম স্থান – শ্রীমঙ্গল
উষ্ণতম মাস – এপ্রিল
শীতলতম মাস – জানুয়ারি
সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের স্থান – লালাখাল
সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাতের স্থান - লালপুরে।

উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
 
১,৯৪২.
কোন রশ্মিটি আধান নিরপেক্ষ?
  1. ক) আলফা রশ্মি
  2. খ) বিটা রশ্মি
  3. গ) গামা রশ্মি
  4. ঘ) ক + খ
ব্যাখ্যা
- ধনাত্মক আধান গ্রন্থ রশ্মি আলফা রশ্মি,
- ঋণাত্মক আধান গ্রন্থ রশ্মি বিটা রশ্মি
- আধান নিরপেক্ষ রশ্মি গামা রশ্মি

মনে রাখুন-
১। আলফা ও বিটা রশ্মি হলো কণা প্রবাহ কিন্তু গামা রশ্মি হলো তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ।
২। গামা রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যর চেয়ে অনেক কম। একে চোখে দেখা যায় না।

সূত্র- পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম - ১০ম শ্রেণি।
১,৯৪৩.
নিউক্লিয়ার ফিশান ও ফিউশনের ফলে উৎপন্ন শক্তি কীভাবে নিরূপণ করা যায়? 
  1. নিউটনের প্রথম গতি সূত্রে দিয়ে
  2. ওহমের V = IR সূত্র দিয়ে
  3. নিউটনের গতিসূত্র F = ma সমীকরণ দিয়ে
  4. আইনস্টাইনের E = mc2 সমীকরণ দিয়ে
ব্যাখ্যা
ভর-শক্তি সম্পর্ক (Mass-Energy Relation): 
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান হলো ভর-শক্তি সম্পর্ক। 
- চিরায়ত বলবিদ্যায় কোনো বস্তুর ভর ধ্রুব রাশি এবং শক্তি সর্বদাই নিত্য। চিরায়ত বলবিদ্যায় আরো ধরা হয় যে, ভর এবং শক্তি দুটি ভিন্ন সত্তা। 
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বে চিরায়ত বলবিদ্যায় পুরাতন ধারণার আমূল পরিবর্তন ঘটে। এই তত্ত্বানুসারে ভর এবং শক্তি দুটি অভিন্ন সত্তা। 
- ভরকে সম্পূর্ণরূপে ধংস করা যায় এবং তা থেকে শক্তির উৎপন্ন হয়। 
অর্থাৎ, ভর সম্পূর্ণরূপে শক্তিতে রূপান্তর হয় এবং একই ভাবে শক্তিও উপযুক্ত পরিবেশ পেলে ভরে রূপান্তর হয়। 

সুতরাং, E = mc2, এটিই আইনস্টইনের বিখ্যাত ভর-শক্তি সমীকরণ। এই সমীকরণ প্রমাণ করে ভর ও শক্তি ভিন্ন সত্তার নয়, বরং একই সত্তার দুটি ভিন্নরূপ মাত্র। 
- নিউক্লিয় ফিশান ও ফিউশনের ফলে যে শক্তি পাওয়া যায় তা এই সমীকরণ দিয়ে সঠিক ভাবে পরিমাপ করা যায়। 
- সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্র থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় তাও এই সমীকরণ দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায়। 
অর্থাৎ, এই সমীকরণ মহাজগতিক সকল শক্তির ব্যাখ্যা দিতে সক্ষম। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৪৪.
বায়ুমণ্ডলে কোন উপাদানটির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি?
  1. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  2. হিলিয়াম
  3. জলীয়বাষ্প
  4. নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

• বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি থাকে নাইট্রোজেন।

• বায়ুমণ্ডল:
- পৃথিবী পৃষ্টের চারপাশে বেষ্টন করে যে অদৃশ্য আবরণ রয়েছে তাকে বায়ুমণ্ডল বলে।
- বায়ুমণ্ডল মধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে পৃথিবীর গায়ের সাথে লেগে থাকে এবং আবর্তণ করে।
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমন্ডল বিস্তৃত ।
- ভূ-পৃষ্ঠের প্রধান দুটি উপাদান নাইট্রোজেন আবং অক্সিজেন।

• বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদানসমূহ:

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯৪৫.
পারমাণবিক বোমার আবিষ্কারক কে?
  1. আইনস্টাইন
  2. ওপেনহাইমার
  3. অটোহ্যান
  4. রোজেনবার্গ
ব্যাখ্যা
পারমানবিক বোমা: 
পারমানবিক বোমা ওপেন হেইমার আবিষ্কার করেন। 
- তিনি মার্কিন তাত্ত্বিক পদার্থবিদ। 
- তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হন, কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করেন এবং গটিংজেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট অর্জন করেন। 
- ম্যানহাটন প্রকল্প মার্কিন সরকারের গবেষণা প্রকল্প যা প্রথম পারমাণবিক বোমা তৈরি করেছিল। 
- ম্যানহাটন প্রকল্পের বিজ্ঞানীরা দক্ষিণ নিউ মেক্সিকোতে আলামোগোর্ডোর কাছে একটি পরীক্ষায় প্রথম পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটান। 

উৎস: Britannica.com
১,৯৪৬.
দক্ষিণ মেরুর অক্ষাংশ কত?
  1. ক) ০°
  2. খ) ৯০°
  3. গ) ১২০°
  4. ঘ) ১৮০°
ব্যাখ্যা
অক্ষাংশ নির্ণয় (Determining latitude):
- আমরা জানি পৃথিবী বৃত্তের কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণ ৩৬০°।
-অক্ষাংশ নির্ণয় করার জন্য গ্লোবটিকে আমরা যদি মাঝখান দিয়ে পূর্ব থেকে পশ্চিমে কেটে নেই তাহলে এর মধ্যে আমরা পৃথিবীর ঠিক মধ্যবিন্দু পাব। এখন যদি আমরা কোনো একটি স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করতে চাই তাহলে সেই মধ্যবিন্দুর সঙ্গে নির্ণেয় স্থানটির নিরক্ষরেখার (০°) পরিপ্রেক্ষিতে যে কোণ উৎপন্ন হয় তা নির্ণয় করতে হবে। এই কোণই হলো সেই স্থানের অক্ষাংশ।
যেমন— নিরক্ষীয় তল থেকে উত্তর মেরুর কৌণিক দূরত্ব বা উৎপন্ন কোণ ৯০°। এটাই হলো উত্তর মেরুর অক্ষাংশ। এভাবে দক্ষিণ মেরুর অক্ষাংশও ৯০° । 



উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম - দশম শ্রেণি।
১,৯৪৭.
সৌরজগতের কোন গ্রহটি খালি চোখে দেখা যায় না?
  1. শুক্র
  2. নেপচুন 
  3. প্লুটো 
  4. বুধ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - নেপচুন । 

গ্রহ সম্পর্কিত সাধারণ তথ্য:

- সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে আটটি গ্রহ।
- সূর্য থেকে গ্রহগুলো দূরত্ব অনুযায়ী পর পর যেভাবে রয়েছে তা হলো বুধ (Mercury), শুক্র (Venus), পৃথিবী (Earth), মঙ্গল (Mars), বৃহস্পতি (Jupiter), শনি (Saturn), ইউরেনাস (Uranus) এবং নেপচুন (Neptune)।
- গ্রহদের মধ্যে সবচেয়ে বড় বৃহস্পতি এবং ছোট বুধ।
- বুধ, শুক্র, মঙ্গল, বৃহস্পতি ও শনি বেশ উজ্জ্বল এবং কোনো যন্ত্রের সাহায্য ছাড়াই দেখা যায়।
- ইউরেনাস ও নেপচুন এত দূরে অবস্থিত যে দূরবীক্ষণ ছাড়া এদের দেখা যায় না।

• নেপচুন সম্পর্কিত তথ্য:
- নেপচুন আমাদের সৌরজগতের অষ্টম এবং সবচেয়ে দূরবর্তী গ্রহ।
- এই গ্রহটি পৃথিবী থেকে খালি চোখে দেখা যায় না।
- ১৬১২ এবং ১৬১৩ সালে গ্যালিলিও তার ছোট টেলিস্কোপ দিয়ে পর্যবেক্ষণের সময় নেপচুনকে একটি স্থির নক্ষত্র হিসেবে রেকর্ড করেছিলেন। 
- নিরক্ষীয় ব্যাস ৩০,৭৭৫ মাইল (৪৯,৫২৮ কিলোমিটার) হওয়ায়, নেপচুন পৃথিবীর চেয়ে প্রায় চারগুণ প্রশস্ত।
- সূর্য থেকে নেপচুনের গড় দূরত্ব ৪.৫ বিলিয়ন কিলোমিটার।
- নেপচুনের এক দিনে প্রায় ১৬ ঘন্টা সময় লাগে (নেপচুনের একবার আবর্তন বা ঘূর্ণন করতে যে সময় লাগে)।
- নেপচুন সূর্যের চারপাশে একটি সম্পূর্ণ কক্ষপথ সম্পূর্ণ করে (নেপচুনিয়ান সময়ে এক বছর) প্রায় ১৬৫ পৃথিবী বছরে (৬০,১৯০ পৃথিবী দিন)।
- নেপচুনের নামকরণ করা হয়েছিল রোমান সমুদ্র দেবতার নামে।
- নেপচুনের ১৬টি উপগ্রহ আছে। 
- নেপচুনের বৃহত্তম উপগ্রহ ট্রাইটন আবিষ্কার করেন ১০ অক্টোবর, ১৮৪৬ সালে, জোহান গটফ্রাইড গ্যাল গ্রহটি আবিষ্কার করার মাত্র ১৭ দিন পরে।

উল্লেখ্য - বর্তমানে প্লুটো গ্রহ হিসেবে স্বীকৃত নয়।

উৎস : NASA এবং ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 

১,৯৪৮.
গর্ভবতী মায়ের রক্তস্বল্পতার ক্ষেত্রে কোন ট্যাবলেট খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়? 
  1. আয়রন
  2. জিংক
  3. ভিটামিন
  4. আয়োডিন
ব্যাখ্যা
গর্ভকালীন বিভিন্ন সমস্যা ও সচেতনতা: 
- প্রতিবছর গর্ভকালীন জটিলতায় অনেক নারী মৃত্যুবরণ করেন। 
- গর্ভকালীন সমস্যা সম্পর্কে অজ্ঞতা ও সচেতনতার অভাব মা ও শিশুর উভয়ের জন্য জীবনঘাতী হতে পারে। 
- তাই সঠিক পরিচর্যা ও চিকিৎসা মায়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 

গর্ভকালীন রক্তস্বল্পতা: 
- গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত রক্ত প্রবাহ ও পুষ্টির ঘাটতির কারণে রক্তস্বল্পতা হতে পারে। 

ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী:  
- প্রথম মাস থেকে ফলিক অ্যাসিড ট্যাবলেট গ্রহণ করতে হয়। 
- গর্ভবতী মায়ের রক্তস্বল্পতার ক্ষেত্রে তৃতীয় মাস থেকে আয়রন ও ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। 
- আয়রনযুক্ত খাবার খেতে হবে। যেমন: কচুশাক, কলিজা, তেঁতুল, তরমুজ, ডিম ইত্যাদি। 
- ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খেলে আয়রনের শোষণ বৃদ্ধি পায়। যেমন: আমলকি, লেবু, কাঁচামরিচ, পেয়ারা, আনারস, কাঁচা ফলমূল ইত্যাদি। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৪৯.
কত সালে বাংলাদেশে ডেঙ্গু জ্বর প্রথম মহামারী আকারে দেখা যায়?
  1. ১৯৬৮ সালে
  2. ১৯৯৮ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ২০১৯ সালে
ব্যাখ্যা
ডেঙ্গু জ্বর:
- ডেঙ্গু জ্বর একটি এডিস মশা বাহিত ডেঙ্গু ভাইরাস জনিত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় রোগ।
- এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমণের তিন থেকে পনেরো দিনের মধ্যে সচরাচর ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গগুলো দেখা দেয়।
- উপসর্গগুলির মাঝে রয়েছে জ্বর, মাথাব্যথা, বমি, পেশিতে ও গাঁটে ব্যথা এবং গাত্রচর্মে ফুসকুড়ি।
- দুই থেকে সাত দিনের মাঝে সাধারণত ডেঙ্গু রোগী আরোগ্য লাভ করে।
- সেখান থেকে জানা যায়, চীনে এই রোগটি ৯৯২ খৃষ্টাব্দে শনাক্ত করা হয়েছিল।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, মহামারী আকারে প্রথম ডেঙ্গু শনাক্ত হয় ১৯৫০ সালের দিকে ফিলিপিন্স এবং থাইল্যান্ডে।
- বাংলাদেশে প্রথম ডেঙ্গু শনাক্ত হয় ১৯৬০ সালে।
- প্রথমে এই জ্বরটি ঢাকায় একসঙ্গে অনেকের হয়েছিল বলে এর নাম হয়ে যায় 'ঢাকা ফিভার'।
- ২০০০ সালে বাংলাদেশে এটি প্রথম মহামারী আকারে দেখা যায়।

উৎস: World Health Organization ওয়েবসাইট।
১,৯৫০.
নিচের কোনটি ট্রানজিস্টরের কাজ?
  1. দুর্বল সংকেতকে বিবর্ধিত করা
  2. ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণ করা
  3. তাপ উৎপাদন করা
  4. বিদ্যুত প্রবাহকে একমুখীকরণ
ব্যাখ্যা

ইলেকট্রনিক অ্যাম্পলিফায়ার দুর্বল অন্তর্গামী সংকেতকে বৃহৎ বহির্গামী সংকেতে সংকেতে পরিণত করে। অর্থাৎ ট্রানজিস্টর বিবর্ধক হিসাবে কাজ করে। ট্রানজিস্টরের আরেকটি ব্যবহার হলো এটি সুইচ হিসাবেও ব্যবহার করা হয়।
ডায়োড পরিবর্তী প্রবাহকে একমুখী প্রবাহে রূপান্তরিত করে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১,৯৫১.
কোথায় সারা বছরই দিন-রাত্রি সমান থাকে?
  1. কর্কটক্রান্তি অঞ্চলে
  2. মকরক্রান্তি অঞ্চলে
  3. মেরু অঞ্চলে
  4. বিষুবীয় অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
দিন-রাত্রি সমান:
- ২১ জুন উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে।
- ২২ ডিসেম্বর উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে।
২১শে মার্চ ও ২৩শে সেপ্টেম্বর সূর্য নিরক্ষরেখা বা বিষুবীয় রেখার (০°) উপর লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এই দুই দিন পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান হয়
- ২১শে মার্চ উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল থাকায় এই উত্তর গোলার্ধে বিষুব 'বাসন্ত বিষুব’ (Vernal Spring Equinox) নামে অভিহিত।
- অপরদিকে ২৩শে সেপ্টেম্বর উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল বিরাজ করায় উত্তর গোলার্ধে এই বিষুব ‘শারদ বিষুব' (Autumnal Equinox) নামে অভিহিত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৯৫২.
পৃথিবীর উপগ্রহ কয়টি?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর উপগ্রহ একটি- চাঁদ। বুধ ও শুক্রের কোন উপগ্রহ নেই। মঙ্গল গ্রহের উপগ্রহ দুইটি। যথা- ফোবোস এবং ডিমোস। উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৯৫৩.
'Cosmic Ray'-কে বাংলায় বলা হয়-
  1. রঞ্জন রশ্মি
  2. তেজস্ক্রিয় রশ্মি
  3. ক্যাথড রশ্মি
  4. মহাজাগতিক রশ্মি
ব্যাখ্যা
মহাজাগতিক রশ্মি (Cosmic rays): 
 - 'Cosmic Ray'-কে বাংলায় বলা হয় মহাজগতিক রশ্মি। 
- মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদেরকে সমষ্টিগতভাবে মহাজাগতিক রশ্মি বলা হয়। 
- ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস একজন অস্ট্রীয়-মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী। 
- বেলুনের মাধ্যমে বহনযোগ্য বিভিন্ন যন্ত্রের মাধ্যমে হেস এবং তার সহকর্মীরা প্রমাণ করেছিলেন, যে বিকিরণ পরিবেশকে আয়নিত করে তার উৎস হল মহাজাগতিক। 
- মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য তিনি ১৯৩৬ সালে অপর বিজ্ঞানী কার্ল ডেভিড অ্যান্ডারসনের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। 

উৎস: ব্রিটানিকা ও নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট।
১,৯৫৪.
নিচের কোনটি গ্রীন হাউস গ্যাস নয়? 
  1. ওজোন
  2. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  3. হিলিয়াম
  4. মিথেন
ব্যাখ্যা
- 'হিলিয়াম' গ্রীন হাউস গ্যাস নয়।

গ্রীন হাউস গ্যাস: 
- গ্রীন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রীন হাউজ গ্যাস। 
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রীন হাউজ গ্যাস হচ্ছে - 
• জলীয় বাষ্প, 
• কার্বন ডাই-অক্সাইড, 
• নাইট্রাস অক্সাইড, 
• মিথেন, 
• ওজোন, 
• ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ইত্যাদি। 
- কার্বন ডাই সালফাইড এবং কার্বনিল সাইফাইড পরোক্ষ গ্রিন হাউজ গ্যাস। 

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি, ব্রিটানিকা এবং Royal Society of Chemistry.
১,৯৫৫.
জোয়ার-ভাটা সংঘটিত হয়- 
  1. পৃথিবীর সাথে সূর্যের আকর্ষণের ফলে
  2. পৃথিবীর সাথে চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণের ফলে 
  3. পৃথিবীর সাথে গ্রহ নক্ষত্রের আকর্ষণের ফলে
  4. গ্রহ-নক্ষত্রের সাথে চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণের ফলে 
ব্যাখ্যা

- পৃথিবীর সাথে চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণের ফলে জোয়ার-ভাঁটা সংঘটিত হয়। 

জোয়ার-ভাটা: 
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাটা সংঘটিত হয়। 
- চন্দ্র অপেক্ষা সূর্য ২ কোটি ৬০ লক্ষ গুণ বড় এবং পৃথিবী অপেক্ষা সূর্য প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ বড় হলেও পৃথিবী থেকে সূর্য গড়ে প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং পৃথিবী থেকে চন্দ্র গড়ে প্রায় ৩৮.৪ লক্ষ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এ কারণেই পৃথিবীর ওপর চন্দ্রের আকর্ষণ ক্ষমতা সূর্য অপেক্ষা বেশি। ফলে জোয়ার ভাটায় চন্দ্রের প্রভাব বা চাঁদের আকর্ষণ বেশি লক্ষ্য করা যায়। 
- জোয়ার ভাটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা: 
১. মুখ্য জোয়ার: 
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরূপ সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

২. গৌণ জোয়ার: 
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। 

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে।

৪. মরা কটাল: 
- চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯৫৬.
NASA-এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. নিউইয়র্ক
  2. লস এঞ্জেলেস
  3. ওয়াশিংটন ডি.সি
  4. শিকাগো
ব্যাখ্যা

NASA:
- NASA এর পূর্ণরূপ: National Aeronautics and Space Administration.
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত: ২৯ জুলাই, ১৯৫৮।
- বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু: ১ অক্টোবর, ১৯৫৮।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি.সি, যুক্তরাষ্ট্র।
- মূল কাজ: মহাকাশ গবেষণা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উন্নয়ন, মহাকাশ অনুসন্ধান।

উৎস: নাসা ওয়েবসাইট।

১,৯৫৭.
'হলদে মোজাইক ভাইরাস' রোগের প্রতিকারের জন্য কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়?
  1. রোগমুক্ত বীজ বপন করতে হবে
  2. শস্য পর্যায় অবলম্বন করতে হবে
  3. ম্যালাথিয়ন স্প্রে করতে হবে
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
হলদে মোজাইক ভাইরাস:
- প্রথমে কচি পাতা আক্রান্ত হয়।
- আক্রান্ত পাতার উপর হলদে সবুজ দাগ পড়ে।
- এতে দূর থেকে আক্রান্ত ফসল হলদে মনে হয়।
- মোজাইক ভাইরাস দ্বারা এ রোগ হয়।
- আক্রান্ত বীজ ও বায়ুর মাধ্যমে এ রোগ বিস্তার লাভ করে।
- সাদা মাছি এ রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে থাকে।

⇒ এ রোগ প্রতিকারের জন্য-
i) রোগমুক্ত বীজ বপন করতে হবে,
ii) আক্রান্ত গাছ তুলে পুড়িয়ে ফেলতে হবে,
iii) শস্য পর্যায় অবলম্বন করতে হবে,
iv) রোগ প্রতিরোধী জাতের মাসকালাই চাষ করতে হবে ও,
ⅴ) সাদা মাছি দমনের জন্য ম্যালাথিয়ন স্প্রে করতে হবে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৫৮.
নিচের কোনটি মৌলিক রং নয়?
  1. লাল
  2. নীল
  3. সবুজ
  4. হলুদ
ব্যাখ্যা
তিনটি মৌলিক রং হচ্ছে লাল, নীল, সবুজ। 

এই ৩টি রং এর সমন্বয়ে বাকী রং গুলো তৈরি করা যায়।
লাল ও সবুজ মিলে হলুদ রং তৈরি হয়। 

উৎস: ব্রিটানিকা 
১,৯৫৯.
ভিটামিন-বি ১-এর অভাবে কোন্ রোগ হয়?
  1. রিকেটস
  2. স্কার্ভি
  3. বেরিবেরি
  4. পেলেগ্রা
ব্যাখ্যা
- ভিটামিন বি-১ এর অভাবে 'বেরিবেরি' নামক রোগ হয়। 

ভিটামিন বি-১ বা থায়ামিন: 
- ভিটামিন বি-১ এর রাসায়নিক নাম থায়ামিন। 
- থায়ামিন পানি, উচ্চ তাপ ও ক্ষারে নষ্ট হয়। 

থায়ামিনের অভাবজনিত অবস্থা: 
১. থায়ামিনের অভাবে ক্ষুধামন্দা/অরুচি হয়। 
২. বদহজম হয়। 
৩. বেরিবেরি নামক রোগ হয়। 
৪. দুর্বলতা ও হাত পায়ের অবসন্নতা দেখা দেয়। 
৫. পরিপাকের ব্যাঘাত ঘটে। 

বেরিবেরি রোগ: 
- থায়ামিনের অভাবে সৃষ্ট বেরিবেরি রোগ দুই প্রকার। 
যথা- 
১. আর্দ্র বেরিবেরি এবং 
২. শুষ্ক বেরিবেরি। 

উৎস: গার্হস্থ্যবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৬০.
নিম্নের কোনটি মিঠা পানির উৎস নয়? 
  1. হ্রদ
  2. মহাসাগর
  3. নদী
  4. ভূগর্ভস্থ পানি
ব্যাখ্যা
বারিমণ্ডল: 
- 'Hydrosphere'-এর বাংলা প্রতিশব্দ বারিমণ্ডল। 
- 'Hydro' শব্দের অর্থ পানি এবং 'Sphere' শব্দের অর্থ মণ্ডল। 
- পৃথিবীর সর্বত্র রয়েছে পানি, এ বিশাল জলরাশি পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থায় থাকে যেমন- কঠিন (বরফ), গ্যাসীয় (জলীয়বাষ্প) এবং তরল। বায়ুমণ্ডলে পানি রয়েছে জলীয়বাষ্প হিসেবে, ভূপৃষ্ঠে রয়েছে তরল ও কঠিন অবস্থায় এবং ভূপৃষ্ঠের তলদেশে রয়েছে ভূগর্ভস্থ তরল পানি। 
- বারিমণ্ডল বলতে বোঝায় পৃথিবীর সকল জলরাশির অবস্থানভিত্তিক বিস্তরণ। 
- পৃথিবীর সকল জলরাশির শতকরা ৯৭ ভাগ পানি রয়েছে সমুদ্রে (মহাসাগর, সাগর ও উপসাগর) এবং মাত্র ৩ ভাগ পানি রয়েছে নদী, হিমবাহ, ভূগর্ভস্থ, হ্রদ, মৃত্তিকা, বায়ুমণ্ডল ও জীবমণ্ডলে। 
- পৃথিবীর সমস্ত পানিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- লবণাক্ত ও মিঠা পানি। 
- পৃথিবীর সকল মহাসাগর, সাগর ও উপসাগরের জলরাশি লবণাক্ত এবং নদী, হ্রদ ও ভূগর্ভস্থ পানি মিঠা পানির উৎস। 
- জলরাশির অবস্থানভিত্তিক বিস্তরণ ও শতকরা হার হচ্ছে- 
• সমুদ্র = ৯৭.২৫, 
• হিমবাহ = ২.০৫, 
• ভূগর্ভস্থ পানি = ০.৬৮, 
• হ্রদ = ০.০১, 
• মাটির আর্দ্রতা = ০.০০৫, 
• বায়ুমণ্ডল = ০.০০১, 
• নদী = ০.০০০১ এবং 
• জীবমণ্ডল = ০.০০০০৪ ইত্যাদি। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৯৬১.
বাংলাদেশ সরকার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা প্রণয়ন করে -
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০১৪ সালে
  3. ২০১৩ সালে
  4. ২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা:
• বাংলাদেশে প্রায়শই ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা, নদীভাঙন, শৈত্যপ্রবাহ ও বজ্রপাতসহ বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের মোকাবেলা করতে হয়। বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দুর্যোগের তীব্রতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই বাংলাদেশের জাতীয় নীতি, পরিকল্পনা, এবং বিভিন্ন কর্মসূচী প্রণয়নে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।
বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় রয়েছে-
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ২০১২,
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০১৫,
- দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলি ২০১৯,
- জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ২০২১-২৫,
- জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা - ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০।

সূত্র: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
 
 
১,৯৬২.
টিটেনাস রোগের ভ্যাকসিন কোন পদ্ধতিতে তৈরি করা হয়? 
  1. মৃত জীবাণু 
  2. জীবন্ত দুর্বল জীবাণু 
  3. নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক জীবাণু 
  4. রিকমবিনেন্ট ডিএনএ 
ব্যাখ্যা

টিকা: 
- টিকা হলো প্রাণিদেহে রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের নিষ্ক্রিয় পরিদ্রুত সাসপেনশন। 
- টিকায় বিদ্যমান অণুজীবগুলো (ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া) জীবিত, অর্ধমৃত বা মৃতও হতে পারে। এদের এমনভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয় যাতে এরা জীবকোষে কোনো রোগ সৃষ্টি করতে না পারে, কিন্তু রোগের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করে।

টিকার প্রকারভেদ: 
- মানবদেহের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে দমন করতে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরনের টিকা আবিষ্কার করেছেন। 
যেমন- 
১। নিষ্ক্রিয়কৃত জীবাণু জীবন্ত টিকা (Attenuated live vaccine): 
- কালচার করা, ক্ষতিকর বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় বা দুর্বল করে দেওয়া জীবিত জীবাণু নিয়ে তৈরি। 
যেমন- BCG, হাম, মাম্পস, পোলিও, জলাতঙ্ক, যক্ষ্মা, গুটিবসন্ত, প্লেগ, টাইফয়েড প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

২। মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা (killed vaccine): 
- এধরনের টিকা মৃত জীবাণু দিয়ে তৈরি। 
যেমন- ইনফ্লুয়েঞ্জা, কলেরা প্রভৃতি ভ্যাকসিন। 

৩। নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা (Toxoid vaccine): 
- এ ধরনের টিকা জীবাণু নিঃসৃত টক্সয়েড দিয়ে তৈরি। 
যেমন- ডিপথেরিয়া, টিটেনাস (ধনুষ্টংকার) প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

৪। দেহ তলের রাসায়নিক বস্ত (Surface chemical molecule): 
- অনেক ক্ষেত্রে সংক্রমণকারী জীবাণুর দেহ তল থেকে রাসায়নিক উপাদান (নির্দিষ্ট প্রোটিনের অংশ) আলাদা করে ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 
যেমন- হেপাটাইটিস-B ভ্যাকসিন, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস ভ্যাকসিন প্রভৃতি। 

৫। ডিএনএ টিকা (DNA vaccine): 
- রিকমবিনেন্ট DNA পদ্ধতিতে DNA ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 



উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯৬৩.
রঙিন টেলিভিশনের মৌলিক রং গুলো কি কি?
  1. ক) আসমানী,সবুজ, নীল
  2. খ) নীল, সবুজ, লাল
  3. গ) সাদা, লাল, সবুজ
  4. ঘ) হলুদ, লাল, নীল
ব্যাখ্যা

রঙিন টেলিভিশন
রঙিন অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্য রঙিন টেলিভিশনে যে সকল মৌলিক যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়, সাদাকালো অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্যও একই যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়। তবে রং সম্পর্কিত তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য রঙিন টেলিভিশনে বাড়তি কিছু যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়। রঙিন টেলিভিশনের ক্যামেরায় রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য লাল, নীল ও সবুজ এ তিনটি রং-এর পৃথক পৃথক ইলেকট্রন টিউব থাকে।

রঙিন টেলিভিশনের গ্রাহক যন্ত্রেও তিনটি রং যেমন লাল, নীল ও সবুজের জন্য তিনটি ইলেকট্রনগান ব্যবহার করা হয়। এর পর্দাও তৈরী হয় তিন রকম ফসফর দানা দিয়ে। ইলেকট্রন গান থেকে যখন ফসফরাসের উপর ইলেকট্রন বীম পতিত হয় তখন একটা বিশেষ রং শুধু একটি বিশেষ রং-এর দানাকে আলোকিত করে। ফলে পর্দায় একই সাথে ফুটে ওঠে লাল, নীল ও সবুজ রঙের বিন্দু, যার বিভিন্ন রকম মিশ্রণে টেলিভিশন পর্দায় ফুটে ওঠে রঙিন ছবি।

রঙিন টেলিভিশন সম্পর্কিত আলোচনা থেকে আমরা শিখলাম যে, রঙিন টেলিভিশনে রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য মূলত: লাল, নীল ও সবুজ এ তিনটি রং ব্যবহৃত হয়।

সুত্রঃ সবাই কাছাকাছি, বিজ্ঞান, এসএসসি।

১,৯৬৪.
DNA ভাইরাসঘটিত রোগ কোনটি?
  1. Tobacco mosaic
  2. Cauliflower mosaic
  3. Cucumber mosaic
  4. Sugarcane mosaic
ব্যাখ্যা
DNA ভাইরাসঘটিত রোগ: 
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA থাকে তাদেরকে DNA ভাইরাস বলা হয়। 
- DNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- 
১। Harpes simplex (Human), 
২। Tipula irridescent, 
৩। Rabbitpox, 
৪। Vaccinia (bovine), 
৫। Variola (Human), 
৬। Pustular dermatitis (Sheep), 
৭। এডেনা গ্রুপ, 
৮। প্যাপিলোমা (মানব), 
৯। পলিওমা, 
১০। ΦX174 কলিফাজ, 
১১। Cauliflower mosaic
১২। Adenoassociaed ইত্যাদি। 

RNA ভাইরাসঘটিত রোগ: 
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে RNA থাকে তাদেরকে RNA ভাইরাস বলা হয়। 
- RNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- 
১। Influenza B (Human), 
২। পোলিও (মানব), 
৩। Rubella (Human), 
৪। পীতজ্বর (মানব), 
৫। ডেঙ্গু (মানব), 
৬। Encephalitis (Human), 
৭। Leukemia (cat), 
৮। Mumps (Human), 
৯। Measles (Human), 
১০। Cold (Human),
১১। Newcastle disease (fowl), 
১২। Rous sarcoma (bird), 
১৩। Rabies (dog), 
১৪। Potato yellow dwarf, 
১৫। Vesicular stomatitis (cattle), 
১৬। Tobacco mosaic
১৭। Sugarcane mosaic
১৮। fd (Pseudomonas), 
১৯। Cucumber mosaic
২০। f2, fr1, R17কলিফাজ ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান) এবং ভাইরাসতত্ত্ব পরিচয় (আহমেদ মাতীন)।
১,৯৬৫.
বায়ুমন্ডলে ধূলিকণা ও কণিকার শতকরা হার কত?
  1. ক) ০.০২
  2. খ) ০.৪১
  3. গ) ০.০১
  4. ঘ) ০.০৩
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডলে ধূলিকণা ও কণিকার শতকরা হার ০.০১ ভাগ । এটিই থাকে সবচেয়ে কম পরিমাণে। সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে নাইট্রোজেন। বায়ুমন্ডলে যার শতকরা হার ৭৮.০২ ভাগ।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী।
১,৯৬৬.
সমুদ্রবায়ু প্রবলবেগে প্রবাহিত হয়—
  1. ক) সকালে
  2. খ) রাত্রিতে
  3. গ) অপরাহ্ণে
  4. ঘ) মধ্যাহ্নে
ব্যাখ্যা
- দিনের বেলায় স্থলভাগ বেশি উত্তপ্ত হয় বলে সেখানে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়, কিন্তু জলভাগ বেশি উত্তপ্ত হয় না বলে সেখানকার বায়ু উচ্চচাপ যুক্ত হয়। ফলে এ সময় জলভাগ থেকে স্থলভাগের দিকে বায়ু প্রবাহিত হয়। একে সমুদ্রবায়ু বলে।
- এ বায়ু সকাল ১০টা থেকে প্রবাহিত হতে থাকে।
- বিকালে (অপরাহ্ণে) এ বায়ুর বেগ সবচেয়ে বেশি হয়।
- রাত ৩টায় স্থলবায়ুর বেগ সবচেয়ে বেশি হয়।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৯৬৭.
কোনটি মুক্ত জলাশয়ের অন্তর্ভূক্ত?
  1. ক) পুকুর
  2. খ) ডোবা
  3. গ) বিল
  4. ঘ) দিঘী
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মৎস্য উৎপাদন ক্ষেত্রকে প্রধানত অভ্যন্তরীণ ও সামুদ্রিক এ দুই ভাগে ভাগ করা যায়। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে রয়েছে মুক্ত জলাশয় ও বদ্ধ জলাশয়। মুক্ত জলাশয়ের মধ্যে আছে প্লাবন ভূমি, নদী, বিল, কাপ্তাই হ্রদ ও সুন্দরবন। এর আয়তন ৪০.৪৭ লাখ হেক্টর, যা মোট অভ্যন্তরীণ জলাশয়ের শতকরা ৮৮.৪৬ ভাগ। বদ্ধ জলাশয়ের মধ্যে আছে পুকুর, মরা নদীর অংশ বা বাঁওড় ও উপকূলীয় চিংড়ি খামার। এর আয়তন ৫.২৮ লাখ হেক্টর, যা মোট অভ্যন্তরীণ জলাশয়ের ১১.৫৪ শতাংশ। আমাদের সমুদ্র তটরেখা ৭১০ কিলোমিটার দীর্ঘ। অর্থনৈতিক এলাকা ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত। মোট সামুদ্রিক জলসম্পদের আয়তন ১৬৬ লাখ হেক্টর, যা দেশের মোট জলসম্পদের ৭৮.৩৯ শতাংশ।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

১,৯৬৮.
প্রাণী ও উদ্ভিদের বিবর্তনের অধ্যয়নকে কী বলা হয়?
  1. Evolution
  2. Microbiology
  3. Mycology
  4. Embryology
ব্যাখ্যা

• প্রাণী ও উদ্ভিদের বিবর্তনের অধ্যয়নকে Evolution বা বিবর্তনবিজ্ঞান বলা হয়। এটি জীববিজ্ঞানের একটি শাখা, যা জীবজগতের পরিবর্তন ও প্রজাতির উদ্ভব, বিবর্তন, এবং বিভিন্ন জেনেটিক বৈশিষ্ট্যের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করে। বিবর্তনবিজ্ঞান দেখায় কিভাবে প্রজাতি সময়ের সাথে সাথে অভিযোজিত হয় এবং পরিবেশের সঙ্গে খাপ খায়। উদ্ভিদ ও প্রাণীর শারীরিক, জেনেটিক এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করে বিজ্ঞানীরা জীবনের বিবর্তনের পদ্ধতি ও কারণ সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Evolution.

অন্যদিকে, 
- ভ্রুণ সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয় Embryology, 
- অণুজীব বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় Microbiology,  
- ছত্রাক সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয় Mycology. 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৯৬৯.
কিলোওয়াট আওয়ার কি পরিমাপ কাজে ব্যবহৃত হয় -
  1. Energy
  2. Power
  3. Electric Charge
  4. Electric current
ব্যাখ্যা
• Kilowatt-hour (KWh) is unit of Energy.

We know that,
Power × time = Energy
⇒ Kilo-Watt × Hour = Energy

• 1KWh is electrical energy consumed when an electrical equipment of power 1 Kilowatt is operated for 1 Hour.
• It is also used as commertial unit of energy in households/Buildings/Factories etc where 1 Unit of electricity is equivalent of 1KW-h of energy.
১,৯৭০.
Transformer এ কী কমানোর জন্য laminated core ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Cu loss
  2. খ) Hysteresis loss
  3. গ) Eddy current loss
  4. ঘ) core loss
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
Cupper loss হচ্ছে রেজিস্টারজনিত লস। Eddy current কমানোর জন্য lamineted করা হয়। Hysteresis loss হচ্ছে positive এবং negative জনিত কারণে যে loss হয় সেটা। Core loss হচ্ছে Hysteresis loss এবং Eddy current loss এর যোগফল।
১,৯৭১.
বস্তুর ভর সৃষ্টি করে কোন কণা?
  1. লেপটন
  2. প্রোটন
  3. হিগস-বোসন
  4. ইলেকট্রন
ব্যাখ্যা
হিগের কণা:

- ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী পিটার হিগস ১৯৬৪ সালে এমন একটি কণার ধারনা দেন, যা বস্তুর ভর সৃষ্টি করে এবং এর ফলে মহাবিশ্ব সৃষ্টি সম্ভব হয়েছে।
- এই কণাটিকে হিগের কণা বলা হয়।
- হিগস কণা একটি বোসন কণা।
- হিগস বোসন কণাটি ঈশ্বর কণা নামে পরিচিত।
- পদার্থবিজ্ঞানী লিওর লেডারম্যান ১৯৯৩ সালে হিগস কণাকে ঈশ্বর কণা নামে চিহ্নিত করেন। 
- ৪ই জুলাই ২০১২ সালে এই বোসন কণাটি আবিষ্কৃত হয়।
- হিগস-বোসন কণার অস্তিত্ব সম্পর্কে ধারণা দেয়ার জন্য ২০১৩ সালে নোবেল পুরষ্কার পান 'পিটার ডব্লিউ হিগস ও ফ্রাঁসোয়া ইংলার্ট'।
- হিগের কণা সৃষ্টিতে অবদান রাখেন বাঙালি বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুর 'কণা পরিসংখ্যান তত্ত্ব'।
- বিজ্ঞানী হিগের সাথে সতেন্দ্রনাথকে জড়িয়ে হিগের কণার নাম দেন- হিগস বোসন কণা।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
১,৯৭২.
সূর্যে কোন গ্যাসের পরিমান বেশি?
  1. হাইড্রোজেন
  2. হিলিয়াম
  3. আর্গন
  4. জেনন
ব্যাখ্যা
সূর্যে হাইড্রোজেনের পরিমান বেশি থাকে।

সূর্য (Sun):

- সূর্য একটি নক্ষত্র। 
- এটি একটি জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড।
- এটি হাইড্রোজেন(৯১.২%) ও হিলিয়াম(৮.৭%) গ্যাস দিয়ে তৈরি।
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার।
- পৃথিবী থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। 
- সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড।
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টোরাই।
- সূর্যের মোট গ্রহ ৮ টি।
- সূর্যের নিকটতম গ্রহ বুধ (mercury)
- নিজের অক্ষে একবার আবর্তন করতে সূর্যের সময় লাগে ২৫ দিন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, Britannic.
১,৯৭৩.
'গ্রাফাইট' কোন ধরণের শিলা?
  1. ক) রূপান্তরিত শিলা
  2. খ) মিশ্র শিলা
  3. গ) আগ্নেয় শিলা
  4. ঘ) পাললিক শিলা
ব্যাখ্যা
আগ্নেয় ও পাললিক শিলা অত্যধিক চাপ, তাপ ও রাসায়নিক ক্রিয়ায় পরিবর্তিত হয়ে যে নতুন রূপ ধারণ করে তাকে ‘রূপান্তরিত শিলা’ বলে।

রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ:
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইট
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল
- বেলপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস।
অন্যদিকে,
- ল্যাকোলিথ ও গ্রানাইট : অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা
- কয়লা : পাললিক শিলা।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি : পৃষ্ঠা: ৫০-৫১
১,৯৭৪.
ORS সাধারণত কোন রোগের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?
  1. ডায়রিয়া
  2. উচ্চ রক্তচাপ
  3. কোষ্ঠকাঠিন্য
  4. মাথাব্যথা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ORS সাধারণত কোন রোগের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?

সমাধান:
ORS (Oral Rehydration Solution) ডায়রিয়া, কলেরা বা বমি ইত্যাদির ফলে শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি ও লবণ বের হয়ে যাওয়া রোধে ব্যবহৃত হয়।

- ORS হলো এক ধরনের দানাদার মিশ্রণ যা পানির সাথে মিশিয়ে খাওয়ানো হয় শরীরের পানিশূন্যতা প্রতিরোধ বা পূরণ করার জন্য।
- এটি সাধারণত ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা হওয়ার সময় ব্যবহৃত হয়, যখন শরীর থেকে প্রচুর পানি ও লবণ বেরিয়ে যায়।
- এটি শরীরের পানিশূন্যতা (Dehydration) প্রতিরোধ করে এবং লবণ-পানির ভারসাম্য বজায় রাখে।

ORS-এ থাকা উপাদানসমূহ: 
- লবণ (সোডিয়াম ক্লোরাইড), 
- গ্লুকোজ, 
- পটাশিয়াম ক্লোরাইড, 
- সোডিয়াম বাইকার্বনেট বা সাইট্রেট। 

উৎস: 
১। জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
২। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ও ইউনিসেফ (UNICEF) ওয়েবসাইট। 

১,৯৭৫.
নিচের কোনটি মানব ভূগোলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ভূমিরূপবিদ্যা 
  2. মৃত্তিকা ভূগোল
  3. জীবভূগোল 
  4. আঞ্চলিক ভূগোল
ব্যাখ্যা

• প্রাকৃতিক ভূগোল (Physical geography):
⇒ ভূগোলের যে শাখায় ভৌত পরিবেশ ও এর মধ্যে কার্যরত বিভিন্ন প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাকে প্রাকৃতিক ভূগোল বলে।
পৃথিবীর ভূমিরূপ, এর গঠন প্রক্রিয়া, বায়ুমণ্ডল, বারিমণ্ডল, জলবায়ু ইত্যাদি প্রাকৃতিক ভূগোলের আলোচ্য বিষয়।
- ভূমিরূপবিদ্যা (Geomorphology)
- জলবায়ুবিদ্যা (Climatology)
- জীবভূগোল (Biogeography)
- মৃত্তিকা ভূগোল (Soil geography)
- সমুদ্রবিদ্যা (Oceanography)

 • মানব ভূগোল (Human geography):
⇒  পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন পরিবেশে মানুষ কীভাবে বসবাস করছে, কীভাবে জীবনযাত্রা নির্বাহ করছে, কেন এভাবে জীবনযাত্রা নির্বাহ করছে তার কার্যকারণ অনুসন্ধান মানব ভূগোলের আলোচ্য বিষয়।
- অর্থনৈতিক ভূগোল (Economic geography)
- জনসংখ্যা ভূগোল (Population geography)
- আঞ্চলিক ভূগোল (Regional geography)
- রাজনৈতিক ভূগোল (Political geography)
- সংখ্যাতাত্ত্বিক ভূগোল (Quantitative geography)
- পরিবহন ভূগোল (Transport geography)
- নগরভূগোল (Urban geography)
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (Disaster management)

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

১,৯৭৬.
নিচের কোনটি ট্রানজিস্টরের অংশ নয়?
  1. ক) নিঃসারক
  2. খ) অন্তর্মুখ
  3. গ) পীঠ
  4. ঘ) সংগ্রাহক
ব্যাখ্যা
p-n-p or n-p-n ট্রানজিস্টরে সজ্জিত কেলাসের প্রথমটিকে নিঃসারক, মাঝেরটিকে পীঠ এবং অন্য পাশেরটিকে সংগ্রাহক বলা হয়।
ট্রানজিস্টর ইলেকট্রনিক সার্কিট বা বর্তনীতে বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, পদার্থ বিজ্ঞান।
১,৯৭৭.
E = mc2 সূত্রটি প্রদান করেন-
  1. ক) আর্কিমিডিস
  2. খ) গ্যালিলিও
  3. গ) আইনস্টাইন
  4. ঘ) নিউটন
ব্যাখ্যা

• E = mc2 সূত্রটি বিখ্যাত বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের ভর-শক্তির সমীকরণ।
• যেখানে, E = শক্তি, m = ভর, c = আলোর বেগ।
• ১৯০৫ সালে তিনি দেখান যে, পদার্থ এবং শক্তি প্রকৃতপক্ষে অভিন্ন।
• এটি ভরকে শক্তিতে এবং শক্তিকে ভরে রূপান্তরের জন্য আইনস্টাইনের বিখ্যাত সমীকরণ।
• একে আইনস্টাইনের 'থিওরি অফ রিলেটিভিটি' বা 'আপেক্ষিকতাবাদ' বলা হয়।

১,৯৭৮.
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (NASA) সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. কেপ কেনেডি
  2. ফ্লোরিডা
  3. নিউ ইয়র্ক
  4. ওয়াশিংটন ডি.সি
ব্যাখ্যা

NASA:
- NASA মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।
- NASA-এর পূর্ণরূপ হলো: National Aeronautics and Space Administration.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ জুলাই, ১৯৫৮।
- বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু: ১ অক্টোবর, ১৯৫৮।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি.সি, যুক্তরাষ্ট্র।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সংস্থা হিসেবে মহাকাশ গবেষণা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি উন্নয়ন, এবং মহাকাশ অনুসন্ধানকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করে।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট।

১,৯৭৯.
জন্মের সময় শিশুর ওজন কত হলে তা ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে বিবেচনা করা হয়?
  1. ১.৬ কেজির কম
  2. ৩ কেজির কম
  3. ৫০০ গ্রাম এর কম
  4. ২.৫ কেজির কম
ব্যাখ্যা

জন্মের সময় শিশুর ওজন ২.৫ কেজি বা ২৫০০ গ্রামের কম হলে তাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
কারণ শিশুর ওজন ২.৫ কেজির কম হলে তা জন্মের ২৮ দিনের মাঝেই কিংবা কখনো কখনো পরবর্তী জীবনে অপুষ্টি, সংক্রমণ, জন্ডিস ইত্যাদির মতো বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১,৯৮০.
এপিকালচার বলতে বুঝায়-
  1. রেশম পালন
  2. পাখি পালন
  3. মৌমাছি পালন
  4. উদ্যান পালন
ব্যাখ্যা
আধুনিক চাষ: 
- মৌমাছি পালন বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার

উল্লেখ্য, 
- পাখি পালন বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার। 
- মৎস্যচাষ বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার। 
- রেশম চাষ বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার। 
- উদ্যান পালন বিদ্যাকে বলা হয় হর্টিকালচার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
১,৯৮১.
জ্যোতির্বিজ্ঞান এর ইংরেজি কী?
  1. Astronomy
  2. Astronautics
  3. Astrology
  4. Astronaut
ব্যাখ্যা
জ্যোতির্বিজ্ঞান:
- জ্যোতির্বিজ্ঞান এর ইংরেজি Astronomy.
- জ্যোতির্বিজ্ঞান একটি বৈজ্ঞানিক শাখা যা পৃথিবীর বাইরের বস্তু ও ঘটনার অধ্যয়ন করে।
- দূরবীন আবিষ্কার এবং গতিসূত্র ও মহাকর্ষ সূত্র উদ্ভাবনের (১৭শ শতকে) আগে প্রাচীন সময়ে জ্যোতির্বিজ্ঞান মূলত সূর্য, চন্দ্র ও গ্রহগুলোর অবস্থান পর্যবেক্ষণ ও পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হতো—মূলত ক্যালেন্ডার তৈরি, জ্যোতিষশাস্ত্র এবং নৌচালনার কাজে।
- কালের সাথে সাথে জ্যোতির্বিজ্ঞানের ক্ষেত্র বিস্তৃত হয়েছে।
- এখন এর আওতায় পড়ে:
সৌরজগৎ (সূর্য, গ্রহ, উপগ্রহ, ধূমকেতু, গ্রহাণু ইত্যাদি)
মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির তারাসমূহ
এবং আরও দূরবর্তী অন্যান্য গ্যালাক্সি
- বিজ্ঞানভিত্তিক মহাকাশযানের মাধ্যমে পৃথিবীকেও গ্রহ হিসেবে জ্যোতির্বিজ্ঞানের আওতায় আনা হয়েছে। তবে এর বিস্তারিত বিশ্লেষণ মূলত ভূবিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত।
- সার্বিকভাবে, জ্যোতির্বিজ্ঞান আমাদের মহাবিশ্বকে জানার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
 
 উল্লেখ্য,
- Astrology বা জ্যোতিষশাস্ত্র হলো এমন একটি শাস্ত্র, যা নভোমণ্ডলে বিভিন্ন জ্যোতিষ্ক অর্থাৎ গ্রহ-নক্ষত্র ইত্যাদির অবস্থান বিবেচনা করে মানুষের ভাগ্যগণনা তথা ভাগ্য নিরূপণ করে।
 - Astronautics মহাকাশ ভ্রমণ এবং অনুসন্ধানের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি।
- একজন মহাকাশচারী (Astronaut) হলেন একজন ব্যক্তি যাকে মানব মহাকাশযান কর্মসূচি দ্বারা প্রশিক্ষিত, সজ্জিত এবং নিয়োজিত করা হয় একটি মহাকাশযানের কমান্ডার বা ক্রু সদস্য হিসেবে কাজ করার জন্য।
 
উৎস: Britannica.
১,৯৮২.
দুধের শর্করা কোনটি?
  1. ক) অ্যামাইলেজ
  2. খ) ফ্রুক্টোজ
  3. গ) গ্যালাক্টোজ
  4. ঘ) ল্যাকটোজ
ব্যাখ্যা
• দুধ একটি আদর্শ খাবার।
• এতে সুষম খাদ্যের ৬ টি উপাদানই বিদ্যমান।
• দুধে যে শর্করা থাকে তাকে ল্যাকটোজ বলে।
• এতে যে প্রোটিন থাকে তাকে কেসিন বলে।
• দুধকে জমাট বাঁধায় রেনিন।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
১,৯৮৩.
কোনটি ভাইরাসজনিত রোগ নয়?
  1. ক) ইনফ্লুয়েঞ্জা
  2. খ) ডেঙ্গু
  3. গ) কলেরা
  4. ঘ) জলাতঙ্ক
ব্যাখ্যা
ভাইরাস:
- সাধারণ সর্দি, ইনফ্লুয়েঞ্জা, ডেঙ্গু, জলাতঙ্ক, গুটিবসন্ত, জলবসন্ত, বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু, ভাইরাল হেপাটাইটিস ইত্যাদি সবই ভাইরাসজনিত রোগ
- ভাইরাস একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ বিষ।
- এরা অকোষীয় এবং আকারে এতই ছোট যে খালি চোখেতো দূরের কথা, সাধারণ অণুবীক্ষণ যন্ত্রেও দেখা যায় না। 
- এদেরকে ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে দেখতে হয়।
- ভাইরাস নিউক্লিক অ্যাসিড (যা কেন্দ্রে থাকে) ও প্রোটিন (যা আবরণ হিসেবে থাকে) দিয়ে গঠিত অতি-আণুবীক্ষণিক বস্তু যা জীবদেহের অভ্যন্তরে সক্রিয় হয় এবং দ্রুত বংশবৃদ্ধির মাধ্যমে তথায় রোগ সৃষ্টি করে কিন্তু জীবদেহের বাইরে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় অবস্থান করে।
- উদ্ভিদ, প্রাণী, ব্যাকটেরিয়া, সায়ানোব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, অ্যাকটিনোমাইসিটিস প্রভৃতি জীবদেহের সজীব কোষে ভাইরাস সক্রিয় অবস্থায় বিরাজ করে।

অন্যদিকে,
- কলেরা একটি ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৮৪.
নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবহৃত ভ্যাকসিন নিচের কোনটি?
  1. ক) এমআর ভ্যাকসিন
  2. খ) ডিপিটি ভ্যাকসিন
  3. গ) পিসিভি ভ্যাকসিন
  4. ঘ) বিসিজি ভ্যাকসিন
ব্যাখ্যা
সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচিতে,
- বিসিজি ভ্যাকসিন দেওয়া হয় যক্ষ্মার বিরুদ্ধে।
- ডিপিটি ভ্যাকসিন দেওয়া হয় ধনুষ্টংকার, ডিপথেরিয়া ও হুপিং কাশির বিরুদ্ধে।
- এমআর ভ্যাকসিন দেওয়া হয় হাম ও রুবেলার বিরুদ্ধে।
- পিসিভি ভ্যাকসিন দেওয়া হয় নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়ার বিরুদ্ধে।
সূত্র: www.dghs.gov.bd 
১,৯৮৫.
সমুদ্রের লবণাক্ততার প্রধান উৎস কোনটি?
  1. ক) নদী
  2. খ) ভূমি
  3. গ) আগ্নেয়গিরি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

সমুদ্রের পানিতে অনেক রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে যা সমুদ্রকে লবণাক্ত করে তোলে। তাদের অধিকাংশই পাহাড় ও মাটি থেকে দ্রবীভূত রাসায়নিক পদার্থ বহনকারী নদী সমুদ্রে নিয়ে যায়।
এর মাঝে অন্যতম হলো সোডিয়াম ক্লোরাইড, যাকে আসলে লবণ বলা হয়।

১,৯৮৬.
কৃষ্ণ গহ্বরের চারপাশে যে অঞ্চলটি আলোকে আটকায়, তাকে কী বলা হয়?
  1. সিংগুলারিটি
  2. ইভেন্ট হরিজন
  3. মহাকর্ষীয় তরঙ্গ
  4. স্পেসটাইম
ব্যাখ্যা
• কৃষ্ণ গহ্বর:
- ১৯৬৯ সালে ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বর আবিষ্কার করেন মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার।
- কৃষ্ণগহবর বা কৃষ্ণবিবরে মহাকর্ষজনিত আকর্ষণ থাকে প্রবল।
- কৃষ্ণবিবরের আয়তন সসীম।
- ঘনত্ব, ভর, অভিকর্ষজ ত্বরণ, মুক্তিবেগ প্রায় অসীম।
- কৃষ্ণ গহ্বরের চারপাশে যে অঞ্চলটি আলোকে আটকায়, তাকে বলা হয় ইভেন্ট হরিজন।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৯৮৭.
নিচের কোনটি পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই সংঘটিত হয়?
  1. বন্যা
  2. ভূমিকম্প
  3. জলোচ্ছ্বাস
  4. ঘূর্ণিঝড়
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প: 
- পৃথিবীর ভেতরে হঠাৎ সৃষ্ট কোনো কম্পন যখন ভূপৃষ্ঠে আকস্মিক আন্দোলন সৃষ্টি করে, সেটাকেই ভূমিকম্প বলে। 
- ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড থেকে মিনিট খানেক পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে এবং পর্যায়ক্রমে একাধিকবার ঘটতে পারে। 
- ভূমিকম্প একটি ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যা মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে একটি দেশ বা অঞ্চল পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। 
- কোন ধরনের আগাম সতর্ক সংকেত ব্যতীত সংঘটিত দুর্যোগ হলো ভূমিকম্প। 
- ভূমিকম্প সংঘটনের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল চিহ্নিত করা সম্ভব হলেও ভূমিকম্প সংঘটনের পূর্বে সতর্কতা প্রাপ্তি এখনো সম্ভব হয়নি। 
- অন্যদিকে বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস ক্ষেত্রে পূর্বাভাস পাওয়া যায়। 

উৎস:
ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যাল এবং বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৯৮৮.
নিম্নের কোন টিকা শিশুকে প্রথম দিতে হয়?
  1. পেন্টাভ্যালেন্ট ভ্যাকসিন
  2. বিসিজি
  3. পিসিভি ভ্যাকসিন
  4. ওপিভি
ব্যাখ্যা

রোগের নাম -- টিকার নাম -- ডোজের সংখ্যা -- টিকা শুরু করার সঠিক সময়

১. যক্ষা --- বিসিজি ---  ১ ডোজ --- জন্মের পর থেকে

২. ডিফথেরিয়া, হুপিংকাশি,
ধনুষ্টংকার, হেপাটাইটিস-বি
হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি -- পেন্টাভ্যালেন্ট ভ্যাকসিন (ডিপিটি, হেপাটাইটিস-বি) -- ৩ ডোজ -- ৬ সপ্তাহ

৩. নিউমোকক্কাল নিঊমোনিয়া - পিসিভি ভ্যাকসিন - ৩ ডোজ - ৬ সপ্তাহ

৪. পোলিও মাইলাইটিস -- ওপিভি -- ৪* ডোজ -- ৬ সপ্তাহ

৫. হাম ও রুবেলা - এম.আর টিকা - ১ ডোজ - ৯ মাস বয়স পূর্ণ হলে

উৎস: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট।
১,৯৮৯.
ডেঙ্গু জ্বরের বাহক কোনটি?
  1. Anopheles stephensi
  2. Culex quinquefasciatus
  3. Aedes aegypti
  4. Mansonia uniformis
ব্যাখ্যা

◉ Aedes aegypti হলো ডেঙ্গু ভাইরাসের প্রধান বাহক। 

ডেঙ্গু জ্বর:
- ডেঙ্গু একটি ভাইরাসঘটিত রোগ।
- এই ভাইরাসের জীবাণুর নাম ফ্ল্যাভি ভাইরাস।
- এটি একটি RNA ভাইরাস।
- এই ভাইরাসের বাহক হলো Aedes aegypti L. ও Aedes albopictus নামক মশকী (স্ত্রী মশা)।
- এর পোষক দেহ হলো মানুষ।
- প্রতি বছর সারা বিশ্বে প্রায় ১০ কোটি মানুষ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়।
- ডেঙ্গু জ্বরে ১০৩-১০৫° ফারেনহাইট হয়ে থাকে।
- সাধারণত ডেঙ্গু মশা কামড়ানোর ২-৭ দিন পর জ্বর দেখা দেয়।
- ডেঙ্গু জ্বরে রোগীর তীব্র মাথা ব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, পেট ব্যাথা, কপাল ব্যথা ও গলা ব্যথা হয়।
- মেরুদণ্ডের ব্যথাসহ কোমরে ব্যথা এই রোগের বিশেষ লক্ষণ। একে হাড়ভাঙ্গা জ্বর বলে।
- প্লেটিলেট পরীক্ষায় রক্তের অনুচক্রিকার সংখ্যা ১৫০০০০/mm৩ এর অনেক নিচে নেমে আসে।
- ডেঙ্গু জ্বরে রোগীকে এসপিরিন জাতীয় ওষুধ দেয়া যাবে না।
- ব্যথা ও জ্বর কমানোর জন্য প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ দিতে হবে।

উৎস: জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।

১,৯৯০.
সুনামির প্রধান কারণ কোনটি? 
  1. ঘূর্ণিঝড় 
  2. জোয়ার-ভাটার প্রভাব 
  3. সমুদ্রতলের ভূমিকম্প 
  4. সমুদ্রের ঢেউ
ব্যাখ্যা

সুনামি: 
- Tsunami একটি জাপানি শব্দ। 
- যার ‘সু’ অর্থ বন্দর এবং ‘নামি’ অর্থ ঢেউ। 
অর্থাৎ সুনামি শব্দের অর্থ হলো বন্দরের ঢেউ। 
- এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। 
- সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস এবং নভোজাগতিক ঘটনা ইত্যাদি সুনামি সৃষ্টি করতে পারে। 
- সুনামিকে পৃথিবীর তৃতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। 
- সুনামি প্রাকৃতিক দুর্যোগটি শুধুমাত্র সাগরে সংঘটিত হয়। 
- সাধারণত সমুদ্রের তলদেশে একটা ভূমিকম্প হলে সুনামি তৈরি হয়। 
- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর স্বরণকালের ভয়ঙ্কর একটি প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঘটে। 
- ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছাকাছি ভারত মহাসাগরের তলদেশে সৃষ্টি হয়েছিল ট্রাক্টনিক ভূমিকম্প। 
- অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় সুনামি তার শক্তি হারায়। 
- বঙ্গোপসাগরে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত অগভীর পানি বাংলাদেশকে সুনামির কবল থেকে রক্ষা করে থাকে। 
 
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৯৯১.
রিবন রেটিং কোন ফসলের সাথে সম্পর্কিত?
  1. আখ
  2. তুলা
  3. তামাক
  4. পাট
ব্যাখ্যা
রিবন রেটিং:
- রিবন রেটিং পদ্ধতি স্বল্প পানি এলাকায় পাট পচানোর জন্য লাগসই প্রযুক্তি। 
- পাট আঁশের গুণগত মান নির্ভর করে এর পচন প্রক্রিয়ার উপর।
- বাংলাদেশের যে সমস্ত অঞ্চলে প্রচুর পাটের আবাদ হয় অথচ পাট জাগ দেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পরিমাণ পানি পাওয়া যায় না সে সমস্ত অঞ্চলের জন্য রিবন রেটিং পদ্ধতিই পাট পচানোর জন্য উত্তম ও লাগসই প্রযুক্তি।
- স্বল্প পানি এলাকায় পাট পচন সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করার উদ্দেশ্যে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট স্বল্প পানি এলাকার পাট চাষিদের জন্য রিবন রেটিং (পাটের ছালকরণ ও পচন) প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে।
- এ পদ্ধতিতে পুরো পাট গাছ না পচিয়ে কাঁচা গাছ হতে প্রথমে ছাল বা বাকল ছাড়িয়ে নেয়া হয়।
- সেই ছাল আগে থেকে তৈরি করা মাটির গর্তে বা চাড়িতে রক্ষিত পানিতে পচানো হয়।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)
১,৯৯২.
কত উপায়ে পরিবেশ দূষণ ঘটে থাকে?
  1. ক) দুই উপায়ে
  2. খ) তিন উপায়ে
  3. গ) চার উপায়ে
  4. ঘ) পাঁচ উপায়ে
ব্যাখ্যা
পরিবেশ দূষণ প্রধানত চার প্রকারের হয়ে থাকে। যথা- পানি দূষণ, বায়ু দূষণ, মাটি দূষণ এবং শব্দ দূষণ। 

- আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে থাকা পারিপার্শিক অবস্থা দূষিত হলে তাকে পরিবেশ দূষণ বলে।
- দূষণকে বিভিন্নভাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়। যা নিম্নরূপ:
১. বায়ু দূষণ :বিশুদ্ধ বাতাসে ক্ষতিকারক পদার্থ বা বিষাক্ত গ্যাস, অণুজীব, কার্বন ডাই অক্সাইডের মিশ্রণকে বায়ু দূষণ বলে। বায়ু দূষণ সবচেয়ে জটিল অবস্থার একটি।
২. পানি দূষণ : বিশুদ্ধ পানিতে অজৈব ও জৈব এবং ক্ষতিকারক উপাদানের উপস্থিতিকে পানি দূষণ বলে।
৩. মাটি দূষণ: মাটির দূষণ হল মাটির ভৌত, রাসায়নিক এবং জৈবিক বৈশিষ্ট্যের এমন একটি পরিবর্তন যার কারণে এটি মানুষ এবং অন্যান্য জীবকে প্রভাবিত করে।
৪. পানি দূষণ: অপ্রয়োজনীয় ও অবাঞ্ছিত শব্দ যা পরিবেশে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে তাকে শব্দ দূষণ বলে।

পরিবেশ দূষণের কারণসমূহ-
- বায়ু দূষণ বৃদ্ধির প্রধান কারণ গাছ কাটা।
- বড় বড় কারখানার ধোঁয়ায় এবং যানবাহনে ব্যবহৃত জ্বালানির কারণেও বায়ু দূষণ বেড়ে যায়।
- বড় বড় কারখানার ধোঁয়ায় বায়ু দূষণও অনেক বেড়ে যায়।
- কীটনাশক, বর্জ্য ও নর্দমা সঠিক জায়গায় না ফেলে বিশুদ্ধ নদী, জলাশয়, হ্রদে ফেলা হয়। যার কারণে বিশুদ্ধ পানি ও মাটি দূষিত হচ্ছে।
- শহরগুলোর জনসংখ্যা ও নগরায়ণ জনসংখ্যা যেমন বাড়ছে, শিল্পায়নও বাড়ছে।
- বৃহৎ মহাসাগরে খনিজ তেল ফুটো হওয়া
- বিভিন্ন কারখানায় উৎপাদন বাড়ছে। এর পাশাপাশি, মেশিন, উড়োজাহাজের, লাউডস্পিকার দ্বারা সৃষ্ট শব্দ শব্দ দূষণের প্রধান কারণ।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
১,৯৯৩.
হেনরি বেকরেল কোন সালে ইউরেনিয়ামের তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন?
  1. ১৮৮৮ সালে
  2. ১৮৯২ সালে
  3. ১৮৯৪ সালে
  4. ১৮৯৬ সালে
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তা (Radioactivity): 
- হেনরি বেকরেল ১৮৯৬ সালে ইউরেনিয়ামের তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন। 
- তিনি দেখেন যে, ইউরেনিয়ামের সকল যৌগ নিজের থেকেই অস্বচ্ছ কালো কাগজে মোড়া ফটোগ্রাফিক প্লেটকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, এর জন্য বাহ্যিক কোনো শক্তির সাহায্যে উদ্দীপ্ত করতে হয় না। 
- পরবর্তিতে মেরি কুরি এবং পিয়েরে কুরি ইউরেনিয়াম আকরিক থেকে পোলোনিয়াম ও রেডিয়াম নিস্কাশন করেন, এদের তেজস্ক্রিয়তা কয়েক হাজার গুণ বেশি। 
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ হতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরাম এক রহস্যময়ী কণা এবং রশ্মি নির্গত হয়, এই প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- কোনো অস্থায়ী নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিকিরণ নিঃসরণের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বা তেজস্ক্রিয় ক্ষয় বলে। 
- তেজস্ক্রিয় বিকিরণকে তেজস্ক্রিয় রশ্মি বলে। 
- তেজস্ক্রিয় মৌলের যে পরমাণুর তেজস্ক্রিয় ক্ষয় ঘটে তাকে জনক পরমাণু বলে। 
- নিউক্লিয়াসে থেকে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হবার পর যে পরমাণুটি পড়ে থাকে তাকে দুহিতা পরমাণু বলে। 

তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য: 
১। তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফূর্ত বিরামহীন ঘটনা। 
২। তেজস্ক্রিয় পদার্থের রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটলেও তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা অপরিবর্তিত থাকে অর্থাৎ কোনো মৌলের যেকোনো যৌগের তেজস্ক্রিয় ধর্ম অভিন্ন। 
৩। এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া। 
৪। তেজস্ক্রিয়তা তেজস্ক্রিয় পদার্থের তাপমাত্রা, চাপ, রাসায়নিক সংযোগ, আলো, তড়িৎক্ষেত্র, চৌম্বকক্ষেত্র ইত্যাদির উপর নির্ভর করে না। 
৫। তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তিস্থল পদার্থের নিউক্লিয়াসে। 
৬। তেজস্ক্রিয়তার বিকিরণ ধনাত্মক চার্জ যুক্ত কণা, ঋণাত্মক চার্জ যুক্ত কণা ও তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ প্রবাহের সমষ্টি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৯৪.
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসা কর্তৃক প্রদত্ত তথ্য মতে পৃথিবীর বর্তমান গড় তাপমাত্রা কত ডিগ্রী সেলসিয়াস?
  1. ১০
  2. ১২
  3. ১৫
  4. ১৯
ব্যাখ্যা
সৌরজগতের তাপমাত্রা:

- প্রতিটি গ্রহের গড় তাপমাত্রা একটি গ্রহ সূর্য থেকে যত দূরে থাকে গ্রহের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ততই শীতল হতে থাকে।
- শুক্র ব্যতিক্রম, কারণ সূর্যের সান্নিধ্য এবং এর ঘন বায়ুমণ্ডল এটিকে আমাদের সৌরজগতের উষ্ণতম গ্রহ করে তোলে।
- আমাদের সৌরজগতের গ্রহগুলির গড় তাপমাত্রা হল:
• বুধ: ১৬৭° সেলসিয়াস।
• শুক্র: ৪৬৪° সেলসিয়াস।
• পৃথিবী: ১৫° সেলসিয়াস।
• মঙ্গল: -৬৫° সেলসিয়াস।
• বৃহস্পতি: -১১০° সেলসিয়াস।
• শনি: -১৪০°C
• ইউরেনাস: -১৯৫° সেলসিয়াস।
• নেপচুন: -২০০° সেলসিয়াস।
• বামন গ্রহ প্লুটো: -২২৫° সেলসিয়াস।

তথ্যসূত্র - নাসা ওয়েবসাইট।
১,৯৯৫.
হিগস্‌ বোসন কণা কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
  1. ২০০৪ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৪ সালে
  4. ২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা
• হিগস বোসন (Higgs Boson):
- হিগস বোসন কণা আবিষ্কৃত হয় ৪ জুলাই ২০১২ সালে।
কণাটি ২০১২ সালের ৪ জুলাই আবিষ্কৃত হয়।
- সুইজারল্যান্ডের ইউরোপীয় কণা পদার্থবিজ্ঞান গবেষণাগার CERN-এ অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী কণা ত্বরক 'লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার' (LHC)-এর গবেষকদের দ্বারা।
- এই হিগস বোসনই ঈশ্বর কণা (God's Particle) নামে পরিচিত।

হিগস বোসন কণার বৈশিষ্ট্য:
- হিগস বোসন এর স্পিন ০, তবে এর ভর আছে।
- হিগস বোসন বুঝতে হলে হিগস ক্ষেত্র সম্বন্ধে জানতে হবে।
- হিগস ক্ষেত্র একটি তাত্ত্বিক বলক্ষেত্র যা সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। এই ক্ষেত্রের কাজ হলো মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করা।
- যখন কোনো ভরহীন কণা হিগস ক্ষেত্রে প্রবেশ করে তখন তা ধীরে ধীরে ভর লাভ করে। ফলে তার চলার গতি ধীর হয়ে যায়।
- হিগস বোসনের মাধ্যমে ভর কণাতে স্থানান্তরিত হয়।
- হিগস ক্ষেত্র ভর সৃষ্টি করে না, তা কেবল ভর স্থানান্তরিত করে হিগস বোসনের মাধ্যমে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও Space.com website.
১,৯৯৬.
গ্রীনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় কত ঘণ্টা আগে? 
  1. ৩ ঘণ্টা
  2. ৪ ঘণ্টা
  3. ৫ ঘণ্টা
  4. ৬ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
গ্রীনিচ মান সময়: 
- গ্রীনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় ৬ ঘণ্টা আগে। 
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে। 
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রীনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রীনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা। 
- গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচের থেকে এগিয়ে থাকে। 
- গ্রীনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৯৯৭.
লিউকেমিয়া রোগে দেহের কোন অঙ্গটি আক্রান্ত হয়?
  1. ক) মস্তিস্ক
  2. খ) কিডনী
  3. গ) অস্থিমজ্জা
  4. ঘ) হৃদপিণ্ড
ব্যাখ্যা
লিউকেমিয়া রোগে দেহের অস্থিমজ্জা অঙ্গটি আক্রান্ত হয়। 

- লিউকেমিয়াকে রক্তের ক্যান্সার ও বলা হয়ে থাকে। 
- লিউকেমিয়া হল রক্ত উৎপাদন ব্যবস্থার একটি অস্বাভাবিকজনিত একটি রোগ। 
- দেহে যখন অস্বাভাবিকভাবে শ্বেত কণিকার বৃদ্ধি ঘটে, তখন এ রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
- লোহিত রক্তকোষের অভাবে অক্সিজেনের ঘাটতি হয়, ফলে রোগী দুর্বল বোধ করে।
- অনুচক্রিকার অভাবে দেহে রক্ত জমাট বাঁধতে পারে না। 
- লিউকেমিয়া দ্বারা আক্রান্ত হলে, অন্যান্য রোগজীবাণু দ্বারা সহজেই আক্রান্ত হয়।

সূত্র- ১৫৪ পৃষ্ঠা, জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৯৯৮.
ক্যাথোড রশ্মি ব্যবহার হয়-
  1. ক) রাস্তায় বাতি জ্বালাতে
  2. খ) অসিলোস্কোপে
  3. গ) চিকিৎসা শাস্ত্রে
  4. ঘ) দোকানে নিয়ন বাতি জ্বালাতে
ব্যাখ্যা
• ক্যাথোড রশ্মি ব্যবহার হয় অসিলোস্কোপে।

ক্যাথোড রশ্মি: ঋণাত্মক ইলেকট্রোনকে ক্যাথোড বলে এবং ধনাত্মক ইলেকট্রোনকে এনোড বলে।
- সামনে ধাতব বা অনুরূপ বস্তু রাখলে প্রতিপ্রভ পর্দায় এ বস্তুর আকৃতি অন্ধকার ও কম উজ্জ্বল দেখায়।
- চলমান ইলেকট্রন বীম বিদ্যুৎ কারেন্ট হিসেবে গমন করে বলে তার চতুর্দিকে চুম্বকীয় ক্ষেত্র তৈরি হয়।
- অতএব চলমান ইলেকট্রন বীমের চতুর্দিকে তড়িৎক্ষেত্র ও চুস্বকীয় ক্ষেত্র ব্যবহার করে ইলেকট্রন বীমের বিসরণ ঘটানো যায়।
- ফলে প্রতিপ্রভ পর্দায় ইচ্ছামত উজ্জ্বল রেখা তৈরি করা যায়।
- অসিলোস্কোপ, কম্পিউটার মনিটরে চলমান ইলেক্ট্রন বীমকে ক্যাথোড রশ্মি হিসাবে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান-২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৯৯.
নিচের কোনটি সাময়িক বায়ু?
  1. মৌসুমি বায়ু
  2. অয়ন বায়ু
  3. মেরু বায়ু
  4. পশ্চিমা বায়ু
ব্যাখ্যা

বায়ুপ্রবাহের প্রকারভেদ:
- বায়ুপ্রবাহ মূলত চার প্রকার। যথা-
# নিয়মিত বায়ু।
# স্থানীয় বায়ু।
# সাময়িক বায়ু।
# অনিয়মিত বায়ু।

• নিয়ত বায়ুপ্রবাহ তিন প্রকার। যথা-
# অয়ন বায়ু।
# মেরু বায়ু।
# পশ্চিমা বায়ু।

• সাময়িক বায়ু প্রধানত দুই প্রকার। যথা-
# স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ু।
# মৌসুমি বায়ু।

• স্থানীয় বায়ু হলো দুই প্রকার। যথা-
# পার্বত্য বায়ু।
# উপত্যকা বায়ু।

• অনিয়মিত বায়ু দুই প্রকার। যথা-
# ঘূর্ণিবাত বায়ু।
# প্রতীপ ঘূর্ণিবাত বায়ু।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,০০০.
কোন প্রাকৃতিক ঘটনার ফলে সুনামি সৃষ্টি হতে পারে? 
  1. ভূমিকম্প 
  2. অগ্ন্যুৎপাত 
  3. ভূমিধ্বস 
  4. সবগুলোই 
ব্যাখ্যা

সুনামি (Tsunami): 
- সুনামি এটি জাপানী শব্দ, যার আক্ষরিক অর্থ 'পোতাশ্রয়ের ঢেউ' (Harbour Wave)। 
- সমুদ্র বা বৃহদাকার হ্রদের তলদেশে ইত্যাদি ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত প্রাকৃতিক কারণ ও পারমানবিক বা অন্য কোনো কারণে বিস্ফোরণের ফলে উঁচু ও বিশালাকার ঢেউ উপকূলে আঘাত হানে, এই ঢেউগুলো সুনামি নামে পরিচিত। 
- ক্রমাগত একের পর এক ঢেউ আসতে থাকায় সুনামি-কে ওয়েভ ট্রেন (Wave Train) বা ঢেউ-এর রেলগাড়ি নামেও অভিহিত করা হয়। 
- ২০০৪ সালের ২৬ শে ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরে জাভা দ্বীপের নিকটবর্তী অঞ্চলে সৃষ্ট সমুদ্র তলদেশীয় ভূমিকম্পের ফলে ব্যাপক সুনামি আঘাত হানে, যার ফলে মোট ১৪টি দেশে ব্যাপক প্রাণহানি ও আর্থ-সামাজিক ক্ষয়ক্ষতি সংঘটিত হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।